বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১০৭ / ১৫৫ · ১০,৬০১১০,৭০০ / ১৫,৪৭০

১০,৬০১.
সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারার অধীনে কোন শর্ত পূরণ হলে তথ্য গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. তথ্য আসামির কাছ থেকে পাওয়া যেতে হবে
  2. তথ্যের ভিত্তিতে কিছু উদ্ধার হতে হবে
  3. উদ্ধারকৃত বস্তু অপরাধের সাথে সম্পর্কযুক্ত হতে হবে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুযায়ী, পুলিশ হেফাজতে থাকা আসামির কাছ থেকে পাওয়া কোনো তথ্য তখনই গ্রহণযোগ্য হবে, যদি তা দ্বারা কোনো বস্তু বা আলামত উদ্ধার হয় এবং সেই বস্তু অপরাধের সাথে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত হয়।
- ২৭ ধারার অধীনে তথ্য গ্রহণযোগ্য হতে হলে নিম্নলিখিত শর্তগুলো পূরণ হতে হবে:
১) তথ্য আসামির কাছ থেকে পাওয়া যেতে হবে।
২) তথ্যের ভিত্তিতে কিছু উদ্ধার হতে হবে।
৩) উদ্ধারকৃত বস্তু অপরাধের সাথে সম্পর্কযুক্ত হতে হবে।
-  তিনটি শর্তই পূরণ হলে আদালতে তথ্য গ্রহণযোগ্য হবে। 

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুযায়ী, কেবলমাত্র আসামির দেওয়া তথ্যই প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না, যদি না সেই তথ্যের ভিত্তিতে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বস্তু বা প্রমাণ উদ্ধার হয় এবং সেটি অপরাধের সাথে সম্পর্কিত হয়। তাই "উপরের সবগুলো" (উত্তর 'ঘ') একমাত্র সঠিক উত্তর।
১০,৬০২.
লিখিত নালিশ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করা হলে, ম্যাজিস্ট্রেট কী করবেন?
  1. নালিশ বাতিল করবেন
  2. উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশ ফেরত দিবেন
  3. নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন
  4. নালিশ গ্রহণ করবেন এবং তদন্ত শুরু করবেন
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশ ফেরত দিবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশ ফেরত দিবেন
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১[Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case]- এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে।

লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে-
আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়,তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।

মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে-
যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করা হয়,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।

(Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case)-
(1) If the complaint has been made in writing to a Magistrate who is not competent to take cognizance of the case,he shall return the complaint for presentation to the proper Court with an endorsement to that effect. 
(2) If the complaint has not been made in writing,such Magistrate shall direct the complainant to the proper Court.

১০,৬০৩.
"Ipse Dixit"- শব্দমালা দ্বারা কী বোঝায়?
  1. By the very fact itself
  2. A bare assertion resting on one's own authority
  3. By the law, itself
  4. Among other things
সঠিক উত্তর:
A bare assertion resting on one's own authority
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A bare assertion resting on one's own authority
ব্যাখ্যা
• Latin Phrase "Ipse Dixit" means- A person's own assertion without relying on any authority of proof.

Or, A bare assertion resting on one's own authority.

For example:
An expert's simple "Ipse Dixit" is insuffiuent to establish a matter, rather the expert must explain the basis of his statement to link his conclusions to the facts.

বাংলায় Latin Phrase টির অর্থ হচ্ছে- এমন বক্তব্য যার আইনগত বা যৌক্তিক প্রমাণ নাও থাকতে পারে এবং যে বক্তব্যের দায়দায়িত্ব পুরোপুরি বক্তার নিজের।
১০,৬০৪.
Which court is empowered to order restitution under Section 144?
  1. Any Civil Court
  2. Appellate Court
  3. Court of first instance
  4. High Court Division
সঠিক উত্তর:
Court of first instance
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Court of first instance
ব্যাখ্যা

Section: 144- Application for restitution:
(1) Where and in so far as a decree is varied or reversed, the Court of first instance shall, on the application of any party entitled to any benefit by way of restitution or otherwise, cause such restitution to be made as will, so far as may be, place the parties in the position which they would have occupied but for such decree or such part thereof as has been varied or reversed; and, for this purpose, the Court may make any orders, including orders for the refund of costs and for the payment of interest, damages, compensation and mesne profits, which are properly consequential on such variation or reversal.

(2) No suit shall be instituted for the purpose of obtaining any restitution or other relief which could be obtained by application under sub-section (1).

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত:
(১) যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।

১০,৬০৫.
সি.এস(C.S) খতিয়ানের পূর্ণরূপ কী?
  1. Central Survey
  2. Colonial Survey
  3. Cadastral Survey
  4. Computer Survey
সঠিক উত্তর:
Cadastral Survey
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cadastral Survey
ব্যাখ্যা

⇒ সি.এস (C.S) খতিয়ানের পূর্ণরূপ হলো Cadastral Survey। "Cada" শব্দের অর্থ ভূখণ্ড বা মাঠ।
- এই সার্ভে জমির মালিকানা, দখল, পরিমাণ এবং খাজনার তথ্য সংগ্রহের জন্য সরেজমিনে পরিচালিত হয়, যা সি.এস খতিয়ান নামে পরিচিত।
- এই Survey'র মাধ্যমে প্রণীত খতিয়ানই C.S Khatian নামে পরিচিত।
- সর্বপ্রথম ১৮৮৮ সালে বর্তমান কক্সবাজার জেলার রামু থানা থেকে এ সার্ভে শুরু হয় এবং ১৯৪০ সালে দিনাজপুর জেলায় শেষ হয়।
- সি.এস খতিয়ান লম্বালম্বিভাবে লেখা থাকে।
- সি.এস খতিয়ানে জমিদারদের নাম, ভোগদখলকারী রায়তের নাম, জমির পরিমাণ, খাজনার পরিমাণ ইত্যাদি উল্লেখ আছে।
- C.S Khatian সর্বাধিক সঠিক; যা মালিকানা ও দখল উভয়ের অনুমানের প্রমাণ দেয়।
- খতিয়ানগুলোর মধ্যে এ খতিয়ান সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য। কারণ, এটি সরেজমিনে গিয়ে প্রস্তুত করা হয়েছিল।

১০,৬০৬.
'Right to Redemption' কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. বন্ধকগ্রহীতা সম্পত্তি বিক্রি করতে পারেন
  2. বন্ধকগ্রহীতা সম্পত্তির দখল নিতে পারে
  3. বন্ধকদাতা সম্পত্তি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধক রাখতে পারেন
  4. বন্ধকদাতা বকেয়া অর্থ পরিশোধ করে সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
বন্ধকদাতা বকেয়া অর্থ পরিশোধ করে সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্ধকদাতা বকেয়া অর্থ পরিশোধ করে সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করতে পারেন
ব্যাখ্যা
• বন্ধকদাতার একটি অধিকার হলো বন্ধক উদ্ধারের অধিকার (Right to Redemption)। যখন বন্ধকী অর্থ বকেয়া হয়ে যায়, তখন বন্ধকদাতার অধিকার আছে বকেয়া বন্ধকী-অর্থ পরিশোধ করার এবং বন্ধকগ্রহীতার নিকট হতে ভূমির দখল ও সংশ্লিষ্ট দলিল পাওয়ার। বন্ধকদাতার এই অধিকার রেহেন বা বন্ধক উদ্ধারের অধিকার [Right to Redemption] বলা হয় এবং এই সংক্রান্ত মোকদ্দমা রেহেন উদ্ধারের মোকদ্দমা [Suit for redemption] নামে পরিচিত।

Right to Redemption এর মধ্যে রেহেন সম্পত্তি সম্পর্কিত রেহেনের দলিল এবং স্বত্ত্ব সম্পর্কিত কাগজপত্র হস্তান্তরের, রেহেন সম্পত্তির দখল ফেরত পাওয়ার ইত্যাদি অধিকার রয়েছে। সম্পত্তি হন্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ৬০ ধারায় বন্ধকদাতার রেহেন উদ্ধারের অধিকার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
 
Section 60: Right of mortgagor to redeem.
At any time after the principal money has become due, the mortgagor has a right, on payment or tender, at a proper time and place, or the mortgage-money, to require the mortgagee (a) to deliver to the mortgagor the mortgage-deed and all documents relating to the mortgaged property which are in the possession or power of the mortgagee, (b) where the mortgagee is in possession of the mortgaged property, to deliver possession thereof to the mortgagor, and (c) at the cost of the mortgagor either to re-transfer the mortgaged property to him or to such third person as he may direct, or to execute and (where the mortgage has been effected by a registered instrument) to have registered an acknowledgement in writing that any right in derogation of his interest transferred to the mortgagee has been extinguished: 
 
Provided that the right conferred by this section has not been extinguished by the act of the parties or by decree of a Court. 
 
The right conferred by this section is called a right to redeem and a suit to enforce it is called a suit for redemption. 
Nothing in this section shall be deemed to render invalid any provision to the effect that, if the time fixed for payment of the principal money has been allowed to pass or no such time has been fixed, the mortgagee shall be entitled to reasonable notice before payment or tender of such money.
১০,৬০৭.
The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ২২ অনুযায়ী, বিধি বা উপ-আইন কখন কার্যকর হবে না?
  1. সংসদ অনুমোদন ছাড়া
  2. আইনের প্রবর্তনের পূর্ব পর্যন্ত
  3. আইনের প্রবর্তনের পরপর
  4. আদালত অনুমোদন ছাড়া
সঠিক উত্তর:
আইনের প্রবর্তনের পূর্ব পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের প্রবর্তনের পূর্ব পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ২২- আইন গৃহীত ও কার্যকর হইবার মধ্যবর্তী সময়ে বিধি বা উপ-আইন প্রণয়ন এবং আদেশ জারী:
যে ক্ষেত্রে, গৃহীত হইবার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয় না এইরূপ সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা, উক্ত আইন বা প্রবিধি প্রয়োগ সম্পর্কে, বা তদধীন কোন আদালত বা দপ্তর প্রতিষ্ঠা, বা কোন বিচারক বা কর্মকর্তার নিয়োগ সম্পর্কে করণীয় বিষয়ে বিধি বা উপ- আইন প্রণয়ন, বা আদেশ জারী করিবার ক্ষমতা প্রদান করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উল্লিখিত ক্ষমতা উক্ত আইন বা প্রবিধি গৃহীত হইবার পরবর্তীতে যে কোন সময়ে প্রয়োগ করা যাইবে; কিন্তু উক্তরূপে প্রণীত বা জারীকৃত বিধি, উপ-আইন বা আদেশ, উক্ত আইন বা প্রবিধি প্রবর্তন হইবার পূর্ব পর্যন্ত কার্যকর হইবে না।
১০,৬০৮.
তামাদি আইনে বিভিন্ন দরখাস্ত দায়েরের তামাদির মেয়াদ প্রথম তফশিলের কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৫১ থেকে ১৮৩
  2. অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩
  3. অনুচ্ছেদ ১৫৫ থেকে ১৮৩
  4. অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৮৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে ৩টি বিভাগ উল্লেখ করা হয়েছে। এই ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথম বিভাগ (First Division)
মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]
- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত।

দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division)
আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]
- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত।

তৃতীয় বিভাগ (Third Division)
বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]
- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত।
১০,৬০৯.
অভিমত গ্রহণের জন্য হাইকোর্ট বিভাগের কাছে মোকদ্দমা প্রেরণ করতে পারে-
  1. যেকোনো আদালত
  2. কেবল জেলা জজ আদালত
  3. কেবল আপিল আদালত
  4. কেবল রিভিশনাল আদালত
সঠিক উত্তর:
যেকোনো আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো আদালত
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৩ ধারায় রেফারেন্সের (Reference) বিধান রয়েছে। ১১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী,
যেকোনো আদালত কোন মামলা হাইকোর্ট বিভাগের অভিমত গ্রহণের জন্য প্রেরণ করতে পারেন এবং হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মামলা সম্পর্কে উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 113: Reference of High Court Division:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, any Court may state a case and refer the same for the opinion of the High Court Division, and the High Court Division may make such order thereon as it thinks fit.

১০,৬১০.
ফৌজদারি কার্যবিধি,১৮৯৮ এর ৫৩৯খ ধারার বিধান কোন বিষয় সম্পর্কিত?
  1. Local inquiry
  2. Local inspection
  3. Forfeiture of property relating to offence
  4. Commission as to attendance of witness
সঠিক উত্তর:
Local inspection
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Local inspection
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন-
 
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।
 
২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।
 
Section 539B: Local inspection-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.
 
(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:
১০,৬১১.
তামাদি আইনের ১০ ধারা অনুসারে, হিন্দু, মুসলিম বা বৌদ্ধ ধর্মীয় বা দাতব্য সম্পত্তির ব্যবস্থাপককে কী হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. ট্রাস্টি
  2. মালিক
  3. ঋণগ্রহীতা
  4. প্রশাসক
সঠিক উত্তর:
ট্রাস্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাস্টি
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ট্রাস্ট হিসেবে থাকা সম্পত্তির মালিক বা ব্যবস্থাপককে ট্রাস্টি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ট্রাস্ট হিসেবে থাকা সম্পত্তির মালিকের বিরুদ্ধে মামলা কোনো সময়সীমার জন্য বন্ধ হবে না। অর্থাৎ, তামাদি আইনের অন্যান্য বিধানের মতো এখানে নির্দিষ্ট সময়সীমার বাধ্যবাধকতা নেই।
- বিশেষত, হিন্দু, মুসলিম বা বৌদ্ধ ধর্মীয় বা দাতব্য সম্পত্তির ব্যবস্থাপককে ট্রাস্টি হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এই সম্পত্তি ট্রাস্টি কর্তৃক নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত বলে বিবেচিত হয়।

→ অর্থাৎ তামাদি আইনের ১০ ধারা অনুসারে, হিন্দু, মুসলিম বা বৌদ্ধ ধর্মীয় বা দাতব্য সম্পত্তির ব্যবস্থাপককে ট্রাস্টি হিসেবে গণ্য করা হয়।
---------
⇒ The Limitation Act:- Section- 10. Suits against express trustees and their representatives:
Notwithstanding anything hereinbefore contained, no suit against a person in whom property has become vested in trust for any specific purpose, or against his legal representatives or assigns (not being assigns for valuable consideration), for the purpose of following in his or their hands such property or the proceeds thereof, or for an account of such property or proceeds, shall be barred by any length of time. 
For the purposes of this section any property comprised in a Hindu, Muslim or Buddhist religious or charitable endowment shall be deemed to be property vested in trust for a specific purpose, and the manager of any such property shall be deemed to be the trustee thereof.
১০,৬১২.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী সাক্ষ্য প্রদানের জন্য কোনো ব্যক্তিকে সমন দেওয়া সত্ত্বেও তিনি হাজির না হলে আদালত তাকে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করতে পারেন?
  1. ২০০
  2. ৫০০
  3. ১০০০
  4. ২০০০
সঠিক উত্তর:
৫০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৬ বিধি-১২ সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হলে কার্যপদ্ধতি। যেক্ষেত্রে অনুরূপ ব্যক্তি হাজির না হয় বা হাজির হয়, কিন্তু আদালতকে ঐরূপ সন্তুষ্ট করতে না পারে, সেক্ষেত্রে আদালত তার জীবন যাপনের অবস্থা এবং মোকদ্দমায় যাবতীয় পরিস্থিতি বিবেচনা করে তার উপর আদালত ন্যায়সঙ্গত মনে করে এরূপ অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা আরোপ করতে পারে এবং তার সম্পত্তি কিংবা উহার যে কোন অংশ ক্রোক করার ও নিলাম বিক্রয় করার জন্য, অথবা যদি ১০ বিধি অনুসারে ইতোপূর্বে ক্রোকাবদ্ধ হয়ে থাকে, তবে তা উক্ত জরিমানার অংকসহ, যদি কোন, অনুরূপ ক্রোকের ব্যয় মিটানোর উদ্দেশ্যে নিলাম বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, ঐ ব্যক্তি উপরোক্ত খরচাদি এবং জরিমানা আদালতে পরিশোধ করলে আদালত তার সম্পত্তি ক্রোকমুক্ত হতে আদেশ দিবে।
১০,৬১৩.
যখন কোনো ব্যক্তি নিজের আর্থিক স্বার্থের পরিপন্থী বিবৃতি প্রদান করে যা মামলার কারণ হতে পারে, এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় প্রাসঙ্গিক হয়?
  1. ৩২(৩)
  2. ৩২(৫)
  3. ৩২(৭)
  4. ৩২(৮)
সঠিক উত্তর:
৩২(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২(৩)
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৩২(৩) অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি এমন একটি লিখিত বা মৌখিক বিবৃতি প্রদান করেন যা তার নিজের স্বার্থের পরিপন্থী (against the interest of the maker), এবং ফৌজদারি বা দেওয়ানি মামলা সৃষ্টির কারণ হতে পারে, তখন সেই বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হিসেবে আদালতে গ্রহণযোগ্য হয় — যদিও ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question

Illustrations:
(a) The question is, whether A was murdered by B; or
A dies of injuries received in a transaction in the course of which she was ravished. The question is whether she was ravished by B; or
The question is whether A was killed by B under such circumstances that a suit would lie against B by A's widow.
Statements made by A as to the cause of his or her death, referring respectively to the murder, the rape and the actionable wrong under consideration are relevant facts.
১০,৬১৪.
'খ' আগে ৩০২ ধারায় খুনের অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ছিল। কিন্তু পরে 'খ' আবার খুন করে। এক্ষেত্রে-
  1. 'খ' কে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে
  2. 'খ' কে আবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হবে
  3. 'খ' কে শুধু অতিরিক্ত অর্থদণ্ড দেওয়া হবে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
'খ' কে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' কে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা অনুযায়ী,
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি খুন করলে তার শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড।

Section 303- Punishment for murder by life-convict:
Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.
১০,৬১৫.
কখন ডিক্রি জারির আবেদন করলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হয়?
  1. দেনাদারের বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে
  2. ডিক্রির ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে
  3. রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-২২ এর বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির বিরুদ্ধে কারণ দর্শানো (Notice to show cause against execution in certain cases): নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির আবেদন করা হলে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে উক্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই কারণ দর্শানোর নোটিশ দিবেন-
i)  ডিক্রির তারিখ হতে ২ বছরের অধিক সময় পর ডিক্রি জারি করলে; বা
ii) পক্ষের বৈধ প্রতিনিধিগণের বিপক্ষে ডিক্রি জারি করলে।
তবে নোটিশ দিতে গিয়ে অযৌক্তিক বিলম্ব বা ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হলে নোটিশ না দিলেও হবে।

⇒ আদেশ-২১, বিধি-২২: ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে নোটিশ প্রদানের বিধান- সাধারণত নোটিশ ব্যতীত ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়, তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির মামলা করলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হবে। যথা- দেওয়ানি কার্যবিধির ৫০(১) ধারা অনুযায়ী, দেনাদারের (Judgement debtor) মৃত্যু হলে তার বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করা যাবে। এক্ষেত্রে বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন হলে নোটিশ দিতে হয়। অর্থাৎ দেনাদারের বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে জারির আবেদন করতে হলে নোটিশ দিতে হয়।  ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে (Judgement debtor) নোটিশ দিতে হয়।
১০,৬১৬.
তামাদি আইনের 'বৈধ অপারগতা' সংক্রান্ত বিধান কোন মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. স্বত্ব ঘোষণা
  2. বাটোয়ারা
  3. দখল পুনরুদ্ধার
  4. অগ্রক্রয়
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬-৭ ধারায় মামলা করার অধিকার সৃষ্টির সময় বাদী legal disability তে আক্রান্ত থাকলে তখন তামাদির মেয়াদ গণনা বন্ধ রাখার বিধান আছে। কিন্তু তামাদি আইনে ৮ ধারায় বলা আছে এই বিধান অগ্রক্রয়ের আবেদন বা মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

⇒ তামাদি আইনের ৮ ধারার বিধান: বিশেষ ব্যতিক্রম: ৬ অথবা ৭ ধারার কোন কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোন কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
উদাহরণ:
(ক) ক নাবালক থাকাকালে মিরাস আদায়ের জন্য মামলা করিবার অধিকার লাভ করে। ইহার ১১ বৎসর পর সে সাবালক হয়। সাধারণ আইন অনুসারে ক মামলা দায়ের করিবার জন্য মাত্র অবশিষ্ট এক বৎসর সময় পায়। কিন্তু ৬ ধারা ও অত্র ধারা অনুসারে সে আরও দুই বৎসর অতিরিক্ত সময় পাইবে। অর্থাৎ সাবালক হইবার পর তিন বৎসরের মধ্যে সে মামলা দায়ের করিতে পারিবে।

⇒ The Limitation Act:- Section 8: Special exceptions:
- Nothing in section 6 or in section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption, or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made.
১০,৬১৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় চুক্তি প্রবলের কথা বলা আছে?
  1. ১৫
  2. ২৪
  3. ৩২
  4. ১২
সঠিক উত্তর:
১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২
ব্যাখ্যা
♦ চুক্তিতে শর্তসমূহ যেভাবে উল্লেখ আছে বা চুক্তির শর্তসমূহ যেভাবে কার্যকর করার বিধান চুক্তিতে উল্লেখ আছে যদি চুক্তির শর্তসমূহ সেইভাবে কার্যকর করা হয়, তাহলে চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর বা বলবৎ হয়েছে বলে গণ্য হবে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী আদালত ৪টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের আদেশ দিতে পারে।
সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য চুক্তি সম্পর্কে বলা আছে ১২ ধারায় এবং যে সব চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয় সে সম্পর্কে বলা আছে ২১ ধারায়।
১০,৬১৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির __________ অনুসারে, আরজি দাখিলের মাধ্যমে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
  1. আদেশ ১, বিধি ১
  2. আদেশ ২, বিধি ১
  3. আদেশ ৩, বিধি ১
  4. আদেশ ৪, বিধি ১
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪, বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪, বিধি ১
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৪ বিধি ১: মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হবে:

১) আদালত অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার নিকট, আরজি উপস্থাপন করার মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দাখিল করতে হবে এবং আরজি সংশ্লিষ্ট যতজন বিবাদী থাকে, ততগুলো আরজির অবিকল নকল অনুরূপ সকল বিবাদীর উপর পরোয়ানা জারি করার জন্য পেশ করতে হবে।
১ক) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারি করার জন্য নির্ধারিত প্রদেয় কোর্ট ফি আরজি দাখিল করার সময় এবং অন্যান্য কার্যক্রমের ক্ষেত্রে যখন সমন ব্যবহার করা হয় তখন পরিশোধ করতে হবে।
১খ) সমনের একটি নকলসহ প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সকল বিবাদীর পূর্ণ ও সঠিক ঠিকানা যুক্ত যথোচিত খামে আগাম প্রদত্ত প্রাপ্তি স্বীকারপত্র আরজির সঙ্গে বাদীকে পেশ করতে হবে।

২) ৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশের বিধিসমূহ যতদূর প্রযোজ্য হয়, তদনুসারে প্রত্যেকটি আরজি প্রণয়ন করতে হবে।
১০,৬১৯.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৮১ অনুযায়ী, কর্মচারী যদি তার মালিকের সম্পত্তি চুরি করে, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৮১ অনুযায়ী কর্মচারীর দ্বারা মালিকের সম্পত্তি চুরির শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮১ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি কেরানি বা কর্মচারী হিসেবে অথবা কেরানি বা কর্মচারীর দায়িত্বে নিযুক্ত হয়ে তার মালিক বা নিয়োগকর্তার দখলে থাকা যেকোনো সম্পত্তি চুরি করে, তবে তাকে সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়া হতে পারে।
⇒ The Penal Code, 1860, Section 381: Theft by clerk or servant of property in possession of master:
- Whoever being a clerk or servant, or being employed in the capacity of a clerk or servant, commits theft in respect of any property in the possession of his master or employer, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
১০,৬২০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞার বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ৫৫
  3. ধারা ৫৬
  4. ধারা ৫৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৭
ব্যাখ্যা

ধারা ৫৭- নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞা:
ধারা ৫৬-এর উপধারা (f) সত্ত্বেও, যেখানে কোনো চুক্তিতে একটি নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য ইতিবাচক অঙ্গীকারের (affirmative agreement) পাশাপাশি একটি নেতিবাচক  অঙ্গীকার (negative agreement)ও থাকে- স্পষ্টভাবে বা পরোক্ষভাবে- অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট কাজ না করার অঙ্গীকার থাকে, সেখানে আদালত যদি সেই ইতিবাচক চুক্তির নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন (specific performance) করাতে সক্ষম না হয়, তাহলেও আদালত সেই নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞা (injunction) জারি করতে পারে; তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী এখন পর্যন্ত তার চুক্তির বাধ্যবাধক অংশ সম্পূর্ণভাবে পালন করতে ব্যর্থ হননি।

১০,৬২১.
Under Section 57 of the Code of Civil Procedure, who has the authority to fix the scale of subsistence allowance of judgment-debtors?
  1. The Court
  2. The Government
  3. The Jail Authority
  4. The Decree holder
সঠিক উত্তর:
The Government
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Government
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি ৫৭ ধারা- খোরপোষ ভাতা:
সরকার পদপর্যাদা, গোত্র এবং জাতীয়তার ক্রমানুসারে দায়িকের খোরপোষের নিমিত্তে প্রদানযোগ্য মাসিক ভাতার হার নির্দিষ্ট করতে পারবে।

Section 57: Subsistence allowance-
The Government may fix scales, graduated according to rank, race and nationality, of monthly allowances payable for the subsistence of judgment-debtors.
১০,৬২২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৬ বিধি ১২ তে কোন কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে বিধান রয়েছে?
  1. ফরিয়াদি হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার
  2. সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার
  3. অভিযুক্ত হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার
  4. ক এবং গ
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৬ বিধি-১২: সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হলে কার্যপদ্ধতি:

যেক্ষেত্রে অনুরূপ ব্যক্তি হাজির না হয় বা হাজির হয়  কিন্তু আদালতকে ঐরূপ সন্তুষ্ট করতে না পারে, সেক্ষেত্রে আদালত তার জীবন যাপনের অবস্থা এবং মোকদ্দমায় যাবতীয় পরিস্থিতি বিবেচনা করে তার উপর আদালত ন্যায়সঙ্গত মনে করে এরূপ অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা আরোপ করতে পারে এবং তার সম্পত্তি কিংবা উহার যে কোন অংশ ক্রোক করার ও নিলাম বিক্রয় করার জন্য, অথবা যদি ১০ বিধি অনুসারে ইতোপূর্বে ক্রোকাবদ্ধ হয়ে থাকে, তবে তা উক্ত জরিমানার অংকসহ, যদি কোন, অনুরূপ ক্রোকের ব্যয় মিটানোর উদ্দেশ্যে নিলাম বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, ঐ ব্যক্তি উপরোক্ত খরচাদি এবং জরিমানা আদালতে পরিশোধ করলে আদালত তার সম্পত্তি ক্রোকমুক্ত হতে আদেশ দিবে।
১০,৬২৩.
'Declaratory Suit' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৪০
  2. ৪২
  3. ৪৪
  4. ৫২
সঠিক উত্তর:
৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় বলা হয়েছে, যেখানে বাদী শুধু স্বত্বের ঘোষণা [Mere Declaration of Title ] ছাড়া আরও প্রতিকার [further relief] দাবি করতে পারতো, কিন্তু তা করা হতে বিরত থাকে, সেখানে আদালত তেমন ঘোষণা দিবে না।
অর্থাৎ 'Declaratory Suit' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার বিধান।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার বিধান: মর্যাদা কিংবা অধিকার ঘোষণা সম্পর্কে আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতা:
আইনানুগ পরিচয় অথবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি এমন যেকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারে যে, তেমন মর্যাদা বা অধিকারের ব্যাপারে তার স্বত্ব অস্বীকৃতি জ্ঞাপণ করেছে বা অস্বীকৃতি জ্ঞাপণ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে ঘোষণা করতে পারেন যে, তার তেমন অধিকার রয়েছে এবং তেমন মামলায় আরও কোন প্রতিকার দাবি করা বাদীর জন্য আবশ্যক নয়।
 
- এরূপ ঘোষণার পথে প্রতিবদ্ধকতা: শর্ত থাকে যে, যেখানে দাবি কেবলমাত্র স্বত্বের ঘোষণা ব্যতীত আরও প্রতিকার দাবি করতে সমর্থ, কিন্তু তা করা হতে বিরত থাকে, সেখানে আদালত তেমন ঘোষণা প্রদান করবেন না।
 
ব্যাখ্যা: একটি সম্পত্তির জিম্মাদার এমন একটি স্বত্ব "অস্বীকার করিতে আগ্রহী ব্যক্তি”, যে জীবিত নয় এমন এক ব্যক্তির স্বত্বের প্রতিকূল এবং যদি সে বেঁচে থাকত, তবে সে তার জন্য একজন জিম্মাদার হত।
-----------------
SR Act:- Section-42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
-Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation:- A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
Illustrations:
(a) A is lawfully in possession of certain land. The inhabitants of a neighboring village claim a right of way across the land. A may sue for a declaration that they are not entitled to the right so claimed.
১০,৬২৪.
According to Section 52 of The Specific Relief Act, 1877, Preventive relief is not granted at the discretion of the Court by ____________.
  1. Perpetual injunction
  2. Temporary injunction 
  3. Mandatory Injunction
  4. 'A' and 'B' Both
সঠিক উত্তর:
Mandatory Injunction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mandatory Injunction
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৫২ অনুসারে, বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) নিরোধক প্রতিকার (Preventive Relief) হিসেবে গণ্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৫২-এর স্পষ্ট বিধান: "Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual." অর্থাৎ, আদালত তার সুবিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে অস্থায়ী (Temporary) বা চিরস্থায়ী (Perpetual) নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করেন।
 ⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে যেহেতু 'Preventive relief is not granted বা নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় না' কথাটি বলা আছে তাই সঠিক উত্তর হবে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction)।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 52 Preventive relief how granted: Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুরের প্রক্রিয়া:- আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

 ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বা Preventive Relief এর সংজ্ঞা রয়েছে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারার (গ) অনুচ্ছেদের অধীন যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় তাকে নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বলে। অর্থাৎ যা না করার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত থাকার আদেশ প্রদানই হলো প্রতিরোধমূলক প্রতিকার।

 ⇒  সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদান করা হলেও সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার নয়। যেমন- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হলেও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) হল আদেশাত্মক প্রতিকার।

১০,৬২৫.
অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ [Interlocutory orders] দেয়া যেতে পারে যদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু-
  1. স্থাবর সম্পত্তি হয়
  2. অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
  3. অস্থাবর সম্পত্তি হয়
  4. স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি উভয় হয়
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৬ এর বিধান অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা (Power to order interim sale): কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকলে অথবা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকলে, যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায় সঙ্গত এবং যথেষ্ট কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করার প্রয়োজন হয়, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে নিলামে বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেন।
⇒  আদেশ ৩৯ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর আগে শুনানীকাল পর্যন্ত বা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যে আদেশ দেওয়া হয় তাঁকে ad interim injunction order বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ বলা হয়।
⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর পর দরখাস্তের গুণাগুণ বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দিতে হয়, অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে দরখাস্তের গুণাগুণ যাচাইয়ের দরকার পড়ে না, বরং পরিস্থিতি খুবই জরুরি হলে এই আদেশ দেওয়া যায়।
১০,৬২৬.
The specific Relief Act, 1877 এর কত ধারায় নেতিবাচক চুক্তি পালনে নিষেধাজ্ঞার বিধানটি রয়েছে?
  1. ৫৪ ধারা 
  2. ৫৫ ধারা 
  3. ৫৬ ধারা 
  4. ৫৭ ধারা 
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারা 
ব্যাখ্যা

Correct answer: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারামতে চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য আদালত যে নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করে তাকে Negative Injunction বা নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা বলে।

• নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা (Injunction to perform negative agreement)-
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারামতে আদালত চুক্তির ইতিবাচক অংশ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার আদেশ দিতে না পারলেও, চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিতে পারবেন।
- যেমন- A, B এর সাথে এই মর্মে চুক্তি করে যে, সে ১২ মাসের জন্য B এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং এই সময়ে সে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন করবে না। এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার জন্য B ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী নয়, কিন্তু A যেন এই সময়ে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন না করতে পারে বা তাকে গান গাওয়া হতে বিরত রাখতে B নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
-----------------
• The Specific Relief Act, 1877, Section-57. Injunction to perform negative agreement:
- Notwithstanding section 56, clause (f), where a contract comprises an affirmative agreement to do a certain act, coupled with a negative agreement, express or implied, not to do a certain act, the circumstance that the Court is unable to compel specific performance of the affirmative agreement shall not preclude it from granting an injunction to perform the negative agreement: provided that the applicant has not failed to perform the contract so far as it is binding on him.

১০,৬২৭.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর কত ধারায় আপিল সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ৮৬
  2. ৮৫ক
  3. ৮৭
  4. ৮৫
সঠিক উত্তর:
৮৫ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৫ক
ব্যাখ্যা

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারার বিধান আপীল:
- অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৯ (১) ধারার বিধান অনুসারে বা ২০ ধারার বিধান মোতাবেক ডেপুটি কমিশনার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করলে তার আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে।
------------
Section 85A.  Appeal:
- An appeal against an order passed by the Deputy Commissioner determining compensation under the proviso to sub-section (1) of section 9 or the proviso to section 20 shall, if presented within thirty days of such order, lie to the District Judge. 

১০,৬২৮.
অ্যাটর্নি-জেনারেলের পারিশ্রমিক কে নির্ধারণ করবে?
  1. সরকার
  2. সংসদ
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদের বিধান-অ্যাটর্নি-জেনারেল:
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন। 
১০,৬২৯.
In which section of the Limitation Act is the 'Suit for compensation for act not actionable without special damage' mentioned?
  1. 22
  2. 24
  3. 25
  4. 26
সঠিক উত্তর:
24
উত্তর
সঠিক উত্তর:
24
ব্যাখ্যা
⇒ Section 24 of the Limitation Act, 1908: Suit for compensation for act not actionable without special damage:-
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results.

Illustration 
A owns the surface of a field. B owns the subsoil. B digs coal thereout without causing any immediate apparent injury to the surface, but at last the surface subsides. The period of limitation in the case of a suit by A against B runs from the time of the subsidence.
-------------
⇒ তামাদি আইনের ২৪ ধারায় বলা আছে- কোন ক্ষতি সাধিত না হলে বা কোন মামলা করার কারণ উদ্ভব হবার আগ পর্যন্ত তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে না।

- তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান মতে, যে কাজের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, সে কাজের দরুণ ক্ষতিপূরণ মামলার জন্য যখন ক্ষতি সাধিত হয় তখন থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।
১০,৬৩০.
সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে কোন ধরনের শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়েছিল?
  1. বহুদলীয় সরকার
  2. পার্লামেন্টারি সরকার
  3. রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার
  4. সাংবিধানিক রাজতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার
ব্যাখ্যা

চতুর্থ সংশোধনী:
​- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রথম সবচেয়ে বড় ও বিতর্কিত সংশোধনী আনা হয় ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি।
​- এদিন সংবিধানে চতুর্থ সংশোধনী এনে সংসদীয় গণতন্ত্র বাতিল করে রাষ্ট্রপতিশাসিত এবং একদলীয় শাসনব্যবস্থা চালু করা হয়। 

​- বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) নামে একটি নতুন রাজনৈতিক দল বা একটি নতুন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা চালুর মধ্য দিয়ে দেশের সব রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়। 
​- এই সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে একচ্ছত্র ক্ষমতাবান করা হয়।

১০,৬৩১.
The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১৪ ধারা অনুযায়ী কালেক্টরের আদেশে বিরুদ্ধে কত দিনের মধ্য আপিল করতে হবে?
  1. ১৫
  2. ৩০
  3. ৬০
  4. ৯০
সঠিক উত্তর:
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০
ব্যাখ্যা
⇒ The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১৪ ধারার বিধান আপিল: ১১ ধারার (২) উপধারায় কালেক্টরের আদেশে ক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি উক্ত আদেশের তারিখ হইতে ৩০ দিনের মধ্যে উক্ত এলাকার এখতিয়ারবান জেলা জজের নিকট আপিল দায়ের করিতে পারিবে এবং উক্ত আপিলে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে ।
-------------------
- Section 14. Appeal:
Any person who is aggrieved by an order of the Collector under sub-section (2) of section 11 or under sub-section (2) of section 13, may prefer an appeal to the District Judge having jurisdiction over the area within thirty days from the date of such order; and the decision of the District Judge having jurisdiction over the area, on such appeal, shall be final.
১০,৬৩২.
উভয় পক্ষের মুলতবির দরখাস্ত মঞ্জুর হলে এবং ব্যয়াদির খরচসহ আদেশসমূহ অনুমোদন করা হলে, আদালত কী নির্দেশ দেবে?
  1. খরচ বাদ দেওয়া হবে
  2. বাদীকে খরচ প্রদান করতে
  3. খরচ রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে জমা দিতে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খরচ রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে জমা দিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খরচ রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে জমা দিতে
ব্যাখ্যা
• আইনে মুলতবি [Adjournment] অর্থ হলো আদালতের কার্যপ্রণালিতে কোনো মামলার শুনানি পরবর্তী কোনো তারিখ পর্যন্ত স্থগিত বা মুলতবি করা। সাধারণত কোন মোকদ্দমার শুনানী শুরু হলে তা চলমান থাকবে। কিন্তু অনিবার্য অবস্থার প্রেক্ষাপটে মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির নাও হতে পারে এবং তখন শুনানী মুলতবির আবেদন করা প্রয়োজনীয় হয়।

• আদেশ ১৭ বিধি ১(৫)-
যেক্ষেত্রে উভয় পক্ষ কর্তৃক মুলতবির দরখাস্ত দাখিল করা হয় এবং ব্যয়াদির খরচসহ আদেশসমূহ অনুমোদন করা হয়, সেক্ষেত্রে আদালত প্রতিটি পক্ষকে রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে অনুরূপ খরচাদি জমা প্রদান করার আদেশ দিবে।

[Where applications are made by both the parties for any adjournment the applications are allowed with costs, the court shall direct each party to pay such cost as revenue to the state.]
১০,৬৩৩.
খুনের মামলায় রিনা বেগম মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত হয়। পরবর্তীতে মেডিক্যাল পরীক্ষায় জানা গেলো যে, সে গর্ভবতী। এক্ষেত্রে-
  1. বিচারিক আদালত বিচার বাতিল করতে পারে
  2. হাইকোর্ট বিভাগ সাজা হ্রাস করতে পারে
  3. বিচারিক আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ সাজা হ্রাস করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ সাজা হ্রাস করতে পারে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারা-
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে, হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
 
Section 382- Postponement of capital sentence on pregnant woman-
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.
১০,৬৩৪.
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ কত?
  1.  ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ বছর 
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ৬ বছর।

Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৫৪–এ ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে আদালত কবে এবং কোন অবস্থায় চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Permanent Injunction) দিতে পারে।

Limitation Act, 1908 – First Schedule, Article 120:
“Suit for which no period of limitation is provided elsewhere in this Schedule— Limitation: 6 years— Time from when the right to sue accrues.”

যেসব মামলা কোনো নির্দিষ্ট তামাদি বিধানের অধীনে পড়ে না, সেক্ষেত্রে Article 120 প্রযোজ্য হয়। চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মামলা (Permanent Injunction Suit)–এর জন্য আলাদা কোনো Article নেই। সুতরাং এর তামাদি মেয়াদ Article 120 অনুযায়ী ৬ বছর।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে “right to sue” তখনই সৃষ্টি হয় যখন- কোনো ব্যক্তি তার অধিকারে স্থায়ীভাবে হস্তক্ষেপের আশঙ্কা বা প্রকৃত হস্তক্ষেপ অনুভব করে।

১০,৬৩৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মোকদ্দমার তামাদি মেয়াদ গণনা কবে থেকে শুরু হয়?
  1. দায়ের করা মামলার দিন থেকে
  2. প্রাথমিক শুনানির দিন থেকে
  3. সম্পত্তি হতে বেদখলের সময় থেকে
  4. মামলার রায় কার্যকর হওয়ার দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি হতে বেদখলের সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি হতে বেদখলের সময় থেকে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১ম তফসিল: অনুচ্ছেদ-৩:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মোকদ্দমা;
তামাদি- ৬ মাস;
সময় গণনা শুরু- সম্পত্তি হতে বেদখলের সময়।
১০,৬৩৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-২২, বিধি-৭(১) অনুযায়ী, মহিলা পক্ষের বিবাহ হলে মামলা কী হয়?
  1. স্বামী পক্ষ হয়।
  2. মামলা বাতিল হয়।
  3. ডিক্রি বাতিল হয়।
  4. মামলা চলতে থাকে।
সঠিক উত্তর:
মামলা চলতে থাকে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা চলতে থাকে।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) মামলা চলতে থাকে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২২, বিধি-৭ এর প্রথম অংশ অনুযায়ী, কোনো মহিলা বাদী বা বিবাদীর বিবাহ হলে মামলাটি স্থগিত বা বাতিল হয় না। অর্থাৎ, মহিলা পক্ষের বিবাহ হলেও মামলাটি অব্যাহত থাকে এবং রায় প্রদান করা যায়।
দ্বিতীয় অংশে বলা হয়েছে, যদি স্বামী আইনগতভাবে স্ত্রীর দেনার জন্য দায়ী হয়, তবে আদালতের অনুমতিতে সেই রায় স্বামীর বিরুদ্ধেও কার্যকর করা যেতে পারে। তাই, মহিলা পক্ষের বিবাহ মামলার অব্যাহতিপ্রক্রিয়ায় কোন প্রভাব ফেলে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির, আদেশ-২২, বিধি-৭: মহিলা পক্ষের বিবাহের ফলে মামলা স্থগিত হবে না:
(১) কোনো মহিলা বাদী বা বিবাদীর বিবাহ হলেও মামলাটি স্থগিত হবে না, বরং মামলা অগ্রসর হয়ে রায় প্রদান করা যাবে; এবং যেখানে রায় মহিলা বিবাদীর বিরুদ্ধে থাকে, সেখানে রায় শুধুমাত্র তার বিরুদ্ধে কার্যকর করা যেতে পারে।
(২) যেখানে স্বামী আইন অনুসারে তার স্ত্রীর দেনার জন্য দায়ী, সেখানে আদালতের অনুমতি নিয়ে রায় স্বামীর বিরুদ্ধে কার্যকর করা যেতে পারে; এবং স্ত্রীর পক্ষে রায় হলে, স্বামীর আবেদনপত্রে, যেখানে স্বামী আইন অনুযায়ী রায়ের বিষয়ভিত্তিক অধিকারী, সেখানে রায় কার্যকর করার জন্য অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।

⇒ Order-XXII, Rule-7 of the Code of Civil Procedure, 1908:Suit not abated by marriage of female party:
(1) The marriage of a female plaintiff or defendant shall not cause the suit to abate, but the suit may notwithstanding be proceeded with to judgment, and, where the decree is against a female defendant, it may be executed against her alone.
(2) Where the husband is by law liable for the debts of his wife, the decree may, with the permission of the Court, be executed against the husband also; and, in the case of judgment for the wife, execution of the decree may, with such permission, be issued upon the application of the husband, where the husband is by law entitled to the subject-matter of the decree.
১০,৬৩৭.
বর্তমানে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৫৪ ধারায় পুলিশ কয়টি পরিস্থিতিতে ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করতে পারে?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ) ১১টি পরিস্থিতিতে।

Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৫৪- "কখন পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেপ্তার করতে পারে" (When police may arrest without warrant):

(১) যেকোনো পুলিশ অফিসার ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং ওয়ারেন্ট ছাড়াই নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে পারেন:

প্রথমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি একজন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে একটি আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) করেন; 

দ্বিতীয়ত, যে কোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ করা হয়েছে, বা বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে, বা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ বিদ্যমান যে তিনি এমন একটি আমলযোগ্য অপরাধ করেছেন যা সাত বছরের কম মেয়াদের বা সাত বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে, জরিমানা সহ বা ছাড়া, যদি নিম্নলিখিত শর্তগুলি পূরণ হয়, যথা:-
(i) পুলিশ অফিসারের কাছে এই ধরনের অভিযোগ, তথ্য বা সন্দেহের ভিত্তিতে বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে ওই ব্যক্তি উল্লিখিত অপরাধ করেছেন; এবং

(ii) পুলিশ অফিসার সন্তুষ্ট হন যে এই ধরনের গ্রেপ্তার করা নিম্নলিখিত কারণে প্রয়োজনীয়:
(ক) ওই ব্যক্তিকে ভবিষ্যতে কোনো অপরাধ করা থেকে বিরত রাখা; বা
(খ) অপরাধের যথাযথ তদন্তের জন্য; বা
(গ) ওই ব্যক্তিকে অপরাধের প্রমাণ অদৃশ্য করা বা কোনোভাবে সেই প্রমাণ নষ্ট করা থেকে বিরত রাখা; বা
(ঘ) ওই ব্যক্তিকে মামলার ঘটনা সম্পর্কে পরিচিত কোনো ব্যক্তিকে প্ররোচনা, হুমকি বা প্রতিশ্রুতি দেওয়া থেকে বিরত রাখা, যাতে তিনি আদালতে বা পুলিশ অফিসারের কাছে সেই ঘটনা প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকেন; বা
(ঙ) যেহেতু ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার না করলে, যখনই প্রয়োজন হবে তখন আদালতে তার উপস্থিতি নিশ্চিত করা যাবে না; এবং পুলিশ অফিসার এই ধরনের গ্রেপ্তার করার সময় তার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, যে সকল ক্ষেত্রে এই উপ-ধারার বিধানাবলী অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার প্রয়োজন হয় না, সেখানে পুলিশ অফিসার গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন;

তৃতীয়ত, যে কোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে যে তিনি এমন একটি আমলযোগ্য অপরাধ করেছেন যা সাত বছরের বেশি মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে, জরিমানা সহ বা ছাড়া, বা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় এবং পুলিশ অফিসারের কাছে সেই তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে ওই ব্যক্তি উল্লিখিত অপরাধ করেছেন;

চতুর্থত, যে কোনো ব্যক্তি যার দখলে বৈধ অজুহাত ব্যতীত, যে অজুহাত প্রমাণের ভার তার উপর বর্তাবে, ঘর ভাঙার কোনো সরঞ্জাম থাকে;

পঞ্চমত, যে কোনো ব্যক্তি যাকে এই কোডের অধীনে বা সরকারের আদেশ দ্বারা অপরাধী হিসাবে ঘোষিত করা হয়েছে;

ষষ্ঠত, যে কোনো ব্যক্তি যার দখলে এমন কিছু পাওয়া যায় যা যুক্তিসঙ্গতভাবে চুরি করা সম্পত্তি বলে সন্দেহ করা যেতে পারে এবং যাকে যুক্তিসঙ্গতভাবে সেই জিনিস সম্পর্কিত অপরাধ করার জন্য সন্দেহ করা যেতে পারে;

সপ্তমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি একজন পুলিশ অফিসারকে তার দায়িত্ব পালনে বাধা দেন, বা যিনি আইনানুগ হেফাজত থেকে পালিয়েছেন বা পালানোর চেষ্টা করছেন;

অষ্টমত, যে কোনো ব্যক্তি যাকে যুক্তিসঙ্গতভাবে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর একজন পলাতক সৈনিক বলে সন্দেহ করা হয়;

নবমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি বাংলাদেশের বাইরের কোনো স্থানে সংঘটিত কোনো কাজের সাথে জড়িত ছিলেন, বা যার বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ করা হয়েছে বা বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে বা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ বিদ্যমান যে তিনি এমন কোনো কাজের সাথে জড়িত ছিলেন, যা বাংলাদেশে সংঘটিত হলে অপরাধ হিসাবে শাস্তিযোগ্য হতো, এবং যার জন্য তিনি কোনো প্রত্যর্পণ আইন (extradition law) বা অন্য কোনো আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে গ্রেপ্তার বা আটক হওয়ার যোগ্য;

দশমত, কোনো মুক্ত দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি যিনি ৫৬৫ ধারার উপ-ধারা (৩) এর অধীনে প্রণীত কোনো বিধি লঙ্ঘন করেন;

একাদশত, যে কোনো ব্যক্তি যার গ্রেপ্তারের জন্য অন্য একজন পুলিশ অফিসারের কাছ থেকে চাহিদা (requisition) পাওয়া গেছে, যদি ওই চাহিদা পত্রে গ্রেপ্তারযোগ্য ব্যক্তির বিবরণ এবং যে অপরাধ বা অন্য কারণে গ্রেপ্তার করতে হবে তা নির্দিষ্ট করা থাকে এবং তা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, যে অফিসার চাহিদা পত্রটি জারি করেছেন তিনি ওয়ারেন্ট ছাড়াই আইনত ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারতেন। 

(২) কোনো পুলিশ অফিসার এই ধারার অধীনে কোনো ব্যক্তিকে প্রতিরোধমূলক আটকের (preventive detention) বিধানকারী কোনো আইনের অধীনে আটক করার উদ্দেশ্যে গ্রেপ্তার করবেন না।

১০,৬৩৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির প্রথম তফসিলের অন্তুর্ভুক্ত যেকোনো নিয়ম পরিবর্তন, সংশোধন বা রদবদল করার ক্ষমতা কোন কর্তৃপক্ষকে দেয়া হয়েছে?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. আইন মন্ত্রনালয়
  3. জেলা জজ আদালত
  4. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, দেওয়ানি কার্যবিধির প্রথম তফসিলের অন্তর্গত নিয়মসমূহ পরিবর্তন, সংশোধন বা রদবদল করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ আদালতকে। সুপ্রিম কোর্ট হচ্ছে সর্বোচ্চ আদালত।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১২২ ধারায় এ বিষয়ে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে। ১২২ ধারায় বলা হয়েছে:
"সর্বোচ্চ আদালত, সময় সময় সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের প্রথম তফসিলে বর্ণিত কোন বিষয়ের জন্য নিয়ম প্রণয়ন, সংশোধন বা বাতিল করতে পারবে।"
অর্থাৎ প্রথম তফসিলের আওতাধীন নিয়মসমূহ প্রণয়ন, সংশোধন এবং বাতিলের ক্ষমতা শুধুমাত্র সর্বোচ্চ আদালতের নিকট নিহিত রয়েছে। এই ক্ষমতা কোন নিম্ন আদালত বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষকে প্রদান করা হয়নি।

সুতরাং সর্বোচ্চ আদালত ছাড়া অন্য কেউ দেওয়ানি কার্যবিধির প্রথম তফসিলের নিয়মসমূহ পরিবর্তন, সংশোধন বা বাতিল করতে পারবে না।
১০,৬৩৯.
কেস ডায়েরী কে তৈরী করেন?
  1. আমলী আদালত
  2. তদন্ত কর্মকর্তা
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. বিচারিক আদালত
সঠিক উত্তর:
তদন্ত কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির  ১৭২ ধারা অনুযায়ী, প্রতিদিনের তদন্তের অগ্রগিত পুলিশ যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করেন তাকে পুলিশ ডায়েরী বলা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা বা পুলিশ ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করেন- প্রতিদিনের তদন্তের অগ্রগিত, কখন তদন্ত আরম্ভ ও শেষ করলেন, কোন স্থান পরিদর্শন করেছেন ইত্যাদি সহ তদন্ত সংক্রান্ত কার্যক্রম।
১০,৬৪০.
According to Article 5A(2) of The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, an Advocate who has already served two consecutive terms before the Article’s enforcement –
  1. Must resign immediately
  2. Can be elected again without restriction
  3. Cannot be elected for the next term
  4. Must seek permission from the Chief Justice
সঠিক উত্তর:
Cannot be elected for the next term
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cannot be elected for the next term
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article-5A:
(1) No Advocate shall hold office of member of the Bar Council for more than two consecutive terms.

(2) An Advocate who has been elected for two consecutive terms as a member of the Bar Council immediately before this Article comes into force shall not be eligible to be elected as a member of the Bar Council for the next term.

অনুচ্ছেদ- ৫ক: 
(১) কোনো আইনজীবী দুইটি পরপর মেয়াদের বেশি সময়ের জন্য বার কাউন্সিলের সদস্য পদে অধিষ্ঠিত থাকতে পারবেন না।

(২) কোনো আইনজীবী যদি এই ধারা কার্যকর হওয়ার অব্যবহিত পূর্বে পরপর দুই মেয়াদে বার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে থাকেন, তাহলে তিনি পরবর্তী মেয়াদে বার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার জন্য যোগ্য হবেন না।
১০,৬৪১.
সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারায় নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে আদালতের চূড়ান্ত রায় বা আদেশ প্রাসঙ্গিক নয়?
  1. বিবাহ সম্পর্কিত মামলায়
  2. দেউলিয়াত্ব সংক্রান্ত মামলায়
  3. স্বত্ত্ব ঘোষণা সংক্রান্ত মামলায়
  4. প্রবেট সংক্রান্ত মামলায়
সঠিক উত্তর:
স্বত্ত্ব ঘোষণা সংক্রান্ত মামলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বত্ত্ব ঘোষণা সংক্রান্ত মামলায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারা - প্রবেট, এখতিয়ার ইত্যাদির ক্ষেত্রে কোনো রায়ের প্রাসঙ্গিকতা:
প্রবেট, অ্যাডমিরালটি, বিবাহ ও দেউলিয়াত্ব বিষয়ক এখতিয়ার প্রয়োগকালে কোনো উপযুক্ত আদালত উহার চূড়ান্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা যখন কোনো আইনগত চরিত্র কারও উপর আরোপ করে বা কাউকে উহা হতে বঞ্চিত করে, অথবা কোনো ব্যক্তিকে অনুরূপ চরিত্রের অধিকারী অথবা নির্দিষ্ট কোনো কিছুর অধিকারী বলে ঘোষণা করে এবং সেই অধিকার কোনো ব্যক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে নহে, বরং সর্বজনীন বলে ঘোষণা করে, তখন অনুরূপ কোনো আইনগত চরিত্র বা অনুরূপ কোনো কিছুর উপর কোনো ব্যক্তির অধিকারের অস্তিত্ব যদি প্রাসঙ্গিক হয়, তবে উহা চূড়ান্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি প্রাসঙ্গিক।

- উক্ত রায় আদেশ বা ডিক্রি চূড়ান্তরুপে প্রমাণ করে যে,
 উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা যে আইনগত চরিত্র আরোপিত হয়, উহা বলবৎ হইবার সময় তাহা উদ্ভুত হইয়াছিল।
- উক্ত রায় আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা কোন ব্যাক্তিকে আইন ভিত্তিক সত্তা হইতে বঞ্চিত করা হয়, তাহা হইতে উক্ত ব্যক্তিকে উহা দ্বারা বঞ্চিত করিবার সময় উক্ত ব্যক্তি উক্ত সত্তা হারাইয়াছিল।
- এবং উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা কোন ব্যক্তিকে কোন সম্পত্তির অধিকারী ছিল বা থাকা উচিত বলিয়া ঘোষণা করা হয়, সেই সম্পত্তির উক্ত সময় তাহারই সম্পত্তি ছিল।
১০,৬৪২.
মুসলিম উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে অবশিষ্টাংশ ভোগী হিসেবে পুত্র-কন্যার মধ্যে বন্টন কিভাবে হয়?
  1. ছেলে ও মেয়ের মধ্যে সমান ভাগ
  2. মেয়ে ছেলের চেয়ে দ্বিগুণ সম্পত্তি পায়
  3. ছেলে মেয়ের চেয়ে দ্বিগুণ সম্পত্তি পায়
  4. শুধুমাত্র ছেলে পায়
সঠিক উত্তর:
ছেলে মেয়ের চেয়ে দ্বিগুণ সম্পত্তি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছেলে মেয়ের চেয়ে দ্বিগুণ সম্পত্তি পায়
ব্যাখ্যা

অবশিষ্টাংশ ভোগীগণ (Residuaries):
মৃত ব্যক্তির যাদের সাথে রক্তের সম্পর্ক আছে এবং যারা অংশীদারদের নির্দিষ্ট অংশ নেবার পর কোন সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকলে তা অথবা কোন অংশীদার না থাকলে সমস্ত সম্পত্তি মৃত ব্যক্তির সাথে রক্তের সম্পর্ক আছে, এমন সমস্ত নিকটবর্তী আত্নীয়রা তালিকায় উল্লেখিত ক্রমানুসারে লাভ করে থাকে। মৃত ব্যক্তির এ সকল নিকটত্নীয়দেরকে অবশিষ্টাংশভোগী বলা হয়। এই অবশিষ্টংশ ভোগীদের কোন নির্দিষ্ট অংশ নাই। অংশীদারদের দেওয়ার পরেই কেবল অবশিষ্ট সম্পত্তি তারা পাবেন, কিন্তু এই অবশিষ্টাংশের পরিমাণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম হতে পারে। যদি কোন অংশীদার না থাকেন, তবে সমস্ত সম্পত্তিই আসাবা বা অংশীদারগণ পাবেন। এ সকল আসাবা বা অবশিষ্টাংশ ভোগীগণকে এগনেটিক ওয়ারিশ ও বলা হয়। কারণ এরা পুরুষ আত্নীয়ের মাধ্যমেই ওয়ারিশ হয়ে থাকে।

অবশিষ্টাংশ ভোগী হিসেবে পুত্র-কন্যা-
যেক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির ছেলে ও মেয়ে রয়েছে সেই ক্ষেত্রে ছেলে বা ছেলেরা, মেয়ে বা মেয়েদের চেয়ে দ্বিগুন সম্পত্তি পাবে। মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে মাতাপিতা ও স্বামী-স্ত্রী নির্দিষ্ট সম্পত্তি পাওয়ার পর অবশিষ্ট সম্পত্তি ছেলে মেয়ের মধ্যে বন্টন করা হবে। তবে মেয়ে না থাকলে অংশীদারদের অংশ দেয়ার পর অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে বাকী সম্পূর্ণ সম্পত্তি ছেলে বা ছেলেরাই পাবে।

১০,৬৪৩.
According to Evidence Act 1872, Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a-
  1. Direct Question
  2. Indirect Question
  3. Misleading Question
  4. Leading Question
সঠিক উত্তর:
Leading Question
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Leading Question
ব্যাখ্যা

- যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে।
- সাধারণত হ্যাঁ অথবা না এর মাধ্যমেই এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
----------------------------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 141, Leading questions: Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.

১০,৬৪৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার অধীন প্রত্যার্পণ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হলে সেটি হবে একটি?
  1. রায়
  2. আদেশ
  3. ডিক্রি
  4. রিভিউ
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে- আরজি প্রত্যাখ্যান বা নাকচের সিদ্ধান্ত ও প্রত্যার্পণ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হচ্ছে ডিক্রি। ডিক্রী বা আদেশের ভিত্তিসমূহকে রায় বলে। Order এবং ডিক্রী উভয়ই আদালত কর্তৃক কোন সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক প্রকাশ। আদেশের মাধ্যমে পক্ষ সমূহের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ণয় হতেও পারে, নাও পারে। আদালতের কোন রায়কে একই আদালতে পুনঃবিবেচনার আবেদন কে রিভিউ বলে।
১০,৬৪৫.
'A', 'B'- এর নিকট ৩০ শতক জমি বিক্রি করার চুক্তি করে, কিন্তু 'A' ৫ শতক জমি হস্তান্তর করতে ব্যর্থ হয়। এক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. উভয় পক্ষকে চুক্তি রদের
  2. সম্পূর্ন চুক্তি সম্পাদনের
  3. 'A' কে চুক্তি সংশোধনের
  4. 'B' কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ
সঠিক উত্তর:
'B' কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'B' কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারা:
কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।

অর্থাৎ ১৪ ধারা অনুযায়ী কোনো চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে উক্ত চুক্তি সম্পাদন করা যাবে। উক্ত ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবে।

এখানে,
চুক্তির সম্পাদিত অংশ ২৫ শতক তথা বড় এবং অসম্পাদিত অংশ ৫ শতক তথা ছোট, তাই চুক্তিটি সম্পাদন করা যাবে এবং অসম্পাদিত অংশের জন্য B-কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিবে।
১০,৬৪৬.
বিচার্য বিষয় নির্ধারণের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. মামলা পরিচালনার সময় বৃদ্ধি করা
  2. উভয় পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি করা
  3. মামলার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নির্ধারণ করা
  4. বাদীর মামলা প্রতিষ্ঠিত করা
সঠিক উত্তর:
মামলার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নির্ধারণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নির্ধারণ করা
ব্যাখ্যা

বিচার্য বিষয়:
আরজি দাখিল এবং লিখিত জবাব দাখিলের পর মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো বিচার্য বিষয় নির্ধারণ এবং নিষ্পত্তি করা। দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১৪ অনুযায়ী ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যখন একপক্ষ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অন্য পক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয় উদ্ভব হয়। বিচার্য বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্য হলো মামলার প্রধান বিরোধপূর্ণ বিষয়গুলো স্পষ্ট করে তোলা, যাতে আদালত সেই বিষয়গুলোতে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

যেমন: মোকদ্দমার বিবাদী পক্ষ দাবী করলো যে মোকদ্দমাটি বিচার করার এখতিয়ার আদালতের নেই। তাহলে বিচার্য বিষয় হলো আদালতের মোকদ্দমাটি বিচার করার এখতিয়ার আছে কিনা? আবার বিবাদী পক্ষ দাবী করলো মোকদ্দমাটি রেস জুডিকাটা নীতি অনুযায়ী খারিজ হবে। তাহলে বিচার্য বিষয় হতে পারে মোকদ্দমাটি রেস জুডিকাটা নীতি অনুযায়ী খারিজ হবে কিনা?

বিচার্য বিষয় দুই প্রকার:
১. ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় [Issues of fact];
২. আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় [Issues of Law]।

কোন তথ্যগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি এক পক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে তবে, তা তথ্যগত বিচার্য বিষয় (issues of fact) হবে। কোন আইনগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি একপক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে, তবে তা আইনগত বিচার্য বিষয় (issues of law) হবে।

১০,৬৪৭.
A gift made during death illness is known as -
  1. Hiba-bil-illness
  2. Marz-ul-maut
  3. Marz-ul-heba
  4. Hiba-bil-maut
সঠিক উত্তর:
Marz-ul-maut
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Marz-ul-maut
ব্যাখ্যা
⇒ Marz-ul-maut-
The concept of Marz-ul-Maut in Islam is actually a doctrine of death-bed gifts. The governing tenet of Muslim personal civil law is the Shariat. One of the provisions relates to Marz-ul-Maut (death bed Gifts). This can only be executed in case there is genuine apprehension that the testator will die.

মরজ-উল-মউত বা মৃত্যুশয্যায় দান:
মরজ শব্দের অর্থ- রোগ, মউত শব্দের অর্থ- মৃত্যু। মরজ-উল-মউত'র অর্থ মৃত্যুরোগ (Death Sickness) বা যে রোগে মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে। অসুস্থ অবস্থায় মৃত্যু আশঙ্কায় থেকে তথা মৃত্যু শয্যায় থেকে দান করাকে মরজ-উল-মউত বলে। এরূপ দানের পর দাতার মৃত্যু হলে তা উইলের ন্যায় কার্যকর হবে অর্থাৎ তখন উইলের সীমাবদ্ধতা, বিধান ইত্যাদি প্রযোজ্য হবে। 

অর্থাৎ, যখন কোনো ব্যক্তি এমন অসুস্থতায়/রোগে ভোগে, যার ফলে মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে বলে মনে হয়, এমতাবস্থায় কোনো দান (Gift/Hiba) করলে, দানটিকে মৃত্যুশয্যায় দান (Marz-ul-Maut) বলে।

এমন দান উইল (Wasiyyat) বলে গণ্য হবে এবং উইলের বিধান প্রযোজ্য হবে। কোনো ব্যক্তি মরজ-উল-মউতের সময় উত্তরাধিকারী নয় এমন ব্যক্তি বরাবর তার সম্পত্তির সর্বোচ্চ ১/৩ অংশ সম্পত্তি দান (Gift/Hiba) করতে পারেন।
১০,৬৪৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে কার লিখিত অনুমতি নিয়ে গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা করতে হয়?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. প্রধানমন্ত্রীর
  3. প্রধান বিচারপতির
  4. এটর্নি জেনারেলের
সঠিক উত্তর:
এটর্নি জেনারেলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটর্নি জেনারেলের
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৯১ ধারায় বলা হয়েছে যে, এটর্নি জেনারেল বা দুই বা ততোধিক ব্যক্তি লিখিত অনুমতি নিয়ে গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা করবেন ।
⇒বিশেষ কোন ক্ষতি না হয়ে থাকলেও এই মামলা করা যাবে। তবে এটর্নি জেনারেল ছাড়া অন্য কেহ মামলা করতে হলে এটর্ণি জেনারেলের লিখিত ‍অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।
------------
CPC Section: 91. Public nuisances:

(1) In the case of a public nuisance the Attorney General, or two or more persons having obtained the consent in writing of the Attorney General, may institute a suit, though no special damage has been caused, for a declaration and injunction or for such other relief as may be appropriate to the circumstances of the case. 
 
(2) Nothing in this section shall be deemed to limit or otherwise affect any right of suit which may exist independently of its provisions.
১০,৬৪৯.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৮ ধারায় কোন নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. Doctrine of Election
  2. Doctrine of Part Performance
  3. Doctrine of Priority
  4. Doctrine of Perpetuity
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Priority
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Priority
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৮: হস্তান্তর দ্বারা সৃষ্ট অধিকারের অগ্রাধিকার (Priority of rights created by transfer)
যদি কোন ব্যক্তি একই স্থাবর সম্পত্তি বিভিন্ন সময় হস্তান্তর করে একাধিক অধিকার সৃষ্টি করেন এবং সেই অধিকারগুলি একই সঙ্গে বা পরিপূর্ণভাবে বলবৎ না হয়, সেক্ষেত্রে বিশেষ চুক্তির অবর্তমানে পূর্বে সৃষ্ট অধিকার পরে সৃষ্ট অধিকারের উপর অগ্রাধিকার পাবে।

নোটঃ
• রেজিস্ট্রিকৃত দলিল অরেজিস্ট্রিকৃত দলিলের উপর প্রাধান্য পাবে।
• একই তারিখে রেজিস্ট্রিকৃত দুটি দলিলের মধ্যে যার নম্বর আগে সেটি অগ্রাধিকার পাবে।

Section 48: Priority of rights created by transfer
Where a person purports to create by transfer at different times rights in or over the same immoveable property, and such rights cannot all exist or be exercised to their full extent together, each later created right shall, in the absence of a special contract or reservation binding the earlier transferees, be subject to the rights previously created.
১০,৬৫০.
What does Section 2(2) exclude from the definition of "Decree"?
  1. Rejection of a plaint
  2. A final decision in a suit
  3. Orders of dismissal for default
  4. Determination of any question within section 144
সঠিক উত্তর:
Orders of dismissal for default
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Orders of dismissal for default
ব্যাখ্যা
• Section 2(2)-
"decree" means the formal expression of an adjudication which, so far as regards the Court expressing it, conclusively determines the rights of the parties with regard to all or any of the matters in controversy in the suit and may be either preliminary or final. It shall be deemed to include the rejection of a plaint and the determination of any question within section 144,
but shall not include- 
(a) any adjudication from which an appeal lies as an appeal from an order, or 
(b) any order of dismissal for default.

ধারা ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। নিম্নলিখিত বিষয় ডিক্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে-
⇒ আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখ্যান এবং
⇒ ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
⇒ যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
⇒ কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।
১০,৬৫১.
দালিলিক সাক্ষ্য কতভাবে প্রমাণ করা যায়?
  1. ২ ভাবে
  2. ৩ ভাবে
  3. ৪ ভাবে
  4. ৫ ভাবে
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুসারে দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ: দলিলের বিষয়বস্তু  প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্যের দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ দালিলিক সাক্ষ্য (Documentary evidence)- আদালতের পরিদর্শনের জন্য যে সমস্ত দলিল বা লিপিবদ্ধ বস্তু উপস্থাপন করা হয় তাকে দালিলিক সাক্ষ্য বলে। সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুসারে দালিলিক সাক্ষ্য আবার দুই প্রকার- ১. প্রাথমিক সাক্ষ্য; এবং ২. মাধ্যমিক সাক্ষ্য।

--------------
⇒ Proof of contents of documents:
Section 61. The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.
১০,৬৫২.
পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ এর অধীন সংঘটিত অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান কী?
  1. পিতা বা মাতা কর্তৃক লিখিত অভিযোগ দিতে হবে
  2. আদালত স্ব-উদ্যোগে নিতে পারে
  3. পিতা বা মাতা কর্তৃক মৌখিক অভিযোগ দিতে হবে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
পিতা বা মাতা কর্তৃক লিখিত অভিযোগ দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিতা বা মাতা কর্তৃক লিখিত অভিযোগ দিতে হবে
ব্যাখ্যা
• পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩
 
ধারা ৭- অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ ও বিচার
 
(১) Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ ১ম শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে বিচারযোগ্য হইবে। 
 
(২) কোন আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ সংশ্লিষ্ট সন্তানের পিতা বা মাতার লিখিত অভিযোগ ব্যতীত আমলে গ্রহণ করিবে না।
১০,৬৫৩.
ক্রোককৃত সম্পত্তির ওপর অভিযুক্ত ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কেউ কত দিনের মধ্যে আপত্তি জানাতে পারবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৬ক) ধারা মতে,
যদি কারো সম্পত্তি ক্রোক করা হয় এবং সেই সম্পত্তির ওপর কারো দাবি বা আপত্তি থাকে (যিনি অভিযুক্ত ব্যক্তি নন), তাহলে তিনি সেই দাবি বা আপত্তি ক্রোকের ছয় মাসের মধ্যে জানাতে পারবেন। যদি তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে তার সম্পত্তির ওপর অধিকার আছে এবং সেটি ক্রোক করা উচিত নয়, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করা হবে। তদন্তের পর দাবি বা আপত্তি পুরোপুরি বা আংশিকভাবে গ্রহণ বা বাতিল করা যেতে পারে।

শর্ত: যদি দাবিকারী বা আপত্তিকারী মারা যান, তাহলে তার উত্তরাধিকারী সেই দাবি বা আপত্তি চালিয়ে যেতে পারবেন।
১০,৬৫৪.
যদি কোন ব্যক্তি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করতে বাধ্য করে, তাহলে সর্বাধিক কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ছয় মাস
  2. এক বছর
  3. দুই বছর
  4. তিন বছর
সঠিক উত্তর:
এক বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারা- বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা:
(১) কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

(২) কোন ব্যক্তি যদি কোন যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশ্রম বাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।
১০,৬৫৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারায় কোনটিকে সম্পত্তি হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে?
  1. Copyright
  2. Trademark
  3. Document
  4. Property mark
সঠিক উত্তর:
Trademark
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Trademark
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধানে বলা আছে যে,
বিবাদী যখন বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা ভোগ দখলে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা করার হুমকি দেয়, তখন আদালত ৫টি ক্ষেত্রে বিবাদীর বিরুদ্ধে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করেতে পারে।

(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।

ব্যাখ্যাঃ এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।

⇒ এই ধারার ব্যাখ্যা অনুসারে, এই ধারার প্রয়োগক্ষেত্রে "ট্রেডমার্ক" কে "সম্পত্তি" হিসাবে গণ্য করা হবে। এর অর্থ হল, ট্রেডমার্ক আইনগত অর্থে একটি বৈধ সম্পত্তি স্বত্বের আওতায় পড়বে এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত সকল আইনি সুরক্ষা ও বিধান ট্রেডমার্কের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, এই ব্যাখ্যার মাধ্যমে আইন ট্রেডমার্ককে সম্পত্তি হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ফলে, ট্রেডমার্কের অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে সম্পত্তি সংক্রান্ত আইনি প্রতিকার গ্রহণ করা সম্ভব হবে। এই ধরনের ব্যাখ্যা আইনের বিভিন্ন ধারায় উল্লিখিত কিছু শব্দ বা পরিভাষার অর্থ ও প্রয়োগসীমা নির্ধারণ করতে সাহায্য করে।
১০,৬৫৬.
রিসিভারের অধিকার, ক্ষমতা, ও দায়িত্ব কোন আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়?
  1. বিশেষ ক্ষমতা আইন
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি
  4. দেওয়ানি কার্যবিধি
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি
ব্যাখ্যা
⇒ আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে।
অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন।

রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

⇒ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। কিন্তু কখন কী প্রয়োজনে আদালত রিসিভার নিয়োগ করবেন বা রিসিভারের দায়িত্ব কর্তব্য বা অধিকার কী হবে ইত্যাদি সম্পর্কে বলা হয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধানতত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:- প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স—তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।
--------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-44. Appointment of receivers discretionary. Reference to Code of Civil Procedure.
- The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
- The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
১০,৬৫৭.
নিচের কোন ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৮(১) প্রযোজ্য নয়?
  1. অর্থ প্রদানের ডিক্রি
  2. নিষেধাজ্ঞামূলক ডিক্রি
  3. সম্পত্তি হস্তান্তরের ডিক্রি
  4. স্থাবর সম্পত্তি বিক্রির ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞামূলক ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞামূলক ডিক্রি
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৮(১) অনুসারে, একটি ডিক্রির জারি (এক্সিকিউশন) এর জন্য আবেদন করার সময়সীমা সাধারণত ১২ বছর।
তবে এই সময়সীমা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না:
- নিষেধাজ্ঞামূলক ডিক্রি (decree granting an injunction)
- যদি জজমেন্ট-ডেবটর প্রতারণা বা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে ডিক্রি জারি বাধাগ্রস্ত করে (ধারা ৪৮(২)(ক) অনুযায়ী)
- তামাদি আইনের ১৮৩ ধারা প্রযোজ্য হয় এমন ক্ষেত্রে। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৮ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি বারিত:- নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোন ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে আবেদন করা হয়ে থাকলে ঐ একই ডিক্রি জারির জন্য নিম্নলিখিত তারিখ থেকে বার বৎসর পর প্রদত্ত কোন আবেদন অনুযায়ী একই ডিক্রি জারির জন্য আদেশ দেয়া যাবে না-
ক) যে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ; বা
খ) কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশে আবেদনকারীর প্রার্থনা মতে কোন নির্ধারিত তারিখে বা কিস্তিতে টাকা পরিশোধ অথবা সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ প্রদান করা হলে, তা লঙ্ঘনের তারিখ।

২) এই ধারার কোন বিধানই-
ক) আবেদনের তারিখের অব্যাবহিত পূর্ববর্তী বার বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারি দেওয়ার ব্যাপারে রায়সিদ্ধ দেনাদার প্রতারণা বা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা সৃষ্টি করে থাকলে উক্ত বার বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর উপস্থাপিত আবেদন মোতাবেক ডিক্রি জারির আদেশদানে আদালতকে বিরত করবে না; বা
খ) ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮৩ অনুচ্ছেদের কার্যকারীতাকে সীমাবদ্ধ বা অন্যভাবে প্রভাবিত করবে না।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 48 Limit of Time for Execution:
 Execution barred in certain cases: (1) Where an application to execute a decree not being a decree granting an injunction has been made, no order for the execution of the same decree shall be made upon any fresh application presented after the expiration of twelve years from
(a) the date of the decree sought to be executed, or,
(b) where the decree or any subsequent order directs any payment of money or the delivery of any property to be made at a certain date or at recurring periods, the date of the default in making the payment or delivery in respect of which the applicant seeks to execute the decree.

(2) Nothing in this section shall be deemed:
(a) to preclude the Court from ordering the execution of a decree upon an application presented after the expiration of the said term of twelve years, where the judgment-debtor has, by fraud or force, prevented the execution of the decree at some time within twelve years immediately before the date of the application; or
(b) to limit or otherwise affect the operation of article 183 of the First Schedule to the Limitation Act, 1908.

১০,৬৫৮.
ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৮ ধারার অধীন রাষ্ট্রদ্রোহমূলক বিষয় প্রচারকারী ব্যক্তির সদাচরণের মুচলেকার আদেশ দিতে পারে-
  1. পুলিশ অফিসার
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দায়রা আদালত
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৮ ধারার বিধান: যখন জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা এই বিষয়ে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট জানতে পারেন যে, তার এখতিয়ারের মধ্যে কোন ব্যক্তি লিখিতভাবে বা মৌখিকভাবে বা অন্য কোন উপায়ে উক্ত সীমার ভিতরে বা বাইরে ইচ্ছাকৃতভাবে প্রচার করছে বা প্রচারের চেষ্টা করছে বা সহায়তা করছে।

ক) কোন বিদ্রোহাত্মক বিষয়, অর্থাৎ যা প্রচার করা দণ্ডবিধির ১২৩ক বা ১২৪ক ধারার অধীন দণ্ডনীয়, অথবা খ) কোন বিষয় যা প্রচার করা দণ্ডবিধির ১৫৩ক ধারার অধীন দণ্ডনীয়, অথবা

গ) কোন বিচারকের ব্যাপারে কোন বিষয় যা দণ্ডবিধির অধীন অপরাধজনক ভীতি প্রদর্শন বা মানহানির সামিল।

তখন উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট যদি মনে করেন যে, ব্যবস্থা গ্রহণ করার পর্যাপ্ত কারণ রয়েছে, তাহলে তিনি (অতঃপর বর্ণিত উপায়ে যে সময় নির্ধারণ যথাযথ নির্ধারণ করেন অনধিক এক বৎসর কালের জন্য উক্ত ব্যক্তি সদাচরণের নিমিত্ত জামিনদারসহ বা ব্যতিত একটি মুচলেকা কেন সম্পাদন করবেন না তার কারণ দর্শাতে বলবেন ।)  

সরকার বা সরকারের নিকট হতে এই ব্যাপারে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসারের আদেশ বা কর্তৃত্ব ব্যতিত অন্য কোন উপায়ে এর বিধানানুসারে রেজিষ্ট্রিকৃত এবং উক্ত নিয়মাবলীর সাথে সামঞ্জস্য রেখে সম্পাদিত, মুদ্রিত ও প্রকাশিত কোন প্রকাশনের সম্পাদক, মালিক, মুদ্রাকর অথবা প্রকাশকের বিরুদ্ধে এই ধারার অধীন উক্ত প্রকাশনের মুদ্রিত কোন বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না।
১০,৬৫৯.
পেনাল কোডে বর্ণিত অপরাধগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন সাজা-
  1. ২৪ ঘন্টার বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা জরিমানা
  2. ২৪ ঘন্টার বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
  3. ১ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই 
  4. ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টার বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টার বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী প্রকাশ্যে মাতাল ব্যক্তির অশুভ আচরণ এর জন্য শাস্তি হতে পারে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড। ৫১০ ধারাটিতে দণ্ডবিধির সর্বনিম্ন শাস্তি উল্লেখ আছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী নেশাগ্রস্থ ব্যক্তি দ্বারা প্রকাশ্যে অসদাচরণ:- কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

----------------------------------------------------------------------- 
⇒ Section 510. Misconduct in public by a drunken person :- Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
১০,৬৬০.
রায় স্বাক্ষরিত হলে পরবর্তীতে তা কখন সংশোধন করা যাবে?
  1. পক্ষগুলোর সম্মতির ভিত্তিতে
  2. ১৫২ ধারা অথবা পুনরীক্ষণের মাধ্যমে
  3. আদালত যদি অনুমতি দেয়
  4. রায় কখনই সংশোধন করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা অথবা পুনরীক্ষণের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা অথবা পুনরীক্ষণের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী-
রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে। এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।
১০,৬৬১.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীন অগ্রক্রয়ের আবেদন করাকালে সংশ্লিস্ট দলিলে উল্লিখিত বিক্রয়মূল্যের উপর শতকরা বার্ষিক কত হারে সুদ জমা দিতে হয়?
  1. ৫%
  2. ১০%
  3. ৬%
  4. ৮%
সঠিক উত্তর:
৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮%
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ (৩) অগ্রক্রয়ের জন্য দায়েরকৃত আবেদন খারিজ হইবে যদি আবেদনকারী অথবা আবেদনকারীগণ উহা দায়ের করিবার সময় আদালতে নিম্নরূপ অর্থ জমা প্রদান না করেন, যথা:-
(ক) ধারা ৮৯ এর অধীন নোটিশে অথবা হস্তান্তর দলিলে, ক্ষেত্রমত, বর্ণিত বিক্রিত জোত অথবা অংশ-বিশেষ বা শেয়ারের বিনিময় মূল্য;
(খ) দফা (ক) এ উল্লিখিত পরিমাণ অর্থের শতকরা পঁচিশ ভাগ ক্ষতিপূরণ; এবং
(গ) বিক্রয় দলিল সম্পাদনের তারিখ হইতে অগ্রক্রয়ের আবেদন দাখিলের তারিখ পর্যন্ত সময়ের জন্য দফা (ক) এ উল্লিখিত পরিমাণের উপর শতকরা বার্ষিক আট ভাগ হারে সরল সুদের হিসাবকৃত অর্থ।
--------------
Section 96 Right of pre-emption (3) An application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant or applicants, at the time of making it, deposit in the Court- 
(a) the amount of the consideration money of the sold holding or portion or share of the holding as stated in the notice under section 89 or in the deed of sale, as the case may be; 
(b) compensation at the rate of twenty five per centum of the amount referred to in clause (a); and 
(c) an amount calculated at the rate of eight per centum simple annual interest upon the amount referred to in clause (a) for the period from the date of the execution of the deed of sale to the date of filing of the application for preemption. 
১০,৬৬২.
কয়টি ক্ষেত্রে দেওয়ানী আদালত সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের সহজাত ক্ষমতা রক্ষণের বিধান রয়েছে।
- ১৫১ ধারামতে দেওয়ানী আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

⇒  ন্যায়বিচারের জন্য অথবা আদালতের পরোয়ানার অবমাননা প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দানের ব্যাপারে আদালতের যে অনন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, এই বিধির কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না।
⇒  ১৫১ ধারার ক্ষমতা বলে দেওয়ানী আদালত অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা inherent power প্রয়োগ করতে পারেন।

⇒ এই ধারা আদালতকে একটি বিপুল ক্ষমতা দিয়েছে। ন্যায়বিচার করার জন্য বা আদালতের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করার জন্য আদালত তার সহজাত ক্ষমতাবলে যেকোন আদেশ দেওয়ার অধিকার রাখেন। আইন সমস্ত পরিস্থিতির মোকবেলা করার পূর্ণ বিধান দিতে পারে না। আইন যে সময় প্রণীত হয় সেই সময়ের পরিস্থিতি আইন প্রয়োগ হওয়ার সময় বদলে যেতে পারে; আইন প্রয়োগ হওয়ার পরে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, যা আইনপ্রণেতাগণ আইন প্রণয়নের সময় ভাবতেও পারেন নাই; এই সমস্ত কারণে এই ধারায় বলা হয়েছে, আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় সবিচারের জন্য যেকোন আদেশ দিতে পারেন।
-------------
⇒ CPC Section: 151. Saving of inherent powers of Court:
- Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
১০,৬৬৩.
১৯৪৬ সালের "বিবাহিতা নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ" আইন অনুযায়ী, কোন কারণে বিবাহিতা হিন্দু নারী স্বামী হতে পৃথক থেকেও ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী?
  1. স্বামী যদি নিষ্ঠুর আচরণ করে
  2. স্বামী যদি দুরারোগ্য কুষ্ঠে আক্রান্ত হয়
  3. স্বামী যদি স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিরেকে তাকে পরিত্যাগ করে
  4. উল্লিখিত সব কারণ
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব কারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব কারণ
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর ঘ) উল্লিখিত সব কারণ।

⇒ বিবাহিতা হিন্দু নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ আইনটি ১৯৪৬ সালের।
১৯৪৬ সালের "বিবাহিতা নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ" আইন অনুযায়ী নিম্নলিখিত কারণে বিবাহিতা হিন্দু নারী স্বামী হতে পৃথক থেকেও স্বামীর নিকট হতে ভরণ-পোষণ পাওয়ার অধিকারিণী -
- স্বামী যদি দুরারোগ্য কুষ্ঠ, সিফলিস ইত্যাদি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় এবং এই সমস্ত ব্যাধি যদি স্ত্রীর নিকট হতে সংক্রামিত না হয়,
- স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করে এবং নিষ্ঠুরতা যদি এই প্রকারের হয় যে স্বামীগৃহে তার জীবনাশঙ্কা থাকে;
- স্বামী যদি গৃহে কোন উপ-পত্নী রেখে তার সাথে বসবাস করতে থাকে;
- স্বামী যদি ধর্মান্তর গ্রহণ করে,
- স্বামী যদি স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিরেকে তাকে পরিত্যাগ করে,
- স্বামী যদি স্ত্রীর বর্তমানে পুনরায় বিবাহ করে,
এই ধরনের অন্যান্য যৌক্তিকতাপূর্ণ কারণে।

তবে নিম্নলিখিত কারণে স্ত্রী স্বামীর নিকট হতে আইনত ভরণপোষণ পেতে পারে না-
- স্ত্রী যদি অসৎ চরিত্রের অথবা অসতী হয়,
- স্ত্রী যদি অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়,
- স্ত্রী যদি আইনসংগত কারণ ব্যতীত স্বামীর সাথে স্ত্রীরূপে বসবাস করতে অনিচ্ছুক হয়।
----------------
The Hindu Married Women's Right to Separate Residence and Maintenance Act, 1946, Section-2. Grounds for claiming separate residence and maintenance
Notwithstanding any custom or law to the contrary a Hindu married woman shall be entitled to separate residence and maintenance from her husband on one or more of the following grounds, namely,- 
(1) if he is suffering from any loathsome disease not contracted from her; 
(2) if he is guilty of such cruelty towards her as renders it unsafe or undesirable for her to live with him; 
(3) if he is guilty of desertion, that is to say, of abandoning her without her consent or against her wish; 
(4) if he marries again; 
(5) if he ceases to be a Hindu by conversion to another religion; 
(6) if he keeps a concubine in the house or habitually resides with a concubine; 
(7) for any other justifiable cause: 
Provided that a Hindu married woman shall not be entitled to separate residence and maintenance from her husband if she is unchaste or ceases to be a Hindu by change to another religion or fails without sufficient cause to comply with a decree of a competent Court for the restitution of conjugal rights.
১০,৬৬৪.
মিথ্যা তথ্য পরিবেশন (Furnishing false information) সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. দণ্ডবিধির ১৭৮ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১৮১ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ১৭৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারার বিধান মিথ্যা তথ্য পরিবেশন:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারী কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

-অথবা উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে। 

------------------
♦ Furnishing false information
Section 177. Whoever, being legally bound to furnish information on any subject to any public servant, as such, furnishes, as true, information on the subject which he knows or has reason to believe to be false, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both; 
 
or, if the information which he is legally bound to give respects the commission of an offence, or is required for the purpose of preventing the commission of an offence, or in order to the apprehension of an offender, with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১০,৬৬৫.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধীনে গঠিত সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভার কোরামের জন্য উহার মোট সদস্য সংখ্যার কতজন উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে?
  1. এক-তৃতীয়াংশ
  2. দুই-তৃতীয়াংশ
  3. এক-চতুর্থাংশ
  4. দুই-চতুর্থাংশ
সঠিক উত্তর:
এক-তৃতীয়াংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক-তৃতীয়াংশ
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ৮গ ধারার বিধান সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভা:
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, সুপ্রীম কোর্ট কমিটি উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভা উহার চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে:
 তবে শর্ত থাকে যে, প্রতি দুইমাস অন্তর অন্তর কমপক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(৩) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির চেয়ারম্যান উক্ত কমিটির সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।
(৪) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভার কোরামের জন্য উহার মোট সদস্য সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে, তবে মূলতবী সভার ক্ষেত্রে কোন কোরামের প্রয়োজন হইবে না।
(৫) শুধুমাত্র কোন সদস্য পদের শূন্যতা বা কমিটি গঠনে ক্রটি থাকার কারণে কমিটির কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তৎসম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
১০,৬৬৬.
প্রত্যেক অঙ্গীকার এবং প্রত্যেক অঙ্গীকারগুচ্ছ, যা একটি অপরটির প্রতিদান, তাকে কী বলা হয়?
  1. প্রস্তাব
  2. চুক্তি
  3. সম্মতি
  4. প্রতিশ্রুতি
সঠিক উত্তর:
সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্মতি
ব্যাখ্যা
সম্মতি (agreement):

চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২(ঙ) ধারায় সম্মতির [agreement] সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ২(ঙ) ধারা অনুসারে,

প্রত্যেক অঙ্গীকার এবং প্রত্যেক অঙ্গীকারগুচ্ছ, যা একটি অপরটির প্রতিদান, তাকে সম্মতি বলে।

Section 2(e)- every promise and every set of promises, forming the consideration for each other, is an agreement.
১০,৬৬৭.
তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদে সালিশের রোয়েদাদ রদের বিষয়ে বর্ণনা আছে?
  1. ১৪৩
  2. ১৪৭
  3. ১৪৮
  4. ১৫৮
সঠিক উত্তর:
১৫৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৮
ব্যাখ্যা
♠♠
• তামাদি আইনের ১৫৮ নম্বর অনুচ্ছেদে সালিশের রোয়েদাদ রদের বিষয়ে বর্ণনা আছে।
• তামাদি আইনে সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য বা তা পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে প্রেরণ করার জন্য ১৯৪০ সালের সালিশী আইন অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে দরখাস্ত করতে হয়। 
১০,৬৬৮.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৬ অনুযায়ী, লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা _______ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
  1. এক
  2. দুই
  3. তিন
  4. ছয়
সঠিক উত্তর:
ছয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৬:
- লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
- তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে: চুক্তি নিবন্ধিত না হলে যখন মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে তখন থেকে।
১০,৬৬৯.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩- এ আদালত অবমাননা সংক্রান্ত অপরাধের শাস্তির ধরন কী?
  1. কারাদণ্ড
  2. অর্থদণ্ড
  3. উভয়ই
  4. শুধুমাত্র সতর্কীকরণ
সঠিক উত্তর:
অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) অর্থদণ্ড।

পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ২৩: পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননা:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি আইনসংগত কারণ ব্যতিরেকে-
(ক) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করেন, বা
(খ) পরিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের কার্যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন, বা
(গ) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক জিজ্ঞাসিত কোনো প্রশ্নের উত্তর প্রদানে বাধ্য থাকা সত্ত্বেও, উত্তর প্রদানের অস্বীকার করেন, বা
(ঘ) সত্য কথা বলিবার জন্য শপথ গ্রহণ করিতে অথবা পারিবারিক আদালতে বা পারিবারিক আপিল আদালতে তৎকর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতিতে স্বাক্ষরদান করিতে অস্বীকার করেন,

তাহা হইলে তিনি পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননা করিয়াছেন মর্মে গণ্য হইবেন।

(২) উপধারা (১) এর অধীন কৃত অপরাধের ক্ষেত্রে, পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত উক্তরূপ অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচার করিতে পারিবে এবং তাহাকে অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা র্অথদণ্ডে দণ্ডতি করিতে পারিবে।

১০,৬৭০.
'খ' একজন বৃটিশ নাগরিক। সে রংপুরে একটি খুনের অপরাধ সংঘটিত করে। উক্ত খুনের দায়ে "খ" এর বিচার কোন আইন অনুযায়ী হবে?
  1. জাতিসংঘের আইন অনুযায়ী।
  2. বাংলাদেশের দণ্ডবিধি অনুযায়ী।
  3. শুধু ব্রিটেনের আইন অনুযায়ী।
  4. খ এর বিচার বাংলাদেশে হবে না।
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের দণ্ডবিধি অনুযায়ী।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের দণ্ডবিধি অনুযায়ী।
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই পেনাল কোডের অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশী নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা পেনাল কোডে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশী কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।
♦দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i)  বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
১০,৬৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৪ ধারা কোন বিষয়ে বিধান রয়েছে?
  1. বিচারকের ক্ষমতা ও দায়িত্ব
  2. সাক্ষী জেরার নিয়মকানুন
  3. আদালতের এখতিয়ার নির্ধারণ
  4. মেট্রোপলিটন এলাকায় সাক্ষীর ক্ষেত্রে কমিশন
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন এলাকায় সাক্ষীর ক্ষেত্রে কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন এলাকায় সাক্ষীর ক্ষেত্রে কমিশন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৪ ধারা মূলত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন সংক্রান্ত একটি বিশেষ পরিস্থিতির কথা বলে, যখন সাক্ষী কোনো মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে অবস্থান করেন।
- এই ধারার অধীনে: যদি সাক্ষী মেট্রোপলিটন এলাকার আওতাভুক্ত হন, তাহলে মামলার ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত সেই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে কমিশন প্রদান করতে পারেন।
- চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট চাইলে এই দায়িত্ব তাঁর অধীনস্থ অন্য কোনো মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে অর্পণ করতে পারেন।
- অর্থাৎ, ধারা ৫০৪ সরাসরি "মেট্রোপলিটন এলাকায় সাক্ষীর ক্ষেত্রে কমিশন" বিষয়েই বিধান দেয়।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর: ঘ) মেট্রোপলিটন এলাকায় সাক্ষীর ক্ষেত্রে কমিশন

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৪ ধারার বিধান: মেট্রোপলিটন এলাকায় সাক্ষীর ক্ষেত্রে কমিশন:
(১) সাক্ষী যদি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধিক্ষেত্রের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থান করে, সেক্ষেত্রে কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে কমিশন করতে নির্দেশ দিবেন এবং তিনি এরূপভাবে সাক্ষীকে হাজির করে তার সাক্ষ্য এমনভাবে গ্রহণ করবেন যাতে তার নিজের কাছেই মামলাটি পেন্ডিং আছে।
(২) এই ধারার অধীন চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে কমিশন দেয়া হলে তিনি কমিশনে প্রদত্ত যাবতীয় ক্ষমতা ও কর্তব্য তার অধীনস্ত কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর ন্যস্ত করতে পারবেন।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-504: Commission in case of witness being within a Metropolitan Area:
(1) If the witness is within the local limits of the jurisdiction of any Metropolitan Magistrate, the Magistrate or Court issuing the commission may direct the same to such Metropolitan Magistrate, who thereupon may compel the attendance of, and examine, such witness as if he were a witness in a case pending before himself.
(2) When a commission is issued under this section to the Chief Metropolitan Magistrate, he may delegate his powers and duties under the commission to any Metropolitan Magistrate subordinate to him.
১০,৬৭২.
ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করার প্রাথমিক শর্তসমূহ কী কী?
  1. অপরাধী মন
  2. দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য
  3. ক ও খ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
• কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করতে প্রধানত ২টি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়।
(i) অপরাধী মন [Mens Rea] এবং
(ii) দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য [Actus Rea]
১০,৬৭৩.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় প্রবেটের প্রাসঙ্গিকতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
  1. ৪০
  2. ৪১
  3. ৪২
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারায় (প্রবেট, বিবাহ, অ্যাডমিরালটির ক্ষেত্রে কোন রায়ের প্রাসঙ্গিকতা) প্রবেটের প্রাসঙ্গিকতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এই ধারা মোতাবেক কোন রায় প্রাসঙ্গিক হওয়ার জন্য অন্যান্য বিষয়সমূহ হলো বিবাহ, অ্যাডমিরালটি ও দেউলিয়াত্ব।
১০,৬৭৪.
মেয়াদান্তে বার কাউন্সিলের সদস্যদের শেষ কর্মদিবস কোনটি?
  1. ৩০ জুন
  2. ৩১ মে
  3. ৩১ জুলাই
  4. ৩১ মার্চ
সঠিক উত্তর:
৩০ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ জুন
ব্যাখ্যা
⇒ নির্বাচিত কমিটির মেয়াদকাল হবে ৩ বছর। মেয়াদ শেষ হবার বছরে ৩১ শে মে অথবা তার পূর্বেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরবর্তী ১লা জুলাই থেকে পরবর্তী ৩ বছরের জন্য বার কাউন্সিল গঠিত হবে।
 
- অর্থাৎ মেয়াদান্তে বার কাউন্সিলের সদস্যদের শেষ কার্য দিবস হচ্ছে ৩০ জুন।
-----------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972, Article-4: Subject to the provisions of Article 8, the term of the Bar Council be three years beginning on the first day of July following the general elections to the Bar Council; and at the end of each terms the members of the Bar Council shall cease to hold office.
১০,৬৭৫.
প্লিডিংসে শুধুমাত্র ঘটনা [facts] উল্লেখ করতে হবে, সাক্ষ্য [ evidence] উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। দেওয়ানি কার্যবিধির কত আদেশের কত বিধিতে উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ ৬ এর বিধি ১
  2. আদেশ ৬ এর বিধি ২
  3. আদেশ ৬ এর বিধি ৩
  4. আদেশ ৬ এর বিধি ৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬ এর বিধি ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬ এর বিধি ২
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬, বিধি ২ মতে প্লিডিংসে শুধুমাত্র ঘটনা [Material Facts] উল্লেখকরতে হবে, আইন [Law] বা সাক্ষ্য [evidence] উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। প্লিডিংসে শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি [Material Facts] উল্লেখ থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি [Material Facts] যার উপর ভিত্তি করে আবেদনকারী বা দরখাস্তকারী তার দাবী উত্থাপন করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করে, সে সব তথ্য প্লিডিংসে (আরজি বা লিখিত জবাবে) উল্লেখ করতে হবে। যেমন মোকদ্দমার কারণ।
১০,৬৭৬.
'চ' একটি বাড়ি কিনতে 'ম' এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হন। কিন্তু পরে 'চ' আদালতে সেই চুক্তি বাতিলের আবেদন করে এবং আদালত উক্ত আবেদন মঞ্জুর করে। এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারায় আদালত -
  1. 'চ' কর্তৃক 'ম' কে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে
  2. 'চ' এবং 'ম' কর্তৃক আদালতকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে
  3. 'ম' কর্তৃক 'চ' কে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে
  4. 'চ' এবং 'ম' উভয় পক্ষকে আদালত কর্তৃক ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
'চ' কর্তৃক 'ম' কে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'চ' কর্তৃক 'ম' কে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারা:
কোনো চুক্তি বাতিলকরণের রায় দেওয়ার সময়, আদালত যে পক্ষকে এই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে তাকে অপর পক্ষকে এমন কোনো ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে যা ন্যায়বিচারের দাবি অনুযায়ী প্রয়োজনীয়।
[On adjudging the rescission of a contract, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.]

উল্লিখিত প্রশ্নে 'চ' চুক্তি বাতিলের আবেদন করে এবং আদালত উক্ত আবেদন মঞ্জুর করে 'চ' কে সুবিধা প্রদান করে। অর্থাৎ, এক্ষেত্রে আদালত ৩৮ ধারার বিধান অনুযায়ী, ন্যায়বিচারের প্রয়োজনে 'চ' কর্তৃক 'ম' কে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে।
১০,৬৭৭.
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় ‘সম্মতি’ বলতে কী বোঝায়?
  1. শুধু মৌখিক সম্মতি
  2. শুধু লিখিত সম্মতি
  3. আদালতের সম্মতি
  4. প্রকাশ্য বা পরোক্ষ সম্মতি
সঠিক উত্তর:
প্রকাশ্য বা পরোক্ষ সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকাশ্য বা পরোক্ষ সম্মতি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান- চুরি:
কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লিখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।

১০,৬৭৮.
According to Section 94 of The Penal Code, 1860, An act committed under threat is not an offence if the threat creates a reasonable apprehension of:
  1. Instant death
  2. Loss of property
  3. Immediate physical harm
  4. All of above
সঠিক উত্তর:
Instant death
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Instant death
ব্যাখ্যা
Section 94- Act to which a person is compelled by threats:
Except murder, and offences against the State punishable with death, nothing is an offence which is done by a person who is compelled to do it by threats, which, at the time of doing it, reasonably cause the apprehension that instant death to that person will otherwise be the consequence: Provided the person doing the act did not of his own accord, or from a reasonable apprehension of harm to himself short of instant death, place himself in the situation by which he became subject to such constraint. 
 
Explanation 1.-A person who, of his own accord, or by reason of a threat of being beaten, joins a gang of dacoits, knowing their character, is not entitled to the benefit of this exception on the ground of his having been compelled by his associates to do anything that is an offence by law. 
 
Explanation 2.-A person seized by a gang of dacoits, and forced by threat of instant death, to do a thing which is an offence by law; for example, a smith compelled to take his tools and to force the door of a house for the dacoits to enter and plunder it, is entitled to the benefit of this exception.

ধারা ৯৪: হুমকির মাধ্যমে বাধ্য করা হলে যে কাজ অপরাধ নয়:
হত্যা এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ ব্যতীত, কোনো ব্যক্তি যদি হুমকির কারণে এমন কোনো কাজ করতে বাধ্য হয়, যা তার কাছে তখন এমনভাবে উপলব্ধি হয় যে তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে, তবে সেটি অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

শর্ত: যদি কাজটি করা ব্যক্তি তার ইচ্ছায় বা তাৎক্ষণিক মৃত্যুর আশঙ্কা ছাড়া অন্য ক্ষতির কারণে এমন অবস্থানে নিজেকে না নিয়ে থাকে, যে কারণে তাকে এমন হুমকির অধীন হতে হয়েছে।

ব্যাখ্যা ১: কোনো ব্যক্তি যদি তার নিজের ইচ্ছায় বা মার খাওয়ার ভয়ে দস্যুদের একটি গ্যাং-এ যোগ দেয় এবং গ্যাংয়ের প্রকৃতি সম্পর্কে জানে, তাহলে তার সহযোগীদের দ্বারা তাকে বাধ্য করা হলে, আইনত যা অপরাধ, সেই কাজ করার ক্ষেত্রে এই বিধির সুবিধা পাওয়ার অধিকার তার থাকবে না।

ব্যাখ্যা ২: কোনো ব্যক্তি যদি দস্যুদের একটি গ্যাং-এর দ্বারা ধরে নিয়ে গিয়ে তাৎক্ষণিক মৃত্যুর হুমকির মাধ্যমে বাধ্য হয় কোনো অপরাধমূলক কাজ করতে, যেমন একজন লৌহশিল্পীকে তার সরঞ্জাম ব্যবহার করে বাড়ির দরজা খুলতে বাধ্য করা হয় যাতে দস্যুরা বাড়িতে প্রবেশ করে লুটপাট করতে পারে, তাহলে সেই ব্যক্তি এই বিধির সুবিধা পাওয়ার অধিকারী হবে।
১০,৬৭৯.
তামাদি আইনের ২৮ ধারায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা না করলে-
  1. দখলদার ক্ষতিপূরণ পাবে
  2. আদালত মামলা স্থগিত করবে
  3. বাদীর সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হবে
  4. বিবাদীর সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হবে
সঠিক উত্তর:
বাদীর সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হবে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধানে Adverse possession বা জবর দখলের কথা বলা হয়েছে।

ধারা ২৮ (সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি)-
কোনো সম্পত্তি দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

Section 28: Extinguishment of right to property-
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.
১০,৬৮০.
ইসলামি আইনশাস্ত্রে, ওয়ালির প্রধান দায়িত্ব কী?
  1. নাবালকের সম্পত্তি বিক্রি করা
  2. নাবালকের স্বার্থ রক্ষা করা
  3. পারিবারিক সম্পত্তি দেখাশোনা করা
  4. উইলের সম্পত্তি দেখাশোনা করা
সঠিক উত্তর:
নাবালকের স্বার্থ রক্ষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাবালকের স্বার্থ রক্ষা করা
ব্যাখ্যা

নাবালকের ব্যক্তিগত অভিভাবক (Guardian of a Minor)
ইসলামী শরিয়তে, নাবালক (অর্থাৎ, যে শিশু বা কিশোর আইনগতভাবে পূর্ণবয়সে পৌঁছায়নি) তার নিজের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম নয় এবং তার ব্যক্তিগত এবং সম্পত্তি সম্পর্কিত বিষয়গুলোর দেখভাল করতে অভিভাবক প্রয়োজন। এই অভিভাবককে "ওয়ালি" বলা হয়।

ওয়ালি (Guardian) - এর ভূমিকা:
ওয়ালি এমন একজন ব্যক্তি, যিনি নাবালকের বা অনাবালকের শারীরিক, মানসিক ও আইনি স্বার্থ রক্ষার জন্য দায়িত্বশীল। ওয়ালি সেই ব্যক্তি, যিনি নাবালক বা মেয়ে বা ছেলের অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং তার পক্ষ থেকে আইনি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। সাধারণত, ওয়ালি হিসেবে প্রথমে বাবা বা পরিবারের পুরুষ সদস্যরা নিয়োগ পায়, যদি না তারা জীবিত না থাকেন। এরপর তার পরবর্তী অভিভাবক হিসেবে একজন পুরুষ বা মহিলাকে নিয়োগ করা হয়, যার মাধ্যমে নাবালক বা নাবালিকার স্বার্থ সুরক্ষিত হয়।

ওয়ালি হওয়ার শর্ত:
বয়স ও পরিপক্কতা: ওয়ালি হতে হলে অভিভাবকের অবশ্যই শারীরিক ও মানসিকভাবে পরিপক্ব হতে হবে।
বিশ্বাসযোগ্যতা ও নৈতিকতা: অভিভাবককে সৎ, যোগ্য এবং আইনের প্রতি আনুগত্যশীল হতে হবে।
পরিবারের অভিভাবক: প্রাথমিকভাবে, নাবালকের বাবা বা তার পরিবারের পুরুষ সদস্য ওয়ালি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তবে, যদি বাবা না থাকেন, তাহলে মায়ের পক্ষ থেকেও অভিভাবক মনোনীত হতে পারেন।

১০,৬৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারা অনুযায়ী, কোন আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন জারি করতে পারেন?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দায়রা আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগ
  4. উল্লিখিত সকলেই 
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলেই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলেই 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ৫০৩ অনুযায়ী, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ যেকোনো একটি যখন মনে করেন যে ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা প্রয়োজন এবং সাক্ষীকে হাজির করা বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা সৃষ্টি করবে, তারা সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন জারি করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারার বিধান: সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগ-
- ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যকোনো কার্যক্রম প্রসঙ্গে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষীর জাবনবন্দী গ্রহণ করা প্রয়োজন কিন্তু বিলম্ব, ব্যয় অথবা অসুবিধা ব্যতীত উক্ত সাক্ষীকে হাজির করা সম্ভব নয় অথবা মামলার পরিস্থিতিতে এই বিলম্ব,ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা অযৌক্তিক তাহলে,
- উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত সাক্ষীকে হাজির হতে রেহাই দিতে পারবে এবং উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য সাক্ষী যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে বাস করেন তাকে কমিশন দিতে পারবেন। সাক্ষী যদি যুক্তরাজ্য বা বাংলাদেশ ব্যতীত কমনওয়েলথের অন্য কোন দেশে বা মায়ানমারে বাস করেন তাহলে সরকার কর্তৃক সরকারি গেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত উক্ত দেশে এই সম্পর্কে ক্ষমতাবান কোন আদালত বা জজকে কমিশন দেয়া যাবে। এরূপ কমিশন প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার সাক্ষী যেখানে আছেন সেখানে গমন করবেন অথবা সাক্ষীকে নিজের নিকট আহ্বান করবেন এবং তার সাক্ষাত করবেন।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-503.When attendance of witness may be dispensed with Issue of commission and procedure thereunder:
(1) Whenever in the course of an inquiry, a trial or any other proceeding under this Code, it appears to a Metropolitan Magistrate, a Chief Judicial Magistrate, a Court of Session or the High Court Division that the examination of a witness is necessary for the ends of justice, and that the attendance of such witness cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such Magistrate or Court may dispense with such attendance and may issue a commission to any District Magistrate, Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate, within the local limits of whose jurisdiction such witness resides, to take the evidence of such witness.
(2B) When the witness resides in the United Kingdom or any other country of the Commonwealth other than Bangladesh, or in the Union of Burma, or any other country in which reciprocal arrangement in this behalf exists, the commission may be issued to such Court or Judge having authority in this behalf in that country as may be specified by the Government by notification in the official Gazette.
(3) The Magistrate or officer to whom the commission is issued, or if he is the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, he, or any other Magistrate as he appoints in this behalf, shall proceed to the place where the witness is or shall summon the witness before him, and shall take down his evidence in the same manner, and may for this purpose exercise the same powers, as in trials of warrant-cases under this Code.

১০,৬৮২.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর অধীন তদন্তকারী অফিসার প্রাথমিক ভাবে কত দিনের মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করবেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩২: তদন্তের সময়সীমা:
(১) তদন্তকারী অফিসার-
(ক) কোনো অপরাধ তদন্তের দায়িত্ব প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিবেন;
(খ) দফা (ক) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে তিনি, তাহার নিয়ন্ত্রণকারী অফিসারের অনুমোদনসাপেক্ষে, তদন্তের সময়সীমা অতিরিক্ত ১৫ (পনেরো) দিন বৃদ্ধি করিতে পারিবেন;
(গ) দফা (খ) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে ট্রাইব্যুনালকে অবহিত করিবেন এবং ট্রাইব্যুনালের অনুমতিক্রমে, পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করিবেন।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন তদন্তকারী অফিসার কোনো তদন্ত কার্য প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে ট্রাইব্যুনাল তদন্তের সময়সীমা, যুক্তিসংগত সময় পর্যন্ত, বৃদ্ধি করিতে পারিবে।
১০,৬৮৩.
সৌদি আরব বসবাসকারী ‘ক’ একজন বাংলাদেশি নাগরিক সে পাকিস্তানের এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। বাংলাদেশের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন আদালত ‘ক’ এর বিচার করতে পারে, যদি তাকে পাওয়া যায়-
  1. পাকিস্তান
  2. বাংলাদেশে
  3. সৌদি আরব
  4. যেকোনো দেশে
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
⇒ দণ্ডবিধি অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই দণ্ডবিধির অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশি নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা দণ্ডবিধিতে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশি কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।
অর্থাৎ বাংলাদেশের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন আদালত দণ্ডবিধি অনুযায়ী ‘ক’ এর বিচার করতে পারে, যদি তাকে বাংলাদেশে পাওয়া যায়।

-যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i) বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
১০,৬৮৪.
দণ্ডবিধির ৩৯৯ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তবে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  2. সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৬০ সালের ৩৯৯ ধারায় বলা হয়েছে: “যে কেউ ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে, যা দশ বছর পর্যন্ত মেয়াদ হতে পারে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।”
- এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এটি ডাকাতির প্রস্তুতি মাত্র, কিন্তু আইন এটিকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে এবং এজন্য সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।
- তাই, সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে — দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৯ ধারা: ডাকাতি সংঘটনের প্রস্তুতি:
যে কেউ ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে, যা দশ বছর পর্যন্ত মেয়াদ হতে পারে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 399- Making preparation to commit dacoity:
Whoever makes any preparation for committing dacoity, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১০,৬৮৫.
খ একটি পেট্রোল পাম্পে জানতো যে জ্বালানি মাপার মেশিনটি ভুল এবং ৫% কম তেল দেয়। সে ইচ্ছাকৃতভাবে সেই মেশিন ব্যবহার করে গ্রাহকদের প্রতারিত করে। দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারা অনুযায়ী খ-এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারায় "প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা ওজন যন্ত্র ব্যবহার" (Fraudulent use of false instrument for weighing) এর শাস্তি হিসেবে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, অপরাধীকে যেকোনো ধরনের (সশ্রম বা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডে এক বছর পর্যন্ত, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে। এখানে 'খ'-এর কাজ (জ্বালানি মাপার মেশিন, যা ওজন যন্ত্রের অনুরূপ, ভুল জেনেও ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যবহার করে প্রতারণা) এই ধারার অধীনে পড়ে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারা অনুযায়ী, কেউ যদি প্রতারণার উদ্দেশ্যে এমন কোনো ওজন যন্ত্র ব্যবহার করে যা সে জানে মিথ্যা বা ভুল, তবে সে সর্বোচ্চ ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section- 264. Fraudulent use of false instrument for weighing:
- Whoever fraudulently uses any instrument for weighing which he knows to be false, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

১০,৬৮৬.
"Court" শব্দটি Evidence Act অনুযায়ী কাকে অন্তর্ভুক্ত করে?
  1. সকল বিচারক
  2. সকল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. আইনত সাক্ষ্য গ্রহণে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872-এর ধারা ৩ (Interpretation-clause) অনুযায়ী-
"Court" শব্দের অর্থ: “সকল বিচারক (Judges), সকল ম্যাজিস্ট্রেট (Magistrates), এবং সকল ব্যক্তি, যাঁরা আইনত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা রাখেন, তবে arbitrator (মধ্যস্থতাকারী) বাদে।”
অর্থাৎ, বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট, যেকোনো আইনত সাক্ষ্যগ্রহণে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি.
- arbitrator (তাঁরা "Court" এর অন্তর্ভুক্ত নন)

→ অর্থাৎ Evidence Act অনুযায়ী "Court" বলতে বোঝায়— সকল বিচারক + সকল ম্যাজিস্ট্রেট + যাঁরা আইনত সাক্ষ্য গ্রহণে অধিকারপ্রাপ্ত, তবে arbitrator বাদে।
→ এই তিন উপাদানই একত্রে "Court" শব্দের অন্তর্ভুক্ত, তাই সঠিক উত্তর ঘ) উল্লিখিত সকলে।
১০,৬৮৭.
দণ্ডবিধির ৫০০ ধারার অধীন মানহানির শাস্তির সর্বোচ্চ মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর 
  2. ২ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ৪৯৯ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন কুৎসা রটনা করা হয় যা উক্ত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করে (harm reputation) তাকে মানহানি বা Defamation বলে। অর্থাৎ কুৎসাজনক কথা বা চিহ্ন দ্বারা বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তি প্রকাশের মাধ্যমে মানহানি করা হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৫০০ ধারার অধীন মানহানির [defamation] শাস্তি হল ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

১০,৬৮৮.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে Special Executive Magistrate-দের নিয়োগের মেয়াদ কে নির্ধারণ করে?
  1. সরকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ১২ ধারামতে Special Magistrate তিন প্রকার। যথা-
ⅰ) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Special Executive Magistrate);
ii) বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট (Special Magistrate);
iii) বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Special Metropolitan Magistrate).

- ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১২(২) অনুসারে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Special Executive Magistrate)-দের নিয়োগের মেয়াদ সরকার নির্ধারণ করে।
- ধারা ১২(২) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "The persons on whom the powers under sub-section (1) are conferred shall be called Special Executive Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may by general or special order direct."

- "উপ-ধারা (১) এর অধীন যেসব ব্যক্তির উপর ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, তারা বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলে আখ্যায়িত হবেন এবং সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা যত মেয়াদের জন্য নির্দেশ দেন, তত মেয়াদের জন্য তাদের নিয়োগ দেওয়া হবে।"
অতএব, বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট-দের নিয়োগের মেয়াদ নির্ধারণের ক্ষমতা সরকারের রয়েছে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-12. Special Magistrate:
(1) The Government may confer upon any person all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on an Executive Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes of cases, or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area: 
Provided that no power shall be conferred under the sub-section on any police officer below the grade of an Assistant Superintendent of Police and no powers shall be conferred on a such police officer except so far as may be necessary for preserving the peace, preventing crime and detecting apprehending and detaining offenders, in order to bring the offender before a Magistrate, and for the performance by the officer of any other duties imposed upon him by any law for the time being in force. 
(2) The persons on whom the powers under sub-section (1) are conferred shall be called Special Executive Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may by general or special order direct. 
(3) The Government may, in consultation with the High Court Division confer upon any Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on a Judicial Magistrate of the first, second or third class in respect of particular cases or a particular class or classes of cases or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area. 
(4) The Magistrate on whom the powers under sub-section (3) are conferred shall be called Special Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may, in consultation with the High Court Division, by general or special order direct. 
(5) The Government may in consultation with the High Court Division confer upon any Metropolitan Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on Metropolitan Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes, or in regard to cases generally in any Metropolitan Area. 
(6) The persons on whom the powers under sub-section (5) are conferred shall be called Special Metropolitan Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may in consultation with High Court Division by general or special order direct.

১০,৬৮৯.
চুক্তি বলবতকরণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ-
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ চুক্তি বলবতকরণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ The Limitation Act, 1908 এর ১ম তফসিলের ১১৩ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১১৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে, চুক্তি বলবতকরণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ ১ বৎসর।
১০,৬৯০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৭ ধারা কোন বিষয়ে বিধান রয়েছে?
  1. সাক্ষী পরীক্ষা
  2. কমিশন প্রদান
  3. আদালতের এখতিয়ার
  4. কমিশন ফেরত প্রদান
সঠিক উত্তর:
কমিশন ফেরত প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিশন ফেরত প্রদান
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫০৭ এ এমন পরিস্থিতির কথা বলা হয়েছে যেখানে ধারা ৫০৩ বা ধারা ৫০৬ অনুসারে যে কমিশন জারি করা হয়েছে, তা যথাযথভাবে কার্যকর হওয়ার পর কীভাবে তা আদালতে ফেরত পাঠানো হবে এবং সাক্ষ্য ও বিবরণী কীভাবে মামলার অংশ হিসেবে গৃহীত হবে, তা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সুতরাং, ধারা ৫০৭ মূলত কমিশন ফেরত প্রদান ও কমিশনের মাধ্যমে গৃহীত সাক্ষ্যের ব্যবহার সম্পর্কিত বিধান নির্ধারণ করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৭- কমিশন ফেরত প্রদান:
(১) ধারা-৫০৩ বা ৫০৬ এর অধীন প্রদত্ত কোন কমিশন যথাযথভাবে সম্পাদিত হওয়ার পর উক্ত কমিশন অনুসারে গৃহীত সাক্ষীর সাক্ষ্যসহ কমিশনটি যে আদালত হতে প্রদত্ত হয়েছিল, সেই আদালতে ফেরত দিতে হবে এবং কমিশন ইহার বিবরণী এবং সাক্ষ্য সকল যুক্তিসংগত সময়ে পক্ষসমূহের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং সকল সংগত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে যে কোন পক্ষের মামলায় সাক্ষ্যে পড়া যাবে এবং তা নথির অংশ হবে।
(২) এভাবে গৃহীত সাক্ষ্য সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা-৩৩ এ নির্ধারিত শর্তাবলি পূরণ করলে তা মামলার কোন পরবর্তী পর্যায়ে অন্য কোন আদালতেরও সাক্ষ্যে গৃহীত হতে পারে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 507- Return of commission:
(1) After any commission issued under section 503 or section 506 has been duly executed, it shall be returned, together with the deposition of the witness examined thereunder, to the Court out of which it issued; and the commission, the return thereto and the deposition shall be open at all reasonable times to inspection of the parties, and may, subject to all just exceptions, be read in evidence in the case by either party, and shall form part of the record.
(2) Any deposition so taken, if it satisfies the conditions prescribed by section 33 of the Evidence Act, 1872, may also be received in evidence at any subsequent stage of the case before another Court.
১০,৬৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে যে কারণে নালিশকারী খালাসের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারেন?
  1. আদেশটিতে যদি আইনগত ভুল থাকে যা ন্যায়বিচার ব্যহত করে
  2. আদেশটিতে যদি আইনগত ভুল থাকে
  3. আদেশটিতে যদি ঘটনাগত ভুল থাকে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
আদেশটিতে যদি আইনগত ভুল থাকে যা ন্যায়বিচার ব্যহত করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশটিতে যদি আইনগত ভুল থাকে যা ন্যায়বিচার ব্যহত করে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪১৭(২) মতে- ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে আদেশটিতে যদি আইনগত ভুল থাকে যা ন্যায় বিচার ব্যহত করে। তাহলে নালিশকারী খালাসের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারেন?
১০,৬৯২.
“আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২” সর্বশেষ কোন সালে সংশোধিত হয়?
  1. ২০২৫ সালে
  2. ২০২৪ সালে
  3. ২০২৩ সালে
  4. ২০২২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ “আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২” বাংলাদেশের একটি বিশেষ আইন, যা আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের দ্রুত বিচারের উদ্দেশ্যে প্রণীত। এই আইনটি সর্বশেষ ২০২৪ সালে সংশোধিত হয়েছে। বিশেষ করে, ৫ মার্চ, ২০২৪ তারিখে জাতীয় সংসদে “আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) (সংশোধন) বিল” পাস করা হয়, যা আইনটিকে স্থায়ী করে এবং অধিকতর সংশোধন যোগ করে। এর আগে, আইনটি ২০১৯ সালে সংশোধিত হয়েছিল এবং সাত দফা মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল, কিন্তু ২০২৪ সালের সংশোধনটি সর্বশেষ।

⇒ দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে দ্রুত ও কার্যকর ভূমিকা পালনের উদ্দেশ্যে চাঁদাবাজি, যানবাহন চলাকালে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, যানবাহনের ক্ষতিসাধন, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিনষ্ট করা, ছিনতাই, দস্যুতা, ত্রাস ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি, দরপত্র ক্রয়, বিক্রয়, গ্রহণ বা দাখিলে জোরপূর্বক বাধা প্রদান বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, ভয়-ভীতি প্রদর্শন ইত্যাদি গুরুতর অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অধিকতর উন্নতির লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ (২০০২ সালের ১১ নম্বর আইন) প্রণয়ন ও জারি করা হয়েছিল।

অর্থাৎ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ আইনটি সর্বশেষ ২০২৪ সালে সংশোধন করা হয়।

১০,৬৯৩.
'Quantum meruit' means:
  1. The amount involved
  2. Extent and quality
  3. To the extent of the work done
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
To the extent of the work done
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To the extent of the work done
ব্যাখ্যা
উত্তর: গ) To the extent of the work done অর্থাৎ “যতটুকু কাজ করা হয়েছে ততটুকু”।

Quantum Meruit একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে "যতটুকু কাজ করা হয়েছে ততটুকু পাওয়া উচিত।" এটি একটি আইনগত ধারণা যা বিশেষত চুক্তি আইন এবং সিভিল আইন (নাগরিক আইন) প্রয়োগের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

যখন কোনও ব্যক্তি কোনও সুনির্দিষ্ট চুক্তি ছাড়াই কাজ সম্পন্ন করে বা সেবা প্রদান করে এবং সেই কাজের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করে, তখন Quantum Meruit ভিত্তিতে তিনি সেই কাজের জন্য ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারেন। এটি মূলত চুক্তি ছাড়াও কাজের মূল্যায়ন নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

Quantum Meruit-এর ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ তখনই প্রযোজ্য হয়, যখন:
- চুক্তি না থাকলেও কাজ বা সেবা প্রদান করা হয়েছে।
- কাজটি গ্রহণকারী ব্যক্তি তা গ্রহণ করেছে এবং তার থেকে সুবিধা পেয়েছে।
- কাজটি করা হয়েছে কাজের যথার্থ মূল্য পরিশোধের প্রত্যাশায়।

উদাহরণস্বরূপ:
কোনও ব্যক্তি একটি বাড়ি রঙ করার কাজ শুরু করলেন এবং মালিক তার কাজ গ্রহণ করলেন। যদি মাঝপথে কোনও কারণে কাজটি বন্ধ হয়ে যায় এবং চুক্তি অনুযায়ী পুরো কাজের অর্থ পরিশোধ না করা হয়, তবে সেই ব্যক্তি Quantum Meruit-এর ভিত্তিতে তার সম্পন্ন কাজের ন্যায্য মূল্য দাবি করতে পারেন।
১০,৬৯৪.
পলাতক ব্যক্তিকে সর্বনিম্ন কত দিনের মধ্যে হাজির হবার নির্দেশ দিয়ে আদালত লিখিত হুলিয়া জারি করতে পারে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৪৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ ধারা-
(১) যদি কোন আদালতের এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে (সাক্ষ্য গ্রহণ করার পরে অথবা পূর্বে) যে, উক্ত আদালত যার বিরুদ্ধে পরোয়ানা প্রদান করেছেন সেই ব্যক্তি পলাতক হয়েছে অথবা পরোয়ানা কার্যকর না হতে পারে সেজন্য আত্মগোপন করছে, তাহলে উক্ত আদালত তাকে একটি নিদিষ্ট স্থানে এবং হুলিয়া জারীর তারিখ হতে ত্রিশ দিনের কম নহে, এমন নির্দিষ্ট সময়ে হাজির হবার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত হুলিয়া জারী করতে পারবেন।

(২) হুলিয়া নিম্নলিখিতভাবে জারী করতে হবেঃ
ক) উক্ত ব্যক্তি সাধারণতঃ যেখানে বাস করে সেই শহরে অথবা গ্রামের প্রকাশ্য স্থানে উহা প্রকাশ্যভাবে পাঠ করতে হবে;
খ) উক্ত ব্যক্তি সাধারণতঃ যেখানে বাস করে, সেই বাড়ি অথবা বস্তু অথবা শহর অথবা গ্রামের প্রকাশ্য স্থানে উহা লটকায়ে দিতে হবে; এবং
গ) উহার একটি কপি আদালত ভবনের প্রকাশ্য স্থানে লটকায়ে দিতে হবে।

(৩) হুলিয়া প্রদানকারী আদালত যদি এই মর্মে একটি লিখিত বিবৃতি দেন যে, হুলিয়া একটি নির্দিষ্ট দিনে যথাযথভাবে জারী হয়েছে তাহলো উহা চূড়ান্ত সাক্ষ্য হবে যে, এই ধারার নির্দেশ সম্বলিত হিসাবে এবং উক্ত দিনে হুলিয়া প্রকাশিত হয়েছে।
১০,৬৯৫.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় আত্মীয়তা সম্পর্কে অভিমত প্রাসঙ্গিক?
  1. ৪৮ ধারায়
  2. ৪৯ ধারায়
  3. ৫০ ধারায়
  4. ৫১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০- যখন আত্মীয়তা সম্পর্কে অভিমত প্রাসঙ্গিক:

যখন আদালতকে একজন ব্যক্তির অন্য একজনের সাথে সম্পর্কের বিষয়ে মতামত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে পারিবারিক সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি যার এ বিষয়ে বিশেষ জ্ঞান আছে, তার আচরণ দ্বারা প্রকাশিত এমন সম্পর্কের অস্তিত্ব সম্পর্কিত মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
তবে এমন মতামত ডিভোর্স আইনের অধীনে মামলা বা দণ্ডবিধির ৪৯৪, ৪৯৫, ৪৯৭ বা ৪৯৮ ধারার অধীনে অভিযোগের ক্ষেত্রে বিবাহ প্রমাণের জন্য যথেষ্ট হবে না।

উদাহরণ:
(ক) প্রশ্নটি হল, A এবং B কি বিবাহিত ছিলেন? তাদের বন্ধুবান্ধব স্বামী-স্ত্রী হিসাবে গ্রহণ ও আচরণ করেছেন, এটি একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
(খ) প্রশ্নটি হল, A কি B এর বৈধ সন্তান? পরিবারের সদস্যরা A কে তাই হিসাবে গ্রহণ করেছেন, এটি একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।

Section 50: Opinion on relationship, when relevant-
When the Court has to form an opinion as to the relationship of one person to another the opinion, expressed by conduct, as to the existence of such relationship, of any person who, as a member of the family or otherwise, has special means of knowledge on the subject, is a relevant fact:
Provided that such opinion shall not be sufficient to prove a marriage in proceedings under the Divorce Act, or in prosecutions under section 494, 495, 497 or 498 of the 38[* * *] Penal Code.

Illustrations-
(a) The question is, whether A and B were married. The fact that they were usually received and treated by their friends as husband and wife, is relevant.
(b) The question is, whether A was the legitimate son of B. The fact that A was always treated as such by members of the family, is relevant.
১০,৬৯৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় মামলা দায়ের করার জন্য বাদীকে কী প্রমাণ করতে হবে?
  1. ক্ষতিপূরণের পরিমাণ
  2. আদালতের পূর্ববর্তী আদেশ
  3. সম্পত্তির বর্তমান মূল্য
  4. বেআইনীভাবে দখলচ্যুত হওয়ার ঘটনা
সঠিক উত্তর:
বেআইনীভাবে দখলচ্যুত হওয়ার ঘটনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেআইনীভাবে দখলচ্যুত হওয়ার ঘটনা
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় মামলা- স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার:
বাদী স্বত্ব ছাড়া শুধুমাত্র দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করতে হবে ৯ ধারায় অর্থাৎ বেআইনীভাবে বেদখলকৃত সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য ৯ ধারার অধীনে মামলা করতে হয়। ৯ ধারার নীতি হচ্ছে, যিনি দখলে আছেন, তিনি দখলে থাকবেন।

যে মামলা করতে পারে-
দখলচ্যুত ব্যক্তি বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি দখল পুনরুদ্ধারের মামলা‌ দায়ের করতে পারে বাদীকে প্রমান করতে হবে-
ক) সম্পত্তিতে বাদীর দখল এবং বে-দখল;
খ) বাদীকে তার সম্মতি ছাড়া অথবা যথাযথ আইন অনুসরন না করে দখলচ্যুত করা হয়েছে।

সময়সীমা এবং কোর্ট ফি-
বেদখল হওয়ার দিন থেকে পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে। [অনুচ্ছেদ ৩, তামাদি আইন ১৯০৮]। বাদীকে Advalorem কোর্ট ফি এর অর্ধেক ফি জমা দিতে হবে।

প্রতিকার-
৯ ধারার অধীনে দায়েরকৃত মামলায় আদালতের দেওয়া ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিউ করা যাবে না। তবে আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে প্রতিকার হিসাবে রিভিশন দায়ের করা যাবে।

সীমাবদ্ধতা-
৯ ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।
১০,৬৯৭.
তামাদি আইনের ২০ ধারা অনুযায়ী, তামাদি মেয়াদ কখন থেকে নতুন করে গণনা করা হয়?
  1. মামলা দায়েরের সময় থেকে
  2. সুদ পরিশোধের সময় থেকে
  3. ঋণের চুক্তি স্বাক্ষরের সময় থেকে
  4. আদালতের আদেশের সময় থেকে
সঠিক উত্তর:
সুদ পরিশোধের সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুদ পরিশোধের সময় থেকে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) সুদ পরিশোধের সময় থেকে।
⇒ The Limitation Act, 1908-এর ধারা ২০ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ঋণ বা লিগ্যাসির সুদ পরিশোধ করে এবং তা একটি স্বাক্ষরিত বা হস্তলিখিত স্বীকৃতিতে প্রতিফলিত হয়, তাহলে:
- তামাদির নতুন সময় গণনা শুরু হবে যেদিন এই পরিশোধ করা হয় সেই দিন থেকে।
এই ধারা মূলত ঋণগ্রহীতার তরফ থেকে সুদ বা আংশিক অর্থ ফেরতের মাধ্যমে দায় স্বীকারকে নির্দেশ করে, যা তামাদি মেয়াদ পুনরারম্ভ করার জন্য যথেষ্ট, যদি তা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই ঘটে এবং তা লিখিতভাবে স্বীকৃত হয়।

উদাহরণ:
একজন ব্যক্তি যদি ঋণের কিছু সুদ ১ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে পরিশোধ করেন এবং তা লিখিত স্বীকৃতিতে থাকে, তাহলে তামাদির নতুন সময়সীমা শুরু হবে ১ জানুয়ারি ২০২৩ থেকে — পূর্বের মেয়াদ গণনা স্থগিত হয়ে যাবে।

⇒ তামাদি আইনের ২০ ধারা অনুযায়ী, যদি ঋণ বা লিগ্যাসির সুদ পরিশোধ করা হয়, তাহলে নতুন তামাদির মেয়াদ পরিশোধের তারিখ থেকে গণনা শুরু হবে।
অর্থাৎ, যখন ঋণগ্রহীতা বা তার প্রতিনিধি সুদ বা ঋণের কিস্তি পরিশোধ করেন, তখন তামাদির মেয়াদ নবায়ন হবে এবং নতুন মেয়াদ গণনা করা শুরু হবে।
তবে, এটা শর্তসাপেক্ষ যে, পরিশোধের জন্য কোনো স্বীকৃতি বা লিখিত স্বাক্ষর থাকা উচিত।
- এটি ঋণদাতা বা লিগ্যাসির অধিকারী ব্যক্তির জন্য সুবিধাজনক, কারণ তারা পরিশোধের মাধ্যমে নতুন সময় শুরু করতে পারে।

⇒ The Limitation Act:- Section- 20. Effect of payment on account of debt as of interest on legacy:
(1) Where payment on account of a debt or of interest on a legacy is made before the expiration of the prescribed period by the person liable to pay the debt or legacy, or by his duly authorized agent, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the payment was made:
Provided that, save in the case of a payment of interest made before the 1st day of January, 1928, an acknowledgment of the payment appears in the handwriting of, or in a writing signed by the person making the payment.
১০,৬৯৮.
'X', 'Y' এর বিরুদ্ধে একটি জমি বিক্রয়ের বায়নাপত্র সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য ঢাকা যুগ্ম জেলা জজের নিকট মোকদ্দমা দায়ের করে। মোকদ্দমাটি ঢাকার অন্য যুগ্ম জেলা জজের নিকট ও দায়ের করা যায়। 'Y' যদি মোকদ্দমাটি স্থানান্তর করতে চায়, তাহলে 'Y’ এর উকিল হিসেবে, আপনি কোথায় মোকদ্দমা দায়ের করবেন?
  1. ঢাকা জেলা জজের নিকট
  2. ঢাকা যুগ্ম জেলা জজের নিকট
  3. হাইকোর্ট ডিভিশনে
  4. যুগ্ম জেলা জজের নিকট
সঠিক উত্তর:
ঢাকা জেলা জজের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা জেলা জজের নিকট
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী মামলা বা আপিল স্থানান্তর ও প্রত্যাহার- যে কোন সময় হাইকোর্ট বিভাগ বা জেলা জজ আদালত অধঃস্তন আদালতের কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অপর কোন কার্যক্রম স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করতে পারেন। দেওয়ানী কার্যবিধির ২২, ২৩ ও ২৪ ধারা এবং The Civil Courts Act, 1887 এর ২২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমা ও আপিল স্থানান্তরের বিধান রয়েছে।
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ ও ২৪ ধারা অনুযায়ী মামলা স্থানান্তরের আবেদন করা যায়। দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ ধারা অনুযায়ী শুধুমাত্র বিবাদী মামলা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যখন কোন মোকদ্দমা দুই বা ততোধিক আদালতে দায়েরযোগ্য বা বিচারযোগ্য। কিন্তু ২৪ ধারার আওতায় মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা আদালত স্বতঃ প্রবৃত্ত হয়ে নিজে (own motion) কোন মামলা বা আপিল স্থানান্তর করতে পারে।
♦সুতরাং বিবাদী হলে ২২ ধারা, অন্যদিকে মামলার যে কোন পক্ষ অথবা আদালত নিজে হলে ২৪ ধারা প্রযোজ্য হবে।

♦যেহেতু ঢাকার মধ্যে একাই জেলার এক আদালত থেকে অন্য আদালতে মামলা স্থানান্তর করতে হবে। সেহেতু আমাকে ঢাকা জেলা জজের নিকট মামলা স্থানান্তরের আবেদন করতে হবে।
১০,৬৯৯.
Canons of Professional Conduct and Etiquette অনুসারে, একজন অ্যাডভোকেট নিচের কোন উদ্দেশ্যে মামলা গ্রহণ বা আপিল করতে পারবে না?
  1. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য
  2. ক্লায়েন্টের আইনি অধিকার রক্ষার জন্য
  3. আদালতের রায়ের সমালোচনা করার জন্য
  4. বিপক্ষ পক্ষকে হয়রানি বা সময়ক্ষেপণের জন্য
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষ পক্ষকে হয়রানি বা সময়ক্ষেপণের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষ পক্ষকে হয়রানি বা সময়ক্ষেপণের জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর Chapter IV: Conduct with Regard to the Public Generally অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেটের নৈতিক ও পেশাগত দায়িত্ব হলো সমাজ ও আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তার কার্যক্রম পরিচালনা করা।

এই অধ্যায়ের Rule 1-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:
"An Advocate shall not accept employment to prosecute or defend a case out of spite or for the purpose of harassing anyone or delaying any matter nor shall he take or prosecute an appeal willfully motivated to harass any one or delay any matter."
অর্থাৎ, যদি কোনো মামলা গ্রহণ বা আপিল করার উদ্দেশ্য হয়: হিংসা, প্রতিহিংসা, হয়রানি করা, অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে সময়ক্ষেপণ করা, তাহলে সে কাজটি অ্যাডভোকেটের পেশাগত নৈতিকতা পরিপন্থী এবং এটি করা অনুচিত।

সুতরাং, অ্যাডভোকেটের পক্ষে “বিপক্ষ পক্ষকে হয়রানি বা সময়ক্ষেপণের জন্য” মামলা গ্রহণ বা আপিল করা নিষিদ্ধ ও নৈতিকতাবিরুদ্ধ।
১০,৭০০.
ধারা-৭৫ অনুযায়ী, আদালত কোন উদ্দেশ্যে কমিশন নিয়োগ করতে পারে না?
  1. স্থানীয় তদন্ত করার জন্য
  2. ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণের জন্য
  3. ডিক্রি জারির জন্য
  4. হিসাব পরীক্ষা বা সংশোধনের জন্য
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারির জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারির জন্য
ব্যাখ্যা
• ধারা ৭৫ অনুযায়ী, আদালত 'ডিক্রি জারির' জন্য কমিশন নিয়োগ করতে পারে না।

ধারা-৭৫: আদালত কর্তৃক কমিশন নিয়োগ করার ক্ষমতা:

নির্ধারিত শর্তাবলী ও সীমাসাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কমিশন নিয়োগ করতে পারবেন-
ক) কোন ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণের জন্য;
খ) স্থানীয় তদন্ত করার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সংশোধনের জন্য;
ঘ) বাটোয়ারা করার জন্য।