বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১১৪ / ১৫৫ · ১১,৩০১১১,৪০০ / ১৫,৪৭০

১১,৩০১.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে কয়টি নীতি রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি হবে?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি কি সেটা আলোচনা করা হয়েছে। ২৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে, নিম্নলিখিত ৪টি নীতি রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি হবে-
১. জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা,
২. অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা,
৩. আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং
8. আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা।

আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন করতে উপরে উল্লেখিত নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র-
ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবে;
খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবে; এবং
গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবে

Article 25: Promotion of international peace, security and solidarity
The State shall base its international relations on the principles of respect for national sovereignty and equality, non interference in the internal affairs of other countries, peaceful settlement of international disputes, and respect for international law and the principles enunciated in the United Nations Charter, and on the basis of those principles shall – 
(a) strive for the renunciation of the use of force in international relations and for general and complete disarmament; 
(b) uphold the right of every people freely to determine and build up its own social, economic and political system by ways and means of its own free choice; and 
(c) support oppressed peoples throughout the world waging a just struggle against imperialism, colonialism or racialism.
১১,৩০২.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ কত ধারায় ভিকটিমকে ক্ষতিপূরণ আদায়ে দেওয়ানী মামলা রুজু করিবার অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. ৪০ ধারায়
  2. ৩৮ ধারায়
  3. ৩৯ ধারায়
  4. ৩৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৯- ক্ষতিপূরণ আদায়ে দেওয়ানী মামলা রুজু করিবার অধিকার:

ফৌজদারী মামলা রুজু করিবার অধিকার অক্ষুণ্ন রাখিয়া এবং দায়েরকৃত কোন ফৌজদারী মামলার পাশাপাশি, ভিকটিম বা পাচারের শিকার ব্যক্তি এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের ফলে সৃষ্ট তাহার প্রকৃত ক্লেশ (sufferance) বা আইনগত ক্ষতির (legal injury) জন্য বা উক্ত অপরাধের সহিত সম্পৃক্ত কোন চুক্তি লংঘনের জন্য দেওয়ানী আদালতে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করিতে পারিবে।
১১,৩০৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৫ অনুসারে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের উপায় কোনটি?
  1. রিসিভার নিয়োগ
  2. কাজ করতে বাধ্য করা
  3. অধিকার নির্ণয় ও ঘোষণা
  4. উপরের সবকয়টি উপায়ে
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি উপায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি উপায়ে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৫ অনুসারে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার নিম্নলিখিত পাঁচটি উপায়ে প্রদান করা হয়:
- সম্পত্তির দখল গ্রহণ ও প্রদান
- কাজ করতে বাধ্য করা (খ অপশন)
- কাজ করা থেকে বিরত রাখা
- অধিকার নির্ণয় ও ঘোষণা (গ অপশন)
- রিসিভার নিয়োগ (ক অপশন)
যেহেতু ক, খ ও গ - সবকয়টি অপশনই ধারা ৫-এর অন্তর্ভুক্ত, তাই সঠিক উত্তর হল ঘ) উপরের সবকয়টি উপায়ে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
---------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 5. Specific relief how given:
- Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.

১১,৩০৪.
দণ্ডবিধির ১১৭ ধারা অনুযায়ী, কতজন ব্যক্তি দ্বারা অপরাধ সংঘটনে সাহায্য করলে এই ধারাটি প্রযোজ্য হবে?
  1. পাঁচজনের অধিক
  2. দশজনের অধিক
  3. সাতজন বা তার অধিক 
  4. যেকোনো সংখ্যক
সঠিক উত্তর:
দশজনের অধিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দশজনের অধিক
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১১৭ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, এই ধারাটি তখনই প্রযোজ্য হবে যখন কোন ব্যক্তি "জনসাধারণ" বা "দশজনের অধিক সংখ্যক ব্যক্তি বা শ্রেণির লোক" দ্বারা কোনো অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা বা সাহায্য (Abetment) করে।
- অর্থাৎ দণ্ডবিধি ১১৭ ধারার অনুযায়ী, জনসাধারণ বা দশজনের অধিক ব্যক্তি দ্বারা কোনো অপরাধ সংঘটনে সাহায্য বা উস্কানি দিলে এই ধারা প্রযোজ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১১৭ ধারার বিধান জনসাধারণ বা দশজনের অধিকসংখ্যক ব্যক্তি দ্বারা অপরাধ সংঘটনে সাহায্যকরণ:
- জনসাধারণ দ্বারা অথবা দশজনের অধিক সংখ্যক ব্যক্তি বা ব্যক্তিগোষ্ঠী দ্বারা অপরাধ সংঘটনে কেউ সাহায্য করলে তাকে তিন বৎসর পর্যন্ত কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে অথবা জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
-----------
⇒ The Penal Code,1860- Section 117: Abetting commission of offence by the public, or by more than ten persons: 
- Whoever abets the commission of an offence by the public generally or by any number or class of persons exceeding ten, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

১১,৩০৫.
সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রমের সঠিক ধাপ কোনটি?
  1. জেরা → পুনঃজবানবন্দি → জবানবন্দি গ্রহণ
  2. পুনঃজবানবন্দি → জবানবন্দি গ্রহণ → জেরা
  3. জবানবন্দি গ্রহণ → জেরা → পুনঃজবানবন্দি
  4. জেরা → জবানবন্দি গ্রহণ → পুনঃজবানবন্দি
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দি গ্রহণ → জেরা → পুনঃজবানবন্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দি গ্রহণ → জেরা → পুনঃজবানবন্দি
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩৮: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুন:জবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুন: জবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।

Order of examinations:
Witnesses shall be first examined-in-chief, then (if the adverse party so desires) cross-examined, then (if the party calling him so desires) re-examined. 
The examination and cross-examination must relate to relevant facts but the cross-examination need not be confined to the facts to which the witness testified on his examination-in-chief.
১১,৩০৬.
কোন বিষয়ে আদালত Leading Question করার অনুমতি দিতে পারেন?
  1. Introductory
  2. Controversial
  3. Admitted
  4. Disputed
সঠিক উত্তর:
Introductory
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Introductory
ব্যাখ্যা
♦১৪২ ধারা অনুযায়ী জবানবন্দি এবং পুনঃজবানবন্দির সময় আদালত ৩টি ক্ষেত্রে Leading Question করার অনুমতি  দিতে পারেন। তা হলো পরিচয়মূলক(Introductory) , অবিতর্কিত কিংবা যথেষ্টরুপে প্রমাণিত।
১১,৩০৭.
The Limitation Act-1908 অনুযায়ী দায়রা আদালত কোনো ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করলে এর বিরুদ্ধে আাপিল করার সময়সীমা কত?
  1. ১ মাস
  2. ১৪ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ৩ মাস
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনে ১৫০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মৃত্যুদন্ডাদেশ এর বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে বা হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে দণ্ডাদেশের দিন থেকে সাত দিনের মধ্যে।
১১,৩০৮.
The Specific Relief Act, 1877-এর অধীনে কয়ভাবে Specific Relief প্রদান করা হয়?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877-এর অধীনে ৫ ভাবে Specific Relief প্রদান করা হয়। 

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-

(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
-----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 5 Specific relief how given: Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
১১,৩০৯.
ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন যে স্থানে বসবে, সেই স্থান কি ধরনের আদালত হিসাবে গণ্য হবে?
  1. গোপন আদালত
  2. নিরাপদ আদালত
  3. উন্মুক্ত আদালত
  4. বন্ধ আদালত
সঠিক উত্তর:
উন্মুক্ত আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্মুক্ত আদালত
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।

Section 352: Courts to be open-
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.
১১,৩১০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১২৫ এর অধীন কাদেরকে অপরাধের সংঘটনের তথ্যের উৎস জানাতে বাধ্য করা যাবে না?
  1. যেকোন সরকারি কর্মকর্তা
  2. শুধুমাত্র পুলিশ কর্মকর্তা
  3. শুধুমাত্র ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশ কর্মকর্তা উভয়কে
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশ কর্মকর্তা উভয়কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশ কর্মকর্তা উভয়কে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২৫ ধারা:
কোনো ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তাকে এই প্রশ্ন করতে বাধ্য করা যাবে না যে তিনি কোনো অপরাধের সংঘটনের তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, এবং কোনো রাজস্ব কর্মকর্তাকেও এই প্রশ্ন করতে বাধ্য করা যাবে না যে তিনি কোনো রাজস্ব সংক্রান্ত অপরাধের তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন।

ব্যাখ্যা: এই ধারায় "রাজস্ব কর্মকর্তা" বলতে বোঝানো হয়েছে রাজস্বের যেকোনো শাখায় নিযুক্ত যেকোনো কর্মকর্তাকে।

Section 125: Information as to commission of offences-
No Magistrate or Police-officer shall be compelled to say whence he got any information as to the commission of any offence, and no Revenue-officer shall be compelled to say whence he got any information as to the commission of any offence against the public revenue.
Explanation.–"Revenue-officer" in this section means any officer employed in or about the business of any branch of the public revenue.
১১,৩১১.
অপরাধ সংঘটনের সময় অপরাধীর অপরাধী মন বা উদ্দেশ্যকে কী বলা হয়?
  1. Actus reus
  2. Corpus delicti
  3. Mens rea
  4. Nulla poena
সঠিক উত্তর:
Mens rea
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mens rea
ব্যাখ্যা
কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করতে প্রধানত ২টি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়।
(i) দোষযুক্ত মন বা অপরাধী মন [Mens Rea] এবং
(ii) দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য [Actus Rea]।

⇒ 'Actus reas' এর আভিধানিক অর্থ 'দোষাবহ কার্য'। এটি অপরাধের একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান যা কাউকে দোষী সাব্যস্ত করার পূর্বে অবশ্যই প্রমাণ করতে হয়। 'Actus reas' অভিযুক্ত ব্যক্তির মানসিক অবস্থার তুল্য নয়; অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটা হবে নিছক একটি কার্য, যেমন- সম্পত্তি আত্মসাৎ করা চুরিরূপ কার্য এবং এর সাথে সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতি- যেমন, সম্পত্তিটির মালিক ব্যতীত অন্য কেউ যুক্ত থাকবে।

⇒ 'Mens rea' শব্দের অর্থ ‘অপরাধী মন বা দোষযুক্ত মন' (guilty mind). অপরাধ সংঘটনের সময়ে আসামীর মনের অবস্থা “Mens rea' নামে পরিচিত। এটা ‘অপরাধীর দুষ্টমন' নামেও পরিচিত। একজন অপরাধী শুধু তার অপরাধজনক কার্যের জন্যই দায়ী হয় না বরং সে তার কার্যের সাথে তার অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যের জন্যই বিশেষভাবে দায়ী হয়ে থাকে। এই অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে বলা হয় mens rea বা guilty mind.

অন্যদিকে,
⇒ Corpus delicti:
এটি ল্যাটিন শব্দ, যার অর্থ "অপরাধের দেহ" বা "body of the crime"। এটি মূলত সেই প্রমাণকে নির্দেশ করে, যা প্রমাণ করে যে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, হত্যার মামলায় Corpus delicti হলো মৃতদেহ এবং অন্যান্য প্রমাণ যা প্রমাণ করে যে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

⇒ Nulla poena:
Nulla poena sine lege ল্যাটিন ভাষায় একটি আইনি নীতি, যার অর্থ "কোনো শাস্তি ছাড়া আইন নয়" বা "no penalty without a law"। এর মানে হলো, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এমন অপরাধের জন্য শাস্তি দেওয়া যাবে না, যা ঘটনার সময় কোনো বিদ্যমান আইন দ্বারা শাস্তিযোগ্য ছিল না। এটি আইনের শাসনকে নিশ্চিত করে এবং রেট্রোস্পেকটিভ বা পূর্ববর্তী অপরাধের শাস্তির বিরুদ্ধে সুরক্ষা প্রদান করে।
১১,৩১২.
দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় কোন বিষয়টি গুরুত্ব পায়?
  1. ব্যক্তিগত অভিপ্রায়
  2. সাধারণ অভিপ্রায়
  3. হঠাৎ অপরাধ সংঘটন
  4. একক অপরাধী দ্বারা সংঘটিত অপরাধ
সঠিক উত্তর:
সাধারণ অভিপ্রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ অভিপ্রায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় সাধারণ অভিপ্রায় (Common Intention) একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যখন একাধিক ব্যক্তি একটি অপরাধ সংঘটনের জন্য একত্রিত হয় এবং তারা একই উদ্দেশ্য (অভিপ্রায়) বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে, তখন প্রত্যেক ব্যক্তি সেই অপরাধের জন্য সমানভাবে দায়ী হন, যদিও অপরাধটি প্রত্যেকে ব্যক্তিগতভাবে সম্পাদন না করে থাকে।
এই ধারার প্রয়োগের জন্য নিম্নলিখিত শর্তগুলো পূরণ হতে হবে—
- একাধিক ব্যক্তি (কমপক্ষে ২ জন বা তার বেশি) অপরাধে অংশগ্রহণ করবে।
- সাধারণ অভিপ্রায়ের (common intention) উপস্থিতি থাকতে হবে।
- অপরাধ সংঘটিত করতে সকলে মিলিতভাবে কাজ করবে।
এটি ব্যক্তিগত অভিপ্রায়ের (Individual Intention) উপর নির্ভর করে না, বরং সকলের সম্মিলিত পরিকল্পনা ও উদ্দেশ্যই মূল বিবেচ্য বিষয়।

উদাহরণ:
ধরা যাক, ছয় ব্যক্তি পরিকল্পনা করে একটি বাড়িতে ডাকাতি করতে যায় এবং তাদের মধ্যে একজন খুন করে। যদি এটি প্রমাণিত হয় যে তারা একই অভিপ্রায়ে অপরাধ করেছিল, তবে প্রত্যেকে খুনের জন্য দায়ী হবে, যদিও খুনটি একজন ব্যক্তি সরাসরি করেছে।

সুতরাং, দণ্ডবিধির ৩৪ ধারা অনুযায়ী, সাধারণ অভিপ্রায় থাকা অপরাধীদের প্রত্যেককে এমনভাবে দায়ী করা হয় যেন সে এককভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছে।
১১,৩১৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার বিপরীত কোন ধারা?
  1. ২১ ধারা
  2. ২৬ ধারা
  3. ২৭ ধারা
  4. ২৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
২১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ১২ থেকে ৩০: চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন-

পক্ষগণ যে কাজ করতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন আদালত পক্ষগনকে তাদের দ্বায়িত্ব ও কর্তব্য অনুসারে সে কাজ সম্পাদনের আদেশ প্রদান করলে তাকে বলা যায় চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন।
উল্লেখ্য যে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, চুক্তি কার্যকর, চুক্তি বলবৎ, চুক্তি প্রবল ( Specific Performance of contract) শব্দগুলো একই অর্থ বহন করে। অনেকে এগুলো গুলিয়ে ফেলতে পারেন তাই উল্লেখ করা হলো।

১২ ধারার বিপরীতে ২১ ধারাতে উল্লেখ রয়েছে ৮ টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। অর্থাৎ যেসকল চুক্তি সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করা যায়, তার উল্লেখ আছে ১২ ধারায় (৪ টি ক্ষেত্র)। যেসকল চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না, তার উল্লেখ আছে ২১ ধারায় (৮ টি ক্ষেত্রে)।
১১,৩১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫২ ধারায় ফৌজদারি আদালতের কার্যক্রম সম্পর্কে কী বলা হয়েছে?
  1. আদালতের কার্যক্রম সর্বদা গোপন রাখতে হবে
  2. আদালতের কার্যক্রম সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে
  3. আদালতের কার্যক্রম শুধুমাত্র আইনজীবীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে
  4. শুধুমাত্র অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিবার আদালতে উপস্থিত থাকতে পারবে
সঠিক উত্তর:
আদালতের কার্যক্রম সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের কার্যক্রম সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে
ব্যাখ্যা
উত্তর: আদালতের কার্যক্রম সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির - ধারা ৩৫২ এর বিধান: আদালত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে: 
যে স্থানটি কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ফৌজদারি আদালত হিসেবে ব্যবহৃত হবে, সেটি উন্মুক্ত আদালত বলে গণ্য হবে, যেখানে সাধারণ জনগণ উপস্থিত হতে পারবে, যদি আদালতের কক্ষ বা স্থান তাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে স্থান ধারণ করতে সক্ষম হয়।
তবে শর্ত থাকে যে, বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রয়োজন মনে করেন, তাহলে তদন্ত বা বিচার কার্যক্রমের যে কোনো পর্যায়ে তিনি আদেশ দিতে পারেন যে—
সাধারণ জনগণ বা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি আদালতের সেই কক্ষে প্রবেশ করতে পারবে না বা সেখানে অবস্থান করতে পারবে না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 352: Courts to be open:-
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.
১১,৩১৫.
মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী নিকাহ রেজিস্ট্রার কে?
  1. আদালত কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি
  2. সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি
  3. স্বয়ং বিবাহ সম্পাদনকারী ব্যক্তি
  4. স্থানীয় কমিটি কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪-এর ধারা ৪ অনুযায়ী, সরকার বিবাহ নিবন্ধনের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগ করে। এই রেজিস্ট্রারগণ নির্দিষ্ট এলাকার জন্য সরকার কর্তৃক লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তি, যাদের দায়িত্ব হলো মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন করা।
সুতরাং, মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪ অনুসারে, নিকাহ রেজিস্ট্রার হলেন সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি।

⇒  মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪-এর ধারা ৪ এর বিধান নিকাহ রেজিস্ট্রার:
এই আইনের অধীন বিবাহ নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে সরকার প্রয়োজনীয় সংখ্যক ব্যক্তিকে, যাহারা নিকাহ রেজিস্ট্রার নামে অভিহিত হইবে, তাহাদের জন্য নির্ধারিত এলাকার জন্য লাইসেন্স প্রদান করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, কোন একটি এলাকার জন্য একাধিক নিকাহ রেজিস্ট্রার লাইসেন্সপ্রাপ্ত হইবেন না:
আরও শর্ত থাকে যে, সরকার যখনই উপযুক্ত মনে করিবে, তখনই নিকাহ রেজিস্ট্রারের জন্য নির্ধারিত এলাকার সীমা বৃদ্ধি, হ্রাস বা পরিবর্তন করিতে পারিবে।
---------- 
⇒ The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974-Section 4. Nikah Registrars:
For the purpose of registration of marriages under this Act, the Government shall grant licenses to such number of persons, to be called Nikah Registrars, as it may deem necessary for such areas as it may specify: 
Provided that not more than one Nikah Registrar shall be licensed for any one area : 
Provided further that the Government may, whenever it deems fit so to do, extend, curtail or otherwise alter the limits of any area for which a Nikah Registrar has been licensed.
১১,৩১৬.
আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন কালে আসামী (Guilty Plead) করায় আদালত আসামীকে দন্ড প্রদান করে। এই ক্ষেত্রে আসামীর–
  1. দণ্ডের পরিমাণ বা দণ্ডের বৈধতা বা যৌক্তিকতা বিষয়ে আপীল করতে পারবে
  2. দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলবে না
  3. দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলবে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ ধারামতে কোন আসামী অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে এবং উক্ত দোষ স্বীকারের উপর ভিত্তি করে আদালত তাকে কোন দন্ড দিলে উক্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবেনা।
তবে এক্ষেত্রে দোষ স্বীকারের উপর ভিত্তি করে দেয়া শাস্তির বৈধতা নিয়ে আপিল করা যেতে পারে।

♦Guilty Plead অর্থ হলো অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করা। আসামী অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে দন্ড দিলে সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না। Guilty Plead বা অভিযোগের সত্যতা স্বীকারের উপর ভিত্তি করে আসামীকে দন্ড দেওয়া হলে আসামী উক্ত দণ্ডের পরিমাণ এবং বৈধতা বা যৌক্তিকতা বিষয়ে আপীল করতে পারবে।
১১,৩১৭.
মিথ্যা অভিযোগের ক্ষেত্রে একজন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খালাসের আদেশ প্রদানের সময় নালিশকারীর বিরুদ্ধে জরিমানার আদেশ দিতে পারে, যা হবে অনধিক–
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১,০০০ টাকা
  3. ৩,০০০ টাকা
  4. ৫,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ২৫০ মতে যে অভিযোগকারী বা সংবাদদাতার বিরুদ্ধে মিথ্যা, তুচ্ছ বা বিরক্তিকর অভিযোগ দায়েরের জন্য চীফ জুডিশিয়াল/প্রথম/দ্বিতীয় ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ১০০০ টাকা ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারেন । অনাদায়ে অনধিক ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিতে পারেন। ♦তাছাড়া ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৬ মাসের জেল এবং অনধিক ৩০০০ টাকা জরিমানার আদেশ দিতে পারেন।
♦২৫০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ১০০০ টাকা ক্ষতিপূরণের ও অনধিক ৩০০০ টাকা জরিমানার আদেশ দিতে পারেন।
১১,৩১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তির সদাচরণের মুচলেকা দেয়ার আদেশ দিতে পারেন-
  1. জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
  2. ১ম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৮, ১০৯ এবং ১১০ ধারার অধীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন ব্যক্তি যেমন অভ্যাসগত দস্যু বা ভবঘুরে ব্যক্তিকে সদাচরনের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।
১১,৩১৯.
শিশু-আদালত বিচার প্রক্রিয়া সমাপ্ত হওয়ার কত কর্মদিবসের মধ্যে বিচারের ফলাফল সম্পর্কে প্রবেশন কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে অবহিত করবে?
  1. ৫ কর্মদিবসের মধ্যে
  2. ৭ কর্মদিবসের মধ্যে
  3. ১৪ কর্মদিবসের মধ্যে
  4. ১০ কর্মদিবসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৭ কর্মদিবসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ কর্মদিবসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• শিশু আইন,২০১৩ এর ধারা ৪০ এর বিধান অনুসারে, শিশু-আদালত বিচার প্রক্রিয়া সমাপ্ত হওয়ার ৭ কর্মদিবসের মধ্যে বিচারের ফলাফল সম্পর্কে শিশুর অভিভবক, আইনজীবী এবং প্রবেশন কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে অবহিত করবে

ধারা ৪০- বিচারের ফলাফল ও মুক্তি সম্পর্কে তথ্য:

(১) বিচার প্রক্রিয়া সমাপ্ত হইবার ৭ (সাত) কর্মদিবসের মধ্যে শিশু-আদালত বিচারের ফলাফল সম্পর্কে শিশু, শিশুর মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য, শিশুর আইনজীবী ও প্রবেশন কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে অবহিত করিবে। 
 
(২) কোন শিশু মুক্তিপ্রাপ্ত হইলে শিশু-আদালত তাহার মুক্তি প্রদানের তথ্য, তদ্‌কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে, অধিদপ্তর, প্রবেশন কর্মকর্তা বা আইনজীবীর মাধ্যমে অথবা সরাসরি উক্ত শিশু ও তাহার মাতা-পিতাকে এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্যকে অবহিত করিবে। 
 
(৩) কোন মামলায়, উপ-ধারা (২) এর অধীন, কোন শিশু মুক্তিপ্রাপ্ত হইলে এবং উক্ত মামলায় আইনের সংস্পর্শে আসা কোন শিশু জড়িত থাকিলে, শিশু-আদালত সংশ্লিষ্ট মুক্তি প্রদানের তথ্যটি, তদ্‌কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে, অধিদপ্তর, প্রবেশন কর্মকর্তা বা আইনজীবীর মাধ্যমে অথবা সরাসরি আইনের সংস্পর্শে আসা শিশু ও তাহার মাতা-পিতাকে এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্যকে অবহিত করিবে।
১১,৩২০.
মামলার যে-কোনো পর্যায়ে কোনো সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোনো প্রশ্নের উদ্ভব হলে আদালত _________ করতে পারবেন।
  1. পরিদর্শন
  2. অনুসন্ধান
  3. তদন্ত
  4. ক্রোক
সঠিক উত্তর:
পরিদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিদর্শন
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ১১ বিধি ১৮ মতেঃ পরিদর্শনের আদেশঃ (১) যেক্ষেত্রে ১৫ বিধি অনুসারে নোটিশ প্রাপ্ত পক্ষ পরিদর্শনের জন্য সময় নির্দেশ করে নোটিশ না দেয়, বা পরিদর্শনের সুযোগ প্রদানে আপত্তি করে, অথবা উকিলের কার্যালয় ব্যতিত অন্য কোন স্থানে পরিদর্শনে প্রস্তাব করে, সেক্ষেত্রে ইহা প্রত্যাশী পক্ষের আবেদনক্রমে আদালত সেরূপ স্থানে এবং পন্থায় পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন, যেরূপ তিনি সঙ্গত মনে করেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, আদালত যদি মনে করেন যে, মামলার সুষ্ঠু বিচারের জন্য বা মামলার খরচ বাচানোর জন্য ইহা প্রয়োজনীয় নহে, তবে আদালত সেরূপ আদেশ প্রদান করবেন না।
১১,৩২১.
According to Section 143: Leading questions may be asked in __________.
  1. re-examination
  2. cross-examination
  3. examination-in-chief
  4. all of above
সঠিক উত্তর:
cross-examination
উত্তর
সঠিক উত্তর:
cross-examination
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান- ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন:
প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।

অর্থাৎ, যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে।। সাধারণত 'হ্যা' অথবা 'না' এই দুই  ভাবে প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
 
১৪২ ধারার বিধান-
বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা চলিবে না।
 
১৪৩ ধারার বিধান-
জেরার ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা চলিবে।
[Leading questions may be asked in cross-examination.]
১১,৩২২.
মোকদ্দমায় নতুন বিবাদী সংযুক্ত করলে সংশোধন করতে হবে-
  1. আরজির ধারা
  2. লিখিত জবাব
  3. আরজি
  4. লিখিত জবাবের নকল
সঠিক উত্তর:
আরজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ১০ (২) আনুযায় আদালত পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারেন (Court may strike out or add parties): যদি সরল বিশ্বাসে ভুলের মাধ্যমে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা হয় বা মোকদ্দমার বিরোধের বিষয় নির্ধারণের জন্য প্রয়োজন হয় তাহলে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত অন্যায়ভাবে যুক্ত যে কোন পক্ষের নাম কাটতে পারবে এবং অন্য যে ব্যক্তির নাম যুক্ত করা উচিত অথবা মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করার জন্য আদালতের সামনে যার উপস্থিতি প্রয়োজন হতে পারে, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।

♦ আদেশ ১ বিধি ১০(৪) আনুযায় নতুন বিবাদী সংযুক্ত হলে বা বিবাদীর নাম যুক্ত করলে আরজি সংশোধন করতে হবে এবং সংশোধিত আরজি ও সমনের নকল নতুন বিবাদীর নিকট প্রেরণ করতে হবে। (Where defendant added, plant to be amended)

♦ আদেশ ১ বিধি ১০(৫) আনুযায় তামাদি আইন ১৯০৮ এর ধারা ২২ অনুযায়ী যে ব্যক্তিকে বিবাদী হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে সমন প্রাপ্তির তারিখ থেকে আইনগত কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে গণ্য করতে হবে।
১১,৩২৩.
'A' হিংস্র কুকুরের বাঁধন খুলতে শুরু করে এটা জেনে যে বা এই উদ্দেশ্যে যে এটা 'Z' কে বিশ্বাস করাবে যে, সে কুকুরটি দিয়ে 'Z' কে আক্রমণ করার উদ্যোগ নিচ্ছে। এ দণ্ডবিধির কোন ধারায় সংজ্ঞায়িত অপরাধ করেছে?
  1. ধারা ৩৪৯
  2. ধারা ৩৫০
  3. ধারা ৩৫১
  4. ধারা ৩৫২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫১
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান  আক্রমণ:- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।
উদাহরণ
(ক) ক, চ-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে চ যাতে বিশ্বাস করে যে ক তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই ক তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে। ক আক্রমণ করেছে। 
-----------
Assault
Section 351. Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault. 
 
Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault. 
 
Illustrations 
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault. 
(b) A begins to unloose the muzzle of a ferocious dog, intending, or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that he is about to cause the dog to attack Z. A has committed an assault upon Z. 
(c) A takes up a stick, saying to Z, "I will give you a beating". Here, though the words used by A could in no case amount to an assault, and though the mere gesture, unaccompanied by any other circumstances, might not amount to an assault, the gesture explained by the words may amount to an assault.
১১,৩২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৮৫ক অনুযায়ী, সাক্ষী যদি বৈধ কারণ ব্যতীত আদালতে হাজির না হয়, তবে আদালত সর্বাধিক কত টাকা জরিমানা করতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ২৫০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ক ধারায় দেয়া আছে-
সমন জারির পরও কোন সাক্ষী বৈধ কারণ ব্যতীত ফৌজদারি আদালতে হাজির হতে অবহেলা বা অস্বীকার করলে, যে আদালতের নিকট উক্ত সাক্ষী হাজির হতে বাধ্য সেই আদালত কারণ দর্শাইবার সুযোগ দিয়ে অনধিক দুইশত পঞ্চাশ টাকা জরিমানা করবে। এক্ষেত্রে আদালত যতদূর সম্ভব সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি অনুসরণ করবেন।

Section 485A- Summary procedure for punishment for non-attendance by a witness in obedience to summons:
(1) If any witness being summoned to appear before a Criminal Court is legally bound to appear at a certain place and time in obedience to the summons and without just excuse neglects or refuses to attend at that place or time or departs from the place where he has to attend before the time at which it is lawful for him to depart, and the Court before which the witness is to appear is satisfied that it is expedient in the interests of justice that such a witness should be tried summarily, the Court, may take cognizance of the offence and after given the offender an opportunity of showing cause why he should not be punished under this section, sentence him to fine not exceeding Taka two hundred and fifty. 
 
(2) In every such case the Court shall follow, as nearly as may be practicable, the procedure prescribed for summary trials.
১১,৩২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে গ্রেফতারের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা আছে কতো ধারায়?
  1. ৪৫ ধারায়
  2. ৬৪ ধারায়
  3. ৪৬ ধারায়
  4. ৫২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারায় গ্রেফতারের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে, এই ধারা অনুযায়ী সাধারনত কোন ব্যক্তির দেহ স্পর্শ, অবরোধ বা বন্দী করে গ্রেফতার করা যায়।
♦গ্রেফতারে বাধা প্রদান করলে গ্রেফতারের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা যে কোন ধরনের পন্থা অবলম্বন করতে পারবে। তবে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত না হলে, গ্রেফতার করতে গিয়ে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে না।
১১,৩২৬.
দণ্ডবিধি ব্যতীত অপর কোন আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে- উক্ত আইনে ভিন্ন কোন বিধান না থাকলে, অপরাধটি যদি ________ কম শাস্তিযোগ্য কিংবা কেবল অর্থদণ্ড প্রদানযোগ্য হয়, তবে উক্ত অপরাধটি জামিনযোগ্য হবে।
  1. ২ বছরের
  2. ৩ বছরের
  3. ৫ বছরের
  4. ৭ বছরের
সঠিক উত্তর:
২ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের
ব্যাখ্যা
• জামিনযোগ্য অপরাধ:
ফৌজদারি কার্যবিধি ৪(খ) ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধ বা “Bailable Offence’ সম্পর্কে বলা হয়েছে। যে সকল অপরাধ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য বলে দেখানো হয়েছে যা বর্তমানে বলবৎ কোন আইন দ্বারা জামিন যোগ্য করা হয়েছে তাকে জামিনযোগ্য অপরাধ বলা হয়।

ফৌজদারি কার্যবিধি ২য় তফসিলে উল্লেখিত রয়েছে যে,
দণ্ডবিধি ব্যতীত অপর কোন আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে উক্ত আইনে ভিন্ন কোন বিধান না থাকলে, অপরাধটি যদি দুই বছরের কম শাস্তিযোগ্য কিংবা কেবল অর্থদণ্ড প্রদানযোগ্য হয় তবে উক্ত অপরাধটি জামিনযোগ্য হবে।
১১,৩২৭.
The Attorney-General shall hold office during the pleasure of the–
  1. Prime Minister
  2. Chief Justice
  3. Parliament
  4. President
সঠিক উত্তর:
President
উত্তর
সঠিক উত্তর:
President
ব্যাখ্যা

Article 64: The Attorney-General-
(1) The President shall appoint a person who is qualified to be appointed as a Judge of the Supreme Court to be Attorney-General for Bangladesh.
(2) The Attorney-General shall perform such duties as may be assigned to him by the President.
(3) In the performance of his duties, the Attorney-General shall have the right of audience in all courts of Bangladesh.
(4) The Attorney-General shall hold office during the pleasure of the President, and shall receive such remuneration as the President may determine.

​অনুচ্ছেদ ৬৪: অ্যাটর্নি-জেনারেল:
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

১১,৩২৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারা অনুসারে, আদালত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন যদি-
  1. চুক্তির অংশবিশেষ ১৪ ধারার আওতায় পড়ে।
  2. চুক্তির অংশবিশেষ ১৫ ধারার আওতায় পড়ে।
  3. চুক্তির অংশবিশেষ ১৬ ধারার আওতায় পড়ে।
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারার বিধান অনুসারে, আদালত সাধারণত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের আদেশ দেবেন না, যদি না এটি ১৪, ১৫ অথবা ১৬ ধারার আওতায় আসে। এর মানে, আদালত ওই তিনটি ধারার আওতাধীন কোনো মামলা ছাড়া চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করবেন না।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১৭ মোতাবেক, ধারা ১৪,১৫,১৬ এই তিনটি ধারায় যে কোনটির আওতাধীন মামলা ছাড়া বা অন্য কোন ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করবেন না।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারার বিধান:
অন্যান্য ক্ষেত্রে চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনে প্রতিবন্ধকতা:-
পূর্ববর্তী তিনটি (১৪,১৫,১৬) ধারায় যে কোনটির আওতাধীন মামলা ছাড়া বা অন্য কোন ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করবেন না।
-----------
⇒The Specific Relief Act, 1877 -Section 17. Bar in other cases of specific performance of part of the contract:
-The Court shall not direct the specific performance of a part of a contract except in cases coming under one or other of the three last preceding sections.
১১,৩২৯.
খুনের মামলায় একজন অভিযুক্ত দাবী করে, সে ঘটনার দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল এবং চিকিৎসাধীন সম্পর্কিত দলিল চার্জ গঠনের শুনানীর সময় দাখিল করে।দাখিলকৃত দলিলের গ্রহণযোগ্যতা কি?
  1. বিবেচনা করে আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিবে
  2. বিবেচনা করে আদালত অভিযুক্তকে মুক্তি দিবে
  3. অগ্রহণযোগ্য
  4. বিবেচনা করে আদালত অভিযুক্তকে খালাস দিবে
সঠিক উত্তর:
অগ্রহণযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রহণযোগ্য
ব্যাখ্যা
• ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতে চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্তের দাখিলকৃত দলিল গ্রহণযোগ্য নয়শুধুমাত্র মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র বিবেচনা করবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। ২৪১ক ধারায় বা ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। ২৪১ক ধারায় ও ২৬৫গ ধারায় চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে।চার্জ শুনানী শেষে যদি আদালত মনে করে যে অভিযোগ ভিত্তিহীন,তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিবে।

• অব্যাহতির ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় বিবেচনা করবে-
⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতি পাওয়ার দরখাস্ত বিবেচনার সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র বিবেচনা করবে
⇒ প্রয়োজন মনে করলে,অভিযুক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি নিবে(যদি থাকে) এবং প্রসিকিউশন,অভিযুক্তকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিবে।

• মামলার রেকর্ড ও রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ :
মামলার রেকর্ড অর্থ ব্যক্তির হলো ১৭৩ ধারায় দাখিলকৃত পুলিশ রিপোর্ট। রিপোর্টের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ হলো পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষীদের জবানবন্দি, ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, সুরতহাল রিপোর্ট,জব্দ তালিকা ইত্যাদি।
১১,৩৩০.
সাক্ষ্য আইনে 'আদালত' বলতে কাদের বোঝায়?
  1. শুধুমাত্র বিচারক
  2. শুধুমাত্র বিচারক এবং আইনজীবী
  3. সকল জজ, ম্যাজিস্ট্রেট এবং সালিশকারী
  4. সালিশকারী ব্যতীত সকল জজ, ম্যাজিস্ট্রেট এবং সাক্ষ্য গ্রহণে আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের
সঠিক উত্তর:
সালিশকারী ব্যতীত সকল জজ, ম্যাজিস্ট্রেট এবং সাক্ষ্য গ্রহণে আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালিশকারী ব্যতীত সকল জজ, ম্যাজিস্ট্রেট এবং সাক্ষ্য গ্রহণে আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৩:
আদালত (Court): বলতে সকল জজ, ম্যাজিস্ট্রেট এবং সালিশকারী ব্যতীত সাক্ষ্য গ্রহণে আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত সকল ব্যক্তিকে অন্তর্ভূক্ত করবে।

Section 3⇒ Interpretation-clause:
"Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, except arbitrators, legally authorized to take evidence.
১১,৩৩১.
'No tax shall be levied or collected except by or under the authority of an Act of Parliament.' বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে দেওয়া আছে?
  1. বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ অনুচ্ছেদে
  2. বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ অনুচ্ছেদে
  3. বাংলাদেশের সংবিধানের ৮২ অনুচ্ছেদে
  4. বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৩ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৩ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৩ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৩ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের আইন ব্যতীত করারোপে বাধা:
 সংসদের কোন আইনের দ্বারা বা কর্তৃত্ব ব্যতীত কোন কর আরোপ বা সংগ্রহ করা যাইবে না।

⇒ Article 83. No taxation except by or under Act of Parliament:

 No tax shall be levied or collected except by or under the authority of an Act of Parliament.
১১,৩৩২.
আদেশ ৩৮, বিধি ৯ এর অধীনে কোন পরিস্থিতিতে ক্রোক প্রত্যাহার করা যেতে পারে?
  1. বিবাদী অনুরোধ করলে
  2. মোকদ্দমা খারিজ হলে
  3. বিবাদী আপিল করলে
  4. মোকদ্দমা স্থগিত হলে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ হলে
ব্যাখ্যা
• আদালত ২টি কারণে রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারেন যথা-
ক) বিবাদী জামানত এবং অন্যান্য খরচ আদালতে দাখিল করলে; এবং
খ) মোকদ্দমা খারিজ হলে।

আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ: 
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.
১১,৩৩৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন আদেশে রায় ও ডিক্রী বিষয়ে বিধান আছে?
  1. ১৭ আদেশ
  2. ১৮ আদেশ
  3. ১৯ আদেশ
  4. ২০ আদেশ
সঠিক উত্তর:
২০ আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ আদেশ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির  আদেশ ২০ অনুযায়ী রায়, ডিক্রী ও আদেশ বিষয়ে বলা আছে।
⇒ মোকদ্দমার শুনানী শেষে পক্ষগণ বা তাদের আইনজীবীগণকে বিজ্ঞপ্তির পর সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে প্রকাশ্যে আদালতে রায় ঘোষনা করতে হবে।
১১,৩৩৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় অব্যক্ত বা কনস্ট্রাকটিভ রেস জুডিকাটা (Constructive Res Judicata) নীতি উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ১১ ধারার ৪নং ব্যাখ্যায়
  2. ১১ ধারার ৩নং ব্যাখ্যায়
  3. ১১ ধারার ২নং ব্যাখ্যায়
  4. ১১ ধারার ১নং ব্যাখ্যায়
সঠিক উত্তর:
১১ ধারার ৪নং ব্যাখ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারার ৪নং ব্যাখ্যায়
ব্যাখ্যা
পরোক্ষ বা Constructive Res Judicata:
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১ ধারার ৪নং ব্যাখ্যায় অব্যক্ত বা কনস্ট্রাকটিভ রেস জুডিকাটা (Constructive Res Judicata) নীতি উল্লেখ করা হয়েছে। পরোক্ষ রেস জুডিকাটা বলতে বোঝায়, যে বিষয় পূর্ববর্তি মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তি খণ্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারত বা হওয়া উচিৎ ছিল সেটাও উক্ত মামলার প্রত্যক্ষ ও মূল বিচার্য বিষয় বলে ধরে নিতে হবে। অর্থাৎ, যেখানে পূর্বের মামলায় কোনো পক্ষের পক্ষে এমন যুক্তি ছিল, যা সেই মামলায় উপস্থাপন করা হয়নি, কিন্তু উপস্থাপন করা উচিত ছিল। এমন পরিস্থিতিতে, পরবর্তী মামলায় সেই যুক্তি আর উপস্থাপন করা যাবে না।

যেমন, ক্রেতা এবং বিক্রেতার মধ্যে জমির মালিকানার বিরোধ জনিত এক মোকদ্দমায় আদালত রায় দিলেন যে, জমিটি বিক্রেতার। কিন্তু ক্রেতা আদালতে উল্লেখ করেন নি যে, জমিতে গোপন ত্রুটি রয়েছে। পরে আবার নতুন করে এই গোপন ত্রুটির ভিত্তিতে আরেকটি মামলা দায়ের করা যাবে না। এক্ষেত্রে অব্যক্ত বা কনস্ট্রাকটিভ রেস জুডিকাটাকে (Constructive Res Judicata) পরোক্ষ রেস জুডিকাটাও বা Indirect Res Judicata বলে।
১১,৩৩৫.
দণ্ডবিধির ৯৫ ধারার অধীন কোন কাজ অপরাধ হিসেবে পরিগণিত হবে না?
  1. নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি কর্তৃক কৃত কার্য
  2. সরল বিশ্বাসে কৃত কার্য
  3. সামান্য ক্ষতিকারক কার্য
  4. নাবালক কর্তৃক কৃত কার্য
সঠিক উত্তর:
সামান্য ক্ষতিকারক কার্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামান্য ক্ষতিকারক কার্য
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৯৫ ধারা- সামান্য ক্ষতিকারক কার্য:
সামান্য ক্ষতিকারক যে কার্যে সাধারণ বোধ ও মেজাজ সম্পন্ন কোন ব্যক্তি ক্ষতির অভিযোগ করবে না, এমন কোন কাজ অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না- যদিও কার্যটির ফলে অনুরূপ ক্ষতিসাধিত হয় বা কাজটি অনুরূপ ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে প্রণোদিত হয়, অথবা কার্যটির ফলে অনুরূপ ক্ষতি হতে পারে বলে উহার সম্পন্নকারীর জানা থাকে।

Section 95- Act causing slight harm:
Nothing is an offence by reason that it causes, or that it is intended to cause, or that it is known to be likely to cause, any harm, if that harm is so slight that no person of ordinary sense and temper would complain of such harm.
১১,৩৩৬.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, মন্ত্রিসভা কোন ব্যক্তির নেতৃত্বে গঠিত হয়?
  1. স্পিকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৫(১)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে:
"প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে।"
মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত হয় এবং প্রধানমন্ত্রী তার পছন্দ অনুযায়ী অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রী নিয়োগ দেন।
মন্ত্রিসভা সরকার পরিচালনার জন্য দায়িত্বশীল এবং এটি সংসদের কাছে দায়ী থাকে।
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করে এবং রাষ্ট্রপতির নামে সরকারী কার্যাবলী প্রকাশিত হয়।
১১,৩৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী দোষ স্বীকারের পর দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের সীমাবদ্ধতা রয়েছে?
  1. ধারা ৪১২
  2. ধারা ৪১৩
  3. ধারা ৪১৪
  4. ধারা ৪১৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১২
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না তা উল্লেখ করা হয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১২- দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে [In Case of Guilty Plead]:
অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে। যেমন দোষ স্বীকার করার পরও অধিক দণ্ড দিলে, দণ্ডের পরিমাণের (quantum of sentence) বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যেতে পারে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 412. No appeal in certain cases when accused pleads guilty:
Notwithstanding anything hereinbefore contained where an accused person has pleaded guilty and has been convicted by a Court of Session or any Metropolitan Magistrate or Magistrate of the first class on such plea, there shall be no appeal except as to the extent or legality of the sentence.
১১,৩৩৮.
দণ্ডবিধির ৪২৬ ধারার অধীন অনিষ্টসাধনের শাস্তি কী হতে পারে?
  1. শুধু কারাদণ্ড
  2. শুধু অর্থদণ্ড
  3. কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
  4. কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪২৬ ধারার অধীন,
অনিষ্টসাধনের শাস্তি হতে পারে ৩ মাস পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস বা অর্থদণ্ড বা উভয়।

Section 426⇒ Punishment for mischief:
Whoever commits mischief shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine, or with both.
১১,৩৩৯.
কোনো ব্যক্তি আদালতের সমনে নির্দেশ সত্ত্বেও দলিল দাখিল না করলে দেওয়ানী আদালত The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারার অধীনে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে?
  1. ৩২
  2. ৩০
  3. ৩১
  4. ২৯
সঠিক উত্তর:
৩২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908, এর ৩২ ধারা অনুযায়ী, ৩০ ধারা অনুযায়ী আদালতের আদেশে সমন জারি সত্ত্বেও কোনো ব্যক্তি দলিল উপস্থাপনে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত ব্যক্তির উপর গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রেরণ করতে পারে, তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারে, অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে কিংবা তার হাজির হওয়ার জন্য জামানত দেওয়ার আদেশ দিতে পারে।

ধারা ৩০। আবিস্কার ও অনুরূপ বিষয়ের আদেশ দানের ক্ষমতা:
যেরূপ নির্ধারণ করা হয়, সেরূপ শর্ত এবং সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে কোন আদালত যে কোন সময় স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে অথবা কোন একপক্ষের আবেদনক্রমে -
ক) প্রশ্নাবলী সরবরাহ ও জবাবদান, দলিল ও তথ্য গ্রহণ এবং সাক্ষ্য হিসেবে দাখিলযোগ্য দলিল বা অন্য কোন বস্তু আবিস্কার, পরিদর্শন, দাখিল, অন্তরীণ বা ফেরৎ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় বা সংগত আদেশ দিতে পারেন;
খ) স্বাক্ষদান বা দলিল দাখিল বা উপরোক্ত অন্য কোন উদ্দেশ্যে যে ব্যক্তির হাজির হওয়া দরকার তার প্রতি সমন প্রদান করতে পারেন;
গ) কোন তথ্য শপথনামা দ্বারা প্রমাণের আদেশ দিতে পারেন।
১১,৩৪০.
হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতা (Inherent power) আছে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায়?
  1. 564
  2. 560
  3. 561A
  4. 561
সঠিক উত্তর:
561A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
561A
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।

The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-561A: Saving of inherent power of High Court Division:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
১১,৩৪১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি কোন পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে?
  1. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন অনুযায়ী
  2. দণ্ডবিধি অনুযায়ী
  3. ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী
  4. দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি  কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
ব্যাখ্যা- ১:
এই ধারা অনুসারে, একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে, সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
ব্যাখ্যা- ২:
সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
---------------
Recovery of specific moveable property, Section,10: A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.
Explanation 1 - A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2 - A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.

১১,৩৪২.
অভিযুক্ত যদি আদালতে হাজির হওয়ার পর পলাতক হন, তাহলে তার হাজির হওয়ার জন্য আদেশ কোথায় প্রকাশ করতে হবে?
  1. জাতীয় দৈনিকে
  2. সরকারি ওয়েবসাইটে
  3. জাতীয় বাংলা দৈনিকে এবং সরকারি ওয়েবসাইট উভয় স্থানে
  4. উল্লিখিত কোথাও না
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত কোথাও না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত কোথাও না
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) উল্লিখিত কোথাও না।

ধারা ৩৩৯খ(২) অনুযায়ী, যদি অভিযুক্ত আদালতে হাজির হওয়ার পর পলাতক হন বা হাজির হতে ব্যর্থ হন, তাহলে উপ-ধারা (১)-এ বর্ণিত জাতীয় দৈনিক বা সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশের নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।
এই ক্ষেত্রে আদালত লিখিতভাবে সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ করে অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারার বিধান- আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৮৭ এবং ধারা ৮৮-তে যা কিছুই থাকুক না কেন, যদি আদালতের বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ থাকে যে কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক অথবা নিজেকে এমনভাবে গোপন করে রেখেছে যাতে তাকে গ্রেফতার করে বিচারার্থে হাজির করা সম্ভব হচ্ছে না এবং তাকে দ্রুত গ্রেফতার করার সম্ভাবনা নেই, তবে অভিযোগের বিষয়ে বিচার গ্রহণকারী আদালত, জাতীয়ভাবে ব্যাপক প্রচারিত দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত এক আদেশের মাধ্যমে, উক্ত ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতে উপস্থিত হতে নির্দেশ দেবে। এবং যদি উক্ত ব্যক্তি ওই নির্দেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তবে তার অনুপস্থিতিতেই বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

শর্তসাপেক্ষে, আদালত প্রয়োজনে আরও নির্দেশ দিতে পারে যে অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজিরার আদেশটি জেলা ও দায়রা জজ আদালত, প্রধান বিচারিক হাকিম আদালত, প্রধান মহানগর হাকিম আদালত, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, বাংলাদেশ পুলিশ বা অন্য কোনো সরকারি ওয়েবসাইট—যার জনসাধারণের কাছে ব্যাপক প্রবেশাধিকার রয়েছে—সেখানে প্রকাশ করা হবে।

(২) আসামিকে হাজির করার পর কিংবা আসামি হাজির হবার পর অথবা জামিনে মুক্ত হবার পর যেক্ষেত্রে আসামি পলায়ন করে কিংবা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশি অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন।

১১,৩৪৩.
উইল দাখিল করা যায় কোন কর্মকর্তা/কার্যালয়ের নিকট?
  1. শুধু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. কেবল রেজিস্ট্রার
  3. কেবল সাব-রেজিস্ট্রার
  4. রেজিস্ট্রার বা সাব-রেজিস্ট্রার উভয়ের নিকট
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রার বা সাব-রেজিস্ট্রার উভয়ের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রার বা সাব-রেজিস্ট্রার উভয়ের নিকট
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০: উইল ও দত্তকগ্রহণের ক্ষমতাপত্র দাখিল করিবার অধিকারী ব্যক্তিগণ-
(১) উইলদাতা, বা তাহার মৃত্যুর পর উইলের অধীনে নির্বাহক বা অন্য প্রকারে দাবিদার কোন ব্যক্তি, নিবন্ধনের জন্য উহা যে কোন রেজিস্ট্রার বা সাব-রেজিস্ট্রারের নিকট দাখিল করিতে পারিবেন।
(২) কোন দত্তকগ্রহণের ক্ষমতাপত্র নিবন্ধনের জন্য উহার দাতা, বা তাহার মৃত্যুর পর গ্রহীতা, বা দত্তক পুত্র, যে কোন রেজিস্ট্রার বা সাব-রেজিস্ট্রারের নিকট দাখিল করিতে পারিবেন।
১১,৩৪৪.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী “নবজাতক শিশু” বলতে বোঝায় জন্মের পর সর্বোচ্চ __________ বয়সী শিশু।
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৪০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ দিন
ব্যাখ্যা

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০  এর ধারা - ২(চ):

“নবজাতক শিশু” অর্থ অনূর্ধ্ব চল্লিশ দিন বয়সের কোন শিশু;
“Newborn child” means a child who is not more than forty days old.

১১,৩৪৫.
সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত ২য় বিয়ে করলে, The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 অনুসারে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫০০০ টাকা
  2. ১০০০০ টাকা
  3. ১৫০০০ টাকা
  4. ২০০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ১০০০০ টাকা।

• The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৬ ধারা: বহুবিবাহ:

১) কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না বা ঐরূপ অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ অনুষ্ঠিত হলে তা The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হবে না।

২) অনুমতির দরখাস্ত নির্ধারিত ফি সহ চেয়ারম্যানের নিকট দাখিল করতে হবে ও তাতে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণসমূহ এবং এই বিবাহের ব্যাপারে বর্তমানে স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের সম্মতি নেয়া হয়েছে কিনা তার উল্লেখ থাকতে হবে।

৩) দরখাস্ত গ্রহণ করার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারীকে ও বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের প্রত্যেককে একজন করে প্রতিনিধি মনোনীত করতে বলবেন। উক্তরূপে গঠিত সালিশি কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করলে সেক্ষেত্রে প্রার্থিত আবেদন মঞ্জুর করতে পারবেন।

৪) উক্ত দরখাস্তে বিবেচনা করার সময় সালিশি কাউন্সিল নিষ্পত্তির কারণাদি লিপিবদ্ধ করবেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে কোন পক্ষ নির্দিষ্ট ফি প্রদানক্রমে সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার (Revision) জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে; তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে ও কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।

৫) কোন লোক যদি সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তবে সে-
ক) বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রী গণের তলবী ও স্থগিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষণাৎ পরিশোধ করতে হবে। উক্ত টাকা উক্তরুপে পরিশোধ না করা হলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরূপে আদায়যোগ্য হবে: এবং
খ) অভিযোগে অপরাধী সাব্যস্ত হলে এর শান্তি- অনধিক ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
১১,৩৪৬.
দণ্ডবিধির ধারা ১৫৩খ তে শিক্ষার্থী সম্পর্কিত কোন ধরনের কাজকে শাস্তিযোগ্য বলে গণ্য করা হয়েছে?
  1. পড়াশোনা থেকে বিরত রাখা
  2. সামাজিক কার্যকলাপে অংশগ্রহণে বাধ্য করা
  3. ধর্মীয় কার্যকলাপে অংশগ্রহণে বাধ্য করা
  4. রাজনৈতিক কার্যকলাপে অংশগ্রহণে প্ররোচিত করা
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক কার্যকলাপে অংশগ্রহণে প্ররোচিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক কার্যকলাপে অংশগ্রহণে প্ররোচিত করা
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫৩খ: শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক কার্যকলাপে অংশগ্রহণে প্ররোচিত করা:
যে কেউ, কথা দিয়ে, তা লিখিত বা মৌখিক হোক, বা চিহ্ন দিয়ে, দৃশ্যমান উপস্থাপনার মাধ্যমে, বা অন্য কোনোভাবে, কোনো শিক্ষার্থী বা শিক্ষার্থীদের কোনো শ্রেণি, বা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যুক্ত বা শিক্ষার্থীদের নিয়ে আগ্রহী কোনো প্রতিষ্ঠানকে এমন কোনো রাজনৈতিক কার্যকলাপে অংশগ্রহণ করতে প্ররোচিত করে বা প্ররোচিত করার চেষ্টা করে যা জনশৃঙ্খলা ব্যাহত বা ধ্বংস করে, বা করতে পারে, সে ক্ষেত্রে তাকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
১১,৩৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী আপিল বিভাগ কোন ক্ষেত্রে মামলা বা আপিল স্থানান্তর করে থাকে?
  1. সাক্ষীদের সুবিধার উদ্দেশ্যে
  2. পক্ষগণের সুবিধার উদ্দেশ্যে
  3. ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্যে
  4. উল্লিখিত যেকোন ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যেকোন ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যেকোন ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ক ধারার বিধান:- মামলা ও আপীল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের ক্ষমতা:
(১) যেক্ষেত্রে এটা প্রতীয়মান হয় যে, এরূপ স্থানান্তর ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য বা পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার উন্নয়ন ঘটাবে সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগ কোন নির্দিষ্ট মামলা বা আপিল হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে উহার অন্য স্থায়ী বেঞ্চে কিংবা হাইকোর্ট বিভাগের কোন স্থায়ী বেঞ্চের এখতিয়ারের মধ্যকার কোন ফৌজদারী আদালত থেকে হাইকোর্ট বিভাগের অন্য কোন স্থায়ী বেঞ্চের মধ্যকার এখতিয়ারের মধ্যকার একই বা উচ্চতর ক্ষমতা সম্পন্ন ফৌজদারী আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

(২) যে হাইকোর্ট ডিভিশনের স্থায়ী বেঞ্চ কিংবা ক্ষেত্রমতে আদালতে মামলা বা আপীল স্থানান্তরিত হয়, সে বেঞ্চ বা আদালত এমনভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন যাতে মূলতঃ সেখানেই উক্ত মামলা বা আপীল দায়ের করা বা উপস্থাপিত হয়েছিল।
------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 525A- Power of Appellate Division to transfer cases and appeals:
(1) The Appellate Division may direct the transfer of any particular case or appeal from one permanent Bench of the High Court Division to another permanent Bench of the High Court Division, or from any Criminal Court within the jurisdiction of one permanent Bench of the High Court Division to any other Criminal Court of equal or superior jurisdiction within the jurisdiction of another permanent Bench of the High Court Division, whenever it appears to it that such transfer promote the ends of justice, or tend to the general convenience of parties or witnesses.

(2) The permanent Bench of the High Court Division or the Court, as the case may be, to which such case or appeal is transferred shall deal with the same as if it had been originally instituted in, or presented to, such Bench or Court, as the case may be.
১১,৩৪৮.
Under Section 41 of The Specific Relief Act, 1877, when may the Court require compensation to be paid?
  1. While granting injunction
  2. While enforcing a contract
  3. On refusal of specific performance
  4. On adjudging the cancellation of an instrument
সঠিক উত্তর:
On adjudging the cancellation of an instrument
উত্তর
সঠিক উত্তর:
On adjudging the cancellation of an instrument
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877- Section 41:
On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.

ধারা ৪১:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেই পক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

১১,৩৪৯.
কোন ক্ষেত্রে সিভিল সার্জন বা চিকিৎসক কর্তৃক প্রদত্ত ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যায়?
  1. ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের অনুমতি সাপেক্ষে
  2. ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হয়ে গেলে
  3. ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করলে এবং তাকে আনা সময় সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল হলে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট

এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।

Section 509A: Report of post-mortem examination
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
১১,৩৫০.
SAT Act, 1950 এর ধারা ৮১ অনুযায়ী, কোনো এলাকায় কৃষি ভূমির অধিকারী হিসাবে কোন শ্রেণি স্বীকৃত?
  1. প্রজা
  2. মালিক
  3. ইজারাদার
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
মালিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালিক
ব্যাখ্যা
ধারা ৮১: কৃষি প্রজাদের শ্রেণী এবং তাদের অধিকার ও দায়-দায়িত্ব নিয়ন্ত্রণ (বাংলা অর্থ)
(১) কোনো এলাকায় এই অংশের (Part) সব ধারা কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকে, ওই এলাকায় শুধুমাত্র এক শ্রেণির কৃষিজমির অধিকারী থাকবে, যার নাম হবে "মালিক" (Malik), এবং সেই মালিকদের অধিকার ও দায়-দায়িত্ব এই অংশের বিধান অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হবে।

- এই ধারার কোনো কিছুই কোনো মালিককে তার খতিয়ানের উপ-মাটি বা খনিজ সম্পদের ওপর অধিকার প্রদান করে না।
- যখন সরকার কোনো নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কারো কাছে জমি ইজারা দেয়, তখন সেই ইজারাদারের অধিকার ও দায়-দায়িত্ব ইজারার চুক্তিতে নির্ধারিত শর্তাবলী অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হবে।
১১,৩৫১.
নিচের কোনটি দণ্ডবিধির ৪২০ ধারার অন্তর্ভুক্ত অপরাধ?
  1. মানহানি
  2. সরকারি নথি জাল করা
  3. বল প্রয়োগ করে সম্পত্তি হস্তান্তরে বাধ্য করা
  4. প্রতারণা করে সম্পত্তি হস্তান্তরে বাধ্য করা
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা করে সম্পত্তি হস্তান্তরে বাধ্য করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা করে সম্পত্তি হস্তান্তরে বাধ্য করা
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২০ অনুযায়ী,
যদি কেউ প্রতারণা করে এবং এর ফলে প্রতারিত ব্যক্তিকে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে বাধ্য করে, অথবা প্রতারিত ব্যক্তিকে কোনো মূল্যবান দলিল (যেমন চেক, চুক্তি ইত্যাদি) তৈরি, পরিবর্তন বা ধ্বংস করতে প্ররোচিত করে, তাহলে সেই ব্যক্তি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের জন্য তাকে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে এবং এর পাশাপাশি তাকে অর্থদণ্ডও দেয়া যেতে পারে।

[Whoever cheats and thereby dishonestly induces the person deceived to deliver any property to any person, or to make, alter or destroy the whole or any part of a valuable security, or anything which is signed or sealed, and which is capable to being converted into a valuable security, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.]
১১,৩৫২.
The Civil Courts Act, 1887 অনুসারে দেওয়ানী আদালত বসার স্থান নির্ধারণের এখতিয়ার কার?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. আপীল বিভাগ
  3. জেলা জজ
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা 14(1) ও (2) অনুযায়ী একমাত্র সরকার-ই দেওয়ানি আদালতের বসার স্থান নির্ধারণ বা পরিবর্তনের এখতিয়ার রাখে।
- সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৪ – আদালতের আসনস্থল:
(১) সরকার সরকারি গেজেটে (Official Gazette) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে যে কোনো দেওয়ানি আদালতের আসনস্থল স্থির করতে বা পরিবর্তন করতে পারে।
(২) বর্তমানে যে সকল স্থানে এই ধরনের আদালত অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেগুলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ধারা অনুযায়ী স্থির করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887- section-14. Place of sitting of Courts:
 (1) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the place or places at which any Civil Court under this Act is to be held. 
(2) All places at which any such Courts are now held shall be deemed to have been fixed under this section.

১১,৩৫৩.
Under Order 7, Rule 2 of The Code of Civil Procedure, 1908, when a plaintiff files a money suit, what must the plaint specify?
  1. The defendant’s income
  2. The source of money
  3. The date of transaction
  4. The precise amount claimed
সঠিক উত্তর:
The precise amount claimed
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The precise amount claimed
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-7, Rule-2: In money suits:
- Where the plaintiff seeks the recovery of money, the plaint shall state the precise amount claimed. But where the plaintiff sues for mesne profits, or for an amount which will be found due to him on taking unsettled accounts between him and the defendant, the plaint shall state approximately the amount sued for.

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮- আদেশ ৭, বিধি ২: অর্থ পাওনা সম্পর্কিত মামলা:
যেখানে বাদী টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে মামলা করেন, সেখানে বাদীকে মামলার আরজিতে (plaint) নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দাবির কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
তবে, যদি মামলা অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা বা এমন কোনো অর্থ দাবির জন্য হয়, যা বিবাদীর সাথে হিসাবনিকাশের পর নির্ধারিত হবে, তাহলে বাদীকে আনুমানিকভাবে দাবিকৃত টাকার পরিমাণ উল্লেখ করতে হবে।

মূল কথা:
১. নির্দিষ্ট টাকার জন্য মামলা হলে → সুনির্দিষ্ট টাকার পরিমাণ লিখতে হবে।
২. হিসাব নির্ধারিত নয় এমন ক্ষেত্রে → আনুমানিক টাকার পরিমাণ উল্লেখ করতে হবে।
১১,৩৫৪.
ORDER XII, Rule 4 অনুযায়ী, স্বীকারোক্তির জন্য নোটিশ দিতে হবে শুনানির কতদিন আগে?
  1. ৭ দিন
  2. ৯ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order XII, Rule 4 অনুযায়ী, কোনো পক্ষ অন্য পক্ষকে লিখিতভাবে একটি নোটিশ দিতে পারে, যাতে সে নির্দিষ্ট কিছু ঘটনা স্বীকার করে। এই নোটিশ শুনানির তারিখের নয় (৯) দিন আগে প্রদান করতে হয়।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ORDER-XII, Rule-4 অনুযায়ী: কোনো পক্ষ ঘটনা স্বীকারের জন্য লিখিত নোটিশ পেলে, তাকে ৬ দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে। এই সময়সীমা নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে গণনা করা হয়। আদালত প্রয়োজনে অতিরিক্ত সময় দিতে পারে।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER XII, Rule 4 অনুসারে, মামলার কোনো পক্ষ লিখিতভাবে অপর পক্ষকে নির্দিষ্ট ঘটনা বা ঘটনাবলী স্বীকার করার জন্য নোটিশ দিতে পারে। এই নোটিশ শুনানির তারিখের নয় (৯) দিন আগে দিতে হবে।
- এ ধরনের নোটিশ পাওয়ার পর ছয় (৬) দিনের মধ্যে বা আদালতের অনুমোদিত সময়সীমার মধ্যে উত্তর প্রদান করতে হবে। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বীকারোক্তি না করা হয় বা উপেক্ষা করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ঘটনা প্রমাণ করার জন্য যে ব্যয় হবে, তা সেই পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোনো নির্দেশ দেন।
- এছাড়া, এই স্বীকারোক্তি কেবল সংশ্লিষ্ট মামলার জন্যই প্রযোজ্য হবে এবং এটি অন্য কোনো ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না। আদালত উপযুক্ত মনে করলে, শর্তসাপেক্ষে স্বীকারোক্তি সংশোধন বা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে পারেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-12 Rule-4: Notice to Admit Facts:
- Any party may, by notice in writing, at any time not later than nine days before the day fixed for the hearing, call on any other party to admit, for the purposes of the suit only, any specific fact or facts mentioned in such notice.
- In case of refusal or neglect to admit the same within six days after service of such notice, or within such further time as may be allowed by the Court, the costs of proving such fact or facts shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs.
Provided that any admission made in pursuance of such notice shall be deemed to be made only for the purposes of the particular suit and not as an admission to be used against the party on any other occasion or in favor of any person other than the party giving the notice.
Provided also that the Court may, at any time, allow any party to amend or withdraw any admission so made on such terms as may be just.

১১,৩৫৫.
The General Clauses Act, 1897-এর কোন ধারায় Doctrine of Locus Poenitentiae-এর বিধান আছে?
  1. ধারা ৯ 
  2. ধারা ১৪
  3. ধারা ২১
  4. ধারা ২৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১
ব্যাখ্যা

⇒ The General Clauses Act, 1897-এর ধারা ২১-এ Doctrine of Locus Poenitentiae বা পেনিটেনশিয়ার স্থান আলোচিত হয়েছে, যার অর্থ হল, কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা বা বাতিল করা।

⇒The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
-যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
-------
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws:
-Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.

১১,৩৫৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুসারে দায়রা বিভাগ বা জেলার সংখ্যা বা সীমা পরিবর্তনের ক্ষমতা কার আছে?
  1. সরকারের
  2. স্থানীয় প্রশাসনের
  3. আইন কমিশনের
  4. প্রধান বিচারপতির
সঠিক উত্তর:
সরকারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (The Code of Criminal Procedure), ১৮৯৮ এর ধারা ৭(২) অনুসারে, দায়রা বিভাগ (Sessions Division) বা জেলার (District) সংখ্যা বা সীমানা পরিবর্তনের ক্ষমতা একমাত্র সরকারের রয়েছে।
-ধারা ৭(২) এর পাঠ্য:
"The Government may alter the limits or the number of such divisions and districts."
বাংলা অর্থ: সরকার দায়রা বিভাগ ও জেলার সীমা বা সংখ্যা পরিবর্তন করতে পারেন।
- আদালতের সীমা নির্ধারণ, স্থানান্তর, অথবা প্রশাসনিক সীমানা পুনর্বিন্যাস করার জন্য সরকারই এই ক্ষমতা প্রয়োগ করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭ ধারা: দায়রা বিভাগ এবং জেলা-
(১) বাংলাদেশ দায়রা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত থাকবে:
বাংলাদেশ বিভিন্ন দায়রা বিভাগে বিভক্ত থাকবে এবং এই কার্যবিধির উদ্দেশ্যে প্রতিটি দায়রা বিভাগ একটি জেলা হিসেবে গণ্য হবে বা একাধিক জেলা নিয়ে গঠিত হবে।
(২) বিভাগ এবং জেলার সীমানা পরিবর্তনের ক্ষমতা:
সরকার এই দায়রা বিভাগ এবং জেলার সংখ্যা বা সীমানা পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে।
(৩) বিদ্যমান বিভাগ এবং জেলা বহাল থাকবে:
এই কার্যবিধি কার্যকর হওয়ার সময় যে দায়রা বিভাগ এবং জেলা বিদ্যমান থাকবে, সেগুলো দায়রা বিভাগ এবং জেলা হিসেবে বহাল থাকবে, যতক্ষণ না সেগুলো পরিবর্তন করা হয়।
(৪) মেট্রোপলিটন এলাকা:
মেট্রোপলিটন এলাকা এই কার্যবিধির উদ্দেশ্যে একটি দায়রা বিভাগ হিসেবে গণ্য হবে।

১১,৩৫৭.
'Local inquiry' করতে পারে-
  1. পুলিশ
  2. বেসরকারী ব্যক্তি
  3. নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট
  4. জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৮ ধারায় স্থানীয় অনুসন্ধান বা Local inquiry এর বিধান রয়েছে-
(১) এই অধ্যায়ের স্থানীয় অনুসন্ধান প্রয়োজন হলে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে প্রেরণ করতে পারবেন এবং তার উপদেশের মধ্যে লিখিত নির্দেশ দিতে পারবেন এবং এরূপ অনুসন্ধানের প্রয়োজনীয় ব্যয় সম্পূৰ্ণ বা আংশিক কে বহন করবে তা ঘোষণা করতে পারবেন।

(২) এরূপে প্রেরিত ব্যক্তির রিপোর্ট কেসের সাক্ষ্য হিসাবে বুঝতে হবে।

(৩) এই অধ্যায়ের অধীন পরিচালিত প্রসিডিং-এর কোন পক্ষ যদি কোন খরচ বহন করে থাকেন, তাহলে ১৪৫ ধারা, ১৪৬ ধারা বা ১৪৭ ধারার অধীন সিদ্ধান্ত প্রদানকারী ম্যাজিষ্ট্রেট নির্দেশ দিবেন যে, কে উক্ত খরচ প্রদান করবে, উক্ত পক্ষ কিংবা প্রসিডিং-এর অন্য কোনপক্ষ, এবং সম্পূর্ণ বা আংশিক বা আনুপাতিক হারে প্রদান করবেন। আদালত যেরূপ যুক্তিসংগত বিবেচনা করেন সেরূপ সাক্ষীদের এবং কৌসুলীদের ফি এই খরচার অন্তর্ভুক্ত হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭ ধারামতে,
সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর অধস্তন। তাই বলা যায়, ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় অনুসন্ধান (Local inquiry) করতে পারে।
১১,৩৫৮.
Abdul Kadir Vs. Salima (1886) মামলায় আদালত মুসলিম বিবাহকে কী বলে আখ্যায়িত করেছে?
  1. পবিত্র বন্ধন
  2. ধর্মীয় অনুষ্ঠান
  3. এক ধরনের চুক্তি
  4. সামাজিক অনুষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
এক ধরনের চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক ধরনের চুক্তি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) এক ধরনের চুক্তি।

Abdul Kadir v Salima (1886):
ঘটনার বিবরণ:
Abdul Kadir ও Salima বিয়ের পর তিন মাস সুখে সংসার করেন। পরে Salima তার বাবার বাড়ি গেলে তার বাবা তাকে Abdul Kadir–এর কাছে ফিরে যেতে দেননি। তাই Abdul Kadir তার স্ত্রী ও শ্বশুরের বিরুদ্ধে বিবাহিত অধিকার পুনরুদ্ধারের (Restitution of Conjugal Rights) মামলা করেন।

প্রতিবাদীরা (স্ত্রী ও শ্বশুর) আদালতে তিনটি কারণ দেখানঃ
- বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে;
- ক্রূরতা (Cruelty);
- মোহর (Dower) প্রদান করা হয়নি।

আদালত প্রথম ও তৃতীয় কারণ (বিবাহবিচ্ছেদ ও ক্রূরতা) বাতিল করলেও মোহর প্রদান না করার যুক্তি বৈধ বলে স্বীকার করে। যদিও বিয়ের আগে মোহরের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ ঠিক করা হয়নি, আদালত বলে দেন – মোহর (prompt dower) আগে দিতে হবে।

Abdul Kadir পরে পুরো মোহর আদালতে জমা দেন। আদালত শর্তযুক্ত রায় দেন যে, মোহর প্রদান করলে তিনি তার স্ত্রীকে ফেরত পেতে পারেন। কিন্তু উভয় পক্ষই এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন।

আপিল আদালত Abdul Kadir–এর আপিল খারিজ করে দেয়, কারণ মামলার শুরুতেই তিনি মোহর দেননি; তাই তার মামলার “দাঁড়ানোর অধিকার” (standing) ছিল না।

সবশেষে বিষয়টি আল্লাহাবাদ হাইকোর্টের পূর্ণ বেঞ্চে যায়, যেখানে মোহর না দেওয়া থাকলে স্বামীর দাবির গ্রহণযোগ্যতা আছে কি না – সে প্রশ্নে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

যুক্তি:
আপিলকারী (Abdul Kadir): দাবী করেছিলেন যে, বিবাহিত অধিকার পুনরুদ্ধারের অধিকার মোহর প্রদানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।প্রতিবাদকারী: স্বামীর মামলা খারিজ হওয়া উচিত, কারণ মাহর প্রদান হয়নি।

রায়:
জাস্টিস সায়েদ মাহমুদ-এর মতামত (পূর্ণ বেঞ্চ দ্বারা অনুমোদিত) তিনটি মূল বিষয়ে কেন্দ্রীভূত:
১. মুসলিম বিবাহ ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি আইনগত চুক্তি।
২. মাহরের প্রকৃতি এবং এর প্রভাব স্বামীর বিবাহিত অধিকার পুনরুদ্ধারের অধিকার-এর উপর।

১১,৩৫৯.
Land Survey Appellate Tribunal এর বিচারক হবেন-
  1. আপীল বিভাগের বিচারক
  2. হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক
  3. জেলা জজ
  4. বিভাগীয় কমিশনার
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
ব্যাখ্যা
- Section 145B. Land Survey Appellate Tribunal:
(1) The Government may, by notification in the official Gazette, establish as many Land Survey Appellate Tribunals as may be required to hear the appeals arising out of the judgment, decree or order of the Land Survey Tribunals.
(2) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the territorial limits of the jurisdiction of any Land Survey Appellate Tribunal.
(3) The Government shall appoint the judge of the Land Survey Appellate Tribunal from among the persons who are District judges.
(3A) Until such judge is appointed under sub-section (3), the Government may empower the District Judge as the judge of the Land Survey Appellate Tribunal of the district.
(3B) The District Judge, empowered under sub-section (3A), shall be deemed to be the judge of the Land Survey Appellate Tribunal appointed under sub-section (3).
(3C) The Government may, if necessary, appoint one or more Additional District Judges as a judge of the Land Survey Appellate Tribunal to hear appeals transferred by the judge of the Land Survey Appellate Tribunal appointed or empowered under this section.]
(4) No appeal other than the appeals arising out of the judgment, decree or order of the Land Survey Tribunal shall lie in the Land Survey Appellate Tribunal.
(5) Subject to the provision of sub-section (6), any person aggrieved by any judgment, decree or order of the Land Survey Tribunal may, within three months from the date of such judgment, decree or order, prefer an appeal to the Land Survey Appellate Tribunal.
(6) An appeal may be admitted within next three months even after the expiry of the period specified in sub-section (5), if the Land Survey Appellate Tribunal is satisfied with the reasons for delay shown by the appellant.
১১,৩৬০.
কোন আদালত ''আদি আমলী আদালত (As a court of original jurisdiction)'' হিসেবে সব মামলা আমলে নিতে পারেন না?
  1. দায়রা আদালত
  2. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. মহানগর আদালত
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা
• আদি আমলী আদালত হিসাবে (As a court of original jurisdiction), দায়রা আদালত সব মামলা আমলে নিতে পারে না। মামলা আমলে নেওয়ার ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে দায়রা কোর্টে পাঠানোর পর ১৯৩ (১) ধারা অনুযায়ী দায়রা জজ অপরাধ বিচারার্থে আমলে নিতে পারে।তাছাড়া অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ এমন অপরাধের বিচার করতে পারে যখন-

১. সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা বিচারের নির্দেশ দিলে বা

২. দায়রা জজ অপরাধটি বিচারের জন্য তাদেরকে অর্পণ করলে। [ধারা ১৯৩ (২)]
১১,৩৬১.
জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পত্তি দখলের জন্য সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ১০ বছর।
⇒ যদি কেউ জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পত্তির ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন, তবে সর্বোচ্চ ১০ বছর এবং সর্বনিম্ন ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২৭ – জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পত্তির দখল:
(১) কোন ব্যক্তি তাহার নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তির নামে, এমন কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন বা মালিকানা অর্জন করিয়াছেন, যাহা অসাধু উপায়ে অর্জিত হইয়াছে এবং তাহার জ্ঞাত আয়ের উত্সের সহিত অসংগতিপূর্ণ বলিয়া মনে করিবার যথেষ্ট কারণ রহিয়াছে এবং তিনি উক্তরূপ সম্পত্তি দখল সম্পর্কে আদালতের নিকট বিচারে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা প্রদান করিতে ব্যর্থ হইলে উক্ত ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বছর এবং অন্যুন ০৩ (তিন) বছর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন; এবং উক্তরূপ সম্পত্তিসমূহ বাজেয়াপ্ত যোগ্য হইবে৷ 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন অপরাধের বিচার চলাকালীন যদি প্রমাণিত হয় যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অপর কোন ব্যক্তির নামে, তাহার জ্ঞাত আয়ের উত্সের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা অর্জন করিয়াছেন বা অনুরূপ সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন, তাহা হইলে আদালত অনুমান করিবে (shall presume) যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি উক্ত অপরাধে দোষী, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে উক্ত অনুমান খণ্ডন (rebut) করিতে না পারেন; এবং কেবল উক্তরূপ অনুমানের উপর ভিত্তি করিয়া প্রদত্ত কোন দণ্ড অবৈধ হইবে না৷
১১,৩৬২.
X, Y কে Z এর ঘর পোড়ানোর জন্য প্ররোচিত করে। Y, Z এর ঘরে আগুন দেয় এবং চুরি করে। X______________দায়ী হবে।
  1. চুরি এবং ঘর পোড়াতে প্ররোচনার জন্য
  2. চুরিতে প্ররোচনার জন্য
  3. ঘর পোড়াতে প্ররোচনার জন্য
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘর পোড়াতে প্ররোচনার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘর পোড়াতে প্ররোচনার জন্য
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ১১১ ধারা মতে যখন একটি কাজের জন্য সহায়তা করা হয়েছে কিন্তু সে কাজটি ভিন্ন অপর একটি কাজ সম্পাদিত হয়েছে, তখন যে কাজটি সম্পাদিত হয়েছে তার জন্য প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা করা হলে যে অপরাধ হত সে অপরাধের জন্য যেভাবে এবং যতটুক পর্যন্ত দণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সহায়তাকারী সেভাবে এবং ততটুকু পর্যন্ত দণ্ডে দণ্ডিত হবে,
♦তবে শর্ত থাকে যে, যে কাজটি সম্পাদিত হয়েছে সে কাজটি সহায়তার একটি সম্ভাব্য পরিণতি হতে হবে, এবং যে প্ররোচনা, সাহায্য বা ষড়যন্ত্র দ্বারা সহায়তা করা হয়েছে কাজটি সে প্ররোচনা, সাহায্য বা ষড়যন্ত্রের প্রভাবেই সম্পাদিত হতে হবে।

♦আলোচ্য প্রশ্নে X, Y কে Z এর ঘর পোড়ানোর জন্য প্ররোচিত করে। Y, Z এর ঘরে আগুন দেয় এবং চুরি করে। এখানে প্ররোচনা করা হয়েছিল ঘরে আগুন দেওয়ার কিন্তু Y চুরিও করে। এখানে চুরি হলো আগুন দেওয়া হতে ভিন্ন অপরাধ। যেহেতু ঘরে আগুন দেওয়ার সম্ভাব্য ফলাফল চুরি না, সেহেতু শুধুমাত্র ঘরে আগুন দেওয়ার প্ররোচনার জন্য X দায়ী হবে কিন্তু চুরি করতে প্ররোচনার জন্য দায়ী হবেনা। তবে Y ঘরে আগুন দেওয়া ও চুরি উভয় অপরাধের জন্য দায়ী হবে। 
১১,৩৬৩.
নিম্নের কোনটি গুরুতর আঘাত নয়?
  1. দুই চক্ষুর যে কোনটিতে দৃষ্টিশক্তি রহিতকরণ
  2. দুই কর্ণের যে কোনটির শ্রবণশক্তি রহিতকরণ
  3. যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্টসাধন
  4. আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে দশ দিন মেয়াদের জন্য তীব্র যন্ত্রণা দান করে
সঠিক উত্তর:
আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে দশ দিন মেয়াদের জন্য তীব্র যন্ত্রণা দান করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে দশ দিন মেয়াদের জন্য তীব্র যন্ত্রণা দান করে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ Grievous hurt:
Section 320. The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
১১,৩৬৪.
ফৌজদারি মামলায় প্রমাণের মাপকাঠি কী?
  1. প্রমাণের ভারসাম্য
  2. সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ
  3. অংশগ্রহণমূলক প্রমাণ
  4. সম্ভাব্যতার ভারসাম্য
সঠিক উত্তর:
সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ
ব্যাখ্যা
⇒ প্রমাণের মান (standard of proof)- একটি মামলায় জয়ী হওয়ার জন্য মামলাটির যতটুকু প্রমাণ করতে হয়, সেই মাপকাঠিকে বলা হয় প্রমাণের মান বা standard of proof। মামলার প্রকৃতির উপর প্রমাণের মান বা standard of proof নির্ভর করে। অর্থাৎ দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের মান এক ধরণের এবং ফৌজদারি মামলায় প্রমাণের মান আরেক ধরণের যা নিম্নে আলোচনা করা হল-

⇒ দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের মান (Standard of proof in civil case)-
একটি দেওয়ানি মোকদ্দমা কতটুকু প্রমাণ করতে হবে তা হল Civil Standard of Proof। দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের মানকে যে নীতি দ্বারা ব্যাখ্যা করা হয় তা হল Balance of Probability বা Preponderence of Evidence. যে পক্ষের সাক্ষ্যের মূল্য বেশী সে পক্ষ দেওয়ানি মোকদ্দমায় জয়ী হবে বা প্রতিকার পাবে। অর্থাৎ দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের সংখ্যাধিক্য থাকলেই যথেষ্ট অর্থাৎ ১০০টি তথ্যের মধ্যে ৫১টি সত্য (more than 50% truth) হওয়াই যথেষ্ট বা যখন 'মিথ্যার চেয়ে সত্যের সম্ভাবনা বেশী'(more probably true than false) যা সম্ভাব্যতার ভারসাম্য নীতি বা balance of probabilities নামে পরিচিতি।

⇒ ফৌজদারি মামলায় প্রমাণের মান (Standard of proof in criminal case)-
ফৌজদারি মামলায় মামলাকারী অভিযুক্ত ব্যক্তির অপরাধ এমনভাবে প্রমাণ করবেন যাতে প্রতিকূল সকল স্বাভাবিক সন্দেহের পরিসমাপ্তি ঘটে যা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত নীতি বা Proved Beyond all reasonable doubts নামে পরিচিতি।
১১,৩৬৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ এর কোন বিধি অনুযায়ী বিবাদীর গরহাজিরার ক্ষেত্রে একতরফা শুনানি নির্ধারিত হয়?
  1. বিধি-১
  2. বিধি-৬
  3. বিধি-১২
  4. বিধি-১৩
সঠিক উত্তর:
বিধি-৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-৬
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) বিধি-৬
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯, বিধি ৬ অনুযায়ী, যখন বাদী উপস্থিত হন এবং বিবাদী উপস্থিত না থাকেন, তখন আদালত একতরফা শুনানি পরিচালনা করতে পারে যদি প্রমাণিত হয় যে সমন সঠিকভাবে বিবাদীকে প্রেরণ করা হয়েছে। এই বিধি অনুযায়ী, আদালত বিভিন্ন পরিস্থিতি অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে, যেমন দ্বিতীয় সমন প্রেরণ করা বা শুনানি স্থগিত রাখা।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৯, বিধি-৬. শুধুমাত্র বাদী উপস্থিত হলে কার্যপ্রণালী: 
(১) যখন বাদী উপস্থিত হন এবং বিবাদী শুনানির জন্য উপস্থিত হন না, তখন:
যখন সমন সঠিকভাবে প্রেরিত হয়:
(ক) যদি প্রমাণিত হয় যে সমন সঠিকভাবে প্রেরিত হয়েছে, তবে আদালত একতরফা শুনানি পরিচালনা করতে পারে।
যখন সমন সঠিকভাবে প্রেরিত হয়নি:
(খ) যদি প্রমাণিত না হয় যে সমন সঠিকভাবে প্রেরিত হয়েছে, তবে আদালত বিবাদীর প্রতি দ্বিতীয় সমন প্রেরণ এবং সঠিকভাবে প্রেরণের নির্দেশ দেবে।
যখন সমন প্রেরিত হলেও যথাযথ সময়ে পৌঁছায়নি:
(গ) যদি প্রমাণিত হয় যে সমন বিবাদীর প্রতি প্রেরিত হয়েছে, কিন্তু সঠিক সময়ে তাকে উপস্থিত হতে এবং উত্তর দিতে সুযোগ দেয়নি, তবে আদালত শুনানি স্থগিত করে ভবিষ্যতে একটি নতুন তারিখ নির্ধারণ করবে এবং সেই তারিখ সম্পর্কে বিবাদীকে নোটিশ প্রদান করতে নির্দেশ দেবে।
(২) যদি বাদীর গাফিলতির কারণে সমন সঠিকভাবে প্রেরিত না হয় বা যথাযথ সময়ে প্রেরিত না হয়, তবে আদালত বাদীকে স্থগিত হওয়া শুনানির খরচ পরিশোধের আদেশ দেবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-9 Rule-6. Procedure when only plaintiff appears:
(1) Where the plaintiff appears and the defendant does not appear when the suit is called on for hearing, then-
 When summons duly served:
(a) if it is proved that the summons was duly served, the Court may proceed ex parte,
When summons not duly served:
(b) if it is not proved that the summons was duly served, the Court shall direct a second summons to be issued and served on the defendant;
When summons served, but not in due time:
(c) if it is proved that the summons was served on the defendant, but not in sufficient time to enable him to appear and answer on the day fixed in the summons, the Court shall postpone the hearing of the suit to a future day to be fixed by the Court, and shall direct notice of such day to be given to the defendant.
(2) Where it is owing to the plaintiff's default that the summons was not duly served or was not served in sufficient time, the Court shall order the plaintiff to pay the costs occasioned by the postponement.

১১,৩৬৬.
তামাদি আইনের কোন তফসিলে মামলার তামাদি মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. চতুর্থ তফসিল
সঠিক উত্তর:
প্রথম তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম তফসিল
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: ক) প্রথম তফসিল।
তামাদি আইন:

১৮৫৯ সালে সর্বপ্রথম তামাদি আইন পাশ করা হয়।
১৮৬২ সালে এই আইনটি কার্যকর করা হয়।
১৯০৮ সালে সর্বশেষ তামাদি আইন প্রবর্তন করা হয়, যা বর্তমানে বাংলাদেশে প্রযোজ্য।
এটি ১৯০৮ সালের ৯নং আইন নামে পরিচিত।
এই আইনটি ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।

তামাদি আইনের বর্তমান কাঠামো:
বর্তমানে তামাদি আইনে ২৯টি ধারা এবং ১টি তফশিল বলবৎ আছে। 

ধারাসমূহ:
তামাদির মেয়াদ গণনার পদ্ধতি: কোন সময় বাদ দিয়ে বা যোগ করে তামাদি গণনা করতে হবে।
তামাদির ফলাফল: নির্ধারিত সময়ের পর মোকদ্দমা দায়ের করলে তার ফলাফল।
তামাদির বিলম্ব মওকুফ: তামাদির বিলম্ব মওকুফের বিধান।
প্রেসক্রিপশন ও অর্জন: ২৬ থেকে ২৮ ধারায় প্রেসক্রিপশন [prescription] ও অর্জন [acquisition] নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

প্রথম তফশিলের বিষয়বস্তু:
প্রথম তফশিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে। তফশিলে ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে:
১. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits] → অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত।
২. আপিল, রিভিউ দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals] → অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত।
৩. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions] → অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত।
১১,৩৬৭.
বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রাপ্ত এ্যাডভোকেট হবার সকল আবেদনপত্র এর যে কমিটিতে উপস্থাপন করতে হয় তা হলো-
  1. Executive Committee
  2. Admission Committee
  3. Enforcement Committee
  4. Enrolment Committee
সঠিক উত্তর:
Enrolment Committee
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Enrolment Committee
ব্যাখ্যা
♦ অনুচ্ছেদ-৩০: ১) বার কাউন্সিল কর্তৃক গৃহীত অ্যাডভোকেট হিসাবে, অন্তর্ভুক্তিকরণের সকল আবেদনপত্র তালিকা এনরোলমেন্ট কমিটিতে প্রেরিত হবে।
২) এনরোলমেন্ট কমিটি উক্ত দরখাস্ত গ্রহণ করতে পারে বা দরখাস্ত না গ্রহণের কারণসহ তা বার কাউন্সিলে ফেরত দিতে পারে।
৩) যেক্ষেত্রে কোন দরখাস্ত ফেরত আসবে, এনরোলমেন্ট কমিটি কর্তৃক প্রদত্ত কারণসমূহ বার কাউন্সিল বিবেচনা করে উক্ত দরখাস্ত গ্রহণ করতে পারে বা প্রত্যাখ্যান করতে পারে।

♦ নিবন্ধন কমিটির কাজঃ
১১খ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনজীবীদের নিবন্ধন এবং নিবন্ধন কমিটির কাজ আইন দ্বারা নির্ধারিত হবে। বার কাউন্সিলের রুলস এর ৬০ক বিধি অনুযায়ী আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য প্রত্যেক আবেদনকারী বার কাউন্সিল কর্তৃক নির্দেশিত এবং তদারকিকৃত পরীক্ষা ( এম.সি.কিউ, লিখিত এবং মৌখিক ) সম্পন্ন করবে। ৬০খ বিধিতে বলা হয়েছে, প্রত্যেক আবেদনকারী যে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে সে নিবন্ধন কমিটি কর্তৃক নির্দেশিত এবং তদারকিকৃত মৌখিক পরীক্ষার সম্মুখীন হবে।
♦ বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রাপ্ত অ্যাডভোকেট হওয়ার সকল আবেদনপত্র নিবন্ধন কমিটিতে উপস্থাপন করতে হয় [অনুচ্ছেদ-৩০]। উক্ত কমিটি এমন আবেদন মঞ্জুর বা প্রত্যাখ্যান করতে পারে। সুতরাং ইনরোলমেন্ট বা নিবন্ধন কমিটির প্রধান কাজ হলো প্রত্যেক আবেদনকারী যে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে তার মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা এবং এনরোলমেন্ট প্রার্থীগণের দরখাস্ত মঞ্জুর করা।
♦ There shall be an enrollment committee for the enrollment of the advocates. Enrollment committee consisting of five members: a Chairman to be nominated by the Chief Justice from amongst the Judges of the Appellate Division, two members to be nominated by the Chief Justice from amongst the Judges of the High Court Division, Attorney-General for Bangladesh and one member elected by the Bar Council from amongst its members.
১১,৩৬৮.
রিভিউ আবেদন কোথায় দাখিল করতে হবে?
  1. উচ্চ আদালতে
  2. আপিল বিভাগে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছে
সঠিক উত্তর:
যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছে
ব্যাখ্যা

ধারা ১১৪- রিভিউ:
উপরিউক্ত বিধানসমূহের অধীন, যে কোনো ব্যক্তি নিজেকে ক্ষুব্ধ মনে করলে—
(a) এই কোড অনুযায়ী যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার অধিকার আছে, কিন্তু কোনো আপিল করা হয়নি,
(b) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে এই কোডে কোনো আপিলের বিধান নেই, অথবা
(c) স্মল কজেস কোর্ট (Small Causes Court) থেকে রেফারেন্স করা মামলায় প্রদত্ত সিদ্ধান্ত—

এসব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ডিক্রি প্রদানকারী বা আদেশ প্রদানকারী আদালতে রায় পুনর্বিবেচনার (review) জন্য আবেদন করতে পারে।

এবং আদালত সেই আবেদন নিয়ে যে কোনো উপযুক্ত আদেশ দিতে পারে, আদালত যেমনটি উপযুক্ত মনে করে।

১১,৩৬৯.
What is the maximum term of imprisonment for someone who cheats and induces another person to deliver property under section 420 of The Penal Code, 1860?
  1. Three years
  2. Five years
  3. Seven years
  4. Ten years
সঠিক উত্তর:
Seven years
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Seven years
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২০ অনুযায়ী,
যদি কেউ প্রতারণা করে এবং এর ফলে প্রতারিত ব্যক্তিকে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে বাধ্য করে, অথবা প্রতারিত ব্যক্তিকে কোনো মূল্যবান দলিল (যেমন চেক, চুক্তি ইত্যাদি) তৈরি, পরিবর্তন বা ধ্বংস করতে প্ররোচিত করে, তাহলে সেই ব্যক্তি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের জন্য তাকে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে এবং এর পাশাপাশি তাকে অর্থদণ্ডও দেয়া যেতে পারে।

[Whoever cheats and thereby dishonestly induces the person deceived to deliver any property to any person, or to make, alter or destroy the whole or any part of a valuable security, or anything which is signed or sealed, and which is capable to being converted into a valuable security, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.]
১১,৩৭০.
তিনটি ক্রমিক সংখ্যার যোগফল ১২০ হলে বৃহত্তম সংখ্যাটি কত?
  1. ৭১
  2. ৪১
  3. ৩১
  4. ৬১
সঠিক উত্তর:
৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: তিনটি ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল ১২০। বৃহত্তম সংখ্যাটি কত?

সমাধান: 
মনে করি,
সংখ্যা তিনটি যথাক্রমে ক, ( ক + ১) ও ( ক + ১ + ১) বা (ক + ২)
 
প্রশ্নমতে
ক + ক + ১ + ক + ২ = ১২০
বা, ৩ক  + ৩ = ১২০
বা, ৩ক =১১৭
বা, ক = ৩৯

বৃহত্তম সংখ্যাটি = ৩৯ + ২ = ৪১
১১,৩৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪ অনুযায়ী, অভিযুক্ত জবানবন্দি সত্য বলে স্বীকার করলে কোন কার্যটি সম্পন্ন হয়?
  1. শুধু বিচারক স্বাক্ষর করেন
  2. শুধু অভিযুক্ত স্বাক্ষর করেন
  3. সরকারি আইনজীবী স্বাক্ষর করেন
  4. অভিযুক্ত এবং বিচারক উভয়ে স্বাক্ষর করেন
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত এবং বিচারক উভয়ে স্বাক্ষর করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত এবং বিচারক উভয়ে স্বাক্ষর করেন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪- অভিযুক্তের জবানবন্দি যেভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে:-
(১) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতীত, অন্য কোন আদালত, কোন অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রত্যেকটি প্রশ্ন ও তাঁর প্রদত্ত প্রত্যেকটি জবাবসহ সমগ্র , যে ভাষায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সে ভাষায় বা তা সম্ভব না হলে আদালতের ভাষায় কিংবা ইংরেজি ভাষায় পূর্ণাঙ্গরূপে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং উক্ত নথি তাকে দেখাতে হবে বা পড়ে শুনাতে হবে অথবা যে ভাষায় তা লেখা হয়েছে ঐ সে বুঝতে না পারলে যে ভাষায় সে বুঝে ঐ ভাষায় তা তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে এবং সে তার জবাব ব্যাখ্যা করতে বা তাতে জবাবে নতুন কিছু যোগ করতে পারবে।

(২) সে যখন সমগ্র জবানবন্দি সত্য হিসাবে স্বীকার করে, তখন অভিযুক্ত এবং উক্ত আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ তাতে স্বাক্ষর করবেন এবং উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বহস্তে সার্টিফাই করবেন যে, জবানবন্দি তাঁর উপস্থিতিতে ও শ্রবণের মধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং নথিতে অভিযুক্তের বিবৃতির একটি পূর্ণাঙ্গ ও সত্য বিবরণ রয়েছে।


(৩) ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বয়ং অভিযুক্তের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ না করলে জবানবন্দি চলার সময় তিনি আদালতের ভাষায় বা ইংরেজির সঙ্গে পর্যাপ্তভাবে পরিচিত হলে ইংরেজি ভাষায় তার একটি স্মারক তৈরি করতে থাকবেন এবং এরূপ স্মারক ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ কর্তৃক স্বহস্তে লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং নথির সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট বা জর্জ যদি উক্ত স্মারক তৈরি করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে তিনি তাঁর এরূপ অসামর্থ্যের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।


(৪) এই ধারার কোন বিধান ধারা-২৬৩ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে মর্মে পরিগণিত করা যাবে না।

১১,৩৭২.
রেজিস্ট্রেশন আইনে Tout এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে কোন ধারায়?
  1. ২(৮) ধারায়
  2. ২(১১) ধারায়
  3. ৮২ ধারায়
  4. ২(১০) ধারায়
সঠিক উত্তর:
২(১১) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২(১১) ধারায়
ব্যাখ্যা
• রেজিস্ট্রেশন আইনে ২(১১) ধারা মতে দালাল (tout) বলতে নিম্নের ব্যক্তি দেরকে বুঝাবে-
ক) লাইসেন্স (অনুমোদন) ব্যতীত যে ব্যক্তি ধারা ৮০ছ এর অধীনে রেজিস্ট্রেশন অফিসের প্রাঙ্গণে নিয়মিত ভাবে আসা যাওয়া করে এবং তার নিজের কর্মসংস্থান লাভের জন্য যে অন্য কোন ব্যক্তিকে রেজিস্ট্রেশন কার্যে সাহায্য করে।
খ) যাকে ধারা ৮০ছ এর অধীনে প্রণীত নিয়মাবলি অনুসারে টাউট বা দালাল ঘোষণা করা যায়।
-------
• Section 2(11) “tout' means a person:
(a) who habitually frequents the precincts of a registration office, without a licence granted to him under the rules made under section 80G, for the purpose of obtaining employment for himself or for any other person in connection with any registration business; or
(b) who is declared to be deemed to be a tout for the purposes of this Act by rules made under section 80G;
১১,৩৭৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬খ অনুযায়ী, গ্রেফতারের ঘটনা কোথায় নথিভুক্ত করতে হবে?
  1. থানার সাধারণ ডায়েরিতে
  2. আদালতের রেজিস্টারে
  3. পুলিশের নিজস্ব কেইস ডায়েরিতে
  4. তদন্তকারী অফিসারের প্রতিবেদনে
সঠিক উত্তর:
থানার সাধারণ ডায়েরিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থানার সাধারণ ডায়েরিতে
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪৬খ: গ্রেফতারের রেকর্ড, সাধারণ ডায়েরিতে নথিভুক্তি এবং তথ্য প্রদান:
(১) গ্রেফতারকারী অফিসারকে অফিসিয়াল রেজিস্টারে একটি এন্ট্রি করতে হবে, যাতে উল্লেখ থাকবে—
- গ্রেফতারের কারণ,
- তথ্যদাতা বা অভিযোগকারী ব্যক্তির নাম ও বিবরণ,
- সেই আত্মীয় বা বন্ধুর নাম ও বিবরণ, যাকে গ্রেফতারের তথ্য জানানো হয়েছে, এবং
- গ্রেফতার ব্যক্তিকে আটক করার দায়িত্বে থাকা অফিসারের নাম ও বিবরণ।

(২) প্রতিটি গ্রেফতারীর ঘটনা সেই থানার সাধারণ ডায়েরিতে সঙ্গে সঙ্গেই নথিভুক্ত করা হবে। যদি গ্রেফতারকারী অফিসার সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তা না হন, তবে গ্রেফতার সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথেই গ্রেফতারের মেমোরান্ডামের একটি কপি সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার-ইন-চার্জকে প্রদান করতে হবে, যিনি এরপর তা সাধারণ ডায়েরিতে এন্ট্রি করবেন।

(৩) যারা অফিসিয়াল রেজিস্টার বা সাধারণ ডায়েরি রক্ষা করার দায়িত্বে আছেন, তারা চাইলে গ্রেফতার সম্পর্কিত তথ্য গ্রেফতার ব্যক্তির যে কোনো আত্মীয়, বন্ধু বা প্রতিবেশীকে দিতে বাধ্য থাকবেন।

১১,৩৭৪.
আরজি ফেরতের সময় আদালত আরজির উপর নিচে বর্ণিত কোন তথ্যটি লিখবেন না?
  1. দাখিলের তারিখ
  2. ফেরতের তারিখ
  3. মোকদ্দমাটির গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে বিবৃতি
  4. ফেরতের কারণ সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত বিবৃতি
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটির গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে বিবৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটির গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে বিবৃতি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো- (গ) মোকদ্দমাটির গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে বিবৃতি।

আদেশ ৭: বিধি ১০, দেওয়ানি কার্যবিধি:

আরজি ফেরত অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া। যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।

• আরজি ফেরত প্রদানের পদ্ধতিবিচারক আরজি ফেরত প্রদানের সময় উহার উপর;
- আরজি পেশ করার ও ফেরত নেয়ার তারিখ,
- দাখিলকারক পক্ষের নাম এবং
- তা ফেরত নিয়ে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ লিপিবদ্ধ করবে।

কিন্তু আদালত মোকদ্দমাটির গ্রহণযোগ্যতা (admissibility) সম্পর্কে কোনো বিবৃতি লিখবেন না।

১১,৩৭৫.
আপিল আদালত হাইকোর্ট ডিভিশন হলে, অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে কাকে আদেশ দিতে পারেন?
  1. পুলিশকে গ্রহণের জন্য নির্দেশ দিতে পারে
  2. দায়রা আদালতকে গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২৮- আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন

(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয় তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।

(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামী বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকবেন।

(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।
১১,৩৭৬.
তামাদি আইন,১৯০৮ এর ১ম তফসিলে মোট কয়টি অনুচ্ছেদ আছে?
  1. ১৩৮ টি
  2. ১১৩ টি
  3. ১৮৩ টি
  4. ১৯৩ টি
সঠিক উত্তর:
১৮৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৩ টি
ব্যাখ্যা
• সর্বপ্রথম ১৮৫৯ সালে তামাদি আইন পাশ করা হয়। এই আইনটি ১৮৬২ সালে কার্যকর করা হয়। সর্বশেষ ১৯০৮ সালে পুনরায় তামাদি আইন প্রবর্তন করা হয় যা বর্তমানে বাংলাদেশে প্রযোজ্য। এটা ১৯০৮ সালের ৯নং আইন। আইনটি ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী হতে কার্যকর হয়। বর্তমানে তামাদি আইনের ২৯টি ধারা এবং ১টি তফসিল বলবৎ আছে। 

• তফসিলে মোকদ্দমা, আপীল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে। তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরণের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
১. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
২. আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
৩. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।
১১,৩৭৭.
দেবোত্তর সম্পত্তির পরিচালককে কী বলা হয়?
  1. ট্রাস্টি
  2. সেবায়েত
  3. পুরোহিত
  4. মন্দির ব্যবস্থাপক
সঠিক উত্তর:
সেবায়েত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেবায়েত
ব্যাখ্যা

⇒ সেবায়েত (Shebait) হলো হিন্দু আইনে দেবোত্তর সম্পত্তি (Debottar Property) বা মন্দিরের আইনি ও ধর্মীয় পরিচালক।
- দেবোত্তর সম্পত্তি হলো যে সম্পত্তি মন্দির বা দেবতার উদ্দেশ্যে দান করা হয়।
- এই সম্পত্তি পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করেন সেবায়েত, যিনি দেবতার প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন।

সেবায়েতের ভূমিকা ও বৈশিষ্ট্য:
- সেবায়েত মন্দির বা দেবতার সেবক হিসেবে কাজ করেন এবং সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণ করেন।
- তিনি দেবতার আইনি প্রতিনিধি হিসেবেও বিবেচিত হন।

নিয়োগ:
- সাধারণত বংশানুক্রমিক (পরিবার বা সম্প্রদায়ের মাধ্যমে)।
- কিছু ক্ষেত্রে ট্রাস্ট বা আদালত কর্তৃক নিযুক্ত হতে পারেন।

ক্ষমতা:
- সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও পূজা-অর্চনা পরিচালনা।
- Legal Necessity (আইনসম্মত প্রয়োজন) থাকলে সম্পত্তি বিক্রি বা বন্ধক দিতে পারেন (আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে)।

সীমাবদ্ধতা:
- সেবায়েত স্বেচ্ছায় সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন না (যেমন: ব্যক্তিগত লাভের জন্য)।
- দেবোত্তর সম্পত্তির আয় শুধু ধর্মীয় কাজে ব্যবহার করতে হয়।

১১,৩৭৮.
মহানগরীর জন্য প্রতিষ্ঠিত দায়রা আদালতকে কী বলা হয়?
  1. জেলা ও দায়রা জজ আদালত
  2. মহানগরী দায়রা আদালত
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. সিটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল
সঠিক উত্তর:
মহানগরী দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহানগরী দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯(১)-এ বলা হয়েছে যে, সরকার মহানগরীর জন্য দায়রা আদালত স্থাপন করবে এবং সেই আদালতকে মহানগরী দায়রা আদালত নামে অভিহিত করা হবে। এটি একটি বিশেষ ধরনের দায়রা আদালত যা মহানগরী অঞ্চলের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়, যেখানে একটি নির্দিষ্ট মহানগরীর বিচারিক কাজ পরিচালিত হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারার বিধান দায়রা আদালত:
(১) সরকার প্রত্যেকটি দায়রা বিভাগের জন্য একটি করে দায়রা আদালত স্থাপন করবেন এবং এই আদালতে একজন জজ নিয়োগ করবেন; এবং মহানগরীর জন্য সৃষ্ট দায়রা আদালত মহানগরী দায়রা আদালত নামে অভিহিত হবে।
(২) সরকার সরকারি গেজেটে সাধারণ অথবা বিশেষ আদেশ জারী করে নির্দেশ দিতে পারেন যে কোন স্থানে বা স্থানসমূহে দায়রা আদালত বসবে; কিন্তু এরূপ আদেশ না দেয়া পর্যন্ত দায়রা আদালতসমূহ পূর্বের ন্যায় বসবে।
(৩) এরূপ এক বা একাধিক আদালতে কর্তৃত্ব প্রয়োগ করার জন্য অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং সহকারী দায়রা জজ ও নিয়োগ করতে পারবেন।
(৩ক) - অনুরূপ এক বা একাধিক এলাকার দায়িত্ব পালনের জন্য সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদের শর্তানুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত বিধি মোতাবেক বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যগণ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজ নিযুক্ত হইবেন।
(৪) সরকার এক দায়রা বিবাগের দায়রা জজকে অপর একটি বিভাগের অতিরিক্ত দায়রা জজ নিয়োগ করতে পারেন, এবং এরূপ ক্ষেত্রে তিনি সরকারের নির্দেশানুসারে দুইটি বিভাগের যে কোন একটির এক বা একাধিক স্থানে মামলা নিস্পত্তির জন্য বসতে পারবেন।
(৫) এই আইন বলবৎ হবার সময় যে সকল দায়রা আদালত বিদ্যমান ছিল তার সমস্ত গুলিই এই আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে ধরতে হবে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 9. Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court; and the Court of Session for a Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.
(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore.
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts.
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct.
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.
১১,৩৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক অনুযায়ী, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করার শর্ত কী?
  1. রিপোর্টের সত্যতা নিশ্চিত করতে হবে
  2. রিপোর্টে উল্লেখিত তথ্য অপরিহার্য হতে হবে
  3. রিপোর্টের ভাষা আদালতের উপযুক্ত হতে হবে
  4. সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা না গেলে
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা না গেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা না গেলে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট-
 
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।
 
Section 509A: Report of post-mortem examination-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
১১,৩৮০.
বাংলাদেশের নাগরিকত্ব কীসের দ্বারা নির্ধারিত হয়?
  1. আইন
  2. সংবিধান
  3. রাষ্ট্রপতির আদেশ
  4. প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত
সঠিক উত্তর:
আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইন দ্বারা নির্ধারিত হয়। সংবিধানের ৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশে নাগরিকত্ব অর্জন বা হারানোর বিষয়টি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইন দ্বারা নির্ধারিত এবং নিয়ন্ত্রিত হয়।
- এটি একটি বৈধ আইনি প্রক্রিয়া, যা নাগরিকদের অধিকার এবং দায়িত্বকে স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করে।
- নাগরিকত্বের নিয়মনীতির জন্য নির্দিষ্ট আইন প্রণীত হয়েছে যা নাগরিকত্বের বিভিন্ন শর্ত, প্রক্রিয়া ও নিয়মাবলী স্পষ্ট করে।

বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬ নাগরিকত্ব:
(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হইবে। 
(২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন।
১১,৩৮১.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে 'K' তার বন্ধুকে সহায়তা করে। এক্ষেত্রে 'K' সর্বনিম্ন কত বছর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ২ বছর।

• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ ধারা ৫- অপরাধ সংঘটনের সহায়তার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করিলে তিনি ধারা ৪-এ উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

ধারা ৪ অনুযায়ী, আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের শাস্তি হিসেবে দেয়া আছে-
 (১) কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করিলে তিনি অন্যুন দুই বৎসর এবং অনধিক সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷ 

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনকালে সরকার কিংবা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে তদ্‌জন্য আদালত তদ্‌বিবেচনায় উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত সরকার বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অনুকূলে প্রদান করিবার জন্য উক্ত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদেশ দিতে পারিবে এবং এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সরকারী দাবী হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে৷

অর্থাৎ, কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করলে, উক্ত ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৭ বছর এবং সর্বনিম্ন ২ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

১১,৩৮২.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে একই বিচারে কোনো ব্যক্তি কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে, সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেয়া যাবে?
  1. ১২ বছরের
  2. ১০ বছরের
  3. ১৪ বছরের
  4. ২০ বছরের
সঠিক উত্তর:
১৪ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছরের
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান- একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপোক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদারতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না।
 
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।
(৩) আপীলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।
---------------
The Code of Criminal Procedure, 1898-Section:-35.Sentence in cases of conviction of several offences at one trial Maximum term of punishment:
(1) When a person is convicted at one trial of two or more offences, the Court may, subject to the provisions of section 71 of the Penal Code sentence him, for such offences, to the several punishments prescribed therefor which such Court is competent to inflict; such punishments, when consisting of imprisonment or transportation to commence the one after the expiration of the other in such order as the Court may direct, unless the Court directs that such punishments shall run concurrently.
(2) In the case of consecutive sentences, it shall not be necessary for the Court, by reason only of the aggregate punishment for the several offences being in excess of the punishment which it is competent to inflict on conviction of a single offence, to send the offender for trial before a higher Court:

Provided as follows:-
(a) in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years;
(b) if the case is tried by a Magistrate, the aggregate punishment shall not exceed twice the amount of punishment which he is, in the exercise of his ordinary jurisdiction, competent to inflict.
(3) For the purpose of appeal, the aggregate of consecutive sentences passed under this section in case of convictions for several offences at one trial shall be deemed to be a single sentence.
১১,৩৮৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারা অনুসারে কোন ধারাগুলোর অধীনে আদালত চুক্তির আংশিক কার্যসম্পাদনের আদেশ দিতে পারে?
  1. ধারা ১০, ১১, ১২
  2. ধারা ১৪, ১৫, ১৬
  3. ধারা ১৭, ১৮, ১৯
  4. ধারা ৫২, ৫৩, ৫৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪, ১৫, ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪, ১৫, ১৬
ব্যাখ্যা

Correct answer: ধারা ১৪, ১৫, ১৬.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারা , অন্যান্য ক্ষেত্রে চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনে প্রতিবন্ধকতা: পূর্ববর্তী তিনটি ধারার যে কোনোটির আওতাধীন ক্ষেত্রসমূহ ব্যতীত অন্য কোনো ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিবে না।
---------------------------
Section 17- Bar in other cases of specific performance of part of contract: The Court shall not direct the specific performance of a part of a contract except in cases coming under one or other of the three last preceding sections.

১১,৩৮৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬, বিধি-১৭ মতে-
  1. শুধু আরজি সংশোধন করা যায়
  2. শুধু লিখিত বর্ণনা সংশোধন করা যায়
  3. আরজি ও লিখিত জবাব উভয়ই সংশোধন করা যায়
  4. উপরের সবগুলো সঠিক।
সঠিক উত্তর:
আরজি ও লিখিত জবাব উভয়ই সংশোধন করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ও লিখিত জবাব উভয়ই সংশোধন করা যায়
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৬, বিধি ১৭ অনুসারে প্লিডিংস সংশোধন (Amendment of pleadings)- প্লিডিংস বলতে যেহেতু আরজি বা লিখিত জবাবকে বোঝায়, সুতরাং প্লিডিংস সংশোধন বলতে আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনকে বোঝাবে অর্থাৎ আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের জন্য ৬নং আদেশের ১৭নং বিধি প্রযোজ্য হবে।
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১৭নং বিধিতে প্লিডিংস সংশোধন করার বিধান রয়েছে। ১৭ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ ও ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিলেও আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে প্লিডিংস সংশোধন করতে পারে।
♦প্লিডিংস সংশোধনের সময়- ৬ নং আদেশের ১৮ নং বিধিমতে আদালতের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অথবা সময় নির্ধারণ করে না দিলে আদালতের প্লিডিংস সংশোধনীর আদেশের ১৪ দিনের মধ্যে প্লিডিংস সংশোধন করতে হবে। নির্ধারিত সময় পার হলে এবং আদালত সময় বর্ধিত না করলে প্লিডিংস সংশোধন করা যাবে না।
১১,৩৮৫.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৬০ অনুযায়ী, রিভিউ দরখাস্ত শুনানিকালে দরখাস্তকারীর অনুপস্থিতির কারণে তা প্রত্যাখ্যাত হলে, তা পুনর্বহালের আবেদনের তামাদি মেয়াদ কতদিন?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলের তৃতীয় বিভাগ, অনুচ্ছেদ ১৬০-এ বলা হয়েছে—
- “When an application for review is rejected due to non-appearance of the applicant at the time of hearing, the time limit to restore that application is 15 days from the date of such rejection.”

- অর্থাৎ, আবেদনকারীর গরহাজিরায় রিভিউ দরখাস্ত যদি অগ্রাহ্য (rejected) হয়, তাহলে তা পুনরায় কার্যতালিকাভুক্ত (restore) করার জন্য আবেদন করা যাবে ১৫ দিনের মধ্যে, এবং গণনা শুরু হবে রিজেকশনের তারিখ থেকে।
১১,৩৮৬.
হাইকোর্ট বিভাগ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা প্রয়োগ করে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে __________ ধারার অধীনে শান্তি বজায় রাখার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।
  1. ১০৩
  2. ১০৬
  3. ১০৭
  4. ১০৮
সঠিক উত্তর:
১০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৬
ব্যাখ্যা
ধারা ১০৬: দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে শান্তি বজায় রাখার জন্য জামিনদানে বাধ্য করা:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি পেনাল কোডের অধ্যায় VIII এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ (ধারা ১৪৩, ১৪৯, ১৫৩এ বা ১৫৪ ব্যতীত), বা হামলা বা শান্তি ভঙ্গের সাথে সম্পর্কিত অন্য কোনো অপরাধ, অথবা এ ধরনের অপরাধের সহায়তা প্রদান, অথবা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের জন্য অভিযুক্ত হয়ে উচ্চ আদালত বিভাগ, সেশন আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয় এবং সেই আদালত মনে করে যে, ঐ ব্যক্তিকে শান্তি বজায় রাখার জন্য একটি বন্ড সম্পাদন করানো প্রয়োজন, তাহলে আদালত সেই ব্যক্তিকে তার আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী জামিনের জন্য একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের বন্ড সম্পাদনের নির্দেশ দিতে পারে। এই বন্ডে সর্বাধিক তিন বছরের জন্য শান্তি বজায় রাখার শর্ত থাকতে পারে এবং তা কোনো জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতীত হতে পারে।

(২) যদি আপিল বা অন্য কোনো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আদেশ বাতিল হয়, তাহলে সম্পাদিত বন্ডটি বাতিল হয়ে যাবে।

(৩) আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগও তাদের আপিল বা পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা প্রয়োগ করে এই ধারার অধীনে আদেশ দিতে পারে।
১১,৩৮৭.
What is the primary purpose of Order 7 Rule 5 of The Code of Civil Procedure, 1908?
  1. To determine the jurisdiction of the court
  2. To establish the plaintiff's legal standing
  3. To show that the defendant has an interest and liability in the case
  4. To allow the defendant to refuse to answer the plaintiff’s demand
সঠিক উত্তর:
To show that the defendant has an interest and liability in the case
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To show that the defendant has an interest and liability in the case
ব্যাখ্যা
Order 7 Rule 5: Defendant's interest and liability to be shown:
The plaint shall show that the defendant is or claims to be interested in the subject-matter,and that he is liable to be called upon to answer the plaintiff's demand.


আদেশ ৭ বিধি ৫: বিবাদীর স্বার্থ ও দায়িত্ব দেখাতে হবে:
আরজিতে দেখাতে হবে যে, মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে বিবাদীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বা বিবাদী অনুরূপ স্বার্থ দাবী করে এবং আরও দেখাতে হবে যে, বিবাদীর দাবীর উত্তর দিতে বাদী বাধ্য।
১১,৩৮৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি ২ এর অধীন ক্রোক আদেশ সর্বোচ্চ কত দিন বলবৎ থাকবে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
• মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে, সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ অনুযায়ী আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হয়। বিধি ১ অনুযায়ী যখন নালিশী সম্পত্তি কোন পক্ষ কর্তৃক ধ্বংস, ক্ষতিগ্রস্থ বা হস্তান্তরিত হওয়ার বা কোন ডিক্রি জারিমূলে অন্যায়ভাবে বিক্রি হতে পারে, অথবা বিবাদী যখন পাওনাদারকে বঞ্চিত, প্রতারিত করার জন্য তার সম্পত্তি হস্তান্তর করার হুমকি প্রদান করে বা ইচ্ছা পোষণ করে, তখন আদালত উক্ত নালিশী সম্পত্তি ধ্বংসকরণ, ক্ষতিগ্রস্থকরণ, হস্তান্তর, নিলাম, বিক্রয়, অপসারণ বা সমর্পণ স্থগিত করার উদ্দেশ্যে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে বা আদালত কর্তৃক যেরূপ উপযুক্ত বিবেচিত হবে সেরূপ আদেশ দিতে পারেন।

আদেশ ৩৯ বিধি ২-

১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয়মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
১১,৩৮৯.
'ক' বিস্ফোরক পদার্থ ব্যবহার করে এক ধর্মীয় স্থানের ক্ষতি করে। তাকে দণ্ডবিধির কত ধারার অধীনে শাস্তি দেয়া যেতে পারে?
  1. ৪২৬ ধারা
  2. ৪৩৬ ধারা
  3. ৪৩৭ ধারা
  4. ৪৩৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৩৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩৬ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪৩৬ ধারা- আগুন বা বিস্ফোরক দ্বারা ক্ষতি:
যে ব্যক্তি আগুন বা কোনো বিস্ফোরক পদার্থ ব্যবহার করে এমন ক্ষতি করে যা সাধারণত উপাসনাগৃহ, মানববাসস্থান বা সম্পত্তির সুরক্ষার জায়গারূপে ব্যবহৃত হয়, এবং তার উদ্দেশ্য থাকে বা সে জানে যে এইভাবে ওই স্থানের ধ্বংস সাধিত হতে পারে, তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডও দেওয়া হতে পারে।

Section 436- Mischief by fire or explosive substance with intent to destroy house, etc.:
Whoever commits mischief by fire or any explosive substance, intending to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, the destruction of any building which is ordinarily used as a place of worship or as a human dwelling or as a place for the custody of property, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১১,৩৯০.
দণ্ডবিধি অনুসারে মারামারি অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ১ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
১ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৬০ অনুসারে, মারামারির (Affray) অপরাধে সর্বোচ্চ ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। এই কারাদণ্ড সশ্রম বা বিনাশ্রম যেকোনো প্রকারের হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান  মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
___________
⇒ The Penal Code, 1860- Section 159:- Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒ Section 160: Punishment for committing affray:
-Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.

১১,৩৯১.
আদালত ও ট্রাইব্যুনাল সমূহের উপর হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা প্রয়োগে নিম্নের কোন বিধানটি অতিরিক্ত বলে বিবেচিত?
  1. সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ
  2. দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা
  3. সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

⇒ আদালত ও ট্রাইব্যুনাল সমূহের উপর হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অতিরিক্ত বলে বিবেচিত হয়। অতএব, সঠিক উত্তর গ) সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ।

ক) সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ (মূল বিধান):
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, "হাইকোর্ট বিভাগ দেশের সকল অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ করবে।"
- এটি হাইকোর্টের মৌলিক ও সরাসরি ক্ষমতা প্রদান করে। এই বিধান অধস্তন আদালতের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, নির্দেশ প্রদান এবং আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার ভিত্তি।
 
খ) দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা (প্রয়োগমূলক বিধান):
- এই ধারায় হাইকোর্টকে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যে, সে যেকোনো অধস্তন আদালতের কাছ থেকে রেকর্ড তলব করতে পারে এবং সেই রেকর্ড পরীক্ষা করে দেখতে পারে যে অধস্তন আদালত আইন অনুযায়ী কাজ করছে কিনা। অর্থাৎ এটি হাইকোর্ট বিভাগকে রিভিশন এর মাধ্যমে তত্ত্বাবধান ক্ষমতা প্রয়োগের একটি প্রক্রিয়াগত পদ্ধতি নির্ধারণ করে।

ঘ) ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৯ ধারা (নির্দিষ্ট ক্ষমতা):
- এটিও হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন ক্ষমতা, যার মাধ্যমে নিম্ন আদালতের ফৌজদারী মামলার রেকর্ড তলব করে আদেশ সংশোধন বা পরিবর্তন করা যায়। অর্থাৎ এটি ফৌজদারী বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন ক্ষমতা নির্ধারণ করে।
 
সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ (অতিরিক্ত বিধান):
- সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ হাইকোর্ট বিভাগকে রিট জারি করার ক্ষমতা দেয়, যার মাধ্যমে অধস্তন আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত বা বেআইনি কার্যক্রমকে চ্যালেঞ্জ করা যায়। যা নিম্ন আদালতের আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করার একটি শক্তিশালী মাধ্যম। ১০২ অনুচ্ছেদ একটি সাধারণ এখতিয়ার বিধান, যা তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণের নির্দিষ্ট ক্ষমতার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
অর্থাৎ এটি হাইকোর্টের সাধারণ এখতিয়ার নির্ধারণ করে, কিন্তু এটি সরাসরি অধস্তন আদালতের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা প্রদান করে না।
অতএব, হাইকোর্টের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে এই বিধানটি অপ্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।
সঠিক উত্তর: গ) সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ।

১১,৩৯২.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হবেন কে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক
  2. আপিল বিভাগের বিচারক
  3. ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের যেকোনো একজন
  4. ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যিনি বয়সে প্রবীণ
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যিনি বয়সে প্রবীণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যিনি বয়সে প্রবীণ
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৩:
(১) বার কাউন্সিল এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে এবং প্রতিটি ট্রাইব্যুনাল তিনজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে, যাদের মধ্যে দুইজন কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন এবং অপর একজন কাউন্সিল কর্তৃক রোলভুক্ত অ্যাডভোকেটদের মধ্য থেকে কো-অপ্ট (সহ-নির্বাচিত) হবেন। ট্রাইব্যুনালের সদস্যদের মধ্যে যিনি সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ অ্যাডভোকেট, তিনি ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

তবে শর্ত থাকে যে, বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল কোনো ট্রাইব্যুনালের সদস্য হতে পারবেন না।

(২) এই আদেশে যাই বলা হোক না কেন—
(ক) যদি Legal Practitioners and Bar Councils Act, 1965 (Act III of 1965) এর অধীনে গঠিত কোনো ট্রাইব্যুনালে কোনো তদন্ত (enquiry) চলমান থাকে, তবে সেটি এই আদেশের অধীনে বার কাউন্সিল কর্তৃক গঠিত ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরিত হবে এবং পূর্ববর্তী ট্রাইব্যুনাল যে স্তরে তদন্ত বন্ধ করেছিল, সেখান থেকেই নতুন ট্রাইব্যুনাল তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।

(খ) যদি এই আদেশের অধীনে গঠিত কোনো ট্রাইব্যুনালে তদন্ত চলমান অবস্থায় বার কাউন্সিলের কার্যকাল শেষ হয়ে যায়, তাহলে সেই ট্রাইব্যুনালই উক্ত তদন্ত সম্পন্ন ও নিষ্পত্তি করবে।

তবে শর্ত থাকে যে, বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান লিখিত আদেশের মাধ্যমে নির্দেশ দিতে পারেন যে, এই ধরনের তদন্ত বার কাউন্সিল কর্তৃক ধারা (৩) অনুসারে গঠিত নতুন ট্রাইব্যুনালে সম্পন্ন ও নিষ্পত্তি হবে, এবং তখন সেই তদন্ত পূর্ববর্তী ট্রাইব্যুনাল যেখানে শেষ করেছিল, সেখান থেকেই নতুন ট্রাইব্যুনাল তা চালিয়ে যাবে।
১১,৩৯৩.
"সংসদের কার্যধারার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।"- এই বিধান বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. ৭২ অনুচ্ছেদে
  2. ৭৬ অনুচ্ছেদে
  3. ৭৮ অনুচ্ছেদে
  4. ৭৯ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৭৮ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৮ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৭৮: সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি:

(১) সংসদের কার্যধারার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
(২) সংসদের যে সদস্য বা কর্মচারীর উপর সংসদের কার্যপ্রণালীনিয়ন্ত্রণ, কার্যপরিচালনা বা শৃঙ্খলারক্ষার ক্ষমতা ন্যস্ত থাকিবে, তিনি এই সকল ক্ষমতাপ্রয়োগ সম্পর্কিত কোন ব্যাপারে কোন আদালতের এখতিয়ারের অধীন হইবেন না।
(৩) সংসদে বা সংসদের কোন কমিটিতে কিছু বলা বা ভোটদানের জন্য কোন সংসদ-সদস্যের বিরুদ্ধে কোন আদালতে কার্যধারা গ্রহণ করা যাইবে না।
(৪) সংসদ কর্তৃক বা সংসদের কর্তৃত্বে কোন রিপোর্ট, কাগজপত্র, ভোট বা কার্যধারা প্রকাশের জন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন কার্যধারা গ্রহণ করা যাইবে না।
(৫) এই অনুচ্ছেদ-সাপেক্ষে সংসদের আইন-দ্বারা সংসদের, সংসদের কমিটিসমূহের এবং সংসদ-সদস্যদের বিশেষ-অধিকার নির্ধারণ করা যাইতে পারিবে।

Article 78. Privileges and immunities of Parliament and members:

(1) The validity of the proceedings in Parliament shall not be questioned in any court.
(2) A member or officer of Parliament in whom powers are vested for the regulation of procedure, the conduct of business or the maintenance of order in Parliament, shall not in relation to the exercise by him of any such powers be subject to the jurisdiction of any court.
(3) A member of Parliament shall not be liable to proceedings in any court in respect of anything said, or any vote given, by him in Parliament or in any committee thereof.
(4) A person shall not be liable to proceedings in any court in respect of the publication by or under the authority of Parliament of any report, paper, vote or proceeding.
(5) Subject to this article, the privileges of Parliament and of its committees and member may be determined by Act of Parliament.
১১,৩৯৪.
মিনা তার বন্ধুর দোকানে বৈধভাবে প্রবেশ করে কিন্তু তারপর বন্ধুকে বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে সেখানে বেআইনীভাবে অবস্থান করে। এটি দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারার অধীনে কীভাবে বিবেচিত হবে?
  1. প্রতারণার অপরাধ
  2. সম্পত্তির ক্ষতির অপরাধ
  3. অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ
  4. কোনো অপরাধ নয়
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারা অনুযায়ী যদি কেউ প্রথমে বৈধভাবে কারো দখলভুক্ত সম্পত্তিতে প্রবেশ করে, কিন্তু পরে অবৈধভাবে সেখানে অবস্থান করে, এবং তার সেই অবস্থান যদি হয় কোনো অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে, বা উক্ত ব্যক্তিকে ভীতিপ্রদর্শন, অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে, তবে সেই ব্যক্তি "অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ" (Criminal Trespass) করেছে বলে ধরা হবে।

- মিনার ক্ষেত্রে: সে তার বন্ধুর দোকানে বৈধভাবে প্রবেশ করেছিল, কিন্তু পরে বন্ধুকে বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে বেআইনীভাবে অবস্থান করেছে এটি স্পষ্টভাবে দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারার আওতায় "অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ" হিসাবে গণ্য হবে।


⇒ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারার বিধান অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির দখলভুক্ত সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের বা অনুরূপ সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ প্রবেশ করে, অথবা, আইনানুগভাবে অনুরূপ সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশের পর বেআইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অনুরূপ বে-আইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ' করেছে বলে পরিগণিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-441: Criminal trespass:- Whoever enters into or upon property in the possession of another with intent to commit an offence or to intimidate, insult or annoy any person in possession of such property. or, having lawfully entered into or upon such property, unlawfully remains there with intent thereby to intimidate insult or annoy any such person, or with intent to commit an offence, is said to commit "criminal trespass".
১১,৩৯৫.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর অধীন গঠিত সালিশী কাউন্সিলের জারিকৃত সার্টিফিকেট অনুযায়ী প্রদেয় কোন টাকা যথাসময়ে পরিশোধ না করলে, বকেয়া কী হিসেবে আদায়যোগ্য হবে?
  1. জরিমানা
  2. অর্থদণ্ড
  3. ক্ষতিপূরণ
  4. ভূমি রাজস্ব
সঠিক উত্তর:
ভূমি রাজস্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমি রাজস্ব
ব্যাখ্যা

• মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ- ১৯৬১ এর ধারা ৯- ভরণপোষণ:
১) যেক্ষেত্রে কোন স্বামী তাহার স্ত্রীকে পর্যাপ্তভাবে ভরণপোষণ দিতে অসমর্থ হয় অথবা একাধিক স্ত্রী থাকিলে  তাহাদিগকে সমভাবে ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে স্ত্রী বা স্ত্রীগণের সকলে অথবা স্ত্রীগণের যে কোন জন অপর কোন আইনসঙ্গত প্রতিকার প্রার্থনা ব্যতীতও চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করিতে পারে। চেয়ারম্যান একটি সালিশী কাউন্সিল গঠন করিবেন ও উক্ত কাউন্সিল স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ভরণপোষণ বাবদ প্রদানের নিমিত্ত টাকার অংক নির্দিষ্ট করিয়া সার্টিফিকেট ইস্যু করিতে পারিবেন।

২) একজন স্বামী অথবা স্ত্রী নির্ধারিত পন্থায় নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে নির্ধারিত ফিস প্রদানপূর্বক উক্ত সার্টিফিকেট পুর্নবিবেচনার নিমিত্ত সহকারী জজের নিকট আবেদন পেশ করিতে পারেন। তাঁহার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে এবং কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা যাইবে না।

৩) ১নং অথবা ২নং উপধারা অনুযায়ী প্রদেয় কোন টাকা যথাসময়ে পরিশোধ না করিলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরুপ আদায়যোগ্য হইবে।

১১,৩৯৬.
'A' জানে যে কিছু মুদ্রা জাল এবং সে এই জাল মুদ্রা বাংলাদেশে আমদানি করে। দণ্ডবিধির ২৩৭ ধারা অনুযায়ী, 'A'-এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ২ বছর কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৩৭ অনুসারে, জাল মুদ্রা বলে জেনে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশে আমদানি বা রপ্তানি করলে অপরাধ সংঘটিত হয়।
- এই অপরাধের শাস্তি হলো: সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড (imprisonment of either description), এবং অর্থদণ্ড (shall be liable to fine)।
- অতএব, সঠিক উত্তর খ) ৩ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ২৩৭ ধারার বিধান: জাল মুদ্রা আমদানি কিংবা রপ্তানি:
-মুদ্রা জাল বলে জানা সত্ত্বেও, অথবা উহা জাল বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের মধ্যে উহা আমদানি করে অথবা তথা হতে উহা রপ্তানি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 237: Import or export of counterfeit coin:
- Whoever imports into Bangladesh, or exports there from, any counterfeit coin, knowingly or having reason to believe that the same is counterfeit, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall be liable to fine.

১১,৩৯৭.
Specific relief granted under under clause (c) of section 5 is called _________.
  1. arbitrary relief
  2. preventive relief
  3. specific relief
  4. discretionary relief
সঠিক উত্তর:
preventive relief
উত্তর
সঠিক উত্তর:
preventive relief
ব্যাখ্যা
⇒ Section 6 of The Specific Relief Act- Preventive relief:  Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারার বিধান নিরোধক প্রতিকার: ধারা-৫ (গ) উপধারার অধীন মঞ্জুরী ও সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে নিরোধক প্রতিকার বলা হয়।
----------
⇒ Section 5 of The Specific Relief Act- Specific relief how given:
 Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant; 
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do; 
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do; 
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or 
(e) by appointing a receiver.
১১,৩৯৮.
নিচের কোন সম্পত্তি ডিক্রি জারির সময় ক্রোক করা যায় না?
  1. কৃষিজাত দ্রব্য
  2. চাষীর বাসগৃহ
  3. গৃহভৃত্যের বেতন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ ডিক্রি জারির সময় কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে এবং কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে না- দেওয়ানী কার্যবিধির ৬০ ও ৬১ ধারায় বলা হয়েছে ডিক্রি জারির সময় কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে এবং কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে না যা নিম্নরূপ-

⇒ ধারা-৬০: ডিক্রি জারির সময় যে সকল সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে:- ৬০ ধারামতে নিম্নলিখিত সম্পত্তিসমূহ ডিক্রি জারির সময় ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে। যথা-জমি, গৃহ, দালান-কোঠা, টাকা, ব্যাংক নোট, চেক, Bill of Exchange, প্রমিসরি নোট, বন্ড, কোম্পানির শেয়ার। এছাড়া যে কোন বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তি ক্রোকযোগ্য, যেমন- equity of redemption.

⇒ ডিক্রি জারির সময় যে সকল সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে না- ৬০ ধারামতে চাষীর বাসগৃহ, হিসেবের খাতাপত্র, সরকারী পেনশন ভোগীদের প্রাপ্য মঞ্জুরীকৃত বৃত্তি ও আনুতোষিক, দেনাদার (Judgement debtor) এবং তার স্ত্রী ও সন্তানগণের পরিধেয় বস্ত্র, পরিবারের দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসপত্র যেমন- রান্নার বাসন, বিছানা ইত্যাদি সম্পত্তিসমূহ ডিক্রি জারির সময় ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৬১ ধারামতে যে সব কৃষিজাত উৎপাদিত দ্রব্য কৃষকের জীবিকার জন্য প্রয়োজন সরকার তা ক্রোক থেকে মুক্তি দিতে পারে।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৬০ ধারামতে ডিক্রি জারিতে ক্রোকযোগ্য এবং নিলামে বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তি:  ডিক্রি জারির জন্য যে সকল সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে- জমি, বাসগৃহ অথবা অন্যান্য দালান কোঠা, মালপত্র, টাকা, ব্যাংক নোট, চেক, বিল অব এক্সচেঞ্জ, হুন্ডি, প্রমিসরি নোট, সরকারি সিকিউরিটি বণ্ড বা অর্থের অন্য কোন প্রকার সিকিউরিটিস, দেনা, কর্পোরেশনের শেয়ার এবং দেনাদারের সকল বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তি।

⇒ যে সকল সম্পত্তি ক্রোক বা বিক্রয় করা যাবে না- ডিক্রি দায়িকের, তার স্ত্রী এবং সন্তানগণের প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র, রান্নার বাসন-পত্রাদি, বিছানাপত্র, গহনাপত্র যা ধর্মীয় বিধান অনুসারে কোন মহিলার পক্ষে খুলে ফেলা উচিৎ নয়, দেনাদার কারিগর হলে কারিগরের যন্ত্রপাতি বা কৃষক হলে কৃষকের বা চাষির বাসগৃহ ও অন্যান্য গৃহ (তার সরঞ্জামসহ অবস্থান, তার সাথে সম্পর্কযুক্ত অন্য ভূমি) চাষের যন্ত্রপাতি, গো-মহিষাদি, বীজ ও হিসাবের খাতা-পত্র, ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়েরের অধিকার, ব্যক্তিগত সেবার অধিকার, সরকারি পেনশনভোগীদের বৃত্তি, এককালীন সাহায্য ইত্যাদি।
১১,৩৯৯.
'শিশুকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যাবে না' - এই বিধান শিশু আইন, ২০১৩ এর কত ধারায় বলা আছে?
  1. ধারা ৩২
  2. ধারা ৩৩
  3. ধারা ৩৫
  4. ধারা ৩৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩৩: শিশুর ওপর নির্দিষ্ট ধরনের দণ্ড আরোপে বাধা-নিষেধ:
(১) অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা কারাদণ্ড প্রদান করা যাইবে না: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, কোন শিশুকে যখন এইরূপ কোন মারাত্নক ধরনের অপরাধ সংঘটন করিতে দেখা যায় যে, তজ্জন্য এই আইনের অধীন প্রদানযোগ্য কোন আটকাদেশ আদালতের মতে পর্যাপ্ত নহে, অথবা আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে শিশুটি এত বেশি অবাধ্য অথবা ভ্রষ্ট চরিত্র যে তাহাকে কোন প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করা চলে না এবং অন্যান্য যে সকল আইনানুগ পন্থায় মামলাটির সুরাহা হইতে পারে উহাদের কোন একটিও তাহার জন্য উপযুক্ত নহে, তাহা হইলে শিশু-আদালত শিশুকে কারাদণ্ড প্রদান করিয়া কারাগারে প্রেরণের জন্য আদেশ প্রদান করিতে পারিবে : 
 
আরও শর্ত থাকে যে, এইরূপে প্রদেয় কারাদণ্ডেরর মেয়াদ তাহার অপরাধের জন্য প্রদেয় দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদের অধিক হইবে না : 
 
আরও শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ কারাদণ্ডে থাকাকালীন যেকোন সময়ে শিশু-আদালত উপযুক্ত মনে করিলে এই মর্মে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে যে, এইরূপ কারাদণ্ডে আটক রাখিবার পরিবর্তে অভিযুক্ত শিশুকে, তাহার বয়স ১৮ (আঠারো) বৎসর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত, কোন প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে আটক রাখিতে হইবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর শর্তাংশের অধীন কোন শিশুকে কারাদণ্ড প্রদান করা হইলে, তাহাকে কারাগারে অবস্থানরত অন্যান্য প্রাপ্তবয়স্ক আসামীর সহিত মেলামেশা করিতে দেওয়া যাইবে না।
১১,৪০০.
বাদীর অনুকূলে মামলার ডিক্রি হওয়ার পর আদালতের প্রস্তুতকৃত ডিক্রিতে ভুল থাকলে কি করণীয় -
  1. আপীল আদালতে আপীল করবে।
  2. ডিক্রি প্রদানকারী বিচারিক আদালতে আপীল করবে।
  3. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে রিভিশান করবে ।
  4. বাদী ১৫২ ধারার অধীনে ডিক্রি সংশোধনের জন্য আবেদন করবে।
সঠিক উত্তর:
বাদী ১৫২ ধারার অধীনে ডিক্রি সংশোধনের জন্য আবেদন করবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী ১৫২ ধারার অধীনে ডিক্রি সংশোধনের জন্য আবেদন করবে।
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় কোন দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন করার বিধান রয়েছে। সাধারণত রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ একবার আদালত কর্তৃক স্বাক্ষরিত ও ঘোষিত হওয়ার পর কেবলমাত্র ১৫২ ধারা বা রিভিউ ব্যতীত কোনভাবে সংশোধন করা যাবে না।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারায় আদালতের রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫২ ধারামতে আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes), আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission ) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারে।

♦ বাদীর অনুকূলে মামলার ডিক্রি হওয়ার পর আদালতের প্রস্তুতকৃত ডিক্রিতে ভুল থাকলে বাদী ১৫২ ধারার অধীনে ডিক্রি সংশোধনের জন্য আবেদন করতে পারেন।