উত্তর
ব্যাখ্যা
(সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৭ / ১০ · ৬০১–৭০০ / ৯২০
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটোকল হল ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ (ODS) ব্যবহার এবং উৎপাদন বন্ধ করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।
• কিগালি সংশোধনী:
- মন্ট্রিল প্রটোকলের সর্বশেষ সংশোধনী হলো কিগালি সংশোধনী।
- কিগালি সংশোধনী গৃহীত হয়: ১৫ অক্টোবর, ২০১৬।
- কিগালি সংশোধনী কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারি, ২০১৯।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা রুয়ান্ডার কিগালিতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে গৃহীত হয়ছিল।
- এর লক্ষ্য হাইড্রোফ্লুরোকার্বন (HFCs)-এর ব্যবহার কমিয়ে পৃথিবীর উষ্ণায়ন কমানো এবং পৃথিবীকে আরও পরিবেশবান্ধব, টেকসই ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে, বিভিন্ন দেশ আগামী ৩০ বছরের মধ্যে HFCs এর উৎপাদন এবং ব্যবহার ৮০%-৮৫% কমিয়ে আনবে।
উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat।
ii) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি)।
● সবুজ জলবায়ু তহবিল (Green Climate Fund – GCF) ২০১০ সালে মেক্সিকোর ক্যানকুনে অনুষ্ঠিত COP-16–এ গৃহীত ক্যানকুন চুক্তির অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
Green Climate Fund:
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (GCF) হলো বিশ্বের সর্ববৃহৎ জলবায়ু তহবিল।
- এটি জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) কর্তৃক গঠিত একটি গঠিত তহবিল যা মূলত উন্নয়নশীল দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় আর্থিক সহায়তা প্রদান করে।
- শিল্পোন্নত দেশ সমূহের প্রদত্ত চাঁদা থেকে এই তহবিল গঠিত হয়েছে।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: কানকুন, মেক্সিকো।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২০১০ সাল।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: কপ-১৬।
- সদর দপ্তর: ইয়েনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া।
- এই ফান্ডের মূল লক্ষ্য হলো গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগে অভিযোজন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
উল্লেখ্য,
- ২০০৯ সালে কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত ১৫তম কপ সমেলনে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠনের প্রস্তাব রাখা হয় এবং ২০১০ সালে কানকুনে ১৬তম কপ সম্মেলনে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠিত হয়।
- এর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর উদ্যোগে অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়।
- সম্মেলনে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস মধ্যে সীমিত রাখতে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ একমত প্রকাশ করে।
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠনের মাধ্যমে দরিদ্র দেশগুলোকে ১০০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।
অন্যদিকে,
- কোপেনহেগেন চুক্তি: কোপেনহেগেন চুক্তিতে GCF-এর ধারণা প্রথম উত্থাপিত হয়, কিন্তু আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা হয় ক্যানকুনে।
- প্যারিস চুক্তি (২০১৫): প্যারিস চুক্তি পরবর্তীতে GCF-কে তার আর্থিক প্রক্রিয়ার একটি অংশ হিসেবে সেবা প্রদানের দায়িত্ব দেয়, কিন্তু এর অধীনে GCF প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
- কিয়োটো প্রোটোকলের সাথে GCF-এর কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।
উৎস: Green Climate Fund ওয়েবসাইট। [Link]
‘জি-জিরো’ ফোরাম:
- বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন (কপ–২৯) নভেম্বর ১১-২২, ২০১৪ তারিখে আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত হয়।
- কপ-২৯ সম্মেলনে ভুটানের উদ্যোগে গঠিত হয়েছে 'জি জিরো' ফোরাম।
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ যখন গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে যুদ্ধ করছে তখন চারটি ছোট কার্বন-নেতিবাচক দেশ এক হয়ে গঠন করলো 'জি জিরো' ফোরাম।
- চারটি দেশ হলো: ভুটান, মাদাগাস্কার, পানামা এবং সুরিনাম।
- ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, সুরিনামের প্রেসিডেন্ট চান সানতোখি, মাদাগাস্কারের প্রধানমন্ত্রী ও পানামার বিশেষ দূত এই যৌথ ঘোষণায় সই করেন।
- এই ফোরামের দেশগুলো জলবায়ু সুরক্ষার যুদ্ধকে এগিয়ে নিতে একসাথে কাজ করতে যৌথ ঘোষণাও দিয়েছে।
- এই গোষ্ঠী গঠনে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী দেশ ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে।
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।
UNCCD-এর মূল উদ্দেশ্য হলো মরুকরণ, ভূমি অবক্ষয় এবং খরা মোকাবিলা করা।
UNCCD:
- UNCCD-এর পূর্ণরূপ: United Nations Convention to Combat Desertification.
- UNCCD হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা মরুকরণ, ভূমি অবক্ষয় এবং খরার প্রভাব মোকাবিলার লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছে।
- এটি গৃহীত হয়: ১৭ জুন, ১৯৯৪ সালে, প্যারিস।
- কার্যকর হয়: ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৬ সালে।
- UNCCD একমাত্র আইনি বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক চুক্তি যা পরিবেশ ও উন্নয়নকে টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংযুক্ত করে।
উৎস: UNCCD ওয়েবসাইট।
High Seas Treaty:
- High Seas Treaty-এর আনুষ্ঠানিক নাম: Agreement under the United Nations Convention on the Law of the Sea on the Conservation and Sustainable Use of Marine Biological Diversity of Areas Beyond National Jurisdiction.
- এটি জাতিসংঘের সমুদ্র আইন সম্পর্কিত সনদের (UNCLOS) অধীনে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা জাতীয় এখতিয়ারের বাইরের সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করে।
- High Seas Treaty স্বাক্ষরিত হয়: ১৯ জুন, ২০২৩।
- স্বাক্ষরের স্থান: জাতিসংঘের সদরদপ্তর নিউইয়র্কে।
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত হয়: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩।
- কার্যকর হয়: ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬।
- High Seas Treaty লক্ষ্য: জাতিসংঘের এই চুক্তিটি দেশের জন্য অতিরিক্ত মাছ ধরাসহ নানা হুমকি মোকাবিলার জন্য একটি আইনগত কাঠামো প্রবর্তন করবে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে মহাসাগরের ৩০ শতাংশ এলাকা সুরক্ষার লক্ষ্যে ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য,
- High Seas হচ্ছে আন্তর্জাতিক জলসীমা, যেখানে সব দেশের অধিকার, জাহাজ চালানো ও গবেষণার অধিকার রয়েছে।
- পৃথিবীর মোট পৃষ্ঠভাগের অর্ধেকের বেশি ও সমুদ্রের ৬০ শতাংশের বেশি এই হাই সির অন্তর্ভুক্ত।
উৎস: i) High Seas Alliance ওয়েবসাইট।
ii) UN ওয়েবসাইট।
• মন্ট্রিল প্রটোকল ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৮৭ সালে কানাডার মন্ট্রিলে গৃহীত হয়। এটি পরিবেশ রক্ষায় ওজোন স্তর ক্ষয়কারী রাসায়নিক পদার্থ সীমিত করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল এবং ১ জানুয়ারি ১৯৮৯ সালে কার্যকর হয়।
সঠিক উত্তর: গ) কানাডা।
পরিবেশ বিষয়ক চুক্তি মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ১৬ সেপ্টেম্বর,১৯৮৭ সালে কানাডার মন্ট্রিলে গৃহীত হয়।
- ১ জনুয়ারি ১৯৮৯ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৮৯ সালে স্বাক্ষরিত মন্ট্রিল প্রটোকলের বিষয়বস্তু ছিল পরিবেশ রক্ষা করা।
- মন্ট্রিল প্রটোকলে ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক ক্ষতিকর পদার্থ সীমিতকরণ।
উৎস: UNEP website & Britannica.com
• কিয়োটো প্রটোকল:
- পূর্ণরূপ: Kyoto Protocol to the United Nations Framework Convention on Climate Change.
- কিয়োটো প্রোটোকলটি ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর গৃহীত হয়।
- এটি ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০০৫ সালে কার্যকর হয়।
- বর্তমানে, কিয়োটো প্রোটোকলের ১৯২টি পক্ষ রয়েছে।
- স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- উদ্দেশ্য: গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ ১৯৯০ সালের স্তরের তুলনায় ৫.২% কমানো।
- বৈশিষ্ট্য: ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM) এবং ইমিশন ট্রেডিং অন্তর্ভুক্ত।
- চ্যালেঞ্জ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এটি অনুমোদন করেনি এবং চীন বাধ্যতামূলক লক্ষ্য থেকে অব্যাহতি পেয়েছে।
- দ্য অভিযোজন তহবিল কিয়োটো প্রোটোকলের পক্ষভুক্ত উন্নয়নশীল দেশগুলিতে অভিযোজন প্রকল্প এবং কর্মসূচির অর্থায়নের জন্য এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- প্রথম প্রতিশ্রুতিকালীন সময়ে, তহবিলটি মূলত সিডিএম প্রকল্প কার্যক্রম থেকে প্রাপ্ত আয়ের একটি অংশ দিয়ে অর্থায়ন করা হয়েছিল।
- ২০১২ সালে দোহায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে দ্বিতীয় প্রতিশ্রুতিকালীন সময়ে, আন্তর্জাতিক নির্গমন বাণিজ্য এবং যৌথ বাস্তবায়নও অভিযোজন তহবিলকে আয়ের ২ শতাংশ অংশ প্রদান করবে।
উৎস: UNFCCC.
• জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১:
- ২০২৬ সালে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১ আয়োজন করতে যাচ্ছে তুরস্ক।
- তুরস্কের পর্যটননগরী অ্যান্টালিয়া কপ-৩১-এর আয়োজক শহর হবে এবং তুরস্কই আনুষ্ঠানিকভাবে কপ-৩১-এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করবে।
- অস্ট্রেলিয়া চাইছিল প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে অ্যাডিলেডে সম্মেলন আয়োজন করতে।
- অস্ট্রেলিয়া যৌথভাবে এ সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তুরস্ক এ দায়িত্ব পেয়েছে।
- তবে এ সম্মেলনে অংশ নেওয়া দেশগুলোর সরকারের সঙ্গে দর–কষাকষির নেতৃত্ব দেবে অস্ট্রেলিয়া।
- কিন্তু কোনো পক্ষই আপস না করলে সম্মেলনটি জার্মানির বন শহরে অনুষ্ঠিত হতো।
- সমঝোতা অনুযায়ী প্রাক-কপ একটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপে হবে।
- মূল সম্মেলন হবে তুরস্কের আন্তালিয়া শহরে। সভাপতি থাকবেন ক্রিস বোয়েন (অষ্ট্রেলিয়া)।
- ব্রাজিলে আয়োজিত কপ৩০-এ সমঝোতার মধ্য দিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- ২০২২ সালে দুই দেশই সম্মেলনটি আয়োজনের আবেদন করেছিল।
উল্লেখ্য,
- COP এর পূর্ণরূপ Conference of the parties.
- ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- এর উদ্দেশ্য জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা।
- ১৯৯৫ সাল থেকে 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩০ এর আয়োজন করেছে ব্রাজিল।
তথ্যসূত্র: UN-Habitat অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, বনিক বার্তা ও UNFCCC. (Link)
কার্টাগেনা প্রটোকল:
• Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity
- এটি জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- গৃহীত: ২৯ জানুয়ারী, ২০০০ সাল।
- কার্যকর: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশের সংখ্যা: ১৭৩টি
অন্যদিকে.
- কিয়েটো প্রটোকল-গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ।
- বাসেল কনভেনশন ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক।
- নাগোয়া প্রটোকল বন্য প্রাণী সংরক্ষণ প্রটোকল।
উৎস: UN Treaty Collection ওয়েবসাইট।
⇒ Loss and Damage Fund:
- 'Loss and Damage Fund' চালু প্রস্তাব গৃহীত হয় ২৭তম জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলনে (COP-27)।
- এর মূল উদ্দেশ্য হল জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে যে ক্ষয়ক্ষতি এবং ক্ষতি হয়, তার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী বিশ্বের উন্নত দেশগুলো।
- ২০০৯ সালে উন্নত দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে প্রতিবছর ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
- শেষ পর্যন্ত এ-সংক্রান্ত তহবিল প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ২০২২ সালে মিশরের শার্ম এল-শেখ-এ অনুষ্ঠিত কপ-২৭ শীর্ষ সম্মেলনে একটি চুক্তি হয়।
- এটিই হচ্ছে Loss and Damage Fund (লস অ্যান্ড ড্যামেজ তহবিল)।
- Loss and Damage Fund-এর লক্ষ্য: উন্নয়নশীল ও দুর্বল দেশগুলোকে জলবায়ু বিপর্যয়ের ফলে সৃষ্ট ক্ষতির আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।
তথ্যসূত্র - UNFCCC ওয়েবসাইট।
ওজোন গ্যাসের রং গাঢ় নীল ।
- ওজোন স্তর (Ozone layer) হচ্ছে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের একটি স্তর যেখানে তুলনামূলকভাবে বেশি মাত্রায় ওজোন গ্যাস থাকে।
- এই স্তর থাকে প্রধানতঃ স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের নিচের অংশে, যা ভূপৃষ্ঠ থেকে কম বেশি ২০-৩০ কিমি উপরে অবস্থিত।
- এই স্তরের পুরুত্ব স্থানভেদে এবং মৌসুমী কম বেশি হয়।
- বায়ুমণ্ডলে ওজোনের প্রায় ৯০ শতাংশ স্ট্রাটোস্ফিয়ারের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ওজোন কেন্দ্রীকরণ প্রায় ২০ এবং ৪০ কিলোমিটার (৬৬,০০০ এবং ১৩১,০০০ ফুট), তারা যেখানে মিলিয়ন প্রতি প্রায় ২ থেকে ৮ অংশ থেকে পরিসীমার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হয়।
সূত্র: Britannica.com
- 'কার্বন ক্রেডিট' প্রোটোকলের সাথে জড়িত কিয়োটো প্রটোকল।
কিয়োটো প্রটোকল:
- কিয়োটো প্রটোকল ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের উদ্যোগে স্বাক্ষরিত হয়,
- কার্বন ক্রেডিট বা কার্বন বাণিজ্য কিয়োটো প্রটোকলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- কিয়োটো প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয় জাপানের কিয়োটোতে।
- কিয়োটো প্রটোকল কার্যকর হয় ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে।
অন্যদিকে:
- নাগোয়া প্রোটোকল কী উদ্দেশ্য জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার।
- মন্ট্রিল প্রোটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
⇒ উন্নয়নশীল দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সহায়তা করার জন্য তহবিল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
Green Climate Fund:
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (GCF) জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) কর্তৃক গঠিত একটি গঠিত তহবিল।
- GCF এর পূর্ণরূপ Green Climate Fund।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১০ সাল।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: কানকুন, মেক্সিকো।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেল: COP-16.
- সদর দপ্তর: সোংডো, ইনচেন সিটি, দক্ষিণ কোরিয়া।
তথ্যসূত্র - গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ওয়েবসাইট।
• কিয়োটো প্রটোকল পরিবেশ এর সাথে সম্পৃক্ত।
• কিয়োটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- সেই সময় সুদান জাতিসংঘের সদস্য ছিলো না, তাই স্বাক্ষর করেনি।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- প্রটোকলের মেয়াদ শেষ হয় ২০২০ সালে।
উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
• কিয়োটো প্রোটোকল (Kyoto Protocol):
- এটি একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা পরিবেশ সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে গৃহীত।
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো গ্রিনহাউজ গ্যাস (Greenhouse Gas) নিঃসরণ হ্রাস করা।
- এই প্রোটোকল ‘কার্বন ক্রেডিট’ (Carbon Credit) ধারণা প্রবর্তন করে।
- এর দ্বারা দেশগুলিকে নির্দিষ্ট হারে কার্বন নিঃসরণ কমাতে উৎসাহিত করে।
- প্রথম গৃহীত: ১১ ডিসেম্বর ১৯৯৭, কিয়োটো, জাপান।
- কার্যকর: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
• রামসার কনভেনশন (১৯৭১):
- পূর্ণনাম Ramsar Convention on Wetlands.
- এই কনভেনশনটি ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে গৃহীত হয় এবং ১৯৭৫ সালে কার্যকর হয়।
- তারপর থেকে, বিশ্বের সমস্ত ভৌগোলিক অঞ্চল থেকে প্রায় ৯০% জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র "চুক্তিকারী পক্ষ" হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
• এর উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি সংরক্ষণ করা।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি (Wetlands) তালিকাভুক্ত করতে বলা হয়, যা রামসার সাইট নামে পরিচিত।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১৭৩টি দেশ (২০২৪ সাল পর্যন্ত)।
- ২রা এপ্রিল ২০২৫ তারিখে, সৌদি আরব ইউনেস্কোর মহাপরিচালকের কাছে কনভেনশনে তাদের যোগদানের দলিল জমা দেয়।
- এই কনভেনশনটি দেশের জন্য ২রা আগস্ট ২০২৫ তারিখে কার্যকর হবে, যা এটিকে জলাভূমি সংরক্ষণ এবং বিজ্ঞতার সাথে ব্যবহারের জন্য নিবেদিত চুক্তির ১৭৩তম চুক্তিকারী পক্ষ করে তুলবে।
উৎস: Ramsar Convention Official Website.
- ওজোন স্তর রক্ষার জন্য মন্ট্রিল প্রোটোকল চুক্তিটি সবচেয়ে সফল হিসেবে বিবেচিত হয়।
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিয়াল শহরে গৃহীত হয়।
- ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি এটি কার্যকর হয়।
- ১৯৮টি দেশ ও অঞ্চল চুক্তিটির অংশীদার। চুক্তি গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজনস্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।
অন্যদিকে,
• বাসেল কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয় ২২ মার্চ ১৯৮৯ সালে।
- যা বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃরাষ্ট্রীয় চলাচল নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক একটি চুক্তি।
• অটোয়া চুক্তি স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- লক্ষ্য: এই চুক্তির মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলো অ্যান্টি-পার্সোনেল ল্যান্ডমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন এবং হস্তান্তর সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১ম ধরিত্রী সম্মেলন:
- ধরিত্রী সম্মেলন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশ সম্মেলন।
- এই সম্মেলনের লক্ষ্য জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করা।
- ১৯৯২ সালে পরিবেশ ও উন্নয়নের উপর জাতিসংঘের সম্মেলন (UNCED), ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত।
- ধরিত্রী সম্মেলন ছিল ১৯৯২ সাল পর্যন্ত বিশ্ব নেতাদের সবচেয়ে বড় সমাবেশ।
- এই সম্মেলনে ১১৭ জন রাষ্ট্রপ্রধান এবং ১৭৮টি দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
- সম্মেলনে স্বাক্ষরিত চুক্তি এবং অন্যান্য নথিপত্রের মাধ্যমে, বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ নামমাত্রভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য নিজেদেরকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করে এমন উপায়ে যা পৃথিবীর পরিবেশ এবং অ-নবায়নযোগ্য সম্পদ রক্ষা করবে।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
Convention on Biological Diversity (CBD):
- জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত প্রধান ও সবচেয়ে বিস্তৃত আন্তর্জাতিক চুক্তিটি হলো Convention on Biological Diversity।
- গৃহীত হয়: ১৯৯২ সালে ব্রাজিলে রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত 'আর্থ সামিট' বা ধরিত্রী সম্মেলনে।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৬টি।
- সম্পর্কিত প্রটোকল: কার্টাগেনা প্রটোকল (জৈব নিরাপত্তা) এবং নাগোয়া প্রটোকল (জেনেটিক সম্পদের সুফল বন্টন) এর আওতাভুক্ত।
• মূল উদ্দেশ্য:
- জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ,
- জীববৈচিত্র্যের টেকসই ব্যবহার,
- জেনেটিক সম্পদের ব্যবহার থেকে উদ্ভূত সুবিধার ন্যায্য ও সমতামূলক ভাগাভাগি।
উৎস: UN ওয়েবসাইট।
- জলাভূমি (Wetlands) সংরক্ষণের জন্য বিখ্যাত আন্তর্জাতিক কনভেনশনটির নাম রামসার কনভেনশন।
• রামসার কনভেনশন (১৯৭১):
- পূর্ণনাম Ramsar Convention on Wetlands.
- চুক্তির স্থান: রামসার, ইরান।
- গৃহীত হয়: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১ সাল।
কার্যকর হওয়ার তারিখ: ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সাল।
- এর উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি সংরক্ষণ করা।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি (Wetlands) তালিকাভুক্ত করতে বলা হয়, যা রামসার সাইট নামে পরিচিত।
- বর্তমান সদস্য: ১৭২টি দেশ।
- জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে টেকসই উন্নয়ন প্রচারের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি।
উৎস:Ramsar Convention Official Website
- জীব বৈচিত্র কনভেনশন (CBD) এর পূর্ণরূপ Convention On Biological Diversity
⇒ ১৯৯২ সালে রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত আর্থ সামিটে, বিশ্ব নেতারা "টেকসই উন্নয়নের" জন্য একটি বিস্তৃত কৌশলের উপর একমত হন - যা আমাদের চাহিদা পূরণ করবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ ও কার্যকর পৃথিবী রেখে যাবে তা নিশ্চিত করবে।
⇒ রিওতে গৃহীত মূল চুক্তিগুলির মধ্যে একটি ছিল জৈবিক বৈচিত্র্য সংক্রান্ত কনভেনশন।
⇒ বিশ্বের বেশিরভাগ সরকারের মধ্যে এই চুক্তিটি অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিশ্বের পরিবেশগত ভিত্তি বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি নির্ধারণ করে।
⇒ এই কনভেনশনটি তিনটি প্রধান লক্ষ্য প্রতিষ্ঠা করে: জৈবিক বৈচিত্র্য সংরক্ষণ, এর উপাদানগুলির টেকসই ব্যবহার এবং জেনেটিক সম্পদের ব্যবহার থেকে প্রাপ্ত সুবিধার ন্যায্য ও ন্যায়সঙ্গত বন্টন।
উৎস: The Convention on Biological Diversity.
নাগোয়া প্রটোকল:
- পূর্ণ নাম: The Nagoya Protocol on Access and Benefit-sharing
- নাগোয়া প্রোটোকল হল জৈবিক বৈচিত্র্য কনভেনশনের একটি পরিপূরক চুক্তি।
- ABS সংক্রান্ত নাগোয়া প্রোটোকলটি ২৯ অক্টোবর ২০১০ তারিখে জাপানের নাগোয়ায় গৃহীত হয়।
- প্রটোকলটি ১২ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে কার্যকর হয়।
- এর উদ্দেশ্য হল জিনগত সম্পদের ব্যবহার থেকে উদ্ভূত সুবিধাগুলির ন্যায্য এবং ন্যায়সঙ্গত বন্টন, যার ফলে জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবহারে অবদান রাখা যায়।
- স্বাক্ষরের স্থান: নাগোয়া, জাপান।
উৎস: Convention on Biological Diversity ওয়েবসাইট।
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ৪৩ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি-২০১৫:
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশগত চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০১৫ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ৪ নভেম্বর ২০১৬।
- স্বাক্ষর করেছে: ১৯৫টি দেশ।
⇒ বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) কাজ করে।
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর - ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ-২১ সম্মেলনে এই চুক্তি গৃহীত হয়।
- এই চুক্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশ তাদের নিজস্ব জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDCs) দিয়ে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর জন্য অঙ্গীকার করে।
⇒ চুক্তির মূল লক্ষ্য:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন প্রায় ৪৩ শতাংশ কমানোর ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।
উল্লেখ্য,
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে বাংলাদেশ স্বাক্ষর করেছে ২২ এপ্রিল, ২০১৬ তারিখে এবং প্যারিস জলবায়ু চুক্তি অনুমোদন করেছে ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ তারিখে।
উল্লেখ্য,
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তির আওতায়, উন্নত দেশগুলো ২০২০ সাল থেকে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলার জলবায়ু তহবিলে জমা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এই অর্থ উন্নয়নশীল ও ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অভিযোজন ও প্রশমন কার্যক্রমে ব্যয় করার কথা ছিল।
- তবে, কপ-২৯ সম্মেলনে (নভেম্বর, ২০২৪) এই প্রতিশ্রুতি বাড়িয়ে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ৩০০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই অর্থ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর সহায়তায় ব্যয় করা হবে।
উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।
Green Climate Fund:
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) কর্তৃক গঠিত একটি তহবিল।
- ২০১০ সালে মেক্সিকোর কানকুনে অনুষ্ঠিত COP-16 সম্মেলনে এই তহবিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়েনচিয়নে অবস্থিত।
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর সহায়তার জন্য এই তহবিল গঠিত হয়েছে, এর লক্ষ্যমাত্রা বছরে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহ করা।
উল্লেখ্য,
- জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP) হলো "Conference of the Parties"-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- ১৯৯২ সালে এই ফ্রেমওয়ার্ক গৃহীত হয়, এর মূল লক্ষ্য জলবায়ু পরিবর্তনে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা করা।
- ১৯৯৫ সাল থেকে জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- ২০২৫ সালের COP-30 ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে।
সূত্র: গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ও UNFCCC ওয়েবসাইট।
UNFCCC:
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন UNFCCC.
- UNFCCC এর পূর্ণরূপ হল United Nations Framework Convention on Climate Change.
- জাতিসংঘ সদর দপ্তরে United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC) গৃহীত হয়।
- একই বছরের ৪ থেকে ১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলনে এটি স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয় যা ২১ মার্চ ১৯৯৪ কার্যকর হয়।
- UNFCCC স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯২ সালে।
- সদর দপ্তর: বন, জার্মানি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৮টি।
তথ্যসূত্র - UNFCCC ওয়েবসাইট।
• মন্ট্রিল প্রটোকল:
- প্রটোকলটি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৮৭ সালে।
- উদ্দেশ্য: ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক ক্ষতিকর পদার্থ সীমিতকরণ।
- চুক্তির স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯।
- এটি ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে কাজ করে।
- মন্ট্রিল প্রটোকল চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য বর্তমানে সিএফসি গ্যাসের উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে।
- প্রোটোকলের পক্ষগুলি ১৯৯০ সালের স্তরের তুলনায় বিশ্বব্যাপী ৯৮% ODS পর্যায়ক্রমে বাদ দিয়েছে।
- ১৯৯০ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত, চুক্তির নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাগুলি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনকে ১৩৫ গিগাটন CO2 এর সমতুল্য হ্রাস করেছে বলে অনুমান করা হয়, যা বছরে ১১ গিগাটনের সমতুল্য।
⇒ কিগালি সংশোধনীর অধীনে, মন্ট্রিল প্রোটোকলের অধীনে এইচএফসি-এর ব্যবহার সীমিত করার পদক্ষেপগুলি গ্রিনহাউস গ্যাসের সমতুল্য ১০৫ বিলিয়ন টন কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন রোধ করবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা ২১০০ সালের মধ্যে ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি এড়াতে সাহায্য করবে।
উৎস: UNEP ওয়েবসাইট এবং Britannica.
• বাসেল কনভেনশন:
- বাসেল কনভেনশন হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি ।
- যা বিপজ্জনক বর্জ্য এবং অন্যান্য ধরনের বর্জ্যের এক দেশ থেকে অন্য দেশে, বিশেষ করে উন্নত দেশ থেকে অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশে, স্থানান্তর ও ব্যবস্থাপনাকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- সম্পূর্ণ নাম: Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and Their Disposal
- চুক্তি তারিখ: ২২ মার্চ ১৯৮৯ সালে।
- কার্যকর হয়: ৫ মে ১৯৯২ সালে।
- স্থান: বাসেল, সুইজারল্যান্ড ।
• উদ্দেশ্য:
- বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তর্জাতিক পরিবহন নিয়ন্ত্রণ করা।
- বিপজ্জনক বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।
- পরিবেশ ও মানব স্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে বাসেল কনভেনশনে যোগ দেয়।
তথ্যসূত্র: Basel Convention ওয়েবসাইট।
কিয়োটো প্রটোকল:
- চুক্তির নাম: কিয়োটো প্রটোকল,
- স্থান: কিয়োটো, জাপান,
- স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে কার্যকর হয়।
- আয়োজক সংস্থা: UNFCCC (United Nations Framework Convention on Climate Change)
- জাতিসংঘের ব্যবস্থাপনায় জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- উদ্দেশ্যে: কার্বন ডাইঅক্সাইড ও গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস করা।
- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সাউথ সুদান এ প্রটোকল অনুসমর্থন করে নি।
- ২০১২ সালে কানাডা নিজেকে প্রত্যাহার করে।
অপরদিকে,
• কার্টাগেনা প্রটোকল:
- এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত হয়।
- ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি মন্ট্রিল প্রটোকল কার্যকর হয়।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।
তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
• আমাজনের বুকে কপ-৩০ সম্মেলন:
- এশিয়ার জীবাশ্ম জ্বালানি সমৃদ্ধ দেশ আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে গত বছর অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলনে তেল ও জ্বালানির গন্ধ ছিল।
- এবার ব্রাজিলের বেলেম এলাকার আমাজন বনে ৫০ হাজার অংশগ্রহণকারীকে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় আর্দ্র বাতাসের মুখোমুখি হতে হবে।
- যেখানে তাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে বিশ্বজুড়ে জলবায়ু সহযোগিতাকে টিকিয়ে রাখার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো।
- ৩০তম জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন (কপ ৩০) বিশ্বের বৃহত্তম রেইনফরেস্ট ব্রাজিলের আমাজনের একটি শহর বেলেমে ১০-২১ নভেম্বর, ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- এটি আমাজন রেইনফরেস্টে প্রথম জলবায়ু সম্মেলন।
- আমাজন রেইনফরেস্টের প্রাণকেন্দ্র বেলেমে আয়োজিত এই সম্মেলনকে বলা হচ্ছে “COP of Truth” বা সত্যের সম্মেলন।
- প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা হোটেল কক্ষের সংকট সত্ত্বেও এই সম্মেলন বেলেম এলাকায় আয়োজনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
- তার লক্ষ্য আমাজন বনই যাতে সম্মেলনে যোগ দেওয়া আলোচক, পর্যবেক্ষক, ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকদের চোখ খুলে দেয়।
- এটি এমন এক শহর, যেখানে স্থানীয়রা সকালে রোদ ও বিকেলে বৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে ছাতা বহন করে।
- গত আগস্টে লুলা বলেন, কপ-সম্মেলন ধনী দেশে আয়োজন করা সহজ হত।
- কিন্তু আমরা চাই মানুষ বন, নদী এবং সেখানে বসবাসরত মানুষের বাস্তব অবস্থা দেখুক।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
• রটারড্যাম কনভেনশন:
- রটারড্যাম কনভেনশন (Rotterdam Convention) হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা কিছু বিপজ্জনক রাসায়নিক এবং কীটনাশকের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করে, বিশেষত উন্নয়নশীল দেশগুলোকে এসব পদার্থ আমদানির পূর্বে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সম্মতি দেওয়ার সুযোগ করে দেয়। এটি PIC (Prior Informed Consent) পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- গৃহীত হয়: ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৯৮, রটারড্যাম, নেদারল্যান্ডসে।
- কার্যকর হয়: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৪।
• মূল উদ্দেশ্য:
- নির্দিষ্ট বিপজ্জনক রাসায়নিক ও কীটনাশকের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে নিয়ন্ত্রণ করা।
- দেশগুলিকে আগাম অবগতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত (Prior Informed Consent - PIC) গ্রহণের সুযোগ করে দেওয়া।
• FAO এবং UNEP যৌথভাবে এর সচিবালয় পরিচালনা করে।
অন্যদিকে,
• বাসেল কনভেনশনের মূল উদ্দেশ্য- বিপজ্জনক বর্জ্যের পরিবহন নিয়ন্ত্রন।
• স্টকহোম কনভেনশন-২০০১ এর মূল উদ্দেশ্য- পরিবেশকে স্থায়ী জৈব দূষণকারী পদার্থ থেকে রক্ষা করা
উৎস: UNEP - UN Environment Programme.
• মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- বায়ুমন্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরে অবস্থিত ওজোন স্তর।
- এই প্রটোকলে ওজোন স্তরের ক্ষতিকর পদার্থ নিঃসরণ বন্ধ বা কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।
• চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।
উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।
• নাগোয়া প্রটোকল:
- পূর্ণ নাম: The Nagoya Protocol on Access and Benefit-sharing
- নাগোয়া প্রোটোকল হল জৈবিক বৈচিত্র্য কনভেনশনের একটি পরিপূরক চুক্তি।
- ABS সংক্রান্ত নাগোয়া প্রোটোকলটি ২৯ অক্টোবর ২০১০ তারিখে জাপানের নাগোয়ায় গৃহীত হয়।
- প্রটোকলটি ১২ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে কার্যকর হয়।
- এর উদ্দেশ্য হল জিনগত সম্পদের ব্যবহার থেকে উদ্ভূত সুবিধাগুলির ন্যায্য এবং ন্যায়সঙ্গত বন্টন, যার ফলে জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবহারে অবদান রাখা যায়।
- স্বাক্ষরের স্থান: নাগোয়া, জাপান।
অন্যদিকে,
- কিয়োটো প্রোটোকল হলো ১৯৯৭ সালে গৃহীত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর বাধ্যবাধকতা আরোপ করে।
- জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি কার্টাগেনা প্রটোকল।
- প্যারিস চুক্তি হলো জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- মন্ট্রিল প্রটোকল: ওজোন স্তর সুরক্ষা বিষয়ক প্রোটোকল।
উৎস: UNEP ওয়েবসাইট এবং Britannica. Convention on Biological Diversity ওয়েবসাইট।
• বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত চলাচল এবং তাদের নিষ্পত্তি নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বাসেল কনভেনশন।
• বাসেল কনভেনশন :
⇒ ১৯৮০-এর দশকে আফ্রিকা এবং উন্নয়নশীল বিশ্বের অন্যান্য অংশে বিদেশ থেকে আমদানি করা বিষাক্ত বর্জ্যের মজুদ আবিষ্কারের পর জনসাধারণের প্রতিবাদের প্রতিক্রিয়ায়, সুইজারল্যান্ডের বাসেলে অনুষ্ঠিত প্লেনিপোটেনশিয়ারিদের সম্মেলন।
- ২২ মার্চ ১৯৮৯ সালে বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত চলাচল এবং তাদের নিষ্কাশন নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয়।
- কনভেনশনটি ১৯৯২ সালে কার্যকর হয়।
• মূল উদ্দেশ্য:
- বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তর্জাতিক পরিবহন নিয়ন্ত্রণ।
- বর্জ্যের পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।
- উন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে অবৈধ বর্জ্য রপ্তানি প্রতিরোধ।
• বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট:
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে বাসেল কনভেনশনে যোগ দেয়।
- দেশে বিপজ্জনক বর্জ্যের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য কনভেনশনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অন্যদিকে,
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে কিছু বিপজ্জনক রাসায়নিক এবং কীটনাশকের জন্য পূর্ব-জ্ঞাত সম্মতি পদ্ধতি সম্পর্কিত রটারডাম কনভেনশন।
- অটোয়া কনভনশন হলো- স্থলমাইন নিষিদ্ধ করার জন্য চুক্তি।
উৎস: Basel Convention Official Website.