বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

অঞ্চলভিত্তিক ভৌত পরিবেশ, সম্পদের বন্টন ও গুরুত্ব

মোট প্রশ্ন৮৯৯এই পাতা৯২প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

অঞ্চলভিত্তিক ভৌত পরিবেশ, সম্পদের বন্টন ও গুরুত্ব

PrepBank · পাতা / · ৮০১৮৯২ / ৮৯৯

৮০১.
স্থানীয় বায়ু নয় কোনটি?
  1. ক) মৌসুমী বায়ু
  2. খ) চিনুক
  3. গ) সিরক্কো
  4. ঘ) সাইমুম
সঠিক উত্তর:
ক) মৌসুমী বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মৌসুমী বায়ু
ব্যাখ্যা
স্থানীয় বায়ু (Local Wind):
স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য কিংবা তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে ভূপৃষ্ঠের স্থানে স্থানে স্থানীয় বায়ুর উৎপত্তি হয়।

কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ:

- রকি পর্বতের চিনুক (Chinook),
- ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল (Mistral),
- আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পের (Pampero),
- আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা (Bora),
- উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরক্কো (Sirocco),
- আরব মালভূমির সাইমুম (Simoom),
- মিসরের খামসিন (Khamsin) ও
- ভারতীয় উপমহাদেশের লু (Loo)।

অন্যদিকে,
মৌসুমি বায়ু  দক্ষিণ এশিয়া এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জলবায়ুতে সর্বাপেক্ষা প্রভাব বিস্তারকারী বায়ুপ্রবাহ। গ্রীষ্ম ও শীত মৌসুমে সমুদ্র ও ভূ-পৃষ্ঠের উত্তাপ এবং শীতলতার তারতম্যের ফলে ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মৌসুমি বায়ুপ্রবাহের দিকও পরিবর্তিত হয়। শীত মৌসুমে শুষ্ক মৌসুমি বায়ু উত্তর-পূর্ব দিক (ভূভাগ) থেকে সমুদ্র অভিমুখে প্রবাহিত হয় এবং গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম (সমুদ্রভাগ) থেকে ভূমি অভিমুখে প্রবাহিত হয়। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
৮০২.
বর্তমানে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কাঠমান্ডু
  2. খ) নয়াদিল্লি
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) গুজরাট
সঠিক উত্তর:
ঘ) গুজরাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গুজরাট
ব্যাখ্যা
 • সার্ক:
- গঠিত হয়- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ সালে।
- সচিবালয়- কাঠমান্ডু, নেপাল।
- সার্কভুক্ত দেশের সংখ্যা- ৮ টি। 
- সর্বশেষ সদস্য - আফগানিস্তান 
- ২০০৬ সালের অক্টোবরে ভারতের নয়াদিল্লিতে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- তবে ২০১৬ সালে সার্ক আবহাওয়া কেন্দ্র, সার্ক বন কেন্দ্র এবং সার্ক উপকূলীয় অঞ্চল ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রকে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের সাথে একীভূত করা হয়।
- তখন এটির কার্যালয় নয়াদিল্লি থেকে গুজরাটের গান্ধীনগরে স্থানান্তর করা হয়।
- বর্তমানে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র গুজরাটের গান্ধীনগরে অবস্থিত

• সার্কের অন্যান্য আঞ্চলিক কেন্দ্রেসমূহ:
- সার্ক কৃষি কেন্দ্র- ঢাকা, বাংলাদেশ।
- সার্ক যক্ষ্মা ও এইডস কেন্দ্র- কাঠমান্ডু, নেপাল।
- সার্ক  সাংস্কৃতিক কেন্দ্র- কলম্বো, শ্রীলঙ্কা।
- সার্ক জ্বালানি কেন্দ্র- ইসলামাবাদ, পাকিস্তান।

তথ্যসূত্র: সার্ক ওয়েবসাইট
৮০৩.
পরিবেশ ও জীবদেহের সম্পর্ক বিষয়ক বিদ্যাকে কী বলে?
  1. ক) বায়োলজি
  2. খ) সোসিওলজি
  3. গ) এনভায়রনমেন্ট
  4. ঘ) ইকোলজি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইকোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইকোলজি
ব্যাখ্যা
- পরিবেশের সাথে জীবদেহের সম্পর্ক সম্বন্ধীয় বিজ্ঞানকে ইকোলোজি  বলে। 
- ইকোলজি হলো বাস্তুসংস্থান।
- একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের জীব ও জড় উপাদানের পারস্পরিক ক্রিয়াকলাপ আদান-প্রদান ও একাত্মতার মাধ্যমে সুপ্রতিষ্ঠিত আন্তঃসম্পর্ককে ইকোলজি বলে।
- ইকোলজি শব্দটি গ্রিক শব্দ থেকে এসেছে, যার অর্থ বাড়ি সংক্রান্ত আলোচনা।
- কোনো নির্দিষ্ট স্থানে উদ্ভিদ ও প্রাণীর সম্মিলিত অবস্থান যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে তাই মূলত ইকোলজি।
- Ernest Haeckel নামক জার্মান বিজ্ঞানী সর্বপ্রথম ১৮৬৯ সালে Ecology শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- ইকোলজি হল জীববিজ্ঞানের একটি শাখা। 

তথ্যসূত্র: পরিবেশ বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৮০৪.
ভোমরা স্থল বন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) সাতক্ষীরা
  2. খ) লালমনিরহাট
  3. গ) সুনামগঞ্জ
  4. ঘ) ঈশ্বরদী
সঠিক উত্তর:
ক) সাতক্ষীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
ভোমরা স্থল বন্দর সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত।
শুভ উদ্বোধন করেন: জনাব মো: সাখাওয়াত হোসেন, কমিশনার, কাষ্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট , খুলনা।

সার্কেল সৃষ্টি হয়: ০২/০৬/১৯৯০ ইং    
আমদানী-রপ্তানী শুরু: ১৫/০৫/১৯৯৬ ইং     

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮০৫.
পৃথিবীর সর্বাধিক জাহাজ যাতায়াত করে কোথায়?
  1. ক) উত্তর আটলান্টিক সমুদ্রস্রোতে
  2. খ) দক্ষিণ আটলান্টিক সমুদ্রস্রোতে
  3. গ) প্রশান্ত মহাসাগরে
  4. ঘ) ইউরোপ মহাসাগরে
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তর আটলান্টিক সমুদ্রস্রোতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তর আটলান্টিক সমুদ্রস্রোতে
ব্যাখ্যা
সমুদ্রস্রোতের অনুকূলে নৌকা, জাহাজ প্রভৃতি চলাচলের সুবিধা হয়। তবে শীতল সমুদ্রস্রাত অপেক্ষা উষ্ণ সমুদ্রস্রোতে জাহাজ ও নৌচলাচলের সুবিধা বেশি। উত্তর আটলান্টিক সমুদ্রস্রোতের অনুকূলে পৃথিবীর মধ্যে সর্বাধিক জাহাজ যাতায়াত করে। শীতল স্রোতের গতিপথে তীব্র শীত ও হিমশৈলের জন্য জাহাজ চলাচলের অসুবিধা দেখা যায়। (রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণির ভূগোল)
৮০৬.
অলিভ পর্বত কোথায় অবস্থিত?
  1. বাগদাদ
  2. জেরুজালেম
  3. ইস্তাম্বুল
  4. ইসলামাবাদ
সঠিক উত্তর:
জেরুজালেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেরুজালেম
ব্যাখ্যা
অলিভ পর্বত: 
- অলিভ পর্বত জেরুজালেমের ওল্ড সিটির ঠিক পূর্বে অবস্থিত একটি মাল্টি-সমিট চুনাপাথর পর্বত।
- এটি কিড্রন উপত্যকা দ্বারা শহর থেকে বিচ্ছিন্ন।
- ইহুদি, খ্রিস্টান ও ইসলাম ধর্মের অনুসারীদের কাছে এটি একটি পবিত্র স্থান।
- অলিভ পর্বতের তিনটি প্রধান শৃঙ্গ রয়েছে। 

কিছু গুরত্বপূর্ণ পর্বত: 
- কারাকোরাম পর্বত অবস্থিত দক্ষিণ এশিয়ায়।
- পিরেনিজ পর্বত অবস্থিত স্পেন-ফ্রান্স সীমান্তে.
- এটলাস পর্বতমালা মরক্কো ,আলজেরিয়া , এবং তিউনিসিয়ায় অবস্থিত।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৮০৭.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় জোয়ার ভাটার বন কোনটি?
  1. পিচাভারম ম্যানগ্রোভ বন
  2. নাইজার ডেল্টা ম্যানগ্রোভ
  3. বোর্নিও ম্যানগ্রোভ 
  4. সুন্দরবন
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
ব্যাখ্যা

• প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন:
- প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন হলো এমন একটি বন যা জোয়ারের সময় পানিতে তলিয়ে যায় এবং ভাটার সময় শুকিয়ে যায়।
- এই বনকে জোয়ার-ভাটার বন বা ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
- ম্যানগ্রোভ বন সাধারণত লবণাক্ত সমতলভূমিতে গঠিত হয়।
- এই বনের উদ্ভিদের শ্বাসমূল (Pneumatophores) থাকে, যা উদ্ভিদের জন্য অক্সিজেন গ্রহণে সহায়ক।
- বিশ্বের বৃহত্তম জোয়ার-ভাটার বন হলো সুন্দরবন।
- বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার মাতামুহুরী নদীর মোহনায় অবস্থিত চকোরিয়া সুন্দরবনও একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যানগ্রোভ বন।
------------------- 
• সুন্দরবন:
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিস্তৃত সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০,০০০ বর্গকিমি।
- এর মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ সুন্দরবন বাংলাদেশের অংশে অবস্থিত।
- সুন্দরবনের বড় অংশ বাংলাদেশে সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট জেলায় বিস্তৃত।
- এছাড়াও খুলনা ও বাগেরহাট জেলার পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার কিছু এলাকা সুন্দরবনের অন্তর্ভুক্ত।
------------------------- 
অন্যদিকে,
- পিচাভারম ম্যানগ্রোভ বন ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের কুড্ডালোর জেলায় অবস্থিত। 
- নাইজেরিয়ার নাইজার ডেল্টা ম্যানগ্রোভ বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনগুলোর মধ্যে একটি। 
- এছাড়াও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বোর্নিও দ্বীপে অবস্থিত বোর্নিও ম্যানগ্রোভ বনও গুরুত্বপূর্ণ ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে পরিচিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৮০৮.
'Blue economy' এর সাথে সম্পর্কিত -
  1. খনিজ সম্পদ
  2. সমুদ্র সম্পদ
  3. মৎস সম্পদ
  4. প্রাণীজ সম্পদ
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র সম্পদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র সম্পদ
ব্যাখ্যা
সুনীল অর্থনীতি:
- সুনীল অর্থনীতি বা Blue economy হচ্ছে সমুদ্রের সম্পদনির্ভর অর্থনীতি।
- সমুদ্রের বিশাল জলরাশি ও এর তলদেশের বিভিন্ন প্রকার সম্পদকে কাজে লাগানোর অর্থনীতি।
- সমুদ্র থেকে আহরণকৃত যে কোন সম্পদ দেশের অর্থনীতিতে যুক্ত হয়, তাই সুনীল অর্থনীতির পর্যায়ে পড়বে।
- সমুদ্র পৃথিবীর অন্যতম মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ।
- বিশ্বব্যাংকের মতে, সুনীল অর্থনীতি হল ‘অর্থনৈতিক বৃদ্ধি, উন্নত জীবিকা, এবং সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্রের স্বাস্থ্য সংরক্ষণের জন্য সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবহার।’
- সুনীল অর্থনীতি আমাদের এই উপলব্ধি করতে চ্যালেঞ্জ করে যে সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার জন্য বিভিন্ন অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সীমান্ত এবং সেক্টর জুড়ে সহযোগিতার প্রয়োজন হবে।
- এটি একটি লম্বা আদেশ, বিশেষ করে ক্ষুদ্র দ্বীপ উন্নয়নশীল রাষ্ট্র (SIDS) এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলির (LDCs) জন্য যারা উল্লেখযোগ্য সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন।

উৎস: Blue Economy Definitions - the United Nations, un.org.
৮০৯.
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ কী দ্বারা গঠিত?
  1. চুনাপাথর
  2. কাদা মাটি
  3. মার্বেল ও গ্রানাইট
  4. বেলেপাথর, শেল ও কদম
সঠিক উত্তর:
বেলেপাথর, শেল ও কদম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলেপাথর, শেল ও কদম
ব্যাখ্যা
• ভূ-প্রকৃতি অনুসারে, বাংলাদেশকে তিনটি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো:
→ টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ;
→ প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ;
→ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়সমূহ টারশিয়ারি যুগের অন্তভুর্ক্ত।
- এ পাহাড়সমূহ আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কদম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ;
খ) উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১০.
পপি উৎপাদনের ক্ষেত্রে কোন দেশগুলোকে ‘গোল্ডেন ট্রায়েঙ্গেল’ বলা হয়?
  1. ক) মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও চীন
  2. খ) মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস
  3. গ) মিয়ানমার, আফগানিস্তান ও কম্বোডিয়া
  4. ঘ) ইরান, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
খ) মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস
ব্যাখ্যা
• গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গলে বার্মা, চীন, লাওস এবং থাইল্যান্ডের কিছু অংশ রয়েছে।
• এটি আফিম চাষের জন্য আদর্শ পরিস্থিতি প্রদান করে, যা ১৬ এবং ১৭ শতকে শুরু হয়েছিল।
• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর হেরোইন আফিম ব্যবসার একটি প্রধান উপাদান হয়ে ওঠে এবং ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্যদের দ্বারা হেরোইনের চাহিদা গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গলের আফিম অর্থনীতিকে একটি বৃহৎ এবং লাভজনক হেরোইন অর্থনীতিতে রূপান্তরিত করতে সাহায্য করে।
• ১৯৬৪ সাল থেকে পরিচালিত শস্য নির্মূল প্রচেষ্টা কোন উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেনি।
•  বার্মিজ সরকারকে মাদক পাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তা করার জন্য যে সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়েছিল তা বিদ্রোহ বিরোধী অভিযানে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে বিশ্বাস করে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছে।
 
উৎস: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের একটি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, বিচার বিভাগ।
৮১১.
'বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট' - এর অবস্থান কোন স্থানে? 
  1. চট্টগ্রাম
  2. ঢাকা
  3. রাজশাহী
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI):
- বাংলা নাম: বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট
- ইংরেজি নাম: Bangladesh Forest Research Institute
- সংক্ষিপ্ত নাম: বি.এফ.আর.আই (BFRI)
- নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। 
- অবস্থান: ষোলশহর, চট্টগ্রাম।
- বন ও বনজ সামগ্রীর ওপর গবেষণা পরিচালনার জন্য চট্টগ্রামের ষোলশহরে অবস্থিত একটি জাতীয় গবষেণা ইনস্টিটিউট।
- এটি মার্কিন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন এজেন্সির (USAID) কারিগরি সহায়তায় ১৯৫৫ সালে পূর্ব পাকিস্তান বন গবেষণা পরীক্ষাগার (EPFRL) হিসেবে স্থাপিত হয়। 

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।

৮১২.
ভূত্বক প্রধানত কোন দুটি উপাদান দ্বারা গঠিত?
  1. ক) অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
  2. খ) অ্যালুমিনিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম
  3. গ) সিলিকন ও অক্সিজেন
  4. ঘ) লোহা ও নিকেল 
সঠিক উত্তর:
গ) সিলিকন ও অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিলিকন ও অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তা ভূত্বক নামে পরিচিত। ভূত্বের গড় গভীরতা ২০ কিমি।
ভূত্বক গঠনকারী উপাদানসমূহের মধ্যে অক্সিজেন ও সিলিকন প্রধান। ভূত্বক গঠনকারী উপাদানসমূহ:

- অক্সিজেন: ৪৬.৬ ভাগ
- সিলিকন: ২৭.৭ ভাগ
- অ্যালুমিনিয়াম : ৮.১ ভাগ
- লোহা: ৫ ভাগ
- ক্যালসিয়াম: ৩.৬ ভাগ
- সোডিয়াম: ২.৮ ভাগ
- পটাশিয়াম: ২.৬ ভাগ
- ম্যাগনেসিয়াম: ২.১ ভাগ।

তথ্যসূত্র: স্পেস ওয়েবসাইট।
৮১৩.
নিম্নের কোন উপজেলাটি সবচেয়ে নদীভাঙ্গন-প্রবণ?
  1. ক) বােয়ালমারী
  2. খ) নড়িয়া
  3. গ) আলমডাঙ্গা
  4. ঘ) নিকলি
সঠিক উত্তর:
খ) নড়িয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নড়িয়া
ব্যাখ্যা

শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলাটি বর্তমানে সবচেয়ে ভাঙ্গন প্রবণ উপজেলা।
- পদ্মার ভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে পদ্মাতীরবর্তী উপজেলাটি  বসতবাড়ি, হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থাপনা।
- পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (সিইজিআইএস) হিসাবে গত সাত বছরে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার প্রায় সোয়া ১৩ বর্গকিলোমিটার এলাকা নদীতে তলিয়ে গেছে।
- এর মধ্যে ২০১১-১২ থেকে ২০১৪-১৫ সময়কাল পর্যন্ত নড়িয়াতে প্রতিবছর গড়ে আধা বর্গকিলোমিটারের বেশি এলাকা ভাঙনের শিকার হয়। এরপর থেকে ভাঙন বাড়তে থাকে। ২০১৫-১৬ সময়কালে বিলীন হয়েছে ১ দশমিক ৩ বর্গকিলোমিটার এলাকা। ২০১৭ সালের জুলাই থেকে ভেঙেছে প্রায় ২ বর্গকিলোমিটার।

উল্লেখ্য,
- বোয়ালমারি ফরিদপুর জেলার একটি উপজেলা।
- আলমডাঙ্গা চুয়াডাঙ্গার একটি উপজেলা।
- নিকলি কিশোরগঞ্জের একটি উপজেলা।

উৎস: প্রথম আলো রিপোর্ট।

৮১৪.
বাংলাদেশের উষ্ণতম জেলা কোনটি?
  1. ক) বগুড়া
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
খ) রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস এপ্রিল এবং শীতলতম মাস জানুয়ারি,
উষ্ণতম জেলা রাজশাহী এবং শীতলতম জেলা সিলেট,
উষ্ণতম স্থান লালপুর, নাটোর এবং শীতলতম স্থান শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া।
৮১৫.
'বরেন্দ্রভূমি' বাংলাদেশের কোন ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চলের অন্তর্গত?
  1. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়
  2. পাদদেশীয় পলল সমভূমি
  3. প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
  4. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

• বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১৬.
নিম্নলিখিত কোনটি সঞ্চয়জাত সমভূমির উদাহরণ?
  1. উত্তর আমেরিকার হাডসন উপসাগর তীরবর্তী সমভূমি 
  2. নদীর পলিগঠিত সমভূমি
  3. উত্তর-পশ্চিম ইউরোপে অবস্থিত সমভূমি 
  4. আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব তীরে অবস্থিত সমভূমি 
সঠিক উত্তর:
নদীর পলিগঠিত সমভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদীর পলিগঠিত সমভূমি
ব্যাখ্যা

নদীর পলি ও বালু দীর্ঘদিন ধরে জমে নদী সমভূমি তৈরি করে- যা সঞ্চয়জাত সমভূমির অন্তর্গত। 
--------------------------
• সমভূমি: 
- সমভূমি হলো সমুদ্র সমতলের কাছাকাছি বা সমতুল্য উচ্চতায় বিস্তৃত ভূমি, তবে কিছু ক্ষেত্রে এটি কয়েকশ মিটার উচ্চতাতেও থাকতে পারে। 
- এ ধরনের ভূমিতে সাধারণত মৃদু ঢাল, ছোট টিলা, পাহাড় বা নদী উপত্যকা দেখা যায়। 
- পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় অর্ধেকই সমভূমি দ্বারা গঠিত। 
- সমভূমি এশিয়া, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় সবচেয়ে বেশি, আর আফ্রিকায় অপেক্ষাকৃত কম। 
- ইউরেশিয়ার উত্তরাংশে বিশ্বের বৃহত্তম সমভূমি অবস্থিত।

- সমভূমির বৈশিষ্ট্য হলো- 
- সাধারণত কোনো খাড়া ঢাল, 
- উচ্চভূমি বা নিম্নভূমি থাকে না, যদিও সামান্য উঁচু-নিচু থাকতে পারে। 
- এগুলি মহাদেশের সীমান্ত, মহাসাগরের তীরে বা অভ্যন্তরীণ অঞ্চলেও দেখা যায়।

- সমভূমিকে অবস্থান ও গঠনের ভিত্তিতে প্রধান কয়েক প্রকারে ভাগ করা যায়:
- ক্ষয়জাত সমভূমি। 
- হৈমবাহিক সমভূমি। 
- সঞ্চয়জাত সমভূমি। 
- কার্স্ট সমভূমি। 
------------------------------
সঞ্চয়জাত সমভূমি: 
- নদী, হিমবাহ বা বায়ুর মাধ্যমে ক্ষয়প্রাপ্ত পলিমাটি, বালি, কাদা ও নুড়ি নিচু স্থানে জমে উর্বর সমভূমি তৈরি করে।
- এ ধরনের সমভূমি অত্যন্ত উর্বর এবং জনবসতিপূর্ণ হয়।
- উদাহরণ:
নদীর পলিগঠিত সমভূমি,
• উপকূলীয় সমভূমি,
• প্লাবন সমভূমি,
• লোয়েস সমভূমি,
• হিমবাহ সমভূমি,
• লাভার সমভূমি।
-----------------------------------
উল্লেখ্য, 
• ক্ষয়জাত সমভূমি:
- দীর্ঘ সময় ধরে বায়ু, জলপ্রবাহ, বৃষ্টি বা হিমবাহের কারণে উচ্চভূমি ক্ষয় হয়ে নিম্নভূমিতে পরিণত হলে এ ধরনের সমভূমি তৈরি হয়।
- উদাহরণ:
- ইউরোপের ফিনল্যান্ড ও উত্তর আমেরিকার হাডসন উপসাগর তীরবর্তী সমভূমি ক্ষয়জাত সমভূমির অন্তর্গত। 

• হৈমবাহিক সমভূমি:
- হিমবাহের প্রবাহ ভূমি ক্ষয় করে এবং সঙ্গে যে শিলা, কাঁকর ও পাথর আসে তা নিচে সঞ্চিত হয়ে সমভূমি তৈরি করে।
- উদাহরণ:
- এই ধরনের সমভূমি দেখা যায়- উত্তর-পশ্চিম ইউরোপ, ফিনল্যান্ড, পূর্ব কানাডা, সুইডেন।

• কার্স্ট সমভূমি: 
- কার্স্ট সমভূমি হলো চুনাপাথরের বিস্তৃত অঞ্চলে গঠিত সমভূমি, যা ভূ-গর্ভস্থ জলধারার ক্রিয়াশীলতার মাধ্যমে তৈরি হয়।
- এ ধরনের সমভূমি মূলত চুনাপাথরের ক্ষয়প্রক্রিয়ার ফলে সৃষ্টি হয় এবং
- এটি ভূ-গর্ভস্থ গুহা, চুনাপাথরের গর্ত বা কূপের মাধ্যমে ভূ-প্রকৃতিতে বিশেষ বৈশিষ্ট্যযুক্ত হয়।
- উদাহরণস্বরূপ-
- যুগোশ্লোভিয়ার কার্স্ট অঞ্চল যা আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব তীরে অবস্থিত

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৮১৭.
কোনটি পাললিক শিলা?
  1. ডলোমাইট
  2. মার্বেল
  3. কোয়ার্টজাইট
  4. গ্রানাইট
সঠিক উত্তর:
ডলোমাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডলোমাইট
ব্যাখ্যা
পাললিক শিলা:
- পাললিক শিলা কথাটি এসেছে 'পলি' বা 'পলল' থেকে।
- পাললিক শিলা হলো এক প্রকারের শিলা যা ছোট ছোট কণা জমে বা জমা করে এবং পরবর্তীকালে পৃথিবীর পৃষ্ঠে সমুদ্রের তলে বা জলের অন্যান্য দেহের খনিজ বা জৈব কণার সিমেন্টেশন দ্বারা গঠিত হয়।
- কংগ্লোমারেট, ব্রেকসিয়া, গ্রেওয়েক, বেলেপাথর, কাদাপাথর, কোয়ার্টজ, ডলোমাইট, ক্যালসাইট, জিপসাম, কয়লা, চুনাপাথর ইত্যাদি পাললিক শিলার উদাহরণ।

⇒ পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য:
১। পাললিক শিলা স্ফটিকাকার নয়;
২। পাললিক শিলায় জীবাশ্ম পাওয়া যায়;
৩। পাললিক শিলা স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়ে সৃষ্টি হয়;
৪। পাললিকা শিলা হালকা, ভঙ্গুর ও তরঙ্গ বিশিষ্ট।

অন্যদিকে -
- আগ্নেয় শিলা: গ্রানাইট।
- রূপান্তরিত শিলা: মার্বেল, কোয়ার্টজাইট।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১৮.
ভারতের সাথে বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
  1. ক) ৩,৭১৫ কিলোমিটার
  2. খ) ৩,৯৯৫ কিলোমিটার
  3. গ) ৪,০১৩ কিলোমিটার
  4. ঘ) ৪,৩২০ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
ক) ৩,৭১৫ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩,৭১৫ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য : ৪,৭১১ কি.মি.
- স্থল সীমান্ত : ৩,৯৯৫ কি.মি.
- সমুদ্রতট : ৭১৬ কি.মি.
- ভারতের সাথে স্থলসীমান্ত : ৩,৭১৫ কি.মি.
- মিয়ানমারের সাথে সীমান্ত : ২৮০ কি.মি.।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৮১৯.
‘দেবতাখুম’ কোথায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙামাটি
  3. বান্দরবান
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
দেবতাখুম:
- 'খুম' অর্থ হচ্ছে জলাধার।
- দেবতাখুম (Debotakhum) বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলায় অবস্থিত। 
- দেবতাখুম মূলত তারাছা নামের একটি খালের অংশ, যার দুই পাশে পাহাড় দিয়ে ঘেরা এবং গভীর পানির পাথুরে জায়গা।
- স্থানীয়দের মতে, খুমের দৈর্ঘ্য প্রায় ৪০০-৬০০ ফুট এবং এই খুমের কিছু জায়গা প্রায় ৫০ ফুট গভীর।
- এই খুমের দুইপাশে রয়েছে বিশাল জঙ্গল।
- উঁচু পাহাড়ের কারণে খুমের ভিতর সরাসরি সূর্যের আলো পৌঁছায় না, তাই খুমের যত ভিতরে যাওয়া যায় ততই শীতল মনে হয়।
- দেবতাখুম বান্দরবানের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটক কেন্দ্র।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮২০.
ভৌগোলিক দিক বিবেচনায় পৃথিবীর সমগ্র ভূমিরূপকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর প্রধান ভূমিরূপ:
- ভূপৃষ্ঠ সর্বত্র সমান নয়। এর আকৃতি, প্রকৃতি এবং গঠনগত বেশ কিছু পার্থক্য আছে।
- ভূমির এই আকৃতি ও গঠনগত বৈশিষ্ট্যকেই ভূমিরূপ বলে।
- ভূপৃষ্ঠের কোথাও রয়েছে উঁচু পর্বত, কোথাও সমতল, কোথাও পাহাড় এবং কোথাও মালভূমি।
- এছাড়া বিভিন্ন স্থানের উচ্চতা, বন্ধুরতা এবং ঢালের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।
- ভৌগোলিক দিক দিয়ে বিচার করলে পৃথিবীর সমগ্র ভূমিরূপকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
(১) পর্বত,
(২) মালভূমি ও
(৩) সমভূমি।

পর্বত (Mountains):
- সমুদ্রতল থেকে অন্তত ১,০০০ মিটারের বেশি উঁচু সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।
- সাধারণত ৬০০ থেকে ১,০০০ মিটার উঁচু স্বল্প বিস্তৃত শিলাস্তূপকে পাহাড় বলে।

মালভূমি (Plateaus):
পর্বত থেকে নিচু কিন্তু সমভূমি থেকে উঁচু খাড়া ঢালযুক্ত ঢেউ খেলানো বিস্তীর্ণ সমতলভূমিকে মালভূমি বলে।

সমভূমি (Plains):
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অল্প উঁচু মৃদু ঢালবিশিষ্ট সুবিস্তৃত ভূমিকে সমভূমি বলে।
- বিভিন্ন ভূপ্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যেমন- নদী, হিমবাহ ও বায়ুর ক্ষয় ও সঞ্চয়ক্রিয়ার ফলে সমভূমির সৃষ্টি হয়।

তথ্যসূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৮২১.
খুলনা হার্ডবোর্ড মিলে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় কোন ধরনের কাঠ?
  1. ক) চাপালিশ
  2. খ) কেওয়া
  3. গ) গেওয়া
  4. ঘ) সুন্দরী
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুন্দরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুন্দরী
ব্যাখ্যা
খুলনা হার্ডবোর্ড মিল দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা।
এটি ১৯৬৫ সালে খুলনা জেলার খালিশপুরে কানাডীয় সরকারি সাহায্য সংস্থার সহায়তায় স্থাপিত হয়।
এটিতে কাঁচামাল হিসেবে ‍সুন্দরবনের সুন্দরী কাঠ ব্যবহৃত হয়।

(সূত্র: বিসিআইসি ওয়েবসাইট)
৮২২.
নিম্নে উল্লেখিত ভূমিরূপসমূহের মধ্যে কোনটি হিমবাহের ক্ষয় কার্যের দ্বারা গঠিত?
  1. ক) পার্শ্ব গ্রাবরেখা
  2. খ) শৈলশিলা
  3. গ) ভি-আকৃতির উপত্যকা
  4. ঘ) ইউ-আকৃতির উপত্যকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউ-আকৃতির উপত্যকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউ-আকৃতির উপত্যকা
ব্যাখ্যা

হিমবাহের ক্ষয় সাধনের ফলে অনেক নতুন নতুন ভূমির সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন প্রকার হিমবাহের
বিভিন্ন ধরনের ক্ষয় সাধনের ফলে নিম্নোক্ত ক্ষয়জাত ভূমিরূপের সৃস্টি করে :
১) হৈমবাহিক উপত্যকা (ইউক আকৃতির উপত্যকা - Glaciated Valley)
২) ঝুৃলন্ত উপত্যকা
৩) সার্ক বা কোরি
৪) এরিটি ও পিরামিডীয় শৃঙ্গ
৫) নুনাট্যাক
৬) রসে মতানো
৭) হিমসিড়ি ও প্যাটার্নস্টার হ্রদ
৮) শৈলময় পর্বত ও অনিয়মিত প্রস্তরখন্ড
৯) ক্রিভাসেস
১০) ঢিবি ও পুচ্ছ
১১) দানবীর সিঁড়ি
১২) ফিয়র্ড
১৩) কর্তিত স্পার
সুত্রঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পাঠ্যবই।

৮২৩.
বাংলাদেশের কোথায় লোহা খনির সন্ধান পাওয়া গেছে?
  1. নওগাঁ
  2. দিনাজপুর
  3. জামালপুর
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
- দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার ইসবপুর গ্রামে দেশের প্রথম লোহা খনি আবিষ্কার করেছে ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি)।
- ১৮ জুন ২০১৯ এই খনি আবিষ্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়। এখানে উন্নত মানের ম্যাগনেটাইট রয়েছে বলে জিএসবি জানায়।
(তথ্যসূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, ১৮ জুন ২০১৯)
৮২৪.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চল বিখ্যাত মণিপুরী নাচের জন্য খ্যাত?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) রংপুর
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) বরিশাল
সঠিক উত্তর:
ক) সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সিলেট
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল মণিপুরী নাচের জন্যে বিখ্যাত।
- সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলায় বসবাসকারী মণিপুরী সম্প্রদায় সংস্কৃতির দিক থেকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ এবং ঐতিহ্যবাহী।
- তাদের সংস্কৃতির সবচেয়ে উজ্জ্বলতম দিক হলো মণিপুরী নৃত্য যা বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।
- আঠারো শতকের শেষের দিকে মণিপুরীরা ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন করে।

তথ্যসূত্র:- মৌলভীবাজার জেলা সরকারি ওয়েবসাইট।
৮২৫.
বাংলাদেশের কোন জেলায় প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়?
  1. হবিগঞ্জ
  2. সিলেট
  3. সুনামগঞ্জ
  4. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক গ্যাস বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ। ১৯৫৫ সালে বার্মা ওয়েল কোম্পানি এদেশে সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। ১৯৫৭ সালে এই ক্ষেত্র থেকে গ্যাসের উৎপাদন শুরু হয়।
বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ২৮টি গ্যাস ক্ষেত্র রয়েছে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী এবং পেট্রোবাংলা)
৮২৬.
'তাকলামাকান মরুভূমি' অবস্থিত -
  1. ক) চীনে
  2. খ) পাকিস্তানে
  3. গ) ভারতে
  4. ঘ) মঙ্গোলিয়ায়
সঠিক উত্তর:
ক) চীনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চীনে
ব্যাখ্যা
• তাকলামাকান মরুভূমি মধ্য এশিয়ার অন্তর্গত চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে অবস্থিত এবং বিশ্বের বৃহত্তম বালুকাময় মরুভূমিগুলির মধ্যে অন্যতম।
• বিখ্যাত কিছু মরুভূমির অবস্থান - 
- থর মরুভূমি : ভারত ও পাকিস্তান।
- গোবি মরুভূমি : চীন ও মঙ্গোলিয়া
- মোজাবে মরুভূমি : যুক্তরাষ্ট্র
- সাহারা মরুভূমি : আফ্রিকা

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৮২৭.
জুম চাষ হয় কোন অঞ্চলে?
  1. ক) সমতল অঞ্চলে
  2. খ) পাহাড়ি অঞ্চলে
  3. গ) উপকূলীয় অঞ্চলে
  4. ঘ) হাওর অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
খ) পাহাড়ি অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাহাড়ি অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
• জুমচাষ (Jhum)  বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে সর্বাধিক প্রচলিত চাষাবাদ পদ্ধতি।
- এর প্রকৃত অর্থ হলো স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে চাষাবাদ করা।
- এ ধরনের চাষাবাদে শুষ্ক মৌসুমে বনভূমি কেটে বা পুড়িয়ে স্বল্পসময়ের জন্য (১-৩ বছর) ফসল চাষাবাদের পর প্রাকৃতিক বনভূমির পুনর্জন্ম ও মৃত্তিকার উর্বরতার ক্ষয়পূরণের জন্য দীর্ঘসময় (১০-৪০ বছর) পতিত রাখা হয়।
- জুম বা স্থানান্তর চাষাবাদ সাধারণভাবে ‘সুইডেন চাষাবাদ’ বা জঙ্গল পরিষ্কার ও পোড়ানো চাষাবাদ হিসেবে পরিচিত।
- এ ধরনের প্রাচীন চাষাবাদ অধিকাংশ উপজাতীয় অধিবাসীদের অতি পরিচিত।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া
৮২৮.
‘নিকলী হাওর’ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সুনামগঞ্জ
  2. হবিগঞ্জ
  3. কিশোরগঞ্জ
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
কিশোরগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মোট ৩৭৩টি হাওর রয়েছে। এর মধ্যে সিলেটে সর্বাধিক ১০৫টি, কিশোরগঞ্জে ৯৭টি এবং সুনামগঞ্জে ৯৫টি হাওর রয়েছে।
এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় হাওর হলো হাকালুকি হাওর। এটি সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলা জুড়ে বিস্তৃত। এর আয়তন ২১,৫০০ হেক্টর৷
অন্যদিকে,
- সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত টাঙ্গুয়ার হাওরের আয়তন ১১,৭০০ হেক্টর।
- নিকলী হাওর - কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী উপজেলায় অবস্থিত।
সূত্রঃ বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৮২৯.
নিচের কোনটি সত্য নয়?
  1. ক) ইরাবতী মায়ানমারের একটি নদী
  2. খ) গােবী মরুভূমি ভারতে অবস্থিত
  3. গ) থর মরুভূমি ভারতের পশ্চিমাংশে অবস্থিত
  4. ঘ) সাজেক ভ্যালি বাংলাদেশে অবস্থিত
সঠিক উত্তর:
খ) গােবী মরুভূমি ভারতে অবস্থিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গােবী মরুভূমি ভারতে অবস্থিত
ব্যাখ্যা

গোবী মরুভূমি (Gobi Desert) মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত একটি বিশাল মরুভূমি।
- মরুভূমিটির অবস্থান মঙ্গোলিয়া ও চীন - দুই দেশে বিস্তৃত।
- মরুভূমিটি আনুমানিক ১৩ লক্ষ বর্গকিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট।

উৎসঃ ব্রিটানিকা ডটকম।

এছাড়া,
- ইরাবতী মায়ানমারের একটি নদী
- থর মরুভূমি ভারতের পশ্চিমাংশে অবস্থিত
- সাজেক ভ্যালি বাংলাদেশে অবস্থিত
উপরে প্রদত্ত তথ্যগুলো সঠিক।

৮৩০.
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত চুক্তি কার্যকরের ফলে বাংলাদেশের আয়তন বৃদ্ধি পেয়েছে-
  1. ক) ৯৭০০ একর
  2. খ) ১০০৪১ একর
  3. গ) ১৩০০০ একর
  4. ঘ) ১৭১১০ একর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০০৪১ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০০৪১ একর
ব্যাখ্যা
২০১৫ সালের ১ আগস্ট ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের ফলে উভয় দেশের অভ্যন্তরে থাকা ছিটমহলগুলো সংশ্লিষ্ট দেশের অন্তর্ভুক্ত হয়। এতে বাংলাদেশের ভেতরে থাকা ভারতের ১৭১৬০ একর জমি বাংলাদেশের সাথে যুক্ত হয় এবং ভারতের ভেতরে থাকা বাংলাদেশের ৭১১০ একর জমি ভারতের সাথে যুক্ত হয়। যার ফলে সার্বিকভাবে বাংলাদেশের ভূখন্ডে বাড়তি ১০০৪১.২৫ একর জমি যুক্ত হয়। (সূত্রঃ বিবিসি বাংলা, ৩১ জুলাই ২০১৫)
৮৩১.
একক বন হিসেবে বাংলাদেশের বৃহত্তম বন কোনটি?
  1. শালবন
  2. সামাজিক বন
  3. সুন্দরবন
  4. গ্রামীন বন
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন হলো বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশস্ত বনভূমি। 
- প্রায় ১০,০০০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের পৃথিবীর বৃহত্তম নিরবিচ্ছিন্ন জোয়ারধৌত ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন। 
- একক হিসেবে বাংলাদেশের বৃহত্তম ব ন সুন্দরবন।
- সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলা এবং ভারতের পশ্চিম বঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগণা জেলায় অবস্থিত।
- সমগ্র সুন্দরবনের প্রায় ৬,০১৭ বর্গকিলোমিটার বাংলাদেশে স্থিত।
- সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ বনভূমির মৃত্তিকা ও বাস্তুসংস্থান অনন্য।
- এবং এ বনভূমিতে জোয়ারভাটার কারণে জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততার প্রভাব সুস্পষ্ট। 
- ১৯০৩ সালে মি. প্রেইন সুন্দরবনের গাছপালার উপর লিখিত তাঁর গ্রন্থে ৩৩৪টি উদ্ভিদ প্রজাতি লিপিবদ্ধ করেছেন।
- ১৯৯৬ সালে সুন্দরবনে তিনটি অভয়ারণ্য ও ২০১২ সালে তিনটি ডলফিন অভয়ারণ্য প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
- এবং ২০১৪ সালে সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড কে মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- ১৯৯২ সালে সুন্দরবন ৫৬০তম রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- ইউনেস্কো ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনের ১,৩৯,৭০০ হেক্টর বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এলাকাকে ৭৯৮তম বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৩২.
কোন মালভূমির সাথে পর্বতের কোনো সংযোগ থাকে না?
  1. ক) মহাদেশীয় মালভূমি
  2. খ) ক্ষয়জাত সমভূমি
  3. গ) সঞ্চয়জাত সমভূমি
  4. ঘ) পাদদেশীয় মালভূমি
সঠিক উত্তর:
ক) মহাদেশীয় মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মহাদেশীয় মালভূমি
ব্যাখ্যা
মহাদেশীয় মালভূমি : সাগর বা নিম্নভূমি পরিবেষ্টিত বিস্তীর্ণ উচ্চভূমিকে মহাদেশীয় মালভূমি বলে। এ ধরনের মালভূমির সঙ্গে পর্বতের কোনাে সংযােগ থাকে না। স্পেন, অস্ট্রেলিয়া, সৌদি আরব, গ্রিনল্যান্ড, এন্টার্কটিকা এবং ভারতীয় উপদ্বীপ এর অন্যতম উদাহরণ। (রেফারেন্স- ভূগােল ও পরিবেশ-৯ম-১০ম শ্রেণি)
৮৩৩.
তামাবিল স্থল বন্দরের অপর প্রান্তে ভারতের কোন স্থান অবস্থিত?
  1. ক) ডাউকি
  2. খ) পেট্রোপোল
  3. গ) গোয়াহাটি
  4. ঘ) সিকিম
সঠিক উত্তর:
ক) ডাউকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডাউকি
ব্যাখ্যা
• সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলাধীন সীমামত্মবর্তী এলাকা তামাবিল।
• তামাবিল স্থল শুল্ক বন্দর দিয়েই ভারত থেকে কয়লা আমদানী করা হয়।
• তামাবিলের অপর প্রান্তে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকী বাজার।
৮৩৪.
আমাজন রেইনফরেস্ট কয়টি দেশ জুড়ে বিস্তৃত?
  1. ৬টি 
  2. ৮টি 
  3. ৯টি 
  4. ১১টি 
সঠিক উত্তর:
৯টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি 
ব্যাখ্যা

আমাজন রেইনফরেস্ট:
- আমাজন রেইনফরেস্ট হলো দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম ক্রান্তীয় বা নিরক্ষীয় রেইনফরেস্ট যা প্রায় ৭ মিলিয়ন বর্গ কি.মি. এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এবং আমাজন নদী অববাহিকার অধিকাংশ অংশ ধারণ করে।
- এটি মূলত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘনবর্ধন বনাঞ্চল।
- একে প্রায়শই "পৃথিবীর ফুসফুস" বলা হয়। 
- এটি বিশ্বের মোট জীববৈচিত্র্যের এক-তৃতীয়াংশের আবাসস্থল
- আমাজন রেইনফরেস্টে পাওয়া গেছে ১৬,০০০ প্রজাতি এবং ৩৯০ বিলিয়ন বিভিন্ন রকমের গাছ যারা প্রায় ৫৫ মিলিয়ন বছর ধরে টিকে রয়েছে।
- আমাজন বন পৃথিবীর অক্সিজেনের একটি বড় অংশ সরবরাহ করে এবং বিপুল পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উল্লেখ্য,
- আমাজন বন ৯টি দেশ জুড়ে বিস্তৃত।
- দেশগুলো হলো: ব্রাজিল, ইকুয়েডর, ভেনিজুয়েলা, সুরিনাম, পেরু, কলম্বিয়া, বলিভিয়া, গায়ানা এবং ফ্রেঞ্চ গায়ানা।
- এর মধ্যে আমাজন বনের ৬৪% রয়েছে ব্রাজিলে।

উৎস: World Atlas.

৮৩৫.
'বাইক্কা বিল' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কুলাউড়া
  2. খ) শ্রীমঙ্গল
  3. গ) কমলগঞ্জ
  4. ঘ) বড়লেখা
সঠিক উত্তর:
খ) শ্রীমঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শ্রীমঙ্গল
ব্যাখ্যা
- শ্রীমঙ্গলে অবস্থতি বাইক্কা বিল হাইল হাওরের প্রাণ।
- সেখানে গড়ে তোলা হয়েছে পাখি ও মাছের অভয়াশ্রম। এক সময় শুধু শীত কালে এখানে অতিথি পাখি আসতো কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে বাইক্কা বিল পাখির স্থায়ী অভয়াশ্রমে পরিনত হয়েছে। বার মাসই সেখানে পাখি দেখা য়ায়। শুধু পাখি নয় এখানে রয়েছে বড় বড় দেশীয় প্রজাতির মাছ তাও সম্ভব হয়েছে এখানে মাছের স্থায়ী আভয়াশ্রম গড়ে তোলায়।
- সেখানে পাখি দেখার জন্য নির্মিত হয়েছে একটি র্পযটন টাওয়ার।
-  এটি বর্তমানে বাংলাদেশের একমাত্র পর্যটন টাওয়ার। এ টাওয়ারটি নির্মান করা হয়েছে শুধু মাত্র পাখি দেখার জন্য। টাওয়ারটি ৩তলা বিশিষ্ট। প্রত্যেক তলাতেই রয়েছে ১টি করে শক্তিশালী বাইনোকোলার।

তথ্যসূত্র:- মৌলভীবাজার জেলা ওয়েবসাইট।
৮৩৬.
'গাবখান চ্যানেল' অবস্থিত -
  1. পটুয়াখালীতে
  2. সুন্দরবনে
  3. ঝালকাঠিতে
  4. বঙ্গোপসাগরে
সঠিক উত্তর:
ঝালকাঠিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝালকাঠিতে
ব্যাখ্যা
- গাবখান চ্যানেল অবস্থিত ঝালকাঠি জেলায়।
- ঝালকাঠির সুগন্ধা-বিষখালী নদীর সাথে পিরােজপুরের সন্ধ্যা নদীর সংযােগ ঘটিয়েছে ১৬ কিমি দীর্ঘ এ গাবখান চ্যানেল।
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র কৃত্রিম নৌপথ যা ১৯১৮ সালে খনন করা হয়।

রাবনাবাদ চ্যানেল - পটুয়াখালীতে অবস্থিত।
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বা গঙ্গাগাত বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট ও বাংলাপিডিয়া।
৮৩৭.
পৃথিবীর বৃহত্তম বৃষ্টিপ্রধান অঞ্চল নিম্নের কোনটি?
  1. চেরাপুঞ্জি-মাওসিনরাম
  2. কঙ্গোবন
  3. সাভানা
  4. আমাজন
সঠিক উত্তর:
আমাজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমাজন
ব্যাখ্যা

আমাজন:
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম বৃষ্টিপ্রধান অঞ্চল।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের ৯ টি দেশজুড়ে এর অবস্থান। 
- আমাজনের বেশিরভাগ অংশ রয়েছে - ব্রাজিলে (৬৪%)।
- আমাজন ব্রাজিল, ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা, সুরিনাম, পেরু, কলম্বিয়া, বলিভিয়া, গায়ানা এবং ফ্রেঞ্চ গায়ানা নামে নয়টি দেশে বিস্তৃত। 
- আমাজন নদী নীল নদের পরে বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী এবং দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম নদী।

সূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৮৩৮.
জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. নীলফামারী
  3. লালমনিরহাট
  4. জয়পুরহাট
সঠিক উত্তর:
জয়পুরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়পুরহাট
ব্যাখ্যা

• জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্র :
১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয়।
- এই কয়লােেক্ষত্রটির বিস্তৃতি ১১.৬৬ বর্গকিলোমিটার এবং কয়লা স্তরের গভীরতা ৬৪০ থেকে ১,১৫৮ মিটার।
 জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্রে সঞ্চিত কয়লার পরিমাণ ১০৫ কোটি ৩০ লক্ষ টন।

উল্লেখ্য,
- খালাসপীর কয়লাক্ষেত্র - রংপুর।
- বড় পুকুরিয়া কয়লাক্ষেত্র - দিনাজপুর।
- দিঘীপাড়া কয়লাক্ষেত্র -  দিনাজপুর।
- ফুলবাড়ী কয়লাক্ষেত্র - দিনাজপুর।

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৩৯.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে 'ধামাইল' লোকসঙ্গীতের প্রচলন রয়েছে?
  1. ক) রংপুর অঞ্চল
  2. খ) চাপাইনবাবগঞ্জ
  3. গ) সিলেটের হাওরাঞ্চল
  4. ঘ) চট্টগ্রাম অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
গ) সিলেটের হাওরাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিলেটের হাওরাঞ্চল
ব্যাখ্যা
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রচলিত লোকসঙ্গীত:
- ধামাইল : সিলেটের হাওরাঞ্চল
- ভাটিয়ালি : ঢাকা-ময়মনসিংহ অঞ্চল
- ভাওয়াইয়া : রংপুর অঞ্চল
- গম্ভীরা : চাপাইনবাবগঞ্জ
- জারি গান : ঢাকা-ময়মনসিংহ অঞ্চল
- ভান্ডারী গান : চট্টগ্রাম অঞ্চল।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
৮৪০.
কোনটি পৃথিবীর বৃহত্তম সমভূমি?
  1. মধ্য ইউরোপের সমভূমি
  2. হোয়াংহো সমভূমি
  3. টাইগ্রিস সমভূমি
  4. সিন্ধু সমভূমি
সঠিক উত্তর:
মধ্য ইউরোপের সমভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্য ইউরোপের সমভূমি
ব্যাখ্যা
সমভূমি:
- সমুদ্র সমতল থেকে প্রায় সম উচ্চতায় সুবিস্তৃত স্থলভাগকে সমভূমি বলা হয়।
- পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় অর্ধেক সমভূমি।
- সমভূমি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কয়েকশত ফুট পর্যন্ত উচ্চতায় অবস্থিত হতে পারে।
- সমভূমিতে মৃদু ঢাল বিশিষ্ট ভূমি, ছোট ছোট টিলা, পাহাড় এবং নদী উপত্যকার উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যায়।
- মানুষের আবাস এবং অর্থনৈতিক কামকান্ড সমভূমিতে সংঘটিত হয়।
- সমগ্র পৃথিবীর মধ্যে এশিয়া, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশে সমভূমির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- আফ্রিকা মহাদেশে সমভূমির পরিমাণ সবচেয়ে কম।
- ইউরেশিয়ার উত্তরাংশ জুড়ে পৃথিবীর বৃহত্তম সমভূমি অবস্থিত।

মধ্য ইউরোপের সমভূমি: 
- পৃথিবীর বৃহত্তম সমভূমি মধ্য ইউরোপের সমভূমি।
- ইউরাল পর্বত থেকে শুরু করে পিনেরীজ পর্বতমালা এবং দক্ষিণে আল্পস পর্বত থেকে উত্তরদিকে স্ক্যান্ডেনিভিয়া পর্যন্ত এই সমভূমি বিস্তৃত।
 
উৎস: Britannica ও ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৪১.
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি অনুসারে কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড়ের ভূপ্রকৃতি কোন ধরনের?
  1. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
  2. প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
  3. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়
  4. সমভূমির মাঝারি উচ্চতার টিলা
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
১। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
২। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ
৩। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি

⇒ প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব সোপান গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। 

⇒ লালমাই পাহাড়: কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত।
 • এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা ২১ মিটার।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৮৪২.
বুড়িমারী স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. লালমনিরহাট
  3. নীলফামারী
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা

বুড়িমারী স্থলবন্দর:
- অবস্থান: পাটগ্রাম উপজেলা, লালমনিরহাট জেলা, বাংলাদেশ।
- সীমান্ত: ভারতের সঙ্গে সংযোগ (Changrabandha / বুড়িমারী ক্রসিং)।
- উদ্দেশ্য: পণ্য আমদানি-রপ্তানি, যাত্রী পারাপার।
- পরিচালনা: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ (BLPA)।
- আয়তন: প্রায় ১১.১৫ একর।
- যোগাযোগ: সড়ক ও রেলপথে ঢাকা ও দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে সংযোগ।
- গুরুত্ব: উত্তরের প্রধান স্থলবন্দর, বাণিজ্য ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ। 

৮৪৩.
কোন দেশটি ইউরোপের বাল্টিক অঞ্চলে অবস্থিত নয়?
  1. ক) ফিনল্যান্ড
  2. খ) পোল্যান্ড
  3. গ) অস্ট্রিয়া
  4. ঘ) সুইডেন
সঠিক উত্তর:
গ) অস্ট্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে বাল্টিক স্টেট বলা হয় নি; বাল্টিক অঞ্চল বলা হয়েছে।
- অস্ট্রিয়া বাল্টিক অঞ্চল/সাগর থেকে অনেক দূরে অবস্থিত।

বাল্টিক রাষ্ট্র ৩টি।
যথা-
- এস্তোনিয়া,
- লাটভিয়া,
- লিথুনিয়া।

এছাড়াও পোল্যান্ড, সুইডেন, ডেনমার্ক - প্রভৃতি রাষ্ট্রও বাল্টিক সাগরের নিকটে অবস্থিত।

উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৮৪৪.
বিশ্বের গভীরতম হ্রদ কোনটি? 
  1. সুপিরিয়র হ্রদ
  2. টাঙ্গানিকা হ্রদ 
  3. ভিক্টোরিয়া হ্রদ 
  4. বৈকাল হ্রদ 
সঠিক উত্তর:
বৈকাল হ্রদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈকাল হ্রদ 
ব্যাখ্যা

বৈকাল হ্রদ: 
- যা দক্ষিণ সাইবেরিয়ার বুরিয়াত প্রজাতন্ত্র ও ইরকুতস্ক ওব্লাস্ট-এর মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত।
- বিশ্বের গভীরতম হ্রদ বৈকাল হ্রদ।
- যা আয়তনের দিক থেকে নয় বরং পানির পরিমাণ বা আয়তন (volume) অনুসারে প্রথম।
- পৃথিবীর মোট ভূপৃষ্ঠের কমপক্ষে ২২% মিঠা পানি এই হ্রদে সংরক্ষিত।
- উত্তর আমেরিকার সমস্ত গ্রেট লেকসের পানির পরিমাণ একত্র করলেও তা লেক বৈকাল পূর্ণ করতে পারে - 
- বৈকাল হ্রদ সবচেয়ে গভীরতম হ্রদ।
- এটি বিশ্বের অন্যতম স্বচ্ছ (clearest) হ্রদ হিসেবেও পরিচিত।

অপরদিকে,
- ভিক্টোরিয়া হ্রদ পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশুদ্ধ পানির আধার।
- টাঙ্গানিকা হ্রদ এটি বিশ্বের দীর্ঘতম স্বাদু পানির হ্রদ।
- সুপিরিয়র হ্রদ উত্তর আমেরিকার সর্ববৃহৎ হ্রদ। 

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস। 

৮৪৫.
সেন্ট মার্টিন দ্বীপের আয়তন কত?
  1. ৮ বর্গ কি.মি.
  2. ১০ বর্গ কি.মি.
  3. ১২ বর্গ কি.মি.
  4. ১১ বর্গ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
৮ বর্গ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ বর্গ কি.মি.
ব্যাখ্যা
• সেন্টমার্টিন দ্বীপ: 
- সেন্ট মার্টিন্‌স দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং 
- মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। 
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে। 
- ৯২°১৮´ ও ৯২°২১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২০°৩৪´ ও ২০°৩৯´ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে দ্বীপটির অবস্থান। 

টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ১৭ বর্গ কিলোমিটার। 

 কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার ও উত্তর-দক্ষিণে লম্বা।

- সেন্টমার্টিন দ্বীপ সম্পর্কে সময় নিউজের রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ ৭.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার। 

দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সরকারি তথ্যে দ্বীপের আয়তন ১৩ বর্গকিলোমিটার উল্লেখ রয়েছে।
- তবে গবেষণায় বলা হয়েছে ৮ বর্গকিলোমিটার।

⇒ উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে,
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ৮ বর্গ কিলোমিটার।
- পরীক্ষায় যদি ৮ বর্গ কিলোমিটার না থাকে তখন ১৭ বর্গ কিলোমিটার বা ১৩ বর্গ কিলোমিটার উত্তর করবেন, অথবা অপশন বিবেচনায় উত্তর করবেন।

সূত্র: টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট,  কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট, সময় নিউজ ও দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্ট।
৮৪৬.
ব্যাসল্ট অঞ্চলের উপাদান প্রধানত কী দ্বারা গঠিত?
  1. লোহা ও তামা
  2. নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন
  3. সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম
  4. সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম
ব্যাখ্যা

ব্যাসল্ট অঞ্চল (Basalt Zone): 
- সমুদ্র তলদেশের ভূত্বক প্রধানত ব্যাসল্ট জাতীয় এবং মহাদেশীয় ভূত্বক ফেলসিক স্তরবিহীন।
- ব্যাসল্ট-এর প্রধান খনিজ উপাদানের নাম সিলিকন (Si) এবং ম্যাগনেসিয়াম (Mg) যা সাধারণভাবে সিমা (Sima) নামে পরিচিত।
- ধারণা করা হয় যে, এ ব্যাসল্ট স্তরই সারা পৃথিবী জুড়ে বহিরাবরণ হিসেবে মহাদেশের মেফিক স্তরের নিচে ও গভীর সমুদ্রের তলদেশে বিদ্যমান।
- ভূ-ত্বকের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটারে ৩০° সে. তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।

উৎস: ভুমিরূপবিদ্যা, বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৮৪৭.
'নাফ ট্যুরিজম পার্ক' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জালিয়ার দ্বীপ
  2. খ) মহেশখালী দ্বীপ
  3. গ) শাহপরীর দ্বীপ
  4. ঘ) সোনাদিয়া দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
ক) জালিয়ার দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জালিয়ার দ্বীপ
ব্যাখ্যা
- নাফ নদীর বাংলাদেশ অংশে টেকনাফ উপজেলার জালিয়ারদ্বীপ নামক স্থানে 'নাফ ট্যুরিজম পার্ক' অবস্থিত। 
- ২৭২ একর আয়তনের জালিয়ার দ্বীপে গড়ে উঠেছে  নাফ ট্যুরিজম পার্ক l 
- এই পর্যটন পার্কের তত্ত্বাবধানে রয়েছে অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) । 
 
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৮৪৮.
জলবায়ু ও মাটির গুণাগুণের তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে কয় শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়?
  1. দুই শ্রেণিতে
  2. তিন শ্রেণিতে
  3. চার শ্রেণিতে
  4. পাঁচ শ্রেণিতে
সঠিক উত্তর:
তিন শ্রেণিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন শ্রেণিতে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনাঞ্চল (Forest of Bangladesh):
বনভূমি থেকে যে সম্পদ উৎপাদিত হয় বা পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।
- কোনো দেশের পারস্পরিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- জলবায়ু ও মাটির গুণাগুণের তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিন শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়।

⇒ বাংলাদেশের বনভূমি:
১) ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
২) ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
৩) স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৮৪৯.
জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট কোন ধরনের পর্বতের উদাহরণ?
  1. ভঙ্গিল পর্বত
  2. আগ্নেয় পর্বত
  3. ল্যাকোলিথ পর্বত
  4. চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
সঠিক উত্তর:
চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
ব্যাখ্যা
চ্যুতি-স্তূপ পর্বত:
- ভূআলোড়নের সময় ভূপৃষ্ঠের শিলাস্তরে প্রসারণ এবং সংকোচনের সৃষ্টি হয়। 
- এই প্রসারণ এবং সংকোচনের জন্য ভূত্বকে ফাটলের সৃষ্টি হয়।
- কালক্রমে এ ফাটল বরাবর ভূত্বক ক্রমে স্থানচ্যুত হয়। ভূগোলের ভাষায় একে চ্যুতি বলে।
- ভূত্বকের এ স্থানচ্যুতি কোথাও উপরের দিকে হয়, আবার কোথাও নিচের দিকে হয়।
- চ্যুতির ফলে উঁচু হওয়া অংশকে স্তূপ পর্বত বলে। 
- ভারতের বিন্ধ্যা ও সাতপুরা পর্বত, জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট, পাকিস্তানের লবণ পর্বত  চ্যূতি-স্তূপ পর্বতের উদাহরণ।

উল্লেখ্য,
⇒ উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্য ও গঠনপ্রকৃতির ভিত্তিতে পর্বত প্রধানত চার প্রকার। যথা-
(ক) ভঙ্গিল পর্বত (Fold Mountains)
(খ) আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountains)
(গ) চ্যুতি-স্তূপ পর্বত (Fault-block Mountains)
(ঘ) ল্যাকোলিথ পর্বত (Dome/Laccolith Mountains)

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
৮৫০.
কোন গ্রহে এসিড বৃষ্টি হয়?
  1. মঙ্গল
  2. পৃথিবী
  3. শুক্র
  4. বুধ
সঠিক উত্তর:
শুক্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুক্র
ব্যাখ্যা
- শুক্র গ্রহে এসিড বৃষ্টি হয়। 

শুক্র গ্রহ:

- পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটতম গ্রহ শুক্র।
- শুক্র সূর্যের দ্বিতীয় নিকটতম।
- শুক্রের গড় তাপমাত্রা অন্যান্য সকল গ্রহ থেকে বেশি।

এছাড়াও, 
- পৃথিবী সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ।
- বুধ সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ। এতে কোন বায়ুমণ্ডল নেই।
- এর কোন কোন উপগ্রহ নেই।

উৎস: নাসা ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, BBC Earth.
৮৫১.
বাংলাদেশে পানীয় জলের জন্য অধিকাংশ মানুষ নির্ভর করে-
  1. ক) নদীর পানির উপর
  2. খ) নলকূপের পানির উপর
  3. গ) বৃষ্টির পানির উপর
  4. ঘ) পুকুরের পানির উপর
সঠিক উত্তর:
খ) নলকূপের পানির উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নলকূপের পানির উপর
ব্যাখ্যা
পানীয় জলের জন্য বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ নির্ভর করে অগভীর নলকূপের পানির উপর। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ১৯৯৩ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি আবিষ্কৃত হয়।
৮৫২.
জাতীয় বৃক্ষমেলার সূচনা হয় কত সালে?
  1. ১৯৯০ সালে 
  2. ১৯৯২ সাল
  3. ১৯৯৪ সালে 
  4. ১৯৯৫ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৯৪ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৪ সালে 
ব্যাখ্যা

• জাতীয় বৃক্ষমেলা: 
- জাতীয় পর্যায়ে বৃক্ষমেলার সূচনা হয় ১৯৯৪ সালে বন বিভাগের উদ্যোগে। 
- তবে এই সামাজিক আন্দোলনের বীজ বপন হয়েছিল আরও আগেই। 
- ১৯৯১ সালের ৫ জুন, বিশ্ব পরিবেশ দিবসে দেশের প্রতিটি নাগরিককে একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানানো হয়। 
- এরপর ১৩ আগস্ট গাজীপুরের শালনা গ্রামে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী একটি মেহগনি গাছ রোপণ করে ‘বৃক্ষরোপণ অভিযান ৯১’-এর আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। 
- ধীরে ধীরে এ কর্মসূচি পরিণত হয় একটি বৃহৎ জনসম্পৃক্ত সবুজ আন্দোলনে।

উল্লেখ্য, 
- ২০২৫ সালের জাতীয় বৃক্ষমেলার প্রতিপাদ্য ‘পরিকল্পিত বনায়ন করি, সবুজ বাংলাদেশ গড়ি’।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও বাংলান ট্রিবিউন। (Link1) (Link2) 

৮৫৩.
বলকান অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপ
  2. উত্তর ইউরোপ
  3. মধ্য এশিয়া
  4. উত্তর-পশ্চিম ইউরোপ
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপ
ব্যাখ্যা
- বলকান দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত। এটি একটি পার্বত্য ও উপদ্বীপ অঞ্চল।

বলকান রাষ্ট্র:
- বলকান হলো দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত একটি পার্বত্য অঞ্চল।
- বলকান পর্বতমালার পাদদেশ বা বলকান পেনিনসুলায় অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহ এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

এই অঞ্চলে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহ হলো:
- ক্রোয়েশিয়া,
- কসোভো,
- মন্টিনিগ্রো,
- বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা,
- রােমানিয়া,
- সার্বিয়া,
- উত্তর মেসিডোনিয়া,
- স্লোভেনিয়া,
- বুলগেরিয়া,
- আলবেনিয়া।

উল্লেখ্য,
- গ্রিস এবং তুরস্কের কিছু অংশও বলকান অঞ্চলে অবস্থিত।

সূত্র: ব্রিটানিকা
৮৫৪.
বাংলাদেশে উন্নতমানের কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে—
  1. ক) রাণীগঞ্জে
  2. খ) বিজয়পুরে
  3. গ) জামালগঞ্জে
  4. ঘ) জকিগঞ্জে
সঠিক উত্তর:
গ) জামালগঞ্জে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জামালগঞ্জে
ব্যাখ্যা
- দেশের সবচেয়ে বড় ও সবচেয়ে বেশি গভীরতার কয়লাখনি জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে অবস্থিত। 
- এক কিলোমিটার গভীরতায় এই খনির অবস্থান।
- এখানে কয়লার মজুত প্রায় ১০০ কোটি মেট্রিক টন।
 
উৎস : প্রথম আলো
৮৫৫.
Grand Canal is located in -
  1. ক) Russia
  2. খ) China
  3. গ) United States
  4. ঘ) Canada
সঠিক উত্তর:
খ) China
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) China
ব্যাখ্যা
- Beijing-Hangzhou Grand Canal, popularly known as the Grand Canal located in China.
- It is not only the world’s longest artificial river or canal, it is also a tourist destination.
- The canal starts at Beijing before passing through Tianjin and the Hebel, Shandong, Jiangsu, and Zhejiang provinces to the city of Hangzhou, connecting the Yangtze and Yellow Rivers.
- In 2014, the Grand Canal was listed as a World Heritage Site by UNESCO during the Conference on World Heritage.
- The Grand Canal’s total length is approximately 1,104 miles while its greatest height is at 138 feet at the summit of the Shandong Mountains. 

Source: Worldatlas.com
৮৫৬.
কোনটি সমষ্টিগত সম্পদের উদাহরণ?
  1. ক) বাড়িঘর
  2. খ) রেলপথ
  3. গ) ভূ-সম্পত্তি
  4. ঘ) আসবাবপত্র
সঠিক উত্তর:
খ) রেলপথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রেলপথ
ব্যাখ্যা

- সমষ্টিগত সম্পদ: যেসব সম্পদের মালিকানা সমাজ বা রাষ্ট্রের হাতে থাকে সেসব সম্পদকে সমষ্টিগত সম্পদ বলে।
- অর্থাৎ জনগণের ব্যবহৃত সম্পদ ও সরকারি সম্পদ একত্রে মিলে সমষ্টিগত সম্পদ সৃষ্টি হয়।
যেমন- রেলপথ, রাস্তাঘাট, হাসপাতাল, পার্ক, চিড়িয়াখানা ইত্যাদি।

- অপরদিকে, বাড়িঘর, ভূ-সম্পত্তি, আসবাবপত্র হলো ব্যাক্তিমালিকানাধীন সম্পদ৷

উৎসঃ অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৫৭.
বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন কত বর্গ কিলোমিটার?
  1. ৫,৮৯৬ বর্গ কিলোমিটার
  2. ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার
  3. ৬,১১২ বর্গ কিলোমিটার
  4. ৬,১২৮ বর্গ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি । এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়। ম্যানগ্রোভ বন হলো উপকূলীয় বন।
- এর অন্য নাম বাদাবন।

• সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা দেশের আয়তনের ৪.২%, সমগ্র বনভূমির প্রায় ৪৪% এবং বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির ৩৮.১২%, এর মধ্যে ৬৯% স্থলভাগ ও ৩১% জলভাগ।

উল্লেখ্য,
- সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি। সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা। তন্মধ্যে খুলনা জেলাস্থ সুন্দরবনের আয়তন ২০৭২.২৪ বর্গ কিলোমিটার।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

• ইউনেস্কো ৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনকে ৭৯৮তম 'World Heritage site' বা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

উৎস: i) বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৮৫৮.
বাংলাদেশের ২৭ তম গ্যাস ক্ষেত্র কোথায় আবিষ্কৃত হয়েছে?
  1. ক) ভোলায়
  2. খ) বড় পুকুরিয়া
  3. গ) বিয়ানীবাজারে
  4. ঘ) কুমিল্লায়
সঠিক উত্তর:
ক) ভোলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভোলায়
ব্যাখ্যা
ভোলার উত্তর প্রান্তে ভেদুরিয়া নামক স্থানে নতুন ক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয়েছে বাপেক্সেরই ত্রিমাত্রিক ভূকম্পন জরিপের (থ্রি-ডি সাইসমিক সার্ভে) তথ্যের ভিত্তিতে। এটি দেশে আবিষ্কৃত ২৭তম গ্যাসক্ষেত্র। ক্ষেত্রটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ভোলা নর্থ’।
উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো
৮৫৯.
বিশ্ব বিখ্যাত 'গ্রান্ড ট্রাঙ্ক' রোডটি বাংলাদেশের সোনারগাঁও থেকে শুরু হয়ে কোথায় শেষ হয়েছে?
  1. ক) যশোর
  2. খ) দিল্লী
  3. গ) আগ্রা
  4. ঘ) পাঞ্জাব
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাঞ্জাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাঞ্জাব
ব্যাখ্যা
গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড ষোল শতকে সুলতান শেরশাহ কর্তৃক নির্মিত বাংলার সোনারগাঁও থেকে পাঞ্জাব পর্যন্ত বিস্তৃত সুদীর্ঘ সড়ক। এ দীর্ঘ সড়ক পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রশাসনিক কাজে গতি সৃষ্টি করা। এছাড়া, প্রতিরক্ষার কৌশলগত দিক সামনে রেখে সমগ্র সাম্রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নিতবিধানও এর লক্ষ্য ছিল। উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৮৬০.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে রঞ্জন রশ্মি ও অতিবেগুনি রশ্মি পাওয়া যায়?  
  1. ট্রপোমণ্ডল
  2. তাপমণ্ডল
  3. স্ট্রাটোমণ্ডল
  4. আয়নমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
তাপমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপমণ্ডল
ব্যাখ্যা

তাপমণ্ডল
- তাপমণ্ডল হলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের একটি স্তর, যা মেসোবিরতির উপরে শুরু হয়ে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এখানে বায়ু অত্যন্ত হালকা এবং চাপ খুবই কম থাকে।
- এই স্তরে রঞ্জন রশ্মি ও অতিবেগুনি রশ্মি পাওয়া যায়।
- তাপমাত্রা উচ্চতার সাথে দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং প্রায় 1480∘ সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছায়।
- এই স্তরের নিম্ন অংশকে আয়নমণ্ডল বলা হয়।
- পৃথিবীর পৃষ্ঠে সূর্যের তাপের পরিমাণ অনুযায়ী নির্ধারিত পাঁচটি তাপীয় বলয় রয়েছে :
- উষ্ণমণ্ডল,
- উত্তর নাতিশীতোষ্ণ মণ্ডল,
- দক্ষিণ নাতিশীতোষ্ণ মণ্ডল,
- উত্তর হিমমণ্ডল,
- দক্ষিণ হিমমণ্ডল।

উৎস : ব্রিটানিকা।

৮৬১.
দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র -
  1. শাহবাজপুর
  2. ভোলা নর্থ
  3. ভোলা-১
  4. ইলিশা-১
সঠিক উত্তর:
ইলিশা-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলিশা-১
ব্যাখ্যা
২৯তম গ্যাসক্ষেত্র:
- ভোলার ইলিশা-১ কূপটি দেশের ২৯তম এবং সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র।
- এটি ভোলা জেলার তৃতীয় গ্যাসক্ষেত্র।
- সেখানকার অন্য দুটি হলো শাহবাজপুর ও ভোলা নর্থ গ্যাসক্ষেত্র।
- নতুন গ্যাসক্ষেত্রটিতে প্রায় ২০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুত রয়েছে।
- বাংলাদেশি মুদ্রায় এই গ্যাসের বাজারমূল্য ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- ধারণা করা হয় ২৬ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত এখান থেকে গ্যাস পাওয়ার যাবে।
- সম্প্রতি রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গাজপ্রম বাপেক্সের হয়ে কূপটি খনন করে।

উৎস: ২১মে ২০২৩, প্রথম আলো।
৮৬২.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক পাহাড়ি বনাঞ্চল কোনটি?
  1. লাউয়াছড়া
  2. মধুপুর গড়
  3. রেমা–কালেঙ্গা
  4. রাতারগুল
সঠিক উত্তর:
রেমা–কালেঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেমা–কালেঙ্গা
ব্যাখ্যা

রেমা–কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক পাহাড়ি বনাঞ্চল রেমা-কালেঙ্গা।
- এটি সুন্দরবনের পরে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রাকৃতিক বন।


- রেমা–কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বণ্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এবং জীব ও উদ্ভিদবৈচিত্র্যে দেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ বনাঞ্চল।
- এটি মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার খুব কাছে এবং ভারতের ত্রিপুরা সীমান্ত সংলগ্ন।

• রেমা–কালেঙ্গা অভয়ারণ্য ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে এটির আরো সম্প্রসারণ করা হয়।
- বনবিভাগের কালেঙ্গা রেঞ্জের চারটি বিটের (কালেঙ্গা, রেমা, ছনবাড়ী আর রশিদপুর) মধ্যে রেমা, কালেঙ্গা আর ছনবাড়ী বিস্তীর্ণ জঙ্গল নিয়ে রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য গঠিত।
- বর্তমানে এই বনে ৩৭ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ১৬৭ প্রজাতির পাখি, ৭ প্রজাতির উভচর, ১৮ প্রজাতির সরীসৃপ ও ৬৩৮ প্রজাতির গাছপালা-লতাগুল্ম পাওয়া যায়।
- রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়াশ্রমে আছে ৩৭ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, সাত প্রজাতির উভচর, ১৮ প্রজাতির সরীসৃপ, ১৬৭ প্রজাতির পাখি। এছাড়া ৬৩৮ প্রজাতির গাছপালা ও লতাগুল্মও আছে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

৮৬৩.
১৮৭৪ সালে ঢাকা শহরে পানি সরবরাহ করার জন্য প্রথম পানি সরবরাহ কার্যক্রম স্থাপিত হয়-
  1. ক) সদরঘাটে
  2. খ) চাঁদনীঘাটে
  3. গ) পোস্তাগোলায়
  4. ঘ) শ্যামবাজারে
সঠিক উত্তর:
খ) চাঁদনীঘাটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চাঁদনীঘাটে
ব্যাখ্যা
১৮৭৪ সালে ঢাকা শহরে পানি সরবরাহ হয় চাঁদনীঘাট প্রকল্পের মাধ্যমে।
- চাঁদনীঘাটের এই প্রকল্পটি ছিলো ঢাকায় পানি সরবরাহের প্রথম প্রকল্প।
- ঢাকায় পানি সরবরাহের দ্বিতীয় প্রকল্প স্থাপিত হয় সায়েদাবাদে।

উৎস: পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা - বাংলাপিডিয়া ও যুগান্তর রিপোর্ট।
৮৬৪.
শিকস্তি-পয়স্তি কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) নদী অববাহিকার উৎসব
  2. খ) ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কিত
  3. গ) নদী তীরবর্তী ভূমির ভাঙা গড়া
  4. ঘ) নদী ভরাটে চর জাগা
সঠিক উত্তর:
গ) নদী তীরবর্তী ভূমির ভাঙা গড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নদী তীরবর্তী ভূমির ভাঙা গড়া
ব্যাখ্যা
- নদীখাতে পানি প্রবাহের কারণে পার্শ্ব ক্ষয়কে নদী ভাঙ্গন বলে।
- নদী ভাঙ্গনের শিকার হয় পলিমাটি গঠিত সমভূমি অধ্যুষিত অঞ্চলসমূহ।
- নদীর তরঙ্গাঘাতে তীরের যে জমি নষ্ট হয় তাঁকে নদী শিকস্তি বলে।
- নদীতে ভেঙে যাওয়া জমির স্থানে নতুন চর জাগা বা পুনর্গঠনকে নদী পয়স্তি বলে।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৬৫.
বাংলাদেশের কোন জেলায় প্লাইস্টোসিন চত্বরভূমি রয়েছে?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) জয়পুরহাট
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ : আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে। এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর। দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত। প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। নিম্নে এসব উচ্চভূমি বর্ণনা করা হলো:

বরেন্দ্রভূমি : বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার। এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি। বর্তমানে বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্প এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ অঞ্চলটিকে কৃষিকাজের জন্য বিশেষ উপযোগী করা হয়েছে।

মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় : টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত। এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি। সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার এবং আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার। এখানকার মৃত্তিকা কৃষিকাজের জন্য তেমন উপযোগী নয়। এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসাব পরিচিত।

লালমাই পাহাড় : কুমিল্লা  শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত। এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা ২১ মিটার। এ পাহাড়ের মাটি লাল এবং নুড়ি, বালি ইত্যাদি দ্বারা গঠিত।

সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৬৬.
ঐতিহাসিক 'পানাম নগর' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সোনারগাঁও এ
  2. খ) ময়নামতিতে
  3. গ) মহাস্থানগড়ে
  4. ঘ) বৌদ্ধ বিহারে
সঠিক উত্তর:
ক) সোনারগাঁও এ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সোনারগাঁও এ
ব্যাখ্যা
পানাম নগর পৃথিবীর ১০০টি ধ্বংসপ্রায় ঐতিহাসিক শহরের একটি। যা নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও এ অবস্থিত।
উৎসঃএকুশে টিভি
৮৬৭.
’স্টবাক জলপ্রপাত’ কোথায় অবস্থিত?
  1. কানাডা 
  2. অস্ট্রিয়া
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. জাম্বিয়া 
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

স্টবাক জলপ্রপাত:
- স্টবাক জলপ্রপাত সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত।
- ইউরোপীয় মহাদেশে অবস্থিত এই জলপ্রপাতের উচ্চতা প্রায় ৩০০ ফুট।
- এটি সুইজারল্যান্ডের তৃতীয় সর্বোচ্চ জলপ্রপাত।
- গ্রীষ্মে উষ্ণ বাতাস চারদিকে জল ঘোরা করে, যাতে জলপ্রপাতগুলি সমস্ত দিকে ছড়িয়ে পড়ে।

অন্যদিকে,
- ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত জাম্বিয়া/জিম্বাবুয়ে অবস্থিত।
- 'গুয়ারিয়া' জলপ্রপাত ব্রাজিলে অবস্থিত।
- এঞ্জেল জলপ্রপাত ভেনিজুয়েলায় অবস্থিত।
- নায়াগ্রা জলপ্রপাত যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় অবস্থিত।
- স্ট্যানলি ও লিভিংস্টোন জলপ্রপাত কঙ্গোতে অবস্থিত।
- ইগুয়াজু জলপ্রপাত ব্রাজিল/আর্জেন্টিনা অবস্থিত।

উৎস: Britannica.

৮৬৮.
আমাজন বেসিনের ক্রান্তীয় অতিবৃষ্টি বনাঞ্চল (Tropical Rainforest) কী নামে পরিচিত?
  1. Pampas
  2. Selvas
  3. Prairies
  4. Savanna
সঠিক উত্তর:
Selvas
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Selvas
ব্যাখ্যা
- আমাজন বেসিনের ক্রান্তীয় অতিবৃষ্টি বনাঞ্চল স্থানীয়দের কাছে "Selvas" নামে পরিচিত।

আমাজন নদী:

- পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী আমাজন নদী।
- আমাজন নদীর দৈর্ঘ্য - ৬৪০০ কি.মি।
- এটি দক্ষিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় নদী।
- আমাজন নদী ৯টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নদীটি দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর অংশে অবস্থিত, পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
- এই নদীটি পেরুর আন্দিজ পর্বতমালায় উৎপন্ন হয় এবং আটলান্টিক মহাসাগরে যুক্ত হয়েছে।
- আমাজনের মূল স্রোতের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ব্রাজিলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

সূত্র: ব্রিটানিকা & Center for International Earth Science Information Network.
৮৬৯.
সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে কোন কোম্পানি?
  1. শেল অয়েল কোম্পানি
  2. বার্মা অয়েল কোম্পানি
  3. টার্নার মরিসন অ্যান্ড কোম্পানি
  4. হোয়াইট হল পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
বার্মা অয়েল কোম্পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্মা অয়েল কোম্পানি
ব্যাখ্যা
সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র: 
-  বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ১৯৫৫ সালে বার্মা অয়েল কোম্পানি এদেশে সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে।
- ১৯৫৭ সাল থেকে গ্যাসের উৎপাদন শুরু হয়।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯ টি।
- বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ সম্পদের মধ্যে কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, গন্ধক, খনিজ তেল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য, 
-সম্প্রতি সিলেটের হরিপুরে পুরোনো গ্যাসকূপ (সিলেট-৭) সংস্কার করতে গিয়ে নতুন করে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে।
-এ কূপ থেকে প্রতিদিন অন্তত ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী এবং পেট্রোবাংলা, প্রথম আলো।
৮৭০.
শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. সিলেট
  3. মৌলভীবাজার
  4. হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
- শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চল মৌলভীবাজার জেলার শেরপুরে অবস্থিত।
- ২০১৬ সালে শ্রীহ্ট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- এর মোট আয়তন ৩৫২ একর।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) সারাদেশে ৯৭টি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের অনুমোদন পেয়েছে।
- এর মধ্যে ৬৮টি সরকারি এবং ২৯টি বেসরকারি।

(তথ্যসূত্র: বেজা ওয়েবসাইট)
৮৭১.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে বাতাসের ঊর্ধ্ব বা নিম্ন গতি নেই, তবে সমান্তরাল গতি দেখা যায়?
  1. ট্রপোমন্ডল
  2. এক্সোমন্ডল
  3. মেসোমন্ডল
  4. স্ট্রাটোমন্ডল
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোমন্ডল
ব্যাখ্যা

স্ট্রাটোমন্ডল: 
- বায়ুমন্ডলের দ্বিতীয় স্তরটি হলো স্ট্রাটোমন্ডল।
- যা ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এ স্তরের শেষ সীমা স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause)।
- এ স্তরে ২০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না। এ
- রপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে এবং পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকে।
- স্ট্রাটোবিরতিতে তাপমাত্রা ০ সেলসিয়াস বা এর কাছাকাছি হয়।
- এ স্তরে বায়ুর ঘনত্ব ও চাপ উভয়ই কম।
- স্ট্রাটোমন্ডলে জলীয়বাষ্প ও ধূলিকণার পরিমাণ খুব নগন্য এবং প্রায় মেঘশূন্য থাকে।
- এই স্তরে বাতাস অত্যন্ত হালকা। বাতাসের ঊর্ধ্ব বা নিম্ন গতি নেই, তবে সমান্তরাল গতি দেখা যায়।
- স্ট্রাটোমন্ডলে ঝড়-বৃষ্টি থাকে না বলে এ স্তরের মধ্য দিয়েই সাধারণত বিমান চলাচল করে থাকে।
- স্ট্রাটোমন্ডলের উপরের দিকে ওজোন (ozone) গ্যাসের স্তর রয়েছে যা ওজোন মন্ডল বা Ozonesphere নামে পরিচিত। 
- এ স্তরটির গভীরতা ১২-১৬ কিলোমিটার।
- ওজোন স্তর সূর্যরশ্মির অতি বেগুনি রশ্মি (Ultral Violet Rays) শোষণ করে। 
- জীবজগতের জন্য সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি খুবই ক্ষতিকর।
- তবে এটি ওজোন স্তর ভেদ করে পৃথিবীতে পৌঁছাতে পারে না।
- এ স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ করায় তাপমাত্রা (প্রায় ৭৬ সেলসিয়াস) অনেক বেশি।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৭২.
'মহেশখালী দ্বীপ' কোন ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চলের অন্তর্গত?
  1. প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
  2. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
  3. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং
খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- মহেশখালী কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র পার্বত্য দ্বীপ।
- মহেশখালী দ্বীপে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় রয়েছে।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।

উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত। এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

তথ্যসূত্র:
i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৭৩.
আঙ্গরপোতা ছিটমহল বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) বাগেরহাট
  2. খ) লালমনিরহাট
  3. গ) নীলফামারী
  4. ঘ) খুলনা
সঠিক উত্তর:
খ) লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
লালমনিরহাট জেলার বৃহত্তম ছিটমহল দুটি হচ্ছে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা। তিন বিঘা করিডরের মাধ্যমে এই দুই ছিটমহলকে মূল ভূখন্ডের সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৮৭৪.
নিচের কোনটি রূপান্তরিত শিলা নয়?
  1. কোয়ার্টজাইট
  2. নিস
  3. গ্রাফাইট
  4. চুনাপাথর
সঠিক উত্তর:
চুনাপাথর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুনাপাথর
ব্যাখ্যা
• রূপান্তরিত শিলা:
- অনেক সময় প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- পূর্বের রূপ ও অবস্থার পরিবর্তন হয় বলে একে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ।
- যেমন- চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট, গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে, কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।
- রূপান্তরিত শিলা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি আগ্নেয় শিলার সাথে একত্রে ভূ-ভাগের শতকরা প্রায় ৮৫ ভাগ গঠন করেছে।
- ভূ-ত্বাত্তিক সময় ব্যাপী মহাদেশের যে সঞ্চারণ এবং উত্থান-পতন হয়েছে এ শিলা থেকে তা জানা যায়।
- এ শিলা সূদুর অতীতকালের প্লেট সঞ্চারণের সাক্ষ্য বহন করে।
- রূপান্তরিত শিলা মার্বেল পাথর, শ্লেট, গার্নেট ইত্যাদির মত মূল্যবান খনিজ সম্পদ ধারণ করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এইস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭৫.
বাংলাদেশের সুন্দরবনে কতো প্রজাতির হরিণ দেখা যায়?
  1. ক) ১
  2. খ) ২
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৪
সঠিক উত্তর:
খ) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২
ব্যাখ্যা
সুন্দরবনের উল্লেখযোগ্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর মধ্যে রয়েছে চিত্রা হরিণ এবং মায়া হরিণ।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৮৭৬.
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান কোন ধরনের বনভূমি?
  1. ম্যানগ্রোভ বন
  2. শুষ্ক কাঁটাযুক্ত বন
  3. চিরহরিৎ বন
  4. পত্রপতশীল জাতীয়
সঠিক উত্তর:
চিরহরিৎ বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিরহরিৎ বন
ব্যাখ্যা
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান: 
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশে অবশিষ্ট চিরহরিৎ বনের একটি উল্লেখযোগ্য নমুনা।
- এটি একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
- বাংলাদেশের ৭টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও ১০টি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে এটি অন্যতম।
- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত ১২৫০ হেক্টর আয়তনের বন জীববৈচিত্র্যে ভরপুর।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে এই বনকে 'জাতীয় উদ্যান' হিসেবে ঘোষণা করে।
-  বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত।
- উল্লূক ছাড়াও এখানে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির দুর্লভ জীবজন্তু, কীটপতঙ্গ এবং উদ্ভিদ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৮৭৭.
‘দাহনা' কোন দেশের মরুভূমি?
  1. ক) ইরাক
  2. খ) সৌদি আরব
  3. গ) ইয়েমেন
  4. ঘ) ইরান
সঠিক উত্তর:
খ) সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
• বর্তমানে সৌদি রাজবংশ কর্তৃক আরবের শাসনব্যবস্থা পরিচালিত হয়।
- হাদরামাউত, ইয়েমেন এবং ওমান নিয়ে দক্ষিণ আরব গঠিত।
- আরব ভূখণ্ডের এক-তৃতীয়াংশ মরুময়।
- ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের কারণে এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশের মিলনকেন্দ্র হিসাবে পরিগণিত হলেও এদেশ যেন সমগ্র বিশ্ব হতে বিচ্ছিন্ন।
- উত্তর-ভাগে ‘নুফুদ’ মরুভূমি এবং নুফুদ হতে আরম্ভ করে দক্ষিণ ভাগ পর্যন্ত প্ৰায় ৮০০ মাইল এলাকা জুড়ে রয়েছে সৌদি আরবের বৃহত্তম মরুভূমি ‘আল-দাহনা’ [আদ-রার, আল-খালি]।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচ এস সি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭৮.
বাংলাদেশের কোন স্থানে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে?
  1. নেত্রকোনা
  2. শেরপুর
  3. দিনাজপুর
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
চীনামাটি:
- চীনামাটি (Porcelain) বা চায়না ক্লে এক ধরনের মাটি। 
- এটি প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। 
- কেওলিন নামের প্রাকৃতিক খনিজযুক্ত পদার্থের মিশ্রণকে বৃহৎ চুল্লি বা ভাটিতে ১২০০ থেকে ১৪০০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় পুড়িয়ে এই মাটি তৈরি করা হয়।
- উচ্চ তাপমাত্রায় পোড়ানোর ফলে চীনামাটির ভেতরে ম্যালাইট নামক খনিজ গঠিত হয়।
- মৃৎশিল্পে ব্যবহৃত অন্যান্য উপাদানের তুলনায় চীনামাটি অধিকতর শক্ত, ভারবহ ও স্বচ্ছ হয়ে থাকে।

⇒ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ভূপৃষ্ঠে অথবা অন্তর্ভূপৃষ্ঠে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রামের হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুদ রয়েছে। এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলায় ভূপৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুদের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুর ও এর আশপাশের এলাকায় রয়েছে চীনামাটির খনি। 

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৭ সালে বর্তমান নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর থানার অন্তর্গত ভেদিকুরা নামক স্থানে প্রথম চীনামাটির সন্ধান লাভ করে।

উৎস: i) খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
ii) কালের কন্ঠ।
৮৭৯.
ধান চাষের জন্য উপযুক্ত তাপমাত্রা কত?
  1. ১৬° থেকে ৩২° সেলসিয়াস
  2. ১৬° থেকে ৩৫° সেলসিয়াস
  3. ১৬° থেকে ২২° সেলসিয়াস
  4. ১৬° থেকে ৩০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
১৬° থেকে ৩০° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬° থেকে ৩০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
ধান চাষ:
- ধান চাষের জন্য ১৬° থেকে ৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রয়োজন এবং
- ১০০ থেকে ২০০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপ্রবণ এলাকায় ধানের ফলন ভালো হয়।
- নদী অববাহিকায় পলিমাটি ধান চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী। এজন্য বাংলাদেশের সর্বত্রই ধান জন্মে।

এছাড়াও,
- পাট উষ্ণ অঞ্চলের ফসল। পাট চাষের জন্য অধিক তাপমাত্রা (২০° থেকে ৩৫° সেলসিয়াস) এবং প্রচুর বৃষ্টিপাতের (১৫০ থেকে ২৫০ সেন্টিমিটার) প্রয়োজন হয়।
- নদীর অববাহিকায় পলিযুক্ত দোআঁশ মাটি পাট চাষের জন্য বিশেষ সহায়ক।
- সাধারণত গম চাষের জন্য ১৬° থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ৫০ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। এ কারণে বাংলাদেশে বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানিসেচের মাধ্যমে গম চাষ ভালো হয়।

সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৮৮০.
দিয়াশলাই শিল্পে ব্যবহৃত হয় কোন গাছের কাঠ? 
  1. গেওয়া
  2. কেওড়া
  3. গরান
  4. ধুন্দল
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
ব্যাখ্যা

• শিল্প উন্নয়নে বনভূমির গুরুত্ব:
- কাগজ শিল্প: রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
- সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

- দিয়াশলাই শিল্প: সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে। এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
- রেয়ন শিল্প: চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৮১.
পৃথিবীর কোন দেশে সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. ব্রাজিল 
  3. রাশিয়া
  4. কানাডা
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি বনভূমি:
- পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে রাশিয়ায়।
- বিশ্বের মোট বনভূমির ২০.৪১ শতাংশই রাশিয়ায়।
- দেশটিতে ৮১ কোটি ৪৮ লাখ ৪৮ হাজার ৪৬০ হেক্টর বনভূমি রয়েছে। 
- পৃথিবীর মোট আবাসযোগ্য জমির আট ভাগের এক ভাগ পড়েছে রাশিয়ায়। আয়তনের বিশালত্বের কারণে দেশটি নয়টি সময় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। দেশটির বনভূমির বড় অংশ রয়েছে ফার ইস্টার্ন ফেডারেল অঞ্চলে। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে সাইবেরিয়ান ফেডারেল অঞ্চল। এসব এলাকার বেশির ভাগ গাছই লার্চ, পাইন ও স্প্রুস জাতের।

⇒ জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বা ৪.৬ বিলিয়ন হেক্টর এলাকায় বনভূমি রয়েছে। 
- পৃথিবীর মোট বনভূমির বেশির ভাগ নির্দিষ্ট কিছু দেশে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
⇒ বিশ্বের শীর্ষ বনভূমির দেশ:
১. রাশিয়া (২০.৪১ শতাংশ),
২. ব্রাজিল (১২ শতাংশ),
৩. কানাডা (৯ শতাংশ),
৪. যুক্তরাষ্ট্র (৭ শতাংশ),
৫. চীন (৫.৩ শতাংশ)।

উৎস: i) Global Forest Resources Assessment 2025, FAO.
ii) প্রথম আলো।

৮৮২.
কোনটির জন্য ভূপৃষ্ঠের ধীর পরিবর্তন সংঘটিত হয়?
  1. বৃষ্টিপাত
  2. অগ্ন্যুৎপাত
  3. ভূকম্পন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা

ভূপৃষ্ঠের পরিবর্তন প্রক্রিয়া: 
- ভূপৃষ্ঠ সর্বদা পরিবর্তনশীল এবং এটি বিভিন্ন ভূপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়।
- ভূপ্রক্রিয়া বলতে প্রাকৃতিকভাবে ভূমিরূপের পরিবর্তনকারী কার্যাবলিকে বোঝায়, যেমন নদীর অবক্ষেপণ।
- এই প্রক্রিয়াগুলো সৌরশক্তি, মাধ্যাকর্ষণ ও ভূতাপীয় শক্তির সাহায্যে পরিচালিত হয়।
- বহিঃশক্তি নির্ভর প্রক্রিয়াগুলো ধীরে পরিবর্তন আনে, যেমন: নগ্নীভবন ও অবক্ষেপণ।
- অন্তঃশক্তি নির্ভর প্রক্রিয়াগুলো দ্রুত পরিবর্তন ঘটায়, যেমন: ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদ্গিরণ।
- এসব ভূপ্রক্রিয়া ভূপৃষ্ঠকে ধীরে বা দ্রুত সময়ের ব্যবধানে রূপান্তরিত করে।

ধীর পরিবর্তন:
- ধীর পরিবর্তন হলো আকস্মিক পরিবর্তনের একেবারেই বিপরীত অবস্থা।
- অনেকগুলো প্রাকৃতিক শক্তি যেমন- সূর্যতাপ, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, নদী, হিমবাহ প্রভৃতি দ্বারা যে পরিবর্তন ধীরে ধীরে সংঘটিত হয় তাকে ধীর পরিবর্তন বলে। এই ধীর পরিবর্তন বিশাল এলাকা জুড়ে হয়ে থাকে।

আকস্মিক পরিবর্তন:
- পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগ এখনও উত্তপ্ত ও গলিত অবস্থায় রয়েছে। এসব উত্তপ্ত বস্তুর মধ্যে তাপ ও চাপের পার্থক্য হলে ভূত্বকে যে আলোড়ন ঘটে তাকে ভূআলোড়ন বলে। এ ভূআলোড়নের ফলেই ভূপৃষ্ঠের বেশিরভাগ পরিবর্তন হয়ে থাকে। বিভিন্ন ভূমিরূপ গঠনকারী শক্তির প্রভাবে ভূগর্ভে সর্বদা নানারূপ পরিবর্তন হচ্ছে। আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূকম্পন, পৃথিবীর অভ্যন্তরের সংকোচন, ভূগর্ভের তাপ ও অন্যান্য প্রচন্ড শক্তির ফলে ভূপৃষ্ঠে হঠাৎ যে পরিবর্তন সাধিত হয়, তাকে আকস্মিক পরিবর্তন বলে। এরূপ পরিবর্তন খুব বেশি স্থান জুড়ে হয় না। আকস্মিক পরিবর্তন সংঘটিত হয় প্রধানত ভূমিকম্প, সুনামি ও আগ্নেয়গিরি দ্বারা।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৮৩.
'V' আকৃতির উপত্যকা প্রধানত কোন প্রক্রিয়ার ফলে সৃষ্টি হয়?
  1. পার্শ্বক্ষয়ের ফলে
  2. পার্শ্বক্ষয় তলদেশের ক্ষয়ের চেয়ে বেশি হলে
  3. তলদেশের ক্ষয় পার্শ্বক্ষয়ের চেয়ে বেশি হলে
  4. পাহাড়ের স্খলনের ফলে
সঠিক উত্তর:
তলদেশের ক্ষয় পার্শ্বক্ষয়ের চেয়ে বেশি হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তলদেশের ক্ষয় পার্শ্বক্ষয়ের চেয়ে বেশি হলে
ব্যাখ্যা

• 'V' আকৃতির উপত্যকা সৃষ্টি প্রক্রিয়া:

- পার্বত্য অঞ্চলে নদীর স্রোতের গতিবেগ বেশি।
- তলদেশের ক্ষয় পার্শ্বক্ষয়ের চেয়ে বেশি।
- নদী উপত্যকার মধ্যভাগ ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ইংরেজি 'V' অক্ষরের মতো আকৃতি ধারণ করে।
- পরে পার্শ্বক্ষয় বৃদ্ধি পেলে উপত্যকা প্রশস্ত হতে থাকে।

তথ্যসূত্র: তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৮৪.
ফরিদপুরের বাঘিয়া ও চান্দা বিলে কোন ধরনের কয়লা পাওয়া গেছে?
  1. পীটজাতীয়
  2. লিগনাইট জাতীয়
  3. বিটুমিনাস
  4. লিগনাইট ও পীট
সঠিক উত্তর:
পীটজাতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পীটজাতীয়
ব্যাখ্যা
ফরিদপুরের বাঘিয়া ও চান্দা বিল, খুলনার কোলাবিল এবং সিলেটের কিছু অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে পীট জাতীয় কয়লার
সন্ধান পাওয়া গেছে। 
এছাড়াও রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, নওগাঁ এবং সিলেট জেলায় উৎকৃষ্ট মানের বিটুমিনাস এবং
লিগনাইট জাতীয় কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে।
 
উৎস: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮৮৫.
পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু মালভূমিটির নাম কী?
  1. পামির মালভূমি
  2. পাটাগোনিয়া মালভূমি
  3. তিব্বত মালভূমি
  4. মঙ্গোল মালভূমি
সঠিক উত্তর:
পামির মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পামির মালভূমি
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর সর্বোচ্চ উচ্চতার মালভূমি হচ্ছে পামির মালভূমি।

পামির মালভূমি:
- পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু ভূমির নাম পামীর মালভূমি।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা হচ্ছে প্রায় ১৬,০০০ ফুটের মতো।
- 'পামির মালভূমি' মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত।
- মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত পামীর পর্বতমালাকে ঘিরে এ মালভূমিটির অবস্থান।
- তাজিকিস্তান, আফগানিস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান, তিব্বত, চীন এবং পাকিস্তানের কিছু অংশ পর্যন্ত এ মালভূমিটি বিস্তৃত।
- এ অঞ্চলটি মূলত বিভিন্ন উঁচু পর্বতের মিলনস্থল।
- এ কারণে তাই পামীর মালভূমিকে পৃথিবীর ছাদ বলা হয়।

সূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
৮৮৬.
পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ স্থলভাগের কোন অংশে বসবাস করে?
  1. মালভূমি
  2. সমভূমি
  3. মরুভূমি
  4. কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
সমভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমভূমি
ব্যাখ্যা
• সমভূমি:
→ সমুদ্র সমতল থেকে প্রায় সম উচ্চতায় সুবিস্তৃত স্থলভাগকে সমভূমি বলা হয়। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে কয়েকশ মিটার উঁচুতেও সমভূমি গঠিত হতে পারে।
→ সমভূমি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কয়েকশত ফুট পর্যন্ত উচ্চতায় অবস্থিত হতে পারে।
→ সমভূমিতে মৃদু ঢাল বিশিষ্ট ভূমি, ছোট ছোট টিলা, পাহাড় এবং নদী উপত্যকার উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যায়।
পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় অর্ধেক সমভূমি।
→ মানুষের আবাস এবং অর্থনৈতিক কামকান্ড সমভূমিতে সংঘটিত হয়।
→ সমগ্র পৃথিবীর মধ্যে এশিয়া, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশে সমভূমির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
 → আফ্রিকা মহাদেশে সমভূমির পরিমাণ সবচেয়ে কম।
→ ইউরেশিয়ার উত্তরাংশ জুড়ে পৃথিবীর বৃহত্তম সমভূমি অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮৭.
সাহারা মরুভূমির সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি?
  1. মাউন্ট এটনা
  2. মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো
  3. মাউন্ট কুসি
  4. অ্যাটলাস পর্বত
সঠিক উত্তর:
মাউন্ট কুসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাউন্ট কুসি
ব্যাখ্যা

- মাউন্ট কুসি (Mount Koussi) সাহারা মরুভূমির সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।
- এটি চাদে অবস্থিত একটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরি যা সাহারা মরুভূমির সর্বোচ্চ বিন্দু হিসেবে পরিচিত।

• সাহারা মরুভূমি:

- প্রায় ৯,২০০,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- সাহারা মরুভূমিকে বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ (গরম) মরুভূমি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- আয়তনের দিক থেকে এটি তৃতীয় বৃহত্তম মরুভূমি,
- শুধুমাত্র অ্যান্টার্কটিকা ও আর্কটিকের মেরু মরুভূমির পরেই অবস্থান।
- এবং এটি আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় ৩১% অংশ দখল করে রেখেছে।
- সাহারা মরুভূমি উত্তর আফ্রিকার ১১টি দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত।
- এই দেশগুলো হলো: আলজেরিয়া, মিশর, লিবিয়া, সুদান, মরক্কো, তিউনিশিয়া, চাঁদ, মালি, নাইজার, মরিতানিয়া, পশ্চিম সাহারা।
 
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৮৮৮.
Which of the following ecosystems covers the largest area of the earth's surface ?
  1. ক) Desert Ecosystem
  2. খ) Mountain Ecosystem
  3. গ) Freshwater Ecosystem
  4. ঘ) Marine Ecosystem
সঠিক উত্তর:
ঘ) Marine Ecosystem
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Marine Ecosystem
ব্যাখ্যা
Marine ecosystems are the largest of Earth's aquatic ecosystems that covers the largest area of the earth's surface.
Source: britannica.com
৮৮৯.
ব-দ্বীপ কী প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট ভূমিরূপ?
  1. ক) ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়ায়
  2. খ) অবক্ষেপন প্রক্রিয়ায়
  3. গ) নগ্নীভবন
  4. ঘ) রূপান্তর প্রক্রিয়ায়
সঠিক উত্তর:
খ) অবক্ষেপন প্রক্রিয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অবক্ষেপন প্রক্রিয়ায়
ব্যাখ্যা
• অবক্ষেপন:
- নদী, হ্রদ ও সমুদ্র তলদেশে ক্ষয়প্রাপ্ত শিলাখন্ডসমূহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তির সাহায্যে বাহিত হয়ে অবক্ষেপিত হয়।
- এইভাবে যুগের পর যুগ অবক্ষেপিত শিলাখন্ডসমূহ জমাট বেঁধে বিভিন্ন প্রকার ভূমিরূপ তৈরি হয়।
⇒ যেমন: ব-দ্বীপ, লোয়েস সমভূমি ইত্যাদি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এইস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮৯০.
রিখটার স্কেল দ্বারা কি পরিমাপ করা হয়?
  1. ক) ভূ-আলোড়নের সংখ্যা
  2. খ) কম্পন সংখ্যা
  3. গ) ভূ-কম্পন শক্তি
  4. ঘ) ক্ষয়-ক্ষতি মাত্রা
সঠিক উত্তর:
গ) ভূ-কম্পন শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভূ-কম্পন শক্তি
ব্যাখ্যা
- রিকটার স্কেল ও সিসমোগ্রাফ দুটাই ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপা হয় রিকটার স্কেলে মাধ্যমে।
- অপরদিকে, সিসমােগ্রাফ ভূপৃষ্ঠের আন্দোলন পরিমাপনের এবং ভূমিকম্পের উৎস খুঁজে বের করার যন্ত্র। এর সাহায্যে অন্যান্য বিস্ফোরণ, প্রচণ্ড ঝড় ইত্যাদির খোঁজ পাওয়া যায়। এছাড়া মেরু অঞ্চলের বরফের গভীরতা, খনিজ তেল ভাণ্ডার ইত্যাদিও এর সাহায্যে বের করা সম্ভব।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৮৯১.
বাংলাদেশের প্রথম রামসার সাইট- 
  1. টাঙ্গুয়ার হাওর
  2. চলনবিল
  3. হাইল হাওর
  4. সুন্দরবন
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
ব্যাখ্যা

রামসার সাইট:
- রামসার কনভেনশন রামসার চুক্তি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট  হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।
- বাংলাদেশের প্রথম রামসার সাইট সুন্দরবন।
- ১৯৯২ সালের ২১ মে সুন্দরবনকে রামসার সাইট (রামসার কনভেনশন কর্তৃক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জলাভূমি) হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট টাঙ্গুয়ার হাওর।
- এটি সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি টাঙ্গুয়ার হাওরকে সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।

৮৯২.
খুলনা হার্ডবোর্ড মিলে কাঁচামাল হিসেবে কোন কাঠ ব্যবহৃত হয়?
  1. চাপালিশ
  2. কেওয়া
  3. সুন্দরী
  4. গেওয়া
সঠিক উত্তর:
সুন্দরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরী
ব্যাখ্যা

• খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লি: 
- খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লি, শহর খালিশপুর, খুলনা দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা। 
- খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লি এর স্থাপনা তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি'র) সময়ে ১৯৬৫ সালে। 
- কারখানাটি কানাডীয় সরকারি সাহায্য সংস্থার সহায়তায় স্থাপিত হয়। 
- এটি বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) এর অধিনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান। 
- কারখানার প্রধান কাঁচামাল সুন্দরবনে উৎপাদিত কাঁচা সুন্দরী জ্বালানী কাঠ।
- দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড মিলটি ১৯৬৫ সালে স্থাপন করা হয়। 
- কানাডীয় অনুদানে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা মিলটি স্থাপন করে। 
- স্বাধীনতার পরে সেটি বিসিআইসির কাছে আসে। 
- তখন কারখানার বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৩ কোটি বর্গফুট।

উল্লেখ্য,
বর্তমানে মিলটি বন্ধ রয়েছে এবং মিলটি চালুর জন্য বাংলাদেশের অন্তবর্তাকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লি. ও প্রথম আলো।