বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Civil Procedure, 1908

মোট প্রশ্ন২,৯৯৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Civil Procedure, 1908

PrepBank · পাতা / ৩০ · ২০১৩০০ / ২,৯৯৩

২০১.
'The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court'.- দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় বলা আছে?
  1. Section 20
  2. Order 20 Rule 1
  3. Section 52
  4. Order 20 Rule 3
সঠিক উত্তর:
Order 20 Rule 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order 20 Rule 1
ব্যাখ্যা
Order 20 Rule 1: Judgment when pronounced-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, [not beyond seven days,] of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.

আদেশ ২০ বিধি ১-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।
২০২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER-XXVI অনুযায়ী কমিশনারের প্রতিবেদন এবং গৃহীত প্রমাণাদি কীভাবে মামলায় বিবেচিত হয়?
  1. তথ্য হিসেবে গৃহীত হয়
  2. শুধুমাত্র প্রতিবেদন হিসেবে
  3. মামলার নথির অংশরূপে গণ্য হয়
  4. মামলায় গ্রহণযোগ্য হয় না
সঠিক উত্তর:
মামলার নথির অংশরূপে গণ্য হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার নথির অংশরূপে গণ্য হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order XXVI, Rule 10(2) অনুযায়ী, কমিশনারের প্রতিবেদন এবং গৃহীত প্রমাণাদি মামলার প্রমাণ এবং নথির অংশ হিসেবে গণ্য হবে। তবে শুধু প্রমাণাদি (প্রতিবেদন ছাড়া) মামলায় গ্রহণযোগ্য নয়।
- অর্থাৎ কমিশনারের প্রতিবেদন এবং তিনি যে প্রমাণাদি গ্রহণ করেছেন (কিন্তু শুধুমাত্র প্রতিবেদন নয়), সেগুলো মামলার প্রমাণ ও নথির অংশ হিসেবে গণ্য হবে। তবে, আদালত বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে কমিশনারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে (যেমন: তার তদন্ত পদ্ধতি, প্রতিবেদনে উল্লিখিত বিষয় ইত্যাদি সম্পর্কে)।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১০: কমিশনারের কার্যপদ্ধতি:
(১) কমিশনার যেরূপ পয়োজন মনে করেন, সেরূপ স্থানীয় পরিদর্শনের পর এব তার গৃহীত প্রমাণাদিকে লিখিত রূপ দেয়ার পর উক্ত প্রমাণাদির সাথে তার স্বাক্ষরিত একটি লিখিত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করবেন।
(২) প্রতিবেদন এবং জবানবন্দী মামলায় প্রমাণ হিসাবে থাকবেঃ কমিশনারের প্রতিবেদন এবং তার র্গহীত প্রমাণাদি (কিনউ প্রতিবেদন ব্যতিত প্রমাণ নহে) মামলার প্রমাণ এবং নথির অংশরূপে গণ্য হবে, কিন্তু আদালত বা আদলতের অনুমতি ক্রমে মামলার কোন পক্ষ কমিশনারকে প্রকাশ্য আদালতে ব্যক্তিগতভাবে তাহার নিকট অর্পণ করা হয়েছিল বা তার প্রতিবেদনে উল্লেখিত হয়েছে, এমন সব বিষয় সম্পর্কে বা তার প্রতিবেদন সম্পর্কে অথবা যে পদ্ধতিতে তিনি তদন্ত করেছেন সেই সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে।
(৩) যে ক্ষেত্রে আদলত কমিশনারের কার্যক্রম সম্পর্কে কোন কারণে অসন্তষ্ট হন, সেক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরূপ অতিরিক্ত তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন।
২০৩.
প্লিডিংসে উল্লেখ থাকবে-
  1. আইন [Law]
  2. সাক্ষ্য [Evidence]
  3. গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি [Material Facts]
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি [Material Facts]
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি [Material Facts]
ব্যাখ্যা
প্লিডিংসে শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি [Material Facts] উল্লেখ থাকবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]।
বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। বাদীর দাবী অস্বীকার করে বিবাদী যে লিখিত দলিল পেশ করে, তা হচ্ছে লিখিত জবাব।

Order 6 rule 2: Pleading to state material facts and not evidence-
Every pleading shall contain, and contain only, a statement in a concise form of the material facts on which the party pleading relies for his claim or defence, as the case may be, but not the evidence by which they are to be proved, and shall, when necessary, be divided into paragraphs, numbered consecutively. Dates, sums and numbers shall be expressed in figures. 

অর্থাৎ প্লিডিংসে শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts) উল্লেখ করতে হবে, আইন বা সাক্ষ্য উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts)  হচ্ছে সেসব ঘটনাবলী যার উপর ভিত্তি করে আবেদনকারী বা দরখাস্তকারী তার দাবী উত্থাপন করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করে।
২০৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১০৪
  2. ধারা ১১৪
  3. ধারা ১১৫
  4. ধারা ১২০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১৫
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১১৫ (Section 115) শিরোনামই হলো “Revision”। 
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-১১৫ এর বিধান রিভিশন।
১) কোন মোকদ্দমায় কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় জেলা জজ আদালত বা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত কর্তৃক ডিক্রি বা আদেশ প্রদত্ত হলে, বা যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক ডিক্রি প্রদত্ত হলে, যার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা চলে না; সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনে হাইকোর্ট ডিভিশন তার নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা সমাপণ করিয়ে এই ডিক্রি বা আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে হাইকোর্ট ডিভিশন এই ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন করতে পারবেন, কিংবা তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
২) যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, কোন যুগ্ম জেলা জজ আদালত, সিনিয়র সহকারী জজ আদালত বা সহকারী জজ আদালত উক্তরূপ কোন আদেশ প্রদান করলে সংক্ষুব্ধ পক্ষের দরখাস্তের প্রেক্ষিতে জেলা জজ আদালত এই মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা অবসান করিয়ে এই আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে জেলা জজ আদালত উক্ত আদেশ সংশোধন করতে পারবে এবং তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৩) জেলা জজ রিভিশন মোকদ্দমা হস্তান্তর করলে উপ-ধারা (২) এর অধীনে জেলা জজের সকল সর্বময় ক্ষমতা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে থাকবে।
৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতার অবসান করিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত প্রদান করলে প্রয়োজনীয় আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন রিভিশনের অনুমতির অনুমোদন দেয়, সেক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) বা (৩) এর অধীনে প্রদানকৃত জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন করা চলবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশন তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৫) এই ধারাটির প্রতিস্থাপনে যেটাই বর্ণিত থাকুক না কেন, ঐরূপ প্রতিস্থাপনের পূর্বে ১১৫নং ধারার অধীনে আরম্ভ হওয়া বা ঝুলন্ত থাকা কর্মপ্রক্রিয়া যেরূপে নিষ্পত্তি হবে যেন ১১৫নং ধারূ প্রতিস্থাপিত হয়নি।

২০৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুসারে, The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under ______.
  1. section 27
  2. section 28
  3. section 30
  4. section 31
সঠিক উত্তর:
section 30
উত্তর
সঠিক উত্তর:
section 30
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 32: Penalty for default:
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may- 
(a) issue a warrant for his arrest; 
(b) attach and sell his property; 
(c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka; 
(d) order him to furnish security for his appearance and in default commit him to the civil prison.

দেওয়ানী কার্যবিধি ৩২ ধারার বিধান- হাজির না হলে দণ্ড:
যার প্রতি ৩০ ধারা অনুসারে সমন দেয়া হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারেন এবং এই উদ্দেশ্যে
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) তাকে অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ দিতে পারেন; এবং জামানত না দিলে তাকে দেওয়ানী কারাগারে প্রেরণ করতে পারেন।
২০৬.
কোনো বিচারককে কখন কোনো দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার করা যাবে না?
  1. আদালতে গমনের সময়
  2. আদালত থেকে প্রত্যাবর্তন করার সময়
  3. আদালতে মোকদ্দমা পরিচালনা করার সময়
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৫ ধারা: দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হতে অব্যাহতি:
১) কোন জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যান্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে আদালতে গমনের সময়, আদালতে মোকদ্দমা পরিচালনা করতে বা তার আদালত থেকে প্রত্যাবর্তন করার সময় কোন দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হবে না।

২) এখতিয়ারসম্পন্ন কিংবা এরূপ এতিয়ার আছে হিসাবে সরলভাবে বিশ্বাস করেন, এরূপ কোন ট্রাইব্যুনালে কোন বিষয় বিচারাধীন থাকলে তৎবিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ তাদের উকিলগণ, মোক্তারগণ, রেভিনিউ এজেন্ট, অনুমোদিত এজেন্ট এবং সমনপ্রাপ্ত সাক্ষীগণ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে ট্রাইব্যুনালের সমীপে গমনকালে, উপস্থিত থাকাকালীন সময়ে বা ঐ স্থল থেকে প্রত্যাবর্তনের প্রাক্কালে আদালত অবমাননার দোষে উক্ত ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জারিকৃত পরওয়ানা ব্যতীত অন্য কোন দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি পাবেন।

৩) যদি কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে অবিলম্বে গ্রেফতারের আদেশ প্রদান করা হয়ে থাকে বা ডিক্রি জারির জন্য তাকে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না, তার কারণ দর্শাতে বলা হয়ে থাকে, তখন ঐ ব্যক্তি (২) উপ-ধারানুসারে অব্যাহতি দাবি করতে সমর্থ হবে না।

Section: 135- Exemption from arrest under civil process:
(1) No Judge, Magistrate or other judicial officer shall be liable to arrest under civil process while going to, presiding in, or returning from, his Court.

(2) Where any matter is pending before a tribunal having jurisdiction therein, or believing in good faith that it has such jurisdiction, the parties thereto, their pleaders, mukhtars, revenue-agents and recognised agents, and their witnesses acting in obedience to a summons, shall be exempt from arrest under civil process other than process issued by such tribunal for contempt of Court while going to or attending such tribunal for the purpose of such matter, and while returning from such tribunal.

(3) Nothing in sub-section (2) shall enable a judgment-debtor to claim exemption from arrest under an order for immediate execution or where such judgment-debtor attends to show cause why he should not be committed to prison in execution of a decree.
২০৭.
আদালত একটি দেওয়ানী মোকদ্দমায় বিবাদীর বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে। বিবাদী উক্ত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার কারণে আদালত বিবাদীকে ১ মাসের দেওয়ানী কারাদন্ড প্রদান করে। উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে-
  1. রিভিশন করা যাবে
  2. আপীল করা যাবে
  3. যেহেতু ১ মাসের কারাদন্ড তাই আপীল করা যাবে না
  4. ক এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
আপীল করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল করা যাবে
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৩৯ এর ২(৩) বিধির অধীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার কারণে আদালত অমান্যকারীর সম্পত্তি ক্রোকের এবং দেওয়ানী কারাবাসে সর্বোচ্চ ৬ মাসের আটক আদেশ দিতে পারে। এমন আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
২০৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৮ _______ অনুসারে- চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ণীত হওয়ার তারিখ থেকে একশত বিশ দিনের মধ্যে আদালত মোকদ্দমার শুনানি শেষ করবে।
  1. বিধি-১১
  2. বিধি-১৩
  3. বিধি-১৭
  4. বিধি-১৯
সঠিক উত্তর:
বিধি-১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-১৯
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৮ বিধি-১৯: শুনানি সমাপ্ত করার সময়:
১) চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ণীত হওয়ার একশত বিশ দিনের মধ্যে আদালত মোকদ্দমার শুনানি শেষ করবে।
২) এই বিধি অনুযায়ী সময় নির্দিষ্টকরণের নিমিত্তে শুধুমাত্র কার্য দিবসগুলো গণনায় করতে হবে।

Order 18 Rule 19: Time for completion of hearing:
1) The Court shall complete the hearing of a suit within one hundred and twenty days from the date fixed for its final hearing.
2) In this rule, in determining the time, only the workings days shall be counted.
২০৯.
'আইনজীবী' এর সংজ্ঞা দেওয়ানি কার্যবিধিতে কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ২(১)
  2. ধারা ২(১১)
  3. ধারা ২(১৩)
  4. ধারা ২(১৫)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(১৫)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(১৫)
ব্যাখ্যা
ধারা : ২(১৫)- আইনজীবী:

"আইনজীবী হলো এমন কোনো ব্যক্তি যিনি আদালতে অন্য কাউকে প্রতিনিধিত্ব করার এবং সেই ব্যক্তির পক্ষে বক্তব্য রাখার অধিকারী।"

Section 2(15)-
"pleader" means any person entitled to appear and plead for another in Court.

২১০.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় অধস্তন আদালতের ভাষা নির্ধারণের বিধান আছে?
  1. ১৩২ ধারায়
  2. ১৩৮ ধারায়
  3. ১৩৭ ধারায়
  4. ১৩৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৩৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৭ ধারায় সরকারকে অধস্তন আদালতের ভাষা নির্ধারণ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, যখন এই আইন কার্যকর হয়, তখন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন যে কোনো আদালতের ভাষা তখনকার মতোই চলবে, যতক্ষণ না সরকার অন্য ভাষা নির্ধারণ করে।
এ ধারায় তিনটি মূল বিষয় আছে:
১. আইনটি কার্যকর হওয়ার সময় অধস্তন আদালতের ভাষা যেটা ছিল, সরকার অন্য নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই চলবে।
২. সরকার যে কোনো অধস্তন আদালতের ভাষা এবং সেখানে দরখাস্ত ও কার্যধারা কিভাবে লিখিত হবে তা ঘোষণা করতে পারবে।
৩. যদি আদালতে কোনো কার্যধারা লিখিতভাবে ইংরেজীতে হয়, আর পক্ষ বা তার আইনজীবী ইংরেজীতে অপরিচিত হয়, তখন তার অনুরোধে সেই ইংরেজি লেখার আদালতের ভাষায় অনুবাদ সরবরাহ করতে হবে এবং এর খরচের বিষয়ে আদালত যথাযথ আদেশ দিতে পারে।
- এই বিধানের ফলে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অধস্তন আদালতের ভাষাগত বৈচিত্র্য বজায় রাখা যায় এবং পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায় কার্যধারা হলে পক্ষের সুবিধার জন্য অনুবাদ দেওয়ার বন্দোবস্ত থাকে।
- সুতরাং, ১৩৭ ধারাই অধস্তন আদালতের ভাষা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিধান বহন করে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৭ ধারার বিধান: অধস্তন আদালতে ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।
২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।
৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজীতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজীর সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজীর অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section: 137. Language of subordinate Courts:
(1) The language which, on the commencement of this Code, is the language of any Court subordinate to the High Court Division shall continue to be the language of such subordinate Court until the Government otherwise directs. 
(2) The Government may declare what shall be the language of any such Court and in what character applications to and proceedings in such Courts shall be written. 
(3) Where this Code requires or allows anything other than the recording of evidence to be done in writing in any such Court, such writing may be in English; but if any party or his pleader is unacquainted with English a translation into the language of the Court shall, at his request, be supplied to him; and the Court shall make such order as it thinks fit in respect of the payment of the costs of such translation.
২১১.
"পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না" দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় বলা আছে?
  1. ১০৪
  2. ৯৬
  3. ৯৮
  4. ৯৯
সঠিক উত্তর:
৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৬
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধারা- মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না
----------------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 96- Appeal from original decree:
(1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court.
(2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte.
(3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.
২১২.
নিম্নলিখিত কোনটি আদেশ ৮ বিধি ২ অনুযায়ী বিবাদীর আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য গ্রহণযোগ্য কারণ?
  1. বাদী প্রতারণা করেছে
  2. বাদী তার মামলা যথাসময়ে দায়ের করেননি
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৮ বিধি ২-
বিবাদী তার জবাবে ঐ সমস্ত বিষয়াবলী উত্থাপন করবে যা থেকে দেখা যাবে যে, মোকদ্দমাটি রক্ষণীয় নয় অথবা বিষয়টি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল বা বাতিলযোগ্য এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের ঐ সমস্ত হেতু উত্থাপন করবেন, যা উত্থাপন না করলে অপর পক্ষ বিস্মিত হত কিংবা আরজিতে উল্লেখ করা হয়নি এরূপ বিষয়াবলী উপস্থাপন করবেন যথা- প্রতারণা, তামাদি, মুক্তি, পরিশোধ, কার্য সম্পাদন কিংবা আইনবিরুদ্ধ প্রমাণকারী তথ্যসমূহ।

সহজ ভাষায় বলতে গেলে,
বিবাদী তার জবাবে এমন বিষয়গুলো উল্লেখ করবে যা দেখাবে যে, মামলা টিকসই নয় বা আইনের দৃষ্টিতে অবৈধ বা বাতিলযোগ্য। এছাড়াও, এমন কারণগুলো তুলে ধরবেন, যা আগে উল্লেখ করা হয়নি এবং না বললে অপর পক্ষ আশ্চর্য হতে পারত। যেমন: প্রতারণা, মামলা দায়েরের সময়সীমা (তামাদি) পেরিয়ে যাওয়া, ঋণ পরিশোধ, চুক্তি পালন, বা অন্য কোন আইনগত প্রতিবন্ধকতা। এগুলো মামলা খারিজ করার বা আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য বিবাদীর প্রধান কারণ হিসেবে উপস্থাপন করা হবে।.]
২১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-৩ অনুসারে, কখন আদালত আপিলের স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করতে পারে?
  1. যখন স্মারকলিপি সঠিকভাবে সংশোধন করা হয়
  2. যখন আপিলকারী আদালতের নির্দেশ পালন করেন
  3. যখন স্মারকলিপি নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক প্রণীত হয়নি
  4. যখন আপিলের বিষয়বস্তু ফৌজদারি মামলার সাথে সম্পর্কিত
সঠিক উত্তর:
যখন স্মারকলিপি নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক প্রণীত হয়নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন স্মারকলিপি নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক প্রণীত হয়নি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) যখন স্মারকলিপি নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক প্রণীত হয়নি।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ৩ অনুসারে, যদি আপিলের স্মারকলিপি নির্ধারিত বা নির্দিষ্ট আইনি পদ্ধতি অনুযায়ী তৈরি না হয়, তবে আদালতের কাছে দুইটি বিকল্প থাকে:
১) স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করা, বা
২) সংশোধনের জন্য তা আপিলকারীর কাছে ফেরত দেওয়া, যাতে তা সংশোধন করে আবার জমা দেওয়া যায়।
- এই বিধানের লক্ষ্য হলো, আদালতে দাখিল করা স্মারকলিপি যেন সঠিক ও বিধিসম্মত হয়, এবং প্রক্রিয়াগত ত্রুটির কারণে মামলার অগ্রগতি ব্যাহত না হয়।
- অতএব, নির্ধারিত ফরম্যাট বা নিয়ম লঙ্ঘন করে করা স্মারকলিপি আদালত গ্রহণ নাও করতে পারে এবং সে ক্ষেত্রে তা প্রত্যাখ্যানযোগ্য হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩: স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।
২১৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধানমতে একতরফা ডিক্রি সরাসরি বাতিলের আবেদন করা যায়?
  1. আদেশ ৯ এর ৯ বিধিমতে
  2. আদেশ ৯ এর ১৩ বিধিমতে
  3. আদেশ ৯ এর ১৩ক বিধিমতে
  4. আদেশ ৮ এর ১৩ বিধিমতে
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯ এর ১৩ক বিধিমতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯ এর ১৩ক বিধিমতে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ আদেশের ৬ বিধির ১(ক) অনুযায়ী শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে বিবাদী হাজির না হলে আদালত বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি দিতে পারে। উক্ত একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের জন্য ৯ আদেশের ১৩ক বিধির অধীন ৩০ দিনের মধ্যে হলফনামাসহ আবেদন করতে হবে। আদালত বিলম্ব অবসান ও বিচার ত্বরান্বিত করানোর জন্য আদালতকে সন্তুষ্ট করার জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপনের নির্দেশ না দিয়ে, সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ দিতে পারে এবং একই সাথে বিবাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারে।
২১৫.
'রায় (Judgment)' বলতে বোঝায়-
  1. আদালতের চূড়ান্ত আদেশ
  2. আদালতের যে কোনো আদেশ
  3. আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের যুক্তিপূর্ণ ব্যাখ্যা
  4. কেবল বিচারকের মতামত
সঠিক উত্তর:
আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের যুক্তিপূর্ণ ব্যাখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের যুক্তিপূর্ণ ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা

ধারা ২(৯): “Judgment” (রায়):
“রায়” বলতে বোঝায় বিচারকের প্রদত্ত সেই বিবৃতি, যেখানে ডিক্রি (decree) বা আদেশের (order) ভিত্তি বা কারণসমূহ উল্লেখ থাকে।
“Judgment” means the statement given by the Judge of the grounds of a decree or order.

রায় হলো সেই লিখিত বা মৌখিক বক্তব্য, যেখানে বিচারক ব্যাখ্যা করেন কেন এবং কোন কারণে তিনি একটি নির্দিষ্ট ডিক্রি বা আদেশ দিয়েছেন। অর্থাৎ, রায় হলো আদালতের সিদ্ধান্তের যুক্তিপূর্ণ ব্যাখ্যা।

২১৬.
বিবাদীর আবেদনক্রমে আদালত মোকদ্দমার বাদীকে দলিল প্রকাশ করতে আদেশ দিয়েছিল। কিন্তু বাদী তা প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আদালত আদেশ-১১, বিধি-২১ এর অধীন নিম্নলিখিত কোন আদেশ দিতে পারে?
  1. মোকদ্দমার খারিজ আদেশ
  2. আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিলের আদেশ
  3. জামানত প্রদানের আদেশ
  4. নতুন মোকদ্দমা দায়েরের নির্দেশ
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার খারিজ আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার খারিজ আদেশ
ব্যাখ্যা
• আদেশ-১১, বিধি-২১ (আদেশ অমান্যকরণ)-
যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রশ্নমালার উত্তর দানের বা দলিলসমূহের উদ্ঘাটন বা পরিদর্শনের জন্য কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তদক্ষেত্রে সে যদি বাদী হয় তবে পরিচালনার অভাবে তার মোকদ্দমা খারিজ হওয়ার জন্য সে দায়ী হবে, এবং যদি বিবাদী হয় তবে তার যদি কোন জবাব থাকে, উহা কর্তন হওয়ার নিমিত্তে সে দায়ী হবে এবং সে যেন আত্মপক্ষ সমর্থন করেনি এরূপ পরিস্থিতিতে স্থিত হবে এবং প্রশ্নকারী পক্ষ কিংবা উদঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী উক্ত মর্মে আদেশের জন্য আদালতে আবেদন করবে এবং তদনুযায়ী আদালত আদেশ প্রদান করতে পারবে।

Rule 21: Non-compliance with order for discovery-
Where any party fails to comply with any order to answer interrogatories or for discovery or inspection of documents, he shall if a plaintiff be liable to have his suit dismissed for want of prosecution and if a defendant to have his defence, if any, struck out, and to be placed in the same position as if he had not defended, and the party interrogating or seeking discovery or inspection may apply to the Court for an order to that effect, and an order may be made accordingly.

সুতরাং, প্রশ্নে আদালত মোকদ্দমার বাদীকে দলিল প্রকাশ করতে আদেশ দিয়েছিল কিন্তু বাদী তা প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আদালত বাদীর মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারে ।
২১৭.
কোন ব্যক্তি বিবাদী পক্ষ তার লিখিত জবাব দাখিল করতে সর্বোচ্চ-
  1. ৬ মাসের মধ্যে
  2. ৪ মাসের মধ্যে
  3. ৩ মাসের মধ্যে
  4. ২ মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
২ মাসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ৮ বিধি-১ এর বিধান লিখিত জবাব (Written statement): সমন প্রাপ্তির ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বিবাদীকে অবশ্যই লিখিত জবাব দিতে হবে। এরূপ করতে ব্যর্থ হলে আদালত আরো ৩০ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় দিতে পারে। অর্থাৎ লিখিত জবাব দাখিলের জন্য বিবাদী সর্বমোট ৬০ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় পেতে পারেন।

♦বিবাদী যদি এরপরও দাখিল করতে ব্যর্থ হয় তাহলে, মোকদ্দমাটি একতরফা (Ex-parte) নিষ্পত্তি হবে। এরূপ একতরফা আদেশের বিরুদ্ধে বিবাদী রিভিশন দায়ের করতে পারবে।

♦ ধারা ৮০ মতে সরকার বা সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোন মোকদ্দমা করতে হলে লিখিত নোটিশ প্রদানের ২ মাস পর মোকদ্দমা করা যাবে। যদি নোটিশ ছাড়া সরকারের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হয় তাহলে আদালত সরকারকে লিখিত বিবৃতি পেশ করার জন্য কমপক্ষে ৩ মাস সময় মঞ্জুর করবে।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের ৯ ও ১০ নং বিধিতে অতিরিক্ত লিখিত জবাবের বিধান রয়েছে।

♦ ৯ নং বিধিমতে আদালত প্রয়োজন মনে করলে যে কোন সময় বিবাদীকে সময় নির্ধারণ করে দিয়ে লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিলের আদেশ দিতে পারে। 
♦ ১০ নং বিধিমতে বিবাদী আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে,আদালত বিবাদীর বিরূদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে (pronounce judgement) অথবা মোকদ্দমা সম্পর্কিত যে কোন আদেশ দিতে পারে।

♦ অর্থাৎ বিবাদীর প্রতি সমন জারির তারিখ হতে ৩০ (ত্রিশ) কার্য দিবসের মধ্যে, বিবাদী লিখিত জবাব দাখিল করবে। উক্ত ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে, পরবর্তী ৩০ কার্য দিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে পারবে। অর্থাৎ সর্বোচ্চ ৬০ কার্য দিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে, আদালত মোকদ্দমাটি একতরফা নিষ্পত্তি করতে পারে।
২১৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ________ ধারা একই বিচার্য বিষয় নিয়ে একই পক্ষগণের মধ্যে একাধিক বিচারকার্য নিষিদ্ধ করে।
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১৫
  4. ১৫১
সঠিক উত্তর:
১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১১ তে রেস জুডিকাটার (res judicata) বিধান আছে।  দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারার বিধান অনুযায়ী কোন বিষয়ে একবার আদালত সিদ্ধান্ত দিলে ঐ বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পুনরায় মামলা করা যায় না । 

♦ একই ব্যক্তিগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় নিয়ে পুনরায় নতুন মামলা করা যায় না। অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মাঝে চূড়ান্তভাবে কোন বিষয় নিষ্পত্তি হলে ঐ একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পরবর্তীতে পুনরায় নতুন করে কোন মামলা করা যাবে না। এই নীতিকেই রেস জুডিকাটা বা দোবারা দোষ বলে।
২১৯.
দেওয়ানি আদালত মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানীর আগে কোন পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ কয়টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে?
  1. ১ টি
  2. ৩ টি
  3. ৬ টি
  4. ৯ টি
সঠিক উত্তর:
৬ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশে Adjournment বা মূলতবির বিধান রয়েছে। আদালতে সময়ের প্রার্থনা (Time petition) করাই হলো মুলতবির আবেদন।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১৭  বিধি-১ মতে-
- আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে।
-  চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। অর্থ্যাৎ উভয় পক্ষকে খরচসহ এবং খরচ ছাড়া মোট ১৮টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারেন।
- অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে ( At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মুলতবি মঞ্জুর করেনা।

⇒ মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।
⇒ মুলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
২২০.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন প্রেরিত পরোয়ানা জারির খরচ সাধারণত কে বহন করে?
  1. আদালত
  2. মোকদ্দমার উভয় পক্ষ
  3. পরোয়ানা প্রেরণকারী পক্ষ
  4. যার বিরুদ্ধে পরোয়ানা প্রেরণ করা হয়
সঠিক উত্তর:
পরোয়ানা প্রেরণকারী পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরোয়ানা প্রেরণকারী পক্ষ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৮ বিধি-১: পরোয়ানা প্রেরণকারী পক্ষের খরচেই জারি করতে হবে:

১) এই কোডের অধীনে যদি অন্যরূপ নির্দেশ প্রদান না করে তাহলে যে পক্ষের মাধ্যমে যাবতীয় পরোয়ানা প্রদত্ত হবে, সে পক্ষের খরচায় তা জারি করা হবে।
২) জারির খরচঃ একই ধরণের জারির জন্য ধার্য্যকৃত কোর্ট ফি পরোয়ানা প্রদানের পূর্বে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।

Rule.-1: Process to be served at expense of party issuing.-
1) Every process issued under this Code shall be served at the expense of the party on whose behalf it is issued unless the Court otherwise directs.
2) Costs of service: The court-fee chargeable for such service shall be paid within a time to be fixed before the process is issued.
২২১.
বিবাদী সর্বমোট কত কার্যদিবস পর্যন্ত সময় পেতে পারেন লিখিত জবাব দাখিলের জন্য?
  1. ১৫ কার্যদিবস
  2. ২০ কার্যদিবস
  3. ৩০ কার্যদিবস
  4. ৬০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৬০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
• বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে যে লিখিত বিবরণ দাখিল করে তাকে লিখিত জবাব বা Written Statement বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশে লিখিত জবাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লিখিত জবাবের সাধারন নিয়মাবলী ৮ নং আদেশের ১ হতে ১০ বিধিতে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ বিবাদীর সমন প্রাপ্তির পর ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে হবে। ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে, আদালত আরো ৩০ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় দিতে পারে। লিখিত জবাব দাখিলের জন্য বিবাদী সর্বমোট ৬০ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় পেতে পারেন।

⇒ বিবাদী যদি ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে মামলাটি একতরফা নিষ্পত্তি হবে। বিবাদী লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হয়ার কারণে একতরফা নিষ্পত্তি করলে আপিল করা যাবে।

⇒ সাক্ষ্য হিসাবে দাবির সমর্থনে ব্যবহারের জন্য বিবাদীর দখলে থাকা দলিলসমূহ লিখিত জবাব পেশ করার সময় আদালতে হাজির করবেন এবং তখন দলিলগুলো লিখিত জবাবের সাথে নথিভুক্ত করবেন। তবে উক্ত দলিল দখলে না থাকলে, সেক্ষেত্রে লিখিত বিবৃতির সাথে দলিলাদির তালিকা অন্তর্ভুক্ত করবেন এবং উক্ত দলিলসমূহ কার দখলে আছে তা বর্ণনা করবেন। এরুপ দলিলসমূহ লিখিত জবাব দাখিলের সময় তালিকাভুক্ত না করলে পরবর্তীতে আদালতের অনুমতি ছাড়া সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে না।
২২২.
নিম্নের কোন বিধির অধীনের আদেশটি আপিলযোগ্য?
  1. আদেশ ২১ বিধি ৭২
  2. আদেশ ২১ বিধি ৯২
  3. আদেশ ৭ বিধি ১০
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদেশ
ব্যাখ্যা
• আপিলযোগ্য আদেশ:
 সাধারনত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপিলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়। যে সকল আদেশ আপিলযোগ্য, সে সকল আদেশ সম্পর্কে Order 43 এ বিধান রয়েছে। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।

আদেশ ৪৩ অনুসারে:
আদেশ ৭ বিধি ১০ এর অধীন আদেশ, ২১ অর্ডারের ৭২ অথবা ৯২ রুল-এর অধীন ডিক্রি জারিতে বিক্রয় বাতিল করার আদেশ বা বিক্রয় বাতিলের আবেদন প্রত্যাখ্যান করার আদেশ (setting aside or refusing to set aside)- সবগুলো আপিলযোগ্য আদেশ।
২২৩.
আদেশ ১৬ এর অধীন কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করা হলে, ঐ ব্যক্তি একজন ______ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. judgment-holder
  2. decree- holder
  3. judgment-debtor
  4. Accused
সঠিক উত্তর:
judgment-debtor
উত্তর
সঠিক উত্তর:
judgment-debtor
ব্যাখ্যা

• আদেশ ১৬ এর অধীন কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করা হলে, ঐ ব্যক্তি রায়ের দেনাদার (judgment-debtor) হিসেবে গণ্য হবে।

• আদেশ-১৬ এ সাক্ষীর প্রতি সমন এবং হাজিরা সম্পর্কিত বিধি-বিধান রয়েছে। এই আদেশের অধীন আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ক্রোকাদেশ দিতে পারেন-

বিধি- ১০ঃ
সাক্ষী সমন মান্য করতে ব্যর্থ হলে আদালত তাকে হাজির হওয়ার জন্য হুলিয়া জারি (Proclamation) করতে পারবে। উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য ওয়ারেন্ট ইস্যু করতে পারে ও সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিতে পারে।

বিধি- ১২ঃ
সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হলে আদালত অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা এবং তার সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারবে। বিধি ১০ এর অধীন পূর্বেই ক্রোক করা হলে জরিমানা সহ ক্রোকের ব্যয় মেটানোর জন্য নিলাম বিক্রয়ের আদেশ দিতে হবে।

বিধি- ১৩ঃ
উল্লেখিত ক্ষেত্রসমূহে ক্রোকের পদ্ধতি হবে ডিক্রিজারির ফলে সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় সম্পর্কে বিধানসমূহ যথাসম্ভব প্রযোজ্য, যে ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করা হয় ঐ ব্যক্তি একজন রায়ের দেনাদার ছিল গণ্যে এ আদেশের অধীনে কোন ক্রোক ও নিলাম করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বলে গণ্য হবে।

Order 16 Rule 13: Mode of attachment-
The provisions with regard to the attachment and sale property in the execution of a decree shall, so far as they are applicable, be deemed to apply to any attachment and sale under this Order as if the person whose property is so attached were a judgment-debtor.

২২৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৭৭ ধারা অনুযায়ী, আদালত কখন অনুরোধপত্র (Letter of Request) প্রেরণ করতে পারে?
  1. বাদীকে জরিমানা করার ক্ষেত্রে
  2. সাক্ষীর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার ক্ষেত্রে
  3. বাংলাদেশের বাইরে বসবাসকারী সাক্ষীর পরীক্ষা করার ক্ষেত্রে
  4. যখন সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হতে অস্বীকৃতি জানান
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের বাইরে বসবাসকারী সাক্ষীর পরীক্ষা করার ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের বাইরে বসবাসকারী সাক্ষীর পরীক্ষা করার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৭৭ ধারা- অনুরোধপত্র: 
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নয়, এরূপ যে কোন দেশে বসবাসকারী সাক্ষীর পরীক্ষা করার নিমিত্তে আদালত কমিশন প্রেরণ করার বিপরীতে অনুরোধ পত্র প্রেরণ করতে পারে।

Section 77: Letter of request: 
In lieu of issuing a commission the Court may issue a letter of request to examine a witness residing at any place not within Bangladesh.
২২৫.
'ম' ২০ লক্ষ টাকা মূল্যমানের একটি স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমার আরজি সহকারী জজ আদালতে পেশ করে। এই ক্ষেত্রে আদালত নিম্নলিখিত কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?
  1. আরজি প্রত্যাখান
  2. আরজি সংশোধন
  3. আরজি ফেরত
  4. মোকদ্দমা খারিজ
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
ব্যাখ্যা
• আদালত উক্ত আরজিটি ফেরত পাঠাবে।

• মোকদ্দমাটির মূল্যমান ২০ লক্ষ টাকা, তাই তা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মোকদ্দমাটি দায়ের করা উচিত ছিল। কারণ সহকারি জজ আদালতের এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫লক্ষ টাকা [The Civil Courts Act,1887]। যেহেতু এখতিয়ার বিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে চেয়েছে, তাই আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য আরজি ফেরত পাঠাবে।

• আরজি ফেরত (Return of Plaint) অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া। যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে। দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ এর বিধি ১০ এ আরজি ফেরত এর বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।

• আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২. আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩ আদেশের ১(ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
২২৬.
‘ক’ একটি সম্পত্তির দখলে আছে। ‘খ’ ও ‘গ’ উক্ত সম্পত্তির দখল দাবী করে। উক্ত সম্পত্তিতে ‘ক’ এর কোন স্বার্থ নেই কিন্তু সে উক্ত সম্পত্তির প্রকৃত মালিক কে দখলে থাকা সম্পত্তি অর্পন করতে চায়। ‘ক’ কোন ধরনের মোকদ্দমা দায়ের করবে?
  1. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা
  2. স্বত্বের মোকদ্দমা
  3. স্বার্থ বিহীন মোকদ্দমা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
স্বার্থ বিহীন মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বার্থ বিহীন মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৮৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, ২ বা ততোধিক ব্যক্তি কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা দাবি করলে বর্তমান দখলদার ব্যক্তির খরচ ছাড়া অন্য কোন দাবি না থাকলে দখলদার যে মামলা করবে তার নাম Interpleader Suit বা স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা।

•এখানে যেহেতু ‘ক’ দখলে থাকা সম্পত্তি ‘খ’ ও ‘গ’ দাবী করে তাই ‘ক’ স্বার্থ বিহীন মোকদ্দমা দায়ের করবে।
২২৭.
দেওয়ানী কার্যবিধিতে ছানী মোকদ্দমার (Miscellaneous Case) বিধান কোথায় আছে ?
  1. আদেশ ৯ বিধি ৪
  2. আদেশ ৯ বিধি ১৩
  3. আদেশ ৯ বিধি ৯
  4. ক,খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
ক,খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক,খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি মোকদ্দমায় মিসকেস- অনুপস্থিতির কারণে কোন মোকদ্দমা খারিজ বা এক-তরফা ডিক্রি হলে একই আদালতে উক্ত মোকদ্দমা পূর্নবহালের আবেদনকে ছানী মোকদ্দমা বা মিসকেস বলে।

সাধারণভাবে কোন মামলা খারিজ (Dismiss) হলে অথবা একতরফা হলে, উক্ত আদেশ রদ/রহিত করার জন্য দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ৪, ৯ ও ১৩ বিধির অধীন যে আবেদন করা হয় তাকে মিসকেস বলে।

• আদেশ ৯ বিধি ৩ অনুসারে- মোকদ্দমার কোন পক্ষই উপস্থিত না হলে, আদালত মোকদ্দমা খারিজ করে দিতে পারে।

আদেশ ৯ বিধি ৪ঃ প্রদত্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার-
১- উল্লিখিত কারণে মোকদ্দমা খারিজ হলে, উক্ত খারিজের বিরুদ্ধে বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
২-খারিজ আদেশ রদ করতে আবেদন করতে পারে। তবে, এমন আবেদন খারিজ আদেশের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে দায়ের হবে।

• বাদী হাজির না হওয়ার কারণে ৮ বিধির অধীন আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিলে, উক্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে বাদী ৯ ধারায় নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নিতে পারে-
১. মোকদমা খারিজ আদেশ বাতিলের (For setting aside the order of dismissal) জন্য ৯ বিধির অধীন আবেদন করতে পারে;
২. খারিজ আদেশ সরাসরি বাতিলের (Directly Setting aside dismissal) জন্য ৯ক বিধির অধীন আবেদন করতে পারে।

• বিবাদী হাজির না হওয়ার কারণে আদালত মোকদ্দমা একতরফা নিষ্পত্তি করলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে ৯ নং আদেশের ১৩ নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।
২২৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৪ বিধি-৫(২) অনুসারে, Redemption suit-এর final decree দেওয়ার আগে যদি mortgaged property বিক্রি হয়ে যায়, তখন plaintiff ক্রেতাকে ক্রয়মূল্যের কত টাকা extra deposit করতে হয়?
  1. ৬%
  2. ৩%
  3. ৫%
  4. ১০%
সঠিক উত্তর:
৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫%
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৪, বিধি ৫(২) এবং বিধি ৮(২) উভয় ক্ষেত্রেই স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "the defendant, in addition to the amount mentioned in sub-rule (1), deposits in Court for payment to the purchaser a sum equal to five per cent of the amount of the purchase-money paid into Court by the purchaser"

অর্থাৎ, রিডেম্পশন স্যুটে চূড়ান্ত ডিক্রি দেওয়ার আগে যদি বন্ধকী সম্পত্তি বিক্রি হয়ে যায়, তাহলে প্লেইন্টিফ (বন্ধকদাতা) কে শুধু বকেয়া টাকা নয়, বরং ক্রেতাকে ক্রয়মূল্যের ৫% অতিরিক্ত জমা দিতে হবে।
- এই ৫% অতিরিক্ত Amount ক্রেতার জন্য compensation হিসেবে ধরা হয়, যেহেতু বিক্রয় বাতিল হওয়ায় তার সময় ও effort ব্যর্থ হয়েছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-34 Rule-8(2):
Where the mortgaged property or a part thereof has been sold in pursuance of a decree passed under sub-rule (3) of this rule, the Court shall not pass an order under sub-rule (1) of this rule, unless the plaintiff, in addition to the amount mentioned in sub-rule (1), deposits in Court for payment to the purchaser a sum equal to five per cent of the amount of the purchase-money paid into Court by the purchaser.
Where such deposits have been made, the purchaser shall be entitled to an order for repayment of the amount of the purchase-money paid into Court by him, together with a sum equal to five per cent. thereof.

২২৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XLIII এ আপীলযোগ্য আদেশের তালিকায় মোট কয়টি আদেশের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২৪টি
  2. ২৫টি
  3. ২৬টি
  4. ২৭টি
সঠিক উত্তর:
২৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপীল।
⇒ আদেশ ৪৩ এবং ধারা ১০৪ এর মধ্যে আপীলযোগ্য আদেশ সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।
⇒ সাধারনত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপীলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।
২৩০.
ডিক্রি জারিতে ডিক্রিদারকে স্থাবর সম্পত্তি দখল লাভ করতে দেনাদার বাধা দিলে, আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৪ ধারার অধীন কী আদেশ দিতে পারে?
  1. সম্পত্তি বিক্রি করে দেওয়া
  2. সম্পত্তি পুনরায় নিলাম করা
  3. নতুন ডিক্রি জারি করা
  4. দেনাদারকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখা
সঠিক উত্তর:
দেনাদারকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেনাদারকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখা
ব্যাখ্যা
ধারা ৭৪: ডিক্রি জারি কার্যে বাধা প্রদান:
যখন স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য ডিক্রিদার বা ডিক্রি জারিতে বিক্রিত স্থাবর সম্পত্তির ক্রয়কারী, দেনাদার বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পত্তির দখল লাভ করতে বাধা বা প্রতিবন্ধকতা প্রাপ্ত হয়েছে বলে এবং অনুরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত সৃষ্টি হয়েছিল বলে আদালত সন্তুষ্ট হয় তখন ডিক্রিদার বা ক্রেতার আবেদনক্রমে আদালত দেনাদার বা অন্য ব্যক্তিকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দান দিতে পারে এবং আরো নির্দেশ দান করতে পারে যে, ডিক্রিদার বা ক্রয়কারীকে সম্পত্তির দখল প্রদান করা হোক।

Sec.-74: Resistance to execution:
Where the Court is satisfied that the holder of a decree for the possession of immovable property or that the purchaser of immovable property sold in execution of a decree has been registered or obstructed in obtaining possession of the property by the judgment-debtor or some person on his behalf and that such resistance or obstruction was without any just cause, the Court may, at the instance of the decree-holder or purchaser, order the judgment-debtor or such other person to be detained in the civil prison for a term which may extend to thirty days and may further direct that the decree-holder or purchaser be put into possession of the property.
২৩১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় দেওয়ানি আদালতের অধীনতা সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ৫ ধারায়
  2. ৩ ধারায়
  3. ৯ ধারায়
  4. ৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৩ ধারায় দেওয়ানি আদালতের অধীনতার বিধান রয়েছে।
১) জেলা আদালত হাইকোর্ট ডিভিশন এর অধীন হবে; এবং
২) জেলা আদালতের নিম্ন পর্যায়ভুক্ত প্রত্যেক দেওয়ানী আদালত ও ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত (Court of Small Causes) হাইকোর্ট ডিভিশন ও জেলা আদালতের অধীন হবে।
২৩২.
‘ক’ এর নিকট প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয় বস্তু ছাড়া কত টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে ‘ক’ কে নিঃস্ব ব্যক্তি বলে গণ্য হবে?
  1. ৫,০০০ টাকা
  2. ৫০,০০০ টাকা
  3. ১০,০০০ টাকা
  4. ১,০০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৩ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা  দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারন থাকে না সেক্ষেত্রে তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয়বস্তু ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে উক্ত ব্যক্তি নিঃস্ব হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মামলা করার অনুমতির জন্য আবেদন করতে হবে।
⇒ তবে আবেদন প্রত্যাখ্যান হবে যদি আবেদনের ২ মাস পূর্বে প্রতারনামূলক সম্পত্তি হস্তান্তর করে।
২৩৩.
সম্পত্তি বাটোয়ারা সম্পর্কে আদালতকে কমিশনার কর্তৃক রিপোর্ট দিতে হবে কত মাসের মধ্যে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি-১৩ এর বিধান স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য কমিশন (Commissions to make partition of immovable property): যে ক্ষেত্রে বাটোয়ারার জন্য প্রাথমিক ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিষয়টি ৫৪ ধারার আওতাভুক্ত না হলে, আদালত বাটোয়ারা বা পৃথকীকরণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারবেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি-১৪ এর বিধান কমিশনের কার্যপদ্ধতি (Procedure of Commissioner) ১) কমিশনার প্রয়োজন হতে পারে এরূপ তদন্ত অনুষ্ঠানের পর, যে আদেশের অধীনে কমিশন প্রেরিত হয়েছিল সে আদেশে নির্দেশিত অংশ অনুপাতে সম্পত্তিটি ভাগ করবেন এবং উক্ত অংশগুলো পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করবে এবং যদি উপরোক্ত আদেশ দ্বারা ক্ষমতাবান হয়ে থাকে তবে বিভিন্ন অংশের মূল্য সমান করার জন্য যে টাকা পরিশোধ করতে হবে তা বিনিময় করতে পারে।

২) কমিশনার অতঃপর একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে কিংবা কমিশনারগণ (একাধিক ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরিত হয়ে থাকলে এবং তারা একমত হতে না পারলে) প্রত্যেক পক্ষের অংশ নির্দেশ করে এবং (যদি উক্ত আদেশ দ্বারা নির্দেশিত হয়ে থাকলে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও চৌহদ্দি আলাদাপূর্বক পৃথক প্রতিবেদন সমূহ প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে। অনুরূপ প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ কমিশনের সঙ্গে সংযুক্ত করে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনুর্ধ্ব তিন মাস সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরীত হবে; এবং উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদন সম্পর্কে কোন পক্ষ কোন আপত্তি উত্থাপন করলে তা শুনানির পরে আদালত তা বহাল, পরিবর্তন বা রদ করতে পারে তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনারের আবেদনক্রমে এবং পর্যাপ্ত কারণ দর্শানো হলে সময় বৃদ্ধি করতে পারে।

৩) যেক্ষেত্রে আদালত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বহাল বা পরিবর্তন করেন সেক্ষেত্রে বহাল বা পরিবর্তিত প্রতিবেদন মোতাবেক আদালত একটি ডিক্রি দিবে, কিন্তু আদালত যদি কমিশনের প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বাতিল করেন তবে আদালত নতুন কমিশন পাঠাবে কিংবা উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ প্রদান করবে।
২৩৪.
আদেশ ২১ বিধি-৫৫ এর অধীন ক্রোক কখন প্রত্যাহার হয়েছে বলে গণ্য হবে?
  1. ডিক্রি বিবাদীর পক্ষে হলে
  2. সম্পত্তি বিক্রি করা হলে
  3. ডিক্রি রদ বা পরিবর্তন হলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি রদ বা পরিবর্তন হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি রদ বা পরিবর্তন হলে
ব্যাখ্যা

আদেশ ২১ বিধি-৫৫: ডিক্রি মিটানোর পর ক্রোক অপসারণ:
যেক্ষেত্রে-
(ক) ডিক্রির টাকা, মোকদ্দমার খরচ এবং যে কোনও সম্পত্তি ক্রোকের ফলে সৃষ্ট সমস্ত চার্জ ও খরচ আদালতে জমা করা হলে; অথবা
(খ) ডিক্রি আদালতের মাধ্যমে অন্যভাবে পরিশোধ বা আদালতে প্রত্যয়ন করা হলে; অথবা
(গ) ডিক্রি রদ বা পরিবর্তন করা হলে, ক্রোক প্রত্যাহার হয়েছে বলে গণ্য হবে এবং স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে দায়িকের ইচ্ছা হলে তার খরচায় উক্ত প্রত্যাহার ঘোষণা করা হবে এবং ঘোষণাপত্রের একটি অনুলিপি পূর্ববর্তী বিধিতে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংযুক্ত করা হবে।”

২৩৫.
বাদীর অনুকূলে মামলার ডিক্রি হওয়ার পর আদালতের প্রস্তুতকৃত ডিক্রিতে ভুল থাকলে করণীয় কী?
  1. আপীল আদালতে আপীল করবে।
  2. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে রিভিশান করবে।
  3. বাদী ১৫২ ধারার অধীনে ডিক্রি সংশোধনের জন্য আবেদন করবে।
  4. ডিক্রি প্রদানকারী বিচারিক আদালতে আপীল করবে।
সঠিক উত্তর:
বাদী ১৫২ ধারার অধীনে ডিক্রি সংশোধনের জন্য আবেদন করবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী ১৫২ ধারার অধীনে ডিক্রি সংশোধনের জন্য আবেদন করবে।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় কোন দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন করার বিধান রয়েছে। সাধারণত রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ একবার আদালত কর্তৃক স্বাক্ষরিত ও ঘোষিত হওয়ার পর কেবলমাত্র ১৫২ ধারা বা রিভিউ ব্যতীত কোনভাবে সংশোধন করা যাবে না।

- দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারায় আদালতের রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫২ ধারামতে আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes), আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission ) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারে।

- বাদীর অনুকূলে মামলার ডিক্রি হওয়ার পর আদালতের প্রস্তুতকৃত ডিক্রিতে ভুল থাকলে বাদী ১৫২ ধারার অধীনে ডিক্রি সংশোধনের জন্য আবেদন করতে পারেন। 
----------------------
⇒ CPC Section: 152. Amendment of judgments, decrees or orders:
-Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
২৩৬.
দেওয়ানী মামলায় আরজি প্রত্যাখ্যাত হলে তার বিরুদ্ধে কী প্রতিকার আছে?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা
ধারা ২(২) অনুসারে-

ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে।উল্লেখ্য যে-
আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখান এবং
১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ থেকে ১১২ ধারা পর্যন্ত দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপীলের বিধান উল্লেখ রয়েছে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধরার অধীন মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।

যেহেতু আরজি প্রত্যাখান এর সিদ্ধান্ত মূলত একটি ডিক্রি, তার বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
২৩৭.
According to Order 14 Rule 8, how many days does the court have to fix a date for the final hearing of the suit after the issues are framed?
  1. 60 days
  2. 90 days
  3. 120 days
  4. 150 days
সঠিক উত্তর:
120 days
উত্তর
সঠিক উত্তর:
120 days
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১৪ বিধি ৮: চূড়ান্ত শুনানীর তারিখ স্থিরীকরণ:
বিচার্য বিষয়াবলী প্রণয়নের পর একশত বিশ দিনের ভিতর আদালত ঐ মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির তারিখ স্থিরীকৃত করবে।

Order 14 Rule 8: Fixing date for final hearing:
After the issues are framed, the Court shall within one hundred and twenty days thereof, fix a date for final hearing of the suit.
২৩৮.
কোনো আরজিতে উল্লিখিত বক্তব্য যদি লিখিতভাবে অস্বীকার না করা হয়, তবে তা –
  1. বিবাদীর স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে
  2. বিবাদীর অস্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হবে
  3. বাদীর সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
• আদেশ-৮, বিধি-৩: সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার-
ক্ষতিপূরণ ব্যতীত আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করবে, তা নাহলে বিবাদী তা স্বীকার করেছে বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদী তার লিখিত জবাবে বাদীর দাবি চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করবে না। যদি বিবাদী আরজির কোন বিষয় চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করেন, তবে তা স্বীকার করেছেন বলেই ধরে নেয়া হবে।

Denial to be specific-
It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff, but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth, except damages.
২৩৯.
সুনির্দিষ্ট চুক্তি প্রবলের মোকদ্দমার ডিক্রি দায়িক কর্তৃক ইচ্ছাকৃতভাবে মান্য করতে অপারগ হলে তা জারির ক্ষেত্রে কোন ব্যবস্থা অবলম্বন করা যাবে?
  1. শুধু দেওয়ানী কারাগারে আটক
  2. দেওয়ানী কারাগারে আটক ও সম্পত্তি ক্রোক
  3. শুধু সম্পত্তি ক্রোক
  4. দেওয়ানী কারাগারে আটক বা সম্পত্তি ক্রোক বা উভয়ই
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কারাগারে আটক বা সম্পত্তি ক্রোক বা উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কারাগারে আটক বা সম্পত্তি ক্রোক বা উভয়ই
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ২১ বিধি-৩২: সুনির্দিষ্ট সম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার বা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি।) যেক্ষেত্রে কোন পক্ষের বিরুদ্ধে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য বা দাম্পত্য স্বত্ব পুনরুদ্ধারের জন্য কিংবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে এবং সে পক্ষ উক্ত ডিক্রি মান্য করার সুযোগ পেয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে তার মান্য করতে অবহেলা করেছে, সেক্ষেত্রে দাম্পত্য স্বত্ব পুনরুদ্ধারের জন্য ডিক্রির ক্ষেত্রে তার সম্পত্তি ক্রোক করে কিংবা কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে দেওয়ানি জেলে আটকের দ্বারা কিংবা তার সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারে ডিক্রি বলবৎ করা যেতে পারে।
------------------
⇒  Order 21 Rule.-32: Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction.-
1) Where the party against whom a decree for the specific performance of a contract, or for restitution of conjugal rights, or for an injunction, has been passed, has had an opportunity of obeying the decree and has wilfully failed to obey it, the decree may be enforced in the case of a decree for restitution of conjugal rights by the attachment of his property or, in the case of a decree for the specific performance of a contract or for an injunction by his detention in the civil prison, or by the attachment of his property, or by both.
২৪০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে নিচের কোনটি “ডিক্রি” হিসাবে গণ্য হবে না?
  1. আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ
  2. ১৪৪ ধারার অধীনে কোন প্রশ্ন নির্ধারণ
  3. মোকদ্দমার বিতর্কিত বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
  4. ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ
সঠিক উত্তর:
ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। নিম্নলিখিত বিষয় ডিক্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে-
⇒ আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখ্যান এবং
⇒ ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
⇒ যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
⇒ কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

২৪১.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের কত বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধের বিধান রয়েছে?
  1. ১নং বিধিতে
  2. ৪নং বিধিতে
  3. ৬নং বিধিতে
  4. ৮নং বিধিতে
সঠিক উত্তর:
৬নং বিধিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬নং বিধিতে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮নং আদেশের ৬নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে, তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।
 
৮ নং আদেশের বিধি-৬ঃ লিখিত বর্ণনায় পারস্পরিক দায় শোধের বিবরণ দিতে হবে—

১) যেক্ষেত্রে টাকা প্রদায় করার দাবীতে পেশকৃত মোকদ্দমায় বাদির নিকট হতে তার প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করত বাদীর দাবী পরিশোধ করতে চায়, উক্ত প্রাপ্য টাকার পরিমাণ যদি আদালতের এখতিয়ারের বাইরে না হয় এবং বাদির মোকদ্দমার ন্যায় বিবাদির দাবীর ক্ষেত্রেও উভয় পক্ষ একই বৈশিষ্ট্যে পড়ে, তাহলে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই বিজ্ঞ আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে তার পরে নয়, বিবাদি তার পাওনা টাকার বিবরণ সম্বলিত একটি লিখিত বিবৃতি দাখিল করতে পারবে।
 
২) পারস্পরিক দাবী শোধের তাৎপর্যঃ আদালতকে মূল দাবী ও পারস্পরিক দাবী সমন্বয় সঙ্গে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা দিতে ক্ষমতা প্রদান করতে পারে এমন ধরণের পাল্টা মোকদ্দমার আরজির ন্যায় লিখিত বর্ণনার একই প্রকার ক্রিয়া হবেঃ
কিন্তু ডিক্রির টাকার উপর ডিক্রির অধীনে এদের খরচা বাবদ কোন উকিলের দাবী থাকলে তা এতদ্বারা প্রভাবিত হবে না।
 
৩) পারস্পরিক দাবী সমন্বয়ের দাবীতে বিবাদির লিখিত বর্ণনা সম্পর্কিত নিয়মাবলীসমূহ প্রদত্ত বিবৃতির উত্তর দানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
২৪২.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিচের কোন বিধানের অধীনে প্রদত্ত আদেশটি আপিলযোগ্য নয়?
  1. আদেশ-৩৯ বিধি-২
  2. আদেশ-৮ বিধি-১০
  3. আদেশ-১০ বিধি-৭
  4. আদেশ-১৬ বিধি-২০
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১০ বিধি-৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১০ বিধি-৭
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী আদেশ-১০ বিধি-৭ এর অধীনে প্রদত্ত আদেশ আপিলযোগ্য আদেশ নয়।

⇒ আপিলযোগ্য আদেশ:
সাধারণত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপিলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়। যে সকল আদেশ আপিলযোগ্য, সে সকল আদেশ সম্পর্কে Order 43 এ বিধান রয়েছে। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ নং ৪৩ এ আপিলযোগ্য আদেশের তালিকা দেওয়া হয়েছে, আদেশ ১০ বিধি-৭ উক্ত তালিকায় নাই। কিন্তু আদেশ-৮ বিধি-১০, আদেশ-১৬ বিধি-২০, আদেশ-৩৯ বিধি-২উক্ত তালিকায় আছে।
- আদেশ ৪৩-এ মোট ২৫ টি আদেশকে আপিলযোগ্য আদেশ মর্মে বলা হয়েছে। এই ২৫ প্রকারের আদেশ ব্যতীত দেওয়ানী আদালতের অপরাপর আদেশ-এর বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ নেই, সেখানে রিভিশন করার বিধান আছে।
২৪৩.
আদালত কোন ধরনের বিষয় থেকে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারে?
  1. সাক্ষীদের মৌখিক সাক্ষ্য
  2. আদালতের পর্যবেক্ষণ
  3. বিরোধী পক্ষের মন্তব্য
  4. পক্ষগণ কর্তৃক উত্থাপিত শপথের অভিযোগসমূহ
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণ কর্তৃক উত্থাপিত শপথের অভিযোগসমূহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণ কর্তৃক উত্থাপিত শপথের অভিযোগসমূহ
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি-৩: যে সকল বিষয় হতে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করা যায়:
আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর সকল কিংবা যে কোনটি থেকে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারেন-
ক) পক্ষগণ কর্তৃক কিংবা তাদের পক্ষে উপস্থিত কোন ব্যক্তিগণ কর্তৃক কিংবা উক্তরূপ ব্যক্তিসমূহের উকিলগণ কর্তৃক শপথের মাধ্যমে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ;
খ) আরজি জবাবে কিংবা মোকদ্দমায় প্রদত্ত প্রশ্নমালার উত্তরে রচিত অভিযোগসমূহ;
গ) কোন পক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিল পত্রের বিষয়বস্তু।

Rule-3: Materials from which issues may be framed:
The Court may frame the issues from all or any of the following materials:-
a) allegations made on oath by the parties, or by any persons present on their behalf, or made by the pleaders of such parties;
b) allegations made in the pleadings or in answers to interrogatoriesdelivered in the suit:c) the contents of documents produced by either party.
২৪৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় _________ বিধান রয়েছে।
  1. রিভিউর
  2. আপিলের
  3. ২য় রিভিশনের
  4. ২য় আপিলের
সঠিক উত্তর:
২য় রিভিশনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় রিভিশনের
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় ২য় রিভিশনের বিধান রয়েছে।

এই ধারানুযায়ী,
১১৫(২) ও ১১৫(৩) ধারার অধীনে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল করে কোন আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায়। অর্থাৎ, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত (প্রথম) রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল আদেশ দিলে, হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগেই দ্বিতীয় রিভিশন করা যাবে।

গুরত্বপূর্ণ তথ্য:
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে Second Appeal নেই তবে, অনুমতিসাপেক্ষে Second Revision করার বিধান আছে।
⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় Review আছে, ফৌজদারী মামলায় Review নেই।
⇒ ফৌজদারী মামলায় শুধু খালাস [ধারা ৪১৭(১)] ও অপর্যাপ্ত দণ্ডের [ধারা ৪১৭ক] এর ক্ষেত্রে Second Appeal এর বিধান রয়েছে, কিন্তু Second Revision এর নেই।
২৪৫.
Who has the authority to declare that certain provisions of the CPC shall not apply to Revenue Courts?
  1. High Court
  2. Government
  3. District Judge
  4. Revenue Court
সঠিক উত্তর:
Government
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Government
ব্যাখ্যা
CPC-Section-5. Application of the Code of Revenue Courts:
(1) Where any Revenue Courts are governed by the provisions of this Code in those matters of procedure upon which any special enactment applicable to them is silent, the Government may, by notification in the official Gazette, declare that any portions of those provisions which are not expressly made applicable by this Code shall not apply to those Courts, or shall only apply to them with such notifications as the Government may prescribe.

(2) "Revenue Court" in sub-section (1) means a Court having jurisdiction under any law to entertain suits or other proceedings relating to the rent, revenue or profits of land used for agricultural purposes, but does not include a Civil Court having original jurisdiction under this Code to try such suits or proceedings as being suits or proceedings of a civil nature.

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান: রাজস্ব আদালতে এই আইনের প্রয়োগ:
১) রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য বিশেষ আইন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে নীরব থাকার ফলে এই আইনের বিধানসমূহ রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সরকার, সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, উক্ত বিধানসমূহের যে-সকল অংশ এই আইন দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রযোজ্য করা হয়নি, তা উক্ত আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংশোধনীসহ প্রযোজ্য হবে।

২) (১) উপধারায় “রাজস্ব আদালত” বলতে ঐ আদালত বুঝায়, কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝায়। তবে এটা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা কার্যধারার মত অনুরূপ মোকদ্দমা বা কার্যধারাসমূহ বিচার করতে এই আইনের অধীনে মূল এতিয়ারযুক্ত দেওয়ানি আদালতকে অন্তর্ভুক্ত করে না।
২৪৬.
প্রশ্নমালার সাহায্যে তথ্য উদঘাটনের ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় প্রনয়নের কত দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশে উদ্ঘাটন বা আবিষ্কার ও পরিদর্শন (Discovery and Inspection) বিষয়ে আলোচনা  করা হয়েছে। দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী উদ্ঘাটন বা আবিষ্কার দুইভাবে হতে পারে। যথা-
প্রশ্নের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories) এবং 
দলিলের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by documents)।

• প্রশ্নমালার সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories)-
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে আরজি ও লিখিত জবাবে বর্ণিত তথ্য মামলার প্রকৃতি নির্ণয়ে অপর্যাপ্ত হলে, আদালতের অনুমতি নিয়ে পক্ষগণ মামলার প্রকৃতির বিধায় একে অপরকে প্রশ্নমালা দিয়ে উত্তর গ্রহণের মাধ্যমে কোন তথ্য বা ঘটনা উদঘাটন করতে পারে। বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়। আদালতের অনুমতি ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে ১ সেটের বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করবে না।
২৪৭.
দেওয়ানী মামলায় বিচারক কোন মানদণ্ড অনুযায়ী প্রমাণ মূল্যায়ন করেন?
  1. যুক্তিসংগত সন্দেহের বাইরে
  2. স্বীকারোক্তির ওপর নির্ভর করে
  3. ভারসাম্যপূর্ণ সম্ভাবনার ভিত্তিতে
  4. প্রত্যক্ষ প্রমাণ দ্বারা বিচারককে বুঝানো
সঠিক উত্তর:
ভারসাম্যপূর্ণ সম্ভাবনার ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারসাম্যপূর্ণ সম্ভাবনার ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
→ উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানী মামলায় বিচারক ভারসাম্যপূর্ণ সম্ভাবনার ভিত্তিতে প্রমাণ মূল্যায়ন করেন।

প্রমাণের মান (Standard of Proof) ও তার ধরন:

- প্রমাণের মান হলো মামলায় জয়ী হওয়ার জন্য কতটুকু প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে, তার নির্দিষ্ট মানদণ্ড। এটি মামলার ধরন অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়।
১. দেওয়ানি মামলার প্রমাণের মান:
- দেওয়ানি মামলায় Balance of Probability বা Preponderance of Evidence নীতি অনুসরণ করা হয়।
- যে পক্ষের সাক্ষ্য ও প্রমাণ বেশি গ্রহণযোগ্য, সেই পক্ষ মামলায় জয়ী হয়।
- সত্যের সম্ভাবনা মিথ্যার চেয়ে বেশি (more probably true than false) হলেই প্রমাণ যথেষ্ট।
- সাধারণভাবে, ৫১% সত্যতা প্রমাণ করাই যথেষ্ট।

২. ফৌজদারি মামলার প্রমাণের মান:
- ফৌজদারি মামলায় Beyond Reasonable Doubt নীতি অনুসরণ করা হয়।
- অপরাধীকে দোষী প্রমাণ করতে হলে এমনভাবে প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে, যাতে কোনো যৌক্তিক সন্দেহ অবশিষ্ট না থাকে।
- সন্দেহাতীতভাবে অপরাধ প্রমাণ না হলে আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না।
- এভাবে, দেওয়ানি মামলায় সম্ভাবনার ভারসাম্য এবং ফৌজদারি মামলায় সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ নীতি অনুসরণ করা হয়।
২৪৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৯ এর কোন বিধি অনুযায়ী সরকারী উন্নয়ন প্রকল্পে হস্তক্ষেপের সামিল এমন একতরফা নিষেধাজ্ঞার আদেশ বারিত?
  1. Rule 3
  2. Rule 3A
  3. Rule 5
  4. Rule 5A
সঠিক উত্তর:
Rule 5A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rule 5A
ব্যাখ্যা
 • দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক এর বিধান- অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না (No order of ad interim oг temporary injunction without hearing the opposite party):

কোন আদালত সরকারি আইনজীবীর উপর বিজ্ঞপ্তি (নোটিশ) জারি না করে এবং তাকে শুনানির সুযোগ প্রদান না করে বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে সরকার বা বিধিবদ্ধ সংস্থার বিরুদ্ধে কোন একতরফা অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করবে না, যদি অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা কোন উন্নয়ন কর্মসূচী বা কর্ম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিষ্ট বা হস্তক্ষেপ করার আশু সম্ভাবনা থাকে বা অন্যভাবে জনস্বার্থে অনিষ্টকর হয়।

⇒ কোন বেসরকারি পক্ষ অন্যকোন বেসরকারি পক্ষের বিপক্ষে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত করলে আদালত নোটিশ ছাড়া তা মঞ্জুর করবে না, তবে দেরীর কারণে নিষেধাজ্ঞা অনুমোদনের উদ্দেশ্যে ব্যাহত হলে সেক্ষেত্রে নোটিশ ছাড়া অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া যাবে।

⇒ যদি বে-সরকারি পক্ষের অনুরোধ অপর বেসরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদত্ত হয়, তাহলে অপর পক্ষের হাজির হওয়ার তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে।

⇒ যে পক্ষের অনুরোধে অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া হয় সেই পক্ষের বিরুদ্ধে যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং দেখা যায় যে এরূপ নিষেধাজ্ঞার জন্য অন্যপক্ষের ক্ষতিসাধন হয়েছে তাহলে আদালত, অন্যপক্ষ যে খরচ পাবে তার অতিরিক্ত অনধিক ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ অনুমোদন করবেন।
২৪৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 came into force on:
  1. 21st March, 1908
  2. 1st July, 1909
  3. 1st January, 1909
  4. 1st January, 1908
সঠিক উত্তর:
1st January, 1909
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1st January, 1909
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ আইনটি পাস হয় ২১শে মার্চ, ১৯০৮ তারিখে, কিন্তু এটি কার্যকর হয় ১লা জানুয়ারি, ১৯০৯ থেকে।
- আইনের ধারা ১(২)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "(2) It shall come into force on the first day of January, 1909."
অর্থাৎ, আইনটি পাস হওয়ার তারিখ এবং কার্যকর হওয়ার তারিখ ভিন্ন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের ৫ নং আইন।
- The Code of Civil Procedure, 1908 (ACT NO. V OF 1908)
- সর্ব প্রথম ১৮৫৯ সালে সিভিল কোড সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন বিধিবদ্ধ [codified] করা হয়।
- বর্তমানের দেওয়ানি কার্যবিধি পাশ হয় ১৯০৮ সালের ২১ মার্চ এবং ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে কার্যকর হয়।
- দেওয়ানি কার্যবিধি (Civil Procedure Code) একটি পদ্ধতিগত আইন, যা দেওয়ানি মামলার বিচার ও নিষ্পত্তির নিয়ম-কানুন নির্ধারণ করে।
- এই আইনে দেওয়ানি আদালত এবং মামলার পক্ষগুলোর জন্য যেসব নিয়ম মানতে হবে তা উল্লেখ করা হয়েছে।
এর মাধ্যমে জানা যায়:
- কিভাবে মামলা দায়ের করতে হয়।
- মামলার আবেদন বা জবাব কিভাবে দিতে হয়।
- কিভাবে সমন (জবানবন্দি বা উপস্থিতির আদেশ) জারি করতে হয়।
- কিভাবে আদালতে শুনানি হয়।
- রায় এবং ডিক্রি (আদালতের আদেশ) কিভাবে ঘোষণা এবং কার্যকর করা হয়।
- আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ করার নিয়ম।
- অর্থাৎ এটি মামলার প্রতিটি ধাপে আইনসম্মত পদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য দিকনির্দেশনা দেয়।

২৫০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৪ অনুযায়ী, রিভিউ বা পুনর্বিচারের আবেদন করার বৈধ কারণ (গ্রাউন্ড) মোট কতটি?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১১৪ অনুসারে, একজন ব্যক্তি যদি সংক্ষুব্ধ (aggrieved) হন, তাহলে তিনি ৩টি নির্দিষ্ট কারণে রিভিউ বা পুনর্বিচারের আবেদন করতে পারেন।
- সেই ৩টি গ্রাউন্ড হলো:
১. যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে এই আইনমতে আপিল করা যায়, কিন্তু আপিল করা হয়নি।
২. যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে এই আইনমতে কোনো আপিল করা যায় না।
৩. স্বল্প-এখতিয়ার আদালতের রেফারেন্স অনুযায়ী গৃহীত আদালতের প্রদত্ত সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ হলে।
তবে, উক্ত ব্যক্তি ডিক্রি বা আদেশদানকারী আদালতের নিকট এর রায় পুনর্বিচারের জন্য আবেদন করতে পারবে এবং আদালত তৎসম্পর্কে যথোপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারার বিধান অনুযায়ী এই ৩টি গ্রাউন্ডে রিভিউ বা পুনর্বিচারের আবেদন করা যায়। 
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 114. Review:
- Subject as aforesaid, any person considering himself aggrieved:
(a) by a decree or order from which an appeal is allowed by this Code, but from which no appeal has been preferred, 
(b) by a decree or order from which no appeal is allowed by this Code, or 
(c) by a decision on a reference from a Court of Small Causes 
may apply for a view of judgment to the Court which passed the decree or made the order, and the Court may make such order thereon as it thinks fit.
২৫১.
আদেশ ৮ বিধি ৩ অনুসারে, বিবাদী কোন বিষয়ে তার লিখিত বিবৃতিতে নির্দিষ্টভাবে জবাব দিতে বাধ্য নয়?
  1. আইনি ব্যাখ্যা
  2. ক্ষতিপূরণ
  3. সম্পত্তির বিবরণ
  4. আদালতের আদেশ
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
 আদেশ ৮ বিধি-৩: অস্বীকার সুনির্দিষ্ট হবে:
বিবাদীকে তার লিখিত বিবৃতিতে বাদীর অভিযোগের কারণসমূহ সাধারণভাবে অস্বীকার করলেই যথেষ্ট হবে না, বরং যে সকল তথ্য সংক্রান্ত অভিযোগের সত্যতা বিবাদী স্বীকার করে না, সেগুলোর প্রত্যেকটি বিবাদীকে অবশ্যই সুনির্দিষ্টভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, তবে ক্ষতিপূরণের বিষয় ব্যতীত।

Order 8 Rule 3- Denial to be specific:
It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff, but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth, except damages.
২৫২.
রায় ঘোষণার তারিখ হতে কত দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রণয়ন করতে হবে?
  1. ১৪ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ৫ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ২(২) ধারায় ডিক্রির সংজ্ঞা রয়েছে-
আদালতের এমন কোন আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত যা মোকদ্দমার তর্কিত/বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে পক্ষসমূহের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে তাকে ডিক্রি (Decree) বলে।
• কার্যবিধির ৩৩ ধারা মতে কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করে।
রায় হল ডিক্রির ভিত্তি, তাই রায় আগে প্রদান করা হয় এবং ডিক্রি পরে দেয়া হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ৫ক তে ডিক্রি প্রণয়নের সময় দেয়া হয়েছে। এ বিধিমতে-

''রায় ঘোষণার তারিখ হতে সাত দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রণয়ন করতে হবে।''
[The decree shall be drawn up within seven days from the date of pronouncement of the judgment.]
২৫৩.
কোন ক্ষেত্রে ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনের প্রেক্ষিতে জারি কার্যক্রম শুরু হতে পারে?
  1. অর্থের পরিশোধের ক্ষেত্রে
  2. বন্টনের ক্ষেত্রে
  3. বন্ধকের ক্ষেত্রে
  4. অগ্রক্রয়ের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
অর্থের পরিশোধের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থের পরিশোধের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-১১ মৌখিক আবেদন:
১) যেক্ষেত্রে ডিক্রি টাকা পরিশোধের জন্য হয় সেক্ষেত্রে ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে ডিক্রি প্রদানের সময়েই ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনক্রমে আদালত, দায়িক আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত থাকলে গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রস্তুত করার পূর্বে তাকে গ্রেফতার ক্রমে তৎক্ষণাৎ জারির আদেশ প্রদান করতে পারে।
-----------
⇒ Order-21 Rule-11  Oral application: (1) Where a decree is for the payment of money the Court may, on the oral application of the decree-holder at the time of the passing of the decree, order immediate execution thereof by the arrest of the judgment-debtor, prior to the preparation of a warrant if he is within the precincts of the Court. 
২৫৪.
আদেশ ৮ বিধি ২ অনুযায়ী বিবাদী তার লিখিত জবাবে সেই বিষয়গুলো উত্থাপন করবে, যা থেকে দেখা যাবে যে-
  1. মোকদ্দমাটি রক্ষণীয়
  2. মোকদ্দমাটি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল
  3. মোকদ্দমা দায়েরের যথেষ্ট কারণ আছে
  4. মোকদ্দমাটি আইনের দৃষ্টিতে বৈধ
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৮ বিধি ২-
বিবাদী তার জবাবে ঐ সমস্ত বিষয়াবলী উত্থাপন করবে যা থেকে দেখা যাবে যে, মোকদ্দমাটি রক্ষণীয় নয় অথবা বিষয়টি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল বা বাতিলযোগ্য এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের ঐ সমস্ত হেতু উত্থাপন করবেন, যা উত্থাপন না করলে অপর পক্ষ বিস্মিত হত কিংবা আরজিতে উল্লেখ করা হয়নি এরূপ বিষয়াবলী উপস্থাপন করবেন যথা- তক্ষকতা, তামাদি, মুক্তি, পরিশোধ, কার্য সম্পাদন কিংবা আইনবিরুদ্ধ প্রমাণকারী তথ্যসমূহ।

সহজ ভাষায় বলতে গেলে,
বিবাদী তার জবাবে এমন বিষয়গুলো উল্লেখ করবে যা দেখাবে যে, মামলা টিকসই নয় বা আইনের দৃষ্টিতে অবৈধ বা বাতিলযোগ্য। এছাড়াও, এমন কারণগুলো তুলে ধরবেন, যা আগে উল্লেখ করা হয়নি এবং না বললে অপর পক্ষ আশ্চর্য হতে পারত। যেমন: প্রতারণা, মামলা দায়েরের সময়সীমা (তামাদি) পেরিয়ে যাওয়া, ঋণ পরিশোধ, চুক্তি পালন, বা অন্য কোন আইনগত প্রতিবন্ধকতা। এগুলো মামলা খারিজ করার বা আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য বিবাদীর প্রধান কারণ হিসেবে উপস্থাপন করা হবে।

[The defendant must raise by his pleading all matters which show the suit not to be maintainable or that transaction is either void or voidable in point of law and all such grounds of defence as if not raised, would be likely to take the opposite party by surprise or would raise issues of fact not arising out of the plaint as for instance, fraud, limitation, release, payment, performance, or facts showing illegality.]
২৫৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় একতরফা মূল ডিক্রির আপিলের ক্ষেত্রে কী বিধান রয়েছে?
  1. শুধু হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যায়
  2. একতরফা ডিক্রির ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না
  3. একতরফা ডিক্রির ক্ষেত্রে আপিল করা যায়
  4. নিম্ন আদালতে একতরফা ডিক্রির ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না
সঠিক উত্তর:
একতরফা ডিক্রির ক্ষেত্রে আপিল করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একতরফা ডিক্রির ক্ষেত্রে আপিল করা যায়
ব্যাখ্যা
মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল: দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ ধারায় বলা হয়েছে,
১. আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপীল শ্রবণের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালতে আপীল দায়ের করতে হবে।
২. একতরফা মূল ডিক্রি হতেও আপীল দায়ের করা যায়।
৩. পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি প্রদান করে থাকলে তা হতে কোন আপীল চলবে না।

সুতরাং আইনে অন্য কিছু বলা না থাকলে, প্রত্যেক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
২৫৬.
Who may suggest questions during the oral examination under Order 10, Rule 2?
  1. Only the Judge
  2. Either party to the suit
  3. Only the plaintiff’s lawyer
  4. Only the defendant’s lawyer
সঠিক উত্তর:
Either party to the suit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Either party to the suit
ব্যাখ্যা
• Order 10 Rule 2- Oral examination or party of companion of party:
At the first hearing of the suit, or at any subsequent hearing, any party appearing in person or present in Court, or any person able to answer any material questions relating to the suit by whom such party or his pleader is accompanied, may examined orally by the Court; and the Court may, if it thinks fit, put in the course of such examination questions suggested by either party.

আদেশ ১০ বিধি ২- পক্ষ বা পক্ষের সহযোগীর মৌখিক জবানবন্দি:

মোকদ্দমার প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী কোন শুনানিতে স্বয়ং হাজির কোন পক্ষ কিংবা আদালতে উপস্থিত কেউ কিংবা পক্ষ বা পক্ষের উকিলের সাথে অবস্থানরত এমন কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা সম্বন্ধে যদি কোন প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম হয়, তাহলে মৌখিকভাবে তার জবানবন্দি আদালত কর্তৃক গ্রহণ করা যাবে এবং উক্তরূপ জবানবন্দি গ্রহণ করার সময়ে আদালত যদি সঙ্গত মনে করেন, তাহলে যে কোন পক্ষের সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।
২৫৭.
দেওয়ানী কার্যবিধিতে সালিশের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান কোথায় আছে?
  1. ধারা ৮৯ক
  2. ধারা ৮৯খ
  3. ধারা ৮৯গ
  4. সবগুলোতে
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৯খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৯খ
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারা মোতাবেক mediation বা মধ্যস্ততার বিধান ও ৮৯খ ধারা মোতাবেক সালিশের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান রাখা হয়েছে।
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে।
♦তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃ দাখিল করতে পারবেন।
♦সর্বশেষ ২০১২ সালে দেওয়ানী কার্যবিধির বিকল্প বিরোধ সংক্রান্ত বিধানগুলো (ধারা-৮৯ক থেকে ৮৯৫) সংশোধন করা হয়। এছাড়া ২০১৭ সালের সংশোধনী অনুযায়ী জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা কোনো দেওয়ানী মামলায় একজন মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারে।
২৫৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় বিদেশী রাষ্ট্রের বাংলাদেশের আদালতে মামলা করার অধিকার বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ৮৬
  2. ধারা ৮৪
  3. ধারা ৮২
  4. ধারা ৮০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৪-এ বিদেশী রাষ্ট্রের বাংলাদেশের আদালতে মামলা করার অধিকার সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- ধারা ৮৪ এর মূল বিষয়বস্তু: কোন বিদেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের আদালতে মামলা করতে পারবে, যদি সরকার তাকে স্বীকৃতি প্রদান করে, এবং মামলার উদ্দেশ্য হয় সেই রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান বা কোনো কর্মকর্তার সরকারি ক্ষমতার অধীনে ব্যক্তিগত অধিকার কার্যকর করা।
- আদালতকে অবশ্যই বিচার বিভাগীয় নজরে (judicial notice) রাখতে হবে যে উক্ত বিদেশী রাষ্ট্র সরকার কর্তৃক স্বীকৃত হয়েছে কি না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৪ - কখন বিদেশী রাষ্ট্র মামলা করতে পারে:
(১) কোন বিদেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের যে কোন আদালতে মামলা করতে পারে:
তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ রাষ্ট্র, সরকার কর্তৃক স্বীকৃত হতে হবে:
তবে আরও শর্ত থাকে যে, এরূপ রাষ্ট্রের রাষ্ট্র প্রধানের বা এরূপ রাষ্ট্রের কোন কর্মকর্তার হাতে সরকারী ক্ষমতায় নিহিত কোন ব্যক্তিগত অধিকার কার্যকর করাই মামলার উদ্দেশ্য হতে হবে।
(২) কোন বিদেশী রাষ্ট্র, সরকার কর্তৃক স্বীকৃত হয়েছে কিনা তা প্রত্যেক আদালত বিচার বিভাগীয় নজরে নিবেন।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 84.When foreign States may sue.
(1) A foreign State may sue in any Court in Bangladesh:
Provided that such State has been recognized by the Government: 
Provided, also, that the object of the suit is to enforce a private right vested in the head of such State or in any officer of such State in his public capacity. 
(2) Every Court shall take judicial notice of the fact that a foreign State has or has not been recognized by the Government.
২৫৯.
বিচারিক আদালত যদি কোনো দেওয়ানি মোকদ্দমা কোনো প্রাথমিক বিষয়ের উপর নিস্পত্তি করে ডিক্রি দিয়ে থাকে এবং আপিলে উক্ত ডিক্রি রদ হয়, তাহলে আপিল আদালত এক্ষেত্রে কী সিদ্ধান্ত নিবে?
  1. নিজেই মোকদ্দমাটি পুনরায় বিচার করবে
  2. মোকদ্দমাটি পুনর্বিচারের আদেশ দিবে না
  3. মোকদ্দমাটি নতুন করে গ্রহণ করবে
  4. মোকদ্দমাটি পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারবে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২৩- বিচারের নিমিত্তে আপিল আদালত কর্তৃক মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণ:
যেক্ষেত্রে যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত যদি মোকদ্দমাটি কোন প্রাথমিক বিষয়ের উপর নিস্পত্তি করে থাকেন এবং আপিলে উক্ত ডিক্রি রদ হয় সেক্ষেত্রে আপিল আদালত উপযুক্ত মনে করলে মোকদ্দমাটি পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারেন এবং অনুরূপে পুনঃপ্রেরিত মোকদ্দমায় কোন্ কোন বিষয় বা বিষয়াবলীর বিচার করতে হবে তৎসম্পর্কে আরো নির্দেশ দিতে পারেন এবং এটির রায়ের ও আদেশের একটি নকল যে আদালতে ডিক্রি হতে আপিল করা হয়েছে, অনুরূপ আদালতে দেওয়ানি মোকদ্দমার রেজিস্ট্রারে সেটির মূল নম্বরের অধীনে মোকদ্দমাটি বিচারার্থে পুনঃগ্রহণ করার এবং মোকদ্দমা নিস্পত্তি করার নির্দেশাবলীসহ প্রেরণ করতে হবে এবং মূল বিচারকালে লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষ্য (যদি কোন) যাবতীয় সঙ্গত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ঐগুলোও পুনরায় প্রেরণের পর বিচারকালে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে।

Order 41 Rule 23- Remand of case by Appellate Court:
Where the Court from whose decree an appeal is preferred has disposed of the suit upon a preliminary point and the decree is reversed in appeal, the Appellate Court may, if it thinks fit, by order remand the case, and may further direct what issue or issues shall be tried in the case so remanded, and shall send a copy of its judgment and order to the Court from whose decree the appeal is preferred, with directions to re-admit the suit under its original number in the register of civil suits, and proceed to determine the suit; and the evidence (if any) recorded during the original trial shall, subject to all just exceptions, be evidence during the trial after remand.
২৬০.
ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনের প্রেক্ষিতে জারি কার্যক্রম শুরু হতে পারে যদি ডিক্রিটি হয়-
  1. অগ্রক্রয়ের
  2. বন্টনের
  3. অর্থের
  4. বন্ধকের
সঠিক উত্তর:
অর্থের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থের
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১১ মৌখিক আবেদন:
১) যেক্ষেত্রে ডিক্রি টাকা পরিশোধের জন্য হয় সেক্ষেত্রে ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে ডিক্রি প্রদানের সময়েই ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনক্রমে আদালত, দায়িক আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত থাকলে গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রস্তুত করার পূর্বে তাকে গ্রেফতার ক্রমে তৎক্ষণাৎ জারির আদেশ প্রদান করতে পারে।
-----------
⇒ Order-21 Rule-11  Oral application: (1) Where a decree is for the payment of money the Court may, on the oral application of the decree-holder at the time of the passing of the decree, order immediate execution thereof by the arrest of the judgment-debtor, prior to the preparation of a warrant if he is within the precincts of the Court. 
২৬১.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৯ ধারা অনুসারে, অস্থাবর সম্পত্তি বা ব্যক্তিগত ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত মামলা কোথায় দায়ের করা যায়?
  1. যেখানে ক্ষতি হয়েছে
  2. যেখানে বিবাদী বাস করেন
  3. যেখানে বিবাদী কাজ করেন
  4. উল্লিখিত যে কোনো একটি আদালতে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যে কোনো একটি আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যে কোনো একটি আদালতে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৯ ধারায় বলা হয়েছে,
কোন ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে ক্ষতিসাধন করা হলে, এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা করলে বা লাভজনক কাজ করলে, বাদী দুই আদালতের যে কোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করতে পারবে।

অন্যদিকে, 
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত দেওয়ানী মোকদ্দমার বিষয়ে দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পর্কে ১৬, ১৭ এবং ১৮ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। অর্থাৎ স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা দায়েরের  দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার ১৬, ১৭ এবং ১৮ ধারা অনুসারে নির্ধারণ করতে হবে ও মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
----------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section- 19. Suits for compensation for wrongs to person or movables:
Where a suit is for compensation for wrong done to the person or to movable property, if the wrong was done within the local limits of the jurisdiction of one Court and the defendant resides, or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of another Court, the suit may be instituted at the option of the plantiff in either of the said Courts. 
 
Illustrations:
(a) A, residing in Chittagong beats B in Dhaka.  B may sue A either in Dhaka or in Chittagong. 
(b) A, residing in Chittagong publishes in Dhaka statements defamatory of B. B may sue A either in Dhaka, or in Chittagong.
২৬২.
নাবালকের মোকদ্দমার নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক আদালতের অনুমতি ছাড়া চুক্তি বা আপসে উপনীত হলে, উক্ত চুক্তি বা আপস-
  1. নাবালক ব্যতীত অপর সকল পক্ষের বিরুদ্ধে বৈধ হবে
  2. চুক্তি বা আপস পুনঃমূল্যায়ন করা হবে
  3. নাবালক ব্যতীত অপর সকল পক্ষের বিরুদ্ধে বাতিলযোগ্য হবে
  4. চুক্তি বা আপসে আইনগত প্রভাব ফেলবে না
সঠিক উত্তর:
নাবালক ব্যতীত অপর সকল পক্ষের বিরুদ্ধে বাতিলযোগ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাবালক ব্যতীত অপর সকল পক্ষের বিরুদ্ধে বাতিলযোগ্য হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২ বিধি-৭: মোকদ্দমার নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক কর্তৃক চুক্তি বা আপস:
১) মোকদ্দমার কোন নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক আদালতের কার্যধারায় স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ অনুমতি ব্যতিরেকে যে মোকদ্দমায় যে নেক্সট ফ্রেন্ড কিংবা অভিভাবক হিসাবে কার্য করে সে মোকদ্দমা প্রসঙ্গে নাবালকের পক্ষে কোন চুক্তি বা আপসে উপনীত হতে পারবে না।

২) আদালতের অনুরূপ লিপিবদ্ধ অনুমতি ব্যতিরেকে অনুরূপ কোন চুক্তি বা আপসে উপনীত হলে উক্ত নাবালক ব্যতীত অপর সকল পক্ষের বিরুদ্ধে তা বাতিলযোগ্য হবে।

Rule.-7: Agreement or compromise by next friend or guar-dian for the suit-
1) No next friend or guardian for the suit shall, without the leave of the Court, expressly recorded in the proceedings, enter into any agreement or compromise on behalf of a minor with reference to the suit in which he acts as next friend or guardian.

2) Any such agreement or compromise entered into without the leave of the Court so recorded shall be võidable against all parties other than the minor.
২৬৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন প্রেরণের বিধান আছে?
  1. আদেশ-১৭ বিধি-৩
  2. আদেশ-২৫ বিধি-৫
  3. আদেশ-২৪ বিধি-১
  4. আদেশ-২৬ বিধি-৯
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২৬ বিধি-৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২৬ বিধি-৯
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ আদেশের ৯ বিধির অধীন আদালত সরেজমিনে তদন্তের [Local Investigation] কমিশন ইস্যু করাতে পারে মামলার বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করার জন্য বা কোন সম্পত্তির বাজার দর, মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne Profit] ক্ষতিপূরণের টাকা, বাৎসরিক প্রকৃত মুনাফা নির্ণয় করার জন্য ।
- আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক ৩ মাসের মধ্যে স্থানীয় তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

আদেশ-২৬ বিধি-৯: স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন: যেকোনো মামলায় বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করা বা কোন সম্পত্তির বাজার মূল্য বা কোন পরিমাণ বা কোন অন্তবর্তীকালীন মুনাফা বা খেসারত বা বাৎসরিক খাটি মুনাফা নির্ণয় করার উদ্দেশ্যে আদলত স্থানীয় তদন্ত আবশ্যক বা উপযুক্ত মনে করলে আদলত যাকে উপযুক্ত মনে করবেন, সেই ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরণ করে বিষয়টি সম্পর্কে অনুরূপ তদন্ত করতে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক তিন মাস সময়ের মধ্যে উহার উপর প্রতিবেদন প্রদান করতে নির্দেশ দিতে পারেন।

তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনের আবেদনক্রমে এবং যথেষ্ট কারণ দর্শানো হয়ে সময় বর্ধিত করতে পারেন।
-------------
CPC Order-26 Rule-9.Commissions to make local investigations:
- In any suit in which the Court deems a local investigation to be requisite or proper for the purpose of elucidating any matter in dispute, or of ascertaining the market-value of any property, or the amount or any mesne profits or damages or annual net profits, the Court may issue a commission to such person as it thinks fit directing him to make such investigation and to report thereon to the Court within such time not exceeding three months as may be fixed by the Court.

Provided that the Court may, on the prayer of the Commissioner and on sufficient cause being shown, extend the time.
২৬৪.
আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম দেখালে আদালত তা সংশোধনের জন্য অনধিক ______ দিন সময় দিতে পারে।
  1. ১০
  2. ১৪
  3. ৩০
  4. ২১
সঠিক উত্তর:
২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি- ১১ এর বিধান আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান:  নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে-

ক) যেক্ষেত্রে এটা মোকদ্দমার কারণ প্রকাশ করেনি;

খ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকার কম মূল্যায়িত হয় এবং আদালতের নির্দেশ মত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়েছে;

গ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকারের যথার্থই মূল্যায়ন করা হয়েছে; কিন্তু প্রয়োজন অপেক্ষা কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশমত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে;

ঘ) যেক্ষেত্রে আরজির বিবৃতি অনুযায়ী উক্ত মোকদ্দমা কোন আইন দ্বারা বারিত বলে প্রতীয়মান হয়;
 
তবে শর্ত থাকে যে,
মোকদ্দমার মূল্যমান বা আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সংশোধন করার জন্য আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময় কোনক্রমেই ২১ দিনের অধিক হবে না।
২৬৫.
রায় একবার স্বাক্ষরযুক্ত হয়ে গেলে,তা সংশোধন করা যাবে-
  1. পুনঃরীক্ষণের মাধ্যমে
  2. আপিলের মাধ্যমে
  3. রিভিশনের মাধ্যমে
  4. উল্লিখিত যেকোনো মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
পুনঃরীক্ষণের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনঃরীক্ষণের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২০ নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনঃরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

• আদেশ ২০ বিধি-৩ঃ 
রায় ঘোষণার করার সময় বিচারক কর্তৃক উহা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত উহা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।
[The Judgment shall be dated and signed by the Judge in open Court at the time of pronouncing it and when once signed, shall not afterwards be altered or added to,save as provided by section 152 or on review.]

• উল্লেখ্য যে,দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
> করণিক বা গাণিতিক ভুল(clerical or arithmetical mistakes) অথবা
> আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির(accidental slip or omission); কারণে রায়,ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।
২৬৬.
স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের কোন ধরনের নিয়ন্ত্রন থাকবে?
  1. বিচারিক
  2. প্রশাসনিক
  3. প্রশাসনিক ও বিচারিক
  4. বিচারিক ও দাপ্তরিক
সঠিক উত্তর:
প্রশাসনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশাসনিক
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন থাকবে।

Section 9: Administrative control of Courts-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.
২৬৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪, বিধি ৩ অনুসারে, আদালত বিচার্য বিষয় (Issues) প্রণয়ন করতে পারেন কোনটি থেকে?
  1. শপথে প্রদত্ত অভিযোগ থেকে
  2. দাখিলকৃত দলিলের বিষয়বস্তু থেকে
  3. প্লিডিংস বা ইন্টারোগেটরির উত্তর থেকে
  4. উল্লিখিত সবগুলো থেকে 
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো থেকে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো থেকে 
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১৪, বিধি-৩-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারবেন নিম্নলিখিত সকল অথবা যে কোনো একটি উপাদান থেকে:
- শপথে প্রদত্ত অভিযোগ (পক্ষগণ/তাদের প্রতিনিধি/উকিল কর্তৃক)
- আরজি-জবাব বা প্রশ্নমালার উত্তরে উল্লেখিত অভিযোগ (প্লিডিংস/ইন্টারোগেটরি)
- যে কোনো পক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিলের বিষয়বস্তু থেকে
তাই তিনটি উপাদানই (ক, খ, গ) সঠিক, এবং পূর্ণাঙ্গ উত্তর হবে ঘ) উল্লিখিত সবগুলো থেকে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪ বিধি-৩: যে সকল বিষয় হতে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করা যায়:
আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর সকল কিংবা যে কোনটি থেকে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারেন-
ক) পক্ষগণ কর্তৃক কিংবা তাদের পক্ষে উপস্থিত কোন ব্যক্তিগণ কর্তৃক কিংবা উক্তরূপ ব্যক্তিসমূহের উকিলগণ কর্তৃক শপথের মাধ্যমে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ;
খ) আরজি জবাবে কিংবা মোকদ্দমায় প্রদত্ত প্রশ্নমালার উত্তরে রচিত অভিযোগসমূহ;
গ) কোন পক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিল পত্রের বিষয়বস্তু।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-14, Rule-3: Materials from which issues may be framed:
The Court may frame the issues from all or any of the following materials:-
a) allegations made on oath by the parties, or by any persons present on their behalf, or made by the pleaders of such parties;
b) allegations made in the pleadings or in answers to interrogatories delivered in the suit:
c) the contents of documents produced by either party.

২৬৮.
'ক’ একজন বিবাদী। তাকে আদালত দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি ২ এর অধীন ৪০ টাকা জামানত জমা দিতে নির্দেশ দেয়। কিন্তু ‘ক’ এই জামানত দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আদালত ‘ক’ কে সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য আটক রাখার আদেশ দিতে পারেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ৬ সপ্তাহ
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ সপ্তাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ সপ্তাহ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি ৪ অনুযায়ী আদালত বিবাদীকে জামানত দিতে ব্যর্থ হলে ৫০ টাকার বেশি হলে ৬ মাস এবং ৫০ টাকার কম হলে সর্বোচ্চ ৬ সপ্তাহের জন্য দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখার আদেশ দিতে পারেন।
⇒ এই আটক হলো আপিলযোগ্য আদেশ।
⇒ যেহেতু ‘ক’ আদালতের নির্দেশে ৪০ টাকা জামানত জমা দিতে ব্যর্থ হয়েছে তাই ৬ সপ্তাহের জন্য আটক হতে পারেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৪: জামানত দিতে ব্যর্থ হলে দেওয়ানি কারাগারে আটক:- ২ ও ৩ বিধি অনুযায়ী বিবাদী জামানত দিতে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত বিবাদীকে দেওয়ানি কারাগারে প্রেরণ করতে পারে। সাব্যস্ত দেনাদারকে দেওয়ানি কারাগারে আটকের পরিমাণ নিম্নরূপ-
- ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমাণ ৫০/- টাকা বা তার কম হলে ৬ সপ্তাহ আটক রাখা যাবে; এবং
- ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমাণ ৫০/- টাকার বেশী হলে ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা যেমন-বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক বা বন্ধক মুক্তি অথবা স্বত্বের মামলায় আদালত রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেনা।
-অপর্যাপ্ত কারণে বিবাদীকে গ্রেফতার করা হলে অথবা বাদীপক্ষ মামলা দায়ের করার যৌক্তিক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হলে, আদালত বাদীকে এক হাজার (১০০০/-) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারেন।
- শুধুমাত্র অর্থের মোকদ্দমায় বিবাদীকে রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তার করা যায় এবং রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে বিবাদীকে সর্বোচ্চ ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
------------
⇒ CPC Order-38 Rule-4.Procedure where defendant fails to furnish security or find fresh security:
- Where the defendant fails to comply with any order under rule 2 or rule 3, the Court may commit him to the civil prison until the decision of the suit or, where a decree is passed against the defendant, until the decree has been satisfied:

Provided that no person shall be detained in prison under this rule in any case for a longer period than six months, nor for a longer period than six weeks when the amount or value of the subject-matter of the suit does not exceed fifty Taka:
Provided also that no person shall be detained in prison under this rule after he has complied with such order.
২৬৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৪, বিধি-২(১) অনুসারে, ফোরক্লোজার মামলায় প্রাথমিক ডিক্রিতে কত মাসের মধ্যে টাকা পরিশোধের সময় দেওয়া হয়?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ২ মাস
  4. ১ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৪, বিধি-২(১) অনুসারে, ফোরক্লোজার মামলায় প্রাথমিক ডিক্রিতে আদালত বন্ধকদাতাকে সর্বোচ্চ ৬ মাস সময় দেয়। এই সময়ের মধ্যে পুরো টাকা পরিশোধ করলে সম্পত্তি ফেরত পাবে, না দিলে রিডেম্পশনের অধিকার চিরতরে বন্ধ (foreclosed) হয়ে যাবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৪, বিধি ২(১)(গ) অনুসারে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "if the defendant pays into Court the amount so found or declared due on or before such date as the Court may fix within six months from the date on which the Court confirms and countersigns the account taken under clause (a), or from the date on which such amount is declared in Court under clause (b)"

- অর্থাৎ, ফোরক্লোজার মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি পাওয়ার পর ৬ মাসের মধ্যে বিবাদীকে (বন্ধকদাতা) বকেয়া টাকা আদালতে জমা দিতে হবে। এই সময়সীমার মধ্যে টাকা জমা দিতে ব্যর্থ হলে বাদী (বন্ধকগ্রহীতা) চূড়ান্ত ডিক্রির জন্য আবেদন করতে পারবেন, যা বিবাদীর প্রতিপূরণ অধিকার (right of redemption) বাতিল করবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-34 Rule-2. Preliminary decree in foreclosure suit:
(1) In a suit for foreclosure, if the plaintiff succeeds, the Court shall pass a preliminary decree -
(a) ordering that an account be taken of what was due to the plaintiff at the date of such decree for-
(i) principal and interest on the mortgage,
(ii) the costs of suit, if any, awarded to him, and
(iii) other costs, charges and expenses properly incurred by him up to that date in respect of his mortgagesecurity, together with interest thereon; or
(b) declaring the amount so due at that date; and
(c) directing
(i) that, if the defendant pays into Court the amount so found or declared due on or before such date as the Court may fix within six months from the date on which the Court confirms and countersigns the account taken under clause (a), or from the date on which such amount is declared in Court under clause (b), as the case may be, and thereafter pays such amount as may be adjudged due in respect of subsequent costs, charges and expenses as provided in rule 10, together with subsequent interest on such sums respectively as provided in rule 11, the plaintiff shall deliver up to the defendant, or to such person as the defendant appoints, all documents in his possession or power relating to the mortgaged . property, and shall, if so required, retransfer the property to the defendant at his costs free from the mortgage and from all encumbrances created by the plaintiff or any person claiming under him, or, where the plaintiff claims by derived title, by those under whom he claims, and shall also, if necessary, put the defendant in possession of the property; and
(ii) that, if payment of the amount found or declared due under or by the preliminary decree is not made on or before the date so fixed, or the defendant fails to pay, within such time as the Court may fix, the amount adjudged due in respect of subsequent costs, charges, expenses and interest, the plaintiff shall be entitled to apply for a final decree debarring the defendant from all right to redeem the property.
(2) The Court may, on good cause shown and upon terms to be fixed by the Court, from time to time, at any time before a final decree is passed, extend the time fixed for the payment of the amount found or declared due under sub-rule (1) or of the amount adjudged due in respect of subsequent costs, charges, expenses and interest.
(3) Where, in a suit for foreclosure, subsequent mortgagees or persons deriving title from, or subrogated to the rights of, any such mortgagees are joined as parties, the preliminary decree shall provide for the adjudication of the respective rights and liabilities of the parties to the suit in the manner and form set forth in Form No. 9 or Form No. 10, as the case may be, of Appendix D with such variations as the circumstances of the case may require. 

২৭০.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৬, বিধি ১৪ অনুযায়ী, আদালত কখন তৃতীয় পক্ষকে সাক্ষী হিসেবে সমন দিতে পারে?
  1. যখন বাদী বা বিবাদী আবেদন করে
  2. যখন তৃতীয় পক্ষ কোন দলিল দাখিল করতে চায়
  3. যখন সাক্ষী পক্ষের কেউ উপস্থিত না থাকে
  4. যখন আদালত নিজে মনে করে যে ওই ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে প্রয়োজন
সঠিক উত্তর:
যখন আদালত নিজে মনে করে যে ওই ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে প্রয়োজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন আদালত নিজে মনে করে যে ওই ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে প্রয়োজন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৬, বিধি ১৪ অনুযায়ী, যখন আদালত নিজে মনে করে যে ওই ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে প্রয়োজন তখন তৃতীয় পক্ষকে সাক্ষী হিসেবে সমন দিতে পারে।

⇒ আদেশ-১৬ এ সাক্ষীর প্রতি সমন এবং হাজিরা সম্পর্কিত বিধি-বিধান রয়েছে।
⇒ আদেশ ১৬ বিধি-১৪ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমায় আগন্তুককে(৩য় ব্যক্তিকে) ঐচ্ছিক ক্ষমতায় সাক্ষী হিসেবে সমন দিতে পারে।
- হাজিরা এবং উপস্থিতি সম্পর্কে উক্ত আইনের বিধানাবলি এবং বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন সাপেক্ষে যেক্ষেত্রে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার পক্ষ নয় এরূপ কোন ব্যক্তিকে এবং মোকদ্দমার পক্ষ কর্তৃক সাক্ষী হিসাবেও ডাকা হয়নি এরূপ কোন ব্যক্তিকে জবানবন্দি করিতে প্রয়োজন বোধ সেক্ষেত্রে আদালত স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে উক্ত ব্যক্তিকে নির্ধারিত কোন তারিখে সাক্ষ্য দানের নিমিত্ত বা তার হস্তগত কোন দলিল দাখিল করতে সাক্ষী হিসাবে ঐ ব্যক্তিকে সমন করাতে পারবে এবং তাকে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবে বা অনুরূপ দলিল দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারবে।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-16 Rule-14: Court may of its own accord summon as witnesses strangers to suit-
Subject to the provisions of this Code as to attendance and appearance and to any law for the time being in force, whether the Court at any time thinks it necessary to examine any person other than a party to the suit and not called as a witness by a party to the suit, the Court may, of its own motion, cause such person to be summoned as a witness to give evidence, or to produce any document in his possession, on a day to be appointed, and may examine him as a witness or require him to produce such document.
২৭১.
ডিক্রি জারি মূলে কোন সম্পত্তির নিলাম বিক্রি হলে বিক্রির কত দিনের মধ্যে ক্রয়মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৮৫ এর বিধান ক্রয়মূল্যের পুরো টাকা পরিশোধের জন্যে সময় :
- ক্রয়মূল্যের সম্পূর্ণ টাকা সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হবে।
-----------
Order-21 Rule-85.Time for payment in full of purchase-money:
The full amount of purchase-money payable shall be paid by the purchaser into Court before the Court closes on the fifteenth day from the sale of the property:
Provided that, in calculating the amount to be so paid into Court, the purchaser shall have the advantage of any setoff to which he may be entitled under rule 72.
২৭২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮, বিধি ২০ অনুসারে আদালত প্রতিদিন সর্বাধিক কতটি মোকদ্দমা peremptory hearing এর জন্য দৈনিক cause list-এ নির্ধারণ করতে পারবে?
  1. পাঁচটি
  2. সাতটি
  3. দশটি
  4. পনেরটি
সঠিক উত্তর:
দশটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দশটি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৮ বিধি ২০ অনুসারে, দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং XVIII, ২০২৫) এর মাধ্যমে নির্ধারিত বিধানে বলা হয়েছে যে, আদালত দৈনিক মামলার তালিকায় চূড়ান্ত শুনানি (Peremptory hearing) এর জন্য সর্বোচ্চ ১০টি মামলা নির্ধারণ করতে পারে, যার মধ্যে ৪টি অংশবিশিষ্ট (Part-heard) মামলা থাকতে পারে। এছাড়া, চূড়ান্ত পর্যায়ে মোট ২০০টি মামলার বেশি থাকবে না, এবং যখন মামলার সংখ্যা ১৪০টির নিচে নামবে, তখন মামলা দাখিলের তারিখের ক্রমানুসারে আরও মামলা চূড়ান্ত পর্যায়ে আনা হবে।
অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ২০ (Order XVIII Rule 20) অনুসারে, দৈনিক মামলার তালিকায় (daily cause list) চূড়ান্ত শুনানির (peremptory hearing) জন্য সর্বোচ্চ ১০ (দশ) টি মামলা নির্ধারণ করা যাবে। এই ১০টি মামলার মধ্যে আংশিক শুনানিকৃত (part-heard) মামলা সর্বোচ্চ ৪টি থাকতে পারে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-18, Rule-20.Fixation of suits in the daily cause list, etc:
Court shall not fix, more than ten suits, including four part-heard suits, in the daily cause list for peremptory hearing, and more than two hundred suits in the peremptory stage; and when upon disposal, the total number of suits in the peremptory stage comes down to less than one hundred forty, the Court shall then bring in more suits in the peremptory stage, generally in the order of dates of institution of suits: 
Provided that if in any Court, the number of suits made ready for hearing is not sufficient for fixation in the manner as aforesaid, it shall be in the discretion of the Court to make the fixation in a reasonable manner.
Explanation.In this rule the word "peremptory" shall have the meaning with reference to the word used in Civil Rules and Orders.

২৭৩.
আদেশ ২৬ বিধি ১ অনুযায়ী কোন পরিস্থিতিতে আদালত সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারে?
  1. সাক্ষী স্বেচ্ছায় সাক্ষ্য প্রদান করতে না চাইলে
  2. সাক্ষী মামলার বিবাদী হলে
  3. অসুস্থতার কারণে সাক্ষী উপস্থিত হতে অক্ষম হলে
  4. সাক্ষী আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকার বাইরে বাস করলে
সঠিক উত্তর:
অসুস্থতার কারণে সাক্ষী উপস্থিত হতে অক্ষম হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসুস্থতার কারণে সাক্ষী উপস্থিত হতে অক্ষম হলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৬ বিধি ১: যে সকল ক্ষেত্রে আদালত সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারে:
আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় বসবাসকারী কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীনে আদালতে উপস্থিত হওয়া থেকে অব্যাহতি প্রাপ্ত হয়ে থাকলে বা অসুস্থতা বা দুর্বলতার কারণে এতে উপস্থিত হতে অক্ষম হলে আদালত প্রশ্নাবলীর মাধ্যমে বা অন্যভাবে উক্ত ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য যে কোন আদালত যে কোন মোকদ্দমায় কমিশন প্রেরণ করতে পারবেন।

Order 26 Rule 1: Cases in which Court may issue commission to examine witness:
Any Court may in any suit issue a commission for the examination on interrogatories or otherwise of any person resident within the local limits of its jurisdiction who is exempted under this Code from attending the Court or who is from sickness or infirmity unable to attend it.
২৭৪.
"Witnesses to be examined in open Court"-কোন আদেশে দেয়া আছে?
  1. আদেশ ১৮ বিধি ৬
  2. আদেশ ১৮ বিধি ৪
  3. আদেশ ১৮ বিধি ২
  4. আদেশ ১৮ বিধি ৩
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৮ বিধি ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৮ বিধি ৪
ব্যাখ্যা
• মোকদ্দমার শুনানী (Hearing of suit) অর্থ হলো, আদালতে কোনো মামলার বিচারকার্য যেখানে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ করে বা যুক্তিতর্ক শোনে ইত্যাদি।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ১৮ বিধি ৪ (প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দি)-
হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিচারকের উপস্থিতিতে, ব্যক্তিগত নির্দেশনায় এবং তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে।

[Witnesses to be examined in open Court-
The evidence of the witnesses in attendance shall be taken orally in open Court in the presence and under the personal direction and superintendence of the Judge.]
২৭৫.
According to Order-21, Rule-82 of the Code of Civil Procedure, Which court cannot order sale of immovable property in execution of decrees?
  1. High Court
  2. District Court
  3. Civil Judge's Court
  4. Court of Small Causes
সঠিক উত্তর:
Court of Small Causes
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Court of Small Causes
ব্যাখ্যা

⇒ According to Order-21, Rule-82 of the Code of Civil Procedure, 1908,
“Sales of immoveable property in execution of decrees may be ordered by any Court other than a Court of Small Causes.”
This means all courts — except the Court of Small Causes — have the authority to order the sale of immovable property when executing a decree.

Sale of Immoveable Property:
⇒ Order XXI, Rule 82 – Code of Civil Procedure, 1908- What Courts may order sales:
- Sales of immoveable property in execution of decrees may be ordered by any Court other than a Court of Small Causes.

অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২১, বিধি-৮২ – যে আদালত বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে:
ডিক্রি কার্যকর করার ক্ষেত্রে অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের আদেশ Court of Small Causes আদালত ব্যতীত যেকোনো আদালত দিতে পারে।

২৭৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান মতে আপিল আদালত পুনর্বিচারের নিমিত্তে মোকদ্দমা প্রেরণ করতে পারেন?
  1. ১০৪
  2. ১০৭
  3. ১৪০
  4. ১৪৪
সঠিক উত্তর:
১০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৭
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারায় আপিল আদালতকে চারটি ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে- 
১)  আপিলে মোকদ্দমাটি চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করা [To determine a case finally];
২) পুনঃবিচারের নিমিত্তে নিম্ন আদালতে মোকদ্দমা প্রেরণ করা [To remand a case]; অর্থাৎ- মোকদ্দমাটি পুনঃবিচারের জন্য নিম্ন আদালতে প্রেরণ করা/ফেরত পাঠানো;
৩) পুনঃবিচারে প্রেরণের জন্য বিচার্য বিষয় গঠন [To frame issues and refer them for trial]; অর্থাৎ, শুনানির পর্যায়ে যদি প্রতীয়মান হয় যে, যেসব ইস্যুর উপর মূল মামলাটি নিষ্পত্তি করা হয়েছে তার অতিরিক্ত আরও বিচার্য বিষয় (issues) প্রণয়ন করা প্রয়োজন, তখন বিচার্য বিষয় গঠন/প্রণয়ন করা এবং সেইগুলো বিচারের জন্য প্রেরণ করা।
8) প্রয়োজনে অতিরিক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ গ্রহণ করা বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করা [To take additional evidence or to require such evidence to be taken]।

------------------------------
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারার বিধান: আপিল আদালতের ক্ষমতা:-
১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, তৎসাপেক্ষে আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
ক) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলো বিচারার্থে প্রেরণ করার;
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করতে ক্ষমতা।

২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যেরূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।
-------------------------
⇒ CPC Section 107. Powers of Appellate Court:
(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, an Appellate Court shall have power- 
(a) to determine a case finally; 
(b) to remand a case; 
(c) to frame issues and refer them for trial; 
(d) to take additional evidence or to require such evidence to be taken. 
 
(2) Subject as aforesaid, the appellate Court shall have the same powers and shall perform as nearly as may be the same duties as are conferred and imposed by this Code on Courts of original jurisdiction in respect of suits instituted therein.
২৭৭.
ডিক্রি জারির আবেদনটি স্বাক্ষরিত এবং সত্যতা প্রতিপাদন হবে-
  1. আবেদনকারী কর্তৃক
  2. উক্ত বিষয়ের সাথে পরিচিত কোন ব্যক্তি কর্তৃক
  3. আইনজীবী কর্তৃক
  4. 'ক' বা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১১ মৌখিক আবেদন:
১) যেক্ষেত্রে ডিক্রি টাকা পরিশোধের জন্য হয় সেক্ষেত্রে ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে ডিক্রি প্রদানের সময়েই ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনক্রমে আদালত, দায়িক আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত থাকলে গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রস্তুত করার পূর্বে তাকে গ্রেফতার ক্রমে তৎক্ষণাৎ জারির আদেশ প্রদান করতে পারে।

২) লিখিত আবেদনঃ উপরোক্ত (১) উপ-বিধিতে বর্ণিত ভিন্নরূপ কোন বিধান ব্যতিরেকে ডিক্রিজারির প্রত্যেক আবেদন আবেদনকারী কর্তৃক বা আদালতের পরিতৃষ্টি মোতাবেক মোকদ্দমার ঘটনার সাথে পরিচিত বলে প্রমাণিত অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত, স্বাক্ষরিত এবং সত্যতা প্রতিপাদনকৃত হতে হবে, এবং সারণীবদ্ধভাবে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে, যথা-

ক) মোকদ্দমার নম্বর:
খ) পক্ষদের নাম:
গ) ডিক্রির তারিখ:
ঘ) ডিক্রিটি হতে কোন আপিল দায়ের করা হয়েছে কিনা;
ঙ) ডিক্রির পরবর্তীতে পক্ষদের ভিতর বিতর্কিত বিষয়ে কোন পরিশোধ বা অন্যরূপ সমন্বয় সাধন হয়েছে কিনা এবং (যদি কোন) হয়ে থাকে তবে এর পরিমাণ;
চ) ডিক্রি জারির জন্য পূর্বে কোন আবেদন করা হয়েছে কিনা এবং (যদি কোন) করা হয়ে থাকে কিরূপ আবেদন করা হয়েছে ঐরূপ আবেদনের তারিখ ও ফলাফল;
ছ) ডিক্রির উপর প্রাপ্য সুদসহ (যদি কোন) টাকার পরিমাণ বা এটির দ্বারা মঞ্জুরীকৃত অন্য কোন প্রতিকার, জারি হওয়ার জন্য প্রার্থিত ডিক্রির তারিখের পূর্বে বা পরে কোন পাল্টা ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে তার বিবরণ;
জ) মঞ্জুরীকৃত ব্যায়াদি (যদি কোন) পরিমাণ;
ঝ) যার বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি প্রার্থনা করা হয় তার নাম; এবং
ঞ) নিম্নোক্ত যে পদ্ধতিতে আদালতে সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তা-

নিন্মলিখিত ভাবে আদালত ডিক্রি জারি করতে পারে:
১. সুস্পষ্টভাবে ডিক্রিপ্রাপ্ত কোন সম্পত্তি অর্পণের দ্বারা,
২. কোন সম্পত্তির ক্রোক এবং নিলাম বিক্রয়ের দ্বারা বা ক্রোক ব্যতীত নিলাম বিক্রয় দ্বারা,
৩. কোন ব্যক্তির গ্রেফতার এবং জেলে আটক,
৪. তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্তির দ্বারা,
৫. মঞ্জুরীকৃত প্রতিকারের ধরণে প্রয়োজন হতে পারে এ রকম অন্য কোনভাবে হতে পারে।

৩) উপরোক্ত (২) উপ-বিধির অধীনে যে আদালতে আবেদন করা হবে, ঐ আদালত আবেদনকারীকে ডিক্রির একটি প্রত্যায়িত নকল দাখিল করতে তলব করতে পারে।
২৭৮.
নিচের কোনটি রায়ের পূর্বে ক্রোক করা যায় না?
  1. জমির ফসল
  2. জমি
  3. ব্যাংকের টাকা
  4. কোম্পানীর শেয়ার
সঠিক উত্তর:
জমির ফসল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমির ফসল
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ নং আদেশের এর ১২ বিধিতে বলা হয়েছে, আদালত কৃষি পণ্য আটকের আদেশ দিতে পারে না যদি উক্ত কৃষি পণ্য কৃষকের দখলে থাকে।

- দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ৩৮ বিধি-১২: কৃষিজ দ্রব্য রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়:
এই আদেশের কোন বিধানই বাদিকে কৃষকের দখলে থাকা কোন কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য আবেদন করার ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বা আদালতকে ক্রোক বা অনুরূপ কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য হাজির করার আদেশ দানের ক্ষমতা প্রদান করবে বলে গণ্য করা যাবে না।

অর্থাৎ জমির ফসল রায়ের পূর্বে ক্রোক করা যায় না।
------------------
⇒ CPC Order-38 Rule-12.Agricultural produce not attachable before judgment: 
Nothing in this Order shall be deemed to authorise the plaintiff to apply for the attachment of any agricultural produce in the possession of an agriculturist, or to empower the Court to order the attachment or production of such produce.
২৭৯.
দেওয়ানি মোকদ্দমার শুনানির সময় বাদী অনুপস্থিত এবং বিবাদী উপস্থিত থাকলে, মোকদ্দমার ফলাফল কী হবে?
  1. মোকদ্দমা স্থগিত
  2. মোকদ্দমা খারিজ
  3. একতরফা ডিক্রি
  4. নতুন মোকদ্দমা দায়ের
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি ৮: শুধু বিবাদি হাজির হয়ে থাকলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে বিবাদী হাজির হয়, কিন্তু বাদী হাজির না হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবী বা উহার অংশ স্বীকার না করলে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ প্রদান করবেন; কিন্তু বিবাদী যদি বাদীর দাবী কিংবা উহার অংশ স্বীকার করে, তাহলে আদালত ঐ অনুপাতে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি দান করবেন, এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবী সম্পর্কে মোকদ্দমা খারিজ করবে।

Order 9 Rule 8: Procedure where defendant only appears:
Where thedefendant appears and the plaintiff does not appear when the suit is called on for hearing, the Court shall make an order that the suit be dismissed, unless the defendant admits the claim, or part thereof, in which case the Court shall pass a decree against the defendant upon such admission, and, where part only of the claim has been admitted, shall dismiss the suit so far as it relates to the remainder.

• ৮ বিধির অধীন খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে বাদীর প্রতিকার:
বাদী হাজির না হওয়ার কারণে ৮ বিধির অধীন আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিলে, উক্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে বাদী নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নিতে পারে-
১. মোকদমা খারিজ আদেশ বাতিলের [For setting aside the order of dismissal] জন্য ৯ বিধির অধীন আবেদন করতে পারে;
২. খারিজ আদেশ সরাসরি বাতিলের [Directly Setting aside dismissal] জন্য ৯ক বিধির অধীন আবেদন করতে পারে।

⇒ ৮ বিধির অধীন মোকদ্দমা খারিজ হলে, বাদী উক্ত একই কারণে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।
২৮০.
দেওয়ানী কার্যবিধির ২৪ ধারা অনুযায়ী, স্থানান্তর বা প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করতে হলে কাকে নোটিশ দিতে হবে?
  1. মামলার বাদীকে
  2. মামলার বিবাদীকে
  3. মামলার সকল পক্ষকে
  4. মামলার সাক্ষীকে
সঠিক উত্তর:
মামলার সকল পক্ষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার সকল পক্ষকে
ব্যাখ্যা

→ দেওয়ানী কার্যবিধির ২৪ ধারা- স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা:
 (১) মামলার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকলপক্ষকে নোটিশ দিয়া এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যে কোন স্তরে
ক) তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং ইহা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা
খ) তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং
১. ইহার বিচার বা নিস্পত্তি করতে পারেন, অথবা
২. ইহার বিচার বা নিম্পত্তি করার উপযুক্ত কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্যে স্থানান্তর করতে পারেন, অথবা
৩. যে আদালত হতে উহা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
২) কোন মামলা (১) উপধারা অনুসারে স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত হয়ে থাকলে পরে যে আদালতে ইহার বিচার হয়, সেই আদালত স্থানান্তরের বিষয়ে বিশেষ নির্দেশ সাপেক্ষে পূর্ণ বিচার করতে পারেন, অথবা যে পর্যায় হতে উহা স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই পর্যায় হতে বিচার শুরু করতে পারেন।
(৩) এই ধারার উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত ও সহকারী জজের আদালতকে জেলা কোর্টের অধীন বলে গণ্য করতে হবে।
(৪) স্মলকজ কোর্ট হতে স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত মামলার বিচারকারী আদালতকে উক্ত মামলার ব্যাপারে স্মলকজ কোর্ট বলে গণ্য করতে হবে।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-24. General power of transfer and withdrawal:
(1) On the application of any of the parties and after notice to the parties and after hearing such of them as desire to be heard, or of its own motion without such notice, the High Court Division or the District Court may at any stage-
(a) transfer any suit, appeal or other proceeding pending before it for trial or disposal to any Court subordinate to it and competent to try or dispose of the same, or 
(b) withdraw any suit, appeal or other proceeding pending in any Court subordinate to it, and 
(i) try or dispose of the same; or 
(ii) transfer the same for trial or disposal to any Court subordinate to it and competent to try or dispose of the same; or 
(iii) retransfer the same for trial or disposal to the Court from which it was withdrawn. 
(2) Where any suit or proceeding has been transferred or withdrawn under sub-section (1), the Court which thereafter tries such suit may, subject to any special directions in the case of any order of transfer, either retry it or proceed from the point at which it was transferred or withdrawn. 
(3) For the purposes of this section, Courts of Additional and Assistant Judges shall be deemed to be subordinate to the District Court. 
(4) The Court trying any suit transferred or withdrawn under this section from a Court of Small Causes shall, for the purposes of such suit, be deemed to be a Court of Small Causes.

২৮১.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর কোন ধারায় “ডিক্রী জারীতে সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের” বিধান রয়েছে?
  1. ৬০ ধারা
  2. ৬১ ধারা
  3. ৫৬ ধারা
  4. ৬৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৬০ ধারায় বলা হয়েছে যে,ডিক্রী জারী করার জন্য দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে।
 • ডিক্রী জারী করার জন্য কিছু সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যায় না।
• পরিধেয় বস্ত্রাদি, বিছানা, রান্না বাসন, চাষির বাসগৃহ, হিসাবের খাতাপত্র ইত্যাদি।
২৮২.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী শুনানির দিন কোন পক্ষই উপস্থিত না হলে আদালত কী করবে?
  1. মামলা স্থগিত রাখবে
  2. মামলা খারিজ করবে
  3. একতরফা রায় দেবে
  4. নতুন সমন জারি করবে
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order IX, Rule 3 অনুযায়ী, যদি শুনানির দিন বাদী এবং বিবাদী উভয়ই আদালতে উপস্থিত না থাকে, তবে আদালত মামলা খারিজ করার আদেশ দিতে পারে।
- Order IX, Rule 4-এ বলা হয়েছে, মামলাটি খারিজ হওয়ার পর বাদী নতুন মামলা দায়ের করতে পারে বা খারিজ আদেশ বাতিলের জন্য আবেদন করতে পারে, তবে এটি তামাদি আইন সাপেক্ষে।
২৮৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির অনুসারে "পাবলিক অফিসার" (public officer) এর সংজ্ঞায় নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. একজন বিচারক
  2. একজন আইনজীবী
  3. বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিসের সদস্য
  4. একজন ব্যক্তি যিনি সরকারী খরচ করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
একজন আইনজীবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একজন আইনজীবী
ব্যাখ্যা

⇒  দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ২(১৭) অনুযায়ী, "পাবলিক অফিসার" এর সংজ্ঞায় বিচারক, সিভিল সার্ভিসের সদস্য এবং সরকারি খরচ করতে পারেন এমন ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু আইনজীবী অন্তর্ভুক্ত নন। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) একজন আইনজীবী।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ২(১৭) অনুযায়ী, "পাবলিক অফিসার" এর সংজ্ঞায় নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণির ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই সংজ্ঞায় যারা অন্তর্ভুক্ত তাদের মধ্যে রয়েছে:
(ক) প্রত্যেক বিচারক (Judge)।
(খ) বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিসের সদস্য।
(গ) বাংলাদেশের সামরিক, নৌ, বা বিমান বাহিনীর কমিশন্ড বা গেজেটেড অফিসার।
(ঘ) আদালতের এমন কর্মকর্তা যারা আইন বা তথ্য তদন্ত, নথি প্রস্তুত, সম্পত্তি হেফাজত বা বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পাদনের দায়িত্ব পালন করেন।
(ঙ) যে ব্যক্তি কাউকে বন্দি রাখার ক্ষমতা রাখেন।
(চ) অপরাধ প্রতিরোধ, তথ্য সংগ্রহ, অপরাধীকে বিচারের আওতায় আনা বা জনস্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও সুবিধা রক্ষার দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা।
(ছ) সরকারের পক্ষে সম্পত্তি গ্রহণ, ব্যয়, জরিপ, চুক্তি, রাজস্ব প্রক্রিয়া সম্পাদন, তদন্ত বা নথি প্রস্তুতকারী কর্মকর্তা।
(জ) সরকারের বেতনে বা ফি/কমিশনের মাধ্যমে জনসেবায় নিয়োজিত কর্মকর্তা।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 2(17) "public officer" means a person falling under any of the following descriptions, namely:-
(a) every Judge;
(b) every member of the Civil Service of The Republic;
(c) every commissioned or gazetted officer in the military, naval or air forces of Bangladesh while in the service of the Republic;
(d) every officer of a Court of Justice whose duty it is, as such officer, to investigate or report on any matter of law or fact, or to make, authenticate or keep any document, or to take charge or dispose of any property, or to execute any judicial process, or to administer any oath, or to interpret, or to preserve order, in the Court, and every person especially authorised by a Court of Justice to perform any of such duties;
(e) every person who holds any office by virtue of which he is empowered to place or keep any person in confinement;
(f) every officer of the Government whose duty it is, as such officer, to prevent offences, to give information of offences, to bring offenders to justice, or to protect the public health, safety or convenience;
(g) every officer whose duty it is, as such officer, to take, receive, keep or expend any property on behalf of the Government, or to make any survey, assessment or contract on behalf of the Government, or to execute any revenue-process, or to investigate, or to report on, any matter affecting the pecuniary interest of the Government, or to make, authenticate or keep any document relating to the pecuniary interests of the Government, or to prevent the infraction of any law for the protection of the pecuniary interests of the Government; and
(h) every officer in the service or pay of the Republic, or remunerated by fees or commission for the performance of any public duty.

২৮৪.
কালেক্টরকে রিসিভার নিয়োগের জন্য কার সম্মতি প্রয়োজন?
  1. বাদীর
  2. মোকদ্দমার উভয় পক্ষের
  3. সরকারের
  4. কালেক্টরের নিজস্ব
সঠিক উত্তর:
কালেক্টরের নিজস্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালেক্টরের নিজস্ব
ব্যাখ্যা

Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৪০ বিধি ৫: কখন কালেক্টরকে রিসিভার নিয়োগ করা যায়:
যেখানে সম্পত্তি এমন ভূমি যা সরকারকে রাজস্ব প্রদান করে, বা এমন ভূমি যার রাজস্ব হস্তান্তরিত বা খালাসকৃত হয়েছে, এবং আদালত বিবেচনা করে যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের স্বার্থ কালেক্টরের ব্যবস্থাপনায় উন্নীত হবে, তাহলে আদালত কালেক্টরের সম্মতিতে তাকে উক্ত সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারে।

২৮৫.
মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর বাদি কখন তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র রায় ঘোষণার পর
  2. শুধুমাত্র বিচার শুরুর আগে
  3. শুধুমাত্র সাক্ষ্য গ্রহণের আগে
  4. মোকদ্দমা রুজুর পর যে কোন সময়
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা রুজুর পর যে কোন সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা রুজুর পর যে কোন সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩, বিধি ১ অনুসারে:“মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদী সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবির আংশিক পরিত্যাগ করতে পারেন।”
- অর্থাৎ, এই বিধানে সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি, বরং বলা হয়েছে "মোকদ্দমা রুজুর পর যে কোন সময়", তাই বাদী মামলার যেকোনো স্তরে, এমনকি রায় ঘোষণার আগমুহূর্তেও, তার মামলা বা দাবির একটি অংশ প্রত্যাহার করতে পারেন।
- তবে যদি বাদী পরবর্তীতে একই বিষয় নিয়ে নতুন মামলা করতে চান, তাহলে আদেশ-২৩, বিধি-১ অনুসারে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩ বিধি-১ এর বিধান মোকদ্দমা প্রত্যাহার কিংবা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:
১) মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদি সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে।
--------
⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-23 Rule-1. Withdrawal of suit or abandonment of part of claim.
(1) At any time after the institution of a suit the plaintiff may, as against all or any of the defendants, withdraw his suit or abandon part of his claim.
২৮৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধরার অধীন মধ্যস্থতার [Mediation] মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে-
  1. আপিল করা যাবে
  2. রিভিশন করা যাবে
  3. আপীল করা যাবে না কিন্তু রিভিশন করা যাবে
  4. আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ আদেশ ২৩ (৩) বিধির অধীন সোলে বা আপস ডিক্রি [compromise] বা সম্মতিসূচক [consent decree] ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না কিন্তু রিভিশন করা যায়।
কিন্তু ৮৯ক ধারার অধীন মধ্যস্থতার [Mediation] মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যায় না।
-----------
CPC- Section 89A(12) No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of settlement between the parties under this section.
২৮৭.
সিভিল প্রসিডিউর কোডের কোন ধারায় রেস সাব-জুডিস এর নীতি বর্ণিত আছে?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১২
সঠিক উত্তর:
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০
ব্যাখ্যা
♦ রেস সাব-জুডিস- দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারার বিধান অনুযায়ী একই বিষয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মধ্যে একই সময়ে একাধিক মোকদ্দমা দায়ের করা যায় না।

ল্যাটিন শব্দ রেস (Res) এবং সাবজুডিস (Subjudice) থেকে রেস সাবজুডিস শব্দটির উৎপত্তি। ল্যাটিন রেস (Res) অর্থ বিষয় এবং সাবজুডিস (Subjudice) অর্থ আদালতে বিচারাধীন অর্থাৎ Res subjudice অর্থ আদালতের বিচারাধীন বিষয়।

পক্ষগণ যাতে একই বিষয়ে অধিক মামলা মোকদ্দমায় জড়িয়ে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং বিচার বিভ্রান্তি না ঘটে সে উদ্দেশ্যে রেস সাবজুডিস নীতিটি প্রয়োগ করা হয়। দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারায় রেস সাবজুডিস নীতিটির প্রতিফলন ঘটেছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারায় যদিও Res-subjudice শব্দটি একবারও ব্যবহার হয়নি তবে ১০ ধারায় Res-subjudice শব্দটির পরিবর্তে Stay of suit শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। 

সাবজুডিস নীতি অনুযায়ী একই বিচার্য বিষয়ে পক্ষগণের মধ্যে দুইটি পৃথক মামলার বিচার একই সময়ে চলতে পারে না। সে ক্ষেত্রে পূর্বে দায়েরকৃত মামলাটির বিচার সাপেক্ষে পরবর্তী মামলার বিচার কার্য স্থগিত রাখতে হবে। কোন দেওয়ানী মামলায় রেস সাবজুডিস নীতি প্রয়োগ করতে হলে নিম্নলিখিত শর্তসমূহ পূরণ করতে হয়-
i) পূর্বে দায়েরকৃত মামলা আদালতে বিচারাধীন থাকতে হবে;

ii) পূর্বে দায়েরকৃত মামলা অবশ্যই সেই আদালতে বিচারাধীন থাকতে হবে, যেখানে পরবর্তী মামলা দায়ের করা হয়েছে;

iii) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলার পক্ষসমূহ একই হবে এবং একই স্বত্বের অধীন (Under same title) হতে হবে;

iv) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলার বিচার্য বিষয় সমূহ প্রত্যক্ষভাবে না হয় মূলত (directly or substantially) একই হতে হবে অর্থাৎ উভয় মামলার বিষয়বস্তু অভিন্ন হতে হবে।
২৮৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৭৪ ধারার বিধান কি?
  1. ডিক্রী জারী করা
  2. অনুরোধ পত্র
  3. কালেক্টর
  4. ডিক্রী জারী কার্যে বাধা
সঠিক উত্তর:
ডিক্রী জারী কার্যে বাধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রী জারী কার্যে বাধা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৭৪ ধারায় ডিক্রী জারী কার্যে বাধা দান করার বিষয়ে বলা হয়েছে।
• ডিক্রী জারী কার্যে বাধা দিলে বাধাদানকারীকে
• অনধিক ৩০ দিন দেওয়ানী কারাগারে আটক 
• সম্পত্তির দাবীদারকে সম্পত্তি স্থানান্তরের আদেশ দিবেন।
২৮৯.
আদি এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষের প্রতিকার হতে পারে-
  1. রিভিশন
  2. রিভিউ
  3. রেফারেন্স
  4. আপিল
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ থেকে ১১২ ধারা পর্যন্ত দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপীলের বিধান উল্লেখ রয়েছে।
♦আপিল (Appeal)- মোকদ্দমার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে, তাকে আপিল বলে। আপিল হলো সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির মামলার রায় অনুমোদনযোগ্য কিনা তা পুনরায় নির্ধারণের জন্য নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালতে প্রেরণের অধিকার। অর্থাৎ আপিল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন।

♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধরার অধীন মূল ডিক্রি হতে আপিল: (১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।
আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত [Court exercising original jurisdiction] অর্থ হলো কোন মোকদ্দমা প্রথমে বা আদিতে যে আদলতে শুনানী এবং বিচারপূর্বক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এটা হলো এমন আদালত যে আদলত  সিদ্ধান্ত দেওয়ার পর বিষয়টি আপীল বা রিভিশন আদালতে দায়ের করতে হয়। যেমন দেওয়ানি মোকদ্দমার ক্ষেত্রে সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, যুগ্ম জেলা জজ হলো আদি এখতিয়ারকারী আদালত। এই সকল আদালতে মোকদ্দমা প্রথমে দায়ের করতে হয় এবং এই আদালত সিদ্ধান্ত দিলে তার বিরূদ্ধে আপীল বা রিভিশন আদালতে দায়ের করতে হবে।

♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদি (মূল) এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত ( সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, এবং যুগ্ম জেলা জজ) প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল শ্রবণের জন্য ক্ষমতা প্রাপ্ত আদালতে ( জেলা জজ বা হাইকোর্টে) আপীল দায়ের করা যাবে। আপীলে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে পুনরায় আপীল করা যায়না। কারণ দেওয়ানী কার্যবিধিতে দ্বিতীয় আপীলের কোন বিধান নেই।
২৯০.
Who has the authority to fix the remuneration of a receiver under Order 40 Rule 2?
  1. The Court
  2. The Plaintiff
  3. The Defendant
  4. Both Plaintiff & Defendant
সঠিক উত্তর:
The Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Court
ব্যাখ্যা
Order 40 Rule-2: Remuneration:
The Court may by general or special order fix the amount to be paid as remuneration for the services of the receiver.

আদেশ ৪০ বিধি-২: পারিশ্রমিক:
আদালত একটি সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা রিসিভারের কার্যের জন্য পারিশ্রমিক নির্ধারণ করতে পারবে।
২৯১.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে ডিক্রি বলতে বুঝায়-
  1. চূড়ান্ত ডিক্রি
  2. প্রাথমিক ডিক্রি
  3. আংশিক প্রাথমিক এবং আংশিক চূড়ান্ত ডিক্রি
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২(২) ধারার বিধানমতে ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক রীতিসিদ্ধভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মামলার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই ডিক্রি" প্রাথমিক বা চুড়ান্তও হতে পারে। আরজি প্রত্যাখ্যান এবং ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ইহার অন্তর্ভুক্ত হবে, তবে নিম্নলিখিত বিষয় ইহার অন্তর্ভুক্ত হবে না
ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের মত আপীল করা যায়; অথবা
খ) কোন ক্রটির জন্য খারিজের আদেশ।
ব্যাখ্যা: ডিক্রি তখনই প্রাথমিক হয়, যখন মামলার চূড়ান্ত নিস্পত্তির জন্য আরও ব্যবস্থা গ্রহণের দরকার থাকে, মামলা যখন চূড়ান্তরূপে নিস্পত্তি হয়, তখনই ডিক্রি চূড়ান্ত হয়ে থাকে। কোন ডিক্রি আংশিকভাবে প্রাথমিক এবং আংশিকভাবে চূড়ান্ত হতে পারে।

দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২(২) ধারাতে ৩ ধরনের ডিক্রির কথা বলা হয়েছে।
১। প্রাথমিক ডিক্রি
২। চূড়ান্ত ডিক্রি
৩। আংশিক প্রাথমিক এবং আংশিক চূড়ান্ত ডিক্রি
ডিক্রি তখনই প্রাথমিক হয়, যখন মামলা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য আরো ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন থাকে। মামলা যখন চূড়ান্ত ভাবে নিষ্পত্তি হয় তখন তাকে চূড়ান্ত ডিক্রি বলে।
২৯২.
নোটিশ জারির মাধ্যমে সরকারের বিরুদ্ধে দেওয়ানি মোকদ্দমা করা হলে, সরকার লিখিত জবাব দাখিলের জন্য সর্বোচ্চ কত দিন সময় পাবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮০ ধারা অনুযায়ী লিখিত নোটিশ জারির ২ মাস পর সরকার বা সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে হয়। যদি ২ মাসের নোটিশ দিয়ে মামলা করা হয় তাহলে সরকার বা সরকারী কর্মচারীও (বিবাদী হিসেবে) লিখিত জবাবের জন্য ৬০ দিনের বেশি সময় পাবে না, কিন্তু উক্ত নোটিশ না দিয়ে মামলা করলে সরকার লিখিত জবাব দাখিলের জন্য অন্যূন ৩ মাস সময় পাবে।

সরকারের বিরুদ্ধে (রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয় ব্যতীত) মামলা করতে হলে সরকারের কোন সচিবের অফিসে অথবা জেলার কালেক্টরের অফিসে নোটিশ দিতে হবে। রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে সংশ্লিষ্ট রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজারের অফিসে নোটিশ দিতে হবে। কোন সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে তাকে বা তার অফিসে নোটিশ দিতে হবে। রেল-সংক্রান্ত বিষয় ব্যতীত অন্য কোন বিষয়ে মামলার নোটিশে মামলার কারণ, বাদীর নাম-ঠিকানা এবং বাদী যে প্রতিকার দাবি করে, তা উল্লেখ করতে হবে; এবং নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে আরজিতে উল্লেখ করতে হবে।

Section 80- Notice:
(1) A suit may be instituted against the Government or against a public officer, in respect of any act purporting to be done by such public officer in his official capacity, after the expiration of two months next after notice in writing has been delivered to or left at the office of,-

(b)(i) in the case of a suit against the Government other than a suit relating to the affairs of the Railway, a Secretary to the Government or the Collector of the District; and

(ii) in the case of a suit against the Government relating to the affairs of the Railway, the General Manager of the Railway,
and in the case of a public officer, delivered to him or left at his office stating the cause of action, the name, description of place of residence of the plaintiff and the relief which he claims; and the plaint shall contain a statement that such notice has been so delivered or left.

(2) Where any such suit is instituted without delivering or leaving such notice as aforesaid or before the expiration of the said period of two months or where the plaint does not contain a statement that such notice has been so delivered or left, the plaintiff shall not be entitled to any costs if settlement as regards the subject-matter of the suit is reached or the Government or the public officer concedes the plaintiff's claim, within the period of two months from the date of the institution of the suit:
Provided that in a suit instituted without such notice, the Court shall allow not less than three months to the Government to submit its written statement.
২৯৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কয়টি তফসিল বর্তমানে বলবৎ আছে?
  1. ৫ টি
  2. ৪ টি
  3. ২ টি
  4. ৩ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২টি অংশ-

প্রথম অংশ- ধারা [Sections] 
দ্বিতীয় অংশ- তফসিল [Schedules]। মোট ৩ টি তফসিল বর্তমানে বলবৎ আছে

• তফসিলসমূহ (Schedules]-

১ম তফসিল: আদেশ ও বিধিসমূহ
২য় তফসিল: বাতিল
৩য় তফসিল: কালেক্টর কর্তৃক ডিক্রি জারি
৪র্থ তফসিল: সংশোধিত আইনসমূহ
৫ম তফসিল: বাতিল
২৯৪.
আদেশ ৪৬ বিধি-৬ কোন বিষয়ের এখতিয়ার নির্ধারণে সহায়তা করে?
  1. ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতের এখতিয়ার
  2. হাইকোর্ট বিভাগের আপিল এখতিয়ার
  3. দেওয়ানী আদালতের মূল এখতিয়ার
  4. জেলা জজ আদালতের আপিল এখতিয়ার
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতের এখতিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতের এখতিয়ার
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৬ বিধি-৬: ক্ষুদ্র বিষয়ক এখতিয়ার সম্পর্কিত প্রশ্ন হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করার ক্ষমতা:
১) যেক্ষেত্রে রায় প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় যে আদালতে মোকদ্দমা রুজু হয়েছে, সে আদালত, মোকদ্দমা ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে বিচারার্থে গ্রহণযোগ্য বা অগ্রহণযোগ্য কিনা সন্দেহ করে, সেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রকৃতি সম্পর্কে উক্ত সন্দেহের কারণ সম্বলিত একটি বিবৃতিসহ হাইকোর্ট বিভাগে একটি নথি দাখিল করতে পারে।

২) হাইকোর্ট বিভাগ নথি এবং বিবৃতি গ্রহণ করার পর উক্ত আদালতকে মোকদ্দমায় অগ্রসর হতে অথবা উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণের উপযুক্ত ঘোষিত কোন আদালতে উহার আদেশ মতে পেশ করার জন্য আরজি ফেরত পাঠানোর আদেশ দিতে পারে।
২৯৫.
আদেশ ৪৭ বিধি ৯ অনুসারে রিভিউ আবেদনের নিষেধাজ্ঞা কোনটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. যে কোনো আদেশের ক্ষেত্রে
  2. হাইকোর্টের আদেশের ক্ষেত্রে
  3. আপিল আদালতের আদেশের ক্ষেত্রে
  4. রিভিউতে প্রদত্ত কোনো আদেশ বা ডিক্রির ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
রিভিউতে প্রদত্ত কোনো আদেশ বা ডিক্রির ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিউতে প্রদত্ত কোনো আদেশ বা ডিক্রির ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• রিভিউ:
যে আদালত ডিক্রি/আদেশদ দেয়, সে আদালতে (রায় প্রদানকারী আদালতে) রিভিউ করার জন্য আবেদন করতে হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৪ ধারা ও ৪৭ আদেশে রিভিউ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। ১১৪ ধারা এবং আদেশ ৪৭ এর ১(১) বিধি মোতাবেক রিভিউ-এর আবেদন করা যায় নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে:
⇒ যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়, কিন্তু আপিল করা হয়নি;
⇒ যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না;
⇒ স্মল কজ কোর্টের রেফারেন্সে প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে।

রিভিউ করা যায় যে কারণে:
i) মামলা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন কোনো বিষয় আবিষ্কার হলে, যা মোকদ্দমার ডিক্রিপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্বে নানান চেষ্টা করা সত্ত্বেও আদালতে উপস্থাপন করতে অক্ষম হয়েছিল;
ii) নথিতে আপাত কোনো ভুলের কারণে;
iii) অন্য কোনো পর্যাপ্ত কারণে।

আদেশ ৪৭ বিধি ৯: কতিপয় রিভিউ আবেদনের ক্ষেত্রে বাধা:
রিভিউ আবেদন সম্পর্কে প্রদত্ত কোনো আদেশ বা রিভিউতে প্রদত্ত কোনো ডিক্রি বা আদেশের রিভিউ আবেদন যাবে না।
২৯৬.
যুগ্ম জেলা জজের সর্বোচ্চ আর্থিক এখতিয়ার কত?
  1. ২৫ লক্ষ টাকা
  2. ৩৫ লক্ষ টাকা
  3. সীমাহীন
  4. ৩০ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
সীমাহীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীমাহীন
ব্যাখ্যা
• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হবে সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।

• The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-

⇒ সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা
যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

অর্থাৎ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে যেকোনো মূল্যমানের মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার আছে।
২৯৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৯ ধারায় রায়সিদ্ধ দেনাদারকে কোন কারণে মুক্তি দেওয়ার বিধান রয়েছে?
  1. গুরুতর অসুস্থতার কারণে
  2. আর্থিক অক্ষমতার কারণে
  3. ডিক্রি মেটানোর পর
  4. মোকদ্দমা বাতিলের কারণে
সঠিক উত্তর:
গুরুতর অসুস্থতার কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুরুতর অসুস্থতার কারণে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ সালের আইনের ৫৯ ধারা অনুযায়ী দেনাদারকে গ্রেফতার করার পর কোন ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হইলে তাকে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে। 
দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৯ ধারার বিধান অসুস্থতার দরুন মুক্তি (Release on ground of illness):
১) কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য পরোয়ানা জারির পর যে কোন সময় তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে আদালত তা নাকচ করতে পারেন।
২) রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতারের পর আদালত যদি মনে করেন যে, স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় ঐ ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা চলে না, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারবেন।

৩) দেওয়ানি জেলে আটক রায়সিদ্ধ দেনাদার নিম্নলিখিত উপায়ে মুক্তি পেতে পারে-
ক) কোন সংক্রামক বা ক্ষতিকারক রোগের দরুন সরকার তাকে মুক্তি দিতে পারেন; বা
খ) উক্ত ব্যক্তির গুরুতর অসুস্থতার দরুন সোপর্দকারী আদালত বা তা যে আদালতের অধীনস্ত তদ্রূপ কোন আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারেন।

৪) এই ধারার অধীনে মুক্তিপ্রাপ্ত রায়সিদ্ধ দেনাদারকে পুনরায় গ্রেফতার করা যেতে পারে, কিন্তু উক্ত ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখার মোট মেয়াদ গড়ে ৫৮ ধারায় উল্লেখিত মেয়াদের অধিক হবে না।
২৯৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৮ অনুসারে আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার পর অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে _______ অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।
  1. ১০দিন
  2. ১৫দিন
  3. ৩০দিন
  4. ৬০দিন
সঠিক উত্তর:
১৫দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৮ এর বিধান বিক্রয়ের সময়: বিক্রয়ের আদেশদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার তারিখ থেকে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ৩০ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।
-----------
⇒ Order-21 Rule-68. Time of sale: Save in the case of property of the kind described in the proviso to rule 43, no sale hereunder shall, without the consent in writing of the judgment-debtor, take place until after the expiration of at least thirty days in the case of immovable property, and of at least fifteen days in the case of movable property, calculated from the date on which the copy of the proclamation has been affixed on the court-house of the Judge ordering the sale.
২৯৯.
জারির জন্য নতুন দরখাস্ত দাখিল করা যায় না-
  1. ০৩ বছর পর
  2. ০৬ বছর পর
  3. ০৯ বছর পর
  4. ১২ বছর পর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর পর
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারী বারিতঃ 

(১) নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতিত অন্য কোন ডিক্রি জারীর জন্য আবেদন না করা হয়ে থাকলে সেই একংই ডিক্রি জারীর জন্য—

ক) যে ডিক্রি জারীর আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ, অথবা
খ) যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশ দ্বারা কোন নির্ধারিত তারিখে বা আবর্তক মেয়াদে টাকা পরিশোধ বা কোন সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে এরূপ পরিশোধ বা প্রদানের তারিখ হতে যে ডিক্রি জারীর প্রার্থনা করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে ১২ বৎসর অতিবাহিত হয়ে গেলে কোন নতুন আবেদনের উপর জারীর আদেশ প্রদান করা যাবে না।
অর্থাৎ
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় ডিক্রি জারির নতুন আবেদন [fresh application] দায়েরের তামাদির সর্বোচ্চ মেয়াদ ১২ বৎসর উল্লেখ করা হয়েছে।
৩০০.
মোকদ্দমার শুনানির দিন কোন পক্ষই হাজির না হলে আদালত কী করবে?
  1. নোটিশ পাঠাবে
  2. শুনানি স্থগিত করবে
  3. একতরফা রায় দিতে পারবে
  4. মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারবে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি-৩: কোন পক্ষই হাজির না হলে মোকদ্দমা খারিজ হবে:
মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে যদি কোন পক্ষই উপস্থিত না হয়, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের নিমিত্তে আদেশ দান করতে পারবে।

Order 9 Rule 3: Where neither party appears, suit to be dismissed:
Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed.