বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

রোগ - জীবাণু ও আধুনিক চিকিৎসা সংক্রান্ত

মোট প্রশ্ন১,০৯৫এই পাতা৮৮প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

রোগ - জীবাণু ও আধুনিক চিকিৎসা সংক্রান্ত

PrepBank · পাতা ১১ / ১১ · ১,০০১১,০৮৮ / ১,০৯৫

১,০০১.
মানুষের মধ্যে আকার, গায়ের রং, চুলের রং ইত্যাদি ভিন্নতা দেখা যায় কোন বৈচিত্রতার কারণে?
  1. ক) ভৌগোলিক
  2. খ) জিনগত
  3. গ) বাস্তুতান্ত্রিক
  4. ঘ) প্রজাতিগত
সঠিক উত্তর:
খ) জিনগত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জিনগত
ব্যাখ্যা


উৎস: প্রাণি বিজ্ঞান, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০০২.
ডেলিভারীর ৬ মাসের মধ্যে নিচের কোন জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করা যাবে না?
  1. IUCD
  2. Implant
  3. Minipill
  4. OCP
সঠিক উত্তর:
IUCD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IUCD
ব্যাখ্যা
IUCD (Intrauterine Contraceptive Device):
- সাধারণত IUCD ব্যবহারের আগে প্রসবের কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
- এই অপেক্ষার সময়টি জরায়ুকে তার স্বাভাবিক আকার এবং অবস্থানে ফিরে আসতে দেয় এবং জটিলতার ঝুঁকি কমায়। তবে, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর সুপারিশ এবং ব্যক্তির পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে সঠিক সময় পরিবর্তিত হতে পারে।

ইমপ্লান্ট:
গর্ভনিরোধক ইমপ্লান্ট সাধারণত সন্তানের জন্মের পরপরই ব্যবহার যেতে পারে, এমনকি প্রসবের পরপরই, যদি ইচ্ছা হয়। এটি প্রসবোত্তর গর্ভনিরোধের জন্য একটি সুবিধাজনক বিকল্প এবং জরায়ু তার প্রাক-গর্ভাবস্থার আকারে ফিরে আসার জন্য অপেক্ষা করার প্রয়োজন হয় না।

মিনিপিল (শুধুমাত্র প্রোজেস্টিন পিল):
মিনিপিল সাধারণত সন্তান প্রসবের পরপরই বা কয়েক দিনের মধ্যে শুরু করা যেতে পারে, যতক্ষণ না কোনো প্রতিবন্ধকতা না থাকে। এটি বুকের দুধ খাওয়ানো ব্যক্তিদের জন্য একটি উপযুক্ত বিকল্প কারণ এটি স্তনের দুধ উৎপাদনকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করে না।

ওসিপি (ওরাল গর্ভনিরোধক বড়ি):
সংমিশ্রণ জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি  যা এস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টিন উভয়ই বহন করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।  
১,০০৩.
মানবদেহের লালাগ্রন্থি কয়জোড়া?
  1. ক) দুই জোড়া
  2. খ) তিন জোড়া
  3. গ) চার জোড়া
  4. ঘ) পাঁচ জোড়া
সঠিক উত্তর:
খ) তিন জোড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তিন জোড়া
ব্যাখ্যা
মানবদেহে তিন জোড়া লালাগ্রন্থি রয়েছে। 

লালাগ্রন্থির কাজসমূহ-
১. লালা খাবার পিচ্ছিল করে।
২. লালা খাদ্যকে নরম করে।
৩. লালা জীবাণু ধ্বংস করে।
৪. লালা আমাদের মুখে এসিডের সমতা রক্ষা করে।
৫. লালা শর্করা ও চর্বি জাতীয় খাবার কে হজমপোযোগী করে তোলে। 
৬. লালা খাবার হজমে সাহায্য করে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০০৪.
নিচের কোনটি স্নায়ু রোগ?
  1. ক) উচ্চ রক্তচাপ
  2. খ) সিওপিডি
  3. গ) মেনিনজাইটিস
  4. ঘ) নিউমোনিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) মেনিনজাইটিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মেনিনজাইটিস
ব্যাখ্যা
• স্ট্রোক, মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস, পারকিনসন'স ডিজিজ, আলঝেইমার'স ডিজিজ, GBS, মেনিনজাইটিস প্রভৃতি স্নায়ুরোগ হিসাবে পরিচিত।
• হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ফেইলিউর, উচ্চ রক্তচাপ, এনজাইনা, মায়োকার্ডাইটিস, এন্ডোকার্ডাইটিস ইত্যাদি হৃদরোগ হিসাবে পরিচিত।
• নিউমোনিয়া, অ্যজমা, সিওপিডি, ব্রঙ্কিয়েকটেসিস ইত্যাদি ফুসফুসের রোগ হিসাবে পরিচিত।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১,০০৫.
CRISPR প্রযুক্তি কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. জিন এডিটিং
  2. রক্ত পরিশোধন
  3. হাড় মেরামত
  4. হার্ট সার্জারি
সঠিক উত্তর:
জিন এডিটিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিন এডিটিং
ব্যাখ্যা
• CRISPR প্রযুক্তি জিন এডিটিং এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। 

CRISPR:
- CRISPR (Clustered Regularly Interspaced Short Palindromic Repeats) হলো একটি অত্যাধুনিক জিনোম এডিটিং প্রযুক্তি, যেটির মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা ডিএনএ-এর নির্দিষ্ট অংশ কাটা, যোগ করা বা পরিবর্তন করতে ব্যবহার করেন।
- এটি মূলত ব্যাকটেরিয়ার একটি প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে আবিষ্কৃত হয়েছিল, যা ভাইরাসের ডিএনএ কেটে দেয়।

• CRISPR-এর প্রধান প্রয়োগ:
→ জিন থেরাপি:
- বংশগত রোগ (যেমন সিকেল সেল অ্যানিমিয়া, সিস্টিক ফাইব্রোসিস) সারাতে ব্যবহৃত হয়।
→ কৃষি:
- রোগ-প্রতিরোধী ও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ ফসল তৈরি (যেমন জিএমও শস্য)।
→ চিকিৎসা গবেষণা:
- ক্যানসার, এইডসের মতো রোগের চিকিৎসায় পরীক্ষামূলক প্রয়োগ।
→ জীববিজ্ঞান:
- জিনের কার্যকারিতা বুঝতে মডেল অর্গানিজম (যেমন ইঁদুর) এ ডিএনএ মডিফিকেশন।

• কার্যপ্রণালী:
- CRISPR প্রযুক্তিতে Cas9 নামক একটি এনজাইম ব্যবহার হয়। 
- এটি DNA-এর নির্দিষ্ট অংশ কেটে ফেলতে পারে। 
- এরপর বিজ্ঞানীরা প্রয়োজনীয় জিন প্রবেশ করাতে পারেন। 

তথ্যসূত্র:
- NIH (National Institutes of Health). 
- ব্রিটানিকা।
১,০০৬.
কোনটির অভাবে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়?
  1. সায়ানোকোবালামিন
  2. রাইবোফ্ল্যাভিন
  3. নিয়াসিন
  4. থায়ামিন
সঠিক উত্তর:
সায়ানোকোবালামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সায়ানোকোবালামিন
ব্যাখ্যা
- দেহে থায়ামিনের চরম অভাবে বেরিবেরি রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। এর অভাবে স্নায়ুর দুর্বলতা, মানসিক অবসাদ, ক্লান্তি, খাওয়ায় অরুচি, ওজনহীনতা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।
- রাইবোফ্ল্যাভিনের অভাবে ঠোঁটের দুপাশে ফাটল দেখা দেয়, মুখে ও জিভে ঘা হয়, ত্বক খসখসে হয়। চোখ দিয়ে পানি পড়ে। এর অভাবে তীব্র আলোতে চোখ খুলতে অসুবিধা হয়।
- নিয়াসিনের অভাবে পেলেগ্রা হয়।
- কোবালামিন/ সায়ানোকোবালামিন/ ভিটামিন B12 এর অভাবে রক্তশূন্যতা দেখা দেয় এবং স্নায়ুর অবক্ষয় ঘটে।

সূত্র: মাধমিক বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি
১,০০৭.
সোয়াইন ফ্লু ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল কোথায়?
  1. এশিয়া
  2. মেক্সিকো
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
মেক্সিকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেক্সিকো
ব্যাখ্যা
- সোইয়ইন ফ্লু ভাইরাসটি সর্বপ্রথম শনাক্ত করা হয়েছিল মেক্সিকোতে, এপ্রিল, ২০০৯ সালে। পরবর্তীতে, এই রোগটি অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ে।
- সোয়াইন ফ্লু হচ্ছে মানবদেহের ইনফ্লুয়েঞ্জার ভাইরাসের মতোই এক ধরনের ভাইরাস, যা প্রধানত শূকরের দেহে দ্রুত বংশবিস্তার করতে পারে।
এই ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস টাইপ A (H1N1)।
- বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ২০০৯-এর জুন মাসে বিশ্বের ৭৪টি দেশে নতুন H1N1 ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের উপস্থিতির কারণে এই রোগের সাম্প্রতিক অবস্থাকে বিশ্বব্যাপী মহামারি বলে চিহ্নিত করেছে।
- মানুষ, শূকর ও পাখির সংমিশ্রণে উদ্ভব হওয়া ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের এই রূপটি সম্পর্কে ধারণা করা হয় এটি শূকরের মাধ্যমে মানুষকে আক্রান্ত করেছে।
- সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গের মধ্যে জ্বর হওয়া, মাথা ব্যথা, গলা ও শরীর ব্যথা, শ্বাস কষ্ট, ক্ষুধামান্দ্য ও আলস্যবোধ করা, ওজন কমে যাওয়া ইত্যাদি অন্যতম। 
- ২০০৯ সালের ১৮ জুন বাংলাদেশে প্রথম সোয়াইন ফ্লু রোগী শনাক্ত করা হয়। 

সূত্র: WHO Website [লিঙ্ক]
১,০০৮.
ম্যালেরিয়ার ওষুধ ‘কুইনিন’ কোন গাছ থেকে পাওয়া যায়?
  1. ক) নিম গাছ
  2. খ) পাথরকুচি
  3. গ) সিনকোনা
  4. ঘ) তুলসী গাছ
সঠিক উত্তর:
গ) সিনকোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিনকোনা
ব্যাখ্যা
• ম্যালেরিয়ার ওষুধ ‘কুইনিন’ সিনকোনা গাছ থেকে পাওয়া যায়।
- এ গাছের বাকল থেকেই বিশ্ব প্রথম পায় কুইনিন, যা ম্যালেরিয়ার প্রথম ওষুধ হিসেবে সমাদৃত।
- কুইনিনের আবিষ্কার নিয়ে বিশ্বজুড়ে শিহরণ যেমন ছিল, তেমনি ছিল সন্দেহও।
- এ গাছ থেকে কাঁচামাল নিয়ে উৎপাদিত ওষুধ হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,০০৯.
কোনটি এন্টিবায়োটিক?
  1. ইনসুলিন
  2. পেপসিন
  3. পেনিসিলিন
  4. ইথিলিন
সঠিক উত্তর:
পেনিসিলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেনিসিলিন
ব্যাখ্যা
- পেনিসিলিন হলো একটি এন্টিবায়োটিক।
- স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৯ সালে পেনিসিলিন নামক জীবন রক্ষাকারী এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন।

অন্যদিকে,
- ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়।
- পেপসিন নামক এনজাইম প্রোটিন পরিপাকে সহায়তা করে ।
- ফল পাকানোর জন্য দায়ী ফাইটোহরমোনের নাম ইথিলিন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,০১০.
'সোয়াইন ফ্লু' রোগের ভাইরাস কোনটি?
  1. HN
  2. H1N1
  3. H2N1
  4. H1N2
সঠিক উত্তর:
H1N1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
H1N1
ব্যাখ্যা
সোইয়ইন ফ্লু ভাইরাস: 
- সোইয়ইন ফ্লু ভাইরাসটি সর্বপ্রথম ২০০৯ সালের এপ্রিল মাসে মেক্সিকোতে শনাক্ত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে এই রোগটি অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ে। 
- সোয়াইন ফ্লু হচ্ছে মানবদেহের ইনফ্লুয়েঞ্জার ভাইরাসের মতোই এক ধরনের ভাইরাস, যা প্রধানত শূকরের দেহে দ্রুত বংশবিস্তার করতে পারে। 
- এই ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস টাইপ A (H1N1)। 
- বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ২০০৯-এর জুন মাসে বিশ্বের ৭৪টি দেশে নতুন H1N1 ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের উপস্থিতির কারণে এই রোগের সাম্প্রতিক অবস্থাকে বিশ্বব্যাপী মহামারি বলে চিহ্নিত করেছে। 
- মানুষ, শূকর ও পাখির সংমিশ্রণে উদ্ভব হওয়া ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের এই রূপটি সম্পর্কে ধারণা করা হয় এটি শূকরের মাধ্যমে মানুষকে আক্রান্ত করেছে। 
- সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গের মধ্যে জ্বর হওয়া, মাথা ব্যথা, গলা ও শরীর ব্যথা, শ্বাস কষ্ট, ক্ষুধামান্দ্য ও আলস্যবোধ করা, ওজন কমে যাওয়া ইত্যাদি অন্যতম। 
- ২০০৯ সালের ১৮ জুন বাংলাদেশে প্রথম সোয়াইন ফ্লু রোগী শনাক্ত করা হয়। 

উৎস: WHO Website [লিঙ্ক]।
১,০১১.
আমাদের দেহে অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে অনুপ্রবেশকারী ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া সহ বিভিন্ন ক্ষতিকর জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করে-
  1. ক) রক্তরস
  2. খ) শ্বেতকণিকা
  3. গ) অনুচক্রিকা
  4. ঘ) লোহিত কণিকা
সঠিক উত্তর:
খ) শ্বেতকণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শ্বেতকণিকা
ব্যাখ্যা
দেহের প্রতিরক্ষন ও আত্মরক্ষায় সাহায্য করে শ্বেতকণিকা। এরা দেহের আকার পরিবর্তনের মাধ্যমে ফ্যাগোসাইটসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস করে। অন্যদিকে অনুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে এবং লোহিত রক্ত কণিকা অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পরিবহন করে।
১,০১২.
ব্যাকটেরিয়ার ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য নয়?
  1. ক) দেহে বিভিন্ন এনজাইম বিদ্যমান
  2. খ) পোষকদেহের সজীব কোষের বাইরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে
  3. গ) DNA বা RNA উভয় প্রকার নিউক্লিক এসিড থাকে
  4. ঘ) নিউক্লিক এসিড ক্যাপসিড- এর মধ্যে অবস্থান করে
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিউক্লিক এসিড ক্যাপসিড- এর মধ্যে অবস্থান করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিউক্লিক এসিড ক্যাপসিড- এর মধ্যে অবস্থান করে
ব্যাখ্যা

ব্যাকটেরিয়া কোষীয় এবং এতে আদি প্রকৃতির নিউক্লিয়াস থাকে। এরা আণুবীক্ষণিক জীব।
- সজীব কোষের বাইরেও বংশবৃদ্ধি করতে পারে। কেলাসিত করলে আর জীবনের লক্ষণ প্রকাশ করে না।
- ব্যাকটেরিয়াতে DNA বা RNA উভয় প্রকার নিউক্লিক এসিড থাকে এবং এই নিউক্লিক এসিড সাইটোপ্লাজমে অবস্থান করে।
- এদের দেহে বিভিন্ন এনজাইমও থাকে এবং দেহে বিপাকক্রিয়া ঘটে।

- ভাইরাসের ক্ষেত্রে DNA বা RNA যে কোনো একপ্রকার নিউক্লিক এসিড থাকে এবং তা ক্যাপসিড- এর মধ্যে অবস্থান করে।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১,০১৩.
গরুর গো-বসন্ত রোগের ভাইরাস কোনটি?
  1. র‍্যাবিস ভাইরাস
  2. ফ্ল্যাভি ভাইরাস
  3. ভ্যাকসিনিয়া ভাইরাস
  4. অ্যাডিনো ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
ভ্যাকসিনিয়া ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভ্যাকসিনিয়া ভাইরাস
ব্যাখ্যা
- গরুর গো-বসন্ত রোগের ভাইরাস হচ্ছে - ভ্যাকসিনিয়া ভাইরাস। 

ভাইরাস: 

- প্রাণী ও উদ্ভিদ দেহে ভাইরাস নানাবিধ রোগ উৎপন্ন করে। 
- ভাইরাস আক্রমণের ফলে মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব এমনকি অকাল মৃত্যুও হতে পারে। 
- স্বল্প পরিসরে ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অনেক উপকারও করে। 
- তবে তুলনামূলকভাবে ভাইরাস মানুষের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে থাকে। 

ভাইরাসের অপকারিতা: 
১। বিভিন্ন প্রকার ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর নানা রকমের রোগ উৎপন্ন করে। 
- এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু রোগের নাম, পোষকের নাম এবং ভাইরাসের নাম হলো -


উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০১৪.
BCG টিকা কোন ধরনের টিকার অন্তর্ভুক্ত? 
  1. ডিএনএ টিকা
  2. নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা
  3. নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু জীবন্ত টিকা
  4. মৃত জীবাণুভিত্তিক টিকা
সঠিক উত্তর:
নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু জীবন্ত টিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু জীবন্ত টিকা
ব্যাখ্যা
টিকার প্রকারভেদ: 
- মানবদেহের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে দমন করতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টিকা আবিষ্কার করেছেন। 
যেমন- 
১। মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা: 
- এ ধরনের টিকা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি। 
উদাহারণ- ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা প্রভৃতি ভ্যাকসিন। 

২। নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু জীবন্ত টিকা: 
- কালচার করা, ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল করে দেওয়া জীবিত জীবাণু নিয়ে তৈরি। 
উদাহরণ- ব্যাসিলাস ক্যালমেট-গুয়েরিন (BCG), হাম, মাম্পস, পোলিও, জলাতঙ্ক, যক্ষ্মা, গুটিবসন্ত, প্লেগ, টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

৩। নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা: 
- এ ধরনের টিকা জীবাণু নিঃসৃত টক্সয়েড দিয়ে তৈরি। 
উদাহরণ- ডিপথেরিয়া, টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

৪। দেহ তলের রাসায়নিক বস্তু: 
- অনেক ক্ষেত্রে সংক্রমণকারী জীবাণুর দেহ তল থেকে রাসায়নিক উপাদান (নির্দিষ্ট প্রোটিনের অংশ) আলাদা করে ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 
উদাহরণ- হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস ভ্যাকসিন প্রভৃতি। 

৫। ডিএনএ টিকা: 
- রিকমবিনেন্ট DNA পদ্ধতিতে DNA ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০১৫.
কোনটি ধনুষ্টংকার রোগ সৃষ্টি করে?
  1. ক) ব্যাসিলাস
  2. খ) কমা
  3. গ) স্পাইরাল
  4. ঘ) কক্কাস
সঠিক উত্তর:
ক) ব্যাসিলাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব্যাসিলাস
ব্যাখ্যা

ব্যাকটেরিয়া হল আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত, অসবুজ, এককোষী অণুবীক্ষণিক জীব।
বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক সর্বপ্রথম ব্যাকটেরিয়া দেখতে পান।
ব্যাকটেরিয়া কোষগোলাকার, দন্ডাকার, কমা আকার, প্যাঁচানো ইত্যাদি নানা ধরণের হতে পারে।
দেহের আকার আকৃতির ভিত্তিতে একে নিম্নরূপে শ্রেণীবদ্ধকরা হয়ঃ
কক্কাসঃ কোন কোন ব্যাকটেরিয়া কোষের আকৃতি গোলাকার। এরা কক্কাস ব্যাকটেরিয়া।
এরা এককভাবে অথবা দলবেঁধে থাকতে পারে, যেমন- নিউমোনিয়া রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া।
ব্যাসিলাসঃ এরা লম্বা দন্ডের ন্যায় দেখতে। ধনুষ্টংকার, রক্তামাশয় ইত্যাদি রোগ এরা সৃষ্টি করে।
কমাঃ এরা বাঁকা দন্ডের ন্যায় আকৃতির ব্যাকটেরিয়া। মানুষের কলেরা রোগের ব্যাকটেরিয়া এ ধরণের।
স্পাইরিলামঃ এ ধরণের ব্যাকটোরিয়ামের আকৃতি প্যাঁচানো।
সূত্রঃ পৃষ্ঠা নং-০৩, বিজ্ঞান, ৭ম শ্রেণি।

১,০১৬.
COVID-19 রোগটি কোন অঙ্গকে প্রধানভাবে প্রভাবিত করে?
  1. হৃৎপিণ্ড
  2. পাকস্থলী
  3. ফুসফুস
  4. মস্তিষ্ক
সঠিক উত্তর:
ফুসফুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুসফুস
ব্যাখ্যা
• COVID-19 রোগের জন্য দায়ী ভাইরাসটির নাম SARS-CoV-2, যা করোনাভাইরাস গোত্রের সদস্য। এটি একটি RNA ভাইরাস, যা প্রধানত মানুষের শ্বাসতন্ত্রকে আক্রমণ করে। ভাইরাসটি সাধারণত সংক্রামিত ব্যক্তির কাশি, হাঁচি অথবা স্পর্শের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

• এটি একটি সংক্রামক রোগ, যা ২০১৯ সালের শেষদিকে চীনের উহান শহরে প্রথম সনাক্ত হয়। অল্প সময়েই এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ১১ মার্চ, ২০২০-তে একে বৈশ্বিক মহামারী (Pandemic) ঘোষণা করে।

এর লক্ষণ-
- জ্বর 
- শুষ্ক কাশি
- শ্বাসকষ্ট
- গলা ব্যথা, ক্লান্তি। 
- গন্ধ/স্বাদ হারানো। 
- গাঁট ব্যথা, মাথাব্যথা, ত্বকে র‍্যাশ। 
-  অনেকে অসিম্পটোমেটিক (লক্ষণহীন) হলেও সংক্রমণ ছড়াতে পারে।
 
ফুস্ফুসে যেভাবে সংক্রমন ঘটায়
- ফুসফুসের ভেতরে সংক্রমণ ঘটায়। 
- শ্বাসতন্ত্রকে আক্রান্ত করে। 
- গুরুতর ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া, ফুসফুসে তরল জমা, বা অক্সিজেন স্বল্পতা দেখা দেয়। 

গুরুতর অবস্থায়
- Acute Respiratory Distress Syndrome (ARDS) হতে পারে । 
- ভেন্টিলেটরের প্রয়োজন হয়।
- কখনো কখনো এটি মৃত্যুর কারণও হয়ে দাঁড়ায়। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
- WHO (World Health Organization): “COVID-19 and the Lung.
১,০১৭.
মানবদেহের রক্তের শ্রেণিবিন্যাস করেন কে?
  1. ক) কার্ল ল্যান্ডস্টাইনার
  2. খ) লুই পাস্তুর
  3. গ) লিউয়েন হুক
  4. ঘ) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং 
সঠিক উত্তর:
ক) কার্ল ল্যান্ডস্টাইনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কার্ল ল্যান্ডস্টাইনার
ব্যাখ্যা

১৯০১ সালে বিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ডস্টাইনার মানুষের রক্তের শ্রেণীবিন্যাস করে তা A,B,O এবং AB- এ চারটি গ্রুপের নামকরণ করেন। সাধারণত একজন মানুষের জীবনে রক্তের গ্রুপ আজীবন একই রকম থাকে।
গ্রুপ A- এ শ্রেণির রক্তে A এন্টিজেন এবং b এন্টিবডি থাকে।
গ্রুপ B- এ শ্রেণির রক্তে B এন্টিজেন ও a এন্টিবডি থাকে।
গ্রুপ AB- এ শ্রেণির রক্তে A ও B এন্টিজেন থাকে এবং কোন এন্টিবডি থাকে না।
গ্রুপ O- এ শ্রেণির রক্তে কোন এন্টিজেন থাকে না কিন্তু a ও b এন্টিবডি থাকে।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

১,০১৮.
শিশুকে বুকের দুধ পান করানোর সময় মায়ের শরীরে কোন হরমোন নিঃসৃত হয়?
  1. ইনসুলিন
  2. অক্সিটোসিন
  3. অ্যাড্রেনালিন
  4. থাইরক্সিন
সঠিক উত্তর:
অক্সিটোসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিটোসিন
ব্যাখ্যা

- শিশুকে বুকের দুধ পান করানোর সময় মায়ের শরীরে অক্সিটোসিন হরমোন নিঃসৃত হয়। এই হরমোনটি স্তনের পেশি সংকুচিত করে দুধ বের হতে সাহায্য করে এবং মায়ের সাথে শিশুর মানসিক বন্ধন দৃঢ় করে। এছাড়াও এই সময় প্রোল্যাকটিন নামক আরেকটি হরমোন নিঃসৃত হয় যা দুধ উৎপাদনে সহায়তা করে। 

শিশুকে মায়ের দুধ দেয়ার প্রয়োজনীয়তা: 
- জন্মের পরপরই সুস্থ নবজাতককে উষ্ণ রাখার জন্য মায়ের পেট ও বুকে রাখা হয়। 
- প্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ী শিশুর জন্য মায়ের দুধ সর্বোৎকৃষ্ট খাদ্য। 
১। শিশুর প্রথম খাবার হিসেবে শালদুধ বা কলোস্ট্রাম শিশুর প্রথম টিকা হিসাবে কাজ করে। শালদুধ এন্টিবডি ও প্রতিরক্ষামূলক প্রোটিনসমৃদ্ধ হওয়ায় শিশুর বহু রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। 
২। শিশু জন্মের প্রথম ৩-৫ দিন শালদুধ অল্প মাত্রায় আসে। তবে এ পরিমাণই নবজাতকের শারীরিক সুরক্ষার জন্য যথেষ্ট। শালদুধ শিশুর পরিপাচক অন্ত্রসমূহকে উদ্দীপিত করে, যার ফলে অন্ত্র থেকে দ্রুত মিকোনিয়াম (শিশুর প্রথম মল) পরিষ্কার হয়। এ অবস্থা জন্ডিস সৃষ্টিকারী জীবাণু শরীর থেকে বের হয়ে যেতে সাহায্য করে। 
৩। শিশু মায়ের স্তন মুখে নেয়া ও চোষার ফলে মায়ের শরীরে অক্সিটোসিন নামক হরমোন নির্গত হয়। এতে মা শান্ত, অবসাদমুক্ত বোধ করেন এবং শিশুর সাথে মায়ের ভালোবাসার বন্ধন দৃঢ় হয়। 
৪। শিশু জীবনের প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের দুধ এবং ছয় মাস পর থেকে ২ বছর পর্যন্ত বাড়তি খাবারের সাথে মায়ের দুধ দেয়া চলতে থাকে। 
৫। মায়ের দুধে রোগ জীবাণু প্রবেশের ভয় থাকে না, এ দুধের উত্তাপ শরীরের তাপমাত্রা অনুযায়ী থাকে বলে একে ঠান্ডা বা গরম করতে হয় না। 
৬। শিশুকে বুকের দুধ দিতে হলে ধৈর্য ও মানসিক প্রস্তুতির প্রয়োজন। কারণ, মানসিক অশান্তি, স্বাস্থ্যহীনতা, রোগাক্রান্ত অবস্থা বা উত্তেজিত পরিস্থিতিতে শিশুকে দুধ দিলে মায়ের দুধ কমে যাবে, শিশুর মধ্যেও অতৃপ্তি আসবে। 

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০১৯.
ভিট্রিয়াস হিউমার কোথায় থাকে?
  1. ক) লেন্স ও কর্নিয়ার মাঝে
  2. খ) লেন্স ও রেটিনার মাঝে
  3. গ) রেটিনা ও কর্নিয়ার মাঝে
  4. ঘ) কর্নিয়া ও আইরিশের মাঝে
সঠিক উত্তর:
খ) লেন্স ও রেটিনার মাঝে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লেন্স ও রেটিনার মাঝে
ব্যাখ্যা

লেন্স ও কর্ণিয়ার মাঝে ফাঁকা যায়গায় এক ধরনের স্বচ্ছ লবণাক্ত জলীয় পদার্থে পূর্ণ থাকে। লেন্স ও রেটিনার মাঝখানের ফাঁকা যায়গাও অনুরূপভাবে এক ধরণের জেলি জাতীয় স্বচ্ছ পদার্থে পূর্ণ থাকে। এদের যথাক্রমে অ্যাকুয়াস হিউমার এবং ভিট্রিয়াস হিউমার বলা হয়।
কর্ণিয়া, অ্যাকুয়াস হিউমার, ভিট্রিয়াস হিউমার, চক্ষুলেন্স সব কিছু মিলে একত্রে একটি উত্তল লেন্সের কাজ করে।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১,০২০.
কোন ভ্যাকসিনের ব্যবহার বাংলাদেশে পোলিও রোগকে নির্মূল করতে সাহায্য করেছে? 
  1. OPV
  2. BCG
  3. DPT
  4. MMR
সঠিক উত্তর:
OPV
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OPV
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রাম: 
- রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে টিকার আবিষ্কার এবং এর প্রচলন মানুষের জন্য আশীর্বাদ। 
- টিকার মাধ্যমে ১৯৭৯ সালে চূড়ান্তভাবে নির্মূলের পূর্বে গুটি বসন্ত এককভাবে পৃথিবীর প্রায় ৩০-৪০ কোটি মানুষের প্রাণ হরণ করেছে। 
- আবিষ্কৃত পোলিও ভ্যাকসিন OPV এর ব্যবহার দ্বারা বাংলাদেশ বর্তমানে পোলিও রোগ মুক্ত। 
- এই টিকা বা ভ্যাকসিনের জন্যই রুবেলা, হাম, মাম্পস, যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, পারটুসিস, ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস ইত্যাদি রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছে। 
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expanded Program on Immunization-EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী কয়েকটি রোগ, যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম ইত্যাদির ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- মা এবং শিশুকে টিটেনাস থেকে রক্ষার জন্য টিটেনাস টক্সেয়েড (tetanus toxoid) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- ভ্যাকসিনেশনের জাতীয় কর্মসূচীতে নিচের ছক অনুযায়ী টিকা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়-


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০২১.
কোনটির অভাবে এসিডোসিস রোগের সৃষ্টি হয়? 
  1. পানি
  2. আমিষ
  3. শর্করা
  4. খনিজ লবণ
সঠিক উত্তর:
পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি
ব্যাখ্যা
পানি: 
- পানি খাদ্যের একটি প্রধান উপাদান। 
- দেহের গঠন ও অভ্যন্তরীণ কাজ পানি ছাড়া চলতে পারে না। 
- আমাদের দৈহিক ওজনের ৬০%- ৭৫% হচ্ছে পানি। 
- আমাদের রক্ত, মাংস, স্নায়ু, দাঁত, হাড় ইত্যাদি প্রতিটি অঙ্গ গঠনের জন্য পানির প্রয়োজন। 
- পানি জীবদেহে দ্রাবকের কাজ করে, খাদ্য উপাদানের পরিপাক ও পরিশোষণে সাহায্য করে। 
- বিপাকের ফলে দেহে উৎপন্ন ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি শরীরের জন্য ক্ষতিকর এবং বিষাক্ত পদার্থগুলোকে পানি মূত্র ও ঘাম হিসেবে শরীর থেকে বের করে দেয়। 
- এছাড়া পানি শরীর থেকে ঘাম নিঃসরণ এবং বাষ্পীভবনের মাধ্যমে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখে। 

- একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক ২-৩ লিটার পানি পান করা উচিত, কারণ প্রায় ঐ পরিমাণ পানি প্রত্যেকদিনই আমাদের শরীর থেকে বের হয়ে যায়। 
- মাছ, মাংস কিংবা শাক-সবিজিতে শতকরা ৬০-৯০ ভাগ পানি থাকে। 
- পানির অভাবে এসিডোসিস রোগের সৃষ্টি হয় যা দেহে অম্ল ও ক্ষারের সমতা নষ্ট করে। 
- শরীরে পানি ১০% কমে গেলে সংজ্ঞা লোপ পায়, এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে। 
- শরীরে পানির অভাব নিরসনের জন্য যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে খাবার স্যালাইন খাওয়াতে হয়। 
- শরীর থেকে যে পরমাণ পানি ও লবণ বের হয়ে যায়, খবার স্যালাইন তা পূরণ করে শরীরে পানি ও লবণের ভারসাম্য ঠিক রাখে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০২২.
মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ করে কোন ধমনী ?
  1. ক) ফেসিয়াল ধমনি
  2. খ) অক্সিপিটাল ধমনি
  3. গ) বহি: ক্যারোটিড ধমনি
  4. ঘ) আন্তঃক্যারোটিড ধমনি
সঠিক উত্তর:
ঘ) আন্তঃক্যারোটিড ধমনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আন্তঃক্যারোটিড ধমনি
ব্যাখ্যা
আন্তঃক্যারোটিড ধমনি মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ করে।

ধমনি:

মানব দেহের এমনসব রক্তবাহী নালি যেগুলো হৃৎপিণ্ড থেকে পরিশোধিত রক্ত বহন করে দেহের বিভিন্ন অংশে সরবরাহ করে। ধমনি সবসময় পরিশোধিত তথা অক্সিজেনসমৃদ্ধ (অক্সিজেনেটেড) রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে সরবরাহ করে; তবে ব্যতিক্রম হলো ফুসফুসীয় ধমনি এবং আমবিলিক্যাল ধমনি।

তাছাড়া--
ফেসিয়াল ধমনি:  মুখমণ্ডল ,ত্বক ও পেশিতে রক্ত সরবরাহ করে।
অক্সিপিটাল ধমনি: অক্সিপিটাল অঞ্চলের ত্বক ও পেশিতে রক্ত বহন করে। 
বহি: ক্যারোটিড ধমনি : মাথার ত্বক এবং ঘাড়ে রক্ত সরবরাহ করে। 

 
SOURCE: জীব বিজ্ঞান (প্রাণবিজ্ঞিান) ২য় পত্র, এইচ এস সি পোগ্রাম , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
১,০২৩.
'স্নায়ু বিষ' অভিহিত করা হয় কোনটিকে?
  1. টেস্টিং সল্ট
  2. সাদা চিনি
  3. টেবিল সল্ট
  4. লাইম স্টোন
সঠিক উত্তর:
টেস্টিং সল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেস্টিং সল্ট
ব্যাখ্যা
- খাবার লবণের রাসায়নিক নাম সোডিয়াম ক্লোরাইড।
- টেস্টিং সল্ট নামে পরিচিত আরেকটি লবণ আছে যার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম গ্লুটামেট বা মনো সোডিয়াম গ্লুটামেট।
- এটি শুষ্ক খাবার যেমন পাউরুটি, চানাচুর প্রভৃতির স্বাদ বাড়িয়ে তোলে।
- খাবারকে মুখরোচক বা মজাদার করতে স্বাদ লবণ বা টেস্টিং সল্ট নামের রাসায়নিক উপাদান বাড়িতে ও খাবার দোকানে বহুল ব্যবহূত হয়।
- এটি বেশি পরিমাণে ব্যবহার হলে স্নায়ুতন্ত্রের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে, তাই বিজ্ঞানীরা একে স্নায়ুবিষ বলে থাকেন।

উৎস:
১. বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২০ শিক্ষাবর্ষ।
২. দৈনিক ইত্তেফাক। [Link]
১,০২৪.
মানুষের দেহকোষে কতটি ক্রোমোসোম থাকে?
  1. ক) ২৩ টি
  2. খ) ২২ টি
  3. গ) ৪৪ টি
  4. ঘ) ৪৬ টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪৬ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪৬ টি
ব্যাখ্যা
মানুষ এবং অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীতে প্রায় একই পদ্ধতিতে লিঙ্গ নির্ধারণ হয়। মানবদেহে ক্রোমোজোম সংখ্যা 46 টি বা 23 জোড়া। এর মধ্যে 22 জোড়া বা 44টিকে বা অটোজোম (Autosome ) এবং 1 জোড়াকে  সেক্স- ক্রোমোজোম (Sex chromosome) বলা হয়।

অটোজোমগুলো শারীরবৃত্তীয়, ভ্রূণ এবং দেহ গঠন ইত্যাদি কার্যাদিতে অংশগ্রহণ করে। লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনো ভূমিকা নেই।
সেক্স ক্রোমোজোম দুটি এক্স (X) এবং ওয়াই (Y) নামে পরিচিত। লিঙ্গ নির্ধারণে এরা মুখ্য ভূমিকা পালন করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১,০২৫.
কোয়াশিয়রকর রোগ হয়-
  1. ক) শর্করার অভাবে
  2. খ) ভিটামিনের অভাবে
  3. গ) আমিষের অভাবে
  4. ঘ) খনিজ পুষ্টির অভাব
সঠিক উত্তর:
গ) আমিষের অভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আমিষের অভাবে
ব্যাখ্যা

- ২ থেকে ৪ বছরের শিশুদের কোয়াশিয়রকর রোগ হয় আমিষের অভাবে।
- শিশুদের মেরাসমাস ও কোয়াশিয়রকর রোগ হয় আমিষ বা প্রোটিনের অভাবে।
- এর ফলে দেখা দেয় রক্তস্বল্পতা।
- এ রোগের লক্ষণগুলো হলোঃ
• শিশুর বৃদ্ধি হ্রাস পায়।
• পেটের পীড়া দেখা দেয়।
• পেশি ক্ষয় হতে থাকে।
• পানি জমে শরীর ফুলে যায়। ‌

১,০২৬.
ইনসুলিন এক ধরনের-
  1. হরমোন
  2. শর্করা
  3. ভিটামিন
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
হরমোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরমোন
ব্যাখ্যা
- বহুমূত্র রোগ বা ডায়াবেটিস মেলিটাস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ।
- প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে কমায়।
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকানল এবং ইনসুলিন নির্গত হয়।
- ইনসুলিনের অভাবেই ডায়াবেটিস রোগ হয়।
- কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন নির্গত করতে পারে না, কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না।
- যে কারণে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বই।
১,০২৭.
মানুষের লালারসে কোন এনজাইমটি থাকে?
  1. পেপসিন
  2. ট্রিপসিন
  3. টায়ালিন
  4. অ্যামাইলেজ
সঠিক উত্তর:
টায়ালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টায়ালিন
ব্যাখ্যা
- মানুষের লালারসে টায়ালিন এনজাইম থাকে। 

মুখবিবর: 
- মুখ পরবর্তী অংশটি মুখবিবর। 
- মুখবিবরে তিন জোড়া লালাগ্রন্থি থাকে। 
- নিম্ন চোয়ালের অস্থির সাথে জিহ্বাযুক্ত থাকে। 
- জিহ্বার অগ্রভাগ মিষ্টি, দুই পার্শ্ব নোনা, পশ্চাৎ ভাগের দুই পার্শ্ব টক এবং পেছনের দিক তিক্ত স্বাদ গ্রহণ করে। 
- জিহ্বা খাদ্য দ্রব্যের স্বাদ গ্রহণ করে এবং পেষণের সময় লালারস মিশ্রিত করে খাদ্য দ্রব্যকে পিচ্ছিল করে পেছনে ঠেলে দেয়। 
- লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত “মিউসিন” খাদ্যকে পিচ্ছিল করে। 
- আর লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত টায়ালিন ও মল্টেজ এনজাইম খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০২৮.
নিচের কোনটি হাইপোথ্যালামাসের কাজ?
  1. অম্ল ও ক্ষারের সাম্যতা রক্ষা করা
  2. ঐচ্ছিক চলাফেরা নিয়ন্ত্রণ করা
  3. দেহের ভারসাম্য রক্ষা করা
  4. দেহতাপ নিয়ন্ত্রণ করা
সঠিক উত্তর:
দেহতাপ নিয়ন্ত্রণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেহতাপ নিয়ন্ত্রণ করা
ব্যাখ্যা

অগ্রমস্তিষ্কের প্রধান অংশে অবস্থিত হাইপোথ্যালামাস। এর কাজগুলো হলো -
১) দেহে তাপ নিয়ন্ত্রণ করা।
২) স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুকেন্দ্রের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করা।
৩) ক্ষুধা, তৃষ্ণা, ভালো লাগা, ঘাম, ঘুম, রাগ ইত্যাদির উপক্রম ঘটায়।

১,০২৯.
কোনটির অভাবে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়?
  1. ক) থায়ামিন
  2. খ) রাইবোফ্ল্যাভিন
  3. গ) নিয়াসিন
  4. ঘ) কোবালামিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোবালামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোবালামিন
ব্যাখ্যা

- দেহে থায়ামিনের চরম অভাবে বেরিবেরি রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। এর অভাবে স্নায়ুর দুর্বলতা, মানসিক অবসাদ, ক্লান্তি, খাওয়ায় অরুচি, ওজনহীনতা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।
- রাইবোফ্ল্যাভিনের অভাবে ঠোঁটের দুপাশে ফাটল দেখা দেয়, মুখে ও জিভে ঘা হয়, ত্বক খসখসে হয়। চোখ দিয়ে পানি পড়ে। এর অভাবে তীব্র আলোতে চোখ খুলতে অসুবিধা হয়।
- নিয়াসিনের অভাবে পেলেগ্রা হয়।
- কোবালামিন/ সায়ানোকোবালামিন/ ভিটামিন B12 এর অভাবে রক্তশূন্যতা দেখা দেয় এবং স্নায়ুর অবক্ষয় ঘটে।

সূত্র: মাধমিক বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি 

১,০৩০.
কোন হরমোনকে স্ট্রেস হরমোন বলা হয়?
  1. কর্টিসল
  2. মেলাটোনিন
  3. লেপটিন
  4. ইনসুলিন
সঠিক উত্তর:
কর্টিসল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্টিসল
ব্যাখ্যা
• কর্টিসল হরমোন:
- কর্টিসল হরমোনকে স্ট্রেস হরমোনও বলা হয়।
- মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তায় এই হরমোন বেড়ে যায়।
- কর্টিসল হল একটি স্টেরয়েড হরমোন।
- কর্টিসল গ্লুকোজ বিপাক নিয়ন্ত্রণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

অপশন আলোচনা:
• মেলাটোনিন হরমোন - মেলাটোনিন হরমোন ঘুম নিয়ন্ত্রণ করে।

• লেপটিন হরমোন - কতটুকু খেতে হবে, এখন কি খেতে ইচ্ছা করছে কিংবা ক্ষুধা নিবারণ হয়েছে কিনা; লেপটিন হরমোন আমাদের মস্তিষ্কে তা জানান দেয়।

• ইনসুলিন হরমোন:
- ডায়াবেটিসের কারণে রক্তে গ্লুকোজ বা শর্করার পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়।
- সাধারণত ডায়াবেটিসের লক্ষণগুলোর মধ্যে অত্যধিক পিপাসা, ঘনঘন প্রস্রাব হওয়া, ক্লান্তি, ক্ষত না শোঁকানো ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
- এর সঠিক চিকিৎসা না হলে পরবর্তী সময়ে হৃদরোগ, কিডনি রোগ, স্ট্রোক ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে।
- প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন নিঃসৃত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে কমায়।
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকাগন এবং ইনসুলিন নিঃসৃত হয়।
- ইনসুলিনের অভাবেই ডায়াবেটিস রোগ হয়।
- কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন নিঃসৃত করতে পারে না, কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না, যে কারণে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়।

উৎস:
১) বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২) National Center for Biotechnology Information.
১,০৩১.
নিচের কোন রোগের ফলে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়? 
  1. লিউকেমিয়া
  2. অ্যানিমিয়া
  3. থ্যালাসেমিয়া
  4. পলিসাইথিমিয়া
সঠিক উত্তর:
লিউকেমিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিউকেমিয়া
ব্যাখ্যা
রক্ত: 
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। 
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%। 
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের। 
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। 
যেমন: 
১। পলিসাইথিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়। 

২। অ্যানিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া। 

৩। লিউকেমিয়া: 
- নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। 
- কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে। 

৪। লিউকোসাইটোসিস: 
- শ্বেত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যদি ২০,০০০-৩০,০০০ হয়, তাকে লিউকোসাইটোসিস বলে। 
- নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগে এ অবস্থা হয়। 

৫। থ্রম্বোসাইটোসিস: 
- এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। 
- রক্তনালীর অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াকে থ্রম্বোসিস বলে। 
- হৃৎপিণ্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে। 

৬। পারপুরা: 
- ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলে এ অবস্থা হতে পারে। এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়। 

৭। থ্যালাসেমিয়া: 
- থ্যালাসেমিয়া একধরনের বংশগত রক্তের রোগ। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে রক্তশূন্যতা সৃষ্টি হয়। 
- হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতার কারণে লোহিত রক্ত কণিকা ভেঙ্গে যায়, ফলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। 
- সাধারণত শিশু অবস্থায় এ থ্যালাসেমিয়া রোগটি শনাক্ত হয়। এ রোগের জন্য রোগিকে প্রতি ৩ মাস অন্তর রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়। তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে রক্তশূন্যতার হার কমে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৩২.
'কার্ডিওলজী' কোন রোগের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. ক) হার্ট
  2. খ) চোখ
  3. গ) কিডনি
  4. ঘ) ফুসফুস
সঠিক উত্তর:
ক) হার্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হার্ট
ব্যাখ্যা

Cardiology is the study and treatment of disorders of the heart and the blood vessels.

Cardiologist (noun): a doctor who specializes in treating diseases of the heart.

১,০৩৩.
মানবশিশুর দুধ দাঁতের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ২০টি
  2. খ) ২১টি
  3. গ) ২৪টি
  4. ঘ) ২৬টি
সঠিক উত্তর:
ক) ২০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০টি
ব্যাখ্যা
- মানুষের চোয়ালে চার ধরনের দাঁত উপস্থিত থাকে।
- পরিণত মানুষের চোয়ালে মোট দাঁতের সংখ্যা ৩২টি।
- মানুষের দুধ দাঁতের সংখ্যা ২০টি। 

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
১,০৩৪.
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে ব্যবহৃত 'এমআর ভ্যাকসিন' দেওয়া হয় কোন রোগের বিরুদ্ধে?
  1. ধনুষ্টংকার
  2. রুবেলা
  3. যক্ষ্মা
  4. নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া
সঠিক উত্তর:
রুবেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুবেলা
ব্যাখ্যা
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে,
- বিসিজি ভ্যাকসিন দেওয়া হয় যক্ষ্মার বিরুদ্ধে।
- ডিপিটি ভ্যাকসিন দেওয়া হয় ধনুষ্টংকার, ডিপথেরিয়া ও হুপিং কাশির বিরুদ্ধে।
- এমআর ভ্যাকসিন দেওয়া হয় হাম ও রুবেলার বিরুদ্ধে।
- পিসিভি ভ্যাকসিন দেওয়া হয় নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়ার বিরুদ্ধে।
সূত্র: www.dghs.gov.bd ওয়েবসাইট
১,০৩৫.
ক্যালসিয়ামের অভাবে নিচের কোন সমস্যাটি দেখা দেয়? 
  1. এটির অভাবে রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে।
  2. এটির অভাবে রিকেটস রোগ হয়।
  3. এটির অভাবে শিশুদের দাঁত উঠতে দেরি হয়।
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ক্যালসিয়াম: 
- ক্যালসিয়াম (Ca) প্রাণীদের হাড় ও দাঁতের একটি প্রধান উপাদান। 
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের শতকরা দুই ভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম। 
- খনিজ পদার্থের মধ্যে দেহে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 
- অস্থি এবং দাঁতে ফসফরাস ও  ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর  ৯০% শরীরে সঞ্চিত থাকে। 
- রক্ত এবং লসিকাতে এর উপস্থিতি রয়েছে। 
- ক্যালসিয়ামের উদ্ভিজ্জ উৎস হচ্ছে: ডাল, তিল, সয়াবিন, ফুলকপি, গাজর, লালশাক, পালংশাক, কচুশাক, কলমিশাক, বাধঁকপি এবং ফল। 
- প্রাণিজ উৎস হচ্ছে: দুধ, ডিম, ছোট মাছ, শুঁটকি মাছ ইত্যাদি। 
- হাড় ও দাঁটের গঠন শক্ত রাখার জন্য ক্যালসিয়াম একটি অতিপ্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ। 
- এ ছাড়া ক্যালসিয়াম রক্ত সঞ্চালনে, হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে এবং স্নায়ু ও পেশির সঞ্চালনে সাহায্য করে। 
- ক্যালসিয়ামের অভাবের কারণে রিকেটস এবং বয়স্ক নারীদের অস্টিওম্যালেসিয়া রোগ হয়। 
- এর অভাবে শিশুদের দাঁত উঠতে দেরি হয় এবং তাদের রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৩৬.
সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক লোকের হৃদপিন্ডের সিস্টোলিক চাপ কত?
  1. ক) 70 - 90 মিলিমিটার মার্কারি
  2. খ) 110 - 130 মিলিমিটার মার্কারি
  3. গ) 70 - 80 মিলিমিটার মার্কারি
  4. ঘ) 130 - 150 মিলিমিটারি মার্কারি
সঠিক উত্তর:
খ) 110 - 130 মিলিমিটার মার্কারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 110 - 130 মিলিমিটার মার্কারি
ব্যাখ্যা
রক্ত চাপ : রক্ত প্রবাহের সময় ধমনিগাত্রে যে চাপ সৃষ্টি হয় তাকে রক্তচাপ বলে।

হৃদপিন্ডের সংকোচনশীল অবস্থায় যে সর্বাধিক চাপ সৃষ্টি করে তাকে সিস্টোলিক প্রেসার বলে। সুস্থ প্রাপ্ত বয়স্ক লোকের স্বাভাবিক সিস্টোলিক প্রেসার হলো ১১০-১৩০ মি.মি. Hg গড়ে ১২০ মি.মি।

হৃদপিন্ডের শিথিল অবস্থায় যে সর্বনিম্ন চাপ সৃষ্টি করে তাকে ডায়াস্টোলিক প্রেসার বলে। সুস্থ প্রাপ্ত বয়স্ক লোকের ডায়াস্টোলিক প্রেসার হলো ৭০-৯০ মি.মি. (গড়ে ৮০ মি.মি. Hg) রক্ত চাপকে সাধারণতঃ ১২০/৮০ রূপে প্রকাশ করা হয়।

সূত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৩৭.
টাইফয়েড রোগের কারণ—
  1. ক) ছত্রাক
  2. খ) ভাইরাস
  3. গ) ব্যাকটেরিয়া
  4. ঘ) নেমাটোড
সঠিক উত্তর:
গ) ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ: 
• যক্ষ্মা, 
টাইফয়েড
• আমাশয়
• কলেরা
• গনোরিয়া
• নিউমোনিয়া
• ডিপথেরিয়া
• হুপিংকাশি 
• ধনুষ্টংকার ইত্যাদি।

ভাইরাসজনিত রোগ:
• জলাতঙ্ক
• ইনফ্লুয়েঞ্জা
• হার্পিস
• গুটি বসন্ত
• জলবসন্ত 
• এইডস ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৩৮.
মানবদেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন পরিবহনের কাজ করে কোনটি?
  1. রক্ত
  2. লসিকা
  3. শিরা
  4. ধমনী
সঠিক উত্তর:
রক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্ত
ব্যাখ্যা
- ফুসফুস থেকে মানবদেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন পরিবহন এবং প্রতিটি কোষ থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড ফুসফুসে পরিবহনের কাজ করে থাকে রক্ত। 
- লসিকা শরীরের প্রতিরক্ষায় সাহায্য করে এবং স্নেহ জাতীয় খাদ্যের শোষণ ও পরিবহনে সাহায্য করে।
- মূত্র এবং ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে বিভিন্ন বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশিত হয়।

- ধমনীর সাহায্যে হৃদপিণ্ড থেকে দেহে রক্ত সঞ্চারিত হয়।
- শিরার সাহায্যে দেহের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে রক্ত হৃদপিন্ডে ফিরে আসে।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১,০৩৯.
ভাইরাসজনিত রোগ নয় কোনটি?
  1. জন্ডিস
  2. এইডস
  3. চোখ ওঠা
  4. নিউমোনিয়া
সঠিক উত্তর:
নিউমোনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউমোনিয়া
ব্যাখ্যা

- জন্ডিস হয়ে থাকে হেপাটাইটিস- এ, বি, সি, ডি, ই ইত্যাদি ভাইরাসের কারণে।
- এইডস হয়ে থাকে HIV নামক ভাইরাসের কারণে।
- চোখ ওঠা বিভিন্ন ধরনের ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে। এদের মধ্যে এডেনো ভাইরাস, পিকর্না ভাইরাস, হার্পিস ভাইরাস ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- নিউমোনিয়া প্রধানত স্ট্রেপটোকক্কাস নিউমোনি নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়ে থাকে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১,০৪০.
এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তির শরীরে -
  1. ক) শ্বেতরক্তকণিকা ধ্বংস হয়ে যায়।
  2. খ) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ পায়।
  3. গ) কোন নির্দিষ্ট লক্ষণ নেই।
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- মানবদেহে এইচআইভি এর আক্রমণে এইডস রোগ হয়।
- এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের শ্বেতকনিকা ধ্বংস হয়।
- ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ পায়।
- এইচআইভি সংক্রমণের সর্বশেষ পর্যায়ে হলো এইডস।
- মানব দেহে এইচআইভি ভাইরাস প্রবেশ করার ৬ মাস থেকে ১০ বছরের মধ্যে শরীরে এইডসের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
- এইডস রোগের কোন নির্দিষ্ট লক্ষণ নেই।
১,০৪১.
ভাইরাসের গঠনে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত?
  1. রাইবােসােম
  2. নিউক্লিয়াস
  3. সাইটোপ্লাজম
  4. নিউক্লিক অ্যাসিড
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিক অ্যাসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিক অ্যাসিড
ব্যাখ্যা

• ভাইরাসের গঠনে নিউক্লিক অ্যাসিড অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) নিউক্লিক অ্যাসিড। ভাইরাস কোনো পূর্ণাঙ্গ কোষ নয়, তাই এতে রাইবোসোম, নিউক্লিয়াস বা সাইটোপ্লাজম থাকে না। ভাইরাস মূলত দুটি অংশ নিয়ে গঠিত- একটি হলো জিনগত উপাদান (DNA বা RNA), যা নিউক্লিক অ্যাসিড, এবং অন্যটি হলো প্রোটিন আবরণ বা ক্যাপসিড। এই নিউক্লিক অ্যাসিডের মাধ্যমেই ভাইরাস বংশবিস্তার ও সংক্রমণ ঘটাতে সক্ষম হয়। জীবকোষের ভেতরে প্রবেশ না করলে ভাইরাস কোনো বিপাকীয় কাজ করতে পারে না, তাই একে জীব ও অজীবের মধ্যবর্তী বলা হয়।
 
ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাস কখনও জীবের ন্যায় আচরণ করে, আবার কখনও জড়ের ন্যায় আচরণ করে। 
- তাই ভাইরাসে জীব এবং জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। 

ভাইরাসে জীব বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA বা RNA থাকে। 
- পােষক কোষের অভ্যন্তরে এরা সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে। 
- এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটতে দেখা যায়। 
- ভাইরাস মিউটেশন ঘটাতে এবং প্রকরণ তৈরি করতে সক্ষম। 
- নতুন সৃষ্ট ভাইরাসে মূল ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে অর্থাৎ একটি ভাইরাস তার অনুরূপ ভাইরাস জন্ম দিতে পারে। 

ভাইরাসের জড় বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাস অকোষীয়। এদের সাইটোপ্লাজম, কোষ ঝিল্লী, কোষ প্রাচীর, রাইবােসােম, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিয়াস ইত্যাদি থাকে না। 
- এদের বিপাকীয় এনজাইম এবং পুষ্টি প্রক্রিয়া অনুপস্থিত। 
- এদের কোন জৈবিক কার্যকলাপ যেমন প্রজনন অন্য সজীব কোষ ছাড়া ঘটতে পারে না। 
- ভাইরাসকে কেলাসিত করা যায়, সেন্ট্রিফিউজ করা যায়, ব্যাপন করা যায়, পানির সাথে মিশিয়ে সাসপেনশন তৈরি করা যায় এবং তলানিও করা যায়। 
- জীবকোষের বাইরে ভাইরাস রাসায়নিক কণার ন্যায় নিষ্ক্রিয় থাকে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৪২.
ইলেক্ট্রনিক্সের বিপ্লব শুরু হয়-
  1. ক) আইসি আবিষ্কারের সময় থেকে
  2. খ) রোবট আবিষ্কারের মাধ্যমে
  3. গ) ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সময় থেকে
  4. ঘ) কম্পিউটার আবিষ্কারের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
গ) ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সময় থেকে
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রনিক্সে বিপ্লব শুরু হয় ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সময় থেকে। ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয় বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে‌। ট্রানজিস্টর বিবর্ধন করে তড়িৎ সংকেতকে।
১,০৪৩.
কোনটি কলেরা, টাইফয়েড ও যক্ষ্মা রোগের সৃষ্টি করে?
  1. ক) ব্যাকটেরিয়া
  2. খ) ভাইরাস
  3. গ) সিজেলা
  4. ঘ) জিয়াডিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
- ব্যাকটেরিয়া মানবদেহে বিভিন্ন ধরনের রোগের সৃষ্টি করে থাকে।
যেমন- কলেরা, টাইফয়েড, যক্ষ্মা, আমাশয়, টিটেনাশ, কুষ্ঠ (লেপরসী) প্রভৃতি।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,০৪৪.
'আবদুল্লাহ' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
  2. ইবরাহীম খাঁ
  3. কাজী আব্দুল ওদুদ
  4. কাজী ইমদাদুল হক
সঠিক উত্তর:
কাজী ইমদাদুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী ইমদাদুল হক
ব্যাখ্যা
• 'আবদুল্লাহ' উপন্যাস:
- 'আবদুল্লাহ' কাজী ইমদাদুল হক রচিত একটি উপন্যাস। এটি মোসলেম ভারত পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতো। ১৯৩৩ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

- কাজী ইমদাদুল হকের 'আবদুল্লাহ' উপন্যাসের 'তৎকালীন মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের চিত্র' অঙ্কিত হয়েছে।

- উপন্যাসটি রচনাকালীন সময়ে কাজী ইমদাদুল হকের মৃত্যু হলে, কাজী আনোয়ারুল কাদির ইমদাদুল হকের খসড়া অবলম্বন করে অসমাপ্ত উপন্যাসটি সমাপ্ত করেন। উপন্যাসটিতে চিত্রিত হয়েছে গ্রামীণ মুসলিম সমাজের পিরভক্তি, ধর্মীয় কুসংস্কার, পর্দাপ্রথা, সম্প্রদায়বিদ্বেষ ইত্যাদির বিরুদ্ধে মানবতাবাদী প্রতিবাদ।

- শিল্পের বিচারে 'আবদুল্লাহ্' উৎকৃষ্ট উপন্যাস নয়, তবে বাংলার সামাজিক বিবর্তনের, বিশেষ করে বাঙালি মুসলমানের অগ্রযাত্রার সম্ভাবনা ও প্রতিবন্ধকতা সুচারুভাবে ফুটে উঠায় গ্রন্থটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব আছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,০৪৫.
‘জিকা ভাইরাস‘ কোন দেশে সর্বপ্রথম ছড়ায়?
  1. ক) ভারত
  2. খ) আমেরিকা
  3. গ) ব্রাজিল
  4. ঘ) ইরাক
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
- জিকা ভাইরাস প্রথম আবিষ্কৃত হয় ১৯৪৭ সালে, উগান্ডায়। 
- ২০১৫ সালে সর্বপ্রথম ব্রাজিলে ছড়িয়ে পড়ে জিকা ভাইরাস।
 
জিকা ভাইরাস এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। 

সাধারণত সংক্রামিত এডিস এজেপ্টাই মশার কামড় থেকে জিকা ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে। ক্রান্তীয় অঞ্চলগুলিতে যেখানে মশার প্রকোপ খুব বেশি, সেখানে এই ধরনের সংক্রমণ বেশি হয়। সংক্রামিত এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের শরীরে জিকা ভাইরাস প্রবেশ করে।

জিকার কারণে মাত্র কয়েকদিনের জন্য মৃদু জ্বর, ফুসকুড়ি, চোখে জ্বালা, এবং দেহে ব্যথা হতে পারে। যদিও বেশীরভাগ লোকই যারা জিকা ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছে তাদের কোন লক্ষণ দেখা যায় না।

জিকার লক্ষণসমূহ: 
- ১ বা ২ দিনের জন্য নীচু মাত্রায় জ্বর, সাধারণতঃ ৩৮° (১০১°ফা)-এর বেশী নয়
- চোখে জ্বালা বা চোখ লাল
- অস্থির ব্যথা
- ত্বকে চুলকানি
- পেশীতে ব্যথা ও মাথা ব্যথা
 
The first confirmed case of Zika virus infection in the Americas was reported in Northeast Brazil in May 2015, although phylogenetic studies indicate virus introduction as early as 2013. Zika rapidly spread across Brazil and to more than 50 other countries and territories on the American continent.
 
Zika virus was first discovered in 1947 and is named after the Zika Forest in Uganda. In 1952, the first human cases of Zika were detected and since then, outbreaks of Zika have been reported in tropical Africa, Southeast Asia, and the Pacific Islands. Zika outbreaks have probably occurred in many locations.
 
Source: National Library Medicine of Science , Center for disease control and prevention 
১,০৪৬.
শিশুর জন্মের এক মাসের মধ্যে কোন টিকা দিতে হয়? 
  1. DPT
  2. DT
  3. OPV
  4. TT
সঠিক উত্তর:
OPV
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OPV
ব্যাখ্যা
- শিশুর জন্মের ১ সপ্তাহের মধ্যে 'বিসিজি ও ওপিভি-ও' টিকা নেয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়। 

ভ্যাকসিনেশন: 
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expended Programe on Immounization -EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী কয়রকটি রোগ যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম-ইত্যাদি রোগের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- মা এবং শিশুকে টিটেনাস থেকে রক্ষার জন্য টিটেনাস টক্সেয়েড (tetanus toxoid) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৪৭.
লোহিত রক্তকণিকার প্রধান কাজ কোনটি?
  1. ক) অক্সিজেন পরিবহন করা
  2. খ) রোগ প্রতিরোধ করা
  3. গ) রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) অক্সিজেন পরিবহন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অক্সিজেন পরিবহন করা
ব্যাখ্যা
লোহিত রক্ত কণিকা: 
- লোহিত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন।
- লাল অস্থিমজ্জায় লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি হয়।
- লোহিত রক্ত কণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়।
- রক্ত কণিকার মধ্যে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- এটি শ্বাসকার্যে অক্সিজেন (O2) পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- লোহিত রক্ত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না, দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৪৮.
নিম্নের কোন রােগটি RNA ভাইরাসঘটিত নয়?
  1. ক) ডেঙ্গুজ্বর
  2. খ) কোভিড-১৯
  3. গ) স্মলপক্স
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গ) স্মলপক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্মলপক্স
ব্যাখ্যা
অপশনগুলোর মধ্যে একমাত্র খ) স্মলপক্স DNA টাইপ ভাইরাসঘটিত।

Smallpox বা গুটিবসন্ত মানবজাতির ইতিহাসে একমাত্র রোগ যেটা সম্পূর্ণভাবে নির্মূল হয়েছে।

- WHO ১৯৮০ সালে গুটিবসন্ত নির্মূলের ঘোষণা দেয়।
- গুটিবসন্ত হয় - ভেরিওলা ভাইরাসের কারনে। (DNA Type)
- সর্বশেষ ১৯৭৭ সালে সোমালিয়াতে দেখা গিয়েছিল।
 
=====
অপরদিকে,
- ডেঙ্গু একটি ভাইরাস জনিত রোগ।
- এর ভাইরাসের নাম Dengue virus(DENV)
- ইহা একটি RNA ভাইরাস
- এর বাহক Aedes aegypti.
 
- COVID-19 এর জন্য দায়ী হলো SARS CoV2 নামক বিশেষ করোনা ভাইরাস। 
- এটি এক ধরনের RNA ভাইরাস
 
উৎস : জীব বিজ্ঞান, প্রথম পত্র - গাজী আজমল , একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি; বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইট।
১,০৪৯.
জন্ডিস রোগের টিকা তৈরি করতে কোন অণুজীব ব্যবহার হয়?
  1. প্রোটোজোয়া
  2. ব্যাকটেরিয়া
  3. ভাইরাস 
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস 
ব্যাখ্যা

- জন্ডিস প্রধানত হেপাটাইটিস ভাইরাসের (যেমন: হেপাটাইটিস-এ, বি, সি ইত্যাদি) সংক্রমণের কারণে ঘটে। জন্ডিস বা হেপাটাইটিস রোগের (বিশেষ করে হেপাটাইটিস বি) টিকা তৈরি করতে এই ভাইরাসের অংশ বা জেনেটিক উপাদান ব্যবহার করা হয়। আধুনিক রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রযুক্তির মাধ্যমে ভাইরাসের অ্যান্টিজেন ব্যবহার করে এই টিকা প্রস্তুত করা হয়। 

ভাইরাসের উপকারিতা: 
- বিজ্ঞানীরা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ভাইরাসকে বিভিন্নভাবে মানুষের কিছু উপকারে আনতে সক্ষম হয়েছেন। 
যেমন- 
• বসন্ত, পোলিও, এবং জলাতংক রোগের প্রতিষেধক টিকা ভাইরাস দিয়েই তৈরি করা হয়।
• ভাইরাস হতে জন্ডিস রোগের টিকা তৈরি করা হয়। 
• ভাইরাসকে বর্তমানে বহুল আলোচিত জিনতত্ত্ব ও আণবিক জীববিদ্যা বা জিন প্রকৌশল এ বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। 
• ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে ভাইরাস ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন- ফায ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে ব্যাকটেরিয়াজনিত আমাশয় রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে। 
• কতিপয় ভাইরাস ব্যবহার করে ক্ষতিকর পোকামাকড় ও কীটপতঙ্গ দমন করা সম্ভব হয়েছে। 
• জীব সৃষ্টি প্রক্রিয়া, অভিব্যক্তি ও ক্রমবিবর্তনের ধারা সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করার চাবিকাঠি হলো ভাইরাস, কেননা ভাইরাসে জীব ও জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। 
• লাল টিউলিপ ফুলে ভাইরাস আক্রমণের ফলে লম্বা লম্বা সাদা দাগ পড়ে, এর ফলে ফুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং ফুলের মূল্যও বাড়ে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৫০.
নিচের কোনটি মস্তিষ্কে ঘ্রান উদ্দীপনা বহন করে?
  1. অলফ্যাক্টরি স্নায়ু
  2. অকুলোমোটর স্নায়ু
  3. ট্রকলিয়ার
  4. ট্রাইজেমিনাল
সঠিক উত্তর:
অলফ্যাক্টরি স্নায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অলফ্যাক্টরি স্নায়ু
ব্যাখ্যা
অলফ্যাক্টরি স্নায়ুঃ অগ্রমস্তিষ্কের অঙ্কীয়দেশে ( অপটিক লোবের অঙ্কীয়দেশ) হতে উৎপন্ন হয়ে নাসিকা গহবরের মিউকাস পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। এগুলো সংবেদী স্নায়ু এবং মস্তিষ্কে ঘ্রাণ উদ্দীপনা বহন করে।

উৎসঃ প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম।
১,০৫১.
পেনিসিলিন আবিষ্কৃত হয়-
  1. ক) ১৯১৯ সালে
  2. খ) ১৯২৭ সালে
  3. গ) ১৯২৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৩৩ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯২৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯২৯ সালে
ব্যাখ্যা
পেনিসিলিন এক ধরনের এন্টিবায়োটিক যা পেনিসিলিয়াম নামক ছত্রাক থেকে তৈরি হয়। পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৯ সালে। উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,০৫২.
নিচের কোনটি Pre-eclampsia এর অন্যতম চিহ্ন?
  1. High pressure with oedema
  2. High BP with protenuria
  3. High BP with convulsion
  4. উপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
High BP with protenuria
উত্তর
সঠিক উত্তর:
High BP with protenuria
ব্যাখ্যা
Pre-eclampsia হল একটি গর্ভাবস্থা-সম্পর্কিত চিকিৎসা অবস্থা যা উচ্চ রক্তচাপ (উচ্চ রক্তচাপ) এবং একাধিক অঙ্গ সিস্টেমের ক্ষতি দ্বারা চিহ্নিত করা হয়, সাধারণত লিভার এবং কিডনি।
- এটি সাধারণত গর্ভাবস্থার 20 তম সপ্তাহের পরে ঘটে (সাধারণত তৃতীয় ত্রৈমাসিকে) এবং এটি প্লাসেন্টা এবং অনাগত শিশুকেও প্রভাবিত করতে পারে। 

- প্রি-এক্লাম্পসিয়ার লক্ষণ যা এই অবস্থার সাথে সবচেয়ে বেশি জড়িত তা হল "High BP with protenuria"

- উচ্চ রক্তচাপ (উচ্চ রক্তচাপ) এবং protenuria (প্রস্রাবে অস্বাভাবিক পরিমাণে প্রোটিনের উপস্থিতি) এই সংমিশ্রণ হল প্রি-এক্লাম্পসিয়ার একটি হলমার্ক চিহ্ন। প্রি-এক্লাম্পসিয়ার অন্যান্য উপসর্গগুলির মধ্যে বিশেষ করে হাতে এবং মুখে, হঠাৎ ওজন বৃদ্ধি, তীব্র মাথাব্যথা, দৃষ্টিশক্তির ব্যাঘাত, পেটে ব্যথা এবং বমি বমি ভাব বা বমি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

অন্যদিকে, খিঁচুনি সাধারণত প্রি-এক্লাম্পসিয়ার লক্ষণ নয় কিন্তু একলাম্পসিয়া নামে পরিচিত অবস্থার একটি গুরুতর জটিলতা। এক্লাম্পসিয়া একটি জীবন-হুমকিপূর্ণ অবস্থা যা সঠিকভাবে পরিচালিত না হলে প্রি-এক্লাম্পসিয়া আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ঘটতে পারে। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১,০৫৩.
প্লেগ রোগের জীবাণু কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) Susumu Hotta
  2. খ) Erwin Popper
  3. গ) Alexandre Yersin
  4. ঘ) Hippocrates
সঠিক উত্তর:
গ) Alexandre Yersin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Alexandre Yersin
ব্যাখ্যা
প্লেগ রোগের জীবাণু আবিষ্কার করেন Alexandre Yersin. 

- প্লেগ (Plague) Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়াঘটিত মারাত্মক সংক্রামক ব্যাধি।
- অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এ রোগ মহামারী আকারে দেখা দেয় তাই ব্যাপক প্রাণসংহারকারী বা অনিস্টকর কোন পরিস্তিতি বর্ণনায় ‘প্লেগ’ শব্দের ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়।
- প্লেগ অতি প্রাচীনকালীন এক ব্যাধি, প্রায় ৩০০০ বছর পূর্বে এর অস্তিত্ব ধরা পড়েছে।
- ইতিহাস সূত্রে জানা যায় মধ্য যুগে বহু রাজ্য এ রোগ দ্বারা ধ্বংসাত্মক পরিণতির শিকার হয়েছে।
- Y. pestis একটি গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া যা ইঁদুরের ফ্লি Xenopsylla chaeopis নামক পতঙ্গের অন্ত্রে বাস করে।
- ফ্লি ইঁদুর ও ইঁদুরজাতীয় প্রাণীর বহিঃপরজীবী এবং পোষকের ত্বকে দংশনের মাধ্যমে এর অন্ত্র থেকে ব্যাকটেরিয়াকে পোষকের দেহে চালান করে।
- ফ্লি ইঁদুর থেকে ইঁদুরে, কখনও কখনও ইঁদুর থেকে মানুষে প্লেগ জীবাণু স্থানান্তরের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে এবং রোগের উপসর্গ সৃষ্টি করে। একজন নিউমোনিক প্লেগে সংক্রমিত মানুষ অন্য মানুষে রোগ ছড়ায় এবং এভাবে প্লেগ মহামারীর আকার পায়।

সূত্র: National Library of Medicine [লিঙ্ক]
১,০৫৪.
তামাক গাছে মোজাইক রোগ সৃষ্টি করে -
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) ছত্রাক
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভাইরাস
ব্যাখ্যা
তামাক গাছে মোজাইক রোগ সৃষ্টি করে TMV নামক ভাইরাস

• টোবাকো মোজাইক ভাইরাস (TMV):
- এটি একটি দন্ডাকৃতির RNA ভাইরাস।
- এর দৈর্ঘ্য প্রস্থের প্রায় ১৭ গুণ।
- এটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮০ nm এবং প্রস্থ ১৫ nm.
- RNA এবং প্রোটিন দিয়ে টোবাকো মোজাইক ভাইরাসটি গঠিত।
- এ ভাইরাস তামাক পাতার ক্লোরোফিল নষ্ট করে সাদা সবুজ মোজাইকের মত সৃষ্টি করে বলে এদের টোবাকো মোজাইক ভাইরাস বলা হয়।
- এর বাইরে একটি পুরু প্রোটিনের আবরণ থাকে।
- কিছু সংখ্যক ভাইরাস ছাড়া (যেমন- TMV) প্রায় সব জীব কোষেই DNA বিদ্যমান। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৫৫.
কোন রোগে শরীরে ইমিউনিট (immunity) নষ্ট হয়?
  1. ক) গনোরিয়া
  2. খ) হারপিন
  3. গ) ডায়রিয়া
  4. ঘ) এইডস
সঠিক উত্তর:
ঘ) এইডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এইডস
ব্যাখ্যা

AIDS রোগের সংক্রমণ করে থাকে এক ধরণের ভাইরাস, যার নাম Human Immunodeficiency Virus এবং একে সংক্ষেপে HIV বলা হয়।
HIV দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity) নষ্ট করে দেয়। এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের শ্বেতকনিকা ধ্বংস হয়। ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ পায়।
উৎসঃ বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

১,০৫৬.
'ডেনভি-৩' কোন রোগের নতুন ধরণ?
  1. ডেঙ্গু
  2. করোনা
  3. চিকুনগুনিয়া
  4. ডায়রিয়া
সঠিক উত্তর:
ডেঙ্গু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেঙ্গু
ব্যাখ্যা
দেশে ডেঙ্গু রোগের নতুন একটি ধরন শনাক্ত হয়েছে। যার নাম ডেনভি-৩।
আর এই ধরনটি দ্বারা বেশি আক্রান্ত হয়েছে ঢাকার রোগীরা।
দেশে এ বছর ডেঙ্গুর সবচেয়ে ক্ষতিকর ধরনগুলোর একটি ডেনভি–৩–এ মানুষ বেশি আক্রান্তহয়েছে।
ডেঙ্গুর এই ধরনে আক্রান্ত হলে দ্রুত রোগীর রক্তের প্লাটিলেট কমে যায়।
২০টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স করে এই তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর)।
উৎস : পত্রিকা রিপোর্ট
১,০৫৭.
পোলিও রোগের টিকা আবিষ্কার করেন-
  1. ক) ডোনাল্ড রস
  2. খ) জোনাস স্যাক
  3. গ) এডওয়ার্ড জেনার
  4. ঘ) লুই প্রাস্তুর
সঠিক উত্তর:
খ) জোনাস স্যাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জোনাস স্যাক
ব্যাখ্যা
পোলিও এক ধরনের ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ। ১৯৫৪ সালে মার্কিন বিজ্ঞানী জোনাস স্যাক পোলিও রোগের টিকা আবিষ্কার করেন।
১,০৫৮.
মানুষের শ্বসন অঙ্গ কোনটি দ্বারা সংক্রমিত হয়?
  1. ভাইরাস
  2. ছত্রাক
  3. ব্যাকটেরিয়া
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
শ্বসন অঙ্গের সমস্যা: 
- মানুষের শ্বসন অঙ্গ ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক অথবা অন্য কোন এজেন্ট দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে, যা নানা রকম রোগ সৃষ্টি করে। 
যেমন - 

সাইনুসাইটিস (Sinusitis): 
- আমাদের করোটি ও মুখমণ্ডলের অস্থিগুলোর ভেতরে কিছু বায়ুপূর্ণ ফাঁকা স্থান রয়েছে যেগুলোকে সাইনাস বলে। 
- মানুষের মুখমণ্ডলে ৪ জোড়া সাইনাস আছে। 
যথা- 
(ক) ম্যাক্সিলারি সাইনাস, 
(খ) ফ্রন্টাল সাইনাস, 
(গ) এথময়েড সাইনাস এবং 
(ঘ) স্কেনয়েড সাইনাস। 

- এসকল সাইনাস মিউকাস পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে এবং পিচ্ছিল মিউকাস সৃষ্টির মাধ্যমে নাসিকা পথকে সিক্ত ও জীবাণুমুক্ত রাখে। 
- ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাক দ্বারা সাইনাস আক্রান্ত হলে যে প্রদাহের সৃষ্টি হয় তাকে সাইনুসাইটিস বলে। 
- সাইনুসাইটিস ৮ সপ্তাহের কম সময় থাকলে তাকে একিউট (Acute) সাইনুসাইটিস এবং ৩ মাসের অধিককাল থাকলে তাকে ক্রনিক (Chronic) সাইনুসাইটিস বলে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,০৫৯.
সিফিলিস ছড়ায়-
  1. ক) যৌন মিলন
  2. খ) Droplet infection
  3. গ) অনিরাপদ পানি পান
  4. ঘ) খাদ্যের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
ক) যৌন মিলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) যৌন মিলন
ব্যাখ্যা

সংক্রামক রোগ ছড়ানোর মাধ্যমঃ
১) স্পর্শঃ বেশ কিছু রোগ এভাবে ছড়ায়। যেমন স্কেবিস, ছত্রাক জনিত চর্ম রোগ।
২) যৌন সংস্পর্শঃ এইডস, সিফিলিস, গনোরিয়া, হেপাটাইটিস (বি, সি), হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস ইনফেকশন যেটি জরায়ুমুুখ ক্যান্সারের অন্যতম কারণ, লিমফো গ্রানুলোমা ভেনেরিয়াম, শ্যাাংক্রয়েড।
৩) খাদ্য ও পানীয়ঃ টাইফয়েড, পোলিও মায়েলাইটিস, হেপাটাইটিস (এ, ডি), কলেরা, ডায়রিয়া, আমাশয়, বিভিন্ন কৃমি সংক্রমণ।
৪) বায়ু বাহিতঃ যক্ষা, ইনফ্লুয়েঞ্জা, হুপিং কাশি, মেনিনজাইটিস, নিউমোনিয়া, ব্রংকাইটিস, ব্রংকিওলাইটিস, মাম্পস, রুবেলা, হাম।
৫) ভেক্টর বাহিতঃ
মশাঃ ডেঙ্গি, চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়াসিস।
মাছিঃ উদরাময়, আমাশয়, ক্রিমি সংক্রমণ, কালাজ্বর, চ্যাগাস ডিজিস, স্লিপিং সিকনেস, চোখের কৃমি (deer fly)।

১,০৬০.
মানবদেহে হাড় ও দাঁত গঠনে এবং ফসফোলিপিড তৈরি করে কোন খনিজ লবণ?
  1. ক) ম্যাগনেসিয়াম
  2. খ) সোডিয়াম
  3. গ) লৌহ
  4. ঘ) ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফসফরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফসফরাস
ব্যাখ্যা
মানবদেহে হাড় ও দাঁত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম। অস্থির বা হাড়ের প্রায় ৬০% ক্যালসিয়াম ফসফেট। এছাড়া প্রাণীদেহে ফসফোপ্রোটিন বা ফসফোলিপিড হিসেবেও ফসফরাস থাকে। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৬১.
বাংলাদেশে কোভিড-১৯ সংক্রমিত রোগী প্রথম কোন তারিখে সনাক্ত হয়?
  1. ক) ৭ মার্চ, ২০২০
  2. খ) ৮ এপ্রিল, ২০২০
  3. গ) ৭ এপ্রিল, ২০২০
  4. ঘ) ৮ মার্চ, ২০২০ 
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ মার্চ, ২০২০ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ মার্চ, ২০২০ 
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ৮ মার্চ ২০২০ সর্বপ্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়।
- ১৮ মার্চ ২০২০ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম রোগী মারা যায়।
- ১৮ মার্চ ২০২০ তারিখে দেশের শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
- ২৬ মার্চ ২০২০ তারিখে করোনা ইস্যুতে সারাদেশ ব্যাপী প্রথমবারের লকডাউন ঘোষণা করা হয়।
- ২৭ জানুয়ারি ২০২১ বাংলাদেশে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে কুর্মিটোলা হাসপাতালের সেবিকা রুনো ভেরোনিকা কস্তা ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটি উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন।
- ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখ থেকে সারাদেশ কোভিড-১৯ রোগের প্রতিষেধক টিকাদান শুরু হয়।

(তথ্যসূত্র: করোনা ইনফো, বাংলাদেশ সরকার এবং বিবিসি বাংলা)
১,০৬২.
কে প্রমাণ করেন যে অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়া জ্বরের জন্য দায়ী?
  1. ক) স্যার আইজ্যাক নিউটন
  2. খ) এডিসন
  3. গ) লুই পাস্তুর
  4. ঘ) স্যার রোনাল্ড রস
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্যার রোনাল্ড রস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্যার রোনাল্ড রস
ব্যাখ্যা
স্যার রোনাল্ড রস প্রমাণ করেন যে অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়া জ্বরের জন্য দায়ী।
- ১৮৯৭ সালে ভারতে কর্মরত ব্রিটিশ ডাক্তার স‍্যার রোনাল্ড রস প্রমাণ করেন যে Anopheles মশা এই রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে।
- এ আবিষ্কারের কারণে তাকে ১৯০২ সালে চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়।
- তিনি সুস্থ ও সংক্রমিত পাখিদেরকে অধ্যয়ন করে প্লাসমোডিয়াম জীবাণুর সমগ্র জীবনচক্র সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করেন।
- তিনি দেখান যে মশার লালাগ্রন্থিতে প্লাসমোডিয়াম জীবাণু থাকে এবং মশার কামড়ের মাধ্যমে এটি অন্য পোষকের দেহে সংক্রমিত হয়।
- তাঁর এই কাজের উপর ভিত্তি করে অ্যানোফিলিস মশার বংশবিস্তার রোধের মাধ্যমে ম্যালেরিয়া রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,০৬৩.
মস্তিষ্কের সবচেয়ে পেছনের অংশ কোনটি?
  1. ক) সেরিব্রাম
  2. খ) পনস
  3. গ) মেডুলা অবলংগটা
  4. ঘ) সেরিবেলাম
সঠিক উত্তর:
গ) মেডুলা অবলংগটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মেডুলা অবলংগটা
ব্যাখ্যা
পশ্চাৎ মস্তিষ্ক সেরিবেলাম, পনস, মেডুলা অবলংগাটা নিয়ে গঠিত।

• সেরিবেলাম (Cerebellum) : পনসের পৃষ্ঠভাগে অবস্থিত খণ্ডাংশটি সেরিবেলাম। এটি ডান এবং বাম দুই অংশে বিভক্ত। এর বাইরের দিকে ধূসর পদার্থের আবরণ এবং ভিতরের দিকে শ্বেত পদার্থ থাকে। সেরিবেলাম দেহের পেশির টান নিয়ন্ত্রণ, চলনে সমন্বয় সাধন, দেহের ভারসাম্য রক্ষা, দৌড়ানো এবং লাফানোর কাজে জড়িত পেশিগুলোর কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে।

• পনস (Pons): মেডুলা অবলংগাটা এবং মধ্যমস্তিষ্কের মাঝখানে পনস অবস্থিত। এটি একগুচ্ছ স্নায়ুর সমন্বয়ে তৈরি।

• মেডুলা অবলংগাটা (Medulla Oblongata): এটি মস্তিষ্কের সবচেয়ে পিছনের অংশ। এর সামনের দিকে রয়েছে পনস, পিছনের দিক সুষুম্নাকাণ্ডের উপরিভাগের সথে যুক্ত।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১,০৬৪.
রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিক অবস্থার তুলনায় কমে যাওয়াকে কী বলে?
  1. পলিসাইথিমিয়া
  2. লিউকেমিয়া
  3. অ্যানিমিয়া
  4. লিউকোসাইটোসিস
সঠিক উত্তর:
অ্যানিমিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানিমিয়া
ব্যাখ্যা

 রক্ত উপাদানের অস্বাভাবিক অবস্থা:
মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অবস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়।
- যেমন:
১. পলিসাইথিমিয়া: হিমোগ্লোবিনের মাত্রা এবং রক্তকোষের সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় অত্যাধিক বৃদ্ধি পাওয়া।
২. অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা: হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিক অবস্থার তুলনায় কমে যাওয়া
৩. লিউকেমিয়া: নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কোষের সংখ্যা বেড়ে যায়।
- কিন্তু যদি শ্বেত কোষের সংখ্যা সেসবের চাইতেও অত্যধিক হারে বেড়ে যায়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে।        
৪. লিউকোসাইটোসিস: শ্বেত কোষের সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যায়, তাকে লিউকোসাইটোসিস বলে।
- নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগে এ অবস্থা হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।

১,০৬৫.
ক্যান্সারের চিকিৎসায় যে গামা রশ্মি ব্যবহার করা হয়, তা মূলত কোন উৎস থেকে পাওয়া যায়?
  1. আইসোমার
  2. আইসোটোন
  3. আইসোবার
  4. আইসোটোপ
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
ব্যাখ্যা

◉ ক্যান্সার চিকিৎসায় সাধারণত কোবাল্ট-৬০ (Cobalt-60) অথবা রেডিয়াম-২২৬ (Radium-226) এর মতো রেডিওঅ্যাকটিভ আইসোটোপ থেকে উৎপন্ন গামা রশ্মি ব্যবহার করা হয়।

আইসোটোপ এবং এর ব্যবহার:
- আইসোটোপগুলো হলো একটি নির্দিষ্ট মৌলের রূপভেদ।
- বিভিন্ন ভরসংখ্যা বিশিষ্ট একই মৌলের পরমাণুকে ঐ মৌলের আইসোটোপ বলে।
- অর্থাৎ কোনো মৌলের আইসোটোপ সমূহে প্রোটনের সংখ্যা সমান থাকে, কিন্তু নিউট্রোনের সংখ্যা বিভিন্ন হয়। 
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে ‘পরমাণু চিকিৎসায়' তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
- তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ প্ৰধানত রোগ নির্ণয়ের এবং রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। 
- রোগীর শরীরে কোনো স্থানে বা অঙ্গে ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমারের উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের সাহায্যে শনাক্ত করা যায়।
- কোবাল্ট-60 (60Co) আইসোটোপ থেকে নির্গত শক্তিশালী গামা রশ্মি ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
- কোবাল্ট- 60 থেকে নির্গত গামা রশ্মির সাহায্যে অপারেশনের যন্ত্রপতি রোগ জীবাণুমুক্ত করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৬৬.
হাড়ে ফ্র্যাকচার নির্ণয়ের জন্য কী ধরনের রশ্মি ব্যবহার করা হয়?
  1. গামা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. আলফা রশ্মি
  4. রঞ্জন রশ্মি
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা

• হাড়ে ফ্র্যাকচার বা ভাঙা হাড় নির্ণয়ের জন্য রঞ্জন রশ্মি (X-ray) ব্যবহার করা হয়। রঞ্জন রশ্মি হাড়ের ঘনত্ব বেশি জায়গায় সহজেই প্রতিফলিত হয়, ফলে হাড় স্পষ্টভাবে দেখা যায়। এই রশ্মি শরীরের নরম অংশের মধ্য দিয়ে সহজে যেতে পারে, তাই হাড়ের অবস্থান, ফ্র্যাকচার বা অন্য কোনো অস্বাভাবিকতা নির্ধারণে এটি খুব কার্যকর। চিকিৎসক X-ray ছবি দেখে হাড়ের সঠিক ভাঙন ও চিকিৎসার পরিকল্পনা করতে পারেন। তাই হাড় পরীক্ষা করার জন্য সবচেয়ে সাধারণ এবং কার্যকর পদ্ধতি হলো রঞ্জন রশ্মি।

- উত্তর: ঘ) রঞ্জন রশ্মি।

• এক্সরে (রঞ্জন রশ্মি):
- জার্মান পদার্থবিদ উইলহেলম রন্টজেন এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- ১৮৯৫ সালে এক্স-রশ্মি আবিষ্কৃত হয়।
- এক্স-রশ্মি আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানী রন্টজেন 1901 সালে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।
- এটি একটি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10- 8 m থেকে 10- 13 m পর্যন্ত।
- এক্স-রশ্মি উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।

• এক্সরে এর ব্যবহার:
- হীরক সনাক্তকরণ,
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল শনাক্ত করা,
- শরীরের ভিতরের কোন বস্তুর বা ফুসফুসে কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণয়,
- গোয়েন্দা বিভাগে কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক রাখলে তা খুঁজে বের করতে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৬৭.
মানুষের রক্তে বিলিরুবিনের স্বাভাবিক মাত্রা-
  1. ক) ০.২-০.৩ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার
  2. খ) ০.৩-০.৫ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার
  3. গ) ০.২-০.৮ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার
  4. ঘ) ০.৫-০.৯ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ০.২-০.৮ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ০.২-০.৮ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার
ব্যাখ্যা

যকৃতের সর্বাপেক্ষা উল্লেখযােগ্য ব্যাধিলক্ষন জন্ডিস বা কামলা বা পান্ডুরােগ।
রক্তে অতিরিক্ত বিলিরুবিন জমা হইয়া জন্ডিস রােগের সৃষ্ট হয়।
রক্তে বিলিরুবিনের স্বাভাবিক মাত্রা ০.২-০.৮ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার।
এ মাত্রা ২ মিলিগ্রামের উপরে উঠলে চোখের সাদা অংশ হলুদ রং হয়। প্রস্রাবের রং হলুদ হয়।

১,০৬৮.
গর্ভকালীন প্রথম মাস থেকে কোন ট্যাবলেট নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়?
  1. আয়রন 
  2. ফলিক অ্যাসিড 
  3. পটাসিয়াম 
  4. ক্যালসিয়াম 
সঠিক উত্তর:
ফলিক অ্যাসিড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফলিক অ্যাসিড 
ব্যাখ্যা

- গর্ভধারণের প্রথম মাস থেকে ফলিক অ্যাসিড (Folic Acid) ট্যাবলেট নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়, কারণ এটি শিশুর মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের জন্মগত ত্রুটি, যেমন-স্পাইনা বিফিডা, প্রতিরোধে সাহায্য করে। 

গর্ভকালীন বিভিন্ন সমস্যা ও সচেতনতা: 

- প্রতিবছর গর্ভকালীন জটিলতায় অনেক নারী মৃত্যুবরণ করেন। 
- গর্ভকালীন সমস্যা সম্পর্কে অজ্ঞতা ও সচেতনতার অভাব মা ও শিশুর উভয়ের জন্য জীবনঘাতী হতে পারে। তাই সঠিক পরিচর্যা ও চিকিৎসা মায়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

গর্ভকালীন রক্তস্বল্পতা: 
- গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত রক্ত প্রবাহ ও পুষ্টির ঘাটতির কারণে রক্তস্বল্পতা হতে পারে।
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী:  
- গর্ভকালীন প্রথম মাস থেকে ফলিক অ্যাসিড ট্যাবলেট গ্রহণ করতে হয়। 
- গর্ভকালীন তৃতীয় মাস থেকে আয়রন ও ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। 
- আয়রনযুক্ত খাবার খেতে হবে। যেমন: কচুশাক, কলিজা, তেঁতুল, তরমুজ, ডিম ইত্যাদি। 
- ভিটামিন C সমৃদ্ধ খাবার খেলে আয়রনের শোষণ বৃদ্ধি পায়। যেমন: আমলকি, লেবু, কাঁচামরিচ, পেয়ারা, আনারস, কাঁচা ফলমূল ইত্যাদি। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৬৯.
DENV হলো একটি -
  1. DNA ভাইরাস
  2. RNA ভাইরাস
  3. mRNA ভাইরাস
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
RNA ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RNA ভাইরাস
ব্যাখ্যা

- ডেঙ্গু হওয়ার জন্য দায়ী ভাইরাসকে ডেঙ্গু ভাইরাস (DENV) বলা হয়।

- ডেঙ্গু ভাইরাস একটি RNA ভাইরাস। 

The dengue virus is an RNA virus (of the flavivirus family) with four distinct serotypes that is widespread in tropical climate locales. It causes the clinical disease dengue fever, which is marked by high fevers, joint and bone pain, headache, and rash. 

উৎসঃ sciencedirect.com, WHO website

১,০৭০.
পোলিওর জন্য কোন টিকা ব্যবহৃত হয়? 
  1. BCG
  2. MMR
  3. OPV
  4. DPT
সঠিক উত্তর:
OPV
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OPV
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রাম: 
- রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে টিকার আবিষ্কার এবং এর প্রচলন মানুষের জন্য আশীর্বাদ। 
- টিকার মাধ্যমে ১৯৭৯ সালে চূড়ান্তভাবে নির্মূলের পূর্বে গুটি বসন্ত এককভাবে পৃথিবীর প্রায় ৩০-৪০ কোটি মানুষের প্রাণ হরণ করেছে। 
- আবিষ্কৃত পোলিও ভ্যাকসিন OPV এবং এর ব্যবহার দ্বারা বাংলাদেশ বর্তমানে পোলিও রোগ মুক্ত। 
- এই টিকা বা ভ্যাকসিনের জন্যই রুবেলা, হাম, মাম্পস, যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, পারটুসিস, ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস ইত্যাদি রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছে। 
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expended Programe on Immounization -EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী কয়েকটি রোগ, যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম ইত্যাদির ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- মা এবং শিশুকে টিটেনাস থেকে রক্ষার জন্য টিটেনাস টক্সেয়েড (tetanus toxoid) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- ভ্যাকসিনেশনের জাতীয় কর্মসূচীতে নিচের ছক অনুযায়ী টিকা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়- 


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৭১.
নিচের কোনটি অপরিহার্য অ্যামাইনো এসিড নয়?
  1. ট্রিপেটোফ্যান
  2. লাইসিন
  3. লিউসিন
  4. গ্লুটামিন
সঠিক উত্তর:
গ্লুটামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লুটামিন
ব্যাখ্যা
♦ ২০টি অ্যামাইনো এসিডের মধ্যে ৮টি অ্যামাইনো এসিডকে অপরিহার্য অ্যামাইনো এসিড বলা হয়।
- লাইসিন,
- ট্রিপেটোফ্যান,
- মিথিওনিন,
- ভ্যালিন,
- লিউসিন,
- আইসোলিউসিন,
- ফিনাইল অ্যালানিন,
ও থ্রিওনাইন। 

- এই আটটি অ্যামাইনো এসিড ছাড়া অন্য সবগুলো অ্যামাইনো এসিড আমাদের শরীর সংশ্লেষ করতে পারে।
- প্রাণিজ প্রোটিনে এই অপরিহার্য আটটি অ্যামাইনো এসিড বেশি থাকে বলে এর পুষ্টিমূল্য বেশি ।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি। 
১,০৭২.
ত্বকের রোগ সংক্রান্ত বিজ্ঞানকে কী বলে?
  1. Dermitology
  2. Dermatology
  3. Dermatiology
  4. Darmitology
সঠিক উত্তর:
Dermatology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dermatology
ব্যাখ্যা
• Dermatology:
- ডারমাটোলজি হলো ত্বক, চুল, নখ এবং শরীরের অন্যান্য ত্বক সংক্রান্ত রোগ ও চিকিৎসার বিজ্ঞান।
- এটি ত্বকের নানা ধরনের রোগ যেমন: একজিমা, সোরিয়াসিস, অ্যাকনি, ত্বক ক্যান্সার ইত্যাদির চিকিৎসা ও গবেষণার জন্য বিশেষজ্ঞদের দ্বারা পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- পেডিয়াট্রিক্স(paediatrics):  শিশুদের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত চিকিৎসার শাখা।
- কার্ডিওলজি(Cardiology): হৃদযন্ত্র ও রক্তনালী সম্পর্কিত রোগের চিকিৎসা বিজ্ঞান।
- নিউরোলজি (Neurology): মস্তিষ্ক, মজ্জা, স্নায়ু এবং স্নায়ুতন্ত্রের রোগ এবং চিকিৎসার বিজ্ঞান।
- গাইনোকোলজি (Gynecology): মহিলাদের প্রজনন স্বাস্থ্য এবং অসুখ সম্পর্কিত চিকিৎসার বিজ্ঞান।
- পালমোনোলজি (Pulmonology): ফুসফুস ও শ্বাসযন্ত্রের রোগের বিজ্ঞান।
- অর্থোপেডিক্স (Orthopedics): হাড়, জয়েন্ট এবং পেশীর রোগ এবং তাদের চিকিৎসার শাখা।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,০৭৩.
মানবদেহের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান কোনটি?
  1. আমিষ
  2. স্নেহ পদার্থ
  3. ভিটামিন
  4. শর্করা
সঠিক উত্তর:
আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিষ
ব্যাখ্যা
খাদ্য উপাদান: 
- খাদ্য অনেকগুলো রাসায়নিক বস্তুর সমন্বয়ে গঠিত, এই রাসায়নিক বস্তুগুলোকে খাদ্য উপাদান বলে। 
- এই উপাদানগুলোর মধ্যে পুষ্টি থাকে, তাই খাদ্য উপাদানকে পুষ্টি উপাদানও বলা হয়। 
- উপাদান অনুযায়ী খাদ্যবস্তুকে প্রধাণত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা - 
১। আমিষ: আমিষ দেহের বৃদ্ধিসাধন ও ক্ষয়পূরণ করে। 
২। শর্করা: শর্করা দেহে শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে। 
৩। স্নেহ: স্নেহ বা চর্বিজাতীয় খাদ্য দেহে তাপ ও শক্তি উৎপাদন করে। 

- এছাড়া আরও তিন ধরনের উপাদানও দেহের জন্য প্রয়োজন। 
যেমন- 
৪। ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ: ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায় এবং বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উদ্দীপনা যোগায়। 
৫। খনিজ লবণ: খনিজ লবণ দেহের বিভিন্ন জৈবিক কাজে অংশ নেয়। 
৬। পানি: দেহে পানি ও তাপের সমতা রক্ষা করে, এছাড়া কোষের কার্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষ ও তার অঙ্গাণুগুলোকে ধারণ করে। 
- খাদ্য উপাদানের বাইরে আরও একটি উপাদান রয়েছে, যেটি কোনো পুষ্টি না জোগালেও একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান। 
৭। রাফেজ: রাফেজ বা খাদ্য আঁশ (Fibre) পানি শোষণ করে এবং মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ও বৃহদন্ত্র থেকে মল নিষ্কাশনে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৭৪.
মানবদেহের কোথায় পারকিনসন রোগ হয়?
  1. যকৃতে
  2. হৃদপিন্ডে
  3. মস্তিষ্কে
  4. পাকস্থলীতে
সঠিক উত্তর:
মস্তিষ্কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মস্তিষ্কে
ব্যাখ্যা

- পারকিনসন রোগ মানবদেহের মস্তিষ্কে হয়।
- এই রোগ হলে রোগীর হাতে ও পায়ে কাপুনি হয় এবং আক্রান্ত রোগী নড়াচড়া, হাঁটাহাঁটি করতে অপারগ হয়।
- সাধারণত এ রোগ হয় ৫০ বছর বয়সের পরে।
উৎসঃ সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,০৭৫.
ধ্নুষ্টংকার রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া কোনটি?
  1. Clostridium tetani
  2. Vibrio cholerae
  3. Salmonella typhosa
  4. Bacillus dysenteriae
সঠিক উত্তর:
Clostridium tetani
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Clostridium tetani
ব্যাখ্যা
• ধ্নুষ্টংকার রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া Clostridium tetani.

• কয়েকটি ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ:
- ডিপথেরিয়া,
- গণোরিয়া,
- টাইফয়েড,
- জ্বর,
- কুষ্ঠ,
- টিটেনাস,
- নিউমোনিয়া,
- কলেরা ইত্যাদি।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- কলেরা রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া Vibrio cholerae.
- টাইফইয়েড রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া Salmonella typhosa.
- আমাশয় রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া Bacillus dysenteriae.

উৎস:
১. উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
১,০৭৬.
ভিটামিন B1 কমপ্লেক্স এর অপর নাম কী?
  1. ক) থায়ামিন
  2. খ) রাইবোফ্ল্যাভিন
  3. গ) পিরিডক্সিন
  4. ঘ) সায়ানোকোবালামিন
সঠিক উত্তর:
ক) থায়ামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) থায়ামিন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরণের ভিটামিন B কমপ্লেক্স
- থায়ামিন (B1) - দেহে থায়ামিনের চরম অভাবে বেরিবেরি রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
- রাইবোফ্ল্যাভিন (B2) - এর অভাবে ঠোঁটের দুপাশে ফাটল দেখা দেয়, মুখে ও জিভে ঘা হয়, ত্বক খসখসে হয়।
- নিয়াসিন বা নিকোটিনিক এসিড (B3) - অভাবে পেলেগ্রা রোগ হয়। 
- পিরিডক্সিন (B6) - এর অভাবে অ্যানিমিয়া রোগ দেখা দেয়।।
- কোবালামিন বা সায়ানোকোবালামিন (B12) - এর অভাবে রক্তশূন্যতা রোগ দেখা দেয়।

সূত্র- ৯ম-১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
১,০৭৭.
রক্তচাপ উচ্চ (High) হিসেবে ধরা হয় -
  1. 120/60 mmHg
  2. 130/80 mmHg
  3. 110/70 mmHg
  4. 105/75 mmHg
সঠিক উত্তর:
130/80 mmHg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
130/80 mmHg
ব্যাখ্যা
উচ্চ রক্তচাপ বলা হবে যখন সিস্টোলিক রিডিং 130 থেকে 139 বা ডায়াস্টোলিক রিডিং 80 থেকে 89 এর মধ্যে থাকবে।
 
You have high blood pressure when your blood pressure is 130/80 mmHg on several separate occasions. 
 
Blood pressure can be normal, elevated, or stage 1 or stage 2 high blood pressure:
Normal blood pressure is 120/80. This means a systolic reading of less than 120 and a diastolic reading of less than 80.
Elevated blood pressure is a systolic reading of 120 to 129 and a diastolic reading of less than 80.
Stage 1 high blood pressure is a systolic reading of 130 to 139 or a diastolic reading between 80 and 89.
Stage 2 high blood pressure is a systolic reading of 140 or higher or a diastolic reading of 90 or higher.

Source: urmc.rochester.edu/
১,০৭৮.
পেপটিক আলসার রোগ শনাক্ত করতে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়? 
  1. সিটি স্ক্যান
  2. এন্ডোসকপি
  3. আল্ট্রাসাউন্ড
  4. এমআরআই স্ক্যান
সঠিক উত্তর:
এন্ডোসকপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এন্ডোসকপি
ব্যাখ্যা
গ্যাস্ট্রিক ও পেপটিক আলসার (Gastric and Peptic ulcer): 
- আলসার বলতে যেকোনো এপিথেলিয়াম বা আবরণী টিস্যুর একধরনের ক্ষত বোঝায়। 
- পেপটিক আলসার বলতে খাদ্যনালির কোনো অংশের আলসার বোঝায়, সেটি যদি পাকস্থলীতে হয় তাহলে তাকে গ্যাস্ট্রিক আলসার, ডিওডেনামে হলে ডিওডেনাল আলসার বলা হয়। 
- দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যগ্রহণে অনিয়ম হলে পাকস্থলীতে অম্লের আধিক্য ঘটে এবং অনেক দিন ধরে এ অবস্থা চলতে থাকলে এই অম্ল বা এসিড দিয়ে পাকস্থলী বা অন্ত্রে ক্ষতের সৃষ্টি হয়ে পেপটিক আলসার হতে পারে। 
- তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানী রবিন ওয়ারেন ও ব্যারি মার্শালের গবেষণায় জানা গেছে, খাদ্যে অনিয়ম, ভাজাপোড়া খাবার খাওয়া, বিষণ্ণতা বা উৎকণ্ঠা ইত্যাদি পেপটিক আলসারের নিয়ামক হলেও অন্যতম প্রধান কারণ Helicobacter pylori (সংক্ষেপে H. pylori) নামের একটি ব্যাকটেরিয়া। এজন্য তাঁরা ২০০৫ সালে যৌথভাবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।  
- আগে ভাবা হতো পাকস্থলীর তীব্র হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডে (pH 1.5-3.5) কোনো ব্যাকটেরিয়া টিকতে পারে না। 
- নিজের ধারণা প্রমাণ করার জন্য ব্যারি মার্শাল H. pylori ব্যাকটেরিয়া মিশ্রিত দ্রবণ পান করে পেপটিক আলসারে ভুগেছিলেন (উল্লেখ্য, এই ব্যাকটেরিয়া যে শুধু আলসারের জন্য দায়ী তাই নয়, এ থেকে পাকস্থলীর ক্যান্সারও হতে পারে। মার্শাল তাঁর নিজের জীবনের উপর মারাত্মক ঝুঁকি নিয়েছিলেন, যা অনুসরণীয় নয়)। 

- পেপটিক আলসার রোগে সাধারণত পেটের ঠিক মাঝ বরাবর, নাভির একটু উপরে একঘেয়ে ব্যথা অনুভূত হয়। 
- খালি পেটে বা অতিরিক্ত তেলজাতীয় খাদ্য খেলে ব্যথা বাড়ে। 
- আলসার মারাত্মক হলে বমি হতে পারে, কখনো কখনো বমি এবং মলের সাথে রক্ত নির্গত হয়। 
- এন্ডোসকপি (Endoscopy) বা বেরিয়াম এক্স-রের মাধ্যমে এ রোগ নির্ণয় করা যায়। 
- এ রোগ থেকে দূরে থাকতে হলে যা করতে হবে তা হলো: 
• নিয়মিত সহজপাচ্য খাদ্য গ্রহণ করা। 
• অধিক তেল এবং মশলাযুক্ত গুরুপাক খাদ্য পরিহার করা। 
• ফুটানো দুধ, পনির এবং কলা খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়। 
• নিয়মিত খাদ্য গ্রহণ করে, কফি, সিগারেট ইত্যাদি উত্তেজক পদার্থ গ্রহণ থেকে বিরত থেকে ইত্যাদি। 
- প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিয়ে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৭৯.
কোন উক্তিটি সঠিক নয়?
  1. কুষ্ঠ রোগ সংক্রামক নয়
  2. এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু হয়
  3. চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয়
  4. নিউমোনিয়া ফুসফুসকে আক্রান্ত করে
সঠিক উত্তর:
চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয়
ব্যাখ্যা
- 'চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে ডায়াবেটিস রোগ হয়' এ উক্তিটি সঠিক নয়। 

ইনসুলিন: 
- ইনসুলিন একটি হরমোন। 
- ইহা অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে। 
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে। 
- কোন কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়। 
- এ অবস্থায় ডায়াবেটিক রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়। 
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন। 
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন-A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন-B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৮০.
"Asian Tiger Mosquito" - নামে পরিচিত নিচের কোন প্রজাতিটি?
  1. Aedes Aegypti
  2. Culex tarsalis
  3. Aedes albopictus
  4. Anopheles gambiae
সঠিক উত্তর:
Aedes albopictus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aedes albopictus
ব্যাখ্যা
• Asian Tiger Mosquito: 
→ "Asian Tiger Mosquito" - নামে পরিচিত Aedes albopictus প্রজাতিটি।

→ সাধারণ নাম: Asian tiger mosquito (এশিয়ান টাইগার মশা)
→ বৈজ্ঞানিক নাম: Aedes albopictus
→ আবাসভূমি ও বিচরণক্ষেত্র: এ মশাটির মূল আবাসস্থল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। কিন্তু পণ্য পরিবহনের মাধ্যমে বিশ্বের অনেক অংশে ছড়িয়ে পড়েছে, বিশেষ করে গাড়ির টায়ারের মাধ্যমে, যা মশার জন্য আদর্শ প্রজনন স্থল।
→ এটি ডেঙ্গু জ্বর এবং চিকুনগুনিয়ার মতো রোগের সংক্রমণ ঘটায়।

অপশন আলোচনা:
→ Aedes Aegypti - Aedes Aegypti (এডিস এজিপটাই) প্রজাতির মশার কামড়ে ডেঙ্গু ছড়ায়।
→ Culex tarsalis - Culex প্রজাতির মশা প্রাথমিকভাবে ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস এবং নির্দিষ্ট ধরণের এনসেফালাইটিস সংক্রমণের জন্য দায়ী
→ Anopheles gambiae - Anopheles প্রজাতির মশা ম্যালেরিয়া সংক্রমণের জন্য দায়ী।

সূত্র: European Centre for Disease Prevention and Control.
১,০৮১.
ইবোলা ভাইরাসের বাহক কোনটি?
  1. ক) বানর 
  2. খ) কুকুর
  3. গ) বিড়াল
  4. ঘ) বাদুড়
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাদুড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাদুড়
ব্যাখ্যা
ইবোলা ভাইরাসের বাহকের বাহক হচ্ছে বাদুড়।

ইবোলা হল এক প্রকার মারাত্মক প্রতিক্রিয়া সম্পন্ন ভাইরাস যা ইবোলা ভাইরাস (ebola virus) জনিত বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করে থাকে। ইবোলা ভাইরাস জনিত রোগ একটি মারাত্মক অসুখ যা ভাইরাল হেমোরজিক জ্বর সৃষ্টি করে এবং ৯০% রোগীর ক্ষেত্রে এটি মারাত্মক হয়। 

ইবোলা একটি একক এবং নেতিবাচক আরএনএ (RNA) ভাইরাস যা ভাইরাস পরিবার ফিলোভিরিডের অন্তর্গত। মারবুর্গ ভাইরাসগুলি ফিলোভিরিডে পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। এই ভাইরাস পরিবারটি তাদের রডের মতো শেপ, থ্রেডের মতো কাঠামো, বৈচিত্র্যময় দৈর্ঘ্য এবং এদের ঝিল্লিটি, আবদ্ধ ক্যাপসিড দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। ইবোলা ভাইরাসের সাধারন দৈর্ঘ্য ১৪,০০০ নানোমিটার এবং ব্যাসার্ধ ৮০ নানোমিটারের চেয়ে তুলনামূলকভাবে কিছুটা বড় । এ ভাইরাসগুলো প্রায়ই একটি ইউ আকার ধারণ করে থাকে।

ইবোলার লক্ষণসমূহ-
জ্বর, মাথাব্যথা, দুর্বলতা, মাংশ পেশীর ব্যথা এবং গলা ব্যথার মতো লক্ষণগুলো দ্রুত প্রকাশ পেতে শুরু করে।

ভুক্তভোগীরা প্রায়শই ডায়রিয়া, বমি এবং ফুসকুড়ির মতো সমস্যায় ভোগেন। তারপরে আক্রান্ত ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক রক্তক্ষরন শুরু হয়।

সূত্র: Centers for Disease Control and Prevention Website.
১,০৮২.
মানবদেহে রক্তরস বা প্লাজমার পরিমাণ হচ্ছে -
  1. ৪৫%
  2. ৬০%
  3. ৫৫%
  4. ৩৫%
সঠিক উত্তর:
৫৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫%
ব্যাখ্যা
রক্ত: 
- রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের তরল যোজক কলা। 
- রক্তবাহিকার মাধ্যমে রক্ত মানব দেহের সর্বত্র সঞ্চালিত হয়। 
- রক্ত সামান্য ক্ষারীয়। 
- এর pH মাত্রা গড়ে ৭.৩-৭.৪। 
- সজীব রক্তের তাপমাত্রা ৩৬°-৩৮° সেলসিয়াস। 
- অজৈব লবণের উপস্থিতিতে রক্ত লবণাক্ত। 
- একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষের দেহে গড়ে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, শরীরের মোট ওজনের প্রায় ৮%। 

রক্তের উপাদান: 
- মানব দেহের রক্ত প্রধানত রক্তরস ও রক্ত কণিকা নিয়ে গঠিত। 
- স্থিতি অবস্থায় কিছুক্ষণ রাখলে রক্ত দুই স্তরে বিভক্ত হয়ে পড়ে। 
- উপরের হালকা হলুদ বর্ণের প্রায় ৫৫% যে অংশ থাকে তাকে রক্তরস বা প্লাজমা বলে এবং নিচের গাঢ়তর বাঁকি ৪৫% অংশকে রক্ত কণিকা (Blood corpuscles) বলে। - প্রকৃতপক্ষে রক্ত কণিকাগুলো রক্তরসে ভাসমান অবস্থায় থাকে এবং লোহিত রক্ত কণিকার উপস্থিতিতে রক্ত লাল দেখায়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৮৩.
যদি কোন রোগ প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে ছড়ায়, তখন তাকে কি বলে?
  1. ক) জুনোটিক রোগ
  2. খ) সংক্রামক রোগ
  3. গ) জন্মগত রোগ
  4. ঘ) আইট্রোজেনিক রোগ
সঠিক উত্তর:
ক) জুনোটিক রোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জুনোটিক রোগ
ব্যাখ্যা
যখন কোনো সংক্রামক রোগ প্রাণী থেকে মানুষে ছড়ায়, তখন তাকে জুনোসিস (zoonosis) বা জুনোটিক (zoonotic) রোগ বলা হয়।
সোর্স: www.health.state.mn.us
১,০৮৪.
ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন কোন ধরনের টিকা?
  1. ডিএনএ টিকা
  2. মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা
  3. নিষ্ক্রিয় জীবাণুভিত্তিক জীবন্ত টিকা
  4. দেহ তলের রাসায়নিক বস্তু ভিত্তিক টিকা
সঠিক উত্তর:
মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা
ব্যাখ্যা

টিকার প্রকারভেদ: 
- মানবদেহের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে দমন করতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টিকা আবিষ্কার করেছেন। 
- গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিকার প্রকারভেদ নিম্নরূপ- 
১। নিষ্ক্রিয় জীবাণুভিত্তিক জীবন্ত টিকা: 
- এতে কালচার করা জীবাণুদের ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল করা হয়। 
উদাহরণ: BCG, হাম, মাম্পস, পোলিও, জলাতঙ্ক, যক্ষ্মা, গুটিবসন্ত, প্লেগ, টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

২। মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা: 
- এ ধরনের টিকা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি করা হয়। 
উদাহরণ: ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা প্রভৃতি ভ্যাকসিন। 

৩। নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা: 
- জীবাণু নিঃসৃত টক্সয়েড দিয়ে তৈরি এই টিকা। 
উদাহরণ: ডিপথেরিয়া, টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

৪। দেহ তলের রাসায়নিক বস্তু ভিত্তিক টিকা: 
- সংক্রমণকারী জীবাণুর দেহ তল থেকে নির্দিষ্ট প্রোটিনের অংশ আলাদা করে ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 
উদাহরণ: হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV) ভ্যাকসিন প্রভৃতি। 

৫। ডিএনএ টিকা: 
- রিকমবিনেন্ট DNA পদ্ধতিতে DNA ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৮৫.
নিম্নলিখিত কোন ভ্যাক্সিনটি ''লাইভ ভ্যাক্সিন'' (Live Vaccine)?
  1. হাম (Measles)
  2. হুপিং কপ
  3. ডিফথেরিয়া
  4. রেবিস (Rabies)
সঠিক উত্তর:
হাম (Measles)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাম (Measles)
ব্যাখ্যা
Live-attenuated vaccines:
কোন রোগের 'লাইভ ভ্যাকসিন' বলতে, যে জীবাণুটি উক্ত রোগের কারণ, সেই জীবাণুরটিরই একটি দুর্বল (বা ক্ষুদ্র) ফর্ম ব্যবহার করে।
এই ভ্যাকসিনগুলি প্রাকৃতিক সংক্রমণের মতো এতটাই অনুরূপ যে তারা উল্টো প্রতিরোধে সহায়তা করে এবং একটি শক্তিশালী এবং দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে।
লাইভ ভ্যাকসিনের মাত্র 1 বা 2 ডোজ একটি জীবাণু এবং এটির সৃষ্ট রোগের বিরুদ্ধে আজীবন সুরক্ষা দিতে পারে।

লাইভ ভ্যাকসিনগুলি এই রোগগুলোর বিরুদ্ধে সুরক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়:
- হাম, গলা, রুবেলা (এমএমআর সম্মিলিত ভ্যাকসিন)
- রোটাভাইরাস
- ক্ষুদ্রপৃষ্ঠের বহিরাগত লিঙ্ক: আপনি ভ্যাকসিনস.gov রেখে একটি অ-ফেডারেল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করছেন। সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি দেখুন।
- জল বসন্ত
- হলুদ জ্বর

Source: U.S. Department of Health & Human Services
১,০৮৬.
লোহিত রক্তকণিকার উৎপত্তিস্থল কোথায়?
  1. ক) প্লীহা
  2. খ) অস্থিমজ্জা
  3. গ) যকৃত
  4. ঘ) অগ্ন্যাশয়
সঠিক উত্তর:
খ) অস্থিমজ্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অস্থিমজ্জা
ব্যাখ্যা
মানবদেহের লোহিত রক্তকণিকা (RBC - Red Blood Cell) সাধারণত দ্বি-অবতল এবং চাকতি আকৃতির। এতে হিমোগ্লোবিন নামের রঞ্জক পদার্থ থাকায় রক্ত লাল দেখায়। এ কণিকাগুলো সর্বক্ষণই অস্থিমজ্জার ভিতরে উৎপন্ন হতে থাকে এবং উৎপন্ন হওয়ার পর রক্তরসে চলে আসে। 

লোহিত রক্তকণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ করা হয়। এটি অধিক পরিমানে অক্সিজেন পরিবহন করতে পারে। মানুষের লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন। 

সূত্রঃ ৯ম-১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
১,০৮৭.
কোন ভাইরাসের কারণে মানুষের জলাতঙ্ক রোগ হয়?
  1. অ্যাডিনো ভাইরাস
  2. র‍্যাবিস ভাইরাস
  3. ইবোলা ভাইরাস
  4. ভেরিওলা ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
র‍্যাবিস ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যাবিস ভাইরাস
ব্যাখ্যা
- র‍্যাবিস ভাইরাসের কারণে মানুষের জলাতঙ্ক রোগ হয়। 

ভাইরাস: 

- প্রাণী ও উদ্ভিদ দেহে ভাইরাস নানাবিধ রোগ উৎপন্ন করে। 
- ভাইরাস আক্রমণের ফলে মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব এমনকি অকাল মৃত্যুও হতে পারে। 
- স্বল্প পরিসরে ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অনেক উপকারও করে। 
- তবে তুলনামূলকভাবে ভাইরাস মানুষের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে থাকে। 

ভাইরাসের অপকারিতা: 
১। বিভিন্ন প্রকার ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর নানা রকমের রোগ উৎপন্ন করে। 
- এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু রোগের নাম, পোষকের নাম এবং ভাইরাসের নাম হলো - 


উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৮৮.
শরীরের জন্য ক্ষতিকর কোনটি?
  1. LDL
  2. HDL
  3. FDL
  4. CO2
সঠিক উত্তর:
LDL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
LDL
ব্যাখ্যা
• কোলেস্টেরল (Cholesterol):
- কোলেস্টেরল হাইড্রোকার্বন কোলেস্টেইন (Cholestane) থেকে উৎপন্ন একটি যৌগ।
- কোলেস্টেরল লিপোপ্রোটিন নামক যৌগ সৃষ্টির মাধ্যমে রক্তে প্রবাহিত হয়।
রক্তে তিন ধরনের লিপোপ্রোটিন দেখা যায়: 
LDL (Low Density Lipoprotein): একে খারাপ কোলেস্টেরল বলা হয়, কারণ এটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। সাধারণত আমাদের রক্তে 70% LDL থাকে। ব্যক্তিবিশেষে এই পরিমাপের পার্থক্য দেখা যায়।

• HDL (High Density Lipoprotein): একে সাধারণত ভালো কোলেস্টেরল বলা হয়। এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

• ট্রাইগ্লিসারাইড (Tryglyceride): এই কোলেস্টেরল চর্বি হিসেবে রক্তের প্লাজমায় অবস্থান করে। ট্রাই-গ্লিসারাইড আমাদের খাদ্যের প্রাণিজ চর্বি অথবা কার্বোহাইড্রেট থেকে তৈরি হয়ে থাকে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।