বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ও তফসিল

মোট প্রশ্ন৯৩৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ও তফসিল

PrepBank · পাতা / ১০ · ৭০১৮০০ / ৯৩৬

৭০১.
সংবিধানের ১২৮নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা
  2. অস্থায়ী মহা হিসাব-নিরীক্ষক
  3. মহা হিসাব-নিরীক্ষকের কর্মের মেয়াদ
  4. মহা-হিসাব নিরীক্ষকের দায়িত্ব
সঠিক উত্তর:
মহা-হিসাব নিরীক্ষকের দায়িত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহা-হিসাব নিরীক্ষকের দায়িত্ব
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১২০ - নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।
- অনুচ্ছেদ ১২১ - প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
- অনুচ্ছেদ ১২২ - ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৩ - নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।
- অনুচ্ছেদ ১২৪ - নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৫ - নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৬ - নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান।
- অনুচ্ছেদ ১২৭ - মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ১২৮ - মহা-হিসাব নিরীক্ষকের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১২৯ - মহা হিসাব-নিরীক্ষকের কর্মের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ১৩০ - অস্থায়ী মহা হিসাব-নিরীক্ষক।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৭০২.
সংবিধান অনুযায়ী নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের কথা কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ- ১৭
  2. অনুচ্ছেদ- ১৮(ক)
  3. অনুচ্ছেদ- ২১
  4. অনুচ্ছেদ- ২২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ২২
ব্যাখ্যা

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগসমূহ থেকে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ ১৭ নং: অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
- অনুচ্ছেদ ১৮(ক) নং: পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ২১ নং: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

৭০৩.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে সরকারি চাকরিতে সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৯
  2. অনুচ্ছেদ ২৭
  3.  অনুচ্ছেদ ৩১
  4. অনুচ্ছেদ ২৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৯
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ২৯: সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা।
- ২৯ (১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকবে।
- (২) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাবে না।

অন্যদিকে,
• মৌলিক অধিকার: 
- অনুচ্ছেদ- ২৬। মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল।
- অনুচ্ছেদ- ২৭। আইনের দৃষ্টিতে সমতা;
- অনুচ্ছেদ- ২৮। ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য;
- অনুচ্ছেদ- ২৯। সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা;
- অনুচ্ছেদ- ৩০। বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ;
- অনুচ্ছেদ- ৩১। আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

৭০৪.
সংবিধান অনুযায়ী কোন নাগরিক বিদেশী রাষ্ট্রের খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করতে হলে কার অনুমতি নিতে হবে?
  1. জাতীয় সংসদের স্পিকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3.  রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
 রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৩০: বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ 
- রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোন নাগরিক কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নিকট হইতে কোন খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করিবেন না।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭০৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে কাস্টিং ভোট (Casting Vote) সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৭৫
  2. অনুচ্ছেদ ৭৬
  3. অনুচ্ছেদ ৭৭
  4. অনুচ্ছেদ ৭৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭৫
ব্যাখ্যা
কাস্টিং ভোট (Casting Vote):
- সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন।
- একে নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট বলে।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।
- স্পিকারের এই ভোটটিই হলো 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট'।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর ৭৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
- ”উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পিকার) ভোটদান করবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করবেন।”

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ ৭৬: সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ। 
- অনুচ্ছেদ ৭৭: ন্যায়পাল।
- অনুচ্ছেদ ৭৮: সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।

সূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
৭০৬.
বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার কয়টি ভাগ রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

প্রস্তাবনা:
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে। 
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
- ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করে [জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের] মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি। 
- সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হবে।
- আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা-আকাঙ্খার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিয়া আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করিতে পারি, সেইজন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ণ রাখা এবং ইহার রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান আমাদের পবিত্র কর্তব্য।
- এতদ্বারা আমাদের এই গণপরিষদে, অদ্য তের শত ঊনআশী বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসের আঠারো তারিখ, মোতাবেক ঊনিশ শত বাহাত্তর খ্রীষ্টাব্দের নভেম্বর মাসের চার তারিখে, আমরা এই সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করিয়া সমবেতভাবে গ্রহণ করিলাম।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।

৭০৭.
‘গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ’–সংক্রান্ত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. ৪৭ (৩) নং
  2. ৫৩ নং
  3. ৫৭ নং
  4. ৬০ নং
সঠিক উত্তর:
৪৭ (৩) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭ (৩) নং
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৭(৩) নং অনুচ্ছেদে "গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ" সংক্রান্ত বিষয় আলোচনা করা হয়েছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
• সংবিধানের তৃতীয় ভাগের ৪৭ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধের জন্য কোন সশস্ত্র বাহিনী বা প্রতিরক্ষা বাহিনী বা সহায়ক বাহিনীর সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি, ব্যক্তি সমষ্টি বা সংগঠন কিংবা যুদ্ধবন্দীকে আটক, ফৌজদারীতে সোপর্দ কিংবা দণ্ডদান করার বিধান-সংবলিত কোন আইন বা আইনের বিধান এই সংবিধানের কোন বিধানের সাথে অসমঞ্জস বা তাহার পরিপন্থী, এই কারণে বাতিল বা বেআইনী হিসেবে গণ্য হবে না কিংবা কখনও বাতিল বা বেআইনী হয়েছে বলে গণ্য হবে না ।

অন্যদিকে -
- বাংলাদেশের সংবিধানে ৫৩ নং অনুচ্ছেদে 'অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ' এর কথা বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৭ নং অনুচ্ছেদ: প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৬০ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭০৮.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন?
  1. ৯২ নং 
  2. ৯৩ নং 
  3. ৯৪ নং 
  4. ৯৫ নং
সঠিক উত্তর:
৯৫ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৫ নং
ব্যাখ্যা

সুপ্রীম কোর্টের বিচারক নিয়োগ:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, 
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন।

(২) কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হলে, এবং (ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকলে; অথবা
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোনো বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করে থাঢ়লে; অথবা
(গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকলে;তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।

(৩) এই অনুচ্ছেদে ‘‘সুপ্রীম কোর্ট’’ বলতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোনো সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করেছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হবে।

এছাড়া,
- ৯২ নং অনুচ্ছেদে হিসাব, ঋণ প্রভৃতির উপর ভোট সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ৯৩ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ প্রণয়নের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ৯৪ নং অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭০৯.
বাংলাদেশ সংবিধানে কয়টি মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে?
  1. ১৭টি
  2. ১৮টি
  3. ২১টি
  4. ২২টি
সঠিক উত্তর:
১৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮টি
ব্যাখ্যা
সংবিধানে মৌলিক অধিকার:
- সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ নং - ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগ মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত। সেখানে মোট অনুচ্ছেদ আছে ২২টি।
- এর মধ্যে ১৮টি মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৭ থেকে ৪৪ অনুচ্ছেদে যে ১৮টি অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে, সেগুলোর নাম দেওয়া হয়েছে মৌলিক অধিকার।
- সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এগুলো আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য। এই অধিকারগুলো ভঙ্গ করলে রাষ্ট্র প্রতিকার প্রদানে বাধ্য থাকে।
- সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই অধিকারগুলোর সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ যেকোনো আইন বাতিল বলে গণ্য হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭১০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে অনুপার্জিত আয় সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ২০ নং
  2. ১৯ নং
  3. ২২ নং
  4. ১৭ নং
সঠিক উত্তর:
২০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ নং
ব্যাখ্যা
• ২০ নং অনুচ্ছেদে অনুপার্জিত আয় সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ১৯ নং অনুচ্ছেদে জাতীয় জীবনে সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
• ১৭ নং অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার কথা বলা হয়েছে।
• ২২ নং অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৭১১.
সংবিধানের তৃতীয় তফসিলের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
  2. শপথ ও ঘোষণা
  3. ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ
  4. স্বাধীনতার ঘোষণা
সঠিক উত্তর:
শপথ ও ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শপথ ও ঘোষণা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিলসমূহ:
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
• প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
• তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
• চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
• পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
• সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৭১২.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ভাগে ‘প্রতিরক্ষা কর্ম বিভাগ’ সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. নির্বাহী বিভাগ
  2. বিচার বিভাগ
  3. আইনসভা
  4. জরুরী বিধানাবলী 
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়। 
• সংবিধান কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে। 
• বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে। 
• এতে ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ এবং ১১ টি ভাগ রয়েছে। ৭টি তফসিল রয়েছে।
• সংবিধান সংশোধন হয়েছে মোট ১৭ বার।

- সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ সম্পর্কে বর্ণিত আছে। 
- ৪র্থ ভাগে পাঁচটি পরিচ্ছেদ বিদ্যমান: 
• ১ম পরিচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতি। 
• ২য় পরিচ্ছেদ: প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা। 
• ৩য় পরিচ্ছেদ: স্থানীয় শাসন। 
• ৪র্থ পরিচ্ছেদ: প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ। 
• ৫ম পরিচ্ছেদ: অ্যাটর্নি-জেনারেল।  

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭১৩.
বাংলাদেশ সংবিধান অনুসারে সরকার প্রধান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. স্পীকার
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

• শাসন বিভাগ: 
- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- ৫৫ (১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করবেন,
- সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী নিয়ে এই মন্ত্রিসভা গঠিত হবে।
- স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময় নির্বাহী প্রধান পদের পরিবর্তন হয়েছে।
- মুজিবনগর সরকারের সময় সরকার প্রধান ছিল রাষ্ট্রপতি।
- স্বাধীনতা অর্জনের পরেই ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- পরবর্তীতে সামরিক শাসকগণ আবার রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা চালু করেন।
- কিন্তু অবশেষে ১৯৯১ সালে পুনরায় সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন হয়।
- এ ব্যবস্থায় সরকারের কেন্দ্রবিন্দু হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিপরিষদ থাকে যারা সংসদের নিকট দায়বদ্ধ।
- বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী পদের মেয়াদ ৫ বছর।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি।
- জাতীয় সংসদের প্রধান হলেন স্পিকার।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৭১৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি-জেনারেলের নিয়োগ ও কার্যাবলী সম্পর্কে বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৬৪
  2. অনুচ্ছেদ ৬৭
  3. অনুচ্ছেদ ৭০
  4. অনুচ্ছেদ ৭৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬৪
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৬৪ - অ্যাটর্নি-জেনারেল।
- অনুচ্ছেদ ৬৫ - সংসদ-প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৬৬ - সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ৬৭ - সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৬৮ - সংসদ-সদস্যদের [পারিশ্রমিক] প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৯ - শপথগ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড।
- অনুচ্ছেদ ৭০ - রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৭১ - দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।
- অনুচ্ছেদ ৭২ - সংসদের অধিবেশন।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ - সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ক - সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৪ - স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৭১৫.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি'-এর কথা বলা হয়েছে? 
  1. ১০ নং
  2. ১২ নং
  3. ১৪ নং
  4. ১৭ নং
সঠিক উত্তর:
১০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগে ১০ নং অনুচ্ছেদে 'সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের শোষণমুক্ত, ন্যায়সঙ্গত ও সমতাভিত্তিক সমাজ গড়ার লক্ষ্যের কথা বলা হয়েছে।
 
অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১২ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- সংবিধানের ১৪ নং অনুচ্ছেদে 'কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
 
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭১৬.
বাংলাদেশ সংবিধানে 'বাজেট' শব্দটি কী নামে বর্ণিত রয়েছে?
  1. বার্ষিক আয়-ব্যয়
  2. বার্ষিক আর্থিক বিবরণ
  3. বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি
  4. জাতীয় অর্থনৈতিক প্রতিবেদন
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি
ব্যাখ্যা
বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি:
- বাংলাদেশের সংবিধানে ‘বাজেট’ শব্দটিই নেই।
- সংবিধানের ৮৭ অনুচ্ছেদে বলা আছে ‘বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি’।
- সংবিধানে বলা হয়েছে, ‘প্রত্যেক অর্থবছর সম্পর্কে উক্ত অর্থবছরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি সংসদে উপস্থাপিত হবে।’ এই বিবৃতিই আসলে বাজেট।

⇒ সংবিধানের অনুচ্ছেদ - ৮৭: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি
(১) প্রত্যেক অর্থ-বৎসর সম্পর্কে উক্ত বৎসরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি (এই ভাগে "বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি" নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হবে।
(২) বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে পৃথক পৃথকভাবে
(ক) এই সংবিধানের অধীন সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়রূপে বর্ণিত ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, এবং
(খ) সংযুক্ত তহবিল হতে ব্যয় করা হবে, এইরূপ প্রস্তাবিত অন্যান্য ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, প্রদর্শিত হবে এবং অন্যান্য ব্যয় হতে রাজস্ব খাতের ব্যয় পৃথক করে প্রদর্শিত হবে।

উল্লেখ্য,
- সংবিধানে না থাকলেও বাজেট আছে সংসদের কার্যপ্রণালি বিধিতে।
- বিধির ১১১(১)-এ বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিকে ‘বাজেট’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
- কার্যপ্রণালি বিধিতে সংসদে বাজেট উপস্থাপনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অর্থমন্ত্রীকে।
- বিধির ১১১(২)-এ বলা হয়েছে, ‘সংবিধানের বিধান সাপেক্ষে অর্থমন্ত্রী যেরূপ উপযোগী মনে করবেন, সেই আকারে বাজেট সংসদে পেশ করবেন।’
- প্রতিবছর জুন মাসে সংসদে বাজেট পেশ করে আসছেন অর্থমন্ত্রীরা। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।
৭১৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না?
  1. ৩৫
  2. ৩৪
  3. ৩০
  4. ৩৬
সঠিক উত্তর:
৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫
ব্যাখ্যা

 বাংলাদেশ সংবিধান: 
- অনুচ্ছেদ- ৩৫: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
- ৩৫(২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাবে না।
- ৩৫(৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না।

অপরদিকে, 
- সংবিধোনের অনুচ্ছেদ: 
৩০। বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ,
৩১। আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার,
৩২। জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ,
৩৩। গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ,
৩৪। জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ,
৩৫। বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ,
৩৬। চলাফেরার স্বাধীনতা,
৩৭। সমাবেশের স্বাধীনতা,
৩৮। সংগঠনের স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৭১৮.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে, কাস্টিং ভোট প্রদান করেন -
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পিকার
  4. আইনমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা
কাস্টিং ভোট (Casting Vote):
- সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।

⇒ অন্যভাবে বলা যায়, কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন। একে নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট বলে।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।
- স্পিকারের এই ভোটটিই হলো 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট'।

উল্লেখ্য,
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর ৭৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী: ”উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পীকার) ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।”

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭১৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫০
  2. অনুচ্ছেদ ৫১
  3. অনুচ্ছেদ ৫২
  4. অনুচ্ছেদ ৫৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫১
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
​- অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদে ৫২ - রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ৫৩ - অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৪ - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
- অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন।
- অনুচ্ছেদ ৬০ - স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।

​তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৭২০.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন তফসিলের বিষয়বস্তু বর্তমানে কার্যকর নেই?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. চতুর্থ তফসিল
  4. সপ্তম তফসিল
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় তফসিল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল:
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানে তফসিল ৭টি। যথা:
• প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন,
• দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত),
• তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা,
• চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী,
• পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ,
• ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা,
• সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উল্লেখ্য,
⇒ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন:
- সংবিধানের চতুর্থ সংশােধন আইন, ১৯৭৫ এর ৩০ নং ধারাবলে মূল সংবিধানের এই দ্বিতীয় তফসিলটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
- অর্থাৎ, দ্বিতীয় তফসিল এখন আর কার্যকর নেই।
- ১৯৭৫ সালের ২৫শে জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু করা হয়। যার নাম দেয়া হয় বাকশাল।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৭২১.
বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগের বিষয়বস্তু কী?
  1. মৌলিক অধিকার
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা

সংবিধানের ভাগ:
- প্রথম ভাগ: প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগ: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগ: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগ: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগ: মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগ: বাংলাদেশের কর্মবিভাগ,
- দশম ভাগ: সংবিধান-সংশোধন,
- একাদশ ভাগ: বিবিধ।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭২২.
সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার কতদিনের মধ্যে সংসদ আহবান করতে হয়?
  1. ১৫ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৪৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

সংসদের অধিবেশন:
৭২। (১) সরকারী বিজ্ঞপ্তি-দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহবান , স্থগিত ও ভঙ্গ করিবেন এবং সংসদ আহবানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করিবেন:
1[তবে শর্ত থাকে যে,2[১২৩ অনুচ্ছেদের (৩) দফার (ক) উপ-দফায় উল্লিখিত নব্বই দিন সময় ব্যতীত অন্য সময়ে] সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে ষাট দিনের অতিরিক্ত বিরতি থাকিবে না:
তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন তাঁহার দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক লিখিতভাবে প্রদত্ত পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন।]
(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও সংসদ-সদস্যদের যে কোন সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হইবার ত্রিশ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহবান করা হইবে।
(৩) রাষ্ট্রপতি পূর্বে ভাঙ্গিয়া না দিয়া থাকিলে প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর অতিবাহিত হইলে সংসদ ভাঙ্গিয়া যাইবে:তবে শর্ত থাকে যে, প্রজাতন্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত থাকিবার কালে সংসদের আইন-দ্বারা অনুরূপ মেয়াদ এককালে অনধিক এক বৎসর বর্ধিত করা যাইতে পারিবে, তবে যুদ্ধ সমাপ্ত হইলে বর্ধিত মেয়াদ কোনক্রমে ছয় মাসের অধিক হইবে না।
(৪) সংসদ ভঙ্গ হইবার পর এবং সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্বে রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, প্রজাতন্ত্র যে যুদ্ধে লিপ্ত রহিয়াছেন, সেই যুদ্ধাবস্থার বিদ্যমানতার জন্য সংসদ পুনরাহবান করা প্রয়োজন, তাহা হইলে যে সংসদ ভাঙ্গিয়া দেওয়া হইয়াছিল, রাষ্ট্রপতি তাহা আহবান করিবেন।3[* * *]
(৫) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী-সাপেক্ষে কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা বা অন্যভাবে সংসদ যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সংসদের বৈঠকসমূহ সেইরূপ সময়ে ও স্থানে অনুষ্ঠিত হইবে।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

৭২৩.
বাংলাদেশ সংবিধানে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল বিষয়টি কোন অনুচ্ছেদে সন্নিবেশিত হয়েছে?
  1. ১০৩ নং
  2. ১০৮ নং
  3. ১১০ নং
  4. ১১৭ নং
সঠিক উত্তর:
১১৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৭ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৭ নং অনুচ্ছেদের ১ এবং ২ নং অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠনের কথা সন্নিবেশিত হয়েছে।

বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগের ৩য় পরিচ্ছেদে 'প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

⇒ ১১৭ (১) যা আগে বলা হয়েছে তা সত্ত্বেও, সংসদ আইনের মাধ্যমে নিচের বিষয়গুলোর জন্য এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে:
- (ক) সংবিধানের নবম ভাগে উল্লেখিত বিষয় এবং সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত ব্যক্তিদের চাকরির শর্ত, যেমন জরিমানা বা অন্যান্য শাস্তি।
- (খ) রাষ্ট্রায়ত্ত কোনো উদ্যোগ বা সরকারি কর্তৃপক্ষের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা, সেই সঙ্গে এ ধরনের উদ্যোগ বা কর্তৃপক্ষে চাকরি, কিংবা সরকারের মালিকানাধীন বা পরিচালিত সম্পত্তির ক্রয়, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও বণ্টন।
- (গ) সংবিধানের ১০২(৩) অনুচ্ছেদে উল্লেখিত কোনো আইনের বিষয়।

⇒ ১১৭ (২) যদি এই অনুচ্ছেদের অধীনে কোনো প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়, তবে সেই ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারের আওতাভুক্ত কোনো বিষয়ে অন্য কোনো আদালত কোনো মামলা গ্রহণ করবে না বা কোনো আদেশ দেবে না। তবে, সংসদ আইনের মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা বা সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের ব্যবস্থা করতে পারে।

উল্লেখ্য,
- ষষ্ঠ ভাগে মোট ৩টি পরিচ্ছদ রয়েছে। যথা:
• ১ম পরিচ্ছেদ: সুপ্রীম কোর্ট [অনুচ্ছেদ: ৯৪ - ১১৩];
• ২য় পরিচ্ছেদ: অধস্তন আদালত [অনুচ্ছেদ: ১১৪ থেকে ১১৬];
• ৩য় পরিচ্ছেদ: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল [অনুচ্ছেদ: ১১৭]।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১০৩ নং অনুচ্ছেদটি মূলত আপিল বিভাগের এখতিয়ার সংজ্ঞায়িত করে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ নং অনুচ্ছেদ সুপ্রিম কোর্টকে "কোর্ট অফ রেকর্ড" হিসাবে সংজ্ঞায়িত করে। 
- ১১০ নং অনুচ্ছেদ: অধস্তন আদালত হইতে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা স্থানান্তর।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭২৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বলে নারী-পুরুষে বৈষম্য করার কোনও সুযোগ নেই?
  1. ২৮ (১) অনুচ্ছেদ
  2. ২৮ (২) অনুচ্ছেদ
  3. ২৮ (৩) অনুচ্ছেদ
  4. ২৮ (৪) অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
২৮ (১) অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ (১) অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার অংশে বিশেষ উদ্দেশ্যে মৌলিক অধিকার রহিত করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

⇒ সংবিধানের ২৮ (১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, বাসস্থান বা পেশাগত কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি বৈষম্য করা যাবে না।
- সংবিধানের ২৮ (২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী পুরুষ সমান অধিকার লাভ করবে।
- সংবিধানের ২৮ (৩) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী- পুরুষভেদে বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাবে না’।
- সংবিধানের ২৮( ৪) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'নারী ও শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোনো অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান প্রণয়ন হতে এ অনুচ্ছেদের কোনোকিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করবে না।'

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭২৫.
বাংলাদেশের সংবিধানে সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব ও কার্যাবলি কোন অনুচ্ছেদে নির্ধারিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৩৭
  2. অনুচ্ছেদ ১৩৮
  3. অনুচ্ছেদ ১৩৯
  4. অনুচ্ছেদ ১৪০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪০
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪০ অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব নির্ধারিত হয়েছে।

১৪০ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
-  (১) কোন সরকারী কর্ম কমিশনের দায়িত্ব হবে,
(ক) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদানের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিদেরকে মনোনয়নের উদ্দেশ্যে যাচাই ও পরীক্ষা-পরিচালনা,
(খ) এই অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক কোনো বিষয় সম্পর্কে কমিশনের পরামর্শ চাওয়া হলে কিংবা কমিশনের দায়িত্ব- সংক্রান্ত কোনো বিষয় কমিশনের নিকট প্রেরণ করা হলে সেই সম্বন্ধে রাষ্ট্রপতিকে উপদেশদান; এবং
(গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য দায়িত্বপালন।

(২) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোনো আইন এবং কোনো কমিশনের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কোন প্রবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমূহে কোনো কমিশনের সহিত পরামর্শ করবেন :
(ক) প্রজাতন্ত্রের কর্মের জন্য যোগ্যতা ও তাতে নিয়োগের পদ্ধতি সম্পর্কিত বিষয়াদি;
(খ) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদান, উক্ত কর্মের এক শাখা হতে অন্য শাখায় পদোন্নতিদান ও বদলিকরণ এবং অনুরূপ নিয়োগদান, পদোন্নতিদান বা বদলিকরণের জন্য প্রার্থীর উপযোগিতা-নির্ণয় সম্পর্কে অনুসরণীয় নীতিসমূহ;
(গ) অবসর-ভাতার অধিকারসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মের শর্তাবলীকে প্রভাবিত করে, এইরূপ বিষয়াদি; এবং
(ঘ) প্রজাতন্ত্রের কর্মের শৃঙ্খলামূলক বিষয়াদি।

এছাড়াও,
- ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা,
- ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ এবং
- ১৩৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭২৬.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, কোন নামে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে?
  1. বাংলাদেশ সরকার
  2. বাংলাদেশ
  3. বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্র
  4. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ১৪৬: বাংলাদেশের নামে মামলা 
- "বাংলাদেশ"-এই নামে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাইতে পারিবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭২৭.
সংবিধানে জরুরি অবস্থা সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. ১৪০
  2. ১৪১
  3. ১৪২
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
১৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪১
ব্যাখ্যা

সংবিধানে জরুরি অবস্থা:
- সংবিধানে যুক্ত হয়- ১৯৭৩ সালের দ্বিতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে।
- সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ- ১৪১(ক), ১৪১(খ), ১৪১(গ)।
- মেয়াদ- সর্বাধিক ১২০ দিন।
- বাংলাদেশে মোট ৫ বার জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে।

• জরুরী বিধানাবলী
- ১৪১ক। জরুরী-অবস্থা ঘোষণা।
- ১৪১খ। জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ।
- ১৪১গ। জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ। 

উল্লেখ্য,
- ১৪০ নং অনুচ্ছেদে কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা আছে।
- ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা আছে।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এস.এস.এইচ.এল., বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

৭২৮.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে?
  1. ১৯ নং অনুচ্ছেদে
  2. ২৯ নং অনুচ্ছেদে
  3. ২৮ নং অনুচ্ছেদে
  4. ২৭ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৯ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- সংবিধানের ১৯ নং অনুচ্ছেদে সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে।
- ১৯(৩) নং দফায় বলা হয়েছে “জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন।”

অন্যদিকে,
- ২৭ নং অনুচ্ছেদ : আইনের দৃষ্টিতে সমতা
- ২৮ নং অনুচ্ছেদ : ধর্ম প্রভৃতি কারণে বৈষম্য না করা
- ২৯ নং অনুচ্ছেদ : সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৭২৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে চিন্তা, বিবেক ও বাকস্বাধীনতা নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত?
  1. ৩২ অনুচ্ছেদ
  2. ৩.৬ অনুচ্ছেদ
  3. ৩৭ অনুচ্ছেদ
  4. ৩৯ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩৯ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও বাকস্বাধীনতা নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত।

⇒ ৩৯ নং অনুচ্ছেদ:
- (১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হলো।
- (২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ সংগঠনের প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হলো।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সমাবেশের স্বাধীনতা। ৩৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসংগত বিধিনিষেধ সাপেক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে ও নিরস্ত্র অবস্থায় সমবেত হওয়ার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৩২ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে চলাফেরার স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৩০.
কোন অনুচ্ছেদ মূলে বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলি পরিবর্তনযোগ্য নয়?
  1. অনুচ্ছেদ ৭
  2. অনুচ্ছেদ ৮
  3. অনুচ্ছেদ ৭(ক)
  4. অনুচ্ছেদ ৭(খ)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭(খ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭(খ)
ব্যাখ্যা

⇒ অনুচ্ছেদ ৭(খ) মূলে বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলি পরিবর্তনযোগ্য নয়।
→ অনুচ্ছেদ ৭(খ) সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগে বর্ণিত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমুহের বিধানাবলী সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ কিংবা অন্য কোন পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হইবে।]

♦ অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১ - প্রজাতন্ত্র।
- অনুচ্ছেদ ২ - প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা।
- অনুচ্ছেদ ৩ - রাষ্ট্রভাষা।
- অনুচ্ছেদ ৪ - জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক।
- অনুচ্ছেদ ৫(১) - অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা।
- অনুচ্ছেদ ৫(২) - অনুযায়ী রাজধানীর সীমানা আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে।
- অনুচ্ছেদ ৬ - নাগরিকত্ব।
- অনুচ্ছেদ ৭ - সংবিধানের প্রাধান্য।
- অনুচ্ছেদ ৭ক। সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ।
- অনুচ্ছেদ ৭খ। সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।
- অনুচ্ছেদ ৮ - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
- অনুচ্ছেদ ৯ - জাতীয়তাবাদ।
- অনুচ্ছেদ ১০ - সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৩১.
সংবিধানের ৩৪ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ
  2. ধর্মীয় স্বাধীনতা
  3. বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ
  4. সংগঠনের স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৩৪ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।

অন্যদিকে,
সংবিধানের ৪১ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
সংবিধানের ৩৫ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
সংবিধানের ৩৮ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - সংগঠনের স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৭৩২.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে 'ন্যায়পাল' নিয়োগের বিধান আছে?
  1. ৭৭ নং
  2. ৮৮ নং
  3. ৬৩ নং
  4. ৮৭(১) নং
সঠিক উত্তর:
৭৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৭ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ‘ন্যায়পাল’ পদটির উল্লেখ আছে।

⇒ অনুচ্ছেদ - ৭৭ : ন্যায়পাল:
১. সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করতে পারবেন।
২. সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালকে কোন মন্ত্রণালয়, সরকারী কর্মচারী বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের যে কোন কার্য সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাসহ যেরূপ ক্ষমতা কিংবা যেরকম দায়িত্ব প্রদান করবেন, ন্যায়পাল সেইরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।
৩. ন্যায়পাল তার দায়িত্বপালন সম্পর্কে বাৎসরিক রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন এবং অনুরূপ রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপিত হবে।

অন্যদিকে -
- ৬৩ নং অনুচ্ছেদ: যুদ্ধ; (১) সংসদের সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাইবে না কিংবা প্রজাতন্ত্র কোন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করিবেন না।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৮ নং অনুচ্ছেদে 'সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়'-এর উল্লেখ আছে।
- সংবিধানের ৮৭(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে 'বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি'।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৩৩.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে ‘সুপ্রীম কোর্টের আসনের’ কথা বলা হয়েছে?
  1. ৯৭ নং
  2. ৯৮ নং
  3. ৯৯ নং
  4. ১০০ নং
সঠিক উত্তর:
১০০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের অনুচ্ছেদ:

- অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।
- অনুচ্ছেদ ১০১ - হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০২ - কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৩৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৪
  2. অনুচ্ছেদ ২১
  3. অনুচ্ছেদ ২২
  4. অনুচ্ছেদ ২৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২২
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ২২নং অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদটি বাহাত্তরের মূল সংবিধানের অংশ হলেও তা কার্যকর হয় ২০০৭ সালে। 

অন্যদিকে,
- ২৩নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় সংস্কৃতি। 
- ২১নং অনুচ্ছেদ : নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য।
- ২৪নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৩৫.
সংবিধানের ৬৬নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. যুদ্ধ
  2. অ্যাটর্নি-জেনারেল
  3. সংসদ-প্রতিষ্ঠা
  4. সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা
সঠিক উত্তর:
সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৬০ - স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৬১ - সর্বাধিনায়কতা।
- অনুচ্ছেদ ৬২ - প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৩ - যুদ্ধ।
- অনুচ্ছেদ ৬৪ - অ্যাটর্নি-জেনারেল।
- অনুচ্ছেদ ৬৫ - সংসদ-প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৬৬ - সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ৬৭ - সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৬৮ - সংসদ-সদস্যদের [পারিশ্রমিক] প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৯ - শপথগ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড।
- অনুচ্ছেদ ৭০ - রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৩৬.
বাংলাদেশের সংবিধানে জাতীয় সংসদের ইংরেজি নাম কোনটি?
  1. Parliament of Bangladesh
  2. National Parliament
  3. House of the Nation
  4. National Legislature
সঠিক উত্তর:
House of the Nation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
House of the Nation
ব্যাখ্যা

• জাতীয় সংসদের ইংরেজী নাম:
- সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের ইংরেজী নাম 'The House of the Nation'.
- সংবিধানের পঞ্চম ভাগে আইনসভার উল্লেখ রয়েছে।
- সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ প্রতিষ্ঠার উল্লেখ রয়েছে।

• জাতীয় সংসদ:
→ জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
→ দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
→ প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
→ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
→ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
→ জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
→ সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
→ জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
→ অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
→ সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
→ ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

উল্লেখ্য,
- সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রস্তবনায় কমিশন দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ চালু করার জন্য সুপারিশ করেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৩৭.
According to the Constitution, which of the following is not one of the four fundamental principles of state policy?
  1. Nationalism
  2. Socialism
  3. Democracy
  4. Capitalism
সঠিক উত্তর:
Capitalism
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Capitalism
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান: 
- বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের অনুচ্ছেদ ৮ এ মূলনীতিসমূহ সম্পর্কে বলা আছে।

• মূলনীতিসমূহ-
- ৮৷ [(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে।] 
- (২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না৷
- পুঁজিবাদ (Capitalism) এই চারটি মূলনীতির মধ্যে নেই।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৩৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'আসন শূন্য হওয়া' নিয়ে বলা হয়েছে?
  1. ৭০ নং
  2. ৭১ নং
  3. ৭২ নং
  4. ৭৩ নং
সঠিক উত্তর:
৭০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০ নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৭০ নং অনুচ্ছেদ: রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া
• কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হয়ে কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হতে পদত্যাগ করেন, অথবা
(খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
- তাহলে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হবার অযোগ্য হবেন না।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি বিদ্যমান সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্যরা নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিতে পারেন না। তাতে বলা আছে, কোনো নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি যদি ওই দল থেকে পদত্যাগ করেন বা সংসদে ওই দলের বিপক্ষে ভোট দেন, তাহলে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে।
- এই বিধানে পরিবর্তন আনার প্রস্তাব করেছিল সংবিধান সংস্কার কমিশন। তাদের প্রস্তাব ছিল, অর্থবিল ছাড়া অন্য যেকোনো বিষয়ে সংসদের নিম্নকক্ষের সদস্যদের নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দেওয়ার পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে।

অন্যদিকে,
- ৭১ নং অনুচ্ছেদ: দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।
- ৭২ নং অনুচ্ছেদ: সংসদের অধিবেশন।
- ৭৩ নং অনুচ্ছেদ: সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৩৯.
সংবিধানের ১৬ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. মালিকানার নীতি
  2. গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব
  3. পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন
  4. জাতীয়তাবাদ
সঠিক উত্তর:
গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৬ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।

অন্যদিকে,
’মালিকানার নীতি’ সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ, ১৩ নং অনুচ্ছেদ।
’পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন’ সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ, ১৮ নং অনুচ্ছেদ।
’জাতীয়তাবাদ’ সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ, ৯ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৭৪০.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৭নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করতে পারে কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সংসদ
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. মন্ত্রিপরিষদ
সঠিক উত্তর:
সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৭নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করতে পারে সংসদ। 

অনুচ্ছেদ ১১৭: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ

১. ইতঃপূর্বে যা বলা হয়েছে, তা সত্ত্বেও নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমুহ সম্পর্কে বা ক্ষেত্রসমুহ থেকে উদ্ভূত বিষয়াদির উপর এখতিয়ার প্রয়োগের জন্য সংসদ আইনের দ্বারা এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন-
(ক) নবম ভাগে বর্ণিত বিষয়াদি এবং অর্থদণ্ড বা অন্য দণ্ডসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্মের শর্তাবলী;
(খ) যে কোন রাষ্ট্রায়ত্ত উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের চালনা ও ব্যবস্থাপনা এবং অনুরূপ উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষে কর্মসহ কোন আইনের দ্বারা বা অধীন সরকারের উপর ন্যস্ত বা সরকারের দ্বারা পরিচালিত কোন সম্পত্তির অর্জন, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও বিলি-ব্যবস্থা;

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৪১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “বাকস্বাধীনতা” নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪১
  2. অনুচ্ছেদ ৪০
  3. অনুচ্ছেদ ৩৯
  4. অনুচ্ছেদ ৩৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৯
ব্যাখ্যা
• সংবিধান: 
- ৩৯ (১) অনুচ্ছেদ:  চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা।
- প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা।
- এবং সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা।

এছাড়াও,
৩৩। গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ,
৩৪। জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ,
৩৫। বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ,
৩৬। চলাফেরার স্বাধীনতা,
৩৭। সমাবেশের স্বাধীনতা,
৩৮। সংগঠনের স্বাধীনতা,
৩৯। চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা,
৪০। পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা,
৪১। ধর্মীয় স্বাধীনতা,
৪২। সম্পত্তির অধিকার,
৪৩। গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ,
৪৪। মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ,
৪৫। শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন,
৪৬। দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা,
৪৭। কতিপয় আইনের হেফাজত,
৪৭ক। সংবিধানের কতিপয় বিধানের অপ্রযোজ্যতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৭৪২.
অনুপার্জিত আয় ভোগের নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কিত বিধান বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. ১৭ নং
  2. ১৯ নং
  3. ২০ নং
  4. ২১ নং
সঠিক উত্তর:
২০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ নং
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ২০ নং অনুচ্ছেদ ’অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম’ সংবলিত।

২০(১)- অনুসারে, কর্ম হইতেছে কর্মক্ষম প্রত্যেক নাগরিকের পক্ষে অধিকার, কর্তব্য ও সম্মানের বিষয়, এবং "প্রত্যেকের নিকট হইতে যোগ্যতানুসারে ও প্রত্যেককে কর্মানুযায়ী”-এই নীতির ভিত্তিতে প্রত্যেকে স্বীয় কর্মের জন্য পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

২০(২) অনুসারে, রাষ্ট্র এমন অবস্থাসৃষ্টির চেষ্টা করিবেন, যেখানে সাধারণ নীতি হিসাবে কোন ব্যক্তি অনুপার্জিত আয় ভোগ করিতে সমর্থ হইবেন না এবং যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিমূলক ও কায়িক-সকল প্রকার শ্রম সৃষ্টিধর্মী প্রয়াসের ও মানবিক ব্যক্তিত্বের পূর্ণতর অভিব্যক্তিতে পরিণত হইবে৷।

অন্যদিকে,
১৯৷ সুযোগের সমতা।
১৭৷ অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
২১৷ নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৪৩.
অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেন-
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. সুপ্রিম কোর্ট
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি জেনারেল : অনুচ্ছেদ ৬৪
• রাষ্ট্রের প্রধান আইনজীবীকে অ্যাটর্নি জেনারেল বলা হয়।
• বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেলের কথা উল্লেখ আছে।
- ৬৪(১) সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দান করিবেন।
- ৬৪(২) অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
- ৬৪(৩) অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
- ৬৪(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৪৪.
সামরিক শাসনকে বৈধতা দেওয়ার জন্য সংবিধানের কোন তফসিলের অপব্যবহার করা হয়েছে? 
  1. ৫ম তফসিল
  2. ৭ম তফসিল
  3. ৪র্থ তফসিল
  4. ৬ষ্ঠ তফসিল
সঠিক উত্তর:
৪র্থ তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ তফসিল
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের চতুর্থ তফসিল মূলত ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী সংক্রান্ত।
- সংবিধানের মূল চেতনার বিপরীতে সামরিক শাসনকে বৈধতা দেওয়ার জন্য চতুর্থ তফসিলের অপব্যবহার করা হয়েছে।

সংবিধানের তফসিল:
- সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি।
- ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ, সংবিধান রচনার লক্ষ্যে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানে মোট সাতটি তফসিল রয়েছে। এগুলো হলো:
• প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত)।
• তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
• চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
• পঞ্চম তফসিল: বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফসিল: বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা।
• সপ্তম তফসিল: মুজিবনগর সরকার জারি করা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান। 

৭৪৫.
"কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রিম কোর্টের কথা সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণনা আছে?
  1. ৯৪নং
  2. ১১৭নং
  3. ৯৫নং
  4. ১০৮নং
সঠিক উত্তর:
১০৮নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৮নং
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ১০৮নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট।
• সংবিধানের ৯৪নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে-  সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
• সংবিধানের ৯৫নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে-  বিচারক-নিয়োগ।
• সংবিধানের ১১৭নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে-  প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৪৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'সরকারি কর্ম কমিশন' (PSC) গঠনের উল্লেখ আছে? 
  1. ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৩৫ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৩৪ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৩৭ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৭ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ:
- সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে 'সরকারি কর্ম কমিশন' গঠনের উল্লেখ করে বলা হয়েছে ‘আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হবে, সেরূপ অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হবে’।

এছাড়াও-
- ১৩৫ নং অনুচ্ছেদ - অসামরিক সরকারি কর্মচারিদের বরখাস্ত প্রভৃতি।
- ১৩৮ নং অনুচ্ছেদ - কর্ম কমিশনের সদস্যদের নিয়োগ।
- ১৩৯ নং অনুচ্ছেদ - কর্মের মেয়াদ।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৪৭.
সংবিধানের কোন ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বর্ণিত আছে?
  1. প্রথম ভাগ
  2. দ্বিতীয় ভাগ
  3. তৃতীয় ভাগ
  4. চতুর্থ ভাগ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় ভাগ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বর্ণিত হয়েছে। এই অংশে সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদসহ মৌলিক দিক নির্দেশনা অন্তর্ভুক্ত।

বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।

• সংবিধানের ভাগ:
- প্রথম ভাগ: প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগ: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগ: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগ: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগ: মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগ: বাংলাদেশের কর্মবিভাগ,
- দশম ভাগ: সংবিধান-সংশোধন,
- একাদশ ভাগ: বিবিধ।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৪৮.
’আইনের দৃষ্টিতে সমতা’ বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ২১ নং
  2. ২৭ নং
  3. ২৪ নং
  4. ১৫ নং
সঠিক উত্তর:
২৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ নং
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদ ‘আইনের দৃষ্টিতে সমতা’ সম্পর্কিত।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ২১ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
- সংবিধানের ২৪ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
- সংবিধানের ১৫ নং অনুচ্ছেদ ‘মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা’ সম্পর্কিত।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৭৪৯.
"প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা" – কথাটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১
  2. অনুচ্ছেদ ৩
  3. অনুচ্ছেদ ৫
  4. অনুচ্ছেদ ৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের অনুচ্ছেদ - ৩ - এ রাষ্ট্র ভাষার কথা বলা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ - ৩: রাষ্ট্রভাষা
- প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা৷

বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগ:
- অনুচ্ছেদ ১: প্রজাতন্ত্র। 
- অনুচ্ছেদ ২: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা। 
- অনুচ্ছেদ ২ক: রাষ্ট্রধর্ম। 
- অনুচ্ছেদ ৩: রাষ্ট্রভাষা। 
- অনুচ্ছেদ ৪: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক। 
- অনুচ্ছেদ ৫: রাজধানী। 
- অনুচ্ছেদ ৬: নাগরিকত্ব। 
- অনুচ্ছেদ ৭: সংবিধানের প্রাধান্য।
- অনুচ্ছেদ ৭ক:সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ। 
- অনুচ্ছেদ ৭খ: সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৫০.
কোন অনুচ্ছেদ বলে বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী পরিবর্তনযোগ্য নয়?
  1. অনুচ্ছেদ ৭
  2. অনুচ্ছেল ৭(ক)
  3. অনুচ্ছেদ ৭(খ)
  4. অনুচ্ছেদ ৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭(খ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭(খ)
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ - ৭খ: 
- সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।
• ৭খ অনুচ্ছেদের বিস্তারিত:
সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগে বর্ণিত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমুহের বিধানাবলী সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ কিংবা অন্য কোন পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হইবে।

উল্লেখ্য,
- ৭নং অনুচ্ছেদে রয়েছে - সংবিধানের প্রাধান্য।
- ৭ক অনুচ্ছেদে রয়েছে - সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ এবং
- ৮নং অনুচ্ছেদে ''রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ'' উল্লেখিত রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৫১.
সংবিধানের কোন ভাগে নির্বাচনের কথা উল্লেখ আছে?
  1. চতুর্থ
  2. অষ্টম
  3. সপ্তম
  4. নবম
সঠিক উত্তর:
সপ্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সপ্তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে বাংলাদেশের কর্মবিভাগ ও নবম-ক ভাগ জরুরী বিধানাবলী,
- দশম ভাগে সংবিধান সশোধন এবং একাদশ ভাগ বিবিধ।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
৭৫২.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৮০
  2. অনুচ্ছেদ ৮১
  3. অনুচ্ছেদ ৮২
  4. অনুচ্ছেদ ৮৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৮০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৮০
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদসমূহ:
- অনুচ্ছেদ ৮০: আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি।
- অনুচ্ছেদ ৮১: অর্থবিল।
- অনুচ্ছেদ ৮২: আর্থিক ব্যবস্থাবলীর সুপারিশ।
- অনুচ্ছেদ ৮৩: সংসদের আইন ব্যতীত করারোপে বাধা।
- অনুচ্ছেদ ৮৪: সংযুক্ত তহবিল ও প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব।
- অনুচ্ছেদ ৮৫: সরকারী অর্থের নিয়ন্ত্রণ।
- অনুচ্ছেদ ৮৬: প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাবে প্রদেয় অর্থ।
- অনুচ্ছেদ ৮৭: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৮৮: সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়।
- অনুচ্ছেদ ৮৯: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত পদ্ধতি।
- অনুচ্ছেদ ৯০: নির্দিষ্টকরণ আইন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৫৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কয়টি সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান রয়েছে?
  1. সর্বদা একটি
  2. সর্বোচ্চ দুটি
  3. এক বা একাধিক
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
এক বা একাধিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক বা একাধিক
ব্যাখ্যা
১৩৭নং অনুচ্ছেদ: সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা: 
- আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হবে, সেইরূপ অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হবে।
------------------------ 

বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৫৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টকে "কোর্ট অব রেকর্ড" বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ - ১০৯ 
  2. অনুচ্ছেদ - ১১২ 
  3. অনুচ্ছেদ - ১০৮ 
  4. অনুচ্ছেদ - ১১০ 
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১০৮ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১০৮ 
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৮-এ সুপ্রীম কোর্টকে "কোর্ট অব রেকর্ড" হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আদালত অবমাননার জন্য তদন্ত ও দণ্ডাদেশ প্রদানের ক্ষমতাও সুপ্রীম কোর্টের রয়েছে।

অনুচ্ছেদ - ১০৮: "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট
সুপ্রীম কোর্ট হবে একটি "কোর্ট অব্ রেকর্ড" এবং এর অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশ দানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকবেন।

• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান বাংলাদেশের মৌলিক ও সর্বোচ্চ আইন।
- সুপ্রিম কোর্ট হলো সংবিধানের ব্যাখাকারক বা অভিভাবক।
- সংবিধান তৈরির জন্য ১৯৭২ সালে ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।

অন্যদিকে -
- ১০৯নং অনুচ্ছেদ: আদালতসমূহের উপর তত্ত্বাবধায়ন ও নিয়ন্ত্রণ।
- ১১০নং অনুচ্ছেদ: অধস্তন আদালত হইতে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা স্থানান্তর।
- ১১২নং অনুচ্ছেদ: সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা।

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৫৫.
সংবিধানের ৯৫ তম অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা
  2. বিচারক-নিয়োগ
  3. বিচারকদের পদের মেয়াদ
  4. অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
বিচারক-নিয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক-নিয়োগ
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৯০ - নির্দিষ্টকরণ আইন।
- অনুচ্ছেদ ৯১ - সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী।
- অনুচ্ছেদ ৯২ - হিসাব, ঋণ প্রভৃতির উপর ভোট।
- অনুচ্ছেদ ৯৩ - অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৫৬.
সংবিধানের চেতনার বিপরীতে সামরিক শাসনকে বৈধতা দিতে কোন তফসিলের অপব্যবহার করা হয়?
  1. ১ম তফসিল
  2. ২য় তফসিল
  3. ৩য় তফসিল
  4. ৪র্থ তফসিল
সঠিক উত্তর:
৪র্থ তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ তফসিল
ব্যাখ্যা
সংবিধানের চেতনার বিপরীতে সামরিক শাসনকে বৈধতা দিতে ৪র্থ তফসিলের অপব্যবহার করা হয়।

বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল:

- বাংলাদেশের সংবিধানে তফসিল ৭টি।
- যথা:

• প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন,
• দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত),
• তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা,
• চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী,
• পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ,
• ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা,
• সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উল্লেখ্য,
⇒ পঞ্চম সংশোধনী: ১৯৭৯ সাল।
- সামরিক শাসন বৈধকরণ, মূলনীতি পরিবর্তন ও একদলীয়ব্যবস্থার অবসান।
- সামরিক শাসনের মাধ্যমে ১৯৭৫-৭৯ সময়ে দেশ পরিচালনার জন্যে গৃহীত ব্যবস্থাবলীকে অনুমোদন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৭৫৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৫১ নং অনুচ্ছেদে
  2. ৫২ নং অনুচ্ছেদে
  3. ৫৫ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৫৭ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৫৭ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৫৭ নং অনুচ্ছেদ: প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ
- সংবিধানের ৪র্থ ভাগের ২য় পরিচ্ছেদে 'প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• ৫৭ (১) নং অনুচ্ছেদ: প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হবে, যদি:
(ক) তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন; অথবা
(খ) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন।

• ৫৭ (২) নং অনুচ্ছেদ: যদি প্রধানমন্ত্রী সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারান, তবে তিনি: পদত্যাগ করবেন; অথবা সংসদ ভেঙে দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতিকে লিখিতভাবে পরামর্শ দেবেন।
যদি তিনি সংসদ ভেঙে দেওয়ার পরামর্শ দেন এবং রাষ্ট্রপতি সন্তুষ্ট হন যে অন্য কোনো সংসদ-সদস্য সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থা পান না, তবে রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙে দেবেন।

• ৫৭ (৩) নং অনুচ্ছেদ: প্রধানমন্ত্রীর পদে নতুন কেউ দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তাঁর পদে থাকতে পারবেন, এবং এই অনুচ্ছেদের কোনো কিছুই তাঁকে এই ক্ষেত্রে অযোগ্য করবে না।

অন্যদিকে,
- ৫১ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি,
- ৫২ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতির অভিশংসন।
- ৫৫ নং অনুচ্ছেদ: মন্ত্রিসভা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৫৮.
কোন সংশোধনী দ্বারা ‘সংসদীয় ব্যবস্থার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা’ প্রবর্তিত হয়? 
  1. চতুর্থ সংশোধনী
  2. তৃতীয় সংশোধনী
  3. দ্বাদশ সংশোধনী
  4. পঞ্চম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• চতুর্থ সংশোধনী:
- চতুর্থ সংশোধনী গৃহীত হয় ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি।
- সংসদীয় ব্যবস্থার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়।
- বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার স্থলে আনা হয় একদলীয় ব্যবস্থা।
- জাতীয় সংসদের কর্তৃক ক্ষমতা খর্ব করা হয়।
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অনেকটা খর্ব হয়।
- সুপ্রিম কোর্ট নাগরিকদের মৌলিক অধিকারসমূহ রক্ষা ও প্রয়োগের এখতিয়ার থেকে বঞ্চিত হয়।

অপরদিকে,
• দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে;

• তৃতীয় সংশোধনী: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মধ্যে ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত সংক্রান্ত যে চুক্তি হয়, তৃতীয় সংশোধনীতে তা বৈধ ঘোষণা করা হয়।

• পঞ্চম সংশোধনী:  ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পরে সামরিক সরকার কর্তৃক যেসব বিধিবিধান প্রণয়ন ও সংবিধানের সংশোধনী আনা হয়েছে, সেগুলো পঞ্চম সংশোধনী আইনে বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়।
- বাংলাদেশের নাগরিকতা 'বাঙালি' থেকে 'বাংলাদেশি' করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

৭৫৯.
বাংলাদেশ সংবিধানে নারী-পুরুষের সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে কোন অনুচ্ছেদের মাধ্যমে?
  1. ৩৯ (১)
  2. ৩৯ (২)
  3. ২৮ (২)
  4. ২৯ (২)
সঠিক উত্তর:
২৮ (২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ (২)
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় অধ্যায় হচ্ছে - মৌলিক অধিকার বিষয়ক।
- এই অধ্যায়ের অন্তর্গত ২৮ (২) অনুচ্ছেদটি নারী-পুরুষের সমতা বিষয়ক।

• অনুচ্ছেদ - ২৮: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য- 
(১) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না।
(২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।
(৩) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাইবে না।
(৪) নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ - ২৯ (২): 
কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাইবে না।

অনুচ্ছেদ - ৩৯ (১): 
চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।

অনুচ্ছেদ - ৩৯ (২): 
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৬০.
Oaths and declarations has been included in which schedule of the constitution?
  1. 2nd
  2. 3rd
  3. 4th
  4. 5th
  5. 6th
সঠিক উত্তর:
3rd
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3rd
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিলসমূহ:
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
• প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
• তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
• চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
• পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
• সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৬১.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে কাস্টিং ভোট-এর কথা উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৭৫ (১) নং
  2. ৭৪ নং
  3. ৭৩ (১) নং
  4. ৭৮ নং
সঠিক উত্তর:
৭৫ (১) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৫ (১) নং
ব্যাখ্যা
কাস্টিং ভোট: (Casting Vote):
- সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন।
- একে নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট বলে।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।
- স্পীকারের এই ভোটটিই হলো 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট'।

⇒ সংবিধানের পঞ্চম ভাগের ৭৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
- সংসদ কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা এবং অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রিত হবে;
- উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে,
- তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পিকার) ভোটদান করবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট (কাস্টিং ভোট) প্রদান করবেন;
- সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য রয়েছে, কেবল এই কারণে কিংবা সংসদে উপস্থিত হবার বা ভোটদানের বা অন্য কোন উপায়ে কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করেছেন, কেবল এই কারণে সংসদের কোন কার্যধারা অবৈধ হবে না।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৬২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ সংশোধন যোগ্য নয়?
  1. ৭ নং
  2. ২৭ নং
  3. ১৫০ নং
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান:
⇒ সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য:
- সংবিধানের ৭(খ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগে বর্ণিত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক বিধানবলি সংশোধন অযোগ্য বিবেচিত।

এছাড়াও, 
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কে বলা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংবিধান সংশোধনী সংক্রান্ত কোন বিল পাসের জন্যে সংসদের মোট সদস্য সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতি প্রয়োজন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৬৩.
সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অনুচ্ছেদ সমূহ-
  1. ১৬ থেকে ৪৪নং
  2. ২০ থেকে ৪২নং
  3. ২৬ থেকে ৪৭কনং
  4. ২৮ থেকে ৫০নং
সঠিক উত্তর:
২৬ থেকে ৪৭কনং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ থেকে ৪৭কনং
ব্যাখ্যা

• তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার।
- ২৬-৪৭ অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকার বিষয়াবলী বর্ণিত রয়েছে।

• বাংলাদেশ সংবিধান:

- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৭৬৪.
'বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র' সংবিধানের কোথায় এর উল্লেখ আছে?
  1. প্রস্তাবনায়
  2. অনুচ্ছেদ ১
  3. অনুচ্ছেদ ৭
  4. অনুচ্ছেদ ৪(২)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:  
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে যে- বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যাহা “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ” নামে পরিচিত হইবে৷

অন্যদিকে, 
- সংবিধানের ৭ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে - সংবিধানের প্রাধান্য।
- সংবিধানের ৪(২) নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে -  প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৬৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বেকার যুবকের সরকারি সাহায্যলাভের অধিকার রয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ ১৪
  2. অনুচ্ছেদ ১৫
  3. অনুচ্ছেদ ১৬ 
  4. অনুচ্ছেদ ১৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫ (ঘ) অনুযায়ী বেকার যুবকের সরকারি সাহায্যলাভের অধিকার রয়েছে। 

• সংবিধানে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি: 

- সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫ (ঘ)  এর আলোকে গৃহীত ও বাস্তবায়ন হয়। 
- এই অনুচ্ছেদটি রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাষ্ট্র পরিকল্পিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে নাগরিকদের জন্য মৌলিক প্রয়োজনীয়তা (খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা) নিশ্চিত করবে। 
- অনুচ্ছেদটি সামাজিক নিরাপত্তাকে নাগরিকের অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং রাষ্ট্রের দায়িত্ব হিসেবে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি (যেমন বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, ইত্যাদি) চালু ও সম্প্রসারণের ভিত্তি প্রদান করেছে।
- 'জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল' এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সকল কার্যক্রম এই সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়।

• অনুচ্ছেদ ১৫: রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যমে উৎপাদনশক্তির ক্রমবৃদ্ধিসাধন এবং জনগণের জীবনযাত্রার বস্তুগত ও সংস্কৃতিগত মানের দৃঢ় উন্নতিসাধন, যাহাতে নাগরিকদের জন্য নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অর্জন নিশ্চিত করা যায়:
(ক) অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা;
(খ) কর্মের অধিকার, অর্থাৎ কর্মের গুণ ও পরিমাণ বিবেচনা করিয়া যুক্তিসঙ্গত মজুরীর বিনিময়ে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তার অধিকার;
(গ) যুক্তিসঙ্গত বিশ্রাম, বিনোদন ও অবকাশের অধিকার; এবং
(ঘ) সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার, অর্থাৎ বেকারত্ব, ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধব্য, মাতাপিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরূপ অন্যান্য পরিস্থিতিজনিত আয়ত্তাতীত কারণে অভাবগ্রস্ততার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্যলাভের অধিকার৷


অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ ১৪ : কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি। 
- অনুচ্ছেদ ১৬ : গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব। 
- অনুচ্ছেদ ১৮ : জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। 

৭৬৬.
সংসদীয় পরিভাষায় 'ফ্লোর ক্রসিং' এর অর্থ কী?
  1. সংসদের অধিবেশনে না থাকা
  2. নিজ রাজনৈতিক দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া
  3. চিফ হুইপের নির্দেশ অমান্য করা
  4. প্রশ্নোত্তর অধিবেশনে অংশগ্রহণ না করা
সঠিক উত্তর:
নিজ রাজনৈতিক দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজ রাজনৈতিক দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া
ব্যাখ্যা

• ফ্লোর ক্রসিং:
- জাতীয় সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান করা কে ‘ফ্লোর ক্রসিং’ বলা হয়। 
- সংবিধানের ৭০ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুসারে,কোনো ব্যক্তি যদি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান করেন বা দল থেকে পদত্যাগ করেন, তবে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।

সংবিধানের ৭০ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুসারে, সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হতে পদত্যাগ করেন, অথবা (খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
তাহা হলে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হবার অযোগ্য হবেন না। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৬৭.
"প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকিবে।" বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. ২৬ নং
  2. ২৭ নং
  3. ২৮ নং
  4. ২৯ নং
সঠিক উত্তর:
২৯ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ নং
ব্যাখ্যা

- ২৯ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকবে।
- কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হইবেন না;
- কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁর প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাবে না।

অন্যদিকে,
- ২৬ নং:মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল;
- ২৭নং: আইনের দৃষ্টিতে সমতা;
- ২৮ নং: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য;

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

৭৬৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তি ও ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবেন?
  1. অনুচ্ছেদ ৯৪
  2. অনুচ্ছেদ ১০৬
  3. অনুচ্ছেদ ১১২
  4. অনুচ্ছেদ ১১৬
  5. অনুচ্ছেদ ১২২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১৬
ব্যাখ্যা

বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন:
- সংবিধানের ১১৬ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন। 
- অনুচ্ছেদ অনুসারে, বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবেন।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৬ নং অনুচ্ছেদ: সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার: যদি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এমন কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হয় বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দেয়, যা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করতে পারবেন।
- ১১২ নং অনুচ্ছেদ" বলতে সাধারণত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদটিকে বোঝায়, যা সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা সংক্রান্ত। 
- সংবিধানের ১২২ নং অনুচ্ছেদে বর্ণনা করা হয়েছে, ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৬৯.
সংবিধানের ১৮নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র কোন দুটি সামাজিক অনৈতিকতা নিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে?
  1. বাল্যবিবাহ ও মানব পাচার
  2. দুর্নীতি ও ঘুষ
  3. গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা
  4. মাদক ও জঙ্গিবাদ
সঠিক উত্তর:
গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা
ব্যাখ্যা

জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা - ১৮: 
(১) জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলে গণ্য করবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। 

(২) গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। 

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান। 

৭৭০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়?
  1. ৭৭ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১১৭ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১১৮ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১২৭ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১১৮ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৮ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
নির্বাচন কমিশন:
- বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য একটি নির্বাচন কমিশন আছে।
- নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, সংসদ নির্বাচন ও অন্য নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত।

নির্বাচন কমিশনের গঠন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়। 
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশন সমন্বয়ে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদেরকে রাষ্ট্রপ্রধান নিয়োগ দান করেন।
- সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কাজের শর্তাবলী রাষ্ট্র প্রধানের আদেশের দ্বারা নির্ধারিত হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে দায়িত্ব পালন করেন।

অন্যান্য অপশন:
- ৭৭ নং অনুচ্ছেদ ন্যায়পাল সম্পর্কিত। 
- ১১৭ নং অনুচ্ছেদ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কিত। 
- ১২৭ নং অনুচ্ছেদ মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদ সম্পর্কিত। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৭১.
রাষ্ট্র সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবে। - এটি সংবিধানে কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ - ২৩
  2. অনুচ্ছেদ - ২৩ (ক)
  3. অনুচ্ছেদ - ২৫
  4. অনুচ্ছেদ - ২৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ২৫
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ২৫নং অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।

• অনুচ্ছেদ - ২৫: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন:
জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র-

(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবে;
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবে; এবং
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবে। 

অন্যদিকে:
অনুচ্ছেদ - ২৩: জাতীয় সংস্কৃতি
অনুচ্ছেদ - ২৩ক: উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি
অনুচ্ছেদ - ২৪: জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৭২.
সংবিধানের ৩১নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার
  2. বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ
  3. সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা
  4. ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য
সঠিক উত্তর:
আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ২১ - নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
- অনুচ্ছেদ ২২ - নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
- অনুচ্ছেদ ২৩ - জাতীয় সংস্কৃতির কথা বলা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ২৩(ক) - উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতির উল্লেখ রয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ২৪ - জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ২৫ - আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ২৬ - মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল।
- অনুচ্ছেদ ২৮ - ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।
- অনুচ্ছেদ ২৯ - সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা।
- অনুচ্ছেদ ৩০- বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৩১ - আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৩২ - জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৭৩.
'নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা' এর উল্লেখ রয়েছে কোনো অনুচ্ছেদে?
  1. অনুচ্ছেদ ১১৮
  2. অনুচ্ছেদ ১২১
  3. অনুচ্ছেদ ১২৪
  4. অনুচ্ছেদ ১২৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১৮
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১১৮ - নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ১১৯ - নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১২০ - নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।
- অনুচ্ছেদ ১২১ - প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
- অনুচ্ছেদ ১২২ - ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৩ - নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।
- অনুচ্ছেদ ১২৪ - নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৫ - নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৬ - নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান।
- অনুচ্ছেদ ১২৭ - মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ১২৮ - মহা-হিসাব নিরীক্ষকের দায়িত্ব।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৭৪.
সংসদে স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের পদ শূন্য হলে কত দিনের মধ্যে তা পূরণ করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. পরবর্তী প্রথম বৈঠক
  4. ক + গ
সঠিক উত্তর:
ক + গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক + গ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান: 
• সংবিধানের ৭৪ নং অনুচ্ছেদে স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার  কথা বলা হয়েছে।
- ৭৪ (১) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সংসদ একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত করিবেন,
- সাত দিনের মধ্যে কিংবা ঐ সময়ে সংসদ বৈঠকরত না থাকিলে পরবর্তী প্রথম বৈঠকে তাহা পূর্ণ করিবার জন্য সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে একজনকে নির্বাচিত করিবেন।৭২। সংসদের অধিবেশন

এছাড়াও, 
৭৩। সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী;
৭৩ক। সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার;
৭৪। স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার;
৭৫। কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি;
৭৬। সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৭৭৫.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভোটার তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়?
  1. ১১৮ নং
  2. ১২০ নং
  3. ১২২ নং
  4. ১২৪ নং
সঠিক উত্তর:
১২২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২২ নং
ব্যাখ্যা

সংবিধানের ১২২ নং অনুচ্ছেদ: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
- সংবিধানের ১২২ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভোটার তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়।

• ১২২ (১) প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

• ১২২ (২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হবার অধিকারী হবেন, যদি -
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁর বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থেকে থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হয়ে থাকেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৭৬.
'দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা' সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৭১
  2. অনুচ্ছেদ ৭২
  3. অনুচ্ছেদ ৭৩
  4. অনুচ্ছেদ ৭৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭১
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদসমূহ:

- অনুচ্ছেদ ৭১ - দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।
- অনুচ্ছেদ ৭২ - সংসদের অধিবেশন।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ - সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ক - সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৪ - স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৫ - কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৭৬ - সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।
- অনুচ্ছেদ ৭৭ - ন্যায়পাল।
- অনুচ্ছেদ ৭৮ - সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ৭৯ - সংসদ-সচিবালয়।
- অনুচ্ছেদ ৮০ - আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৭৭.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি তার পদ ত্যাগ করতে পারবেন?
  1. ৫০(১) নং অনুচ্ছেদ
  2. ৫০(২) নং অনুচ্ছেদ
  3. ৫০(৩) নং অনুচ্ছেদ
  4. ৫০(৪) নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৫০(৩) নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০(৩) নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
• সংবিধানের ৫০ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ;
⇒ ৫০(১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর মেয়াদে তাঁর পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন।
- তবে শর্ত থাকে যে, রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তাঁর উত্তরাধিকারী-কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।

⇒ ৫০(২) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- একাদিক্রমে হোক বা না হোক-দুই মেয়াদের অধিক রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত থাকবেন না।

⇒ ৫০(৩) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি তার পদ ত্যাগ করতে পারবেন।

⇒ ৫০(৪) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- রাষ্ট্রপতি তাঁর কার্যভারকালে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য হবেন না, এবং কোন সংসদ-সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে রাষ্ট্রপতিরূপে তাঁর কার্যভার গ্রহণের দিনে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৭৮.
ন্যায়পালের পদ সৃষ্টির ক্ষমতা সংসদকে প্রদান করেছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ? 
  1. অনুচ্ছেদ ৭৪
  2. অনুচ্ছেদ ৭৬
  3. অনুচ্ছেদ ৭৭
  4. অনুচ্ছেদ ৮০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭৭
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করতে পারবেন।

⇒ অনুচ্ছেদ - ৭৭ : ন্যায়পাল: 
১. সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করতে পারবেন।
২. সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালকে কোন মন্ত্রণালয়, সরকারী কর্মচারী বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের যে কোন কার্য সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাসহ যেরূপ ক্ষমতা কিংবা যেরকম দায়িত্ব প্রদান করবেন, ন্যায়পাল সেইরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।
৩. ন্যায়পাল তার দায়িত্বপালন সম্পর্কে বাৎসরিক রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন এবং অনুরূপ রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপিত হবে।
 
অন্যদিকে -
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৪ নং অনুচ্ছেদে 'স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার'-এর উল্লেখ আছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ নং অনুচ্ছেদে 'সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ'-এর উল্লেখ আছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ নং অনুচ্ছেদে 'আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি'-এর উল্লেখ আছে।
 
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৭৯.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় 'মৌলিক অধিকার'?
  1. দ্বিতীয় অধ্যায়
  2. তৃতীয় অধ্যায়
  3. চতুর্থ অধ্যায়
  4. পঞ্চম অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় অধ্যায়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন। 
• অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৮০.
সংবিধানের ১৪৮ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে -
  1. প্রচলিত আইনের হেফাজত
  2. বাংলাদেশের নামে মামলা
  3. পদের শপথ
  4. ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
সঠিক উত্তর:
পদের শপথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদের শপথ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৬ - বাংলাদেশের নামে মামলা।
অনুচ্ছেদ ১৪৭ - কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি।
অনুচ্ছেদ ১৪৮ - পদের শপথ।
অনুচ্ছেদ ১৪৯ - প্রচলিত আইনের হেফাজত।
অনুচ্ছেদ ১৫০ - ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৮১.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে স্থানীয় শাসনের কথা বলা হয়েছে?
  1. ৫৯নং অনুচ্ছেদে
  2. ৬১নং অনুচ্ছেদে
  3. ৬২নং অনুচ্ছেদে
  4. ৬০নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৫৯নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৯নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

স্থানীয় শাসন: 
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৯ নং অনুচ্ছেদে স্থানীয় শাসনের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্রের প্রতিটি প্রশাসনিক এককে আইনানুযায়ী নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত স্থানীয় প্রতিষ্ঠানসমূহকে স্থানীয় শাসনের দায়িত্ব প্রদান করতে হবে।
- অর্থাৎ, ইউনিয়ন, পৌরসভা, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে প্রশাসন পরিচালনা করা হবে।
- এই অনুচ্ছেদে আরও বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহ প্রশাসন পরিচালনা, জনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনসাধারণের কল্যাণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবে।
- এতে করে স্থানীয় পর্যায়ে গণতন্ত্র চর্চা, বিকেন্দ্রীকরণ ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়।

এছাড়াও, 
- সংবিধানের ৬১নং অনুচ্ছেদে 'সর্বাধিনায়কতা' কথা বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৬২নং অনুচ্ছেদে 'প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি' কথা বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৬০নং অনুচ্ছেদে 'স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা' কথা বলা হয়েছে।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

৭৮২.
“সরকারি নিয়োগে সুযোগের সমতা” সংবিধানে কোন অধিকার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত?
  1. মৌলিক অধিকার
  2. নৈতিক অধিকার
  3. মানবাধিকার
  4. নিয়োগ ও কর্মের শর্ত
সঠিক উত্তর:
মৌলিক অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলিক অধিকার
ব্যাখ্যা

- 'সরকারি নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা'-বিষয়টি সংবিধান মতে মৌলিক অধিকার।
- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগ (অনুচ্ছেদ ২৬ থেকে ৪৭) মৌলিক অধিকারসমূহের বিষয়ে বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করে। 

• তৃতীয় ভাগের অনুচ্ছেদ:
- এর মধ্যে অনুচ্ছেদ ২৯ নং অনুচ্ছেদ স্পষ্টভাবে ‘সরকারি নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা’ নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করে।
- অনুচ্ছেদ ২৯(১): সকল নাগরিকের জন্য সরকারি নিয়োগ-লাভে সমান সুযোগ থাকবে।
- অনুচ্ছেদ ২৯(২): কোনো নাগরিককে ধর্ম, বর্ণ, জাতি, লিঙ্গ বা জন্মস্থানের ভিত্তিতে সরকারি নিয়োগে অযোগ্য ঘোষণা করা যাবে না বা তার প্রতি বৈষম্য করা যাবে না।
- অনুচ্ছেদ ২৯(৩): এই অনুচ্ছেদে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ বিধান (যেমন: কোটা ব্যবস্থা) রাখার বিষয়ে উল্লেখ আছে, তবে এটি সাধারণ সমতার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

৭৮৩.
পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন বিষয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অধ্যায়ে বর্ণিত আছে?
  1. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি
  2. মৌলিক অধিকার
  3. আইনসভা
  4. নির্বাহী বিভাগ
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি
ব্যাখ্যা

পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন বিষয়ে সংবিধানের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ( রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ) ১৮ক অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে ।

অনুচ্ছেদ ১৮ক : পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন
রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।

সংবিধান আইন ২০১১ (পঞ্চদশ সংশোধনী) এর মাধ্যমে ১৮ক অনুচ্ছেদ সংবিধানে স্ননিবেশিত হয় ।

বাংলাদেশ সংবিধানের
তৃতীয় ভাগে ( অনুচ্ছেদ ২৬ থেকে ৪৭ক ) মৌলিক অধিকার,
চতুর্থ ভাগে ( অনুচ্ছেদ ২৬ থেকে ৪৭ক ) নির্বাহী বিভাগ ( অনুচ্ছেদ ৪৮ থেকে ৬৪ ) এবং
পঞ্চম ভাগে ( অনুচ্ছেদ ৬৫ থেকে ৯৩ ) আইনসভা সম্পর্কে বলা হয়েছে ।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন , যা ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ কার্যকর হয় । বাংলাদেশ সংবিধানে,
১ টি প্রস্তাবনা
৪ টি মূলনীতি
১১ টি ভাগ বা অধ্যায়
৭ টি তফসিল এবং
১৫৩ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে ।

তথ্যসূত্র – গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান ।
৭৮৪.
সংবিধান অনুসারে, কয়টি নীতি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি হবে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি কি সেটা আলোচনা করা হয়েছে। ২৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে, নিম্নলিখিত ৪টি নীতি রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি হবে-
১. জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা,
২. অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা,
৩. আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং
8. আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা।

আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন করতে উপরে উল্লেখিত নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র-
ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবে;
খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবে; এবং
গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৮৫.
’নির্বাহী বিভাগ’ সংবিধানের কোন ভাগে উল্লেখ রয়েছে?
  1. পঞ্চম ভাগে
  2. সপ্তম ভাগে
  3. চতুর্থ ভাগে
  4. দ্বিতীয় ভাগে
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ ভাগে
ব্যাখ্যা

- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ রয়েছে।
- এর পাঁচটি অনুচ্ছেদ রয়েছে যথা: 
-
১ম পরিচ্ছেদ রাষ্ট্রপতি।
- ২য় পরিচ্ছেদ প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা।
- ৩য় পরিচ্ছেদ স্থানীয় শাসন।
- ৪র্থ পরিচ্ছেদপ্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ।
- ৫ম পরিচ্ছেদ অ্যাটর্নি-জেনারেল।

• বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

৭৮৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদবলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংসদ সদস্যদের শপত বাক্য পাঠ করাতে পারেন?
  1. ১৪৮(২ক)
  2. ১১২
  3. ১৪৮(১)
  4. ১৪৭
সঠিক উত্তর:
১৪৮(২ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৮(২ক)
ব্যাখ্যা

- ১৪৮ এর ২(ক)  অনুসারে-১২৩ অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন অনুষ্ঠিত সংসদ সদস্যদের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপিত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে এই সংবিধানের অধীন এতদুদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা তদুদ্দেশ্যে অনুরূপ ব্যক্তি কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন ব্যক্তি যে কোন কারণে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ পরিচালনা করিতে ব্যর্থ হইলে বা না করিলে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার উহার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে উক্ত শপথ পাঠ পরিচালনা করিবেন, যেন এই সংবিধানের অধীন তিনিই ইহার জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তি।

অন্যদিকে,
- ১১২অনুচ্ছেদ, সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা সম্পর্কিত।
- ১৪৭অনুচ্ছেদ, কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি সম্পর্কিত।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৭৮৭.
প্রস্তাবনার কোন ভাগে শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে?
  1. প্রথম ভাগ
  2. দ্বিতীয় ভাগ
  3. তৃতীয় ভাগ
  4. চতুর্থ ভাগ
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় ভাগ
ব্যাখ্যা
প্রজাতন্ত্রের প্রস্তাবনা:
- বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম ভাগে ১নং অনুচ্ছেদের ১নং ধারায় প্রজাতন্ত্রের প্রস্তাবনা রয়েছে।
- এ প্রস্তাবনা অনুযায়ী বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যা "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ" নামে পরিচিতি।
- বাংলাদেশ সংবিধানের প্রস্তাবনা ১টি।
- প্রস্তাবনার ভাগ ৫টি।

⇒ প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ:
১. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা,
২. মূলনীতি গ্রহণ [জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা সংবিধানের মূলনীতি হবে],
৩. শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা,
৪. বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখা [ঘোষণা],
৫ গণপরিষদে সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করার নিশ্চয়তা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৮৮.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে?
  1. ১৪১ নং
  2. ১৪২ নং
  3. ১৪৬ নং
  4. ১৪৮ নং
সঠিক উত্তর:
১৪৬ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৬ নং
ব্যাখ্যা

সংবিধানের অনুচ্ছেদ - ১৪৬: বাংলাদেশের নামে মামলা: 
- 'বাংলাদেশ'-এই নামে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে।

অন্যদিকে:
- অনুচ্ছেদ-১৪১: জরুরী-অবস্থা ঘোষণা।
- অনুচ্ছেদ-১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ-১৪৮: পদের শপথ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

৭৮৯.
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট কতটি অনুচ্ছেদ রয়েছে?
  1. ১৫৩টি 
  2. ১৫২টি
  3. ১৫৫টি 
  4. ১৪৭টি
সঠিক উত্তর:
১৫৩টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩টি 
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- ১৯৭২ সালের মূল সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক দলিল।
- এটি একটি উৎকৃষ্ট, সুসংগঠিত ও সুলিখিত সংবিধান হিসেবে পরিচিত।
- রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন হলো সংবিধান।
- সংবিধানে রয়েছে:
∗ ১টি প্রস্তাবনা।
∗ ১১টি ভাগ।
১৫৩টি অনুচ্ছেদ।
∗ ৪টি তফসিল।

উল্লেখ্য,
• বাংলাদেশ সংবিধানের অভিভাবক হচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট।
• বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় ৪ নভেম্বর,১৯৭২।
• এবং কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে।
• বাংলাদেশের সংবিধানের ভাষা দুটি— বাংলা (সাধু ভাষা) ও ইংরেজি।
• আমাদের সংবিধান ভারত ও ব্রিটেনের সংবিধানের আদলে রচিত হয়েছে।
• এতে এক-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার (জাতীয় সংসদ) ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
• জাতীয় সংসদে ৩৫০টি আসন রয়েছে। 
• নির্বাচিত আসন ৩০০টি, আর সংরক্ষিত আসন ৫০টি (মহিলাদের জন্য)।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

৭৯০.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন তফসিলের বিষয়বস্তু বিদ্যমান নেই?
  1. ২য় তফসিল
  2. ৪র্থ তফসিল
  3. ৬ষ্ঠ তফসিল
  4. ৭ম তফসিল
সঠিক উত্তর:
২য় তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় তফসিল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল:
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানে তফসিল ৭টি। যথা:
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন,
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত),
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা,
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী,
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ,
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা,
- সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

⇒ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন:
- সংবিধানের চতুর্থ সংশােধন আইন, ১৯৭৫ এর ৩০ নং ধারাবলে মূল সংবিধানের এই দ্বিতীয় তফসিলটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
- অর্থাৎ, দ্বিতীয় তফসিল এখন আর কার্যকর নেই।
- ১৯৭৫ সালের ২৫শে জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু করা হয়।
- যার নাম দেয়া হয় বাকশাল।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৭৯১.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তির কথা বর্ণনা আছে?
  1. ৪৯ নং
  2. ৫২ নং
  3. ৫১ নং
  4. ৫৩ নং
সঠিক উত্তর:
৫১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১ নং
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৫১ নং অনুচ্ছেদের বর্ণিত আছে - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।

• রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ:
৫১ (১) অনুসারে, এই সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদের হানি না ঘটাইয়া বিধান করা হইতেছে যে, রাষ্ট্রপতি তাঁহার দায়িত্ব পালন করিতে গিয়া কিংবা অনুরূপ বিবেচনায় কোন কার্য করিয়া থাকিলে বা না করিয়া থাকিলে সেইজন্য তাঁহাকে কোন আদালতে জবাবদিহি করিতে হইবে না, তবে এই দফা সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণে কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুন্ন করিবে না।

৫১(২) অনুসারে, রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁহার বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা বা চালু রাখা যাইবে না এবং তাঁহার গ্রেফতার বা কারাবাসের জন্য কোন আদালত হইতে পরোয়ানা জারী করা যাইবে না।

অন্যদিকে,
সংবিধানের ৪১ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
সংবিধানের ৩৫ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
সংবিধানের ৩৮ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - সংগঠনের স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৭৯২.
সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে কত শতাংশ সদস্যকে মন্ত্রিসভায় রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে?  
  1. ৮%
  2. ১০% 
  3. ১৫%
  4. ৯০% 
সঠিক উত্তর:
৯০% 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০% 
ব্যাখ্যা

• মন্ত্রিসভার টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী: 
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভার অনধিক এক-দশমাংশ সদস্যকে সংসদ সদস্য নন এমন ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়োগ দিতে পারেন। তারাই টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী। 
- তবে শর্ত থাকে যে, তাদের অবশ্যই সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে।  অর্থাৎ, নির্বাচনে দাঁড়ালে তিনি আইনগতভাবে অযোগ্য হতেন না।

- সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীই মন্ত্রিসভার বাকি সদস্যদের মনোনীত করেন।
- তবে তাকে নির্বাচিত এমপিদের মধ্য থেকে মন্ত্রিসভার ১০ ভাগের ৯ ভাগ (অর্থাৎ ৯০ শতাংশ) সদস্য রাখতেই হবে।
- বাকি এক ভাগ তিনি চাইলে টেকনোক্র্যাট সদস্য রাখতে পারেন।
- সাধারণত বিশেষজ্ঞ জ্ঞান বা বিশেষ অবদানের ভিত্তিতেই প্রধানমন্ত্রী এই নিয়োগ দিয়ে থাকেন। 
- নিয়মানুযায়ী, জাতীয় নির্বাচনের আগে বা সংসদ ভেঙে যাওয়ার ৯০ দিন আগে এই টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের পদত্যাগ করতে হয়।
- টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীগণ যা যা সুযোগ পান: 
• তারা সংসদে বক্তব্য রাখতে পারেন, কিন্তু ভোট দিতে পারেন না।
• তারা পূর্ণ মন্ত্রীর সমান বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পান।
• সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে এবং সামগ্রিকভাবে মন্ত্রিসভার মাধ্যমে সংসদের কাছে দায়বদ্ধ। 

উল্লেখ্য, 
- ৪৯ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভায় ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী থাকছেন।
- এর মধ্যে টেকনোক্র্যাট কোটায় দুজন মন্ত্রী এবং একজন প্রতিমন্ত্রী রাখা হয়েছে।
- মন্ত্রী হিসেবে আছেন আমিনুর রশিদ ইয়াছিন এবং ড. খলিলুর রহমান। আর আমিনুল হককে করা হচ্ছে প্রতিমন্ত্রী।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান ও ইত্তেফাক। (Link) 

৭৯৩.
'রাষ্ট্রপতি সংসদ আহবান করবেন' সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. ১৩৭
  2. ১২৭
  3. ৭২ (১)
  4. ৪৮
সঠিক উত্তর:
৭২ (১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২ (১)
ব্যাখ্যা

সংসদ অধিবেশন:
- ৭২ (১) নং অনুচ্ছেদে, সরকারী বিজ্ঞপ্তি-দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করবেন।
- এবং সংসদ আহবানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম বৈঠকের সময়  স্থান নির্ধারণ করবেন।
- (২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও সংসদ-সদস্যদের যে কোন সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হবার ত্রিশ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহবান করা হবে।
- (৩) রাষ্ট্রপতি পূর্বে ভাঙ্গিয়া না দিয়া থাকিলে প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর অতিবাহিত হইলে সংসদ ভাঙ্গিয়া যাবে।

উল্লেখ্য
- কর্মকমিশন: ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে;
- মহা হিসাব নিরীক্ষক: ১২৭ নং অনুচ্ছেদে;
- রাষ্ট্রপতি: ৪৮ নং অনুচ্ছেদে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

৭৯৪.
সংবিধানের কোন তফসিলে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষনা সংযুক্ত করা হয়?
  1. ৪র্থ
  2. ৫ম
  3. ৬ষ্ঠ
  4. ৭ম
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বলতে মুজিবনগর সরকার কর্তৃক ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাকে বোঝানো হয়।
- সংবিধানের ৬ষ্ঠ তফসিলে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষনা সংযুক্ত করা হয়।

⇒ ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের সীমান্তবর্তী বৈদ্যনাথতলায় (পরবর্তী নাম মুজিবনগর) এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে গণপরিষদ সদস্য অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
- ঘোষণার মাধ্যমে নবগঠিত আইন পরিষদ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ঘোষণা করে।
- ঘোষণায় ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করা হয়।
- ঘোষণাপত্রে ২৬ মার্চ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কার্যকর বলে ঘোষণা করা হয়।
- এ ঘোষণাবলে প্রবাসী মুজিবনগর সরকার বৈধ বলে বিবেচিত হয়।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭৯৫.
সংবিধানের ৬৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, একজন সংসদ সদস্য স্পিকারের বিনা অনুমতিতে একাধিক্রমে কতদিন সংসদে অনুপস্থিত থাকলে তার সদস্যপদ বাতিল হয়?
  1. ৪৫ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।

⇒ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের পর পর দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ দিন বিরতি থাকে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।

⇒ সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হবে, যদি -
- (ক) তার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করতে অসমর্থ হন: তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তা বর্ধিত করতে পারবেন;
(খ) সংসদের অনুমতি না নিয়ে তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন;
(গ) সংসদ ভেঙে যায়;
(ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হয়ে যান; অথবা
(ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।
- ৬৭ (২) নং অনুচ্ছেদ- কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন, এবং স্পীকার- কিংবা স্পীকারের পদ শূন্য থাকলে বা অন্য কোন কারণে স্পীকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে ডেপুটি স্পীকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। 
৭৯৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'সরকারী কর্ম কমিশন' গঠনের উল্লেখ আছে?
  1. ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৩৫ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৩৮ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৩৪ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৩৭ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৭ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদে 'সরকারী কর্ম কমিশন' গঠনের উল্লেখ আছে।

• ১৩৭নং অনুচ্ছেদ:
কমিশন-প্রতিষ্ঠা 
- আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাবে এবং 
- একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হবে, সেইরূপ অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হবে। 

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ - ১৩৪: কর্মের মেয়াদ,
অনুচ্ছেদ - ১৩৫: অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত প্রভৃতি,
অনুচ্ছেদ - ১৩৮: সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৯৭.
’সরকারী কর্ম কমিশন’ প্রতিষ্ঠার কথা বর্ণনা আছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ১৩৭ নং
  2. ১২৭ নং
  3. ১৩৮ নং
  4. ১১৮ নং
সঠিক উত্তর:
১৩৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৭ নং
ব্যাখ্যা
 • সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে, ’সরকারী কর্ম কমিশন’ প্রতিষ্ঠার কথা বর্ণনা আছে। 

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে,’সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য নিয়োগ এর কথা বলা আছে।
- সংবিধানের ১২৭ নং অনুচ্ছেদে, মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠার বিষয় বর্ণনা আছে।
-  সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদে, নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠার বিষয় বর্ণনা আছে। 

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৭৯৮.
গ্রামাঞ্চলের জীবনযাত্রার মানের বৈষম্য দূর করার জন্য বৈদ্যুতীকরণের ব্যবস্থার কথা সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ১৫ নং
  2. ১৬ নং
  3. ১৭ নং
  4. ১৮ নং
সঠিক উত্তর:
১৬ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ নং
ব্যাখ্যা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৬ নং অনুচ্ছেদে গ্রামাঞ্চলের জীবনযাত্রার মানের বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে বৈদ্যুতীকরণের ব্যবস্থার কথা উল্লেখ আছে।

• সংবিধানের ১৬ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু: গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
- নগর ও গ্রামাঞ্চলের জীবনযাত্রার মানের বৈষম্য দূর করার জন্য গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতায়ন, কৃষি বিপ্লব, এবং কুটির শিল্প ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশসহ গ্রামাঞ্চলে আমূল রূপান্তরসাধনের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১৫ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা।
- সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
- সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৯৯.
সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে নিচের কোনটির কথা রয়েছে?
  1. ন্যায়পাল
  2. কর্মকমিশন
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. মহা হিসাব নিরীক্ষক
সঠিক উত্তর:
ন্যায়পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়পাল
ব্যাখ্যা
• ন্যায়পাল:
- সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল কথা উল্লেখ্য রয়েছে।
- ৭৭(১): সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করতে পারবেন।
 - ৭৭(২): সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালকে কোন মন্ত্রণালয়,
- সরকারী কর্মচারী বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের যে কোন কার্য সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাসহ যেরূপ ক্ষমতা কিংবা যেরূপ দায়িত্ব প্রদান করবে।
- ন্যায়পাল সেইরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।
- (৩) ন্যায়পাল তাঁহার দায়িত্বপালন সম্পর্কে বাৎসরিক রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন।
- এবং অনুরূপ রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপিত হইবে।

উল্লেখ্য
- কর্মকমিশন: ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে;
- মহা হিসাব নিরীক্ষক: ১২৭ নং অনুচ্ছেদে;
- রাষ্ট্রপতি: ৪৮ নং অনুচ্ছেদে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
৮০০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সর্বাধিনায়কতার উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৬১
  2. অনুচ্ছেদ ৬২
  3. অনুচ্ছেদ ৬৩
  4. অনুচ্ছেদ ৬৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬১
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৬১ - সর্বাধিনায়কতা।
- অনুচ্ছেদ ৬২ - প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৩ - যুদ্ধ।
- অনুচ্ছেদ ৬৪ - অ্যাটর্নি-জেনারেল।
- অনুচ্ছেদ ৬৫ - সংসদ-প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৬৬ - সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ৬৭ - সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৬৮ - সংসদ-সদস্যদের [পারিশ্রমিক] প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৯ - শপথগ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড।
- অনুচ্ছেদ ৭০ - রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৭১ - দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।
- অনুচ্ছেদ ৭২ - সংসদের অধিবেশন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।