বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

রোগ - জীবাণু ও আধুনিক চিকিৎসা সংক্রান্ত

মোট প্রশ্ন১,০৯৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

রোগ - জীবাণু ও আধুনিক চিকিৎসা সংক্রান্ত

PrepBank · পাতা / ১১ · ১০০ / ১,০৯৫

.
চিকনগুনিয়া রোগটি কোন মাধ্যম বাহিত রোগ?
  1. পানিবাহিত
  2. পতঙ্গবাহিত
  3. বায়ুবাহিত
  4. রক্তবাহিত
সঠিক উত্তর:
পতঙ্গবাহিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পতঙ্গবাহিত
ব্যাখ্যা
চিকনগুনিয়া পতঙ্গবাহিত রোগ।  চিকুনগুনিয়া রোগটির জন্য Aedes aegypti মশাটি দায়ী। 

চিকুনগুনিয়া ভাইরাসজনিত রোগ। মশার মাধ্যমে এই ভাইরাস মানুষের মধ্যে ছড়ায়। ১৯৫২ সালে তানজানিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে সর্বপ্রথম এই রোগ ছড়ানোর কথা জানা যায়। সেখানকার কিমাকোন্ডি ভাষা থেকে চিকুনগুনিয়া নামটি এসেছে। স্থানীয়ভাবে এর অর্থ হলো ‘মোচড়ানো’। রোগীর শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হওয়ায় এই রোগের এমন নাম হয়েছে।

লক্ষণ- 
সংক্রামক মশা কামড়ানোর চার থেকে সাত দিনের মধ্যে দেহে চিকুনগুনিয়ার উপসর্গ দেখা যায়। এটি হলে সাধারণত হঠাৎ করে তীব্র জ্বর (১০৪° ফারেনহাইট) শুরু হয়। সেই সাথে শরীরের অস্থি সন্ধিতেও ব্যথা অনুভূত হয়। এছাড়া চিকুনগুনিয়ার আর যেসব লক্ষণ দেখা যায় তার মধ্যে রয়েছে, মাংস পেশি ও মাথা ব্যথা, বমি বমি ভাব, ক্লান্তি ও চামড়ায় ফুসকুড়ি। অস্থি সন্ধির ব্যথা খুব তীব্র হতে পারে যা কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

চিকিৎসা-
চিকুনগুনিয়া ভাইরাস সংক্রমণের চিকিৎসা মূলত উপসর্গভিত্তিক। এর কোনো সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। আক্রান্ত ব্যক্তিকে বিশ্রাম নিতে হবে, প্রচুর পানি ও তরলজাতীয় খাবার খেতে হবে এবং প্রয়োজনে জ্বর ও ব্যথার জন্য প্যারাসিটামল ট্যাবলেট এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারে ওষুধ খেতে হবে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
.
শ্বাসনালীর ভেতরে আবৃত প্রদাহকে বলা হয় -
  1. ক) নিউমোনিয়া
  2. খ) ইনফ্লুয়েঞ্জা
  3. গ) ব্রঙ্কাইটিস
  4. ঘ) যক্ষ্মা
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রঙ্কাইটিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রঙ্কাইটিস
ব্যাখ্যা
শ্বাসনালীর ভেতরে আবৃত প্রদাহকে ব্রঙ্কাইটিস বলে। 

 শ্বসনতন্ত্রের প্রদাহজনিত সমস্যাগুলোর মধ্যে ব্রঙ্কাইটিস অন্যতম। দেখা যায়,শিশু এবং পুরুষদের মধ্যে ব্রঙ্কাইটিস বেশি হয়। শ্বাসনালির ভেতরে আবৃত ঝিল্লিতে এক ধরনের ভাইরাসের সংক্রমণ থেকেই ব্রংকাইটিস হয়। এটি শ্বাসনালির মিউকাস আবরণীর প্রদাহ। তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী— এই দুই ধরনের ব্রংকাইটিস হতে দেখা যায়।

কারণঃ ধূমপান ব্রঙ্কাইটিসের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়। অামাদের শ্বাসনালীতে চুলের মতো দেখতে কিছু স্ট্রাকচার থাকে, যার নাম সিলিয়া। ধূলাবালি,বিভিন্ন ক্ষতিকারক পদার্থ যা ফুসফুসে গিয়ে ক্ষতি করতে পারে তাদের ফুসফুসে যেতে বাধা দেয়াই এদের কাজ। ধূমপানের ফলে এসব সিলিয়া তাদের কার্যকারিতা হারায়। যার কারণে খুব সহজেই ব্রঙ্কাইটিস ডেভেলপ করতে পারে। এছাড়া যানবাহনের কালো ধোঁয়া, ধূলাবালি,বায়ু দূষণ এগুলো ব্রঙ্কাইটিসের কারণ হিসেবে বিবেচিত।

লক্ষণসমূহঃ ব্রঙ্কাইটিসের সাধারণ লক্ষণগুলো হলো কাশি,শ্বাসকষ্ট, হালকা কাঁপুনিসহ জ্বর,সর্দি, নাসাবদ্ধতা, মাথাব্যথা ইত্যাদি।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নাড়ির স্পন্দন প্রবাহিত হয় -
  1. শিরার ভিতর দিয়ে
  2. স্নায়ুর ভিতর দিয়ে
  3. ধমনীর ভিতর দিয়ে
  4. ল্যাকটিয়ালের ভিতর দিয়ে
সঠিক উত্তর:
ধমনীর ভিতর দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধমনীর ভিতর দিয়ে
ব্যাখ্যা
- নাড়ির স্পন্দন প্রবাহিত হয় ধমনীর ভেতর দিয়ে। 
- যেসব রক্তনালির মাধ্যমে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিন্ডে থেকে সারা দেহে বাহিত হয়, তাকে ধমনী বলে। 
- ধমনীর প্রাচীরের মধ্যস্তর পেশিবহুল ও পুরু। 
- এর রক্তের গতির দিক সাধারণত হৃৎপিণ্ড থেকে দেহের বিভিন্ন দিকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
মানুষের মাথার চুল পড়ে গিয়ে টাক তৈরীর জন্য কোনটি দায়ী?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) ছত্রাক
  4. ঘ) প্রোটোজোয়া
সঠিক উত্তর:
গ) ছত্রাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ছত্রাক
ব্যাখ্যা
Microsporum - নামক একপ্রকার ছত্রাকের জন্য মানুষের মাথার চুল পড়ে গিয়ে টাক তৈরি করে।
একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর জীববিজ্ঞান ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
.
থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসরণ হয়-
  1. ক) Thyroxin Hormone
  2. খ) Thymuses Hormone
  3. গ) Hormone
  4. ঘ) Insulin Hormone
সঠিক উত্তর:
ক) Thyroxin Hormone
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Thyroxin Hormone
ব্যাখ্যা
থাইরয়েড গ্রন্থি:
- গলার উপরের অংশে উভয় পার্শ্বে অবস্থিত।
- প্রজাপতি আকৃতির চোখ বের হয়ে আসা রোগটি এ গ্রন্থির সমস্যার কারণে হয়। আয়োডিন এর অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যায় ও গলগন্ড গঠন করে।
- বিপাকের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- এ গ্রন্থি থেকে ট্রাইআয়োডোথাইরোনিন, থাইরক্সিন, ক্যালসিটোনিন এ তিনটি হরমোন নিঃসৃত হয়।

পিটুইটারী গ্রন্থি:
- এটি মস্তিষ্কের নিচের অংশে অবস্থিত। এ গ্রন্থিকে হরমোন সৃষ্টিকারী প্রধান গ্রন্থি বা প্রভুগ্রন্থি বলে।
- কারণ এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন সংখ্যা যেমন বেশি তেমন বিভিন্ন গ্রন্থির উপর এসব হরমোন এর প্রভাবও বেশি।
- এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, শক্তিশালী ও সবচেয়ে ছোট গ্রন্থি।
- এ গ্রন্থি থেকে গোনাডোট্রপিন, এডরেনোকর্টিকোট্রপিন, থাইরোট্রপিন, প্রোল্যাকটিন ইত্যাদি হরমোন নিঃসৃত হয়।

থাইমাস গ্রন্থি:
- এ গ্রন্থি গ্রীবা অঞ্চলে অবস্থিত। শিশুকালে এ গ্রন্থি বিকশিত হতে থাকে, বয়স বাড়ার সাথে সাথে ছোট হয়।
- এ গ্রন্থি থেকে থাইরক্সিন হরমোন নিঃসৃত হয়।

আইলেটস্ অফ ল্যাংগারহ্যানস:
 এ গ্রন্থির অবস্থান অগ্ন্যাশয়ের মাঝে। এ গ্রন্থি থেকে ইনসুলিন, গুকাগণ প্রভৃতি হরমোন নিঃসৃত হয় যা শরীরের শর্করা বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
গর্ববতী মায়ের রক্ত স্বল্পতা দেখা দিলে প্রথম মাস থেকে কোন এসিড খেতে বলা হয়? 
  1. ফলিক এসিড
  2. নাইট্রিক এসিড
  3. এসেটিক এসিড
  4. হাইড্রোক্লোরিক এসিড
সঠিক উত্তর:
ফলিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফলিক এসিড
ব্যাখ্যা
গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন সমস্যা: 
- প্রতিবছর গর্ভকালীন বিভিন্ন জটিলতায় আমাদের দেশে বহু নারীর মৃত্যু হয়। 
- গর্ভকালীন বিভিন্ন জটিলতা ও সমস্যা সম্পর্কে অজ্ঞতা ও সচেতনতার অভাবে মা ও শিশু উভয়ের জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। 
- তাই গর্ভকালীন সমস্যা বিষয়ে সচেতনতা ও সঠিক পরিচর্যাই পারে মা ও শিশুর জীবন বাঁচাতে। 

রক্ত স্বল্পতা: 
- অনেক সময় গর্ভাবস্থায় রক্ত স্বল্পতা দেখা দেয়। 
- ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রথম মাস থেকে ফলিক এসিড এবং ৩ মাসের পর থেকে আয়রন ও ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট খেতে হবে। 
- আয়রনযুক্ত খাবার যেমন- কঁচু শাক, কলিজা, তেঁতুল, তরমুজ, ডিম ইত্যাদি খেতে হবে। 
- ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার যেমন- আমলকি, লেবু, কাঁচামরিচ, পেয়ারা, আনারস এবং কাঁচা ফলমূল খেতে হবে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
হুপিং কাশি রোগের টীকা কোনটি?
  1. ক) ওপিভি
  2. খ) বিসিজি
  3. গ) ডিপিটি
  4. ঘ) এমএমআর
সঠিক উত্তর:
গ) ডিপিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডিপিটি
ব্যাখ্যা
পোলিও রোগের টিকা - ওপিভি (Oral Polio Vaccine) ;
যক্ষার টিকা - বিসিজি ;
ডিফথেরিয়া, হুপিং কাশি ও ধনুষ্টঙ্কারের টিকা - ডিপিটি;
হাম রোগের টিকা - এমএমআর ভ্যাকসিন।
[তথ্য ব্রিটানিকা থেকে যাচাইকৃত]
.
মানুষের অটোজোম সংখ্যা কত?
  1. ক) ২৩ জোড়া
  2. খ) ২০ জোড়া
  3. গ) ২২ জোড়া
  4. ঘ) ২৪ জোড়া
সঠিক উত্তর:
গ) ২২ জোড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২২ জোড়া
ব্যাখ্যা
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬ টি ক্রোমোজোম থাকে।
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় অটোজোম।
- অটোজোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালী ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনো ভূমিকা নেই।
- বাকি এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স-ক্রোমোজোম। যা মানবদেহে লিঙ্গ নির্ধারণ করে।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।
.
কেমোথেরাপির ভিত্তি কী?
  1. আলোর প্রতিসরণ
  2. চৌম্বকক্ষেত্রে
  3. কোষ বিভাজন
  4. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
কোষ বিভাজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোষ বিভাজন
ব্যাখ্যা
কোমোথেরাপি (Camotherapy): 
- কেমোথেরাপি এমন এক ধরনের চিকিৎসা যেখানে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক ঔষধ ব্যবহার করে শরীরের জন্য ক্ষতিকর দ্রুত বিভাজনের কোষ ধ্বংস করা হয়। 
- ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর শরীরের কিছু কোষ বিভাজনের গতি অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। 
- জীবদেহের কোষ বিভাজনের উপর ভিত্তি করে কেমোথেরাপি গঠিত। 
- কেমোথেরাপিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক ঔষধ কোষ বিভাজনের নির্দিষ্ট ধাপে প্রয়োগ করা হয়। 
- কোষ বিভাজনের কোন ধাপে প্রয়োগ করা হবে তার উপর নির্ভর করে রাসায়নিক ঔষধ ঠিক করা হয়। 
- এটি একটি নির্দিষ্ট সময় জুড়ে থাকে। 
যেমন- প্রতিদিনে একবার, সপ্তাহে একবার বা মাসে একবার প্রভৃতি। 
- সাধারণত এভাবে প্রায় ছয়বার ঔষধ প্রয়োগ করা হয়। 

- কেমোথেরাপিতে রাসায়নিক ঔষধ ব্যবহারের ফলে বিভাজনের কোষ ধ্বংস প্রাপ্ত হয়। 
- ক্যান্সার কোষ ধ্বংসের সাথে সাথে অন্যান্য কোষ ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে রক্ত কণিকাসমূহের উৎপাদন বাধাগ্রস্থ হয়। 
- হজম সমস্যার ফলে ডায়রিয়া, মাথার চুল পড়ে যাওয়া, পানিশুন্যতা, বমি প্রভৃতি সমস্যা দেখা যায়। 
- এছাড়া রাসায়নিক ঔষধের কারণে চুল পড়ে যায় ও চামড়া পুড়ে যায়। 
- কিছু সচেতনামূলক কর্মকান্ড এই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সমূহকে অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। 
যেমন- 
(i) শরীরের তাপমাত্রার দিকে লক্ষ্য রাখা, যাতে তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে চামড়া পুড়ে না যায় বা চুল না পড়ে যায়। 
(ii) তরল বা নরম খাবার খাওয়া উচিৎ যা সহজে হজম হয়। 
(iii) শরীরের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন ঠিক রাখার জন্য নিয়মিত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা উচিৎ। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
রেটিনা ও চক্ষুলেন্সের মধ্যবর্তী স্থানে থাকে -
  1. ক) অ্যাকুয়াস হিউমার
  2. খ) কর্ণিয়া
  3. গ) ভিট্রিয়াস হিউমার
  4. ঘ) অ্যাকুয়া রিজিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) ভিট্রিয়াস হিউমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভিট্রিয়াস হিউমার
ব্যাখ্যা
অ্যাকুয়াস হিউমার (Aqueous humour):
লেন্স ও কর্নিয়ার মধ্যবর্তী স্থান এক প্রকার স্বচ্ছ জলীয় পদার্থে ভর্তি থাকে। একে বলা হয় অ্যাকুয়াস হিউমার।
- অ্যাকুয়াস হিউমার আলাের প্রতিসরণে সাহায্য করে, চোখের সম্মুখ অংশের আকৃতি ঠিক রাখে এবং লেন্স ও কর্নিয়ায় পুষ্টি সরবরাহ করে।

ভিট্রিয়াস হিউমার (Vitreous humour):
লেন্স ও রেটিনার মধ্যবর্তী অংশে এক প্রকার জেলি জাতীয় পদার্থে পূর্ণ থাকে। একে বলা হয় ভিট্রিয়াস হিউমার।
- ভিট্রিয়াস হিউমার রেটিনার দিকে আলাের প্রতিসরণে সাহায্য করে ও চক্ষু গােলকের গােলাকার আকৃতি বজায় রাখে।

সুত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, HSC Program, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
উচ্চ রক্তচাপ আছে এমন ব্যক্তিদের সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ সর্বদা -
  1. ১৬০ মিমি পারদচাপের বেশি ও ৯৫ মিমি পারদচাপের কম
  2. ১৬০ মিমি পারদচাপের বেশি ও ৯৫ মিমি পারদচাপের বেশি
  3. ১৬০ মিমি পারদচাপের বেশি ও ৮০ মিমি পারদচাপের কম
  4. ১৫০ মিমি পারদচাপের কম ও ৯৮ মিমি পারদচাপের বেশি
সঠিক উত্তর:
১৬০ মিমি পারদচাপের বেশি ও ৯৫ মিমি পারদচাপের বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬০ মিমি পারদচাপের বেশি ও ৯৫ মিমি পারদচাপের বেশি
ব্যাখ্যা
উচ্চ রক্তচাপকে ডাক্তারি ভাষায় হাইপারটেনশন (Hypertension) বলে। শরীর ও মনের স্বাভাবিক অবস্থায় রক্তচাপ যদি বয়সের জন্য নির্ধারিত মাত্রার উপরে অবস্থান করতে থাকে, তবে তাকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন বলে।
রক্তের চাপ যদি কম থাকে তা হলে তাকে নিম্নরক্তচাপ বলে। হৃদপিন্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে হৃদপিন্ড থেকে ধমনির মাধ্যমে রক্ত প্রবাহকালে ধমিন গাত্রে কোনো ব্যক্তির সিস্টোলিক রক্তচাপ যদি হয় সব সময় ১৬০ মিলিমিটার পারদস্তম্ভ বা তার বেশি এবং ডায়াস্টোলিক সব সময় ৯৫ মিলিমিটার পারদস্তম্ভ বা তার বেশি থাকে, তবে তার উচ্চ রক্তচাপ আছে বলা যায়।
উত্তেজনা, চিন্তা, বিষন্নতা, নিদ্রাহীনতা বা অন্য কোনো কারণে যদি রক্তচাপ সাময়িকভাবে নির্দিষ্ট সীমানা অতিক্রম করে, তবে তাকে হাইপারটেনশন বলা যাবে না এবং এ অবস্থায় কোনো ওষুধরেও প্রয়োজন হয় না।
উচ্চ রক্তচাপ বংশগত (Genetic High blood pressure) হতে পারে। উচ্চরক্তচাপ ভীতির কোনো কারণ নয় তবে নিয়মিত ঔষধ সেবনে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।

সুত্রঃ হৃদযন্ত্রের যত কথা, বিজ্ঞান, এসএসসি।
১২.
এইডস রোগের লক্ষণ নয় কোনটি?
  1. ক) শরীরের ওজন দ্রুত কমতে থাকে
  2. খ) শুকনো কাশি
  3. গ) সারাদেহে চুলকানি
  4. ঘ) উচ্চ রক্তচাপ
সঠিক উত্তর:
ঘ) উচ্চ রক্তচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উচ্চ রক্তচাপ
ব্যাখ্যা
অতিরিক্ত কলেস্টোরেলের ফলে উচ্চ রক্তচাপ দেখা দেয়। 

এইডস হল Human Immunodeficiency Virus (HIV) অর্থাৎ "মানব প্রতিরক্ষা অভাব সৃষ্টিকারী ভাইরাস"।
এইচ আই ভি ভাইরাস মানুষের শরীরের T-helper cell আক্রমণ করে যেগুলি শরীরের রোগ প্রতিরোধের জন্যে অতীব প্রয়োজনীয়।

AIDS বা Aids এর পূর্ণ অভিব্যক্তি হলো acquired immunodeficiency syndrome  বা acquired immune deficiency syndrome.

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশ ওয়েবসাইট 

১৩.
TMV এক ধরণের -
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) ছত্রাক
  4. ঘ) শৈবাল
সঠিক উত্তর:
ক) ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভাইরাস
ব্যাখ্যা
TMV (Tobacco Mosaic Virus)
- এ ভাইরাস তামাক পাতার ক্লোরোফিল নষ্ট করে সাদা সবুজ মোজাইকের মত সৃষ্টি করে বলে এদের টোবাকো মোজাইক ভাইরাস বলা হয়।
- এটি একটি দন্ডাকৃতির RNA ভাইরাস।
- এর দৈর্ঘ্য প্রস্থের প্রায় ১৭ গুণ।
- এটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮০ nm (কারও কারও মতে ৩০০ nm) এবং প্রস্থ ১৫ nm (কারও কারও মতে ১৮ nm)।
- RNA এবং প্রোটিন দিয়ে টোবাকো মোজাইক ভাইরাসটি গঠিত।
-  এর বাইরে একটি পুরু প্রোটিনের আবরণ থাকে।
- এতে প্রায় ২২০০ ক্যাপসোমিয়ার থাকে ।
- প্রত্যেকটি ক্যাপসোমিয়ারে ১৫৮টি অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে।
- ক্যাপসিডের অভ্যন্তরে এক সূত্রক RNA কোর থাকে।
- RNA সূত্রটি ৬৫০০ নিউক্লিয়োটাইড দ্বারা গঠিত।
- ওজন এর দিক বিবেচনায় এর শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগই প্রোটিন।

সূত্র- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র(উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১৪.
মানুষের রক্তের PH কত?
  1. ক) ৭.১ - ৭.৪
  2. খ) ৭.২ - ৭.৪
  3. গ) ৭.৩ - ৭.৪
  4. ঘ) ৭.৪ - ৭.৫
সঠিক উত্তর:
গ) ৭.৩ - ৭.৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭.৩ - ৭.৪
ব্যাখ্যা
রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের তরল যোজক কলা। 
এর PH এর মাত্রা গড়ে ৭.৩-৭.৪। 
মানবদেহের রক্ত প্রধানতঃ রক্তরস ও রক্ত কণিকা নিয়ে গঠিত।
 স্থিতি অবস্থায় কিছুক্ষণ রাখলে রক্ত দুই স্তরে বিভক্ত হয়ে পড়ে। 
উপরের হালকা হলুদ বর্ণের প্রায় ৫৫% যে অংশ থাকে তাকে রক্তরস বা প্লাজমা বলে এবং নিচের গাঢ়তর বাঁকি ৪৫% অংশকে রক্ত কণিকা (Blood corpuscles) বলে। 
 
উৎস: প্রাণি বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৫.
যক্ষ্মা রোগের জীবাণুর নাম কী?
  1. ক) Wuchereria bancrofti
  2. খ) Mycobacterium tuberculosis
  3. গ) Vibrio cholerae
  4. ঘ) Polio Virus
সঠিক উত্তর:
খ) Mycobacterium tuberculosis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Mycobacterium tuberculosis
ব্যাখ্যা
যক্ষ্মা রোগের জীবাণুর নাম হচ্ছে Mycobacterium tuberculosis. 

যক্ষ্মা  Mycobacterium tuberculosis নামের জীবাণুঘটিত দীর্ঘস্থায়ী এক সংক্রামক ব্যাধি। এ রোগ TB নামেও পরিচিত। যক্ষ্মা একটি প্রাচীন রোগ। সম্ভবত পঞ্চম শতকের প্রথম দিক থেকেই এটি মারাত্মক রোগ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। যক্ষ্মা জীবাণুর বিভিন্ন জাত গৃহপালিত পশু ও বন্যপ্রাণীদের মধ্যেও সংক্রমণ ঘটায়। এ রোগ সচরাচর ফুসফুসের ক্ষতি করে, কিন্তু শ্বাসতন্ত্র, অস্থি ও অস্থিসন্ধি, ত্বক, লসিকাগ্রন্থি, অন্ত্র, কিডনি এবং স্নায়ুতন্ত্রও আক্রমণ করে। শ্বাসগ্রহণের সময় জীবাণু ফুসফুসে প্রবেশ করলেই সাধারণত সংক্রমণ ঘটে। দূষিত খাদ্যগ্রহণেও সংক্রমণ ঘটতে পারে। যক্ষ্মাগ্রস্ত ব্যক্তির হাঁচি ও কাশি থেকে নির্গত কফ বা থুথুর কণাগুলি অন্যের শরীরে ও বাতাসে জীবাণু ছড়ায়। এসব জীবাণু বাতাসে, শুষ্ক কফ ও থুথুতে এবং ধূলাবালিতে দীর্ঘকাল সক্রিয় থাকে। রোগটি অন্যদের তুলনায় একই পরিবারের লোকদের মধ্যে অধিক পরিমাণে সংক্রমিত হয়ে থাকে, কেননা এক পরিবারের সদস্যরা একই বাড়িতে বসবাস করে, একই টেবিলে খাবার খায় ও পরস্পরের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসে, তবে যক্ষ্মা বংশানুক্রমিক নয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।


১৬.
খাদ্যে প্রোটিনের অভাবে কোন রোগ হয়? 
  1. স্কার্ভি
  2. বেরিবেরি
  3. রিকেটস
  4. কোয়াশিওরকর
সঠিক উত্তর:
কোয়াশিওরকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়াশিওরকর
ব্যাখ্যা

• কোয়াশিওরক হলো একটি প্রোটিন-অভাবজনিত রোগ, যা মূলত শিশুদের মধ্যে দেখা যায় যারা পর্যাপ্ত প্রোটিনযুক্ত খাদ্য খায় না।  

- প্রোটিন হলো মানবদেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান।
- এটি কোষ গঠন, অঙ্গপ্রতঙ্গ বৃদ্ধি, অ্যান্টিবডি ও হরমোন উৎপাদন, এনজাইম কার্যক্রম, এবং শরীরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য অপরিহার্য।
- প্রোটিনের অভাব হলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ এবং কোষ ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না, এবং এর ফলে কিছু বিশেষ রোগ দেখা দেয়।

কোয়াশিওরকের প্রধান কারণ:
- খাদ্যতালিকায় প্রোটিনের ঘাটতি।
- শিশুদের বৃদ্ধি পর্যায়ে পর্যাপ্ত দুধ বা প্রোটিন সমৃদ্ধ খাদ্য না পাওয়া।

কোয়াশিওরকের লক্ষণসমূহ:
- পেশী কমজোরি হয়ে যায়।
- শিশুদের শরীরের বৃদ্ধি ও ওজন ঠিকমতো হয় না।
- এডিমা বা শরীরে পানি জমে পেট ফোলা দেখা দেয়।
- চুল সহজে ছিঁড়ে যায়, ত্বক শুষ্ক ও ক্ষীণ হয়ে যায়।
- রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বই।  

১৭.
কোন খনিজ উপাদানের অভাবে রিকেটস রোগ হয়? 
  1. আয়রন
  2. পটাসিয়াম
  3. ক্যালসিয়াম
  4. জিংক
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা
ক্যালসিয়াম:  
- ক্যালসিয়াম (Ca) প্রাণীদের হাড় ও দাঁতের একটি প্রধান উপাদান। 
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের শতকরা দুই ভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম। 
- খনিজ পদার্থের মধ্যে দেহে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 
- অস্থি এবং দাঁতে ফসফরাস ও  ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর  ৯০% শরীরে সঞ্চিত থাকে। রক্ত এবং লসিকাতে এর উপস্থিতি রয়েছে। 
- ক্যালসিয়ামের উদ্ভিজ্জ উৎস হচ্ছে: ডাল, তিল, সয়াবিন, ফুলকপি, গাজর, লালশাক, পালংশাক, কচুশাক, কলমিশাক, বাধঁকপি এবং ফল। 
- প্রাণিজ উৎস হচ্ছে: দুধ, ডিম, ছোট মাছ, শুঁটকি মাছ ইত্যাদি। 
- হাড় ও দাঁটের গঠন শক্ত রাখার জন্য ক্যালসিয়াম একটি অতিপ্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ। এছাড়া ক্যালসিয়াম রক্ত সঞ্চালনে, হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে এবং স্নায়ু ও পেশির সঞ্চালনে সাহায্য করে। 
- ক্যালসিয়ামের অভাবের কারণে রিকেটস এবং বয়স্ক নারীদের অস্টিওম্যালেসিয়া রোগ হয়। 
- ক্যালসিয়ামের অভাবে শিশুদের দাঁত উঠতে দেরি হয় এবং তাদের রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৮.
বিষধর সাপে কামড়ালে ক্ষতস্থানে থাকে-
  1. পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ
  2. অনেকগুলো ছোট ছোট দাঁতের দাগ
  3. ক্ষতস্থান থেকে প্রচুর রক্ষপাত হতে থাকে
  4. ক্ষতস্থানে প্রচুর বিষ লেগে থাকে
সঠিক উত্তর:
পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ
ব্যাখ্যা
- বিষধর সাপের দুইটি বিষ দাঁত থাকে। 
- বিষধর সাপে কাটলে শরীরে বিষক্রিয়ার কিছু লক্ষণ দেখা যায়- 
ক্ষতস্থানে বিষদাঁতের দুটি দংশনের চিহ্নের উপস্থিতি
• ক্ষতস্থান থেকে অনবরত রক্তপাত ও ক্ষতস্থান অস্বাভাবিকভাবে ফুলে ওঠা এবং প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করা, 
• কখনো কখনো সারা শরীর ফুলে যাওয়া, খাবার ও ঢোক গিলতে অসুবিধা, শ্বাসকষ্ট, চোখে ঝাপসা দেখা ও চোখের পাতা বন্ধ হয়ে আসা। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা।
১৯.
চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ধারণ ক্ষমতা কত ডিবি?
  1. ক) ৪৫ - ৫৫ ডিবি
  2. খ) ৩৫ - ৪৫ ডিবি
  3. গ) ৫৫ - ৬৫ ডিবি
  4. ঘ) ২৫ - ৩৫ ডিবি
সঠিক উত্তর:
ক) ৪৫ - ৫৫ ডিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪৫ - ৫৫ ডিবি
ব্যাখ্যা
• যে কোনো বস্তুতে ঘর্ষণের ফলে এক ধরনের তরঙ্গ ধ্বনির সৃষ্টি হয়। এই তরঙ্গ ধ্বনি মূলত এক প্রকার শক্তি । এই তরঙ্গ শক্তি মানুষের কানে প্রবেশ করে শ্রবণ অনুভূতি সৃষ্টি করে। ফলে আমরা শুনতে পাই। একে শব্দ বলে।
- মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ইন্দ্রিয়ের ধারণ ক্ষমতার ঊর্ধ্বে সৃষ্ট যে শব্দ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ব্যাঘাত ঘটায় তাকে শব্দ দূষণ বলে।
-  National Center for Environmental Health (NCEH) এর তথ্যমতে, মানুষের শব্দ গ্রহণের স্বাভাবিক মাত্রা ৪৫-৫৫ ডেসিবল। 


উৎস:  National Center for Environmental Health (NCEH) এবং পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
হৃৎপিন্ডের প্রকোষ্ঠের প্রসারণকে বলা হয়-
  1. ক) সিস্টোল
  2. খ) ডায়াস্টোল
  3. গ) হাইপারটেনশন
  4. ঘ) কেনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ডায়াস্টোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডায়াস্টোল
ব্যাখ্যা
হৃদপিন্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে রক্ত দেহের অভ্যন্তরে গতিশীল থাকে। এমনকি বিশ্রামরত অবস্থায়ও এর সংকোচন ও প্রসারণ চক্রাকারে চলতে থাকে। হৃদপিন্ডের প্রকোষ্ঠগুলোর সংকোচনকে সিস্টোল এবং সম্প্রসারণকে ডায়াস্টোল বলে।
উৎসঃজীব বিজ্ঞানঃনবম-দশম শ্রেণী
২১.
কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও লিপিডের পরিপাক ক্ষুদ্রান্ত্রের কোন অংশে ঘটে?
  1. ডিওডেনামে
  2. ইলিয়ামে
  3. মলাশয়ে
  4. জেজুনামে
সঠিক উত্তর:
ডিওডেনামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিওডেনামে
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্রান্ত্র: 
- পাকস্থলির পাইলোরাস অংশের পর থেকে ইলিওকোলি পর্যন্ত প্রায় ৬-৭ মিটার লম্বা বিস্তৃত অংশ ক্ষুদ্রান্ত্র। 
- এটি আবার ৩ অংশে বিভক্ত। 
যথা - 
১। ডিওডেনাম, 
২। জেজুনাম ও 
৩। ইলিয়াম। 

- ডিওডেনামে মূলত অগ্ন্যাশয়িক রসের এনজাইমের ক্রিয়া এবং জেজুনাম ও ইলিয়ামে আন্ত্রিক রসের এনজাইমের ক্রিয়ার পরিপাক ঘটে। 
- ডিওডেনামে মূলত কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও লিপিডের পরিপাক ঘটে। 
- অম্লধর্মী পাকমণ্ড পাকস্থলি থেকে ডিওডেনামে প্রবেশ করলে যকৃত থেকে নিঃসৃত ও পিত্তথলিতে সঞ্চিত পিত্তরস নালিপথে ডিওডেনামে প্রবেশ করে ক্ষারীয় মাধ্যম সৃষ্টি করে। 
- অন্যদিকে অগ্ন্যাশয় থেকে রস নিঃসৃত হয়ে পাকমণ্ডের অম্লত্বের প্রশমন ঘটায়। 
- অগ্ন্যাশয় রসের এনজাইমসমূহ এ মাধ্যমে সক্রিয় হয়ে পরিপাকে অংশ নেয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
রক্তের লাল রঙের জন্য কোন পদার্থ দায়ী?
  1. রেনিন
  2. প্লাজমা 
  3. লিউকোসাইট
  4. হিমোগ্লোবিন
সঠিক উত্তর:
হিমোগ্লোবিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমোগ্লোবিন
ব্যাখ্যা

রক্ত:
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা।
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা।
- মানুষের শরীরের রক্তরসের ৯১ ৯২% পানি এবং ৮-৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ।
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু।
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%।
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের।
- রক্তের রসে লাল রঙের হিমোগ্লোবিন নামে লৌহ-ঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রঙ লাল হয়।
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।
- তবে কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে ফুসফুসে পরিবাহিত হয়, তবে কার্বন ডাই-অক্সাইডের - সিংহভাগ বাইকার্বনেট আয়ন হিসেবে রক্ত দ্বারা ফুসফুসে পরিবাহিত হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২৩.
'কোভিড-১৯'-এর জন্য তৈরি টিকা কীভাবে কাজ করে?
  1. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উদ্দীপিত করার জন্য দুর্বল ভাইরাসের একটি রূপ প্রবর্তন করে
  2. পরিশোধিত ভাইরাল প্রোটিনের সাবইউনিট প্রবিষ্ট করানোর মাধ্যমে
  3. হোস্ট কোষে জেনেটিক উপাদান বহন করার জন্য একটি ভাইরাস ঘটিত বাহক ব্যবহার করে
  4. mRNA সরবরাহ করে যা হোস্ট কোষ গুলোকে একটি ভাইরাল প্রোটিন তৈরির নির্দেশ দেয়
সঠিক উত্তর:
mRNA সরবরাহ করে যা হোস্ট কোষ গুলোকে একটি ভাইরাল প্রোটিন তৈরির নির্দেশ দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
mRNA সরবরাহ করে যা হোস্ট কোষ গুলোকে একটি ভাইরাল প্রোটিন তৈরির নির্দেশ দেয়
ব্যাখ্যা

- 'কোভিড-১৯'-এর জন্য তৈরি টিকা mRNA সরবরাহ করে যা হোস্ট কোষ গুলোকে একটি ভাইরাল প্রোটিন তৈরির নির্দেশ দেয়, কারণ mRNA টিকা শরীরের কোষে প্রবেশ করে এবং কোষকে নির্দিষ্ট ভাইরাল প্রোটিন (যেমন- SARS-CoV-2 স্পাইক প্রোটিন) তৈরি করতে নির্দেশ দেয়। রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ওই প্রোটিন চিনে অ্যান্টিবডি তৈরি করে, যা ভবিষ্যতে ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে
অন্যদিকে, ভাইরাল ভেক্টর টিকা (যেমন- অ্যাস্ট্রাজেনেকা, জ্যানসেন) একটি দুর্বল ভাইরাস (vector) ব্যবহার করে স্পাইক প্রোটিনের জেনেটিক উপাদান কোষে পৌঁছে দেওয়া হয়। কোষ প্রোটিন তৈরি করে এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়। দুর্বল ভাইরাস বা প্রোটিন-ভিত্তিক টিকা (যেমন- সিনোফার্ম, নোভাভ্যাক্স) দুর্বল বা নিষ্ক্রিয় ভাইরাস অথবা ভাইরাল প্রোটিনের সাবইউনিট সরাসরি শরীরে প্রবেশ করানো হয়। রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা প্রতিক্রিয়া জানায় এবং অ্যান্টিবডি তৈরি হয়।
উপর্যুক্ত  আলোচনা থেকে ঘ) 'mRNA সরবরাহ করে যা হোস্ট কোষ গুলোকে একটি ভাইরাল প্রোটিন তৈরির নির্দেশ দেয়' অপশনকে সর্বোত্তম উত্তর হিসেবে নেওয়া হয়েছে

সহজে বলা যায়,
- কোভিড-১৯ টিকার ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রযুক্তি থাকলেও, সবচেয়ে আধুনিক ও বহুল ব্যবহৃত টিকাগুলো (যেমন Pfizer-BioNTech, Moderna) হলো mRNA টিকা।
- এই টিকাগুলোতে-
- শরীরে mRNA প্রবেশ করানো হয়,
- সেই mRNA হোস্ট কোষকে ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিন তৈরি করার নির্দেশ দেয়,
- ইমিউন সিস্টেম ওই প্রোটিনকে চিনে অ্যান্টিবডি তৈরি করে,
- ভবিষ্যতে আসল ভাইরাস এলে শরীর দ্রুত প্রতিরোধ করতে পারে। 

COVID-19 টিকা: 
- COVID-19 টিকা হলো এমন একটি প্রতিরোধমূলক টিকা যা SARS-CoV-2 করোনাভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট করোনাভাইরাস রোগ ২০১৯ (COVID-19) প্রতিরোধের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এই টিকা বিভিন্ন ধরনের সাসপেনশনের মাধ্যমে তৈরি হতে পারে, যেমন- পরিবর্তিত মেসেঞ্জার RNA (mRNA), রিকম্বিন্যান্ট প্রোটিন অথবা ভাইরাসের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী উপাদান (Antigen)। 
- টিকাটি সাধারণত ইন্ট্রামাসকুলার ইনজেকশনের মাধ্যমে (পেশিতে ইনজেকশন) প্রয়োগ করা হয়। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা (ইমিউন সিস্টেম) সক্রিয় করে ভাইরাসের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি ও ইমিউন মেমোরি তৈরি করে, ফলে ভবিষ্যতে ভাইরাস সংক্রমণ হলেও রোগের তীব্রতা কমে যায়। COVID-19 রোগ প্রধানত জ্বর, কাশি এবং শ্বাসকষ্ট দ্বারা চিহ্নিত, যা গুরুতর ক্ষেত্রে তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। 

mRNA টিকা (Messenger RNA Vaccine): 
- mRNA টিকা এমন একটি আধুনিক টিকা প্রযুক্তি যেখানে শরীরে সিন্থেটিক মেসেঞ্জার RNA (mRNA) প্রবেশ করানো হয়। এই mRNA কোষকে নির্দিষ্ট একটি ভাইরাল প্রোটিন তৈরি করার নির্দেশ দেয়, ফলে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ওই প্রোটিনকে চিনে ভবিষ্যতে প্রকৃত রোগজীবাণুকে ধ্বংস করতে শেখে।
- mRNA টিকার বড় বৈশিষ্ট্য হলো এতে জীবিত বা নিষ্ক্রিয় রোগজীবাণু ব্যবহার করা হয় না, তাই এটি ঐতিহ্যবাহী টিকার থেকে ভিন্ন। মানুষের ব্যবহারের জন্য প্রথম অনুমোদিত mRNA টিকা হলো ফাইজার-বায়োএনটেক ও মডার্না COVID-19 টিকা, যা ২০২০ সালের শেষে SARS-CoV-2 সংক্রমণ প্রতিরোধে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পায়।
- mRNA ভ্যাকসিন কোষের স্বাভাবিক প্রোটিন তৈরির প্রক্রিয়াকে কাজে লাগায়। mRNA সাধারণত DNA থেকে রাইবোসোমে প্রোটিন তৈরির নির্দেশ বহন করে। ভ্যাকসিনে কৃত্রিম (সিন্থেটিক) mRNA ব্যবহার করে রোগজীবাণুর নির্দিষ্ট প্রোটিন (যেমন- SARS-CoV-2 এর স্পাইক প্রোটিন) তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়। এই প্রোটিন কোষের পৃষ্ঠে প্রদর্শিত হলে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা তা শনাক্ত করে অ্যান্টিবডি তৈরি করে, যা ভবিষ্যতে প্রকৃত রোগজীবাণুর বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়। সিন্থেটিক mRNA কোষে প্রবেশ করানো হয় লিপিড ন্যানোপার্টিকেল বা অন্যান্য বাহকের মাধ্যমে, অথবা সরাসরি ইনজেকশনের মাধ্যমে।
- কৃত্রিম mRNA টিকা বার্ড ফ্লু, HIV/AIDS, ম্যালেরিয়া ও যক্ষ্মার মতো রোগ প্রতিরোধে বড় সম্ভাবনা রাখে। পুরোনো টিকার তুলনায় এটি দ্রুত তৈরি করা যায়, কারণ জীবন্ত ভাইরাস চাষের প্রয়োজন নেই। mRNA সহজে পরিবর্তন করা যায়, তাই নতুন ভাইরাসের রূপ বা নতুন রোগের জন্য দ্রুত টিকা তৈরি সম্ভব। 
- দীর্ঘমেয়াদী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি কম, কারণ mRNA দ্রুত ভেঙে শরীর থেকে অপসারিত হয়। স্বল্পমেয়াদী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (মাথাব্যথা, ক্লান্তি ইত্যাদি) হতে পারে। 
- mRNA টিকার প্রধান সীমাবদ্ধতা হলো কোল্ড স্টোরেজের প্রয়োজন, কম স্থিতিশীলতা এবং উচ্চ উৎপাদন খরচ, যা গবেষণার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে।
 - জনসন অ্যান্ড জনসনের জ্যানসেন টিকা একটি রিকম্বিন্যান্ট (ভাইরাল ভেক্টর) টিকা, যা মাঝারি থেকে গুরুতর COVID-19 রোগ প্রতিরোধে কার্যকর ছিল। এছাড়াও অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকা ছিল ভাইরাল ভেক্টরভিত্তিক যা ২০২০ সালের শেষের দিকে যুক্তরাজ্যে প্রথম অনুমোদিত হয়েছিল এবং নোভাভ্যাক্স টিকা ছিল প্রোটিন-ভিত্তিক টিকা যা ২০২১ সালে ইউরোপে প্রথম ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত।

উৎস: britannica.com ওয়েবসাইট [লিঙ্ক] [লিঙ্ক]।

২৪.
mRNA ভ্যাকসিন মানবদেহে প্রবেশের পর প্রধানত কী কাজ করে?
  1. রোগজীবাণুর সম্পূর্ণ গঠন তৈরি করে
  2. মানব ডিএনএ পরিবর্তন করে
  3. প্রস্তুত অ্যান্টিবডি সরাসরি শরীরে প্রবেশ করায়
  4. নির্দিষ্ট ভাইরাল প্রোটিন তৈরির নির্দেশ প্রদান করে
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট ভাইরাল প্রোটিন তৈরির নির্দেশ প্রদান করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট ভাইরাল প্রোটিন তৈরির নির্দেশ প্রদান করে
ব্যাখ্যা

• নির্দিষ্ট ভাইরাল প্রোটিন তৈরির নির্দেশ প্রদান করে — কারণ mRNA ভ্যাকসিন দেহের কোষকে ভাইরাসের একটি নির্দিষ্ট প্রোটিন (যেমন স্পাইক প্রোটিন) তৈরি করতে নির্দেশ দেয়, যা রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় করে।

• mRNA ভ্যাকসিন:
- mRNA এর পূর্ণরূপ messenger Ribonucleic Acid.
- এটি একটি জেনেটিক নির্দেশবাহী অণু, যা কোষকে নির্দিষ্ট প্রোটিন তৈরির তথ্য প্রদান করে।
- mRNA ভ্যাকসিন মানবদেহে প্রবেশ করার পর কোষের রাইবোজোমে পৌঁছে।
- রাইবোজোম mRNA–এর নির্দেশ অনুসারে ভাইরাসের একটি নির্দিষ্ট প্রোটিন তৈরি করে।
- এই প্রোটিন নিজে রোগ সৃষ্টি করে না, তবে রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা এটিকে বিদেশি হিসেবে শনাক্ত করে।
- ফলস্বরূপ অ্যান্টিবডি ও স্মৃতিশক্তিসম্পন্ন প্রতিরক্ষা কোষ তৈরি হয়।
- ভবিষ্যতে প্রকৃত ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম হয়।

• কার্যপ্রক্রিয়া:
- mRNA কোষের নিউক্লিয়াসে প্রবেশ করে না।
- এটি মানব ডিএনএ–এর সঙ্গে যুক্ত বা পরিবর্তন করে না।
- কোষে সাময়িকভাবে অবস্থান করে এবং পরে ভেঙে যায়।

• প্রয়োগ:
- COVID-19 প্রতিরোধে mRNA প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- Pfizer-BioNTech ও Moderna ভ্যাকসিন এই প্রযুক্তির উদাহরণ।

উৎস: Britannica, Messenger RNA Vaccine Overview.

২৫.
এইচআইভি সংক্রমণের সর্বশেষ পর্যায়-
  1. গনোরিয়া
  2. সিফিলিস
  3. এইডস
  4. ক্যান্সার
সঠিক উত্তর:
এইডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এইডস
ব্যাখ্যা

- মানবদেহে এইচআইভির আক্রমণে এইডস রোগ হয়।
- HIV এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Human Immunodeficiency Virus.
- এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের শ্বেতকনিকা ধ্বংস হয়।
- ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ পায়।
- তাই এইচআইভি সংক্রমণের সর্বশেষ পর্যায়ে হলো এইডস।
- 'AIDS' এর পূর্ণরূপ- Acquired Immunodeficiency Syndrome।
- ১৯৮১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম এইডস রোগের সন্ধান পাওয়া যায়।

২৬.
হৃদযন্ত্রের সংকোচন হওয়াকে বলা হয়-
  1. ক) ডায়াস্টল
  2. খ) সিস্টল
  3. গ) ডায়াসিস্টল
  4. ঘ) উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) সিস্টল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিস্টল
ব্যাখ্যা

হৃদপিন্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে রক্ত দেহের অভ্যন্তরে গতিশীল থাকে। এমনকি বিশ্রামরত অবস্থায়ও এর সংকোচন ও প্রসারণ চক্রাকারে চলতে থাকে।
- হৃদপিন্ডের প্রকোষ্ঠগুলোর সংকোচনকে সিস্টোল এবং
- সম্প্রসারণকে ডায়াস্টোল বলে।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

২৭.
একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির দিনে কী পরিমাণে চর্বির প্রয়োজন হয়?
  1. ক) ১০-২০ গ্রাম
  2. খ) ৫০-৬০ গ্রাম
  3. গ) ১৫০-১৮৫ গ্রাম
  4. ঘ) ৮০-১০০ গ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) ৫০-৬০ গ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫০-৬০ গ্রাম
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
উৎস অনুযায়ী স্নেহপদার্থ দুই ধরনের : উদ্ভিজ্জ এবং প্রাণিজ স্নেহপদার্থ।
সয়াবিন, সরিষা, তিল, বাদাম, সূর্যমুখীর তেল ভোজ্যতেল হিসাবে ব্যবহার করা হয়। ভোজ্যতেলের মধ্যে সয়াবিন তেল উৎকৃষ্টতম।
চর্বি, ঘি, ডালডা ইত্যাদি প্রাণিজ স্নেহপদার্থ। ডিমের কুসুমে স্নেহপদার্থ আছে, কিন্তু সাদা অংশে স্নেহপদার্থ থাকে না। একজন সুস্থ পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির দিনে ৫০-৬০ গ্রাম চর্বির প্রয়োজন হয়।
সূত্র: মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

২৮.
যক্ষ্মার ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ক) যক্ষ্মা একটি বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ
  2. খ) সংক্রমিত গরুর দুধ খেলে আক্রান্ত হবে
  3. গ) যক্ষ্মা শুধু ফুসফুসের রোগ
  4. ঘ) অন্ত্র, হাড়, ফুসফুস দেহের প্রায় যেকোনো জায়গায় হতে পারে
সঠিক উত্তর:
গ) যক্ষ্মা শুধু ফুসফুসের রোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যক্ষ্মা শুধু ফুসফুসের রোগ
ব্যাখ্যা
যক্ষ্মা একটি বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ। সংক্রমিত গরুর দুধ খেয়েও যে কেউ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। যক্ষ্মা শুধু ফুসফুসের রোগ এই ধারণাটা সঠিক নয়। যক্ষ্মা অন্ত্র, হাড়, ফুসফুস এরকম দেহের প্রায় যেকোনো জায়গায় হতে পারে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই
২৯.
মানবদেহে সেক্স ক্রোমোজোম কয়টি?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ২২ টি
  4. ৪৪ টি
সঠিক উত্তর:
২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টি
ব্যাখ্যা
A sex chromosome is a type of chromosome that participates in sex determination. Humans and most other mammals have two sex chromosomes, the X and the Y.
Females have two X chromosomes in their cells, while males have both X and a Y chromosomes in their cells.
Source: britannica.com
৩০.
ম্যালেরিয়া জীবাণু বহনকারী মশার গণ হলো-
  1. ক) Aedes
  2. খ) Mansonia
  3. গ) Culex
  4. ঘ) Anopheles
সঠিক উত্তর:
ঘ) Anopheles
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Anopheles
ব্যাখ্যা
Malaria is a life-threatening disease caused by parasites that are transmitted to people through the bites of infected female Anopheles mosquitoes. It is preventable and curable. সূত্রঃ World Health Organization.
৩১.
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সাধারণত কতদিনের মধ্যে লক্ষণ প্রকাশ পায়?
  1. ক) ৬ দিন
  2. খ) ৩০ দিন 
  3. গ) ২১ দিন
  4. ঘ) ২৮ দিন
সঠিক উত্তর:
ক) ৬ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬ দিন
ব্যাখ্যা
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সাধারণত ৫-৬ দিনের মধ্যেই লক্ষণ প্রকাশ পায়। তবে, কোন কোন ক্ষেত্রে ইহা ১৪ দিনের উপরেও সময় নিয়ে থাকে। 

করোনা ভাইরাস সমগোত্রীয় ভাইরাসের একটি বড় পরিবার, যেগুলি সাধারণ সর্দিজ্বর থেকে শুরু করে মিডল ইস্ট রেসপিরেটরি সিন্ড্রোম (মার্স) ও সিভিয়ার অ্যাকিউট রেস্পিরেটরি সিন্ড্রোমের (সার্স) মতো মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে।

২০১৯ সালে চীনের উহান প্রদেশে একটি নতুন করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সনাক্ত করা হয়েছিল। এটি একটি নতুন করোনা ভাইরাস যা আগে কখনো মানুষের মধ্যে দেখা যায়নি।

রেসপিরেটরি লক্ষণ ছাড়াও জ্বর, কাশি, শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যাই মূলত প্রধান লক্ষণ।
এটি ফুসফুসে আক্রমণ করে। 
সাধারণত শুষ্ক কাশি ও জ্বরের মাধ্যমেই শুরু হয় উপসর্গ, পরে শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা দেখা দেয়।
সাধারণত রোগের উপসর্গগুলো প্রকাশ পেতে গড়ে পাঁচ দিন সময় নেয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ভাইরাসটির ইনকিউবেশন পিরিয়ড ১৪দিন পর্যন্ত স্থায়ী থাকে। তবে কিছু কিছু গবেষকের মতে এর স্থায়িত্ব ২৪ দিন পর্যন্ত থাকতে পারে।

সূত্র: World Health Organization Website. 
৩২.
শিশুর বয়স কয় মাস পূর্ণ হলে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দিতে হয়?
  1. ক) ৩ মাস
  2. খ) ৯ মাস
  3. গ) ৬ মাস
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ মাস
ব্যাখ্যা
- গত ২০২২ সালের জুন মাসে শিশুদের জন্য জাতীয় ভিটামিন এ-প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু হয়।
- ক্যাম্পেইন চলাকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের শিশুকে নিকটস্থ ইপিআই ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো।
- নীল রঙের ১টি করে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ৬-১১ মাস বয়সের শিশুকে দেওয়া হয়। 
- লাল রঙের ১টি করে ভিটামিন ‘এ; ক্যাপসুল  ১২-৫৯ মাস বয়সের শিশুকে দেওয়া হয়।

সূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট, দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট। 
৩৩.
জাতীয় টিকাদান কর্মসূচীর আওতায় সর্বশেষ কোন রোগটির বিরুদ্ধে টিকাদান কার্যক্রম সংযোজিত হয়েছে?
  1. হেপাটাইটিস-বি
  2. নিউমোনিয়া
  3. পোলিও
  4. ধনুষ্টংকার
সঠিক উত্তর:
নিউমোনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউমোনিয়া
ব্যাখ্যা

সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (Expanded Program on Immunization) হলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত টিকাদান কর্মসূচি।
- এটি জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্রগুলিতে শিশুদের সংক্রামক রোগগুলির বিরুদ্ধে টিকাদানের মাধ্যমে শিশু মৃত্যুহার কমানোর জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পরিচালিত একটি চলমান কর্মসূচি।
- ৭ এপ্রিল ১৯৭৯ বাংলাদেশে ১ বছরের কম বয়সী সকল শিশুদের বহুল পরিচালিত সংক্রামক রোগ যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, হাম, পোলিও এবং মা ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার বিষয়ে কাজ শুরুকরে।
- পরবর্তীকালে এর অধীনে ২০০৩ সাল থেকে হেপাটাইটিস রোগের টিকা, ২০০৯ সাল থেকে হিমোফাইলাস রোগের টিকা দেওয়া হচ্ছে।
- ২০১৫ সাল থেকে নিউমোকক্কাস ব্যাকটেরিয়াঘটিত নিউমোনিয়ার (ফুসফুস প্রদাহ) টিকা দেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের www.dghs.gov.bd ওয়েবসাইট

৩৪.
ডেঙ্গুর কয়টি সেরোটাইপ বা ধরন রয়েছে?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৪ টি
সঠিক উত্তর:
৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ টি
ব্যাখ্যা
ডেঙ্গুর কয়টি সেরোটাইপ বা ধরন
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ডেঙ্গুর সংক্রমণ হয় ১৯৬০ সালের দিকে।
- চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গুর (ডেন-১, ডেন-২, ডেন-৩ ও ডেন-৪) চারটি ধরন রয়েছে।
- মূলত, কেউ যদি প্রথমবার একটা সেরোটাইপ দিয়ে আক্রান্ত হয়, তবে দ্বিতীয়বার সে যখন আবার অন্য একটা সেরোটাইপ দিয়ে আক্রান্ত হয়, তখন তার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- সম্প্রতি, দেশে বিগত দুই বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও ডেঙ্গুর সেরোটাইপ বা ধরন ‘ডেন-২’-এর প্রাধান্য বিস্তার করছে।
- ২০২৪ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউিট (আইইডিসিআর) ডেঙ্গু পজিটিভ অর্ধশত (৫০টি) রোগীর নমুনা বিশ্লেষণ করে সেখানে ৭০ শতাংশ (৬৯ দশমিক ২০ শতাংশ) ডেন-২ এর উপস্থিতি পেয়েছে

সূত্র- বিবিসি রিপোর্ট।
৩৫.
এন্টিবায়োটিক কাজ করে-
  1. শরীরে প্রতিরোধ বাড়িয়ে
  2. জীবাণু ধ্বংস করে
  3. উপকারী জীবাণু জোরদার করে
  4. ভাইরাস ধ্বংস করে
সঠিক উত্তর:
জীবাণু ধ্বংস করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবাণু ধ্বংস করে
ব্যাখ্যা
অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ হচ্ছে জীবাণু ধ্বংস করা। 

এন্টিবায়োটিক হলো এমন একটা উপাদান যা ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাস থেকে সংগ্রহ করে অন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাস কে ধ্বংস জন্য বা তার বংশবৃদ্ধি রোধ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এন্টিবায়োটিক ভাইরাসের ক্ষেত্রে অকার্যকর।  

এন্টিবায়োটিকের ক্ষতিকর দিকগুলো:
১. এন্টিবায়োটিকের অতিরিক্ত ব্যবহারে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় শারীরিক স্থূলতার ঝুঁকি থাকে।
২. এন্টিবায়োটিক অন্ত্রের অনেক উপকারী ব্যাকটেরিয়াও মেরে ফেলে যাতে অগ্ন্যাশয়ের কার্যক্ষমতা কমে গিয়ে টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায়।

এন্টিবায়োটিকের ক্ষতিকর দিক রোধে করণীয়- 
১) ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া সাধারন রোগে ভুগলেই এন্টিবায়োটিক ব্যবহার না করা।
২) ডাক্তারের পরামর্শ মত ডোজ ও সময় অনুসারে এন্টিবায়োটিক সেবন করা।
৩) ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্রে দেয়া ঔষধের ব্যাপারে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করা, কোন ঔষধ কেন দেয়া হয়েছে সে সম্পর্কে ধারনা নেয়া।
৪) মেয়াদ উত্তীর্ণ এন্টিবায়োটিক সেবন না করা।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩৬.
নিচের কোনটি সুষম খাদ্যের উপাদান নয়?
  1. ক) ভিটামিন
  2. খ) খনিজ লবণ
  3. গ) পানি
  4. ঘ) পুষ্টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) পুষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পুষ্টি
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নে 'পুষ্টি' সুষম খাদ্যের উপাদান নয়।

• সুষম খাদ্য:
- মানবদেহের পুষ্টির চাহিদা সঠিকভাবে পূরণের জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণ করা অপরিহার্য।
- সুষম খাদ্যের উপাদান ৬টি।
- সুষম খাদ্যে শর্করা, আমিষ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যের অনুপাত =  ৪ : ১ : ১

• সুষম খাদ্যের উপাদান:
১. শর্করা,
২. আমিষ,
৩. ভিটামিন,
৪. খনিজ লবণ,
৫. চর্বি ও
৬. পানি।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৭.
৩০ ও ৪০ উর্দ্ধ মহিলারা বেশি কোন ঝুঁকিতে থাকেন ?
  1. ক) ডায়াবেটিস
  2. খ) উচ্চ রক্তচাপ
  3. গ) ক্লোনিক ফ্যাটিগ রোগ
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
৩০ ও ৪০ উর্দ্ধ মহিলারা সুস্থ গর্ভধারণ করতে পারেন।
কিন্তু বয়স্ক মহিলাদের ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ কম বয়সী মহিলাদের তুলনায় বেশি হয়।
সোর্স: https://www.urmc.rochester.edu/
৩৮.
গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ করে কোন হরমোন?
  1. ক) ইনসুলিন
  2. খ) ট্রিপসিন
  3. গ) গ্লুকাগন
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
প্যানক্রিয়াস একটি গুরুত্বপূর্ণ মিশ্র গ্রন্থি। এটি গুরুত্বপুর্ন দুইটি হরমোন ইনসুলিন এবং গ্লুকাগন নিঃসরণ করে। গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ এবং অন্যান্য শারীরবৃত্তীয় কাজে এ হরমোন দুটি গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই
৩৯.
নিচের কোনটি হৃদরোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) পেসমেকার
  2. খ) ওপেন হার্ট সার্জারি
  3. গ) এনজিওপ্লাস্টি
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
হৃদরোগের চিকিৎসায় পেসমেকার, ওপেন হার্ট সার্জারি, করোনারি বাইপাস সার্জারি, এনজিওপ্লাস্টি ব্যবহৃত হয়।

পেসমেকার
- হৃৎপিন্ডে ডান অ্যাট্রিয়াম-প্রাচীরের উপর দিকে অবস্থিত, বিশেষায়িত কার্ডিয়াক পেশিগুচ্ছে গঠিত ও স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রে নিয়ন্ত্রিত একটি ছোট অংশ যা বৈদ্যুতিক তরঙ্গ প্রবাহ ছড়িয়ে দিয়ে হৃৎস্পন্দন সৃষ্টি করে এবং স্পন্দনের ছন্দময়তা বজায় রাখে তাকে পেসমেকার বলে।

ওপেন হার্ট সার্জারি
- শল্যচিকিৎসক যখন রোগীর বুক কেটে উন্মুক্ত করে হৃৎপিন্ডে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেন তখন সে প্রক্রিয়াকে ওপেন হার্ট সার্জারি বলে ।

করোনারি বাইপাস সার্জারি
- এক বা একাধিক করোনারি ধমনির ল্যুমেন (গহ্বর) রূদ্ধ হয়ে গেলে হৃৎপিন্ডে রক্ত সরবরাহ অব্যাহত রাখতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দেহের অন্য অংশ থেকে (যেমন-পা থেকে) একটি সুস্থ রক্তবাহিকা (ধমনি বা শিরা) কেটে এনে বৃদ্ধ ধমনির পাশে স্থাপন করে রক্ত সরবরাহের যে বিকল্প পথ সৃষ্টি করা হয় তাকে করোনারি বাইপাস বলে । করোনারি বাইপাস সৃষ্টির সামগ্রিক অস্ত্রোপচার প্রক্রিয়াটিকে করোনারি বাইপাস সার্জারি বলা হয়।

এনজিওপ্লাস্টি
- বড় ধরনের অস্ত্রোপচার না করে হৃৎপিন্ডের সংকীর্ণ ল্যুমেন (গহ্বর)-যুক্ত বা রূদ্ধ হয়ে যাওয়া করোনারি ধমনি পুনরায় প্রশস্ত ল্যুমেনযুক্ত বা উন্মুক্ত করার পদ্ধতিকে এনজিওপ্লাস্টি বলে।
- এনজিওপ্লাস্টির উদ্দেশ্য হচ্ছে সরু বা বন্ধ হয়ে যাওয়া ল্যুমেনের ভেতর দিয়ে হৃৎপিন্ডে পর্যাপ্ত O2 সরবরাহ নিশ্চিত করে হৃৎপিন্ড ও দেহকে সচল রাখা।
- বুকে ব্যথা (অ্যানজাইনা), হার্ট ফেইলিউর, হার্ট অ্যাটাক প্রভৃতি মারাত্মক রোগ থেকে মুক্তির সহজ উপায় এনজিওপ্লাস্টি।
- ১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দে সুইজারল্যান্ডের ডাঃ অ্যানডেস গয়েন জিগ সর্বপ্রথম এ পদ্ধতি প্রয়োগ করবেন।

সূত্র- জীববিজ্ঞান ২য়  পত্র(একাদশ -দ্বাদশ শ্রেণি) - গাজী আজমল ও গাজী আসমত ।
৪০.
হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে-
  1. ক) আয়োডিন
  2. খ) আয়রন
  3. গ) ম্যাগনেসিয়াম
  4. ঘ) ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফসফরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফসফরাস
ব্যাখ্যা
• ফসফরাস দাঁত ও অস্থি গঠন, রক্ত তঞ্চন, পেশী সংকোচন ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে।

অন্যদিকে,
• আয়রন রক্তের হিমোগ্লোবিনের অন্যতম প্রধান উৎস।
• ম্যাগনেসিয়াম শরীর গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং
• আয়োডিনের অভাবে থাইরয়েড গ্লান্ডের কর্মকান্ড ব্যাহত হয় এবং গলগন্ড, বামনত্ব, প্রভৃতি দেখা দেয়।

উৎস:- জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪১.
প্রাণীদেহের শুষ্ক ওজনের প্রায় ৫০% হচ্ছে -
  1. ক) ভিটামিন
  2. খ) স্নেহ
  3. গ) শর্করা
  4. ঘ) আমিষ
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমিষ
ব্যাখ্যা
প্রাণীদেহের শুষ্ক ওজনের প্রায় ৫০% হচ্ছে প্রোটিন (আমিষ)

- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন- এ চারটি মৌলের সমন্বয়ে আমিষ তৈরি হয়।
- শরীরে আমিষ পরিপাক হওয়ার পর সেগুলো অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়। 
- মানুষের শরীরে এ পর্যন্ত ২০ ধরনের অ্যামাইনো এসিডের সন্ধান পাওয়া গেছে ।
- অ্যামাইনো এসিড হচ্ছে আমিষ গঠনের একক।
- উৎস দিয়ে বিবেচনা করা হলে আমিষ দুই প্রকার: প্রাণিজ ও উদ্ভিজ্জ।
- প্রাণী থেকে যে আমিষ পাওয়া যায় তা প্রাণিজ আমিষ। মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ছানা, পনির এগুলো প্রাণিজ আমিষ।
- উদ্ভিদ থেকে যে আমিষ পাওয়া যায় তা উদ্ভিজ্জ আমিষ। ডাল, শিমের বিচি, মটরশুঁটি, বাদাম হচ্ছে উদ্ভিজ্জ আমিষের উদাহরণ। 

সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪২.
একটি পূর্ণবয়স্ক (Term) নবজাতকের ওজন কত কম হলে LBW বাচ্চা বলা হয়?
  1. ক) ৩ কেজি
  2. খ) ২.৫ কেজি
  3. গ) ২ কেজি
  4. ঘ) ১.৫ কেজি
সঠিক উত্তর:
খ) ২.৫ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২.৫ কেজি
ব্যাখ্যা

A term used to describe an infant born weighing 5.5 pounds (2500 grams) or less.
A low birth weight may occur when an infant is born too early (premature). These infants may have an increased risk of serious health problems.
Smoking cigarettes, being exposed to secondhand tobacco smoke, drinking alcohol, and taking certain drugs during pregnancy can increase the risk of having an infant with a low birth weight.
Source: cancer.gov
সুতরাং দেখা যাচ্ছে ২.৫ কেজি বা তার কম ওজনের বাচ্চাদের LBW বাচ্চা বলা হয়।

৪৩.
ডায়রিয়ার কারণ নিচের কোনটি?
  1. ব্যাকটেরিয়া
  2. রোটা ভাইরাস
  3. Protozoa
  4. ফাংগাস
সঠিক উত্তর:
রোটা ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোটা ভাইরাস
ব্যাখ্যা
রোটাভাইরাস,
- রোটাভাইরাস, Reoviridae পরিবারের ভাইরাসগুলির একটি গ্রুপ যা বিশ্বব্যাপী শিশুদের মধ্যে গুরুতর ডায়রিয়ার প্রধান কারণ হিসাবে পরিচিত।
- রোটাভাইরাসগুলি অন্ত্রের আস্তরণের কোষগুলিতে বৃদ্ধি পায়, যেখানে তারা তীব্র গ্যাস্ট্রোএন্টেরাইটিসের জন্ম দেয়, বিশেষ করে শিশুর ডায়রিয়া এবং শীতকালীন ডায়রিয়া হিসাবে পরিচিত।
- ল্যাটিন শব্দ রোটা মানে "চাকা" এবং এইভাবে রোটাভাইরাসগুলি তাদের চাকার মতো চেহারার জন্য নামকরণ করা হয়েছে, যা একটি মাইক্রোস্কোপের নীচে স্পষ্ট।
- এগুলিকে আরও গঠনগতভাবে চিহ্নিত করা হয় নন-এনভেলপড ডবল-স্ট্র্যান্ডেড আরএনএ ভাইরাস হিসাবে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৪৪.
খাদ্যের কাজ হলো-
  1. ক) দেহের গঠন, বৃদ্ধিসাধন, ক্ষয়পূরণ ও রক্ষণাবেক্ষণ
  2. খ) দেহে তাপ উৎপাদন, কর্মশক্তি প্রদান
  3. গ) রোগ প্রতিরোধ করা, দেহকে সুস্থ, সবল রাখা
  4. ঘ) উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
খাদ্যের কাজ প্রধানত তিনটি৷ যথাঃ দেহের গঠন, বৃদ্ধিসাধন, ক্ষয়পূরণ ও রক্ষণাবেক্ষণ; দেহে তাপ উৎপাদন, কর্মশক্তি প্রদান; রোগ প্রতিরোধ করা, দেহকে সুস্থ, সবল রাখা ইত্যাদি।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৫.
করোনারী থ্রম্বসিস অসুখটি-
  1. যকৃতের
  2. হৃৎপিন্ডের
  3. অগ্ন্যাশয়ের
  4. কিডনীর
সঠিক উত্তর:
হৃৎপিন্ডের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হৃৎপিন্ডের
ব্যাখ্যা
রক্তে কোলেস্টেরলের আধিক্য হৃদরোগের আশংকা বাড়ায়। স্বাভাবিক মাত্রা থেকে রক্তে কোলেস্টেরল বেশি হলে রক্তনালীর অন্তঃপ্রাচীরের গাত্রে কোলেস্টেরল ও ক্যালসিয়াম জমা হয়ে রক্ত নালি গহ্বর সংকুচিত হয়। ফলে ধমনির প্রাচীরের স্থিতিস্থাপকতা কমে যায় এবং শক্ত হয়ে যায়— এ অবস্থাকে ধমনির কাঠিন্য বা Arteriosclerosis বলে ।
 
আর্টারিওস্ক্লেরোসিস এর কারণে ধমনির প্রাচীরে ফাটল দেখা দিতে পারে। ধমনিগাত্রের ফাটল দিয়ে রক্ত ক্ষরণ হয়ে জমাট বাঁধার কারণে রক্ত প্রবাহ বাধা প্রাপ্ত হয়।
 
 হৃদপিন্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিকের রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে। এতে আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে। 

হার্ট ব্লক: হৃদপিন্ডের স্পন্দন প্রবাহ উৎপাদন ত্রুটিপূর্ণ হলে বা উৎপন্ন প্রবাহ সঠিক পথে পরিবাহিত না হলে তাকে হৃদ
অবরোধ বা হার্ট ব্লক বলে ।
হার্ট অ্যাটাক: হৃদপিন্ডের করোনারি ধমনি কোনো কারণে বন্ধ হয়ে গেলে হৃদপেশির রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়ে যে রোগ
সৃষ্টি হয় তাকে হার্ট অ্যাটাক বলে ।
হার্ট ফেইলিউর: হৃদপিন্ডের অ্যাট্রিয়াম অথবা ভেন্ট্রিকল অথবা উভয়ের সংকোচন ক্ষমতা লোপ পাওয়াকে হার্ট ফেলিওর
বলে।
 
 উৎস : হৃদপিণ্ডের যত কথা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪৬.
গর্ভাবস্থার শুরু থেকেই কোন ট্যাবলেট গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়? 
  1. ভিটামিন ডি
  2. ফলিক অ্যাসিড
  3. আয়োডিন
  4. ক্যালসিয়াম
সঠিক উত্তর:
ফলিক অ্যাসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফলিক অ্যাসিড
ব্যাখ্যা
গর্ভকালীন বিভিন্ন সমস্যা ও সচেতনতা: 
- প্রতিবছর গর্ভকালীন জটিলতায় অনেক নারী মৃত্যুবরণ করেন। 
- গর্ভকালীন সমস্যা সম্পর্কে অজ্ঞতা ও সচেতনতার অভাব মা ও শিশুর উভয়ের জন্য জীবনঘাতী হতে পারে। 
- তাই সঠিক পরিচর্যা ও চিকিৎসা মায়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

গর্ভকালীন রক্তস্বল্পতা: 
- গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত রক্ত প্রবাহ ও পুষ্টির ঘাটতির কারণে রক্তস্বল্পতা হতে পারে। 

ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী:  
- প্রথম মাস থেকে ফলিক অ্যাসিড ট্যাবলেট গ্রহণ করতে  বলা হয়। 
- তৃতীয় মাস থেকে আয়রন ও ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। 
- আয়রনযুক্ত খাবার খেতে হবে। যেমন: কচুশাক, কলিজা, তেঁতুল, তরমুজ, ডিম ইত্যাদি। 
- ভিটামিন C সমৃদ্ধ খাবার খেলে আয়রনের শোষণ বৃদ্ধি পায়। যেমন: আমলকি, লেবু, কাঁচামরিচ, পেয়ারা, আনারস, কাঁচা ফলমূল ইত্যাদি। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭.
‘ফ্লুরোনা‘ কিসের নাম?
  1. ক) এক প্রকার ভাইরাস
  2. খ) ইতালির একটি শহরের নাম
  3. গ) ফ্লু ও করোনা ভাইরাসের সম্মিলিত লক্ষণ
  4. ঘ) এক জাতীয় গোলাপ ফুল
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্লু ও করোনা ভাইরাসের সম্মিলিত লক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্লু ও করোনা ভাইরাসের সম্মিলিত লক্ষণ
ব্যাখ্যা
- কারোর যদি একই সঙ্গে সাধারণ ফ্লু ও করোনা—এই দুইয়ের উপসর্গ থাকে তাহলে তাকে বলা হচ্ছে ফ্লুরোনা। - এর লক্ষণগুলো হলো জ্বর, কাশি, ক্লান্তি, সর্দি, গলা ব্যথা ইত্যাদি।
- তবে এটি করোনাভাইরাসের নতুন কোনো ভ্যারিয়েন্ট বা রূপ নয়। একে অনেকে ডাবল সংক্রমণও বলছেন।

উৎস : কালের কন্ঠ
৪৮.
ইকোকার্ডিওগ্রাফিতে ব্যবহৃত শব্দ তরঙ্গের কম্পাঙ্ক সাধারণত কত?
  1. 2-10 Hz
  2. 2-10 kHz
  3. 2-10 MHz
  4. 2-10 GHz
সঠিক উত্তর:
2-10 MHz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2-10 MHz
ব্যাখ্যা

- ইকোকার্ডিওগ্রাফিতে ব্যবহৃত শব্দ তরঙ্গ বা আল্ট্রাসাউন্ডের কম্পাঙ্ক সাধারণত 2 থেকে 10 মেগাহার্টজ (MHz) এর মধ্যে থাকে। 

ইকোকার্ডিওগ্রাফি: 

- ইকোকার্ডিওগ্রাফি যন্ত্রের সাহায্যে হৃৎযন্ত্রের কার্যক্রমের গুণগত ও পরিমাণগত মূল্যায়ন করা যায়। 
- শব্দের প্রতিফলনের নীতির ওপর ভিত্তি করে ইকোকার্ডিওগ্রাফি যন্ত্রের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এখানে শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়। 
- শব্দ তরঙ্গ হচ্ছে যান্ত্রিক তরঙ্গ যা মাধ্যমের সংকোচন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়। 
- আল্ট্রাসনোগ্রাফি যন্ত্রে শব্দের প্রতিধ্বনিকে ব্যবহার করা হয়। 
- আল্ট্রাসনোগ্রাফি উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দের প্রতিফলনের উপর নির্ভরশীল। 
- উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ হৃৎপিণ্ডের যখন শরীরের গভীরের কোনো অঙ্গ বা পেশি থেকে প্রতিফলিত হয় তখন প্রতিফলিত তরঙ্গের সাহায্যে ঐ অঙ্গের অনুরূপ একটি প্রতিবিম্ব মনিটরের পর্দায় গঠন করা হয়। এই প্রতিবিম্ব প্রতিফলিত তরঙ্গের দ্বিমাত্রিক ও ত্রিমাত্রিক প্রতিবিম্ব মনিটরে পর্যবেক্ষণ করা যায়। এক্ষেত্রে 2-10 MHz কম্পাঙ্কের তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়। 
- টিস্যুর মধ্যে শব্দ তরঙ্গ সাধারণত 1540 ms-1 এবং রক্তের মধ্যে 1570 ms-1 বেগে সঞ্চালিত হয়। 
- আপতিত শব্দ তরঙ্গ হৃৎযন্ত্রের টিস্যুর সংকোচন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে হৃৎযন্ত্রের বিভিন্ন স্থানে সঞ্চালিত হতে থাকে। 
- যত বেশি কম্পাঙ্কের তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়, প্রতিফলিত বিম্বের স্পষ্টতা ও স্বচ্ছতা তত বেশি হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৯.
বাতজ্বর হয় কিসের সংক্রমণের ফলে?
  1. ক) স্ট্রেপটোকক্কাস
  2. খ) রেট্রোভাইরাস
  3. গ) ফাইলেরিয়া
  4. ঘ) মাইকোব্যাক্টেরিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) স্ট্রেপটোকক্কাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্ট্রেপটোকক্কাস
ব্যাখ্যা
স্ট্রেপটোকক্কাস অণুজীবের সংক্রমণে সৃষ্ট শ্বাসনালির প্রদাহ, ফুসকুড়িযুক্ত সংক্রামক জ্বর, টনসিলের প্রদাহ অথবা মধ্যকর্ণের সংক্রামক রোগ বাতজ্বরের উল্লেখযোগ্য লক্ষণ। বিশেষ করে হৃদপিণ্ড এই রোগে আক্রান্ত হয়। হৃদপেশি এবং হৃদপিন্ডের কপাটিকা বা ভাল্ব অনেক সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফলে হৃদপিন্ড যথাযথভাবে রক্ত পাম্প করতে পারে না৷
উৎসঃ জীববিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
৫০.
কোনটি অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ?
  1. ভাইরাস ধ্বংস করা
  2. ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করা
  3. কোষ বিভাজন বন্ধ করা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করা
ব্যাখ্যা

অ্যান্টিবায়োটিক যেভাবে কাজ করে
- অ্যান্টিবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে
- ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর ধ্বংস করে (যেমনঃ Penicillin)
- ব্যাকটেরিয়ার DNA প্রতিলিপি প্রক্রিয়া ব্যাহত করে।
- প্রোটিন সংশ্লেষণ থামিয়ে দেয় (যেমনঃ Tetracycline)।

আন্টিবায়োটিক গ্রহণে সতর্কতা
- চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ বিপজ্জনক।
- কোর্স সঠিকভাবে শেষ করতে হবে।
- ভুলভাবে বা বেশি ব্যবহারে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স (Antibiotic Resistance) দেখা দেয়, যা ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

উৎস:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
- স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ।
- WHO (World Health Organization).

৫১.
এডিস মশার মাধ্যমে কোন রোগ বিস্তার লাভ করে?
  1. ক) ডায়রিয়া
  2. খ) যক্ষা
  3. গ) ম্যালেরিয়া
  4. ঘ) ডেঙ্গুজ্বর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডেঙ্গুজ্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডেঙ্গুজ্বর
ব্যাখ্যা
এডিস মশা দ্বারা ডেঙ্গু জ্বর, জিকা জ্বর, পীত জ্বর এবং চিকনগুনিয়া রোগ ছড়ায়। সূত্রঃ ৩৮তম বিসিএসের অনুরূপ প্রশ্ন।
৫২.
মানুষের হৃদপিণ্ডের স্পন্দনের স্বভাবিক হার কত?
  1. ক) ৫৫-৬৫
  2. খ) ৬০-৭০
  3. গ) ৭৫-৮৫
  4. ঘ) ৭০-৮০
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭০-৮০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭০-৮০
ব্যাখ্যা

হৃদপিন্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে রক্ত দেহের অভ্যন্তরে গতিশীল থাকে। এমনকি বিশ্রামরত অবস্থায়ও এর সংকোচন ও প্রসারণ চক্রাকারে চলতে থাকে। হৃদপিন্ডের প্রকোষ্ঠগুলোর সংকোচনকে সিস্টোল এবং সম্প্রসারণকে ডায়াস্টোল বলে। এক বারের সিস্টোল ও ডায়াস্টোলকে একত্রে হৃদস্পন্দন বা হার্টবিট (Heart Beat) বলে।
একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের হৃদপিন্ডের স্বাভাবিক স্পন্দনের হার প্রতি মিনিটে ৭০-৮০ বার, গড়ে ৭৫ বার। হৃদপিন্ডের প্রতি স্পন্দনে হৃদপিন্ডের সংকোচন ও প্রসারণের যে চক্রাকার প্রক্রিয়ার পুনরাবৃত্তি ঘটে তাকে হৃদচক্র বা কার্ডিয়াক চক্র বলে।

৫৩.
জলাতঙ্ক রোগের টিকা কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) জোনাস সালক
  2. খ) লুই পাস্তুর
  3. গ) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
  4. ঘ) জেমস ওয়াট
সঠিক উত্তর:
খ) লুই পাস্তুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লুই পাস্তুর
ব্যাখ্যা
জলাতঙ্ক রোগের টিকা আবিষ্কার করেন লুই পাস্তুর।

১৮৮৫ সালের ৬ই জুলাই এই রোগের প্রতিষেধক হিসেবে মানবদেহে টিকা প্রয়োগ করা হয়। 
জলাতঙ্ক, যা হাইড্রোফোবিয়া নামেও পরিচিত, একটি তীব্র ভাইরাল সংক্রমণ যা প্রায় সবসময়ই মারাত্মক। এটি সংক্রামক রোগের বিভাগের অধীনে আসে এবং খামার বা বন্য প্রাণীদের দ্বারা সংক্রামিত হয়; সাধারণত মাংসাশী যেমন কুকুর, বিড়াল, শেয়াল, রেকুন। এটি বেশিরভাগ আফ্রিকা এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার কিছু অংশে দেখা যায়। 

জলাতঙ্কের লক্ষণ: সন্দেহজনক প্রাণি কামড়ানোর ৯ থেকে ৯০ দিনের মাঝে জলাতঙ্কের লক্ষণ দেখা দেয়। কারো শরীরে জলাতঙ্কের লক্ষণ দেখা দিলে আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে উন্মত্ত বা পাগলামো আচরণ এবং মৌন আচরণ—এ দুই ধরনের আচরণ দেখা দিতে পারে।অস্বাভাবিক আচরণে আক্রান্ত ব্যক্তির কথাবার্তা ও ভাবভঙ্গি হবে অস্বাভাবিক। সে উদ্দেশ্য ছাড়াই ছুটে বেড়াবে, ক্ষুধামন্দা হবে, বিকৃত আওয়াজ করবে, বিনা প্ররোচনায় অন্যকে কামড়াতে আসবে ইত্যাদি।

সূত্র: National Library of Medicine Website. 
৫৪.
HIV-এর পূর্ণ অর্থ কী?
  1. Human Inactive Virus
  2. Human Immune Virus
  3. Human Immunodeficiency Virus
  4. Human Immunization Virus
সঠিক উত্তর:
Human Immunodeficiency Virus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Human Immunodeficiency Virus
ব্যাখ্যা
• HIV-এর পূর্ণ অর্থ Human Immunodeficiency Virus.

• HIV ও AIDS:
- HIV এক ধরনের ভাইরাস।
- HIV, AIDS রোগের সংক্রমণ করে থাকে।
- AIDS এর পূর্ণরূপ হলো Acquired Immunodeficiency Syndrome.
- একটি সংক্রামক রোগ।
- ১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম আমেরিকায় AIDS চিহ্নিত হয় এবং তখন থেকে সারা বিশ্বে AIDS মরণব্যাধি হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।
- HIV দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।
- HIV ভাইরাস সংক্রমণের পর প্রথম ৫ বছর পর্যন্ত মানুষের দেহে কোনো রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় না।
- এসব মানুষ তখন এই রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে এবং তখন তারা অন্যকে সংক্রমিত করতে পারে।
- আফ্রিকার দেশগুলোতে AIDS এর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি।

উৎস:
১. বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. WHO ওয়েবসাইট।
৫৫.
অ্যান্থ্রাক্স কোন প্রাণীদেহে রোগ সৃষ্টি করে?
  1. ক) ইঁদুর
  2. খ) বানর 
  3. গ) গরু
  4. ঘ) বিড়াল 
সঠিক উত্তর:
গ) গরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গরু
ব্যাখ্যা
অ্যান্থ্রাক্স রোগ দ্বারা মানুষসহ গবাদিপশু আক্রান্ত হয়। 

অ্যানথ্রাক্স বা তড়কা রোগ একটি তীব্র ও গুরুতর সংক্রামক রোগ, যা ব্যাসিলাস অ্যান্থ্রাসিস (Bacillus anthrasis) নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়ে থাকে।
ব্যাসিলাস গণের অন্যান্য সদস্যের মতো অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু Bacillus anthracis-ও প্রতিকূল পরিবেশে রেণু (স্পোর) হিসাবে সুপ্ত অবস্থায় বেঁচে থাকতে পারে।
মানুষসহ গবাদিপশু এ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। উপযুক্ত চিকিৎসায় মানুষ এ রোগ থেকে রেহাই পেলেও গবাদিপশুর জন্য মৃত্যু অবধারিত।
মানুষের অ্যানথ্রাক্স মূলত দুই ধরনের হয়ে থাকে - একধরণের অ্যানথ্রাক্স হয় পরিপাকতন্ত্রে, আরেক ধরণের অ্যানথ্রাক্স শরীরের বাইরের অংশে সংক্রমণ ঘটায়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান

৫৬.
দুগ্ধদানকারী মায়ের জন্য কোন মিনারেল অত্যন্ত জরুরী?
  1. জিংক
  2. আয়োডিন
  3. ক্যালিসিয়াম
  4. আয়রন
সঠিক উত্তর:
ক্যালিসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালিসিয়াম
ব্যাখ্যা
- দুগ্ধদানকারী মায়ের জন্য সবচেয়ে জরুরি মিনারেল হলো ক্যালিসিয়াম। 
- দুগ্ধদানকারী মায়েরা দুধ উৎপাদনের জন্য বেশি পরিমাণে ক্যালিসিয়াম লাগে। 
- ক্যালিসিয়াম শিশু ও দুগ্ধদানকারী মায়ের হাড়, দাঁত ও মাংসপেশির জন্য জরুরি। 
- জিংক, আয়োডিন ও আয়রনও গুরুত্বপূর্ণ মিনারেল কিন্তু ক্যালিসিয়ামের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। 

ক্যালসিয়াম: 

- ক্যালসিয়াম (Ca) প্রাণীদের হাড় ও দাঁতের একটি প্রধান উপাদান। 
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের শতকরা দুই ভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম। 
- খনিজ পদার্থের মধ্যে দেহে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 
- অস্থি এবং দাঁতে ফসফরাস ও  ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর  ৯০% শরীরে সঞ্চিত থাকে। 
- রক্ত এবং লসিকাতে এর উপস্থিতি রয়েছে। 
- হাড় ও দাঁটের গঠন শক্ত রাখার জন্য ক্যালসিয়াম একটি অতিপ্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ। 
- এ ছাড়া ক্যালসিয়াম রক্ত সঞ্চালনে, হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে এবং স্নায়ু ও পেশির সঞ্চালনে সাহায্য করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৫৭.
যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয় -
  1. ক) ফুসসুস
  2. খ) অন্ত্র
  3. গ) হাড়
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

যক্ষ্মা সাধারণত Mycobacterium Tuberculosis নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে হয় যক্ষ্মা একটি বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ।
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস করলে অতি সহজে দেহে রোগ জীবাণুর বিস্তার ঘটে।
যক্ষ্মা শুধু ফুসফুসের রোগ এই ধারণাটা সঠিক নয়। যক্ষ্মা অন্ত্র, হাড়, ফুসফুস এরকম দেহের প্রায় যেকোনো জায়গায় হতে পারে।
সংক্রমিত গরুর দুধ খেয়েও যে কেউ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই

৫৮.
ত্বকের কোন স্তর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে?
  1. হাইপোডার্মিস
  2. সাবকিউটেনিয়াস টিস্যু
  3. ডার্মিস
  4. এপিডার্মিস
সঠিক উত্তর:
এপিডার্মিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপিডার্মিস
ব্যাখ্যা

- ত্বকের বাইরের স্তর এপিডার্মিস শরীরকে অতিবেগুনি (UV) বিকিরণ থেকে রক্ষা করে, এই স্তরে থাকা মেলানিন (Melanin) নামক রঞ্জক UV রশ্মি শোষণ করে এবং ত্বকের গভীর স্তরগুলিকে ক্ষতি থেকে বাঁচায়। 

দেহের প্রতিরক্ষায় ত্বকের ভূমিকা: 
- ত্বক প্রথম স্তরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলে। 
- ত্বক দেহকে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি এবং প্রভাবে সৃষ্ট রোগ (ক্যান্সার) হতে দেহকে রক্ষা করে। ত্বকের এপিডার্মিসের কোষে মেলালিন (melanine) জাতীয় পদার্থ সৃষ্টি হয় যা অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে। 
- ত্বক দেহের বাইরের স্তরে দৃঢ় ও কেরাটিনাইজড (keratinized) আবরণী তৈরি করে, যা দেহের সকল বাহ্যিক অংশকে আচ্ছাদিত করে এবং ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে একটি ফলপ্রসূ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। 
- দেহত্বক ছিঁড়ে গেলে বা কেটে গেলে ত্বকে অবস্থিত হিস্টিওসাইট (ম্যাক্রোফেজ) জীবাণু ধ্বংস করে দেহকে প্রতিরক্ষা দান করে। 
- ঘাম ও তৈল গ্রন্থির নিঃসরণ ত্বকের উপরিভাগের pH-কে অম্লীয় (pH = 3-5) করে তোলে, ফলে অণুজীবসমূহ বেশি সময় ত্বকে বেঁচে থাকতে পারে না। - কিছু সংখ্যক উপকারী ব্যাকটেরিয়া ত্বকে অবস্থানকালে এসিড ও বিপাকীয় বর্জ্য নিঃসরণ করে, যা অণুজীবের সংখ্যাবৃদ্ধিকে বাঁধা দেয়। 
- ঘাম নিঃসৃত লবণ ও ফ্যাটি এসিডে অবস্থিত লাইসোজাইম (lysozyme) ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরকে ধ্বংস করে। 
- অশ্রুগ্রন্থি নিঃসৃতেও লাইসোজাইম থাকে যারা চোখে জীবাণুর সংক্রমণ প্রতিহত করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৯.
নিম্নলিখিত কোনটি মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকার উদাহরণ?
  1. ধনুষ্টংকার ভ্যাকসিন
  2. কলেরা ভ্যাকসিন 
  3. ডিপথেরিয়া ভ্যাকসিন
  4. হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন
সঠিক উত্তর:
কলেরা ভ্যাকসিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলেরা ভ্যাকসিন 
ব্যাখ্যা

টিকা: 
- টিকা হলো প্রাণিদেহে রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের নিষ্ক্রিয় পরিদ্রুত সাসপেনশন। 
- টিকায় বিদ্যমান অণুজীবগুলো (ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া) জীবিত, অর্ধমৃত বা মৃতও হতে পারে। এদের এমনভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয় যাতে এরা জীবকোষে কোনো রোগ সৃষ্টি করতে না পারে, কিন্তু রোগের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে। 

টিকার প্রকারভেদ: 
- মানবদেহের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে দমন করতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টিকা আবিষ্কার করেছেন। 
যেমন- 
১। নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু জীবন্ত টিকা: 
- কালচার করা, ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল করে দেওয়া জীবিত জীবাণু নিয়ে তৈরি। 
উদাহরণ- BCG, হাম, মাম্পস, পোলিও, জলাতঙ্ক, যক্ষ্মা, গুটিবসন্ত, প্লেগ, টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

২। মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা: 
- এধরনের টিকা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি। 
উদাহারণ- ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা প্রভৃতি ভ্যাকসিন। 

৩। নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা: 
- এ ধরনের টিকা জীবাণু নিঃসৃত টক্সয়েড দিয়ে তৈরি। 
উদাহরণ-ডিপথেরিয়া, টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

৪। দেহ তলের রাসায়নিক বস্ত: 
- অনেক ক্ষেত্রে সংক্রমণকারী জীবাণুর দেহ তল থেকে রাসায়নিক উপাদান (নির্দিষ্ট প্রোটিনের অংশ) আলাদা করে ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 
উদাহরণ- হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস ভ্যাকসিন প্রভৃতি। 

৫। ডিএনএ টিকা: 
- রিকমবিনেন্ট DNA পদ্ধতিতে DNA ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬০.
কোন রোগটি এন্ডোসকপি বা বেরিয়াম এক্স-রে র মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়?
  1. ক) গ্যাস্ট্রিক ও পেপটিক আলসার
  2. খ) অজীর্ণতা
  3. গ) কোষ্ঠকাঠিন্য
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) গ্যাস্ট্রিক ও পেপটিক আলসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গ্যাস্ট্রিক ও পেপটিক আলসার
ব্যাখ্যা
গ্যাস্ট্রিক ও পেপটিক আলসার (Gastric and Peptic ulcer) :
আলসার বলতে যেকোনো এপিথেলিয়াম বা আবরণী টিস্যুর একধরনের ক্ষত বোঝায়।
•পেপটিক আলসার বলতে খাদ্যনালির কোনো অংশের আলসার বোঝায়। 
•চিকিৎসাবিজ্ঞানী রবিন ওয়ারেন (1951-বর্তমান) ও ব্যারি মার্শালের (1937-বর্তমান) গবেষণায় জানা গেছে, খাদ্যে অনিয়ম, ভাজাপোড়া •খাবার খাওয়া, বিষণ্ণতা বা উৎকণ্ঠা ইত্যাদি পেপটিক আলসারের নিয়ামক হলেও অন্যতম প্রধান কারণ Helicobacter pylori (সংক্ষেপে H. pylori) নামের একটি ব্যাকটেরিয়া। এজন্য তাঁরা 2005 সালে যৌথভাবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 
এন্ডোসকপি (Endoscopy) বা বেরিয়াম এক্স-রের মাধ্যমে এ রোগ নির্ণয় করা যায়।

 উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী
৬১.
চিকিৎসা বিজ্ঞানের কোন শাখায় সবচেয়ে বেশী CT scan ব্যবহার করা হয়ে থাকে?
  1. ডার্মাটোলজি
  2. নিউরোলজি
  3. কার্ডিওলজি
  4. ক্রনোলজি
সঠিক উত্তর:
নিউরোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউরোলজি
ব্যাখ্যা
সিটি স্ক্যান (CT scan):
- সিটিস্ক্যান এর সম্প্রসারিত অর্থ হচ্ছে কম্পিউটেড টমোগ্রাফি স্ক্যান (Computed Tomography Scan).
 - যে প্রক্রিয়ায় কোনো ত্রিমাত্রিক বস্তুর কোনো ফালি বা অংশের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয় সে প্রক্রিয়াকে টমোগ্রাফি বলে ৷
- সিটিস্ক্যান যন্ত্রে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। এক্সরে যেখানে শরীরের অভ্যন্তরের কোনো ত্রিমাত্রিক অঙ্গের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব গঠন করে, সেখানে সিটি স্ক্যান যন্ত্র দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব ত্রিমাত্রিক ।
- সিটিস্ক্যানের সাহায্যে শরীরের নরম টিস্যু, রক্তবাহী শিরা বা ধমনি, ফুসফুস, ব্রেন ইত্যাদির ত্রিমাত্রিক ছবি পাওয়া যায়।
- চিকিৎসা বিজ্ঞানের নিউরোলজি বা স্নায়ুবিজ্ঞান শাখায় সবচেয়ে বেশী CT scan ব্যবহার করা হয়ে থাকে যায়
- যকৃৎ, ফুসফুস এবং অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার সনাক্ত করার কাজে সিটিস্ক্যান ব্যবহৃত হয়।
- সিটিস্ক্যানের প্রতিবিম্ব চিকিৎসককে টিউমার সনাক্তকরণ, টিউমারের আকার, অবস্থান এবং টিউমারটি পার্শ্ববর্তী অন্য টিস্যুকে কী পরিমাণ আক্রান্ত করেছে তা নির্ধারণেও সাহায্য করে।
- মাথার সিটিস্ক্যানের সাহায্যে মস্তিষ্কের ভেতরে কোনো ধরনের রক্তপাত, ধমনীর ফুলা এবং টিউমারের উপস্থিতি সম্পর্কে জানা যায়।
- সিটিস্ক্যানের দ্বারা রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা আছে কিনা তাও জানা যায়৷
- সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের সিটি স্ক্যান পরীক্ষা করা হয় না৷

অন্যদিকে,
- ডার্মাটোলজি (Dermatology) - ত্বক; ত্বকের রোগ ইত্যাদি বিষয়ক চিকিৎসাশাস্ত্রীয় গবেষণা ও আলোচনা; ত্বকবিজ্ঞান।
- কার্ডিওলজি (Cardiology) - হৃদ্‌বিজ্ঞান।
- ক্রনোলজি (Chronology) -  কালনিরূপণ বিজ্ঞান।

উৎস:
১) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) accessibledictionary.gov.bd
৬২.
কোন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে নিউমোনিয়া রোগ হয়?
  1. ক) Streptococcus
  2. খ) Pneumococcus
  3. গ) Yersinia
  4. ঘ) Tuberculosis
সঠিক উত্তর:
খ) Pneumococcus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Pneumococcus
ব্যাখ্যা
Pneumococcus নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে নিউমোনিয়া রোগ হয়। 

নিউমোনিয়া ফুসফুসের প্রদাহ জনিত একটি রোগ যা ব্যাকটেরিয়া,ভাইরাস,ছত্রাক কিংবা অন্য যেকোন পরজীবীর সংক্রমণের কারণে হতে পারে। কারও রোগটি হলে তাঁর শরীরে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইডের স্বাভাবিক আদান প্রদান প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। রোগটি হলে ফুসফুস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দেহে বাতাসের আদান প্রদান প্রক্রিয়া অনেক বাধাগ্রস্ত হয়।

নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণসমূহ-
১. জ্বর, কাশি অথবা শ্বাসকষ্ট হওয়া।
২. বয়স অনুযায়ী শ্বাস দ্রুত মনে হওয়া।
৩. অস্থিরতা ভাব হওয়া।
৪. খাবারে অরুচি হওয়া।
৫. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৬. পেটে ব্যথা হওয়া।
৭. শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া।
৮. মারাত্মক নিউমোনিয়ার হলে শ্বাস নেয়ার সময় বুকের নিচের অংশ ভিতরে ঢুকে যাওয়া।
৯. শ্বাসকষ্টের কারণে রোগীর খিঁচুনি হতে পারে।

সূত্র: Johns Hopkins University Website. 
৬৩.
ইপিআই (EPI) কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিরোধ যোগ্য রোগের সংখ্যা -
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা
Expanded Programme on Immunization (EPI)
- ইপিআই বিশ্বব্যাপী কর্মসূচি, যার মূল লক্ষ্য সংক্রামক রোগ থেকে শিশু, মাতৃমৃত্যু ও পঙ্গুত্ব রোধ করা।
- এ কর্মসূচির উদ্দিষ্ট জনগোষ্ঠী হচ্ছে ০ থেকে ১৮ মাস বয়সী সব শিশু এবং ১৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী সন্তান ধারণক্ষম সব নারী।

যক্ষ্মা, ডিফথেরিয়া, হুপিং কাশি, মা ও নবজাতকের ধনুষ্টঙ্কার, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি, নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া, পোলিও মাইলাইটিস, হাম ও রুবেলা—এই ১০ রোগের বিরুদ্ধে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।

- সরকারের এ কার্যক্রমে সার্বিকভাবে সহায়তা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ)।
- ইপিআই কর্মসূচির মাধ্যমে সারা দেশে বিনা মূল্যে এ টিকাগুলো দেওয়া হয়।

• স্বাস্থ্যসেবায় সরকারের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) একটি গুরুত্বপূর্ণ ও উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। এই কর্মসূচির সাফল্যের পাল্লাটা বেশ ভারী, যার জন্য মিলছে নানান স্বীকৃতি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এ কর্মসূচি বাংলাদেশকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করছে। সব থেকে বড় কথা হলো, এ কর্মসূচির ফলেই দেশে মা ও শিশুমৃত্যুর হার কমানোর পাশাপাশি পঙ্গুত্ব রোধ করা সম্ভব হচ্ছে।

- কর্মসূচি অনুযায়ী (প্রাপ্যতা অনুযায়ী)০ - ১১ মাস বয়সি শিশুদের যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, ধনুষ্টংকার, হুপিংকাশি, পোলিও, হেপাটাইটিস বি, হিমো-ইনফ্লুয়েঞ্জা বি, হাম ও রুরেলা এই ৯টি  রোগের প্রতিষেধক টিকা প্রয়োগ করা হয় এবং ১৫ - ৪৯ বছরের মহিলাদের সিডিউল অনুযায়ী ৫ ডোজ টিটি টিকা প্রদান করা হয়ে থাকে।

উৎস: www.prothomalo.com, services.portal.gov.bd.
৬৪.
কোন ধমনি মানবদেহের অন্ত্রের বিভিন্ন অংশে রক্ত সরবরাহ করে?
  1. সিলিয়াক
  2. ইলিয়াক
  3. ফ্রেনিক
  4. মেসেন্টেরিক ধমনি
সঠিক উত্তর:
মেসেন্টেরিক ধমনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেসেন্টেরিক ধমনি
ব্যাখ্যা
সাবক্লেভিয়াল ধমনি: 
- দেহের প্রতিপাশে ফুসফুসের উপর দিয়ে বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত বহন করে। 
যেমন- 
আন্তঃম্যামারি ধমনি: স্তনগ্রন্থি, বক্ষীয় প্রাচীর ও পেরিকার্ডিয়ামে রক্ত বহন করে। 
থাইরোসার্ভিকাল ধমনি: থাইরয়েড গ্রন্থি, ল্যারিংক্স ও ঘাড়ের পেশিতে রক্ত বহন করে। 
সার্ভিকাল ধমনি: অক্সিপুটের পেশিতে রক্ত বহন করে। 
ভার্টিব্রাল ধমনি: মেরুদণ্ডের রক্ত সরবরাহ করে। 
সিলিয়াক ধমনি: পাকস্থলী ও যকৃতে রক্ত সরবরাহ করে। 
ফ্রেনিক ধমনি: ডায়াফ্রামে রক্ত সরবরাহ করে। 
বৃক্কীয় ধমনি: বৃক্কে রক্ত সরবরাহ করে। 
মেসেন্টেরিক ধমনি: অন্ত্রের বিভিন্ন অংশে রক্ত সরবরাহ করে। 
জনন ধমনি: গোনাডে রক্ত সরবরাহ করে। 
ইলিয়াক ধমনি: পেলভিস অঞ্চল, উরু, পা ইত্যাদি অংশে রক্ত সরবরাহ করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৫.
প্রথম টেস্টটিউব বেবীত্রয় কবে ভূমিষ্ঠ হয়?
  1. ২৭ মে
  2. ২৪ মে
  3. ৩০ মে
  4. ৩১ মে
সঠিক উত্তর:
৩০ মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ মে
ব্যাখ্যা
- টেস্ট টিউব বেবি নেয়া হয় মূলত আইভিএফ চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে। 
- ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন পদ্ধতির সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে আইভিএফ। 
- এ পদ্ধতিতে স্ত্রীর পরিণত ডিম্বাণু ল্যাপারেস্কোপিক পদ্ধতিতে অত্যন্ত সন্তর্পণে বের করে আনা হয়, পরে প্রক্রিয়াজাতকরণের পর ল্যাবে সংরক্ষণ করা হয়। 
- এছাড়া একই পদ্ধতিতে স্বামীর শুক্রাণু সংগ্রহ করা হয়, পরে ল্যাবে বিশেষ প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বেছে নেওয়া হয় সবচেয়ে ভালো জাতের একঝাঁক শুক্রাণু। 
- ইনকিউবেটরের মধ্যে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণের পরই বোঝা যায় নিষিক্তকরণের পর ভ্রূণ সৃষ্টির সফলতা সম্পর্কে। 
- ভ্রূণ সৃষ্টির পর সেটিকে একটি বিশেষ নলের মাধ্যমে জরায়ুতে সংস্থাপনের জন্য পাঠানো হয়। 

- বাংলাদেশে প্রথম টেস্ট টিউব বেবির জন্ম হয় ৩০ মে, ২০০১ সালে ঢাকার সেন্ট্রাল হাসপাতালে। 
- দেশের প্রথম টেস্ট টিউব বেবির মা ফিরোজা বেগম ও বাবা আবু হানিফ তাঁদের বিবাহিত জীবনের ১৬ বছর পর এই টেস্ট টিউব বেবি পদ্ধতিতে একসঙ্গে তিন কন্যাসন্তান লাভ করেন।
উল্লেখ্য, 
- পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম টেস্ট টিউব বেবি লুইস ব্রাউনের জন্ম হয় ১৯৭৮ সালের ১১ নভেম্বর ইংল্যান্ডে। 

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা ও এনটিভি নিউজ রিপোর্ট।
৬৬.
ব্যাকটেরিয়াকে কোন কিছুর সাথে আটকে থাকতে সহায়তা করে কোনটি? 
  1. পিলি
  2. মেসোসোম
  3. ক্যাপসিউল
  4. প্লাজমিড
সঠিক উত্তর:
পিলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিলি
ব্যাখ্যা
একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়াম কোষের গঠন: 
- ব্যাকটেরিয়ার গঠন বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। 
- একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়াম কোষে সাধারণত যে সকল অংশগুলো থাকে তা হলো- 
(ক) ফ্ল্যাজেলা, 
(খ) ক্যাপসিউল, 
(গ) কোষ প্রাচীর, 
(ঘ) প্লাজমামেমব্রেন, 
(ঙ) মেসোসোম, 
(চ) সাইটোপ্লাজম, 
(ছ) ক্রোমোসোম এবং 
(জ) প্লাজমিড। 

 ফ্ল্যাজেলা: 
- ফ্ল্যাজেলা প্রোটোপ্লাজম দিয়ে গঠিত এক প্রকার সূত্রাকৃতির উপাঙ্গ যা কোষ প্রাচীর ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে আসে। 
- ফ্ল্যাজেলিন নামক প্রোটিন দিয়ে ফ্ল্যাজেলা গঠিত। 
- ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে ব্যাকটেরিয়া তরল মাধ্যমে চলাফেরা করে। 
- ফ্ল্যাজেলা অপেক্ষা খাটো ও শক্ত উপাঙ্গকে পিলি বলে। 
- পিলি পিলিন নামক এক প্রকার প্রোটিন দিয়ে গঠিত। 
- ব্যাকটেরিয়াকে কোন কিছুর সাথে আটকে থাকতে পিলি সহায়তা করে। 

ক্যাপসিউল: 
- ক্যাপসিউল পলিস্যাকারাইড বা পলিপেপটাইড দিয়ে গঠিত একটি স্তর, যা ব্যাকটেরিয়া কোষের বাইরের দিকে থাকে। 
- এটি কোষ প্রাচীরকে ঘিরে রাখে। 
- একে স্লাইম স্তরও বলা হয়। 
- এটি ব্যাকটেরিয়াকে প্রতিকূল অবস্থা হতে রক্ষা করে। 

মেসোসোম: 
- ব্যাকটেরিয়া কোষের সাইটোপ্লাজমিক মেমব্রেন অনেক সময় ভেতরের দিকে ভাঁজ হয়। একে মেসোসোম বলা হয়। 
- এটি কোষ বিভাজনে সহায়তা করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৭.
গর্ভাবস্থায় মায়েদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় টিকা-
  1. ক) বিসিজি
  2. খ) টিটি
  3. গ) পোলিও
  4. ঘ) টিবি
সঠিক উত্তর:
খ) টিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) টিটি
ব্যাখ্যা

• গর্ভাবস্থায় মায়েদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় টিকা- টিটি।
• ৫ ডোজে টিটি টিকা নিতে হয়।
• মায়েরা টিটি টিকা না নিলে নবজাতকের ধনুষ্টংকার রোগ হবার আশঙ্কা থাকে।

৬৮.
বাংলাদেশে শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি EPI পরিচালনা করে কোন সংস্থা?
  1. FAO
  2. WHO
  3. UNESCO
  4. World Bank 
সঠিক উত্তর:
WHO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WHO
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে EPI কর্মসূচি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর অধীনে পরিচালিত।

• বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization – WHO):
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর অধীনে পরিচালিত Expanded Program on Immunization (EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে টিকা প্রদান করা হয়।

বর্তমানে বাংলাদেশে EPI-তে মোট টিকার সংখ্যা ১২ টি।
- যক্ষ্মা
- ডিফথেরিয়া
- হুপিং কাশি
- ধনুষ্টংকার
- পোলিওমাইলাইটিস
- হাম
- হেপাটাইটিস–বি জনিত রোগ
- হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ–বি জনিত রোগ
- রুবেলা
- নিউমোনিয়া
- জরায়ুমুখ ক্যান্সার
- টাইফয়েড

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, WHO website, প্রথম আলো এবং যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।

৬৯.
কোন রোগটি একবার হলে বার বার হওয়ার আশঙ্কা থাকে?
  1. ক) হাঁপানি
  2. খ) নিউমোনিয়া
  3. গ) যক্ষ্মা
  4. ঘ) ব্রংকাইটিস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রংকাইটিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রংকাইটিস
ব্যাখ্যা
- শ্বাসনালির ভিতরে আবৃত প্রদাহকে ব্রংকাইটিস বলে।
- ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে ঝিল্লিগাত্রে প্রদাহ হতে পারে।
- অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, স্যাঁতসেঁতে ধূলিকণা মিশ্রিত আবহাওয়া, ঠাণ্ডা লাগা এবং ধূমপান থেকেও এ রােগ হওয়ার আশংকা থাকে। 
- একবার ব্রংকাইটিস হলে বারবার এ রােগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
- সাধারণত শিশু এবং বয়স্ক ব্যক্তিরা এ রােগে বেশি আক্রান্ত হয়।
- ধূমপান, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও দূষণ (যেমন কলকারখানার ধুলাবালি এবং ধোঁয়াময় পরিবেশ) এ রােগের কারণ হিসেবে গণ্য করা হয়।

[উৎস: মাধ্যমিক জীব বিজ্ঞান]
৭০.
চিকনগুনিয়া রোগ বহনকারী মশার নাম কী?
  1. ক) অ্যানোফিলিস
  2. খ) কিউলেক্স
  3. গ) এডিস
  4. ঘ) ম্যানসোনাইড
সঠিক উত্তর:
গ) এডিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এডিস
ব্যাখ্যা
- অ্যানোফিলিস মশার মাধ্যমে ম্যালেরিয়া রোগের বিস্তার লাভ করে।
- ফাইলেরিয়া রোগ ছড়ায় কিউলেক্স মশার মাধ্যমে।
- এডিস মশা দ্বারা ডেঙ্গু জ্বর, পীত জ্বর এবং চিকনগুনিয়া রোগ ছড়ায়।

 সূত্র : সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও WHO ওয়েবসাইট।
৭১.
মানবদেহের 'আইলেটস্ অফ ল্যাংগারহ্যানস' গ্রন্থির অবস্থান কোথায়?
  1. অগ্নাশয়ে
  2. গলার উপরের অংশে উভয় পাশে
  3. গ্রীবা অঞ্চলে
  4. মস্তিষ্কের নিচের অংশে
সঠিক উত্তর:
অগ্নাশয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্নাশয়ে
ব্যাখ্যা
আইলেটস্ অফ ল্যাংগারহ্যানস- এ গ্রন্থির অবস্থান অগ্ন্যাশয়ের মাঝে। এ গ্রন্থি থেকে ইনসুলিন, গুকাগণ প্রভৃতি হরমোন নিঃসৃত হয় যা শরীরের শর্করা বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে।
 
পিটুইটারী গ্রন্থি- এটি মস্তিষ্কের নিচের অংশে অবস্থিত। এ গ্রন্থিকে হরমোন সৃষ্টিকারী প্রধান গ্রন্থি বা প্রভুগ্রন্থি বলে। কারণ এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন সংখ্যা যেমন বেশি তেমন বিভিন্ন গ্রন্থির উপর এসব হরমোন এর প্রভাবও বেশি। এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, শক্তিশালী ও সবচেয়ে ছোট গ্রন্থি। এ গ্রন্থি থেকে গোনাডোট্রপিন, এডরেনোকর্টিকোট্রপিন, থাইরোট্রপিন, প্রোল্যাকটিন ইত্যাদি হরমোন নিঃসৃত হয়।

থাইরয়েড গ্রন্থি- গলার উপরের অংশে উভয় পার্শ্বে অবস্থিত। প্রজাপতি আকৃতির চোখ বের হয়ে আসা রোগটি এ গ্রন্থির সমস্যার কারণে হয়। আয়োডিন এর অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যায় ও গলগন্ড গঠন করে। বিপাকের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। এ গ্রন্থি থেকে ট্রাইআয়োডোথাইরোনিন, থাইরক্সিন, ক্যালসিটোনিন এ তিনটি হরমোন নিঃসৃত হয়।

প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি- দু’জোড়া প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি থাইরয়েড গ্রন্থির পেছনে এবং আংশিক থাইরয়েড গ্রন্থির মধ্যে অবস্থিত। এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোনের নাম প্যারাথাইরক্সিন হরমোন। মূলতঃ শরীরের ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে।

থাইমাস গ্রন্থি- এ গ্রন্থি গ্রীবা অঞ্চলে অবস্থিত। শিশুকালে এ গ্রন্থি বিকশিত হতে থাকে, বয়স বাড়ার সাথে সাথে ছোট হয়।
এ গ্রন্থি থেকে থাইরক্সিন হরমোন নিঃসৃত হয়।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২.
এডিস মশা নিচের কোন রোগটির বাহন?
  1. ক) গোদ রোগ
  2. খ) ম্যালেরিয়া
  3. গ) চিকুনগুনিয়া
  4. ঘ) ফাইলেরিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) চিকুনগুনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চিকুনগুনিয়া
ব্যাখ্যা
এডিস মশার কারণে চিকুনগুনিয়া রোগ হয়। 

- চিকুনগুনিয়া এক ধরণের ভাইরাল সংক্রমণ যেটা এডিস নামের একটি মশার কামড়ানোর ফলে হয়। 
- এই মশাটি সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। 
- চিকুনগুনিয়া সংক্রামিত মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

চিকুনগুনিয়া রোগের লক্ষণসমূহ- 
১. প্লাটিলেট কমে যায়। শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখ লাল হওয়া ও চোখ ব্যথা, চোখ থেকে পানি পড়া, অরুচি বা বমি বমি ভাব ইত্যাদি দেখা দেয়।
২. বিভিন্ন স্থানে হামের মতো র‌্যাশ হতে পারে।
৩. গায়ে রক্ত জমে ছিটা ছিটা দাগ থাকতে পারে।

সূত্র- Centers for Disease Control and Prevention [লিঙ্ক]
৭৩.
হেপাটাইটিস B নির্ণয়ের জন্য কোন পরীক্ষা করা হয়?
  1. কফ পরীক্ষা
  2. রক্তের এইচবি সারফেস অ্যান্টিজেন পরীক্ষা
  3. রক্তের এইচবি সারফেস অ্যান্টিবডি পরীক্ষা
  4. সিটিস্ক্যান
সঠিক উত্তর:
রক্তের এইচবি সারফেস অ্যান্টিজেন পরীক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তের এইচবি সারফেস অ্যান্টিজেন পরীক্ষা
ব্যাখ্যা
• হেপাটাইটিস বি:
- সাধারণত লিভার প্রদাহকে হেপাটাইটিস বলা হয়। ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়ে লিভার প্রদাহ হলে তাকে ভাইরাল হেপাটাইটিস বলা হয়। 
- এটি জন্ডিসের প্রধান কারণ। 
- হেপাটাইটিস রোগের কারণ হলো হেপাটাইটিস বি ভাইরাস । 

• হেপাটাইটিস বি এর লক্ষণ:
- ক্রমশ জ্বর, মাথা ব্যথা, পেট ব্যথা, ক্ষুধামন্দা, খাবারে অরুচি, বমি বমি ভাব, দুর্বল বোধ, পাতলা পায়খানা, হাড়ের গিঁটে ব্যথা ইত্যাদি লক্ষণ প্রকাশ পায়।
- পরবর্তীতে প্রস্রাব হলুদ হয়, চোখের সাদা অংশ এবং সমস্ত শরীর হলুদ বর্ণ দেখায়, পেটে ও পায়ে পানি জমা হতে পারে।
- আক্রান্ত ব্যক্তি সবসময় অস্বস্তি অনুভব করে। শেষ পর্যন্ত লিভার সিরোসিস, লিভার ক্যান্সার হেপাটাইটিস B ও C ভাইরাসের সংক্রমণে হয়ে থাকে।

• রোগ নির্ণয়:
-  হেপাটাইটিস B নির্ণয়ের জন্য রক্তের এইচবি সারফেস অ্যান্টিজেন (HBsAg) পরীক্ষা করতে হয়।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৭৪.
টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও নিরাময়ে নিচের কোনটি ব্যবহার  করা হয়?
  1. 32P
  2. 36P
  3. 39P
  4. 60CO
সঠিক উত্তর:
60CO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
60CO
ব্যাখ্যা

রোগ নিরাময়ে:
- সর্বপ্রথম থাইরয়েড ক্যানসার নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
- রোগীকে পরিমাণমতো তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ 131I সমৃদ্ধ দ্রবণ পান করানো হয়।
- এই আইসোটোপ থাইরয়েডে পৌঁছায়।
- এ আইসোটোপ থেকে বিটা রশ্মি নির্গত হয় এবং থাইরয়েডের ক্যানসার কোষকে ধ্বংস করে।
- এছাড়া ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্রেইন ক্যানসার নিরাময়ে ব্যবহার করা হয়।
- টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ 60CO ব্যবহার করা হয়।
60CO থেকে নির্গত গামা রশ্মি ক্যানসারের কোষকলাকে ধ্বংস করে।
- রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় 32P এর ফসফেট ব্যবহার  করা হয়।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।

৭৫.
উচ্চ রক্তচাপ আছে এমন ব্যক্তিদের ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ -
  1. < 80 mmHg
  2. > 95 mmHg
  3. > 120 mmHg
  4. > 160 mmHg
সঠিক উত্তর:
> 95 mmHg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
> 95 mmHg
ব্যাখ্যা
উচ্চ রক্তচাপকে ডাক্তারি ভাষায় হাইপারটেনশন (Hypertension) বলে। 
শরীর ও মনের স্বাভাবিক অবস্থায় রক্তচাপ যদি বয়সের জন্য নির্ধারিত মাত্রার উপরে অবস্থান করতে থাকে, তবে তাকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন বলে।
 
রক্তের চাপ যদি কম থাকে তা হলে তাকে নিম্নরক্তচাপ বলে।
কোনো ব্যক্তির সিস্টোলিক রক্তচাপ যদি হয় সব সময় ১৬০ মিলিমিটার পারদস্তম্ভ বা তার বেশি এবং 
ডায়াস্টোলিক সব সময় ৯৫ মিলিমিটার পারদস্তম্ভ বা তার বেশি থাকে, তবে তার উচ্চ রক্তচাপ আছে বলা যায়।

উত্তেজনা, চিন্তা, বিষন্নতা, নিদ্রাহীনতা বা অন্য কোনো কারণে যদি রক্তচাপ সাময়িকভাবে নির্দিষ্ট সীমানা অতিক্রম করে, তবে তাকে হাইপারটেনশন বলা যাবে না এবং এ অবস্থায় কোনো ওষুধরেও প্রয়োজন হয় না।
উচ্চ রক্তচাপ বংশগত (Genetic High blood pressure) হতে পারে। উচ্চরক্তচাপ ভীতির কোনো কারণ নয় তবে নিয়মিত ঔষধ সেবনে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।

সুত্রঃ হৃদযন্ত্রের যত কথা, বিজ্ঞান, এসএসসি। 
৭৬.
মানব দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা কত?
  1. ক) ৯৮.৪° ফারেনহাইট
  2. খ) ৩৬.৯° ফারেনহাইট
  3. গ) ৩৯.৯° ফারেনহাইট
  4. ঘ) ৯৪.৯° ফারেনহাইট
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৮.৪° ফারেনহাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৮.৪° ফারেনহাইট
ব্যাখ্যা
মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা হলো ৩৬.৯° সেলসিয়াস অর্থাৎ ৯৮.৪° ফারেনহাইট।
মানবদেহের তাপমাত্রা নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৭৭.
পানির অভাবে দেহে অম্ল ও ক্ষারের সমতা নষ্ট করে কোন রোগের সৃষ্টি করে?
  1. এসিডোসিস
  2. পারকিনসন
  3. থ্রম্বোসিন
  4. থ্যালাসেমিয়া
সঠিক উত্তর:
এসিডোসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসিডোসিস
ব্যাখ্যা
পানি: 
- পানি খাদ্যের একটি প্রধান উপাদান। 
- আমাদের দৈহিক ওজনের ৬০%- ৭৫% হচ্ছে পানি। 
- আমাদের রক্ত, মাংস, স্নায়ু, দাঁত, হাড় ইত্যাদি প্রতিটি অঙ্গ গঠনের জন্য পানির প্রয়োজন। 
- পানি জীবদেহে দ্রাবকের কাজ করে, খাদ্য উপাদানের পরিপাক ও পরিশোষণে সাহায্য করে। 
- বিপাকের ফলে দেহে উৎপন্ন ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি শরীরের জন্য ক্ষতিকর এবং বিষাক্ত পদার্থগুলোকে পানি মূত্র ও ঘাম হিসেবে শরীর থেকে বের করে দেয়। 
- একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক ২-৩ লিটার পানি পান করা উচিত, কারণ প্রায় ঐ পরিমাণ পানি প্রত্যেকদিনই আমাদের শরীর থেকে বের হয়ে যায়। 
- মাছ, মাংস কিংবা শাক-সবজিতে শতকরা ৬০-৯০ ভাগ পানি থাকে। 

- গরম আবহাওয়া ও কঠোর পরিশ্রমে দেহে পানির অভাব দেখা দেয়। 
- শরীরে পানির অভাব হলে তীব্র পিপাসা হয়, রক্ত সঞ্চালনে ব্যাঘাত ঘটে, ত্বক কুঁচকে যায়। 
- পানির অভাবে স্নায়ু ও পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। 
- দেহে অম্ল ও ক্ষারের সমতা নষ্ট করে এসিডোসিস রোগের সৃষ্টি হয়। 
- শরীরে পানি ১০% কমে গেলে সংজ্ঞা লোপ পায়, এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে। 
- শরীরে পানির অভাব নিরসনের জন্য যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে খাবার স্যালাইন খাওয়াতে হয়। 
- শরীর থেকে যে পরমাণ পানি ও লবণ বের হয়ে যায়, খবার স্যালাইন তা পূরণ করে শরীরে পানি ও লবণের ভারসাম্য ঠিক রাখে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৮.
কোন ভেরিয়েন্টে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে?
  1. ক) B.1.351
  2. খ) B.1.617.2
  3. গ) B.1.1.529
  4. ঘ) B.1.1.7
সঠিক উত্তর:
খ) B.1.617.2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) B.1.617.2
ব্যাখ্যা
- ডেল্টা ভেরিয়েন্ট এর অপর নাম B.1.617.2 .
- এই ভেরিয়েন্ট ভারতে প্রথম সনাক্ত হয় এবং আরো প্রায় ৬০টি দেশে এই ভেরিয়েন্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। 
- অন্য যে কোন ভেরিয়েন্ট এর তুলনায় এটি ছিল সবচেয়ে বেশি সংক্রামক । 
 
Alpha, B.1.1.7, first seen in the United Kingdom. Designated on Dec. 18, 2020.
Beta,  B.1.351, first seen in South Africa. Designated on Dec. 18, 2020.
Gamma, P.1, first seen in Brazil. Designated on Jan. 11, 2021.
Delta, B.1.617.2, first seen in India. Designated on May 11, 2021.
Omicron, B.1.1.529, seen in multiple countries. Designated on Nov. 26, 2021.

উৎস : cdc.gov, www.aarp.org, পত্রিকা রিপোর্ট।
৭৯.
Covid-19 রোগের ভাইরাসের নাম কী?
  1. ক) SARS-Cov-1
  2. খ) SARS-Cov-2
  3. গ) Corona Virus
  4. ঘ) Covid-19 Virus
সঠিক উত্তর:
খ) SARS-Cov-2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) SARS-Cov-2
ব্যাখ্যা
Covid-19 ভাইরাস:
- Severe Acute Respiratory Syndrome রোগের কারণ হলো SARS করোনা ভাইরাস।
- এই ভাইরাসের কারণে ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত চীন, তাইওয়ান, কানাডা প্রভৃতি দেশে বহু লোকের মৃত্যু হয়েছিলো।
- Middle East Respiratory Syndrome রোগের কারণ হলো MERS করোনা ভাইরাস।
- ২০১২ সালে মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকায় এই রোগটি ছড়িয়ে পড়েছিলো।
- COVID-19 এর জন্য দায়ী হলো SARS CoV-2 নামক বিশেষ করোনা ভাইরাস।
- ২০১৯ সালে চীনের উহান প্রদেশে কোভিড-১৯ প্রথম সনাক্ত করা হয়েছিল।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুসারে, ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নজরে আসে।
- এটি অদ্যবধি বাংলাদেশসহ সমস্ত পৃথিবীতে মহামারীর তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে।

উৎস: WHO ওয়েবসাইট।
৮০.
সুষম খাদ্যের উপাদান কয়টি?
  1. ১০টি
  2. ৫টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
মানবদেহের পুষ্টির চাহিদা সঠিকভাবে পূরণের জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণ করা অপরিহার্য।
সুষম খাদ্যের উপাদান ৬টি।
এগুলো হলো -
- শর্করা,
- আমিষ,
- ভিটামিন,
- খনিজ লবণ,
- চর্বি ও
- পানি।
সুষম খাদ্যে শর্করা, আমিষ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যের অনুপাত =  ৪ : ১ : ১

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮১.
মানুষের চোখের রঙ নিয়ন্ত্রণ করে কোন রাসায়নিক উপাদান?
  1. RNA
  2. DNA
  3. ক্রোমোজোম
  4. নিউক্লিয়াস
সঠিক উত্তর:
DNA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DNA
ব্যাখ্যা

DNA হলো ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনের রাসায়নিক রূপ। যেসব জীবে DNA থাকে না কেবল RNA থাকে সে ক্ষেত্রে RNA জিন হিসেবে কাজ করে। যেমন - তামাক গাছে মোজাইক ভাইরাস (TMV)
জীবের একটি বৈশিষ্ট্যের জন্য একাধিক জিন কাজ করে, আবার কখনো একটি জিন বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে।
মানুষের চোখের রং, চুলের প্রকৃতি, চামড়ার রং ইত্যাদি সবই জিন কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত।
উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি

৮২.
শ্বেত রক্তকণিকার ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য?
  1. ক) এতে নিউক্লিয়াস থাকে না
  2. খ) হিমোগ্লোবিন থাকে
  3. গ) এতে ডিএনএ থাকে
  4. ঘ) এটি রক্ত জমাট বাধায় অংশগ্রহণ করে
সঠিক উত্তর:
গ) এতে ডিএনএ থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এতে ডিএনএ থাকে
ব্যাখ্যা
শ্বেত রক্তকণিকার নির্দিষ্টকোন আকার নেই। এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ। এর গড় আয়ু ১-১৫ দিন। এতে DNA থাকে৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম দশম শ্রেণি।
৮৩.
রিকেটস রোগে প্রধানত কারা আক্রান্ত হয়?
  1. ক) বৃদ্ধ
  2. খ) শিশু
  3. গ) যুবক-যুবতী
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) শিশু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শিশু
ব্যাখ্যা
রিকেটস রোগে প্রধানত শিশুরা আক্রান্ত হয়ে থাকে। 

ভিটামিন-ডি এর অভাবে রিকেটস রোগ হয়ে থাকে। 

রিকেটসের মূল কারণগুলো হলো-
১. অপর্যাপ্ত সূর্যালোক।
২. অপর্যাপ্ত ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ খাবার।
৩. ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস- এ দুটো খনিজ লবণের অভাব।
৪. দেহে স্নেহ পদার্থের অভাব- কেননা স্নেহ পদার্থেই ভিটামিন-ডি দ্রবীভূত হয়। স্নেহ পদার্থের অভাবে ভিটামিন-ডি পর্যাপ্ত পরিমাণে শোষিত হতে পারে না এবং দেহের কাজে লাগে না।
এ ছাড়া যকৃত ও কিডনির রোগ এবং খিঁচুনি নিরোধক ওষুধের কারণেও দেহে ভিটামিন-ডি’র অভাব দেখা দিতে পারে।

সূত্র: National Institutes of Health Website. 
৮৪.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম কোন মহিলা টেস্টটিউব শিশুর মা হন?
  1. ক) পারভীন ফাতেমা
  2. খ) ফিরোজা বেগম
  3. গ) রওশন জাহান
  4. ঘ) কানিজ ফাতেমা
সঠিক উত্তর:
খ) ফিরোজা বেগম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফিরোজা বেগম
ব্যাখ্যা
- টেস্ট টিউব বেবি নেয়া হয় মূলত আইভিএফ চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে। ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন পদ্ধতির সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে আইভিএফ।
- এ পদ্ধতিতে স্ত্রীর পরিণত ডিম্বাণু ল্যাপারেস্কোপিক পদ্ধতিতে অত্যন্ত সন্তর্পণে বের করে আনা হয়। পরে প্রক্রিয়াজাতকরণের পর ল্যাবে সংরক্ষণ করা হয়। 
- এছাড়া একই পদ্ধতিতে স্বামীর শুক্রাণু সংগ্রহ করা হয়। পরে ল্যাবে বিশেষ প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বেছে নেওয়া হয় সবচেয়ে ভালো জাতের একঝাঁক শুক্রাণু।
- ইনকিউবেটরের মধ্যে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণের পরই বোঝা যায় নিষিক্তকরণের পর ভ্রূণ সৃষ্টির সফলতা সম্পর্কে। ভ্রূণ সৃষ্টির পর সেটিকে একটি বিশেষ নলের মাধ্যমে জরায়ুতে সংস্থাপনের জন্য পাঠানো হয়।

- বাংলাদেশে প্রথম টেস্ট টিউব বেবির জন্ম হয় ২০০১ সালের ২৯ মে ঢাকার একটি ক্লিনিকে।
- দেশের প্রথম টেস্ট টিউব বেবির মা ফিরোজা বেগম (৩৩) ও বাবা আবু হানিফ তাঁদের বিবাহিত জীবনের ১৬ বছর পর এই টেস্ট টিউব বেবি পদ্ধতিতে একসঙ্গে তিন কন্যাসন্তান লাভ করেন।
উল্লেখ্য,
- পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম টেস্ট টিউব বেবি লুইস ব্রাউনের জন্ম হয় ১৯৭৮ সালের ১১ নভেম্বর ইংল্যান্ডে।

সূত্র: প্রথম আলো ও এনটিভি রিপোর্ট।
৮৫.
রাশিয়ার তৈরী করোনা টিকা নিচের কোনটি?
  1. স্পুটনিক টু
  2. স্পুটনিক থ্রী
  3. স্পুটনিক ফোর
  4. স্পুটনিক ফাইভ
সঠিক উত্তর:
স্পুটনিক ফাইভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পুটনিক ফাইভ
ব্যাখ্যা
স্পুটনিক-ফাইভ টিকা:

- রাশিয়া 'স্পুটনিক ফাইভ বা স্পুটনিক ভি' করোনা টিকা আবিষ্কার করে।
- ২০২০ সালের ১১ই আগস্ট রাশিয়া টিকা আবিষ্কারের ঘোষণা দেয়।
- বিশ্বের প্রথম দেশ হিসাবে এবং কোনরকম তথ্য প্রকাশ না করেই অগাস্ট মাসে স্থানীয়ভাবে ব্যবহারের জন্য টিকার লাইসেন্স দেয় রাশিয়া।
- এই টিকা দুই থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াস (সবচেয়ে ভালো ৩-৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় রাখা যায়। ফলে এটি পরিবহন ও সংরক্ষণ করা সহজ।
- ফাইজার, অক্সফোর্ড/অ্যাস্ট্রাজেনেকা, মর্ডানার মতো টিকাগুলোর মতো এটিও করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সক্ষমতার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ বাংলা, ২৭ এপ্রিল ২০২১।
৮৬.
অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পরিবহণ করে কোনটি?
  1. ক) কৈশিকনালী
  2. খ) শিরা
  3. গ) ধমনি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ধমনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ধমনি
ব্যাখ্যা
- যে সকল রক্তবাহী নালি হৃৎপিন্ড থেকে উৎপন্ন হয়ে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত বহন করে, তাকে ধমনি বলে। 
- ধমনির প্রাচীর পুরু গহ্বর ছোট এবং এর গহ্বরে কপাটিকা থাকে না।
- ধমনি অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পরিবহন করে।

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি
৮৭.
নিচের কোনটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নয়? 
  1. ইনফ্লুয়েঞ্জা
  2. কলেরা
  3. টাইফয়েড
  4. নিউমোনিয়া
সঠিক উত্তর:
ইনফ্লুয়েঞ্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনফ্লুয়েঞ্জা
ব্যাখ্যা
- ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ: 
• যক্ষ্মা, 
টাইফয়েড
• আমাশয়, 
কলেরা
• গনোরিয়া, 
নিউমোনিয়া
• ডিপথেরিয়া, 
• হুপিংকাশি এবং 
• ধনুষ্টংকার ইত্যাদি। 

- ভাইরাসজনিত রোগ: 
• জলাতঙ্ক, 
ইনফ্লুয়েঞ্জা
• হার্পিস, 
• গুটি বসন্ত, 
• জল বসন্ত এবং 
• এইডস ইত্যাদি। 

উৎস: জীব বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৮.
নিচের কোনটি ভাইরাসজনিত রোগ?
  1. যক্ষ্মা
  2. টাইফয়েড
  3. কলেরা
  4. জলাতঙ্ক
সঠিক উত্তর:
জলাতঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলাতঙ্ক
ব্যাখ্যা

• জলাতঙ্ক হলো র‍্যাবিস ভাইরাসের সংক্রমণে সৃষ্ট রোগ।

• ভাইরাসজনিত রোগসমূহ:

• ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ:

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৯.
কেমােথেরাপির জনক হলেন-
  1. ক) গােল্ড সেইন
  2. খ) পল এহর্লিক
  3. গ) উইলিয়াম রনজেন
  4. ঘ) মাদাম কুরি
সঠিক উত্তর:
খ) পল এহর্লিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পল এহর্লিক
ব্যাখ্যা
- কেমােথেরাপি হলাে এমন একধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক ঔষধ (উচ্চতর এন্টিবায়ােটিকও হতে পারে) ব্যবহার করে দেহের ক্ষতিকর দ্রুত বিভাজনরত কোষ ধ্বংস করা হয়।
- পল এহর্লিককে কেমােথেরাপির জনক বলা হয়। উৎসঃ প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯০.
মানবদেহে প্রতি ঘনমিলিলিটার রক্তে কতগুলো শ্বেত রক্তকণিকা থাকে?
  1. ক) ৪-১০ হাজার
  2. খ) ১৫-৩০ হাজার
  3. গ) ১ লাখ থেকে ১.১০ লাখ
  4. ঘ) ১ মিলিয়ন+
সঠিক উত্তর:
ক) ৪-১০ হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪-১০ হাজার
ব্যাখ্যা
রক্তের তিনটি কনিকার মধ্যে শ্বেত কনিকা অন্যতম। এদের গড় আয়ু ১-১৫ দিন। এতে হিমোগ্লোবিন থাকে না। নিউক্লিয়াস এবং ডিএনএ থাকে। এটি ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস করে। মানবদেহে প্রতি ঘনমিলিলিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্তকনিকা থাকে। কিন্তু এই সংখ্যা বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হলে লিউকোমিয়া বা ব্লাডক্যান্সার দেখা দেয়।
উৎসঃ বিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণী
৯১.
রক্তে হিমোগ্লোবিন থাকে—
  1. ক) লোহিত রক্তকণিকায়
  2. খ) শ্বেত রক্তকণিকায়
  3. গ) অনুচক্রিকায়
  4. ঘ) প্লাজমায়
সঠিক উত্তর:
ক) লোহিত রক্তকণিকায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) লোহিত রক্তকণিকায়
ব্যাখ্যা
রক্তরস (Plasma):
রক্তের বর্ণহীন তরল অংশকে রক্তরস বলে। সাধারণত রক্তের শতকরা প্রায় ৫৫ ভাগ রক্তরস। 
এর মধ্যে যে পদার্থগুলো থাকে তা হলো:
- প্রোটিন, যথা অ্যালবুমিন, গ্লোবিউলিন ও ফাইব্রিনোজেন
-গ্লুকোজ
- ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চর্বিকণা
- খনিজ লবণ
- ভিটামিন
- হরমোন
- এন্টিবডি
- বর্জ্য পদার্থ যেমন: কার্বন ডাই-অক্সাইড, ইউরিয়া, ইউরিক এসিড ইত্যাদি।

মানুষের রক্তে ৩ ধরনের রক্তকণিকা রয়েছে৷
যথা-
১. লোহিত রক্তকণিকা,
২. শ্বেত রক্তকণিকা ও
৩. অনুচক্রিকা।

• লোহিত রক্তকণিকা
- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামে একটি লৌহজাত যৌগ থাকে যার জন্য রক্ত লাল হয়।
- লোহিত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস নেই।
- এ কণিকা দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল।
- লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন।

• শ্বেত রক্তকণিকা
- শ্বেত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকারনেই।
- এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ।
- শ্বেত কণিকার গড় আয়ু ১ থেকে ১৫ দিন।
- শ্বেত রক্তকণিকাকে দেহের প্রহরী বলা হয়।

• অণুচক্রিকা
- অণুচক্রিকা হলো গোলাকার, ডিম্বাকার বা রড আকারের।
- এতে নউক্লিয়াস থাকে না।
- অণুচক্রিকা দেহের রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 
- অনুচক্রিকার গড় আয়ু ৫ থেকে ১০দিন।




উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯২.
কোন টিকা মেনিনজাইটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করেছিলো?
  1. টিটেনাস টক্সয়েড (TT)
  2. হিব (Hib)
  3. এম এম আর (MMR)
  4. এইচআইভি (HIV)
সঠিক উত্তর:
হিব (Hib)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিব (Hib)
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়াজনিত মেনিনজাইটিস অন্যান্য বয়সের তুলনায় শিশুদের প্রায়শই আঘাত করে।
হিব (Hib) ভ্যাকসিন হেমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ বি সংক্রমণ জাতীয় রোগ যেমন মেনিনজাইটিস, নিউমোনিয়া এবং এপিগ্লোটাইটিস প্রতিরোধ করে থাকে।
হিব টিকা চালু হওয়ার পর থেকে মেনিনজাইটিস রোগীর সংখ্যা নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে।
উল্লেখ্য,
এইডস রোগের ভাইরাসকে সংক্ষেপে এইচআইভি (HIV) বলা হয়।

সোর্স: www.urmc.rochester.edu
৯৩.
পূর্ণ বয়স্ক মানবদেহে রক্ত উৎপাদন হয় কোথায়?
  1. যকৃতে
  2. প্লীহায়
  3. অস্থিমজ্জায়
  4. হৃদপিণ্ডে
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জায়
ব্যাখ্যা

পূর্ণ বয়স্ক মানবদেহে রক্ত উৎপাদন হয়ে থাকে অস্থিমজ্জায়। আর ভ্রূনাবস্থায় যকৃত, প্লীহা প্রভৃতি অঙ্গে রক্ত উৎপাদিত হয়।
হৃদপিণ্ড রক্তকে সারা শরীরে সঞ্চালিত করে থাকে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৯৪.
মানুষের শরীরের রক্তের গ্রুপ কয়টি?
  1. ক) চারটি
  2. খ) পাঁচটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) দুইটি
সঠিক উত্তর:
ক) চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চারটি
ব্যাখ্যা
- মানুষের রক্তের গ্রুপকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- O, A, B এবং AB।

রক্তের গ্রুপ
:
- লোহিত রক্ত কণিকার প্লাজমা মেমব্রেনে অবস্থিত বিভিন্ন অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির ভিত্তিতে রক্তের শ্রেণীবিন্যাসকে 'রক্ত গ্রুপ' বলে। 
- রক্ত কণিকায় আ্যান্টিজেনের উপস্থিত ও অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে রক্তের যে শ্রেণীবিন্যাস, তা ব্লাড গ্রুপ নামে পরিচিত। 
- মানুষের রক্তে A ও B এ দু'ধরনের আ্যান্টিজেন থাকতে পারে।

O রক্তের গ্রুপ:
- O গ্রুপের রক্তের কণিকা ঝিল্লিতে কোন অ্যান্টিজেন নাই।
- O রক্তের গ্রুপের লোকেরা সাধারণত সর্বজনীন রক্ত দাতা হিসাবে পরিচিত এবং শুধুমাত্র O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে।

AB রক্তের গ্রুপ
:
- AB রক্তের গ্রুপে A ও B দুটি অ্যান্টিজেন থাকে।
- AB রক্তের গ্রুপকে সর্বজনীন গ্রহীতা বলা হয় কারণ সব গ্রুপের রক্ত এটি গ্রহণ করতে পারে এবং শুধুমাত্র AB রক্তের গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত ​​দান করতে পারে।

A রক্তের গ্রুপ
:
- A রক্তের গ্রুপে A অ্যান্টিজেন থাকে।
- A রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র A এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে এবং টাইপ A এবং AB ব্যক্তিদের দান করতে পারে।

B রক্তের গ্রুপ
:
- B রক্তের গ্রুপে B অ্যান্টিজেন থাকে।
- B রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র B এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে এবং B এবং AB গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত ​​দান করতে পারে।

উৎস
: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৫.
মাইকোব্যাক্টেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস জীবাণু দ্বারা কোন রোগে আক্রান্ত হয়?
  1. ক) কলেরা
  2. খ) যক্ষ্মা
  3. গ) এইডস
  4. ঘ) ডেঙ্গু
সঠিক উত্তর:
খ) যক্ষ্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যক্ষ্মা
ব্যাখ্যা
- কলেরা রোগের জন্য দায়ী জীবাণু ভিব্রিও কলেরা।
- যক্ষ্মা রোগের জন্য দায়ী জীবাণু  মাইকোব্যাক্টেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস। 
- এইডস এর জীবাণুর নাম এইচ আই ভি।
- ডেঙ্গু এর জীবাণুর নাম এডিস ইজিপ্টি।

উৎস: একাদশ শ্রেণির জীববিজ্ঞান বই।
৯৬.
কোন রোগ প্রতিরোধের জন্য নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা দেওয়া হয়? 
  1. কলেরা 
  2. প্লেগ 
  3. টাইফয়েড 
  4. ধনুষ্টংকার 
সঠিক উত্তর:
ধনুষ্টংকার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধনুষ্টংকার 
ব্যাখ্যা

টিকার প্রকারভেদ: 
- মানবদেহের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে দমন করতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টিকা আবিষ্কার করেছেন। 
যেমন- 
১। নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু জীবন্ত টিকা: 
- কালচার করা, ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল করে দেওয়া জীবিত জীবাণু নিয়ে তৈরি। 
উদাহরণ- BCG, হাম, মাম্পস, পোলিও, জলাতঙ্ক, যক্ষ্মা, গুটিবসন্ত, প্লেগ, টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

২। মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা: 
- এ ধরনের টিকা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি। 
উদাহারণ- ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা প্রভৃতি ভ্যাকসিন। 

৩। নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা: 
- এ ধরনের টিকা জীবাণু নিঃসৃত টক্সয়েড দিয়ে তৈরি। 
উদাহরণ- ডিপথেরিয়া, টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

৪। দেহ তলের রাসায়নিক বস্তু: 
- অনেক ক্ষেত্রে সংক্রমণকারী জীবাণুর দেহ তল থেকে রাসায়নিক উপাদান (নির্দিষ্ট প্রোটিনের অংশ) আলাদা করে ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 
উদাহরণ- হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস ভ্যাকসিন প্রভৃতি। 

৫। ডিএনএ টিকা: 
- রিকমবিনেন্ট DNA পদ্ধতিতে DNA ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৭.
ভিটামিন বি এর অভাবে মানবদেহে নিচের কোনটি ঘটে?
  1. ক) রাতকানা রোগ হয়
  2. খ) জরায়ু এর মধ্যে ভ্রূণের মৃত্যু ঘটে
  3. গ) স্কার্ভিতে আক্রান্ত হয়
  4. ঘ) দেহকোষে বিপাকীয় কাজ বাধাগ্রস্থ হয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) দেহকোষে বিপাকীয় কাজ বাধাগ্রস্থ হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দেহকোষে বিপাকীয় কাজ বাধাগ্রস্থ হয়
ব্যাখ্যা

- রাতকানা, জরায়ু এর মধ্যে ভ্রূণের মৃত্যু এবং স্কার্ভি হয় যথাক্রমে ভিটামিন এ, ই এবং সি এর অভাবে।
- ভিটামিন বি এর অভাবে দেহকোষে বিপাকীয় কাজ বাধাগ্রস্থ হয়।
তথ্যসূত্র: বিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ৭,৮ ও ১০।

৯৮.
'স্ট্রোক' আকস্মিক অজ্ঞান বা মৃত্যুর কারণ হতে পারে - এটি কি?
  1. ক) হৃৎপিণ্ডের সজোরে সংকোচন বা বন্ধ হয়ে যাওয়া
  2. খ) মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা
  3. গ) হৃৎপিণ্ডের অংশবিশেষের অসাড়তা
  4. ঘ) ফুসফুসে হঠাৎ বিকল হয়ে যাওয়া
সঠিক উত্তর:
খ) মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা
ব্যাখ্যা
মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা ফলে স্ট্রোক হয়। যাতে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। যা একটি রক্ত সঞ্চালনের জনিত একটি রোগ।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৯.
নিচের কোনটি অসংক্রামক ব্যাধি?
  1. স্থূলতা
  2. কুষ্ঠ
  3. রুবেলা
  4. কলেরা
সঠিক উত্তর:
স্থূলতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থূলতা
ব্যাখ্যা

- ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক, পরজীবী ইত্যাদির কারণে সৃষ্ট রোগগুলো সংক্রামক রোগ। ধনুষ্টংকার, জলবসন্ত, এইডস, ম্যালেরিয়া, কালাজ্বর, যক্ষ্মা, কুষ্ঠ, রুবেলা, কলেরা ইত্যাদি হলো সংক্রামক রোগ।
- যে রোগগুলো সাধারণভাবে এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির দেহে ছড়িয়ে পড়ে না তাকে অসংক্রামক রোগ বলে। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা, ক্রোনিক কিডনি ডিজিজ ইত্যাদি হলো অসংক্রামক ব্যাধি।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১০০.
হেপাটাইটিস (জন্ডিস) রোগের প্রধান কারণ কি ?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) প্রটোজোয়া
  3. গ) হেলমিনথিস
  4. ঘ) ব্যাকটেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভাইরাস
ব্যাখ্যা


উৎসঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়