বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Civil Procedure, 1908

মোট প্রশ্ন২,৯৯৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Civil Procedure, 1908

PrepBank · পাতা / ৩০ · ১০১২০০ / ২,৯৯৩

১০১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩০ ধারার অধীন কোন কোন ক্ষেত্রে সমন প্রেরণ করা যায়?
  1. শুধুমাত্র সাক্ষ্যদান অথবা দলিল
  2. সাক্ষ্যদান বা দলিল দাখিল বা প্রশ্নাবলী প্রদান ও জবাবদান
  3. শুধুমাত্র প্রশ্নাবলী প্রদান ও জবাবদান
  4. শুধুমাত্র সাক্ষ্যদান
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্যদান বা দলিল দাখিল বা প্রশ্নাবলী প্রদান ও জবাবদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্যদান বা দলিল দাখিল বা প্রশ্নাবলী প্রদান ও জবাবদান
ব্যাখ্যা
• ধারা-৩০ (উদঘাটন ও অনুরূপ বিষয়ের আদেশ দানের ক্ষমতা)

নির্ধারণ শর্ত এবং সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে আদালতে যে কোন সময় স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে অথবা কোন পক্ষের আবেদনক্রমে-
ক) প্রশ্নাবলী প্রদান ও জবাবদান, দলিল ও তথ্যাবলীর স্বীকৃতি, এবং উদ্ঘাটন, পরিদর্শন, দাখিল, দলিল অন্তরীণ বা প্রত্যর্পণ অথবা সাক্ষ্য হিসাবে দাখিলযোগ্য অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী সম্পর্কিত সকল বিষয়ে প্রয়োজনীয় ও যুক্তিপূর্ণ হতে পারে এরূপ আদেশ প্রদান করতে পারেন;
খ) সাক্ষ্যদান, অথবা দলিল দাখিল অথবা উপরোক্ত অন্য উদ্দেশ্যে যাদের হাজির হওয়ার প্রয়োজন, তাদের প্রতি সমন প্রেরণ করতে পারেন;
গ) কোন তথ্য এফিডেভিট (শপথ পত্র) দ্বারা প্রমাণের আদেশ করতে পারে।

Sec-30: 
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may, at any time, either of its own motion or on the application of any party,-
a) make such orders as may be necessary or reasonable in all matters relating to the delivery and answering of interrogatories, the admission of documents and facts, and the discovery, inspection, production, impounding and return of documents or other material objects producible as evidence;
b) issue summonses to persons whose attendance is required either to give evidence or to produce documents or such other objects as aforesaid;
c) order any fact to be proved by affidavit.
১০২.
বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মামলা দায়েরের বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ১৫ ধারায়
  2. ১৬ ধারায়
  3. ১৭ ধারায়
  4. ১৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধান: বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা:-
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমা বা এতে কোন ক্ষতির কারণে আনীত মোকদ্দমার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে। তবে শর্ত থাকে যে, এই প্রকার মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবিটিই ঐরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারে।
-------------------- 
→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 17: Suits for immovable property situate within jurisdiction of different Courts-
Where a suit is to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property situate within the jurisdiction of different Courts, the suit may be instituted in any Court within the local limits of whose jurisdiction any portion of the property is situate:
Provided that, in respect of the value of the subject-matter of the suit, the entire claim is cognizable by such Court.
১০৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৫ বিধি-৪ অনুসারে যদি আদালত মনে করে যে বিচার্য বিষয়ের ওপর সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য সাক্ষ্য প্রয়োজন, তবে আদালত –
  1. মামলার রায় ঘোষণা করতে পারে
  2. মামলাটি খারিজ করে দিতে পারে
  3. মামলাটি স্থগিত রাখতে পারে
  4. বিবাদীর পক্ষে রায় দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
মামলাটি স্থগিত রাখতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলাটি স্থগিত রাখতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৫ বিধি-৪: সাক্ষ্য দানে ব্যর্থতা:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন প্রদান করা হয়ে থাকে এবং কোন পক্ষ যে সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে উক্ত সাক্ষ্য দানে যথার্থ কারণ ব্যতীত ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারেন, বা এবং আদালত সঙ্গত মনে করলে উক্তরূপ বিচার্য বিষয়ের উপর উহার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে এমন সাক্ষ্য দানের জন্য বিচার বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করার পর মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারে।

Order 15 Rule 4: Failure to produce evidence:
Where the summons has been issued for the final disposal of the suit and either party fails without sufficient cause to produce the evidence on which he relies, the Court may at once pronounce judgment, or may, if it thinks fit, after framing and recording issues adjourn the suit for the production of such evidence as may be necessary for its decision upon such issues.
১০৪.
আদালত একটি মোকদ্দমায় বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি দিলো। উক্ত একতরফা ডিক্রি কার্যকর করার কারণে বিবাদী সম্পত্তিতে তার দখল হারায়। পরবর্তীতে বিবাদী একতরফা ডিক্রি বাতিলের আবেদন করলে আদালত একতরফা ডিক্রি বাতিল করে আদেশ দিলো অর্থাৎ সম্পত্তিতে বিবাদীর দখল বহাল থাকলো। এক্ষেত্রে বিবাদী কত ধারার অধীনে সম্পত্তিতে তার দখল ফেরত বা প্রত্যর্পণ পাওয়ার অধিকারী হবে?
  1. ১৪২ ধারা
  2. ১৪৪ ধারা
  3. ১৪৬ ধারা
  4. ১৪৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৪৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৪ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত:
(১) যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।
-----------------------------------------
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা অনুযায়ী আদালতের কোন ডিক্রি বা আদেশের কারণে দুইটি বিষয় ঘটতে পারে। যেমন-
১. মোকদ্দমার কোন পক্ষ কোন কিছু গ্রহণ করতে পারে, আবার
২. অন্য পক্ষ কোন কিছু হারাতে পারে।

পরবর্তীতে আদালতের এই ডিক্রি বা আদেশ যদি সংশোধন, পরিবর্তন বা পরিমার্জন হয় এবং এর ফলে কোন পক্ষ কোন কিছু পাওয়ার অধিকারী হলে, তাকে সেই বিষয়টি ফেরত বা প্রত্যর্পণ করতে হবে অর্থাৎ তাকে তার পূর্বের অবস্থানে প্রতিস্থাপন করতে হবে। আদালতের ডিক্রি জারিতে যে-সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা হয়, ডিক্রি বাতিল হলে দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৪ ধারা অনুসারে ওই সম্পত্তির দখল প্রত্যর্পণ করতে হয় সেই ব্যক্তির নিকট যে ব্যক্তি ডিক্রি জারিতে উক্ত সম্পত্তির দখল হারিয়েছিল। কোন পক্ষের আবেদনক্রমে আদালত প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারে।

এক্ষেত্রে, আদালত একটি মোকদ্দমায় বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি দিলো। উক্ত একতরফা ডিক্রি কার্যকর করার কারণে বিবাদী সম্পত্তিতে তার দখল হারায়। পরবর্তীতে বিবাদী একতরফা ডিক্রি বাতিলের আবেদন করলে আদালত একতরফা ডিক্রি বাতিল করে আদেশ দিলো অর্থাৎ সম্পত্তিতে বিবাদীর দখল বহাল থাকলো । এই ক্ষেত্রে বিবাদী সম্পত্তিতে তার দখল ফেরত বা প্রত্যর্পণ পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারে এবং এই ক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তির জন্য অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। এই ক্ষেত্রে আদালত এমন প্রত্যর্পণের আদেশ মঞ্জুর করে যে সিদ্ধান্ত দিবে তা ডিক্রি বলে গণ্য হবে।
১০৫.
সাক্ষীর পরীক্ষা বা দলিল পরিদর্শনের জন্য দেওয়ানি আদালত বিচার্য বিষয় নির্ধারণ সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য মুলতবি রাখতে পারেন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি-৪- আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়নের পূর্বে সাক্ষীকে পরীক্ষা গ্রহণ বা দলিল পরিদর্শন করতে পারেন:
যদি আদালতের মতামত হয় যে, কোনো ব্যক্তি যার উপস্থিতি আদালতে নেই অথবা কোনো নথি যা মামলায় উপস্থাপন করা হয়নি তা পরীক্ষা করা ব্যতীত বিচার্য বিষয় (issues) যথাযথভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়, তবে আদালত বিচার্য বিষয় নির্ধারণের কাজ সর্বোচ্চ পনেরো (১৫) দিনের জন্য মুলতবি রাখতে পারে।
এছাড়াও, আদালত (তৎকালীন প্রচলিত কোনো আইনের বিধান সাপেক্ষে) যার কাছে সেই ব্যক্তি বা দলিল আছে, তাকে সমন বা অন্য কোনো পদ্ধতির মাধ্যমে হাজির করতে বা দলিল পেশ করতে বাধ্য করতে পারে।

[Where the Court is of opinion that the issues cannot be correctly framed without the examination of some person not before the Court or without the inspection of some document not produced in the suit, it may adjourn the framing of the issues to a day not later than fifteen days, and may (subject to any law for the time being in force) compel the attendance of any person or the production of any document by the person in whose possession or power it is by summons or other process.]
১০৬.
একজন ব্যক্তিকে তখন নিঃস্ব বলা যায় যখন তার পরিধেয় বস্ত্র এবং মোকাদ্দমার বিষয়বস্তু ছাড়া ____ টাকা মূল্যমানের সম্পদ থাকে।
  1. ৫০০০
  2. ৩০০০
  3. ১০০০০
  4. ২০০০
সঠিক উত্তর:
৫০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০০
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৩ বিধি-১: নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা রুজু করা যাবে। নিম্নবর্ণিত বিধানাবলী সাপেক্ষে নিঃস্ব ব্যক্তি কর্তৃক যে কোন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে।
ব্যাখ্যা: সে ব্যক্তি 'নিঃস্ব' যখন সে উক্ত মোকদ্দমার আরজির জন্য আইনে নির্ধারিত ফি প্রদান করতে সামর্থ্যবান হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সামর্থের অধিকারী নয় বা যেক্ষেত্রে অনুরূপ ফি নির্ধারিত নেই সেক্ষেত্রে সে যখন তার আবশ্যকীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ব্যতীত [পাঁচ হাজার] টাকা মূল্যের সম্পত্তির অধিকারী নয়।
------------------
⇒  Order 33 Rule-1: Suits may be instituted in forma pauperis.- Subject to the following provisions, any suit may be instituted by a pauper.
Explanation.-A person is a "pauper" when he is not possessed of sufficient means to enable him to pay the fee prescribed by law for the plaint in such suit,or, where no such fee is prescribed, when he is not entitled to property worth [five thousand] taka other than his necessary wearing apparel and the subject-matter of the suit.
১০৭.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে আদালত তাৎক্ষণিক রায় ঘোষণা করতে পারেন?
  1. যেক্ষেত্রে কোন পক্ষের আইনজীবী মোকদ্দমার কোন নির্দিষ্ট অংশ স্বীকার করে নেয়, যা মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তি করার জন্য যথেষ্ট
  2. মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় গঠন করার পর আদালত যদি মনে করে যে, আর কোন যুক্তিতর্ক বা সাক্ষ্যের প্রয়োজন নেই
  3. ক বা খ
  4. উল্লেখিত কোন ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
যদি কোন পক্ষের আইনজীবী মোকদ্দমার কোন নির্দিষ্ট অংশ স্বীকার করে নেয় যা মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তি করার জন্য যথেষ্ট বা  মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় গঠন করার পর আদালত যদি মনে করে যে আর কোন যুক্তিতর্ক বা সাক্ষ্যের প্রয়োজন নেই, তাহলে আদালত তাৎক্ষণিক রায় ঘোষণা করতে পারে।

• আদেশ-১৫, বিধি ৩-
১) যেক্ষেত্রে পক্ষদের মধ্যে আইন কিংবা ঘটনার প্রশ্নে বিচার্য বিষয় থাকে এবং পূর্বের বিধানানুযায়ী আদালত কর্তৃক বিচার্য বিষয় প্রণীত হয়ে থকে এবং আদালত যদি এ মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, মোকদ্দমায় সিদ্ধান্তের জন্য পর্যাপ্ত হতে পারে এমন বিচার্য বিষয়ের উপর পক্ষগণ তখনই যা প্রয়োগ করতে পারে তা অপেক্ষা অধিকতর যুক্তিতর্ক বা প্রমাণ এর প্রয়োজন নেই এবং তাৎক্ষনিক মোকদ্দমার কার্যক্রম গ্রহণে কোনরূপ অবিচার সংঘটিত হবে না,
সেক্ষেত্রে আদালত উক্তরূপ বিচার্য বিষয়গুলি নির্ধারণ করতে অগ্রসর হবে এবং ইহর উপর পর্যাবেক্ষণী সিদ্ধান্তের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য যথেষ্ট বিবেচিত হলে শুধুমাত্র বিচার্য বিষয় নির্ধারণের জন্য কিংবা মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন দেয়া হলেও আদালত সেই অনুযায়ী রায় ঘোষণা করতে পারবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, শুধুমাত্র বিচার্য বিষয় স্থিরীকরণের জন্য সমন দেয়া হয়ে থাকলে যদি পক্ষগণ কিংবা তাদের উকিলগণ উপস্থিত থাকে এবং কোনো আপত্তি না করে।

২) যেক্ষেত্রে সিদ্ধান্তের জন্য পর্যবেক্ষণী পর্যাপ্ত নয়, সেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার অতিরিক্ত শুনানি স্থগিত রাখবে এবং ক্ষেত্র বিশেষে অতিরিক্ত সাক্ষ্য বা যুক্তি উপস্থাপনের জন্য সময় নির্ধারণ করবে।
১০৮.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী লিখিত জবাব দাখিলের সর্বোচ্চ সময়সীমা কত ?
  1. ৩০ দিন
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৬০ দিন
  4. ৬০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৬০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ আদেশের ১ বিধির অধীন লিখিত জবাব দাখিলের সর্বোচ্চ মেয়াদ সমন জারির তারিখ হতে ৬০ কার্যদিবস।
- বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে যে লিখিত বিবরণ দাখিল করে তাকে লিখিত জবাব বা Written Statement বলে। 
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশে লিখিত জবাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লিখিত জবাবের সাধারন নিয়মাবলী ৮ নং আদেশের ১ হতে ১০ বিধিতে আলোচনা করা হয়েছে।
-  আদেশ ৮ বিধি (১)-৮০ ধারার (২) উপধারা শর্তাংশে যেরূপ বিধান আছে, তা ব্যতীত বিবাদি তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ত্রিশ কার্য দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থকপূর্বক একটি লিখিত জবাব পেশ করবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যখন বিবাদী উক্ত ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তি সংগত কারণ ব্যাতীত লিখিত জবাব দিতে ব্যর্থ হবে তখন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন দিনে তা দাখিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হবে এবং তার কারণ অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে, কিন্তু তা কোন ক্রমেই সমন জারি হওয়ার ৬০ কার্যদিবস অতিক্রম করবে না।

আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি উক্ত ষাট কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে তবে আদালত এক তরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে।
------- 
ORDER VIII - WRITTEN STATEMENT AND SET-OFF:

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, order-VIII Rule-1: Written statement:
(1) The defendant shall, within thirty working days from the date of service of summons upon him, save as provided in the proviso to sub-section (2) of section 80, present a written statement of his defence:

Provided that where the defendant fails, for reasonable grounds, to file the written statement within the said period of thirty working days, he shall be allowed to file the same on such other day, as may be specified by the Court, for reasons to be recorded in writing, but which shall not exceed sixty working days from the date of service of summons:

Provided further that if the defendant fails to file the written statement within the said period of sixty working days, the Court shall dispose of the suit ex parte.

১০৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এ মোট কতটি তফসিল রয়েছে এবং কতটি বর্তমানে কার্যকর?
  1. ৫টি, ২টি কার্যকর
  2. ৫টি, ৩টি কার্যকর
  3. ৪টি, ২টি কার্যকর
  4. ৬টি, ৩টি কার্যকর
সঠিক উত্তর:
৫টি, ৩টি কার্যকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি, ৩টি কার্যকর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এ মোট ৫টি তফসিল (Schedule) সংযুক্ত আছে। তবে এদের মধ্যে ২টি তফসিল বর্তমানে বাতিল, আর ৩টি তফসিল কার্যকর রয়েছে।
১) মোট তফসিল আছে – ৫টি
২) তার মধ্যে বর্তমানে কার্যকর – ৩টি
৩) কার্যকর তফসিল –
- প্রথম তফসিল: বিধি ও ফরম; মূল আইনের অংশ
- তৃতীয় তফসিল: কালেক্টরের মাধ্যমে ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
- চতুর্থ তফসিল: অন্যান্য আইন সংশোধনের বিধান (যেমন: কোর্ট ফি অ্যাক্ট সংশোধন)
৪) বাতিল তফসিল –
- দ্বিতীয় তফসিল: সালিস আইন, ১৯৪০ দ্বারা বাতিল
- পঞ্চম তফসিল: Repealing and Amending Act, ১৯১৪ দ্বারা বাতিল
১১০.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী, গুরুতর অসুস্থতার কারণে ওয়ারেন্ট জারির পরও গ্রেপ্তার বাতিল করতে পারে কে?
  1. সরকার
  2. পুলিশ
  3. আদালত
  4. উল্লিখিত সবাই
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী: "At any time after a warrant for the arrest of a judgment-debtor has been issued, the Court may cancel it on the ground of his serious illness."
অর্থাৎ, রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতারের জন্য যদি পরোয়ানা ইস্যু করা হয়ে থাকে, এবং পরবর্তীতে দেখা যায় যে তিনি গুরুতর অসুস্থ, তাহলে আদালত উক্ত পরোয়ানাটি বাতিল করতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী দেনাদারকে গ্রেফতার করার পর কোন ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হইলে তাকে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে। 
দেওয়ানি কার্যবিধি ৫৯ ধারার বিধান অসুস্থতার দরুন মুক্তি:
১) কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য পরোয়ানা জারির পর যে কোন সময় তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে আদালত তা নাকচ করতে পারেন।
২) রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতারের পর আদালত যদি মনে করেন যে, স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় ঐ ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা চলে না, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারবেন।
৩) দেওয়ানি জেলে আটক রায়সিদ্ধ দেনাদার নিম্নলিখিত উপায়ে মুক্তি পেতে পারে-
ক) কোন সংক্রামক বা ক্ষতিকারক রোগের দরুন সরকার তাকে মুক্তি দিতে পারেন; বা
খ) উক্ত ব্যক্তির গুরুতর অসুস্থতার দরুন সোপর্দকারী আদালত বা তা যে আদালতের অধীনস্ত তদ্রূপ কোন আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারেন।
৪) এই ধারার অধীনে মুক্তিপ্রাপ্ত রায়সিদ্ধ দেনাদারকে পুনরায় গ্রেফতার করা যেতে পারে, কিন্তু উক্ত ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখার মোট মেয়াদ গড়ে ৫৮ ধারায় উল্লিখিত মেয়াদের অধিক হবে না।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 59. Release on ground of illness:
(1) At any time after a warrant for the arrest of a judgment-debtor has been issued the Court may cancel it on the ground of his serious illness. 
(2) Where a judgment-debtor has been arrested, the Court may release him if, in its opinion, he is not in a fit state of health to be detained in the civil prison. 
(3) Where a judgment-debtor has been committed to the civil prison, he may be released therefrom- 
(a) by the Government, on the ground of the existence of any infectious or contagious disease, or 
(b) by the committing Court, or any Court to which that Court is subordinate, on the ground of his suffering from any serious illness. 
(4) A judgment-debtor released under this section may be re-arrested, but the period of his detention in the civil prison shall not in the aggregate exceed that prescribed by section 58.

১১১.
কোন ক্ষেত্রে সাক্ষীর সাক্ষ্য বিস্তারিতভাবে লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন নেই?
  1. যে সকল মোকদ্দমায় রিভিউ অনুমোদিত নয়
  2. যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত নয়
  3. সকল ক্ষেত্রে বিস্তারিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত নয়
ব্যাখ্যা
যে সকল মোকদ্দমায় আপিলের বিধান নেই, সেই সকল মোকদ্দমায় সাক্ষীর সাক্ষ্য বিস্তারিতভাবে লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন নেই।

• মোকদ্দমার শুনানী (Hearing of suit) অর্থ হলো, আদালতে কোনো মামলার বিচারকার্য যেখানে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ করে বা যুক্তিতর্ক শোনে ইত্যাদি।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• বিধি-১৩ (আপিল অযোগ্য মোকদ্দমায় সাক্ষীর স্মারক)-
যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত হয় না, সে সকল মোকদ্দমায় বিস্তারিতভাবে লিখিত, সাক্ষীর সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন হবে না, কিন্তু প্রত্যেক সাক্ষীর পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বিচারক তার জবানবন্দির সারাংশের স্মারকলিপি তৈরী করবে এবং এরূপ স্মারকলিপি বিচারক কর্তৃক লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং সেটা নথির অংশভুক্ত হবে।

Order 18 Rule 13: Memorandum of evidence in unappealable cases-
In cases in which an appeal is not allowed, it shall not be necessary to take down the evidence of the witness in writing at length; but the Judge, as the examination of each witness proceeds, shall make a memorandum of the substance of what he diposes, and such memorandum shall be written and signed by the Judge and shall form part of the record.
১১২.
আদেশ ৪৬ বিধি ৫ অনুযায়ী কোন আদালত মামলা সংশোধনের জন্য ফেরত পাঠাতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. আপিল বিভাগ
  3. জেলা জজ আদালত
  4. যে আদালত মামলা রেফারেন্স করেছে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪৬ বিধি ৫: রেফারেন্স প্রদানকারী আদালতের ডিক্রি পরিবর্তন বা সংশোধনের ক্ষমতা:
কোনো মামলা বিধি ১ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরিত হলে, হাইকোর্ট বিভাগ সেই মামলাটি সংশোধনের জন্য ফেরত পাঠাতে পারে এবং যে আদালত মামলা প্রেরণ করেছে, সেই আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা গৃহীত কোনো ডিক্রি বা আদেশ পরিবর্তন, বাতিল বা খারিজ করতে পারে এবং যে কোনো প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারে যেটি তারা উপযুক্ত মনে করে।

১১৩.
কোনো মোকদ্দমায় res sub-judice নীতির প্রয়োগ হলে এর ফলাফল কী?
  1. পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমাটি খারিজ হবে।
  2. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটির কার্যক্রম স্থগিত করা হবে।
  3. পরবর্তী মোকদ্দমাটির আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে।
  4. পরবর্তী মোকদ্দমাটির কার্যক্রম স্থগিত করা হবে।
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী মোকদ্দমাটির কার্যক্রম স্থগিত করা হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী মোকদ্দমাটির কার্যক্রম স্থগিত করা হবে।
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারা মোতাবেক কোনো একই বিষয় নিয়ে একই  পক্ষদের মধ্যে পূর্বেই একটি মোকদ্দমা চলমান থাকলেল পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমাটির কার্যক্রম স্থগিত করার বিধান রয়েছে। 

♦ ধারা ১০ অনুযায়ী মামলা স্থগিত রাখাবে। এই ধারায় বলা আছে যে, কোন আদালত এমন কোন মামলার বিচার চালায়ে যাবেন না, যার বিচার বিষয়বস্তু প্রত্যক্ষভাবে এবং মূলত পূর্বে দায়েরকৃত অপর একটি মামলাও বিচার্য বিষয়, তা একই পক্ষগণের মধ্যে অথবা এমন পক্ষগণের মধ্যে যাদের অধীনে তারা বা তাদের মধ্যে কোন একজনের সূত্রে পরবর্তী মামলার পক্ষগণ বা পক্ষগণের মধ্যে কোন একজন স্বত্ব দাবী করেন, যেখানে এরূপ মামলা একই অথবা বাংলাদেশের অন্য কোন আদালতে বিচারাধীন আছে, যে আদালতের প্রার্থীত প্রতিকার মঞ্জুর করার এখতিয়ার আছে অথবা বাংলাদেশের বাইরে সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বা চলতি কোন আদালত যার এরূপ এখতিয়ার আছে, অথবা সুপ্রীমকোটে বিচারাধীন কোন মামলা।
ব্যাখ্যাঃ কোন বিদেশী আদালতে দায়েরকৃত মামলা যদি বাংলাদেশের কোন আদালতে দায়েরকৃত মামলার সাথে একই কারণযুক্ত হয়, তবুও ইহা বাংলাদেশের আদালতে উক্ত মামলা বিচারে বাধা হবে না।

♦ ১০ ধারার অধীন আদালত পরবর্তী মোকদ্দমাটি খারিজ করতে পারে না বরং বিচার স্থগিতের আদেশ দিতে পারে।

♦  এই Doctrine বা নীতিটি Res-Subjudice নামে পরিচিত। এই Doctrine প্রয়োগ করার শর্তসমূহ হলো:
১- প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই বিচার্য বিষয়ে দুটি মোকদ্দমা থাকতে হবে।
২-উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হবে।
৩-পূর্ববর্তী মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকবে
৪- উক্ত মোকদ্দমার দাবীকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার আদালতে থাকতে হবে।
৫- উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্বের জন্য মোকদ্দমা করেছে।

♦ এই নীতিটি প্রয়োগ করতে আদালত বাধ্য।
♦ বিদেশী আদালতে বিচারাধীন কোন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে Res-Subjudice নীতি প্রযোজ্য হবে না ।
♦ যে মামলাটি প্রথমে দায়ের করা হয়েছে তা চলমান থাকবে এবং দ্বিতীয় মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে। খারিজ হবে না। বা ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত ১৫১ ধারা প্রয়োগ করে ১ম মামলাটি স্থগিত রাখার আদেশ দিতে পারেন।
১১৪.
অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেয়া যেতে পারে যদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু-
  1. অস্থাবর সম্পত্তি হয়
  2. স্থাবর সম্পত্তি হয়
  3. অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
  4. স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি উভয় হয়
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৬ এর বিধান অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা (Power to order interim sale):
-কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকলে অথবা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকলে, যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায় সঙ্গত এবং যথেষ্ট কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করার প্রয়োজন হয়, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে নিলামে বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেন।

⇒  আদেশ ৩৯ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর আগে শুনানীকাল পর্যন্ত বা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যে আদেশ দেওয়া হয় তাঁকে ad interim injunction order বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ বলা হয়।

⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর পর দরখাস্তের গুণাগুণ বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দিতে হয়, অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে দরখাস্তের গুণাগুণ যাচাইয়ের দরকার পড়ে না, বরং পরিস্থিতি খুবই জরুরি হলে এই আদেশ দেওয়া যায়।
১১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৭৪ প্রযোজ্য হয় কোন ধরনের সম্পত্তির ক্ষেত্রে?
  1. স্বর্ণালংকার
  2. স্থাবর সম্পত্তি
  3. কৃষিজাত ফসল
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
কৃষিজাত ফসল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষিজাত ফসল
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ৭৪ (Rule 74 of Order 21 of CPC) বিশেষভাবে "sale of agricultural produce" বা "কৃষিজাত ফসল বিক্রয়" সংক্রান্ত বিধান নির্ধারণ করে। এতে বলা হয়েছে, নিলামের সময় যদি ন্যায্য মূল্য না পাওয়া যায় এবং মালিক বা তার প্রতিনিধির অনুরোধ থাকে, তাহলে নিলাম স্থগিত করে পরবর্তী দিন বা বাজারের দিনে সম্পন্ন করা হবে। এটি কেবলমাত্র কৃষিজাত ফসল সংক্রান্ত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, অন্য কোনো ধরণের সম্পত্তি (যেমন, স্বর্ণালংকার বা স্থাবর সম্পত্তি) এর আওতায় পড়ে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর আদেশ-২১, বিধি-৭৪(২) এ বলা হয়েছে: 
(২) যখন ফসল বিক্রয়ের জন্য তোলা হবে, তখন−
(ক) যদি বিক্রির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি মনে করেন যে ন্যায্য মূল্য প্রস্তাবিত হয়নি, এবং
(খ) মালিক বা তার প্রতিনিধির অনুরোধে বিক্রয় পরবর্তী দিন বা বাজারের দিনে স্থগিত করার আবেদন করা হয়,
তাহলে বিক্রয় স্থগিত থাকবে এবং পরবর্তী নির্ধারিত দিনে যে মূল্যই হোক, তা অনুসারে বিক্রয় সম্পন্ন হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21,Rule-74 (2) Where, on the produce being put up for sale,−
(a) a fair price, in the estimation of the person holding the sale, is not offered for it, and
(b) the owner of the produce or a person authorized to act in his behalf applies to have the sale postponed till the next day or, if a market is held at the place of sale, the next market-day,
the sale shall be postponed accordingly and shall be then completed, whatever price may be offered for the produce.

১১৬.
The Code of Civil Procedure, 1908-এর আদেশ ৬, বিধি ১৮ অনুসারে, প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আদালতের আদেশে সময়সীমা উল্লেখ না থাকলে কত দিনের মধ্যে সংশোধন সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
ব্যাখ্যা

→ The Code of Civil Procedure, 1908-এর আদেশ ৬, বিধি ১৮ অনুসারে, প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আদালতের আদেশে যদি কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ না থাকে, তবে আদেশের তারিখ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে সংশোধন সম্পন্ন করতে হবে। যদি এই সময়সীমা অতিক্রান্ত হয় এবং আদালত সময় বাড়ানোর অনুমতি না দেয়, তবে সংশোধনের অনুমতি হারিয়ে যাবে।
→ অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৮ অনুযায়ী প্লিডিংস সংশোধনের জন্য সর্বোচ্চ সময়সীমা -১৪ দিন।

→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৮: আদেশ প্রদানের পরে সংশোধন করতে ব্যর্থ হলে: কোন পক্ষ আরজি জবাব সংশোধনের অনুমতি সূচক আদেশ লাভ করার পর যদি আদেশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সংশোধন না করে অথবা আদেশে কোন সময় নির্ধারণ করা না হলে আদেশের তারিখ হতে চৌদ্দ দিনের মধ্যে যদি সংশোধন না করেন, তবে উক্ত নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর তিনি সংশোধন করার অনুমতি পাবেন না, যদি না আদালত উক্ত মেয়াদ বর্ধিত করে থাকেন।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908,Order-6 Rule-18: Failure to amend after order:
If a party who has obtained an order for leave to amend does not amend accordingly within the time limited for that purpose by the order, or if no time is thereby limited then within fourteen days from the date of the order, he shall not be permitted to amend after the expiration of such limited time as aforesaid or of such fourteen days, as the case may be, unless the time is extended by the Court.

১১৭.
আদেশ ৪৩–এ মোট কতটি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে?
  1. ২৫টি
  2. ৩০টি
  3. ৩৫টি
  4. ৪৫টি
সঠিক উত্তর:
২৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫টি
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।

আদেশ ৪৩:
আদেশ ৪৩ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা উল্লেখ করেছে যেগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করা যায়। যেমন - অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, স্থগিতাদেশ, মোকদ্দমা বাতিল করা, জামিন প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা দিয়েছে। এই ধারায় উল্লেখ আছে যে, যদি কোনো আদালত এমন কোনো আদেশ প্রদান করে যা চূড়ান্ত না হয়ে একটি বিষয়ের বিরাট অংশ নিষ্পত্তি করে দেয়, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যেতে পারে।

১১৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৫১ অনুসারে, আদালত কীভাবে ডিক্রি জারির আদেশ দিতে পারে?
  1. সম্পত্তি অপর্ণের মাধ্যমে
  2. সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয়ের মাধ্যমে
  3. দেনাদারকে গ্রেপ্তার ও জেলে আটকের মাধ্যমে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৫১ অনুযায়ী, আদালত নির্দিষ্ট শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে নিম্নলিখিত উপায়ে ডিক্রি কার্যকর করতে পারেন—
- নির্দিষ্ট সম্পত্তি অপর্ণের মাধ্যমে,
- সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের মাধ্যমে,
- গ্রেপ্তার ও আটক,
- রিসিভার নিয়োগ,
- কিংবা প্রয়োজন অনুসারে অন্য কোনো উপায়ে।
তাই সবগুলো উপায়ই ধারা ৫১-তে অনুমোদিত।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৫১: ডিক্রিজারি কার্যকর করার জন্যে আদালতের ক্ষমতা:
নির্ধারিত শর্ত এবং নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে আদালত ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে নিম্নবর্ণিত যে কোন উপায়ে ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান করতে পারেন-
ক) ডিক্রিতে আদিষ্ট কোন সম্পত্তি অপর্ণের দ্বারা;
খ) কোন সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় দ্বারা বা ক্রোকবিহীন নিলাম বিক্রয়ের দ্বারা;
গ) দেনাদারকে গ্রেপ্তার ও জেলে আটকের দ্বারা;
ঘ) রিসিভার নিয়োগ দ্বারা; বা
ঙ) প্রদত্ত প্রতিকারের প্রকৃতির প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য কোন পন্থায় ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান পারে:
তবে শর্ত থাকে যে, যদি ডিক্রিটি অর্থ পরিশোধের জন্য হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে দেনাদারকে আটকের আদেশ পূর্বে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না তার কারণ দর্শানোর জন্য উপযুক্ত সুযোগ প্রদান করতে হবে এবং তৎপর আদালত যদি নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহ সম্পর্কে সন্তুষ্ট হন, লিখিতভাবে তা উল্লেখ করে অনুরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবেন:
ক) দেনাদার ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান বা তা বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে-
১. আত্মগোপন করতে পারে কিংবা সংশ্লিষ্ট আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকা ত্যাগ করতেপারে; বা
২. ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে এরূপ মোকদ্দমা দায়ের হওয়ার পর তার সম্পত্তির কোন অংশ তার দ্বারা অসদুপায়ে স্থানান্তরিত, বিনষ্ট বা অপসারণ করা হয়েছে, বা তার সম্পত্তি নিয়ে যে কোন অবিশ্বস্ততার কাজ করেছে; বা
খ) ডিক্রির তারিখ থেকে ডিক্রির টাকা অথবা তার সম্পূর্ণ বা আংশিক অংশ পরিশোধের সংগতি রায়সিদ্ধ দেনাদারের আছে বা ছিল, অথচ দেনাদার তা পরিশোধ করতে অস্বীকৃতি বা অবহেলা জ্ঞাপন করেছে বা করেছে; বা
গ) যে টাকার জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, তজ্জন্য রায়সিদ্ধ দেনাদারের দায়িত্বও পরোক্ষ ছিল।
ব্যাখ্যা- খ) দফায় বর্ণিত দেনাদারের সংগতি নির্ধারণকল্পে, দেনাদারের যে সম্পত্তি বর্তমানে প্রচলিত কোন আইন বা আইনের ন্যায় প্রযোজ্য অন্য কোন রীতি অনুসারে ডিক্রি জারির দরুনক্রোক থেকে অব্যাহতি লাভের জন্য, তা হিসাবে ধরা চলবে না।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 51. Powers of Court to enforce execution:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may, on the application of the decree-holder, order execution of the decree-
(a) by delivery of any property specifically decreed;
(b) by attachment and sale or by sale without attachment of any property;
(c) by arrest and detention in prison;
(d) by appointing a receiver; or
(e) in such other manner as may be provided hereinafter in the Code or as the nature of the relief granted may require:
Provided that, where the decree is for the payment of money, execution by detention in prison shall not be ordered unless, after giving the judgment-debtor an opportunity of showing cause why he should not be committed to prison, the Court, for reasons recorded in writing, is satisfied-
(a) that the judgment-debtor, with the object or effect of obstructing or delaying the execution of the decree,-
(i) is likely to abscond or leave the local limits of the jurisdiction of the Court, or
(ii) has, after the institution of the suit in which the decree was passed, dishonestly transferred, concealed, or removed any part of his property, or committed any other act of bad faith in relation to his property; or
(b) that the judgment-debtor has, or has had since the date of the decree, the means to pay the amount of the decree or some substantial part thereof and refuses or neglects or has refused or neglected to pay the same, or
(c) that the decree is for a sum for which the judgment-debtor was bound in a fiduciary capacity to account.
Explanation.-In the calculation of the means of the judgment-debtor for the purposes of clause (b), there shall be left out of account any property which, by or under any law or custom having the force of law for the time being in force, is exempt from attachment in execution of the decree.
১১৯.
'Substituted Service of Summons' বলতে কী বোঝায়?
  1. সমন প্রেরণের সাধারন প্রক্রিয়া
  2. সমন প্রেরণের বিশেষ প্রক্রিয়া
  3. সমন প্রেরণের অননুমোদিত প্রক্রিয়া
  4. সমন প্রেরণের আদালত কর্তৃক ঘোষিত অবৈধ প্রক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
সমন প্রেরণের বিশেষ প্রক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমন প্রেরণের বিশেষ প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
'Substituted Service of Summons' বলতে একটি বিশেষ প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়, যখন বাদী সাধারণ পদ্ধতিতে বিবাদীকে সমন আদেশ (summons) প্রেরণ করতে ব্যর্থ হন। এক্ষেত্রে আদালত নির্দিষ্ট কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করে সমন আদেশ প্রেরণের অনুমতি দেয়, যাকে Substituted Service of Summons বলা হয়।
কিছু কমন পদ্ধতি হল:
১. বিবাদীর বসতভিটার দরজায় আটকে দেওয়া অথবা প্রকাশ্যে লাগিয়ে রাখা।
২. বিবাদীর কর্মস্থল, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা শেষ পরিচিত ঠিকানায় প্রেরণ।
৩. সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রচার করা।
৪. ইলেকট্রনিক মোড যেমন- ইমেইল, ফ্যাক্স ইত্যাদির মাধ্যমে প্রেরণ।

এই পদ্ধতিগুলি অবলম্বন করার আগে আদালত সন্তুষ্ট হতে হবে যে, বাদী সাধারণ পদ্ধতিতে সমন প্রেরণে যথাযথ চেষ্টা করেছেন। পরবর্তীতে আদালত যেকোনো উপযুক্ত পদ্ধতি অনুমোদন দিতে পারেন। এভাবে সামন আদেশ প্রাপ্ত হওয়াকে Substituted Service বলে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ নং আদেশের ২০ বিধিতে বিকল্প বা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারির (Substituted Service of Summon) বিধান রয়েছে। ২০ নং বিধি অনুযায়ী-
যেক্ষেত্রে বিবাদী সমন এড়ানোর জন্য আত্মগোপন করেছে অথবা অন্য কোন কারণে সাধারনভাবে সমন জারি করা যায় না, সেক্ষেত্রে বিবাদীর গৃহের বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রকাশ্য অংশে সমনের একটি নকল ঝুলিয়ে জারি করার জন্য আদালত আদেশ দিবেন অথবা বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়ার আদেশ দিবে, যা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারি Substituted Service নামে পরিচিত। এই পদ্ধতি ব্যক্তিগতভাবে সমন জারির মতই কার্যকর হবে।
১২০.
নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা ও আপিল যথাক্রমে কোন কোন আদেশের বিষয়বস্তু?
  1. যথাক্রমে ৩২ ও ৩৩ আদেশ
  2. যথাক্রমে ৩৩ ও ৪৪ আদেশ
  3. যথাক্রমে ৩১ ও ৪৪ আদেশ
  4. যথাক্রমে ৪৪ ও ৩৩ আদেশ
সঠিক উত্তর:
যথাক্রমে ৩৩ ও ৪৪ আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যথাক্রমে ৩৩ ও ৪৪ আদেশ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩ এবং আদেশ ৪৪ নিঃসম্বল ব্যক্তির মোকদ্দমা ও আপিল সংক্রান্ত বিষয়াবলী নির্ধারণ করে।

১. নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা (আদেশ ৩৩):

আদেশ ৩৩ অনুযায়ী, নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা সম্পর্কিত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি উল্লেখিত রয়েছেঃ
⇒ কোন ব্যক্তি নিঃসম্বল হলে তিনি আদালতের অনুমতি গ্রহণপূর্বক নিঃশুল্কভাবে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবেন (আদেশ ৩৩(১))।
⇒ এ জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও প্রমাণাদি দাখিল করতে হবে (আদেশ ৩৩(২))।
⇒ নিঃস্ব অবস্থা পরিবর্তন হলে আদালতকে অবহিত করতে হবে (আদেশ ৩৩(৩))।
⇒ নিঃস্ব অবস্থা পরবর্তীতে বাতিল করার বিধান (আদেশ ৩৩(৪))।

২. নিঃসম্বল ব্যক্তির আপিল (আদেশ ৪৪):

আদেশ ৪৪ অনুযায়ী, নিঃসম্বল ব্যক্তির আপিল সম্পর্কিত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি উল্লেখিত রয়েছেঃ
⇒ নিঃস্ব ব্যক্তির ক্ষেত্রে কোন ফি বা খরচ প্রদান ব্যতীত আপিল করার অনুমতি (আদেশ ৪৪(১))।
⇒ নিঃস্ব অবস্থার প্রমাণ দাখিল করতে হবে (আদেশ ৪৪(২))।
⇒ নিঃস্ব অবস্থার বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে (আদেশ ৪৪(৩))।

উল্লেখিত দুই আদেশে নিঃসম্বল ব্যক্তির মোকদ্দমা ও আপিল সংক্রান্ত প্রক্রিয়া, শর্তাবলী এবং সুবিধাদি নির্ধারিত রয়েছে।।
১২১.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে মোট কত কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে না পারলে মোকদ্দমাটি একতরফা (Ex-parte) নিষ্পত্তি হতে পারে?
  1. ৩০ কার্যদিবস
  2. ৪৫ কার্যদিবস
  3. ৬০ কার্যদিবস
  4. ৯০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৬০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৮, বিধি ১ অনুসারে—
→  প্রথমে: বিবাদীকে সমন (summons) প্রাপ্তির ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব (Written Statement) দাখিল করতে হবে।
→ দ্বিতীয়ত: যদি বিবাদী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত আরও ৩০ কার্যদিবস পর্যন্ত অতিরিক্ত সময় দিতে পারে।
→ সর্বমোট: অর্থাৎ, সর্বোচ্চ ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে না পারলে আদালত একতরফা (Ex-parte) নিষ্পত্তির আদেশ দিতে পারে।
→ এছাড়া আদেশ ৮, বিধি ১০ অনুসারে, নির্ধারিত সময়ে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে আদালত—
বিবাদীর বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে (pronounce judgment), অথবা মোকদ্দমার বিষয়ে প্রয়োজনীয় যে কোনো আদেশ দিতে পারে।
→ সুতরাং, ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল না করলে মোকদ্দমাটি একতরফা নিষ্পত্তি হতে পারে।
১২২.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোথায় বিকল্প/লটকাইয়া সমন জারির বিধান আছে?
  1. আদেশ ৫ বিধি ১৫
  2. আদেশ ৫ বিধি ২০
  3. আদেশ ৫ বিধি ১৬
  4. আদেশ ৫ বিধি ২৬
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৫ বিধি ২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৫ বিধি ২০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ৫ এর বিধি ২০ অনুযায়ী বিকল্প বা লটকাইয়া সমন জারির বিষয়ে বিধান আছে।
⇒ আদালত যদি যুক্তি সঙ্গত কারনে বিশ্বাস করে যে, বিবাদী সমন এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে আছে বা অন্য কোন কারনে সমন জারি করা যাচ্ছে না তাহলে আদালত সমন লটকাইয়া /বিকল্প জারির আদেশ দিতে পারেন।
⇒ বিবাদীর বাসগৃহে বা সর্বশেষ বসবাস স্থানে/ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্যে লটকাইয়া সমন জারি করা যায়।
⇒ যখন আদালত উপ-বিধি (১) অনুযায়ী সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সমন জারির আদেশ দান করে, তখন উক্ত সংবাদপত্রটি হতে হবে দৈনিক সংবাদপত্র, যার প্রচার অনুরূপ স্থানে থাকতে হবে সেখানে বিবাদি সর্বশেষ জ্ঞাত ঠিকানায় প্রকৃতপক্ষে এবং স্বেচ্ছায় বসবাস করে বা ব্যবসা পরিচালনা করে বা ব্যক্তিগত লাভের নিমিত্তে কাজ করে বলে জানা যায়।
⇒ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক সমন বিকল্পভাবে জারি করলে তা বিবাদির উপর ব্যক্তিগতভাবে জারি করার মতই কার্যকরী হবে।
⇒ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক সমন বিকল্পভাবে জারি করলে সেক্ষেত্রে আদালত ক্ষেত্রবিশেষে বিবাদির হাজিরার জন্য আদালত যথোপযুক্ত সময় নির্ধারিত করবে।
১২৩.
আপোষ-মীমাংসার মাধ্যমে আদালত প্রদত্ত ডিক্রিকে কি ডিক্রি বলা হয়?
  1. স্পেশাল ডিক্রি
  2. মধ্যস্থতা
  3. সোলে ডিক্রি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
সোলে ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোলে ডিক্রি
ব্যাখ্যা
⇒ মোকদ্দমার আপস (Compromise of suit): যেক্ষেত্রে চুক্তি বা আপসমূলে কোন মোকদ্দমা সামগ্রিক বা আংশিকভাবে মীমাংসা হয়েছে, অথবা যদি বিবাদী বাদীকে পরিতুষ্ট করে থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত চুক্তি, আপস বা পরিতৃষ্টির বিষয়টি লিপিবদ্ধ করার আদেশ দিবেন এবং আদালত উক্ত চুক্তি বা আপস অনুযায়ী ডিক্রি প্রদান করবেন এটি হলো Compromise Decree / সম্মতিমূলক ডিক্রি/ সোলে ডিক্রি/ সোলে নামা।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৩ বিধি-৩০ মোকদ্দমার আপস: যেক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সহকারে এটি প্রমাণিত হয় যে, আইনসঙ্গত চুক্তি বা আপসের দ্বারা কোন মোকদ্দমা সামগ্রিক বা আংশিকভাবে সমন্বয়িত হয়েছে কিংবা যদি বিবাদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর সামগ্রিক বা কোন অংশের সম্পর্কে বাদিকে মিটিয়ে দেয় সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত চুক্তি, আপস বা মিটানোর বিষয়টি লিপিবদ্ধ করার আদেশ দিবে এবং যতদূর মোকদ্দমার সঙ্গে এটি সম্পর্কিত হয়, ততদূর তদানুসারে একটি ডিক্রি প্রদান করবে।

⇒ Order 23 Rule.-3: Compromise of suit.-Where it is proved to the satisfaction of the Court that a suit has been adjusted wholly or in part by any lawfull agreement or compromise, or where the defendant satisfies the the plantiff in respect of the whole or any part of the subject-matter of the suit, the Court shall order such agreement, compromise or satisfaction to be recorded, and shall pass a decree in accordance therewith so far as it relates to the suit.
১২৪.
আদেশ ২৬, বিধি ১৭ অনুযায়ী পরোয়ানা জারির জন্য কমিশনার কোন আদালতে আবেদন করতে পারেন?
  1. হাইকোর্ট ডিভিশনে
  2. ফৌজদারি আদালতে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. যে আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে সাক্ষী থাকে
সঠিক উত্তর:
যে আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে সাক্ষী থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে সাক্ষী থাকে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি-১৭: কমিশনারের সম্মুখে সাক্ষীদের উপস্থিতি ও জবানবন্দি প্রদান:
১) সমন, হাজিরা এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ এবং সাক্ষীদের পারিশ্রমিক প্রদান ও সাক্ষীর উপর আরোপিত জরিমানাদি সংক্রান্ত এই আইনের বিধানসমূহ বাংলাদেশে অবস্থিত আদালত কর্তৃক এরূপে নির্দেশিত কাজ সম্পাদনের জন্য প্রেরিত হোক না কেন উক্ত কমিশন কর্তৃক এ আদেশের অধীনে সাক্ষ্য প্রদান করার নিমিত্তে কিংবা দলিল দাখিল করার জন্য আবশ্যকীয় ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে এবং এই বিধির উদ্দেশ্যে কমিশনারকে দেওয়ানি আদালত বলে বিবেচিত হবে।

২) যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে কোন সাক্ষী বসবাস করে তিনি প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করলে সে সাক্ষী বরাবর বা বিরুদ্ধে কোন পরোয়ানা প্রেরণের জন্য সেরূপ কোন আদালতে (হাইকোর্ট ডিভিশন নয়) কমিশনার আবেদন করতে পারেন এবং উক্ত আদালতের ঐচ্ছিক ক্ষমতায় যুক্তিসঙ্গত ও উপযুক্ত বিবেচনা করে অনুরূপ পরোয়ানা প্রেরণ করতে পারে।

১২৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৩, বিধি-৯ অনুসারে কখন একজন নিঃস্ব বাদিকে 'নিঃস্ব মুক্তি' দেওয়া হতে পারে?
  1. যদি বাদি আদালতে উপস্থিত না হয়
  2. যদি বাদির আইনজীবী মামলা প্রত্যাহার করে
  3. যদি আদালত মামলা নিষ্পত্তি করতে ব্যর্থ হয়
  4. যদি বাদির বিরক্তিকর বা অসঙ্গত আচরণ প্রকাশ পায়
সঠিক উত্তর:
যদি বাদির বিরক্তিকর বা অসঙ্গত আচরণ প্রকাশ পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি বাদির বিরক্তিকর বা অসঙ্গত আচরণ প্রকাশ পায়
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩, বিধি ৯ অনুযায়ী, একজন ব্যক্তিকে যিনি pauper হিসেবে মামলা করেছেন, তাকে ‘dispauper’ (নিঃস্ব মুক্তি) ঘোষণা করে সেই সুবিধা বাতিল করে দিতে পারে আদালত যদি নিম্নোক্ত শর্তগুলোর যে কোনো একটি পূরণ হয়:
(ক) বাদি যদি মোকদ্দমা চলাকালে বিরক্তিকর বা অসঙ্গত আচরণে দোষী সাব্যস্ত হন: অর্থাৎ, তিনি মামলা পরিচালনায় খারাপ ব্যবহার করেন, আদালতের প্রক্রিয়াকে অপব্যবহার করেন।
(খ) যদি প্রতীয়মান হয় যে, বাদির অর্থনৈতিক অবস্থা এখন এমন যে, তিনি আর pauper হিসেবে মামলা পরিচালনা করতে উপযুক্ত নন, অর্থাৎ তার আর্থিক অবস্থা উন্নত হয়েছে।
(গ) যদি বাদি মামলার বিষয়বস্তু নিয়ে কোনো চুক্তি করেন যার ফলে অন্য কেউ ঐ বিষয়বস্তুতে স্বার্থ অর্জন করে। অর্থাৎ, মামলা মূলত তার হয়ে থাকলেও অন্য কেউ লাভবান হতে পারে — এটি নিরপেক্ষতা নষ্ট করে।
→ উত্তর "ঘ) যদি বাদির বিরক্তিকর বা অসঙ্গত আচরণ প্রকাশ পায়"  সঠিক, কারণ এটি বিধি ৯ এর (a) উপধারার অংশ।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩ বিধি-৯ এর বিধান: নিঃস্ব মুক্তি: আদালত বিবাদি বা সরকারি উকিলের আবেদনক্রমে যে সম্পর্কে বাদিকে কমপক্ষে সাত দিনের লিখিত স্পষ্ট নোটিশ দিয়ে বাদি নিঃস্ব নয় মর্মে আদেশ দিতে পারে-
ক) যদি মোকদ্দমা চলাকালে সে বিরক্তিকর বা অসঙ্গত আচরণে দোষী হয়; বা
খ) যদি প্রতীয়মান হয় যে, তার এরূপ আর্থিক সংস্থান রয়েছে যাতে তার নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা পরিচালনা করা উচিত নয়; বা
গ) যদি সে মোকদ্দমার অধীনে বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে থাকে যাতে অন্য কোন ব্যক্তি উক্ত বিষয়বস্তুতে একটি স্বার্থ অর্জন করেছে।
------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-33 Rule-9. Dispaupering:
The Court may, on the application of the defendant, or of the Government pleader, of which seven days' clear notice in writing has been given to the plaintiff, order the plaintiff to be dispaupered−
(a) if he is guilty of vexatious or improper conduct in the course of the suit;
(b) if it appears that his means are such that he ought not to continue to sue as a pauper; or
(c) if he has entered into any agreement with reference to the subject-matter of the suit under which any other person has obtained an interest in such subject-matter.
১২৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় 'Attachment of immovable property' এর বিধান আছে?
  1. Order-21 Rule-53.
  2. Order-21 Rule-54.
  3. Order-21 Rule-55.
  4. Order-21 Rule-57.
সঠিক উত্তর:
Order-21 Rule-54.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order-21 Rule-54.
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৫৪ এর বিধান স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক (Attachment of immovable Property):
- স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের জন্য দায়িককে উক্ত সম্পত্তি হস্তান্তর বা কোনভাবে দায়গ্রস্ত করতে এবং সকল ব্যক্তিকে অনুরূপ হস্তান্তর হতে কোন সুবিধা গ্রহণ নিষেধ করে একটি আদেশ প্রদান করতে হবে
- অনুরূপ আদেশ ঢোল-শহরত দ্বারা বা প্রচলিত অন্য কোন পদ্ধতিতে ঘোষণা করতে হবে এবং আদেশের একটি নকল উক্ত সম্পত্তির কোন প্রকাশ্য স্থানে সংযুক্ত করে দিতে হবে।
-----------------------
⇒ Order-21 Rule-54.Attachment of immovable property:
(1) Where the property is immovable, the attachment shall be made by an order prohibiting the judgment-debtor from transferring or charging the property in any way, and all persons from taking any benefit from such transfer or charge.

(2) The order shall be proclaimed at some place on or adjacent to such property by beat of drum or other customary mode, and a copy of the order shall be affixed on a conspicuous part of the property and then upon a conspicuous part of the court-house, and also, where the property is land paying revenue to the Government, in the office of the Collector of the district in which the land is situate.
১২৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারা এবং আদেশে রিভিউ সংক্রান্ত বিধান উল্লেখিত আছে?
  1. ধারা-১১৫ এবং অর্ডার-৪৮
  2. ধারা-১১৪ এবং অর্ডার-৪৭
  3. ধারা-১১৪ এবং অর্ডার-৪৫
  4. ধারা-১২০ এবং অর্ডার-৪৭
সঠিক উত্তর:
ধারা-১১৪ এবং অর্ডার-৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা-১১৪ এবং অর্ডার-৪৭
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে রিভিউ (পুনর্বিচার) সংক্রান্ত বিধান ধারা ১১৪ এবং অর্ডার ৪৭-এ উল্লেখিত আছে।
- ধারা ১১৪: রিভিউ করার অধিকার সম্পর্কে সাধারণ বিধান দেয়।
- অর্ডার ৪৭: রিভিউ পিটিশনের প্রক্রিয়া, শর্তাবলী এবং প্রয়োগের বিস্তারিত নিয়ম উল্লেখ করে।

⇒ রিভিউ (Review) বলতে বোঝায় আদালত কর্তৃক তারই প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশের বিচারিক পুনঃপর্যালোচনা।
দেওয়ানি কার্যবিধিতে রিভিউ সংক্রান্ত বিধান দুটি জায়গায় রয়েছে:

⇒ ধারা ১১৪: এই ধারায় উল্লেখ আছে, আদালত নিজেই তার ডিক্রি বা আদেশ পুনঃপর্যালোচনা করতে পারে, যদি—
- ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলযোগ্য হলেও আপিল না করা হয়,
- ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলযোগ্য না হয়,
- ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতের রেফারেন্সে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।

⇒ অর্ডার ৪৭: এখানে রিভিউ আবেদনের নিয়মাবলি ও ভিত্তি উল্লেখ আছে। রিভিউ করা যাবে নিম্নোক্ত ৩টি কারণে—
- নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আবিষ্কৃত হলে,
- মামলার রেকর্ডে ভুল বা ভ্রান্তি থাকলে,
- অন্য কোনো পর্যাপ্ত কারণ থাকলে।
- তাই রিভিউ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৪ এবং অর্ডার ৪৭-এ।
১২৮.
Every suit shall be instituted in the court of the _______ grade competent to try it.
  1. highest
  2. lowest
  3. civil
  4. same
সঠিক উত্তর:
lowest
উত্তর
সঠিক উত্তর:
lowest
ব্যাখ্যা
• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, তা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানি আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়। ধারা-১৫ তে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, সেই বিধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে-

"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it."

অর্থাৎ প্রত্যেকটি দেওয়ানি মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে। কোনটি সর্বনিম্ন আদালত সেটা নির্ধারিত হবে আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং মোকদ্দমার মূল্যমান অনুযায়ী।
১২৯.
কোন অবস্থায় আদালত ১২ বছর পরও ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান করতে পারে?
  1. যদি ডিক্রিদার ডিক্রির দেনা আদায় না করে
  2. যদি দেনাদার প্রতারণা করে ডিক্রি জারিতে বাধা সৃষ্টি করে
  3. যদি দেনাদার শক্তি প্রয়োগ করে ডিক্রি জারিতে বাধা সৃষ্টি করে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৮ ধারার বিধান- কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি বারিত:

নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোন ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে আবেদন করা হয়ে থাকলে ঐ একই ডিক্রি জারির জন্য নিম্নলিখিত তারিখ থেকে বার বৎসর পর প্রদত্ত কোন আবেদন অনুযায়ী একই ডিক্রি জারির জন্য আদেশ দেয়া যাবে না-
ক) যে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ; বা
খ) কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশে আবেদনকারীর প্রার্থনামতে কোন নির্ধারিত তারিখে বা কিস্তিতে টাকা পরিশোধ অথবা সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ প্রদান করা হলে, তা লঙ্ঘনের তারিখ।

২) এই ধারার কোন বিধানই-
ক) আবেদনের তারিখের অব্যাবহিত পূর্ববর্তী বার বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারি দেওয়ার ব্যাপারে রায়সিদ্ধ দেনাদার প্রতারণা বা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা সৃষ্টি করে থাকলে উক্ত বার বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর উপস্থাপিত আবেদন মোতাবেক ডিক্রি জারির আদেশ দানে আদালতকে বিরত করবে না; বা
খ) ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮৩ অনুচ্ছেদের কার্যকারীতাকে সীমাবদ্ধ বা অন্যভাবে প্রভাবিত করবে না।
১৩০.
সমন জারি না হওয়ায় ফেরত আসলে, কে নতুন করে সমন দেয়ার আবেদন করতে পারে?
  1. বিবাদীর উকিল
  2. বিবাদী
  3. বাদী
  4. মোকদ্দমায় স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোনো ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
বাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী
ব্যাখ্যা
যখন সমন জারি না হওয়ায় ফেরত আসে এবং অতঃপর এক মাস পর্যন্ত বাদী নতুন করে সমন দেয়ার আবেদন না করে, তখন মোকদ্দমা খারিজ হয়।
 
আদেশ ৯ বিধি-৫ঃ

১) বিবাদীকে কিংবা কতিপয় বিবাদীর কোন একজনের প্রতি সমন দেয়ার পর যদি তা জারি না হয়ে ফেরত আসে এবং আদালতের যে কর্মচারী সাধারণত সমন জারি বিষয়ে আদালতের কাছে প্রত্যয়ন করেন,তিনি আদালতে উক্ত সমন জারি না হওয়ার প্রত্যয়নপত্রসহ তা ফেরত দেয়ার পর এক মাসের মধ্যে বাদী যদি নতুন সমন দেয়ার জন্য আবেদন না করেন,তাহলে আদালত অনুরূপ বিবাদীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ দিবে।যদি না উক্ত এক মাসের মধ্যে বাদী নিম্নলিখিত যে কোন কারণ দর্শিয়ে আদালতকে এ মর্মে সন্তুষ্ট করতে পারেন—

ক) যে বিবাদীর উপর সমন জারি হয়নি, বাদি যথাসাধ্য সকল চেষ্টা করেও ঐ বিবাদীর ঠিকানা আবিষ্কার করতে ব্যর্থ হয়েছে; অথবা
খ) উক্ত বিবাদী পরোয়ানা জারি এড়িয়ে চলছে; অথবা
গ) সময়ের মেয়াদ বাড়াতে কোন সঙ্গত কারণ রয়েছে,তাহলে আদালত সমন দেয়ার আবেদনের সময়ের মেয়াদ উপযুক্ত মনে করে বৃদ্ধি করতে পারবে।
১৩১.
সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৪টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা ৩ অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতের মোট ৫টি প্রকারভেদ রয়েছে।
- এগুলো হলো:
১. জেলা জজ আদালত (Court of District Judge)
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত (Court of Additional District Judge)
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত (Court of Joint District Judge)
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত (Court of Senior Assistant Judge)
৫. সহকারী জজ আদালত (Court of Assistant Judge)

- এই পাঁচটি আদালতই দেওয়ানি বিচার কার্য পরিচালনার জন্য গঠিত।
- প্রতিটি আদালতের এখতিয়ার ও কার্যাবলি ভিন্ন, এবং এগুলো বিচারিক কাঠামোর বিভিন্ন স্তরে অবস্থিত।
১৩২.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোনো ভুল ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করাকে কী বলা হয়?
  1. Non- Joinder of Parties
  2. Wrong- Joinder of Parties
  3. Mis- Joinder of Parties
  4. All of above
সঠিক উত্তর:
Mis- Joinder of Parties
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mis- Joinder of Parties
ব্যাখ্যা

⇒মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে পক্ষাভাব বা Non-Joinder of parties বলে। অন্যদিকে কোন ভুল ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করলে তাকে অপসংযোগ বা Mis-Joinder of Parties বলে।
- পক্ষসমূহের অপসংযোগ বা অসংযোগ সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি প্রাপ্ত সম্ভাব্য সুযোগে (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের সময় অথবা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশে পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- অ-সংযুক্ত এবং অপসংযোগ পক্ষসমূহ [Non-joinder and mis-joinder of parties]:
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি-৯ অনুযায়ী মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত পক্ষকে মোকদ্দমায় পক্ষ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত না করলে, তাকে পক্ষসমূহের অ-সংযুক্ত [Non-joinder] বলে। প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত পক্ষ ছাড়া অন্যকোন ব্যক্তি যার প্রয়োজন নেই তাকে পক্ষভুক্ত করলে, সেটাকে পক্ষসমূহের অপসংযোগ [Mis joinder] বলে।

- কোন মোকদ্দমায় পক্ষসমূহের অ-সংযুক্ত এবং অপসংযোগ এর কারণে কোন মোকদ্দমা ব্যর্থ হবে না [আদেশ ১, বিধি ৯]।
- ১ নং আদেশের ১০(১) নং বিধিমতে, বাদীর নাম ভুল হলে আদালত অন্য কোন ব্যক্তিকে বাদী হিসেবে স্থলাভিষিক্ত বা সংযোজিত (Add/Substitute) করতে পারে।
১ নং আদেশের ১০(২) নং বিধিমতে, ভুল ব্যক্তির(বাদী বা বিবাদী) নামে মোকদ্দমা হলে বা ভুল ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা হলে, আদালত তাকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে কর্তন (strike out) বা বাদ দিতে পারে।
অপসংযোগ বা অসংযুক্তের কারণে কোন মোকদ্দমা অচল হবে না অর্থাৎ মামলাটি ব্যর্থ হবে না। তবে কোন মোকদ্দমায় ভ্রান্তভাবে পক্ষভুক্ত করার বিষয়ে কোন আপত্তি উঠানোর পরও,বাদী প্রয়োজনীয় পক্ষভুক্ত না করলে মোকদ্দমাটি খারিজ হবে।

১৩৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৪ অনুযায়ী মূল্যমান ৫০ টাকার কম হলে, রায়ের পূর্বে দায়িককে কতদিন দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে?
  1. ২১ দিন
  2. ৬ সপ্তাহ
  3. ১ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ সপ্তাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ সপ্তাহ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৪: জামানত দিতে ব্যর্থ হলে দেওয়ানি কারাগারে আটক:- ২ ও ৩ বিধি অনুযায়ী বিবাদী জামানত দিতে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত বিবাদীকে দেওয়ানি কারাগারে প্রেরণ করতে পারে। সাব্যস্ত দেনাদারকে দেওয়ানি কারাগারে আটকের পরিমাণ নিম্নরূপ-

- ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকা বা তার কম হলে ৬ সপ্তাহ আটক রাখা যাবে; এবং
- ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকার বেশী হলে ৬ মাস আটক রাখা যাবে। 
স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা যেমন-বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক বা বন্ধক মুক্তি অথবা স্বত্বের মামলায় আদালত রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেনা।
-অপর্যাপ্ত কারণে বিবাদীকে গ্রেফতার করা হলে অথবা বাদীপক্ষ মামলা দায়ের করার যৌক্তিক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হলে, আদালত বাদীকে এক হাজার (১০০০/-) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারেন।

- শুধুমাত্র অর্থের মোকদ্দমায় বিবাদীকে রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তার করা যায় এবং রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে বিবাদীকে সর্বোচ্চ ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
------------
⇒ CPC Order-38 Rule-4.Procedure where defendant fails to furnish security or find fresh security: 
- Where the defendant fails to comply with any order under rule 2 or rule 3, the Court may commit him to the civil prison until the decision of the suit or, where a decree is passed against the defendant, until the decree has been satisfied:

Provided that no person shall be detained in prison under this rule in any case for a longer period than six months, nor for a longer period than six weeks when the amount or value of the subject-matter of the suit does not exceed fifty Taka: 
Provided also that no person shall be detained in prison under this rule after he has complied with such order.
১৩৪.
বাদী আদালত কর্তৃক নির্দেশিত মোকদ্দমার খরচের জন্য জামানত দিতে ব্যর্থ হলে, আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. এক-তরফা রায়
  2. মোকদ্দমা খারিজ
  3. মোকদ্দমা স্থগিত
  4. উল্লিখিত যেকোনো আদেশ
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২৫ বিধি ১ এর বিষয়বস্তু হচ্ছে খরচের জন্য জামানত [Security for costs]।

⇒ বিধি ১- অনুসারে, বাদী দেশের বাহিরে অবস্থান করলে এবং বাদীর যদি মোকদ্দমার সম্পত্তি ছাড়া বাংলাদেশে আর কোন স্থাবর সম্পত্তি না থাকে সেই ক্ষেত্রে আদালত বিবাদীর আবেদনক্রমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মোকদ্দমার দায়েরের বা ব্যয়ের যাবতীয় খরচ এবং বিবাদীর সম্ভাব্য খরচের জন্য জামানত প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ বিধি ২- জামানত প্রদানের ব্যর্থতার ফল (Effect of failure to furnish security):
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জামানত প্রদান করা না হলে মোকদ্দমা খারিজ করে আদালত একটি আদেশ দিবেন। মোকদ্দমা খারিজ হলে উক্ত খারিজের আদেশ রদের জন্য বাদী আবেদন করতে পারে এবং শর্তসাপেক্ষে আদালত খারিজের আদেশ রদ করবেন এবং মোকদ্দমা চালানোর জন্য অপর একটি দিন ধার্য করবেন। বিবাদীর উপর বিজ্ঞপ্তি জারি না করে খারিজের আদেশ রদ করা যাবে না।
১৩৫.
কোন ধরণের ডিক্রির ক্ষেত্রে ৪৮ ধারা প্রযোজ্য হয় না?
  1. নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি
  2. অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত ডিক্রি
  3. সম্পত্তি হস্তান্তর সংক্রান্ত ডিক্রি
  4. সকল ডিক্রির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারা- কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারী বারিত:
১) নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোনো ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে, যদি একই ডিক্রি জারির জন্য নিম্নলিখিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর আবেদন করা হয়, তবে সে অনুযায়ী আদেশ দেওয়া যাবে না:
ক) যে ডিক্রি জারির জন্য আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ হতে বার (১২) বছর পর, অথবা
খ) যদি কোনো ডিক্রি বা পরবর্তী আদেশে নির্দিষ্ট তারিখ বা কিস্তিতে অর্থ পরিশোধ বা সম্পত্তি হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়, তবে সেই নির্দেশ লঙ্ঘনের তারিখ হতে বার (১২) বছর পর।

২) তবে, এই ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না যদি—
ক) আবেদন দাখিলের অব্যবহিত পূর্ববর্তী বার (১২) বছরের মধ্যে ডিক্রি কার্যকর করার ক্ষেত্রে, দেনাদার প্রবঞ্চনা বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বাধা সৃষ্টি করে থাকে;
খ) ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮৩ অনুচ্ছেদের কার্যকারিতাকে সীমাবদ্ধ বা অন্যভাবে প্রভাবিত করে।
১৩৬.
আপিল আদালত কর্তৃক রায় ঘোষণার তারিখ সম্পর্কে কাকে নোটিশ দিতে হবে?
  1. শুধুমাত্র মোকদ্দমার পক্ষগণকে
  2. মোকদ্দমার পক্ষগণকে বা উকিলগণকে
  3. শুধুমাত্র উকিলদের নোটিশ দিতে হবে
  4. কোনো নোটিশ দেয়ার প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার পক্ষগণকে বা উকিলগণকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার পক্ষগণকে বা উকিলগণকে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-৩০- রায় কখন এবং কোথায় ঘোষিত হয়: 
আপিল আদালত পক্ষগণ বা তাদের উকিলদের শুনানির পর এবং আপিলের বা যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয়েছে সে আদালতের কার্যধারার কোন অংশ রেফারেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় বলে বিবেচিত হলে সেটা উল্লেখ করে তৎক্ষণাৎ বা পরবর্তী তারিখ সম্পর্কে যার নোটিশ পক্ষগণকে বা উকিলগণকে প্রদান করতে হবে, প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষিত হবে।

Order 41 Rule-30: Judgment. When and where pronounced-
The Appellate Court after hearing the parties or their pleaders and referring to any part of the proceedings, whether on appeal or in the Court from whose decree the appeal is preferred, to which reference may be considered necessary, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day of which notice shall be given to the parties or their pleaders.
১৩৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ১২ অনুযায়ী, জবানবন্দি প্রদান কালে আদালত কার আচরণ লিপিবদ্ধ করতে পারেন?
  1. বিবাদীপক্ষের আইনজীবীর
  2. বাদী এবং বিবাদীর
  3. সাক্ষীর
  4. উভয় পক্ষের আইনজীবীর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৮নং আদেশের ১২নং বিধিতে সাক্ষীর হাব-ভাব বা আচরণ (demeanour of witness) সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
বলা হয়েছে যে, জবানবন্দী প্রদান কালে সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে আদালত গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। অর্থাৎ যদি কোনো সাক্ষীর আচরণ মামলার সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় হয়, তখন বিচারক ন্যায় বিচারার্থে উক্ত সাক্ষীর ব্যবহার সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন।

আদেশ ১৮ বিধি ১২-
আদালতে কোন সাক্ষী জবানবন্দি দানকালে তার আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়,এরূপ কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারে।
[The Court may record such remarks as it thinks material respecting the demeanour of any witness while under examination.]
১৩৮.
কয়টি ক্ষেত্র ছাড়া বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে?
  1. ৫টি
  2. ৯টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৩ তে উল্লেখিত ৬টি ক্ষেত্র ছাড়া বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

ধারা-১৩ঃ যখন বিদেশি রায় চূড়ান্ত হয় না-
কোন বিদেশি আদালত কোন বিষয়ে বিচার করলে এবং তা একই পক্ষসমূহ অথবা তাদের সূত্রে এক বা একের অধিক স্বত্ব দাবিকারীর মধ্যে একই বিষয় সম্পর্কিত মোকদ্দমা হলে বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে; তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্র ব্যতীত-

ক) যখন উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক রায় ঘোষিত হয় নি;
খ) মোকদ্দমার গুণাগুণের ভিত্তিতে রায় দেয়া না হলে;
গ) আন্তর্জাতিক আইনের ভ্রান্ত ব্যাখা অথবা মোকদ্দমাটির প্রতি প্রযোজ্য বাংলাদেশের আইন অস্বীকার করে রায় প্রদান করা হয়েছে বলে কার্যধারাসমূহ হতে বুঝা গেলে;
ঘ) যে রায় আইনগত ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে, তাতে অনুসৃত পদ্ধতি ও কার্যক্রম ন্যায়বিচারের পরিপন্থী হলে;
ঙ) প্রবঞ্চনা দ্বারা রায় সংগ্রহ করা হলে;
চ) বাংলাদেশে প্রচলিত কোন আইনের বিরোধী কোন দাবি রায়ে বজায় রাখা হলে।

Section 13: When Foreign Judgment not Conclusive-
A foreign judgment shall be conclusive as to any matter thereby directly adjudicated upon between the same parties or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title except-

a) where it has not been pronounced by a Court of competent jurisdiction;
b) where it has not been given on the merits of the case;
c) where it appears on the face of the proceedings to be founded on an incorrect view of international law or a refusal to recognise the law of Bangladesh in cases in which such law is applicable;
d) where the proceedings in which the judgment was obtained are opposed to natural justice;
e) where it has been obtained by fraud;
f) where it sustains a claim founded on a breach of any law in-force in Bangladesh.
১৩৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order-XXI, Rule-15 অনুযায়ী একজন যৌথ ডিক্রিধারী সমগ্র ডিক্রি জারির আবেদন করতে পারবে যদি—
  1. সবাই লিখিত সম্মতি দেয়
  2. আদালতের পূর্বানুমতি নেয়
  3. জজমেন্ট-ডেব্টর সম্মতি দেয়
  4. ডিক্রিতে বিপরীত কোনো শর্ত না থাকে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রিতে বিপরীত কোনো শর্ত না থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রিতে বিপরীত কোনো শর্ত না থাকে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১৫(১) অনুসারে, একাধিক ব্যক্তির অনুকূলে যৌথভাবে ডিক্রি পাস হলে, যেকোনো একজন বা একাধিক ডিক্রিধারী তাদের সকলের উপকারার্থে সমগ্র ডিক্রি জারির জন্য আবেদন করতে পারবেন – তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রিতে এ সংক্রান্ত কোন বিপরীত শর্ত (condition to the contrary) না থাকতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১৫: যৌথ ডিক্রিদার কর্তৃক জারির জন্য আবেদন:
(১) যখন একাধিক ব্যক্তির অনুকূলে যৌথভাবে একটি ডিক্রি পাস করা হয়, তখন তাদের মধ্যে যেকোনো একজন বা একাধিক ব্যক্তি, যদি ডিক্রিতে বিপরীত কোনো শর্ত আরোপ করা না থাকে, তবে সকলের সুবিধার জন্য সম্পূর্ণ ডিক্রিটি জারির (execution) জন্য আবেদন করতে পারেন। অথবা, যদি তাদের মধ্যে কেউ মারা যান, তবে জীবিতদের এবং মৃত ব্যক্তির আইনি প্রতিনিধিদের সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারেন।
(২) যখন আদালত এই বিধির অধীনে করা কোনো আবেদন মঞ্জুর করার জন্য পর্যাপ্ত কারণ দেখতে পান, তখন আবেদন প্রক্রিয়ায় যারা যোগদান করেননি তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য আদালত যেরূপ প্রয়োজন মনে করবেন, সেরূপ আদেশ প্রদান করবেন।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-21 Rule-15. Application for execution by joint decree-holder:
(1) Where a decree has been passed jointly in favour of more persons than one, any one or more of such persons may, unless the decree imposes any condition to the contrary, apply for the execution of the whole decree for the benefit of them all, or, where any of them has died, for the benefit of the survivors and the legal representatives of the deceased.
(2) Where the Court sees sufficient cause for allowing the decree to be executed on an application made under this rule, it shall make such order as it deems necessary for protecting the interests of the persons who have not joined in the application.

১৪০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ অনুযায়ী পদাধিকারে কৃত কাজের জন্য সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলায় বিবাদীর কী ধরনের অব্যাহতি রয়েছে?
  1. গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি
  2. সম্পত্তি ক্রোক থেকে অব্যাহতি
  3. 'ক' এবং 'খ'
  4. কোনো অব্যাহতি নেই
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ অনুযায়ী, যদি সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তার পদাধিকারবলে (official capacity) কৃত কোনো কাজের জন্য মামলা দায়ের করা হয়, তাহলে তিনি দুইটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি সুরক্ষা বা অব্যাহতি পান:
- (ক) গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি: মামলাটি দেওয়ানি হলেও আদালতের নির্দেশে বা অন্য কারণে বিবাদীকে গ্রেফতার করা যাবে না, যতক্ষণ না ডিক্রির (decree) ভিত্তিতে প্রয়োজন হয়।
- (খ) সম্পত্তি ক্রোক থেকে অব্যাহতি: মামলার রায় কার্যকর করার (ডিক্রিজারী) বাইরে কোনো কারণে তার সম্পত্তি ক্রোক (attachment) করা যাবে না।

→ আইনের ভাষা অনুসারে: “...the defendant shall not be liable to arrest nor his property to attachment otherwise than in execution of a decree…”
অর্থাৎ, কেবল ডিক্রির (রায়) কার্যকরীকরণের সময় এই দুটি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

→ সুতরাং সরকারি কর্মকর্তা যদি তার পদাধিকারবলে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোনো কাজ করেন এবং সেই কারণে মামলা হয়,
তাহলে তিনি পাবেন: ১) গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি, ২) সম্পত্তি ক্রোক থেকে অব্যাহতি (ডিক্রির বাইরে)।
- অতএব, সঠিক উত্তর: গ) 'ক' এবং 'খ'।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ - গ্রেফতার ও হাজিরা হতে অব্যাহতি:
পদাধিকারে বলে কৃত কোন কাজের জন্য কোন সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন মামলা দায়ের করা হয়ে থাকলে—
ক) বিবাদীকে গ্রেফতার করা যাবে না এবং ডিক্রিজারী ব্যতিত অন্য কোন কারণে তার সম্পত্তি ক্রোক করা চলবে না এবং
খ) যেক্ষেত্রে আদালত এই মর্মে নিঃসন্দিহান হন যে, বিবাদী জনসেবার ক্ষতি না করে তার কর্তব্য হতে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না, সেক্ষেত্রে ইহা তাকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা হতে অব্যাহতি দিবে।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 81. Exemption from arrest and personal appearance:
-In a suit instituted against a public officer in respect of any act purporting to be done by him in his official capacity- 
(a) the defendant shall not be liable to arrest nor his property to attachment otherwise than in execution of a decree, and, 
(b) where the Court is satisfied that the defendant cannot absent himself from his duty without detriment to the public service, it shall exempt him from appearing in person.
১৪১.
পুনর্বিবেচনার (review) আবেদন মঞ্জুর করার আগে আদালত কী করতে বাধ্য?
  1. সাক্ষ্যগ্রহণ করতে হবে
  2. আবেদনকারীকে নোটিশ দিতে হবে
  3. প্রতিপক্ষকে নোটিশ দিতে হবে
  4. আবেদনকারী এবং প্রতিপক্ষ উভয়কে নোটিশ দিতে হবে
সঠিক উত্তর:
প্রতিপক্ষকে নোটিশ দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিপক্ষকে নোটিশ দিতে হবে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮, আদেশ–৪৭, বিধি–৪ : আবেদন বাতিল বা মঞ্জুর করার নিয়ম:
(১) যখন আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে পুনর্বিবেচনার (review) আবেদনের জন্য যথেষ্ট কারণ বা ভিত্তি নেই, তখন আদালত উক্ত আবেদন বাতিল করবে।

(২) যদি আদালতের মতে পুনর্বিবেচনার আবেদন মঞ্জুর করা উচিত হয়, তবে আদালত উক্ত আবেদন মঞ্জুর করতে পারবে,
তবে নিম্নলিখিত শর্তাবলি প্রযোজ্য হবে—

(ক) উক্ত আবেদন মঞ্জুর করার পূর্বে প্রতিপক্ষকে (opposite party) নোটিশ দিতে হবে, যাতে সে উপস্থিত হয়ে সেই ডিক্রি বা আদেশের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করতে পারে, যার পুনর্বিবেচনা চাওয়া হয়েছে; এবং

(খ) যদি আবেদনকারী দাবি করেন যে নতুন কোনো তথ্য বা প্রমাণ উদ্ঘাটিত হয়েছে, যা ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের সময় তার জ্ঞাত ছিল না বা পেশ করা সম্ভব ছিল না, তবে সে ক্ষেত্রে উক্ত দাবির কঠোর প্রমাণ (strict proof) ব্যতিরেকে কোনো আবেদন মঞ্জুর করা যাবে না।

১৪২.
ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত (Court of Small Causes) নিম্নোক্ত কোন আদালতের অধীন?
  1. হাইকোর্ট ডিভিশন
  2. জেলা আদালত
  3. হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালত
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালত
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত (Court of Small Causes) ২টি আদালতের অধীনস্তঃ-হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালত।

• ধারা-৩ঃ আদালতের অধস্তনতা-
এই আইনের উদ্দেশ্য জেলা আদালত হাইকোর্ট ডিভিশন এর অধীন এবং জেলা আদালতের নিম্ন পর্যায়ভুক্ত প্রত্যেক দেওয়ানি আদালত ও ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত হাইকোর্ট ডিভিশন ও জেলা আদালতের অধীন।

Sec-3: Subordination of Courts-
For the purposes of this Code, the District Court is subordinate to the High Court Division, and every Civil Court of a grade inferior to that of a District Court and every Court of Small Causes is subordinate to the High Court Division and District Court.
১৪৩.
দেওয়ানি আদালত কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন,এখতিয়ার সম্পর্কে সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট,১৮৮৭ এ বর্ণনা করা হয়েছে।
অর্থাৎ The Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
⇒ The Civil Courts Act,1887 এর ৩ ধারায় ৫ প্রকার দেওয়ানি আদালতের কথা উল্লেখ আছে।
- সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেওয়া হয়েছে-
১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]
১৪৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় "প্রত্যেক মোকদ্দমা সর্বনিম্ন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দায়ের করতে হবে" এই নীতি বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ২০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৫-এ স্পষ্টভাবে বর্ণিত আছে যে, প্রত্যেক মোকদ্দমা এমন সর্বনিম্ন গ্রেডের আদালতে দায়ের করতে হবে যা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন। দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, আর্থিক ও আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।

⇒The Civil Court Act,1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-
- সহকারী জজের আদালতে (The Court of Assistant Judge ) = ১৫ লক্ষ পর্যন্ত;
- সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge) = ২৫ লক্ষ পর্যন্ত;
- যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge) = ২৫ লক্ষ এর উপরে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-6 :Pecuniary Jurisdiction:
-Save in so far as is otherwise expressly provided, nothing herein contained shall operate to give any Court jurisdiction over suits the amount or value of the subject-matter of which exceeds the pecuniary limits (if any) of its ordinary jurisdiction.

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-15.Court in which suits to be instituted:
-Every suit shall be instituted in the Court of the lowest grade competent to try it.

১৪৫.
According to The Code of Civil Procedure, 1908, "Pleading" shall mean:
  1. plaint
  2. written statement. 
  3. plaint or written statement. 
  4. plaint and written statement. 
সঠিক উত্তর:
plaint or written statement. 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
plaint or written statement. 
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6 Rule-1. Pleading "Pleading" shall mean plaint or written statement. 
- প্লিডিংস বলতে আরজি (Plaint) বা লিখিত জবাব (Written Statement) বোঝায়।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশে প্লিডিংসের বিধানসমূহ রয়েছে।
- প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]।
- বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে।
- এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।
১৪৬.
The Civil Courts Act,1887 এর কত ধারায় দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া আছে?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৫
  3. ধারা ৭
  4. ধারা ৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন,এখতিয়ার সম্পর্কে The Civil Courts Act,1887 এ বর্ণনা করা হয়েছে। অর্থাৎ Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

• The Civil Courts Act,1887 এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ  দেয়া হয়েছে-

১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]
১৪৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি কোন সালে সর্বপ্রথম বিধিবদ্ধ (Codified) হয়?
  1. ১৮৫৭ সালে 
  2. ১৮৫৯ সালে 
  3. ১৮৭৮ সালে
  4. ১৮৮২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৯ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৯ সালে 
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (The Code of Civil Procedure) প্রথমবারের মতো বিধিবদ্ধ (Codified) হয় ১৮৫৯ সালে।
- এটি ছিল ব্রিটিশ শাসনামলে ভারতীয় উপমহাদেশে দেওয়ানি বিচারিক পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রণীত প্রথম আইন।
- এরপর এই আইনটি বিভিন্ন সময়ে সংশোধন ও পুনঃপ্রণয়ন করা হয়েছে, যেমন:
- ১৮৭৮ সালে: দ্বিতীয়বার প্রণয়ন।
- ১৮৮২ সালে: তৃতীয়বার প্রণয়ন, যেখানে মোট ৬৫৩টি ধারা ছিল।
- ১৯০৮ সালে: বর্তমান দেওয়ানি কার্যবিধি প্রণীত হয়, যা ১৯০৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।

অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধি সর্বপ্রথম ১৮৫৯ সালে বিধিবদ্ধ হয়েছিল। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) ১৮৫৯ সালে।

১৪৮.
বিবাদী যদি সরকারী কর্মচারী হয়ে থাকে, তবে সমনটি জারির জন্য কার নিকট পাঠানো হবে?
  1. বিবাদীর প্রতিনিধিকে
  2. বিবাদীর অফিসের প্রধান কে
  3. বিবাদীর পরিবারের সদস্যকে
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর অফিসের প্রধান কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর অফিসের প্রধান কে
ব্যাখ্যা
• আরজির মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানী মামলায় বিবাদী পক্ষকে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত যে পত্র বা নোটিশের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়, তাকে সমন বলে ।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৫ নং আদেশে, ২১ নং আদেশের ২৪ ও ২৫ নম্বর বিধিতে এবং ১৬ নং আদেশের ৮ নম্বর বিধিতে সমন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• ৫নং আদেশে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে সমন জারির বিশেষ পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে।যেমনঃ

(বিধি ২১)
যেক্ষেত্রে বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারাধীন এলাকায় বসবাস করে সেই ক্ষেত্রে বিবাদী যে এলাকায় বসবাস করে, সেই এলাকার এখতিয়ারাধীন যেকোন সমন জারিকারী আদালত সমনটি পাঠাতে পারে এবং উক্ত আদালত তখন সমন জারি করবে।

(বিধি ২৪)
যেক্ষেত্রে বিবাদী জেলে থাকে, সেই ক্ষেত্রে বিবাদীর প্রতি সমন জারির জন্য জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট সমন পাঠাতে হবে।

(বিধি ২৫,২৬)
যেক্ষেত্রে বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে বসবাস করে এবং বাংলাদেশে সমন গ্রহণের কোন এজেন্ট নেই, সেই ক্ষেত্রে বিবাদী দেশের বাইরে যেখানে বসবাস করে সেখানে পাঠাতে হবে। এই ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রতিনিধি বা এমন সমন জারির জন্য প্রতিষ্ঠিত কোন আদালত কর্তৃক সমনটি জারি করা যেতে পারে। 

(বিধি ২৭)
সরকারী কর্মকর্তা বা রেলওয়ে বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তার প্রতি সমন জারির জন্য উক্ত অফিসের প্রধানের বরাবর সমন পাঠাতে হবে।

(বিধি ২৮)
যেক্ষেত্রে বিবাদী একজন সৈনিক, নাবিক, বা বৈমানিক, সেই ক্ষেত্রে সমন জারি করতে উক্ত বাহিনীর কমান্ডিং অফিসারের নিকট সমন পাঠাতে হবে।
১৪৯.
দেওয়ানি আইন, ১৯০৮ এর আদেশ ১৬ এ ________ প্রতি সমন জারি এবং হাজিরা নিশ্চিত করার বিধি-বিধান রয়েছে।
  1. সাক্ষীদের
  2. পক্ষদ্বয়ের
  3. বিবাদীর
  4. পক্ষদ্বয়ের প্রতিনিধির
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীদের
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি আইন, ১৯০৮ এর আদেশ ১৬ এ সাক্ষীদের সমন জারি এবং হাজিরা নিশ্চিত করার বিধি-বিধান রয়েছে। এই আদেশে বিস্তারিত নিম্নরূপ বিষয়গুলি আলোচিত হয়েছেঃ

১. সমন জারি করার প্রক্রিয়া (Summoning witnesses)
⇒ যে কোনো পক্ষ আদালতকে অনুরোধ করে সাক্ষীদের সমন জারি করতে পারবে।
⇒ সমনে সাক্ষীর নাম, ঠিকানা এবং হাজিরা দেওয়ার তারিখ ও সময় উল্লেখ থাকবে।

২. সমনের রূপ ও বিষয়বস্তু (Form and contents of summons)
⇒ সমনের রূপ ও বিষয়বস্তু আইনে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখিত আছে।
⇒ সাক্ষীকে সমনের বিষয়বস্তু বুঝিয়ে দিতে হবে।

৩. সমন প্রেরণ ও তামিল (Serving and sending summons)
⇒ সমন প্রেরণ করার সঠিক পদ্ধতি আইনে বর্ণিত আছে।
⇒ প্রেরণ না করলে বা অনিয়মিতভাবে প্রেরণ করলে সমনের বৈধতা নেই।

৪. সাক্ষী উপস্থিত না হওয়া (Non-attendance of witnesses)
⇒ যদি সাক্ষী যথাযথভাবে সমন প্রাপ্ত হয়েও উপস্থিত না হয়, তাহলে তাকে শাস্তি হতে পারে।
⇒ তবে যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকলে আদালত ক্ষমা করতে পারে।

৫. সাক্ষীদের ভাতা (Expenses of witnesses)
⇒ সাক্ষীরা প্রাপ্য ভাতা/খরচা আদালত থেকে পাবে।
⇒ এর নিয়ম আইনে নির্ধারিত করা আছে।
১৫০.
দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা আমলে নেওয়ার বিধান The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারায় উল্লেখ রয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৯ এর বিধান  বারিত না হলে আদালত সকল দেওয়ানী মামলার বিচার করবেন: 

আদালতের (এখানে বর্ণিত বিধানাবলী সাপেক্ষে) সকল দেওয়ানী প্রকৃতির মামলা বিচার করার এখতিয়ার থাকবে, কেবল সে সকল মামলা ব্যতিত যেগুলির বিচারার্থে গ্রহণ (cognizance) প্ৰত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বারিত হয়েছে।

♦ ব্যাখ্যা: যে মামলায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, সে মামলা দেওয়ানী প্রকৃতির, যদিও অধিকার সম্পূর্ণরূপে ধর্মীয় আচার বা উৎসব সম্পর্কীত প্রশ্নের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করতে পারে।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ ধারায় বলা হয়েছে, বারিত না হলে দেওয়ানী আদালত সকল প্রকার দেওয়ানী মামলার বিচার করবে। যে মোকদ্দমায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, তা দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা। এখানে দেওয়ানী আদালতের সাধারণ এখতিয়ার বলতে দেওয়ানী আদালতসমূহের দেওয়ানী মামলার বিচার করার এখতিয়ার কে বোঝানো হয়েছে।
১৫১.
দেওয়ানি আপিলের মেমোতে কোন একটি হেতু উল্লেখ না করলে, শুনানীকালে তাহা উত্থাপন করা যাবে শুধুমাত্র-
  1. বিচারিক আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  2. সরকারি কৌসুলির অনুমতি সাপেক্ষে
  3. আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  4. হাইকোর্টের আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-২ এর বিধান  আপীলে যে সকল সঙ্গত কারণ গ্রহণ করা যাবে: আপিলের স্মারকলিপিতে প্রকাশ করা হয়নি এমন কোন বিষয় আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে উত্থাপন করা যাবে।
- আদেশ ৪১ বিধি-২ হল আপীলে যে সকল সঙ্গত কারণ গ্রহণ করা যাবেঃ
আপীলের স্মারকলিপিতে প্রকাশ করা হয়নি, আপত্তির এরূপ কারণের সমর্থনে আদালতের অনুমতি ব্যতিত আপীলকারীর বক্তব্য পেশ করতে পারবে না বা তাকে শ্রবণ করা যাবে না;
কিন্তু আপীল আদালত আপীল নিষ্পত্তিকালে আপীলের স্মারকলিপিতে প্রকাশিত আপত্তির সঙ্গত কারণসমূহ বা অত্র বিধির অধীনে আদালতের অনুমতি ক্রমে গৃহীত কারণসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবেন না,
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কোন কারণের উপর ইহার সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন না, যদি না, যে পক্ষ উহা দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হবে সেই পক্ষ উক্ত কারণের উপর মামলায় প্রতিদ্বন্দিতা করার যথেষ্ট সুযোগ পেয়ে থাকে।

- আপীলের স্মারকলিপিতে বা মেমোতে উল্লেখ করা হয়নি, এরুপ কোন কারণ বা হেতু সম্পর্কে আপীলকারী তার বক্তব্য আদালতের অনুমতি ব্যতীত পেশ করবেনা। অর্থাৎ একমাত্র আপীল আদালতের অনুমতি নিয়ে আপীলকারী এমন হেতুসমূহ [grounds] শুনানীকালে উত্থাপন করা যেতে পারে।
--------------
⇒ CPC Order-41 Rule-2. Grounds which may be taken in appeal:
- The appellant shall not, except by leave of the Court, urge or be heard in support of any ground of objection not set forth in the memorandum of appeal; but the Appellate Court, in deciding the appeal, shall not be confined to the grounds of objection set forth in the memorandum of appeal or taken by leave of the Court under this rule: 

- Provided that the Court shall not rest its decision on any other ground unless the party who may be affected thereby has had a sufficient opportunity of contesting the case on that ground.
১৫২.
আপিল আদালতে পাল্টা আপত্তি (Cross-objection) দাখিলের সময়সীমা কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ১ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
১ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২২ এর বিধান: শুনানিকালে উত্তরদায়ক তৎকর্তৃক ডিক্রীতে আপত্তি দিতে পারে, যেন সে স্বাতন্ত্র্য আপিল দায়ের কয়েছে। 
১) কোন উত্তরদায়ক যদিও কোন ডিক্রীর অংশ হতে আপিল করেনি, তথাপি সে শুধুমাত্র নিম্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্তকৃত ডিক্রীর কোন সঙ্গত কারণ শুধু সমর্থন করেনি, বরং সে আপিলক্রমে যেভাবে পারত ঠিক সেভাবে উক্ত ডিক্রীর পাল্টা আপত্তি উত্থাপন করতে পারবে এ শর্তে যে, আপিল শুনানির জন্য নির্ধারিত দিন সম্পর্কে তার উপর বা তার উকিলের উপর নোটিশ জারির তারিখ হতে সে আপিল আদালতে এক মাসের মধ্যে কিংবা আপিল আদালত মঞ্জুর করতে উপযুক্ত মনে করে এরূপ মঞ্জুরীকৃত অতিরিক্ত সময়ের মধ্যে অনুরূপ পাল্টা আপত্তি দাখিল করেছে।

২) আপত্তির ফরম এবং তাতে প্রযোজ্য বিধানসমূহ: 
অনুরূপ পাল্টা আপত্তি স্মারকের আকারে হতে হবে এবং আপিলের স্মারকের ফরম এবং বিষয়বস্তু সঙ্গে যতদূর সম্পর্কিত হয়, ততদূর ১ বিধির বিধানাবলী তাতে প্রযোজ্য হবে।

৩) আপত্তির নকল গ্রহণ সম্পর্কে ঐ আপত্তি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষের বা তার উকিল কর্তৃক এটির নকল গ্রহণের লিখিত স্বীকৃতিপত্র উত্তরদায়ক আপত্তির সঙ্গে দাখিল না করলে আপিল আদালত এটির একটি নকল আপত্তি দাখিল হওয়ার পর যথা সম্ভব শীঘ্র উত্তরদায়কের খরচে উক্ত পক্ষের বা তার উকিলের প্রতি এটির নকল প্রদান করাবে।

৪) যে কোন ক্ষেত্রে এই বিধির অধীনে উত্তরদায়ক আপত্তির স্মারক দাখিল করে থাকলে যেক্ষেত্রে মূল আপিলটি প্রত্যাহৃত বা তদ্বিরের অভাবে খারিজ হলেও উপরোক্ত মতে দাখিলকৃত আপত্তির, অন্য পক্ষকে উপযুক্ত নোটিশ দেয়ার পর শুনানি এবং সিদ্ধান্ত করা যাবে।

৫) নিঃস্ব আপিল সম্পর্কিত বিধানসমূহ যতদূর সম্ভব এ বিধির অধীনে আপত্তির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
১৫৩.
রায় একবার স্বাক্ষরিত হলে, পরবর্তীতে তা কখন সংশোধন করা যাবে?
  1. পুনরীক্ষণের মাধ্যমে
  2. পক্ষগণের সম্মতির ভিত্তিতে
  3. মামলাকারীর অনুমতি পেলে
  4. কখনোই সংশোধন করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
পুনরীক্ষণের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনরীক্ষণের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী-
রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে। এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।

১৫৪.
নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা বাতিল হলে আদেশ ৩৩ বিধি-১১ক অনুসারে কোর্ট-ফি কোথা থেকে আদায় করা হবে?
  1. মৃত বিবাদীর সম্পত্তি
  2. মৃত বাদীর সম্পত্তি
  3. আদালতের তহবিল
  4. মৃত বাদীর উত্তরাধিকারীদের থেকে
সঠিক উত্তর:
মৃত বাদীর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত বাদীর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৩ বিধি-১১ক: নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা বাতিল হলে কার্যপদ্ধতি:
যে কোনো মোকদ্দমা বাদীর বা সহ-বাদী হিসাবে যুক্ত কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর কারণে বিলুপ্ত হয়, সেই ক্ষেত্রে আদালত আদেশ দিবে যে, যদি বাদীকে নিঃস্ব (pauper) হিসেবে মামলা করার অনুমতি না দেওয়া হতো, তখন যে পরিমাণ কোর্ট-ফি প্রদান করতে হতো, তা মৃত বাদীর সম্পত্তি থেকে সরকারের পক্ষ থেকে আদায়যোগ্য হবে।

১৫৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৫১ অনুযায়ী, নিম্নের কোনটি ডিক্রি কার্যকর করার একটি বৈধ পদ্ধতি নয়?
  1. রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
  2. ফৌজদারি মামলা দায়ের করে
  3. নির্দিষ্ট সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে
  4. সম্পত্তি ক্রোক ও নিলামের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলা দায়ের করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলা দায়ের করে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৫১ অনুযায়ী, আদালত ডিক্রি কার্যকর করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু পদ্ধতিতে আদেশ দিতে পারে। এসব পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে:
১. নির্দিষ্ট সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে (Clause a)
২. সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম/বিক্রয়ের মাধ্যমে (Clause b)
৩. দেনাদারকে গ্রেপ্তার ও জেলে আটক করার মাধ্যমে (Clause c)
৪. রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে (Clause d)
৫. প্রদত্ত প্রতিকারের প্রকৃতি অনুযায়ী অন্যান্য উপায়ে (Clause e)
- তবে ‘ফৌজদারি মামলা দায়ের করা’ দেওয়ানী ডিক্রি কার্যকরের কোনো বৈধ বা নির্ধারিত উপায় নয়। ফৌজদারি প্রক্রিয়া ভিন্ন আইন দ্বারা পরিচালিত হয় (যেমন দণ্ডবিধি বা ফৌজদারি কার্যবিধি), এবং তা দেওয়ানী ডিক্রির enforcement-এর জন্য প্রযোজ্য নয়।
- অতএব, ফৌজদারি মামলা দায়ের করে ডিক্রি কার্যকর করা ধারা ৫১-এর আওতায় আবশ্যক বা বৈধ পদ্ধতি নয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৫১: ডিক্রিজারি কার্যকর করার জন্যে আদালতের ক্ষমতা:
নির্ধারিত শর্ত এবং নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে আদালত ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে নিম্নবর্ণিত যে কোনো উপায়ে ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান করতে পারেন-
ক) ডিক্রিতে আদিষ্ট কোন সম্পত্তি অর্পণের দ্বারা;
খ) কোন সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় দ্বারা বা ক্রোকবিহীন নিলাম বিক্রয়ের দ্বারা;
গ) দেনাদারকে গ্রেপ্তার ও জেলে আটকের দ্বারা;
ঘ) রিসিভার নিয়োগ দ্বারা; বা
ঙ) প্রদত্ত প্রতিকারের প্রকৃতির প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য কোন পন্থায় ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান পারে:
তবে শর্ত থাকে যে, যদি ডিক্রিটি অর্থ পরিশোধের জন্য হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে দেনাদারকে আটকের আদেশ পূর্বে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না তার কারণ দর্শানোর জন্য উপযুক্ত সুযোগ প্রদান করতে হবে এবং তৎপর আদালত যদি নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহ সম্পর্কে সন্তুষ্ট হন, লিখিতভাবে তা উল্লেখ করে অনুরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবেন:
ক) দেনাদার ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান বা তা বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে-
১. আত্মগোপন করতে পারে কিংবা সংশ্লিষ্ট আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকা ত্যাগ করতেপারে; বা
২. ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে এরূপ মোকদ্দমা দায়ের হওয়ার পর তার সম্পত্তির কোন অংশ তার দ্বারা অসদুপায়ে স্থানান্তরিত, বিনষ্ট বা অপসারণ করা হয়েছে, বা তার সম্পত্তি নিয়ে যে কোন অবিশ্বস্ততার কাজ করেছে; বা
খ) ডিক্রির তারিখ থেকে ডিক্রির টাকা অথবা তার সম্পূর্ণ বা আংশিক অংশ পরিশোধের সংগতি রায়সিদ্ধ দেনাদারের আছে বা ছিল, অথচ দেনাদার তা পরিশোধ করতে অস্বীকৃতি বা অবহেলা জ্ঞাপন করেছে বা করেছে; বা
গ) যে টাকার জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, তজ্জন্য রায় সিদ্ধ দেনাদারের দায়িত্বও পরোক্ষ ছিল।
ব্যাখ্যা- খ) দফায় বর্ণিত দেনাদারের সাঙাতি নির্ধারণকল্পে, দেনাদারের যে সম্পত্তি বর্তমানে প্রচলিত কোন আইন বা আইনের ন্যায় প্রযোজ্য অন্য কোন রীতি অনুসারে ডিক্রি জারির দরুনক্রোক থেকে অব্যাহতি লাভের জন্য, তা হিসাবে ধরা চলবে না।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section -51. Powers of Court to enforce execution.
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may, on the application of the decree-holder, order execution of the decree-
(a) by delivery of any property specifically decreed;
(b) by attachment and sale or by sale without attachment of any property;
(c) by arrest and detention in prison;
(d) by appointing a receiver; or
(e) in such other manner as may be provided hereinafter in the Code or as the nature of the relief granted may require:
Provided that, where the decree is for the payment of money, execution by detention in prison shall not be ordered unless, after giving the judgment-debtor an opportunity of showing cause why he should not be committed to prison, the Court, for reasons recorded in writing, is satisfied-
(a) that the judgment-debtor, with the object or effect of obstructing or delaying the execution of the decree,-
(i) is likely to abscond or leave the local limits of the jurisdiction of the Court, or
(ii) has, after the institution of the suit in which the decree was passed, dishonestly transferred, concealed, or removed any part of his property, or committed any other act of bad faith in relation to his property; or
(b) that the judgment-debtor has, or has had since the date of the decree, the means to pay the amount of the decree or some substantial part thereof and refuses or neglects or has refused or neglected to pay the same, or
(c) that the decree is for a sum for which the judgment-debtor was bound in a fiduciary capacity to account.
Explanation: -In the calculation of the means of the judgment-debtor for the purposes of clause (b), there shall be left out of account any property which, by or under any law or custom having the force of law for the time being in force, is exempt from attachment in execution of the decree.
১৫৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৭ কোন বিষয়ের উপর প্রযোজ্য?
  1. সাধারণ মামলার কার্যপ্রণালী
  2. সম্পত্তি হস্তান্তরের কার্যপ্রণালী
  3. পারিবারিক বিরোধ সংক্রান্ত মামলার কার্যপ্রণালী
  4. হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৭ (Order XXXVII of the Code of Civil Procedure, 1908) একটি সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি (summary procedure) যা শুধু নির্দিষ্ট কিছু আর্থিক দলিল সম্পর্কিত মামলার জন্য প্রযোজ্য। এটি মূলত— বিল অব এক্সচেঞ্জ (Bill of Exchange), হুন্ডি (Hundi), প্রমিসরি নোট (Promissory Note) —এই ধরণের হস্তান্তরযোগ্য দলিল (Negotiable Instruments)-এর ভিত্তিতে দায়েরকৃত মামলায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে প্রবর্তিত হয়েছে।
- এই আদেশের মাধ্যমে বাদী (Plaintiff) চাইলে একটি নির্ধারিত ফরমে মামলা করতে পারেন এবং বিবাদীকে আদালতের অনুমতি ছাড়া আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয় না। যদি বিবাদী সেই অনুমতি না পান, তাহলে মামলার অভিযোগ প্রমাণিত ধরে ডিক্রি প্রদান করা হয়।
অর্থাৎ, আদেশ ৩৭ সাধারণ দেওয়ানি মামলা নয়, বরং বিশেষ ধরনের আর্থিক মামলার জন্য সংক্ষিপ্ত প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৭: হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি।
বিধি-১: আদেশের প্রয়োগ। এই আদেশ শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ORDER-37:-SUMMARY PROCEDURE ON NEGOTIABLE INSTRUMENTS
Rule-1: Application of Order. This Order shall apply only to the High Court Division and to the District Court.
১৫৭.
কমিশন প্রেরণের পূর্বে আদালত কাকে কমিশনের খরচ জমা দিতে নির্দেশ দিতে পারে?
  1. সাক্ষীকে
  2. যার অনুরোধে কমিশন প্রেরিত হবে
  3. যার বিরুদ্ধে কমিশন প্রেরিত হবে
  4. আদালতের কর্মকর্তাকে
সঠিক উত্তর:
যার অনুরোধে কমিশন প্রেরিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যার অনুরোধে কমিশন প্রেরিত হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৬ বিধি-১৫: কমিশনের খরচ আদালতে জমা দিতে হবে:
এই আদেশের অধীনে কমিশন প্রেরণের পূর্বে যে পক্ষের অনুরোধ বা যে পক্ষের হিতার্থে কমিশন প্রেরিত হবে আদালত সে পক্ষকে তার বিবেচনা মত যুক্তিযুক্ত মনের করা হয় এরূপ অংক (যদি কোন) কমিশনের খরচা বাবদ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতে জমা দিতে নির্দেশ প্রদান করতে পারে।

Rule.-15: Expenses of Commission to be paid into Court:
Before issuing any commission under this Order, the Court may order such sum (if any) as it thinks reasonable for the expenses of the commission to be, within a time to be fixed, paid into Court by the party at whose instance or for whose benefit the commission is issued.
১৫৮.
দেওয়ানী মামলায় Peremptory hearing- এর পূর্ব পর্যন্ত cost ছাড়া কতটি মুলতবি আদেশ দেয়া যায়?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
• আইনে মুলতবি [Adjournment] অর্থ হলো আদালতের কার্যপ্রণালিতে কোনো মামলার শুনানি পরবর্তী কোনো তারিখ পর্যন্ত স্থগিত বা মুলতবি করা। সাধারণত কোন মোকদ্দমার শুনানী শুরু হলে তা চলমান থাকবে। কিন্তু অনিবার্য অবস্থার প্রেক্ষাপটে মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির নাও হতে পারে এবং তখন শুনানী মুলতবির আবেদন করা প্রয়োজনীয় হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭নং আদেশে [Adjournment] বা মুলতবির বিধানসমূহ রয়েছে। আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে। ১৭নং আদেশ অনুযায়ী মুলতবির কিছু সাধারন বিধান-

⇒ আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে।
⇒ চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে।
⇒ অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে (At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মুলতবি মঞ্জুর করে না।
⇒ মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।
⇒ মুলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
১৫৯.
সরকারের বিরুদ্ধে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডিক্রি জারি নিষ্পত্তি না হলে, সেক্ষেত্রে আদালত সরকারকে রিপোর্ট করবে। উক্ত রিপোর্ট করার কত দিন পরও ডিক্রি জারি নিষ্পত্তি করা না হলে, এরূপ ডিক্রি জারি করা যাবে না?
  1. ৩ মাস
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৮২ ধারার বিধান: ডিক্রি জারি: সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারি অফিসারের বিরুদ্ধে পূর্বোক্তরূপ কোন কার্যের দায়ে কোন ডিক্রি প্রদত্ত হলে ঐ ডিক্রির নির্দেশ কত দিনের মধ্যে পালন করতে হবে, ডিক্রিতে তা উল্লেখ করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি ডিক্রির নির্দেশ পালন করা না হয়, তবে আদালত বিষয়টি সম্পর্কে যথাযথ আদেশের জন্য সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণ করবেন।

২) সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণের তারিখ থেকে তিন মাস পর্যন্ত উক্ত ডিক্রির নির্দেশ প্রতিপালিত না হলে এরূপ কোন ডিক্রি জারি করা যাবে না। 

অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধর ৮২ ধারায় সরকারের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির বিধান রয়েছে। আদালত কোন মোকদ্দমায় সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারী অফিসারের বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদান করলে উক্ত ডিক্রি জারি করা যায়-
- সরকার কত সময়ের মধ্যে ডিক্রিটি নিষ্পত্তি করবে তা আদালত ডিক্রিতে নির্দিষ্ট করে দিবে, সরকার যদি আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডিক্রিটি নিষ্পত্তি না করে, সেক্ষেত্রে আদালত সরকারকে রিপোর্ট করবে।
- আদালত সরকারকে রিপোর্ট করার ৩ মাস পরও ডিক্রিটি নিষ্পত্তি করা না হলে, এরূপ কোন ডিক্রি জারি করা যাবে না।
-----------
CPC Section 82. Execution of decree:
(1) Where the decree is against the Government or against a public officer in respect of any such act as aforesaid, a time shall be specified in the decree within which it shall be satisfied; and, if the decree is not satisfied within the time so specified, the Court shall report the case for the orders of the Government.
(2) Execution shall not be issued on any such decree unless it remains unsatisfied for the period of three months computed from the date of such report.
১৬০.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় Cross Claims এর বিধান রয়েছে?
  1. Order XXII, Rule 15
  2. Order XXI, Rule 18
  3. Order XXI, Rule 19
  4. Order XI, Rule 13
সঠিক উত্তর:
Order XXI, Rule 19
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order XXI, Rule 19
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XXI, Rule 19 তে Cross Claims এর বিধান রয়েছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১৯ এর বিধান একই ডিক্রির অধীন পাল্টা দাবির ক্ষেত্রে জারি (Execution in case of cross-claims under same decree): যেক্ষেত্রে পরস্পরের নিকট হতে অর্থ আদায়ের জন্য দুই পক্ষ একটি ডিক্রি জারির জন্য আদালতে আবেদন করে, সেক্ষেত্রে-
⇒ টাকার দুই অঙ্ক সমান হলে, ডিক্রিতে উভয় পক্ষের প্রাপ্য টাকার পরিশোধ লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং
⇒ টাকার দুই অঙ্ক সমান না হলে, বৃহত্তম অঙ্কের অধিকারী পক্ষ কর্তৃক এই ক্ষুদ্রতম অঙ্ক বাদ দেওয়ার পর যা থাকে তার জন্য জারি কার্য পরিচালিত হতে পারে, এবং ক্ষুদ্রতম অঙ্কের মিটানো সম্পর্কে ডিক্রিতে লিপিবদ্ধ হবে।

⇒ পাল্টা দাবী (Cross claims)- ২১ নং আদেশের ১৯ নং বিধি অনুযায়ী, যে ডিক্রি অনুসারে দুইপক্ষ পরষ্পরের নিকট টাকা আদায়ের অধিকার লাভ করে, সেই ডিক্রি জারির জন্য আদালতে আবেদন করা হলে, তখন-
ⅰ)যদি দুটি অংক সমান হয়, তবে উভয়টির পরিতুষ্টি ডিক্রির উপর লিখতে হবে; এবং
ii) যদি দুটি অংক অসমান হয়, তবে যে পক্ষ বৃহত্তর পরিমাণ অংকের অধিকারী, ঐ পক্ষ ক্ষুদ্রতর অংশ বাদে শুধু অবশিষ্ট অংকের টাকার জন্য ডিক্রি জারি করাতে পারবে এবং ক্ষুদ্রতর অংকের জন্য ডিক্রিতে পরিতুষ্টির বিষয়টি লিপিবদ্ধ করতে হবে।

⇒ পাল্টা ডিক্রি (Cross decrees)- ২১ নং আদেশের ১৮ নং বিধি অনুযায়ী, যেক্ষেত্রে একই পক্ষসমূহের মধ্যে পৃথক মোকদ্দমায় টাকার দুটি অংশ পরিশোধের নিমিত্তে ইতোপূর্বে দেয়া পাল্টা ডিক্রিসমূহ জারির নিমিত্তে আদালতে আবেদন পেশ করা হয়। এবং তা উক্ত আদালতের মাধ্যমে একই সময়ে জারিযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে-
i ) যদি দুটি অংক সমান হয়, তবে মিটানোর ব্যাপারে উভয় ডিক্রিতে লিপিবদ্ধ থাকবে; এবং
ⅱ) যদি দুটি অংক অসমান হয়, তবে শুধু বৃহৎ অংকের ডিক্রিদার, ক্ষুদ্রতর অংক বিয়োজন করার পর ডিক্রিতে যা বাকী থাকে, তার নিমিত্তে ডিক্রি জারি করতে পারে এবং ক্ষুদ্রতর অংকের সন্তুষ্টির ব্যাপারটি বৃহৎ অংকের ডিক্রিতে এবং ক্ষুদ্রতম অংকের ডিক্রিতেও লিপিবদ্ধ থাকতে হবে।

⇒ পাল্টা ডিক্রির (Cross Decrees) ক্ষেত্রে প্রথম দুটি মামলায় দুইটি ডিক্রি একসাথে জারি করা হয়। অন্যদিকে পাল্টা দাবীর (Cross Claims) ক্ষেত্রে একই মামলায় বাদী-বিবাদীর পাল্টা দাবির ডিক্রি জারি করা হয়।
১৬১.
The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 কার্যকর হওয়ার তারিখ কোনটি?
  1. ৮ জুন, ২০২৫
  2. ৮ মে, ২০২৫ 
  3. ৮ জুলাই, ২০২৫
  4. ৮ এপ্রিল, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
৮ মে, ২০২৫ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ মে, ২০২৫ 
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 (২০২৫ সনের ১৮ নং অধ্যাদেশ) এর সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন বিষয়ক ধারা ১(১) এবং ১(২)-তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই অধ্যাদেশটি ৮ মে, ২০২৫ তারিখে জারি হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। এই তারিখটি অধ্যাদেশের প্রকাশনার সাথে সম্পর্কিত এবং এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের অধীনে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাবলে প্রণীত ও জারি করা হয়েছে।
- অর্থাৎ, প্রশ্নটি The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance কার্যকর হওয়ার তারিখ সম্পর্কে। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 এর ধারা ১(২) তে বলা হয়েছে যে এটি ৮ মে, ২০২৫ তারিখে জারি হয়েছে এবং অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর: খ) ৮ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।
- এই অধ্যাদেশটি দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর বিভিন্ন ধারা ও বিধিতে সংশোধনী এনেছে, যার মাধ্যমে মোকদ্দমার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও কার্যকর করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

১৬২.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় 'Application for execution by joint decree-holder' এর বিধান রয়েছে?
  1. Order XXII, Rule 22
  2. Order XXI, Rule 15
  3. Order XXI, Rule 16
  4. Order XXI, Rule 18
সঠিক উত্তর:
Order XXI, Rule 15
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order XXI, Rule 15
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XXI, Rule 15 তে 'Application for execution by joint decree-holder' এর বিধান রয়েছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১৫: যৌথ ডিক্রিদার কর্তৃক জারির আবেদন (Application for execution by joint decree holder): একাধিক ব্যক্তির অনুকূলে যৌথভাবে কোন ডিক্রি প্রদান করা হলে, একজন বা একাধিক ব্যক্তি তাদের সকলের উপকারার্থে সমগ্র ডিক্রি জারি করার জন্য আবেদন করতে পারে।
------------
⇒ Order-21 Rule-15. Application for execution by joint decree-holder:
(1) Where a decree has been passed jointly in favour of more persons than one, any one or more of such persons may, unless the decree imposes any condition to the contrary, apply for the execution of the whole decree for the benefit of them all, or, where any of them has died, for the benefit of the survivors and the legal representatives of the deceased.
(2) Where the Court sees sufficient cause for allowing the decree to be executed on an application made under this rule, it shall make such order as it deems necessary for protecting the interests of the persons who have not joined in the application.
১৬৩.
আদালতের স্থানীয় সীমার বাইরে সমন জারি করতে হবে আসামী যার এখতিয়ারভুক্ত সেই-
  1. পুলিশ সুপার বরাবর
  2. ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
  4. সরাসরি ঐ ব্যক্তি বরাবর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৭৩ অনুযায়ী- আদালতের স্থানীয় সীমার বাইরে সমন জারি করতে হবে সমনকৃত ব্যক্তির স্থানীয় সীমার দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট সমনের ২টি কপি পাঠিয়ে। উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সমনকৃত ব্যক্তির উপর সমন জারি করবেন।
১৬৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ ধারার অধীনে কোন ধরনের মোকদ্দমা দায়ের করা হয়?
  1. স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত
  2. অস্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত
  3. ফৌজদারি অপরাধ সম্পর্কিত
  4. প্রশাসনিক বিষয় সম্পর্কিত
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধান বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা-
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমা বা এতে কোন ক্ষতির কারণে আনীত মোকদ্দমার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে। তবে শর্ত থাকে যে, এই প্রকার মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবিটিই ঐরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারে।

সুতরাং দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ ধারার অধীনে স্থাবর সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারাধীন হয়, তাহলে তার সম্পর্কিত মামলা কোনো একটি আদালতে করা যেতে পারে।
-----------
→ The Code of Civil Procedure, 1908 section- 17: Suits for immovable property situate within jurisdiction of different Courts-
Where a suit is to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property situate within the jurisdiction of different Courts, the suit may be instituted in any Court within the local limits of whose jurisdiction any portion of the property is situate:
Provided that, in respect of the value of the subject-matter of the suit, the entire claim is cognizable by such Court.
১৬৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী মোকদ্দমা দায়েরের এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি কখন উত্থাপন করতে হবে?
  1. প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে
  2. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের পূর্বে
  3. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময়
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত আপত্তি উত্থাপন করা যায়।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ ধারার বিধান: এখতিয়ারে আপত্তি-
যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে, আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি উত্থাপন করতে হবে। যদি তা না করা হয় এবং ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত না হলে কোন আপিল বা রিভিশন আদালত মামলা দায়ের স্থান সম্পর্কে কোন আপত্তি গ্রহণ করবে না। কিন্তু ন্যায় বিচার ব্যাহত হলে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে, আপিল বা রিভিশনের সময় আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে।
------------ 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section- 21: Objections to jurisdiction-
No objection as to the place of suing shall be allowed by any appellate or revisional Court unless such objection was taken in the Court of first instance at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement, and unless there has been a consequent failure of justice.
১৬৬.
দেওয়ানি মামলায় কোন পক্ষের অনুরোধে বিনা খরচে সর্বোচ্চ কতবার আপিল শুনানি মুলতুবি আদেশ দেয়া যায়?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-১২ক অনুযায়ী আপিল মুলতুবি (Adjournment in appeal): আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না । ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত নূন্যতম ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
   •আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে।
   •প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।
- একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে। তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।
-কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন।
- কোন কারণ লিপিবদ্ধ না করে আপিল আদালত নিজ উদ্যোগে কোন আপিল শুনানির স্তরে মুলতুবির আদেশ দিবেন থা
- অর্থাৎ যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপীল খারিজ হয়েছে বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপীল পুনরুজীবিত করার আবেদন করতে পারে খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে। আদালত সর্বনিম্ন ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদানের শর্তে প্রত্যেক পক্ষে সর্বোচ্চ একবার এরকম আবেদন মঞ্জুর করে থাকেন।
--------------------
⇒ CPC Order-41 Rule-12A .Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.

(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or  disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.

(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.
১৬৭.
'কোনো দেওয়ানি আদালত তার সাধারণ এখতিয়ারের আর্থিক সীমারেখার বেশি মূল্যসম্পন্ন বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মোকদ্দমার বিচার করবে না।'- উক্ত বিধান দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ১৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ ধারায় (আর্থিক এখতিয়ার) সম্পর্কে বলা আছে-
অন্যত্র বর্ণিত সুস্পষ্ট বিধানসমূহ ছাড়া এই আইনের বিধান কোন আদালতকে তার সাধারণ এখতিয়ারের আর্থিক সীমারেখার (যদি থাকে) বেশি মূল্যসম্পন্ন বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার প্রদান করবে না।

Section 6: Pecuniary Jurisdiction-
Save in so far as is otherwise expressly provided, nothing herein contained shall operate to give any Court jurisdiction over suits the amount or value of the subject-matter of which exceeds the pecuniary limits (if any) of its ordinary jurisdiction.
১৬৮.
আদেশ ৪০ বিধি ১ এর অধীন আদালত কোন শর্তে রিসিভার নিয়োগ করতে পারে?
  1. সরকারের অনুমতিতে
  2. ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক মনে হলে
  3. মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের আবেদন সাপেক্ষে
  4. আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল থাকলে
সঠিক উত্তর:
ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক মনে হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক মনে হলে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪০ বিধি ১- রিসিভার নিয়োগ:
(১) আদালতের কাছে ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হলে আদালত আদেশ দিয়া-
ক) ডিক্রির পূর্বে বা পরে কোন সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন;
খ) সম্পত্তির দখল বা জিম্মাদারী হতে কোন ব্যক্তিকে অপসারণ করতে পারেন;
গ) উহা রিসিভারের দখলে, হেফাজতে বা ব্যবস্থাপনায় সোপদ করতে পারেন; এবং
ঘ) মামলা দায়ের করা ও জবাব দেয়া এবং সম্পত্তি আদায়করণ, ব্যবস্থাপনা, নিরাপদকরণ, সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন, উহার খাজনা এবং মুনাফা সংগ্ৰহ, উক্ত খাজনা ও মুনাফার প্রয়োগ ও হস্তান্তর এবং দলিল সম্পাদন সম্পর্কে মালিকের নিজের যেরূপ ক্ষমতা আসে সেরূপ বা আদালত যে সকল ক্ষমতা উপযুক্ত মনে করেন, রিসিভারকে অনুরূপ সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন।

(২) কোন ব্যক্তিকে সম্পত্তির দখল ও জিম্মাদারী হতে অপসারণের জন্য যাকে মামলার কোন একটি পক্ষের অনুরূপ ভাবে অপসারণের বর্তমান অধিকার নাই, অত্র বিধির কোন কিছু আদালতকেও উক্ত ব্যক্তিকে অনুরূপ অপসারণের ক্ষমতা দিবে না।

১৬৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী সর্বোচ্চ কত শতাংশ সুদ মামলার খরচের উপর আদালত দিতে পারে?
  1. ৬%
  2. ১০%
  3. ১৫%
  4. ২০%
সঠিক উত্তর:
৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬%
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ (Civil Procedure Code, 1908) এর ধারা ৩৫(৩) অনুযায়ী "আদালত মামলার খরচের উপর সর্বোচ্চ ৬% বার্ষিক হারে সুদ দিতে পারবে, এবং এই সুদ খরচের অংশ হিসাবে আদায়যোগ্য হবে।"
- সুতরাং, সঠিক উত্তর ক) ৬%।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ ধারা- মোকদ্দমার খরচ:
১) নির্ধারিত হতে পারে এরূপ শর্তাবলি ও সীমাবদ্ধতা এবং বর্তমানে বলবৎ কোন আইনের বিধান সাপেক্ষে মোকদ্দমার খরচ এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় আদালতের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে এবং কার দ্বারা বা কোন সম্পত্তি হতে ও কি পরিমাণ খরচ দিতে হবে তা নির্ধারণ করার এবং উক্ত সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদানের ব্যাপারে আদালতের পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগে মোকদ্দমা বিচারে আদালতের এখতিয়ার নেই বলে কোন বাধা সৃষ্টি হবে না।
২) যখন কোন আদালত নির্দেশ দেন যে, মোকদ্দমার ফলে কোন খরচ দেওয়া হবে না, তখন আদালত উহার কারণ লিখিতভাবে বর্ণনা করবে।
৩) আদালত মোকদ্দমার খরচের উপর অনধিক শতকরা বার্ষিক ৬% হারে সুদ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে এবং এই সুদ খরচের সাথে যোগ হবে ও যথারীতি আদায়যোগ্য হবে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 35. Costs:
(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, and to the provisions of any law for the time being in force, the costs of and incident to all suits shall be in the discretion of the Court, and the Court shall have full power to determine by whom or out of what property and to what extent such costs are to be paid, and to give all necessary directions for the purposes aforesaid. The fact that the Court has no jurisdiction to try the suit shall be no bar to the exercise of such powers.
(2) Where the Court directs that any costs shall not follow the event, the Court shall state its reasons in writing.
(3) The Court may give interest on costs at any rate not exceeding six per cent. per annum, and such interest shall be added to the costs and shall be recoverable as such.
১৭০.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় কোন জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যান্য বিচারিক কর্মকর্তাকে দেওয়ানী প্রক্রিয়ায় গ্রেফতার হতে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে?
  1. ১৩২ ধারায়
  2. ১৩৫ক ধারায়
  3. ১৩৫ ধারায়
  4. ১৩৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৩৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৫ ধারার বিধান: দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হতে অব্যাহতি:-
১) কোন জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যান্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে আদালতে গমনের সময়, আদালতে মোকদ্দমা পরিচালনা করতে বা তার আদালত থেকে প্রত্যাবর্তন করার সময় কোন দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হবে না।

২) এখতিয়ারসম্পন্ন কিংবা এরূপ এতিয়ার আছে হিসাবে সরলভাবে বিশ্বাস করেন, এরূপ কোন ট্রাইব্যুনালে কোন বিষয় বিচারাধীন থাকলে তৎবিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ তাদের উকিলগণ, মোক্তারগণ, রেভিনিউ এজেন্ট, অনুমোদিত এজেন্ট এবং সমনপ্রাপ্ত সাক্ষীগণ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে ট্রাইব্যুনালের সমীপে গমনকালে, উপস্থিত থাকাকালীন সময়ে বা ঐ স্থল থেকে প্রত্যাবর্তনের প্রাক্কালে আদালত অবমাননার দোষে উক্ত ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জারিকৃত পরওয়ানা ব্যতীত অন্য কোন দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি পাবেন।

৩) যদি কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে অবিলম্বে গ্রেফতারের আদেশ প্রদান করা হয়ে থাকে বা ডিক্রি জারির জন্য তাকে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না, তার কারণ দর্শাতে বলা হয়ে থাকে, তখন ঐ ব্যক্তি (২) উপ-ধারানুসারে অব্যাহতি দাবি করতে সমর্থ হবে না।
------------
⇒ CPC Section: 135. Exemption from arrest under civil process:
(1) No Judge, Magistrate or other judicial officer shall be liable to arrest under civil process while going to, presiding in, or returning from, his Court. 
 
(2) Where any matter is pending before a tribunal having jurisdiction therein, or believing in good faith that it has such jurisdiction, the parties thereto, their pleaders, mukhtars, revenue-agents and recognised agents, and their witnesses acting in obedience to a summons, shall be exempt from arrest under civil process other than process issued by such tribunal for contempt of Court while going to or attending such tribunal for the purpose of such matter, and while returning from such tribunal. 
 
(3) Nothing in sub-section (2) shall enable a judgment-debtor to claim exemption from arrest under an order for immediate execution or where such judgment-debtor attends to show cause why he should not be committed to prison in execution of a decree.
১৭১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩(৩) ধারা অনুযায়ী, Rule Committee-এর সদস্যদের কে নিয়োগ করেন?
  1. সরকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. আইনমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩(৩) ধারা অনুযায়ী, রুল কমিটির সদস্যদের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেন এবং তিনি কমিটির একজন সদস্যকে সভাপতি হিসেবে মনোনীত করেন।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১২৩(৩) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে: "The members of such Committee shall be appointed by the Chief Justice"
- অর্থাৎ, রুল কমিটির সদস্যগণ প্রধান বিচারপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন।এছাড়াও প্রধান বিচারপতি কমিটির সদস্যদের মধ্য থেকে একজনকে সভাপতিও নিয়োগ করেন।

রুল কমিটির (Rule Committees) গঠন:
দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩(২) ধারা অনুসারে, রুল কমিটি গঠিত হয়—
- ৩ জন সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, যাদের মধ্যে অন্তত একজন ৩ বছর জেলা জজ হিসেবে কাজ করেছেন।
- ২ জন আইনজীবী, যারা সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিস করেন।
- ১ জন দেওয়ানি আদালতের বিচারক, যিনি উচ্চ আদালতের অধীনস্থ।
এই সমস্ত সদস্য প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং তিনি নিজেও চাইলে কমিটির সদস্য হতে পারেন, সে ক্ষেত্রে তিনি কমিটির সভাপতি হবেন।
- সুতরাং, দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুসারে রুল কমিটির সদস্যদের নিয়োগের দায়িত্ব একমাত্র প্রধান বিচারপতির।

→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section- 123. Constitution of Rule Committees.
(1) A Committee, to be called the Rule Committee, shall be constituted for the purpose referred to in section 122. 
(2) Such Committee shall consist of the following persons, namely:- 
(a) three Judges of the Supreme Court, one of whom at least has served as a District Judge for three years; 
(b) two advocates parctising in that Court; and 
(c) a Judge of a Civil Court subordinate to the High Court Division.
(3) The members of such Committee shall be appointed by the Chief Justice, who shall also nominate one of their number to be president: 
Provided that, if the Chief Justice elects to be himself a member of the Committee, the number of other Judges appointed to be members shall be two, and the Chief Justice shall be the President of the Committee.
(4) Each member of such committee shall hold office for such period as may be prescribed by the Chief Justice in this behalf; and whenever any member retires, resigns, dies or becomes incapable of acting as a member of the Committee, the said Chief Justice may appoint another person to be a member in his stead. 
(5) There shall be a Secretary to such Committee, who shall be appointed by the Chief Justice and shall receive such remuneration as may be provided in this behalf by the Government.

১৭২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯, বিধি ৩ অনুসারে, বাদী ও বিবাদী উভয় অনুপস্থিত থাকলে কী হবে?
  1. নতুন সমন জারি হবে
  2. মামলা খারিজ হবে
  3. মামলা মুলতবি থাকবে
  4. আদালত একতরফা রায় দিবে
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯, বিধি ৩ (Order IX, Rule 3): Where neither party appears, suit to be dismissed:
"Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed."
অর্থাৎ, শুনানির জন্য মামলা ডাকা হলে যদি বাদী ও বিবাদী উভয়ই অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে আদালত মামলা খারিজ (dismissed) করার আদেশ দিতে পারেন।

১৭৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী আদালত সমন অমান্যের জন্য অনধিক কত টাকা জরিমানা করতে পারে?
  1. ২০০
  2. ৫০০
  3. ১০০০
  4. ১০০
সঠিক উত্তর:
৫০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে, সমন অমান্যের জন্য যাকে সমন প্রদান করা হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে জেলে প্ররণ করতে পারেন।
--------------------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section-32: Penalty for default-
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
a) issue a warrant for his arrest;
b) attach and sell his property;
c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka; 
d) order him to furnish security for his appearance and in default commit to the civil prison.
১৭৪.
যদি একাধিক ব্যক্তিবর্গ লিখিতভাবে একমত হয়ে একটি বিষয় সম্পর্কে আদালতের মতামত জানার জন্য উপস্থাপন করে, তাহলে দেওয়ানি আদালত নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে-
  1. বিষয়টি পরীক্ষা করবে
  2. মতামত প্রদান করবে
  3. পরীক্ষা ছাড়া মতামত প্রদান করবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
Section 90- Power to state case for opinion of Court:
Where any persons agree in writing to state a case for the opinion of the Court, then the Court shall try and determine the same in the manner prescribed.

বাংলা অর্থ:
যদি কোনো ব্যক্তিরা লিখিতভাবে একমত হয়ে একটি বিষয়কে আদালতের মতামত জানার জন্য উপস্থাপন করে, তাহলে আদালত নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সেই বিষয়টি পরীক্ষা করবে এবং মতামত প্রদান করবে।

অর্থাৎ, যদি দুই বা তদধিক ব্যক্তি লিখিতভাবে একটি বিষয়কে আদালতের কাছে উপস্থাপন করে এবং সেই বিষয়ে আদালতের মতামত জানতে চায়, তাহলে আদালত নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সেই বিষয়টি পরীক্ষা করবে এবং তার মতামত প্রদান করবে।
১৭৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় “সম্পত্তি বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ”-এর বিধান রয়েছে?
  1. ৬৫ ধারায়
  2. ৬২ ধারায়
  3. ৫৪ ধারায়
  4. ৫২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ৫৪ নম্বর ধারা (Section 54) বিশেষভাবে “অবিভক্ত সম্পত্তির বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ” বিষয়ক বিধান প্রদান করে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে: যদি ডিক্রি হয়- সরকারি রাজস্বের আওতাভুক্ত অবিভক্ত সম্পত্তির বাটোয়ারা, বা ঐ ধরনের সম্পত্তির নির্দিষ্ট অংশ পৃথকভাবে দখলের জন্য, তবে এই বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণের কার্য সম্পাদন করবে:
- কালেক্টর, অথবা কালেক্টরের মনোনীত গেজেটেড অধস্তন কর্মকর্তা,
এবং এটি সম্পন্ন করতে হবে তৎকালীন প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী (যেমন ভূমি বাটোয়ারা আইন)।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় বিধান সম্পত্তি বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ (Partition of estate or separation of share): সরকারি রাজস্ব প্রদানের প্রয়োজনে কোন অবিভক্ত সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য বা সম্পত্তির কোন অংশের পৃথক দখলের জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হলে, কালেক্টর বা মনোনীত কর্মকর্তা বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ সম্পন্ন করবেন।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section-54: Partition of estate or separation of share:
- Where the decree is for the partition of an undivided estate assessed to the payment of revenue to the Government, or for the separate possession of a share of such an estate, the partition of the estate or the separation of the share shall be made by the Collector or any gazetted subordinate of the Collector deputed by him in this behalf, in accordance with the law (if any) for the time being in force relating to the partition, or the separate possession of shares, of such estates.
১৭৬.
'Supplemental proceedings' - দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ধারা ৭৪
  2. ধারা ৮৪
  3. ধারা ৯৪
  4. ধারা ৯৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৪
ব্যাখ্যা
ধারা ৯৪: সম্পূরক কার্যধারা (Supplemental Proceedings):
ন্যায়বিচার ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে আদালত, যদি প্রযোজ্য হয়, নিম্নলিখিত আদেশসমূহ দিতে পারে—

(ক) বিবাদীকে গ্রেফতারের জন্য ওয়ারেন্ট ইস্যু করতে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত করাতে, যাতে সে ব্যাখ্যা দিতে পারে কেন তাকে জামিনে না রাখা হবে; এবং যদি সে জামিনের আদেশ মানতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাকে সিভিল হাজতে প্রেরণ করা যেতে পারে।

(খ) বিবাদীকে নির্দেশ দিতে পারে যে, সে যেন তার নিজস্ব কোনো সম্পত্তি আদালতের নিকট উপস্থাপন করতে জামিন প্রদান করে; অথবা আদালত তার সম্পত্তি সংযুক্ত (attachment) করার আদেশ দিতে পারে।

(গ) আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction) প্রদান করতে পারে এবং যদি তা অমান্য করা হয়, তাহলে দোষী ব্যক্তিকে সিভিল হাজতে পাঠানো যেতে পারে এবং তার সম্পত্তি সংযুক্ত ও বিক্রয়ের আদেশ দেওয়া যেতে পারে।

(ঘ) কোনো সম্পত্তির রিসিভার (Receiver) নিয়োগ করতে পারে এবং তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালিত না হলে, তার সম্পত্তি সংযুক্ত ও বিক্রয়ের মাধ্যমে বাধ্য করতে পারে।

(ঙ) আদালত এমন অন্যান্য অন্তর্বর্তী আদেশ (Interlocutory Orders) প্রদান করতে পারে যা ন্যায়সঙ্গত ও উপযুক্ত বলে মনে হয়।
১৭৭.
মোকদ্দমা দায়েরকৃত আদালতে কখন আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি উত্থাপন করতে হবে?
  1. বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে
  2. বাদী বা বিবাদী যখনই আবেদন করে
  3. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের পর যেকোন সময়
  4. বাদী যখনই আবেদন করে
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে
ব্যাখ্যা
• যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত  আপত্তি উত্থাপন করা যায়।

• ধারা ২১: এখতিয়ারে আপত্তি-
যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে, আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি উত্থাপন করতে হবে। যদি তা না করা হয় এবং ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত না হলে কোন আপীল বা রিভিশন আদালত মামলা দায়ের স্থান সম্পর্কে কোন আপত্তি গ্রহণ করবে না। কিন্তু ন্যায় বিচার ব্যাহত হলে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে, আপীল বা রিভিশনের সময় আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে।

Sec 21: Objections to jurisdiction-
No objection as to the place of suing shall be allowed by any appellate or revisional Court unless such objection was taken in the Court of first instance at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement, and unless there has been a consequent failure of justice.
১৭৮.
দেওয়ানী কার্যবিধিতে কোন ধরণের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান আছে?
  1. Mediation and Reconciliation
  2. Mediation and Arbitration
  3. Arbitration and Reconciliation
  4. Mediation and Compromise
সঠিক উত্তর:
Mediation and Arbitration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mediation and Arbitration
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারা মোতাবেক mediation বা মধ্যস্ততার বিধান ও ৮৯খ ধারা মোতাবেক Arbitration বা  সালিশের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান রাখা হয়েছে।

- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে।

- তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃ দাখিল করতে পারবেন।

- সর্বশেষ ২০১২ সালে দেওয়ানী কার্যবিধির বিকল্প বিরোধ সংক্রান্ত বিধানগুলো (ধারা-৮৯ক থেকে ৮৯৫) সংশোধন করা হয়। এছাড়া ২০১৭ সালের সংশোধনী অনুযায়ী জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা কোনো দেওয়ানী মামলায় একজন মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারে।
১৭৯.
কোন পরিস্থিতিতে আদালত তার কর্মচারীকে নাবালকের অভিভাবক হিসেবে নিযুক্ত করতে পারে?
  1. যখন বাদী অনুপস্থিত থাকে
  2. যখন বিবাদী অনুপস্থিত থাকে
  3. যখন যোগ্য ও ইচ্ছুক কেউ না থাকে
  4. যখন নাবালক সাক্ষ্য দিতে পারে না
সঠিক উত্তর:
যখন যোগ্য ও ইচ্ছুক কেউ না থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন যোগ্য ও ইচ্ছুক কেউ না থাকে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ৪(৪) অনুযায়ী যদি কোনো নাবালকের মামলার জন্য অভিভাবক হিসাবে কোনো যোগ্য ও ইচ্ছুক ব্যক্তি না পাওয়া যায়, তাহলে আদালত তার কোনো কর্মচারীকে (যেমন: কোর্ট অফিসার) নাবালকের পক্ষে মামলার অভিভাবক হিসেবে নিযুক্ত করতে পারেন।
- সেই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিতে পারেন যে,ওই কর্মচারীর খরচ এক বা একাধিক পক্ষ বহন করবে, অথবা, যদি আদালতে নাবালকের জন্য কোনো তহবিল থাকে, সেখান থেকেও খরচ বহন করা যেতে পারে।

- সুতরাং, যখন মামলার জন্য যোগ্য এবং ইচ্ছুক কেউ পাওয়া যায় না, তখনই আদালত তার কর্মচারীকে নাবালকের অভিভাবক হিসেবে নিযুক্ত করতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-৪: মামলাকে পরবর্তী হিসাবে কাজ করতে বা নিযুক্ত হতে পারে:
(১) কোন ব্যক্তি সুস্থ মনের অধিকার এবং প্রাপ্ত বয়স্ক হলে কোন নাবালকের নেকস্ট ফ্রেন্ড হিসাবে অথবা মামলার জন্য তার অভিভাবক হিসাবে কাজ করতে পারে: 
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত ব্যক্তির স্বার্থ ঐ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূলে নহে এবং সে নেকস্ট ফ্রেন্ডের ক্ষেত্রে, কোন বিবাদী নহে, এবং মামলার অভিভাবকের ক্ষেত্রে কোন বাদী নহে।
(২) যেক্ষেত্রে কোন নাবালকের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ নিযুক্ত বা ঘোষিত কোন অভিভাবক আছে, সেক্ষেত্রে উক্ত অভিভাবক ব্যতিত অপর কোন ব্যক্তি নাবালকের পক্ষে নেকস্ট ফ্রেন্ড হিসাবে কাজ করতে বা মামলার জন্য তার অভিভাবক নিযুক্ত হতে পারবে, যদি না আদালত কারণ লিপিবদ্ধ করে বিবেচনা করেন যে, নাবালকের কল্যাণের জন্য অন্য কোন ব্যক্তিকে কাজ করতে বা অভিভাবক নিযুক্ত হতে অনুমতি দেয়া পয়োজন।
(৩) কোন ব্যক্তিকে তার অনুমতি ব্যতিত মামলার অভিভাবক নিয়োগ করা যাব না।
(৪) যেক্ষেত্রে অন্য কোন ব্যক্তি মামলার অভিভাবক হিসাবে কাজ করার জন্য যোগ্য এবং ইচ্ছুক নাই, সেক্ষেত্রে আদালত তার কোন কর্মচারীকে অনুরূপ অভিভাবক নিযুক্ত করতে পানে এবং নির্দেশ দিতে পারেন যে, উক্ত কর্মচারীকে বা কোন এক বা একাধিক পক্ষ কর্তৃক বহন করতে হবে, অথবা নাবালকের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোন তহবিল আদালতে থাকলে তা হতে খরচ হবে এবং ন্যায় বিচার ও অবস্থার পয়োজনে অনুরূপ খরচার পরিশোধ বা মেনে নেয়া সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারেন।
১৮০.
কোন ক্ষেত্রে আপিল বা রিভিশন আদালতে বিচারিক আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পর্কে আপত্তি গ্রাহ্য হবে?
  1. অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল
  2. ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয়েছে
  3. ক এবং খ
  4. কোনো ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে।

•  আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে, মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে দেওয়ানী কার্যবিধির  ১৮ ধারাতে- 

১) কোন স্থাবর সম্পত্তি যখন দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সে সম্পর্কে অনিশ্চয়তার অভিযোগ থাকলে এরূপ আদালতের মধ্যে যে কোন একটি আদালত যদি সন্তুষ্ট হয়ে মনে করে যে, এরূপ অনিশ্চয়তার ন্যায়সঙ্গত কারণ রয়েছে তাহলে তদমর্মে একটি বিবৃতি লিপিবদ্ধ করে ঐ সম্পত্তির ব্যাপারে যে কোন মোকদ্দমা গ্রহণ ও বিচার করতে পারবে এবং এরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির ঐরূপ কার্যকারিতা থাকবে, যেরূপ এই আদালতের নিজস্ব এখতিয়ারে স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সম্পত্তি অবস্থিত হলে কার্যকারিতা থাকতঃ
তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও দাবির মূল্য এরূপ হতে হবে যার সম্পর্কে আদালত এখতিয়ার প্রয়োগ করতে সক্ষম হয়।

২) যেখানে (১) উপ-ধারা অনুযায়ী বিবৃতি রেকর্ডকৃত করা হয়নি এবং আপিল অথবা রিভিশন আদালতে এ মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, যে স্থানে সম্পত্তিটি অবস্থিত, সে স্থানে কোন প্রকার ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করার এখতিয়ার আদালতের নেই, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, মোকদ্দমা দায়ের করার সময় আদালতের এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল এবং এর কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয়েছে; তাহলে আপত্তিটি গ্রাহ্য হবে।
১৮১.
যার বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদান করা হয়, তাকে বলা হয়-
  1. ডিক্রিপ্রত্যাশী
  2. ডিক্রিদার
  3. দায়িক
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
দায়িক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়িক
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১০) তে “দায়িক” (Judgment-debtor) এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে-
"দায়িক বলতে এমন ব্যক্তিকে বুঝায়, যার বিপক্ষে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে বা জারিযোগ্য আদেশ প্রদান করা হয়েছে।"
"Judgment-debtor" means any person against whom a decree has been passed or an order capable of execution has been made"
 
• অপরদিকে, ধারা ২(৩) অনুসারে-
"ডিক্রিদার বলতে এমন একজন ব্যক্তিকে বুঝায়, যার অনুকূলে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে অথবা জারিযোগ্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে।"
"Decree-holder means any person in whose favour decree has been passed or an order capable of execution has been made"

• ডিক্রিপ্রত্যাশী বলতে এমন ব্যক্তিকে বুঝায়, যার অনুকূল বা প্রতিকূলে ডিক্রি অথবা জারিযোগ্য কোন আদেশ প্রদান করা হতে পারে।
১৮২.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী প্রত্যেকটি সমনের উপরে কার স্বাক্ষর থাকবে?
  1. বাদী ও বিবাদীর আইনজীবীর
  2. বাদী বা তার কর্তৃক নিযুক্ত আইনজীবীর
  3. বিচারক বা তার কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তার
  4. সমন জারীকারক পুলিশ অফিসারে
সঠিক উত্তর:
বিচারক বা তার কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক বা তার কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তার
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ১নং অনুযায়ী-
১) মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবীর সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির নিকট সমন প্রেরণ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে সে অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি আরজী দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদির দাবি স্বীকার করে নেন, তাহলে এরূপ কোন সমন প্রেরণ করা যাবে না।
২) বিবাদির উপর উপবিধি-১ মোতাবেক সমন প্রেরণ করা হলে নিম্নোক্ত যে কোন পদ্ধতিতে বিবাদি হাজিরা দিতে পারবে—
ক) ব্যক্তিগতভাবে, অথবা
খ) মক্কেলের নির্দেশ প্রাপ্ত এবং মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম এবং কোন কৌশুলী কর্তৃক, অথবা
গ) অনুরূপ সকল প্রশ্নের উত্তর দানে সক্ষম কোন ব্যক্তি সহযোগে কোন কৌশুলী কর্তৃক বিবাদি হাজিরা দিতে পারে।
৩) প্রত্যেকটি সমনে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকবে এবং আদালতের সীলমোহরে মোহরাঙ্কিত থাকতে হবে।
------------ 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-5 Rule-1.Summons:
When a suit has been duly instituted a summons shall be issued by the officer of the Court appointed in this behalf to the defendant within five working days from the date of filing the suit to appear and answer the claim on a day to be therein specified: Provided that if the officer of the Court fails to issue the summons within the said period of time, he shall be liable for misconduct: Provided further that no such summons shall be issued when the defendant has appeared at the presentation of the plaint and admitted the plaintiff's claim.
(2) A defendant to whom a summons has been issued under subrule (1) may appear− (a) in person, or (b) by a pleader duly instructed and able to answer all material questions relating to the suit, or (c) by a pleader accompanied by some person able to answer all such questions.
(3) Every such summons shall be signed by the Judge or such officer as he appoints, and shall be sealed with the seal of the Court.
১৮৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর 89A ধারানুযায়ী মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ হওয়ার কত দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ১০
  2. ৬০
  3. ৩০
সঠিক উত্তর:
৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure, 1908 এর 89A ধারানুযায়ী মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে, তবে আদালত নিজ উদ্যোগে বা পক্ষগণের যৌথ আবেদনের ভিত্তিতে আরো অনধিক ৩০ দিন পর্যন্ত সময় বৃদ্ধি করতে পারে।

সুতরাং মধ্যস্থতা নিষ্পত্তির সাধারণ সময়সীমা ৬০ দিন কিন্তু সর্বোচ্চ সময়সীমা ৯০ দিন।

অর্থাৎ The Code of Civil Procedure, 1908 এর 89A ধারানুযায়ী মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।
-------------------
The Code of Civil Procedure, 1908 Section 89A(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, [or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court], as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.
১৮৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে, রুল কমিটির সদস্যদের কে নিয়োগ করেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. আইন মন্ত্রণালয়
  4. সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩(৩) ধারা অনুযায়ী, রুল কমিটির সদস্যদের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেন এবং তিনি কমিটির একজন সদস্যকে সভাপতি হিসেবে মনোনীত করেন।

রুল কমিটির গঠন:
দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩(২) ধারা অনুসারে, রুল কমিটি গঠিত হয়—
- ৩ জন সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, যাদের মধ্যে অন্তত একজন ৩ বছর জেলা জজ হিসেবে কাজ করেছেন।
- ২ জন আইনজীবী, যারা সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিস করেন।
- ১ জন দেওয়ানি আদালতের বিচারক, যিনি উচ্চ আদালতের অধীনস্থ।
এই সমস্ত সদস্য প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং তিনি নিজেও চাইলে কমিটির সদস্য হতে পারেন, সে ক্ষেত্রে তিনি কমিটির সভাপতি হবেন।

সুতরাং, দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুসারে রুল কমিটির সদস্যদের নিয়োগের দায়িত্ব একমাত্র প্রধান বিচারপতির।

→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section- 123. Constitution of Rule Committees.
(1) A Committee, to be called the Rule Committee, shall be constituted for the purpose referred to in section 122. 
(2) Such Committee shall consist of the following persons, namely:- 
(a) three Judges of the Supreme Court, one of whom at least has served as a District Judge for three years; 
(b) two advocates parctising in that Court; and 
(c) a Judge of a Civil Court subordinate to the High Court Division.
(3) The members of such Committee shall be appointed by the Chief Justice, who shall also nominate one of their number to be president: 
Provided that, if the Chief Justice elects to be himself a member of the Committee, the number of other Judges appointed to be members shall be two, and the Chief Justice shall be the President of the Committee.
(4) Each member of such committee shall hold office for such period as may be prescribed by the Chief Justice in this behalf; and whenever any member retires, resigns, dies or becomes incapable of acting as a member of the Committee, the said Chief Justice may appoint another person to be a member in his stead. 
(5) There shall be a Secretary to such Committee, who shall be appointed by the Chief Justice and shall receive such remuneration as may be provided in this behalf by the Government.
১৮৫.
নিঃসম্বল ব্যক্তির আপিলের ক্ষেত্রে নিঃস্বতা সম্পর্কে তদন্ত কে করবে?
  1. শুধু আপিল শ্রবণকারী আদালত
  2. শুধু ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
  3. সংশ্লিষ্ট বার এসোসিয়েশন
  4. আপিল শ্রবণকারী অথবা ডিক্রি প্রদানকারী যেকোনো আদালত 
সঠিক উত্তর:
আপিল শ্রবণকারী অথবা ডিক্রি প্রদানকারী যেকোনো আদালত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল শ্রবণকারী অথবা ডিক্রি প্রদানকারী যেকোনো আদালত 
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৪ বিধি-২: নিঃস্বতা সম্বন্ধে তদন্ত:
আবেদনকারীকে নিঃস্বতা সম্পর্কে আপিল আদালত স্বয়ং অথবা যে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আদালতের আদেশক্রমে আপিল করা হয়েছে, সেই আদালত তদন্ত করতে পারবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী যদি যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয় সে আদালতে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা বা আপিল করার অনুমতি পেয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত অনুরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে কারণ না দেখলে তার নিঃস্বতা সম্পর্কে পুনরায় তদন্ত করার প্রয়োজন হবে না।

১৮৬.
আদেশ-৯, বিধি-১৩ক কী সম্পর্কিত?
  1. আপিল দায়ের করা
  2. নতুন মামলা দায়ের করা
  3. একতরফা ডিক্রি প্রদানের শর্তসমূহ
  4. একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিল করা
সঠিক উত্তর:
একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিল করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিল করা
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৯, বিধি ১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল (Directly setting-aside exparte decree)-
বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
১৮৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এ ‘প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা দায়েরের ধারণা পাওয়া যায় _________
  1. Order 1, rule 8
  2. Order 1, rule 13
  3. Order 5, rule 7
  4. Order 6, rule 3
সঠিক উত্তর:
Order 1, rule 8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order 1, rule 8
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি-৮  মতে একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মোকদ্দমা করতে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারে (One person may sue or defend on behalf of all in same interest)।

♦ যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় বহু সংখ্যক লোকের একই স্বার্থ থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে মোকদ্দমা দায়ের করতে বা মোকদ্দমায় বিবাদী হতে পারে।

♦ এক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচে স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকলকে ব্যক্তিগত জারির মাধ্যমে নোটিশ দিবেন। স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অধিক হলে এভাবে নোটিশ জারি যুক্তিসঙ্গত হবে না। তখন গণ বিজ্ঞপ্তি দেয়া যাবে।
১৮৮.
যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় যাবে, যদি মামলার মূল্য ৫ কোটি টাকার কম হয়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা

⇒ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা ২১(১)(ক) অনুসারে, যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের নিয়ম নিম্নরূপ:
- যদি মূল মামলার মূল্য বা সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার মূল্য ৫ কোটি টাকার বেশি না হয়, তবে আপিল জেলা জজের আদালতে দায়ের করতে হবে।
- যদি মামলার মূল্য ৫ কোটি টাকার বেশি হয়, তবে আপিল হাইকোর্ট বিভাগে যাবে (ধারা ২১(১)(খ))।
প্রশ্নে উল্লেখিত মামলার মূল্য ৫ কোটি টাকার কম, তাই আপিল জেলা জজ আদালতে যাবে। এছাড়াও, ধারা ২১(৩) অনুসারে, জেলা জজের কাছে যাওয়া এই ধরনের আপিলের দায়িত্ব অতিরিক্ত জেলা জজকে অর্পণ করা যেতে পারে, তবে আপিলের প্রাথমিক গন্তব্য হলো জেলা জজ আদালত।
------------ 
⇒ The Civil Courts Act, 1887 Section 21.Appeal from Joint District Judge, etc.
(1) Save as aforesaid, an appeal from a decree or order of a Joint District Judge shall lie-
(a) to the District Judge where the value of the original suit in which or in any proceeding arising out of which the decree or order was made did not exceed 5 (five) crore Taka; and
(b) to the High Court Division in any other case.

১৮৯.
নিচের কোনটি দেওয়ানী কার্যবিধির বিধান মতে 'Interpleader Suit'-এর ক্ষেত্রে সঠিক নয়?
  1. বাদী ও বিবাদীর মধ্যে বিরোধ থাকে
  2. বাদীর মামলার খরচ ব্যতীত কোন স্বার্থ থাকে না
  3. বিবাদীদের পরস্পরের মধ্যে বিরোধ থাকে
  4. বাদী ও বিবাদীর মধ্যে বিরোধ থাকে না
সঠিক উত্তর:
বাদী ও বিবাদীর মধ্যে বিরোধ থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী ও বিবাদীর মধ্যে বিরোধ থাকে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন। তখন প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে তিনি স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) দায়ের করেন। 

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।  স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবী ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।
 বিবাদীগণ পৃথক পৃথক ভাবে তাদের দাবী উলে­খ করে, বাদী ও বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ ষড়যন্ত্র থাকবেনা (ধারা-৮৮)
 
⇒ তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
⇒ অর্থাৎ আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits বিবদাী থাকবে কমপক্ষে ২ জন। এই মামলায়-
১) বাদী ও বিবাদীর মধ্যে বিরোধ থাকে্লায়
২) বিবাদীদের পরস্পরের মধ্যে বিরোধ থাকে
৩) বাদীর মামলার খরচ ব্যতীত কোন স্বার্থ থাকে না

⇒ আদেশ ৩৫ বিধি-১। ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় আরজি (Plaint in interpleader-suits): ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় প্রত্যেকটি মোকদ্দমার আরজিতে নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি বিবৃত করতে হবে - বাদী মোকদ্দমার খরচের জন্য ব্যয়িত দাবি ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবী করে না; বিবাদীগণ কর্তৃক দাবিসমূহ পৃথকভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ যোগসাজস বা ষড়যন্ত্র নেই।

⇒ আদেশ ৩৫ বিধি-৫। প্রতিনিধি বা প্রজাগণ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।

⇒ উদাহরণ:
A-তার প্রতিনিধি B-এর নিকট এক বাক্স সোনার গহনা জমা রাখে। C-অভিযোগ করে যে A-তার নিকট হতে অন্যায়ভাবে সোনার গহনাগুলি লাভ করেছে এবং B-এর নিকট হতে এইগুলি দাবী করে। B. A এবং C-এর বিরুে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।
১৯০.
দেওয়ানি মামলার আরজিতে উত্থাপিত বক্তব্য বিবাদীর জবাবে নির্দিষ্টভাবে অস্বিকার না করা হলে তার ফল হবে-
  1. উক্ত বক্তব্য স্বীকৃত বলে গণ্য
  2. তদবিষয়ে পাল্টা সাক্ষ্য দেয়া যাবে
  3. তা অস্বীকৃত বলে গণ্য
  4. তা প্রমাণিত বলে গণ্য
সঠিক উত্তর:
উক্ত বক্তব্য স্বীকৃত বলে গণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত বক্তব্য স্বীকৃত বলে গণ্য
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের ৩ নং বিধিতে বলা হয়েছে বিবাদীকে আরজির প্রত্যেক বিষয়সমূহকে (ক্ষতিপূরণ ছাড়া) সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করতে হবে। আবার ৫ নং বিধিতে বলা হয়েছে আরজিতে বিবৃত অভিযোগসমূহ বিবাদী তার লিখিত জবাবে সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার না করলে, তা বিবাদী স্বীকার করেছে বলে গন্য হবে।
১৯১.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে, রুল কমিটিতে সুপ্রিম কোর্টের কতজন বিচারক থাকবেন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩(২) ধারায় বলা হয়েছে যে, রুল কমিটিতে ৩ জন সুপ্রিম কোর্টের বিচারক থাকতে হবে, এবং তাদের মধ্যে অন্তত একজনকে ৩ বছর জেলা জজ হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

রুল কমিটির গঠন:
দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩(২) ধারা অনুসারে, রুল কমিটি গঠিত হয়—
- ৩ জন সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, যাদের মধ্যে অন্তত একজন ৩ বছর জেলা জজ হিসেবে কাজ করেছেন।
- ২ জন আইনজীবী, যারা সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিস করেন।
- ১ জন দেওয়ানি আদালতের বিচারক, যিনি উচ্চ আদালতের অধীনস্থ।
এই সমস্ত সদস্য প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং তিনি নিজেও চাইলে কমিটির সদস্য হতে পারেন, সে ক্ষেত্রে তিনি কমিটির সভাপতি হবেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section- 123. Constitution of Rule Committees.
(1) A Committee, to be called the Rule Committee, shall be constituted for the purpose referred to in section 122. 
(2) Such Committee shall consist of the following persons, namely:- 
(a) three Judges of the Supreme Court, one of whom at least has served as a District Judge for three years; 
(b) two advocates parctising in that Court; and 
(c) a Judge of a Civil Court subordinate to the High Court Division.
(3) The members of such Committee shall be appointed by the Chief Justice, who shall also nominate one of their number to be president: 
Provided that, if the Chief Justice elects to be himself a member of the Committee, the number of other Judges appointed to be members shall be two, and the Chief Justice shall be the President of the Committee.
(4) Each member of such committee shall hold office for such period as may be prescribed by the Chief Justice in this behalf; and whenever any member retires, resigns, dies or becomes incapable of acting as a member of the Committee, the said Chief Justice may appoint another person to be a member in his stead. 
(5) There shall be a Secretary to such Committee, who shall be appointed by the Chief Justice and shall receive such remuneration as may be provided in this behalf by the Government.
১৯২.
'কনস্ট্রাকটিভ রেস জুডিকাটা' (Constructive Res Judicata) ধারা ১১-এর কোন ব্যাখ্যায় আলোচিত হয়েছে?
  1. ১ম ব্যাখ্যা
  2. ৩য় ব্যাখ্যা
  3. ৪র্থ ব্যাখ্যা
  4. ৬ষ্ঠ ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর:
৪র্থ ব্যাখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১১-এর চতুর্থ ব্যাখ্যা (Explanation IV) অনুসারে, কনস্ট্রাকটিভ রেস জুডিকাটা (Constructive Res Judicata) আলোচিত হয়েছে। এই ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে যে, পূর্ববর্তী মোকদ্দমায় যে বিষয়টি উত্থাপিত হওয়া উচিত এবং হওয়া সম্ভব ছিল, তা সরাসরি এবং মূলত বিচারিত বিষয় হিসেবে গণ্য হবে, যাতে পরবর্তী মোকদ্দমায় তা পুনরায় উত্থাপন না করা যায়। এটি পরোক্ষ দোবারা দোষ নীতির অংশ।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি (Res Judicata) আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো-
এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না। এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় ৬টি ব্যাখ্যা [Explanation] রয়েছে:
১ম ব্যাখ্যা: Former Suit [পূর্ববর্তী মোকদ্দমা];
২য় ব্যাখ্যা: Competence of a Court [কোর্টের বিচার করার ক্ষমতা];
৩য় ব্যাখ্যা: Direct Res-Judicata [প্রত্যক্ষ দোবারা দোষ];
৪র্থ ব্যাখ্যা: Constructive Res-Judicata [পরোেক্ষ দোবারা দোষ];
৫ম ব্যাখ্যা: Any relief not granted shall be deemed to have been refused [প্রার্থিত প্রতিকার মঞ্জুর না হলে প্রত্যাখ্যান বলে গণ্য হবে];
৬ষ্ঠ ব্যাখ্যা: Litigation for Public Rights [সার্বজনীন বা সাধারণ অধিকার বা বাস্তব সুবিধার জন্য মামলা]
--------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-11. Res Judicata:
- No Court shall try any suit or issue in which the matter directly and substantially in issue has been directly and substantially in issue in a former suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim, litigating under the same title, in a court competent to try such subsequent suit or the suit in which such issue has been subsequently raised, and has been heard and finally decided by such Court. 
 
Explanation I.-The expression "former suit" shall denote a suit which has been decided prior to the suit in question whether or not it was instituted prior thereto. 
Explanation II.-For the purposes of this section, the competence of a Court shall be determined irrespective of any provisions as to a right of appeal from the decision of such Court. 
Explanation III.-The matter above referred to must in the former suit have been alleged by one party and either denied or admitted, expressly or impliedly, by the other. 
Explanation IV.-Any matter which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been a matter directly and substantially in issue in such suit. 
Explanation V.-Any relief claimed in the plaint, which is not expressly granted by the decree, shall, for the purposes of this section, be deemed to have been refused. 
Explanation VI.-Where persons litigate bona fide in respect of a public right or of a private right claimed in common for themselves and others, all persons interested in such right shall, for the purposes of this section, be deemed to claim under the persons so litigating.

১৯৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের ২২ ধারার অধীনে কোনো মোকদ্দমা স্থানান্তরিত হলে, উক্ত মোকদ্দমার পক্ষদের হাজিরার দিন কে নির্ধারণ করবে?
  1. উক্ত মোকদ্দমার বাদী
  2. স্থানান্তরের আদেশদানকারী আদালত
  3. যে পক্ষের আবেদনে স্থানান্তরের আদেশ দেয়া হয়েছে, সেই পক্ষ
  4. যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তরিত হয়েছে, সেই আদালত
সঠিক উত্তর:
স্থানান্তরের আদেশদানকারী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানান্তরের আদেশদানকারী আদালত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৪(ক)-
১) দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের ২২ ধারার অধীনে কোন মোকদ্দমা স্থানান্তরিত হলে বা পক্ষদের আবেদনে ২৪(১) ধারার অধীনে মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর বা প্রত্যাহার আদেশদানকারী আদালত নিজেই বিচার করতে ইচ্ছা করলে পক্ষদের এর সম্মুখে হাজির হওয়ার জন্য দিন নির্ধারণ করবে, বা যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর হয়েছে সে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন।

২) আবেদন ব্যতীত মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর হলে পূর্ব নির্ধারিত দিনে স্থানান্তর আদেশ প্রদানকারী আদালতে উপস্থিত হবে। উক্ত আদালত তখন পক্ষসমূহের স্থানান্তর বিষয়ে অবহিত করাবেন এবং পক্ষগণকে নির্ধারিত ধার্যকৃত তারিখে অথবা সুবিধা অনুসারে নিকটতম মোকদ্দমা স্থানান্তরিত আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিবেন।

Section 24A: Appearance of parties on transfer of suit, etc.-
(1) Where any suit is transferred under section 22, or any suit, appeal or other proceeding is transferred or withdrawn under sub-section (1) of section 24 on the application of a party, the Court ordering the transfer or withdrawal shall fix a date for the appearance of the parties before itself, if the suit, appeal or other proceeding is to be tried or disposed of by itself, or before the Court to which the case is so transferred.

(2) Where any suit, appeal or other proceeding is transferred from one Court to another, otherwise than on the application of a party, the parties thereto shall appear before the Court from which the suit, appeal or other proceedings is to be transferred, on the day already fixed for their appearance before that Court, and such Court shall then communicate the order of transfer to such parties and direct them to appear before the Court to which the suit, appeal or other proceeding is to be transferred, either on the same day, or on such earliest day as may be reasonable having regard to the distance at which the other Court is located.
১৯৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে Res Sub Judice নীতি কার্যকর হতে হলে পূর্ববর্তী মোকদ্দমার কী অবস্থা থাকতে হবে?
  1. বাতিল হতে হবে
  2. বিচারাধীন থাকতে হবে
  3. নিস্পত্তি হয়ে যেতে হবে
  4. উল্লিখিত সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
বিচারাধীন থাকতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারাধীন থাকতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১০-এ বর্ণিত Res Sub Judice নীতি কার্যকর হওয়ার জন্য একটি মৌলিক শর্ত হলো পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি বিচারাধীন (pending) থাকতে হবে।

Res Sub Judice কার্যকর হওয়ার শর্তসমূহ:
১. দুইটি পৃথক মোকদ্দমা - একটি পূর্বে দায়েরকৃত, অপরটি পরে দায়েরকৃত
২. একই বিষয়বস্তু - উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় (subject matter) প্রত্যক্ষ ও মৌলিকভাবে একই হতে হবে
৩. একই পক্ষগণ - উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে
৪. পূর্ববর্তী মোকদ্দমা বিচারাধীন - পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি এখনও নিষ্পত্তি হয়নি, বিচারাধীন অবস্থায় আছে
৫. একই আদালতের এখতিয়ার - পূর্ববর্তী আদালতের পরবর্তী মোকদ্দমার প্রতিকার দানের এখতিয়ার থাকতে হবে

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
পূর্ববর্তী মোকদ্দমা বাতিল বা নিষ্পত্তি হয়ে গেলে Res Sub Judice প্রযোজ্য হবে না
বিদেশি আদালতে বিচারাধীন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে এই নীতি প্রযোজ্য নয়
উদ্দেশ্য: বিরোধী রায় এড়ানো এবং আদালতের সময় সাশ্রয় করা
অতএব, পূর্ববর্তী মোকদ্দমার বিচারাধীন অবস্থাই Res Sub Judice নীতি কার্যকর হওয়ার প্রধান শর্ত।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-10. Stay of suit:
No Court shall proceed with the trial of any suit in which the matter in issue is also directly and substantially in issue in a previously instituted suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title where such suit is pending in the same or any other Court in Bangladesh having jurisdiction to grant the relief claimed, or in any Court beyond the limits of Bangladesh established or continued by the Government and having like jurisdiction, or before the Supreme Court. 

Explanation. -The pendency of a suit in a foreign Court does not preclude the Court in Bangladesh from trying a suit founded on the same cause of action.

১৯৫.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ ভঙ্গ করা হলে ভঙ্গকারীকে সর্বোচ্চ কতদিন Civil prison এ রাখার আদেশ দেয়া যেতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৪ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৯ বিধি ২ অনুযায়ী 
⇒ যদি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা হয়, অথবা কোন শর্ত ভঙ্গ করা হয় তবে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারেন, এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাস মেয়াদের জন্য  ( Civil prison ) দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখারও নির্দেশ দিতে পারেন।
⇒ চুক্তিভঙ্গ বা অন্য কোন প্রকার ক্ষতি করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য মোকদ্দমা শুরুর পর যেকোন সময়, রায়ের পূর্বে বা পরে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে। 
⇒ এরূপ কোন ক্রোক ১ বছরের অধিক বলবৎ থাকবে না, উক্ত সময়ের পরও যদি অবাধ্যতা বা চুক্তি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তাহলে সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে। 
১৯৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী চূড়ান্ত মিথ্যা বা বিব্রতকর দাবি করা হলে, সেক্ষেত্রে অপর পক্ষকে কত টাকা পর্যন্ত খরচ প্রদানের আদেশ দেয়া যাবে?
  1. ৩০০০
  2. ২০,০০০
  3. ২০০০
  4. ১০,০০০
সঠিক উত্তর:
২০,০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০,০০০
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৩৫ক অনুসারে যদি কোন মামলায় কোন ব্যক্তি মিথ্যা বা বিরক্তকর দাবি বা জবাব প্রদান করে তাহলে আদালত তাকে বিশ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারেন এবং এই আদেশের বাহিরে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাও দায়ের করা যেতে পারে।
১৯৭.
কিভাবে দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের ডিক্রি জারি করা যায়?
  1. কারাগারে আটক
  2. সম্পত্তি ক্রোক
  3. স্পেশাল ডিক্রি
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২ এর বিধান সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি:
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি ক্রোক, অথবা  চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারেই কার্যকর করা যাবে।

যদি কোন কর্পোরেশন হয়, তবে কর্পোরেশনের সম্পত্তি ক্রোক করে অথবা পরিচালকগণকে বা অন্যান্য প্রধান কর্মকর্তাগণকে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা ক্রোক এবং আটক উভয় প্রকারেই ডিক্রিটি জারি করা যাবে। কোন ক্রোক ১ বছর যাবৎ বলবৎ থাকলে যদি ডিক্রি দায়িক ডিক্রিটি মান্য না করে থাকে এবং ডিক্রিদার ক্রোককৃত সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের জন্য আবেদন করে থাকে, তবে অনুরূপ সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত ডিক্রিদারকে অর্থ প্রদান করতে পারেন।
------------
Order-21 Rule- 32. Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction:
(1) Where the party against whom a decree for the specific performance of a contract, or for restitution of conjugal rights, or for an injunction, has been passed, has had an opportunity of obeying the decree and has wilfully failed to obey it, the decree may be enforced in the case of a decree for restitution of conjugal rights by the attachment of his property or, in the case of a decree to the specific performance of a contract or for an injunction by his detention in the civil prison, or by the attachment of his property, or by both.

 (2) Where the party against whom a decree for specific performance or for an injunction has been passed is a corporation, the decree may be enforced by the attachment of the property of the corporation or, with the leave of the Court, by the detention in the civil prison of the directors or other principal officers thereof, or by both attachment and detention.
১৯৮.
আদেশ-৯, বিধি-১৫ কী বিষয়ে প্রযোজ্য?
  1. সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া
  2. নতুন মামলা দায়ের করার নিয়ম
  3. আদালতের আপিল বিধান
  4. খারিজকৃত মামলা পুনর্বহালের নিয়ম
সঠিক উত্তর:
খারিজকৃত মামলা পুনর্বহালের নিয়ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারিজকৃত মামলা পুনর্বহালের নিয়ম
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৯ বিধি ১৫:
যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমার খারিজ সংক্রান্ত আদেশ ৪ কিংবা ৯নং বিধির অধীনে কিংবা ১৩নং বিধির অধীনে কোন ডিক্রি রদ করা হয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি পুনর্বহাল করার পরিপ্রেক্ষিতে, খারিজ করার আদেশ দান কিংবা ডিক্রি দেয়ার অব্যবহিত পূর্বে যে পর্যায়ে অবস্থায় ছিল, উক্ত পর্যায় হতে মোকদ্দমাটি চালু করা হবে।

[Where the dismissal of a suit is set aside under rule 4 or rule 9, or a decree is set aside under rule 13, the suit shall, on restoration, proceed from the stage where it was immediately before the making of the order of dismissal or passing of the decree.]
১৯৯.
কোনো পক্ষ কর্তৃক নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ইচ্ছাকৃতভাবে অমান্য করা হলে, তা জারির ক্ষেত্রে কোন ব্যবস্থা অবলম্বন করা যাবে?
  1. উক্ত পক্ষকে দেওয়ানি জেলে আটক করে
  2. উক্ত পক্ষের সম্পত্তি ক্রোক করে
  3. উক্ত পক্ষের সম্পত্তি বিক্রয় করে
  4. দেওয়ানি জেলে আটক বা সম্পত্তি ক্রোক বা উভয় ভাবে
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি জেলে আটক বা সম্পত্তি ক্রোক বা উভয় ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি জেলে আটক বা সম্পত্তি ক্রোক বা উভয় ভাবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ২১ বিধি-৩২: সুনির্দিষ্ট সম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার বা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি-

যেক্ষেত্রে কোন পক্ষের বিরুদ্ধে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য বা দাম্পত্য স্বত্ব পুনরুদ্ধারের জন্য কিংবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে এবং সে পক্ষ উক্ত ডিক্রি মান্য করার সুযোগ পেয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে তার মান্য করতে অবহেলা করেছে, সেক্ষেত্রে দাম্পত্য স্বত্ব পুনরুদ্ধারের জন্য ডিক্রির ক্ষেত্রে তার সম্পত্তি ক্রোক করে কিংবা কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে দেওয়ানি জেলে আটকের দ্বারা কিংবা তার সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারে ডিক্রি বলবৎ করা যেতে পারে।

Order 21 Rule.-32: Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction.-
Where the party against whom a decree for the specific performance of a contract, or for restitution of conjugal rights, or for an injunction, has been passed, has had an opportunity of obeying the decree and has wilfully failed to obey it, the decree may be enforced in the case of a decree for restitution of conjugal rights by the attachment of his property or, in the case of a decree for the specific performance of a contract or for an injunction by his detention in the civil prison, or by the attachment of his property, or by both.
২০০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৭২ এর অধীন কোন পরিস্থিতিতে আদালত নিলাম রদ করতে পারবে?
  1. নিলামে সম্পত্তির দাম বেশি হলে
  2. দায়িক আদালতের অনুমতি ব্যতীত নিলাম খরিদ করলে
  3. ডিক্রিদার আদালতের অনুমতি ব্যতীত নিলাম খরিদ করলে
  4. ডিক্রিদার দায়িকের অনুমতি ব্যতীত নিলাম খরিদ করলে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রিদার আদালতের অনুমতি ব্যতীত নিলাম খরিদ করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রিদার আদালতের অনুমতি ব্যতীত নিলাম খরিদ করলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি-৭২: বিনা অনুমতিতে ডিক্রিদারের নিলাম না ডাকা এবং সম্পত্তি খরিদ না করা:

১) যেক্ষেত্রে কোন ডিক্রি জারির দরুণ সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হয়, সেক্ষেত্রে সে ডিক্রির ধারক আদালতের প্রকাশ্য অনুমতি ব্যতীত নিলাম ডাকতে বা সম্পত্তি খরিদ করতে পারবে না।

২) ডিক্রিদার খরিদ করলে ডিক্রির টাকা পরিশোধিত বলে গ্রহণ করা যেতে পারেঃ যেক্ষেত্রে ডিক্রিদার আদালতের অনুমতিতে নিলাম খরিদ করবে সেক্ষেত্রে ৭৩ ধারার বিধানাবলী সাপেক্ষে ডিক্রির টাকার সাথে নিলামের খরিদ মূল্য একটি অন্যটির সঙ্গে দাবী-সমন্বয় করা যাবে এবং ডিক্রি নির্বাহী আদালত তদানুসারে সামগ্রিক বা আংশিকভাবে ডিক্রি মিটানো সম্পর্কে লিপিবদ্ধ করবে।

৩) যেক্ষেত্রে ডিক্রিদার নিজে কিংবা অপর ব্যক্তির দ্বারা অনুরূপ অনুমতি ব্যতীত খরিদ করে, সেক্ষেত্রে আদালত যদি দায়িক বা নিলাম বিক্রয়ের ফলে স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হওয়া অপর কোন ব্যক্তির আবেদনে উপযুক্ত মনে করেন, তবে আদেশ দিয়ে উক্ত নিলাম রদ করতে পারবেন, এবং উক্ত আবেদন ও আদেশের খরচা এবং পুনঃবিক্রয়ের ফলে কোন মূল্য হ্রাস হয়, সেটা এবং সেটির যাবতীয় খরচ ডিক্রিদারকে পরিশোধ করতে হবে।