বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

অর্থনীতির খাতসমূহ

মোট প্রশ্ন১৩৯এই পাতা৩৭প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

অর্থনীতির খাতসমূহ

PrepBank · পাতা / · ১০১১৩৭ / ১৩৯

১০১.
দেশের সবচেয়ে বড় সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. সুতিয়াখালি
  2. সুন্দরগঞ্জ
  3. রামপাল
  4. হরিপুর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরগঞ্জ
ব্যাখ্যা
দেশের বৃহত্তম সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- দেশের উত্তরাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রতিশ্রুতি নিয়ে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে আনুষ্ঠানিক যাত্রা করল দেশের সবচেয়ে বড় সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র তিস্তা সোলার লিমিটেড। 
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধন করেন।
- গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় অনাবাদি চরের ৬৫০ একর জমিতে গড়ে উঠেছে দেশের সবচেয়ে বড় এবং এশিয়ার অন্যতম বড় এই সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- বেক্সিমকোর গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো পাওয়ার লিমিটেড এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করেছে।
- তিস্তা পাড়ের লাটশালা এলাকায় বিশাল এই কেন্দ্রটির নির্মাণ শুরু হয় ২০১৭ সালে।
- বসানো হয় সাড়ে পাঁচ লাখ সোলার প্যানেল। উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে সুন্দরগঞ্জের তিস্তা পাড় থেকে রংপুর পর্যন্ত নির্মাণ করা হয়েছে ১২২টি টাওয়ারের ১৩২ কিলো ভোল্টের ৩৫ কিলোমিটার বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন।
- নির্মাণ করা হয়েছে সাবস্টেশন, বসানো হয়েছে ইনভার্টারসহ সব ধরনের যন্ত্র।  

সূত্র- প্রথমআলো ও বেক্সিমো গ্রুপের ওয়েবসাইট (লিংক)।
১০২.
বাংলাদেশের সর্ব বৃহৎ এনজিও প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. আশা
  2. স্বনির্ভর বাংলাদেশ
  3. ব্র‌্যাক
  4. টি.এম.এস.এস
সঠিক উত্তর:
ব্র‌্যাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্র‌্যাক
ব্যাখ্যা
• ব্র্যাক:
-  এর পূর্ণ রূপ: বাংলাদেশ রুরাল এডভান্সমেন্ট কমিটি।
- ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ১ বেসরকারি ক্ষুদ্রঋণদানকারী সংস্থা হলো ব্র্যাক।
- সালে ফজলে হাসান আবেদ সিলেট জেলার শাল্লা এলাকায় ব্র্যাক প্রতিষ্ঠা করেন। 
- বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ৫১৯টি উপজেলায় ৬৯,৪২১টি গ্রামে ব্র্যাক তার কার্যক্রম পরিচালিত করছে। 

• স্বনির্ভর বাংলাদেশ:
- স্বনির্ভর বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ ১৯৭৫ সালে।
- শুরুতে কৃষি ও বন মন্ত্রণালয়ের সাথে একটি সংযুক্ত সেল হিসেবে কাজ করে।
- বেসরকারি সমাজ উন্নয়নমূলক সংস্থা হিসেবে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ শুরু করে ১৯৮৫ সালে।

• প্রশিকা:
- ১৯৭৫ সালে ঢাকা ও কুমিল্লা জেলার কয়েকটি গ্রামে কাজ শুরু করে।
- কৃষি, সেচ, পশুসম্পদ বৃদ্ধি, মৌমাছি পালন, মৎস্য চাষ, সামাজিক বনায়ন, বসতবাড়িতে বাগান, বীজ উৎপাদন, ক্ষুদ্র ব্যবসা ইত্যাদি কার্যক্রম চালাচ্ছে।

• আশা (এসোসিয়েশন্স ফর সোশ্যাল এডভান্সমেন্ট):
- আশা ১৯৯২ সাল হতে ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে।
- আশা বর্তমানে আত্মনির্ভর ক্ষুদ্র ঋণদানকারী সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি অর্থনীতি এবং বাংলাপিডিয়া।
১০৩.
পরোক্ষ করের উদাহরণ কোনটি?
  1. আয়কর
  2. বিক্রয় কর
  3. ভূমি রাজস্ব
  4. সম্পদ কর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় কর
ব্যাখ্যা

• প্রত্যক্ষ কর:
- যে কর প্রথমে যার উপর ধার্য করা হয় চূড়ান্তভাবে তাকেই পরিশোধ করতে হয় তাকে প্রত্যক্ষ কর বলা হয়।
- এ কর কোনোভাবেই অন্যের উপর চাপানো যায় না।
- যেমন: আয়কর, ভূমি রাজস্ব, সম্পদ কর প্রভৃতি।

• পরোক্ষ কর:
- কোনো ব্যক্তির উপর কর ধার্য করা হলে সে যদি করের ভার অন্যের উপর চাপাতে পারে তাকে বলা হয় পরোক্ষ কর।
- এরূপ করের বোঝা প্রাথমিকভাবে একজন বহন করলেও পরে তা অন্যের উপর চাপাতে পারে।
- যেমন: মূল্য সংযোজন কর, বিক্রয় কর, আমদানী শুল্ক প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৪.
সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কোন খাতের প্রবৃদ্ধির হার বেশি?
  1. কৃষি খাতের
  2. শিল্প খাতের
  3. সেবা খাতের
  4. প্রযুক্তি খাতের
সঠিক উত্তর:
শিল্প খাতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্প খাতের
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক খাত:
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার বেশি।

উল্লেখ্য,
- অর্থনীতি/ জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার ৮.১৮%। অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম, প্রবৃদ্ধির হার ২.৬১%।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান ক্রমবর্ধমান।
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত কৃষিখাত।
- আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত কৃষিখাত (৪৫.৩৩% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত শিল্পখাত (১৭.০২% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১০৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের অর্থনীতির মোট খাত কয়টি?
  1. ১৩টি
  2. ১৫টি
  3. ১৭টি
  4. ১৯টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি
ব্যাখ্যা

• অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪: 
- অর্থনীতির মোট খাত: ১৯টি (২০১৫-১৬ ভিত্তিবছর)।

১৯টি খাত:   
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম। 
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উল্লেখ্য, 
- ২০০৫-০৬ ভিত্তি বছরের খাত ছিল: ১৫টি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১০৬.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসী আয়ে কত শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. প্রায় ২৪ শতাংশ
  2. প্রায় ২৫ শতাংশ
  3. প্রায় ২৭ শতাংশ
  4. প্রায় ৩০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
প্রায় ২৭ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ২৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
প্রবাসী আয় (২০২৪-২৫ অর্থবছর):
- বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যমতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা দেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে প্রাপ্ত সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে দেশের মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- বৈদেশিক মুদ্রার মজুতের এই অঙ্ক গত দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [LINK]
১০৭.
নিচের কোনটি পরোক্ষ কর? 
  1. আমদানী শুল্ক
  2. আয়কর
  3. ভূমি রাজস্ব
  4. সম্পদ কর
সঠিক উত্তর:
আমদানী শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমদানী শুল্ক
ব্যাখ্যা

- আমদানী শুল্ক একটি পরোক্ষ কর।

প্রত্যক্ষ কর:

- যে কর প্রথমে যার উপর ধার্য করা হয় চূড়ান্তভাবে তাকেই পরিশোধ করতে হয় তাকে প্রত্যক্ষ কর বলা হয়।
- এ কর কোনোভাবেই অন্যের উপর চাপানো যায় না।
-যেমন: আয়কর, ভূমি রাজস্ব, সম্পদ কর প্রভৃতি।

• পরোক্ষ কর:
- কোনো ব্যক্তির উপর কর ধার্য করা হলে সে যদি করের ভার অন্যের উপর চাপাতে পারে তাকে বলা হয় পরোক্ষ কর।
- এরূপ করের বোঝা প্রাথমিকভাবে একজন বহন করলেও পরে তা অন্যের উপর চাপাতে পারে।
- যেমন: মূল্য সংযোজন কর, বিক্রয় কর, আমদানী শুল্ক প্রভৃতি।

উৎস: কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান কত?
  1. ১৩.০২%
  2. ১১.০২%
  3. ১৪.০২%
  4. ১৫.০২%
সঠিক উত্তর:
১১.০২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১.০২%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৮২%।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।

উল্লেখ্য, 
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫%।

- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭%।

- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৮%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৮%।

সূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১০৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী কৃষি খাতে বনজ সম্পদ ও সহায়ক সেবার প্রবৃদ্ধি কত?
  1. ৪.১৬%
  2. ৫.১৬%
  3. ৬.১৬%
  4. ৭.১৬%
সঠিক উত্তর:
৫.১৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.১৬%
ব্যাখ্যা
কৃষিখাত:
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী কৃষিখাতে বনজসম্পদ ও সহায়ক সেবার প্রবৃদ্ধি হার- ৫.১৬%।
- জিডিপি নির্ণয়ের সুবিধার্থে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে প্রধানত তিনটি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।

• এগুলো হলো:
- কৃষিখাত
- শিল্পখাত ও
- সেবাখাত।
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত - সেবাখাত ও ছােট খাত - কৃষিখাত।
- কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎ খাত - কৃষিখাত এবং ছােট খাত -শিল্পখাত।


তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১১০.
EPB এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Export Policy Board
  2. Export Promotion Board
  3. Export Promotion Bureau
  4. External Product Bureau
সঠিক উত্তর:
Export Promotion Bureau
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Export Promotion Bureau
ব্যাখ্যা

ইপিবি : 
- ​রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।
​- EPB এর পূর্ণরূপ  Export Promotion Bureau.
​- মাননীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পদাধিকার বলে পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান। 
​- ইপিবির ভাইস-চেয়ারম্যান (প্রধান নির্বাহী) পরিচালনা পর্ষদেরও ভাইস-চেয়ারম্যান যিনি পর্ষদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেন।
​- ১৯৬২ সালে ইপিবি সরকারি সংস্থা হিসেবে যাত্রা শুরু করে। 

​উৎস: EPB ওয়েবসাইট।

১১১.
কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু হয়-
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯২৩ সালে
  3. ১৯৯৪ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
• কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি:
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার ফুড ফর ওয়ার্ক বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু হয়।
- এ কর্মসূচির তাৎক্ষণিক লক্ষ্য ছিল পল্লী অঞ্চলের মানুষের জন্য কাজের সুযোগ সৃষ্টি।
- এবং একইসাথে অভাবগ্রস্ত এলাকাগুলিতে খাদ্যশস্যের সরবরাহ ও প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ।
১১২.
নিচের কোনটি সরকারের কর বহির্ভূত রাজস্বের উৎস?
  1. রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান
  2. চিড়িয়াখানা
  3. কোর্ট ফিস
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
→ বর্ণিত সবগুলো।

• করবহির্ভূত রাজস্ব (Non-Tax Revenue): 

- সরকার কর ও শুল্ক ছাড়া আরও অনেক উৎস হতে রাজস্ব সংগ্রহ করে।
- এই উৎসগুলো থেকে অর্জিত রাজস্বকে করবহির্ভূত রাজস্ব বলে।

→ সরকারের করবহির্ভূত রাজস্বের উৎসসমূহ হলো-
- সরকার তার মালিকানাধীন বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- যেমন- ব্যাংক, বিমা কোম্পানি এবং অ-আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- যেমন- রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান, পার্ক, চিড়িয়াখানা।
- সরকার জনগণকে প্রশাসনিক সেবা প্রদানের জন্য বিভিন্ন প্রকার ফি আদায় করে থাকে।
- যেমন- কোর্ট ফিস।
- সরকার তার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দ্বারা জনগণকে সেবা প্রদান করে থাকে।
- এ সেবাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো আমদানি-রপ্তানি আইনের আওতায় প্রাপ্ত;
- ফিস, বাণিজ্য সংস্থা ও কোম্পানিসমূহ হতে প্রাপ্ত রেজিস্ট্রেশন ফিস, বিমা আইনের আওতায় প্রাপ্তি ও সমবায় সমিতিসমূহের অডিট ফিস, সমবায় সমিতি রেজিস্ট্রেশন ও নবায়ন ফিস ।

এছাড়াও
- ভাড়া ও ইজারা,
- টোল ও লেভি।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১১৩.
বর্তমানে দেশে অর্থনীতির খাত কয়টি রয়েছে? [মে, ২০২৫]
  1. ১৬ টি
  2. ১৫ টি
  3. ১৯ টি
  4. ২০ টি
সঠিক উত্তর:
১৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ টি
ব্যাখ্যা
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের জিডিপি’কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
- যথা – কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।

• ১৯টি খাত: -
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি্
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস : অর্থনৈতিক সমীক্ষা -২০২৪।
১১৪.
E-TIN এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Electronic Trade Information Number
  2. Electronic Transaction Identification Number
  3. Electronic Taxpayer's Identification Number
  4. Electronic Tax Invoice Number
সঠিক উত্তর:
Electronic Taxpayer's Identification Number
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Electronic Taxpayer's Identification Number
ব্যাখ্যা

• E-TIN:
- E-TIN এর পূর্ণরূপ: Electronic Taxpayer's Identification Number.
- 'E-TIN' চালু করা হয় ২০১৩ সালে।
- এটি আয়কর নিবন্ধন আধুনিক সংস্করণ।
- এটি ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর।
- একজন করদাতাকে সহজে, ঘরেবসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
- www. incometax.gov.bd এই সাইট গেলে ই- টিআইএন নিবন্ধন নেওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।

১১৫.
বর্তমানে জাতীয় গণনায় দেশের অর্থনীতিকে কয়টি খাতে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ১৯ টি
  2. ১২ টি
  3. ১৫ টি
  4. ১৭ টি
সঠিক উত্তর:
১৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ টি
ব্যাখ্যা
- জাতীয় আয় পরিমাপ পদ্ধতি:
-বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রতিবছর উৎপাদন পদ্ধতি ও ব্যয় পদ্ধতি ব্যবহার করে  জাতীয় আয় ও জিডিপি গণনা করে । 
-উৎপাদনের ভিত্তিতে খাতভিত্তিক জিডিপি কে ২০০৫-৬ ভিত্তি বছরে ১৫ টি খাতে ভাগ করা হয় ।
- ২০১৫-১৬ ভিত্তিবছরে জিডিপিতে ১৯ টি খাতে ভাগ করা হয়।
• যেমন-
- কৃষি- ১. কৃষি বনজ এবং মৎস্য।
- শিল্প খাত- ২. খনিজ ও খনন ৩, শিল্প ম্যানুফ্যাকচার ৪. বিদ্যুৎ, গ্যাস , বাষ্প , এবং শীতাতপ ব্যবস্থা,  ৫. পানি সরবরাহ, পয়োনিস্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা , ৬. নির্মাণ
- সেবা খাত- ৭. পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, . পরিবহণ ও সংরক্ষণ, ৯. আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম , ১০. তথ্য ও যোগাযোগ,  ১১. আর্থিক বীমা কার্যক্রম,  ১২. রিয়েল স্টেট কার্যক্রম, ১৩. পেশাদার বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত, কার্যক্রম ১৪. প্রশাসনিক ও সহায়তা মূলক কার্যক্রম ১৫ জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা 
১৬. শিক্ষা ,  ১৭. মানব স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা  কার্যক্রম,  ১৮. শিল্পকলা,  ১৯. অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস:   বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১১৬.
বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের মূল উৎস কোনটি?
  1. কর রাজস্ব
  2. রেমিটেন্স
  3. বৈদেশিক ঋণ
  4. বাণিজ্য
সঠিক উত্তর:
কর রাজস্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর রাজস্ব
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
- কর রাজস্ব এবং
- কর বহির্ভূত রাজস্ব।
- কর রাজস্ব বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
• বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
- আয় ও মুনাফা কর,
- আমদানি শুল্ক,
- মূল্য সংযোজন কর,
- আবগারি শুল্ক,
- সম্পূরক শুল্ক:,
- যানবাহন কর,
- ভূমি রাজস্ব,

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, নবম দশম শ্রেণি।

১১৭.
 বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর চালু হয় কবে থেকে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯৬ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা

মূল্য সংযোজন কর:
- কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি পরোক্ষ কর।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

 উৎস:  জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১১৮.
কোন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়?
  1. আয়কর
  2. আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক
  3. ভূমি রাজস্ব
  4. মূল্য সংযোজন কর
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
◉ বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে — মূল্য সংযোজন কর বা মূসক থেকে।
➝ বর্তমান ২০২৩ - ২৪ অর্থবছরে রাজস্ব বোর্ডের আয়ের মোট ৩৮.১% ভ্যাট থেকে আহরণ করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
➝ অন্যান্য যেকোনো উৎসের তুলনায় সকল অর্থবছরেই মূল্য সংযোজন কর (মুসক) থেকেই সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আহরিত হয়।
➝ দ্বিতীয় প্রধান উৎস ⎯ আয়কর (আয়, মুনাফা, ও মূলধনের উপর কর)।

• সরকারের রাজস্ব প্রাপ্তির চিত্র:
২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট অনুযায়ী ⎯
- বৈদেশিক অনুদানসহ মোট রাজস্ব প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা ⎯ ৫০৩,৯০০ কোটি টাকা।
- NBR নিয়ন্ত্রিত কর ⎯ ৪৩০,০০০ কোটি টাকা,
- NBR নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কর ⎯ ২০,০০০ কোটি টাকা,
- কর ব্যতীত অন্যান্য প্রাপ্তি ⎯ ৫০,০০০ কোটি টাকা
- বৈদেশিক অনুদান ⎯ ৩,৯০০ কোটি টাকা।

• রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর্তৃক আহরিত কর:
NBR যেসকল খাত থেকে কর উত্তোলন করে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ⎯
➝ মূল্য সংযোজন কর ⎯ ১৬৩,৮৩৭ কোটি টাকা (৩৮.১%),
➝ আয়, মুনাফা, ও মূলধনের উপর কর ⎯ ১৫৩,২৬০ কোটি টাকা (৩৫.৬%),
➝ সম্পূরক কর ⎯ ৬০,৭০৩ কোটি টাকা (১৪.১%),
➝ আমদানি শুল্ক ⎯ ৪৬,০১৫ কোটি টাকা,
➝ আবগারি শুল্ক ⎯ ৪,৫৭৯ কোটি টাকা।
⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯
মূল্য সংযোজন কর/Value Added Tax (মূসক/VAT):
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি ⎯ পরোক্ষ কর।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ⎯ ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়। কিছু বিশেষ সেবার ক্ষেত্রে এই হার কম/বেশি হতে পারে।

উৎস: জাতীয় বাজেট ⎯ ২০২৩-২৪, NBR ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
১১৯.
‘কাবিখা’ কর্মসূচি কোন ধরনের সরকারি উদ্যোগের অন্তর্ভুক্ত?
  1. টিকা প্রদান
  2. নিরক্ষরতা দূরীকরণ
  3. দারিদ্র্য বিমোচন
  4. অবকাঠামো উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য বিমোচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য বিমোচন
ব্যাখ্যা

• 'কাবিখা’ কর্মসূচি:
- বাংলাদেশে দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ‘কাবিখা’ বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব, খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ অঞ্চলে তীব্র বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ যখন অনাহারের সম্মুখীন হয়, তখন সরকার জরুরি ভিত্তিতে ‘ফুড ফর ওয়ার্ক’ কর্মসূচি চালু করে, যা পরবর্তীতে কাবিখা হিসেবে পরিচিতি পায়।
- এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ অবকাঠামোর নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণ, স্বাভাবিক সময়ে অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দরিদ্র মানুষের আয় বৃদ্ধি।
- পাশাপাশি দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য রক্ষা ও সার্বিক দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করাও এর অন্যতম লক্ষ্য।

তথ্যসূত্র:  সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১২০.
SME খাতের উদ্যোক্তাদের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. বৃহৎ শিল্পের প্রসার
  2. ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উন্নয়ন
  3. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ
  4. সরকারি খাতের উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উন্নয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
• ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তার সাথে সম্পর্কিত - Small and medium-sized Enterprises (SME).
--------------- 
ক্ষুদ্র শিল্প:
উৎপাদনের ক্ষেত্রে ‘ক্ষুদ্র বা ছোট শিল্প’ বলতে সেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে, যেসব প্রতিষ্ঠানের জমি ও কারখানা ভবন ছাড়া স্থায়ী সম্পদের মূল্য ৭৫ লাখ থেকে ১৫ কোটি টাকা। পাশাপাশি যেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ২৬-১২০ জন শ্রমিক রয়েছে।

মাঝারি শিল্প:
উৎপাদন খাতে ‘মাঝারি শিল্প’ বলতে সেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে, যাদের জমি ও কারখানা ভবন ছাড়া স্থায়ী সম্পদের মূল্য ১৫ কোটি থেকে ৫০ কোটি টাকা। পাশাপাশি যেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ১২১-৩০০ জন শ্রমিক রয়েছে।

Vision of SME:
দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং এর ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে (এসএমই) প্রচার করা।

উৎস: শিল্প মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইট. Small & Medium Enterprise Foundation.
১২১.
বাংলাদেশে ‘ভিজিডি’ কর্মসূচি কোন উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়?
  1. পল্লী বিদ্যুতায়ন কর্মসূচি
  2. গৃহঋণ বিতরণ
  3. দুঃস্থ মহিলাদের খাদ্য সহায়তা
  4. দুঃস্থ শিশুদের খাদ্য সহায়তা
সঠিক উত্তর:
দুঃস্থ মহিলাদের খাদ্য সহায়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুঃস্থ মহিলাদের খাদ্য সহায়তা
ব্যাখ্যা

• ভিজিডি কর্মসূচি:
- ভিজিডি কর্মসূচি বাংলাদেশ সরকারের একটি সর্ববৃহৎ সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি।
- দুঃস্থ ও অসহায় এবং শারীরিকভাবে সক্ষম মহিলাদের উন্নয়ন স্থায়ীত্বের জন্য খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি,
- তাদের স্বাবলম্বী/আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে উন্নয়ন প্যাকেজ সেবার আওতায় নির্বাচিত এনজিওর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
- এই কর্মসূচির উপকারভোগীরা ১০০% মহিলা।
- ভিজিডি’ কর্মসূচি দুঃস্থ মহিলাদের খাদ্য সহায়তা।

অপরদিকে,
- ভিজিএফ একটি মানবিক সহায়তা কর্মসূচি,
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা :
- দুঃস্থ ও গরীর জনগণের দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন করার লক্ষ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
- পীড়িত জনগণ এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করা;
- মন্দার সময়ে কর্মহীন জনগণের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ করা;
- উপকারভোগীদেরকে সাময়িক সাহায্যের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনে অবদান রাখা, বিশেষ করে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১২২.
সার্বিকভাবে জিডিপিতে কোন খাতের অবদান ক্রমবর্ধমান?
  1. কৃষি খাতের
  2. সেবা খাতের
  3. শিল্প খাতের
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
শিল্প খাতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্প খাতের
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক খাত:
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান ক্রমবর্ধমান।

উল্লেখ্য,
- অর্থনীতি/ জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার ৮.১৮%। অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম, প্রবৃদ্ধির হার ২.৬১%।


তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১২৩.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কবে?
  1. ১৫ আগস্ট, ২০২৩
  2. ১৭ আগস্ট, ২০২৩
  3. ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৩
  4. ২৪ জানুয়ারি, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
১৭ আগস্ট, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ আগস্ট, ২০২৩
ব্যাখ্যা
সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা
- ২৪ জানুয়ারি, ২০২৩ জাতীয় সংসদে 'সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা বিল ২০২৩' পাস হয়।
- দেশের নাগরিকদের পেনশন ব্যবস্থার আওতায় আনতে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম) চালু করছে সরকার।
- ১৭ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন জারির আগে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা সরকারি পেনশন স্কিমে অংশ নিতে করতে পারবেন না।
- চাঁদাদাতার বয়স ৬০ বছর হওয়ার পর তার ব্যাংক হিসাবে অথবা মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে মাসিক পেনশন দেওয়া হবে।
- সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে ৪টি স্কিম রাখা হয়েছে।
- এগুলো হলো যথাক্রমে
• প্রবাস স্কিম  • প্রগতি স্কিম  • সুরক্ষা  • সমতা স্কিম।
- বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানরত যে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক নির্ধারিত অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় জমা দিয়ে এই স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- জাতীয় পরিচয়পত্র ভিত্তি ধরে ১৮ বছরে থেকে শুরু করে ৫০ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অংশগ্রণ করতে পারবে।
- পেনশনে থাকাকালে ৭৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে মৃত্যুবরণ করলে পেনশনারের নমিনি বাকি সময়ের (মূল পেনশনারের বয়স ৭৫ বছর পর্যন্ত) জন্য মাসিক পেনশন পাবেন।

উৎস: বাসস ও প্রথম আলো।
১২৪.
অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. শিল্প মন্ত্রণালয়
  2. জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়
  3. স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
  4. অর্থ মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
অর্থ মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন।

বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন ৪টি বিভাগ রয়েছে।
এগুলো হলো:
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ,
- অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ,
- অর্থ বিভাগ এবং
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।

উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১২৫.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা কোনটি? 
  1. জাইকা
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. এডিবি
  4. ওআইসি
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম:
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রতিষ্ঠাকালীন নাম- বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম করা হয়- ২০০২ সালে।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের বৈঠক বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়- ২০০৩ সাল থেকে।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী কোন সংস্থা: বিশ্বব্যাংক।
- বাংলাদেশে বৈদেশিক সাহায্য শীর্ষ- আইডিএ।
- জাইকা (JICA) জাপানের একটি সরকারি সংস্থা,
- যা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা হিসাবে পরিচিত। 

তথ্যসূত্র: ইআরডি ওয়েবসাইট।

১২৬.
বাংলাদেশের জিডিপির প্রধান খাত কোনটি? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. কৃষি
  2. শিল্প
  3. সেবা
  4. খনিজ সম্পদ
সঠিক উত্তর:
সেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেবা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের অর্থনীতির খাত: (২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রেক্ষাপটে)
- অর্থনীতির প্রধান খাত: সেবা খাত (Service Sector)
- অতীতে কৃষি খাত প্রধান ছিল, তবে বর্তমানে জিডিপিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখছে সেবা খাত

 
• খাতভিত্তিক জিডিপি অবদান
- কৃষি খাত: ১১.৬২%
- শিল্প খাত: ৩৪.৮১%
- সেবা খাত: ৫৩.৫৬%
 
• জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার
- ২০২৩-২৪ অর্থবছর (চূড়ান্ত হিসাব) → ৪.২২%
- ২০২৪-২৫ অর্থবছর (সাময়িক হিসাব) → ৩.৯৭%
 
• মাথাপিছু আয়
- ২,৮২০ মার্কিন ডলার। 
 
• খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধির হার (২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব)
- কৃষি খাত: ১.৭৯%
- শিল্প খাত: ৪.৩৪%
- সেবা খাত: ৪.৫১%। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট। (Link)

১২৭.
ট্যাক্স হলিডে বলতে কী বোঝায়?
  1. সাময়িকভাবে ট্যাক্স মওকুফ করা
  2. ট্যাক্স খেলাপীদের জন্য বিশেষ আইন
  3. ট্যাক্স দিবস পালনের বিশেষ দিন
  4. ট্যাক্স সংগ্রহের জন্য ছুটির দিন
সঠিক উত্তর:
সাময়িকভাবে ট্যাক্স মওকুফ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাময়িকভাবে ট্যাক্স মওকুফ করা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎস প্রধানত দুইটি।
যথা- কর রাজস্ব এবং করবহির্ভূত রাজস্ব।
- কর পরিশোধে ২০১২ সালের মে মাসে বাংলাদেশে ই-পেমেন্ট পদ্ধতি চালু হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে বেশি আয় আসে ভ্যাট থেকে।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রথম প্রবর্তিত হয় ১ জুলাই, ১৯৯১।
- শিল্পকে উৎসাহিত করার জন্য সাময়িকভাবে ট্যাক্স মওকুফ করাই হচ্ছে ট্যাক্স হলিডে।
- অর্থাৎ, কর অবকাশ (ট্যাক্স হলিডে) হচ্ছে অস্থায়ী কর হ্রাস বা বর্জন ব্যবস্থা।  

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন-একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি এবং এনবিআর।
১২৮.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী, কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি কত প্রাক্কলন করা হয়েছে? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৩.৩৭%
  2. ৩.৩০%
  3. ৩.২১%
  4. ২.৩১%
সঠিক উত্তর:
৩.৩০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৩০%
ব্যাখ্যা
স্থির মূল্যে (ভিত্তি বছর ২০১৫-১৬) তিনটি বৃহৎ খাতের প্রবৃদ্ধির হার:
কৃষি (Agriculture) খাত:
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কৃষি খাতে ৩.৩০% প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে যা সাময়িক হিসাবে ছিলো ৩.২১%।
- উল্লেখ্য, ২০২২-২৩ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.৩৭%।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ০.০৭ শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।

শিল্প (Industry) খাত:
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি ৩.৫১% প্রাক্কলন করা হয়েছে যা সাময়িক হিসাবে ছিলো ৬.৬৬%।
- উল্লেখ্য, ২০২২-২৩ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী শিল্প খাতের জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৮.৩৭%।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার ৪.৮৬ শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।
- রপ্তানী আয়ের সংশোধিত হিসাব অনুযায়ী রপ্তানী নির্ভর শিল্প বিশেষভাবে তৈরি পোশাক শিল্পের উৎপাদনের নিম্নগতির কারণে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস পেয়েছে।

সেবা (Service) খাত:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধি ৫.০৯% প্রাক্কলন করা হয়েছে যা সাময়িক হিসাবে ছিলো ৫.৮০%।
- উল্লেখ্য, ২০২২-২৩ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী সেবা খাতের জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৫.৩৭%।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার ০.২৮ শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
১২৯.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত কোনটি?
  1. কৃষিজাত পণ্য
  2. ওষুধ শিল্প
  3. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  4. পোশাক শিল্প
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত:
- পোশাক খাতের পর চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য দেশের দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত।
- ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ৪৭৭ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানি গত ২৫ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।
- এর মধ্যে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য থেকে ১২ কোটি ৭৪ লাখ ডলার রপ্তানি আয় এসেছে।
- গত বছরের একই মাসে যা ছিল ৯ কোটি ৮২ লাখ ডলারের।
- এই রপ্তানি গত বছরের জুলাইয়ের তুলনায় ২৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেশি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্যের বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩৪ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
- এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৯ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
- তার বাইরে ভারতে ৭ কোটি ১৯ লাখ, জাপানে ৫ কোটি ৬৩ লাখ ও বেলজিয়ামে ২ কোটি ৮২ লাখ ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
১৩০.
বাংলাদেশের এ পর্যন্ত কতটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে? (মার্চ ২০২৫)
  1. ৭ টি
  2. ৮ টি
  3. ৫টি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ টি
ব্যাখ্যা
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন জোসেফ স্তালিন।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন গঠনের পর দেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করে।
- এ কমিশন ১৯৭৩ সালে প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে।
- বাংলাদেশের এ পর্যন্ত পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে ৮টি।বাস্তবায়ন করেছে ৭টি। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা স্থগিত করা হয়েছে।

উৎস: ¡) পরিকল্পনা বিভাগ।
          ¡¡) দৈনিক প্রথম আলো।
১৩১.
নিম্নের কোনটি সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী কর্মসূচি?
  1. খাদ্যনিরাপত্তা কার্যক্রম
  2. আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম
  3. নগদ অর্থসহায়তা প্রদান কার্যক্রম
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
→ উপরের সবগুলো। 

• সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী কর্মসূচি:

- নারী, শিশু, প্রতিবন্ধীসহ সকল সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করা হচ্ছে সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নের একটি মৌলিক চ্যালেঞ্জ।
- সামাজিক সুরক্ষা ও সামাজিক ক্ষমতায়নে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের আওতায় মোট ৬৪টি কর্মসূচি/কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে।

→ এ সমস্ত কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে:
- নগদ প্রদান (বিশেষ ও বিভিন্ন ভাতা) কার্যক্রম,
- খাদ্যনিরাপত্তা কার্যক্রম,
- ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি,
- ও বিভিন্ন তহবিল।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩২.
’ভিজিএফ’ কোন ধরণের কর্মসূচি?
  1. সামাজিক আন্দোলন
  2. স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা
  3. অর্থনৈতিক উন্নয়ন
  4. সামাজিক নিরাপত্তা
সঠিক উত্তর:
সামাজিক নিরাপত্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা

• সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি :
-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় দুর্যোগকালিন ও দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে এবং কৃষি ক্ষেত্রে কর্মহীন সময়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশব্যাপী সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতাধীন মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে থাকে। এই কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:

(১) দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ)
(২) খাদ্য ও অর্থ সহায়তা (জিআর)

• ভিজিএফ :
-ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা।

• জিআর :
- জিআর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের একটি মানবিক সহায়তা কমসূচি, যাতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে জরুরি সাহায্য হিসেবে খাদ্যশস্য/নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়। 

তথ্যসূত্র:  সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের।

১৩৩.
বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রতিবন্ধকতা নয় কোনটি?  
  1. সরকারি সেবার মান
  2. ইউটিলিটি সেবার অপ্রতুলতা
  3. শ্রম শক্তির অপ্রতুলতা
  4. রাজনৈতিক অস্থিরতা
সঠিক উত্তর:
শ্রম শক্তির অপ্রতুলতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রম শক্তির অপ্রতুলতা
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রতিবন্ধকতা নয়: শ্রম শক্তির অপ্রতুলতা। 
- বরং, বাংলাদেশের বিদেশি বিনিয়োগের  সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো সস্তা ও প্রচুর শ্রমশক্তি। 


• বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রতিবন্ধকতা: 

- বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) হলো এমন এক ধরনের বিনিয়োগ, যার মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠান বা কোনো ব্যক্তি ব্যবসায়িক স্বার্থে অন্য দেশে বিনিয়োগ করে। 
- বিনিয়োগ ব্যয় বা বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত অনেকগুলো উপাদান দ্বারা প্রভাবিত হয়।
- সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আনায় প্রতিযোগী দেশগুলোর থেকে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।  
- বাংলাদেশে বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগ (FDI) বৃদ্ধির পথে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা বিদ্যমান, যা অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, প্রশাসনিক এবং অবকাঠামোগত কারণে উদ্ভূত।

- বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগে চারটি প্রধান বাধার কথা জানিয়েছেন ঢাকায় বিনিয়োগ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। যথা: 
১. সরকারি সেবার মান,
২. ইউটিলিটি (বিদ্যুৎ, গ্যাস, পরিবহন) সেবার অপ্রতুলতা, 
৩. দুর্নীতি,
৪. বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সরকারি সংস্থাগুলোর বোঝাপড়ায় ঘাটতি।

এছাড়াও,
• বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা সমূহ: 
১. প্রশাসনিক লাল ফিতা ও দুর্বল শাসনব্যবস্থা,
২. স্বচ্ছতার অভাব,
৩. অপর্যাপ্ত অবকাঠামো,
৪. রাজনৈতিক অস্থিরতা,
৫. আইনি ও বিচারিক দুর্বলতা,
৬. জমি অধিগ্রহণ ও সম্পত্তি অধিকারের সমস্যা,
৭. কর ব্যবস্থা ও নীতিগত অস্থিরতা। 

তথ্যসূত্র: সমকাল, বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও সামষ্টিক অর্থনীতি, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। (Link) 

১৩৪.
বাংলাদেশের প্রধান উৎপাদনভিত্তিক খাত কোনটি?
  1. শিল্প
  2. কৃষি ও বনজ
  3. মৎস্য
  4. পরিবহন
সঠিক উত্তর:
কৃষি ও বনজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি ও বনজ
ব্যাখ্যা

• কৃষিখাত:
- বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান খাত হলো কৃষি। 
- গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা তথা খাদ্যশস্য উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জন, দারিদ্র্য নিরসন ইত্যাদির মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক ও টেকসই উন্নয়নে কৃষিখাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো-২০২৫ অনুসারে, 
- জিডিপির সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষি খাতের অবদান ১০.৯৪% ও  প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার
দাঁড়িয়েছে ১.৭৯%।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.৩০%। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ১.৫১ শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।

তথ্যসূত্র: i) অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। (Link)

১৩৫.
বয়স্ক ভাতা নিচের কোন কর্মসূচির আওতাভুক্ত?
  1. সামাজিক কার্যক্রম
  2. সামাজিক সংশোধন
  3. সামাজিক শিক্ষা
  4. সামাজিক নিরাপত্তা
সঠিক উত্তর:
সামাজিক নিরাপত্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা

বয়স্ক ভাতা:
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে  ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন  করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- বর্তমানে ৬৫০ টাকা তরে প্রদান করা হয়।

• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
(১) বয়স্ক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান;
(২) পরিবার ও সমাজে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি;
(৩) আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাঁদের মনোবল জোরদারকরণ;
(৪) চিকিৎসা ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।

উৎস: সমাজ সেবা অধিদপ্তর।

১৩৬.
নিচের কোনটি কর বহির্ভূত রাজস্ব?
  1. রেলওয়ের আয়
  2. ভূমি রাজস্ব 
  3. আয়কর
  4. আমদানি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
রেলওয়ের আয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেলওয়ের আয়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ: 
- সরকারের আয়ের উৎস: কর রাজস্ব এবং কর বহির্ভূত রাজস্ব।
​• কর-বহির্ভূত রাজস্ব:
- লভ্যাংশ ও মুনাফা, 
​- রেলওয়ের আয়, ডাক আয় ইত্যাদি।
​- সরকারের অআর্থিক সম্পদ' বিক্রয় লব্ধ আয় সুদ,
​- ভাড়া, বিপননযোগ্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিক্রয়,
​- প্রশাসনিক ফি,
​- জরিমানা,
​- দন্ড, বাজেয়াপ্ত,
​- কুয়াসি-কর্পোরেশনের উদ্বৃত্ত আয়।

​অন্যদিকে, 
​- ভূমি রাজস্ব, আয়কর, আমদানি শুল্ক  কর রাজস্ব।

​উৎস: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]

১৩৭.
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির বিকল্প চেয়ারম্যান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. বানিজ্যমন্ত্রী
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রী
  4. অর্থমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
অর্থমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
একনেক (ECNEC):
- ECNEC এর পূর্ণরূপ হলো: Executive Committee of the National Economic Council.
- ECNEC প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮২ সালে।
- এর প্রথম সভাপতি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী। 
- ১৯৯১ সালে পর প্রধানমন্ত্রী এই কমিটির সভাপতিত্ব শুরু করেন।
- ECNEC এর সভাপতি প্রধানমন্ত্রী
- এবং তার অনুপস্থিতিতে সভাপতি অর্থমন্ত্রী ।
- এর সদস্য- মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীগণ।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।