বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

অর্থনীতির খাতসমূহ

মোট প্রশ্ন১৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

অর্থনীতির খাতসমূহ

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ১৩৯

.
বয়স্ক ভাতার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বয়সসীমা কত নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. পুরুষ: ৬০ বছর, নারী: ৫৭ বছর
  2. পুরুষ: ৬৫ বছর, নারী: ৬২ বছর
  3. পুরুষ: ৭০ বছর, নারী: ৬৭ বছর
  4. পুরুষ: ৭৫ বছর, নারী: ৭২ বছর
সঠিক উত্তর:
পুরুষ: ৬৫ বছর, নারী: ৬২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরুষ: ৬৫ বছর, নারী: ৬২ বছর
ব্যাখ্যা
বয়স্কভাতা কর্মসূচি:
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়। 
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৬০ লক্ষ ০১ হাজার বয়স্ক ব্যক্তিকে জনপ্রতি মাসিক ৬০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয়।
- বর্তমানে সকল উপকারভোগীকে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার নগদ ও বিকাশ এবং এজেন্ট ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে (গভর্মেন্ট টু পারসন) ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
- বয়স পুরুষের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬৫ বছর এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬২ বছর  হতে হবে।

বাস্তবায়নকারী দফতর:
সমাজসেবা অধিদফতর

কার্যক্রম শুরুর বছর:
১৯৯৭-৯৮ অর্থবছর

উৎস: সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা কোনটি? 
  1. জাইকা
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. এডিবি
  4. ওআইসি
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম:
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রতিষ্ঠাকালীন নাম- বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম করা হয়- ২০০২ সালে।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের বৈঠক বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়- ২০০৩ সাল থেকে।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী কোন সংস্থা: বিশ্বব্যাংক।
- বাংলাদেশে বৈদেশিক সাহায্য শীর্ষ- আইডিএ।
- জাইকা (JICA) জাপানের একটি সরকারি সংস্থা,
- যা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা হিসাবে পরিচিত। 

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।

.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে জিডিপিতে কোন খাতের অবদান বেশি?
  1. কৃষিখাত
  2. শিল্পখাত
  3. সেবাখাত
  4. নির্মাণ খাত
সঠিক উত্তর:
সেবাখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেবাখাত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৮%।
অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৮%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
.
বাংলাদেশের অর্থনীতির খাতগুলোকে প্রধানত কত ভাগে ভাগ করা যায়?

  1. ৩ 


সঠিক উত্তর:
৩ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ 
ব্যাখ্যা

• অর্থনৈতিক কাঠামো:
- যেকোনো দেশের অর্থনীতিতে সংঘটিত অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সমষ্টিগত অবদানই দেশের অর্থনীতির ভিত্তি গড়ে তোলে। 
- এসব ভিত্তিক অর্থনীতিকে অর্থনৈতিক কাঠামো বা খাত (Economic Structure or Sector) বলা হয়।

- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অর্থনৈতিক খাতকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।

 • অর্থনৈতিক কাঠামো বা খাতসমূহ
(১) উৎপাদনভিত্তিক খাত
- উৎপাদনভিত্তিক কর্মকাণ্ডের উপর নির্ভরশীল খাত।
- কৃষি, শিল্প ও সেবা খাত অন্তর্ভুক্ত।

(২) মালিকানাভিত্তিক খাত
- কোন সংস্থা বা ব্যক্তির মালিকানার ভিত্তিতে বিভক্ত খাত।
- সরকারী, বেসরকারি ও মিশ্র মালিকানার খাত।

(৩) অঞ্চলভিত্তিক খাত
- ভৌগোলিক বা আঞ্চলিক ভিত্তিতে বিভক্ত খাত।
- বিভিন্ন অঞ্চলের অর্থনৈতিক কার্যক্রমের উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবিন্যাস।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
নিচের কোনটি পরোক্ষ কর?
  1. আয়কর
  2. বাড়ি কর
  3. মূল্য সংযোজন কর
  4. দান কর
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর- পরোক্ষ কর।
কর:
- কর হলো একটি বাধ্যতামূলক আর্থিক পরিশোধ, যা সরকার জনগণ ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন সেবা ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ব্যয় করে। 
• কর প্রধানত দুই প্রকার:

প্রত্যক্ষ কর :
- এই কর সরাসরি ব্যক্তির আয়, সম্পদ বা অন্যান্য আর্থিক উপার্জনের উপর আরোপিত হয়। 
যেমন:
• আয়কর ,
• সম্পত্তি কর ,
• সম্পত্তি লাভ কর,

পরোক্ষ কর :
- এই কর পণ্য ও সেবার উপর আরোপিত হয় এবং সাধারণত ভোক্তা পণ্য বা সেবা ক্রয়ের সময় পরিশোধ করে। উদাহরণস্বরূপ:
যেমন:
মূল্য সংযোজন কর ,
• শুল্ক,
• ব্যবসায় কর,

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রকাশিত হিটম্যাপে কয়টি খাতকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ১১টি
  2. ১৩টি
  3. ১৭টি
  4. ১৯টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা):
- BIDA এর পূর্ণরূপ Bangladesh Investment Development Authority.
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

সম্প্রতি,
- বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগ বা এফডিআই আকর্ষণে  হিটম্যাপ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা)।
- তথ্যনির্ভর এফডিআই হিটম্যাপটি ১৯টি সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগ টানতে কৌশলগত দিকনির্দেশনা দেবে।
- এফডিআই হিটম্যাপে থাকা ১৯টি খাতকে তিনটি প্রধান মানদণ্ড বাজার প্রস্তুতি ও সম্ভাবনা, ইনপুট ফ্যাক্টরের প্রাপ্যতা ও জাতীয় লক্ষ্য (এসডিজি ও ইএসজি)-এর সঙ্গে কৌশলগত সংযোগের ভিত্তিতে ভাগ করা হয়েছে।
- অগ্রাধিকার খাতের প্রধান হলো ছয়টি খাত হচ্ছে- কোর অ্যাপারেল, ফার্মাসিউটিক্যালস (এপিআই ছাড়া), কৃষি প্রক্রিয়াকরণ, আইটি-সক্ষম সেবা, উন্নত টেক্সটাইল এবং নবায়নযোগ্য শক্তি।
- এফডিআই হিটম্যাপের কার্যকারিতা সর্বাধিক করতে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ফোরাম, রোড শো এবং নীতি উন্নয়নের উদ্যোগ নেবে বিডা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
.
সম্প্রতি, এফডিআই আর্কষণে বিডা প্রকাশিত হিটম্যাপে কয়টি খাতকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৯টি
  2. ১৯টি
  3. ২৯টি
  4. ৩৯টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা):
- BIDA এর পূর্ণরূপ Bangladesh Investment Development Authority.
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

সম্প্রতি,
- বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগ বা এফডিআই আকর্ষণে হিটম্যাপ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা)।
- তথ্যনির্ভর এফডিআই হিটম্যাপটি ১৯টি সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগ টানতে কৌশলগত দিকনির্দেশনা দেবে।
- এফডিআই হিটম্যাপে থাকা ১৯টি খাতকে তিনটি প্রধান মানদণ্ড বাজার প্রস্তুতি ও সম্ভাবনা, ইনপুট ফ্যাক্টরের প্রাপ্যতা ও জাতীয় লক্ষ্য (এসডিজি ও ইএসজি)-এর সঙ্গে কৌশলগত সংযোগের ভিত্তিতে ভাগ করা হয়েছে।
- অগ্রাধিকার খাতের প্রধান হলো ছয়টি খাত হচ্ছে- কোর অ্যাপারেল, ফার্মাসিউটিক্যালস (এপিআই ছাড়া), কৃষি প্রক্রিয়াকরণ, আইটি-সক্ষম সেবা, উন্নত টেক্সটাইল এবং নবায়নযোগ্য শক্তি।
- এফডিআই হিটম্যাপের কার্যকারিতা সর্বাধিক করতে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ফোরাম, রোড শো এবং নীতি উন্নয়নের উদ্যোগ নেবে বিডা।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
.
বাংলাদেশ প্রথম কবে দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র প্রণয়ন করে?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০০৫ সালে
  4. ২০১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা
দারিদ্র বিমোচন কৌশল পত্র( PRSP):
- PRSP এর পূর্ণরূপ: Poverty Reduction Strategy Paper.
- দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বিশ্বে নিম্ন আয়ের দেশগুলির অভ্যন্তরীণভাবে গৃহীত নীতি, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রণীত দলিল বা রূপরেখা।
- ২০০৩ সালে বাংলাদেশ অন্তবর্তীকালীন পিআরএসপি (আইপিআরএসপি) প্রথম প্রণয়ন করে।
- বাংলাদেশ ২০০৫ সালে প্রথম PRSP প্রণয়ন করে।
- ২০০৮ সালের অক্টোবরে ২০০৫ সালে প্রণীত দলিলটিকে হালনাগাদ করা হয়।
- এ দলিল প্রণয়নের মাধ্যমে সহস্রাব্দ উন্নয়নের লক্ষ্য (এমডিজি) এবং দক্ষিণ এশীয় উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার প্রকাশ করা হয়েছে।
- দ্রুততর দারিদ্র্য বিমোচনের কৌশল-২ (অর্থবছর ২০০৯-১১) পথে অগ্রযাত্রা’।
- ২০০৮ সালে সম্পাদিত পিআরএসপি-২ এর সরকার বদলের ফলে কিছুটা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

উৎস:  বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশের আর্থিক বছর কোনটি?
  1. ফেব্রুয়ারি-ডিসেম্বর
  2. জানুয়ারি-ডিসেম্বর
  3. জুন-জুলাই
  4. জুলাই-জুন
সঠিক উত্তর:
জুলাই-জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলাই-জুন
ব্যাখ্যা
→ জুলাই-জুন।

• অর্থবছর:

- বাজেট বলতে আয় ও ব্যয়ের সুবিন্যস্ত হিসাবকে বোঝায়।
- ব্যক্তি তার বিভিন্ন উৎস থেকে যে আয় পায় তা কীভাবে ব্যয় করে তা যদি সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো হয়, তা হবে ব্যক্তিগত বাজেট।
- একইভাবে সরকারের কোনো নির্দিষ্ট আর্থিক বছরে বিভিন্ন উৎস থেকে কতটুকু আয় প্রাপ্তির আশা করে এবং বিভিন্ন খাতে কী পরিমাণ ব্যয় করতে চায়, তার সুবিন্যস্ত হিসাবকে সরকারি বাজেট বলে।
- বাংলাদেশে আর্থিক বছর হলো জুলাই থেকে জুন।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশে বাজেট প্রণয়ন করে জাতীয় সংসদে অনুমোদন নিতে হয়।
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি নিয়ে সরকারের নির্ধারিত আয়-ব্যয় ও তার পদ্ধতি কার্যকর হয়।

• বাজেটের প্রকারভেদ: 
- সরকারের আয়-ব্যয়ের প্রকৃতি অনুযায়ী বাজেটকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
- চলতি বাজেট।
- মূলধন বাজেট।

উৎস: অর্থনীতি নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
একটি দেশের নাগরিকদের দেশের ভেতরে ও দেশের বাহিরে অর্জিত আয় বিবেচনা করা হয় কীসে?
  1. নীট জাতীয় উৎপাদন (NNP)
  2. নীট দেশজ উৎপাদন (NDP)
  3. মোট দেশজ উৎপাদন (GDP)
  4. মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)
সঠিক উত্তর:
মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)
ব্যাখ্যা
একটি দেশের নাগরিকদের দেশের ভেতরে ও দেশের বাহিরে অর্জিত আয় বিবেচনা করা হয় মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)-তে। 

মোট জাতীয় উৎপাদন (Gross national income or GNP):

- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের জনগণ যে পরিমাণ বস্তুগত ও অবস্তুগত চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলে।
- একটি দেশের জনগণ দেশের ভেতরে ও দেশের বাহিরে অবস্থান করে উৎপাদন কাজ করতে পারে।
- তাই বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকদের অর্জিত আয় GNP-তে অন্তর্ভূক্ত হয়।

⇒ দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা বিদেশে বিক্রয় তা হল রপ্তানী আর বিদেশে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা দেশের অভ্যন্তরে বিক্রয় তা হল আমদানি।
- এ রপ্তানি ও আমদানির ব্যবধানকে নীট রপ্তানি আয় বলে।
- অতএব একটি দেশের সব নাগরিকদের মোট ভোগ ব্যয়, মোট বিনিয়োগ ব্যয়, মোট সরকারি ব্যয় এবং নীট রপ্তানি আয়ের সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলা হয় ।

অন্যদিকে -
⇒ মোট দেশজ উৎপাদন (Gross Domestic Product or GDP):
- GDP হলো একটি দেশের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক সীমারেখার মধ্যে দেশে অবস্থিত সকল ব্যক্তিবর্গ (দেশি ও বিদেশি) প্রাপ্ত সম্পদ ব্যবহার করে যে পরিমাণ দ্রব্য ও সেবাসামগ্রী উৎপাদন করে তার আর্থিক মূল্য।

⇒ নীট জাতীয় উৎপাদন (Net National Prduct or NNP):
- NNP হলো মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন।
- মোট জাতীয় উৎপাদন করতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়।
- ফলে যন্ত্রপাতির অবচয়জনিত কারণে প্রকৃত মূল্য হ্রাস পেতে থাকে।
- দেশের উৎপাদন ক্ষমতা বজায় রাখতে হলে মোট জাতীয় উৎপাদনের কিছু অংশ মূলধনের ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য কর্তন করতে হয়।
- একে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বলে । সুতরাং,
নীট জাতীয় উৎপাদন = মোট জাতীয় উৎপাদন – মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়

⇒ নীট দেশজ উৎপাদন (Net Domestic Product or NDP):
- NDP হলো নীট দেশজ উৎপাদন মোট দেশজ উৎপাদনের একটি অংশ।
- মোট দেশজ উৎপাদন থেকে মূলধনের বাদ দিলে যা পাওয়া যায় তা হলো নীট দেশজ উৎপাদন ।

উৎস: i) অর্থনীতি, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
ভূমিকর কোন ধরণের কর?
  1. প্রত্যক্ষ
  2. পরোক্ষ
  3. মূল্য সংযোজন
  4. উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
প্রত্যক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যক্ষ
ব্যাখ্যা

• ’ভূমিকর’ একটি প্রত্যক্ষ কর।
- ভূমি কর জমির মালিকানা বা ভোগদখলের ভিত্তিতে জমির মালিকের উপর সরাসরি ধার্য হয়।

• প্রত্যক্ষ কর:
⇒ কোন ব্যক্তির উপর আরোপিত কর সরকার প্রত্যক্ষভাবে আদায় করলে এবং করদাতা ঐ করের বোঝা অন্যের উপর চাপিয়ে দিতে সক্ষম না হলে তাকে প্রত্যক্ষ কর বলে।
যেমন: আয়কর, ভূমিকর, মুনাফা কর, ব্যয়কর ইত্যাদি।

• পরোক্ষ কর:
⇒ করদাতা নিজে প্রত্যক্ষভাবে বা সরাসরি কর প্রদান না করে অন্য কোনো মাধ্যমে সরকারকে কর প্রদান করলে তাকে পরোক্ষ কর বলে।
যেমন: মূসক, আমদানি শুল্ক, বিক্রিয় কর, পণ্যকর ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি বই।

১২.
বাংলাদেশের জিডিপি সার্বিকভাবে কতটি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ১৭টি
  2. ১৩টি
  3. ১৯টি 
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি 
ব্যাখ্যা

অর্থনীতির খাত:
- বাংলাদেশের জিডিপি’কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
- যথা:- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
- এবং ৬টি খাত উপখাতে বিভক্তরয়েছে।

• জিডিপির সার্বিক খাতগুলো হলো: 
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস: অর্থনীতি সমীক্ষা- ২০২৪।

১৩.
হুন্ডি ব্যবস্থার মাধ্যমে বিদেশ থেকে বাংলাদেশে টাকা প্রেরণ করার ক্ষেত্রে কোন চ্যানেল ব্যবহৃত হয়?
  1. সরকারি চ্যানেল
  2. ব্যাংকিং চ্যানেল
  3. বৈধ প্রাতিষ্ঠানিক চ্যানেল
  4. অবৈধ বা অপ্রাতিষ্ঠানিক চ্যানেল
সঠিক উত্তর:
অবৈধ বা অপ্রাতিষ্ঠানিক চ্যানেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ বা অপ্রাতিষ্ঠানিক চ্যানেল
ব্যাখ্যা
হুন্ডি:
- ব্যাংকিং বা অফিসিয়াল চ্যানেল ব্যতীত অন্য যেকোন উপায়ে বিদেশ থেকে বাংলাদেশে টাকা (বৈদেশিক মুদ্রা) প্রেরণ করাকে হুন্ডি বলে।
- হুন্ডি একটি অপ্রাতিষ্ঠানিক অর্থ লেনদেন পদ্ধতি যা বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে প্রচলিত এবং প্রবাসীদের মাঝে খুবই জনপ্রিয়।
- এটি মূলত প্রবাসী আয়ের অর্থ সহজ এবং দ্রুত স্থানান্তরের একটি মাধ্যম। তবে এটি কোনোভাবেই বৈধ কোনো মাধ্যম নয়।
- আর যাঁরা ঘুষ-দুর্নীতি, কর ফাঁকি, চোরাচালান বা অন্য কোনো উপায়ে অর্থ উপার্জন করেছেন, তাঁরা অর্থ পাচারের জন্য বেছে নেন হুন্ডিকেই।
- সাধারণত ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে হুন্ডির মাধ্যমে লেনদেন করা হয়।
- বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে এটা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

তথ্যসূত্র: ০৯ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের অর্থনীতির খাত কয়টি?
  1. ১৫টি
  2. ০৫টি
  3. ১৯টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
---------------------------------- 
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪: 

- অর্থনীতির মোট খাত: ১৯টি (২০১৫-১৬ ভিত্তিবছর)।

১৯টি খাত:   
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম। 
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উল্লেখ্য, 
- ২০০৫-০৬ ভিত্তি বছরের খাত ছিল: ১৫টি।

উৎস:
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৫.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদান্তে প্রত্যাশিত গড় আয়ু কত হবে?
  1. ৭২ বছর
  2. ৭৪ বছর
  3. ৭৫ বছর
  4. ৭৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৭৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪ বছর
ব্যাখ্যা
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- মেয়াদ: জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%।
- দারিদ্রের উচ্চহার – ১৫.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর।
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার: ১.১৮%।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%।
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা। 
- মাথাপিছু আয় - ৩,০৫৯ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%।
- মেয়াদান্তে বিদুৎ উৎপাদন ক্ষমতা – ৩০,০০০ মেগাওয়াট।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
১৬.
'কাবিখা' কর্মসূচির মূল লক্ষ্য কোনটি?
  1. গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি
  2. প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণ বা পুনর্নির্মাণ
  3. দারিদ্র্য বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা

• কাবিখা কর্মসূচি:
- কাজের বিনিময়ে খাদ্য বা কাবিখা হলো খাদ্য সহায়তার একটি কর্মসূচি।

» কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য :
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো  নির্মাণ /পুনর্নির্মাণ
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি 
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন  এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।
  
তথ্যসূত্র: সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট।

১৭.
বাংলাদেশ বীমা কোম্পানীর নিয়ন্ত্রক সংস্থা-
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ
  3. বীমা সমিতি
  4. আই.ডি.আর.এ
সঠিক উত্তর:
আই.ডি.আর.এ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আই.ডি.আর.এ
ব্যাখ্যা
আইডিআরএ: 
- বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)।
- এটি ২০১১ সালের ২৬ জানুয়ারি "বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১০" অনুযায়ী গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সরকার "বীমা আইন, ২০১০" প্রণয়ন করে বীমা ব্যবসাকে উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে।
- আইডিআরএ গঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো বীমা ব্যবসার তদারকি করা এবং বীমা গ্রহীতার স্বার্থ রক্ষা করা।

উৎস: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ  ওয়েবসাইট।
১৮.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে বনভূমির পরিমাণ খুবই কম?
  1. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল
  2. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে
  3. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
ব্যাখ্যা
• বনভূমি:
- বাংলাদেশের মোট বনভূমির আয়তন প্রায় ২২.৫ লক্ষ হেক্টর।
- বনভূমির এ পরিমাণ দেশের মোট ভূমির শতকরা ১৭ ভাগ।
- এ বন সারাদেশে সমানভাবে বিস্তৃত নয়।
- অধিকাংশ বনভূমি দেশের পূর্ব, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত।
- দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বনভূমির পরিমাণ খুবই কম।

অবস্থান ও বিস্তৃতিভেদে বাংলাদেশের বনাঞ্চলকে প্রধানত পাঁচভাগে ভাগ করা হয়েছে।
১। পাহাড়ি বন;
২। সমতলভূমির বন;
৩। ম্যানগ্রোভ বন;
৪। সামাজিক বন;
৫। কৃষি বন।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম  উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
সম্প্রতি, টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশ-জার্মানির মধ্যে কত ইউরো ঋন চুক্তি সই হয়? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ১ কোটি ৪৪ লাখ
  2. ২ কোটি ৩৪ লাখ
  3. ৩ কোটি ৪০ লাখ
  4. ৩ কোটি ৪৪ লাখ
সঠিক উত্তর:
১ কোটি ৪৪ লাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ কোটি ৪৪ লাখ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-জার্মানি ঋণ চুক্তি:
- টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ-জার্মানির মধ্যে ১ কোটি ৪৪ লাখ ইউরো দেওয়ার চুক্তি হয়েছে।
- বর্তমান বাজারে টাকার অঙ্কে এর পরিমাণ ১৮০ কোটি টাকা।
- অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) ও জার্মান সরকারের মধ্যে শেরে বাংলা নগরের ইআরডি সম্মেলনকক্ষে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তিনটি প্রকল্পে এই অর্থ দেওয়া হবে:
১/ বস্ত্র খাতে টেকসই কর্মসূচি-২ প্রকল্পে ৭৩ লাখ ইউরো;
২/ সাপোর্ট ফর দ্য লোকালাইজেশন অব ন্যাশনাল ক্লাইমেট অ্যাডাপটেশন টার্গেটসে ৩০ লাখ ইউরো ও
৩/ ট্রানজিশন টু সাসটেইনেবল ই-মবিলিটি প্রকল্পে সাড়ে ৪১ লাখ ইউরো দেবে জার্মানি।

- এসব প্রকল্পের মাধ্যমে বস্ত্র খাতের টেকসই উন্নয়নের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা হবে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
২০.
BEPZA-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Bangladesh Export Production Zone Administration
  2. Bangladesh Enterprise Processing Zone Agency
  3. Bangladesh Economic Promotion Zone Association
  4. Bangladesh Export Processing Zone Authority
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Export Processing Zone Authority
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Export Processing Zone Authority
ব্যাখ্যা

- BEPZA-এর পূর্ণরূপ- Bangladesh Export Processing Zone Authority.

বেপজা:
- BEPZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Export Processing Zone Authority.
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- শিল্পায়ন, রপ্তানি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তি স্থানান্তর বাড়ানোর লক্ষ্যে ১৯৮০ সালে বেপজা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- শিল্পায়ন, বিনিয়োগ প্রচার, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করা বেপজার মূল লক্ষ্য।
- বেপজার বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান।
- ২০২১ সালের ৭ই নভেম্বর তিনি নির্বাহী চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।

২১.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. নেদারল্যান্ডস
  3. চীন
  4. জাপান 
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

• প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI): 
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI) এসেছে নেদারল্যান্ডস থেকে। 
- নেদারল্যান্ডস এই অর্থবছরে বাংলাদেশে প্রায় ৪৫৪ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে, যা আগের বছরের ২৩.২ মিলিয়ন ডলার (FY24) এবং তার আগের বছরের ৭২.১১ মিলিয়ন ডলার (FY23) থেকে অনেক বেশি।

- অন্যান্য বড় বিনিয়োগকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্য (৩০০ মিলিয়ন ডলার), চীন (২৭৪ মিলিয়ন ডলার) এবং সিঙ্গাপুর (১৬১ মিলিয়ন ডলার)।
- যুক্তরাজ্য এবং চীনের বিনিয়োগ আগের বছরের তুলনায় কমেছে, কিন্তু সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগ ৭১.৬% বৃদ্ধি পেয়েছে।



তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। (Link) 

২২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের সাক্ষরতার হার (৭ বছর +) কত শতাংশ?
  1. ৭৭.৯ শতাংশ
  2. ৭৫.৯ শতাংশ
  3. ৭১.৯ শতাংশ
  4. ৮১.৯ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৭৭.৯ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৭.৯ শতাংশ
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%। 
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৮২%।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২৩.
বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রকৃতি কোনটি?
  1. সমাজতান্ত্রিক
  2. মুক্তবাজার
  3. মিশ্র অর্থনীতি
  4. পরিকল্পিত অর্থনীতি
সঠিক উত্তর:
মিশ্র অর্থনীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশ্র অর্থনীতি
ব্যাখ্যা

মিশ্র অর্থব্যবস্থা:
- অর্থনীতিতে যখন সরকারি এবং ব্যক্তিগত খাত একসাথে সহাবস্থান করে তখন সেই অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে মিশ্র অর্থব্যবস্থা বলে।
- বাংলাদেশে মিশ্র অর্থব্যবস্থা প্রচলিত।
- কারণ এখানে সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের সুসমন্বয় বিদ্যমান।
- বাংলাদেশের অর্থব্যবস্থায় সম্পদের মালিকানা, উৎপাদন ব্যবস্থা, ব্যবসায়-বাণিজ্য প্রত্যেক খাতে সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানার উপস্থিতি বিদ্যমান।
- গুরুত্বপূর্ণ কিছু সম্পদ ব্যক্তি মালিকানায় রেখে বাকি সম্পদ সরকারকে বাৎসরিক করের বিনিময়ে ব্যক্তি মালিকানার হাতে থাকে।
- সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ খাতসহ রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা খাতসমূহে সরকারি উদ্যোগে বিনিয়োগ পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের অর্থনীতির অধিকাংশই বেসরকারি বিনিয়োগের উপর নির্ভরশীল।
- তবে বেসরকারি বিনিয়োগের উপর সরকারের পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকে।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪.
বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয় নিচের কোনটিতে? [মে,২০২৫]
  1. আমদানি শুল্ক
  2. আবগারি শুল্ক
  3. ভূমি উন্নয়ন কর
  4. মূল্য সংযোজন কর
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সরকারের অর্থনীতি আয় খাত:
- মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax):
-  বাংলাদেশে ১৯৯১-৯২ অর্থবছর থেকে মূল্য সংযোজন কর চালু করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকারের সর্বচ্চো রাজস্ব আয় হয় মূল্য সংযোজন কর থেকে।
- এটি পরোক্ষ কর।

• আমদানি শুল্ক (Custom Duties):
- দেশের আমদানিকৃত দ্রব্যের ও সেবার উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আমদানি শুল্ক বলে।

• আবগারি শুল্ক (Excise Duties):
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

• সম্পূরক শুল্ক (Supplementary Duties):
- আবগারি শুল্ক বা মূল্য সংযোজন কর বা আমদানি শুল্ক আরোপের পরেও অতিরিক্ত যে শুল্ক আরোপ করে, তাকে সম্পূরক শুল্ক বলে।
- যেমন, সিরামিক টাইলসের উপর আরোপিত সম্পূরক শুল্ক।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, এবং এনবিআর ওয়েবসাইট।
২৫.
বাংলাদেশের জিডিপিতে (GDP) তে শিল্প খাতের অবদান কত? ( মে ২০২৫)
  1. ৩৭.৯৫%
  2. ৫১.০৪%
  3. ৩৯.৫৬%
  4. ১১.০২%
সঠিক উত্তর:
৩৭.৯৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭.৯৫%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা: 
- চলিত মূল্যে জিডিপি- ৫০,৪৮,০২৭ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মাথাপিছু জিডিপি- ২,৬৭৫  মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি- ৩৩,৯৭,২৩১ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মোট জাতীয় আয় - ৩,০৬,১৪৪ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয় - ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি-  ৯.৭৪%।
- জিডিপিতে কৃষির অবদান - ১১.০২%।
- জিডিপিতে শিল্পের অবদান - ৩৭.৯৫%।
- জিডিপিতে সেবার অবদান -৫১.০৪%।
- অর্থনীতিতে মোট খাত - ১৯ টি (২০১৫-১৬ ভিত্তি বছর)

উৎস: বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪।
২৬.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা কোনটি? 
  1. জাইকা
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. এডিবি
  4. ওআইসি
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম (Bangladesh Development Forum - BDF)
- প্রতিষ্ঠাকালীন নাম: বাংলাদেশ এইড গ্রুপ (Bangladesh Aid Group)
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২০০২
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের বৈঠক বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়- ২০০৩ সাল থেকে।
- প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা: বিশ্বব্যাংক (World Bank)

উল্লেখ্য,
-জাইকা (JICA) জাপানের একটি সরকারি সংস্থা,
- এটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা হিসাবে পরিচিত। 

তথ্যসূত্র: ইআরডি ওয়েবসাইট। 

২৭.
সম্প্রতি, কোন দেশ বাংলাদেশ থেকে পাটপণ্য আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. যুক্তরাজ্য 
  2. মিয়ানমার
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা

আমদানিতে বিধিনিষেধ:
- ১১ আগস্ট বাংলাদেশ থেকে চার ধরনের পাটপণ্য আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ভারত। 
​- সেগুলো হলো পাট ও পাটজাতীয় পণ্যের কাপড়, পাটের দড়ি বা রশি, পাটজাতীয় পণ্য দিয়ে তৈরি দড়ি বা রশি এবং পাটের বস্তা বা ব্যাগ। 
​- নতুন এই বিধিনিষেধের ফলে এসব পণ্য ভারতে রপ্তানি করতে হলে সমুদ্রপথে মুম্বাইয়ের নভসেবা বন্দর দিয়ে এসব পণ্য পাঠাতে হবে।
​- বাংলাদেশ থেকে উল্লেখিত এসব পণ্য যে পরিমাণ ভারতে রপ্তানি হয়, তার ১ শতাংশের কাছাকাছি যায় সমুদ্রপথে। বাকিটা স্থলপথে রপ্তানি হয়।
​- ভারতীয় ভোগ্যপণ্যের বড় বাজার বাংলাদেশ।
​- বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হিসাবে, ভারতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ মোট ১৫৭ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। 
​- বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ আসে ভারত থেকে। 
​- অন্যদিকে ভারত থেকে বাংলাদেশ ৯০০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করে। এর বড় অংশ শিল্পের কাঁচামাল ও মধ্যবর্তী পণ্য।

সূত্র-  প্রথম আলো পত্রিকা। 

২৮.
GDP কোন সময়সীমার ভিত্তিতে পরিমাপ করা হয়?
  1. এক মাস
  2. এক বছর
  3. পাঁচ বছর
  4. এক দশক
সঠিক উত্তর:
এক বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক বছর
ব্যাখ্যা
Gross Domestic Product (GDP):
- GDP এর পূর্ণরূপ হলো Gross Domestic Product (মোট দেশজ উৎপাদন)।  
- মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) বা জিডিপি হলো একটি নির্দিষ্ট দেশের ভূখণ্ড ও রাজনৈতিক সীমানার মধ্যে অবস্থানরত দেশি ও বিদেশি সকল সম্পদ ব্যবহার করে এক বছরে উৎপাদিত সকল চূড়ান্ত পণ্য ও সেবার বাজার মূল্য।
- এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং সার্বিক উৎপাদন ক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

উল্লেখ্য, 
- জিডিপি দেশের ভূগোলিক সীমার মধ্যে উৎপাদিত সব ধরনের পণ্য ও সেবার আর্থিক মূল্য হিসাব করে, এটি দেশের অর্থনীতির সার্বিক চিত্র তুলে ধরে। এর মাধ্যমে একটি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়, যেমন সে দেশ কতটা উন্নত বা উন্নয়নশীল, তার উৎপাদন ক্ষমতা এবং তার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কীভাবে ঘটছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯.
বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস কোনটি?
  1. রেমিটেন্স
  2. বৈদেশিক ঋণ
  3. বাণিজ্য
  4. কর রাজস্ব
সঠিক উত্তর:
কর রাজস্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর রাজস্ব
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
- কর রাজস্ব এবং
- কর বহির্ভূত রাজস্ব।
- বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস হলো কর রাজস্ব (Tax Revenue)।

• বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
- আয় ও মুনাফা কর,
- আমদানি শুল্ক,
- মূল্য সংযোজন কর,
- আবগারি শুল্ক,
- সম্পূরক শুল্ক:,
- যানবাহন কর,
- ভূমি রাজস্ব,

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, নবম দশম শ্রেণি।

৩০.
"মূল্য সংযোজন কর" কোন ধরনের কর?
  1. পরিপূরক কর
  2. পরোক্ষ কর
  3. প্রত্যক্ষ কর
  4. সম্পূরক কর
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ কর
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর (VAT):
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট বা মূসক চালু হয়।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয়।
- এটি ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
৩১.
বাংলাদেশের জিডিপি সার্বিকভাবে কতটি খাত নিয়ে গঠিত? 
  1. ১৭ টি
  2. ১৩ টি
  3. ১৯ টি 
  4. ১৫ টি
সঠিক উত্তর:
১৯ টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ টি 
ব্যাখ্যা

• অর্থনীতির খাত:
- বাংলাদেশের জিডিপি’কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
- যথা:- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত। (ভিত্তি বছর ২০১৫-১৬ ধরে)
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
- এবং ৬টি খাত উপখাতে বিভক্তরয়েছে।

• জিডিপির সার্বিক খাতগুলো হলো: 
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি সমীক্ষা- ২০২৪।

৩২.
সিগারেট এর উপর কোন শুল্ক ধার্য করা হয়?
  1. ভ্যাট
  2. আবগারি শুল্ক
  3. অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক
  4. আমদানি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা
আবগারি শুল্ক (Excise Duties):
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৩.
একটি দেশের জিডিপিকে দেশের জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে কোনটি পাওয়া যায়?
  1. মাথাপিছু আয়
  2. জাতীয় মোট আয়
  3. বিনিয়োগের অংশ
  4. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হার
সঠিক উত্তর:
মাথাপিছু আয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাথাপিছু আয়
ব্যাখ্যা

• মাথাপিছু আয় (per Capita Income):
- একটি দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের যোগফলকে সেই দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে যে আয় পাওয়া যায় তাকে মাথাপিছু আয় বলে। 
- মাথাপিছু আয় দুটি পৃথক মান দ্বারা নির্ধারিত হয়: (১) মোট জাতীয় আয় এবং (২) মোট জনসংখ্যা।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো দেশের মোট জাতীয় আয়কে (GNI) সে দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে মাথাপিছু জাতীয় আয় বা মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়।
- এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনগণের জীবনমান বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।
- মাথাপিছু আয় যত বেশি, সাধারণত দেশের মানুষ বেশি সম্পদশালী।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং  বিশ্ব ব্যাংক ওয়েবসাইট। 

৩৪.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় ২০৪১ সাল নাগাদ দেশের চরম দারিদ্র সীমা কত হবে?
  1. ১% এর কম
  2. ২% এর কম
  3. ৩% এর কম
  4. ৪% এর কম
সঠিক উত্তর:
১% এর কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১% এর কম
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা:
- রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের জন্যে বাংলাদেশ সরকার ২০২১-২০৪১ মেয়াদে ২০ বছর মেয়াদী দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯ শতাংশ এবং ২০৪১ সালে গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯.৯ শতাংশ।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের চরম দারিদ্র সীমা হবে ২.৩% এবং ২০৪১ সালে চরম দারিদ্র সীমা হবে ১% এর কম।
- দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মূললক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
৩৫.
বাংলাদেশে 'মূসক' কত সাল থেকে চালু হয়?
  1. ১ জানুয়ারি, ১৯৯০ সাল
  2. ১ জুলাই, ১৯৯১ সাল
  3. ১ জুলাই, ১৯৯২ সাল
  4. ১ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সাল
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই, ১৯৯১ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই, ১৯৯১ সাল
ব্যাখ্যা
• মূল্য সংযোজন কর(মূসক) :
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট বা মূসক চালু হয়।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
৩৬.
বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত? ( মে ২০২৫)
  1. ২,৭৮০ মার্কিন ডলার
  2. ২,৬৭০  মার্কিন ডলার
  3. ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার
  4. ২৭,০০ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২,৭৮৪ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৭৮৪ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
• জিডিপির পরিমাণ- ৫০,৪৮,০২৭ কোটি টাকা।
- মাথাপিছু জিডিপি- ২,৬৭৫  মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি- ৩৩,৯৭,২৩১ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মোট জাতীয় আয় - ৩,০৬,১৪৪ কোটি টাকা।
-  মাথাপিছু জাতীয় আয় - ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার (মে-২০২৫)।
- মুদ্রাস্ফীতি-  ৯.৭৪%।

উৎস: বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪।
৩৭.
বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি)-এর জন্য অর্থনীতিকে মোট কতটি প্রধান খাতে বিভক্ত করা হয়?
  1. ০৫টি
  2. ১০টি
  3. ১৫টি
  4. ২০টি
সঠিক উত্তর:
১৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫টি
ব্যাখ্যা
❐ বর্তমানে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর তথ্য অনুসারে অর্থনীতির মোট খাত ১৯টি।
❐ বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) গণনার জন্য ২০০৫-০৬ সাল ভিত্তিক অর্থনীতিকে সাধারণত ১৫টি প্রধান খাতে বিভক্ত করা হয়েছিল।
 তবে, এই প্রশ্নটি পুরনো তথ্য অনুসারে করা হয়েছে। তাই এখানে সঠিক উত্তর: ১৫টি।


বাংলাদেশে জাতীয় আয় পরিমাপ পদ্ধতি:
- বাংলাদেশে জাতীয় আয় গণনার কাজটি করে থাকে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। এই প্রতিষ্ঠান প্রত্যেক বছর চলতি বাজার মূল্যে ও স্থির মূল্যে দ্রব্য ও সেবার মূল্য পরিমাপ করে থাকে। এ হিসাব করার জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো GDP ও GNI গণনা করার জন্য উৎপাদন ও ব্যয় পদ্ধতি ব্যবহার করে।

⇒ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) উৎপাদন পদ্ধতিতে GDP পরিমাপের জন্য অর্থনীতিকে মোট ১৯টি প্রধান খাতে বিভক্ত করেছে। খাতসমূহ হচ্ছে:
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩৮.
বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর প্রথম প্রবর্তিত হয় কত সালে?
  1. ১ জানুয়ারি, ১৯৯১
  2. ১ জুলাই, ১৯৯১
  3. ৫ জানুয়ারি, ১৯৯২
  4. ১২ জুলাই, ১৯৯২
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই, ১৯৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই, ১৯৯১
ব্যাখ্যা
• মূল্য সংযোজন কর (VAT):
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট চালু হয়।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
৩৯.
বিবিএস প্রকাশিত সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপির পরিমাণ কত? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ২,৪২০ মার্কিন ডলার
  2. ২,৬৭১ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
  4. ২,৬৬০ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২,৬৭১ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৬৭১ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)সর্বশেষ রিপোর্ট:
- মাথাপিছু আয়- ২,৮২০ মার্কিন  ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি- ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- মোট জনসংখ্যা: ১৭১.৮৫ মিলিয়ন।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো

৪০.
প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. শিল্প মন্ত্রণালয়
  4. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
অর্থ মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড: 
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) প্রশাসনিকভাবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন পরিচালিত হয়।
- এটি বাংলাদেশের রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা,
- এটি ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং-৭৬ দ্বারা গঠিত হয়।
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- NBR মূলত কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর (মূসক) আদায় এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করে।
- এছাড়া, চোরাচালান প্রতিরোধ, আন্তর্জাতিক শুল্ক-কর সংক্রান্ত চুক্তি সম্পাদন এবং সরকারের রাজস্ব নীতি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট। 

৪১.
'Bangladesh Securities and Exchange Commission' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯৩ সালে
  2. ১৯৯৫ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ২০০৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
BSEC:
- BSEC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান নাম বিএসইসি।
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি। যথা:
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫ সাল)।
৪২.
নিচের কোনটি সরকারি আয়ের কর বহির্ভূত উৎস নয়?
  1. মুনাফা ও লভ্যাংশ
  2. নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়
  3. সরকারি জমি ভাড়া
  4. জরিমানা ও ফি
সঠিক উত্তর:
নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়
ব্যাখ্যা

- 'নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়' সরকারি আয়ের কর বহির্ভূত উৎস নয়। 
- এটি সরকারের কর রাজস্ব আয়ের অন্তর্ভুক্ত।

• বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:

- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
(১) কর রাজস্ব এবং
(২) কর বহির্ভূত রাজস্ব।

» কর রাজস্ব বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।

• কর রাজস্বের উৎস: আয় ও মুনাফা কর, আমদানি শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর, আবগারি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক, যানবাহন কর, ভূমি রাজস্ব, নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়, অন্যান্য কর ও শুল্ক

• কর-বহির্ভূত সরকারি আয়ের উৎস: মুনাফা ও লভ্যাংশ, সুদ, ফি, জরিমানা, সরকারি সম্পত্তি, টোল ও লেভী, বাণিজ্যিক আয়, বিশেষ কর, বিবিধ আয়

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও অর্থনীতি (দ্বিতীয় পত্র), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৩.
থ্রি - জিরো তত্ত্বে কোনটি নেই?
  1. জিরো দারিদ্র্য
  2. জিরো বেকারত্ব
  3. জিরো ক্ষুধা
  4. জিরো নেট কার্বন নিঃসরণ
সঠিক উত্তর:
জিরো ক্ষুধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিরো ক্ষুধা
ব্যাখ্যা
জিরো ক্ষুধা থ্রি - জিরো তত্ত্বে নেই।

থ্রি - জিরো তত্ত্বে:
- অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের টেকসই উন্নয়নের 'থ্রি-জিরো' তত্ত্ব ।
- থ্রি-জিরো তত্ত্ব' আর্থিক স্বাধীনতা, কর্মঠ জনশক্তি তৈরি এবং পরিবেশ উন্নয়নে বর্তমান পৃথিবীতে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কার্যকর একটি মডেল।
- এটি একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। 

⇒ সেগুলো হচ্ছে-
• জিরো দারিদ্র্য,
• জিরো বেকারত্ব,
• জিরো নেট কার্বন নিঃসরণ। 

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনে বাসযোগ্য নিরাপদ পৃথিবী ও নতুন সভ্যতা গড়ে তুলতে ‘থ্রি জিরো’ তত্ত্বকে বৃহৎ পরিসরে তুলে ধরেছেন অধ্যাপক ইউনূস।

উৎস: The Bussiness Stundard.
৪৪.
একটি দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের যোগফলকে সেই দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে কী ধরনের আয় পাওয়া যায়?
  1. ব্যয়যোগ্য আয়
  2. জাতীয় আয়
  3. মাথাপিছু আয়
  4. মোট দেশজ উৎপাদন
সঠিক উত্তর:
মাথাপিছু আয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাথাপিছু আয়
ব্যাখ্যা
মাথাপিছু আয় (per Capita Income):
- একটি দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের যোগফলকে সেই দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে যে আয় পাওয়া যায় তাকে মাথাপিছু আয় বলে। 
- মাথাপিছু আয় দুটি পৃথক মান দ্বারা নির্ধারিত হয়: (১) মোট জাতীয় আয় এবং (২) মোট জনসংখ্যা।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো দেশের মোট জাতীয় আয়কে (GNI) সে দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে মাথাপিছু জাতীয় আয় বা মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়।
- এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনগণের জীবনমান বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।
- মাথাপিছু আয় যত বেশি, সাধারণত দেশের মানুষ বেশি সম্পদশালী।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং  বিশ্ব ব্যাংক ওয়েবসাইট। 
৪৫.
বাংলাদেশে ‘বয়স্ক ভাতা’ কর্মসূচি কোন সালে প্রথম চালু করা হয়?
  1. ১৯৯৬ সাল
  2. ১৯৯৮ সাল
  3. ১৯৯৫ সাল
  4. ১৯৯৯ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সাল
ব্যাখ্যা

• বয়স্ক ভাতা :
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে  ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন  করা হয়। 
- বয়স্কভাতা চালু হয়- ১৯৯৮ সালের এপ্রিল থেকে।
- বাস্তবায়নকারী দফতর- সমাজসেবা অধিদফতর।

• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :
(১) বয়স্ক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান;
(২) পরিবার ও সমাজে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি;
(৩) আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাঁদের মনোবল জোরদারকরণ;
(৪) চিকিৎসা ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।
(৫) বার্ধক্যজনিত দারিদ্র্য ও অসহায়ত্ব কমানো। 

তথ্যসূত্র: সমাজসেবা অধিদপ্তর।

৪৬.
বাংলাদেশে বর্তমানে কোন ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে?
  1. সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি
  2. মুক্তবাজার অর্থনীতি
  3. মিশ্র অর্থনীতি
  4. পুঁজিবাদী অর্থনীতি
সঠিক উত্তর:
মিশ্র অর্থনীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশ্র অর্থনীতি
ব্যাখ্যা

• মিশ্র অর্থ ব্যবস্থা:
- ধনতান্ত্রিক ও সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার সংমিশ্রণই হচ্ছে মিশ্র অর্থব্যবস্থা।
- অর্থাৎ মিশ্র অর্থব্যবস্থা এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে উৎপাদন, ভোগ, বণ্টন ইত্যাদি অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে স্বয়ংক্রিয় বাজার ব্যবস্থার সাথে সাথে সরকারি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সংমিশ্রণ ঘটে।
- এ ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় অনেক অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত ব্যক্তি বা ফার্ম বাজার ব্যবস্থার মাধ্যমে নিয়ে থাকে।
- আবার সরকারও সম্পদের বণ্টনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বর্তমান সময়ে কোন অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই বিশুদ্ধ ধনতান্ত্রিক বা বিশুদ্ধ সমাজতান্ত্রিক নয়।
- অধিকাংশ গণতান্ত্রিক দেশসমূহে এ দু'ধরনের অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যসমূহ দেখা যায়।
- অর্থাৎ এসব দেশে মিশ্র অর্থনীতি বিদ্যমান।
- বৃটেন, কানাডা, জাপান, ভারত, বাংলাদেশসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশে মিশ্র অর্থব্যবস্থা প্রচলিত।
- ভারত, বাংলাদেশসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশে মিশ্র অর্থব্যবস্থা প্রচলিত।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৭.
‘বয়স্ক ভাতা’ কর্মসূচি কোন সালে প্রথম চালু করা হয়?
  1. ১৯৯৬ সাল
  2. ১৯৯৮ সাল
  3. ১৯৯৫ সাল
  4. ১৯৯৯ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সাল
ব্যাখ্যা

• বয়স্ক ভাতা :
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে  ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন  করা হয়। 
- বয়স্কভাতা চালু হয়- ১৯৯৮ সালের এপ্রিল থেকে।
- বাস্তবায়নকারী দফতর- সমাজসেবা অধিদফতর।

• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :
(১) বয়স্ক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান;
(২) পরিবার ও সমাজে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি;
(৩) আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাঁদের মনোবল জোরদারকরণ;
(৪) চিকিৎসা ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।

তথ্যসূত্র: সমাজসেবা অধিদপ্তর।

৪৮.
জনপ্রতি মাসিক বিধবা ভাতার পরিমাণ কত? [জুন, ২০২৫]
  1. ৫৫০ টাকা
  2. ৬০০ টাকা
  3. ৬৫০ টাকা
  4. ৭০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫০ টাকা
ব্যাখ্যা

বিধবা ভাতা:
- ১৯৯৮-৯৯ অর্থ বছরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন সমাজসেবা অধিদফতরের মাধ্যমে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলাদের ভাতা কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- ঐ অর্থ বছরে ৪ লক্ষ ৩ হাজার ১১০ জনকে এককালীন মাসিক ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয়।
- বর্তমান সরকারের উদ্যোগে প্রবর্তিত এ কর্মসূচির সকল উপকারভোগীকে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার নগদ ও বিকাশ এবং এজেন্ট ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে (গভর্নমেন্ট টু পারসন) সফলভাবে ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
- জনপ্রতি মাসিক ভাতার হার ৫৫০ টাকা।

কর্মসূচির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
১. বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান।
২. পরিবার ও সমাজে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি।
৩. আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাঁদের মনোবল জোরদার করা।
৪. চিকিৎসা সহায়তা ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান।

তথ্যসূত্র - সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট।

৪৯.
বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস কী? 
  1. রেমিটেন্স
  2. বৈদেশিক ঋণ
  3. বাণিজ্য
  4. কর রাজস্ব
সঠিক উত্তর:
কর রাজস্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর রাজস্ব
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
- কর রাজস্ব এবং
- কর বহির্ভূত রাজস্ব।
- কর রাজস্ব বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
• বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
- আয় ও মুনাফা কর,
- আমদানি শুল্ক,
- মূল্য সংযোজন কর,
- আবগারি শুল্ক,
- সম্পূরক শুল্ক:,
- যানবাহন কর,
- ভূমি রাজস্ব,

উৎস: অর্থনীতি, নবম দশম শ্রেণি।

৫০.
উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে কী ঘটে?
  1. অতি মুদ্রাস্ফীতি
  2. মুদ্রাস্ফীতি
  3. মুদ্রা সংকোচন
  4. বর্নিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা সংকোচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা সংকোচন
ব্যাখ্যা

- উৎপাদনের তুলনায় বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে মুদ্রা সংকোচন ঘটে।

মুদ্রাস্ফীতি:

- যদি পণ্যের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ অনেক বেড়ে যায় অর্থাৎ দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক অতিরিক্ত মাত্রায় টাকা ছাপায় তখনই মুদ্রাস্ফীতি ঘটে।
- বাজারে উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে গেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি হলো মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি।
- এতে করে টাকা তথা মুদ্রার মান হ্রাস পায়, পক্ষান্তরে দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়।
একই পরিমাণ পণ্য ক্রয়ে পূর্বাপেক্ষা অধিক অর্থ ব্যয় হয়।
- উৎপাদনের তুলনায় বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে মুদ্রা সংকোচন ঘটে।
- উন্নয়নশীল দেশগুলিতে মুদ্রাস্ফীতির জন্য সর্বজনীনভাবে নির্ধারিত সহনীয় স্তর নেই।
- তবে, উন্নয়নশীল দেশের জন্য মূল্যস্ফীতির সহনশীল মাত্রা ধরা হয় ৬-৮%।
- মুদ্রাস্ফীতি ৬-৮% এর বেশি হলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, মূল্য স্থিতিশীলতা এবং দারিদ্র্যের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।

৫১.
"ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার" অপর নাম কী?
  1. কেন্দ্রীয় অর্থব্যবস্থা
  2. মিশ্র অর্থব্যবস্থা
  3. মুক্তবাজার অর্থব্যবস্থা
  4. সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
মুক্তবাজার অর্থব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তবাজার অর্থব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা:
- ধনতান্ত্রিক অর্থনীতি এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে উৎপাদনের উপকরণসমূহের উপর ব্যক্তিগত মালিকানা বজায় থাকে এবং সমাজের যাবতীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেসরকারি পর্যায়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংঘটিত হয়।
- "ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা" এর অপর নাম মুক্তবাজার অর্থব্যবস্থা (Free Market Economy)।

ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে আলোচনা করা হলো-

১/ ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এত স্বয়ংক্রিয় দাম ব্যবস্থা বিদ্যমান থাকে। অর্থাৎ, ক্রেতা ও বিক্রেতা পণ্য দামাদামির উপর ভিত্তি করে পণ্যের দাম নির্ধারিত হয়ে থাকে।
২/ উৎপাদন, বিনিময়, বণ্টন ও ভোগ এই সকল গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কর্মকান্ডগুলো ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তি উদ্যোগে হয়ে থাকে।
৩/ ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপকরণগুলো ব্যক্তিমালিকানায় থাকে এবং ব্যক্তি কর্তৃক এগুলো ভোগ করার পাশাপাশি হস্তান্তর করা হয়ে থাকে।
৪/ ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় সরকার শৃঙ্খলা রক্ষা, দেশরক্ষা ও সম্পদের মালিকানা রক্ষার মাধ্যমে ভূমিকা পালন করে থাকে।
৫/ ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় আয় বৈষম্য লক্ষ্য করা যায়।
৬/ ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় ভোক্তার চাহিদা ও মুনাফার সুযোগের উপর ভিত্তি করে উৎপাদকরা বা ফার্মগুলো পণ্য উৎপাদন করে এবং তাদের পণ্য উৎপাদনের মূল উদ্দেশ্য থাকে মুনাফা অর্জন করা।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি ১ম পত্র , এইচ এস সি প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদান্তে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা কত মেগাওয়াটে পৌঁছাবে?
  1. ২৫,০০০ মেগাওয়াট
  2. ২৮,০০০ মেগাওয়াট
  3. ৩০,০০০ মেগাওয়াট
  4. ৩২,০০০ মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
৩০,০০০ মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০,০০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- মেয়াদ: জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%।
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা। 
- মাথাপিছু আয় - ৩,০৫৯ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%।
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%।
- দারিদ্রের উচ্চহার – ১৫.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর।
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার: ১.১৮%।
- মেয়াদান্তে বিদুৎ উৎপাদন ক্ষমতা – ৩০,০০০ মেগাওয়াট।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
৫৩.
বৃহৎ শিল্পখাতের কোন উপ-খাতটির জিডিপির অবদান সবচেয়ে বেশি?
  1. খনিজ ও খনন
  2. ম্যানুফ্যাকচারিং
  3. বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
  4. নির্মাণ
সঠিক উত্তর:
ম্যানুফ্যাকচারিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যানুফ্যাকচারিং
ব্যাখ্যা
শিল্পখাত:
- বৃহৎ শিল্পখাতের ম্যানুফ্যাকচারিং উপ-খাতটির জিডিপির অবদান সবচেয়ে বেশি।

উল্লেখ্য,
বৃহৎ শিল্পখাত জিডিপির ৫টি খাতের সমন্বয়ে গঠিত। যথা
- খনিজ ও খনন
- ম্যানুফ্যাকচারিং
- বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
- পানি সরবরাহ এবং
- নির্মাণ।



তথ্যসূত্র:- অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩ এবং লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
৫৪.
কোনটি কমিউনিজমের মূলনীতি নয়?
  1. শ্রেণীহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা
  2. রাষ্ট্রীয় মালিকানায় উৎপাদন ব্যবস্থা
  3. মুক্ত বাজার ও প্রতিযোগিতা
  4. পরিকল্পিত অর্থনীতি
সঠিক উত্তর:
মুক্ত বাজার ও প্রতিযোগিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্ত বাজার ও প্রতিযোগিতা
ব্যাখ্যা

- মুক্ত বাজার ও প্রতিযোগিতা কমিউনিজমের মূলনীতি নয়।

কমিউনিজম (Communism):

- এর মূল সূত্রধারী: কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস।
- তাদের লেখা কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো (১৮৪৮) কমিউনিজমের তত্ত্বাবলম্বী বই হিসেবে বিবেচিত।
- ১৯০০-এর দশকে রাশিয়ায় বোলশেভিক বিপ্লবের মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠা।
- পরবর্তীতে চীন, কিউবা, উত্তর কোরিয়া, ভিয়েতনাম, লাওস ইত্যাদি দেশেও কমিউনিস্ট শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা পায়।

• মূলনীতিসমূহ:
- শ্রেণীহীন সমাজ: সমাজের সব মানুষ সমান, কোন শ্রেণী বা বিরোধ থাকবে না।
- সরকারের নিয়ন্ত্রণ: উৎপাদনের সমস্ত উপকরণ ও সম্পদ রাষ্ট্রের মালিকানা  বা জনগণের সমষ্টিগত মালিকানায় থাকবে।
- বিনিময়হীন অর্থনীতি: পুঁজিবাদী বাজার ব্যবস্থার পরিবর্তে পরিকল্পিত অর্থনীতি চালু থাকবে।
- উৎপাদন ও বিতরণ: মানুষের চাহিদা অনুযায়ী সম্পদ সরবরাহ করা হবে, আর বাজার ভিত্তিক মুনাফার ধারণা থাকবে না।

• বর্তমান অবস্থা:
- বর্তমানে অনেক দেশ বাজার অর্থনীতি ও ব্যক্তিগত মালিকানার সঙ্গে সীমিত পরিসরে কমিউনিস্ট নীতিগুলো মিশিয়ে শাসন পরিচালনা করছে, বিশেষ করে চীন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫৫.
বর্তমানে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহে কোন দেশ শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. সৌদি আরব
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

রেমিট্যান্স:

- সম্প্রতি চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর-এই তিন মাসের প্রবাসী আয়–সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) প্রেরণকারী দেশ হিসেবে টানা তিন মাস ধরে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
- এই তিন মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ১৪০ কোটি মার্কিন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।
- এই তালিকায় শীর্ষ থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে চলে এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- দেশটি থেকে অর্থবছরের তিন মাসে প্রবাসী আয় এসেছে ৯৯ কোটি ডলার।
- এরপরে রয়েছে যথাক্রমে- সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্য, কুয়েত, ইতালি, ওমান, কাতার ও সিঙ্গাপুর।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিবেদন।
৫৬.
বর্তমানে কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে?
  1. জাপান
  2. ভুটান
  3. চীন
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুটান
ব্যাখ্যা
বর্তমানে ভুটানের সাথে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে।

- অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে ভুটানের ১৮টি এবং ভুটানে বাংলাদেশের ৯০টি পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।
- এছাড়া ভুটানকে আরও ১৬টি ও বাংলাদেশেকে ১০টি পণ্যকে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদানের জন্য সম্মত হয়েছে।
- ভুটান ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া ও নেপালের সাথে PTA স্বাক্ষরের বিষয়ে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।

সূত্র- প্রথম আলো ও কালের কণ্ঠ।
৫৭.
অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩ অনুসারে সার্বিকভাবে জিডিপি কতটি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ১৩টি
  2. ১৫টি
  3. ১৭টি
  4. ১৯টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি
ব্যাখ্যা
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯ টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯ টি খাতের ৬ টি খাত আবার উপখাত নিয়ে বিভক্ত।
- বাংলাদেশের জিডিপিকে উৎপাদনের ভিত্তিতে তিনটি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে
যথা: সেবা খাত, কৃষিখাত ও শিল্পখাত।

তথ্যসূত্র: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩। 
৫৮.
কত সালে বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (VAT) চালু হয়?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর (VAT):
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট বা মূসক চালু হয়।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
৫৯.
দেশে প্রতিবন্ধী ভাতা চালু হয় কোন অর্থবছর থেকে?
  1. ২০০৬-২০০৭ অর্থবছর
  2. ২০০৪-২০০৫ অর্থবছর
  3. ২০০৫-২০০৬ অর্থবছর
  4. ২০০৮-২০০৯ অর্থবছর
সঠিক উত্তর:
২০০৫-২০০৬ অর্থবছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫-২০০৬ অর্থবছর
ব্যাখ্যা

প্রতিবন্ধী ভাতা: 
​- ২০০৫-২০০৬ অর্থ বছরে অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা চালু করা হয়।

​​- বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমঅধিকার ও সমমর্যাদা প্রদানে বদ্ধপরিকর।
​- ২০০১ সালে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ আইন ২০০১ প্রণয়ন করা হয়।
​- পরবর্তীতে এ আইনটি বাতিল করে 'প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩' প্রবর্তন করা হয়। 
 
​​উল্লেখ্য, 
- অনগ্রসর মানুষের কল্যাণ ও উন্নয়নে ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে বয়স্ক ভাতা চালু হয়।
​- ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছরে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা  চালু হয়।

​উৎস: জাতীয় সমাজ সেবা অধিদপ্তর।

৬০.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা কত নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৫ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা
  2. ৫ লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকা
  3. ৫ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা
  4. ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

• জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেটের আকার:  ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫%।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা:  ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা। 
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৩%)।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৭.০%।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- “জুলাই যোদ্ধা”।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আহরণের গতি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হয়েছে।
- সংশোধিত বাজেট অনুযায়ী তা ২৪ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি করে চলতি অর্থবছরের জন্য মোট ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- আর সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ১ ফেব্রুয়ারি থেকে সংশোধিত জাতীয় বাজেট কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

৬১.
বাংলাদেশ সরকারের অর্থবছরের সময়কাল- 
  1. জুন-জুলাই
  2. জুলাই-জুন
  3. জানুয়ারি- ডিসেম্বর
  4. মার্চ- ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
জুলাই-জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলাই-জুন
ব্যাখ্যা

বাজেট:
- বাংলাদেশের আর্থিক বছর শুরু হয় জুলাই- জুন।
- অর্থবছর শুরু হয় ১ জুলাই থেকে।
- বাংলাদেশের বাজেট ঘাটতি বাজেট।
- সংসদে বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী।
- বাংলাদেশের বাজেট কার্যকর হয় ১ জুলাই থেকে।
- ১৯৭২ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে প্রথম বাজেট উপস্থাপন করা হয়।
- এই বাজেটটি ছিল ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের জন্য এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে পেশ করা প্রথম বাজেট ছিল।

​উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয় ও প্রথম আলো।

৬২.
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সভাপতি কে?
  1. অর্থমন্ত্রী
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

ECNEC:
- এর পূর্ণরূপ: The Executive Committee of the National Economic Council.
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সরকারের দ্বিতীয় শক্তিশালী কমিটি।
- এই কমিটির সভাপতি দেশের প্রধানমন্ত্রী।
- অর্থমন্ত্রী এর বিকল্প চেয়ারম্যান বা সভাপতি।
- এ কমিটির সদস্যগণ সরকার প্রধান কর্তৃক মনোনীত হয়ে থাকেন।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

৬৩.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট অনুযায়ী, কোন মেগা প্রকল্পে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়?
  1. পদ্মাসেতু রেলসংযোগ প্রকল্প
  2. ঢাকা আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প
  3. প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪)
  4. রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প
সঠিক উত্তর:
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ মেগা-প্রজেক্টগুলোতে অর্থায়ন:
- মেগাপ্রজেক্ট (Fast Track Project)- এ ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট থেকে প্রদত্ত বরাদ্দ নিম্নরূপ:

১। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প: ৯,৭০৭ কোটি টাকা।
২। মাতারবাড়ি পাওয়ার প্ল্যান্ট: ৯,০৮১ কোটি টাকা।
৩। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪): ৮,৫৮৬ কোটি টাকা।
৪। ঢাকা আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প: ৫,৮৭০ কোটি টাকা।
৫। পদ্মাসেতু রেলসংযোগ প্রকল্প: ৫,৫০০ কোটি টাকা।
৬। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প: ৫,৪৯৯ কোটি টাকা।
৭। ফিজিক্যাল ফ্যাসিলিটিস ডেভেলপমেন্ট: ৪,৬৯৬ কোটি টাকা।
৮। মেট্রোরেল-১ প্রকল্প: ৩,৯১১ কোটি টাকা।
৯। বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে সেতু প্রকল্প: ৩,৭৮৮ কোটি টাকা।
১০। মেট্রোরেল-৬ প্রকল্প: ৩,৪২৫ কোটি টাকা।

উৎস: দৈনিক ইনকিলাব, ডেইলি স্টার ও জাতীয় বাজেট ২০২৩-২০২৪।
৬৪.
ট্যাক্স হেভেনে সাধারণত কী থাকে না?
  1. শূন্য কর্পোরেট ট্যাক্স
  2. শেল কোম্পানি সুবিধা
  3. উচ্চ আয়কর হার
  4. ব্যাংক গোপনীয়তা 
সঠিক উত্তর:
উচ্চ আয়কর হার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চ আয়কর হার
ব্যাখ্যা

- ট্যাক্স হেভেনে উচ্চ আয়কর হার থাকেনা। বরং,  করের হার খুব কম বা শূন্য থাকে। 
- অন্যদিকে, 
- ট্যাক্স হেভেনগুলো শেল কোম্পানি, ব্যাংক গোপনীয়তার মাধ্যমে কাজ করে।

• ট্যাক্স হেভেন : 

- ট্যাক্স হেভেন হলো এমন দেশ বা অঞ্চল যেখানে বিদেশি ব্যক্তি বা কোম্পানিগুলোর জন্য করের হার খুব কম বা শূন্য, এবং আর্থিক গোপনীয়তা উচ্চমাত্রায় নিশ্চিত করা হয়।
- সাধারণত বিনিয়োগকারীদের আয়ের উৎস গোপন করে এসব কোম্পানি পরিচালিত হয় এবং একইভাবে কিছু ব্যাংকিং চ্যানেল গোপনে অর্থ লেনদেন করে থাকে।
- এ ধরনের কোম্পানি ও ব্যাংককে বলা হয় অফশোর কোম্পানি ও অফশোর ব্যাংক। 
- এ ধরনের ট্যাক্স হেভেন দেশে বিদেশি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর ফাঁকি দিয়েই ডলার বা সম্পদ ক্রয় করতে পারেন। আর ওই সম্পদকে বলা হয় অফশোর সম্পদ।
- তবে নিজ নিজ দেশের আইন মেনে পরিচালিত হলে এ ধরনের কোম্পানি বা ব্যাংক বৈধ হিসেবে গণ্য হয়।

- ট্যাক্স হেভেনগুলো সাধারণত কম কর, তথ্য বিনিময়ের অভাব, স্বচ্ছতার অভাব এবং উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক কার্যকলাপের প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাবের মাধ্যমে কাজ করে। 

• কার্য কৌশল: 
- ট্যাক্স হেভেনগুলো বিদেশি আয়ের উপর কম বা শূন্য কর আরোপ করে, এবং আর্থিক লেনদেনের গোপনীয়তা রক্ষা করে।
- উদাহরণস্বরূপ, একজন ব্যক্তি বা কোম্পানি তাদের সম্পদ বা লাভকে এই দেশগুলোতে স্থানান্তর করে কর এড়াতে পারে।
- এগুলোতে প্রায়ই শেল কোম্পানি বা ট্রাস্ট তৈরি করা হয়, যা মালিকানার তথ্য গোপন রাখে।

• প্রভাব:
- ট্যাক্স হেভেনগুলো বিশ্বব্যাপী কর অপব্যবহার সহজ করে, মানি লন্ডারিং বা জালিয়াতির সম্ভাবনা তৈরী করে। 
- অফশোর কোম্পানির সবচেয়ে খারাপ দিক হলো —  বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দরিদ্র দেশগুলোর প্রভাবশালীরা তথ্য গোপন করে এসব কোম্পানির মাধ্যমে উন্নত দেশে বৈধ ও অবৈধভাবে অর্থ পাঠিয়ে গোপন সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলে।
- উদাহরণস্বরূপ,
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রকাশ্যে-গোপনে বিপুল পরিমাণ মূলধন স্থানান্তর হচ্ছে ইউএইতে। 
- বিশেষ করে এশিয়ায় আর্থিক খাতের অন্যতম বৃহৎ হাব হিসেবে পরিচিতি দুবাইয়ে পুঁজি পাচারের মাত্রা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের আলোচনায় এসেছে বারবার।

উল্লেখ্য,
- দুবাইয়ে পাচারকৃত অর্থের অন্যতম উৎস দেশ এখন বাংলাদেশ।
- সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের তথ্য বারবার সামনে এসেছে।
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড ডিফেন্স স্টাডিজের সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে ইইউ ট্যাক্স অবজারভেটরির (ইইউট্যাক্স) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উঠে আসে, বাংলাদেশে তথ্য গোপন করে দুবাইয়ে প্রপার্টি কিনেছেন ৪৫৯ বাংলাদেশী।

তথ্যসূত্র:
i) Unbiased. (Link)
ii) Kuvera. (Link)
iii) সমকাল। (Link)
iv) বনিক বার্তা। (Link)

৬৫.
কোনটির মাধ্যমে মুদ্রাস্ফীতি বন্ধ হয়?
  1. মূলধন যোগান হ্রাস করা
  2. সুদের হার কমানো
  3. সুদের হার বৃদ্ধি
  4. পণ্যের দাম হ্রাস করা
সঠিক উত্তর:
সুদের হার বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুদের হার বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
মুদ্রাস্ফীতি:
- অর্থনৈতিক প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সাধারণত পণ্য ও সেবার মূল্য বৃদ্ধি পায়, যার ফলে মুদ্রার ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায় অর্থাৎ, মুদ্রাস্ফীতির ফলে একই পরিমাণ অর্থ দিয়ে কম পণ্য বা সেবা কেনা যায়।

- মুদ্রাস্ফীতির কারণসমূহ:
• অর্থের যোগান বৃদ্ধি ।
• সরকারের ব্যয় বৃদ্ধি।
• উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি।

- মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের উপায়:
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার বাড়ানো।
• সরকারের করের হার বৃদ্ধি।
• সরকার পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৬.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি কত?
  1. ৩.২১%
  2. ৩.৩০%
  3. ৩.৩৭%
  4. ৩.৫০%
সঠিক উত্তর:
৩.৩০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৩০%
ব্যাখ্যা
কৃষি (Agriculture) খাত:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি ৩.৩০% । 

- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কৃষি খাতে ৩.৩০% প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে যা সাময়িক হিসাবে ছিলো ৩.২১%।
- উল্লেখ্য, ২০২২-২৩ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.৩৭%।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ০.০৭ শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৬৭.
বাংলাদেশ সরকাররের রাজস্বের প্রধান উৎস- 
  1. রেমিটেন্স
  2. কর রাজস্ব
  3. বৈদেশিক বানিজ্য
  4. চামড়া শিল্প
সঠিক উত্তর:
কর রাজস্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর রাজস্ব
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
- কর রাজস্ব এবং
- কর বহির্ভূত রাজস্ব।
- কর রাজস্ব বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।

​• কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
- আয় ও মুনাফা কর,
- আমদানি শুল্ক,
- মূল্য সংযোজন কর,
- আবগারি শুল্ক,
- সম্পূরক শুল্ক:,
- যানবাহন কর,
- ভূমি রাজস্ব,

​উৎস: অর্থনীতি, নবম দশম শ্রেণি।

৬৮.
বাংলাদেশের দেশজ উৎপাদনে ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে শিল্পখাতের অবদান কত? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ১১.০২ শতাংশ
  2. ২৭.২৯ শতাংশ
  3. ৩৭.৯৫ শতাংশ
  4. ৪৫.০০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৩৭.৯৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭.৯৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দেশজ উৎপাদনে শিল্পখাতের অবদান: 
- ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ছিল ৩৩.৮৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ছিল ১০.২০ শতাংশ।
- পোশাকশিল্প, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সরবরাহ, খনিজসম্পদ ও নির্মাণ শিল্প প্রভৃতিকে এই খাতের অন্তর্ভুক্ত করায় জাতীয় অর্থনীতিতে এই খাতের অবদান অনেক বেড়ে যায়।
- ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে এই খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬.৬৬ শতাংশ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৬৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুসারে, বাংলাদেশের কোন খাতে বেশি জনশক্তি নিয়োজিত?
  1. সেবা খাত
  2. পর্যটন খাত
  3. শিল্প খাত
  4. কৃষি খাত
সঠিক উত্তর:
কৃষি খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি খাত
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫.৩৩%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৬৫%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.২০%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৫৬%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.২৪%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৭০.
বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত কয়বার আই এম এফ এর থেকে ঋণ সহায়তা পায়? (ডিসেম্বর, ২০২৪)
  1. ১১ বার
  2. ৯ বার
  3. ৭ বার
  4. ৩ বার
সঠিক উত্তর:
১১ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ বার
ব্যাখ্যা
IMF ও বাংলাদেশ:
- IMF এর পূর্ণরূপ The International Monetary Fund.
- ১৯৪৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- IMF এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯০টি।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IMF এর সদস্যপদ লাভ করে।
- IMF এর প্রধান কাজ হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা করা।
- মুদ্রার বিনিময় হার রক্ষা ও মুদ্রার অবমূল্যায়ন রোধ করা।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ১১ বার আই এম এফ এর থেকে ঋণ সহায়তা পায়।
- প্রথম ঋণ ১৯৭৪ সালে।
- সর্বশেষ ঋণ ২০২২ সালে।

উৎস: IMF অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭১.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা কোনটি? 
  1. এডিবি
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. জাইকা 
  4. ব্রিকস
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম:
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রতিষ্ঠাকালীন নাম- বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম করা হয়- ২০০২ সালে।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের বৈঠক বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়- ২০০৩ সাল থেকে।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী কোন সংস্থা: বিশ্বব্যাংক।
- বাংলাদেশে বৈদেশিক সাহায্য শীর্ষ- আইডিএ।
- জাইকা (JICA) জাপানের একটি সরকারি সংস্থা,
- যা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা হিসাবে পরিচিত।
​- ব্রিকস নতুন অর্থনেতিক উদীয়মান দেশের জোট। 

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।

৭২.
বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর চালু হয় কবে থেকে?
  1. ২ জুলাই, ১৯৯৫ সালে
  2. ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে
  3. ৩০ জুন, ১৯৯৬ সালে
  4. ৫ মার্চ, ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই, ১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই, ১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা

মূল্য সংযোজন কর:
- কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি পরোক্ষ কর।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।

৭৩.
'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এর বর্তমান নাম কী?
  1. বাংলাদেশ উন্নয়ন গ্রুপ
  2. বাংলাদেশ এইড ফোরাম
  3. বাংলাদেশ উন্নয়ন কমিটি
  4. বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম
ব্যাখ্যা
BDF:
- Bangladesh Development Forum.
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম।
- এটি ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী সংস্থা হলো- বিশ্বব্যাংক। 
- শুরুতে এটির নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ(Bangladesh Aid Group)।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় 'বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম'। 
- প্রথমদিকে এই সংস্থার বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।
৭৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ-
  1. ৪০%
  2. ৪৫%
  3. ৬০%
  4. ৮০%
সঠিক উত্তর:
৪৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫%
ব্যাখ্যা

 অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৪%।

উল্লেখ্য,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৮%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৭৫.
বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
VAT:
- বাংলাদেশের প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax, মূল্য সংযোজন কর) চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।

উৎস: NBR ওয়েবসাইট।
৭৬.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকার নির্ধারিত 'বয়স্ক ভাতা' জনপ্রতি কত টাকা?
  1. ৫৫০  টাকা
  2. ৬০০ টাকা
  3. ৬৫০ টাকা
  4. ৭০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৬৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৫০ টাকা
ব্যাখ্যা

• 'বয়স্ক ভাতা' কর্মসূচি:
- 'বয়স্ক ভাতা' বাংলাদেশ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- এটি দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ, দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম বা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক নাগরিকদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য চালু করা হয়েছে।
- এর মূল লক্ষ্য হলো বয়স্কদের আর্থ-সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পরিবার ও সমাজে তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করা, চিকিৎসা ও পুষ্টির সুবিধা বাড়ানো এবং মনোবল জোরদার করা।
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে 'বয়স্কভাতা' কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশনকে এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উপকারভোগী ৬১ লক্ষ জন, জনপ্রতি মাসিক ভাতার হার ৬৫০ টাকা এবং বাজেট ৪৭৯১.৩১ কোটি টাকা।
- এটি আগের অর্থবছরের ৬০০ টাকা থেকে বাড়ানো হয়েছে।

তথ্যসূত্র:
i) সমাজসেবা অধিদপ্তর। 
ii) বাসস। 
iii) প্রথম আলো। 

৭৭.
কোনটি প্রত্যক্ষ কর নয়?
  1. ভ্রমণ কর
  2. ভূমি উন্নয়ন কর
  3. মূল্য সংযোজন কর
  4. দানকর
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
- মূল্য সংযোজন কর প্রত্যক্ষ কর নয়। 

পরোক্ষ কর:
- যেসব করের বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় না তাদের পরোক্ষ কর বলা হয়।

পরোক্ষ করের মধ্যে রয়েছে:
- সম্পূরক শুল্ক,
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক),
- আমদানি শুল্ক,
- আবগারি শুল্ক প্রভৃতি।

প্রত্যক্ষ কর:
- প্রত্যক্ষ কর হলো এরূপ কর যার বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয়।

প্রত্যক্ষ করসমূহ হলো:
দানকর,
- ভূমি উন্নয়ন কর,
- আয়কর,
- ভ্রমণ কর ইত্যাদি।

সূত্র: কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৮.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত 'বয়স্ক ভাতা' জনপ্রতি কত টাকা? 
  1. ৫৫০ টাকা
  2. ৬০০ টাকা
  3. ৬৫০ টাকা
  4. ৭০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৬৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৫০ টাকা
ব্যাখ্যা

• 'বয়স্ক ভাতা' কর্মসূচি:
- 'বয়স্ক ভাতা' বাংলাদেশ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- এটি দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ, দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম বা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক নাগরিকদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য চালু করা হয়েছে।
- এর মূল লক্ষ্য হলো বয়স্কদের আর্থ-সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পরিবার ও সমাজে তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করা, চিকিৎসা ও পুষ্টির সুবিধা বাড়ানো এবং মনোবল জোরদার করা।
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে 'বয়স্কভাতা' কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশনকে এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উপকারভোগী ৬১ লক্ষ জন, জনপ্রতি মাসিক ভাতার হার ৬৫০ টাকা এবং বাজেট ৪৭৯১.৩১ কোটি টাকা।
- এটি আগের অর্থবছরের ৬০০ টাকা থেকে বাড়ানো হয়েছে।

তথ্যসূত্র:
i) সমাজসেবা অধিদপ্তর। 
ii) বাসস। 
iii) প্রথম আলো। 

৭৯.
নিচের কোন নোটটিতে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে না?
  1. ১ টাকা
  2. ৫ টাকা
  3. ২ টাকা
  4. ২০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ টাকা
ব্যাখ্যা

- ২০ টাকার নোটে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে না ।

• টাকার নোট: 
- বাংলাদেশে দুই ধরনের কাগুজে নোট:
- বাংলাদেশের নোট দুই ধরনের।
- সরকারি নোট ও ব্যাংক নোট।
- সরকারি নোট: ১, ২ ও ৫ টাকার নোট। এবং ১, ৫, ১০, ২৫ ও ৫০ পয়সার মুদ্রা।
- সরকারি নোটে স্বাক্ষর থাকে অর্থ সচিবের।
- ব্যাংক নোট: ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকা মূল্যমানের ৭টি নোট।
- ব্যাংক নোটের প্রবর্তক বাংলাদেশ ব্যাংক।
- এবং এ নোটে স্বাক্ষর থাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরের।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অর্থ মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।

৮০.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ কোন দেশ থেকে এসেছে? 
  1. যুক্তরাজ্য
  2. নেদারল্যান্ডস
  3. চীন
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

• প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI): 
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI) এসেছে নেদারল্যান্ডস থেকে।
 - নেদারল্যান্ডস এই অর্থবছরে বাংলাদেশে প্রায় ৪৫৪ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে, যা আগের বছরের ২৩.২ মিলিয়ন ডলার (FY24) এবং তার আগের বছরের ৭২.১১ মিলিয়ন ডলার (FY23) থেকে অনেক বেশি।

- অন্যান্য বড় বিনিয়োগকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্য (৩০০ মিলিয়ন ডলার), চীন (২৭৪ মিলিয়ন ডলার) এবং সিঙ্গাপুর (১৬১ মিলিয়ন ডলার)।
 - যুক্তরাজ্য এবং চীনের বিনিয়োগ আগের বছরের তুলনায় কমেছে, কিন্তু সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগ ৭১.৬% বৃদ্ধি পেয়েছে।

 
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।  (Link) 

৮১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী কোন খাতটি বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল?
  1. পর্যটন খাত
  2. পরিবহন খাত
  3. শিল্প খাত
  4. সেবা খাত
সঠিক উত্তর:
শিল্প খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্প খাত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জিডিপিতে উৎপাদন ভিত্তিতে ৩ টি বৃহৎ খাত।
- সার্বিক ভাবে ১৯টি খাত রয়েছে।
- বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত।

সেবা খাত:
- সেবা খাতে জিডিপিতে অবদান ৫১.০৪%।
- সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০%।

শিল্প খাত:
- শিল্প খাতে জিডিপিতে অবদান ৩৭.৯৫%।
- প্রবৃদ্ধির হার- ৬.৬৬%।

কৃষি খাতের
- কৃষি খাতের অবদান-১১.০২%।
- কৃষিতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১%।

 উল্লেখ্য,
- জিডিপিতে সর্ববৃহৎ খাত- সেবা খাত।
- ছোট খাত- কৃষি খাত।
- কিন্তু কর্মসংস্থান দিক থেকে বৃহৎ খাত- কৃষি খাত।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮২.
দুই ও পাঁচ টাকার নোটে কার স্বাক্ষর থাকে?
  1. অর্থমন্ত্রী
  2. অর্থ সচিব
  3. গর্ভণর
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
অর্থ সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ সচিব
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নোট:
- বাংলাদেশের নোট দুই ধরনের।
- সরকারি নোট ও ব্যাংক নোট।
• সরকারি নোট: ১, ২ ও ৫ টাকার নোট এবং ১, ৫, ১০, ২৫ ও ৫০ পয়সার মুদ্রা।
- সরকারি নোটে স্বাক্ষর থাকে অর্থ সচিবের।

• ব্যাংক নোট: ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকা মূল্যমানের ৭টি নোট।
- ব্যাংক নোটের প্রবর্তক বাংলাদেশ ব্যাংক।
- এবং এ নোটে স্বাক্ষর থাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরের।


উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অর্থ মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।
৮৩.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে সাধারণ করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা কত?
  1. ৩৭৫০০০ টাকা
  2. ৩৫০০০০ টাকা
  3. ৩২৫০০০ টাকা
  4. ৩০০০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩৫০০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়সীমা:
- সরকার কর্তৃক ঘোষিত আয় যা অতিক্রম করলে আয়কর প্রদানের জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হবেন।
- সাধারণ ব্যক্তি করদাতা : ৩৫০০০০ টাকা, 
- মহিলা ও ৬৫ বছর উর্ধ্ব করদাতা : ৪০০০০০ টাকা, 
- প্রতিবন্ধি করদাতা : ৪৭৫০০০ টাকা, 
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা : ৫০০০০০ টাকা, 
- তৃতীয় লিঙ্গ : ৪৭৫০০০ টাকা। 

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও ২০২৩-২৪ জাতীয় বাজেট।
৮৪.
বাংলাদেশে বয়স্কভাতা কার্যক্রম কোন সালে শুরু হয়?
  1. ১৯৯৫
  2. ১৯৯৬
  3. ১৯৯৭
  4. ১৯৯৮
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮
ব্যাখ্যা

• বয়স্ক ভাতা :
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে  ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন  করা হয়। 
- বয়স্কভাতা চালু হয়- ১৯৯৮ সালের এপ্রিল থেকে।
- বাস্তবায়নকারী দফতর- সমাজসেবা অধিদফতর।

• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :
(১) বয়স্ক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান;
(২) পরিবার ও সমাজে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি;
(৩) আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাঁদের মনোবল জোরদারকরণ;
(৪) চিকিৎসা ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।

তথ্যসূত্র: সমাজসেবা অধিদপ্তর।

৮৫.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ শেষ হবে কত সালে?
  1. ২০২৪ সালে
  2. ২০২৫ সালে
  3. ২০২৬ সালে
  4. ২০২৭ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৫ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সরকারের 'পরিকল্পনা কমিশন' এর 'সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ' (General Economic Division) পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫।
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে - জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।
- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে- পরিকল্পনা কমিশন।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
- বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল - ১৯৭৩-৭৮।

তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা কমিশন।
৮৬.
বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের (জিডিপি-র) কত শতাংশ কৃষি থেকে আসে?
  1. ১২.৪০%
  2. ১২.৮৯%
  3. ১৩.০২%
  4. ১৩.৩৫%
সঠিক উত্তর:
১৩.৩৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩.৩৫%
ব্যাখ্যা
❐ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর [BBS]-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুসারে,বর্তমান জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ১১.৬২ শতাংশ।
❐ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ অনুসারে, কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
➝ তবে, এই প্রশ্নটি পুরনো তথ্য অনুসারে করা হয়েছে। তাই, এখানে সঠিক উত্তর: ১৩.৩৫ শতাংশ।

বাংলাদেশের জাতীয় আয়ে খাতভিত্তিক অবদান:
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ অনুসারে,
• কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ ও প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।

• শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ ও প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।

• সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ ও সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।
- সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।

অন্যদিকে,
⇒ সর্বশেষ মে, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর [BBS] ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রকাশ করা হয়েছিলো। হিসাব অনুযায়ী জিডিপিতে -
• কৃষি খাতের অবদান ১১.৬২ শতাংশ ও প্রবৃদ্ধির হার: ১.৭৯%।
• শিল্প খাতের অবদান ৩৪.৮১ শতাংশ ও প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৩৪।
• সেবা খাতের অবদান ৫৩.৫৬ শতাংশ ও প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৫১%।
- এছাড়াও, মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪।
৮৭.
স্টক শেয়ারে প্রবর্তিত নতুন পদ্ধতি কোনটি?
  1. ডিভিডেন্ড
  2. ডিভ্যালু
  3. ডিম্যাট
  4. ডিসকাউন্ট
সঠিক উত্তর:
ডিম্যাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিম্যাট
ব্যাখ্যা
• ডিম্যাট (DE-MAT) হলো শেয়ার লেনদেনের ইলেকট্রনিক প্রক্রিয়া।
- স্টক শেয়ারে প্রবর্তিত নতুন পদ্ধতি। 

ডি-ম্যাট:
- DE-MAT account-এর পূর্ণরূপ: Dematerialisation account।
- একটি ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট হল একটি ডিম্যাটেরিয়ালাইজড অ্যাকাউন্ট যা বিনিয়োগকারীদের জন্য ইলেকট্রনিক বিন্যাসে শেয়ার ও সিকিউরিটিজ রাখতে সাহায্য করে।
- ডিমেটিরিয়ালাইজেশন হলো ফিজিকাল শেয়ার সার্টিফিকেটকে ইলেকট্রনিক ফর্মে রূপান্তরিত করার প্রক্রিয়া।
- এটি রক্ষণাবেক্ষণ করা সহজ এবং বিশ্বজুড়ে যে কোনও জায়গা থেকে অ্যাক্সেস করা যায়।
- অনলাইনে ট্রেড করতে চাইলে একজন বিনিয়োগকারীকে ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্টের (DP)-এর সাথে একটি ডিম্যাট খুলতে হয়।
- ডিমেটিরিয়ালাইজেশনের উদ্দেশ্য হলো বিনিয়োগকারীদের ফিজিক্যাল শেয়ার সার্টিফিকেট ধরে রাখা থেকে মুক্তি দেওয়া এবং হোল্ডিংয়ের নিরন্তর ট্র্যাকিং এবং পর্যবেক্ষণ করার প্রক্রিয়াকে সহজতর করে তোলা।
------------------ 
স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন বাংলাদেশ সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ন্ত্রণ করে বিএসইসি। 
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য। 
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি। একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ। 
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। 

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ: 
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত। 
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার। 
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত। 
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে। 

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:  
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।

সূত্র - ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, বাংলাপিডিয়া, ও BSEC ওয়েবসাইট।
৮৮.
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে কত সালে? 
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৫৫ সালে
  4. ১৯৫৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৪ সালে
ব্যাখ্যা

• স্টক এক্সচেঞ্জ:
- বাংলাদেশের পুঁজি বাজার পরিচালনা করে বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ কিমিশন বা Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।

• বাংলাদেশে শেয়ার বাজার দুইটি।
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৫৪ সালে।
- কার্যক্রম শুরু করে: ১৯৫৬ সালে।

• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- অনুমোদন পায়: ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৫ সালে।
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়।

উৎস: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।

৮৯.
NBR অর্থমন্ত্রণালয়ের কোন বিভাগের অধীনে?
  1. অর্থবিভাগ
  2. অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ
  3. ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ
  4. অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ
ব্যাখ্যা
NBR অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীনে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিভাগ ৪টি। যথা-
- অর্থবিভাগ,
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ,
- ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এবং
- অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা। অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আই,আর,ডি) বিভাগের অধীনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কাজ করে।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) ওয়েবসাইট।
৯০.
বাংলাদেশের জিডিপিতে সবচেয়ে বড় অবদান রাখে কোন খাতটি? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. কৃষি খাত
  2. শিল্প খাত
  3. সেবা খাত
  4. পরিবহন খাত
সঠিক উত্তর:
সেবা খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেবা খাত
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের অর্থনীতির খাত: (২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রেক্ষাপটে)
- অর্থনীতির প্রধান খাত: সেবা খাত (Service Sector)
- অতীতে কৃষি খাত প্রধান ছিল, তবে বর্তমানে জিডিপিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখছে সেবা খাত।

• খাতভিত্তিক জিডিপি অবদান
- কৃষি খাত: ১১.৬২%
- শিল্প খাত: ৩৪.৮১%
- সেবা খাত: ৫৩.৫৬%
 
• জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার
- ২০২৩-২৪ অর্থবছর (চূড়ান্ত হিসাব) → ৪.২২%
- ২০২৪-২৫ অর্থবছর (সাময়িক হিসাব) → ৩.৯৭%
 
 • খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধির হার (২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব)
- কৃষি খাত: ১.৭৯%
- শিল্প খাত: ৪.৩৪%
- সেবা খাত: ৪.৫১%। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট। (Link1)

৯১.
২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিবিএসের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের জিডিপির আকার কত?
  1. ৪২০ বিলিয়ন ডলার
  2. ৪৫০ বিলিয়ন ডলার
  3. ৪৫৬ বিলিয়ন ডলার
  4. ৪৫৮ বিলিয়ন ডলার
সঠিক উত্তর:
৪৫৬ বিলিয়ন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫৬ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা

 • ২০২৪–২৫ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব: 
- দেশের অভ্যন্তরের আয়ের পাশাপাশি প্রবাসী আয়সহ যত আয় হয়, তা একটি দেশের মোট জাতীয় আয়। 
- সেই জাতীয় আয়কে মাথাপিছু ভাগ করে এই হিসাব করা হয়। এটি দেশের মানুষের গড় মাথাপিছু আয়।
- দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় এখন ২ হাজার ৭৬৯ মার্কিন ডলার। 
- ২০২৪–২৫ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এই তথ্য দিয়েছে।

- আগের বছরের চেয়ে মাথাপিছু আয় ৩১ ডলার বেড়েছে। আগের অর্থবছরের (২০২৩–২৪) মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৭৩৮ ডলার।
- বিবিএসের হিসাবে গণ–অভ্যুত্থানের বছরে অর্থাৎ ২০২৪–২৫ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ হয়েছে। 
- পরিসংখ্যান ব্যুরো জানায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের অর্থনীতির আকার আগের বছরের ৪৫০ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৪৫৬ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। 
- যদিও এটি প্রাথমিক প্রাক্কলন ৪৬২ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে কম।

তথ্যসূত্র: বিবিএস, প্রথম আলো ও কালের কণ্ঠ। (Link)

৯২.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদে জিডিপির আকার কত হবে? 
  1. ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা
  2. ১৬,০৮৬ বিলিয়ন টাকা
  3. ১৮,০৮৮ বিলিয়ন টাকা
  4. ১৯,০৮৯ বিলিয়ন টাকা
সঠিক উত্তর:
১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা
ব্যাখ্যা
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- মেয়াদ: জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।

• মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%।
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা।
- মাথাপিছু আয় - ৩,০৫৯ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%।
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%।
- দারিদ্রের উচ্চহার – ১৫.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর।
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার: ১.১৮%।
- মেয়াদান্তে বিদুৎ উৎপাদন ক্ষমতা – ৩০,০০০ মেগাওয়াট।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
৯৩.
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর ছিলেন-
  1. এ. কে. নাজিরউদ্দীন আহমেদ
  2. এ. এন. এম হামিদুল্লাহ
  3. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন
  4. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
সঠিক উত্তর:
এ. এন. এম হামিদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ. এন. এম হামিদুল্লাহ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)। (অক্টোবর, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।

অন্যদিকে,
- আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত আইনবিদ এবং প্রথম প্রধান বিচারপতি।
- এম.এ .ইদ্রিস বাংলাদেশের প্রথম প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৯৪.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার কত হবে?
  1. ১.১১%
  2. ১.১৮%
  3. ১.১০%
  4. ১.০৮%
সঠিক উত্তর:
১.১৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.১৮%
ব্যাখ্যা
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- মেয়াদ: জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।

মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%।
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা। 
- মাথাপিছু আয় - ৩,০৫৯ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%।
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%।
- দারিদ্রের উচ্চহার – ১৫.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর।
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার: ১.১৮%
- মেয়াদান্তে বিদুৎ উৎপাদন ক্ষমতা – ৩০,০০০ মেগাওয়াট।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
৯৫.
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যাদির উপর আরোপিত করকে নিম্নোক্ত কোনটি বলা হয়?
  1. মূল্য সংযোজন কর
  2. আবগারি শুল্ক
  3. অতিরিক্ত ফি
  4. সম্পূরক শুল্ক
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা

আবগারি শুল্ক:
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যাদির উপর আরোপিত করকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যাদির উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে চা, তামাক, চিনি, গুড় প্রভৃতির উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়। আবগারি শুল্ক এক প্রকার পরোক্ষ কর।

অন্যদিকে,
- সারচার্জ হলো একপ্রকার মাশুল বা অতিরিক্ত ফি/শুল্ক।
- বিদ্যমান করের সাথে সারচার্জ আরোপ করা হয়।

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং ব্রিটানিকা। 

৯৬.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুসারে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশের দারিদ্রের নিম্ন হার কত হবে? 
  1. ৭.৯%
  2. ৭.৭%
  3. ৭.৮%
  4. ৭.৪%
সঠিক উত্তর:
৭.৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭.৪%
ব্যাখ্যা
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- মেয়াদ : জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।

মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%।
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা।
- মাথাপিছু আয় - ৩,০৫৯ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%।
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%।
- দারিদ্রের উচ্চহার – ১৫.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর।
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার: ১.১৮%।
- মেয়াদান্তে বিদুৎ উৎপাদন ক্ষমতা – ৩০,০০০ মেগাওয়াট।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
৯৭.
বাংলাদেশে মোট দেশজ উৎপাদনে কৃষি খাতের অবদান-
  1. নিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে
  2. অনিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে
  3. ক্রমহ্রাসমান
  4. অপরিবর্তিত থাকছে
সঠিক উত্তর:
ক্রমহ্রাসমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রমহ্রাসমান
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে -
• অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান - ১১.৫০%, 
• অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান - ৩৭.০৭%, 
• অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান - ৫১.৪৪%। 

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান:
- সেবা খাতের অবদান ৫১.২৪ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৫৬ শতাংশ।
- কৃষি খাতের অবদান ১১.২০ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি।

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, 
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৮%।

সুতরাং,  
দেখা যাচ্ছে যে, জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২, ২০২৩, ২০২৪।
৯৮.
সরকারি বেসরকারি অংশীদারীত্বে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসাকে সংক্ষেপে কী বলে?
  1. LCG
  2. PPP
  3. BDF
  4. TCB
সঠিক উত্তর:
PPP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PPP
ব্যাখ্যা
• সরকারি বেসরকারি অংশীদারীত্ব ভিত্তিক ব্যবসা (PPP):
- সরকারি অনুমোদন ও সহায়তায় বেসরকারি অর্থায়ন এবং পরিকল্পনায় পরিচালিত ব্যবসায় কার্যক্রমকে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব ভিত্তিক ব্যবসা (PPP) বলে।
- এটি একটি উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক ধারণা, যা বিশ্বায়নের যুগে জনপ্রিয় হয়েছে।
- PPP হলো এক ধরনের চুক্তি, যা সম্পাদিত হয় সরকারের জনকল্যাণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে।
- এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো নির্মাণ ও সেবা প্রদান করা সম্ভব হয়।

⇒ বাংলাদেশে PPP-এর উল্লেখযোগ্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে-
- ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে,
- কালিয়াকৈর হাইটেক পার্ক নির্মাণ এবং মংলা বন্দরে জেটি নির্মাণ।
- এই অংশীদারিত্বের মডেলটি সাধারণত হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সেবা প্রতিষ্ঠান এবং অবকাঠামো নির্মাণে ব্যবহৃত হয়।

PPP-এর মূল উদ্দেশ্য হলো-
জনগণের কল্যাণে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য সরকারি অর্থায়নের অভাব পূরণ করা। একইসঙ্গে, বিদেশি ঋণের উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে স্বনির্ভর উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করাও এর অন্যতম লক্ষ্য। PPP মডেলটি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরো টেকসই ও কার্যকর করে তোলে, যা আধুনিক প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

অন্যদিকে,
LCG (Local Consultative Group):
এটি একটি ফোরাম যেখানে বাংলাদেশ সরকার এবং উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলো মিলে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করে।

BDF (Bangladesh Development Forum)):
এটি একটি ফোরাম যা বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়ন প্রচেষ্টাকে সহযোগিতা করার জন্য বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং দাতাদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে।

TCB (Trading Corporation of Bangladesh):
- TCB একটি সরকারি সংস্থা যা পণ্যের মজুত, বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং মূল্য স্থিতিশীলতার জন্য কাজ করে।

তথ্যসূত্র: এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৯.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ সাল নাগাদ দেশের গড় প্রবৃদ্ধি কত হবে?
  1. ৯.৭%
  2. ৯.৯%
  3. ৯.৫%
  4. ৯.১%
সঠিক উত্তর:
৯.৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯.৯%
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা:
- রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের জন্যে বাংলাদেশ সরকার ২০২১-২০৪১ মেয়াদে ২০ বছর মেয়াদী দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯ শতাংশ এবং ২০৪১ সালে গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯.৯ শতাংশ।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের চরম দারিদ্র সীমা হবে ২.৩% এবং ২০৪১ সালে চরম দারিদ্র সীমা হবে ১%এর কম।
- দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মূললক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
১০০.
বাংলাদেশের জাতীয় আয় গণনায় দেশের অর্থনীতিকে ক'টি খাতে ভাগ করা হয়?
  1. ১২
  2. ১৯
  3. ১৪
  4. ১৫
সঠিক উত্তর:
১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯
ব্যাখ্যা
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪: 
- অর্থনীতির মোট খাত: ১৯টি (২০১৫-১৬ ভিত্তিবছর)।

১৯টি খাত:   
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম। 
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উল্লেখ্য, 
- ২০০৫-০৬ ভিত্তি বছরের খাত ছিল: ১৫টি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।