• 'কর' ধাতুর সঙ্গে ক্রিয়া-বিশেষণ যুক্ত হয়ে সংযোগমূলক ধাতু তৈরি হয়।
----------------------------
• সংযোগমূলক ধাতু:
- বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বনাত্মক অব্যয়ের সঙ্গে কর, দে, পা, খা, ছাড়, ধর ইত্যাদি মৌলিক ধাতু যুক্ত হয়ে যে নতুন ধাতু গঠিত হয়, তা সংযোগমূলক ধাতু।
- উদাহরণ বাক্য: তিনের সঙ্গে পাঁচ যোগ কর।
- সংযোগমূলক ধাতু সকর্মক ও অকর্মক দুই-ই হতে পারে।
---------------------------------
• কর-ধাতু যোগে ক্রিয়া-বিশেষণের সঙ্গে তৈরি সংযোগমূলক ধাতু:
- ক্রিয়া-বিশেষণ হল এমন শব্দ যা ক্রিয়ার গুণ, অবস্থার বা মাত্রার তথ্য দেয়।
- যেমন— দ্রুত, আস্তে, সুন্দরভাবে, সাবধানে।
- যখন এই ক্রিয়া-বিশেষণের সঙ্গে কর ধাতু যুক্ত হয়, তখন নতুন একটি ক্রিয়াপদ তৈরি হয়।
- অর্থাৎ, ক্রিয়া-বিশেষণ + কর = সংযোগমূলক ধাতুযুক্ত ক্রিয়াপদ।
• প্রকৃত উদাহরণ:
- দ্রুত কর → “তুমি দ্রুত কর।”
- আস্তে কর → “বাবা, আস্তে কর।”
- সাবধানে কর → “সাবধানে কর, যাতে কিছু না ভাঙে।”
- ধীরে কর → “ধীরে কর, যেন ভুল না হয়।”
-------------------------
অন্যদিকে,
• 'দে'-ধাতু যোগে সংযোগমূলক ধাতু:
- উত্তর দে, টাকা দে, দাগা দে, জবাব দে, কান দে, দৃষ্টি দে।
• খা-ধাতু যোগে সংযোগমূলক ধাতু:
- মার খা, হিমশিম খা, সুদ খা, ঘুষ খা।
• 'হ'-ধাতু যোগে সংযোগমূলক ধাতু:
- বড় হ, ছোট হ, ভালো হ, রাজি হ, সুখী হ
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ।