বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

অঞ্চলভিত্তিক ভৌত পরিবেশ, সম্পদের বন্টন ও গুরুত্ব

মোট প্রশ্ন৮৯৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

অঞ্চলভিত্তিক ভৌত পরিবেশ, সম্পদের বন্টন ও গুরুত্ব

PrepBank · পাতা / · ৭০১৮০০ / ৮৯৯

৭০১.
নিম্নের কোনটি আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. স্ফটিকার গঠনবিশিষ্ট
  2. কঠিন ও কম ভঙ্গুর
  3. শুধুমাত্র সমুদ্রতলে গঠিত
  4. জীবাশ্ম দেখা যায় না
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র সমুদ্রতলে গঠিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র সমুদ্রতলে গঠিত
ব্যাখ্যা
আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্য নয় - শুধুমাত্র সমুদ্রতলে গঠিত। 

আগ্নেয় শিলা (Igneous Rocks):
- জন্মের প্রথমে পৃথিবী একটি উত্তপ্ত গ্যাসপিন্ড ছিল।
- এই গ্যাসপিন্ড ক্রমান্বয়ে তাপ বিকিরণ করে তরল হয়।
- পরে আরও তাপ বিকিরণ করে এর উপরিভাগ শীতল ও কঠিন আকার ধারণ করে।
- এভাবে গলিত অবস্থা থেকে ঘনীভূত বা কঠিন হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে আগ্নেয় শিলা বলে।
- আগ্নেয় শিলা পৃথিবীর প্রথম পর্যায়ে সৃষ্টি হয় তাই এই শিলাকে প্রাথমিক শিলাও বলে।
- এ শিলায় কোনো স্তর নেই। তাই আগ্নেয় শিলার অপর নাম অন্তরীভূত শিলা। এই শিলায় জীবাশ্ম নেই।

- আগ্নেয় শিলা শিলার বৈশিষ্ট্য হলো-
(ক) স্ফটিকার,
(খ) অন্তরীভূত,
(গ) কঠিন ও কম ভঙ্গুর,
(ঘ) জীবাশ্ম দেখা যায় না এবং
(ঙ) অপেক্ষাকৃত ভারী।

- আগ্নেয়গিরি বা ভূমিকম্পের ফলে অনেক সময় ভূত্বকের দুর্বল অংশে ফাটলের সৃষ্টি হয়। তখন পৃথিবীর অভ্যন্তর থেকে উত্তপ্ত গলিত লাভা নির্গত হয়ে আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি করে। এভাবে ব্যাসল্ট ও গ্রানাইট শিলার সৃষ্টি হয়।

- আগ্নেয় শিলাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
(ক) বহিঃজ আগ্নেয় শিলা ও
(খ) অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা।

(ক) বহিঃজ আগ্নেয় শিলা (Extrusive Igneous Rocks): ভূগর্ভের উত্তপ্ত তরল পদার্থ ম্যাগমা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত বা অন্য কোনো কারণে বেরিয়ে এসে শীতল হয়ে জমাট বেঁধে বহিঃজ আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি হয়, এদের দানা খুব সূক্ষ্ম, রং গাঢ়। এই শিলার উদাহরণ হলো ব্যাসন্ট, রায়োলাইট, অ্যান্ডিসাইট ইত্যাদি।

(খ) অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা (Intrusive Igneous Rocks): উত্তপ্ত ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠের বাইরে না এসে ভূগর্ভে জমাট বাঁধলে তৈরি হয় অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা। এর দানাগুলো স্কুল ও হালকা রঙের হয়। গ্রানাইট, গ্যাব্রো, ডলোরাইট, ল্যাকোলিথ, ব্যাথোলিথ, ডাইক ও সিল এ শিলার অন্যতম উদাহরণ।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি।
৭০২.
পৃথিবীকে সমান দুই অংশে ভাগ করেছে কোন রেখা?
  1. ক) সমাক্ষ রেখা
  2. খ) নিরক্ষরেখা
  3. গ) মেরু রেখা
  4. ঘ) দ্রাঘিমা রেখা
সঠিক উত্তর:
খ) নিরক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিরক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
- দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে যে রেখা কল্পনা করা হয়েছে, তাকে নিরক্ষরেখা বলে।
- পৃথিবী গোলাকৃতির হওয়ায় এ রেখাও বৃত্তাকার।
- নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুই ভাবে ভাগ করেছে।
- এ রেখার উত্তরে পৃথিবীর অর্ধাংশকে উত্তর গোলার্ধ এবং দক্ষিণের অর্ধাংশকে দক্ষিণ গোলার্ধ বলা হয়।
- এই রেখাটির মান ০ ডিগ্রি। এখানে দিন রাত সর্বত্র সমান।
- নিরক্ষরেখার সাহায্যে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্ব স্থির করা হয়।

উৎসঃ ভূগোল, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭০৩.
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমে অবস্থিত স্থান কোনটি?
  1. ক) জায়গীর জোত
  2. খ) ছেঁড়া দ্বীপ
  3. গ) মনাকষা
  4. ঘ) আখানইঠং
সঠিক উত্তর:
গ) মনাকষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মনাকষা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমে- চাঁপাইনবাবগ­ঞ্জ(জেলা), শিবগঞ্জ(উপজেলা), মনাকাষা(স্থান)।
বাংলাদেশের সর্ব পূর্বে- বান্দরবান(জেলা), থানচি(উপজেলা), আখানইঠং(স্থান)।
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে- কক্সবাজার(জেলা), টেকনাফ(উপজেলা), সেন্টমার্টিন(ইউনিয়ন), ছেঁড়া দ্বীপ(স্থান)।
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরে- পঞ্চগড়(জেলা), তেতুলিয়া(উপজেলা), বাংলাবান্ধা(ইউনিয়ন), জায়গীর জোত(স্থান)।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭০৪.
আফ্রিকার কোন অঞ্চলে ’হর্ন অব আফ্রিকা’ অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ আফ্রিকা অঞ্চলে
  2. পূর্ব আফ্রিকা অঞ্চলে
  3. পশ্চিম আফ্রিকা অঞ্চলে
  4. উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
পূর্ব আফ্রিকা অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব আফ্রিকা অঞ্চলে
ব্যাখ্যা

হর্ণ অব আফ্রিকা:
- পূর্ব আফ্রিকা অঞ্চলের অংশ।
• অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহ:
- ইথিওপিয়া, ইরিত্রিয়া, সোমালিয়া, জিবুতি।
- এই দেশগুলোর সংস্কৃতি ও ইতিহাস বহু বছর ধরে একে অপরের সাথে জড়িত।
- খরা প্রবণ, আধা-আবহাওয়াগত মরুভূমি, পাহাড় ও উপত্যকাসমৃদ্ধ অঞ্চল।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৭০৫.
'বসন্ত মহাবিষুব' বলা হয় কোন দিনটিকে?
  1. ২১ মার্চ
  2. ২১ জুন
  3. ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ
ব্যাখ্যা
মহাবিষুব:
- মহাবিষুব (Equinox) এমন একটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা, যা বছরে দুইবার ঘটে।
- এই সময় পৃথিবীর নিরক্ষরেখার উপর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়, ফলে দিনের দৈর্ঘ্য এবং রাতের দৈর্ঘ্য সমান হয়।
- মহাবিষুবের দুটি দিন হলো ২১ মার্চ এবং ২৩ সেপ্টেম্বর।
- ২১ মার্চ দিনটি 'বসন্ত মহাবিষুব' আর ২৩ সেপ্টেম্বর দিনটি 'শরৎ মহাবিষুব' নামে পরিচিত।
- পৃথিবী তার কক্ষপথে ঘূর্ণায়মান অবস্থায় ২২ ডিসেম্বরের পর থেকে ২১ মার্চ এমন স্থানে ফিরে আসে, যেখানে সূর্যের কিরণ নিরক্ষরেখার উপর সরাসরি পড়ে।
- এই সময় দিনের বেলায় সূর্যকিরণের কারণে ভূপৃষ্ঠের বায়ুস্তর গরম হয় এবং রাত্রিবেলায় তা বিকিরণের মাধ্যমে ঠান্ডা হয়।
- এই সময় উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল এবং দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৭০৬.
কোন ধরনের শিলায় স্তর নেই?
  1. আগ্নেয় শিলায়
  2. পাললিক শিলায়
  3. বিচূর্ণীত শিলায়
  4. রূপান্তরিত শিলায়
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলায়
ব্যাখ্যা

আগ্নেয় শিলা (Igneous Rocks):
- পৃথিবী জ্বলন্ত অবস্থা থেকে শীতল হবার সময়ে অর্ধগলিত বিভিন্ন খনিজ অত্যন্ত দ্রুত শীতল ও কঠিনাকার ধারণ করে। 
​- এইরূপে সৃষ্ট কঠিন পদার্থগুলো আগ্নেয়শিলা নামে অভিহিত। 
​- আবার ভূমিকম্পের বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত অর্ধগলিত ম্যাগমা ভূ-পৃষ্ঠে বেরিয়ে আসে। 
​- ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠে বেরিয়ে এলে, তাকে লাভা বলে। লাভা শীতল হয়ে জমাট বেঁধে আগ্নেয়শিলার সৃষ্টি হয়। 
​- পৃথিবী সৃষ্টির আদিতে এই শিলার সৃষ্টি হওয়ায় একে প্রাথমিক শিলা বা আদি শিলা (Primary Rock) বলা হয়। যেমন- ব্যাসল্ট, গ্রানাইট ইত্যাদি।

আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১। আগ্নেয়শিলার স্তর নেই অর্থাৎ অস্তরীভূত শিলা;
২। আগ্নেয়শিলায় কোনো জীবাশ্ম নেই;
৩। আগ্নেয়শিলা অপ্রবেশ্য;
৪। আগ্নেয়শিলা সুদৃঢ় ও সুসংহত।

​তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭০৭.
'রামসার কনভেনশন' কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. বন সংরক্ষণ
  2. জীববৈচিত্র্য
  3. জলাভূমি সংরক্ষন 
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
জলাভূমি সংরক্ষন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলাভূমি সংরক্ষন 
ব্যাখ্যা

- রামসার কনভেনশন জলাভূমি সংরক্ষণের সাথে সম্পর্কিত।

​রামসার কনভেনশন:
- রামসার কনভেনশন (Ramsar Convention) বা রামসার চুক্তি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- এটি একমাত্র আন্তর্জাতিক চুক্তি যা শুধুমাত্র জলাভূমি সংরক্ষণের উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- এটি কার্যকর হয় ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- রামসার কনভেনশনের মূল উদ্দেশ্য: জলাভূমি সংরক্ষণ, টেকসই ব্যবহারের প্রচার, বিশ্বব্যাপী সহযোগিতা।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট (Ramsar sites) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।

সূত্র: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।

৭০৮.
দুবলার চর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ভোলার মনপুরায়
  2. খ) রামগতি উপজেলার দক্ষিণে
  3. গ) সুন্দরবনের দক্ষিণ উপকূলে
  4. ঘ) কুয়াকাটার দক্ষিণে
সঠিক উত্তর:
গ) সুন্দরবনের দক্ষিণ উপকূলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুন্দরবনের দক্ষিণ উপকূলে
ব্যাখ্যা
দুবলার চর সুন্দরবনের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত।
Source: khulna.gov.bd
৭০৯.
হিমছড়ি কোন শহরের নিকট অবস্থিত?
  1. ক) কক্সবাজার
  2. খ) রংপুর
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ক) কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
• কক্সবাজার বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ বেলাভূমি, উচ্ছ্বসিত সমুদ্রতরঙ্গ, দিগন্তপ্রসারী ঝাউবন, উচু পাহাড়ের চূড়া, সুদৃশ্য প্যাগোডা, বৌদ্ধ মন্দির ইত্যাদি নিয়ে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত।
- ইংরেজ ক্যাপ্টেন মি. হেরাম কক্স (Captain Hiram Coxs)-এর নামানুসারে এ জায়গার নামকরণ হয় কক্সবাজার।
- কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের পথ ধরে ১০-১২ কিলোমিটার দক্ষিণে গেলে হিমছড়ি পিকনিক স্পট।
- এখানকার ঝর্ণা, ঝাউবন, পাহাড় আর বনানীর সৌন্দর্য্য চিত্তাকর্ষক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৭১০.
কোন বনাঞ্চল প্রতিনিয়ত লবণাক্ত পানি দ্বারা প্লাবিত হয়?
  1. পার্বত্য বন
  2. শালবন
  3. মধুপুর বন
  4. ম্যানগ্রোভ বন
সঠিক উত্তর:
ম্যানগ্রোভ বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যানগ্রোভ বন
ব্যাখ্যা
ম্যানগ্রোভ:
- ম্যানগ্রোভ (Mangrove) বলতে সাধারণভাবে জোয়ারভাটায় প্লাবিত বিস্তির্ণ জলাভূমিকে বোঝায়।
- এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
- ম্যানগ্রোভ বন হলো উপকূলীয় বন।
- এই বন সুন্দরবন নামে সমধিক পরিচিত।

⇒ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ম্যানগ্রোভ বন সৃষ্টি হয়েছে।
- সুন্দরবন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবনের ৬২ শতাংশ খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলায় এবং বাকী অংশ পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগণা জেলায় অবস্থিত।
- এ বনাঞ্চলের আয়তন প্রায় ৬১১৭ বর্গমাইল যা বাংলাদেশের মোট আয়তনের শতকরা ৪.০৭ ভাগ।
- এ বনের গাছপালা লোনা পানি সহনশীল এবং বৃক্ষসমূহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম।
- সুন্দরবনের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১৬৫১ থেকে ১৭৭৮ মি.মি.।
- এ বনের মাটিতে অতিরিক্ত লবণ ও পচা জৈব পদার্থ থাকায় অক্সিজেনের অভাব ঘটে বলে গাছপালা শ্বাসমূল তৈরী করে।
- বৃক্ষসমূহ চিরহরিৎ।
- ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান প্রধান বৃক্ষ হলো: সুন্দরী, ধুন্দুল, গরান, বাইন, কেওড়া, পশুর, গোলপাতা, হেন্তাল ইত্যাদি।
- বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১১.
বাংলাদেশের সবচেয়ে শীতলতম মাস বলা হয় কোন মাস কে?
  1. জানুয়ারি
  2. জুন
  3. আগস্ট
  4. ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
• ভৌগোলিক অবস্থান:
 → বাংলাদেশের উত্তরে হিমালয়সহ উত্তর-পূর্বে আসাম পাহাড়ী অঞ্চল রয়েছে এবং এর মাঝে বাংলাদেশ নীচু সমতল ভূমি। এরূপ অবস্থানের জন্য বাংলাদেশে দুটি রূপে মৌসুমী জলবায়ুর প্রভাব দেখা যায়।
→ মৌসুমী জলবায়ুর প্রধান এবং অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে বায়ুর দিক পরিবর্তিত হয়।
→ নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী মাস শীত কাল বলে পরিচিত।
জানুয়ারী হচ্ছে সবচেয়ে শীতল মাস। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১২.
'মহাবিষুব' বলে কোন দিনটিকে?
  1. ২৩ অক্টোবর
  2. ১৪ জানুয়ারি
  3. ২১ মার্চ
  4. ২৩ নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ
ব্যাখ্যা
মহাবিষুব:
- মহাবিষুব (Equinox) এমন একটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা, যা বছরে দুইবার ঘটে।
- এই সময় পৃথিবীর নিরক্ষরেখার উপর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়, ফলে দিনের দৈর্ঘ্য এবং রাতের দৈর্ঘ্য সমান হয়।
- মহাবিষুবের দুটি দিন হলো ২১ মার্চ এবং ২৩ সেপ্টেম্বর।
- ২১ মার্চ দিনটি 'বসন্ত মহাবিষুব' আর ২৩ সেপ্টেম্বর দিনটি 'শরৎ মহাবিষুব' নামে পরিচিত।
- পৃথিবী তার কক্ষপথে ঘূর্ণায়মান অবস্থায় ২২ ডিসেম্বরের পর থেকে ২১ মার্চ এমন স্থানে ফিরে আসে, যেখানে সূর্যের কিরণ নিরক্ষরেখার উপর সরাসরি পড়ে।
- এই সময় দিনের বেলায় সূর্যকিরণের কারণে ভূপৃষ্ঠের বায়ুস্তর গরম হয় এবং রাত্রিবেলায় তা বিকিরণের মাধ্যমে ঠান্ডা হয়।
- এই সময় উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল এবং দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করে।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৭১৩.
বাংলাদেশে ফুলের রাজধানী বলা হয় কোন স্থানকে?
  1. ক) শাহবাগ
  2. খ) সাভার
  3. গ) ঝিকরগাছা
  4. ঘ) ত্রিশাল
সঠিক উত্তর:
গ) ঝিকরগাছা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঝিকরগাছা
ব্যাখ্যা
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার একটি ছোট ইউনিয়ন গদখালী। বাংলাদেশে ফুলের রাজধানী বলা হয় গদখালী ইউনিয়ন কে। এই অঞ্চলের জমিতে ফুল চাষ করেন এখানকার চাষীরা। বাড়ির চার ধারে সৌখিন ফুলের বাগান নয়। মাঠের পর মাঠজুড়ে ফুলের ক্ষেত। ফুলই এখানে ফসল। উৎসঃ বিবিসি এবং সরকারি ওয়েবসাইট।
৭১৪.
মধুপুর বনাঞ্চলের প্রধান বৃক্ষ কোনটি?
  1. ক) গর্জন
  2. খ) সেগুন
  3. গ) গামার
  4. ঘ) শাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) শাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শাল
ব্যাখ্যা
- টাঙ্গাইলের মধুপুর ও গাজীপুর জেলার ভাওয়াল গড়ের বনভূমি ‘শালবন’ নামে পরিচিত। 
- এই বনের প্রধান বৃক্ষ হলো ‘শাল বা গজারী’।
- এছাড়া অন্যান্য বৃক্ষের মধ্যে: বহেরা, হরিতকী, কড়ই, শিমুল, অর্জুন ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।

(সূত্রঃ বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
৭১৫.
মাইক্রোনেশিয়ার অবস্থান হলাে -
  1. ক) পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে
  2. খ) এশিয়া ও ইউরোপের মাঝে
  3. গ) পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে
  4. ঘ) আটলান্টিকের পশ্চিমে
সঠিক উত্তর:
ক) পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
• অঞ্চল:
- মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলটি প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমে অবস্থিত।
- এ অঞ্চলটি ফিলিপাইনের পূর্বে এবং নিউগিনি দ্বীপের উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
- এ অঞ্চলে মাইক্রোনেশিয়া, পালাউ, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, কিরিবাতি ও নাউরু এ পাঁচটি স্বাধীন দেশ রয়েছে।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
৭১৬.
স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ কোনটি?
  1. ভিয়েতনামের ঘূর্ণিবাত বায়ু
  2. মিসরের খামসিন
  3. বাংলাদেশের মৌসুমি বায়ু
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
মিসরের খামসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিসরের খামসিন
ব্যাখ্যা
• স্থানীয় বায়ু:
- স্থানীয় বায়ু: স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণে যে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ।

• স্থানীয় বায়ুর ‍উদাহরণ:
- রকি পবর্তের চিনুক, ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল, আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু, আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরাক্কা, আরব মালভূমির সাইমুম, মিসরের খামসিন ও ভারতীয় উপমহাদেশের লু কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহারণ।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১৭.
পৃথিবীর বৃহত্তম অরণ্যের নাম কি?
  1. গোবি
  2. আতাকামা
  3. দালোল
  4. তৈগা
সঠিক উত্তর:
তৈগা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৈগা
ব্যাখ্যা
তৈগা (Taiga) বা বোরিয়াল বনভূমি: 
- পৃথিবীর বৃহত্তম অরণ্যের নাম তৈগা। 
- তৈগা হলো ঠান্ডা, সাব-আর্কটিক অঞ্চলের একটি বন। সাব-আর্কটিক হল উত্তর গোলার্ধের একটি অঞ্চল যা আর্কটিক সার্কেলের ঠিক দক্ষিণে অবস্থিত।
- তৈগা হলো পৃথিবীর একটি গুরুত্বপূর্ণ জৈব অঞ্চল (biome), যা মূলত শীতপ্রধান অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- এটি প্রধানত চিরসবুজ শঙ্কুবাহী গাছপালা যেমন পাইনের গাছ, স্প্রুস, লার্চ ও ফার দিয়ে গঠিত।
- তৈগা রাশিয়ান ভাষায় "জলাবদ্ধ পাইন বন" প্রায় ৫০ মিলিয়ন একর বা পৃথিবীর মোট ভূমির ১৭% জুড়ে বিস্তৃত, যা এটিকে গ্রহের বৃহত্তম বায়োমে পরিণত করে ।
- এটি পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় ১৭% জায়গা জুড়ে বিস্তৃত, বিশেষ করে উত্তর গোলার্ধের কানাডা, আলাস্কা, রাশিয়া ও সাইবেরিয়াতে।
- এখানে শীত অনেক দীর্ঘ ও তীব্র ঠান্ডার হয়, আর দিনগুলো ছোট হয়।
- গ্রীষ্মকালে দিন বড় হয় ও কিছুটা গরম থাকে, তখন গাছপালা বেড়ে ওঠে।
- এখানকার গাছগুলো ঠান্ডা সহ্য করতে পারে এবং পাতাগুলো সূঁচের মতো হয়।
- বার্চ ও পপলার নামের কিছু পাতা ঝরানো গাছও দেখা যায়।
- এই অঞ্চলের প্রাণী ও উদ্ভিদ স্বল্প সময়ের গ্রীষ্মে দ্রুত বেড়ে ওঠার জন্য মানিয়ে নিয়েছে।

উল্লেখ্য,
- দালোল হল উত্তর ইথিওপিয়ার দালোল ওয়ারেডায় অবস্থিত একটি এলাকা, বিশ্বের সর্বনিম্ন উচ্চতার সাব-এরিয়াল আগ্নেয়গিরি , এবং এটি সমুদ্রপৃষ্ঠের সম্পূর্ণ নীচে অবস্থিত।
- গোবি ও আতাকামা হলো মরুভূমির নাম। 

উৎস: Britannica. 
National Geographic.
WorldAtlas
৭১৮.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সম্প্রতি প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে?
  1. দিনাজপুর
  2. শরীয়তপুর
  3. সুনামগঞ্জ
  4. মানিকগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
শরীয়তপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরীয়তপুর
ব্যাখ্যা

- শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার চামটা ইউনিয়নের দিনারা গ্রামে প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান মিলেছে।
- এ গ্যাসের অনুসন্ধানে কূপ খননের কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)।
- বর্তমানে দেশে ২৮টি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে।
- সবমিলিয়ে গ্যাসের প্রমাণিত ও সম্ভাব্য মজুতের পরিমাণ ১০ টিসিএফ বা ১০ লাখ কোটি ঘনফুট গ্যাস।
- দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৩৬৬ কোটি ঘনফুট।
- বার্ষিক গ্যাসের চাহিদা ১ লাখ ৩৪ হাজার কোটি ঘনফুট বা ১.৩৩ টিসিএফ।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।

৭১৯.
যে সকল দেশ বা অঞ্চলে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ২ থেকে ৫০ জন লোক বাস করে সেসব অঞ্চলকে বলা হয় -
  1. ক) পরিমিত জনসংখ্যা অঞ্চল
  2. খ) প্রায় জনহীন অঞ্চল
  3. গ) নিবিড় জনসংখ্যা অঞ্চল
  4. ঘ) বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল 
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল 
ব্যাখ্যা
কোনো দেশ বা অঞ্চলে যদি প্রতি বর্গকিলোমিটারে ২থেকে ৫০ জন লোক বাস করে তবে তাকে বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল বলে।

• জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে পৃথিবীকে চারটি অঞ্চলে ভাগ করা হয়।
যথা:
১. নিবিড় জনসংখ্যা অঞ্চল, 
২. পরিমিত জনসংখ্যা অঞ্চল,  
৩. বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল,
৪. প্রায় জনহীন অঞ্চল।

১. নিবিড় জনসংখ্যা অঞ্চল: পৃথিবীর যে সকল দেশ বা অঞ্চলে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১০০ জনের অধিক লোক বাস করে সেসব অঞ্চলকে নিবিড় জনসংখ্যা অঞ্চল বলে।
- যেমন: মোনাকো, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ,বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, যুক্তরাজ্য, পাকিস্তান, নাইজেরিয়া, চীন, জাপান, বাহরাইন, মাল্টা, বারমুডা, জার্মানি প্রভৃতি দেশ নিবিড় জনসংখ্যা অধ্যুষিত অঞ্চল।

২.পরিমিত জনসংখ্যা অঞ্চল: পৃথিবীর যে সকল দেশ বা অঞ্চলে প্রতি বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৫০ থেকে ১০০ জন লোক বাস করে সেসব অঞ্চলকে পরিমিত জনসংখ্যা অঞ্চল বলে।
- যেমন-মিশর, সুইজারল্যান্ড, তুরস্ক কেনিয়া, মেক্সিকো, ইরাক, ইরান প্রভৃতি।

৩. বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল: কোনো দেশ বা অঞ্চলে যদি প্রতি বর্গকিলোমিটারে ২ থেকে ৫০ জন লোক বাস করে তবে তাকে বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল বলে।
- যেমন- দক্ষিণ আফ্রিকা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, আইসল্যান্ড, সৌদি আরব, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, রাশিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, উত্তর আমেরিকার প্রেইরি প্রভৃতি।

৪. প্রায় জনহীন অঞ্চল: প্রায় জনহীন অঞ্চলে প্রতি বর্গকিলোমিটার এলাকায় একজনের কম লোক বাস করে। এসব এলাকা অত্যন্ত দুর্গম এবং মানুষ বসবাসের জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। সাহারা ও কালাহারি মরুভূমি, আমাজান উপত্যকা, হিমালয়, রকি ও আন্দিজ পর্বতমালা এ ধরনের অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস : ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২০.
পর্ণমোচী ও চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমি দেখা যায় কোন জলবায়ু অঞ্চলে?
  1. ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল
  2. মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চল
  3. নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চল
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চল
ব্যাখ্যা
মৌসুমী জলবায়ু:
- ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে এ বায়ু প্রবাহের দিক পরিবর্তন হয় বলে একে মৌসুমি জলবায়ু বলা হয়।
- কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তির নিকটবর্তী অঞ্চল জুড়ে যে জলবায়ু বিস্তৃত তা মৌসুমি জলবায়ু।
- ক্যারিবিয়ান সাগর, পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপসমূহের দেশগুলো, পূর্ব আফ্রিকা, পূর্ব ব্রাজিল, উত্তর-পূর্ব অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ চীন ও জাপান, থাইল্যান্ড, কম্পুচিয়া, ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মিয়ানমার অর্থাৎ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।
- এছাড়াও মেক্সিকো উপসাগরের উপকূলবর্তী দেশসমূহ, লাওস, মালাগাছি দ্বীপও এই জলবায়ুর অন্তর্ভুক্ত।

⇒ মৌসুমি জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য:
- মৌসুমি জলবায়ুতে গ্রীষ্মকালে অধিক গরম ও শীতকালে শীত পড়ে।
- জুলাই মাস সবচেয়ে বেশি গরম ও জানুয়ারি মাসে বেশি শীত পড়ে।
- গ্রীষ্মকালে উত্তর গোলার্ধে সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার উপর দিয়ে লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং এই সময় দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, মধ্য এশিয়া, উত্তর-পশ্চিম ভারত প্রভৃতি স্থানে বায়ুর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়।
- মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে বৃষ্টিপাত বেশি হয় কিন্তু শীতকাল শুষ্ক থাকে। তবে অতিবৃষ্টি, বন্যা, খরাও এই জলবায়ু অঞ্চলে দেখা যায়।
- এই জলবায়ু অঞ্চলে উর্বর ভূমি ও পলিমাটি কৃষিকাজের জন্য উপকারী।
- উর্বর মাটি ও বৃষ্টিপাত, পর্যাপ্ত সূর্যালোক মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে পর্ণমোচী ও চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমির বিস্তার ঘটায়। চিরহরিৎ বৃক্ষের বনাঞ্চলে ২০০ সে.মি এর বেশি বৃষ্টিপাত হয় এবং তৃণভূমি অঞ্চলে ৫° সে.মি থেকে ১০০ সে.মি পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়।

অন্যদিকে,
- ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অধিক বলে এখানে শীতকালীন বৃক্ষ যেমন- জলপাই, কর্ক, তুঁত, নিম, পাইন গাছের উৎপত্তি লক্ষ্যণীয়।
- নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে অধিক বৃষ্টিপাতের জন্য চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২১.
কোন প্রণালি দক্ষিণ চীন সাগর ও পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. ক) মালাক্কা প্রণালি
  2. খ) বেরিং প্রণালি
  3. গ) ফরমোজা প্রণালি
  4. ঘ) বাবেল মান্দেব প্রণালি
সঠিক উত্তর:
গ) ফরমোজা প্রণালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফরমোজা প্রণালি
ব্যাখ্যা
ফরমোজা প্রণালি : দক্ষিণ চীন সাগর ও পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে।

অন্যদিকে,
• মালাক্কা প্রণালি : আন্দামান সাগর (ভারত মহাসাগর) ও দক্ষিণ চীন সাগর (প্রশান্ত মহাসাগর) কে যুক্ত করেছে।
• বাবেল মান্দেব প্রণালি : লোহিত সাগর ও এডেন সাগরকে যুক্ত করেছে।
• বেরিং প্রণালি : বেরিং সাগর (প্রশান্ত মহাসাগর) ও চুকচি সাগর (উত্তর মহাসাগর) কে যুক্ত করেছে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস ও ব্রিটানিকা।
৭২২.
'শ্লেট' কোন ধরনের শিলা?
  1. রূপান্তরিত শিলা
  2.  আগ্নেয় শিলা
  3. মিশ্র শিলা
  4. পাললিক শিলা
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা
ব্যাখ্যা

রূপান্তরিত শিলা:
- অনেক সময় প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।

কিছু রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
→ চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল,
→ বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
→ কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট,
→ গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে,
→ কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭২৩.
'গ্রেট বেসিন' কোন ধরনের মরুভূমি?
  1. ক) উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি
  2. খ) উপকূলীয় মরুভূমি
  3. গ) শুষ্ক প্রায় মরুভূমি
  4. ঘ) শীতকালীন মরুভূমি
সঠিক উত্তর:
ঘ) শীতকালীন মরুভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শীতকালীন মরুভূমি
ব্যাখ্যা
গ্রেট বেসিন:
- গ্রেট বেসিন মরুভূমি একটি শীতকালীন মরুভূমি এবং বিশ্বের দশম বৃহত্তম মরুভূমি।

- আমেরিকার গ্রেট বেসিন মূলত শীতকালীন মরুভূমি।
- গ্রেট বেসিন হল একটি বিস্তৃত জলপ্রবাহ এলাকা যা মেক্সিকোতে নেভাদা, উটাহ, ওরেগন, আইডাহো, ক্যালিফোর্নিয়া, ওয়াইমিং এবং বাজা ক্যালিফোর্নিয়া জুড়ে রয়েছে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৭২৪.
"গোবি মরুভূমি" কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. আফ্রিকা মহাদেশে
  2. ইউরোপ মহাদেশে
  3. এশিয়া মহাদেশে
  4. অস্ট্রেলিয়া মহাদেশে
সঠিক উত্তর:
এশিয়া মহাদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়া মহাদেশে
ব্যাখ্যা
• গোবি মরুভূমি:
- গোবি মরুভূমি মধ্য এশিয়ার একটি বিশাল মরুভূমি।
- এটি মঙ্গোলিয়া ও চীনের মধ্যে বিস্তৃত।
- এর আয়তন প্রায় ১৩ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।

• বিখ্যাত কিছু মরুভূমির অবস্থান: 
- থর মরুভূমি : ভারত ও পাকিস্তান।
- গোবি মরুভূমি : চীন ও মঙ্গোলিয়া। 
- মোজাবে মরুভূমি : যুক্তরাষ্ট্র, 
- সাহারা মরুভূমি : আফ্রিকা, 

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৭২৫.
টাঙ্গুয়ার হাওর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জামালগঞ্জ ও দিরাই
  2. খ) জগন্নাথপুর ও দোয়ারাবাজার
  3. গ) ধর্মপাশা ও তাহিরপুর
  4. ঘ) বিশ্বম্ভরপুর ও শাল্লা
সঠিক উত্তর:
গ) ধর্মপাশা ও তাহিরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ধর্মপাশা ও তাহিরপুর
ব্যাখ্যা
• টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্রুপ জলমহালগুলোর অন্যতম।
• বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা এবং তাহিরপুর উপজেলাস্থিত জীববৈচিত্রে সমৃদ্ধ মিঠা পানির এ হাওর বাংলাদেশের ২য় রামসার এলাকা।
• ভারতের মেঘালয়ের খাসিয়া, জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে সারি সারি হিজল-করচ শোভিত, পাখিদের কলকাকলি মুখরিত টাংগুয়ার হাওর মাছ, পাখি এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীর এক বিশাল অভয়াশ্রম।
• বর্তমানে মোট জলমহাল সংখ্যা ৫১টি এবং মোট আয়তন ৬,৯১২.২০ একর। তবে নলখাগড়া বন, হিজল করচ বনসহ বর্ষাকালে সমগ্র হাওরটির আয়তন দাড়ায় প্রায় ২০.০০০ একর। 
• ২০০০ সালে টাঙ্গুয়ার হাওরকে ১০৩১তম রামসার সাইট হিসেবে ঘোষণা করা হয়।   

তথ্যসূত্র:- সুনামগঞ্জ জেলা ওয়েবসাইট এবং রামসার সাইট ওয়েবসাইট।
৭২৬.
আলেকজান্দ্রিয়া বন্দর কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) ইন্দোনেশিয়া
  2. খ) মালয়েশিয়া
  3. গ) কাতার
  4. ঘ) মিশর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিশর
ব্যাখ্যা
মিশরের কয়েকটি বিখ্যাত সমুদ্র বন্দর হল সুয়েজ, আলেকজান্দ্রিয়া, পোর্ট সৈয়দ।
সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ
৭২৭.
কোনটি রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়?
  1. চুনাপাথর
  2. কয়লা
  3. গ্রানাইট
  4. বেলেপাথর
সঠিক উত্তর:
কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কয়লা
ব্যাখ্যা
কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

রূপান্তরিত শিলা:

- প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে। পূর্বের রূপ ও অবস্থার পরিবর্তন হয় বলে একে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ। যেমন- চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট, গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে, কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

⇒ রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- রূপান্তরিত শিলা স্ফটিক যুক্ত;
- এই শিলা অত্যন্ত কঠিন;
- এই শিলায় জীবাশ্ম নেই;
- কোনো কোনো রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর দেখা যায়।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২৮.
কোন গাছের কাঠ থেকে দিয়াশলাই প্রস্তুত করা হয়?
  1. ধুন্দল
  2. গেওয়া
  3. গরান
  4. গর্জন
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
ব্যাখ্যা
শিল্প উন্নয়নে বনভূমির গুরুত্ব:
কাগজ শিল্প:
- রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
- সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

নিউজপ্রিন্ট কারখানা:
- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে।

দিয়াশলাই শিল্প:
- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে।
- এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

রেয়ন শিল্প:
- চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

পরিবহন শিল্প:
- বনভূমি থেকে প্রাপ্ত গর্জন, সেগুন, চাপালিশ, প্রভৃতি গাছের কাঠ রেলথের স্লিপার, রেলগাড়ির বগি, লঞ্চ, স্টিমার, নৌকা, বাস ও ট্রাকের বডি, বৈদ্যুতিক খুঁটি, রাস্তার পুল ইত্যাদি তৈরি করতে প্রয়োজন।

ভেষজ শিল্প:
- বনের গাছ-গাছড়া, লতাপাতা, মধু, প্রভৃতির উপর নির্ভর করে ভেষজ শিল্প গড়ে উঠেছে।

চামড়া শিল্প:
- সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল চামড়া পাকা করার জন্য চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া বাঘ, হরিণ, গুইসাপ, অজগর সাপ প্রভৃতি প্রাণীর চামড়াও শিল্পের কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা দ্বিতীয় পত্র , এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২৯.
দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. মৌলভীবাজার
  3. সিলেট
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র:
- দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র পঞ্চগড়ে অবস্থিত। 
- চা-চাষিদের কাঁচা চা-পাতার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র চালু করা হয়।
- এতে চা উৎপাদনকারীদের ব্যয় কমবে।
- চা-চাষিরা পাতার মূল্য না পেলে এই নিলামকেন্দ্র চালু করা মূল্যহীন হবে।
- ‘সমতলে চায়ের ভূবন, পঞ্চগড়ে স্বাগতম’ স্লোগানে স্মল টি গার্ডেন ওনার্স অ্যান্ড টি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এই নিলাম কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

উল্লেখ্য,
- দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র স্থাপন করা হয় চট্টগ্রামে।
- দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে।
- বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান: মালনীছড়া চা বাগান।

উৎস: i) ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, কালের কন্ঠ।
         ii) ১০ অক্টোবর, ২০১৮, কালের কন্ঠ। 
৭৩০.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে বােরাে ধান ভালাে হয়?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) সিলেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের খাদ্য-শস্যের মধ্যে ধানই প্রধান। এ দেশে আউশ, আমন, বােরাে প্রভৃতি ধরনের ধান চাষ হয়। বাংলাদেশের সকল জেলায় ধান উৎপাদিত হয়। রংপুর, কুমিল্লা, সিলেট, যশাের, কিশােরগঞ্জ, রাজশাহী, বরিশাল, ময়মনসিংহ, বগুড়া, দিনাজপুর, ঢাকা, নােয়াখালী প্রভৃতি অঞ্চলে ধান চাষ বেশি হয় তবে রংপুরে আমন ধান ও সিলেটে বােরাে ধান ভালাে হয়। (রেফারেন্সঃ কৃষি বাতায়ন)
৭৩১.
২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কয়টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করে?
  1. ক) ৯টি
  2. খ) ৮টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫টি
ব্যাখ্যা
• ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করে।
• এগুলো হলো:- মরুকরণ, বন্যা, ঝড়, সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা।
• এর মধ্যে বন্যা ঝুঁকিতে বাংলাদেশের অবস্থান ১ নম্বরে। ঝড়ের ঝুঁকিতে ২ নম্বর এবং সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধিতে ১০ নম্বর।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৩২.
১৯৮৬ সালে বাংলাদেশে প্রথম কোথায় তেল পাওয়া গেছে?
  1. হরিপুর
  2. বরমচাল
  3. বড়পুকুরিয়া
  4. ইলিশা
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
ব্যাখ্যা
খনিজ তেল (Petroleum): 
- বাংলাদেশের উপকূল অঞ্চলে খনিজ তেল আছে বলে বিশেষজ্ঞগণ মনে করেন।
- ১৯৮৬ সালে সিলেট জেলার হরিপুরে প্রাকৃতিক গ্যাসের সপ্তম কূপে তেল পাওয়া গেছে।
- এ কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ৬০০ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল তোলা হচ্ছে।
- অপরিশোধিত তেল চট্টগ্রামের তেল শোধনাগারে পরিশোধন করা হয়।
- পরিশোধিত তেল থেকে পেট্রোল, কেরোসিন, বিটুমিন ও অন্যান্য দ্রব্য পাওয়া যায়।
- মৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৭৩৩.
নাফ নদী কোন উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে?
  1. মিরসরাই
  2. টেকনাফ
  3. রামু
  4. ফটিকছড়ি
সঠিক উত্তর:
টেকনাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেকনাফ
ব্যাখ্যা

নাফ নদী: 
- নাফ নদী একটি আন্তর্জাতিক সীমান্তরেখা হিসেবে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের সীমান্ত চিহ্নিত করে।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার দক্ষিণ‑পূর্ব কোণে প্রবাহিত এবং আরাকান (বর্তমান রাখাইন) রাজ্যের সঙ্গে সীমান্ত করে।
- নদীটি আরাকান পাহাড় থেকে শুরু হয় এবং বঙ্গোপসাগরে (Bay of Bengal) পতিত হয়।
- এই নদীর গড় প্রশস্ততা ১.৬১ কিমি থেকে ৩.২২ কিমি পর্যন্ত।
- এর গড় গভীরতা প্রায় ৩৯ মিটার (১২৮ ফুট)।
- এর সর্বোচ্চ গভীরতা প্রায় ১২০ মিটার (৪০০ ফুট)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৭৩৪.
নিচের কোনটি আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) স্তরবিহীন
  2. খ) জীবাশ্ম বিশিষ্ট
  3. গ) কেলাসিত
  4. ঘ) প্রাচীনতম
সঠিক উত্তর:
খ) জীবাশ্ম বিশিষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জীবাশ্ম বিশিষ্ট
ব্যাখ্যা
আগ্নেয় শিলা
সৃষ্টির প্রথমে পৃথিবী উত্তপ্ত গ্যাসীয়পিন্ড ছিল। এই গ্যাসপিন্ড ক্রমান্বয়ে তাপ বিকিরণ করে তরল হয়। পরে আরো তাপ বিকিরণ করে উপরিভাগ শীতল ও কঠিন আকার ধারণ করে। এভাবে গলিত অবস্থা থেকে ঘনীভূত বা কঠিন হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে আগ্নেয় শিলা বলে।

আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্য
১। স্তরবিহীন : উত্তপ্ত গলিত অবস্থা থেকে ঠান্ডা হয়ে জমাট বেঁধে এই জাতীয় শিলার সৃষ্টি হয় বলে এতে কোনো স্তর থাকে
না।
২। জীবাশ্মবিহীন : উত্তপ্ত গলিত পদার্থ থেকে আগ্নেয় শিলার উৎপত্তি বিধায় কোনো প্রাণি বা উদ্ভিদের অস্তিত্ব আশা করা
যায় না। এ কারণে এ জাতীয় শিলার মধ্যে জীবাশ্ম পাওয়া যায় না।
৩। কেলাসিত : উত্তপ্ত গলিত অবস্থা থেকে তাপ বিকিরণ করে এ জাতীয় শিলা তৈরি হয় বলে ক্ষেত্রবিশেষে কেলাসিত হয়
বা নির্দিষ্ট আকারে দানা বাঁধে।
৪। অপ্রবেশ্য : আগ্নেয় শিলার দানাগুলির মধ্যে কোনো ছিদ্র না থাকায় এই শিলায় পানি প্রবেশ করতে পারে না। তাই
আগ্নেয় শিলা অপ্রবেশ্য।
৫। সুদৃঢ় ও সুসংহত : উত্তপ্ত গলিত অবস্থা থেকে তাপ বিকিরণ করে উৎপন্ন হয় বলে এ শিলা সুদৃঢ় ও সুসংহত।
৬। প্রাচীনতম : আগ্নেয় শিলার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম শিলা। এই শিলা থেকে অন্যান্য শিলার
উৎপত্তি হয়েছে।
৭। অপেক্ষাকৃত ভারী : আগ্নেয় শিলা অন্যান্য শিলার চেয়ে অপেক্ষাকৃত ভারী।

অন্যদিকে,
পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে  পাললিক শিলা  বলে। পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ - 
১। পাললিক শিলা স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়ে সৃষ্টি হয়;
২। পাললিক শিলায় জীবাশ্ম পাওয়া যায়;
৩। পাললিক শিলা স্ফটিকাকার নয়;
৪। পাললিকা শিলা হালকা, ভঙ্গুর ও তরঙ্গ বিশিষ্ট।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৩৫.
বাংলাদেশের ২য় রামসার এলাকা কোনটি?
  1. হাকালুকি হাওর
  2. সুন্দরবন
  3. টাঙ্গুয়ার হাওর
  4. নিকলী হাওর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
টাঙ্গুয়ার হাওর: 
- টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্রুপ জলমহালগুলোর অন্যতম।
- টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তেসুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা এবং তাহিরপুর উপজেলায় অবস্থিত। 
- জীববৈচিত্রে সমৃদ্ধ মিঠা পানির টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের ২য় রামসার এলাকা।
- ভারতের মেঘালয়ের খাসিয়া, জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে টাঙ্গুয়ার হাওর মাছ, পাখি এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীর এক বিশাল অভয়াশ্রম।
- বর্তমানে মোট জলমহাল সংখ্যা ৫১টি এবং মোট আয়তন ৬,৯১২.২০ একর।
- তবে নলখাগড়া বন, হিজল করচ বনসহ বর্ষাকালে সমগ্র হাওরটির আয়তন দাড়ায় প্রায় ২০.০০০ একর।
- টাঙ্গুয়ার হাওর প্রকৃতির অকৃপণ দানে সমৃদ্ধ।
- এ হাওর শুধু একটি জলমহাল বা মাছ প্রতিপালন, সংরক্ষণ ও আহরণেরই স্থান নয়।
- এটি একটি মাদার ফিশারী। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭৩৬.
The smallest ocean in the World is -
  1. ক) Atlantic Ocean
  2. খ) Antarctic Ocean
  3. গ) Arctic Ocean
  4. ঘ) Indian Ocean
সঠিক উত্তর:
গ) Arctic Ocean
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Arctic Ocean
ব্যাখ্যা
- The Arctic Ocean is the smallest of the world's five ocean basins.
- With an area of about 6.1 million square miles, the Arctic Ocean is about 1.5 times as big as the United States. 
- It is bordered by Greenland, Canada, Norway, Alaska, and Russia. 
- The average depth of the Arctic Ocean is 3,953 feet and it is 18,264 feet at its deepest point.
 
Source: National Oceanic and Atmospheric Administration Website 
৭৩৭.
বাংলাদেশে কত সালে প্রথম জিআইএস প্রযুক্তি চালু হয়?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
• জিআইএস (GIS):
- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Geographic information systems.
- Geographical Information System (GIS) বা ভৌগোলিক তথ্য পদ্ধতি হলো ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ ব্যবস্থা।
- সাধারণ অর্থে জিআইএস বলতে স্থানিক ও অস্থানিক উপাত্ত সংগ্রহ করে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য সমন্বয় করে তা মানচিত্রে উপস্থাপন করাকে বুঝায়। অর্থাৎ জিআইএস হলো কম্পিউটারের মাধ্যমে কোনো তথ্য ধারণ করে ভূ-পৃষ্ঠের কোনো অবস্থানের চিত্র বর্ণনা করা।
==============
 → ১৯৬৪ সালে কানাডিয়ান — The Canadian Geographic Information System (CGIS)' এর মাধ্যমে জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।  → সত্তরের দশকে নগর পরিকল্পনায় প্রথম কম্পিউটারভিত্তিক জিআইএস ব্যবহার করা হয়।
 → ১৯৮০ সালের পর জিআইএস এর ব্যাপক প্রসার ঘটে।
 → বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৩৮.
ভারতের ত্রিপুরার পার্বত্য অঞ্চলে উৎপত্তি হয়েছে কোন নদী?
  1. ক) কর্ণফুলী
  2. খ) সাঙ্গু
  3. গ) ফেনী
  4. ঘ) নাফ
সঠিক উত্তর:
গ) ফেনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফেনী
ব্যাখ্যা
• কর্ণফুলী (Karnaphuli):
- কর্ণফুলী নদী আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- এরপর রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- এটি চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান নদী।
- এ নদীর দৈর্ঘ্য ২৭৪ কিলোমিটার।
- কর্ণফুলির প্রধান উপনদী কাসালং, হালদা ও বোয়ালখালি।
- রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই নামক স্থানে কর্ণফুলী নদীতে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে দেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
- এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট।
- দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দরটি বাণিজ্যিক নগরী চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত।

• সাঙ্গু (Shangu):
- সাঙ্গু নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থিত আরাকান পাহাড়ে উৎপন্ন হয়েছে।
- অত:পর বান্দরবান ও চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

ফেনী (Feni):
- ফেনী নদী ভারতের ত্রিপুরার পার্বত্য অঞ্চলে উৎপত্তি হয়েছে।
- ফেনী জেলার পূর্ব সীমানা দিয়ে প্রবেশ করে সন্দ্বীপ প্রণালির উত্তরে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- এ নদীটি বাংলাদেশের প্রশাসনিক জেলা ফেনীর নামে পরিচিত এবং ফেনী জেলাতেই অবস্থিত।

• নাফ (Knaf):
- নাফ নদীর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার।
- এ নদী বাংলাদেশের টেকনাফ ও মিয়ানমারের সীমানা নির্দেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭৩৯.
প্রবহমান দুটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে কী বলে?
  1. নদী অববাহিকা
  2. নদী উপত্যকা
  3. দোয়াব
  4. নদীগর্ত
সঠিক উত্তর:
দোয়াব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দোয়াব
ব্যাখ্যা

• দোয়াব: প্রবহমান দুটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে দোয়াব বলে।
- নদীসংগম: দুই বা ততোধিক নদীর মিলনস্থলকে নদীসংগম বলে।
- উপনদী: পর্বত বা হ্রদ থেকে যেসব ছোট নদী উৎপন্ন হয়ে কোনো বড় নদীতে পতিত হয় তাকে সেই বড় নদীর উপনদী বলে। 
- বাংলাদেশের তিস্তা ও করতোয়া হলো যমুনা নদীর উপনদী।
- শাখানদী: মূল নদী থেকে যে সকল নদী বের হয় তাকে শাখানদী বলে। বাংলাদেশের কুমার ও গড়াই হলো পরা নদীর শাখানদী।

অপরদিকে,
- নদী উপত্যকা: যে খাতের মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় সে খাতকে উন্ন নদীর উপত্যকা বলে।
- নদীগর্ত: নদী উপতাকার তলদেশকে নদীগর্ভ বলে।
- নদী অববাহিকা: উৎপত্তি স্থান থেকে শাখাপ্রশাখার মাধ্যমে যে বিদীর্ণ অঞ্চল দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে সমুদ্রঃ যা হ্রদে পতিত হয় সেই - সমগ্র অঞ্চলই নদীর অববাহিকা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৪০.
‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড’ এর মানে -
  1. ক) একটি প্লাবনভূমি
  2. খ) একটি খেলার মাঠ
  3. গ) বঙ্গোপসাগরের একটি খাদের নাম
  4. ঘ) ঢাকা সেনানিবাসের পোলো গ্রাউন্ডের নাম
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গোপসাগরের একটি খাদের নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গোপসাগরের একটি খাদের নাম
ব্যাখ্যা

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground) খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত। গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

৭৪১.
কোন বনাঞ্চলকে চিরহরিৎ বন বলা হয়?
  1. সুন্দরবন
  2. মধুপুর বনাঞ্চল
  3. পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
  4. লালমাই বনাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা

পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চলকে চিরহরিৎ বন বলা হয়।

ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:

- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়। 
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।

ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি: 
- বাংলাদেশের পাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ যেমন ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি, দিনাজপুর ও রংপুর জেলার বরেন্দ্র বনভূমিকে ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি বলা হয়।
- এই বনভূমির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে শীতকালে এই বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায় এবং গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন:
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, উত্তরে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট জেলা, পূর্বে হরিণঘাটা নদী, পিরোজপুর ও বরিশাল জেলা এবং পশ্চিমে রাইমঙ্গল, হাড়িয়াভাঙ্গা নদী ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আংশিক প্রান্তসীমা পর্যন্ত এ বনভূমি বিস্তৃত। 
- এটি খুলনা বিভাগের ৬,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। 
- সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা ও লোনা পানি এবং প্রচুর বৃষ্টিপাতের জন্য এ অঞ্চল বৃক্ষ সমৃদ্ধ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৪২.
সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশকে ইউনেস্কো কত সালে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ সমুদ্র উপকূলবর্তী নোনা পরিবেশের অখণ্ড ম্যানগ্রোভ বনভূমি, এটি গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের মোহনায় অবস্থিত এবং বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিস্তৃত।
- প্রায় ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার বিস্তৃত এ বনভূমির মধ্যে ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার অংশ বাংলাদেশে অবস্থিত। এই অনন্য প্রাকৃতিক পরিবেশকে ঘিরে রয়েছে জালের মতো বিস্তৃত সামুদ্রিক স্রোতধারা, কাদা চর এবং লবণাক্ত ম্যানগ্রোভ বনভূমির ছোট ছোট দ্বীপ।
- এটির গুরুত্ব আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত; ১৯৯২ সালের ২১ মে সুন্দরবন রামসার স্থান হিসেবে এবং ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর (বাংলাদেশের অংশ) ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

সূত্র: বাগেরহাট জেলা, জাতীয় তথ্য বাতায়ন ওয়েবসাইট।
৭৪৩.
বাংলাদেশের পাহাড়ি বন দেশের মোট আয়তনের কত শতাংশ দখল করে?
  1.  ৯.৩৩%
  2. ১০%
  3. ৮.৫%
  4.  ১১%
সঠিক উত্তর:
 ৯.৩৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ৯.৩৩%
ব্যাখ্যা

• পাহাড়ী বন:

- অবস্থান: চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, কক্সবাজার, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়ী এলাকা।

- পরিমাণ: প্রায় ১৩,৭৭,০০০ হেক্টর যা দেশের আয়তনের ৯.৩৩%। বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত পাহাড়ী বনভূমির পরিমাণ ৬,৭০,০০০ হেক্টর যা বন বিভাগ নিয়ন্ত্রিত বনভূমির ৪৪%। 

- উদ্ভিদ প্রজাতি: গর্জন, চাপালিশ, তেলসুর, উড়িআম, ঢাকিজাম, সিভিট, সেগুন, গামার, চম্পা, জারুল, বৈলাম প্রভৃতি গাছ এ বনে পাওয়া যায়। এছাড়া এ বনাঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে বাঁশ ও বেত পাওয়া যায়। 

- বন্যপ্রাণী: এ বনের উল্লেখযোগ্য বন্যপ্রাণী হচ্ছে হাতি, চিতাবাঘ, বন্যশুকর, হরিণ, বানর, উল্লুক, অজগর ইত্যাদি। 
- বনের পাখি: উদয়ী পাকরা ধনেশ, বড় র‌্যাকেট ফিঙ্গে, পাতি-ময়না, গলাফোলা ছাতারে ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। Link

৭৪৪.
পামীর মালভূমির উচ্চতা প্রায় -
  1. ক) ৭,৬৪৯ মিটার
  2. খ) ৭,৯৪৯ মিটার
  3. গ) ৮,৬৪৯ মিটার
  4. ঘ) ১০,৬৪৯ মিটার
সঠিক উত্তর:
ক) ৭,৬৪৯ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৭,৬৪৯ মিটার
ব্যাখ্যা
▪ পৃথিবীর উচ্চতম মালভূমি হলো পামীর মালভূমি।
▪ এটি মধ্য এশিয়ার তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, চীন ও আফগানিস্তানে অবস্থিত।
▪ পামীর মালভূমির উচ্চতা প্রায় ৭,৬৪৯ মিটার
▪ পামীর মালভূমিকে ‘পৃথিবীর ছাদ’ বলা হয়।

অন্যদিকে
▪ সিরিয়া ও ইসরাইল সীমান্তে অবস্থিত গোলান মালভূমি।
▪ এশিয়ার তিব্বত মালভূমি একটি পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি। এটি উত্তরে কুনলুন পর্বতমালা এবং দক্ষিণে হিমালয় পর্বতমালা দ্বারা বেষ্টিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা
৭৪৫.
চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমি নিচের কোন জেলায় দেখা যায়?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) বরিশাল
  3. গ) বান্দরবন
  4. ঘ) দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
গ) বান্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বান্দরবন
ব্যাখ্যা
যে বনভূমির বৃক্ষের পাতা শীতকালে ঝড়ে যায় না তাকে চিরহরিৎ বনভূমি বলা হয়।
সাধারণত অধিক বৃষ্টিবহুল এলাকায় চিরহরিৎ বনভূমির আধিক্য দেখা যায়।
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বৃষ্টিবহুল পার্বত্য চট্টগ্রাম (রাঙ্গানাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান) , চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি রয়েছে।
এই বনাঞ্চলের আয়তন প্রায় ১৩.৭৭ লক্ষ হেক্টর যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ৯.৩৩ শতাংশ।
এ বনের প্রধান বৃক্ষের মধ্যে গর্জন, চাপালিশ ও তেলসুর উল্লেখযোগ্য।

(সূত্র: বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
৭৪৬.
বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল কোথায় অবস্থিত?
  1. আটলান্টিক মহাসাগরে
  2. আরব সাগরে
  3. প্রশান্ত মহাসাগরে
  4. ভারত মহাসাগরে
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগরে
ব্যাখ্যা

বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল: 
- বারমুডা ট্রায়াঙ্গল হলো আটলান্টিক মহাসাগরের উত্তর-পশ্চিমাংশে ত্রিভুজাকৃতির একটি বিশেষ অঞ্চল।
- এর এক কোণে বারমুডা দ্বীপ আর অন্য দুই প্রান্তে মায়ামি বিচ ও পুয়ের্তে রিকোর সান জুয়ান।
- সেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ দিকে ১৯৪৫ সালের ৫ ডিসেম্বর পাঁচটি টিভিএম অ্যাভেঞ্জার উড়োজাহাজ এবং একটি উদ্ধারকারী উড়োজাহাজ রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে যায়। সেই থেকে বারমুডা ট্রায়াঙ্গল রহস্য কথাটার চল। এরপরও বেশ কিছু জাহাজ ও উড়োজাহাজ সেখানে নিখোঁজ হয়েছে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো।

৭৪৭.
তিতাস গ্যাসক্ষেত্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  2. ভোলা
  3. দিনাজপুর
  4. ফেনী
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্যাখ্যা
তিতাস গ্যাসক্ষেত্র: 
- তিতাস গ্যাস ফিল্ড ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের সদরে অবস্থিত।
- ১৯৬২ সালে পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানী এ গ্যাস ক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। 
- পেট্রোবাংলার সর্বশেষ পুনঃ অনুমান অনুসারে, তিতাস গ্যাস ক্ষেত্রের মোট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ ৭,৩৪২.১০ বিলিয়ন ঘনফুট (BCF)।
- গ্যাস ক্ষেত্রটি হতে ১৯৬৮ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উৎপাদন হয়ে আসছে এবং মার্চ ৩১, ২০২৫ পর্যন্ত মোট মজুদের সর্বমোট ৫৫৬৮.৯৫০ বিলিয়ন ঘনফুট বা শতকরা ৭৩.৪৫% গ্যাস উৎপাদন করা হয়েছে।
- তিতাস ফিল্ডের মোট ২৭ (সাতাশ)টি কূপের মধ্যে ০৯ (নয়)টি কূপ ভার্টিক্যাল এবং অবশিষ্ট ১৮ (আঠারো)টি কূপ ডিরেকশনাল।
- এ ফিল্ড থেকে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে গ্যাসের উপজাত হিসেবে গড়ে দৈনিক ৩০২.৫২ ব্যারেল কনডেনসেট উৎপাদিত হয়েছে।
- ২০২৫ সালের মার্চ মাসে এ গ্যাস ক্ষেত্রের কনডেনসেট ও গ্যাসের গড় অনুপাত ০.৫৭৯ ব্যারেল/মিলিয়ন ঘনফুট এবং পানি ও গ্যাসের গড় অনুপাত ০.৮০৫ ব্যারেল/মিলিয়ন ঘনফুট । 

উৎস: বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস্ কোম্পানী লিমিটেড
৭৪৮.
মহীভাবক আলোড়নের ফলে নিম্নের কোনটি সৃষ্টি হয়?
  1. মরুভূমি
  2. সমুদ্র
  3. মালভূমি
  4. পাহাড় 
সঠিক উত্তর:
মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালভূমি
ব্যাখ্যা

• মহীভাবক আন্দোলন (Epeirogenic Movement)):
- মহীভাবক আন্দোলন মহাদেশসমূহের ভূ-পৃষ্ঠে লম্বভাবে আলোড়ন সৃষ্টি করে মালভূমি, চ্যুতি, চ্যুতি ভৃগু তট, স্রস্ত উপত্যকা, স্তূপ পর্বত প্রভৃতি ভূমিরূপ তৈরি করে।
যেমন-
- পূর্ব আফ্রিকা ও জর্ডানের স্রস্ত উপত্যকাসমূহ,
- রাইন নদীর স্রস্ত উপত্যকা।
- এছাড়াও উত্তর আমেরিকার হাডসন উপসাগরের দ্বীপসমূহ মহীভাবক আন্দোলনের ফলে ভূ-ভাগ নিমজ্জিত হয়ে গঠিত হয়েছে। 

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৪৯.
বাংলাদেশের বনাঞ্চলের পরিমাণ মোট ভূমির কত শতাংশ?
  1. ক) ১৯ শতাংশ
  2. খ) ১২ শতাংশ
  3. গ) ১৬ শতাংশ
  4. ঘ) ১৩ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৩ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৩ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- একটি দেশের মোট আয়তনের ২০-২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- কিন্তু বাংলাদেশের এ সম্পদের পরিমাণ রয়েছে মাত্র ১৩ শতাংশ।
- বর্তমানে দেশের ৩৫টি জেলায় বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন বনভূমি রয়েছে।
- বন বিভাগ নিয়ন্ত্রণাধীন বনভূমির পরিমাণ ১,৮৮০,৪৯৩.৭৩ হেক্টর।
- দেশের মোট বনভূমির পরিমাণ ২,৫৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (নবম-দশম শ্রেণি), কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ : ২০২০।
৭৫০.
পৃথিবীর কোন দেশে ভূভাগের সর্বাধিক অংশ পাহাড় দ্বারা আচ্ছাদিত?
  1. ভুটান
  2. তাজিকিস্তান
  3. কিরগিজস্তান
  4. সুইজারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুটান
ব্যাখ্যা
- বিশ্বে আয়তনের তুলনায় সবচেয়ে বেশি পাহাড়ে আচ্ছাদিত দেশ হলো ভুটান, এর প্রায় ৯৮.৮% ভূভাগ পাহাড়ি অঞ্চল। এটি পূর্ব হিমালয়ের কোলে অবস্থিত এবং “Land of the Thunder Dragon” নামে পরিচিত।

সবচেয়ে বেশি পাহাড় আছে যে দেশে:
- পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি পাহাড়ি অঞ্চল ভুটানে।
- এর ৯৮ দশমিক ৮ শতাংশ পাহাড়ে আবৃত।
- তিব্বত ও ভারতের মধ্যে স্থলবেষ্টিত এই দেশ।
- পূর্ব হিমালয়ের কোলে অবস্থিত এই দেশটি ‘ল্যান্ড অফ দ্য থান্ডার ড্রাগন’ নামেও পরিচিত।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০,৭৬০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই দেশ।
- ভুটান বিশ্বের প্রথম কার্বন-নেতিবাচক দেশ হিসাবে স্বীকৃত হয়েছে।

১। ভুটান – ৯৮.৮%
২। তাজিকিস্তান – ৯১.৯%
৩। কিরগিজস্তান – ৯০.৭%
৪। লেসোথো – ৯০.৫%
৫। মন্টেনেগ্রো – ৮৯.৩%
৬। আর্মেনিয়া – ৮৫.৯%
৭। উত্তর মেসিডোনিয়া – ৮৫.৫%
৮। সুইজারল্যান্ড – ৮৩.৬%
৯। লেবানন – ৮১.১%
১০। নেপাল – ৮০.৭%

সূত্র: Worldatlas.
৭৫১.
সম বৃষ্টিপাত যুক্ত স্থানগুলোর ওপর দিয়ে যে রেখা টানা হয় তার নাম -
  1. আইসোহাইট
  2. আইসোবার
  3. আইসোথার্ম
  4. আইসোহ্যালাইন
সঠিক উত্তর:
আইসোহাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোহাইট
ব্যাখ্যা
সমরেখ পদ্ধতি:
- পরিমাণগত বা ঘনত্ব জ্ঞাপক একই মান বিশিষ্ট বিভিন্ন স্থানকে মানচিত্রের উপর যে রেখা দ্বারা যোগ করা হয় সেই রেখাকে সমমান রেখা বা Isopleth line বলে।
- এ রেখা সমমান বিশিষ্ট অঞ্চলের ওপর দিয়ে টানা হয়।
- প্রকৃতিক বিষয় আবহাওয়া, জলবায়ু ইত্যাদি সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের উপাত্ত প্রদর্শনের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- যেমন- সমতাপ বা সমোষ্ণরেখা, সমচাপ রেখা, সমবর্ষণ রেখা এবং সমোষ্ণ রেখা।

উল্লেখ্য,
সমোষ্ণ রেখা (Isotherm line):
- ভূপৃষ্ঠের ওপর সমান তাপ বিশিষ্ট স্থানগুলোকে মানচিত্রের ওপর যে রেখা দ্বারা যুক্ত করা হয় সে রেখাকে সমোষ্ণ রেখা বলে।
সমচাপ রেখা (Isobar line):
- ভূপৃষ্ঠের ওপর বায়ুর সমচাপ বিশিষ্ট স্থানগুলোর ওপর দিয়ে যে রেখা টানা হয় তাকে সমচাপ রেখা (Isobar line) বলে।
সমবর্ষণ রেখা (Isohyet line):
- সম বৃষ্টিপাত যুক্ত স্থানগুলোর ওপর দিয়ে যে রেখা টানা হয় তাকে সমবর্ষণ রেখা বলে।
- সমান উচ্চতা বিশিষ্ট স্থানগুলোকে মানচিত্রের ওপর যে রেখা দ্বারা যোগ করা হয় তাকে সমোচ্চ রেখা বলে।
- এ সমস্ত রেখা কাল্পনিক।

উৎস: ব্যবহারিক ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫২.
সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. হবিগঞ্জ
  3. চট্টগ্রাম
  4. নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা

• কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র: এটি সিলেট জেলায় অবস্থিত; বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি ১৯৬২ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। এর মোট অনুমিত মজুত ৩.৬৫ টিসিএফ যার মধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুত ২.৫২ টিসিএফ গ্যাস। কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাসের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কনডেনসেটও উৎপাদিত হয়ে থাকে। ১৯৮৩ সাল থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

• হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি ১৯৬৩ সালে আবিষ্কৃত দেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। এটি ১১ কিমি দীর্ঘ এবং ৪.৫ কিমি প্রশস্ত। প্রায় ৩০ শতাংশ সচ্ছিদ্রতাবিশিষ্ট হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র একটি উন্নতমানের গ্যাসাধার হিসেবে খ্যাত। বর্তমানে এটি দেশের অন্যতম একটি গ্যাস উৎপাদনক্ষেত্র। আজ পর্যন্ত এই গ্যাসক্ষেত্রে ১০টি কূপ খনন করা হয়েছে।

• বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র: এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত। ১৯৬৯ সালে শেল অয়েল কোম্পানি এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। ১৯৮৪ সালে এখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয় এবং ১৯৯৩ সালে এর উৎপাদন সর্বোচ্চে পৌঁছে (দৈনিক ১৯০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস)। তখন থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের চাপ ও উৎপাদনে দ্রুত পতন ঘটে। ২০০০ সালের শেষদিকে এখান থেকে প্রতিদিন মাত্র ৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রটি দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাবে।

• সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র: এটি খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার একমাত্র গ্যাসক্ষেত্র। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের জাতীয় তেল কোম্পানি ও.জি.ডি.সি এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। খননকৃত ৪টি কূপের মধ্যে ৩নং ও ৪নং কূপে কোন গ্যাস পাওয়া যায় নি। এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে কোন গ্যাস উত্তোলিত হয় নি।

• কুতুবদিয়া গ্যাসক্ষেত্র: এটি চট্টগ্রাম বন্দরের প্রায় ৯২ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিয়ন অয়েল কোম্পানি ১৯৭৬ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। যদিও গ্যাসক্ষেত্রটি ছোট আকৃতির, তবুও এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় নি।

• বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত। পেট্রোবাংলা ১৯৭৭ সালে এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রটি একটি ছোট আকৃতির গ্যাসক্ষেত্র এবং এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় নি। এখানে খননকৃত দুটি গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে একটি শুষ্ক পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৭৫৩.
সুন্দরবনের পর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্বাসমূলীয় বন কোনটি?
  1. হরিণঘাটা বন
  2. গোড়াপদ্মা বন
  3. কুয়াকাটা বন
  4. টেংরাগিরি বন
সঠিক উত্তর:
টেংরাগিরি বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেংরাগিরি বন
ব্যাখ্যা

টেংরাগিরি বন:
- সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্বাসমূলীয় বা ম্যানগ্রোভ বন হলো টেংরাগিরি বন যা ফাতরার বন নামেও পরিচিত।
- টেংরাগিরি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন বরগুনা জেলার দক্ষিণাংশে অবস্থিত। 
- এই বনাঞ্চলের আয়তন ১৩ হাজার ৬৪৪ একর।

• ১৯৬৭ সালে বন বিভাগ একে ‘টেংরাগিরি বনাঞ্চল’ নামকরণ করে।
- ১৯২৭ সালের জরিপ অনুযায়ী ১৯৬০ সালের ১২ জুলাই তৎকালীন সরকার এটিকে সংরক্ষিত বনাঞ্চল ঘোষণা করে। 

উল্লেখ্য,
- এ বনের বৃক্ষরাজির মধ্যে রয়েছে সুন্দরী, কেওড়া, বাইন, পশুর, কাঁকড়া, রেইনট্রি, জারুল, ধুন্দল, বনকাঁঠাল, বট, তেঁতুল, গেওয়া, করমচা, গরান, শিংড়া, হাররা, হেতাল, গিলালতা, কালিয়ালতা, বলাই, হারগোজা, গোলপাতাসহ অসংখ্য প্রজাতির গাছ-গাছড়া। এ বনে বানর, শুকর, সজারু, শিয়াল, বাদুর, কুকুর, বেজি, চামচিকা, গুইসাপ, গোখরাসাপ, অজগর সাপ, বাবুই, পেঁচা, বউ কথা কও, চিল, শালিক, শ্যামা, টুনটুনি, ঘুঘু, মাছরাঙা, সাদাবক, ডাহুক, দোয়েল, বুলবুলি ইত্যাদিসহ অসংখ্য প্রজাতির বণ্যপ্রাণী রয়েছে।

উৎস: i) বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইয়াট।
ii) প্রথম আলো। 

৭৫৪.
আরব সাগর পারস্য উপসাগরের সঙ্গে কোন প্রণালীর মাধ্যমে যুক্ত?
  1. জিব্রাল্টার প্রণালী  
  2. দারদানেলিস প্রণালী
  3. হরমুজ প্রণালী
  4. বসফরাস প্রণালী
সঠিক উত্তর:
হরমুজ প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরমুজ প্রণালী
ব্যাখ্যা

হরমুজ প্রণালী:
- হরমুজ প্রণালী হলো একমাত্র ন্যূনতম সমুদ্রপথ যা তেল সমৃদ্ধ পারস্য উপসাগরকে দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে। 
-------------------------------------------
• আরব সাগর:

- আরব সাগর ভারতের উত্তর-পশ্চিম অংশ এবং আরব উপদ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ভারত ও ইউরোপের দেশগুলির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথ হিসেবে কাজ করে।
- আরব সাগরের উত্তরে পাকিস্তান ও ইরান এবং পশ্চিমে আফ্রিকার উপকূলের শৃঙ্গ রয়েছে।
- এখানে প্রধান নদী হিসেবে সিন্ধু নদী প্রবাহিত হয়।
- আরব সাগরের মোট আয়তন প্রায় ১,৪৯১,০০০ বর্গমাইল (৩,৮৬২,০০০ বর্গকিলোমিটার)।

- আরব সাগর ওমান উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী ব্যবহার করে পারস্য উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত এবং
- এডেন উপসাগর ও বাব-আল-মান্দেব প্রণালী ব্যবহার করে এটি লোহিত সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছে।
----------------------------------------
অন্যদিকে,
• জিব্রাল্টার প্রণালী:
- এ প্রণালী ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এবং ইউরোপের স্পেনকে আফ্রিকার মরক্কো থেকে পৃথক করেছে।

• দারদানেলিস প্রণালী:
- এই প্রণালী মারমরা সাগর ও ইজিয়ান সাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- এবং তুরস্কের ইউরোপীয় ও এশীয় অংশকে পৃথক করেছে।

• বসফরাস প্রণালী: 
- এটি কৃষ্ণ সাগরকে মর্মর সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এবং তুরস্কের এশিয়া ও ইউরোপ অংশকে পৃথক করেছে।

উৎস: Britannica. 

৭৫৫.
'দুলাহাজরা' সাফারী পার্ক কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বরিশাল
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) সিলেট
সঠিক উত্তর:
খ) কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা

দেশের প্রথম সাফারি পার্ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি উদ্যান, কক্সবাজার।
এটি দুলাহাজারা সাফারি পার্ক নামেও পরিচিত
এর আয়তন ৬০০ হেক্টর।
এটি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎসঃ সরকারি ওয়েবসাইট এবং পত্রিকা।

৭৫৬.
বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম চায়ের চাষ শুরু হয় কোথায়?
  1. পঞ্চগড়
  2. রাঙামাটি
  3. চট্টগ্রাম
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালিনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চায়ের চাষ শুরু হয়।
বর্তমানে দেশে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেট, চট্টগ্রাম, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও রাঙামাটি জেলায় মোট ১৬৭টি চা বাগান ও টি এস্টেট রয়েছে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ চা বোর্ড)
৭৫৭.
গ্রানাইট থেকে কোন রূপান্তরিত শিলার সৃষ্টি হয়?
  1. ক) নিস
  2. খ) কোয়ার্টজাইট
  3. গ) স্লেট
  4. ঘ) গ্রাফাইট
সঠিক উত্তর:
ক) নিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নিস
ব্যাখ্যা
অনেক সময় প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয়, যা রূপান্তরিত শিলা নামে পরিচিত। রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ। যেমন- গ্রানাইট থেকে নিস বা নাইস, কয়লা থেকে গ্রাফাইট, চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট ইত্যাদি রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ। সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৭৫৮.
'চৌম্বক শিলা' আবিষ্কৃত হয়েছে কোন জেলায়?
  1. নেত্রকোনা
  2. দিনাজপুর
  3. রংপুর
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
সাম্প্রতিক সময়ে দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলায় চৌম্বক শিলা (চৌম্বক, হেমাটাইট) আবিষ্কার করেছে।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১
৭৫৯.
বাংলাদেশের কোন শহরটিকে প্রথম 'সাইবার সিটি' বলা হয়?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) চট্রগ্রাম
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) সিলেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেট
ব্যাখ্যা
২৭ জুলাই ২০১৯ পরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন বলেছেন, 'দেশের প্রথম ‘ডিজিটাল সিটি’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলো সিলেট। এখন সিলেট নিরাপত্তা সুবিধা সহ আধুনিক স্মার্ট নগরী হিসেবে গড়ে উঠেছে।' বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের বাস্তবায়নাধীন ‘ডিজিটাল সিলেট সিটি’ প্রকল্পের আওতায় স্থাপিত ‘পাবলিক ওয়াইফাই জোন’ ও ‘আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স সংবলিত আইপি ক্যামেরা বেজড সার্ভিলেন্স সিস্টেম’ এবং তথ্য কমিশনের উদ্যোগে বাস্তবায়িত ‘তথ্য অধিকার (আরটিআই) অনলাইন ট্র্যাকিং সিস্টেম’-এর পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। কিন্তু, এখানে উল্লেখ্য যে, নির্দিষ্ট করে সাইবার সিটির বিষয়ে ২০১৫ সালে ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ঘোষণা দিয়েছিলেন 'চট্টগ্রাম মহানগরের বাকলিয়ায় দেশের প্রথম সাইবার সিটি এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) হাইটেক পার্ক তৈরী হবে।' কিন্তু ভূমি জটিলতায় তা এখনও বাস্তবায়ন হয়নি।
Source: দৈনিক সমকাল
৭৬০.
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের অবস্থিত দ্বীপ কোনটি?
  1. ছেঁড়া দ্বীপ
  2. টেকনাফ দ্বীপ
  3. মহেশখালী দ্বীপ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ছেঁড়া দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছেঁড়া দ্বীপ
ব্যাখ্যা

সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান হলো ছেড়াদ্বীপ। এটি সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণে অবস্থিত এবং বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের বিন্দু হিসেবে পরিচিত। সর্ব দক্ষিণের উপজেলা হলো টেকনাফ এটি কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত। এছাড়া, সর্ব দক্ষিণের জেলা হলো কক্সবাজার।

সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা। বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া। বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং। বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি। দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা। বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ। বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

সূত্র - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট এবং ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি। 

৭৬১.
গোবী মরুভূমি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মঙ্গোলিয়া ও চীন
  2. খ) ভারত ও পাকিস্তান
  3. গ) চীন ও জাপান
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
সঠিক উত্তর:
ক) মঙ্গোলিয়া ও চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মঙ্গোলিয়া ও চীন
ব্যাখ্যা
• গোবী মরুভূমি (Gobi Desert) মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত একটি বিশাল মরুভূমি।
• মরুভূমিটির অবস্থান মঙ্গোলিয়া ও চীন - দুই দেশে বিস্তৃত।
• মরুভূমিটি আনুমানিক ১৩ লক্ষ (১২ লক্ষ ৯৫ হাজার) বর্গকিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট।

•বিখ্যাত কিছু মরুভূমির অবস্থান - 
- থর মরুভূমি : ভারত ও পাকিস্তান।
- গোবি মরুভূমি : চীন ও মঙ্গোলিয়া
- মোজাবে মরুভূমি : যুক্তরাষ্ট্র
- সাহারা মরুভূমি : আফ্রিকা

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৭৬২.
গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে কীসে পরিনত হয়? 
  1. মার্বেল
  2. কোয়ার্টজাইট
  3. নিস
  4. চুনাপাথর 
সঠিক উত্তর:
নিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিস
ব্যাখ্যা

শিলা:
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা প্রচণ্ড চাপ, উত্তাপ, রাসায়নিক ক্রিয়া প্রভৃতির ফলে রূপ পরিবর্তন করে যে নতুন শিলায় পরিণত হয় তা  রূপান্তরিত শিলা নামে পরিচিত।
• বিভিন্ন রূপান্তরিত শিলা:
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইট,
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল,
- বেলপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস পরিনত হয়।

অন্যদিকে,
- গ্রানাইট: আগ্নেয় শিলা
- কয়লা ও চুনাপাথর: পাললিক শিলা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি।

৭৬৩.
খনিজ সম্পদ 'জিরকন' বিপুল পরিমানে মজুদ রয়েছে কোথায়?
  1. মৌলভীবাজার
  2. দিনাজপুর
  3. কক্সবাজার
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
- কক্সবাজার সদরের নাজিরটেক থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সৈকতের বালিতে ১২ হাজার কোটি টাকারও বেশি দামের অন্তত ১৭ লাখ ৪০ হাজার টন খনিজ পদার্থ মজুত রয়েছে।
- বাংলাদেশ আণবিক শক্তি কমিশনের (বিএইসি) সাবেক চেয়ারম্যান ড. আনোয়ার হোসেন বলেছেন, সৈকত বালিতে মোট খনিজের প্রাক্কলিত মজুতের পরিমাণ ৪৪ লাখ (৪ দশমিক ৪ মিলিয়ন) টন।
- প্রকৃত সমৃদ্ধ খনিজের পরিমাণ প্রায় ১৭ লাখ ৫০ হাজার টন (এক দশমিক ৭৫ মিলিয়ন)।
- তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে উচ্চ চাহিদাধর্মী মজুত আকরিক রফতানি করতে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মূল্যবান খনিজ বালি জিরকন, ইলমেনাইট, ম্যাগনেটাইট, গারনেট ও রুটাইল উত্তোলন করা যেতে পারে।
- প্রিমিয়ার মিনারেলস নামে একটি অস্ট্রেলীয় কোম্পানি ব্যয়বহুল খনিজসম্পদ জিরকন উত্তোলনের জন্য প্রাথমিকভাবে ৪শ’ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব দিয়েছে।
- তিনি বলেন, প্রাথমিক সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রতিটন জিরকনের দাম প্রায় ৬০ হাজার টাকা এবং বাকিগুলোর দাম গড়ে ৬ হাজার টাকা।
উৎস: কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট
৭৬৪.
মার্বেল পাথর কোন ধরনের শিলা?
  1. আগ্নেয় শিলা 
  2. রূপান্তরিত শিলা 
  3. পাললিক শিলা 
  4. মিশ্র শিলা 
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা 
ব্যাখ্যা

 • রূপান্তরিত শিলা:
- অনেক সময় প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।

- পূর্বের রূপ ও অবস্থার পরিবর্তন হয় বলে একে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ।

রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
যেমন-
চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল,
- বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট,
- গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে,
- কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৬৫.
নিম্নের কোন অঞ্চলে 'ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি' দেখা যায়?
  1. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়
  2. খুলনা, সাতক্ষীরা
  3. খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি
  4. দিনাজপুর ও রংপুর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনভূমি:
জলবায়ু ও মাটির গুণাগুণের তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিন শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়-
১) ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি;
২) ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি;
৩) স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।

⇒ ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।
- চাপালিশ, তেলসুর, ময়না, গর্জন, জারুল, গামার, কড়ই, সেগুন প্রভৃতি এই বনভূমির প্রধান বৃক্ষ।

অন্যদিকে,
ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- বাংলাদেশের পাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ যেমন ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি, দিনাজপুর ও রংপুর জেলার বরেন্দ্র বনভূমিকে ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি বলা হয়।
- এই বনভূমির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে শীতকালে এই বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায় এবং গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন:
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, উত্তরে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট জেলা, পূর্বে হরিণঘাটা নদী, পিরোজপুর ও বরিশাল জেলা এবং পশ্চিমে রাইমঙ্গল, হাড়িয়াভাঙ্গা নদী ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আংশিক প্রান্তসীমা পর্যন্ত এ বনভূমি বিস্তৃত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৭৬৬.
বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ কোনটি?
  1. ক) কয়লা
  2. খ) চুনাপাথর
  3. গ) সাদামাটি
  4. ঘ) গ্যাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্যাস
ব্যাখ্যা
-  বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ১৯৫৫ সালে বার্মা ওয়েল কোম্পানি এদেশে সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। ১৯৫৭ সাল থেকে গ্যাসের উৎপাদন শুরু হয়।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৮টি।
- বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ সম্পদের মধ্যে কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, গন্ধক, খনিজতেল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী এবং পেট্রোবাংলা, প্রথম আলো।
৭৬৭.
'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' কী?
  1. ক) একটি দেশের নাম
  2. খ) ম্যানগ্রোভ বন
  3. গ) একটি দ্বীপ
  4. ঘ) সাবমেরিন ক্যানিয়ন
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাবমেরিন ক্যানিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাবমেরিন ক্যানিয়ন
ব্যাখ্যা
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground):
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত। গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো। মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবক্ষেপপূর্ণ ঘোলাটে স্রোত এনে বেঙ্গল ফ্যানে ফেলছে। বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থলে উদ্ভূত।
- সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ডটি বঙ্গোপসাগরের ১৪ কিলোমিটার প্রশস্ত গভীর সমুদ্রের উপত্যকা। এই উপত্যকার গভীরতম রেকর্ড করা অঞ্চলটি প্রায় ১৩৫০ মি।
- সাবমেরিন উপত্যকাটি বেঙ্গল ফ্যান বা বঙ্গ পাখার অংশ, বিশ্বের বৃহত্তম সাবমেরিন পাখা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭৬৮.
ভিক্টোরিয়া হ্রদ থেকে উৎপন্ন নদী কোনটি?
  1. ক) মারে ডার্লিং
  2. খ) নীলনদ
  3. গ) হোয়াংহো
  4. ঘ) আমাজান
সঠিক উত্তর:
খ) নীলনদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নীলনদ
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের কয়েকটি প্রধান নদীর উৎপত্তি স্থল-
- হোয়াংহো নদী:  কুনকুন পর্বত, চিন দেশ।
- মিসিসিপি নদী: মিনোসোটার হ্রদ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- দানিয়ুব নদী: ব্ল্যাক ফরেস্ট, ইউরোপ।    
- মারে ডার্লিং নদী: কোমিয়াস্কে, অষ্ট্ৰেলিয়া।
- তিস্তা নদী: সিকিমের পর্বত অঞ্চল।
- নীলনদ: ভিক্টোরিয়া হ্রদ, আফ্রিকা মহাদেশ
- আমাজান নদী: আন্দিজ পর্বতমালা, দক্ষিণ আমেরিকা।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৬৯.
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ২৮ কিলোমিটার
  2. খ) ১৮ কিলোমিটার
  3. গ) ২০ কিলোমিটার
  4. ঘ) ১২০ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত
• কুয়াকাটা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমুদ্র সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র। পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা "সাগর কন্যা" হিসেবে পরিচিত।
• অবস্থান: পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নে কুয়াকাটা অবস্থিত।
• ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সৈকত বিশিষ্ট কুয়াকাটা বাংলাদেশের অন্যতম নৈসর্গিক সমুদ্র সৈকত।
• বাংলাদেশের এটাই একমাত্র সৈকত যেখান থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দুটোই ভাল দেখা যায়, সব চাইতে ভালোভাবে সূর্যোদয় দেখা যায় সৈকতের গঙ্গামতির বাঁক থেকে আর সূর্যাস্ত দেখা যায় পশ্চিম সৈকত থেকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন।
৭৭০.
ভারত মহাসাগরে অবস্থিত বৃহত্তম দ্বীপ কোনটি?
  1. সিচেলিস
  2. মরিশাস
  3. মাদাগাস্কার
  4. মালদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
মাদাগাস্কার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদাগাস্কার
ব্যাখ্যা

ভারত মহাসাগর:
- ভারত মহাসাগর বিশ্বের তিনটি প্রধান মহাসাগরের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম।
- এর মোট আয়তন প্রায় ২৭,২৪৩,০০০ বর্গমাইল (৭০,৫৬০,০০০ বর্গকিমি)।
- মহাসাগরের গড় গভীরতা প্রায় ১২,২৭৪ ফুট (৩,৭৪১ মিটার)।
- এর গভীরতম স্থান হলো পুয়ের্তো সুন্ডা ট্রেঞ্চ;
- যার পূর্বের নাম ছিল জাভা খাত (Java Trench)।

- ভারত মহাসাগরে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপগুলোর মধ্যে রয়েছে মাদাগাস্কার, যা বৃহত্তম।
- এছাড়াও রয়েছে- সিচেলিস, মরিশাস, দিয়াগো গার্সিয়া, মালদ্বীপ ও মালাগাসি।

উৎস: Britannica. 

৭৭১.
সর্বশেষ কত সালে হ্যালির ধূমকেতু পৃথিবী থেকে দেখা গেছে?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা

ধূমকেতু (Comet):
- মহাকাশে মাঝে মাঝে একপ্রকার জ্যোতিষ্কের আবির্ভাব ঘটে। এদের একটি মাথা ও একটি লেজ আছে। এসব জ্যোতিষ্ককে ধূমকেতু বলে। ধূমকেতু আকাশের এক অতি বিস্ময়কর জ্যোতিষ্ক। সৌরজগতের মধ্যে ধূমকেতুর বসবাস হলেও এরা কিছুদিনের জন্য উদয় হয়ে আবার অদৃশ্য হয়ে যায়। সূর্যের চারদিকে অনেক দূর দিয়ে এরা পরিক্রমণ করে। সূর্যের নিকটবর্তী হলে এদের দেখা যায়। এরা সূর্যের যত কাছাকাছি আসতে থাকে তত এর লেজ লম্বা হতে থাকে। এরা অনেক দীর্ঘ কক্ষপথে সূর্যকে পরিক্রমণ করে বলে অনেক বছর পর পর এরা আবির্ভূত হয়।

উল্লেখ্য, 
- জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি যে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন তা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত।
- হ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছরে একবার দেখা যায়।
- হ্যালির ধূমকেতু ২৪০ খ্রিষ্টপূর্ব অব্দ থেকে দেখা যায় এবং সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধূমকেতু দেখা গেছে।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 

৭৭২.
সিলিকা বালু প্রধানত কোন অঞ্চলে পাওয়া যায়?
  1. রাঙামাটি 
  2. শেরপুর
  3. পটুয়াখালী
  4. চাঁদপুর
সঠিক উত্তর:
শেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেরপুর
ব্যাখ্যা

সিলিকা বালু (Silica Sand):
এটি এক ধরনের বালু যা কাচ নির্মাণে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য, রং, অগ্নিচুল্লির ইষ্টক নির্মাণে এর দরকার হয়।
উৎপাদন অঞ্চলসমূহ (Production Regions): বাংলাদেশের শেরপুর, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেট, কুমিল্লা ও দিনাজপুর জেলায় সিলিকা (কাচ বালু) বালু পাওয়া যায়।

(ক) শেরপুর জেলা (Sherpur District): শেরপুর জেলার উত্তরে গারো পাহাড়িয়া অঞ্চলের নিকটবর্তী বালিজুরি নামক স্থানে সিলিকা বালু পাওয়া যায়। এ অঞ্চলে সঞ্চিত সিলিকা বালুর পরিমাণ প্রায় ২ লক্ষ টন। বালু দ্বারা রঙিন কাচ তৈরি করা যায়।

(খ) মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলা (Maulvibazar And Habigonj District): মৌলভীবাজারের কুলাউড়া এবং হবিগঞ্জের শাহজীবাজার ও নয়াপাড়া অঞ্চলে সিলিকা বালু পাওয়া যায়।
শাহজীবাজার ও নয়াপাড়া অঞ্চলে ৮২ মিটার (২.৭ ফুট) পুরু সিলিকা বালুর স্তরে প্রায় ৪ লক্ষ টন উৎকৃষ্টমানের বালি সঞ্চিত আছে বলে ধারণা করা হয়। এ বালিতে প্রায় ৯৭-৯৯-৯৮-৬২% সিলিকা আছে। বাংলাদেশের কাচ শিল্পের প্রধান কাঁচামাল হিসেবে এ বালি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া, সুনামগঞ্জ জেলার টাকেরঘাট অঞ্চলেও প্রচুর সিলিকা বালু পাওয়া যায়।

(গ) কুমিল্লা জেলা (Kumilla District): কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার বাতাসিয়া অঞ্চলে সিলিকা বালুর সন্ধান পাওয়া গেছে। এ অঞ্চলে সঞ্চিত বালুর পরিমাণ প্রায় ৪ লক্ষ টন।

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী।

৭৭৩.
বিস্তৃত অঞ্চলজুড়ে শিলার ঢেউয়ের মতো ভাঁজ পড়ে কোন পর্বতের সৃষ্টি হয়?
  1. ভঙ্গিল পর্বত
  2. চ্যুতিস্তূপ পর্বত
  3. আগ্নেয় পর্বত
  4. উত্থিত ক্ষয়জাত পর্বত
সঠিক উত্তর:
ভঙ্গিল পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভঙ্গিল পর্বত
ব্যাখ্যা
⇒ উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে পর্বতকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
ক. ভঙ্গিল পর্বত,
খ. আগ্নেয় পর্বত,
গ. চ্যুতি-স্তূপ পর্বত এবং,
ঘ. উত্থিত ক্ষয়জাত পর্বত।

ভঙ্গিল পর্বত (Folded Mountains):

- অগভীর সমুদ্রের তলদেশে সঞ্চিত পাললিক শিলাস্তরে আনুভূমিক আলোড়ন বা সংকোচনের ফলে শিলাস্তর কুঞ্চিত হয়ে ঢেউয়ের আকারে ভঙ্গিল পর্বতের সৃষ্টি হয়।
- চার ধরণের পর্বতের মধ্যে ভঙ্গিল পর্বতের উৎপত্তি সবচেয়ে জটিল।
- এ ধরনের পর্বতের বিস্তার অন্যান্য ধরনের পর্বতের চাইতে বেশি।

ভঙ্গিল পর্বতের বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ:
১. দুটি পরস্পরমুখী প্লেট সীমানায় সংকোচনজনিত চাপে পাললিক শিলাস্তরে ভাঁজ সৃষ্টি হয়ে ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হয়ে থাকে।
২. ভঙ্গিল পর্বতের শিলা কাঠামো ভাঁজ ও চ্যুতিযুক্ত।
৩. সাধারণত ভঙ্গিল পর্বত পাললিক শিলা দ্বারা গঠিত। তবে উৎপত্তির বিভিন্ন পর্যায়ে আগ্নেয় ও রূপান্তরিত শিলাও দেখা যায়।

প্রধান তিন ধরণের পরিবেশ ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হয়। যথা:
(i) দুটি মহাদেশীয় প্লেটের সংঘাতপূর্ণ এলাকায়;
(ii) মহাদেশ ও সমুদ্র তলদেশীয় সীমানা বরাবর যেখানে সামুদ্রিক শিলাস্তর মহাদেশীয় প্লেটের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে;
(iii) বিচ্ছিন্ন শিলামন্ডল মহাদেশীয় প্লেট সীমানা বরাবর।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৭৪.
নিম্নের কোন জায়গায় চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে?
  1. নেত্রকোনা
  2. কুষ্টিয়া
  3. শেরপুর
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
ক ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ
ব্যাখ্যা
চীনামাটি:
- চীনামাটি কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের কর্দম; প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহূত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
- এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৭ সালে বর্তমান নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর থানার অন্তর্গত ভেদিকুরা নামক স্থানে প্রথম চীনামাটির সন্ধান লাভ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭৭৫.
ভাওয়াইয়া লোকসংগীত কোন জেলার?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) কুষ্টিয়া
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
খ) দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

নরনারীর জীবন প্রবাহ, প্রেম বিরহ, ব্যাকুলতা, যৌন আবেগ, নারীর জীবন ইত্যাদি ভাওয়াইয়া গানের বিষয়বস্তু। বাংলাদেশের দিনাজপুর-রংপুর অঞ্চলে এগুলো বেশি প্রচলিত।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৭৭৬.
'নাফাখুম' জলপ্রপাত কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মৌলভীবাজারে
  2. খ) কক্সবাজারে
  3. গ) খাগড়াছড়িতে
  4. ঘ) বান্দরবনে
সঠিক উত্তর:
ঘ) বান্দরবনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বান্দরবনে
ব্যাখ্যা

- বাংলদেশের সবচেয়ে আকর্ষণীয় জলপ্রপাতগুলোর মধ্যে নাফাখুম অন্যতম। থানচি উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা রেমাক্রিতে পাহাড় ও বনের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত খরস্রোতা সাঙ্গু নদীতে অবস্থান নাফাখুমের।
- বাংলাদেশের প্রশস্ততম জলপ্রপাতগুলোর একটি হলো জাদিপাই। এটি রুমা উপজেলায় অবস্থিত।
- শৈলপ্রপাত জলপ্রপাত বান্দরবনে অবস্থিত।
- খাগড়াছড়ির অন্যতম সৌন্দর্য ‘রিছাং ঝর্ণা’।
- আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
- হিমছড়ি জলপ্রপাত কক্সবাজারে অবস্থিত।
- হামহাম, মাধবকুন্ড জলপ্রপাত মৌলভীবাজারে অবস্থিত।

উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

৭৭৭.
UNESCO সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করে কবে?
  1. ১৯৯৩ সালের ৬ ডিসেম্বর
  2. ১৯৯৫ সালের ৬ ডিসেম্বর
  3. ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর
  4. ১৯৯৮ সালের ৬ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সমুদ্র উপকূলবর্তী নোনা পরিবেশের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনভূমি হিসেবে অখন্ড বন যা বিশ্বে সর্ববৃহৎ।
- এই বনভূমি গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের মোহনায় অবস্থিত এবং বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিস্তৃত ।
- ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে গড়ে ওঠা সুন্দরবনের ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার রয়েছে বাংলাদেশে।
- UNESCO ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর সুন্দরবনকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- সুন্দরবনকে জালের মত জড়িয়ে রয়েছে সামুদ্রিক স্রোতধারা, কাদা চর এবংম্যানগ্রোভ বনভূমির লবণাক্ততাসহ ছোট ছোট দ্বীপ।
- ১৯৯২ সালের ২১শে মে সুন্দরবন রামসার স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

উৎস: বাগেরহাট জেলা, জাতীয় তথ্য বাতায়ন ওয়েবসাইট।
৭৭৮.
পৃথিবীর দক্ষিণতম শহর 'উশুইয়া' কোন দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ জর্জিয়া দ্বীপ
  2. তাসমানিয়া দ্বীপ
  3. ফকল্যান্ড দ্বীপ
  4. তিয়েরা দেল ফুয়েগো দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
তিয়েরা দেল ফুয়েগো দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিয়েরা দেল ফুয়েগো দ্বীপ
ব্যাখ্যা

দ্বীপপুঞ্জ:
- তিয়েরা দেল ফুয়েগো: পৃথিবীর শেষ প্রান্তের দ্বীপ।
- তিয়েরা দেল ফুয়েগো হলো দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণতম প্রান্তে অবস্থিত একটি বিশাল দ্বীপপুঞ্জ,
- যা ম্যাগেলান প্রণালী দ্বারা মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন।
- পৃথিবীর দক্ষিণতম শহর 'উশুয়ায়া' (Ushuaia), তিয়েরা দেল ফুয়েগো দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত।

• ভৌগোলিক অবস্থান ও রাজনৈতিক বিভাজন: 
- অবস্থান: এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরের মিলনস্থলে অবস্থিত।
- এর দক্ষিণে বিখ্যাত 'কেপ হর্ন' (Cape Horn) অবস্থিত।
- বিভাজন: এই দ্বীপপুঞ্জটি দুটি দেশের মধ্যে বিভক্ত:
- চিলি: পশ্চিম অংশ এবং দক্ষিণ দিকের দ্বীপগুলো চিলির অন্তর্ভুক্ত।
- আর্জেন্টিনা: পূর্ব অংশটি আর্জেন্টিনার একটি প্রদেশ।
- প্রধান দ্বীপ: এর সবচেয়ে বড় দ্বীপটির নাম হলো 'ইসলা গ্রান্দে দে তিয়েরা দেল ফুয়েগো'।

গুরুত্বপূর্ণ শহর ও স্থান
- উশুয়াইয়া (Ushuaia): এটি আর্জেন্টিনার অন্তর্ভুক্ত একটি শহর, যাকে 'পৃথিবীর দক্ষিণতম শহর' বলা হয়।
- এখান থেকেই অ্যান্টার্কটিকা অভিযানের জাহাজগুলো রওনা দেয়।
- পুন্তা এরেনাস (Punta Arenas): এটি চিলির অংশে অবস্থিত এই অঞ্চলের অন্যতম বড় ও গুরুত্বপূর্ণ শহর।

উৎস: - Worldatlas.

৭৭৯.
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ক) ১৯৭৪ সালে
  2. খ) ১৯৭৭ সালে
  3. গ) ১৯৮০ সালে
  4. ঘ) ১৯৮২ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে প্রথম, ১৯৮৩-৮৪ সালে দ্বিতীয়, ১৯৯৬ সালে তৃতীয়, ২০০৮ সালে চতুর্থ এবং ২০১৯ সালের ৯-২০ জুন সর্বশেষ পঞ্চম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়৷ পাকিস্তান আমলে ১৯৬০ সালে প্রথম নমুনা আকারে কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
[সূত্রঃ বিবিএস ওয়েবসাইট এবং দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকা]
৭৮০.
বাংলাদেশে প্রথম কত সালে কয়লা খনি পাওয়া যায়?
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮১ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জি.এস.বি):

• গঠন এবং উদ্দেশ্য:
- জি.এস.বি হলো বাংলাদেশের ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর, যা ১৯৭২ সালে স্বাধীনতার পর গঠিত হয়।

• খনন ক্ষেত্রগুলি:
- ১৯৮৫ সালে: দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া এলাকায় খনি পাওয়া যা্‌
- ১৯৮৯ সালে: রংপুর জেলার খালাশপীর নামক স্থানে খনি পাওয়া যায়,
- ১৯৯৫ সালে: দিনাজপুরের দীঘিপাড়াতে (পার্মিয়ান যুগের গন্ডোয়ানা কয়লাক্ষেত্র)।

• প্রকল্পের মাধ্যমে অবস্থান উত্তোলন:
- বড়পুকুরিয়া কয়লা অববাহিকায় ১৯৮৫ সাল থেকে ১৯৮৭ সালের মধ্যে জি.এস.বি ৭টি উত্তোলন কূপ (drill holes) খনন করে।
- জি.এস.বি এ কয়লাক্ষেত্রের মজুত, গুরুত্ব ও বিস্তার নির্ণয় করতেও সমর্থ হয়।

• কৃষ্টি অনুমান:
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৫টি কয়লা ক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছে এবং এই ক্ষেত্রগুলিতে মোট মজুদ কয়লার পরিমাণ আনুমানিক ৩৩০০ মিলিয়ন টন।

• বিসিএমসিএল এবং খনি ইজারা:
- খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর সাথে সহযোগিতায় বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (বিসিএমসিএল)-এর অনুকূলে ১৯৯৪ সালে খনি ইজারা মঞ্জুর করা হয়।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৭৮১.
কোন অঞ্চলে স্থলভাগের চেয়ে জলভাগের বিস্তৃতি বেশি?
  1. ক) নিরক্ষীয় অঞ্চলে
  2. খ) মেরু অঞ্চলে
  3. গ) ক্রান্তীয় অঞ্চলে
  4. ঘ) প্রান্তীয় অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
ক) নিরক্ষীয় অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নিরক্ষীয় অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
নিরক্ষীয় অঞ্চলে (Equatorial region) স্থলভাগের চেয়ে জলভাগের বিস্তৃতি বেশি এবং এখানে সূর্যকিরণ সারা বছর লম্বভাবে পড়ে।
৭৮২.
নদীর মোহনাতে প্রচুর পরিমাণে পলি সঞ্চিত হয়ে যে সমভূমির সৃষ্টি হয় তাকে কী ধরনের সমভূমি বলা হয়?
  1. ক) ব-দ্বীপ
  2. খ) হিমবাহ
  3. গ) সামুদ্রিক
  4. ঘ) উপকূলীয়
সঠিক উত্তর:
ক) ব-দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব-দ্বীপ
ব্যাখ্যা
• ব-দ্বীপ:
- নদীর গতিপথের সর্বশেষ পর্যায়ে অর্থাৎ সমুদ্রে পতিত হওয়ার পূর্বে নদীর গতি সর্বাধিক মন্থর থাকে এবং পানিতে পলির পরিমাণ থাকে সর্বাধিক। ফলে নদীর মোহনাতে প্রচুর পরিমাণে পলি সঞ্চিত হয়। এ পলি সঞ্চিত হতে হতে বাংলা মাত্রাহীন ‘ব’ এর মতো যে সমভূমির সৃষ্টি হয় তাকে ব-দ্বীপ বলে।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ, পাকিস্তানের সিন্ধু, মিশরের নীল, ব্রহ্মদেশের ইরাবতী, চীনের ইয়াংসি, হোয়াংহো, উত্তর আমেরিকার মিসিসিপি, ইতালির পো প্রভৃতি নদীর মোহনায় বিস্তীর্ণ ব-দ্বীপ গঠিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৮৩.
আগ্নেয় পর্বতের আরেক নাম কী?
  1. অববাহিকা পর্বত
  2. ভাঁজজাত পর্বত
  3. সঞ্চয়জাত পর্বত
  4. ক্ষয়জাত পর্বত
সঠিক উত্তর:
সঞ্চয়জাত পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সঞ্চয়জাত পর্বত
ব্যাখ্যা
আগ্নেয় পর্বত: 
- আগ্নেয় পর্বত আগ্নেয়গিরি থেকে উদগিরিত পদার্থ সঞ্চিত ও জমাট বেঁধে আগ্নেয় পর্বত সৃষ্টি হয় ।
- আগ্নেয় পর্বতকে সঞ্চয়জাত পর্বতও বলে।
- এই পর্বত সাধারণত মোচাকৃতির (Conical) হয়ে থাকে।
- আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ হলো-
- ইতালির ভিসুভিয়াস, কেনিয়ার কিলিমানজারো, জাপানের ফুজিয়ামা এবং ফিলিপাইনের পিনাটুবো পর্বত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৮৪.
নিচের কোনটি পাললিক শিলার উদাহরণ?
  1. শেল
  2. স্লেট
  3. মার্বেল
  4. ব্যাসল্ট
সঠিক উত্তর:
শেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেল
ব্যাখ্যা
শিলার প্রকারভেদ:
ভূ-ত্বক গঠনকারী সকল শিলাসমূহকে গঠন প্রণালির ভিত্তিতে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
ক. আগ্নেয় শিলা: ব্যাসল্ট, গ্রানাইট ইত্যাদি।
খ. পাললিক শিলা: বেলে পাথর, শেল, লিগনাইট, বিটুমিনাস, জিপসাম, ডলোমাইট ইত্যাদি।
গ. রূপান্তরিত শিলা: কাঁদা রূপান্তরিত হয়ে স্লেটে, গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিসে পরিণত হয়।

পাললিক শিলা
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠন করে তাকে পাললিক শিলা বলে।
- এ শিলার পলি সাধারণত স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়। আর স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে এ শিলাকে স্তরীভূত শিলাও বলা হয়।
- পাললিক শিলা ভূ-ত্বকের মোট আয়তনের শতকরা ৫ ভাগ। তবে মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের উন্মুক্ত অংশের প্রায় ৭৫ ভাগই পাললিক শিলায় গঠিত। 
- পাললিক শিলার প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে স্তরীভূত, জীবাশ্ম বিশিষ্ট, অকেলাসিত, তরঙ্গচিহ্ন ও কোমলতা ইত্যাদি।

• পাললিক শিলা প্রধানত তিন প্রকার। যথা: 
১। যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- বেলেপাথর
২। রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- চুনাপাথর এবং 
৩। জৈবিক উপায়ে গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- বাংলাদেশের জামালগঞ্জের কয়লা ও গোপালগঞ্জের পিট কয়লা।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৮৫.
কোন ধরনের শিলায় জীবাশ্ম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে?
  1. রূপান্তরিত শিলা 
  2. আগ্নেয় শিলা
  3. পাললিক শিলা 
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পাললিক শিলা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাললিক শিলা 
ব্যাখ্যা

- পাললিক শিলায় জীবাশ্ম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। 

• পাললিক শিলা (Sedimentary Rocks):
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়েছে তাকে পাললিক শিলা বলে।
- বৃষ্টি, বায়ু, তুষার, তাপ, সমুদ্রের ঢেউ প্রভৃতি শক্তির প্রভাবে আগ্নেয় শিলা ক্ষয়প্রাপ্ত ও বিচূর্ণীভূত হয়ে রূপান্তরিত হয় এবং কাঁকর, কাদা, বালি ও ধুলায় পরিণত হয়।
- ক্ষয়িত শিলাকণা জলস্রোত, বায়ু এবং হিমবাহ দ্বারা পরিবাহিত হয়ে পলল বা তলানিরূপে কোনো নিম্নভূমি, হ্রদ এবং সাগরগর্ভে সঞ্চিত হতে থাকে।
- পাললিক শিলা ভূপৃষ্ঠের মোট আয়তনের শতকরা ৫ ভাগ দখল করে আছে।
- তবে মহাদেশীয় ভূত্বকের আবরণের ৭৫ ভাগই পাললিক শিলা।
- পলল বা তলানি থেকে গঠিত হয় বলে এরূপ শিলাকে পাললিক শিলা বলে ।
- পাললিক শিলা যৌগিক, জৈবিক বা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় গঠিত হতে পারে।
- বেলেপাথর, কয়লা, শেল, চুনাপাথর, কাদাপাথর ও কেওলিন পাললিক শিলার উদাহরণ।
- জীবদেহ থেকে উৎপন্ন হয় বলে কয়লা ও খনিজ তেলকে জৈব শিলাও বলে।
- অনেক পাললিক শিলার মধ্যে নানাপ্রকার উদ্ভিদ ও জীবজন্তুর দেহাবশেষ বা জীবাশ্ম দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৮৬.
দিনাজপুরের মধ্যপাড়ায় কত সালে কঠিন শিলা আবিষ্কৃত হয়?
  1. ১৯৬৬ সালে
  2. ১৯৬৮ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
কঠিন শিলা (Hard Rock):
- পাললিক শিলা থেকে পৃথক এবং সাধারণভাবে শক্ত, ঘন, কেলাসিত আগ্নেয় অথবা রূপান্তরিত শিলাকে কঠিন শিলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের মধ্যপাড়ায় কঠিন শিলার খনি পাওয়া গিয়েছে।
- আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৭৪ সালে।
- গভীরতা: ১২৮ মিটার।
- মজুদ: ১৭১ মেট্রিক টন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৬ সালে রংপুর জেলার বদরগঞ্জ থানার রানীপুকুর নামক স্থানে প্রায় ১৮২ মিটার মাটির নিচে প্রথম কঠিন শিলার সন্ধান পাওয়া যায়।
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর থানার মধ্যপাড়ায় ১২৮ মিটার মাটির নিচে কঠিন শিলা রয়েছে যা ২০০৭ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু হয়।
- মধ্যপাড়ায় গ্রানোডায়োরাইট, কোয়ার্টজ, ডায়োরাইট, নিস্ ইত্যাদি কঠিন শিলা পাওয়া যায়।
- এছাড়া নওগাঁ জেলার পত্নীতলা, সিলেট জেলার ভোলাগঞ্জ এবং পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়ায় কঠিন শিলা পাওয়া গেছে।
- রেললাইন, রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, নদীর বাঁধসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে কঠিন শিলা ব্যবহৃত হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
৭৮৭.
ওজোন স্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ট্রপোমণ্ডলে
  2. স্ট্রাটোমণ্ডলে
  3. মেসোমণ্ডলে
  4. এক্সোমণ্ডলে
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোমণ্ডলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোমণ্ডলে
ব্যাখ্যা
- সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণকারী ওজোন স্তর স্ট্রাটোমণ্ডলের ওপরের দিকে অবস্থিত।

স্ট্রাটোমণ্ডল:
- বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তরটি হলো স্ট্রাটোমণ্ডল।
- যা ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত এ স্তরের শেষ সীমা স্ট্রাটোবিরতি।
- এ স্তরে ২০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না।
- স্ট্রাটোবিরতিতে তাপমাত্রা ০° সেলসিয়াস বা এর কাছাকাছি হয়।
- স্ট্রাটোমণ্ডলের উপরের দিকে ওজোন গ্যাসের স্তর রয়েছে যা ওজোন মন্ডল নামে পরিচিত।
- এ স্তরটির গভীরতা ১২-১৬ কিলোমিটার।
- ওজোন স্তর সূর্যরশ্মির অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ করে।
- জীবজগতের জন্য সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি খুবই ক্ষতিকর।
- তবে এটি ওজোন স্তর ভেদ করে পৃথিবীতে পৌছাতে পারে না।

সূত্র: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৮৮.
বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন কত?
  1. ৬৬১৭ বর্গ কিলোমিটার
  2. ৬৭১৭ বর্গ কিলোমিটার
  3. ৬৩১৭ বর্গ কিলোমিটার
  4. ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
ম্যানগ্রোভ:
- ম্যানগ্রোভ (Mangrove) বলতে সাধারণভাবে জোয়ারভাটায় প্লাবিত বিস্তির্ণ জলাভূমিকে বোঝায়।
- ম্যানগ্রোভ বন জোয়ারভাটায় বিধৌত লবনাক্ত সমতলভূমি।

• সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
- ম্যানগ্রোভ বন হলো উপকূলীয় বন।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- এর অন্য নাম বাদাবন।

⇒ সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।

⇒ সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

⇒ ১৮৭৮ সালে সমগ্র সুন্দরবন এলাকাকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়।
- ৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম 'World Heritage site' বা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের বৃহত্তম বনাঞ্চল পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের বনভূমি।
- আবার একক বন হিসাবে বৃহত্তম বন সুন্দরবন সুন্দরবন বনাঞ্চল।

উল্লেখ্য,
- খুলনা জেলা ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ১৮৭৮ সালে সমগ্র সুন্দরবন এলাকাকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়।
- বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী, ১৮৭৫ সালে সুন্দরবনকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়।
- সুন্দরবন পশ্চিম বনবিভাগ ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ১৮৬৫ সালেে বর্তমান খুলনা এবং বাগেরহাট জেলাধীন সুন্দরবনের বনাঞ্চলকে সংরক্ষিত ঘোষণা করা হয়।
- ১৮৭৬ সালে বর্তমান সাতক্ষীরা জেলাধীন সুন্দরবনের বনাঞ্চলকে সংরক্ষিত ঘোষণা করা হয়।
- অতঃপর ১৮৭৮ সালে পূর্বে সংরক্ষিত বন হিসেবে ঘোষিত খুলনা, বাগেরহাট এবং সাতক্ষীরা জেলাধীন সুন্দরবনকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়।

উৎস: i) বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৭৮৯.
'বিরিশিরি' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কিশোরগঞ্জ
  2. খ) নেত্রকোনা জেলায়
  3. গ) শেরপুর জেলায়
  4. ঘ) সিলেট জেলায়
সঠিক উত্তর:
খ) নেত্রকোনা জেলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নেত্রকোনা জেলায়
ব্যাখ্যা
‘বিরিশিরি’ নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলায় অবস্থিত। বিরিশিরি এলাকায় সাগরদিঘী, দূর্গাপুর রাজবাড়ী, পুরাকীর্তিক নিদর্শন মঠগড়সহ বিভিন্ন ধরনের দর্শনীয় স্থান রয়েছে।
Source: banglatribune.com
৭৯০.
ইউরিয়া সারের প্রধান কাঁচামাল হিসেবে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক্লিংকার
  2. মিথেন গ্যাস
  3. কয়লা
  4. ফার্নেস ওয়েল
সঠিক উত্তর:
মিথেন গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথেন গ্যাস
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সার কারখানাগুলোতে ইউরিয়া সার উৎপাদনে কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস বা মিথেন গ্যাস ব্যবহৃত হয়।
- প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রাপ্যতার জন্যে সিলেট, নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চট্টগ্রামে সার কারখানা গড়ে উঠেছে।
(তথ্যসূত্রঃ ভুগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বিসিআইসি ওয়েবসাইট)
৭৯১.
বাংলাদেশের উচ্চতম পাহাড়ের নাম কী?
  1. বিজয়
  2. কেওক্রাডং
  3. গারো
  4. চন্দ্রনাথ
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পাহাড়:

- বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু এবং বৃহত্তম পাহাড় গারো পাহাড়।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ জেলাসমূহ গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত।
- গারো পাহাড়ের উত্তর এবং উত্তর পশ্চিমে রয়েছে আসাম এবং পূর্বে মেঘালয়ে খাসি পাহাড়।
- আয়তন প্রায় ৮১৬৭ বর্গ কিলোমিটার। 
- গারো পাহাড়ের দীর্ঘতম নদীটির নাম সিমসাং।
- নদীটির উৎপত্তি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৪০০ মিটার উচ্চতায় নকরেক অঞ্চলে, পরবর্তীতে নদীটি বাংলাদেশে প্রবেশ করে প্রবাহিত হয়েছে।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং বা বিজয়, যা বান্দরবানে অবস্থিত এবং উচ্চতা ১২৩১ মিটার।
- চন্দ্রনাথ পাহাড় চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে অবস্থিত এবং যা হিন্দুদের পবিত্র তীর্থস্থান।
- ২০১৭ সালের দিকে একটি বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সাকা হাফং কে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হিসাবে দাবি করেছে যা বান্দরবান জেলার মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থিত। তবে এটি সরকারিভাবে স্বীকৃত নয়।

তথ্যসূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল, ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৭৯২.
পূর্ব ইউরোপ ও পশ্চিম এশিয়ার ককেশাস অঞ্চলের মধ্যে কোন সাগর অবস্থিত?
  1. তিমুর সাগর 
  2. জাভা সাগর
  3. কাস্পিয়ান সাগর
  4. কৃষ্ণ সাগর
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণ সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণ সাগর
ব্যাখ্যা

কৃষ্ণ সাগর:
- কৃষ্ণ সাগর পূর্ব ইউরোপ ও পশ্চিম এশিয়ার কোকেশীয় অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি আটলান্টিক মহাসাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রান্তীয় সাগর।
- এটি ইউরোপের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে অবস্থান করে।
- এবং এর সীমানায় রয়েছে বুলগেরিয়া, রোমানিয়া, ইউক্রেন, রাশিয়া, জর্জিয়া ও তুরস্ক।
- কৃষ্ণ সাগরের দক্ষিণ-মধ্য অংশের সর্বোচ্চ গভীরতা প্রায় ২,২১০ মিটার (৭,২৫০ ফুট)।

উল্লেখ্য,
- কৃষ্ণ সাগর বসফরাস প্রণালীর মাধ্যমে মর্মর সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত।
- কৃষ্ণ সাগরকে দারদানেলিস প্রণালী ভূমধ্যসাগর ও এজিয়ান সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এটি পূর্ব ইউরোপ এবং পশ্চিম এশিয়ার মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে।
- এছাড়াও, কৃষ্ণ সাগর ক্রার্চ প্রণালী দ্বারা আজভ সাগরের সঙ্গে যুক্ত। 
----------------------------- 
অন্যদিকে, 
- তিমুর সাগর পূর্ব তিমুর ও অস্ট্রেলিয়ার মাঝে অবস্থিত।
- জাভা দ্বীপের উত্তরে জাভা সাগর অবস্থিত।
- কাস্পিয়ান সাগর এশিয়া ইউরোপের মাঝে, ককেসাস পর্বতমালার পূর্বে এবং স্তেপ ও মধ্য এশিয়ার পশ্চিমে অবস্থিত। 

উৎস: Britannica.

৭৯৩.
কোন ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছর অন্তর পৃথিবীর আকাশে দৃষ্টি গোচরীভূত হয়?
  1. ক) হেইল-বপ
  2. খ) লেক্সেল
  3. গ) হ্যালির ধূমকেতু
  4. ঘ) কোহুটেক
সঠিক উত্তর:
গ) হ্যালির ধূমকেতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হ্যালির ধূমকেতু
ব্যাখ্যা
ধূমকেতু :
- ধূমকেতু এক ধরনের জ্যোতিষ্ক। ধূমকেতুর দুইটি অংশ রয়েছে। যেমন: মস্তক বা কেন্দ্র ও পুচ্ছ। 
- কোনো কোনো ধূমকেতুর মস্তক বা কেন্দ্র গ্রহ অপেক্ষা বড় হয়ে থাকে।
- ধূমকেতুর রয়েছে গ্যাসীয় পদার্থের তৈরি সুদীর্ঘ পুচ্ছ।
- অধিকাংশ ধূমকেতু উপবৃত্তাকার কক্ষপথে গ্রহসমূহের আবর্তন পথের উল্টোদিকে ছুটে চলে।
- হ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছর অন্তর পৃথিবীর আকাশে দৃষ্টিগোচরীভূত হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯৪.
বাংলাদেশে প্রধানত কোন জাতের কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে?
  1. বিটুমিনাস
  2. লিগনাইট
  3. পীট
  4. ক, খ, গ
সঠিক উত্তর:
ক, খ, গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক, খ, গ
ব্যাখ্যা
কয়লা:
- বাংলাদেশে আবিস্কৃত মোট কয়লা ক্ষেত্র ৫টি।
- বাংলাদেশে প্রধানত বিটুমিনাস, লিগনাইট ও পীট জাতীয় কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে
- বাংলাদেশের ফরিদপুরে বাঘিয়া ও চান্দা বিল, খুলনার কোলা বিল এবং সিলেটের কিছু অঞ্চলে পিট জাতীয় কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে।
- বিটুমিনাস ও লিগনাইট কয়লা পাওয়া গেছে যথাক্রমে রাজশাহী, নওগাঁ এবং সিলেট জেলায়।
- বিটুমিনাস ও লিগনাইট উৎকৃষ্ট মানের কয়লা এবং পিট জাতীয় কয়লা নিম্নমানের।
- দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া থেকে লিগনাইট কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে এবং এর পরিমাণ দৈনিক প্রায় ৩,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭৯৫.
আগ্নেয় ও পাললিক শিলা রূপান্তরিত হয়ে কোন শিলা সৃষ্টি হয়?
  1. অস্তরীভূত শিলা
  2. রূপান্তরিত শিলা
  3. স্তরীভূত শিলা
  4. আদি শিলা
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা
ব্যাখ্যা
 রূপান্তরিত শিলা:
- অনেক সময় প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে ।
- পূর্বের রূপ ও অবস্থার পরিবর্তন হয় বলে একে রূপান্তরিত শিলা বলে। রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ।
- যেমন- চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট, গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে, কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।
- রূপান্তরিত শিলা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি আগ্নেয় শিলার সাথে একত্রে ভূ-ভাগের শতকরা প্রায় ৮৫ ভাগ গঠন করেছে।

-অর্থাৎ ভূ-আন্দোলন, অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্পসহ অন্যান্য রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে আগ্নেয় ও পাললিক শিলা অত্যধিক তাপ ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে এক নতুন ধরনের শিলার সৃষ্টি করে, যাকে রূপান্তরিত শিলা বলা হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯৬.
ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় কত কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমন্ডল বিস্তৃত?
  1. ১০০০ কিমি
  2. ১০০০০ কিমি
  3. ১৫০০০ কিমি
  4. ২০০০০ কিমি
সঠিক উত্তর:
১০০০০ কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০০ কিমি
ব্যাখ্যা

বায়ুমন্ডল:
- পৃথিবী পৃষ্ঠের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ রয়েছে তাই হলো বায়ুমন্ডল।
- বায়ুমন্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Atmosphere।
- বায়ুমন্ডল পৃথিবীর অপরিহার্য অংশ।
- এটি আমরা দেখতে পাইনা কিন্তু অনুভব করতে পারি।
- বায়ুমন্ডল মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে পৃথিবীর গায়ের সাথে লেগে থাকে এবং আবর্তন করে।
- তবে বায়ুকঠিন ভূমির সাথে সমানভাবে চলতে না পারায় সামান্য পশ্চাতে পড়ে থাকে।
- বিজ্ঞানীগণের ধারণা, বায়ুমন্ডলের বয়স প্রায় ৩৫০ কোটি বছর।
- বায়ুমন্ডল ভূ-অভ্যন্তরের নির্গত গ্যাস থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে মাত্র ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে বায়ুমন্ডলের ৯০ শতাংশ অবস্থান করছে।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমন্ডল বিস্তৃত।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৯৭.
বাংলাদেশে বন গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. কুমিল্লা
  3. চট্টগ্রাম
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই):
- বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের বন গবেষণা বিষয়ক একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- দেশের বনজ সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের উদ্দেশ্যে ‘‘ফরেস্ট রিসার্চ ল্যাবরেটরি’’ নামে ১৯৫৫ সালে চট্টগ্রামে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে বন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করে ১৯৬৮ সালে উক্ত ল্যাবরেটরিকে বন বিষয়ক একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করা হয়।
- এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৫ সাল থেকে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় (বর্তমানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়)-এর সরাসরি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে।
- প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৬ সালে National Agriculture Research System (নার্স) এর আওতাভুক্ত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট।
৭৯৮.
নিচের কোন দেশটি ইন্দোচীন অঞ্চলের অন্তর্গত নয়?
  1. লাওস
  2. থাইল্যান্ড
  3. কম্বোডিয়া
  4. ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
থাইল্যান্ড ইন্দোচীনের অংশ নয়। অন্য তিনটি দেশ এই অঞ্চলের অন্তর্গত।

ইন্দোচীন:
- ইন্দোচীনের অন্তর্ভুক্ত ভিয়েতনাম, লাওস এবং কম্বোডিয়া। 
- ফ্রান্স অষ্টাদশ শতকে ইন্দোচীন হিসাবে পরিচিত বর্তমান ভিয়েতনাম, লাওস ও কম্বােডিয়ার উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত অঞ্চলটির উপর শাসন অব্যাহত রাখে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে জাপান ইন্দোচীন দখল করে নেয়।
- ১৯৪৫ সালে ভিয়েতনাম স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- ফ্রান্স ভিয়েতনামকে ফরাসি ইউনিয়নের অধীনে একটি পৃথক রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে ১৯৪৬ সালে দেশটির উপর পুনরায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৭৯৯.
নিম্নলিখিত কোন তারিখে কর্কটসংক্রান্তি হয়?
  1. ২৩ সেপ্টেম্বর
  2. ২১ জুন
  3. ২১ মার্চ
  4. ২২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
২১ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ জুন
ব্যাখ্যা

- সূর্যকে প্রদক্ষিণের সময় পৃথিবী আপন মেরুরেখায় কক্ষপথের সঙ্গে ৬৬.৫° কোণে হেলে থাকে।
- পৃথিবী ৬৬.৫° কোণ করে চলার কারণে ২১ মার্চ সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- এরপর ধীরে ধীরে সূর্যের কিরণ উত্তর গোলার্ধের দিকে যেতে থাকে।
- সূর্যকে পরিক্রমণ করতে করতে ২১ জুন পৃথিবী এমন এক জায়গায় আসে যে তখন সূর্যের রশ্মি ভূপৃষ্ঠের ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশে অর্থাৎ কর্কটক্রান্তির উপর লম্বভাবে পড়ে।
- এ সময় উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকে থাকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্য থেকে সবচেয়ে বেশি দূরে থাকে।
- সে কারণে এই সময় উত্তর গোলার্ধে দিনের দৈর্ঘ্য ও তাপমাত্রাও বেশি হয়ে থাকে।
- উত্তর গোলার্ধে ২১ জুন দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত হয়। ২১ জুন সূর্য উত্তরায়ণের শেষ সীমায় পৌঁছায়, একে কর্কটসংক্রান্তি বলে। 

এছাড়াও, 
- ২৩ সেপ্টেম্বর পুনরায় ২১ মার্চের মতো সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। সেদিন সর্বত্র দিবারাত্রি সমান থাকে। ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে আবার সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধের দিকে কিরণ বেশি দিতে থাকে। ২২ ডিসেম্বর এমনভাবে কোণ করে থাকে তাতে দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন এবং উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন হয়।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 

৮০০.
কোনটি আগ্নেয় শিলার উদাহরণ?
  1. গ্রানাইট
  2. চুনাপাথর
  3. মার্বেল
  4. কয়লা 
সঠিক উত্তর:
গ্রানাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রানাইট
ব্যাখ্যা

আগ্নেয় শিলা:
- ভূগর্ভের গলিত ম্যাগমা বা ভূপৃষ্ঠের লাভা শীতল ও কঠিন হয়ে যে কঠিন শিলা গঠিত হয়, তাকে আগ্নেয় শিলা বলে।
- এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম শিলা যা সাধারণত স্ফটিকাকার, স্তরহীন এবং অত্যন্ত শক্ত হয়।
- এই শিলা কোনো স্তর বা জীবাশ্ম ধারণ করে না।
- আগ্নেয় শিলার উদাহরণ: গ্রানাইট, ব্যাসল্ট, গ্যাব্রো, সিয়েনাইট, পিউমিস। 

• আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্য:
- আগ্নেয় শিলার স্তর নেই অর্থাৎ অস্তরীভূত শিলা;
- আগ্নেয় শিলায় কোনো জীবাশ্ম নেই;
- আগ্নেয় শিলা অপ্রবেশ্য;
- আগ্নেয় শিলা সুদৃঢ় ও সুসংহত। 

অন্যদিকে, 
- চুনাপাথর, কয়লা পাললিক শিলা এবং মার্বেল রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।