বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১১১ / ১৫৫ · ১১,০০১১১,১০০ / ১৫,৪৭০

১১,০০১.
According to Section 95, harm must be so slight that:
  1. No one is affected by it
  2. Only the person who suffers the harm will complain
  3. It results in no consequence whatsoever
  4. No person of ordinary sense and temper would complain about it
সঠিক উত্তর:
No person of ordinary sense and temper would complain about it
উত্তর
সঠিক উত্তর:
No person of ordinary sense and temper would complain about it
ব্যাখ্যা
Section 95- Act causing slight harm:
Nothing is an offence by reason that it causes, or that it is intended to cause, or that it is known to be likely to cause, any harm, if that harm is so slight that no person of ordinary sense and temper would complain of such harm.

দণ্ডবিধির ৯৫ ধারা- সামান্য ক্ষতিকারক কার্য:
"যে কোনো কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না যদি তা কোনো ক্ষতি সৃষ্টি করে, বা সেই ক্ষতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে করা হয়, বা এটি যে ক্ষতি সৃষ্টি করতে পারে তা জানা যায়, যদি সেই ক্ষতি এতই সামান্য হয় যে সাধারণ বুদ্ধি ও ভালো চরিত্রসম্পন্ন কেউ সে ক্ষতির জন্য অভিযোগ করবেন না।"
১১,০০২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৯, বিধি-৩ অনুযায়ী, যদি বাদী ও বিবাদী উভয়ই অনুপস্থিত থাকেন, আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলা খারিজ হবে
  2. নতুন সমন জারি হবে
  3. আদালত একতরফা রায় দিবে
  4. অনুপস্থিত মামলার কার্যক্রম চালাবেন
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৯, বিধি ৩ অনুসারে, শুনানির দিন মামলা ডাকা হলে বাদী ও বিবাদী কেউই উপস্থিত না হলে আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা আছে যে, তিনি মামলাটি খারিজ (dismiss) করে দিতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯, বিধি ৩ (Order IX, Rule 3): Where neither party appears, suit to be dismissed:
"Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed."
অর্থাৎ, শুনানির জন্য মামলা ডাকা হলে যদি বাদী ও বিবাদী উভয়ই অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে আদালত মামলা খারিজ (dismissed) করার আদেশ দিতে পারেন।

১১,০০৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৭ অনুযায়ী আদালত সাধারনত কয়টি পর্যায়ে মূলতবী করে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ১৭ বিধি ১ অনুযায়ী সাধারনত ২টি পর্যায়ে আদালত মূলতবী হয় ।
(১) চূড়ান্ত শুনানীর পূর্বে। 
(২) চূড়ান্ত শুনানীর পর্যায়ে।
⇒ আদালত চূড়ান্ত শুনানীর পূর্বে প্রত্যেক পক্ষকে খরচ বাদে ৬ বার মূলতবী মঞ্জুর করবে এবং খরচসহ ৩ বার মূলতবী করবে।
⇒তবে চূড়ান্ত শুনানীর পর্যায়ে খরচবাদে কোন সময় মঞ্জুর করবে না, তবে খরচ সহ প্রত্যেক পক্ষগণকে ৩ বার মূলতবীর আবেদন মঞ্জুর করবে।
⇒ তবে যে পক্ষ আবেদন করবে তাকে সর্বনিম্ন খরচ ২০০ টকা এবং সর্বোচ্চ খরচ ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে।
১১,০০৪.
নিচের কোনটি ধারা ১০৯ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টে আপিলের যোগ্য নয়?
  1. জেলা আদালতের রায় 
  2. হাইকোর্ট বিভাগের রায়
  3. সুপারিশকৃত মামলার রায়
  4. চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের রায়
সঠিক উত্তর:
জেলা আদালতের রায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা আদালতের রায় 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- ক. জেলা আদালতের রায়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।

কিন্তু জেলা আদালতের রায় সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে আপিলযোগ্য নয়।

১১,০০৫.
দেওয়ানি আদালতের আদি এখতিয়ারকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ৪ ভাগে
  2. ২ ভাগে
  3. ৩ ভাগে
  4. ৭ ভাগে
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি আদালতের আদি এখতিয়ারকে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।
১১,০০৬.
দেওয়ানী আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power) কোন আদালত প্রয়োগ করিতে পারেন?
  1. আপীল বিভাগ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. জেলা জজ আদালত
  4. দেওয়ানী সকল আদালত
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী সকল আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী সকল আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী মামলার ক্ষেত্রে যে কোন দেওয়ানী আদালতই সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, কিন্তু ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে শুধু হাইকোর্ট বিভাগ সহজাত ক্ষমতা (inherent power) প্রয়োগ করতে পারে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৮ থেকে ১৫৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতার বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারায় ফৌজদারি আদালতের সহজাত ক্ষমতার বিধান রয়েছে।

⇒ দেওয়ানী আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতাঃ আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা(Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানী আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৫১ ধারাতে বলা আছে, ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে অথবা আদালতের পরোয়ানার অপব্যবহার প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদানের ব্যাপারে আদালতের যে অন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, অত্র আইনের কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না। 
⇒ যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

⇒ অন্তর্নিহিত ক্ষমতার প্রয়োগঃ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারা বলে আদালত প্রধানত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ন্যায়বিচারের স্বার্থে অন্তর্নিহিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন-
(১) আপীলসহ অন্যান্য সকল মামলা একত্রিকরণ;
(২) কোন দরিদ্র ব্যক্তিকে নি:স্ব হিসেবে ( Pouper) কোন মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন করার জন্য অনুমতি প্রদান;
(৩) পাল্টা মামলা রোধ;
(৪) রেস-জুডিকাটা নীতির প্রয়োগকরণ যেক্ষেত্রে এ ক্ষমতা দেওয়ানী কার্যবিধির ১১ ধারায় পড়ে না;
(৫) স্বীয় আদেশ স্থগিত করা বা কার্যকারিতা মূলতবী করা;
(৬) ১৪৪ ধারার বিধানাবলী ছাড়াও পুনরুদ্ধার অনুমোদন;
(৭) সঠিক মামলায় একটি পক্ষকে যুক্ত করা বা পক্ষসমূহের স্থান পরিবর্তন করা অথবা যেখানে মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আপীল করা হয়েছে সেখানে মৃত ব্যক্তির বৈধ প্রতিনিধিকে মামলায় যুক্ত করার জন্য আপীলকারীকে অনুমতি প্রদান;
(৮) অপর একটি আদালতে মামলার কার্যধারা থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করে কোন ব্যক্তিকে বিরত রাখা;
(৯) লক্ষ্যহীন ডিক্রীর বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপ;
(১০) ১৫২ ধারা দ্বারা আওতাভূক্ত করা হয় নি এমন ডিক্রী বা আদেশ সংশোধন;
(১১) অবৈধ আদেশ বাতিল বা সংশোধন।

এছাড়া সকল প্রকার ভুলের প্রতিকারের জন্য আদালত সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন। আদালতের কাজ বা কোন পক্ষের কাজের পরিনামেও আদালতের কার্যধারার অপব্যবহার ঘটতে পারে। অবশ্য সহজাত এখতিয়ার প্রয়োগ করার সময় আদালতকে নিশ্চিত হতে হবে যে, মামলা নিস্পত্তির জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির বিধানাবলী যথেষ্ট নয়। 

⇒ সীমাবদ্ধতাঃ আদালত যে সকল ক্ষেত্রে তার অন্তর্নিহিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন না তা মোটামুটি নিম্নরূপঃ
১. আইন কর্তৃক সুনির্দিষ্টভাবে নিষিদ্ধ এমন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না; ও
২. এখতিয়ার নেই এমন বিষয়ে;
৩. আইনের সাধারণ নীতির পরিপন্থী কোন বিষয়ে;
৪. ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার নামে স্বেচ্ছাচারিতা প্রদর্শন বা ক্ষমতার অপব্যবহার করা যাবে না;
৫. প্রবঞ্চনার কারণে আদালত সোলে ডিক্রী (আপোষরফা ডিক্রী) বা অন্য কোন ডিক্রী অত্র ধারানুযায়ী রদ করতে পারবেন না,
কিন্তু প্রবঞ্চনার লক্ষ্য যদি আদালত হয় অর্থাৎ পক্ষগণের আচরণ দ্বারা প্রতারিত হয় তবে আদালত এরূপ প্রতারণার প্রতিকারের জন্য অন্তর্নিহিত ক্ষমতাবলে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন। বস্তুত এগুলি হচ্ছে আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা সম্পর্কিত বিধানাবলী।
১১,০০৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ ধারা অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী প্রশ্নের জবাব দিতে বা দলিল হাজির করতে অস্বীকার করলে আদালত তাকে কত দিনের জন্য কোর্ট অফিসারের হেফাজতে রাখতে পারে?
  1. সর্বোচ্চ ৫ দিন
  2. সর্বোচ্চ ৭ দিন
  3. সর্বোচ্চ ১০ দিন
  4. সর্বোচ্চ ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৭ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ আদালতের প্রশ্নের জবাব দিতে বা দলিল হাজির করতে অস্বীকার করে এবং যৌক্তিক কারণ না দেখায়, তাহলে আদালত লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে সর্বোচ্চ ৭ দিনের জন্য কোর্ট অফিসারের হেফাজতে তাকে পাঠাতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ ধারার বিধান- কোনো ব্যক্তি জবাব দিতে বা দলিল করতে অস্বীকার করলে কারাদণ্ড বা সোপর্দকরণ:
- কোন ফৌজদারি আদালত কোন সাক্ষী বা ব্যক্তিকে তার দখলের বা ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত কোন দলিল বা বস্তু হাজির করতে বললে সে যদি তা হাজির করতে অস্বীকার করে বা তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার করে, এবং এই অস্বীকৃতির জন্য কোন যৌক্তিক কৈফিয়ত না দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন অথবা প্রিজাইডিং ম্যাজিস্ট্রেট বা জজের নিজ হাতে স্বাক্ষরিত পরোয়ানা দ্বারা তাকে ৭ (সাত) দিনের অনধিক যেকোনো সময়ের জন্য কোর্টের কোন অফিসারের হেফাজতে আটক রাখতে পারবেন,
- যদি না উক্ত ব্যক্তি ইতোমধ্যে জবানবন্দি দিতে বা দলিল বা বস্তু হাজির করতে রাজী হয়। উক্ত ব্যক্তি তার অস্বীকৃতিতে অবিচল থাকলে ধারা-৪৮০ বা ৪৮২ অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশনের ক্ষেত্রে তাকে অবমাননার জন্য দোষী মর্মে গণ্য করতে হবে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-485: Imprisonment or committal of person refusing to answer or produce document:
- If any witness or person called to produce a document or thing before a Criminal Court refuses to answer such questions as are put to him or to produce any document or thing in his possession or power which the Court requires him to produce, and does not offer any reasonable excuse for such refusal, such Court may, for reasons to be recorded in writing, sentence him to simple imprisonment, or by warrant under the hand of the presiding Magistrate or Judge commit him to the custody of an officer of the Court for any term not exceeding seven days, unless in the meantime such person consents to be examined and to answer, or to produce the document or thing. In the event of his persisting in his refusal, he may be dealt with according to the provisions of section 480 or section 482, and in the case of High Court Division shall be deemed guilty of a contempt.

১১,০০৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর বিধানানুসারে ভূমি সংক্রান্ত বিরোধের কারণে শান্তি ভঙ্গের আশংকায় কোনো ক্রোককৃত সম্পত্তিতে রিসিভার নিয়োগ করেন কে?
  1. দেওয়ানি আদালত
  2. দায়রা জজ
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. যে-কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
যে-কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে-কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা-১৪৬ ; সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ- জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

♦স্থাবর সম্পত্তি নিয়ে যে কোন সময় বিরোধ দেখা দিতে পারে। অনেক সময় নিজের সম্পত্তি অন্য দখল করে নিতে পারে বা অন্যায়ভাবে দখলীয় সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ করে দিতে পারে। তাই স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধে শান্তিভঙ্গ হতে পারে এমন পরিস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গৃহীত কতিপয় ক্ষমতা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ থেকে ১৪৮ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে। জমি বা জলাশয় দখলকে কেন্দ্র করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিলে ১৪৫ ধারা অনুযায়ী কেউ প্রতিকার চাইতে পারেন।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার মামলা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা হয়। কিন্তু এটি ফৌজদারি মামলা ও প্রতিকার নয়। ১৪৫ ধারার মামলা মূলত দেওয়ানি প্রকৃতির (Civil Nature) এবং Civil প্রতিকার। এই প্রতিকার ক্ষণস্থায়ী এবং সাময়িক সময়ের জন্য মাত্র। তাই ১৪৫ ধারার প্রতিকারকে প্রায় (Quasi) দেওয়ানি এখতিয়ার বলা হয়।
১১,০০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী পরীক্ষার ক্ষমতা রয়েছে?
  1. ১৬০
  2. ১৬১
  3. ১৬২
  4. ১৫৯
সঠিক উত্তর:
১৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬১
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬০ থেকে ১৬২ এ পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব, সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উহার ব্যবহার সম্পর্কে বিধান রয়েছে। ১৬০ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব করা, ১৬১ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ বা পরীক্ষার ক্ষমতা এবং উক্ত জবানবন্দির ব্যবহার সম্পর্কে ১৬২ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায়- তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা মামলার ঘটনার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো বিষয়ের সাথে পরিচিত ব্যক্তির মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ বা পরীক্ষার ক্ষমতা করতে পারে। তার নিকট জিজ্ঞাসিত মামলা সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে সে বাধ্য থাকবে কিন্তু যে প্রশ্নের জবাব উক্ত সাক্ষীকে ফৌজদারী অভিযোগে দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির দিকে টেনে নিতে পারে, সেই সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে সাক্ষী বাধ্য নয়।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-161.Examination of witnesses by police:
(1) Any police-officer making an investigation under this Chapter or any police-officer not below such rank as the Government may, by general or special order, prescribe in this behalf, acting on the requisition of such officer may examine orally any person supposed to be acquainted with the facts and circumstances of the case. 
(2) Such person shall be bound to answer all questions relating to such case put to him by such officer, other than questions the answers to which would have a tendency to expose him to a criminal charge or to a penalty or forfeiture. 
(3) The police-officer may reduce into writing any statement made to him in the course of an examination under this section, and if he does so he shall make a separate record of the statement, of each such person whose statement he records.
১১,০১০.
দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারায় কোন অপরাধের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. চুরি
  2. ডাকাতি
  3. প্রতারণা
  4. দস্যুতা
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৪১৫ ধারাতে যেটি সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, তা হলো "Cheating" অর্থাৎ "প্রতারণা"।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কেউ কাউকে ছলনা করে, এবং প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে তাকে কোনো সম্পত্তি দিতে বা রেখে দিতে প্ররোচিত করে, অথবা তাকে এমন কিছু করতে বা না করতে ইচ্ছাকৃতভাবে প্ররোচিত করে যার ফলে তার দেহ, মন, খ্যাতি বা সম্পত্তির ক্ষতির আশঙ্কা থাকে তাহলে সেই ব্যক্তি প্রতারণা করেছে বলে বিবেচিত হবে।
- অতএব, দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারায় "প্রতারণা" অপরাধটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। সঠিক উত্তর: গ) প্রতারণা।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:- যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 415: Cheating:
- Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat".
Explanation:- A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.
১১,০১১.
'Offences under Penal Code' - ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ২৪ ধারা
  2. ২৮ ধারা
  3. ৩৫ক ধারা
  4. ৪১ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ২৮: দণ্ডবিধির অধীনে অপরাধসমূহ:
এই বিধির অন্যান্য বিধানের অধীন থেকে, দণ্ডবিধির অধীনে কোনো অপরাধ বিচারযোগ্য হবে—
(ক) হাইকোর্ট বিভাগ দ্বারা, বা
(খ) দায়রা আদালত দ্বারা, বা
(গ) দ্বিতীয় তফসিলের অষ্টম কলামে উল্লিখিত যেকোনো অন্য আদালত দ্বারা, যেখানে উক্ত অপরাধ বিচারযোগ্য বলে উল্লেখ রয়েছে।

উদাহরণ:
কোনো ব্যক্তি (ক) যদি দায়রা আদালতে অপরাধমূলক হত্যার অভিযোগে বিচারাধীন থাকে, তবে সে স্বেচ্ছায় আঘাত করার অপরাধে দণ্ডিত হতে পারে, যা একজন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা বিচারযোগ্য অপরাধ।

Section 28- Offences under Penal Code:
Subject to the other provisions of this Code any offence under the Penal Code may be tried-
(a) by the High Court Division, or
(b) by the Court of Session, or
(c) by any other Court by which such offence is shown in the eighth column of the second schedule to be triable.

Illustration-
A is tried by the Sessions Court on a charge of culpable homicide. He may be convicted of voluntarily causing hurt, an offence triable by a Magistrate.
১১,০১২.
অকৃষি জমির অগ্রক্রয়ের আবেদনের সাথে কত শতাংশ ক্ষতিপূরণ জমা দিতে হয়?
  1. ২%
  2. ৫%
  3. ৬.২৫%
  4. ১২.৫%
সঠিক উত্তর:
৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫%
ব্যাখ্যা
NAT ACT 1949 এর ধারা ২৪:
অগ্রক্রয়ের ধারণা:
অগ্রক্রয়ের অধিকার হল একটি অধিকার যার মাধ্যমে কোন ব্যক্তি জমি কিনতে চাওয়া হলে অন্য একটি ব্যক্তি প্রাথমিক অধিকার রাখে সেই জমি কেনার। সাধারণত এটি তখন ঘটে যখন জমি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ধারা ২৪ অনুযায়ী, আবেদন করতে পারবে:
কোন প্রজা অ-কৃষি জমির অংশ/শেয়ার হস্তান্তর/বিক্রয় করলে, ঐ জমির এক বা একাধিক সহ-অংশীদার [co-sharer] ঐ জমির অংশ/শেয়ার হস্তান্তর/ক্রয় করতে আবেদন করতে পারবে।

আবেদনের সময়সীমা:
১. নোটিশ প্রদান করা হলে- নোটিশ জারি/প্রদানের তারিখ হইতে ৪ মাসের মধ্যে।
২. নোটিশ প্রদান করা না হলে- হস্তান্তর/বিক্রয় সম্পর্কে অবগত হওয়ার ৪ মাসের মধ্যে।

আদালতে জমা দিতে হবে:
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকা [Consideration Money];
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর ৫% হারে ক্ষতিপূরণ;
- ভূমি হস্তান্তরের তারিখ হতে আবেদনের সমনের নোটিশ প্রদানের তারিখের মধ্যে ভূমি হস্তান্তর করা হয়েছে সেখানে কোন দালান, স্থাপনা বা কোন উন্নয়ন করার জন্য যে ব্যয় হয়েছে সেই ব্যয়ের উপর ৬.২৫% হারে বার্ষিক সুদ প্রদান।

The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ধারা ২৪ অনুযায়ী, অকৃষি জমির অগ্রক্রয়ের আবেদন করার সময় আবেদনকারীর কাছ থেকে নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের ওপর ৫% হারে ক্ষতিপূরণ (compensation) জমা দিতে হয়।
৬.২৫% বার্ষিক সুদ জমা দিতে হতে পারে জমি হস্তান্তরের পর উন্নয়নের জন্য খরচের ওপর, কিন্তু ক্ষতিপূরণের নির্দিষ্ট শতাংশ ৫%।
১১,০১৩.
রেজিস্টার্ড দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় আদালত ডিক্রির কপি আইনত পাঠাতে বাধ্য?
  1. ডেপুটি কমিশনারের নিকট
  2. ভূমি অফিসে
  3. রেজিস্ট্রি অফিসে
  4. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট।
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রি অফিসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রি অফিসে
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877, ধারা 39 অনুযায়ী দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় আদালত দলিলটি বাতিল মর্মে রায়ের সাথে সাথে দলিলটি আদালতে অর্পণেরও আদেশ দিয়ে থাকেন। দলিলটি The Registration Act, 1908 এর অধীনে রেজিস্ট্রি হয়ে থাকলে যে অফিসে এটি রেজিস্ট্রি হয়েছে সে অফিসে (রেজিস্ট্রি অফিসে) রায়ের একটি কপি প্রেরণ করবেন যেন সংশ্লিষ্ট অফিসার উক্ত দলিলের ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে পারেন।

♦The Specific Relief Act, 1877, ৩৯  ধারাটি হলঃ যখন বিলুপ্তির আদেশ প্রদান করাযেতে পারেঃ যে কোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেয়া হয়, তবে তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসেবে ত্যাগ করার নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
♦যদি দলিল রেজিষ্ট্রেশন আইন অনুসারে রেজিস্ট্রিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সেই অফিসারের নিকট প্রেরণ করবেন, যার অফিসে উক্ত দলিল রেজিস্ট্রি করা হয়েছে এবং তেমন অফিসার তার বইতে দলিলের নকলে উহার বিষয় লিপিবদ্ধ করবেন।
১১,০১৪.
The Penal Code, 1860 এর ধারা ১২১ক অনুযায়ী, ষড়যন্ত্র করার জন্য অপরাধ সংঘটিত হওয়া কতটা জরুরি?
  1. অপরাধ অবশ্যই সংঘটিত হতে হবে
  2. অপরাধ আংশিক সংঘটিত হতে হবে
  3. কোনো অপরাধ সংঘটিত হওয়া অবশ্যক নয়
  4. আদালতের অনুমতি থাকা আবশ্যক
সঠিক উত্তর:
কোনো অপরাধ সংঘটিত হওয়া অবশ্যক নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো অপরাধ সংঘটিত হওয়া অবশ্যক নয়
ব্যাখ্যা

The Penal Code, 1860 এর ধারা ১২১ক– যে কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের ভেতরে বা বাইরে, নিম্নলিখিত কোনোকিছু করার ষড়যন্ত্র করে:
- ধারা ১২১ দ্বারা শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটন করা, অথবা 
- বাংলাদেশকে তার সার্বভৌমত্ব বা কোনো অংশ থেকে বঞ্চিত করা, অথবা 
- শাস্তিমূলক বল বা বলের প্রদর্শনের মাধ্যমে সরকারকে প্রভাবিত বা আতঙ্কিত করা, সে অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে।

শাস্তি:
- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life); অথবা
- কারাদণ্ড (সশ্রম/বিনাশ্রম) সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত;
- পাশাপাশি অর্থদণ্ড (Fine) প্রযোজ্য।

ব্যাখ্যা: এই ধারার জন্য ষড়যন্ত্র প্রমাণিত হওয়া যথেষ্ট, কার্যকর কোনো অপরাধ সংঘটিত হওয়া বা কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড করা অবশ্যক নয়।

১১,০১৫.
'ক' এর বিরুদ্ধে 'খ' কর্তৃক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে প্রমাণ হয়, 'খ', 'ক' এর ক্ষতিসাধনের জন্য এই মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে। এক্ষেত্রে 'খ' কি শাস্তি পেতে পারে?
  1. অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. অনধিক ৫ বছর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. অনধিক ১৪ বছর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭: মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের ইত্যাদির শাস্তি:

(১) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোন ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান তাহা হইলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(২) কোন ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল উপ-ধারা (১) এর অধীন সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ ও মামলার বিচার করিতে পারিবে।

Section 17: Punishment for filing any false case, complaint etc.

i. If any person files or causes to be filed any case or complaint against a person under this Act for the purpose of causing injury to that person, although he knows that he had not any proper or; legal ground to do so, the person filing or causing to be filed that case or complain shall be punished with rigorous imprisonment for either description which may extend to seven years and also with fine.

ii. The Tribunal can take cognizance and adjudicate any offence under subsection (і), on a written application by any person.
১১,০১৬.
ধারা ১২২-এর ব্যতিক্রম কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. যেকোনো পারিবারিক ঘটনার ক্ষেত্রে
  2. শুধুমাত্র স্বামী সম্মত হলে
  3. শুধুমাত্র স্ত্রী সম্মত হলে
  4. দম্পতির মধ্যে দেওয়ানী মামলা থাকলে
সঠিক উত্তর:
দম্পতির মধ্যে দেওয়ানী মামলা থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দম্পতির মধ্যে দেওয়ানী মামলা থাকলে
ব্যাখ্যা

• সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারা: বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা:
কোনো ব্যক্তি যিনি বিবাহিত বা যাহার সহিত বিবাহ হইয়াছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সেই ব্যক্তির সহিত তাহার স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে না; বার্তা প্রদানকারীর বা তাহার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ব্যতীত বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিবার অনুমতিও তাহাকে দেওয়া যাইবে না,
তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানী মামলায় অথবা তাহাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করিবার দায়ে অপরজন ফৌজদারীতে সোর্পদ থাকিলে সেইক্ষেত্রে বার্তার বিষয় প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে।

১১,০১৭.
প্রিন্সিপাল অপ্রকৃতিস্থ হলে, এজেন্সির কী হবে?
  1. সমাপ্ত হবে
  2. কার্যকর থাকবে
  3. কেবল স্থগিত থাকবে
  4. হস্তান্তর করা হবে
সঠিক উত্তর:
সমাপ্ত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাপ্ত হবে
ব্যাখ্যা
⇒ চুক্তি আইনের ২০১ ধারার বিধান- প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি (Termination of agency): প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে-
- প্রিন্সিপাল তার ক্ষমতা প্রত্যাহার করলে; অথবা
- এজেন্ট তার এজেন্সির কাজ পরিহার করলে; অথবা
- এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে; অথবা
- প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মধ্যে কারও মৃত্যু হলে বা অপ্রকৃতিস্থ হলে; অথবা 
- দেনাদারদের প্রতিকারের জন্য প্রিন্সিপাল দেউলিয়া হলে।

Section 201. Termination of agency:
An agency is terminated by the principal revoking his authority; or by the agent renouncing the business of the agency; or by the business of the agency being completed; or by either the principal or agent dying or becoming of unsound mind; or by the principal being adjudicated an insolvent under the provisions of any Act for the time being in force for the relief of insolvent debtors.
১১,০১৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩২ ধারানুযায়ী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কত বছরের সাজা দিতে পারেন?
  1. ১০
  2. ১৪
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান-

(১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথাঃ
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।

২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।

Section 32- Sentences which Magistrates may pass:

(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:- 
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding ten thousand taka; Whipping. 
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding five thousand taka; 
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year;  Fine not exceeding two thousand taka. 
(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.
১১,০১৯.
ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার কার্যক্রম বন্ধের আদেশ দিলে নিম্মলিখিত কোন পদক্ষেপটি সঠিক?
  1. একই অভিযোগের ভিত্তিতে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে
  2. মামলার কার্যক্রম বন্ধের আদেশ প্রদানকারী ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি পুনরায় চালু করতে পারে
  3. রাষ্ট্রপক্ষ মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করতে পারে বা রিভিশন করতে পারে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধ বলতে মামলাটি অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থগিত বোঝায় না বরং মামালাটি বহাল আছে বোঝায়। সাক্ষী পর্যাপ্ত হলে ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি পুনরায় চালু করতে পারে। যে কারণে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ প্রদান করলো উক্ত কারণ যখন বিদ্যামান থাকেনা তখন থেকে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার বিচার কার্যক্রম পুনরায় শুরু করতে পারে।
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষ বা নালিশকারী বিচারিক আদালতে উক্ত মামলার বিচার পুনরুজ্জীবিত বা পুনরায় চালুর জন্য আবেদন করতে পারে এবং উক্ত ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম যেখান থেকে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল সেখান থেকে শুরু হবে।
♦যে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল সে উক্ত বন্ধের আদেশ বাতিল করতে পারে এবং মামলার কার্যক্রম শুরু করতে পারে যদি সাক্ষী পাওয়া যায়।
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে রিভিশন দায়ের করা যায়। একই অভিযোগের জন্য একই অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে পুনরায় মামলা দায়ের করা যাবে।

♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারার বিধান যেক্ষেত্রে ফরিয়াদী না থাকে, সেক্ষেত্রে কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতাঃ নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যে কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যবাহ বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে পারবেন।
১১,০২০.
যদি কোনো আইনের আওতায় জরিমানা আরোপিত হয়, এর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সর্বোচ্চ সময়সীমা কত?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৬ অনুসারে,
যখন কোনো বিধি, আইন, প্রবিধান বা উপ-আইনের আওতায় কোনো জরিমানা বা বাজেয়াপ্তি আরোপিত হয়, তখন সেই জরিমানা বা বাজেয়াপ্তি আরোপিত হওয়ার ১ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।

১১,০২১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত আদেশে দলিল দাখিল, আটক ও ফেরত (Production, Impounding and Return of Documents) সম্পর্কিত বিধি-বিধান দেয়া আছে?
  1. আদেশ ১১
  2. আদেশ ১৩
  3. আদেশ ১৬
  4. আদেশ ১৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৩
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ এ দলিল দাখিল, আটক ও ফেরত (Production, Impounding and Return of Documents) সম্পর্কিত বিধি-বিধান দেয়া আছে।

 বিধি ৩- দলিল প্রত্যাখ্যান
মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করেন যে কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক বা অন্যকোনভাবে অগ্রহনযোগ্য, তবে কারণ লিপিবদ্ধ করে আদালত সেই দলিল প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন।

বিধি-৪ অনুসারে, দলিল দাখিলের সময় প্রমান হিসেবে গৃহিত উল্টাপৃষ্ঠে নিম্নলিখিত বিষয় গুলো পৃষ্ঠাঙ্কন করতে হবে-
১. মোকদ্দমার নম্বর ও শিরোনাম
২. দলিল দাখিলকারীর নাম
৩. দলিল দাখিলের তারিখ
৪. দলিল গৃহিত হওয়ার মর্মে একটি বিবৃতি।

বিধি ৭(২)- দলিল ফেরত
যে সকল দলিল প্রমান হিসেবে গৃহিত হয় নাই সেগুলো মোকদ্দমার নথিপত্রের অংশ হিসেবে গন্য হবে না। এরূপ দলিল সমূহ দাখিলকারী ব্যক্তিগনের নিকট ফেরত দিতে হবে।

বিধি ৮- দলিল আটক
আদালত যদি উপযুক্ত মনে করেন তবে এর সম্মুখে কোন মোকদ্দমায় দাখিলকৃত কোন দলিল বা বই আটক করার এবং উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে কোন নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আদালতের কোন কর্মচারীর হেফাজতে রাখার নির্দেশ দান করতে পারবেন।
১১,০২২.
বাংলাদেশ সংবিধানের প্রস্তাবনায় রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য কী হিসাবে বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধর্মীয় শাসন প্রতিষ্ঠা
  2. সামন্ততান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা কায়েম
  3. শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা
  4. জাতীয় সম্পদের ব্যক্তিগত মালিকানা নিশ্চিত করা
সঠিক উত্তর:
শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের প্রস্তাবনায় রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে "গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা" করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, এই সমাজব্যবস্থায় আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার, এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত করা হবে।

সংবিধানের ভাষ্যে স্পষ্ট উল্লেখ:
"আমরা আরও অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা- যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে;"

অতএব, সংবিধানের ভিত্তিতে "শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা" রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য।

অন্যদিকে, বাকি অপশন গুলো: 
ক) ধর্মীয় শাসন প্রতিষ্ঠা: সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিগুলোর মধ্যে ধর্মনিরপেক্ষতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা ধর্মীয় শাসনের ধারণার বিপরীত।
খ) সামন্ততান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা কায়েম: সংবিধানে শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে, যা সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার বিরোধী।
ঘ) জাতীয় সম্পদের ব্যক্তিগত মালিকানা নিশ্চিত করা: সংবিধানে ব্যক্তিগত মালিকানার স্বীকৃতি থাকলেও রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।
১১,০২৩.
দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-
  1. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়
  2. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হলে
  3. যেকোনো ক্ষেত্রে আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দন্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।

এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-

১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-

১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয় বা
৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে,

যেহেতু উপরে উল্লেখিত অব্যাহতি বা মুক্তি ৪০৩ ধারার অধীন খালাস বলে গণ্য হবে না, তাই উক্ত ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার দোবারা সাজা বা jeopardy নীতি প্রযোজ্য হবে না। অব্যাহতি বা মুক্তির আদেশের বিরুদ্ধে ৪০৩ ধারা প্রযোজ্য না। অর্থাৎ কোন ব্যক্তিকে অভিযোগ হতে অব্যাহতি বা মুক্তি দেওয়া হলে তাকে পুনরায় বিচারের সম্মুখীন করা যাবে এবং এই ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার double Jeopardy নীতি বাধা হবে না।
১১,০২৪.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি রদের আদেশ দিতে পারেন?
  1. যেক্ষেত্রে চুক্তিটি বাদী কর্তৃক অবসানযোগ্য
  2. যেক্ষেত্রে ভুল তথ্য সরবরাহে চুক্তিটি সম্পাদিত হয়েছে
  3. যেক্ষেত্রে চুক্তির বিষয়বস্তু অস্তিত্বহীন
  4. যেক্ষেত্রে সুবিধা-অসুবিধার ভারসাম্য বাদীর অনুকূলে
সঠিক উত্তর:
যেক্ষেত্রে চুক্তিটি বাদী কর্তৃক অবসানযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেক্ষেত্রে চুক্তিটি বাদী কর্তৃক অবসানযোগ্য
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ৩৫ ধারায় বিধান মতে  নিচের চুক্তিগুলো আদালত রদ করতে পারেন-
১) যে চুক্তিটি বাতিলযোগ্য (Voidable) বা বাদী কর্তৃক অবসানযোগ্য (Terminable by the plaintiff).
২) যে চুক্তিটি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে বিবাদী অধিকতর দোষী ।
৩) আদালত কর্তৃক বিক্রয় বা ইজারার ডিক্রি হওয়ার পর ক্রেতা বা ইজারাগ্রহীতা আদালতের নির্দেশমত ক্রয়মূল্য বা অন্য অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে ।
♦অর্থাৎ  বাদী কর্তৃক সমাপ্তযোগ্য বা অবসানযোগ্য বা রদযোগ্য চুক্তি (contract terminable by plaintiff] সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারা অনুসারে আদালত রদের আদেশ দিতে পারে।
১১,০২৫.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সাক্ষীকে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত করানোর দায়িত্ব কাকে প্রদান করা হয়েছে?
  1. ট্রাইব্যুনাল
  2. সরকারি কৌঁসুলি
  3. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  4. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
ধারা ২৪- সাক্ষীর উপস্থিতি:
(১) এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচারের জন্য সাক্ষীর সমন বা ওয়ারেন্ট কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট সাক্ষীর সর্বশেষ বসবাসের ঠিকানা যে থানায় অবস্থিত, সেই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিতে হইবে এবং উক্ত সাক্ষীকে উক্ত ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত করিবার দায়িত্ব উক্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার থাকিবে

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও সাক্ষীর সমনের একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট সাক্ষীকে এবং সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সুপার বা, ক্ষেত্রমত, পুলিশ কমিশনারকে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সমেত নিবন্ধিত ডাকযোগে প্রেরণ করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন কোন সমন বা ওয়ারেন্ট কার্যকর করিতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা ইচ্ছাকৃত গাফিলতি করিলে ট্রাইব্যুনাল উহাকে অদক্ষতা হিসাবে চিহ্নিত করিয়া সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্ত নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৪) কোন ব্যক্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে কিংবা ট্রাইব্যুনাল স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত মনে করিলে যে কোন দূরবর্তী সাক্ষীর সাক্ষ্য, এ সম্পর্কিত বলবৎ আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রহণ করিতে পারিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে সরকার এবং অন্যান্য কর্তৃপক্ষ ট্রাইব্যুনালকে তথ্যপ্রযুক্তিগত প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করিবে।
১১,০২৬.
ধারা ৪৩৬ অনুযায়ী, কোন বিষয়ে অধিকতর অনুসন্ধানের আদেশ দেওয়া যাবে?
  1. নতুন অপরাধের তদন্তের ক্ষেত্রে
  2. অভিযুক্ত ব্যক্তির দণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে
  3. অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতির মামলার বিষয়ে
  4. আদালতের সাজা ঘোষণার বিষয়ে
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতির মামলার বিষয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতির মামলার বিষয়ে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৩৬ (অনুসন্ধানের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা)- হাইকোর্ট তার অধীনস্থ কোন আদালতকে বা দায়রা জজ তার অধীনস্থ কোন-
 
১. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নিজেদের দ্বারা; বা
২. তাদের অধীনস্থ কোন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা অধিকতর অনুসন্ধান করার আদেশ দিতে পারে; এবং
৩. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিজে অনুসন্ধান করতে পারে বা তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে অনুসন্ধান করার নির্দেশ দিতে পারে নিম্নলিখিত বিষয়ে-
i. ২০৩ ধারায় খারিজ হয়েছে এমন যেকোন নালিশ বিষয়ে; বা
ii. ২০৪ (৩) ধারায় খারিজ করা হয়েছে এমন কোন নালিশ বিষয়ে; বা
iii. যে মামলায় কোনো অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে সেই মামলায়; অধিকতর অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারবে।
 
শর্ত থাকে যে,
কোন আদালত কোন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে এই ধারার অধীন তদন্তের নির্দেশ দিবেন না, যদি না উক্ত ব্যক্তিকে কেন উক্তরূপ নির্দেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শাবার সুযোগ দেয়া হয়।
১১,০২৭.
সৎ উদ্দেশ্যে এখতিয়ার বিহীন আদালতে মামলা দায়ের করার ব্যয়িত সময় তামাদি গণনা থেকে বাদ দিতে হবে তামাদি আইনের কোন ধারায় বলা আছে?
  1. ১৪
  2. ১২
  3. ১৩
সঠিক উত্তর:
১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪
ব্যাখ্যা
♣ তামাদি আইনের ১৪ ধারা মতে ভুলক্রমে এখতিয়ার বিহীন আদালতে মামলা দায়ের করলে ব্যয়িত সময় তামাদি গণনা থেকে বাদ দিতে হবে।
১১,০২৮.
তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর অধীনে হাইকোর্ট ব্যতীত অন্য আদালতে আপিলের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৫০
  2. অনুচ্ছেদ ১৫৩
  3. অনুচ্ছেদ ১৫৪
  4. অনুচ্ছেদ ১৫৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫৪
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ১ম তফসিলের দ্বিতীয় বিভাগে (আপিল) অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত ফৌজদারি এবং দেওয়ানি আপিলের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। 
- অনুচ্ছেদ ১৫৪-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর অধীনে হাইকোর্ট ব্যতীত অন্য আদালতে আপিলের তামাদির মেয়াদ ৩০ দিন, যা দণ্ডাদেশ বা আদেশের তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়।
সুতরাং, ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর অধীনে হাইকোর্ট ব্যতীত অন্য আদালতে আপিলের তামাদির মেয়াদ সংক্রান্ত বিধান অনুচ্ছেদ ১৫৪-এ উল্লেখ আছে।

১১,০২৯.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে হাইকোর্টের রিভিশন ক্ষমতা কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ধারা ১১৬
  2. ধারা ১১৫
  3. ধারা ১১৪
  4. ধারা ১১৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১৫
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫ হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন (Revision) সংক্রান্ত ক্ষমতা নির্ধারণ করে। এই ধারার আওতায়, হাইকোর্ট কোনো নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্ত বা আদেশে আইনগত ভুল (error of jurisdiction) হয়েছে কি না, তা পর্যালোচনা করতে পারে।
ধারা ১১৫ এর মূল বিষয়: যখন কোনো নিম্ন আদালত, নিজ এখতিয়ার অতিক্রম করে কোনো আদেশ দেয়, বা যার এখতিয়ার ছিল না তেমন কোনো বিষয় সম্পর্কে আদেশ দেয়, বা আইনের গুরুতর লঙ্ঘন করে অন্যায্য আদেশ দেয়, তখন হাইকোর্ট এই আদেশ রিভিশনের মাধ্যমে বাতিল বা সংশোধন করতে পারে। তবে সাধারণত যেখানে আপিল করা যায়, সেখানে রিভিশন গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-১১৫ এর বিধান রিভিশন:
১) কোন মোকদ্দমায় কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় জেলা জজ আদালত বা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত কর্তৃক ডিক্রি বা আদেশ প্রদত্ত হলে, বা যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক ডিক্রি প্রদত্ত হলে, যার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা চলে না; সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনে হাইকোর্ট ডিভিশন তার নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা সমাপণ করিয়ে এই ডিক্রি বা আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃশ্যমান হলে হাইকোর্ট ডিভিশন এই ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন করতে পারবেন, কিংবা তা যে-রূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
২) যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, কোন যুগ্ম জেলা জজ আদালত, সিনিয়র সহকারী জজ আদালত বা সহকারী জজ আদালত উক্তরূপ কোন আদেশ প্রদান করলে সংক্ষুব্ধ পক্ষের দরখাস্তের প্রেক্ষিতে জেলা জজ আদালত এই মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা অবসান করিয়ে এই আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃশ্যমান হলে জেলা জজ আদালত উক্ত আদেশ সংশোধন করতে পারবে এবং তা যে-রূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৩) জেলা জজ রিভিশন মোকদ্দমা হস্তান্তর করলে উপধারা (২) এর অধীনে জেলা জজের সকল সর্বময় ক্ষমতা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে থাকবে।
৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতার অবসান করিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত প্রদান করলে প্রয়োজনীয় আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন রিভিশনের অনুমতির অনুমোদন দেয়, সেক্ষেত্রে উপধারা (২) বা (৩) এর অধীনে প্রদানকৃত জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন করা চলবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশন তা যে-রূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৫) এই ধারাটির প্রতিস্থাপনে যেটাই বর্ণিত থাকুক না কেন, ঐরূপ প্রতিস্থাপনের পূর্বে ১১৫নং ধারার অধীনে আরম্ভ হওয়া বা ঝুলন্ত থাকা কর্মপ্রক্রিয়া যেরূপে নিষ্পত্তি হবে যেন ১১৫নং ধারা প্রতিস্থাপিত হয়নি।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-115: Revision:
(1) The High Court Division may, on the application of any party aggrieved, call for the record of any suit or proceedings, in which a decree or an order has been passed by a Court of District Judge or Additional District Judge, or a decree has been passed by a Court of Joint District Judge, Senior Assistant Judge or Assistant Judge, from which no appeal lies; and if such Court appears to have committed any error of law resulting in an error in such decree or order occasioning failure of justice, the High Court Division may, revise such decree or order and, make such order in the suit or proceedings, as it thinks fit.
(2) The Court of District Judge may, on the application of any party aggrieved, call for the record of any suit or proceeding, in which an order has been passed by a Court of Joint District Judge, Senior Assistant Judge or Assistant Judge, from which no appeals lies; and if such Court appears to have committed any error of law resulting in an error in such order occasioning failure of justice, the Court of District Judge may, revise such order and, make such order as it thinks fit.
(3) A Court of Additional District Judge shall have all the powers of the District Judge under sub-section (2) in respect of revision case which may be transferred to it by the District Judge.
(4) An application to the High Court Division for revision of an order of the District Judge or, Additional District Judge, as the case may be, made under sub-section (2) or (3) shall lie, where the High Court Division grants leave for revision on an (4) An application to the High Court Division for revision of an order of the District Judge or, Additional District Judge, as the case may be, made under sub-section (2) or (3) shall lie, where the High Court Division grants leave for revision on an error of an important question of law resulting in erroneous decision occasioning failure of justice, and the High Court Division may make such order in the suit or proceeding as it thinks fit.
(5) Notwithstanding the substitution of this section, any proceeding commenced and pending under section 115 prior to such substitution shall be disposed of in such manner as if section 115 has not been substitute
১১,০৩০.
The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 এ “বার অ্যাসোসিয়েশন” বলতে কী বোঝায়?
  1. স্থানীয় বার অ্যাসোসিয়েশন
  2. সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন
  3. বাংলাদেশ বার অ্যাসোসিয়েশন
  4. ক বা খ উভয়কে
সঠিক উত্তর:
ক বা খ উভয়কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ উভয়কে
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ২ (খখ):
“বার অ্যাসোসিয়েশন” বলতে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন বা কোনো স্থানীয় বার অ্যাসোসিয়েশনকে বোঝায়।
“Bar Association” means Supreme Court Bar Association or a Local Bar Association.

⇒ "Bar Association" এর সংজ্ঞা অনুযায়ী, এটি দুটি সংগঠনকে বোঝায়:
- Supreme Court Bar Association (সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন);
- Local Bar Association (স্থানীয় বার অ্যাসোসিয়েশন)।
১১,০৩১.
The Special Powers Act, 1974 অনুযায়ী ভেজাল খাদ্য প্রস্তুত ও বিক্রয়ের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইনে ২৫গ বাধার বিধান: ভেজাল দেওয়া বা ভেজাল খাদ্য, পানীয়, ঔষধ বা প্রসাধনী বিক্রয় করার শাস্তি:
এখানে ভেজাল খাদ্য প্রস্তুত ও বিক্রয়ের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড এর বিধান রয়েছে।

⇒ The Special Powers Act, 1974 Section-25C. Penalty for adulteration of, or sale of adulterated food, drink, drugs or cosmetics:
(1) Whoever-
(a) adulterates any article of food or drink, so as to make such article noxious as food or drink, intending to sell such article as food or drink, or knowing it to be likely that the same will be sold as food or drink; or
(b) sells, or offers or exposes for sale, as food or drink, any article which has been rendered or has become noxious, or is in a state unfit for food or drink, knowing or having reason to believe that the same is noxious as food or drink; or
(c) adulterates any drug or medical preparation in such a manner as to lessen the efficacy or change the operation of such drug or medical preparation, or to make it noxious, intending that it shall be sold or used for, or knowing it to be likely that it will be sold or used for, any medical purpose, as if it had not undergone such adulteration; or
(d) knowing any drug or medical preparation to have been adulterated is such a manner as to lessen its efficacy, to change its operation, or to render it noxious, sells the same, or offers or exposes it for sale, or issues it from any dispensary for medical purposes as unadulterated, or causes it to be used for medical purposes by any person not knowing of the adulteration; or
(e) knowingly sells, or offers or exposes for sale, or issues from a dispensary for medical purposes, any drug or medical preparation, as a different drug or medical preparation,
shall be punishable with death, or with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.

(2) Whoever-
(a) adulterates any hair oil, toilet soap or other cosmetic in such a manner as to make it harmful to hair, skin,
complexion or any part of the body, intending that it shall be sold or used for, or knowing it to be likely that it will be sold or used for, any cosmetic purpose; or
(b) knowing any hair oil, toilet soap or other cosmetic to have been adulterated in such a manner as to make it harmful to hair, skin, complexion or any part of the body, sells the same, or offers or exposes it for sale, as adulterated,
 shall be punishable with rigorous imprisonment for a term which may extend to five years, and shall also be liable to fine.
১১,০৩২.
মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী ব্যক্তি বেঁচে গেলে ঐ ঘোষণা কি হবে?
  1. জীবিতকালীন ঘোষণা বলে গণ্য হবে
  2. সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে
  3. সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার হবে তবে ঐ ব্যক্তির  মৃত্যুর পর
  4. আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করে মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন।
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা-৩২(১) এর বিধান মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration)- সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
⇒ মৃত্যুকালীন ঘোষণা [Dying Declaration); কোনো ব্যক্তি তার মৃত্যুর পূর্বে তার  মৃত্যুর কারণ,  মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত পারিপার্শ্বিক অবস্থা বা যে সকল ঘটনার ফলে মৃত্যু হয়েছে সে সম্পর্কিত লিখিত বা মৌখিক ঘোষণা/বিবৃতি প্রদান করে, তাকেই মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলে।
⇒মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায়: ১. লিখিত ভাবে ২. ইশারায় ৩. মৌখিকভাবে।
⇒মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রযোজ্য: দেওয়ানি মোকদ্দমা ও ফৌজদারি মামলা উভয়ক্ষেত্রেই।
⇒মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায় যার নিকট: যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে; যেমন: ডাক্তার, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট।
⇒মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার আগে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে- ঘোষণা প্রদানকারী মৃত [১০৪ ধারার বিধান]।

⇒মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্য হবে না: মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী মৃত্যুবরণ না করলে [বেঁচে থাকলে]; উক্ত ঘোষণা- সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে। তবে ধারা ১৪৫, ১৫৭ অনুযায়ী সমর্থনমূলক সাক্ষ্য [Dying Recognition] হিসাবে ব্যবহার করা যাবে।
১১,০৩৩.
মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য কবর থেকে লাশ তুলে পরীক্ষা করাতে পারেন-
  1. ওসি
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকেয়ারী:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।

(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা: যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।

১১,০৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারা কোন আদালতের সহজাত ক্ষমতা সংরক্ষণ করে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা ও দায়রা জজ আদালত
  3. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. উল্লিখিত সকল আদালতের
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারা বিশেষভাবে হাইকোর্ট বিভাগ-এর সহজাত (inherent) ক্ষমতা সংরক্ষণ করে। এই ধারা অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, আদালতের আদেশ কার্যকর করা এবং আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করার জন্য প্রযোজনীয় আদেশ দিতে পারে। এটি অন্যান্য আদালতের জন্য প্রযোজ্য নয়।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-561A: Saving of inherent power of High Court Division:
-Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
১১,০৩৫.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী ডাকাতি ঘটানোর জন্য ন্যূনতম কয়জন সদস্যের উপস্থিতি আবশ্যক?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ১০ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৯১ অনুযায়ী, পাঁচ বা তার বেশি ব্যক্তি একসঙ্গে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করলে তাদেরকে "ডাকাতি" বলা হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান- ডাকাতি:
- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
---------------- 
⇒ The Penal Code Section 391- Dacoity:
- When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
১১,০৩৬.
"ক" একটি শিশুকে "খ" এর খাবারে বিষ মেশানোর জন্য প্ররোচিত করে এবং তাকে বিষ দেয়। তবে শিশুটি ভুলবশত "গ" এর খাবারে বিষ মেশায় এবং "গ" মারা যায়। এই ক্ষেত্রে "ক" -
  1. "গ" কে খুনের জন্য দায়ী হবে
  2. নিন্দনীয় নরহত্যা জন্য দায়ী হবে
  3. "গ" কে খুনে প্ররোচনা করার জন্য দায়ী হবে
  4. কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
"গ" কে খুনে প্ররোচনা করার জন্য দায়ী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
"গ" কে খুনে প্ররোচনা করার জন্য দায়ী হবে
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ১১১ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি অন্যকে কোনো কাজ করার জন্য সহায়তা করে, তবে যদি সেই সহায়তার কারণে কোনো ভিন্ন কাজ সংঘটিত হয়, তাহলে সেই সহায়তাকারী ব্যক্তি সেই ভিন্ন কাজের জন্যও দণ্ডিত হতে পারে। তবে, সহায়তা দেয়া কাজটি, মূলত, সেই সহায়তার দ্বারা সম্পাদিত একটি সম্ভবনা হিসেবে হতে হবে এবং সেই কাজটি সহায়তার প্রভাবেই করা হয়েছে।

উদাহরণ:  'ক' একটি শিশুকে 'চ'-এর খাদ্যে বিষ মেশানোর জন্য প্ররোচিত করে এবং তাকে বিষ দেয়। কিন্তু শিশুটি ভুলক্রমে 'গ'-এর খাদ্যে বিষ মেশায়। এখানে, শিশুটি 'ক'-এর প্ররোচনায় 'গ'-এর খাবারে বিষ মিশিয়েছে। তাই 'ক', শিশুটিকে 'গ'-এর খাবারে বিষ মিশাতে প্ররোচিত করার জন্য এবং যতটুকু দণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সেভাবে এবং ততটুকু পর্যন্ত দণ্ডিত হবে।
--------------
→ The Penal Code, 1860 Section-111: Liability of abettor when one act abetted and different act done:
- When an act is abetted and a different act is done, the abettor is liable for the act done, in the same manner and to the same extent as if he had directly abetted it:

Provided the act done was a probable consequence of the abetment, and was committed under the influence of the instigation, or with the aid or in pursuance of the conspiracy which constituted the abetment.

Illustrations:
(a) A instigates a child to put poison into the food of Z, and gives him poison for that purpose. The child, in consequence of the instigation, by mistake puts the poison into the food of Y, which is by the side of that of Z. Here if the child was acting under the influence of A's instigation, and the act done was under the circumstances a probable consequence of the abetment, A is liable in the same manner and to the same extent as if he had instigated the child to put the poison into the food of Y.
১১,০৩৭.
কোন আইন পূর্ববর্তী আইনকে বাতিল করে প্রণীত হলে পূর্ববর্তী বাতিলকৃত আইনের কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ কোনো সুবিধা ভোগ করলে সেই সুবিধা-
  1. অকার্যকর হয়ে যাবে
  2. যথাযথভাবে ফেরত দিতে হবে
  3. ক্ষুণ্ণ হবে না
  4. যথাযথভাবে ফেরত দিতে হবে না, কিন্তু চলমান থাকবে না
সঠিক উত্তর:
ক্ষুণ্ণ হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুণ্ণ হবে না
ব্যাখ্যা
⇒ জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৬ ধারায় বলা আছে- যখন কোনো আইন বা প্রবিধি অন্য কোনো আইনকে রহিত করে তখন:

১. রহিতকরণ আইন  রহিত হওয়ার সময় কার্যকর ছিল না বা অস্তিত্ব ছিল না এরূপ কোনো আইনকে পুনর্জীবিত করবে না।
২. রহিত হয়ে যাওয়া কোনো আইন [Repealed Act]-এর অধীনে যথাযথভাবে কৃত ব্য ব্যাহত কোনো কিছুকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৩. রহিত কোনো আইনের অধীনে অর্জিত বা প্রাপ্ত কোনো অধিকার, বাধ্যবাধকতা বা দায়কে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৪. রহিত আইনের অধীনে কৃত কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে প্রদত্ত কোনো দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তিকে ক্ষুণ্ণ করবে না।
৫. উল্লিখিত অধিকার, বাধ্যবাধকতা, দায়, দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তি-সম্পর্কিত কোনো তদন্ত, আইনগত কার্যক্রম [Legal Proceeding] বা প্রতিকারকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
পূর্বের আইনের অধীনে কোনো আইনগত কার্যক্রম চলমান থাকলে তা অব্যাহত থাকবে এবং তার অধীনে দও, বাজেয়াপ্ত বা শাস্তিও আরোপ করা যাবে যেন বিলোপকারী আইনটি [Repealing Act] প্রণীত হয় নাই।
------------
-The General Clauses Act, 1897 Section 6: Effect of repeal:
Where this Act, or any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, repeals any enactment hitherto made or hereafter to be made, then, unless a different intention appears, the repeal shall not- 
(a) revive anything not in force or existing at the time at which the repeal takes effect; or 
(b) affect the previous operation of any enactment so repealed or anything duly done or suffered thereunder; or 
(c) affect any right, privilege, obligation or liability acquired, accrued or incurred under any enactment so repealed; or 
(d) after any penalty, forfeiture or punishment incurred in respect of any offence committed against any enactment so repealed; or
(e) affect any investigation, legal proceeding or remedy in respect of any such right, privilege, obligation, liability, penalty, forfeiture or punishment as aforesaid; 
and any such investigation, legal proceeding or remedy may be instituted, continued or enforced, and any such penalty, forfeiture or punishment may be imposed as if the repealing Act or Regulation had not been passed.
১১,০৩৮.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর অধীন সংঘটিত অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার কত ঘন্টার মধ্যে এই সংক্রান্ত একটি সার্টিফিকেট বিনামূল্যে ভিকটিমকে প্রদান করতে হবে?
  1. ৩৬ ঘন্টা
  2. ৪৮ ঘন্টা
  3. ৭২ ঘন্টা
  4. ২৪ ঘন্টা
সঠিক উত্তর:
৭২ ঘন্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২ ঘন্টা
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৩২ অনুসারে, অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসককে বিনামূল্যে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট প্রদান করতে হবে—শিকার ব্যক্তি বা তার পরিবারের সদস্য এবং তদন্তকারী কর্মকর্তাকে। এই সার্টিফিকেটটি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রস্তুত হয় এবং এটি বিচার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৩২ অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করিয়া সরকারি হাসপাতালে কিংবা সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে স্বীকৃত কোন বেসরকারি হাসপাতালে সম্পন্ন করা যাইবে এবং সরকারি হাসপাতালে এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের শিকার ব্যক্তি নিজে হাজির হইলে কিংবা এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা অপরাধের শিকার ব্যক্তি পুলিশ কর্তৃক উপস্থাপিত হইলে তাহাদের মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য কোন ফি প্রদেয় হইবে না।

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন হাসপাতালে এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের শিকার ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য উপস্থিত করা হইলে, উক্ত হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাহার মেডিক্যাল পরীক্ষা অতিদ্রুত সম্পন্ন করিবে এবং উক্ত মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন হইবার পরবর্তী বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যে এই সংক্রান্ত একটি সার্টিফিকেট বিনামূল্যে অপরাধের শিকার ব্যক্তিকে বা, ক্ষেত্রমত, তাহার পরিবারকে ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে প্রদান করিবে এবং এইরূপ অপরাধ সংঘটনের বিষয়টি স্থানীয় থানাকে অবহিত করিবে।
(৩) এই ধারার অধীন যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে কোন মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন না করার ক্ষেত্রে, তৎসম্পর্কে ব্যাখ্যা সম্বলিত প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা কিংবা, ক্ষেত্রমত, মেডিক্যাল পরীক্ষার আদেশ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ বা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ম্যাজিষ্ট্রেট, ট্রাইব্যুনাল বা সংশ্লিষ্ট অন্য কোন কর্তৃপক্ষ যদি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকই দায়ী, তাহা হইলে উহা দায়ী ব্যক্তির অদক্ষতা ও অসদাচরণ বলিয়া বিবেচিত হইবে এবং এই অদক্ষতা ও অসদাচরণ তাহার বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে লিপিবদ্ধ করা হইবে এবং উপযুক্ত ক্ষেত্রে চাকুরী বিধিমালা অনুযায়ী তাহার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে, এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কর্তব্যে অবহেলার জন্য তাহার নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ বা, ক্ষেত্রমত, যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ দিতে পারিবে ৷

১১,০৩৯.
ঘোষণামূলক ডিক্রি কাদের উপর বাধ্যকর হবে না ?
  1. মোকদ্দমার পক্ষগণের
  2. পক্ষগণের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণের
  3. পক্ষগণ ছাড়া তৃতীয় পক্ষের
  4. পক্ষগণের মধ্যে কোন ট্রাস্টী থাকলে তার উপর 
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণ ছাড়া তৃতীয় পক্ষের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণ ছাড়া তৃতীয় পক্ষের
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

অর্থাৎ ঘোষণামূলক ডিক্রি শুধুমাত্র মোকদ্দমার পক্ষগণ বা তাদের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণের উপর বাধ্যকর হবে, কিন্তু এই ঘোষণা অন্য কারো ক্ষেত্রে অর্থাৎ কোন তৃতীয় পক্ষের উপর বাধ্যকর হবে না।
-------------------------
Section 43: Effect of declaration:
A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

Illustration:
A, a Hindu, in a suit to which B, his alleged wife, and her mother, are defendants, seeks a declaration that his marriage was duly solemnized and an order for the restitution of his conjugal rights. The Court makes the declaration and order. C, claiming that B is his wife, then sues A for the recovery of B. The declaration made in the former suit is not binding upon C.

১১,০৪০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১৬৭ক(২) অনুযায়ী, কখন ম্যাজিস্ট্রেট কোনো ব্যক্তিকে বিচারিক হেফাজতে রাখতে পারবেন না?
  1. গ্রেফতার প্রতিরোধমূলক আটক আইন অনুযায়ী না হলে
  2. গ্রেফতার বিশেষ অপরাধমূলক আইন অনুযায়ী হলে
  3. গ্রেফতার প্রতিরোধমূলক আটক আইন অনুযায়ী হলে
  4. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি সরকারি কর্মচারী হলে
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার প্রতিরোধমূলক আটক আইন অনুযায়ী হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার প্রতিরোধমূলক আটক আইন অনুযায়ী হলে
ব্যাখ্যা

Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১৬৭ক: গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কিত ম্যাজিস্ট্রেটের কর্তব্য:

উপ-ধারা (১):
যদি কোনো মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চায় যে, যিনি ইতিমধ্যেই অন্য মামলায় হেফাজতে আছেন তাকে নতুন মামলায় দেখিয়ে গ্রেফতার করা হোক, তবে: ম্যাজিস্ট্রেট এমন অনুরোধ অনুমোদন করবেন না, যদি না গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে তার সামনে উপস্থাপন করা হয়, সংশ্লিষ্ট মামলার ডায়রি এন্ট্রির কপি দেখানো হয়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে শুনানির সুযোগ দেওয়া হয়, এবং আবেদনটি যথাযথ ও বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়।

উপ-ধারা (২):
ম্যাজিস্ট্রেট কোনো ব্যক্তিকে বিচারিক হেফাজতে রাখতে অনুমোদন দেবেন না, যদি পুলিশ ফরওয়ার্ডিং রিপোর্ট থেকে বোঝা যায় যে গ্রেফতারটি প্রতিরোধমূলক আটক (preventive detention) আইন অনুযায়ী আটক করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।

উপ-ধারা (৩):
যদি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যথাযথ কারণ থাকে বোঝার যে, কোনো কর্মকর্তা যার কাছে কারাগারে কোনো ব্যক্তিকে আটক করার বৈধ ক্ষমতা আছে, আইনের বিরুদ্ধে কাজ করেছেন, তবে ম্যাজিস্ট্রেট সেই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির 220 ধারার অধীনে ব্যবস্থা নেবেন।

১১,০৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন জামিননামা, সমন, ওয়ারেন্ট ইত্যাদি ফরম কোন তফসিলে অন্তর্ভুক্ত?
  1. ২য় তফসিল
  2. ৩য় তফসিল
  3. ৪র্থ তফসিল
  4. ৫ম তফসিল
সঠিক উত্তর:
৫ম তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ম তফসিল
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫ম তফসিলে বিভিন্ন ফরমের বিবরণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যেমন জামিননামা, সমন, ওয়ারেন্ট ইত্যাদি। এই তফসিলে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী ব্যবহৃত ফরমগুলোর কাঠামো এবং প্রয়োগের নিয়মাবলী উল্লেখ করা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে, যা নিম্নরূপ:
১ম তফসিল (First Schedule)- বাতিল। 
২য় তফসিল (Second Schedule)- আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে। 
৩য় তফসিল (Third Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে। 
৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে। 
৫ম তফসিল (Fifth Schedule)- ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।

১১,০৪২.
The Hindu Marriage Disabilities Removal Act,1946 দ্বারা কোন ধরনের বাধা দূর করা হয়?
  1. বয়সজনিত বাধা
  2. গোত্রজনিত বাধা
  3. পুনর্বিবাহজনিত বাধা
  4. উল্লিখিত কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গোত্রজনিত বাধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোত্রজনিত বাধা
ব্যাখ্যা
• ১৯৪৬ সালের হিন্দু বিয়ে (অসমর্থতা দূরীকরণ) আইন (The Hindu Marriage Disabilities Removal Act, 1946) অনুযায়ী,

হিন্দুদের মধ্যে কোন বিবাহ যেটা অন্যান্যভাবে বৈধ, সেই বিবাহ গোত্র বা প্রবরের কারণে অবৈধ হবে না। এই আইন পাশ হওয়ার পর বিভিন্ন উপ- বর্ণের পাত্র-পাত্রীর মধ্যে বিয়ের ক্ষেত্রে সব বাধা দূর করা হয়।

যেমন- ভিন্ন বর্ণের কোন ছেলে এবং মেয়ে বিয়ে করলে সনাতন আইনে বিবাহ অবৈধ হলেও, ১৯৪৬ সালের আইনের কারণে বিবাহটি বৈধ হবে।
১১,০৪৩.
তামাদি আইনের তফসিলে মোট কতটি অনুচ্ছেদ রয়েছে?
  1. ১৫০টি
  2. ১৮৩টি
  3. ১৯৩টি
  4. ২০৩টি
সঠিক উত্তর:
১৮৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৩টি
ব্যাখ্যা
• তফসিলে মোকদ্দমা, আপীল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে। তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরণের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
১. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
২. আপিল, রিভিউ দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
৩. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।
১১,০৪৪.
Wakf শব্দের অর্থ কী?
  1. মুক্ত করা
  2. আটক করা
  3. দান করা
  4. গ্রহণ করা
সঠিক উত্তর:
আটক করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটক করা
ব্যাখ্যা
Waqf শব্দটি আরবি শব্দ। এর অর্থ নিয়োধ বা আটক করা। ওয়াকফ হলো কোনো সম্পত্তি ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে স্থায়ীভাবে উৎসর্গ করা। সাধারণত ওয়াকফ বলতে ইসলাম ধর্মাবলম্বী কোনো ব্যক্তি কর্তৃক ইসলাম ধর্ম অনুসারে ধর্মীয়, সাধু বা দাতব্য বলে স্বীকৃত কোনো উদ্দেশ্যে স্থায়ীভাবে সম্পত্তি উৎসর্গ করা বুঝায়। কোনো ব্যক্তি তার সম্পত্তি সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর নামে উৎসর্গ করতে পায়ে, যে সম্পত্তির চূড়ান্ত সুবিধা পরিব ব্যক্তিগণ পাবে অথবা সম্পত্তিটি ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ব্যবহার হবে।

• ওয়াক্কের অপরিহার্য উপাদান হলো-
ক. উৎসর্গ (Dedication);
খ. উদ্দেশ্য (Purpose)।

ক. উৎসর্গ (Dedication):
সম্পত্তির মালিককে আল্লাহরনামে সম্পত্তিটি স্থায়ীভাবে এবং শর্তহীনভাবে উৎসর্গ করতে হবে। সুতরাং অস্থায়ীভাবে কোনো সম্পত্তি ওয়াকফ করা যায় না। চারজন সুন্নি ইমামের মধ্যে শুধু ইমাম মালিক (রাহঃ) অস্থায়ী ওয়াকফকে বৈধ বলেছেন। বাকী তিনজন ইমাম অস্থায়ী ওয়াকফকে অবৈধ বলেছেন।

খ. উদ্দেশ্য (Purpose):
ওয়াকফ করার উদেশ্য অবশ্যই ধর্মীয় বা দাতব্য হতে হবে। যেমন। কোনো মসজিদের জন্য অথবা গরীব, দুঃস্থ মানুষের ভরণপোষণের জন্য ওয়াকফ করা যায়।
ওয়াকফ অবশ্যই বৈধ উদ্দেশ্যে করতে হবে। যদি কেউ বেআইনি উদ্দেশ্যে ওয়াকফ করে তাহলে ওয়াক্‌ফটি অবৈধ হবে। যদি এমন হয় ওয়াকফকারীর কিছু উদ্দেশ্য বৈধ এবং কিছু উদ্দেশ্য অবৈধ সেক্ষেত্রে উদ্দেশ্যের যতটুকু বৈধ ওয়াকফ, ততটুকু বৈধ হবে বাকী অংশ অবৈধ হবে।
১১,০৪৫.
‘C’ ‘Z’-এর কুকুরকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে অসাধুভাবে নিয়ে যায়, ‘Z’-এর সম্মতি ছাড়া। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৬ মাসের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৮ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধুভাবে তার অধিকারে থাকা চলমান সম্পত্তি নিয়ে যাওয়া চুরি হিসেবে গণ্য। ধারা ৩৭৮-এর ব্যাখ্যা ৪ অনুসারে, পশুকে প্রলোভন দিয়ে নিয়ে যাওয়া চুরি। এখানে, ‘C’ ‘Z’-এর কুকুরকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে অসাধুভাবে নিয়েছে, যা চুরি। ধারা ৩৭৯ অনুসারে, চুরির শাস্তি হলো ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।

------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-378. Theft:
-Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.-A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.-A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.-A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.-A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.-The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.

১১,০৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারায় নালিশকারীর প্রদানকৃত জবানবন্দির সারমর্মে স্বাক্ষর করবেন-
  1. কেবল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. কেবল নালিশকারী
  3. নালিশকারী ও ম্যাজিস্ট্রেট উভয়
  4. স্বাক্ষরের প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
নালিশকারী ও ম্যাজিস্ট্রেট উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নালিশকারী ও ম্যাজিস্ট্রেট উভয়
ব্যাখ্যা

- ফৌজদারী মামলা দায়ের করার জন্য অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হলে, অপরাধ আমলে নিতে ম্যাজিস্ট্রেট কি পদ্ধতি অনুসরণ করবে সেটাই ২০০ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম দায়িত্ব হলো নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা।  

- ২০০ ধারার বিধান করা হয়েছে,নালিশের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিচ্ছে এমন ম্যাজিস্ট্রেট অবিলম্বে বা তাৎক্ষণিকভাবে নালিশকারীকে বা উপস্থিত সাক্ষীগণের (যদি থাকে) মধ্যে যে কয়জনকে উপযুক্ত মনে করে তাদের শপথপূর্বক জবানবন্দি গ্রহণ করবেন এবং জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করবেন। নালিশকারী বা যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্ত জবানবন্দির সারমর্মে স্বাক্ষর করবেন।

- যে ক্ষেত্রে জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই-
ক. যেক্ষেত্রে লিখিত আকারে নালিশ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে ১৯২ ধারার অধীন মামলা স্থানান্তর করার পূর্বে নালিশকারী বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ বা পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই [ধারা ২০০(ক)]
খ. যেকোন মামলায় যেক্ষেত্রে আদালত লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করে [ধারা ২২০ (কক)] বা
গ. সরকারী কর্মকর্তা তার অফিসিয়াল দায়িত্ব পালনে লিখিত আকারে নালিশী দরখাস্ত দায়ের করে সেই ক্ষেত্রেও নালিশকারীর বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই [ধারা ২০০ (কক)]।

১১,০৪৭.
হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোনটি প্রযোজ্য নয়?
  1. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
  2. নতুন আইন প্রণয়ন করা
  3. আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা
সঠিক উত্তর:
নতুন আইন প্রণয়ন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন আইন প্রণয়ন করা
ব্যাখ্যা
'নতুন আইন প্রণয়ন করার' ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

• একটি মামলার ক্ষেত্রে কি পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে সে বিষয়ে যাবতীয় বিধি দেওয়ানী ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে রয়েছে। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, আদালতের কি করণীয় হবে সে বিষয়ে কোন সুস্পষ্ট বিধি নেই। এক্ষেত্রে ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে আদালত তার সুবিবেচনা অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনার জন্য যে ক্ষমতা প্রয়োগ করে, তাকেই আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of the court) বলে। 

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।

Section 561A: Saving of inherent power of High Court Division:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
১১,০৪৮.
Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ২য় অধ্যায় একজন আইনজীবীর কোন বিষয়ে আলোচনা করে?
  1. মক্কেলদের প্রতি আচরণ
  2. আদালতের প্রতি কর্তব্য
  3. জনসাধারণের প্রতি আচরণ
  4. অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ
সঠিক উত্তর:
মক্কেলদের প্রতি আচরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মক্কেলদের প্রতি আচরণ
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ২য় অধ্যায় একজন আইনজীবীর মক্কেলদের প্রতি আচরণ নিয়ে আলোচনা করে। এই অধ্যায়ে একজন আইনজীবী কীভাবে তার মক্কেলদের সাথে আচরণ করবেন, তাদের প্রতি তার দায়িত্ব ও কর্তব্য কী—সেই বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

মক্কেলদের প্রতি আচরণ-এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হলো:
মক্কেলের প্রতি বিশ্বস্ততা ও গোপনীয়তা বজায় রাখা।
মক্কেলকে সঠিক ও ন্যায্য পরামর্শ প্রদান করা।
মক্কেলকে মামলা করতে প্ররোচিত না করা।
মক্কেলের স্বার্থ রক্ষায় সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো।

অন্যদিকে:
খ) আদালতের প্রতি কর্তব্য (৩য় অধ্যায়ে আলোচিত)।
গ) জনসাধারণের প্রতি আচরণ (৪র্থ অধ্যায়ে আলোচিত)।
ঘ) অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ (১ম অধ্যায়ে আলোচিত)।
অতএব, Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ২য় অধ্যায় একজন আইনজীবীর মক্কেলদের প্রতি আচরণ নিয়ে আলোচনা করে।
১১,০৪৯.
কোন আইনজীবীর অসদাচরণের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হলে বার কাউন্সিল অভিযোগটি সংক্ষিপ্ত আকারে প্রত্যাখ্যান করতে পারে The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders,1972 এর _________ অনুচ্ছেদের অধীন?
  1. ৩২(২)
  2. ৩৪(২)
  3. ৩৩
  4. ৩৬(১)
সঠিক উত্তর:
৩২(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২(২)
ব্যাখ্যা
♦ক) বার কাউন্সিলের নিকট কোন আদালত বা ব্যক্তি কোন অ্যাডভোকেটের অসদাচরণের অভিযোগ দিলে, ৩২(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বার কাউন্সিল তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
♦খ) বার কাউন্সিল এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান না করে, ৩৩ অনুচ্ছেদের অধীন গঠিত বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের নিকট নিষ্পত্তির জন্য পাঠাতে পারে [অনু ৩২(২)] । 
♦গ) বার কাউন্সিল নিজ উদ্যোগে, কোন আইনজীবীর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলে ট্রাইব্যুনালে পাঠাতে পারে [৩২(২)]।
১১,০৫০.
দণ্ডবিধিতে কয়টি ব্যতিক্রমের উল্লেখ আছে যখন নিন্দনীয় নরহত্যা খুন বলে বিবেচিত হবে না?
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
♦খুন বলে গন্য হওয়া দণ্ডনীয় নরহত্যা এবং খুন বলে গন্য না হওয়া দণ্ডনীয় নরহত্যার মধ্যে মূখ্য পার্থক্যকারী উপাদান হলো ৩০০ ধারায় উল্লেখিত ৫টি ব্যতিক্রম পরিস্থিতি।
♦দণ্ডবিধি এর ৩০০ ধারায় উল্লিখিত খুনের সংজ্ঞায় ৫ টি ব্যতিক্রম আছে। যথা -
১. মারাত্মক বা আকস্মিক প্ররোচনায় সংযম হারাইয়া প্ররোচনাকারীকে বা ভুলক্রমে বা দূর্ঘটনাক্রমে অন্য ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
২. অপরাধী সরলমনে আত্মরক্ষার বা সম্পত্তি রক্ষায় কোনোরূপ পরিকল্পনা ব্যতীত মৃত্যু ঘটায়।
৩. অপরাধকারী সরকারি কর্মচারী হিসেবে বা কর্মচারীর সাহায্যকারী হিসেবে দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে আইনানুগ বলিয়া সরল মনে কর্তব্য পালন করতে যেয়ে মৃত্যু ঘটালে।
৪. পরিকল্পনা ব্যতীত আকস্মিক বিবাদের সময় উত্তেজনায় মৃত্যু ঘটলে।
৫. ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে স্বীয় সম্মতিতে মৃত্যু ঘটলে।
♦অর্থাৎ ৩০০ ধারার দ্বিতীয় অংশে ৫টি ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হয়েছে যেক্ষেত্রে নিষ্পনীয় নরহত্যা খুন বলে বিবেচিত হবে না অর্থাৎ শুধুমাত্র নিন্দনীয় নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে।
১১,০৫১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কত ধারায় অভিযুক্তের উপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ এর বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৩৫১
  2. ধারা ৩৫৩
  3. ধারা ৩৫৫
  4. ধারা ৩৫৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫৩
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৫৩ – অভিযুক্তের উপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ:
যদি আইনে অন্যভাবে স্পষ্টভাবে কিছু না বলা থাকে, তবে অধ্যায় XX, XXII এবং XXIII-এর অধীনে যেসব সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়- সেগুলো অবশ্যই অভিযুক্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে গ্রহণ করতে হবে।

তবে, যদি আদালত অভিযুক্তের ব্যক্তিগত উপস্থিতি মওকুফ (dispense) করে, তাহলে সাক্ষ্য গ্রহণ করতে হবে তার আইনজীবীর (pleader) উপস্থিতিতে।

১১,০৫২.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত হতে পারে?
  1. ছয় মাস
  2. এক বছর
  3. দুই বছর
  4. তিন বছর
সঠিক উত্তর:
তিন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির বিভিন্ন ধারায় মুচলেকার মেয়াদ ভিন্ন হলেও, শান্তি রক্ষার জন্য সর্বোচ্চ মুচলেকার মেয়াদ তিন বছর পর্যন্ত হতে পারে। যেমন, ধারা ১০৬ ও ধারা ১১০ অনুযায়ী দণ্ডপ্রাপ্ত বা অভ্যাসগত অপরাধীদের ক্ষেত্রে মুচলেকার মেয়াদ অনধিক তিন বছর ধার্য করা হয়েছে। অন্য ধারাগুলোর মুচলেকার মেয়াদ সাধারণত এক বছরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। তাই সামগ্রিকভাবে শান্তি রক্ষার জন্য সর্বোচ্চ মেয়াদ তিন বছর।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির মুচলেকার মেয়াদ:
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৬ দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৭ দণ্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৮ রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৯ ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১০ অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।
⇒ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে সর্বোচ্চ ৩ বছর।
১১,০৫৩.
নিম্মলিখিত কোন আদেশের অধীন প্রদত্ত আদেশের বিরূদ্ধে আপীল করা যায়?
  1. ৬ আদেশের ১৭ বিধির অধীন
  2. ৭ আদেশের ১০ বিধির অধীন
  3. ৮ আদেশের ১০ বিধির অধীন
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ বিধি ১ মতে ৭ আদেশের ১০ বিধির অধীন আরজি ফেরতের বিরূদ্ধে এবং ৮ আদেশের ১০ বিধির অধীন বিবাদীর বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার ক্ষেত্রে আপিল করা যায়।
১১,০৫৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কোন ধরনের আইন?
  1. পদ্ধতিগত আইন
  2. মৌলিক আইন
  3. ফৌজদারি আইন
  4. দণ্ডমূলক আইন
সঠিক উত্তর:
মৌলিক আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলিক আইন
ব্যাখ্যা
• মৌলিক আইন [Substantive Law]:
যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।

অপরদিকে,
 ⇒ যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law] বলে। যেমন: ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।
১১,০৫৫.
চুক্তি প্রবলের মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদকাল কত বছর?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী,

চুক্তি প্রবলের মামলা করার তামাদির মেয়াদ হচ্ছে এক বছর, অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ১২ ধারার অধীন চুক্তি প্রবলের মামলা করতে হবে এক বছরের মধ্যে।
১১,০৫৬.
একজন দুষ্কর্মে সহযোগী যোগ্য সাক্ষী হবে-
  1. পরিচিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে
  2. খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে
  3. ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির বিরুদ্ধে
  4. সহযোগী আসামির বিরুদ্ধে
সঠিক উত্তর:
সহযোগী আসামির বিরুদ্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহযোগী আসামির বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৩৩- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
 
Section 133- Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
১১,০৫৭.
ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা দিতে হবে এই বিধানটি রয়েছে দেওয়ানী কার্যবিধি -
  1. ৮৮ ধারায়
  2. আদেশ-৩৫ বিধি-১
  3. আদেশ-৩৫ বিধি-২
  4. আদেশ-৩৫ বিধি-৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৩৫ বিধি-২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৩৫ বিধি-২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।  স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবি ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।

⇒ তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

⇒ আদেশ ৩৫ বিধি-১। ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় আর্জি (Plaint in interpleader-suits): ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় প্রত্যেকটি মোকদ্দমার আরজিতে নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি বিবৃত করতে হবে - বাদী মোকদ্দমার খরচের জন্য ব্যয়িত দাবি ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবি করে না; বিবাদীগণ কর্তৃক দাবিসমূহ পৃথকভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ যোগসাজশ বা ষড়যন্ত্র নেই।
⇒আদেশ-৩৫, বিধি-২: দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদান- যেক্ষেত্রে দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদানের বা আদালতের হেফাজতে রাখার যোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে মামলায় বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে বাদীকে তা অনুরূপভাবে আদালতে প্রদান করতে তলব করা যেতে পারে। 

অর্থাৎ আদেশ-৩৫, বিধি-২ অনুসারে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা দিতে হবে।
--------------------------------
⇒CPC Order-35 Rule-1: Plaint in interpleader suits:
-In every suit of interpleader the plaint shall, in addition to other statements necessary for plaints, state-
(a) that the plaintiff claims no interest in the subject-matter in dispute other than for charges or costs; 
(b) the claims made by the defendants severally; and
(c) that there is no collusion between the plaintiff and any of the defendants. 

⇒ CPC Order-35 Rule-2: Payment of thing claimed into Court:
-Where the thing claimed is capable of being paid into Court or placed in the custody of the Court, the plaintiff may be required to so pay or place it before he can be entitled to any order in the suit. 
১১,০৫৮.
কোনো দেওয়ানি আপিল একতরফাভাবে খারিজ বা নিষ্পত্তি হয়ে গেলে শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে গেলে আদালত সর্বোচ্চ কত টাকা খরচা প্রদানের আদেশ দিতে পারেন?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-১২ক- আপিল মুলতুবি (Adjournment in appeal): 
আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না । ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত নূন্যতম ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
• আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে।
• প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।

- একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে।
- তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।
- কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন।
১১,০৫৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ১ অনুযায়ী আরজিতে কয়টি বিষয় উল্লেখ করতে হয়?
  1. ৫টি
  2. ১১টি
  3. ৯টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ৭ এর বিধি ১ অনুযায়ী আরজিতে ৯টি বিষয়  উল্লেখ  করতে হয়।
১। আদালতের নাম
২। বাদীর নাম, ঠিকানা,
৩। বিবাদীর নাম ঠিকানা
৪। নাবালক হলে তার বিবরণ
৫। মামলার উৎপত্তি সময় ও কারন
৬। আদালতের এখতিয়ার
৭। বাদীর দাবিকৃত প্রতিকার
৮। আর্থিক মূল্য সংক্রান্ত বিবরণ
৯। যেক্ষেত্রে বাদী তার আংশিক দাবি পারস্পরিক পরিশোধে সম্মত হয়েছে বা বর্জন করেছে সেক্ষেত্রে অনুরূপ পরিশোধ বা বর্জন।
----------------
CPC-Order-7 Rule-1: Particulars to be contained in plaint:
-The plaint shall contain the following particulars:−
(a) the name of the Court in which the suit is brought;
(b) the name, description and place of residence of the plaintiff;
(c) the name, description and place of residence of the defendant, so far as they can be ascertained;
(d) where the plaintiff or the defendant is a minor or a person of unsound mind, a statement to that effect;
(e) the facts constituting the cause of action and when it arose;
(f) the facts showing that the Court has jurisdiction;
(g) the relief which the plaintiff claims;
(h) where the plaintiff has allowed a set-off or relinquished a portion of his claim, the amount so allowed or relinquished; and
(i) a statement of the value of the subject-matter of the suit for the purposes of jurisdiction and of court-fees, so far as the case admits.
১১,০৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির প্রতি কী ধরনের আচরণ করা উচিত?
  1. তাকে সর্বোচ্চ কঠোরভাবে আটকে রাখা উচিত
  2. তাকে সবসময় একক কারাবন্দী রাখা উচিত
  3. তাকে কখনই হাতকড়া পরানো উচিত নয়
  4. তাকে পলায়ন ঠেকাতে যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই নিয়ন্ত্রণ করা উচিত
সঠিক উত্তর:
তাকে পলায়ন ঠেকাতে যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই নিয়ন্ত্রণ করা উচিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে পলায়ন ঠেকাতে যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই নিয়ন্ত্রণ করা উচিত
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (The Code of Criminal Procedure, 1898) ধারা ৫০ অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির প্রতি অযথা নিয়ন্ত্রণ বা বাধা প্রয়োগ করা যাবে না। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির উপর শুধুমাত্র ততটুকু নিয়ন্ত্রণ বা বাধা প্রয়োগ করা যাবে, যতটুকু তার পলায়ন ঠেকানোর জন্য প্রয়োজন। এর অর্থ হলো, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির প্রতি অহেতুক কঠোরতা বা অতিরিক্ত শারীরিক বাধা প্রয়োগ করা আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে।
অর্থাৎ ধারা ৫০ অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির প্রতি শুধুমাত্র পলায়ন রোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ প্রয়োগ করা উচিত। এটি নিশ্চিত করে যে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির প্রতি অযথা কঠোরতা বা অমানবিক আচরণ করা হবে না। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-50. No unnecessary restraint:
The person arrested shall not be subjected to more restraint than is necessary to prevent his escape.

১১,০৬১.
নিম্নের ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর কোন ধারাগুলো দণ্ড স্থগিত, মওকুফ এবং হ্রাস সংক্রান্ত?
  1. ৪১০, ৪১১, ৪১২
  2. ৪০১, ৪০২, ৪০২ক
  3. ৪০৭, ৪০৮, ৪০৯
  4. ৪০৫, ৪০৬, ৪০৭
সঠিক উত্তর:
৪০১, ৪০২, ৪০২ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০১, ৪০২, ৪০২ক
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৪০১, ৪০২, ৪০২ক এই ৩ টি ধারা হচ্ছে, দণ্ড স্থগিত বা মওকুফ বা হ্রাস সংক্রান্ত।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারায় সরকার কোন দণ্ডিত আসামিকে তার দণ্ড কার্যকর স্থগিত করতে পারে বা শাস্তির যে কোন অংশ বা সম্পূর্ণ অংশ মওকুফ করতে পারেন।

অন্যদিকে,
সরকার ৪০২ ধারায় দণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন করে অন্য যে কোন দণ্ড দিতে পারেন। উক্ত ধারায় অর্থাৎ ৪০২ ধারায় বলা হয়েছে যে, সরকার দণ্ডিত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়াই রদবদল করে ইহার পরে উল্লিখিত যেকোনো দণ্ড দিতে পারবেন-
 
⇒ মৃত্যুদণ্ড,
⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড,
⇒ আসামী সে সময়ের জন্য দণ্ডিত হতে পারত তার অনধিক সময়ের জন্য সশ্রম কারাদণ্ড,
⇒ অনুরূপ মেয়াদের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা।
 
৪০২ (২) ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই ধারাটি কোন ভাবেই দণ্ডবিধির ৫৪ বা ৫৫ ধারা আক্রান্ত করবে না এবং সবশেষে ৪০২ক ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪০১ এবং ৪০২ ধারায়, সরকারকে যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে, মহামান্য রাষ্ট্রপতিও একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
১১,০৬২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭নং আদেশের ৩নং বিধি অনুসারে, যদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু অস্থাবর সম্পত্তি হয়, তবে বাদীর দরখাস্তে কী থাকতে হবে?
  1. সম্পত্তির মূল্যের বিবরণ
  2. সম্পত্তির মালিকানার বিবরণ
  3. সম্পত্তি সনাক্তকরণের জন্য যথেষ্ট বর্ণনা
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি সনাক্তকরণের জন্য যথেষ্ট বর্ণনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি সনাক্তকরণের জন্য যথেষ্ট বর্ণনা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭নং আদেশের ৩নং বিধি-
যদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু অস্থাবর সম্পত্তি হয়, তবে উক্ত সম্পত্তি সনাক্তকরণের জন্য যথেষ্ট বর্ণনা বাদীর দরখাস্তে (plaint) উল্লেখ থাকতে হবে, এবং যদি উক্ত সম্পত্তি সীমানা বা জরিপ নথিতে নম্বর দ্বারা সনাক্ত করা যায়, তবে দরখাস্তে সেই সীমানা বা নম্বর নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।

[Where the subject-matter of the suit is immoveable property, the plaint shall contain a description of the property sufficient to identify it, and, in case such property can be identified by bounderies or numbers in a record of settlement of survery, the plaint shall specify such bounderies or numbers.]
১১,০৬৩.
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 অনুসারে বাংলা বৎসর বলতে অন্তর্ভুক্ত হবে-
  1. বৈশাখ মাসের শেষ দিন সমাপ্ত হয় এমন কোন বৎসর।
  2. ফাল্গুন মাসের শেষ দিন সমাপ্ত হয় এমন কোন বৎসর।
  3. মাঘ মাসের শেষ দিন সমাপ্ত হয় এমন কোন বৎসর।
  4. চৈত্র মাসের শেষ দিন সমাপ্ত হয় এমন কোন বৎসর।
সঠিক উত্তর:
চৈত্র মাসের শেষ দিন সমাপ্ত হয় এমন কোন বৎসর।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৈত্র মাসের শেষ দিন সমাপ্ত হয় এমন কোন বৎসর।
ব্যাখ্যা
-  অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ অনুসারে, বাংলা বৎসর অর্থ চৈত্র মাসের শেষ দিন সমাপ্ত হয় এমন কোন একটি বৎসর।
- অন্যদিকে, রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীন বাংলা বৎসর বলতে ১লা বৈশাখে শুরু হয় এমন কোন বৎসর বোঝানো হয়েছে।
- সুতরাং অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এবং রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০-এ উল্লেখিত বাংলা বৎসর একই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- কারণ চৈত্র মাস শেষের মাধ্যমে ১লা বৈশাখ শুরু হয়।
---------------
- Section 2(1) “Bengali year” means a year ending on the last day of the Bengali month of Chaitra.
১১,০৬৪.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৩খ অনুযায়ী, ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য আদালত কাকে হাজির হতে আদেশ দিতে পারে?
  1. শুধুমাত্র চিকিৎসক
  2. শুধুমাত্র আইনজীবী
  3. যাঁর নমুনা প্রয়োজন, তাঁকে
  4. কেবল তদন্তকারী কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
যাঁর নমুনা প্রয়োজন, তাঁকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাঁর নমুনা প্রয়োজন, তাঁকে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৩খ(২) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তির রক্ত, বীর্য, চুল, ডিএনএ নমুনা, আঙুলের ছাপ বা অন্য কোনো শারীরিক নমুনার মালিকানা বা উৎপত্তি নিয়ে সন্দেহ থাকে, তাহলে আদালত ওই ব্যক্তিকে হাজির হতে নির্দেশ দিতে পারে।
- এটি ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে নমুনা যাচাই করার জন্য প্রয়োজনীয়, যাতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে নমুনাটি প্রকৃতপক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরই কিনা।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৩খ(২) অনুসারে, ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে (যার নমুনা যেমন - রক্ত, ডিএনএ, আঙুলের ছাপ ইত্যাদি প্রয়োজন) আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিতে পারে।
১১,০৬৫.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার ক্ষমতা সম্পর্কে নিম্নলিখিত কোন বিবৃতি সঠিক?
  1. আদালতের অনুমতি ছাড়া সাক্ষীকে জেরা করা যাবে
  2. বিচারক শুধুমাত্র রায় প্রদানের আগে প্রশ্ন করতে পারেন
  3. এই ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্গত
  4. পক্ষগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে আপত্তি করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
এই ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্গত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এই ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্গত
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারা: বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা-
বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন। তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।

উল্লেখ্য,
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় Inquisitorial system এর বিধান রয়েছে। এখানে বিচারক একজন আইনজীবী ও তদন্তকারীর ভূমিকা পালন করেন।
⇒ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।
⇒ এই ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।
⇒ এই ধারার ক্ষমতাবলে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আদালত মামলার পক্ষ বা সাক্ষী অথবা কোন ব্যক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারে।
১১,০৬৬.
মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত অপরাধসমূহ ___________ কর্তৃক বিচার্য হবে।
  1. স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল
  2. মাদকদ্রব্য ট্রাইব্যুনাল
  3. এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত
  4. শুধুমাত্র দায়রা আদালত
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৪৪: অপরাধের বিচার, ইত্যাদি:
(১) এই আইনের অধীন মাদকদ্রব্য অপরাধসমূহ অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক বিচার্য হইবে।

(২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সংশ্লিষ্ট দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, উহার এখতিয়ারাধীন এলাকার জন্য, কেবল মাদকদ্রব্য অপরাধ বিচারের নিমিত্ত, প্রয়োজনে, এক বা একাধিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত নির্দিষ্ট করিবেন।
১১,০৬৭.
A, B কে একটি দেওয়ানী মোকদ্দমা পরিচালনা হতে বিরত করার উদ্দেশ্যে B এর ঘর পুড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখায়। উক্ত অপরাধ The Penal Code, 1860 এর কোন ধারাকে আকৃষ্ট করে?
  1. ৫০৩
  2. ৫০৪
  3. ৫০১
  4. ৫০২
সঠিক উত্তর:
৫০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০৩
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারার বিধান অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করা:- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তিকে তার দেহের, খ্যাতির বা সম্পত্তির অথবা সে ব্যক্তি যার সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন কোন লোকের দেহের বা খ্যাতির ক্ষতি বা হানি করার ভীতি প্রদর্শন করে এবং সে ব্যক্তির ভয় সরকারের উদ্দেশ্যে অথবা সে ব্যক্তিকে হুমকি হতে বাঁচার জন্য সে আইনতঃ যা করতে বাধ্য নয়, তাকে তা করতে বাধ্য করায়, অথবা সে আইনত যা করার ক্ষমতা সম্পন্ন, তাকে তা করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ ভীতি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করেছে।
ব্যাখ্যা:- ভীতি প্রদর্শিত ব্যক্তির স্বার্থ নিহিত আছে এমন কোন মৃত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শন এই ধারার আওতাধীন হবে।

⇒ উদাহরণ:
ক খ-কে একটি দেওয়ানী মামলা পরিচালনা করা হতে বিরত করার জন্য খ-এর বাড়ি পুড়ে ফেলার ভীতি প্রদর্শন করে, ক অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে।
-----------
⇒ The Penal Code,1860- Section 503. Criminal Intimidation:
- Whoever threatens another with any injury to his person, reputation or property, or to the person or reputation of any one in whom that person is interested, with intent to cause alarm to that person, or to cause that person to do any act which he is not legally bound to do, or to omit to do any act which that person is legally entitled to do, as the means of avoiding the execution of such threat, commits criminal intimidation.
Explanation:- A threat to injure the reputation of any deceased person in whom the person threatened is interested, is within this sect on.

⇒ Illustration:
A, for the purpose of inducing B to desist from prosecuting a civil suit, threatens to burn B's house. A is guilty of criminal intimidation.
১১,০৬৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কত আদেশে রিভিউ সম্পর্কে বিধান আছে?
  1. ৪১ আদেশ
  2. ৪৩ আদেশ
  3. ৪৭ আদেশ
  4. ৪৫ আদেশ
সঠিক উত্তর:
৪৭ আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭ আদেশ
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৪৭ এর মাঝে রিভিউ বিধান আছে।  এই আদেশ অনুযায়ী রিভিউ হলো ডিক্রী প্রদানকারী আদালত কর্তৃক নিজের ভুল সংশোধনের জন্য বিচারিক পর্যালোচনা।
⇒ যে পক্ষ সংক্ষুব্ধ হবে সে পক্ষ রিভিউ করবে।
৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ করতে হবে। (ধারা ১১৪)
১১,০৬৯.
দেওয়ানি আদালত কর্তৃক উত্তরাধিকার সম্পর্কিত বিষয়ে কোন আইন প্রযোজ্য হবে?
  1. দেওয়ানি আইন
  2. সম্পত্তি সংক্রান্ত আইন
  3. বিশেষ অধিকার আইন
  4. ব্যক্তিগত ধর্মীয় আইন
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ধর্মীয় আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ধর্মীয় আইন
ব্যাখ্যা
⇒ The Civil Courts Act,1887 আইনের ৩৭ ধারায় কতিপয় বিষয়ে রাষ্ট্রীয় আইন নয় বরং হিন্দু এবং মুসলিমদের ধর্মীয় আইনের বিধানকে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

⇒ The Civil Courts Act,1887 এর ৩৭ ধারায় বলা হয়েছে-
"কোন মামলা বা কার্যধারায় দেওয়ানি আদালত কর্তৃক উত্তরাধিকার ও ওয়ারিশী, বিবাহ বা ব্যক্তিগত ধর্মীয় আচরণ বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত বিষয়ে পক্ষগন হিন্দু হলে হিন্দু আইন এবং মুসলিম হলে মুসলিম আইন প্রযোজ্য হবে।"
----------------
⇒ The Civil Courts Act,1887, Section 37- Certain decisions to be according to local law:
(1) Where in any suit or other proceeding it is necessary for a Civil Court to decide any question regarding succession, inheritance, marriage or caste, or any religious usage or institution, the Muslim law in cases where the parties are Muslim, and the Hindu law in cases where the parties are Hindus, shall form the rule of decision except in so far as such law has, by legislative enactment, been altered or abolished.
(2) In cases not provided for by sub-section (1) or by any other law for the time being in force, the Court shall act according to justice, equity and good conscience.
১১,০৭০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় কোন ক্ষেত্রের জন্য আদালত ঘোষণা করতে পারেন?
  1. কোনো চুক্তি সম্পাদন
  2. সম্পত্তির মালিকানার প্রশ্ন
  3. দখল পুনরুদ্ধারের জন্য
  4. একটি ব্যক্তিগত চুক্তির বৈধতা
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির মালিকানার প্রশ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির মালিকানার প্রশ্ন
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা অনুযায়ী, আদালত সম্পত্তির মালিকানার প্রশ্ন বা আইনগত পরিচয় সম্পর্কিত ঘোষণা দিতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি তার সম্পত্তির মালিকানা অস্বীকার করা হয়, তবে সে আদালতে একটি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে, যাতে আদালত তার মালিকানা প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
- ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation - A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
১১,০৭১.
দণ্ডবিধির ধারা ৫৫ অনুসারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কে হ্রাস করতে পারে?
  1. পুলিশ
  2. সরকার
  3. আদালত
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৫৫ ধারা ("Commutation of sentence of imprisonment for life") অনুযায়ী: সরকার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত কোনো ব্যক্তির শাস্তি অনূর্ধ্ব ২০ (সর্বোচ্চ ২০) বছর কারাদণ্ডে রূপান্তর করতে পারেন। এটি অপরাধীর সম্মতি ছাড়াই করা যায়। রূপান্তরিত দণ্ড সশ্রম (Rigorous) বা বিনাশ্রম (Simple) কারাদণ্ড হতে পারে।
- সরকার ২০ বছরের বেশি মেয়াদ নির্ধারণ করতে পারবেন না।

⇒ দণ্ডবিধির ৫৫ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:- যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 55. Commutation of sentence of imprisonment for life:- In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.

১১,০৭২.
আদালত সাধারণত কোন ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে আংশিক কার্যসম্পাদানের আদেশ দিতে পারে?
  1. যেখানে অসম্পাদিত অংশ সমগ্র চুক্তির তুলনায় ছোট
  2. যেখানে অসম্পাদিত অংশ চুক্তির স্বতন্ত্র অংশ
  3. যেখানে অসম্পাদিত অংশ সমগ্র চুক্তির তুলনায় বড়
  4. 'ক' ও 'খ' উভয়
সঠিক উত্তর:
'ক' ও 'খ' উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' ও 'খ' উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।
⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারার বিধান কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর অংশ এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটি পালন করতে সমর্থ না হয় কিংবা ঐ অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য না হয়, তাহলে ঐ পক্ষ চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি লাভের অধিকারী হবে না। তবে চুক্তির বৃহত্তর অংশ সম্পাদনের এবং ক্ষতিপূরণ লাভের সমস্ত অধিকার ত্যাগ করলে আদালত বিবাদীকে ক্ষুদ্রতর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের নির্দেশ দিতে পারবে।
⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ বড় হলে, সাধারণত ঐ চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ দেয়া যায় না, তবে বাদী ক্ষতিপূরণের দাবি পরিত্যাগ করলে যতটুকু অংশ সম্পাদনযোগ্য তা সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন।


⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারার বিধান কোন চুক্তির স্বাতন্ত্র্য অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনঃ যখন চুক্তির একটি অংশের স্বাতন্ত্র্যভাবে সুনির্দিষ্টভাবে কাজ সম্পাদন করা যায় বা করা আবশ্যক হয় এবং তা একই চুক্তির এমন অন্য অংশ হতে স্বাতন্ত্র্য এবং স্বাধীনভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যাবে না বা করা আবশ্যক নহে, তাহলে আদালত পূর্ববর্তী অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারামতে কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, একটি অংশ আপনা-আপনি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনযোগ্য এবং অপর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য নয় এবং প্রথম অংশটি দ্বিতীয় অংশ থেকে ভিন্ন ও স্বাধীন (Separate and independent) হয়, তাহলে আদালত ঐ চুক্তির প্রথম অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে পালনের নির্দেশ দিতে পারবে।
--------------------------
⇒ Section 14 Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
 Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.

⇒ Section 15 Specific performance of part of contract where part unperformed is large: Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, and the part which must be left unperformed forms a considerable portion of the whole, or does not admit compensation in money, he is not entitled to obtain a decree for specific performance. But the Court may, at the suit of the other party, direct the party in default to perform specifically so much of his part of the contract as he can perform, provided that the plaintiff relinquishes all claim to further performance, and all right to compensation either for the deficiency, or for the loss or damage sustained by him through the default of the defendant.

⇒ Section 16 Specific performance of independent part of contract.-When a part of a contract which, taken by itself, can and ought to be specifically performed, stands on a separate and independent footing from another part of the same contract which cannot or ought not to be specifically performed, the Court may direct specific performance of the former part.
১১,০৭৩.
"Every agreement in restrain of the marriage of any person, other than a minor, is void." চুক্তি আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ২৩
  2. ২৫
  3. ২৬
  4. ২৭
সঠিক উত্তর:
২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬
ব্যাখ্যা
⇒ The Contract Act, 1872 Section 26. Agreement in restraint of marriage void:
 Every agreement in restrain of the marriage of any person, other than a minor, is void.
--------------
⇒ চুক্তি আইনের ২৬ ধারার বিধান: বিবাহে প্রতিবন্ধক সম্মতি বাতিল: 
- নাবালক ছাড়া কোন ব্যক্তির বিবাহের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী প্রত্যেকটি সম্মতি বাতিল। 
১১,০৭৪.
গুরুতর আঘাত করার জন্য মাসুদ এর বিচার করে দণ্ডিত করার পর আহত ব্যক্তি মারা গেলো। ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা মোতাবেক অপরাধজনক নরহত্যার দায়ে পুনরায় মাসুদ এর বিচার করা যাবে?
  1. ৪০৩(১)
  2. ৪০৩(২)
  3. ৪০৩(৩)
  4. কোনটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
৪০৩(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০৩(৩)
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৩(৩) অনুসারে যখন কোন ব্যক্তি কোন কার্যদ্বারা সৃষ্ট কোন অপরাধে দণ্ডিত হয় (এক্ষেত্রে গুরুতর আঘাত) এবং উক্ত কার্য ও তার প্রতিক্রিয়া সমন্বয়ে তদপেক্ষা ভিন্ন ধরনের একটি অপরাধ সৃষ্টি হয় (এক্ষেত্রে নরহত্যা) , তখন উক্ত প্রতিক্রিয়া না ঘটে থাকে বা ঘটেছে বলে আদালত অবহিত না থাকলে পরবর্তীতে শেষোক্ত অপরাধের (নরহত্যা)  জন্য বিচার করা যাবে।
১১,০৭৫.
The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ধারা ১৪১-এর অধীন, চেকের অপরাধের জন্য অভিযোগ কত দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
১ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৪১(খ) অনুযায়ী, ধারা ১৩৮-এর অধীন চেকের অপরাধের জন্য অভিযোগ অবশ্যই সেই তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে দায়ের করতে হবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর দফা (গ)-এর অধীন কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়। এই এক মাস সময়সীমা ধারা ১৩৮-এর দফা (গ) অনুসারে কার্যকারণের কারণ সৃষ্টির তারিখ থেকে গণনা করতে হবে। সময়সীমা অতিক্রম করলে আদালত অভিযোগ আমলে নেবেন না।

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ ধারা ১৪১: ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (অধ্যাদেশ নং V of 1898)-এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নিম্নলিখিত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে:
(ক) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধের বিচার কেবলমাত্র সেই ক্ষেত্রে আমলে নেওয়া যাইবে, যদি উক্ত অপরাধের জন্য অভিযোগ লিখিতভাবে দায়ের করা হয় এবং উক্ত অভিযোগটি চেকের প্রাপক বা ক্ষেত্রবিশেষে চেকের যথাযথ অধিকারপ্রাপ্ত ধারক কর্তৃক দাখিল করা হয়;
(খ) এইরূপ অভিযোগ অবশ্যই সেই তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে দায়ের করিতে হইবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর দফা (গ)-এর অধীন কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়;
(গ) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ বিচার করিবার ক্ষমতা সেশন আদালতের অধস্তন কোনো আদালতের থাকিবে না।

⇒ The Negotiable Instruments Act, 1881: Section 141: Cognizance of offences:
Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898),- 
(a) no court shall take cognizance of any offence punishable under section 138 except upon a complaint, in writing, made by the payee or, as the case may be, the holder in due course of the cheque; 
(b) such complaint is made within one month of the date on which the cause of action arises under clause (c) of the proviso to section 138; 
(c) no court inferior to that of a Court of Sessions shall try any offence punishable under section 138.

১১,০৭৬.
The Court’s power under Section 52 of The Specific Relief Act, 1877 is-
  1. Limited
  2. Permanent
  3. Mandatory
  4. Discretionary
সঠিক উত্তর:
Discretionary
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Discretionary
ব্যাখ্যা

Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:

আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

১১,০৭৭.
'Marshalling Securities' সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর কত ধারার বিধান?
  1. ৮০ ধারা
  2. ৮১ ধারা
  3. ৮২ ধারা
  4. ৮৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৮১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮১ ধারা
ব্যাখ্যা

Transfer of Property Act, 1882-এর ধারা ৮১-“Marshalling Securities”:
যদি কোনো ব্যক্তি (মালিক) দুই বা তার বেশি সম্পত্তি (properties) কোনো একজন ব্যক্তির কাছে বন্ধক (mortgage) রাখেন,
এবং তারপর সেই সম্পত্তিগুলোর মধ্যে এক বা একাধিক সম্পত্তি আবার অন্য ব্যক্তির কাছে বন্ধক রাখেন, তাহলে- দ্বিতীয় (পরবর্তী) বন্ধকগ্রহীতা (subsequent mortgagee) যতক্ষণ পর্যন্ত বিপরীত কোনো চুক্তি না থাকে- এই অধিকারের অধিকারী হবেন যে, আগের বন্ধকের টাকা (prior mortgage-debt) সেই সম্পত্তি বা সম্পত্তিগুলো থেকে পরিশোধ করা হবে যেগুলো দ্বিতীয় বন্ধকগ্রহীতার কাছে বন্ধক রাখা হয়নি, যতদূর পর্যন্ত তা সম্ভব হয়।

তবে এই অধিকার এভাবে প্রয়োগ করা যাবে না যাতে-
আগের বন্ধকগ্রহীতার (prior mortgagee) অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়, অথবা এমন কোনো ব্যক্তির অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হয় যিনি বিনিময়ে (for consideration) ঐ সম্পত্তির কোনো স্বার্থ অর্জন করেছেন।

ধরা যাক-
মালিক A-এর দুটি জমি আছে X ও Y। তিনি দুটোই B-এর কাছে বন্ধক রাখলেন (প্রথম বন্ধক)। পরে A, জমি Y-কে আবার C-এর কাছে বন্ধক রাখলেন (দ্বিতীয় বন্ধক)। এখন, C (দ্বিতীয় বন্ধকগ্রহীতা) কোর্টে বলতে পারেন— “প্রথম বন্ধকের টাকা আগে জমি X থেকে পরিশোধ করা হোক, যাতে আমার বন্ধককৃত জমি Y-এর উপর চাপ না পড়ে।” এটিই হলো Marshalling- অর্থাৎ, একাধিক সম্পত্তি বন্ধক রাখা হলে, পরবর্তী বন্ধকগ্রহীতার স্বার্থ রক্ষার জন্য আদালত ন্যায়সঙ্গতভাবে নির্ধারণ করতে পারে কোন সম্পত্তি থেকে আগে ঋণ পরিশোধ হবে।

১১,০৭৮.
What is the purpose of issuing a commission under Order 26 Rule 13 of The Code of Civil Procedure, 1908?
  1. To examine or adjust accounts
  2. To examine witness
  3. To make partition of property
  4. To make local investigation
সঠিক উত্তর:
To make partition of property
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To make partition of property
ব্যাখ্যা
Order 26 Rule 13: Commission to make partition of immovable property:
Where a preliminary decree for partition has been passed, the Court may, in any case not provided for by section 54, issue a commission to such person as it thinks fit to make the partition or separation according to the rights as declared in such decree.

আদেশ ২৬ বিধি-১৩: স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য কমিশন:
যেক্ষেত্রে বাটোয়ারার জন্য প্রাথমিক ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে সেক্ষেত্রে বিষয়টি ৫৪ ধারার বিধান না হলে, আদালত যে ব্যক্তিকে উপযুক্ত মনে করবেন তার নিকট উক্ত ডিক্রিতে ঘোষিত অধিকার অনুসারে বণ্টন কিংবা পৃথকীকরণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারে।
১১,০৭৯.
'Preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do' – এটিকে কোন ধরণের প্রতিকার বলে গণ্য করা হয়?
  1. আদেশাত্মক প্রতিকার
  2. নিরোধমূলক প্রতিকার
  3. প্রতিশোধমূলক প্রতিকার
  4. ন্যায়পরভিত্তিক প্রতিকার
সঠিক উত্তর:
নিরোধমূলক প্রতিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরোধমূলক প্রতিকার
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা- 
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
 
 ⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারামতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন মোট ৫ প্রকার সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় যার মধ্যে ৪টি আদেশাত্মক প্রতিকার এবং ১টি নিষেধাত্মক বা নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।
 
 ⇒ ৫ ধারার ক, খ, ঘ এবং ও অনুচ্ছেদের ৪টি প্রতিকার হলো আদেশাত্মক প্রতিকার। অন্যদিকে, ৫ ধারার গ অনুচ্ছেদের (কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখা) প্রতিকারটি নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)
১১,০৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯খ এর অধীন সরেজমিনে পরিদর্শন(Local inspection) এর এখতিয়ার আছে-
  1. পুলিশের
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের
  3. যেকোনো ব্যক্তির
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৯খ (সরেজমিনে পরিদর্শন)-

১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে, যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনা হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্তে বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে, অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।

২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।

Sec 539B: Local inspection
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.

(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:
১১,০৮১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারায় আদালত কয়টি ক্ষেত্রে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করেতে পারে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধানে বলা আছে যে,
বিবাদী যখন বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা ভোগ দখলে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা করার হুমকি দেয়, তখন আদালত ৫টি ক্ষেত্রে বিবাদীর বিরুদ্ধে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করেতে পারে।

(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
১১,০৮২.
মুসলিম আইনে ইজাব কি?
  1. প্রতিদান
  2. ইজমা
  3. গ্রহণ
  4. প্রস্তাব
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাব
ব্যাখ্যা
⇒ Marriage এর আরবি শব্দ হলো 'Nikah যার আক্ষরিক অর্থ হলো একত্রে আংশগ্রহণ Joining Together। বিবাহ হলো যৌন সহবাস এবং সন্তান উৎপাদনের বৈধতার চুক্তি।

ইসলামে বিবাহ হলো একটি চুক্তি (দেওয়ানী চুক্তি) কোন ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান [Religious Sacramenti না। কারণ বিবাহের বৈধতার জন্য প্রস্তাব [Offer] এবং গ্রহণ (Acceptance) হলো বিবাহের দুইটি মৌলিক শর্ত এবং বিবাহের বৈধতার জন্য কোন নির্দিষ্ট ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক না।

⇒ আইনগত উপাদান/শর্তসমূহ
১. প্রস্তাব (Offer) বা (Ijab)
২. গ্রহণ ( Acceptance) বা (Qabul)
৩. সাক্ষীদের উপস্থিতি (Presence of Witnesses)

বিবাহের এক পক্ষ কর্তৃক অপর পক্ষকে প্রস্তাব প্রদান এবং অপর পক্ষ কর্তৃক উক্ত প্রস্তাব গ্রহণ হলো মুসলিম বিবাহের পূর্ব শর্ত। প্রস্তাব ও গ্রহণ একই বৈঠকে সম্পন্ন করতে হবে।

⇒ সাক্ষী (Witness) প্রাপ্ত বয়স্ক এবং যোগ্যতা সম্পন্ন সাক্ষীদের উপস্থিতিতে একপক্ষ কর্তৃক প্রস্তাব প্রদান করা হবে এবং অন্য পক্ষ কর্তৃক প্রস্তাব গ্রহণ করতে হবে।
১১,০৮৩.
স্থাবর সম্পত্তির দখল লাভের জন্য আনীত মামলার তামাদির মেয়াদ ১২ বছর। কোন অনুচ্ছেদে এটি উল্লেখ রয়েছে?
  1. ১৪৬
  2. ১৪১
  3. ১৪৫
  4. ১৪৪
সঠিক উত্তর:
১৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮–এর অনুচ্ছেদ ১৪৪–এ বলা হয়েছে: “For possession of immovable property or any interest therein not hereby otherwise specially provided for.”
অর্থাৎ: যদি কারো স্থাবর সম্পত্তি বা তার স্বার্থ দখল করে অন্য কেউ রাখে এবং এ সম্পর্কিত কোনো নির্দিষ্ট বিধান এই আইনে না থাকে, অনুচ্ছেদ এই ধারা প্রযোজ্য হয়।
- তামাদির মেয়াদ: ১২ বছর
-  তামাদি গণনার শুরু: যেদিন থেকে বিবাদীর দখল বাদীর মালিকানার বিরুদ্ধে প্রতিকূল (adverse) হয়।

→ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলে (First Schedule): স্থাবর সম্পত্তির দখল লাভের জন্য আনীত মামলার তামাদির মেয়াদ ১২ বছর। ১৪৪ অনুচ্ছেদে এটি উল্লেখ রয়েছে। 

অন্য অপশন গুলো:
ক) অনুচ্ছেদ-১৪৬ – বন্ধক গ্রহীতার দ্বারা হাইকোর্টে দায়েরকৃত বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা (তামাদির মেয়াদ: ৩০ বছর)
খ) অনুচ্ছেদ-১৪১ – হিন্দু বা মুসলিম নারীর মৃত্যুর পর তার দখলে থাকা স্থাবর সম্পত্তির দখল পেতে উত্তরাধিকারীর মামলা (তামাদির মেয়াদ: ১২ বছর)
গ) অনুচ্ছেদ-১৪৫ – অস্থাবর আমানত বা বন্ধক পুনরুদ্ধারের মামলা (তামাদির মেয়াদ: ৩০ বছর)


১১,০৮৪.
Alibi বা অন্যত্র থাকার অজুহাত প্রমাণের দায়ভার সর্বদা অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তাবে। সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১০২ ধারা
  2. সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারা
  3. সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারা
  4. সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা-১০৩ এর বিধান কোন নির্ধারিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্বঃ- কোন বিষয়ের অস্তিত্ব যে ব্যক্তি আদালতকে বিশ্বাস করতে চায়, সে প্রসঙ্গের অস্তিত্বে প্রমাণ করার দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপর ন্যস্ত, যদি না কোন আইন অনুসারে সে বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব কোন ব্যক্তিবিশেষের উপর আরোপিত হয়ে থাকে।

⇒ উদাহরণ
⇒ 'খ'-কে 'ক' চুরির দায়ে ফৌজদারীতে সোপর্দ করে। আদালতকে 'ক' বিশ্বাস করাতে চায় যে, 'গ'-এর নিকট 'খ' চুরির কথা স্বীকার করেছে। অবশ্যই স্বীকৃতি 'ক'-কে প্রমাণ করতে হবে।

⇒ আদালতকে 'খ' বিশ্বাস করাতে চায় যে, সংশ্লিষ্ট সময়কালে সে অন্যত্র ছিল। অবশ্যই এটা তাকে প্রমাণ করতে হবে।

⇒ যেসব ঘটনা অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলোও ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে যদি সেগুলো বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয় অথবা কোনোভাবে বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে অর্থাৎ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্বহীনতাকে অধিকভাবে সম্ভব বা অসম্ভব করে তুলে। নিম্নোক্ত পাঁচ প্রকারের ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে। যথা-
i) অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থলে আসামীর অনুপস্থিতি (Plea of Alibi) অর্থাৎ যদি দেখা যায় আসামী অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থল হতে বহু দূরে ছিল তাহলে তা প্রাসঙ্গিক হবে;
ii) সন্তান জারজ কি-না এই প্রশ্নে স্ত্রীর নিকট হতে স্বামীর দূরে থাকার ঘটনা;
iii) কথিত মৃত ব্যক্তি জীবিত আছে এমন ঘটনা;
iv) অভিযুক্ত ব্যক্তি খুন করেছে এই প্রশ্নে, অন্য ব্যক্তি খুন করেছে-এরূপ ঘটনা; অথবা
v) অভিযুক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে এ প্রশ্নে, আহত ব্যক্তি নিজে আঘাত (Self-harming) করেছে-এরূপ ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
⇒ Plea of Alibi- সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় Plea of Alibi-কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। Alibi অর্থ হলো অন্যত্র (Elsewhere), আর Plea of Alibi এর আক্ষরিক অর্থ হল অন্যত্র অবস্থানের অজুহাত। এই শব্দটি ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

⇒ ফৌজদারি মামলায় আসামী এই মর্মে আত্মপক্ষ সমর্থন করে যে, অপরাধ সংঘটনকালে সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না বা যে ঘটনার জন্য কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, ঘটনার সময় সে অন্যত্র ছিল। ফলে সে ঐ অপরাধের জন্য দায়ী নয় ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারামতে অপরাধ সংঘটনকালে আসামী অন্যত্র অবস্থানের দাবি করলে উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ তাকেই উপস্থাপন করতে হয়। অর্থাৎ অন্যত্র থাকার অজুহাত বা Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।

⇒ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ কিন্তু আলোচ্য ঘটনার অস্তিত্ব বা অস্তিত্বহীনতাকে সম্ভব বা অসম্মান করে তোলে এমন ঘটনা প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় উদাহরণের মাধ্যমে অপরাধের সময় অন্য কোথাও বা অন্যত্র থাকার অজুহাতকে প্রাসঙ্গিক বলা হয়েছে।

⇒ যখন কোন ব্যক্তি কোন ঘটনা সংঘটনের জন্য অভিযুক্ত হয় এবং সে যদি আদালতে উপস্থাপন করে যে সে অপরাধ সংঘটনের সময় অন্য কোথাও বা অন্যত্র ছিল তখন সে অজুহাতকে Plea of Alibi (Elsewhere) বলে।
১১,০৮৫.
একই মহানগরে এক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত থেকে অন্য মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে মামলা স্থানান্তর করতে পারেন-
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মহানগর দায়রা জজ
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট।

• ধারা ৫২৮- দায়রা জজ সহকারী দায়রা জজের কাছে থেকে মোকদ্দমা তুলে নিতে পারবেন
(১) দায়রা জজ তার অধঃস্তন সহকারী দায়রা জজের কাছ থেকে কোন মামলা তুলিয়ে নিতে পারবেন বা তাকে যে মামলা দিয়েছেন তা তলব করতে পারবেন।

(১ক) দায়রা জজ কোন অতিরিক্ত দায়রা জজকে যে মামলা বা আপীল দিয়েছিলেন উক্ত অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট যেকোন সময় উক্ত মামলার বিচার বা আপীলের শুনানী আরম্ভের পূর্বে তিনি তা ফিরিয়ে নিতে পারবেন।

(১খ) যেক্ষেত্রে দায়রা জজ উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন মামলা তুলিয়ে নেন বা ফেরত নেন কিংবা উপ-ধারা (১এ) এর অধীন কোন মামলা বা আপীল ফেরত নেন, সেক্ষেত্রে তিনি নিজের আদালতে উক্ত মামলার বিচার করতে বা নিজে উক্ত আপীল শ্রবণ করতে পারবেন, কিংবা এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে উহা বিচার বা শুনানীর জন্য অন্য কোন আদালতে দিতে পারবেন।

(২) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট থেকে কোন মামলা তুলিয়ে নিতে পারবেন বা তাঁকে যে মামলা দিয়েছিলেন, তা ফিরিয়ে নিতে পারবেন, এবং নিজে এরূপ মামলার ইনকোয়ারী বা বিচার করতে পারবেন, বা এরূপ মামলার ইনকোয়ারী বা বিচারের যোগ্যতা সম্পন্ন অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর তা ইনকোয়ারী বা বিচারের জন্য প্রেরণ করতে পারবেন।

(৩) সরকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে হাইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে এ মর্মে ক্ষমতা দিতে পারবেন যে, তিনি যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শ্রেণীর মামলা বা কোন বিশেষ শ্রেণীর মামলা তার অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হতে নিতে পারবেন।

(৪) কোন ম্যাজিট্রেট ধারা-১৯২ এর উপধারা (২) এর অধীন কোন মামলা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে দিয়েছেন উক্ত মামলা তিনি ফিরিয়ে নিতে এবং নিজে উহার ইনকোয়ারী বা বিচার করতে পারবেন।

(৫) কোন ম্যাজিস্ট্রেট এই ধারার অধীন কোন আদেশ দেবার সময় তার এরূপ আদেশ প্রদানের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
১১,০৮৬.
“The Power Under the Constitution Will Always Be in the People”- কে বলেছেন?
  1. Benjamin Franklin
  2. George Washington
  3. Abraham Lincoln
  4. Ronald Reagan
সঠিক উত্তর:
George Washington
উত্তর
সঠিক উত্তর:
George Washington
ব্যাখ্যা

“The power under the Constitution will always be in the people” — এই বিখ্যাত উক্তিটি বলেছেন George Washington (জর্জ ওয়াশিংটন), যিনি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং মার্কিন সংবিধানের অন্যতম প্রধান রক্ষক ও প্রতিষ্ঠাতা। এটি George Washington-এর ১৭৮৭ সালের ১০ নভেম্বর Bushrod Washington-কে লেখা এক ঐতিহাসিক চিঠি থেকে নেওয়া।

⇒ এই উক্তির মাধ্যমে জর্জ ওয়াশিংটন বোঝাতে চেয়েছিলেন যে-

• জনগণই রাষ্ট্রের মূল উৎস-
সংবিধান জনগণের সম্মতিতে গঠিত, তাই সরকার জনগণের ইচ্ছার বাইরে কিছু করতে পারে না।

• সরকার জনগণের প্রতিনিধি মাত্র-
তারা জনগণের হয়ে প্রশাসন চালায়, কিন্তু জনগণই ক্ষমতার উৎস ও নিয়ন্ত্রক।

• সংবিধান জনগণের অধিকার রক্ষা করে-
সরকার সংবিধানের অধীনে চলে, আর সংবিধান জনগণের ইচ্ছা ও স্বাধীনতার প্রতিফলন।

⇒ এই ধারণাটি এসেছে American Constitution (1787) প্রণয়নের সময়কার ভাবনা থেকে। তখন আমেরিকার জনগণ ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠন করতে চেয়েছিল যেখানে রাজা নয়, জনগণই হবে সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানেও একই মূলনীতি প্রকাশিত হয়েছে-
“The Republic shall be a democracy in which all powers belong to the people.” (বাংলাদেশ সংবিধান, অনুচ্ছেদ ৭)

অর্থাৎ, রাষ্ট্রের সব ক্ষমতা জনগণের এবং সংবিধান জনগণের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার বৈধতা প্রদান করে।

১১,০৮৭.
আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে গিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তির আঘাত ঘটানোর বৈধতা- The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় দেয়া হয়েছে?
  1. ১০৫ ধারায়
  2. ১০৬ ধারায়
  3. ১০৭ ধারায়
  4. ১০৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা-১০৬: আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো (Right of private defence against deadly assault when there is risk of harm to innocent person)-
যদি কোনো আক্রমণের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে, যা যুক্তিসঙ্গতভাবে মৃত্যুর আশঙ্কা সৃষ্টি করে, আত্মরক্ষাকারী এমন পরিস্থিতিতে থাকে যেখানে সে নিরপরাধ ব্যক্তির ক্ষতির ঝুঁকি ছাড়া কার্যকরভাবে সেই অধিকার প্রয়োগ করতে পারে না, তবে তার আত্মরক্ষার অধিকার সেই ঝুঁকি নেওয়া পর্যন্ত প্রসারিত হয়।

যেমন- ক-কে খুন করার জন্য একদল লোক তাড়া করে। ক আক্রমণকারী লোকদের প্রতি গুলিবর্ষণ না করলে ক-এর মৃত্যু এড়ানো সম্ভব না; অন্যদিকে গুলিবর্ষণ করলে আক্রমণকারীদের পাশাপাশি কয়েকটি নির্দোষ শিশুও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে যারা ঐ আক্রমণকারী লোকদের সাথে মিশে আছে।
এই পরিস্থিতিতে ক যদি গুলিবর্ষণ করে এবং তার ফলে কোন শিশু ক্ষতিগ্রস্তও হয়, তবুও ক-এর অপরাধ হবে না। কেননা ১০৬ ধারামতে মারাত্মক আক্রমনের বিরূদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তির ক্ষতি বা মৃত্যু হলে তা অপরাধ নয়।
১১,০৮৮.
কোন স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্ট ভাবে বলবৎ করা যাবে না, যদি না চুক্তিটি হয়
  1. লিখিত
  2. প্রত্যায়িত ও সত্যায়িত
  3. সত্যায়িত
  4. লিখিত ও নিবন্ধিত
সঠিক উত্তর:
লিখিত ও নিবন্ধিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত ও নিবন্ধিত
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, এর ধারা ২১ক হচ্ছে অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্যঃএই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিষ্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা উহার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
১১,০৮৯.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্যের কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২০
  2. অনুচ্ছেদ ২১
  3. অনুচ্ছেদ ২৩
  4. অনুচ্ছেদ ২৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২১
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১–এ নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নাগরিকদের জন্য—আইন মানা ও জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা, সরকারি কর্মচারীদের জন্য—সর্বদা জনগণের সেবা করা। তাই সঠিক উত্তর অনুচ্ছেদ ২১।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১ এর বিধান নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷ 
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷
----------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh: Article-21: Duties of citizens and of public servants:
(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property. 
(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.

১১,০৯০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ এর ______  অনুযায়ী একাধিক কমিশনার যদি একমত না হন, তবে তারা পৃথক প্রতিবেদন জমা দেবেন।
  1. বিধি-৪
  2. বিধি-১২
  3. বিধি-১৩
  4. বিধি-১৪
সঠিক উত্তর:
বিধি-১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-১৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ১৪(২) অনুযায়ী, যদি একাধিক কমিশনার নিযুক্ত হন এবং তারা একমত না হন, তবে তারা পৃথক প্রতিবেদন প্রণয়ন ও স্বাক্ষর করবেন। প্রতিটি পৃথক প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট পক্ষের অংশ এবং (যদি আদেশে উল্লেখ থাকে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও সীমানা নির্ধারণ করবে এবং পরে এই প্রতিবেদনসমূহ আদালতে দাখিল করতে হবে।

এতে বলা হয়েছে যে, একাধিক কমিশনারের মধ্যে একমত না হলে, তারা পৃথক প্রতিবেদন প্রস্তুত করবেন এবং আদালতে তা দাখিল করবেন।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-26, Rule-14: -Procedure of Commissioner-
(1) Dividing Property and Allotting Shares:
The Commissioner, after conducting the necessary inquiry, will divide the property into as many shares as directed by the order under which the commission was issued. The Commissioner will allot these shares to the parties involved and may, if authorized by the order, award sums to equalize the value of the shares.

(2) Preparation of Report:
The Commissioner (or Commissioners, if the commission was issued to multiple persons and they cannot agree) will prepare and sign a report. The report will detail the share of each party, distinguishing each share with specific boundaries (if directed by the order). If multiple reports are prepared, they will be annexed to the commission and transmitted to the Court within the time fixed by the Court, not exceeding three months. After receiving the report(s), the Court will hear any objections from the parties and may confirm, vary, or set aside the report(s).
Provision for Extension of Time: The Court may extend the time upon a request from the Commissioner and upon sufficient cause being shown.

(3) Court's Action on the Report:
If the Court confirms or varies the report(s), it will pass a decree based on the report as confirmed or varied. However, if the Court sets aside the report(s), it may either issue a new commission or make any other order it deems fit.
১১,০৯১.
রহিতকরণ আইনের [Repealing Act] অধীনে কোন অধিকার বা দায় ক্ষুণ্ণ হবে?
  1. পূর্বের আইন অনুযায়ী প্রাপ্ত অধিকার
  2. পূর্বের আইনের অধীনে চলমান আইনগত কার্যক্রম
  3. ক এবং খ উভয়
  4. উপরোক্ত কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৬ ধারায় বলা আছে- যখন কোনো আইন বা প্রবিধি অন্য কোনো আইনকে রহিত করে তখন:

১. রহিতকরণ আইন  রহিত হওয়ার সময় কার্যকর ছিল না বা অস্তিত্ব ছিল না এরূপ কোনো আইনকে পুনর্জীবিত করবে না।
২. রহিত হয়ে যাওয়া কোনো আইন [Repealed Act]-এর অধীনে যথাযথভাবে কৃত ব্য ব্যাহত কোনো কার্যক্রম কিছুকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৩. রহিত কোনো আইনের অধীনে অর্জিত বা প্রাপ্ত কোনো অধিকার, বাধ্যবাধকতা বা দায়কে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৪. রহিত আইনের অধীনে কৃত কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে প্রদত্ত কোনো দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তিকে ক্ষুণ্ণ করবে না।
৫. উল্লিখিত অধিকার, বাধ্যবাধকতা, দায়, দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তি-সম্পর্কিত কোনো তদন্ত, আইনগত কার্যক্রম [Legal Proceeding] বা প্রতিকারকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
পূর্বের আইনের অধীনে কোনো আইনগত কার্যক্রম চলমান থাকলে তা অব্যাহত থাকবে এবং তার অধীনে দও, বাজেয়াপ্ত বা শাস্তিও আরোপ করা যাবে যেন বিলোপকারী আইনটি [Repealing Act] প্রণীত হয় নাই।

১১,০৯২.
দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা অনুযায়ী কোনটি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধ নয়?
  1. সরকারের প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি করা
  2. সরকারের শাসনের প্রতি অসমর্থন
  3. সরকারের প্রতি বিদ্বেষ উদ্রেক করা
  4. সরকারের প্রতি বৈরিতা সৃষ্টির চেষ্টা করা
সঠিক উত্তর:
সরকারের শাসনের প্রতি অসমর্থন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের শাসনের প্রতি অসমর্থন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১২৪ক (রাষ্ট্রদ্রোহিতা) এর ব্যাখ্যা ২ ও ৩ এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে: শুধুমাত্র সরকারের শাসন বা প্রশাসনিক কার্যক্রমের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ করা, যদি তা ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা (Disaffection) সৃষ্টি বা সৃষ্টির চেষ্টা না করে, তাহলে তা এই ধারার অধীনে অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
- আইনসম্মত উপায়ে (যেমন: শান্তিপূর্ণ সমালোচনা, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে পরিবর্তনের দাবি) সরকারের নীতির অনুপোষণ (Disapprobation) প্রকাশ করলে, যতক্ষণ না তা ঘৃণা বা বৈরিতা সৃষ্টি করে, ততক্ষণ তা অপরাধ নয়।
- সুতরাং, সরকারের শাসনের প্রতি অসমর্থন নিজে থেকেই অপরাধ নয়, যদি না তা ঘৃণা বা বৈরিতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বা ফলাফলে পরিণত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার বিধান রাষ্ট্রদ্রোহিতা:
কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
ব্যাখ্যা ১: ‘বৈরিতা' বলতে রাজানুগত্যহীনতা এবং সর্বপ্রকার শত্রুতার ভাব বুঝায়।
ব্যাখ্যা ২: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই আইনসম্মত উপায়ে পরিবর্তন বা সংশোধনের উদ্দেশ্যে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
ব্যাখ্যা ৩: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করার বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক বা অন্যরূপ কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না। 
---------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 124A. Sedition:
 Whoever by words, either spoken or written, or by signs, or by visible representation, or otherwise, brings or attempts to bring into hatred or contempt, or excites or attempts to excite disaffection towards, the Government established by law shall be punished with imprisonment for life or any shorter term, to which fine may be added, or with imprisonment which may extend to three years, to which fine may be added, or with fine.
Explanation 1.-The expression "disaffection" includes disloyalty and all feelings of enmity. 
Explanation 2.-Comments expressing disapprobation of the measures of the Government with a view to obtain their alteration by lawful means, without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section. 
Explanation 3.-Comments expressing disapprobation of the administrative or other action of the Government without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section.

১১,০৯৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুসারে দণ্ডের অপর্যাপ্ততার বিরুদ্ধে অভিযোগকারী দণ্ডাদেশ প্রদানের কত দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারবে?
  1. ৬০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১৭ক(২) অনুসারে, ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে আপিল দায়ের করতে চাইলে দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করতে হবে। এই সময়সীমা পার হয়ে গেলে আপিল আদালত আর তা গ্রহণ করবেন না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ক ধারার বিধান অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল:-
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততাহেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।
(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
---------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898,-Section 417A: Appeal against inadequacy of sentence:
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.
(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.
(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.

১১,০৯৪.
A একটি জমিতে নির্মিত বাড়িসহ B-কে বিক্রি করার চুক্তি করেছে। চুক্তির পর কিন্তু হস্তান্তরের আগে বাড়িটি আগুনে পুড়ে যায় কিন্তু জমি অক্ষত থাকে। এখানে:
  1. B চুক্তি বাতিল করতে পারে
  2. A-কে নতুন বাড়ি নির্মাণ করতে হবে
  3. B শুধু জমির মূল্য পরিশোধ করবে
  4. B-কে অবশ্যই সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
B-কে অবশ্যই সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B-কে অবশ্যই সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করতে হবে
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: (ঘ) B-কে অবশ্যই সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করতে হবে।

- এটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারার অধীনে আসে। এখানে, A একটি জমিতে নির্মিত বাড়ি B-কে বিক্রি করার চুক্তি করেছে। চুক্তির পর বাড়িটি আগুনে পুড়ে গেলেও জমি অক্ষত রয়েছে।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারার মতে, চুক্তির বিষয়ভুক্ত কোনো একটি অংশ ধ্বংস হলে, তবে চুক্তির অবশিষ্ট অংশের জন্য চুক্তি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হতে পারে, যদি সেই অংশটি স্বতন্ত্রভাবে সম্পাদিত হতে পারে এবং অর্থের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ সম্ভব না হয়।
- এক্ষেত্রে, বাড়ি পুড়ে গেলেও জমি অক্ষত থাকায় জমি বিক্রির চুক্তিটি অপরিবর্তিত থাকে এবং B-কে জমির জন্য সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করতে হবে, কারণ চুক্তির মূল বিষয় জমি এবং তা অক্ষত রয়েছে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮৭৭ সালের ১৩ ধারা: চুক্তির বিষয় যেটি আংশিকভাবে বিলীন হয়ে গেছে:
- চুক্তি আইন, ১৯৭২ এর ৫৬ ধারার কোন কিছুই থাকা সত্ত্বেও, যদি চুক্তির কোন একটি অংশ, যা চুক্তি সম্পাদনের সময় বিদ্যমান ছিল, কিন্তু চুক্তির অনুযায়ী কাজ সম্পাদনের সময় অস্তিত্বহীন হয়ে যায়, তাহলে সেই চুক্তি সম্পূর্ণভাবে অসম্ভব হয়ে যায় না।

উদাহরণ:
(ক) A একটি বাড়ি B-কে এক লাখ টাকায় বিক্রির চুক্তি করে। চুক্তি সম্পাদনের পরপরই একটি ঘূর্ণিঝড়ে বাড়িটি ধ্বংস হয়ে যায়। B কে ক্রয়মূল্য পরিশোধের মাধ্যমে তার চুক্তির অংশ বাস্তবায়ন করতে বাধ্য করা হতে পারে।
(খ) B এর পক্ষ থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদানের বিনিময়ে, A চুক্তি করে যে সে B-কে B-এর জীবনের জন্য একটি annuity প্রদান করবে। চুক্তি সম্পাদনের পরপরই B ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে মারা যায়। B-এর প্রতিনিধি ক্রয়মূল্য পরিশোধ করতে বাধ্য হতে পারে।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-13. Contract of which the subject has partially ceased to exist:
Notwithstanding anything contained in section 56 of the Contract Act, a contract is not wholly impossible of performance because a portion of its subject-matter, existing at its date, has ceased to exist at the time of the performance. 

Illustrations:
(a) A contracts to sell a house to B for a lakh of taka. The day after the contract is made the house is destroyed by a cyclone. B may be compelled to perform his part of the contract by paying the purchase-money.
(b) In consideration of a sum of money payable by B, A contracts to grant an annuity to B for B's life. The day after the contract has been made, B is thrown from his horse and killed. B's representative may be compelled to pay the purchase-money.
১১,০৯৫.
হাইকোর্টের রেফারেন্স সম্পর্কে নিচের কোন বাক্যটি সঠিক নয়?
  1. আদালত নিজ উদ্যোগে কোনো রেফারেন্স চাইতে পারে
  2. সংক্ষুব্ধ পক্ষগণ রেফারেন্সের আবেদন করতে পারেন না
  3. রেফারেন্স কোর্ট হিসেবে হাইকোর্ট তার অধস্তন আদালতের রায় বা ডিক্রি পরিবর্তন করতে পারে
  4. বর্ণিত সবগুলোই সঠিক
সঠিক উত্তর:
সংক্ষুব্ধ পক্ষগণ রেফারেন্সের আবেদন করতে পারেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংক্ষুব্ধ পক্ষগণ রেফারেন্সের আবেদন করতে পারেন না
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৩ ধারায় রেফারেন্সের (Reference) বিধান রয়েছে। ১১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী যে কোন আদালত কোন মামলা হাইকোর্ট বিভাগের অভিমত গ্রহণের জন্য প্রেরণ করতে পারেন এবং হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মামলা সম্পর্কে উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ নং আদেশে রেফারেন্স সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে যা নিম্নরূপ-
৪৬ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী আপিল-অযোগ্য ডিক্রির মামলার বিচার পর্যায়ে বা আপিলে অথবা উক্ত ডিক্রি জারি করার সময়, আইন বা আইনের ন্যায় বলবৎ কোন রীতি সম্পর্কিত প্রশ্নের সৃষ্টি হলে, উক্ত মামলার বিচারকারী আদালত বা আপিল আদালত অথবা ডিক্রি জারিকারক আদালত, স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনক্রমে মামলাটি হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্তের জন্য হাইকোর্টে প্রেরণ করতে পারে।

- রেফারেন্স প্রেরণকারী আদালত রেফারেন্স প্রেরণ করা সত্ত্বেও মামলার কার্যক্রমে অগ্রসর হতে পারে কিংবা কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে এবং হাইকোর্ট বিভাগ প্রেরিত সিদ্ধান্তের আলোকে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করতে পারেন।

- ৪৬ নং আদেশের ৫ নং বিধি অনুযায়ী অধীনস্ত যে আদালত হাইকোর্টে রেফারেন্সের জন্য কোন বিষয় পাঠাবে, সেই বিষয়ে উক্ত আদালত কর্তৃক দেওয়া ডিক্রি/আদেশ হাইকোর্ট বিভাগ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারবে অথবা যে কোন উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারে। অর্থাৎ, Reference কোর্ট হিসেবে হাইকোর্ট তার অধস্তন আদালতের রায় বা ডিক্রি পরিবর্তন করতে পারে।
১১,০৯৬.
'No man is above the law and no man is below it.' Who said that?
  1. Franklin
  2. Dickens
  3. W. Douglas
  4. Roosevelt
সঠিক উত্তর:
Roosevelt
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Roosevelt
ব্যাখ্যা
• হোয়াইট হাউজের নামকরণকারী যুক্তরাষ্ট্রের ২৬তম ছিলেন Theodore Roosevelt.
 
প্রেসিডেন্ট Theodore Roosevelt -এর এ উক্তিটি সংক্ষেপে প্রশ্নে দেওয়া হয়েছিল, পুরো উক্তিটি হচ্ছে-
'No man is above the law and no man is below it; nor do we ask any man's permission when we ask him to obey it. Obedience to the law is demanded as a right; not asked as a favor.'
 
ন্যায়বিচার সম্পর্কিত উনার আরেকটি বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে-
Justice consists not in being neutral between right and wrong, but in finding out the right and upholding it, wherever found, against the wrong.
১১,০৯৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার অধীনে, যদি চুক্তির লঙ্ঘন করা হয় এবং তা ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিকারযোগ্য না হয়, তবে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. চুক্তি বাতিলের আদেশ
  2. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন আদেশ
  3. চুক্তির একপক্ষের ক্ষতিপূরণ আদায়
  4. কোন আদেশই নয়
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন আদেশ
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন আদেশ।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, যখন কোনো চুক্তির লঙ্ঘন করা হয় এবং তা ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিকারযোগ্য নয় (যেমন, কোনো অস্থাবর বা বিরল সম্পত্তির ক্ষেত্রে), তখন আদালত সেই চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন আদেশ দিতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা- যে-সব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections-12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced- 
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust; 
(b) when 4[there] exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done; 
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or 
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done. 
 
Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.
১১,০৯৮.
'মৃত্যুকালীন ঘোষণা' (Dying Declaration) সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২-এর কত নম্বর উপধারায় অন্তর্ভুক্ত?
  1. ৩২(১)
  2. ৩২(২)
  3. ৩২(৩)
  4. ৩২(৪)
সঠিক উত্তর:
৩২(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২(১)
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩২(১)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: “Section-32. Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant
- Statements, written or verbal, of relevant facts made by a person who is dead, or who cannot be found, or who has become incapable of giving evidence, or whose attendance cannot be procured without an amount of delay or expense which under the circumstances of the case appears to the Court unreasonable, are themselves relevant facts in the following cases:–
When it relates to cause of death;
32(1) When the statement is made by person as to the cause of his death, or as to any of the circumstances of the transaction which resulted in his death, in cases in which the cause of that person's death comes into question. 
Such statements are relevant whether the person who made them was or was not, at the time when they were made, under expectation of death, and whatever may be the nature of the proceeding in which the cause of his death comes into question.”

অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying Declaration) এই ৩২(১) উপধারার অধীনেই পড়ে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vi) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question

১১,০৯৯.
আত্মীয়তা বা সম্পর্ক বিষয়ে কোনো মৃত ব্যক্তির বিবৃতি নিচে বর্ণিত কোন পরিস্থিতিতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে?
  1. বিরোধ সৃষ্টি হবার মুহূর্তে দেওয়া বিবৃতি
  2. বিরোধ সৃষ্টি হবার পরে দেওয়া বিবৃতি
  3. বিরোধ সৃষ্টি হবার পূর্বে দেওয়া বিবৃতি 
  4. আত্মীয়তা নিয়ে কোনো বিবৃতি আদালতে গ্রহণযোগ্য হয় না
সঠিক উত্তর:
বিরোধ সৃষ্টি হবার পূর্বে দেওয়া বিবৃতি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধ সৃষ্টি হবার পূর্বে দেওয়া বিবৃতি 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : বিরোধীয় বিষয়টি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হবার পূর্বে দেওয়া বিবৃতি।

The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৩২(৫):
যখন কোনো বিবৃতি (statement) এমন একটি সম্পর্কের অস্তিত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত, যেমন: রক্তের সম্পর্ক, বিবাহসূত্রে সম্পর্ক, অথবা দত্তক গ্রহণের সম্পর্ক- এবং যিনি ওই বিবৃতিটি দিচ্ছেন, তিনি যদি সেই সম্পর্ক সম্পর্কে জানার বিশেষ উপায় বা জ্ঞান রাখেন, এবং সেই বিবৃতিটি যদি বিবাদ বা মামলার প্রশ্ন উত্থাপিত হওয়ার আগেই দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে সেই বিবৃতিটি গ্রহণযোগ্য (admissible) প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

১১,১০০.
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যে মামলা অর্পণ করেছিল, সেই মামলা-
  1. নিজে অনুসন্ধান বা বিচার করতে পারে
  2. নিজে তলব করতে পারে
  3. অনুসন্ধান বা বিচার করার জন্য অন্যকোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট পাঠাতে পারে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন
ব্যাখ্যা

চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তার অধীনস্থ কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যে মামলা অর্পণ করেছিল, সেই মামলা নিজে তলব করতে পারে, নিজে অনুসন্ধান বা বিচার করতে পারে বা অনুসন্ধান বা বিচার করার জন্য অন্যকোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট পাঠাতে পারে।

ধারা ৫২৮: দায়রা জজ সহকারী দায়রা জজের কাছে থেকে মোকদ্দমা তুলে নিতে পারবেন-

(১) দায়রা জজ তাঁর অধঃস্তন সহকারী দায়রা জজের কাছ থেকে কোন মামলা তুলিয়ে নিতে পারবেন বা তাঁকে যে মামলা দিয়েছেন তা তলব করতে পারবেন।

(১ক) দায়রা জজ কোন অতিরিক্ত দায়রা জজকে যে মামলা বা আপীল দিয়েছিলেন উক্ত অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট যেকোন সময় উক্ত মামলার বিচার বা আপীলের শুনানী আরম্ভের পূর্বে তিনি তা ফিরিয়ে নিতে পারবেন।
(১খ) যেক্ষেত্রে দায়রা জজ উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন মামলা তুলিয়ে নেন বা ফেরত নেন কিংবা উপ-ধারা (১এ) এর অধীন কোন মামলা বা আপীল ফেরত নেন, সেক্ষেত্রে তিনি নিজের আদালতে উক্ত মামলার বিচার করতে বা নিজে উক্ত আপীল শ্রবণ করতে পারবেন, কিংবা এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে উহা বিচার বা শুনানীর জন্য অন্য কোন আদালতে দিতে পারবেন।

(২) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট থেকে কোন মামলা তুলিয়ে নিতে পারবেন বা তাঁকে যে মামলা দিয়েছিলেন, তা ফিরিয়ে নিতে পারবেন, এবং নিজে এরূপ মামলার ইনকোয়ারী বা বিচার করতে পারবেন, বা এরূপ মামলার ইনকোয়ারী বা বিচারের যোগ্যতা সম্পন্ন অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর তা ইনকোয়ারী বা বিচারের জন্য প্রেরণ করতে পারবেন।

(৩) সরকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে হাইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে এ মর্মে ক্ষমতা দিতে পারবেন যে, তিনি যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শ্রেণীর মামলা বা কোন বিশেষ শ্রেণীর মামলা তার অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হতে নিতে পারবেন।

(৪) কোন ম্যাজিট্রেট ধারা-১৯২ এর উপধারা (২) এর অধীন কোন মামলা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে দিয়েছেন উক্ত মামলা তিনি ফিরিয়ে নিতে এবং নিজে উহার ইনকোয়ারী বা বিচার করতে পারবেন।

Section 528- Sessions Judge may withdraw cases from Assistant Sessions Judge
(1) Any Sessions Judge may withdraw any case from, or recall any case which he has made over to, any Joint Sessions Judge subordinate to him. 
 
(1A) At any time before the trial of the case or the hearing of the appeal has commenced before the Additional Sessions Judge, any Sessions Judge may recall any case or appeal which he has made over to any Additional Sessions Judge. 
 
(1B) Where a Sessions Judge withdraws or recalls a case under sub-section (1) or recalls a case or appeal under sub-section (IA), he may either try the case in his own Court or hear the appeal himself, or make it over in accordance with the provisions of this Code to another Court for trial or hearing, as the case may be.
 
(2) [The Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate or District Magistrate] may withdraw any case from, or recall any case which he has made over to, any Magistrate subordinate to him, and may inquire into or try such case himself, or refer it for inquiry or trial to any other such Magistrate competent to inquire into or try the same.
 
(3) The Government with the approval of the High Court Division] may authorize the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate to withdraw from any Magistrate subordinate to him either such classes of cases as he thinks proper, or particular classes of cases. 
 
(4) Any Magistrate may recall any case made over by him under section 192, sub-section (2), to any other Magistrate and may inquire into or try such case himself. 
 
(5) A Magistrate making an order under this section shall record in writing his reasons for making the same.