বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Constitutional Law

মোট প্রশ্ন৭৩১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Constitutional Law

PrepBank · পাতা / · ১০১২০০ / ৭৩১

১০১.
'Rule of Harmonious Construction' এর উদ্দেশ্য কী?
  1. পরস্পর বিরোধী বিধান বাতিল করা
  2. বিরোধী বিধানগুলো উপেক্ষা করা
  3. একটিকে বাতিল করা এবং অন্যটিকে কার্যকর করা
  4. পরস্পর বিরোধী বিধানগুলোকে একসাথে কার্যকর করা
সঠিক উত্তর:
পরস্পর বিরোধী বিধানগুলোকে একসাথে কার্যকর করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরস্পর বিরোধী বিধানগুলোকে একসাথে কার্যকর করা
ব্যাখ্যা
Rule of Harmonious Construction:
- একই আইনের মধ্যে পরস্পর অসংগতিপূর্ণ বা সাংঘর্ষিক বিধান বিদ্যমান থাকলে তাকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ঐ আইনের সবগুলো বিধানকে একই সাথে কার্যকর করা যায়

- আইন ব্যাখ্যার এই নীতিই 'Rule of Harmonious Construction' (আইন ব্যাখ্যার বৈরিতামুক্ত নীতি/সামঞ্জস্যমূলক নীতি) নামে পরিচিত।
- যখন দুটি বা ততোধিক বিধান একে অপরের সাথে বিরোধপূর্ণ মনে হয়, তখন এই নিয়ম অনুসরণ করা হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো আইনগুলো একে অপরের পরিপূরক হয়ে কাজ করুক, এবং কোনো বিধান অপরটির বিরুদ্ধে না গিয়ে একত্রে কার্যকর থাকুক।

ভারতীয় সুপ্রীমকোর্ট 'Rule of Harmonious Construction' নীতির নিম্নরূপ ব্যাখ্যা দিয়েছেন:
(১) কোনো আইনে দুটি ধারার প্রয়োগে যদি দেখা যায়, ধারা দু'টি একে অন্যের সাথে বিরোধপূর্ণ; তাহলে ধারা দু'টি এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ধারা দুটিকে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রয়োগ করা যায়। অর্থাৎ, এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়।

(২) একটি ধারার বিধানকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না, যাতে অন্য কোনো ধারার বিধান অকার্যকর বা সাংঘর্ষিক হয়।
১০২.
Which article of the Constitution protects individuals from 'Self-incrimination'?
  1. Article 33(2)
  2. Article 35(4)
  3. Article 35(2)
  4. Article 33(4)
সঠিক উত্তর:
Article 35(4)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Article 35(4)
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদে বিচার ও দণ্ড সম্পর্কিত সুরক্ষার বিধান দেয়া হয়েছেে। নিম্নলিখিত ৫টি বিষয়ে সুরক্ষার বিধান দেয়া হয়েছে-

অনুচ্ছেদ ৩৫(১)- ভূতাপেক্ষ আইনের বিরুদ্ধে সুরক্ষা;
অনুচ্ছেদ ৩৫(২)- দোবারা সাজার বিরুদ্ধে সুরক্ষা; 
অনুচ্ছেদ ৩৫(৩)- দ্রুত এবং নিরপেক্ষ বিচারের নিশ্চয়তা;
অনুচ্ছেদ ৩৫(৪)- নিজের বিরুদ্ধে দোষ-স্বীকারের ক্ষেত্রে সুরক্ষা;
অনুচ্ছেদ ৩৫(৫)- যন্ত্রণা, নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ডের বিরুদ্ধে সুরক্ষা।

নিজের দোষ স্বীকারের [Self-incremination] বিরুদ্ধে সুরক্ষাঃ অনুচ্ছেদ ৩৫ (৪)

৩৫ (৪) অনুচ্ছেদে অভিযুক্তকে নিজের দোষ-স্বীকারের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়া হয়েছে। ৩৫ (৪) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না। যদি কোন ব্যক্তি স্বেচ্ছায় নিজের দোষ-স্বীকার করে কোন বিবৃতি প্রদান করে, সেক্ষেত্রে এমন দোষ-স্বীকারোক্তি গ্রহণে কোন আইনত বাধা নেই। তবে অভিযুক্তকে রিমান্ডে নিয়ে জোরপূর্বক বা বল প্রয়োগ করে দোষ স্বীকার করতে বাধ্য করা যাবে না।

অনুচ্ছেদ ৩৫: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ

(১) অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না। 
(২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাইবে না। 
(৩) ফৌজদারী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন। 
(৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না। 
(৫) কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না। 
(৬) প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না।

Article 35: Protection in respect of trial and punishment

(1) No person shall be convicted of any offence except for violation of a law in force at the time of the commission of the act charged as an offence, nor be subjected to a penalty greater than, or different from, that which might have been inflicted under the law in force at the time of the commission of the offence. 
(2) No person shall be prosecuted and punished for the same offence more than once. 
(3) Every person accused of a criminal offence shall have the right to a speedy and public trial by an independent and impartial Court or tribunal established by law. 
(4) No person accused of any offence shall be compelled to be a witness against himself. 
(5) No person shall be subjected to torture or to cruel, inhuman, or degrading punishment or treatment. 
(6) Nothing in clause (3) or clause (5) shall affect the operation of any existing law which prescribes any punishment or procedure for trial.
১০৩.
বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফশিল অনুযায়ী নিম্নের কাকে শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানোর ক্ষমতা দেওয়া হয়নি?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. স্পীকার
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
⇒ তৃতীয় তফসিল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষনাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে।
- শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানোর ক্ষমতা ৩ জন ব্যক্তিকে দেওয়া হয়ছে।
- যথা- স্পীকার , রাষ্ট্রপতি , প্রধান বিচারপতি।

⇒ স্পীকার কর্তৃক - রাষ্ট্রপতি, সংসদ-সদস্য;
⇒ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক - প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, প্রধান বিচারপতি; 
⇒ প্রধান বিচারপতি কর্তৃক - সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক, সরকারী কর্মকমিশনের সদস্য, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার।

অর্থাৎ বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফশিলে প্রধানমন্ত্রীকে শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানোর ক্ষমতা দেওয়া হয়নি।
১০৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে কয়জন ব্যক্তিকে শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানোর ক্ষমতা দেওয়া আছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় তফসিল:

বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষনাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে।
- শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানোর ক্ষমতা ৩ জন ব্যক্তিকে দেওয়া হয়ছে। যথা- স্পীকার , রাষ্ট্রপতি , প্রধান বিচারপতি।

- স্পীকার কর্তৃক  ⇒ রাষ্ট্রপতি, সংসদ-সদস্য;

- রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ⇒ প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, প্রধান বিচারপতি; 

- প্রধান বিচারপতি কর্তৃক ⇒ সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক, সরকারী কর্মকমিশনের সদস্য, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার।
১০৫.
জাতীয় সংসদ বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদের অধিকারবলে 'Delegated Legislation' এর ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. অনুচ্ছেদ ৬৫(১)
  2. অনুচ্ছেদ ৬৫(২)
  3. অনুচ্ছেদ ৬৫(৩)
  4. অনুচ্ছেদ ৬৫(৪)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬৫(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬৫(১)
ব্যাখ্যা
• অর্পিত আইন প্রণয়ন [Delegated Legislation]:
 
অনুচ্ছেদ ৬৫(১) এর অধীন জাতীয় সংসদ তার আইন প্রণয়ন ক্ষমতা অন্য কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে অর্পণ করতে পারে। যে ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, উক্ত ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষ উক্ত অর্পিত ক্ষমতাবলে যে আইন প্রণয়ন করে তাকে অর্পিত আইন বা Delegated Legislation বলে।

অনুচ্ছেদ ৬৫: সংসদ-প্রতিষ্ঠা:

(১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:
 
তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।
 
(২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।
 
(৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:
 
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।
 
(৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।
 
(৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।
১০৬.
'Ubi jus ibi remedium' এর বাংলা অর্থ কী?
  1. যেখানে আইন সেখানে শাস্তি
  2. যেখানে ক্ষতি সেখানে প্রতিকার
  3. যেখানে আদালত সেখানে বিচার
  4. যেখানে অধিকার সেখানে প্রতিকার
সঠিক উত্তর:
যেখানে অধিকার সেখানে প্রতিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে অধিকার সেখানে প্রতিকার
ব্যাখ্যা

⇒ "Ubi jus ibi remedium" একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাক্সিম (Legal Maxim) যার অর্থ "Where there is a right, there is a remedy". 
- বাংলায়: "যেখানে অধিকার আছে, সেখানে প্রতিকারও আছে"।
- এটি আইনের মৌলিক নীতি, যা বলে যে কোনো আইনি অধিকারের সাথে তার লঙ্ঘনের জন্য প্রতিকারের অধিকারও যুক্ত। অন্যান্য অপশনগুলো এই ম্যাক্সিমের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

১০৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২৬ অনুসারে কোন বিভাগ বাধ্যতামূলকভাবে নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করবে?
  1. আইন বিভাগ
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. উল্লিখিত সবগুলাই 
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদের বিধান: নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান:  নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপালনে সহায়তা করা সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হইবে।
- এখানে "নির্বাহী কর্তৃপক্ষ" বলতে নির্বাহী বিভাগ (Executive Authorities)-কে বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ, সরকারের সকল নির্বাহী বিভাগ, মন্ত্রণালয়, বিভাগ, জেলা ও স্থানীয় প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের কাজে সহায়তা করতে সাংবিধানিকভাবে বাধ্য।
- সুতরাং, নির্বাহী বিভাগ-ই সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করতে বাধ্য।
------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh -Article 126. Executive authorities to assist Election Commission:
 It shall be the duty of all executive authorities to assist the Election Commission in the discharge of its functions.  

১০৮.
'Ratio decidendi' means-
  1. a thing to be corrected
  2. reason for a decision
  3. decision of a man
  4. a thing said by the way
সঠিক উত্তর:
reason for a decision
উত্তর
সঠিক উত্তর:
reason for a decision
ব্যাখ্যা
• একটি Judgment -এর চারটি অংশ থাকে; যথা-
০১. A concise statement of fact;
০২. Point of determination or issue;
০৩. Reason behind the judgment;
০8. The decision thereon;

আদালতের Reasoning- কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
i. Ratio decidendi;
ii. Obiter Dictum;

Ratio decidendi-
The meaning of ratio decidendi is Latin for “the reason,” or “the foundation for” a decision. For example, ratio decidendi in the field of law refers to the moment or principle in a case that ultimately determines its outcome. Ratio decidendi is a legal rule regarding the legal reasoning behind the judgment of the judge or jury.

অর্থাৎ সেই সব Legal Basis বা Legal Principles যেগুলোর উপর ভিত্তি করে আদালত রায় প্রদান করে। Precedent হিসেবে Ratio decidendi এর binding force আছে। নজির হিসেবে আদালত মানতে বাধ্য।

Obiter Dictum-
"A thing said by the way"  অর্থাৎ মামলার রায়ের এমন অংশকে বোঝায়, যেটা মান্য করা বাধ্যতামূলক নয়; বরং বিচারক যেটা কথা প্রসঙ্গে বলে থাকেন। অর্থাৎ, রায় প্রদানের সময় বিচারক প্রসঙ্গক্রমে যে সব কথা বলেন, তাই Obiter Dictum এর binding force নেই তবে, persuasive value আছে।
১০৯.
What does the Latin maxim “Caveat Emptor” mean?
  1. ক্রেতাকে সতর্ক থাকতে হবে
  2. ক্রেতার ক্ষতির প্রতিকার আছে
  3. বিক্রেতাকে সতর্ক থাকতে হবে
  4. বিক্রেতার ক্ষতির প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
ক্রেতাকে সতর্ক থাকতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রেতাকে সতর্ক থাকতে হবে
ব্যাখ্যা
Caveat Emptor — "Let the purchaser beware"
বাংলায় অর্থ: "ক্রেতা সাবধান" বা "ক্রেতাকে সতর্ক থাকতে হবে"।

এটি এমন একটি আইনগত নীতি যা বলে যে, কোনো কিছু ক্রয়ের সময় সেই পণ্যের গুণগত মান যাচাই করার দায়দায়িত্ব ক্রেতার নিজের ওপর বর্তায়। পণ্যের দোষত্রুটি পরবর্তীতে আবিষ্কৃত হলে, সাধারণত বিক্রেতা দায়ী থাকেন না যদি না তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে প্রতারণা করে থাকেন।

Jyoti Swaroop Arora বনাম Tulip Infratech Ltd. ও অন্যান্য (03.02.2015 - CCI): MANU/CO/0006/2015 মামলার রায় অনুযায়ী:
"এটি আরও বলা হয়েছিল যে, সাধারণভাবে প্রথা অনুযায়ী, ক্রেতাদের সমস্ত প্রযোজ্য বিধি-বিধান, লাইসেন্স, বিল্ডিং প্ল্যান ইত্যাদি সম্পর্কে সচেতন করা হয়, এবং এটি due diligence পর্যায়েই করা হয়ে থাকে। সমস্ত তথ্য যাচাই করার সুযোগ এবং দায়িত্ব ক্রেতারই থাকে। এই ধারণাটি আইন চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিকে প্রতিফলিত করে, যা Caveat Emptor নামে পরিচিত, যার অর্থ 'ক্রেতা সতর্ক থাকুক'।"
১১০.
বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হওয়া সংক্রান্ত বিধানটি সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ উল্লেখ আছে?
  1. ১৪৫ (২)
  2. ১৪৩(১)(গ)
  3. ১৪৭(৩)
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
১৪৩(১)(গ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৩(১)(গ)
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি

(১) আইনসঙ্গতভাবে প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত যে কোন ভূমি বা সস্পত্তি ব্যতীত নিম্নলিখিত প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হইবে: 

(ক) বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; 
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; এবং 
(গ) বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি। 
 
(২) সংসদ সময়ে সময়ে আইনের দ্বারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমা ও মহীসোপানের সীমা-নির্ধারণের বিধান করিতে পারিবেন।

Article 143: Property of the Republic

(1) There shall vest in the Republic, in addition to any other land or property lawfully vested – 

(a) all minerals and other things of value underlying any land of Bangladesh; 
(b) all lands, minerals and other things of value underlying the ocean within the territorial waters, or the ocean over the continental shelf, of Bangladesh; and 
(c) any property located in Bangladesh that has no rightful owner. 
 
(2) Parliament may from time to time by law provide for the determination of the boundaries of the territory of Bangladesh and of the territorial waters and the continental shelf of Bangladesh.
১১১.
নিচের কোন আইনটিকে "Law of all laws” বলা হয়?
  1. The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh
  2. The General Clauses Act, 1897
  3. The Evidence Act, 1872
  4. The Penal Code, 1860
সঠিক উত্তর:
The General Clauses Act, 1897
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The General Clauses Act, 1897
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 কে "Law of all laws" বলা হয়:

- আইনসভা থেকে পাশকৃত সকল আইনের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে আইনটি প্রযোজ্য। তবে কোনো আইনে এ বিষয়ে পরিষ্কার বিধান থাকলে সেক্ষেত্রে আইনটি প্রযোজ্য হবে না।
- The General Clauses Act, 1897 এমন একটি আইন যা অন্যান্য যেকোনো আইন ব্যাখ্যার জন্য প্রযোজ্য তো বটেই বরং প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন সংবিধান ব্যাখ্যার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
- এ বিষয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২ এর (২) নং দফা উল্লেযোগ্য। 

- এজন্য, The General Clauses Act, 1897 আইনটিকে "Law of all laws” বলা হয়ে থাকে।
১১২.
মেয়াদ-অবসান ব্যতীত অন্য কারণে সংসদ ভেঙ্গে গেলে, পরবর্তী কত দিনের মধ্যে বাংলাদেশে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান সংবিধানে উল্লেখ আছে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১৮০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১২৩ নং অনুচ্ছেদ: নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময় -
(১) রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ অবসানের কারণে উক্ত পদ শূন্য হলে মেয়াদ-সমাপ্তির তারিখের পূর্ববর্তী নব্বই হতে ষাট দিনের মধ্যে শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যে সংসদের দ্বারা তিনি নির্বাচিত হয়েছেন সেই সংসদের মেয়াদকালে রাষ্ট্রপতির কার্যকাল শেষ হইলে সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ শূন্য পদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না, এবং অনুরূপ সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের দিন হতে ত্রিশ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির শূন্য পদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

(২) মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পদটি শূন্য হবার পর নব্বই দিনের মধ্যে তা পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

(৩) সংসদ-সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে-
(ক) মেয়াদ-অবসানের কারণে সংসদ ভেঙে যাবার ক্ষেত্রে ভেঙে যাবার পূর্ববর্তী নব্বই দিনের মধ্যে; এবং
(খ) মেয়াদ-অবসান ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাবার ক্ষেত্রে ভেঙে যাবার পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে।
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার (ক) উপ-দফা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিগণ, উক্ত উপ-দফায় উল্লিখিত মেয়াদ সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত, সংসদ সদস্যরূপে কার্যভার গ্রহণ করবে না।

(৪) সংসদ ভেঙে যাওয়া ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদের কোনো সদস্যপদ শূন্য হলে পদটি শূন্য হবার নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত শূন্যপদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে, কোনো দৈব-দূর্বিপাকের কারণে এই দফার নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হয়, তা হলে উক্ত মেয়াদের শেষ দিনের পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
১১৩.
'প্রজাতন্ত্রের কর্মে অসামরিক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি তাঁহার নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ-অপেক্ষা অধস্তন কোন কর্তৃপক্ষের দ্বারা বরখাস্ত বা অপসারিত বা পদাবনমিত হইবেন না।'- সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ১৩৩ অনুচ্ছেদে
  2. ১৩৪ অনুচ্ছেদে
  3. ১৩৫ অনুচ্ছেদে
  4. ১৩৬ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৩৫ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৫ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৩৫: অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত প্রভৃতি:
(১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে অসামরিক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি তাঁহার নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ-অপেক্ষা অধস্তন কোন কর্তৃপক্ষের দ্বারা বরখাস্ত বা অপসারিত বা পদাবনমিত হইবেন না।

(২) অনুরূপ পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে তাঁহার সম্পর্কে প্রস্তাবিত ব্যবস্থাগ্রহণের বিরুদ্ধে কারণ দর্শাইবার যুক্তিসঙ্গত সুযোগদান না করা পর্যন্ত তাঁহাকে বরখাস্ত বা অপসারিত বা পদাবনমিত করা যাইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফা সেই সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যেখানে
(অ) কোন ব্যক্তি যে আচরণের ফলে ফৌজদারী অপরাধে দণ্ডিত হইয়াছেন, সেই আচরণের জন্য তাঁহাকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করা হইয়াছে; অথবা
(আ) কোন ব্যক্তিকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কর্তৃপক্ষের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, কোন কারণে- যাহা উক্ত কর্তৃপক্ষ লিপিবদ্ধ করিবেন- উক্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শাইবার সুযোগদান করা যুক্তিসঙ্গতভাবে সম্ভব নহে; অথবা
(ই) রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে উক্ত ব্যক্তিকে অনুরূপ সুযোগদান সমীচীন নহে।

(৩) অনুরূপ কোন ব্যক্তিকে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত কারণ দর্শাইবার সুযোগদান করা যুক্তিসঙ্গতভাবে সম্ভব কি না, এইরূপ প্রশ্ন উত্থাপিত হইলে সেই সম্পর্কে তাঁহাকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।

(৪) যে ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন লিখিত চুক্তির অধীন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত হইয়াছেন এবং উক্ত চুক্তির শর্তাবলী-অনুযায়ী যথাযথ নোটিশের দ্বারা চুক্তিটির অবসান ঘটান হইয়াছে, সেই ক্ষেত্রে চুক্তিটির অনুরূপ অবসানের জন্য তিনি এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্যসাধনকল্পে পদ হইতে অপসারিত হইয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে না।
১১৪.
"কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট - বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের বিধান?
  1. ১০৬
  2. ১০৭
  3. ১০৮
  4. ১০৯
সঠিক উত্তর:
১০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৮
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদের বিধান: "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট:
- সুপ্রীম কোর্ট একটি "কোর্ট অব্ রেকর্ড" হইবেন এবং ইহার অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।
১১৫.
রাষ্ট্রের ধর্ম নিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য কোন কার্যক্রম বিলোপ করতে হবে?
  1. রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মীয় অপব্যবহার
  2. সর্ব প্রকার সাম্প্রদায়িকতা
  3. রাষ্ট্র কর্তৃক কোনো ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা দেওয়া
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১২ অনুচ্ছেদের বিধান: ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা:
ধর্ম নিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য
(ক) সর্ব প্রকার সাম্প্রদায়িকতা, 
(খ) রাষ্ট্র কর্তৃক কোন ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা দান,
(গ) রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মীয় অপব্যবহার,
(ঘ) কোন বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা তাহার উপর নিপীড়ন, বিলোপ করা হইবে।

১১৬.
কে সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধি প্রণয়ন করেন?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. মন্ত্রিসভা
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৫ অনুচ্ছেদের বিধান: মন্ত্রিসভা
(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে।
(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে।
(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে।
(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।
১১৭.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি কী?
  1. ধর্মীয় ঐক্য
  2. রাজনৈতিক সংহতি
  3. অর্থনৈতিক সমতা
  4. ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তা
সঠিক উত্তর:
ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হলো ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তা।
- এটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯-এ বর্ণিত, যেখানে বলা হয়েছে যে, ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছে, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।

- এটি বোঝায় যে, বাঙালী জাতীয়তা শুধুমাত্র ধর্ম বা রাজনৈতিক সংহতির উপর ভিত্তি করে নয়, বরং ভাষা ও সংস্কৃতির ভিত্তিতেও প্রতিষ্ঠিত।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ ছিল এই একক সত্তা প্রতিষ্ঠার পক্ষে, যেখানে বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতির মাধ্যমে দেশ স্বাধীনতা লাভ করেছে।
১১৮.
সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদে বর্ণিত দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন _____।
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. সংসদ
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদের বিধান: দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা:
এই ভাগের পূর্ববর্ণিত বিধানাবলীতে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি বা অন্য কোন ব্যক্তি জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের প্রয়োজনে কিংবা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে কোন অঞ্চলে শৃঙ্খলা-রক্ষা বা পুনর্বহালের প্রয়োজনে কোন কার্য করিয়া থাকিলে সংসদ আইনের দ্বারা সেই ব্যক্তিকে দায়মুক্ত করিতে পারিবেন কিংবা ঐ অঞ্চলে প্রদত্ত কোন দণ্ডাদেশ, দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির আদেশকে কিংবা অন্য কোন কার্যকে বৈধ করিয়া লইতে পারিবেন।
১১৯.
'res ipsa loquitur' means-
  1. The thing speaks for itself
  2. The man speaks for itself
  3. The property speaks for itself
  4. The circumstance speaks for itself
সঠিক উত্তর:
The thing speaks for itself
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The thing speaks for itself
ব্যাখ্যা
Res ipsa loquitur অর্থ হলো স্বব্যক্ত ঘটনা, - The thing speaks for itself.

এই নীতির মূল কথা হলো-
যে সকল দূর্ঘটনা সাধারণত বিবাদীর অবহেলা ছাড়া ঘটে না, এরকম কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে আদালত Circumstantial Evidence-এর ভিত্তিতে অনুমান করে নেবে যে, বিবাদীর অবহেলার [negligence] কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।

এই নীতিটি Tort Law -তে প্রয়োগ হয়ে থাকে।
১২০.
"Jurisprudence was the first of the social science to be born" - উক্তিটি কার?
  1. Wurzel
  2. Holland
  3. Dias
  4. Gray
সঠিক উত্তর:
Wurzel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wurzel
ব্যাখ্যা
এটি Wurzel এর বিখ্যাত উক্তি।

তার পুরো নাম Benjamin Disraeli. He was a British politician, writer, and Prime Minister.

তার কয়েকটি বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে-
- When men are pure, laws are useless; when men are corrupt, laws are broken.
- The fool wonders, the wise man asks.
- never explain and never complain.
- Man is not the creature of circumstances, circumstances are the creatures of men.
১২১.
সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে কোন নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. বাক স্বাধীনতা
  2. ধর্মীয় স্বাধীনতা
  3. আইনের দৃষ্টিতে সমতা
  4. সম্পত্তির অধিকার
সঠিক উত্তর:
আইনের দৃষ্টিতে সমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের দৃষ্টিতে সমতা
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ২৭: আইনের দৃষ্টিতে সমতা-
সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

• ২৭ অনুচ্ছেদে, আইনের দৃষ্টিতে সমান এই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যে- প্রচলিত আইন কোন ব্যক্তি বিশেষের অনুকূলে কোন বিশেষ সুবিধা প্রদান করবে না। দেশের প্রচলিত আইনের শর্ত সাপেক্ষে সকলে সমভাবে সমান এবং কোন ব্যক্তি তার মর্যাদা বা অবস্থা যা হোক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে না এই মর্মে ২৭ অনুচ্ছেদ ঘোষণা করেছে। এই অনুচ্ছেদ আইনের শাসন [Rule of Law] নীতি প্রতিফলন করে।

আইনের সমান আশ্রয় লাভ বলতে বোঝায়, একই অবস্থায় বিদ্যমান সকল ব্যক্তির জন্য একই আইন অভিন্নভাবে এবং কোন প্রকার বৈষম্য ব্যতীত প্রয়োগ করা। অর্থাৎ সমান প্রেক্ষাপটে সমান আচরণ বা সমভাবে বিবেচনা করা। সমানদের মধ্যে আইনও সমান হবে এবং সমভাবে প্রয়োগ হবে।
১২২.
Which article of the Bangladesh Constitution ensures the independence of judicial officers?
  1. Article 116
  2. Article 116A
  3. Article 117
  4. Article 118
সঠিক উত্তর:
Article 116A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Article 116A
ব্যাখ্যা
Article 116A- Judicial officers to be independent in the exercise of their functions:
Subject to provisions of the Constitution, all persons employed in the judicial service and all magistrates shall be independent in the exercise of their judicial functions.

অনুচ্ছেদ ১১৬ক- বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন:
 এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন।
১২৩.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে কোন রিটের জন্য যে কোনো ব্যক্তি আবেদন করতে পারেন?
  1. Writ of Mandamus
  2. Writ of Quo Warranto
  3. Writ of Certiorari
  4. Writ of Prohibition
সঠিক উত্তর:
Writ of Quo Warranto
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Writ of Quo Warranto
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (২)(খ) ধারায় উল্লিখিত Writ of Quo Warranto (কারণ দর্শাও রিট) এবং Writ of Habeas Corpus-এর জন্য যে কোনো ব্যক্তি (কোনো সংক্ষুদ্ধতা ছাড়াই) আবেদন করতে পারেন। এটি পাবলিক অফিসারের অধিকার বা যোগ্যতার বৈধতা যাচাইয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- অন্যান্য অপশনগুলো (Certiorari, Prohibition, Mandamus) ১০২(২)(ক) ধারার অধীনে পড়ে, যেখানে শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ বা প্রভাবিত ব্যক্তি আবেদন করতে পারেন।

• রিট [Writ]:
আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ। এমন আদেশের মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে। রিট এর উৎপত্তি হলো ব্রিটিশ আইন ব্যবস্থায়। প্রাথমিকভাবে রিট মূলত রাজকীয় অধিকার [prerogrative writ or royal writ] নামে পরিচিত ছিল কারণ একমাত্র রাজা বা রাণী রিট জারি করার অধিকারী ছিল।

রিটের প্রকারভেদ: সংবিধানে ৫ প্রকার রিট উল্লেখ করা হয়েছে-
⇒ ১০২ এর ২(ক) তে ৩টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (ক) (অ) প্রতিষেধক বা নিষেধাজ্ঞামূলক রিট [Writ of Prohibition];
• ১০২(২) (ক) (অ) পরমাদেশ বা হুকুম জারী রিট [Writ of Mandamus];
• ১০২(২) (ক) (আ) উৎপ্রেষণ রীট [Writ of Certiorari]।

⇒ ১০২ এর ২(খ) তে ২টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (খ) (অ) বন্দী হাজির রিট [Writ of Habeas Corpus] এবং
• ১০২(২) (খ) (আ) কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]।

১২৪.
'Nemo debet bis puniri pro uno delicto'- উক্ত নীতিটি The General Clauses Act,1897 এর কত ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ১৮ ধারায়
  2. ২১ ধারায়
  3. ২৫ ধারায়
  4. ২৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
• 'Doctrine of double jeopardy' বা 'দোবারা সাজা মতবাদ' যে নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত তা হলো:
Nemo debet bis puniri pro uno delicto.
যার অর্থ- 'No one shall be punished twice for one fault. অর্থাৎ 'একই অপরাধের জন্য দু'বার শাস্তি দেয়া যায় না।'

জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ২৬ ধারায় বলা আছে-
Where an act or omission constitutes an offence under two or more enactments, then the offender shall be liable to be prosecuted and punished under either or any of those enactments, but shall not be liable to be punished twice for the same. 

- 'যখন কোন কার্য বা কার্য বিচ্যুতি দু'টি আইনে অপরাধ হিসেবে পরিগণিত হয় তখন একই অপরাধের কারণে অপরাধীকে দু'বার শাস্তি দেয়া যাবে না যদিও উভয় আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়ে থাকে।'

জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ২৬ ধারার উপর বিশদ আলোচনাকালে বিচারপতি মোহাম্মদ আব্দুল করিম আরও উল্লেখ করেন যে, বর্ণিত অপরাধের কারণে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাধারণ আইনে (general law) এবং বিশেষ আইনে (special law) দু'টি মামলা চলমান থাকলে আইন ব্যাখ্যার সূত্র এবং বিশেষ আইনে 'non-obstante clause' থাকার কারণে সাধারণ আইনের অধীনে দায়েরকৃত মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত থাকবে এবং বিশেষ আইনের অধীনে রুজুকৃত মামলাটির বিচার কার্যক্রম চালু থাকবে।
১২৫.
সংসদের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল সরকারী গেজেটে প্রকাশের কত দিনের মধ্যে, নির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর বিধান সংবিধানে রয়েছে?
  1. ৫ দিনের মধ্যে
  2. ৩ দিনের মধ্যে
  3. ৭ দিনের মধ্যে
  4. ১৫ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৩ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৮: পদের শপথ

(১) তৃতীয় তফসিলে উল্লিখিত যে কোন পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তি কার্যভারগ্রহণের পূর্বে উক্ত তফসিল-অনুযায়ী শপথগ্রহণ বা ঘোষণা (এই অনুচ্ছেদে "শপথ" বলিয়া অভিহিত) করিবেন এবং অনুরূপ শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিবেন।

(২) এই সংবিধানের অধীন নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তির নিকট শপথগ্রহণ আবশ্যক হইলে অনুরূপ ব্যক্তি যেরূপ ব্যক্তি ও স্থান নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ ব্যক্তির নিকট সেইরূপ স্থানে শপথগ্রহণ করা যাইবে।

(২)(ক) ১২৩ অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন অনুষ্ঠিত সংসদ সদস্যদের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপিত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে এই সংবিধানের অধীন এতদুদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা তদুদ্দেশ্যে অনুরূপ ব্যক্তি কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন ব্যক্তি যে কোন কারণে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ পরিচালনা করিতে ব্যর্থ হইলে বা না করিলে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার উহার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে উক্ত শপথ পাঠ পরিচালনা করিবেন, যেন এই সংবিধানের অধীন তিনিই ইহার জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তি।

(৩) এই সংবিধানের অধীন যে ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তির পক্ষে কার্যভার গ্রহণের পূর্বে শপথগ্রহণ আবশ্যক, সেই ক্ষেত্রে শপথগ্রহণের অব্যবহিত পর তিনি কার্যভার গ্রহণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

Article 148: Oaths of office

(1) A person elected or appointed to any office mentioned in the Third Schedule shall before entering upon the office make and subscribe an oath or affirmation (in this article referred to as “an oath”) in accordance with that Schedule. 
 
(2) Where under this Constitution an oath is required to be administered by a specified person, it may be administered by such other person and at such place as may be designated by that person. 
 
(2A) If, within three days next after publication through official Gazette of the result of a general election of members of Parliament under clause (3) of article 123, the person specified under the Constitution for the purpose or such other person designated by that person for the purpose, is unable to, or does not, administer oath to the newly elected members of Parliament, on any account, the Chief Election Commissioner shall administer such oath within three days next thereafter, as if, he is the person specified under the Constitution for the purpose.

(3) Where under this Constitution a person is required to make an oath before he enters upon an office he shall be deemed to have entered upon the office immediately after he makes the oath.
১২৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে?
  1. ২৩
  2. ২৩ক
  3. ২৪
  4. ২৫
সঠিক উত্তর:
২৩ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ক
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ২৩ক অনুচ্ছেদ: উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি:
রাষ্ট্র বিভিন্ন উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের অনন্য বৈশিষ্ট্যপূর্ণ আঞ্চলিক সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও বিকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

অন্যদিকে,
- ২৩ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় সংস্কৃতি। 
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
- ২৫ নং অনুচ্ছেদ : আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
১২৭.
আইনের অধীন জারীকৃত প্রজ্ঞাপন, আদেশ, পরিকল্পনা, বিধি, ফরম বা উপ-আইনের ব্যবহৃত শব্দগুলোর অর্থ কীভাবে নির্ধারিত হবে?
  1. উপ-আইন কর্তৃক
  2. প্রজ্ঞাপন ও আদেশের দ্বারা
  3. সংসদের গেজেটের মাধ্যমে
  4. আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তির সমার্থক হবে
সঠিক উত্তর:
আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তির সমার্থক হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তির সমার্থক হবে
ব্যাখ্যা
The General Clauses Act, 1897 এর ২০ ধারা: আইনের অধীন জারীকৃত আদেশ, ইত্যাদি ব্যাখ্যা:
- যে ক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধিতে কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, পরিকল্প, বিধি, ফরম বা উপ-আইন জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে এই আইন প্রবর্তনের পরে প্রণীত, অনুরূপ প্রজ্ঞাপন, আদেশ, পরিকল্প, বিধি, ফরম বা উপ-আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তিসমূহের অর্থ অনুরূপ ক্ষমতা অর্পণকারী আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তির সমার্থক হবে।

ধারা ২০ এর মূল উদ্দেশ্য হল যে,
সংসদের আইন বা প্রবিধি অনুযায়ী প্রজ্ঞাপন বা আদেশে ব্যবহৃত শব্দ ও অভিব্যক্তির অর্থ সংশ্লিষ্ট আইন বা প্রবিধির অভিব্যক্তির সমার্থক হবে। অর্থাৎ, যখন কোনো আইন বা প্রবিধি জারি করা হয়, তখন সেখানে ব্যবহৃত শব্দের ব্যাখ্যা সেই আইন বা প্রবিধি এবং এর দ্বারা অর্পিত ক্ষমতার আলোকে বোঝা হবে।

Section-20 Construction of orders, etc., issued under enactments: 
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue any notification, order, scheme, rule, form or bye-law is conferred, then expressions used in the notification, order, scheme, rule, form or bye-law, if it is made after the commencement of this Act, shall, unless there is anything repugnant in the subject or context, have the same respective meanings as in the Act or Regulation conferring the power.
১২৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় কোনটি বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ধর্মীয় স্বাধীনতা
  2. সংবিধানের প্রাধান্য
  3. রাজনৈতিক স্বাধীনতা
  4. অর্থনৈতিক স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের প্রাধান্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের প্রাধান্য
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখা এবং এর রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তা বিধান করা আমাদের পবিত্র কর্তব্য।

সংবিধানের ভাষ্যে স্পষ্ট উল্লেখ:
"আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছি যে, আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা-আকাঙ্খার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিয়া আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করিতে পারি, সেইজন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখা এবং ইহার রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান আমাদের পবিত্র কর্তব্য।"

অতএব, "সংবিধানের প্রাধান্য"-ই বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ হিসেবে সংবিধানের প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, বাকি অপশন গুলো:
ক) ধর্মীয় স্বাধীনতা: যদিও সংবিধানে ধর্মীয় স্বাধীনতার স্বীকৃতি রয়েছে, তবে এটিকে জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তির মূল উপাদান হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।
গ) রাজনৈতিক স্বাধীনতা: সংবিধানে রাজনৈতিক স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ হলেও, এটি প্রস্তাবনায় জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তির রূপে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখিত নয়।
ঘ) অর্থনৈতিক স্বাধীনতা: সংবিধানে অর্থনৈতিক সাম্য ও সুবিচারের কথা বলা হলেও, এটিকে সরাসরি জনগণের অভিপ্রায়ের প্রতিফলন হিসাবে চিহ্নিত করা হয়নি।
১২৯.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'জরুরী অবস্থা' জারি করা হলে তা সর্বোচ্চ কত দিন মেয়াদের হতে পারে?
  1. ১০০
  2. ১২০
  3. ৩৬৫
  4. ১৭০
সঠিক উত্তর:
১২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১৪১ক: জরুরী-অবস্থা ঘোষণা

(১) রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরী-অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি অনধিক একশত কুড়ি দিনের জন্য জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবে: তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হইবে।
 
(২) জরুরী-অবস্থার ঘোষণা- 
(ক) পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা প্রত্যাহার করা যাইবে; 
(খ) সংসদে উপস্থাপিত হইবে; 
(গ) একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে কার্যকর থাকিবে না: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অনুরূপ কোন ঘোষণা জারী করা হয় কিংবা এই দফার (গ) উপ-দফায় বর্ণিত এক শত কুড়ি দিনের মধ্যে সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়, তাহা হইলে তাহা পুনর্গঠিত হইবার পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইবার পূর্বে ঘোষণাটি অনুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত ত্রিশ দিনের অবসানে অথবা একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে, যাহা আগে ঘটে, অনুরূপ ঘোষণা কার্যকর থাকিবে না। 
 
(৩) যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের বিপদ আসন্ন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে, প্রকৃত যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ সংঘটিত হইবার পূর্বে তিনি অনুরূপ যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের জন্য বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বিপন্ন বলিয়া জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।

Article 141A: Proclamation of emergency
(1) If the President is satisfied that a grave emergency exists in which the security or economic life of Bangladesh, or any part thereof, is threatened by war or external aggression or internal disturbance, he may issue a Proclamation of Emergency for one hundred twenty days: Provided that such Proclamation shall require for its validity the prior counter signature of the Prime Minister.
 
(2) A Proclamation of Emergency – 
(a) may be revoked by a subsequent Proclamation; 
(b) shall be laid before Parliament; 
(c) shall cease to operate at the expiration of one hundred and twenty days, unless before the expiration of that period it has been approved by a resolution of Parliament: 

Provided that if any such Proclamation is issued at a time when Parliament stands dissolved or the dissolution of Parliament takes place during the period of one hundred and twenty days referred to in sub clause (c), the Proclamation shall cease to operate at the expiration of thirty days from the date on which Parliament first meets after its re constitution, unless before that expiration of the said period of thirty days a resolution approving the Proclamation has been passed by Parliament or at the expiration of one hundred and twenty days, whichever occurs first.
 
(3) A Proclamation of Emergency declaring that the security of Bangladesh, or any part thereof, is threatened by war or external aggression or by internal disturbance may be made before the actual occurrence of war or any such aggression or disturbance if the President is satisfied that there is imminent danger thereof.
১৩০.
যুদ্ধ ঘোষণার জন্য সম্মতি প্রয়োজন ______ এর।
  1. জাতীয় সংসদ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. মন্ত্রী পরিষদ
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৩ অনুচ্ছেদের বিধান: যুদ্ধ-
(১) সংসদের সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাইবে না কিংবা প্রজাতন্ত্র কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করিবেন না।
-------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh Article 63. War -
 (1) War shall not be declared and the Republic shall not participate in any war except with the assent of Parliament.
১৩১.
নিম্নের কোনটি সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনের বিষয়বস্তু নয়?
  1. তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল
  2. সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল বিলুপ্তি
  3. সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৫ থেকে ৫০ বৃদ্ধিকরণ
  4. জরুরী অবস্থার মেয়াদ অনধিক ১২০ দিনকরণ
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল বিলুপ্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল বিলুপ্তি
ব্যাখ্যা
• সংবিধান পঞ্চদশ সংশোধন আইন, ২০১১ সালে পাশ হয়।
 
পঞ্চদশ (১৫তম) সংশোধনী এর বিষয়বস্তু:
⇒ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল;
⇒ দলীয় সরকারের অধীন মেয়াদ শেষ হবার আগের ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান;
⇒ সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৫ থেকে ৫০ করা;
⇒ ৪৭ এর ৩ অনুচ্ছেদে যুদ্ধাপরাধ বা মানবতা বিরোধী অপরাধের জন্য "অন্য কোন ব্যক্তি, ব্যক্তিসমষ্টি বা সংগঠন" এর বিচার করার বিধান সংযুক্ত করা;
⇒ জরুরী অবস্থার মেয়াদ অনধিক ১২০ দিন করা হয়;
⇒ সংবিধানে নতুন তিনটি তফসিল যুক্ত করা হয়- যথা পঞ্চম, ষষ্ঠ, ও সপ্তম।

 • সংবিধান ষোড়শ সংশোধন আইন ২০১৪ দ্বারা সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল বিলুপ্ত করা হয় এবং বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিতে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আনা হয়। এর বৈধতা নিয়ে করা রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ৫ মে হাইকোর্টের তিন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন।
হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে। একই বছরে সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সর্বসম্মতিতে আপিল খারিজ করে রায় দেন। ২০১৭ সালের ১ আগস্ট আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়।

বর্তমানে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা বহালের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে করা আবেদনের শুনানি কার্যক্রম চলছে।
১৩২.
'প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে৷'- সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৮
  2. অনুচ্ছেদ ১১
  3. অনুচ্ছেদ ১৩
  4. অনুচ্ছেদ ১৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১- গণতন্ত্র ও মানবাধিকার:
প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হইবে৷
১৩৩.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুসারে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি তার মনোনীত আইনজীবীর সাথে পরামর্শের অধিকার পায়?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৩(১)
  2. অনুচ্ছেদ ৩৩(২)
  3. অনুচ্ছেদ ৩৩(৩)
  4. অনুচ্ছেদ ৩৩(৪)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৩(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৩(১)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৩৩: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ:
(১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।

(২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে (গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (১) ও (২) দফার কোন কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,
(ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু; অথবা
(খ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে।

(৪) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইন কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক কাল আটক রাখিবার ক্ষমতা প্রদান করিবে না যদি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রহিয়াছেন বা ছিলেন কিংবা সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা রাখেন, এইরূপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সমন্বয়ে গঠিত কোন উপদেষ্টা-পর্ষদ্ উক্ত ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে তাঁহাকে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য পেশ করিবার সুযোগদানের পর রিপোর্ট প্রদান না করিয়া থাকেন যে, পর্ষদের মতে উক্ত ব্যক্তিকে তদতিরিক্ত কাল আটক রাখিবার পর্যাপ্ত কারণ রহিয়াছে।
 
(৫) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে আটক করা হইলে আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষ তাঁহাকে যথাসম্ভব শীঘ্র আদেশদানের কারণ জ্ঞাপন করিবেন এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য-প্রকাশের জন্য তাঁহাকে যত সত্বর সম্ভব সুযোগদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় তথ্যাদি-প্রকাশ জনস্বার্থবিরোধী বলিয়া মনে হইলে অনুরূপ কর্তৃপক্ষ তাহা প্রকাশে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

(৬) উপদেষ্টা-পর্ষদ কর্তৃক এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার অধীন তদন্তের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন।]
১৩৪.
রাষ্ট্রপতি স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন-
  1. সরকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে
  2. প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে
  3. প্রধান বিচারপতির উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে
  4. স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে
সঠিক উত্তর:
স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদের বিধান: রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ:
(১) এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরের মেয়াদে তাঁহার পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তাঁহার উত্তরাধিকারী-কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন। 
(২) একাদিক্রমে হউক বা না হউক-দুই মেয়াদের অধিক রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত থাকিবেন না। 
(৩) স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন। 
(৪) রাষ্ট্রপতি তাঁহার কার্যভারকালে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, এবং কোন সংসদ-সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইলে রাষ্ট্রপতিরূপে তাঁহার কার্যভার গ্রহণের দিনে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে।
-------------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh - Article 50. Term of office of President: 
(1) Subject to the provisions of this Constitution, the President shall hold office for a term of five years form the date on which he enters upon his office: 
Provided that notwithstanding the expiration of his term the President shall continue to hold office until his successor enters upon office. 
(2) No person shall hold office as President for more than two terms, whether or not the terms are consecutive. 
(3) The President may resign his office by writing under his hand addressed to the Speaker. 
(4) The President during his term of office shall not be qualified for election as a member of Parliament, and if a member of Parliament is elected as President he shall vacate his seat in Parliament on the day on which he enters upon his office as President.
১৩৫.
জরুরি অবস্থার সময় সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদসমূহ স্থগিত হতে পারে?
  1. ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫
  2. ২০, ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৫
  3. ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৫, ৩৬, ৩৭
  4. ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪২
সঠিক উত্তর:
৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪২
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ-১৪১খ: জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ:
এই সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অন্তর্গত বিধানাবলীর কারণে রাষ্ট্র যে আইন প্রণয়ন করিতে ও নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে সক্ষম নহেন, জরুরী-অবস্থা ঘোষণার কার্যকরতা-কালে এই সংবিধানের ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪২ অনুচ্ছেদসমূহের কোন কিছুই সেইরূপ আইন-প্রণয়ন ও নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণ সম্পর্কিত রাষ্ট্রের ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করিবে না; তবে অনুরূপভাবে প্রণীত কোন আইনের কর্তৃত্বে যাহা করা হইয়াছে বা করা হয় নাই, তাহা ব্যতীত অনুরূপ আইন যে পরিমাণে কর্তৃত্বহীন, জরুরী-অবস্থার ঘোষণা অকার্যকর হইবার অব্যবহিত পরে তাহা সেই পরিমাণে অকার্যকর হইবে।
১৩৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে "Nemo est supra leges" নীতিটির প্রতিফলন হয়েছে?
  1. ২২ অনুচ্ছেদে
  2. ২৭ অনুচ্ছেদে
  3. ৩৭ অনুচ্ছেদে
  4. ১৩৩ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
২৭ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
⇒ Nemo est supra leges: - 'No man is above the law' (কেহই আইনের ঊর্ধ্বে নয়)
 
- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী। 
- বাংলাদেশ সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে বর্ণিত এই নীতিটি এটাই প্রমাণ করে যে, কোন ব্যক্তি আইনের ঊর্ধ্বে নয়। 'No man is above the law.'
 
বাংলাদেশ সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদের বিধান: আইনের দৃষ্টিতে সমতা:- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
---------------
- Article 27. Equality before law:
 All citizens are equal before law and are entitled to equal protection of law.
১৩৭.
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে, উক্ত পদে কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন-
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পীকার
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. অ্যাটর্নি-জেনারেল
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫৪: অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার

রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ক্ষেত্রমত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করিবেন।

Article 54: Speaker to act as President during absence, etc.

If a vacancy occurs in the office of President or if the President is unable to discharge the functions of his office on account of absence, illness or any other cause the Speaker shall discharge those functions until a President is elected or until the President resumes the functions of his office, as the case may be.
১৩৮.
বর্তমান সংসদের নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা কত?
  1. ৩০
  2. ৪০
  3. ৪৫
  4. ৫০
সঠিক উত্তর:
৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী, ২০১১ এর মাধ্যমে ৬৫(৩) নং অনুচ্ছেদে সংরক্ষিত নারী আসন ৪৫ এর পরিবর্তে ৫০ টি করা হয়েছে।
 
সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ: সংসদ-প্রতিষ্ঠা:

(১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।
 
(২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।
 
(৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:
 
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।
 
(৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।
 
(৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।
১৩৯.
What is the basis of elections to the Bangladesh Parliament?
  1. Indirect voting
  2. Adult franchise
  3. Presidential appointment
  4. Proportional representation
সঠিক উত্তর:
Adult franchise
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adult franchise
ব্যাখ্যা
Article 122: Qualifications for registration as voter:
(1) The elections to Parliament shall be on the basis of adult franchise. 
 
(2) A person shall be entitled to be enrolled on the electoral roll for a constituency delimited for the purpose of election to the Parliament, if he - 
(a) is a citizen of Bangladesh; 
(b) is not less than eighteen years of age; 
(c) does not stand declared by a competent court to be of unsound mind ; 
(d) is or is deemed by law to be a resident of that constituency ; and 
(e) has not been convicted of any offence under the Bangladesh Collaborators (Special Tribunals) Order, 1972.

অনুচ্ছেদ - ১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:
১. প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকারের-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

২. কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভুক্ত হবার অধিকারী হবেন, যদি -
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁর বয়স ১৮ বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁর সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ হিসেবে ঘোষণা বহাল না থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের (দালাল আইন) অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হয়ে থাকেন।
১৪০.
বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদে কয় ধরণের আটকের বিধান আছে?
  1. ৩ ধরণের
  2. ২ ধরণের
  3. ১ ধরণের
  4. ৪ ধরণের
সঠিক উত্তর:
২ ধরণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ধরণের
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদঃ ৩৩ গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ- 

সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদে ২ ধরণের আটকের বিধান আছে-

১. কোন অপরাধ প্রকৃতপক্ষে সংঘটনের পর অথবা কোন অপরাধ সংঘটনের প্রচেষ্টার পর যদি উক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়, তাহলে সেটা হবে শাস্তিমূলক আটক [Punitive Detention];

২. অন্যদিকে, কোন ব্যাক্তি অপরাধ করতে পারে এমন সম্ভাবনা থাকলে, তাকে উক্ত অপরাধ সংঘটন হতে বিরত রাখার জন্য জন্য আটক করা হয় তাহলে সেটা হবে নিবর্তনমূলক আটক [Preventive Detention]।

⇒ শাস্তিমূলক আটক এর ক্ষেত্রে আটককৃত ব্যক্তির অধিকার:

সংবিধানের ৩৩ এর ১ ও ২ অনুচ্ছেদে শাস্তিমূলক আটক ও গ্রেফতারের ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে ৪ টি অধিকার দেওয়া হয়েছে। যথা:
১) যথাসম্ভব শীয় গ্রেপ্তারের কারণ জানার;
২) আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করে আত্মপক্ষ সমর্থন করার;
৩) ২৪ ঘন্টায় মধ্যে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করা;
৪) ২৪ ঘন্টার বেশি সময় আটক না রাখা।

উপরে উল্লেখিত অধিকার নিম্নলিখিত ২ শ্রেণীর ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। যথাঃ
ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু;
খ) যাকে নিবর্তনমূলক আটক [Preventive Detention] আটকের বিধানসংবলিত কোন আইেনর অধীন গ্রেপ্তার করা হয়েছে বা আটক করা হয়েছে। যেমন বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর অধীন ক্ষতিকর কোন কাছের জন্য কোন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হলে সে উপরে উল্লেখিত অধিকারগুলো পাবে না।

⇒ নিবর্তনমূলক আটক এর ক্ষেত্রে আটককৃত ব্যক্তির অধিকার:

৩৩ (৪) অনুচ্ছেদে নিবর্তনমূলক আটকের ক্ষেত্রে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পর্ষদ গঠন করার বিধান আছে। নিবর্তনমূলক আটকের ক্ষেত্রে ৬ মাসের অধিককাল আটক রাখা যাবে না। কিন্তু উপদেষ্টা পর্যদের মতামত অনুযায়ী এই মেয়াদ বাড়তে পারে। সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রয়েছে বা ছিলো কিংবা সুপ্রীম কোট্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা আছে, এইরুপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সম্বনেয় উপদেষ্টা পর্ষদ গঠিত হবে।
১৪১.
Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh (1989) মামলার মামলার প্রধান রায় লেখক (Author Judge) কে ছিলেন?
  1. বিচারপতি এম.এইচ রহমান
  2. বিচারপতি এটিএম আফজাল
  3. বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ
  4. বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী
ব্যাখ্যা

৮ম সংশোধনী মামলা:
মামলার পূর্ণ নাম: Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh (1989) [41 DLR (AD) 165]
অন্য নাম: '৮ম সংশোধনী মামলা বা, 8th Amendment Case.

রায় ঘোষণা: ১৯৮৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ এ মামলার রায় ঘোষণা করে।  ৮ম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদ তথা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো [Basic Structure]-কে ধ্বংস করেছে এবং এই কারণে সংশোধিত ১০০ অনুচ্ছেদ সংবিধান-বহির্ভূত (Ultra Vires of the Constitution) বলে ঘোষণা করা হয়েছে। আপিল বিভাগের ৩:১ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় উক্ত সংশোধনী বাতিল বলে ঘোষিত হয়। এই মামলার মাধ্যমে বাংলাদেশে basic structure of the Constitution নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়।

মামলার বিচারক:
এই মামলায় আপিল বিভাগের ৪ জন বিচারপতি বিচারক ছিলেন।

Author Judge: বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী; মূল রায় লিখেছেন।

Assenting Judges:
(i) বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ এবং
(ii) বিচারপতি এম.এইচ রহমান, Author Judge -এর সাথে একমত পোষণ করেন বলে এই মামলার 'একমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।

Dissenting Judge: বিচারপতি এটিএম আফজাল ভিন্নমত পোষণ করে রায় দিয়েছিলেন বলে তিনি এই মামলার 'ভিন্নমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।

১৪২.
Which part of the Constitution of Bangladesh deals with the Comptroller and Auditor-General (CAG)?
  1. Part 6
  2. Part 7
  3. Part 8
  4. Part 9
সঠিক উত্তর:
Part 8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Part 8
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র। 
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ।
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ।
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ।
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা।
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ।
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন।
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক।
- নবম ভাগে: সরকারী কর্ম কমিশন।
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও।
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

১৪৩.
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি কে ছিলেন?
  1. কামরুল হাসান
  2. ড. কামাল হোসেন
  3. তাজউদ্দীন আহমেদ
  4. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল হোসেন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল আইন বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম হস্তলিখিত সংবিধানের মূল পাতা ছিল ৯৩ পৃষ্ঠার।
- স্বাক্ষরসহ সংবিধান ছিল ১০৯ পাতার।
- হস্তলিখিত সংবিধানটির মূল লেখক ছিলেন শিল্পী আব্দুর রউফ।
- সংবিধানটির অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন। 
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা ছিল 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'।
- গণপরিষদের সদস্যরা হস্তলিখিত মূল সংবিধানের বাংলা ও ইংরেজী লিপিতে স্বাক্ষর করে ১৪-১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২।
- হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।

১৪৪.
"Actus non facit reum, nisi mens sit rea" এর অর্থ কী?
  1. কেবল কার্য করলেই অপরাধ প্রমাণিত হয়
  2. অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে কার্য অপরাধ নয়
  3. মনের ভাব অপরাধ প্রমাণের জন্য অপ্রয়োজনীয়
  4. কার্যই যথেষ্ট অপরাধী সাব্যস্তের জন্য
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে কার্য অপরাধ নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে কার্য অপরাধ নয়
ব্যাখ্যা

Latin Maxim: Actus non facit reum, nisi mens sit rea
English Meaning: An act does not make one guilty unless there be guilty intention.
বাংলায় অর্থ: অপরাধমূলক অভিপ্রায় ছাড়া কোন কার্য একজনকে অপরাধী করে না।

​অপরাধের মূল উপাদান:
কোনও অপরাধ সংঘটিত হওয়ার জন্য সাধারণত দুটি অপরিহার্য উপাদান থাকতে হয় –ঃ
Actus Reus → অপরাধমূলক কাজ (Guilty act)
Mens Rea → অপরাধমূলক অভিপ্রায় বা মনোভাব (Guilty mind)
কেবল একটি অপরাধমূলক কাজ (actus reus) করলে তাকে অপরাধ বলা যাবে না, যদি না তার সঙ্গে অপরাধ করার ইচ্ছা বা অভিপ্রায় (mens rea) প্রমাণিত হয়।

উদাহরণ-
যদি কেউ অসাবধানতাবশত অন্যের সম্পত্তি ক্ষতি করে, কিন্তু কোন খারাপ উদ্দেশ্য না থাকে → সাধারণত এটি অপরাধ নয়।
কিন্তু যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে চুরি করে, হত্যা করে বা প্রতারণা করে → তখন তার কাজের সাথে অপরাধমূলক অভিপ্রায় যুক্ত হয়, যা তাকে অপরাধী করে তোলে।

১৪৫.
'In the preamble contain the basic structure of the constitution and that cannot be amended' ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট কোন মামলায় এই সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন?
  1. Keasavananda Bharati vs State of Kerala
  2. Goloknath vs State of Panjab
  3. Indira Neheru Gandhi vs Raj Narayan
  4. Minerva Mills Case
সঠিক উত্তর:
Keasavananda Bharati vs State of Kerala
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Keasavananda Bharati vs State of Kerala
ব্যাখ্যা
Kesavananda Bharati vs State of Kerala Case

পূর্ণনাম: Kesavananda Bharati vs State of Kerala AIR 1973 SC 1461
Author Judge: Sarav Mittra Sikri CJ.
বিচারক ছিলেন: ১৩ জন: ৭: ৬ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় রায় দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণা: ২৪ এপ্রিল ১৯৭৩.

রায়ে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পয়েন্ট হলো:
> Preamble is operative part of the constitution.
> Preamble হচ্ছে Basic Structure of The Constitution.
> পার্লামেন্ট মৌলিক অধিকার (Fundamental Rights) সংশোধন করতে পারবে কিন্তু সংবিধানের Basic Structure সংশোধন করতে পারবে না।
১৪৬.
কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য তার দায়িত্বগ্রহণের তারিখ হতে ৫ বছর বা তার ________ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া, এর মধ্যে যা আগে ঘটে, সেই সময় পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।
  1. ৫৯
  2. ৬০
  3. ৬৫
  4. ৬৭
সঠিক উত্তর:
৬৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৫
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৩৯- পদের মেয়াদ:
(১) এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য তাঁহার দায়িত্বগ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর বা তাঁহার পয়ষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া ইহার মধ্যে যাহা অগ্রে ঘটে, সেই কাল পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

(২) সুপ্রীম কোর্টের কোন বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য অপসারিত হইবেন না।

(৩) কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

(৪) কর্মাবসানের পর কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য প্রজাতন্ত্রের কর্মে পুনরায় নিযুক্ত হইবার যোগ্য থাকিবেন না, তবে এই অনুচ্ছেদের (১) দফা-সাপেক্ষে
(ক) কর্মাবসানের পর কোন সভাপতি এক মেয়াদের জন্য পুনর্নিয়োগ-লাভের যোগ্য থাকিবেন; এবং
(খ) কর্মাবসানের পর কোন সদস্য (সভাপতি ব্যতীত) এক মেয়াদের জন্য কিংবা কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতিরূপে নিয়োগ-লাভের যোগ্য থাকিবেন।
১৪৭.
"Complete Justice" বিষয়টি কোন কর্তৃপক্ষের সাথে জড়িত?
  1. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. আপিল বিভাগ
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১০৪: আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ-
কোন ব্যক্তির হাজিরা কিংবা কোন দলিলপত্র উদ্ঘাটন বা দাখিল করিবার আদেশসহ আপীল বিভাগের নিকট বিচারাধীন যে কোন মামলা বা বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায়বিচারের জন্য যেরূপ প্রয়োজনীয় হইতে পারে, উক্ত বিভাগ সেইরূপ নির্দেশ, আদেশ, ডিক্রী বা রীট জারী করিতে পারিবেন।

Article 104: Issue and execution of processes of Appellate Division-
The Appellate Division shall have power to issue such directions, orders, decrees or writs as may be necessary for doing complete justice in any cause or matter pending before it, including orders for the purpose of securing the attendance of any person or the discovery or production of any document.
১৪৮.
সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতা নয় কোনটি?
  1. বাংলাদেশের নাগরিক হবে
  2. বয়স ৩৫ বছরের বেশি হতে হবে
  3. সুপ্রীম কোর্টের অ্যাডভোকেট হিসাবে ১০ বৎসরকাল থাকলে
  4. সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগ লাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা থাকলে
সঠিক উত্তর:
বয়স ৩৫ বছরের বেশি হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বয়স ৩৫ বছরের বেশি হতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতা হলো;

ক) বাংলাদেশের নাগরিক হবে
খ) সুপ্রীম কোর্টের অ্যাডভোকেট হিসাবে ১০ বৎসরকাল থাকলে
গ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন (সর্বনিম্ন) দশ বৎসরকাল কোন বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান করে থাকলে; অথবা
ঘ) সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগ লাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা থাকলে' তিনি বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্য হবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের বিধান: বিচারক-নিয়োগ: 
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।

(২) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হইলে, এবং
(ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকিয়া থাকিলে; অথবা
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোন বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করিয়া থাকিলে; অথবা
(গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকিয়া থাকিলে ; তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।
 
(৩) এই অনুচ্ছেদে ‘‘সুপ্রীম কোর্ট’’ বলিতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোন সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করিয়াছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হইবে।
-----------------
⇒ Article 95. Appointment of Judges:
(1) The Chief Justice shall be appointed by the President, and the other Judges shall be appointed by the President after consultation with the Chief Justice.
(2) A person shall not be qualified for appointment as a Judge unless he is a citizen of Bangladesh and –
(a) has, for not less than ten years, been an advocate of the Supreme Court ; or
(b) has, for not less than ten years, held judicial office in the territory of Bangladesh ; or
(c) has such qualifications as may be prescribed by law for appointment as a Judge of the Supreme Court.
 
(3) In this article, “Supreme Court” includes a court which at any time before the commencement of this Constitution exercised jurisdiction as a High Court in the territory of Bangladesh.
১৪৯.
"Veritas, a Quocunque Dictur, Deo Est" -এর দ্বারা কী বোঝায়?
  1. By to much altercarion truth is lost.
  2. Truth, by whom so ever pronounced, is from God
  3. The trodden path is the safest
  4. Violence is inimical to the laws
সঠিক উত্তর:
Truth, by whom so ever pronounced, is from God
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Truth, by whom so ever pronounced, is from God
ব্যাখ্যা
"Veritas a Quocunque Dictur Deo Est"- এটি একটি Latin term.

Latin word "Veritas" অর্থ হলো Truth এবং "Deo Est" দ্বারা God-কে বোঝায়।
'Veritas a Quocurue Dictur Deo Est' অর্থ Truth, by whom so ever pronounced, is from God.

অর্থাৎ, সত্য কথা যেই বলুক, সেটা ঈশ্বর থেকেই আসে বা ঈশ্বরের প্রতিরূপ সত্য- তা বোঝায়।
১৫০.
সুপ্রীম কোর্ট কার অনুমোদন সাপেক্ষে অধঃস্তন আদালতের বিধি প্রণয়ন করতে পারে?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. সংসদের
  3. প্রধান বিচারপতির
  4. আপিল বিভাগের বিচারপতিদের
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১০৭- সুপ্রীম কোর্টের বিধিপ্রণয়ন-ক্ষমতা:
(১) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইন-সাপেক্ষে সুপ্রীম কোর্ট রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লইয়া প্রত্যেক বিভাগের এবং অধঃস্তন যে কোন আদালতের রীতি ও পদ্ধতি-নিয়ন্ত্রণের জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিতে পারিবেন।

(২) সুপ্রীম কোর্ট এই অনুচ্ছেদের (১) দফা এবং এই সংবিধানের ১১৩ ও ১১৬ অনুচ্ছেদের অধীন দায়িত্বসমূহের ভার উক্ত আদালতের কোন একটি বিভাগকে কিংবা এক বা একাধিক বিচারককে অর্পণ করিতে পারিবেন।

(৩) এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-সাপেক্ষে কোন্ কোন্ বিচারককে লইয়া কোন্ বিভাগের কোন্ বেঞ্চ গঠিত হইবে এবং কোন্ কোন্ বিচারক কোন্ উদ্দেশ্যে আসন গ্রহণ করিবেন, তাহা প্রধান বিচারপতি নির্ধারণ করিবেন।

(৪) প্রধান বিচারপতি সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারককে সেই বিভাগে এই অনুচ্ছেদের (৩) দফা কিংবা এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-দ্বারা অর্পিত যে কোন ক্ষমতাপ্রয়োগের ভার প্রদান করিতে পারিবেন।
১৫১.
নিবর্তনমূলক আইনের অধীন গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য-
  1. অনুচ্ছেদ ৩৩(১)
  2. অনুচ্ছেদ ৩৩(২)
  3. অনুচ্ছেদ ৩৩(৪)
  4. উল্লিখিত সকল বিধান
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৩(৪)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৩(৪)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৩৩: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ

(১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।

(২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে (গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (১) ও (২) দফার কোন কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,
(ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু; অথবা
(খ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে।

(৪) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান- সংবলিত কোন আইন কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক কাল আটক রাখিবার ক্ষমতা প্রদান করিবে না যদি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রহিয়াছেন বা ছিলেন কিংবা সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা রাখেন, এইরূপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সমন্বয়ে গঠিত কোন উপদেষ্টা-পর্ষদ্ উক্ত ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে তাঁহাকে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য পেশ করিবার সুযোগদানের পর রিপোর্ট প্রদান না করিয়া থাকেন যে, পর্ষদের মতে উক্ত ব্যক্তিকে তদতিরিক্ত কাল আটক রাখিবার পর্যাপ্ত কারণ রহিয়াছে।

(৫) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে আটক করা হইলে আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষ তাঁহাকে যথাসম্ভব শীঘ্র আদেশদানের কারণ জ্ঞাপন করিবেন এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য-প্রকাশের জন্য তাঁহাকে যত সত্বর সম্ভব সুযোগদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় তথ্যাদি-প্রকাশ জনস্বার্থবিরোধী বলিয়া মনে হইলে অনুরূপ কর্তৃপক্ষ তাহা প্রকাশে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

(৬) উপদেষ্টা-পর্ষদ কর্তৃক এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার অধীন তদন্তের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন।

Article 33: Safeguards as to arrest and detention

(1) No person who is arrested shall be detained in custody without being informed, as soon as may be, of the grounds for such arrest, nor shall he be denied the right to consult and be defended by a legal practitioner of his choice. 
 
(2) Every person who is arrested and detained in custody shall be produced before the nearest magistrate within a period of twenty four hours of such arrest, excluding the time necessary for the journey from the place of arrest to the Court of the magistrate, and no such person shall be detained in custody beyond the said period without the authority of a magistrate. 
 
(3) Nothing in clauses (1) and (2) shall apply to any person– 
(a) who for the time being is an enemy alien; or 
(b) who is arrested or detained under any law providing for preventive detention. 
 
(4) No law providing for preventive detention shall authorise the detention of a person for a period exceeding six months unless an Advisory Board consisting of three persons, of whom two shall be persons who are, or have been, or are qualified to be appointed as, Judges of the Supreme Court and the other shall be a person who is a senior officer in the service of the Republic, has, after affording him an opportunity of being heard in person, reported before the expiration of the said period of six months that there is, in its opinion, sufficient cause for such detention. 
 
(5) When any person is detained in pursuance of an order made under any law providing for preventive detention, the authority making the order shall, as soon as may be, communicate to such person the grounds on which the order has been made, and shall afford him the earliest opportunity of making a representation against the order: 
Provided that the authority making any such order may refuse to disclose facts which such authority considers to be against the public interest to disclose.  

(6) Parliament may by law prescribe the procedure to be followed by an Advisory Board in an inquiry under clause (4).
১৫২.
যদি কোনো আইন প্রণীত হওয়ার তারিখে কার্যকর হওয়ার দিন উল্লেখ না থাকে, তবে আইনটি কখন কার্যকর হবে?
  1. আইন পাশ হওয়ার দিন
  2. গেজেটে প্রকাশের দিন
  3. পরবর্তী অর্থবছরের শুরুতে
  4. রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের দিন
সঠিক উত্তর:
গেজেটে প্রকাশের দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেজেটে প্রকাশের দিন
ব্যাখ্যা

⇒ জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ধারা ৫(১) এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: যদি কোনো আইন (Act of Parliament)-এ কার্যকর হওয়ার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ না থাকে, তাহলে আইনটি কার্যকর হবে, রাষ্ট্রপতির সম্মতি (assent) পাওয়ার পর যে দিনে অফিসিয়াল গেজেটে প্রকাশিত হয়, সেই দিন থেকে।

⇒ জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ধারা ৫(১) অনুসারে, যদি কোনো আইন প্রণীত হওয়ার তারিখে কার্যকর হওয়ার নির্দিষ্ট দিন উল্লেখ না থাকে, তবে: বাংলাদেশে প্রণীত আইন সাধারণত গেজেটে প্রকাশের দিন থেকে কার্যকর হয়।
ধারা ৫(৩) অনুযায়ী, আইনটি কার্যকর হওয়ার দিনের আগের দিনের শেষ মুহূর্ত (মধ্যরাত) থেকে কার্যকর বলে গণ্য হয়।
অতএব, সঠিক উত্তর খ) গেজেটে প্রকাশের দিন।

⇒ The General Clauses Act, 1897, Section-5. Coming into operation of enactments:
(1) Where any Act of Parliament is not expressed to come into operation on any particular day, then it shall come into operation,
(a) in the case of an Act of Parliament to which this Act was applicable before the 26th day of March, 1971, on the date on which it receives the assent; and 
(b) in the case of any other Act of Parliament, the day on which the assent is first published in the official Gazette;
(3) Unless the contrary is expressed, an Act of Parliament or Regulation shall be construed as coming into operation immediately on the expiration of the day preceding its commencement.

১৫৩.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৯(২) অনুযায়ী, কোন কারণে বৈষম্য করা যাবে না?
  1. ধর্ম
  2. বর্ণ
  3. জন্মস্থান
  4. উল্লিখিত সকল কারণে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল কারণে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৯- সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা:
​(১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকিবে।

​​(২) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাইবে না।

​​(৩) এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই-
​(ক) নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশ যাহাতে প্রজাতন্ত্রের কর্মে উপযুক্ত প্রতিনিধিত্ব লাভ করিতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে তাঁহাদের অনুকূলে বিশেষ বিধান-প্রণয়ন করা হইতে,
​(খ) কোন ধর্মীয় বা উপ-সম্প্রদায়ভুক্ত প্রতিষ্ঠানে উক্ত ধর্মাবলম্বী বা উপ-সম্প্রদায়ভুক্ত ব্যক্তিদের জন্য নিয়োগ সংরক্ষণের বিধান-সংবলিত যে কোন আইন কার্যকর করা হইতে,(গ) যে শ্রেণীর কর্মের বিশেষ প্রকৃতির জন্য তাহা নারী বা পুরুষের পক্ষে অনুপযোগী বিবেচিত হয়, সেইরূপ যে কোন শ্রেণীর নিয়োগ বা পদ যথাক্রমে পুরুষ বা নারীর জন্য সংরক্ষণ করা হইতে রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।

১৫৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের ৮৩ অনুচ্ছেদের বিধান-
  1. Money Bills
  2. Recommendation for financial measures
  3. No taxation except by or under Act of Parliament
  4. Regulation of Public moneys
সঠিক উত্তর:
No taxation except by or under Act of Parliament
উত্তর
সঠিক উত্তর:
No taxation except by or under Act of Parliament
ব্যাখ্যা
⇒ Article 83. No taxation except by or under Act of Parliament:
 No tax shall be levied or collected except by or under the authority of an Act of Parliament.
-----------
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮৩ বিধান সংসদের আইন ব্যতীত করারোপে বাধা: 
 সংসদের কোন আইনের দ্বারা বা কর্তৃত্ব ব্যতীত কোন কর আরোপ বা সংগ্রহ করা যাইবে না।
১৫৫.
মাসদার হোসেন মামলার Author Judge কে ছিলেন?
  1. Mustafa Kamal J
  2. Latifur Rahman J
  3. Mahmudul Amin Choudhury J
  4. Bimalendu Bikash Roy Choudhury J
সঠিক উত্তর:
Mustafa Kamal J
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mustafa Kamal J
ব্যাখ্যা
• বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা:
সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে উল্লেখিত 'নির্বাহী বিভাগ হতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ' সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতিটি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশনা দিয়েছে Secretary, Ministry of Finance vs Md Masdar Hossain and others মামলায় যা বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা বা মাসদার হোসেন মামলা নামে পরিচিত। এই রিট দায়ের করে ২২৩ জন যারা ছিল জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজ বা অধস্তন বিচারক বা নিম্ন আদালতের অন্যান্য বিচারক। ১৯৯৫ সালে হাইকোর্টে রীটটি দায়ের করা হয় এবং ১৯৯৭ সালের ৭ মে হাইকোর্ট বিভাগ বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণা করে। সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করলে, আপীল বিভাগ ১৯৯৯ সালের ২রা ডিসেম্বর রায় ঘোষণা করে।

এই রায়ের প্রধান অংশ তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মোস্তফা কামাল/ কর্তৃক লিখিত এবং পঠিত হয়েছিল। এবং এই কারণে তাকে এই মামলার Author Judge বলা হয়। ২০০৭ সালের ১লা নভেম্বর ফৌজদারী কার্যবিধি সংশোধন করে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পদ সৃষ্টি করে এবং এর মাধ্যমে অধস্তন বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ হতে পৃথক হয়।
১৫৬.
রাষ্ট্রপতি তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কার পরামর্শে কাজ করবেন?
  1. মন্ত্রিসভার পরামর্শ
  2. প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ
  3. দেশের জনগণের পরামর্শ
  4. রাষ্ট্রপতি নিজের সিদ্ধান্তে
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে কাজ করবেন।
→ সংবিধানের ৪৮(৩) ধারায় বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রপতি তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করবেন, তবে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে কী পরামর্শ দিয়েছেন, সে বিষয়ে আদালত কোনো প্রশ্নের তদন্ত করতে পারবে না।
- অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতি তার কার্যভার পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শকে মান্য করবেন, তবে মন্ত্রিসভার পরামর্শের আওতায় তার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় না।
১৫৭.
According to Article 116 of the Constitution of Bangladesh, How is the President supposed to exercise the power of control and discipline over the subordinate judiciary?
  1. Through Parliament
  2. Independently without consultation
  3. In consultation with the Supreme Court
  4. By the Prime Minister’s recommendation
সঠিক উত্তর:
In consultation with the Supreme Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
In consultation with the Supreme Court
ব্যাখ্যা

⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh -Article 116. Control and discipline of subordinate courts:
The control (including the power of posting, promotion and grant of leave) and discipline of persons employed in the judicial service and magistrates exercising judicial functions shall vest in the President and shall be exercised by him in consultation with the Supreme Court.

 ⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বিধান: অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা:
বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।

১৫৮.
জরুরী-অবস্থা ঘোষণার ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা তা প্রত্যাহার করা যাবে
  2. সংসদে উপস্থাপন করতে হবে না
  3. অনধিক ১২০ দিনের জন্য জারি করা যায়
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সংসদে উপস্থাপন করতে হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদে উপস্থাপন করতে হবে না
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪১ক: জরুরী-অবস্থা ঘোষণা

(১) রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরী-অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি অনধিক একশত কুড়ি দিনের জন্য জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবে: তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হইবে।
 
(২) জরুরী-অবস্থার ঘোষণা- 
(ক) পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা প্রত্যাহার করা যাইবে; 
(খ) সংসদে উপস্থাপিত হইবে; 
(গ) একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে কার্যকর থাকিবে না: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অনুরূপ কোন ঘোষণা জারী করা হয় কিংবা এই দফার (গ) উপ-দফায় বর্ণিত এক শত কুড়ি দিনের মধ্যে সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়, তাহা হইলে তাহা পুনর্গঠিত হইবার পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইবার পূর্বে ঘোষণাটি অনুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত ত্রিশ দিনের অবসানে অথবা একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে, যাহা আগে ঘটে, অনুরূপ ঘোষণা কার্যকর থাকিবে না। 
 
(৩) যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের বিপদ আসন্ন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে, প্রকৃত যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ সংঘটিত হইবার পূর্বে তিনি অনুরূপ যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের জন্য বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বিপন্ন বলিয়া জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।

Article 141A: Proclamation of emergency
(1) If the President is satisfied that a grave emergency exists in which the security or economic life of Bangladesh, or any part thereof, is threatened by war or external aggression or internal disturbance, he may issue a Proclamation of Emergency for one hundred twenty days: Provided that such Proclamation shall require for its validity the prior counter signature of the Prime Minister.
 
(2) A Proclamation of Emergency – 
(a) may be revoked by a subsequent Proclamation; 
(b) shall be laid before Parliament; 
(c) shall cease to operate at the expiration of one hundred and twenty days, unless before the expiration of that period it has been approved by a resolution of Parliament: 

Provided that if any such Proclamation is issued at a time when Parliament stands dissolved or the dissolution of Parliament takes place during the period of one hundred and twenty days referred to in sub clause (c), the Proclamation shall cease to operate at the expiration of thirty days from the date on which Parliament first meets after its re constitution, unless before that expiration of the said period of thirty days a resolution approving the Proclamation has been passed by Parliament or at the expiration of one hundred and twenty days, whichever occurs first.
 
(3) A Proclamation of Emergency declaring that the security of Bangladesh, or any part thereof, is threatened by war or external aggression or by internal disturbance may be made before the actual occurrence of war or any such aggression or disturbance if the President is satisfied that there is imminent danger thereof.
১৫৯.
ধর্মনিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য কোনটি বিলোপ করা হবে?
  1. ধর্মীয় শিক্ষা
  2. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
  3. সাম্প্রদায়িকতা
  4. ধর্মীয় স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
সাম্প্রদায়িকতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাম্প্রদায়িকতা
ব্যাখ্যা
⇒ ধর্মনিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য সাম্প্রদায়িকতা বিলোপ করা হবে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২-এ বর্ণিত।
- ধর্মনিরপেক্ষতা নীতির উদ্দেশ্য হলো রাষ্ট্রের সকল কার্যক্রমে কোনো ধর্মীয় পক্ষপাতিত্ব না থাকা এবং প্রতিটি ধর্মের প্রতি সমান শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত করা।

- এখানে সাম্প্রদায়িকতা বিলোপ করার মাধ্যমে রাষ্ট্র ধর্মীয় বৈষম্য, শত্রুতা বা সহিংসতা বন্ধ করার চেষ্টা করবে, যাতে সব ধর্মের অনুসারীরা সমান মর্যাদা পায় এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করতে পারে।

- অন্যদিকে, ধর্মীয় শিক্ষা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা বাস্তবায়নে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই, তবে এসব বিষয় রাষ্ট্রের সরাসরি হস্তক্ষেপের বাইরে থাকবে।
--------------- 
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২ ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা:
 ধর্ম নিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য 
(ক) সর্ব প্রকার সাম্প্রদায়িকতা, 
(খ) রাষ্ট্র কর্তৃক কোন ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা দান, 
(গ) রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মীয় অপব্যবহার, 
(ঘ) কোন বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা তাহার উপর নিপীড়ন, 
বিলোপ করা হইবে।
১৬০.
"গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন" এটি বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদের বিধান?
  1. ২৩
  2. ১৭
  3. ১৮
  4. ২১
সঠিক উত্তর:
১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদের বিধান: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা:
(১) জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
(২) গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
১৬১.
"A Judge should be sans per et sanse reproche" উক্তিটি কার?
  1. Lord Denning
  2. Charles Dickens
  3. Lord Diplock
  4. Lord Edmund Davies
সঠিক উত্তর:
Lord Denning
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lord Denning
ব্যাখ্যা
Sans peur et sans reproche
- একটি French Phrase.
- যার বাংলা অর্থ হচ্ছে- Without fear and without reproach বা সকল ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করা।

বিশিষ্ট আইনজ্ঞ Lord Denning এর মতে-
A judge should be sans peur et sans reproche. অর্থাৎ- একজন বিচারককে সকল তিরস্কার/নিন্দা/ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থাকা উচিত।
১৬২.
সুপ্রীম কোর্ট কার অনুমোদন সাপেক্ষে বিধি প্রণয়ন করতে পারে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. আইন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১০৭- সুপ্রীম কোর্টের বিধিপ্রণয়ন-ক্ষমতা:
(১) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইন-সাপেক্ষে সুপ্রীম কোর্ট রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লইয়া প্রত্যেক বিভাগের এবং অধঃস্তন যে কোন আদালতের রীতি ও পদ্ধতি-নিয়ন্ত্রণের জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিতে পারিবেন।

(২) সুপ্রীম কোর্ট এই অনুচ্ছেদের (১) দফা এবং এই সংবিধানের ১১৩ ও ১১৬ অনুচ্ছেদের অধীন দায়িত্বসমূহের ভার উক্ত আদালতের কোন একটি বিভাগকে কিংবা এক বা একাধিক বিচারককে অর্পণ করিতে পারিবেন।

(৩) এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-সাপেক্ষে কোন্ কোন্ বিচারককে লইয়া কোন্ বিভাগের কোন্ বেঞ্চ গঠিত হইবে এবং কোন্ কোন্ বিচারক কোন্ উদ্দেশ্যে আসন গ্রহণ করিবেন, তাহা প্রধান বিচারপতি নির্ধারণ করিবেন।

(৪) প্রধান বিচারপতি সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারককে সেই বিভাগে এই অনুচ্ছেদের (৩) দফা কিংবা এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-দ্বারা অর্পিত যে কোন ক্ষমতাপ্রয়োগের ভার প্রদান করিতে পারিবেন।
১৬৩.
The Constitution Drafting Committee of Bangladesh formed in 1972 had -
  1. 35 members
  2. 33 members
  3. 34 members
  4. 38 members
সঠিক উত্তর:
34 members
উত্তর
সঠিক উত্তর:
34 members
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:

- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল আইন বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম হস্তলিখিত সংবিধানের মূল পাতা ছিল ৯৩ পৃষ্ঠার।
- স্বাক্ষরসহ সংবিধান ছিল ১০৯ পাতার।
- হস্তলিখিত সংবিধানটির মূল লেখক ছিলেন শিল্পী আব্দুর রউফ।
- সংবিধানটির অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন। 
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা ছিল 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'।
- গণপরিষদের সদস্যরা হস্তলিখিত মূল সংবিধানের বাংলা ও ইংরেজী লিপিতে স্বাক্ষর করে ১৪-১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২।
- হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
১৬৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ কোন মামলা বা কোন বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায়বিচারের জন্য যে কোন প্রয়োজনীয় আদেশ বা নির্দেশ জারী করতে পারবে?
  1. ১০৩
  2. ১০২
  3. ১০৪
  4. ১০৫
সঠিক উত্তর:
১০৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৪
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদের অধীন-

কোন ব্যক্তির হাজিরা বা দলিলপত্র উদ্ঘাটন বা দাখিল করার আদেশসহ আপীল বিভাগের নিকট বিচারাধীন যে কোন মামলা বা বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের জন্য যেরূপ প্রয়োজনীয় হতে পারে, আপীল বিভাগ সেরূপ নির্দেশ, আদেশ, ডিক্রী বা রীট জারী করতে পারে।
১৬৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে "বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ" বিষয়টি আলোচিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩১
  2. অনুচ্ছেদ ৩২
  3. অনুচ্ছেদ ৩৫
  4. অনুচ্ছেদ ৩৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৫
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫ এ "বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ" বিষয়টি আলোচনা করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তিকে তার অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত করার আগে যে আইনটি প্রযোজ্য ছিল, সেই আইন অনুযায়ী শাস্তি দেওয়া হবে এবং অপরাধীকে যন্ত্রণা বা নিষ্ঠুর দণ্ড দেওয়া যাবে না।
- এটি একজন অভিযুক্ত ব্যক্তির মৌলিক অধিকার রক্ষা করে, যেমন তাকে নিজের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না, এবং তাকে সুষ্ঠু ও স্বাধীন বিচার পাওয়ার অধিকার দেওয়া হবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ৩৫: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ:
(১) অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না। 
(২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাইবে না। 
(৩) ফৌজদারী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন। 
(৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না। 
(৫) কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না। 
(৬) প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না।
১৬৬.
প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হইতেছে উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পরসংযুক্ত পত্র, _____________________।
  1. তাহার উপরে চারটি তারকা
  2. তাহার উভয় পার্শ্বে দুইটি করিয়া তারকা
  3. তাহার উভয় পার্শ্বে চারটি করিয়া তারকা
  4. ধান্যশীর্ষের উপরে দুইটি করিয়া তারকা
সঠিক উত্তর:
তাহার উভয় পার্শ্বে দুইটি করিয়া তারকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাহার উভয় পার্শ্বে দুইটি করিয়া তারকা
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪ অনুচ্ছেদের বিধান জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক: 
(১) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত “আমার সোনার বাংলা”র প্রথম দশ চরণ।
(২) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
(৩) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হইতেছে উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পরসংযুক্ত পত্র, তাহার উভয় পার্শ্বে দুইটি করিয়া তারকা।
(৪) উপরিউক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলি আইনের দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
১৬৭.
স্পীকার এবং ডেপুটি স্পীকার কোন একটি পদ শূন্য হলে তা নির্বাচন করতে হবে-
  1. পদ শূন্য হওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে
  2. সংসদ বৈঠকরত না থাকলে পরবর্তী বৈঠকে
  3. পদ শূন্য হওয়ার ৭ দিনের মধ্যে
  4. খ কিংবা গ
সঠিক উত্তর:
খ কিংবা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ কিংবা গ
ব্যাখ্যা
⇒ সংসদে সভাপতিত্বকারী ব্যক্তি হলেন স্পিকার। সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় একটি অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য হলো স্পিকারের সভাপতিত্ব। স্পিকার শুধু সভাপতিত্বকারী নন, তিনি পার্লামেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাও। তাঁর কর্তৃত্ব সবাই মেনে চলেন ও শ্রদ্ধা করেন। স্পিকারকে পার্লামেন্টের অভিভাবক বলা হয়।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদের বিধান: স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার:
 (১) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সংসদ একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত করিবেন, এবং এই দুই পদের যে কোনটি শূন্য হইলে সাত দিনের মধ্যে কিংবা ঐ সময়ে সংসদ বৈঠকরত না থাকিলে পরবর্তী প্রথম বৈঠকে তাহা পূর্ণ করিবার জন্য সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে একজনকে নির্বাচিত করিবেন।

(২) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের পদ শূন্য হইবে, যদি-

(ক) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন;
(খ) তিনি মন্ত্রী-পদ গ্রহণ করেন;
(গ) পদ হইতে তাঁহার অপসারণ দাবী করিয়া মোট সংসদ-সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সমর্থিত কোন প্রস্তাব (প্রস্তাবটি উত্থাপনের অভিপ্রায় জ্ঞাপন করিয়া অন্যূন চৌদ্দ দিনের নোটিশ প্রদানের পর) সংসদে গৃহীত হয়;
(ঘ) তিনি রাষ্ট্রপতির নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে তাঁহার পদ ত্যাগ করেন;
(ঙ) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর অন্য কোন সদস্য তাঁহার কার্যভার গ্রহণ করেন; অথবা
(চ) ডেপুটি স্পীকারের ক্ষেত্রে, তিনি স্পীকারের পদে যোগদান করেন।

(৩) স্পীকারের পদ শূন্য হইলে বা তিনি [রাষ্ট্রপতিরূপে কার্য করিলে] কিংবা অন্য কোন কারণে তিনি স্বীয় দায়িত্বপালনে অসমর্থ বলিয়া সংসদ নির্ধারণ করিলে স্পীকারের সকল দায়িত্ব ডেপুটি স্পীকার পালন করিবেন, কিংবা ডেপুটি স্পীকারের পদও শূন্য হইলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য তাহা পালন করিবেন; এবং সংসদের কোন বৈঠকে স্পীকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পীকার কিংবা ডেপুটি স্পীকারও অনুপস্থিত থাকিলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের দায়িত্ব পালন করিবেন।

(৪) সংসদের কোন বৈঠকে স্পীকারকে তাঁহার পদ হইতে অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব বিবেচনাকালে স্পীকার (কিংবা ডেপুটি স্পীকারকে তাঁহার পদ হইতে অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব বিবেচনাকালে ডেপুটি স্পীকার) উপস্থিত থাকিলেও সভাপতিত্ব করিবেন না এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের অনুপস্থিতিকালীন বৈঠক সম্পর্কে প্রযোজ্য বিধানাবলী অনুরূপ প্রত্যেক বৈঠকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

(৫) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব সংসদে বিবেচিত হইবার কালে ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের কথা বলিবার ও সংসদের কার্যধারায় অন্যভাবে অংশগ্রহণের অধিকার থাকিবে এবং তিনি কেবল সদস্যরূপে ভোটদানের অধিকারী হইবেন।

(৬) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার তাঁহার উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
১৬৮.
অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা কার উপর ন্যস্ত থাকবে?
  1. সরকারের
  2. সুপ্রীম কোর্টের
  3. প্রধান বিচারপতির
  4. রাষ্ট্রপতির
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির
ব্যাখ্যা
 ⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বিধান: অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা:
- বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।
------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh -Article 116. Control and discipline of subordinate courts:
- The control (including the power of posting, promotion and grant of leave) and discipline of persons employed in the judicial service and magistrates exercising judicial functions shall vest in the President and shall be exercised by him in consultation with the Supreme Court.
১৬৯.
রিট কত প্রকার?
  1. ৩ প্রকার
  2. ৫ প্রকার
  3. ২ প্রকার
  4. ৭ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০২ অনুযায়ী রিট দায়ের করে প্রতিকার পাওয়া যায়। 
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের আর্টিকেল ১০২
; যে এখতিয়ারবলে হাইকোর্ট বিভাগ কারও মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে তা বলবৎ করতে পারে এবং বিচারবিভাগীয় পর্যালোচনাকে [Judicial Review] কার্যকর করতে পারে, তাকে হাইকোর্ট বিভাগের রিট এখতিয়ার বলে। এই এখতিয়ারের ভিত্তি হলো সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ। রিট এখতিয়ার হাইকোর্ট বিভাগের আদি সাংবিধানিক এখতিয়ার [Special Original Jurisdiction].
⇒ রিট হলো আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ।
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানে রিটগুলোর নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে সংবিধান ১০২(২) অনুচ্ছেদ বিশ্লেষণ করলে নিম্নোক্ত পাঁচ শ্রেণীর পাওয়া যায়।

১) বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ: ১০২(২) (ক) (অ) তে Writ of Prohibition এর বিধান।
 
২) বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ: ১০২(২) (ক) (অ) তে Writ of Mandamus এর বিধান।
 
৩) বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ: ১০২(২) (ক) (আ) তে Writ of Certiorari এর বিধান।

৪) বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ: ১০২(২)(খ) (অ) তে Writ of Habeas Corpus এর বিধান।

৫) বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ: ১০২(২)(খ)(আ) তে Writ of Quo Warranto এর বিধান।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের বিধান:- কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা: 
(১) কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনক্রমে এই সংবিধানের তৃতীয় ভাগের দ্বারা অর্পিত অধিকারসমূহের যে কোন একটি বলবৎ করিবার জন্য প্রজাতন্ত্রের বিষয়াবলীর সহিত সম্পর্কিত কোন দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিসহ যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে হাইকোর্ট বিভাগ উপযুক্ত নির্দেশাবলী বা আদেশাবলী দান করিতে পারিবেন।

(২) হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, আইনের দ্বারা অন্য কোন সমফলপ্রদ বিধান করা হয় নাই, তাহা হইলে
(ক) যে কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনক্রমে-
(অ) প্রজাতন্ত্র বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বিষয়াবলীর সহিত সংশ্লিষ্ট যে কোন দায়িত্ব পালনে রত ব্যক্তিকে আইনের দ্বারা অনুমোদিত নয়, এমন কোন কার্য করা হইতে বিরত রাখিবার জন্য কিংবা আইনের দ্বারা তাঁহার করণীয় কার্য করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিয়া, অথবা
(আ) প্রজাতন্ত্র বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বিষয়াবলীর সহিত সংশ্লিষ্ট যে কোন দায়িত্ব পালনে রত ব্যক্তির কৃত কোন কার্য বা গৃহীত কোন কার্যধারা আইনসংগত কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে করা হইয়াছে বা গৃহীত হইয়াছে ও তাঁহার কোন আইনগত কার্যকরতা নাই বলিয়া ঘোষণা করিয়া
উক্ত বিভাগ আদেশদান করিতে পারিবেন; অথবা

(খ) যে কোন ব্যক্তির আবেদনক্রমে-
(অ) আইনসংগত কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে বা বেআইনী উপায়ে কোন ব্যক্তিকে প্রহরায় আটক রাখা হয় নাই বলিয়া যাহাতে উক্ত বিভাগের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইতে পারে, সেইজন্য প্রহরায় আটক উক্ত ব্যক্তিকে উক্ত বিভাগের সম্মুখে আনয়নের নির্দেশ প্রদান করিয়া, অথবা
(আ) কোন সরকারি পদে আসীন বা আসীন বলিয়া বিবেচিত কোন ব্যক্তিকে তিনি কোন্ কর্তৃত্ববলে অনুরূপ পদমর্যাদায় অধিষ্ঠানের দাবী করিতেছেন, তাহা প্রদর্শনের নির্দেশ প্রদান করিয়া
উক্ত বিভাগ আদেশদান করিতে পারিবেন।

(৩) উপরি-উক্ত দফাসমূহে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও এই সংবিধানের ৪৭ অনুচেছদ প্রযোজ্য হয়, এইরূপ কোন আইনের ক্ষেত্রে বর্তমান অনুচ্ছেদের অধীন অন্তর্বর্তীকালীন বা অন্য কোন আদেশ দানের ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগের থাকিবে না।

(৪) এই অনুচ্ছেদের (১) দফা কিংবা এই অনুচ্ছেদের (২) দফার (ক) উপ-দফার অধীন কোন আবেদনক্রমে যে ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী আদেশ প্রার্থনা করা হইয়াছে এবং অনুরূপ অর্ন্তবর্তী আদেশ
(ক) যেখানে উন্নয়ন কর্মসূচী বাস্তবায়নের জন্য কোন ব্যবস্থা কিংবা কোন উন্নয়নমূলক কার্যের প্রতিকূলতা বা বাধা সৃষ্টি করিতে পারে; অথবা
(খ) যেখানে অন্য কোনভাবে জনস্বার্থের পক্ষে ক্ষতিকর হইতে পারে সেইখানে অ্যাটর্নি-জেনারেলকে উক্ত আবেদন সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত নোটিশদান এবং অ্যাটর্নি-জেনারেলের (কিংবা এই বিষয়ে তাহার দ্বারা ভারপ্রাপ্ত অন্য কোন এ্যাডভোকেটের) বক্তব্য শ্রবণ না করা পর্যন্ত এবং এই দফার (ক) বা (খ) উপ-দফায় উল্লিখিত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করিবে না বলিয়া হাইকোর্ট বিভাগের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান না হওয়া পর্যন্ত উক্ত বিভাগ কোন অন্তর্বর্তী আদেশদান করিবেন না।

(৫) প্রসংগের প্রয়োজনে অন্যরূপ না হইলে এই অনুচ্ছেদে ‘‘ব্যক্তি’’ বলিতে সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহ অথবা কোন শৃংখলা-বাহিনী সংক্রান্ত আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল ব্যতীত কিংবা এই সংবিধানের ১১৭ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হয়, এইরূপ কোন ট্রাইব্যুনাল ব্যতীত যে কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল অন্তর্ভুক্ত হইবে।
১৭০.
“মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ” নিশ্চিত করা হবে- এটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের অংশ?
  1. জাতীয়তাবাদ
  2. জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা
  3. গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
  4. সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি
সঠিক উত্তর:
গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১- গণতন্ত্র ও মানবাধিকার:
প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হইবে৷

⇒ সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, যেখানে-
- মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে,
- মানবসত্তার মর্যাদা রক্ষা করা হবে,
এবং প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে।
১৭১.
আলোচিত 'Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh (1980)' মামলায় সংবিধানের কততম সংশোধনী বাতিল বলে ঘোষণা করেছিল?
  1. ৭ম সংশোধনী
  2. ৮ম সংশোধনী
  3. ৫ম সংশোধনী
  4. ৯ম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
৮ম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
⇒ Anwar Hossain Chowdhury মামলার রায় ৮ম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদ তথা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো [Basic Structure]-কে ধ্বংস করেছে এবং এই কারণে সংশোধিত ১০০ অনুচ্ছেদ সংবিধান-বহির্ভূত (Ultra Vires of the Constitution) বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

⇒ Anwar Hossain Chowdury v. Bangladesh (1989) মামলায় মোট বিচারক ছিল ৪ জন। ৩:১ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে আপীল বিভাগ ৮ম সংশোধনী বাতিল বলে ঘোষণা করেছিল।
এই ৪ জন বিচারক-এর মধ্যে একমাত্র ভিন্নমত পোষণকারী বিচারক [Dissenting author judgel ছিল বিচারপতি এ টি এম আফজাল যিনি তথাকথিত সংবিধানের মৌল কাঠামোর ধারণা প্রত্যাখ্যান করে মত প্রকাশ করেন যে, ৮ম সংশোধনী হাইকোর্ট বিভাগকে ধ্বংস করেনি এবং এই কারণে এটা ক্ষমতাবহির্ভুত না।
১৭২.
“Doctrine of Pleasure” নীতিটি বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সরাসরি উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫৫
  2. অনুচ্ছেদ ১৩৭
  3. অনুচ্ছেদ ১৩৪
  4. অনুচ্ছেদ ১৩৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৩৪
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৩৪–এ বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী (during the pleasure of the President) পদে থাকবেন—এটিই Doctrine of Pleasure–এর সরাসরি প্রতিফলন।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৩৪: কর্মের মেয়াদ-
এই সংবিধানের দ্বারা অন্যরূপ বিধান না করা হইয়া থাকিলে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh: Article 134: Tenure of office-
Except as otherwise provided by this Constitution every person in the service of the Republic shall hold office during the pleasure of the President.

১৭৩.
সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ কত বছরের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন?
  1. ৫ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৬৭ বছর বয়সকাল পর্যন্ত
  4. ৬৫ বছর বয়সকাল পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯৮- সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ:
সংবিধানের ৯৪ অনুচ্ছেদের বিধানাবলী সত্ত্বেও রাষ্ট্রপতির নিকট সুপ্রীম কোর্টের কোন বিভাগের বিচারক-সংখ্যা সাময়িকভাবে বৃদ্ধি করা উচিত বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি যথাযথ যোগ্যতাসম্পন্ন এক বা একাধিক ব্যক্তিকে অনধিক দুই বৎসরের জন্য অতিরিক্ত বিচারক নিযুক্ত করিতে পারিবেন, কিংবা তিনি উপযুক্ত বিবেচনা করিলে হাইকোর্ট বিভাগের কোন বিচারককে যে কোন অস্থায়ী মেয়াদের জন্য আপীল বিভাগের আসন গ্রহণের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত বিচারকরূপে নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে এই সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের অধীন বিচারকরূপে নিযুক্ত হইতে কিংবা বর্তমান অনুচ্ছেদের অধীন আরও এক মেয়াদের জন্য অতিরিক্ত বিচারকরূপে নিযুক্ত হইতে বর্তমান অনুচ্ছেদের কোন কিছুই নিবৃত্ত করিবে না।
১৭৪.
বাংলাদেশের সাংবিধানিক নামের ইংরেজি পাঠ কী?
  1. People's Republic of Bangladesh
  2. Bangladesh People's Republic
  3. The Republic of Bangladesh
  4. The People's Republic of Bangladesh
সঠিক উত্তর:
The People's Republic of Bangladesh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The People's Republic of Bangladesh
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সাংবিধানিক নামের ইংরেজি পাঠ- 'The People's Republic of Bangladesh.'

বাংলাদেশ সংবিধানের ১ অনুচ্ছেদে আছে,
বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যাহা “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ” নামে পরিচিত হইবে৷

Article 1: The Republic-
Bangladesh is a unitary, independent, sovereign Republic to be known as 'the People's Republic of Bangladesh.'
১৭৫.
সংবিধানের কততম সংশোধনী দ্বারা নতুন ৩টি তফসিল সন্নিবেশিত করা হয়?
  1. দ্বাদশ
  2. পঞ্চদশ
  3. ত্রয়োদশ
  4. সপ্তদশ
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ
ব্যাখ্যা
• সংবিধান পঞ্চদশ সংশোধন আইন, ২০১১ দ্বারা সংবিধানের শেষে তিনটি নতুন তফসিল সন্নিবেশিত করা হয় যা হল-

৫ম তফসিল- শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ,
৬ষ্ঠ তফসিল- ২৫ মার্চ ১৯৭১ মধ্যরাতে শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা, এবং
৭ম তফসিল- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা।

এছাড়া নিম্নে উল্লিখিত বিধানসমূহ সংযুক্ত করা হয়-

⇒ ১৯৭২ সালের সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার চারটি মূল মৌলিক রাষ্ট্রীয় নীতি পুর্নবহাল করা হয়।
⇒ সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা বর্তমান ৪৫ থেকে ৫০টিতে উন্নীত করা হয়।
⇒ অনুচ্ছেদ ৭-এর মধ্যে সংবিধান বহির্ভূত উপায়ে ক্ষমতা দখল শেষ করার জন্য ৭(ক) এবং ৭(খ) অনুচ্ছেদ সন্নিবেশিত কর।
ধারা ৭(খ) অনুযায়ী, সংবিধানের মৌলিক বিধানগুলিকে "অসংশোধনযোগ্য" ঘোষণা করা। অসাংবিধানিক পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলকারীদের রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে অভিযুক্ত করার এবং শাস্তি হিসেবে সর্বোচ্চ দণ্ডের বিধান রাখার প্রস্তাব করা হয়।
⇒ পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও উন্নতির জন্য অতিরিক্ত বিধান।
⇒ উপজাতি, নৃতাত্ত্বিক সম্প্রদায় এবং ছোট জাতিদের সংস্কৃতি রক্ষার জন্য বিধান যুক্ত করা হয়।
⇒ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে যা ১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক বাতিল করা হয়েছিল।
⇒ শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান।
⇒ সংবিধান থেকে গণভোট ব্যবস্থা বাতিল।
⇒ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে সাজাপ্রাপ্তদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ অবৈধ ঘোষণা করা হয়।
⇒ জরুরি অবস্থা ১২০ দিনের বেশি চলতে পারে না।
১৭৬.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ থেকে কোনটি পৃথকীকরণ নিশ্চিত করা হবে?
  1. আইন বিভাগ
  2. সামরিক বিভাগ
  3. বিচার বিভাগ
  4. প্রশাসনিক বিভাগ
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা
→বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ নিশ্চিত করা হবে।
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২২ অনুযায়ী, রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গ (যেমন: রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীবর্গ) থেকে বিচার বিভাগকে পৃথক করার মাধ্যমে তাদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষা করা যাতে কোনো রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক চাপ বা হস্তক্ষেপ ছাড়াই বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হতে পারে।
- এই পৃথকীকরণের ফলে বিচারকরা নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারবেন এবং কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্বের শিকার হবেন না, যা গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি এবং জনগণের জন্য ন্যায়ের অধিকার নিশ্চিত করে।
-------
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২২ নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ: 
 রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ হইতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন৷
১৭৭.
অনুচ্ছেদ ৩৯ এর অধীনে কিসের ভিত্তিতে বাকস্বাধীনতা প্রদান করা হয়েছে?
  1. বিচারকদের বিবেচনার উপর ভিত্তি করে
  2. নাগরিকদের ব্যক্তি স্বাধীনতার ভিত্তিতে
  3. সম্পূর্ণ অবাধ স্বাধীনতার ভিত্তিতে
  4. যুক্তিসঙ্গত আইনগত বাধানিষেধের ভিত্তিতে
সঠিক উত্তর:
যুক্তিসঙ্গত আইনগত বাধানিষেধের ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তিসঙ্গত আইনগত বাধানিষেধের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা:
(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে-
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদপত্রের স্বাধীনতার; নিশ্চয়তা দান করা হইল। 

Article 39: Freedom of thought and conscience, and of speech:
(1) Freedom of thought and conscience is guaranteed. 

(2) Subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, friendly relations with foreign states, public order, decency or morality, or in relation to contempt of court, defamation or incitement to an offence– 
(a) the right of every citizen to freedom of speech and expression; and
(b) freedom of the press, are guaranteed.
১৭৮.
Who is considered a “citizen” under Article 152 of the Constitution?
  1. Any resident of Bangladesh
  2. Anyone born in Bangladesh
  3. A voter in national elections
  4. A person recognized as a citizen by citizenship law
সঠিক উত্তর:
A person recognized as a citizen by citizenship law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A person recognized as a citizen by citizenship law
ব্যাখ্যা
Article 152:
“citizen” means a person who is a citizen of Bangladesh according to the law relating to citizenship;

"নাগরিক" অর্থ নাগরিকত্ব-সম্পর্কিত আইনানুযায়ী যে ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক।
১৭৯.
বর্তমান সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা কত?
  1. ৩০টি
  2. ৪৫ টি
  3. ৫০ টি
  4. ৬৫ টি
সঠিক উত্তর:
৫০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ টি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী, ২০১১ এর মাধ্যমে ৬৫(৩) নং অনুচ্ছেদে সংরক্ষিত নারী আসন ৪৫ এর পরিবর্তে ৫০ টি করা হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদ-প্রতিষ্ঠা: (১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।

(২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।

(৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।]

 (৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।

(৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।
১৮০.
Obiter Dictum means-
  1. the reason for a decision
  2. action speaks louder than words
  3. the fact which cannot be altered
  4. a thing said by the way
সঠিক উত্তর:
a thing said by the way
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a thing said by the way
ব্যাখ্যা
• একটি Judgment -এর চারটি অংশ থাকে; যথা-
০১. A concise statement of fact;
০২. Point of determination or issue;
০৩. Reason behind the judgment;
০8. The decision thereon;

আদালতের Reasoning- কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
i. Ratio decidendi;
ii. Obiter Dictum;

Ratio decidendi-
The meaning of ratio decidendi is Latin for “the reason,” or “the foundation for” a decision. For example, ratio decidendi in the field of law refers to the moment or principle in a case that ultimately determines its outcome. Ratio decidendi is a legal rule regarding the legal reasoning behind the judgment of the judge or jury.

অর্থাৎ সেই সব Legal Basis বা Legal Principles যেগুলোর উপর ভিত্তি করে আদালত রায় প্রদান করে। Precedent হিসেবে Ratio decidendi এর binding force আছে। নজির হিসেবে আদালত মানতে বাধ্য।

Obiter Dictum-
"A thing said by the way" অর্থাৎ মামলার রায়ের এমন অংশকে বোঝায়, যেটা মান্য করা বাধ্যতামূলক নয়; বরং বিচারক যেটা কথা প্রসঙ্গে বলে থাকেন। অর্থাৎ, রায় প্রদানের সময় বিচারক প্রসঙ্গক্রমে যে সব কথা বলেন, তাই Obiter Dictum এর binding force নেই তবে, persuasive value আছে।
১৮১.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘Nemo est supra leges’ নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২২
  2. অনুচ্ছেদ ২৭
  3. অনুচ্ছেদ ২৮ 
  4. অনুচ্ছেদ ৩১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
ব্যাখ্যা

⇒ ‘Nemo est supra leges’ এই ল্যাটিন নীতিটির অর্থ হলো “কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়”। বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭-এ “আইনের দৃষ্টিতে সমতা” (Equality before law) উল্লেখ আছে, যা এই নীতির সাংবিধানিক প্রতিফলন।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: “সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।”
এর অর্থ হলো রাষ্ট্রের সব নাগরিক—অবস্থান বা পদমর্যাদা নির্বিশেষে—আইনের কাছে সমান এবং আইন কারো জন্য বিশেষ সুবিধা বা অব্যাহতি দেয় না।
সুতরাং, ‘Nemo est supra leges’ নীতিটি সরাসরি অনুচ্ছেদ ২৭-এ প্রতিফলিত হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদের বিধান: আইনের দৃষ্টিতে সমতা:- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
---------------
⇒ Article 27. Equality before law:  All citizens are equal before law and are entitled to equal protection of law.

১৮২.
What is the meaning of the Latin maxim "Qui priorest tempore priorest jure"?
  1. আইনের চোখে সবাই সমান
  2. সময়ের দিক হতে যিনি অগ্রবর্তী, তিনি সুবিধাভোগী
  3. যে ব্যক্তি পরে মামলা করে, সে অধিক অধিকারী
  4. এক অপরাধে দুইবার শাস্তি দেওয়া যায় না
সঠিক উত্তর:
সময়ের দিক হতে যিনি অগ্রবর্তী, তিনি সুবিধাভোগী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সময়ের দিক হতে যিনি অগ্রবর্তী, তিনি সুবিধাভোগী
ব্যাখ্যা
• Qui priorest tempore priorest jure
- সময়ের দিক হতে যিনি অগ্রবর্তী হবেন আইনের দিক হতে তিনিই সুবিধা পাবেন।

- He who is prior in time is better in law.

১৮৮২ সনের সম্পত্তি হস্তান্তর ৪৮ ধারায় এই নীতির প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়। যখন কোন ব্যক্তি সম্পত্তির এমন স্বত্ত্ব বিভিন্ন সময়ে হস্তান্তর করে যা একত্র অবস্থানযোগ্য নয় তখন পরবর্তী হস্তান্তর পূর্ববর্তী হস্তান্তরের অধীন হবে। এই নীতি কেবলমাত্র তখনই প্রয়োগ করা যায় যখন হস্তান্তর সিদ্ধ ও সম্পূর্ণ হয়। দু'টি হস্তান্তরের মধ্যে যদি দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয় এবং একটির আইনানুগ কার্যকারিতা নষ্ট না করে যদি অপরটি কার্যকর করা না যায় তখনই অগ্রাধিকারের এই নীতি প্রয়োগের প্রয়োজন হয়। এই প্রবচনের উপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে 'Doctrine of priority'-র উৎপত্তি হয়েছে।
১৮৩.
নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালন করার সময় কার অধীনে থাকবে?
  1. রাষ্ট্রপতির অধীন
  2. সুপ্রীম কোর্টের অধীন
  3. সংবিধান ও আইনের অধীন
  4. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন
সঠিক উত্তর:
সংবিধান ও আইনের অধীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধান ও আইনের অধীন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮(৪)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: "নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন।"
- অর্থাৎ, নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন এবং শুধুমাত্র সংবিধান ও আইনের প্রতি জবাবদিহি করবে। এটি কারও প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণে থাকবে না।
- সঠিক উত্তর: গ) সংবিধান ও আইনের অধীন।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা:
(১) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।
(২) একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া নির্বাচন কমিশন গঠিত হইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাহার সভাপতিরূপে কার্য করিবেন।
(৩) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরকাল হইবে এবং
(ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার-পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, এমন কোন ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না;
(খ) অন্য কোন নির্বাচন কমিশনার অনুরূপ পদে কর্মাবসানের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররূপে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন, তবে অন্য কোনভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।

(৪) নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন।

(৫) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, সুপ্রীম কোর্টের বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন নির্বাচন কমিশনার অপসারিত হইবেন না।
(৬) কোন নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

১৮৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৯
  2. অনুচ্ছেদ ২০
  3. অনুচ্ছেদ ২১
  4. অনুচ্ছেদ ২২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২২
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২২-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্র নির্বাহী অঙ্গসমূহ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ নিশ্চিত করবে। এই বিধানটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যাতে নির্বাহী বিভাগের হস্তক্ষেপ ছাড়াই বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হতে পারে।

অর্থাৎ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২২-এ নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) অনুচ্ছেদ ২২।

১৮৫.
বাংলাদেশের সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করে গ্রহণের তারিখটি বাংলা ক্যালেন্ডারে কোন তারিখ?
  1. ১৩ কার্তিক, ১৩৭৯
  2. ১৮ কার্তিক, ১৩৭৯
  3. ২৬ ফাল্গুন, ১৩৭৯
  4. ১৬ অগ্রহায়ণ, ১৩৭৯
সঠিক উত্তর:
১৮ কার্তিক, ১৩৭৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ কার্তিক, ১৩৭৯
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়। এই তারিখটি বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১৩৭৯ বঙ্গাব্দের ১৮ কার্তিক তারিখে পড়ে।

সংবিধানের ভাষ্যে স্পষ্ট উল্লেখ:
"এতদ্বারা আমাদের এই গণপরিষদে, অদ্য তের শত ঊনআশী বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসের আঠারো তারিখ, মোতাবেক ঊনিশ শত বাহাত্তর খ্রীষ্টাব্দের নভেম্বর মাসের চার তারিখে, আমরা এই সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করিয়া সমবেতভাবে গ্রহণ করিলাম।"

অতএব, বাংলাদেশের সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করে গ্রহণের তারিখ বাংলা ক্যালেন্ডারে ১৮ কার্তিক, ১৩৭৯।

অন্যদিকে, বাকি অপশন গুলো:
ক) ১৩ কার্তিক, ১৩৭৯: এই তারিখটি সংবিধান গ্রহণের পূর্ববর্তী সময়ের, তাই এটি সঠিক নয়।
গ) ২৬ ফাল্গুন, ১৩৭৯: ফাল্গুন মাস সাধারণত ফেব্রুয়ারি-মার্চের মধ্যে পড়ে, যা সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময়ের সঙ্গে মিলছে না।
ঘ) ১৬ অগ্রহায়ণ, ১৩৭৯: অগ্রহায়ণ মাস সাধারণত নভেম্বর-ডিসেম্বরে পড়ে, তবে ৪ নভেম্বর ১৯৭২ এর বাংলা তারিখ ১৮ কার্তিক, ১৩৭৯ ছিল।
১৮৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘Doctrine of Pleasure’ নীতির উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৫৬
  2. ১০৪
  3. ১৩৪
  4. ১৪১
সঠিক উত্তর:
১৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৪
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১৩৪: কর্মের মেয়াদ-
এই সংবিধানের দ্বারা অন্যরূপ বিধান না করা হইয়া থাকিলে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

Article 134: Tenure of office-
Except as otherwise provided by this Constitution every person in the service of the Republic shall hold office during the pleasure of the President.

কিছু কিছু পদের মেয়াদ রাষ্ট্রপতির ইচ্ছার উপর নির্ভর করে থাকে। রাষ্ট্রপতি যতদিন চাইবেন কোন ব্যক্তি উক্ত পদে ততদিন বহাল থাকতে পারবেন। সংবিধানের ভাষায় একে 'Doctrine of Pleasure'. সংবিধানের ১৩৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকবে। তাই বলা যায়, ১৩৪ অনুচ্ছেদেই 'Doctrine of pleasure' নীতিটি বর্ণিত হয়েছে।
১৮৭.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর কত ধারায় "উইল" (Will) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ৩(৫৫)
  2. ৩(৫৭)
  3. ৩(৫৯)
  4. ৩(৫৬)
সঠিক উত্তর:
৩(৫৭)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩(৫৭)
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 Section- 3(57) "Will" shall include a codicil and every writing making a voluntary posthumous disposition of property.
-----------------------
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ৩(৫৭) উইল  ধারার বিধান:- “উইল" বলিতে শেষ ইচ্ছাপত্র এবং স্বেচ্ছায় সম্পপ্তির মরনোত্তর বন্টন সংক্রান্ত সব ধরনের লেখা অন্তর্ভূক্ত হইবে।
১৮৮.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, যুদ্ধ ঘোষণা করতে কার সম্মতি আবশ্যক?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সংসদ
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. সেনাবাহিনী
সঠিক উত্তর:
সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৩(১) অনুযায়ী, সংসদের সম্মতি ছাড়া যুদ্ধ ঘোষণা করা যাবে না, এবং প্রজাতন্ত্র কোনো যুদ্ধে অংশ নিতে পারবে না।
- অর্থাৎ, যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য সংসদের অনুমোদন আবশ্যক।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ-৬৩ যুদ্ধ:
 (১) সংসদের সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাইবে না কিংবা প্রজাতন্ত্র কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করিবেন না।
১৮৯.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা- এটি সংবিধানে কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-২ক
  2. অনুচ্ছেদ-৩
  3. অনুচ্ছেদ-৪
  4. অনুচ্ছেদ-৪ক
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা সংবিধানের প্রথম ভাগ এর অনুচ্ছেদ-৩ তে উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা হবে।
- এটি বাংলাদেশের ভাষাগত পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক এবং দেশের সাংবিধানিক প্রেক্ষাপটে বাংলা ভাষার প্রতিষ্ঠা এবং স্বীকৃতির প্রতি একটি শক্তিশালী অঙ্গীকার।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩ রাষ্ট্রভাষা:
- প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
১৯০.
According to Section 3(15) of The General Clauses Act, 1897, "District Judge" means:
  1. The judge of a principal Civil Court of original jurisdiction.
  2. The High Court Division exercising its civil jurisdiction.
  3. Any judge appointed to hear civil cases in a district court.
  4. The judge of any high court dealing with civil cases.
সঠিক উত্তর:
The judge of a principal Civil Court of original jurisdiction.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The judge of a principal Civil Court of original jurisdiction.
ব্যাখ্যা
Section 3(15) of The General Clauses Act,1897,
"District Judge" shall mean the Judge of a principal Civil Court of original jurisdiction, but shall not include the High Court Division in the exercise of its ordinary or extraordinary original civil jurisdiction:

ধারা ৩(১৫) -
"জেলা বিচারক" অর্থ হবে একটি প্রধান দেওয়ানি আদালতের বিচারক, তবে এর মধ্যে উচ্চ আদালত বিভাগের সাধারণ বা বিশেষ দেওয়ানি বিচারিক ক্ষমতার অধীনে কার্যরত বিচারক অন্তর্ভুক্ত হবে না।
১৯১.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী “নাগরিক” (Citizen) বলতে কী বোঝায়?
  1. যে ব্যক্তি বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা
  2. যে ব্যক্তি বাংলাদেশের জন্মগ্রহণ করেছে
  3. যে ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব-সম্পর্কিত আইন অনুযায়ী নাগরিক
  4. উল্লিখিত সবাইকে
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব-সম্পর্কিত আইন অনুযায়ী নাগরিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব-সম্পর্কিত আইন অনুযায়ী নাগরিক
ব্যাখ্যা
Article 152:
“citizen” means a person who is a citizen of Bangladesh according to the law relating to citizenship;

"নাগরিক" অর্থ নাগরিকত্ব-সম্পর্কিত আইনানুযায়ী যে ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক।
১৯২.
সংবিধানের মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত তৃতীয় ভাগের বিধানাবলী অপ্রযোজ্য হবে-
  1. শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে
  2. মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ ইত্যাদি সংক্রান্ত আইন যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়, সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে
  3. গণহত্যাজনিত অপরাধ ইত্যাদি সংক্রান্ত আইন যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়, সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের তৃতীয় ভাগের ২৬ থেকে ৪৭ক অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে। ২৬ অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকারের সাথে অসমঞ্জস আইন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। ২৭ থেকে ৪৪ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মোট ১৮টি অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের করার অধিকার ৪৪ অনুচ্ছেদে দেয়া হয়েছে এবং এই কারণে ৪৪ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত মৌলিক অধিকার বলবৎ সংক্রান্ত বিধানটিও মৌলিক অধিকার হিসাবে গণ্য হবে।

৪৫ অনুচ্ছেদে শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত তৃতীয় ভাগের বিধানাবলী অপ্রযোজ্য, করা হয়েছে। ৪৬ অনুচ্ছেদে কতিপয় ক্ষেত্রে দায়মুক্তি-বিধান প্রণয়নে সরকারকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ৪৭ অনুচ্ছেদে কতিপয় আইনের হেফাজত করা হয়েছে এবং উক্ত হেফাজতকৃত আইন মৌলিক অধিকারের সাথে অসমঞ্জস হলেও বাতিল বলে গণ্য হবেনা। অর্থাৎ ৪৭ অনুচ্ছেদটি ২৬ অনুচ্ছেদের ব্যতিক্রম।

৪৭ক অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ৪৭ অনুচ্ছেদের ৩ দফায় উল্লিখিত গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ ইত্যাদি সংক্রান্ত আইন যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়, সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে সংবিধানের ১২ অনুচ্ছেদ, ৩৫ অনুচ্ছেদের (১) ও (৩) দফা এবং ৪৪ অনুচ্ছেদের অধীন নিশ্চয়কৃত অধিকারসমূহ বলবৎকরণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
১৯৩.
কত সালে 'Secretary, Ministry of Finance vs Masdar Hossain (1999)' মামলার রীট দায়ের হয়?
  1. ১৯৯৫
  2. ১৯৯৭
  3. ১৯৯৯
  4. ২০০৭
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫
ব্যাখ্যা
Masder Hossain vs Secretary Ministry of Finance (1999) 52 DLR (AD) 82.

Author Judge: Mr. Justice Mustafa kamal (CJ)

নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করা হয় এই মামলার মাধ্যমে।
 এই মামলায় ৪৪১ জন বিচার বিভাগীয় অফিসার রীট পিটিশন দায়ের করেছিল। অনুচ্ছেদ ২২ এর বাস্তবায়ন হয়।

- এই মামলার রীট দায়ের হয় ১৯৯৫ সালে। হাইকোর্ট বিভাগ রায় দেয় ৭ মে ১৯৯৭ সালে। আপিল বিভাগ রায় দেয় ২ ডিসেম্বর ১৯৯৯ সালে।

২০০৭ সালে ১লা নভেম্বর তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের পদ সৃষ্টি করে। এই মামলায় গুরুত্বপূর্ণ ১২টি নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
১৯৪.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ২১ ধারার নিচের কোন নীতির সাথে সম্পর্কিত?
  1. The doctrine of ultra vires
  2. Doctrine of Locus poenitentiae
  3. Doctrine of Efficacy
  4. The doctrine of Legitimate Expectation
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Locus poenitentiae
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Locus poenitentiae
ব্যাখ্যা
⇒ জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ২১ ধারায় 'Doctrine of Locus poenitentiae' আলোচনা করা হয়েছে। এর অর্থ- কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা।

জেনারেল ক্লাউজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ২১ ধারাটি Doctrine of Locus poenitentiae নীতির সাথে সম্পর্কিত।
 
Locus poenitentiae একটি লাতিন শব্দ যার অর্থ হল "পাল্টানোর সুযোগ"। এই নীতি অনুযায়ী, যখন একটি চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার আগে একজন পক্ষ তা থেকে প্রত্যাহার করতে চান, তখন তিনি তা করতে পারবেন। অর্থাৎ চুক্তি সম্পাদিত হওয়ার পূর্বে যে কোনো সময় একজন পক্ষ তা থেকে সরে আসতে পারবেন। 
 
জেনারেল ক্লাউজেস অ্যাক্টের ২১ ধারা এই নীতিকেই প্রতিফলিত করে। সেখানে বলা হয়েছে যে, যদি কোনো নিরাপত্তা প্রদানের জন্য হিসাব বা অন্য দলিলপত্র সম্পাদিত হতে না পারে, তবে দাতা চাইলে তা প্রত্যাহার করতে পারবেন। অর্থাৎ সেক্ষেত্রে দাতাকে Locus poenitentiae বা প্রত্যাহারের সুযোগ দেওয়া হবে।
 
অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) The doctrine of ultra vires একটি কোম্পানি আইনের নীতি যা বলে যে একটি কোম্পানি তার গঠনপত্রে বর্ণিত ক্ষমতার বাইরে কোনো কাজ করতে পারবে না।
গ) Doctrine of Efficacy হল কোনো আইনের প্রভাব বা কার্যকারিতা সম্পর্কিত নীতি।
ঘ) The doctrine of Legitimate Expectation হল একটি প্রশাসনিক আইনের নীতি যা বলে যে প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষকে রাজনৈতিক বা অন্যান্য বৈষম্যমূলক মনোভাব প্রদর্শন করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
--------------------
- ধারা-২১: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে:-
যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপবিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
-------------------------------
- Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws: 
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.
১৯৫.
'কোন আদালতে রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশ বা চুক্তিপত্রের বৈধতা প্রশ্ন করা যাবে না'- এটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪৮(৫)
  2. অনুচ্ছেদ ৫৫(৫)
  3. অনুচ্ছেদ ৫৬(২)
  4. অনুচ্ছেদ ৫৮(১)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৫(৫)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৫(৫)
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৫৫: মন্ত্রিসভা:
(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে। 

(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তৃত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে। 

(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন। 

(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে। 

(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না। 

(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।

১৯৬.
'সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন অধস্তন সকল আদালতের জন্য অবশ্যপালনীয় হইবে'- সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. ১১০ অনুচ্ছেদে
  2. ১১১ অনুচ্ছেদে
  3. ১১৫ অনুচ্ছেদে
  4. ১১৬ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১১১ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১১ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদের বিধান: সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতা:
 আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য এবং সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন অধস্তন সকল আদালতের জন্য অবশ্যপালনীয় হইবে।

Article 111- Binding effect of Supreme Court judgments:
The law declared by the Appellate Division shall be binding on the High Court Division and the law declared by either division of the Supreme Court shall be binding on all courts subordinate to it.
১৯৭.
'Freedom of the press' is guaranteed under ______________ of Bangladesh constitution.
  1. article 39(1)(a)
  2. article 39(1)(b)
  3. article 39(2)(a)
  4. article 39(2)(b)
সঠিক উত্তর:
article 39(2)(b)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
article 39(2)(b)
ব্যাখ্যা

Answer: Article 39(2)(b).

​Article 39: Freedom of thought and conscience, and of speech:

(1) Freedom of thought and conscience is guaranteed.

​(2) Subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, friendly relations with foreign states, public order, decency or morality, or in relation to contempt of court, defamation or incitement to an offence–
(a) the right of every citizen to freedom of speech and expression; and
(b) freedom of the press, are guaranteed.

​অনুচ্ছেদ ৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা:
(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

​(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে-
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদপত্রের স্বাধীনতার; নিশ্চয়তা দান করা হইল। 

১৯৮.
ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ 'Res nullius' অর্থ কী?
  1. A matter judged
  2. Nobody's thing
  3. The thing speaks for itself
  4. A matter not yet decided
সঠিক উত্তর:
Nobody's thing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nobody's thing
ব্যাখ্যা
⇒ Res nullius : শাব্দিক অর্থ- Nobody's thing.
- আইনি প্রসঙ্গে 'res nullius' শব্দটি ব্যবহৃত হয় যখন কোনো ভূখণ্ড, সম্পত্তি বা জিনিসের সুনিদিষ্ট মালিক নেই। এমন কিছু যা কেউ দখল করতে পারে বা মালিকানা করতে পারে।
- অর্থাৎ, 'res nullius' হল এমন কিছু যার কোনও নির্দিষ্ট মালিক নেই এবং যা যেকোনও ব্যক্তি বা সরকার দখল করতে পারে।

⇒"Res nullius" একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ  "মালিকহীন সম্পত্তি"। আইনের পরিভাষায়, এটি এমন বস্তু বা সম্পত্তিকে বোঝায় যার উপর কোনো ব্যক্তি বা রাষ্ট্রের মালিকানা নেই।
- সাধারণত প্রাকৃতিক সম্পদ, যেমন বন্যপ্রাণী, সমুদ্র, বাতাস, বা মহাকাশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।
- যেমন, বন্য প্রাণীকে "res nullius" হিসাবে গণ্য করা হয় যতক্ষণ না কেউ তাদের আটক বা দখলে নিয়ে আসে। একবার দখল হয়ে গেলে সেটি ব্যক্তির মালিকানায় পরিণত হয়।

উদাহরণস্বরূপ:
- একটি বনভূমিতে থাকা হরিণ "res nullius" হিসাবে গণ্য হবে। তবে কেউ যদি সেটিকে ধরে ফেলে, তখন সেটির উপর তার মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হবে।
১৯৯.
জনগুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নে সুপ্রিম কোর্টের মতামত চাইতে পারেন কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. জাতীয় সংসদ
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

⇒ সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি যদি মনে করেন যে কোনো আইনি প্রশ্ন জনগুরুত্বপূর্ণ, তাহলে তিনি সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগে উপদেষ্টামূলক মতামতের জন্য উক্ত প্রশ্ন পাঠাতে পারেন।

অনুচ্ছেদ ১০৬- সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার:

যদি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এইরূপ কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হইয়াছে বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দিয়াছে, যাহা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারিবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

২০০.
The General Clauses Act,1897 এর কত ধারায় "Act of Parliament" কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ৩(২ক) ধারায়
  2. ৩(১ক) ধারায়
  3. ৩(ক) ধারায়
  4. ৩(৪) ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩(১ক) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩(১ক) ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩(১ক): সংসদের আইন
"সংসদের আইন" অর্থে সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোন আইনকে বুঝাইবে এবং কোন আইন প্রণয়নকারী পরিষদ কর্তৃক অথবা বাংলাদেশে বা ইহার কোন অংশে বলবৎ কোন সাংবিধানিক দলিলের অধীন আইন প্রণয়নের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি কর্তৃক গৃহীত বা প্রণীত যে কোন আইনও ইহার অন্তর্ভূক্ত হইবে।

Section 3(1a) of The General Clauses Act,1897, "Act of Parliament" shall mean-
an Act passed by Parliament and shall include any Act passed or made by any legislature or any person having authority to legislate under any Constitutional instrument and in force in Bangladesh or any portion thereof: