বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের সংবিধান

মোট প্রশ্ন২,৩৩১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের সংবিধান

PrepBank · পাতা ১০ / ২৪ · ৯০১১,০০০ / ২,৩৩১

৯০১.
’’বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী বলে পরিচিত হবেন’’- এটি সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ- ৬(১)
  2. অনুচ্ছেদ- ৬(২)
  3. অনুচ্ছেদ- ৫
  4. অনুচ্ছেদ- ৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ৬(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ৬(২)
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ-৬:  নাগরিকত্ব: 
- ৬(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। 
- ৬(২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলে পরিচিত হবেন।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ: ৫(১) প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা৷ 
- অনুচ্ছেদ ৫(২) রাজধানীর সীমানা আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে৷
- অনুচ্ছেদ-৭: সংবিধানের প্রাধান্য।
- ৭(১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে৷

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৯০২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৮ক নং
  2. ২৩ (ক) নং
  3. ২৪ নং
  4. ২০ নং
সঠিক উত্তর:
২৩ (ক) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ (ক) নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- ১৮ক নং অনুচ্ছেদ: পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।
- ২০ নং অনুচ্ছেদ: অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম।
- ২৩ (ক) নং অনুচ্ছেদ: উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি।
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ: জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯০৩.
মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন হলে সংবিধানের কোন ধারায় মামলার ক্ষমতা দেয়া আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১০১ 
  2. অনুচ্ছেদ ১০২
  3. অনুচ্ছেদ ১০৫
  4. অনুচ্ছেদ ১০৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১০২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধান: 
- অনুচ্ছেদ: ৪৪: মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।
- ৪৪ (১) এই ভাগে প্রদত্ত অধিকারসমূহ বলবৎ করিবার জন্য এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা রুজু করিবার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হইল। 
 - ৪৪ (২) এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার হানি না ঘটাইয়া সংসদ আইনের দ্বারা অন্য কোন আদালতকে তাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ঐ সকল বা উহার যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দান করিতে পারবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৯০৪.
রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে তাঁর দায়িত্ব পালন করেন-
  1. ক) মন্ত্রীপরিষদ সচিব
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী 
  3. গ) প্রধান বিচারপতি
  4. ঘ) স্পিকার
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্পিকার
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে ক্ষেত্রমতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। 

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাদেশের সংবিধান।
৯০৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম?
  1. ক) ২ক নং অনুচ্ছেদ
  2. খ) ৩ নং অনুচ্ছেদ
  3. গ) ৪ নং অনুচ্ছেদ
  4. ঘ) ৪ক নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
ক) ২ক নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২ক নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের ২ক নং অনুচ্ছেদ অনুসারে বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্রের রাষ্টধর্ম ইসলাম।
অন্যদিকে,
- ৩ নং অনুচ্ছেদ : রাষ্ট্রভাষা
- ৪ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক
- ৪ক নং অনুচ্ছেদ : জাতির পিতার প্রতিকৃতি।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
৯০৬.
নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান করা হয় কোন সংশোধনী মাধ্যমে?
  1. দ্বাদশ সংশোধনী 
  2. একাদশ সংশোধনী 
  3. ত্রয়োদশ সংশোধনী 
  4. নবম সংশোধনী 
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী 
ব্যাখ্যা

ত্রয়োদশ সংশোধনী:
- ত্রয়োদশ সংশোধনী আইন সংবিধান আইন,পাস হয় ১৯৯৬ সালের ২৬ মার্চ।
- এর দ্বারা একটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান করা হয়।
- যা একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন হিসেবে কাজ করবে এবং সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনকে সর্বতোভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করবে।
- একজন প্রধান উপদেষ্টা ও অনূর্ধ্ব ১০ জন উপদেষ্টার সমন্বয়ে গঠিতব্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার সমষ্টিগতভাবে রাষ্ট্রপতির নিকট দায়বদ্ধ থাকবে এবং নতুন সংসদ গঠনের পর নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণের তারিখে বিলুপ্ত হবে।

অন্যদিকে, 
- তৃতীয় সংশোধনী: ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা সীমান্ত চুক্তি অনুমোদন ও রাষ্ট্রীয় সীমানা পুনঃনির্ধারণ, বেডুবাড়িকে ভারতের কাছে হস্তান্তর।
- চতুর্থ সংশোধনী: সংসদীয় শাসন পদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন পদ্ধতি চালু এবং একদলীয় রাজনীতি প্রবর্তন। 
- ষষ্ঠ সংশোধনী: উপ-রাষ্ট্রপতি পদে বহাল থেকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের নিশ্চিতকরণ।
- সপ্তম সংশোধনী: ১৯৮২ সালের ২৪শে মার্চ থেকে ১৯৮৬ সালের ৯ই নভেম্বর পর্যন্ত সামরিক আইন বলবৎ থাকাকালীন সামরিক সরকারের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের বৈধতা দান।
- অষ্টম সংশোধনী: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে স্বীকৃতিদান।

উল্লেখ্য,
- পঞ্চদশ সংশোধনী দ্বারা নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৯০৭.
জরুরি অবস্থার সময় সংবিধানে উল্লেখিত নিচের কোন মৌলিক অধিকারটি রহিত করা যায় না?
  1. ক) চলাফেরার স্বাধীনতা
  2. খ) সংগঠনের স্বাধীনতা
  3. গ) বৃত্তির স্বাধীনতা
  4. ঘ) ধর্মীয় স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধর্মীয় স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধর্মীয় স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১৪১(খ) নং উপদফায় জরুরি অবস্থার সময় সরকারকে সংবিধানের ৩৬ (চলাফেরার স্বাধীনতা), ৩৭ (সমাবেশের স্বাধীনতা), ৩৮ (সংগঠনের স্বাধীনতা), ৩৯ (চিন্তা, বিবেক ও বাক স্বাধীনতা), ৪০ (পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা) এবং ৪২ (সম্পত্তির অধিকার) নং অনুচ্ছেদ অকার্যকর রাখার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।

৪১ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত ধর্মীয় স্বাধীনতা এর আওতাধীন নয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
৯০৮.
আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর মোট কয়টি বিধান বাতিল করেছে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও গণভোট পদ্ধতি বাতিল করে সংবিধানের যে পঞ্চদশ সংশোধনী আনা হয়েছিলো সেটিকে আংশিক বাতিল করেছে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ।
- কিন্তু যে অংশটি বাতিল করা হয়েছে তার ফলে দেশের সংবিধানে আবারো নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরে আসার পথ তৈরি হয়েছে এবং সংবিধানের কিছু ক্ষেত্রে সংশোধনীর জন্য গণভোটের বিধান পুনরুজ্জীবিত হয়েছে।
- আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর মোট ছয়টি বিধান বাতিল করেছে
- ওই সংশোধনীতে ৫৪টি পরিবর্তন আনা হয়েছিলো।
- বাকীগুলো পরবর্তী সংসদের হাতে ছেড়ে দিয়েছে।
- তবে আইনজীবীরা বলছেন হাইকোর্টের রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে করা বিধান বাতিল হলেও সংবিধানে এখনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরছে না।
- বরং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা যে সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে যুক্ত করা হয়, সেই ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে আপিল বিভাগ যে আদেশ দিয়েছিল, তার ওপর একটি রিভিউ পিটিশন আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় আছে।
- ২০১১ সালের ১০ মে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ওই রায় দিয়েছিলেন।
- ২০২৪ সালের ১৮ই আগস্ট সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী চ্যালেঞ্জ করে আদালতে রিট করেন বেসরকারি সংস্থা সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন।
- উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৩০শে জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী পাশ হয়েছিলো সংসদে। 

উৎস: বিবিসি বাংলা (১৭ ডিসেম্বর ২০২৪)
৯০৯.
সংসদের কোরাম সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৭১ নং অনুচ্ছেদে
  2. ৭৩ নং অনুচ্ছেদে
  3. ৭৫ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৭৮ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৭৫ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৫ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

• কোরাম:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- জাতীয় সংসদের বৈঠক চলাকালে কোনো সময়ে উপস্থিত সংসদ সংখ্যা ৬০ জনের কম বলে যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয় তাহলে তিনি অনূন্য ৬০ জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখবেন কিংবা মুলতবি করবেন।

উল্লেখ্য,
- কোরাম বলতে বুঝায় একটি বৈধ সভার শুরু হতে শেষ পর্যন্ত ভোটদানের অধিকারী সদস্যের একটি নূন্যতম সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বা প্রতিনিধি উপস্থিত থাকা এবং নূন্যতম এই সংখ্যা সংগঠনের আইন নিয়ম দ্বারা পূর্বেই নির্ধারিত করে দেওয়া।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ ৭১: দ্বৈত সংসদ-সদস্যতায় বাধা।  
- অনুচ্ছেদ ৭৩: সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী
- অনুচ্ছেদ ৭৮: সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

৯১০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হয়েছে?
  1. ৯৪ (১) নং
  2. ৯৫ (১) নং
  3. ৯৬ (১) নং
  4. ১০৮ নং
সঠিক উত্তর:
৯৪ (১) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৪ (১) নং
ব্যাখ্যা
সুপ্রিম কোর্ট:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রিম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।
- সংবিধান ও সংবিধানের পাশাপাশি দেশের সাধারণ আইন (সংসদ কর্তৃক পাশকৃত আইন) এই এখতিয়ারের উৎস।
- ১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত করা হয়।

অন্যদিকে -
- সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, 'প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন।
- সংবিধানের ৯৬ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, 'কোন বিচারক সাতষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।'
- সংবিধানের ১০৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে 'কোর্ট অব রেকর্ড' রূপে সুপ্রীম কোর্ট: সুপ্রীম কোর্ট একটি 'কোর্ট অব্ রেকর্ড' হবেন এবং এর অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।

উৎস: i) সুপ্রিম কোর্ট ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।
৯১১.
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র সদস্য ছিলেন-
  1. সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
  2. ড. কামাল হোসেন
  3. মওদুদ আহমেদ
  4. খন্দকার মোশতাক
সঠিক উত্তর:
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
ব্যাখ্যা
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:

- ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র সদস্য ছিলেন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৯১২.
সংবিধান অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতির অবসরের বয়সসীমা কত?
  1. ৬০ বছর
  2. ৬৩ বছর
  3. ৬৫ বছর
  4. ৬৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৬৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭ বছর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতিসহ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা ৬৭ বছর।

• বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিচারকদের পদের মেয়াদ: একজন বিচারপতি ৬৭ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত তার পদে বহাল থাকেন।

প্রধান বিচারপতি:
- দেশের বর্তমান ও ২৬তম প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
- ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে জুবায়ের রহমান চৌধুরী দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

⇒ সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়ান মহামান্য রাষ্ট্রপতি। প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করেই অন্যান্য বিচারপতি দের নিয়োগ দেয়া হয়।
- প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের জন্যে ন্যূনতম দশ বছর সুপ্রিমকোর্টে অ্যাডভোকেট বা দেশের বিচার বিভাগীয় পদে দশ বছর নিযুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয়।
- প্রধান বিচারপতি ৬৭ বছর বয়সে অবসর গ্রহণ করেন।
- বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বয়সসীমা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পরবর্তী ৫ বছর।

উৎস: i) সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৯১৩.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে সংবিধানের প্রাধান্য [Supremacy of the Constitution] এর বিধান আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪ক
  2. অনুচ্ছেদ ৭
  3. অনুচ্ছেদ ৭ক
  4. অনুচ্ছেদ ৭খ
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭
ব্যাখ্যা
সংবিধানের প্রাধান্য:
বাংলাদেশ সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদের বিধান:সংবিধানের প্রাধান্য:
(১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে৷ 
(২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে৷ 

-সংবিধানের প্রাধান্য [Supremacy of the Constitution]
- সংবিধানের প্রাধান্য অর্থ হলো সংবিধানের আদেশসমূহ সকল প্রেক্ষাপটে বহাল থাকবে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৭(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংবিধান হলো প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসামঞ্জস্য হয়, তা হলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।
- এছাড়া কোন কার্য সংবিধানের বিধানের সাথে অসামঞ্জস্য হয়, তাহলে উক্ত কার্য অবৈধ হবে এবং কোন অবস্থাতে তার বৈধতা দেওয়ার সুযোগ নেই।
- যদি কোন আইন অসাংবিধানিক হয়, তাহলে অসামঞ্জস্যতা দূর করে তা পুনরায় প্রণয়ন করা যায়।

এছাড়াও,
অনুচ্ছেদ-৪ক এর বিধান→ জাতির পিতার প্রতিকৃতি।
অনুচ্ছেদ-৭ক এর বিধান → সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ।
অনুচ্ছেদ-৭খ এর বিধান → সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৯১৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'সংবিধানের প্রাধান্য' উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৮ নং
  2. ৭ নং
  3. ৬ নং
  4. ৫ নং
সঠিক উত্তর:
৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ নং
ব্যাখ্যা

সংবিধানের ৭নং অনুচ্ছেদে 'সংবিধানের প্রাধান্যের' কথা বলা হয়েছে। 

• বাংলাদেশ সংবিধান:
-  অনুচ্ছেদ- ৭(১): প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ;
- এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে৷ 
- (২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন;
- এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তা হলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে৷

• সংবিধানের প্রথম ভাগের অনুচ্ছেদ সমূহ:
 ১। প্রজাতন্ত্র;
২। প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা;
২ক। রাষ্ট্রধর্ম;
৩। রাষ্ট্রভাষা;
৪। জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক;
৪ক। জাতির পিতার প্রতিকৃতি;
৫। রাজধানী;
৬। নাগরিকত্ব;
৭। সংবিধানের প্রাধান্য;

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৯১৫.
হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি -
  1. সুরঞ্জিৎ সেন গুপ্ত
  2. শ্রীমানবেন্দ্র নারায়ন লারমা
  3. মোহাম্মদ আজিজার রহমান
  4. বর্ণিত সবাই
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
সংবিধানে স্বাক্ষর:
- বাংলাদেশের সংবিধান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন।
- এটি একটি লিখিত দলিল।
- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ই এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- গণপরিষদের সদস্য চিল মোট ৪০৩ জন।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সংবিধানে গণপরিষদ সদস্যদের স্বাক্ষর দান উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে,
- ১৫ তারিখ অনুষ্ঠানের শেষ সময় পর্যন্ত ৪ জন মাননীয় সদস্য- শ্রীমানবেন্দ্র নারায়ন লারমা, শ্রী সুরঞ্জিৎ সেন গুপ্ত, মোহাম্মদ আজিজার রহমান এবং মোহাম্মদ ইব্রাহীম সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৯১৬.
কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান করেন?
  1. ক) ৭১ নং
  2. খ) ৭২ নং
  3. গ) ৭৫ নং
  4. ঘ) ৭৬ নং
সঠিক উত্তর:
খ) ৭২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭২ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ৭২(১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন। তবে এক্ষেত্রে তিনি প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী তার দায়িত্ব পালন করবেন।
সাধারণভাবে এক অধিবেশনের শেষ বৈঠক ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে বিরতিকাল সর্বোচ্চ ষাট দিন হতে পারবে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
৯১৭.
একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তিত করা হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে? 
  1. দ্বিতীয়
  2. চতুর্থ
  3. পঞ্চম
  4. ষষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
ব্যাখ্যা

• চতুর্থ সংশোধনী: 
- চতুর্থ সংশোধনীর শিরোনাম: সংবিধান [চতুর্থ সংশোধন] আইন, ১৯৭৫। 
- সংসদে পাশের তারিখ: ২৫ জানুয়ারি, ১৯৭৫ সাল। 
- চতুর্থ সংশোধনীর দ্বারা সংসদীয় শাসন পদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতিশাসিত শাসন পদ্ধতি এবং বহুদলীয় রাজনীতির পরিবর্তে একদলীয় রাজনীতি প্রবর্তন করা হয়।

এছাড়া,

• দ্বিতীয় সংশোধনী: 
- দ্বিতীয় সংশোধনীর শিরোনাম সংবিধান [দ্বিতীয় সংশোধন] আইন, ১৯৭৩। 
- সংসদে বিল পাশের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩। 
- দ্বিতীয় সংশোধনীর দ্বারা জরুরি অবস্থাকালীন নাগরিকদের কতিপয় মৌলিক অধিকার স্থগিত করা হয়।

• পঞ্চম সংশোধনী: 
- পঞ্চম সংশোধনীর শিরোনাম সংবিধান [পঞ্চম সংশোধন] আইন, ১৯৭৯। 
- বিলটি সংসদে পাশের তারিখ ৬ এপ্রিল, ১৯৭৯। 
- পঞ্চম সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা থেকে শুরু করে ৫ এপ্রিল, ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত সামরিক সরকারের যাবতীয় কর্মকান্ডের বৈধতা দান।

• ষষ্ঠ সংশোধনী: 
- ষষ্ঠ সংশোধনীর শিরোনাম ছিল সংবিধান [ষষ্ঠ সংশোধন] আইন, ১৯৮১। 
- বিলটি সংসদে পাশ হয় ৮ জুলাই, ১৯৮১। 
- ষষ্ঠ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল উপ-রাষ্ট্রপতির পদে থেকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের বিধান নিশ্চিত করা।

তথ্যসূত্র: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯১৮.
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন কবে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল
  2. ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
  3. ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল
  4. ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
গণপরিষদের অধিবেশন:
- ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- এ অধিবেশনে গণপরিষদের স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত হয়।
- শাহ আব্দুল হামিদ গণপরিষদের প্রথম স্পীকার নির্বাচিত হন।
- তাঁর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হন জনাব মোহাম্মদ উল্লাহ।
- এ অধিবেশনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটি গঠন করা হয়। এটি হল "সংবিধান কমিটি"।
- এ কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন তৎকালীন আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন। এ কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ৩৪ জন।

⇒ গণপরিষদে সংবিধান পেশ
- সংবিধান কমিটিতে ড. কামাল হোসেন ছাড়া আরও চার জন মন্ত্রী ছিলেন।
- তারা হলেন যথাক্রমে (১) সৈয়দ নজরুল ইসলাম; (২) তাজউদ্দিন আহমদ; (৩) খন্দকার মুশতাক আহমেদ; (৪) এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান।
- এ ছাড়া ৭ জন মহিলা সদস্যের মধ্যে একজন ছিলেন সংসদ সদস্য।
- এ কমিটির প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসে।
- ঐ অধিবেশনে সংবিধান কমিটির সভাপতি ড. কামাল হোসেন সংবিধান বিল আকারে গণপরিষদে পেশ করেন।
- ১৩ অক্টোবর গণপরিষদ কিছু কিছু সংশোধনীসহ এ খসড়া সংবিধানের বিধিমালা গৃহীত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'মন্ত্রিসভা' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫০
  2. অনুচ্ছেদ ৫২
  3. অনুচ্ছেদ ৫৫
  4. অনুচ্ছেদ ৫৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৫
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদে ৫২ - রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ৫৩ - অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৪ - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
- অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন।
- অনুচ্ছেদ ৬০ - স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৯২০.
বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময় ও সীমান্ত রেখা নির্ধারণের চুক্তি কার্যকর করার জন্য সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে পরিবর্তন করা হয়?
  1. ২নং অনুচ্ছেদ
  2. ১২নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৮নং অনুচ্ছেদ
  4. ২৩নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
২নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
তৃতীয় সংশোধনী:
- তৃতীয় সংশোধনী আইন সংবিধান (তৃতীয় সংশোধনী) আইন, ১৯৭৪ বলবৎ হয় ১৯৭৪ সালের ২৮ নভেম্বর।
- এর দ্বারা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কতিপয় ছিটমহল বিনিময় ও সীমান্ত রেখা নির্ধারণের ব্যাপারে একটি চুক্তি কার্যকর করার লক্ষ্যে সংবিধানের ২নং অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা হয়

২নং অনুচ্ছেদ: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা 
১. ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণার আগে পূর্ব পাকিস্তানের যে সব এলাকা ছিল, তা বাংলাদেশের সীমানায় অন্তর্ভুক্ত। তবে ১৯৭৪ সালের সংবিধান (তৃতীয় সংশোধনী) অনুযায়ী, অন্তর্ভুক্ত ও বহির্ভূত এলাকার উল্লেখ অনুযায়ী সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে।
২. ভবিষ্যতে যে কোনো নতুন এলাকা বাংলাদেশের সীমানায় যুক্ত হলে তা-ও অন্তর্ভুক্ত হবে।

 বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের অনুচ্ছেদ -
- ১ নং অনুচ্ছেদ: প্রজাতন্ত্র,
- ২ নং অনুচ্ছেদ: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা,
- ২ক নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রধর্ম,
- ৩ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রভাষা,
- ৪ নং অনুচ্ছেদ: জাতীয় সঙ্গীত, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় প্রতীক,
- ৪ক নং অনুচ্ছেদ: জাতির পিতার প্রতিকৃতি,
- ৫ নং অনুচ্ছেদ: রাজধানী,
- ৬ নং অনুচ্ছেদ: নাগরিকত্ব,
- ৭ নং অনুচ্ছেদ: সংবিধানের প্রাধান্য,
- ৭ক নং অনুচ্ছেদ: সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ,
- ৭খ নং অনুচ্ছেদ: সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ সংবিধান।
৯২১.
নিচের কোন বিবৃতিটি সঠিক নয়?
  1. বাংলাদেশের সংবিধানের ৭নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের প্রাধান্যের কথা উল্লেখ আছে।
  2. বাংলাদেশের সংবিধানের ৫নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাজধানীর কথা উল্লেখ আছে।
  3. বাংলাদেশের সংবিধানের ৬নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীকের কথা উল্লেখ আছে।
  4. বাংলাদেশের সংবিধানের ২ক অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রধর্মের কথা উল্লেখ আছে।
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীকের কথা উল্লেখ আছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীকের কথা উল্লেখ আছে।
ব্যাখ্যা
- "বাংলাদেশের সংবিধানের ৬নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীকের কথা উল্লেখ আছে।"- বিবৃতিটি সঠিক নয়। 
- সঠিক বিবৃতিটি হবে- ৬ নং অনুচ্ছেদে নাগরিকত্বের কথা উল্লেখ আছে। 

• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের,
- ২ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা,
- ২ক অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রধর্ম,
- ৩ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা,
- ৪ নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক,
- ৫ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাজধানীর কথা উল্লেখ আছে।
- ৬ নং অনুচ্ছেদে নাগরিকত্বের কথা উল্লেখ আছে। 
- ৭ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের প্রাধান্যের কথা উল্লেখ আছে।  

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯২২.
ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ৪১নং
  2. ৪৩নং
  3. ৪৫নং
  4. ৪৭নং
সঠিক উত্তর:
৪১নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১নং
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের তৃতীয় ভাগ:
বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার: ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা উল্লেখ্য আছে,
অনুচ্ছেদ - ৪১
(১) আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা - সাপেক্ষে (ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রহিয়াছে; (খ) প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ - সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রহিয়াছে।
(২) কোন শিক্ষা - প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম - সংক্রান্ত না হইলে তাঁহাকে কোন ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করিতে হইবে না।

অর্থাৎ, ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত সংবিধানের ৪১ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে।

উৎস- বাংলাদেশের সংবিধান।
৯২৩.
সংবিধানের কততম সংশোধনীর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়?
  1. চতুর্দশ
  2. পঞ্চদশ
  3. ষোড়শ
  4. সপ্তদশ
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। 

এছাড়া,
- চতুর্দশ সংশোধনী ৪৫ টি নারী আসন সংরক্ষণ,
- ষোড়শ সংশোধনী বিচারপতিদের অভিসংশন ক্ষমতা এবং
- সপ্তদশ সংশোধনী ৫০ টি নারী আসন সংক্রান্ত।

উৎস: বিবিসি নিউজ বাংলা, ১৯ ডিসেম্বর ২০২১।
৯২৪.
বাংলাদেশের সংবিধানে নাগরিকদের জন্য কতটি মৌলিক অধিকার সংরক্ষিত আছে?
  1. ক) ৫
  2. খ) ১১
  3. গ) ১৩
  4. ঘ) ১৮
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৭ নং অনুচ্ছেদ থেকে ৪৪ নং অনুচ্ছেদে নাগরিকদের জন্য মোট ১৮টি মৌলিক অধিকার সংরক্ষিত আছে।
- তৃতীয় ভাগে ২৬-৪৭ পর্যন্ত মোট ২২টি অনুচ্ছেদ থাকলেও অধিকার সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ আছে ১৭টি এবং এদের মধ্যে মৌলিক অধিকার ১৮টি [কারণ ২৮ নং অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকার ২টি। একটি ২৮(১) এবং অপরটি ২৮(২)।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান
৯২৫.
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন কবে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১০ এপ্রিল, ১৯৭২
  2. ১১ এপ্রিল, ১৯৭২
  3. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
  4. ২১ এপ্রিল, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
 গণপরিষদের অধিবেশন:
- ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- দেশ শত্রুমুক্ত হওয়ার মাত্র ১১৬ দিন পর গণপরিষদের এ প্রথম অধিবেশন বসে।
- এ অধিবেশনে গণপরিষদের স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত হয়।
- শাহ আব্দুল হামিদ গণপরিষদের প্রথম স্পীকার নির্বাচিত হন।
- তাঁর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হন জনাব মোহাম্মদ উল্লাহ।

⇒ এ অধিবেশনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটি গঠন করা হয়।
- এটি হল "সংবিধান কমিটি"।
- এ কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন তৎকালীন আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- 'গণপরিষদের ৩৪ জন সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত খসড়া প্রণয়ন কমিটি- যার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ড. কামাল হোসেন'।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২৬.
”ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী” সংবিধানের কততম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত?
  1. চতুর্থ তফসিল
  2. প্রথম তফসিল
  3. দ্বিতীয় তফসিল
  4. তৃতীয় তফসিল
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ তফসিল
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংবিধানে মোট সাতটি তফসিল রয়েছে।
এগুলো হলো:

- প্রথম তফসিল : অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বিলুপ্ত)।
- তৃতীয় তফসিল : শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল : ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী।
- পঞ্চম তফসিল : বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল : বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল : মুজিবনগর সরকার জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে প্রথম চারটি তফসিল ছিলো।
- ২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে নতুন করে ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম তফসিল যুক্ত করা হয়।


উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৯২৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সমাবেশের স্বাধীনতার কথা উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৩৬ নং
  2. ৩৭ নং
  3. ৩৮ নং
  4. ৩৯ নং
সঠিক উত্তর:
৩৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে চলাফেরার স্বাধীনতা।
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সমাবেশে স্বাধীনতা।
- ৩৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- সংগঠনের স্বাধীনতা।
- ৩৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯২৮.
বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন-
  1. আইন সচিব
  2. অ্যাটর্নি জেনারেল
  3. আইনমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা

• অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী। 
- অ্যাটর্নি জেনারেল হলো বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল সাধারণত সুপ্রিম কোর্টের সম্মানীয় জ্যেষ্ঠ আইনজীবীগণের মধ্য থেকে সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

তথ্যসূত্র:
i) এটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
iii) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

৯২৯.
১৯৭২ সালে সংবিধান খসড়া তৈরির জন্য ড. কামাল হোসেনকে আহ্বায়ক করে কমিটি গঠন করা হয় কত তারিখে?
  1. ১৭ এপ্রিল
  2. ১৫ এপ্রিল
  3. ১১ এপ্রিল
  4. ১৩ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
১১ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ এপ্রিল
ব্যাখ্যা

- ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল, গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন সংবিধান খসড়া প্রণয়নের জন্য কমিটি গঠন করেন।

• সংবিধান:

- ১১ এপ্রিল ১৯৭২ সালে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন।
- এদিন পরিষদের সামনে সকল প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- শুধু 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয়।
- সবশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

এছাড়াও, 
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৯৩০.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা
  2. বিচারকদের পদের মেয়াদ
  3. সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা
  4. বিচারক-নিয়োগ
সঠিক উত্তর:
বিচারকদের পদের মেয়াদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারকদের পদের মেয়াদ
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৯১ - সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী।
- অনুচ্ছেদ ৯২ - হিসাব, ঋণ প্রভৃতির উপর ভোট।
- অনুচ্ছেদ ৯৩ - অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৯৩১.
সংবিধানের ভাষারূপ পর্যালোচনার জন্য ভাষা বিশেষজ্ঞ হিসেবে ছিলেন -
  1. ক) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. খ) সৈয়দ আলী আহসান
  3. গ) আকবর আলী খান
  4. ঘ) আবু সাঈদ চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
খ) সৈয়দ আলী আহসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সৈয়দ আলী আহসান
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ভাষারূপ পর্যালোচনার জন্য ড. আনিসুজ্জামান কে আহ্বায়ক করে, সৈয়দ আলী আহসান ও মাযহারুল ইসলামকে ভাষা বিশেষজ্ঞ হিসেবে কমিটি গঠন করা হয়।
৯৩২.
সংবিধানের ২৯ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- 
  1. চলাফেরার স্বাধীনতা
  2. জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ
  3. সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা
  4. বিদেশী খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ
সঠিক উত্তর:
সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ- ২৯: সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা।
- ২৯(১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকবে।
- (২) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাবে না।

 অন্যদিকে,
- ২৬ নং:মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল;
- ২৭নং: আইনের দৃষ্টিতে সমতা;
- ২৮ নং: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য;
- ২৯নং:  সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা;
- ৩০নং:  বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ;
- ৩১নং: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার;
- ৩২নং: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ;
- ৩৩নং: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ;
- ৩৪নং: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ;
- ৩৫নং: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ;
- ৩৬নং: চলাফেরার স্বাধীনতা;
- ৩৭নং:সমাবেশের স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

৯৩৩.
বাংলাদেশ সংবিধান কতটি ভাষায় রচিত?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ১টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধান:
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর সংবিধান গৃহীত হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধান ২টি ভাষায় রচিত (বাংলা ও ইংরেজি)।

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংবিধানে মোট ১৫৩ অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- সংবিধান হলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন।
- বাংলাদেশ সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয়।
- এতে ১১ টি ভাগ বা অধ্যায় রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রস্তাবনা দিয়ে শুরু এবং সাতটি তফসিল দিয়ে শেষ হয়েছে।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।

৯৩৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে?
  1. ৩৬নং অনুচ্ছেদে
  2. ৩৭নং অনুচ্ছেদে
  3. ৩৮নং অনুচ্ছেদে
  4. ৩৯নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৩৯নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

৩৯নং অনুচ্ছেদ: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা - 
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ নম্বর অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদের ১ম উপধারায় বলা হয়েছে, রাষ্ট্র নাগরিকদের চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে।
- ২য় উপধারায় বলা হয়েছে, বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা থাকবে।
- তবে এগুলো রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা, নৈতিকতা ইত্যাদি কারণে যুক্তিসঙ্গত আইনি সীমাবদ্ধতার আওতাভুক্ত হতে পারে।
- এই অনুচ্ছেদটি ব্যক্তি স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত।
- সংবিধানের এই ধারার মাধ্যমে মতপ্রকাশ ও সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

অন্যদিকে: 
→ ৩৬নং অনুচ্ছেদে - চলাফেরার স্বাধীনতা, 
→ ৩৭নং অনুচ্ছেদে - সমাবেশের স্বাধীনতা
→ ৩৮নং অনুচ্ছেদে - সংগঠনের স্বাধীনতা। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

৯৩৫.
সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে কী উল্লেখ রয়েছে?
  1. সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ
  2. বাংলাদেশের নামে মামলার বিধান
  3. মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা
  4. সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ১৩৭নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে-  সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা।
• সংবিধানের ১৩৮নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ।
• সংবিধানের ১৪৬নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- বাংলাদেশের নামে মামলার বিধান।
• সংবিধানের ১২৭নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৯৩৬.
কোন সাংবিধানিক পদে শপথ গ্রহণ প্রয়োজন হয় না?
  1. চেয়ারম্যান সহকারী কর্ম কমিশন
  2. এটর্নি জেনারেল
  3. মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  4. সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য
সঠিক উত্তর:
এটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
সাংবিধানিক পদ:
- সংবিধান হলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন।
- সাংবিধানিক উপায়ে যে সকল প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
- সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা, পদের মেয়াদ, পদমর্যাদা, পদত্যাগ ও অপসারণ পদ্ধতি এবং দায়িত্ব সংবিধানে সুনির্দিষ্ট ও সুষ্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে।
- সংবিধানে উল্লিখিত পদগুলো হলো: মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, সংসদ সদস্য, প্রধান বিচারপতি এবং সুপ্রীম কোর্টের আপীল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অপরাপর কমিশনার, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, ন্যায়পাল, অ্যাটর্নি জেনারেল, সরকারি কর্মকমিশনের সভাপতি ও অপরাপর সদস্য।

এটর্নি জেনারেল:
- এটর্নি জেনারেল, রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- প্রসঙ্গত, অ্যাটর্নি জেনারেলের পদটি সাংবিধানিক পদ হলেও এপদের শপথ গ্রহণ করতে হয় না।
- অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং নিয়োগ লাভের পর তিনি রাষ্ট্রপতি বরাবরে যোগদানপত্র দাখিল সাপেক্ষে পদে আসীন হন।
- এছাড়া ন্যায়পাল পদটিও শপথের অধীন নয়।

উৎস: i) এটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট।
          ii) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৯৩৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়েছে? 
  1. ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ 
  2. ১৩৮ নং অনুচ্ছেদ 
  3. ১৩৯ নং অনুচ্ছেদ 
  4. ১৪০ নং অনুচ্ছেদ 
সঠিক উত্তর:
১৩৭ নং অনুচ্ছেদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৭ নং অনুচ্ছেদ 
ব্যাখ্যা

সংবিধান ও সরকারি কর্ম কমিশন:
- সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (PSC) হলো একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- এই সংস্থাটি দেশের বিভিন্ন সরকারি চাকরি ও পদে নিয়োগ প্রদান করে।
- কমিশন সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা এবং আপিল সংক্রান্ত বিষয়েও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জড়িত থাকে। - বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নিয়োগ দেন।
- এবং প্রধান বিচারপতি তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান।
---------------------------------------
উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের সংবিধানে সরকারি কর্ম কমিশন সম্পর্কিত মোট ৫টি অনুচ্ছেদ উল্লেখ রয়েছে।
• ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে কমিশনের প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে সদস্য নিয়োগ সংক্রান্ত নিয়মাবলী দেওয়া হয়েছে।
• ১৩৯ নং অনুচ্ছেদে কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে।
• ১৪০ নং অনুচ্ছেদে কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কিত বিষয়বস্তু বলা হয়েছে।
• ১৪১ নং অনুচ্ছেদে কমিশন কীভাবে বার্ষিক রিপোর্ট জমা দেবে তার নিয়ম উল্লেখ রয়েছে।

উৎস: Laws Of Bangladesh ও বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট। 

৯৩৮.
সংবিধানের ৯ অনুচ্ছেদে ‘বাংলাদেশী’ জাতীয়তাবাদের স্থলে ‘বাঙালী’ জাতীয়তাবাদ প্রতিস্থাপন করা হয় কত সালে?
  1. ক) ২০০৯
  2. খ) ২০১১
  3. গ) ২০১৩
  4. ঘ) ২০১৪
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১১
ব্যাখ্যা

সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ‘বাঙালী জাতীয়তাবাদ’ এর পরিবর্তে ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’ প্রবর্তিত হয়।
আবার ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ‘বাংলাদেশী’ জাতীয়তাবাদের স্থলে ‘বাঙালী’ জাতীয়তাবাদ পূণঃপ্রতিস্থাপন করা হয়।
সনবিধানের ৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে-
(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হইবে।
(২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশের সংবিধান এবং parliament.gov.bd]

৯৩৯.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদে মোট আসন ছিল-
  1. ক) ৩৫০টি
  2. খ) ৩৪৫টি
  3. গ) ৩৩০টি
  4. ঘ) ৩১৫টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩১৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩১৫টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৩ সালে অর্থাৎ প্রথম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন ছিল ১৫টি। তখন সংসদের মোট আসন সংখ্যা ছিল ৩১৫টি।
- ১৯৭৯ সালে সংরক্ষিত নারী আসন করা হয় ৩০টি। তখন সংসদে মোট আসন সংখ্যা হয় ৩৩০টি। 
- পরবর্তীতে ২০০১ সালে সংরক্ষিত নারী আসন করা হয় ৪৫টি।
- সর্বশেষ ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন করা হয় ৫০টি। 
- ফলে বর্তমানে জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা ৩৫০টি।

উৎসঃ জাতীয় সংসদ সচিবালয়।
৯৪০.
The Constitution Drafting Committee of Bangladesh formed in 1972 had -
  1. 33 members
  2. 34 members
  3. 35 members
  4. 36 members
সঠিক উত্তর:
34 members
উত্তর
সঠিক উত্তর:
34 members
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল আইন বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম হস্তলিখিত সংবিধানের মূল পাতা ছিল ৯৩ পৃষ্ঠার।
- স্বাক্ষরসহ সংবিধান ছিল ১০৯ পাতার।
- হস্তলিখিত সংবিধানটির মূল লেখক ছিলেন শিল্পী আব্দুর রউফ।
- সংবিধানটির অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন। 
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'।
- গণপরিষদের সদস্যরা হস্তলিখিত মূল সংবিধানের বাংলা ও ইংরেজী লিপিতে স্বাক্ষর করে ১৪-১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২।
- হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
         iii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৯৪১.
সংবিধানের ৩৭নং অনুচ্ছেদে কোন বিষয় সম্পর্কে উল্লেখ আছে?
  1. পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
  2. সমাবেশের স্বাধীনতা
  3. সংগঠনের স্বাধীনতা
  4. চলাফেরার স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
সমাবেশের স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাবেশের স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
- ৩৭নং অনুচ্ছেদে সমাবেশের স্বাধীনতার কথা উল্লেখ আছে।
- জনশৃঙ্খলা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে ও নিরস্ত্র অবস্থায় সমবেত হবার এবং জনসভা ও শোভাযাত্রায় যোগদান করবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে।

অন্যদিকে:
- ৩৬নং অনুচ্ছেদ: চলাফেরার স্বাধীনতা। 
- ৩৮নং অনুচ্ছেদ : সংগঠনের স্বাধীনতা। 
- ৪০নং অনুচ্ছেদ : পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯৪২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব উল্লেখ আছে?
  1. ১১৮
  2. ১১৯
  3. ১২১
  4. ১২৩
সঠিক উত্তর:
১১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৯
ব্যাখ্যা

⇒ সংবিধানের ১১৯নং অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব উল্লেখ রয়েছে।

• নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব:
১১৯(১) রাষ্ট্রপতি পদের ও সংসদের নির্বাচনের জন্য ভোটার-তালিকা প্রস্তুতকরণের তত্ত্বাবধান, নির্দেশ ও নিয়ন্ত্রণ এবং অনুরূপ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং নির্বাচন কমিশন এই সংবিধান ও আইনানুযায়ী 
 
(ক) রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন অনুষ্ঠান করিবেন; 
 (খ) সংসদ-সদস্যদের নির্বাচন অনুষ্ঠান করিবেন; 
 (গ) সংসদে নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ করিবেন; এবং 
 (ঘ) রাষ্ট্রপতির পদের এবং সংসদের নির্বাচনের জন্য ভোটার-তালিকা প্রস্তুত করিবেন।] 
 
১১৯(২) উপরি-উক্ত দফাসমূহে নির্ধারিত দায়িত্বসমূহের অতিরিক্ত যেরূপ দায়িত্ব এই সংবিধান বা অন্য কোন আইনের দ্বারা নির্ধারিত হইবে, নির্বাচন কমিশন সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৯৪৩.
অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন কে?
  1. শেখ ‍মুজিবুর রহমান
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. ড. কামাল হোসেন
  4. তাজউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
শেখ ‍মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ ‍মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
• সংবিধান: 
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন - শেখ ‍মুজিবুর রহমান।
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয় - ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয় - ২৩ মার্চ, ১৯৭২ সালে (আদেশটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয় ২৩ মার্চ, ১৯৭২)।
- সংবিধানে স্বাক্ষরের সময় গণপরিষদের মোট সদস্য - ৪০৩ জন।
- গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে -১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসে - ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২।


তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, মো: আরিফ খান।
৯৪৪.
সংবিধানের কোথায় 'বিসমিল্লাহির-রহমানির রহিম' সংযুক্ত করা হয়েছে?
  1. প্রথম তফসিলে
  2. প্রস্তাবনায়
  3. প্রথম ভাগে
  4. প্রথম অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাবনায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাবনায়
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৯ সালে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনার শীর্ষে ''বিসমিল্লাহির-রাহমানির রহিম'' (দয়াময়, পরম দয়ালু আল্লাহর নামে) বাক্য সংযুক্ত হয়।
- ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলা তর্জমায় (পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে) সংযোজন করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
৯৪৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে পরিবেশ উন্নয়ন ও বন সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে?
  1. ৬(১) নং
  2. ৭খ নং
  3. ১৮ক নং
  4. ১৯(১) নং
সঠিক উত্তর:
১৮ক নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ক নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১৮ক নং অনুচ্ছেদে 'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' এর কথা বলা হয়েছে।

• সংবিধানের ১৮ক নং অনুচ্ছেদ অনুসারে,
- রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব- বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।

অন্যদিকে -
- ৬(১) নং - বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হইবে।
- ১৯(১) নং- সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হইবেন।
- অনুচ্ছেদ ৭খ: সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯৪৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় কী?
  1. আইনসভা
  2. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি
  3. প্রজাতন্ত্র
  4. মৌলিক অধিকার
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
- প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
- তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার;
- চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
- পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
- ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
- সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন।
- অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- নবম অধ্যায়  - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ;
- দশম অধ্যায়  - সংবিধানের সংশোধন।
- একাদশ অধ্যায়  - বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৯৪৭.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়?
  1. ১১৮নং
  2. ১২১নং
  3. ১৩৭নং
  4. ১২৩নং
সঠিক উত্তর:
১১৮নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৮নং
ব্যাখ্যা
•নির্বাচন কমিশনের গঠন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮ অনুসারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশন সমন্বয়ে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদেরকে রাষ্ট্র প্রধান নিয়োগ দান করবেন।
- সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কাজের শর্তাবলী রাষ্ট্র প্রধানের আদেশের দ্বারা নির্ধারিত হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে দায়িত্ব পালন করবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯৪৮.
বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের সদস্যদের অবসর গ্রহণের বয়সসীমা কত বছর?
  1. ক) ৬২ বছর
  2. খ) ৬৫ বছর
  3. গ) ৬৭ বছর
  4. ঘ) ৬০ বছর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬৫ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩৯ নং অনুচ্ছেদের ১ নং দফা অনুযায়ী সরকারি কর্মকমিশনের সদস্যদের অবসর গ্রহণের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৬৫ বছর।
পদের মেয়াদ দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে পরবর্তী ৫ বছর। অপসারণ প্রক্রিয়া সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অনুরূপ।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
৯৪৯.
জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক এর কথা সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২
  2. অনুচ্ছেদ ৩
  3. অনুচ্ছেদ ৪
  4. অনুচ্ছেদ ৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক এর কথা বলা হয়েছে। 

প্রথম ভাগ - প্রজাতন্ত্র
অনুচ্ছেদ ৪৷ জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক
- প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত হলো "আমার সোনার বাংলা"র প্রথম দশ চরণ।
- জাতীয় পতাকা সবুজ রঙের, যার ওপর একটি লাল বৃত্ত স্থাপিত।
- জাতীয় প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান শাপলা ফুল, শাপলার চারপাশে ধানের শীষ দিয়ে বেষ্টিত, এর শীর্ষে পাটগাছের তিনটি সংযুক্ত পাতা,  দু’পাশে দুটি করে তারকা রয়েছে।
- জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত সকল বিধান আইন দ্বারা নির্ধারিত হবে।

এছাড়াও -
- ৩ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র ভাষার কথা বলা হয়েছে। 
- ২ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার কথা বলা হয়েছে।
- ৫ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাজধানীর কথা বলা হয়েছে।

উৎস:  বাংলাদেশের সংবিধান।
৯৫০.
বাংলাদেশের সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন কে? 
  1. শিল্পী মনোয়ার হোসেন
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. এ.কে.এম আব্দুর রউফ
  4. হাসেম খান
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর হতে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়। 
- বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান হাতে লিখে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছিল।
- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক - এ.কে.এম আব্দুর রউফ। 
- এ কে এম আবদুর রউফ ছিলেন একজন মুক্তিযুদ্ধা।
- হস্তলিখিত সংবিধানের পৃষ্ঠা ছিল ৯৩, তবে স্বাক্ষরসহ ১০৯ পৃষ্ঠা।
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা হয়েছে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'। 
- সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবদায়ক ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৯৫১.
'অর্থ বিল' সম্পর্কিত বিধানাবলী আমাদের সংবিধানের কোন আর্টিক্যালে উল্লেখ আছে?
  1. ক) ৮০
  2. খ) ৮১ (১)
  3. গ) ৮১ (২)
  4. ঘ) ৮২ (১)
সঠিক উত্তর:
খ) ৮১ (১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮১ (১)
ব্যাখ্যা

 'অর্থ বিল' সম্পর্কিত বিধানাবলী আমাদের সংবিধানের ৮১ (১) আর্টিক্যালে উল্লেখ আছে ।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান

৯৫২.
সংবিধানের কোন সংশোধনীকে “First distortion of Constitution’’ হিসেবে অভিহিত করা হয়?
  1. একাদশ সংশোধনী
  2. নবম সংশোধনী
  3. পঞ্চম সংশোধনী
  4. সপ্তম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম সংশোধনী:
- ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় - পঞ্চম সংশোধনী আইন।
- এই আইন দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিল সংশোধন করা হয় ।
- ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত যে সকল সামরিক বিধি, সংবিধান সংশোধন সহ বিভিন্ন অধ্যাদেশ জারি করা হয় সেগুলো সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী হিসেবে কাজ করা হয় ।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রবর্তিত হয় এবং সংবিধানের শুরুতে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম সন্নিবেশিত হয় ।
- পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রথম বারের মতো বাহাত্তরের সংবিধানের মূলনীতি থেকে সরে আসে।
- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সংশোধন করায় এই সংশোধনীকে 'First distortion of Constitution' বলা হয়।

অন্যদিকে:
 
- একাদশ সংশোধনী: বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির পদে বৈধতা দান।
- নবম সংশোধনী: উপ-রাষ্ট্রপতির প্রত্যক্ষ নির্বাচনের বিধান ও রাষ্ট্রপতির মেয়াদ সীমাবদ্ধকরণ।
- সপ্তম সংশোধনী: সামরিক শাসনের সময়কালের সকল আদেশ বৈধ ঘোষণা।

সূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান - আরিফ খান ও প্রথম আলো প্রতিবেদন।
৯৫৩.
’আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান’ – সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-২৭
  2. অনুচ্ছেদ-২৬
  3. অনুচ্ছেদ-২৫
  4. অনুচ্ছেদ-২৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-২৭
ব্যাখ্যা

- অনুচ্ছেদ- ২৭: সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ-২৬: মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল।
- অনুচ্ছেদ-২৭: আইনের দৃষ্টিতে সমতা।
- অনুচ্ছেদ-২৮: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।
- অনুচ্ছেদ-২৯: সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৯৫৪.
খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন -
  1. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
  2. ১১ অক্টোবর, ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১১ অক্টোবর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ অক্টোবর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়: ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়: ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন: ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়: ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেনঃ ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৯৫৫.
নির্বাচিত হবার পর কোন সংসদ সদস্যের অযোগ্যতা প্রকাশ পেলে তার সংসদ সদস্য পদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে-
  1. ক) জাতীয় সংসদ
  2. খ) নির্বাচন কমিশন
  3. গ) সুপ্রিমকোর্ট
  4. ঘ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
সঠিক উত্তর:
খ) নির্বাচন কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নির্বাচন কমিশন
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৬৬ নং অনুচ্ছেদের ৪ নং দফা অনুযায়ী সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হবার পর যদি কোন সংসদ সদস্যের ৬৬ (২) দফায় বর্ণিত কোন অযোগ্যতা প্রকাশ পায়, সেক্ষেত্রে তা নিষ্পত্তির জন্যে নির্বাচন কমিশনে প্রেরণ করা হয় এবং নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই এক্ষেত্রে চূড়ান্ত বলে গণ্য।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
৯৫৬.
সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলের বিষয়বস্তু কী?
  1. ক) বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ
  2. খ) বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা
  3. গ) স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
  4. ঘ) ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
সঠিক উত্তর:
খ) বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট সাতটি তফসিল রয়েছে।

এগুলো হলো:
- প্রথম তফসিল : অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন
- দ্বিতীয় তফসিল : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বিলুপ্ত)
- তৃতীয় তফসিল : শপথ ও ঘোষণা
- চতুর্থ তফসিল : ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী
- পঞ্চম তফসিল : বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ
- ষষ্ঠ তফসিল : বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা
- সপ্তম তফসিল : মুজিবনগর সরকার জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে চারটি তফসিল ছিলো। ২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে নতুন করে ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম তফসিল যুক্ত করা হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
৯৫৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের কতনং অনুচ্ছেদে, ’প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল’ বিষয়টি সন্নিবেশিত?
  1. অনুচ্ছেদ- ১১৭
  2. অনুচ্ছেদ- ১১৫
  3. অনুচ্ছেদ- ১১৮
  4. অনুচ্ছেদ- ১২১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১১৭
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান: 
 - ষষ্ঠ ভাগ: বিচারবিভাগ।
- ৩য় পরিচ্ছেদ: অনুচ্ছেদ-১১৭, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল। 
• প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ: 
- অনুচ্ছেদ: ১১৭। (১) ইতঃপূর্বে যাহা বলা হইছে, তাহা সত্ত্বেও নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমুহ সম্পর্কে বা ক্ষেত্রসমুহ হইতে উদ্ভূত বিষয়াদির উপর এখতিয়ার প্রয়োগের জন্য সংসদ আইনের দ্বারা এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত করিতে পারবেনঃ

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ- ১১৫। অধস্তন আদালতে নিয়োগ;
- অনুচ্ছেদ-  ১১৮। নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা;
- অনুচ্ছেদ- ১১৯। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব;
- অনুচ্ছেদ- ১২০। নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ;
- অনুচ্ছেদ- ১২১। প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা;
- অনুচ্ছেদ- ১২২। ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা;
- অনুচ্ছেদ-  ১১৬। অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা;
- অনুচ্ছেদ- ১১৬ক। বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৯৫৮.
নিচের কোন ব্যক্তির কার্যভার গ্রহণের পূর্বে শপথ নেওয়া আবশ্যক নয়?
  1. স্পীকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
- কার্যভার গ্রহণের পূর্বে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের শপথ নেওয়া আবশ্যক নয়।

সাংবিধানিক পদ গ্রহণের পূর্বে শপথ:

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানে সাংবিধানিক পদের মূলভিত্তি ১৪৮ অনুচ্ছেদ'র আলোকে ৩য় তফসিল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- ৩য় তফসিল অনুযায়ী ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথ গ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে।
- যেখানে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের নাম উল্লেখ নাই।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদের বিধান অ্যাটর্নি-জেনারেল:
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

উল্লেখ্য,
সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী:
- রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার।
- স্পিকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।
- প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপ মন্ত্রীকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার।
- প্রধান বিচারপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।

তথ্যসূত্র: - বাংলাদেশের সংবিধান।
৯৫৯.
বিশ্বে প্রথম ন্যায়পাল ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় কত সালে?
  1. ১৮০৯ সালে
  2. ১৮০৮ সালে
  3. ১৯১৯ সালে
  4. ১৯৫৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮০৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০৯ সালে
ব্যাখ্যা
সুইডিশ ভাষায় Ombudsman বা ন্যায়পাল বলতে এমন একজন সরকারি মুখপাত্র বা প্রতিনিধি কিংবা সরকারি কর্মকর্তাকে বোঝায় যিনি সরকারি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্ত করেন।
- জবাবদিহিতামূলক পদ বা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৮০৯ সালে সুইডেনে প্রথম প্রবর্তিত হয়।
- ক্রমান্বয়ে অন্যান্য দেশে এই ব্যবস্থা চালু হয়।
যেমন- ফিনল্যান্ডে ১৯১৯ সালে , ডেনমার্কে ১৯৫৫ সালে , নিউজিল্যান্ডে ১৯৬১ সালে , নরওয়েতে ১৯৬৩ সালে , গ্রেট ব্রিটেনে ১৯৬৭ সালে , অস্ট্রেলিয়ায় ১৯৭৩ সালে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ কর্তৃক ন্যায়পাল নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছে।

সোর্স: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের সংবিধান ।
৯৬০.
'স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র' সংবিধানের কত নং তফসিলে বর্ণিত হয়েছে?
  1. সপ্তম তফসিল
  2. ষষ্ঠ তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. পঞ্চম তফসিল
সঠিক উত্তর:
সপ্তম তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সপ্তম তফসিল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল সমূহ:
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
• প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
• তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
• চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলি।
• পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯৬১.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা'র কথা বলা হয়েছে?
  1. ৯৫নং অনুচ্ছেদে
  2. ৯৪নং অনুচ্ছেদে
  3. ৯৭নং অনুচ্ছেদে
  4. ১০০নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৯৪নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৪নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপিল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হবে। 

অন্যদিকে: 
- ৯৫নং অনুচ্ছেদে বিচারক-নিয়োগ। 
- ৯৭নং অনুচ্ছেদে অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ। 
- ১০০নং অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টের আসন। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯৬২.
বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. স্পিকার
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. আইনমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল: 
• স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

• রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

• প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৯৬৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'উপজাতি ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. ২২(খ)
  2. ২৩(ক)
  3. ২৩(খ)
  4. ২৪(ক)
সঠিক উত্তর:
২৩(ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩(ক)
ব্যাখ্যা
• ২৩নং অনুচ্ছেদ:
- ২৩নং অনুচ্ছেদটি সংবিধানের ২য় ভাগে রয়েছে।
- ২৩নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সংস্কৃতির কথা বলা হয়েছে।
- ২৩(ক) অনুচ্ছেদে উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতির উল্লেখ রয়েছে।
অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ১৮ - জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
- অনুচ্ছেদ ১৮(ক) - পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ১৯ - সুযোগের সমতা।
- অনুচ্ছেদ ২০ - অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম।
- অনুচ্ছেদ ২১ - নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
- অনুচ্ছেদ ২২ - নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
- অনুচ্ছেদ ২৪ - জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ২৫ - আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।  
৯৬৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে কাউকে নিজের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না?
  1. অনুচ্ছেদ - ৩৪
  2. অনুচ্ছেদ - ৩৫
  3. অনুচ্ছেদ - ৩২
  4. অনুচ্ছেদ - ৩৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ৩৫
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় - গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- সংবিধান কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

৩৫।অনুচ্ছেদ অনুসারে:
(১) কেউ যদি কোনো অপরাধ করেন, তাহলে সেই অপরাধ সংঘটনের সময় যে আইন কার্যকর ছিল, সে আইন অনুযায়ীই তার বিচার হবে। নতুন কোনো কঠোর শাস্তি তাকে দেওয়া যাবে না।
(২) একবার যদি কাউকে কোনো অপরাধের জন্য বিচার করে শাস্তি দেওয়া হয়, তাহলে তাকে একই অপরাধে আবার বিচার করা বা শাস্তি দেওয়া যাবে না।
(৩) ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ উঠলে, অভিযুক্ত ব্যক্তি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালতে দ্রুত এবং প্রকাশ্যে বিচার পাওয়ার অধিকারী থাকবেন।
(৪) কাউকে নিজের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না।
(৫) কাউকে নির্যাতন করা যাবে না, নিষ্ঠুর বা অমানবিক শাস্তি দেওয়া যাবে না, কিংবা লজ্জাজনক আচরণ করা যাবে না।
(৬) প্রচলিত আইনে যে শাস্তি বা বিচারপদ্ধতি নির্ধারিত আছে, তা এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোনো কিছুর দ্বারা প্রভাবিত হবে না।

অন্যদিকে:
- অনুচ্ছেদ ৩২: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ,
- অনুচ্ছেদ ৩৩: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ,
- অনুচ্ছেদ ৩৪: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। 

৯৬৫.
আইন প্রণয়নের ক্ষমতা কার হাতে?
  1. ক) আইন মন্ত্রণালয়
  2. খ) রাষ্ট্রপতি
  3. গ) স্পিকার
  4. ঘ) জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
- আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদ বা আইন বিভাগ সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী। বাংলাদেশ সংবিধানের এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার প্রবর্তন করা হয়।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'। সংবিধান বলা হয়েছে যে, 'জাতীয় সংসদ' নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে এবং এ সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা সংসদে ওপর ন্যস্ত হবে।
- রাজধানী ঢাকায় জাতীয় সংসদের স্থায়ী আসন রয়েছে। জাতীয় সংসদের কার্যকাল ৫ বছর হবে।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৯৬৬.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজধানীর নামের ইংরেজি বানান Dacca থেকে Dhaka হয়?
  1. ৮ম সংশোধনী
  2. ৯ম সংশোধনী
  3. ১০ম সংশোধনী
  4. ১১তম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
৮ম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশের রাজধানীর নামের ইংরেজি বানান Dacca থেকে Dhaka হয়।

অষ্টম সংশোধনী:
- সংসদে উত্থাপন: ১১ মে, ১৯৮৮।
- উত্থাপনকারী: সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ। 
- সংসদে গৃহীত: ৭ জুন, ১৯৮৮। 
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ৯ জুন, ১৯৮৮।

⇒ অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
- এই সংশোধনী আইনবলে-
১. ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়;
২. ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়;
৩. সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়;
৪. সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার বা অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯৬৭.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্মের মর্যাদা দেওয়া হয়?
  1. সপ্তম
  2. অষ্টম
  3. নবম
  4. দশম
সঠিক উত্তর:
অষ্টম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম
ব্যাখ্যা

অষ্টম সংশোধনী: 
অষ্টম সংশোধনী আইন ১৯৮৮ সালের ৭ জুন এই সংশোধনী আইন পাস হয়। এর দ্বারা সংবিধানের ২, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়। এই সংশোধনী আইনবলে
(১) ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়;
(২) ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়;
(৩) সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার বা অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

উল্লেখ করা যেতে পারে যে, পরবর্তী সময়ে সুপ্রীম কোর্ট সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদের সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে, কারণ তার দ্বারা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তিত হয়েছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

৯৬৮.
সংবিধানের কোন ভাগে রাষ্ট্রপতির পদমর্যাদা, ক্ষমতা ও কার্যাবলি নির্ধারিত আছে?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
৪র্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- বাংলাদেশ সরকারের যাবতীয় কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদিত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ১ম পরিচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির পদমর্যাদা, ক্ষমতা ও কার্যাবলি নির্ধারিত আছে
- রাষ্ট্রপতি দেশের প্রধান নির্বাহী; কিন্তু অলঙ্কারিক প্রধান।
- রাষ্ট্রপতিকে দায়িত্ব পালনের অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর সাথে পরামর্শ করতে হয়।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পাঁচ বছরের জন্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রবিরুদ্ধ কর্মকান্ডের জন্য সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসনের মুখোমুখি করতে পারে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ (৪) অনুসারে পঁয়ত্রিশ বছর বয়স্ক বাংলাদেশের যেকোন নাগরিক নির্দিষ্ট আইনের আওতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে পারেন।
- তাঁকে অবশ্যই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে।
- এছাড়া এই সংবিধানের আওতায় তিনি কখনও এই পদ থেকে অপসারিত হননি এই শর্তটিও পূরণ করতে হবে।
- উল্লেখ্য যে, রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন সময়ে তিনি কখনই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

বাংলাদেশের সংবিধান রাষ্ট্রপতিকে নানাবিধ ক্ষমতা প্রদান করেছে -
- শাসন সংক্রান্ত ক্ষমতা,
- সংসদ ও আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত ক্ষমতা,
- বিচার সংক্রান্ত ক্ষমতা,
- অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা,
- প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত ক্ষমতা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬৯.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা সংবিধানের কততম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়?
  1. ক) তৃতীয় তফসিল
  2. খ) চতুর্থ তফসিল
  3. গ) ষষ্ঠ তফসিল
  4. ঘ) পঞ্চম  তফসিল
সঠিক উত্তর:
গ) ষষ্ঠ তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ষষ্ঠ তফসিল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
• পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে নতুন ৩টি তফসিল সংযোজন করা হয়।
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়

• সংবিধানের তফসিলগুলো হলো -
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্টপতি নির্বাচন।
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবালী
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৫মার্চ মধ্যরাত শেষে অর্থাৎ ২৬মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল: ১০এপ্রিল ১৯৭১ এর মুজিবনগর সরকারের জারিকৃ্ত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

• এই তফসিল  সংবিধানের  ১৫০(২) নং অনুচ্ছেদ র্বণনা প্রদান করা হয়েছে। 
১৫০(২) অনুচ্ছেদ: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তারিখ হইতে ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে এই সংবিধান প্রবর্তন হইবার অব্যবহিত পূর্ব পর্যন্ত সময়কালের মধ্যে সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে বর্ণিত ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ, ষষ্ঠ তফসিলে বর্ণিত ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ তারিখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার টেলিগ্রাম এবং সপ্তম তফসিলে বর্ণিত ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল তারিখে মুজিবনগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র হইল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামের ঐতিহাসিক ভাষণ ও দলিল, যাহা উক্ত সময়কালের জন্য ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী বলিয়া গণ্য হইবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯৭০.
সংবিধানের ১৩৪ নং অনুচ্ছেদের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. কর্মবিভাগ-পুনর্গঠন
  2. নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী
  3. কর্মের মেয়াদ
  4. অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত
সঠিক উত্তর:
কর্মের মেয়াদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মের মেয়াদ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৩৩ - নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী।
অনুচ্ছেদ ১৩৪ - কর্মের মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ ১৩৫ - অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত প্রভৃতি।
অনুচ্ছেদ ১৩৬ - কর্মবিভাগ-পুনর্গঠন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৯৭১.
সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান- বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে? 
  1. ২৭ নং অনুচ্ছেদ 
  2. ১৭ নং অনুচ্ছেদ 
  3. ৪১ নং অনুচ্ছেদ 
  4. ১১ নং অনুচ্ছেদ 
সঠিক উত্তর:
২৭ নং অনুচ্ছেদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ নং অনুচ্ছেদ 
ব্যাখ্যা

সংবিধানের অনুচ্ছেদ:
- সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ, সংবিধান রচনার লক্ষ্যে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর, সংবিধান গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধান ১৫৩টি অনুচ্ছেদ, ১১টি ভাগ এবং ৭টি তফসিল নিয়ে গঠিত, যা দেশের প্রশাসনিক ও আইনগত কাঠামোকে সংজ্ঞায়িত করে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান সুরক্ষা লাভের অধিকারী। 
- এটি নিশ্চিত করে যে, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ বা অন্য কোনো পরিচয় নির্বিশেষে সবাই আইনের চোখে সমান এবং
- এবং সবাই সমান আইনি সাহায্য ও সুরক্ষা পাবে।

অন্যদিকে, 
• বাংলাদেশের সংবিধানে ১৭ নং অনুচ্ছেদে সকল শিশুর জন্য বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার কথা বলা আছে।

• সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪১- প্রত্যেক নাগরিককে তাদের নিজস্ব ধর্ম পালন, চর্চা বা প্রচারের অধিকার দেয়, তবে তা জনশৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও অন্যান্য মৌলিক অধিকারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

• অনুচ্ছেদ ১১-তে প্রজাতন্ত্রকে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়।
- এতে প্রশাসনের সব স্তরে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের নিশ্চয়তার কথা উল্লেখ আছে।
- যদিও চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এটি বাতিল হয়েছিল তবে পরবর্তীতে দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আবার পুনঃস্থাপন করা হয়।

উৎস:
১. বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান;
২. পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৭২.
স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর সরকার দেশের সিভিল সার্ভিসকে পুনর্গঠিত করার জন্য কত সালে “প্রশাসনিক ও চাকরি পুনর্গঠন কমিটি (এএসআরসি)” গঠন করে?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭৩
  3. গ) ১৯৭৪
  4. ঘ) ১৯৭৫
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২
ব্যাখ্যা

পাকিস্তান আমল থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এই সিভিল সার্ভিসকে পুনর্গঠিত করার কাজেও সরকার হাত দেয়।
এই লক্ষ্যে সরকার প্রশাসনিক ও চাকরি পুনর্গঠন কমিটি (এএসআরসি, ১৯৭২) নামে একটি কমিটি গঠন করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম.এ চৌধুরী (মুজাফফর আহমদ চৌধুরী) ছিলেন এই কমিটির প্রধান।
চাকরি কাঠামো সম্পর্কে কমিটির সুপারিশ ছিল এই যে,
(ক) সাবেক অল পাকিস্তান সার্ভিস, অন্যান্য কেন্দ্রীয় সুপিরিয়ার সার্ভিস এবং সাবেক প্রাদেশিক সার্ভিসের মধ্যকার পার্থক্য বিলোপ করতে হবে। উচ্চতর ও নিম্নতর শ্রেণীগুলোর মধ্যকার পার্থক্যও বিলোপ করতে হবে এবং প্রত্যেক পেশার গ্রুপে উপর থেকে নিচ পর্যন্ত অবিচ্ছিন্ন গ্রেডিং প্রথা চালু করতে হবে;
(খ) বিভিন্ন গ্রুপের জন্য পদ সংরক্ষণের বর্তমান ব্যবস্থাও বিলোপ করতে হবে; এবং
(গ) সকল সিভিল সার্ভেন্টকে একটি একক শ্রেণীহীন গ্রেডিং কাঠামোয় সংগঠিত করতে হবে। সমস্ত সার্ভিস এই কাঠামোর আওতায় থাকবে যেখানে দক্ষতা ও দায়িত্বের বিভিন্ন স্তরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উপযুক্ত সংখ্যক ভিন্ন ভিন্ন বেতন স্তর থাকবে এবং প্রতিটি পদের সঠিক গ্রেডিং সেই পদের বিশ্লেষণের দ্বারা নির্ধারিত হবে।
তবে এই সুপারিশগুলো কার্যকর করা হয় নি।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও Live MCQ স্পেশাল PDF (সিভিল সার্ভিস এবং মুজিব বর্ষ)।

৯৭৩.
বাংলাদেশের সংবিধানে মৌলিক অধিকার বিষয়ক কয়টি আর্টিকেল রয়েছে?
  1. ২০টি
  2. ১৯টি
  3. ১৮টি
  4. ২২টি
সঠিক উত্তর:
২২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২টি
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- জনগণের মৌলিক অধিকারের উৎস হলো সংবিধান।
- সংবিধান জনগণের মৌলিক অধিকারের রক্ষক।
- সংবিধানে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার এবং অধিকারের নিশ্চয়তার বিধান সন্নিবেশিত থাকে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানে তফসিল আছে ৭টি, সংবিধানে মূলনীতি আছে ৪টি, সংবিধানে প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- সংবিধানের তৃতীয় ভাগের বিষয়বস্তু মৌলিক অধিকার।
- সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬নং থেকে ৪৭নং পর্যন্ত মোট ২২টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- উল্লেখ্য যে, ৩০ নং অনুচ্ছেদটি মৌলিক অধিকার বিষয়ক নয়। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৯৭৪.
বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় - 
  1. ১৩ ফাল্গুন ১৩৭৮ বঙ্গাব্দে
  2. ১৮ কার্তিক ১৩৭৯ বঙ্গাব্দে
  3. ১৩ কার্তিক ১৩৭৯ বঙ্গাব্দে
  4. ১৮ কার্তিক ১৩৭৮ বঙ্গাব্দে
সঠিক উত্তর:
১৮ কার্তিক ১৩৭৯ বঙ্গাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ কার্তিক ১৩৭৯ বঙ্গাব্দে
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
-বসংবিধান কার্যকর হয়- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় ১৮ কার্তিক ১৩৭৯ বঙ্গাব্দে ও ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে।

উৎস - বাংলাদেশের সংবিধান।

৯৭৫.
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ১৩৮ নং
  2. ১৪০ নং
  3. ১৪১ নং
  4. ১৩৭ নং
সঠিক উত্তর:
১৩৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৭ নং
ব্যাখ্যা
কর্ম কমিশন নিয়ে সংবিধানের আলোচ্য বিষয়:
- অনুচ্ছেদ ১৩৭ - কমিশন-প্রতিষ্ঠা।

- অনুচ্ছেদ ১৩৮ - সদস্য-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ১৩৯ - পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ১৪০ - কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১৪১ - বার্ষিক রিপোর্ট।


বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস:

- বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন কবে গঠিত হয় ৮ এপ্রিল, ১৯৭২।
- কর্ম কমিশন দিবস পালন করা হয় ৮ এপ্রিল।
- বর্তমানে ১৪ টি সাধারণ ও ১২ টি পেশাগত/কারিগরি, সর্বমোট ২৬ টি ক্যাডার রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৯৭৬.
সংবিধান কার্যকর হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ আইন হিসেবে বলবৎ ছিল-
  1. ক) মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
  2. খ) ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
  3. গ) ২৬শে মার্চের শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা।
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
ব্যাখ্যা
- ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন।
- এ আদেশ অনুযায়ী সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা গঠন, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন  ইত্যাদি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- এই আদেশে গণপরিষদকে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা দেয়া হয় নি। এ ক্ষমতা নির্বাহী বিভাগের উপর ন্যস্ত ছিল।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর সংবিধান কার্যকর হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র দেশের সর্বোচ্চ আইন হিসেবে বলবৎ ছিল।
 
[উৎস: বাংলাদশের সংবিধান]
৯৭৭.
বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়?
  1. ২৩
  2. ২৪
  3. ২৫
  4. ২৬
সঠিক উত্তর:
২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি  সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। 

• সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদ:

- জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, 
- আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি।
 - আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবেন; 
 - প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবেন।
 - সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবেন৷ 

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ- ২৩: জাতীয় সংস্কৃতি।
- অনুচ্ছেদ- ২৪: বিশেষ শৈল্পিক কিংবা ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন বা তাৎপর্যমন্ডিত স্মৃতিনিদর্শন, বস্তু বা স্থান-সমূহকে বিকৃতি, বিনাশ বা অপসারণ হইতে রক্ষা করিবার জন্য রাষ্ট্র ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন৷
- অনুচ্ছেদ- ২৬: মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

৯৭৮.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী কে অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- অধ্যাদেশ জারি করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানে মােট ১১টি ভাগ রয়েছে। এর মধ্যে পঞ্চম ভাগে আইনসভা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- পঞ্চম ভাগের ৩য় পরিচ্ছেদের ৯৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯৭৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবদায়ক কে ছিলেন?
  1. ক) শিল্পাচার্য জয়নাল আবেদীন
  2. খ) চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদ
  3. গ) চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান
  4. ঘ) সমরজিৎ রায় চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
ক) শিল্পাচার্য জয়নাল আবেদীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শিল্পাচার্য জয়নাল আবেদীন
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- বাংলাদেশের  সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবদায়ক ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নাল আবেদীন।
- সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমে তাঁর সাথে যুক্ত ছিলেন  তাদের মধ্যে অন্যতম - হাশেম খান, এ কে এম আব্দুর রউফ, সমরজিৎ রায় চৌধুরী।
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে সময় লেগেছিল ৯ মাস।
- গণপরিষদের সর্বমোট ২১ টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- সংবিধানের হস্তলিপির কাজ করেছেন এ কে এম আবদুর রুউফ ।
- হাতে লেখা বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানের পৃষ্ঠা ছিল ১০৯ ।
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা হয়েছে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
-  ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২  হতে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়। 

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
৯৮০.
‘জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে’ সংবিধানের -
  1. ১৩ নং অনুচ্ছেদে
  2. ২৩ক নং অনুচ্ছেদে
  3. ৪৩ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৯(৩) নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৯(৩) নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯(৩) নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে ১৯ নং অনুচ্ছেদে '‘সুযোগের সমতা’' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

⇒ ১৯ নং অনুচ্ছেদ:
- ১৯ (১) সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবেন।
- ১৯ (২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
- ১৯ (৩) জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবেন।

অন্যদিকে,
- ১৩ নং অনুচ্ছেদে 'মালিকানার নীতি' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ২৩ক নং অনুচ্ছেদে উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ৪৩ নং অনুচ্ছেদে গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ সম্পর্কে বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯৮১.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হয়েছে?
  1. ৯৪(১)
  2. ৯৪(২)
  3. ৯৫(১)
  4. ৭১(২)
সঠিক উত্তর:
৯৪(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৪(১)
ব্যাখ্যা
• সুপ্রিম কোর্ট:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, "বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট" নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকবে এবং আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রিম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।
- সংবিধান ও সংবিধানের পাশাপাশি দেশের সাধারণ আইন (সংসদ কর্তৃক পাশকৃত আইন) এই এখতিয়ারের উৎস।
- ১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত করা হয়।
- ২০১৭ সাল থেকে সুপ্রিম কোর্ট দিবস পালিত হয়ে আসছে।
- ১৮ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট দিবস পালিত হয়। 

উৎস:- সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশের সংবিধান।   
৯৮২.
‘প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকিবে’ এটি নিচের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ২৯ নং অনুচ্ছেদে
  2. ৩০ নং অনুচ্ছেদে
  3. ৩১ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৩২ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
২৯ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
♣ ২৯ নং অনুচ্ছেদ:সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা;   
- (১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকিবে।
- (২) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাইবে না।
- (৩) এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই-
- (ক) নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশ যাহাতে প্রজাতন্ত্রের কর্মে উপযুক্ত প্রতিনিধিত্ব লাভ করিতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে তাঁহাদের অনুকূলে বিশেষ বিধান-প্রণয়ন করা হইতে,
- (খ) কোন ধর্মীয় বা উপ-সম্প্রদায়ভুক্ত প্রতিষ্ঠানে উক্ত ধর্মাবলম্বী বা উপ-সম্প্রদায়ভুক্ত ব্যক্তিদের জন্য নিয়োগ সংরক্ষণের বিধান-সংবলিত যে কোন আইন কার্যকর করা হইতে,
- (গ) যে শ্রেণীর কর্মের বিশেষ প্রকৃতির জন্য তাহা নারী বা পুরুষের পক্ষে অনুপযোগী বিবেচিত হয়, সেইরূপ যে কোন শ্রেণীর নিয়োগ বা পদ যথাক্রমে পুরুষ বা নারীর জন্য সংরক্ষণ করা হইতে রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।

♠♠ 
- ৩০ নং অনুচ্ছেদ: বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ। 
- ৩১ নং অনুচ্ছেদ: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার।
- ৩২ নং অনুচ্ছেদ: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।   

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৯৮৩.
রাষ্ট্র পরিচালনার মুলনীতিসমূহ বাংলাদেশের কত নং অনুচ্ছেদে অলোচিত হয়?
  1. ক) ৭-২৫
  2. খ) ৮-২৫
  3. গ) ৭-২২
  4. ঘ) ৮-২২
সঠিক উত্তর:
খ) ৮-২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮-২৫
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় ভাগ - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি (অনুচ্ছেদ অনুসারে)

৮. মূলনীতিসমূহ
৯. জাতীয়তাবাদ
১০. সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি
১১. গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
১২. ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা
১৩. মালিকানার নীতি
১৪. কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
১৫. মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
১৬. গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব
১৭. অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
১৮. জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা
১৮ক. পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন
১৯. সুযোগের সমতা
২০. অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম
২১. নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
২২. নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ
২৩. জাতীয় সংস্কৃতি
২৩ক. উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি
২৪. জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি
২৫. আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন

উৎসঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।

৯৮৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে গনতন্ত্র ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ- ১১
  2. অনুচ্ছেদ- ১২
  3. অনুচ্ছেদ- ১৩
  4. অনুচ্ছেদ- ১৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১১
ব্যাখ্যা

• গণতন্ত্র ও মানবাধিকার: 
 অনুচ্ছেদ- ১১: প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে।
 
অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ- ১০। সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি;
- অনুচ্ছেদ- ১১। গণতন্ত্র ও মানবাধিকার;
- অনুচ্ছেদ- ১২। ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা;
- অনুচ্ছেদ- ১৩। মালিকানার নীতি;
- অনুচ্ছেদ- ১৪। কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি;
- অনুচ্ছেদ- ১৫। মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা;
- অনুচ্ছেদ- ১৬। গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব;
- অনুচ্ছেদ- ১৭। অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা;
- অনুচ্ছেদ- ১৮। জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা;
- অনুচ্ছেদ- ১৮ক। পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

৯৮৫.
নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্যের বিষয়টি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. ক) অনুচ্ছেদ ২৩
  2. খ) অনুচ্ছেদ ২৪
  3. গ) অনু্চ্ছেদ ২১
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ ২২
সঠিক উত্তর:
গ) অনু্চ্ছেদ ২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অনু্চ্ছেদ ২১
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে "রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি" অংশে নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্যের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ - ২১: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷ 
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷
৯৮৬.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে, মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগ দেয় কে?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. সুপ্রিমকোর্ট
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৫৬নং অনুচ্ছেদের ২নং দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যদের নিয়োগ দান করে থাকেন।

- ৫৬ (৩)নং দফা অনুযায়ী, যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন।

- মন্ত্রীসভা প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাধীন থাকে।
- মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা নির্ধারণ, দপ্তর বন্টন, নিয়োগ ও অব্যাহতি প্রভৃতি প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে মন্ত্রিসভাও ভেঙে যায়।
- মন্ত্রিসভার সদস্যগণ একক ও যৌথভাবে জাতীয় সংসদের নিকট দায়ী থাকেন। মন্ত্রিসভার সদস্যগণ জাতীয় সংসদের সদস্যদের থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে মন্ত্রিসভার এক-দশমাংশ সদস্য সাংসদ নয় এমন ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়া যায়।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান ও পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণি।
৯৮৭.
নিচের কোনটি সাংবিধানিক পদ নয়?
  1. মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  2. সদস্য, সরকারি কর্মকমিশন
  3. মহাপরিচালক, শিক্ষা অধিদপ্তর
  4. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
সঠিক উত্তর:
মহাপরিচালক, শিক্ষা অধিদপ্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাপরিচালক, শিক্ষা অধিদপ্তর
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সাংবিধানিক পদসমূহ:
- রাষ্ট্রপতি,
- প্রধানমন্ত্রী,
- স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার,
- মন্ত্রিসভার সদস্যগণ,
- সংসদ সদস্য,
- নির্বাচন কমিশনার,
- সরকারি কর্মকমিশনের সদস্য,
- মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক ইত্যাদি।
• অপরদিকে, সাংবিধানিক পদ নয়:
- জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান,
- দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান,
- শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ইত্যাদি।

৯৮৮.
বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) মোহাম্মদ উল্লাহ
  3. গ) আবু সাইদ চৌধুরী
  4. ঘ) ড. কামাল হোসেন
সঠিক উত্তর:
গ) আবু সাইদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আবু সাইদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় রাষ্ট্রপতি ছিলেন আবু সাঈদ চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
উৎসঃ সহজ ভাষায় বাংলাদেশ সংবিধান : আরিফ খান।
৯৮৯.
সংবিধান সংশোধনে গণভোট বাতিল করা হয় কততম সংশোধনীতে?
  1. একাদশ
  2. দ্বাদশ
  3. চতুর্দশ
  4. পঞ্চদশ
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনী:
- বিল উত্থাপন করেন ব্যারি: শফিক আহমদ, ২৫ জুন, ২০১১ সালে।
- বিল সংসদে পাস হয় ২০১১ সালের ৩০ জুন।
- পঞ্চদশ সংশোধনীতে মোট সংশোধনী হয় ৫৫ টি।

পঞ্চদশ সংশোধনীর গুরুত্বপূর্ণ কিছু সংশোধন:
- রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় এবং রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতিও দেওয়া হয়।
- সংবিধানে ধর্ম নিরপেক্ষতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয়, তবে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রাখা হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
- সংবিধানের ৫৮(ক) অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত করা হয়।
- সংবিধান সংশোধনে গণভোট বাতিল করা হয়।
- জরুরি অবস্থার মেয়াদকাল অনধিক ১২০ দিইন করা হয়।
- জাতীয় জীবনে মহিলাদের অংশগ্রহন ১৯(৩) যুক্ত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৯৯০.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রতীক কি?
  1. ক) পদ্মফুল
  2. খ) শাপলা
  3. গ) পাটপাতা
  4. ঘ) দোয়েল
সঠিক উত্তর:
খ) শাপলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শাপলা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রতীক হল শাপলা। আবার শাপলা বাংলাদেশের জাতীয় ফুলও বটে। দোয়েল বাংলাদেশের জাতীয় পাখি এবং বাঘ বাংলাদেশের জাতীয় পশু।
৯৯১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জরুরী-অবস্থা ঘোষণার বিষয়টির উল্লেখ রয়েছে?
  1. ১৩৮(খ) নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৩৯(ক) নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৪০(খ) নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৪১(ক) নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৪১(ক) নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪১(ক) নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদসমূহ:

- অনুচ্ছেদ ১৩৭ - কমিশন-প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ১৩৮ - সদস্য-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ১৩৯ - পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ১৪০ - কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১৪১ - বার্ষিক রিপোর্ট।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(ক) - জরুরী-অবস্থা ঘোষণা।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(খ) - জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(গ) - জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৯৯২.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন?
  1. ৯৪নং অনুচ্ছেদ
  2. ৯৫নং অনুচ্ছেদ
  3. ৯৬নং অনুচ্ছেদ
  4. ৯৭নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৯৫নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৫নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
- সংবিধানের ৯৫নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শপূর্বক অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়োগ দেন।
- বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের জন্যে ন্যূনতম দশ বছর সুপ্রিমকোর্টে অ্যাডভোকেট বা দেশের বিচার বিভাগীয় পদে দশ বছর নিযুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন আবু সাদাত মো. সায়েম।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
- ১১ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে তাকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯৯৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয় কত সালে?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১০ সালে।
  3. ২০১১ সালে।
  4. ২০১৪ সালে।
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে।
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয়, তবে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রাখা হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি, পঞ্চদশ সংশোধনীর বৈধতা প্রশ্নে ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪ সালে হাইকোর্ট একটি রুলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলসহ পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করেছেন।
- সেই সাথে সংবিধানে গণভোটের বিধান ফিরিয়ে এনেছেন আদালত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান ও প্রথম আলো নিউজ।  [লিঙ্ক]
৯৯৪.
'অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ' বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ৫১
  2. ৫৩
  3. ৫৪
  4. ৫৫
সঠিক উত্তর:
৫৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৩
ব্যাখ্যা
অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ(৫৩):
৫৩। (১) শারীরিক বা মানসিক অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতিকে তাঁহার পদ হইতে অপসারিত করা যাইতে পারিবে; ইহার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে কথিত অসামর্থ্যের বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করিতে হইবে।
(২) সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে নোটিশ প্রাপ্তিমাত্র স্পীকার সংসদের অধিবেশন আহবান করিবেন এবং একটি চিকিৎসা-পর্ষদ (অতঃপর এই অনুচ্ছেদে "পর্ষদ" বলিয়া অভিহিত) গঠনের প্রস্তাব আহবান করিবেন এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তাব উত্থাপিত ও গৃহীত হইবার পর স্পীকার তৎক্ষণাৎ উক্ত নোটিশের একটি প্রতিলিপি রাষ্ট্রপতির নিকট প্রেরণের ব্যবস্থা করিবেন এবং তাঁহার সহিত এই মর্মে স্বাক্ষরযুক্ত অনুরোধ জ্ঞাপন করিবেন যে, অনুরূপ অনুরোধ জ্ঞাপনের তারিখ হইতে দশ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি যেন পর্ষদের নিকট পরীক্ষিত হইবার জন্য উপস্থিত হন।
(৩) অপসারণের জন্য প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদানের পর হইতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর প্রস্তাবটি ভোটে দেওয়া যাইবে না, এবং অনুরূপ মেয়াদের মধ্যে প্রস্তাবটি উত্থাপনের জন্য পুনরায় সংসদ আহবানের প্রয়োজন হইলে স্পীকার সংসদ আহবান করিবেন।
(৪) প্রস্তাবটি বিবেচিত হইবার কালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকিবার এবং প্রতিনিধি-প্রেরণের অধিকার থাকিবে।
(৫) প্রস্তাবটি সংসদে উত্থাপনের পূর্বে রাষ্ট্রপতি পর্ষদের দ্বারা পরীক্ষিত হইবার জন্য উপস্থিত না হইয়া থাকিলে প্রস্তাবটি ভোটে দেওয়া যাইতে পারিবে এবং সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে তাহা গৃহীত হইলে প্রস্তাবটি গৃহীত হইবার তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবে।
(৬) অপসারণের জন্য প্রস্তাবটি সংসদে উত্থাপিত হইবার পূর্বে রাষ্ট্রপতি পর্ষদের নিকট পরীক্ষিত হইবার জন্য উপস্থিত হইয়া থাকিলে সংসদের নিকট পর্ষদের মতামত পেশ করিবার সুযোগ না দেওয়া পর্যন্ত প্রস্তাবটি ভোটে দেওয়া যাইবে না।
(৭) সংসদ কর্তৃক প্রস্তাবটি ও পর্ষদের রিপোর্ট (যাহা এই অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুসারে পরীক্ষার সাত দিনের মধ্যে দাখিল করা হইবে এবং অনুরূপভাবে দাখিল না করা হইলে তাহা বিবেচনার প্রয়োজন হইবে না) বিবেচিত হইবার পর সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে প্রস্তাবটি গৃহীত হইলে তাহা গৃহীত হইবার তারিখে রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হইবে।

অন্যদিকে,
- ৫১। রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- ৫৪। অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
- ৫৫। মন্ত্রিসভা।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৯৯৫.
সংবিধানের কোন অধ্যায় ’মৌলিক অধিকার’ সম্বলিত?
  1. দ্বিতীয় অধ্যায়
  2. পঞ্চম অধ্যায়
  3. চতুর্থ অধ্যায়
  4. তৃতীয় অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় অধ্যায়
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
- প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
- তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার;
- চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
- পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
- ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
- সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন।
- অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- নবম অধ্যায়  - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ;
- দশম অধ্যায়  - সংবিধানের সংশোধন।
- একাদশ অধ্যায়  - বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৯৯৬.
সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের কত তারিখ ড. কামাল হোসেনকে  আহবায়ক করে কমিটি গঠন করা হয়?
  1. ১০ এপ্রিল
  2. ১১ এপ্রিল
  3. ১৭ এপ্রিল
  4. ১৯ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
১১ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- ১১ এপ্রিল ১৯৭২ সালে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন।
- এদিন পরিষদের সামনে সকল প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- শুধু 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে  আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয়।
- তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- সবশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।   

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৯৯৭.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি নয়?
  1. ক) আইনের শাসন
  2. খ) জাতীয়তাবাদ
  3. গ) ধর্মনিরপেক্ষতা
  4. ঘ) গণতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
ক) আইনের শাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আইনের শাসন
ব্যাখ্যা
•সংবিধান:
• সংবিধানের মূলনীতি- ৪টি। যথা- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
• বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনা- ১টি।
• বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ- এক কক্ষবিশিষ্ট।
• সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে বিরোধীদলীয় সদস্য ছিল- ১ জন (ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত)।
• সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে মহিলা সদস্য – ১ জন (রাজিয়া আক্তার বানু)
• সুপ্রিম কোর্টের বিভাগ- ২টি। যথা- হাইকোর্ট ও আপিল কোর্ট |
• গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয়-- ৪ নভেম্বর।
• সংবিধান দিবস ৪ নভেম্বর।
• সভাপতিত্বে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।
• এ খসড়া কমিটির প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
 

৯৯৮.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রবর্তিত হয়-
  1. ১৭ এপ্রিল, ১৯৯১
  2. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ৭ মার্চ, ১৯৭২
  4. ২৬ মার্চ, ১৯৭৩
সঠিক উত্তর:
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রবর্তিত হয়- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে। 
-------------------------------- 
• বাংলাদেশের সংবিধান:

- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান প্রবর্তিত হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

- ১৯৭২ সালরে ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

• ১৫৩ নং অনুচ্ছেদ: প্রবর্তন, উল্লেখ ও নির্ভরযোগ্য পাঠ;  

১৫৩ (১)-
এই সংবিধানকে "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান" বলিয়া উল্লেখ করা হইবে এবং ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর মাসের ১৬ তারিখে ইহা বলবৎ হইবে, যাহাকে এই সংবিধানে "সংবিধান-প্রবর্তন" বলিয়া অভিহিত করা হইয়াছে।

১৫৩(২)-
বাংলায় এই সংবিধানের একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ ও ইংরাজীতে অনুদিত একটি নির্ভরযোগ্য অনুমোদিত পাঠ থাকিবে এবং উভয় পাঠ নির্ভরযোগ্য বলিয়া গণপরিষদের স্পীকার সার্টিফিকেট প্রদান করিবেন।

১৫৩(৩)- 
এই অনুচ্ছেদের (২) দফা-অনুযায়ী সার্টিফিকেটযুক্ত কোন পাঠ এই সংবিধানের বিধানাবলীর চূড়ান্ত প্রমাণ বলিয়া গণ্য হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, বাংলা ও ইংরাজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯৯৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে, অসচ্ছল তথা প্রতিবন্ধী ভাতা প্রদান করা হয়?
  1. ১৯(১) নং
  2. ৩৯ নং
  3. ১৫(ঘ) নং
  4. ১৮ক নং
সঠিক উত্তর:
১৫(ঘ) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫(ঘ) নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১৫(ঘ) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, অসচ্ছল তথা প্রতিবন্ধী ভাতা প্রদান করা হয়।

সংবিধানের ১৫(ঘ) নং অনুচ্ছেদ:
- সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার, অর্থাৎ বেকারত্ব, ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধব্য, মাতাপিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরূপ অন্যান্য পরিস্থিতিজনিত আয়ত্তাতীত কারণে অভাবগ্রস্ততার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্যলাভের অধিকার৷


অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা:
- বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমঅধিকার ও সমমর্যাদা প্রদানে বদ্ধপরিকর।
- ২০০১ সালে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ আইন ২০০১ প্রণয়ন করা হয়।
- এ আইন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সংরক্ষণে অনন্য দলিল।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫, ১৭, ২০ এবং ২৯ অনুচ্ছেদে অন্যান্য নাগরিকদের সাথে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমসুযোগ ও অধিকার প্রদান করা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৫(ঘ) অনুচ্ছেদ দায়-দায়িত্বের অংশ হিসেবে ২০০৫-০৬ অর্থ বছর হতে অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- শুরুতে ১,০৪,১৬৬ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে জনপ্রতি মাসিক ২০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।

উল্লেখ্য,
- বাস্তবায়নকারী দফতর: সমাজসেবা অধিদফতর।
- কার্যক্রম শুরুর বছর: ২০০৫-০৬ অর্থবছর।

কর্মসূচির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- ১. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি প্রদত্ত সাংবিধানিক ও আইনগত প্রতিশ্রতি পূরণ;
- ২. অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন;
- ৩. দুঃস্থ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনয়ন;
- ৪. সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণপূর্বক উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাছাইকৃত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য মাসিক ভাতা প্রদান;
- ৫. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিষয়টি জাতীয় কর্মপরিকল্পনায় অমত্মর্ভুক্তকরণ।

⇒ ২০২৩-২৪ বাজেটে, ভাতাভোগীর মাসিক ভাতার হার:
- বয়স্ক ভাতাভোগী: ৬০০ টাকা।
- বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতাভোগী: ৫৫০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ছাত্র/ছাত্রীদের মাসিক শিক্ষা উপবৃত্তির হার: ৯০০ টাকা, মাধ্যমিক স্তরে ৯৫০ টাকা এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ৯৫০ টাকা।
- অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কার্যক্রমে উপকারভোগীর ভাতার হার: ৪০০ টাকা।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১৮ক নং অনুচ্ছেদে 'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' এর কথা বলা হয়েছে।
- ১৯(১) নং অনুচ্ছেদে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হইবেন।
- ৩৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
         ii) সমাজসেবা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
১,০০০.
সংবিধান কোন অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধন করার বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-  ১৪৭ 
  2. অনুচ্ছেদ- ১৪২
  3. অনুচ্ছেদ- ১৪৫
  4. অনুচ্ছেদ- ১৪১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১৪২
ব্যাখ্যা

- ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধন করার বিধান রয়েছে।

• সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা: 
-  ১৪২ নং:  সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হতে পারে।
- সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে না।
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করবে।
- এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলে গণ্য হবে।

উল্লেখ্য,
- ১৪১ ক: জরুরী-অবস্থা ঘোষণা;
- ১৪১ খ: জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ;
- ১৪১গ: জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ;
- ১৪৫: চুক্তি ও দলিল;
- ১৪৫ক: আন্তর্জাতিক চুক্তি;
- ১৪৭: কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি;

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।