বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

রোগ - জীবাণু ও আধুনিক চিকিৎসা সংক্রান্ত

মোট প্রশ্ন১,০৯৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

রোগ - জীবাণু ও আধুনিক চিকিৎসা সংক্রান্ত

PrepBank · পাতা ১০ / ১১ · ৯০১১,০০০ / ১,০৯৫

৯০১.
'অ্যানিমিয়া' রোগের ফলে মানবদেহে নিচের কোনটি ঘটে?
  1. লোহিত কণিকার সংখ্যা বৃদ্ধি পায়
  2. লোহিত কণিকার সংখ্যা হ্রাস পায়
  3. শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়
  4. হিমোগ্লোবিনের সংখ্যা বেড়ে যায়
সঠিক উত্তর:
লোহিত কণিকার সংখ্যা হ্রাস পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত কণিকার সংখ্যা হ্রাস পায়
ব্যাখ্যা
রক্ত: 
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। 
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%। মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের। 
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। 
যেমন- 

১। পলিসাইথিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়। 

২। অ্যানিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া। 

৩। লিউকেমিয়া: 
- নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। 
- কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে। 

৪। লিউকোসাইটোসিস: 
- শ্বেত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যদি ২০,০০০-৩০,০০০ হয়, তাকে লিউকোসাইটোসিস বলে। 
- নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগে এ অবস্থা হয়। 

৫। থ্রম্বোসাইটোসিস: 
- থ্রম্বোসাইটোসিস রোগে অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। 
- রক্তনালীর অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াকে থ্রম্বোসিস বলে। 
- হৃৎপিণ্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে। 

৬। পারপুরা: 
- ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলে এ অবস্থা হতে পারে। 
- এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়। 

৭। থ্যালাসেমিয়া: 
- থ্যালাসেমিয়া একধরনের বংশগত রক্তের রোগ। 
- এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে রক্তশূন্যতা সৃষ্টি হয়। 
- হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতার কারণে লোহিত রক্ত কণিকা ভেঙ্গে যায়, ফলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। 
- সাধারণত শিশু অবস্থায় এ থ্যালাসেমিয়া রোগটি শনাক্ত হয়। 
- এ রোগের জন্য রোগিকে প্রতি ৩ মাস অন্তর রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়। 
- তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে রক্তশূন্যতার হার কমে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯০২.
সেক্স-লিংকড ইনহেরিটেন্স নয় কোনটি? 
  1. বর্ণান্ধতা
  2. হিমোফিলিয়া
  3. জন্ডিস
  4. মায়োপিয়া
সঠিক উত্তর:
জন্ডিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন্ডিস
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: গ) জন্ডিস এবং ঘ) মায়োপিয়া। 
তবে যদি একটি উত্তর বেছে নিতে হয়, তাহলে গ) জন্ডিস বেশি স্পষ্ট উত্তর।

• সেক্স-লিংকড ইনহেরিটেন্স (Sex-linked Inheritance):
- সেক্স-লিংকড ইনহেরিটেন্স হলো সেই জেনেটিক প্যাটার্ন যেখানে জিন কোনো ক্রোমোজোমের মাধ্যমে পিতামাতা থেকে সন্তানদের কাছে যায়, বিশেষ করে X বা Y ক্রোমোজোমের মাধ্যমে।
- সাধারণত পুরুষ এবং মহিলা ভিন্নভাবে প্রভাবিত হয়, কারণ পুরুষের একটি একক X ক্রোমোজোম থাকে এবং মহিলার দুটি X ক্রোমোজোম থাকে।
- উদাহরণস্বরূপ, বর্ণান্ধতা এবং হিমোফিলিয়া প্রায়শই X-linked রেসেসিভ রোগ হিসেবে দেখা যায়।  

• বর্ণান্ধতা (Color Blindness):
- বর্ণান্ধতা হলো X-linked রেসেসিভ জিন দ্বারা প্রভাবিত রোগ।
- এটি চোখের রঙ শনাক্ত করার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে।  
- পুরুষরা সাধারণত বেশি প্রভাবিত হন কারণ তাদের একটি একক X ক্রোমোজোম থাকে।  

• হিমোফিলিয়া (Hemophilia):
- হিমোফিলিয়া হলো রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা, যা X-linked রেসেসিভ জিন দ্বারা ঘটে।  
- পুরুষরা এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, মহিলারা সাধারণত ক্যারিয়ার।  

• জন্ডিস (Jaundice):
- জন্ডিস হলো লিভারের রোগ বা বাইল সমস্যা সম্পর্কিত অবস্থা।  
- এটি কোনো সেক্স-লিংকড জেনেটিক রোগ নয়, বরং অ্যানিমিয়া, লিভার ইনফেকশন বা গলব্লাডারের সমস্যা থেকে হতে পারে।  

• মায়োপিয়া (Myopia):
- মায়োপিয়া বা নিকটদৃষ্টি হলো চক্ষু সমস্যা।  
- এটি সাধারণত জেনেটিক এবং পরিবেশগত কারণে হয়, কিন্তু X বা Y ক্রোমোজোমের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।  

সুতরাং, সেক্স-লিংকড ইনহেরিটেন্স নয় এমন রোগ হলো - গ) জন্ডিস।  
সঠিক উত্তর: গ) জন্ডিস। 

সূত্র: NIH.

৯০৩.
রাতকানা রোগের প্রধান কারণ কী?
  1. ভিটামিন A-এর অভাব 
  2. ভিটামিন B-এর অভাব
  3. ভিটামিন C-এর অভাব
  4. ভিটামিন D-এর অভাব
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন A-এর অভাব 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন A-এর অভাব 
ব্যাখ্যা

• রোগ: রাতকানা,
মূল কারণ: ভিটামিন ‘এ’-এর অভাব,
ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠী: শিশু,
প্রতিরোধ: ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল।

• রাতকানা (Night Blindness):
- রাতকানা একটি রোগ, যেখানে স্বল্প আলোতে, বিশেষ করে রাতে, স্পষ্টভাবে দেখতে সমস্যা হয়।
- শিশুরা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়।
- দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চলতে থাকলে চোখ সম্পূর্ণরূপে অন্ধ হয়ে যেতে পারে।

• কারণ ও ঝুঁকি:
- রাতকানা রোগ মূলত ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবে হয়ে থাকে।
- অপুষ্টি ও অপর্যাপ্ত খাদ্যগ্রহণ এ রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

• প্রতিরোধ ও করণীয়:
- রাতকানা প্রতিরোধে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল অত্যন্ত কার্যকর।
- আক্রান্ত শিশুদের সবুজ শাকসবজি ও রঙিন ফলমূল খাওয়ানো উচিত।
- আমাদের দেশে টিকা দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন টিকা কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি।

৯০৪.
মানুষের শরীরের রক্তনালীগুলো দেখবার জন্য নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) আলট্রাসনোগ্রাফি
  2. খ) এমআরআই
  3. গ) সিটি স্ক্যান
  4. ঘ) এনজিওগ্রাফি
সঠিক উত্তর:
ঘ) এনজিওগ্রাফি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এনজিওগ্রাফি
ব্যাখ্যা
- এনজিওগ্রাফি ব্যবহার করে মানবদেহের ভেতরের কোন অঙ্গকে বাইরে থেকে দেখা যায়। 
- এনজিওগ্রাফি মূলত ব্যবহার করা হয় এক্স-রে এর মাধ্যমে শরীরের রক্তনালীগুলো দেখবার জন্য। 
- সাধারণত এক্স-রে করে রক্তনালীগুলোর নিখুতভাবে দেখা যায়না। তাই রক্তনালীর ভেতর ভালভাবে পরিক্ষা করার জন্য এনজিওগ্রাফি করা হয়।
- সাধারণত রক্তনালীগুলো খুবই সরু হয়। এগুলো কেটে অপারেশন করা খুবই সময় স্বাপেক্ষ এবং একই সাথে কষ্টেরও বটে। 
- অপারেশনের ঝামেলা থেকে বাচার জন্য চিকিৎসা বিজ্ঞানে এই এনজিওগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- এনজিওগ্রাফির মাধ্যমে কোনোরকম সার্জারি না করেই তাৎক্ষণিক ভাবে রক্তনালী ব্লকের চিকিৎসা করা সম্ভব। 
- যে প্রক্রিয়ায় এনজিওগ্রাম করার সময় ধমনির ব্লক মুক্ত করা হয় তাকে এনজিওপ্লাস্টি বলা হয়।

অপরদিকে, 
- আলট্রাসনোগ্রাফি মূলত স্ত্রীরোগ এবং প্রসূতিবিজ্ঞানে ব্যবহার করা হয়। 
- সিটি স্ক্যানের সাহায্যে শরীরের নরম টিস্যু, রক্তবাহী শিরা বা, ধমনী, ফুসফুস ইত্যাদির সম্পূর্ণ ছবি পাওয়া যায়। 
- MRI দিয়ে শরীরের ভেতরের নরম কোমল টিস্যুর পার্থক্য ভালো করে পর্যবেক্ষণ করা যায়। 

সূত্র- ৩৯৯ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯০৫.
লিউকোমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার হয়-
  1. ক) লোহিত রক্তকণিকা বেড়ে গেলে
  2. খ) অণুচক্রিকা কমে গেলে
  3. গ) শ্বেত রক্তকণিকা অত্যধিক হারে বেড়ে গেলে
  4. ঘ) শ্বেত রক্তকণিকা কমে গেলে
সঠিক উত্তর:
গ) শ্বেত রক্তকণিকা অত্যধিক হারে বেড়ে গেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শ্বেত রক্তকণিকা অত্যধিক হারে বেড়ে গেলে
ব্যাখ্যা
নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিকোমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি৷
৯০৬.
স্থানচ্যুত হাড় বা হাড়ে ফাটল শনাক্তকরণে কোন রশ্মি ব্যবহার করা হয়? 
  1. বিটা রশ্মি
  2. আলফা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. রঞ্জন রশ্মি
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা

এক্স-রে (রঞ্জন রশ্মি): 
- ১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী উইলিয়াম রন্টজেন আবিষ্কার করেন যে, তড়িৎক্ষরণ নল থেকে যখন ক্যাথোড রশ্মি নলের দেয়ালে পড়ে তখন এক্সরে উৎপন্ন হয়।
- এক্সরের একক রন্টজেন। 
- এক্সরে উচ্চ ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন। 
- রঞ্জনরশ্মি বা এক্স-রশ্মি (X-ray) বলতে আলোর চেয়ে অনেক ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উচ্চ ভেদনক্ষমতাবিশিষ্ট তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণকে বোঝায়। 

এক্স-রে এর ব্যবহার: 
- হীরক সনাক্তকরণে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল শনাক্ত করণে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 
- শরীরের ভিতরের কোন বস্তুর বা ফুসফুসে কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণয়ে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 
- গোয়েন্দা বিভাগে কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক রাখলে তা খুঁজে বের করতে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯০৭.
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং কেন বিখ্যাত?
  1. ক) অশ্বশক্তি আবিষ্কারের জন্য
  2. খ) আপেক্ষিক তত্ত্ব আবিষ্কারের জন্য
  3. গ) হাইড্রোজেন আবিষ্কারের জন্য
  4. ঘ) এন্টিবায়োটিক আবিষ্কারের জন্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) এন্টিবায়োটিক আবিষ্কারের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এন্টিবায়োটিক আবিষ্কারের জন্য
ব্যাখ্যা
পেনিসিলিন এক ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক যা পেনিসিলিয়াম নামক ছত্রাক থেকে তৈরি হয়। ১৯২৯ সালে আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন।
৯০৮.
ইনসোমনিয়া একটি-
  1. ক) নিদ্রাজনিত রোগ
  2. খ) স্নায়ুরোগ
  3. গ) চোখের রোগ
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) নিদ্রাজনিত রোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নিদ্রাজনিত রোগ
ব্যাখ্যা
ইনসোমোনিয়া হচ্ছে একটি নিদ্রাহীনজনিত সমস্যা। 

ইনসোমনিয়ার উপসর্গ সমূহ-
১. ঘুম না আসা
২. মাথাব্যাথা করা
৩. কাজে মনোনিবেশ করতে না পারা
৪. সারাদিন ক্লান্তিতে কাটা
৫. মুড সুয়িং ইত্যাদি।

সূত্র: NHS Website [লিঙ্ক]
৯০৯.
মাঙ্কিপক্স ভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হটলাইন নম্বর কোনটি?
  1. ১৬২৬৩
  2. ১০৬৫৫
  3. ক+খ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক+খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক+খ
ব্যাখ্যা
মাঙ্কিপক্স ভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হটলাইন নম্বর
- মাঙ্কিপক্সের লক্ষণ দেখা গেলে সন্দেহভাজনদের দ্রুততম সময়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬২৬৩ ও ১০৬৫৫ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

মাঙ্কিপক্স ভাইরাস
- আন্তর্জাতিক উদ্বেগ থেকে আফ্রিকার কিছু অংশে এমপক্সের প্রাদুর্ভাবকে জরুরি জনস্বাস্থ্য অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও।
- আগে মাঙ্কিপক্স নামে পরিচিত অত্যন্ত সংক্রামক এই রোগে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে অন্তত ৪৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এমপক্স লক্ষণগুলো 
- এই রোগে আক্রান্তদের প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, ফোলা, পিঠে এবং পেশিতে ব্যথা।
- আক্রান্ত ব্যক্তির একবার জ্বর উঠলে গায়ে ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে। সাধারণত মুখ থেকে শুরু হয়ে পরে হাতের তালু এবং পায়ের তলদেশসহ শরীরের অন্যান্য অংশে তা ছড়িয়ে পড়ে।
- অত্যন্ত চুলকানো বা ব্যথাদায়ক এই ফুসকুড়িগুলো পরিবর্তন হয় এবং বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে স্ক্যাব বা গোল গোল পুরু আস্তরে পরিণত হয়ে শেষে পড়ে যায়। এর ফলে দাগ সৃষ্টি হতে পারে।

সূত্র- স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
৯১০.
কলেরা রোগ নিরাময়ে কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা কাজ করছে?
  1. ক) WHO
  2. খ) FAO
  3. গ) ICDDR,B
  4. ঘ) UNICEF
সঠিক উত্তর:
গ) ICDDR,B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ICDDR,B
ব্যাখ্যা

- কলেরা রােগ নিরাময়ের জন্য কাজ করছে ICDDR,B (International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh) এর প্রতিষ্ঠাকাল- ১৯৬০।

অপরদিকে,
- WHO (World Health Organization) প্রতিষ্ঠিত হয়- ৭ এপ্রিল, ১৯৪৮।
সদরদপ্তর- জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- FAO (Food and Agricultural Organization) গঠিত হয় ১৯৪৫ সালে, সদরদপ্তর- রােম।
- UNICEF (United Nations Children's Fund) প্রতিষ্ঠিত হয়- ১১ ডিসেম্বর, ১৯৪৬ সালে।
সদরদপ্তর- নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।

উৎসঃ সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৯১১.
নিচের কোনটি পরিবার পরিকল্পনায় অস্থায়ী পদ্ধতি নয়?
  1. ক) টিউবেকটমী
  2. খ) ইমপ্ল্যান্ট
  3. গ) আইইউডি
  4. ঘ) খাবার বড়ি
সঠিক উত্তর:
ক) টিউবেকটমী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) টিউবেকটমী
ব্যাখ্যা

পরিবার পরিকল্পনায় মহিলাদের স্থায়ী পদ্ধতি টিউবেকটমি (Tubectomy)/লাইগেশন। বিস্তারিত জানতে- [এখানে ক্লিক করুন]।

৯১২.
এন্টিবডি উৎপন্ন করে-
  1. ক) মনোসাইট
  2. খ) লিম্ফোসাইট
  3. গ) নিউট্রোফিল
  4. ঘ) বেসোফিল
সঠিক উত্তর:
খ) লিম্ফোসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লিম্ফোসাইট
ব্যাখ্যা
মনোসাইট এবং নিউট্রোফিল ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস করে। লিম্ফোসাইট এন্টিবডি উৎপন্ন করে। বেসোফিল হেপারিন নিঃসৃত করে।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৯১৩.
শিশুর বয়স কত হলে পিসিভি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়?
  1. ক) ৯ সপ্তাহ
  2. খ) ৬ সপ্তাহ
  3. গ) ৯ মাস
  4. ঘ) ১৫ মাস
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ সপ্তাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ সপ্তাহ
ব্যাখ্যা
- পিসিভি ভ্যাকসিন দেওয়া হয় নিউমোকক্কাল নিঊমোনিয়ার বিরুদ্ধে। 
- এর ডোজের সংখ্যা  ৩ টি। 
- শিশুর বয়স ৬ সপ্তাহ পূর্ণ হলে এই টিকা দিতে হয়। 
 
উৎস: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। 
৯১৪.
Vit-C এর অভাবে-
  1. ক) বেরিবেরি
  2. খ) স্কার্ভি
  3. গ) রিকেটস
  4. ঘ) পেলেগ্রা
সঠিক উত্তর:
খ) স্কার্ভি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্কার্ভি
ব্যাখ্যা

ভিটামিন-বি১(B1) এর অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়। এছাড়া ভিটামিন-সি(C) এর অভাবে স্কার্ভি; ভিটামিন-ডি(D) এর অভাবে রিকেটস; এবং ভিটামিন-এ(A) এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৯১৫.
MRI যন্ত্র দিয়ে শরীরের কোন অংশ সবচেয়ে ভালোভাবে বিশ্লেষণ করা যায়? 
  1. হজমতন্ত্র
  2. হাড়ের গঠন
  3. দাঁতের গঠন
  4. কোমল টিস্যু
সঠিক উত্তর:
কোমল টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোমল টিস্যু
ব্যাখ্যা
এমআরআই: 
- মানুষের শরীরের প্রায় সত্তরভাগ পানি, যার অর্থ মানুষের শরীরের প্রায় সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গে পানি থাকে। 
- পানির প্রতিটি অণুতে থাকে হাইড্রোজেন এবং হাইড্রোজেনের নিউক্লিয়াস হচ্ছে প্রোটন। 
- শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র প্রয়োগ করলে প্রোটনগুলো চৌম্বকক্ষেত্রের দিক সারিবদ্ধ হয়ে যায়, তখন নির্দিষ্ট একটি কম্পনের বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ পাঠানো হলে এই প্রোটনগুলো সেই তরঙ্গ থেকে শক্তি গ্রহণ করে তাদের দিক পরিবর্তন করে এবং এই প্রক্রিয়াকে বলে নিউক্লিয়ার ম্যাগনেটিক রেজোনেন্স। 
- তার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে ম্যাগনেটিক রেজোনেন্স ইমেজিং বা এমআরআই (MRI: Magnetic Resonance Imaging)। এই যন্ত্রটি দেখতে সিটিস্ক্যান যন্ত্রের মতো কিন্তু এর কার্যপ্রণালী সম্পূর্ণ ভিন্ন। 
- সিটিস্ক্যান যন্ত্রে এক্স-রে পাঠিয়ে প্রতিচ্ছবি নেওয়া হয় কিন্তু এমআরআই যন্ত্রে একজন রোগীকে অনেক শক্তিশালী চৌম্বকক্ষত্রের মাধ্যমে তার শরীরে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ দেওয়া হয়। 

- শরীরের পানির অণুর ভেতরকার হাইড্রোজেনের প্রোটন থেকে ফিরে আসা সংকেতকে কম্পিউটার দিয়ে বিশ্লেষণ করে শরীরের ভেতরকার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়। 
- সিটিস্ক্যান দিয়ে যা কিছু করা সম্ভব, এমআরআই দিয়েও সেগুলো করা সম্ভব। তবে এমআরআই দিয়ে শরীরের ভেতরকার কোমল টিস্যুর ভেতরকার পার্থক্যগুলো ভালো করে বুঝা সম্ভব। 
- সিটিস্ক্যান করতে যে সময়ের দরকার হয় তার তুলনায় একটু বেশি সময় লাগে এমআরআই করতে। 
- সিটিস্ক্যানে এক্স-রে ব্যবহার করা হয় বলে যত কমই হোক তেজস্ক্রিয়তার একটু ঝুঁকি থাকে, যা এমআরআইয়ে সেই ঝুঁকি নেই। 
- শরীরের ভেতর কোনো ধাতব কিছু থাকলে (যেমন: পেস মেকার) এমআরআই করা যায় না, কারণ আরএফ (RF) তরঙ্গ ধাতুকে উত্তপ্ত করে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯১৬.
জন্মের এক মাসের মধ্যে কোন টিকা নেয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়? 
  1. ডিপিটি
  2. ডিটি
  3. টিটি
  4. বিসিজি
সঠিক উত্তর:
বিসিজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিসিজি
ব্যাখ্যা
- জন্মের এক মাসের মধ্যে 'বিসিজি ও ওপিভি-ও' টিকা নেয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়। 

ভ্যাকসিনেশন: 
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expended Programe on Immounization -EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী কয়েকটি রোগ যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম ইত্যাদির ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- মা এবং শিশুকে টিটেনাস থেকে রক্ষার জন্য টিটেনাস টক্সেয়েড (tetanus toxoid) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১৭.
একজন মানুষের দেহে হাড়ের সংখ্যা কত?
  1. ২১০
  2. ৩০৯
  3. ৩০৮
  4. ২০৬
সঠিক উত্তর:
২০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৬
ব্যাখ্যা
মানুষের কঙ্কালতন্ত্র:
ভ্রূণীয় মেসোডার্ম স্তর থেকে সৃষ্ট অস্থি, তরুণাস্থি ও লিগামেন্ট এর সমন্বয়ে গঠিত যে তন্ত্র দেহের কাঠামো সৃষ্টি করে, নির্দিষ্ট আকার আকৃতি দান করে, ভার বহন করে এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গাদি সুরক্ষিত রাখে, তাদেরকে একত্রে কঙ্কালতন্ত্র বলে।
- মানুষের কঙ্কালতন্ত্র ২০৬টি অস্থির সমন্বয়ে গঠিত এবং এ ধরনের কঙ্কালতন্ত্রকে অন্তঃকস্কাল বলে। কারণ বাইরে থেকে এ কঙ্কাল দেখা যায় না।

মানুষের কঙ্কালতন্ত্রকে প্রধান দুটি অংশে ভাগ করা হয়।
যথা-
১. অক্ষীয় কঙ্কাল
২. উপাঙ্গীয় কঙ্কাল

কঙ্কালতন্ত্রে অক্ষীয় অস্থি ৮০টি এর মধ্যে-
● করোটিতে অস্থি সংখ্যা ২২টি
● বক্ষপিঞ্জরে অস্থি সংখ্যা ২৫টি
● মেরুদন্ডে ৩৩টি অস্থি রয়েছে।
২. উপাঙ্গীয় অস্থি ১২৬ টি এর মধ্যে-
● বাহুতে অস্থি সংখ্যা ৬০টি
● পা এ অস্থি সংখ্যা ৬০টি
● বক্ষ অস্থি চক্রে অস্থি সংখ্যা ৪টি
● শ্রেণি অস্থি চক্রে ২টি অস্থি রয়েছে।

উৎস: প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১৮.
COVID-19 কিসের নাম?
  1. মহামারি
  2. ভাইরাস
  3. রোগ
  4. ব্যাক্টেরিয়া
সঠিক উত্তর:
রোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোগ
ব্যাখ্যা

২০১৯ সালের শেষদিকে চীন থেকে একটি প্রাণঘাতী ভাইরাস সারা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে যার নাম - করোনা ভাইরাস।
করোনা ভাইরাসের আনুষ্ঠানিক নাম নির্ধারণ করা হয় - SARS-CoV-2 বা severe acute respiratory syndrome coronavirus 2
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি এই নামটি নির্ধারণ করে। ভাইরাসটির পূর্ব নাম ছিল - 2019 novel coronavirus
এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে যে রোগটি হয় তার আনুষ্ঠানিক নাম - COVID - 19
উৎসঃ WHO website.

৯১৯.
নিচের কোন ক্ষেত্রে এক্সরে ব্যবহৃত হয় না? 
  1. হাড়ে ফাটল নির্ণয়ে 
  2. দাঁতের গোড়ার ক্ষয় নির্ণয়ে 
  3. পেটের অন্ত্র প্রতিবন্ধকতা সনাক্ত করতে 
  4. রক্তচাপ পরিমাপ করতে  
সঠিক উত্তর:
রক্তচাপ পরিমাপ করতে  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তচাপ পরিমাপ করতে  
ব্যাখ্যা

- 'রক্তচাপ পরিমাপ করতে' এক্সরে ব্যবহৃত হয় না। 

এক্সরে যন্ত্রের মূলনীতি ও ও এর ব্যবহার: 

- এক্সরে হলো এক ধরনের তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ। 
- এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সাধারণ আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক কম। 
- এই রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 10-10 m এর কাছাকাছি। 
- ১৮৯৫ সালে রন্টজেন এক্সরে আবিস্কার করেন। 
- এক্সরে রঞ্জন রশ্মি নামেও পরিচিত। 

- চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক্সরের অবদান নিচে বর্ণনা করা হলো- 
১. স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙে যাওয়া হাড় ইত্যাদি এক্সরের সাহায্যে খুব সহজেই সনাক্ত করা যায়। 
২. মুখমন্ডলীর যে কোনো ধরনের রোগ নির্ণয়ে এক্সরের ব্যবহার অনেক যেমন- দাঁতের গোড়ায় ঘা এবং ক্ষয় নির্ণয়ে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। 
৩. পেটের এক্সরের সাহায্যে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা সনাক্ত করা যায়। 
৪. এক্সরের সাহায্যে পিত্ত থলি ও কিডনির পাথরকে সনাক্ত করা যায়। 
৫. বুকের এক্সরের সাহায্যে ফুসফুসের রোগ যেমন- যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ফুসফুসের ক্যান্সার ইত্যাদি নির্ণয় করা যায়।
৬. চিকিৎসার কাজেও এক্সরে ব্যবহার করা যায়। এটি ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলতে পারে। রেডিওথেরাপি প্রয়োগ করে ক্যান্সারের চিকিৎসা করা যায়। 
- এক্সরের অপ্রয়োজনীয় বিকিরণ সম্পাত যাতে রোগীর ক্ষতি করতে না পারে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এজন্য এক্সরে নেওয়ার সময় রোগীকে সীসা নির্মিত এপ্রোন দ্বারা যথাসম্ভব আচ্ছাদিত করতে হবে। 
- অতি জরুরী না হলে গর্ভবতী মহিলাদের উদর এবং পেলভিক অঞ্চলের এক্সরে করা উচিত নয়। অন্য কোনো এক্সরে পরীক্ষা প্রয়োজন হলে সীসা নির্মিত এপ্রোন অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯২০.
EPI-এর পূর্ণরূপ কী? 
  1. Extended Program on immunization
  2. Expanded program on immunization
  3. Essential polio immunization
  4. Extended pediatric immunization
সঠিক উত্তর:
Expanded program on immunization
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Expanded program on immunization
ব্যাখ্যা

- EPI-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Expanded Program on Immunization যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর একটি কার্যক্রম যার আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী কয়েকটি রোগের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 

বাংলাদেশে ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রাম: 
- রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে টিকার আবিষ্কার এবং টিকার প্রচলন মানুষের জন্য আশীর্বাদ। 
- টিকার মাধ্যমে ১৯৭৯ সালে চূড়ান্তভাবে নির্মূলের পূর্বে গুটি বসন্ত এককভাবে পৃথিবীর প্রায় ৩০-৪০ কোটি মানুষের প্রাণ হরণ করেছে। 
- আবিষ্কৃত পোলিও ভ্যাকসিন OPV এবং এটির ব্যবহার দ্বারা বাংলাদেশ বর্তমানে পোলিও রোগ মুক্ত হয়েছে। 
- এই টিকা বা ভ্যাকসিনের জন্যই রুবেলা, হাম, মাম্পস, যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, পারটুসিস, ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস ইত্যাদি রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছে। 
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expanded Program on Immunization-EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী কয়েকটি রোগ, যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম ইত্যাদির ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- মা এবং শিশুকে টিটেনাস থেকে রক্ষার জন্য টিটেনাস টক্সেয়েড (tetanus toxoid) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- ভ্যাকসিনেশনের জাতীয় কর্মসূচীতে নিচের ছক অনুযায়ী টিকা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়- 



উৎস:
প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা। 

৯২১.
ম্যালেরিয়া রোগের বাহক কী?
  1. এডিস
  2. কিউলেক্স
  3. স্যান্ড ফ্লাই
  4. অ্যানােফিলিস মশা
সঠিক উত্তর:
অ্যানােফিলিস মশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানােফিলিস মশা
ব্যাখ্যা
ম্যালেরিয়া জ্বর:
- Plasmodium নামক অনুজীবের কারণে ম্যালেরিয়া রোগ হয়। 
- অ্যানােফিলিস মশা (Anopheles mosquitoes) এর মাধ্যমে ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু বিস্তার লাভ করে। 

⇒ স্যার রোনাল্ড রস প্রমাণ করেন যে অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়া জ্বরের জন্য দায়ী।
- ১৮৯৭ সালে ভারতে কর্মরত ব্রিটিশ ডাক্তার স‍্যার রোনাল্ড রস প্রমাণ করেন যে Anopheles মশা এই রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে।
- এ আবিষ্কারের কারণে তাকে ১৯০২ সালে চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়।
- তিনি সুস্থ ও সংক্রমিত পাখিদেরকে অধ্যয়ন করে প্লাসমোডিয়াম জীবাণুর সমগ্র জীবনচক্র সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করেন।
- তিনি দেখান যে মশার লালাগ্রন্থিতে প্লাসমোডিয়াম জীবাণু থাকে এবং মশার কামড়ের মাধ্যমে এটি অন্য পোষকের দেহে সংক্রমিত হয়।
- তাঁর এই কাজের উপর ভিত্তি করে অ্যানোফিলিস মশার বংশবিস্তার রোধের মাধ্যমে ম্যালেরিয়া রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

অন্যদিকে,
- ডেঙ্গু রোগের জীবাণুবাহী মশার প্রজাতি হলো- এডিস।
- ফাইলেরিয়া বা গোদ রোগের জীবাণুবাহী মশা- কিউলেক্স।
- কালাজ্বরের জীবাণুবাহী মশা- স্যান্ড ফ্লাই।
- Aedes aegypti (এডিস এজিপটাই) প্রজাতির মশার কামড়ে ডেঙ্গু ছড়ায়। এছাড়া এডিস এলবোপিকটাস মশার কামরেও ডেঙ্গু রোগ ছড়াতে পারে।

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯২২.
মানবদেহের হাড়ে কতটুকু পানি থাকে?
  1. ক) ১০-২০%
  2. খ) ২০-২৫%
  3. গ) ৪০-৫০%
  4. ঘ) ৭০-৮০%
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০-৫০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০-৫০%
ব্যাখ্যা

অস্থি যোজক কলার রূপান্তরিত রূপ। এটি দেহের সবচেয়ে দৃঢ় কলা।
লম্বা, ছোট, অসমান, চ্যাপ্টা মোট ২০৬ টি অস্থির সমন্বয়ে পূর্ণ বয়স্ক মানব কঙ্কাল গঠিত হয়।
শিশুর কঙ্কালে অস্থির সংখ্যা আরো বেশি থাকে।

- অস্থি মূলত ফসফরাস, সোডিয়াম, পটাশিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের বিভিন্ন যৌগ দিয়ে তৈরি।
- অস্থিতে ৪০ থেকে ৫০ ভাগ পানি থাকে
- অস্থির বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার প্রয়োজন।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

৯২৩.
কোন মশার কামড়ে ডেঙ্গু জ্বর হয়?
  1. কিউলেক্স
  2. অ্যানোফিলিস
  3. এডিস মশা
  4. হেমাগোগাস
সঠিক উত্তর:
এডিস মশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এডিস মশা
ব্যাখ্যা
ডেঙ্গু জ্বর
- উপক্রান্তিয় এবং ক্রান্তীয় অঞ্চলের গ্রীষ্ম-প্রধান দেশে ডেঙ্গু এবং ডেঙ্গু জ্বর একটি অত্যন্ত সাধারণ ভেক্টর-বাহিত ভাইরাসঘটিত রোগ।
- ডেঙ্গু জ্বর হল একটি মশা-বাহিত ভাইরাস-ঘটিত রোগ।
- একটি স্ত্রী এডিস মশা যদি ফ্ল্যাভিভাইরাস প্যাথোজেন বহন করে এবং এ অবস্থায় কাউকে কামড় দেয় তাহলে ভুক্তভোগী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হতে পারেন।
- ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে জয়েন্টে ব্যথা, রক্তক্ষরণ এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
- যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন মনে করে সারা বিশ্বে প্রতি বছর ১০ কোটি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়।

সূত্র- বিবিসি।
৯২৪.
গর্ভাবস্থায় রক্তস্বল্পতা দেখা দিলে কোন ধরনের ট্যাবলেট সাধারণত খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়?
  1. ভিটামিন 
  2. জিংক 
  3. আয়রন 
  4. আয়োডিন 
সঠিক উত্তর:
আয়রন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়রন 
ব্যাখ্যা

গর্ভকালীন বিভিন্ন সমস্যা ও সচেতনতা: 
- প্রতিবছর গর্ভকালীন জটিলতায় অনেক নারী মৃত্যুবরণ করেন। 
- গর্ভকালীন সমস্যা সম্পর্কে অজ্ঞতা ও সচেতনতার অভাব মা ও শিশুর উভয়ের জন্য জীবনঘাতী হতে পারে। 
- তাই সঠিক পরিচর্যা ও চিকিৎসা মায়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

গর্ভকালীন রক্তস্বল্পতা: 
- গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত রক্ত প্রবাহ ও পুষ্টির ঘাটতির কারণে রক্তস্বল্পতা হতে পারে।
- গর্ভকালীন সময় রক্তস্বল্পতা দেখা দিলে ডাক্তারের নিচের পরামর্শগুলো মেনে চলার পরামর্শ দেন- 
• প্রথম মাস থেকে ফলিক অ্যাসিড ট্যাবলেট গ্রহণ করতে হয়। 
তৃতীয় মাস থেকে আয়রন ও ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। 
• আয়রনযুক্ত খাবার খেতে হবে। যেমন: কচুশাক, কলিজা, তেঁতুল, তরমুজ, ডিম ইত্যাদি। 
• ভিটামিন C সমৃদ্ধ খাবার খেলে আয়রনের শোষণ বৃদ্ধি পায়। যেমন: আমলকি, লেবু, কাঁচামরিচ, পেয়ারা, আনারস, কাঁচা ফলমূল ইত্যাদি। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯২৫.
HMPV- এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Human Malaria Pneumovirus
  2. Human Metapneumovirus
  3. Human Mycoplasma Pneumonia Virus
  4. Human Meningococcal Pneumonia Virus
সঠিক উত্তর:
Human Metapneumovirus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Human Metapneumovirus
ব্যাখ্যা
‘এইচএমপিভি’ ভাইরাস:
- এইচএমপিভি (Human Metapneumovirus) ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে চীন এবং জাপানে।
- এই ভাইরাস ইনফ্লুয়েঞ্জা ধাঁচের এবং করোনার মতোই ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
- বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা, ২০২৫ সালে করোনার মতো নতুন কোনো মহামারি উদ্ভব হতে পারে।
- ডিজিজ এক্স নামক মহামারি নিয়ে বিশেষজ্ঞরা আগাম সতর্কতা জারি করেছেন।
- চীনে এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাড়লেও, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা সরকার এখন পর্যন্ত কোনো সতর্কতা জারি করেনি।
- ভাইরাসের সাধারণ উপসর্গ হলো জ্বর, নাক বন্ধ, কাশি বা শ্বাসকষ্ট, তবে তীব্র সংক্রমণে ব্রঙ্কাইটিস, নিউমোনিয়া বা কানে ইনফেকশন হতে পারে।
- প্রতিরোধ ও প্রতিকার হিসেবে সাবান এবং পানি দিয়ে হাত ধোয়া, অপরিষ্কার হাতে নাক-মুখ স্পর্শ না করা এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
- দুই দশক আগে প্রথমবারের মতো এই ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হলেও, এখনও এর কোনো টিকা আবিষ্কৃত হয়নি।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা নিউজ [লিঙ্ক]
৯২৬.
নিচের কোন ভ্যাকসিন দেহ তলের রাসায়নিক উপাদান থেকে তৈরি? 
  1. বিসিজি
  2. পোলিও
  3. হেপাটাইটিস-বি
  4. ইনফ্লুয়েঞ্জা
সঠিক উত্তর:
হেপাটাইটিস-বি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেপাটাইটিস-বি
ব্যাখ্যা
টিকা: 
- টিকা হলো প্রাণিদেহে রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের নিষ্ক্রিয় পরিদ্রুত সাসপেনশন। 
- টিকায় বিদ্যমান অণুজীবগুলো (ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া) জীবিত, অর্ধমৃত বা মৃতও হতে পারে। এদের এমনভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয় যাতে এরা জীবকোষে কোনো রোগ সৃষ্টি করতে না পারে, কিন্তু রোগের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে। 

টিকার প্রকারভেদ: 
- মানবদেহের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে দমন করতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টিকা আবিষ্কার করেছেন। 
যেমন- 
১। নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু জীবন্ত টিকা: 
- কালচার করা, ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল করে দেওয়া জীবিত জীবাণু নিয়ে তৈরি। 
উদাহরণ- BCG, হাম, মাম্পস, পোলিও, জলাতঙ্ক, যক্ষ্মা, গুটিবসন্ত, প্লেগ, টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

২। মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা: 
- এধরনের টিকা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি। 
উদাহারণ- ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা প্রভৃতি ভ্যাকসিন। 

৩। নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা: 
- এ ধরনের টিকা জীবাণু নিঃসৃত টক্সয়েড দিয়ে তৈরি। 
উদাহরণ-ডিপথেরিয়া, টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

৪। দেহ তলের রাসায়নিক বস্ত: 
- অনেক ক্ষেত্রে সংক্রমণকারী জীবাণুর দেহ তল থেকে রাসায়নিক উপাদান (নির্দিষ্ট প্রোটিনের অংশ) আলাদা করে ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 
উদাহরণ- হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস ভ্যাকসিন প্রভৃতি। 

৫। ডিএনএ টিকা: 
- রিকমবিনেন্ট DNA পদ্ধতিতে DNA ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২৭.
রক্তের হিমোগ্লোবিন এক প্রকার - 
  1. আমিষ
  2. প্লাটিলেট
  3. চর্বি
  4. এন্টিজেন
সঠিক উত্তর:
আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিষ
ব্যাখ্যা
রক্ত: 
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা। 
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা। 
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের। 
- রক্তের রসে লাল রঙের হিমোগ্লোবিন নামে লৌহ-ঘটিত প্রোটিন বা আমিষ জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রঙ লাল হয়। 
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে। 
- তবে কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে ফুসফুসে পরিবাহিত হয়, তবে কার্বন ডাই-অক্সাইডের সিংহভাগ বাইকার্বনেট আয়ন হিসেবে রক্ত দ্বারা ফুসফুসে পরিবাহিত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯২৮.
স্নায়ুকোষের কত শতাংশ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে?
  1. এক-তৃতীয়াংশ
  2. এক-পঞ্চমাংশ
  3. এক-চতুর্থাংশ
  4. এক-দ্বিতীয়াংশ
সঠিক উত্তর:
এক-চতুর্থাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক-চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা
স্নায়ুতন্ত্র: 
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ মস্তিষ্ক। 
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একক কে বলে নিউরন। 
- মস্তিষ্কের নিউরন থাকে ১০ মিলিয়ন। 
- মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি। 
- মস্তিষ্ককে আবৃতকারী পর্দার নাম মেনিনজেস। 
- মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা পাওয়াকে বলে স্ট্রোক। 
- স্নায়ুকোষের এক-চতুর্থাংশ বা ২৫% ধ্বংস হয়ে গেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে। 
- স্নায়ুকোষ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের বিভিন্ন প্রকার রোগ যেমন স্মৃতিভ্রংশ, বুদ্ধিবৈকল্য ইত্যাদি হতে পারে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯২৯.
নিউক্লিয়াসের সংগঠনের ভিত্তিতে কোষ কত প্রকার?
  1. ক) তিন
  2. খ) চার
  3. গ) এক
  4. ঘ) দুই
  5. ঙ) আট
সঠিক উত্তর:
ঘ) দুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দুই
ব্যাখ্যা
নিউক্লিয়াসের গঠনের উপর ভিত্তি করে কোষ দুই প্রকার। আদিকোষে নিউক্লিয়াস সুগঠিত থাকে না এবং প্রকৃত কোষে নিউক্লিয়াস সুগঠিত।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই।
৯৩০.
ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ নয় কোনটি?
  1. যক্ষ্মা
  2. আমাশয়
  3. ডেঙ্গু
  4. টাইফয়েড
সঠিক উত্তর:
ডেঙ্গু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেঙ্গু
ব্যাখ্যা
• ব্যাকটেরিয়া:
- গ্রিক শব্দ Bakterion (little rod) থেকে ব্যাকটেরিয়া শব্দটির উৎপত্তি।
- ব্যাকটেরিয়া (একবচনে ব্যাকটেরিয়াম) এক ধরনের ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক জীব।
- অ্যান্টনি ভ্যান লীউয়েনহুককে ব্যাকটেরিওলজি ও প্রোটোজুওলজির জনক বলা হয়ে থাকে।
- জার্মান বিজ্ঞানী এরেনবার্গ ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে এসব ক্ষুদ্রজীবদের ব্যাকটেরিয়া নামকরণ করেন।
- ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর ১৮৬৯ খ্রিস্টাব্দে ব্যাকটেরিয়ার ওপর ব্যাপক গবেষণা এবং ব্যাকটেরিইয়া তত্ত্বকে প্রতিষ্টিত করেন।
- ব্যাকটেরিয়া আদিকোষী জীব, এদের কোষে জড় কোষ প্রাচীর থাকে।

- মানবদেহে ব্যাকটেরিয়া গঠিত কিছু রোগ হলো:
• যক্ষ্মা
• নিউমোনিয়া
• কলেরা
• টাইফয়েড
• কলেরা
• ডিপথেরিয়া
• আমাশয়
• ধনুষ্টংকার
• হুপিংকাশি ইত্যাদি।

- ডেঙ্গু ভাইরাস গঠিত রোগ।

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৯৩১.
মানবদেহের মেরুদণ্ডে হাড়ের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ২৯টি
  2. খ) ২৫টি
  3. গ) ৬০টি
  4. ঘ) ২৬টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৬টি
ব্যাখ্যা

একজন পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির শরীরে মেরুদণ্ডে হাড় থাকে ২৬টি।
আর নবজাতকের শরীরে মেরুদণ্ডে হাড় থাকে ৩৩টি।
পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির শরীরে মেরুদণ্ডে থাকেঃ
- ৭টি গ্রীবাদেশীয় কশেরুকা
- ১২টি বক্ষদেশীয় কশেরুকা
- ৫টি কটিদেশীয় কশেরুকা
- ৫টি হাড় একীভূত হয়ে একটি শ্রোণিদেশীয় কশেরুকা
- ৪টি হাড় একীভূত হয়ে একটি পুচ্ছদেশীয় কশেরুকা 
- এই সর্বমোট ২৬টি কশেরুকা।
শৈশাবস্থায় শ্রোণিদেশীয় ও পুচ্ছদেশীয় হাড়গুলো একীভূত না হওয়ায় তখন মেরুদণ্ডে মোট অস্থির সংখ্যা থাকে ৩৩টি।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৯৩২.
নিচের কোন রোগটি RNA ভাইরাস নয়?
  1. ক) ডেঙ্গুজ্বর
  2. খ) কোভিড-১৯
  3. গ) স্মলপক্স
  4. ঘ) পােলিও
সঠিক উত্তর:
গ) স্মলপক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্মলপক্স
ব্যাখ্যা
ডেঙ্গুজ্বর, কোভিড-১৯, পােলিও হলো RNA ভাইরাসঘটিত রোগ। 
অপরদিকে, স্মলপক্স DNA ভাইরাসঘটিত রোগ। 
 
Smallpox বা গুটিবসন্ত মানবজাতির ইতিহাসে একমাত্র রোগ যেটা সম্পূর্ণভাবে নির্মূল হয়েছে।
- WHO ১৯৮০ সালে গুটিবসন্ত নির্মূলের ঘোষণা দেয়।
- গুটিবসন্ত হয় - ভেরিওলা ভাইরাসের কারনে। (DNA Type)
- সর্বশেষ ১৯৭৭ সালে সোমালিয়াতে দেখা গিয়েছিল।
৯৩৩.
নিচের কোন টেকনোলজির দ্বারা চিকিৎসা ক্ষেত্রে বায়োটেকনোলজির প্রয়োগ বর্ণনা করা হয়?
  1. ইয়োলো বায়োটেকনোলজি
  2. ব্লু বায়োটেকনোলজি
  3. রেড বায়োটেকনোলজি
  4. গ্রীন বায়োটেকনোলজি
সঠিক উত্তর:
রেড বায়োটেকনোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেড বায়োটেকনোলজি
ব্যাখ্যা
রেড ও হোয়াইট  বায়োটেকনোলজি (Red and White Biotechnology): 
- রেড ও হোয়াইট  বায়োটেকনোলজি দ্বারা চিকিৎসা ক্ষেত্রে বায়োটেকনোলজির প্রয়োগ বর্ণনা করা হয়। 

চিকিৎসা শাস্ত্রে বায়োটেকনোলজির ব্যবহার: 
- বিভিন্ন জটিল রোগের প্রতিষেধক এবং রোগ ব্যাধি সনাক্তকরণের জন্য এন্টিবডি উৎপাদন করা। 
- ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে সংশ্লেষিত ইনসুলিন ও ইন্টারফেরনসহ নানা ধরনের হরমোন উৎপাদন করা। 
- মানুষের বৃদ্ধি হরমোন উৎপাদন করা। 
- মস্তিষ্কে, হৃৎপিণ্ডে ও ফুসফুসে রক্ত জমাট প্রতিরোধ উপাদান উৎপাদন করা। 
- বর্তমান বায়োফার্মের মাধ্যমে হরমোন, এন্টিজেন ও ভিটামিন তৈরি করা। 

অন্যদিকে,
- ব্লু বায়োটেকনোলজি দ্বারা জলীয় সামুদ্রিক প্রয়োগ বর্ণনা করা হয়। 
- গ্রীন বায়োটেকনোলজি দ্বারা বায়োটেকনোলজির কৃষি ক্ষেত্রের প্রয়োগ বর্ণনা করা হয়। 
- ইয়েলো বায়োটেকনোলজি দ্বারা খাদ্য উৎপাদনে ( খাদ্য শিল্প ) জৈবপ্রযুক্তির প্রয়োগ বর্ণনা করা হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মুহাম্মদ আবুল হাসান)।
৯৩৪.
মানবদেহে বিলিরুবিন তৈরি হয় কোথায়?
  1. ক) প্লীহায়
  2. খ) যকৃতে
  3. গ) পিত্তথলিতে
  4. ঘ) বৃক্কে
সঠিক উত্তর:
খ) যকৃতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যকৃতে
ব্যাখ্যা
বিলিরুবিন পুরোপুরি তৈরি হয় যকৃতে এবং অস্থিমজ্জায়। এটি জমা থাকে প্লীহাতে।

- বিলিরুবিন এক ধরণের হলুদ রঙের পদার্থ, যেটা রক্তে উপস্থিত লাল রক্ত কনিকার ১২০ দিনের চক্র পূরণ হলে ভেঙ্গে তৈরি হয়।
- বিলিরুবিনে বিলি থাকে, যেটা লিভারে তৈরি পাচক তরল পদার্থ এবং এটি গলব্লাডারে থাকে।
- এটা খাবারকে হজম করতে এবং মল তৈরি হতে সাহায্য করে। 
- জন্ডিস হবার মূল কারণ হল রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা অধিক পরিমাণে বেড়ে যাওয়া।
- যদি কোন কারণের ফলে বিলিরুবিন বিলির সাথে মিশতে না পারে কিংবা যখন লাল রক্ত কনিকা সামান্য থেকে কম পরিমাণে ভাঙতে শুরু করে, তখন রক্তে বিলিরুবিনের স্তর দ্রুত বাড়তে থাকে। আর এই ভাবে এটা অন্য অঙ্গে পৌঁছে সেখানে হলুদ ভাবের সৃষ্টি করে।

• ব্রিটানিকা থেকে -
Bilirubin, a brownish-yellow pigment of bile, secreted by the liver in vertebrates, which gives to solid waste products (feces) their characteristic color.
It is produced in bone marrow cells and in the liver as the end product of red-blood-cell (hemoglobin) breakdown.

সূত্র: University of California Website ও ব্রিটানিকা।
৯৩৫.
হৃদপিন্ডের অ্যাট্রিয়াম অথবা ভেন্ট্রিকল অথবা উভয়ের সংকোচন ক্ষমতা লোপ পাওয়াকে কী বলে?
  1. করোনারি থ্রম্বোসিস
  2. হার্ট ব্লক
  3. হার্ট অ্যাটাক
  4. হার্ট ফেইলিউর
সঠিক উত্তর:
হার্ট ফেইলিউর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হার্ট ফেইলিউর
ব্যাখ্যা
হৃদরোগ:
- রক্তে কোলেস্টেরলের আধিক্য হৃদরোগের আশংকা বাড়ায়।
- স্বাভাবিক মাত্রা থেকে রক্তে কোলেস্টেরল বেশি হলে রক্তনালীর অন্তঃপ্রাচীরের গাত্রে কোলেস্টেরল ও ক্যালসিয়াম জমা হয়ে রক্ত নালি গহ্বর সংকুচিত হয়। ফলে ধমনির প্রাচীরের স্থিতিস্থাপকতা কমে যায় এবং শক্ত হয়ে যায়— এ অবস্থাকে ধমনির কাঠিন্য বা Arteriosclerosis বলে ।
- আর্টারিওস্ক্লেরোসিস এর কারণে ধমনির প্রাচীরে ফাটল দেখা দিতে পারে। ধমনিগাত্রের ফাটল দিয়ে রক্ত ক্ষরণ হয়ে জমাট বাঁধার কারণে রক্ত প্রবাহ বাধা প্রাপ্ত হয়।
- হৃদপিন্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিকের রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে। এতে আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে। 

হার্ট ব্লক:
- হৃদপিন্ডের স্পন্দন প্রবাহ উৎপাদন ত্রুটিপূর্ণ হলে বা উৎপন্ন প্রবাহ সঠিক পথে পরিবাহিত না হলে তাকে হৃদ অবরোধ বা হার্ট ব্লক বলে।

হার্ট অ্যাটাক:
- হৃদপিন্ডের করোনারি ধমনি কোনো কারণে বন্ধ হয়ে গেলে হৃদপেশির রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়ে যে রোগ সৃষ্টি হয় তাকে হার্ট অ্যাটাক বলে ।

হার্ট ফেইলিউর:
- হৃদপিন্ডের অ্যাট্রিয়াম অথবা ভেন্ট্রিকল অথবা উভয়ের সংকোচন ক্ষমতা লোপ পাওয়াকে হার্ট ফেলিওর বলে।
 
তথ্যসূত্র - হৃদপিণ্ডের যত কথা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৩৬.
মানুষের অটোজোম কয় জোড়া?
  1. ৪৬
  2. ৪৪
  3. ২২
  4. ২৪
সঠিক উত্তর:
২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২
ব্যাখ্যা

- মানবদেহে ক্রোমোজোম সংখ্যা ৪৬ টি বা ২৩ জোড়া।
- এরমধ্যে ২২ জোড়া বা ৪৪ টি অটোজোম এবং ১ জোড়া বা ২টি সেক্স ক্রোমোজোম।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯৩৭.
কোন অণুজীবের সংক্রমণে শ্বাসনালীর প্রদাহ দেখা দেয়?
  1. ক) Staphylococcus
  2. খ) Streptococcus
  3. গ) Enterococcus
  4. ঘ) Salmonella
সঠিক উত্তর:
খ) Streptococcus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Streptococcus
ব্যাখ্যা
Streptococcus অণুজীবের সংক্রমণে সৃষ্ট শ্বাসনালীর প্রদাহ, ফুসকুড়িযুক্ত সংক্রামক জ্বর, টনসিলের প্রদাহ দেখা দেয়। 

শিশু ও বয়স্করা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকেন। শ্বাসনালী ও তার শাখা-প্রশাখার ক্ষুদ্র ঝিল্লি আক্রান্ত হওয়াই এ রোগের কারণ। হঠাৎ শ্বাসনালীর প্রদাহ রোগ সাধারণ সর্দি লাগার ফলেই হয়ে থাকে। সর্দি কণ্ঠনালী হতে নিচের দিকে প্রসারিত হয়ে বায়ুনালীগুলোকে আক্রমণ করলেই তার নাম হয় হঠাৎ শ্বাসনালীর প্রদাহ। যে ঋতুতে আবহাওয়া ঘন ঘন পরিবর্তিত হয় অর্থাৎ শরৎকাল ও বসন্তকালের প্রারম্ভেই রোগটি সাধারণত প্রকাশ পায় এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দুর্বল দেহ, উপযুক্ত ও পুষ্টিকর খাদ্য হতে বঞ্চিত এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস করতে বাধ্য হয় এ ধরনের ব্যক্তিকে এ রোগ আক্রমণ করে।

লক্ষণ-
প্রবল শুষ্ক কাশিতে বুকে ব্যথা লাগে, শ্বাস-প্রশ্বাসের দ্রুততা বৃদ্ধি পায়। দেহের উত্তাপ বাড়ে। ক্রমে শ্লেষ্মা সরল হতে থাকে এবং অল্প কাশিতেই থোকা থোকা কফ উঠে বুক পরিষ্কার হয়ে যায়। সাধারণত সুস্থ যুবকদের পক্ষে হঠাৎ শ্বাসনালীর প্রদাহ কখনোই মারাত্মক হয় না। কিন্তু শিশু ও বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে অবস্থাভেদে এ রোগ অথবা এ রোগ বিস্তৃত হয়ে অন্য উপসর্গের সৃষ্টি করলে বিপদের আশঙ্কা দেখা দিতে পারে। উপযুক্ত সময়ে রোগ প্রশমিত না হলে তা পুরাতন আকার ধারণ করে, তখন তাকে পুরাতন বা দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসনালীর প্রদাহ বলে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৯৩৮.
হেপাটাইটিস 'বি' ভাইরাস শরীরের কোথায় আক্রমণ করে?
  1. ক) ফুসফুস
  2. খ) হৃদপিণ্ড
  3. গ) যকৃত
  4. ঘ) অগ্ন্যাশয়
সঠিক উত্তর:
গ) যকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যকৃত
ব্যাখ্যা
হেপাটাইটিস 'বি' ভাইরাস
- হেপাটাইটিস বি একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ যা যকৃত বা লিভার কে আক্রমণ করে।
- হেপাটাইটিস বি ভাইরাস (HBV) এর আক্রমণে এ রোগ হয়। 
- রক্তের হেপাটাইটিস ভাইরাস (বি, সি) ছড়ায় যখন একজন আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত অথবা দেহজ তরল অন্য ব্যক্তির দেহে পৌঁছায়। 
- যাদের মধ্যে উপসর্গ দেখা যায়, তাদের ক্ষেত্রে সংক্রমণ এবং উপসর্গের মধ্যে দুই থেকে ছয় সপ্তাহের ব্যবধান থাকে।
- যখন উপসর্গগুলো দেখা যায়, তখন সেগুলো সাধারণত আট সপ্তাহ স্থায়ী হয় এবং তার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে: বমিভাব, বমি হওয়া, উদরাময়, হলুদ ত্বক, জ্বর এবং তলপেটে ব্যথা।

উৎস: Hepatitis B Virus: Advances in Prevention, Diagnosis and National Institutes of Health (.gov).
৯৩৯.
মানুষের হৃদপিণ্ডে প্রাকৃতিক পেসমেকার বলা হয় কোনটিকে?
  1. পারকিঞ্জি তন্তু
  2. সাইনো-অ্যাট্রিয়াল নোড
  3. অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার নোড
  4. বান্ডল অব হিজ
সঠিক উত্তর:
সাইনো-অ্যাট্রিয়াল নোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইনো-অ্যাট্রিয়াল নোড
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
হৃদপিণ্ডের প্রাচীরের কিছু রূপান্তরিত হৃদপেশি মায়োজেনিক প্রকৃতির জন্য দায়ী। এ বিশেষ ধরনের পেশিগুলোকে সম্মিলিতভাবে সংযোগী টিস্যু বা জাংশনাল টিস্যু বলে। ৪ ধরনের জাংশনাল টিস্যুর মধ্যে রয়েছেঃ
- সাইনো-অ্যাট্রিয়াল নোড: একে পেসমেকার বলা হয়, কারণ হৃদপিণ্ডে প্রতিটি উত্তেজনার তরঙ্গ এখানেই সৃষ্টি হয় এবং পরবর্তী উত্তেজনার তরঙ্গ সৃষ্টির উদ্দীপক হিসাবেও কাজ করে।
- অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার নোড: সাইনো-অ্যাট্রিয়াল নোডের অনুরূপ গঠন বৈশিষ্ট্যের অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার টিস্যু AV বান্ডেল নামক বিশেষ পেশিতন্তু গুচ্ছের সাথে যুক্ত থাকে। AV বান্ডেল এর মাধ্যমে হৃদউদ্দীপনার ঢেউ অ্যাট্রিয়াম থেকে ভেন্ট্রিকলে প্রবাহিত হয়।
- বান্ডল অব হিজ: এটি AV নোড থেকে উদ্দীপনা গ্রহণ করে ভেন্ট্রিকলের প্রাচীরে সঞ্চারিত করে।
- পারকিঞ্জি তন্তু: এ তন্তুগুলো বান্ডল অব হিজ থেকে উৎপন্ন হয়ে ভেণ্ট্রিকলের প্রাচীরে জালক সৃষ্টি করে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৯৪০.
একজন ব্যক্তির দেহের ওজন ১০০ কেজি এবং উচ্চতা ২ মিটার হলে বিএমআই কত?
  1. ২০
  2. ২৫
  3. ৩০.২৫
  4. ৫০
সঠিক উত্তর:
২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫
ব্যাখ্যা
- শিশু জন্মগ্রহণের পর তার দেহের বৃদ্ধি ঘটতে থাকে এবং পরবর্তীকালে শৈশব, কৈশোর পার হয়ে যৌবন ও প্রাপ্তবয়স্কে উপনীত হয়।
- মানবদেহের বৃদ্ধি ২০-২৪ বছর পর্যন্ত ঘটে এবং তারপর আর উচ্চতার বৃদ্ধি হয় না।
- দেহের উচ্চতার সাথে ওজনের সামঞ্জস্য রক্ষা করার সূচককে বিএমআই (BMI: Body Mass Index) বা ভরসূচি বলা হয়।
- উচ্চতার সাথে যদি দেহের ওজনের সামঞ্জস্য থাকে, তবেই পুষ্টিগত দিক থেকে শরীর সুস্থ বলা হয় ।

বিএমাইয়ের সূত্র: 
দেহের ওজন(কেজি)/[উচ্চতা(মিটার)]২ 

ধরা যাক, একজনের দেহের ওজন ১০০ কেজি এবং উচ্চতা ২ মিটার তাহলে বিএমআই = ১০০/(২ × ২) = ২৫

উৎস: বিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি।
৯৪১.
নিচের কোনটি হার্ট অ্যাটাকের জন্য দায়ী?
  1. ক) ভেন্ট্রিকুলার ফাইব্রিলেশন
  2. খ) উচ্চ রক্তচাপ
  3. গ) রক্তে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
হার্ট অ্যাটাকের জন্য দায়ী ঝুঁকিপূর্ণ কারণগুলো হলো-
ভেন্ট্রিকুলার ফ্রাইব্রিলেশন : হৃদপেশির আঘাতজনিত কারণে হৃদপিণ্ডের স্পন্দন থেমে যায় এমনকি মস্তিষ্ক ও দেহের অন্যান্য অঞ্চলে রক্ত সঞ্চালন অক্ষম হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় ৫ মিনিটের মধ্যে রোগীর মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
রক্তে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি : অতিমাত্রায় কোলেস্টেরল বৃদ্ধির ফলে ধমনির ভেতরের প্রাচীরে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়ে স্বাভাবিক রক্ত সঞ্চালন ব্যাহত হয়ে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।
উচ্চ রক্ত চাপ (Hyper blood pressure /hypertension): অতিমাত্রায় উচ্চ রক্ত চাপের কারণে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে হঠাৎ রোগীর মৃত্যু হতে পারে।
তামাক সেবন: তামাক ও তামাক জাতীয় রাসায়নিক উপাদান রক্ত নালির প্রাচীরে আক্রান্ত করে হার্ট অ্যাটাকের ঝুকি বাড়িয়ে তোলে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৯৪২.
টিকা দেওয়ার ধারণাটি প্রদান করেন কে?
  1. ক) লুই পাস্তুর
  2. খ) এডওয়ার্ড জেনার
  3. গ) কার্ল ল্যান্ডস্টাইনার
  4. ঘ) জোসেফ মিয়েস্টার
সঠিক উত্তর:
খ) এডওয়ার্ড জেনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এডওয়ার্ড জেনার
ব্যাখ্যা

এডওয়ার্ড জেনার পশ্চিমে ভ্যাকসিনোলজির প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে বিবেচিত।
১৭৯৬ সালে, তিনি 13 বছর বয়সী একটি ছেলের উপর গুটিবসন্তের প্রতিরোধক হিসেবে টিকা প্রয়োগ করেছিলেন।
১৭৯৮ সালে প্রথম গুটিবসন্তের ভ্যাকসিন তৈরি হয়েছিল।

সোর্স: http://www.aun.edu.eg/

৯৪৩.
হাড়ের চিকিৎসায় ব্যাবহৃত আইসোটোপ -
  1. কোবাল্ট- ৬০
  2. আয়োডিন-১৩১
  3. প্লুটোনিয়াম -২৩৮
  4. টেকনেশিয়াম - ৯৯
সঠিক উত্তর:
টেকনেশিয়াম - ৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেকনেশিয়াম - ৯৯
ব্যাখ্যা
চিকিৎসাক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ
- চিকিৎসাক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের প্রধানত দু’ধরনের ব্যবহার আছে। যেমন -
ক) রোগ নিরাময়ে ও
খ) কোন রোগ বা রোগাক্রান্ত স্থান নির্ণয়।

- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর নিরাময়ের জন্য Co - 60 থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়।
- কোবাল্ট- 60 থেকে নির্গত গামা রশ্মির সাহায্যে অপারেশনের যন্ত্রপতি রোগ জীবাণুমুক্ত করা হয়। 

-  থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-১৩১ (131I) ব্যবহৃত হয়। এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে।
-  শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা বা লিউকোমিয়া (blood-leukemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ (32P) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়।
-  দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99Tc (Isotope of Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
-  প্লুটোনিয়াম -২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বই (উন্মুক্ত)।
৯৪৪.
নিচের কোন রোগটি ভাইরাস দ্বারা হয়?
  1. এনথ্রাক্স
  2. হুপিং কাশি
  3. সিফিলিস
  4. রুবেলা
সঠিক উত্তর:
রুবেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুবেলা
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- Bacillus anthracis নামক গ্রাম পজেটিভ অ্যারোবিক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা এনথ্রাক্স হয়।
- Bordetella Pertussis নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে শিশুদের হুপিং কাশি হয়ে থাকে।
- Treponema pallidum নামক spirochete ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে সিফিলিস হয়।
- Rubella virus নামক এক ধরনের Togavirus এর কারণে রুবেলা বা জার্মান হাম রোগটি হয়ে থাকে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৯৪৫.
'মাঙ্কি পক্স' এর রোগী প্রথম শনাক্ত হয় কোন দেশে?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) চীন
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) সেনেগাল
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
- গত ৭ মে প্রথম মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত রোগীর হদিশ মেলে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে
- মাঙ্কি পক্স এক বিশেষ ধরনের বসন্ত।
- একাধিক বন্যপ্রাণীর মাধ্যমে ছড়াতে পারে এই ভাইরাস। তবে এটি সবচেয়ে বেশি ছড়ায় ইঁদুরের মাধ্যমে।
- পাশাপাশি, আক্রান্ত ব্যক্তির কাছাকাছি থাকলে সংক্রমণের আশঙ্কা বেড়ে যেতে পারে বলেও মত বিশেষজ্ঞদের।
- শ্বাসনালি, ক্ষত স্থান, নাক, মুখ কিংবা চোখের মাধ্যমে এই ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে সুস্থ ব্যক্তির দেহে।

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার।
৯৪৬.
বাংলাদেশের গবাদিপশুতে প্রথম ভ্রূণ বদল করা হয় -
  1. ক) ৫ মে, ১৯৯৪
  2. খ) ৬ এপ্রিল, ১৯৯৪
  3. গ) ৫ মে, ১৯৯৫
  4. ঘ) ৭ মে, ১৯৯৫
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ মে, ১৯৯৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ মে, ১৯৯৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের গবাদিপশুতে প্রথম ভ্রূণ বদল করা হয় - ৫ মে, ১৯৯৫।
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত – সাভার, ঢাকা।
- বাংলাদেশে কুমির প্রজনন কেন্দ্র - সুন্দরবনের করমজলে।
- বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র - চকোরিয়া, কক্সবাজার।
- বাংলাদেশে মহিষ প্রজনন কেন্দ্র - ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- বাংলাদেশের ছাগল প্রজনন কেন্দ্র - টিলাগড়, সিলেট।
- বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র - ডুলাহাজরা, কক্সবাজার।
৯৪৭.
কোনটির অভাবে পেলেগ্রা রোগ হয়?
  1. ভিটামিন B1
  2. ভিটামিন B12
  3. ভিটামিন B2
  4. ভিটামিন B3
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন B3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন B3
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরণের ভিটামিন B কমপ্লেক্স: 

• থায়ামিন (B1)- দেহে থায়ামিনের চরম অভাবে বেরিবেরি রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
• রাইবোফ্ল্যাভিন (B2)- এর অভাবে ঠোঁটের দুপাশে ফাটল দেখা দেয়, মুখে ও জিভে ঘা হয়, ত্বক খসখসে হয়।
• নিয়াসিন বা নিকোটিনিক এসিড (B3) অভাবে পেলেগ্রা রোগ হয়।
• এই রোগের উপসর্গগুলি হল স্মৃতিভ্রংশ (ডিমেনশিয়া), উদরাময় এবং চর্মরোগ বা ডার্মাটাইটিস। 
• পিরিডক্সিন (B6) এর অভাবে অ্যানিমিয়া রোগ দেখা দেয়।।
• ফলিক এসিড (B9) এর অভাবে অ্যানিমিয়া রোগ দেখা দিতে পারে। এছাড়া এর অভাবে গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশ ব্যাহত হয়।
• কোবালামিন বা সায়ানোকোবালামিন (B12) এর অভাবে রক্তশূন্যতা (অ্যানিমিয়া) রোগ দেখা দেয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি। 
৯৪৮.
মানবদেহে রোগ প্রতিরোধে দ্বিতীয় প্রতিরক্ষাস্তর কোনটি?
  1. ক) সিলিয়া
  2. খ) নিউট্রোফিল
  3. গ) লালারস
  4. ঘ) লিম্ফোসাইট
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিম্ফোসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিম্ফোসাইট
ব্যাখ্যা

মানবদেহে রোগ প্রতিরোধে দ্বিতীয় প্রতিরক্ষাস্তর লিম্ফোসাইট। ত্বক, মিউকাস মেমব্রেন, সিলিয়া, লালারস, পাকস্থলী রস, অশ্রু, মূত্র প্রবাহ, নিউট্রোফিল ইত্যাদি প্রাথমিক প্রতিরক্ষাস্তর।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৯৪৯.
ইনসুলিন হচ্ছে একটি -
  1. ক) নিউক্লিক এসিড
  2. খ) প্রোটিন
  3. গ) অ্যামাইনো এসিড
  4. ঘ) গ্লুকোজ
সঠিক উত্তর:
খ) প্রোটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রোটিন
ব্যাখ্যা

ইনসুলিন হচ্ছে এক ধরনের হরমোন যা অগ্ন্যাশয় থেকে নির্গত হয়।
- ইনসুলিন মূলত অ্যামিনাে অ্যাসিড নিয়ে গঠিত একটি সরল প্রােটিন।
- রক্তে চিনির পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে, অগ্ন্যাশয় ইনসুলিন নির্গমন বৃদ্ধি করে দেয়।
- ইনসুলিন অনুতে ৪৮/৫১টি এমাইনো এসিড থাকে।

"A peptide is a short chain of amino acids. The amino acids in a peptide are connected to one another in a sequence by bonds called peptide bonds. Typically, peptides are distinguished from proteins by their shorter length, although the cut-off number of amino acids for defining a peptide and protein can be arbitrary."
Source: Nature.com

তাই প্রশ্নের ধরন অনুসারে,
সঠিক উত্তর - খ) প্রোটিন।
তবে, যদি অপশনে প্রোটিন না থাকে তাহলে "অ্যামাইনো এসিড" উত্তর হবে।

৯৫০.
কোন ধরনের রক্ত কণিকার ‍নির্দিষ্ট কোন আকার নেই?
  1. ক) লোহিত কণিকা
  2. খ) শ্বেতকণিকা
  3. গ) অণুচক্রিকা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) শ্বেতকণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শ্বেতকণিকা
ব্যাখ্যা
শ্বেতরক্তকণিকার  ‍নির্দিষ্ট কোন আকার নেই। 

- রক্তরসে উপস্থিত বর্ণহীন, বিভিন্ন আকৃতির নিউক্লিয়াসযুক্ত বৃহদাকৃতির রক্তকোশগুলিকে শ্বেতরক্তকণিকা বলে।

শ্বেত রক্ত কণিকা-
- শ্বেত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস আছে।
- শ্বেত রক্তকণিকার আকার অনিয়মিত ও বড়।
- শ্বেত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন নেই।
- শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা লোহিত রক্তকণিকার তুলনায় অনেক কম।
- শ্বেত রক্তকণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৯৫১.
করোনা ভাইরাস ভেরিয়েন্ট 'B.1.617.2' কী নামে পরিচিত?
  1. ক) গামা
  2. খ) ডেল্টা
  3. গ) আলফা
  4. ঘ) ওমিক্রন
সঠিক উত্তর:
খ) ডেল্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডেল্টা
ব্যাখ্যা
- ডেল্টা ভেরিয়েন্ট এর অপর নাম B.1.617.2 .
- এই ভেরিয়েন্ট ভারতে প্রথম সনাক্ত হয় এবং আরো প্রায় ৬০টি দেশে এই ভেরিয়েন্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। 
- অন্য যে কোন ভেরিয়েন্ট এর তুলনায় এটি ছিল সবচেয়ে বেশি সংক্রামক । 
 
Alpha, B.1.1.7, first seen in the United Kingdom. Designated on Dec. 18, 2020.
Beta,  B.1.351, first seen in South Africa. Designated on Dec. 18, 2020.
Gamma, P.1, first seen in Brazil. Designated on Jan. 11, 2021.
Delta, B.1.617.2, first seen in India. Designated on May 11, 2021.
Omicron, B.1.1.529, seen in multiple countries. Designated on Nov. 26, 2021.

উৎস : cdc.gov, www.aarp.org, পত্রিকা রিপোর্ট।
৯৫২.
ব্যাকটেরিয়ার গতিশীলতার জন্য তার যে গঠন দায়ী তা হলো—
  1. ক) পিল্লি
  2. খ) ফ্লাজেলা
  3. গ) শীথ
  4. ঘ) ক্যাপসুলস
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্লাজেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্লাজেলা
ব্যাখ্যা
- ফ্ল্যাজেলা প্রোটোপ্লাজম দিয়ে গঠিত এক প্রকার সূত্রাকৃতির উপাঙ্গ যা কোষ প্রাচীর ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে আসে।
-  ফ্ল্যাজেলিন নামক প্রোটিন দিয়ে ফ্যাজেলা গঠিত ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে ব্যাকটেরিয়া তরল মাধ্যমে চলাফেরা করে। 
- ফ্ল্যাজেলা অপেক্ষা খাটো ও শক্ত উপাঙ্গকে পিলি বলে। পিলি পিলিন নামক এক প্রকার প্রোটিন দিয়ে গঠিত। ব্যাকটেরিয়াকে কোন কিছুর সাথে আটকে থাকতে পিলি সহায়তা করে। 
ক্যাপসিউল পলিস্যাকারাইড বা পলিপেপটাইড দিয়ে গঠিত একটি স্তর, যা ব্যাকটেরিয়া কোষের বাইরের দিকে থাকে। এটি কোষ প্রাচীরকে ঘিরে রাখে। একে স্লাইম স্তরও বলা হয়।এটি ব্যাকটেরিয়াকে প্রতিকূল অবস্থা হতে রক্ষা করে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯৫৩.
মা-এর রক্তে হেপাটাইটিস-বি (Hepatitis-B) ভাইরাস থাকলে নবজাতকের স্বাস্থ্যঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কি হওয়া উচিত?
  1. ৩০ দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন দিতে হবে
  2. ৭ দিন ইনকিউবেটরে রাখতে হবে
  3. জন্মের ১২ ঘণ্টার মধ্যে ভ্যাকসিন ও এইচবিআইজি (HBIG) শট দিতে হবে
  4. জন্মের ১ মাস পর কেবলমাত্র (HBIG) শট দিতে হবে
সঠিক উত্তর:
জন্মের ১২ ঘণ্টার মধ্যে ভ্যাকসিন ও এইচবিআইজি (HBIG) শট দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন্মের ১২ ঘণ্টার মধ্যে ভ্যাকসিন ও এইচবিআইজি (HBIG) শট দিতে হবে
ব্যাখ্যা
• মা-এর রক্তে হেপাটাইটিস-বি (Hepatitis-B) ভাইরাস থাকলে নবজাতকের স্বাস্থ্যঝুঁকি ব্যবস্থাপনা হচ্ছে - জন্মের ১২ ঘণ্টার মধ্যে ভ্যাকসিন ও এইচবিআইজি (HBIG) শট দিতে হবে।

• হেপাটাইটিস:
- হেপাটাইটিস লিভার বা যকৃৎ এর একটি প্রদাহ যা হেপাটাইটিসের ৫টি ভাইরাসের ( এ, বি, সি, ডি এবং ই) মাধ্যমে ঘটে।
- দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে হেপাটাইটিসের বিভিন্ন ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে।
- হেপাটাইটিস লিভারের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কময়ে দিতে শুরু করে।
- হেপাটাইটিসের ভাইরাসগুলোর মধ্যে টাইপ-বি এবং সি মারাত্মক রূপ নেয় এবং লিভার সিরোসিস এবং ক্যান্সারের মতো মারাত্মক আকার ধারণ করে।
- প্রাথমিক অবস্থায় তা চিকিৎসা না করলে গুরুতর হয়ে ওঠে এবং লিভার সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।

• ভাইরাসের নাম- ধরণ- সংক্রমণের মাধ্যম:
- Hepatitis A- RNA - পানি, দূষিত খাবার;
- Hepatitis B- DNA- রক্ত, যৌন মাধ্যম;
- Hepatitis C- RNA- রক্ত, যৌন মাধ্যম;
- Hepatitis D- RNA- রক্ত, যৌন মাধ্যম, লালা;
- Hepatitis E- RNA- পানি, দূষিত খাবার।

উৎস: জীববিজ্ঞান, প্রথম পত্র- গাজী আজমল, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯৫৪.
শরীরের কোন অংশের মাংশপেশীর কার্যাবলি নষ্ট হওয়াকে কী বলে?
  1. ক) পারকিনসন
  2. খ) প্যারালাইসিস
  3. গ) স্ট্রোক
  4. ঘ) থাইরয়েড
সঠিক উত্তর:
খ) প্যারালাইসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্যারালাইসিস
ব্যাখ্যা
শরীরের কোন অংশের মাংসপেশীর কার্যাবলি নষ্ট হওয়াকে প্যারালাইসিস বলে। প্যারালাইসিস সাধারণত স্ট্রোকের কারণে হয়। এছাড়া মেরুদন্ডের বা ঘাড়ের সুষুম্নাকাণ্ড আঘাত বা দুর্ঘটনাজনিত কারণে প্যারালাইসিস হতে পারে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণী জীববিজ্ঞান বোর্ড বই।
৯৫৫.
সাল্ক ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয় কোন রোগ প্রতিরোধের জন্য?
  1. ক) পোলিও
  2. খ) ইনফ্লুয়েঞ্জা
  3. গ) ডিপথেরিয়া
  4. ঘ) যক্ষা
সঠিক উত্তর:
ক) পোলিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পোলিও
ব্যাখ্যা
আমেরিকান চিকিৎসক জোনাস সাল্ক ১৯৫০ এর দশকের গোড়ার দিকে প্রথম পোলিও ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করেছিলেন যা inactivated poliovirus vaccine (IPV) বা সাল্ক ভ্যাকসিন নামে পরিচিত।

এই টিকাতে তিনি মৃত পোলিও ভাইরাস ব্যবহার করেন। তিনি এই টিকায় বৈজ্ঞানিক কাজে ব্যবহৃত এক ধরনের বিশেষ কোষ (হেলা কোষ) ব্যবহার করেন, এবং ১৯৫২ সালে সর্বপ্রথম এর পরীক্ষা চালান। ডাঃ টমাস ফ্রান্সিস জুনিয়র ১৯৫৫ সালের ১২ এপ্রিল গোটা বিশ্বে এই টিকার কথা ঘোষণা করেন।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং Encyclopedia Britannica
৯৫৬.
বাংলাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি চালু হয়-
  1. ক) ১৯৮৫ সালে
  2. খ) ১৯৮৭ সালে
  3. গ) ১৯৭৮ সালে
  4. ঘ) ২০১৭ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম টিকাদান কর্মসূচি চালু হয় ৭ এপ্রিল, ১৯৭৯ সালে কিন্তু সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি চালু হয় ১৯৮৫ সালে। ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯৫৭.
ফুসফুস থেকে অক্সিজেনময় রক্ত দেহে সরবরাহের জন্য হৃদপিন্ডে বহন করে কোনটি?
  1. করোনারি ধমনি
  2. ইনমিনেট ধমনি
  3. পালমোনারী ধমনি
  4. পালমোনারি শিরা
সঠিক উত্তর:
পালমোনারি শিরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পালমোনারি শিরা
ব্যাখ্যা
করোনারি ধমনি : অ্যাওর্টা অ্যাওর্টিক আর্চ গঠনের পূর্বেই ডান ও বাম করোনারি ধমনি উৎপন্ন করে। এরা অক্সিজেন যুক্ত রক্ত হৃদপেশীতে সরবরাহ করে।

ইনমিনেট ধমনি : এটি একটি খাটো ও মোটা ধমনি। এটি অভিন্ন ক্যারোটিড ধমনি ও ডান সাবক্লেভিয়ান ধমনিতে বিভক্ত।

পালমোনারী ধমনি : দেহ থেকে গৃহীত CO2 সমৃদ্ধ রক্ত অক্সিজেনময় হওয়ার জন্য ফুসফুসে বহন করে।

পালমোনারি শিরা : ফুসফুস থেকে অক্সিজেনময় রক্ত দেহে সরবরাহের জন্য হৃদপিন্ডে বহন করে।

সূত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৫৮.
Antenatal checkup (প্রসব পূর্ববর্তী) কয়টি (According to WHO)?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
- একজন মহিলার তার প্রসবপূর্ব যত্ন প্রদানকারীর সাথে 'যোগাযোগ' একটি সাধারণ 'ভিজিট' এর চেয়ে বেশি হওয়া উচিত, বরং গর্ভাবস্থা জুড়ে যত্ন এবং সহায়তার ব্যবস্থা করা উচিত।
- নির্দেশিকাটি 'যোগাযোগ' শব্দটি ব্যবহার করে কারণ এটি গর্ভবতী মহিলা এবং একজন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর মধ্যে একটি সক্রিয় সংযোগ বোঝায় যা 'ভিজিট' শব্দের সাথে নিহিত নয়।
- নতুন মডেল জটিলতা সনাক্ত করতে মা ও ভ্রূণের মূল্যায়ন বাড়ায়, স্বাস্থ্য প্রদানকারী এবং গর্ভবতী মহিলাদের মধ্যে যোগাযোগ উন্নত করে এবং ইতিবাচক গর্ভাবস্থার ফলাফলের সম্ভাবনা বাড়ায়।
- এটি গর্ভবতী মহিলাদের প্রথম 12 সপ্তাহের গর্ভাবস্থায় তাদের প্রথম যোগাযোগ করার পরামর্শ দেয়, পরবর্তী যোগাযোগগুলি 20, 26, 30, 34, 36, 38 এবং 40 সপ্তাহের গর্ভাবস্থায় ঘটে।

উৎস: WHO ওয়েবসাইট
৯৫৯.
‘ডিম্বাণু থেকেই সকল জীবের সূত্রপাত হয়’- এই মতবাদের প্রবক্তা?
  1. ক) লুই পাস্তুর
  2. খ) উইলিয়াম হার্ভে
  3. গ) অগাস্ট ভাইসম্যান
  4. ঘ) চার্লস রবার্ট ডারউইন
সঠিক উত্তর:
খ) উইলিয়াম হার্ভে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উইলিয়াম হার্ভে
ব্যাখ্যা
- ‘ডিম্বাণু থেকেই সকল জীবের সূত্রপাত হয়’ এই মতবাদের প্রবক্তা উইলিয়াম হার্ভে।
- ‘জীব থেকে জীবের উৎপত্তি হয়’ বা ‘বায়োজেনেসিস তত্ত্ব’ এই মতবাদের প্রবক্তা লুই পাস্তুর;
- ‘জার্মপ্লাজম মতবাদ’ এর প্রবক্তা অগাস্ট ভাইসম্যান; এবং
- ‘প্রাকৃতিক নির্বাচন মতবাদ’এর প্রবক্তা চার্লস রবার্ট ডারউইন।
সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৯৬০.
করোনা একটি-
  1. ডিএনএ ভাইরাস
  2. আরএনএ ভাইরাস
  3. ব্যাকটেরিয়া
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আরএনএ ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরএনএ ভাইরাস
ব্যাখ্যা
• এটি এক ধরনের আরএনএ ভাইরাস। কারণ ভাইরাসটির জিনোম হলো RNA।

- COVID-19 এর জন্য দায়ী হলো SARS CoV2 নামক বিশেষ করোনা ভাইরাস।
- ২০১৯ সালের শেষদিকে চীন থেকে একটি প্রাণঘাতী এই ভাইরাস সারা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি SARS CoV2 নামটি নির্ধারণ করে।
- ভাইরাসটির পূর্ব নাম ছিল - 2019 novel coronavirus।

• করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যাক্তির লক্ষণসমূহ:
- সর্দি,
- গলা ব্যথা,
- কাশি,
- মাথা ব্যাথা,
- জ্বর,
- হাঁচি,
- অবসাদ,
- শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।

উৎস:
১. ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন।
২. WHO Website.
৩. UK Research and Innovation. [Link]
৯৬১.
অ্যানোফিলিস মশা কিসের জীবাণু বহন করে?
  1. ক) কলেরা
  2. খ) ডায়রিয়া
  3. গ) ম্যালেরিয়া
  4. ঘ) ডেঙ্গুজ্বর
সঠিক উত্তর:
গ) ম্যালেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ম্যালেরিয়া
ব্যাখ্যা
- অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়া
- কিউলেক্স মশা ফাইলেরিয়া এবং
- এডিস মশা ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণু বহন করে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৬২.
এক্স-রের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. কম ভেদন ক্ষমতা
  2. অদৃশ্য রশ্মি 
  3. চার্জযুক্ত কণা 
  4. দৃশ্যমান রশ্মি 
সঠিক উত্তর:
অদৃশ্য রশ্মি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অদৃশ্য রশ্মি 
ব্যাখ্যা

এক্স-রে (x-rays): 
- জার্মান বিজ্ঞানী প্রফেসর উইলিয়াম রঞ্জন ১৮৯৫ সালে ক্যাথোড রশ্মি থেকে এক্স-রে (x-rays) আবিষ্কার করেন।
- প্রফেসর রঞ্জন একে 'x-rays' নামে অভিহিত করেন, পরবর্তীতে একে "রঞ্জন রশ্মি" নামেও ডাকা হয়। 
- উচ্চগতির ইলেকট্রন কোনো ধাতব প্রতিবন্ধকের সাথে সংঘর্ষে বাধাপ্রাপ্ত হলে তার গতিশক্তি এক্স-রেতে রূপান্তরিত হয়। 

এক্সরের ধর্ম: 
- এক্সরে সরল পথে গমন করে। 
- এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না। 
- এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ। 
- এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট। 
- এটি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে। 
- আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে। 
- এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। 
- এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। 
- এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না, সুতরাং এক্স-রের কোন চার্জ নাই। 
- এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। 
- এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। 
- এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক। 
- এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৬৩.
হৃৎপিণ্ডের প্রাচীরের মধ্যবর্তী স্তর কোনটি?
  1. মায়োকার্ডিয়াম
  2. পেরিকার্ডিয়াম
  3. এন্ডোকার্ডিয়াম
  4. এপিকার্ডিয়াম
সঠিক উত্তর:
মায়োকার্ডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মায়োকার্ডিয়াম
ব্যাখ্যা
হৃৎপিণ্ডের আবরণ: 
- হৃৎপিণ্ড একটি দ্বিস্তরী পেরিকার্ডিয়াম নামক পাতলা ঝিল্লিতে আবৃত। 
- এর বাইরের স্তরটিকে প্যারাইটাল ও ভেতরেরটিকে ভিসেরাল বলে। 
- স্তর দুটির মাঝে তরল পদার্থপূর্ণ পেরিকার্ডিয়াম গহ্বর থাকে যা হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। 
- পেরিকার্ডিয়াল হৃৎপিণ্ডকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে। 
- হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে। 
- হৃৎপিণ্ডকে সর্বদা সিক্ত রেখে শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষা করে। 

হৃৎপিণ্ডের প্রাচীর: 
- অনৈচ্ছিক পেশি দিয়ে গঠিত। এসব পেশিকে হৃদপেশী বা কার্ডিয়াক পেশি বলে। 
- পেশিগুলো তিন স্তরবিশিষ্ট। 
যেমন - 

ক. এপিকার্ডিয়াম (Epicardium): 
- এটি হৃৎপ্রাচীরের সবচেয়ে বাইরের স্তর এবং যোজক কলায় তৈরি। 
- এই স্তরে বিক্ষিপ্তভাবে চর্বি লেগে থাকে। 

খ. মায়োকার্ডিয়াম (Myocardium): 
- মায়োকার্ডিয়াম হৃৎপ্রাচীরে মধ্যবর্তী স্তর। 
- স্তরটি পুরু, দৃঢ় প্রকৃতির এবং এগুলো হৃৎপিণ্ডের সংকোচন প্রসারণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। 

গ. এন্ডোকার্ডিয়াম (Endocardium): 
- এটি হৃৎপ্রাচীরের ভেতরের স্তর যা হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠের অন্তঃপ্রাচীর গঠন করে, হৃৎকপাটিকাসমূহ ঢেকে রাখে এবং রক্তের সাথে হৃৎপিণ্ডের অবিচ্ছিন্ন সংযোগ ঘটায়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬৪.
MRI যন্ত্রে কোন ধরনের বিকিরণ ব্যবহার করা হয়?
  1. আলোক বিকিরণ
  2. এক্স-রে
  3. গামা বিকিরণ
  4. রেডিও তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
রেডিও তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

এমআরআই (MRI): 
- এমআরআই এর পূর্ণরূপ হচ্ছে ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইম্যাজিং (Magnetic Resonance Imaging)। 
- এমআরআই যন্ত্রে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের কোনো স্থানের বা অঙ্গের বিস্তৃত প্রতিবিম্ব গঠন করা হয়। 
- নিউক্লিয় চৌম্বক অনুনাদের ভৌত এবং রাসায়নিক নীতির উপর ভিত্তি করে এমআরআই যন্ত্রটি কাজ করে। 
- এমআরআই একটি নিরাপদ রোগ নির্ণয় পদ্ধতি। 
- এই এমআরআই যন্ত্রে এক্সরে বা অন্য কোনো ধরনের বিকিরণ ব্যবহার করা হয় না। 
- প্রত্যেকটি প্রতিবিম্ব শরীরের কোনো স্থানের এক একটি ফালির মতো কাজ করে। এভাবে অনেকগুলো প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়, যেগুলো শরীরের ঐ অংশের সকল বৈশিষ্ট্যকে ফুটিয়ে তুলে। 
- পায়ের গোড়ালির মচকানো এবং পিঠের ব্যাথায় এমআরআই ব্যবহার করে জখমের বা আঘাতের তীব্রতা নিরূপণ করা হয়। 
- ব্রেণ এবং মেরু রুজ্জুর বিস্তৃত প্রতিবিম্ব তৈরির জন্য এমআরআই হলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৬৫.
ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নিচে কোনটি?
  1. যক্ষ্মা
  2. পোলিওমায়েলেটিস
  3. ইনফ্লুয়েঞ্জা
  4. রুবেলা
সঠিক উত্তর:
যক্ষ্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যক্ষ্মা
ব্যাখ্যা

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬৬.
যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগ করোনা ভাইরাসের কোন টিকাটিকে প্রথম স্থায়ী অনুমোদন প্রদান করে?
  1. mRNA-1273
  2. Comirnaty
  3. Janssen
  4. Covishield
সঠিক উত্তর:
Comirnaty
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Comirnaty
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (FDA) বিভাগ গত ২৩ আগস্ট ২০২১ করোনা ভাইরাসের প্রথম কোন টিকা হিসেবে ফাইজার-বায়োএনটেক উদ্ভিাবিত Comirnaty ভ্যাকসিনটিকে স্থায়ী বা পূর্ণ অনুমোদন প্রদান করে।
- এর আগে গত ১১ ডিসেম্বর ২০২০ যুক্তরাষ্ট্র টিকাটির জরুরি ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করেছিলো।
- স্থায়ী অনুমোদনের ফলে Comirnaty টিকাটি কোভিড-১৯ রোগের চিকিৎসায় ১৫ বছরের উর্ধ্বে সকলের জন্যে ব্যবহৃত হবে। পাশাপাশি এটির জরুরি ব্যবহার চালু থাকবে।
- যুক্তরাজ্য প্রথম দেশ হিসেবে গত ৮ ডিসেম্বর ২০২০ Comirnaty/BNT162b2/Tozinameran টিকার অনুমোদন প্রদান ও প্রয়োগ শুরু করে।
(তথ্যসূত্র: FDA ওয়েবসাইট এবং বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
৯৬৭.
নিচের কোনটি জীবকোষকে জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে?
  1. ক) লাইসোজোম
  2. খ) কোষগহ্বর
  3. গ) রাইবোজোম
  4. ঘ) গলজি বস্তু
সঠিক উত্তর:
ক) লাইসোজোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) লাইসোজোম
ব্যাখ্যা
লাইসোজোম জীবকোষকে জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে। এর উৎসেচক আগত জীবাণুগুলো হজম করে ফেলে। রাইবোজোমকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৬৮.
ভিটামিন বি বা রিবোফ্লাভিনের অভাবজনিত সমস্যা কোনটি?
  1. ঠোঁটের কোণে ও জিহ্বায় ঘা হয়।
  2. অস্থি ও দাঁতের গঠন দুর্বল হয়।
  3. রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।
  4. ক্ষতস্থান শুকাতে দেরি হয়।
সঠিক উত্তর:
ঠোঁটের কোণে ও জিহ্বায় ঘা হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠোঁটের কোণে ও জিহ্বায় ঘা হয়।
ব্যাখ্যা
রিবোফ্লাভিন বা ভিটামিন বি উৎস: 
- কমলা ও হলুদ বর্ণের শাকসবজি যেমন- মিষ্টি কুমড়া, পাকা পেঁপে, কুমড়োর ফুল, ডিমের কুসুম, দুধ, বাদাম, যকৃত রিবোফ্লাভিনের ভালো উৎস। 

অভাবজনিত অবস্থা: 
- রিবোফ্লাভিন বা ভিটামিন বি এর অভাবে জিহ্বায়, ঠোঁটের কোণায় ও মুখের ভিতরে ঘা দেখা দেয়। 
- ত্বক খসখসে হয়ে যায়। 
- ভিটামিন বি অভাবে মুখে ঘা হতে পারে। 

দৈনিক চাহিদা: 
- প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষের দৈনিক ১.৭ মিলিগ্রাম ও নারীর ১.৩ মিলিগ্রাম প্রয়োজন। 
- শিশুদের দৈনিক ০.৮ মিলিগ্রাম এবং কিশোর কিশোরীদের যথাক্রমে ২.০ মিলিগ্রাম ও ১.৩ মিলিগ্রাম প্রয়োজন। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬৯.
এনজিনা মানুষের শরীরের কোন অঙ্গে হয়?
  1. ক) মস্তিষ্ক
  2. খ) নাক
  3. গ) হৃৎপিন্ড
  4. ঘ) চোখ
সঠিক উত্তর:
গ) হৃৎপিন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হৃৎপিন্ড
ব্যাখ্যা
হৃৎপিণ্ডের করোনারি ধমনি গাত্রে চর্বি জমা হলে রক্তের সাহায্যে হৃৎপিণ্ডে অক্সিজেন ও খাদ্যসার পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় বুকে ব্যাথা অনুভূত হয়। এ অবস্থাকে এনজিনা বলে।
উৎসঃজীব বিজ্ঞানঃনবম-দশম শ্রেণী
৯৭০.
পোলিও, বসন্ত ও জলাতঙ্ক রোগের প্রতিষেধক তৈরি করতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ভাইরাস
  2. ছত্রাক
  3. প্রোটোজোয়া
  4. ব্যাকটেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
ব্যাখ্যা
ভাইরাসের উপকারিতা: 
- বিজ্ঞানীরা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ভাইরাসকে বিভিন্নভাবে মানুষের কিছু উপকারে আনতে সক্ষম হয়েছেন। 
যথা- 
১। বসন্ত, পোলিও, এবং জলাতংক রোগের প্রতিষেধক টিকা ভাইরাস দিয়েই তৈরি করা হয়
২। ভাইরাস হতে জন্ডিস রোগের টিকা তৈরি করা হয়। 
৩। ভাইরাসকে বর্তমানে বহুল আলোচিত জিনতত্ত্ব ও আণবিক জীববিদ্যা বা জিন প্রকৌশল এ বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। 
৪। ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে ভাইরাস ব্যবহার করা হচ্ছে। 
যেমন- ফায ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে ব্যাকটেরিয়াজনিত আমাশয় রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে। 
৫। কতিপয় ভাইরাস ব্যবহার করে ক্ষতিকর পোকামাকড় ও কীটপতঙ্গ দমন করা সম্ভব হয়েছে। 
৬। জীব সৃষ্টি প্রক্রিয়া, অভিব্যক্তি ও ক্রমবিবর্তনের ধারা সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করার চাবিকাঠি হলো ভাইরাস, কেননা ভাইরাসে জীব ও জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। 
৭। লাল টিউলিপ ফুলে ভাইরাস আক্রমণের ফলে লম্বা লম্বা সাদা দাগ পড়ে, এর ফলে ফুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং ফুলের মূল্যও বাড়ে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৭১.
HIV সংক্রমণের শেষ পর্যায় হল-
  1. ক) ক্যান্সার
  2. খ) সিফিলিস
  3. গ) এইডস
  4. ঘ) গনোরিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) এইডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এইডস
ব্যাখ্যা

AIDS রোগের সংক্রমণ করে থাকে এক ধরণের ভাইরাস, যার নাম Human Immunodeficiency Virus এবং একে সংক্ষেপে HIV বলা হয়।
HIV দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।
এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের শ্বেতকনিকা ধ্বংস হয়। ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ পায়।
উৎসঃ বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৯৭২.
স্নেহ জাতীয় খাদ্যে প্রতি গ্রামে কত ক্যালরি থাকে?
  1. ক) ৪ kcal/g
  2. খ) ৬ kcal/g
  3. গ) ৯ kcal/g
  4. ঘ) ১৩ kcal/g
সঠিক উত্তর:
গ) ৯ kcal/g
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯ kcal/g
ব্যাখ্যা
- ক্যালরি হচ্ছে শক্তির একক।
- এক গ্রাম খাদ্য জারণের ফলে যে পরিমাণ তাপশক্তি উৎপন্ন হয়, তাকে খাদ্যের ক্যালরি বলে।
- স্নেহ জাতীয় পদার্থে সবচেয়ে বেশি ক্যালরি থাকে।
- প্রতি গ্রাম স্নেহে ক্যালরির পরিমাণ ৯ কিলো ক্যালরি।
- অন্যদিকে আমিষ ও শর্করাতে এর পরিমাণ ৪ কিলো ক্যালোরি।

সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৭৩.
ধানের “টুংরো রোগ” - কোনটির কারনে হয়?
  1. ক) ব্যাকটেরিয়া
  2. খ) ভাইরাস
  3. গ) ছত্রাক
  4. ঘ) পরজীবী
সঠিক উত্তর:
খ) ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভাইরাস
ব্যাখ্যা

ধানের রোগঃ
১. বাদামি দাগ রোগ
কারণ - বাইপোলারিস ওরাইজি (Bipolaris oryzae) নামক ছত্রাক
২. ব্লাস্ট রোগ (Blast)
কারণ - পাইরিকুলারিয়াগ্রিসিয়া (Pyricularia grisea) নামক ছত্রাক
৩. খোল পচা রোগ (Sheath rot)
কারণ - স্যারোক্লেডিয়াম ওরাইজি (Sarocladium oryzae) নামক ছত্রাক
৪. ব্যাকটেরিয়াজনিত পোড়া রোগ (Bacterial Blight)
জ্যানথোমোনাস অরাইজি পিভি অরাইজি (Xanthomonas oryzae pv.oryzae) এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া
৫. টুংরো (Tungro)
কারণ - রাইস টুংরো ভাইরাস (Rice Tungro Virus) নামক এক ধরনের অতি সূক্ষ্ম জীবাণু বা ভাইরাস
৬. উফরা রোগ (ডাক পোড়া) (Ufra)
কারণ - ডাইটিলেংকাস এ্যাংগাসটাস (Ditylenchus angustus) নামক এক ধরনের কৃমি
উৎসঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।

৯৭৪.
‘এইচকেইউ৫-কোভ-২’ কী?
  1. যুদ্ধ বিমান
  2. কৃত্রিম উপগ্রহ
  3. নতুন করোনা ভাইরাস
  4. নতুন আবিষ্কৃত গ্রহাণু
সঠিক উত্তর:
নতুন করোনা ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন করোনা ভাইরাস
ব্যাখ্যা
‘এইচকেইউ৫-কোভ-২’:
- মানুষের মধ্যে ছড়াতে পারে 'এইচকেইউ৫-কোভ-২' নতুন একটি করোনা ভাইরাসের সন্ধান পাওয়া গেছে চীনে।
- নতুন করোনা ভাইরাসটির সন্ধান দিয়েছেন সংক্রামকবিদ শি ঝেংলি।
- চীনের উহানের ‘ইনস্টিটিউ অব ভাইরালজি’ নতুন স্ট্রেনটি বাঁদুরের মধ্যে পেয়েছেন।
- নতুন এইচকেইউ৫-কোভ-২ ভাইরাসটি মারবেকোভাইরাস পরিবারের একটি জীবাণু।
- মারবেকোভাইরাস পাওয়া গেছে মিঙ্ক এবং প্যাঙ্গোলিন নামের দুটি প্রাণীর মধ্যে।
- ধারণা করা হয় এই প্রাণীর মাধ্যমে বাঁদুর ও মানুষের মধ্যে ভাইরাসটি আসে।

এছাড়া,
- এটির সঙ্গে মার্সের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
- মার্স করোনা ভাইরাস বেশ শক্তিশালী একটি ভাইরাস, যেটিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চার ভাগের তিন ভাগই মারা যায়।

তথ্যসূত্র- নিউজ প্রতিবেদন। [Link]
৯৭৫.
মানবদেহে রক্ত সংবহনের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্র বদ্ধ ধরনের
  2. খ) মানুষের ক্ষেত্রে বৃক্কীয় পোর্টাল সংবহন অনুপস্থিত
  3. গ) পালমোনারি সংবহনের শুরু হয় ফুসফুসীয় শিরা থেকে
  4. ঘ) মানবদেহে চার প্রক্রিয়ায় রক্তসংবহন সংঘটিত হয়
সঠিক উত্তর:
গ) পালমোনারি সংবহনের শুরু হয় ফুসফুসীয় শিরা থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পালমোনারি সংবহনের শুরু হয় ফুসফুসীয় শিরা থেকে
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্র বদ্ধ ধরনের। অর্থাৎ রক্ত হৃদপিণ্ড, ধমনি, শিরা ও কৈশিক নালির মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়ে অভ্যন্তরীণ পরিবহন সম্পন্ন করে।
- মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বি-চক্রীয় সংবহন অর্থাৎ সিস্টেমিক ও পালমোনারি চক্র দেখা যায়। মানবদেহে চার প্রক্রিয়ায় রক্তসংবহন সংঘটিত হয়, যথা- সিস্টেমিক, পালমোনারি, পোর্টাল এবং করোনারি।
- যে সংবহনে রক্ত হৃদপিণ্ডের ডান নিলয় থেকে ফুসফুসে পৌছায় এবং ফুসফুস থেকে বাম অলিন্দে ফিরে আসে, তাকে পালমোনারি বা ফুসফুসীয় সংবহন বলে। পালমোনারি সংবহনের শুরু হয় ফুসফুসীয় ধমনি থেকে আর শেষ হয় পালমোনারি শিরার মাধ্যমে বাম অলিন্দে ফেরত আসার মাধ্যমে।
- মেরুদণ্ডী প্রাণীতে সাধারণত যকৃত এবং বৃক্কীয়- এ দুধরনের পোর্টাল সংবহন দেখা যায়। তবে রেনাল পোর্টাল সংবহন মানুষসহ বিভিন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণীতে অনুপস্থিত।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৯৭৬.
চর্মরোগ, একজিমা ইত্যাদি দেখা কোনটির অভাবে?
  1. ক) থায়ামিন
  2. খ) আয়োডিন
  3. গ) স্নেহ পদার্থ
  4. ঘ) আমিষ
সঠিক উত্তর:
গ) স্নেহ পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্নেহ পদার্থ
ব্যাখ্যা
স্নেহ পদার্থের অভাবে চর্মরোগ, একজিমা ইত্যাদি দেখা দেয়৷ ত্বক শুষ্ক এবং খসখসে হয়ে সৌন্দর্য নষ্ট হয়৷ দীর্ঘদীন স্নেহ পদার্থের অভাব হলে শরীরের সঞ্চিত প্রোটিন ক্ষয় হয় এবং দেহের ওজন কমে যায়।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৭৭.
মানবদেহে হিমোগ্লোবিনের অভাবজনিত রোগ কোনটি? 
  1. মেরাসমাস
  2. স্কার্ভি
  3. রক্তশূন্যতা
  4. বেরিবেরি
সঠিক উত্তর:
রক্তশূন্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তশূন্যতা
ব্যাখ্যা
খনিজ পদার্থ: 
- জীবদেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও পুষ্টির জন্য ভিটামিনের মতো খনিজ পদার্থ বা খনিজ লবণও খুবই প্রয়োজনীয় উপাদান। 
- খনিজ পদার্থ প্রধানত কোষ গঠনে সাহায্য করে। 
- প্রাণীরা প্রধানত উদ্ভিজ্জ খাদ্য থেকে খনিজ পদার্থ পায়। 
- লৌহ (Fe) রক্তের একটি উপাদান যা খনিজ পদার্থ হিসেবে রক্তে থাকে। 
- প্রতি ১০০ ml রক্তে লৌহের পরিমাণ প্রায় ৫০ mg। 
- যকৃৎ, অস্থিমজ্জা, প্লীহা এবং লোহিত রক্তকণিকায় এটি সঞ্চিত থাকে। 
- লৌহের উদ্ভিজ্জ উৎস হচ্ছে ফুলকপির পাতা, নটেশাক, নিম পাতা, ডুমুর, কাঁচা কলা, ভুট্টা, গম, বাদাম, বজরা ইত্যাদি। আর প্রাণিজ উৎস হচ্ছে  মাছ, মাংস, ডিম, যকৃৎ ইত্যাদি। 
- লৌহের প্রধান কাজ হিমোগ্লোবিন গঠনে সাহায্য করা। 
- আর হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গেলে দেহে 'রক্তশূন্যতা' রোগ দেখা দেয়। 

রক্তশূন্যতা রোগের কিছু লক্ষণ হলো: 
- চোখ ফ্যাকাসে হওয়া, 
- হাত-পা ফোলা, 
- দুর্বলতা, 
- মাথা ঘোরা, 
- বুক ধরফড় করা ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৭৮.
এইডস সংক্রমণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ কারা?
  1. ক) অল্পবয়সী ছেলেমেয়েরা
  2. খ) অল্পবয়সী মেয়েরা
  3. গ) অল্পবয়সী ছেলেরা
  4. ঘ) বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা
সঠিক উত্তর:
ক) অল্পবয়সী ছেলেমেয়েরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অল্পবয়সী ছেলেমেয়েরা
ব্যাখ্যা

AIDS রোগের সংক্রমণ করে থাকে এক ধরণের ভাইরাস, যার নাম Human Immunodeficiency Virus এবং একে সংক্ষেপে HIV বলা হয়।
সমাজভুক্ত যেকোন ব্যক্তিই HIV সংক্রমণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
তবে যুবসমাজ, অল্পবয়সী ছেলেমেয়েরা এই ভাইরাস দ্বারা সংক্রমণের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
উৎসঃ ইউনাইটেড নেশনস অফিস অন ড্রাগস এন্ড ক্রাইম এবং বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।

৯৭৯.
মানুষের কঙ্কালতন্ত্র কয়টি অস্থির সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ক) ২০৪টি
  2. খ) ২০৫টি
  3. গ) ২০৬টি
  4. ঘ) ২০৮টি
সঠিক উত্তর:
গ) ২০৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০৬টি
ব্যাখ্যা
মানুষের কঙ্কালতন্ত্র:
- ভ্রূণীয় মেসোডার্ম স্তর থেকে সৃষ্ট অস্থি, তরুণাস্থি ও লিগামেন্ট এর সমন্বয়ে গঠিত যে তন্ত্র দেহের কাঠামো সৃষ্টি করে, নির্দিষ্ট আকার আকৃতি দান করে, ভার বহন করে এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গাদি সুরক্ষিত রাখে, তাদেরকে একত্রে কঙ্কালতন্ত্র বলে।
- মানুষের কঙ্কালতন্ত্র ২০৬টি অস্থির সমন্বয়ে গঠিত। 
- এ ধরনের কঙ্কালতন্ত্রকে অন্তঃকঙ্কাল বলে। কারণ বাইরে থেকে এ কঙ্কাল দেখা যায় না।
- মানুষের কঙ্কালতন্ত্রকে প্রধান দুটি অংশে ভাগ করা হয়। যথা— (১) অক্ষীয় কঙ্কাল (Axial skeleton) (২) উপাঙ্গীয় কঙ্কাল (Appendicular skeleton) । 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮০.
থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় কোন তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়? 
  1. ফসফরাস-৩২
  2. কার্বন-১৪ 
  3. আয়োডিন-১৩১ 
  4. কোবাল্ট-৬০ 
সঠিক উত্তর:
আয়োডিন-১৩১ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়োডিন-১৩১ 
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ: 
- শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার শনাক্ত করতে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- ক্যান্সার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-৬০ থেকে নির্গত গামা রশ্মি প্রয়োগ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষ ধ্বংস করা হয়।
- থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-১৩১ তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- রক্তের লিউকেমিয়া রোগের চিকিৎসায় তেজস্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ এর ফসফেট যৌগ ব্যবহৃত হয়। 
- দেহের হাড়ের বৃদ্ধি সংক্রান্ত সমস্যা নির্ণয় এবং ব্যথার কারণ চিহ্নিত করতে টেকনেশিয়াম-৯৯ আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- মস্তিষ্কের ক্যান্সার চিকিৎসায় ইরিডিয়াম আইসোটোপ প্রয়োগ করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৯৮১.
স্ট্রোক বলতে আসলে কী বোঝায়?
  1. হৃদপিণ্ডে রক্তক্ষরণ
  2. বৃক্কে প্রদাহ
  3. ফুসফুসের সংক্রমণ
  4. মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ
সঠিক উত্তর:
মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ
ব্যাখ্যা

- স্ট্রোক হলো মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ।
- বৃক্কে প্রদাহ হলো গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস।
- ফুসফুসের সংক্রমণ হলো নিউমোনিয়া।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৯৮২.
মানুষের অস্থিতে কত ভাগ পানি থাকে?
  1. ক) প্রায় ১০-২০ ভাগ
  2. খ) প্রায় ২০-৩০ ভাগ
  3. গ) প্রায় ৩০-৪০ ভাগ
  4. ঘ) প্রায় ৪০-৫০ ভাগ
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রায় ৪০-৫০ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রায় ৪০-৫০ ভাগ
ব্যাখ্যা
মানুষের অস্থিতে প্রায় ৪০-৫০ ভাগ পানি থাকে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৮৩.
টেস্টটিউব বেবির ক্ষেত্রে প্রথম সফলতা আসে কত সালে?
  1. ১৯৫৯
  2. ১৯৬৮
  3. ১৯৭৫
  4. ১৯৭৮
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮
ব্যাখ্যা
- প্রথম "টেস্ট-টিউব বেবি" বলতে বোঝায় in vitro fertilization (IVF)এর মাধ্যমে জন্মানো প্রথম সফল মানব শিশু,
- IVF একটি উর্বরতা চিকিত্সা যার মধ্যে একটি পরীক্ষাগার সেটিংয়ে শরীরের বাইরে শুক্রাণু দিয়ে একটি ডিম্বাণু নিষিক্ত করা হয়।
- প্রথম সফল IVF জন্ম হয়েছিল 25 জুলাই, 1978-এ
- লুইস জয় ব্রাউন, একজন ব্রিটিশ মহিলা, এই যুগান্তকারী প্রজনন প্রযুক্তির মাধ্যমে জন্ম নেওয়া বিশ্বের প্রথম শিশু হয়েছিলেন। লুইসের পিতামাতা, লেসলি এবং জন ব্রাউন, উর্বরতার সমস্যাগুলির সম্মুখীন হয়েছিলেন এবং তাদের সন্তানকে গর্ভধারণ করতে তাদের সহায়তা করার জন্য IVF ব্যবহার করা হয়েছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৯৮৪.
পেনিসিলিন এন্টিবায়োটিক তৈরিতে ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) Penicillium sp
  2. খ) Bacillus polymyxa
  3. গ) Streptomyces griseus
  4. ঘ) Streptomyces rimosus
সঠিক উত্তর:
ক) Penicillium sp
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Penicillium sp
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন অণুজীবদ্বারা উৎপন্ন এন্টিবায়োটিক -

Penicillium sp - পেনিসিলিন
Bacillus polymyxa - পলিমিক্সন। 
Streptomyces griseus - স্ট্রেপটোমাইসিন। 
Streptomyces rimosus - টেট্রাসাইক্লিন।
৯৮৫.
কোন অঙ্গানু থেকে ইনসুলিন নামক হরমোন নির্গত হয়?
  1. কিডনি
  2. হৃৎপিণ্ড
  3. লিভার
  4. প্যানক্রিয়াস
সঠিক উত্তর:
প্যানক্রিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যানক্রিয়াস
ব্যাখ্যা
ডায়াবেটিস: 
- ডায়বেটিসের কারণে রক্তে গ্লুকোজ বা শর্করার পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। 
- সাধারণত ডায়বেটিসের লক্ষণগুলোর মধ্যে অত্যধিক পিপাসা, ঘনঘন প্রস্রাব হওয়া, ক্লান্তি, ক্ষত না শোঁকানো ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। 
- এর সঠিক চিকিৎসা না হলে পরবর্তী সময়ে হৃদরোগ, কিডনি রোগ, স্ট্রোক ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। 
- প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে কমায়। 
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকানল এবং ইনসুলিন নির্গত হয়। 
- ইনসুলিনের অভাবেই ডায়বেটিস রোগ হয়। 
- কারো ডায়বেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন নির্গত করতে পারে না, কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না, যে কারণে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৮৬.
নেফ্রিডিয়া নামক রেচন অঙ্গ থাকে কোন ধরনের প্রাণীদের?
  1. ক) এনেলিডা
  2. খ) নেমাটোডা
  3. গ) কর্ডাটা
  4. ঘ) মলাস্কা
সঠিক উত্তর:
ক) এনেলিডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এনেলিডা
ব্যাখ্যা
নেফ্রিডিয়া নামক রেচন অঙ্গ থাকে এনেলিডা পর্বের প্রাণীদের। এদের দেহ নলাকার, খন্ডকায়িত। যেমন কেঁচো, জোঁক।
উৎসঃবিজ্ঞানঃঅষ্টম শ্রেণী
৯৮৭.
সিস্টোলিক চাপ বলতে কী বুঝায়? 
  1. হৃৎপিণ্ডের সংকোচন চাপ
  2. হৃৎপিণ্ডের প্রসারণ চাপ
  3. হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণ চাপ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
হৃৎপিণ্ডের সংকোচন চাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হৃৎপিণ্ডের সংকোচন চাপ
ব্যাখ্যা
হৃৎপিণ্ড(Heart): 
- মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্র হৃৎপিণ্ড, ধমনি, শিরা এবং কৈশিক জালিকা নিয়ে গঠিত। 
- মানুষের হৃৎপিণ্ড অবিরাম সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে ধমনি ও শিরার মাধ্যমে রক্ত সংবহন করে। 
- হৃৎপিণ্ড পাম্পের মতো নির্দিষ্ট তালে ও ছন্দে সংকুচিত এবং প্রসারিত হয়ে সারা দেহে রক্ত সঞ্চালন ঘটায়। 
- হৃৎপিণ্ডের স্বতঃস্ফূর্ত সংকোচনকে সিস্টোল (systole) এবং স্বতঃস্ফূর্ত প্রসারণকে ডায়াস্টোল (diastole) বলে। 
- অলিন্দে যখন সিস্টোল হয়, নিলয় তখন ডায়াস্টোল অবস্থায় থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৮৮.
মানুষের মস্তিষ্কের সবচেয়ে বড় অংশ কোনটি?
  1. ক) অগ্রমস্তিষ্ক
  2. খ) পশ্চাৎমস্তিষ্ক
  3. গ) মধ্যমস্তিষ্ক
  4. ঘ) সেরিবেলাম
সঠিক উত্তর:
ক) অগ্রমস্তিষ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অগ্রমস্তিষ্ক
ব্যাখ্যা
• মানব মস্তিষ্ক ৩টি প্রধান অংশে বিভক্ত। যথা:
১) অগ্রমস্তিষ্ক,
২) মধ্যমস্তিষ্ক ও
৩) পশ্চাৎ মস্তিষ্ক।

• অগ্রমস্তিষ্ক:
অগ্রমস্তিষ্ক মস্তিষ্কের প্রধান অংশ গঠন করে। এটি তিন অংশে বিভক্ত। যথা: 
- সেরেব্রাম,
- থ্যালামাস ও
- হাইপোথ্যালামাস।

মস্তিষ্কের মধ্যে অগ্রমস্তিষ্ক বা সেরিব্রাম সবচেয়ে বড় অংশ। সেরিব্রামকে গুরুমস্তিষ্কও বলা হয়।

• মধ্যমস্তিষ্ক:
হাইপোথ্যালামাসের নিচে ছোট অংশটি মধ্যমস্তিষ্ক। পৃষ্ঠীয় দিকে দুটি গোলাকার খণ্ড এবং অঙ্কীয় দিকে দুটি নলাকার ও পুরু স্নায়ুরজ্জু নিয়ে গঠিত, প্রথম দুটি সেরেব্রাল পেডাংকল এবং শেষের দুটি কর্পোরা কোয়াড্রিজেমিনা।

• পশ্চাৎমস্তিষ্ক:
এটি মস্তিষ্কের পিছনের অংশ এবং ৩টি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
- সেরেবেলাম,
- মেডুলা অবলংগাটা এবং
- পনস।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র(প্রাণিবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮৯.
মানুষের মুখমণ্ডলে কতটি সাইনাস আছে?
  1. ৮টি
  2. ১০টি
  3. ১২টি
  4. ১৪টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
শ্বসন অঙ্গের সমস্যা: 
- মানুষের শ্বসন অঙ্গ ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক অথবা অন্য কোন এজেন্ট দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে, যা নানা রকম রোগ সৃষ্টি করে। 
যেমন - 

সাইনুসাইটিস (Sinusitis): 
- আমাদের করোটি ও মুখমণ্ডলের অস্থিগুলোর ভেতরে কিছু বায়ুপূর্ণ ফাঁকা স্থান রয়েছে যেগুলোকে সাইনাস বলে। 
- মানুষের মুখমণ্ডলে ৪ জোড়া বা ৮টি সাইনাস আছে। 
যথা- 
(ক) ম্যাক্সিলারি সাইনাস, 
(খ) ফ্রন্টাল সাইনাস, 
(গ) এথময়েড সাইনাস এবং 
(ঘ) স্কেনয়েড সাইনাস। 

- এসকল সাইনাস মিউকাস পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে এবং পিচ্ছিল মিউকাস সৃষ্টির মাধ্যমে নাসিকা পথকে সিক্ত ও জীবাণুমুক্ত রাখে। 
- ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাক দ্বারা সাইনাস আক্রান্ত হলে যে প্রদাহের সৃষ্টি হয় তাকে সাইনুসাইটিস বলে। 
- সাইনুসাইটিস ৮ সপ্তাহের কম সময় থাকলে তাকে একিউট (Acute) সাইনুসাইটিস এবং ৩ মাসের অধিককাল থাকলে তাকে ক্রনিক (Chronic) সাইনুসাইটিস বলে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯৯০.
নিচের কোনটি ভিটামিন এ এর কাজ নয়?
  1. ক) দেহের বিভিন্ন আবরণী কলা সজীব রাখা
  2. খ) হাড় এবং দাঁতের গঠন এবং দাঁতের মাড়ি সুস্থ
  3. গ) দেহের স্বাভাবিক গঠন ব্যাহত করা
  4. ঘ) দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরােধ করা
সঠিক উত্তর:
গ) দেহের স্বাভাবিক গঠন ব্যাহত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দেহের স্বাভাবিক গঠন ব্যাহত করা
ব্যাখ্যা
প্রাণিজ উৎসের মধ্যে ডিম, গরুর দুধ, মাখন, ছানা, দই, ঘি, যকৃৎ ও বিভিন্ন তেলসমৃদ্ধ মাছে, বিশেষ করে কড মাছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন A পাওয়া যায়।
উদ্ভিজ্জ উৎসের মধ্যে ক্যারােটিন সমৃদ্ধ শাক-সবজি, যেমন- লালশাক, কচুশাক, পুঁইশাক, পাটশাক, কলমিশাক, ডাঁটাশাক, পুদিনা পাতা, গাজর, মিষ্টি কুমড়া, ঢেঁড়স, বাঁধাকপি, মটরশুটি এবং বিভিন্ন ধরনের ফল যেমন: আম, পাকা পেঁপে, কাঁঠাল ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন A রয়েছে।
ভিটামিন A যেসব কাজ করে সেগুলাে হলাে:

১. দেহের স্বাভাবিক গঠন এবং বর্ধন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার কাজ নিশ্চিত করে।
২. দেহের বিভিন্ন আবরণী কলা যেমন: ত্বক, চোখের কর্নিয়া ইত্যাদিকে স্বাভাবিক ও সজীব রাখে।
৩. হাড় এবং দাঁতের গঠন এবং দাঁতের মাড়ি সুস্থ রাখে।
৪. দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরােধ করে।
৫. দেহে রােগ সংক্রমণ প্রতিরােধ করে।

উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৯৯১.
নিচের কোন বৈশিষ্ট্যটি এক্স-রের ক্ষেত্রে সঠিক?
  1. ভেদন ক্ষমতা কম
  2. জীবন্ত কোষে কোনো প্রভাব ফেলে না
  3. গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে
  4. চুম্বকীয় বিকৃতির মাধ্যমে দিক পরিবর্তন করে
সঠিক উত্তর:
গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে
ব্যাখ্যা

এক্স-রে (X-ray): 
- ১৮৯৫ সালে জার্মান বিজ্ঞানী উইলিয়াম রঞ্জন ক্যাথোড রশ্মি নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে আকস্মিকভাবে এক্সরে আবিষ্কার করেন। 
- পরীক্ষার সময় তিনি দেখেন, ক্ষরণ নলে ক্যাথোড রশ্মি আপতিত হলে এক ধরনের অদৃশ্য রশ্মি নির্গত হয়, যা বেরিয়াম প্ল্যাটিনোসায়ানাইড প্রলেপযুক্ত পাতে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। এই রশ্মির প্রকৃতি অজানা থাকায় তিনি একে "এক্সরে" নামে অভিহিত করেন, যা পরবর্তীতে রঞ্জন রশ্মি নামে পরিচিত হয়। 
- গবেষণার মাধ্যমে তিনি দেখান যে, উচ্চগতিসম্পন্ন ইলেকট্রন ধাতুর প্রতিবন্ধকে আঘাত করলে তার গতিশক্তি এক্সরেতে রূপান্তরিত হয়। 

এক্সরের প্রকারভেদ: 
- এক্সরে দুই প্রকার।
যথা- 
১। কোমল এক্সরে: 
- এক্সরে যন্ত্রে তুলনামূলক কম বিভব প্রয়োগ করে যে এক্সরে পাওয়া যায় তাকে কোমল এক্সরে বলে। 
- কোমল এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য তুলনামূলক বড়, ফলে ভেদন ক্ষমতাও তুলনামূলক কম। 

২। কঠিন এক্সরে: 
- এক্সরে যন্ত্রে তুলনামূলক বেশি বিভব প্রয়োগ করে যে এক্সরে পাওয়া যায় তাকে কঠিন এক্সরে বলে। 
- কঠিন এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য তুলনামূলক ছোট ফলে ভেদন ক্ষমতাও তুলনামূলক বেশি। 

এক্সরের ধর্ম: 
১। এক্সরে সরল পথে গমন করে। 
২। এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না। 
৩। এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ। 
৪। এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট। 
৫। এটি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে। 
৬ । আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে। 
৭। এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। 
৮। এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। 
৯। এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই। 
১০। এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। 
১১। এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। 
১২। এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক। 
১৩। এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৯২.
AIDS সর্বপ্রথম কোন দেশে চিহ্নিত হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. ফ্রান্স
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
AIDS:
- ‘AIDS (Acquired Immunodeficiency Syndrome) রোগের জন্য দায়ী ভাইরাসটি হল HIV (Human Immunodeficiency Virus)।
- HIV দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।
- HIV ভাইরাস সংক্রমণের পর প্রথম ৫ বছর পর্যন্ত মানুষের দেহে কোনো রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় না।
- এসব মানুষ তখন এই রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে এবং তখন তারা অন্যকে সংক্রমিত করতে পারে।

HIV সংক্রমণের কারণ:
- প্রধানত যৌন ক্রিয়ার মাধ্যমেই আক্রান্ত ব্যক্তির দেহ থেকে HIV সুস্থ ব্যক্তির দেহে সংক্রমিত হয়।
- মায়ের বুকের দুধের মাধ্যমে সদ্যোজাত শিশুর দেহে এ রোগ সংক্রমিত হতে পারে।
- রক্ত সঞ্চালন কিংবা ড্রাগ ব্যবহারকারীদের সিরিঞ্জের মাধ্যমে এ রোগ সঞ্চারিত হতে পারে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লসএঞ্জেলস-এ সর্বপ্রথম এইডস শনাক্ত করা হয়। 
- এশিয়ার মধ্যে থাইল্যান্ডে ১৯৮৪ সালে প্রথম এইডস লক্ষ করা যায় এবং মিয়ানমার ও ভারতীয় উপমহাদেশে ১৯৮৬ সালের মধ্যেই এর প্রাদুর্ভাব ঘটে।
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম এইডস শনাক্ত হয় ১৯৮৯ সালে। 

উৎস: i) দৈনিক ইত্তেফাক।
ii) Apollo Hospitals.
৯৯৩.
মস্তিষ্কের কোন অংশ পেশির টান ও দেহের ভারাসাম্য নিয়ন্ত্রন করে?
  1. ক) সেরিব্রাম
  2. খ) সেরিবেলাম
  3. গ) থ্যালামাস
  4. ঘ) হাইপোথ্যালামাস
সঠিক উত্তর:
খ) সেরিবেলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সেরিবেলাম
ব্যাখ্যা
মস্তিষ্কের প্রধান অংশ হলো গুরুমস্তিষ্ক বা সেরিব্রাম। দর্শন, শ্রবণ, ঘ্রাণ, চিন্তা-চেতনা, স্মৃতি, জ্ঞান, বুদ্ধি, বিবেক ও পেশি চালনার ক্রিয়াকেন্দ্র গুরুমস্তিষ্কে অবস্থিত। গুরুমস্তিষ্কের নিচে ও পশ্চাতে অবস্থিত লঘুমস্তিষ্ক। এর তিনটি অংশ-সেরিবেলাম, পনস ও মেডুলা অবলংগাটা। পনসের বিপরীত দিকে অবস্থিত খন্ডাংশটি হলো সেরিবেলাম। এটা অনেকটা ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে। সেরিবেলাম ডান ও বাম দু’অংশে বিভক্ত। এটি দেহের পেশির টান নিয়ন্ত্রন, চলনে সমন্বয় সাধন, দেহের ভারাসাম্য রক্ষা, দৌড়ান ও লাফানোর কাজে জড়িত পেশিগুলোর কার্যাবলি নিয়ন্ত্রন করে।
[সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি]
৯৯৪.
এম আর আই (MRI) এর ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. ক) এম আর আই দেখতে সিটি স্ক্যান যন্ত্র থেকে ভিন্ন
  2. খ) এম আর আই এ তেজস্ক্রিয় ঝুঁকি থাকে না
  3. গ) এম আর আই এ সিটি স্ক্যান এর তুলনায় সময় কম লাগে
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) এম আর আই এ তেজস্ক্রিয় ঝুঁকি থাকে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এম আর আই এ তেজস্ক্রিয় ঝুঁকি থাকে না
ব্যাখ্যা

MRI এর পূর্ণরূপ - Magnetic resonance imaging.
- এম আর আই দেখতে সিটি স্ক্যান যন্ত্রের মত।
- এম আর আই এ তেজস্ক্রিয় ঝুঁকি থাকে না।
- এম আর আই এ সিটি স্ক্যান এর তুলনায় সময় বেশি লাগে।
[তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ৩০২।]

৯৯৫.
Bacillus subtilis ব্যাকটেরিয়া থেকে কোন অ্যান্টিবায়োটিক প্রস্তুত করা হয়?
  1. স্ট্রেপ্টোমাইসিন 
  2. পলিমিক্সিন
  3. সাবটিলিন
  4. পেনিসিলিন
সঠিক উত্তর:
সাবটিলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাবটিলিন
ব্যাখ্যা

• Bacillus subtilis ব্যাকটেরিয়া থেকে সাবটিলিন প্রস্তুত করা হয়।

• চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়া:

- অ্যান্টিবায়োটিক প্রস্তুতকরণ:
-ব্যাকটেরিয়া থেকে বিভিন্ন অ্যান্টিবায়োটিক প্রস্তুত করা হয়।
- যেমন— Bacillus subtilis থেকে সাবটিলিন এবং Bacillus polymyxa থেকে পলিমিক্সিন প্রস্তুত করা হয়।

-টিকা (Vaccine) প্রস্তুতকরণ:
- ব্যাকটেরিয়া থেকে কলেরা, টাইফয়েড ও যক্ষ্মা রোগের টিকা প্রস্তুত করা হয়।

- ডি.পি.টি. (DPT) টিকা:
- ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও ধনুষ্টঙ্কার রোগের প্রতিরোধে ব্যাকটেরিয়া থেকে টিকা প্রস্তুত করা হয়।
- যেমন— Corynebacterium diphtheriae (D), Bordetella pertussis (P) এবং Clostridium tetani (T)।
- এই তিনটি রোগের সম্মিলিত টিকাকে DPT টিকা বলা হয়।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৯৬.
একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের মেরুদণ্ডে কতটি কশেরুকা থাকে?
  1. ক) ২৫টি
  2. খ) ২৬টি
  3. গ) ৩১টি
  4. ঘ) ৩৩টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৬টি
ব্যাখ্যা
একজন পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির শরীরে মেরুদণ্ডে কশেরুকা থাকে ২৬টি। আর নবজাতকের শরীরে মেরুদণ্ডে হাড় থাকে ৩৩টি।

পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির শরীরে মেরুদণ্ডে কশেরুকা থাকে -
- ৭টি গ্রীবাদেশীয় কশেরুকা
- ১২টি বক্ষদেশীয় কশেরুকা
- ৫টি কটিদেশীয় কশেরুকা
- ৫টি হাড় একীভূত হয়ে একটি শ্রোণিদেশীয় কশেরুকা
- ৪টি হাড় একীভূত হয়ে একটি পুচ্ছদেশীয় কশেরুকা

- এই সর্বমোট ২৬টি কশেরুকা।
- শৈশাবস্থায় শ্রোণিদেশীয় ও পুচ্ছদেশীয় হাড়গুলো একীভূত না হওয়ায় তখন মেরুদণ্ডে মোট অস্থির সংখ্যা থাকে ৩৩টি।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৯৯৭.
ডায়াবেটিস রোগীকে কোন কারণে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়?
  1. প্রোটিন হ্রাস হলে
  2. গ্লুকোজ উৎপাদন কম হলে
  3. ইনসুলিন অতিরিক্ত নিঃসৃত হলে
  4. ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা অকার্যকর হলে
সঠিক উত্তর:
ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা অকার্যকর হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা অকার্যকর হলে
ব্যাখ্যা

- ডায়াবেটিস রোগীদের শরীরে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়, কারণ তাদের অগ্ন্যাশয় থেকে পর্যাপ্ত ইনসুলিন নিঃসৃত হয় না (টাইপ ১) অথবা শরীর ইনসুলিনকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে পারে না (টাইপ ২), যার ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই সঠিক উত্তরটি হলো- ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা অকার্যকর হলে। 

ইনসুলিন: 
- ইনসুলিন একটি হরমোন। ইহা অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে। 
- ইনসুলিনের ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে। 
- কোনো কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়। এই অবস্থায় ডায়াবেটিক রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়। 
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন। 
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৯৮.
নিচের কোনটি সংক্রামক ব্যাধি?
  1. ক) এইডস
  2. খ) ডায়াবেটিস
  3. গ) কোভিড-১৯
  4. ঘ) ক+গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক+গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক+গ
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যাঃ
এইডস, যক্ষ্মা, পোলিও, ধনুষ্টংকার, হাম, হার্পিস, কোভিড-১৯, দাদ ইত্যাদি হল সংক্রামক রোগ।
অন্যদিকে,
ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, অ্যাজমা, কিডনি রোগ ইত্যাদি হল অসংক্রামক রোগ।
উৎসঃ প্রথম আলো।

৯৯৯.
কোন ভাইরাসটিতে নিউক্লিক এসিড হিসেবে RNA থাকে?
  1. ভ্যাকসিনিয়া
  2. ভ্যারিওলা
  3. এডিনোহার্পিস সিমপ্লেক্স
  4. র‍্যাবিস
সঠিক উত্তর:
র‍্যাবিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যাবিস
ব্যাখ্যা
• র‍্যাবিস ভাইরাসে নিউক্লিক এসিড হিসেবে RNA থাকে। 

• ভাইরাস:

- ভাইরাস (Virus) হলো একটি অতিআণুবীক্ষণিক সংক্রামক বস্তু যা শুধুমাত্র জীবের জীবন্ত কোষের অভ্যন্তরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে।

• নিউক্লিক এসিডের ধরন অনুযায়ী ভাইরাসকে ২ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
→ RNA ভাইরাস: যে ভাইরাসে নিউক্লিক এসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে বলা হয় RNA ভাইরাস। 
উদাহরণ-
- TMV, HIV, ডেঙ্গু, পোলিও, মাম্পস, র‍্যাবিস, নভেল করোনা ইত্যাদি ভাইরাস।
- Reoviridae গোত্রের (রিওভাইরাস, ধানের বামন রোগের ভাইরাস) ভাইরাসের RNA দ্বিসূত্রক।

→ DNA ভাইরাস: যে ভাইরাসে নিউক্লিক এসিড হিসেবে DNA থাকে তাকে বলা হয় DNA ভাইরাস। 
উদাহরণ-
- T2 ভাইরাস, ভ্যাকসিনিয়া, ভ্যারিওলা, TIV (Tipula Iridiscent Virus), এডিনোহার্পিস সিমপ্লেক্স ইত্যাদি ভাইরাস।
- Parvoviridae গোত্রের ( phi X 174 oplus M 13 কলিফায়) ভাইরাসের DNA একসূত্রক।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
১,০০০.
পাঁচ বছরের নিচে বাচ্চার সর্বাধিক মৃত্যুর কারণ কোনটি নয়?
  1. ক) ডায়রিয়া
  2. খ) নিউমোনিয়া
  3. গ) ক্যান্সার
  4. ঘ) অপুষ্টিজনিত
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যান্সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যান্সার
ব্যাখ্যা
পাঁচ বছরের নিচে বাচ্চার সর্বাধিক মৃত্যুর কারণ হতে পারে অপুষ্টিজনিত, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ইত্যাদি। কিন্তু পাঁচ বছরের নিচের বাচ্চাদের সাধারণত ক্যান্সার রোগ হয় না।