বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১০৫ / ১৫৫ · ১০,৪০১১০,৫০০ / ১৫,৪৭০

১০,৪০১.
'Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant'. বিধানটি The Evidence Act, 1872 এর কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৩২
  2. ৩৩
  3. ৩৪
  4. ৩৫
সঠিক উত্তর:
৩২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুসারে, ৪ শ্রেণীর ব্যক্তির সাক্ষ্য প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে যথা ১) মৃত ব্যক্তি [Who is dead]; বা ২) খুঁজে পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তি [Who cannot be found]; বা ৩) যে ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হয়েছে [Who has become incapable of giving evidence]; বা ৪) অযৌক্তিক বিলম্ব বা বায় ছাড়া যে ব্যক্তিকে হাজির করা যায় না [Whose attendance cannot be procured without unreasonable delay and expense].
১০,৪০২.
'The presiding officer of a Civil Court shall not try any suit or other proceeding to which he is a party or in which he is personally interested.'- The Civil Courts Act, 1887 এর কত ধারায় এই বিধান আছে?
  1. ৩৪ ধারায়
  2. ৩৬ ধারায়
  3. ৩৮ ধারায়
  4. ৩৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• Section 38: Judges not to try suits in which they are interested-
(1) The presiding officer of a Civil Court shall not try any suit or other proceeding to which he is a party or in which he is personally interested.
(2) The presiding officer of an appellate Civil Court under this Act shall not try an appeal against a decree or order passed by himself in another capacity.
(3) When any such suit, proceeding or appeal as is referred to in sub-section (1) or sub-section (2) comes before any such officer, the officer shall forthwith transmit the record of the case to the Court to which he is immediately subordinate, with a report of the circumstances attending the reference.
(4) The superior Court shall thereupon dispose of the case under [section 24 of the Code of Civil Procedure. 1908].
(5) Nothing in this section shall be deemed to affect the extraordinary original civil jurisdiction of the High Court Division.

The Civil Courts Act, 1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-
কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি 'nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না- 'No one shall be judge of his own case' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।
১০,৪০৩.
যদি কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যার চেষ্টা করে এবং তা সফল না হয়, তবে তাকে ধারা ৩০৯ অনুযায়ী কোন ধরনের শাস্তি দেওয়া হতে পারে?
  1. শাস্তি হবে না
  2. অর্থদণ্ড
  3. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. খ বা গ বা উভয়
সঠিক উত্তর:
খ বা গ বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ বা উভয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারা- আত্মহত্যা করার চেষ্টা:
কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 309- Attempt to commit suicide:
Whoever attempts to commit suicide and does any act towards the commission of such offence, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
১০,৪০৪.
এক পক্ষের দাবীকৃত ঘটনা প্রমাণের দরকার হবে না, যদি তা হয়-
  1. অপরপক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
  2. ঐতিহাসিক সত্য
  3. প্রাকৃতিক নিয়মসিদ্ধ
  4. সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণিত
সঠিক উত্তর:
অপরপক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরপক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারা অনুযায়ী কোন পক্ষ বা তার প্রতিনিধি শুনানীর সময় কোন বিষয় স্বীকার করলে অপরপক্ষকে তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। এছাড়াও আইনের মাধ্যমে অনুমানযোগ্য বিষয়সমূহও প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই (৮৬-৯০ ধারা)। উল্লেখ্য উপরোক্ত বিষয়সমূহ প্রমাণ না করলেও আদালত উহা প্রমাণিত হিসাবে ধরে নিবেন।
১০,৪০৫.
নিষেধাজ্ঞা বা আদেশের কারণে মামলা স্থগিত থাকলে তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে কী করতে হবে?
  1. নিষেধাজ্ঞার সময় বাদ দিতে হবে
  2. নিষেধাজ্ঞার সময় গণনা করতে হবে
  3. নিষেধাজ্ঞার শেষে মামলা করতে হবে
  4. কোনো পরিবর্তন করতে হবে না
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞার সময় বাদ দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞার সময় বাদ দিতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৫ ধারার বিধান কার্যক্রম স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হবে:
(১) যেই মামলা বা ডিক্রী জারির দরখাস্ত দায়ের বা জারি কোনো নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দ্বারা স্থগিত রাখা হয়, তার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনার সময়, যতদিন তা নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ বলবৎ ছিল, যেই দিন তা প্রদত্ত হয়েছিল এবং যেই দিন তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, তা বাদ দিতে হবে।

(২) যেই মামলার জন্য বর্তমানে বলবৎ অন্য কোনো আইনের বিধান অনুসারে নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ গণনায় নোটিশের কাল বাদ দিতে হবে।
--------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-15: Exclusion of time during which proceedings are suspended:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit or application for the execution of a decree, the institution or execution of which has been stayed by injunction or order, the time of the continuance of the injunction or order, the day on which it was issued or made, and the day on which it was withdrawn, shall be excluded. 
 
(2) In computing the period of limitation prescribed for any suit of which notice has been given in accordance with the requirements of any enactment for the time being in force, the period of such notice shall be excluded.
১০,৪০৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি কে করতে পারে-
  1. যে কোন মহিলা পুলিশ
  2. শুধু মহিলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. শালীনতা বজায় রেখে কোন মহিলা
  4. শুধু মহিলা দেহ তল্লাশি অফিসার
সঠিক উত্তর:
শালীনতা বজায় রেখে কোন মহিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শালীনতা বজায় রেখে কোন মহিলা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১ ধারা মতে গ্রেফতারকারী অফিসার অথবা কোন বেসরকারি লোক গ্রেফতার করলে তিনি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যার নিকট অর্পণ করেন সেই পুলিশ অফিসার গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দেহ তল্লাশি করতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ব্যতীত তার নিকট যা পাওয়া যাবে, তা নিরাপদ হেফাজতে রাখতে পারবেন।
 
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় কোনো স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশির বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশি করাতে হবে।
 
অর্থাৎ শালীনতা বজায় রেখে যেকোনো মহিলা স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি করতে পারে।
--------------------
CrPC Section 51. Search of arrested persons:
Whenever a person is arrested by a police-officer under a warrant which does not provide for the taking of bail, or under a warrant which provides for the taking of bail but the person arrested cannot furnish bail, and
Whenever a person is arrested without warrant, or by a private person under a warrant, and cannot legally be admitted to bail, or is unable to furnish bail,
the officer making the arrest or, when the arrest is made by a private person, the police-officer to whom he makes over the person arrested, may search such person, and place in safe custody all articles, other than necessary wearing-apparel, found upon him.

CrPC Section 52. Mode of searching women:
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
১০,৪০৭.
According to Section 139 of the Evidence Act, a person who is summoned only to produce a document:
  1. Automatically becomes a witness
  2. Can be cross-examined even if not called as a witness
  3. Cannot be cross-examined unless called as a witness
  4. Must testify regarding the contents of the document
সঠিক উত্তর:
Cannot be cross-examined unless called as a witness
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cannot be cross-examined unless called as a witness
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩৯: দলিল উপস্থাপনের জন্য ডাকা ব্যক্তির জেরা:
কেবলমাত্র দলিল উপস্থাপনের জন্য সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তি স্বয়ং সাক্ষী হয়ে যান না। তিনি তখনই জেরার (cross-examination) সম্মুখীন হতে পারেন, যখন তাকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা হয়।

[A person summoned to produce a document does not become a witness by the mere fact that he produces it and cannot be cross-examined unless and until he is called as a witness.]
১০,৪০৮.
দণ্ডবিধির কত ধারায় মারামারি সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ১৫৯
  2. ১৬০
  3. ৩৭৮
  4. ৪৯
সঠিক উত্তর:
১৫৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৯
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান  মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
___________________________________________
⇒ Section 159:- Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒ Section 160: Punishment for committing affray:
-Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
১০,৪০৯.
দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারা অনুযায়ী, শাস্তি সর্বোচ্চ কত বছর হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪০৩ অনুযায়ী, "যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো অস্থাবর সম্পত্তি নিজের জন্য আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে রূপান্তরিত করে, সে ব্যক্তি অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ অপরাধে দণ্ডনীয় হবেন।"
- এই অপরাধের শাস্তি হতে পারে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড (সাধারণ বা সশ্রম), অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:
কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাৎও এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসংগত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।
অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসংগত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।

⇒The Penal Code, 1860, Section 403. Dishonestly misappropriation of property:
-Whoever dishonestly misappropriates or converts to his own use any moveable property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
Explanation-1.-A dishonest misappropriation for a time only is a misappropriation within the meaning of this section. 
Explanation-2.-A person who finds property not in the possession of any other person, and takes such property for the purpose of protecting it for, or of restoring it to, the owner, does not take or misappropriate it dishonestly, and is not guilty of an offence; but he is guilty of the offence above defined, if he appropriates it to his own use, when he knows or has the means of discovering the owner, or before he has used reasonable means to discover and give notice to the owner and has kept the property a reasonable time to enable the owner to claim it. 
What are reasonable means or what is a reasonable time in such a case, is a question of fact. 
It is not necessary that the finder should know who is the owner of the property, or that any particular person is the owner of it, it is sufficient if, at the time of appropriating it, he does not believe it to be his own property, or in good faith believes that the real owner cannot be found.
১০,৪১০.
প্ররোচনার ক্ষেত্রে "Illegal Omission" বলতে কী বোঝায়?
  1. অপরাধ না করা
  2. পুলিশকে জানানো
  3. আইনগত দায়িত্ব পালন না করা
  4. আদালতে অভিযোগ দায়ের করা
সঠিক উত্তর:
আইনগত দায়িত্ব পালন না করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনগত দায়িত্ব পালন না করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারার তৃতীয় অংশে "Illegal Omission" বা "অবৈধ কার্যবিরতি" এর ধারণাটি উল্লেখ করা হয়েছে। এখানে এর অর্থ হলো:
আইনগত দায়িত্বে অবহেলা: যখন কোনো ব্যক্তির আইনত দায়িত্ব থাকে কোনো কাজ করার (যেমন: নিরাপত্তা কর্মীর গেট পাহারা দেওয়া), কিন্তু সে ইচ্ছাকৃতভাবে তা না করে।
- "Illegal Omission" (অবৈধ অবহেলা) বলতে বুঝায়, এমন কোনো কাজ যা আইনি দায়িত্বের আওতায় থাকা সত্ত্বেও করা হয়নি। 
প্ররোচনার ক্ষেত্রে "Illegal Omission" সাধারণত তখন ঘটে, যখন কোনো ব্যক্তি আইনগত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, এবং তার অবহেলার কারণে অপরাধ ঘটানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়।
- অর্থাৎ, যদি কেউ জানে যে কোনো কাজটি আইন অনুযায়ী করা প্রয়োজন, কিন্তু সে তা না করে, এবং এর ফলে অপরাধ সংঘটিত হয়, তবে এটি Illegal Omission বা অবৈধ অবহেলা হিসেবে গণ্য হবে।
১০,৪১১.
Chapter V of The Penal Code deals with-
  1. ABETMENT
  2. CRIMINAL CONSPIRACY
  3. PUNISHMENTS
  4. GENERAL EXCEPTIONS
সঠিক উত্তর:
ABETMENT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ABETMENT
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।

♦ গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম:

দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ,(GENERAL EXPLANATIONS)

তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি,(PUNISHMENTS)

চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ,(GENERAL EXCEPTIONS)

পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা,(ABETMENT)

পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র,(CRIMINAL CONSPIRACY)

ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ, (OFFENCES AGAINST THE STATE)

নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ, (OFFENCES BY OR RELATING TO PUBLIC SERVANTS)

নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ,(OFFENCES RELATING TO ELECTIONS)

ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ,(OFFENCES AFFECTING THE HUMAN BODY)

সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,  (OFFENCES AGAINST PROPERTY)

বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ, (OFFENCES RELATING TO MARRIAGE)

একবিংশ অধ্যায়: মানহানি, ( DEFAMATION)

ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ। (ATTEMPTS TO COMMIT OFFENCES)
১০,৪১২.
কোন ক্ষেত্রে বিশারদের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক নয়?
  1. বিক্রয় দলিল
  2. ডিজিটাল রেকর্ড
  3. ফরেনসিক সাক্ষ্য
  4. হস্তলিপি বা হাতের লেখা
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় দলিল
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ি, নিম্নলিখিত ১৩টি ক্ষেত্রে বিশারদের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে-
(i) বিদেশী আইন;
(ii) বিজ্ঞান;
(iii) শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য;
(iv) ডিজিটাল রেকর্ড;
(v) চারুকলা;
(vi) হস্তলিপি বা হাতের লেখা;
(vii) আঙ্গুলের ছাপ বা টিপসহি;
(viii) পায়ের ছাপ;
(ix) তালুর ছাপ;
(x) চোখের কনীনিকার ছাপ;
(xi) টাইপ রাইটিং;
(xii) ট্রেড বা টেকনিকাল অভিব্যক্তির ব্যবহার;
(xiii) ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচিতি।

⇒ উল্লেখ্য যে, 'বিক্রয় দলিল' প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত।
১০,৪১৩.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারার অধীন আপীল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য নিতে পারে বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের আদেশ দিতে পারে?
  1. ধারা ৪২৬
  2. ধারা ৪২৭
  3. ধারা ৪২৮
  4. ধারা ৪২৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২৮
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২৮ ধারার অধীন আপীল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য নিতে পারে বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের আদেশ দিতে পারে।
১০,৪১৪.
চিরন্তন হস্তান্তর বিরোধী নিয়ম বলতে কি বোঝায়?
  1. যে হস্তান্তর জীবিত এক বা একাধিক ব্যক্তির জীবনকাল অবসানের পর কার্যকর হবে
  2. যে হস্তান্তর কোন ব্যক্তির নাবালক কাল অতিবাহিত হওয়ার পরে কার্যকর হবে
  3. ক বা খ
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
চিরন্তন হস্তান্তর বিরুদ্ধ নীতি- এমনভাবে হস্তান্তর করা যাবে না যা হস্তান্তরের তারিখে এক বা একাধিক ব্যক্তির জীবনকাল এবং জীবনকালের পর হতে অপর কোন ব্যক্তির নাবালক কাল অতিবাহিত হওয়ার পরে কার্যকর হবে।

ধারা ১৪: চিরন্তন হস্তান্তর বিরোধী নিয়ম
কোন সম্পত্তি এরূপ ভাবে হস্তান্তর করা যাবে না, যা হস্তান্তরের তারিখে জীবিত এক বা একাধিক ব্যক্তির জীবনকাল এবং এরূপ জীবন কালের অব্যবহিত পর হতে অপর কোন ব্যক্তির নাবালক কাল অতিবাহিত হওয়ার পরে কার্যকর হবে। জীবিত ব্যাক্তির বা ব্যক্তিগণের জীবনকাল সমাপ্ত হওয়ার সময় ঐ নাবালকের অস্তিত্ব থাকতে হবে এবং নাবালক সাবালক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সৃষ্ট স্বার্থ তার উপর বর্তাবে।

Section 14: Rule against perpetuity
No transfer of property can operate to create an interest which is to take effect after the life-time of one or more persons living at the date of such transfer, and the minority of some person who shall be in existence at the expiration of that period, and to whom, if he attains full age, the interest created is to belong.
১০,৪১৫.
দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুসারে, প্ররোচনার ক্ষেত্রে "Instigation" বলতে কী বোঝায়?
  1. বস্তু ব্যবহার করা
  2. ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করা
  3. ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করা
  4. কাউকে কোনো কাজ করতে উদ্দীপিত করা
সঠিক উত্তর:
কাউকে কোনো কাজ করতে উদ্দীপিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাউকে কোনো কাজ করতে উদ্দীপিত করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী "Instigation" বলতে বোঝায় কাউকে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করতে বা না করতে উৎসাহিত করা, প্রভাবিত করা বা প্ররোচিত করা। এটি সরাসরি হতে পারে (যেমন: মুখে বলা, নির্দেশ দেওয়া) অথবা পরোক্ষভাবে হতে পারে (যেমন: মিথ্যা তথ্য প্রদান, কিছু তথ্য গোপন করে অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করা)।
- যদি কেউ অন্য কাউকে ইচ্ছাকৃতভাবে প্ররোচিত করে এবং তার ফলে অপরাধ সংঘটিত হয়, তাহলে প্ররোচনাকারীও অপরাধের জন্য দায়ী হবে।

উদাহরণ:
- কেউ যদি অন্য ব্যক্তিকে হত্যা করতে উসকানি দেয় বা প্ররোচনা দেয়, তবে সে ব্যক্তি Instigation করেছে বলে বিবেচিত হবে।
- কেউ যদি মিথ্যা তথ্য দিয়ে কাউকে বেআইনি কাজ করতে উৎসাহিত করে, তবে সেটিও Instigation হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন জোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়।
-দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।
(i) কাউকে প্ররোচিত করে (instigation)
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (engagement)
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding)
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 107: Abetment of a thing: A person abets the doing of a thing, who
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.

Explanation-1: A person who, by wilful misrepresentation, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
১০,৪১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় সামরিক বাহিনীর সহায়তায় সমাবেশ ছত্রভঙ্গের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১২৮
  2. ধারা ১২৯
  3. ধারা ১৩০
  4. ধারা ১৩১
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৯
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২৯-এ বলা হয়েছে, যখন কোন বেআইনি সমাবেশ অন্য কোনো পদ্ধতিতে ছত্রভঙ্গ করা সম্ভব না হয় এবং জনসুরক্ষার জন্য তা ছত্রভঙ্গ করা প্রয়োজন, তখন সর্বোচ্চ পদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা মহানগর এলাকায় পুলিশ কমিশনার সামরিক বাহিনীর সাহায্যে সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করাতে পারেন। অর্থাৎ, এই ধারা সামরিক বাহিনীর সহায়তায় বেআইনি সমাবেশ ভাঙার ক্ষমতা সরবরাহ করে।
- এ কারণেই সামরিক বাহিনীর সহায়তায় সমাবেশ ছত্রভঙ্গের বিধান ধারা ১২৯-এ রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৯ ধারায় দেয়া আছে:
কোন বেআইনি সমাবেশ যদি অন্য কোনোভাবে ছত্রভঙ্গ করা না যায় এবং জন নিরাপত্তার জন্য যদি উহা ছত্রভঙ্গ করা দরকার মর্মে গণ্য হয়, সেক্ষেত্রে উপস্থিত সর্বোচ্চ পদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা মহানগরী এলাকা হলে, সেখানকার পুলিশ কমিশনার সামরিক শক্তির মাধ্যমে উহা ছত্রভঙ্গ করাতে পারবেন।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 129- Use of military force:
If any such assembly cannot be otherwise dispersed. and if it is necessary for the public security that it should be dispersed, the Executive Magistrate of the highest rank who is present or the Police Commissioner in a Metropolitan Area may cause it to be dispersed by military force.

১০,৪১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের কোন কলামে দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তির বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. ২য়
  2. ৩য়
  3. ৫ম
  4. ৭ম
সঠিক উত্তর:
৭ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ম
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে, যা নিম্নরূপ-

-দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule)
১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ;
২য় কলাম- অপরাধ;
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ;
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা;
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য;
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা;
৭ম কলাম- দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি;
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
১০,৪১৮.
ম্যাজিস্ট্রেট কোন পরিস্থিতিতে কবর থেকে লাশ তুলে পরীক্ষা করাতে পারেন?
  1. যখন পুলিশ অনুরোধ করে
  2. যখন পরিবারের সদস্যরা অনুমতি দেয়
  3. মৃত্যুর কারণ আবিষ্কারের জন্য
  4. ধর্মীয় রীতি পালনের জন্য
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর কারণ আবিষ্কারের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর কারণ আবিষ্কারের জন্য
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তদন্ত:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।

(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা:
যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।

Section 176- Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.

(2) Power to disinter corpses-
Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
১০,৪১৯.
আদেশ-২১, বিধি ৮৯ অনুসারে বিক্রয় রদের আবেদনপত্রের সাথে ক্রয়মূল্যের কী পরিমাণ টাকা আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ৫%
  2. ১০%
  3. ১৫%
  4. ২৫%
সঠিক উত্তর:
৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫%
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৮৯ এর বিধান টাকা জমা দিয়ে নিলামে বিক্রয় রদের আবেদন (Application to set aside sale on deposit): ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় হলে উক্ত সম্পত্তির মালিক নিলাম বিক্রয়ের রদের জন্য নিম্নোক্ত টাকা আদালতে জমা দিয়ে আবেদনপত্র দাখিল করতে পারে-
 ক্রয় মূল্যের ৫% অর্থ ক্রেতাকে প্রদানের জন্য; এবং
 ডিক্রিদার পূর্বে কোন টাকা গ্রহণ করলে তা বাদ দিয়ে যে পরিমাণ টাকার জন্য নিলাম বিক্রয়ের আদেশ হয়েছে তা ডিক্রিদারকে প্রদানের জন্য।

তামাদি আইনের  অনুচ্ছেদ: ১৬৬ মতে উক্ত আবেদন নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ৩০ দিনের মধ্যে করতে হবে।
------------------------- 
Order-21 Rule-89.Application to set aside sale on deposit:
(1) Where immovable property has been sold in execution of a decree, any person, either owing such property or holding an interest therein by virtue of a title acquired before such sale, may apply to have the sale set aside on his depositing in Court,−
(a) for payment to the purchaser, a sum equal to five per cent. of the purchase-money, and
(b) for payment to the decree-holder, the amount specified in the proclamation of sale as that for the recovery of which the sale was ordered, less any amount which may, since the date of such proclamation of sale, have been received by the decree-holder.

(2) Where a person applies under rule 90 to set aside the sale of his immovable property, he shall not, unless he withdraws his application, be entitled to make or prosecute an application under this rule.

(3) Nothing in this rule shall relieve the judgment-debtor from any liability he may be under in respect of costs and interest not covered by the proclamation of sale. 
১০,৪২০.
'ক' জীবন কালের জন্য 'খ' কে জমি উইল করে দেয় এবং 'গ' -কে পরবর্তী অধিকারী উল্লেখ করে । 'ক' মারা যায়। 'খ' জমিতে প্রবেশ করে। কিন্তু 'গ', 'খ' এর সম্মতি ছাড়াই স্বত্বের দলিলসমূহ হস্তগত করে। এক্ষেত্রে প্রতিকার কী?
  1. কোনো প্রতিকার নেই
  2. 'খ', 'গ' এর বিরুদ্ধে ১০ ধারায় স্বত্বের দলিলসমূহ উদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  3. 'খ', 'গ' এর বিরুদ্ধে ৯ ধারায় স্বত্বের দলিলসমূহ উদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  4. 'খ', 'গ' এর বিরুদ্ধে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
সঠিক উত্তর:
'খ', 'গ' এর বিরুদ্ধে ১০ ধারায় স্বত্বের দলিলসমূহ উদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ', 'গ' এর বিরুদ্ধে ১০ ধারায় স্বত্বের দলিলসমূহ উদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ১: এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে, সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
ব্যাখ্যা- ২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
-------------------------------
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী,
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধার করা যেতে পারে দেওয়ানী কার্যবিধিতে উল্লেখিত পন্থা অনুযায়ী। ১০ ধারার অধীন প্রদত্ত ডিক্রি দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ আদেশের ৩০ থেকে ৩১ বিধি অনুযায়ী কার্যকর করা যায়। ১০ ধারায় সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যেমন “ট্রাস্টি বা সম্পত্তি বর্তমান দখলে রাখার কোনো বিশেষ বা অস্থায়ী অধিকার আছে এমন ব্যক্তিও যেমন জিম্মাদার, পণ্য বন্ধকগ্রহীতা, বা হারানো পণ্য খুঁজে পেয়েছে এমন কোনো ব্যক্তিও মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

উদাহরণ: A জীবন কালের জন্য B কে জমি উইল করে দেয় এবং C -কে পরবর্তী অধিকারী উল্লেখ করে । A মারা যায়। B জমিতে প্রবেশ করে। কিন্তু C, B এর সম্মতি ছাড়াই স্বত্বের দলিলসমূহ গ্রহণ করে। স্বত্বের দলিলসমূহ উদ্ধারের জন্য B, C এর বিরুদ্ধে ১০ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
১০,৪২১.
‘C’ ‘Y’-এর দিকে মুষ্টি তুলে ভয় দেখায়, জেনে যে এটি ‘Y’-কে মনে করতে পারে যে তার উপর আঘাত করা হবে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘C’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩৪৯
  2. ধারা ৩৫০
  3. ধারা ৩৫১
  4. ধারা ৩৫২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫১
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৫১ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি এমন অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি করে যা অন্য ব্যক্তিকে এই ভয় সৃষ্টি করে যে তার উপর অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করা হতে পারে, তবে তা আক্রমণ (Assault) বলে গণ্য হয়। এখানে, ‘C’ ইচ্ছাকৃতভাবে ‘Y’-এর দিকে মুষ্টি তুলে ভয় দেখায়, জেনে যে এটি ‘Y’-কে মনে করতে পারে যে তার উপর আঘাত করা হবে। এটি ধারা ৩৫১-এর অধীনে আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

অন্যান্য অপশন:
ক) ধারা ৩৪৯: এটি বলপ্রয়োগের সংজ্ঞা দেয়, কিন্তু কোনো শাস্তিযোগ্য অপরাধ নির্দেশ করে না।
খ) ধারা ৩৫০: এটি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ সংজ্ঞায়িত করে, যেখানে শারীরিক বল প্রয়োগ করা হয়। এখানে ‘C’ শুধু ভয় দেখিয়েছে, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
ঘ) ধারা ৩৫২: এটি আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের শাস্তি নির্ধারণ করে, কিন্তু প্রশ্নে কোন ধারার অধীনে অপরাধী হবে তা জানতে চাওয়া হয়েছে, এবং ধারা ৩৫১ অপরাধটি সংজ্ঞায়িত করে।
সুতরাং, ‘C’ ধারা ৩৫১-এর অধীনে অপরাধী হবে।
------
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান আক্রমণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'চ'-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে 'চ' যাতে বিশ্বাস করে যে 'ক' তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই 'ক' তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ: হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে । 'ক' আক্রমণ করেছে।
(খ) ক একটি হিংস্র কুকুরের মুখ বন্ধনী খুলতে শুরু করে। চ যাতে বিশ্বাস করে যে, ক কুকুরটিকে দিয়ে তাকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যেই কুকুরটির মুখ বন্ধনী খুলে দিচ্ছে, এই উদ্দেশ্যেই, অথবা চ এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও ক এই কাজ করে। ক-চ এর উপর আক্রমণ করেছে।
(গ) ক একটি ছুড়ি ঘুরাতে ঘুরাতে চ-কে বলিল, “তোমাকে পিটুনি দেব।” এখানে যদিও কেবল ক-এর ব্যবহৃত কথাগুলি কোনক্রমেই আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে না, এবং যদিও অপর কোন অনুষঙ্গ ব্যতীত কেবল ক-এর অঙ্গভঙ্গি আক্রমণতৃল্য নয়, তবুও অঙ্গভঙ্গি ও তার আনুষঙ্গিক ব্যাখ্যামূলক কথাগুলি মিলিয়ে আক্রমণ বলে পরিগণিত হবে।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-351:Assault:
-Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault. 

- Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault. 
Illustrations:
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault.
(b) A begins to unloose the muzzle of a ferocious dog, intending, or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that he is about to cause the dog to attack Z. A has committed an assault upon Z. 
(c) A takes up a stick, saying to Z, "I will give you a beating". Here, though the words used by A could in no case amount to an assault, and though the mere gesture, unaccompanied by any other circumstances, might not amount to an assault, the gesture explained by the words may amount to an assault.

১০,৪২২.
পরিবেশে ও জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ১৮
  2. ১৮ক
  3. ১৯
  4. ২০
সঠিক উত্তর:
১৮ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ক
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১৮ক: পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন

রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।

Article 18A: Protection and improvement of environment and biodiversity
The State shall endeavour to protect and improve the environment and to preserve and safeguard the natural resources, bio-diversity, wetlands, forests and wild life for the present and future citizens.
১০,৪২৩.
দণ্ডবিধির অধীন জরিমানা প্রদানের ব্যর্থতার কারণে যে কারাদণ্ড আরোপ করা হয়, তা কখন সমাপ্ত হয়?
  1. জরিমানা পরিশোধ করা হলে
  2. আইনগত প্রক্রিয়ায় জরিমানা আদায় করা হলে
  3. ক বা খ
  4. জরিমানা আদায়ের সময়সীমা শেষ হলে
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৬৮ ধারা- অর্থদণ্ড আদায়ে কারামুক্তি:
জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে যে কারাদণ্ড আরোপ করা হয়, তা সমাপ্ত হবে যখনই সেই জরিমানা পরিশোধ করা হয় অথবা আইনগত প্রক্রিয়ায় আদায় করা হয়।

Section 68- Imprisonment to terminate on payment of fine:
The imprisonment which is imposed in default of payment of a fine shall terminate whenever that fine is either paid or levied by process of law.
১০,৪২৪.
'ক' একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। 'ক'- এর গুলিবর্ষণের কাজ-
  1. ৭৬ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে
  2. ৭৬ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না
  3. ৭৭ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে
  4. ৭৭ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না
সঠিক উত্তর:
৭৬ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৬ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান- আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশত নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলিয়া বিশ্বাসকারী ব্যক্তি বিশেষে কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:
যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনত বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশতঃ কাজটি করতে আইনত বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।

উদাহরণসমূহ:
ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।

খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর; 'খ'- কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।
১০,৪২৫.
একজন এ্যাডভোকেটকে হাইকোর্ট বিভাগে আইন ব্যবসা করার অনুমতি প্রাপ্তির জন্য অধঃস্তন আদালতে অন্যূনতম কত বৎসর আইন ব্যবসা করতে হবে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বৎসর
  3. ২ বৎসর
  4. ৩ বৎসর
সঠিক উত্তর:
২ বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বৎসর
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর ২১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে হাইকোর্টে আইন পেশা করার অনুমতির জন্য এডভোকেট হিসাবে অধঃস্তন আদালতে অন্যূন ২ বৎসর আইন ব্যবসা করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
১০,৪২৬.
ধারা ৯২ অনুযায়ী, হাজিরার মুচলেকা ভঙ্গের কারণে পরোয়ানা জারি হয়, যদি:
  1. ব্যক্তি আদালতে উপস্থিত না হয়
  2. আদালত জামিন না দেয়
  3. যখন ব্যক্তির বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ দায়ের হয়
  4. ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হয়
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি আদালতে উপস্থিত না হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি আদালতে উপস্থিত না হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৯২: হাজিরার মুচলেকা ভঙ্গ করলে গ্রেফতার -
যখন কোনো ব্যক্তি, যাকে এই কোড অনুযায়ী আদালতের সামনে হাজির হওয়ার জন্য মুচলেকা নেওয়া হয়েছে, আদালতে উপস্থিত হয় না, তখন সেই আদালতে সভাপতিত্বকারী কর্মকর্তা একটি পরোয়ানা জারি করতে পারেন, যা নির্দেশ দিবে যে, ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে আদালতে উপস্থিত করানো হোক।

Section 92- Arrest by breach of bond for appearance:
When any person who is bound by any bond taken under this Code to appear before a Court, does not so appear, the officer presiding in such Court, may issue a warrant directing that such person be arrested and produced before him.
১০,৪২৭.
What kind of imprisonment is prescribed for failure to give security for keeping the peace?
  1. Life imprisonment
  2. Simple imprisonment
  3. Rigorous imprisonment
  4. No imprisonment is given
সঠিক উত্তর:
Simple imprisonment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Simple imprisonment
ব্যাখ্যা
Section 123(5)- Kind of imprisonment
Imprisonment for failure to give security for keeping the peace shall be simple. 


ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২৩(৫)- কারাদণ্ডের প্রকারঃ
শান্তিরক্ষার মুচলেকা প্রদান করতে না পারার দরুণ যে কারাদণ্ড হবে তা বিনাশ্রম হবে।
১০,৪২৮.
স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তিতে বিক্রয় দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশনের জন্য যদি কোন সময় উল্লেখ না থাকে, তাহলে এই সময় _______ ধরে নিতে হবে।
  1. দুই মাস
  2. ছয় মাস
  3. তিন মাস
  4. এক মাস
সঠিক উত্তর:
ছয় মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয় মাস
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৪ক: বিক্রয় চুক্তি রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে, প্রভৃতি

আইনে বা বর্তমান প্রচলিত অন্য কোন আইনে বিষয়ের পরিপন্থী যা কিছু থাকুক না কেন কোন স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি শুধুমাত্র লিখিত দলিল সম্পাদন এবং ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের আওতায় রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে করা যাবে, হস্তান্তরগ্রহীতা সম্পত্তির বা এর কোন অংশের দখল গ্রহণ করুক বা না করুক।
স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তিতে বিক্রয় দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশনের জন্য যে সময়ের উল্লেখ থাকবে রেজিস্ট্রেশনের তারিখ হতে তা কার্যকর হবে, এবং যদি কোন সময় উল্লেখ না থাকে তাহলে এই সময় ছয় মাস ধরে নিতে হবে।

Section 54A: Contract for sale to be registered, etc.
Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, a contract for sale of any immoveable property can be made only by an instrument in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof. 
In a contract for sale of any immoveable property, a time, to be effective from the date of registration, shall be mentioned for execution and registration of the instrument of sale, and if no time is mentioned, six months shall be deemed to be the time.
১০,৪২৯.
মোকদ্দমা শুনানীর নির্ধারিত তারিখে বাদী এবং বিবাদী উভয় পক্ষ হাজির না হলে, আদালত মোকদ্দমা-
  1. এক তরফা নিষ্পত্তি করতে পারেন
  2. স্থগিত করতে পারেন
  3. চালিয়ে যাবেন
  4. খারিজ করে দিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
খারিজ করে দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারিজ করে দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ আদেশে মোকদ্দমার প্রথম শুনানীতে পক্ষগণের উপস্থিতি এবং অনুপস্থিতির সম্পর্কিত পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে।

• আদেশ ৯ বিধি ৩ অনুসারে, মোকদ্দমার কোন পক্ষই উপস্থিত না হলে-

মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত তারিখে যদি বাদী এবং বিবাদী উভয় পক্ষ হাজির না হয়, আদালত মোকদ্দমা খারিজ করে দিতে পারে।
[Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed]

• প্রদত্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার (বিধি ৪) :
১- উল্লিখিত কারণে মোকদ্দমা খারিজ হলে, উক্ত খারিজের বিরুদ্ধে বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
২- খারিজ আদেশ রদ করতে আদেশের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে পারে। 
১০,৪৩০.
রমেশ ও সুমন একসাথে ডাকাতি করেছিল। পরে তাদের আটক করা হয়। বিচারকালীন সময়ে রমেশ আদালতে হাজির হয়ে সুমনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয় এবং বলে যে সুমনই মূল অপরাধী ছিল এবং সে শুধুমাত্র সুমনের সহযোগী ছিল। এক্ষেত্রে রমেশের সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে সুমনকে-
  1. সাজা দেয়া যাবে না
  2. সাজা দিলে অবৈধ হবে
  3. সাজা দিলে বেআইনী হবে না
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
সাজা দিলে বেআইনী হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাজা দিলে বেআইনী হবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩৩- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
 
Section 133- Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.

এক্ষেত্রে, রমেশকে সুমনের 'দুষ্কর্মের সহযোগী' বলে গণ্য করা যায়। যদিও রমেশই একমাত্র সাক্ষী এবং তার সাক্ষ্য অসমর্থিত, তবুও শুধুমাত্র এই কারণে সুমনের বিরুদ্ধে দেওয়া সাজা বেআইনী হবে না। কারণ আদালত রমেশের সাক্ষ্যকে গুরুত্ব দিয়ে এবং অন্যান্য পরিস্থিতি বিবেচনা করে সুমনকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারে। এক্ষেত্রে শুধু এই কারণে যে রমেশের সাক্ষ্য অসমর্থিত ছিল তা সাজাকে বেআইনী করবে না। অবশ্য এটা আদালতের বিবেচনার বিষয় যে, রমেশের সাক্ষ্যকে কতটুকু গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং অন্যান্য প্রমাণসমূহকে বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
১০,৪৩১.
‘ক’ একটি রাস্তার পাশের জমির মালিক। ‘খ’ তার জমির নিচে টানেল তৈরি করে, যা তাৎক্ষণিকভাবে ‘ক’-এর জমির কোনো ক্ষতি করেনি। কয়েক বছর পর টানেলের কারণে ‘ক’-এর জমির একটি অংশ ধসে পড়ে। ‘ক’ যদি ক্ষতিপূরণ মোকদ্দমা দায়ের করতে চায়, তবে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে-
  1. যখন ‘খ’ টানেল তৈরি শুরু করে
  2. যখন টানেল তৈরি শেষ হয়
  3. যখন ‘ক’-এর জমি ধসে পড়ে
  4. 'ক' যে দিন মামলা দায়ের করে সে দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
যখন ‘ক’-এর জমি ধসে পড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন ‘ক’-এর জমি ধসে পড়ে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান মতে,
যে কাজের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত নাহলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, সে কাজের দরুন ক্ষতিপূরণ মামলার জন্য যখন ক্ষতি সাধিত হয় তখন থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।

⇒ তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান:
যে কার্যের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হইলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, তদ্রূপ কার্যের দরুন ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয়, তখন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।

উদাহরণ:
'ক' একটি জমির উপরিভাগের মালিক। 'খ' ঐ জমির ভূগর্ভের মালিক। উপরিভাগের তাৎক্ষণিক স্পষ্ট কোন ক্ষতি না করিয়া ভূ-গর্ভ হইতে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু অবশেষে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এইক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের তামাদির মেয়াদ ধসিয়া পড়ার সময় হইতে শুরু হইবে।
১০,৪৩২.
সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় কোন বিষয় প্রাসঙ্গিক ধরা হয়েছে?
  1. উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ
  2. অভিন্ন অভিপ্রায় এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
  3. যে সব ঘটনা বিচার্য ঘটনার উপলক্ষ, কারণ বা ফলাফল
  4. যে সব ঘটনা দেহের অবস্থা, জ্ঞান, সরল বিশ্বাস, অবহেলা, অনুভূতি প্রকাশ করে
সঠিক উত্তর:
অভিন্ন অভিপ্রায় এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিন্ন অভিপ্রায় এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় Criminal Conspiracy (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) এবং Common Intention (অভিন্ন অভিপ্রায়) সম্পর্কে বলা আছে।

ধারা ১০: অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ:
দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একযোগে কোন অপরাধ বা নালিশ যোগ্য অন্যায় কার্য করার ষড়যন্ত্র করেছে, এরূপ বিশ্বাস করার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে; তবে তাদের যেকোন একজনের উক্তি, ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা পোষণ করার পর তাদের ঐ সাধারণ ইচ্ছা সম্পর্কে তাদের মধ্যে যেকোন একজনের কোন কথা, কার্য বা লেখা ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে, এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক ঘটনা, ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তা প্রাসঙ্গিক; তেমনি কোন ব্যক্তি যে উক্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তা প্রমাণ করার জন্য তাও প্রাসঙ্গিক।

⇒ যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে কোন অপরাধ সংঘটন করে এবং সেই অভিন্ন অভিপ্রায়ের লক্ষ্যে করা কোন এক জনের কথা, কাজ বা বিবৃতি প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।

Section 10- Things said or done by conspirator in reference to common design:
Where there is reasonable ground to believe that two or more persons have conspired together to commit an offence or an actionable wrong, anything said, done or written by any one of such persons in reference to their common intention, after the time when such intention was first entertained by any one of them, is a relevant fact as against each of the persons believed to be so conspiring, as well for the purpose of proving the existence of the conspiracy as for the purpose of showing that any such person was a party to it.
১০,৪৩৩.
রাষ্ট্রের সকল নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টকে সহায়তা করতে বাধ্য---
  1. ১০৯
  2. ১১০
  3. ১১১
  4. ১১২
সঠিক উত্তর:
১১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১২
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুচ্ছেদ ১১২- সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা

প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত সকল নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা করিবেন।
১০,৪৩৪.
সাক্ষ্য আইনের ১১৬ ধারার Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতি কোন ধরনের সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়?
  1. অস্থাবর সম্পত্তি
  2. স্থাবর সম্পত্তি
  3. স্থানান্তরযোগ্য সম্পত্তি
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১১৬ ধারায়, দুইটি ক্ষেত্রে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ক্ষেত্র ২ টি নিম্নরূপ:

১। ভাড়াটিয়া এবং মালিকের মধ্যে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধা:
একজন বাড়িওয়ালা (landlord) ভাড়ার বিনিময়ে একজন ভাড়াটিয়া (tenant)’কে তার দোকানে ভাড়া প্রদান করলে, ভাড়াটিয়া পরবর্তীতে উক্ত সম্পর্ক অস্বীকার করতে পারবে না।

২। অনুমতি প্রাপক (licensee) এবং অনুমতি দাতা (licensor)’র মধ্যে Estoppel (এস্টপেল) বা স্বকার্যজনিত বাধা:
অনুমতি নিয়ে কেউ দখল ফেলে পরবর্তীতে সেই অনুমতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না। যদি কেউ অনুমতি নিয়ে কোন রাস্তাও ব্যবহার করে, পরবর্তীতে সেটিকে সরকারী বা অধিকার বলে দাবী করতে পারবে না, কেননা অনুমতি নিয়ে পরে সেটি অস্বীকার করলে সাক্ষ্য আইনে ১১৬ ধারার Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতিতে বাধা প্রাপ্ত হবে।

এই ধারার অধীন Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতি শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন, বাড়ি, জমি ইত্যাদির ভাড়াটিয়াকে মালিকের মালিকানা স্বত্ব অস্বীকার করা হতে বাধা প্রদান করা হয়েছে। কেননা, বাড়ির মালিকের সাথে ভাড়াটিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি থাকে এবং অনুমতি প্রদানকারীর সাথেও অনুমতি দাতার একটি চুক্তি থাকে।
১০,৪৩৫.
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর কত ধারায় সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ প্রয়োগের বৈধতা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৭০
  2. ধারা ৭১
  3. ধারা ৭২
  4. ধারা ৭৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭১
ব্যাখ্যা
ধারা ৭১: সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর প্রয়োগ এবং অন্যান্য আইন-
যে সমস্ত ভাড়াটিয়াদের ক্ষেত্রে এই আইন প্রযোজ্য, সেসব ক্ষেত্রে সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এবং অন্য যে কোনও প্রযোজ্য আইন, যদি এই আইনের বিধানের সাথে বিরোধ না করে, সেগুলো প্রযোজ্য থাকবে এবং প্রয়োগ চালু থাকবে।

[The provisions of the Transfer of Property Act, 1882, and of any other law for the time being in force, in so far as they may be applicable and in so far as they are not inconsistent with the provisions of this Act shall continue to apply to all tenancies to which the provisions of this Act apply.]
১০,৪৩৬.
'ক', 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' তা 'গ'-এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পর 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এ মর্মে একটি জাল দলিল দাখিল করে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবেই 'খ' কে হস্তান্তর প্রদান করা হয়েছিল। 'গ' এই জাল দলিল-
  1. বাতিলের আদেশ পেতে পারে
  2. সংশোধনের আদেশ পেতে পারে
  3. যথাযথ ভাবে সম্পাদনের আদেশ পেতে পারে
  4. সুনির্দিষ্ট ভাবে সম্পাদনের আদেশ পেতে পারে
সঠিক উত্তর:
বাতিলের আদেশ পেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিলের আদেশ পেতে পারে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৩৯ অনুযায়ী, যে কোনো অবৈধ বা জাল দলিল বাতিল করার জন্য আদালতে আবেদন করা যায়। আর এক্ষেত্রে 'ঘ' দ্বারা প্রদর্শিত দলিলটি জাল হওয়ায়, আদালত 'গ' এর আবেদন গ্রহণ করে জাল দলিলটি বাতিল করতে পারবে।

•৩৯ ধারা: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।

(ক) একটি জাহাজের মালিক প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্র যাত্রার উপযুক্তমর্মে উল্লেখপূর্বক একজন দায়গ্রাহক 'খ' কে উক্ত জাহাজের বীমা করতে প্রবৃত্ত করে। 'খ' বীমা পলিসির বিলুপ্তি পেতে পারে।

(খ) 'ক', 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' তা 'গ'-এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পর 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এ মর্মে একটি জাল দলিল দাখিল করে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবেই 'খ' কে হস্তান্তর প্রদান করা হয়েছিল। 'গ' এই জাল দলিলের বাতিলের আদেশ পেতে পারে।

(গ) 'ক' তার জমির, সকল প্রজা উচ্ছেদযোগ্য, এ বিবরণ প্রদান পূর্বক 'খ' এর নিকট জমি বিক্রয় করে। ১৮৭৭ সালের ১লা জানুয়ারী তারিখে একটি দলিলের মাধ্যমে 'খ' এর নিকট তা হস্তান্তর করে। এই তারিখের পরপরই ১৮৭৬ সালের পহেলা অক্টোবরের তারিখ দিয়ে 'ক' প্রতারণামূলকভাবে 'গ' কে উক্ত জমির অংশবিশেষ ইজারা প্রদান করে এবং নিবন্ধন আইন অনুসারে ইজারা নিবন্ধন করা হয়। 'খ' এ ইজারার বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
 
(ঘ) 'ক' একটি জাহাজ 'খ' এর নিকট অর্পণে সম্মত হল। যার জন্য 'খ' কে ৪টি হুণ্ডির মারফত ৩০,০০০ টাকা প্রদান করতে হবে, যা 'ক' গ্রহণ করবে। হুণ্ডিসমূহ প্রণয়ন ও গ্রহণ করা হল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী জাহাজ প্রদান করা হল না। 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে একটি হণ্ডি প্রসঙ্গে মামলা দায়ের করল। 'খ' সকল হুণ্ডির বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
১০,৪৩৭.
রিভিশন মামলায় একটি ডিক্রী হাইকোর্ট বিভাগে বহাল হলে তা জারীর জন্য কোন আদালতে দরখাস্ত করতে হয়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. মামলার বিষয়বস্তু যে আদালতের সীমানায় ঐ আদালতে
  3. জেলা আদালতে
  4. ডিক্রী প্রদানকারী আদালত
সঠিক উত্তর:
ডিক্রী প্রদানকারী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রী প্রদানকারী আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১০ এর বিধান জারির আবেদন (Application for execution): ডিক্রিদার ডিক্রিটি জারি করতে চাইলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালতে আবেদন করবেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-৩৮ এর বিধান যে আদালত কর্তৃক ডিক্রি জারি করা যায়: যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন, ঐ আদালত বা যে আদালতে তা জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে, ঐ আদালত ডিক্রি জারি করতে পারে।

⇒ জারিকারক আদালত (executing court)- কোন কোন আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ ধারা থেকে ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে। ৩৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন, সেই আদালত অথবা যে আদালতে ডিক্রিটি জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন।

⇒ ডিক্রি জারির কাজ সর্বদা বিচারিক আদালত (Trial court) করে থাকে, এমনকি কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপিল বা রিভিশন করা হলে, উক্ত আপিল বা রিভিশনে প্রদত্ত ডিক্রির ক্ষেত্রেও মূল আদালত অর্থাৎ বিচারিক আদালতই (Trial court) ডিক্রি জারি করবে।

⇒ ডিক্রিজারি সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি (objection) ডিক্রি জারিকারক আদালতই (executing court) নিষ্পত্তি করবে (all questions arising between the parties to the suit, relating to execution, discharge or satisfaction of the decree have to be decided by the executing court)।

⇒ An executing court can't modify the terms of the decree.
⇒ Executing court cannot question the legality, correctness or validity of the decree.
⇒  Executing court cannot go into the question whether decree has been obtained by fraud.
১০,৪৩৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898-এর ২৪৮ ধারা অনুসারে Complaint প্রত্যাহৃত হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি-
  1. মুক্তি পাবে।
  2. অব্যাহতি পাবে।
  3. খালাস পাবে।
  4. ডিসচার্জ পাবে।
সঠিক উত্তর:
খালাস পাবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস পাবে।
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ২৪৮ আনুযায় কোন মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে ফরিয়াদী যদি ম্যাজিষ্ট্রেটকে সম্ভষ্ট করতে পারেন যে, তাকে অভিযোগটি প্রত্যাহারের অনুমতি দেয়ার পর্যাপ্ত কারণ রয়েছে, তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট তাকে তা প্রত্যাহারের অনুমতি দিবেন এবং অতঃপর আসামীকে খালাস দিবেন।
১০,৪৩৯.
নিম্নের কোন ব্যক্তি মুসলিম উত্তরাধিকার অনুসারে কখনো উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হয় না?
  1. ভাই
  2. কন্যা
  3. দাদা
  4. চাচা
সঠিক উত্তর:
কন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কন্যা
ব্যাখ্যা
• মুসলিম আইনে সম্পদ বণ্টন একমাত্র মৃত্যুর পরেই কোন ব্যক্তির সম্পত্তিতে তার উত্তরাধিকারীগণের অধিকার সৃষ্টি হয়, মৃত্যুর পূর্বে নয়। একজন সুন্নি মুসলমানের বৈধ ওয়ারিশগন মূলতঃ দুই প্রকার। যথা:
১) প্রধান শ্রেণি (Principal Hairs);
২) অপ্রধান শ্রেণি (Secondary Hairs)।
 
⇒ প্রধান শ্রেণির উত্তরাধিকারীদের মধ্যে নিম্নে বর্ণিত ব্যক্তিরা কখনো উত্তরাধিকার বঞ্চিত হয় না:
১/ স্বামী;
২/ স্ত্রী;
৩/ পিতা;
৪/ মাতা;
৫/ পুত্র ও
৬/ কন্যা- এই ৬ শ্রেনীর উত্তরাধিকারী কখনো বঞ্চিত হয় না।
১০,৪৪০.
ফৌজদারি মামলায় ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিয়ে,আইনজীবীর মাধ্যমে হাজির হবার অনুমতি- কোন ধারায় দেয়া হয়েছে?
  1. ৭৫ ধারায়
  2. ৯০ ধারায়
  3. ১৯০ ধারায়
  4. ২০৫ ধারায় 
সঠিক উত্তর:
২০৫ ধারায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৫ ধারায় 
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিতে পারেন (Magistrate may dispense with personal attendance of accused)-

(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।

(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতোপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।
১০,৪৪১.
‘B’ একজন মহিলার ওপর ইচ্ছাকৃতভাবে বলপ্রয়োগ করে, জেনে যে এটি তার লজ্জার হানি করতে পারে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘B’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩৫২
  2. ধারা ৩৫৪
  3. ধারা ৩৫৫
  4. ধারা ৩৫৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫৪
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুসারে, কোনো মহিলার উপর আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে তার লজ্জার হানি করার উদ্দেশ্যে কাজ করলে শাস্তি ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। ‘B’-এর কাজ এই ধারার অধীনে অপরাধ।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ মতে- 
যদি কোন ব্যক্তি কোন নারীর শালীনতা নষ্ট করার অভিপ্রায়ে বা সে তৎকর্তৃক তার শালীনতা নষ্ট করতে পারে জেনে তাকে আক্রশ করে বা তৎপ্রতি অপরাধজনক বলপ্রয়োগ করে, তাহলে সে ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে—যার মেয়াদ দুই বছর পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 354- Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty:
Whoever assaults or uses criminal force to any woman, intending to outrage or knowing it to be likely that he will thereby outrage her modesty, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১০,৪৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ অনুযায়ী নালিশ প্রত্যাহার করতে কার অনুমতি নিতে হয়?
  1. পুলিশ অফিসার
  2. আদালতের রেজিস্ট্রার
  3. সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৮ ধারা অনুযায়ী অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতিতে নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 248: Withdrawal of complaint:
If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint, the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.
১০,৪৪৩.
তামাদি আইনের ধারা ২৮ অনুসারে, যদি কেউ নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে দখল প্রাপ্তির মামলা না করে, তবে-
  1. জরিমানা দিতে হয়
  2. সে আপিল করতে পারে
  3. নতুন মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়
  4. সম্পত্তিতে তার অধিকার বিলুপ্ত হয়
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে তার অধিকার বিলুপ্ত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে তার অধিকার বিলুপ্ত হয়
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৮ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা না করলে সম্পত্তির ওপর আইনি অধিকার চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যায়।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৮ বলছে, "যে কোন ব্যক্তি যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা দায়ের না করে, তাহলে নির্ধারিত সময় উত্তীর্ণ হওয়ার সাথে সাথেই তার সে সম্পত্তিতে অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।"
- অর্থাৎ এই ধারা একটি দমনাত্মক বিধান (extinguishing provision)। এটি শুধু মামলা গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্ন নয়, বরং আইনি অধিকারই বাতিল করে দেয়।

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২৮: সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি:
কোনো সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section 28: Extinguishment of right to property:
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.

১০,৪৪৪.
মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশ করলে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড-
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
• ১৪৪ ধারা মতে মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশের শাস্তি হিসেবে অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দন্ডের বিধান রয়েছে।
১০,৪৪৫.
Mesne Profit বলতে বুঝায় একজন ব্যক্তি কর্তৃক কোন সম্পত্তি হতে প্রাপ্ত মুনাফা, যে সম্পত্তিতে উক্ত ব্যক্তির-
  1. বৈধ দখল আছে
  2. অনুমিত দখল আছে
  3. আইনসঙ্গত দখল আছে
  4. অন্যায়ভাবে দখল আছে
সঠিক উত্তর:
অন্যায়ভাবে দখল আছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যায়ভাবে দখল আছে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২) মতে বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তিসাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne profits] বলে।
♦ তবে বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne Profits] বলে গণ্য হবে না।
♦ সুতরাং মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne Profits] এর ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে  বিবাদীর  বেআইনী দখল এবং স্বাভাবিকভাবে লাভ।

♦ অর্থাৎ আমরা বলে পারি যে; Mesne Profit বলতে বুঝায় একজন ব্যক্তি কর্তৃক কোন সম্পত্তি হতে প্রাপ্ত মুনাফা, যে সম্পত্তিতে উক্ত ব্যক্তির অন্যায়ভাবে দখল আছে।
১০,৪৪৬.
রদ্দ নীতির আভিধানিক অর্থ কী?
  1. বণ্টন করা
  2. বাতিল করা
  3. সংরক্ষণ করা
  4. প্রত্যাবর্তন করা
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাবর্তন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাবর্তন করা
ব্যাখ্যা

⇒ রদ্দ নীতির আভিধানিক অর্থ হলো "প্রত্যাবর্তন করা" বা "ফিরিয়ে দেওয়া" (আরবি: رَدّ)। এটি ইসলামী উত্তরাধিকার আইনের একটি বিশেষ নিয়ম, যেখানে: শর্তপূরণ সাপেক্ষে (অংশীদারদের অংশের যোগফল ১-এর কম হলে এবং কোনো আসাবা না থাকলে)
অবশিষ্ট সম্পত্তি স্বামী/স্ত্রী বাদে অন্যান্য অংশীদারদের কাছে প্রত্যাবর্তন (ফেরত) করা হয়।

অর্থাৎ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে রদ্দ নীতি প্রয়োগ হয় যখন যাবিল ফুরুজ বা অংশীদারদের অংশের যোগফল ১ এর চেয়ে কম হয় এবং মৃত ব্যক্তির কোনো আসাবা (যেমন পুত্র, পিতা ইত্যাদি) না থাকে।
- এই ক্ষেত্রে অবশিষ্ট সম্পত্তি স্বামী/স্ত্রী ব্যতীত অন্যান্য অংশীদারদের কাছে পুনরায় বণ্টন করা হয়, অর্থাৎ অংশীদারদের মধ্যে সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়া বা প্রত্যাবর্তন করা হয়।

উল্লেখ্য যে, 
রদ্দ নীতি আউল নীতির বিপরীত (আউলে অংশের যোগফল ১-এর বেশি হলে অংশ কমিয়ে বণ্টন করা হয়)।
এটি যাবিল ফুরুজ (নির্দিষ্ট অংশীদার) যেমন কন্যা, মা, দাদি প্রভৃতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

উদাহরণ:
যদি মৃতের স্বামী (১/৪), কন্যা (১/২) ও মা (১/৬) থাকে, তবে অংশের যোগফল = ১১/১২ (<১)।
অবশিষ্ট ১/১২ কন্যা ও মাকে তাদের প্রাপ্ত অংশের অনুপাতে (৬:২) বণ্টন করা হবে।

১০,৪৪৭.
যদি মিথ্যা অভিযোগটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সম্পর্কে হয়, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২১১ ধারা বিধান- ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে অপরাধ বিষয়ক মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারি মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

১০,৪৪৮.
স্বত্ত্ব ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মোকদ্দমা কত দিনের মধ্যে দায়ের করতে হয়?
  1. ৬ মাস
  2. ১২ মাস
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন,১৯০৮: অনুচ্ছেদ- ৩: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মোকদ্দমা।
[under the specific relief Act, 1877, section 9, to recovery of Possession of Immovable Property]

তামাদি- ৬ মাস
সময় গণনা শুরু- সম্পত্তি হতে বেদখলের সময়।
১০,৪৪৯.
কোন স্থাবর সম্পত্তি দুই পক্ষের কারো দখলে নাই, আদালত কি করবে?
  1. যে কোন পক্ষকে দখল বুঝিয়ে দিবে
  2. উক্ত সম্পত্তি ক্রোক করবে
  3. সমভাবে বন্টন করে দিবে
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উক্ত সম্পত্তি ক্রোক করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত সম্পত্তি ক্রোক করবে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারা মতে জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন। 

অর্থাৎ কারো দখলে না থাকলে আদালত  সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।


♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা: ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিলনা, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেনঃ

শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটোর নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবেঃ

শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
১০,৪৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ভবঘুরে, অভ্যাসগত দস্যু গ্রেফতারের বিধান রয়েছে?
  1. ৫৪
  2. ৫৫
  3. ৫৭
  4. ৫৯
সঠিক উত্তর:
৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫ ধারায় ভবঘুরে, অভ্যাসগত দস্যু, ডাকাত, গৃহভঙ্গকারী বা চোরকে গ্রেফতারের বিধান রয়েছে। ৫৫ ধারামতে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ভবঘুরে (vagabonds), অভ্যাসগত দস্যু (habitual robbers), ডাকাত, গৃহভঙ্গকারী বা চোরকে গ্রেফতার করতে পারবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫ ধারার বিধান ভবঘুরে, অভ্যাসগত দস্যু প্রভৃতি গ্রেফতার:
(১) থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার অনুরূপভাবে নিম্নে উল্লিখিথ ব্যক্তিদেরকে গ্রেফতার করতে বা গ্রেফতারের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন-

(ক) এরূপ থানার এলাকার মধ্যে কোন ব্যক্তি এ পরিস্থিতিতে নিজের উপস্থিতি গোপন রাখার লক্ষ্যে সাবধানতা গ্রহণ করতেছে, যদরুণ যৌক্তিকভাবে বিশ্বাস করা যেতে পারে যে, কোন আমলযোগ্য অপরাধ করার লক্ষ্যেই সে এরূপ সতর্কতা গ্রহণ করতেছে, অথবা

(খ) এরূপ থানার এলাকার মধ্যে কোন প্রকাশ্য জীবিকা নেই এরূপ কোন ব্যক্তিকে অথবা নিজের সম্পর্কে কোন সন্তোষজনক বিবরণ প্রদান করতে পারে না এরূপ কোন ব্যক্তিকে, অথবা

(গ) অভ্যাসগতভাবে ডাকাত, গৃহভংগকারী, বা চোর হিসাবে পরিচিত বা চোরাই হিসাবে অবগত হয়ে অভ্যাসগতভাবে চোরাই মাল গ্রহণ করার দুর্নাম আছে, এরূপ কোন ব্যক্তিকে অথবা অভ্যাসগতভাবে বলপূর্বক আদায় করে রূপে পরিচিত অভ্যাসগতভাবে বলপূর্বক গ্রহণের লক্ষ্যে অন্যকে আঘাতের ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে বা করার চেষ্টা করে।
----------------------------------
The Code of Criminal Procedure, Section 55. Arrest of vagabonds, habitual robbers, etc:
(1) Any officer in Charge of a police-station may, in like manner, arrest or cause to be arrested- 
(a) any person found taking precautions to conceal his presence within the limits of such station, under circumstances which afford reason to believe that he is taking such precautions with a view committing a cognizable offence; or 
(b) any person within the limits of such station who has no ostensible means of subsistence, or who cannot give a satisfactory account of himself; or 
(c) any person who is by repute an habitual robber, house-breaker or thief, or an habitual receiver of stolen property knowing it to be stolen, or who by repute habitually commits extortion or in order to the committing of extortion habitually puts or attempts to put persons in fear of injury.
১০,৪৫১.
কোনটি দস্যুতা বলিয়া গণ্য হইবে?
  1. চুরির উগ্রতা
  2. বলপূর্বক গ্রহণের উগ্রতা
  3. অপরাধ জনক বিশ্বাস ভঙ্গ
  4. 'ক' অথবা 'খ' যে কোন একটি
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ' যে কোন একটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ' যে কোন একটি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।

যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।

বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।

---------
⇒  Section 390- Robbery:  In all robbery there is either theft or extortion.
⇒ When theft is robbery
Theft is "robbery" if, in order to the committing of the theft, or in committing the theft, or in carrying away or attempting to carry away property obtained by the theft, the offender, for that end, voluntarily causes or attempts to cause to any person death or hurt or wrongful restraint, or fear of instant death or of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
⇒  When extortion is robbery
Extortion is “robbery” if the offender, at the time of committing the extortion, is in the presence of the person put in fear, and commits the extortion by putting that person in fear of instant death, instant hurt, or of instant wrongful restraint to that person, or to some other person, and, by so putting in fear, induces the person so put in fear then and there to deliver up the thing extorted.

⇒ Explanation.-The offender is said to be present if he is sufficiently near to put the other person in fear of instant death, of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
১০,৪৫২.
'ক' নিজেকে 'খ' দাবি করে 'খ'-এর ব্যাংক একাউন্ট থেকে ১০,০০০ টাকা উত্তোলন করে। 'ক'-এর অপরাধ পেনাল কোডের কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য?
  1. ৪১৫ ধারায়
  2. ৪১৬ ধারায়
  3. ৪১৭ ধারায়
  4. ৪১৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪১৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• পেনাল কোডের ৪১৬ ধারায় অপরের রূপ ধারন পূর্বক প্রতারণা বা ছদ্মবেশী প্রতারণার (cheating by personation) সংজ্ঞা রয়েছে। প্রতারণার উদ্দেশ্যে অন্যের পরিচয়ে নিজেকে উপস্থিত করলে তাকে ছদ্মবেশী প্রতারণা বা Cheating by personation বলে।

৪১৯ ধারায় cheating by personation এর শাস্তি বর্ণিত আছে, যা অনধিক ৩ বৎসর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড। পেনাল কোডের ৪১৯ ধারায় শাস্তি বর্ণিত আছে তাই ৪১৯ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
১০,৪৫৩.
স্বার্থবিহীন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি প্রযোজ্য নয়?
  1. বাদী ও কোনো বিবাদীর মধ্যে বিরোধ নেই
  2. বিবাদীগণ কর্তৃক দাবিগুলো স্বতন্ত্রভাবে প্রণীত হতে হবে
  3. বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে বিরোধ থাকা আবশ্যক
  4. বাদী শুধুমাত্র মামলার ব্যয়াদি ও দায় সংক্রান্ত স্বার্থ রাখতে পারেন
সঠিক উত্তর:
বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে বিরোধ থাকা আবশ্যক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে বিরোধ থাকা আবশ্যক
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৫ বিধি-১: স্বার্থবিহীন মোকদ্দমায় আরজি:
স্বার্থবিহীন ব্যবহার মোকদ্দমায় প্রত্যেক মোকদ্দমার আরজিতে, আরজির জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিবৃতির অতিরিক্ত নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলো বিবৃত করতে হবে-
ক) বাদী মোকদ্দমার বিতর্কিত বিষয়বস্তুতে দায়সমূহের বা মোকদ্দমার ব্যয়াদির জন্য ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবী করে না,
খ) বিবাদীগণ কর্তৃক দাবীসমূহ স্বাতন্ত্র্যভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং
গ) যে বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোন বিরোধ নেই।

Rule-1: Plaint in interpleader-suits-
In every suit of interpleader the plaint shall, in addition to other statements necessary for plaints, state-
a) that the plaintiff claims no interest in the subject-matter in dispute other than for charges or costs;
b) the claims made by the defendants severally; and
c) that there is no collusion between the plaintiff and any of the defendants.
১০,৪৫৪.
রেজিস্ট্রেশন আইনে একটি কবলা দলিল কবে থেকে কার্যকর হবে?
  1. কবলা রেজিস্ট্রেশনে দিন থেকে
  2. কবলা সম্পাদনের দিন থেকে
  3. কবলা অনুসারে জমি দখলের দিন থেকে
  4. যে দিন সাব-রেজিস্ট্রার অনুমোদিত দিবেন সে দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
কবলা সম্পাদনের দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কবলা সম্পাদনের দিন থেকে
ব্যাখ্যা
• নিবন্ধন আইনের ৪৭ ধারার বিধান যে সময় হতে নিবন্ধিত দলিল কার্যকর হয় (Time from which registered document operates): নিবন্ধিত দলিল সেই সময় হতে কার্যকর হবে, যদি উক্ত দলিলের নিবন্ধন আবশ্যক না হলে যে সময় হতে কার্যকর হতো এবং এর নিবন্ধনের সময় হতে নয়।
 অর্থাৎ দলিল সম্পাদনের তারিখ হতে একটি নিবন্ধিত দলিল কার্যকর হবে, দলিলটি যেদিন থেকে নিবন্ধন করা হয়েছে সেদিন থেকে নয়।
১০,৪৫৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩২ ধারায় নারীদের ব্যক্তিগত উপস্থিতি থেকে অব্যাহতির বিধান কিসের উপর নির্ভর করে?
  1. নারীর বয়সের উপর
  2. নারীর আয়ের উপর
  3. নারীর শিক্ষাগত যোগ্যতার উপর
  4. নারীর সামাজিক প্রথা ও রীতিনীতির উপর
সঠিক উত্তর:
নারীর সামাজিক প্রথা ও রীতিনীতির উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারীর সামাজিক প্রথা ও রীতিনীতির উপর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩২ ধারায় নারীদের ব্যক্তিগত উপস্থিতি থেকে অব্যাহতির বিধান  "নারীর সামাজিক প্রথা ও রীতিনীতির উপর" উপর নির্ভর করে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩২ ধারায় কতিপয় স্ত্রী লোকের ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতির বিধান রয়েছে।
- প্রথা অনুযায়ী যে সকল মহিলাকে জনসমক্ষে হতে বাধ্য করা যায় না সেই সকল মহিলা আদালতে হাজিরা থেকে অব্যাহতি পাবেন।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩২ ধারার বিধান: কতিপয় মহিলার ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি:-
১) দেশের প্রথা ও রীতি অনুযায়ী যে সকল মহিলাকে জনসমক্ষে উপস্থিত হওয়ার জন্য বাধ্য করা উচিত নয়, উক্তরূপ মহিলা ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজির হতে অব্যাহতি পাবে।
২) এই আইন অনুসারে কোন মহিলাকে গ্রেফতারের ব্যাপারে যেক্ষেত্রে কোন নিষিদ্ধতা নেই, সেক্ষেত্রে দেওয়ানি পরোয়ানা জারিতে গ্রেফতার হতে উক্তরূপ মহিলা অব্যাহতি পাবে বলে এখানে উল্লিখিত কোন কিছু হতে বিবেচনা করা যাবে না।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 132. Exemption of certain women from personal appearance.
(1) Women who, according to the customs and manners of the country, ought not to be compelled to appear in public shall be exempt from personal appearance in Court.
(2) Nothing herein contained shall be deemed to exempt such women from arrest in execution of civil process in any case in which the arrest of women is not prohibited by this Code.
১০,৪৫৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার অধীন ফৌজদারি আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে?
  1. ৪২৩
  2. ৪২৫
  3. ৪২৭
  4. ৪২৮
সঠিক উত্তর:
৪২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৮
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার অধীন আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে বা বিচারকারী আদালতকে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার বিধান: আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন:
(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন ।
(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।
(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামী বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকবেন।
(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।
-------------------------
⇒ CrPC-Section 428- Appellate Court may take further evidence or direct it to be taken:
(1) In dealing with any appeal under this Chapter, the Appellate Court, if it thinks additional evidence to be necessary, shall record its reasons, and may either take such evidence itself, or direct it to be taken by a Magistrate, or, when the Appellate Court is High Court Division, by a Court of Session or a Magistrate. 
(2) When the additional evidence is taken by the Court of Session or the Magistrate, it or he shall certify such evidence to the Appellate Court, and such Court shall thereupon proceed to dispose of the appeal. 
(3) Unless the Appellate Court otherwise directs, the accused or his pleader shall be present when the additional evidence is taken. 
(4) The taking of evidence under this section shall be subject to the provisions of Chapter XXV, as if it were an inquiry.
১০,৪৫৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় সাক্ষীকে আদালতে উপস্থিত করার দায়িত্ব পুলিশ অফিসারকে দেওয়া হয়েছে?
  1. 171(2)
  2. 173(3A)
  3. 172(2)
  4. 123
সঠিক উত্তর:
171(2)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
171(2)
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার বিধান: ফরিয়াদি এবং সাক্ষীগণকে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না:
(১) কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাবার পথে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না।
ফরিয়াদি ও সাক্ষীগণকে বাধা দেয়া যাবে না: অথবা অনাবশ্যক বাধা দেয়া যাবে না বা অসুবিধায় ফেলা যাবে না, বা তার নিজের মুচলেকা ছাড়া তার হাজিরের জন্য কোন জামানত দাবি করা যাবে না।
অবাধ্য ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে হেফাজতে পাঠানো যাবে: শর্ত থাকে যে, ধারা-১৭০ এ প্রদত্ত নির্দেশ অনুসারে কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষী হাজির হতে বা মুচলেকা সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে মুচলেকা সম্পাদন না করা বা মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে আটক রাখতে পারেন।
 
(২) উপধারা (১) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, মোকদ্দমার শুনানিকালে ফরিয়াদি বা সাক্ষী যেন আদালতে উপস্থিত থাকে তার সুনিশ্চিত বন্দোবস্ত করার দায়িত্ব পুলিশ কর্মকর্তার উপর ন্যস্ত হবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-171: Complainants and witnesses not to be required to accompany Police-Officer:
(1)] No complainant or witness on his way to the Court of the Magistrate shall be required to accompany a police-officer,
- Complainants and witnesses not to be subjected to restraint:
or shall be subjected to unnecessary restraint or incon-venience, or required to give any security for his appearance other than his own bond:
- Recusant complainant or witness may be forwarded in custody:
Provided that, if any complainant or witness refuses to attend or to execute a bond as directed in section 170, the officer in charge of the police-station may forward him in custody to the Magistrate, who may detain him in custody until he executes such bond, or until the hearing of the case is completed.
(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), it shall be the responsibility of the police-officer to ensure that the complainant or the witness appears before the Court at the time of hearing of the case.
১০,৪৫৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১ম তফসিলে মোট কতটি আদেশ অন্তর্ভুক্ত আছে?
  1. ৪৪ টি
  2. ৫১ টি
  3. ৫৪ টি
  4. ৫৬ টি
সঠিক উত্তর:
৫১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১ টি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি:
মোট আদেশ (Order): দেওয়ানি কার্যবিধিতে ৫১টি আদেশ রয়েছে, যা প্রথম তফসিলে উল্লেখ করা হয়েছে।
দেওয়ানি কার্যবিধি দুই ভাগ:
- ১. ধারা (Sections): মোট ১৫৮টি ধারা।
- ২. তফসিল (Schedules): মোট ৩টি তফসিল বর্তমানে প্রযোজ্য।

তফসিলসমূহ:
১. প্রথম তফসিল: আদেশ ও বিধিসমূহ (৫১টি আদেশ)।
২. দ্বিতীয় তফসিল: বাতিল।
৩. তৃতীয় তফসিল: কালেক্টরের মাধ্যমে ডিক্রি জারি।
৪. চতুর্থ তফসিল: সংশোধিত আইনসমূহ।
৫. পঞ্চম তফসিল: বাতিল।
১০,৪৫৯.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে কয়টি অনুচ্ছেদ রয়েছে?
  1. ১৪৩ টি
  2. ১৭৩ টি
  3. ১৯৩ টি
  4. ১৮৩ টি
সঠিক উত্তর:
১৮৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৩ টি
ব্যাখ্যা
⇒ বর্তমানে প্রচলিত তামাদি আইনটি ৭ আগস্ট ১৯০৮ সালে প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়), যা তামাদি আইন ১৯০৮ নামে পরিচিত। এটি ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
- তামাদি আইন ১৯০৮ সালের ৯ নং আইন।
-বর্তমানে তামাদি আইনের ২৯টি ধারা এবং ১টি তফশিল বলবৎ আছে। তামাদি আইনের ৩০ থেকে ৩২ (মোট ৩টি) ধারা বাতিল (repeal ) করা হয়েছে।
- তফসিলে মোকদ্দমা, আপিল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে। তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
i. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
ii. আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
iii. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।
১০,৪৬০.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী কোন ভিত্তিতে একজন শিশুকে সাক্ষী হিসেবে গ্রহণ করা হয়?
  1. শিশুর বয়স
  2. শিশুর বোধশক্তি
  3. শিশুর শিক্ষাগত যোগ্যতা
  4. উল্লিখিত সবগুলোর উপর
সঠিক উত্তর:
শিশুর বোধশক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিশুর বোধশক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী শিশুর বোধশক্তির ভিত্তিতে একজন শিশুকে সাক্ষী হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

⇒ সাক্ষীর যোগ্যতা: সাক্ষীর সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে আলোচনা আছে ১১৮- ১৩১ ও ১৩৩ ধারায়।
সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতিবৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসংগত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।
ব্যাখ্যা- কোন বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি যদি তাহার মস্তিষ্ক বিকৃতির জন্য তাহাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা উহার যুক্তিসংগত উত্তর দিতে অক্ষম না হয়, তবে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হইবে না।

উক্ত ধারা অনুযায়ী প্রশ্ন বুঝে উত্তর দিতে সক্ষম সকল ব্যক্তি যোগ্য সাক্ষী।
যেমন- বোধশক্তিসম্পন্ন শিশু, অল্পবয়স্ক বুদ্ধিমান বালক, প্রশ্ন বুঝে উত্তরদানে সক্ষম বিকৃতমস্তিস্কের ব্যক্তি; বোবা, জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝে উত্তরদানে সক্ষম ব্যক্তি। এক্ষেত্রে তাদের বয়স, দৈহিক বা মানসিক অবস্থা, শিক্ষাগত যোগ্যতা সাক্ষ্য প্রদানে বাধার সৃষ্টি করবে না।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section: 118. Who may testify:
-All persons shall be competent to testify unless the Court considers that they are prevented from understanding the questions put to them, or from giving rational answers to those questions, by tender years, extreme old age, disease, whether of body or mind, or any other cause of the same kind.
Explanation.–A lunatic is not incompetent to testify, unless he is prevented by his lunacy from understanding the questions put to him and giving rational answers to them.
১০,৪৬১.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order-V Rule-28 অনুসারে, যদি বিবাদী একজন সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক হন, তবে সমন কার নিকট পাঠানো হয়?
  1. তার পরিবারের নিকট
  2. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিকট
  3. তার অধিনায়কের নিকট
  4. তার বাহিনীর প্রধানের নিকট
সঠিক উত্তর:
তার অধিনায়কের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার অধিনায়কের নিকট
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order V, Rule 28-এর সরাসরি বিধান হলো: Service on soldiers, sailors or airmen: "Where the defendant is a soldier, sailor or airman, the Court shall send the summons for service to his commanding officer together with a copy to be retained by the defendant."
- "যখন বিবাদী একজন সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক হন, আদালত তার অধিনায়কের (Commanding Officer) নিকট সমন জারির জন্য প্রেরণ করবেন, বিবাদীর জন্য রাখার একটি কপিসহ।"
- অর্থাৎ যদি বিবাদী বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী বা বিমানবাহিনীর কর্মরত সদস্য হন (soldier, sailor or airman), তবে আদালত সমন সরাসরি তার নিজের হাতে পাঠাবে না। সমনটি তার কমান্ডিং অফিসারের (যিনি তার ইউনিট/জাহাজ/স্কোয়াড্রনের দায়িত্বে আছেন) কাছে পাঠাতে হবে। কমান্ডিং অফিসার সমনটি বিবাদীর হাতে পৌঁছে দেবেন এবং একটি কপি তার কাছে রেখে দেবেন।
- সুতরাং, দেওয়ানি কার্যবিধির Order V, Rule 28 অনুযায়ী বিবাদী সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক হলে তার সমন তার অধিনায়কের (Commanding Officer) নিকট পাঠানো হয়।

১০,৪৬২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১১ বিধি-১ মামলার কোন পক্ষ আদালতের অনুমতিতে, ইস্যু গঠনের তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে লিখিত প্রশ্নাবলী (Interrogatories) দিতে পারে?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১১ বিধি-১ (Order XI Rule 1) Discovery by interrogatories:
"In any suit the plaintiff or defendant by leave of the Court may, within ten days from the date of framing of issues, deliver interrogatories in writing..."
অর্থাৎ, মামলার ইস্যু (issues) গঠনের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে বাদী বা বিবাদী আদালতের অনুমতি নিয়ে লিখিত প্রশ্নাবলী (Interrogatories) দিতে পারে।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১, বিধি ১ অনুযায়ী, মামলার কোনো পক্ষ আদালতের অনুমতিতে, ইস্যু গঠনের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিত প্রশ্নাবলী (Interrogatories) দিতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 11 Rule 1: Discovery by interrogatories:
- In any suit the plaintiff or defendant by leave of the Court may, within ten days from the date of framing of issues, deliver interrogatories in writing for the examination of the opposite parties or any one or more of such parties, and such interrogatories when delivered shall have a note at the foot thereof stating which of such interrogatories each of such persons is required to answer: Provided that no party shall deliver more than one set of interrogatories to the same party without an order for that purpose: Provided also that interrogatories which do not relate to any matters in question in the suit shall be deemed irrelevant, notwithstanding that they might be admissible on the oral cross-examination of a witness.

১০,৪৬৩.
নিম্নের কোনটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকারের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সম্পত্তির দখল গ্রহণ
  2. রিসিভার নিয়োগ
  3. ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ
  4. কাজ না করতে বাধ্য করানো
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার বলতে একটি বিশেষ ধরনের আইনগত প্রতিকারকে (Legal redress) বুঝায়, যা অন্যান্য প্রতিকার থেকে ভিন্ন। আর্থিক ক্ষতিপূরণ অনেক ক্ষেত্রে অপর্যাপ্ত ও অনাকাঙ্ক্ষিত প্রতিকার হিসেবে প্রতীয়মান হতে পারে। এক্ষেত্রে আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সুনির্দিষ্টভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়ে যে প্রতিকার মঞ্জুর করে তাকে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার বলে। এই জন্য বলতে পারি যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার বলতে আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বিশেষ ধরনের প্রতিকারকে বুঝায়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৫ ধারা মতে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
১০,৪৬৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯গ অনুসারে, সরকার কার সাথে পরামর্শ করে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে মৃত্যুদণ্ড ব্যতীত সকল অপরাধ বিচারের ক্ষমতা দান করতে পারে?
  1. আইন কমিশন
  2. অ্যাটর্নি জেনারেল
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (CrPC) এর ধারা ২৯গ (29C) তে বর্ণিত বিধান- মৃত্যুদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য নয় এমন অপরাধের বিচার:
- ২৯ ধারায় যা কিছুই থাকুক না কেন, সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে-
(ক) চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা কোনো অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট -কে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য নয় এমন সকল অপরাধের বিচার করার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারে;
(খ) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা যেকোনো প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে মৃত্যুদণ্ড বা দশ বছরের অধিক মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য নয় এমন সকল অপরাধের বিচার করার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ২৯গ এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, “Notwithstanding anything contained in section 29, the Government may in consultation with the High Court Division— (a) invest the Chief Metropolitan Magistrate, Chief Judicial Magistrate or any Additional Chief Judicial Magistrate with power to try as a Magistrate all offences not punishable with death;”
অর্থাৎ, সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শ করে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে মৃত্যুদণ্ড ব্যতীত সকল অপরাধ বিচারের ক্ষমতা দান করতে পারে।

১০,৪৬৫.
কোনটি প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ ক্ষমতা নয়?
  1. দোষস্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করা
  2. কমিশন মারফত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা
  3. অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণে বাধ্য করার ক্ষমতা
  4. দণ্ডবিধিভুক্ত যে কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধিভুক্ত যে কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধিভুক্ত যে কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণ
ব্যাখ্যা
• প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দিষ্ট কিছু ক্ষমতা রয়েছে, তবে তারা সব ধরনের অপরাধ আমলে নিতে পারেন না। শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ার তাদের রয়েছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর: "ঘ) দণ্ডবিধিভুক্ত যে কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণ"।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩য় তফসিলে বর্ণিত প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ ক্ষমতাসমূহ- দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সকল সাধারণ ক্ষমতা এবং,
ধারা ৯৮- তদন্ত প্রসঙ্গে ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রে তল্লাশি পরোয়ানা জারির ক্ষমতা,
ধারা ৭৮- জমির মালিক, কৃষক প্রমুখের নিকট পরোয়ানা প্রেরণ করার নির্দেশ দানের ক্ষমতা,
ধারা ১০০- অন্যায়ভাবে আটক ব্যক্তিকে খুঁজে বাহির করার জন্য তল্লাশি পরোয়ানা জারির ক্ষমতা,  
ধারা ১২৬কজামিনদারকে রেহাই দেয়ার ক্ষমতা,

ধারা ১৮৬- দেশের বাহিরে সংঘটিত অপরাধের জন্য সমন বা পরোয়ানা জারির ক্ষমতা, 
ধারা ১৬৪- পুলিশ কর্তৃক অনুসন্ধানের সময়কালে বিবৃতি বা দোষস্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধকরণের ক্ষমতা,  
ধারা ২০৫গ- স্থানীয় অধিক্ষেত্রের দায়রা আদালতে মামলা প্রেরণ করার ক্ষমতা,
ধারা ২৪৯- ফরিয়াদি হাজির না থাকলে কার্যক্রম বন্ধ করার ক্ষমতা, 
ধারা ৩৩৭- নিজে মামলার তদন্ত করার সময় অপরাধের সাথে জড়িত ব্যক্তিকে ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতা, 

ধারা ৫০৩- কমিশন মারফত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা, 

ধারা ৫১৪,৫১৪ক- বাজেয়াপ্ত মুচলেকার অর্থ আদায়ের ক্ষমতা এবং নতুন জামানত দাবি করার ক্ষমতা, 
ধারা ৫৫২- অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণে বাধ্য করার ক্ষমতা,
ধারা ৫৬১- স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ধর্ষণের অপরাধ আমলে নেয়া এবং উক্ত অপরাধীকে বিচারের জন্য সোপর্দ করার ক্ষমতা,
ধারা ৫৬৫- পূর্বে দণ্ডিত অপরাধীদের ঠিকানা জানার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা।
১০,৪৬৬.
'ক' যদি 'খ' কে আংশিকভাবে খাবার না দিয়ে এবং আংশিকভাবে তাকে মারধর করে হত্যা করে, তাহলে 'ক'-
  1. খুনের দায়ে অপরাধী হবে
  2. নৈতিক অপরাধে দায়ী হবে শুধু
  3. খুনের দায়ে অপরাধী হবে না
  4. শুধুমাত্র মারধরের অপরাধে দায়ী হবে
সঠিক উত্তর:
খুনের দায়ে অপরাধী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুনের দায়ে অপরাধী হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬: আংশিক কার্যানুষ্ঠান দ্বারা এবং আংশিক কার্য বিরতির দ্বারা সৃষ্ট ফল:
যখন কার্যানুষ্ঠান বা কার্য বিরতির দ্বারা কোন বিশেষ ফলাফল ঘটানোর বা উক্ত ফলাফল ঘটানোর কোন উদ্যোগ অপরাধ বলে গণ্য হয়, সেক্ষেত্রে আংশিকভাবে কোন কার্য এবং আংশিকভাবে কোন কার্যানুষ্ঠান বিরতির সাহায্যে উক্ত ফলাফল ঘটানো একই অপরাধ বলে বিবেচনা করতে হবে।

উদাহরণ: 
 'ক' যদি 'খ' কে আংশিকভাবে খাবার না দিয়ে এবং আংশিকভাবে তাকে মারধর করে হত্যা করে, তাহলে 'ক' খুনের দায়ে অপরাধী হবে।

সহজ ভাষায়, 
যদি কোনো ব্যক্তি আংশিকভাবে কোনো কাজ করে অথবা আংশিকভাবে কোনো কাজ না করে, আর এর ফলে কোনো অপরাধমূলক ঘটনা ঘটে, তাহলে এটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। অর্থাৎ, আংশিকভাবে কাজ করা বা না করার মাধ্যমে যদি অপরাধ সংঘটিত হয়, তবে সেই ব্যক্তিকে ওই অপরাধের জন্য দায়ী করা হবে।
১০,৪৬৭.
অপর্যাপ্ত স্ট্যাম্প পেপারে আরজি লিখলে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে আদালত কী করতে পারে?
  1. আরজি স্থগিত করবে
  2. আরজি প্রত্যাখ্যান করবে
  3. আরজির শুনানি চালিয়ে যাবে
  4. আরজি ফেরত দিবে
সঠিক উত্তর:
আরজি প্রত্যাখ্যান করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি প্রত্যাখ্যান করবে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১১ বিধি অনুযায়ী, আদালত ৪টি কারণে আরজি প্রত্যাখান করতে পারে। যথা-

(ক) আরজিতে মামলার কারণ (cause of action) উল্লেখ না করলে।
(খ) আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম করে উল্লেখ করা হলে এবং আদালতের নির্দেশমত নির্ধারিত সময় বা সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে মোকদ্দমায় মূল্যমান সংশোধন এবং অতিরিক্ত কোর্ট ফি প্রদান করতে ব্যর্থ হলে।
(গ) অপর্যাপ্ত স্টাম্প পেপারে লিখলে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে।
(ঘ) মামলাটি কোনো আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ বা বারিত হলে। যেমন- তামাদি আইনে বারিত হলে, আদালত আরজি প্রত্যাখান করতে পারে।

১০,৪৬৮.
আইনজীবীদের পেশাগত আচরণ ও শিষ্টাচারের নীতিমালা প্রণয়নের উদ্দেশ্য কী?
  1. আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা
  2. নাগরিকদের অধিকার রক্ষা
  3. আদালতের মর্যাদা রক্ষা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
উত্তর: ঘ) উপরের সবকটি।

→ আইনজীবীদের পেশাগত আচরণ ও শিষ্টাচারের নীতিমালা প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্য হলো আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, নাগরিকদের অধিকার রক্ষা এবং আদালতের মর্যাদা রক্ষা করা। এই নীতিমালা আইনজীবীদের মধ্যে সঠিক ও পেশাগত আচরণ বজায় রাখতে সহায়তা করে, যা আইনি প্রক্রিয়ার প্রতি মানুষের আস্থা বৃদ্ধি করে এবং বিচার ব্যবস্থার সততা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করে।
১০,৪৬৯.
'ক','খ' ও 'গ' একটি প্রতিষ্ঠানের অংশীদার এবং 'ঘ' উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিকট ঋণগ্রস্থ হয়। 'খ' উন্মাদ এবং 'গ' জড়বুদ্ধিসম্পন্ন। 'খ' এবং 'গ'-এর সম্মতি ব্যতীত 'ক', দেনাদার 'ঘ'-কে ঋণমুক্ত করতে পারে না। এক্ষেত্রে-
  1. 'ক','খ' ও 'গ' সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে
  2. শুধুমাত্র 'ক' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে
  3. 'খ' এবং 'গ' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে না
  4. 'ক','খ' ও 'গ' সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
সঠিক উত্তর:
'ক','খ' ও 'গ' সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক','খ' ও 'গ' সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
ব্যাখ্যা
এক্ষেত্রে 'ক','খ' ও 'গ' সকলে তামাদি আইন,১৯০৮ এর ৭ ধারার অধীন তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে।

• তামাদি আইনের ৬, ৭,৮ এবং ৯ ধারায় আইনগত অপারগতার নিয়ম বর্ণনা করা হয়েছে। যে ব্যক্তির মামলা করার অধিকার সৃষ্টি হয়েছে সে যদি উক্ত সময় মামলা করতে আইনগতভাবে অপারগ থাকে, তাহলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ কিভাবে গণনা করা হবে তা ৬ থেকে ৯ ধারা পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। 

তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী ৩টি বিষয়কে আইনগত অপারগতা (Legal Disability) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১. নাবালকত্ব [Minority];
২. উন্মাদ [Insanity];
৩. জড়বুদ্ধি বা চরম বুদ্ধিহীনতা [Idiocy]।

আইনগত অপারগতার ক্ষেত্রে যখন মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে মামলা করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যে সময়ে সে মামলা করার অধিকারী হয় উক্ত সময়ে সে নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা করা শুরু হবে যখন তার এই আইনগত অপারগতা অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধিতার অবসান হবে তখন থেকে।

ধারা ৭: (একাধিক বাদী অথবা দরখাস্তকারীর মধ্যে একজনের অপারগতা)-
যে ক্ষেত্রে একাধিক ব্যক্তি মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার অধিকারী হয় বা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয় এবং তাদের সকলেই আইনগত অক্ষম হলে তাদের কারোর বিরুদ্ধে তামাদি অতিবাহিত হবে না। কিন্তু যদি এমন হয় যে, তাদের মধ্যে এক বা একাধিক ব্যক্তি আইনগতভাবে অক্ষম কিন্তু বাকিরা আইনগতভাবে সক্ষম বা সুস্থ, সেই ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ সকলের বিরুদ্ধে অতিবাহিত হবে। কি হবে না তা নিম্নলিখিত ভাবে নির্ধারণ করতে হবে-

⇒ যে সকল ব্যক্তি আইনগতভাবে অপারগ তাদের সম্মতি ছাড়া যে ব্যক্তি আইনগতভাবে অপারগ না সে যদি দায়মুক্তি বা ঋণ পরিশোধ করতে পারে, তাহলে সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে।

⇒ কিন্তু আইনগতভাবে সক্ষম ব্যক্তি আইনগত অপারগ ব্যক্তিদের সম্মতি ছাড়া দায়মুক্তি বা ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে, তাদের কারোর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে না।

যেহেতু 'খ' এবং 'গ'-এর সম্মতি ব্যতীত 'ক', দেনাদার 'ঘ'-কে ঋণমুক্ত করতে পারে না, সেহেতু 'ক','খ' ও 'গ' কারো বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে না।

Section 7: Disability of one of several plaintiffs or applicants
Where one of several persons jointly entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is under any such disability, and discharge can be given without the concurrence of such person, time will run against them all: but, where no such discharge can be given, time will not run as against any of them until one of them becomes capable of giving such discharge without the concurrence of the others or until the disability has ceased.
১০,৪৭০.
একজন সাধারণ নাগরিক কাকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে?
  1. জামিনযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে
  2. আমলঅযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে
  3. আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে
  4. খ ও গ উভয় ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী যেকোনো বেসরকারি ব্যক্তি ২ ধরনের ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে
ক. জামিনঅযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ [Non bailable & Cognizable Offence] সংঘটনকারী ব্যক্তিকে,
খ. অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে [Proclaimed Offender].

• ৫৯ ধারা তে বলা আছে-
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

২) এরূপ ব্যক্তিকে ৫৪ ধারার বিধানের আওতাভুক্ত বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমলঅযোগ্য অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকার করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার কারণ ঘটে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধানানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার মত যথেষ্ট কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
১০,৪৭১.
‘C’ একটি জাল মুদ্রা-নোট তৈরি করে এবং তা বাজারে সত্য বলে বিক্রি করে। দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুসারে 'C'-এর অপরাধটি শাস্তিযোগ্য?
  1. ধারা ৪৮৯ক
  2. ধারা ৪৮৯খ
  3. ধারা ৪৮৯গ
  4. ধারা ৪৮৯ঘ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৮৯ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৮৯ক
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৮৯ক (Section 489A) অনুসারে, যে কেউ মুদ্রা-নোট বা ব্যাংক-নোট জাল করে বা জালিয়াতির প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়, তার শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
- এখানে, ‘C’ একটি জাল মুদ্রা-নোট তৈরি করেছে এবং তা বাজারে সত্য বলে বিক্রি করেছে, যা ধারা ৪৮৯ক-এর অধীনে মুদ্রা-নোটের জালিয়াতি হিসেবে গণ্য।

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
খ) ধারা ৪৮৯খ (Section 489B): এটি জাল বা নকল মুদ্রা-নোট বা ব্যাংক-নোট সত্য বলে বিক্রি, ক্রয়, গ্রহণ, বা ব্যবহারের জন্য প্রযোজ্য। এখানে ‘C’ নিজে জাল নোট তৈরি করেছে, তাই ধারা ৪৮৯ক প্রাধান্য পায়।
গ) ধারা ৪৮৯গ (Section 489C): এটি জাল মুদ্রা-নোট বা ব্যাংক-নোট জেনেশুনে দখলে রাখা এবং সত্য বলে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে রাখার জন্য প্রযোজ্য, কিন্তু তৈরির জন্য নয়।
ঘ) ধারা ৪৮৯ঘ (Section 489D): এটি জাল মুদ্রা-নোট বা ব্যাংক-নোট তৈরির জন্য যন্ত্র বা উপকরণ তৈরি, ক্রয়-বিক্রয়, বা দখলে রাখার জন্য প্রযোজ্য।
অর্থাৎ ‘C’-এর কাজ, অর্থাৎ জাল মুদ্রা-নোট তৈরি এবং তা বাজারে সত্য বলে বিক্রি, ধারা ৪৮৯ক-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) ধারা ৪৮৯ক।

⇒ The Penal Code, 1860-Section-489A. Counterfeiting currency-notes or bank-notes:
Whoever counterfeits, or knowingly performs any part of the process of counterfeiting, any currency-note or bank-note, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
Explanation. For the purposes of this section and of sections 489B, 489C and 489D, the expression "bank-note" means a promissory note or engagement for the payment of money to bearer on demand issued by any person carrying on the business of banking in any part of the world, or issued by or under the authority of any State or Sovereign Power, and intended to be used as equivalent to, or a substitute for, money.

১০,৪৭২.
'A' নাবালক থাকাবস্থায় তার একটি দেওয়ানি মামলা করার অধিকার অর্জন করে, তামাদির সময় গণনা শুরু হবে যখন-
  1. 'A' মামলা করার আগ্রহী হবে
  2. 'A' এর সাবালকত্বের অবসান হবে
  3. 'A' এর নাবালকত্বের অবসান হবে
  4. 'A' মামলা করার অধিকার অর্জন করে তখন থেকে
সঠিক উত্তর:
'A' এর নাবালকত্বের অবসান হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'A' এর নাবালকত্বের অবসান হবে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যত দিন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে।
-নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা হবে।
⇒ অর্থাৎ 'A' এর নাবালকত্বের অবসান হওয়ার পর তামাদির সময় গণনা শুরু হবে।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা:
উপধারা:(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিংক্রী জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।

উপধারা: (২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।

উপধারা: (৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যেত, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।

উপধারা: (৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।
---------------------------------
⇒ The Limitation Act- Section-6: Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908.
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply.

Illustrations:
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease.
১০,৪৭৩.
What must be done when a charge is altered or added under Section 227(2) of The Code of Criminal Procedure, 1898?
  1. It must be signed by the judge
  2. It must be read and explained to the complainant
  3. It must be read and explained to the accused
  4. It must be reported to the police
সঠিক উত্তর:
It must be read and explained to the accused
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It must be read and explained to the accused
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 227: Court may alter charge-
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান-
অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
১০,৪৭৪.
কোন ধরনের বিয়ে মুসলিম আইনে বৈধ নয়?
  1. স্থায়ী বিয়ে
  2. সাক্ষীসহ বিয়ে
  3. অস্থায়ী বিয়ে
  4. নাবালক বিয়ে
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী বিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী বিয়ে
ব্যাখ্যা
মুতা বিয়ে (Mut'a Marriage):
মুতা বিয়ে হলো একটি অস্থায়ী বিবাহের চুক্তি, যা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সম্পন্ন হয় এবং চুক্তি শেষে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়। এটি শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বৈধ বিবাহের একটি ধরন, তবে সুন্নি মুসলিম সম্প্রদায়ে এটি বৈধ নয়।

মুতা বিয়ের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
মুতা বিয়ে একটি নির্ধারিত সময়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। সময় শেষ হলে এই বিবাহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভেঙে যায়। মুতা বিয়েতে দেনমোহর বা মেহের নির্ধারণ করা এবং তা প্রদান করা আবশ্যক। মুতা বিয়েতে স্ত্রী বা সন্তানরা সাধারণত স্বামীর উত্তরাধিকার দাবি করতে পারে না। এই বিয়ে সম্পন্ন করার জন্য সাক্ষীর প্রয়োজন হয় না। এই বিবাহে তালাকের বিধান নেই, সময়সীমা শেষ হলেই বিবাহের সমাপ্তি ঘটে।
১০,৪৭৫.
দুর্নীতি দমন কমিশন কার নিকট বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. জাতীয় সংসদ
  4. কমিশনের চেয়ারম্যান
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২৯: বার্ষিক প্রতিবেদন:
(১) প্রতি পঞ্জিকা বত্সরের মার্চ মাসের মধ্যে কমিশন পূর্ববর্তী বত্সরে সম্পাদিত উহার কার্যাবলী সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবে৷ 
 
(২) এই ধারার অধীন প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর রাষ্ট্রপতি উহা জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করিবেন৷
১০,৪৭৬.
'Bar to further suit'- দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারার শিরোনাম?
  1. ধারা ৯
  2. ধারা ১৩
  3. ধারা ১২
  4. ধারা ১১
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২
ব্যাখ্যা
• ধারা ১২-পুনরায় মোকদ্দমা দায়েরে বাধা

কোন বিধি অনুসারে একজন বাদীকে যখন কোন বিশেষ কারণ সম্পর্কে অতিরিক্ত মোকদ্দমা দায়ের করা হতে নিবারণ করা হয়, তখন যে আদালতের প্রতি এই কার্যবিধি প্রযোজ্য হয় সেরূপ কোন আদালতে সে একই কারণ নিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না।

Bar to further suit-
Where a plaintiff is precluded by rules from instituting a further suit in respect of any particular cause of action he shall not be entitled to institute a suit in respect of such cause of action in any Court to which this Code applies. 

অর্থাৎ যে সকল ক্ষেত্রে আইনগতভাবে মোকদ্দমা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে মোকদ্দম দায়ের  করা যায় না।
১০,৪৭৭.
যদি পারিবারিক আদালত মুসলিম আইনের অধীনে কোনো বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রি প্রদান করে, তাহলে আদালত কতদিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানকে ডিক্রির অনুলিপি পাঠাবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩: ধারা ২৬: মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানকে প্রভাবিত না করা:
(১) এই আইনের কোনো কিছুই মুসলিম পরিবারিক আইন অথবা তদধীন প্রণীত বিধিমালার কোনো বিধানকে প্রভাবিত করিবে না।

(২) যেক্ষেত্রে কোনো পারিবারিক আদালত মুসলিম আইনের অধীন সংঘটিত কোনো বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য ডিক্রি প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে আদালত ডিক্রি প্রদানের ৭(সাত) দিনের মধ্যে মুসলিম পারিবারিক আইনের ধারা ৭ এ উল্লিখিত সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানকে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে উক্ত ডিক্রির প্রত্যয়িত প্রতিলিপি প্রেরণ করিবে এবং, চেয়ারম্যান উক্ত প্রতিলিপি প্রাপ্ত হইবার পর, এইরূপ কার্যক্রম গ্রহণ করিবেন যেন তিনি উক্ত আইনের অধীন কোনো তালাকের সংবাদ প্রাপ্ত হইয়াছেন।

(৩) মুসলিম আইন অনুযায়ী অনুষ্ঠিত কোনো বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য পারিবারিক আদালত কোনো ডিক্রি প্রদান করিলে যে তারিখে চেয়ারম্যান উপধারা (২) এর অধীন উহার প্রতিলিপি গ্রহণ করিয়াছেন সেই তারিখ হইতে ৯০ (নব্বই) দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত উহা কার্যকর হইবে না:

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সময়ের মধ্যে পক্ষগণের মধ্যে মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান অনুসারে কোনো আপোষ মীমাংসা কার্যকর হইলে উক্ত ডিক্রির কোনো কার্যকারিতা থাকিবে না।
১০,৪৭৮.
নিচের কোনটি ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড (electronic record) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সফটওয়্যার
  2. ভিডিও
  3. ডিএনএ
  4. অপটিক্যাল
সঠিক উত্তর:
ডিএনএ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিএনএ
ব্যাখ্যা
⇒ দলিল (Document): ব্যবহার হতে পারে অথবা ব্যবহারের উদ্দেশ্যে কোন পদার্থের উপর কোন অক্ষর, সংখ্যা বা চিহ্নের সাহায্যে বর্ণিত কোন বিষয়কে দলিল বলে এবং এটি ডিজিটাল রেকর্ডকেও অন্তর্ভুক্ত করবে।

⇒ ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড (Digital record or electronic record): ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড অর্থ ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমোরি, মাইক্রো ফিল্ম, কম্পিউটার দ্বারা উদ্ধৃত মাইক্রোফিস, যা অন্তর্ভুক্ত করে অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের (সিসিটিভি) রেকর্ডসমূহ, ড্রোন উপাত্ত, সেল ফোন দ্বারা রেকর্ডসমূহ, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার বা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এ বর্ণিত যেকোনো ডিজিটাল ডিভাইসে উদ্ভূত, প্রস্তুতকৃত, প্রদত্ত, প্রাপ্ত বা মজুদকৃত যেকোন রেকর্ড, উপাত্ত বা তথ্য।

⇒ যে কোন প্রকারের লেখা একটি দলিল। মুদ্রিত, লিথোগ্রাফকৃত অথবা ফটোগ্রাকৃত সকল শব্দই দলিল। কোন মানচিত্র বা নকশা একটি দলিল; কোন ধাতুখণ্ড বা প্রস্তর খণ্ডের কিছু খোদিত থাকলে তা দলিল; একটি ব্যঙ্গচিত্রও দলিল।

⇒  শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য: রক্ত, বীর্য, চুল, সকল দৈহিক উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ, ডিএনএ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ; এবং পায়ের ছাপ সম্পর্কিত সকল উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ বা অনুরুপ প্রকৃতির অন্যকোন উপাদান বা বস্তু শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য মর্মে গণ্য হবে যদি এমন উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ-
i. প্রতিষ্ঠা করে যে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে; বা
ii. অপরাধ এবং এর ভুক্তভোগীর মধ্যে বা অপরাধ এবং এর অপরাধীর মধ্যেকার কোন সংযোগ বা সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে; এবং 
iii. কোন ঘটনা প্রমাণ করে বা মিথ্যা প্রমাণ করে।

⇒ অর্থাৎ চোখের কনীনিকার ছাপ শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য যা ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড (electronic record) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নয়।
১০,৪৭৯.
The documents registration of which is optional have been dealt in ____________ The Registration Act, 1908.
  1. section 14
  2. section 15
  3. section 18
  4. section 19
সঠিক উত্তর:
section 18
উত্তর
সঠিক উত্তর:
section 18
ব্যাখ্যা
• নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৮- যে সকল দলিলের নিবন্ধন ঐচ্ছিক (Documents of which registration is optional): ১৭ ধারার অধীনে যে সকল দলিল নিবন্ধন বাধ্যতামূলক নয় সে সকল দলিলেরও নিবন্ধন করা যাবে-

• ধারা ১৭(২) অনুযায়ী নিম্নলিখিত দলিল নিবন্ধন বাধ্যতামূলক না (optional):
১. যে কোন প্রকার সোলেনামা;
২. জয়েন্ট স্টক কোম্পানির শেয়ার সংক্রান্ত দলিল;
৩. উক্ত কোম্পানি ইস্যুকৃত ডিবেঞ্চার যা অধিকার সৃষ্টি করে না;
৪. রাজস্ব কর্মকর্তা কর্তৃক প্রস্তুতকৃত বাটোয়ারা দলিল;
৫. নিলামে বিক্রিত কোন সম্পত্তির ক্রেতার বরাবর মঞ্জুরকৃত নিলামের বিক্রয়নামা;
৬. সরকার কর্তৃক স্থাবর সম্পত্তির কোন মঞ্জুরি;
৭. ১০০ টাকা বা তার অধিক মূল্যের স্থাবর সম্পত্তির দলিল যা কোন অধিকার সৃষ্টি করে না।
১০,৪৮০.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর কত ধারা অনুযায়ী পারিবারিক আদালত অন্তর্বতীকালীন আদেশ দিতে পারে?
  1. ১৬ ধারা
  2. ১৮ ধারা
  3. ২০ ধারা
  4. ২১ ধারা
সঠিক উত্তর:
২১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ ধারা
ব্যাখ্যা
• পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩: ধারা ২১- পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক অন্তর্বর্তী আদেশ প্রদান:
যদি মোকদ্দমা বা আপিলের যেকোনো পর্যায়ে, পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত হলফনামা বা অন্য কিছু দ্বারা এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, মোকদ্দমা বা আপিলের উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করা হইতে কোনো পক্ষকে বিরত রাখিবার জন্য তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি, সেইক্ষেত্রে আদালত উহার নিকট যেরূপ উপযুক্ত প্রতীয়মান হইবে সেইরূপ অন্তর্বর্তী আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

প্রতিকার: এই ধারার অধীন অন্তর্বর্তী আদেশ এর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
১০,৪৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৪ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত জবানবন্দি-
  1. শুধুমাত্র ম্যাজিস্ট্রেট স্বাক্ষর করবেন
  2. শুধুমাত্র অভিযুক্ত স্বাক্ষর করবেন
  3. অভিযুক্ত ও ম্যাজিস্ট্রেট উভয়েই স্বাক্ষর করবেন
  4. তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ও ম্যাজিস্ট্রেট উভয়েই স্বাক্ষর করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ও ম্যাজিস্ট্রেট উভয়েই স্বাক্ষর করবেন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬৪- অভিযুক্তের জবানবন্দি যেভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতীত অন্য কোন আদালত, কোন অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রত্যেকটি প্রশ্ন ও তাঁর প্রদত্ত প্রত্যেকটি জবাবসহ সমগ্র , যে ভাষায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সে ভাষায় বা তা সম্ভব না হলে আদালতের ভাষায় কিংবা ইংরেজি ভাষায় পূর্ণাংগরূপে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং উক্ত নথি তাকে দেখাতে হবে বা পড়ে শুনাতে হবে অথবা যে ভাষায় তা লেখা হয়েছে ঐ সে বুঝতে না পারলে, যে ভাষা সে বুঝে ঐ ভাষায় তা তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে এবং সে তার জবাব ব্যাখা করতে বা তাতে জবাবে নতুন কিছু যোগ করতে পারবে।

(২) সে যখন সমগ্র জবানবন্দি সত্য হিসাবে স্বীকার করে, তখন অভিযুক্ত এবং উক্ত আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জাজ তাতে স্বাক্ষর করবেন এবং উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বহস্তে সার্টিফাই করবেন যে, জবানবন্দি তাঁর উপস্থিতিতে ও শ্রবণের মধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং নথিতে অভিযুক্তের বিবৃতির একটি পূর্ণাঙ্গ ও সত্য বিবরণ রয়েছে।

(৩) ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বয়ং অভিযুক্তের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ না করলে জবানবন্দি চলার সময় তিনি আদালতের ভাষায় বা ইংরেজীর সঙ্গে পর্যাপ্তভাবে পরিচিত হলে ইংরেজি ভাষায় তার একটি স্মারক তৈরী করতে থাকবেন এবং এরূপ স্মারক ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ কর্তৃক স্বহস্তে লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং নথির সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট বা জাজ যদি উক্ত স্মারক তৈরী করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে তিনি তাঁর এরূপ অসামর্থ্যের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৪) এই ধারার কোন বিধান ধারা-২৬৩ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে মর্মে পরিগণিত করা যাবে না।
১০,৪৮২.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর কোন আদেশে দেওয়ানি মামলার পক্ষের মৃত্যু, বিবাহ ও দেউলিয়া সংক্রান্ত বিধানসমূহ অন্তর্ভুক্ত আছে?
  1. আদেশ-২০
  2. আদেশ-২১
  3. আদেশ-২২
  4. আদেশ-২৩
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-২২ (Order XXII) এ দেওয়ানি মামলার চলাকালীন সময় কোনো পক্ষ (plaintiff বা defendant) যদি মৃত্যুবরণ করেন, বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন (বিশেষত মহিলা পক্ষের ক্ষেত্রে), কিংবা দেউলিয়া (insolvent) হয়ে পড়েন, সে ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম কিভাবে পরিচালিত হবে — তা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (Code of Civil Procedure, 1908)-এর আদেশ-২২ (Order XXII) এ "Death, Marriage and Insolvency of Parties" সংক্রান্ত বিধানসমূহ অন্তর্ভুক্ত আছে।

•এই আদেশে যা বলা হয়েছে:
মৃত্যু: যদি কোনো পক্ষ (plaintiff বা defendant) মারা যান, এবং মামলার অধিকার (right to sue) টিকে থাকে, তাহলে মামলা বাতিল হবে না। তবে, তার আইনগত প্রতিনিধি (legal representative) কে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
বিবাহ: কোনো নারী পক্ষ বিবাহিত হলে মামলায় তার অবস্থান অকার্যকর হয় না। বিবাহের কারণে মামলা বাতিল হয় না।
দেউলিয়াত্ব: যদি কোনো পক্ষ দেউলিয়া হয়ে যায়, তাহলে মামলা চালিয়ে নেওয়ার অধিকার receiver বা assignee-র থাকে। তবে সে মামলা চালাতে অনিচ্ছুক হলে, মামলা খারিজ হতে পারে।
→ এই আদেশ মূলত মামলার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যাতে কোনো পক্ষের ব্যক্তিগত অবস্থার পরিবর্তনের কারণে মামলা বাতিল না হয়ে যায় এবং আইনগত প্রতিকার পাওয়া যায়।
১০,৪৮৩.
দায়ভাগ স্কুল অনুসারে হিন্দু আইন প্রযোজ্য ব্যক্তির ক্ষেত্রে, বিধবা কী অধিকার পান?
  1. পুত্রের অর্ধেক অংশ
  2. পুত্রের সমান অংশ
  3. সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশ
  4. কোনো অধিকার পান না
সঠিক উত্তর:
পুত্রের সমান অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুত্রের সমান অংশ
ব্যাখ্যা
- দায়ভাগ পদ্ধতি হিন্দু উত্তরাধিকার আইনের একটি বিশেষ শাখা, যা প্রধানত বাংলাদেশ, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং আসামে প্রচলিত। এই পদ্ধতি অনুসারে, পিন্ডদান করার অধিকারী ব্যক্তিরাই উত্তরাধিকারী হন, অর্থাৎ পুত্র, পৌত্র ও প্রপৌত্র।
- ১৯৩৭ সালের হিন্দু নারীদের সম্পত্তির অধিকারের আইন (Hindu Women’s Rights to Property Act, 1937) প্রণীত হওয়ার আগে বিধবারা কোনো উত্তরাধিকার পেতেন না, কেবলমাত্র ভরণপোষণের অধিকার ছিল। তবে, এই আইনের মাধ্যমে বিধবা স্ত্রীকে ছেলের সমান অংশ দেওয়া হয়, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন।

- এই আইনের ৩(১) ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো হিন্দু ব্যক্তি উইল বা অন্য কোনো বৈধ দলিল ছাড়া মারা যান, তাহলে তার বিধবা স্ত্রী তার পুত্রের সমান অংশ পাবেন। যদি একাধিক স্ত্রী থাকেন, তাহলে সবাই মিলে একটি পুত্রের সমান অংশ ভাগ করে নেবেন।

- তবে, বিধবার সম্পত্তির অধিকার স্থায়ী মালিকানা নয়, বরং এটি সীমিত স্বত্ব (Hindu Woman’s Estate)। অর্থাৎ তিনি জীবদ্দশায় সম্পত্তির ভোগদখল করতে পারবেন, প্রয়োজনে বিক্রি করতে পারবেন, কিন্তু নিজের মৃত্যুর পর সেই সম্পত্তি তার স্বামীর উত্তরাধিকারীদের কাছেই ফিরে যাবে।

- অর্থাৎ দায়ভাগ পদ্ধতি অনুসারে, বিধবা স্ত্রী পুত্রের সমান অংশের অধিকারী হন এবং তিনি জীবনস্বত্ব ভিত্তিতে সম্পত্তি ভোগ করতে পারেন। তবে, এটি স্থায়ী মালিকানা নয়, কারণ তিনি মৃত্যুর পর সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারবেন না।
১০,৪৮৪.
ORDER-XII-এর Rule-4 অনুসারে ঘটনা স্বীকারের নোটিশ পাওয়ার পর কত দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে?
  1. ৩ দিন
  2. ৬ দিন
  3. ৯ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৬ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ দিন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ৬ দিন।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ORDER-XII, Rule-4 অনুযায়ী: কোনো পক্ষ ঘটনা স্বীকারের জন্য লিখিত নোটিশ পেলে, তাকে ৬ দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে। এই সময়সীমা নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে গণনা করা হয়। আদালত প্রয়োজনে অতিরিক্ত সময় দিতে পারে।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER XII, Rule 4 অনুসারে, মামলার কোনো পক্ষ লিখিতভাবে অপর পক্ষকে নির্দিষ্ট ঘটনা বা ঘটনাবলী স্বীকার করার জন্য নোটিশ দিতে পারে। এই নোটিশ শুনানির তারিখের নয় (৯) দিন আগে দিতে হবে।
- এ ধরনের নোটিশ পাওয়ার পর ছয় (৬) দিনের মধ্যে বা আদালতের অনুমোদিত সময়সীমার মধ্যে উত্তর প্রদান করতে হবে। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বীকারোক্তি না করা হয় বা উপেক্ষা করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ঘটনা প্রমাণ করার জন্য যে ব্যয় হবে, তা সেই পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোনো নির্দেশ দেন।
- এছাড়া, এই স্বীকারোক্তি কেবল সংশ্লিষ্ট মামলার জন্যই প্রযোজ্য হবে এবং এটি অন্য কোনো ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না। আদালত উপযুক্ত মনে করলে, শর্তসাপেক্ষে স্বীকারোক্তি সংশোধন বা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে পারেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-12 Rule-4: Notice to Admit Facts:
- Any party may, by notice in writing, at any time not later than nine days before the day fixed for the hearing, call on any other party to admit, for the purposes of the suit only, any specific fact or facts mentioned in such notice.
- In case of refusal or neglect to admit the same within six days after service of such notice, or within such further time as may be allowed by the Court, the costs of proving such fact or facts shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs.
Provided that any admission made in pursuance of such notice shall be deemed to be made only for the purposes of the particular suit and not as an admission to be used against the party on any other occasion or in favor of any person other than the party giving the notice.
Provided also that the Court may, at any time, allow any party to amend or withdraw any admission so made on such terms as may be just.
১০,৪৮৫.
মৃত্যুকালীন ঘোষণার প্রাসঙ্গিকতার আবশ্যকীয় উপাদান কোনটি?
  1. মৃত্যুকালীন ঘোষণা দেওয়ার পর ঐ ব্যক্তির মৃত্যুবরণ করতে হবে
  2. মৃত্যুকালীন ঘোষণাটি লিখিত ও যথাযথভাবে সংরক্ষিত হতে হবে
  3. মৃত্যুকালীন ঘোষণা দেওয়া ব্যক্তির বর্ণিত কারণটিই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ হতে হবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুকালীন ঘোষণা দেওয়ার পর ঐ ব্যক্তির মৃত্যুবরণ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুকালীন ঘোষণা দেওয়ার পর ঐ ব্যক্তির মৃত্যুবরণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর ধারা ৩২(১) এর অধীন মৃত্যুকালীন ঘোষনা দেয়ার পর ঐ ব্যক্তির মৃত্যুবরণ করতে হবে। 
- Evidence Act  এর ধারা-৩২(১) এর বিধান মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration)- সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

-মৃত্যুকালীন ঘোষণা [Dying Declaration); কোনো ব্যক্তি তার মৃত্যুর পূর্বে তার  মৃত্যুর কারণ,  মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত পারিপার্শ্বিক অবস্থা বা যে সকল ঘটনার ফলে মৃত্যু হয়েছে সে সম্পর্কিত লিখিত বা মৌখিক ঘোষণা/বিবৃতি প্রদান করে, তাকেই মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলে। 

-মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায়: ১. লিখিত ভাবে ২. ইশারায় ৩. মৌখিকভাবে।
-মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রযোজ্য: দেওয়ানি মোকদ্দমা ও ফৌজদারি মামলা উভয়ক্ষেত্রেই
-মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায় যার নিকট: যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে; যেমন: ডাক্তার, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট।
-মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার আগে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে- ঘোষণা প্রদানকারী মৃত [১০৪ ধারার বিধান]।

-মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্য হবে না: মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী মৃত্যুবরণ না করলে [বেঁচে থাকলে]; উক্ত ঘোষণা- সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে। 
১০,৪৮৬.
কোনো ব্যক্তি মিথ্যা এজাহার দায়ের করলে তার শান্তির বিধান দণ্ডবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ২২০ ধারা
  2. ২১১ ধারা
  3. ৩০৫ ধারা
  4. ৪১২ ধারা
সঠিক উত্তর:
২১১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ২১১ ধারার বিধান ক্ষতি করিবার উদ্দেশ্যে অপরাধের মিথ্যা অভিযোগঃ
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারী মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
১০,৪৮৭.
দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৯১ অনুযায়ী, যদি কেউ আইনানুগ চুক্তির দ্বারা কোনো অসহায় ব্যক্তির দেখাশোনা বা চাহিদা পূরণে বাধ্য থাকেন এবং তা ইচ্ছাকৃতভাবে না করেন, তবে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ১ মাস কারাদণ্ড বা ১০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
  2. ২ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
  3. ৩ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
  4. ৬ মাস কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৯১ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি আইনানুগ চুক্তির দ্বারা কোনো অসহায় ব্যক্তির (যেমন শিশু, বৃদ্ধ, বা অক্ষম ব্যক্তি) দেখাশোনা, রক্ষণাবেক্ষণ, বা চাহিদা পূরণে বাধ্য থাকেন এবং ইচ্ছাকৃতভাবে তা না করেন, তবে তিনি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন। এই অপরাধের শাস্তি হলো ৩ মাস পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, বা উভয়ই।

অর্থাৎ ধারা ৪৯১ অনুসারে, আইনানুগ চুক্তির দ্বারা অসহায় ব্যক্তির দেখাশোনা বা চাহিদা পূরণে ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যর্থ হওয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৩ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয়ই। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) ৩ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড।

⇒The Penal Code, 1860- Section-491. Breach of contract to attend on and supply wants of helpless person:
Whoever, being bound by a lawful contract to attend on or to supply the wants of any person who, by reason of youth, or of unsoundness of mind, or of a disease or bodily weakness, is helpless or incapable of providing for his own safety or of supplying his own wants, voluntarily omits so to do, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine which may extend to two hundred taka, or with both.

১০,৪৮৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের বিধান অনুসারে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. স্পীকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনারের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
সঠিক উত্তর: ঘ) প্রধান বিচারপতি।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষনাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে। যথা-
স্পীকার কর্তৃক:
- রাষ্ট্রপতি,
- সংসদ-সদস্য;
 
রাষ্ট্রপতি কর্তৃক:
- প্রধানমন্ত্রী,
- অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী,
- স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার,
- প্রধান বিচারপতি;
 
প্রধান বিচারপতি কর্তৃক:
- সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক,
- সরকারী কর্মকমিশনের সদস্য,
- মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার।

১০,৪৮৯.
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর তালিকা প্রতি কত সময় অন্তর হালনাগাদ করতে হবে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ১৫: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো:
এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক বা তথ্য পরিকাঠামোকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসাবে ঘোষণা করিতে পারিবে এবং প্রত্যেক বৎসর অন্তত একবার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর তালিকা হালনাগাদ করিবে
১০,৪৯০.
The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারায় বলা হয়েছে সরকারের বিরুদ্ধে ভূমি থেকে উচ্ছেদ বিষয়ে মামলা করা যাবে না?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ৯
  4. ধারা ১২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
ব্যাখ্যা

⇒The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৯ এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি সরকারের বিরুদ্ধে স্থাবর সম্পত্তি (immovable property) থেকে উচ্ছেদ বা দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করতে পারবে না। এই ধারাটি সরকারের বিরুদ্ধে দখল সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা আরোপ করে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৯ এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, "No suit under this section shall be brought against the Government." অর্থাৎ, এই ধারার অধীনে সরকারের বিরুদ্ধে কোনো মামলা করা যাবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান: স্থাবর সম্পত্তির দখল চ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
-যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
-------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-9: Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.

১০,৪৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট কোনো ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর জন্য লিখিত আদেশ দেন?
  1. ধারা ১০৬
  2. ধারা ১০৭
  3. ধারা ১১২
  4. ধারা ১১৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১২ এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, যখন কোনো ম্যাজিস্ট্রেট ধারা ১০৭, ১০৮, ১০৯ বা ১১০ এর অধীনে কোনো ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর জন্য নির্দেশ দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেন, তখন তিনি একটি লিখিত আদেশ জারি করবেন।
এই আদেশে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো উল্লেখ থাকবে:
- প্রাপ্ত তথ্যের সারাংশ।
- বন্ডের পরিমাণ।
- বন্ডের মেয়াদকাল।
- জামিনদারের (যদি থাকে) সংখ্যা, চরিত্র এবং শ্রেণি।
এই লিখিত আদেশের উদ্দেশ্য হলো ব্যক্তিকে জানানো যে তাকে কেন শান্তি রক্ষা বা ভালো আচরণের জন্য বন্ড স্বাক্ষর করতে হবে এবং তাকে তদন্তের জন্য আদালতে হাজির হতে হবে।
সুতরাং, কারণ দর্শানোর জন্য লিখিত আদেশ জারির বিষয়টি ধারা ১১২ এর অধীনে সুনির্দিষ্টভাবে বর্ণিত।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 112.Order to be made:
When a Magistrate acting under section 107, section 108, section 109 or section 110 deems it necessary to require any person to show cause under such section, he shall make an order in writing, setting forth the substance of the information received, the amount of the bond to be executed, the term for which it is to be in force, and the number, character and class of sureties (if any) required.

১০,৪৯২.
জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ কার অধঃস্তন হবেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের
  2. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের
  3. দায়রা জজের
  4. হাইকোর্ট বিভাগের
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধানঃ নির্বাহী, জুডিশিয়াল এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণের অধীনস্থকরণঃ (১) ১০ ধারায় ও ১২(১) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ হবেন; এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই কোডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সময়ে সময়ে বিশেষ আদেশ কর্তৃক তাঁর অধীন ম্যাজিস্ট্রেটগণের মধ্যে কাজকর্ম বন্টন করতে পারবেন ।

(২) ১১ ধারা ও ১২(৩) ধারা অনুযায়ী, নিযুক্ত সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৫ ধারা অনুসারে গঠিত সমস্ত বেঞ্চ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-এর অধীন হবেন; তাঁদের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুসারে প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন।

(৩) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১২(৫) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৯ ধারা অনুসারে গঠিত বেঞ্চসমূহ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন; অনুরূপ ম্যাজিস্ট্রেটগণের ও বেঞ্চসমূহের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুযায়ী প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন ।

(৪) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-সহ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ দায়রা জজ-এর অধীন হবেন এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ মহানগর দায়রা জজ-এর অধীন হবেন।

♦ অর্থাৎ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অধঃস্তন হবেন।

--------------------------
♦ Section 17(2) All Judicial Magistrates appointed under section 11 and 12 (3) and all Benches constituted under section 15 shall be subordinate to the Chief Judicial Magistrate who may, from time to time give special orders consistent with this Code and rules made by the Government under section 16 as to the distribution of business among Magistrates and Benches.
১০,৪৯৩.
নিচের কোন পরিস্থিতিতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারার অধীনে মামলা করা যাবে না?
  1. যখন ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট নয়
  2. যখন বিবাদী প্রকৃত মালিক
  3. যখন সম্পত্তির ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ কঠিন
  4. যখন বিবাদী ট্রাস্টি হিসেবে সম্পত্তি ধারণ করে
সঠিক উত্তর:
যখন বিবাদী প্রকৃত মালিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন বিবাদী প্রকৃত মালিক
ব্যাখ্যা
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি অস্থাবর সম্পত্তির তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী হন এবং বিবাদী সেই সম্পত্তির মালিক না হন, তাহলে তিনি আদালতের মাধ্যমে সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের দাবি করতে পারেন। তবে এই ধারা প্রকৃত মালিকের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য নয়।
- ১১ ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো সেই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রতিকার দেওয়া, যারা সম্পত্তির প্রকৃত মালিক না হয়েও তা ধারণ বা নিয়ন্ত্রণ করছে।
- যদি বিবাদী সম্পত্তির প্রকৃত মালিক হন, তাহলে তার বিরুদ্ধে ১১ ধারার অধীনে মামলা করা যাবে না।
- মালিকানার প্রশ্নে বাদীকে ভিন্ন আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে, যেমন মালিকানা প্রতিষ্ঠার জন্য পৃথক দেওয়ানি মামলা দায়ের করতে হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারার বিধান: অব্যবহিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট থেকে দখল প্রদানের নিমিত্তে মালিক নয় এরূপ দখলকারী ব্যক্তির দায় দায়িত্ব:
-যে সম্পত্তির মালিক সে নিজে নয়, এমন অস্থাবর সম্পত্তির কোন বিশেষ অংশের দখলকারী বা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত যে কোন অবস্থাতে অবিলম্বিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট সেটি প্রদানার্থে সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে-
(ক) যখন দাবিকৃত সম্পত্তি দাবিদারের জিম্মাদারের বা প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিবাদীদের নিকট রয়েছে।
(খ) যখন দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতি টাকার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবীদারের পর্যাপ্ত প্রতিকার করবে না।
(গ) যখন দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতির কোন সাধিত যথার্থ ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হবে।
(ঘ) যখন দাবিকৃত বস্তুর দখল দাবিদারের নিকট হতে অন্যায়ভাবে হস্তান্তরিত করা হয়েছে।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-11. Liability of person in possession, not as owner to deliver to person entitled to immediate possession:
-Any person having the possession or control of a particular article of moveable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:-
(a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant;
(b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed;
(c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss;
(d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.
১০,৪৯৪.
একজন মুসলিম তার স্ত্রীকে একখণ্ড জমি দান করেন এবং দখল বুঝিয়ে দেন। এমতাবস্থায় দানটি-
  1. প্রত্যাহারযোগ্য
  2. মৌখিক হলে প্রত্যাহার করতে পারেন
  3. প্রত্যাহারযোগ্য নয়
  4. রেজিস্ট্রেশন করলে প্রত্যাহার করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাহারযোগ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাহারযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা
• দানকে মুসলিম আইনে হেবা বলা হয়। সাধারণত দানের মাধ্যমে একজন সম্পত্তির মালিক তাঁর ওয়ারিশ কিংবা অন্য যে কাউকে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন। এটি আইন স্বীকৃত। দান করতে হলে দাতার এবং গ্রহীতার সম্পূর্ণ ইচ্ছা ও সম্মতি থাকতে হয়।

দান বৈধ হতে হলে ৩টি শর্ত পূরণ করতে হয় –
> দাতা কর্তৃক দানের (ইজাব) ঘোষণা প্রদান।
> গ্রহীতা তার পক্ষ হতে দান গ্রহণ করা বা স্বীকার করা।
> দাতা কর্তৃক গ্রহীতাকে দানকৃত সম্পত্তির দখল প্রদান।

দান বাতিল-
একবার দান করার পর এবং সম্পত্তি হস্তান্তর করার পর আদালতের ডিক্রি ছাড়া বাতিল করা যাবে না। দখল প্রদানের পর দান রদ করা যেতে পারে তবে দখল অর্পণের পর তা প্রত্যাহার করা যায় না। যেমন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দান, দানগ্রহীতা যদি মারা যায়, যখন দাতা কিছুর বিনিময়ে গ্রহণ করবে, সম্পত্তি যখন ধ্বংস হয়ে যাবে প্রভৃতি।
১০,৪৯৫.
'ক', 'খ' এর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে দখল করে তা হতে লাভ পেলো। এক্ষেত্রে 'খ', 'ক' এর বিরুদ্ধে কখন মামলা দায়ের করতে পারবে?
  1. মুনাফা গ্রহণের ১ বছরের মধ্যে
  2. দখল নেয়ার ১ বছরের মধ্যে
  3. দখল নেয়ার ৩ বছরের মধ্যে
  4. মুনাফা গ্রহণের ৩ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
মুনাফা গ্রহণের ৩ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুনাফা গ্রহণের ৩ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২) অনুসারে,

বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো,সুদসহ উক্ত মুনাফাকে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১০৯ এ বাদীর স্থাবর সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত যে মুনাফা (Mesne Profits) বিবাদী অন্যায়ভাবে গ্রহণ করেছে তার জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে। মুনাফা গ্রহণের ৩ বছরের মধ্যে এই সংক্রান্ত মামলা দায়ের করতে হবে।
১০,৪৯৬.
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত করতে পারে-
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সংসদ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. সুপ্রিম কোর্ট
সঠিক উত্তর:
সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৭: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ

(১) ইতঃপূর্বে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমুহ সম্পর্কে বা ক্ষেত্রসমুহ হইতে উদ্ভূত বিষয়াদির উপর এখতিয়ার প্রয়োগের জন্য সংসদ আইনের দ্বারা এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত করিতে পারিবেনঃ

(ক) নবম ভাগে বর্ণিত বিষয়াদি এবং অর্থদণ্ড বা অন্য দণ্ডসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্মের শর্তাবলী;
(খ) যে কোন রাষ্ট্রায়ত্ত উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের চালনা ও ব্যবস্থাপনা এবং অনুরূপ উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষে কর্মসহ কোন আইনের দ্বারা বা অধীন সরকারের উপর ন্যস্ত বা সরকারের দ্বারা পরিচালিত কোন সম্পত্তির অর্জন, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও বিলি-ব্যবস্থা;
(গ) যে আইনের উপর এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (৩) দফা প্রযোজ্য হয়, সেইরূপ কোন আইন।
 
(২) কোন ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদের অধীন কোন প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত হইলে অনুরূপ ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারের অন্তর্গত কোন বিষয়ে অন্য কোন আদালত কোনরূপ কার্যধারা গ্রহণ করিবেন না বা কোন আদেশ প্রদান করিবেন না;
 
তবে শর্ত থাকে যে, সংসদ আইনের দ্বারা কোন ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা বা অনুরূপ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান করিতে পারিবেন।
১০,৪৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ কারাদণ্ড দিতে পারে-
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারার বিধান হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন: (১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

- অর্থাৎ  ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ ১০ বছররের  কারাদণ্ড দিতে পারবে।
-------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 31. Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass:
(1) The High Court Division] may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.
১০,৪৯৮.
দলিল রদের মোকদ্দমায় কোর্ট ফি কত?
  1. এ্যাড-ভ্যালোরেম
  2. নির্ধারিত ৩০০ টাকা
  3. ২০০ টাকা
  4. আদালতের নির্দেশ মতে
সঠিক উত্তর:
এ্যাড-ভ্যালোরেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ্যাড-ভ্যালোরেম
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী, ২টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন-
কোন লিখিত দলিল বাতিল/ বাতিলযোগ্য, যদি বাদীর চুক্তি সম্পর্কে আশংকা থাকে যে, এরূপ দলিল যদি অনিস্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা ক্ষতির কারন হতে পারে। এটি আদালতের বিবেচনা মূলক ক্ষমতা।

দলিল বাতিল করার ক্ষেত্রে কিছু তথ্য হলোঃ-

• জাল দলিল রেজিষ্ট্রেশন হয়ে থাকলে তা বাতিলের মামলা করা যাবে দেওয়ানি আদালতে।
• সম্পত্তিতে যার স্বার্থ আছে তিনিই দলিল বাতিলের মামলা করতে পারবেন।
• জাল দলিল সম্পর্কে জানার ৩ বছরের মধ্যে ঐ দলিল বাতিলের মামলা করতে হবে।
• দলিল আংশিক বাতিলের মামলা করা যায়।
• যিনি কোন দলিলকে জাল বা জোর পূর্বক সম্পাদিত বলে দবি করবেন তাকে তার দাবির সত্যতা প্রমাণ করতে হবে।
• নাবলকের সম্পত্তি জাল দলিলের মাধ্যমে হাতিয়ে নিলে ঐ নাবালকের অভিবাবক বা ঐ নাবালক সাবালকত্ব অর্জনের পর সে নিজে মামলা করতে পারবেন।
দলিল রদ বা বাতিলের জন্য ‘এড-ভ্যালোরেম কোর্ট ফি’ প্রদান করে মামলা দায়ের করতে হবে।
• দলিল বাতিলের মামলার সাথে অন্য প্রতিকার যেমন-দখল পাবার প্রার্থনাও কারা যাবে তবে এর জন্য অতিরিক্ত কোর্ট ফি দিতে হবে।
১০,৪৯৯.
'ক' তার সম্পত্তি 'খ' এর নিকট হস্তান্তর করেছে এই শর্তে যে, 'খ' কখনোই উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করবে না। এই ক্ষেত্রে-
  1. বিক্রয় এবং শর্ত উভয় বৈধ
  2. বিক্রয় বৈধ এবং শর্ত বাতিল
  3. বিক্রয় এবং শর্ত উভয় অবৈধ
  4. বিক্রয় এবং শর্ত উভয় বাতিল
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় বৈধ এবং শর্ত বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় বৈধ এবং শর্ত বাতিল
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ক্ষেত্রে শর্তটি বাতিল কিন্তু বিক্রয়টি বৈধ হবে।

ধারা ১০: হস্তান্তরে বাধাদানের শর্ত

যদি কোনো শর্ত বা সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে কোনো সম্পত্তি হস্তান্তর করা হয়, যা হস্তান্তর গ্রহীতা বা তার মাধ্যমে অন্য কোনো দাবিদারকে তার স্বার্থ পরিত্যাগ বা হস্তান্তর করতে চূড়ান্তভাবে বাধা প্রদান করে, তাহলে ঐ শর্ত বা সীমাবদ্ধতা অবৈধ বলে গণ্য হবে।

ব্যতিক্রম- ইজারা বা হিন্দু, মুসলিম বা বৌদ্ধ বাতীত অন্য কোন মহিলার নিকট তার বিবাহ বলবৎকালীন এরূণ শর্তে হস্তান্তর করা যাবে।

ধারা ১০ এ শুধু মাত্র শর্ত বাতিলের কথা বলা হয়েছে, বিক্রয় অবৈধ বা বাতিলের বিষয়ে কিছু বলা হয় নি। অতএব এক্ষেত্রে বিক্রয়টি বৈধ বলে গণ্য হবে।

Section 10: Condition restraining alienation
Where property is transferred subject to a condition or limitation absolutely restraining the transferee or any person claiming under him from parting with or disposing of his interest in the property, the condition or limitation is void, except in the case of a lease where the condition is for the benefit of the lessor or those claiming under him : Provided that property may be transferred to or for the benefit of a woman (not being a Hindu, Muslim or Buddhist), so that she shall not have power during her marriage to transfer or charge the same or her beneficial interest therein.
১০,৫০০.
'খ' কর্তৃক প্রদেয় নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে 'ক', 'খ'- কে সারা জীবনের জন্য বার্ষিক বৃত্তি প্রদানের চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন 'খ' মারা গেল। এক্ষেত্রে-
  1. চুক্তি বাতিল হবে
  2. চুক্তি অবৈধ ঘোষণা হবে
  3. 'খ' -এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে
  4. 'খ' -এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
'খ' -এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' -এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে
ব্যাখ্যা
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারার বিধান- যে চুক্তির বিষয়বস্তু আংশিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছে:
চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার কোন বিধান সত্ত্বেও চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কার্যসম্পাদনের সময় আংশিকভাবে বিলুপ্ত হবার কারণে চুক্তি অনুযায়ী কার্যসম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয়।

উদাহরণ:
(ক) ক, খ-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঘুর্ণিঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এখন ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে খ-কে চুক্তিতে তার অংশের কার্যসম্পদনে বাধ্য করা যেতে পারে।

(খ) খ কর্তৃক দেয় নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ক, খ- কে সারা জীবনের জন্য বার্ষিক বৃত্তি প্রদানের চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন খ ঘোড়ার পিঠ হতে পড়ে মারা গেল। এখন খ-এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে।