বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

পরিবেশ বিষয়ক চুক্তি ও সম্মেলন

মোট প্রশ্ন৯২০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

পরিবেশ বিষয়ক চুক্তি ও সম্মেলন

PrepBank · পাতা / ১০ · ২০১৩০০ / ৯২০

২০১.
২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তিতে কোন বিষয়টি প্রধান লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে?
  1. সিএফসি (CFC) গ্যাস নির্গমন হ্রাস
  2. জীব বৈচিত্র্য রক্ষা
  3. গ্লোবাল হিট নিয়ন্ত্রণ
  4. ওজোন স্তর ক্ষয় প্রতিরোধ
সঠিক উত্তর:
গ্লোবাল হিট নিয়ন্ত্রণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লোবাল হিট নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা

• ২০১৫ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত COP-21 সম্মেলনে ১৯৫ দেশ অংশগ্রহণ করে প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো শিল্প-বিপ্লবের আগে তুলনায় বৈশ্বিক তাপমাত্রা ২° সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা, সম্ভব হলে ১.৫° সেলসিয়াসে রাখা। 
 
• COP - 21 সম্মেলন সম্পর্কি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- আয়োজনের সময়: ৩০ নভেম্বর - ১১ ডিসেম্বর, ২০১৫ সাল
- আয়োজনের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স
- অংশগ্রহনকারী পক্ষ: ১৯৫টি দেশ
- সম্মেলনের ফলাফল: প্যারিস জলবায়ু চুক্তি, ২০১৫
- চুক্তি কার্যকর: ২০১৬ সালের ৪ নভেম্বর
 
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তির প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে - এই শতাব্দীতে বৈশ্বিক তাপমাত্রা শিল্প-বিপ্লবের পূর্ব সময়ের তুলনায় ২° সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা। সম্ভব হলে এই তাপমাত্রা ১.৫° সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার প্রচেষ্টা করা হবে।
 
তথ্যসূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট।

২০২.
প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে বৈশ্বিক তাপমাত্রা কত ডিগ্রীতে সীমাবদ্ধ রাখার ব্যাপারে সম্মত হয়?
  1. ২ ডিগ্রি
  2. ২.৩ ডিগ্রি
  3. ২.৮ ডিগ্রি
  4. ২.৫ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর:
২ ডিগ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি-২০১৫:
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ–২১ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ৪ নভেম্বর ২০১৬।

⇒ চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম করা।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
২০৩.
প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রাক-শিল্পায়ন যুগের তুলনায় কত ডিগ্রির নিচে রাখার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে?
  1. ০.৫ থেকে ১ ডিগ্রি
  2. ১ থেকে ১.৫ ডিগ্রি
  3. ১.৫ থেকে ২ ডিগ্রি
  4. ২ থেকে ২.৫ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর:
১.৫ থেকে ২ ডিগ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৫ থেকে ২ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা

 প্যারিস জলবায়ু চুক্তি:
• গৃহীত: ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত ২১তম UNFCCC Conference of Parties (COP-21) সম্মেলনে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি গৃহীত হয়।
• বর্তমান পর্যন্ত ১৯৫টি দেশ প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
• ২০১৬ সালের ২২ এপ্রিল জাতিসংঘ সদরদপ্তরে এটি স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয় 
•  কার্যকর: ৪ নভেম্বর ২০১৬ থেকে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি কার্যকর হয়।
• প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে একুশ শতকে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট। 

২০৪.
কোন জলবায়ু সম্মেলনে 'Loss and Damage Fund' চালুর প্রস্তাব গৃহীত হয়?
  1. COP-15
  2. COP-21
  3. COP-25
  4. COP-27
সঠিক উত্তর:
COP-27
উত্তর
সঠিক উত্তর:
COP-27
ব্যাখ্যা
Loss and Damage Fund:
- 'Loss and Damage Fund' চালুর প্রস্তাব গৃহীত হয় ২৭তম জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলনে (COP-27)।

⇒ জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী বিশ্বের উন্নত দেশগুলো।
- ২০০৯ সালে উন্নত দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে প্রতিবছর ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
- শেষ পর্যন্ত এ-সংক্রান্ত তহবিল প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ২০২২ সালে মিশরের শার্ম এল-শেখ-এ অনুষ্ঠিত কপ-২৭ শীর্ষ সম্মেলনে একটি চুক্তি হয়।
- আর এটিই হচ্ছে Loss and Damage Fund (লস অ্যান্ড ড্যামেজ তহবিল)।
- Loss and Damage Fund-এর লক্ষ্য: উন্নয়নশীল ও দুর্বল দেশগুলোকে জলবায়ু বিপর্যয়ের ফলে সৃষ্ট ক্ষতির আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
২০৫.
রামসার কনভেনশনের অধীনে 'রামসার সাইট' বলতে কী বোঝায়?
  1. জাতীয় উদ্যান
  2. আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি
  3. নদীমাতৃক বন
  4. পাহাড়ি অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি
ব্যাখ্যা

রামসার কনভেনশন:
- রামসার কনভেনশন হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি,
-'রামসার সাইট' বলতে বোঝায় এমন জলাভূমি (wetlands) যা আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ বলে চিহ্নিত এবং চুক্তিভুক্ত দেশগুলির দ্বারা সংরক্ষণের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়।
- এগুলি জলাভূমির সংরক্ষণ এবং তাদের সম্পদের বুদ্ধিমান ব্যবহারের জন্য একটি ফ্রেমওয়ার্ক প্রদান করে।
- এটি ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
-  এই কনভেনশন ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৭২টি।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি সংরক্ষণ করা।
- এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।

২০৬.
জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১ কোন দেশে অনুষ্ঠিত হবে?
  1. পেরু
  2. তুরস্ক
  3. রাশিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা

জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১:
- ২০২৬ সালে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১ আয়োজন করতে যাচ্ছে তুরস্ক।
- অস্ট্রেলিয়া যৌথভাবে এ সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তুরস্ক এ দায়িত্ব পেয়েছে।
- তবে এ সম্মেলনে অংশ নেওয়া দেশগুলোর সরকারের সঙ্গে দর–কষাকষির নেতৃত্ব দেবে অস্ট্রেলিয়া।
- ব্রাজিলে আয়োজিত কপ৩০-এ সমঝোতার মধ্য দিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- ২০২২ সালে দুই দেশই সম্মেলনটি আয়োজনের আবেদন করেছিল।

উল্লেখ্য,
- COP এর পূর্ণরূপ Conference of the parties. 
- ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- এর উদ্দেশ্য জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা। 
- ১৯৯৫ সাল থেকে 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।  
- ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩০ এর আয়োজন করেছে ব্রাজিল।

উৎস: UN-Habitat অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, পত্রিকা রিপোর্ট।

২০৭.
The Convention on Biological Diversity - কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ১৯৯২
  2. খ) ১৯৯৩
  3. গ) ১৯৯৬
  4. ঘ) ১৯৯৭
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯২
ব্যাখ্যা
The Convention on Biological Diversity - signed by 150 government leaders at the 1992 Rio Earth Summit, the Convention on Biological Diversity is dedicated to promoting sustainable development. The convention came into force in 1993. Source: UN.org
২০৮.
প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) কত সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা

- প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) কত সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯২ সালে।

ধরিত্রী সম্মেলন: 

- পূর্ণরূপ: United Nations Conference on Environment and Development (UNCED).
- প্রথম ধরিত্রি সম্মেলন: রিও ডি জেনেইরো, ব্রাজিল।
- তারিখ: ৩-১৪ জুন, ১৯৯২। 
- উদ্দেশ্য: টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশ রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক কর্মপরিকল্পনা তৈরি।
- গুরুত্বপূর্ণ অর্জন: UNFCCC, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কনভেনশন (CBD), অ্যাজেন্ডা ২১ স্বাক্ষর।

উল্লেখ্য,
- 'রিও বা ধরিত্রী সম্মেলন+ ৫' অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে।
- এটি ১৯৯৭ সালে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি বিশেষ ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।
- 'রিও বা ধরিত্রী সম্মেলন ১০' অনুষ্ঠিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে ২০০২ সালে।
- এটি দ্বিতীয় ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।
- রিও বা ধরিত্রী সম্মেলন ২০' অনুষ্ঠিত হয় ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও-তে ২০১২ সালে।
- এটি তৃতীয় ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।

উৎস: United Nations ওয়েবসাইট।

২০৯.
২০২২ - ২০২৪ মেয়াদে 'ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম' এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে কোন দেশ?
  1. ক) মালদ্বীপ
  2. খ) সেইন্ট লুসিয়া
  3. গ) ঘানা
  4. ঘ) বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
গ) ঘানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঘানা
ব্যাখ্যা
- জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকির মুখে থাকা দেশগুলোর জোট ‘ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম-সিভিএফ'।
- ২০০৯ সালে গঠিত এই জোটের বর্তমান সদস্য - ৫৫টি।
- ২০২২ - ২০২৪ মেয়াদে ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম এর সভাপতির নেতৃত্ব দিচ্ছে ঘানা। 
- ২০২০-২০২২ মেয়াদে এ জোটের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন - প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- এর আগে ২০১১ থেকে ২০১৩ মেয়াদে এ জোটের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিল বাংলাদেশ।

উৎসঃ bdnews24.com
২১০.
জাতিসংঘ জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল কোনটি?
  1. কার্টাগেনা প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. কিয়োটো প্রটোকল 
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
ব্যাখ্যা

কার্টাগেনা প্রটোকল:
- পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
- এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।
- অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে,
- তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।
- গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- চুক্তির পক্ষে স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৭৩টি।

উল্লেখ্য,
- কিয়োটো প্রটোকল: এটি জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত একটি চুক্তি, জৈব নিরাপত্তার সাথে সম্পর্কিত নয়. 
- মন্ট্রিল প্রটোকল: এটি ওজোন স্তরের ক্ষয়কারী পদার্থ নিয়ন্ত্রণের সাথে সম্পর্কিত. 
- বাংলাদেশ কার্টাগেনা প্রটোকল স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে।
- অনুমোদন হয় ২০০৪ সালে।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।

২১১.
বিশ্বব্যাপী 'পরিবেশ দিবস' পালিত হয়ে আসছে কবে থেকে?
  1. ১৯৭৩ সাল
  2. ১৯৭৫ সাল
  3. ১৯৭৯ সাল
  4. ১৯৭৭ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সাল
ব্যাখ্যা
পরিবেশ দিবস:
- ১৯৭২ সালে সুইডেনের স্টকহোমে প্রথম পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন হয়।
- এর নাম UN Conference on the Human Environment. 
- ১৯৭২ সালে এই সম্মেলন থেকে United Nations Environment Programগঠিত হয়।
- এই সম্মেলন থেকে ৫ই জুন কে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ঘোষণা করা হয়।
- ১৯৭৩ সাল থেকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়ে আসছে।
- ১৯৭৩ সালে স্লোগান ছিল, 'ওনলি ওয়ান আর্থ।
 
সূত্র: জাতিসংঘ ও UNEP ওয়েবসাইট।
২১২.
'বাসেল কনভেনশন'-এর কার্যক্রম শুরু হয় কবে?
  1. ৪ মে, ১৯৯২
  2. ৫ মে, ১৯৯২
  3. ৬ মে, ১৯৯২
  4. ৭ মে, ১৯৯২
সঠিক উত্তর:
৫ মে, ১৯৯২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ মে, ১৯৯২
ব্যাখ্যা
বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- এটি গৃহীত হয় সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে।
- 'বাসেল কনভেনশন'-এর কার্যক্রম শুরু হয় ৫ মে, ১৯৯২ সালে।
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

তথ্যসূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।
২১৩.
মন্ট্রিল প্রটোকল কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৮৭ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটোকল হল ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ (ODS) ব্যবহার এবং উৎপাদন বন্ধ করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।

⇒ চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (সিএফসি), হ্যালন, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড, মিথাইল ক্লোরোফর্ম, মিথাইল ব্রোমাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, হাইড্রোব্রোমোফ্লোরোকার্বন ইত্যাদি গ্যাসের প্রভাবে দিন দিন ক্ষয়ে যাচ্ছে এই ওজোন স্তর। যার ফলে তৈরি হচ্ছে ওজোন হোল বা গর্ত। প্রায় সকল ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য (ওডিএস) ই অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রিন হাউস গ্যাস হিসেবে চিহ্নিত। ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য ও এর বিকল্পসমূহ অধিকাংশ ক্ষেত্রে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। এ গ্যাসগুলো সাধারণতঃ রেফ্রিজারেশন ও এয়ারকন্ডিশনিং সিস্টেমে, এ্যাজমা চিকিৎসায় উৎপাদিত ইনহেলারে, ফ্যান, প্লাস্টিক ফোম তৈরি ও মাইক্রোইলেকট্রিক সার্কিট পরিস্কার করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মানবসভ্যতাকে রক্ষার জন্য ওজোনস্তর রক্ষায় কাজ করা একান্ত প্রয়োজন। তাই ওজোনস্তরের ক্ষয়কারী দ্রব্যের ব্যবহার কমাতে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
- ধরিত্রীকে রক্ষার লক্ষ্যে ওজোনস্তর রক্ষায় জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির উদ্যোগে ১৯৮৫ সালে 'ভিয়েনা কনভেনশন' গৃহীত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কানাডার মন্ট্রিলে "মন্ট্রিল প্রটোকল" নামে এক যুগান্তকারী চুক্তি গৃহীত হয়।

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat।

২১৪.
পারদের ব্যবহার ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণের জন্য চুক্তি -
  1. রটারডাম কনভেনশন
  2. মিনামাটা কনভেনশন
  3. বাসেল কনভেনশন
  4. মেরিডা কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
মিনামাটা কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিনামাটা কনভেনশন
ব্যাখ্যা

মিনামাটা কনভেনশন (Minamata Convention on Mercury):
- পারদের ব্যবহার ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণের জন্য আন্তর্জাতিক চুক্তি মিনামাটা কনভেনশন।
- চুক্তিটি মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশকে পারদের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করার লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছে।
- এই চুক্তির নামকরণ করা হয়েছে জাপানের মিনামাটা শহরের নামে, যেখানে ২০শ শতকের মাঝামাঝি সময়ে পারদ-দূষিত শিল্প বর্জ্য পানিতে মিশে হাজার হাজার মানুষ মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন, যা 'মিনামাটা রোগ' নামে পরিচিত। 

⇒ গৃহীত হয়: ১৯ জানুয়ারি ২০১৩ সালে (জেনেভা, সুইজারল্যান্ড)।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১০ অক্টোবর, ২০১৩, কুমামোটো, জাপান।
- কার্যকর হয়: ১৬ আগস্ট, ২০১৭।
- সদস্য দেশ: ১৫২টি।

অন্যদিকে,
- বাসেল কনভেনশন হলো বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃরাষ্ট্রীয় চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- রটারডাম কনভেনশন বিপজ্জনক রাসায়নিক ব্যবস্থাপনার জন্য এবং বিষাক্ত রাসায়নিকের ব্যবহার সীমিত করার উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়েছিল।
- মেরিডা কনভেনশন: ২০০৩ সালে মেক্সিকোর মেরিডা শহরে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের দুর্নীতি বিরোধী কনভেনশন।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।

২১৫.
জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে? 
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. তুরস্ক
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা 
  4. ব্রাজিল
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা

• জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১:
- ২০২৬ সালে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১ আয়োজন করবে তুরস্ক।
- তুরস্কের পর্যটননগরী অ্যান্টালিয়া কপ-৩১-এর আয়োজক শহর হবে এবং তুরস্কই আনুষ্ঠানিকভাবে কপ-৩১-এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করবে।
- অস্ট্রেলিয়া চাইছিল প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে অ্যাডিলেডে সম্মেলন আয়োজন করতে। 
- অস্ট্রেলিয়া যৌথভাবে এ সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তুরস্ক এ দায়িত্ব পেয়েছে।
- সমঝোতা অনুযায়ী প্রাক-কপ একটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপে হবে।
 - মূল সম্মেলন হবে তুরস্কের আন্তালিয়া শহরে। সভাপতি থাকবেন ক্রিস বোয়েন (অষ্ট্রেলিয়া)। 
- ব্রাজিলে আয়োজিত কপ৩০-এ সমঝোতার মধ্য দিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- COP এর পূর্ণরূপ Conference of the parties. 
- ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- এর উদ্দেশ্য জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা। 
- ১৯৯৫ সাল থেকে 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।  
- ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩০ এর আয়োজন করেছে ব্রাজিল।

তথ্যসূত্র: UN-Habitat অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, বনিক বার্তা ও UNFCCC.

২১৬.
কার্টাগেনা প্রোটোকল গৃহীত হয় কোথায়?
  1. ভিয়েনা
  2. মন্ট্রিল
  3. রোম
  4. প্যারিস
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রোটোকল:
- কার্টাগেনা প্রোটোকল হচ্ছে জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি চুক্তি।
-  এর পুরো নাম: Cartagena Protocol in Biosafety to the Convention on Biologcal Diversity.
- স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- গৃহীত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- বাংলাদেশ কার্টাগেনা প্রোটোকল চুক্তি স্বাক্ষর করে: ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪ সালে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২১৭.
রামসার কনভেনশন কোন দেশে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ইথিওপিয়া
  2. ইরান
  3. ইরাক
  4. কেনিয়া
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশন:
- রামসার কনভেনশন (Ramsar Convention) হলো বিশ্বব্যাপী জৈবপরিবেশ রক্ষার একটি সম্মিলিত প্রয়াস।
- এটি বিশ্বের প্রথম পরিবেশ সম্মেলন।
- ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে ইরানের রামসারে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশসমূহ 'কনভেনশন অন ওয়েটল্যান্ডস' নামক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- এটি কার্যকর হয় ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৭২টি।
- রামসার কনভেনশন ইরানের রামসারে অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট (Ramsar sites) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।
২১৮.
কে সর্বপ্রথম Greenhouse Effect model প্রদান করেন?
  1. ক) Norman Borlaug
  2. খ) Svante Arrhenius
  3. গ) Erwin Schrödinger
  4. ঘ) Ernest Heikel
সঠিক উত্তর:
খ) Svante Arrhenius
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Svante Arrhenius
ব্যাখ্যা
Svante Arrhenius, in full Svante August Arrhenius, (born February 19, 1859, Vik, Sweden—died October 2, 1927, Stockholm), Swedish physicist and physical chemist known for his theory of electrolytic dissociation and his model of the greenhouse effect. In 1903 he was awarded the Nobel Prize for Chemistry. Source: Brittanica.com
২১৯.
জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল কোনটি?
  1. রাউটিং প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. কার্টাগেনা  প্রটোকল
  4. কিয়োটো প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা  প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা  প্রটোকল
ব্যাখ্যা
 কার্টাগেনা  প্রটোকল:
- জৈব জ্বালানি নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয় কানাডার মন্ট্রিল।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ অনুমোদন করে ২০০৪ সালে। 
- সদস্য সংখ্যা: ১৭৩টি ।
- সর্বশেষ অনুমোদন কারী দেশ- সিয়েরা লিওন ( ১৫ জুন ২০২০)

এছাড়াও: 
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- ওজনস্তর ক্ষয়কারী বস্তু সামগ্রী উৎপাদন, বিপণন এবং ব্যবহার বন্ধ বিষয়ক প্রটোকল।
- কানাডার মন্ট্রিলে স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষর ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৮৭।
- কার্যকর ০১ জানুয়ারি ১৯৮৯।

 কিয়োটো প্রটোকল:
 - বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ বিষয়ক প্রটোকল।
- জাপানের প্রাচীন রাজধানী কিয়োটোতে স্বাক্ষরিত হয়।
- গৃহীত হয় ১১ ডিসেম্বর ১৯৯৭

উৎস: CBD.  UNFCCC. Britannica.
২২০.
নিচের কোন দেশে 'বাসেল কনভেনশন' গৃহীত হয়?
  1. জাপান
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. কানাডা
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- এটি গৃহীত হয় সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে।
- 'বাসেল কনভেনশন'-এর কার্যক্রম শুরু হয় ৫ মে, ১৯৯২ সালে।
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

তথ্যসূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।
২২১.
’কার্টাগেনা প্রটোকল’ সর্বশেষ অনুমোদনকারী দেশ- (জুন-২০২৫)
  1. মিশর
  2. সিয়েরা লিওন
  3. উগান্ডা
  4. ইথিওপিয়া
সঠিক উত্তর:
সিয়েরা লিওন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিয়েরা লিওন
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রটোকল:
• Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity
- জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- গৃহীত: ২৯ জানুয়ারী, ২০০০ সাল।
- কার্যকর: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশের সংখ্যা: ১৭৩টি
- সর্বশেষ অনুমোদন: সিয়েরা লিওন (১৫ জুন ২০২০)

উৎস: UN Treaty Collection ওয়েবসাইট।
২২২.
আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৮৭
  2. খ) ১৯৭৫
  3. গ) ১৯৮১
  4. ঘ) ১৯৭৯
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি:
- ইরাক এবং ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৩ই জুন ১৯৭৫ সালে এটি স্বাক্ষরিত হয়। 
- চুক্তির বিষয় হলো শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মীমাংসা। 

উৎস: Britannica
২২৩.
বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন কোনটি?
  1. রটারডাম কনভেনশন
  2. স্টকহোম কনভেনশন
  3. মিনামাতা কনভেনশন
  4. বাসেল কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
বাসেল কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাসেল কনভেনশন
ব্যাখ্যা

বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- গৃহীত হয়: ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- গৃহীত হওয়ার স্থান: বাসেল, সুইজারল্যান্ড।
- কার্যক্রম শুরু হয়: ৫ মে, ১৯৯২ সালে।

→ উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

তথ্যসূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।

২২৪.
UNFCCC- এর প্রধান লক্ষ্য কী?
  1. পরিবেশগত শিক্ষা প্রচার করা
  2. গ্রীনহাউস গ্যাস নিঃসরণের প্রভাব মূল্যায়ন করা
  3. পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক আইন প্রণয়ন করা
  4. জলবায়ু পরিবর্তনের বৈশ্বিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তনের বৈশ্বিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তনের বৈশ্বিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা
ব্যাখ্যা
UNFCCC:

- UNFCCC- এর পূর্ণরূপ- United Nations Framework Convention on Climate Change.
- এটি  জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক কনভেনশন।
- এর লক্ষ্য হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক পদক্ষেপকে সমন্বিত করা।
- এটি ১৯৯২ সালে রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত ধরিত্রী সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৯৪ সালে কার্যকর হয়।
- এর সদরদপ্তর জার্মানির বন শহরে অবস্থিত।
- UNFCCC এর অধীনে দেশগুলি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় তাদের কাজের অগ্রগতি নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা করে এবং উন্নয়নশীল দেশগুলিকে সহায়তা করার জন্য বিভিন্ন তহবিল গঠন করে।

তথ্যসূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট।
২২৫.
বাংলাদেশ জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের কোন সম্মেলনে প্রথম অংশ নেয়?
  1. ক) রাবাত সম্মেলন
  2. খ) আলজিয়ার্স সম্মেলন
  3. গ) লাহোর সম্মেলন
  4. ঘ) বান্দুং সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
খ) আলজিয়ার্স সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আলজিয়ার্স সম্মেলন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ৫-৯ সেপ্টেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) চতুর্থ সম্মেলনে প্রথম অংশগ্রহণ করে এবং সদস্যপদ লাভ করে।

ন্যামের প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬১ সালের ১-৬ সেপ্টেম্বর বর্তমান সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড শহরে।
সর্বশেষ ন্যাম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের ২৫-২৬ অক্টোবর আজারবাইজানের রাজধানী বাকু শহরে।

(তথ্যসূত্র: ন্যাম আজারবাইজার ওয়েবসাইট)
২২৬.
'বাসেল কনভেনশন’ চুক্তি কার্যকর হয় কত সালে? 
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা

• বাসেল কনভেনশন: 
- বাসেল কনভেনশন হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি ।
- যা বিপজ্জনক বর্জ্য এবং অন্যান্য ধরনের বর্জ্যের এক দেশ থেকে অন্য দেশে, বিশেষ করে উন্নত দেশ থেকে অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশে, স্থানান্তর ও ব্যবস্থাপনাকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- সম্পূর্ণ নাম: Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and Their Disposal
- চুক্তি তারিখ: ২২ মার্চ ১৯৮৯ সালে।
- কার্যকর হয়: ৫ মে ১৯৯২ সালে।
- স্থান: বাসেল, সুইজারল্যান্ড ।

• উদ্দেশ্য:
- বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তর্জাতিক পরিবহন নিয়ন্ত্রণ করা।
- বিপজ্জনক বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।
- পরিবেশ ও মানব স্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে বাসেল কনভেনশনে যোগ দেয়।
- এর ফলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় একটি প্রতিশ্রুতিশীল অবস্থান গ্রহণ করে।

উৎস: Basel Convention ওয়েবসাইট।

২২৭.
জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি কোনটি?
  1. কার্টাগেনা প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. প্যারিস চুক্তি
  4. কিয়েটো প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
ব্যাখ্যা

• কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রোটোকল এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
- এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।
- কার্টাগেনা প্রোটকল অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে। তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।
- কার্টাগেনা প্রোটকল গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- চুক্তির পক্ষে স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি।
- অনুমোদনকারী: ১৭৩টি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

অন্যদিকে,
• কিয়োটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- সেই সময় সুদান জাতিসংঘের সদস্য ছিলো না, তাই স্বাক্ষর করেনি।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- প্রটোকলের মেয়াদ শেষ হয় ২০২০ সালে।

• মন্ট্রিল প্রটোকল:
- প্রটোকলটি গৃহীত হয়: ১৯৮৭ সালে।
- উদ্দেশ্য: ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক ক্ষতিকর পদার্থ সীমিতকরণ।
- চুক্তির স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯।
-  এটি ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে কাজ করে।
- মন্ট্রিল প্রটোকল চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য বর্তমানে সিএফসি গ্যাসের উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে।

প্যারিস জলবায়ু চুক্তি-২০১৫:
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ–২১ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয়। 
⇒ চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম করা।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।

২২৮.
ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক চুক্তি কোনটি?
  1. কার্টাগেনা প্রটোকল
  2. ভিয়েনা কনভেনশন
  3. বাসেল কনভেনশন
  4. কিয়েটো প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনা কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনা কনভেনশন
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন:
- Vienna Convention for the Protection of the Ozone Layer (ভিয়েনা কনভেনশন)- হলো জাতিসংঘের ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক চুক্তি।
- স্বাক্ষর ও গৃহীত - ১৯৮৫ সালের ২২ মার্চ অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়।
- কার্যকর ১৯৮৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর।
- স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ২৮টি।
- অনুমোদনকারী পক্ষ - ১৯৮টি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
২২৯.
নিচের কোন চুক্তিটি এখনো কার্যকর হয়নি?
  1. ক) সিটিবিটি চুক্তি
  2. খ) এনপিটি চুক্তি
  3. গ) বাসেল কনভেনশন
  4. ঘ) অটোয়া চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ক) সিটিবিটি চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সিটিবিটি চুক্তি
ব্যাখ্যা
- CTBT (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty) চুক্তিটি এখনো কার্যকর হয়নি। চু্ক্তিটি ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি কার্যকরের জন্যে চুক্তির অ্যানেক্স-২ অংশে উল্লিখিত ৪৪টি দেশের প্রত্যেকটির অনুমোদন আবশ্যক।
- কিন্তু অ্যানেক্স-২ অংশের ৮টি দেশ এখনো চুক্তিটি অনুমোদন করেনি। দেশগুলো হলো:
- ভারত
- পাকিস্তান
- উত্তর কোরিয়া
- যুক্তরাষ্ট্র
- চীন
- ইসরাইল
- মিশর
- ইরান।
এর ম্যধ্যে প্রথম তিনটি দেশ চুক্তিতে স্বাক্ষরও করেনি।
- বর্তমান পর্যন্ত ১৮৫টি দেশ CTBT চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
- বাংলাদেশ ১৯৯৬ সালের ২৪ অক্টোবর CTBT চুক্তিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০০০ সালের ৮ মার্চ চুক্তিটি অনুমোদন করে।
অন্যদিকে,
- এনপিটি চুক্তি কার্যকর হয় : ৫ মার্চ ১৯৭০
- অটোয়া চুক্তি কার্যকর হয় : ৬ সেপ্টেম্বর ২০০০
- বাসেল কনভেনশন কার্যকর হয় : ৫ মে ১৯৯২।
(সূত্রঃ সিটিবিটিও এবং জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
২৩০.
নাগোয়া প্রটোকল কোন কনভেনশনের অধীন গৃহীত?
  1. UNFCCC
  2. Ramsar Convention
  3. Convention on Biological Diversity (CBD)
  4. Basel Convention
সঠিক উত্তর:
Convention on Biological Diversity (CBD)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Convention on Biological Diversity (CBD)
ব্যাখ্যা

নাগোয়া প্রটোকল:
- এর পূর্ণ নাম: The Nagoya Protocol on Access and Benefit-sharing.
- নাগোয়া প্রটোকল (ABS) হলো জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কনভেনশন (CBD)-এর অধীন একটি সম্পূরক চুক্তি।
- এর উদ্দেশ্য জেনেটিক সম্পদে প্রবেশাধিকার এবং সেগুলোর ব্যবহার থেকে উদ্ভূত সুফলের ন্যায্য ও সমান বণ্টন নিশ্চিত করা।
- এটি গৃহীত হয় ২৯ অক্টোবর, ২০১০ সাল।
- কার্যকরের তারিখ ১২ অক্টোবর, ২০১৪ সাল।
- এই চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: নাগোয়া, জাপান।

উৎস: Convention on Biological Diversity ওয়েবসাইট।

২৩১.
নেদারল্যান্ডস্‌ এর আমস্টারডাম ভিত্তিক বৈশ্বিক পরিবেশবাদী সংগঠন 'গ্রিনপিস' প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৬১
  2. খ) ১৯৭৫
  3. গ) ১৯৮১
  4. ঘ) ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭১
ব্যাখ্যা
গ্রিনপিস (Greenpeace)
• গ্রিনপিস (Greenpeace) নেদারল্যান্ডস্‌ এর আমস্টারডাম ভিত্তিক একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
• ১৯৭১ সালে আলাস্কার আমচিটকা (Amchitka) দ্বীপে আমেরিকার ভূগর্ভস্থ পারমানবিক বোমার পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণের বিরুদ্ধে প্রচারণা ও লং-মার্চ পরিচালনার মাধ্যমে এর যাত্রা শুরু।
• বর্তমানে এটি বৈশ্বিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য প্রচারনা সহ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির বিরুদ্ধে প্রচারনা ও সামুদ্রিক পরিবেশ রক্ষার জন্য কাজ কর যাচ্ছে।
• ১৯৭১ সালে গ্রীণপিস নামে আত্মপ্রকাশের আগে এটি ১৯৬৯ সাল থেকে "Don't Make A Wave: It's Your Fault If Our Fault Goes" ব্যানারে কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।
• গ্রিনপিস পরিবেশ বিপর্যযের বিপক্ষে গবেষণা, সচেতনতা, প্রচারণা এবং ক্ষেত্রবিশেষে সরাসরি কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। 

➧ এক নজরে গ্রিনপিস 
• প্রতিষ্ঠাকাল : ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ সাল।
• প্রতিষ্ঠার স্থান : ভ্যাঙ্কুভার, ব্রিটিশ কলম্বিয়া, কানাডা।
• সদস্য : ২৭টি দেশ ও আঞ্চলিক সংগঠন।
• সদরদপ্তর :  আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ড।
• ১৯৭১ সালে যুদ্ধবিধবস্ত বাংলাদেশে যাতায়াত ও পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নকল্পে এই সংস্থা কাজ করেছে । যুদ্ধোত্তর যোগাযোগ ব্যবস্থা পূনর্গঠনে এর ভূমিকা উল্লেখ্যযোগ্য।

তথ্যসূত্র: গ্রিনপিস এবং UNWTO ওয়েবসাইট।
২৩২.
কোন চুক্তি স্বাক্ষরের জন্যে ইয়াসির আরাফাত নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ক) অসলো চুক্তি
  2. খ) ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  3. গ) ওয়াই রিভার চুক্তি
  4. ঘ) সেভার্স চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ক) অসলো চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অসলো চুক্তি
ব্যাখ্যা
অসলো চুক্তি স্বাক্ষরের জন্যে ১৯৯৪ সালে ফিলিস্তিনের সাবেক প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাত এবং ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আইজ্যাক রবিন নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসিতে পিএলও এবং ইসরায়েলের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর মাধ্যমে পিএলও এবং ইসরায়েল পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে এবং ফিলিস্তিনে স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার রোডম্যাপ প্রণয়ন করা হয়। (সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং নোবেল প্রাইজ ওয়েবসাইট)
২৩৩.
মন্ট্রিল প্রটোকল কোন বিষয় নিয়ন্ত্রণের জন্য গৃহীত আন্তর্জাতিক চুক্তি?
  1. ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক
  2. বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তর রক্ষা করা
  3. জৈব নিরাপত্তা
  4. গ্রীন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস করা
সঠিক উত্তর:
বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তর রক্ষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তর রক্ষা করা
ব্যাখ্যা

⇒ মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর নিয়ন্ত্রণের জন্য গৃহীত আন্তর্জাতিক চুক্তি?

মন্ট্রিল প্রটোকল:

- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে এই প্রটোকল গৃহীত হয়।
- এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত হয়
- এটি গৃহীত হয় ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- মন্ট্রিল প্রটোকল কার্যকর হয় ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯ সালে।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

২৩৪.
বিশ্বব্যাপী জলাভূমি সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহারের জন্য স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক চুক্তিটি কী নামে পরিচিত?
  1. রামসার কনভেনশন
  2. ভিয়েনা কনভেনশন
  3. বাসেল কনভেনশন
  4. প্যারিস কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
রামসার কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামসার কনভেনশন
ব্যাখ্যা

বিশ্বব্যাপী জলাভূমি সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহারের জন্য স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক চুক্তিটি রামসার কনভেনশন নামে পরিচিত।

রামসার কনভেনশন (Convention on Wetlands):
- রামসার কনভেনশন হলো জলাভূমি (যেমন, বিল, হ্রদ, নদী, ইত্যাদি) সংরক্ষণের জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- স্বাক্ষর: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১।
- স্বাক্ষরের স্থান: রামসার, ইরান।
- এটি কার্যকর হয় ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- বর্তমানে চুক্তিবদ্ধ দেশ: ১৭২টি।
- উদ্দেশ্য: আর্দ্রভূমির অবক্ষয় রোধ ও বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট (Ramsar sites) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন (১৯৯২), টাঙ্গুয়ার হাওর (২০০০)।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।

২৩৫.
নিচের কোনটি গ্রিনহাউজ গ্যাস?
  1. ক) নাইট্রাস অক্সাইড
  2. খ) মিথেন
  3. গ) জলীয়বাষ্প
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
যেসব গ্যাস ‍ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ আটকে রেখে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে তাদের গ্রিনহাউজ গ্যাস বলা হয়। বিভিন্ন গ্রিনহাউজ গ্যাসের মধ্যে কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন ও জলীয়বাষ্প প্রধান।
এছাড়া নাইট্রাস অক্সাইড, ওজন, হ্যালোকার্বন জাতীয় গ্যাসও গ্রিনহাউজ গ্যাসের অন্তর্ভুক্ত।
এসকল গ্যাস ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ শোষণ করে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে থাকে।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
২৩৬.
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (UNFCC) -এর সদস্য কয়টি?
  1. ক) ১৯০
  2. খ) ১৮৫
  3. গ) ১৭৫
  4. ঘ) ১৯৮
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৮
ব্যাখ্যা
- UNFCCC -এর পূর্ণরূপ (United Nations Framework Convention on Climate Change)।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (UNFCC)।
- UNFCCC স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯২ সালে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (UNFCC) -এর সদর দপ্তর জার্মানির বন শহরে অবস্থিত।
- (UNFCC) এর মোট সদস্য সংখ্যা ১৯৮টি।

উৎস : (UNFCCC) ওয়েবসাইট।
২৩৭.
জাতিসংঘের আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক সংস্থা কোনটি?
  1. ক) IMO
  2. খ) UNIDO
  3. গ) WMO
  4. ঘ) IOM
সঠিক উত্তর:
গ) WMO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) WMO
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক সংস্থা হলো WMO (World Meteorological Organization)।
এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫০ সালের ২৩ শে মার্চ। বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি। এর সদরদপ্তর জেনেভোয় অবস্থিত। বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল পেত্তেরি তালাস।
WMO এবং UNEP যৌথ উদ্যোগে ১৯৮৮ সালে IPCC প্রতিষ্ঠিত হয়।
(সূত্র: WMO ওয়েবসাইট)
২৩৮.
'ব্লু ইকোনমি' কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. বনজ অর্থনীতি
  2. বেস্টিক অর্থনীতি
  3. সমুদ্র অর্থনীতি
  4. খনিজ অর্থনীতি
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র অর্থনীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র অর্থনীতি
ব্যাখ্যা
Blue economy:
- সুনীল অর্থনীতি বা Blue economy হচ্ছে সমুদ্রের সম্পদনির্ভর অর্থনীতি। 
- সমুদ্রের বিশাল জলরাশি ও এর তলদেশের বিভিন্ন প্রকার সম্পদকে কাজে লাগানোর অর্থনীতি। 

Blue economy বা সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রসমূহ:
- মৎস্য আহরণ
- জাহাজ চলাচল ও জাহাজ ব্যবস্থাপনা, বন্দর এবং সামুদ্রিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সহায়ক
- পরিসেবা
- সামুদ্রিক জৈবপ্রযুক্তি
- খনিজ পদার্থ
- সামুদ্রিক নবায়নযোগ্য শক্তি
- সামুদ্রিক পণ্য
- সামুদ্রিক পর্যটন ও অবকাশ
- সামুদ্রিক স্থাপনা নির্মাণ
- সামুদ্রিক বাণিজ্য
- সামুদ্রিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
- শিক্ষা এবং গবেষণা

উৎস: United Nation ওয়েবসাইট।
২৩৯.
বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন কোনটি?
  1. রোম চুক্তি
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. রটারডাম কনভেনশন
  4. বাসেল কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
বাসেল কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাসেল কনভেনশন
ব্যাখ্যা

বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- এটি গৃহীত হয় সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে।
- 'বাসেল কনভেনশন'-এর কার্যক্রম শুরু হয় ৫ মে, ১৯৯২ সালে।
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

তথ্যসূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।

২৪০.
রিও সম্মেলন-১৯৯২ এর মাধ্যমে শুরু হয়-
  1. অ্যাজেন্ডা ৩০
  2. অ্যাজেন্ডা ৩১
  3. অ্যাজেন্ডা ৪০
  4. অ্যাজেন্ডা ২১
সঠিক উত্তর:
অ্যাজেন্ডা ২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাজেন্ডা ২১
ব্যাখ্যা

• রিও সম্মেলন (১৯৯২):
- পূর্ণরূপ: United Nations Conference on Environment and Development (UNCED).
- এটি Earth Summit নামেও পরিচিত।
- স্থান: রিও ডি জেনেইরো, ব্রাজিল।
- তারিখ: ৩-১৪ জুন, ১৯৯২।
- উদ্দেশ্য: টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশ রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক কর্মপরিকল্পনা তৈরি।
- গুরুত্বপূর্ণ অর্জন: UNFCCC, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কনভেনশন (CBD), অ্যাজেন্ডা ২১ ।

উৎস: United Nations ওয়েবসাইট।

২৪১.
১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (Continental Shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে-
  1. ক) ৩৫০ কি.মি.
  2. খ) ৪৫০ কি.মি.
  3. গ) ৫৫০ কি.মি.
  4. ঘ) ৬৫০ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৫০ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৫০ কি.মি.
ব্যাখ্যা
১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী,
- একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (Continental Shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল (৬৫০ কিমি)
- অর্থনৈতিক সীমারেখার দৈর্ঘ্য - ২০০ নটিক্যাল মাইল।

উৎস: Britannica.
২৪২.
মন্ট্রিল প্রটোকল মূলত কোন বিষয় সম্পর্কিত?
  1. জলবায়ু পরিবর্তন
  2. ওজোনস্তর সংরক্ষণ
  3. বন সংরক্ষণ
  4. পরিবেশ দূষণ
সঠিক উত্তর:
ওজোনস্তর সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোনস্তর সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত হয়।
- ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি মন্ট্রিল প্রটোকল কার্যকর হয়।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

২৪৩.
প্যারিস চুক্তির অধীনে ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রিনহাউজ গ্যাস কত শতাংশ কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৩০%
  2. ৩৩%
  3. ৩৮%
  4. ৪৩%
সঠিক উত্তর:
৪৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩%
ব্যাখ্যা

প্যারিস জলবায়ু চুক্তির মূল লক্ষ্য:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন প্রায় ৪৩ শতাংশ কমানোর ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

⇒ বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) কাজ করে। 
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর - ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ-২১ সম্মেলনে এই চুক্তি গৃহীত হয়।
- স্বাক্ষর করেছে: ১৯৫টি দেশ।
- এই চুক্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশ তাদের নিজস্ব জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDCs) দিয়ে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর জন্য অঙ্গীকার করে।
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি পাঁচ বছর পর পর তাদের কার্বন নিঃসরণ কমানোর পরিকল্পনা জমা দিতে হয়। প্যারিস চুক্তির অধীনে, দেশগুলো প্রতি পাঁচ বছর অন্তর নতুন করে জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে জমা দেয়।

উল্লেখ্য,
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তির আওতায়, উন্নত দেশগুলো ২০২০ সাল থেকে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলার জলবায়ু তহবিলে জমা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এই অর্থ উন্নয়নশীল ও ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অভিযোজন ও প্রশমন কার্যক্রমে ব্যয় করার কথা ছিল। ​
- তবে, কপ-২৯ সম্মেলনে (নভেম্বর, ২০২৪) এই প্রতিশ্রুতি বাড়িয়ে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ৩০০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই অর্থ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর সহায়তায় ব্যয় করা হবে।

উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

২৪৪.
‘যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে চুক্তি’- জেনেভা কনভেনশন এর কোন চুক্তির বিষয়বস্তু?
  1. ক) ১ম চুক্তি
  2. খ) ২য় চুক্তি
  3. গ) ৩য় চুক্তি
  4. ঘ) ৪র্থ চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪র্থ চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪র্থ চুক্তি
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল: ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল: ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
২৪৫.
'UN Ocean Conference-2025' কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. জার্মানি
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. স্পেন
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

UN Ocean Conference
- ২০২৫ সালের UN Ocean Conference (তৃতীয় সম্মেলন) ৯–১৩ জুন ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়েছিল Nice, France-এ।
- এই বছরের সম্মেলনটিতে ফ্রান্স ও কোস্টারিকা সহ-আয়োজক ছিল।
- প্রথম সম্মেলন হয়: ২০১৭ সালে নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে।

• UN Ocean Conference  এর মূল থিম ও লক্ষ্য:
- SDG ১৪: Life Below Water
- সামুদ্রিক দূষণ হ্রাস।
- অতিরিক্ত মাছ শিকার বন্ধ।
- সমুদ্র-সম্পদের টেকসই ব্যবহার।
- সমুদ্রের ৩০% এলাকা ২০৩০ সালের মধ্যে সংরক্ষণ (৩০×৩০ লক্ষ্য)।
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা।
- Deep-sea mining ও bottom trawling-এর মতো ক্ষতিকর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ।

উৎস: এস ডি জি ওয়েবসাইট।

২৪৬.
রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় কত সালে? 
  1. ১৯৭১ সালে 
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
• রামসার কনভেনশন:
- ইরানের রামসার শহরে ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার বিষয়ক রামসার কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর।

• বাংলাদেশ ও রামসার সাইট:
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
- সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেষ্ট (২১ মে ১৯৯২) ও
- টাঙ্গুয়ার হাওর (১০ জুলাই ২০০০) রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: রামসার ওয়েবসাইট
২৪৭.
জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কত সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ক) ১৯৭৯ সালে
  2. খ) ১৯৮২ সালে
  3. গ) ১৯৮৩ সালে
  4. ঘ) ৯৯৮ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সমুদ্রবিষয়ক আইন বা United Nations Convention on the Law of the Sea ১৯৮২ সালে সমুদ্রবিষয়ক তৃতীয় জাতিসংঘ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির নাম। সম্মেলনটি ১৯৭৩ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত চলেছিল। এ আইনটি UNCLOS-III নামেও পরিচিত। মৎস্য শিকার, নৌচলাচল, মহীসােপান, গভীর সমুদ্রতল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সমুদ্র দূষণের মত বিষয়গুলাে এ চুক্তির মূল বিষয়। আর ১৯৭৯ সালে জাতিসংঘ নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলােপ সম্পর্কিত CEDAW কনভেনশন অনুমােদন করে।
২৪৮.
প্রথম দেশ হিসেবে কিয়োটো প্রটোকল প্রত্যাহার করে -
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ইসরাইল
  3. কানাডা
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রটোকল: 
- প্রথম দেশ হিসেবে কিয়োটো প্রটোকল প্রত্যাহার করে কানাডা। 

- কিয়োটো প্রটোকল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়।
- এটি ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে জাপানের কিয়োটো শহরে অনুষ্ঠিত ৩য় জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন বা COP-3 এ গৃহীত হয়। 
- চুক্তিটি ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশ ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর কিয়োটো প্রটোকল চুক্তির অন্তর্ভুক্ত হয় এবং
- ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে চুক্তিটি অনুমোদন দেয়।

সূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট এবং রয়টার্স।
২৪৯.
কোন আন্তর্জাতিক চুক্তি বাংলাদেশকে জলবায়ু অভিযোজন/কূটনীতি (Climate Diplomacy) সংক্রান্ত তহবিল পেতে সাহায্য করে?
  1. প্যারিস চুক্তি
  2. ন্যাটো
  3. G-7 সম্মেলন
  4. ASEAN
সঠিক উত্তর:
প্যারিস চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যারিস চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ প্যারিস জলবায়ু চুক্তি বাংলাদেশকে জলবায়ু অভিযোজন/কূটনীতি (Climate Diplomacy) সংক্রান্ত তহবিল পেতে সাহায্য করে।

প্যারিস জলবায়ু চুক্তি:
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি ২০১৫ সালে প্যারিস, ফ্রান্সে গৃহীত হয়।
- এই চুক্তি ৪ নভেম্বর, ২০১৬ তারিখে কার্যকর হয়।
- চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো বৈশ্বিক উষ্ণায়নকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উষ্ণতা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ প্রচেষ্টা চালানো।
- এই চুক্তিতে মোট ১৯৫টি দেশ অংশগ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

২৫০.
রামসার কনভেনশন এর উদ্দেশ্য কী?
  1. গ্রীন হাউজ নিঃসরণ রোধ
  2. পারমাণবিক যুদ্ধ রোধ
  3. জলাভূমি সংরক্ষণ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জলাভূমি সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলাভূমি সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশন (১৯৭১):
- পূর্ণনাম Ramsar Convention on Wetlands.
- চুক্তির স্থান: রামসার, ইরান।
- গৃহীত হয়: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১ সাল।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সাল।
- এর উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি সংরক্ষণ করা।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি (Wetlands) তালিকাভুক্ত করতে বলা হয়, যা রামসার সাইট নামে পরিচিত।
- বর্তমান সদস্য: ১৭২টি দেশ।
- জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে টেকসই উন্নয়ন প্রচারের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি।

উৎস: Ramsar Convention Official Website
২৫১.
রামসার কনভেনশনের প্রধান উদ্দেশ্য- 
  1. সমুদ্র সীমানা নির্ধারণ
  2. বন্যপ্রাণী শিকার নিয়ন্ত্রণ
  3. জলাভূমি সংরক্ষণ
  4. নদী দূষণ হ্রাস
সঠিক উত্তর:
জলাভূমি সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলাভূমি সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা

• রামসার কনভেনশন:
- রামসার কনভেনশন হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি,
- এটি ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
-  এই কনভেনশন ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৭২টি।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি সংরক্ষণ করা।
- এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।

২৫২.
COP 29-এ COP মানে কী?
  1. Conference of Paris
  2. Conference of the Protocol
  3. Conference of the Power
  4. Conference of the Parties
সঠিক উত্তর:
Conference of the Parties
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Conference of the Parties
ব্যাখ্যা
Cop Conference:
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

⇒ ২০২৪ সালের নভেম্বরে আজারবাইজানের বাকুতে ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এ জলবায়ু সম্মেলনের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘ফাইন্যান্স কপ’ বা ‘জলবায়ুর আর্থিক সম্মেলন’।
- বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর দাবি ছিল, তাদের জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি পোষাতে বছরে ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন (১ লাখ ৩০ হাজার কোটি) ডলার দিতে হবে।
- চূড়ান্ত চুক্তি অনুযায়ী, ২০৩৫ সাল পর্যন্ত দরিদ্র দেশগুলোকে প্রতিবছর অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলার দেবে উন্নত দেশগুলো।

উল্লেখ্য,
- কপ- ৩০ (COP-30) ২০২৫ সালের নভেম্বরে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
২৫৩.
কোন সম্মেলনে 'গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড' গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়?
  1. কোপেনহেগেন সম্মেলন
  2. রোম সম্মেলন
  3. ভিয়েনা সম্মেলন
  4. কানকুন সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
কোপেনহেগেন সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোপেনহেগেন সম্মেলন
ব্যাখ্যা

গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠনের প্রেক্ষাপট ও সম্মেলন:
⇒ কোপেনহেগেন সম্মেলন (COP-15), ২০০৯:
- এই সম্মেলনে উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে জলবায়ু তহবিল নিয়ে বড় ধরনের আলোচনা হয়।
- উন্নয়নশীল দেশগুলো দাবী তোলে যে, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী মূলত উন্নত দেশগুলো, তাই ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা দিতে হবে।
- এরই প্রেক্ষিতে, "Copenhagen Accord"-এ Green Climate Fund (GCF) গঠনের প্রাথমিক ধারণা ও প্রস্তাব উঠে আসে।
- লক্ষ্য ছিল উন্নয়নশীল দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় অর্থায়ন করা।

⇒কানকুন সম্মেলন (COP-16), ২০১০:
- কোপেনহেগেনে তহবিলের ধারণা দেওয়ার পর, পরবর্তী বছর মেক্সিকোর কানকুনে এই তহবিল গঠনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- এই সম্মেলনে GCF-এর কাঠামো, পরিচালনা এবং অর্থায়নের রূপরেখা চূড়ান্ত হয়।

তথ্যসূত্র - Green Climate Fund ওয়েবসাইট।

২৫৪.
কিয়োটো প্রোটোকল প্রথম গৃহীত হয়েছিল কোন দেশে?
  1. দক্ষিণ কোরিয়া
  2. চীন
  3. জাপান
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা

কিয়োটো প্রোটোকল:
- এটি একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এটি পরিবেশের সাথে সম্পর্কিত।
- এই চুক্তি প্রথম ‘কার্বন ক্রেডিট’ এর ধারণা দেয়।
- এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলিকে গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য দায়বদ্ধ করে।
- এই চুক্তির মূল বিষয়: গ্রিন হাউজ গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস।
- ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ১১ই ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটো শহরে এই চুক্তি প্রথম গৃহীত হয়।
- ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ই ফেব্রুয়ারি কার্যকরী হয়।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট

২৫৫.
প্যারিস চুক্তি কার্যকর হয় কোন তারিখে?
  1. ১২ ডিসেম্বর ২০১৫
  2. ১ জানুয়ারি ২০১৫
  3. ৪ নভেম্বর ২০১৬
  4. ১ মার্চ ২০১৬
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর ২০১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর ২০১৬
ব্যাখ্যা

প্যারিস জলবায়ু চুক্তি:
- এর পূর্ণরূপ: Paris Agreement under the United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC)।
- এই চুক্তি গৃহীত হয় ১২ ডিসেম্বর ২০১৫ সালে।
- চুক্তির স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- এই চুক্তি কার্যকরের তারিখ: ৪ নভেম্বর, ২০১৬। 
- অংশগ্রহণকারী মোট দেশ ১৯৫ দেশ।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য:
১. বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ২°C এর নিচে সীমাবদ্ধ করা, এবং
২. ১.৫°C লক্ষ্য অর্জনে প্রচেষ্টা করা।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৫৬.
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি কোন সালে গৃহীত হয়েছিল?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৫ সালে
  4. ২০১৭ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি:
পূর্ণরূপ: Paris Agreement under the United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC)।
গৃহীত হয়: ডিসেম্বর ২০১৫
স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স। 
কার্যকর তারিখ: ৪ নভেম্বর, ২০১৬। 
উদ্দেশ্য: বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ২°C এর নিচে সীমাবদ্ধ করা, এবং ১.৫°C লক্ষ্য অর্জনে প্রচেষ্টা করা।
অংশগ্রহণকারী দেশ: ১৯৫ দেশ।

উৎস: Britannica
২৫৭.
'জীববৈচিত্র্য সংক্রান্ত চুক্তি' কার্যকর হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৯২
  2. খ) ১৯৯৩
  3. গ) ১৯৮৮
  4. ঘ) ১৯৯১
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৩
ব্যাখ্যা
জীববৈচিত্র্য সংক্রান্ত চুক্তি (Convention on Biological Diversity)
জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও এর উপাদানসমূহ ব্যবহার করে টেকসই উন্নয়ন তরাণ্বিত করার উদ্দেশ্য নিয়ে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও-তে এই চুক্তিটি স্বাক্ষর হয়।
▪ চুক্তি স্বাক্ষর:- ৫ জুন, ১৯৯২ সাল।
চুক্তি কার্যকর:- ২৯ ডিসেম্বর, ১৯৯৩ সাল
▪ চুক্তির পক্ষসমূহ:- স্বাক্ষরকারী - ১৬৮টি এবং অনুমোদনকারী - ১৯৬টি।
▪ কনভেনশনটি ৫ জুন ১৯৯২ সালে United Nations Conference on Environment and Development (the Rio "Earth Summit") বা জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্মেলনে (রিও "আর্থ সামিট") স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল। এটি ৪ জুন ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত ছিল, এই সময় পর্যন্ত ১৬৮টি দেশ স্বাক্ষর করেছিল। 
▪ ‘Conference of the Parties’ এর প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২৮ নভেম্বর - ৯ ডিসেম্বর  ১৯৯৪ সালে বাহামাসে।  

তথ্যসূত্র:- জীববৈচিত্র্য সংক্রান্ত চুক্তি ওয়েবসাইট।
২৫৮.
'জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবেলায় জরুরি কার্যক্রম গ্রহণ' সম্পর্কে এসডিজি'র কত নং অভীষ্টে বলা আছে?
  1. ক) ১৩
  2. খ) ১৪
  3. গ) ১৫
  4. ঘ) ১৬
সঠিক উত্তর:
ক) ১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৩
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (২০১৬-২০৩০) এর অন্যান্য অভীষ্টের ন্যায় পরিবেশ ও জলবায়ু সংক্রান্ত অভীষ্টগুলো বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে।

- এসডিজি'র ১৭ টি অভীষ্টের মধ্যে ৩ টি অভীষ্ট সরাসরি পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত।

- এসডিজি'র ১৩ নং অভীষ্টে 'জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবেলায় জরুরি কার্যক্রম গ্রহণ'।

- ১৪ অভীষ্টে 'টেকসই উন্নয়নের জন্য সাগর, মহাসাগর ও সামুদ্রিক সম্পদের সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার।

 - ১৫ অভীষ্ট হচ্ছে 'স্থলজ বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও সুরক্ষা প্রদান এবং টেকসই ব্যবহারের পৃষ্ঠপোষণ, মরুকরণ প্রক্রিয়া মোকাবেলা, ভূমির অবক্ষয় রোধ ও ভূমি সৃষ্টি প্রক্রিয়ার পুনরুজ্জীবন এবং জীববৈচিত্র্য হ্রাস প্রতিরোধ। 

উৎসঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা।
২৫৯.
‘কনভেনশন অন ওয়েটল্যান্ডস’ চুক্তি -
  1. ক) স্টকহোম কনভেনশন
  2. খ) রামসার কনভেনশন
  3. গ) নাগোয়া প্রটোকল
  4. ঘ) বালি সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
খ) রামসার কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রামসার কনভেনশন
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশন
- বিশ্বব্যপী জৈব পরিবেশ রক্ষার সম্মিলিত প্রয়াসই রামসার কনভেনশন।
- এটি বিশ্বের প্রথম পরিবেশ সম্মেলন।
- ১৯৭১ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ইরানের রামসারে জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণঙ্গো যথাযথ ব্যবহার বিষয়ক রামসার কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়। 
- সেখানে ‘কনভেনশন অন ওয়েটল্যান্ডস’ নামে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এটি কার্যকর হয় ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- ১৭১টি দেশ স্বাক্ষর করে। 
- ২৪৩৭টি স্থান আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। 
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে। 
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- স্থান দুটি- সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেস্ট (২১মে, ১৯৯২) ও টাঙ্গুয়ার হাওর (১০ জুলাই, ২০০০)।

উৎস: Convention on Wetlands এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২৬০.
Convention on Wetlands কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ব্রাজিল
  2. কেনিয়া
  3. ইরান
  4. সুইজারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশন (Convention on Wetlands):
- রামসার কনভেনশন হলো জলাভূমি (যেমন, বিল, হ্রদ, নদী, ইত্যাদি) সংরক্ষণের জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- স্বাক্ষর: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১।
- স্বাক্ষরের স্থান: রামসার, ইরান।
- এটি কার্যকর হয় ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- বর্তমানে চুক্তিবদ্ধ দেশ: ১৭২টি।
- উদ্দেশ্য: আর্দ্রভূমির অবক্ষয় রোধ ও বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।
২৬১.
CITES (সাইটস) কনভেনশনটি মূলত নিচের কোন বিষয়ের ওপর আলোকপাত করে?
  1. সমুদ্রের পানি দূষণ কমানো
  2. বিপন্ন বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের অবৈধ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ
  3. মরুকরণ প্রক্রিয়া প্রতিরোধ
  4. শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ
সঠিক উত্তর:
বিপন্ন বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের অবৈধ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপন্ন বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের অবৈধ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা

CITES:
- এর পূর্ণরূপ:  Convention on International Trade in Endangered Species of Wild Fauna and Flora 
- CITES হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা ১৯৭৩ সালে গৃহীত হয় এবং ১৯৭৫ সালে কার্যকর হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো বিপন্ন বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করা, যেন তাদের বিলুপ্তি রোধ করা যায়।
- অনেক প্রাণী ও উদ্ভিদ প্রজাতি অতিরিক্ত শিকার, পাচার ও বাণিজ্যের কারণে বিলুপ্তির পথে।
- CITES নিশ্চিত করে যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য যেন প্রজাতির টিকে থাকার জন্য হুমকি না হয়।
- বর্তমানে ১৮০টিরও বেশি দেশ এই কনভেনশনের সদস্য।

উৎস: CITES ওয়েবসাইট।

২৬২.
‘কার্বন ক্রেডিট’ ধারণাটি কোন আন্তর্জাতিক প্রটোকলের অন্তর্গত?
  1. নাগোয়া
  2. কিয়োটো
  3. জেনেভা
  4. মন্ট্রিল
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো
ব্যাখ্যা
- 'কার্বন ক্রেডিট' প্রোটোকলের সাথে জড়িত কিয়োটো প্রটোকল।

কিয়োটো প্রটোকল: 
- কিয়োটো প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয় জাপানের কিয়োটোতে।
- কিয়োটো প্রটোকল ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের উদ্যোগে স্বাক্ষরিত হয়,
- কিয়োটো প্রটোকল কার্যকর হয় ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে। 
- কার্বন ক্রেডিট বা কার্বন বাণিজ্য কিয়োটো প্রটোকলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

অন্যদিকে: 
- মন্ট্রিল প্রোটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- নাগোয়া প্রোটোকল কী উদ্দেশ্য জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার। 

সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট। 
২৬৩.
বিশ্বের উষ্ণতা রোধে 'কার্বন সনদ' হিসেবে মনে করা হয় -
  1. কিয়োটো প্রটোকলকে
  2. মন্ট্রিল প্রটোকলকে
  3. কার্টাগেনা প্রটোকলকে
  4. নাগোয়া প্রটোকলকে
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রটোকলকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রটোকলকে
ব্যাখ্যা

কিয়োটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯২টি।

⇒ কার্বন সনদ:
- বিশ্বের উষ্ণতা রোধে কিয়েটো প্রটোকলকে কার্বন সনদ হিসেবে মনে করা হতো।
- এই প্রটোকলের প্রধান লক্ষ্য ছিল গ্রীনহাউস গ্যাস, বিশেষ করে কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) নির্গমন কমানো।
- কারণ, কার্বন ডাই অক্সাইড প্রধান গ্রীনহাউস গ্যাস এবং এটি বিশ্ব উষ্ণতা বৃদ্ধির (গ্লোবাল ওয়ার্মিং) জন্য দায়ী প্রধান উপাদান।

⇒ কার্বন সনদের ধারণাটি আসে বিশেষত কার্বন ডাই অক্সাইডের নির্গমন কমানোর উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিকভাবে একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং দেশগুলোর জন্য নির্দিষ্ট সীমা আরোপ করা।
- কিয়োটো প্রটোকল কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসের নির্গমন কমানোর জন্য 'কার্বন ক্রেডিট' ব্যবস্থাও চালু করেছিল, যার মাধ্যমে এক দেশ অন্য দেশের নির্গমন কমানোর প্রচেষ্টা কিনতে পারে বা বিক্রি করতে পারে।
- এর মাধ্যমে একটি বৈশ্বিক বাজার তৈরি হয়েছিল, যা 'কার্বন সনদ' বা 'কার্বন ক্রেডিট' নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৮০টি দেশের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে পৃথিবীর শিল্পোন্নত ৩৮টি দেশকে ২০০৮ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে তাদের কার্বন নিঃসরণের মাত্রা পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে (১৯৯০) ৫.২% কমানোর জন্য সীমা বেধে দেওয়া হয় এবং বলা হয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ বিষয়ে বাণিজ্য বা যৌথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে (আর্টিকেল-১৭, কিয়োটো প্রটোকল)।
- মূলত এখান থেকে কার্বন বাণিজ্যের সূত্রপাত।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

২৬৪.
জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ফোরাম (CVF) কোন স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. মালে, মালদ্বীপ
  2. কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
  3. প্যারিস, ফ্রান্স
  4. লিমা, পেরু
সঠিক উত্তর:
মালে, মালদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালে, মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা

CVF:
- CVF এর পূর্ণরূপ: The Climate Vulnerable Forum.
- The Climate Vulnerable Forum (CVF) হল উষ্ণায়নের ঝুঁকিতে থাকা ৭৪টি দেশের একটি আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব ।
- জলবায়ু জরুরি অবস্থা মোকাবেলায় অংশগ্রহণকারী সরকারগুলিকে একসাথে কাজ করার জন্য ফোরামটি দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।
- সিভিএফ মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ নাশিদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০০৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: মালে, মালদ্বীপ।
- কোপেনহেগেন শীর্ষ সম্মেলন জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনের (COP15) মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে প্রতিষ্ঠাকালীন ঘোষণাপত্রে CVF এই সমস্যা মোকাবেলায় ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলির নেতৃত্বের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

তথ্যসূত্র - The Climate Vulnerable Forum (CVF).

২৬৫.
European Green Deal অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমন কত শতাংশ কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৩৫%
  2. ৫০%
  3. ৫৫%
  4. ৬০% 
সঠিক উত্তর:
৫৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫%
ব্যাখ্যা

European Green Deal অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমন ৫৫ শতাংশ কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

The European Green Deal:
- European Green Deal হলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) কর্তৃক গৃহীত একটি সমন্বিত জলবায়ু ও পরিবেশগত কর্মপরিকল্পনা।
- এর মূল লক্ষ্য ২০৫০ সালের মধ্যে ইউরোপকে বিশ্বের প্রথম জলবায়ু-নিরপেক্ষ (Climate Neutral) মহাদেশে পরিণত করা।
- এটি ২০১৯ সালে ইউরোপীয় কমিশনের রাষ্ট্রপতি ভন ডের লেইন-এর উদ্যোগে চালু হয়।

⇒ মূল লক্ষ্য:
- ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমন শূন্যে নামানো (Net Zero Emission),
- ২০৩০ সালের মধ্যে ১৯৯০ সালের তুলনায় ৫৫% কার্বন নির্গমন হ্রাস,
- ২০৩০ সালের মধ্যে ৩ বিলিয়ন নতুন গাছ রোপণ,
- টেকসই, পরিবেশবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলা,
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি।

উৎস: European Commission ওয়েবসাইট।

২৬৬.
বাংলাদেশের রামসার সাইট কোনটি?
  1. ক) চলনবিল
  2. খ) হাকালুকি হাওর
  3. গ) রাতারগুল
  4. ঘ) টাঙ্গুয়ার হাওর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টাঙ্গুয়ার হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশন ১৯৭১ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়। এটি ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর কার্যকর হয়।
তবে এটি হলাে wetlands (জলাভূমি) এর সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবহারের জন্য একটি আন্তর্জাতিক সমঝােতা চুক্তি।
বর্তমানে রামসার তালিকায় আছে প্রায় দুই হাজারের বেশি Wetland বা রামসার সাইট। সবচেয়ে বেশি আছে যুক্তরাজ্যে প্রায় ১৭০টি এবং সবচেয়ে বড় রামসার সাইট রয়েছে বলিভিয়াতে। যার আয়তন ১ লক্ষ ৪০ হাজার বর্গ কিলােমিটার।
বাংলাদেশের রামসার সাইট ২ টি।
যথা- ১. সুন্দরবন, ২. টাঙ্গুয়ার হাওর।
২৬৭.
কার্টাগেনা প্রটোকল কত সালে কার্যকর হয়?
  1. ২০০২ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০৩ সালে
  4. ২০০১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা

কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রোটোকল এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
- এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।
- কার্টাগেনা প্রোটকল অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে। তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।
- কার্টাগেনা প্রোটকল গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- চুক্তির পক্ষে স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি।
- অনুমোদনকারী: ১৭৩টি।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।

২৬৮.
কিয়োটো প্রটোকল গৃহীত হয় কোন সালে? 
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

• কিয়োটো প্রটোকল:
- চুক্তির নাম: কিয়োটো প্রটোকল,
- স্থান: কিয়োটো, জাপান,
- গৃহীত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭,
- কার্যকর হয়: - ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে কার্যকর হয়।
- আয়োজক সংস্থা: UNFCCC (United Nations Framework Convention on Climate Change)
- জাতিসংঘের ব্যবস্থাপনায় জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- উদ্দেশ্যে: কার্বন ডাইঅক্সাইড ও গ্রিন হাউস গ্যাস উদ্‌গিরণ কমানো।
- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সাউথ সুদান এ প্রটোকল অনুসমর্থন করে নি।
- ২০১২ সালে কানাডা নিজেকে প্রত্যাহার করে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

২৬৯.
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় ক্ষতিকর কেমিক্যাল ও কীটনাশকের ব্যবহার দূর করতে কোন কনভেনশন গৃহীত হয়েছিল?
  1. রটারডাম
  2. রামসার
  3. জেনেভা
  4. ভিয়েনা 
সঠিক উত্তর:
রটারডাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রটারডাম
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় ক্ষতিকর কেমিক্যাল ও কীটনাশকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে রটারডাম কনভেনশন (Rotterdam Convention on Prior Informed Consent - PIC) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

রটারডাম কনভেনশন:

- রটারডাম কনভেনশন হলো একটি বহুপাক্ষিক পরিবেশগত চুক্তি।
- এটি বিপজ্জনক রাসায়নিক ব্যবস্থাপনার জন্য এবং বিষাক্ত রাসায়নিকের ব্যবহার সীমিত করার উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়েছিল।
- কনভেনশনটি গৃহীত হয়েছিল আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় ক্ষতিকর কেমিক্যাল ও কীটনাশকের ব্যবহার দূর করতে।
- গৃহীত হয়েছিল: ১০ ​​সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮।
- স্থান: নেদারল্যান্ডের রটারডামে।
- কার্যকর হয়: ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪।
- কনভেনশনের উদ্দেশ্য হলো মানব স্বাস্থ্য এবং পরিবেশকে সম্ভাব্য ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য কিছু বিপজ্জনক রাসায়নিকের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পক্ষগুলির মধ্যে ভাগ করা দায়িত্ব এবং সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার প্রচার করা।
- এটি ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৬-এ বন্ধ হয়ে যায়।

অন্যদিকে -
- ভিয়েনা কনভেনশন -এর আলোচ্য বিষয় ওজোন স্তরের সুরক্ষা। 
- জেনেভা কনভেনশন সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
- রামসার কনভেনশন হলো জলাভূমি (যেমন, বিল, হ্রদ, নদী, ইত্যাদি) সংরক্ষণের জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।

উৎস: Rotterdam Convention ওয়েবসাইট।

২৭০.
প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে ২০৩০ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন কত শতাংশ কমানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল?
  1. ২৩ শতাংশ
  2. ২৭ শতাংশ
  3. ৩৭ শতাংশ
  4. ৪৩ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৪৩ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩ শতাংশ
ব্যাখ্যা

প্যারিস জলবায়ু চুক্তি:
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশগত চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০১৫ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ৪ নভেম্বর ২০১৬।
- স্বাক্ষর করেছে: ১৯৫টি দেশ।

⇒ বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) কাজ করে। 
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর - ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ-২১ সম্মেলনে এই চুক্তি গৃহীত হয়।
- এই চুক্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশ তাদের নিজস্ব জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDCs) দিয়ে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর জন্য অঙ্গীকার করে।

⇒ চুক্তির মূল লক্ষ্য:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন প্রায় ৪৩ শতাংশ কমানোর ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

২৭১.
বিশ্বের প্রথম কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশ কোনটি?
  1. ক) সুইডেন
  2. খ) ডেনমার্ক
  3. গ) ভুটান
  4. ঘ) ব্রুনাই
সঠিক উত্তর:
গ) ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভুটান
ব্যাখ্যা
বিশ্বের প্রথম কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশ ভুটান। দেশটির বার্ষিক কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ ১৫ লক্ষ টন এবং বিপরীতে কার্বন শোষণের ক্ষমতা ৬০ লক্ষ টন। তাই ভুটানকে কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশ বলা হয়। দেশটির মোট আয়তনের প্রায় ৭০ ভাগই বনভূমি।
(সূত্র: দৈনিক যুগান্তর : ০৯ ডিসেম্বর ২০১৮)
২৭২.
কার্টাগেনা প্রটোকল স্বাক্ষরকারী দেশ কয়টি?
  1. ১০৩টি
  2. ১০৯টি
  3. ১১৩টি
  4. ১১৭টি
সঠিক উত্তর:
১০৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৩টি
ব্যাখ্যা

কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগেনা প্রোটকলের পূর্ণনাম: The Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity.
- কার্টাগেনা প্রটোকল জৈব-নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- এই চুক্তিটি কলম্বিয়ার কার্টাগেনাতে আলোচিত হয়।
- চুক্তি অনুমোদন: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সাল। 
- চুক্তি কার্যকর: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সাল।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি।

তথ্যসূত্র - কনভেনশন অন বায়ো-ডাইভার্সিটি (CBD) ওয়েবসাইট।

২৭৩.
 COP-29 কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিলো?
  1. ব্রাজিল
  2. আজারবাইজান
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. মিশর
সঠিক উত্তর:
আজারবাইজান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আজারবাইজান
ব্যাখ্যা

COP-29:
- COP এর পূর্ণরূপ Conference of the Parties.
- জলবায়ুর পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘের রূপরেখা।
- জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (বা COPs) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি জলবায়ু পরিবর্তনের উপর বিশ্বের একমাত্র বহুপাক্ষিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ফোরাম যা পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশকে একত্রিত করে।
- COP সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন UNFCCC এর দেশগুলো।
- COP-28 অনুষ্ঠিত হয় ৩০ নভেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই এ ।
- COP-29 অনুষ্ঠিত হয় আজারবাইজানের বাকু তে ১১ নভেম্বর - ২২ নভেম্বর, ২০২৪ ।
- পরবর্তী COP-30 অনুষ্ঠিত হবে বেলেম, ব্রাজিল(১০-২১ নভেম্বর, ২০২৫ সাল) ।

উৎস: UNFCCC website.

২৭৪.
১৯৪৫ সালে ইয়াল্টা সম্মেলনে কোন তিনটি দেশ অংশগ্রহণ করেছিল?
  1. জার্মানি, জাপান,যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন
  3. ফ্রান্স, চীন, ভারত
  4. কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
• ইয়াল্টা সম্মেলন (Yalta Conference, 1945):
- ইয়াল্টা সম্মেলন ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন মিত্রশক্তির সম্মেলন।
- তিন প্রধান নেতা-যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে অনুষ্ঠিত একটি গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ বৈঠক।
- এটি ইউরোপে যুদ্ধ-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি নির্ধারণে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।
- তারিখ: ৪ -১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৫।
- স্থান: লিভাদিয়া প্রাসাদ, ইয়াল্টা, ক্রিমিয়া (তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন, বর্তমানে ইউক্রেন)।
- প্রধান অংশগ্রহণকারী নেতারা:
- ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট – মার্কিন প্রেসিডেন্ট,
- উইনস্টন চার্চিল - ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী,
- জোসেফ স্টালিন - সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ইউরোপে জার্মানির পরাজয় নিশ্চিত মনে হচ্ছিল।
- এই পরিস্থিতিতে, মিত্রশক্তির নেতারা যুদ্ধ-পরবর্তী ইউরোপের রাজনৈতিক মানচিত্র ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে পরিকল্পনা করতে এই সম্মেলনে মিলিত হন।

• প্রধান সিদ্ধান্তসমূহ:
- জার্মানিকে চারটি অধিকৃত অঞ্চলে ভাগ করা হবে (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ফ্রান্স)।
- বার্লিন শহরকেও চার ভাগে ভাগ করা হবে।
- একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা জাতিসংঘ (United Nations) গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।
- নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো ক্ষমতা যুক্ত করা হয় স্থায়ী সদস্যদের জন্য
- পোল্যান্ডের নতুন সীমা নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: Britannica.com  এবং WorldAtlas.com.
২৭৫.
'অ্যাজেন্ডা ২১' কোন সম্মেলনের মাধ্যমে শুরু হয়?
  1. কোপেনহেগেন-২০০৯
  2. স্টকহোম-১৯৭২
  3. রিও সম্মেলন-১৯৯২
  4. জোহানেসবার্গ-২০০২
সঠিক উত্তর:
রিও সম্মেলন-১৯৯২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিও সম্মেলন-১৯৯২
ব্যাখ্যা
• রিও সম্মেলন (১৯৯২):
- পূর্ণরূপ: United Nations Conference on Environment and Development (UNCED).
- এটি Earth Summit নামেও পরিচিত।
- স্থান: রিও ডি জেনেইরো, ব্রাজিল।
- তারিখ: ৩-১৪ জুন, ১৯৯২।
- উদ্দেশ্য: টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশ রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক কর্মপরিকল্পনা তৈরি।
- গুরুত্বপূর্ণ অর্জন: UNFCCC, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কনভেনশন (CBD), অ্যাজেন্ডা ২১ ।

 উৎস: United Nations ওয়েবসাইট।
২৭৬.
Green Climate Fund গঠন করা হয় কোন আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলনে?
  1. COP-15
  2. COP-16
  3. COP-18
  4. COP-19
সঠিক উত্তর:
COP-16
উত্তর
সঠিক উত্তর:
COP-16
ব্যাখ্যা
• Green Climate Fund:
- Green Climate Fund জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) কর্তৃক গঠিত একটি তহবিল।
- ২০০৯ সালে কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত হয় COP-15 সম্মেলন। এই সম্মেলনে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস মধ্যে সীমিত রাখতে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ একমত প্রকাশ করে।
- কোপেনহেগেন সম্মেলনে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠনের মাধ্যমে দরিদ্র দেশগুলোকে ১০০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, 
- ২০১০ সালে মেক্সিকোর কানকুনে অনুষ্ঠিত COP-16 সম্মেলনে এই তহবিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়েনচিয়নে অবস্থিত।
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর সহায়তার জন্য এই তহবিল গঠিত হয়েছে, এর লক্ষ্যমাত্রা বছরে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহ করা।

এছাড়াও, 
- জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP) হলো "Conference of the Parties"-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- ১৯৯২ সালে এই ফ্রেমওয়ার্ক গৃহীত হয়, এর মূল লক্ষ্য জলবায়ু পরিবর্তনে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা করা।
- ১৯৯৫ সাল থেকে জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- ২০২৫ সালের COP-30 ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে।

সূত্র: গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ও UNFCCC ওয়েবসাইট।
২৭৭.
COP - 1 কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) বালি
  2. খ) জেনেভা
  3. গ) রিও ডি জেনেরিও
  4. ঘ) বার্লিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) বার্লিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বার্লিন
ব্যাখ্যা
The COP meets every year, unless the Parties decide otherwise. The first COP meeting was held in Berlin, Germany in March, 1995. COP - 2 was held in Geneva, Switzerland in 1996. Source: unfccc.int
২৭৮.
২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত ২৯তম জলবায়ু সম্মেলনে উন্নত দেশগুলো দরিদ্র দেশগুলোকে কী পরিমাণ আর্থিক সহায়তা দিতে সম্মত হয়?
  1. ১০০ বিলিয়ন ডলার
  2. ২০০ বিলিয়ন ডলার
  3. ৩০০ বিলিয়ন ডলার
  4. ৪০০ বিলিয়ন ডলার
সঠিক উত্তর:
৩০০ বিলিয়ন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা
২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29):
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে আজারবাইজানের বাকুতে ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এ জলবায়ু সম্মেলনের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘ফাইন্যান্স কপ’ বা ‘জলবায়ুর আর্থিক সম্মেলন’।
- বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর দাবি ছিল, তাদের জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি পোষাতে বছরে ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন (১ লাখ ৩০ হাজার কোটি) ডলার দিতে হবে।
- চূড়ান্ত চুক্তি অনুযায়ী, ২০৩৫ সাল পর্যন্ত দরিদ্র দেশগুলোকে প্রতিবছর অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলার দেবে উন্নত দেশগুলো।

উল্লেখ্য,
- দর কষাকষি শেষে উন্নয়নশীল বিশ্বের জন্য জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পরিবেশ দূষণকারী বৃহৎ অর্থনীতির দেশগুলো বছরে ৩০০ বিলিয়ন ডলার দেয়ার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে।
- আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের কপ-২৯ জলবায়ু সম্মেলনে এ জলবায়ু চুক্তিতে ঐকমত্যে আসে প্রায় ২০০টি সদস্য দেশ। 
- জলবায়ু তহবিলে জমা দেওয়া এই অর্থ দরিদ্র দেশগুলোর অর্থনীতিকে আরও পরিবেশবান্ধব করতে এবং দেশগুলোয় জলবায়ু সংকটের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় খরচ করা হবে।
- বর্তমানে এই তহবিলে প্রতিবছর ১০০ বিলিয়ন ডলার জমা দিচ্ছে ধনী দেশগুলো।

এছাড়াও,
- দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেয়ার জন্য তহবিলকে তিনগুণ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ঐতিহাসিকভাবে, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য উপলব্ধ তহবিলের মাত্র ৪০ শতাংশ এ ধরনের প্রস্তুতির দিকে গেছে। ৩০০ বিলিয়ন ডলারের (২৩৮ বিলিয়ন পাউন্ড) প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি, দেশগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিরোধের জন্য ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে বলে সম্মত হয়েছে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
২৭৯.
কিয়োটো প্রটোকলের মূল বিষয়বস্তু কী ছিল?
  1. বিশ্বের উষ্ণতা হ্রাস
  2. জৈব নিরাপত্তা
  3. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ
  4. বিপজ্জনক বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ
সঠিক উত্তর:
বিশ্বের উষ্ণতা হ্রাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বের উষ্ণতা হ্রাস
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রটোকল:

• কিয়োটো প্রটোকল পরিবেশের সাথে সম্পর্কিত একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি।
• এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলিকে গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য দায়বদ্ধ করে।
• এই চুক্তির মূল বিষয়: বিশ্বের উষ্ণতা হ্রাস।
• গৃহীত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭, জাপানের কিয়োটো শহর।
• কার্যকর হয়: ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
• কিয়োটো প্রটোকলের সদস্য: ১৯২টি।
• মেয়াদ শেষ হয়: ২০২০ সালে। 

উৎস: United Nations Framework Convention on Climate Change  ওয়েবসাইট।
২৮০.
গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠিত হয় কোন জলবায়ু সম্মেলনের মাধ্যমে?
  1. COP-15
  2. COP-16
  3. COP-17
  4. COP-21
সঠিক উত্তর:
COP-16
উত্তর
সঠিক উত্তর:
COP-16
ব্যাখ্যা
Green Climate Fund:
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) কর্তৃক গঠিত একটি তহবিল।
- ২০১০ সালে মেক্সিকোর কানকুনে অনুষ্ঠিত COP-16 সম্মেলনে এই তহবিল প্রতিষ্ঠিত হয়। যদিও COP15 তে Green Climate Fund গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- এর সদরদপ্তর দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়েনচিয়নে অবস্থিত।
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর সহায়তার জন্য এই তহবিল গঠিত হয়েছে, এর লক্ষ্যমাত্রা বছরে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহ করা।

এছাড়াও, 
COP:
- জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP) হলো "Conference of the Parties"-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- ১৯৯৫ সাল থেকে জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- ২০২৫ সালের COP-30 ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে।

সূত্র: গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ও UNFCCC ওয়েবসাইট।
২৮১.
"ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM)" নিম্নের কোনটির অংশ?
  1. প্যারিস জলবায়ু চুক্তি
  2. কার্টাগেনা প্রটোকল
  3. রামসার কনভেনশন
  4. কিয়োটো প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রটোকল
ব্যাখ্যা

কিয়োটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯২টি।

⇒ ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM):
- ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম বা Clean Development Mechanism কিয়োটো প্রটোকল-এর অংশ।
- প্রোটোকলের ১২ অনুচ্ছেদে অনুসারে, ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (সিডিএম) এর আওতায় কোন উন্নত দেশ অন্য উন্নয়নশীলদেশে  গ্রীনহাউস গ্যাসের নি:সরণ কমানোর জন্য কোন প্রকল্প নির্মানের  প্রতিশ্রুতি দিয়ে বা বিনিয়োগের মাধ্যমে  চুক্তি  খেলাপের হাত থেকে বাঁচতে পারে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

২৮২.
নাগোয়া প্রোটোকল(Nagoya Protocol) কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ২০০৩ সাল
  2. ২০০৮ সাল
  3. ২০১০ সাল
  4. ২০১২ সাল
সঠিক উত্তর:
২০১০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১০ সাল
ব্যাখ্যা

• নাগোয়া প্রোটোকল (২০১০):
- পূর্ণনাম: Nagoya Protocol on Access to Genetic Resources and the Fair and Equitable Sharing of Benefits Arising from their Utilization.
- চুক্তির স্থান: নাগোয়া, জাপান।
- গৃহীত হয়: ২৯ অক্টোবর, ২০১০ সাল।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১২ অক্টোবর, ২০১৪।
- এর উদ্দেশ্য: জৈবসম্পদ ব্যবহার থেকে প্রাপ্ত সুবিধা ন্যায্যভাবে ভাগ করে নেওয়া এবং এর মাধ্যমে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করা।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১৩৮টি দেশ (২০২৪ সাল পর্যন্ত)।
- জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, অর্থনৈতিক ন্যায্যতা নিশ্চিতকরণ এবং স্থানীয় জনগণের ক্ষমতায়নে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্রটোকল।

উৎস: CBD (Convention on Biological Diversity) Official Website.

২৮৩.
পরিবেশ বিষয়ক প্রথম বৈশ্বিক সম্মেলন কোথায় এবং কবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. জেনেভায় ১৯৭২ সালে
  2. স্টকহোমে ১৯৭১ সালে
  3. জেনেভায় ১৯৭১ সালে
  4. স্টকহোমে ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
স্টকহোমে ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টকহোমে ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
স্টকহোম সম্মেলন:
- ১৯৭২ সালে সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে জাতিসংঘের উদ্যোগে বিশ্বের প্রথম পরিবেশ বিষয়ক সম্মেলন United Nations Conference on the Human Environment অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনের ফলশ্রুতিতে জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি গঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে স্টকহোম ডিক্লারেশন বা স্টকহোম ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়।
- ঘোষণাপত্রে মোট ২৬টি ধারা রয়েছে।
- স্টকহোম সম্মেলনের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষার ইস্যুটি প্রথম বৈশ্বিক গুরুত্ব লাভ করে।

অন্যদিকে:
- জেনেভা কনভেনশন ১৯৪৯ হলো যুদ্ধবন্দি ও যুদ্ধাহত ব্যক্তিদের সাথে আচরণ বিধি।

সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২৮৪.
রামসার কনভেনশন (Ramsar Convention) কিসের সংরক্ষণের সাথে যুক্ত?
  1. জলাভূমি সংরক্ষণ
  2. বন সংরক্ষণ
  3. মরুভূমি নিয়ন্ত্রণ
  4. সমুদ্রের সম্পদ ব্যবস্থাপনা 
সঠিক উত্তর:
জলাভূমি সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলাভূমি সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা

• রামসার কনভেনশন (১৯৭১):
- পূর্ণনাম Ramsar Convention on Wetlands.
- চুক্তির স্থান: রামসার, ইরান।
- গৃহীত হয়: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫।
- এর উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি সংরক্ষণ করা।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি (Wetlands) তালিকাভুক্ত করতে বলা হয়, যা রামসার সাইট নামে পরিচিত। 
- জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে টেকসই উন্নয়ন প্রচারের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি।

উৎস: Ramsar Convention Official Website

২৮৫.
'UN Ocean Conference-2025' কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. লিসবন, পর্তুগাল
  2. নিস, ফ্রান্স
  3. নাপোলি, ইতালি
  4. পার্থ, অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
নিস, ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিস, ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: খ) নিস, ফ্রান্স।
-  ২০২৫ সালের UN Ocean Conference (তৃতীয় সম্মেলন) ৯–১৩ জুন ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়েছিল Nice, France-এ।

- এই বছরের সম্মেলনটিতে ফ্রান্স ও কোস্টারিকা সহ-আয়োজক ছিল।
- প্রথম সম্মেলন হয়: ২০১৭ সালে নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে।
- দ্বিতীয় সম্মেলন হয় ২০২২ সালে লিসবন, পর্তুগাল।

• UN Ocean Conference  এর মূল থিম ও লক্ষ্য:
- SDG ১৪: Life Below Water
- সামুদ্রিক দূষণ হ্রাস।
- অতিরিক্ত মাছ শিকার বন্ধ।
- সমুদ্র-সম্পদের টেকসই ব্যবহার।
- সমুদ্রের ৩০% এলাকা ২০৩০ সালের মধ্যে সংরক্ষণ (৩০×৩০ লক্ষ্য)।
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা।
- Deep-sea mining ও bottom trawling-এর মতো ক্ষতিকর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ।

উৎস: এস ডি জি ওয়েবসাইট।

২৮৬.
মিনামাটা কনভেনশন-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. ওজোনস্তর সুরক্ষা
  2. গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস
  3. ক্ষতিকর কেমিক্যাল ও কীটনাশকের ব্যবহার হ্রাস
  4. পারদ দূষণ নিয়ন্ত্রণ
সঠিক উত্তর:
পারদ দূষণ নিয়ন্ত্রণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারদ দূষণ নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা

মিনামাটা কনভেনশন (Minamata Convention on Mercury):
- পারদের ব্যবহার ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণের জন্য আন্তর্জাতিক চুক্তি মিনামাটা কনভেনশন।
- চুক্তিটি মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশকে পারদের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করার লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছে।
- এই চুক্তির নামকরণ করা হয়েছে জাপানের মিনামাটা শহরের নামে, যেখানে ২০শ শতকের মাঝামাঝি সময়ে পারদ-দূষিত শিল্প বর্জ্য পানিতে মিশে হাজার হাজার মানুষ মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন, যা 'মিনামাটা রোগ' নামে পরিচিত। 

⇒ গৃহীত হয়: ১৯ জানুয়ারি ২০১৩ সালে (জেনেভা, সুইজারল্যান্ড)।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১০ অক্টোবর, ২০১৩, কুমামোটো, জাপান।
- কার্যকর হয়: ১৬ আগস্ট, ২০১৭।
- সদস্য দেশ: ১৫২টি।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।

২৮৭.
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় 'জি- জিরো জোট' গঠিত হয় কোন সম্মেলনে? 
  1. প্যারিস জলবায়ু সম্মেলন 
  2. কপ ২৮
  3. কপ ২৯ 
  4. রিও সম্মেলন 
সঠিক উত্তর:
কপ ২৯ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কপ ২৯ 
ব্যাখ্যা

 • জি- জিরো জোট:
- কার্বন-নেতিবাচক ও কার্বন-নিরপেক্ষ দেশগুলির একটি ফোরাম।
- তারিখ: ১২ নভেম্বর ২০২৪
-  স্থান: বাকু, আজারবাইজান
- আয়োজন: UNFCCC-এর ২৯তম কপ সম্মেলন (COP29)
-  উদ্দেশ্য: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বৈশ্বিক প্রচেষ্টা জোরদার
-  লক্ষ্য: নেট-জিরো, জলবায়ু-সহনশীল ও প্রকৃতি-পজিটিভ ভবিষ্যৎ গঠন
- সদস্য দেশ: ভুটান, মাদাগাস্কার, পানামা ও সুরিনাম
- জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলায় বৈশ্বিক উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নিতে চারটি দেশ- ভুটান, মাদাগাস্কার, পানামা ও সুরিনাম মিলে “জি-জিরো ফোরাম” উদ্বোধন করেছে এবং একটি যৌথ ঘোষণা প্রকাশ করেছে। 
- এই ঘোষণা আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের (UNFCCC) ২৯তম পক্ষসম্মেলন (COP29)-এ গৃহীত হয়।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট

২৮৮.
পারমাণবিক অস্ত্র প্রসার রোধ সংক্রান্ত চুক্তি এনপিটি এর স্বাক্ষরকারী নয়
  1. ক) চীন
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) বাংলাদেশ
  4. ঘ) ভারত
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভারত
ব্যাখ্যা
এনপিটি হ'ল একটি যুগান্তকারী আন্তর্জাতিক চুক্তি যার উদ্দেশ্য হ'ল পারমাণবিক অস্ত্র ও অস্ত্র প্রযুক্তির বিস্তার রোধ করা, পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে সহযোগিতা প্রচার করা এবং পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ অর্জনের লক্ষ্যকে আরও এগিয়ে নেওয়া। এই চুক্তি পারমাণবিক অস্ত্র দেশগুলির নিরস্ত্রীকরণের লক্ষ্যে বহুপাক্ষিক চুক্তিতে একমাত্র বাধ্যতামূলক প্রতিশ্রুতি প্রতিনিধিত্ব করে। ১৯৬৮ সালে স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত, চুক্তিটি ১৯৭০ সালে কার্যকর হয়। ১১ ই মে ১৯৯৫-এ চুক্তি অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হয়েছিল। পাঁচটি পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র সহ মোট ১৯১ টি রাষ্ট্র এই চুক্তিতে যোগ দিয়েছে। অন্যান্য দেশগুলি অস্ত্রের সীমাবদ্ধতা এবং নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির চেয়ে এনপিটিকে অনুমোদন দিয়েছে। রেফারেন্সঃ UNO
২৮৯.
কপ-৩০ (COP-30) সম্মেলন কোন দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ভারত
  3. ব্রাজিল
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
ব্যাখ্যা

• জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP): 
- COP এর পূর্ণরূপ Conference of the parties. 
- ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- এর উদ্দেশ্য জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা। 
- ১৯৯৫ সাল থেকে 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। 
- ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে 'কপ-২৮' আয়োজিত হয়।
- 'কপ-২৯' আয়োজিত হয়েছে আজারবাইজানে। 
- ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩০ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ব্রাজিলে।

 তথ্যসূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট, জাতিসংঘ বাংলাদেশ ওয়েবসাইট এবং সময় নিউজ, ব্রাজিলের সরকারি ওয়েবসাইট।

২৯০.
রটারডাম কনভেনশন নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. মানব ক্লোন পরীক্ষা নিষিদ্ধ করা
  2. মহাসাগর রক্ষা
  3. বিষাক্ত রাসায়নিকের ব্যবহার সীমিত করা
  4. পারমাণবিক অস্ত্রের মজুদ কমানো
সঠিক উত্তর:
বিষাক্ত রাসায়নিকের ব্যবহার সীমিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষাক্ত রাসায়নিকের ব্যবহার সীমিত করা
ব্যাখ্যা
রটারডাম কনভেনশন:
- রটারডাম কনভেনশন হলো একটি বহুপাক্ষিক পরিবেশগত চুক্তি।
- এটি বিপজ্জনক রাসায়নিক ব্যবস্থাপনার জন্য এবং বিষাক্ত রাসায়নিকের ব্যবহার সীমিত করার উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়েছিল।
- কনভেনশনটি গৃহীত হয়েছিল আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় ক্ষতিকর কেমিক্যাল ও কীটনাশকের ব্যবহার দূর করতে।
- গৃহীত হয়েছিল: ১০ ​​সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮।
- স্থান: নেদারল্যান্ডের রটারডামে।
- কার্যকর হয়: ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪।
- কনভেনশনের উদ্দেশ্য হলো মানব স্বাস্থ্য এবং পরিবেশকে সম্ভাব্য ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য কিছু বিপজ্জনক রাসায়নিকের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পক্ষগুলির মধ্যে ভাগ করা দায়িত্ব এবং সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার প্রচার করা।
- এটি ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৬-এ বন্ধ হয়ে যায়।

উৎস: Rotterdam Convention ওয়েবসাইট।
২৯১.
বিশ্বে প্রথম কার্বন কর চালু করে কোন দেশ?
  1. ক) সুইডেন
  2. খ) ভুটান
  3. গ) নিউজিল্যান্ড
  4. ঘ) ফিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ফিনল্যান্ড ১৯৯০ সালে কার্বন কর চালু করে। পরবর্তীতে সুইডেন, আয়ারল্যান্ড, ব্রিটেন সহ বিশ্বের প্রায় ৪০ টি দেশ কার্বন কর চালু করে৷ তবে সবগুলো দেশে এই কর পুরোপুরি কার্যকর নয়। (সূত্রঃ কার্বন ট্যাক্স সেন্টার ওয়েবসাইট এবং নিউইয়র্ক টাইমস)
২৯২.
সর্বপ্রথম ‘কার্বন ট্যাক্স’ চালু করে কোন দেশ? 
  1. ফিনল্যান্ড
  2. ডেনমার্ক
  3. নরওয়ে
  4. নিউজিল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ফিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা

প্রথম কার্বন কর: 
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ড ছিল প্রথম কার্বন কর চালুকারী দেশ।
- দূষণ কমাতে এবং কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমনের উপর কর আরোপের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব অনুশীলনকে উৎসাহিত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই কর চালু করা হয়েছিল।
- পরবর্তীতে সুইডেন, আয়ারল্যান্ড, ব্রিটেন, নিউজিল্যান্ড সহ বিশ্বের অনেক দেশ কার্বন কর চালু করে৷
- এর আওতায় কার্বন নিঃসরণকারী জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্ধারিত হারে ট্যাক্স প্রদান করতে হয়।

সূত্র: প্রথম আলো ও ব্রিটানিকা। 

২৯৩.
নিচের কোন চুক্তিতে বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়?
  1. বাসেল কনভেনশন
  2. কিয়োটো প্রোটোকল
  3. প্যারিস চুক্তি
  4. রটারডাম কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
বাসেল কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাসেল কনভেনশন
ব্যাখ্যা

বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- এটি গৃহীত হয় সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে।
- 'বাসেল কনভেনশন'-এর কার্যক্রম শুরু হয় ৫ মে, ১৯৯২ সালে।
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

তথ্যসূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।

২৯৪.
উত্তর আটলান্টিক চুক্তিতে প্রাথমিক স্বাক্ষর দাতা দেশ কতটি?
  1. ক) ৬ টি
  2. খ) ৮ টি
  3. গ) ১২ টি
  4. ঘ) ১৩ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২ টি
ব্যাখ্যা
১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটন ডিসিতে সাক্ষরিত হয় উত্তর আটলান্টিক চুক্তি যার মাধ্যমে ন্যাটো গঠিত হয়। এতে প্রথমে ১২ টি দেশ স্বাক্ষর করে। এগুলো হলোঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ইতালি, ফ্রান্স, কানাডা, নরওয়ে, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, ডেনমার্ক, লুক্সেমবার্গ, পর্তুগাল, আইসল্যান্ড। বর্তমানে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্র সংখ্যা ২৯ টি। (সূত্রঃ ন্যাটো ওয়েবসাইট)
২৯৫.
পরিবেশ বিষয়ক ভিয়েনা কনভেনশনের আওতায় কোন প্রটোকল গৃহীত হয়েছে?
  1. কিয়েটো প্রটোকল
  2. কার্টাগেনা প্রটোকল
  3. মন্ট্রিল প্রটোকল
  4. নাগোয়া প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটোকল হল ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ (ODS) ব্যবহার এবং উৎপাদন বন্ধ করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।

⇒ চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (সিএফসি), হ্যালন, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড, মিথাইল ক্লোরোফর্ম, মিথাইল ব্রোমাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, হাইড্রোব্রোমোফ্লোরোকার্বন ইত্যাদি গ্যাসের প্রভাবে দিন দিন ক্ষয়ে যাচ্ছে এই ওজোন স্তর। যার ফলে তৈরি হচ্ছে ওজোন হোল বা গর্ত। প্রায় সকল ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য (ওডিএস) ই অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রিন হাউস গ্যাস হিসেবে চিহ্নিত। ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য ও এর বিকল্পসমূহ অধিকাংশ ক্ষেত্রে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। এ গ্যাসগুলো সাধারণতঃ রেফ্রিজারেশন ও এয়ারকন্ডিশনিং সিস্টেমে, এ্যাজমা চিকিৎসায় উৎপাদিত ইনহেলারে, ফ্যান, প্লাস্টিক ফোম তৈরি ও মাইক্রোইলেকট্রিক সার্কিট পরিস্কার করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মানবসভ্যতাকে রক্ষার জন্য ওজোনস্তর রক্ষায় কাজ করা একান্ত প্রয়োজন। তাই ওজোনস্তরের ক্ষয়কারী দ্রব্যের ব্যবহার কমাতে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
- ধরিত্রীকে রক্ষার লক্ষ্যে ওজোনস্তর রক্ষায় জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির উদ্যোগে ১৯৮৫ সালে 'ভিয়েনা কনভেনশন' গৃহীত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কানাডার মন্ট্রিলে "মন্ট্রিল প্রটোকল" নামে এক যুগান্তকারী চুক্তি গৃহীত হয়।

⇒ ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতি বছর ওজোনস্তর রক্ষা দিবস পালিত হয়।

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat।
ii) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি)।

২৯৬.
২০১২ সালে কিয়েটো প্রটোকলের মেয়াদ কত সাল পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়?
  1. ক) ২০১৮
  2. খ) ২০২০
  3. গ) ২০২৫
  4. ঘ) ২০৩০
সঠিক উত্তর:
খ) ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০২০
ব্যাখ্যা
At the 18th Conference of the Parties (COP18), held in Doha, Qatar, in 2012, delegates agreed to extend the Kyoto Protocol until 2020. They also reaffirmed their pledge from COP17, which had been held in Durban, South Africa, in 2011, to create a new, comprehensive, legally binding climate treaty by 2015 that would require greenhouse-gas-producing countries—including major carbon emitters not abiding by the Kyoto Protocol (such as China, India, and the United States)—to limit and reduce their emissions of carbon dioxide and other greenhouse gases. The new treaty, planned for implementation in 2020, would fully replace the Kyoto Protocol. Source: britannica.com
২৯৭.
কার্টাগেনা প্রটোকল কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ২৯ জানুয়ারি, ২০০০
  2. ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০০
  3. ২৯ জানুয়ারি, ২০০৩
  4. ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩
সঠিক উত্তর:
২৯ জানুয়ারি, ২০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ জানুয়ারি, ২০০০
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রোটোকল এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
- এটি জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ। 
- কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে খসড়া অনুমোদন হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- চুক্তির পক্ষে স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি।
- অনুমোদনকারী: ১৭৩টি।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।
২৯৮.
জোন্টা ইন্টারন্যাশনাল কি বিষয়ক সংগঠন?
  1. ক) পরিবেশ
  2. খ) নারী
  3. গ) দাতব্য
  4. ঘ) অর্থনৈতিক
সঠিক উত্তর:
খ) নারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নারী
ব্যাখ্যা
জোন্টা ইন্টারন্যাশনাল নারীবিষয়ক একটি সংগঠন। এটি ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথম প্রেসিডেন্ট মেরি জেনকিন্স। এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে অবস্থিত। বিশ্বের ৬৩টি দেশে জোন্টা ইন্টারন্যাশনালের ১২০০ ক্লাব এবং প্রায় ২৯,০০০ সদস্য রয়েছে। (সূত্রঃ জোন্টা ইন্টারন্যাশনাল ওয়েবসাইট)
২৯৯.
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা IPCC-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. International Panel on Climate Control
  2. Intergovernmental Panel on Climate Change
  3. International Programme on Climate Change
  4. Intergovernmental Programme on Climate Control
সঠিক উত্তর:
Intergovernmental Panel on Climate Change
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Intergovernmental Panel on Climate Change
ব্যাখ্যা

IPCC:
- জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেল IPCC.
- IPCC-এর পূর্ণরূপ Intergovernmental Panel on Climate Change.
- জাতিসংঘের দুটি সংস্থা নিয়ে IPCC গঠিত হয়।
- WMO এবং UNEP এর সম্মিলিত নাম IPCC গঠিত হয়।
- জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেল প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৮ সালে।
- IPCC এর বর্তমান সদস্য দেশ ১৯৫টি।
- এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - IPCC ওয়েবসাইট।

৩০০.
নিচের কোন চুক্তিটি পরিবেশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়?
  1. কিয়োটো কনভেনশন
  2. কার্টাগেনা প্রটোকল
  3. মন্ট্রিল প্রটোকল
  4. কিয়োটো প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো কনভেনশন
ব্যাখ্যা
কিয়োটো কনভেনশন (Kyoto Convention):
- পূর্ণ নাম: International Convention on the Simplification and Harmonization of Customs Procedures
- উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে শুল্ক কার্যক্রম সহজীকরণ এবং সমন্বয়।
- এটি বিশ্ব বাণিজ্য সংক্রান্ত একটি কনভেনশন এবং পরিবেশের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
- এটি পরিবেশগত বিষয়ের বাইরে, বাণিজ্য ও শুল্কসংক্রান্ত কার্যক্রম সহজতর করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

এছাড়া,
- কিয়োটো প্রটোকল পরিবেশগত কূটনীতির অন্যতম উদাহরণ, যা বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য একটি চুক্তি।
- কার্টাগেনা প্রটোকল জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- মন্ট্রিল প্রটোকল হচ্ছে ওজোন স্তর রক্ষা করার জন্যে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 

উৎস: UNFCCC
World Customs Organization