বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

পরিবেশ বিষয়ক চুক্তি ও সম্মেলন

মোট প্রশ্ন৯২০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

পরিবেশ বিষয়ক চুক্তি ও সম্মেলন

PrepBank · পাতা / ১০ · ৭০১৮০০ / ৯২০

৭০১.
যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে পুনরায় প্রত্যাবর্তন করে -
  1. ক) ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
  2. খ) ২১ জানুয়ারি, ২০২১
  3. গ) ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
  4. ঘ) ২০ জানুয়ারি, ২০২১`
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
ব্যাখ্যা
- ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে COP-21 নামের সম্মেলনে প্যারিস জলবায়ু চুক্তির গৃহীত হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ৪ নভেম্বর ২০১৬।
- যুক্তরাষ্ট্রসহ ১৯৫টি দেশ ও সংস্থা এতে স্বাক্ষর করে।
- ডোনাল্ড ট্রাম্প প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন ১ জুন, ২০১৭; যা ৪ নভেম্বর ২০২০ কার্যকর হয়।
- কিন্তু ৪৬তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে ফিরে আসার ঘোষণা দেন ২০ জানুয়ারি, ২০২১।
- ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ আনুষ্ঠানিকভাবে ঐ চুক্তিতে প্রত্যাবর্তন করে যুক্তরাষ্ট্র।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার মার্চ-এপ্রিল, ২০২১।
৭০২.
কোন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে 'বেলেম জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান' অনুমোদন দেয়া হয়?
  1. কপ-৩০ সম্মেলন, ২০২৫
  2. জি- ২০ সম্মেলন, ২০২৫
  3. ৪৭তম আসিয়ান সম্মেলন, ২০২৫
  4. বিশ্ব সামাজিক শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫
সঠিক উত্তর:
কপ-৩০ সম্মেলন, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কপ-৩০ সম্মেলন, ২০২৫
ব্যাখ্যা

বেলেম জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান (জিএপি-গ্যাপ):
- ব্রাজিলের বেলেম শহরে অনুষ্ঠিত কপ৩০ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো নতুন বেলেম জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান (জিএপি-গ্যাপ) অনুমোদন করেছে।
- এই পরিকল্পনা ২০২৬ থেকে ২০৩৪ সাল পর্যন্ত ন্যূনতম লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
- নতুন পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হলো জলবায়ু নীতি, পরিকল্পনা, প্রকল্প ও অর্থায়নের প্রতিটি স্তরে লিঙ্গভিত্তিক সমতা এবং অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
- এখানে ‘নারী’ বলতে কেবল সাধারণ নারী নয়; আদিবাসী, গ্রামীণ, কৃষিজীবী, প্রতিবন্ধী এবং অন্যান্য প্রান্তিক ও উপেক্ষিত গোষ্ঠীর নারীর অংশগ্রহণ ও প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
- এ ছাড়া নারীমুখী ও কমিউনিটিভিত্তিক প্রকল্প এবং জেন্ডার সংবেদনশীল জলবায়ু অর্থায়ন (জেন্ডার রেসপন্সিভ ক্লাইমেট ফিন্যান্স) ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতিও এসেছে।

উল্লেখ্য,
- জলবায়ু আলোচনায় লিঙ্গসমতা অন্তর্ভুক্তির যাত্রা শুরু হয় ২০১৪ সালে কপ২০-এ ‘লিমা ওয়ার্ক প্রোগ্রাম অন জেন্ডার’ গ্রহণের মাধ্যমে।
- ২০১৭ সালে কপ২৩-এ প্রথম জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান-গ্যাপ গৃহীত হয়, যা জলবায়ু নীতি ও কর্মসূচিতে নারীর অংশগ্রহণকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়।
- ২০১৯ সালের কপ২৫-এ এটি  ‘এনহান্সড লিমা ওয়ার্ক প্রোগ্রাম অন জেন্ডার’ হিসেবে আরও শক্তিশালী হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৭০৩.
কোন সম্মেলনের প্রেক্ষিতে UNEP প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. স্টকহোম সম্মেলন
  2. জেনেভা সম্মেলন
  3. নাইরোবি সম্মেলন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
স্টকহোম সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টকহোম সম্মেলন
ব্যাখ্যা
UNEP:
- UNEP-এর পূর্ণরূপ হলো United Nations Environment Programme, 
- এটি জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচি।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালের ৫ জুন।
- এর সদরদপ্তর অবস্থিত নাইরোবি, কেনিয়া।
- UNEP-এর প্রধান কর্মকর্তার পদবী হলো নির্বাহী পরিচালক, এবং
- বর্তমানে এই পদে রয়েছেন ইনগার অ্যান্ডারসেন।
- জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৭২ সালের ৫-১৬ জুন সুইডেনের স্টকহোম শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্বের প্রথম পরিবেশ সম্মেলন United Nations Conference on the Environment এর প্রেক্ষিতে UNEP প্রতিষ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে: 
- জেনেভা কনভেনশন-১৯৪৯' এর বিষয়বস্তু যুদ্ধকালীন আচরণ বিধি।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।।
৭০৪.
বিশ্বের উষ্ণতা রোধে কোন প্রটোকলকে 'কার্বন সনদ' মনে করা হয়?
  1. নাগোয়া প্রটোকল
  2. কিয়েটো প্রটোকল
  3. মন্ট্রিল প্রটোকল
  4. কার্টাগেনা প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
কিয়েটো প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়েটো প্রটোকল
ব্যাখ্যা
কার্বন সনদ:
- বিশ্বের উষ্ণতা রোধে কিয়েটো প্রটোকলকে কার্বন সনদ হিসেবে মনে করা হতো
- এই প্রটোকলের প্রধান লক্ষ্য ছিল গ্রীনহাউস গ্যাস, বিশেষ করে কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) নির্গমন কমানো।
- কারণ, কার্বন ডাই অক্সাইড প্রধান গ্রীনহাউস গ্যাস এবং এটি বিশ্ব উষ্ণতা বৃদ্ধির (গ্লোবাল ওয়ার্মিং) জন্য দায়ী প্রধান উপাদান।

⇒ কার্বন সনদের ধারণাটি আসে বিশেষত কার্বন ডাই অক্সাইডের নির্গমন কমানোর উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিকভাবে একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং দেশগুলোর জন্য নির্দিষ্ট সীমা আরোপ করা।
- কিয়োটো প্রটোকল কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসের নির্গমন কমানোর জন্য 'কার্বন ক্রেডিট' ব্যবস্থাও চালু করেছিল, যার মাধ্যমে এক দেশ অন্য দেশের নির্গমন কমানোর প্রচেষ্টা কিনতে পারে বা বিক্রি করতে পারে।
- এর মাধ্যমে একটি বৈশ্বিক বাজার তৈরি হয়েছিল, যা 'কার্বন সনদ' বা 'কার্বন ক্রেডিট' নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৮০টি দেশের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে পৃথিবীর শিল্পোন্নত ৩৮টি দেশকে ২০০৮ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে তাদের কার্বন নিঃসরণের মাত্রা পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে (১৯৯০) ৫.২% কমানোর জন্য সীমা বেধে দেওয়া হয় এবং বলা হয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ বিষয়ে বাণিজ্য বা যৌথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে (আর্টিকেল-১৭, কিয়োটো প্রটোকল)।
- মূলত এখান থেকে কার্বন বাণিজ্যের সূত্রপাত।

উল্লেখ্য,
কিয়োটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯২টি।

অন্যদিকে,
- নাগোয়া প্রটোকল হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জীববৈচিত্র্য ব্যবহার সম্পর্কিত ন্যায্য সুবিধা বণ্টন নিশ্চিত করার জন্য প্রণীত।
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- কার্টাগোনা প্রটোকল: এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৭০৫.
ভিয়েনা কনভেনশন ১৯৬১ চুক্তির ধারা কয়টি ?
  1. ক) ৪৫
  2. খ) ৬০
  3. গ) ৫৫
  4. ঘ) ৫৩
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫৩
ব্যাখ্যা

ভিয়েনা কনভেনশন এর ধারা ৫৩ টি।
- ১৯৬১ সালের ১৮ এপ্রিল ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের কূটনৈতিক আদান-প্রদান ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রতিনিধি সম্মেলনে ভিয়েনার কূটনৈতিক সম্পর্কের কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৬৪ সালের ২৪ এপ্রিল এ কনভেনশনটি কার্যকর হয়।

সূত্র: Live MCQ Lecture ও ব্রিটানিকা।

৭০৬.
Conference of the Parties - এর সর্বশেষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) Katowice, Poland
  2. খ) Bonn, Germany
  3. গ) Madrid, Spain
  4. ঘ) Marrakech, Morocco
সঠিক উত্তর:
গ) Madrid, Spain
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Madrid, Spain
ব্যাখ্যা
COP - 25 অনুষ্ঠিত হয় ২ - ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে স্পেনের মাদ্রিদে। এর পরবর্তী সম্মেলন হবে ৯ - ২০ নভেম্বর, ২০২০ তারিখে Glasgow, Scotland, UK - তে। Source: unfccc.int
৭০৭.
জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তি কোনটি?
  1. CBD
  2. UNFCCC
  3. CBRD
  4. UNCCD
সঠিক উত্তর:
CBD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CBD
ব্যাখ্যা

CBD:
- CBD-এর পূর্ণরূপ: Convention on Biological Diversity.
- জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত প্রধান ও সবচেয়ে বিস্তৃত আন্তর্জাতিক চুক্তিটি হলো কনভেনশন অন বায়োলজিক্যাল ডাইভারসিটি।
- গৃহীত হয়: ১৯৯২ সালে ব্রাজিলে রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত 'আর্থ সামিট' বা ধরিত্রী সম্মেলনে।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৬টি। 
- সম্পর্কিত প্রটোকল: কার্টাগেনা প্রটোকল (জৈব নিরাপত্তা) এবং নাগোয়া প্রটোকল (জেনেটিক সম্পদের সুফল বন্টন) এর আওতাভুক্ত।

• মূল উদ্দেশ্য:
- জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ,
- জীববৈচিত্র্যের টেকসই ব্যবহার,
- জেনেটিক সম্পদের ব্যবহার থেকে উদ্ভূত সুবিধার ন্যায্য ও সমতামূলক ভাগাভাগি।

অন্যদিকে,
- UNFCCC (United Nations Framework Convention on Climate Change) জাতিসংঘের পরিবেশ সংক্রান্ত একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- CBDR (Common but Differentiated Responsibilities) হলো আন্তর্জাতিক পরিবেশ আইনের একটি মূলনীতি।
- UNCCD (United Nations Convention to Combat Desertification) হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা মরুকরণ, ভূমি অবক্ষয় এবং খরার প্রভাব মোকাবিলার লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

৭০৮.
কোন চুক্তির অধীনে “The Kigali Amendment” গৃহীত হয়েছে? 
  1. কিয়োটো প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. প্যারিস চুক্তি
  4. বাসেল কনভেনশন 
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
ব্যাখ্যা

• কিগালি সংশোধনী (Kigali Amendment):
- ১৫ অক্টোবর, ২০১৬ সালে রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে মন্ট্রিল প্রটোকল সংশোধিত হয়।
- এটি ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারিতে কার্যকর হয়।
- সংশোধনী অনুসারে সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহ ২০৪৭ সাল পর্যন্ত ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক হাইড্রোফ্লোরো কার্বন (HFCs) - জাতীয় গ্যাসের ব্যবহার ৮০ শতাংশ কমিয়ে আনার ব্যাপারে ঐক্যমত হয়।

• মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোন স্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- ১৯৮৭ সালে মন্ট্রিল, কানাডায় স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৮৯ সালে কার্যকর হয়।
- বিশ্বের ১৯৮টি দেশ ও অঞ্চল চুক্তিটির অংশীদার।
- এই চুক্তির লক্ষ্য হচ্ছে ওজোন স্তরের ক্ষতি রোধে ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFCs) এবং অন্যান্য ওজোন ধ্বংসকারী পদার্থের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি সবচেয়ে সফল আন্তর্জাতিক পরিবেশ চুক্তি হিসেবে বিবেচিত হয় এবং ওজোন স্তরের পুনরুদ্ধারে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।
 
তথ্যসূত্র: UNEP website & Britannica.com

৭০৯.
কত সালে নাগোয়া প্রটোকল কার্যকর হয়?
  1. ২০০২ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০১৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৪ সালে
ব্যাখ্যা

• নাগোয়া প্রটোকল:
- পূর্ণ নাম: The Nagoya Protocol on Access and Benefit-sharing
- নাগোয়া প্রোটোকল হল জৈবিক বৈচিত্র্য কনভেনশনের একটি পরিপূরক চুক্তি। 
- ABS সংক্রান্ত নাগোয়া প্রোটোকলটি ২৯ অক্টোবর ২০১০ তারিখে জাপানের নাগোয়ায় গৃহীত হয়।
- প্রটোকলটি ১২ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে কার্যকর হয়।
- এর উদ্দেশ্য হল জিনগত সম্পদের ব্যবহার থেকে উদ্ভূত সুবিধাগুলির ন্যায্য এবং ন্যায়সঙ্গত বন্টন, যার ফলে জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবহারে অবদান রাখা যায়।
- স্বাক্ষরের স্থান: নাগোয়া, জাপান।

উৎস: Convention on Biological Diversity ওয়েবসাইট।

৭১০.
'বাসেল কনভেনশন' কোন দেশে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. জার্মানি
  2. ইরান
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. নেদারল্যান্ডস
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• বাসেল কনভেনশন (Basel Convention)
- বাসেল কনভেনশনের পূর্ণনাম - Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal।
- এটি ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল ও নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- চুক্তি অনুমোদন: ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি কার্যকর: ৫ মে, ১৯৯২ সালে
- UNEP - এর সহায়তায় সুইজারল্যান্ডের বাসেলে পরিবেশ বিষয়ক এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: বাসেল কনভেনশন ও UNEP ওয়েবসাইট।
৭১১.
তামাক নিয়ন্ত্রণে WHO ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ২০০২ সালে
  2. ২০০৩ সালে
  3. ২০০৪ সালে
  4. ২০০৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
WHO Framework Convention on Tobacco Control:
- তামাক নিয়ন্ত্রণে WHO ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন।
- WHO ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল (WHO FCTC) হল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পৃষ্ঠপোষকতায় আলোচিত প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- গৃহীত হয়: ২১ মে, ২০০৩ (সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে অনুষ্ঠিত ৫৬তম বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে)।
- কার্যকর হয়: ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৮টি।
- পক্ষ: ১৮৩টি।

উল্লেখ্য,
- তামাকমুক্ত বিশ্ব গড়ে তুলতে WHO FCTC-এর ১৮৩টি দেশের নেতারা ফেব্রুয়ারি, ২০২৪-এ পানামায় সম্মিলিত হয়েছেন।
- এটি WHO FCTC-এর ১০ম কনফারেন্স অফ দ্য পার্টিস (COP10)।
- WHO FCTC-এর প্রধান: ডাঃ আদ্রিয়ানা ব্লাঙ্কো মারকুইজো।

উৎস: WHO ওয়েবসাইট।
৭১২.
গ্রেটা থানবার্গ কোন দেশের পরিবেশবাদী কিশোরী?
  1. ক) নরওয়ে
  2. খ) ডেনমার্ক
  3. গ) সুইডেন
  4. ঘ) ফিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
গ) সুইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুইডেন
ব্যাখ্যা
মাত্র ১৬ বছরের সুইডিশ কিশােরী গ্রেটা থানবার্গ জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আন্দোলনে সােচ্চার এক পরিবেশকন্যা। তিনি ২০ আগস্ট ২০১৮ সালে সুইডেনে নিজের মতাে করে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করে। সুইডেনের পার্লামেন্ট ভবনের বাইরে তাঁর School Strike for Climate শীর্ষক প্ল্যাকার্ড নিয়ে 'Fridays for Future' আন্দোলনে অনেক স্কুলশিক্ষার্থী অনুপ্রাণিত হয়। এরপর এ আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে অনেক দেশে। নজর কাড়ে বিশ্বের। সে সময় জলবায়ু পরিবর্তনের পরিণতি উপেক্ষা না করতে সরকার প্রধানদের প্রতি আহ্বান জানায় সে। ১৬ মে ২০১৯ টাইম ম্যাগাজিন তাকে আগামী প্রজন্মের নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে। জলবায়ু‌ পরিবর্তন নিয়ে জনমত তৈরি করতে পারায় গ্রেটা থুনবার্গ এখন পুরাে বিশ্বের কাছে এক নামে পরিচিত পরিবেশকন্যা।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
৭১৩.
১৯৮৯ সালে কোন দেশে বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয়?
  1. নরওয়ে
  2. ব্রাজিল
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. কানাডা
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বাসেল কনভেনশন: 
- বাসেল কনভেনশন বা The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal হলো বিপদজনক বর্জ্যের দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক কনভেনশন।

উল্লেখ্য, 
- এটি ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে গৃহীত হয়। মূলত, বিপদজনক বর্জ্যের অনিয়ন্ত্রিত স্থানান্তর ও নিষ্পত্তি প্রতিরোধের লক্ষ্যে এই কনভেনশন প্রণয়ন করা হয়। বাসেল কনভেনশনের কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৯২ সালে এবং বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে এই কনভেনশন অনুমোদন করে। 
 
সূত্র: বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট। 
৭১৪.
নিম্নের কোন দেশ মাথাপিছু কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণে শীর্ষে?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) কাতার
  3. গ) চীন
  4. ঘ) অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) কাতার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কাতার
ব্যাখ্যা
মাথাপিছু কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণে শীর্ষ ৫টি দেশ:
- কাতার 
- নিউ ক্যালেডোনিয়া 
- মঙ্গোলিয়া 
- ত্রিনিদাদ ও টোবাগো 
- কুয়েত
 
উৎস: statista.com
৭১৫.
COP - এর কোন সম্মেলনে “কিয়েটো প্রটোকল” গৃহীত হয়?
  1. ক) COP - 1
  2. খ) COP - 2
  3. গ) COP - 3
  4. ঘ) COP - 5
সঠিক উত্তর:
গ) COP - 3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) COP - 3
ব্যাখ্যা
The Protocol to the United Nations Framework Convention on Climate Change (the 'Kyoto Protocol') was adopted at the third session of the Conference of the Parties (COP 3) in Kyoto, Japan, on 11 December 1997. In accordance with Article 24, it was open for signature from 16 March 1998 to 15 March 1999 at United Nations Headquarters, New York. By that date, the Kyoto Protocol had received 84 signatures. Source: unfccc.int
৭১৬.
Tropical Forest Forever Facility (TFFF)-এর প্রস্তাবক দেশ কোনটি?
  1. ব্রাজিল
  2. ঘানা 
  3. পেরু 
  4. মালদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
ব্যাখ্যা

Tropical Forest Forever Facility (TFFF):
- Tropical Forest Forever Facility (TFFF)-এর প্রধান প্রস্তাবক দেশ হলো ব্রাজিল।
- এটি ব্রাজিলের নেতৃত্বে গঠিত এবং ২০২৫ সালের নভেম্বরে ব্রাজিলের বেলেমে অনুষ্ঠিত COP-30 সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ করা হয়েছে।
- এর লক্ষ্য হলো গ্রীষ্মমন্ডলীয় বনভূমি সংরক্ষণ এবং এর মূল্য বৃদ্ধি করা। 
- সহযোগী দেশ: ব্রাজিল ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, নরওয়ে, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, কঙ্গো (DRC), ঘানা, মালয়েশিয়া, কলম্বিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলো এর সাথে যুক্ত রয়েছে।
- উদ্দেশ্য: এই সুবিধাটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় বনভূমিকে সংরক্ষিত রাখতে দেশগুলোকে দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়ন প্রদান করবে, যা বন কেটে ফেলার চেয়ে সংরক্ষণকে বেশি লাভজনক করে তুলবে। 

⇒ এটি বন রক্ষায় এক দীর্ঘস্থায়ী ‘প্যাঁয় ফর পেরফরমান্স’ ফান্ড হিসেবে কাজ করবে, যেখানে দেশগুলো বন সংরক্ষণ করলে সরাসরি অর্থ সহায়তা পাবে।
- এই ফ্যাসিলিটিটি ১২৫ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট।
ii) Tropical Forest Forever Facility (TFFF) ওয়েবসাইট।

৭১৭.
২০২৩ সালে COP - 28 সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে কোথায়?
  1. শারম আল শেখ, মিশর
  2. ক্যাম্প ডেভিড, যুক্তরাষ্ট্র
  3. দুবাই, ইউএই
  4. প্রিটোরিয়া, দ, আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
দুবাই, ইউএই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুবাই, ইউএই
ব্যাখ্যা
COP-28:

- ২০২৩ জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন বা UNFCCC এর পক্ষগুলির সম্মেলন।
- যা সাধারণত COP-28 নামে পরিচিত।
- ২৮তম জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন হবে।
- যা ৩০শে নভেম্বর থেকে ১২শে ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত এক্সপো সিটি, দুবাইতে অনুষ্ঠিত হবে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭১৮.
২০২৫ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত কপ-৩০ সম্মেলনে কয়টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন?
  1. ১৮৯
  2. ১৯৩
  3. ১৯৪
  4. ১৯৭
সঠিক উত্তর:
১৯৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩
ব্যাখ্যা

৩০তম জলবায়ু সম্মেলন (কপ-30):
- ২০২৫ সালের ১০ - ২১ নভেম্বর ব্রাজিলের আমাজনের রেইনফরেস্ট এলাকায় বেলেমে ৩০তম জলবায়ু সম্মেলন (কপ-30) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- উক্ত সম্মেলনে ১৯৩টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রায় ৫৬ হাজার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
- এই সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেছেন ব্রাজিলীয় কূটনীতিক আন্দ্রে কোরেয়া দো লাগো।
- কপ৩০–এর স্লোগান Global Mutirão (বিশ্বব্যাপী সম্মিলিত প্রচেষ্টা)। 
- কপ৩০–এর থিম: অভিযোজন (Adaptation), নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর (Energy Transition), জলবায়ু অর্থায়ন (Climate Finance) এবং সামাজিক ন্যায়বিচার (Social Justice)।

⇒ কপ-৩০-এর মূল লক্ষ্য ছিল গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ রোধ এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট ক্ষতি মোকাবিলায় জাতিসংঘের বিদ্যমান কাঠামোকে শক্তিশালী করা।
- ব্রাজিল ১২৫ বিলিয়ন ডলার তহবিলের ‘Tropical Forests Forever Facility’ চালু করেছে বন রক্ষায় উৎসাহ দিতে। ব্রাজিলের প্রস্তাবিত বন উজাড় রোধের রোডম্যাপও চূড়ান্ত চুক্তিতে জায়গা পায়নি।
- জীবাশ্ম জ্বালানি নিয়ে স্পষ্ট রূপরেখা না থাকলেও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য তহবিল বাড়ানোর ঘোষণা কপ-৩০–এর সবচেয়ে বড় অর্জন। জলবায়ু সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আর্থিক সহায়তা ধনী দেশগুলোকে ২০৩৫ সালের মধ্যে তিন গুণ বাড়াতে বলা হয়েছে।

উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট।
ii) COP-30 ওয়েবসাইট। [link]
iii) UNDP ওয়েবসাইট। [link]
iv) প্রথম আলো।

৭১৯.
Global Vaccine Summit অনুষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ৫ মে ২০২০
  2. খ) ৪ জুন ২০২০
  3. গ) ৬ জুলাই ২০২০
  4. ঘ) ৮ আগষ্ট ২০২০
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ জুন ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ জুন ২০২০
ব্যাখ্যা

The UK-hosted Global Vaccine Summit heralds a new era of global health collaboration as world leaders show overwhelming commitment to equitable immunisation coverage and global health security in the face of the COVID-19 pandemic.
World leaders make historic comments to provide equal access to vaccine for all. 
_ Global Vaccine Summit held on June 4, 2020

Source: GAVI

৭২০.
জাতিসংঘের প্রথম জলবায়ু সম্মেলন (COP-1) কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. প্যারিস, ফ্রান্স
  2. বার্লিন, জার্মানি
  3. কিয়োটো, জাপান
  4. কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
সঠিক উত্তর:
বার্লিন, জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্লিন, জার্মানি
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের প্রথম জলবায়ু সম্মেলন (COP-1):
- প্রথম কপ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯৫ সালে জার্মানির বার্লিন শহরে।
- ১৯৯৫ সালের ২ মার্চ - ৭ এপ্রিল জার্মানির বার্লিনে প্রথম কপ-১ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- ওই সম্মেলনে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় যৌথ উদ্যোগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।

⇒ কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা। 

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৭২১.
স্টকহোম কনভেনশন কোন ধরনের পদার্থ নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রণীত?
  1. তেজস্ক্রিয় পদার্থ
  2. ভারী ধাতু
  3. স্থায়ী জৈব দূষণকারী পদার্থ
  4. গ্রিনহাউস গ্যাস
সঠিক উত্তর:
স্থায়ী জৈব দূষণকারী পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থায়ী জৈব দূষণকারী পদার্থ
ব্যাখ্যা

• স্টকহোমে কনভেনশন:

⇒ স্টকহোম কনভেনশন অন পারসিসটেন্ট জৈব দূষণকারী (পিওপি) হলো একটি বিশ্বব্যাপী চুক্তি যা মানব স্বাস্থ্য এবং পরিবেশকে এমন রাসায়নিক পদার্থ থেকে রক্ষা করে যা দীর্ঘ সময় ধরে পরিবেশে অক্ষত থাকে, ভৌগোলিকভাবে ব্যাপকভাবে বিতরণ করা হয়, মানুষ এবং বন্যপ্রাণীর ফ্যাটি টিস্যুতে জমা হয় এবং মানব স্বাস্থ্য বা পরিবেশের উপর ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে।

- ২০০১ সালের ২২ মে সুইডেনের স্টকহোমে অনুষ্ঠিত প্লেনিপোটেনশিয়ারিদের সম্মেলনে স্থায়ী জৈব দূষণকারী পদার্থের উপর স্টকহোম কনভেনশন গৃহীত হয়। 
- এই কনভেনশনটি ২০০৪ সালের ১৭ মে কার্যকর হয়।

• উদ্দেশ্য
অনুচ্ছেদ ১-এ বর্ণিত হিসাবে, স্টকহোম কনভেনশনের উদ্দেশ্য হল মানব স্বাস্থ্য এবং পরিবেশকে স্থায়ী জৈব দূষণকারী পদার্থ থেকে রক্ষা করা।

উৎস: জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি।

৭২২.
'V-20' গ্রুপ কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. কৃষি উন্নয়ন
  2. পরিবেশ
  3. বাণিজ্য চুক্তি
  4. জলবায়ু পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা
• V- 20 বা Vulnerable Twenty Group:
- এটি হলো ২০টি জলবায়ু-সংবেদনশীল (climate-vulnerable) দেশের একটি জোট,
- এই দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২০১৫ সাল।
- প্রথম সভা: লিমা, পেরুতে।
- উদ্যোক্তা দেশ: ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (CVF)।
- প্রথম সদস্য ২০টি দেশ:
- প্রথমে যেসব দেশ নিয়ে এই জোট গঠিত হয়েছিল:
- আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, বার্বাডোস, ভুটান, কোস্টা রিকা, ইথিওপিয়া, ঘানা, কেনিয়া, কিরিবাতি, মালদ্বীপ, মাদাগাস্কার, নেপাল, ফিলিপাইন, রুয়ান্ডা, সেন্ট লুসিয়া, দক্ষিণ সুদান, পূর্ব তিমুর, টুভালু, তানজানিয়া, ভিয়েতনাম।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ৭০ টি। [মে, ২০২৫]

উৎস: V- 20 ওয়েবসাইট।
৭২৩.
প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. রিও ডি জেনিরো, ব্রাজিল
  2. কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
  3. স্টকহোম, সুইডেন
  4. পারিস, ফ্রান্স 
সঠিক উত্তর:
রিও ডি জেনিরো, ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিও ডি জেনিরো, ব্রাজিল
ব্যাখ্যা

Earth Summit: 
- ১৯৯২ সালের ৩ - ১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে প্রথম পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘ সম্মেলন (Earth Summit) অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি রিও সামিট, রিও-কনফারেন্স বা ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) নামে পরিচিত।
- এই সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন (Climate Change Convention) বিষয়ক চুক্তি হয়।

উল্লেখ্য,
- এর উল্লেখযোগ্য একটি নীতি হচ্ছে Polluter pays principle.
- এই সম্মেলনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ১৭৯টি দেশের রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক, বিজ্ঞানী, মিডিয়া প্রতিনিধি এবং বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) একত্রিত হয়ে পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়নের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল।

⇒ ধরিত্রী সম্মেলনের উল্লেখযোগ্য সাফল্য:
- রিও ঘোষণা: ২৭টি সার্বজনীন নীতিসহ পরিবেশ ও উন্নয়নের কাঠামো।
- এজেন্ডা ২১: ২১শ শতাব্দীর জন্য টেকসই উন্নয়নের কর্মপরিকল্পনা।
- UNFCCC: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার কনভেনশন যা পরে কিয়োটো প্রোটোকল নামে পরিচিত।
- জৈবিক বৈচিত্র্য কনভেনশন: জৈব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার।
- বন ব্যবস্থাপনা নীতিমালা: বন সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবস্থাপনার ঘোষণা।
- ছোট দ্বীপ রাষ্ট্র সম্মেলন: ১৯৯৪ সালে টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রথম সম্মেলন।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

৭২৪.
জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন সংক্রান্ত সম্মেলন(২০১৫) কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিলো?
  1. ক) জোহানেসবার্গ
  2. খ) বার্লিন
  3. গ) রিওডি জেনিরো
  4. ঘ) নিউইয়র্ক
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিউইয়র্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা
২০১৫-পরবর্তী উন্নয়নের এজেন্ডা গ্রহণের জন্য জাতিসংঘের শীর্ষ সম্মেলন নিউইয়র্কে ২৫ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং সাধারণ পরিষদের একটি উচ্চ-স্তরের পূর্ণাঙ্গ সভা হিসাবে ডাকা হয়েছিল। রেফারেন্সঃ sustainabledevelopment.un.org
৭২৫.
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি অনুযায়ী, দেশগুলোকে কত বছর পর পর তাদের নিঃসরণ কমানোর পরিকল্পনা জমা দিতে হয়?
  1. প্রতি দুই বছর
  2. প্রতি তিন বছর
  3. প্রতি পাঁচ বছর
  4. প্রতি আট বছর
সঠিক উত্তর:
প্রতি পাঁচ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতি পাঁচ বছর
ব্যাখ্যা

প্যারিস জলবায়ু চুক্তি:
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশগত চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০১৫ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ৪ নভেম্বর ২০১৬।
- স্বাক্ষর করেছে: ১৯৫টি দেশ।

⇒ এই চুক্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশ তাদের নিজস্ব জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDCs) দিয়ে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর জন্য অঙ্গীকার করে।
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি পাঁচ বছর পর পর তাদের কার্বন নিঃসরণ কমানোর পরিকল্পনা জমা দিতে হয়। প্যারিস চুক্তির অধীনে, দেশগুলো প্রতি পাঁচ বছর অন্তর নতুন করে জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে জমা দেয়।

⇒ চুক্তির মূল লক্ষ্য:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন প্রায় ৪৩ শতাংশ কমানোর ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

৭২৬.
কিয়োটো প্রটোকলের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ 
  2. পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ 
  3. গ্রিনহাউস গ্যাস উদগীরণ কমানো
  4. পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা
সঠিক উত্তর:
গ্রিনহাউস গ্যাস উদগীরণ কমানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিনহাউস গ্যাস উদগীরণ কমানো
ব্যাখ্যা

কিয়োটো প্রটোকল:
- চুক্তির নাম: কিয়োটো প্রটোকল,
- স্থান: কিয়োটো, জাপান,
- স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে কার্যকর হয়।
- আয়োজক সংস্থা: UNFCCC (United Nations Framework Convention on Climate Change)
- জাতিসংঘের ব্যবস্থাপনায় জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- উদ্দেশ্যে: কার্বন ডাইঅক্সাইড ও গ্রিনহাউস গ্যাস উদগীরণ কমানো।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সাউথ সুদান এ প্রটোকল অনুসমর্থন করে নি।
- ২০১২ সালে কানাডা নিজেকে প্রত্যাহার করে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৭২৭.
কার্বন ক্রেডিট (Carbon Credit) ধারণাটি নিচের কোন প্রটোকল এর মাধ্যমে জনপ্রিয় হয়?
  1. কিয়োটো প্রোটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রোটোকল
  3. কার্টাগেনা প্রোটোকল
  4. নাগোয়া প্রোটোকল
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রোটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রোটোকল
ব্যাখ্যা

- কার্বন ক্রেডিট (Carbon Credit) ধারণাটি মূলত কিয়োটো প্রোটোকল (Kyoto Protocol)-এর মাধ্যমে জনপ্রিয় ও প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এতে তিনটি মূল মেকানিজম চালু হয়:ইন্টারন্যাশনাল এমিশন ট্রেডিং (IET): দেশগুলোর মধ্যে কার্বন ক্রেডিট বিনিময়।
- ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM): উন্নয়নশীল দেশে পরিবেশবান্ধব প্রকল্প করে ক্রেডিট আয় করা।
- জয়েন্ট ইমপ্লিমেন্টেশন (JI): উন্নত দেশগুলোর মধ্যে ক্রেডিট শেয়ারিং।

কিয়োটো প্রটোকল:
- চুক্তির নাম: কিয়োটো প্রটোকল,
- স্থান: কিয়োটো, জাপান,
- স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে কার্যকর হয়।
- আয়োজক সংস্থা: UNFCCC (United Nations Framework Convention on Climate Change)
- জাতিসংঘের ব্যবস্থাপনায় জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- উদ্দেশ্যে: কার্বন ডাইঅক্সাইড ও গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস করা।
- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সাউথ সুদান এ প্রটোকল অনুসমর্থন করে নি।
- ২০১২ সালে কানাডা নিজেকে প্রত্যাহার করে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৭২৮.
'লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড'-এর সাথে জাতিসংঘের কোন জলবায়ু সম্মেলনটি জড়িত?
  1. ২৫তম জলবায়ু সম্মেলন
  2. ২৬তম জলবায়ু সম্মেলন
  3. ২৭তম জলবায়ু সম্মেলন
  4. ২৮তম জলবায়ু সম্মেলন
  5. ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
২৭তম জলবায়ু সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭তম জলবায়ু সম্মেলন
ব্যাখ্যা
'লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড':
- প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূল থেকে অসংখ্য মানুষ প্রতিনিয়ত পৈতৃক ভিটে মাটি ছেড়ে শহরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছেন।
- বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দুর্যোগের কারণে এ সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে বলেই মনে করেন বিজ্ঞানীরা।
- কপ-২৭ বা ২৭তম জলবায়ু সম্মেলনে একটি ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ তহবিল গঠনে সম্মত হয়েছে বিশ্ব।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশের উপকূলের যে মানুষেরা উদ্বাস্তু হচ্ছেন বা ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছেন তাদের সহায়তা এবং পুনর্বাসনে এই তহবিল কাজ করবে বলে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৭২৯.
ব্রিটেন কোন দেশের সাথে 'Good Friday Agreement' স্বাক্ষর করেছিল?
  1. চীন
  2. ফ্রান্স
  3. আয়ারল্যান্ড
  4. সোভিয়েত ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
আয়ারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়ারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বেলফাস্ট চুক্তি (Belfast Agreement):
- বেলফাস্ট চুক্তির অপর নাম 'Good Friday Agreement'.
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকরের তারিখ: ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।

প্রেক্ষাপট:
১৯২১ সালে যুক্তরাজ্যের অংশ হিসেবে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের যাত্রা শুরু হয়। সে সময় আয়ারল্যান্ডের বাকি অংশ স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ফলে অঞ্চলটির জনগণ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। এক দল আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে একত্রিত হতে চেয়েছিল, আরেক দল মানুষ চেয়েছিল যুক্তরাজ্যের অংশ হয়েই থাকতে। বিষয়টি নিয়ে প্রায় ৩০ বছরের সহিংস সংঘর্ষের অবসান ঘটেছিল গুড ফ্রাইডে চুক্তির মাধ্যমে।

তথ্যসূত্র: হিস্টোরি এবং ব্রিটানিকা।
৭৩০.
জাতিসংঘের কোন জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার প্রচেষ্টা চালানো হয়?
  1. COP-21
  2. COP-20
  3. COP-17
  4. COP-15
সঠিক উত্তর:
COP-21
উত্তর
সঠিক উত্তর:
COP-21
ব্যাখ্যা
• প্যারিস চুক্তি:
- প্যারিস চুক্তি জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি আইনত বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক চুক্তি ।
- ফ্রান্সের প্যারিসে ১২ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে (COP21)
- ১৯৫টি পক্ষ এটি গ্রহণ করে।
- এটি ৪ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে কার্যকর হয়।

- এর মূল লক্ষ্য হল "বিশ্বব্যাপী গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে প্রাক-শিল্প-পূর্ব স্তরের চেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা" এবং "তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে প্রাক-শিল্প-পূর্ব স্তরের চেয়ে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার প্রচেষ্টা" চালানো।
- বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হলে, ২০২৫ সালের আগে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে হবে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ৪৩% হ্রাস পেতে হবে।

প্যারিস চুক্তি বিশ্বব্যাপী জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ, যা টেকসই উন্নয়নের পথে অগ্রসর হতে দেশগুলোকে উৎসাহিত করছে।

উৎস: Britannica.
৭৩১.
WWF কোন বিষয়ে কাজ করে?
  1. রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ
  2. নারী ও শিশু অধিকার
  3. শরনার্থী সংকট মোকাবেলা
  4. প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর:
প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
- WWF (World Wildlife Fund) প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংগঠন।
- জলাবায়ু, খাদ্য, বনভূমি, সুপেয় পানি, সমুদ্র, বণপ্রাণী প্রভৃতি ক্ষেত্রে WWF এর কর্মপরিধি বিস্তৃত।
- WWF ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বিশ্বের ১০০টির অধিক দেশে পরিবেশ রক্ষায় কাজ করছে।
- সুইজারল্যান্ডের গ্লান্ড শহরে WWF এর সদরদপ্তর অবস্থিত।
(তথ্যসূত্রঃ WWF ওয়েবসাইট)
৭৩২.
বাসেল কনভেনশন কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জলবায়ু পরিবর্তন
  2. পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ
  3. বিষাক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্যের নিষ্কাশন
  4. প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধ
সঠিক উত্তর:
বিষাক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্যের নিষ্কাশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষাক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্যের নিষ্কাশন
ব্যাখ্যা
বাসেল কনভেনশন:
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম - Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal
- বাসেল কনভেনশন হলো বিষাক্ত বা ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য পদার্থের নিষ্কাশন সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ১৯৮৯ সালে এই কনভেনশনটি স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৯২ সালে এটি কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে বাসেল কনভেনশন অনুমোদন করে এবং এর আওতাভুক্ত হয়।

সূত্র: বাসেল কনভেনশন ও UNEP ওয়েবসাইট
৭৩৩.
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি কবে কার্যকর হয়?
  1. ১২ ডিসেম্বর, ২০১৫
  2. ১ জানুয়ারি, ২০১৬
  3. ১ ডিসেম্বর, ২০১৬
  4. ৪ নভেম্বর, ২০১৬
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ২০১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ২০১৬
ব্যাখ্যা
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি:

• গৃহীত: ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত ২১তম UNFCCC Conference of Parties (COP-21) সম্মেলনে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি গৃহীত হয়।
• বর্তমান পর্যন্ত ১৯৫টি দেশ প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
• ২০১৬ সালের ২২ এপ্রিল জাতিসংঘ সদরদপ্তরে এটি স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয় 
•  কার্যকর: ৪ নভেম্বর ২০১৬ থেকে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি কার্যকর হয়।
• প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে একুশ শতকে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট। 
৭৩৪.
বাসেল কনভেনশন কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা

বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- এটি গৃহীত হয় সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে।
- 'বাসেল কনভেনশন'-এর কার্যক্রম শুরু হয় ৫ মে, ১৯৯২ সালে।
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

তথ্যসূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।

৭৩৫.
প্রথম ''ধরিত্রী সম্মেলন'' কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯১
  2. ১৯৯২
  3. ১৯৯৭
  4. ২০০২
সঠিক উত্তর:
১৯৯২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯২
ব্যাখ্যা

রিও সম্মেলন / প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit):
- পূর্ণনাম: United Nations Conference on Environment and Development (UNCED).
- স্থান: রিও ডি জেনেইরো, ব্রাজিল। 
- তারিখ: ৩–১৪ জুন, ১৯৯২।
- উদ্দেশ্য: টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা ও পরিবেশ সংরক্ষণে আন্তর্জাতিক কর্মপরিকল্পনা তৈরি।

• গুরুত্বপূর্ণ অর্জন:
- UNFCCC (United Nations Framework Convention on Climate Change) স্বাক্ষর।
- CBD (Convention on Biological Diversity) স্বাক্ষর।
- Agenda 21 অনুমোদন।

উৎস: United Nations ওয়েবসাইট।

৭৩৬.
পরিবেশ সংরক্ষণে অসামান্য অবদানের জন্য কোন সংস্থা "চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ" পুরস্কার প্রদান করে?
  1. IUCN
  2. UN
  3. UNEP
  4. UNDP
সঠিক উত্তর:
UNEP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNEP
ব্যাখ্যা
UNEP: 
- জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচী (UNEP) হলো পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নের জন্য কাজ করা একটি বৈশ্বিক সংস্থা।
- এর পূর্ণরূপ United Nations Environment Programme।
- UNEP-এর সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত।
- এটি ৫ জুন, ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে UNEP-এর সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা ১৯৩. 

এছাড়া,
- পরিবেশ সংরক্ষণে অসামান্য অবদানের জন্য UNEP প্রতি বছর "চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ" পুরস্কার প্রদান করে।

সূত্র: UNEP ওয়েবসাইট। 
৭৩৭.
কোন প্রটোকলের মাধ্যমে 'Clean Development Mechanism' (CDM) ধারণাটি প্রবর্তিত হয়?
  1. মন্ট্রিল প্রটোকল
  2. কিয়োটো প্রটোকল
  3. কার্টাগেনা প্রটোকল
  4. নাগোয়া প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রটোকল
ব্যাখ্যা

- কিয়োটো প্রটোকল মাধ্যমে 'Clean Development Mechanism' (CDM) ধারণাটি প্রবর্তিত হয়।
- কিয়োটো প্রোটোকল, যা জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (UNFCCC)-এর অধীনে গৃহীত হয়েছে, 
- এর Article 12-এ 'Clean Development Mechanism' (CDM)-এর ধারণা প্রবর্তিত করা হয়।

কিয়োটো প্রটোকল:

- চুক্তির নাম: কিয়োটো প্রটোকল,
- স্থান: কিয়োটো, জাপান,
- স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে কার্যকর হয়।
- আয়োজক সংস্থা: UNFCCC (United Nations Framework Convention on Climate Change)
- জাতিসংঘের ব্যবস্থাপনায় জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- উদ্দেশ্যে: কার্বন ডাইঅক্সাইড ও গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস করা।
- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সাউথ সুদান এ প্রটোকল অনুসমর্থন করে নি।
- ২০১২ সালে কানাডা নিজেকে প্রত্যাহার করে।

অপরদিকে,
• কার্টাগেনা প্রটোকল:
- এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]

৭৩৮.
মন্ট্রিল প্রটোকলের কোন সংশোধনীতে ২০৪৭ সালে HFC এর ব্যবহার ৮০% হ্রাসের বিষয়টি বর্ণিত হয়েছে?
  1. ক) বেইজিং সংশোধনী
  2. খ) কিগালি সংশোধনী
  3. গ) মন্ট্রিল সংশোধনী
  4. ঘ) কোপেনহেগেন সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
খ) কিগালি সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কিগালি সংশোধনী
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- বায়ুমন্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরে অবস্থিত ওজোন স্তর।
- এই প্রটোকলে ওজোন স্তরের ক্ষতিকর পদার্থ নিঃসরণ বন্ধ বা কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।

⇒ চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।

⇒ ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতি বছর ওজোনস্তর রক্ষা দিবস পালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ODS (Ozone Depleting Substances) হলো এমন পদার্থ যা সাধারণত রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র এবং অ্যারোসলের মতো পণ্যগুলিতে ব্যবহৃত হয়।

এছাড়াও,
⇒ ১৯৮৯ সাল থেকে মন্ট্রিল প্রটোকল ৬ বার সংশোধন করা হয়।এগুলো হলো:
- London amendment 1990,
- Copenhagen amendment 1992,
- Vienna amendment 1995,
- Montreal amendment 1997,
- Beijing amendment 1999,
- Kigali amendment 2016.

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat.

কিগালি সংশোধনী (Kigali Amendment) - ১৫ অক্টোবর, ২০১৬ সালে রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে মন্ট্রিল প্রটোকল সর্বশেষ সংশোধিত হয়। এটি ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারিতে কার্যকর হয়। সংশোধনী অনুসারে সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহ ২০৪৭ সাল পর্যন্ত ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক হাইড্রোফ্লোরো কার্বন (HFCs) - জাতীয় গ্যাসের ব্যবহার ৮০ শতাংশ কমিয়ে আনার ব্যাপারে ঐক্যমত হয়। এই চুক্তিটি এখন পর্যন্ত ১০০টি দেশ অনুমোদন করেছে।

সূত্র: UNEP এর ওয়েবসাইট।
৭৩৯.
What international agreement, entered into force in 2016, aims to limit global warming to well below 2 degree Celsius above pre-industrial levels, with an aspirational target of 1.5 degrees Celsius?
  1. Paris Agreement
  2. Kyoto Protocol
  3. Montreal Protocol
  4. Copenhagen Accord
সঠিক উত্তর:
Paris Agreement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Paris Agreement
ব্যাখ্যা
প্যারিস চুক্তি:

- জলবায়ু পরিবর্তন একটি বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা যা জাতীয় সীমানা ছাড়িয়ে যায়।
- এটি এমন একটি সমস্যা যার জন্য সকল স্তরে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং সমন্বিত সমাধান প্রয়োজন।
- জলবায়ু পরিবর্তন এবং এর নেতিবাচক প্রভাবগুলি মোকাবেলা করার জন্য, প্যারিসে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে (COP21) বিশ্ব নেতারা ১২ ডিসেম্বর ২০১৫ সালে একটি অগ্রগতি অর্জন করেছেন যা ঐতিহাসিক প্যারিস চুক্তি৷
- এটি ৪ নভেম্বর ২০১৬ সালে কার্যকর হয়।
- চুক্তিটিতে দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়,
• এই শতাব্দীতে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমিত করার জন্য বিশ্বব্যাপী গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমনকে যথেষ্ট পরিমাণে হ্রাস করা এবং বৃদ্ধিকে আরও ১.৫ ডিগ্রিতে সীমাবদ্ধ করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।
• জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমিত করতে, স্থিতিস্থাপকতা জোরদার করতে এবং জলবায়ু প্রভাবের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষমতা বাড়াতে উন্নয়নশীল দেশগুলিকে অর্থায়ন প্রদান করা।
- চুক্তিটি একটি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক চুক্তি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭৪০.
গ্রীনহাউজ নির্গমন সংক্রান্ত চুক্তি কোনটি?
  1. কার্টেগোনা প্রটোকল
  2. কিয়োটো প্রটোকল
  3. মন্ট্রিল প্রটোকল
  4. জেনেভা কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রটোকল
ব্যাখ্যা

কিয়োটো প্রটোকল:
- গ্রীনহাউজ নির্গমন সংক্রান্ত চুক্তি কিয়োটো প্রটোকল।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- এই প্রোটোকলটি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জের (UNFCCC) অধীনে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- কিয়োটো প্রোটোকল শিল্পোন্নত দেশগুলোকে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়। 
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯২টি।

⇒ কিয়োটো প্রটোকলের অংশ হিসেবে অনেক উন্নত দেশ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসকরণের জন্য নৈতিকভাবে দুটি পর্যায়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়।
- প্রথম প্রতিশ্রুতির সময় ২০০৮-২০১২ এবং দ্বিতীয়টি ২০১৩-২০২০ সাল পর্যন্ত।
- প্রথম চুক্তির মেয়াদ ২০১২ সালে শেষ হলে দ্বিতীয় দফায় সেই চুক্তি সংশোধন করে ২০২০ সাল নাগাদ বর্ধিত করা হলেও এখন পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন কাজ শুরু হয়নি।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৭৪১.
গ্লাসগো জলবায়ু চুক্তিতে বৈশ্বিক তাপমাত্রা কত ডিগ্রিতে সীমিত রাখার কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) ২ ডিগ্রি
  2. খ) ১.২ ডিগ্রি
  3. গ) ১.৫ ডিগ্রি
  4. ঘ) ২.৫ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর:
গ) ১.৫ ডিগ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১.৫ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
- স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর থেকে ১২ নভেম্বর যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো শহরে ২৬তম কপ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- গ্লাসগোতে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP26) 120 বিশ্ব নেতৃবৃন্দ এবং 40,000 এরও বেশি নিবন্ধিত অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে এসেছে, যার মধ্যে 22,274 দলীয় প্রতিনিধি, 14.124 পর্যবেক্ষক এবং 3.886 মিডিয়া প্রতিনিধি রয়েছে।।
- COP26 এর ফলাফল-গ্লাসগো জলবায়ু চুক্তি।
- চুক্তি অনুযায়ী, দেশগুলো  বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রিতে সীমিত রাখার লক্ষ্য টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছে । 


উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট 
৭৪২.
স্টকহোম সম্মেলনের ফলাফল হিসেবে নিচের কোনটি গঠিত হয়?
  1. UNEP
  2. WWF
  3. FWN
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
UNEP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNEP
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সম্মেলন:
- অনুষ্ঠিত হয়: ১৯৭২ সালে।
- জাতিসংঘের প্রথম পরিবেশ বিষয়ক বিশ্ব সম্মেলন স্টকহোমে অনুষ্ঠিত হয়।
- স্টকহোম সম্মেলনের ফলাফল হিসেবে জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) তৈরী হয়।
- স্টকহোম ঘোষণাপত্রে ২৬টি নীতি রয়েছে।
- অ্যাকশন প্ল্যানে তিনটি প্রধান বিভাগ ছিল,
• গ্লোবাল এনভায়রনমেন্টাল অ্যাসেসমেন্ট প্রোগ্রাম (ওয়াচ প্ল্যান)।
• পরিবেশ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম।
• জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সম্পাদিত মূল্যায়ন ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে সমর্থন করার জন্য আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা।
- এই বিভাগগুলিকে ১০৯টি সুপারিশে বিভক্ত করা হয়েছিল।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭৪৩.
নিচের কোনটি কিয়োটো চুক্তির বিষয়বস্তু?
  1. নিরস্ত্রীকরণ
  2. উষ্ণতা হ্রাস
  3. দারিদ্রতা হ্রাস
  4. জনসংখ্যা হ্রাস
সঠিক উত্তর:
উষ্ণতা হ্রাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উষ্ণতা হ্রাস
ব্যাখ্যা
⇒ কিয়োটো চুক্তির বিষয়বস্তু উষ্ণতা হ্রাস।

কিয়োটো প্রোটোকল:

- কিয়োটো প্রোটোকল একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এটি পরিবেশের সাথে সম্পর্কিত।
- ‘কার্বন ক্রেডিট’ এর ধারণা দেয় কিয়োটা প্রোটোকল।
- এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলিকে গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য দায়বদ্ধ করে।
- জাপানের কিয়োটো শহরে এই চুক্তি প্রথম গৃহীত হয়।
- গৃহীত হয় ১১ই ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৫ সাল।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৭৪৪.
'প্রথম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর অর্থ সম্মেলন (সিভিএফ-ভি২০)' অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ৯ ডিসেম্বর ২০২০ সালে
  2. ৮ জুলাই ২০২১ সালে
  3. ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সালে
  4. ২৯ অক্টোবর ২০১৯ সালে
সঠিক উত্তর:
৮ জুলাই ২০২১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ জুলাই ২০২১ সালে
ব্যাখ্যা
গত ৮ জুলাই ২০২১ সালে Climate Vulnerable Forum (CVF) সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীতে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ‘প্রথম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর অর্থ সম্মেলন (সিভিএফ-ভি২০)’ উদ্বোধন করেন।
অর্থমন্ত্রী এএইচএম মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে, বাংলাদেশ আয়োজিত এই প্রথমবারের মত ঝুঁকিপূর্ণ ২০টি দেশের (ভি-২০) অর্থমন্ত্রীদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
 
এতে অংশগ্রহণ করে:
- সিভিএফ দেশগুলোর রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানগণ, 
- জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তনিও গুতেরেজ,
-  গ্লোবাল সেন্টার অন অ্যাডাপ্টেশনের চেয়ার বান কি-মুন, 
- ভি২০ দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীগণ, 
- জি৭ভুক্ত ও জি২০ভুক্ত দেশগুলোর মন্ত্রী ও প্রতিনিধিগণ, 
- আইএফআইএস ও এমডিবিএস এর প্রধানগণ।
 
উৎস: https://pmo.gov.bd/
৭৪৫.
বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন কোনটি?
  1. মন্ট্রিল প্রটোকল
  2. বাসেল কনভেনশন
  3. ভিয়েনা কনভেনশন
  4. কিয়োেটা প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
বাসেল কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাসেল কনভেনশন
ব্যাখ্যা

বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- এটি গৃহীত হয় সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে।
- 'বাসেল কনভেনশন'-এর কার্যক্রম শুরু হয় ৫ মে, ১৯৯২ সালে।
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

তথ্যসূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।

৭৪৬.
রামসার কনভেনশন স্বাক্ষরকারী দেশ কয়টি? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. ১৭১টি 
  2. ১৭০টি 
  3. ১৭২টি 
  4. ১৭৩টি 
সঠিক উত্তর:
১৭২টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭২টি 
ব্যাখ্যা

• রামসার কনভেনশন (১৯৭১):
- পূর্ণনাম Ramsar Convention on Wetlands.
- এই কনভেনশনটি ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে গৃহীত হয় এবং ১৯৭৫ সালে কার্যকর হয়।
- তারপর থেকে, বিশ্বের সমস্ত ভৌগোলিক অঞ্চল থেকে প্রায় ৯০% জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র "চুক্তিকারী পক্ষ" হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। 
• এর উদ্দেশ্য:
- আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি সংরক্ষণ করা।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি (Wetlands) তালিকাভুক্ত করতে বলা হয়, যা রামসার সাইট নামে পরিচিত।
- রামসার কনভেনশন স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৭২টি দেশ (২১/১২/২ সাল পর্যন্ত)।
- ২রা এপ্রিল ২০২৫ তারিখে, সৌদি আরব ইউনেস্কোর মহাপরিচালকের কাছে কনভেনশনে তাদের যোগদানের দলিল জমা দেয়।
- এই কনভেনশনটি দেশের জন্য ২রা আগস্ট ২০২৫ তারিখে কার্যকর হবে, যা এটিকে জলাভূমি সংরক্ষণ এবং বিজ্ঞতার সাথে ব্যবহারের জন্য নিবেদিত চুক্তির ১৭৩তম চুক্তিকারী পক্ষ করে তুলবে।

উৎস: Ramsar Convention Official Website. [লিংক]

৭৪৭.
মন্ট্রিল প্রটোকল এর বিষয়বস্তু কী?
  1. গ্রীন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস করা
  2. জৈব নিরাপত্তা
  3. বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তর রক্ষা করা
  4. ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক
সঠিক উত্তর:
বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তর রক্ষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তর রক্ষা করা
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত হয়।
- ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি মন্ট্রিল প্রটোকল কার্যকর হয়।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৭৪৮.
জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল কার্যকর হয়-
  1. ক) ২০০০ সালে
  2. খ) ২০০৩ সালে
  3. গ) ২০০৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল- কার্টাগেনা প্রটোকল। এটি ২০০০ সালে স্বাক্ষরিত হয় এবং ২০০৩ সালে কার্যকর হয়। কার্টাগেনা শহরটি কলম্বিয়ায় অবস্থিত। উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৭৪৯.
২০২৫ সালে কততম জলবায়ু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে?
  1. ২৯তম 
  2. ৩০তম 
  3. ৩১তম 
  4. ৩৩তম 
সঠিক উত্তর:
৩০তম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০তম 
ব্যাখ্যা

কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো শহরে ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

⇒ ৩০তম জলবায়ু সম্মেলন (কপ-30):
- ১০ - ২১ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে ৩০তম জলবায়ু সম্মেলন ব্রাজিলের আমাজনের রেইনফরেস্ট এলাকায় বেলেমে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- কপ-৩০ সম্মেলনের মূল আলোচ্য বিষয় ‘নিউ কালেক্টিভ কোয়ান্টিফাইড গোল (এনসিকিউজি)’—যার আওতায় বার্ষিক কমপক্ষে ৩০০ বিলিয়ন ডলার জলবায়ু অর্থায়ন সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হবে। 
- এই সম্মেলনে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৫০টি দেশ।
- এবারের সম্মেলনে গুরুত্ব পাচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও অর্থায়ন সংক্রান্ত বিষয়ে উন্নত দেশগুলোর দায়িত্বশীল পদক্ষেপ নিশ্চিত করা।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৭৫০.
পঞ্চম এলডিসি সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) জেনেভা
  2. খ) তাসখন্দ
  3. গ) মেক্সিকো সিটি
  4. ঘ) দোহা
সঠিক উত্তর:
ঘ) দোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দোহা
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের উদ্যোগে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর পঞ্চম এলডিসি সম্মেলন (5th United Nations Conference on the Least Developed Countries-LDC5) ২০২৩ সালের ৫-৯ মার্চ কাতারের রাজধানী দোহায় অনুষ্ঠিত হয়।

- এই সম্মেলনে দোহা প্ল্যান অব একশন : ২০২২-২০৩১ গৃহীত হয়। বর্তমানে ৪৬টি দেশ জাতিসংঘ এলডিসি গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত আছে।

(তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৭৫১.
মন্ট্রিল প্রটোকলের কোন সংশোধনীতে  HFCs এর উৎপাদন এবং ব্যবহার কমিয়ে আনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়?
  1. লন্ডন সংশোধনী
  2. কোপেনহেগেন সংশোধনী
  3. কিগালি সংশোধনী
  4. বেইজিং সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
কিগালি সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিগালি সংশোধনী
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটোকল হলো ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ (ODS) ব্যবহার এবং উৎপাদন বন্ধ করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।

⇒ চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।

⇒ ১৯৮৯ সাল থেকে মন্ট্রিল প্রটোকল ৬ বার সংশোধন করা হয়।এগুলো হলো:
- London amendment 1990,
- Copenhagen amendment 1992,
- Vienna amendment 1995,
- Montreal amendment 1997,
- Beijing amendment 1999,
- Kigali amendment 2016.

• কিগালি সংশোধনী:
- কিগালি সংশোধনী গৃহীত হয়: ১৫ অক্টোবর, ২০১৬। 
- কিগালি সংশোধনী কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারি, ২০১৯।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা রুয়ান্ডার কিগালিতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে গৃহীত হয়ছিল।
- এর লক্ষ্য হাইড্রোফ্লুরোকার্বন (HFCs)-এর ব্যবহার কমিয়ে পৃথিবীর উষ্ণায়ন কমানো এবং পৃথিবীকে আরও পরিবেশবান্ধব, টেকসই ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে, বিভিন্ন দেশ আগামী ৩০ বছরের মধ্যে HFCs এর উৎপাদন এবং ব্যবহার ৮০%-৮৫% কমিয়ে আনবে।

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট। [link]
ii) Ozone Secretariat।
৭৫২.
২৬তম জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কয় দফা দাবি উত্থাপন করেন?
  1. ক) ৭
  2. খ) ৬
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৮
সঠিক উত্তর:
গ) ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪
ব্যাখ্যা
গত ২ নভেম্বর, ২০২১ স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে ২৬তম জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলনের মূল অধিবেশনের ভাষণে জলবায়ু পরিবর্তনের ইস্যুতে ‘ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম-সিভিএফ’-এর সভাপতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বিশ্ব নেতাদের সামনে চার দফা দাবি তুলে ধরেন।
চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে :
১. প্রধান কার্বন নিঃসরণকারীদের অবশ্যই  উচ্চাভিলাষী জাতীয় পরিকল্পনা (এনডিসি) দাখিল এবং তা বাস্তবায়ন করতে হবে।
২. উন্নত দেশগুলোকে অভিযোজন এবং প্রশমন অর্ধেক-অর্ধেক ভিত্তিতে ১০০ বিলিয়ন ডলার সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে হবে।
৩. উন্নত দেশগুলোকে স্বল্প খরচে অধিক ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি সরবরাহ করতে হবে
৪. সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নদীভাঙন, বন্যা ও খরার মতো দুর্যোগের কারণে বাস্তুচ্যুত জলবায়ু অভিবাসীদের দায়িত্ব নেওয়াসহ জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে ক্ষতি ও ধ্বংস মোকাবিলা করতে হবে।

উৎস : https://www.deshrupantor.com/
৭৫৩.
ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক 'মন্ট্রিল প্রটোকল' অনুমোদনকারী পক্ষ -
  1. ক) ১৯৩টি
  2. খ) ১৯৫টি
  3. গ) ১৯৮টি
  4. ঘ) ১৯৭টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮টি
ব্যাখ্যা
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিয়াল শহরে গৃহীত হয়।
- ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি মন্ট্রিয়াল প্রটোকল কার্যকর হয়। 
- বিশ্বের ১৯৮টি দেশ ও অঞ্চল চুক্তিটি অনুমোদন করে।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজনস্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

(তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৭৫৪.
সম্প্রতি জাতিসংঘ পানি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় - 
  1. ক) ২০-২৪ মার্চ ২০২৩
  2. খ) ২২-২৪ মার্চ ২০২৩
  3. গ) ২৩-২৬ মার্চ ২০২৩
  4. ঘ) ২৪-২৬ মার্চ ২০২৩
সঠিক উত্তর:
খ) ২২-২৪ মার্চ ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২২-২৪ মার্চ ২০২৩
ব্যাখ্যা
•‘জাতিসংঘ পানি সম্মেলন ২০২৩:
- ২২-২৪শে মার্চ ২০২৩, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ পানি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- ৫০ বছরের মধ্যে জাতিসংঘ আয়োজিত এটি প্রথম আন্তর্জাতিক পানি সম্মেলন।
- এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র, এর আওতাধীন বিভিন্ন অঙ্গ-সংস্থাসমূহ এবং অন্যান্য সকল অংশীজনদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বৈশ্বিক পানি বিষয়ক কর্মসূচির বাস্তবায়নে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন।
- ২০২৩ সালের জাতিসংঘ পানি সম্মেলনের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ।
- বিশ্বের ২৬ শতাংশ মানুষ বিশুদ্ধ পানি পায় না৷ আর ৪৬ শতাংশ মানুষ ভালো ব্যবস্থাপনার পয়ঃনিষ্কাশন সেবা থেকে বঞ্চিত৷

উৎস: এএফপি এবং কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
৭৫৫.
কোনটি স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত -
  1. বাসেল কনভেনশন
  2. জেনেভা কনভেনশন
  3. অটোয়া কনভেনশন
  4. ভিয়েনা কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
অটোয়া কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অটোয়া কনভেনশন
ব্যাখ্যা
• অটোয়া কনভেনশন:
- অটোয়া কনভেনশন হচ্ছে স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক কনভেনশন।
- এটি ০৩ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে কানাডার অটোয়ায় স্বাক্ষরিত হয়।
- ১ মার্চ ১৯৯৯ সালে কার্যকর হয়।
- চুক্তিটিতে স্বাক্ষরকারী দেশ ১৩৩টি।
- সব ধরনের স্থলমাইন ব্যবহার, উৎপাদন, মজুদ, নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংস করা হলো এই চুক্তির উদ্দেশ্য।

অন্যদিকে,
- বাসেল কনভেনশন হলো- বিষাক্ত বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন সংক্রান্ত কনভেনশন। 
- জেনেভা কনভেনশন হলো- যুদ্ধবন্দি ও যুদ্ধাহত ব্যক্তিদের সাথে আচরণ বিধি।
- ভিয়েনা কনভেনশন হলো - ওজোন স্তর সুরক্ষা ও সংরক্ষণ সম্পর্কিত।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৭৫৬.
ধরিত্রী সম্মেলনের সময় গৃহীত কর্মপরিকল্পনার নাম কী?
  1. রিও ঘোষণা
  2. কিয়োটো প্রোটোকল
  3. বেইজিং কর্মপরিকল্পনা
  4. এজেন্ডা ২১
সঠিক উত্তর:
এজেন্ডা ২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এজেন্ডা ২১
ব্যাখ্যা

ধরিত্রী সম্মেলন:
- ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) হলো পরিবেশ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে জাতিসংঘের আয়োজনে অনুষ্ঠিত বিশ্ব সম্মেলন।
- এটি ১৯৯২ সালের ৩ থেকে ১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি রিও সামিট, রিও-কনফারেন্স বা ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) নামে পরিচিত।
- এটি ছিল জাতিসংঘের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সম্মেলনগুলোর মধ্যে একটি যেখানে ১৭৮টি দেশ অংশগ্রহণ করে। 
- গৃহীত ফলাফল: এই সম্মেলনে Agenda 21, রিও ঘোষণাপত্র, জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘ রূপরেখা (UNFCCC) এবং জীববৈচিত্র্য সংক্রান্ত কনভেনশন (CBD) স্বাক্ষরিত হয়েছিল। 

⇒ ধরিত্রী সম্মেলনের উল্লেখযোগ্য সাফল্য:
- রিও ঘোষণা: ২৭টি সার্বজনীন নীতিসহ পরিবেশ ও উন্নয়নের কাঠামো।
- এজেন্ডা ২১: ২১শ শতাব্দীর জন্য টেকসই উন্নয়নের কর্মপরিকল্পনা।
- UNFCCC: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার কনভেনশন যা পরে কিয়োটো প্রোটোকল নামে পরিচিত।
- জৈবিক বৈচিত্র্য কনভেনশন: জৈব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার।
- বন ব্যবস্থাপনা নীতিমালা: বন সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবস্থাপনার ঘোষণা।
- ছোট দ্বীপ রাষ্ট্র সম্মেলন: ১৯৯৪ সালে টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রথম সম্মেলন।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

৭৫৭.
Ramsar Convention on Wetlands কত সাল কার্যকর হয়?
  1. ১৯৭৭ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা


• রামসার কনভেনশন (১৯৭১):
- পূর্ণনাম Ramsar Convention on Wetlands.
- এই কনভেনশনটি ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে গৃহীত হয় এবং ১৯৭৫ সালে কার্যকর হয়।
- তারপর থেকে, বিশ্বের সমস্ত ভৌগোলিক অঞ্চল থেকে প্রায় ৯০% জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র "চুক্তিকারী পক্ষ" হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। 
• এর উদ্দেশ্য:
- আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি সংরক্ষণ করা।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি (Wetlands) তালিকাভুক্ত করতে বলা হয়, যা রামসার সাইট নামে পরিচিত।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১৭৩টি দেশ (২০২৪ সাল পর্যন্ত)।
- ২রা এপ্রিল ২০২৫ তারিখে, সৌদি আরব ইউনেস্কোর মহাপরিচালকের কাছে কনভেনশনে তাদের যোগদানের দলিল জমা দেয়।
- এই কনভেনশনটি দেশের জন্য ২রা আগস্ট ২০২৫ তারিখে কার্যকর হবে, যা এটিকে জলাভূমি সংরক্ষণ এবং বিজ্ঞতার সাথে ব্যবহারের জন্য নিবেদিত চুক্তির ১৭৩তম চুক্তিকারী পক্ষ করে তুলবে।

উৎস: Ramsar Convention Official Website.

৭৫৮.
কত সালে বাংলাদেশ বাসেল কনভেনশন কার্যকর হয়?
  1. ক) ১৯৯২ সালের ৫ই মে
  2. খ) ১৯৯২ সালের ২২শে সেপ্টেম্বর
  3. গ) ১৯৯৩ সালের ৩০ই জুন
  4. ঘ) ১৯৯৭ সালের ১৩ই জানুয়ারী
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৩ সালের ৩০ই জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৩ সালের ৩০ই জুন
ব্যাখ্যা
বাসেল কনভেনশন
- জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) বিপজ্জনক বা বিষাক্ত বর্জ্য এবং এটির আন্তঃসীমান্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য বাসেল কনভেনশন নামে একটি কনভেনশন গ্রহণ করে।
-  গৃহীত হয় - ২২শে মার্চ, ১৯৮৯ সালে; বাসেল, সুইজারল্যান্ড
- বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণের আন্তর্জাতিক চুক্তিকে বাসেল কনভেনশন বলে।
- বাসেল কনভেনশন এর উদ্দেশ্য - উন্নত দেশ থেকে অনুন্নত দেশে বিপজ্জনক বর্জ্য স্থানান্তর রোধ করা।
-  বাংলাদেশ বাসেল কনভেনশন কার্যকর করে ১৯৯৩ সালের ৩০ জুন।

অন্যদিকে -
- আর্জেন্টিনা বাসেল কনভেনশন কার্যকর করে ১৯৯২ সালের ৫ই মে।
- ভারত বাসেল কনভেনশন কার্যকর করে ১৯৯২ সালের ২২শে সেপ্টেম্বর।
- নেপাল বাসেল কনভেনশন কার্যকর করে ১৯৯৭ সালের ১৩ই জানুয়ারী। 

উৎস: বাসেল কনভেনশন এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭৫৯.
UNFCCC এর কত তম Conference of Parties এ প্যারিস জলবায়ু চুক্তি গৃহিত হয়?
  1. CoP-20
  2. CoP-21
  3. CoP-22
  4. CoP-25
সঠিক উত্তর:
CoP-21
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CoP-21
ব্যাখ্যা
২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত ২১তম UNFCCC Conference of Parties (CoP-21) এ প্যারিস জলবায়ু চুক্তি গৃহিত হয়। এতে মোট ১৯৬টি দেশ ও সংস্থা অংশ নেয়৷ ৪ নভেম্বর ২০১৬ এই চুক্তি কার্যকর হয়। এতে একুশ শতকে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের অনেক নিচে (preferably 1.5 degree) রাখার লক্ষ্য স্থির করা হয়।
(সূত্রঃ UNFCCC ওয়েবসাইট)
৭৬০.
জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক 'চুক্তি' কোনটি?
  1. কিয়েটো প্রটোকল
  2. কার্টাগেনা প্রটোকল
  3. মন্ট্রিল প্রটোকল 
  4. প্যারিস চুক্তি
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
ব্যাখ্যা

• কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রোটোকল এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
- এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।
- কার্টাগেনা প্রোটকল অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে। তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।
- কার্টাগেনা প্রোটকল গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- চুক্তির পক্ষে স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি।
- অনুমোদনকারী: ১৭৩টি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

অন্যদিকে,
• কিয়োটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- সেই সময় সুদান জাতিসংঘের সদস্য ছিলো না, তাই স্বাক্ষর করেনি।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- প্রটোকলের মেয়াদ শেষ হয় ২০২০ সালে।

• মন্ট্রিল প্রটোকল:
- প্রটোকলটি গৃহীত হয়: ১৯৮৭ সালে।
- উদ্দেশ্য: ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক ক্ষতিকর পদার্থ সীমিতকরণ।
- চুক্তির স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯।
-  এটি ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে কাজ করে।
- মন্ট্রিল প্রটোকল চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য বর্তমানে সিএফসি গ্যাসের উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে।

প্যারিস জলবায়ু চুক্তি-২০১৫:

- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ–২১ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয়। 
⇒ চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম করা।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।

৭৬১.
'Nature Restoration Regulation' কোন সংস্থা প্রণয়ন করেছে?
  1. ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  2. আফ্রিকান ইউনিয়ন
  3. আসিয়ান
  4. বিমসটেক
সঠিক উত্তর:
ইউরোপীয় ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোপীয় ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা

Nature Restoration Regulation:
- জলবায়ু পরিবর্তন এবং জীববৈচিত্রের ক্ষতি মোকাবিলায় ২০২৪ সালে 'Nature Restoration Regulation' প্রণয়ন করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)।

⇒ Nature Restoration Regulation এই নিয়মাবলীটি জলবায়ু পরিবর্তন এবং জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি মোকাবিলায় ইউরোপীয় কমিশনের ২০২২ সালের প্রস্তাবের ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) Nature Restoration Law (প্রকৃতি পুনরুদ্ধার আইন) ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট কার্যকর হয়েছে।
- এই আইনটি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। 
- মূল উদ্দেশ্য: এই আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো ক্ষতিগ্রস্ত প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র (ecosystem) পুনরুদ্ধার করা, জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা করা।

মূল লক্ষ্য:
- ২০৩০ সালের মধ্যে EU-এর অন্তত ২০% স্থলভাগ ও সমুদ্র এলাকায় প্রকৃতি পুনরুদ্ধার ব্যবস্থা চালু করা।
- ২০৫০ সালের মধ্যে সমস্ত অবক্ষয়িত (degraded) ইকোসিস্টেম পুনরুদ্ধার করা।

• প্রত্যেক EU সদস্য রাষ্ট্রকে National Restoration Plans জমা দিতে হবে সেপ্টেম্বর ২০২৬ এর মধ্যে।
- এই আইন কার্বন শোষণ ক্ষমতা বৃদ্ধি, চরম আবহাওয়া (বন্যা, খরা) থেকে সুরক্ষা এবং টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে

উৎস: EU ওয়েবসাইট।

৭৬২.
সম্প্রতি, বাংলাদেশের জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমে জার্মানি প্রায় কত টাকার অর্থ সহায়তা দেয়ার চুক্তি করেছে? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৬২৪ কোটি টাকা
  2. ৭২৪ কোটি টাকা
  3. ৮২৪ কোটি টাকা
  4. ১০২৪ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৭২৪ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২৪ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
জলবায়ু তহবিল:
- জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে ৫২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ৭২৪ কোটি টাকা) দেবে জার্মানি।
- অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী ও বাংলাদেশে জার্মান রাষ্ট্রদূত আচিম ট্রস্টার দুই দেশের সরকারের পক্ষে এই বিষয়ে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন।
- এই অর্থ "Climate Change Adapted Urban Development Programme VIII" প্রকল্পে ব্যয় হবে।
- যার মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো উন্নয়ন ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করা হবে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দুই দেশের সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ-জার্মান জলবায়ু ও উন্নয়ন অংশীদারিত্ব (সিডিপি) নিয়ে যৌথ অভিপ্রায় ঘোষণার (জেডিআই) পর এটিই প্রথম তহবিল।
- এই তহবিলের আওতায় প্রকল্পটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে অভিযোজন সক্ষমতা জোরদার করতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নত করে ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করবে।
- এই তহবিল জলবায়ু-সংবেদনশীল পরিকল্পনা ও জলবায়ু অভিযোজনের জন্য অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নেও সহায়তা করবে।

তথ্যসূত্র: বাসস। [Link]
৭৬৩.
গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস সংক্রান্ত কিয়োটো প্রটোকল কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

কিয়োটো প্রটোকল:
- গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য প্রথম আইনগত বাধ্যবাধকতা তৈরি করে কিয়োটো প্রোটোকল। 
- এই প্রোটোকলটি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জের (UNFCCC) অধীনে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- কিয়োটো প্রোটোকল শিল্পোন্নত দেশগুলোকে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়। 

উল্লেখ্য,
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯২টি।

⇒ কিয়োটো চুক্তির ভিত্তিতে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ২০১২ সালের মধ্যে ৫.২ শতাংশ কমানোর বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- চুক্তি বাস্তবায়নের শর্ত অনুযায়ী বিশ্বের মোট গ্রিনহাউস গ্যাসের ৫৫ শতাংশ উৎপাদনকারী দেশগুলোর স্বাক্ষরের প্রয়োজন ছিল।
- প্রাথমিক পর্যায়ে নিজ নিজ দেশে উৎপন্ন গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
- চুক্তিভুক্ত দেশগুলো যে ছয়টি গ্যাস নিঃসরণ কমানোর উদ্যোগ নেয় সেগুলো হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, হাইড্রোফ্লোরোকার্বন, পারফ্লোরোকার্বন ও সালফার।

⇒ কিয়োটো প্রটোকলের অংশ হিসেবে অনেক উন্নত দেশ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসকরণের জন্য নৈতিকভাবে দুটি পর্যায়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়।
- প্রথম প্রতিশ্রুতির সময় ২০০৮-২০১২ এবং দ্বিতীয়টি ২০১৩-২০২০ সাল পর্যন্ত।
- প্রথম চুক্তির মেয়াদ ২০১২ সালে শেষ হলে দ্বিতীয় দফায় সেই চুক্তি সংশোধন করে ২০২০ সাল নাগাদ বর্ধিত করা হলেও এখন পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন কাজ শুরু হয়নি।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৭৬৪.
জার্মান ওয়াচ প্রকাশিত ২০২০ সালের গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটতে পারে এমন দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) ৭ম
  2. খ) ৮ম
  3. গ) ৯ম
  4. ঘ) ১০ম
সঠিক উত্তর:
ক) ৭ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৭ম
ব্যাখ্যা
জলবায়ু ঝুঁকি সূচক-২০২০ সালে বাংলাদেশ সপ্তম। দীর্ঘমেয়াদি বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি সূচকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান এখন সপ্তম। ২০ বছর ধরে দুর্যোগের সংখ্যা, মৃত্যু, ক্ষয়ক্ষতির মোট হিসাবের ভিত্তিতে তৈরি ‘বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি সূচক ২০২০’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। জার্মানভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা জার্মান ওয়াচ ১৯৯৯ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে ওই প্রতিবেদন তৈরি করেছে। জার্মান ওয়াচ প্রকাশিত ২০১৯ সালের গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটতে পারে এমন দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৯ম। উৎস: দৈনিক পত্রিকা।
৭৬৫.
ADB এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইন্টারনেট ব্যবহারে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান কত? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ৩য়
  2. ৪র্থ
  3. ৫ম
  4. ৬ষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার:
- সম্প্রতি, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক খাতের সূচক নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি)।
- প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করেন ভুটানের জনগণ এবং সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে আফগানিস্তান।
- প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ এশিয়ার আট দেশের মধ্যে ইন্টারনেট ব্যবহারে বাংলাদেশের অবস্থান ষষ্ঠ। 

- ২০২৩ সালের হিসাবে, দেশে প্রতি ১০০ জনের মধ্যে প্রায় ৪৪ জন ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। 

উল্লেখ্য,
- প্রতিবেদনে বলা হয়, মুঠোফোন ব্যবহারকারীদের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়।
- দেশে মুঠোফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৯ কোটি ৬১ লাখ।
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর হিসেবে প্রথম অবস্থানে আছে ভারত। এরপরই আছে বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৭৬৬.
জি-২০ দেশসমূহ বিশ্বের শতকরা কতভাগ কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস নিঃসরণের জন্যে দায়ী?
  1. ৫৫ ভাগ
  2. ৬৫ ভাগ
  3. ৭৮ ভাগ
  4. ৮৫ ভাগ
সঠিক উত্তর:
৭৮ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৮ ভাগ
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) এর Emissions Gap Report-2020 অনুসারে জি-২০ দেশসমূহ বিশ্বের মোট কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস নিঃসরণের শতকরা ৭৮ ভাগ করে থাকে।
চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ইউ+যুক্তরাজ্য ও ভারত যৌথভাবে ৫৫ ভাগ গ্যাস নিৎসরণ করে।
কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস নিঃসরণে
প্রথম - চীন
দ্বিতীয় - যুক্তরাষ্ট্র
তৃতীয় – ইউ+যুক্তরাজ্য।
(সূত্র: UNEP Emissions Gap Report-2020)
৭৬৭.
Annex-I কীসের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. কিয়োটো প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. কার্টাগেনা  প্রটোকল
  4. নাগোয়া প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রটোকল
ব্যাখ্যা
-কিয়োটো প্রটোকল গ্রিন হাউজ গ্যাস নি:সরণের ভিত্তিতে বিশ্বের দেশগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
১- Annex-I ( শিল্পপ্রধান-৪২টি দেশ ) এরা বেশি কার্বন নি:সরণ করে।
২- Annex-II ( উন্নয়নশীল ২৪ টি দেশকে বুঝায়) এরা অপেক্ষাকৃত কম কার্বন নি:সরণ করে।
৩- Non-Annex Countries ( বৈশ্বিক উষ্ণতার জন্যে দায়ী নয় এমন দেশ) ।
- UNFCCC এর মতে. Annex-I দেশগুলো কার্বন নি:সরণ করে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটায়।
-COP- 15  সম্মেলনে বলা হয়,  Annex-I দেশগুলো কার্বন নি:সরণ করার ফলে পরিবেশ বিপর্যয়ের দেশগুলোকে তাদের জিডিপির ০.৭% ক্ষতিপূরণ দিব। 

উৎস
: UNFCCC link
৭৬৮.
ভিয়েনা কনভেনশন ১৯৮৫ কোন বিষয়ে করা হয়?
  1. কূটনীতি
  2. পরিবেশ
  3. অর্থনীতি
  4. যুদ্ধের নীতি
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ
ব্যাখ্যা
- ১৯৮৫ সালের ভিয়েনা কনভেনশন পরিবেশ বিষয়ক কিন্তু ১৯৬১ সালের ভিয়েনা কনভেনশন কূটনীতি বিষয়ক। 

ভিয়েনা কনভেনশন ১৯৮৫: 
- Vienna Convention for the Protection of the Ozone Layer. 
- ভিয়েনা কনভেনশন ১৯৮৫ সালে সম্পন্ন হয়।
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া। 
- এটি একটি কাঠামোগত চুক্তি, যেখানে রাষ্ট্রসমূহ ওজোন স্তরের সমস্যাসমূহ নিয়ে গবেষণা, বৈজ্ঞানিক মূল্যায়নে সহযোগিতা, তথ্য বিনিময় এবং ওজোন স্তরের ক্ষতি প্রতিরোধে "উপযুক্ত ব্যবস্থা" গ্রহণে সম্মত হয়।
- কার্যকর হয়: ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৮৮ সালে।
- মন্ট্রিল প্রোটোকল, যা ওজোন স্তরের ক্ষতিকর পদার্থ নিয়ে করা হয়, ভিয়েনা কনভেনশনের অধীনে প্রণীত।
- মন্ট্রিল প্রোটোকল কার্যকর হয় ১ জানুয়ারি ১৯৮৯ সালে।

ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস: 
- গৃহীত হয়: ১৪ এপ্রিল ১৯৬১ সালে। 
- কার্যকর তারিখ: ২৪ এপ্রিল ১৯৬৪ (অনুচ্ছেদ ৫১ অনুযায়ী)।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ৬০টি।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ১৯৩টি।
- এটি "ডিপ্লোম্যাটিক ইন্টারকোর্স অ্যান্ড ইমিউনিটিজ" বিষয়ে জাতিসংঘ সম্মেলনে প্রণীত হয়।
- এই সম্মেলনটি অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় নুয়ে হফবার্গ-এ ২ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল ১৯৬১ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

উৎস: United Nations ওয়েবসাইট। 

৭৬৯.
কোন দেশে অনুষ্ঠিত জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক কনভেনশনে কার্টাগেনা প্রটোকল গৃহিত হয় ?
  1. ক) কলম্বিয়া
  2. খ) সুইজারল্যান্ড
  3. গ) কানাডা
  4. ঘ) ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
গ) কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কানাডা
ব্যাখ্যা
২০০০ সালের ২৪-২৯ জানুয়ারি কানাডার মন্ট্রিয়াল শহরে অনুষ্ঠিত জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক কনভেনশনে কার্টাগেনা প্রটোকল গৃহিত হয়। ১৫-২৬ মে ২০০০ নাইরোবিতে এবং ৫ জুন ২০০০ - ৪ জুন ২০০১ নিউইয়র্কে চুক্তিটি স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয়। এটি কার্যকর হয় ১১ সেপ্টেম্বর ২০০৩ সালে। এতে ১০৩ টি দেশ স্বাক্ষর করলেও চুক্তিটি অনুমোদন ও গ্রহণ করেছে ১৭২ টি দেশ। বাংলাদেশ ২৪ মে ২০০০ এতে স্বাক্ষর এবং ৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ এটি অনুমোদন করে। (সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৭৭০.
স্টকহোম ঘোষণাপত্রে (Stockholm Declaration) মোট কয়টি নীতি অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ২১টি
  2. ২৪টি
  3. ২৬টি
  4. ২৯টি
সঠিক উত্তর:
২৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬টি
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সম্মেলন:
- স্টকহোমে জাতিসংঘের প্রথম পরিবেশ বিষয়ক বিশ্ব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: ১৯৭২ সালে।
- স্টকহোম সম্মেলনের  ফলাফল হিসেবে জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএনইপি) তৈরী হয়।
- স্টকহোম ঘোষণাপত্রে ২৬টি নীতি রয়েছে।

⇒ অ্যাকশন প্ল্যানে তিনটি প্রধান বিভাগ ছিল। যথা:
• গ্লোবাল এনভায়রনমেন্টাল অ্যাসেসমেন্ট প্রোগ্রাম (ওয়াচ প্ল্যান)।
• পরিবেশ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম।
• জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সম্পাদিত মূল্যায়ন ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে সমর্থন করার জন্য আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা।
- এই বিভাগগুলিকে ১০৯টি সুপারিশে বিভক্ত করা হয়েছিল।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৭৭১.
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি কোন জলবায়ু সম্মেলনে গৃহীত হয়?
  1. ২১তম জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন
  2. ২৫তম জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন
  3. ২৭তম জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন
  4. ২৯তম জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
২১তম জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১তম জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন
ব্যাখ্যা

প্যারিস জলবায়ু চুক্তি (Paris Agreement):
- প্যারিস চুক্তি মূলত জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০১৫ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ৪ নভেম্বর ২০১৬।
- স্বাক্ষর করেছে: ১৯৫টি দেশ।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) কাজ করে। 
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর - ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ-২১ সম্মেলনে এই চুক্তি গৃহীত হয়।
- এই চুক্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশ তাদের নিজস্ব জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDCs) দিয়ে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর জন্য অঙ্গীকার করে।
- চুক্তির মূল লক্ষ্য: বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা।

উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

৭৭২.
জৈব-নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি কোনটি?
  1. কার্টাগেনা প্রটোকল
  2. কিয়েটো প্রটোকল
  3. বাসেল কনভেনশন
  4. নাগোয়া প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
ব্যাখ্যা

কার্টাগেনা প্রটোকল (Cartagena Protocol):
- কার্টাগেনা প্রোটকলের পূর্ণনাম - The Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity.
- কার্টাগেনা প্রটোকল জৈব-নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- এই চুক্তিটি কলম্বিয়ার কার্টাগেনাতে আলোচিত হয়।
- চুক্তি অনুমোদন - ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সাল। 
- চুক্তি কার্যকর - ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সাল।

উল্লেখ্য:
- কিয়েটো প্রটোকল-গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ।
- বাসেল কনভেনশন ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক।
- নাগোয়া প্রটোকল বন্য প্রাণী সংরক্ষণ প্রটোকল।

তথ্যসূত্র - UN Treaty Collection ওয়েবসাইট।তথ্যসূত্র - কনভেনশন অন বায়ো-ডাইভার্সিটি (CBD) ওয়েবসাইট।

৭৭৩.
কোন সম্মেলনে 'Green Climate Fund' গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়?
  1. বার্লিন সম্মেলনে
  2. জেনেভা সম্মেলনে
  3. কোপেনহেগেন সম্মেলনে
  4. প্যারিস সম্মেলনে
সঠিক উত্তর:
কোপেনহেগেন সম্মেলনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোপেনহেগেন সম্মেলনে
ব্যাখ্যা
Green Climate Fund:
- ২০১০ সালে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠিত হয়।
- এর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর উদ্যোগে অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়।
- এর মূল লক্ষ্য ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলোকে সহায়তা করা ও কার্বন নির্গমন কমানো।
- ২০০৯ সালে কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত হয় COP-15 সম্মেলন।
- সম্মেলনে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস মধ্যে সীমিত রাখতে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ একমত প্রকাশ করে।
- কোপেনহেগেন সম্মেলনে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠনের মাধ্যমে দরিদ্র দেশগুলোকে ১০০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।
- এর সদর দপ্তর: ইনচন, দক্ষিণ কোরিয়া।

উৎস: Green Climate Fund ওয়েবসাইট। 
৭৭৪.
ASEM সম্মেলনে অংশ নেয়-
  1. ক) এশিয়া-ওশেনিয়া
  2. খ) এশিয়া-আফ্রিকা
  3. গ) আফ্রিকা- ইউরোপ
  4. ঘ) ইউরোপ-এশিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউরোপ-এশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউরোপ-এশিয়া
ব্যাখ্যা
ASEM (Asia-Europe Meeting) হলো এশিয়া ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে আন্তঃসরকারীয় একটি ফোরাম। এটি ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই ফোরামে এশিয়া ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষাগত প্রভৃতি বিষয়ে সংলাপের মাধ্যমে বিনিময় হয়ে থাকে। ASEM Summit এ ইউরোপের ৩০ টি দেশ, বাংলাদেশ (২০১২ সালে যোগ দেয়) সহ এশিয়ার ২১ টি দেশ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আসিয়ান সচিবালয়সহ মোট ৫৩ টি সদস্য অংশগ্রহণ করে। ১২তম ASEM Summit ২০১৮ সালের ১৮-১৯ অক্টোবর ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তী ১৩তম ASEM Summit অনুষ্ঠিত হবে ১৬-১৭ নভেম্বর ২০২০ কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে। (সূত্রঃ ASEM ওয়েবসাইট)
৭৭৫.
COP 26-এ COP মানে কী?
  1. কনফারেন্স অব প্যারিস
  2. কনফারেন্স অব দ্য পাওয়ার
  3. কনফারেন্স অব দ্য পার্টিস
  4. কনফারেন্স অব দ্য প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
কনফারেন্স অব দ্য পার্টিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কনফারেন্স অব দ্য পার্টিস
ব্যাখ্যা
কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

উল্লেখ্য,
⇒ ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29):
- সর্বশেষ ২০২৪ সালের নভেম্বরে আজারবাইজানের বাকুতে ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এ জলবায়ু সম্মেলনের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘ফাইন্যান্স কপ’ বা ‘জলবায়ুর আর্থিক সম্মেলন’।
- বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর দাবি ছিল, তাদের জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি পোষাতে বছরে ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন (১ লাখ ৩০ হাজার কোটি) ডলার দিতে হবে।
- চূড়ান্ত চুক্তি অনুযায়ী, ২০৩৫ সাল পর্যন্ত দরিদ্র দেশগুলোকে প্রতিবছর অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলার দেবে উন্নত দেশগুলো।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৭৭৬.
START চুক্তির মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নির্মাণ
  2. কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ
  3. সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি
  4. কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস
সঠিক উত্তর:
কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস
ব্যাখ্যা

START চুক্তি:
- START-এর পূর্ণরূপ: Strategic Arms Reduction Treaty।
- START চুক্তির মূল উদ্দেশ্য: কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা কমানো এবং যুদ্ধের ঝুঁকি হ্রাস করা।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

⇒ এটি দুটি মূল চুক্তির অন্তর্ভুক্ত:
• START-I (৩১ জুলাই, ১৯৯১):
- এই চুক্তি অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন পরমাণু আক্রমণ ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর জন্য সম্মত হয়েছিল। চুক্তিটি ২০০৯ সালে শেষ হয়।

• START-II (৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩):
- এটি START I-এর পরে আরো কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছিল, কিন্তু সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার কারণে এটি কার্যকর হয়নি।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে, New START চুক্তি (২০১০ সালে স্বাক্ষরিত) কার্যকর রয়েছে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের একটি আধুনিক সংস্করণ।

উৎস: U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।

৭৭৭.
ODS (Ozone Depleting Substances) এর ব্যবহার কমানোর জন্য কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. কিয়োটো প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. প্যারিস চুক্তি
  4. রামসার কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
ব্যাখ্যা

♦ ODS (Ozone Depleting Substances) এর ব্যবহার কমানোর জন্য মন্ট্রিল প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়।

⇒ ODS (Ozone Depleting Substances) হলো এমন পদার্থ যা সাধারণত রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র এবং অ্যারোসলের মতো পণ্যগুলিতে ব্যবহৃত হয়।

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটোকল হল ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ (ODS) ব্যবহার এবং উৎপাদন বন্ধ করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।

⇒ চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (সিএফসি), হ্যালন, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড, মিথাইল ক্লোরোফর্ম, মিথাইল ব্রোমাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, হাইড্রোব্রোমোফ্লোরোকার্বন ইত্যাদি গ্যাসের প্রভাবে দিন দিন ক্ষয়ে যাচ্ছে এই ওজোন স্তর। যার ফলে তৈরি হচ্ছে ওজোন হোল বা গর্ত। প্রায় সকল ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য (ওডিএস) ই অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রিন হাউস গ্যাস হিসেবে চিহ্নিত। ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য ও এর বিকল্পসমূহ অধিকাংশ ক্ষেত্রে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। এ গ্যাসগুলো সাধারণতঃ রেফ্রিজারেশন ও এয়ারকন্ডিশনিং সিস্টেমে, এ্যাজমা চিকিৎসায় উৎপাদিত ইনহেলারে, ফ্যান, প্লাস্টিক ফোম তৈরি ও মাইক্রোইলেকট্রিক সার্কিট পরিস্কার করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মানবসভ্যতাকে রক্ষার জন্য ওজোনস্তর রক্ষায় কাজ করা একান্ত প্রয়োজন। তাই ওজোনস্তরের ক্ষয়কারী দ্রব্যের ব্যবহার কমাতে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
- ধরিত্রীকে রক্ষার লক্ষ্যে ওজোনস্তর রক্ষায় জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির উদ্যোগে ১৯৮৫ সালে 'ভিয়েনা কনভেনশন' গৃহীত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কানাডার মন্ট্রিলে "মন্ট্রিল প্রটোকল" নামে এক যুগান্তকারী চুক্তি গৃহীত হয়।

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat।
ii) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি)।

৭৭৮.
আলজিয়ার্স চুক্তির বিষয়বস্তু-
  1. ক) ইসরায়েল-পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান
  2. খ) শাত ইল আরবকে ঘিরে ইরাক-ইরান দ্বন্দ্ব নিরসন
  3. গ) মিশর কর্তৃক ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দান
  4. ঘ) আফ্রিকান ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
খ) শাত ইল আরবকে ঘিরে ইরাক-ইরান দ্বন্দ্ব নিরসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শাত ইল আরবকে ঘিরে ইরাক-ইরান দ্বন্দ্ব নিরসন
ব্যাখ্যা
শাত ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব নিরসনের লক্ষ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ই জুন আলজেরিয়ার রাজধানীতে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। (সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার)
৭৭৯.
রটারডাম কনভেনশনের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. বন উজাড় রোধ
  2. গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস
  3. পারমাণবিক বর্জ্য নিষ্পত্তি
  4. বিপজ্জনক রাসায়নিকের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ
সঠিক উত্তর:
বিপজ্জনক রাসায়নিকের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপজ্জনক রাসায়নিকের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
রটারডাম কনভেনশন:
- রটারডাম কনভেনশন হলো একটি বহুপাক্ষিক পরিবেশগত চুক্তি।
- এটি বিপজ্জনক রাসায়নিক ব্যবস্থাপনার জন্য এবং বিষাক্ত রাসায়নিকের ব্যবহার সীমিত করার উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়েছিল।
- কনভেনশনটি গৃহীত হয়েছিল আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় ক্ষতিকর কেমিক্যাল ও কীটনাশকের ব্যবহার দূর করতে।

⇒ গৃহীত হয়েছিল: ১০ ​​সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮।
- স্থান: নেদারল্যান্ডের রটারডামে।
- কার্যকর হয়: ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪।
- কনভেনশনের উদ্দেশ্য হলো মানব স্বাস্থ্য এবং পরিবেশকে সম্ভাব্য ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য কিছু বিপজ্জনক রাসায়নিকের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পক্ষগুলির মধ্যে ভাগ করা দায়িত্ব এবং সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার প্রচার করা।
- এটি ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৬-এ বন্ধ হয়ে যায়।

উৎস: Rotterdam Convention ওয়েবসাইট।
৭৮০.
Global Plastic Pollution Treaty কত সালে গৃহীত হয়েছে?
  1. ২০১৯ সালে
  2. ২০২০ সালে
  3. ২০২১ সালে
  4. ২০২২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
ব্যাখ্যা
Global Plastic Pollution Treaty:
- Global Plastic Pollution Treaty প্লাস্টিক দূষণের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য গৃহীত হয়েছে।
- এই চুক্তির লক্ষ্য হলো প্লাস্টিকের সম্পূর্ণ জীবনচক্র-উৎপাদন, নকশা, ব্যবহার, এবং নিষ্পত্তি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে প্লাস্টিক দূষণ হ্রাস করা।

⇒ গৃহীত হয়: ২ মার্চ ২০২২ (নাইরোবি, কেনিয়া) জাতিসংঘ পরিবেশ সমাবেশ (UNEA-5.2) এ।
- সদস্য দেশ: ১৭৫টি।
- উদ্দেশ্য: ২০২৪ সালের মধ্যে একটি আন্তর্জাতিকভাবে বাধ্যতামূলক চুক্তি প্রণয়ন।

⇒ চুক্তির মূল লক্ষ্য:
- প্লাস্টিকের সম্পূর্ণ জীবনচক্র নিয়ন্ত্রণ করা।
- প্লাস্টিক উৎপাদন ও ব্যবহারে বৈশ্বিক মান নির্ধারণ।
- পুনর্ব্যবহারযোগ্য ও টেকসই উপকরণের প্রচলন।
- উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদান।

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) WWF ওয়েবসাইট।
৭৮১.
আন্তর্জাতিক পানি চুক্তিতে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে স্বাক্ষর করে—
  1. ভারত
  2. বাংলাদেশ
  3. পাকিস্তান
  4. নেপাল
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

​• জাতিসংঘ পানি কনভেনশন:
​- জাতিসংঘের আন্তঃসীমান্ত পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক ‘প্রোটেকশন অ্যান্ড ইউজ অফ ট্রান্সবাউন্ডারি ওয়াটারকোর্সেস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল লেকস’, যা ‘জাতিসংঘ পানি কনভেনশন’ নামে পরিচিত।

​- প্রথম দক্ষিণ এশীয় দেশ হিসেবে জাতিসংঘ পানি কনভেনশনে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ।
​- ২০ জুন-২০২৫ বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক ভাবে যুক্ত হয় এ কনভেনশনে।
​ - এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বে ৫৬তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

​উৎস: সমকাল [লিংক]

৭৮২.
২০২৪ সালে কততম জলবায়ু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ২৭তম
  2. ২৮তম
  3. ২৯তম
  4. ৩০তম
সঠিক উত্তর:
২৯তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯তম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

কপ সম্মেলন (Cop Conference):

- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

উল্লেখ্য,
⇒ ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29):
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে আজারবাইজানের বাকুতে ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এ জলবায়ু সম্মেলনের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘ফাইন্যান্স কপ’ বা ‘জলবায়ুর আর্থিক সম্মেলন’।
- বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর দাবি ছিল, তাদের জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি পোষাতে বছরে ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন (১ লাখ ৩০ হাজার কোটি) ডলার দিতে হবে।
- চূড়ান্ত চুক্তি অনুযায়ী, ২০৩৫ সাল পর্যন্ত দরিদ্র দেশগুলোকে প্রতিবছর অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলার দেবে উন্নত দেশগুলো।
- জলবায়ু তহবিলে জমা দেওয়া এই অর্থ দরিদ্র দেশগুলোর অর্থনীতিকে আরও পরিবেশবান্ধব করতে এবং দেশগুলোয় জলবায়ু সংকটের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় খরচ করা হবে।
- বর্তমানে এই তহবিলে প্রতিবছর ১০০ বিলিয়ন ডলার জমা দিচ্ছে ধনী দেশগুলো।

অন্যদিকে,
- কপ-২৮ জলবায়ু সম্মেলন ২০২৩ সালে ৩০ নভেম্বর-১২ ডিসেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হয়।
- কপ- ৩০, ২০২৫ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে। আমাজনিয়ান শহর বেলেম ডো প্যারাকে কপ-৩০ সম্মেলনের জন্য নির্বাচন করেছে জাতিসংঘ।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৭৮৩.
জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে -
  1. কিয়োটো প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. রাসায়নিক অস্ত্র চুক্তি
  4. কার্টাগেনা প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রটোকল:
- Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity
- কার্টাগেনা প্রটোকল হচ্ছে জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- গৃহীত: ২৯ জানুয়ারী, ২০০০ সাল।
- কার্যকর: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ১০৩টি।
- এটি স্বাক্ষরিত হয় ২০০০ সালে কিন্তু কার্যকর হয় ২০০৩ সালে
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

অন্যান্য:
- মন্ট্রিল প্রটোকল হল ওজোন স্তরকে ক্ষয়কারী পদার্থ (ওডিএস) এর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- কিয়োটো প্রটোকল গ্রীন হাউস গ্যাস বিষয়ক ।
- রাসায়নিক অস্ত্র চুক্তি (Chemical Weapons Convention) রাসায়নিক অস্ত্র উন্নয়ন, উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা সম্পর্কিত।

উৎস: Bangladesh Biosafety Website.
Britannica.
UN Treaty Collection ওয়েবসাইট।
৭৮৪.
বেলফাস্ট চুক্তি স্বাক্ষর করে-
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স
  2. ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ড
  3. ইতালি ও ব্রিটেন
  4. যুক্তরাজ্য ও রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

• ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সালে আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্টে স্বাক্ষরিত হয় বেলফাস্ট চুক্তি।
• ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ড মধ্যে স্বাক্ষরিত এই চুক্তি উত্তর আয়ারল্যান্ডের শান্তির জন্য অন্যতম মাইলফলক।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

৭৮৫.
পরিবেশবাদী সংগঠন 'ওয়ার্ল্ডওয়াচ ইনস্টিটিউট' এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) সুভনটে আরহেনিয়াস
  2. খ) জিম বোহলেন
  3. গ) লেস্টার রাসেল ব্রাউন
  4. ঘ) ডরোথি স্টো
সঠিক উত্তর:
গ) লেস্টার রাসেল ব্রাউন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লেস্টার রাসেল ব্রাউন
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ল্ডওয়াচ ইনস্টিটিউট (Worldwatch Institute)
ওয়ার্ল্ডওয়াচ ইনস্টিটিউট ওয়াশিংটনভিত্তিক একটি পরিবেশবাদী সংগঠন।
⤇ প্রতিষ্ঠাকাল - ১৯৭৪ সাল
⤇ প্রতিষ্ঠাতা - লেস্টার রাসেল ব্রাউন (আমেরিকান পরিবেশ বিশ্লেষক)
⤇ সদরদপ্তর - ওয়াশিংটন ডি.সি, যুক্তরাষ্ট্র
 
উৎস: ওয়ার্ল্ডওয়াচ ইনস্টিটিউট
৭৮৬.
ওয়ারশ প্যাক্ট কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ১৪ মে ১৯৫৫
  2. খ) ২৭ জুন ১৯৫৫
  3. গ) ১৪ মার্চ ১৯৫৫
  4. ঘ) ১৪ মে ১৯৫৬
সঠিক উত্তর:
ক) ১৪ মে ১৯৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৪ মে ১৯৫৫
ব্যাখ্যা
•ওয়ারশ চুক্তি সংস্থা বা ওয়ারশ প্যাক্ট:
- ওয়ারশ চুক্তি সংস্থা বা ওয়ারশ প্যাক্ট হল একটি রাজনৈতিক ও সামরিক চুক্তি জোট।
- ১৪ মে ১৯৫৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং পূর্ব ইউরোপীয় কয়েকটি দেশের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মূলত সোভিয়েত ইউনিয়ন ন্যাটোর (NATO) বিকল্প সামরিক জোট হিসেবে ওয়ারশ চুক্তি জোট গঠন করে। 
- পূর্ব ইউরোপের রাষ্ট্র পোল্যান্ডের বৃহত্তম শহর ও রাজধানী ওয়ারশ এর নাম অনুসারে চুক্তিটির নামকরণ করা হয়।
- ওয়ারশ চুক্তির মূল স্বাক্ষরকারী দেশ ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, পোল্যান্ড, চেকোস্লোভাকিয়া, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া, রোমানিয়া এবং জার্মান গণতান্ত্রিক   প্রজাতন্ত্র।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তির পর, ওয়ারশ চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৯১ সালের মার্চ  এবং জুলাই মাসে ভেঙে দেওয়া হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭৮৭.
কোনটি ধরিত্রী সম্মেলন হিসেবে পরিচিত?
  1. রিও সম্মেলন
  2. স্টকহোম সম্মেলন
  3. প্যারিস সম্মেলন
  4. কিয়োটো প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
রিও সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিও সম্মেলন
ব্যাখ্যা
রিও সম্মেলন (১৯৯২):
- পূর্ণরূপ: United Nations Conference on Environment and Development (UNCED).
- এটি Earth Summit বা ধরিত্রী সম্মেলন নামেও পরিচিত। 
- স্থান: রিও ডি জেনেইরো, ব্রাজিল।
- তারিখ: ৩-১৪ জুন, ১৯৯২।
- উদ্দেশ্য: টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশ রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক কর্মপরিকল্পনা তৈরি।
- গুরুত্বপূর্ণ অর্জন: UNFCCC, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কনভেনশন (CBD), অ্যাজেন্ডা ২১ ।

স্টকহোম সম্মেলন:
- ১৯৭২ সালে স্টকহোমে প্রথম আন্তর্জাতিক পরিবেশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যা পরিবেশগত সমস্যার ওপর বিশ্বজনীন আলোচনা শুরু করে।
- স্টকহোমে জাতিসংঘের মানব পরিবেশের সম্মেলন, জুন 5-16, 1972, এবং
- জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়নের সম্মেলন (UNCED)। রিও ডি জেনিরো, জুন 3-14, 1992।
- স্টকহোম সম্মেলনটি 1972 সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP)

উৎস: UN Environment Programme (UNEP)
United Nations ওয়েবসাইট।
৭৮৮.
‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূত্রপাত কে করেন?
  1. মালালা ইউসুফজাই
  2. ডেভিড অ্যাটেনবরো
  3. গ্রেটা থুনবার্গ
  4. লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও
সঠিক উত্তর:
গ্রেটা থুনবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেটা থুনবার্গ
ব্যাখ্যা
- 'Friday For Future' একটি পরিবেশবাদী আন্দোলন। 
- গ্রেটা থুনবার্গ ২০১৮ সালে এই আন্দোলনের সূত্রপাত করে। 

Fridays for future:
- ‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূত্রপাত করেন সুইডেনের গ্রেটা থুনবার্গ।
- তিনি মাত্র ১৫ বছর বয়সে ২০১৮ সালে স্কুলে না গিয়ে সুইডিশ পার্লামেন্ট ভবনের সামনে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতামূলক অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।
- তার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন তোলে এবং অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও এতে অনুপ্রাণিত হয়ে অংশ নেয়।
- ফলে এটি একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী আন্দোলনে রূপ নেয়।
- আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করা।
- এভাবেই ‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূচনা ঘটে এবং এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।

সূত্র: Fridays For Future ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো।
৭৮৯.
রামসার কনভেনশন এর উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ 
  2. গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি সংরক্ষণ
  3. জাতিগত নিধন রোধ 
  4. ক্ষতিকর দ্রব্য উৎপাদন বন্ধ
সঠিক উত্তর:
গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশন (১৯৭১):
- পূর্ণনাম Ramsar Convention on Wetlands.
- চুক্তির স্থান: রামসার, ইরান।
- গৃহীত হয়: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫।
- এর উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি সংরক্ষণ করা।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি (Wetlands) তালিকাভুক্ত করতে বলা হয়, যা রামসার সাইট নামে পরিচিত।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১৭২টি দেশ (২০২৪ সাল পর্যন্ত)।
- জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে টেকসই উন্নয়ন প্রচারের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি।

উৎস: Ramsar Convention Official Website
৭৯০.
নাগোয়া প্রটোকলের উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ
  2. ভূমি ক্ষয় রোধ
  3. বিপজ্জনক বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা

নাগোয়া প্রটোকল:
- এর পূর্ণরূপ: The Nagoya Protocol on Access and Benefit-sharing.
- নাগোয়া প্রোটোকল হল জৈবিক বৈচিত্র্য কনভেনশনের একটি পরিপূরক চুক্তি।
- নাগোয়া প্রোটোকলটি জাপানের নাগোয়ায় গৃহীত হয়৷
- গৃহীত হয়: ২৯ অক্টোবর, ২০১০ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান: নাগোয়া, জাপান।
- কার্যকর হয়: ১২ অক্টোবর, ২০১৪ সাল।

⇒ নাগোয়া প্রটোকলের উদ্দেশ্য-
• জিনগত সম্পদের ব্যবহার থেকে উদ্ভূত সুবিধাগুলির ন্যায্য এবং ন্যায়সঙ্গত বন্টন,
• জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ,
• টেকসই ব্যবহারে অবদান রাখা যায়৷

তথ্যসূত্র - Convention on Biological Diversity ওয়েবসাইট।

৭৯১.
কপ-৩০ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. স্পেন
  2. কানাডা
  3. জার্মানি
  4. ব্রাজিল
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
ব্যাখ্যা

• জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP):
- COP এর পূর্ণরূপ Conference of the parties.
- ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- এর উদ্দেশ্য জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা।
- ১৯৯৫ সাল থেকে 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

• কপ-৩০:
- ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩০ এর আয়োজন করবে ব্রাজিল।
- সময়কাল: ১০ নভেম্বর, ২০২৫ - ২১ নভেম্বর, ২০২৫।
- আমাজনিয়ান শহর বেলেম ডো প্যারাকে কপ-৩০ সম্মেলনের জন্য নির্বাচন করেছে জাতিসংঘ।

উৎস: UN-Habitat অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও UNFCC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৭৯২.
দোহা সংশোধনী কত সাল পর্যন্ত কিয়োটো প্রোটোকলের মেয়াদ বৃদ্ধি করে?
  1. ২০১৮ সাল
  2. ২০১৯ সাল
  3. ২০২০ সাল
  4. ২০২১ সাল
সঠিক উত্তর:
২০২০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২০ সাল
ব্যাখ্যা

দোহা সংশোধনী:
- ২০১২ সালে কাতারের রাজধানী দোহাতে অনুষ্ঠিত হয় কপ - ১৮ সম্মেলন।
- এই সংশোধনীর মূল লক্ষ্য ছিল কিয়োটো প্রটোকলের দ্বিতীয় পর্ব (২০১৩-২০২০) এবং কিছু নতুন পদক্ষেপ নেওয়া যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করার জন্য গৃহীত হয়েছিল।
- একে বলা হয় দোহা সংশোধনী।

উল্লেখ্য,
- কিয়োটো প্রটোকল হল United Nations Framworks Convention on Climate Change (UNFCCC) একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যার আওতায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ তাদের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর প্রতিশ্রুতি দেয়। কার্বনের মাত্রা ভয়াবহভাবে বেড়ে গিয়ে পৃথিবীকে বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলে দেওয়া থেকে উদ্ধার করার জন্যেই মূলত এই চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়।‍
- প্রথম পর্বের পর কিয়োটো প্রটোকলের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য দ্বিতীয় পর্বের জন্য নতুন কিছু পদক্ষেপ প্রয়োজন ছিল, এবং সেগুলোই দোহা সংশোধনীর মাধ্যমে প্রবর্তিত হয়।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৭৯৩.
যুক্তরাষ্ট্র কবে এককভাবে ABM (Anti-Ballistic Missile) চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে?
  1. জুন ২০০১
  2. জুন ২০০০
  3. জুন ২০০২
  4. জুন ২০০৩
সঠিক উত্তর:
জুন ২০০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুন ২০০২
ব্যাখ্যা
Anti-Ballistic Missile (ABM) চুক্তি: 

- ABM (Anti - Ballistic Missile ) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ২৬ মে, ১৯৭২।
- এ চুক্তির দুটি পক্ষ ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া) ও যুক্তরাষ্ট্র 
- রিচার্ড নিক্সন এবং লিওনিড ব্রেজনেভ এটি অনুমোদন করে।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti-Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত। 
- চুক্তিটি কার্যকর হয়: ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে। 
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান মস্কো, রাশিয়া। 
- ABM চুক্তি থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে প্রত্যাহার করে ১৩ জুন ২০০২।

তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা ও Arms Control Association Website.[link]
৭৯৪.
’ইয়াল্টা সম্মেলনে’ উল্লেখযোগ্য লক্ষ্য ছিল কোনটি?
  1. জার্মানিকে ক্ষতিপূরণ পরিশোধ করা
  2. ইউরোপ জুড়ে মুক্ত এলাকাগুলোতে গণতান্ত্রিক নির্বাচন
  3. জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্যদের ভেটো ক্ষমতা সংক্রান্ত।
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
ইয়াল্টা সম্মেলন:
- ১৯৪৫ সালের ৪-১১ ফেব্রুয়ারি সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্রিমিয়ার ইয়াল্টাতে মিত্র পক্ষের এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয় যখন সুনিশ্চিত তখন মিত্রপক্ষীয় তিন রাষ্ট্রপ্রধান রুজভেল্ট , চার্চিল, ও স্ট্যালিন ক্রিমিয়ায় ইয়াল্টাতে এক বৈঠক বসে।

সেখানে তাদের আলোচনা হয়, যথা-
• জার্মানিকে ক্ষতিপূরণ পরিশোধ করতে হবে ।
• পোল্যান্ডসহ ইউরোপ জুড়ে মুক্ত এলাকাগুলোতে গণতান্ত্রিক নির্বাচন।
• সোভিয়েতরা ওয়ারশ-তে যে প্রভিশনাল কমিউনিস্ট সরকার আছে সেটিও সম্প্রসারিত করবে।
• নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের ভেটো ক্ষমতা প্রদান করা।

উৎস: Britannica.
৭৯৫.
বাংলাদেশের মোট আয়তনের কত শতাংশ বনভূমি?
  1. ক) ১৩%
  2. খ) ১৬%
  3. গ) ১৭%
  4. ঘ) ১৫.৫%
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আয়তনের ১৭% এলাকা জুড়ে বনভূমি অবস্থিত। এসব বনভূমির সবগুলো বন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষনাবেক্ষণ করে না। বন বিভাগ নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১৫ লক্ষ ৭৬ হাজার হেক্টর যা দেশের আয়তনের প্রায় ১০.৭%। বর্তমানে দেশের মোট আয়তনের মোট ১৩.২৮% এলাকা বৃক্ষাচ্ছাদিত। সূত্রঃ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইট।
৭৯৬.
ই - ৮ কী?
  1. ক) ৮ টি গরিব দেশ
  2. খ) ৮ টি ধনী দেশ
  3. গ) ৮ পরিবেশ দূষণকারী দেশ
  4. ঘ) ৮ শিল্পোন্নত দেশ
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ পরিবেশ দূষণকারী দেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ পরিবেশ দূষণকারী দেশ
ব্যাখ্যা

ই- ৮ হল পরিবেশ দূষণকারী ৮টি দেশ ।
- এই দেশগুলো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কার্বন ও গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের জন্য দায়ী।
- এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ভারতের নাম সর্বাঙ্গে।

- জি-৭ হল শিল্পোন্নত সাতটি দেশের জোট।
- ডি-৮ হল উন্নয়নশীল আটটি দেশের জোট ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সপ্তম শ্রেণি ও পত্রিকা রিপোর্ট।

৭৯৭.
কিয়োটো প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯৫ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
• কিয়োটো প্রটোকল:
- চুক্তির নাম: কিয়োটো প্রটোকল,
- স্থান: কিয়োটো, জাপান,
- স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে কার্যকর হয়।
- আয়োজক সংস্থা: UNFCCC (United Nations Framework Convention on Climate Change)
- জাতিসংঘের ব্যবস্থাপনায় জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- উদ্দেশ্যে: কার্বন ডাইঅক্সাইড ও গ্রিন হাউস গ্যাস উদ্‌গিরণ কমানো।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সাউথ সুদান এ প্রটোকল অনুসমর্থন করে নি।
- ২০১২ সালে কানাডা নিজেকে প্রত্যাহার করে।

উৎস: Britannica.
৭৯৮.
কোন দেশটি সিটিবিটি চুক্তি অনুমোদন করেনি?
  1. ক) চীন
  2. খ) দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. গ) সুইজারল্যান্ড
  4. ঘ) জাপান
সঠিক উত্তর:
ক) চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চীন
ব্যাখ্যা
১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর সিটিবিটি বা সমন্বিত পারমাণবিক অস্ত্র পরিক্ষা রোধ চুক্তি স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয়। মে ২০২০ পর্যন্ত বাংলাদেশ. সুইজারল্যান্ড, জাপান সহ ১৮৪ টি দেশ সিটিবিটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে এবং ১৬৮টি দেশ অনুমোদন করেছে। এতে ভারত, পাকিস্তান ও উত্তর কোরিয়া, সৌদি আরব, সিরিয়া, কিউবা সহ ১২টি দেশ স্বাক্ষর করেনি। অন্যদিকে চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সহ ১৬ টি দেশ স্বাক্ষর করলেও অনুমোদন করেনি। বাংলাদেশ ১৯৯৬ সালের ২৪ অক্টোবর সিটিবিটি চুক্তিতে স্বাক্ষর এবং ৮ মার্চ ২০০০ সালে ৫৪তম দেশ হিসেবে চুক্তিটি অনুমোদন করে। (সূত্রঃ সিটিবিটিও ওয়েবসাইট ও লাইভ এমসিকিউ লেকচার)
৭৯৯.
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গৃহীত 'প্যারিস জলবায়ু চুক্তি' কবে থেকে কার্যকর হয়?
  1. ২০১৫
  2. ২০১৬
  3. ২০১৭
  4. ২০১৮
সঠিক উত্তর:
২০১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৬
ব্যাখ্যা

• প্যারিস জলবায়ু চুক্তি:
- পূর্ণরূপ: Paris Agreement under the United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC)।
- গৃহীত হয়: ১২ ডিসেম্বর ২০১৫.
- স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স। 
- কার্যকর তারিখ: ৪ নভেম্বর, ২০১৬। 
- উদ্দেশ্য: বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ২°C এর নিচে সীমাবদ্ধ করা, এবং ১.৫°C লক্ষ্য অর্জনে প্রচেষ্টা করা।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ১৯৫ দেশ।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৮০০.
প্যারিস জলবায়ু চুক্তির মূল লক্ষ্য কী?
  1. বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ৩°C এর নিচে সীমাবদ্ধ রাখা
  2. বন সংরক্ষণ নিশ্চিত করা
  3. ওজোন স্তর রক্ষা করা
  4. বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২°C এর নিচে সীমাবদ্ধ রাখা
সঠিক উত্তর:
বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২°C এর নিচে সীমাবদ্ধ রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২°C এর নিচে সীমাবদ্ধ রাখা
ব্যাখ্যা

প্যারিস জলবায়ু চুক্তি:
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশগত চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০১৫ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ৪ নভেম্বর ২০১৬।
- স্বাক্ষর করেছে: ১৯৫টি দেশ।

⇒ বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) কাজ করে।
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর - ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ-২১ সম্মেলনে এই চুক্তি গৃহীত হয়।
- এই চুক্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশ তাদের নিজস্ব জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDCs) দিয়ে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর জন্য অঙ্গীকার করে।

⇒ চুক্তির মূল লক্ষ্য:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন প্রায় ৪৩ শতাংশ কমানোর ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।