বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

রোগ - জীবাণু ও আধুনিক চিকিৎসা সংক্রান্ত

মোট প্রশ্ন১,০৯৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

রোগ - জীবাণু ও আধুনিক চিকিৎসা সংক্রান্ত

PrepBank · পাতা / ১১ · ৩০১৪০০ / ১,০৯৫

৩০১.
মানবদেহে অত্যাবশ্যকীয় এমিনো এসিড কোনটি?
  1. ক) মিসটিন
  2. খ) টাইরোসিন
  3. গ) থ্রিওনাইন
  4. ঘ) অ্যালানিন
সঠিক উত্তর:
গ) থ্রিওনাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) থ্রিওনাইন
ব্যাখ্যা

অ্যামাইনো এসিড হচ্ছে আমিষ গঠনের একক।
আমিষ পরিপাক হওয়ার পর তা অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়।
দেহগঠনে আমিষ সহায়তা করে থাকে।
এ পর্যন্ত আমাদের শরীরে ২০ ধরনের অ্যামাইনো এসিড আবিষ্কৃত হয়েছে।
এর মধ্যে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড ৮টি।
এগুলো হল লাইসিন, ট্রিপেটোফ্যান, মিথিওনিন, ভ্যালিন, লিউসিন, আইসোলিউসিন, ফিনাইল অ্যালানিন ও থ্রিওনাইন।
সূত্রঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩০২.
এনজিও প্লাস্টি হচ্ছে -
  1. হৃৎপিণ্ডের মৃত টিস্যু কেটে ফেলে দেয়া
  2. হৃৎপিণ্ডের বন্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফুলানো
  3. হৃৎপিণ্ডের টিস্যুতে নতুন টিস্যু সংযোজন
  4. হৃৎপিণ্ডের নতুন শিরা সংযোজন
সঠিক উত্তর:
হৃৎপিণ্ডের বন্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফুলানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হৃৎপিণ্ডের বন্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফুলানো
ব্যাখ্যা
- এনজিওপ্লাস্টি হচ্ছে হৃৎপিণ্ডের বন্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফুলানো। 

এনজিওপ্লাস্টি: 
- এনজিও (Angio) শব্দের অর্থ হল রক্তনালী এবং প্লাস্টি (Plasty) শব্দের অর্থ হল ঢিলা করে দেওয়া। 
- এই পদ্ধতিতে হৃৎপিণ্ডের রক্তনালীর মধ্যের চর্বি জমে সরু হয়ে যাওয়া পথ প্রশস্থ বা ঢিলা করে দেওয়া হয়। 
- যে পথে এনজিওগ্রাম করা হয়েছিল সেই একই পথে ক্যাথেটারের সংগে বেলুন প্রবেশ করানো হয়। 
- তারপর ওই বেলুন ফুলিয়ে করনারী ধমনীর সরু অংশকে প্রশস্থ করা হয়। 
- এতে করে ধমনীর ভেতরের রক্তের প্রবাহ স্বাভাবিক হয়। 
- ধমনীর এই প্রশস্থতা ধরে রাখতে রিং বসানো হয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৩০৩.
নিচের কোনটি মিশ্র ভ্যাক্সিন?
  1. নিউমোকক্কাল কনজুগেট ভ্যাক্সিন
  2. এমএমআর ভ্যাক্সিন
  3. হেপাটাইটিস- বি ভ্যাক্সিন
  4. বিসিজি ভ্যাক্সিন
সঠিক উত্তর:
এমএমআর ভ্যাক্সিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এমএমআর ভ্যাক্সিন
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
কিছু ভ্যাক্সিন রয়েছে, যা মিশ্র ভ্যাক্সিন নামে পরিচিত। এক্ষেত্রে কয়েকটি রোগের ভ্যাক্সিন যুক্ত করে দেহে প্রবেশ করানো হয়।
যেমন- এমএমআর ভ্যাক্সিন (হাম, মাম্পস ও রুবেলা), ডিপিটি ভ্যাক্সিন (ডিপথেরিয়া, হুপিং কফ, ধনুষ্টংকার) ইত্যাদি।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩০৪.
'গলগন্ড' মানবদেহের কোন গ্রন্থির একটি রোগ?
  1. অ্যাড্রেনাল
  2. পিট্যুইটারি
  3. থাইরয়েড
  4. হাইপোথ্যালামাস
সঠিক উত্তর:
থাইরয়েড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইরয়েড
ব্যাখ্যা
খাদ্যের উপাদান:

- খাদ্যের ৬টি উপাদান শর্করা, স্নেহ পদার্থ, আমিষ, ভিটামিন, খনিজ লবন এবং পানি প্রধানত আমাদের দেহে ৩টি কাজ করে:
১. বৃদ্ধিসাধন, ক্ষয়পূরন ও রক্ষণাবেক্ষণ।
২. তাপ উৎপাদন ও কর্মশক্তি প্রদান।
৩. রোগ প্রতিরোধ ও সুস্থতা প্রদান।

খনিজ লবন:
- কয়েক রকমের খনিজ পদার্থ রয়েছে। খনিজ পদার্থের মধ্যে ক্যালসিয়াম, লৌহ ও আয়োডিন উল্লেখযোগ্য।
- দুধ, পনির, ছোট মাছের কাঁটা, কলমী শাক ইত্যাদিতে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়।
- কলিজা, ডিম, মাংস ইত্যাদিতে লৌহ এবং সামুদ্রিক মাছ ও লবনে আয়োডিন পাওয়া যায়।
- আয়োডিনের অভাবে গলগণ্ড রোগ, লৌহের অভাবে রক্ত শূন্যতা, ক্যালসিয়ামের অভাবে রিকেট ইত্যাদি রোগের সৃষ্টি হয়।

গলগন্ড (Goitre):

- গলগন্ড থাইরয়েড গ্রন্থির একটি রোগ।
- খাবারে আয়োডিনের অভাব থাকলে থাইরয়েডের গ্রন্থির আয়তন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গলগন্ডের সৃষ্টি করে।
- যে সকল এলাকার মাটিতে আয়োডিনের পরিমাণ কম সে সকল এলাকার শিশুদের এমন রোগ বেশি দেখা যায়।
- লবণের পরিমাণ কম তাই এ সকল এলাকার শিশুদের বেশি পরিমাণে গলগন্ড রোগ দেখা দেয়।

- গলগন্ড প্রধানত দু'প্রকার। যথা-
(ক) সরল গলগন্ড:
- আয়োডিনের অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থিদ্বয় অথবা যে কোনো একটি ফুলে যায়।
- ফলে গলার কিছু অংশ ফুলে নিচের দিকে ঝুলে পড়ে।
- এটিই সরল গলগন্ড নামে পরিচিত।

• লক্ষণ: আলসেমি বা কুঁড়েমি, নিদ্রাহীনতা, শুকনো চামড়া, ঠান্ডা সহ্য করতে না পারা, মানসিক প্রতিবন্ধকতা, পড়াশুনায় অমনোযোগী হওয়া, শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া ইত্যাদি এ রোগের লক্ষণ।
• প্রতিরোধ: যে অঞ্চলে এর প্রাদুর্ভাব দেখা দেবে সে অঞ্চলের খাওয়ার পানির সাথে অতি সামান্য মাত্রায় আয়োডিন মেশানো যেতে পারে। আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করা।

(খ) টক্সিক গলগন্ড:
- অতিমাত্রায় থাইরক্সিন হরমোন নিঃসরণের ফলে এ রোগ দেখা দেয়।

• লক্ষণ: হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি, বুক ধড়পড় করা, ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া ও অধিক ঘাম হওয়া ইত্যাদি।
• প্রতিরোধ ব্যবস্থা- ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী রেডিওঅ্যাক্টিভ আয়োডিন ব্যবহার করার মাধ্যমে এ গ্রন্থির বৃদ্ধি রোধ করা যায়। আয়োডিনযুক্ত খাবার যেমন- সামুদ্রিক শৈবাল, সামুদ্রিক মাছ, ইত্যাদি খাওয়া।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৫.
বিষধর সাপের কয়টি বিষদাঁত থাকে?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ২টি
  4. ঘ) ১টি
সঠিক উত্তর:
গ) ২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২টি
ব্যাখ্যা
- বিষধর সাপের দুইটি বিষদাঁত থাকে।

বিষধর সাপে কাটলে শরীরে বিষক্রিয়ার কিছু লক্ষণ দেখা যায়:

- ক্ষতস্থানে বিষদাঁতের দুটি দংশনের চিহ্নের উপস্থিতি,
- ক্ষতস্থান থেকে অনবরত রক্তপাত ও ক্ষতস্থান অস্বাভাবিকভাবে ফুলে ওঠা এবং প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করা,
- কখনো কখনো সারা শরীর ফুলে যাওয়া, খাবার ও ঢোক গিলতে অসুবিধা, শ্বাসকষ্ট, চোখে ঝাপসা দেখা ও চোখের পাতা বন্ধ হয়ে আসা।

উৎস: প্রথম আলো
৩০৬.
AIDS এর জীবাণু সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেন-
  1. ক) Dr. Luc Montagnier
  2. খ) Dr. Robert Gallo
  3. গ) Dr. Jacques Benveniste
  4. ঘ) Dr. Emilio Del Giudice
সঠিক উত্তর:
ক) Dr. Luc Montagnier
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Dr. Luc Montagnier
ব্যাখ্যা
১৯৮৩ সালে ফ্রান্সের পাস্তুর ইন্সটিটিউটের বিজ্ঞানী Dr. Luc Montagnier এবং আমেরিকার ন্যাশনাল ক্যামিক্যাল ইন্সটিটিউট এর Dr. Robert Gallo ১৯৮৪ সালে পৃথকভাবে AIDS এর জীবাণু সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেন।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
৩০৭.
মানবদেহে তাপ ও শক্তি উৎপাদন করে কোনটি-
  1. ভিটামিন
  2. পানি
  3. স্নেহপদার্থ
  4. খনিজ লবণ
সঠিক উত্তর:
স্নেহপদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্নেহপদার্থ
ব্যাখ্যা
খাদ্য উপাদান: 
- খাদ্য অনেকগুলো রাসায়নিক বস্তুর সমন্বয়ে গঠিত, এই রাসায়নিক বস্তুগুলোকে খাদ্য উপাদান বলে। 
- এই উপাদানগুলোর মধ্যে পুষ্টি থাকে, তাই খাদ্য উপাদানকে পুষ্টি উপাদানও বলা হয়। 
- উপাদান অনুযায়ী খাদ্যবস্তুকে প্রধাণত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা - 
১। আমিষ: আমিষ দেহের বৃদ্ধিসাধন ও ক্ষয়পূরণ করে। 
২। শর্করা: শর্করা দেহে শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে। 
৩। স্নেহ: স্নেহ বা চর্বিজাতীয় খাদ্য দেহে তাপ ও শক্তি উৎপাদন করে। 

- এছাড়া আরও তিন ধরনের উপাদানও দেহের জন্য প্রয়োজন। 
যেমন - 
৪। ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ: ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায় এবং বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উদ্দীপনা যোগায়। 
৫। খনিজ লবণ: খনিজ লবণ দেহের বিভিন্ন জৈবিক কাজে অংশ নেয়। 
৬। পানি: দেহে পানি ও তাপের সমতা রক্ষা করে, এছাড়া কোষের কার্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষ ও তার অঙ্গাণুগুলোকে ধারণ করে। 

- খাদ্য উপাদানের বাইরে আরও একটি উপাদান রয়েছে, যেটি কোনো পুষ্টি না জোগালেও একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান। 
৭। রাফেজ: রাফেজ বা খাদ্য আঁশ (Fibre) পানি শোষণ করে এবং মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ও বৃহদন্ত্র থেকে মল নিষ্কাশনে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩০৮.
নবজাতকের নাড়ীর যত্নে ব্যবহৃত এন্টিসেপ্টিক কোনটি?
  1. ক) ৭.১% ডিক্লোক্সিন
  2. খ)  ৭.১% ক্লোরহেক্সিডিন
  3. গ) ৭.১% নাফসিলিন
  4. ঘ) ৭.১% অক্সালিন
সঠিক উত্তর:
খ)  ৭.১% ক্লোরহেক্সিডিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ)  ৭.১% ক্লোরহেক্সিডিন
ব্যাখ্যা
 ৭.১% ক্লোরহেক্সিডিন হচ্ছে একটি অত্যন্ত নিরাপদ ও কার্যকর এন্টিসেপ্টিক যা নবজাতকের নাড়ীর যত্নে ব্যবহার করা হয়।
নাড়ীতে ৭.১% ক্লোরহেক্সিডিন ব্যবহার এর গুরুত্ব:
- নাড়ীতে ৭.১% ক্লোরহেক্সিডিন ব্যবহার নবজাতকের সংক্রমণ ও মৃত্যু প্রতিরােধে অত্যন্ত কার্যকর। 
- ৭.১% ক্লোরহেক্সিডিন অন্যান্য সকল এন্টিসেপ্টিকের তুলনায় বেশী নিরাপদ ও দ্রুত কার্যকর। 

সূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট
৩০৯.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কোন তারিখে কোভিড -১৯ কে বৈশ্বিক মহামারি হিসাবে ঘোষণা করে?
  1. ক) ১১ মার্চ, ২০২০
  2. খ) ৮ মার্চ, ২০২০
  3. গ) ৩০ জানুয়ারি, ২০২০
  4. ঘ) ১৫ জানুয়ারি, ২০২০
সঠিক উত্তর:
ক) ১১ মার্চ, ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১১ মার্চ, ২০২০
ব্যাখ্যা
- ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বিষয়ে চীনা সরকার প্রথম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে অবহিত করে।
- ৩০ জানুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা ইস্যুতে বিশ্বে স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা জারি করে।
- ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই রোগের নামকরণ করে COVID-19।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১১ মার্চ ২০২০ সালে COVID-19 কে অতিমারী বা মহামারি হিসেবে চিহ্নিত করে।

উৎস: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ওয়েবসাইট।
৩১০.
টিউমার সংক্রান্ত চর্চাকে বলে -
  1. টিউমারোলজি
  2. অনকোলজি
  3. সাইটোলজি
  4. একোলজি
সঠিক উত্তর:
অনকোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনকোলজি
ব্যাখ্যা
- বাস্তুসংস্থান সম্পর্কিত যে চর্চাকে বলা হয়- ইকোলজি। 
- টিউমার, ক্যান্সার সংক্রান্ত চর্চাকে বলা হয়- অঙ্কোলজি। 
- কোষবিদ্যাকে বলা হয়- সাইটোলজি। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩১১.
হাইড্রোক্লোরিক এসিডের ক্ষতিকর ভূমিকা থেকে পাকস্থলির প্রাচীরকে রক্ষা করে কোনটি? 
  1. ট্রিপসিন
  2. মিউসিন
  3. টায়ালিন
  4. পেপসিন
সঠিক উত্তর:
মিউসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিউসিন
ব্যাখ্যা
পাকস্থলি: 
- বক্ষ গহ্বরের ডায়াফ্রামের নীচে উদরের উপরের অংশে প্রায় ২৫ সে. মি. লম্বা ও ১৫ সে.মি. চওড়া বাঁকানো থলির মত অংশই পাকস্থলি। 
- একে কয়েকটি অংশে ভাগ করা যায়। 
যেমন- কার্ডিয়া, ফার্নডাস ও ছোট-বড় বাঁক, পাইরোলাস ও গ্রাসনালি। 
- পাকস্থলির প্রত্যেক অংশের মিউকোসা স্তরে প্রায় ৪০ মিলিয়ন (৪ কোটি) গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি থাকে। 
- এই গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থিগুলো থেকে প্রতিদিন প্রায় দু'লিটার গ্যাস্ট্রিক রস ক্ষরিত হয়। 

কাজ: 
- খাদ্যদ্রব্যকে সাময়িকভাবে জমা রাখে এবং বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের মাধ্যমে খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে। 
- হাইড্রোক্লোরিক এসিড জীবানুনাশক হিসেবে কাজ করে। 
- 'মিউসিন' হাইড্রোক্লোরিক এসিডের ক্ষতিকর ভূমিকা থেকে পাকস্থলির প্রাচীরকে রক্ষা করে। 
- গ্যাস্ট্রিক রসের এনজাইমগুলো হাইড্রোক্লোরিক এসিডের উপস্থিতিতে আমিষ ও স্নেহজাতীয় খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১২.
পরিণত মানুষের চোয়ালে দাঁতের সংখ্যা কতটি?
  1. ৩২টি
  2. ২০টি
  3. ১৬টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২টি
ব্যাখ্যা

- মানুষের চোয়ালে চার ধরনের দাঁত উপস্থিত থাকে।
- পরিণত মানুষের চোয়ালে মোট দাঁতের সংখ্যা ৩২টি।
- মানুষের দুধ দাঁতের সংখ্যা ২০টি।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩১৩.
করােনা ভাইরাসের আনুষ্ঠানিক নাম কী?
  1. ক) severe acumulative respiratory syndrome coronavirus 2
  2. খ) severe acquit respiratory syndrome coronavirus 2
  3. গ) severe acute respirational syntex coronavirus 2
  4. ঘ) severe acute respiratory syndrome coronavirus 2
সঠিক উত্তর:
ঘ) severe acute respiratory syndrome coronavirus 2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) severe acute respiratory syndrome coronavirus 2
ব্যাখ্যা

২০১৯ সালের শেষের দিকে চীন থেকে একটি প্রাণঘাতী ভাইরাস সারা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে যার প্রচলিত নাম - করােনা ভাইরাস।

করােনা ভাইরাসের আনুষ্ঠানিক নাম নির্ধারণ করা হয়
- SARS-CoV-2 বা severe acute respiratory syndrome coronavirus 2
এবং এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে যে রােগটি হয় তার আনুষ্ঠানিক নাম COVID-19

উৎসঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

৩১৪.
হৃৎচক্রের স্বাভাবিক সময়কাল কত?
  1. ক) ০.৮ সেকেন্ড
  2. খ) ০.৫ সেকেন্ড
  3. গ) ৭৫ সেকেন্ড
  4. ঘ) ৬০ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
ক) ০.৮ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ০.৮ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ ব্যক্তির হৃৎস্পন্দনের হার প্রতি মিনিটে প্রায় ৭০-৮০ বার। প্রতি হৃৎস্পন্দন সম্পন্ন করতে সিস্টোল ও ডায়াস্টোলের যে চক্রাকার ঘটনাবলি অনুসৃত হয় তাকে কার্ডিয়াক চক্র বা হৃৎচক্র বলে। যদি প্রতি মিনিটে গড়ে ৭৫ বার হৃৎস্পন্দন হয়, তবে হৃৎচক্রের সময়কাল = ৬০/৭৫ সেকেন্ড = ০.৮ সেকেন্ড। স্বাভাবিকভাবেই অ্যাট্রিয়াল চক্র এবং ভেন্ট্রিকুলার চক্র উভয়েরই স্থিতিকাল ০.৮ সেকেন্ড।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩১৫.
করোনা ভাইরাসের জন্য নিচের কোনটি দায়ী?
  1. ক) rRNA
  2. খ) tRNA
  3. গ) mRNA
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) mRNA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) mRNA
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে ভাষাগত ত্রুটি ছিল। প্রশ্নে মূলত জানতে চাওয়া হয়েছে করোনা ভাইরাসের সাথে সংশ্লিষ্ট নিচের কোনটি?
অপশনে mRNA ছিল বিধায়, একে সঠিক উত্তর হিসেবে নেওয়া হয়েছে। কারণ Infecting RNA কোষের ভিতর messenger RNA (mRNA) হিসেবে কাজ করে। 
 
- COVID-19 এর জন্য দায়ী হলো SARS CoV2 নামক বিশেষ করোনা ভাইরাস। এটি এক ধরনের আরএনএ ভাইরাস। কারণ ভাইরাসটির জিনোম হলো RNA।

SARS-CoV-2 gets into the cell through recognition by the spike glycoprotein present on the surface of the virus envelope of the angiotensin converting enzyme 2 (ACE2) receptors, as previously observed for SARS-CoV [4,5]. It is possible that other receptors mediate the entry of SARS-CoV-2 into host cells, such as CD147 [6]. After attachment, the human transmembrane protease serine 2 (TMPRSS2) cleaves and activates the spike protein [7] in an event that allows SARS-CoV-2 to enter the cells by endocytosis or direct fusion of the viral envelope with the host membrane [8,9].

Once inside the cell, the infecting RNA acts as a messenger RNA (mRNA), which is then translated by host ribosomes to produce the viral replicative enzymes, which generate new RNA genomes and the mRNAs for the synthesis of the components necessary to assemble the new viral particles. SARS-CoV-2 replication is a complex process that involves RNA synthesis, proofreading and capping. Similar to other viruses, this process is likely to actively involve many host proteins, like DDX helicases, which are exploited by the virus for more efficient replication [10,11,12].
 
 
উৎস : ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন। 
 
 
৩১৬.
এক্স - রে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় -
  1. ক) ১০-৫ - ১০-৭ মি
  2. খ) ১০-৬ - ১০-৮ মি
  3. গ) ১০-৭ - ১০-৯ মি
  4. ঘ) ১০-৮ - ১০-১০ মি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০-৮ - ১০-১০ মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০-৮ - ১০-১০ মি
ব্যাখ্যা

এক্স - রে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য খুব ছোট। এ রশ্মি অত্যন্ত ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।
- এক্স - রে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় ১০-১০ মি। এক্স - রে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় ১০-১০ মি হওয়ায় উপরের অপশনের সঠিক উত্তর ১০-৮ - ১০-১০ মি।
[তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র, ড সাহজাহান তপন, পৃষ্ঠা - ৩৮8]

৩১৭.
ডেঙ্গুজ্বর কোন ধরণের ‘মশার’ মাধ্যমে ছড়ায়?
  1. ক) স্ত্রী হেমাগোগাস মশা
  2. খ) স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা
  3. গ) স্ত্রী এডিস মশা
  4. ঘ) স্ত্রী কিউলেক্স মশা
সঠিক উত্তর:
গ) স্ত্রী এডিস মশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্ত্রী এডিস মশা
ব্যাখ্যা
- স্ত্রী এডিস   মশা ডেঙ্গু রোগ ছড়ায়। 
- ডেঙ্গুজ্বর (Dengue)  প্রধানত এশিয়ার গ্রীষ্মমন্ডলীয় এলাকার একটি ভাইরাসঘটিত সংক্রামক ব্যাধি।
- ডেঙ্গু ভাইরাস Flaviviridae গোত্রভুক্ত, যার প্রায় ৭০ ধরনের ভাইরাসের মধ্যে আছে ইয়োলো ফিভার (yellow fever) ও কয়েক প্রকার এনসেফালাইটিসের ভাইরাস।
- ডেঙ্গুজ্বরের অনুরূপ একটি রোগের মহামারীর প্রথম তথ্য পাওয়া যায় ১৭৭৯ ও ১৭৮০ সালে চিকিৎসা সংক্রান্ত বইপুস্তকে।
- ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে কলকাতায় প্রথম ডেঙ্গুজ্বর শনাক্ত হয়।
- ১৮৭১-৭২ সালে এ রোগ মহামারী আকারে দেখা দেয়।
- মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, বিশেষ করে গরম এবং বর্ষার সময়টাতেই ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বেশি থাকে।
- শীতকালে এই জ্বর হয় না বললেই চলে।
- শীতে লার্ভা অবস্থায় ডেঙ্গু মশা অনেক দিন বেঁচে থাকতে পারে।
- বর্ষার শুরুতেই সেগুলো থেকে নতুন করে ডেঙ্গু ভাইরাস বাহিত মশা বিস্তার লাভ করে।

সূত্র: WHO Website.
৩১৮.
কোন ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে ধ্বংস করে ?
  1. TMV
  2. রুবিওলা
  3. T2 ফায
  4. নিপাহ
সঠিক উত্তর:
T2 ফায
উত্তর
সঠিক উত্তর:
T2 ফায
ব্যাখ্যা
• T2 ব্যাকটেরিওফায:
- ফায একটি গ্রিক শব্দ যার অর্থ ভক্ষণ করা।
- প্রকৃত অর্থে ফায হলো ঐসব ভাইরাস যারা জীবদেহে অবস্থিত রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে।
- ফায এর জেনেটিক বস্তু ব্যাকটেরিয়ার দেহে প্রবেশ করে এবং এক সময় ব্যাকটেরিয়া কোষটি ধ্বংস হয়।
- তাই যে সমস্ত ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে ধ্বংস করে তাদেরকে ব্যাকটেরিওফায বলা হয়। যেমন- T2 ব্যাকটেরিওফায।
- T2 ব্যাকটেরিওফায ভাইরাসের লাইটিক চক্রটি ৫টি ধাপে সংঘটিত হয়।
- যথা: ধাপ-১ : সংযুক্তি, ধাপ-২ : ফায প্রবেশ, ধাপ-৩ : অনুলিপন, ধাপ-৪ : বিভিন্ন দেহাংশ একত্রিত হওয়া এবং ধাপ-৫ : নতুন ভাইরাস মুক্তি।

উৎস: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র(উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১৯.
মানবদেহে রোগ প্রতিরক্ষার দ্বিতীয় স্তর-
  1. ক) ত্বক
  2. খ) সিলিয়া
  3. গ) লিম্ফোসাইট
  4. ঘ) নিউট্রোফিল
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিউট্রোফিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিউট্রোফিল
ব্যাখ্যা

রোগ জীবাণু কিংবা পরজীবী আক্রমণ প্রতিরোধের জন্য মানবদেহে সাধারণভাবে তিন ধরনের প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা লক্ষ করা যায়।
প্রথম প্রতিরক্ষা স্তর - ত্বক, সিলিয়া ও মিউকাস, এসিড, লাইসোজাইম এনজাইম ও রক্ত জমাট।
দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা স্তর - শ্বেত রক্তকণিকা থেকে উৎপন্ন বিভিন্ন ধরনের ফ্যাগোসাইটিক কোষ (ম্যাক্রোফেজ, নিউট্রোফিল ইত্যাদি), প্রদাহ সৃষ্টিকারী সাড়া ও দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রভৃতি দেহে দ্বিতীয় স্তরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
তৃতীয় প্রতিরক্ষা স্তর - ইমিউনিটি জনিত সাড়া (immune response) তৃতীয় স্তরীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্তর্গত এবং এটি নির্দিষ্টভাবে (In specific) প্রতিরক্ষা প্রদান করতে পারে। অর্থাৎ বিশেষ বিশেষ জীবাণু বা পরজীবীর বিরুদ্ধে কিংবা বিশেষ কোনো অ্যান্টিজেন প্রতিরোধের জন্য এই ব্যবস্থায় ভিন্ন রকমের প্রতিহত পন্থা দেখা যায়।
উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর জীববিজ্ঞান ২য় পত্র বই।

৩২০.
একটি আদর্শ খাদ্য পিরামিডের সর্ব নিম্নস্তরে রয়েছে -
  1. ক) শর্করা
  2. খ) আমিষ
  3. গ) ভিটামিন
  4. ঘ) স্নেহ
সঠিক উত্তর:
ক) শর্করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শর্করা
ব্যাখ্যা
আদর্শ খাদ্য পিরামিড
- যে কোনো একটি সুষম খাদ্য তালিকায় শর্করার পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে।
- শর্করাকে নিচু স্তরেরেখে পর্যায়ক্রমে পরিমাণগত দিক বিবেচনা করে শাকসবজি, ফল-মূল, আমিষ, স্নেহ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যকে সাজালে যে কাল্পনিক পিরামিড তৈরি হয় তাকে আদর্শ খাদ্য পিরামিড বলে।
- পিরামিডের শীর্ষে রয়েছে স্নেহ বা চর্বি জাতীয় খাদ্য আর সর্ব নিম্নস্তরে রয়েছে শর্করা।


উৎস:
১. জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি
২. জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যাল
৩২১.
মানবদেহের সংরক্ষক খাদ্য উপাদান কোনটি?
  1. আমিষ
  2. স্নেহ
  3. শর্করা
  4. ভিটামিন
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন
ব্যাখ্যা
পরিশোষক বা নিউট্রিয়েন্টস: 
- পুষ্টিবিজ্ঞান অনুসারে খাদ্য হলো যেগুলো জীবদেহের বৃদ্ধি, শক্তি উৎপাদন, রোগ প্রতিরোধ এবং ক্ষয়পূরণ করে অর্থাৎ দেহের পুষ্টি সাধন করে। 
- পুষ্টি হলো পরিবেশ থেকে প্রয়োজনীয় খাদ্যবস্তু আহরণ করে খাদ্যবস্তুকে পরিপাক ও শোষণ করে এবং আত্তীকরণ দ্বারা দেহের শক্তির চাহিদা পূরণ, রোগ প্রতিরোধ, বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণ করে। 
- খাদ্যের যেসব জৈব অথবা অজৈব উপাদান জীবের জীবনীশক্তির যোগান দেয়, তাদেরকে একসঙ্গে পরিশোষক বা নিউট্রিয়েন্টস (Nutrients) বলে। 
যেমন: গ্লুকোজ, খনিজ লবণ, ভিটামিন ইত্যাদি হচ্ছে নিউট্রিয়েন্টস। 
- খাদ্যের কাজ প্রধানত তিনটি। 
যথা: 
১। খাদ্য দেহের গঠন, বৃদ্ধিসাধন, ক্ষয়পূরণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করে। 
২। খাদ্য দেহে তাপ উৎপাদন করে, কর্মশক্তি প্রদান করে। 
৩। খাদ্য রোগ প্রতিরোধ করে, দেহকে সুস্থ, সবল এবং কর্মক্ষম রাখে। 

- খাদ্যের উপাদান মোট ৬ টি। 
যথা:- শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ এবং পানি। 
- এগুলোর মধ্যে শর্করা, আমিষ ও স্নেহ পদার্থ ( বা ফ্যাট) দেহ পরিপোষক খাদ্য। 
- খাদ্যের শর্করা ও স্নেহকে বলা হয় শক্তি উৎপাদক খাদ্য এবং আমিষযুক্ত খাদ্যকে বলা হয় দেহ গঠনের খাদ্য। 
- ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি দেহ সংরক্ষক খাদ্য উপাদান, যেগুলো দেহের রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩২২.
ভিটামিন ডি’র ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. ক) এর অভাবে রিকেটস হয়
  2. খ) ক্যালসিয়াম শোষণে এর ভূমিকা আছে
  3. গ) দাঁত ও হাড় গঠনে এই ভিটামিন প্রয়োজনীয়
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
অন্ত্রে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণ, দাঁত ও হাড় গঠন প্রভৃতি শারীরবৃত্তীয় কাজে ভিটামিন 'ডি' প্রয়োজন। এর অভাবে রিকেটস রোগ হয়।
উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি
৩২৩.
মানব দেহে অস্থির সংখ্যা কয়টি?
  1. ২০৩টি
  2. ২০৫টি
  3. ২০৬টি
  4. ২০৮টি
সঠিক উত্তর:
২০৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৬টি
ব্যাখ্যা
অস্থি বা হাড় যোজক কলার রূপান্তরিত রূপ। এটি দেহের সবচেয়ে দৃঢ় কলা।

- লম্বা, ছোট, অসমান, চ্যাপ্টা মিলিয়ে মোট ২০৬ টি অস্থির সমন্বয়ে পূর্ণ বয়স্ক মানব কঙ্কাল গঠিত হয়। শিশুর কঙ্কালে অস্থির সংখ্যা আরো বেশি থাকে।
- অস্থি মূলত ফসফরাস, সোডিয়াম, পটাশিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের বিভিন্ন যৌগ দিয়ে তৈরি।
- অস্থিতে ৪০ থেকে ৫০ ভাগ পানি থাকে
- অস্থির বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার প্রয়োজন।
- মানবদেহে অক্ষীয় কঙ্কালে অস্থির সংখ্যা ৮০টি। 
- বক্ষপিঞ্জরে মোট অস্থির সংখ্যা ২৫টি।
- এক পায়ে মোট ৩০টি এবং দুই পা মিলিয়ে মোট ৬০টি অস্থি রয়েছে।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৩২৪.
স্প্যানিশ ফ্লু মহামারীর কারণ কোনটি?
  1. ক) এইচওয়ানএনওয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা এ
  2. খ) সার্স করোনাভাইরাস ২
  3. গ) ইনফ্লুয়েঞ্জা সি ভাইরাস
  4. ঘ) সিমিয়ান ভাইরাস ৫
সঠিক উত্তর:
ক) এইচওয়ানএনওয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা এ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এইচওয়ানএনওয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা এ
ব্যাখ্যা
১৯১৮ সালে স্প্যানিশ ফ্লু মহামারীর কারণে আনুমানিক ৫০ মিলিয়ন মানুষ মৃত্যুবরণ করেছিল।
স্প্যানিশ ফ্লু H1N1 ইনফ্লুয়েঞ্জা A ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি মারাত্মক বৈশ্বিক ইনফ্লুয়েঞ্জা মহামারী রোগ।
সোর্স: ব্রিটানিকা
৩২৫.
ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা রশ্মি কোন উৎস থেকে আসে?
  1. আইসোবার
  2. আইসোটোন
  3. আইসোটোপ
  4. আইসোমার
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
ব্যাখ্যা

• ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা রশ্মি মূলত আইসোটোপ থেকে আসে। রেডিওঅ্যাকটিভ আইসোটোপ হলো এমন একটি রসায়নিক উপাদান যার নিউক্লিয়াস অস্থিতিশীল এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গামা রশ্মি, বিটা বা অ্যালফা কণার মাধ্যমে বিকিরণ করে স্থিতিশীল অবস্থায় আসে। ক্যান্সারের চিকিৎসায় বিশেষভাবে ব্যবহার করা হয় কোবাল্ট-৬০ বা অন্যান্য রেডিওঅ্যাকটিভ আইসোটোপ যেগুলো উচ্চ শক্তির গামা রশ্মি নির্গত করে। এই গামা রশ্মি ক্যান্সারের টিস্যুতে পৌঁছায় এবং ক্যান্সার কোষের DNA ক্ষতিগ্রস্ত করে, ফলে কোষ ধ্বংস হয়। তাই গামা রশ্মি নির্গমনের জন্য সরাসরি উৎস হিসেবে কাজ করে রেডিওঅ্যাকটিভ আইসোটোপ, যা চিকিৎসায় অপরিহার্য।

- সঠিক উত্তর: গ) আইসোটোপ।

আইসোটোপ এবং এর ব্যবহার:
- আইসোটোপগুলো হলো একটি নির্দিষ্ট মৌলের রূপভেদ।
- বিভিন্ন ভরসংখ্যা বিশিষ্ট একই মৌলের পরমাণুকে ঐ মৌলের আইসোটোপ বলে।
- অর্থাৎ কোনো মৌলের আইসোটোপ সমূহে প্রোটনের সংখ্যা সমান থাকে, কিন্তু নিউট্রোনের সংখ্যা বিভিন্ন হয়। 
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে ‘পরমাণু চিকিৎসায়' তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
- তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ প্ৰধানত রোগ নির্ণয়ের এবং রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। 
- রোগীর শরীরে কোনো স্থানে বা অঙ্গে ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমারের উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের সাহায্যে শনাক্ত করা যায়।
- কোবাল্ট-60 (60Co) আইসোটোপ থেকে নির্গত শক্তিশালী গামা রশ্মি ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
- কোবাল্ট- 60 থেকে নির্গত গামা রশ্মির সাহায্যে অপারেশনের যন্ত্রপতি রোগ জীবাণুমুক্ত করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২৬.
থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধি নিরাময়ে কোন আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়?
  1. আয়োডিন-১৩১ 
  2. টেকনেশিয়াম-৯৯
  3. কার্বন-১৪ 
  4. ফসফরাস-৩২ 
সঠিক উত্তর:
আয়োডিন-১৩১ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়োডিন-১৩১ 
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ: 
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়। 
- আবার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-৬০ থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়। 
- থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-১৩১ তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়। 
- রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়। 
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য টেকনেশিয়াম-৯৯ আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- ব্রেইন ক্যন্সার নিরাময়ে ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৩২৭.
ভাইরাস, ব্যক্টেরিয়া ইত্যাদি সংক্রান্ত বিজ্ঞান কী?
  1. ক) কীটতত্ত্ব
  2. খ) অণুজীববিজ্ঞান
  3. গ) পরজীবী বিদ্যা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) অণুজীববিজ্ঞান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অণুজীববিজ্ঞান
ব্যাখ্যা

- ভাইরাস, ব্যক্টেরিয়া, আণুবীক্ষণিক ছত্রাক ও অন্য অণুজীব সংক্রান্ত বিজ্ঞান হচ্ছে অণুজীববিজ্ঞান।
- কীটপতঙ্গের জীবন, উপকারিতা, অপকারিতা, দমন ইত্যাদি সংক্রান্ত বিজ্ঞান হচ্ছে কীটতত্ত্ব।
- পরজীবিতা, পরজীবী জীবনের জীবন প্রণালি এবং রোগ সম্পর্কিত বিজ্ঞান হচ্ছে পরজীবী বিদ্যা।
[তথ্যসূত্র - জীববিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ৫।]

৩২৮.
অধিক পরিমাণে খেসারির ডাল খাওয়ার ফলে কোন ধরণের রোগ দেখা দিতে পারে?
  1. ক) ল্যাথাইরিজম
  2. খ) হাঁপানি
  3. গ) ডায়াবেটিস
  4. ঘ) হৃদরোগ
সঠিক উত্তর:
ক) ল্যাথাইরিজম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ল্যাথাইরিজম
ব্যাখ্যা
অধিক পরিমাণে খেসারির ডাল খাওয়ার ফলে ল্যাথাইরিজম রোগ দেখা দিতে পারে। 

- বাংলাদেশ, ভারত ও আলজেরিয়ার বহু লোক এবং ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, অস্ট্রেলিয়া ও অন্যান্য দেশের কিছু লোক এসব ডাল খেয়ে থাকে।
- এই ব্যাধির প্রকোপ মানুষ ছাড়াও ঘোড়া ও গবাদি পশুর মধ্যে লক্ষ্য করা যায়।
- পুরুষের মধ্যেই ল্যাথিরিজমের প্রকোপ বেশি।
- ঘোড়া ও গবাদি পশুর ক্ষেত্রে  পা ও স্বরযন্ত্রের পেশীগুলি অবশ হয়ে পড়ে এবং পশুটির দম বন্ধ হয়ে আসে।
- মানুষের ক্ষেত্রে স্নায়ুরজ্জুতে ক্ষত দেখা দেয়, যা ঐ অঙ্গের স্থায়ী বিনষ্টির কারণ হতে পারে।
- Fabaceae পরিবারের Papillionaceae উপ-পরিবারের অন্তর্ভুক্ত Lathyrus প্রজাতির কয়েকটি উদ্ভিদের বীজ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করার ফলে পঙ্গু হবার ঝুঁকি রয়েছে, এর মধ্যে একটি হলো খেসারি, যা ডাল হিসেবে গ্রহণ করা হয়। 
- ১৮৭৩ সালে ইতালির কান্তানি নামের এক ব্যক্তি এ রোগকে ‘ল্যাথাইরিজম’ নাম দেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
৩২৯.
নিচের কোনটি পানিবাহিত রোগ নয়?
  1. ক) ডায়রিয়া
  2. খ) টাইফয়েড
  3. গ) ম্যালেরিয়া
  4. ঘ) আমাশয়
সঠিক উত্তর:
গ) ম্যালেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ম্যালেরিয়া
ব্যাখ্যা

পানিবাহিত রোগ হলো কলেরা,ডায়রিয়া, টাইফয়েড, আমাশয় ইত্যাদি।
ম্যালেরিয়া হলো পতঙ্গবাহিত রোগ।

৩৩০.
সময়ের সাথে সাথে জীবদেহের আকার পরিবর্তনের বিষয়টি সামনে আনেন কে?
  1. ক) চার্লস ডারউইন
  2. খ) ল্যামার্ক
  3. গ) জেনোফেন
  4. ঘ) হার্বার্ট স্পেন্সার
সঠিক উত্তর:
গ) জেনোফেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জেনোফেন
ব্যাখ্যা
- ল্যামার্ক 'বায়োলজি’ শব্দটির প্রতিষ্ঠাতা এবং তিনি প্রথম বিবর্তন বা অভিব্যক্তির ওপর বিশ্লেষণী তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। এ বিষয়টি তিনি ১৮০৯ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর লেখা 'ফিলােসােফিক জুওলজিক' নামে একটি বইতে লিপিবদ্ধ করেন।

 -সর্বপ্রথম, জেনোফেন সময়ের সাথে সাথে জীবদেহের আকার পরিবর্তনের বিষয়টি সামনে আনেন।
তারপর, এরিস্টটল বিবর্তনবাদ নিয়ে আলোচনা করেন।

- হার্বার্ট স্পেন্সার সর্বপ্রথম Evolution শব্দটি ব্যবহার করেছেন।

- জৈব বিবর্তনের জনক বলা হয় চার্লস ডারউইনকে।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান, ২০২১
৩৩১.
What is the name of the latest variant of COVID-19?
  1. Gamma
  2. beta
  3. Omicron
  4. Delta
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Omicron
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Omicron
ব্যাখ্যা
করোনা ভাইরাস:

- করোনা ভাইরাসের আনুষ্ঠানিক নাম নির্ধারণ করা হয় - SARS-CoV-2 বা severe acute respiratory syndrome coronavirus 2.
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি এই নামটি নির্ধারণ করে।
- ভাইরাসটির পূর্ব নাম ছিল - 2019 novel coronavirus
এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে যে রোগটি হয় তার আনুষ্ঠানিক নাম - COVID - 19
- COVID-19 এর সর্বশেষ রূপটির নাম অমিক্রন।

তথ্যসূত্র - WHO ওয়েবসাইট।
৩৩২.
ডাউন সিনড্রোম হচ্ছে মূলত -
  1. ধানগাছের বিশেষ রোগ।
  2. গর্ভস্থ শিশুর অপরিণত বিকাশ।
  3. গর্ভবতী মায়ের রক্তস্বল্পতা।
  4. শিশুরে দেহে ভিটামিন এ এর অভাব।
সঠিক উত্তর:
গর্ভস্থ শিশুর অপরিণত বিকাশ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গর্ভস্থ শিশুর অপরিণত বিকাশ।
ব্যাখ্যা

ডাউন সিনড্রোম: 
- ডাউন সিনড্রোম একটি বিশেষ ধরণের জেনেটিক বা জিনগত অবস্থা। 
- ডাউন সিনড্রোম নিয়ে জন্ম নেয়া মানুষের ক্রোমোজোমের গঠন সাধারণ মানুষের ক্রোমোজমের চেয়ে কিছুটা ভিন্ন হয়ে থাকে।
- এর কারণে মানুষের মধ্যে মৃদু বা মাঝারি স্তরের বুদ্ধিবৃত্তিক সমস্যা, বেড়ে ওঠায় বিলম্ব বা অন্য কিছু শারীরিক বৈশিষ্ট্য দেখা যায়।
- ডাউন সিনড্রোম ব্যক্তির প্রতিটি দেহকোষে ২১তম ক্রোমোজোমে একটি অতিরিক্ত ক্রোমোজোমের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়, যাকে ‘ট্রাইসোমি ২১’ বলা হয়।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি ৮০০ শিশুর মধ্যে জন্ম নেয় একটি ডাউন সিনড্রোম শিশু। সারা বিশ্বে ডাউন সিনড্রোম মানুষ রয়েছে প্রায় ৭০ লাখ।

ডাউন সিনড্রোম চেনার উপায়: 
- মানবদেহে ডিএনএ বা ক্রোমোজোমের অসামঞ্জস্য দেখা দিলে নানা রকম শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দেখা দেয়।
- ডাউন সিনড্রোম শিশুদের মাংসপেশির শিথিলতা, কম উচ্চতা, চোখের কোনা ওপরের দিকে ওঠানো, চ্যাপ্টা নাক, ছোট কান, হাতের তালুতে মাত্র একটি রেখা, জিব বের হয়ে থাকা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য দেখা যায়।
- এ ছাড়া কানে কম শোনা, কথা বলতে দেরি হওয়া, কম বুদ্ধি ইত্যাদি জটিলতাও দেখা দেয়।
- অনেক সময় ডাউন সিনড্রোমের সঙ্গে জন্মগত হার্টের সমস্যা, থাইরয়েডের সমস্যাও থাকতে পারে।

অর্থাৎ, ‘ডাউন সিনড্রোম‘ বলতে গর্ভস্থ শিশুর অপরিণত বিকাশকে বুঝায়। 

উৎস: 
১. Down Syndrome Society of Bangladesh; 
২. প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট। 

৩৩৩.
যে বন্ধনী দিয়ে অস্থিগুলো পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে-
  1. ক) টেন্ডন
  2. খ) প্যাটেলা
  3. গ) লিগামেন্ট
  4. ঘ) রিকম্বিনেন্ট
সঠিক উত্তর:
গ) লিগামেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লিগামেন্ট
ব্যাখ্যা
পাতলা কাপড়ের মত কোমল অথচ দৃঢ়, স্থিতিস্থাপক যে বন্ধনী দিয়ে অস্থিগুলো পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে তাকে অস্থিবন্ধনী বা লিগামেন্ট বলে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণী জীববিজ্ঞান বোর্ড বই
৩৩৪.
কোনটির অভাবে কোয়াশিয়রকর রোগ হয়?
  1. ক) শ্বেতসার
  2. খ) ভিটামিন
  3. গ) আমিষ
  4. ঘ) খনিজ লবণ
সঠিক উত্তর:
গ) আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আমিষ
ব্যাখ্যা

প্রোটিন বা আমিষের অভাবজনিত রোগঃ
খাদ্যে প্রোটিনের অভাব হলে 'মেরাসমাস' ও 'কোয়াশিয়রকর' নামক দুটি রোগ হয়।
মেরাসমাস রোগে পেশী ও মেদ ক্ষয় হয় ও চামড়া কুচকে যায়, দেহের বৃদ্ধি থেমে যায়, ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে শতকরা ৬০ ভাগ কমে যায়, কম বয়সে এ রোগ হলে মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।
সাধারণত ২ - ৪ বছর বয়সে শিশুদের খাদ্যে প্রোটিনের অভাব হলে কোয়াশিয়রকর রোগ হয়।
এ রোগে শিশুদের দেহের বৃদ্ধি থেমে যায়, পেশী ক্ষয় হতে থাকে, পানি জমে শরীর ফুলে যায়, রক্তাল্পতা দেখা দেয় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।

৩৩৫.
ডেঙ্গু রোগ ছড়ায়-
  1. Aedes aegypti মশা
  2. House flies
  3. Anopheles মশা
  4. ইঁদুর ও কাঠবেড়ালী
সঠিক উত্তর:
Aedes aegypti মশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aedes aegypti মশা
ব্যাখ্যা
ডেঙ্গু:
- ডেঙ্গু জ্বরের বাহক এডিস মশা।
- Aedes Aegypti (এডিস এজিপটাই) প্রজাতির মশার কামড়ে ডেঙ্গু ছড়ায়।
- এডিস এলবোপিকটাস মশার কামড়েও ডেঙ্গু রোগ ছড়াতে পারে।
- এই টিকাগুলোর ডেঙ্গু প্রতিরোধ ক্ষমতা ৮০ শতাংশের বেশি।
- দুই থেকে সাত দিনের মাঝে সাধারণত ডেঙ্গু রোগী আরোগ্য লাভ করে।
- কিছু ক্ষেত্রে রোগটি মারাত্মক রক্তক্ষরী রূপ নিতে পারে যাকে ডেঙ্গু রক্তক্ষরী জ্বর বলা হয়।

ডেঙ্গু রোগের সংক্রমণ ও উপসর্গ:
- তিন থেকে পনেরো দিনের মধ্যে সচরাচর ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো দেখা দেয়।
- ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গ:
- জ্বর, মাথাব্যথা,
- বমি,
- পেশিতে ও গাঁটে ব্যাথা এবং চর্মে ফুসকুড়ি।

ডেঙ্গু রোগের টিকা:
- বিশ্বে বর্তমানে ডেঙ্গুর দুটি ভ্যাকসিন রয়েছে, যেগুলো ইতোমধ্যে ২০টির মতো দেশে অনুমোদন পেয়েছে।
- এসব টিকা প্রয়োগে ৯০ শতাংশ ব্যক্তি ডেঙ্গু আক্রান্ত হলেও হাসপাতাল পর্যন্ত যাওয়ার প্রয়োজন হয়নি।
- টিকা দুইটি হলো ডেঙ্গভ্যাক্সিয়া ও কিউডেঙ্গা।

অন্যদিকে,
- স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু ছড়ায়।
- বাংলাদেশে মোট ৩৬ প্রজাতির অ্যানোফিলিস মশা দেখা যায়, এদের মধ্যে সাতটি প্রজাতি বাংলাদেশে ম্যালেরিয়া রোগ ছড়ায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩৩৬.
হেনলি-র লুপ এর অবস্থান কোথায়?
  1. ক) পাকস্থলী
  2. খ) অগ্ন্যাশয়
  3. গ) বৃক্ক
  4. ঘ) ফুসফুস
সঠিক উত্তর:
গ) বৃক্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বৃক্ক
ব্যাখ্যা
নেফ্রন
•বৃক্কের ইউরিনিফেরাস নালিকার ক্ষরণকারী অংশ এবং কাজ করার একককে নেফ্রন বলে।
•মানবদেহের প্রতিটি বৃক্কে প্রায় 10-12 লক্ষ নেফ্রন থাকে।
•প্রতিটি নেফ্রন একটি রেনাল করপাসল (Renal corpuscle) বা মালপিজিয়ান অঙ্গ এবং রেনাল টিউব্যুল (Renal tubule) নিয়ে গঠিত । •প্রতিটি রেনাল করপাসল আবার গ্লোমেরুলাস (Glomerulus) এবং বোম্যান্স ক্যাপসুল— এ দুটি অংশে বিভক্ত।
• বোমলেন্স ক্যাপসুলে অক্ষিয়দেশ থেকে সংগ্রাহী নালি পর্যন্ত বিস্তৃত চওড়া নালিকাটিকে রেনাল টিউব্যুল বলে।
প্রতিটি রেনাল টিউব্যুল ৩ টি অংশে বিভক্ত:
১. গোড়াদেশীয় বা নিকটবর্তী প্যাঁচানো নালিকা (Proximal convoluted tubule)
২. হেনলি-র লুপ (Henle's loop) 
৩. প্রান্তীয় প্যাঁচানো নালিকা (Distal convoluted tubule)


উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৩৩৭.
মানব দেহের অতন্দ্রী প্রহরী হিসেবে নিচের কোনটি কাজ করে?
  1. ক) লোহিত রক্তকণিকা
  2. খ) শ্বেতরক্তকণিকা
  3. গ) অণুচক্রিকা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) শ্বেতরক্তকণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শ্বেতরক্তকণিকা
ব্যাখ্যা
শ্বেতরক্তকণিকা মানব দেহের অতন্দ্রী প্রহরী হিসেবে কাজ করে। 

শ্বেত রক্ত কনিকার কাজসমূহ- 
i.মনোসাইট ও নিউট্রিফিল  ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ভক্ষণ করে ধ্বংস করে ।
ii. নিউট্রোফিলের বিষাক্ত দানা জীবাণু ধ্বংস করে ।
iii.দানাদার লিকোসাইট হিস্টাসিন সৃষ্টি করে যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ।
iv.লিস্ফোসাইট অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে রোগ প্রতিরোধ করে।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান।  

৩৩৮.
চিকুনগুনিয়ার বাহক কোনটি?
  1. ক) অ্যানোফিলিস
  2. খ) কিউলেক্স
  3. গ) এডিস
  4. ঘ) সকল ধরণের মশা
সঠিক উত্তর:
গ) এডিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এডিস
ব্যাখ্যা
চিকুনগুনিয়া রোগটির জন্য Aedes aegypti মশাটি দায়ী। 

চিকুনগুনিয়া ভাইরাসজনিত রোগ। মশার মাধ্যমে এই ভাইরাস মানুষের মধ্যে ছড়ায়। ১৯৫২ সালে তানজানিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে সর্বপ্রথম এই রোগ ছড়ানোর কথা জানা যায়। সেখানকার কিমাকোন্ডি ভাষা থেকে চিকুনগুনিয়া নামটি এসেছে। স্থানীয়ভাবে এর অর্থ হলো ‘মোচড়ানো’। রোগীর শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হওয়ায় এই রোগের এমন নাম হয়েছে।

লক্ষণ- 
সংক্রামক মশা কামড়ানোর চার থেকে সাত দিনের মধ্যে দেহে চিকুনগুনিয়ার উপসর্গ দেখা যায়। এটি হলে সাধারণত হঠাৎ করে তীব্র জ্বর (১০৪° ফারেনহাইট) শুরু হয়। সেই সাথে শরীরের অস্থি সন্ধিতেও ব্যথা অনুভূত হয়। এছাড়া চিকুনগুনিয়ার আর যেসব লক্ষণ দেখা যায় তার মধ্যে রয়েছে, মাংস পেশি ও মাথা ব্যথা, বমি বমি ভাব, ক্লান্তি ও চামড়ায় ফুসকুড়ি। অস্থি সন্ধির ব্যথা খুব তীব্র হতে পারে যা কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

চিকিৎসা-
চিকুনগুনিয়া ভাইরাস সংক্রমণের চিকিৎসা মূলত উপসর্গভিত্তিক। এর কোনো সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। আক্রান্ত ব্যক্তিকে বিশ্রাম নিতে হবে, প্রচুর পানি ও তরলজাতীয় খাবার খেতে হবে এবং প্রয়োজনে জ্বর ও ব্যথার জন্য প্যারাসিটামল ট্যাবলেট এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারে ওষুধ খেতে হবে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৩৩৯.
এইডস রোগ সম্পর্কে নিচের কোনটি সত্য?
  1. ক) এইচআইভি সংক্রমণের প্রথম পর্যায় হলো এইডস।
  2. খ) মানবদেহে এইচআইভি ভাইরাস প্রবেশ করার ৭-১০ দিনের মধ্যে এর লক্ষণ দেখা দেয়।
  3. গ) এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংস হয়ে যায়।
  4. ঘ) এই রোগের কোন সুনির্দিষ্ট কোন লক্ষণ নেই। 
সঠিক উত্তর:
ঘ) এই রোগের কোন সুনির্দিষ্ট কোন লক্ষণ নেই। 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এই রোগের কোন সুনির্দিষ্ট কোন লক্ষণ নেই। 
ব্যাখ্যা
এইডস রোগের সুনির্দিষ্ট কোন লক্ষণ নেই। 

এইচআইভি এমন একটি ভাইরাস যেটা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করে দেয় এবং জীবাণু সংক্রমণের বিরুদ্ধে মানবদেহকে প্রতিরোধহীন করে নিরাময়হীন অবস্থায় নিয়ে যায়, যা এইডস নামে পরিচিত।

এইডস (Acquired Immune Deficiency Syndrome/AIDS) এইচআইভি (Human Immuno-deficiency Virus/HIV) নামক ভাইরাস সংক্রমণের কারণে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস, লোপ বা ধ্বংস অবস্থা। ১৯৮১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লসএঞ্জেলস-এ সর্বপ্রথম এইডস শনাক্ত করা হয়। এশিয়ার মধ্যে থাইল্যান্ডে ১৯৮৪ সালে প্রথম এইডস লক্ষ্য করা যায় এবং মায়ানমার ও ভারতীয় উপমহাদেশে ১৯৮৬ সালের মধ্যেই এর প্রাদুর্ভাব ঘটে।

২০০৭ সালে পৃথিবীতে এইডস রোগীর সংখ্যা ছিল ৩৩.২ মিলিয়ন, আর মারা যায় ২.১ মিলিয়ন যাদের মধ্যে ৩,৩০,০০০ জন ছিল নিরপরাধ শিশু। বাংলাদেশী জনগণের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এইডস বিস্তার রোধের সহায়ক।


- মানবদেহে এইচআইভি এর আক্রমণে এইডস রোগ হয়।
- এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের শ্বেতকনিকা ধ্বংস হয়।
- ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ পায়।
- এইচআইভি সংক্রমণের সর্বশেষ পর্যায়ে হলো এইডস।
- মানব দেহে এইচআইভি ভাইরাস প্রবেশ করার ৬ মাস থেকে ১০ বছরের মধ্যে শরীরে এইডসের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
- এইডস রোগের কোন নির্দিষ্ট লক্ষণ নেই।

সূত্র: World Health Organization & বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
৩৪০.
অবস্থান, গঠন ও কাজের তারতম্যের ভিত্তিতে পেশি কলাকে কত ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
ব্যাখ্যা
পেশি কলা: 
- ভ্রূণীয় মেসোডার্ম থেকে উদ্ভূত যে কলা অসংখ্য তন্ত্রর মতো কোষের সমন্বয়ে গঠিত এবং সংকোচন প্রসারণের মাধ্যমে প্রাণী দেহের বিভিন্ন অঙ্গের সঞ্চালন ঘটায় তাকে পেশি কলা বলে। 
যেমন- মসৃণ পেশি, অমসৃণ পেশি, হৃদপেশি। 
- দেহ ওজনের শতকরা প্রায় ৪০-৫০ ভাগ পেশি কলা। 

পেশিকলার বৈশিষ্ট্য: 

• ভ্রূণীয় মেসোডার্ম থেকে পেশি কলা উৎপন্ন হয়। 
• মায়োব্লাস্ট নামক আদিকোষ রূপান্তরিত হয়ে তন্তুর মতো লম্বা পেশিকোষে রূপান্তরিত হয়। 
• পেশিকোষের আবরণীকে সারকোলেমা এবং সাইটোপ্লাজমকে সারকোপ্লাজম বলে। 
• সারকোপ্লাজমের মধ্যে পরস্পর সমান্তরালভাবে অবস্থিত অসংখ্য মায়োফাইব্রিল নামক সূক্ষ্ম তন্তু থাকে। মায়োফাইব্রিলগুলো অ্যাকটিন ও মায়োসিন নামক প্রোটিন দিয়ে গঠিত। 
• পেশি কলার কোষগুলোর সংকোচন প্রসারণ ক্ষমতা খুব বেশী। এদের ৭৫% পানি এবং অবশিষ্টাংশ বিভিন্ন প্রকার কঠিন পদার্থ। 

বিভিন্ন প্রকার পেশির গঠন: 
- অবস্থান, গঠন ও কাজের তারতম্যের ভিত্তিতে পেশি কলাকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা - 
১। ঐচ্ছিক বা কঙ্কাল বা অমসৃণ পেশি, 
২। অনৈচ্ছিক বা অরৈখিক বা মসৃণ পেশি এবং 
৩। হৃদপেশি বা কার্ডিয়াক পেশি। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪১.
MCH এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Maternal and Care Health
  2. খ) Maternal and Caring Health
  3. গ) Maternal and Child Health
  4. ঘ) Mother and Child Health
সঠিক উত্তর:
গ) Maternal and Child Health
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Maternal and Child Health
ব্যাখ্যা
MCH এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Maternal and Child Health. 

মা ও শিশুর বিদ্যালয় পূর্ব বয়স পর্যন্ত প্রদেয় উন্নয়নমূলক, প্রতিরোধমূলক, আরোগ্য সহায়ক এবং পুনর্বাসনমূলক স্বাস্থ্য সেবাকে মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা বলে।

উদ্দেশ্যঃ
1.মাতৃ মৃত্যু, নবজাতক মৃত্যু হার হ্রাস করা;
2.প্রজনন স্বাস্থ্যের উন্নয়ন;
3.পরিবারে শিশুর শারীরিক এবং মানসিক বিকাশ।
4.মা ও শিশু স্বাস্থ্যের উপাদান সমূহঃ
5.মাতৃ স্বাস্থ্য;
6.পরিবার পরিকল্পনা;
7.শিশু স্বাস্থ্য;
8.স্কুল স্বাস্থ্য;
9.প্রতিবন্ধী শিশুর যত্ন;
10.শেষ স্থানে শিশুর যত্ন যেমন, ডে-কেয়ার সেন্টারে শিশুর যত্ন।

সূত্র: World Vision Website.
৩৪২.
পোলিওমাইলাইটিস প্রতিরোধে কোন ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়?
  1. TT
  2. OPV
  3. DPT
  4. BCG
সঠিক উত্তর:
OPV
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OPV
ব্যাখ্যা

• পোলিওমাইলাইটিস (পোলিও রোগ) প্রতিরোধে OPV (Oral Polio Vaccine) ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়।

• ভ্যাকসিনেশন:
- ইমিউনিটি অর্জনের জন্য দেহের মধ্যে টিকা বা ভ্যাকসিন দেওয়ার পদ্ধতিতে টিকাকরণ বা ভ্যাকসিনেশন বলে।

• টিকাকরণের নীতি- রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের রোগ সৃষ্টির ক্ষমতাকে নষ্ট করে দেহে প্রবেশ করিয়ে ইমিউনিটি গড়ে তোলা হয়।

• টিকাদানের প্রয়োজনীয়তা:
- টিকা দেওয়ার ফলে দেহে অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে রোগাক্রমণ প্রতিরোধ করা হয়।
- ভ্যাকসিন দেহের মধ্যে প্রবিষ্ট ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াদের প্রজনন ক্ষমতাকে নষ্ট করে দেয়।
- টিকার মাধ্যমে যে সব রোগ- প্রতিরোধ করা হয় সে রকম কয়েকটি হলো- যক্ষ্মা, টিটেনাস, কলেরা, জলাতঙ্ক, হুপিংকাশি, গুটি বসন্ত, ডিপথেরিয়া, পোলিও, টাইফয়েড, হেপাটাইটিস-B ইত্যাদি।
- টিকা দেওয়ার ফলে কৃত্রিম শক্তির ইমিউনিটি সৃষ্টি করা হয়।

• OPV (Oral Polio Vaccine):
- এটি পোলিও রোগ প্রতিরোধের প্রধান টিকা।
- এতে জীবন্ত কিন্তু দুর্বল পোলিও ভাইরাস থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে।

• পোলিও টিকার প্রকারভেদ:
- OPV (মুখে খাওয়ার টিকা) – বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত।
- IPV (Inactivated Polio Vaccine) – ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়া হয়।

• বাংলাদেশে নবজাতক ও শিশুদের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expended Programe on Immounization-EPI) কার্যক্রমের আওতায় পোলিও রোগের ভ্যাকসিন (OPV) দেওয়া হয়। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- ব্রিটানিকা। 

৩৪৩.
নিচের কোনটি ডিএনএ ভাইরাস?
  1. HIV
  2. TMV
  3. Variola
  4. Polio
সঠিক উত্তর:
Variola
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Variola
ব্যাখ্যা
• নিউক্লিক অ্যাসিডের ধরন অনুযায়ী ভাইরাস দুই প্রকার। যথা-
১. DNA ভাইরাস:
→ যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA থাকে তাদেরকে DNA ভাইরাস বলা হয়।
→ DNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো:
- ভ্যাকসিনিয়া,
- ভ্যারিওলা,
- TIV (Tipula Iridescent Virus),
- এডিনোহার্পিস সিমপ্লেক্স ইত্যাদি।

২. RNA ভাইরাস:
→ যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়।
→ RNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো:
- TMV,
- HIV,
- ডেঙ্গু,
- পোলিও,
- মাম্পস,
- র‍্যাবিস,
- নভেল করোনা।

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৩৪৪.
যক্ষ্মা রোগের টিকা কোনটি?
  1. ডিপিটি
  2. টিটি
  3. এমএমআর
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উপরের কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
যক্ষ্মা:

• যক্ষ্মা একটি বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ।
• কারণ: সাধারণত Mycobacterium tuberculosis নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে এ রোগ হয়।
• অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করলে অতি সহজে দেহে রোগ জীবাণুর বিস্তার ঘটে।
• লক্ষণ: 
- রোগীর ওজন কমতে থাকে, আস্তে আস্তে শরীর দুর্বল হতে থাকে।
- সাধারণত তিন সপ্তাহের বেশি সময় কাশি থাকে।
- খুসখুসে কাশি হয় এবং কখনো কখনো কাশির সাথে রক্ত যায়।
- রাতে ঘাম হয়, বিকেলের দিকে জ্বর আসে। দেহের তাপমাত্রা খুব বেশি বাড়ে না।
- বুকে পিঠে ব্যথা হয়।
- অজীর্ণ ও পেটের পীড়া দেখা দেয়।

• যক্ষ্মা রোগের প্রতিষেধক হিসেবে দেয়া হয় বিসিজি (Bacillus Calmatte Guerin) টিকা।
• টিকার আবিষ্কারক ক্যালসাট ও গুয়েচিন।
• ব্যাকটেরিয়া থেকে যক্ষ্মা রোগের প্রতিষেধক টিকা তৈরি করা হয়।
• ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি ও টিটেনাস প্রতিষেধক হিসেবে ডিপিটি (DPT) টিকা দেয়া হয়।
• টিটি (Tetanus Toxoid) প্রতিষেধক টিকা দেয়া হয় মায়েদের গর্ভাবস্থায় শিশুকে টিটেনাস রোগ থেকে রক্ষার জন্য।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম- ১০ম শ্রেণি এবং WHO এর ওয়েবসাইট।
৩৪৫.
দাঁত ও হাড়কে মজবুত করে -
  1. ক) ক্যালসিয়াম
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) সালফার
  4. ঘ) পটাসিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যালসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা
• ক্যালসিয়ামফসফরাস হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে।
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের শতকরা দুইভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম।
- অস্থি এবং দাঁতে ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর ৯০% শরীরে সঞ্চিত থাকে।
- দেহে পরিমাণের দিক দিয়ে খনিজ লবণগুলোর মধ্যে ক্যালসিয়ামের পরপরই ফসফরাসের স্থান।

• ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস জাতীয় খাদ্যের উৎস:
- ম্যাকরেল মাছ, স্যামন মাছ, ডিমের সাদা অংশ, সয়া মিল্ক, দুধ, মাশরুম, চিজ, কমলালেবুর রস ইত্যাদি। 

(অপশনে শুধুমাত্র ক্যালসিয়াম উল্লেখ আছে, ফসফরাস নেই। তাই সঠিক উত্তর হবে ক্যালসিয়াম)

উৎস: বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি ও বিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪৬.
ক্যান্সার চিকিৎসায় যে বিকিরণ ব্যবহার করা হয় তা হলো-
  1. আলফা রেস (Alpha rays)
  2. বিটা রেস (Beta rays)
  3. গামা রেস (Gama rays)
  4. এক্স (এক্স) রেস (X-rays)
সঠিক উত্তর:
গামা রেস (Gama rays)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা রেস (Gama rays)
ব্যাখ্যা
• চিকিৎসাক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের প্রধানত দু’ধরনের ব্যবহার আছে।
যেমন -
ক) রোগ নিরাময়ে ও
খ) কোন রোগ বা রোগাক্রান্ত স্থান নির্ণয়।

১. শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়।
- আবার নিরাময়ের জন্য Co - 60 থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়।

২. থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 ( 131I) ব্যবহৃত হয়।
- এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে।

৩. শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leukemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-32 ( 32P ) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়।

৪. দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99Tc (Isotope of Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।

৫. প্লুটোনিয়াম -২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বই (উন্মুক্ত)।
৩৪৭.
নিচের কোন রোগটি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট নয়?
  1. নিউমোনিয়া
  2. ইনফ্লুয়েঞ্জা
  3. টাইফয়েড
  4. ডিপথেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ইনফ্লুয়েঞ্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনফ্লুয়েঞ্জা
ব্যাখ্যা

ইনফ্লুয়েঞ্জা (Influenza) হলো একটি তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ, যা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস (প্রধানত টাইপ A, B, এবং C) দ্বারা ঘটে।
- এটি সাধারণত ফ্লু (Flu) নামে পরিচিত।
- এই ভাইরাসটি হাঁচি-কাশি বা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার মাধ্যমে খুব দ্রুত ছড়ায়।

ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ:
- ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ বলে।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ:
- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, নিউমোনিয়া, মেনিনজাইটিস, কলেরা, গনোরিয়া, সিফিলিস, টাইফয়েড, আমাশয়, প্লেগ, কুষ্ঠ ইত্যাদি।

ভাইরাস ঘটিত রোগ:
- ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ভাইরাস জনিত রোগ বলে।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাইরাস জনিত রোগ:
- জন্ডিস, পোলিও, জলাতঙ্ক, কোভিড-১৯, হার্পিস, দাদ, গুটি বসন্ত, জল বসন্ত, হাম, মাম্পস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু ইত্যাদি।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩৪৮.
চিকুনগুনিয়া রোগের ভ্যাকসিন কোনটি?
  1. কনভিডেসিয়া
  2. ইক্সচিক
  3. পিসিভি
  4. কোভিশিল্ড
সঠিক উত্তর:
ইক্সচিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইক্সচিক
ব্যাখ্যা
চিকুনগুনিয়া ভ্যাকসিন
- মশাবাহিত রোগ চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে বিশ্বে প্রথম টিকা অনুমোদন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ)।
- বিশ্বে অনুমোদন দেওয়া টিকাটির নাম ‘ইক্সচিক’।
- চিকুনগুনিয়া মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়ায়। এ রোগের উপসর্গ হল জ্বর ও অস্থিসন্ধিতে ব্যথা।
-  ‘ইক্সচিক’ নামের এই টিকা তৈরি করেছে ইউরোপের ভালনেভা সংস্থা। 
- চিকুনগুনিয়া আক্রান্ত হলে প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে অনেক জ্বর আসে। এছাড়াও থাকে গাঁটে গাঁটে প্রচণ্ড ব্যথা।
- আফ্রিকা, এশিয়া ও আমেরিকা মহাদেশে এ রোগের প্রকোপ দেখা যায়। মূলত গ্রীষ্মমন্ডলীয় এবং উপ-গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ুতে এ রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে বেশি।

সূত্র- বিবিসি। 
৩৪৯.
পেনিসিলিন মূলত কোন ধরনের সংক্রমণ চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ভাইরাস সংক্রমণ
  2. ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ
  3. ফাংগাস সংক্রমণ
  4. পরজীবী সংক্রমণ
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ
ব্যাখ্যা
• পেনিসিলিন মূলত ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়।

• পেনিসিলিন:

- পেনিসিলিন হলো একি ধরণের এন্টিবায়োটিক।
- আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন।
- Penicillium notatum থেকে পেনিসিলিন আবিষ্কার করা হয়।
- বর্তমানে Penicillium chrysogenum থেকে বানিজ্যিক ভিত্তিতে পেনিসিলিন তৈরি করা হয়।
- পেনিসিলিনটি কান, নাক এবং গলার ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া এটি সাইনাস, ত্বক, নিম্ন শ্বাস নালীর, পেট, অন্ধ্র, কিডনি এবং মূত্রাশয়ের ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের জন্যও ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. National Library of Medicine. [Link]
৩৫০.
নিচের কোন রোগটির জন্য H1N1 ভাইরাস দায়ী?
  1. ডেঙ্গু
  2. সোয়াইন ফ্লু
  3. বার্ড ফ্লু
  4. এইডস্
সঠিক উত্তর:
সোয়াইন ফ্লু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোয়াইন ফ্লু
ব্যাখ্যা
- সোইয়ইন ফ্লু ভাইরাসটি সর্বপ্রথম শনাক্ত করা হয়েছিল মেক্সিকোতে, এপ্রিল, ২০০৯ সালে। পরবর্তীতে, এই রোগটি অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ে।
- সোয়াইন ফ্লু হচ্ছে মানবদেহের ইনফ্লুয়েঞ্জার ভাইরাসের মতোই এক ধরনের ভাইরাস, যা প্রধানত শূকরের দেহে দ্রুত বংশবিস্তার করতে পারে, এই ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস টাইপ A (H1N1)
- বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ২০০৯-এর জুন মাসে বিশ্বের ৭৪টি দেশে নতুন H1N1 ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের উপস্থিতির কারণে এই রোগের সাম্প্রতিক অবস্থাকে বিশ্বব্যাপী মহামারি বলে চিহ্নিত করেছে।
- মানুষ, শূকর ও পাখির সংমিশ্রণে উদ্ভব হওয়া ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের এই রূপটি সম্পর্কে ধারণা করা হয় এটি শূকরের মাধ্যমে মানুষকে আক্রান্ত করেছে।
- সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গের মধ্যে জ্বর হওয়া, মাথা ব্যথা, গলা ও শরীর ব্যথা, শ্বাস কষ্ট, ক্ষুধামান্দ্য ও আলস্যবোধ করা, ওজন কমে যাওয়া ইত্যাদি অন্যতম। 
- ২০০৯ সালের ১৮ জুন বাংলাদেশে প্রথম সোয়াইন ফ্লু রোগী শনাক্ত করা হয়। 
 
উৎস:
1. WHO Website [লিঙ্ক]।
2. Britannica [লিংক]. 
৩৫১.
কোন ধরনের ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা হয়?
  1. ফায ভাইরাস
  2. রোটা ভাইরাস
  3. ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস
  4. হেপাটাইটিস ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
ফায ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফায ভাইরাস
ব্যাখ্যা

- ফায ভাইরাস, ব্যাকটেরিওফায (bacteriophage) নামে পরিচিত, এটি এক ধরনের ভাইরাস যা বিশেষভাবে ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে এবং মেরে ফেলে। কিছু ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ যেমন- কলেরা, টাইফয়েড, আমাশয় ইত্যাদির ওষুধ তৈরিতে এই ফায ভাইরাস বা ব্যাকটেরিওফায ব্যবহৃত হয়। এই প্রক্রিয়াটিকে ফায থেরাপি (phage therapy) বলা হয় এবং এটি ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের একটি সম্ভাব্য পদ্ধতি। 

ভাইরাসের উপকারিতা: 
- বিজ্ঞানীরা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ভাইরাসকে বিভিন্নভাবে মানুষের কিছু উপকারে আনতে সক্ষম হয়েছেন। 
যেমন- 
• বসন্ত, পোলিও, এবং জলাতঙ্ক রোগের প্রতিষেধক টিকা ভাইরাস দিয়েই তৈরি করা হয়। 
• ভাইরাস হতে জন্ডিস রোগের টিকা তৈরি করা হয়। 
• ভাইরাসকে বর্তমানে বহুল আলোচিত জিনতত্ত্ব ও আণবিক জীববিদ্যা বা জিন প্রকৌশলে বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। 
• ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে ভাইরাস ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন- ফায ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে ব্যাকটেরিয়াজনিত আমাশয় রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে। 
• কতিপয় ভাইরাস ব্যবহার করে ক্ষতিকর পোকামাকড় ও কীটপতঙ্গ দমন করা সম্ভব হচ্ছে। 
• জীব সৃষ্টি প্রক্রিয়া, অভিব্যক্তি ও ক্রমবিবর্তনের ধারা সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করার চাবিকাঠি হলো ভাইরাস, কেননা ভাইরাসে জীব ও জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। 
• লাল টিউলিপ ফুলে ভাইরাস আক্রমণের ফলে লম্বা লম্বা সাদা দাগ পড়ে, এর ফলে ফুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং ফুলের মূল্যও বাড়ে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫২.
অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরিকৃত করোনা ভাইরাসের টিকার নাম-
  1. ক) Covaccine
  2. খ) COVAX
  3. গ) Covishield
  4. ঘ) CoviDefender
সঠিক উত্তর:
গ) Covishield
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Covishield
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে করোনার টিকাদান কর্মসূচি
১৩ ডিসেম্বর ২০২০ যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি করোনা ভাইরাসের টিকা ‘কোভিশিল্ড (Covishield)' পেতে ভারতের সেরাম ইনষ্টিটিউটের সাথে ক্রয় চুক্তি স্বাক্ষর করে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ভ্যাকসিন প্রাপ্যতার নিশ্চয়তা, গুণগতমান, কার্যকারিতা ও উপযুক্ত তাপমাত্রায় সংরক্ষণ বিবেচনায় রেখে প্রথম ধাপে তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন কেনা হবে। এতে সরকারের খরচ হবে ১,৫৮৯ কোটি ৪৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। প্রতি ডোজ ভ্যাকসিনের খরচ হবে ৬.২৫ ডলার, অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৬০ টাকা।
১৩ কোটির বেশি মানুষকে বিনামূল্যে টিকা দেয়ার কথা ভাবছে সরকার। সারা দেশে করোনা টিকা দেয়ার খসড়া জাতীয় পরিকল্পনায় বলা হয়, সুষ্ঠুভাবে টিকা কেনা, সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিতরণের জন্য উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত কমিটি করা হবে। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৭,২৮,০৯,৩৮৫। টিকা পাবে ১৩,৮২,৪৭,৫০৮ (মোট জনসংখ্যার ৮০%)।

৩৫৩.
নিচের কোনটি RNA এর নিউক্লিয়টাইডের নাইট্রোজিনাস বেসের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) এডিনিন
  2. খ) গুয়ানিন
  3. গ) সাইটোসিন
  4. ঘ) থাইমিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) থাইমিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) থাইমিন
ব্যাখ্যা
DNA এর নিউক্লিয়টাইডের নাইট্রোজিনাসে চার ধরণের বেস থাকে। যথা-
-এডিনিন,
-গুয়ানিন,
-সাইটোসিন এবং
-থাইমিন।
DNA অণুতে পাশাপাশি অবস্থিত তিনটি বেস মিলিতভাবে একটি জেনেটিক কোড গঠন করে। প্রতিটি কোড ২০ প্রকার এমাইনো এসিডের যেকোন একটিকে নির্দেশ করে।

অপরদিকে RNA এর নাইট্রোজিনাসে চার ধরণের বেস থাকে। যথা-
-এডিনিন,
-গুয়ানিন,
-সাইটোসিন এবং
-ইউরাসিল।

ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (ইংরেজি: DNA) একটি নিউক্লিক অ্যাসিড যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে। সকল জীবের ডিএনএ জিনোম থাকে।
DNA পূর্ণরূপ- Deoxyribonucleic acid

উৎস: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩৫৪.
ধানের পাতা ধ্বসা রোগের জন্য কোনটি দায়ী?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) ছত্রাক
  4. ঘ) পোকা
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে গাছের কিছু কিছু অংশ খুব দ্রুত বিবর্ণ হয়। ফলে রোগাক্রান্ত গাছগুলো মরে যায়।
অনেক সময় মৃত অংশ পঁচে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে। একে ব্লাইট বা মড়ক বলা হয়।
যেমন- ধানের পাতা ধ্বসা রোগ। এর জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া হলো- Xanthomonas oryzae
৩৫৫.
নিচের কোনটি পরজীবীঘটিত রোগ?
  1. কুষ্ঠ
  2. কালাজ্বর
  3. পীতজ্বর
  4. পোলিও
সঠিক উত্তর:
কালাজ্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালাজ্বর
ব্যাখ্যা

- ম্যালেরিয়া, কালাজ্বর, জিয়ার্ডিয়াসিস ইত্যাদি হলো গুরুত্বপূর্ণ পরজীবীঘটিত রোগ।
- কুষ্ঠ, যক্ষ্মা, ধনুষ্টংকার, এনথ্রাক্স, কলেরা, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি হলো ব্যাকটেরিয়াঘটিত রোগ।
- পোলিও, ডেঙ্গু, পীতজ্বর, হাম, রুবেলা ইত্যাদি হলো ভাইরাসঘটিত রোগ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩৫৬.
মানব অক্ষি-গোলকের ব্যাসার্ধ কমে গেলে যে রোগ হয় তার নাম কী?
  1. ক) দীর্ঘদৃষ্টি
  2. খ) হ্রসদৃষ্টি
  3. গ) গ্লোকোমা
  4. ঘ) পুঞ্জাক্ষি
সঠিক উত্তর:
ক) দীর্ঘদৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দীর্ঘদৃষ্টি
ব্যাখ্যা
- যখন কোন চোখ দূরের বস্তু দেখে কিন্তু কাছের বস্তু দেখতে পায় না, তখন চোখের এই ত্রুটিকে দীর্ঘদৃষ্টি বলে।
- সাধারণত বয়স্ক ব্যক্তিদের এই ত্রুটি দেখা যায়।
- দুটি কারণে এই ত্রুটি ঘটে-
(i) চোখের লেন্সের অভিসারী ক্ষমতা হ্রাস পেলে অথবা চোখের লেন্সের ফোকাস দূরত্ব বেড়ে গেলে।
(ii) কোন কারণে অক্ষি-গোলকের ব্যাসার্ধের কমে গেলে। 

- এর ফলে দূর থেকে আসা আলো সঠিকভাবে চোখের রেটিনাতে প্রতিবিম্ব তৈরি করলেও কাছাকাছি বিন্দু থেকে আসা আলোকরশ্মি চোখের লেন্সের মধ্য দিয়ে প্রতিসরণের পর রেটিনার ঠিক উপরে না হয়ে পিছনে মিলিত হয়। ফলে চোখ কাছের বস্তু স্পষ্ট দেখতে পায় না। 

সূত্র: ৯ম-১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
৩৫৭.
রক্তে pH এর মাত্রা কত?
  1. ক) ৪.৬
  2. খ) ৫.৮
  3. গ) ৭.৪
  4. ঘ) ১০.২
সঠিক উত্তর:
গ) ৭.৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭.৪
ব্যাখ্যা
রক্ত :
• রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের তরল যোজক কলা।
• রক্তবাহিকার মাধ্যমে রক্ত মানব দেহের সর্বত্র সঞ্চালিত হয়। রক্ত সামান্য ক্ষারীয়।
এর pH মাত্রা গড়ে ৭.৩-৭.৪
• সজীব রক্তের তাপমাত্রা ৩৬°-৩৮° সেলসিয়াস।
• অজৈব লবণের উপস্থিতিতে রক্ত লবণাক্ত। একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষের দেহে গড়ে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, শরীরের মোট ওজনের প্রায় ৮%।

রক্তের উপাদান
মানব দেহের রক্ত প্রধানত:রক্তরস ও রক্ত কণিকা নিয়ে গঠিত।
স্থিতি অবস্থায় কিছুক্ষণ রাখলে রক্ত দুই স্তরে বিভক্ত হয়ে পড়ে। উপরের হালকা হলুদ বর্ণের প্রায় ৫৫% যে অংশ থাকে তাকে রক্তরস বা প্লাজমা বলে এবং নিচের গাঢ়তর বাঁকি ৪৫% অংশকে রক্ত কণিকা (Blood corpuscles) বলে। প্রকৃতপক্ষে রক্ত কণিকাগুলো রক্ত রসে ভাসমান অবস্থায় থাকে এবং লোহিত রক্ত কণিকার উপস্থিতিতে রক্ত লাল দেখায়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩৫৮.
যক্ষ্মা রোগের জীবাণু আবিষ্কার করেন কে?
  1. ক) ল্যাাভয়সিয়ে
  2. খ) রবার্ট কক
  3. গ) রোনাল্ড রস
  4. ঘ) লুই পাস্তুর
সঠিক উত্তর:
খ) রবার্ট কক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রবার্ট কক
ব্যাখ্যা

• ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ দ্বারা যক্ষা রোগ হয়।
• যক্ষ্মার রোগের টিকা হলো- বিসিজি।
• এই রোগের জীবাণু প্রথম আবিষ্কার করেন জার্মান বিজ্ঞানী রবার্ট কক ১৮৮২ সালে।
• যক্ষ্মা রোগের ব্যাকটেরিয়া মানুষের দেহে প্রবেশ করে শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে।

৩৫৯.
প্লুটোনিয়াম-২৩৮ কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়? 
  1. খাদ্য সংরক্ষণে
  2. রক্তাল্পতার চিকিৎসায়
  3. থাইরয়েড রোগের চিকিৎসায়
  4. হার্টে পেইসমেকার বসাতে
সঠিক উত্তর:
হার্টে পেইসমেকার বসাতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হার্টে পেইসমেকার বসাতে
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার: 
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সব শাখায় তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
যেমন- 
খাদ্য দ্রব্য সংরক্ষণে: 
- বিভিন্ন কৃষিজাত ও অন্যান্য পচনশীল খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণে ব্যাপকভাবে তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে নির্গত তেজস্ক্রিয়তা ব্যবহার করা হচ্ছে। 
- খাদ্যদ্রব্য বেশি দিন ঘরে বা গুদামে রাখলে তা বিভিন্ন পোকামাকড় বা জীবাণুর আক্রমণে নষ্ট হতে পারে। 
- তেজস্ক্রিয় বিকিরণ প্রয়োগ করলে এ সকল আক্রমণ থেকে খাদ্যদ্রব্যকে রক্ষা করা যায়। 
- 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি প্রয়োগ করে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থেকে খাদ্যদ্রব্যকে রক্ষা করা হয়।

চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহার: 
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়। আবার নিরাময়ের জন্য 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়। 
- থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 (131I) ব্যবহৃত হয়। এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে। 
- শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leucaemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ (32P) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়। 
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99mTc (Isotope of Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- প্লুটোনিয়াম-২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়। 

অন্যদিকে,
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণে ফসফরাস-৩২ (32P) তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- তেজস্ক্রিয় ফসফরাস (P-32, C-14, DNA, RNA) এবং কার্বন ব্যবহার করে ডি-অক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড এবং রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড এর গঠনের হার পর্যালোচনা করে মানুষের জীবন রহস্য সম্পর্কে অনেক তথ্য উদঘাটনে সক্ষম হয়েছে। 
- শিল্পক্ষেত্রে, পৃথিবীর বয়স নির্ধারণে C-14 আইসোটোপ, কীটপতঙ্গ দমনে, ধাতব পাতের পুরুত্ব নির্ধারণে, পাইপ লাইনের ছিদ্র অন্বেষণে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৬০.
রক্তে কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক পরিমাণ কত?
  1. ৫০-১০০ mg/dl
  2. ৮০-১২০ mg/dl
  3. ১০০-২০০ mg/dl
  4. ২০০-৩০০ mg/dl
সঠিক উত্তর:
১০০-২০০ mg/dl
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০-২০০ mg/dl
ব্যাখ্যা
কোলেস্টেরল: 
- কোলেস্টেরল এক বিশেষ ধরনের জটিল স্নেহ পদার্থ বা লিপিড এবং স্টেরয়েড -এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ। 
- মানুষের প্রায় প্রত্যেক কোষ এবং টিস্যুতে কোলেস্টেরল থাকে। 
- যকৃৎ এবং মগজে এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 
- কোলেস্টেরল অন্যান্য স্নেহ পদার্থের সাথে মিশে রক্তে স্নেহের বাহক হিসেবে কাজ করে। 
- স্নেহ এবং প্রোটিনের যৌগকে লাইপোপ্রোটিন বলে। 
- স্নেহের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে লাইপোপ্রোটিন দুই রকম। 
যথা- 
১। উচ্চ ঘনত্ব বিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন (High Density Lipoprotein-HDL) এবং 
২। নিম্ন ঘনত্ব বিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন (Low Density Lipoprotein-LDL) । 

- রক্তের LDL-এর পরিমাণের বৃদ্ধির সাথে কোলেস্টেরলের আধিক্যের সম্পর্ক আছে। 
- রক্তে LDL-এর পরিমাণ বেশি থাকা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। 
- রক্তে HDL -এর পরিমাণ বেশি থাকা শরীরের জন্য উপকারী। 
- রক্তে কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক পরিমাণ ১০০-২০০ mg/dl। 
- রক্তে কোলেস্টেরলের আধিক্য হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়ায়। 
- স্বাভাবিক মাত্রা থেকে রক্তে কোলেস্টেরল বেশি হলে রক্তনালী অন্তঃপ্রাচীরের গায়ে কোলেস্টেরল ও ক্যালসিয়াম জমা হয়ে রক্তনালী গহ্বর ছোট হয়ে যায়। 
- এই কারণে ধমনির প্রাচীরের স্থিথিস্থাপকতা কমে যায় এবং শক্ত হয়ে যায়। এ অবস্থাকে ধমনির কাঠিন্য বা Arteriosclerosis বলে। এর প্রভাবে ধমনির প্রাচীরে ফাটল দেখা দিতে পারে। 
- ধমনির গায়ে ফাটল দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়ে জমাট বেঁধে রক্তপ্রবাহ বাধপ্রাপ্ত হয়। 
- হৃৎপিন্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে। 
-  রক্তে কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে LDL-এর পরিমাণ বেড়ে যায় আর HDL-এর পরিমাণ কমে যায়। 
- LDL-এর পরিমাণ ১৫০ mg/dl থেকে বেশি হলে তাকে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৬১.
বিষাক্ত নিকোটিন কোন রোগ সৃষ্টি করে?
  1. ক) জ্বর
  2. খ) ক্যান্সার
  3. গ) ওটিটিস
  4. ঘ) সাইনুসাইটিস
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যান্সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যান্সার
ব্যাখ্যা
ধুমপান
- ধুমপান হচ্ছে তামাক জাতীয় দ্রব্যাদি বিশেষ উপায়ে প্রক্রিয়াজাত করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে শ্বাসের সাথে তার ধোঁয়া শরীরে গ্রহণ প্রক্রিয়া।
- ধুমপায়ী যে অবস্থায় জলন্ত সিগারেট বা বিড়ি থেকে উদ্ভূত ধোঁয়াকে ইচ্ছাকৃতভাবে মুখে টেনে সরাসরি ফুসফুসে প্রবেশ করায় তাকে সক্রিয় ধুমপান বলে।
- অপরদিকে ধুমপানের সময় ধোঁয়ার যে অংশ চারপাশের পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং অনৈচ্ছিকভাবে মানুষের দেহে নিশ্বাসের মাধ্যমে প্রবেশ করে তাকে নিষ্ক্রিয় ধুমপান বলে।
- ধুমপানে সৃষ্ট ধোয়াতে প্রায় ৫০০ ধরনের রাসায়নিক পদার্থ থাকে।
- তাদের মধ্যে ক্ষতিকর উপাদানগুলো হলো— নিকোটিন, টার ও কার্বন মনোঅক্সাইড।

ধুমপানের প্রভাব:
১। সিগারেট বা বিড়ির ধোঁয়ায় বিদ্যমান বিষাক্ত নিকোটিন ও টার ফুসফুসে ক্যান্সার সৃষ্টি করে; কার্বন মনোক্সাইড শ্বাসনালীতে ব্রঙ্কাইটিস সৃষ্টি করে
২। ধুমপানের ধোঁয়া ফুসফুসের অ্যালভিওলাসের প্রাচীর ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং আয়তন বেড়ে যায় ।
৩। ধোয়ার প্রভাবে অ্যালভিওলাসের প্রাচীর ফেটে গিয়ে ফুসফুসে ফাঁকা জায়গার সৃষ্টি করে ফলে শ্বসনতল কমে গিয়ে গ্যাস বিনিময়ে মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি করে এ অবস্থাকে এমফাইসিমা বলে ।
৪। কার্বন মনোক্সাইড এর বৃদ্ধি ঘটে এবং রক্তের O2 পরিবহন ক্ষমতা হ্রাস করে। ধমনি গাত্রে কোলেস্টেরল জমতে সাহায্য করে। এতে উচ্চ রক্তচাপ হয়।
৫। ধুমপান এর ফলে গলবিল ও অন্ননালীতে ক্যান্সার সৃষ্টি করে। মুখ, গলা ও খাদ্যনালীতে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি ধুমপায়ীদের অধুমপায়ীর চেয়ে ৫-১০ গুণ বেশী ।
৬। ধুমপায়ী মহিলাদের বন্ধ্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
৭। ধুমপান পরিবেশ দূষণ ঘটায় এবং অধুমপায়ীদের শ্বাস গ্রহণে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৬২.
ফাইজার ও বায়োএনটেক উদ্ভাবিত কোভিড-১৯ রোগের টিকা কোনটি?
  1. কোভিশিল্ড
  2. ভেরোসেল
  3. কমিরনাটি
  4. ওমক্রিন
সঠিক উত্তর:
কমিরনাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিরনাটি
ব্যাখ্যা
- ফাইজার-বায়োএনটেক উদ্ভাবিত করোনা ভাইরাসের টিকা হলো Comirnaty (কমিরনাটি) বা Tozinameran. এটির কোডনেম BNT162b2.
- যুক্তরাজ্য প্রথম দেশ হিসেবে এই টিকার অনুমোদন প্রদান ও প্রয়োগ শুরু করে।
অন্যদিকে,
- ভেরোসেল : সিনোফার্মের টিকা
- মডার্নার টিকার নাম : mRNA-1273
- জনসন অ্যান্ড জনসন এর টিকা : Janssen
- গামালিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের টিকা : Sputnik-V
- সিনোভ্যকের টিকা : করোনাভ্যাক
- ভারত বায়োটেকের টিকা : কোভ্যাক্সিন
- অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রজেনেকার টিকা : কোভিশিল্ড।
- ওমিক্রন হলো করোনা ভাইরাসের একটি নতুন ভ্যারিয়েন্ট।
(তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ওয়েবসাইট)
৩৬৩.
গর্ভবতী মায়ের কমপক্ষে কতবার গর্ভকালীন সেবা নেওয়া প্রয়োজন?
  1. ক) দুইবার
  2. খ) তিনবার
  3. গ) চারবার
  4. ঘ) পাঁচবার
সঠিক উত্তর:
গ) চারবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চারবার
ব্যাখ্যা
গর্ভকালীন সময়ে মায়ের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা এবং নিরাপদ প্রসব ও নবজাতকের জন্য যে নিয়মিত সেবা প্রদান করা হয় তাকে গর্ভকালীন সেবা বলা হয়।
গর্ভবতী মায়ের কমপক্ষে ৪ বার গর্ভকালীন সেবা নেয়া প্রয়ােজন।

সূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট
৩৬৪.
কোনটি রক্তের প্রোটিন জাতীয় জৈব পদার্থ?
  1. ক্রিয়েটিনিন
  2. ইউরিয়া
  3. ফাইব্রিনোজেন
  4. অ্যামোনিয়া
সঠিক উত্তর:
ফাইব্রিনোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাইব্রিনোজেন
ব্যাখ্যা
- ফাইব্রিনোজেন হচ্ছে রক্তের প্রোটিন জাতীয় জৈব পদার্থ এবং বাকি সবগুলোই প্রোটিনবিহীন জৈব পদার্থ। 

রক্ত: 

- রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের তরল যোজক কলা। 
- রক্তবাহিকার মাধ্যমে রক্ত মানব দেহের সর্বত্র সঞ্চালিত হয়। 
- রক্ত সামান্য ক্ষারীয়। 
- এর pH মাত্রা গড়ে ৭.৩-৭.৪। 
- সজীব রক্তের তাপমাত্রা ৩৬°-৩৮° সেলসিয়াস। 
- অজৈব লবণের উপস্থিতিতে রক্ত লবণাক্ত। 
- একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষের দেহে গড়ে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, শরীরের মোট ওজনের প্রায় ৮%। 


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৫.
কোন ডালের সংগে ল্যাথারাইজম রোগের সম্পর্ক আছে?
  1. অড়হর
  2. ছোলা
  3. খেসারী
  4. মটর
সঠিক উত্তর:
খেসারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খেসারী
ব্যাখ্যা
- অধিক পরিমাণে খেসারির ডাল খাওয়ার ফলে ল্যাথাইরিজম রোগ দেখা দিতে পারে। 
- বাংলাদেশ, ভারত ও আলজেরিয়ার বহু লোক এবং ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, অস্ট্রেলিয়া ও অন্যান্য দেশের কিছু লোক এসব ডাল খেয়ে থাকে। 
- এই ব্যাধির প্রকোপ মানুষ ছাড়াও ঘোড়া ও গবাদি পশুর মধ্যে লক্ষ্য করা যায়। 
- পুরুষের মধ্যেই ল্যাথিরিজমের প্রকোপ বেশি। 
- ঘোড়া ও গবাদি পশুর ক্ষেত্রে  পা ও স্বরযন্ত্রের পেশীগুলি অবশ হয়ে পড়ে এবং পশুটির দম বন্ধ হয়ে আসে। 
- মানুষের ক্ষেত্রে স্নায়ুরজ্জুতে ক্ষত দেখা দেয়, যা ঐ অঙ্গের স্থায়ী বিনষ্টির কারণ হতে পারে। 
- Fabaceae পরিবারের Papillionaceae উপ-পরিবারের অন্তর্ভুক্ত Lathyrus প্রজাতির কয়েকটি উদ্ভিদের বীজ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করার ফলে পঙ্গু হবার ঝুঁকি রয়েছে, এর মধ্যে একটি হলো খেসারি, যা ডাল হিসেবে গ্রহণ করা হয়।  
- ১৮৭৩ সালে ইতালির কান্তানি নামের এক ব্যক্তি এ রোগকে ‘ল্যাথাইরিজম’ নাম দেন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট। 
৩৬৬.
পিঁপড়া কামড়ালে জ্বালা-পোড়া করে কোন রাসায়নিক পদার্থের জন্য?
  1. ক) ফরমিক অ্যাসিড
  2. খ) অ্যাসকরবিক অ্যাসিড
  3. গ) অক্সালিক অ্যাসিড
  4. ঘ) টারটারিক অ্যাসিড
সঠিক উত্তর:
ক) ফরমিক অ্যাসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফরমিক অ্যাসিড
ব্যাখ্যা
• পিঁপড়ার কামড়ে ফরমিক অ্যাসিড থাকে।
- আবার মৌমাছির হুলেও ফরমিক অ্যাসিড থাকে এবং এর সাথে মেলাটিন এবং অ্যাপামিন নামক রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত হয়।
- ফলে ঐ স্থান জ্বালা-পোড়া করে ও ফুলে যায়।
- এই এসিড নিষ্ক্রিয় করতে আমরা এই জাতীয় ক্ষারীয় বস্তুগুলো ব্যবহার করে থাকি।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৭.
“The origin of species by means of natural selection” বইটির লেখক কে?
  1. ক) ল্যামার্ক
  2. খ) ডারউইন
  3. গ) ডে ভ্রিস
  4. ঘ) ভাইজম্যান
সঠিক উত্তর:
খ) ডারউইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডারউইন
ব্যাখ্যা
১৮৫৯ সালে ডারউইনের The origin of species by means of natural selection বইটি প্রকাশিত হয়। এই বইয়ের মাধ্যমে তিনি প্রাকৃতিক নির্বাচন মতবাদ দেন।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই
৩৬৮.
প্যারালাইসিসের জন্য নিচের কোনটি দায়ী?
  1. ক) এইডস
  2. খ) স্ট্রোক
  3. গ) কোভিড-১৯
  4. ঘ) ডেঙ্গু
সঠিক উত্তর:
খ) স্ট্রোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্ট্রোক
ব্যাখ্যা
সাধারণত প্যারালাইসিসের এর জন্য স্ট্রোক দায়ী। 

- স্ট্রোক হল মস্তিষ্কের রক্তনালির একটি রোগ।
- রক্তনালি ছিঁড়ে যাওয়া অথবা ব্লক হয়ে যাওয়া স্ট্রোকের কারণ।
- অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, হাই-প্রেসার, হাই-কোলেস্টেরল, ধূমপান, পারিবারিক স্ট্রোকের ইতিহাস, হার্টের অসুখ যেমন- অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, রক্তজমাট বাঁধা - অসুখ, ক্যান্সার ইত্যাদি অনেক কারণ রয়েছে স্ট্রোকের পেছনে। 
- স্ট্রোক তিন ধরনের হয়ে থাকে। মাইল্ড স্ট্রোক, ইসকেমিক স্ট্রোক ও হেমোরেজিক স্ট্রোক।
- প্যারালাইসিস বা পক্ষাঘাতগ্রস্ততা হচ্ছে মানুষের শরীরের কোনো অংশের মাংসপেশির কর্মক্ষমতা হারানো। 
- এছাড়া স্নায়ু রোগ, সুষুম্নাকাণ্ডের কিংবা কশেরুকার ক্ষয় রোগও পারালাইসিসের কারণ হতে পারে। 

সূত্র- ২২৫ পৃষ্ঠা, জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৩৬৯.
ব্রেইন ক্যন্সার নিরাময়ে কোন আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়?
  1. ইরিডিয়াম
  2. আয়োডিন
  3. ফসফেট
  4. টেকনেশিয়াম
সঠিক উত্তর:
ইরিডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরিডিয়াম
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ: 
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়।
- আবার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-৬০ থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়। 
- থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-১৩১ তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়। 
- রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়। 
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য টেকনেশিয়াম-৯৯ আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- ব্রেইন ক্যন্সার নিরাময়ে ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৭০.
পোলিও ভাইরাস শনাক্ত করেন কে?
  1. ক) আলবার্ট সাবিন
  2. খ) জোনাস এডওয়ার্ড সাল্ক‌
  3. গ) কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার
  4. ঘ) জ্যাকব হেইনার
সঠিক উত্তর:
গ) কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার
ব্যাখ্যা
- ‘পোলিওমাইটিলিজ’ এক ধরনের ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ যা ‘পোলিও’ নামে অধিক পরিচিত।
- ১৮৪০ সালে জ্যাকব হেইনার প্রথম এই রোগ শনাক্ত করেন এবং ১৯০৯ সালে কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার পোলিও ভাইরাস শনাক্ত করেন।
- ১৯৫২ সালে জোনাস এডওয়ার্ড সাল্ক‌ পোলিওর টিকা উদ্ভাবন করেন।
- ১৯৫৭ সালে আলবার্ট সাবিন মুখে খাওয়ার পোলিও টিকা আবিষ্কার করেন।
- বাংলাদেশে ১৯৫৫ সালে পোলিও টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
- ২০১৪ সালের ২৭ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১টি দেশকে পোলিও ‍মুক্ত ঘোষণা করে।
- জোনাস সাল্ক যুক্তরাষ্ট্রের La Zola নামক শহরে মারা যান।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩৭১.
নিচের কোনটি সংক্রামক রোগ নয়?
  1. ক) যক্ষ্মা
  2. খ) অ্যানথ্রাক্স
  3. গ) ক্যান্সার
  4. ঘ) কলেরা
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যান্সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যান্সার
ব্যাখ্যা

- ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক, পরজীবী ইত্যাদির কারণে সৃষ্ট রোগগুলো যা আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে সুস্থ ব্যক্তির শরীরে খাবার, পানি, বায়ু, সংস্পর্শ ইত্যাদি নানাভাবে ছড়িয়ে পড়ে তাদেরকে সংক্রামক রোগ বলে।
ধনুষ্টংকার, জলবসন্ত, এইডস, ম্যালেরিয়া, কালাজ্বর, যক্ষ্মা, কুষ্ঠ, কলেরা, অ্যানথ্রাক্স ইত্যাদি হলো সংক্রামক রোগ।
- যে রোগগুলো সাধারণভাবে এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির দেহে ছড়িয়ে পড়ে না তাকে অসংক্রামক রোগ বলে।
ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা, ক্রোনিক কিডনি ডিজিজ, ক্যান্সার ইত্যাদি হলো অসংক্রামক ব্যাধি।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩৭২.
GAVI এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Global Access to Vaccine Innovation
  2. General Agency for Vaccine Initiative
  3. Global Alliance for Vaccines and Immunization
  4. Global Association for Vaccine and Immunization
সঠিক উত্তর:
Global Alliance for Vaccines and Immunization
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Global Alliance for Vaccines and Immunization
ব্যাখ্যা
• GAVI:
- পূর্ণরূপ: Global Alliance for Vaccines and Immunizasion।
- বৈশ্বিক টিকা বা ভ্যাকসিন বিষয়ক জোট।
- এটি ২০০০ সালে যাত্রা শুরু করে। GAVI বিশ্বব্যাপী বিশেষত অনুন্নত বিশ্বে মরণব্যাধি ও সংক্রামক রোগের ভ্যাকসিন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বিশ্বব্যাংক, ইউনিসেফ, বিল এন্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন প্রভৃতি সহযোগীদের মাধ্যমে GAVI এর কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করে।

উৎস: GAVI ওয়েবসাইট।
৩৭৩.
ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে যখন প্লাটিলেটের স্তর হ্রাস পায়, তখন তাকে কী বলা হয়?
  1. থ্রম্বোসাইটোসিস
  2. থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া
  3. পলিসাইথিমিয়া
  4. অ্যানিমিয়া
সঠিক উত্তর:
থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া
ব্যাখ্যা
• ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে যখন প্লেটলেটের স্তর নাটকীয়ভাবে হ্রাস পায়, তখন তাকে বলা হয় থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া।

• রক্ত:

- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু।
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%।
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের।
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। যেমন:

১. থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া:

- ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে যখন প্লেটলেটের স্তর নাটকীয়ভাবে হ্রাস পায়, তখন সেটিকে বলা হয় থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া।
- এটি সাধারণত ডেঙ্গু জ্বর, অটোইমিউন রোগ, বা কিছু চিকিৎসা পদ্ধতির কারণে ঘটে।
- প্লাটিলেটের অভাবের কারণে রক্তপাত এবং সহজে ফুলে যাওয়ার মত সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

২. পলিসাইথিমিয়া:

- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়।

৩. অ্যানিমিয়া:
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া।

৪. পারপুরা:
- ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে এ অবস্থা হতে পারে, এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়।

৫. লিউকোসাইটোসিস:
- শ্বেত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যদি ২০,০০০-৩০,০০০ হয়, তাকে লিউকোসাইটোসিস বলে।
- নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগে এ অবস্থা হয়।

৬. লিউকেমিয়া:
- নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়।
- কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে।

৭. থ্রম্বোসাইটোসিস:
- এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়।
- রক্তনালীর অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াকে থ্রম্বোসিস বলে।
- হৃৎপিন্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৭৪.
মানুষের দেহে সাধারণ ওজনের কত শতাংশ রক্ত থাকে?
  1. ১০%
  2. ৫%
  3. ৮%
  4. ৭%
সঠিক উত্তর:
৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮%
ব্যাখ্যা
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু।
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের।
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৩৭৫.
ভিটামিন ডি-এর অভাবে শিশুদের কোন রোগ হয়? 
  1. স্কার্ভি 
  2. বেরিবেরি
  3. রিকেটস
  4. অ্যানিমিয়া
সঠিক উত্তর:
রিকেটস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিকেটস
ব্যাখ্যা

ভিটামিন ডি:
- একমাত্র প্রাণিজ উৎস থেকেই ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।
- ভিটামিন ডি সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির সাহায্যে মানুষের ত্বকে সংশ্লেষিত হয়।
- ডিমের কুসুম, দুধ এবং মাখন ভিটামিন ডি- এর প্রধান উৎস।
- বাধাঁকপি, যকৃৎ এবং তেলসমৃদ্ধ মাছে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।
- ভিটামিন ডি শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সাহায্য করে, যা হাড় তৈরির কাজে লাগে।
- ভিটামিন ডি-এর অভাবে শিশুদের রিকেটস রোগ হয়।
- দৈনিক চাহিদা থেকে বেশি পরিমাণে ভিটামিন ডি গ্রহণ করলে শরীরের ক্ষতি হয়। এর ফলে অধিক ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষিত হওয়ায় রক্তে এদের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
- যে কারণে বৃক্ক (কিডনি), হৃৎপিন্ড, ধমনি ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম জমা হতে থাকে।

অন্যদিকে,
- স্কার্ভি (Scurvy): ভিটামিন সি (C) অভাবে এ রোগ হয়।
- বেরিবেরি (Beriberi): ভিটামিন বি১ (B1/থায়ামিন) অভাবে এ রোগ হয়। 
- অ্যানিমিয়া (Anemia): ভিটামিন বি১২/বি৯ (B12/Folic acid) বা আয়রন অভাবে এ রোগ হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৭৬.
ডোপামিন তৈরীর কোষ নষ্ট হয় কোন রোগের ফলে?
  1. ক) গ্রেগরি ডিজিজ
  2. খ) পারকিনসন ডিজিজ
  3. গ) আলঝেইমার
  4. ঘ) কোনোটিই না
সঠিক উত্তর:
খ) পারকিনসন ডিজিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পারকিনসন ডিজিজ
ব্যাখ্যা
স্নায়ু কোষ বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করে থাকে যার একটি হল ডোপামিন। ডোপামিন শরীরের পেশির নড়াচড়ায় সাহায্য করে। পারকিনসন রোগে আক্রান্ত রোগীর মস্তিষ্কে ডোপামিন তৈরির কোষগুলো ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়।
উৎসঃজীব বিজ্ঞানঃনবম-দশম শ্রেণী
৩৭৭.
বাংলাদেশে প্রথম করােনা রােগী সনাক্ত হয় কবে?
  1. ক) ৬ মার্চ, ২০২০
  2. খ) ৭ মার্চ, ২০২০
  3. গ) ৮ মার্চ, ২০২০
  4. ঘ) ১৭ মার্চ, ২০২০
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ মার্চ, ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ মার্চ, ২০২০
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ৮ মার্চ ২০২০ সর্বপ্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়।
- ১৮ মার্চ ২০২০ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম রোগী মারা যায়।
- ১৮ মার্চ ২০২০ তারিখে দেশের শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
- ২৬ মার্চ ২০২০ তারিখে করোনা ইস্যুতে সারাদেশ ব্যাপী প্রথমবারের লকডাউন ঘোষণা করা হয়।
- ২৭ জানুয়ারি ২০২১ বাংলাদেশে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে কুর্মিটোলা হাসপাতালের সেবিকা রুনো ভেরোনিকা কস্তা ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটি উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন।
- ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখ থেকে সারাদেশ কোভিড-১৯ রোগের প্রতিষেধক টিকাদান শুরু হয়।

(তথ্যসূত্র: করোনা ইনফো, বাংলাদেশ সরকার এবং বিবিসি বাংলা)
৩৭৮.
স্ট্রিট ভাইরাস (Street Virus) কোন রোগের জীবাণুর নাম?
  1. টিটেনাস
  2. রেবিস
  3. হাম
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
রেবিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেবিস
ব্যাখ্যা
• ভাইরাস: 
- প্রাণী ও উদ্ভিদ দেহে ভাইরাস নানাবিধ রোগ উৎপন্ন করে। 
- ভাইরাস আক্রমণের ফলে মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব এমনকি অকাল মৃত্যুও হতে পারে। 
- স্বল্প পরিসরে ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অনেক উপকারও করে। 
- তবে তুলনামূলকভাবে ভাইরাস মানুষের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে থাকে।
- মানুষ র‍্যাবিস ভাইরাস দ্বারা 'জলাতঙ্ক' রোগে আক্রান্ত হয়। 
- স্টিট ভাইরাস (Street Virus) র‍্যাবিস রোগের জীবাণুর নাম।

উৎস:
১. উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. [Link]
৩৭৯.
ডায়াবেটিস হলে রক্তে কিসের পরিমাণ দীর্ঘস্থায়ীভাবে অনেক বেড়ে যায়?
  1. আমিষ
  2. শর্করা
  3. স্নেহ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
শর্করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শর্করা
ব্যাখ্যা

ডায়াবেটিস, বহুমূত্র বা মধুমেহ রোগ:
- ডায়াবেটিস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ।
- আমরা যখন কিছু খাই, এটি শর্করায় পরিণত হয়ে রক্তের মাঝে আসে।
- প্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নামে এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যেটি রক্তের এই শর্করাকে শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- কারও ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না।
- যে কারণে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়।
- মানুষের রক্তে শর্করার স্বাভাবিক মাত্রা হলো ৩.৯-৫.৬ mmole\L কিংবা (৭০-১০০ মি.গ্রা/ডেসি.লি.)।
- ডায়াবেটিস হলে রক্তে শর্করার পরিমাণ দীর্ঘস্থায়ীভাবে অনেক বেড়ে যায়
- ডায়াবেটিস ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ নয়।
- ডায়াবেটিস হৃদ্যন্ত্রের রক্তপ্রবাহ রোগের ওপর পরোক্ষভাবে প্রভাব বিস্তার করে।
- ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তে শর্করার পরিমাণ বেশি থাকায় এটি দেহের বিভিন্ন অঙ্গের, যেমন- হৃৎপিণ্ড, কিডনি, চোখ ইত্যাদির স্বাভাবিক কাজে বাধা সৃষ্টি করে।
- ডায়াবেটিস রোগীদের করোনারি বা হৃদরোগ হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে।
- এটি হৃৎপিণ্ডকে অচল করে দেয় এবং রোগী মারা যেতে পারে।
- এছাড়া দীর্ঘস্থায়ী ডায়াবেটিস রোগে রক্তচাপ বেড়ে যায় এবং এর থেকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন হয়।
- উচ্চ রক্তচাপ করোনারি হৃদরোগের পূর্বলক্ষণ।
- ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করার মাত্রা দীর্ঘদিন অনিয়ন্ত্রিত থাকলে তাদের করোনারি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা খুবই বেশি থাকে।

উৎস: বিজ্ঞান,নবম-দশম শ্রেণী।

৩৮০.
হিউম্যান প্যাপিলোমা কী ?
  1. ক) ছত্রাক
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) ভাইরাস
  4. ঘ) অণুজীব
সঠিক উত্তর:
গ) ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভাইরাস
ব্যাখ্যা
• হিউম্যান প্যাপিলোমা একধরনের ভাইরাস।
হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (Human papillomavirus-HPV): হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস Papovaviridae ফ্যামেলি অন্তর্গত ভাইরাসগুলোর একটি উপগোষ্ঠী যা মানুষকে সংক্রামিত করে।
- এর ফলে আঁচিল এবং টিউমারের পাশাপাশি যৌনাঙ্গের ক্যান্সার হয়।
- বিশেষ করে মহিলাদের জরায়ু ক্যান্সার হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩৮১.
নিচের কোনটি ভাইরাসজনিত রোগ নয়?
  1. প্লেগ
  2. ইনফ্লুয়েঞ্জা
  3. পীতজ্বর
  4. জলাতঙ্ক
সঠিক উত্তর:
প্লেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লেগ
ব্যাখ্যা


তথ্যসূত্র - তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮২.
মানুষের সুষুম্না স্নায়ু কয় জোড়া?
  1. ক) ১২
  2. খ) ৩১
  3. গ) ২৪
  4. ঘ) ১৬
সঠিক উত্তর:
খ) ৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩১
ব্যাখ্যা

- স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যগত একককে স্নায়ুকোষ বা নিউরন বলে।
- মানবদেহের দীর্ঘতম কোষ হলো স্নায়ুকোষ।
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অংশ হলো মস্তিষ্ক।
- মানুষের করোটিক স্নায়ু ১২ জোড়া।
- মানুষের সুষুম্না স্নায়ু ৩১ জোড়া।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৮৩.
মানবদেহে ইনসুলিন নির্গত করে কোন গ্রন্থি?
  1. ক) সাবম্যান্ডিবুলার
  2. খ) পিটুইটারি
  3. গ) আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স
  4. ঘ) প্যারোটিড
সঠিক উত্তর:
গ) আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স
ব্যাখ্যা
অগ্ন্যাশয়ের ভিতর আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স নামক এক ধরনের গ্রন্থি আছে যা থেকে ইনসুলিন নির্গত হয়। ইনসুলিনের অভাবেই ডায়াবেটিস রোগ হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই
৩৮৪.
যক্ষ্মা (TB) রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত স্ট্রেপটোমাইসিন হলো- 
  1. অ্যান্টিবায়োটিক
  2. ব্যথানাশক
  3. অ্যান্টিসেপটিক
  4. চেতনানাশক 
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টিবায়োটিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টিবায়োটিক
ব্যাখ্যা

- যক্ষ্মা (TB) রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত স্ট্রেপটোমাইসিন হলো একটি অ্যান্টিবায়োটিক, যা অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত এবং ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে বা তাদের বৃদ্ধি রোধে কাজ করে, বিশেষত Mycobacterium tuberculosis-এর বিরুদ্ধে এটি কার্যকর। 

চিকিৎসা শাস্ত্রে রসায়ন: 

- মানুষের রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি যেমন- MRI, CT scan, X-ray ইত্যাদি যন্ত্রের তত্ত্ব-রাসায়নিক তত্ত্ব থেকে শুরু করে বিভিন্ন সাধারণ সরঞ্জাম যেমন- সিরিঞ্জ, স্যালাইনের ব্যাগ, ছুরি, কাঁচি, সূঁচ ইত্যাদি রসায়নের অবদান। 
- বিভিন্ন রোগব্যাধি নিরাময়ে ব্যবহৃত ওষুধ, যেমন- নিউমোনিয়ায় পেনিসিলিন, যক্ষ্মায় স্ট্রেপটোমাইসিন, টাইফয়েডে ক্লোরোমাইসেটিন ইত্যাদি রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন করা হচ্ছে। 
- তাছাড়া অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে টিংচার আয়োডিন, হেক্সাক্লোরোফিন, চেতনানাশক হিসেবে ইথার, ক্লোরোফরম ইত্যাদি রসায়নের অনন্য আবিষ্কার যা মানুষের জীবন রক্ষায় চিকিৎসা শাস্ত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮৫.
পতঙ্গনাশক হিসেবে কোন ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করা হয়?
  1. Bacillus thuringiensis
  2. Lactobacillus
  3. Escherichia coli
  4. Bacillus megaterium
সঠিক উত্তর:
Bacillus thuringiensis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bacillus thuringiensis
ব্যাখ্যা
• ব্যাকটেরিয়া: 
- ব্যাকটেরিয়া (Bacteria) হলো আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত, অসবুজ, এককোষী একদল আণুবীক্ষণিক জীব।

- Bacillus thuringiensis (Bt) হলো একটি গ্রাম-পজিটিভ, মাটি-বাসি ব্যাকটেরিয়া, যা প্রাকৃতিকভাবে কিছু নির্দিষ্ট ধরনের কীটপতঙ্গ ধ্বংস করতে সক্ষম।
- এটি জৈবিক পতঙ্গনাশক হিসেবে ব্যবহার করা হয়, কারণ এটি এমন একটি প্রোটিন তৈরি করে যা নির্দিষ্ট পোকামাকড়ের লার্ভা বা শূককীট (larvae) ধ্বংস করে দেয়।

• ব্যাকটেরিয়ার উপকারিতা:
জীবনের জন্য প্রয়োজনীয়:
- ব্যাকটেরিয়া বিভিন্ন পরিবেশে, যেমন- মাটি, জল, বাতাস এবং মানুষের শরীরে, বসবাস করে এবং জীবন্ত জিনিসের জন্য প্রয়োজনীয় কাজ করে।  

খাদ্য উৎপাদনে সাহায্য:
- কিছু ব্যাকটেরিয়া, যেমন ল্যাক্টোব্যাসিলাস, দই ও পনির তৈরিতে সাহায্য করে.  

রোগ প্রতিরোধে সহায়ক:
- ব্যাকটেরিয়া থেকে প্রাপ্ত অ্যান্টিবায়োটিক (যেমন- স্ট্রেপ্টোমাইসিন, টেট্রাসাইক্লিন) রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে.  

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সাহায্য:
- কিছু ব্যাকটেরিয়া বর্জ্য পদার্থ, যেমন- পচনশীল পদার্থ এবং তেল দূষণকে ভেঙে ফেলতে সাহায্য করে.  

জৈবপ্রযুক্তিতে ব্যবহার:
- ব্যাকটেরিয়া বিভিন্ন জৈবপ্রযুক্তিগত কাজে, যেমন- জিন প্রযুক্তি, এবং অ্যান্টিবায়োটিক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়.  

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৩৮৬.
ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ কোনটি?
  1. হাম
  2. প্লেগ
  3. রুবেলা
  4. মাম্পস
সঠিক উত্তর:
প্লেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লেগ
ব্যাখ্যা



তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৩৮৭.
এইডস রোগ রক্তের কোন কণিকা ধ্বংস করে দেয়?
  1. লোহিত কণিকা
  2. শ্বেত কণিকা
  3. অনুচক্রিকা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
শ্বেত কণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্বেত কণিকা
ব্যাখ্যা
• এইডস:
- এইডস (Acquired Immune Deficiency Syndrome) রোগটি HIV (Human Immunodeficiency Virus) নামক ভাইরাসের কারণে হয়।
- এই ভাইরাসটি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেয়।
- HIV প্রধানত CD4 + T lymphocyte নামক একটি বিশেষ ধরনের শ্বেত কণিকা আক্রমণ করে এবং ধীরে ধীরে এগুলিকে ধ্বংস করে।
- এই কোষগুলো শরীরের ইমিউন সিস্টেমের মূল সেনা, যারা বিভিন্ন রোগজীবাণুর বিরুদ্ধে কাজ করে।
- যখন এই কোষের সংখ্যা খুব কমে যায়, তখন শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সহজেই নানা ধরনের সংক্রমণ ও কিছু ধরনের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়  এ অবস্থাকেই বলা হয় এইডস।

উৎস: National Institutes of Health (NIH)।
৩৮৮.
এনজাইম, অ্যান্টিবডি এবং হরমোন এর মৌলিক উপাদান _____।
  1. লবণ
  2. ভিটামিন
  3. ক্যালসিয়াম
  4. প্রোটিন
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন
ব্যাখ্যা
প্রোটিন:
- প্রোটিন জীবদেহের একটি অত্যন্তগুরুত্বপূর্ণ জৈব রাসায়নিক পদার্থ।
- বিভিন্ন অ্যামাইনো অ্যাসিড বিভিন্নভাবে শৃঙ্খলিত হয়ে এক একটি প্রোটিন গঠন করে। আর অ্যামাইনো অ্যাসিড হলো প্রোটিনের মূল গাঠনিক একক।
-  প্রোটিন অণু বহু সংখ্যক অ্যামাইনো অ্যাসিডের সমন্বয়ে তৈরি। প্রোটিন শব্দটি সর্বপ্রথম প্রয়োগ করেন জি. মুলার ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে। 

- প্রোটিন অসংখ্য অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত বৃহদাকার যৌগিক জৈব অণু। 
- একটি কোষের অভ্যন্তরে সারাক্ষণ শত শত প্রকার প্রোটিন তৈরি হয়।
- জীবদেহের প্রায় সর্বত্রই প্রোটিন বিরাজমান। জৈব ক্রিয়া-বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে এনজাইম, অ্যান্টিবডি, হরমোন। এগুলো সবই প্রোটিন।
-  সব এনজাইম প্রোটিন কিন্তু সব প্রোটিন এনজাইম নয়।
- বিভিন্ন অ্যামাইনো অ্যাসিড বিভিন্নভাবে শৃঙ্খলিত হয়ে এক একটি প্রোটিন গঠন করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮৯.
রােগ প্রতিরােধ-ব্যবস্থার অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়ার ফলে হয় -
  1. ক) নিউমোনিয়া
  2. খ) অ্যাজমা
  3. গ) যক্ষা
  4. ঘ) অ্যানিমিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাজমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাজমা
ব্যাখ্যা

অ্যাজমা সাধারণত রােগ প্রতিরােধ-ব্যবস্থার অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়ার ফলে হয়ে থাকে। অর্থাৎ কোনাে একটি বহিঃস্থ পদার্থ ফুসফুসে প্রবেশ করলে সেটিকে নিষ্ক্রিয় করতে দেহের প্রতিরােধ-ব্যবস্থার যেটুকু প্রতিক্রিয়া দেখানাের কথা, তার চেয়ে অনেক তীব্রভাবে প্রতিক্রিয়া ঘটলে অ্যাজমা হতে পারে।
অনেক ক্ষেত্রেই অ্যাজমা আক্রান্ত শিশু বা ব্যক্তির বংশে হাঁপানি বা অ্যালার্জির ইতিহাস থাকে। এটি ছোঁয়াচে নয়, জীবাণুবাহিত রােগও নয়।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

৩৯০.
পোলিও টিকা দেওয়া শুরু করার শেষ বয়স সীমা কত?
  1. ৬ সপ্তাহ
  2. ৬ মাস
  3. ২ বছর
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
• পোলিও টিকার ১ম ডোজের উপযুক্ত বয়স ৬ সপ্তাহ এবং টিকা শুরু করার শেষ বয়স সীমা ২ বছর।

- পোলিও এক ধরনের ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ।
- ১৯৫২ সালে জোনাস এডওয়ার্ড সাল্ক‌ পোলিওর টিকা উদ্ভাবন করেন।
- ১৯৫৭ সালে আলবার্ট সাবিন মুখে খাওয়ার পোলিও টিকা আবিষ্কার করেন।
- বাংলাদেশে ১৯৫৫ সালে পোলিও টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

• সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি:

উৎস:
১. পরিবেশ শিক্ষা-বিজ্ঞান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩৯১.
'ধনুষ্টংকার' রোগ কোনটির সংক্রমনে হয়?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) ছত্রাক
  4. ঘ) শৈবাল
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা


সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯২.
মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয় ইলেক্ট্রোলাইটের ভাল উৎস -
  1. ক) খাবার পানি
  2. খ) ডাবের পানি
  3. গ) গ্লুকোজের পানি
  4. ঘ) শরবতের পানি
সঠিক উত্তর:
খ) ডাবের পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডাবের পানি
ব্যাখ্যা
আমাদের শরীরে বেশ কিছু রাসায়নিক পদার্থ, খনিজ ও লবণ রয়েছে। এগুলো বিভিন্ন শারীরবৃত্তিক কাজের জন্য প্রয়োজনীয়। স্নায়ু ও মাংসপেশির কাজকর্ম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য এগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। এদের ইলেকট্রোলাইট বলা হয়। সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম হলো প্রধান ইলেকট্রোলাইট। যেকোনো কারণে শরীরে এসব উপাদানের পরিমাণ কমে বা বেড়ে গেলে সৃষ্টি হয় ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা।

কচি ডাবের শাঁসে স্নেহ ও খনিজ জাতীয় পর্দাথের পরিমাণ বেশি থাকে। খনিজ পদার্থের মধ্যে যথেষ্ট পরিমাণে পটাসিয়াম, সোডিয়াম ও ফসফরাস থাকে (Sodium, calcium, potassium, chloride, phosphate, and magnesium are all electrolytes. U.S. National Library of Medicine)। মূলত কচি ডাবের ভিতরের তরল পদার্থই ডাবের পানি হিসেবে পরিচিত। এই পানি ৯৯ ভাগ চর্বিমুক্ত এবং কম ক্যালরিযুক্ত। প্রচলিতভাবে উন্নত দেশের ডাবের পানি কোমল ও সতেজ পানীয় হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আমাদের দেশে গ্রীষ্মকালে এর চাহিদা ব্যাপক। কচি ডাবের পানি শরীরকে ঠান্ডা ও দেহের তাপমাত্রা ঠিক রাখে। এ ছাড়াও ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত, বয়স্ক এবং বৃদ্ধ লোকের জন্য ডাবের পানি খুবই কার্যকর।

আমাদের দেশে প্রক্রিয়াজাতকৃত ডাবের পানির বাণিজ্যিক চাহিদা আছে। ডাবের পানি প্রক্রিয়াজাত করার জন্য প্রথমে ভালমানের কচি ডাব সংগ্রহ করে পরিস্কার পানিতে দৌত করতে হয়। অতঃপর ডাব থেকে পানি বের করে মসৃণ কাপড়ে ছেকে নিতে হবে যাতে কোন আঁশ বা শাঁস না থাকে। এখন পরিস্কার ডাবের পানি একটি কাঁচের বিকার বা কনটেইনারে নিয়ে ৯৫-১০০০ সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় ১০ মিটিন ওয়াটার বাথে রেখে পাস্তুরাইজেশন করেত হবে। পাস্তুরাইজেশনকৃত ডাবের পানির সাথে ১০০পিপিএম পটাসিয়াম মেটাবাইসালফাইট এবং ০.০৫% কার্বক্সিমিথাইল সেলুলোজ যোগ করতে হবে যাতে কোন অবশিষ্টাংশ বা দ্রব্যাদি বোতলের নিচে পড়ে না থাকে। পরিশেষে গরম পানিতে ফুটানো কাঁচের বোতলে গরম অবস্থায় ডাবের পানি ভর্তি করে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় শুষ্ক ঠান্ডা জায়গায় সংরক্ষণ করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় ডাবের পানি প্রায় ৬-৮ মাস সহজে সংরক্ষণ করা যায়।

Source: BARI, Prothomalo.com
৩৯৩.
কোন পরীক্ষা গর্ভবতী মায়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ?
  1. ক) ইসিজি
  2. খ) এক্সরে
  3. গ) আলট্রাসনোগ্রাফি
  4. ঘ) ব্লাড সুগার
সঠিক উত্তর:
খ) এক্সরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এক্সরে
ব্যাখ্যা
সাধারণত X-Ray নিরাপদ ধরা হলেও গর্ভাবস্থায় একাধিকবার X-Ray করলে গরভের সন্তানের ক্ষতি হবার সম্ভাবনা থাকে। খুব বেশি প্রয়োজন না হলে গর্ভাবস্থায় X-Ray করানো হয় না।
বাকী পরীক্ষাগুলোতে কোন সমস্যা নেই।
৩৯৪.
How many types of COVID-19 vaccines are being approved to use in Bangladesh?
  1. 9
  2. 4
  3. 7
  4. 8
  5. None
সঠিক উত্তর:
9
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ৯ ধরনের COVID-19 ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

কোভিড ভ্যাক্সিন:
- COVID-19 এর জন্য দায়ী হলো SARS CoV-2 নামক বিশেষ করোনা ভাইরাস।
- ২০১৯ সালে চীনের উহান প্রদেশে কোভিড-১৯ প্রথম সনাক্ত করা হয়েছিল।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুসারে, ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নজরে আসে।
- এটি অদ্যবধি বাংলাদেশসহ সমস্ত পৃথিবীতে মহামারীর তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ৯ ধরনের COVID-19 ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
- সেগুলো হলো:
• সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া- কোভোভ্যাক্স (নোভাভ্যাক্স ফর্মুলেশন),
• মডার্না- স্পাইকভ্যাক্স,
• Pfizer/BioNTech- Comirnaty,
• গামলেয়া- স্পুটনিক ভি
• জ্যান্সেন (জনসন অ্যান্ড জনসন)- জকোভডেন,
• অক্সফোর্ড/অস্ট্রাজেনেকা- ভ্যাক্সজেভরিয়া,
• সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া- কোভিশিল্ড (অক্সফোর্ড/অস্ট্রাজেনেকা ফর্মুলেশন),
• সিনোফার্ম (বেইজিং)- কোভিলো,
• সিনোভাক- করোনাভাক। 

উৎস: WHO ওয়েবসাইট। [link]
৩৯৫.
নিচের কোনটি লঘুমস্তিষ্কের অংশ?
  1. মেডুলা
  2. মেরুরজ্জু
  3. থ্যালামাস
  4. হাইপোথ্যালামাস
সঠিক উত্তর:
মেডুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেডুলা
ব্যাখ্যা

পশ্চাৎমস্তিষ্ক লঘুমস্তিষ্ক নামেও পরিচিত। লঘুমস্তিষ্ক গুরুমস্তিষ্কের চেয়ে আকারে ছোটো এবং গুরুমস্তিষ্কের নিচে ও পশ্চাতে অবস্থান করে৷

লঘুমস্তিষ্কের অংশ তিনটি,
যথা- সেরিবেলাম, পনস এবং মেডুলা বা সুষুম্নাশীর্ষক।

গুরুমস্তিষ্কের অংশ হলো- সেরিব্রাম, থ্যালামাস, হাইপোথ্যালামাস।
মেরুরজ্জু বা সুষুম্নাকাণ্ড মেরুদণ্ডের মধ্যে সংরক্ষিত থাকে। মেরুরজ্জু মস্তিষ্কের অংশ নয়।

সূত্র: বিজ্ঞান বোর্ড বই, অষ্টম শ্রেণি

৩৯৬.
ডায়ালাইসিস কেন করা হয়? 
  1. বৃক্ক বিকল হলে রক্ত পরিশোধনের জন্য
  2. রক্তের প্লাজমা পরিবর্তনের জন্য
  3. রক্তের লোহিত কণিকা বৃদ্ধি করার জন্য
  4. রক্তে অক্সিজেন বৃদ্ধির জন্য 
সঠিক উত্তর:
বৃক্ক বিকল হলে রক্ত পরিশোধনের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃক্ক বিকল হলে রক্ত পরিশোধনের জন্য
ব্যাখ্যা

ডায়ালাইসিস (Dialysis): 
- বৃক্ক সম্পূর্ণ অকেজো বা বিকল হওয়ার পর বৈজ্ঞানিক উপায়ে রক্ত পরিশোধন করার নাম ডায়ালাইসিস। 
- সাধারণত 'ডায়ালাইসিস মেশিনের' সাহায্যে রক্ত পরিশোধন করা হয়। 
- এই মেশিনের ডায়ালাইসিস টিউবটির এক প্রান্ত রোগীর হাতের কব্জির ধমনির সাথে এবং অন্য প্রান্ত ঐ হাতের কব্জির শিরার সাথে সংযোজন করা হয়। 
- ধমনি থেকে রক্ত ডায়ালাইসিস টিউবের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করানো হয়। এর প্রাচীর আংশিক বৈষম্যভেদ্য হওয়ায় ইউরিয়া, ইউরিক এসিড এবং অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থ বাইরে বেরিয়ে আসে। 
- পরিশোধিত রক্ত রোগীর দেহের শিরার মধ্য দিয়ে দেহের ভেতর পুনরায় প্রবেশ করে। 
উল্লেখ্য, 
- ডায়ালাইসিস টিউবটি এমন একটি তরলের মধ্যে ডুবানো থাকে, যার গঠন রক্তের প্লাজমার অনুরূপ হয়। এভাবে ডায়ালাইসিস মেশিনের সাহায্যে নাইট্রোজেনঘটিত ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থ (ইউরিয়া এবং অন্যান্য বর্জ্য পদার্থ) বাইরে নিষ্কাশিত হয়। তবে এটি একটি ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৬, সংস্করণ)।

৩৯৭.
শিশুর জন্মের পর কত দিন বয়স পর্যন্ত তাকে নবজাতক বলা হয়?
  1. ২১ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ৭ দিন
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
ব্যাখ্যা
শিশুর জন্মের পর ১৪ দিন বয়স পর্যন্ত তাকে নবজাতক বলা হয়।
শিশুর জন্মের পর পরই তাকে শাল দুধ দিতে হয় এবং সঠিক পরিমাণে মায়ের দুধ অর্থাৎ পুষ্টিকর খাদ্যের ব্যবস্থা করতে হয়।
এই সময় তাকে প্রয়োজনীয় সেবা ও টিকা প্রদান করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

আবার,
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, জন্মের পর থেকে ২৮ দিন পর্যন্ত বয়সী শিশুকে নবজাতক বলা হয়।
তবে, যেহেতু অপশনে ২৮ দিন নেই, তাই সঠিক উত্তর হিসাবে বোর্ড বইকে প্রাধান্য দিয়ে ১৪ দিনকে সঠিক উত্তর ধরা হচ্ছে।
৩৯৮.
পানি দেহে কোন রোগের কারণ হতে পারে যখন অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য নষ্ট হয়?
  1. এসিডোসিস
  2. নিউমোনিয়া
  3. হেপাটাইটিস
  4. ডায়াবেটিস
সঠিক উত্তর:
এসিডোসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসিডোসিস
ব্যাখ্যা
পানি: 
- পানি খাদ্যের একটি প্রধান উপাদান। 
- দেহের গঠন ও অভ্যন্তরীণ কাজ পানি ছাড়া চলতে পারে না। 
- মানুষের দৈহিক ওজনের ৬০-৭৫% হচ্ছে পানি। 
- মানুষের রক্ত, মাংস, স্নায়ু, দাঁত, হাড় ইত্যাদি প্রতিটি অঙ্গ গঠনের জন্য পানির প্রয়োজন। 
- পানি জীবদেহে দ্রাবকের কাজ করে, খাদ্য উপাদানের পরিপাক ও পরিশোষণে সাহায্য করে। 
- বিপাকের ফলে দেহে উৎপন্ন ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি শরীরের জন্য ক্ষতিকর এবং বিষাক্ত পদার্থগুলোকে পানি মূত্র ও ঘাম হিসেবে শরীর থেকে বের করে দেয়। 
- একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক ২-৩ লিটার পানি পান করা উচিত, কারণ প্রায় ঐ পরিমাণ পানি প্রত্যেক দিনই শরীর থেকে বের হয়ে যায়। 
- পানি দেহে অম্ল ও ক্ষারের সমতা নষ্ট করে এসিডোসিস রোগের সৃষ্টি হয়। 
- শরীরে পানি ১০% কমে গেলে সংজ্ঞা লোপ পায়, এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৯৯.
স্কার্ভি রোগের লক্ষণ কী?
  1. ক) ঘুম না হওয়া
  2. খ) মাড়ি থেকে রক্ত পড়া
  3. গ) হাড় ক্ষয় হওয়া
  4. ঘ) রাতকানা
সঠিক উত্তর:
খ) মাড়ি থেকে রক্ত পড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মাড়ি থেকে রক্ত পড়া
ব্যাখ্যা
- ভিটামিন-সি(C) এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়। 
- ভিটামিন সি এর অপর নাম এসকরবিক এসিড। 
 
এসকরবিক এসিডের অভাবজনিত অবস্থা :
১। ভিটামিন সি এর দীর্ঘদিনের অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়। স্বার্ভি রোগে দাঁতের মাড়ি ফুলে স্পঞ্জের মতো হয়ে যায়, রক্তক্ষরণ হয়, গোড়া আলগা ও নরম হয়ে যায়, অনেক সময় দাঁত পড়ে যায়।
২। ত্বক খসখসে হয়, ফুসকুড়ি ওঠে এবং ত্বক চুলকায়।
৩। অস্থি দুর্বল হয় ও অস্থি সন্ধিতে বা গাঁটে ব্যথা হয়, অস্থি দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়।
৪। লৌহের পরিশোষণ ব্যাহত হয় ও রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়।
৫। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং সহজেই সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয় ।
৬। রক্তবাহী নালী ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে ত্বকের ভিতরে ও বাইরে রক্তক্ষরণ হতে পারে।
৭। ক্ষধামন্দা অলসতা খিটখিটে মেজাজ পরিলক্ষিত হয়।
 
উৎস : গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪০০.
মস্তিষ্কের ক্ষমতা ক্ষয় পেতে থাকে স্নায়ু কোষের -
  1. ক) এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে
  2. খ) অর্ধেক ধ্বংস হয়ে গেলে
  3. গ) এক-তৃতীয়াংশ বেড়ে গেলে
  4. ঘ) এক-চতুর্থাংশ বেড়ে গেলে
সঠিক উত্তর:
ক) এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে
ব্যাখ্যা
স্নায়ুকোষের এক-চতুর্থাংশ বা ২৫% ধ্বংস হয়ে গেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে।
স্নায়ুকোষ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের বিভিন্ন প্রকার রোগ যেমন স্মৃতিভ্রংশ, বুদ্ধিবৈকল্য ইত্যাদি হতে পারে।

উল্লেখ্য,

মস্তিস্ক হলো স্নায়ুতন্ত্রের অঙ্গ।
স্নায়ুতন্ত্রের গঠনগত ও কার্যকরী একককে নিউরন বলে। মস্তিষ্কে নিউরন থাকে ১০ বিলিয়ন।
মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি।
মস্তিষ্ক আবৃতকারী পর্দার নাম মেনিনজেস।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।