বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১১২ / ১৫৫ · ১১,১০১১১,২০০ / ১৫,৪৭০

১১,১০১.
"শ্রীবালুসু বনাম শ্রীবালুসু" (Sri Balusu vs Sri Balusu -1899) মামলায় নিচের কোন নিয়ম প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহ বৈধ হবে
  2. হিন্দু নারীদের বিচ্ছেদের অধিকার বৈধ হবে
  3. একমাত্র পুত্রকে দত্তক নেয়া বৈধ হবে
  4. হিন্দু নারীদের সম্পত্তিতে অধিকার বৈধ হবে
সঠিক উত্তর:
একমাত্র পুত্রকে দত্তক নেয়া বৈধ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একমাত্র পুত্রকে দত্তক নেয়া বৈধ হবে
ব্যাখ্যা
⇒ শ্রীবালুসু বনাম শ্রীবালুসু (1899) 22 Mad-308, 26 IA 113
 
এই মামলার বিবাদী মাদ্রাজ উপমতপন্থী হিন্দু আইনের আওতাভুক্ত কোন এক পিতার একমাত্র পুত্র ছিল। সেই অঞ্চলের এক বিধবা তাহার স্বামীর নিকটবর্তী সপিগুদের অনুমতি নিয়া উক্ত পিতার একমাত্র পুত্রকে দত্তক নেন। বিধবার মৃত স্বামীর ভাবী উত্তরাধিকারী এই মামলার বাদী উক্ত দত্তকের বৈধতা সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করিয়া মামলা দায়ের করেন।
 
বিচার্য বিষয়:
১। স্বামীর অনুমতি ব্যতীত তাহার নিকটবর্তী সপিণ্ডদের সম্মতি নিয়া কোন বিধবা আইনত দত্তক নিতে পারে কিনা।
২। একমাত্র পুত্রকে দত্তক নেওয়া যায় কিনা।
 
বিজ্ঞ প্রিভিকাউন্সিল সুপ্রাচীন ধর্মশাস্ত্রগুলি পর্যালোচনা করিয়া এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, মাদ্রাজ উপমতপন্থী অনুযায়ী স্বামীর মৃত্যুর পর নিকটবর্তী সপিগুদের অনুমতি স্বামীর অনুমতির ন্যায় গণ্য হইবে। অতএব প্রথম বিচার্য বিষয়টি বাদীর বিপক্ষে যাইবে।
 
বিজ্ঞ প্রিভিকাউন্সিল আরও সাব্যস্ত করেন যে, কোন কোন প্রাচীন মুনিঋষি একমাত্র পুত্রকে দত্তক দেওয়া বা নেওয়া সমর্থন করেন নাই সত্য, কিন্তু তাহাদের মতামত পড়িয়া বিজ্ঞ প্রিভিকাউন্সিলের এই ধারণাই জন্মে যে, বশিষ্ট সৌণক প্রমুখ মুনিগণ এই বিষয়ে যে মত দিয়েছেন তাহা নির্দেশক (recommendatory) ছিল, কোন অবস্থাতেই আদেশমূলক (mandatory) ছিল না। অতএব কেহ যদি সেই নির্দেশ উপেক্ষা করিয়া দত্তক নিয়া থাকে, তবে (Factum valet) নীতি অনুযায়ী ইহা বৈধ বিবেচিত হইবে।
 
নিম্ন আদালতে একমাত্র পুত্রকে দত্তক বৈধ সাব্যস্ত হয়। মাদ্রাজ হাইকোর্টে আপীলে নিম্ন আদালতের রায় বহাল থাকে। বাদী এই রায়ের অসম্মতিতে প্রিভিকাউন্সিলে আপীল দায়ের করে। প্রিভি কাউন্সিলে হাইকোর্টের রায় বহাল থাকে।
The main issue raised was one of law as to the invalidity of the adoption of an only son. Both Courts decided that the adoption was valid.
১১,১০২.
'ক' একজন নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে একটি জমি সংক্রান্ত মোকদ্দমায় বাদী হয় এবং জয় লাভ করে। আদালত নির্ধারণ করে যে, 'ক' যদি নিঃস্ব হিসেবে মামলা না করতো, তাকে কোর্ট ফি দিতে হতো। এক্ষেত্রে আদালত কার কাছ থেকে কোর্ট ফি আদায় করবে?
  1. বাদী 'ক' থেকে
  2. সরকার থেকে
  3. বিবাদীর নিকট হতে
  4. ডিক্রিতে যাকে পরিশোধের নির্দেশ দেয়া তার থেকে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রিতে যাকে পরিশোধের নির্দেশ দেয়া তার থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রিতে যাকে পরিশোধের নির্দেশ দেয়া তার থেকে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৩ বিধি-১০: নিঃস্ব ব্যক্তি সফল হলে খরচাদি:
যেক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমায় কৃতকার্যতা অর্জন করে সেক্ষেত্রে আদালত, বাদী যদি নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতিপ্রাপ্ত না হত, তবে তাকে যে অংকের কোর্ট ফি প্রদান করতে হত, সে পরিমাণ কোর্ট ফি গণনা করবে; অনুরূপ অংক ডিক্রিতে যাকে পরিশোধের নির্দেশ দেয়া হয়, সে পক্ষের নিকট থেকে সরকার কর্তৃক আদায় যোগ্য হবে এবং তা মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে প্রথম দায় হবে।
১১,১০৩.
কোন সংবিধি, আইন, প্রবিধান অথবা উপ-আইন মোতাবেক দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির (forfeiture) জন্য মামলা করার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৬ অনুসারে বলা হয়েছে:
- “Upon a Statute, Act, Regulation or Bye-law, for a penalty or forfeiture — One year.
- Time starts from: When the penalty or forfeiture is incurred.”

- অর্থাৎ, কোনো সংবিধি, আইন, প্রবিধান বা উপ-আইন অনুসারে কেউ যদি দণ্ডিত হয় বা তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হয়, তাহলে সেই দণ্ড কার্যকর হওয়া বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হওয়ার দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে। এরপর তা তামাদি হয়ে যাবে।
১১,১০৪.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী অপসহায়তা বা প্ররোচনার [Abetment] উপাদান কয়টি?
  1. ৩ টি
  2. ৪ টি
  3. ৫ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
♦ যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে।

♦ দণ্ডবিধির  ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।

⇒ (i) কাউকে প্ররোচিত করে  (instigation)
⇒ (ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে  (engagement)
⇒ (iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে  (aiding)
১১,১০৫.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় যুগ্ম জেলা জজের আর্থিক এখতিয়ার কত?
  1. সর্বোচ্চ ২৫ লক্ষ টাকা
  2. সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা
  3. সীমাহীন
  4. সর্বোচ্চ ২০ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
সীমাহীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীমাহীন
ব্যাখ্যা
• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হবে সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।

• The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-

⇒ সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা
⇒ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

অর্থাৎ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে যেকোনো মূল্যমানের মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার আছে।
১১,১০৬.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারা অনুযায়ী আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান করতে পারে?
  1. ৮৩গ ধারা
  2. ৮৫গ ধারা
  3. ৮৭ক ধারা
  4. ৮৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৮৫গ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৫গ ধারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান:
বিপরীত কিছু প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, গ্রাহকের যে সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করা হয়নি তা ব্যতীত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের উল্লেখিত তথ্য সঠিক, যদি সনদটি গ্রাহক দ্বারা গৃহিত হয়। 
 
⇒ গ্রাহকের তথ্য হিসেবে নির্ধারিত তথ্য যাচাই করা না হলে তা সঠিক বলে আদালত অনুমান করবে না।
 
Section 85C- Presumption as to Digital Signature Certificates.-
The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber.
১১,১০৭.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদি মেয়াদ গণনা করা হয় কখন থেকে?
  1. দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে
  2. মামলা দায়েরের তারিখ থেকে
  3. আপিল দায়েরের তারিখ থেকে
  4. আপিল আদালতের রায় ঘোষণার তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে।

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করার জন্য তামাদির মেয়াদ গণনা করা হয় দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে। এই বিধানটি ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করার জন্য ৭ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে।
- এই সময়সীমা দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে গণনা করা হয়, যা আদালত কর্তৃক মৃত্যুদণ্ডাদেশ ঘোষণার তারিখকে নির্দেশ করে।
এই সংক্ষিপ্ত সময়সীমা দেওয়া হয়েছে কারণ মৃত্যুদণ্ড একটি গুরুতর শাস্তি এবং এর বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি প্রতিকার পাওয়া জরুরি।

উদাহরণ:
যদি কোনো ব্যক্তিকে দায়রা আদালত বা হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করে, তাহলে সেই ব্যক্তি বা তার আইনগত প্রতিনিধি দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারবেন।
১১,১০৮.
সাক্ষ্য আইনের Estoppel নীতি কোন বিষয়ে প্রযোজ্য হয় না?
  1. আইন সভা কতৃক প্রণীত আইনের ক্ষেত্রে 
  2. বিধিবদ্ধ আইনের বিরুদ্ধে
  3. ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে
  4. ক ও খ উভয়  ক্ষেত্রে 
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়  ক্ষেত্রে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়  ক্ষেত্রে 
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের Estoppel নীতি (প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা) হলো এমন একটি আইনি নীতি, যা কোনো ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কাজ বা কার্য বিরতির বিপরীতে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বাধা দেয়, যদি সেই ঘোষণা বা কাজের উপর ভিত্তি করে অন্য কোনো ব্যক্তি তার অবস্থান পরিবর্তন করে থাকে। Estoppel নীতি প্রযোজ্য হয় ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে (factual matters), অর্থাৎ যেসব ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি তার ইচ্ছাকৃত ঘোষণা, কাজ বা কার্যবিরতির মাধ্যমে অন্য কাউকে কোনো বিষয় সত্য বলে বিশ্বাস করিয়ে তাকে কোনো কাজ করতে প্ররোচিত করে। আইন সভা কতৃক প্রণীত আইনের ক্ষেত্রে বা বিধিবদ্ধ আইনের বিরুদ্ধে এটি প্রযোজ্য হয় না।

সাক্ষ্য আইনে ১৮৭২,ধারা ১১৫, স্বীকৃতির বাধা [Estoppel]: কোনো লোক যখন তাহার ঘোষণা, কার্য বা কার্য হইতে বিরত থাকিবার দ্বারা স্বেচ্ছায় অপর কাহাকেও কোনো কিছু সত্য বলিয়া বিশ্বাস করাইয়াছে বা বিশ্বাস করিতে দিয়াছে এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে কাজ করিতে দিয়াছে, তখন উক্ত দুটি লোকের মধ্যে বা প্রথমোক্ত লোক এবং শেষোক্ত লোকের প্রতিনিধির মধ্যে কোনো মোকদ্দমায় প্রথমোক্ত লোক বা তাহার প্রতিনিধি উক্ত বিষয়ের সত্যতা অস্বীকার করিতে পারিবে না।
----------------------------
The Evidence Act 1872, Section 115, Estoppel: When one person has, by his declaration, act or omission, intentionally caused or permitted another person to believe a thing to be true and to act upon such belief, neither he nor his representative shall be allowed, in any suit or proceeding between himself and such person or his representative, to deny the truth of that thing.

১১,১০৯.
What does Section 34A of the Special Powers Act, 1974 primarily deal with?
  1. Bail conditions
  2. Arrest procedures
  3. Execution of death sentences
  4. Appeals against death sentences
সঠিক উত্তর:
Execution of death sentences
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Execution of death sentences
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974: Section 34A- Execution of death sentences:
When a person is sentenced to death under this Act, the sentence may be executed by hanging him by the neck till he is dead or by shooting him in the prescribed manner till he is dead as the Special Tribunal may direct.

ধারা ৩৪ক - মৃত্যুদণ্ডে কার্যকর করণ:
যখন কোনো ব্যক্তিকে এই আইনের অধীনে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, তখন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল যেভাবে নির্দেশ করবে সেই অনুযায়ী তার গলায় ফাঁসি দিয়ে মৃত্যু পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখা হবে অথবা নির্ধারিত পদ্ধতিতে গুলি করে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে।
১১,১১০.
৩০ বছরের পুরনো দলিল উপযুক্ত হেফাজত থেকে উপস্থাপন করা হলে, সেটির বিশুদ্ধতা সম্পর্কে আদালতের কী ধরনের অনুমান করতে পারে?
  1. May presume
  2. Shall presume
  3. Conclusive proof
  4. Can presume
সঠিক উত্তর:
May presume
উত্তর
সঠিক উত্তর:
May presume
ব্যাখ্যা

Evidence Act, 1872 এর ধারা ৯০- ত্রিশ বছর পুরনো দলিল সম্পর্কে অনুমান (Presumption as to documents thirty years old):
যদি কোনো দলিল (document) আদালতে উপস্থাপন করা হয়, যা দেখতে বা প্রমাণ দ্বারা বোঝা যায় যে সেটি ত্রিশ বছর পুরনো,
এবং দলিলটি এমন অভিভাবকত্ব (custody) থেকে উপস্থাপিত হয় যা আদালত নির্দিষ্ট মামলার প্রেক্ষিতে যথাযথ বা উপযুক্ত বলে মনে করে, তাহলে আদালত অনুমান করতে পারে যে (May presume) — দলিলের স্বাক্ষর এবং হাতের লেখা অংশগুলো আসলেই সেই ব্যক্তির নিজের হাতের লেখা; এবং যদি দলিলটি সম্পাদিত (executed) বা সাক্ষ্যযুক্ত (attested) হয়, তাহলে আদালত ধরে নিতে পারে যে এটি যথাযথভাবে সম্পাদিত ও সাক্ষ্যযুক্ত হয়েছে।

ব্যাখ্যা (Explanation):
দলিলকে “উপযুক্ত অভিভাবকত্বে (proper custody)” আছে বলা হবে, যদি তা এমন স্থানে এবং এমন ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে থাকে, যেখানে স্বাভাবিকভাবে সেটি থাকার কথা।
তবে কোনো অভিভাবকত্ব অযথাযথ (improper) ধরা হবে না, যদি দেখা যায় যে সেটি বৈধ উৎস (legitimate origin) থেকে এসেছে,
অথবা মামলার পরিস্থিতি অনুযায়ী বৈধ উৎস থেকে আসা সম্ভাব্য (probable) মনে হয়।

১১,১১১.
Test Identification Parade (TI Parade) এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. দলিল যাচাই করা
  2. অপরাধীর স্বীকারোক্তি গ্রহণ করা
  3. সন্দেহভাজন অপরাধীকে শনাক্ত করা
  4. সাক্ষীকে শনাক্ত করা
সঠিক উত্তর:
সন্দেহভাজন অপরাধীকে শনাক্ত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্দেহভাজন অপরাধীকে শনাক্ত করা
ব্যাখ্যা
• শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade হলো একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সাক্ষীরা একজন অপরাধীকে শনাক্ত করতে সাহায্য করেন।

এই প্রক্রিয়াটি নিম্নরূপ:
১. একটি গ্রুপ তৈরি করা হয় যেখানে অপরাধী সন্দেহভাজন এবং অন্যান্য কিছু লোকদের রাখা হয়। সকলের বয়স, চেহারা ও পোশাক প্রায় একই ধরনের হয়।
২. সাক্ষীদের এই গ্রুপের সামনে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়।
৩. সাক্ষীদের অনুরোধ করা হয় যে তারা যদি সত্যিকারের অপরাধীকে দেখতে পান তাহলে তাকে শনাক্ত করবেন।
৪. সাক্ষীরা যদি কাউকে শনাক্ত করেন তাহলে সেটাই রেকর্ড করা হয়। আর যদি না করেন তাহলে তাও রেকর্ড করা হয়।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুসারে শনাক্তকরণ প্যারেড বা টেস্ট আইডেন্টিফিকেশন প্যারেডকে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। ৯ ধারায় "প্রাসঙ্গিক তথ্য" (Facts Relevant) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে:
"Facts necessary to be proved are those which are...facts which establish their design or conduct, tending to show a particular knowledge or intent of any person."
অর্থাৎ, প্রাসঙ্গিক তথ্যগুলি সেই সব তথ্য যা কোনো ব্যক্তির জ্ঞান বা উদ্দেশ্যমূলক আচরণ প্রমাণ করে।

এই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য হলো সাক্ষীদের কাছে একটি বাস্তবিক পরিস্থিতি তৈরি করে দেখানো যাতে তারা নিঃসন্দেহে অপরাধীকে শনাক্ত করতে পারেন। এই প্রক্রিয়াটি বিশেষত চুরি, ডাকাতি, খুন ইত্যাদি মামলায় অপরাধীর পরিচয় নির্ণয়ের জন্য অনুসৃত হয়। আদালতসমূহও শনাক্তকরণ প্যারেডের ফলাফলকে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসাবে গ্রহণ করে থাকেন।
১১,১১২.
কোনো সাক্ষীকে জেরা করার উদ্দেশ্য কী?
  1. সত্য উদঘাটন করা
  2. সাক্ষ্যকে নস্যাৎ বা দুর্বল করা
  3. বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
জেরার সংজ্ঞা (Cross- Examination):
আহবানকারী পক্ষের সাক্ষীকে বিরুদ্ধ পক্ষ সাক্ষ্য গ্রহন করলে তাকে বলা হয় জেরা। অন্যভাবে বলা যায়, কোন সাক্ষী যে পক্ষের সাক্ষ্য দিতে আদালতে আসে, সে পক্ষের জিজ্ঞাসাবাদের পর বিপরীত পক্ষ যে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাই জেরা বা 'Cross- Examination' হিসেবে পরিচিত। সাক্ষ্য আইনের ১৩৯, ১৪০, ১৪৩, ১৪৫, ১৪৬ ও ১৪৭ ধারায় জেরার বিধান রয়েছে।
 
সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারামতে- নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে জেরা করা যায়। যথা-
i) আসামীর সত্যবাদিতা, পরিচয় ও মর্যাদা উদ্ঘাটন এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা;
ii) বিরুদ্ধ পক্ষের সাক্ষীর সাক্ষ্যকে নস্যাৎ বা দুর্বল করা;
iii) সাক্ষীর মুখ দিয়ে জেরাকারীর পক্ষে কথা বের করা; 
iv) সাক্ষীর বিশ্বাস যোগ্যতা খণ্ডন করার মাধ্যমে প্রদত্ত সাক্ষ্যকে বিশ্বাসের অযোগ্য করে তোলার উদ্দেশ্যে; এবং
v) তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন করাও জেরার উদ্দেশ্য।
১১,১১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী নিম্নের কোন বিষয়টি Revenue Court এর এখতিয়ারভুক্ত নয়?
  1. স্বত্বের বিরোধ
  2. কৃষি জমির ভাড়া
  3. কৃষি জমির খাজনা
  4. কৃষি জমির মুনাফা
সঠিক উত্তর:
স্বত্বের বিরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বত্বের বিরোধ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান: রাজস্ব আদালতে এই আইনের প্রয়োগ:
১) রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য বিশেষ আইন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে নীরব থাকার ফলে এই আইনের বিধানসমূহ রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সরকার, সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, উক্ত বিধানসমূহের যে-সকল অংশ এই আইন দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রযোজ্য করা হয়নি, তা উক্ত আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংশোধনীসহ প্রযোজ্য হবে।
২) (১) উপধারায় “রাজস্ব আদালত” বলতে ঐ আদালত বুঝায়, কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝায়। তবে এটা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা কার্যধারার মত অনুরূপ মোকদ্দমা বা কার্যধারাসমূহ বিচার করতে এই আইনের অধীনে মূল এতিয়ারযুক্ত দেওয়ানি আদালতকে অন্তর্ভুক্ত করে না।

উল্লিখিত প্রশ্নের ‘স্বত্বের বিরোধ’ বিষয়টি Revenue Court এর এখতিয়ার ভুক্ত নয়।
-----------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-5. Application of the Code of Revenue Courts:
(1) Where any Revenue Courts are governed by the provisions of this Code in those matters of procedure upon which any special enactment applicable to them is silent, the Government may, by notification in the official Gazette, declare that any portions of those provisions which are not expressly made applicable by this Code shall not apply to those Courts, or shall only apply to them with such notifications as the Government may prescribe.

(2) "Revenue Court" in sub-section (1) means a Court having jurisdiction under any law to entertain suits or other proceedings relating to the rent, revenue or profits of land used for agricultural purposes, but does not include a Civil Court having original jurisdiction under this Code to try such suits or proceedings as being suits or proceedings of a civil nature.
১১,১১৪.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮ অনুযায়ী, তহবিলের অপর্যাপ্ততার কারণে চেক বাউন্স হলে প্রদানকারীর কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড ও চেকের অর্থের দ্বিগুণ জরিমানা বা উভয়
  2. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও চেকের অর্থের তিনগুণ জরিমানা বা উভয়
  3. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও চেকের অর্থের দ্বিগুণ জরিমানা বা উভয়
  4. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও চেকের অর্থের তিনগুণ জরিমানা বা উভয়
সঠিক উত্তর:
১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও চেকের অর্থের তিনগুণ জরিমানা বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও চেকের অর্থের তিনগুণ জরিমানা বা উভয়
ব্যাখ্যা

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১-এর ধারা ১৩৮ অনুযায়ী, তহবিলের অপর্যাপ্ততার কারণে চেক ডিশনার (বাউন্স) হলে প্রদানকারীর শাস্তি "এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা চেকের অর্থের তিনগুণ পর্যন্ত জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।"

- হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮- অর্থের ঘাটতির কারণে চেক প্রত্যাখ্যান:

(১) যদি কোনো ব্যক্তি নিজের ব্যাংক হিসাবে রক্ষিত অর্থ থেকে অন্য কোনো ব্যক্তিকে পরিশোধের জন্য একটি চেক প্রদান করেন এবং উক্ত চেকটি ব্যাংক কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয় ওই হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকার কারণে, অথবা উক্ত ব্যাংকের সাথে চুক্তি অনুযায়ী অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি অর্থ চেকের মাধ্যমে তোলা হয়েছে - তবে উক্ত ব্যক্তিকে একটি অপরাধে দোষী গণ্য করা হবে এবং তাকে ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা চেকের পরিমাণের তিন গুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

শাস্তি:
- সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড, অথবা
- চেকের মূল অঙ্কের সর্বোচ্চ ৩ গুণ অর্থদণ্ড, অথবা
- উভয়ই।

শর্তাবলি:
এই ধারা প্রযোজ্য হবে তখনই, যদি:
(ক) চেকটি ইস্যুর তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে বা তার মেয়াদ থাকাকালীন, যেটি আগে ঘটে, ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয়;
(খ) চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার বিষয়ে ব্যাংক থেকে তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, প্রাপ্য বা উপযুক্ত ধারক লিখিতভাবে টাকা চেয়ে নোটিশ প্রদান করেন;
(গ) নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, চেকদাতা উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন।
(১ক) উপ-ধারা (১)-এর (খ) দফায় উল্লিখিত নোটিশ প্রদান করা যেতে পারে নিম্নলিখিত ৩টি পদ্ধতিতে:
(ক) ব্যক্তিগতভাবে চেকদাতাকে প্রদান করে;
(খ) প্রাপকের সাধারণ বা সর্বশেষ পরিচিত ঠিকানায় প্রাপ্তিস্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠিয়ে;
(গ) একটি বহুল প্রচারিত বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করে।
(২) যদি উপ-ধারা (১) অনুযায়ী অর্থদণ্ড আদায় করা হয়, তবে চেকের মূল পরিমাণ পর্যন্ত অর্থ চেকধারককে প্রদান করা হবে (যতটুকু আদায় সম্ভব হয়)।
(৩) উপ-ধারা (১) ও (২)-এর বিধান সত্ত্বেও, চেকধারক সিভিল আদালতের মাধ্যমে বকেয়া টাকা আদায়ের মামলা দায়ের করার অধিকার সংরক্ষণ করেন, যদি পুরো অর্থ বা আংশিক অর্থ আদায় না হয়।

১১,১১৫.
The Bill on Transfer of Property was referred to:
  1. First Law Commission
  2. Second Law Commission
  3. Third Law Commission
  4. Fourth Law Commission
সঠিক উত্তর:
Third Law Commission
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Third Law Commission
ব্যাখ্যা

⇒ Third Law Commission (1868–1870) প্রথমবারের মতো Transfer of Property Bill খসড়া প্রণয়ন করে।
উদ্দেশ্য ছিল ভারতের সিভিল কোডের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে স্থাবর সম্পত্তির হস্তান্তর সম্পর্কিত আইনকে একত্রিত ও পরিষ্কারভাবে উপস্থাপন করা।
পরবর্তীতে Dr. Whitley Stokes (1877) বিলটি পুনর্বিন্যাস করেন।
এরপর Fourth Law Commission (1879) এটি পর্যালোচনা করে এবং সুপারিশের ভিত্তিতে Transfer of Property Act, 1882 কার্যকর হয়।
অর্থাৎ, বিলটি প্রথমে Third Law Commission-এর কাছে রেফার করা হয়েছিল।

১১,১১৬.
খুনসহ ডাকাতির সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. ডাকতির সমান শাস্তি
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৩৯৬ ধারা মতে খুনসহ ডাকাতির শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
১১,১১৭.
নিচের কোনটি চেকদাতাকে নোটিশ প্রদানের বৈধ পদ্ধতি নয়?
  1. ব্যক্তিগতভাবে প্রদান
  2. টেলিফোনে মৌখিকভাবে জানানো
  3. রেজিস্টার্ড ডাকযোগে প্রাপকের ঠিকানায়
  4. জাতীয় বাংলা দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ
সঠিক উত্তর:
টেলিফোনে মৌখিকভাবে জানানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেলিফোনে মৌখিকভাবে জানানো
ব্যাখ্যা
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮ - চেক ডিজঅনার (প্রত্যাখ্যান) সংক্রান্ত:
(১ক) উপ-ধারা (১)-এর (খ) দফায় উল্লিখিত নোটিশ প্রদান করা যেতে পারে নিম্নলিখিত ৩টি পদ্ধতিতে:
(ক) ব্যক্তিগতভাবে চেকদাতাকে প্রদান করে;
(খ) প্রাপকের সাধারণ বা সর্বশেষ পরিচিত ঠিকানায় প্রাপ্তিস্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠিয়ে;
(গ) একটি বহুল প্রচারিত বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করে।

সঠিক উত্তর: খ) টেলিফোনে মৌখিকভাবে জানানো।
১১,১১৮.
জাল দলিল জেনেও আসল হিসেবে ব্যবহার করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৭ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ২ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৭১- জাল দলিল জেনেও আসল হিসেবে ব্যবহার [using as genuine forged document)-

জাল দলিল জেনেও আসল হিসেবে ব্যবহার করলে সে লোক জালিয়াতির জন্য যেরুপ শাস্তি নির্ধারিত সেই রুপ শাস্তি পাবে। অর্থাৎ, ৪৬৫ ধারা অনুযায়ী যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড যার মেয়াদ দুই বছর পর্যন্ত হতে পারে বা জরিমানা দণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।
১১,১১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারাগুলোর অধীন আপিলে আসামির মৃত্যু হলে আপিল চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়?
  1. ৪০৫ ও ৪০৬ ধারা
  2. ৪০৭ ও ৪০৮ ধারা
  3. ৪১৭ ও ৪১৭ক ধারা
  4. ৪১৯ ও ৪২০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪১৭ ও ৪১৭ক ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৭ ও ৪১৭ক ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে-
৪১৭ ধারা ও ৪১৭ক ধারা অধীন প্রত্যেকটি আপিলে আসামীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ব্যতিত) আপিলকারীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড বা আপিল Abate হয়ে যাবে। 

Section 431- Abatement of appeals
Every appeal under section 417 or section 417A shall finally abate on the death of the accused, and every other appeal under this Chapter
(except an appeal from a sentence of fine) shall finally abate on the death of the appellant.
১১,১২০.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, দাখিলের পর লিখিত জবাবে নতুন তথ্য যোগ করতে হলে কী করতে হবে?
  1. আদালতের অনুমতি নিতে হবে
  2. বাদীর আইনজীবীর স্বাক্ষর নিতে হবে
  3. বাদীকে শুধুমাত্র অবহিত করতে হবে
  4. শুনানির সময় মৌখিকভাবে উল্লেখ করলেই চলবে
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি নিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি নিতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order VIII, Rule 9 অনুসারে, লিখিত জবাব (Written Statement) দাখিলের পর যদি বিবাদী নতুন কোনো তথ্য বা যুক্তি যোগ করতে চান, তবে তাকে আদালতের বিশেষ অনুমতি নিতে হবে।

→ Order VIII, Rule 9 of the Code of Civil Procedure (CPC), 1908:
"No pleading subsequent to the written statement of a defendant shall be presented except by the leave of the Court and upon such terms as the Court thinks fit."
অর্থাৎ, প্রাথমিক লিখিত জবাব দাখিলের পর কোনো অতিরিক্ত বিবৃতি (Subsequent Pleading) দাখিল করতে হলে আদালতের অনুমতি আবশ্যক। আদালত প্রয়োজন মনে করলে অনুমতি দিতে পারেন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত আরোপ করতে পারেন।

প্রক্রিয়া:
আবেদন দাখিল: বিবাদীকে আদালতে একটি আনুষ্ঠানিক আবেদন (Application) দাখিল করতে হবে, যেখানে ব্যাখ্যা করা হবে কেন নতুন তথ্য যুক্ত করা জরুরি।
কারণ দর্শানো: আদালত বিবেচনা করবেন যে নতুন তথ্য বা যুক্তি যুক্ত করা ন্যায়সঙ্গত কিনা।
বিপক্ষ পক্ষের সুযোগ: প্রয়োজনে আদালত বাদীকে প্রতিক্রিয়া জানানোর সুযোগ দিতে পারেন।
আদালতের অনুমতি: আদালত যথাযথ মনে করলে নতুন তথ্য বা দাবি যুক্ত করার অনুমতি দেবেন।
১১,১২১.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ অনুযায়ী, লিখিত জবাবের কত সংখ্যক অবিকল নকল আদালতে লিখিত জবাবের সাথে দাখিল করতে হবে?
  1. বিবাদীর সংখ্যার সমান
  2. বাদীর সংখ্যার দ্বিগুণ
  3. বাদীর সংখ্যার তিনগুণ
  4. বাদীর সংখ্যার সমান
সঠিক উত্তর:
বাদীর সংখ্যার দ্বিগুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর সংখ্যার দ্বিগুণ
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৮(৫) অনুযায়ী, লিখিত জবাব দাখিল করার সময় বাদীর সংখ্যার দ্বিগুণ অবিকল নকল আদালতে জমা দিতে হবে। 
- উদাহরণস্বরূপ, যদি মোকদ্দমায় ১ জন বাদী থাকে, তাহলে ২ কপি নকল জমা দিতে হবে। এই নকলগুলোর সাথে তপশিল, দলিল ও দলিলের তালিকা সংযুক্ত করতে হবে।

– পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩, ধারা ৮(৫) মোকদ্দমাতে যতসংখ্যক বাদী রহিয়াছে তাহার দ্বিগুণসংখ্যক লিখিত জবাবের অবিকল নকল লিখিত জবাবের সহিত প্রদান করিতে হইবে।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ৮ লিখিত জবাব:
(১) বিবাদীর উপস্থিতির জন্য নির্ধারিত তারিখে, বাদী ও বিবাদী পারিবারিক আদালতে হাজির হইবে এবং বিবাদী তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত জবাব দাখিল করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী উপযুক্ত কারণ প্রদর্শনপূর্বক সময় প্রার্থনা করিলে আদালত তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত জবাব দাখিলের জন্য অনধিক ২১(একুশ) দিনের মধ্যে অপর একটি তারিখ ধার্য করিতে পারিবে।
(২) লিখিত জবাবে আত্মপক্ষ সমর্থনে উপস্থিত করিতে ইচ্ছুক সাক্ষীগণের নাম ও ঠিকানার তফসিল থাকিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে, পরবর্তী যেকোনো পর্যায়ে সাক্ষী আহ্বান করিতে পারিবে, যদি আদালত মনে করে যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে উক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ প্রয়োজন।
(৩) যেক্ষেত্রে বিবাদী তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে তাহার দখলে বা ক্ষমতাধীনে রহিয়াছে এইরূপ কোনো দলিলের উপর নির্ভর করেন সেইক্ষেত্রে তিনি লিখিত জবাব দাখিলের সময় আদালতে উহা উপস্থাপন করিবেন এবং একই সময় উক্ত দলিল বা উহার কোনো অবিকল নকল বা ছায়ালিপি বা অন্য যেকোনো কপি লিখিত জবাবের সহিত নথিভুক্ত করিবার জন্য দাখিল করিবেন এবং উক্ত দলিল একটি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করিয়া উহা লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবেন।
(৪) যেক্ষেত্রে বিবাদী তাহার লিখিত জবাবের সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে এমন কোনো দলিলের উপর নির্ভর করেন যাহা তাহার দখলে বা ক্ষমতাধীন নাই, সেইক্ষেত্রে তিনি লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবার তালিকায় এইরূপ দলিল অন্তর্ভুক্ত করিবেন এবং যাহার দখলে বা ক্ষমতাধীন উহা রহিয়াছে তাহা উল্লেখ করিবেন।
(৫) উপধারা (২), (৩) ও (৪) এ বর্ণিত তপশিল ও দলিলসমূহের তালিকাসহ মোকদ্দমাতে যতসংখ্যক বাদী রহিয়াছে তাহার দ্বিগুণসংখ্যক লিখিত জবাবের অবিকল নকল লিখিত জবাবের সহিত প্রদান করিতে হইবে।
(৬) উপধারা (৫) এ বর্ণিত তপশিল, দলিল এবং দলিলসমূহের তালিকাসহ লিখিত জবাবের অনুলিপি বাদী, ক্ষেত্রমত, আদালতে উপস্থিত তাহার প্রতিনিধি বা আইনজীবীকে প্রদান করিতে হইবে।
(৭) যেক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিল করিবার সময় বিবাদী কর্তৃক কোনো দলিল আদালতে দাখিল করিবার প্রয়োজন ছিল অথবা লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করিবার প্রয়োজন ছিল তবে উহা দাখিল বা অন্তর্ভুক্ত করা হয় নাই, সেইক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ব্যতীত, মোকদ্দমার শুনানিতে উক্ত দলিল তাহার অনুকূলে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হইবে না।
(৮) আদালত কোনো ব্যতিক্রমী ক্ষেত্র ব্যতীত উপধারা (৭) এর অধীন কোনো দলিল অন্তর্ভুক্তির অনুমতি প্রদান করিবে না।

১১,১২২.
The Code of Criminal Procedure,1898 এর ধারা ৫৪৪ এর অধীনে সুরক্ষা কার জন্য প্রযোজ্য হতে পারে?
  1. সাক্ষী
  2. ভুক্তভোগী
  3. অভিযোগকারী
  4. উপরোক্ত সকলের জন্য
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকলের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকলের জন্য
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৫৪৪: অভিযোগকারী, সাক্ষী ও ভুক্তভোগীদের খরচ ও সুরক্ষা:
(১) সরকারের কোনো আদেশ থাকলে তার অন্তর্ভুক্ত, যে কোনো ফৌজদারি আদালত প্রয়োজন মনে করলে, অভিযোগকারী বা সাক্ষীর যুক্তিসঙ্গত খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে। এটি সেই ব্যক্তিদের জন্য প্রযোজ্য যারা কোনো অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন কার্যক্রমে আদালতের সামনে উপস্থিত হন এই কোড অনুযায়ী।

(২) যে কোনো আদালত, অভিযোগকারী, ভুক্তভোগী বা সাক্ষীর আবেদন বা স্বপ্রণোদিত (suo moto) ভিত্তিতে, ফৌজদারি কার্যক্রমের যে কোনো পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশ বা পদক্ষেপ নিতে পারে যাতে তাদের সুরক্ষা বা নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

১১,১২৩.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী 'ঠগ' (Thug)-এর শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ধারা ৩০৯
  2. ধারা ৩১০
  3. ধারা ৩১১
  4. ধারা ৩১২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩১১
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১১ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ ঠগ (Thug) হয়, তাহলে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে। ঠগ হওয়ার জন্য, ব্যক্তিকে অভ্যাসগতভাবে খুন বা শিশু অপহরণ করে দস্যুতা সংঘটনের উদ্দেশ্যে মেলামেশা করতে হবে, যা ৩১০ ধারায় সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১০ ধারায় ঠগের সংজ্ঞা (Thug) রয়েছে। খুন অথবা খুন সহকারে দস্যুতা সংঘটন অথবা শিশু অপহরণ করার উদ্দেশ্যে দুষ্টু মন নিয়ে মেলামেশা করাকে ঠগ (Thug) বলে। অর্থাৎ অভ্যাসগতভাবে কাউকে খুন বা শিশু অপহরন করে দস্যুতার উদ্দেশ্যে মেলামেশা করাকে ঠগ বলা হয়। সমস্ত ঠগই দস্যু এবং ডাকাত কিন্তু সমস্ত দস্যু বা ডাকাত ঠগ নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১১ ধারার বিধান ঠগের শাস্তি:-কোন ব্যক্তি যদি ঠগ হয়, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 310: Thug:
-Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.
⇒ The Penal Code, 1860: Section 311:Punishment:
- Whoever is a thug, shall be punished with imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
১১,১২৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারার অধীনে কোনো মোকদ্দমা সমঝোতায় (compromise) নিষ্পত্তি হলে, আদালত প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত দেয়ার নির্দেশ প্রদান করে কী জারি করবে?
  1. ডিক্রি
  2. অন্তর্বর্তী আদেশ
  3. সার্টিফিকেট
  4. নোটিশ
সঠিক উত্তর:
সার্টিফিকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্টিফিকেট
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক (১১):
কোর্ট ফি আইন, ১৮৭০ (১৮৭০ সালের ৭নং আইন) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, কোন মোকদ্দমার বিরোধ বা বিরোধসমূহ এই ধারার অধীনে মীমাংসায় নিষ্পত্তি হলে পক্ষসমূহের মাধ্যমে আরজি কিংবা জবাবে প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত দেয়ার নির্দেশ প্রদান করে কোর্ট একটি সার্টিফিকেট জারি করবে এবং সার্টিফিকেট জারির তারিখ থেকে ষাট দিনের ভিতর পক্ষসমূহ তা ফেরত পাওয়ার অধিকারী হবে।

Section 89A (11)-
Notwithstanding anything contained in the Court-fees Act, 1870 (Act No. VII of 1870), where a dispute or disputes in a suit are settled on compromise under this section, the Court shall issue a certificate directing refund of the court fees paid by the parties in respect of the plaint or written statement; and the parties shall be entitled to such refund within 60 (sixty) days of the issuance of the certificate.

১১,১২৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদ অনুসারে, সুপ্রীম কোর্ট কী হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. কোর্ট অব আপিল
  2. কোর্ট অব রেকর্ড
  3. কোর্ট অব রিভিউ
  4. কোর্ট অব জাজমেন্ট
সঠিক উত্তর:
কোর্ট অব রেকর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোর্ট অব রেকর্ড
ব্যাখ্যা
উত্তর: খ) কোর্ট অব রেকর্ড।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদের বিধান: "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট:
সুপ্রীম কোর্ট একটি "কোর্ট অব্ রেকর্ড" হইবেন এবং ইহার অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।

[The Supreme Court shall be a court of record and shall have all the powers of such a court including the power subject to law to make an order for the investigation of or punishment for any contempt of itself.]
১১,১২৬.
ট্রায়াল শুরু হওয়ার পর প্লিডিংস সংশোধনের আবেদন যদি মামলার প্রক্রিয়া বিলম্বের জন্য করা হয়, আদালত কী করতে পারে?
  1. আবেদনকারীর মামলা বাতিল করবে
  2. আবেদনকারীকে মামলা থেকে বাদ দিতে পারে
  3. আবেদনকারীকে কারাদণ্ডাদেশ দিবে
  4. ক্ষতিপূরণ হিসেবে নির্ধারিত খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ হিসেবে নির্ধারিত খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ হিসেবে নির্ধারিত খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা

Order 6, Rule 17 – Amendment of Pleadings:
মোকদ্দমার যে কোনো পর্যায়ে আদালত পক্ষগুলিকে তাদের প্লিডিং (pleadings) পরিবর্তন বা সংশোধন করার অনুমতি দিতে পারে এমনভাবে এবং শর্তে যা ন্যায়সঙ্গত মনে হয়। এই সংশোধনগুলো করা হবে যাতে পক্ষগুলোর মধ্যে মূল বিতর্কিত বিষয়গুলি সঠিকভাবে নির্ধারণ করা যায়।

শর্ত ১:
ট্রায়াল শুরু হওয়ার পর কোনো সংশোধনের আবেদন গৃহীত হবে না, যদি না আদালত মনে করে যে, দায়িত্বপূর্ণ যত্ন (due diligence) সত্ত্বেও, পক্ষটি ট্রায়ালের আগে বিষয়টি উত্থাপন করতে পারেনি।

শর্ত ২:
যদি ট্রায়াল শুরু হওয়ার পর সংশোধনের আবেদন করা হয়, এবং আদালত মনে করে যে, আবেদনটি মামলার প্রক্রিয়া বিলম্ব করার জন্য করা হয়েছে, তাহলে আদালত আবেদনকারীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে নির্ধারিত খরচ পরিশোধের নির্দেশ দিতে পারে।

১১,১২৭.
What does Section 63 of The Code of Criminal Procedure, 1898 say about discharging arrested persons?
  1. Anyone can release them.
  2. They have to be taken to court first.
  3. They can be released for any reason.
  4. They can only be released by certain methods like bond or bail.
সঠিক উত্তর:
They can only be released by certain methods like bond or bail.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
They can only be released by certain methods like bond or bail.
ব্যাখ্যা
Section 63: Discharge of person apprehended:
No person who has been arrested by a police-officer shall be discharged except on his own bond, or on bail, or under the special order of a Magistrate.

ধারা ৬৩: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি:
যে ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছে, তাকে তার নিজের মুচলেকা, অথবা জামিন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেয়া যাবে না।
১১,১২৮.
“দ্রুত বিচার আদালত গঠন” সংক্রান্ত বিধান আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর কোন ধারায় আছে?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৭
  3. ধারা ৮
  4. ধারা ৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮
ব্যাখ্যা

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৮-এর শিরোনামই হল "দ্রুত বিচার আদালত গঠন"। এই ধারায় সরকার কর্তৃক গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জেলায় ও মেট্রোপলিটন এলাকায় দ্রুত বিচার আদালত গঠন, বিচারক নিয়োগ এবং অধিক্ষেত্র নির্ধারণের বিধান রয়েছে।

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৮- দ্রুত বিচার আদালত গঠন:
(১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রত্যেক জেলায় এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় এক বা একাধিক দ্রুত বিচার আদালত গঠন করিতে পারিবে এবং উক্ত প্রজ্ঞাপনে প্রত্যেকটি দ্রুত বিচার আদালতের স্থানীয় অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে৷
(২) সরকার বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে উক্ত আদালতের বিচারক নিযুক্ত করিবে।

১১,১২৯.
একটি সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের কার্যক্রম একজন অ্যাডভোকেট কোনো পক্ষকে প্রতিনিধিত্ব করলে তিনি-
  1. সম্পত্তিটি নিজে ক্রয় করতে পারবেন
  2. সম্পত্তিটি বেনামিতে ক্রয় করতে পারবেন
  3. সম্পত্তিটি বা তার কোনো অংশ কোনোভাবেই ক্রয় করতে পারবেন না
  4. পারিতোষিকের পরিবর্তে সম্পত্তিটি ক্রয় করতে পারবেন
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিটি বা তার কোনো অংশ কোনোভাবেই ক্রয় করতে পারবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিটি বা তার কোনো অংশ কোনোভাবেই ক্রয় করতে পারবেন না
ব্যাখ্যা
⇒ Cannons of Professional Conduct and Etiquette এর ২য় অধ্যায়ে মক্কেলের প্রতি এ্যাডভোকেটের দায়িত্ব সম্পর্কিত বিধি-৫ মতে একজন আইনজীবী নিজের পরিচালনাধীন মামলার সংশ্লিষ্ট উইল, ইচ্ছাপত্র (Probate), বন্ধক বন্ধ (Forclosure) বা বিচারিক নিলাম ইত্যাদি পদ্ধতিতে ক্রেতা হতে পারবে না।

- বিধি-৫: একজন আইনজীবী কোন উইল কিংবা ঋণের জন্য বন্ধককৃত কিংবা বিচারিক রায়ে নিলামকৃত সম্পত্তি নিজ নামে কিংবা বেনামে ক্রয় কিংবা পারিশ্রমিকের পরিবর্তে উক্ত সমুদয় সম্পত্তি কিংবা আংশিক সম্পত্তি গ্রহন করিতে পারিবেন না, যদি তিনি উক্ত সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলার কোন পক্ষের আইনজীবী হিসাবে মামলা পরিচালনায় অংশগ্রহন করিয়া থাকেন।
----------------------------
CHAPTER-II
CONDUCT WITH REGARD TO CLIENTS:
- Rule-5. An Advocate shall not himself or in benami purchase any property at a probate, foreclosure or judicial sale in an auction or proceeding in which such Advocate appears for a party nor shall he accept the whole or part of the property, in respect of which he had been engaged to conduct the case, in lieu of his remuneration, or as a reward or bounty.
১১,১৩০.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৩ অনুযায়ী, দেওয়ানী আদালতের কোনো আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করার মামলা কতদিনের মধ্যে করতে হয়?
  1. দাখিলের তারিখ থেকে ৯০ দিন
  2. আদেশের তারিখ থেকে ৬ মাস
  3. আদেশের তারিখ থেকে ১ বছর
  4. আপিলের তারিখ থেকে ২ বছর
সঠিক উত্তর:
আদেশের তারিখ থেকে ১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশের তারিখ থেকে ১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১৩ অনুযায়ী, মামলা ছাড়া অন্য কোনো কার্যধারায় (যেমন: আপিল বা রিভিশন নয়) দেওয়ানি আদালতের সিদ্ধান্ত বা আদেশ পরিবর্তন (Alter) বা বাতিল (Set Aside) করার জন্য মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ হলো ১ বছর।
- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় সেই আদেশ বা সিদ্ধান্তের তারিখ থেকে যেদিন সংশ্লিষ্ট আদালত চূড়ান্ত রায় দিয়েছে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৩ অনুযায়ী— যদি কেউ দেওয়ানী আদালতের কোনো ডিক্রি বা আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে চায়, তবে তাকে আদেশ বা ডিক্রি জারির তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
- এখানে তামাদি মেয়াদ হলো: ১ বছর।
- গণনা শুরু হয়: আদেশ বা ডিক্রি জারির দিন থেকে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) আদেশের তারিখ থেকে ১ বছর।
১১,১৩১.
'A' একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের বিষয়বস্তু মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। 'A' কে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে-
  1. দলিলটি তার দখলে নাই
  2. দলিলটি তার দখলে ছিল
  3. দলিলটি হারিয়ে গেছে
  4. দলিলটি রেজিস্ট্রাট
সঠিক উত্তর:
দলিলটি হারিয়ে গেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলটি হারিয়ে গেছে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে একটি সাক্ষ্যকে আদালতের নিকট গ্রহণযোগ্য করাতে যদি কোন ঘটনা প্রমানের প্রয়োজন হয়, তাহলে যে পক্ষ সাক্ষ্যকে গ্রহণযোগ্য করাতে চায় তাকেই উক্ত ঘটনা প্রমান করতে হবে।

⇒ যেমন- 'B' একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায়। সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে এখানে 'A'-কে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে; কেননা মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রাসঙ্গিক এবং গ্রহণযোগ্য হবে যদি ঘোষণাকারী মৃত হয়। অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণাটির গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করছে ঘোষণাকারী মৃত কিনা সেই তথ্যের উপর। আর ঘোষণাকারী মৃত কিনা তা প্রমাণের ভার সেই ব্যক্তির উপর বর্তাবে যে মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ হিসাবে দিতে চায়। যেহেতু এখানে 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায় সুতরাং মৃত্যুকালীন ঘোষণাকে গ্রহণযোগ করার জন্য, 'B'-এর মৃত্যু সংক্রান্ত প্রমাণ দাখিলের দায়ভার 'A',-এর উপর বর্তাবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারার বিধান যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্বঃ- যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরেবর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

⇒ উদাহরণ:

(ক) 'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

(খ) একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

--------------------
Section-104. Burden of proving fact to be proved to make evidence admissible: The burden of proving any fact necessary to be proved in order to enable any person to give evidence of any other fact is on the person who wishes to give such evidence.

(a) A wishes to prove a dying declaration by B. A must prove B's death.

(b) A wishes to prove, by secondary evidence, the contents of a lost document. A must prove that the document has been lost.
১১,১৩২.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪৭ বিধি-৪ অনুযায়ী, রিভিউ আবেদন কখন প্রত্যাখ্যান করা হয়?
  1. আবেদন দেরিতে জমা দিলে
  2. আবেদনকারী উপস্থিত না হলে
  3. বিপক্ষ পক্ষের আপত্তি থাকলে
  4. আদালতের মতে যথেষ্ট কারণ না থাকলে
সঠিক উত্তর:
আদালতের মতে যথেষ্ট কারণ না থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের মতে যথেষ্ট কারণ না থাকলে
ব্যাখ্যা
উত্তর: আদালতের মতে যথেষ্ট কারণ না থাকলে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৪৭ বিধি-৪: রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যান ও মঞ্জুরের শর্তাবলী:
(১) আদালতের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, রিভিউ আবেদনের জন্য যথেষ্ট কারণ নেই, তাহলে আদালত আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করবে।

(২) আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করা উচিত, তাহলে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করবে: তবে শর্ত থাকে যে−
(ক) বিপক্ষ পক্ষকে পূর্ব নোটিশ না দিয়ে এবং তাকে ডিক্রি বা আদেশের পক্ষে শুনানির সুযোগ না দিয়ে কোনো রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করা যাবে না; এবং
(খ) নতুন তথ্য বা প্রমাণের ভিত্তিতে কোনো রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করা যাবে না, যদি আবেদনকারী এই মর্মে কঠোর প্রমাণ না দেয় যে, উক্ত তথ্য বা প্রমাণ তার জানা ছিল না বা ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের সময় তা উপস্থাপন করা সম্ভব ছিল না।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-47 Rule-4. Application where rejected:
(1) Where it appears to the Court that there is not sufficient ground for a review, it shall reject the application.
Application where granted:
(2) Where the Court is of opinion that the application for review should be granted, it shall grant the same: Provided that−
(a) no such application shall be granted without previous notice to the opposite party, to enable him to appear and be heard in support of the decree or order, a review of which is applied for: and
(b) no such application shall be granted on the ground of discovery of new matter or evidence which the applicant alleges was not within his knowledge, or could not be adduced by him when the decree or order was passed or made, without strict proof of such allegation.
১১,১৩৩.
সরকারী কর্ম কমিশনের কোন সদস্যের স্বীয় পদে বহাল থাকার মেয়াদ-
  1. দায়িত্বগ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর
  2. ৬৫ বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত
  3. ৬৭ বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত
  4. ক বা খ এর মধ্যে যা আগে ঘটে
সঠিক উত্তর:
ক বা খ এর মধ্যে যা আগে ঘটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ এর মধ্যে যা আগে ঘটে
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাইবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হইবে, সেইরূপ অন্যান্য সদস্যকে লইয়া প্রত্যেক কমিশন গঠিত হইবে।

সংবিধানের ১৩৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
(প্রত্যেক সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি ও অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন: তবে শর্ত থাকে যে, প্রত্যেক কমিশনের যতদূর সম্ভব অর্ধেক (তবে অর্ধেকের কম নহে) সংখ্যক সদস্য এমন ব্যক্তিগণ হইবেন, যাঁহারা কুড়ি বৎসর বা ততোধিককাল বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে কোন সময়ে কার্যরত কোন সরকারের কর্মে কোন পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন এবং সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইন-সাপেক্ষে কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি ও অন্যান্য সদস্যের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে।


• অনুচ্ছেদ ১৩৯: পদের মেয়াদ

(১) এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য তাঁহার দায়িত্বগ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর বা তাঁহার পয়ষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া ইহার মধ্যে যাহা অগ্রে ঘটে, সেই কাল পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

(২) সুপ্রীম কোর্টের কোন বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য অপসারিত হইবেন না।

(৩) কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

(৪) কর্মাবসানের পর কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য প্রজাতন্ত্রের কর্মে পুনরায় নিযুক্ত হইবার যোগ্য থাকিবেন না, তবে এই অনুচ্ছেদের (১) দফা-সাপেক্ষে
(ক) কর্মাবসানের পর কোন সভাপতি এক মেয়াদের জন্য পুনর্নিয়োগ-লাভের যোগ্য থাকিবেন; এবং
(খ) কর্মাবসানের পর কোন সদস্য (সভাপতি ব্যতীত) এক মেয়াদের জন্য কিংবা কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতিরূপে নিয়োগ-লাভের যোগ্য থাকিবেন।

Article 139: Term of office

(1) The term of office of the chairman and other members of a public service commission shall, subject to the provisions of this article, expire five years after the date on which he entered upon his office, or when he attains the age of sixty five years, whichever is earlier. 

(2) The chairman and other members of such a commission shall not be removed from office except in like manner and on the like grounds as a Judge of the Supreme Court.

(3) A chairman or other member of a public service commission may resign his office by writing under his hand addressed to the President. 

(4) On ceasing to hold office a member of a public service commission shall not be eligible for further employment in the service of the Republic, but, subject to the provisions of clause (1)- 
(a) a chairman so ceasing shall be eligible for re appointment for one further term; and 
(b) a member (other than the chairman) so ceasing shall be eligible for re appointment for one further term or for appointment as chairman of a public service commission.
১১,১৩৪.
নিম্নের কোনটি সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার মূল ভাব?
  1. স্বীকৃতি  চূড়ান্ত সাক্ষ্য
  2. স্বীকৃতি প্রমাণ হিসেবে গৃহীত হয় না
  3. স্বীকৃতি কেবল দেওয়ানি মামলায় প্রযোজ্য
  4. স্বীকৃতি প্রমাণের অংশ হতে পারে, তবে এটি চূড়ান্ত নয়
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃতি প্রমাণের অংশ হতে পারে, তবে এটি চূড়ান্ত নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃতি প্রমাণের অংশ হতে পারে, তবে এটি চূড়ান্ত নয়
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।

অর্থাৎ, কোনো ব্যক্তির স্বীকৃতি আদালতের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ, কিন্তু চূড়ান্ত বা একমাত্র প্রমাণ নয়।
তবে, কিছু ক্ষেত্রে সেই স্বীকৃতি estoppel হিসেবে কাজ করে। মানে, স্বীকারকারী ব্যক্তি পরবর্তীতে নিজের স্বীকারোক্তির বিপরীত কিছু বলতে বা অস্বীকার করতে পারে না।

সুতরাং, ধারাটির মূল ভাব হলো —“স্বীকৃতি প্রমাণের অংশ হতে পারে, তবে এটি চূড়ান্ত নয়।”

১১,১৩৫.
‘A’ চাইছে হারিয়ে যাওয়া একটি দলিলের বিষয়বস্তু মাধ্যমিক সাক্ষ্য (secondary evidence) দ্বারা প্রমাণ করতে। সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারা অনুসারে তার জন্য কোনটি প্রমাণ করা আবশ্যক?
  1. দলিলটি তার দখলে নেই
  2. দলিলটি হারিয়ে গেছে
  3. দলিলটি তার দখলে ছিল
  4. দলিলটি রেজিস্ট্রার দ্বারা স্বীকৃত
সঠিক উত্তর:
দলিলটি হারিয়ে গেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলটি হারিয়ে গেছে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে একটি সাক্ষ্যকে আদালতের নিকট গ্রহণযোগ্য করাতে যদি কোন ঘটনা প্রমানের প্রয়োজন হয়, তাহলে যে পক্ষ সাক্ষ্যকে গ্রহণযোগ্য করাতে চায় তাকেই উক্ত ঘটনা প্রমান করতে হবে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারার বিধান যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্ব:- যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরেবর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।
উদাহরণ:
(ক) 'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।
(খ) 'ক' একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।
---------
⇒The Evidence Act, 1872- Section-104. Burden of proving fact to be proved to make evidence admissible: The burden of proving any fact necessary to be proved in order to enable any person to give evidence of any other fact is on the person who wishes to give such evidence.
Illustration:
(a) A wishes to prove a dying declaration by B. A must prove B's death.
(b) A wishes to prove, by secondary evidence, the contents of a lost document. A must prove that the document has been lost.

১১,১৩৬.
একজন ব্যক্তি সান্ধ্য আইন (কারফিউ) লঙ্ঘন করে বাড়ির বাইরে বের হয়। তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কী সাজা হতে পারে?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ২৪: সান্ধ্য আইন- 
(১) কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মহানগরী এলাকায় পুলিশ কমিশনার, সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, নির্দেশ প্রদান করিতে পারেন যে, আদেশে উল্লিখিত অব্যাহতি সাপেক্ষে, আদেশে উল্লেখিত এলাকা বা এলাকাসমূহে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি, আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত লিখিত অনুমতি ব্যতীত, ঘরের বাহির হইবে না।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি এই ধারার অধীন প্রদত্ত কোনো আদেশ লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক এক বৎসরের কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

১১,১৩৭.
প্রতারণামূলকভাবে যে ডিক্রি নেওয়া হয়েছে, তা রদ করার জন্য কত দিনের মধ্যে মোকদ্দমা করতে হবে?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ- ৯৫

প্রতারণামূলকভাবে যে ডিক্রি নেওয়া হয়েছে (A decree obtained by fraud), তা রদ করার জন্য মামলা

তামাদি- ৩ বছর
সময় গণনা শুরু- ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষ যখন প্রতারণার বিষয় অবগত হয়।
১১,১৩৮.
The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় 'Defamation' সংজ্ঞায়িত হয়েছে?
  1. ৪৯৮
  2. ৪৯৯
  3. ৫০০
  4. ৫০১
সঠিক উত্তর:
৪৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৯
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৪৯৯ ধারায় মানহানি (Defamation) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে: কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার উদ্দেশ্যে কথা বা চিহ্ন বা দৃশ্যমান চিত্রের সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কে কোন নিন্দা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে গণ্য হয়।
১১,১৩৯.
BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363) মামলার রায় হাইকোর্ট বিভাগ কত সালে প্রদান করে?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ২০০৩ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা বিতর্কিত ও সমালোচিত, কারণ এ দুটি আইনের মাধ্যমে পুলিশকে বিনা পরোয়ানায় যেকোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের বিস্তৃত ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। এই ক্ষমতার ফলে পুলিশ কর্তৃক অপব্যবহারের আশঙ্কা থাকে, যা মানবাধিকারের লঙ্ঘনের কারণ হতে পারে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে, পুলিশ যদি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে যুক্তিসংগত সন্দেহ পোষণ করে, তবে আদালতের পরোয়ানা ছাড়াই তাকে গ্রেফতার করতে পারে। এজন্যই অনেকের কাছে এ আইনগুলো ‘কালো আইন’ হিসেবে বিবেচিত হয়।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা এবং ১৬৭ ধারার অধীনে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার সম্পর্কে BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363) মামলা বহুল পরিচিত। BLAST vs Bangladesh 55 DLR 363 মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ও ১৬৭ ধারাকে সংবিধানের ২৭, ৩১, ৩২ ও ৩৫ অনুচ্ছেদের সঙ্গে অসামঞ্জস্য বলে উক্ত ধারা দুইটিকে সংশোধন করার জন্য সুপারিশ করেন।

- BLAST মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ মোট ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করার সুপারিশ করেছেন। হাইকোর্ট বিভাগের ১৫টি নির্দেশনার মধ্যে প্রথম ৮টি নির্দেশনা ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে পুলিশের বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারের ক্ষমতা সংক্রান্ত।
- এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিস্তারিত আলোচনা নিম্নরূপ:
পটভূমি:
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (BLAST) নামক একটি এনজিও কর্তৃক ১৯৯৬ সালে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। এতে অভিযোগ করা হয় যে, পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসরণ করছে না।
মামলার বিষয়বস্তু:
এই মামলায় BLAST দাবি করে যে পুলিশ অনেক সময় অভিযুক্তদের অবৈধভাবে হেফাজতে রাখে এবং নির্যাতন করে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার (নিরাপত্তা প্রাপ্তির অধিকার) এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করে।
আদালতের রায়:
২০০৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগ এই মামলার রায় প্রদান করে, যেখানে ফৌজদারি কার্যবিধির সংশোধনের সুপারিশসহ মোট ১৫টি নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রথম ৮টি নির্দেশনা পুলিশ কর্তৃক বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারের ক্ষমতার ওপর কেন্দ্রিত। রায়ে উল্লেখ করা হয় যে, নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে পুলিশ কোনো ব্যক্তিকে হেফাজতে নিতে পারবে, তবে সেই হেফাজতের সময়কাল ও কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং তা অভিযুক্তের উপস্থিতিতেই সম্পন্ন করতে হবে। এরপর অভিযুক্তকে নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থাপন করা বাধ্যতামূলক।
১১,১৪০.
'A' উন্মাদ থাকা অবস্থায় সত্ত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা দায়েরের অধিকার অর্জন করে। কিন্তু এই অধিকার অর্জনের ১০ বৎসর পর 'A' সুস্থ হলো। এইক্ষেত্রে 'A' সর্বোচ্চ কত বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ আইনগত অপারগতার ক্ষেত্রে যখন মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে মামলা করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যে সময়ে সে মামলা করার অধিকারী হয় উক্ত সময়ে সে নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা করা শুরু হবে যখন তার এই আইনগত অপারগতা অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধিতার অবসান হবে তখন থেকে।

- ধারা ৮ হচ্ছে ৬ ও ৭ ধারার আইনগত অপারগতার ব্যতিক্রম। ৮ ধারায় উল্লেখিত বিশেষ ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ৬ ও ৭ ধারায় উল্লেখিত আইনগত অপারগতা বিশ্লেষণ করতে হবে। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ৬ এবং ৭ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না-
১. অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার বলবৎকরণের মামলায়, এবং
২. আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর বা আইনগত অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু হওয়ার তিন (৩) বছরের বেশী সময় তামাদির মেয়াদ থাকবে না এবং সর্বোচ্চ এই ৩ বৎসরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
অর্থাৎ যেক্ষেত্রে ৬ বা ৭ ধারায় আইনগত অপারগতার সুবিধা প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনগত অক্ষমতার অবসান হওয়ার পর সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে অন্যথায় মামলা খারিজ হবে।

-তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সত্ত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে হয় বেদল হওয়ার ১২ বছরের মধ্যে। কিন্তু যেহেতু 'ক' উন্মাদ ব্যক্তি অর্থাৎ আইনগত অপারগতায় পতিত তাই তার সুস্থ হওয়ার আগ পর্যন্ত তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে না।

প্রশ্নমতে, 'A' বেদখল হওয়ার ১০ বছর পর সুস্থ হয়েছে। তাই হিসাব অনুযায়ী তার মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ যদিও অবশিষ্ট আছে ২ বছর, কিন্তু ৬ ও ৮ ধারার বিধান অনুযায়ী তামাদির মেয়াদ আরো ১ বছর বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৩ বছর করা যাবে।
অর্থাৎ 'A' সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে।
--------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-8. Special exceptions:
-Nothing in section 6 or in section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption, or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made. 
 
Illustrations 
(a) A, to whom a right to sue for a legacy has accrued during his minority, attains majority eleven years after such accruer. A has, under the ordinary law, only one year remaining within which to sue. But under section 6 and this section an extension of two years will be allowed him, making in all a period of three years from the date of his attaining majority, within which he may bring his suit. 
 
(b) A right to sue for an hereditary office accrues to A who at the time is insane. Six years after the accruer A recovers his reason. A has six years, under the ordinary law, from the date when his insanity ceased within which to institute a suit. No extension of time will be given him under section 6 read with this section. 
 
(c) A right to sue as landlord to recover possession from a tenant accrues to A, who is an idiot. A dies three years after the accruer, his idiocy continuing up to the date of his death. A's representative in interest has, under the ordinary law, nine years from the date of A's death within which to bring a suit. Section 6 read with this section does not extend that time, except where the representative is himself under disability when the representation devolves upon him.
১১,১৪১.
একটি দলিল সংশোধিত হতে পারে শুধুমাত্র-
  1. পক্ষগণ দ্বারা
  2. আদালত দ্বারা
  3. সত্যায়নকারী সাক্ষী দ্বারা
  4. সম্পাদনকারীগণ দ্বারা
সঠিক উত্তর:
আদালত দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত দ্বারা
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877,ধারা ৩১ অনুযায়ী যখন দলিল সংশোধন করা যেতেপারে:
-যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের দরুন কোন চুক্তি বা অপর কোন লিখিত দলিল সত্যিকারভাবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে না, যে কোন পক্ষ কিংবা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিল সংশোধিত করে নেবার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে। যদি আদালত ইহা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের বেলায় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকরী করার ব্যাপারে পক্ষসমূহের সত্যিকার উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে অক্ষম হয়, সেখানে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যতদূর পর্যন্ত তা তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন, যাতে তা সে উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।

-অর্থাৎ আদালত দলিল সংশোধনের আদেশ মঞ্জুর করে থাকেন তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা দ্বারা।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে  বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে  প্রযোজ্য হবে। দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)। চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
--------------
SR Act-Section-31. When instrument may be rectified:
-When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
১১,১৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫২ অনুযায়ী ফৌজদারি আদালতের বৈশিষ্ট্য কী?
  1. শুধুমাত্র মামলার পক্ষগণের জন্য উন্মুক্ত
  2. শুধুমাত্র আইনজীবীদের জন্য উন্মুক্ত
  3. উন্মুক্ত আদালত হিসেবে গণ্য হয়
  4. গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়
সঠিক উত্তর:
উন্মুক্ত আদালত হিসেবে গণ্য হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্মুক্ত আদালত হিসেবে গণ্য হয়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫২ অনুযায়ী: “কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে গণ্য করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে স্থান সংকুলান হয়, সর্বসাধারণের প্রবেশাধিকার থাকবে।”
- অর্থাৎ সাধারণত ফৌজদারি আদালতের কার্যক্রম সবার জন্য উন্মুক্ত। এতে স্বচ্ছতা, ন্যায়বিচার ও জনবিশ্বাস বজায় থাকে।
 তবে ব্যতিক্রম আছে: বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে কোনো বিশেষ পরিস্থিতিতে সর্বসাধারণ বা নির্দিষ্ট ব্যক্তির প্রবেশ সীমিত করা প্রয়োজন, তাহলে তিনি আদেশ দিয়ে আদালত কক্ষ আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ রাখতে পারেন।
→ সুতরাং, ফৌজদারি আদালতের কার্যক্রম সাধারণভাবে "উন্মুক্ত আদালত" হিসেবে পরিচালিত হয় – এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত, যতক্ষণ না বিচারক ব্যতিক্রমী আদেশ দেন।
- তাই সঠিক উত্তর: গ) উন্মুক্ত আদালত হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।
------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 352: Courts to be open-
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.

১১,১৪৩.
কোন পর্যায়ে তদন্তকারী ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. শুধু তদন্তকালীন সময়
  2. কেবল চার্জ গঠনের সময়
  3. কেবল রায় ঘোষণার সময়
  4. মামলার যেকোনো পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ অনুসারে-
(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।

(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতোপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।

Section 205: Magistrate may dispense with personal attendance of accused
(1) Whenever a Magistrate issues a summons, he may, if he sees reason so to do, dispense with the personal attendance of the accused, and permit him to appear by his pleader. 

(2) But the Magistrate inquiring into or trying the case may, in his discretion, at any stage of the proceedings, direct the personal attendance of the accused, and, if necessary, enforce such attendance in manner hereinbefore provided.
১১,১৪৪.
বিচার বিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্ম সংক্রান্ত বিধি-বিধান-
  1. সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রযুক্ত হবে
  2. সংসদের সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রযুক্ত হবে
  3. রাষ্ট্রপতির পরামর্শক্রমে সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক প্রযুক্ত হবে
  4. সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে প্রধান বিচারপতি কর্তৃক প্রযুক্ত হবে
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রযুক্ত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রযুক্ত হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৬: অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা-

বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।
১১,১৪৫.
বাতিলযোগ্য দলিল বাতিলের ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতের ক্ষমতা
  1. নির্দেশমূলক
  2. অবশ্য করনীয়
  3. স্বেচ্ছাধীন
  4. বাধ্যতামূলক
সঠিক উত্তর:
স্বেচ্ছাধীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বেচ্ছাধীন
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877, ৩৯  ধারাটি হলঃ যখন বিলুপ্তির আদেশ প্রদান করাযেতে পারেঃ যে কোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেয়া হয়, তবে তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসেবে ত্যাগ করার নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
♦যদি দলিল রেজিষ্ট্রেশন আইন অনুসারে রেজিস্ট্রিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সেই অফিসারের নিকট প্রেরণ করবেন, যার অফিসে উক্ত দলিল রেজিস্ট্রি করা হয়েছে এবং তেমন অফিসার তার বইতে দলিলের নকলে উহার বিষয় লিপিবদ্ধ করবেন।
১১,১৪৬.
X, Z কে খুন করার জন্য Y কে প্ররোচিত করে। Y উক্ত প্ররোচনা অনুসারে Z কে ছুরিকাঘাত করে। Z জখম হতে আরোগ্য লাভ করে। X কি অপরাধ করেছে?
  1. খুন
  2. খুনের প্ররোচনা
  3. গুরুতর জখমের প্ররোচনা
  4. কোনো অপরাধ করে নাই
সঠিক উত্তর:
খুনের প্ররোচনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুনের প্ররোচনা
ব্যাখ্যা
⇒ এক্ষেত্রে, X Y কে প্ররোচিত করেছে Z কে খুন করার জন্য। যদিও Y Z কে ছুরিকাঘাত করে, কিন্তু Z বেঁচে গেছে এবং মৃত্যুর ঝুঁকি সৃষ্টি হয়নি। সুতরাং, X খুনের সরাসরি অপরাধে জড়িত না হলেও, সে খুনের প্ররোচনা দিয়েছে এবং এ জন্য দোষী হবে।
এটি ধারা ১০৮ (দুষ্কর্মে সহায়তাকারী) এর আওতায় আসবে, যেখানে একজন ব্যক্তি অপরাধ করতে বা কোনো বেআইনী কাজ করার জন্য অন্যকে প্ররোচনা দিয়ে থাকে। X-এর প্ররোচনার ফলে Y অপরাধী হয়ে উঠেছে, যদিও Z মারা যায়নি।
তাহলে, X খুনের প্ররোচনা দেওয়ার জন্য দণ্ডিত হবে।


- ধারা ১০৮ - দুষ্কর্মে সহায়তাকারী.
 কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধ করতে সহায়তা করে, অথবা এমন একটি কার্যে সহায়তা করে যে কাজটি সহায়তাকারীর মতো একই উদ্দেশ্য নিয়ে বা একই জ্ঞানের ভিত্তিতে যে ব্যক্তি আইনানুসারে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে উহা করতে সক্ষম সে ব্যক্তি করলে অপরাধ হত-তাহা হলে প্রথমোক্ত ব্যক্তি অপরাধ করতে সহায়তা ও প্ররোচনা দান করেছে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন কাজ করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থেকে সহায়তা করা বা প্ররোচনা দান করাও একটি অপরাধ, যদিও প্ররোচনাদাতা স্বয়ং কাজটি করতে বাধ্য নয় ।
ব্যাখ্যা ২:- প্ররোচনা অপরাধ প্রতিপন্ন হওয়ার জন্য যে কার্যে প্ররোচনা দান করা হয়েছে যথার্থই সে কাজটি সম্পন্ন হওয়া অথবা কার্যটির ফলে যে পরিণামের উদ্ভব হলে উহা অপরাধতুল্য হয় সে পরিমাণ উদ্ভূত হওয়া অবশ্য আবশ্যক নয়।
উদাহরণসমূহ –
(ক) গ-কে হত্যা করার জন্য ক খ-কে প্ররোচিত করে। খ হত্যা করতে অস্বীকার করে ক ও খ-কে হত্যার প্ররোচনা দান করার অপরাধে অপরাধী হবে।
(খ) ঘ-কে হত্যা করার জন্য ক খ-কে প্ররোচনা দেয়। ক-এর এই প্ররোচনার ফলে খ প্ররোচিত হয়ে ঘ-কে ছুরিকাঘাত করে। ঘ এই আঘাতে আহত হওয়ার পর আরোগ্য লাভ করে। খ-কে হত্যাপরাধ করতে প্ররোচিত করার অপরাধে ক অপরাধী হবে।
ব্যাখ্যা ৩:- যে ব্যক্তিকে অপরাধ করতে সহায়তা করা হয় সে ব্যক্তি আইনত অপরাধ করতে সক্ষম হওয়ার, অথবা সে ব্যক্তির সহায়তাকারীর মতো একইরূপ অপরাধজনক উদ্দেশ্য বা জ্ঞান থাকার অথবা তার কোনরূপ অপরাধজনক উদ্দেশ্য বা জ্ঞান থাকার আবশ্যক নাই।
ব্যাখ্যা  ৪:- কোন একটি অপরাধের সাহায্য করা বা প্ররোচনা দেওয়া যেহেতু একটি অপরাধ, সেহেতু অনুরূপ সাহায্য বা প্ররোচনা দানে সাহায্য করা বা প্ররোচনা দেওয়াও অপরাধ । -
ব্যাখ্যা- ৫:- চক্রান্তের মাধ্যমে সাহায্যের অপরাধ সংঘটনের জন্য যে ব্যক্তি অপরাধটি করে তার কাজের সাথে সাহায্যকারীর কাজের সমন্বয় অপরিহার্য নয়। যে চক্রান্তের ফলে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয় সে চক্রান্তের সাথে তার যোগদানই যথেষ্ট ।
১১,১৪৭.
নিম্মের কোন কার্যটি অপরাধ বলে গণ্য হবে না ?
  1. সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কার্য যেটা অপরাধমূলক অভিপ্রায় ব্যতীত করা হয়েছে
  2. নয় (৯) বছরের কম বয়স্ক শিশুর কার্য
  3. নয় বৎসরের অধিক ও ১২ (বার) বৎসরের কম বয়স্ক অপরিণত বোধ শক্তিসম্পন্ন শিশুর কাজ
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৮১ ধারা মতে  সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কার্য, কিন্তু অপরাধমূক অভিপ্রায় ব্যতিরেকে এবং অন্যবিধ ক্ষতি নিবারণকল্পে সম্পাদিত কাজ অপরাধ নয়।
♦দণ্ডবিধির ৮২ ধারা মতে নয় বৎসরের কম বয়স্ক শিশুর কোন কার্যই অপরাধ নয়।
♦দণ্ডবিধির ৮৩ মতে নয় বৎসরের অধিক বয়স্ক ও বার বৎসরের কম বয়স্ক অপরিণত বোধ শক্তিসম্পন্ন শিশুর কার্য নয় বৎসর অপেক্ষা বেশি কিন্তু বার বৎসর অপেক্ষা কম বয়সের এমন কোন শিশুর কোন কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না, যে শিশু সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় উহার প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার পক্ষে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা লাভ করে নাই।
♦দণ্ডবিধির ৮১,৮২ এবং ৮৩ ধারা অনুযায়ী উপরে লিখিত কাজগুলো অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
১১,১৪৮.
'Nemo est supra leges' প্রবচনের সমার্থক বাক্য কোনটি?
  1. কেউ দোষ স্বীকারে বাধ্য নয়
  2. ক্ষতিকর কর্মের আইনী প্রতিকার নেই
  3. কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়
  4. কেউ সার্বভৌমত্বের ঊর্ধ্বে নয়
সঠিক উত্তর:
কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়
ব্যাখ্যা
- Nemo est supra leges:
“No one is above the laws.”A maxim meaning that no person is exempt from the binding force of the law.

- Nemo est supra leges: ল্যাটিন ম্যাক্সিম 'Nemo est supra leges'-এর অর্থ 'No man is above the law- কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়' প্রবচন সংশ্লিষ্ট বিধান সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে।
- ধনী-দরিদ্র, এমপি-মন্ত্রী নির্বিশেষে যে কেউ অপরাধ করলে প্রত্যককেই বিচারের সম্মুখীন হতে হয়।
- অপরাধ প্রমাণিত হলে আইন কাউকে ক্ষমা করে না।
- কারণ, সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী- 'সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।' আলোচিত Rule of law নীতির ভাষ্যও একই।
⇒ Article 27. Equality before law:
 All citizens are equal before law and are entitled to equal protection of law.
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদের বিধান: আইনের দৃষ্টিতে সমতা: 
সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
১১,১৪৯.
দণ্ডবিধির ৯৮ ধারায় আত্মরক্ষার অধিকার কাদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য?
  1. মাতাল ব্যক্তি
  2. মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি
  3. অপরিপক্ব বুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তি
  4. উপরের সবার ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরের সবার ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ধারা ৯৮: উন্মাদ ব্যক্তি বা মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির কর্মের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার:
যখন কোনো কাজ, যা সাধারণত একটি নির্দিষ্ট অপরাধ হতো, কিন্তু তা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয় না শুধুমাত্র এই কারণে যে- কাজটি করা ব্যক্তির বয়স কম, বুদ্ধি পরিপক্ব নয়, মানসিক ভারসাম্যহীনতা রয়েছে, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছে, অথবা তার কোনো বিভ্রান্তি রয়েছে—তখনও অন্য প্রতিটি ব্যক্তি সেই কাজের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার একই অধিকার ভোগ করে, যা সে পেত যদি ঐ কাজটি সত্যিই অপরাধ হতো।

উদাহরণ:
(ক) Z, উন্মাদ অবস্থায় A-কে হত্যা করার চেষ্টা করে; Z কোনো অপরাধে দোষী নয়। কিন্তু A আত্মরক্ষায় Z-এর বিরুদ্ধে সেই একই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে, যেটা সে গ্রহণ করতে পারত যদি Z সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন হতো।

(খ) A রাতে এমন একটি ঘরে প্রবেশ করে যার মধ্যে প্রবেশ করার বৈধ অধিকার তার আছে। Z, ভুল করে A-কে গৃহভাঙনকারী ভেবে সৎ বিশ্বাসে আক্রমণ করে। এখানে Z তার এই ভুল ধারণার কারণে কোনো অপরাধ করে না। কিন্তু A আত্মরক্ষায় Z-এর বিরুদ্ধে ঠিক সেই একই অধিকার প্রয়োগ করতে পারে, যেমনটা করত যদি Z সত্যিই অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে কাজ করত।
১১,১৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারা অনুসারে, ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার যখন যুক্তিসংগতভাবে সাহায্য চাইবেন, তখন জনসাধারণ সাহায্য করবেন-
  1. প্রয়োজনে
  2. বাধ্যতামূলকভাবে
  3. নিজের ইচ্ছায়
  4. কেবল আদালতের আদেশে
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলকভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলকভাবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারার বিধান- জনসাধারণ যখন ম্যাজিষ্ট্রেট ও পুলিশকে সাহায্য করবেন:
প্রত্যেক ব্যক্তি বাধ্য থাকবেন কোনো ম্যাজিস্ট্রেট (বিচারিক বা নির্বাহী) বা পুলিশ অফিসার যুক্তিসংগতভাবে তার সাহায্য চাইলে সেই সাহায্য প্রদান করতে-

(ক) এমন কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা বা তার পলায়ন প্রতিরোধের ক্ষেত্রে, যাকে ঐ ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার আইনত গ্রেফতার করার ক্ষমতা রাখেন;

(খ) শান্তিভঙ্গ প্রতিরোধ বা দমন করার ক্ষেত্রে, অথবা কোনো রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ বা সরকারি সম্পত্তির প্রতি ক্ষতি সাধনের প্রচেষ্টা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে।

The Code of Criminal Procedure- Section-42. Public when to assist:
Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid-
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest;
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.

১১,১৫১.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে কোনটি প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য?
  1. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে শোনে নি
  2. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে দেখেনি
  3. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা নিজে দেখেছে
  4. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা অন্যের মতামত
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা নিজে দেখেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা নিজে দেখেছে
ব্যাখ্যা
প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য (Direct evidence)-

মৌখিক সাক্ষ্যকে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে (oral evidence must be direct) অর্থাৎ উপস্থিত সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা সে নিজে দেখেছে, শুনেছে বা উপলব্ধি করেছে।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ মতে-
মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে ( oral evidence must be direct)। অর্থাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
১১,১৫২.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে সাক্ষীকে বৈরি ঘোষনা করা হয়?
  1. ১৫২ ধারায়
  2. ১৫৩ ধারায়
  3. ১৫৪ ধারায়
  4. ১৫৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৫৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৪ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারায় সুস্পষ্টভাবে বৈরী সাক্ষী বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। বৈরী সাক্ষী হলো এমন একজন সাক্ষী যে, সে যে উপায়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে বোঝা যায় যে, সে আদালতের নিকট সত্য বলতে ইচ্ছা প্রকাশ করছে না। বৈরী সাক্ষী বলতে মিথ্যুক সাক্ষী বোঝায় না। সাক্ষী যে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে সাক্ষীর বৈরীতা বুঝতে হবে। বিষয়টি হলো যখন যে পক্ষ কোন সাক্ষীকে আহ্বান করে বা ডাকে, সেই পক্ষ উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করবে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ যখন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে, তখন সাক্ষীর নিকট যে প্রশ্ন করা হয় তখন সে উক্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করতে পারে বা বৈরী হতে পারে। সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ এমন ধরণের সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী হিসাবে ঘোষণা করতে পারে।

⇒ ১৫৪ ধারার বক্তব্য অনুযায়ী- বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় যেসব প্রশ্ন করতে পারে, সেসব প্রশ্ন যদি কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীকে করার অনুমতি চায়, আদালত তা করার অনুমতি দিতে পারে। এরূপ সাক্ষীকে বৈরী/প্রতিকূল সাক্ষী (Hostile witness) বলে ।

⇒ বৈরী সাক্ষীকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষের জেরা করার অনুমতি দান করা আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে। আইনের সাধারণ নীতি অনুযায়ী সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন আদালতের অনুমতি নিয়ে যে পক্ষ সাক্ষী নিয়ে আসে, সে পক্ষ নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে। এ ধরনের সাক্ষী হল বৈরী (Hostile) সাক্ষী।

⇒ সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।

⇒ যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।

⇒ এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।

১১,১৫৩.
"Courts to be open"- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বলা আছে?
  1. ৩৬৬ ধারায়
  2. ৩৬১ ধারায়
  3. ৩৫২ ধারায়
  4. ৩৭১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৫২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫২ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-

কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারী আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।

Section 352: Courts to be open
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.
১১,১৫৪.
মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির অপরাধ শাস্তিযোগ্য নয়—এ বিধান কোন ধারায় রয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ৮২ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৮৩ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৮৪ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৮৫ ধারায় 
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৮৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৮৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ৮৪ ধারায় মতে অপরাধ করার সময় অপরাধী ব্যাক্তি অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে সে কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
তবে অপরাধ করার সময় উক্ত পাগল ব্যক্তির মানসিক অবস্থা এমন থাকতে হবে যে সে তার কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারে না।

-------------------
⇒ Section 84. Act of a person of unsound mind:
- Nothing is an offence which is done by a person who, at the time of doing it, by reason of unsoundness of mind, is incapable of knowing the nature of the act, or that he is doing what is either wrong or contrary to law.
১১,১৫৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি ৫ এর বিধান কি?
  1. রায়ের পূর্বে ক্রোকাদেশ
  2. আর্জি খারিজ
  3. লিখিত জবাব
  4. বিকল্প সমন জারী
সঠিক উত্তর:
রায়ের পূর্বে ক্রোকাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ের পূর্বে ক্রোকাদেশ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি ৫ এ রায়ের পূর্বে যে যে ক্ষেত্রে ক্রোক এবং গ্রেফতারের আদেশ দেয়া তা আলোচনা করা হয়েছে।
১১,১৫৬.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে মৃত স্বামীর সম্পত্তি বণ্টনে স্ত্রীর অংশ কত হয় যদি তাদের সন্তান থাকে?
  1. ১/৪ অংশ
  2. ১/৮ অংশ
  3. ১/৬ অংশ
  4. ১/২ অংশ
সঠিক উত্তর:
১/৮ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৮ অংশ
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনের ধারা অনুযায়ী, স্ত্রীর উত্তরাধিকার নির্ভর করে মৃত স্বামীর সন্তান আছে কি নেই।
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে স্ত্রীর অংশ নিম্নলিখিতভাবে নির্ধারিত হয়:
যদি মৃত স্বামীর সন্তান বা পুত্রের সন্তান (নাতি) থাকে: স্ত্রী পাবে ১/৮ অংশ (কোরআনের সূরা নিসা ৪:১২ অনুযায়ী)।
যদি মৃত স্বামীর কোনো সন্তান বা নাতি না থাকে: স্ত্রী পাবে ১/৪ অংশ।

অর্থাৎ যদি স্বামীর সন্তান থাকে, স্ত্রীর অংশ ১/৮ এবং যদি কোনো সন্তান না থাকে, স্ত্রীর অংশ ১/৪।
এটি কোরআন অনুযায়ী নির্ধারিত “যাওয়িল ফুরূদ” (Zawil Furud) এর মধ্যে একটি নির্দিষ্ট অংশ।
সুতরাং, সন্তান থাকলে স্ত্রীর অংশ হবে ১/৮।

১১,১৫৭.
দণ্ডবিধির মানহানি সম্পর্কিত ব্যাখ্যা অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তির সম্পর্কে নিন্দাবাদ করলে কী হবে?
  1. মানহানি গণ্য হবে
  2. কোনো শাস্তি হবে না
  3. উক্ত নিন্দাবাদ অনুমোদিত
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
মানহানি গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানহানি গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারা- মানহানি:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।
 
ব্যাখ্যা ১: যে মৃত ব্যক্তির জীবনকালে তার সম্পর্কে কোন নিন্দা করা হলে তার মানহানি ঘটত, সে মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে অনুরূপ কোন নিন্দাবাদ এবং সে মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের বা অন্যান্য কাছে আত্মীয়ের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ নিন্দাবাদ করা, মানহানি বলে পরিগণিত হবে।
 
ব্যাখ্যা ২: কোন কোম্পানি বা সংঘ বা ব্যক্তিসমাবেশ সম্পর্কে সমষ্টিগতভাবে কোন নিন্দাবাদ করা মানহানি বলে পরিগণিত হতে পারে।
 
ব্যাখ্যা ৩: বিকল্পরূপে বা বিদ্রূপাত্মকরূপে ব্যক্ত কোন নিন্দাবাদ মানহানির সামিল হতে পারে।
 
ব্যাখ্যা ৪: কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কোন নিন্দাবাদ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে অন্যান্য ব্যক্তির দৃষ্টিতে সে ব্যক্তির নৈতিক বা বুদ্ধিগত চরিত্র হেয় না করলে, অথবা তার বর্ণ বা সম্প্রদায় কিংবা তার পেশার দিক হতে সে ব্যক্তির চরিত্রকে হেয় না করলে, অথবা সে ব্যক্তির প্রসিদ্ধি ক্ষুন্ন না করলে, অথবা তার দেহ বীভৎস বা ঘৃণা অবস্থায় বা যে অবস্থা সাধারণভাবে অরুচির বলে গণ্য, সে অবস্থায় রয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি না করলে, সে ব্যক্তি সম্পর্কে উক্ত নিন্দাবাদ তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করে নাই বলে পরিগণিত হয়।
১১,১৫৮.
আদেশ ১০ বিধি ২ এর অধীন কার থেকে মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করা যেতে পারে?
  1. কেবল বাদীর থেকে
  2. কেবল বিবাদী থেকে
  3. কেবল প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম কোনো পক্ষের সাক্ষী থেকে
  4. প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম আদালতে উপস্থিত যে কেউ থেকে
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম আদালতে উপস্থিত যে কেউ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম আদালতে উপস্থিত যে কেউ থেকে
ব্যাখ্যা

উত্তর: ঘ) প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম আদালতে উপস্থিত যে কেউ থেকে।

আদেশ ১০ বিধি ২- পক্ষ বা পক্ষের সহযোগীর মৌখিক জবানবন্দি:
মোকদ্দমার প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী কোন শুনানিতে স্বয়ং হাজির কোন পক্ষ কিংবা আদালতে উপস্থিত কেউ কিংবা পক্ষ বা পক্ষের উকিলের সাথে অবস্থানরত এমন কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা সম্বন্ধে যদি কোন প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম হয়, তাহলে মৌখিকভাবে তার জবানবন্দি আদালত কর্তৃক গ্রহণ করা যাবে এবং উক্তরূপ জবানবন্দি গ্রহণ করার সময়ে আদালত যদি সঙ্গত মনে করেন, তাহলে যে কোন পক্ষের সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।

১১,১৫৯.
সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য চুক্তির এক পক্ষ 'A' যদি চুক্তির অন্য অংশ পালন করতে অস্বীকার করে এবং ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রস্তাব দেয়, তাহলে চুক্তির অপর পক্ষ 'B'-
  1. শুধু ক্ষতিপূরণ এর দাবি করতে পারবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে না
  3. সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে
ব্যাখ্যা
চুক্তির এক পক্ষ 'A' যদি চুক্তির অন্য অংশ পালন করতে অস্বীকার করে এবং ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রস্তাব দেয়, তবুও অন্য পক্ষ 'B' সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে। অর্থাৎ, ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব গ্রহণ না করে 'B', আদালতে গিয়ে 'A' কে চুক্তি অনুযায়ী কাজ করার জন্য বাধ্য করাতে পারবে। আদালত যদি বিবেচনা করে যে- চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য, তাহলে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ গ্রহণকে বাধ্যতামূলক করে না। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২০ ধারায় এই বিধান রয়েছে।

ধারা ২০:
''একটি চুক্তি যা সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য, তা এমনভাবেও বাস্তবায়িত হতে পারে, যদিও সেখানে চুক্তি লংঘনের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকে এবং বিলম্বকারী পক্ষ সেই অর্থ প্রদানের প্রস্তুত থাকে।''

এই ধারায় চুক্তি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি তুলে ধরছে। এখানে বলা হচ্ছে যে, একটি চুক্তি যদি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হয়, তাহলে সেটি বাস্তবায়নযোগ্য, যদিও চুক্তিতে লংঘনের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকে এবং বিলম্বকারী পক্ষ সেই অর্থ প্রদানের প্রস্তুতি প্রকাশ করে। অর্থাৎ, যদি একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হয়, তাহলে শুধুমাত্র বিলম্বকারী পক্ষের ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রস্তাব আদালতকে বাধ্য করবে না যে চুক্তিটি বাস্তবায়ন না করে শুধু ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করতে হবে। বরং আদালত চুক্তি অনুযায়ী কাজ করার জন্য বিলম্বকারী পক্ষকে নির্দেশ দিতে পারবে।

এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হল- চুক্তির সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা এবং ক্ষতিপূরণের প্রস্তাবকে চুক্তি বাস্তবায়নের বিকল্প হিসাবে না গ্রহণ করা।
১১,১৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারা অনুযায়ী, একই বিচারে একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে পর পর চলার একাধিক দণ্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. ১০ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ১৪ বছর
  4. ২০ বছর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৫(২)(ক) অনুসারে একই বিচারে একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে পরপর চলার একাধিক দণ্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ ১৪ বছর।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপেক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তারচেয়ে একাধিক দণ্ড পরপর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবল ইহার জন্য উক্ত আদালতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না:
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ: কোনোভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশি হবে না।
(৩) আপিলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধারে নিতে হবে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section-35. Sentence in cases of conviction of several offences at one trial Maximum term of punishment:
(1) When a person is convicted at one trial of two or more offences, the Court may, subject to the provisions of section 71 of the Penal Code sentence him, for such offences, to the several punishments prescribed therefor which such Court is competent to inflict; such punishments, when consisting of imprisonment or transportation to commence the one after the expiration of the other in such order as the Court may direct, unless the Court directs that such punishments shall run concurrently.
(2) In the case of consecutive sentences, it shall not be necessary for the Court, by reason only of the aggregate punishment for the several offences being in excess of the punishment which it is competent to inflict on conviction of a single offence, to send the offender for trial before a higher Court:
Provided as follows:-
(a) in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years;
(b) if the case is tried by a Magistrate , the aggregate punishment shall not exceed twice the amount of punishment which he is, in the exercise of his ordinary jurisdiction, competent to inflict.
(3) For the purpose of appeal, the aggregate of consecutive sentences passed under this section in case of convictions for several offences at one trial shall be deemed to be a single sentence.

১১,১৬১.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী Special Magistrates-এর নিয়োগ কার পরামর্শে করা হয়?
  1. Sessions Judge
  2. District Magistrate
  3. High Court Division
  4. Chief Judicial Magistrate
সঠিক উত্তর:
High Court Division
উত্তর
সঠিক উত্তর:
High Court Division
ব্যাখ্যা

⇒  ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী Special Magistrates-এর নিয়োগ (বা ক্ষমতা অর্পণ) সরকার কর্তৃক করা হয়, তবে এটি High Court Division-এর সাথে পরামর্শক্রমে (in consultation with the High Court Division) সম্পন্ন হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২ ধারামতে Special Magistrate তিন প্রকার। যথা-
ⅰ) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Special Executive Magistrate);
ii) বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট (Special Magistrate);
iii) বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Special Metropolitan Magistrate).

-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(১) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ব্যক্তির উপর অর্পণ করলে, উক্ত ব্যক্তিবর্গ বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে কোন প্রথম শ্রেণী, দ্বিতীয় শ্রেণী বা তৃতীয় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৫) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে, মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
-----------------
The Code of Criminal Procedure- Section-12: Special Magistrate:
1) The Government may confer upon any person all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on an Executive Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes of cases, or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area: 
Provided that no power shall be conferred under the sub-section on any police officer below the grade of an Assistant Superintendent of Police and no powers shall be conferred on a such police officer except so far as may be necessary for preserving the peace, preventing crime and detecting apprehending and detaining offenders, in order to bring the offender before a Magistrate, and for the performance by the officer of any other duties imposed upon him by any law for the time being in force. 
(2) The persons on whom the powers under sub-section (1) are conferred shall be called Special Executive Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may by general or special order direct. 
(3) The Government may, in consultation with the High Court Division confer upon any Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on a Judicial Magistrate of the first, second or third class in respect of particular cases or a particular class or classes of cases or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area. 
(4) The Magistrate on whom the powers under sub-section (3) are conferred shall be called Special Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may, in consultation with the High Court Division, by general or special order direct. 
(5) The Government may in consultation with the High Court Division confer upon any Metropolitan Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on Metropolitan Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes, or in regard to cases generally in any Metropolitan Area. 
(6) The persons on whom the powers under sub-section (5) are conferred shall be called Special Metropolitan Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may in consultation with High Court Division by general or special order direct.

১১,১৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩২ অনুযায়ী আদালত কিসের ভিত্তিতে নতুন বিচারের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে
  2. অভিযোগের পুনরায় যাচাই হলে
  3. অভিযুক্তের জামিন আবেদন নাকচ হলে
  4. চার্জে গুরুতর ভুলের কারণে অভিযুক্ত বিভ্রান্ত হলে
সঠিক উত্তর:
চার্জে গুরুতর ভুলের কারণে অভিযুক্ত বিভ্রান্ত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্জে গুরুতর ভুলের কারণে অভিযুক্ত বিভ্রান্ত হলে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩২ এ চার্জে কৃত গুরতর ভুলের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
আদালত যদি মনে করেন যে, অভিযােগ গঠিত হওয়ায় কিংবা উহাতে ভুল থাকায় কোন অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তি তার আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যাপারে বিভ্রান্ত হয়েছে, তা হলে নতুন বিচারের নির্দেশ দিতে পারেন। এছাড়া, কোন বৈধ অভিযােগ প্রণয়ন করা না গেলে, দণ্ডাদেশ রদ করে দিবেন।

অপরদিকে,
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৫ এ দেয়া আছে-
অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে তা যদি আসামির বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করে এবং তা যদি ন্যায় বিচার ব্যাহত না করে, তাহলে তা মামলার কোন পর্যায়ে গুরুতর বলে গণ্য হবে না।
১১,১৬৩.
পেশকৃত দলিলসমূহ বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায়?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০২ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০১ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৫ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৪ ধারার বিধান পেশকৃত দলিলসমূহ বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতাঃ যে কোন আদালত, উপযুক্ত বিবেচনা করলে, এই কোড অনুসারে ইহার সমক্ষে পেশ করা যে কোন দলিল বা বস্তু বাজেয়াপ্ত করতে পারেন।

------------
♦ Section 104. Power to impound document, etc, produced: Any Court may, if it thinks fit, impound any document or thing produced before it under this Code.
১১,১৬৪.
'ক' 'খ' কে নিহত করিবার উদ্দেশ্যে তাহার প্রতি গুলিবর্ষণ করে, ফলে 'খ' এর মৃত্যু হয়। 'ক' কি অপরাধে করিয়াছে?
  1. নরহত্যা
  2. অপরাধজনক নরহত্যা
  3. খুন
  4. আত্মহত্যার সহায়তাকরণ
সঠিক উত্তর:
খুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা

দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা

তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা

চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার (উদা:ক)।
--------------------
Murder:
Section 300. Except in the cases hereinafter excepted, culpable homicide is murder, if the act by which the death is caused is done with the intention of causing death, or- 
Secondly.-If it is done with the intention of causing such bodily injury as the offender knows to be likely to cause the death of the person to whom the harm is caused, or – 
Thirdly.-If it is done with the intention of causing bodily injury to any person and the bodily injury intended to be inflicted is sufficient in the ordinary course of nature to cause death, or – 
Fourthly.-f the person committing the act knows that it is so imminently dangerous that it must, in all probability, cause death, or such bodily injury as is likely to cause death, and commits such act without any excuse for incurring the risk of causing death or such injury as aforesaid. 
 
Illustrations 
(a) A shoots Z with the intention of killing him. Z dies in consequence. A commits murder.
১১,১৬৫.
দণ্ডবিধি কোন ধরনের আইন?
  1. তত্ত্বগত
  2. পদ্ধতিগত
  3. সংস্কারমূলক
  4. বিশেষ আইন
সঠিক উত্তর:
তত্ত্বগত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তত্ত্বগত
ব্যাখ্যা
• যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে।
- যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।
১১,১৬৬.
ঘোষণামূলক মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের কোন অনুচ্ছেদের অধীনে নির্ধারিত?
  1. ১০ অনুচ্ছেদ
  2. ১২ অনুচ্ছেদ
  3. ১০০ অনুচ্ছেদ
  4. ১২০ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১২০ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে, তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে। শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ করা হয়নি। তাই শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে।

• তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ হবে ৬ বছর।
১১,১৬৭.
আদেশ ১২, বিধি ৬ এর অধীনে রায় প্রদান করা যেতে পারে-
  1. শুধুমাত্র চূড়ান্ত শুনানির পর
  2. যখন কোনো পক্ষ স্বীকারোক্তি দেয়
  3. যখন কোনো পক্ষ অনুরোধ করে
  4. উচ্চতর আদালত আদেশ দিলে
সঠিক উত্তর:
যখন কোনো পক্ষ স্বীকারোক্তি দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন কোনো পক্ষ স্বীকারোক্তি দেয়
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১২ বিধি ৬- স্বীকারোক্তির উপর রায়:
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

Order-12 Rule-6: Judgment on admissions:
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
১১,১৬৮.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৫ক(১) অনুযায়ী, অভিযোগকারী থানায় হাজির হলে অফিসার ইনচার্জের প্রাথমিক দায়িত্ব কী?
  1. মামলা তদন্ত শুরু করা
  2. অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা
  3. অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করা
  4. ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদন পাঠানো
সঠিক উত্তর:
অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করা
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ২৫ক(১) অনুযায়ী, যখন কোনো অভিযোগকারী প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ থানায় হাজির হন, তখন অফিসার ইনচার্জের প্রাথমিক দায়িত্ব হলো অভিযোগটি তাৎক্ষণিকভাবে এজাহারভুক্ত করা। এর পাশাপাশি, তিনি অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন, যা এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলির সাপেক্ষে। এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো নারী ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগ দ্রুত ও কার্যকরভাবে গ্রহণ এবং প্রক্রিয়াকরণ নিশ্চিত করা।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ২৫ক-থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ কোনো অভিযোগকারী থানায় হাজির হইলে অফিসার ইনচার্জ তাৎক্ষণিকভাবে তাহার অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করিবেন এবং ক্ষেত্রমত এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিবেন।
(২) অভিযোগকারী প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ থানায় হাজির হইলে তাহাকে কেবল এই যুক্তিতে ফিরাইয়া দেওয়া যাইবে না যে, তাহার ঘটনাটি অন্য থানার এখতিয়ারাধীন এলাকায় ঘটিয়াছে, বরং যেই থানাতেই অভিযোগ করা হউক না কেন, উক্ত থানার অফিসার ইনচার্জ অবিলম্বে অভিযোগকারীর বক্তব্য লিপিবদ্ধ করিবেন, অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করিবেন এবং অনতিবিলম্বে কেস ডায়েরিসহ অভিযোগটি উপযুক্ত থানায় প্রেরণ করিবেন।

১১,১৬৯.
পুলিশ ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুসারে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ চিকিৎসকের নিকট প্রেরণ করেন?
  1. ধারা ১৭৬(৩)
  2. ধারা ১৭৪(৩)
  3. ধারা ১৭৫(৩)
  4. ধারা ১৭৬(১)
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭৪(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭৪(৩)
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪(৩) ধারায় ময়নাতদন্ত (Post-mortem) এর কথা বলা হয়েছে। কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বা এই উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক বিশেষ ভাবে ক্ষমতাবান অন্য কোন পুলিশ অফিসার যদি সংবাদ পান যে,কোন ব্যক্তি-
> আত্মহত্যা করেছে,অথবা
> অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা কোন প্রাণী কর্তৃক বা কোন যন্ত্র দ্বারা দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে, অথবা
> এরূপ অবস্থায় মারা গেছে- যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে অন্য কোন ব্যক্তি অপরাধ করেছে;
 
অর্থ্যাৎ মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সন্দেহ থাকলে বা অন্য কোন কারণে এই সম্পর্কে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত নিয়ম সাপেক্ষে পুলিশ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪(৩) অনুসারে ময়নাতদন্তের (Post mortem) জন্য লাশটি নিকটতম সিভিল সার্জন বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অন্য কোন যোগ্যতাসম্পন্ন চিকিৎসকের নিকট প্রেরণ করবেন। তবে আবহাওয়ার অবস্থা ও দূরত্বের জন্য লাশটি রাস্তায় পঁচে যাবার আশঙ্কা থাকলে ময়নাতদন্ত করা অর্থহীন হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে লাশ প্রেরণের প্রয়োজন নেই।
১১,১৭০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৩ অনুসারে, দুষ্কর্মের সহযোগী (accomplice) কোন ধরনের সাক্ষী?
  1. অযোগ্য সাক্ষী
  2. উপযুক্ত সাক্ষী
  3. আংশিক‑যোগ্য সাক্ষী
  4. বাদী পক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে যোগ্য সাক্ষী
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত সাক্ষী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত সাক্ষী
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৩- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
 
Section 133- Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
১১,১৭১.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ এর বিধান অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে, উক্ত বিবাহ-
  1. বাতিল হবে
  2. অবৈধ হবে
  3. রেজিস্ট্রিকৃত হবে না
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রিকৃত হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রিকৃত হবে না
ব্যাখ্যা
• The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৬ ধারা: বহুবিবাহ:

১) কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না বা ঐরূপ অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ অনুষ্ঠিত হলে তা The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হবে না।
 
২) অনুমতির দরখাস্ত নির্ধারিত ফি সহ চেয়ারম্যানের নিকট দাখিল করতে হবে ও তাতে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণসমূহ এবং এই বিবাহের ব্যাপারে বর্তমানে স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের সম্মতি নেয়া হয়েছে কিনা তার উল্লেখ থাকতে হবে।
 
৩) দরখাস্ত গ্রহণ করার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারীকে ও বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের প্রত্যেককে একজন করে প্রতিনিধি মনোনীত করতে বলবেন। উক্তরূপে গঠিত সালিশি কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করলে সেক্ষেত্রে প্রার্থিত আবেদন মঞ্জুর করতে পারবেন।
 
৪) উক্ত দরখাস্তে বিবেচনা করার সময় সালিশি কাউন্সিল নিষ্পত্তির কারণাদি লিপিবদ্ধ করবেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে কোন পক্ষ নির্দিষ্ট ফি প্রদানক্রমে সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার (Revision) জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে; তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে ও কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
 
৫) কোন লোক যদি সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তবে সে-
ক) বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের তলবী ও স্থগিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষণাৎ পরিশোধ করতে হবে। উক্ত টাকা উক্তরুপে পরিশোধ না করা হলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরূপে আদায়যোগ্য হবে: এবং
খ) অভিযোগে অপরাধী সাব্যস্ত হলে এর শান্তি- অনধিক ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড অথবা অনধিক ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড বা উভয়দণ্ড।
১১,১৭২.
তামাদি আইন,১৯০৮ একটি-
  1. মূল আইন
  2. পদ্ধতিগত আইন
  3. তত্ত্বগত আইন
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন হলো একটি পদ্ধতিগত আইন।

পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law):
তত্ত্বগত আইনগুলোতে যে অধিকার, কর্তব্য ও শাস্তিসমূহ উল্লেখ থাকে সেগুলো যে প্রক্রিয়া বা পদ্ধতির মাধ্যমে কার্যকর করা হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি যে আইনসমূহে উল্লেখ থাকে তাই পদ্ধতিগত আইন। যেমন: ফৌজদারি কার্যবিধি, তামাদি আইন, দেওয়ানি কার্যবিধি ইত্যাদি।

তত্ত্বগত আইন (Substantive Law):
যে আইনসমূহ অধিকার ও কর্তব্যকে সংজ্ঞায়িত বা সন্নিবেশিত করে বা কোন অপরাধ কে সংজ্ঞায়িত করে ও তার শাস্তির পরিমাণ উল্লেখ করে, তাই তত্ত্বগত আইন বা মূল আইন। যেমন: চুক্তি আইন, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।
১১,১৭৩.
অ্যাডভোকেট হিসেবে অন্তর্ভুক্তির পর কতদিনের মধ্যে যেকোনো একটি বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ বার কাউন্সিল আদেশের ৬৬ নং বিধিমতে অ্যাডভোকেট হিসেবে অন্তর্ভুক্তির পর ছয় মাসের মধ্যে প্রত্যেককে একটি বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হতে হবে।
⇒ নতুন তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেট (enrolled advocate) ৬ মাসের মধ্যে বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য না হলে তালিকাভুক্তির (enrolment) ছয় মাস পর আপনা-আপনি তার তালিকাভুক্তিকরণ সনদ (certificate of enrolment) বাতিল হয়ে যাবে।
----------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Rules, 1972. Rule-66:
(1) No person shall practise as an Advocate unless he is a member of a Bar Association of the place at which he ordinarily practises, which Association has been recognized under the rules next following.
(2) The certificate of enrolment of a person who has not become a member of a Bar Association within six months of his enrolment shall stand automatically suspended;
১১,১৭৪.
কোন ফৌজদারি আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে?
  1. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  4. জেলা জজ
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত দায়রা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৫ ধারা অনুযায়ী রিভিশনের ক্ষমতা বা নিন্ম আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা আছে হাইকোর্ট বিভাগের ও দায়রা জজ আদালতের (অতিরিক্ত দায়রা জজ)।
♦ রিভিশনের ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা জজ ও অতিরিক্ত দায়রা জজ সকলের রয়েছে ।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ক(৩) ধারায় অতিরিক্তি দায়রা জজের রিভিশন ক্ষমতা রয়েছে। দায়রা জজ সাধারন বা বিশেষ আদেশ বলে তার নিকট দায়েরকৃত কোন রিভিশন অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করতে পারে; এক্ষেত্রে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।  রিভিশনে প্রদত্ত দায়রা জজের আদেশই চূড়ান্ত কেননা, ফৌজদারি কার্যবিধিতে ২য় ব্রিভিশনের বিধান নাই।
১১,১৭৫.
চেক ডিজঅনার মামলা কোন আদালতে দায়ের করতে হয়?
  1. দায়রা আদালতে
  2. যুগ্ম দায়রা আদালতে
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
ব্যাখ্যা
চেক ডিজঅনারের মামলা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করতে হয়। মেট্রোপলিটন এরিয়াতে চেক ডিজঅনারের মামলা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা হয়। আর অন্য এলাকাতে এই মামলা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা হয়। তারপর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অথবা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলাটি প্রস্তুত করে বিচারের জন্য দায়রা আদালতে পাঠিয়ে দিবেন। হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ ধারা অনুযায়ী চেক ডিজঅনারের মামলা দায়ের করা হয়।

একটা কথা বলে রাখা প্রয়োজন, চেক ডিজঅনারের মামলা কখনো চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কিংবা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বিচার করতে পারবে না। প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারী কার্যবিধির ২০০ ধারা অনুযায়ী নালিশকারীকে পরীক্ষা করবেন। পরীক্ষা করার পর যদি ম্যাজিস্ট্রেট দেখেন নালিশের Prima facie ভিত্তি আছে তাহলে তিনি মামলা আমলে নিয়ে মামলাটি প্রস্তুত করে বিচারের জন্য এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালতে পাঠিয়ে দিবেন। তারপর মামলাটি উক্ত আদালত কর্তৃক বিচার করা হবে। চেক ডিজঅনারের মামলা সবসময় সি.আর মামলা হিসেবে বিবেচিত হবে। কারণ এই সকল মামলা সরাসরি এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা হয়ে থাকে।
১১,১৭৬.
খ অন্যায়ভাবে চ এর ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে চ এর বরফ ঘরে পানি দেয় এবং তার ফলে বরফ গলে যায় ক এখানে কি ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. মালামাল বিনষ্ট সাধন
  2. অর্থ আত্মসাৎ
  3. ক্ষতি/অনিষ্ট সাধন
  4. জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়
সঠিক উত্তর:
ক্ষতি/অনিষ্ট সাধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতি/অনিষ্ট সাধন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারায় অনিষ্ট বা ক্ষতির সংজ্ঞা (Mischief) রয়েছে। ৪২৫ ধারা অনুযায়ী অন্যের অন্যায় ক্ষতি বা লোকসানের (Wrongful loss or damage) উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট অথবা সম্পত্তির মূল্য/উপযোগীতা হ্রাস বা ক্ষতিগ্রস্ত করাকে অনিষ্ট বা ক্ষতি (mischief) বলে।
১১,১৭৭.
ধারা ৩৯ অনুযায়ী, কোন কর্তৃপক্ষ দলিলের নিবন্ধনের কপি সংরক্ষণ করবে?
  1. আদালত
  2. সরকার
  3. রেজিস্ট্রার
  4. দলিলের মালিক
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রার
ব্যাখ্যা
• ৩৯ ধারা: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।
১১,১৭৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১১ বিধি ২১- এর অধীনে কোন ক্ষেত্রে বাদীর মোকদ্দমা খারিজ হতে পারে?
  1. প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে
  2. আদালতে হাজির না হলে
  3. প্রশ্নমালার উত্তর দিতে ব্যর্থ হলে
  4. অপর পক্ষের সঙ্গে আপস করতে না চাইলে
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নমালার উত্তর দিতে ব্যর্থ হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নমালার উত্তর দিতে ব্যর্থ হলে
ব্যাখ্যা
• যদি কোনো পক্ষ যাকে মামলা সম্পর্কিত কোন বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার (to answer Interrogatories) বা কোন দলিল প্রকাশ (discovery of documents) বা দলিল নিরীক্ষণের (inspection of documents) আদেশ দেয়া হয়েছে, যদি সে বাদী হয় এবং সে যদি উক্ত আদেশ পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত তার মামলা খারিজ (Dismissed the suit) করে দিবে এবং যদি সে বিবাদী হয় তাহলে তার আত্মপক্ষ সমর্থন (Right to defence) বাতিল করবে।

• আদেশ ১১ বিধি ২১ (আদেশ অমান্যকরণ)-
যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রশ্নমালার উত্তর দানের বা দলিলসমূহের উদ্ঘাটন বা পরিদর্শনের জন্য কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তদক্ষেত্রে সে বাদী হয় তবে পরিচালনার অভাবে তার মোকদ্দমা খারিজ হওয়ার জন্য সে দায়ী হবে এবং যদি বিবাদী হয় তবে তার যদি কোন জবাব থাকে, উহা কর্তন হওয়ার নিমিত্তে সে দায়ী হবে এবং সে যেন আত্মপক্ষ সমর্থন করেনি এরূপ পরিস্থিতিতে স্থিত হবে এবং প্রশ্নকারী পক্ষ কিংবা উদঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী উক্ত মর্মে আদেশের জন্য আদালতে আবেদন করবে এবং তদনুযায়ী আদালত আদেশ প্রদান করতে পারবে।

Order 11 Rule-21: Non-compliance with order for discovery-
Where any party fails to comply with any order to answer interrogatories or for discovery or inspection of documents, he shall if a plaintiff be liable to have his suit dismissed for want of prosecution and if a defendant to have his defence, if any, struck out, and to be placed in the same position as if he had not defended, and the party interrogating or seeking discovery or inspection may apply to the Court for an order to that effect, and an order may be made accordingly.
১১,১৭৯.
আদালত কোন ব্যক্তিকে তার অনুকূলে বিদ্যমান বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করা হতে বিরত রাখার আদেশ দেয় কিসের মাধ্যমে?
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা: যেক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধের লক্ষ্যে এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে তা রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।
------------------
Section 55- Mandatory injunctions: When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.

১১,১৮০.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোথায় দেওয়ানি আদালতকে বিচার্য বিষয় সংশোধন এবং কর্তন ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. আদেশ ১৪ বিধি-৩
  2. আদেশ ১৪ বিধি-৫
  3. আদেশ ১৪ বিধি-৬
  4. আদেশ ১৪ বিধি-৭
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৪ বিধি-৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৪ বিধি-৫
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪ নং আদেশে বিচার্য বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় এর স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়। মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন আদালত বাদীর আরজি এবং লিখিত বর্ণনা (যদি থাকে) পাঠ করার পর এবং প্রয়োজনমত পক্ষগণের পরীক্ষা করার পর ঘটনা কিংবা আইনের কোন গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতির উপর পক্ষগণ এর বিরোধ তা নির্ধারণ করবে এবং যে সকল বিচার্য বিষয়ের উপর মোকদ্দমার সঠিক সিদ্ধান্ত নির্ভর করে বলে প্রতীয়মান হয়, সে সমস্ত বিষয় লিপিবদ্ধ করবে। 

• আদেশ ১৪ বিধি-৫: বিচার্য বিষয় সংশোধন এবং কর্তন ক্ষমতা-
১) আদালত ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্তে বিচার্য বিষয় সংশোধন কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় গঠন করতে পারে এবং পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়াবলী নির্ণয় করতে প্রয়োজনীয় হতে পারে এরূপ সংশোধনী কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় সেভাবে প্রণীত হবে।
২) ডিক্রি দেয়ার পূর্বে আদালত আরো তার নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত কিংবা প্রবর্তিত হয়েছে বলে পরিদৃষ্ট হলে কোন বিচার্য বিষয় কেটে দিতে পারে।

Order 14 Rule 5: Power to attend and strike out issues-
(1) The Court may at any time before passing a decree amend the issues or frame additional issues on such terms as it thinks fit, and all such amendments or additional issues as may be necessary for determining the matters in controversy between the parties shall be so made or framed.
(2) The Court may also at any time before passing a decree, strike out any issues that appear to it to be wrongly framed or introduced.
১১,১৮১.
যদি মনুষ্য বসবাসের স্থান, দালান বা তাঁবুতে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ (criminal trespass) হয় তাহলে তাকে কী বলে?
  1. অপথে গৃহপ্রবেশ
  2. অনধিকার গৃহপ্রবেশ
  3. রাত্রি বেলায় অপথে গৃহপ্রবেশ
  4. সূর্যাস্তের পরে এবং সূর্যোদয়ের পূর্বে অপথে গৃহপ্রবেশ
সঠিক উত্তর:
অনধিকার গৃহপ্রবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিকার গৃহপ্রবেশ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারার বিধান অনধিকার গৃহে প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি মানুষের আবাসস্থল হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে, তাঁবুতে বা জলযানে অথবা উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে অথবা সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ সংঘটন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধটি করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ প্রতিদানের পক্ষে যথেষ্ট।

⇒ অনধিকার গৃহ-প্রবেশ (House-trespass)- কোন ব্যক্তির গৃহে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করলে তা অনধিকার গৃহপ্রবেশ বলে গণ্য হবে।
⇒ ৪৪২ ধারায় গৃহ বলতে দালান (building), তাঁবু (tent), জাহাজ (vessel) বা নৌকাকে বোঝায় যা মানুষের বসবাস, সম্পত্তি সংরক্ষণ অথবা উপাসনার (place for custody of property or for worship) জন্য ব্যবহৃত হতে হবে।
⇒ অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ সংঘটনের জন্য যথেষ্ট।
-------------
Section 442. House-trespass:- Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".
Explanation:-The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house-trespass.
১১,১৮২.
"স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, তবে প্রতিবন্ধক হতে পারে"—এই বিষয়টি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় উল্লিখিত?
  1. ১৭ ধারায়
  2. ২৫ ধারায়
  3. ২৭ ধারায়
  4. ৩১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ "স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, তবে প্রতিবন্ধক হতে পারে"—এই বিষয়টি সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩১-এ উল্লেখিত হয়েছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে যে, স্বীকৃতি (admissions) চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, তবে এটি প্রতিবন্ধক (estoppel) হতে পারে। অর্থাৎ, একজন ব্যক্তি যা কিছু স্বীকার করেছে, তা অবশ্যই প্রমাণের চূড়ান্ত পদ্ধতি নয়, তবে যদি তার স্বীকৃতির উপর ভিত্তি করে অন্য কোনো পক্ষ যে কোনো দাবিতে চলে আসে, তবে ওই ব্যক্তি পরে তার স্বীকৃতির বিপরীতে দাঁড়াতে পারবেন না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে:
কোনো বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
-------------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 31: Admissions not conclusive proof, but may stop:
Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
১১,১৮৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় 'Judgment on admissions' এর বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ১২ বিধি ৪
  2. আদেশ ১২ বিধি ৮
  3. আদেশ ১২ বিধি ৬
  4. আদেশ ১২ বিধি ৯
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১২ বিধি ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১২ বিধি ৬
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬ এ 'Judgment on admissions' এর বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১২ বিধি ৬ (স্বীকারোক্তির উপর রায়)-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

CPC Order-12 Rule-6 :Judgment on admissions:
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
১১,১৮৪.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৩ অনুযায়ী কে আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে উপযুক্ত ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হবেন?
  1. আসামীর আত্মীয়
  2. দুষ্কর্মের সহযোগী
  3. কোনো স্বাধীন সাক্ষী
  4. শুধুমাত্র পুলিশ কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
দুষ্কর্মের সহযোগী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুষ্কর্মের সহযোগী
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৩৩ অনুযায়ী "An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice."
- এখানে “Accomplice” বলতে বোঝানো হয়েছে সেই ব্যক্তি, যে অপরাধে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে জড়িত বা সহায়তা করেছে। যদিও সে নিজেও দোষী, তবুও সে আইনত উপযুক্ত (competent) সাক্ষী হিসেবে গণ্য হয় এবং তার সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে দণ্ড দেওয়া আইনসঙ্গত।
- তবে সতর্কতা হিসেবে, আদালত সাধারণত দুষ্কর্মের সহযোগীর সাক্ষ্যের সাথে সমর্থনকারী সাক্ষ্য (corroborative evidence) খোঁজে, যেটা ধারা ১১৪-এর illustration (b) তে উল্লেখ রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-133- Accomplice:
- An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.

১১,১৮৫.
ফৌজদারি আদালত সাক্ষীকে দলিল হাজির করতে বলার পর যদি তিনি তা উপস্থাপন করতে অস্বীকার করেন, তাহলে আদালত সর্বোচ্চ কতদিন তাকে কোর্ট অফিসারের হেফাজতে রাখতে পারেন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ ধারা- কোন ব্যক্তি জবাব দিতে বা দলিল করতে অস্বীকার করলে কারাদণ্ড বা সোপর্দকরণ:
কোন ফৌজদারী আদালত কোন সাক্ষী বা ব্যক্তিকে তার দখলের বা ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত কোন দলিল বা বস্তু হাজির করতে বললে সে যদি তা হাজির করতে অস্বীকার করে বা তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার করে, এবং এই অস্বীকৃতির জন্য কোন যৌক্তিক কৈফিয়ত না দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন অথবা প্রিজাইডিং ম্যাজিস্ট্রেট বা জজের নিজ হাতে স্বাক্ষরিত পরোয়ানা দ্বারা তাকে ৭ (সাত) দিনের অনধিক যেকোন সময়ের জন্য কোর্টের কোন অফিসারের হেফাজতে আটক রাখতে পারবেন, যদি না উক্ত ব্যক্তি ইতোমধ্যে জবানবন্দী দিতে বা দলিল বা বস্তু হাজির করতে রাজী হয়। উক্ত ব্যক্তি তার অস্বীকৃতিতে অবিচল থাকলে ধারা-৪৮০ বা ৪৮২ অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশনের ক্ষেত্রে তাকে অবমাননার জন্য দোষী মর্মে গণ্য করতে হবে।

Section-485: Imprisonment or committal of person refusing to answer or produce document:
If any witness or person called to produce a document or thing before a Criminal Court refuses to answer such questions as are put to him or to produce any document or thing in his possession or power which the Court requires him to produce, and does not offer any reasonable excuse for such refusal, such Court may, for reasons to be recorded in writing, sentence him to simple imprisonment, or by warrant under the hand of the presiding Magistrate or Judge commit him to the custody of an officer of the Court for any term not exceeding seven days, unless in the meantime such person consents to be examined and to answer, or to produce the document or thing. In the event of his persisting in his refusal, he may be dealt with according to the provisions of section 480 or section 482, and in the case of High Court Division shall be deemed guilty of a contempt.
১১,১৮৬.
দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী, কয়টি উপায়ে কোনো কাজের প্ররোচনা দেওয়া যায়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী, প্ররোচনা (Abetment) তিনটি উপায়ে হতে পারে:
১) প্ররোচনা (Instigation)
২) ষড়যন্ত্র (Conspiracy)
৩) ইচ্ছাকৃত সহায়তা (Intentional Aid)

⇒ অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (Abetment):
অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা বলতে এমন কাজ বা কার্যক্রম বোঝায় যা অন্যকে অপরাধ করতে উসকানির মাধ্যমে সহায়তা করে। এর মধ্যে রয়েছে:
- অনুপ্রেরণা বা উসকানি (Instigation): অন্য কাউকে অপরাধ করার জন্য উদ্বুদ্ধ বা প্ররোচিত করা।
- ষড়যন্ত্র (Conspiracy): অপরাধ করার জন্য অন্য কারও সাথে গোপনে পরিকল্পনা করা।
- সহায়তা (Assistance): অপরাধ সংঘটনে সরাসরি সাহায্য করা।
-  যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কাউকে অপরাধ করতে সাহায্য বা উসকানি দেয়, তখন তাকে অপরাধের সাথে সম্পর্কিত হিসেবে দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারী হিসেবে গণ্য করা হয়।
- দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেকোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করার জন্য কাউকে প্ররোচিত করে বা অপরাধ সংঘটনের জন্য চক্রান্তে লিপ্ত হয়, তবে তাকে অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনাকারী বলে গণ্য করা হবে।

উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি অন্য কাউকে চুরি করতে উসকানি দেয় বা চুরির জন্য তাকে সাহায্য করে, তবে সে সেই অপরাধের জন্য দায়ী হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 107: Abetment of a thing: 
- A person abets the doing of a thing, who-
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.

Explanation-1.- A person who, by wilful misrepresentation, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
Explanation-2.- Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.

১১,১৮৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৭ ধারা অনুসারে, আপিল আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাগুলোর মধ্যে কোনটি নয়?
  1. বিচার্য বিষয় গঠন করা
  2. বাদীকে নতুন মামলার আদেশ করা
  3. মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করা
  4. মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা
সঠিক উত্তর:
বাদীকে নতুন মামলার আদেশ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীকে নতুন মামলার আদেশ করা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১০৭ অনুসারে, আপিল আদালতের ক্ষমতাগুলোর মধ্যে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
ক) বিচার্য বিষয় গঠন করা: ধারা ১০৭(১)(গ) অনুসারে, আপিল আদালত বিচার্য বিষয় গঠন করতে এবং তা বিচারের জন্য প্রেরণ করতে পারে।
গ) মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করা: ধারা ১০৭(১)(খ) অনুসারে, আপিল আদালত মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করতে পারে।
ঘ) মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা: ধারা ১০৭(১)(ক) অনুসারে, আপিল আদালত মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করতে পারে।

কিন্তু খ) বাদীকে নতুন মামলার আদেশ করা ধারা ১০৭-এর অধীনে আপিল আদালতের ক্ষমতার মধ্যে পড়ে না। আপিল আদালতের কাজ হলো নিম্ন আদালতের রায় বা আদেশ পর্যালোচনা করা, পুনর্বিচারে প্রেরণ করা, বিচার্য বিষয় গঠন করা, অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা বা মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করা। নতুন মামলা দায়েরের আদেশ দেওয়া আপিল আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে নয়, কারণ এটি মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের কাজ।
সুতরাং, সঠিক উত্তর: খ) বাদীকে নতুন মামলার আদেশ করা।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারার বিধান: আপিল আদালতের ক্ষমতা:-
১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, তৎসাপেক্ষে আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
ক) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলো বিচারার্থে প্রেরণ করার;
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করতে ক্ষমতা।
২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যেরূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section 107. Powers of Appellate Court:
(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, an Appellate Court shall have power-
(a) to determine a case finally;
(b) to remand a case;
(c) to frame issues and refer them for trial;
(d) to take additional evidence or to require such evidence to be taken.
(2) Subject as aforesaid, the appellate Court shall have the same powers and shall perform as nearly as may be the same duties as are conferred and imposed by this Code on Courts of original jurisdiction in respect of suits instituted therein.

১১,১৮৮.
মামলা শুনানীর যেকোন পর্যায়ে আদালত-
  1. শুধু সমন প্রেরণ করে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে
  2. সমন প্রেরণ ছাড়া সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে না
  3. আদালতে উপস্থিত কোন ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে
  4. সাক্ষীর পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে না
সঠিক উত্তর:
আদালতে উপস্থিত কোন ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে উপস্থিত কোন ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪০: গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর সমন করার কিংবা উপস্থিত ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করার ক্ষমতা

এই বিধির অধীন কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন ধাপে কোন আদালত যেকোন ব্যক্তিকে সাক্ষী রূপে সমন করতে পারবেন বা সাক্ষী রূপে সমন করা না হলে উপস্থিত যেকোন ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন, বা ইতোমধ্যে যার জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়েছে তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন এবং এরূপ কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য আদালতের ন্যায়বিচারের জন্য অত্যাবশ্যক মর্মে প্রতীয়মান হলে, আদালত তাকে সমন করে তার জবানবন্দী গ্রহণ করবেন কিংবা পুনরায় তলব করে পুনরায় তার জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন।

Section 540: Power to summon material witness or examine person present
Any Court may, at any stage of any inquiry, trial or other proceeding under this Code, summon any person as a witness, or examine any person in attendance, though not summoned as a witness, or recall and re-examine any person already examined; and the Court shall summon and examine or recall and re-examine any such person if his evidence appears to it essential to the just decision of the case.
১১,১৮৯.
বার কাউন্সিলের স্থায়ী কমিটি কোনটি ?
  1. নির্বাহী কমিটি
  2. আর্থিক কমিটি
  3. আইন শিক্ষা কমিটি
  4. উপরের সবগুলাই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলাই
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর ১১ অনুচ্ছেদে ৩ টি স্থায়ী কমিটির (Standing Committees] উল্লেখ আছে।
♦ ১১(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বার কাউন্সিল নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটি” নিয়ে গঠিত হবে

১. নির্বাহী কমিটি 

২. আর্থিক কমিটি 

৩. আইন শিক্ষা কমিটি
১১,১৯০.
The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারায় 'Preventive relief' এর সংজ্ঞা আছে?
  1. ৫৬
  2. ৫৫
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বা Preventive Relief এর সংজ্ঞা রয়েছে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারার (গ) অনুচ্ছেদের অধীন যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় তাকে নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বলে। অর্থাৎ যা না করার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত থাকার আদেশ প্রদানই হলো প্রতিরোধমূলক প্রতিকার ।

সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদান করা হলেও সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার নয়। যেমন- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হলেও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) হল আদেশাত্মক প্রতিকার। অর্থাৎ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ছাড়া সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা হলো নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief).
১১,১৯১.
সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে, যদি উক্ত কর্মচারী তার কর্তব্যকার্যে অনুপস্থিত থাকলে জনসাধারণের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাহলে ধারা ৮১ অনুযায়ী আদালত-
  1. কর্মচারীকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন
  2. কর্মচারীকে তাৎক্ষনিক গ্রেফতারের নির্দেশ দিতে পারেন
  3. মোকদ্দমাটি অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারেন
  4. মোকদ্দমার তারিখ অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে দিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
কর্মচারীকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মচারীকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
ধারা ৮১- গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি:
পদাধিকারবলে কৃত কার্যের দরুন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে-
ক) ডিক্রি জারি ব্যতীত বিবাদীকে গ্রেফতার করা বা তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না; এবং
খ) যদি আদালত মনে করেন যে, উক্ত কর্মচারী তার কর্তব্যকার্যে অনুপস্থিত থাকলে জনসাধারণের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাহলে আদালত তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি প্রদান করবেন।

Section 81: Exemption from arrest and personal appearance:
In a suit instituted against a public officer in respect of any act purporting to be done by him in his official capacity-
a) the defendant shall not be liable to arrest not his property to attachment otherwise than in execution of a decree, and,
b) where the Court is satisfied that the defendant cannot absent himself from his duty without detriment to the public service, it shall exempt him from appearing in person.
১১,১৯২.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় অনুমান (Presumption) এর বিধান আছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার বিধান অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে যোষণ করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।

⇒ অনুমান (Presumption) - অনুমান ৩ প্রকার:

১) অনুমান করতে পারে (May presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত ধরে নিতে পারেন প্রমাণিত। (ধারা: ৮৬-৮৮, ৯০ এবং ১১৪)

২) অনুমান করবে (Shall presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই ধরে নিবেন প্রমানিত (ধারা: ৭৯-৮৫, ৮৯ এবং ১০৫)

৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): একটি বিষয়কে অন্য বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে ঘোষণা করা, যা অবশ্যই প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত করার জন্য কোন প্রকার সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না। (ধারা: ৪১ ও ১১২)

⇒ May Presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করতে পারেন অথবা পক্ষগণকে প্রমাণ করার আহবান জানাতে পারেন।

⇒ Shall presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা অবশ্যই প্রমাণিত বলে ধরে নিবেন।

⇒ যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive Proof) বলে ঘোষনা করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলেই অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং প্রথমোক্ত বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্য প্রদানের অনুমতি দিবেন না।
১১,১৯৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির _______ ধারায় মামলা ও আপীল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের ক্ষমতার বিধান আলোচিত হয়েছে।
  1. ৫২৩ ধারায়
  2. ৫২৫ ধারায়
  3. ৫২৫ক ধারায়
  4. ৫২৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫২৫ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২৫ক ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২৫ক- মামলা ও আপীল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের ক্ষমতা:
 
(১) যেক্ষেত্রে এটা প্রতীয়মান হয় যে, এরূপ স্থানান্তর ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য বা পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার উন্নয়ন ঘটাবে সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগ কোন নির্দিষ্ট মামলা বা আপিল হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে উহার অন্য স্থায়ী বেঞ্চে কিংবা হাইকোর্ট বিভাগের কোন স্থায়ী বেঞ্চের এখতিয়ারের মধ্যকার কোন ফৌজদারী আদালত থেকে হাইকোর্ট বিভাগের অন্য কোন স্থায়ী বেঞ্চের মধ্যকার এখতিয়ারের মধ্যকার একই বা উচ্চতর ক্ষমতা সম্পন্ন ফৌজদারী আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।
 
(২) যে হাইকোর্ট ডিভিশনের স্থায়ী বেঞ্চ কিংবা ক্ষেত্রমতে আদালতে মামলা বা আপীল স্থানান্তরিত হয়, সে বেঞ্চ বা আদালত এমনভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন যাতে মূলতঃ সেখানেই উক্ত মামলা বা আপীল দায়ের করা বা উপস্থাপিত হয়েছিল।
 
Section 525A- Power of Appellate Division to transfer cases and appeals:
(1) The Appellate Division may direct the transfer of any particular case or appeal from one permanent Bench of the High Court Division to another permanent Bench of the High Court Division, or from any Criminal Court within the jurisdiction of one permanent Bench of the High Court Division to any other Criminal Court of equal or superior jurisdiction within the jurisdiction of another permanent Bench of the High Court Division, whenever it appears to it that such transfer promote the ends of justice, or tend to the general convenience of parties or witnesses.
(2) The permanent Bench of the High Court Division or the Court, as the case may be, to which such case or appeal is transferred shall deal with the same as if it had been originally instituted in, or presented to, such Bench or Court, as the case may be.
১১,১৯৪.
The Family Courts Ordinance, 1985 এর কত ধারায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান করা হয়েছে?
  1. ১১ ও ১৩ ধারায়
  2. ১০ ও ১৩ ধারায়
  3. ১০ ও ১১ ধারায়
  4. ১২,১৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০ ও ১৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ও ১৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
The Family Courts Ordinance, 1985 এর ১০ ও ১৩ ধারায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান করা হয়েছে। এই আইনে ২ ধরণের উপায়ে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান করা হয়েছে-
১. আপোষ (Compromise) বা
২. মীমাংসা (Reconciliation)

এই আইনে, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ২টি পর্যায় উল্লেখ করা হয়েছে-
১. বিচার-পূর্ব কার্যধারায়
২. বিচার-পরবর্তী কার্যধারায়

১০ ধারায় বিচার-পূর্ব শুনানীর পর্যায়ে এবং ১৩ ধারায় বিচার-পরবর্তী পর্যায়ে আপোষ-মীমাংসার বিধান উল্লেখ আছে। ১০(৩) ধারা অনুযায়ী, বিচার-পূর্ব শুনানীর পর্যায়ে আদালত পক্ষগণের মধ্যেকার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করবে এবং যদি সম্ভব হয়, পক্ষগণের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসা করার চেষ্টা করবে। ১৩(১) ধারায় দেয়া আছে, সকল পক্ষের সাক্ষ্য সমাপ্তির পর পারিবারিক আদালত পক্ষগণের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসা করার আরও একটি চেষ্টা করবে।
১১,১৯৫.
আদেশ-৪৭ এর বিধি-৪ মোতাবেক প্রদত্ত রিভিউ প্রার্থনা মঞ্জুর করার আদেশ-
  1. আপিলযোগ্য
  2. আপিলঅযোগ্য
  3. রিভিশনযোগ্য
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য
ব্যাখ্যা

আদেশ-৪৭ বিধি-৪ মোতাবেক রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করার আদেশ → আপিলযোগ্য।

আদেশ ৪৩ বিধি-১ (ব) স্পষ্টভাবে বলে:
“রিভিউ প্রার্থনা মঞ্জুর করে আদেশ-৪৭ এর বিধি-৪ মোতাবেক প্রদত্ত আদেশ আপিলযোগ্য।” অর্থাৎ CPC-তে এটিকে সরাসরি appealable order হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

আদেশ ৪৩ বিধি-১- আদেশসমূহ হতে আপিল:
১০৪ ধারা অনুযায়ী নিম্নোক্ত আদেশসমূহের বিরুদ্ধে আপিল করা চলবে, যথা-
ক) আদেশ-৭ এর বিধি-১০ মোতাবেক উপযুক্ত আদালতে দাখিল করার জন্য আরজি ফেরত প্রদানের আদেশ;
খ) আদেশ-৮ এর বিধি-১০ মোতাবেক কোন পক্ষের বিরুদ্ধে রায়সহ আদেশ;
গ) আদেশ-৯ এর বিধি-৯ মোতাবেক মোকদ্দমা বাতিল রদ করার জন্য আবেদন (আপিলযোগ্য মোকদ্দমায়) অগ্রাহ্য করে প্রদত্ত আদেশ;
ঘ) আদেশ-৯ এর বিধি-১৩ মোতাবেক একতরফা প্রদত্ত ডিক্রি রদ করতে আদেশের জন্য আবেদন (আপিলযোগ্য মোকদ্দমায়) অগ্রাহ্য করে প্রদত্ত আদেশ;
ঙ) আদেশ-১০ এর বিধি-৪ মোতাবেক কোন পক্ষের বিরুদ্ধে প্রদত্ত রায় সম্বলিত আদেশ;
চ) আদেশ-১১ এর বিধি-২১ মোতাবেক আদেশ;
ছ) আদেশ-১৬ এর বিধি-১০ মোতাবেক সম্পত্তি ক্রোকের জন্য প্রদত্ত আদেশ;
জ) আদেশ-১৬ এর বিধি-২০ মোতাবেক কোন পক্ষের বিরুদ্ধে রায় সম্বলিত আদেশ;
১) আদেশ-২১ এর বিধি-৩৪ মোতাবেক কোন দলিলের বা পৃষ্ঠালিপির আরজির বিরুদ্ধে আপত্তি প্রসঙ্গে আদেশ।
২) আদেশ-২১ এর বিধি-৬০ মোতাবেক ক্রোক হতে সম্পত্তি মুক্ত করা;
৩ ) আদেশ-২১ এর বিধি-৬১ মোতাবেক সম্পত্তি ক্রোকের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করা
ঞ) আদেশ-২১ এর বিধি-৭২ বা নিয়ম-৯২ মোতাবেক নিলাম বিক্রয় রদ করে বা রদ করতে অস্বীকার করে আদেশ;
ট) আদেশ-২২ এর বিধি-৯ মোতাবেক বিলুপ্তিকরণ বা মোকদ্দমা বাতিল রদ করতে অস্বীকার করে আদেশ;
ঠ) আদেশ-২২ এর বিধি-১০ মোতাবেক অনুমতি দিয়ে বা অনুমতি দিতে অস্বীকার করে কোন আদেশ;
ড) আদেশ-২৩ এর বিধি-৩ মোতাবেক কোন চুক্তিপত্র, আপসনামা বা পরিতুষ্টি লিপিবদ্ধ করে বা লিপিবদ্ধ করতে অস্বীকার করে কোন আদেশ;
চ) আদেশ-২৫ এর বিধি-২ মোতাবেক মোকদ্দমা বাতিলের আদেশ রদ করার জন্য কোন আবেদনপত্র (আপিলের উন্মোক্ত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে) নাকচ করে কোন আদেশ;
ণ) আদেশ-৩৪ এর বিধি-২, ৪ বা ৭ মোতাবেক বন্ধকী অর্থ পরিশোধের সময়সীমা বর্ধিত করা অগ্রাহ্য করে কোন আদেশ;
ত) আদেশ-৩৫ এর বিধি-৩, ৪ বা ৬ মোতাবেক স্বার্থবিহীন মোকদ্দমায় কোন আদেশ;
থ) আদেশ-৩৮ এর বিধি-২ বা বিধি-৬ মোতাবেক কোন আদেশ;
দ) আদেশ-৩৯ এর বিধি-১, ২, ৪ বা ১০ মোতাবেক কোন আদেশ;
ধ) আদেশ-৪০ এর বিধি-১ বা বিধি-৪ মোতাবেক কোন আদেশ;
ন) আদেশ-৪১ এর বিধি-১৯ মোতাবেক পুনঃ গ্রহণ বা আদেশ-৪১ এর বিধি-২১ মোতাবেক কোন আপিলের পুন শুনানি অস্বীকার সম্বলিত কোন আদেশ;
প) যেক্ষেত্রে আপিল আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা চলে, সেক্ষেত্রে আদেশ-৪১ এর বিধি-২৩ মোতাবেক মোকদ্দমা পুনঃবিচারের জন্য প্রেরণের আদেশ;
ফ) আদেশ-৪৫ এর বিধি-৬ মোতাবেক প্রত্যয়নপত্র প্রদান করতে অস্বীকার করে হাইকোর্ট ব্যতীত অন্য কোন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ;
ব) রিভিউ প্রার্থনা মঞ্জুর করে আদেশ-৪৭ এর বিধি-৪ মোতাবেক প্রদত্ত আদেশ।

১১,১৯৬.
A, B-কে বিয়ে করবার চুক্তিতে আবদ্ধ হয় এই ক্ষেত্রে চুক্তিটি-
  1. লিখিত হলে সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
  3. রেজিস্ট্রেশন করা থাকলে সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  4. 'ক' ও 'গ'
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
ব্যাখ্যা
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা;
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।

উল্লিখিত প্রশ্নে A, B-কে বিয়ে করবার চুক্তিতে আবদ্ধ হয় এই ক্ষেত্রে  চুক্তিটি পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল এই জন্য এটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না 
১১,১৯৭.
দণ্ডবিধির ধারা ৫৪ এর অধীন মৃত্যুদণ্ড আদেশ পরিবর্তনের জন্য কী প্রয়োজন?
  1. রাষ্ট্রপতির আদেশ
  2. আদালতের নির্দেশ
  3. দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতি
  4. সরকারের সিদ্ধান্ত
সঠিক উত্তর:
সরকারের সিদ্ধান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের সিদ্ধান্ত
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪ - মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তন:
সরকার মৃত্যুদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়াই মৃত্যুদণ্ড পরিবর্তন করে এই দণ্ডবিধিতে প্রদত্ত অন্য কোনো দণ্ডে পরিবর্তন করতে পারে।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নমতে মৃত্যুদণ্ড আদেশ পরিবর্তনের জন্য সরকারের সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।
-------------
Section 54: Commutation of sentence of death:
In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.
১১,১৯৮.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল সম্পর্কে কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. বার কাউন্সিলের মোট সদস্য সংখ্যা ১০ জন।
  2. বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা ৭ জন।
  3. সভাপতি পদাধিকারবলে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল থাকেন।
  4. কোনোটি নয়।
সঠিক উত্তর:
সভাপতি পদাধিকারবলে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল থাকেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সভাপতি পদাধিকারবলে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল থাকেন।
ব্যাখ্যা
বার কাউন্সিল:
- বাংলাদেশ বার কাউন্সিল হলো আইনজীবীদের কেন্দ্রীয় সরকার অনুমোদিত সংগঠন।
- ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ৪৬ নং আদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল গঠিত হয়।
- বার কাউন্সিলের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫ জন।
- এর মধ্যে তন্মধ্যে পদাধিকারবলে বার কাউন্সিলের সভাপতি থাকেন বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল।
- অবশিষ্ট ১৪ জন সদস্যের মধ্যে ৭ জন অ্যাডভোকেটদের মধ্য থেকে তাদের ভোটে নির্বাচিত, বাকি ৭ জন নির্বাচিত হন প্রতিটি গ্রুপ থেকে একজন করে ৭টি গ্রুপে বিভক্ত স্থানীয় আইনজীবী সমিতিগুলির সদস্যদের মধ্য থেকে। 
অর্থাৎ বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা ১৪ জন।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-5-
(1) The Bar Council shall consist of fifteen members, of whom-
(a) one shall be the Attorney-General for Bangladesh ex-officio;
(b) seven shall be elected in the prescribed manner by the advocates on the roll from amongst their members; and
(c) seven shall be elected by the Advocates who are members of the Local Bar Associations included in each group under clause (2), from amongst themselves.
(2) For the purpose of sub-clause (c) of clause (1), the bar associations shall be divided by the Government, by notification in the official Gazette, into seven groups.
১১,১৯৯.
বার কাউন্সিলের সচিব হিসাবে নিয়োগ পাবার ৬ক অনুচ্ছেদটি কত সালে সংযুক্ত করা হয়?
  1. ২০০৩
  2. ২০১১
  3. ২০১২
  4. ২০২১
সঠিক উত্তর:
২০১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 রাষ্ট্রপতির ৪৬ নং আদেশ এর অনুচ্ছেদ ৬ক  এর বিধান মতে:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকবে। সরকার জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজদের মধ্য হতে বার কাউন্সিলের সচিব [Secretary] নিয়োগ করবে।
-বার কাউন্সিলের সচিবের পদের মেয়াদ হবে সরকার যেমন মেয়াদ নির্ধারণ করে।
-৬ক অনুচ্ছেদটি ২০১২ সালে সংযুক্ত করা হয়।
-বার কাউন্সিলের সচিবই হবে বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা [Chief Executive Officer বিধি ৫৫।
-----------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972: Article-6A. There shall be a Secretary of the Bar Council appointed by the Government from amongst the District Judges or Additional District Judges on such terms and conditions as may be determined by it.

Article 6A was inserted by section 2 of the Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council (Amendment) Act, 2012 (Act No. XLIV of 2012).
১১,২০০.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারার অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যাবে না?
  1. ৪২৬
  2. ৪০৬
  3. ৩২৩
  4. ৩২৬
সঠিক উত্তর:
৩২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২৬
ব্যাখ্যা
• কোন অপরাধগুলোর সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যায়: নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যায়। যথা-
i) মৃত্যুদন্ড, যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা ২ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদন্ড যোগ্য অপরাধ ব্যতীত অন্যান্য অপরাধ অর্থাৎ ২ বছর বা এর কম মেয়াদের কারাদন্ড যোগ্য অপরাধের বিচার।
ii) দন্ডবিধির ২৬৪, ২৬৫, ২৬৬ ধারামতে ওজন ও পরিমান সম্পর্কিত অপরাধ, ৩২৩ ধারামতে আঘাত, ১০ হাজার টাকার কম মূল্যের চুরি, ১০ হাজার টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি অসৎভাবে আত্মসাৎ, ১০ হাজার টাকার কম মূল্যের চোরাইমাল গ্রহণ, গোপন ও হস্তান্তর;
iii) দন্ডবিধির ২৭৭,২৭৯, ২৮৫, ২৮৯, ২৯০-২৯৪,৩৩৪, ৩৩৬,৩৪১,৩৫২ ধারার অপরাধ ।
iv) ক্ষতি (Mischief), দন্ডবিধির ৪৪৭ ধারামতে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ, ৪৪১, ৪৫৩, ৪৫৪, ৪৫৬ ও ৪৫৭ ধারামতে কৃত অপরাধ, অপরাধজনক ভীতি প্রদর্শন, ৫০৯ ও ৫১০ ধারামতে ইভটিজিং বা মাতলামি;
v) পূর্বে বর্ণিত অপরাধ সমূহে সহায়তা ও অপরাধসমূহ করার চেষ্টা (abetment and attempt to commit any of the foregoing offences); এবং
vi) ১৮৭১ সালের গবাদি পশুর অনধিকার প্রবেশ আইনের ২০ ধারার অধীন অপরাধের সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যায়।

• দণ্ডবিধির ৪২৬ ধারা মতে  অনিষ্টের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি ক্ষতি সাধন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিনমাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারা মতে অপরাধমূল বিশ্বাসভঙ্গের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

• দণ্ডবিধির ৩২৩ ধারা মতে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দানের শাস্তি: 
যদি কেউ ৩৩৪ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ছাড়াই অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

• দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারামতে স্বেচ্ছাকৃতভাবে মারাত্মক অস্ত্ৰ বা মাধ্যমের সাহায্যে গুরুতর আঘাত দান করা:
কোন ব্যক্তি যদি ৩৩৫ ধারায় বর্ণিত ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে কোন গুলিবর্ষণের, ছুরিকাঘাতের বা কাটার যন্ত্র বা হাতিয়ার দ্বারা গুরুতর আঘাত করে, অথবা যে হাতিয়ার দিয়ে একটি অপরাধ সংঘটনের জন্য এই হাতিয়ারটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে, সে হাতিয়ার দ্বারা গুরুতর আঘাত করে, অথবা কোন বিষ বা ক্ষয়কারী দ্রব্য কর্তৃক গুরুতর আঘাত করে, অথবা কোন বিস্ফোরক দ্রব্য দ্বারা গুরুতরভাবে আহত করে, অথবা যে দ্রব্য শ্বাস কর্তৃক গ্রহণ করলে, উদরস্থ করলে বা রক্তে গ্রহণ করলে তা মানবদেহের পক্ষে ক্ষতিকর হয়, সে দ্রব্য দ্বারা গুরুতর আহত করে অথবা কোন পশু দ্বারা গুরুতর আঘাত করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

• অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩২৬ অনুযায়ী স্বেচ্ছাকৃতভাবে মারাত্মক অস্ত্ৰ বা মাধ্যমের সাহায্যে গুরুতর আঘাত দান করার মামলা সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যাবে না।