বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ও তফসিল

মোট প্রশ্ন৯৩৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ও তফসিল

PrepBank · পাতা / ১০ · ৮০১৯০০ / ৯৩৬

৮০১.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে ‘নির্ভরযোগ্য বাংলা পাঠ এবং অনুমোদিত ইংরেজি পাঠের মধ্যে বাংলা পাঠই প্রাধান্য পাবে’?
  1. ১৫০ নং
  2. ১৫১ নং
  3. ১৫২ নং
  4. ১৫৩ নং
সঠিক উত্তর:
১৫৩ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩ নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫৩ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, নির্ভরযোগ্য বাংলা পাঠ এবং অনুমোদিত ইংরেজি পাঠের মধ্যে বাংলা পাঠই প্রাধান্য পাবে।

বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।

⇒ সংবিধানের ১৫৩ নং অনুচ্ছেদ: প্রবর্তন, উল্লেখ ও নির্ভরযোগ্য পাঠ
- ১৫৩ (১) এই সংবিধানকে "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান" বলে উল্লেখ করা হবে এবং ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর মাসের ১৬ তারিখে এটি বলবৎ হবে, যাকে এই সংবিধানে "সংবিধান-প্রবর্তন" বলে অভিহিত করা হয়েছে।

 - ১৫৩ (২) বাংলায় এই সংবিধানের একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ ও ইংরাজীতে অনুদিত একটি নির্ভরযোগ্য অনুমোদিত পাঠ থাকবে এবং উভয় পাঠ নির্ভরযোগ্য বলে গণপরিষদের স্পীকার সার্টিফিকেট প্রদান করবেন।

 - ১৫৩ (৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফা-অনুযায়ী সার্টিফিকেটযুক্ত কোন পাঠ এই সংবিধানের বিধানাবলীর চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে;  তবে শর্ত থাকে যে, বাংলা ও ইংরাজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮০২.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী মৌলিক অধিকারের সংখ্যা কতটি?
  1. ১৫টি
  2. ১৬টি
  3. ১৭টি
  4. ১৮টি
সঠিক উত্তর:
১৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮টি
ব্যাখ্যা
মৌলিক অধিকার:
- মৌলিক অধিকারগুলো হলো এমন কিছু অধিকার যা কোনো দেশের সংবিধানে সন্নিবেশিত করে তা বাস্তবায়নের ব্যাপারে সাংবিধানিক নিশ্চয়তা দেয়া হয়।
- গণতান্ত্রিক সরকার মৌলিক অধিকারকে অত্যন্ত যত্নসহকারে লালন করে এবং এগুলো বাস্তবায়নের ব্যাপারে সাধ্যমতো চেষ্টা করে।
- বর্তমান বিশ্বে শাসকশ্রেণীর সফলতা নির্ণয়ের অন্যতম মাপকাঠি হলো তারা কতটুকু মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা জনগণকে দিতে পেরেছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ২য় ভাগে, ২৭ অনুচ্ছেদ থেকে ৪৪ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকার সম্বন্ধে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা রয়েছে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী বিদেশী নাগরিকদের ব্যাপারেও গুরুত্বপূর্ণ ধারা সংযোজন করা হয়েছে। 
- মৌলিক অধিকার মোট ১৮টি।

[তৃতীয় ভাগে ২৬-৪৭ পর্যন্ত মোট ২২টি অনুচ্ছেদ থাকলেও অধিকার সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ আছে ১৭টি এবং এদের মধ্যে মৌলিক অধিকার ১৮টি, কারণ ২৮ নং অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকার ২টি। একটি ২৮(১) এবং অপরটি ২৮(২)।]

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০৩.
বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা কোন অনুচ্ছেদে নির্ধারিত আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪০
  2. অনুচ্ছেদ ১৪১
  3. অনুচ্ছেদ ১৪২
  4. অনুচ্ছেদ ১৪৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪২
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধানের দশম ভাগে ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা কথা বলা হয়েছে।

» অনুচ্ছেদ ১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা
- এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও-
- (ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবেঃ তবে শর্ত থাকে যে,
- (অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাবে না;
- (আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে না;
- (খ) উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ: ১৪১নং -সরকারী কর্ম কমিশনের বার্ষিক রিপোর্ট।
- অনুচ্ছেদ: ১৪০ নং - সরকারী কর্ম কমিশনের দায়িত্ব।
-  অনুচ্ছেদ: ১৪৫ নং- চুক্তি ও দলিল।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

৮০৪.
”প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা” সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু?
  1. ৩নং
  2. ৫নং
  3. ৪নং
  4. ৬নং
সঠিক উত্তর:
৩নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩নং
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ৩নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
• সংবিধানের ৫নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা ৷
• সংবিধানের ৬নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু-
৬(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হইবে।
৬(২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন।]
• সংবিধানের ৪নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৮০৫.
’গণতন্ত্র ও মানবাধিকার’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত রয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ-১২
  2. অনুচ্ছেদ-১১
  3. অনুচ্ছেদ-৯
  4. অনুচ্ছেদ-১০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১১
ব্যাখ্যা

- অনুচ্ছেদ-১১ :গণতন্ত্র ও মানবাধিকার।
-  প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে,
- মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে
- এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হইবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ-৯। জাতীয়তাবাদ।
- অনুচ্ছেদ-১০। সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি;
- অনুচ্ছেদ-১১৷ গণতন্ত্র ও মানবাধিকার;
- অনুচ্ছেদ-১২। ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৮০৬.
জনগণের মৌলিক অধিকারের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ আইন বাতিলের বিষয়ে বলা হয়েছে বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ১৫
  2. ১১৩
  3. ২৬
  4. ৮২
সঠিক উত্তর:
২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬
ব্যাখ্যা
সংবিধানে মৌলিক অধিকার:
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ নং অনুচ্ছেদ থেকে ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে।

⇒ সংবিধানের ২৬ নং অনুচ্ছেদ: মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল;
- সংবিধানের তৃতীয় ভাগ মৌলিক অধিকরের শুরুতেই ২৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, মৌলিক অধিকারের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো আইন করা যাবে না।
- আর যদি করা হয়, তবে তা স্বতঃসিদ্ধভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুসারে, মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী পূর্বেকার সকল আইন সাংবিধানিকভাবে অবৈধ।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১৫ নং অনুচ্ছেদে মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৭ নং অনুচ্ছেদে সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ১১৩ নং অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টের কর্মচারীগণ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৮২ নং অনুচ্ছেদে আর্থিক ব্যবস্থাবলীর সুপারিশ সম্পর্কে বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮০৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের ২১(২) ধারায় বলা হয়েছে ''সকল সময়ে ____ চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।'' শূন্যস্থান পূরণ করুন।
  1. জনগণের সেবা করিবার
  2. রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করিবার
  3. সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করিবার
  4. সংবিধানের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করিবার
সঠিক উত্তর:
জনগণের সেবা করিবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনগণের সেবা করিবার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের -
⇒ ২১ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, 'নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• ২১ (১) নং: সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য।

• ২১ (২) নং: সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮০৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে মন্ত্রিসভার উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫৪
  2. অনুচ্ছেদ ৫৫
  3. অনুচ্ছেদ ৫৬
  4. অনুচ্ছেদ ৫৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৫
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদে ৫২ - রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ৫৩ - অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৪ - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
- অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন।
- অনুচ্ছেদ ৬০ - স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৬১ - সর্বাধিনায়কতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৮০৯.
বাংলাদেশ সংবিধানের প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল বিষয়টি কত নং অনুচ্ছেদে সন্নিবেশ করা হয়েছে?
  1. ১২১ নং
  2. ১২৩ নং
  3. ১১৭ নং
  4. ১১৯ নং
সঠিক উত্তর:
১১৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৭ নং
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগের ৩য় পরিচ্ছেদে ১১৭ নং অনুচ্ছেদে 'প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• ১১৭ (১) যা আগে বলা হয়েছে তা সত্ত্বেও, সংসদ আইনের মাধ্যমে নিচের বিষয়গুলোর জন্য এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে:
- (ক) সংবিধানের নবম ভাগে উল্লেখিত বিষয় এবং সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত ব্যক্তিদের চাকরির শর্ত, যেমন জরিমানা বা অন্যান্য শাস্তি।
- (খ) রাষ্ট্রায়ত্ত কোনো উদ্যোগ বা সরকারি কর্তৃপক্ষের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা, সেই সঙ্গে এ ধরনের উদ্যোগ বা কর্তৃপক্ষে চাকরি, কিংবা সরকারের মালিকানাধীন বা পরিচালিত সম্পত্তির ক্রয়, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও বণ্টন।
- (গ) সংবিধানের ১০২(৩) অনুচ্ছেদে উল্লেখিত কোনো আইনের বিষয়।

• ১১৭ (২) যদি এই অনুচ্ছেদের অধীনে কোনো প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়, তবে সেই ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারের আওতাভুক্ত কোনো বিষয়ে অন্য কোনো আদালত কোনো মামলা গ্রহণ করবে না বা কোনো আদেশ দেবে না। তবে, সংসদ আইনের মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা বা সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের ব্যবস্থা করতে পারে।

উল্লেখ্য,
- ষষ্ঠ ভাগে মোট ৩টি পরিচ্ছদ রয়েছে। যথা:
- ১ম পরিচ্ছেদ: সুপ্রীম কোর্ট [অনুচ্ছেদ: ৯৪ - ১১৩];
- ২য় পরিচ্ছেদ: অধস্তন আদালত [অনুচ্ছেদ: ১১৪ থেকে ১১৬];
- ৩য় পরিচ্ছেদ: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল [অনুচ্ছেদ: ১১৭]।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮১০.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে মালিকানার নীতির বিধান আছে?
  1. ১০ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১২ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৩ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৫ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৩ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
মালিকানা নীতি:
- বাংলাদেশ সংবিধানের একটা উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে, এখানে তিন ধরনের মালিকানা নীতি স্বীকার করা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এগুলো হচ্ছে-১. রাষ্ট্রীয় মালিকানা, ২. সমবায় মালিকানা এবং ৩. ব্যক্তিগত মালিকানা।

সংবিধানের অনুচ্ছেদ-১৩:
মালিকানার নীতি- “উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণালীসমূহের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হইবেন জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা-ব্যবস্থা নিম্নরূপ হইবে:
(ক) রাষ্ট্রীয় মালিকানা, অর্থাৎ অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র লইয়া সুষ্ঠু ও গতিশীল রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারী খাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের মালিকানা;
(খ) সমবায়ী মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়সমূহের সদস্যদের পক্ষে সমবায়সমূহের মালিকানা; এবং
(গ) ব্যক্তিগত মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা৷”

এছাড়া, 
১০ নং অনুচ্ছেদে সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি,
১২ নং অনুচ্ছেদে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা, এবং
১৫ নং অনুচ্ছেদে মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান
৮১১.
সংবিধানের কোন ভাগে বাংলাদেশে আইনসভা গঠনের প্রক্রিয়া উল্লেখ আছে?
  1. সপ্তম ভাগে
  2. দ্বিতীয় ভাগে
  3. পঞ্চম ভাগে
  4. তৃতীয় ভাগে
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম ভাগে
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের পঞ্চম ভাগে বাংলাদেশে আইনসভা গঠনের প্রক্রিয়া উল্লেখ আছে। 
- পঞ্চম ভাগ -  আইনসভা (অনুচ্ছেদ ৬৫ -  অনুচ্ছেদ  ৯৩)।  

বাংলাদেশের সংবিধান: 
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে বাংলাদেশের কর্মবিভাগ ও নবম-ক ভাগ জরুরী বিধানাবলী,
- দশম ভাগে সংবিধান সশোধন এবং একাদশ ভাগ বিবিধ।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
৮১২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে আপীল বিভাগকে রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. ১০৩
  2. ১০৪
  3. ১০৫
  4. ১০৭
সঠিক উত্তর:
১০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৫
ব্যাখ্যা

⇒ আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদের বিধান আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা:
- সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি-সাপেক্ষে আপীল বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকিবে।
-----------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh Article 105. Review of judgments or orders by Appellate Division:
- The Appellate Division shall have power, subject to the provisions of any Act of Parliament and of any rules made by that division to review any judgment pronounced or order made by it.

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮১৩.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'মৌলিক অধিকার' বলবৎকরণ সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-১০২
  2. অনুচ্ছেদ-৪৪
  3. অনুচ্ছেদ-৮৭
  4. অনুচ্ছেদ-১৪১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৪৪
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের ৪৪ নং অনুচ্ছেদে 'মৌলিক অধিকার' বলবৎকরণ সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ;

- ৪৪(১) এই ভাগে প্রদত্ত অধিকারসমূহ বলবৎ করিবার জন্য এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা রুজু করিবার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হইল।
-  (২) এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার হানি না ঘটাইয়া সংসদ আইনের দ্বারা অন্য কোন আদালতকে তাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ঐ সকল বা উহার যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দান করিতে পারিবেন।

অপরদিকে,
- অনুচ্ছেদ ৮৭ (১) প্রত্যেক অর্থ-বৎসর সম্পর্কে উক্ত বৎসরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি (এই ভাগে "বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি" নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হইবে।
- ১৪১ক। জরুরী-অবস্থা ঘোষণা
- ১৪১খ। জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ
- ১৪১গ। জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ
- ১০২। কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৮১৪.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদানের কথা বলা হয়েছে?
  1. ৬০(২)
  2. ৬৫(১)
  3. ৬৪ (১)
  4. ৬৫(৩)
সঠিক উত্তর:
৬৪ (১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪ (১)
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ৬৪নং অনুচ্ছেদ- অ্যাটর্নি-জেনারেল সম্পর্কিত।
৬৪ (১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
৬৪ (২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
৬৪ (৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
৬৪ (৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

• অ্যাটর্নি জেনাররেল:
-  তিনি হলেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
-  অ্যাটর্নি জেনারেল সাধারণত সুপ্রিম কোর্টের তালিকাভুক্ত বিজ্ঞ জ্যেষ্ঠ আইনজীবীগণের মধ্য থেকে সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।( নভেম্বর-২০২৫)

উল্লেখ্য,
• সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলবৃন্দ
- জনাব মোঃ সোলায়মান হোসেন।
- জনাব শাহীন সুলতানা।
- জনাব আরিফ খান।

উৎস: এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়।

৮১৫.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে সুপ্রীম কোর্ট একটি ’কোর্ট অব রেকর্ড’ হবেন? 
  1. অনুচ্ছেদ-৯৪ 
  2. অনুচ্ছেদ-১০৮
  3. অনুচ্ছেদ-১০৯
  4. অনুচ্ছেদ-১১০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১০৮
ব্যাখ্যা

 অনুচ্ছেদ-১০৮: "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট।
- সুপ্রীম কোর্ট একটি "কোর্ট অব্ রেকর্ড" হবেন এবং ইহার অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকবেন।

 অন্যদিকে,
-  অনুচ্ছেদ ৯৪(১) "বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট" নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকিবে এবং আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ লইয়া তাহা গঠিত হবে।
-  অনুচ্ছেদ ১০৯: হাইকোর্ট বিভাগের অধঃস্তন সকল 1[আদালত ও ট্রাইব্যুনালের] উপর উক্ত বিভাগের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ-ক্ষমতা থাকবে।
- অনুচ্ছেদ-১১০:  অধস্তন আদালত হইতে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা স্থানান্তর। 

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৮১৬.
সংবিধানের ১৩৭নং অনুচ্ছেদে মূলত কী নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা
  2. অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
  3. বিচারক-নিয়োগ
  4. উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
১৩৭নং অনুচ্ছেদ: সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা
- আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হবে, সেইরূপ অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হবে।

অন্যদিকে:
অনুচ্ছেদ - ৯৫: বিচারক-নিয়োগ,
অনুচ্ছেদ - ৯৭: অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ,

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৮১৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের ৭ম তফসিলের বিধান কী?
  1. অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন
  2. শপথ ও ঘোষণা
  3. স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
  4. ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তফসিলসমূহ: 
প্রথম তফসিল - অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
দ্বিতীয় তফসিল - রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
তৃতীয় তফসিল - শপথ ও ঘোষণা।
চতুর্থ তফসিল - ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
পঞ্চম তফসিল - ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
ষষ্ঠ তফসিল - স্বাধীনতার ঘোষণা।
সপ্তম তফসিল - স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮১৮.
সংবিধানের ৩নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা নির্ধারণ 
  2. বাংলাদেশের রাজধানী হবে ঢাকা
  3. বাংলাদেশের রাষ্ট্র ভাষা বাংলা
  4. প্রজাতন্ত্রের সকল মালিক জনগণ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের রাষ্ট্র ভাষা বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের রাষ্ট্র ভাষা বাংলা
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ৩ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বাংলাদেশের রাষ্ট্র ভাষা বাংলা ।

অন্যদিকে,
• সংবিধানের ২ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা নির্ধারণ হয়।
• সংবিধানের ৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বাংলাদেশের রাজধানী হবে ঢাকা।
• সংবিধানের ৭(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে - প্রজাতন্ত্রের সকল মালিক জনগণ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৮১৯.
’বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ-৮১
  2. অনুচ্ছেদ-৮৭
  3. অনুচ্ছেদ-৯১
  4. অনুচ্ছেদ-৮৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৮৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৮৭
ব্যাখ্যা

- অনুচ্ছেদ-৮৭: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি।

সংবিধান:
- অনুচ্ছেদ ৮৭(১) প্রত্যেক অর্থ-বৎসর সম্পর্কে উক্ত বৎসরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি (এই ভাগে "বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি" নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ৮৯। বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত পদ্ধতি;
- অনুচ্ছেদ ৮১। অর্থবিল;
- অনুচ্ছেদ ৯১। সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৮২০.
'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ১৮ক নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৮ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২২ নং অনুচ্ছেদ
  4. ২৪ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৮ক নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ক নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' সংবিধানের ১৮ক নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে।

সংবিধানের ১৮(ক) নং অনুচ্ছেদ:
- রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব- বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করবেন।

 অন্যদিকে -
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগসমূহ থেকে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮২১.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'জাতীয় প্রতীক' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ৪ (১) নং
  2. ৪ (২) নং
  3. ৪ (৩) নং
  4. ৪ (৪) নং
সঠিক উত্তর:
৪ (৩) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ (৩) নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক:
- সংবিধানের প্রথম ভাগের (প্রজাতন্ত্র) ৪ (৩) নং অনুচ্ছেদে জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বর্ণনা করা আছে।

• বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের ৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
(১) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত 'আমার সোনার বাংলা'র প্রথম দশ চরণ।
(২) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হলো সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
(৩) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হলো উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পরসংযুক্ত পত্র, তার উভয় পার্শ্বে দুইটি করে তারকা।
(৪) উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলী আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা। 
- পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি। এ তিনটি উপাদানের ওপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হল অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক। তারকাগুলোতে ব্যক্ত হয়েছে জাতির লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা।
- জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার পটুয়া কামরুল হাসান।

⇒ ভাসমান শাপলাটি এঁকেছেন মোহাম্মদ ইদ্রিস ও এর দুই পাশে ধানের শীষবেষ্টিত পাটপাতা ও চারটি তারকা যুক্ত করেছেন শামসুল আলম।
- কামরুল হাসান ও তাঁর দলের করা এই প্রতীকটি জাতীয় প্রতীক হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয় ১৯৭২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা বাংলাদেশের সংবিধানের চারটি মূলনীতি।
- জাতীয় প্রতীকের চারটি তারকা চিহ্ন দিয়ে এই চারটি মূলনীতিকেই বোঝানো হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮২২.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বাংলাদেশের নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলে পরিচিত হবে'?
  1. ২ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৫ নং অনুচ্ছেদ
  3. ৬(১) নং অনুচ্ছেদ
  4. ৬(২) নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৬(২) নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬(২) নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগ:
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগে ৬ নং অনুচ্ছেদে নাগরিকের নাগরিকত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• সংবিধানের ৬(১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে।
• সংবিধানের ৬(২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলে পরিচিত হবে।
 
অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ১: বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যা 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নামে পরিচিতি।
- অনুচ্ছেদ ২: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা।
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
- অনুচ্ছেদ ৫: প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা ।
- অনুচ্ছেদ ৬: নাগরিকত্ব।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮২৩.
”নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা” সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত?
  1. ৯৪নং
  2. ১১৮নং
  3. ১২৭নং
  4. ১২৩নং
সঠিক উত্তর:
১১৮নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৮নং
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ১১৮নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠার ।
• সংবিধানের ১২৩নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।
• সংবিধানের ১২৭নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা।
• সংবিধানের ৯৪নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮২৪.
সংবিধানের ৩৮ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. সংগঠনের স্বাধীনতা
  2. সমাবেশের স্বাধীনতা
  3. চলাফেরার স্বাধীনতা
  4. পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
সংগঠনের স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংগঠনের স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৩৩ - গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ।
- অনুচ্ছেদ ৩৪ - জবর দস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৫ - বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৬ - চলাফেরার স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৭ - সমাবেশের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৮ - সংগঠনের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৯ - চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্‌স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪০ - পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪১ - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৪৩ - গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৪ - মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৫ - শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।

উল্লেখ্য,
- সংবিধানের ২৬ থেকে ৪৭ অনুচ্ছেদ মৌলিক অধিকার কথা বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮২৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে সমিতি বা সংঘ গঠন করিবার অধিকার নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৬
  2. অনুচ্ছেদ ৩৭
  3. অনুচ্ছেদ ৩৮
  4. অনুচ্ছেদ ৩৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৮
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৩০- বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৩১ - আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৩২ - জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৩ - গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ।
- অনুচ্ছেদ ৩৪ - জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৫ - বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৬ - চলাফেরার স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৭ - সমাবেশের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৮ - সংগঠনের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৯ - চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪০ - পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৮২৬.
'সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন'- বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৭ক
  2. অনুচ্ছেদ ৮
  3. অনুচ্ছেদ ১১
  4. অনুচ্ছেদ ৭(২)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭(২)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৭: সংবিধানের প্রাধান্য:
(১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে৷ 
(২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে৷

• সংবিধানের প্রাধান্য [Supremacy of the Constitution]:
- সংবিধানের প্রাধান্য অর্থ হলো সংবিধানের আদেশসমূহ সকল প্রেক্ষাপটে বহাল থাকবে।
- ৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংবিধান হলো প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসামঞ্জস্য হয়, তা হলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।
- এছাড়া, কোন কার্য সংবিধানের বিধানের সাথে অসামঞ্জস্য হয়, তাহলে উক্ত কার্য অবৈধ হবে এবং কোন অবস্থাতে তার বৈধতা দেওয়ার সুযোগ নেই।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
৮২৭.
Which of the following officials does not take any oath while assuming office in Bangladesh?
  1. Chairman, Public Service Commission
  2. Chief Election Commissioner 
  3. Chairman, Anti-Corruption Commission
  4. Chief Justice 
সঠিক উত্তর:
Chairman, Anti-Corruption Commission
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chairman, Anti-Corruption Commission
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে দায়িত্ব গ্রহণের সময় যে কর্মকর্তা শপথ গ্রহণ করেন না, তা হলো - দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান।
অন্যদিকে প্রধান বিচারপতি, সরকারী কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান ও  প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে দায়িত্ব গ্রহণের সময়  শপথ গ্রহণ করতে হয়।

বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিল: [১৪৮ অনুচ্ছেদ]
- শপথ ও ঘোষণা।
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে।

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
১। রাষ্ট্রপতি [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
২। প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতি-মন্ত্রী ও উপমন্ত্রী [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। ডেপুটি স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৫। সংসদ সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
৬। প্রধান বিচারপতি বা বিচারক [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৭। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।
৮। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
৯। সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮২৮.
সরকারি কর্ম কমিশনের দ্বায়িত্ব সংক্রান্ত নির্দেশ কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-১৩০
  2. অনুচ্ছেদ-১৩৭
  3. অনুচ্ছেদ-১৪০
  4. অনুচ্ছেদ-১৩১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১৪০
ব্যাখ্যা

• সংবিধান:
- সংবিধানের ১৪০ নং অনুচ্ছেদে 'সরকারি কর্ম কমিশনের দ্বায়িত্ব সংক্রান্ত নির্দেশ' গঠনের উল্লেখ করে বলা হয়েছে

এছাড়াও-
- অনুচ্ছেদ- ১৩০: অস্থায়ী মহা হিসাব-নিরীক্ষক।
- অনুচ্ছেদ- ১৩১: প্রজাতন্ত্রের হিসাব-রক্ষার আকার ও পদ্ধতি।
- অনুচ্ছেদ- ১৩৭: সরকারি কর্ম কমিশন গঠন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮২৯.
'মানুষের ওপর মানুষের শোষণ থেকে মুক্ত ন্যায়ানুগ সমাজলাভ নিশ্চিত করা' - সংবিধানের কোন মূলনীতি কে প্রতিফলিত করে?
  1. জাতীয়তাবাদ
  2. সমাজতন্ত্র
  3. গণতন্ত্র
  4. ধর্মনিরপেক্ষতা
সঠিক উত্তর:
সমাজতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাজতন্ত্র
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেয়া হলো:

১। জাতীয়তাবাদ:
ভাষাগত এবং সংক্ষিপ্ত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালি জনগোষ্ঠী ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করেছে, সেই জনগোষ্ঠীর ঐক্য বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি (অনুচ্ছেদ ৯)।

২। সমাজতন্ত্র:
মানুষের ওপর মানুষের শোষণ থেকে মুক্ত ন্যায়ানুগ সমাজলাভ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হলো রাষ্ট্রের লক্ষ্য (অনুচ্ছেদ ১০)।

৩। গণতন্ত্র:
বাংলাদেশ হবে একটি প্রজাতন্ত্র। এর রাজনৈতিক ব্যবস্থা হবে গণতান্ত্রিক। প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে (অনুচ্ছেদ ১১)।

৪। ধর্মনিরপেক্ষতা:
ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ হলো সকল প্রকার সাম্প্রদায়িকতার অবসান, রাষ্ট্র কর্তৃক কোনো ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা না দেয়া, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মকে ব্যবহার না করা এবং ধর্মের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তির প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ বা নিপীড়নের অবসান (অনুচ্ছেদ ১২)।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৩০.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন তফসিল বর্তমানে বিলুপ্ত?
  1. ষষ্ঠ তফসিল
  2. পঞ্চম তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. দ্বিতীয় তফসিল
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় তফসিল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- সংবিধানের দশম ভাগে ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধন বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে।

• সংবিধানের তফসিল:
- বাংলাদেশ সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল সংযোজন করা হয়েছে।

৭টি তফসিল:
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত)।
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী।
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান - আরিফ খান।
৮৩১.
বাংলাদেশের সংবিধানে ভাষা বিষয়ক অনুচ্ছেদটি হলো -
  1. সরকারের রাষ্ট্রভাষা বাংলা
  2. বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা
  3. প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা
  4. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগ:
- অনুচ্ছেদ ১: প্রজাতন্ত্র।
- অনুচ্ছেদ ২: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা।
- অনুচ্ছেদ ২ক: রাষ্ট্রধর্ম।
- অনুচ্ছেদ ৩: রাষ্ট্রভাষা- প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
- অনুচ্ছেদ ৪: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক।
- অনুচ্ছেদ ৪ক: জাতির পিতার প্রতিকৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৫: রাজধানী।
- অনুচ্ছেদ ৬: নাগরিকত্ব।
- অনুচ্ছেদ ৭: সংবিধানের প্রাধান্য।
- অনুচ্ছেদ ৭ক:সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ।
- অনুচ্ছেদ ৭খ: সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৩২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. ১৪নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৫নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৬নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৭নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৭নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৬ - নাগরিকত্ব।
- অনুচ্ছেদ ৭ - সংবিধানের প্রাধান্য।
- অনুচ্ছেদ ৮ - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
- অনুচ্ছেদ ৯ - জাতীয়তাবাদ।
- অনুচ্ছেদ ১০ - সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১১ - গণতন্ত্র ও মানবাধিকার।
- অনুচ্ছেদ ১২ - ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ১৩ - মালিকানার নীতি।
- অনুচ্ছেদ ১৪ - কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৫ - মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা।
- অনুচ্ছেদ ১৬ - গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
- অনুচ্ছেদ ১৭ - অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৩৩.
"বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালি এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশি।" এটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫
  2. অনুচ্ছেদ ৭
  3. অনুচ্ছেদ ৬
  4. অনুচ্ছেদ ৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৬: নাগরিকত্ব: 
১. বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে।
২. বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালি এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশি।

• সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়। এই সংবিধান ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবসে, আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে। সম্পূর্ণ সংবিধান ১১টি ভাগ বা অধ্যায়ে বিভক্ত। 

উল্লেখ্য, 
৫৷ রাজধানী, 
৬৷ নাগরিকত্ব, 
৭৷ সংবিধানের প্রাধান্য, 
৭ক। সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ, 
৭খ। সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য, 
৮৷ মূলনীতিসমূহ, 

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৩৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'গ্রামাঞ্চলে বৈদ্যুতীকরণের ব্যবস্থা, কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশ' বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪
  2. অনুচ্ছেদ ১৬
  3. অনুচ্ছেদ ১৮
  4. অনুচ্ছেদ ২০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৬
ব্যাখ্যা
গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব:
- সংবিধানের ১৬ নং অনুচ্ছেদে 'গ্রামাঞ্চলে বৈদ্যুতীকরণের ব্যবস্থা, কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশ' বিষয়ে বলা হয়েছে। 
অনুচ্ছেদ ১৬৷ নগর ও গ্রামাঞ্চলের জীবন যাত্রার মানের বৈষম্য ক্রমাগতভাবে দূর করিবার উদ্দেশ্যে কৃষিবিপ্লবের বিকাশ, গ্রামাঞ্চলে বৈদ্যুতীকরণের ব্যবস্থা, কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশ এবং শিক্ষা, যোগাযোগ-ব্যবস্থা ও জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলের আমূল রূপান্তরসাধনের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। 

এছাড়া,
অনুচ্ছেদ ১৪: কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
অনুচ্ছেদ ১৮: পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন
অনুচ্ছেদ ২০: অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৩৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের উল্লেখ রয়েছে? 
  1. ১ নং
  2. নং
  3. নং
  4. নং
সঠিক উত্তর:
১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নং
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংবিধান:  
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে যে- বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যাহা “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ” নামে পরিচিত হইবে৷

অন্যদিকে, 
- সংবিধানের ৭ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে - সংবিধানের প্রাধান্য।
- সংবিধানের ৪(২) নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে -  প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৩৬.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২২
  2. অনুচ্ছেদ ২৫
  3. অনুচ্ছেদ ২৬
  4. অনুচ্ছেদ ২১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫নং অনুচ্ছেদে পররাষ্ট্র নীতি সংক্রান্ত নির্দেশনা বর্ণিত আছে।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তি।

সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদ:
→ অনুচ্ছেদ ২০ - অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম।
→ অনুচ্ছেদ ২১ - নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
→ অনুচ্ছেদ ২২ - নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
→ ২৩নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সংস্কৃতির কথা বলা হয়েছে।
→ ২৩(ক) অনুচ্ছেদে উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতির উল্লেখ রয়েছে।
→ অনুচ্ছেদ ২৪ - জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
→ অনুচ্ছেদ ২৬ - মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৩৭.
সংবিধান অনুসারে, কোন বিলকে অর্থবিল বলা হয় না?
  1. সরকারের ঋণ গ্রহণ সংক্রান্ত বিল
  2. সংযুক্ত তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্দ সংক্রান্ত বিল
  3. স্থানীয় সরকারের ফি সংক্রান্ত বিল
  4. কর আরোপ সংক্রান্ত বিল
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় সরকারের ফি সংক্রান্ত বিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় সরকারের ফি সংক্রান্ত বিল
ব্যাখ্যা
৮১। অর্থবিল:
(১) এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, “অর্থবিল” বলতে সেই সব বিলকে বোঝায়, যেগুলোর মধ্যে কর আরোপ, রদবদল বা মওকুফ, সরকারি ঋণ গ্রহণ বা গ্যারান্টি দেওয়া, সংযুক্ত তহবিল থেকে অর্থ ব্যয় বা বরাদ্দ, তহবিলের হিসাব-নিকাশ ও সরকারের আর্থিক দায়দায়িত্বের বিষয় থাকে। এ ছাড়া এসব বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত যেকোনো বিষয় থাকলেও সেটি অর্থবিল হিসেবে গণ্য হবে।

(২) কোনো জরিমানা, ফি, উসুল বা স্থানীয় সরকারের কর সংক্রান্ত বিষয় থাকলেই কোনো বিলকে অর্থবিল বলা যাবে না। 

(৩) অর্থবিল রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানোর সময় স্পীকারকে অবশ্যই একটি সনদ দিতে হবে যে, এটি একটি অর্থবিল। এই সনদ চূড়ান্ত হবে, এবং এ বিষয়ে আদালতে কোনো প্রশ্ন তোলা যাবে না।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৩৮.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যগণ কার নিকট শপথ গ্রহণ করেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী,
• রাষ্ট্রপতির নিকট যারা শপথ গ্রহণ করেন: 
১। প্রধানমন্ত্রী
২। মন্ত্রী গনকে
৩। উপমন্ত্রী দেরকে
৪। প্রতিমন্ত্রী দের।
৫। স্পীকার।
৬। ডেপুটি স্পিকার
৭। প্রধান বিচারপতি কে

• প্রধানমন্ত্রীর নিকট যারা শপথ গ্রহণ করেন: 
১। সিটি কর্পোরেশনের মেয়র।
২। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।

• স্পীকারের নিকট যারা শপথ গ্রহণ করেন: 
১। রাষ্ট্রপতি
২। সকল সংসদ সদস্যদের কে।

• প্রধান বিচারপতির নিকট যারা শপথ গ্রহণ করেন: 
১। সুপ্রীম কোর্টের কোন বিভাগের কোন বিচারককে।
২। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার
৩। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রন
৪। সরকারী কর্মকমিশনের সদস্যদেরকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৩৯.
নিচের কোনটি অর্থবিল হিসেবে পরিগণিত হবে না?
  1. সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টিদান সম্পর্কিত আইন সংশোধন
  2. সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন
  3. কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ
  4. কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল
সঠিক উত্তর:
কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল
ব্যাখ্যা

অর্থবিল:
৮১। (১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলিতে কেবল নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝাইবে: 
 
(ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ; 
 
(খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টিদান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন; 
 
(গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হইতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ; 
 
(ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ; 
 
(ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা; 
 
(চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়। 
 
(২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হইয়াছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলিয়া গণ্য হইবে না। 
 
(৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁহার নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তাহা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হইবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।

উৎস: বাংলদেশের সংবিধান।

৮৪০.
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১ অনুযায়ী, কোনটি নাগরিকদের কর্তব্য নয়?
  1. শৃঙ্খলা রক্ষা করা
  2. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা
  3. সংবিধান ও আইন মান্য করা
  4. ব্যক্তিগত সম্পত্তি রক্ষা করা
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত সম্পত্তি রক্ষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত সম্পত্তি রক্ষা করা
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১- নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য।
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।

Article 21. Duties of citizens and of public servants:
(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property.
(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৪১.
’ধর্মীয় স্বাধীনতা’ সম্পর্কিত বর্ণনা সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখিত?
  1. ৪০নং
  2. ৩৯নং
  3. ৪১নং
  4. ৪২নং
সঠিক উত্তর:
৪১নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১নং
ব্যাখ্যা

→ সংবিধানের ৪১নং অনুচ্ছেদ- ’ধর্মীয় স্বাধীনতা’ সম্পর্কিত।

• ধর্মীয় স্বাধীনতা সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা:
৪১(১) আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে: 
 (ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রহিয়াছে; 
 (খ) প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রহিয়াছে। 
 (২) কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম-সংক্রান্ত না হইলে তাঁহাকে কোন ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করিতে হইবে না।

অন্যদিকে,

• সংবিধানের ৪০নং অনুচ্ছেদ- পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা সম্পর্কিত।
• সংবিধানের ৩৯নং অনুচ্ছেদ- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা সম্পর্কিত।
• সংবিধানের ৪২নং অনুচ্ছেদ- সম্পত্তির অধিকার সম্পর্কিত।

উৎস: বাংলাদেশে সংবিধান।

৮৪২.
সংবিধানের কোন ভাগে 'নির্বাচন' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. সপ্তম ভাগে
  2. চতুর্থ ভাগে
  3. পঞ্চম ভাগে
  4. ষষ্ঠ ভাগে
সঠিক উত্তর:
সপ্তম ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সপ্তম ভাগে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।

⇒  সংবিধানের ভাগ:
- প্রথম ভাগ: প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগ: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগ: বিচারবিভাগ,
- সপ্তম ভাগ: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগ: মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম-ক ভাগ: জরুরী বিধানাবলী ও নবম ভাগ: বাংলাদেশের কর্মবিভাগ,
- দশম ভাগ: সংবিধান-সংশোধন,
- একাদশ ভাগ: বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৪৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সাংবিধানিক পদ সমূহের শপথ বাক্য ঘোষণার কথা উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-১৪৮
  2. অনুচ্ছেদ-১৪২
  3. অনুচ্ছেদ-১৪৬
  4. অনুচ্ছেদ-১৪১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১৪৮
ব্যাখ্যা

 - সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদে সাংবিধানিক পদ সমূহের শপথ বাক্যর ঘোষণার কথা উল্লেখ করা হয়েছে

বাংলাদেশ সংবিধান:  
• অনুচ্ছেদ-১৪৮: পদের শপথ। 

- ১৪৮(১) তৃতীয় তফসিলে উল্লিখিত যে কোন পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তি কার্যভারগ্রহণের পূর্বে উক্ত তফসিল-অনুযায়ী শপথগ্রহণ বা ঘোষণা (এই অনুচ্ছেদে "শপথ" বলিয়া অভিহিত) করিবেন এবং অনুরূপ শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিবেন

-  ২ক (১২৩) অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন অনুষ্ঠিত সংসদ সদস্যদের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপিত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে এই সংবিধানের অধীন এতদুদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা তদুদ্দেশ্যে অনুরূপ ব্যক্তি কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন ব্যক্তি যে কোন কারণে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ পরিচালনা করিতে ব্যর্থ হইলে বা না করিলে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার উহার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে উক্ত শপথ পাঠ পরিচালনা করিবেন, যেন এই সংবিধানের অধীন তিনিই ইহার জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তি।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ-১৪১ক। জরুরী-অবস্থা ঘোষণা;
- অনুচ্ছেদ- ১৪২। সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা;
- অনুচ্ছেদ- ১৪৬। বাংলাদেশের নামে মামলা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৮৪৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৯৫
  2. অনুচ্ছেদ ৯৬
  3. অনুচ্ছেদ ৯৭
  4. অনুচ্ছেদ ৯৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৭
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৯০ - নির্দিষ্টকরণ আইন।
- অনুচ্ছেদ ৯১ - সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী।
- অনুচ্ছেদ ৯২ - হিসাব, ঋণ প্রভৃতির উপর ভোট।
- অনুচ্ছেদ ৯৩ - অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৪৫.
'গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ' সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ?
  1. ৩১ নং
  2. ৩২ নং
  3. ৩৩ নং
  4. ৩৪ নং
সঠিক উত্তর:
৩৩ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩ নং
ব্যাখ্যা

• ৩৩নং অনুচ্ছেদ: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ:

(১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।

(২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে (গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (১) ও (২) দফার কোন কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,
(ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু; অথবা
(খ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে। 

(৪) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইন কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক কাল আটক রাখিবার ক্ষমতা প্রদান করিবে না যদি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রহিয়াছেন বা ছিলেন কিংবা সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা রাখেন, এইরূপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সমন্বয়ে গঠিত কোন উপদেষ্টা-পর্ষদ্ উক্ত ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে তাঁহাকে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য পেশ করিবার সুযোগদানের পর রিপোর্ট প্রদান না করিয়া থাকেন যে, পর্ষদের মতে উক্ত ব্যক্তিকে তদতিরিক্ত কাল আটক রাখিবার পর্যাপ্ত কারণ রহিয়াছে।

(৫) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে আটক করা হইলে আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষ তাঁহাকে যথাসম্ভব শীঘ্র আদেশদানের কারণ জ্ঞাপন করিবেন এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য-প্রকাশের জন্য তাঁহাকে যত সত্বর সম্ভব সুযোগদান করিবেন:তবে শর্ত থাকে যে, আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় তথ্যাদি-প্রকাশ জনস্বার্থবিরোধী বলিয়া মনে হইলে অনুরূপ কর্তৃপক্ষ তাহা প্রকাশে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

(৬) উপদেষ্টা-পর্ষদ কর্তৃক এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার অধীন তদন্তের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন।]

অন্যদিকে,

৩১। আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার।
৩২। জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।
৩৪। জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৪৬.
’সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা’ কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. ১৪৫ নং
  2. ১৪২ নং
  3. ১৫০ নং
  4. ১৪৮ নং
সঠিক উত্তর:
১৪২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪২ নং
ব্যাখ্যা
→ ১৪২ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা’।

• সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা:

- ১৪২ নং:  এই সংবিধানে যা বলা হয়েছে, তা সত্ত্বেও-
- সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হতে পারবে।
- তবে শর্ত থাকে যে,
- অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হবে বলে স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাবে না।
- সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হলে;
- অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে না;
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করবেন।
- এবং তিনি তা করতে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করছেন বলে গণ্য হবে।

এছাড়াও,
- ১৪৫ নং: চুক্তি ও দলিল;
- ১৪৫ক নং:  আন্তর্জাতিক চুক্তি;
- ১৪৮ নং: পদের শপথ;
- ১৫০ নং: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৮৪৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে কয়টি পদে শপথগ্রহণের বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. ৭টি 
  2. ৮টি 
  3. ৯টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিল: [১৪৮ অনুচ্ছেদ]
- শপথ ও ঘোষণা।
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
১। রাষ্ট্রপতি [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
২। প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতি-মন্ত্রী ও উপমন্ত্রী [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। ডেপুটি স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৫। সংসদ সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
৬। প্রধান বিচারপতি বা বিচারক [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৭। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।
৮। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
৯। সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৪৮.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও বাক স্বাধীনতার বিষয়টি বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৭
  2. অনুচ্ছেদ ৩৮
  3. অনুচ্ছেদ ৪০
  4. অনুচ্ছেদ ৩৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৯
ব্যাখ্যা

⇔ বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদ:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদ নাগরিকদের চিন্তা, বিবেক ও বাক স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করে।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা, নৈতিকতা, আদালত-অমাননা, মানহানি বা অপরাধ সংঘটনে   প্ররোচনা সম্পর্কিত আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার   পাশাপাশি সংবাদপত্রের স্বাধীনতারও নিশ্চয়তা আছে।
• অনুচ্ছেদ ৩৯(১): চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করে।
• অনুচ্ছেদ ৩৯(২): রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ সাপেক্ষে প্রত্যেক   নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করে।

অন্যদিকে, 
⇔ বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৬নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জনস্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ সাপেক্ষে, প্রত্যেক নাগরিকের বাংলাদেশের সর্বত্র অবাধে চলাচল করার, দেশের যেকোনো স্থানে বসবাস ও বসতি স্থাপন করার এবং বাংলাদেশ ত্যাগ ও পুনঃপ্রবেশ করার অধিকার থাকবে। 
- এটি বাংলাদেশের নাগরিকদের চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে,
⇔ বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ সাপেক্ষে  প্রত্যেক নাগরিকের শান্তিপূর্ণভাবে ও নিরস্ত্র অবস্থায় জনসভা ও মিছিলে অংশ নেওয়ার অধিকার রয়েছে।
⇔ বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৮ নং অনুচ্ছেদের মূল বিষয় হলো সংগঠনের স্বাধীনতা। 
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের সমিতি বা সংঘ গঠন করার অধিকার রয়েছে। 

 উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

৮৪৯.
সংবিধানের ৩৯নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. চলাফেরার স্বাধীনতা
  2. চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা
  3. সমাবেশের স্বাধীনতা
  4. সংগঠনের স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ৩৪নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু-  জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।
• সংবিধানের ৩৬নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু-  চলাফেরার স্বাধীনতা।
• সংবিধানের ৩৭নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- সমাবেশের স্বাধীনতা।
• সংবিধানের ৩৮নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- সংগঠনের স্বাধীনতা।
• সংবিধানের ৩৯নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৮৫০.
Declaration of independence সংবিধানের কোন তফসিলে সংযোজিত?
  1. ৭ম তফসিলে
  2. ৬ষ্ঠ তফসিলে
  3. ৫ম তফসিলে
  4. ২য় তফসিলে
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ তফসিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ তফসিলে
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
সংবিধানের একটি প্রস্তাবনা আছে- বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
- সংবিধানের মূলনীতি- ৪টি।
- সংবিধানের তফসিল- ৭ টি।
- সংবিধানের ভাগ- ১১ টি।
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ১৫৩ ‍টি।
- সংবিধানের সংশোধনী- ১৭ টি।
- সংবিধানের পরিচ্ছেদ ১৩ টি।

উল্লেখ্য:

   প্রথম তফসিল - অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন
   দ্বিতীয় তফসিল - রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত)
    তৃতীয় তফসিল - শপথ ও ঘোষণা ( ১৪৮ নং অনুচ্ছেদ)
   তুর্থ তফসিল - ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী
   পঞ্চম তফসিল - ১৯৭১ সালের ৭-ই মার্চের ভাষণ।
   ষষ্ঠ তফসিল - ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা।
   সপ্তম তফসিল - ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৮৫১.
রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে?
  1. ৭ম - ২৫ তম
  2. ৮ম - ২৫ তম
  3. ৮ম - ২৪ তম
  4. ৭ম - ২৩ তম
সঠিক উত্তর:
৮ম - ২৫ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ম - ২৫ তম
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ:
- সংবিধানের ২য় অধ্যায়ের ৮ম - ২৫ তম অনুচ্ছেদ পর্যন্ত রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতিগুলো বর্ণিত হয়েছে।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা এই ৪টি বিষয়কে রাষ্ট্রের স্তম্ভ বা মৌলিক আদর্শ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
- এতে আরো বলা হয়েছে, উপরোক্ত চারটি নীতিসহ ২য় ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলে গণ্য হবে।

• জাতীয়তাবাদ:
- ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করে জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করেছেন, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি (অনুচ্ছেদ ৯)।

• সমাজতন্ত্র:
- মানুষের উপর মানুষের শোষণ হতে মুক্ত ন্যায়ানুগ ও সাম্যবাদী সমাজ লাভ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হল রাষ্ট্রের লক্ষ্য (অনুচ্ছেদ ১০)।

• গণতন্ত্র:
- প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে, মানব সত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে। প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে (অনুচ্ছেদ ১১)।

• ধর্মনিরপেক্ষতা:
- ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ হল সকল প্রকার সাম্প্রদায়িকতা অবসান, রাষ্ট্র কর্তৃক কোনো ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা না দেওয়া, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মকে ব্যবহার না করা এবং কোনো বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ নিপীড়নের অবসান (অনুচ্ছেদ ১২)।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৫২.
'Noting in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code or to prevent abuse of the process of any Court otherwise to secure the ends of Justice' বিধানটি The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কত ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ৪৩৯
  2. ৪৩৫
  3. ৪৩৯এ
  4. ৫৬১এ
সঠিক উত্তর:
৫৬১এ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬১এ
ব্যাখ্যা
Section 561A- Saving of inherent power of High Court Division
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.

• ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় হাইকোর্ট বিভাগের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent Power) আছে। একটি মামলার ক্ষেত্রে কি পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে সে বিষয়ে যাবতীয় বিধি দেওয়ানী ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে রয়েছে। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, আদালতের কি করণীয় হবে সে বিষয়ে কোন সুস্পষ্ট বিধি নেই। এক্ষেত্রে ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে আদালত তার সুবিবেচনা অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনার জন্য যে ক্ষমতা প্রয়োগ করে, তাকেই আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of the court) বলে। 

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।
৮৫৩.
আইনের সমান অধিকার নিশ্চিত করার জন্য সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য?
  1. ২৮ নং অনুচ্ছেদ
  2. ২৯ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৭ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৯ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
২৭ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

• ২৭ নং অনুচ্ছেদ:
- সংবিধানে বলা হয়েছে, “সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।” অর্থাৎ, আইনের সামনে সকলের সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, 
-১৯ নং অনুচ্ছেদ: নাগরিকদের সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
- ২৮ নং অনুচ্ছেদ: সংবিধান অনুযায়ী, ধর্ম বা অন্য কোনো কারণে বৈষম্য করা যাবে না।
- ২৯ নং অনুচ্ছেদ: সরকারি নিয়োগ ও সুবিধা প্রাপ্তিতে সকল নাগরিকের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৫৪.
’আইনের দৃষ্টিতে সমতা’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত রয়েছে?
  1. ২৬ নং
  2. ২৪ নং
  3. ২৭ নং
  4. ২৯ নং
সঠিক উত্তর:
২৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ নং
ব্যাখ্যা
'আইনের দৃষ্টিতে সমতা' সংবিধানের ২৭নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে।

• ২৭নং অনুছেদ:
- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

অপরদিকে,
- অনুচ্ছেদ ২২ - নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
- অনুচ্ছেদ ২৪ - জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ২৫ - আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ২৬ - মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল।
- অনুচ্ছেদ ২৮ - ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।
- অনুচ্ছেদ ২৯ - সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান,  আরিফ খান।
৮৫৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে আইনের ব্যাখ্যা দেয়া আছে?
  1. ১৪৯ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৫১ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৫২ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৫৩ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৫২ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

সংবিধানের ১৫২ নং অনুচ্ছেদ:
- বাংলাদেশের সংবিধানে আইনের ব্যাখ্যা দেয়া আছে ১৫২ নং অনুচ্ছেদে।
- আইন অর্থ কোনো আইন, অধ্যাদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপআইন, বিজ্ঞপ্তি ও অন্যান্য আইনগত দলিল এবং বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যেকোনো প্রথা বা রীতি।

এছাড়াও,
- অধিবেশন" (সংসদ-প্রসঙ্গে) অর্থ এই সংবিধান-প্রবর্তনের পর কিংবা একবার স্থগিত হবার বা ভেঙে যাবার পর সংসদ যখন প্রথম মিলিত হয়, তখন হতে সংসদ স্থগিত হওয়া বা ভেঙে যাওয়া পর্যন্ত বৈঠকসমূহ। 
- "অবসর-ভাতা" অর্থ আংশিকভাবে প্রদেয় হোক বা না হোক, যে কোন অবসর-ভাতা, যাহা কোন ব্যক্তিকে বা ব্যক্তির ক্ষেত্রে দেয়; এবং কোন ভবিষ্য তহবিলের চাঁদা বা এর সাথে সংযোজিত অতিরিক্ত অর্থ প্রত্যর্পণ-ব্যপদেশে দেয় অবসরকালীন বেতন বা আনুতোষিক এর অন্তর্ভুক্ত হবে।

​অন্যদিকে,
​- ১৪৯ নং অনুচ্ছেদ: প্রচলিত আইনের হেফাজত। 
​- ১৫১ নং অনুচ্ছেদ: রহিতকরণ। 
​- ১৫৩ নং অনুচ্ছেদ: প্রবর্তন, উল্লেখ ও নির্ভরযোগ্য পাঠ। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৫৬.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত কত চরণ?
  1. প্রথম চার চরণ
  2. প্রথম দশ চরণ
  3. প্রথম ছয় চরণ
  4. প্রথম আট চরণ
সঠিক উত্তর:
প্রথম দশ চরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম দশ চরণ
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়। সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।  

অনুচ্ছেদ - ০৪: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক: 

১. প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা'র প্রথম দশ চরণ।
২. প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
৩. প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পর-সংযুক্ত পত্র, তার উভয় পার্শ্বে দুইটি করে তারকা।
৪. উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলী আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৫৭.
’’কোন নাগরিক কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নিকট হতে পুরস্কার গ্রহন করতে পারবেনা’’ কার পূর্ব অনুমোদন ব্যাতিত?
  1. প্রধানমন্ত্রীর
  2. রাষ্ট্রপতির
  3. আদালতের
  4. স্থানীয় সরকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির
ব্যাখ্যা
বাংলাাদেশ সংবিধান: 
- ৩০ নং অনুচ্ছেদে: বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ।
- রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোন নাগরিক কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নিকট হইতে কোন খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করিবেন না।

• সংবিধানরে গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ:
অনুচ্ছেদ-২৬:মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল;
অনুচ্ছেদ-২৭: আইনের দৃষ্টিতে সমতা;
অনুচ্ছেদ-২৮: ধর্ম, বর্ণ, জাত, লিঙ্গ প্রভৃতি কারণে বৈষম্যের নিষেধাজ্ঞা;
অনুচ্ছেদ-২৯: সরকারি নিয়োগে সুযোগের সমতা।
অনুচ্ছেদ-৩০: বিদেশি খেতাব ও উপাধি গ্রহণের নিষেধাজ্ঞা;
অনুচ্ছেদ-৩১: আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার;
অনুচ্ছেদ-৩২: জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা;
অনুচ্ছেদ-৩৩: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৮৫৮.
ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে?
  1. ২১ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১২ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৭ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৫ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১২ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা কথা বলা আছে সংবিধানের ১২ নং অনুচ্ছেদে।
এত বলা হয়েছে, 
- ধর্ম নিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য
 (ক) সর্ব প্রকার সাম্প্রদায়িকতা,
 (খ) রাষ্ট্র কর্তৃক কোন ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা দান,
 (গ) রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মীয় অপব্যবহার,
 (ঘ) কোন বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা তার উপর নিপীড়ন, বিলোপ করা হবে।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৫৯.
'কোনো ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য দুবার বিচার ও দণ্ড প্রদান করা যাবে না'—এটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের বিধান?
  1. ৩২ অনুচ্ছেদ
  2. ৩৩ অনুচ্ছেদ
  3. ৩৪ অনুচ্ছেদ
  4. ৩৫ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩৫ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

• বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ:
৩৫। (১) অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না।
(২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাইবে না।
(৩) ফৌজদারী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন।
(৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না।
(৫) কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না।
(৬) প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৬০.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন রাষ্ট্রপতি?
  1. ৪৮(১) নং
  2. ৬৫(১) নং
  3. ৭০(১) নং
  4. ৭২(১) নং
সঠিক উত্তর:
৭২(১) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২(১) নং
ব্যাখ্যা

 গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ৭২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন রাষ্ট্রপতি। সংবিধানে বর্ণিত কয়েকটি পরিস্থিতিতে যেমন রাষ্ট্রপতির অভিশংসন এর ক্ষেত্রে স্পিকার সংসদ আহ্বান করতে পারেন।
- প্রতিবছর সংসদের অন্যূন দুটি অধিবেশন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে।

• রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে অবস্থান করেন।
- রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানসমূহ বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে সন্নিবেশিত করা হয়েছে।
- নিয়মমাফিক রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত এবং তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ১ম পরিচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির পদমর্যাদা, ক্ষমতা ও কার্যাবলি নির্ধারিত আছে।

⇒ রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান করে।  কোন বিল সংসদে পাশ হলে তা সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়। সংসদ ভেঙে দেয়া হলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করে আইন তৈরি করতে পারেন যা সংসদে আইন হিসেবে গণ্য হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৬১.
সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার সম্পর্কে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪৮ (৩)
  2. অনুচ্ছেদ ৫৪
  3. অনুচ্ছেদ ৫৭(ক)
  4. অনুচ্ছেদ ১০৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১০৬
ব্যাখ্যা
সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার সম্পর্কে সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে।
 
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৬ নং অনুচ্ছেদ:
• সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার:

- যদি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এমন কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হয় বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দেয়, যা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করতে পারবেন।

উল্লেখ্য,
সম্প্রতি ৫ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতি ৬ আগস্ট ২০২৪ তারিখে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দিয়েছেন।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ (৩) অনুসারে মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করা সম্ভবপর নয়।

⇒ বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সাংবিধানিক শূন্যতা পূরণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করার বিষয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ হতে ৮ আগস্ট, ২০২৪ ১০.০০.০০০০.১২৭,৯৯.০০৭.২০.৪৭৫ নং স্মারকে প্রেরিত পত্রে বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদে বর্ণিত জন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মতামত যাচাই করা হয়েছে।

⇒ এমতাবস্থায় বাংলাদেশের সংবিধানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের কোনো বিধান না থাকায় উল্লিখিত প্রশ্নের বিষয়ে বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত উপদেষ্টা মূলক এখতিয়ার প্রয়োগ করে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এই মতামত প্রদান করছে যে, রাষ্ট্রের সাংবিধানিক শূন্যতা পূরণে জরুরি প্রয়োজনে মহামান্য রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের নির্বাহী কার্য পরিচালনার নিমিত্ত অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা এবং অন্যান্য উপদেষ্টা নিযুক্ত করতে পারবেন। মহামান্য রাষ্ট্রপতি উক্তরূপে নিযুক্ত প্রধান উপদেষ্টা এবং অন্যান্য উপদেষ্টাগণ কে শপথ পাঠ করাতে পারবেন।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ বলছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। 
- সংবিধানের ৫৭(ক) অনুচ্ছেদে বলা আছে, প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হবে যদি তিনি কোনো সময়ে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র প্রদান করেন। পদত্যাগের সঙ্গে ‘পত্র’ শব্দটি আছে মানে সেটি অবশ্যই লিখিত হতে হবে। 

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) The Daily Star Bangla.
৮৬২.
নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বের বর্ণনা সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ১১৯নং
  2. ১২৩নং
  3. ১১১নং
  4. ১২২নং
সঠিক উত্তর:
১১৯নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৯নং
ব্যাখ্যা
• নির্বাচন কমিশনের গঠন:
- বাংলাদেশে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কমিশন স্বতন্ত্র, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন পরিচালনা করে।
- এটি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনার নিয়ে এ কমিশন গঠিত হয়।
- সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য কমিশনারদের নিয়োগদান করেন।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতি হিসেবে কাজ করেন। কমিশনের মেয়াদ পাঁচ বছর।
- কমিশনাররা রাষ্ট্রপতির কাছে স্বেচ্ছায় পদত্যাগপত্র পেশ করতে পারেন।
- অসদাচরণ ও অসামর্থ্যের কারণে কমিশনাররা দায়িত্ব থেকে অপসারিত হতে পারেন।

• ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৯-এ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব বর্ণিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো রাষ্ট্রপতি ও সংসদ নির্বাচন পরিচালনা, নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুতকরণ, ভোটারদের পরিচয়পত্র প্রদান, আইন কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য নির্বাচন (এর মধ্যে সকল স্থানীয় সরকার পরিষদ যেমন- ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পার্বত্য জেলা পরিষদ) পরিচালনা এবং আনুষঙ্গিক কার্যাদির সুষ্ঠু সম্পাদন। 

উৎস:বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
৮৬৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নাগরিকত্বের উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ-৬
  2. অনুচ্ছেদ-৭
  3. অনুচ্ছেদ-৫
  4. অনুচ্ছেদ-৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৬
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান: 
- অনুচ্ছেদ-৬ নাগরিকত্ব কথা বলা হয়েছে।
- ৬(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। 
- ৬(২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলে পরিচিত হবে।

এছাড়াও, 
- সংবিধানের প্রথম ভাগের অনুচ্ছেদ সমূহ:
১৷ প্রজাতন্ত্র;
২৷ প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা;
২ক৷ রাষ্ট্রধর্ম;
৩৷ রাষ্ট্রভাষা;
৪৷ জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক;
৪ক। জাতির পিতার প্রতিকৃতি;
৫৷ রাজধানী;
৬৷ নাগরিকত্ব;
৭৷ সংবিধানের প্রাধান্য;
৭ক। সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ;
৭খ। সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৮৬৪.
বাংলাদেশ সংবিধানে রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি উল্লেখ রয়েছে-
  1. প্রথম ভাগে
  2. তৃতীয় ভাগে
  3. দ্বিতীয় ভাগে
  4. চতুর্থ ভাগে
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় ভাগে
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের মূলনীতি:
- ভারত এবং আয়ারল্যান্ডের ন্যায় বাংলাদেশের সংবিধানেও রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কতগুলো মৌলিক নীতি নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এ নীতিগুলো রাষ্ট্র শাসনের মূলসূত্র।
- সরকারের কর্তব্য হলো রাষ্ট্রীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে এগুলো প্রয়োগ করা।
- সংবিধানের 'দ্বিতীয় ভাগে' রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি আলোকপাত করা হয়েছে।
- ৮ থেকে ২৫ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মূলনীতিগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
- এগুলো হল জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৮৬৫.
নিচের কোনটি ন্যায়পাল এর কাজ?
  1. নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম তদারকি করা
  2. নাগরিকদের অধিকার সংরক্ষণ করা
  3. বেসরকারি সংস্থাগুলোর আর্থিক অনিয়ম তদন্ত করা
  4. আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া পরিচালনা করা
সঠিক উত্তর:
নাগরিকদের অধিকার সংরক্ষণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাগরিকদের অধিকার সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা
- ন্যায়পাল একটি নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে নাগরিকদের অধিকার সংরক্ষণ এবং শাসন ব্যবস্থার মান নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে।
- এটি সরকারি দপ্তর ও কর্মচারীদের কার্যক্রম পরিবীক্ষণ এবং পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

ন্যায়পাল:
- দেওয়ানী ও ফৌজদারী ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সমাজে শান্তি স্থাপন ও জীবনমানের উন্নতিসাধনের কাজে রাষ্ট্র সর্বাধিক কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
- রাষ্ট্রের এই মহান দায়িত্ব প্রধানতঃ সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের দ্বারা নির্বাহ করা হয়।
- এ সব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের কর্মকর্তাগণের সঠিক মনোভাব ও কর্মকুশলতা এক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- নাগরিকদের অধিকার সংরক্ষণ ও শাসন ব্যবস্থার ঈপ্সিত মান যাতে যথাযথভাবে নিশ্চিত হয় তা পরিবিক্ষণের জন্য একটি নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তা আছে।
- সরকারের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থায় কর্মরত ব্যক্তিবর্গ সঠিকভাবে দায়িত্বপালন করছেন কি না তা পর্যালোচনাপূর্বক যথাবিহীত নির্দেশদানের ক্ষমতাসম্পন্ন নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠানই ন্যায়পাল।
- সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল সম্পর্কে বলা হয়েছে।

উৎস: সিভিক এডুকেশন-২, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৬৬.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'সংযুক্ত তহবিলের' কথা উল্লেখ আছে?
  1. ৮১ নং
  2. ৯১ নং
  3. ৮৪ নং
  4. ৮৭ নং
সঠিক উত্তর:
৮৪ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৪ নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৮৪ নং অনুচ্ছেদে সংযুক্ত তহবিলের কথা বলা আছে।

আইনবিভাবে আলোচিত গুরুত্বপূর্ণ কিছু আর্থিক অনুচ্ছেদ:
৮১ নং অনুচ্ছেদে অর্থবিলের কথা উল্লেখ আছে।
৮৭ নং অনুচ্ছেদে বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি বা বাজেটের কথা উল্লেখ আছে।
৯১ নং অনুচ্ছেদে সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরির কথা বলা আছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৮৬৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ সমূহে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলী বিধৃত হয়েছে?
  1. ৫৬-৬৪ অনুচ্ছেদে 
  2. ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে 
  3. ৪৪-৪৭ অনুচ্ছেদে 
  4. ৬৪-৭০ অনুচ্ছেদে 
সঠিক উত্তর:
৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে 
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত।
- তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।
- সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদন করা হয়।
- সংসদ-সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্যে নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

উৎস:বাংলাদেশ সংবিধান।

৮৬৮.
বাংলাদেশ সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী আনা হয় কত সালে?
  1. ১৯৮৭ সালে
  2. ১৯৮৮ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা

অষ্টম সংশোধনী: 
- বাংলাদেশ সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী আনা হয় ৭ জুন, ১৯৮৮ সাল।
- এ সংশোধনীর মৌলিক বিষয়গুলো হল:
- ইসলাম ধর্মকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষণা দান
- হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি বেঞ্চ যথাক্রমে বরিশাল, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, যশোর, রংপুর ও সিলেটে স্থাপন করা
- বাংলাদেশের কোন নাগরিক রাষ্ট্রপতির অনুমতি সাপেক্ষে বিদেশ থেকে কোন উপাধি গ্রহণ করতে পারবে।
- রাজধানীর বানান Dacca এর পরিবর্তে Dhaka এবং বাংলা ভাষা ইংরেজি Bengali এর পরিবের্ত Bangla গৃহীত হয়।

উল্লেখ্য, 
- এ সংশোধনী হাইকোর্ট বিভাগীয় বেঞ্চ সম্পর্কে দু'জন নাগরিক রীট পিটিশন করেন।
- তারা দুজন হলেন আনোয়ার হোসেন চৌধুরী ও জালাল উদ্দিন। তাদের এ রীট পিটিশনের ফলে ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ৬টি স্থায়ী বেঞ্চ রহিত করা হয়। পরবর্তীতে এটি বাতিল হয়ে যায়।

উৎস: বাংলাদেশ রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএল , ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৬৯.
বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চম ভাগের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. বিচার বিভাগ
  2. শাসন বিভাগ
  3. আইন সভা
  4. নির্বাহী বিভাগ
সঠিক উত্তর:
আইন সভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন সভা
ব্যাখ্যা

• পঞ্চম ভাগে: আইনসভা।
- এর তিনটি পরিচ্ছেদ রয়েছে।
- যথা: ১ম পরিচ্ছেদ: জাতীয় সংসদ।
- ২য় পরিচ্ছেদ: আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি।
- ৩য় পরিচ্ছেদ: অধ্যাদেশপ্রণয়ন-ক্ষমতা।

• বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান। 

৮৭০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সংগঠনের স্বাধীনতার উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৮
  2. অনুচ্ছেদ ৩৯
  3. অনুচ্ছেদ ৪০
  4. অনুচ্ছেদ ৪১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৮
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৩১ - আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৩২ - জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৩ - গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ।
- অনুচ্ছেদ ৩৪ - জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৫ - বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৬ - চলাফেরার স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৭ - সমাবেশের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৮ - সংগঠনের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৯ - চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪০ - পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪১ - ধর্মীয় স্বাধীনতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৭১.
রাষ্ট্রপতিকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান?
  1. স্পিকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. কেউই নয়
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতিকে স্পিকার শপথ বাক্য পাঠ করান।

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

• রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান: প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার।

• প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য করান: আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ, পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

• স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান: রাষ্ট্রপতি, সংসদ সদস্যবৃন্দ।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৮৭২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'সুপ্রীম কোর্ট' প্রতিষ্ঠা সম্পর্কিত বিধান উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৯৪
  2. ৯৫
  3. ৯৬
  4. ৯৭
সঠিক উত্তর:
৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৪
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৯৪: সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা
-  (১) "বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট" নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকিবে এবং আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ লইয়া তাহা গঠিত হইবে।
- (২) প্রধান বিচারপতি (যিনি "বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি" নামে অভিহিত হইবেন) এবং প্রত্যেক বিভাগে আসনগ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতি যেরূপ সংখ্যক বিচারক নিয়োগের প্রয়োজন বোধ করিবেন, সেইরূপ সংখ্যক অন্যান্য বিচারক লইয়া সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হইবে।
- (৩) প্রধান বিচারপতি ও আপীল বিভাগে নিযুক্ত বিচারকগণ কেবল উক্ত বিভাগে এবং অন্যান্য বিচারক কেবল হাইকোর্ট বিভাগে আসন গ্রহণ করিবেন।
- (৪) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারক বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ৯৫: বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬: বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭: অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

৮৭৩.
অনুপার্জিত আয় সম্পর্কে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. ১৭ নং
  2. ১৯ নং
  3. ২০ নং
  4. ২৩ নং
সঠিক উত্তর:
২০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ নং
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ২০ নং অনুচ্ছেদ ’অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম’ সংবলিত।

২০(১)- অনুসারে, কর্ম হইতেছে কর্মক্ষম প্রত্যেক নাগরিকের পক্ষে অধিকার, কর্তব্য ও সম্মানের বিষয়, এবং "প্রত্যেকের নিকট হইতে যোগ্যতানুসারে ও প্রত্যেককে কর্মানুযায়ী”-এই নীতির ভিত্তিতে প্রত্যেকে স্বীয় কর্মের জন্য পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

২০(২) অনুসারে, রাষ্ট্র এমন অবস্থাসৃষ্টির চেষ্টা করিবেন, যেখানে সাধারণ নীতি হিসাবে কোন ব্যক্তি অনুপার্জিত আয় ভোগ করিতে সমর্থ হইবেন না এবং যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিমূলক ও কায়িক-সকল প্রকার শ্রম সৃষ্টিধর্মী প্রয়াসের ও মানবিক ব্যক্তিত্বের পূর্ণতর অভিব্যক্তিতে পরিণত হইবে৷।

অন্যদিকে,
১৯৷ সুযোগের সমতা।
১৭৷ অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
২৩৷ জাতীয় সংস্কৃতি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৭৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত ধারায় শিক্ষার জন্য সাংবিধানিক অঙ্গীকার ব্যক্ত আছে?
  1. ১১ নং ধারায়
  2. ১৬ নং ধারায়
  3. ১৭ নং ধারায়
  4. ২২ নং ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৭ নং ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ নং ধারায়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান: ১৭ নং অনুচ্ছেদ: অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
⇒ সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রতিটি শিশু মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখে।
- ১৭ (ক) একই পদ্ধতির গণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের জন্য;
- ১৭ (খ) সমাজের প্রয়োজনের সহিত শিক্ষাকে সঙ্গতিপূর্ণ করার জন্য এবং সেই প্রয়োজন সিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সৃষ্টির জন্য;
- ১৭(গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

অন্যদিকে,
- ১১ নং অনুচ্ছেদ: গণতন্ত্র ও মানবাধিকার,
- ১৬ নং অনুচ্ছেদ: গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
- ২২ নং অনুচ্ছেদ: নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৮৭৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'যুদ্ধাপরাধীদের বিচার' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ৪৮ (২) নং
  2. ৪৭ (৩) নং
  3. ৪৮ (১) নং
  4. ৭২(১) নং
সঠিক উত্তর:
৪৭ (৩) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭ (৩) নং
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
• সংবিধানের তৃতীয় ভাগের ৪৭ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
- গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধের জন্য কোন সশস্ত্র বাহিনী বা প্রতিরক্ষা বাহিনী বা সহায়ক বাহিনীর সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি, ব্যক্তি সমষ্টি বা সংগঠন কিংবা যুদ্ধবন্দীকে আটক, ফৌজদারীতে সোপর্দ কিংবা দণ্ডদান করার বিধান-সংবলিত কোন আইন বা আইনের বিধান এই সংবিধানের কোন বিধানের সাথে অসমঞ্জস বা তাহার পরিপন্থী, এই কারণে বাতিল বা বেআইনী হিসেবে গণ্য হবে না কিংবা কখনও বাতিল বা বেআইনী হয়েছে বলে গণ্য হবে না ।

অন্যদিকে -
- ৪৮ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন।
- ৪৮ (২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁকে প্রদত্ত ও তাঁর উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করবেন।
- সংবিধানের ৭২(১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৭৬.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়সীমার কথা বলা আছে?
  1. ১২০ নং
  2. ১২১ নং
  3. ১২২ নং
  4. ১২৩ নং
সঠিক উত্তর:
১২৩ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৩ নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানে নির্বাচনকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
⇒ সংবিধানের সপ্তম ভাগের ১২৩ নং অনুচ্ছেদে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়সীমা এবং নির্বাচন কমিশন কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ১২৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়:

- ১২৩ (১) রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ অবসানের কারণে উক্ত পদ শূন্য হলে মেয়াদ-সমাপ্তির তারিখের পূর্ববর্তী নব্বই হতে ষাট দিনের মধ্যে শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যে সংসদের দ্বারা তিনি নির্বাচিত হয়েছেন সেই সংসদের মেয়াদকালে রাষ্ট্রপতির কার্যকাল শেষ হইলে সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ শূন্য পদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না, এবং অনুরূপ সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের দিন হতে ত্রিশ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির শূন্য পদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

- ১২৩ (২) মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পদটি শূন্য হবার পর নব্বই দিনের মধ্যে তা পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

- ১২৩ (৩) সংসদ-সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে
(ক) মেয়াদ-অবসানের কারণে সংসদ ভেঙে যাবার ক্ষেত্রে ভেঙে যাবার পূর্ববর্তী নব্বই দিনের মধ্যে; এবং
(খ) মেয়াদ-অবসান ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদ ভেঙে যাবার ক্ষেত্রে ভেঙে যাবার পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে।
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার (ক) উপ-দফা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিগণ, উক্ত উপ-দফায় উল্লিখিত মেয়াদ সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত, সংসদ সদস্যরূপে কার্যভার গ্রহণ করবে না।

- ১২৩ (৪) সংসদ ভেঙে যাওয়া ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদের কোনো সদস্যপদ শূন্য হলে পদটি শূন্য হবার নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত শূন্যপদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে, কোনো দৈব-দূর্বিপাকের কারণে এই দফার নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হয়, তা হলে উক্ত মেয়াদের শেষ দিনের পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৭৭.
একটানা কত বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকলে সদস্যদের আসন শূন্য হবে (অনুমতি ছাড়া)?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৮০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা

• সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া সংক্রান্ত সংবধানের অনুচ্ছেদ:
৬৭(১) কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে, যদি-

(ক) তাঁহার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হন:

 তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তাহা বর্ধিত করিতে পারিবেন;

(খ) সংসদের অনুমতি না লইয়া তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন;
(গ) সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়;
(ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হইয়া যান; অথবা
(ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।

 (২) কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন, এবং স্পীকার- কিংবা স্পীকারের পদ শূন্য থাকিলে বা অন্য কোন কারণে স্পীকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ডেপুটি স্পীকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হইতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হইবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৭৮.
'শপথ ও ঘোষণা' সংবিধানের কততম তফসিলে সংযোজন করা হয়েছে?
  1. দ্বিতীয়
  2. তৃতীয়
  3. চতুর্থ
  4. পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
ব্যাখ্যা

• 'শপথ ও ঘোষণা' সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে সংযোজন করা হয়েছে।

• বাংলাদেশ সংবিধান:

- বাংলাদেশ সংবিধানে সাতটি তফসিল রয়েছে।
- প্রথম তফসিল - অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল - রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
- তৃতীয় তফসিল - শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল - ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিল - ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল - স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল - স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

৮৭৯.
সংবিধানের পঞ্চম অনুচ্ছেদে নিচের কোনটি বলা হয়েছে?
  1. রাষ্ট্রধর্ম
  2. রাষ্ট্রভাষা
  3. রাজধানী
  4. নাগরিকত্ব
সঠিক উত্তর:
রাজধানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজধানী
ব্যাখ্যা
- ৫(১): প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা৷ 
- (২) রাজধানীর সীমানা আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে৷

• সংবিধানে প্রথম ভাগ:

১। প্রজাতন্ত্র;
২। প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা;
২ক। রাষ্ট্রধর্ম;
৩। রাষ্ট্রভাষা;
৪। জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক;
৪ক। জাতির পিতার প্রতিকৃতি;
৫। রাজধানী;
৬। নাগরিকত্ব;
৭। সংবিধানের প্রাধান্য;
৭ক। সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ;
৭খ। সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
৮৮০.
’বাংলাদেশের নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হবে’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদে-৬(১)
  2. অনুচ্ছেদে-৭(১)
  3. অনুচ্ছেদে-৬(২)
  4. অনুচ্ছেদে-৭(২)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদে-৬(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদে-৬(২)
ব্যাখ্যা

নাগরিকত্ব:
- ৬(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। 
 - ৬(২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হবেন।

অন্যদিকে,
- ৭(১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে৷ 
 - ৭(২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে৷

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৮৮১.
'আন্তর্জাতিক চুক্তি' সংক্রান্ত বিধান কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪৬ক
  2. অনুচ্ছেদ ১৪৫ক
  3. অনুচ্ছেদ ১৪৩ক
  4. অনুচ্ছেদ ১৪২ক
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪৫ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪৫ক
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৫ক : আন্তর্জাতিক চুক্তি
বিদেশের সাথে সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হবে, এবং রাষ্ট্রপতি তা সংসদে পেশ করার ব্যবস্থা করবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট অনুরুপ কোন চুক্তি কেবলমাত্র সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হবে।

অন্যদিকে: 
অনুচ্ছেদ ১৪৬: বাংলাদেশের নামে মামলা।
অনুচ্ছেদ ১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা।
অনুচ্ছেদ ১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি।

সূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৮২.
আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন' সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের বিষয়?
  1. ২৭নং অনুচ্ছেদ
  2. ২৫নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৯নং অনুচ্ছেদ
  4. ২৬নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
২৫নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদ – আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন: 
- বাংলাদেশের রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালনায় জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনকে ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করবে।
- রাষ্ট্র এই নীতিগুলোর ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ পরিহার ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য প্রচেষ্টা চালাবে; প্রত্যেক জাতির নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণের স্বাধীন অধিকারকে সমর্থন করবে; এবং সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ ও বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামের প্রতি সমর্থন জানাবে।

অন্যদেকে: 
- ২৭নং অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতা,
- ২৯নং অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা,
- ২৬নং অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল। 

সূত্রে: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৮৩.
সংবিধানের ৯৪নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা
  2. সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা
  3. বিচারক-নিয়োগ
  4. বিচারকদের পদের মেয়াদ
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৯০ - নির্দিষ্টকরণ আইন।
- অনুচ্ছেদ ৯১ - সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী।
- অনুচ্ছেদ ৯২ - হিসাব, ঋণ প্রভৃতির উপর ভোট।
- অনুচ্ছেদ ৯৩ - অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৮৪.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, সংসদের কোনো সদস্যপদ শূন্য হলে কত দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১২৩ নং অনুচ্ছেদ: নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়-
১) রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ অবসানের কারণে উক্ত পদ শূন্য হলে মেয়াদ-সমাপ্তির তারিখের পূর্ববর্তী নব্বই হতে ষাট দিনের মধ্যে শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
- তবে শর্ত থাকে যে, যে সংসদের দ্বারা তিনি নির্বাচিত হয়েছেন সেই সংসদের মেয়াদকালে রাষ্ট্রপতির কার্যকাল শেষ হইলে সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ শূন্য পদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না, এবং অনুরূপ সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের দিন হতে ত্রিশ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির শূন্য পদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

(২) মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পদটি শূন্য হবার পর নব্বই দিনের মধ্যে তা পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

৩) সংসদ-সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে
(ক) মেয়াদ-অবসানের কারণে সংসদ ভেঙে যাবার ক্ষেত্রে ভেঙে যাবার পূর্ববর্তী নব্বই দিনের মধ্যে; এবং
(খ) মেয়াদ-অবসান ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাণবার ক্ষেত্রে ভেঙে যাবার পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে।
- তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার (ক) উপ-দফা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিগণ, উক্ত উপ-দফায় উল্লিখিত মেয়াদ সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত, সংসদ সদস্যরূপে কার্যভার গ্রহণ করবে না।

(৪) সংসদ ভেঙে যাওয়া ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদের কোনো সদস্যপদ শূন্য হলে পদটি শূন্য হবার নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত শূন্যপদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে, কোনো দৈব-দূর্বিপাকের কারণে এই দফার নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হয়, তা হলে উক্ত মেয়াদের শেষ দিনের পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৮৫.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে নতুন তিনটি তফসিল সন্নিবেশিত হয়?
  1. ১৪তম সংশোধনী
  2. ১৫তম সংশোধনী
  3. ১৬তম সংশোধনী
  4. ১৭তম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
১৫তম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫তম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
• সংবিধান পঞ্চদশ সংশোধন আইন, ২০১১ দ্বারা সংবিধানের শেষে তিনটি নতুন তফসিল সন্নিবেশিত করা হয় যা হলো-

→ ৫ম তফসিল- শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ,
→ ৬ষ্ঠ তফসিল- ২৫ মার্চ ১৯৭১ মধ্যরাতে শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা, এবং
→ ৭ম তফসিল- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা।
-------------------

• পঞ্চদশ সংশোধনী:
- বাংলাদেশের সাংবিধানিক ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত সংশোধনী এটি।
- ৩ জুলাই ২০১১ সালে এই সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয়।
- এর মাধ্যমে বাহাত্তরের মূল সংবিধানের অনেক বিধান, যেগুলো সামরিক সরকার দ্বারা বাতিল করা হয়েছিল, সেগুলো পুনর্বহাল করা হয়।
- যেমন প্রথম সামরিক সরকারের আমলে বিলুপ্ত ঘোষিত ৯ নম্বর ও ১০ নম্বর অনুচ্ছেদ এই সংশোধনীর মাধ্যমে ফিরিয়ে আনা হয়।
- তবে সমালোচনা রয়েছে যে, সামরিক সরকারগুলো কর্তৃক আনীত কিছু বিধান রেখে দিয়ে বাহাত্তরের সংবিধানের মূল চেতনাকে বিকৃত করা হয়েছে।

- সংবিধানের ৮, ৯, ১০ ও ১২ নম্বর অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করায় বাহাত্তরের মূল সংবিধানের চেতনাকে ধারণ করা সম্ভব হয়েছে।
- সংবিধানে ৭ক নতুন অনুচ্ছেদ যুক্ত করে সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, রহিতকরণ ইত্যাদিকে রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক ও সর্বোচ্চ শাস্তিযোগ্য অপরাধ ঘোষণা করা হয়েছে।
- ৭খ নামে আরেকটি নতুন অনুচ্ছেদ যুক্ত করে ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবিধানের মৌলিক কিছু বিধান কোনোদিনও সংশোধন করা যাবে না।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের পূর্বের ৪টি তফসিলের সঙ্গে আরো ৩টি নতুন তফসিল যুক্ত করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭ টি তফসিল রয়েছে।
- এর মধ্যে দ্বিতীয় তফসিলের বিষয়বস্তু হলো রাষ্ট্রপতি নির্বাচন যা ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী আইনের ৩০ নং ধারা বলে বিলুপ্ত করা হয়।
- ১৯৭২ সালে প্রণীত মূল সংবিধানে চারটি তফসিল ছিলো।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান - আরিফ খান।
৮৮৬.
বাংলাদেশের সংবিধানে মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত অনুচ্ছেদগুলো কোন ভাগে রয়েছে?
  1. প্রথম ভাগ
  2. দ্বিতীয় ভাগ
  3. চতুর্থ ভাগ
  4. তৃতীয় ভাগ
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় ভাগ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানে:
- মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত বিধানসমূহ তৃতীয় ভাগে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- এই ভাগের অনুচ্ছেদ ২৬ থেকে ৪৭(ক) পর্যন্ত মোট ২২টি অনুচ্ছেদ।
- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
৮৮৭.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের কথা উল্লেখ আছে?
  1. ৯৩ নং
  2. ১১৩ নং
  3. ১১৭নং
  4. ১১৮নং
সঠিক উত্তর:
১১৭নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৭নং
ব্যাখ্যা

সংবিধানের ১১৭নং অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের কথা উল্লেখ আছে।

বিচারবিভাগ:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগে বিচারবিভাগ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ষষ্ঠ ভাগে মোট ৩টি পরিচ্ছদ রয়েছে।
- যথা:
১ম পরিচ্ছেদ: সুপ্রীম কোর্ট [অনুচ্ছেদ: ৯৪ - ১১৩];
২য় পরিচ্ছেদ: অধস্তন আদালত [অনুচ্ছেদ: ১১৪ থেকে ১১৬];
৩য় পরিচ্ছেদ: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল [অনুচ্ছেদ: ১১৭]।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৮৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জীববৈচিত্র্য রক্ষার অঙ্গীকার করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৮
  2. অনুচ্ছেদ ১৮ (ক)
  3. অনুচ্ছেদ ১৫
  4. অনুচ্ছেদ ১৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮ (ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮ (ক)
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ১৮ (ক): 
-  ″রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।″

- এই অনুচ্ছেদটি দ্বারা পরিবেশ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সুরক্ষার জন্য রাষ্ট্রের দায়িত্ব নির্দেশ করে।
- অর্থাৎ, বর্তমান প্রজন্মের মানুষরা যেমন পরিবেশ ব্যবহার করছে, সেইসাথে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও সুস্থ পরিবেশে বাঁচার সুযোগ রাষ্ট্রকে  নিশ্চিত করতে হবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ১৩: মালিকানার নীতি
- অনুচ্ছেদ ১৫: মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
- অনুচ্ছেদ ১৮: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৮৯.
কোরাম সংক্রান্ত বিধান বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. ৭১ নং
  2. ৭৩ নং
  3. ৭৫ নং
  4. ৭৬ নং
সঠিক উত্তর:
৭৫ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৫ নং
ব্যাখ্যা

• কোরাম:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- জাতীয় সংসদের বৈঠক চলাকালে কোনো সময়ে উপস্থিত সংসদ সংখ্যা ৬০ জনের কম বলে যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয় তাহলে তিনি অনূন্য ৬০ জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখবেন কিংবা মুলতবি করবেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৯০.
বাংলাদেশ সংবিধানে ’বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি’ সম্পর্কে বলা হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে? 
  1. ৮২নং অনুচ্ছেদে
  2. ৮৫নং অনুচ্ছেদে
  3. ৮৭নং অনুচ্ছেদে
  4. ৮৮নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৮৭নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৭নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

• পঞ্চম ভাগ: আইনসভা।
- ২য় পরিচ্ছেদ: আইন প্রনয়ন ও অর্থসংক্রান্ত পদ্ধতি।
- বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি:  ৮৭। (১) প্রত্যেক অর্থ-বৎসর সম্পর্কে উক্ত বৎসরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি (এই ভাগে "বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি" নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হবে।
- (২) বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে পৃথক পৃথকভাবে: 
- (ক) এই সংবিধানের দ্বারা বা অধীন সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়রূপে বর্ণিত ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, এবং
- (খ) সংযুক্ত তহবিল হইতে ব্যয় করা হইবে, এইরূপ প্রস্তাবিত অন্যান্য ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ
প্রদর্শিত হইবে এবং অন্যান্য ব্যয় হইতে রাজস্বখাতের ব্যয় পৃথক করিয়া প্রদর্শিত হবে।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ-৮৫। সরকারী অর্থের নিয়ন্ত্রণ।
- অনুচ্ছেদ-৮৬। প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাবে প্রদেয় অর্থ।
- অনুচ্ছেদ- ৮৮। সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়,
- অনুচ্ছেদ-৮৯। বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত পদ্ধতি,

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৮৯১.
বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. ২১ নং অনুচ্ছেদ
  2. ২২ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৩ নং অনুচ্ছেদ
  4. ২৫ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
২৫ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি: 
- পররাষ্ট্রনীতি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নীতির সম্প্রসারণ।
- পররাষ্ট্রনীতি হলো কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের গৃহীত সেসব নীতি যা রাষ্ট্র তার রাষ্ট্রীয় স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে সম্পাদন করে থাকে।
- অন্য রাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে রাষ্ট্রের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতাকে তুলে ধরে।
- ১৯৭১ সালে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
- স্বাধীনতা লাভের পরবর্তী সময়ে ভৌগোলিক অবস্থান, স্বল্প পরিসরের ভূখন্ড এবং সীমিত অর্থনৈতিক সম্পদ ইত্যাদি বিভিন্ন নিয়ামক বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণের সুযোগকে সীমাবদ্ধ করে দেয়।
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি মূলত বহিঃশক্তির প্রভাব থেকে  দেশের সাবভৌমত্ব ও ভূখন্ডকে রক্ষা করার মতো বিষয়েই সীমাবদ্ধ থেকে গেছে।
- পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কীয় সাংবিধনিক বিধান বাংলাদেশের সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির নির্দেশনা রয়েছে।
- এই নির্দেশনাসমূহ বাংলাদেশ সংবিধানের ২৫ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে।

• এগুলি হলো:
i) জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা,
ii) অপর রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা,
iii) আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং
iv) আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা। 
- এ সকল নীতিই হবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৮৯২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ সদস্যরা নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিতে পারেন না?
  1. ৬৬ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৬৭ নং অনুচ্ছেদ
  3. ৭০ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৭১ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৭০ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
ফ্লোর ক্রসিং:
- জাতীয় সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান করা বা দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কথা বলাকে বলা হয় ফ্লোর ক্রসিং৷
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৭০ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন ব্যক্তি কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদে সেই দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান বা সেই দল থেকে পদত্যাগ করলে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।

⇒ ৭০ নং অনুচ্ছেদ: রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া -
- সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি যদি -
(ক) উক্ত দল হতে পদত্যাগ করেন, অথবা (খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
- তাহলে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হবার অযোগ্য হবেন না।

অন্যদিকে,
- ৬৬ নং অনুচ্ছেদ: সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা,
- ৬৭ নং অনুচ্ছেদ: সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া,
- ৭১ নং অনুচ্ছেদ: দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৯৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকারকে আর্থিক ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৯
  2. অনুচ্ছেদ ১১
  3. অনুচ্ছেদ ৫৯
  4. অনুচ্ছেদ ৬০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬০
ব্যাখ্যা
সংবিধানে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা সংক্রান্ত বিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানে তৃনমূল পর্যায়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সুপ্রতিষ্ঠিত করার জন্য স্থানীয় সরকারকে প্রতিনিধিত্বমূলক প্রতিষ্ঠান এবং একই সাথে জনগণের অংশগ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে স্থানীয় সরকার সম্পর্কে ৪টি অনুচ্ছেদ রয়েছে (অনুচ্ছেদ ৯, ১১, ৫৯ এবং ৬০)।
- এসব অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকারের ভূমিকা ও কার্যকারিতা বিষয়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে।

⇒ অনুচ্ছেদ ৯: এই অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে উৎসাহিত করা এবং কৃষক, শ্রমিক ও মহিলাদের জন্য বিশেষ প্রতিনিধিত্বের কথা বলা হয়েছে। 
⇒ অনুচ্ছেদ ১১: প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। 
⇒ অনুচ্ছেদ ৫৯: প্রজাতন্ত্রের প্রতিটি প্রশাসনিক ইউনিটের স্থানীয় শাসন নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত সংস্থাগুলির উপর ন্যস্ত করার কথা বলা হয়েছে।
⇒ অনুচ্ছেদ ৬০: স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহকে স্থানীয় প্রয়োজনে কর আরোপ করার ক্ষমতাসহ বাজেট প্রস্তুতকরণ এবং নিজস্ব তহবিল রক্ষনাবেক্ষণের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। এ অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক ক্ষমতা প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে।

উৎস: i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৯৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চম অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় কী?
  1. আইনসভা
  2. নির্বাচন
  3. সংবিধানের সংশোধন
  4. বিচার বিভাগ
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
- প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
- তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার;
- চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
- পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
- ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
- সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন।
- অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- নবম অধ্যায়  - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ;
- দশম অধ্যায়  - সংবিধানের সংশোধন।
- একাদশ অধ্যায়  - বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৯৫.
বাংলাদেশ সংবিধানে রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি উল্লেখ রয়েছে-
  1. সংবিধানের পঞ্চম ভাগে
  2. সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে
  3. সংবিধানের প্রথম ভাগে
  4. সংবিধানের চতুর্থ ভাগে
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের মূলনীতি:
- ভারত এবং আয়ারল্যান্ডের ন্যায় বাংলাদেশের সংবিধানেও রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কতগুলো মৌলিক নীতি নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এ নীতিগুলো রাষ্ট্র শাসনের মূলসূত্র।
- সরকারের কর্তব্য হলো রাষ্ট্রীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে এগুলো প্রয়োগ করা।
- মূল সংবিধানের 'দ্বিতীয় ভাগে' রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি আলোকপাত করা হয়েছে।
- ৮ থেকে ২৫ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মূলনীতিগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
- এগুলো হল জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।

 উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮৯৬.
সংবিধান সংশোধনী বিল রাষ্ট্রপতির নিকট পাঠানোর কত দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি উক্ত বিলে সম্মতি দিবেন?
  1. ৩ দিন
  2. ৫ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ১০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা:
এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও-
(ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবেঃ তবে শর্ত থাকে যে,

(অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরোনামে এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না;

(খ) উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতি দান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতি দান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৯৭.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনারগণ কার নিকট শপথ গ্রহণ করেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধান বিচারপতি 
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. স্পীকার
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনারগণ প্রধান বিচারপতির নিকট শপথ গ্রহণ করেন। 

- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী, 
• রাষ্ট্রপতির নিকট যারা শপথ গ্রহণ করেন: 
১। প্রধানমন্ত্রী
২। মন্ত্রী গনকে
৩। উপমন্ত্রী দেরকে
৪। প্রতিমন্ত্রী দের।
৫। স্পীকার।
৬। ডেপুটি স্পিকার
৭। প্রধান বিচারপতি কে

• প্রধানমন্ত্রীর নিকট যারা শপথ গ্রহণ করেন: 
১। সিটি কর্পোরেশনের মেয়র।
২। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।

• স্পীকারের নিকট যারা শপথ গ্রহণ করেন: 
১। রাষ্ট্রপতি
২। সকল সংসদ সদস্যদের কে।

• প্রধান বিচারপতির নিকট যারা শপথ গ্রহণ করেন: 
১। সুপ্রীম কোর্টের কোন বিভাগের কোন বিচারককে।
২। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার
৩। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রন
৪। সরকারী কর্মকমিশনের সদস্যদেরকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৯৮.
মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক পদটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ দ্বারা সৃষ্ট?
  1. অনুচ্ছেদ ১১৭
  2. অনুচ্ছেদ ১১৮
  3. অনুচ্ছেদ ১২৭
  4. অনুচ্ছেদ ১২৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২৭
ব্যাখ্যা
মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক:
- মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় (OCAG) দেশের স্বাধীন তদারকি প্রতিষ্ঠান।
- এটি বাংলাদেশে সর্বোচ্চ নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান (Supreme Audit Institution - SAI) হিসেবেও পরিচিত।
- মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক পদটি সংবিধানের ১২৭ নং অনুচ্ছেদ দ্বারা সৃষ্ট।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১২৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নিয়ন্ত্রক ও মহা-হিসাব নিরীক্ষক (CAG) সরকারের আয় ও ব্যয়ের নিরীক্ষা এবং এগুলো সঠিকভাবে হিসাববদ্ধ ও আর্থিক নিয়ম-কানুন অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে কিনা তা যাচাই করার দায়িত্বে নিয়োজিত। 
- ১৯৭৪ সালের CAG (অতিরিক্ত কার্যাবলি) আইনের ৫(১) ধারা অনুযায়ী, তিনি সরকারি কর্তৃপক্ষ, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষগুলোর নিরীক্ষা করার ক্ষমতা রাখেন।
- সংবিধান CAG-কে নিরীক্ষার পরিধি ও মাত্রা নির্ধারণে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা প্রদান করেছে।
- তিনি তার প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেন, যা পরে রাষ্ট্রপতি সংসদের সামনে উপস্থাপন করেন।

উৎস: মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ওয়েবসাইট।
৮৯৯.
সংবিধানের ৩৬ নং অনুচ্ছেদে নিম্নের কোনটির উল্লেখ রয়েছে?
  1. আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার
  2. চলাফেরার স্বাধীনতা
  3. সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা
  4. পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
চলাফেরার স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চলাফেরার স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
চলাফেরার স্বাধীনতা:
- সংবিধানের ৩৬ নং অনুচ্ছেদে চলাফেরার স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

- জনস্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে বাংলাদেশের সর্বত্র অবাধ চলাফেরা, যে কোন স্থানে বসবাস ও বসতিস্থান এবং বাংলাদেশ ত্যাগ ও বাংলাদেশে পুনঃপ্রবেশ করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে।

এছাড়া,
- ২৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা,
- ৩১ নং অনুচ্ছেদে আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার এবং,
- ৪০ নং অনুচ্ছেদে পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০০.
'Impeachment of the President' সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সন্নিবেশিত আছে?
  1. ৫২ নং
  2. ৫৭ নং
  3. ৬৩ নং
  4. ৬৭ নং
সঠিক উত্তর:
৫২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২ নং
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির অভিশংসন (Impeachment of the President):
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগ নির্বাহী বিভাগের ৫২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির অভিশংসন (Impeachment of the President) সম্পর্কে বলা আছে।

⇒ ৫২ (১) এই সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যেতে পারবে; এর জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করে একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করতে হবে; স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হতে পারবে না; এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করবেন।
- ৫২ (২) এই অনুচ্ছেদের অধীন কোন অভিযোগ তদন্তের জন্য সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত বা আখ্যায়িত কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কর্তৃপক্ষের নিকট সংসদ রাষ্ট্রপতির আচরণ গোচর করতে পারবেন।
- ৫২ (৩) অভিযোগ-বিবেচনাকালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকার এবং প্রতিনিধি-প্রেরণের অধিকার থাকবে।
- ৫২ (৪) অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলে ঘোষণা করে সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করলে প্রস্তাব গৃহীত হবার তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হবে।
- ৫২ (৫) এই সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ-অনুযায়ী স্পীকার কর্তৃক রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব-পালনকালে এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী এই পরিবর্তন-সাপেক্ষে প্রযোজ্য হবে যে, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় স্পীকারের উল্লেখ ডেপুটি স্পীকারের উল্লেখ বলে গণ্য হবে এবং (৪) দফায় রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হবার উল্লেখ স্পীকারের পদ শূন্য হবার উল্লেখ বলে গণ্য হবে; এবং (৪) দফায় বর্ণিত কোন প্রস্তাব গৃহীত হলে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে বিরত হবেন।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ৫৭ নং অনুচ্ছেদটি মূলত প্রধানমন্ত্রীর পদ এবং তা শূন্য হওয়ার শর্তাবলী নিয়ে আলোচনা করে।
- সংবিধানের ৬৩ নং অনুচ্ছেদে সংসদের সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাবে না এবং প্রজাতন্ত্র কোনো যুদ্ধে অংশ নেবে না, এই মর্মে উল্লেখ আছে।
- সংবিধানের ৬৭ নং অনুচ্ছেদ "সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া" বিষয়ক।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।