বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Constitutional Law

মোট প্রশ্ন৭৩১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Constitutional Law

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ৭৩১

.
প্রধান বিচারপতিকে কে নিয়োগ দেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. আইনমন্ত্রী
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯৫(১): বিচারক-নিয়োগ:
প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। অন্যান্য বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতির পরামর্শ গ্রহণ করেন।

৯৫(২): বিচারক হতে হলে –
- বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে।
- সুপ্রিম কোর্টে অন্তত ১০ বছর অ্যাডভোকেট হিসেবে প্র্যাকটিস করতে হবে, অথবা
- বিচার বিভাগে অন্তত ১০ বছর পদে অধিষ্ঠান করতে হবে।

৯৫(৩):
"সুপ্রিম কোর্ট" বলতে সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমায় হাইকোর্ট হিসেবে কাজ করা কোনো আদালতও অন্তর্ভুক্ত হবে।
.
'Nemo Debet Bis Vexari' প্রবাদটি নিচের কোনটি বুঝাতে ব্যবহৃত হয়-
  1. Truth is the mother of justice
  2. Doctrine of Double Jeopardy
  3. Doctrime of previous acquittal or previous conviction
  4. খ ও গ উভয়ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
খ ও গ উভয়ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ উভয়ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• "Nemo Debet Bis Vexari" অর্থ হলো:
"No man should be vexed twice" অর্থাৎ একই অপরাধের জন্য কাউকে দুবার বিচার করা যাবে না বা দুইবার সাজা দেওয়া যাবে না: এটাই Doctrine of Double Jeopardy.

• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।
.
The term 'doli incapax' means:
  1. Guilty of crime
  2. Capable of crime
  3. Strict liability in crime
  4. Incapable of crime
সঠিক উত্তর:
Incapable of crime
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Incapable of crime
ব্যাখ্যা

• Doli incapax – Incapable of crime Or incapable of forming the intent to commit a crime. 

Doli incapax ল্যাটিন শব্দ, যার অর্থ হলো – “অপরাধে অক্ষম” বা “অপরাধ করার অভিপ্রায় গঠন করতে অক্ষম”।

অর্থাৎ, কোনো ব্যক্তি অপরাধ করেছে কি না তা নির্ধারণের জন্য কেবলমাত্র কর্ম (actus reus) যথেষ্ট নয়; তার সাথে অপরাধমূলক মনোভাব (mens rea) থাকা আবশ্যক। শিশুদের ক্ষেত্রে ধরা হয় যে, নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত তারা অপরাধ করার মতো মানসিক সক্ষমতা রাখে না।

যেমন: দণ্ডবিধির ধারা ৮২ বলছে –
“৯ বছরের কম বয়সী শিশুর দ্বারা সংঘটিত কোনো কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।”

অর্থাৎ, শিশু যদি ৯ বছরের কম বয়সী হয়, তবে সে যা-ই করুক না কেন, আইন অনুযায়ী তা অপরাধ ধরা হবে না। কারণ আইন ধরে নেয় যে এই বয়সে শিশু অপরাধের উদ্দেশ্য বুঝতে বা অপরাধমূলক ইচ্ছা তৈরি করতে সক্ষম নয়।

.
কার সম্মতি ব্যতীত বাংলাদেশ কোন যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধে অংশ গ্রহণ কবে না?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. প্রধানমন্ত্রীর
  3. সরকারের
  4. সংসদের
সঠিক উত্তর:
সংসদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদের
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৩ এর বিধান যুদ্ধ:
 (১) সংসদের সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাইবে না কিংবা প্রজাতন্ত্র কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করিবেন না। 
----------
⇒ Article 63. War:
 (1) War shall not be declared and the Republic shall not participate in any war except with the assent of Parliament.
.
The General Clauses Act,1897 এর ধারা ৯ অনুযায়ী, “to” শব্দের ব্যবহার কী নির্দেশ করে?
  1. প্রথম দিন বাদ দেওয়া
  2. শেষ দিন অন্তর্ভুক্ত করা
  3. শুধুমাত্র কাজের দিন গণনা করা
  4. শেষ দিন বাদ দেওয়া
সঠিক উত্তর:
শেষ দিন অন্তর্ভুক্ত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেষ দিন অন্তর্ভুক্ত করা
ব্যাখ্যা

The General Clauses Act,1897: ধারা ৯: সময়ের শুরু এবং শেষের গণনা:
(১) যে কোন সংসদীয় আইন বা বিধিনিষেধ (Act of Parliament বা Regulation) এই ধারার প্রবর্তনের পরে প্রণীত হোক, দিনের একটি সিরিজ বা অন্য যে কোন সময়কালকে প্রথম দিনটি বাদ দেওয়ার জন্য যথেষ্ট হবে “from” শব্দটি ব্যবহার করা, এবং সিরিজের বা সময়কালটির শেষ দিনটি অন্তর্ভুক্ত করার জন্য “to” শব্দটি ব্যবহার করা।

অর্থাৎ, আইন বা নিয়মে যদি বলা হয় “from”, তবে প্রথম দিন গণনা থেকে বাদ দেওয়া হবে। আর যদি বলা হয় “to”, তবে শেষ দিন গণনার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

(২) এই ধারা ১৮৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি পরে প্রণীত সব সংসদীয় আইন এবং ১৮৮৭ সালের ১৪ জানুয়ারি বা তার পরে প্রণীত সব নিয়ম ও বিধিনিষেধের জন্যও প্রযোজ্য।

.
রাষ্ট্রপতি কার অনুমোদন ব্যতীত সুপ্রীম কোর্টে উপদেষ্টামূলক মতামতের জন্য আবেদন করতে পারেন না?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. জাতীয় সংসদ
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. কারো অনুমোদন প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
কারো অনুমোদন প্রয়োজন নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারো অনুমোদন প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১০৬- সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার:
যদি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এইরূপ কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হইয়াছে বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দিয়াছে, যাহা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারিবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

⇒ সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি যদি মনে করেন যে কোনো আইনি প্রশ্ন জনগুরুত্বপূর্ণ, তাহলে তিনি কারো অনুমোদন ছাড়াই সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগে উপদেষ্টামূলক মতামতের জন্য পাঠাতে পারেন। এটি রাষ্ট্রপতির একক এখতিয়ারভুক্ত বিষয়, কারো অনুমোদন প্রয়োজন নেই।
.
সংবিধানের ১৪৭ অনুচ্ছেদে নিম্নের কোন পদাধিকারী ব্যক্তির পারিশ্রমিক সম্পর্কে উল্লেখ করা হয় নাই?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সুপ্রীম কোর্টের বিচারক
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৪৭ অনুচ্ছেদে ৮ শ্রেণীর পদাধিকারী ব্যক্তিদের পারিশ্রমিক, বিশেষ-অধিকার ও কর্মের অন্যান্য শর্ত সংসদের আইনের দ্বারা বা অধীনে নির্ধারণ সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে-
 
১) রাষ্ট্রপতি,
২) প্রধানমন্ত্রী,
৩) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার,
৪) মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপ-মন্ত্রী
৫) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক,
৬) মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
৭) নির্বাচন কমিশনার,
৮) সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য।

অপরদিকে,
সংবিধানের ৬৪নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেন। অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে -
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল-পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।
.
আন্তর্জাতিক চুক্তিসমূহ কে সংসদে পেশ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পিকার
  4. পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৫ক: আন্তর্জাতিক চুক্তি

বিদেশের সহিত সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হইবে, এবং রাষ্ট্রপতি তাহা সংসদে পেশ করিবার ব্যবস্থা করিবেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় নিরাপত্তার সহিত সংশ্লিষ্ট অনুরুপ কোন চুক্তি কেবলমাত্র সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হইবে।

Article 145A: International treaties
All treaties with foreign countries shall be submitted to the President, who shall cause them to be laid before Parliament: Provided that any such treaty connected with national security shall be laid in a secret session of Parliament
.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদের বিধান মতে শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে মৌলিক অধিকার প্রযোজ্য হইবে না?
  1. অনুচ্ছেদ ৪৪
  2. অনুচ্ছেদ ৪৫
  3. অনুচ্ছেদ ৪৬
  4. অনুচ্ছেদ ১০২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৫
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৫ এর বিধান শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন:
কোন শৃঙ্খলা-বাহিনীর সদস্য-সম্পর্কিত কোন শৃঙ্খলামূলক আইনের যে কোন বিধান উক্ত সদস্যদের যথাযথ কর্তব্যপালন বা উক্ত বাহিনীতে শৃঙ্খলারক্ষা নিশ্চিত করিবার উদ্দেশ্যে প্রণীত বিধান বলিয়া অনুরূপ বিধানের ক্ষেত্রে এই ভাগের কোন কিছুই প্রযোজ্য হইবে না।
----------
⇒ Article 45. Modification of rights in respect of disciplinary law:
Nothing in this Part shall apply to any provision of a disciplinary law relating to members of a disciplined force, being a provision limited to the purpose of ensuring the proper discharge of their duties or the maintenance of discipline in that force.
১০.
রাষ্ট্রপতি প্রণীত অধ্যাদেশ কত দিনের মধ্যে সংসদের মাধ্যমে আইনে পরিণত করা না হলে বিলুপ্ত হয়ে যাবে?
  1. অধ্যাদেশ প্রণয়নের তারিখ হতে ৯০ দিন
  2. প্রথম সংসদ অধিবেশনের ১ম দিন হতে ৩০ দিন
  3. প্রথম সংসদ অধিবেশনে উত্থাপনের তারিখ হতে ৩০ দিন
  4. অধ্যাদেশ প্রণয়নের তারিখ হতে ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
প্রথম সংসদ অধিবেশনে উত্থাপনের তারিখ হতে ৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম সংসদ অধিবেশনে উত্থাপনের তারিখ হতে ৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে: রাষ্ট্রপতি প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে উপস্থাপিত হতে হবে।
উপস্থাপনের পর ৩০ দিন অতিবাহিত হলে অথবা এর আগেই সংসদ যদি অধ্যাদেশটি অননুমোদনের প্রস্তাব পাস করে, তাহলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাবে।
সুতরাং, সময় গণনা হবে প্রথম সংসদ অধিবেশনে উত্থাপনের তারিখ হতে ৩০ দিন।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা:
(১) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন এবং জারী হইবার সময় হইতে অনুরূপভাবে প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন কোন অধ্যাদেশে এমন কোন বিধান করা হইবে না,
(ক) যাহা এই সংবিধানের অধীন সংসদের আইন-দ্বারা আইনসঙ্গতভাবে করা যায় না;
(খ) যাহাতে এই সংবিধানের কোন বিধান পরিবর্তিত বা রহিত হইয়া যায়; অথবা
(গ) যাহার দ্বারা পূর্বে প্রণীত কোন অধ্যাদেশের যে কোন বিধানকে অব্যাহতভাবে বলবৎ করা যায়।
(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তাহা উপস্থাপিত হইবে এবং ইতঃপূর্বে বাতিল না হইয়া থাকিলে অধ্যাদেশটি অনুরূপভাবে উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইলে কিংবা অনুরূপ মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে তাহা অননুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হইলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাইবে।
(৩) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থার কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট ব্যবস্থা-গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি এমন অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন, যাহাতে সংবিধান-দ্বারা সংযুক্ত তহবিলের উপর কোন ব্যয় দায়যুক্ত হউক বা না হউক, উক্ত তহবিল হইতে সেইরূপ ব্যয়নির্বাহের কর্তৃত্ব প্রদান করা যাইবে এবং অনুরূপভাবে প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার সময় হইতে তাহা সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে। 
(৪) এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন জারীকৃত প্রত্যেক অধ্যাদেশ যথাশীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে এবং সংসদ পুনর্গঠিত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে এই সংবিধানের ৮৭, ৮৯ ও ৯০ অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী প্রয়োজনীয় উপযোগীকরণসহ পালিত হইবে।

১১.
The General Clauses Act,1897 এর কত ধারায় "ব্যক্তি" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. Section 3(29)
  2. Section 3(39)
  3. Section 3(41)
  4. Section 3(19)
সঠিক উত্তর:
Section 3(39)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 3(39)
ব্যাখ্যা
Section 3(39) of The General Clauses Act,1897-

"Person" shall include any company or association or body of individuals, whether incorporated or not: 
"ব্যক্তি" বলিতে, নিগমিত হউক বা না হউক, কোন কোম্পানি বা সমিতি অথবা ব্যক্তি বিশেষের সমষ্টিকে অন্তর্ভূক্ত করিবে।
১২.
Vis Major-এর সাথে সবচেয়ে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত আইনি নীতি কোনটি?
  1. Force Majeure
  2. Strict Liability
  3. Res Ipsa Loquitur
  4. Volenti Non Fit Injuria
সঠিক উত্তর:
Force Majeure
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Force Majeure
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ক) Force Majeure.
⇒ "Vis Major" (Act of God) এবং "Force Majeure" দুটি আইনি ধারণা যা অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনিয়ন্ত্রণযোগ্য ঘটনাবলির কারণে দায়মুক্তির সাথে সম্পর্কিত। এদের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে:
১. Vis Major (Act of God): 
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন: বন্যা, ভূমিকম্প, সুনামি, বজ্রপাত ইত্যাদি।
- মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে এবং অপ্রত্যাশিত ঘটনা।
- দায়মুক্তির শর্ত: ঘটনাটি অনিবার্য এবং যেকোনো রকম সতর্কতা অবলম্বন করলেও এড়ানো সম্ভব ছিল না।
২. Force Majeure:
- Vis Major-এর চেয়ে বিস্তৃত ধারণা।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ (Vis Major) + মানবসৃষ্ট দুর্যোগ যেমন: যুদ্ধ, দাঙ্গা, সরকারি নিষেধাজ্ঞা, শ্রমিক ধর্মঘট ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
- চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হয় (যেমন: "Force Majeure Clause")।
৩. সম্পর্ক: Vis Major, Force Majeure-এর একটি উপসেট। সব Act of God, Force Majeure-এর অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু সব Force Majeure ঘটনা Act of God নয়।

অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
খ) Strict Liability: এটি একটি দায় নির্ধারণ সংক্রান্ত নীতি, যেখানে কোনো অবহেলা প্রমাণ ছাড়াই ক্ষতির জন্য দায়ী করা হয়। Vis Major কখনও কখনও এর একটি প্রতিরক্ষা হিসেবে কাজ করতে পারে, কিন্তু নীতি দুটি মূলত ভিন্ন।
গ) Res Ipsa Loquitur: এটি একটি আইনি প্রমাণের নীতি ("ঘটনাই কথা বলে"), যা অবহেলা প্রমাণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি Vis Major-এর সাথে সম্পর্কিত নয়।
ঘ) Volenti Non Fit Injuria: এটি একটি প্রতিরক্ষামূলক নীতি ("স্বেচ্ছায় ঝুঁকি গ্রহণকারীর ক্ষতি হয় না"), যা সম্মতি ও ঝুঁকির উপর ভিত্তি করে কাজ করে। এটিও Vis Major-এর থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারণা।

- অর্থাৎ Vis Major এবং Force Majeure উভয়ই অপ্রত্যাশিত বা প্রাকৃতিক বিপর্যয়, যেমন প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা যুদ্ধের পরিস্থিতিকে বোঝায় যা কোনো পক্ষের জন্য চুক্তির শর্ত পূরণ করতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

১৩.
রাষ্ট্রপতি কত বছর মেয়াদের জন্য অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগ করতে পারেন?
  1. এক বছর
  2. দুই বছর
  3. তিন বছর
  4. পাঁচ বছর
সঠিক উত্তর:
দুই বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই বছর
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৮-এ বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের কোনো বিভাগের বিচারক-সংখ্যা সাময়িকভাবে বৃদ্ধির প্রয়োজন মনে করলে, যথাযথ যোগ্যতাসম্পন্ন এক বা একাধিক ব্যক্তিকে অনধিক দুই বছরের জন্য অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ করতে পারেন। এছাড়াও, হাইকোর্ট বিভাগের কোনো বিচারককে আপীল বিভাগে অস্থায়ী মেয়াদের জন্য আসন গ্রহণের ব্যবস্থা করতে পারেন।
অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টে অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে অনধিক দুই বছরের জন্য নিয়োগ দিতে পারেন। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) দুই বছর।

১৪.
Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times __________.
  1. to serve the country.
  2. to serve the government.
  3. to serve the people.
  4. to serve the citizens.
সঠিক উত্তর:
to serve the people.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to serve the people.
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১ এর বিধান নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷ 
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷
----------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh: Article-21: Duties of citizens and of public servants:
(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property. 
(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.
১৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৯ম ভাগে কোন বিষয় সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  2. সংবিধান সশোধন
  3. বাংলাদেশের কর্মবিভাগ
  4. জরুরী বিধানাবলী
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের কর্মবিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের কর্মবিভাগ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ রয়েছে-

প্রথম ভাগ- প্রজাতন্ত্র,
দ্বিতীয় ভাগ- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
তৃতীয় ভাগ- মৌলিক অধিকার,
চতুর্থ ভাগ- নির্বাহী বিভাগ,
পঞ্চম ভাগ- আইনসভা,
ষষ্ঠ ভাগ- বিচার বিভাগ,
সপ্তম ভাগ- নির্বাচন,
অষ্টম ভাগ- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
নবম ভাগ- বাংলাদেশের কর্মবিভাগ, নবম-ক ভাগ- জরুরী বিধানাবলী,
দশম ভাগ- সংবিধান সশোধন, এবং
একাদশ ভাগ- বিবিধ।
১৬.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'প্রত্যেক নাগরিকের বাংলাদেশ ত্যাগ ও বাংলাদেশে পুনঃপ্রবেশ করার অধিকার থাকবে?'
  1. ৩২ অনুচ্ছেদ
  2. ৩৬ অনুচ্ছেদ
  3. ৩৭ অনুচ্ছেদ
  4. ৩৮ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩৬ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৬ অনুচ্ছেদের বিধান চলাফেরার স্বাধীনতা:
জনস্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ- সাপেক্ষে বাংলাদেশের সর্বত্র অবাধ চলাফেরা, ইহার যে কোন স্থানে বসবাস ও বসতিস্থাপন এবং বাংলাদেশ ত্যাগ ও বাংলাদেশে পুনঃপ্রবেশ করিবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকিবে।

Article 36. Freedom of movement:
Subject to any reasonable restrictions imposed by law in the public interest, every citizen shall have the right to move freely throughout Bangladesh, to reside and settle in any place therein and to leave and re-enter Bangladesh.
১৭.
Which maxim means "Youth is very liable to err"?
  1. Factum infectum fieri aequit
  2. Facilis est lapsus juventutis
  3. Fraus et just nunquam cohabitant
  4. Factum unuis alteri noceri non debet
সঠিক উত্তর:
Facilis est lapsus juventutis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Facilis est lapsus juventutis
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) Facilis est lapsus juventutis.
⇒ ল্যাটিন ম্যাক্সিম "Facilis est lapsus juventutis" এর অর্থ হলো "Youth is very liable to err," অর্থাৎ যুবকরা সহজেই ভুল করে।
- এটি ইঙ্গিত করে যে যৌবনকালে ভুল করা স্বাভাবিক এবং সহজ। 

অন্য অপশনগুলোর অর্থ ভিন্ন:
ক) Factum infectum fieri aequit: "What is done cannot be undone" (যা করা হয়েছে তা পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় না)।
গ) Fraus et just nunquam cohabitant: "Fraud and justice never dwell together" (প্রতারণা এবং ন্যায়বিচার কখনো একসঙ্গে থাকে না)।
ঘ) Factum unuis alteri noceri non debet: "The deed of one should not hurt another" (একজনের কাজ অন্যের ক্ষতি করবে না)।

১৮.
"Culpae Paena Par Esto" শব্দমালা দ্বারা কী বোঝায়?
  1. The practice of the court is the law of the court.
  2. Let punishment be in proportion to the crime.
  3. The law pays no regard to trifling thing.
  4. One may waive a legal right existing in his favour.
সঠিক উত্তর:
Let punishment be in proportion to the crime.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Let punishment be in proportion to the crime.
ব্যাখ্যা
"Culpae Poena Par Esto"

- আইনের মূল ভিত্তিসমূহের মধ্যে "Culpae Poena Par Esto" অন্যতম।
- "Culpae Poena Par Esto" একটি Roman maxim; যার অর্থ হলো: Let the punishment fit the crime.

অর্থাৎ, অপরাধের শাস্তি অপরাধের অনুপাতেই হওয়া উচিত/অপরাধ অনুযায়ীই শাস্তি হবে।
১৯.
বাংলাদেশের আইনসভার নাম কি?
  1. জাতীয় পরিষদ
  2. পার্লামেন্ট
  3. জাতীয় সংসদ
  4. গণ পরিষদ
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৫: সংসদ-প্রতিষ্ঠা:

(১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।

(২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।

(৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।

(৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।

(৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।

Article 65- Establishment of Parliament:
(1) There shall be a Parliament for Bangladesh (to be known as the House of the Nation) in which, subject to the provisions of this Constitution, shall be vested the legislative powers of the Republic: 
Provided that nothing in this clause shall prevent Parliament from delegating to any person or authority, by Act of Parliament, power to make orders, rules, regulations, bye laws or other instruments having legislative effect.

(2) Parliament shall consist of three hundred members to be elected in accordance with law from single territorial constituencies by direct election and, for so long as clause (3) is effective, the members provided for in that clause; the members shall be designated as Members of Parliament. 

(3) Until the dissolution of Parliament occurring next after the expiration of the period of twenty five years beginning from the date of the first meeting of the Parliament next after the Parliament in existence at the time of the commencement of the Constitution (Seventeenth Amendment) Act, 2018, there shall be reserved fifty seats exclusively for women members and they will be elected by the aforesaid members in accordance with law on the basis of procedure of proportional representation in the Parliament through single transferable vote : 
Provided that nothing in this clause shall be deemed to prevent a woman from being elected to any of the seats provided for in clause (2) of this article.

(3A) For the remaining period of the Parliament in existence at the time of the commencement of the Constitution (Fifteenth Amendment) Act, 2011, Parliament shall consist of three hundred members elected by direct election provided for in clause (2) and fifty women members provided for in clause (3).

(4) The seat of Parliament shall be in the capital.
২০.
The maxim 'res ipsa loquitur' is related to-
  1. Rule of law
  2. Rule of evidence
  3. Rule of innocence
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
Rule of evidence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rule of evidence
ব্যাখ্যা
• Res ipsa loquitur:
- এর অর্থ হলো স্বব্যক্ত ঘটনা,- The thing speaks for itself.
- এটি আইনের একটি ধারণা, যা সাধারণত "Rule of evidence" বা প্রমাণের নিয়ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Res Ipsa Loquitur একটি পরিস্থিতিতে প্রয়োগ করা হয়, যেখানে ঘটনার প্রকৃতি নিজেই বলে দেয় যে কোন অবহেলা (negligence) হয়েছে। এখানে সরাসরি প্রমাণের প্রয়োজন হয় না, কারণ ঘটনা বা দুর্ঘটনার অবস্থা এমন হয় যে এটি বিবেচনা করা হয় "এই ধরণের ঘটনা স্বাভাবিকভাবে কারো অবহেলা ছাড়া ঘটে না।"

উদাহরণ:
ধরা যাক, একজন রোগীর পেটে অপারেশনের পর ডাক্তার একটি অস্ত্রোপচারের যন্ত্র রেখে দিয়েছেন। এমন ঘটনা কখনোই চিকিৎসকের অবহেলা ছাড়া ঘটতে পারে না। সুতরাং Res Ipsa Loquitur এখানে প্রযোজ্য হবে।
২১.
বাংলাদেশের সংবিধানে কাকে ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার দেওয়া হয়েছে?
  1. সরকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপত
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের বিধান-ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার:

- কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে−কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে। 
২২.
প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে কাকে অবহিত রাখবেন?
  1. মন্ত্রিসভা
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. জনগণ
  4. সংসদ
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৪৮: রাষ্ট্রপতি:
(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন।

(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন।

(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্ট্রপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।

(৪) কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি-
(ক) পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন; অথবা
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন; অথবা
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হইতে অপসারিত হইয়া থাকেন।

(৫) প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখিবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করিলে যে−কোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করিবেন।

২৩.
সংসদ সদস্যদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা সম্পর্কিত কোন বিতর্ক দেখা দিলে কে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন?
  1. স্পীকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. সুপ্রিম কোর্ট
  4. নির্বাচন কমিশন
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন কমিশন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা সম্পর্কিত কোনো বিতর্ক দেখা দিলে তা নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হবে এবং নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
 অর্থাৎ, সংসদ সদস্যের যোগ্যতা নিয়ে যদি প্রশ্ন ওঠে—
- তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর কোনো কারণে অযোগ্য হয়েছেন কি না, বা
- সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তার আসন শূন্য হবে কি না
এই সমস্ত বিষয়ে নির্বাচন কমিশনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে, যা আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না।

→ সংবিধান নির্দেশ করে:
-"কোন সংসদ-সদস্য তাঁহার নির্বাচনের পর ৬৬(২) দফায় বর্ণিত অযোগ্যতার অধীন হইয়াছেন কি না, কিংবা সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে কি না, সে সম্পর্কে কোন বিতর্ক দেখা দিলে শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য প্রশ্নটি নির্বাচন কমিশনের নিকট প্রেরিত হইবে এবং কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।"
২৪.
কোন রিটের জন্য যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে?
  1. Writ of Prohibition
  2. Writ of Mandamus
  3. Writ of Certiorari
  4. Writ of Habeas Corpus
সঠিক উত্তর:
Writ of Habeas Corpus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Writ of Habeas Corpus
ব্যাখ্যা
• রিট [Writ]:
আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ। এমন আদেশের মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে। রিট এর উৎপত্তি হলো ব্রিটিশ আইন ব্যবস্থায়। প্রাথমিকভাবে রিট মূলত রাজকীয় অধিকার [prerogrative writ or royal writ] নামে পরিচিত ছিল কারণ একমাত্র রাজা বা রাণী রিট জারি করার অধিকারী ছিল।

রিটের প্রকারভেদ: সংবিধানে ৫ প্রকার রিট উল্লেখ করা হয়েছে-
⇒ ১০২ এর ২(ক) তে ৩টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (ক) (অ) প্রতিষেধক বা নিষেধাজ্ঞামূলক রিট [Writ of Prohibition];
• ১০২(২) (ক) (অ) পরমাদেশ বা হুকুম জারী রিট [Writ of Mandamus];
• ১০২(২) (ক) (আ) উৎপ্রেষণ রীট [Writ of Certiorari]।

⇒ ১০২ এর ২(খ) তে ২টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (খ) (অ) বন্দী হাজির রিট [Writ of Habeas Corpus] এবং
• ১০২(২) (খ) (আ) কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]।
২৫.
'Lex Fori' নীতিতে কোন আইন বোঝানো হয়?
  1. যেখানে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে
  2. যেখানে চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে
  3. যেখানে আদালতের কার্যক্রম চলছে
  4. আন্তর্জাতিক আদালতের আইন
সঠিক উত্তর:
যেখানে আদালতের কার্যক্রম চলছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে আদালতের কার্যক্রম চলছে
ব্যাখ্যা

Lex Fori ল্যাটিন শব্দ।
- এর অর্থ হলো “আদালতের দেশের আইন” বা “যে দেশে আদালতের কার্যক্রম চলছে সেই দেশের আইন”।

আইনে বলা হয়- “The law of evidence is lex fori.”
অর্থাৎ, সাক্ষ্য আইন হচ্ছে Lex Fori।

এর মানে দাঁড়ায়, কোনো মামলার শুনানি বা বিচার যে দেশে চলছে, সেই দেশের সাক্ষ্য আইন দিয়েই প্রমাণ, সাক্ষ্য গ্রহণ এবং বিচারকার্য সম্পন্ন হবে।

২৬.
"No one should be condemned unheard" এই নীতিটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৭
  2. অনুচ্ছেদ ৪৪
  3. অনুচ্ছেদ ১৩৫
  4. অনুচ্ছেদ ১৩৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৩৫
ব্যাখ্যা
'No one should be condemned unheard' এটি  Natural justice এর প্রিন্সিপ্যাল, যার অর্থ হচ্ছে কাউকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া ছাড়া শাস্তি দেয়া যাবে না। প্রত্যেক অভিযুক্ত ব্যক্তির আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩৫ অনুচ্ছেদে এই বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে। সংবিধানের ১৩৫(২) অনুচ্ছেদের মধ্যে প্রত্যেক অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের অপসারণ করার আগে তাকে কারণ দর্শানো সুযোগ দেয়ার বিধান আছে।
তাই বলা যায় ১৩৫(২) এর মধ্যে এটি প্রতিফলিত হয়েছে।

সংবিধানের ১৩৫ অনুচ্ছেদের বিধান হলো: অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত প্রভৃতি:
(১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে অসামরিক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি তাঁহার নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ-অপেক্ষা অধস্তন কোন কর্তৃপক্ষের দ্বারা বরখাস্ত বা অপসারিত বা পদাবনমিত হইবেন না।
(২) অনুরূপ পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে তাঁহার সম্পর্কে প্রস্তাবিত ব্যবস্থাগ্রহণের বিরুদ্ধে কারণ দর্শাইবার যুক্তিসঙ্গত সুযোগদান না করা পর্যন্ত তাঁহাকে বরখাস্ত বা অপসারিত বা পদাবনমিত করা যাইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফা সেই সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যেখানে
(অ) কোন ব্যক্তি যে আচরণের ফলে ফৌজদারী অপরাধে দণ্ডিত হইয়াছেন, সেই আচরণের জন্য তাঁহাকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করা হইয়াছে; অথবা
(আ) কোন ব্যক্তিকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কর্তৃপক্ষের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, কোন কারণে- যাহা উক্ত কর্তৃপক্ষ লিপিবদ্ধ করিবেন- উক্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শাইবার সুযোগদান করা যুক্তিসঙ্গতভাবে সম্ভব নহে; অথবা
(ই) রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে উক্ত ব্যক্তিকে অনুরূপ সুযোগদান সমীচীন নহে।
(৩) অনুরূপ কোন ব্যক্তিকে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত কারণ দর্শাইবার সুযোগদান করা যুক্তিসঙ্গতভাবে সম্ভব কি না, এইরূপ প্রশ্ন উত্থাপিত হইলে সেই সম্পর্কে তাঁহাকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।
(৪) যে ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন লিখিত চুক্তির অধীন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত হইয়াছেন এবং উক্ত চুক্তির শর্তাবলী-অনুযায়ী যথাযথ নোটিশের দ্বারা চুক্তিটির অবসান ঘটান হইয়াছে, সেই ক্ষেত্রে চুক্তিটির অনুরূপ অবসানের জন্য তিনি এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্যসাধনকল্পে পদ হইতে অপসারিত হইয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে না
----------
⇒ Article 135. Dismissal, etc. of civilian public officers:
(1) No person who holds any civil post in the service of the Republic shall be dismissed or removed or reduced in rank by an authority subordinate to that by which he was appointed. 
(2) No such person shall be dismissed or removed or reduced in rank until he has been given a reasonable opportunity of showing cause why that action should not be taken:
Provided that this clause shall not apply – 
(i) where a person is dismissed or removed or reduced in rank on the ground of conduct which has led to his conviction of a criminal offence; or 
(ii) where the authority empowered to dismiss or remove a person or to reduce him in rank is satisfied that, for a reason recorded by that authority in writing, it is not reasonably practicable to give that person an opportunity of showing cause; or 
(iii) where the President is satisfied that in the interests of the security of the State it is not expedient to give that person such an opportunity. 
 
(3) If in respect of such a person the question arises whether it is reasonably practicable to give him an opportunity to show cause in accordance with clause (2), the decision thereon of the authority empowered to dismiss or remove such person or to reduce him in rank shall be final. 
(4) Where a person is employed in the service of the Republic under a written contract and that contract is terminated by due notice in accordance with its terms, he shall not, by reason thereof, be regarded as removed from office for the purposes of this article.
২৭.
'Doctrine of double jeopardy' বা 'দোবারা সাজা মতবাদ'- উক্ত নীতিটি The General Clauses Act,1897 এর কত ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ধারা ২৮
  2. ধারা ২৬
  3. ধারা ২৭
  4. ধারা ৩০
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬
ব্যাখ্যা
• 'Doctrine of double jeopardy' বা 'দোবারা সাজা মতবাদ' যে নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত তা হলো:
Nemo debet bis puniri pro uno delicto.
যার অর্থ- 'No one shall be punished twice for one fault. অর্থাৎ 'একই অপরাধের জন্য দু'বার শাস্তি দেয়া যায় না।'

জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ২৬ ধারায় বলা আছে-
Where an act or omission constitutes an offence under two or more enactments, then the offender shall be liable to be prosecuted and punished under either or any of those enactments, but shall not be liable to be punished twice for the same. 

- 'যখন কোন কার্য বা কার্য বিচ্যুতি দু'টি আইনে অপরাধ হিসেবে পরিগণিত হয় তখন একই অপরাধের কারণে অপরাধীকে দু'বার শাস্তি দেয়া যাবে না যদিও উভয় আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়ে থাকে।'

জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ২৬ ধারার উপর বিশদ আলোচনাকালে বিচারপতি মোহাম্মদ আব্দুল করিম আরও উল্লেখ করেন যে, বর্ণিত অপরাধের কারণে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাধারণ আইনে (general law) এবং বিশেষ আইনে (special law) দু'টি মামলা চলমান থাকলে আইন ব্যাখ্যার সূত্র এবং বিশেষ আইনে 'non-obstante clause' থাকার কারণে সাধারণ আইনের অধীনে দায়েরকৃত মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত থাকবে এবং বিশেষ আইনের অধীনে রুজুকৃত মামলাটির বিচার কার্যক্রম চালু থাকবে।
২৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় কতটি মৌলিক আদর্শের কথা বলা হয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে—
“...যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিল—
জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা, সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে।”
- এই বাক্যে পরিষ্কারভাবে চারটি মৌলিক আদর্শকে সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

এই ৪টি মৌলিক আদর্শ হলো:
১) জাতীয়তাবাদ (Nationalism)
২) সমাজতন্ত্র (Socialism)
৩) গণতন্ত্র (Democracy)
৪) ধর্মনিরপেক্ষতা (Secularism)
→ এই চারটি আদর্শ রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি এবং সংবিধানের মূল কাঠামো গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
২৯.
'Immoveable property shall include land, benefits to arise out of land, and things attached to the earth, or permanently fastened to anything attached to the earth'- The General Clauses Act,1897 এর কত ধারায় এই সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. Section 3(23)
  2. Section 3(25)
  3. Section 3(27)
  4. Section 3(28)
সঠিক উত্তর:
Section 3(25)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 3(25)
ব্যাখ্যা
Section 3(25)
"Immoveable property" shall include land, benefits to arise out of land, and things attached to the earth, or permanently fastened to anything attached to the earth:
 
ধারা ৩(২৫)-
"স্থাবর সম্পত্তি" বলিতে ভূমি, ভূমি হইতে আহরিত সুবিধা, এবং ভূমির সহিত সংযুক্ত কোন বস্তু, অথবা ভূমির সহিত সংযুক্ত কোন কিছুর সহিত স্থায়ীভাবে আবদ্ধ কোন বস্তুকে অন্তর্ভূক্ত করিবে।
৩০.
কে অস্থায়ী প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালন করিবেন?
  1. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত আপীল বিভাগের বিচারক।
  2. হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম।
  3. আপীল বিভাগের বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম।
  4. সরকার কর্তৃক নির্ধারিত আপীল বিভাগের বিচারক।
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগের বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগের বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম।
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদের বিধান: অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ:
 প্রধান বিচারপতির পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে প্রধান বিচারপতি তাঁহার দায়িত্বপালনে অসমর্থ বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে ক্ষেত্রমত অন্য কোন ব্যক্তি অনুরূপ পদে যোগদান না করা পর্যন্ত কিংবা প্রধান বিচারপতি স্বীয় কার্যভার পুনরায় গ্রহণ না করা পর্যন্ত আপীল বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম, তিনি অনুরূপ কার্যভার পালন করিবেন।
---------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh -Article 97. Temporary appointment of Chief Justice:
-If the office of the Chief Justice becomes vacant, or if the President is satisfied that the Chief Justice is, on account of absence, illness, or any other cause, unable to perform the functions of his office, those functions shall, until some other person has entered upon that office, or until the Chief Justice has resumed his duties, as the case may be, be performed by the next most senior Judge of the Appellate Division.
৩১.
"Res integra" বলতে কী বোঝায়?
  1. A matter already judicially decided
  2. All things done in the Course of a transaction
  3. A matter not yet decided
  4. A thing that has no owner
সঠিক উত্তর:
A matter not yet decided
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A matter not yet decided
ব্যাখ্যা
"Res Integra"

Res Integra: A matter not yet decided বা, প্রক্রিয়াধীন বিচার।

'Res Integra' means-
An entire thing; an entirely new or untouched matter This term is applied to those points of law which have not been decided, which are 'untouched by dictum or decision'.
৩২.
In Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh 41 DLR (AD) the Supreme Court established the -
  1. doctrine of basic structure of the Constitution
  2. separation of Judiciary
  3. illegality of Martial Law
  4. secularism in the Constitution
সঠিক উত্তর:
doctrine of basic structure of the Constitution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
doctrine of basic structure of the Constitution
ব্যাখ্যা
Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh Case:

Anwar Hossain Chowdhury মামলার রায় ৮ম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদ তথা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো [Basic Structure]-কে ধ্বংস করেছে এবং এই কারণে সংশোধিত ১০০ অনুচ্ছেদ সংবিধান-বহির্ভূত (Ultra Vires of the Constitution) বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

৮ম সংশোধনী মামলা:

মামলার পূর্ণ নাম: Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh (1989) [41 DLR (AD) 165]
অন্য নাম: '৮ম সংশোধনী মামলা বা, 8th Amendment Case.
রায় ঘোষণা: ১৯৮৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ এ মামলার রায় ঘোষণা করে। আপিল বিভাগের ৩:১ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় উক্ত সংশোধনী বাতিল বলে ঘোষিত হয়। এই মামলার মাধ্যমে বাংলাদেশে basic structure of the Constitution নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়।

মামলার বিচারক: এই মামলায় আপিল বিভাগের ৪ জন বিচারপতি বিচারক ছিলেন।
Author Judge: বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী; মূল রায় লিখেছেন।
Assenting Judges:
(i) বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ এবং
(ii) বিচারপতি এম.এইচ রহমান, Author Judge -এর সাথে একমত পোষণ করেন বলে এই মামলার 'একমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।

Dissenting Judge: বিচারপতি এটিএম আফজাল ভিন্নমত পোষণ করে রায় দিয়েছিলেন বলে তিনি এই মামলার 'ভিন্নমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।
৩৩.
What is the minimum fraction of Parliament members’ votes required to pass a constitutional amendment Bill?
  1. Half of the total members
  2. Two-thirds of the members present
  3. Three-fourths of the total members
  4. Two-thirds of the total members
সঠিক উত্তর:
Two-thirds of the total members
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Two-thirds of the total members
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪২- সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা:
এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও-
(ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে,
(অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না;

(খ) উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
৩৪.
The General Clauses Act অনুযায়ী "Act" শব্দের সংজ্ঞা কোন ধারায় দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২ (৮)
  2. ধারা ৩ (২)
  3. ধারা ৩ (৪)
  4. ধারা ৩ (৯)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩ (২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩ (২)
ব্যাখ্যা

⇒ The General Clauses Act, 1897-এর ধারা ৩(২)-এ "act" (যা আইনি প্রসঙ্গে "Act" শব্দের সংজ্ঞা হিসেবে ব্যবহৃত হয়) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে যে, অপরাধ বা সিভিল রং-এর সাথে সম্পর্কিত "act" বলতে একাধিক কাজের সিরিজ অন্তর্ভুক্ত, এবং কাজের উল্লেখে অবৈধ বাদ (illegal omissions) কেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই সংজ্ঞা আইনের ব্যাখ্যায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

অর্থাৎ "Act" শব্দের সংজ্ঞা ধারা ৩ (২)-এ দেওয়া হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) ধারা ৩ (২)।
-------- 
⇒ The General Clauses Act, 1897 Section 3- Definitions:
(2) "act", used with reference to an offence or a civil wrong, shall include a series of acts, and words which refer to acts done extend also to illegal omissions:

৩৫.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী ফৌজদারী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালতে ______ বিচার লাভের অধিকারী হবেন।
  1. দ্রুত
  2. প্রকাশ্য
  3. দ্রুত ও প্রকাশ্য
  4. দ্রুত আইনানুযায়ী
সঠিক উত্তর:
দ্রুত ও প্রকাশ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রুত ও প্রকাশ্য
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদের বিধান বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ:
-(১) অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না।

- (২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাইবে না। 
- (৩) ফৌজদারী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন। 
- (৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না। 
- (৫) কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না। 
- (৬) প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না।
-------------
Article 35. Protection in respect of trial and punishment:
(1) No person shall be convicted of any offence except for violation of a law in force at the time of the commission of the act charged as an offence, nor be subjected to a penalty greater than, or different from, that which might have been inflicted under the law in force at the time of the commission of the offence. 
(2) No person shall be prosecuted and punished for the same offence more than once. 
(3) Every person accused of a criminal offence shall have the right to a speedy and public trial by an independent and impartial Court or tribunal established by law. 
(4) No person accused of any offence shall be compelled to be a witness against himself. 
(5) No person shall be subjected to torture or to cruel, inhuman, or degrading punishment or treatment. 
(6) Nothing in clause (3) or clause (5) shall affect the operation of any existing law which prescribes any punishment or procedure for trial.
৩৬.
সংসদের বৈঠক চলাকালে কোরাম কত জনের কম হলে বৈঠক স্থগিত বা মুলতবী করা যাবে?
  1. ৬০ জন
  2. ৭০ জন
  3. ৮০ জন
  4. ৯০ জন
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের বিধান: কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:
(১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(ক) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা এবং অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রিত হইবে;

(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিবেন;

(গ) সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য রহিয়াছে, কেবল এই কারণে কিংবা সংসদে উপস্থিত হইবার বা ভোটদানের বা অন্য কোন উপায়ে কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন, কেবল এই কারণে সংসদের কোন কার্যধারা অবৈধ হইবে না।

(২) সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্থিত সদস্য-সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।
৩৭.
কোনটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান?
  1. আইন কমিশন
  2. দুর্নীতি দমন কমিশন
  3. নির্বাচন কমিশন
  4. জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন কমিশন
ব্যাখ্যা
সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান:
⇨ যেসব প্রতিষ্ঠান সংবিধানের সুস্পষ্ট বিধি মোতাবেক প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।

এরূপ চারটি প্রতিষ্ঠান হল -
- বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ( অনুচ্ছেদ ১১৮);
- বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন;
- মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়;
- জাতীয় সংসদ;
- এটর্নি জেনারেলের কার্যালয় প্রভৃতি।
৩৮.
বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হবে বাঙালী জাতির -
  1. সংহতি ও বিপ্লব
  2. ঐক্য ও সংহতি
  3. ঐক্য ও সংকল্প
  4. সংহতি ও সংকল্প
সঠিক উত্তর:
ঐক্য ও সংহতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঐক্য ও সংহতি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯: জাতীয়তাবাদ

ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করিয়া জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করিয়াছেন, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হইবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।

Article 9: Nationalism
The unity and solidarity of the Bangalee nation, which, deriving its identity from its language and culture, attained sovereign and independent Bangladesh through a united and determined struggle in the war of independence, shall be the basis of Bangalee nationalism.
৩৯.
সুপ্রীম কোর্টের বিচারকদের পদের মেয়াদ কত বৎসর বয়স পর্যন্ত?
  1. ৬৫ বৎসর
  2. ৬৬ বৎসর
  3. ৬৭ বৎসর
  4. নির্দিষ্ট কোন বয়স সীমা নেই
সঠিক উত্তর:
৬৭ বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭ বৎসর
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের বিধান: বিচারকদের পদের মেয়াদ:

(১) এই অনুচ্ছেদের অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে কোন বিচারক সাতষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

(২) প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোন বিচারককে অপসারিত করা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন প্রস্তাব সম্পর্কিত পদ্ধতি এবং কোন বিচারকের অসদাচরণ বা অসামর্থ্য সম্পর্কে তদন্ত ও প্রমাণের পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবেন।

(৪) কোন বিচারক রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।
--------------
⇒ Article 96. Tenure of office of Judges:
(1) Subject to the other provisions of this article, a Judge shall hold office until he attains the age of sixty-seven years. 

(2) A Judge shall not be removed from his office except by an order of the President passed pursuant to a resolution of Parliament supported by a majority of not less than two-thirds of the total number of members of Parliament, on the ground of proved misbehaviour or incapacity. 
(3) Parliament may by law regulate the procedure in relation to a resolution under clause (2) and for investigation and proof of the misbehaviour or incapacity of a Judge. 
(4) A Judge may resign his office by writing under his hand addressed to the President.
৪০.
সরকারী কর্ম কমিশন কার নিকট বার্ষিক রিপোর্ট পেশ করবেন?
  1. সরকারের
  2. রাষ্ট্রপতির
  3. প্রধানমন্ত্রীর
  4. সংসদের
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪১ এর বিধান বার্ষিক রিপোর্ট:
(১) প্রত্যেক কমিশন প্রতি বৎসর মার্চ মাসের প্রথম দিবসে বা তাহার পূর্বে পূর্ববর্তী একত্রিশে ডিসেম্বরে সমাপ্ত এক বৎসরে স্বীয় কার্যাবলী সম্বন্ধে রিপোর্ট প্রস্তুত করিবেন এবং তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবেন। 
 
(২) রিপোর্টের সহিত একটি স্মারকলিপি থাকিবে, যাহাতে 
(ক) কোন ক্ষেত্রে কমিশনের কোন পরামর্শ গৃহীত না হইয়া থাকিলে সেই ক্ষেত্র এবং পরামর্শ গৃহীত না হইবার কারণ; এবং 
(খ) যে সকল ক্ষেত্রে কমিশনের সহিত পরামর্শ করা উচিত ছিল অথচ পরামর্শ করা হয় নাই, সেই সকল ক্ষেত্র এবং পরামর্শ না করিবার কারণ;  সম্বন্ধে কমিশন যতদূর অবগত, ততদূর লিপিবদ্ধ করিবেন। 
 
(৩) যে বৎসর রিপোর্ট পেশ করা হইয়াছে, সেই বৎসর একত্রিশে মার্চের পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে রাষ্ট্রপতি উক্ত রিপোর্ট ও স্মারকলিপি সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করিবেন।

অর্থাৎ সংবিধানের নবম ভাগের ২য় পরিচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারী কর্ম কমিশন ঘটিত হয়।
- যারা সংবিধানের ১৪১ অনুচ্ছেদের বিধান মতে রাষ্ট্রপতির নিকট বার্ষিক রিপোর্ট পেশ করিবেন।
৪১.
জরুরী-অবস্থা ঘোষণার বৈধতার জন্য কার প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. সংসদের স্পিকার
  4. সেনাবাহিনীর প্রধান
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪১ক- জরুরী-অবস্থা ঘোষণা:
(১) রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরী-অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি অনধিক একশত কুড়ি দিনের জন্য জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবে: 
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হইবে।

(২) জরুরী-অবস্থার ঘোষণা-
(ক) পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা প্রত্যাহার করা যাইবে; 
(খ) সংসদে উপস্থাপিত হইবে; 
(গ) একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে কার্যকর থাকিবে না: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অনুরূপ কোন ঘোষণা জারী করা হয় কিংবা এই দফার (গ) উপ-দফায় বর্ণিত এক শত কুড়ি দিনের মধ্যে সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়, তাহা হইলে তাহা পুনর্গঠিত হইবার পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইবার পূর্বে ঘোষণাটি অনুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত ত্রিশ দিনের অবসানে অথবা একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে, যাহা আগে ঘটে, অনুরূপ ঘোষণা কার্যকর থাকিবে না।
 
(৩) যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের বিপদ আসন্ন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে প্রকৃত যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ সংঘটিত হইবার পূর্বে তিনি অনুরূপ যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের জন্য বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বিপন্ন বলিয়া জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।
৪২.
The Maxim 'Ignorantia juris non excusat' means-
  1. Ignorance of the law is a excuse
  2. Ignorance of the law is no excuse
  3. Ignorance of fact is an excuse
  4. Ignorance of fact is no excuse
সঠিক উত্তর:
Ignorance of the law is no excuse
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ignorance of the law is no excuse
ব্যাখ্যা
Ignorantia juris non excusat: "ignorance of the law is no excuse." 
অর্থ: আইন জানলে না, তা অপরাধীকে শাস্তি থেকে রক্ষা করতে পারে না।

ব্যাখ্যা: আইনগত ভুল (Mistake of Law) মানে হল যে কোনো ব্যক্তি আইন সম্পর্কিত ভুল ধারণা বা ভুল জানার কারণে অপরাধ করেছে। তবে এটি কোন অজুহাত হিসেবে গণ্য হবে না। আইন জানার ভুল বা অজ্ঞতা অপরাধের দায় থেকে মুক্তি দেয় না।

উদাহরণ: যদি কেউ আইন জানে না বা ভুলভাবে ধারণা করে এবং সেই অনুযায়ী কোনো অপরাধ করে, তাকে আইন অনুযায়ী শাস্তি দিতে হবে। যেমন, যদি কেউ মাদক গ্রহণের বিষয়ে আইন জানে না এবং সে তা গ্রহণ করে, তবে তার অজ্ঞতা দোষমুক্তির কারণ হবে না।
৪৩.
নির্ণায়ক ভোট (Casting Vote) সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. অনুচ্ছেদ ৭৫
  2. অনুচ্ছেদ  ৭৬
  3. অনুচ্ছেদ ৭৪
  4. অনুচ্ছেদ  ৭৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭৫
ব্যাখ্যা
⇒ অনুচ্ছেদ ৭৫:- কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:
(১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করবেন না কিন্তু সমসংখ্যক ভোট হলে তিনি নির্ণায়ক ভোট (Casting Vote) প্রদান করবেন।
অন্যদিকে, 
• অনুচ্ছেদ  ৭৬:- সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।
• অনুচ্ছেদ ৭৭ : ন্যায়পাল।
• অনুচ্ছেদ  ৭৮ : সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।   

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের বিধান: কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:
 (১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(ক) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা এবং অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রিত হইবে;
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিবেন;
(গ) সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য রহিয়াছে, কেবল এই কারণে কিংবা সংসদে উপস্থিত হইবার বা ভোটদানের বা অন্য কোন উপায়ে কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন, কেবল এই কারণে সংসদের কোন কার্যধারা অবৈধ হইবে না।
(২) সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্থিত সদস্য-সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।
------------
⇒ Article 75 Rules of procedure, quorum, etc-:
 (1) Subject to this Constitution – 
(a) the procedure of Parliament shall be regulated by rules of procedure made by it, and until such rules are made shall be regulated by rules of procedure made by the President; 
(b) a decision in Parliament shall be taken by a majority of the votes of the members present and voting, but the person presiding shall not vote except when there is an equality of votes, in which case he shall exercise a casting vote;

(c) no proceeding in Parliament shall be invalid by reason only that there is a vacancy in the membership thereof or that a person who was not entitled to do so was present at, or voted or otherwise participated in, the proceeding.

(2) If at any time during which Parliament is in session the attention of the person presiding is drawn to the fact that the number of members present is less than sixty, he shall either suspend the meeting until at least sixty members are present, or adjourn it.
৪৪.
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হওয়া নিয়ে যদি কোনো বিতর্ক দেখা দেয়, তবে তা নিষ্পত্তির জন্য কার নিকট প্রেরিত হবে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. স্পিকার
  3. নির্বাচন কমিশন
  4. সুপ্রিম কোর্ট
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন কমিশন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা:

(৪) কোন সংসদ-সদস্য তাঁহার নির্বাচনের পর এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত অযোগ্যতার অধীন হইয়াছেন কি না কিংবা এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে কি না, সে সম্পর্কে কোন বিতর্ক দেখা দিলে শুনানী ও নিষ্পত্তির জন্য প্রশ্নটি নির্বাচন কমিশনের নিকট প্রেরিত হইবে এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।

(৫) এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার বিধানাবলী যাহাতে পূর্ণ কার্যকরতা লাভ করিতে পারে, সেই উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতাদানের জন্য সংসদ যেরূপ প্রয়োজন বোধ করিবেন, আইনের দ্বারা সেইরূপ বিধান করিতে পারিবেন।

৪৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা বর্ণিত আছে? 
  1. অনুচ্ছেদ ৮০ 
  2. অনুচ্ছেদ ৯৬
  3. অনুচ্ছেদ ৯২
  4. অনুচ্ছেদ ৯৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৩
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ (অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা) শিরোনামেই স্পষ্টভাবে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা বর্ণিত আছে। এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদটি রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারি করার ক্ষমতা (Ordinance-making power), এর শর্তাবলী, সীমাবদ্ধতা এবং সংসদে উপস্থাপনের প্রক্রিয়া বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করে।

- সুতরাং, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা বর্ণিত আছে অনুচ্ছেদ ৯৩-এ।

৪৬.
Doctrine of 'ejusdena generis' নীতির আলোকে আইনের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে-
  1. আইনের সাধারণ শব্দ নির্দিষ্ট শব্দকে অনুসরণ করে
  2. আইনের নির্দিষ্ট শব্দ সাধারণ শব্দকে অনুসরণ করে
  3. আইনের সাদৃশ্য শব্দসমূহ সাধারণ শব্দকে অনুসরণ করে
  4. আইনের সাদৃশ্য শব্দসমূহ নির্দিষ্ট শব্দকে অনুসরণ করে
সঠিক উত্তর:
আইনের সাধারণ শব্দ নির্দিষ্ট শব্দকে অনুসরণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের সাধারণ শব্দ নির্দিষ্ট শব্দকে অনুসরণ করে
ব্যাখ্যা
Doctrine of 'ejusdem generis' নীতি:
-'Ejupdem Generis' শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো- 'একই প্রকার ও প্রকৃতির।

- এই নীতিতে
(ⅰ) আইনে কিছু নির্দিষ্ট শব্দ থাকবে এবং কিছু সাধারণ শব্দ থাকবে।
(ii) যখন কোনো আইনে সাধারণ শব্দসমূহ নির্দিষ্ট শব্দসমূহকে অনুসরণ করে,
- তখন সাধারণ শব্দসমূহকে নির্দিষ্ট শব্দসমূহের আলোকে ব্যাখ্যা করতে হবে।
----------
Ejusdem generis (ee-joose-dem gen-ris) is a Latin phrase that means “of the same kind.” The statutory and constitutional construction principle of “ejusdem generis” states that where general words or phrases follow a number of specific words or phrases, the general words are specifically construed as limited and apply only to persons or things of the same kind or class as those expressly mentioned.
৪৭.
“Nemo est supra leges” নীতিটি বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ২২ অনুচ্ছেদে
  2. ২৭ অনুচ্ছেদে
  3. ৩৭ অনুচ্ছেদে
  4. ৩৩ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
২৭ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

⇒ "Nemo est supra leges" লাতিন বাক্যাংশটির অর্থ "কেহই আইনের ঊর্ধ্বে নয়"। এই নীতিটি বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭-এ স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে, যা "আইনের দৃষ্টিতে সমতা" প্রতিষ্ঠা করে।
 - সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী। 
- বাংলাদেশ সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে বর্ণিত এই নীতিটি এটাই প্রমাণ করে যে, কোন ব্যক্তি আইনের ঊর্ধ্বে নয়। 'No man is above the law.'
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদের বিধান: আইনের দৃষ্টিতে সমতা:- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
---------------
⇒ The Constitution of Bangladesh, Article 27. Equality before law:
 All citizens are equal before law and are entitled to equal protection of law.

৪৮.
সংসদ গঠনের জন্য কতজন সদস্য প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন?
  1. ২৫০
  2. ২৭৫
  3. ৩০০
  4. ৩৫০
সঠিক উত্তর:
৩০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
৬৫(১) - জাতীয় সংসদ গঠনের ও আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
৬৫(২) - ৩০০ সদস্য প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হবেন একক আঞ্চলিক এলাকাসমূহ থেকে।
৬৫(৩) - পঞ্চাশটি মহিলা আসন সংরক্ষণের বিধান।
৬৫(৩ক) - পঞ্চদশ সংশোধন অনুযায়ী তৎকালীন সংসদের জন্য সংরক্ষিত মহিলা আসনের অন্তর্ভুক্তি।
৬৫(৪) - সংসদের আসন রাজধানীতে থাকবে।

সংবিধনের ৬৫ অনুচ্ছেদ- সংসদ-প্রতিষ্ঠা:
(১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।

(২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।

 (৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।

(৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।

(৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।
৪৯.
কোন ___________ কর্তৃক প্রদত্ত যে কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে?
  1. আদালত অথবা ট্রাইব্যুনাল
  2. আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ
  3. আদালত ও ট্রাইব্যুনাল
  4. আদালত বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ
সঠিক উত্তর:
আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের বিধান: ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার:
- কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে−কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে।
----------------
⇒ Article 49. Prerogative of mercy:
The President shall have power to grant pardons, reprieves and respites and to remit, suspend or commute any sentence passed by any court, tribunal or other authority. 
৫০.
The General Clauses Act, 1897-এর ধারা ২২ অনুযায়ী, গৃহীত আইন কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত প্রণীত বিধি বা আদেশ কখন কার্যকর হবে?
  1. সংসদ অনুমোদনের পর
  2. প্রণয়নের সাথে সাথে
  3. যখন আইন কার্যকর হয়
  4. রাষ্ট্রপতির অনুমতির পরে
সঠিক উত্তর:
যখন আইন কার্যকর হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন আইন কার্যকর হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ২২- আইন গৃহীত ও কার্যকর হইবার মধ্যবর্তী সময়ে বিধি বা উপ-আইন প্রণয়ন এবং আদেশ জারী:
যে ক্ষেত্রে, গৃহীত হইবার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয় না এইরূপ সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা, উক্ত আইন বা প্রবিধি প্রয়োগ সম্পর্কে, বা তদধীন কোন আদালত বা দপ্তর প্রতিষ্ঠা, বা কোন বিচারক বা কর্মকর্তার নিয়োগ সম্পর্কে করণীয় বিষয়ে বিধি বা উপ- আইন প্রণয়ন, বা আদেশ জারী করিবার ক্ষমতা প্রদান করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উল্লিখিত ক্ষমতা উক্ত আইন বা প্রবিধি গৃহীত হইবার পরবর্তীতে যে কোন সময়ে প্রয়োগ করা যাইবে; কিন্তু উক্তরূপে প্রণীত বা জারীকৃত বিধি, উপ-আইন বা আদেশ, উক্ত আইন বা প্রবিধি প্রবর্তন হইবার পূর্ব পর্যন্ত কার্যকর হইবে না।
৫১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সংবিধানকে প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫
  2. অনুচ্ছেদ ৬
  3. অনুচ্ছেদ ৭
  4. অনুচ্ছেদ ৭ক
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭-এ স্পষ্টভাবে ঘোষণা করা হয়েছে যে, এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তি। এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় বলা হয়েছে যে, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ, এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে। (২) দফায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন, এবং অন্য কোনো আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তবে সেই আইনের অসামঞ্জস্যপূর্ণ অংশ বাতিল হবে।

অর্থাৎ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭-এ স্পষ্টভাবে সংবিধানকে প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) অনুচ্ছেদ ৭।

৫২.
According to Section 2(19) of The General Clauses Act, 1897, a financial year begins on which date?
  1. 1st January
  2. 1st June
  3. 1st July
  4. 30th June
সঠিক উত্তর:
1st July
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1st July
ব্যাখ্যা

The General Clauses Act, 1897 এর ৩(১৯) ধারার বিধান- অর্থ-বছর (financial year): 
জুলাই মাসের ১ম দিবসে আরম্ভ এবং জুন মাসের ৩০ তম দিবসে সমাপ্ত বছরকে বুঝাবে।

Section 3(19)-
"financial year" shall mean the year commencing on the first day of July and ending on the 30th day of June.

৫৩.
রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষে শূন্য পদ পূরণের নির্বাচন কখন হবে?
  1. যখনই সরকার সিদ্ধান্ত নেবে
  2. মেয়াদ শেষের ৩০-৬০ দিন আগে
  3. মেয়াদ শেষের ৬০-৯০ দিন আগে
  4. মেয়াদ শেষের ১২০ দিন পরে
সঠিক উত্তর:
মেয়াদ শেষের ৬০-৯০ দিন আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেয়াদ শেষের ৬০-৯০ দিন আগে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) মেয়াদ শেষের ৬০-৯০ দিন আগে।
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ধারা ১২৩ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন পরিচালনার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ধারা ১২৩(১) অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে পদটি শূন্য হলে, মেয়াদ-সমাপ্তির তারিখের পূর্ববর্তী ৯০ দিন থেকে ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে হবে।
- অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে-আগেই নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে যেন নতুন রাষ্ট্রপতি নির্ধারিত সময়েই দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেন।

উদাহরণ:
যদি রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষ হয় ৩০শে জুন, তাহলে ১লা এপ্রিল থেকে ১লা মে এর মধ্যে নির্বাচন হতে হবে।
৫৪.
রাষ্ট্রপতির নিকট বিল পেশের পর, তিনি কত দিনের মধ্যে সম্মতিদান করবেন অথবা পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করবেন?
  1. ৫ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ২০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ সংবিধানের ৮০(৩) ধারা অনুসারে, রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করার পর, তিনি ১৫ দিনের মধ্যে বিলটির জন্য সম্মতিদান করবেন বা পুনর্বিবেচনার জন্য বিশেষ কোনো সংশোধনী বা বার্তা সহ সংসদে ফেরত পাঠাবেন।
- তবে, অর্থবিলের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়, অর্থবিল রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য পেশের পর উল্লিখিত ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতিদান করতে হবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮০: আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি:
(১) আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হইবে।
(২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিতে হইবে।
(৩) রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করিবার পর পনর দিনের মধ্যে তিনি তাহাতে সম্মতিদান করিবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তাহার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
(৪) রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহা হইলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তাহা পুনর্বিবেচনা করিবেন; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করিলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
(৫) সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইলে তাহা আইনে পরিণত হইবে এবং সংসদের আইন বলিয়া অভিহিত হইবে।
৫৫.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৮(৪) এর বিষয়বস্তু কি?
  1. সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার
  2. সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত
  3. সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা
  4. নাগরিকদের অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন
সঠিক উত্তর:
নাগরিকদের অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাগরিকদের অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ২৮: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য

(১) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না। 
(২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।
(৩) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাইবে না। 
(৪) নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।

Article 28: Discrimination on grounds of religion, etc.

(1) The State shall not discriminate against any citizen on grounds only of religion, race, caste, sex or place of birth. 
(2) Women shall have equal rights with men in all spheres of the State and of public life. 
(3) No citizen shall, on grounds only of religion, race, caste, sex or place of birth be subjected to any disability, liability, restriction or condition with regard to access to any place of public entertainment or resort, or admission to any educational institution. 
(4) Nothing in this article shall prevent the State from making special provision in favour of women or children or for the advancement of any backward section of citizens.
৫৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৩ এর বিষয়বস্তু কী?
  1. চুক্তি ও দলিল
  2. জরুরী-অবস্থা ঘোষণা
  3. প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি
  4. আন্তর্জাতিক চুক্তি
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি:
(১) আইনসঙ্গতভাবে প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত যে কোন ভূমি বা সস্পত্তি ব্যতীত নিম্নলিখিত প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হইবে:
(ক) বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী;
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; এবং
(গ) বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি।

(২) সংসদ সময়ে সময়ে আইনের দ্বারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমা ও মহীসোপানের সীমা-নির্ধারণের বিধান করিতে পারিবেন।

Article 143: Property of the Republic:
(1) There shall vest in the Republic, in addition to any other land or property lawfully vested –
(a) all minerals and other things of value underlying any land of Bangladesh;
(b) all lands, minerals and other things of value underlying the ocean within the territorial waters, or the ocean over the continental shelf, of Bangladesh; and
(c) any property located in Bangladesh that has no rightful owner.

(2) Parliament may from time to time by law provide for the determination of the boundaries of the territory of Bangladesh and of the territorial waters and the continental shelf of Bangladesh.
৫৭.
প্রধানমন্ত্রী কার নিকট পদত্যাগপত্র প্রদান করে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে পারেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. স্পীকার
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. সংসদের
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৭ অনুচ্ছেদের বিধান: প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ:
(১) প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হইবে, যদি- 
(ক) তিনি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট পদত্যাগপত্র প্রদান করেন; অথবা 
(খ) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন।

(২) সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারাইলে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করিবেন কিংবা সংসদ ভাংগিয়া দিবার জন্য লিখিতভাবে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শদান করিবেন এবং তিনি অনুরূপ পরামর্শদান করিলে রাষ্ট্রপতি, অন্য কোন সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন নহেন এই মর্মে সন্তুষ্ট হইলে, সংসদ ভাংগিয়া দিবেন।
 
(৩) প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকে স্বীয় পদে বহাল থাকিতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই অযোগ্য করিবে না।
---------------
⇒ Article 57. Tenure of office of Prime Minister:
(1) The office of the Prime Minister shall become vacant– 
(a) if he resigns from office at any time by placing his resignation in the hands of the President; or 
(b) if he ceases to be a member of Parliament. 
 
(2) If the Prime Minister ceases to retain the support of a majority of the members of Parliament, he shall either resign his office or advise the President in writing to dissolve Parliament, and if he so advises the President shall, if he is satisfied that no other member of Parliament commands the support of the majority of the members of Parliament, dissolve Parliament accordingly. 
 
(3) Nothing in this article shall disqualify Prime Minister for holding office until his successor has entered upon office.
৫৮.
The General Clauses Act,1897 এর কোন ধারা অনুসারে, বাতিলকৃত আইনে ব্যবহৃত 'Reference' পুনঃ প্রবর্তিত আইন ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে 'Reference' হিসেবে ব্যবহার করা যাবে?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ৭
  4. ধারা ১০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮
ব্যাখ্যা
• বিধিবদ্ধ আইন ব্যাখ্যার সাধারণ নিয়ম হ'ল যখন কোন একটি আইন বাতিল করা হয়, তখন ধরে নিতে হয় যে ঐ আইনটির কখনও অস্তিত্ব ছিল না। ৮ ধারানুসারে, ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হলে বাতিলকৃত আইনে ব্যবহৃত 'Reference' পুনঃপ্রবর্তিত (Re-enacted) আইন ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে 'Reference' হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। পুনঃপ্রবর্তিত আইনের প্রকৃত উদ্দেশ্য বের করার জন্যই অনুরূপভাবে ব্যাখ্যার প্রয়োজন হয়।

প্রতিটি আইনের স্বকীয়তা থাকলেও আইন ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে উহারা স্বাধীন থাকে না। সংশ্লিষ্ট আইনটি কোন না কোন ভাবে অন্য আইনের উপর নির্ভরশীল থাকে। এমনকি আইনটিতে বর্ণিত ধারা বা উপ-ধারাও একই আইনের অন্য কোন অংশের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। আইনে বর্ণিত সংশ্লিষ্ট ধারাটির প্রকৃত অর্থ উদ্ধার করতে হলে ঐ আইনটি সামগ্রিকভাবে বিবেচনায় এনে উহা ব্যাখ্যা করতে হয়।

ধারা ৮: রহিত আইনের ক্ষেত্রে বরাতের ব্যাখ্যা

১) যে ক্ষেত্রে এই আইন, বা এই আইন প্রবর্তনের পরবর্তীতে প্রণীত সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি, পূর্ববর্তী কোন আইনের বিধান পরিবর্তনসহ বা ব্যতীত, রহিত বা পুনঃ প্রবর্তন করে, সেইক্ষেত্রে ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হইলে, অন্য কোন আইন বা দলিলে উক্তরূপে রহিত বিধানের বরাত, পুনঃ প্রবর্তিত বিধানের বরাত হিসাবে ব্যাখ্যাত হইবে।

 Section 8: Construction of references to repealed enactments
(1)Where this Act, or any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, repeals and re-enacts, with or without modification, any provision of a former enactment. then. references in any other enactment or in any instrument to the provision so repealed shall, unless a different intention appears, be construed as references to the provision so re-enacted.
৫৯.
প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে সংসদের _______সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোন বিচারককে অপসারিত করা যাইবে না।
  1. মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা
  2. উপস্থিত মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা
  3. কোরামের সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা
  4. উল্লেখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের বিধান: বিচারকদের পদের মেয়াদ:

(১) এই অনুচ্ছেদের অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে কোন বিচারক সাতষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

(২) প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোন বিচারককে অপসারিত করা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন প্রস্তাব সম্পর্কিত পদ্ধতি এবং কোন বিচারকের অসদাচরণ বা অসামর্থ্য সম্পর্কে তদন্ত ও প্রমাণের পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবেন।

(৪) কোন বিচারক রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।
--------------
⇒ Article 96. Tenure of office of Judges:
(1) Subject to the other provisions of this article, a Judge shall hold office until he attains the age of sixty-seven years. 

(2) A Judge shall not be removed from his office except by an order of the President passed pursuant to a resolution of Parliament supported by a majority of not less than two-thirds of the total number of members of Parliament, on the ground of proved misbehaviour or incapacity. 
(3) Parliament may by law regulate the procedure in relation to a resolution under clause (2) and for investigation and proof of the misbehaviour or incapacity of a Judge. 
(4) A Judge may resign his office by writing under his hand addressed to the President.
৬০.
সংসদ সদস্য শপথ না নিলে কত দিনের মধ্যে তাঁর আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
 অনুচ্ছেদ ৬৭- সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:
(১) কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে, যদি
(ক) তাঁহার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হন:
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তাহা বর্ধিত করিতে পারিবেন;
(খ) সংসদের অনুমতি না লইয়া তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন;
(গ) সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়;
(ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হইয়া যান; অথবা
(ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।

(২) কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন, এবং স্পীকার- কিংবা স্পীকারের পদ শূন্য থাকিলে বা অন্য কোন কারণে স্পীকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ডেপুটি স্পীকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হইতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হইবে।
৬১.
কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদেরকে নিয়োগ করেন?
  1. ৪৮ (৩)
  2. ৫৬ (৩)
  3. ৫৫ (৩)
  4. ৫৬ (২)
সঠিক উত্তর:
৫৬ (২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬ (২)
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির নির্বাহী ক্ষমতা ও কার্যাবলি: 

- বাংলাদেশ সরকারের সকল নির্বাহী কার্যক্রম রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হবে। [অনুচ্ছেদ: ৫৫(৪)]
- তিনি সরকারি কার্যাদি বণ্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ বা নিয়ম-কানুন প্রণয়ন করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৫৫(৬)]
- রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদেরকে নিয়োগ করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৫৬ (২)]
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন ব্যক্তিকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৫৬(৩)]
- সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে তিনি সামরিক কর্মকর্তাদেরকে নিয়োগ করবেন এবং প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহ পরিচালনা করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৬১]
- রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কের্টের প্রধান বিচারপতি, কর্ম-কমিশনের সভাপতি ও সদস্যবৃন্দ, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনার, বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল,মহা-হিসাবরক্ষক ও নিয়ন্ত্রক এবং বিদেশে রাষ্ট্রদূতদেরকে নিয়োগ করবেন।

অনুচ্ছেদ ৫৬: মন্ত্রিগণ

(১) একজন প্রধানমন্ত্রী থাকিবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকিবেন। 
(২) প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।
(৩) যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন। 
(৪) সংসদ ভাংগিয়া যাওয়া এবং সংসদ-সদস্যদের অব্যবহিত পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্যবর্তীকালে এই অনুচ্ছেদের (২) বা (৩) দফার অধীন নিয়োগ দানের প্রয়োজন দেখা দিলে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার অব্যবহিত পূর্বে যাঁহারা সংসদ-সদস্য ছিলেন, এই দফার উদ্দেশ্যসাধনকল্পে তাঁহারা সদস্যরূপে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।

Article 56: Ministers

(1) There shall be a Prime Minister, and such other Ministers, Ministers of State and Deputy Ministers as may be determined by the Prime Minister. 

(2) The appointments of the Prime Minister and other Ministers and of the Ministers of State and Deputy Ministers, shall be made by the President: 
Provided that not less than nine-tenths of their number shall be appointed from among members of Parliament and not more than one tenth of their number may be chosen from among persons qualified for election as members of Parliament. 
 
(3) The President shall appoint as Prime Minister the member of Parliament who appears to him to command the support of the majority of the members of Parliament. 
 
(4) If occasion arises for making any appointment under clause (2) or clause (3) between a dissolution of Parliament and the next following general election of members of Parliament, the persons who were such members immediately before the dissolution shall be regarded for the purpose of this clause as continuing to be such members.
৬২.
The term 'Adult Franchise' is related to-
  1. Human Rights
  2. Elections
  3. Fundamental Rights
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
Elections
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Elections
ব্যাখ্যা
• Adult franchise means that the right to vote should be given to all adult citizens without the discrimination of caste, class, colour, religion or sex. It is based on equality which is a basic principle of democracy. It demands that the right to vote should be equally available among all.

অর্থাৎ নির্ধারিত বয়স সাপেক্ষে সকল নাগরিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদের ভিত্তিতে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। বাংলাদেশ সংবিধানের ১২২ অনুচ্ছেদে এই নীতির কথা উল্লেখ আছে।

অনুচ্ছেদ ১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা


(১) প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

(২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি-

(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হইয়া থাকেন।

Article 122: Qualifications for registration as voter

(1) The elections to Parliament shall be on the basis of adult franchise. 

(2) A person shall be entitled to be enrolled on the electoral roll for a constituency delimited for the purpose of election to the Parliament, if he- 

(a) is a citizen of Bangladesh; 
(b) is not less than eighteen years of age; 
(c) does not stand declared by a competent court to be of unsound mind ; 
(d) is or is deemed by law to be a resident of that constituency ; and 
(e) has not been convicted of any offence under the Bangladesh Collaborators (Special Tribunals) Order, 1972.
৬৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতার কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১০১ 
  2. অনুচ্ছেদ ১১১
  3. অনুচ্ছেদ ১১২
  4. অনুচ্ছেদ ১১৩ 
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১১
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতার বিধান রয়েছে। এতে বলা হয়েছে যে, আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য এবং সুপ্রীম কোর্টের যেকোনো বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন অধস্তন সকল আদালতের জন্য অবশ্যপালনীয় হবে। এটি আইনের অভিন্নতা এবং বিচার ব্যবস্থার হায়ারার্কিকাল স্ট্রাকচার নিশ্চিত করে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদের বিধান: সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতা:
আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য এবং সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন অধস্তন সকল আদালতের জন্য অবশ্যপালনীয় হইবে।
---------
⇒ Article 111. Binding effect of Supreme Court judgments:
The law declared by the Appellate Division shall be binding on the High Court Division and the law declared by either division of the Supreme Court shall be binding on all courts subordinate to it.

৬৪.
বাংলাদেশ সংবিধান অনুসারে নির্বাচিত হওয়ার পর কতদিনের মধ্যে শপথ না নিলে সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হয়? 
  1. ৩০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৭(১)(ক) অনুযায়ী, কোনো সংসদ-সদস্য যদি তার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে শপথগ্রহণ না করেন, তাহলে তার আসন শূন্য হয়ে যায় (যদি না স্পীকার যথার্থ কারণে সময় বাড়ান)।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৭- সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:
(১) কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে, যদি
(ক) তাঁহার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হন:
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তাহা বর্ধিত করিতে পারিবেন;
(খ) সংসদের অনুমতি না লইয়া তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন;
(গ) সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়;
(ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হইয়া যান; অথবা
(ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।

(২) কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন, এবং স্পীকার- কিংবা স্পীকারের পদ শূন্য থাকিলে বা অন্য কোন কারণে স্পীকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ডেপুটি স্পীকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হইতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হইবে।

৬৫.
'নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপালনে সহায়তা করা সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হইবে।' বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদের বিধান?
  1. ১১৬
  2. ১২৬
  3. ১২৫
  4. ১২৩
সঠিক উত্তর:
১২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৬
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদের বিধান: নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান:  নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপালনে সহায়তা করা সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হইবে।
------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh -Article 126. Executive authorities to assist Election Commission:
 It shall be the duty of all executive authorities to assist the Election Commission in the discharge of its functions.  
৬৬.
সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য কয়টি সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাবে?
  1. একটি
  2. একাধিক
  3. এই সংক্রান্ত বিধান নেই
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
Article 137: Establishment of commissions
Provision shall be made by law for establishing one or more public service commissions for Bangladesh, each of which shall consist of a chairman and such other members as shall be prescribed by law.

অনুচ্ছেদ ১৩৭: কমিশন-প্রতিষ্ঠা
আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরুপ নির্ধারিত হবে, সেইরুপ অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হবে।

• সরকারী কর্ম কমিশন

প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদানের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিদিগকে মনোনয়নের উদ্দেশ্যে যাচাই ও পরীক্ষা-পরিচালনার জন্য সংবিধানে সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা হয়েছে। ১৩৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরুপ নির্ধারিত হবে, সেইরুপ অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হবে।

কর্ম কমিশনের সভাপতি এবং সদস্যরা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগকৃত হবে কিন্তু প্রত্যেক কমিশনের যতদূর সম্ভব অর্ধেক (তবে অর্ধেকের কম নাহে) সংখ্যক সদস্য এমন ব্যক্তিগণ হবে, যারা ২০ বৎসর বা ততোধিককাল বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে কোন সময়ে কার্যরত কোন সরকারের কর্মে কোন পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইন-সাপেক্ষে কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি ও অন্যান্য সদস্যের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরুপ নির্ধারণ করবে, সেইরুপ হবে।
৬৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণের কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৫
  2. অনুচ্ছেদ ৩৪
  3. অনুচ্ছেদ ৩৩
  4. অনুচ্ছেদ ৩২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৪
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৪-এ জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণের কথা বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, সকল প্রকার জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধ এবং যদি এই বিধান লঙ্ঘিত হয়, তবে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
- এটি মানবাধিকার সুরক্ষার উদ্দেশ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৪ জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ:
(১) সকল প্রকার জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধ; এবং এই বিধান কোনভাবে লঙ্ঘিত হইলে তাহা আইনতঃ দণ্ডনীয় অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে।
(২) এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই সেই সকল বাধ্যতামূলক শ্রমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যেখানে
(ক) ফৌজদারী অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তি আইনতঃ দণ্ডভোগ করিতেছেন; অথবা
(খ) জনগণের উদ্দেশ্যসাধনকল্পে আইনের দ্বারা তাহা আবশ্যক হইতেছে।
৬৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে মামলা রুজুর অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪২
  2. অনুচ্ছেদ ৪৩
  3. অনুচ্ছেদ ৪৪
  4. অনুচ্ছেদ ৪৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৪
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৪(১)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, তৃতীয় ভাগে প্রদত্ত মৌলিক অধিকারসমূহ বলবৎ করার জন্য সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে মামলা রুজু করার অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। এই বিধান নাগরিকদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে আইনি প্রতিকার পাওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করে। অনুচ্ছেদ ৪৪(২)-এ আরও বলা হয়েছে যে, সংসদ আইনের মাধ্যমে অন্য কোনো আদালতকে এই ক্ষমতা প্রদান করতে পারে, তবে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা অক্ষুণ্ণ থাকবে।

অর্থাৎ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৪-এ মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে মামলা রুজুর অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) অনুচ্ছেদ ৪৪।

৬৯.
কোন ধরণের রিট আবেদন শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি করতে পারেন?
  1. Writ of Habeas Corpus
  2. Writ of Quo Warranto
  3. Writ of Mandamus
  4. (ক) ও (খ) উভয়
সঠিক উত্তর:
Writ of Mandamus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Writ of Mandamus
ব্যাখ্যা
রিট [Writ]
আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ। এমন আদেশের মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে। রিট এর উৎপত্তি হলো ব্রিটিশ আইন ব্যবস্থায়। প্রাথমিকভাবে রিট মূলত রাজকীয় অধিকার [prerogrative writ or royal writ] নামে পরিচিত ছিল কারণ একমাত্র রাজা বা রাণী রিট জারি করার অধিকারী ছিল। 

রিটের প্রকারভেদ: সংবিধানে ৫ প্রকার রিট উল্লেখ করা হয়েছে-

১০২ এর ২(ক) তে ৩টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (ক) (অ) প্রতিষেধক বা নিষেধাজ্ঞামূলক রিট [Writ of Prohibition];
• ১০২(২) (ক) (অ) পরমাদেশ বা হুকুম জারী রিট [Writ of Mandamus];
• ১০২(২) (ক) (আ) উৎপ্রেষণ রীট [Writ of Certiorari]।

১০২ এর ২(খ) তে ২টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (খ) (অ) বন্দী হাজির রিট [Writ of Habeas Corpus] এবং
• ১০২(২) (খ) (আ) কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]।
৭০.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ধারা ২১ কোন আইনি নীতির প্রতিফলন ঘটায়? 
  1. Doctrine of Estoppel
  2. Doctrine of Ultra Vires
  3. Doctrine of Locus Poenitentiae
  4. All prior acts become invalid
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Locus Poenitentiae
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Locus Poenitentiae
ব্যাখ্যা

⇒ The General Clauses Act, 1897-এর ধারা ২১-এ Doctrine of Locus Poenitentiae বা পেনিটেনশিয়ার স্থান আলোচিত হয়েছে, যার অর্থ হল, কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা বা বাতিল করা।

⇒The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
-যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
-------
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws:
-Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.

৭১.
Which Article of The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh has the provision 'The seat of Parliament shall be in the capital.'?
  1. Article 65(4)
  2. Article 65(3A)
  3. Article 65(3)
  4. Article 67
সঠিক উত্তর:
Article 65(4)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Article 65(4)
ব্যাখ্যা
⇒ Article 65. Establishment of Parliament:
 (1) There shall be a Parliament for Bangladesh (to be known as the House of the Nation) in which, subject to the provisions of this Constitution, shall be vested the legislative powers of the Republic: 
 
Provided that nothing in this clause shall prevent Parliament from delegating to any person or authority, by Act of Parliament, power to make orders, rules, regulations, bye laws or other instruments having legislative effect. 
 
(2) Parliament shall consist of three hundred members to be elected in accordance with law from single territorial constituencies by direct election and, for so long as clause (3) is effective, the members provided for in that clause; the members shall be designated as Members of Parliament. 

(3) Until the dissolution of Parliament occurring next after the expiration of the period of twenty five years beginning from the date of the first meeting of the Parliament next after the Parliament in existence at the time of the commencement of the Constitution (Seventeenth Amendment) Act, 2018, there shall be reserved fifty seats exclusively for women members and they will be elected by the aforesaid members in accordance with law on the basis of procedure of proportional representation in the Parliament through single transferable vote : 
Provided that nothing in this clause shall be deemed to prevent a woman from being elected to any of the seats provided for in clause (2) of this article.

(3A) For the remaining period of the Parliament in existence at the time of the commencement of the Constitution (Fifteenth Amendment) Act, 2011, Parliament shall consist of three hundred members elected by direct election provided for in clause (2) and fifty women members provided for in clause (3).

(4) The seat of Parliament shall be in the capital.
৭২.
According to Article 112, which authorities must assist the Supreme Court?
  1. Only the judicial branch
  2. Only the executive branch
  3. Both executive and legislative branch
  4. Both executive and judicial authorities
সঠিক উত্তর:
Both executive and judicial authorities
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Both executive and judicial authorities
ব্যাখ্যা
Article 112- Action in aid of Supreme Court:
All authorities, executive and judicial, in the Republic shall act in aid of the Supreme Court.

সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা:
প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত সকল নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা করিবেন।
৭৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ যোগাযোগের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার নিশ্চিত করেছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪১
  2. অনুচ্ছেদ ৪২
  3. অনুচ্ছেদ ৪৩
  4. অনুচ্ছেদ ৪৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৩
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৪৩: গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ:
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, জনসাধারণের নৈতিকতা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা নিষেধ-সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের
(ক) প্রবেশ, তল্লাশী ও আটক হইতে স্বীয় গৃহে নিরাপত্তা লাভের অধিকার থাকিবে; এবং
(খ) চিঠিপত্রের ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার থাকিবে।

Article 43: Protection of home and correspondence
Every citizen shall have the right, subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, public order, public morality or public health –
(a) to be secured in his home against entry, search and seizure; and
(b) to the privacy of his correspondence and other means of communication.

৭৪.
'The Election Commission shall be independent in the exercise of its functions'.Which article of the Constitution contains the provision?
  1. Article 118 (2)
  2. Article 118 (1)
  3. Article 118 (3)
  4. Article 118 (4)
সঠিক উত্তর:
Article 118 (4)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Article 118 (4)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৮: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা

(১) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।

(২) একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া নির্বাচন কমিশন গঠিত হইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাহার সভাপতিরূপে কার্য করিবেন।

(৩) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরকাল হইবে এবং
(ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার-পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, এমন কোন ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না;
(খ) অন্য কোন নির্বাচন কমিশনার অনুরূপ পদে কর্মাবসানের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররূপে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন, তবে অন্য কোনভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।

(৪) নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন।

(৫) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, সুপ্রীম কোর্টের বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন নির্বাচন কমিশনার অপসারিত হইবেন না।

(৬) কোন নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

Article 118: Establishment of Election Commission

(1) There shall be an Election Commission for Bangladesh consisting of 67[the Chief Election Commissioner and not more than four Election Commissioners] and the appointment of the Chief Election Commissioner and other Election Commissioners (if any) shall, subject to the provisions of any law made in that behalf, be made by the President. 
 
(2) When the Election Commission consists of more than one person, the Chief Election Commissioner shall act as the chairman thereof. 

(3) Subject to the provisions of this Constitution the term of office of an Election Commissioner shall be five years from the date on which he enters upon his office, and – 
(a) a person who has held office as Chief Election Commissioner shall not be eligible for appointment in the service of the Republic; 
(b) any other Election Commissioner shall, on ceasing to hold office as such, be eligible for appointment as Chief Election Commissioner but shall not be otherwise eligible for appointment in the service of the Republic. 
 
(4) The Election Commission shall be independent in the exercise of its functions and subject only to this Constitution and any other law. 

(5) Subject to the provisions of any law made by Parliament, the conditions of service of Election Commissioners shall be such as the President may, by order, determine: 
Provided that an Election Commissioner shall not be removed from his office except in like manner and on the like grounds as a Judge of the Supreme Court. 

(6) An Election Commissioner may resign his office by writing under his hand addressed to the President.
৭৫.
সংসদ মৌলিক অধিকার বলবৎ করার ক্ষমতা অন্য আদালতকে দিতে পারে-
  1. রাষ্ট্রপতির নির্দেশে
  2. সুপ্রীম কোর্টের অনুমোদনে
  3. আইন প্রণয়নের মাধ্যমে
  4. প্রধান বিচারপতির পরামর্শে
সঠিক উত্তর:
আইন প্রণয়নের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন প্রণয়নের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
উত্তর: আইন প্রণয়নের মাধ্যমে।

অনুচ্ছেদ ৪৪: মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ
(১) এই ভাগে প্রদত্ত অধিকারসমূহ বলবৎ করিবার জন্য এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা রুজু করিবার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হইল। 

(২) এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার হানি না ঘটাইয়া সংসদ আইনের দ্বারা অন্য কোন আদালতকে তাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ঐ সকল বা উহার যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দান করিতে পারিবেন।

Article 44: Enforcement of fundamental rights
(1) The right to move the High Court Division in accordance with clause (1) of article 102, for the enforcement of the rights conferred by this Part is guaranteed. 

(2) Without prejudice to the powers of the High Court Division under article 102, Parliament may by law empower any other court, within the local limits of its jurisdiction, to exercise all or any of those powers.
৭৬.
এই সংবিধানকে "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান" বলিয়া উল্লেখ করা হইবে- সংবিধানের কোথায় বলা হয়েছে?
  1. প্রস্তাবনায়
  2. অনুচ্ছেদ ১৫২
  3. অনুচ্ছেদ ১৪৮
  4. অনুচ্ছেদ ১৫৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫৩
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৫৩: প্রবর্তন, উল্লেখ ও নির্ভরযোগ্য পাঠ

(১) এই সংবিধানকে "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান" বলিয়া উল্লেখ করা হইবে এবং ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর মাসের ১৬ তারিখে ইহা বলবৎ হইবে, যাহাকে এই সংবিধানে "সংবিধান-প্রবর্তন" বলিয়া অভিহিত করা হইয়াছে।

(২) বাংলায় এই সংবিধানের একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ ও ইংরাজীতে অনুদিত একটি নির্ভরযোগ্য অনুমোদিত পাঠ থাকিবে এবং উভয় পাঠ নির্ভরযোগ্য বলিয়া গণপরিষদের স্পীকার সার্টিফিকেট প্রদান করিবেন।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফা-অনুযায়ী সার্টিফিকেটযুক্ত কোন পাঠ এই সংবিধানের বিধানাবলীর চূড়ান্ত প্রমাণ বলিয়া গণ্য হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, বাংলা ও ইংরাজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।

Article 153: Commencement, citation and authenticity

(1) This Constitution may be cited as the Constitution of the People's Republic of Bangladesh and shall come into force on the sixteenth day of December, 1972, in this Constitution referred to as the commencement of this Constitution.

(2) There shall be an authentic text of this Constitution in Bengali, and an authentic text of an authorised translation in English, both of which shall be certified as such by the Speaker of the Constituent Assembly. 

(3) A text certified in accordance which clause (2) shall be conclusive evidence of the provisions of this Constitution: Provided that in the event of conflict between the Bengali and the English text, the Bengali text shall prevail.
৭৭.
সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগ পেতে একজন এ্যাডভোকেটকে সর্বনিম্ন কত বছর প্র্যাকটিস করতে হয়?
  1. ৫ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১৫ বছর
  4. ২০ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৫(২)(ক) অনুযায়ী:
“(২) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হইলে, এবং
(ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকিয়া থাকিলে; ...
তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।”
অর্থাৎ, সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য একজন ব্যক্তিকে কমপক্ষে ১০ বছরকাল সুপ্রীম কোর্টে এ্যাডভোকেট হিসেবে প্র্যাকটিস করতে হবে।
এটি যোগ্যতার একটি প্রধান শর্ত।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৫ বিচারক-নিয়োগ
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন। 
(২) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হইলে, এবং 
(ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকিয়া থাকিলে; অথবা 
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোন বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করিয়া থাকিলে; অথবা 
(গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকিয়া থাকিলে ; 
তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না। 
(৩) এই অনুচ্ছেদে ‘‘সুপ্রীম কোর্ট’’ বলিতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোন সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করিয়াছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হইবে।
৭৮.
কোন ব্যাক্তি নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন দুই বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাঁহার মুক্তিলাভের পরে কত বছর পর সংসদে নির্বাচিত হবার যোগ্য হবেন?
  1. ২ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা:

(১) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হইলে এবং তাঁহার বয়স পঁচিশ বৎসর পূর্ণ হইলে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত বিধান-সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন।

(২) কোন ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি

(ক) কোন উপযুক্ত আদালত তাঁহাকে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা করেন;
(খ) তিনি দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করিয়া থাকেন;
(গ) তিনি কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেন কিংবা কোন বিদেশী রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করেন;
(ঘ) তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইয়া অন্যূন দুই বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাঁহার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বৎসরকাল অতিবাহিত না হইয়া থাকে;
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত হইয়া থাকেন;
(চ) আইনের দ্বারা পদাধিকারীকে অযোগ্য ঘোষণা করিতেছে না, এমন পদ ব্যতীত তিনি প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন; অথবা
(ছ) তিনি কোন আইনের দ্বারা বা অধীন অনুরূপ নির্বাচনের জন্য অযোগ্য হন।

(২ক) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার (গ) উপ-দফা তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন ব্যক্তি জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক হইয়া কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করিলে এবং পরবর্তীতে উক্ত ব্যক্তি-
(ক) দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে, বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করিলে; কিংবা
(খ) অন্য ক্ষেত্রে, পুনরায় বাংলাদেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করিলে-
এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে তিনি বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন না।
 
(৩) এই অনুচেছদের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে কোন ব্যক্তি কেবল রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপ-মন্ত্রী হইবার কারণে প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত বলিয়া গণ্য হইবেন না।

(৪) কোন সংসদ-সদস্য তাঁহার নির্বাচনের পর এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত অযোগ্যতার অধীন হইয়াছেন কি না কিংবা এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে কি না, সে সম্পর্কে কোন বিতর্ক দেখা দিলে শুনানী ও নিষ্পত্তির জন্য প্রশ্নটি নির্বাচন কমিশনের নিকট প্রেরিত হইবে এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।

(৫) এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার বিধানাবলী যাহাতে পূর্ণ কার্যকরতা লাভ করিতে পারে, সেই উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতাদানের জন্য সংসদ যেরূপ প্রয়োজন বোধ করিবেন, আইনের দ্বারা সেইরূপ বিধান করিতে পারিবেন।
৭৯.
কোনো আইন পূর্ববর্তী আইনকে বাতিল করে প্রণীত হলে, বিলোপকারী আইনটি [Repealing Act] বাতিলকৃত আইনের অধীনে কোনো আইনগত কার্যক্রম-
  1. অকার্যকর করবে
  2. স্থগিত রাখবে
  3. ক্ষুন্ন করবে না
  4. বাতিল করবে
সঠিক উত্তর:
ক্ষুন্ন করবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুন্ন করবে না
ব্যাখ্যা
• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৬ ধারায় বলা আছে- যখন কোনো আইন বা প্রবিধি অন্য কোনো আইনকে রহিত করে তখন:

১. রহিতকরণ আইন  রহিত হওয়ার সময় কার্যকর ছিল না বা অস্তিত্ব ছিল না এরূপ কোনো আইনকে পুনর্জীবিত করবে না।
২. রহিত হয়ে যাওয়া কোনো আইন [Repealed Act]-এর অধীনে যথাযথভাবে কৃত ব্য ব্যাহত কোনো কিছুকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৩. রহিত কোনো আইনের অধীনে অর্জিত বা প্রাপ্ত কোনো অধিকার, বাধ্যবাধকতা বা দায়কে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৪. রহিত আইনের অধীনে কৃত কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে প্রদত্ত কোনো দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তিকে ক্ষুণ্ণ করবে না।
৫. উল্লিখিত অধিকার, বাধ্যবাধকতা, দায়, দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তি-সম্পর্কিত কোনো তদন্ত, আইনগত কার্যক্রম [Legal Proceeding] বা প্রতিকারকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
পূর্বের আইনের অধীনে কোনো আইনগত কার্যক্রম চলমান থাকলে তা অব্যাহত থাকবে এবং তার অধীনে দও, বাজেয়াপ্ত বা শাস্তিও আরোপ করা যাবে যেন বিলোপকারী আইনটি [Repealing Act] প্রণীত হয় নাই।

Section 6: Effect of repeal

Where this Act, or any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, repeals any enactment hitherto made or hereafter to be made, then, unless a different intention appears, the repeal shall not- 
(a) revive anything not in force or existing at the time at which the repeal takes effect; or 
(b) affect the previous operation of any enactment so repealed or anything duly done or suffered thereunder; or 
(c) affect any right, privilege, obligation or liability acquired, accrued or incurred under any enactment so repealed; or 
(d) after any penalty, forfeiture or punishment incurred in respect of any offence committed against any enactment so repealed; or
(e) affect any investigation, legal proceeding or remedy in respect of any such right, privilege, obligation, liability, penalty, forfeiture or punishment as aforesaid; 
and any such investigation, legal proceeding or remedy may be instituted, continued or enforced, and any such penalty, forfeiture or punishment may be imposed as if the repealing Act or Regulation had not been passed.
৮০.
'Doctrine of Double Jeopardy' কোন ল্যাটিন নীতির উপর ভিত্তি করে গঠিত?
  1. Audi alteram partem
  2. Volenti non fit injuria
  3. Actus non facit reum nisi mens sit rea
  4. Nemo debet bis puniri pro uno delicto
সঠিক উত্তর:
Nemo debet bis puniri pro uno delicto
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nemo debet bis puniri pro uno delicto
ব্যাখ্যা
• 'Doctrine of double jeopardy' বা 'দোবারা সাজা মতবাদ' যে নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত তা হলো:
Nemo debet bis puniri pro uno delicto.
যার অর্থ- 'No one shall be punished twice for one fault. অর্থাৎ 'একই অপরাধের জন্য দু'বার শাস্তি দেয়া যায় না।'

The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ২৬ এর মধ্যে দোবারা সাজা নীতি বা ‘Doctrine of Double Jeopardy' প্রতিফলিত হয়েছে।

২৬ ধারার বিধান: দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে বিধান:
যেক্ষেত্রে কোন কার্য বা বিচ্যুতি দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ হয়, সেই ক্ষেত্রে অপরাধীকে ঐ আইন সমূহের সকল বা যে কোন একটির অধীন অভিযুক্ত এবং শান্তি প্রদান করা যাবে, কিন্তু একই অপরাধের জন্য দুইবার শান্তি প্রদান করা যাবে না।

দোবারা সাজা নীতিটি আরো কয়েকটি আইনে বর্ণিত আছে। যথা:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২);
- ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৩;
- দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১১;
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪০; এবং
- ফৌজদারি আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এর ধারা ৮।
৮১.
কোনো আইন পূর্ববর্তী আইনকে বাতিল করে প্রবর্তিত হলে, ঐ আইন পূর্ববর্তী বাতিলকৃত আইনের অধীনে যথাযথভাবে কৃত বা ব্যাহত কোনো কার্যক্রম-
  1. সরাসরি বাতিল করবে
  2. অসাঞ্জস্যপূর্ণ হলে বাতিল করবে
  3. প্রাপ্ত অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করবে না
  4. এর কোনোটি প্রযোজ্য হবে না
সঠিক উত্তর:
প্রাপ্ত অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাপ্ত অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করবে না
ব্যাখ্যা
• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৬ ধারায় বলা আছে- যখন কোনো আইন বা প্রবিধি অন্য কোনো আইনকে রহিত করে তখন:

১. রহিতকরণ আইন  রহিত হওয়ার সময় কার্যকর ছিল না বা অস্তিত্ব ছিল না এরূপ কোনো আইনকে পুনর্জীবিত করবে না।
২. রহিত হয়ে যাওয়া কোনো আইন [Repealed Act]-এর অধীনে যথাযথভাবে কৃত ব্য ব্যাহত কোনো কার্যক্রম কিছুকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৩. রহিত কোনো আইনের অধীনে অর্জিত বা প্রাপ্ত কোনো অধিকার, বাধ্যবাধকতা বা দায়কে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৪. রহিত আইনের অধীনে কৃত কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে প্রদত্ত কোনো দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তিকে ক্ষুণ্ণ করবে না।
৫. উল্লিখিত অধিকার, বাধ্যবাধকতা, দায়, দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তি-সম্পর্কিত কোনো তদন্ত, আইনগত কার্যক্রম [Legal Proceeding] বা প্রতিকারকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
পূর্বের আইনের অধীনে কোনো আইনগত কার্যক্রম চলমান থাকলে তা অব্যাহত থাকবে এবং তার অধীনে দও, বাজেয়াপ্ত বা শাস্তিও আরোপ করা যাবে যেন বিলোপকারী আইনটি [Repealing Act] প্রণীত হয় নাই।

Section 6: Effect of repeal

Where this Act, or any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, repeals any enactment hitherto made or hereafter to be made, then, unless a different intention appears, the repeal shall not- 
(a) revive anything not in force or existing at the time at which the repeal takes effect; or 
(b) affect the previous operation of any enactment so repealed or anything duly done or suffered thereunder; or 
(c) affect any right, privilege, obligation or liability acquired, accrued or incurred under any enactment so repealed; or 
(d) after any penalty, forfeiture or punishment incurred in respect of any offence committed against any enactment so repealed; or
(e) affect any investigation, legal proceeding or remedy in respect of any such right, privilege, obligation, liability, penalty, forfeiture or punishment as aforesaid; 
and any such investigation, legal proceeding or remedy may be instituted, continued or enforced, and any such penalty, forfeiture or punishment may be imposed as if the repealing Act or Regulation had not been passed.
৮২.
সংবিধানের কোন সংশোধনী দ্বারা সংসদীয় পদ্ধতির সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ৮ম
  2. ৯ম
  3. ১১ম
  4. ১২ম
সঠিক উত্তর:
১২ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ম
ব্যাখ্যা
সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী:
- ১৯৯১ সালের ৬ আগস্টের এ সংশোধনী হয়।
- এ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৭ বছর পর দেশে পুনরায় সংসদীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং উপরাষ্ট্রপতির পদ বিলুপ্ত করা হয়।
- সংশোধনীটি উত্থাপন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
- ৩০৭-০ ভোটে বিলটি পাস হয়।
- একাদশের মত এ বিলটিও সরকারি ও বিরোধী দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে পাস হয়।

অন্যদিকে -
- অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বলে ঘোষণা করা হয়।
- নবম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি যতবার ইচ্ছা রাষ্ট্রপতি পদের জন্য নির্বাচন করতে পারতেন।
- একাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ কর্তৃক প্ৰয়োগকৃত সকল কার্যক্রম বৈধ করা হয় এবং পুনরায় তাঁর প্রধান বিচারপতি পদে ফিরে যাবার বিধান করা হয়।
৮৩.
রাষ্ট্রপতির অভিশংসন প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার জন্য সংসদের কত শতাংশ সদস্যের ভোট প্রয়োজন?
  1. অর্ধেক
  2. এক-তৃতীয়াংশ
  3. দুই-তৃতীয়াংশ
  4. চার-পঞ্চমাংশ
সঠিক উত্তর:
দুই-তৃতীয়াংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই-তৃতীয়াংশ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে সংবিধান লঙ্ঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে অভিশংসন প্রস্তাব উত্থাপন করা যেতে পারে।

অভিশংসন প্রক্রিয়া:
১) অভিযোগ উত্থাপন:
- সংসদের মোট সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ (৫০%+ বা অর্ধেকের বেশি) সদস্যদের স্বাক্ষরযুক্ত অভিযোগ স্পিকারের কাছে দাখিল করতে হয়।
২) তদন্ত ও বিবেচনা:
- অভিযোগের তদন্তের জন্য সংসদ কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কর্তৃপক্ষ নিযুক্ত করতে পারে।
- রাষ্ট্রপতির নিজেকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ থাকবে।
৩) অভিশংসন প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার শর্ত:
- অভিযোগ বিবেচনার পর, সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ (৬৬.৬৭%) ভোটে যদি অভিযোগ যথার্থ বলে ঘোষণা করা হয়, তাহলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হয়ে যাবে।

অর্থাৎ
→ অভিযোগ উত্থাপনের জন্য: সংসদের অর্ধেক (৫০%+ সদস্য) স্বাক্ষর লাগবে।
→ অভিশংসনের জন্য: সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ (৬৬.৬৭%) ভোট প্রয়োজন।

→ তাই সঠিক উত্তর: গ) দুই-তৃতীয়াংশ।
৮৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী কবে পাস হয়েছিল?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয়।
- এই সংশোধনীতে ৫৪টি পরিবর্তন আনা হয়েছিলো।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।

গুরত্বপূর্ণ কিছু সংশোধনী:
• তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল;
• সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৫ থেকে ৫০ করা;
• জরুরী অবস্থার মেয়াদ অনধিক ১২০ দিন করা হয়;
• সংবিধানে নতুন তিনটি তফসিল যুক্ত করা হয়- যথা পঞ্চম, ষষ্ঠ, ও সপ্তম।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আংশিক অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।
- বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
- রায়ে আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর মোট ছয়টি বিধান বাতিল করেছে।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল ও গণভোট পদ্ধতি ফিরিয়ে আনা হয় এই রায়ের মাধ্যমে।
৮৫.
যদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা দৈব-দূর্বিপাকের কারণে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন সম্ভব না হয়, তবে পরবর্তী কত দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ৩০ দিনের মধ্যে
  2. ৬০ দিনের মধ্যে
  3. ৯০ দিনের মধ্যে
  4. ১২০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৯০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ. পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে।

সংবিধানের ১২৩ নং অনুচ্ছেদ: নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময় -

(১) রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ অবসানের কারণে উক্ত পদ শূন্য হলে মেয়াদ-সমাপ্তির তারিখের পূর্ববর্তী নব্বই হতে ষাট দিনের মধ্যে শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যে সংসদের দ্বারা তিনি নির্বাচিত হয়েছেন সেই সংসদের মেয়াদকালে রাষ্ট্রপতির কার্যকাল শেষ হইলে সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ শূন্য পদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না, এবং অনুরূপ সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের দিন হতে ত্রিশ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির শূন্য পদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

(২) মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পদটি শূন্য হবার পর নব্বই দিনের মধ্যে তা পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

(৩) সংসদ-সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে-
(ক) মেয়াদ-অবসানের কারণে সংসদ ভেঙে যাবার ক্ষেত্রে ভেঙে যাবার পূর্ববর্তী নব্বই দিনের মধ্যে; এবং
(খ) মেয়াদ-অবসান ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাবার ক্ষেত্রে ভেঙে যাবার পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে।
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার (ক) উপ-দফা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিগণ, উক্ত উপ-দফায় উল্লিখিত মেয়াদ সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত, সংসদ সদস্যরূপে কার্যভার গ্রহণ করবে না।

(৪) সংসদ ভেঙে যাওয়া ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদের কোনো সদস্যপদ শূন্য হলে পদটি শূন্য হবার নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত শূন্যপদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে, কোনো দৈব-দূর্বিপাকের কারণে এই দফার নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হয়, তা হলে উক্ত মেয়াদের শেষ দিনের পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

৮৬.
'The Supreme Court shall be a court of record.' বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে এই বিধান বলা আছে?
  1. বাংলাদেশের সংবিধানের ১১০ অনুচ্ছেদে
  2. বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৭ অনুচ্ছেদে
  3. বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদে
  4. বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
 ⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদের বিধান: "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট:
 সুপ্রীম কোর্ট একটি "কোর্ট অব্ রেকর্ড" হইবেন এবং ইহার অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।
------------
⇒ Article 108. Supreme Court as court of record:
The Supreme Court shall be a court of record and shall have all the powers of such a court including the power subject to law to make an order for the investigation of or punishment for any contempt of itself.
৮৭.
রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. আদালতের মাধ্যমে বলবৎ করা যায়
  2. শুধুমাত্র নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য
  3. আইন ও সংবিধানের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে নির্দেশক
  4. শুধুমাত্র বিচার বিভাগের জন্য প্রযোজ্য
সঠিক উত্তর:
আইন ও সংবিধানের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে নির্দেশক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন ও সংবিধানের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে নির্দেশক
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ৮: মূলনীতিসমূহ:
(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে৷

(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না।

• সংবিধানের ৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার ৪টি মূলনীতি হলো-
১. জাতীয়তাবাদ [Nationalism];
২. সমাজতন্ত্র [Socialism];
৩. গণতন্ত্র [Democracy];
৪. ধর্মনিরপেক্ষতা [Secularism]।

Article 8: Fundamental principles:
(1) The principles of nationalism, socialism, democracy and secularism, together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.

(2) The principles set out in this Part shall be fundamental to the governance of Bangladesh, shall be applied by the State in the making of laws, shall be a guide to the interpretation of the Constitution and of the other laws of Bangladesh, and shall form the basis of the work of the State and of its citizens, but shall not be judicially enforceable.
৮৮.
সংবিধান অনুযায়ী নিম্নের কোন কার্যক্রম নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বের অন্তর্গত?
  1. সংসদের নির্বাচনের জন্য ভোটার-তালিকা প্রস্তুত করা
  2. রাষ্ট্রপতির পদের নির্বাচনের জন্য ভোটার-তালিকা প্রস্তুত করা
  3. সংসদে নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ করা
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৯: নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব

(১) রাষ্ট্রপতি পদের ও সংসদের নির্বাচনের জন্য ভোটার-তালিকা প্রস্তুতকরণের তত্ত্বাবধান, নির্দেশ ও নিয়ন্ত্রণ এবং অনুরূপ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং নির্বাচন কমিশন এই সংবিধান ও আইনানুযায়ী-
 
(ক) রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন অনুষ্ঠান করিবেন; 
(খ) সংসদ-সদস্যদের নির্বাচন অনুষ্ঠান করিবেন; 
(গ) সংসদে নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ করিবেন; এবং 
(ঘ) রাষ্ট্রপতির পদের এবং সংসদের নির্বাচনের জন্য ভোটার-তালিকা প্রস্তুত করিবেন।
 
(২) উপরি-উক্ত দফাসমূহে নির্ধারিত দায়িত্বসমূহের অতিরিক্ত যেরূপ দায়িত্ব এই সংবিধান বা অন্য কোন আইনের দ্বারা নির্ধারিত হইবে, নির্বাচন কমিশন সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন।

Article 119: Functions of Election Commission


(1) The superintendence, direction and control of the preparation of the electoral rolls for elections to the office of President and to Parliament and the conduct of such elections shall vest in the Election Commission which shall, in accordance with this Constitution and any other law – 

(a) hold elections to the office of President; 
(b) hold elections of members of Parliament; 
(c) delimit the constituencies for the purpose of elections to Parliament ; and 
(d) prepare electoral rolls for the purpose of elections to the office of President and to Parliament.
 
(2) The Election Commission shall perform such functions, in addition to those specified in the foregoing clauses, as may be prescribed by this Constitution or by any other law.
৮৯.
সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তিকে কোন আইনের অধীনে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে?
  1. ভবিষ্যতে প্রণীত হবে এমন আইন ভঙ্গ করলে
  2. অপরাধ সংঘটনের পর প্রণীত আইন ভঙ্গ করলে
  3. অপরাধ সংঘটনের সময় বলবৎ আইন ভঙ্গ করলে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সংঘটনের সময় বলবৎ আইন ভঙ্গ করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সংঘটনের সময় বলবৎ আইন ভঙ্গ করলে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, "অপরাধের দায়যুক্ত কার্য সংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না।"

→ এর অর্থ হলো, কোনো ব্যক্তি কেবল সেই আইন ভঙ্গ করলে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন, যা অপরাধ সংঘটনের সময় কার্যকর ছিল।
- এটি আইনের শাসন এবং ব্যক্তি স্বাধীনতার গুরুত্বপূর্ণ রক্ষাকবচ, যা নিশ্চিত করে যে কোনো ব্যক্তি পশ্চাদমুখী (retroactive) আইন দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না।

অন্যদিকে, বাকি অপশন গুলো:
(ক) ভবিষ্যতে প্রণীত হবে এমন আইন ভঙ্গ করলে → সংবিধান অনুযায়ী ভবিষ্যতে প্রণীত কোনো আইন কার্যকর হওয়ার আগে সংঘটিত অপরাধের জন্য কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না। এটি ex post facto law নিষিদ্ধ করার নীতি।
(খ) অপরাধ সংঘটনের পর প্রণীত আইন ভঙ্গ করলে → অপরাধ সংঘটনের পর নতুন কোনো আইন কার্যকর হলে তা পূর্ববর্তী অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
(ঘ) উপরের সবগুলো → এটি ভুল, কারণ কেবলমাত্র অপরাধ সংঘটনের সময় বলবৎ থাকা আইন প্রয়োগ করা যাবে।
৯০.
The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ৩(২৬) অনুযায়ী "কারাদণ্ড" _________ সংজ্ঞায়িত যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড বুঝাইবে।
  1. সংবিধানে
  2. ফৌজদারি কার্যবিধিতে
  3. দেওয়ানি কার্যবিধিতে
  4. দণ্ডবিধিতে
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধিতে
ব্যাখ্যা
• The General Clauses Act,1897- ধারা ৩(২৬): কারাদণ্ড-
"কারাদণ্ড” অর্থে দণ্ডবিধি (সনের ৪৫ নং আইন) তে সংজ্ঞায়িত যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড বুঝাইবে।
"Imprisonment" shall mean imprisonment of either description as defined in the Penal Code:
৯১.
এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হবেনা [shall not be judicially enforceable]। শব্দগুলো সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ১১
  2. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৮- মূলনীতিসমূহ:

(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে।
 
(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না।

Article 8: Fundamental principles:

(1) The principles of nationalism, socialism, democracy and secularism, together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.

(2) The principles set out in this Part shall be fundamental to the governance of Bangladesh, shall be applied by the State in the making of laws, shall be a guide to the interpretation of the Constitution and of the other laws of Bangladesh, and shall form the basis of the work of the State and of its citizens, but shall not be judicially enforceable.
৯২.
বাংলাদেশ সংবিধানের ১২২ অনুচ্ছেদে ভোটার হওয়ার কয়টি শর্ত উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৪ টি
  2. ৬ টি
  3. ৫ টি
  4. ৩ টি
সঠিক উত্তর:
৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা

(১) প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

(২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি-
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হইয়া থাকেন।

Article 122: Qualifications for registration as voter

(1) The elections to Parliament shall be on the basis of adult franchise.

(2) A person shall be entitled to be enrolled on the electoral roll for a constituency delimited for the purpose of election to the Parliament, if he- 
(a) is a citizen of Bangladesh; 
(b) is not less than eighteen years of age; 
(c) does not stand declared by a competent court to be of unsound mind; 
(d) is or is deemed by law to be a resident of that constituency; and 
(e) has not been convicted of any offence under the Bangladesh Collaborators (Special Tribunals) Order, 1972.
৯৩.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টকে বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১০৪
  2. অনুচ্ছেদ ১০৬
  3. অনুচ্ছেদ ১০৭
  4. অনুচ্ছেদ ১০৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১০৭
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১০৭: সুপ্রীম কোর্টের বিধিপ্রণয়ন-ক্ষমতা

(১) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইন-সাপেক্ষে সুপ্রীম কোর্ট রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লইয়া প্রত্যেক বিভাগের এবং অধঃস্তন যে কোন আদালতের রীতি ও পদ্ধতি-নিয়ন্ত্রণের জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিতে পারিবেন।
 
(২) সুপ্রীম কোর্ট এই অনুচ্ছেদের (১) দফা এবং এই সংবিধানের ১১৩ ও ১১৬ অনুচ্ছেদের অধীন দায়িত্বসমূহের ভার উক্ত আদালতের কোন একটি বিভাগকে কিংবা এক বা একাধিক বিচারককে অর্পণ করিতে পারিবেন।

(৩) এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-সাপেক্ষে কোন্ কোন্ বিচারককে লইয়া কোন্ বিভাগের কোন্ বেঞ্চ গঠিত হইবে এবং কোন্ কোন্ বিচারক কোন্ উদ্দেশ্যে আসন গ্রহণ করিবেন, তাহা প্রধান বিচারপতি নির্ধারণ করিবেন।

(৪) প্রধান বিচারপতি সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারককে সেই বিভাগে এই অনুচ্ছেদের (৩) দফা কিংবা এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-দ্বারা অর্পিত যে কোন ক্ষমতাপ্রয়োগের ভার প্রদান করিতে পারিবেন।
৯৪.
সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ কত বছর?
  1. উক্ত কমিশনারের বয়স ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত
  2. কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে ৫ বছর পর্যন্ত
  3. উক্ত কমিশনারের বয়স ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত
  4. ক বা খ এর মধ্যে যেটা আগে হবে
সঠিক উত্তর:
কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে ৫ বছর পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে ৫ বছর পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৮: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা

(১) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।

(২) একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া নির্বাচন কমিশন গঠিত হইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাহার সভাপতিরূপে কার্য করিবেন।

(৩) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরকাল হইবে এবং
(ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার-পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, এমন কোন ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না;
(খ) অন্য কোন নির্বাচন কমিশনার অনুরূপ পদে কর্মাবসানের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররূপে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন, তবে অন্য কোনভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।

(৪) নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন।

(৫) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, সুপ্রীম কোর্টের বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন নির্বাচন কমিশনার অপসারিত হইবেন না।

(৬) কোন নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।
৯৫.
আইন, গ্রেফতার, বিচার ও দণ্ড সম্পর্কিত মৌলিক অধিকার উল্লেখ আছে-
  1. অনুচ্ছেদ ৩৩
  2. অনুচ্ছেদ ৩১
  3. অনুচ্ছেদ ৩৫
  4. ক, খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
ক, খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক, খ এবং গ
ব্যাখ্যা
মৌলিক অধিকার [Fundamental Rights]:

মৌলিক অধিকার হলো বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে স্বীকৃত এবং সুরক্ষিত অধিকারসমূহ এবং যে সকল অধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে যেমন হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিকার পাওয়া যায়। সংবিধানের তৃতীয় ভাগের ২৬ থেকে ৪৭ক অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ২৭ থেকে ৪৪ পর্যন্ত মোট ১৮টি অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের করার অধিকার ৪৪ অনুচ্ছেদে দেয়া হয়েছে এবং এই কারণে ৪৪ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত মৌলিক অধিকার বলবৎ সংক্রান্ত বিধানটিও মৌলিক অধিকার হিসাবে গণ্য হবে। উল্লেখিত মৌলিক অধিকারসমূহ হলো-

আইন, গ্রেফতার, বিচার ও দণ্ড সম্পর্কিত মৌলিক অধিকার: 

অনুচ্ছেদ ৩১- আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার [Right to protection of law]
অনুচ্ছেদ ৩২- জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ [Protection of right to life and personal liberty]
অনুচ্ছেদ ৩৩- গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ [Safeguards as to arrest and detention] 
অনুচ্ছেদ ৩৫- বিচার ও দন্ড সম্পর্কিত রক্ষণ [Protection in respect of trial and punishment]
৯৬.
একটি নির্বাচনী এলাকার ভোটার তালিকায় শুধুমাত্র পুরুষ ভোটারদের আলাদা করে রাখা হয়েছে। এটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন?
  1. অনুচ্ছেদ ১২০
  2. অনুচ্ছেদ ১২১
  3. অনুচ্ছেদ ১২২
  4. অনুচ্ছেদ ১২৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২১
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) অনুচ্ছেদ ১২১।
→ সংবিধানের ১২১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: প্রতিটি সংসদীয় নির্বাচনী এলাকার জন্য মাত্র একটি ভোটার তালিকা থাকবে।

অনুচ্ছেদ ১২১- প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা:
সংসদের নির্বাচনের জন্য প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার একটি করিয়া ভোটার-তালিকা থাকিবে এবং ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদের ভিত্তিতে ভোটারদের বিন্যস্ত করিয়া কোন বিশেষ ভোটার-তালিকা প্রণয়ন করা যাইবে না।

৯৭.
নিম্নলিখিত কোন অধিকারটি কোন প্রকার বাধা-নিষেধ ব্যতীত সংবিধানে নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে?
  1. সংবাদপত্রের স্বাধীনতা
  2. চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা
  3. বাক ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯ (১) অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। ৩৯ (১) অনুচ্ছেদে নিশ্চয়কৃত চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা চূড়ান্ত প্রকৃতির অর্থাৎ এই অধিকার কোন প্রকার বাধা-নিষেধ ছাড়াই নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
 
৩৯ (২) অনুচ্ছেদে ২টি স্বাধীনতার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হলো। এই অনুচ্ছেদে স্বীকৃত বাক স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কতিপয় বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে মঞ্জুর করা হয়েছে।

নিম্নলিখিত বিষয় সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে বাক স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা থাকবে-
⇒ রাষ্ট্রের নিরাপত্তা (Secutiry of state),
⇒ বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক (Friendly relations with foreign states),
⇒ জনশৃঙ্খলা (public order),
⇒ শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে (decency or morality),
⇒ আদালত অবমাননা (contempt of court),
⇒ মানহানি (defamation), বা
⇒ অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা (Incitement to an offence)।

অনুচ্ছেদ-৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা:

(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।

(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে-
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার; নিশ্চয়তা দান করা হইল।
৯৮.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির শপথ বাক্য পাঠ করানোর দায়িত্ব কার উপর ন্যস্ত?
  1. স্পিকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা
⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফশিল অনুযায়ী:
→ স্পিকার রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
→ রাষ্ট্রপতি স্পিকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
→ রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপ মন্ত্রীদের শপথ বাক্য পাঠ করান।
→ স্পিকার সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান।
→ রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান।

৯৯.
"It is the judges who are the guardians of justice in this land" -উক্তিটি কার?
  1. Charles Dickens
  2. Lord Diplock
  3. Lord Denning (M.R)
  4. Lord Byron
সঠিক উত্তর:
Lord Denning (M.R)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lord Denning (M.R)
ব্যাখ্যা
'It is the judges who are the guardians justice in this land' - উক্তিটি  Lord Denning (M.R) - এর।

- Lord Denning was a British barrister and judge.
১০০.
বাংলাদেশের সংবিধান কত তারিখে গৃহীত হয়?
  1. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  2. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ১১ অক্টোবর, ১৯৭২
  4. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান বিল আকারে উত্থাপন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।