বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের সংবিধান

মোট প্রশ্ন২,৩৩১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের সংবিধান

PrepBank · পাতা / ২৪ · ৮০১৯০০ / ২,৩৩১

৮০১.
সংবিধানের সপ্তম তফসিলে কী বর্ণিত রয়েছে?
  1. স্বাধীনতার ঘোষণা
  2. স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
  3. শপথ ও ঘোষণা
  4. ৭ই মার্চের ভাষণ
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান: 
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮০২.
সংবিধানের কোন তফসিলে শপথ ও ঘোষণা বিষয়ক বিধানাবলীর উল্লেখ আছে? 
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. চতুর্থ তফসিল
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফসিল
ব্যাখ্যা

- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা বিষয়ক বিধান।

অন্যদিকে,
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধানের সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত)।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানসমূহ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮০৩.
সংবিধান রচনা কমিটি গঠিত হয় কবে?
  1. ক) ২৩ মার্চ ১৯৭২
  2. খ) ১১ এপ্রিল ১৯৭২
  3. গ) ১৭ এপ্রিল ১৯৭২
  4. ঘ) ১২ অক্টোবর ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
খ) ১১ এপ্রিল ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১১ এপ্রিল ১৯৭২
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ই জানুয়ারি বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান আদেশ এবং ২৩শে মার্চ বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।
- এর ধারাবাহিকতায় ১১ই এপ্রিল ১৯৭২ তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনকে আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট সংবিধান রচনা কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটি ১৭ই এপ্রিল তাদের প্রথম বৈঠকে বসে এবং ১২ই অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন। তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- সবশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
৮০৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রণেতা ও খসড়া সংবিধান কমিটির প্রধান কে?
  1. ক) আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. খ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) শাহ আব্দুল হামিদ
  4. ঘ) ড. কামাল হোসেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ড. কামাল হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ড. কামাল হোসেন
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৮০৫.
সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে কোন বিষয়ে নতুন বিধান সংযোজন করা হয়?
  1. মৌলিক অধিকার
  2. জরুরি অবস্থা
  3. রাষ্ট্রধর্ম
  4. রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
জরুরি অবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জরুরি অবস্থা
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী:
- এই সংশোধনীর দ্বারা দেশে 'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর এটি পাস হয়।
- এই সংশোধনীতে সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বিনা বিচারে যে কাউকে আটক রাখা যাবেনা বিধান করা হয়। 

উল্লেখ্য,
"নবম-ক ভাগ (জরুরী বিধানাবলী)
১৪১(ক) অনুচ্ছেদ অনুসারে,

• জরুরী-অবস্থা ঘোষণা:
 - রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরী-অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৮০৬.
'ট্রেজারি বেঞ্চ' কী?
  1. ক) স্পিকারের আসন
  2. খ) প্রধানমন্ত্রীর আসন
  3. গ) সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসন
  4. ঘ) রাষ্ট্রপতির আসন
সঠিক উত্তর:
গ) সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসন
ব্যাখ্যা
- সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসনগুলোকে বলা হয় ট্রেজারি বেঞ্চ। 
- সরকারি দলের মন্ত্রী ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ সামনের সারিতে বসেন। 
- স্পীকারের আসনের ডানদিকে থাকে ট্রেজারি বেঞ্চ। 
- ট্রেজারি বেঞ্চকে ‘ফ্রন্ট বেঞ্চ’ও বলা হয়।
- সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের যেসব সদস্য পেছনের সারিতে বসেন তাদের বলা হয় ব্যাকবেঞ্চার। 
- এ সদস্যগণ সরকারি দলের মন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত নন, আবার বিরোধী দলের নেতৃস্থানীয়ও নন। তাই সংসদের আসন ব্যবস্থায় তাঁরা পেছনের সারিতে বসেন।

তথ্যসূত্র - Marriam Webster এবং বাংলাপিডিয়া।
৮০৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের কতনং অনুচ্ছেদে, ’প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল’ বিষয়টি সন্নিবেশিত?
  1. অনুচ্ছেদ- ১১৭
  2. অনুচ্ছেদ- ১১৫
  3. অনুচ্ছেদ- ১১৮
  4. অনুচ্ছেদ- ১২১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১১৭
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান: 
 - ষষ্ঠ ভাগ: বিচারবিভাগ।
- ৩য় পরিচ্ছেদ: অনুচ্ছেদ-১১৭, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল। 
• প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ: 
- অনুচ্ছেদ: ১১৭। (১) ইতঃপূর্বে যাহা বলা হইছে, তাহা সত্ত্বেও নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমুহ সম্পর্কে বা ক্ষেত্রসমুহ হইতে উদ্ভূত বিষয়াদির উপর এখতিয়ার প্রয়োগের জন্য সংসদ আইনের দ্বারা এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত করিতে পারবেনঃ

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ- ১১৫। অধস্তন আদালতে নিয়োগ;
- অনুচ্ছেদ-  ১১৮। নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা;
- অনুচ্ছেদ- ১১৯। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব;
- অনুচ্ছেদ- ১২০। নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ;
- অনুচ্ছেদ- ১২১। প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা;
- অনুচ্ছেদ-  ১১৬। অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা;

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৮০৮.
বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশন গঠিত হয় সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুসারে?
  1. ১৩৬ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৩৮ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১১৮ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৩৭ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৭ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত।

উল্লেখ্য যে,
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রধানত বিভিন্ন সরকারি চাকুরি ও পদে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- সংস্থাটি সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা ও আপিলের মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গেও জড়িত।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নিয়োগ প্রদান করেন।
- সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।

• বাংলাদেশের সংবিধানের পাঁচটি অনুচ্ছেদ সংবলিত একটি অধ্যায়ে কমিশনের গঠনপ্রণালী ও কার্যাবলি নির্দেশিত হয়েছে:
- ১৩৬ নং: কর্মবিভাগ-পুনর্গঠন।
- ১৩৭ নং: সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা।
- ১৩৮ নং: সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ।
- ১৩৯ নং: সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ।
- ১৪০ নং: সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব।
- ১৪১ নং: সরকারি কর্ম কমিশন বার্ষিক রিপোর্ট কিভাবে জমা দিবে তার কথা উল্লেখ রয়েছে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ১১৮ - নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।

উৎস:
i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।

৮০৯.
বাংলাদেশ সংবিধান অনুযায়ী ৩৯ অনুচ্ছেদে নাগরিকদের কোন অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. চিন্তা, বিবেক ও বাক্-স্বাধীনতা
  2. মামলা করার অধিকার 
  3. ধর্মীয় স্বাধীনতা 
  4. কোনোটি নয় 
সঠিক উত্তর:
চিন্তা, বিবেক ও বাক্-স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিন্তা, বিবেক ও বাক্-স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা

সংবিধান: 
- বাংলাদেশ সংবিধান অনুযায়ী ৩৯ অনুচ্ছেদে নাগরিকদের চিন্তা, বিবেক ও বাক্-স্বাধীনতার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
- সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সকল নাগরিকের চিন্তা ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে।
- এছাড়া, মত প্রকাশের অধিকার এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাও স্বীকৃত।
- তবে, এই স্বাধীনতা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, নৈতিকতা, আদালত অবমাননা, মানহানি বা অপরাধপ্ররোচনার ক্ষেত্রে আইনানুগ সীমাবদ্ধতার মধ্যে থাকবে।

অন্যদিকে,
সংবিধান ৪৪ -মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ:
- সংবিধানের ৪৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংবিধানে প্রদত্ত মৌলিক অধিকার বাস্তবায়নের জন্য নাগরিকদের হাইকোর্টে মামলা করার অধিকার রয়েছে।
- একই সঙ্গে, সংসদ আইন প্রণয়ন করে অন্যান্য আদালতকেও সীমিতভাবে এই ক্ষমতা ব্যবহার করার সুযোগ দিতে পারে, তবে এটি হাইকোর্টের ক্ষমতার ক্ষতি করবে না।

সংবিধান ৪১ -ধর্মীয় স্বাধীনতা:
- বাংলাদেশের নাগরিকরা যে কোনো ধর্ম মানার, পালন করার ও প্রচার করার অধিকার রাখে।
- এছাড়া, ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায় নিজেদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গঠন, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার অধিকারও রাখে।
- কোনো ব্যক্তি যদি কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যায়, তার নিজস্ব ধর্ম না হলে তাকে কোনো ধর্মীয় শিক্ষা বা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে বাধ্য করা যাবে না।

উৎস: Laws Of Bangladesh. 

৮১০.
সংবিধানের ১০০ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগের অধিবেশন কার অনুমোদনক্রমে রাজধানী ব্যতীত অন্য কোনো স্থানে অনুষ্ঠিত হতে পারে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধান মন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. আইন মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
সংবিধানের - ষষ্ঠ ভাগ - বিচারবিভাগ- ১ম পরিচ্ছেদ
• সুপ্রীম কোর্ট: সুপ্রীম কোর্টের আসন
- সংবিধানের ১০০ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, সুপ্রিম কোর্টের স্থায়ী আসন রাজধানীতে থাকবে।
- তবে, হাইকোর্ট বিভাগের অধিবেশন রাষ্ট্রপতি অনুমোদনক্রমে, প্রধান বিচারপতি কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোনো স্থান বা স্থানে অনুষ্ঠিত হতে পারে।
- অর্থাৎ, সুপ্রিম কোর্টের মূল কার্যালয় (স্থায়ী আসন) ঢাকায় থাকবে, কিন্তু হাইকোর্ট বিভাগের বিচার কার্যক্রম প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতির সম্মতিতে দেশের অন্য যেকোনো স্থানেও অনুষ্ঠিত হতে পারবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮১১.
জরুরি অবস্থার সময় বাংলাদেশের সংবিধানের কোন কোন অনুচ্ছেদসমূহ স্থগিত হয়?
  1. ৩৬,৩৭,৩৮,৪০,৪১,৪২
  2. ৩৬,৩৭,৩৮,৩৯,৪০,৪১
  3. ৩৬,৩৭,৩৮,৩৯,৪১,৪২
  4. ৩৬,৩৭,৩৮,৩৯,৪০,৪২
সঠিক উত্তর:
৩৬,৩৭,৩৮,৩৯,৪০,৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬,৩৭,৩৮,৩৯,৪০,৪২
ব্যাখ্যা

- জরুরি অবস্থার সময় বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৬,৩৭,৩৮,৩৯,৪০,৪২  অনুচ্ছেদসমূহ স্থগিত হয়।

সংবিধান: 

- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১খ অনুযায়ী,
- এই সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অন্তর্ভুক্ত বিধানসমূহের ফলে যে আইন প্রণয়ন ও নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণে রাষ্ট্র অক্ষম হয়ে
পড়ে, জরুরি অবস্থার কার্যকালে এই সংবিধানের ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪২ অনুচ্ছেদ সমূহের কোনও বিষয় উক্তরূপ আইন প্রণয়ন ও নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণে রাষ্ট্রের ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করবে না; তবে এভাবে প্রণীত কোনও আইনের আওতায় যা করা হয়েছে বা না করা হয়েছে সেটা ব্যতীত উক্তরূপ আইন যতটুকু কর্তৃত্বহীন, জরুরি অবস্থার ঘোষণা অকার্যকর হওয়ার পর ঠিক ততটুকু কার্যকর থাকবে না।

উল্লেখ্য, 
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮১২.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট কতটি ভাগ বা অধ্যায় আছে?
  1. ১টি
  2. ৪টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয়েছিল - ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ - ১০৯ পৃষ্ঠা।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৮১৩.
সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী গৃহীত হয় কত সালে?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট জাতীয় সংসদে দ্বাদশ সংশোধনী গৃহীত হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করা হয়।
- এই লক্ষ্যে ১৯৯১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংশোধনীর পক্ষ্যে রায় পড়লে ১৮ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি সংশোধনী বিলে স্বাক্ষর করেন।
- এর আগে ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারী চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
৮১৪.
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪১ (১) নং অনুসারে, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন কার কাছে বার্ষিক প্রতিবেদন জমা দেয়?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সংসদ সচিবালয়
  4. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রধানত বিভিন্ন সরকারি চাকুরি ও পদে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
- সংবিধানে সরকারি কর্ম কমিশন সংক্রান্ত ৫ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
• ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ১৩৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ১৪০ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ১৪১ নং অনুচ্ছেদদে সরকারি কর্ম কমিশন বার্ষিক রিপোর্ট কিভাবে জমা দিবে তার কথা উল্লেখ রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন তার বার্ষিক প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতিকে জমা দেয়। সংবিধানের ১৪১ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে -
- প্রত্যেক কমিশনকে প্রতি বছর মার্চ মাসের শুরুর দিনে বা তার আগেই, আগের বছরের (৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত) সব কাজকর্মের একটা রিপোর্ট তৈরি করে রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দিতে হবে।
(২) এই রিপোর্টের সঙ্গে একটা ছোট নোট (মেমো) থাকবে, যেখানে লেখা থাকবে—
(ক) কোনো কোনো ক্ষেত্রে কমিশনের পরামর্শ মানা হয়নি—সেইসব ক্ষেত্রগুলো কী ছিল এবং কেন মানা হলো না, তার কারণ;
(খ) কোনো কোনো ক্ষেত্রে কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল, কিন্তু করা হয়নি—সেইসব ক্ষেত্রগুলো কী ছিল এবং কেন আলোচনা করা হলো না, তার কারণ;
কমিশন যতটা জানে, ততটা সব লিখে রাখবে।
(৩) যে বছর এই রিপোর্ট রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেওয়া হয়েছে, সেই বছর ৩১ মার্চের পর সংসদের যে প্রথম বৈঠক হবে, সেখানে রাষ্ট্রপতি এই রিপোর্ট আর সেই নোটটা সংসদে উপস্থাপন করবেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।

৮১৫.
চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতার কথা বলা আছে সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে?
  1. ক) ২৩
  2. খ) ৩৯ (১)
  3. গ) ২৬
  4. ঘ) ৪২ (২)
সঠিক উত্তর:
খ) ৩৯ (১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩৯ (১)
ব্যাখ্যা
চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা - ৩৯ (১) অনুচ্ছেদে।

• সংবিধান:

- ৩৯ (১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে - চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হল।
- ৩৯ (২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে - রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে
- (ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
- (খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮১৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনীটি গৃহীত হয় কবে?
  1. ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩ সালে
  3. ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩ সালে
  4. ২১ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় সংশোধনী:

- দ্বিতীয় সংশোধনীটি উত্থাপিত হয় ১৯৭৩ সালের ১৮ সেপ্টম্বর।
- সংশোধনীটি গৃহীত হয় ১৯৭৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর।
- সংশোধনীটি অনুমোদিত হয় ২২ সেপ্টম্বর ১৯৭৩ সালে।
- 'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান সংবিধানের ২য় সংশোধনীতে সন্নিবেশিত হয়েছে।
- সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধন আইন দ্বারা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বা বহিরাক্রমণে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত হলে 'জরুরি অবস্থা' ঘোষণার বিধান চালু করা হয়।
- এছাড়াও, নিবর্তনমূলক আটক ও জরুরী অবস্থার সময় মৌলিক অধিকার স্থগিতকরণ সংক্রান্ত বিধানসমূহ সংযোজন করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান ও পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১৭.
কোন আদালতকে ‘কোর্ট অব রেকর্ড’ হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. সুপ্রীম কোর্ট
  2. ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট
  3. জজ কোর্ট
  4. নিম্ন আদালত
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্ট
ব্যাখ্যা

• 'কোর্ট অব রেকর্ড’: 
 - সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদে, সুপ্রীম কোর্ট একটি "কোর্ট অব রেকর্ড" হবে।
- তাই "কোর্ট অব রেকর্ড"  বলা হয় সুপ্রীম কোর্ট কে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দ্বি-স্তর বিশিষ্ট।
- উচ্চ আদালত ও নিম্ন আদালত।
- উচ্চ আদালত বা সুপ্রীম কোর্ট আবার আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি "বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি" নামে অভিহিত হবেন।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারক নিয়োগ করবেন।
- প্রধান বিচারপতি এবং আপিল বিভাগের বিচারকদের নিয়ে আপিল বিভাগ এবং অন্যান্য বিচারকদের নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগ ও স্থায়ী বেঞ্চ গঠিত হবে।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতির পদ কোনো কারণে শূন্য হলে আপিল বিভাগের জ্যৈষ্ঠতম বিচারক অস্থায়ীভাবে প্রধান বিচারপতির কার্যভার গ্রহণ করবেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ, বিএসএস উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮১৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) প্রজাতন্ত্র
  2. খ) সংসদীয় সরকার পদ্ধতি
  3. গ) সংবিধানের সার্বভৌমত্ব
  4. ঘ) দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা
সঠিক উত্তর:
ঘ) দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রধানত ১২ টি বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
যথা-
১. প্রজাতন্ত্র
২. রাষ্ট্র পরিচালনার মুলনীতি
৩. মৌলিক অধিকার
৪. সংসদীয় সরকার পদ্ধতি
৫. লিখিত সংবিধান
৬. জনগণের সার্বভৌমত্ব
৭. সংবিধানের সার্বভৌমত্ব
৮. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
৯. দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান
১০. এককেন্দ্রিক রাষ্ট
১১. এক কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা
১২. আইনের শাসন

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮১৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সকল সময়ে _____ চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।
  1. সংবিধানের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করিবার
  2. জনগণের সেবা করিবার
  3. রাষ্ট্রের সেবা করিবার
  4. সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করিবার
সঠিক উত্তর:
জনগণের সেবা করিবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনগণের সেবা করিবার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের -
⇒ ২১ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, একজন নাগরিকের কর্তব্য হলো -
i. সংবিধান ও আইন মান্য করা;
ii. শৃঙ্খলা রক্ষা করা;
iii. নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং
iv. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা।

⇒ ২১ (২) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।
- অর্থাৎ, সরকারী কর্মকর্তা বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে উল্লেখিত কর্তব্য পালন করবে। শুধুমাত্র সরকারী কর্মকর্তা হিসাবে, জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮২০.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে 'রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম' ঘোষণা করা হয়?
  1. পঞ্চম সংশোধনী
  2. অষ্টম সংশোধনী
  3. নবম সংশোধনী
  4. সপ্তম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
অষ্টম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম সংশোধনী
ব্যাখ্যা

অষ্টম সংশোধনী:
- অষ্টম সংশোধনী আইন ১৯৮৮ সালের ৭ জুন এই সংশোধনী আইন পাস হয়।
- এর দ্বারা সংবিধানের ২, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
- এই সংশোধনী আইনবলে ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়;
- ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়।

অন্যদিকে,
- নবম সংশোধনী আইন পাস হয় ১৯৮৯ সালের জুলাই মাসে।
- এই সংশোধনী দ্বারা রাষ্ট্রের উপ-রাষ্ট্রপতি পদে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের বিধান করা হয়;
- রাষ্ট্রপতির পদে একই ব্যক্তির দায়িত্ব পালন পর পর দুই মেয়াদের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা হয় (প্রতি মেয়াদকাল ৫ বছর)।
- এই সংশোধনীতে আরও বলা হয় যে, শূন্যতা সৃষ্টি হলে একজন উপ-রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করা যেতে পারে, তবে সেই নিয়োগের পক্ষে জাতীয় সংসদের অনুমোদন আবশ্যক হবে।

• পঞ্চম সংশোধনী আইন এই সংবিধান আইন জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল। 
• সপ্তম সংশোধনী আইন ১৯৮৬ সালের ১১ নভেম্বর এই আইন পাস হয়।
- এই আইন দ্বারা সংবিধানের ৮৬ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়;
- এর দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের সংশোধন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। 

৮২১.
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪১(ক) এর আলোচ্য বিষয় নিচের কোনটি?
  1. জরুরী-অবস্থা ঘোষণা
  2. জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ
  3. প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি
  4. সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
জরুরী-অবস্থা ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জরুরী-অবস্থা ঘোষণা
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১৪১(ক) - জরুরী-অবস্থা ঘোষণা।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(খ) - জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(গ) - জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৪২ -  সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১৪৩ - প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৪ - সম্পত্তি ও কারবার প্রভৃতি-প্রসঙ্গে নির্বাহী কর্তৃত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১৪৫ - চুক্তি ও দলিল।
- অনুচ্ছেদ ১৪৫(ক) - আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৬ - বাংলাদেশের নামে মামলা।
- অনুচ্ছেদ ১৪৭ - কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৮ - পদের শপথ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮২২.
সংবিধানের প্রস্তাবনায় কোনটি ঘোষণা হিসেবে উল্লেখিত?
  1. সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা
  2. মূলনীতি গ্রহণ
  3. শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা
  4. গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা
ব্যাখ্যা

প্রস্তাবনা:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে। 
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
• ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)। 
• ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)। 
• ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)। 
• ৫ম- গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৮২৩.
কোনটি অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব বা কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করা
  2. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করা
  3. রাষ্ট্রের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করা
  4. জনস্বার্থে আইনি লড়াই করা
সঠিক উত্তর:
জনস্বার্থে আইনি লড়াই করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনস্বার্থে আইনি লড়াই করা
ব্যাখ্যা

• অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা বা কার্যাবলির মধ্যে পড়ে না- জনস্বার্থে স্বার্থে আইনি লড়াই করা।
- অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।- অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।- বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

উল্লেখ্য,
- - বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের কথা উল্লেখ রয়েছে।
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি এটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত এটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভকরবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।
- দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

তথ্যসূত্র: অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

৮২৪.
সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে সর্বাধিক কতজনকে Technocrat মন্ত্রী নিয়োগ করা যায়?
  1. এক-চতুর্থাংশ
  2. এক-তৃতীয়াংশ
  3. এক-দশমাংশ
  4. এক-পঞ্চমাংশ
সঠিক উত্তর:
এক-দশমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক-দশমাংশ
ব্যাখ্যা
টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন
- সংবিধানের ৫৬(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হতে ৯০ শতাংশ মন্ত্রী নিযুক্ত হবেন।
- নির্বাচিত সদস্য সংসদ সদস্যদের বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় এক-দশমাংশ।
- অর্থাৎ ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮২৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের অনগ্রসর নাগরিকদের জন্যে বিশেষ বিধান প্রণয়নের কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) ১৯(৩) নং অনুচ্ছেদ
  2. খ) ২৮(২) নং অনুচ্ছেদ
  3. গ) ২৮(৪) নং অনুচ্ছেদ
  4. ঘ) ২৯(১) নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
গ) ২৮(৪) নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৮(৪) নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ২৮(৪) নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের অনগ্রসর নাগরিকদের জন্যে বিশেষ বিধান গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়,

“নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।”

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
৮২৬.
গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসে -
  1. ২২ মার্চ, ১৯৭২
  2. ১০ এপ্রিল, ১৯৭২
  3. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  4. ১৬ অক্টোবর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১২ অক্টোবর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ অক্টোবর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয় - ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন - শেখ ‍মুজিবুর রহমান।
- গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয় - ২৩ মার্চ, ১৯৭২ সালে (আদেশটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয় ২৩ মার্চ, ১৯৭২)।
- সংবিধানে স্বাক্ষরের সময় গণপরিষদের মোট সদস্য - ৪০৩ জন।
- গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে -১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসে - ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮২৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের সপ্তম ভাগে নিচের কোনটি রয়েছে?
  1. বিচার বিভাগ
  2. নির্বাচন
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. কর্ম কমিশন
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের সপ্তম ভাগে নির্বাচনের কথা রয়েছে।
- সপ্তম ভাগের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ সমূহ: 
- অনুচ্ছেদ-১১৮: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ-১১৯:নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ-১২১: প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
- অনুচ্ছেদ-১২২:ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।

• বাংলাদেশ সংবিধান:

- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
৮২৮.
দেশের কোনো এলাকাতেই ভোটার হননি এমন ব্যক্তি সংসদ নির্বাচনে----
  1. ক) নির্বাচন কমিশনের অনুতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
  2. খ) আইন মন্ত্রণালয়ের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
  3. গ) সংশ্লিষ্ট দলীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
  4. ঘ) কোনোক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনোক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনোক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না
ব্যাখ্যা
- দেশের কোনো এলাকাতেই ভোটার হননি এমন ব্যক্তি সংসদ নির্বাচনে কোনক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না।
- কারণ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে বা The representation of the peoples Order (RPO) এ বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের কোনো নির্বাচনী এলাকার ভোটার না হলে সে জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।
- উক্ত বিধিমালার ১২(১) ধারায় বর্ণিত জাতীয় সংসদের সদস্য হওয়ার কিছু উল্লেখযোগ্য যোগ্যতা হলো - দেশের যে কোনো নির্বাচনী এলাকার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে হবে এবং কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের অথবা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেতে হবে।
উৎসঃ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট।
৮২৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের সঙ্গে কোন তথ্যগুলো অপ্রাসঙ্গিক?
  1. ২৭নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান
  2. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
  3. পঞ্চম ভাগের ৯৩ অনুচ্ছেদ বলে প্রধানমন্ত্রী অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন
  4. দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম ভাগের ৯৩ অনুচ্ছেদ বলে প্রধানমন্ত্রী অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম ভাগের ৯৩ অনুচ্ছেদ বলে প্রধানমন্ত্রী অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

অন্যদিকে -
- পঞ্চম ভাগের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৩০.
বাংলাদেশের সংবিধানে "বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম" অন্তর্ভুক্ত করা হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. পঞ্চম 
  2. ষষ্ঠ
  3. অষ্টম
  4. নবম
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম 
ব্যাখ্যা

• পঞ্চম সংশোধনী:
- সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীতে 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম' সন্নিবেশিত হয়।
- ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় পঞ্চম সংশোধনী আইন।
- এই আইন দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিল সংশোধন করা হয়।
- ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত যে সকল সামরিক বিধি, সংবিধান সংশোধন সহ বিভিন্ন অধ্যাদেশ জারি করা হয় সেগুলো সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী হিসেবে কাজ করা হয় ।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রবর্তিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৩১.
সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে কী সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1.  অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম
  2. জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা
  3. পররাষ্ট্রনীতি
  4. মালিকানার নীতি
সঠিক উত্তর:
জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ১৮ (১) নং দফায় বলা হয়েছে,
- জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
• ১৮ (২) নং দফায় বলা হয়েছে,
- গনিকাবৃত্তি এবং জুয়াখেলা নিরোধের জন্যে রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

অন্যদিকে,
- মালিকানার নীতি সম্পর্কে বলা আছে ১৩ নং অনুচ্ছেদে।
- অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম সম্পর্কে উল্লেখ আছে ২০ নং অনুচ্ছেদে।
- ২৫ নং অনুচ্ছেদে পররাষ্ট্রনীতির কথা সম্পর্কে উল্লেখ। উক্ত অনুচ্ছেদে আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৮৩২.
সংবিধান সংস্কার কমিশন অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য সর্বোচ্চ মেয়াদ কত সুপারিশ করেছে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা

সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- ‘সংবিধান সংস্কার কমিশন’ গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

⇒ সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশ:
- সংবিধান সংস্কার কমিশন সংবিধান সংশোধনের জন্য গণভোটের বিধান পুনর্বহালের সুপারিশ করেছে। 
- এছাড়াও, কমিশন সংবিধানের প্রস্তাবনায় জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে বাদ দিয়ে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার, বহুত্ববাদ ও গণতন্ত্র অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেছে। 
- কমিশন সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্রকে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেছে।
- বিদ্যমান সংবিধানের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ভাগের অধিকারসমূহ সমন্বিত করে ‘মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা’ নামে একটি একক সনদ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা আদালতে বলবৎযোগ্য হবে এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক অধিকার ও নাগরিক, রাজনৈতিক অধিকারের মধ্যে বিদ্যমান তারতম্য দূর করবে।
- পাশাপাশি, কমিশন দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভার প্রস্তাব করছে, যেখানে একটি নিম্নকক্ষ জাতীয় সংসদ (ন্যাশনাল এ্যাসেম্বলি) এবং একটি উচ্চকক্ষ (সিনেট) থাকবে এবং এখানে উভয় কক্ষের মেয়াদ হবে চার বছর।
- রাষ্ট্রীয় কার্যাবলীতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনয়ন এবং রাষ্ট্রীয় অঙ্গ ও প্রতিষ্ঠান সমূহের মধ্যে ভারসাম্য নিশ্চিত করার জন্য একটি জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি) গঠন এবং আইনসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে কিংবা আইনসভা ভেঙে গেলে পরবর্তী নির্বাচিত সরকার শপথ না নেওয়া পর্যন্ত, সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) দিন মেয়াদের একটি অন্তর্বর্তী সরকার নিয়োগের সুপারিশ করেছে।

উৎস: i) লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ।
ii) সংবিধান সংস্কার কমিশন।

৮৩৩.
বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা ৬৫ থেকে ৬৭ বছর করা হয় হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  2. চতুর্দশ সংশোধনী
  3. পঞ্চদশ সংশোধনী
  4. সপ্তদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
চতুর্দশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্দশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

চতুর্দশ সংশোধনী:
- উত্থাপন:.২০০৪ সালের ২৭ মার্চ।
- উত্থাপনকারী:আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমেদ এই সংশোধনীটি উত্থাপন করেন।
- গৃহীত: ১৬ মে ২০০৪।
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ১৭ মে ।

বিষয়বস্তু:
- এ সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা ৬৫ থেকে ৬৭ বছর করা হয়।
- এছাড়া রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি এবং সরকারি ও আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি বা ছবি প্রদর্শনের বিধান করা হয়।
- এ সংশোধনীর মাধ্যমে ৬৫(৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংরক্ষিত মহিলা আসন ৩০ থেকে ৪৫টি করা হয়।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৩৪.
কোনটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. অলিখিত দলিল
  2. দুষ্পরিবর্তনীয়
  3. সাংবিধানিক প্রাধান্য
  4. রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি
সঠিক উত্তর:
অলিখিত দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অলিখিত দলিল
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য নয় - অলিখিত দলিল।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য:

⇒ ১৯৭২ সালের মূল সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের একটি মূল দলিল।
- এ সংবিধানটি উৎকৃষ্ট এবং বিভিন্ন দিক দিয়ে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত। এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:
• লিখিত দলিল।
দুষ্পরিবর্তনীয়
• রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• মৌলিক অধিকার।
• এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র।
• প্রজাতন্ত্র।
• এক-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
• সংসদীয় পদ্ধতির সরকার।
• বিচার বিভাগের স্বাধীনতা।
• ন্যায়পাল।
• সাংবিধানিক প্রাধান্য।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) পৌরনীতি, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৩৫.
সংবিধানের কততম সংশোধনী দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছিলো?
  1. ক) চতুর্দশ সংশোধনী
  2. খ) পঞ্চদশ সংশোধনী
  3. গ) ষোড়শ সংশোধনী
  4. ঘ) সপ্তদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনী:
সংসদে উত্থাপন: ২৫ জুন, ২০১১
উত্থাপনকারী: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমদ
সংসদে গৃহীত: ৩০ জুন, ২০১১ 

-পঞ্চদশ সংবিধান সংশোধন আইনের মাধ্যমে সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
 অর্থ্যাৎ ৫৮ক অনুচ্ছেদটি বাতিল করা হয়।
-ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র,
  গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
-এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতিও
  দেওয়া হয়। ৪ক অনুচ্ছেদে ‘জাতির পিতার প্রতিকৃতি’ 
 সংযুক্ত করা হয়।
- ৬৫(৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়। 
- সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের
   পথ রুদ্ধ করা হয়। 
- পূর্বের ৪টি তফসিলের সাথে আরো নতুন ৩টি তফসিল যুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে তফসিল সংখ্যা – ৭টি।

[উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান]
৮৩৬.
সংসদ আইন প্রনয়ন করে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে?
  1. ক) অনুচ্ছেদ - ৭৯
  2. খ) অনুচ্ছেদ - ৮০
  3. গ) অনুচ্ছেদ - ৮১
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ - ৮২
সঠিক উত্তর:
খ) অনুচ্ছেদ - ৮০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অনুচ্ছেদ - ৮০
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ - ৮০ঃ আইনপ্রণয়ন পদ্ধতি -- “(১) আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হইবে।
(২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিতে হইবে।
[(৩) রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করিবার পর পনর দিনের মধ্যে তিনি তাহাতে সম্মতিদান করিবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তাহার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।]
(৪) রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহা হইলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তাহা পুনর্বিবেচনা করিবেন; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করিলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
(৫) সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইলে তাহা আইনে পরিণত হইবে এবং সংসদের আইন বলিয়া অভিহিত হইবে।”
৮৩৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) ২৭ নং অনুচ্ছেদে
  2. খ) ২৯ নং অনুচ্ছেদে
  3. গ) ১৯ নং অনুচ্ছেদে
  4. ঘ) ১৭ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সুযোগের সমতা
১৯৷ (১) সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হইবেন৷
(২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করিবার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করিবার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করিবার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷
(৩) জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান
৮৩৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'ফ্লোর ক্রসিং' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-২৯
  2. অনুচ্ছেদ-৪৭
  3. অনুচ্ছেদ-৫২
  4. অনুচ্ছেদ-৭০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৭০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৭০
ব্যাখ্যা
ফ্লোর ক্রসিং:
- জাতীয় সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান করা বা দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কথা বলাকে বলা হয় ফ্লোর ক্রসিং৷
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৭০ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন ব্যক্তি কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদে সেই দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান বা সেই দল থেকে পদত্যাগ করলে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।

⇒ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি যদি -
(ক) উক্ত দল হতে পদত্যাগ করেন, অথবা
(খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
তাহলে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হবার অযোগ্য হবেন না।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ-২৯: সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা, 
- অনুচ্ছেদ-৪৭: কতিপয় আইনের হেফাজত। 
- অনুচ্ছেদ-৫২: রাষ্ট্রপতির অভিশংসন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৩৯.
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিল -
  1. ৩১ জন
  2. ৩৪ জন
  3. ৩৭ জন
  4. ৩৯ জন
সঠিক উত্তর:
৩৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ জন
ব্যাখ্যা

সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:
- ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র সদস্য ছিলেন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৮৪০.
'ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী' সংক্রান্ত তফসিল কোনটি?
  1. দ্বিতীয়
  2. তৃতীয়
  3. চতুর্থ
  4. পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের তফসিল:
- বাংলাদেশ সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল সংযোজন করা হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানে তফসিল ৭টি। যথা:
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন,
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত),
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা,
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী,
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ,
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা,
- সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৮৪১.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০১ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. সুপ্রীম কোর্টের আসন
  2. হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার
  3. আপীল বিভাগের এখতিয়ার
  4. সুপ্রীম কোর্টের বিধিপ্রণয়ন-ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।
- অনুচ্ছেদ ১০১ - হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০২ - কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০৩ - আপীল বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০৪ - আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ।
- অনুচ্ছেদ ১০৫ - আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা।
- অনুচ্ছেদ ১০৬ - সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০৭ - সুপ্রীম কোর্টের বিধিপ্রণয়ন-ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০৮ - "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট।
- অনুচ্ছেদ ১০৯ - আদালতসমূহের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ।
- অনুচ্ছেদ ১১০ - অধস্তন আদালত হইতে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা স্থানান্তর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৪২.
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা’ বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-৩৬
  2. অনুচ্ছেদ-৩৯
  3. অনুচ্ছেদ-৪১
  4. অনুচ্ছেদ-৪৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩৯
ব্যাখ্যা

• ’সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা’ বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯(২) অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

• বাংলাদেশ সংবিধান: 
- অনুচ্ছেদ:৩৯:  চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
- ৩৯। (১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।

• ৩৯।(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে
- (ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
- (খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ: ৩৬: চলাফেরার স্বাধীনতা
- অনুচ্ছেদ: ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৮৪৩.
গণপরিষদের কোন সদস্য হস্ত লিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করে নি?
  1. সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
  2. বেগম রাজিয়া বানু
  3. খন্দকার মোশতাক
  4. সদর উদ্দীন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
ব্যাখ্যা
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন।
- হস্তলিখিত সংবিধানে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া - ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ - ১০৯ পৃষ্ঠা।
- হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ হতে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৪৪.
বাংলাদেশের সংবিধানে জাতীয় সংসদের ইংরেজি নাম হিসেবে কোনটি ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. Parliament of Bangladesh
  2. National Parliament
  3. House of the Nation
  4. National Legislature
সঠিক উত্তর:
House of the Nation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
House of the Nation
ব্যাখ্যা

• জাতীয় সংসদের ইংরেজী নাম:
- সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের ইংরেজী নাম 'The House of the Nation'.
- সংবিধানের পঞ্চম ভাগে আইনসভার উল্লেখ রয়েছে।
- সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ প্রতিষ্ঠার উল্লেখ রয়েছে।

• জাতীয় সংসদ:
→ জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
→ দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
→ প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
→ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
→ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
→ জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
→ সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
→ জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
→ অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
→ সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
→ ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

উল্লেখ্য,
- সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রস্তবনায় কমিশন দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ চালু করার জন্য সুপারিশ করেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৪৫.
সংবিধান অনুযায়ী ভোটার তালিকায় নামভুক্তির ন্যূনতম বয়স কত?
  1. ক) ১৬ বছর
  2. খ) ১৮ বছর
  3. গ) ২১ বছর
  4. ঘ) ২৫ বছর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১২২ নং অনুচ্ছেদে ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
এই অনুচ্ছেদ অনুসারে ভোটার তালিকায় নামভুক্তির জন্যে ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর হতে হয়। এছাড়া অন্যান্য যোগ্যতা সমূহের মধ্যে রয়েছে:
- বাংলাদেশের নাগরিক হওয়া
- কোন আদালত কর্তৃক অপ্রকৃতিস্থ বলে ঘোষিত না হওয়া
- সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হওয়া
- ১৯৭২ সালের যোগসাজশকারী আদেশের অধীন কোন অপরাধে দণ্ডিত না হওয়া।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
৮৪৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে কয়টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে। 

বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিল: [১৪৮ অনুচ্ছেদ]
- শপথ ও ঘোষণা।

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
১। রাষ্ট্রপতি [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
২। প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতি-মন্ত্রী ও উপমন্ত্রী [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। ডেপুটি স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৫। সংসদ সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
৬। প্রধান বিচারপতি বা বিচারক [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৭। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।
৮। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
৯। সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। [link]
৮৪৭.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়া রাষ্ট্রপতি কাকে এককভাবে নিয়োগ দান করতে পারবেন?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. মন্ত্রী
  3. উপমন্ত্রী
  4. সংসদ সদস্য
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
সংবিধান অনুসারে প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত রাষ্ট্রপতি সর্বদা প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুসারে কার্যনির্বাহ করেন।

রাষ্ট্রপতি:

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ১ম পরিচ্ছেদে 'রাষ্ট্রপতি' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

⇒ চতুর্থ ভাগের ৪৮ নং অনুচ্ছেদ -
• ৪৮ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন।
• ৪৮ (২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁকে প্রদত্ত ও তাঁর উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করবেন।
• ৪৮ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্ট্রপতি তাঁর অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করবেন।
• ৪৮ (৪) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবার যোগ্য হবেন না, যদি তিনি-
(ক) পঁয়ত্রিশ বছরের কম বয়স্ক হন; অথবা
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য না হন; অথবা
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হতে অপসারিত হয়ে থাকেন।

• ৪৮ (৫) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করলে যেকোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৪৮.
'গ্রামাঞ্চলে বৈদ্যুতীকরণের ব্যবস্থা, কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশ' - সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের প্রতিনিধিত্ব করে?
  1. অনুচ্ছেদ ৭
  2. অনুচ্ছেদ ১৪
  3. অনুচ্ছেদ ১৬
  4. অনুচ্ছেদ ১৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৬
ব্যাখ্যা
গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব:
অনুচ্ছেদ ১৬৷ নগর ও গ্রামাঞ্চলের জীবন যাত্রার মানের বৈষম্য ক্রমাগতভাবে দূর করিবার উদ্দেশ্যে কৃষিবিপ্লবের বিকাশ, গ্রামাঞ্চলে বৈদ্যুতীকরণের ব্যবস্থা, কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশ এবং শিক্ষা, যোগাযোগ-ব্যবস্থা ও জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলের আমূল রূপান্তরসাধনের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷

অনুচ্ছেদ ৭: সংবিধানের প্রাধান্য
অনুচ্ছেদ ১৪: কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
অনুচ্ছেদ ১৮:  পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। 
৮৪৯.
বর্তমানে দেশে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী কত জন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৪ জন
  4. ১০ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা
• টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী:
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ হয় এক-দশমাংশ।
- অর্থাৎ ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।
                             
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদে নতুন সরকারে টেকনোক্র্যাট কোটায় রয়েছেন দুজন মন্ত্রী।
- তারা হলেন স্থপতি ইয়াফেস ওসমান ও ডা. সামন্ত লাল সেন। 

উৎস: প্রথম আলো।
৮৫০.
বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন একটি ___________ সংস্থা।
  1. কর্পোরেট
  2. সাংবিধানিক
  3. আধাস্বায়ত্তশাসিত
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সাংবিধানিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাংবিধানিক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন:
- বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন প্রধানত বিভিন্ন সরকারি চাকুরি ও পদে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- সংস্থাটি সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা ও আপিলের মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গেও জড়িত।
- রাষ্ট্রপতির ৩৪ নং আদেশবলে ১৯৭২ সালের মে মাসে প্রাথমিক পর্যায়ে পাবলিক সার্ভিস কমিশন ও পাবলিক সার্ভিস কমিশন নামে দুটি আলাদা কমিশন গঠিত হয়।
- সরকার ১৯৭৭ সালের নভেম্বর মাসে দুটি কমিশনের স্থলে একটি কমিশন স্থাপন করার লক্ষ্যে আরেকটি অধ্যাদেশ জারি করে।
- ১৯৭৭ সালের ২২ ডিসেম্বর এই কমিশনের নামকরণ হয় বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের পাঁচটি অনুচ্ছেদ সংবলিত একটি অধ্যায়ে কমিশনের গঠনপ্রণালী ও কার্যাবলি নির্দেশিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নিয়োগ প্রদান করেন।
- বর্তমানে মো. সোহরাব হোসাইন এর চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত আছেন।

উৎস: বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।
৮৫১.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে পল্লী বিদ্যুতায়নের কথা বলা হয়েছে?
  1. ১১
  2. ১৩
  3. ১৪
  4. ১৬
সঠিক উত্তর:
১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬
ব্যাখ্যা
সংবিধান:

- ১২ নং অনুচ্ছেদে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- ১৩ নং অনুচ্ছেদে মালিকানার নীতি।
- ১৪ নং অনুচ্ছেদে কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি।
- ১৫ নং অনুচ্ছেদে মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে।
- ১৬ নং অনুচ্ছেদে পল্লী বিদ্যুতায়নের কথা বলা হয়েছে।
- ১৭ নং অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৫২.
সংবিধান অনুযায়ী অ্যাটর্নি জেনারেল কতদিন স্বপদে বহাল থাকতে পারেন?
  1. রাষ্ট্রপতির ইচ্ছা অনুযায়ী
  2. ৬৫ বছর পর্যন্ত
  3. ৬৭ বছর পর্যন্ত
  4. কার্যভার গ্রহণ হতে ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির ইচ্ছা অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির ইচ্ছা অনুযায়ী
ব্যাখ্যা

• চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ। 
- ৫ম পরিচ্ছেদ: অ্যাটর্নি-জেনারেল।
• অ্যাটর্নি-জেনারেল: 
- ৬৪(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- ৬৪(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
- ৬৪(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
- ৬৪(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৮৫৩.
সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর বিষয়বস্তু কী ছিল?
  1. বাকশাল গঠন
  2. যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিধান
  3. রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা প্রবর্তন
  4. জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিধান
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিধান
ব্যাখ্যা
প্রথম সংশোধনী: 
- প্রথম সংশোধনী আইন ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই সংবিধান (প্রথম সংশোধনী) আইন, ১৯৭৩ গৃহীত হয়।
- প্রথম সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিলো - যুদ্ধাপরাধীসহ গণবিরোধীদের বিচারের বিধান সন্নিবেশন করা।
- এই সংশোধনীর দ্বারা সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদে একটি অতিরিক্ত দফা সংযুক্ত করা হয়, যা ‘গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনে অন্যান্য অপরাধ’-এর দায়ে যে কোনো ব্যক্তির বিচার ও শাস্তি অনুমোদন করে।
- ৪৭ অনুচ্ছেদের পরে একটি নতুন অনুচ্ছেদ ৪৭ক সংযুক্ত করা হয়, যাতে সুনির্দিষ্ট করে বলা হয় যে, উপরে বর্ণিত অপরাধসমূহের ক্ষেত্রে কতিপয় মৌলিক অধিকার প্রযোজ্য হবে না।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
৮৫৪.
বাংলাদেশে বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা ৬৫ থেকে ৬৭ বছর নির্ধারণ করা হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. ১২তম সংশোধনী
  2. ১৪তম সংশোধনী
  3. ১৬তম সংশোধনী
  4. ১৭তম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
১৪তম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪তম সংশোধনী
ব্যাখ্যা

চতুর্দশ সংশোধনী:
- চতুর্দশ সংশোধনী আইন সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী আইন ২০০৪ সালের ১৬ মে সংসদে পাস হয়।
- বিভিন্ন বিধান সংবিধানে যুক্ত হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ৩০ থেকে ৪৫ এ উন্নীত করা হয়, যা পরবর্তী দশ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
- এছাড়াও এই সংশোধনীর মাধ্যমে সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরগ্রহণের বয়স ৬৫ থেকে ৬৭-তে বর্ধিত করা হয়।
- এর পাশাপাশি এই সংশোধনীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি তাদের স্ব স্ব কার্যলয়সহ সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহে টানানোর ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়।

অন্যদিকে: 
- ১২তম সংশোধনী: সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন ও উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলুপ্তি।
- ১৬তম সংশোধনী: বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের কাছে অর্পণ।
- ১৭তম সংশোধনী: সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ ২৫ বছর পর্যন্ত বর্ধিত।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।

৮৫৫.
কোন সংসদের ব্যাপ্তি সবচেয়ে কম ছিলো?
  1. প্রথম সংসদ
  2. তৃতীয় সংসদ
  3. ষষ্ঠ সংসদ
  4. পঞ্চম সংসদ
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ সংসদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সবচেয়ে স্বল্পকালীন সংসদ হলো ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ। ১৯৯৬ সালের ১৯ মার্চ থেকে ৩০শে মার্চ পর্যন্ত এই সংসদের মেয়াদ ছিলো মাত্র ১২ দিন।
- এই সংসদে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী পাশ হয়।
- সপ্তম সংসদ হলো দেশের প্রথম পূর্ণমেয়াদকালীন সংসদ।
- প্রথম ও ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে কোন বিরোধীদলীয় নেতা ছিলো না।
- চতুর্থ সংসদে নারীদের জন্যে সংরক্ষিত কোন আসন ছিলো না।
- বর্তমান সংসদ দেশের ১১তম সংসদ।
(সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট)
৮৫৬.
According to the Article 48 of Constitution of Bangladesh, what should be the minimum age of the President? 
  1. ক) 30
  2. খ) 32
  3. গ) 40
  4. ঘ) 35
সঠিক উত্তর:
ঘ) 35
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 35
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার নূন্যতম বয়স ২৫ বছর।
- সংবিধানের ৪৮(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১২২(২) খ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ব্যক্তির ভোটাধিকার প্রাপ্তির নূন্যতম বয়স ১৮ বছর।
- সংবিধানের ১২২(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে 'প্রাপ্ত বয়স্কদের ভোটাধিকার- এই নীতির ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।'
- তাই ভোটার হওয়ার নূন্যতম বয়স ১৮ বছর।
- রাষ্ট্রপতি হওয়ার নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৫৭.
বাংলাদেশের সংবিধান সর্বপ্রথম কোন তারিখে গণপরিষদে উত্থাপিত হয়?
  1. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  2. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ২৬ মার্চ, ১৯৭৩
  4. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১২ অক্টোবর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ অক্টোবর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি:
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ৩৪ সদস্য বিশিষ্ট 'একটা খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' (Draft Constitution Committee) গঠিত হয়।
- এ কমিটিতে সংসদে নারী আসন থেকে একমাত্র মহিলা সদস্য বেগম রাজিয়া বানু ছিলেন।
- কমিটি মোট ৭৪টি বৈঠক মিলিত হয়।
- কমিটি ১৯৭২ সালের ১০ জুন অনুষ্ঠিত সভায় সংবিধানের প্রাথমিক খসড়া অনুমোদন করে।
- খসড়া সংবিধান নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা শেষে ১১ অক্টোবর কমিটির শেষ সভায় সংবিধানের পূর্ণাঙ্গ খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।
- ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে খসড়া সংবিধান বিল আকারে পেশ করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর হয়।
- সভাপতি কামাল হোসেন ১২ অক্টোবর ১৯৭২ 'সংবিধান বিল' গণপরিষদে উত্থাপন করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৫৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে "জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার" এর নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে?
  1. ৩২ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৩৩ নং অনুচ্ছেদ
  3. ৩৪ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৩৫ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩২ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ নং অনুচ্ছেদ থেকে ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে।
- সংবিধানের ৩২ নং অনুচ্ছেদে, বর্ণিত হয়েছে: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।
• আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হতে কোন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাবে না।

অন্যদিকে,
​- ৩৩ নং অনুচ্ছেদ: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ।
- ৩৪ নং অনুচ্ছেদ: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।
​- ৩৫ নং অনুচ্ছেদ: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৫৯.
বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন-
  1. অ্যার্টনি জেনারেল
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
অ্যার্টনি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যার্টনি জেনারেল
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি-জেনারেল:
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল, রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন পরামর্শক।
- বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল সাধারণত সম্মানিত জেষ্ঠ আইনানুজ্ঞদের মধ্য থেকে শাসিত সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হন।

উল্লেখ্য,
- দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি-জেনারেল জনাব আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল তার পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- অ্যাটর্নি জেনারেলকে কিছু সংখ্যক যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ অ্যাটর্নি জেনারেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সহায়তা করেন।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৮৬০.
১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া কোথায় গৃহীত হয়?
  1. জাতীয় পরিষদে
  2. গণপরিষদে
  3. জাতীয় সংসদে
  4. সুপ্রিম কোর্টে
সঠিক উত্তর:
গণপরিষদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণপরিষদে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য একটি সংবিধান প্রয়োজন হয়।
- ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন।
- এ আদেশ অনুযায়ী সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা গঠন, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন ইত্যাদি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- এই আদেশে গণপরিষদকে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা দেয়া হয় নি।
- এ ক্ষমতা নির্বাহী বিভাগের উপর ন্যস্ত ছিল।
- ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয়।
- এ আদেশ বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের প্রথম পদক্ষেপ।
- রাষ্ট্রপতি ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন আহবান ও উদ্বোধন করেন।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।
- এ খসড়া কমিটির প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল।
- ১৯ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত গণপরিষদে সংবিধানের খসড়া পাঠ করা হয়।
- ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে তা কার্যকর হয়।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ দ্রুততম সময়ে একটি আদর্শ সংবিধান প্রণয়ন করে।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
ii) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৬১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা' দেওয়া হয়েছে?
  1. ৩৬ নং
  2. ৪০ নং
  3. ৪১ নং
  4. ৪২ নং
সঠিক উত্তর:
৪০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ নং
ব্যাখ্যা
- অনুচ্ছেদ ৪০: পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।

• অনুচ্ছেদ- ৪০: 

- আইনের দ্বারা আরোপিত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে কোন পেশা বা বৃত্তি-গ্রহণের কিংবা কারবার বা ব্যবসায়-পরিচালনার জন্য আইনের দ্বারা কোন যোগ্যতা নির্ধারিত হয়ে থাকলে;
- অনুরূপ যোগ্যতাসম্পন্ন প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন আইনসঙ্গত পেশা বা বৃত্তি-গ্রহণের এবং যে কোন আইনসঙ্গত কারবার বা ব্যবসায়-পরিচালনার অধিকার থাকিবে।

অপরদিকে,
- অনুচ্ছেদ ৩৬: চলাফেরার স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৭: সমাবেশের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৮: সংগঠনের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাকস্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪০: পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪২: সম্পত্তির অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৪৩: গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৬২.
বাংলাদেশ সংবিধানে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল বিষয়টি কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ-১১৯
  2. অনুচ্ছেদ-১০২
  3. অনুচ্ছেদ-১১৮
  4. অনুচ্ছেদ-১১৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১১৭
ব্যাখ্যা

- অনুচ্ছেদ-১১৭: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ।
- অনুচ্ছেদ-১১৭(১) ইতঃপূর্বে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমুহ সম্পর্কে বা ক্ষেত্রসমুহ হইতে উদ্ভূত বিষয়াদির উপর এখতিয়ার প্রয়োগের জন্য সংসদ আইনের দ্বারা এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত করিতে পারিবেনঃ
- (ক) নবম ভাগে বর্ণিত বিষয়াদি এবং অর্থদণ্ড বা অন্য দণ্ডসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্মের শর্তাবলী;
- (খ) যে কোন রাষ্ট্রায়ত্ত উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের চালনা ও ব্যবস্থাপনা এবং অনুরূপ উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষে কর্মসহ কোন আইনের দ্বারা বা অধীন সরকারের উপর ন্যস্ত বা সরকারের দ্বারা পরিচালিত কোন সম্পত্তির অর্জন, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও বিলি-ব্যবস্থা;
- (গ) যে আইনের উপর এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের 1[(৩)] দফা প্রযোজ্য হয়, সেইরূপ কোন আইন।

অপরদিকে
- অনুচ্ছেদ-১০৮। "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট;
- অনুচ্ছেদ-১১৯। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ-১০২। কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা;

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৮৬৩.
দ্বিতীয় সংশোধনীর বিষয়বস্তু হলো-
  1. ক) রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা প্রবর্তন
  2. খ) জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিধান চালু করা।
  3. গ) যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিধান সন্নিবেশন
  4. ঘ) সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন সংখ্যা বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
খ) জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিধান চালু করা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিধান চালু করা।
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় সংশোধনী
• সংসদে উত্থাপন: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩
• উত্থাপনকারী: আইনমন্ত্রী শ্রী মনোরঞ্জন ধর
• সংসদে গৃহীত: ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩
• রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধন আইন দ্বারা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বা বহিরাক্রমণে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত হলে ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার বিধান চালু করা হয়। এছাড়াও, নিবর্তনমূলক আটক ও জরুরী অবস্থার সময় মৌলিক অধিকার স্থগিতকরণ সংক্রান্ত বিধানসমূহ সংযোজন করা হয়।

এই সংশোধনী আইনের ফলে -
১. সংবিধানের ২৬, ৬৩, ৭২ ও ১৪২ নং অনুচ্ছেদ সংশোধিত হয়; 
২. ৩৩ অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপিত হয়, এবং 
৩. সংবিধানে একটি নতুন ভাগ, যথা ভাগ ৯ক সংযুক্ত হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে জরুরি অবস্থাকালীন সময়ে নাগরিকদের কতিপয় মৌলিক অধিকার স্থগিত করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পৌরনীতি ও সুশাসন বই।
৮৬৪.
'ফ্লোর ক্রসিং' এর বিধান সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে সন্নিবেশিত করা হয়েছে?
  1. ৭৭নং অনুচ্ছেদে
  2. ৭০নং অনুচ্ছেদে
  3. ৩৯নং অনুচ্ছেদে
  4. ২৯নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৭০নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- ৭০ তম অনুচ্ছেদে ফ্লোর ক্রসিং সম্পর্কে বলা হয়েছে, এটি সংসদ সদস্যদের নিজের দলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া বোঝায়।
- এর মাধ্যমে একজন সংসদ সদস্য যদি নিজ দলের পক্ষে না দাঁড়িয়ে বিরোধী দলের পক্ষে ভোট দেন, এটাকে ফ্লোর ক্রসিং হিসেবে গণ্য করা হয়।

অন্যদিকে: 
- ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পালদের বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
- ৩৯ নং অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক স্বাধীনতার বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
- ২৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগ লাভের সুযোগের সমতা কথা বলা হয়েছে।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৬৫.
সংবিধানের কোন সংশোধনীতে উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ করা হয়?
  1. ১০ম
  2. ১২তম
  3. ১১তম
  4. ১৪তম
সঠিক উত্তর:
১২তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২তম
ব্যাখ্যা
সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী:
- দ্বাদশ সংশোধনী আইন বাংলাদেশের সাংবিধানিক বিকাশের ইতিহাসে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে খ্যাত এই সংশোধনী আইন পাস হয় ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট।
- এর দ্বারা সংবিধানের ৪৮, ৫৫, ৫৬, ৫৮, ৫৯, ৬০, ৭০, ৭২. ১০৯, ১১৯, ১২৪, ১৪১ক এবং ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।

⇒ এই সংশোধনীর মাধ্যমে -
- বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে;
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন;
- প্রধানমন্ত্রী হন রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী;
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়;
- উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ করা হয়,
- জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান করা হয়।

তাছাড়া,
- সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে এই আইনে স্থানীয় সরকার কাঠামোতে জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়, যা দেশে গণতন্ত্রের ভিত্তি সুদৃঢ় করে।

অন্যদিকে -
- দশম সংশোধনীতে নারীদের জন্য সংসদে আসন ১৫ থেকে ৩০ এ বাড়ানো হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৮৬৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের ২৩(ক) অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. নির্বাহী বিভাগ
  2. উপজাতি
  3. সুযোগের সমতা
  4. বিচার বিভাগ
সঠিক উত্তর:
উপজাতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপজাতি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদসমূহ:
 
- অনুচ্ছেদ ১৯ - সুযোগের সমতা।
- অনুচ্ছেদ ২০ - অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম।
- অনুচ্ছেদ ২১ - নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
- অনুচ্ছেদ ২২ - নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
- ২৩নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সংস্কৃতির কথা বলা হয়েছে।
- ২৩(ক) অনুচ্ছেদে উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতির উল্লেখ রয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ২৪ - জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৬৭.
সংবিধানের ৩৬ নং অনুচ্ছেদে কোন বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ক) সমাবেশের স্বাধীনতা
  2. খ) সংগঠনের স্বাধীনতা
  3. গ) পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
  4. ঘ) চলাফেরার স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
ঘ) চলাফেরার স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চলাফেরার স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
• ৩৬ নং অনুচ্ছেদ : চলাফেরার স্বাধীনতা
• ৩৭ নং অনুচ্ছেদ : সমাবেশের স্বাধীনতা।
• ৩৮ নং অনুচ্ছেদ : সংগঠনের স্বাধীনতা।
• ৪০ নং অনুচ্ছেদ : পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।  

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৬৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতির পরিবর্তে স্পীকার দায়িত্ব পালন করতে পারবে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫২
  2. অনুচ্ছেদ ৫৩
  3. অনুচ্ছেদ ৫৪
  4. অনুচ্ছেদ ৪৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৪
ব্যাখ্যা
• ৫৪ নং অনুচ্ছেদ:
সংবিধানের ৫৪ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
সংবিধানের ৫৪ নং অনুচ্ছদের সংবিধানের ভাষায় বলা হয়েছে- 
''রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ক্ষেত্রমত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত  স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করিবেন।''  

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ ৫২ - রাষ্ট্রপতির অভিসংশন বিষয়ে বলা হয়েছে।
অনুচ্ছেদ ৪৯ - রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার।
অনুচ্ছেদ ৫৩- অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান
৮৬৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'সংসদ-প্রতিষ্ঠা' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৬৩
  2. অনুচ্ছেদ ৬৪
  3. অনুচ্ছেদ ৬৫
  4. অনুচ্ছেদ ৬৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬৫
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৬০ - স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৬১ - সর্বাধিনায়কতা।
- অনুচ্ছেদ ৬২ - প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৩ - যুদ্ধ।
- অনুচ্ছেদ ৬৪ - অ্যাটর্নি-জেনারেল।
- অনুচ্ছেদ ৬৫ - সংসদ-প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৬৬ - সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ৬৭ - সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৬৮ - সংসদ-সদস্যদের [পারিশ্রমিক] প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৯ - শপথগ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড।
- অনুচ্ছেদ ৭০ - রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৭০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৯৭
  2. অনুচ্ছেদ ৯৮
  3. অনুচ্ছেদ ৯৯
  4. অনুচ্ছেদ ১০০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৭
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।
- অনুচ্ছেদ ১০১ - হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০২ - কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০৩ - আপীল বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০৪ - আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৭১.
সংসদ প্রণীত আইন অনুমোদন করেন কে?
  1. ক) আইনমন্ত্রী
  2. খ) রাষ্ট্রপতি
  3. গ) স্পিকার
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
খ) রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতি সবার উপরে। সংবিধান অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রের প্রধান। সবার উর্ধ্বে তিনি স্থান লাভ করেন।
সংবিধান ও আইন অনুযায়ী তাঁকে প্রদত্ত সকল দায়িত্ব ও ক্ষমতা তিনি প্রয়ােগ করেন। সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতি অনুমােদন করেন।
সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি নিয়মতান্ত্রিক প্রধান। প্রজাতন্ত্রের সকল কাজ তার নামে পরিচালিত হয়। তার হাতে কোনাে নির্বাহী ক্ষমতা নেই।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি

৮৭২.
পঞ্চদশ সংশোধনী বিল কত সালে পাস হয়? 
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
ব্যাখ্যা

পঞ্চদশ সংশোধনী: 
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করা হয়।
- সময়: জুলাই, ২০১১ সালে।
- ১৯৭২ মূল সংবিধানের রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি যথা: জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করা হয়।
- রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রাখার পাশাপাশি সকল ধর্মচর্চার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

৮৭৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে চলাফেরার স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৬
  2. অনুচ্ছেদ ৩৭
  3. অনুচ্ছেদ ৩৮
  4. অনুচ্ছেদ ৩৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৬
ব্যাখ্যা
চলাফেরার স্বাধীনতা:
- জনস্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে বাংলাদেশের সর্বত্র অবাধ চলাফেরা, যে কোন স্থানে বসবাস ও বসতিস্থান এবং বাংলাদেশ ত্যাগ ও বাংলাদেশে পুনঃপ্রবেশ করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে। [অনুচ্ছেদ-৩৬]

সমাবেশের স্বাধীনতা:

জনশৃঙ্খলা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তি সঙ্গত বাধা নিষেধ সাপেক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে ও নিরস্ত্র অবস্থায় সমবেত হওয়ার এবং জনসভা ও শোভাযাত্রায় যোগদান করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে। [অনুচ্ছেদ-৩৭]

সংগঠনের স্বাধীনতা:
জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে সমিতি বা সংঘ করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে। [অনুচ্ছেদ-৩৮]

চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্স্বাধীনতা:
বাংলাদেশ সংবিধানে প্রত্যেক নাগরিককে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হয়েছে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও অন্যান্য আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হয়। [অনুচ্ছেদ- ৩৯(১), ৩৯ ২ক), ৩৯ ২খ)]

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৭৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশন গঠনের বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১১৭
  2. অনুচ্ছেদ ১১৮
  3. অনুচ্ছেদ ১১৯
  4. অনুচ্ছেদ ১২০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১৮
ব্যাখ্যা

• নির্বাচন কমিশন:
- বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য একটি নির্বাচন কমিশন আছে।
- নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, সংসদ নির্বাচন ও অন্য নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে নির্বাচন কমিশন গঠন কথা বলা হয়েছে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশন সমন্বয়ে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদেরকে রাষ্ট্রপ্রধান নিয়োগ দান করেন।
অন্যদিকে,
- ১১৭ নং অনুচ্ছেদ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কিত।
- ১১৯ নং অনুচ্ছেদ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কিত।
- ১২০ নং অনুচ্ছেদ  নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ সম্পর্কিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৭৫.
খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
  2. ১ নভেম্বর, ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন।
- এদিন পরিষদের সামনে সকল প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় ।
- ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন। 
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান, বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।

৮৭৬.
বাংলাদেশ সংবিধানে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল বিষয়টি কোন অনুচ্ছেদে সন্নিবেশ হয়েছে?
  1. ১১৪ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১১৫ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১১৬ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১১৭ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১১৭ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৭ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান:
 - সংবিধানের ১১৭ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত বিধান অনুসারে জাতীয় সংসদ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করে থাকে।
ট্রাইব্যুনাল হলো কোন বিশেষ উদ্দেশ্যে স্থাপিত আদালত যা সাধারণত জনকল্যাণমূলক এবং নিয়ন্ত্রণমূলক বিভিন্ন কাজের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠা করা হয়। যেমনঃ শ্রম আদালত, ভাড়া নিয়ন্ত্রক ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৭৭.
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন -
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী
  2. খ) স্পীকার
  3. গ) প্রধান বিচারপতি
  4. ঘ) ডেপুটি স্পীকার
সঠিক উত্তর:
খ) স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্পীকার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার সর্বোচ্চ ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি।
- তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এর রাষ্ট্রপ্রধান। 
- সংবিধানে ৫৪নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-  রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ক্ষেত্রমত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করিবেন।

উৎস:  পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি। এবং বাংলাদেশ সংবিধান।
৮৭৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নম্বর অনুচ্ছেদে ‘চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা’ নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. ৩১ নম্বর
  2. ৩৫ নম্বর
  3. ৩৯ নম্বর
  4. ৪১ নম্বর
সঠিক উত্তর:
৩৯ নম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯ নম্বর
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:

- অনুচ্ছেদ ৩৫ - বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৭ - সমাবেশের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৮ - সংগঠনের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৯ - চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪০ - পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪১ - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৪৩ - গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৪ - মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৫ - শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৭৯.
সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদের মূল বিষয়বস্তু নিচের কোনটি?
  1. নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ
  2. মৌলিক অধিকারের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ আইন বাতিল
  3. উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ২২৷ নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ:
রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ হতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে৷

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষা:
- সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদলত 'সুপ্রিম কোর্ট' নামে অভিহিত হবে।
- আপিল বিভাগ এবং হাইকোর্টে বিভাগ নিয়ে গঠিত এই সুপ্রিম কোর্ট শাসন বিভাগ থেকে কার্যকরভাবে পৃথক থাকবে।
- সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের নির্বাহী অর্থাৎ প্রশাসনিক অঙ্গসমূহ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র কর্তৃক নিশ্চিত করা হবে।

এছাড়া,
- অনুচ্ছেদ ২৩।ক: উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি
- অনুচ্ছেদ ২৬: মৌলিক অধিকারের সাথে অসমঞ্জস আইন বাতিল

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৮০.
কোনটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়?
  1. ক) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন
  2. খ) পাবলিক সার্ভিস কমিশন
  3. গ) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
  4. ঘ) নির্বাচন কমিশন
সঠিক উত্তর:
ক) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান গুলো হলো- নির্বাচন কমিশন, মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের দপ্তর, সরকারি কর্ম কমিশন, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, পাবলিক সার্ভিস কমিশন ইত্যাদি। অপরদিকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৮৮১.
হস্তলিখিত সংবিধানের অঙ্গসজ্জা করেন কে?
  1. কামরুল হাসান
  2. কাইয়ুম চৌধুরী
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. এস এম সুলতান
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক আব্দুর রউফ।
- হস্তলিখিত সংবিধানের অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন।
- হস্তলিখিত সংবিধানে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি। 

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৮৮২.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের কথা উল্লেখ আছে?
  1. ১১৮নং
  2. ১১৭নং
  3. ১২০নং
  4. ১১৪নং
সঠিক উত্তর:
১১৭নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৭নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১১৭নং অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের কথা উল্লেখ আছে।

বিচারবিভাগ:

- বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগে বিচারবিভাগ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ষষ্ঠ ভাগে মোট ৩টি পরিচ্ছদ রয়েছে।
- যথা:
১ম পরিচ্ছেদ: সুপ্রীম কোর্ট [অনুচ্ছেদ: ৯৪ - ১১৩];
২য় পরিচ্ছেদ: অধস্তন আদালত [অনুচ্ছেদ: ১১৪ থেকে ১১৬];
৩য় পরিচ্ছেদ: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল [অনুচ্ছেদ: ১১৭]।

অন্যদিকে,
- ১১৪ নং অনুচ্ছেদ: অধস্তন আদালত প্রতিষ্ঠা।
- ১১৮ নং অনুচ্ছেদ: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- ১২০ নং অনুচ্ছেদ: নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৮৩.
কোন দুটি দেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র রয়েছে?
  1. ক) কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) বাংলাদেশ ও কানাডা
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত
  4. ঘ) বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর দুটি দেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র রয়েছে। একটি বাংলাদেশ এবং অপরটি যুক্তরাষ্ট্র। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৭৭৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন জর্জ ওয়াশিংটন।
৮৮৪.
রাষ্ট্রপতির 'ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার' সংবিধানের কততম অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. ক) অনুচ্ছেদ ৫০
  2. খ) অনুচ্ছেদ ৫২
  3. গ) অনুচ্ছেদ ৪৮
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ ৪৯
সঠিক উত্তর:
ঘ) অনুচ্ছেদ ৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অনুচ্ছেদ ৪৯
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৪৯ : ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার
কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করার এবং যেকোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকবে।

অন্যদিকে, 
অনুচ্ছেদ ৫০:রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ ৪৮ : রাষ্ট্রপতি।
অনুচ্ছেদ ৫২ : রাষ্ট্রপতির অভিশংসন। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।  
৮৮৫.
সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নিচের কোনটির কথা বলা হয়েছে?
  1. মৌলিক অধিকার
  2. নির্বাচন
  3. বিচার বিভাগ
  4. নির্বাহী বিভাগ
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
৮৮৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ভোটার তালিকার কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) ১২০নং
  2. খ) ১২১নং
  3. গ) ১২২নং
  4. ঘ) ১২৩নং
সঠিক উত্তর:
খ) ১২১নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১২১নং
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ - ১২১ : প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা
সংসদের নির্বাচনের জন্য প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার জন্য একটি করে ভোটার-তালিকা থাকবে এবং ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদের ভিত্তিতে ভোটারদের বিন্যস্ত করে কোন বিশেষ ভোটার-তালিকা প্রণয়ন করা যাবে না।

[উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান]
৮৮৭.
’সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা’ বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-৩৬
  2. অনুচ্ছেদ-৩৯(২)
  3. অনুচ্ছেদ-৩৯(১)
  4. অনুচ্ছেদ-৪১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩৯(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩৯(২)
ব্যাখ্যা

 - ’সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা’ বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯(২) অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

• বাংলাদেশ সংবিধান: 

- অনুচ্ছেদ:৩৯:  চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
- ৩৯। (১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।

• ৩৯।(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে
- (ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
- (খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ: ৩৬: চলাফেরার স্বাধীনতা
- অনুচ্ছেদ: ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৮৮৮.
বাংলাদেশের সংবিধানে কত ধরনের মালিকানার কথা বলা আছে?
  1. ১ ধরনের
  2. ২ ধরনের
  3. ৩ ধরনের
  4. ৪ ধরনের
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
ব্যাখ্যা
মালিকানা নীতি:
- বাংলাদেশ সংবিধানে তিন ধরনের মালিকানার কথা বলা হয়েছে। 
- সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই মালিকানাগুলোর মধ্যে রয়েছে: রাষ্ট্রীয় মালিকানা, সমবায় মালিকানা এবং ব্যক্তিগত মালিকানা।

উল্লেখ্য,  
অনুচ্ছেদ-১৩ অনুযায়ী, উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণালীর মালিক বা নিয়ন্ত্রক হবে জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা-ব্যবস্থা তিনভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
- প্রথমত, রাষ্ট্রীয় মালিকানা, এর মাধ্যমে অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র রাষ্ট্রায়ত্ত করা হবে, যাতে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্র মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দ্বিতীয়ত, সমবায় মালিকানা, যা আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়ের সদস্যদের পক্ষে মালিকানা প্রতিষ্ঠা করে।
- তৃতীয়ত, ব্যক্তিগত মালিকানা, যেখানে আইনের মাধ্যমে নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা স্বীকৃত হয়।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৮৯.
নিচের কোনটি ৭ই মার্চের ভাষণে উত্থাপিত দাবির অর্ন্তগত নয়?
  1. সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে হবে
  2. বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী করতে হবে
  3. গণহত্যার তদন্ত ও বিচার করতে হবে
  4. সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে
সঠিক উত্তর:
বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী করতে হবে
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু রেসকোর্স ময়দানে সমাবেশে উপস্থিত হয়ে তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণ দেন।
- এই ভাষণে তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান এবং দেশকে মুক্ত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

- বঙ্গবন্ধু তার ৭ই মার্চের ১৮ মিনিটের ঐতিহাসিক ভাষণে ৪টি দাবি উত্থাপন করেন।  উত্থাপিত দফাগুলো হলো:-
১। সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে হবে।
২। সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে।
৩। গণহত্যার তদন্ত ও বিচার করতে হবে।
৪। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধানের ৫ম তফসিল।
৮৯০.
সংবিধানের কোন সংশোধনীতে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়?
  1. চতুর্থ সংশোধনী
  2. অষ্টম সংশোধনী
  3. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  4. পঞ্চদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
অষ্টম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম সংশোধনী
ব্যাখ্যা

৮ম সংশোধনী:
- ১৯৮৮ সালে এই সংশোধনী পাশ হয়।
- ১৯৮৯ আপীল বিভাগ হাইকোর্টের বেঞ্চ স্থাপন সংক্রান্ত ধারাটি অসাংবিধানিক উল্লেখ করে তা অবৈধ বলে রায় প্রদান করে।
- অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
এই সংশোধনী আইনবলে-
১. ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়। 
২. ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়।
৩. সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়। 
৪. সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

⇒ উল্লেখ্য:
- চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্রের বদলে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু হয়।
- ত্রয়োদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৮৯১.
প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রীসভার সদস্যদের কত অংশ সদস্য সংসদের বাইরে থেকে নিয়োগ করতে পারেন?
  1. ক) এক-দশমাংশ
  2. খ) এক-শতাংশ
  3. গ) দুই-দশমাংশ
  4. ঘ) কিয়দাংশ
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) এক-দশমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এক-দশমাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় এক-দশমাংশ। অর্থাৎ ১০% সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক
৮৯২.
কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক পদ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে?
  1. ১১৭ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১১৮ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১২৭ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১২৮ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১২৭ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৭ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
অষ্টম ভাগ - মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক: 
মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা: 
১২৭। (১) বাংলাদেশের একজন মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (অতঃপর "মহা হিসাব-নিরীক্ষক" নামে অভিহিত) থাকিবেন এবং তাঁহাকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন। 

মহা হিসাব-নিরীক্ষক: 
- ১২৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক পদ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। 

- মহা হিসাব-নিরীক্ষক রাষ্ট্রপতির দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
- তাঁর কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি নির্ধারণ করেন।
- ১২৮ নং অনুচ্ছেদে মহা-হিসাব নিরীক্ষকের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে। 
- দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে থাকবেন না।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ৫ বছর বা ৬৫ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন।
- অপসারণের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকের মতো প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।
- কর্মাবসানের পর তিনি সরকারি অন্য কোনো পদে নিযুক্ত হতে পারবেন না।
- পদ শূন্য বা অনুপস্থিত থাকলে রাষ্ট্রপতি অস্থায়ী মহা হিসাব-নিরীক্ষক নিয়োগ দিতে পারেন।
- রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে মহা হিসাব-নিরীক্ষক প্রজাতন্ত্রের হিসাবের আকার ও পদ্ধতি নির্ধারণ করবেন।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্ট রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সংসদে উপস্থাপন করা হবে।
- বর্তমান কন্ট্রোলার জেনারেল অব একাউন্টস: জনাব এস এম রেজভী

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৯৩.
সংবিধান কমিটি গঠন করা হয় কবে?
  1. ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে
  2. ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
  3. ২৩ মার্চ, ১৯৭২ সালে
  4. ১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
গণপরিষদ এবং অস্থায়ী সংবিধান সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তারিখ:
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয় ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয় - ২৩ মার্চ, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে -১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে। ঐদিন গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসে - ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান কমিটি গঠন করা হয় ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- শাসনতন্ত্র  কমিটির প্রথম বৈঠক হয়েছিলো - ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- কমিটির শেষ বৈঠক এবং খসড়া সংবিধান অনুমোদন - ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন - ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানে খসড়া সংবিধান গৃহীত - ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধানে স্বাক্ষর - ১৪, ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান কার্যকর, গণপরিষদ বিলুপ্ত - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৯৪.
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করার বিষয়টি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৩
  2. অনুচ্ছেদ ২৪
  3. অনুচ্ছেদ ২১
  4. অনুচ্ছেদ ২২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২২
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।

⇒ বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।

⇒ সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- সুপ্রিম কোর্ট প্রধান বিচারপতি ও প্রত্যেক বিভাগের বিচারপতিদের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগসমূহ থেকে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
৮৯৫.
সংবিধানের কোন সংশোধনী দ্বারা বাংলাদেশে একজন নামমাত্র রাষ্ট্রপতি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়?
  1. একাদশ সংশোধনী
  2. দ্বাদশ সংশোধনী
  3. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  4. চতুর্দশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী:
- এই সংশোধনী আইন পাস হয় ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট।
- এ সংশোধনীর মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হল রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন।
- ১৯৯১ সালের ৬ই আগস্ট ৩০৭-০ ভোটে এ সংশোধনী বিলটি গৃহীত হয়।

⇒ এ সংশোধনীর প্রধান প্রধান দিক:
(১) সংসদীয় সরকার: দ্বাদশ সংশোধনীর প্রধান দিক হল সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন। এ সংশোধনীর দ্বারা বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি পরিবর্তন করা হয়। রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়।
(২) নামমাত্র রাষ্ট্রপতি: এ সংশোধনীর দ্বারা বাংলাদেশে একজন নামমাত্র রাষ্ট্রপতি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। তিনি আইনানুসারে সংসদ সদস্য দ্বারা নির্বাচিত হবেন। তিনি যাবতীয় বিষয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শক্রমে কাজ করবেন।
(৩) রাষ্ট্রপতির মেয়াদ: এ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির মেয়াদ নির্ধারিত হয়। রাষ্ট্রপতি ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন। একাধিক্রমে তিনি ১০ বছরের বেশি মেয়াদে ক্ষমতায় থাকবেন না।
(৪) উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ: উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ দ্বাদ্বশ সংশোধনীর একটি উল্লেখযোগ্য দিক। দ্বাদশ সংশোধনীর দ্বারা উপ-রাষ্ট্রপতির পদটি বিলোপ করা হয়। এ সংশোধনীতে বলা হয়, কোন কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে জাতীয় সংসদের স্পীকার অস্থায়ীভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
(৫) মন্ত্রিসভা গঠন: মন্ত্রিসভা গঠন পদ্ধতি সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর একটি বিশেষ দিক। এ সংশোধনীতে বলা হয় বাংলাদেশ সরকার ব্যবস্থায় একটি মন্ত্রিসভা থাকবে। রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের আস্থাভাজন ব্যক্তিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করবেন। তিনি হবেন এ মন্ত্রিসভার নেতা।
(৬) গণভোট পদ্ধতি: এ সংশোধনীতে গণভোট পদ্ধতির কথা বলা হয়। দ্বাদশ সংশোধনী দ্বারা কেবল প্রস্তাবনা, সংবিধানের প্রস্তাবনা, অনুচ্ছেদ ৮, ৪৮, ৫৬ ও ১৪২ সংক্রান্ত কোন সংশোধনী বিল গণভোট আকারে পেশ করার বিধান রাখা হয়।

উৎস: i) BBC.
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৯৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তির কথা বলা হয়েছে?
  1. ১১নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৪নং অনুচ্ছেদে
  3. ২২নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৬নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৪নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
- ১৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে মেহনতী মানুষকে-কৃষক ও শ্রমিককে এবং জনগণের অনগ্রসর অংশসমূহকে সকল প্রকার শোষণ হইতে মুক্তি দান করা।

অন্যদিকে, 
- সংবিধানের ১১নং অনুচ্ছেদে বলা আছে 'গণতন্ত্র ও মৌলিক মানবাধিকারের নিশ্চয়তা'।
- সংবিধানের ২২নং অনুচ্ছেদে বলা আছে 'নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ'।
- সংবিধানের ১৬নং অনুচ্ছেদে গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লবের কথা বলা হয়েছে। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৯৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের বিধান সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ক) ১৫৭
  2. খ) ১৪৭
  3. গ) ১৩৭
  4. ঘ) ১২৭
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২৭
ব্যাখ্যা

 -মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক প্রজাতন্ত্রের হিসাব রক্ষায় সর্বদা নিয়োজিত।
- বাংলাদেশের সংবিধানের কত ১২৭ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের হিসাব পরিচালনার জন্য একজন মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের বিধান রাখা হয়েছে।
- এর মেয়াদকাল ৫ বছর।
- সংবিধান অনুসারে মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা

অনুচ্ছেদ - ১২৭: মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
(১) বাংলাদেশের একজন মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (অতঃপর ''মহা হিসাব-নিরীক্ষক'' নামে অভিহিত) থাকিবেন এবং তাঁহাকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন।
(২) এই সংবিধান ও সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে মহা হিসাব-নিরীক্ষকের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে।

উৎসঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পৌরনীতি ২য় পত্র ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ।

৮৯৮.
হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক ছিলেন কে?
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
  3. আব্দুর রউফ
  4. ড. কামাল হোসেন
সঠিক উত্তর:
আব্দুর রউফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুর রউফ
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক আব্দুর রউফ।
- হস্তলিখিত সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্বাবধায়ক ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
- ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন।
- হস্তলিখিত সংবিধানে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি। 
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ - ১০৯ পৃষ্ঠা।
- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ হতে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৮৯৯.
সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার প্রবর্তন
  2. মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন
  3. তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন
  4. গণভোট ব্যবস্থা বিলুপ্তি
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন
ব্যাখ্যা

সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী:
- দ্বাদশ সংশোধনী বিল উত্থাপন করেন খালেদা জিয়া। 
- এই সংশোধনী আইন পাস হয় ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট।
- এ সংশোধনীর মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হল রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন। ১৯৯১ সালের ৬ই আগস্ট ৩০৭-০ ভোটে এ সংশোধনী বিলটি গৃহীত হয়।

• এ সংশোধনীর প্রধান প্রধান দিক:
- দ্বাদশ সংশোধনীর প্রধান দিক হল সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন। এ সংশোধনীর দ্বারা বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি পরিবর্তন করা হয়। রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়।
- নামমাত্র রাষ্ট্রপতি: এ সংশোধনীর দ্বারা বাংলাদেশে একজন নামমাত্র রাষ্ট্রপতি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। তিনি আইনানুসারে সংসদ সদস্য দ্বারা নির্বাচিত হবেন। তিনি যাবতীয় বিষয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শক্রমে কাজ করবেন।
- রাষ্ট্রপতির মেয়াদ: এ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির মেয়াদ নির্ধারিত হয়। রাষ্ট্রপতি ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন। একাধিক্রমে তিনি ১০ বছরের বেশি মেয়াদে ক্ষমতায় থাকবেন না।
- উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ: উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ দ্বাদ্বশ সংশোধনীর একটি উল্লেখযোগ্য দিক। দ্বাদশ সংশোধনীর দ্বারা উপ-রাষ্ট্রপতির পদটি বিলোপ করা হয়। এ সংশোধনীতে বলা হয়, কোন কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে জাতীয় সংসদের স্পীকার অস্থায়ীভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
- মন্ত্রিসভা গঠন: মন্ত্রিসভা গঠন পদ্ধতি সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর একটি বিশেষ দিক। এ সংশোধনীতে বলা হয় বাংলাদেশ সরকার ব্যবস্থায় একটি মন্ত্রিসভা থাকবে। রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের আস্থাভাজন ব্যক্তিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করবেন। তিনি হবেন এ মন্ত্রিসভার নেতা।
- গণভোট পদ্ধতি: এ সংশোধনীতে গণভোট পদ্ধতির কথা বলা হয়। দ্বাদশ সংশোধনী দ্বারা কেবল প্রস্তাবনা, সংবিধানের প্রস্তাবনা, অনুচ্ছেদ ৮, ৪৮, ৫৬ ও ১৪২ সংক্রান্ত কোন সংশোধনী বিল গণভোট আকারে পেশ করার বিধান রাখা হয়।
- তাছাড়া, সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে এই আইনে স্থানীয় সরকার কাঠামোতে জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়, যা দেশে গণতন্ত্রের ভিত্তি সুদৃঢ় করে।

উৎস: i) BBC.
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯০০.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী কতজন সদস্য নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ১১৮নং অনুচ্ছেদে, 'নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• সংবিধানের ১১৮ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে,
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।

• সংবিধানের ১১৮ (২) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে,
- একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া নির্বাচন কমিশন গঠিত হইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাহার সভাপতিরূপে কার্য করিবেন।

• সংবিধানের ১১৮ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে,
- এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরকাল হইবে এবং 
 (ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার-পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, এমন কোন ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন না; 
 (খ) অন্য কোন নির্বাচন কমিশনার অনুরূপ পদে কর্মাবসানের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররূপে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন, তবে অন্য কোনভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন না। 
 
• সংবিধানের ১১৮ (৪) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, 
- নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন। 

• সংবিধানের ১১৮ (৫) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে,
- সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে।

• সংবিধানের ১১৮ (৬) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, 
- কোন নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।