ব্যাখ্যা
⇒ The Contract Act, 1872 এর ধারা ১৫ ও ১৯ অনুসারে, Coercion (প্রতারণা বা বলপ্রয়োগ) -এর মাধ্যমে কোনো চুক্তি সম্পাদিত হলে তা বাতিলযোগ্য (Voidable) হয়।
এর অর্থ হলো, যে পক্ষটির সম্মতি জবরদস্তিমূলকভাবে নেওয়া হয়েছে, সেই পক্ষ চুক্তিটি বাতিল করার অধিকারী। তবে চুক্তিটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল (Void) বা অবৈধ (Illegal) নয়, যতক্ষণ না ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ তা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয়।
আইনের সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো:
ধারা ১৪ অনুযায়ী, সম্মতি তখনই মুক্ত বা স্বাধীন (free consent) বলে গণ্য হয় যখন তা বলপ্রয়োগ (coercion), অনুচিত প্রভাব (undue influence), প্রতারণা (fraud), মিথ্যা বর্ণনা (misrepresentation) বা ভুল (mistake) দ্বারা প্রভাবিত না হয়।
ধারা ১৫ অনুযায়ী, Coercion (বলপ্রয়োগ) বলতে বোঝায় বাংলাদেশ দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিষিদ্ধ কোনো কাজ করা বা করার হুমকি দেওয়া, অথবা কোনো ব্যক্তির স্বার্থহানি করে বেআইনিভাবে কোনো সম্পত্তি আটক করা বা আটকের হুমকি দেওয়া, যার উদ্দেশ্য হলো কোনো ব্যক্তিকে চুক্তিতে আবদ্ধ হতে বাধ্য করা।
ধারা ১৯ অনুযায়ী, যখন কোনো চুক্তিতে সম্মতি বলপ্রয়োগ (Coercion), অনুচিত প্রভাব (Undue influence), প্রতারণা (Fraud) বা ভুল তথ্য পরিবেশন (Misrepresentation)-এর মাধ্যমে আদায় করা হয়, তখন সেই চুক্তিটি সেই পক্ষের ইচ্ছাধীন বাতিলযোগ্য হয়, যার সম্মতি এভাবে আদায় করা হয়েছে। অর্থাৎ, যে পক্ষের উপর বলপ্রয়োগ করা হয়েছে, তিনি চাইলে চুক্তিটি বাতিল করতে পারেন, তবে অপর পক্ষ তা বাতিল করতে পারে না।
অর্থাৎ The Contract Act, 1872 এর বিধান মতে Coercion (বলপ্রয়োগ বা জবরদস্তি)-এর মাধ্যমে সম্মতি আদায় করলে সে চুক্তি গ) বাতিলযোগ্য (Voidable) হয়।