বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১০৮ / ১৫৫ · ১০,৭০১১০,৮০০ / ১৫,৪৭০

১০,৭০১.
ব্যাংক কর্মকর্তা বা কর্মচারীর negligent (অবহেলাজনিত) আচরণের কারণে ব্যাংকের সম্পত্তিতে ক্ষতি হলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1.  ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৬২ক অনুসারে, কোনো ব্যাংক কর্মকর্তা বা কর্মচারী যদি অবহেলাজনিত আচরণের (negligent conduct) মাধ্যমে ব্যাংকিং লেনদেনে ব্যাংকের গ্রাহক বা অন্য কোনো ব্যক্তির দ্বারা ব্যাংকের সম্পত্তির ক্ষতি হতে দেয়, তবে তার শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। এখানে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হলো ২ বছর।

⇒The Penal Code, 1860- Section-462A. Penalty for negligent conduct of bank officers and employees:
Whoever, being an officer or employee of a banking company, by his negligent conduct in dealing with a banking transaction allows any customer of the company or any other person to cause loss of property to the company shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years or with fine or with both. 
 
Explanation.-An officer or employee of a banking company shall be guilty or negligent conduct if in discharging his duties he fails, either wilfully or negligently, to follow any direction of law prescribing the mode in which such duties are to be discharged.

১০,৭০২.
সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করার জন্য সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়া থেকে অব্যাহতি দিতে পারে কত ধারায়?
  1. ধারা ৫০৫
  2. ধারা ৫০৪
  3. ধারা ৫০৩
  4. ধারা ৫০২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০৩
ব্যাখ্যা
ধারা-৫০৩ ( সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহনের জন্য কমিশন নিয়োগ)-

ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রম প্রসঙ্গে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষীর জাবনবন্দী গ্রহন করা প্রয়োজন কিন্তু বিলম্ব, ব্যয় অথবা অসুবিধা ব্যতীত উক্ত সাক্ষীকে হাজির করা সম্ভব নয় অথবা মামলার পরিস্থিতিতে এই বিলম্ব,ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা অযৌক্তিক তাহলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত সাক্ষীকে হাজির হতে রেহাই দিতে পারবে এবং উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহনের জন্য সাক্ষী যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে বাস করেন তাকে কমিশন দিতে পারবেন।

সাক্ষী যদি যুক্তরাজ্য বা বাংলাদেশ ব্যতীত কমনওয়েলথের অন্য কোন দেশে বা মায়ানমারে বাস করেন তাহলে সরকার কর্তৃক সরকারী গেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত উক্ত দেশে এই সম্পর্কে ক্ষমতাবান কোন আদালত বা জজকে কমিশন দেয়া যাবে। এরূপ কমিশন প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার সাক্ষী যেখানে আছেন সেখানে গমন করবেন অথবা সাক্ষীকে নিজের নিকট আহ্বান করবেন এবং তার সাক্ষাত করবেন।
১০,৭০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১৪(৪) অনুযায়ী জরিমানা আদায় সম্ভব না হলে আসামিকে সর্বোচ্চ কতদিনের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক করা যেতে পারে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১৪(৪) অনুযায়ী, যদি মুচলেকার জরিমানা প্রদত্ত না হয় এবং তা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত বা বিক্রি করে আদায় করা সম্ভব না হয়, তাহলে আদালত ওই ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ছয় মাসের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক করার নির্দেশ দিতে পারে।
- অর্থাৎ, জরিমানা আদায় সম্ভব না হলে আদালতের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে দেওয়ানি কারাগারে সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত আটক রাখা যেতে পারে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section- 514.Procedure on forfeiture of bond:
(1) Whenever it is proved to the satisfaction of the Court by which a bond under this Code has been taken, or of a Metropolitan Magistrate or Magistrate of the first class,
or, when the bond is for appearance before a Court, to the satisfaction of such Court, that such bond has been forfeited, the Court shall record the grounds of such proof, and may call upon any person bound by such bond to pay the penalty thereof, or to show cause why it should not be paid.
(2) If sufficient cause is not shown and the penalty is not paid, the Court may proceed to recover the same by issuing a warrant for the attachment and sale of the movable property belonging to such person or his estate if he be dead.
(3) Such warrant may be executed within the local limits of the jurisdiction of the Court which issued it; and it shall authorize the attachment and sale of any movable property belonging to such person without such limits, when endorsed by the District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction such property is found. 
(4) If such penalty is not paid and cannot be recovered by such attachment and sale, the person so bound shall be liable, by order of the Court which issued the warrant, to imprisonment in the civil jail for a term which may extend to six months.
(5) The Court may, at its discretion, remit any portion of the penalty mentioned and enforce payment in part only. 
(6) Where a surety to a bond dies before the bond is forfeited, his estate shall be discharged from all liability in respect of the bond.
(7) When any person who has furnished security under section 106 or section 118 is convicted of an offence the commission of which constitutes a breach of the conditions of his bond, or of a bond executed in lieu of his bond under section 514B, a certified copy of the judgment of the Court by which he was convicted of such offence may be used as evidence in proceedings under this section against his surety or sureties, and, if such certified copy is so used, the Court shall presume that such offence was committed by him unless the contrary is proved.

১০,৭০৪.
পুনর্বিবেচনার আবেদন মঞ্জুর করার আগে আবশ্যিক শর্ত কী?
  1. আপিল দাখিল
  2. হাইকোর্টের অনুমতি
  3. আদালতকে নোটিশ প্রদান
  4. বিপক্ষ পক্ষকে পূর্বে নোটিশ প্রদান
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষ পক্ষকে পূর্বে নোটিশ প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষ পক্ষকে পূর্বে নোটিশ প্রদান
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) বিপক্ষ পক্ষকে পূর্বে নোটিশ প্রদান।

The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order-47 Rule-4:
(১) আবেদন প্রত্যাখ্যানের ক্ষেত্রে:
যদি আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয় যে পুনর্বিবেচনার জন্য পর্যাপ্ত কারণ নেই, তাহলে আদালত উক্ত আবেদন প্রত্যাখ্যান করবে।

(২) আবেদন গৃহীত হলে:
যদি আদালতের মত হয় যে পুনর্বিবেচনার আবেদন গৃহীত হওয়া উচিত, তাহলে আদালত উক্ত আবেদন অনুমোদন করবে;

তবে শর্ত থাকে যে-
(ক) এমন কোন আবেদন বিপক্ষ পক্ষকে পূর্বে নোটিশ প্রদান ছাড়া অনুমোদন করা যাবে না, যাতে তারা আদালতে হাজির হয়ে ডিক্রি বা আদেশের পক্ষে শুনানি করতে পারে, যার পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করা হয়েছে;

(খ) এমন কোন আবেদন শুধুমাত্র নতুন বিষয় বা প্রমাণ আবিষ্কারের ভিত্তিতে অনুমোদন করা যাবে না, যদি না আবেদনকারী এই বিষয়ে কঠোরভাবে প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেন যে, উক্ত বিষয় বা প্রমাণ তার জ্ঞাত ছিল না বা ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের সময় তা উপস্থাপন করা সম্ভব ছিল না।
১০,৭০৫.
দেশের প্রচলিত কোন আইন অনুসারে কোনো কাজ করা বা না করা হলে ক্ষতিপূরণের জন্য মামলার সর্বোচ্চ তামাদি মেয়াদ কতদিন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ-২ অনুসারে: প্রচলিত কোনো আইন অনুযায়ী কোনো কাজ করা বা না করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ৯০ দিন।
- এই সময়সীমা গণনা শুরু হয় যখন সেই কাজ (Act) বা বর্জন (Omission) সংঘটিত হয়।
- সুতরাং, অনুচ্ছেদ-২-এ উল্লিখিত ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ তামাদি মেয়াদ ৯০ দিন।
১০,৭০৬.
প্লিডিংস কর্তনের (Striking out of Pleadings) আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে আদালতে কোন বিষয়টি বিবেচ্য নয়?
  1. অসত্য তথ্য।
  2. কুৎসাজনক
  3. মোকদ্দমার সুষ্ঠ বিচার বাধাগ্রস্ত করতে পারে এমন বিষয়।
  4. অপ্রয়োজনীয়
সঠিক উত্তর:
অসত্য তথ্য।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসত্য তথ্য।
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908, Order 6, Rule 16 অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে প্লিডিংসের যে কোন বিষয় কর্তন বা সংশোধন করতে আদেশ দিতে পারে যদি উল্লেখিত বিষয়টি অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসাজনক হয় কিংবা মোকদ্দমার সুষ্ঠ বিচার বাধাগ্রস্থ, বা বিলম্বিত করতে পারে এমন হয়।
১০,৭০৭.
নিম্নের কোনটি ধর্ষণের উপাদান নয়?
  1. ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌন সহবাস করা
  2. মৃত্যু বা আঘাতের ভয় দেখিয়ে সম্মতি আদায় করা
  3. সম্মতি ছাড়া যৌন সহবাস করা
  4. ১৮ বছরের বেশি বয়স্কার ক্ষেত্রে সম্মতিসহ সহবাস করা
সঠিক উত্তর:
১৮ বছরের বেশি বয়স্কার ক্ষেত্রে সম্মতিসহ সহবাস করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছরের বেশি বয়স্কার ক্ষেত্রে সম্মতিসহ সহবাস করা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারায় ধর্ষণের ৫টি উপাদানের উল্লেখ আছে। কোন পুরুষ ধর্ষণ করেছে বলে গণ্য হবে যদি সে নিম্নলিখিত প্রেক্ষাপটে কোন নারীর সাথে যৌন সহবাস করে-

১. তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে [Against her will);
২. তার সম্মতি ছাড়া (Without her consent):
৩. তার সম্মতিতে কিন্তু মৃত্যু বা আঘাতের ভয় দেখিয়ে সম্মতি আদায় করা হলে (With her consent, when her consent has been obtained by putting her in fear of death, or of hurt):
৪. তার সম্মতিতে যখন মহিলা মনে করে যে, পুরুষ লোকটি তার স্বামী যদিও পুরুষ লোকটি জানে যে, সে উক্ত মহিলার স্বামী নয় (With her consent, when the woman belives that the man is her husband though the man knows that he is not her husband):
৫. তার সম্মতিসহ বা ছাড়া, যেক্ষেত্রে সে ১৪ চৌদ্দ বছরের কম বয়স্কা হয় With or without consent, when she is under 14 years of age.

অর্থাৎ, ১৮ বছরের বেশি বয়স্কার ক্ষেত্রে সম্মতিসহ সহবাস করা'- ধর্ষণের উপাদান নয়।
১০,৭০৮.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর কত অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকার বিধান আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫(ক)
  2. অনুচ্ছেদ ৫
  3. অনুচ্ছেদ ৬(ক)
  4. অনুচ্ছেদ ৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬(ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬(ক)
ব্যাখ্যা

৬(ক): বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকিবেন যিনি জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজগণের মধ্য হইতে সরকার কর্তৃক এবং তদকর্তৃক নির্দিষ্টকৃত শর্তে নিযুক্ত হইবেন।
-----------
6(A): There shall be a Secretary of the Bar Council appointed by the Government from amongst the District Judges or Additional District Judges on such terms and conditions as may be determined by it.

১০,৭০৯.
What is the meaning of the Latin maxim “Actus Dei Nemini Facit Injuriam”?
  1. God always supports justice
  2. The act of God causes injury to no one
  3. Human error is punishable by law
  4. Every injury must have a remedy
সঠিক উত্তর:
The act of God causes injury to no one
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The act of God causes injury to no one
ব্যাখ্যা
⇒ "Actus Dei Nemini Facit Injuriam"
- The act of God causes injury to no one.
- ঈশ্বরের কার্য কারো প্রতি অবিচার করে না।

আইনের ভাষায় "Actus Dei Nemini Facit Injuriam" একটি ল্যাটিন প্রবাদ, যার অর্থ- "ঈশ্বরের কার্য কারো প্রতি অন্যায় করে না"। অর্থাৎ, প্রকৃতি বা সৃষ্টিকর্তার হাতে ঘটিত এমন কোনো ঘটনা, যা মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে, তার জন্য কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না। প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন ঝড়, বন্যা, ভূমিকম্প বা বজ্রপাত -এসবই ‘Act of God’ বা ‘ঈশ্বরের কাজ’ হিসেবে বিবেচিত হয়। যেহেতু এই ঘটনাগুলো অবশ্যম্ভাবী ও অনিয়ন্ত্রিত, তাই এদের ফলে যদি কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়, তা কারো বিরুদ্ধে আইনগত অভিযোগের ভিত্তি হতে পারে না।

এই প্রবাদটির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ দেখা যায় Sahib Transport Service, Sankarankoil বনাম K. Balasubramaniam and Ors. (1967) মামলায়। মামলার বিষয়বস্তু ছিল, একজন পরিবহন পারমিটধারীর মৃত্যুর পর তাঁর উত্তরসূরির পারমিট নবায়নের অধিকারকে কেন্দ্র করে। আপিলকারীর বক্তব্য ছিল, পারমিটধারীর মৃত্যুর ফলে নবায়নের অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং উত্তরসূরির পক্ষে নবায়ন চাওয়া আইনত অগ্রহণযোগ্য।

কিন্তু আদালত এই যুক্তিকে প্রত্যাখ্যান করে বলেছে—
“Actus Dei Nemini Facit Injuriam — ঈশ্বরের কাজ কারো প্রতি অবিচার করে না।”
পারমিটধারীর মৃত্যু একটি দুর্ঘটনাজনিত প্রাকৃতিক ঘটনা, যা তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এমন এক ‘অঘটন’ (mischance) যেটা কয়েক ঘণ্টা আগে বা পরে ঘটে, তা উত্তরাধিকারের স্বীকৃত অধিকার নস্যাৎ করতে পারে না। ফলে, পারমিট নবায়নের অধিকারও মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয়ে যায় না। যেহেতু এই মৃত্যুর ফলে আইনি প্রক্রিয়া স্থগিত হয়নি এবং অধিকার বিলুপ্ত হয়নি, তাই উত্তরসূরির আবেদন বৈধ বলেই গণ্য হবে।

এই রায়ের মাধ্যমে আদালত স্পষ্ট করেছে যে, কোনো ব্যক্তির প্রাকৃতিক বা অনিবার্য কারণে সৃষ্ট ক্ষতির জন্য আইনি অধিকার খর্ব করা উচিত নয়। বরং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে আইনকে মানবিক, বাস্তবধর্মী ও প্রেক্ষাপটভিত্তিক হতে হবে।
১০,৭১০.
মারাত্মক প্ররােচনা ছাড়া কোন ব্যক্তিকে অপমান করার জন্য আক্রমণ করা হলে, অপরাধীকে কী ধরনের শাস্তি দেয়া হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র কারাদণ্ড
  2. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  3. কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
  4. কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড অথবা উভয়ই
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড অথবা উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড অথবা উভয়ই
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৫৫- মারাত্মক প্ররােচনা ছাড়া কোন লােককে অপমান করার জন্য আক্রমণ বা অপরাধজনক বল প্রয়ােগ করা:
যদি কেউ কোন লােককে তৎকর্তৃক দেয় মারাত্মক প্ররােচনা ও আকস্মিক উত্তেজনাবশত ছাড়া প্রকারান্তরে অপমান করার ইচ্ছায় আক্রমণ করে, বা তার উপর অপরাধজনক বলপ্রয়ােগ করে, তা হলে সে লােক যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ডে - যার মেয়াদ দুই বৎসর পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডিত হবে

[Whoever assaults or uses criminal force to any person, intending thereby to dishonour that person, otherwise than on grave and sudden provocation given by that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.]
১০,৭১১.
যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া প্রশ্ন করলে আদালত ধারা ১৫০ অনুযায়ী কী করতে পারে?
  1. সাক্ষীর জবানবন্দি বাতিল করবে
  2. হাইকোর্ট বা অন্যান্য কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করবে
  3. আইনজীবীকে লিখিত নোটিশ দিবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বা অন্যান্য কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বা অন্যান্য কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করবে
ব্যাখ্যা

ধারা ১৫০ - যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে আদালতের পদ্ধতি:
যদি আদালত মনে করে যে, কোন প্রশ্ন যথাযথ কারণ ছাড়া করা হয়েছে, তবে সে প্রশ্ন যদি কোনো অ্যাডভোকেট দ্বারা করা হয়, তাহলে আদালত ঐ প্রশ্নের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে তা উক্ত অ্যাডভোকেটের পেশাগত দায়িত্বের অধীন হাইকোর্ট বিভাগ বা অন্য যে কোনো কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করতে পারে।

১০,৭১২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৮ বিধি ১৮ অনুযায়ী, আদালত কোন ক্ষেত্রে সম্পত্তি পরিদর্শন করতে পারে?
  1. সম্পত্তি বিক্রির জন্য
  2. ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের জন্য
  3. সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য
  4. সম্পত্তি সম্পর্কিত কোনো প্রশ্ন উদ্ভব হলে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি সম্পর্কিত কোনো প্রশ্ন উদ্ভব হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি সম্পর্কিত কোনো প্রশ্ন উদ্ভব হলে
ব্যাখ্যা

আদেশ ১৮ বিধি ১৮: আদালত কর্তৃক পরিদর্শনের ক্ষমতা:
মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে আদালত তা পরিদর্শন করতে পারেন।

CPC Order-18 Rule-18 Power of court to inspect:
The Court may at any stage of a suit inspect any property or thing concerning which any question may arise.

১০,৭১৩.
আদালত রায়ের পূর্বে আটক আদেশ দিতে পারে-
  1. লিখিত জবাব দাখিলের পূর্বে
  2. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে
  3. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের পূর্বে 
  4. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮নং আদেশের ১ থেকে ৪ বিধিতে রায় ঘোষণার পূর্বে বিবাদীকে কতিপয় ক্ষেত্রে গ্রেফতার এবং আদালতে হাজিরার জন্য কেন তাকে জামানত দিতে হবে না তার জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার ক্ষমতা আদালতের রয়েছে। আদালত রায়ের পূর্বে আটক আদেশ দিতে পারে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে। তবে বিবাদী যদি বাদীর দাবিযোগ্য অর্থ জামানত হিসেবে আদালতে জমা দেয় তবে তাকে গ্রেফতার করা যাবে না।

⇒ বিধি-১: বিবাদীকে হাজিরার জন্য জামানত প্রদান- বিবাদী আদালতের কোন পরোয়ানা এড়ানো বা তার বিরুদ্ধে কোন ডিক্রিজারি বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে যদি-
ⅰ) আত্মগোপন বা আদালতের আঞ্চলিক সীমানা ত্যাগ করে বা এর উদ্যেগ গ্রহণ করে: অথবা
ii) তার সম্পত্তি বা এর অংশ হস্তান্তর করে বা আদালতের স্থানীয় সীমা থেকে অপসারন করে; অথবা
iii) বাংলাদেশ ত্যাগ করার প্রচেষ্টা করে; তাহলে এসব ক্ষেত্রে আদালত বিবাদীকে রায়ের পূর্বেই আটক বা আদালতে হাজির হয়ে কেন জামানত দেয়া হবে না এই মর্মে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিতে পারেন। তবে পর্যাপ্ত জামানত দিতে চাইলে আদালত আটকের আদেশ দিবেন না।

⇒ বিধি-২: কারণ দর্শানোয় ব্যর্থ হলে জামানত- ১ বিধি অনুযায়ী বিবাদী উপযুক্ত কারণ দর্শানোয় ব্যর্থ হলে, আদালত বিবাদীকে প্রয়োজনীয় অর্থ বা সম্পদ জামানত হিসাবে আদালতে জমা প্রদানের নির্দেশ দিবেন।

⇒ বিধি-৩: জামিনদার দায়মুক্তির আবেদন করলে- জামিনদার রায় ঘোষণার পূর্বে যে কোন সময় স্বীয় দায়মুক্তির জন্য আদালতে আবেদন করলে আদালত বিবাদীকে হাজির হওয়ার জন্য সমন/ওয়ারেন্ট দিতে পারেন।  বিবাদী আদালতে হাজির হওয়ার পরে আদালত উক্ত জামিনদারকে জামিননামার দায় থেকে মুক্তি দিবেন এবং বিবাদীর নিকট নতুন জামানত তলব করবেন।

⇒  প্রতিকার- সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে (আদেশ ৪৩ বিধি ১)।

⇒ বিধি-৪: জামানত দিতে ব্যর্থ হলে দেওয়ানি কারাগারে আটক- ২ ও ৩ বিধি অনুযায়ী বিবাদী জামানত দিতে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত বিবাদীকে দেওয়ানি কারাগারে প্রেরণ করতে পারে। সাব্যস্ত দেনাদারকে দেওয়ানি কারাগারে আটকের পরিমাণ নিম্নরূপ-
 ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকা বা তার কম হলে ৬ সপ্তাহ আটক রাখা যাবে; এবং  ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকার বেশী হলে ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
⇒ স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা যেমন-বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক বা বন্ধক মুক্তি অথবা স্বত্বের মামলায় আদালত রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেনা।

⇒ অপর্যাপ্ত কারণে বিবাদীকে গ্রেফতার করা হলে অথবা বাদীপক্ষ মামলা দায়ের করার যৌক্তিক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হলে, আদালত বাদীকে এক হাজার (১০০০/-) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারেন।

⇒ শুধুমাত্র অর্থের মোকদ্দমায় বিবাদীকে রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তার করা যায় এবং রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে বিবাদীকে সর্বোচ্চ ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
------------
Rule-1: Where defendant may be called upon to furnish security for appearance. Where at any stage of a suit, other than a suit of the nature referred to in section 16, clauses a) to (d), the Court is satisfied, by affidavit or otherwise-
a) that the defendant, with intend to delay the plaintiff, or to avoid any process of the Court or to obstruct or delay the execution of any decree that may be passed against him-
i) has absconded or left the local limits of the jurisdiction of the Court, or
ii) is about to abscond or leave the local limits of the jurisdiction of the Court, or
iii) has disposed of or removed from the local limits of the jurisdiction of the Court his property or any part thereof, or

b) that the defendant is about to leave Bangladesh under circumstances affording reasonable probability that the plaintiff will or may thereby be obstrusted or delayed in the execution of any decree that may be paased against the defendant in the suit,
the Court may issue a warrant to arrest the defendant and bring him before the Court to show cause why he should not furnish security for his appearance
Provided that the defendant shall not be arrested if he pays to the officer entrusted with the execution of the warrant any sum specified in the warrant as sufficient to satisfy the plaintiff's claim; and such sum shall be held in deposit of or until the further order of the Court.
১০,৭১৪.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার কারণে আদালত ক্রোক আদেশ দিলে তা সর্বোচ্চ কত দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ মাস
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর বিধান লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধে নিষেধাজ্ঞা (Injunction to restrain repetition or continuance of breach): চুক্তিভঙ্গ বা অন্য কোন প্রকার ক্ষতি করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য মোকদ্দমা শুরুর পর যেকোন সময়, রায়ের পূর্বে বা পরে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।
 ⇒যদি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা হয়, অথবা কোন শর্ত ভঙ্গ করা হয় তবে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারেন, এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখারও নির্দেশ দিতে পারেন।

  ⇒এরূপ কোন ক্রোক ১ বছরের অধিক বলবৎ থাকবে না, উক্ত সময়ের পরও যদি অবাধ্যতা বা চুক্তি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তাহলে সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারেন।

 ⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর বিধান লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা। ১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।
২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।
৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয়মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।
৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
১০,৭১৫.
সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময়ে রাজপথে দস্যুতা সংঘটিত হলে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. যাবজ্জীবন
  2. ১০ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার বিধান- দস্যুতার সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।


Section 392. Punishment for robbery:
Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise,
 the imprisonment may be extended to fourteen years.

১০,৭১৬.
সংবিধানের কোন ভাগে মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত বিধানাবলী উল্লেখ আছে?
  1. প্রথম ভাগ
  2. দ্বিতীয় ভাগ
  3. তৃতীয় ভাগ
  4. চতুর্থ ভাগ
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় ভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানে মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত বিধানাবলী তৃতীয় ভাগে (Articles 26 to 47A) উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই ভাগে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার যেমন জীবন, স্বাধীনতা, সমতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, শিক্ষা, কর্মের অধিকার ইত্যাদি সংক্রান্ত বিধান আছে।
- তৃতীয় ভাগের আওতায় নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত রয়েছে এবং রাষ্ট্রের প্রতি সেই অধিকার বাস্তবায়ন ও রক্ষা করার বাধ্যবাধকতা আছে।
১০,৭১৭.
প্রতিটি দস্যুতায় রয়েছে-
  1. চুরি এবং জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়
  2. জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায় এবং চুরি
  3. চুরি অথবা জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়
  4. ডাকাতি এবং চুরি
সঠিক উত্তর:
চুরি অথবা জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি অথবা জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারায় দস্যুতার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। চুরি করার সময় কোন কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নেবে এবং বলপূর্বক গ্রহণের সময় কী কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নিবে সেটি বর্ণনা করা হয়েছে। চুরি অপরাধ সংঘটনকালে যদি death, hurt, wrongful restraint ইত্যাদি করে বা তা করার চেষ্টা করে বা তা করার তাৎক্ষণিক ভয় দেখায় তবে তা দস্যুতায় রূপ নেবে। কিন্তু extortion –এর ক্ষেত্রে উক্ত অপরাধগুলো সংঘটন করা নয়, বরং তা করার ভয় দেখালেই তা দস্যুতায় রূপান্তরিত হবে।
♦ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারা মতে প্রত্যেক দস্যতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।

♦যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When theft is robbery):-
চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে দস্যুতা।

♦বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে  দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When extortion is robbery):-
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী-যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহবল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে।
♦ ব্যাখ্যা (Explanation):-
অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।

♦ অর্থাৎ চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।

♦দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

♦দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করে;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখায়;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করে; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকে।

♦দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।

♦ প্রত্যেক ডাকাতির ক্ষেত্রে দস্যুতা ( চুরি অথবা বলপূর্বক গ্রহণ) থাকে। কিন্তু দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সংখ্যাগত। দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন থাকতে হবে।
১০,৭১৮.
The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 অনুযায়ী বিবাহ নিবন্ধন না করার শাস্তি কী?
  1. অনধিক ৩ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. অনধিক ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. অনধিক ২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. অনধিক ৫ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• যে আইনি বা ধর্মীয় অনুষ্ঠান স্বামী ও স্ত্রীর আইনগত মর্যাদা সৃষ্টি এবং সে মর্যাদা হতে উদ্ভুত আইনগত বাধ্যবাধকতাসমূহ সৃষ্টি করে তাকে বিবাহ বলে।

মুসলিম আইনে বিবাহ হলো Civil Contract বা দেওয়ানি চুক্তি। Abdul Kadir Vs. Salima মামলায় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বিবাহকে দেওয়ানি চুক্তি বলে আখ্যায়িত করেছে। অপর পক্ষে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট Khurshid Bibi মামলায় বলেন- বিবাহ যদিও দেওয়ানি চুক্তির ন্যায় একটি চুক্তি, এটি পুরোপুরি দেওয়নি চুক্তি নয়। কিন্তু Anwar Hossain vs Momtaz Begum 18, CLC, HCD, 51 মামলায় বাংলাদেশর সুপ্রিম কোর্ট ঘোষণা করেন যে, বিবাহ একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয় বরং এটি একটি দেওয়ানি চুক্তি।

বিবাহ নিবন্ধন [Registration of Marriage]:

⇒ মুসলিম বিবাহ নিবন্ধনের ব্যাপারে ধর্মীয় কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে, আইন অনুসারে বিবাহ নিবন্ধন বা ৮ এখন বাধ্যতামূলক।
⇒ The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর ৩ ধারা অনুসারে প্রত্যেক মুসলিম বিবাহ নিবন্ধিত হওয়া বাধ্যতামূলক।
বিবাহ নিবন্ধন না করার শাস্তি হলো- অনধিক ২ বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড বা অনধিক ৩ হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দণ্ড। (ধারা-৫)
⇒ এ আইনের অধীন অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আমলযোগ্য। (ধারা-৫ক)
১০,৭১৯.
'মিথ্যা প্রমাণ তৈরি করা' (Fabricating false evidence) এর সংজ্ঞা কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ধারা ১৯১
  2. ধারা ১৯২
  3. ধারা ১৯৩
  4. ধারা ১৯৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯২
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৯২ ধারার বিধান: মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করা:- কোন ব্যক্তি যদি কোন অবস্থার অস্তিত্ব সৃষ্টি বা উদ্ভাবন করে, অথবা কোন বইতে বা রেকর্ডে মিথ্যা কথা লিপিবদ্ধ করে অথবা মিথ্যা বিবরণ সাক্ষ্য হিসেবে কোন বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমে অথবা সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে সরকারী কর্মচারী হিসেবে কোন আইনগত কার্যক্রমে অথবা কোন সালিসের সম্মুখে উত্থাপন করার উদ্দেশ্যেই যদি তা করা হয়ে থাকে এবং অনুরূপ অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, উক্ত কার্যক্রমে যিনি সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে তাঁর মতামত গঠন করবেন, তিনি উক্ত অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতিজনিত সাক্ষ্যে প্রভাবিত হয়ে অনুরূপ কার্যক্রমের সাথে গুরুত্বপূর্ণভাবে জড়িত কোন বিষয় সম্পর্কে ভুল ধারণা বা মত পোষণ করবেন, তবে সে ব্যক্তি 'মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করেছে' বলে পরিগণিত হয়।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 192. Fabricating false evidence:
Whoever causes any circumstance to exist or makes any false entry in any book or record, or makes any document containing a false statement, intending that such circumstance, false entry or false statement may appear in evidence in a judicial proceeding, or in a proceeding taken by law before  a public servant as such, or before an arbitrator, and that such  circumstance, false entry or false statement, so appearing in evidence, may cause any person who in such proceeding is to form an opinion upon the evidence, to entertain an erroneous opinion touching any point material to the result of such proceeding, is said "to fabricate the evidence.” 

Illustrations:
(a) A puts jewels into a box belonging to Z, with the intention that they may be found in that box, and that this circumstance may cause Z to be convicted of theft. A has fabricated false evidence. 
(b) A makes a false entry in his Shop-book for the purpose of using it as corroborative evidence in a Court of Justice. A has fabricated false evidence. 
(c) A, with the intention of causing Z to be convicted of a criminal conspiracy, writes a letter in imitation of Z's handwriting purporting to be addressed to an accomplice in such criminal conspiracy, and puts the letter in a place which he knows that the officers of the Police are likely to search. A has fabricated false evidence.

১০,৭২০.
রেহেন করা সম্পত্তি রেহেনগ্রহীতার নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় ঐ সম্পত্তিতে কোন সংযোজন ঘটলে, কখন রেহেনদাতা উক্ত সংযোজিত সম্পত্তি পাওয়ার অধিকারী হবে?
  1. বন্ধক চলাকালীন যেকোন সময়
  2. বন্ধকী সম্পত্তি উদ্ধারের সময়
  3. বন্ধকী সম্পত্তি উদ্ধারের পূর্বে
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বন্ধকী সম্পত্তি উদ্ধারের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্ধকী সম্পত্তি উদ্ধারের সময়
ব্যাখ্যা
ধারা ৬৩: রেহেন সম্পত্তির বৃদ্ধি

রেহেন কার্যকর অবস্থায় রেহেন সম্পত্তি রেহেনাগ্রহীতার দখলে থাকার সময় তাতে সংযোজন বা বৃদ্ধি ঘটলে ভিন্নরূপ চুক্তির অবর্তমানে রেহেনমুক্ত করার সময় রেহেনদাতা বৃদ্ধিপ্রাপ্ত সম্পত্তির অধিকারী বলে গণ্য হবে।

Section 63: Accession to mortgaged property
Where mortgaged property in possession of the mortgagee has, during the continuance of the mortgage, received any accession, the mortgagor, upon redemption, shall, in the absence of a contract to the contrary, be entitled as against the mortgagee to such accession.
১০,৭২১.
দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারায় রাষ্ট্রপতির কোন ক্ষমতা সংরক্ষিত আছে?
  1. ক্ষমা প্রদর্শন
  2. দণ্ড মওকুফ
  3. দণ্ড স্থগিত
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারা- রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার সংরক্ষণ:
৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার কোন বিধান দ্বারাই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, দণ্ড মওকুফ বা স্থগিত করা বা দণ্ডাজ্ঞা হ্রাসের অধিকার ক্ষুন্ন হবে না।

Section 55A- Saving for President prerogative:
Nothing in section fifty- four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment.

১০,৭২২.
The main object of Section 7 of The Specific Relief Act, 1877 is to ensure that-
  1. Criminal courts grant civil relief
  2. Penal laws are enforced through civil suits
  3. Specific relief is confined to civil rights
  4. Civil courts impose punishments
সঠিক উত্তর:
Specific relief is confined to civil rights
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Specific relief is confined to civil rights
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- c) Specific relief is confined to civil rights

The Specific Relief Act, 1877–এর ধারা ৭–এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে-
 শুধুমাত্র দণ্ডবিধি (penal law) কার্যকর করার উদ্দেশ্যে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেওয়া যাবে না।

এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার (Specific Relief) যেন ফৌজদারি শাস্তি প্রয়োগের হাতিয়ার না হয়। কেবলমাত্র দেওয়ানি অধিকার (civil rights) রক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।

১০,৭২৩.
Which rights are guaranteed in Article 11 of The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh?
  1. Fundamental human rights
  2. Freedoms
  3. Respect for the dignity and worth of the human person
  4. All of above
সঠিক উত্তর:
All of above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All of above
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদের শুরুতে সুস্পষ্ট করা হয়েছে যে, প্রজাতন্ত্র হিসাবে বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হবে। সংবিধানের অন্যতম মূলনীতি গণতন্ত্র। ১১ অনুচ্ছেদে 'প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র' বিধান করার মাধ্যমে গণতন্ত্র যে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সেটারই প্রতিফলন ঘটানো হয়েছে। সেই সাথে, ১১ অনুচ্ছেদে কতিপয় বিষয়ের নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে-

⇒ মৌলিক মানবাধিকার;
⇒ স্বাধীনতা; এবং
⇒ মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ।

অন্যদিকে, ১১ অনুচ্ছেদে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রশাসনে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

• Article 11: Democracy and human rights
The Republic shall be a democracy in which fundamental human rights and freedoms and respect for the dignity and worth of the human person shall be guaranteed, and in which effective participation by the people through their elected representatives in administration at all levels shall be ensured.

অনুচ্ছেদ ১১: গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মুল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।
১০,৭২৪.
অর্থদণ্ড সম্পূর্ণ পরিশোধিত হলে, অর্থদণ্ডের অনাদায়ে যে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল তা কী হবে?
  1. কারাদণ্ড সমাপ্ত হবে
  2. কারাদণ্ড বহাল থাকবে
  3. কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে
  4. কারাদণ্ডের আংশিক সমাপ্তি হবে
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড সমাপ্ত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড সমাপ্ত হবে
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৬৮ ধারায় বলা হয়েছে, যদি অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়, তবে অর্থদণ্ড পরিশোধিত হলে বা আদায় হয়ে গেলে আসামী মুক্তি পাবে এবং তার কারাদণ্ড সমাপ্ত হবে।

→ দণ্ডবিধির ৬৮ ধারার বিধান অর্থদণ্ড আদায়ে কারামুক্তি:
- যে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, সে অর্থদণ্ড প্রদত্ত হলে অথবা আইনগত কার্যক্রমের মাধ্যমে আদায়ীকৃত হলে আসামীর কারামুক্তি হবে। 
অর্থাৎ অর্থদণ্ড সম্পূর্ণ পরিশোধিত হইলে অর্থদণ্ড অনাদায়ে যে কারাদণ্ড দেওয়া আছে তা সমাপ্ত হবে।
------------------
→ The Penal Code,1860- Section 68. Imprisonment to terminate on payment of fine:
- The imprisonment which is imposed in default of payment of a fine shall terminate whenever that fine is either paid or levied by process of law.
১০,৭২৫.
দণ্ডবিধির কত ধারায় রাষ্ট্রপ্রতির বিশেষ ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতা সংরক্ষণ করা হয়েছে?
  1. ৫৫ ধারায়
  2. ৫৪ ধারায়
  3. ৫৫ক ধারায়
  4. ৫৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৫ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ক ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির  ৫৫ক ধারার বিধান রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার সংরক্ষণ:- ৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার কোন বিধান দ্বারাই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, মৃত্যুদণ্ড মওকুফ বা স্থগিত করা বা দণ্ডাজ্ঞা হ্রাসের অধিকার ক্ষুন্ন হবে না।

♦ দণ্ডবিধির  ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দত্তকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন।

♦ দণ্ডবিধির  ৫৫ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:- যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ডা হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।

--------------------------
♦ Section 55A. Saving for President prerogative:- Nothing in section fifty- four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment.

♦ Section 54. Commutation of sentence of death:- In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.

♦ Section 55. Commutation of sentence of imprisonment for life:- In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.
১০,৭২৬.
মুদ্রা জাল করণের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বৎসর কারাদণ্ড
  2. ৫ বৎসর কারাদণ্ড
  3. ৭ বৎসর কারাদণ্ড
  4. ১০ বৎসর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বৎসর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বৎসর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৩১ ধারার বিধান: মুদ্রা জাল করণ- কোন ব্যক্তি মুদ্রা জাল করলে অথবা জ্ঞাতসারে মুদ্রা জালকরণ প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করলে, সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- কোন ব্যক্তি প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে, অথবা তার কাজের ফলে প্রতারণা সংঘটিত হবে জানা সত্ত্বেও, কোন খাঁটি মুদ্রাকে দেখতে অপর কোন মুদ্রার মতো করলে, সে অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
-------------------------------
♦ Counterfeiting coin:
Section 231. Whoever counterfeits or knowingly performs any part of the process of counterfeiting coin, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
 
Explanation.- A person commits this offence who intending to practice deception, or knowing it to be likely that deception will thereby be practiced, causes a genuine coin to appear like a different coin.
১০,৭২৭.
সাধারণভাবে Limitation period গণনার মূলনীতি তামাদি আইনের কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৪
  4. ধারা ৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৩ এ সাধারণভাবে Limitation period (সময়সীমা) গণনার মূলনীতি উল্লেখ করা হয়েছে। এই ধারা অনুসারে, যদি কোন মামলা, আপিল বা আবেদন এই আইনের তফসিল ১ এ নির্ধারিত সময়সীমার পরে দায়ের করা হয়, তবে তা তামাদির কারণে বাতিল হয়ে যাবে (barred by limitation) এবং আদালত এটিকে খারিজ করে দিবে।
- সুতরাং, সময়সীমা গণনার সাধারণ মূলনীতি ধারা ৩ এ বর্ণিত হয়েছে।
 
⇒ তামাদি আইনের ৩ ধারায় বলা হয়েছে, বাদীর করা কোন মামলায় বিবাদী যদি আদালতে তামাদির প্রশ্ন নাও তুলে তারপরেও মামলা খারিজ হবে যদি বাদী এই আইনের ধারা ৪-২৫ এবং ১ম তফসিলের নির্ধারিত সময়ের মাঝে আদালতে মামলা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়।
-তামাদি আইন, ১৯০৮ ফৌজদারি মূল মামলা অর্থাৎ এজাহার, এফ আই আর বা অভিযোগ/নালিশ (complaint) দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
-তামাদি আইন দ্বারা ফৌজদারি মামলা বাধাপ্রাপ্ত হয় না।
- তবে ফৌজদারি আপিল, রিভিশন প্রভৃতি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন- মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৭ দিন।
তামাদি আইন ফৌজদারি মূল মামলার ক্ষেত্রে সাধারণত প্রয়ােগ হয় না। তবে ফৌজদারি মামলার আপিলের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য হয়।
-------------
⇒The Limitation Act Section-3: Dismissal of suits, etc., instituted, etc., after period of limitation:
-Subject to the provisions contained in sections 4 to 25 (inclusive), every suit instituted, appeal preferred, and application made, after the period of limitation prescribed therefor by the first schedule shall be dismissed, although limitation has not been set up as a defence.

Explanation.-A suit is instituted, in ordinary cases, when the plaint is presented to the proper officer; in the case of a pauper, when his application for leave to sue as a pauper is made; and, in the case of a claim against a company which is being wound up by the Court, when the claimant first sends in his claim to the official liquidator.

১০,৭২৮.
'চ' তার সম্পত্তি 'ছ' এর নিকট হস্তান্তর করে এই শর্তে যে 'ছ' কখনোই উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করবে না। এই ক্ষেত্রে-
  1. শর্ত এবং হস্তান্তর উভয় বাতিল
  2. হস্তান্তর বাতিল কিন্তু শর্ত বৈধ
  3. শর্ত এবং হস্তান্তর উভয় বৈধ
  4. শর্ত বাতিল কিন্তু হস্তান্তর বৈধ
সঠিক উত্তর:
শর্ত বাতিল কিন্তু হস্তান্তর বৈধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শর্ত বাতিল কিন্তু হস্তান্তর বৈধ
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ক্ষেত্রে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী- শর্তটি বাতিল কিন্তু হস্তান্তর বৈধ।

ধারা ১০: হস্তান্তর নিষিদ্ধ করে শর্ত আরোপ [Condition restraining alienation]: সম্পত্তি হস্তান্তর করার অধিকার সম্পত্তির মালিকের এক অবিচ্ছেদ্য অধিকার। ১০ ধারায় এই অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। ১০ ধারায় বলা হয়েছে-

যেক্ষেত্রে সম্পত্তি এই শর্তে হস্তান্তর করা হয় যে, হস্তান্তরগ্রহীতা হস্তান্তরকৃত সম্পত্তিটিতে তার স্বার্থ হস্তান্তর করতে পারবে না যেমন- বিক্রয় করতে পারবে না ইত্যাদি, সেই ক্ষেত্রে উক্ত শর্তটি অবৈধ হবে কিন্তু হস্তান্তরটি বৈধ হবে। কারণ এমন শর্ত হস্তান্তরগ্রহীতার সম্পত্তি হস্তান্তর করার অধিকারের লঙ্ঘন।

১০ ধারার এই নিয়মের ২টি ব্যতিক্রম আছে। সম্পত্তি হস্তান্তর করা যাবে না এমন শর্ত আরোপ করা বৈধ হবে-
⇒ যদি শর্তটি ইজারাদাতার স্বার্থে করা হয়; বা
⇒ হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ মহিলা ব্যতীত অন্যকোন বিবাহিত মহিলাকে সম্পত্তি হস্তান্তর করার সময় এমন শর্ত আরোপ করা হয়।
১০,৭২৯.
মৌখিক সাক্ষ্য সরাসরি হবে এই বিধান আইনের কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ৪২ ধারা
  2. ৪৪ ধারা
  3. ৫১ ধারা
  4. ৬০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ধারা ৬০ অনুযায়ী- মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে অর্থাৎ সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে নিজে প্রত্যক্ষভাবে দেখতে হবে বা শুনতে হবে বা উপলব্ধি করতে হবে। অন্যের মারফত শোনা ঘটনা এক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য হবে না।
♦ Oral evidence must, in all cases whatever, be direct.
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ মতে- মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে ( oral evidence must be direct)। অথাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।
১০,৭৩০.
The Transfer of Property Act, 1882-এর মধ্যে কত প্রকার Mortgage এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৩ প্রকার
  2. ৬ প্রকার
  3. ৫ প্রকার
  4. ৮ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৬ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ প্রকার
ব্যাখ্যা

⇒ নগদ অর্থ ঋণ হিসেবে গ্রহণের নিশ্চয়তার উদ্দেশ্যে ভবিষ্যত দেনা সৃষ্টি করতে পারে, এমন সম্পত্তির স্বত্ব অপরের নিকট হস্তান্তর করাকে রেহেন বা বন্ধক বলে।
- সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২–তে ৬ প্রকারের রেহেন (Mortgage) এর উল্লেখ রয়েছে।
ক) সাধারণ রেহেন:
সম্পত্তির দখল হস্তান্তর না করে রেহেনের টাকা ব্যক্তিগতভাবে পরিশােধের দায়িত্ব গ্রহণ করলে তাকে সাধারণ রেহেন বলে। এখানে শর্ত থাকে চুক্তি মােতাবেক ঋণ গ্রহীতা টাকা পরিশােধ করতে না পারলে ঋণদাতা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করে তার প্রাপ্য টাকা গ্রহণ করতে পারবে।
(খ) শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে রেহেন:
যদি কোন সম্পত্তি এই শর্তে বিক্রয় করা হয় যে, নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ না করলে বিক্রয় চূড়ান্ত হবে অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পরিশােধ করলে বিক্রয় বাতিল হবে তাহলে তাকে শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে নেহেন বলে।
(গ) খাই খালাসী রেহেন:
দাতা সম্পত্তির দখল গ্রহীতাকে প্রদান করবে, টাকা পরিশােধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখবে তাকে খাই খালাসী রেহেন বলে ।
(ঘ) ইংলিশ রেহেন:
দাতা নির্দিষ্ট তারিখে রেহেনের টাকা পরিশােধের অঙ্গীকার করে সম্পত্তি গ্রহীতার নিকট হস্তান্তর করবে। শর্ত থাকবে নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ করলে গ্রহীতা দাতাকে সম্পত্তি ফিরিয়ে দিবে। এটি হলাে ইংলিশ রেহেন।
(ঙ) দলিল জমা দেওয়ার রেহেন:
ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, চট্টগ্রাম শহরে বা সরকারী গেজেট দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোন শহরে কোন ব্যক্তি যখন মহাজন বা তার প্রতিনিধির উপর জামানত সৃষ্টির জন্য দলিল জমা দেয়া হয় তাকে দলিল জমা দেওয়ার রেহেন বলে।
(চ) সংজ্ঞাহীন রেহেন:
যে রেহেন উপরােক্ত কোন রেহেনের অন্তর্ভুক্ত হয় না তাকে সংজ্ঞাহীন রেহেন বলে।

১০,৭৩১.
আপিল বিভাগ কোন ক্ষেত্রে মামলা বা আপিল স্থানান্তর করে থাকে?
  1. ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্যে
  2. পক্ষগণের সুবিধার উদ্দেশ্যে
  3. সাক্ষীদের সুবিধার উদ্দেশ্যে
  4. উল্লিখিত যেকোন ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যেকোন ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যেকোন ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২৫ক- মামলা ও আপীল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের ক্ষমতা

(১) যেক্ষেত্রে এটা প্রতীয়মান হয় যে, এরূপ স্থানান্তর ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য বা পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার উন্নয়ন ঘটাবে সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগ কোন নির্দিষ্ট মামলা বা আপিল হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে উহার অন্য স্থায়ী বেঞ্চে কিংবা হাইকোর্ট বিভাগের কোন স্থায়ী বেঞ্চের এখতিয়ারের মধ্যকার কোন ফৌজদারী আদালত থেকে হাইকোর্ট বিভাগের অন্য কোন স্থায়ী বেঞ্চের মধ্যকার এখতিয়ারের মধ্যকার একই বা উচ্চতর ক্ষমতা সম্পন্ন ফৌজদারী আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

(২) যে হাইকোর্ট ডিভিশনের স্থায়ী বেঞ্চ কিংবা ক্ষেত্রমতে আদালতে মামলা বা আপীল স্থানান্তরিত হয়, সে বেঞ্চ বা আদালত এমনভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন যাতে মূলতঃ সেখানেই উক্ত মামলা বা আপীল দায়ের করা বা উপস্থাপিত হয়েছিল।

Section 525A- Power of Appellate Division to transfer cases and appeals
(1) The Appellate Division may direct the transfer of any particular case or appeal from one permanent Bench of the High Court Division to another permanent Bench of the High Court Division, or from any Criminal Court within the jurisdiction of one permanent Bench of the High Court Division to any other Criminal Court of equal or superior jurisdiction within the jurisdiction of another permanent Bench of the High Court Division, whenever it appears to it that such transfer promote the ends of justice, or tend to the general convenience of parties or witnesses.
(2) The permanent Bench of the High Court Division or the Court, as the case may be, to which such case or appeal is transferred shall deal with the same as if it had been originally instituted in, or presented to, such Bench or Court, as the case may be.
১০,৭৩২.
আইনটির সঠিক নাম কি?
  1. The Small Cause Courts Act, 1887
  2. The Small Causes Court Act, 1887
  3. The Small Cause Court Act, 1887
  4. কোনটিই সঠিক নয়
সঠিক উত্তর:
The Small Cause Courts Act, 1887
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Small Cause Courts Act, 1887
ব্যাখ্যা
• আইনটির সঠিক নাম- The Small Cause Courts Act,1887

এই আইনের ৫ ধারায় বলা হয়েছে, সরকার লিখিত আদেশের মাধ্যমে স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত প্রতিষ্ঠা করবে।
কোন কোন আদালতকে A Court of Small Causes হিসেবে গণ্য করা হবে,সেটা দেওয়ানী আদালত আইন,১৮৮৭ এর ধারা ২৫-এ আলোচনা করা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে, A Court of Small Causes এর বিচারক হবেন যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ এবং সহকারী জজ। এক্ষেত্রে যুগ্ম জেলা জজ আদালতের আর্থিক এখতিয়ার হবে ২০ হাজার টাকা, সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার হবে ১০ হাজার টাকা এবং সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার হবে ৬ হাজার টাকা।সরকার ৬ ধারার বিধান অনুযায়ী কোন বিচারককে ক্ষুদ্র এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের বিচারক নিয়োগ করতে পারে।

স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের আর্থিক এখতিয়ার-
সাধারনত স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের আর্থিক এখতিয়ার ২৫০০০ টাকা। তার মানে Court of Small Causes ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত মূল্যমানের দেওয়ানী মামলার বিচার করতে পারবে অথবা আমলে নিতে পারবে।
১০,৭৩৩.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৩৮ ধারা প্রযোজ্য হয়, যখন হস্তান্তকারীর হস্তান্তর করার অধিকার-
  1. সীমাবদ্ধ
  2. চূড়ান্ত
  3. শর্তহীন
  4. অসীম
সঠিক উত্তর:
সীমাবদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীমাবদ্ধ
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ৩৮ ধারায় সম্পত্তি হস্তান্তরের সীমাবদ্ধ ক্ষমতা (Limited Power of Transfer) সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সম্পত্তির মালিক না হলেও এই ধারা কতিপয় বিশেষ প্রেক্ষাপটে কতিপয় ব্যক্তিকে সম্পত্তি হস্তান্তরে সীমাবদ্ধ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

• শর্তসমূহ

১. হস্তান্তরকারীর সম্পত্তি হস্তান্তর করার সীমাবদ্ধ ক্ষমতা আছে;
২. হস্তান্তরকারী বিশেষ প্রেক্ষাপটে উক্ত সম্পত্তি হস্তান্তর ক্ষমতাবান;
৩. হস্তান্তরকারী মূল্যের বিনিময়ে উক্ত সম্পত্তি হস্তান্তর করেছে;
৪. এমন বিশেষ প্রেক্ষাপট যে বিদ্যমান আছে হস্তান্তরকারী অবশ্যই তা দাবী করবে;
৫. যে ব্যক্তি মূল্যের বিনিময়ে সম্পত্তি গ্রহণ করছে অর্থাৎ হস্তান্তরগ্রহীতা এমন বিশেষ প্রেক্ষাপট বিদ্যমান আছে কিনা তা নির্ধারণে যুক্তিযুক্ত সচেতনতা অবলম্বন করবে;
৬. সম্পত্তি গ্রহীতা সরল বিশ্বাসে কার্যটি করেছে।

• ৩৮ ধারায় যে সকল ব্যক্তি হস্তান্তর করতে পারে-

সম্পত্তির মালিক না হলেও ৩৮ ধারায় কতিপয় ব্যক্তিকে বিশেষ প্রেক্ষাপটে যেমন আইনগত প্রয়োজনে সম্পত্তি হস্তান্তর করার সীমাবদ্ধ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সম্পত্তি হস্তান্তরের সীমাবদ্ধ ক্ষমতা আছে বিধবা হিন্দু মহিলার, হিন্দু পরিবারের ম্যানেজার, কোন নাবালকের অভিভাবকের, দেবোত্তর সম্পত্তির কোন সেবাইত বা ট্রাস্টি ইত্যাদি। উল্লেখিত ব্যক্তিগণ উক্ত সম্পত্তির মালিক না হলেও আইনগত প্রয়োজনে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে।

Section 38: Transfer by person authorised only under certain circumstances to transfer
Where any person, authorised only under circumstances in their nature variable to dispose of immoveable property, transfers such property for consideration, alleging the existence of such circumstances, they shall, as between the transferee on the one part and the transferor and other persons (if any) affected by the transfer on the other part, be deemed to have existed, if the transferee, after using reasonable care to ascertain the existence of such circumstances, has acted in good faith. 
 
Illustration 
A, a Hindu widow, whose husband has left collateral heirs, alleging that the property held by her as such is insufficient for her maintenance, agrees, for purposes neither religious nor charitable, to sell a field, part of such property, to B. B satisfies himself by reasonable enquiry that the income of the property is insufficient for A's maintenance, and that the sale of the field is necessary, and, acting in good faith, buys the field from A. As between B on the one part and A and the collateral heirs on the other part, a necessity for the sale shall be deemed to have existed.
১০,৭৩৪.
কোনো ফৌজদারি মামলায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং এডভোকেট নিযুক্ত থাকলে, উক্ত মামলা-
  1. শুধুমাত্র এডভোকেট মামলা পরিচালনা করবেন
  2. শুধুমাত্র পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা পরিচালনা করবেন
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেটের নির্দেশাধীন কাজ করবেন
  4. এডভোকেট পাবলিক প্রসিকিউরের নির্দেশাধীন কাজ করবেন
সঠিক উত্তর:
এডভোকেট পাবলিক প্রসিকিউরের নির্দেশাধীন কাজ করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এডভোকেট পাবলিক প্রসিকিউরের নির্দেশাধীন কাজ করবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৩ ধারা অনুসারে,
পাবলিক প্রসিকিউটর যে মামলায় ভারপ্রাপ্ত হয়েছেন, সেই মামলা যে আদালতে তদন্তাধীন, বিচার বা আপীলাধীন রয়েছে, তিনি সেই আদালতে কোনো প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়াই হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন, এবং কোনো বেসরকারী ব্যক্তি যদি এরূপ কোন মামলার কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ পরিচালনার জন্য এডভোকেট নির্দেশ দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে নির্দেশাধীন এডভোকেট উক্ত মামলায় তাঁর নির্দেশাধীন কাজ করবেন।

Section 493-
The Public Prosecutor may appear and plead without any written authority before any Court in which any case of which he has charge is under inquiry, trial or appeal, and if any private person instructs a pleader to prosecute in any Court any person in any such case, the Public Prosecutor shall conduct the prosecution, and the pleader so instructed shall act therein, under his directions.
১০,৭৩৫.
দণ্ডবিধির ৪১৩ ধারায় দোষী ব্যক্তির জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. তিন বছর
  2. সাত বছর
  3. দশ বছর
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪১৩ ধারা অনুসারে, যদি কোন ব্যক্তি অভ্যাসগতভাবে (habitually) এমন সম্পত্তির লেনদেন করে যা সে জানে বা বিশ্বাস করার কারণ আছে যে তা চোরাই সম্পত্তি, তাহলে সে ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত হলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
- অতএব, সর্বোচ্চ শাস্তি: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড — এটি ৪১৩ ধারার সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৩ ধারার বিধান অভ্যাসগতভাবে চোরাই সম্পত্তির বেচাকেনা করা:- কোন ব্যক্তি যদি যে সম্পত্তি চোরাই বলে সে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, অভ্যাসগতভাবে বরাবর সে সম্পত্তির বেচাকেনা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 413. Habitually dealing in stolen property:
- Whoever habitually receives or deals in property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment for life, or with imprison - ment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১০,৭৩৬.
তলবী ব্যক্তি অনুপস্থিত থাকলে তার পরিবারের কোন সদস্যকে সমনের কপি প্রদান করা হবে?
  1. তার পিতামাতার নিকট
  2. সাবালক পুরুষ ব্যক্তির নিকট
  3. সাবালক যে কোন ব্যক্তির বরাবর
  4. তার আইনগত অভিভাবকের নিকট
সঠিক উত্তর:
সাবালক পুরুষ ব্যক্তির নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাবালক পুরুষ ব্যক্তির নিকট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭০ ধারার বিধান খুঁজে পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তির কাছে সমন জারির পদ্ধতি:
- যার উপর সমন জারী করা হবে, সঠিক পদ্ধতিতে চেষ্টা করেও যেক্ষেত্রে তাকে খুঁজে পাওয়া না যায়, সেক্ষেত্রে সমনের দুই কপির মধ্যে একটি তার পরিবারের একজন সাবালক পুরুষ সদস্য বরাবর দিয়া সমন জারী করতে হবে এবং জারীকারী অফিসার দাবী করলে, যার নিকট সমন জারী করা হল, তিনি সমনের দুটি নকলের অপর পৃষ্ঠায় স্বাক্ষর করে প্রাপ্তি স্বীকার করবেন।
------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 70: Service when person summoned cannot be found:
- Where the person summoned cannot by the exercise of due diligence be found, the summons may be served by leaving one of the duplicates for him with some adult male member of his family, and the person with whom the summons is so left shall, if so required by the serving officer, sign a receipt therefore on the back of the other duplicate.
১০,৭৩৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৩৬ কোন বিষয়ে বিধান প্রদান করে?
  1. ভুলের জন্য চুক্তি রদ
  2. ভুলের জন্য চুক্তি সংশোধন
  3. চুক্তির ক্ষতিপূরণ প্রদান
  4. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যকারিতা
সঠিক উত্তর:
ভুলের জন্য চুক্তি রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুলের জন্য চুক্তি রদ
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৩৬ (Section 36)-এর শিরোনাম হলো "Rescission for mistake" বা ভুলের জন্য রদ। এই ধারায় বিধান করা হয়েছে যে, কেবলমাত্র ভুলের (mere mistake) কারণে লিখিত চুক্তি রদ (rescind) করা যাবে না, যদি না বিপক্ষ পক্ষকে উল্লেখযোগ্যভাবে পূর্বের অবস্থায় (substantially the same position) পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়—যেন চুক্তিটি কখনো হয়ইনি।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারার বিধান: ভুলের জন্য রদ:
কেবলমাত্র ভুলের জন্য বিচারপূর্বক লিখিত চুক্তি রদ করা যায় না, যদি না যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করা হচ্ছে সে পক্ষকে উল্লেখযোগ্যভাবে একই মর্যাদায় পুনরুদ্ধার করা যায়, যেন কখনও চুক্তিই করা হয় নাই।
----------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section- 36. Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.

১০,৭৩৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ আদেশের ৯ক বিধির অধীন মোকদ্দমা বাতিলের আদেশ সরাসরি বাতিলের আবেদনের ক্ষেত্রে আদালত অনধিক কত টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২২ বিধি-৯ক এর বিধান সরাসরি খারিজ বা বাতিল আদেশ রহিতকরণ (Directly setting aside abatement or dismissal): বাতিল বা খারিজের ৬০ দিনের মধ্যে যদি মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি বাতিল বা খারিজের আদেশকে রহিতকরণের জন্য আবেদন করে তাহলে আদালত বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করে বাতিল বা খারিজ আদেশ সরাসরি রহিত করতে পারেন। এক্ষেত্রে আদালত বাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিবেন।
---------------
⇒ Order 22 Rule-9A.Directly setting aside abatement or dismissal:
- Notwithstanding anything contained in rule 9 or any other law, where the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver of any insolvent plaintiff files an application for setting aside abatement or dismissal made under this Order, within sixty days of abatement or dismissal, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, set aside the abatement or dismissal without requiring the applicant to adduce evidence to prove sufficient cause as required under rule 9, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand taka as the Court may deem appropriate.
১০,৭৩৯.
দণ্ডবিধির ৮৩ ধারা অনুযায়ী, কোন বয়সের অপরিণত বুদ্ধিসম্পন্ন শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. ৫ থেকে ১০ বছর
  2. ৬ থেকে ৯ বছর
  3. ৯ থেকে ১২ বছর
  4. ১০ থেকে ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
৯ থেকে ১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ থেকে ১২ বছর
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮৩ ধারা- নয় বৎসরের অধিক কিন্তু বার বৎসরের কম বয়সের অপরিণত বুদ্ধিসম্পন্ন শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:
নয় বৎসর অপেক্ষা বেশি কিন্তু বার বৎসর অপেক্ষা কম বয়সের এমন কোন শিশুর কোন কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না, যে শিশু সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় উহার প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার পক্ষে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা লাভ করে নাই।

Section 83- Act of a child above nine and under twelve of immature understanding:
Nothing is an offence which is done by a child above nine years of age and under twelve, who has not attained sufficient maturity of understanding to judge of the nature and consequences of his conduct on that occasion.

এই ধারায় বলা হয়েছে,
নয় থেকে বারো বছর বয়সের মধ্যে থাকা শিশু কোনো অপরাধ সংঘটিত করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না, যদি প্রমাণিত হয় যে শিশুটি সংশ্লিষ্ট কাজের প্রকৃতি এবং ফলাফল বিচার করার মতো বুদ্ধিমত্তা অর্জন করে নি। অর্থাৎ, যদি শিশুটি কাজের গুরুতর পরিণতি বোঝার মতো পরিপক্কতা না পায়, তাহলে তাকে অপরাধের জন্য দায়ী করা হবে না।
১০,৭৪০.
বাতিলযোগ্য চুক্তি (Voidable Contract) এর সংজ্ঞা কত ধারায় দেয়া আছে?
  1. ধারা ২(গ)
  2. ধারা ২(চ)
  3. ধারা ২(জ)
  4. ধারা ২(ঝ)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(ঝ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(ঝ)
ব্যাখ্যা
The Contract Act, 1872: ধারা ২(ঝ)-
“যে চুক্তি এক বা একাধিক পক্ষের ইচ্ছানুসারে আইনত বলবৎ করা যায়, কিন্তু অপর পক্ষ বা পক্ষসমূহের ইচ্ছানুসারে নয়, তাকে বাতিলযোগ্য চুক্তি (Voidable Contract) বলা হয়।”

[An agreement which is enforceable by law at the option of one or more of the parties thereto, but not at the option of the other or others, is a voidable contract]
১০,৭৪১.
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৫ কী বিষয়ে প্রযোজ্য?
  1. দণ্ডবিধি
  2. বিলম্ব মওকুফ
  3. সম্পত্তির মালিকানা
  4. আদালতের এখতিয়ার
সঠিক উত্তর:
বিলম্ব মওকুফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিলম্ব মওকুফ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) বিলম্ব মওকুফ।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ (Limitation Act, 1908) হলো একটি প্রক্রিয়াগত আইন, যা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে মামলা, আপিল, বা দরখাস্ত দায়ের করার নিয়ম নির্ধারণ করে।
⇒ তামাদি আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী যদি নির্ধারিত সময়সীমার পর একটি আপিল, রিভিউ, রিভিশন, বা অন্য কোনো আবেদন দায়ের করা হয়, তবে সেই বিলম্বের জন্য আবেদনকারী যদি পর্যাপ্ত কারণ (Sufficient Cause) দেখাতে পারে এবং আদালত যদি তাতে সন্তুষ্ট হয়, তবে আদালত বিলম্ব মওকুফ করে আবেদনটি গ্রহণযোগ্য করতে পারে।
- ধারা ৫ এই আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা, যা “বিলম্ব মওকুফ” বা Condonation of Delay এর বিধান প্রদান করে।

 ধারা ৫ যে ৫টি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য:
১) আপিল (Appeal)।
২) আপিলের অনুমতির দরখাস্ত (Leave to appeal)।
৩) রায় পুনর্বিবেচনার দরখাস্ত (Revision)।
৪) রায় পুনঃনিরীক্ষণের দরখাস্ত (Review)।
৫) অন্য কোনো দরখাস্ত (Any other application)।

যেসব ক্ষেত্রে ধারা ৫ প্রযোজ্য নয়:
- মূল মোকদ্দমার ক্ষেত্রে (যেমন: স্বত্ব ঘোষণা, নিষেধাজ্ঞা, অগ্রক্রয় মামলা)।
- কোনো বিশেষ আইনের অধীন মামলা, যেখানে নিজস্ব সময়সীমা নির্ধারিত আছে।
১০,৭৪২.
দেওয়ানী মামলায় আরজি ভুল আদালতে দাখিল করার পরিণাম কি?
  1. মামলা ডিসমিস
  2. আরজি খারিজ
  3. আরজি ফেরত
  4. মামলার কার্যক্রম চলবে
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
ব্যাখ্যা
এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে,আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য ফেরত পাঠাবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ আদেশের ১০ বিধিতে আরজি ফেরত এবং ৭ আদেশের ১১ বিধিতে আরজি প্রত্যাখ্যান বিষয়ে বিধান উল্লেখ করা হয়েছে। আরজি ফেরত [Return of Plaint] অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া।

আদেশ ৭ বিধি ১০-
যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।

• আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২. আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩নং আদেশের ১(ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
১০,৭৪৩.
ধারা ৫৪ক অনুযায়ী, যদি বিক্রয় চুক্তিতে সময় উল্লেখ না থাকে, তবে কতদিন সময় ধরা হবে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪ক: বিক্রয়ের চুক্তি নিবন্ধিত হওয়া বাধ্যতামূলক:
যে কোনো স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি শুধুমাত্র লিখিত ও নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে করা যাবে- এবং এটি কার্যকর হবে নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ অনুযায়ী, এমনকি যদি ক্রেতা সম্পত্তি বা তার কোনো অংশ দখলে না নিয়েও থাকে।

চুক্তি দলিলে অবশ্যই বিক্রয় সম্পাদন ও নিবন্ধনের সময়সীমা উল্লেখ করতে হবে,
- যা কার্যকর হবে দলিল নিবন্ধনের তারিখ থেকে।
- যদি কোনো সময়সীমা উল্লেখ না থাকে, তাহলে ছয় মাস সময় ধরা হবে।
১০,৭৪৪.
“ক” চট্টগ্রামে বসবাস করেন এবং ঢাকায় “খ” কে মারধর করেন, “খ” কোথায় মামলা করতে পারবে- এই সম্পর্কিত বিধান দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১৬
  2. ধারা ১৭
  3. ধারা ১৮
  4. ধারা ১৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৯ ধারায় বলা হয়েছে,
কোন ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে ক্ষতিসাধন করা হলে, এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা করলে বা লাভজনক কাজ করলে, বাদী দুই আদালতের যে কোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করতে পারবে।

অন্যদিকে, 
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত দেওয়ানী মোকদ্দমার বিষয়ে দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পর্কে ১৬, ১৭ এবং ১৮ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। অর্থাৎ স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা দায়েরের  দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার ১৬, ১৭ এবং ১৮ ধারা অনুসারে নির্ধারণ করতে হবে ও মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
----------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section- 19. Suits for compensation for wrongs to person or movables:
Where a suit is for compensation for wrong done to the person or to movable property, if the wrong was done within the local limits of the jurisdiction of one Court and the defendant resides, or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of another Court, the suit may be instituted at the option of the plantiff in either of the said Courts. 
 
Illustrations:
(a) A, residing in Chittagong beats B in Dhaka.  B may sue A either in Dhaka or in Chittagong. 
(b) A, residing in Chittagong publishes in Dhaka statements defamatory of B. B may sue A either in Dhaka, or in Chittagong.
১০,৭৪৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫-এর কোন বিধিতে বিকল্প বা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারির (Substituted Service) বিধান রয়েছে?
  1. বিধি ৮
  2. বিধি ১০
  3. বিধি ২০
  4. বিধি ২৫
সঠিক উত্তর:
বিধি ২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি ২০
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৫, বিধি ২০-এ বিকল্প বা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারির (Substituted Service) বিধান বর্ণিত আছে। এই বিধি অনুযায়ী, যদি আদালত বিশ্বাস করে যে বিবাদী সমন এড়াতে আত্মগোপন করছে বা অন্য কোনো কারণে সাধারণভাবে সমন জারি করা সম্ভব নয়, তবে আদালত নিম্নলিখিত পদ্ধতিতে সমন জারির নির্দেশ দিতে পারে:
- সমনের একটি নকল আদালত ভবনের দৃশ্যমান স্থানে এবং বিবাদীর শেষ পরিচিত বাসস্থান, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বা কর্মস্থলের দৃশ্যমান স্থানে ঝুলিয়ে দেওয়া।
- অথবা, বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়ার মাধ্যমে।
------------
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮, আদেশ ৫, বিধি ২০: বিকল্প বা পরিবর্তিত জারি (Substituted Service):
(১) যেখানে আদালত সন্তুষ্ট যে, বিবাদী সেবা এড়ানোর জন্য উড়াল দেয়ার চেষ্টা করছে বা অন্য কোনো কারণে সমন সাধারাণভাবে প্রেরণ করা সম্ভব নয়, তখন আদালত সমনকে আদালতের ভবনে কোনো দৃশ্যমান স্থানে সেঁটে দেওয়ার নির্দেশ দিবে এবং যেখানে বিবাদী শেষবার বসবাস বা ব্যবসা চালিয়েছেন, বা যেখানে তিনি নিজে উপার্জনের জন্য কাজ করতেন, সেই স্থানের কোনো দৃশ্যমান জায়গাতেও সেঁটে দেবেন, অথবা আদালত যেভাবে উপযুক্ত মনে করবে সেইভাবে সমন প্রেরণের ব্যবস্থা করবেন।
(১এ) যদি আদালত উপবিধি (১) অনুযায়ী সমন প্রেরণের জন্য সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়ার নির্দেশ দেন, তবে সেই সংবাদপত্রটি দৈনিক হতে হবে এবং ওই এলাকার মধ্যে যার মধ্যে বিবাদী শেষবার বসবাস করতেন বা ব্যবসা পরিচালনা করেছিলেন, সেই এলাকাতে প্রচারিত হতে হবে।
বিকল্প বা পরিবর্তিত জারির প্রভাব:
(২) আদালতের আদেশে করা বিকল্প বা পরিবর্তিত জারি, বিবাদীর ব্যক্তিগত জারির মতোই কার্যকর হবে।যেখানে বিকল্প বা পরিবর্তিত জারি করা হয়েছে, সেসময় উপস্থিতির জন্য সময় নির্ধারণ:
(৩) যদি আদালত বিকল্প বা পরিবর্তিত জারির আদেশ দেয়, তাহলে আদালত বিবাদীর উপস্থিতির জন্য প্রয়োজনীয় সময় নির্ধারণ করবে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 5 Rule 20: Substituted service-
(1) Where the Court is satisfied that there is reason to believe that the defendant is keeping out of the way for the purpose of avoiding service, or that for any other reason the summons cannot be served in the ordinary way, the Court shall order the summons to be served by affixing a copy thereof in some conspicuous place in the Court-house, and also upon some conspicuous part of the house (if any) in which the defendant is known to have last resided or carried on business or personally worked for gain, or in such other manner as the Court thinks fit.
(1A) Where the Court under sub-rule (1) pass an order to service the summons by an advertisement in a newspaper, the newspaper shall be a daily newspaper which has circulation in the locality in which the defendant is last known to have actually and voluntarily resided, carried on business or personally worked for gain.
Effect of substituted service-
(2) Service substituted by order of the Court shall be as effectual as if it had been made on the defendant personally.
Where service substituted, time for appearance to be fixed-
(3) Where service is substituted by order of the Court, the Court shall fix such time for the appearance of the defendant as the case may require. 

১০,৭৪৬.
কোনটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের পদ্ধতি নয়?
  1. সম্পত্তি প্রত্যার্পন
  2. রিসিভার নিয়োগ
  3. দেওয়ানি কারাদণ্ড
  4. ঘোষনামূলক ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ সালের ১ নং আইন। এটি একটি প্রতিকারমূলক বা তত্ত্বগত আইন। এই আইনে মোট ৫৭ টি ধারা আছে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার:
কোন প্রার্থীকে প্রতিকার প্রদান করাই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের লক্ষ্য। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হলো একধরনের আইনগত প্রতিকার যা বাদী দেওয়ানী আদালতে প্রার্থনা করে এবং আদালত তা মঞ্জুর করেন।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারায় কিভাবে প্রতিকার প্রদান করতে হবে তা আলোচনা করা হয়েছে:
১) সম্পত্তি প্রত্যার্পনের মাধ্যমে;
২) আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে;
৩) নিষেধমূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে;
৪) ঘোষনামূলক ডিক্রির মাধ্যমে;
৫) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।

অর্থাৎ, 'দেওয়ানি কারাদণ্ড' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের পদ্ধতি নয়।
১০,৭৪৭.
দণ্ডবিধির ২০১ ধারা অনুযায়ী, যদি মূল অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে অপরাধের সাক্ষ্য অদৃশ্যকারী বা ধ্বংসকারী ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২০১ অনুসারে, যদি মূল অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (যেমন: খুন, ডাকাতির সময় হত্যা ইত্যাদি), তবে অপরাধের সাক্ষ্য অদৃশ্যকারী বা ধ্বংসকারী ব্যক্তির শাস্তি হলো: সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধান অপরাধকারীকে গোপন করিবার জন্য অপরাধের সাক্ষ্য অদৃশ্য করিয়া দেওয়া বা মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করা:
- কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধীকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে, কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, সে অপরাধটি সংঘটনের কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ বিলুপ্ত করে বা করায়, অথবা সে উদ্দেশ্য নিয়ে সে অপরাধটি সম্পর্কে কোন খবর দেয়, যা সে মিথ্যা বলে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তখন-
-যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if a capital offence):-
যদি, যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সে জানে বা যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস সে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;
যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with imrisonment for life):-
এবং যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;
যদি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with less thatn ten year’s imprisonment):-
এবং যদি অপরাধটি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যে ধরনের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অপরাধটির জন্য দীর্ঘতম যে মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ উহার এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোনো দৈর্ঘ্যের হবে, অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
'খ', 'চ'-কে খুন করেছে জানা সত্ত্বেও 'ক', 'খ'-কে সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে 'খ'-কে 'চ' এর মৃতদেহটি লুকিয়ে ফেলিতে সহায়তা করে। 'ক' সাত বৎসর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 201. Causing disappearance of evidence of offence, or giving false information to screen offender- if a capital offence; if punishable with imprisonment for life; if punishable with less than ten years’ imprisonment:
Whoever, knowing or having reason to believe that an offence has been committed, causes any evidence of the commission of that offence to disappear, with the intention of screening the offender from legal punishment, or with that intention gives any information respecting the offence which he knows or believes to be false,
shall, if the offence which he knows or believes to have been committed is punishable with death, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and if the offence is punishable with [imprisonment for life], or with imprisonment which may extend to ten years, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine;
and if the offence is punishable with imprisonment for any term not extending to ten years, shall be punished with imprisonment of the description provided for the offence, for a term which may extend to one-fourth part of the longest term of the imprisonment provided for the offence, or with fine, or with both.

Illustration:
A, knowing that B has murdered Z, assists B to hide the body with the intention of screening B from punishment. A is liable to imprisonment of either description for seven years, and also to fine.

১০,৭৪৮.
বাংলাদেশে সমকামিতা কোন ধারা বলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ?
  1. ৩৭৫ ধারায়
  2. ৩৭৭ ধারায়
  3. ৩৭৬ ধারায়
  4. ৫০৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৭৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩৭৭ অনুযায়ী, প্রকৃতির নিয়মের বিরুদ্ধে কোন পুরুষ বা স্ত্রী লোক বা পশুর সহিত যৌনসঙ্গম করলে শাস্তি হতে পারে যাবজ্জীবন বা ১০ বছন পর্যন্ত কারাদণ্ড।
১০,৭৪৯.
রিমার বিয়ের পর থেকে তার স্বামী যৌতুকের জন্য চাপ দিতে থাকে। একপর্যায়ে মারধর করে তাকে গুরুতর আহত করে। এই অবস্থায় অভিযুক্ত স্বামীর সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১১- যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন 28[কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-
(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(কক) মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে বা অনধিক বার বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবে

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক পাঁচ বৎসর কিন্তু অন্যূন দুই বৎসর] সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
১০,৭৫০.
কখন ডিজিটাল রেকর্ডকে দলিলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০২০ সালে
  3. ২০২১ সালে
  4. ২০২২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
ব্যাখ্যা
The Evidence(Amendment) Act, 2022 দ্বারা ডিজিটাল রেকর্ডকে দলিলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ধারা ৩: ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-
⇒ ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম;
⇒ অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উৎপাদিত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য;
⇒ ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি), সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার; বা
⇒ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।
১০,৭৫১.
বোবা ব্যক্তি তার বক্তব্য লিখে বা ইশারা দ্বারা বোঝালে তার সাক্ষ্য __________ হিসেবে গণ্য হবে।
  1. বোবা সাক্ষ্য
  2. লিখিত সাক্ষ্য
  3. মৌখিক সাক্ষ্য
  4. কোন সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে না
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
⇒ বোবা সাক্ষী (Dumb witnesses)- সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারামতে বোবা ব্যক্তি যদি প্রকাশ্য আদালতে তার বক্তব্য লিখে বা ইশারার মাধ্যমে বুঝাতে পারে, তাহলে বোবা ব্যক্তিও সাক্ষ্য দিতে পারবে।

⇒ বোবা ব্যক্তির সাক্ষ্য সর্বদা মৌখিক সাক্ষ্য (oral evidence) হিসেবে গ্রহনযোগ্য হবে অর্থাৎ বোবা ব্যক্তি তার বক্তব্য লিখে বোঝালেও তা মৌখিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে।

⇒  বোবা সাক্ষী (Dumb witnesses):
যে সাক্ষী কথা বলতে অক্ষম তিনি তার বক্তব্য অন্য কোন ভাবে অর্থাৎ লিখে বা ইশারা দ্বারা বুঝাতে পারেন এবং সেইভাবে প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষ্য দিতে হবে। এইভাবে সাক্ষ্য দিলে তা মৌখিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে। 

⇒  বোবা সাক্ষী লিখে বা ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য দিতে পারবে, তা অবশ্যই প্রকাশ্য আদালতে হতে হবে। বোবা সাক্ষী যোগ্য সাক্ষী হিসেবে বিবেচিত হবে।
⇒  এভাবে বোবা সাক্ষী যে সাক্ষ্য প্রদান করে তা মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে। বোবা সাক্ষী কানা হলে অর্থাৎ সাক্ষী যদি বোবা হয় এবং কানেও শুনতে না পায় তাহলে সে যোগ্য সাক্ষী নয়। যে ব্যক্তি একই সাথে বোবা ও বধির সে সাক্ষ্য দেয়ার অযোগ্য। (53 DLR 123)
১০,৭৫২.
প্রজাপত্য বিবাহে কনের পিতা বরের কাছ থেকে কী গ্রহণ করতেন?
  1. পণ
  2. গাভী
  3. অলঙ্কার
  4. কিছুই না
সঠিক উত্তর:
কিছুই না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিছুই না
ব্যাখ্যা
উত্তর: ঘ) কিছুই না।
→ প্রজাপত্য বিবাহে কনের পিতা বরের কাছ থেকে কোন পণ গ্রহণ করতেন না।
- এই বিবাহে কনের পিতা কন্যাকে বরের হাতে দান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ দিতেন, যাতে তারা একসঙ্গে সুখী দাম্পত্য জীবন কাটাতে পারেন।
- এটি একটি অত্যন্ত পবিত্র এবং অনুপ্রাণিত বিবাহ ছিল, যেখানে কোনো অর্থনৈতিক বা পার্থিব স্বার্থ ছিল না, শুধুমাত্র বিশ্বাস এবং শুভ কামনা ছিল।

⇒ হিন্দু সমাজে দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা অনুযায়ী আট প্রকার বিবাহ প্রচলিত ছিল, যার মধ্যে প্রথম চারটি সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য এবং পরবর্তী চারটি অবৈধ বা অননুমোদিত ছিল।
- এই বিবাহের প্রকারভেদ নিম্নরূপ:
অনুমোদিত ৪ প্রকার বিবাহ:
ব্রাহ্ম বিবাহ: এটি সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ বিবাহ পদ্ধতি, যেখানে একটি অলঙ্কৃত, শিক্ষিত এবং চরিত্রবান কন্যাকে কোনও পণ ছাড়াই, ব্রাহ্মণ পুরুষের হাতে তুলে দেয়া হতো।
দৈব বিবাহ: এই বিবাহে, কন্যাকে যজ্ঞ সম্পাদনকারী পুরোহিতের কাছে প্রদান করা হতো।
আর্য বিবাহ: এই পদ্ধতিতে, কনের পিতা বরের কাছ থেকে এক বা দুটি গাভী গ্রহণ করতেন, যা পণ হিসেবে ছিল।
প্রজাপত্য বিবাহ: এখানে, কনের পিতা বরের কাছ থেকে কোনো পণ না নিয়ে কন্যা প্রদান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ দিতেন যাতে তারা সুখী দাম্পত্য জীবন কাটাতে পারেন।
অননুমোদিত ৪ প্রকার বিবাহ:
অসুর বিবাহ: এই বিবাহে বর কনের পিতা বা অভিভাবকের কাছ থেকে কন্যাকে টাকা দিয়ে ক্রয় করতেন।
রাক্ষস বিবাহ: এই ধরনের বিবাহে, কন্যার আত্মীয়দের মারধর করে এবং তারা বিরোধী অবস্থায় থাকলেও, বর কন্যাকে জোরপূর্বক নিয়ে আসতেন।
গন্ধর্ব বিবাহ: এটি একটি সম্মতিপূর্ণ বিবাহ, যেখানে বর এবং কনে পরস্পরের সম্মতি ও অভ্যন্তরীণ ইচ্ছায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতেন।
পৈশাচ বিবাহ: এটি ছিল সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিবাহ, যেখানে কন্যার সম্মতি ছাড়াই, মদ্যপ বা নিদ্রিত অবস্থায় কন্যার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা হতো।
১০,৭৫৩.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার কারণে আদালত কি আদেশ দিতে পারে?
  1. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও ৬ মাসের জেল
  2. ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা
  3. ৬ মাসের দেওয়ানি জেল
  4. সম্পত্তি ক্রোক ও ৬ মাসের দেওয়ানি জেল
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক ও ৬ মাসের দেওয়ানি জেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক ও ৬ মাসের দেওয়ানি জেল
ব্যাখ্যা
♦অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করলে আদালত ৩৯ আদেশের ২(৩) বিধির অধীন অমান্যকারীর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারে বা দেওয়ানী কারাগারে অনধিক ৬ মাস আটকের আদেশ দিতে পারে।
১০,৭৫৪.
তামাদি আইন অনুসারে মোহরানা বা দেনমোহরের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
- The Limitation Act, 1908 এর ১০৩ অনুচ্ছেদে তাৎক্ষণিক পরিশোধযোগ্য (Promt/মু’অজ্জল) মোহরানা আদায়ের জন্য আর ১০৪ অনুচ্ছেদে বিলম্বিত (Differed/মু’আজ্জল) মোহরানা আদায়ে জন্য মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদি মেয়াদের বিধান আছে।

- উভয়ক্ষেত্রে মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।
১০,৭৫৫.
Civil Courts (Amendment) Ordinance, 2025 এর অধ্যাদেশ নম্বর কত?
  1. ২৫ নং
  2. ৪৫ নং
  3. ৫৫ নং
  4. ৬৫ নং
সঠিক উত্তর:
৫৫ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ নং
ব্যাখ্যা

⇒ Civil Courts (Amendment) Ordinance, 2025 ( ২০২৫ সনের ৫৫ নং অধ্যাদেশ )
অধ্যাদেশ নম্বর: ২০২৫ সনের ৫৫ নং অধ্যাদেশ।
জারির তারিখ: ২ নভেম্বর, ২০২৫
অর্থাৎ ২০২৫ সালে প্রণীত এই অধ্যাদেশটির ক্রমিক নম্বর হলো ৫৫।

অধ্যাদেশটির প্রেক্ষাপট ও উদ্দেশ্য:
- এই অধ্যাদেশটি প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্য হলো Civil Courts Act, 1887 আইনে ব্যবহৃত কিছু পদবী (Designation) আধুনিকীকরণ ও পরিবর্তন করা। ব্রিটিশ আমল থেকে চলে আসা "অ্যাসিস্ট্যান্ট জজ" (Assistant Judge) পদবীটিকে "সিভিল জজ" (Civil Judge) পদবী দ্বারা প্রতিস্থাপন করা এই সংশোধনীর মূল বিষয়। রাষ্ট্রপতির সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদ-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছে।

আইনে কী ছিল এবং কী পরিবর্তন করা হয়েছে (মূল সংশোধনীসমূহ)
- এই অধ্যাদেশটি মূলত একটি শব্দগত পরিবর্তন করেছে। পুরো আইন জুড়ে যেখানেই "Assistant" শব্দটি (যেমন: Assistant Judge, Senior Assistant Judge) ব্যবহৃত হয়েছে, সেখানে "Civil" শব্দটি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।
- পদবীর আধুনিকীকরণ: "Assistant Judge" পদবীটি একটি সহায়ক (Assistant) ভাবাপন্ন, যেখানে "Civil Judge" পদবীটি স্পষ্ট এবং স্বতন্ত্র ক্ষমতার পরিচয় দেয়। এটি বিচারকদের মর্যাদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

নতুনভাবে যোগকৃত বা প্রতিস্থাপিত গুরুত্বপূর্ণ ধারা:
ধারা ১১: এই ধারা দ্বারা পুরনো ধারা ২৫এক -কে সম্পূর্ণভাবে প্রতিস্থাপন করে একটি নতুন ধারা যুক্ত করা হয়েছে।
- নতুন ধারা ২৫ক-এর বিষয়বস্তু: অন্যান্য আইনে জজদের নির্দেশনা (Reference of Judges in other laws):
- যখন কোনো প্রচলিত আইনে অ্যাডিশনাল জজ (Additional Judge), সাব-অর্ডিনেট জজ (Subordinate Judge), সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট জজ (Senior Assistant Judge), বা অ্যাসিস্ট্যান্ট জজ (Assistant Judge)-এর উল্লেখ থাকবে, তখন সেই উল্লেখকে যথাক্রমে অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট জজ (Additional District Judge), জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জজ (Joint District Judge), সিনিয়র সিভিল জজ (Senior Civil Judge), বা সিভিল জজ (Civil Judge) হিসেবে ব্যাখ্যা করতে হবে।

১০,৭৫৬.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর বিনাশ্রম বা সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২

ধারা ৪- অপরাধের শাস্তি:

(১) কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করিলে তিনি অন্যুন দুই বৎসর এবং অনধিক সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনকালে সরকার কিংবা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে তদ্‌জন্য আদালত তদ্‌বিবেচনায় উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত সরকার বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অনুকূলে প্রদান করিবার জন্য উক্ত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদেশ দিতে পারিবে এবং এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সরকারী দাবী হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে।
১০,৭৫৭.
‘A’ কর্তৃক ‘B’ তার বাড়ি থেকে জোরপূর্বক বের করা হয়েছে। ‘B’ কত দিনের মধ্যে ‘A’-এর বিরুদ্ধে স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করতে পারবে?
  1. ৬ মাস
  2. ৬ বছর
  3. ১ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ A’ কর্তৃক ‘B’-কে জোরপূর্বক বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হলে (dispossession) ‘B’ স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মামলা (suit for possession of immovable property with title) করতে পারবে বেদখলের তারিখ থেকে ১২ বছরের মধ্যে।

- তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১৪২ অনুযায়ী, যখন বাদী স্থাবর সম্পত্তির দখলে ছিল এবং বেদখল হয়েছে বা দখল ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে, তখন সেই সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য বেদখলের তারিখ থেকে ১২ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। বাদীকে স্বত্ব (title) প্রমাণ করতে হবে। সুতরাং এ ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর একটাই: ঘ) ১২ বছর।

-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৮ অনুযায়ী,
সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি তা দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে নির্ধারিত পন্থায় পুনরুদ্ধার করতে পারে। 

এক্ষেত্রে,
⇒ বাদীকে স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে;
⇒ বেদখল হওয়ার দিন থেকে পরবর্তী ১২ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা করতে হবে;
⇒ সরকার বাদী হলে ৬০ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে। (অনুচ্ছেদ-১৪৯)

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮: অনুচ্ছেদ ১৪২-
যখন বাদী স্থাবর সম্পত্তির দখলে, তখন বাদী বেদখল হলে অথবা বাদী তার দখল ত্যাগ করলে, সেই সম্পত্তির দখল লাভের জন্য দখলের তারিখ হতে ১২ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়।

১০,৭৫৮.
'A' নিজের মনে করে 'X'-এর সম্পত্তি সরল মনে 'X'-এর দখল হতে নিয়ে যায়। কিন্তু 'A' নিজের ভুল বোঝার পরেও অসাধুভাবে সম্পত্তিটি তার নিজের ব্যবহারের জন্য আত্মসাৎ করে, এক্ষেত্রে 'A' কোন অপরাধে দায়ী হবে?
  1. চুরি
  2. প্রতারণা
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
ব্যাখ্যা
⇒ অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের সংজ্ঞা (Dishonestly misappropriation of property)- স্বাভাবিকভাবে বা দৈবচক্রে কোন সম্পত্তি দখলে আসার পর, প্রকৃত মালিকের খোঁজ খবর না নিয়েই অথবা প্রকৃত মালিকের সন্ধান পাওয়া গেলে তাকে উক্ত সম্পত্তি ফেরত না দিয়ে নিজে ভোগ করলে তা অসাধুভাবে আত্মসাৎ হবে।
⇒ প্রাথমিকভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করলেই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ হবে না বরং পরবর্তীতে যখনই সম্পত্তিটি অসাধুভাবে নিজ ব্যবহারে পরিণত করা হয়, তখনই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ বলে গণ্য হবে।
⇒ যেমন- 'A' নিজের মনে করে 'X'-এর সম্পত্তি সরল মনে 'X'-এর দখল হতে নিয়ে যায়। এক্ষেত্রে 'A' চুরির জন্য দায়ী হবে হবে না: কিন্তু যদি 'A' নিজের ভুল বোঝার পরেও অসাধুভাবে সম্পত্তিটি তার নিজের ব্যবহারের জন্য আত্মসাৎ করে, সেক্ষেত্রে 'A' অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের অপরাধে দায়ী হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:- কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাৎও এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।

অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।
১০,৭৫৯.
আদালত ‘A' কে হত্যার অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। দণ্ডবিধির ৫৩ ধারা অনুসারে এই যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কোন প্রকৃতির হবে?
  1. সশ্রম কারাদণ্ড
  2. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. আদালতের বিবেচনাভার
  4. জেল কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করবে
সঠিক উত্তর:
সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ এর ব্যাখ্যা (Explanation) অংশে স্পষ্টভাবে বলা আছে:
"In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous."
অর্থাৎ, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদা সশ্রম কারাদণ্ড (Rigorous Imprisonment) হবে।
- এটি আদালতের বিবেচনা বা জেল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে না; এটি আইন দ্বারা নির্ধারিত একটি বাধ্যতামূলক শর্ত।

⇒ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন।
- দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে।
৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
(i) মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
(iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is, with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple)
(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
(v) অর্থদণ্ড (fine)
- দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও বিনাশ্রম।
- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 53. Punishments:
The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,-
Firstly,- Death;
Secondly,- Imprisonment for life;
Thirdly,-[Omitted].
Fourthly,-Imprisonment, which is of two descriptions, namely:-
(1) Rigorous, that is, with hard labour;
(2) Simple;
Fifthly,- Forfeiture of property;
Sixthly,- Fine.
Explanation: -In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.

১০,৭৬০.
কোনো আইনের আওতায় জরিমানা বা বাজেয়াপ্তি সম্পর্কিত মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৬ অনুসারে,
যখন কোনো বিধি, আইন, প্রবিধান বা উপ-আইনের আওতায় কোনো জরিমানা বা বাজেয়াপ্তি আরোপিত হয়, তখন সেই জরিমানা বা বাজেয়াপ্তি আরোপিত হওয়ার ১ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।

১০,৭৬১.
নিচের কোন ডিভাইস থেকে প্রাপ্ত রেকর্ড ডিজিটাল সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ড্রোন
  2. ডিভিডি
  3. স্মার্টফোন
  4. উপরের সবকয়টি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যা
 সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবকয়টি।

⇒ সাক্ষ্য (সংশোধন) আইন, ২০২২ অনুযায়ী, সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩-এ "ডিজিটাল রেকর্ড" বা "ইলেকট্রিক রেকর্ড" এর সংজ্ঞা বিস্তৃত করে বলা হয়েছে যে, প্রযুক্তিগত যন্ত্র বা ডিভাইসের মাধ্যমে প্রস্তুত, ধারণ, গৃহীত বা প্রেরিত রেকর্ড—যেমন ভিডিও, অডিও, ছবি, টেক্সট ইত্যাদি—ডিজিটাল সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।

নিচের প্রতিটি ডিভাইসই সেই সংজ্ঞার আওতায় পড়ে:
• ড্রোন:
→ ড্রোন দ্বারা তোলা ছবি ও ভিডিও ড্রোন ডেটা হিসেবে স্বীকৃত, যা ডিজিটাল রেকর্ডের অন্তর্ভুক্ত।
• ডিভিডি (DVD):
→ Digital Versatile Disk-এ সংরক্ষিত ভিডিও/অডিও রেকর্ড একটি ডিজিটাল মাধ্যম; এটি পরিষ্কারভাবে সংশোধিত সংজ্ঞায় রয়েছে। 
• স্মার্টফোন:
→ ফোনে ধারণকৃত ছবি, ভিডিও, ভয়েস রেকর্ড, বার্তা ইত্যাদি ডিজিটাল রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হয়।

অর্থাৎ এই তিনটি ডিভাইস থেকেই প্রাপ্ত রেকর্ড The Evidence (Amendment) Act, 2022 অনুযায়ী ডিজিটাল সাক্ষ্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপনযোগ্য এবং গ্রহণযোগ্য।
তাই সবগুলোই ডিজিটাল রেকর্ড হিসেবে গণ্য হবে।
১০,৭৬২.
অভ্যাসগতভাবে ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে ডাকাত দলভুক্ত হওয়ার সর্বোচ্চ শান্তি-
  1. সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. দশ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. অর্থদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code এর ৪০০ ধারার বিধান ডাকাত দলভুক্ত হইবার শাস্তিঃ কোন ব্যক্তি যদি এই আইন পাসের পরবর্তী যে কোন সময়ে কোন ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে যারা পরস্পর সংঘবদ্ধ আছে, এইরূপ কোন দলে থাকে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
♦অর্থাৎ অভ্যাসগতভাবে ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে ডাকাত দলভুক্ত হওয়ার শাস্তি (Punishment for belonging to gang of dacoits)- যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা অনধিক ১০ বৎসর সশ্রম কারাদন্ড এবং অর্থদন্ড।
১০,৭৬৩.
বাদী কর্তৃক কোর্ট ফি প্রদান না করার কারনে বিবাদীর উপর সমন জারি করা না হলে, সেক্ষেত্রে আদালত কি সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. মোকদ্দমা শুনানীর নতুন দিন
  2. মোকদ্দমাটি খারিজ
  3. নতুন করে সমন জারির সিদ্ধান্ত
  4. সমনের জন্য প্রয়োজনীয় খরচ প্রদান করার আদেশ
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি খারিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি খারিজ
ব্যাখ্যা
বাদী খরচ প্রদান না করার কারণে সমন জারি না হলে, মোকদ্দমা খারিজ করা যায়। 

• আদেশ ৯ বিধি-২ঃ
নির্ধারিত তারিখে যদি দেখা যায় যে, বাদি কোর্ট ফি প্রদান না করার কিংবা ঐরূপ সমনজারির জন্য প্রয়োজনীয় ডাক-মাশুল (যদি লাগে) না দেয়ায় বিবাদির উপর সমন জারি করা হয় নেই, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দান করতে পারবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদির উপর সমন জারি না হলেও যদি তার হাজিরা ও জবাব দানের নির্ধারিত তারিখে সে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মারফতে হাজিরা চললে প্রতিনিধির মারফতে জন্য হাজির হয়, সেক্ষেত্রে অনুরূপ খারিজের আদেশ প্রদান করা যাবে না।

Dismissal of suit where summons not served in consequence of plaintiff's failure to pay costs-
Where on the day so fixed it is found that the summons has not been served upon the defendant in consequence of the failure of the plaintiff, to pay the court-fee or postal charges (if any) chargeable for such service, the Court may make an order that the suit be dismissed:
Provided that no such order shall be made although the summons has not been served upon the defendant, if on the day fixed for him to appear and answer he attends in person or by agent when he is allowed to appear by agent.
১০,৭৬৪.
কুরিয়ার সার্ভিস বা উপযুক্ত কর্মকর্তা সমন প্রাপ্তির কত দিনের মধ্যে তা প্রেরণ করবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৪৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ৯ (জারির জন্য সমন অর্জন অথবা প্রেরণ) -

(৫) যখন সমন উপযুক্ত কর্মকর্তা বা কুরিয়ার সার্ভিস এর নিকট প্রেরণ করা হয়, তখন তিনি বা কুরিয়ার সার্ভিস উক্ত সমন প্রাপ্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে সার্ভিস বা প্রেরণ করবেন এবং আদালতকে এতদবিষয়ে অবহিত করবেন: তবে শর্ত থাকে যে, যদি উপযুক্ত কর্মকর্তা বা কুরিয়ার সার্ভিস উক্ত নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণে ব্যর্থ হন, তাহলে উক্ত কর্মকর্তা অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন এবং কুরিয়ারের ক্ষেত্রে,জেলা জজ প্রস্তুতকৃত তালিকা হতে তা বাদ দিবেন।

১০,৭৬৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৮ ধারার অধীনে স্থানীয় তদন্তের ব্যয় কে বহন করবে তা নির্ধারণ করবে-
  1. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পক্ষগণ নিজেরা
  4. কমিশনার
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির-১৪৮: স্থানীয় তদন্ত:
(১) যখন এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যে একটি স্থানীয় তদন্ত প্রয়োজন হয়, তখন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে এই তদন্ত পরিচালনার জন্য নিয়োগ করতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার জন্য তাকে লিখিত নির্দেশনা সরবরাহ করতে পারেন।তিনি নির্ধারণ করতে পারেন যে, তদন্তের সমস্ত বা আংশিক ব্যয় কার দ্বারা পরিশোধিত হবে।

(২) এভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির প্রতিবেদন মামলায় প্রমাণ হিসেবে পড়া যেতে পারে।

১০,৭৬৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১৪ এর অধীন কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত কোন আদেশ দিতে পারে?
  1. যতটুকু অংশ সম্পাদনযোগ্য ততটুকু সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ প্রদান করবে
  2. সমস্ত অংশের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে
  3. অসম্পাদিত অংশের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে
  4. ক ও গ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে- কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অসম্পাদিত অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারে।
১৪ ধারার বিধান: কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।
-----------------------------
Section 14: Specific performance of part of contract where part unperformed is small: Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.

১০,৭৬৭.
আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড দেয়া যেতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ২০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০-৪৮৬ ধারায় আদালত অবমাননা (Contempt of Court) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

ধারা ৪৮০- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি

কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে, এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।

Section 480- Procedure in certain cases of contempt

When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.
১০,৭৬৮.
আদেশ ১৫ বিধি ২ অনুযায়ী, বহু বিবাদীর মধ্যে যদি কোন একজনের বিরুদ্ধে বিচার্য বিষয় না থাকে, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. সকল বিবাদীদের বিরুদ্ধে মামলা চালাবে
  2. উক্ত বিবাদীর পক্ষে রায় ঘোষণা করবে
  3. উক্ত বিবাদীর পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
  4. উক্ত বিবাদীর পক্ষে মামলাটি বাতিল করবে
সঠিক উত্তর:
উক্ত বিবাদীর পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত বিবাদীর পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৫ বিধি-২: বহু বিবাদীর মধ্যে কোন একজনের বিরুদ্ধে বিচার্য বিষয় না থাকলে:
যেক্ষেত্রে একাধিক বিবাদী থাকে এবং আইন কিংবা ঘটনার কোন প্রশ্নে বিবাদীদের কোন একজনের সাথে বাদীর সঙ্গে কোন বিরোধ না থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত তখনই ঐ বিবাদীর পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে এবং মোকদ্দমা শুধু অন্যান্য বিবাদীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হবে।

Order 15 Rule-2: One of several defendants not at issue:
Where there are more defendants than one, and any one of the defendants is not at issue with the plaintiff on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment for or against such defendant and the suit shall proceed only against the other defendants.
১০,৭৬৯.
বিবাহ অথবা জন্ম-মৃত্যু সংক্রান্ত সরকারী রেকর্ড সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক?
  1. ৩৫
  2. ৩৬
  3. ৩৭
  4. ৩৮
সঠিক উত্তর:
৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারার বিধান: কর্তব্য সম্পাদন প্রসঙ্গে সরকারী দলিলে বা ডিজিটাল রেকর্ডে লিপিবদ্ধ বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা (Relevancy of entry in public record or digital record, made in performance of duty)-
-সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারা অনুযায়ী কোন সরকারী বা অন্য অফিসের কোন খাতায়, রেজিস্টারে বা নথিতে যদি কোন বিচার্য ঘটনা বা প্রাসঙ্গিক ঘটনার বিবরণ লিপিবদ্ধ থাকে এবং কোন সরকারী কর্মচারী যদি তার চাকরির কর্তব্য পালনকালে তা লিখে থাকে অথবা অপর কোন ব্যক্তি যদি যে দেশে উক্ত খাতা, রেজিষ্টার বা নথি রাখা হয়েছে সেখানকার আইনের বিধান অনুসারে তার উপর আরোপিত কর্তব্য পালন প্রসঙ্গে তা লিখে থাকে তবে উক্ত লেখাই একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা। 
⇒ যেমন- সরকারী বই, এজাহার বা এফ, আই, আর বিবরণ, বিবাহ, জন্ম-মৃত্যু সংক্রান্ত সরকারী রেকর্ড, বিদ্যালয়ের খাতা, নথি ও প্রমাণপত্র, মিউটেশন, বেতার বার্তা প্রভৃতি সরকারী দলিলের বিষয় ৩৫ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক।
----------------
⇒ The Evidence Act,1872: Section 35: Relevancy of entry in public record or digital record, made in performance of duty.
- An entry in any public or other official book, register or record ,or digital record, stating a fact in issue or relevant fact, and made by a public servant in the discharge of his official duty, or by any other person in performance of a duty specially enjoined by the law of the country in which such book, register , record or digital record is kept, is itself a relevant fact.
১০,৭৭০.
অ্যাডভোকেটদের তালিকাভুক্তি থেকে বাদ দেওয়ার দায়িত্ব কে পালন করে?
  1. আদালত
  2. আইন মন্ত্রণালয়
  3. সুপ্রিম কোর্ট
  4. বাংলাদেশ বার কাউন্সিল
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর অনুচ্ছেদ-১০: বার কাউন্সিলের কতিপয় কার্যাবলী-

১. অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি করা এবং এই উদ্দেশ্যে পরীক্ষা নেয়া, সনদ প্রদান, তালিকাভুক্তি থেকে বাদ দেয়া।
২. এরূপ তালিকা প্রস্তুত ও রক্ষণাবেক্ষণ করা।
৩. অ্যাডভোকেটদের পেশাগত আচার আচরণ ও নৈতিকতা নির্ধারণ করা।
৪. অ্যাডভোকেটদের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগের বিচার ও শাস্তি দেওয়া।
৫. তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেটগণের সুযোগ-সুবিধা ও স্বার্থ রক্ষা করা।
৬. বার কাউন্সিল ফান্ডের ব্যবস্থা করা।
৭. সদস্যদের নির্বাচনের আয়োজন করা।
৮. অনুসরণযোগ্য বিধি প্রণয়ন করা।
৯. আইন শিক্ষার উন্নয়ন করা।
১০. অন্যান্য অনুমোদিত ও সহায়ক যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করা।
১০,৭৭১.
অন্যের দখলীয় সম্পত্তির কোন অপরাধ সংঘটনের জন্য যে কেউ প্রবেশ করে যে অপরাধটি করে তা হলো-
  1. অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ
  2. গন-উৎপাত
  3. অনিষ্টসাধন
  4. অনধিকার প্রবেশ
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারার বিধান অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ :- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির দখলভুক্ত সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের বা অনুরূপ সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ প্রবেশ করে, অথবা, আইনানুগভাবে অনুরূপ সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশের পর বেআইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অনুরূপ বে-আইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে, তবে উক্ত ব্যক্তি “অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
১০,৭৭২.
শুনানী মূলতবীর দিন একজন ম্যাজিস্ট্রেট সরকারি কর্মকর্তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন ফৌজদারি কার্যবিধির-
  1. ২৪৭ ধারায়
  2. ২৪৮ ধারায়
  3. ২৪৯ ধারায়
  4. ২৫০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৪৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪৭ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ী-
নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে (শুনানী মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানী মুলতবী করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন।

শর্ত এই যে, 
যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট এ অভিমত পোষণ করেন যে, অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন ও মামলায় অগ্রসর হতে পারেন।

১০,৭৭৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করার গ্রহণযোগ্যতা দেয়া হয়েছে?
  1. ১৭৬(১) ধারায়
  2. ১৭৬(২) ধারায়
  3. ৫০৫ ধারায়
  4. ৫০৯ক ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫০৯ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০৯ক ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ক ধারার বিধান: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট-
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।
 ---------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 509A: Report of post-mortem examination-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
১০,৭৭৪.
'গ'-কে হত্যা করার অপরাধে 'ক' ও 'খ'-এর যৌথভাবে বিচার হচ্ছে। প্রমাণ করা হয়েছে যে, 'ক' বলেছিল 'খ' ও আমি 'গ'-কে হত্যা করেছি। The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারা অনুযায়ী আদালতে 'ক' এর এই স্বীকারোক্তি কার্যকারিতা করা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারামতে দোষ স্বীকার শুধুমাত্র দোষ স্বীকারকারীর নিজের বিরুদ্ধে নয়, বরং তা একই অপরাধে যৌথ-ভাবে অভিযুক্ত অন্য অপরাধীর (co-accused) বিরুদ্ধেও প্রমান করা যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারার বিধান: প্রমাণিত দোষ স্বীকার উক্ত দোষ স্বীকার প্রদানকারী ও তার সাথে একই অপরাধে যৌথভাবে বিচারাধীন অন্যদেরকেও যে প্রভাবিত করে তা বিবেচনা: যখন একই অপরাধে একাধিক ব্যক্তির যৌথভাবে বিচার হচ্ছে এবং তাদের মধ্যে একজনের দোষ স্বীকার দ্বারা সে নিজেকে ও অন্যকে জড়িত করেছে, তা প্রমাণিত হয়েছে, তখন আদালত উক্ত দোষস্বীকারকারী ও অপর ব্যক্তির বিরুদ্ধে সেই দোষস্বীকার বিবেচনা করতে পারেন।

⇒ ব্যাখ্যা: এই ধারায় ব্যবহৃত "অপরাধ" বলতে সেই অপরাধ করার সহায়তা ও অপরাধ করার প্রচেষ্টাও অন্তর্ভূক্ত হবে।

⇒ সাধারণত সহ-আসামীর অপরাধের স্বীকারোক্তি অন্য আসামীদের বিরুদ্ধে কোন সাক্ষ্য নয় তবে ৩০ ধারায় এর ব্যতিক্রম বলা আছে। ৩০ ধারায় প্রদত্ত শর্তগুলো পূরণ হলে আদালত এরূপ স্বীকারোক্তি সহ-আসামী ও স্বীকারোক্তি প্রদানকারী আসামীর বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে।

⇒শর্তগুলো হলো-

১. একই অপরাধের জন্য একাধিক ব্যক্তি অভিযুক্ত হতে হবে।

২. উক্ত অপরাধের জন্য তাদের যৌথ বিচার (Joint Trial) হতে হবে।

৩. একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেকে ও অন্যদের জড়িয়ে দোষ স্বীকার করবে।

⇒ ব্যাখ্যা: এ ধারায় অপরাধ বলতে অপরাধে সহায়তা করা ও অপরাধ করার চেষ্টাও বুঝাবে।

⇒ যেমন- গ-কে হত্যা করার অপরাধে ক ও খ-এর যৌথভাবে বিচার হচ্ছে। প্রমাণ করা হয়েছে যে, ক বলেছিল খ ও আমি গ-কে হত্যা করেছি। আদালত খ-এর বিরুদ্ধে এই স্বীকারোক্তির কার্যকারিতা বিবেচনা করতে পারেন।
১০,৭৭৫.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে কাস্টিং ভোট প্রদানের ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন:-
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. বিরোধীদলীয় নেতা
  4. স্পীকার
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা
⇒ সংসদের সভাপতি: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভাপতি স্পিকার। অর্থাৎ স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

⇒ অনুচ্ছেদ ৭৫:- কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:

(১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করবেন না কিন্তু সমসংখ্যক ভোট হলে তিনি নির্ণায়ক ভোট (Casting Vote) প্রদান করবেন।
অন্যদিকে, 
• অনুচ্ছেদ  ৭৬:- সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।
• অনুচ্ছেদ ৭৭ : ন্যায়পাল।
• অনুচ্ছেদ  ৭৮ : সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের বিধান: কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:
 (১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(ক) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা এবং অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রিত হইবে;
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিবেন;
(গ) সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য রহিয়াছে, কেবল এই কারণে কিংবা সংসদে উপস্থিত হইবার বা ভোটদানের বা অন্য কোন উপায়ে কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন, কেবল এই কারণে সংসদের কোন কার্যধারা অবৈধ হইবে না।
(২) সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্থিত সদস্য-সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।
------------
⇒ Article 75 Rules of procedure, quorum, etc-:
 (1) Subject to this Constitution –
(a) the procedure of Parliament shall be regulated by rules of procedure made by it, and until such rules are made shall be regulated by rules of procedure made by the President;
(b) a decision in Parliament shall be taken by a majority of the votes of the members present and voting, but the person presiding shall not vote except when there is an equality of votes, in which case he shall exercise a casting vote;

(c) no proceeding in Parliament shall be invalid by reason only that there is a vacancy in the membership thereof or that a person who was not entitled to do so was present at, or voted or otherwise participated in, the proceeding.

(2) If at any time during which Parliament is in session the attention of the person presiding is drawn to the fact that the number of members present is less than sixty, he shall either suspend the meeting until at least sixty members are present, or adjourn it.
১০,৭৭৬.
যদি কোনো দলিল আইন অনুযায়ী প্রত্যাক্ষীকরণ (attested) হওয়া বাধ্যতামূলক হয়, তবে সেটি প্রমাণের জন্য কী করতে হবে?
  1. দলিলের ফটোকপি দিলেই হবে
  2. দলিল উপস্থাপন করলেই চলবে
  3. সরকারি অফিসের সিল দেখালেই হবে
  4. অন্তত একজন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীকে ডাকতে হবে
সঠিক উত্তর:
অন্তত একজন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীকে ডাকতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্তত একজন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীকে ডাকতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ধারা ৬৮ অনুযায়ী— যদি কোনো দলিল আইন অনুযায়ী প্রত্যাক্ষীকরণ (attestation) বাধ্যতামূলক হয় (যেমন: উইল বা অন্য কোনো দলিল যা আইনত স্বাক্ষ্যদানে প্রত্যাক্ষীকৃত হতে হয়), তবে সেই দলিল সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না যতক্ষণ না অন্তত একজন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী (attesting witness) তার স্বাক্ষরের সত্যতা প্রমাণে আদালতে সাক্ষ্য দেন।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৮ অনুযায়ী, যদি কোনো দলিল আইন অনুযায়ী প্রত্যাক্ষীকরণ (attested) হওয়া বাধ্যতামূলক হয়, তবে তার সম্পাদন (execution) প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট শর্ত পালন করতে হবে। ধারায় বলা আছে:
"If a document is required by law to be attested, it shall not be used as evidence until one attesting witness at least has been called for the purpose of proving its execution, if there be an attesting witness alive, and subject to the process of the Court and capable of giving evidence."
অর্থাৎ, যদি দলিলটি আইনত সত্যায়িত হওয়া প্রয়োজন হয়, তবে তা সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না যতক্ষণ না অন্তত একজন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীকে (attesting witness) তার সম্পাদন প্রমাণের জন্য ডাকা হয়। তবে, এটি তখনই প্রযোজ্য যদি সেই সাক্ষী জীবিত থাকেন, আদালতের আওতাধীন হন এবং সাক্ষ্য দিতে সক্ষম হন।

তবে একটি ব্যতিক্রম:
যদি দলিলটি নিবন্ধিত হয় (Registration Act, 1908 অনুযায়ী) এবং এর স্বাক্ষরকারী ব্যক্তি সেই স্বাক্ষর অস্বীকার না করে, তাহলে প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীকে ডাকার প্রয়োজন নেই।
১০,৭৭৭.
জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্ধারিত দিনে পক্ষ হাজির হতে ব্যর্থ হলে,আদালত-
  1. উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে
  2. মোকদ্দমা বাতিল করতে পারে
  3. মোকদ্দমা স্থগিত করতে পারে
  4. উল্লেখিত যেকোনো একটি সিদ্ধান্ত নিতে পারে
সঠিক উত্তর:
উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১০ এ আদালত কর্তৃক পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ [Examination of Parties by the Court] এর বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১০(১) অনুযায়ী, মোকদ্দমা প্রথম শুনানীর সময় মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার প্রকৃত বিরোধ নির্ধারণ করার জন্য এবং পক্ষগণ বিষয়গুলো স্বীকার করে কি/ করে না তা নির্ধারণ করার জন্য আদালত পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে এবং ১০ (২) বিধি অনুযায়ী পক্ষগণ বা তাদের সঙ্গীদের মৌখিক জবানবন্দি (oral examination) নিতে পারে।

• আদেশ ১০ বিধি ৪ অনুসারে- যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কোন পক্ষ নিজে না এসে কোন আইনজীবীর মাধ্যমে আদালত হাজিরা দেয় সেই ক্ষেত্রে আইনজীবী কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে অক্ষম হলে বা উত্তর দিতে অস্বীকার করলে, আদালত মোকদ্দমার শুনানী মুলতুবি রেখে উক্ত পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দিতে পারে। উক্ত নির্ধারিত দিনে এমন পক্ষ হাজির হতে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে

• উল্লেখ্য যে, আদেশ ১০ এর ৪ বিধির অধীন কোন পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার আদেশ হলো একটি আপীলযোগ্য আদেশ। 
১০,৭৭৮.
দুর্নীতি সম্পর্কিত কোনো অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে দুর্নীতি দমন কমিশনের ক্ষমতা প্রয়োগে বাধা প্রদানের শাস্তি সর্বোচ্চ কত বৎসর?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ১৯ ধারার বিধান অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা:
 (১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:- 
(ক) সাক্ষীর প্রতি নোটিশ জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা; 
(খ) কোন দলিল উদ্‌ঘাটন এবং উপস্থাপন করা; 
(গ)  সাক্ষ্য গ্রহণ; 
(ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা; 
(ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য নোটিশ জারী করা; এবং 
(চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়৷ 

(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন৷ 

(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বছর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
১০,৭৭৯.
'চ' ও 'ছ' যথাক্রমে 'ক' কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং জেনারেল ম্যানেজার। 'চ' ও 'ছ' একটি চেক ইস্যু করলে, তা অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে ডিসঅনার হয়। এক্ষেত্রে কার বিরদ্ধে মামলা করা যাবে?
  1. 'ক'
  2. 'চ', 'ছ'
  3. 'ক' এবং 'চ', 'ছ'
  4. 'ক' এবং 'চ'
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'চ', 'ছ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'চ', 'ছ'
ব্যাখ্যা
কোনো কোম্পানি Cheque Dishonour মামলায় দোষী হলে, কোম্পানিসহ পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ দায়ী (liable) হবেন। 

 ⇒ The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ১৪০ ধারার বিধান কোম্পানীর অপরাধসমূহ (Offences of Companies) ধারা ১৩৮ এর আওতায় অপরাধকারী কোম্পানী হলে বর্ণিত কোম্পানীসহ উক্ত অপরাধ সংঘটনের সময় কোম্পানীর ব্যবসায় পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং আইনত দায়ী প্রত্যেক ব্যক্তি ঐ অপরাধের জন্য দোষী বলে গণ্য হবেন এবং এর জন্য তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে এবং সেই অনুযায়ী দণ্ডিত হবেন।

- যদি দায়ী ব্যক্তি প্রমাণ করতে পারেন যে উক্ত অপরাধ তার জ্ঞাতসারে সংঘটিত হয়নি অথবা উক্ত অপরাধ সংঘটন প্রতিরোধের জন্য তিনি সম্ভাব্য সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন, তাহলে তিনি দোষী সাব্যস্ত হবেন না।

- এই আইনের আওতায় কোম্পানী কর্তৃক কোন অপরাধ সংঘটিত হলে এবং উক্ত কোম্পানির কোন পরিচালক, ব্যবস্থাপক, সচিব বা অন্য কর্মকর্তার সম্মতিতে বা পরোক্ষ সমর্থনে বা কোন অবহেলার কারণে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হয়েছে মর্মে প্রমাণিত হলে, কোম্পানির উক্ত পরিচালক, ব্যবস্থাপক, সচিব বা অন্য কর্মকর্তা ঐ অপরাধের জন্য দোষী বলে গণ্য হবেন এবং এটির জন্য তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে এবং সেই অনুযায়ী দণ্ডিত হবেন।

Section 140: Offences of Companies:
(1) If the person committing an offence under section 138 is a company, every person who, at the time the offence was committed, was in charge of, and was responsible to, the company for the conduct of the business of the company, as well as the company, shall be deemed to be guilty of the offence and shall be liable to be proceeded against and punished accordingly:

Provided that nothing contained in this sub-section shall render any person liable to punishment if he proves that the offence was committed without his knowledge, or that he had exercised all due diligence to prevent the commission of such offence.

(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), where any offence under this Act has been committed by a company and it is proved that the offence has been committed with the consent or connivance of, or is attributable to, any neglect on the part of any director, manager, secretary or other officer of the company, such director, manager, secretary or other officer shall also be deemed to be guilty of that offence and shall be liable to be proceeded against and punished accordingly.

Explanation. - For the purposes of this section-
(a) “company” means any body corporate and includes a firm or other association of individuals; and
(b) “director” in relation to a firm, means a partner in the firm.
১০,৭৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৫ ধারায় কে শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকা অকার্যকর করার ক্ষমতা রাখেন?
  1. পুলিশ সুপার
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মুচলেকা দাতা
  4. স্থানীয় থানার ওসি
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৫ ধারা: জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকা অকার্যকর করার ক্ষমতা:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাঁহার নিজ জেলায় তাঁর আদালতের উচ্চ নহে এরূপ আদালতের আদেশ কর্তৃক এই অধ্যায়ের বিধানমতে সম্পাদিত শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের কোন মুচলেকা যথেষ্ট পরিমাণ হেতু থাকলে তা লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ে অকার্যকর করতে পারবেন।

Section 125- Power of District Magistrate to cancel any bond for keeping the peace or good behaviour:
The District Magistrate may at any time, for sufficient reasons to be recorded in writing, cancel any bond for keeping the peace or for good behaviour executed under this Chapter by order of any Court in his district not superior to his Court.
১০,৭৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪১ কোন পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য?
  1. যখন আসামি উন্মাদ প্রমাণিত হয়
  2. যখন আসামি আদালতে হাজির হতে অস্বীকার করে
  3. যখন আসামি বিচার কার্যক্রম বুঝতে অক্ষম
  4. যখন আসামি স্বীকারোক্তি দিতে অস্বীকার করে
সঠিক উত্তর:
যখন আসামি বিচার কার্যক্রম বুঝতে অক্ষম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন আসামি বিচার কার্যক্রম বুঝতে অক্ষম
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৪১: অভিযুক্ত ব্যক্তি বিচার কার্যক্রম না বুঝলে করণীয়:
যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি উন্মাদ না হয়, কিন্তু তারপরও তাকে বিচার কার্যক্রম বোঝানো সম্ভব না হয়, তবে আদালত তদন্ত বা বিচার চালিয়ে যেতে পারবে।

তবে হাইকোর্ট বিভাগ ছাড়া অন্য কোনো আদালতে—
যদি সেই বিচার কার্যক্রমের ফলাফল হিসেবে দণ্ড (conviction) হয়, তবে সেই কার্যক্রম মামলার পরিস্থিতির বিবরণসহ হাইকোর্ট বিভাগে পাঠানো হবে। এরপর হাইকোর্ট বিভাগ যে আদেশ প্রয়োজন মনে করবে, তা প্রদান করবে।

Section 341- Procedure where accused does not understand proceedings:
If the accused, though not insane, cannot be made to understand the proceedings, the Court may proceed with the inquiry or trial; and, in the case of a Court other than High Court Division, if such 355[proceedings result] in a conviction, the proceedings shall be forwarded to the High Court Division with a report of the circumstances of the case, and the High Court Division shall pass thereon such order as it thinks fit.

১০,৭৮২.
নিম্নের কোন বিষয়ে নিজের সাক্ষীকে ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন Leading Question করা যায়?
  1. স্বীকৃত বিষয়ে
  2. বিশেষজ্ঞ মতামত বিষয়ে
  3. তর্কিত বিষয়ে
  4. যে কোন বিষয়ে
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃত বিষয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃত বিষয়ে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নঃ প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যা অথবা না ব্যাজেই এ ধরণের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়। ⇒ অর্থাৎ নির্দেশক প্রশ্ন বা Leading question তাই যার মধ্যে উক্ত প্রশ্নের উত্তরের ইঙ্গিত থাকে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারা বিধান ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না (When they must not be asked) : বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না।

⇒ যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।
১০,৭৮৩.
Which type of Magistrate can direct a search in their presence according to Section 105?
  1. Any Magistrate
  2. A Special Magistrate
  3. Executive Magistrate only
  4. Judicial Magistrate only
সঠিক উত্তর:
Any Magistrate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Any Magistrate
ব্যাখ্যা
Section 105- Magistrate may direct search in his presence:
Any Magistrate, whether Executive or Judicial] may direct a search to be made in his presence of any place for the search of which he is competent to issue a search-warrant.

ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৫ ধারা- ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতিতে তল্লাশী পরিচালনার নির্দেশ দিতে পারেন:
যে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী অথবা বিচারিক, তিনি যে স্থানটির তল্লাশী করার জন্য উপযুক্ত, সেসব স্থানে তল্লাশী করার জন্য তিনি নিজের উপস্থিতিতে তল্লাশী পরিচালনা করার নির্দেশ দিতে পারেন।
১০,৭৮৪.
The Evidence Act, 1872 এর ৬১ ধারা অনুযায়ী কোন দলিল প্রমাণ করার জন্য আদালতে কয় ধরনের/প্রকারের সাক্ষ্য দেওয়া যায়?
  1. ১ ধরনের
  2. ২ ধরনের
  3. ৩ ধরনের
  4. ৪ ধরনের
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872-এর ৬১ ধারা অনুযায়ী (১) প্রাথমিক সাক্ষ্য (মূল দলিল) (২) মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায়।

সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা- দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ:
দলিলের বিষয়বস্তু প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্যের দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।

Section 61⇒ Proof of contents of documents:
The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.

সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা স্পষ্টভাবে বলে যে, একটি দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণের জন্য হয় প্রাথমিক সাক্ষ্য নতুবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য ব্যবহার করা যেতে পারে। অর্থাৎ দলিলের মূল কপি দ্বারা (প্রাথমিক) অথবা মূল কপির যথাযথ অনুলিপি বা উদ্ধৃতি দ্বারা (মাধ্যমিক) তা প্রমাণ করা সম্ভব। কিন্তু শুধুমাত্র প্রাথমিক বা মাধ্যমিক সাক্ষ্যের একটি নির্দিষ্ট করে উল্লেখ না করে আইনটি উভয় ধরণের সাক্ষ্যকেই দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণের বৈধ উপায় হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
১০,৭৮৫.
A person who intermeddles with the estate of a deceased person is included in the definition of: 
  1. Public officer
  2. Decree-holder
  3. Judgment-debtor
  4. Legal representative
সঠিক উত্তর:
Legal representative
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Legal representative
ব্যাখ্যা

⇒ The definition of "legal representative" in Section 2(11) explicitly states: "(11) "legal representative" means a person who in law represents the estate of a deceased person, and includes any person who intermeddles with the estate of the deceased and where a party sues or is sued in a representative character the person on whom the estate devolves on the death of the party so suing or sued."
Therefore, a person who intermeddles with the estate of a deceased person is specifically included in the definition of a Legal Representative.

Other options are incorrect:
ক) Public officer: This is defined in Section 2(17) and refers to various government and court officials. It has no connection to someone dealing with a deceased person's estate.
খ) Decree-holder: This is defined in Section 2(3) as a person in whose favour a decree has been passed. It is not related to the status of handling an estate.
গ) Judgment-debtor: This is defined in Section 2(10) as a person against whom a decree has been passed. This is also unrelated to the administration of a deceased person's estate.
------------
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ২(১১) অনুসারে "আইনানুগ প্রতিনিধি" (Legal Representative) বলতে মূলত তিন ধরনের ব্যক্তিকে বোঝায়:
- যে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রতিনিধিত্ব করে;
- যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি পরিচালনা করে; এবং
- যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির প্রতিনিধি হিসেবে মোকদ্দমা করতে পারে বা যার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করা যায়।

সুতরাং, "যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি পরিচালনা করে" সে নিশ্চিতভাবেই এই সংজ্ঞার আওতায় পড়ে এবং তাকে আইনানুগ প্রতিনিধি গণ্য করা হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১১) অনুসারে, "আইনগত প্রতিনিধি" বলতে বোঝায় সেই ব্যক্তিকে, যিনি আইন অনুযায়ী কোনো মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রতিনিধিত্ব করেন। এবং এর মধ্যে সেই ব্যক্তিও পড়েন, যে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির সাথে অনধিকার হস্তক্ষেপ (Intermeddle) করেন।

অর্থাৎ যদি কেউ মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি নিয়ে নিজে থেকে নাড়াচাড়া করে বা ব্যবস্থা নেয় (যদিও তার সেই সম্পত্তিতে কোনো আইনগত অধিকার নেই), তাকেও এই আইনের দৃষ্টিতে "আইনগত প্রতিনিধি" ধরা হবে।

১০,৭৮৬.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে চরিত্র __________।
  1. অপ্রাসঙ্গিক
  2. প্রাসঙ্গিক হবে
  3. প্রাসঙ্গিক নয়
  4. চূড়ান্ত প্রমাণ
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক হবে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারা অনুসারে,
দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে।

Section 55⇒ Character as affecting damages:
In civil cases the fact that the character of any person is such as to affect the amount of damages which he ought to receive, is relevant.
১০,৭৮৭.
ডিক্রি জারি মূলে কোন সম্পত্তির নিলাম বিক্রি হলে বিক্রির কত দিনের মধ্যে ক্রয়মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৮৫ এর বিধান ক্রয়মূল্যের পুরো টাকা পরিশোধের জন্যে সময় :
- ক্রয়মূল্যের সম্পূর্ণ টাকা সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হবে।
-----------
Order-21 Rule-85.Time for payment in full of purchase-money:
The full amount of purchase-money payable shall be paid by the purchaser into Court before the Court closes on the fifteenth day from the sale of the property:
Provided that, in calculating the amount to be so paid into Court, the purchaser shall have the advantage of any setoff to which he may be entitled under rule 72.
১০,৭৮৮.
শ্রমিকের মজুরীর জন্য মামলা করার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৭ বিধান গৃহ-ভৃত্য কারিগর বা শ্রমিকের মজুরীর জন্য মামলা করার তামাদি মেয়াদ, যখন মজুরী বকেয়া হয় তখন থেকে ১ বছর।

- অর্থাৎ শ্রমিকের মজুরীর জন্য মামলা করার তামাদি মেয়াদ ১ বছর।
১০,৭৮৯.
আদেশ ১২ বিধি ১ অনুযায়ী, মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ কীভাবে স্বীকারোক্তি প্রদান করতে পারে?
  1. মৌখিকভাবে
  2. শুধু আদালতে উপস্থিত হয়ে
  3. আইনজীবীর মাধ্যমে
  4. লিখিত আরজি বা জবাবের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
লিখিত আরজি বা জবাবের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত আরজি বা জবাবের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১২ বিধি ১: মোকদ্দমার স্বীকারের নোটিশ-
মোকদ্দমার যেকোন পক্ষ তার আরজি বা জবাবের মাধ্যমে কিংবা লিখিত অন্য উপায়ে, অন্য কোন পক্ষের মোকদ্দমার সামগ্রিক বা আংশিকভাবে স্বীকার করে বলে নোটিশ প্রদান করতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-12 Rule-1: Notice of admission of case:
Any party to a suit may give notice, by his pleading, or otherwise in writing, that he admits the truth of the whole or any part of the case of any other party.
১০,৭৯০.
নির্জন কারাবাস সর্বসাকুল্যে কত দিনের বেশি হবে না?
  1. ৭ দিনের
  2. ১৪ দিনের
  3. ১ মাসের
  4. ৩ মাসের
সঠিক উত্তর:
৩ মাসের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাসের
ব্যাখ্যা
⇒ শুধুমাত্র সশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে নির্জন কারাবাস দেয়া হয়। নির্জন কারাবাস সর্বমোট ৩ মাসের বেশি হবে না।

⇒ ৭৪ ধারা মতে নির্জন কারাবাস একটানা ১৪ দিনের বেশি হবেনা, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ ৩ মাসের অধিক হলে কোন এক মাসে ৭ দিনের বেশি নির্জন কারাবাসে রাখা যাবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:- নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
-----------
⇒ Solitary confinement:
Section 73. Whenever any person is convicted of an offence for which under this Code the Court has power to sentence him to rigorous imprisonment, the Court may, by its sentence, order that the offender shall be kept in solitary confinement for any portion or portions of the imprisonment to which he is sentenced, not exceeding three months in the whole, according to the following scale, that is to say
 
a time not exceeding one month if the term of imprison-ment shall not exceed six months:  
a time not exceeding two months if the term of imprisonment shall exceed six months and shall not exceed one year: 
a time not exceeding three months if the term of imprisonment shall exceed one year.

⇒ Limit of solitary confinement:
Section 74. In executing a sentence of solitary confinement, such confinement shall in no case exceed fourteen days at a time, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods, and when the imprisonment awarded shall exceed three months, the solitary confinement shall not exceed seven days in any one month of the whole imprisonment awarded, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods.
১০,৭৯১.
ধারা ৩১৩ অনুসারে, যদি স্ত্রীর সম্মতি ছাড়াই গর্ভপাত করা হয়, তবে অপরাধীকে কী ধরনের শাস্তি হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র কারাদণ্ড
  2. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  3. শুধু মৃত্যুদণ্ড
  4. কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড উভয়
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড উভয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারা- স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করণ:
কোন ব্যক্তি যদি পূর্ববর্তী ধারায় বর্ণিত অপরাধটি সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া সম্পাদন করে স্ত্রীলোকটি আসন্ন প্রসবা হোক বা না হোক- তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 313- Causing miscarriage without women's consent:
Whoever commits the offence defined in the last preceding section without the consent of the woman, whether the woman is quick with child or not, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১০,৭৯২.
Interpleader Suit-এর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. বিবাদীদের পরস্পরের মধ্যে বিরোধ থাকে
  2. বাদী ও বিবাদীর মধ্যে বিরোধ থাকে না
  3. বাদী ও বিবাদীর মধ্যে বিরোধ থাকে
  4. বাদীর মামলার খরচ ব্যতীত কোন স্বার্থ থাকে না
সঠিক উত্তর:
বাদী ও বিবাদীর মধ্যে বিরোধ থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী ও বিবাদীর মধ্যে বিরোধ থাকে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন।
অর্থাৎ Interpleader Suit-এর ক্ষেত্রে বাদী ও বিবাদীর মধ্যে বিরোধ থাকে কথাটি সত্য নয়।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।  স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবী ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।
 বিবাদীগণ পৃথক পৃথক ভাবে তাদের দাবী উলে­খ করে, বাদী ও বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ ষড়যন্ত্র থাকবেনা (ধারা-৮৮)
⇒ তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
⇒ অর্থাৎ আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits বিবদাী থাকবে কমপক্ষে ২ জন।
⇒ আদেশ ৩৫ বিধি-১: ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় আরজি (Plaint in interpleader-suits): ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় প্রত্যেকটি মোকদ্দমার আরজিতে নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি বিবৃত করতে হবে - বাদী মোকদ্দমার খরচের জন্য ব্যয়িত দাবি ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবী করে না; বিবাদীগণ কর্তৃক দাবিসমূহ পৃথকভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ যোগসাজস বা ষড়যন্ত্র নেই।
⇒ আদেশ ৩৫ বিধি-৫। প্রতিনিধি বা প্রজাগণ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।

⇒ উদাহরণ:
A-তার প্রতিনিধি B-এর নিকট এক বাক্স সোনার গহনা জমা রাখে। C-অভিযোগ করে যে A-তার নিকট হতে অন্যায়ভাবে সোনার গহনাগুলি লাভ করেছে এবং B-এর নিকট হতে এইগুলি দাবী করে। B. A এবং C-এর বিরুে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।
১০,৭৯৩.
ফৌজদারী মামলায় সময়ের প্রার্থনা করে দরখাস্ত করা যায় কত ধারা অনুযায়ী?
  1. ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৬৭
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৭৪
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৪৪
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৮১
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৪৪
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি মামলায় সময়ের প্রার্থনা করে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৪ ধারায় দরখাস্ত করা যায়।

• ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা

(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এমর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়। তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।

Section 344 (Power to postpone or adjourn proceedings)-

(1) If, from the absence of a witness, or any other reasonable cause, it becomes necessary or advisable to postpone the commencement of, or adjourn any inquiry or trial, the Court may, if it thinks fit, by order in writing, stating the reasons therefor, from time to time, postpone or adjourn the same on such terms as it thinks fit, for such time as it considers reasonable, and may by a warrant remand the accused if in custody:

Remand: Provided that no Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time.

(2) Every order made under this section by a Court other than High Court Division shall be in writing signed by the presiding Judge or Magistrate.
Explanation: Reasonable cause for remand.-If sufficient evidence has been obtained to raise a suspicion that the accused may have committed an offence, and it appears likely that further evidence may be obtained by a remand, this is a reasonable cause for a remand.
১০,৭৯৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০( মিথ্যা,তুচ্ছ ও বিরক্তকর অভিযােগ) এর ক্ষেত্রে কত টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশ দিলে এর বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে?
  1. ১০০০
  2. ৫০০
  3. ১০০
  4. ৩০০০
সঠিক উত্তর:
১০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদ দাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে, কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেওয়া হবে না।

• ফরিয়াদি / সংবাদ দাতা/ অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন- অভিযােগটি মিথ্যা তুচ্ছ ও বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ আসামিকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে, ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিষ্ট্রে এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

• দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
১০,৭৯৫.
"Joining or continuing in unlawful assembly, knowing it has been commanding to disperse" উক্ত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তির অনধিক কত দিনের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৫ ধারার বিধান: বেআইনি সমাবেশকে ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জানা সত্ত্বেও উহাতে যোগদান করা অথবা উহাতে থেকে যাওয়া:- কোন বেআইনি সমাবেশকে আইন-নির্দেশিত পদ্ধতিতে ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি উক্ত বেআইনি সমাবেশে যোগদান করলে বা উক্ত বেআইনি সমাবেশে থাকলে তাকে দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
-------------------------
- Section 145. Joining or continuing in unlawful assembly, knowing it has been commanded to disperse:- Whoever joins or continues in an unlawful assembly, knowing that such unlawful assembly has been commanded in the manner prescribed by law to disperse, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১০,৭৯৬.
X ও Y, Z কে পৃথক সময়ে ক্ষুদ্র মাত্রার বিষ প্রয়োগে খুন করার চুক্তি করে চুক্তি মোতাবেক বিষ প্রয়োগ করে। কিন্তু X এর প্রদত্ত বিষের মাত্রার কারণে Z মারা যায়। উক্ত মৃত্যুর জন্য কে/কারা দায়ী?
  1. শুধু X
  2. শুধু Y
  3. তারা উভয়ই
  4. কেউই নয়
সঠিক উত্তর:
তারা উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারা উভয়ই
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩৭ ধারা অনুযায়ী যখন কতিপয় কার্যের মাধ্যমে অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়, তখন কেউ কতিপয় কাজের মধ্যে একটি সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে সহযোগীতা করলে উক্ত সহযোগীতাকারী ব্যক্তি অন্য অপরাধীদের সাথে যৌথভাবে সমান দায়ী হবে। অর্থাৎ একই অভিপ্রায় বিদ্যমান না থাকলেও একজন অপরাধীর কাজ যদি অপর অপরাধীর কাজের সহায়ক বা সমর্থনমূলক হয়, তাহলে উভয়ই দায়ী হবে।

♦ যেমন- ক ও খ পৃথকভাবে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মাত্রায় বিষ প্রয়োগ করে ফ-কে খুন করার জন্য একমত হয়। ক ও খ, ফ- কে খুন করার উদ্দেশ্যে চুক্তি অনুযায়ী বিষ প্রয়োগ করে। ফ-এর প্রতি অনুরূপভাবে প্রযুক্ত কতিপয় মাত্রা বিষ প্রয়োগের ফলে ফ-এর মৃত্যু হয়। এখানে ক ও খ ইচ্ছাপূর্বকভাবে খুন সংঘটনে সহযোগিতা করে এবং তারা প্রত্যেকেই এইরূপ একটি কার্য সম্পাদন করে যা দ্বারা মৃত্যু সংঘটিত হয়। সুতরাং যদিও ক ও খ এর কার্যসমূহ স্বতন্ত্র তবুও উভয়েই ফ-কে খুনের অপরাধে দায়ী। [প্রশ্নটি দন্ডবিধির ৩৭ ধারার উদাহরণ ক থেকে দেয়া হয়েছে।]
১০,৭৯৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৩ বিধি-৫(গ) অনুসারে, 'দরিদ্র' (pauper) হিসেবে আবেদন দাখিলের আগের কত মাসের মধ্যে সম্পত্তি হস্তান্তর করলে আবেদন খারিজ হবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা  দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারণ থাকে না সেক্ষেত্রে তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয়বস্তু ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে উক্ত ব্যক্তি নিঃস্ব হিসেবে গণ্য হবে। নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মামলা করার অনুমতির জন্য আবেদন করতে হবে। তবে আবেদন প্রত্যাখ্যান হবে যদি আবেদনের ২ মাস পূর্বে প্রতিরোধমূলক সম্পত্তি হস্তান্তর করে।

অর্থাৎ, দরিদ্র হিসেবে মামলা দায়েরের আবেদন জমা দেওয়ার ২ মাসের মধ্যে যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণামূলকভাবে বা দরিদ্র হিসেবে আবেদন করতে সক্ষম হওয়ার উদ্দেশ্যে কোনো সম্পত্তি হস্তান্তর করেন, তাহলে তার আবেদন খারিজ করা হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৩ বিধি-৫ এর বিধান: আবেদন পত্র প্রত্যাখ্যান (Rejection of application): নিম্নোক্ত কারণে নিঃস্ব ব্যক্তির আবেদনপত্র প্রত্যাখ্যান করা যায়-
- নির্ধারিত বিধান অনুসারে আবেদনপত্র গঠন ও দাখিল করা হয়নি; বা  আবেদনকারী নিঃস্ব নয়; বা সে আবেদনপত্র দাখিলে অব্যবহিত দুই মাসের মধ্যে প্রতারণামূলকভাবে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতি লাভের জন্য আবেদন করতে সমর্থ হওয়ার জন্য কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করেছে; বা সে তার অভিযোগের কোন নালিশের কারণ উল্লেখ না করে, বা সে প্রস্তাবিত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন চুক্তিতে পৌঁছেছে যার ফলে উক্ত বিষয় বস্তুতে অন্য কোন ব্যক্তির স্বার্থ সৃষ্ট হয়েছে।
-------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-33 Rule-5: Rejection of application:
The Court shall reject an application for permission to sue as a pauper:
(a) where it is not framed and presented in the manner prescribed by rules 2 and 3, or
(b) where the applicant is not a pauper, or
(c) where he has, within two months next before the presentation of the application, disposed of any property fraudulently or in order to be able to apply for permission to sue as a pauper, or
(d) where his allegations do not show a cause of action, or
(e) where he has entered into any agreement with reference to the subject-matter of the proposed suit under which any other person has obtained an interest in such subjectmatter.

১০,৭৯৮.
ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির মুচলেকার মেয়াদঃ

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৬ দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৭ দন্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ব্যতিত অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৮ রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৯ ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১০ অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।

♦ অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে সর্বোচ্চ ৩ বছর।
১০,৭৯৯.
বৈরী সাক্ষী হল এমন এক ধরনের সাক্ষী, যারা আদালতে নিজ পক্ষের __________ সাক্ষ্য প্রদান করে।
  1. পক্ষে
  2. বিপক্ষে
  3. অনুকূলে
  4. গুরত্বপূর্ণ
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষে
ব্যাখ্যা
• বৈরী সাক্ষী হল এমন এক ধরনের সাক্ষী যারা আদালতে নিজ পক্ষের বিপক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করে। বৈরী সাক্ষীর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

১. বৈরী সাক্ষী সাধারণত একপক্ষের স্বপক্ষে ডাকা হলেও, পরবর্তীতে সে অপরপক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করে।
২. একজন বৈরী সাক্ষীকে ভিন্ন প্রশ্নগুলো দ্বারা পরীক্ষা করা যেতে পারে এবং তার বিশ্বস্ততা সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা যায়।
৩. যে পক্ষের স্বপক্ষে সে ডাকা হয়েছিল সেই পক্ষের আইনজীবী বৈরী সাক্ষীকে তার নিজস্ব সাক্ষ্য দ্বারা আক্রমণ করতে পারবেন।
৪. জেরা চলাকালীন বৈরী সাক্ষীকে অস্বীকারযোগ্য প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যায়।
৫. বৈরী সাক্ষীর সাক্ষ্য পৃথকভাবে বিবেচনা করা হবে এবং সাক্ষী সমর্থন করলেও মূল পক্ষের জন্য সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হবে না।

সুতরাং, বৈরী সাক্ষী হল এক পক্ষের স্বপক্ষে ডাকা সাক্ষী যিনি পরবর্তীতে বিপক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করেন। তাদের সাক্ষ্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে।
১০,৮০০.
নিচের কোনটি পদ্ধতিগত আইন নয়?
  1. তামাদি আইন
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি
  4. দেওয়ানী কার্যবিধি
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
ব্যাখ্যা
→ উল্লিখিত প্রশ্ন অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন পদ্ধতিগত আইন নয়। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন হল তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law]।

- যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে।
-যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি। দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটা তত্ত্বগত আইন।

- যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনি প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে।
- যেমন: ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।
- Procedural Law এবং Adjective Law উভয় পদ্ধতিগত আইন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।