বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৯২ / ১২৬ · ৯,১০১৯,২০০ / ১২,৬০৫

৯,১০১.
পেশকৃত দলিলসমূহ বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায়?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০২ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০১ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৫ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৪ ধারার বিধান পেশকৃত দলিলসমূহ বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতাঃ যে কোন আদালত, উপযুক্ত বিবেচনা করলে, এই কোড অনুসারে ইহার সমক্ষে পেশ করা যে কোন দলিল বা বস্তু বাজেয়াপ্ত করতে পারেন।

------------
♦ Section 104. Power to impound document, etc, produced: Any Court may, if it thinks fit, impound any document or thing produced before it under this Code.
৯,১০২.
'ক' 'খ' কে নিহত করিবার উদ্দেশ্যে তাহার প্রতি গুলিবর্ষণ করে, ফলে 'খ' এর মৃত্যু হয়। 'ক' কি অপরাধে করিয়াছে?
  1. নরহত্যা
  2. অপরাধজনক নরহত্যা
  3. খুন
  4. আত্মহত্যার সহায়তাকরণ
সঠিক উত্তর:
খুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা

দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা

তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা

চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার (উদা:ক)।
--------------------
Murder:
Section 300. Except in the cases hereinafter excepted, culpable homicide is murder, if the act by which the death is caused is done with the intention of causing death, or- 
Secondly.-If it is done with the intention of causing such bodily injury as the offender knows to be likely to cause the death of the person to whom the harm is caused, or – 
Thirdly.-If it is done with the intention of causing bodily injury to any person and the bodily injury intended to be inflicted is sufficient in the ordinary course of nature to cause death, or – 
Fourthly.-f the person committing the act knows that it is so imminently dangerous that it must, in all probability, cause death, or such bodily injury as is likely to cause death, and commits such act without any excuse for incurring the risk of causing death or such injury as aforesaid. 
 
Illustrations 
(a) A shoots Z with the intention of killing him. Z dies in consequence. A commits murder.
৯,১০৩.
দণ্ডবিধি কোন ধরনের আইন?
  1. তত্ত্বগত
  2. পদ্ধতিগত
  3. সংস্কারমূলক
  4. বিশেষ আইন
সঠিক উত্তর:
তত্ত্বগত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তত্ত্বগত
ব্যাখ্যা
• যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে।
- যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।
৯,১০৪.
ঘোষণামূলক মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের কোন অনুচ্ছেদের অধীনে নির্ধারিত?
  1. ১০ অনুচ্ছেদ
  2. ১২ অনুচ্ছেদ
  3. ১০০ অনুচ্ছেদ
  4. ১২০ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১২০ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে, তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে। শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ করা হয়নি। তাই শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে।

• তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ হবে ৬ বছর।
৯,১০৫.
আদেশ ১২, বিধি ৬ এর অধীনে রায় প্রদান করা যেতে পারে-
  1. শুধুমাত্র চূড়ান্ত শুনানির পর
  2. যখন কোনো পক্ষ স্বীকারোক্তি দেয়
  3. যখন কোনো পক্ষ অনুরোধ করে
  4. উচ্চতর আদালত আদেশ দিলে
সঠিক উত্তর:
যখন কোনো পক্ষ স্বীকারোক্তি দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন কোনো পক্ষ স্বীকারোক্তি দেয়
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১২ বিধি ৬- স্বীকারোক্তির উপর রায়:
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

Order-12 Rule-6: Judgment on admissions:
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
৯,১০৬.
পুলিশ ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুসারে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ চিকিৎসকের নিকট প্রেরণ করেন?
  1. ধারা ১৭৬(৩)
  2. ধারা ১৭৪(৩)
  3. ধারা ১৭৫(৩)
  4. ধারা ১৭৬(১)
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭৪(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭৪(৩)
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪(৩) ধারায় ময়নাতদন্ত (Post-mortem) এর কথা বলা হয়েছে। কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বা এই উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক বিশেষ ভাবে ক্ষমতাবান অন্য কোন পুলিশ অফিসার যদি সংবাদ পান যে,কোন ব্যক্তি-
> আত্মহত্যা করেছে,অথবা
> অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা কোন প্রাণী কর্তৃক বা কোন যন্ত্র দ্বারা দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে, অথবা
> এরূপ অবস্থায় মারা গেছে- যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে অন্য কোন ব্যক্তি অপরাধ করেছে;
 
অর্থ্যাৎ মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সন্দেহ থাকলে বা অন্য কোন কারণে এই সম্পর্কে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত নিয়ম সাপেক্ষে পুলিশ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪(৩) অনুসারে ময়নাতদন্তের (Post mortem) জন্য লাশটি নিকটতম সিভিল সার্জন বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অন্য কোন যোগ্যতাসম্পন্ন চিকিৎসকের নিকট প্রেরণ করবেন। তবে আবহাওয়ার অবস্থা ও দূরত্বের জন্য লাশটি রাস্তায় পঁচে যাবার আশঙ্কা থাকলে ময়নাতদন্ত করা অর্থহীন হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে লাশ প্রেরণের প্রয়োজন নেই।
৯,১০৭.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৩ অনুসারে, দুষ্কর্মের সহযোগী (accomplice) কোন ধরনের সাক্ষী?
  1. অযোগ্য সাক্ষী
  2. উপযুক্ত সাক্ষী
  3. আংশিক‑যোগ্য সাক্ষী
  4. বাদী পক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে যোগ্য সাক্ষী
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত সাক্ষী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত সাক্ষী
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৩- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
 
Section 133- Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
৯,১০৮.
তামাদি আইন,১৯০৮ একটি-
  1. মূল আইন
  2. পদ্ধতিগত আইন
  3. তত্ত্বগত আইন
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন হলো একটি পদ্ধতিগত আইন।

পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law):
তত্ত্বগত আইনগুলোতে যে অধিকার, কর্তব্য ও শাস্তিসমূহ উল্লেখ থাকে সেগুলো যে প্রক্রিয়া বা পদ্ধতির মাধ্যমে কার্যকর করা হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি যে আইনসমূহে উল্লেখ থাকে তাই পদ্ধতিগত আইন। যেমন: ফৌজদারি কার্যবিধি, তামাদি আইন, দেওয়ানি কার্যবিধি ইত্যাদি।

তত্ত্বগত আইন (Substantive Law):
যে আইনসমূহ অধিকার ও কর্তব্যকে সংজ্ঞায়িত বা সন্নিবেশিত করে বা কোন অপরাধ কে সংজ্ঞায়িত করে ও তার শাস্তির পরিমাণ উল্লেখ করে, তাই তত্ত্বগত আইন বা মূল আইন। যেমন: চুক্তি আইন, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।
৯,১০৯.
অ্যাডভোকেট হিসেবে অন্তর্ভুক্তির পর কতদিনের মধ্যে যেকোনো একটি বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ বার কাউন্সিল আদেশের ৬৬ নং বিধিমতে অ্যাডভোকেট হিসেবে অন্তর্ভুক্তির পর ছয় মাসের মধ্যে প্রত্যেককে একটি বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হতে হবে।
⇒ নতুন তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেট (enrolled advocate) ৬ মাসের মধ্যে বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য না হলে তালিকাভুক্তির (enrolment) ছয় মাস পর আপনা-আপনি তার তালিকাভুক্তিকরণ সনদ (certificate of enrolment) বাতিল হয়ে যাবে।
----------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Rules, 1972. Rule-66:
(1) No person shall practise as an Advocate unless he is a member of a Bar Association of the place at which he ordinarily practises, which Association has been recognized under the rules next following.
(2) The certificate of enrolment of a person who has not become a member of a Bar Association within six months of his enrolment shall stand automatically suspended;
৯,১১০.
কোন ফৌজদারি আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে?
  1. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  4. জেলা জজ
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত দায়রা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৫ ধারা অনুযায়ী রিভিশনের ক্ষমতা বা নিন্ম আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা আছে হাইকোর্ট বিভাগের ও দায়রা জজ আদালতের (অতিরিক্ত দায়রা জজ)।
♦ রিভিশনের ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা জজ ও অতিরিক্ত দায়রা জজ সকলের রয়েছে ।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ক(৩) ধারায় অতিরিক্তি দায়রা জজের রিভিশন ক্ষমতা রয়েছে। দায়রা জজ সাধারন বা বিশেষ আদেশ বলে তার নিকট দায়েরকৃত কোন রিভিশন অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করতে পারে; এক্ষেত্রে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।  রিভিশনে প্রদত্ত দায়রা জজের আদেশই চূড়ান্ত কেননা, ফৌজদারি কার্যবিধিতে ২য় ব্রিভিশনের বিধান নাই।
৯,১১১.
খ অন্যায়ভাবে চ এর ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে চ এর বরফ ঘরে পানি দেয় এবং তার ফলে বরফ গলে যায় ক এখানে কি ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. মালামাল বিনষ্ট সাধন
  2. অর্থ আত্মসাৎ
  3. ক্ষতি/অনিষ্ট সাধন
  4. জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়
সঠিক উত্তর:
ক্ষতি/অনিষ্ট সাধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতি/অনিষ্ট সাধন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারায় অনিষ্ট বা ক্ষতির সংজ্ঞা (Mischief) রয়েছে। ৪২৫ ধারা অনুযায়ী অন্যের অন্যায় ক্ষতি বা লোকসানের (Wrongful loss or damage) উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট অথবা সম্পত্তির মূল্য/উপযোগীতা হ্রাস বা ক্ষতিগ্রস্ত করাকে অনিষ্ট বা ক্ষতি (mischief) বলে।
৯,১১২.
ধারা ৩৯ অনুযায়ী, কোন কর্তৃপক্ষ দলিলের নিবন্ধনের কপি সংরক্ষণ করবে?
  1. আদালত
  2. সরকার
  3. রেজিস্ট্রার
  4. দলিলের মালিক
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রার
ব্যাখ্যা
• ৩৯ ধারা: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।
৯,১১৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১১ বিধি ২১- এর অধীনে কোন ক্ষেত্রে বাদীর মোকদ্দমা খারিজ হতে পারে?
  1. প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে
  2. আদালতে হাজির না হলে
  3. প্রশ্নমালার উত্তর দিতে ব্যর্থ হলে
  4. অপর পক্ষের সঙ্গে আপস করতে না চাইলে
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নমালার উত্তর দিতে ব্যর্থ হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নমালার উত্তর দিতে ব্যর্থ হলে
ব্যাখ্যা
• যদি কোনো পক্ষ যাকে মামলা সম্পর্কিত কোন বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার (to answer Interrogatories) বা কোন দলিল প্রকাশ (discovery of documents) বা দলিল নিরীক্ষণের (inspection of documents) আদেশ দেয়া হয়েছে, যদি সে বাদী হয় এবং সে যদি উক্ত আদেশ পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত তার মামলা খারিজ (Dismissed the suit) করে দিবে এবং যদি সে বিবাদী হয় তাহলে তার আত্মপক্ষ সমর্থন (Right to defence) বাতিল করবে।

• আদেশ ১১ বিধি ২১ (আদেশ অমান্যকরণ)-
যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রশ্নমালার উত্তর দানের বা দলিলসমূহের উদ্ঘাটন বা পরিদর্শনের জন্য কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তদক্ষেত্রে সে বাদী হয় তবে পরিচালনার অভাবে তার মোকদ্দমা খারিজ হওয়ার জন্য সে দায়ী হবে এবং যদি বিবাদী হয় তবে তার যদি কোন জবাব থাকে, উহা কর্তন হওয়ার নিমিত্তে সে দায়ী হবে এবং সে যেন আত্মপক্ষ সমর্থন করেনি এরূপ পরিস্থিতিতে স্থিত হবে এবং প্রশ্নকারী পক্ষ কিংবা উদঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী উক্ত মর্মে আদেশের জন্য আদালতে আবেদন করবে এবং তদনুযায়ী আদালত আদেশ প্রদান করতে পারবে।

Order 11 Rule-21: Non-compliance with order for discovery-
Where any party fails to comply with any order to answer interrogatories or for discovery or inspection of documents, he shall if a plaintiff be liable to have his suit dismissed for want of prosecution and if a defendant to have his defence, if any, struck out, and to be placed in the same position as if he had not defended, and the party interrogating or seeking discovery or inspection may apply to the Court for an order to that effect, and an order may be made accordingly.
৯,১১৪.
আদালত কোন ব্যক্তিকে তার অনুকূলে বিদ্যমান বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করা হতে বিরত রাখার আদেশ দেয় কিসের মাধ্যমে?
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা: যেক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধের লক্ষ্যে এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে তা রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।
------------------
Section 55- Mandatory injunctions: When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.

৯,১১৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোথায় দেওয়ানি আদালতকে বিচার্য বিষয় সংশোধন এবং কর্তন ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. আদেশ ১৪ বিধি-৩
  2. আদেশ ১৪ বিধি-৫
  3. আদেশ ১৪ বিধি-৬
  4. আদেশ ১৪ বিধি-৭
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৪ বিধি-৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৪ বিধি-৫
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪ নং আদেশে বিচার্য বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় এর স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়। মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন আদালত বাদীর আরজি এবং লিখিত বর্ণনা (যদি থাকে) পাঠ করার পর এবং প্রয়োজনমত পক্ষগণের পরীক্ষা করার পর ঘটনা কিংবা আইনের কোন গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতির উপর পক্ষগণ এর বিরোধ তা নির্ধারণ করবে এবং যে সকল বিচার্য বিষয়ের উপর মোকদ্দমার সঠিক সিদ্ধান্ত নির্ভর করে বলে প্রতীয়মান হয়, সে সমস্ত বিষয় লিপিবদ্ধ করবে। 

• আদেশ ১৪ বিধি-৫: বিচার্য বিষয় সংশোধন এবং কর্তন ক্ষমতা-
১) আদালত ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্তে বিচার্য বিষয় সংশোধন কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় গঠন করতে পারে এবং পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়াবলী নির্ণয় করতে প্রয়োজনীয় হতে পারে এরূপ সংশোধনী কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় সেভাবে প্রণীত হবে।
২) ডিক্রি দেয়ার পূর্বে আদালত আরো তার নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত কিংবা প্রবর্তিত হয়েছে বলে পরিদৃষ্ট হলে কোন বিচার্য বিষয় কেটে দিতে পারে।

Order 14 Rule 5: Power to attend and strike out issues-
(1) The Court may at any time before passing a decree amend the issues or frame additional issues on such terms as it thinks fit, and all such amendments or additional issues as may be necessary for determining the matters in controversy between the parties shall be so made or framed.
(2) The Court may also at any time before passing a decree, strike out any issues that appear to it to be wrongly framed or introduced.
৯,১১৬.
যদি মনুষ্য বসবাসের স্থান, দালান বা তাঁবুতে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ (criminal trespass) হয় তাহলে তাকে কী বলে?
  1. অপথে গৃহপ্রবেশ
  2. অনধিকার গৃহপ্রবেশ
  3. রাত্রি বেলায় অপথে গৃহপ্রবেশ
  4. সূর্যাস্তের পরে এবং সূর্যোদয়ের পূর্বে অপথে গৃহপ্রবেশ
সঠিক উত্তর:
অনধিকার গৃহপ্রবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিকার গৃহপ্রবেশ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারার বিধান অনধিকার গৃহে প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি মানুষের আবাসস্থল হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে, তাঁবুতে বা জলযানে অথবা উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে অথবা সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ সংঘটন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধটি করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ প্রতিদানের পক্ষে যথেষ্ট।

⇒ অনধিকার গৃহ-প্রবেশ (House-trespass)- কোন ব্যক্তির গৃহে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করলে তা অনধিকার গৃহপ্রবেশ বলে গণ্য হবে।
⇒ ৪৪২ ধারায় গৃহ বলতে দালান (building), তাঁবু (tent), জাহাজ (vessel) বা নৌকাকে বোঝায় যা মানুষের বসবাস, সম্পত্তি সংরক্ষণ অথবা উপাসনার (place for custody of property or for worship) জন্য ব্যবহৃত হতে হবে।
⇒ অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ সংঘটনের জন্য যথেষ্ট।
-------------
Section 442. House-trespass:- Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".
Explanation:-The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house-trespass.
৯,১১৭.
"স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, তবে প্রতিবন্ধক হতে পারে"—এই বিষয়টি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় উল্লিখিত?
  1. ১৭ ধারায়
  2. ২৫ ধারায়
  3. ২৭ ধারায়
  4. ৩১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ "স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, তবে প্রতিবন্ধক হতে পারে"—এই বিষয়টি সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩১-এ উল্লেখিত হয়েছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে যে, স্বীকৃতি (admissions) চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, তবে এটি প্রতিবন্ধক (estoppel) হতে পারে। অর্থাৎ, একজন ব্যক্তি যা কিছু স্বীকার করেছে, তা অবশ্যই প্রমাণের চূড়ান্ত পদ্ধতি নয়, তবে যদি তার স্বীকৃতির উপর ভিত্তি করে অন্য কোনো পক্ষ যে কোনো দাবিতে চলে আসে, তবে ওই ব্যক্তি পরে তার স্বীকৃতির বিপরীতে দাঁড়াতে পারবেন না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে:
কোনো বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
-------------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 31: Admissions not conclusive proof, but may stop:
Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
৯,১১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় 'Judgment on admissions' এর বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ১২ বিধি ৪
  2. আদেশ ১২ বিধি ৮
  3. আদেশ ১২ বিধি ৬
  4. আদেশ ১২ বিধি ৯
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১২ বিধি ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১২ বিধি ৬
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬ এ 'Judgment on admissions' এর বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১২ বিধি ৬ (স্বীকারোক্তির উপর রায়)-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

CPC Order-12 Rule-6 :Judgment on admissions:
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
৯,১১৯.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৩ অনুযায়ী কে আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে উপযুক্ত ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হবেন?
  1. আসামীর আত্মীয়
  2. দুষ্কর্মের সহযোগী
  3. কোনো স্বাধীন সাক্ষী
  4. শুধুমাত্র পুলিশ কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
দুষ্কর্মের সহযোগী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুষ্কর্মের সহযোগী
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৩৩ অনুযায়ী "An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice."
- এখানে “Accomplice” বলতে বোঝানো হয়েছে সেই ব্যক্তি, যে অপরাধে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে জড়িত বা সহায়তা করেছে। যদিও সে নিজেও দোষী, তবুও সে আইনত উপযুক্ত (competent) সাক্ষী হিসেবে গণ্য হয় এবং তার সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে দণ্ড দেওয়া আইনসঙ্গত।
- তবে সতর্কতা হিসেবে, আদালত সাধারণত দুষ্কর্মের সহযোগীর সাক্ষ্যের সাথে সমর্থনকারী সাক্ষ্য (corroborative evidence) খোঁজে, যেটা ধারা ১১৪-এর illustration (b) তে উল্লেখ রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-133- Accomplice:
- An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.

৯,১২০.
ফৌজদারি আদালত সাক্ষীকে দলিল হাজির করতে বলার পর যদি তিনি তা উপস্থাপন করতে অস্বীকার করেন, তাহলে আদালত সর্বোচ্চ কতদিন তাকে কোর্ট অফিসারের হেফাজতে রাখতে পারেন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ ধারা- কোন ব্যক্তি জবাব দিতে বা দলিল করতে অস্বীকার করলে কারাদণ্ড বা সোপর্দকরণ:
কোন ফৌজদারী আদালত কোন সাক্ষী বা ব্যক্তিকে তার দখলের বা ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত কোন দলিল বা বস্তু হাজির করতে বললে সে যদি তা হাজির করতে অস্বীকার করে বা তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার করে, এবং এই অস্বীকৃতির জন্য কোন যৌক্তিক কৈফিয়ত না দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন অথবা প্রিজাইডিং ম্যাজিস্ট্রেট বা জজের নিজ হাতে স্বাক্ষরিত পরোয়ানা দ্বারা তাকে ৭ (সাত) দিনের অনধিক যেকোন সময়ের জন্য কোর্টের কোন অফিসারের হেফাজতে আটক রাখতে পারবেন, যদি না উক্ত ব্যক্তি ইতোমধ্যে জবানবন্দী দিতে বা দলিল বা বস্তু হাজির করতে রাজী হয়। উক্ত ব্যক্তি তার অস্বীকৃতিতে অবিচল থাকলে ধারা-৪৮০ বা ৪৮২ অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশনের ক্ষেত্রে তাকে অবমাননার জন্য দোষী মর্মে গণ্য করতে হবে।

Section-485: Imprisonment or committal of person refusing to answer or produce document:
If any witness or person called to produce a document or thing before a Criminal Court refuses to answer such questions as are put to him or to produce any document or thing in his possession or power which the Court requires him to produce, and does not offer any reasonable excuse for such refusal, such Court may, for reasons to be recorded in writing, sentence him to simple imprisonment, or by warrant under the hand of the presiding Magistrate or Judge commit him to the custody of an officer of the Court for any term not exceeding seven days, unless in the meantime such person consents to be examined and to answer, or to produce the document or thing. In the event of his persisting in his refusal, he may be dealt with according to the provisions of section 480 or section 482, and in the case of High Court Division shall be deemed guilty of a contempt.
৯,১২১.
দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী, কয়টি উপায়ে কোনো কাজের প্ররোচনা দেওয়া যায়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী, প্ররোচনা (Abetment) তিনটি উপায়ে হতে পারে:
১) প্ররোচনা (Instigation)
২) ষড়যন্ত্র (Conspiracy)
৩) ইচ্ছাকৃত সহায়তা (Intentional Aid)

⇒ অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (Abetment):
অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা বলতে এমন কাজ বা কার্যক্রম বোঝায় যা অন্যকে অপরাধ করতে উসকানির মাধ্যমে সহায়তা করে। এর মধ্যে রয়েছে:
- অনুপ্রেরণা বা উসকানি (Instigation): অন্য কাউকে অপরাধ করার জন্য উদ্বুদ্ধ বা প্ররোচিত করা।
- ষড়যন্ত্র (Conspiracy): অপরাধ করার জন্য অন্য কারও সাথে গোপনে পরিকল্পনা করা।
- সহায়তা (Assistance): অপরাধ সংঘটনে সরাসরি সাহায্য করা।
-  যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কাউকে অপরাধ করতে সাহায্য বা উসকানি দেয়, তখন তাকে অপরাধের সাথে সম্পর্কিত হিসেবে দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারী হিসেবে গণ্য করা হয়।
- দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেকোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করার জন্য কাউকে প্ররোচিত করে বা অপরাধ সংঘটনের জন্য চক্রান্তে লিপ্ত হয়, তবে তাকে অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনাকারী বলে গণ্য করা হবে।

উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি অন্য কাউকে চুরি করতে উসকানি দেয় বা চুরির জন্য তাকে সাহায্য করে, তবে সে সেই অপরাধের জন্য দায়ী হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 107: Abetment of a thing: 
- A person abets the doing of a thing, who-
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.

Explanation-1.- A person who, by wilful misrepresentation, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
Explanation-2.- Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.

৯,১২২.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৭ ধারা অনুসারে, আপিল আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাগুলোর মধ্যে কোনটি নয়?
  1. বিচার্য বিষয় গঠন করা
  2. বাদীকে নতুন মামলার আদেশ করা
  3. মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করা
  4. মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা
সঠিক উত্তর:
বাদীকে নতুন মামলার আদেশ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীকে নতুন মামলার আদেশ করা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১০৭ অনুসারে, আপিল আদালতের ক্ষমতাগুলোর মধ্যে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
ক) বিচার্য বিষয় গঠন করা: ধারা ১০৭(১)(গ) অনুসারে, আপিল আদালত বিচার্য বিষয় গঠন করতে এবং তা বিচারের জন্য প্রেরণ করতে পারে।
গ) মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করা: ধারা ১০৭(১)(খ) অনুসারে, আপিল আদালত মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করতে পারে।
ঘ) মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা: ধারা ১০৭(১)(ক) অনুসারে, আপিল আদালত মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করতে পারে।

কিন্তু খ) বাদীকে নতুন মামলার আদেশ করা ধারা ১০৭-এর অধীনে আপিল আদালতের ক্ষমতার মধ্যে পড়ে না। আপিল আদালতের কাজ হলো নিম্ন আদালতের রায় বা আদেশ পর্যালোচনা করা, পুনর্বিচারে প্রেরণ করা, বিচার্য বিষয় গঠন করা, অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা বা মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করা। নতুন মামলা দায়েরের আদেশ দেওয়া আপিল আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে নয়, কারণ এটি মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের কাজ।
সুতরাং, সঠিক উত্তর: খ) বাদীকে নতুন মামলার আদেশ করা।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারার বিধান: আপিল আদালতের ক্ষমতা:-
১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, তৎসাপেক্ষে আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
ক) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলো বিচারার্থে প্রেরণ করার;
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করতে ক্ষমতা।
২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যেরূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section 107. Powers of Appellate Court:
(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, an Appellate Court shall have power-
(a) to determine a case finally;
(b) to remand a case;
(c) to frame issues and refer them for trial;
(d) to take additional evidence or to require such evidence to be taken.
(2) Subject as aforesaid, the appellate Court shall have the same powers and shall perform as nearly as may be the same duties as are conferred and imposed by this Code on Courts of original jurisdiction in respect of suits instituted therein.

৯,১২৩.
মামলা শুনানীর যেকোন পর্যায়ে আদালত-
  1. শুধু সমন প্রেরণ করে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে
  2. সমন প্রেরণ ছাড়া সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে না
  3. আদালতে উপস্থিত কোন ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে
  4. সাক্ষীর পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে না
সঠিক উত্তর:
আদালতে উপস্থিত কোন ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে উপস্থিত কোন ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪০: গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর সমন করার কিংবা উপস্থিত ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করার ক্ষমতা

এই বিধির অধীন কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন ধাপে কোন আদালত যেকোন ব্যক্তিকে সাক্ষী রূপে সমন করতে পারবেন বা সাক্ষী রূপে সমন করা না হলে উপস্থিত যেকোন ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন, বা ইতোমধ্যে যার জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়েছে তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন এবং এরূপ কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য আদালতের ন্যায়বিচারের জন্য অত্যাবশ্যক মর্মে প্রতীয়মান হলে, আদালত তাকে সমন করে তার জবানবন্দী গ্রহণ করবেন কিংবা পুনরায় তলব করে পুনরায় তার জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন।

Section 540: Power to summon material witness or examine person present
Any Court may, at any stage of any inquiry, trial or other proceeding under this Code, summon any person as a witness, or examine any person in attendance, though not summoned as a witness, or recall and re-examine any person already examined; and the Court shall summon and examine or recall and re-examine any such person if his evidence appears to it essential to the just decision of the case.
৯,১২৪.
বার কাউন্সিলের স্থায়ী কমিটি কোনটি ?
  1. নির্বাহী কমিটি
  2. আর্থিক কমিটি
  3. আইন শিক্ষা কমিটি
  4. উপরের সবগুলাই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলাই
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর ১১ অনুচ্ছেদে ৩ টি স্থায়ী কমিটির (Standing Committees] উল্লেখ আছে।
♦ ১১(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বার কাউন্সিল নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটি” নিয়ে গঠিত হবে

১. নির্বাহী কমিটি 

২. আর্থিক কমিটি 

৩. আইন শিক্ষা কমিটি
৯,১২৫.
The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারায় 'Preventive relief' এর সংজ্ঞা আছে?
  1. ৫৬
  2. ৫৫
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বা Preventive Relief এর সংজ্ঞা রয়েছে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারার (গ) অনুচ্ছেদের অধীন যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় তাকে নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বলে। অর্থাৎ যা না করার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত থাকার আদেশ প্রদানই হলো প্রতিরোধমূলক প্রতিকার ।

সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদান করা হলেও সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার নয়। যেমন- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হলেও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) হল আদেশাত্মক প্রতিকার। অর্থাৎ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ছাড়া সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা হলো নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief).
৯,১২৬.
সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে, যদি উক্ত কর্মচারী তার কর্তব্যকার্যে অনুপস্থিত থাকলে জনসাধারণের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাহলে ধারা ৮১ অনুযায়ী আদালত-
  1. কর্মচারীকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন
  2. কর্মচারীকে তাৎক্ষনিক গ্রেফতারের নির্দেশ দিতে পারেন
  3. মোকদ্দমাটি অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারেন
  4. মোকদ্দমার তারিখ অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে দিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
কর্মচারীকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মচারীকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
ধারা ৮১- গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি:
পদাধিকারবলে কৃত কার্যের দরুন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে-
ক) ডিক্রি জারি ব্যতীত বিবাদীকে গ্রেফতার করা বা তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না; এবং
খ) যদি আদালত মনে করেন যে, উক্ত কর্মচারী তার কর্তব্যকার্যে অনুপস্থিত থাকলে জনসাধারণের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাহলে আদালত তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি প্রদান করবেন।

Section 81: Exemption from arrest and personal appearance:
In a suit instituted against a public officer in respect of any act purporting to be done by him in his official capacity-
a) the defendant shall not be liable to arrest not his property to attachment otherwise than in execution of a decree, and,
b) where the Court is satisfied that the defendant cannot absent himself from his duty without detriment to the public service, it shall exempt him from appearing in person.
৯,১২৭.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় অনুমান (Presumption) এর বিধান আছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার বিধান অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে যোষণ করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।

⇒ অনুমান (Presumption) - অনুমান ৩ প্রকার:

১) অনুমান করতে পারে (May presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত ধরে নিতে পারেন প্রমাণিত। (ধারা: ৮৬-৮৮, ৯০ এবং ১১৪)

২) অনুমান করবে (Shall presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই ধরে নিবেন প্রমানিত (ধারা: ৭৯-৮৫, ৮৯ এবং ১০৫)

৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): একটি বিষয়কে অন্য বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে ঘোষণা করা, যা অবশ্যই প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত করার জন্য কোন প্রকার সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না। (ধারা: ৪১ ও ১১২)

⇒ May Presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করতে পারেন অথবা পক্ষগণকে প্রমাণ করার আহবান জানাতে পারেন।

⇒ Shall presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা অবশ্যই প্রমাণিত বলে ধরে নিবেন।

⇒ যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive Proof) বলে ঘোষনা করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলেই অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং প্রথমোক্ত বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্য প্রদানের অনুমতি দিবেন না।
৯,১২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির _______ ধারায় মামলা ও আপীল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের ক্ষমতার বিধান আলোচিত হয়েছে।
  1. ৫২৩ ধারায়
  2. ৫২৫ ধারায়
  3. ৫২৫ক ধারায়
  4. ৫২৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫২৫ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২৫ক ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২৫ক- মামলা ও আপীল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের ক্ষমতা:
 
(১) যেক্ষেত্রে এটা প্রতীয়মান হয় যে, এরূপ স্থানান্তর ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য বা পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার উন্নয়ন ঘটাবে সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগ কোন নির্দিষ্ট মামলা বা আপিল হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে উহার অন্য স্থায়ী বেঞ্চে কিংবা হাইকোর্ট বিভাগের কোন স্থায়ী বেঞ্চের এখতিয়ারের মধ্যকার কোন ফৌজদারী আদালত থেকে হাইকোর্ট বিভাগের অন্য কোন স্থায়ী বেঞ্চের মধ্যকার এখতিয়ারের মধ্যকার একই বা উচ্চতর ক্ষমতা সম্পন্ন ফৌজদারী আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।
 
(২) যে হাইকোর্ট ডিভিশনের স্থায়ী বেঞ্চ কিংবা ক্ষেত্রমতে আদালতে মামলা বা আপীল স্থানান্তরিত হয়, সে বেঞ্চ বা আদালত এমনভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন যাতে মূলতঃ সেখানেই উক্ত মামলা বা আপীল দায়ের করা বা উপস্থাপিত হয়েছিল।
 
Section 525A- Power of Appellate Division to transfer cases and appeals:
(1) The Appellate Division may direct the transfer of any particular case or appeal from one permanent Bench of the High Court Division to another permanent Bench of the High Court Division, or from any Criminal Court within the jurisdiction of one permanent Bench of the High Court Division to any other Criminal Court of equal or superior jurisdiction within the jurisdiction of another permanent Bench of the High Court Division, whenever it appears to it that such transfer promote the ends of justice, or tend to the general convenience of parties or witnesses.
(2) The permanent Bench of the High Court Division or the Court, as the case may be, to which such case or appeal is transferred shall deal with the same as if it had been originally instituted in, or presented to, such Bench or Court, as the case may be.
৯,১২৯.
আদেশ-৪৭ এর বিধি-৪ মোতাবেক প্রদত্ত রিভিউ প্রার্থনা মঞ্জুর করার আদেশ-
  1. আপিলযোগ্য
  2. আপিলঅযোগ্য
  3. রিভিশনযোগ্য
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য
ব্যাখ্যা

আদেশ-৪৭ বিধি-৪ মোতাবেক রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করার আদেশ → আপিলযোগ্য।

আদেশ ৪৩ বিধি-১ (ব) স্পষ্টভাবে বলে:
“রিভিউ প্রার্থনা মঞ্জুর করে আদেশ-৪৭ এর বিধি-৪ মোতাবেক প্রদত্ত আদেশ আপিলযোগ্য।” অর্থাৎ CPC-তে এটিকে সরাসরি appealable order হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

আদেশ ৪৩ বিধি-১- আদেশসমূহ হতে আপিল:
১০৪ ধারা অনুযায়ী নিম্নোক্ত আদেশসমূহের বিরুদ্ধে আপিল করা চলবে, যথা-
ক) আদেশ-৭ এর বিধি-১০ মোতাবেক উপযুক্ত আদালতে দাখিল করার জন্য আরজি ফেরত প্রদানের আদেশ;
খ) আদেশ-৮ এর বিধি-১০ মোতাবেক কোন পক্ষের বিরুদ্ধে রায়সহ আদেশ;
গ) আদেশ-৯ এর বিধি-৯ মোতাবেক মোকদ্দমা বাতিল রদ করার জন্য আবেদন (আপিলযোগ্য মোকদ্দমায়) অগ্রাহ্য করে প্রদত্ত আদেশ;
ঘ) আদেশ-৯ এর বিধি-১৩ মোতাবেক একতরফা প্রদত্ত ডিক্রি রদ করতে আদেশের জন্য আবেদন (আপিলযোগ্য মোকদ্দমায়) অগ্রাহ্য করে প্রদত্ত আদেশ;
ঙ) আদেশ-১০ এর বিধি-৪ মোতাবেক কোন পক্ষের বিরুদ্ধে প্রদত্ত রায় সম্বলিত আদেশ;
চ) আদেশ-১১ এর বিধি-২১ মোতাবেক আদেশ;
ছ) আদেশ-১৬ এর বিধি-১০ মোতাবেক সম্পত্তি ক্রোকের জন্য প্রদত্ত আদেশ;
জ) আদেশ-১৬ এর বিধি-২০ মোতাবেক কোন পক্ষের বিরুদ্ধে রায় সম্বলিত আদেশ;
১) আদেশ-২১ এর বিধি-৩৪ মোতাবেক কোন দলিলের বা পৃষ্ঠালিপির আরজির বিরুদ্ধে আপত্তি প্রসঙ্গে আদেশ।
২) আদেশ-২১ এর বিধি-৬০ মোতাবেক ক্রোক হতে সম্পত্তি মুক্ত করা;
৩ ) আদেশ-২১ এর বিধি-৬১ মোতাবেক সম্পত্তি ক্রোকের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করা
ঞ) আদেশ-২১ এর বিধি-৭২ বা নিয়ম-৯২ মোতাবেক নিলাম বিক্রয় রদ করে বা রদ করতে অস্বীকার করে আদেশ;
ট) আদেশ-২২ এর বিধি-৯ মোতাবেক বিলুপ্তিকরণ বা মোকদ্দমা বাতিল রদ করতে অস্বীকার করে আদেশ;
ঠ) আদেশ-২২ এর বিধি-১০ মোতাবেক অনুমতি দিয়ে বা অনুমতি দিতে অস্বীকার করে কোন আদেশ;
ড) আদেশ-২৩ এর বিধি-৩ মোতাবেক কোন চুক্তিপত্র, আপসনামা বা পরিতুষ্টি লিপিবদ্ধ করে বা লিপিবদ্ধ করতে অস্বীকার করে কোন আদেশ;
চ) আদেশ-২৫ এর বিধি-২ মোতাবেক মোকদ্দমা বাতিলের আদেশ রদ করার জন্য কোন আবেদনপত্র (আপিলের উন্মোক্ত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে) নাকচ করে কোন আদেশ;
ণ) আদেশ-৩৪ এর বিধি-২, ৪ বা ৭ মোতাবেক বন্ধকী অর্থ পরিশোধের সময়সীমা বর্ধিত করা অগ্রাহ্য করে কোন আদেশ;
ত) আদেশ-৩৫ এর বিধি-৩, ৪ বা ৬ মোতাবেক স্বার্থবিহীন মোকদ্দমায় কোন আদেশ;
থ) আদেশ-৩৮ এর বিধি-২ বা বিধি-৬ মোতাবেক কোন আদেশ;
দ) আদেশ-৩৯ এর বিধি-১, ২, ৪ বা ১০ মোতাবেক কোন আদেশ;
ধ) আদেশ-৪০ এর বিধি-১ বা বিধি-৪ মোতাবেক কোন আদেশ;
ন) আদেশ-৪১ এর বিধি-১৯ মোতাবেক পুনঃ গ্রহণ বা আদেশ-৪১ এর বিধি-২১ মোতাবেক কোন আপিলের পুন শুনানি অস্বীকার সম্বলিত কোন আদেশ;
প) যেক্ষেত্রে আপিল আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা চলে, সেক্ষেত্রে আদেশ-৪১ এর বিধি-২৩ মোতাবেক মোকদ্দমা পুনঃবিচারের জন্য প্রেরণের আদেশ;
ফ) আদেশ-৪৫ এর বিধি-৬ মোতাবেক প্রত্যয়নপত্র প্রদান করতে অস্বীকার করে হাইকোর্ট ব্যতীত অন্য কোন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ;
ব) রিভিউ প্রার্থনা মঞ্জুর করে আদেশ-৪৭ এর বিধি-৪ মোতাবেক প্রদত্ত আদেশ।

৯,১৩০.
A, B-কে বিয়ে করবার চুক্তিতে আবদ্ধ হয় এই ক্ষেত্রে চুক্তিটি-
  1. লিখিত হলে সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
  3. রেজিস্ট্রেশন করা থাকলে সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  4. 'ক' ও 'গ'
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
ব্যাখ্যা
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা;
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।

উল্লিখিত প্রশ্নে A, B-কে বিয়ে করবার চুক্তিতে আবদ্ধ হয় এই ক্ষেত্রে  চুক্তিটি পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল এই জন্য এটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না 
৯,১৩১.
দণ্ডবিধির ধারা ৫৪ এর অধীন মৃত্যুদণ্ড আদেশ পরিবর্তনের জন্য কী প্রয়োজন?
  1. রাষ্ট্রপতির আদেশ
  2. আদালতের নির্দেশ
  3. দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতি
  4. সরকারের সিদ্ধান্ত
সঠিক উত্তর:
সরকারের সিদ্ধান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের সিদ্ধান্ত
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪ - মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তন:
সরকার মৃত্যুদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়াই মৃত্যুদণ্ড পরিবর্তন করে এই দণ্ডবিধিতে প্রদত্ত অন্য কোনো দণ্ডে পরিবর্তন করতে পারে।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নমতে মৃত্যুদণ্ড আদেশ পরিবর্তনের জন্য সরকারের সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।
-------------
Section 54: Commutation of sentence of death:
In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.
৯,১৩২.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল সম্পর্কে কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. বার কাউন্সিলের মোট সদস্য সংখ্যা ১০ জন।
  2. বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা ৭ জন।
  3. সভাপতি পদাধিকারবলে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল থাকেন।
  4. কোনোটি নয়।
সঠিক উত্তর:
সভাপতি পদাধিকারবলে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল থাকেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সভাপতি পদাধিকারবলে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল থাকেন।
ব্যাখ্যা
বার কাউন্সিল:
- বাংলাদেশ বার কাউন্সিল হলো আইনজীবীদের কেন্দ্রীয় সরকার অনুমোদিত সংগঠন।
- ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ৪৬ নং আদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল গঠিত হয়।
- বার কাউন্সিলের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫ জন।
- এর মধ্যে তন্মধ্যে পদাধিকারবলে বার কাউন্সিলের সভাপতি থাকেন বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল।
- অবশিষ্ট ১৪ জন সদস্যের মধ্যে ৭ জন অ্যাডভোকেটদের মধ্য থেকে তাদের ভোটে নির্বাচিত, বাকি ৭ জন নির্বাচিত হন প্রতিটি গ্রুপ থেকে একজন করে ৭টি গ্রুপে বিভক্ত স্থানীয় আইনজীবী সমিতিগুলির সদস্যদের মধ্য থেকে। 
অর্থাৎ বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা ১৪ জন।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-5-
(1) The Bar Council shall consist of fifteen members, of whom-
(a) one shall be the Attorney-General for Bangladesh ex-officio;
(b) seven shall be elected in the prescribed manner by the advocates on the roll from amongst their members; and
(c) seven shall be elected by the Advocates who are members of the Local Bar Associations included in each group under clause (2), from amongst themselves.
(2) For the purpose of sub-clause (c) of clause (1), the bar associations shall be divided by the Government, by notification in the official Gazette, into seven groups.
৯,১৩৩.
বার কাউন্সিলের সচিব হিসাবে নিয়োগ পাবার ৬ক অনুচ্ছেদটি কত সালে সংযুক্ত করা হয়?
  1. ২০০৩
  2. ২০১১
  3. ২০১২
  4. ২০২১
সঠিক উত্তর:
২০১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 রাষ্ট্রপতির ৪৬ নং আদেশ এর অনুচ্ছেদ ৬ক  এর বিধান মতে:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকবে। সরকার জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজদের মধ্য হতে বার কাউন্সিলের সচিব [Secretary] নিয়োগ করবে।
-বার কাউন্সিলের সচিবের পদের মেয়াদ হবে সরকার যেমন মেয়াদ নির্ধারণ করে।
-৬ক অনুচ্ছেদটি ২০১২ সালে সংযুক্ত করা হয়।
-বার কাউন্সিলের সচিবই হবে বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা [Chief Executive Officer বিধি ৫৫।
-----------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972: Article-6A. There shall be a Secretary of the Bar Council appointed by the Government from amongst the District Judges or Additional District Judges on such terms and conditions as may be determined by it.

Article 6A was inserted by section 2 of the Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council (Amendment) Act, 2012 (Act No. XLIV of 2012).
৯,১৩৪.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারার অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যাবে না?
  1. ৪২৬
  2. ৪০৬
  3. ৩২৩
  4. ৩২৬
সঠিক উত্তর:
৩২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২৬
ব্যাখ্যা
• কোন অপরাধগুলোর সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যায়: নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যায়। যথা-
i) মৃত্যুদন্ড, যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা ২ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদন্ড যোগ্য অপরাধ ব্যতীত অন্যান্য অপরাধ অর্থাৎ ২ বছর বা এর কম মেয়াদের কারাদন্ড যোগ্য অপরাধের বিচার।
ii) দন্ডবিধির ২৬৪, ২৬৫, ২৬৬ ধারামতে ওজন ও পরিমান সম্পর্কিত অপরাধ, ৩২৩ ধারামতে আঘাত, ১০ হাজার টাকার কম মূল্যের চুরি, ১০ হাজার টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি অসৎভাবে আত্মসাৎ, ১০ হাজার টাকার কম মূল্যের চোরাইমাল গ্রহণ, গোপন ও হস্তান্তর;
iii) দন্ডবিধির ২৭৭,২৭৯, ২৮৫, ২৮৯, ২৯০-২৯৪,৩৩৪, ৩৩৬,৩৪১,৩৫২ ধারার অপরাধ ।
iv) ক্ষতি (Mischief), দন্ডবিধির ৪৪৭ ধারামতে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ, ৪৪১, ৪৫৩, ৪৫৪, ৪৫৬ ও ৪৫৭ ধারামতে কৃত অপরাধ, অপরাধজনক ভীতি প্রদর্শন, ৫০৯ ও ৫১০ ধারামতে ইভটিজিং বা মাতলামি;
v) পূর্বে বর্ণিত অপরাধ সমূহে সহায়তা ও অপরাধসমূহ করার চেষ্টা (abetment and attempt to commit any of the foregoing offences); এবং
vi) ১৮৭১ সালের গবাদি পশুর অনধিকার প্রবেশ আইনের ২০ ধারার অধীন অপরাধের সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যায়।

• দণ্ডবিধির ৪২৬ ধারা মতে  অনিষ্টের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি ক্ষতি সাধন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিনমাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারা মতে অপরাধমূল বিশ্বাসভঙ্গের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

• দণ্ডবিধির ৩২৩ ধারা মতে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দানের শাস্তি: 
যদি কেউ ৩৩৪ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ছাড়াই অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

• দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারামতে স্বেচ্ছাকৃতভাবে মারাত্মক অস্ত্ৰ বা মাধ্যমের সাহায্যে গুরুতর আঘাত দান করা:
কোন ব্যক্তি যদি ৩৩৫ ধারায় বর্ণিত ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে কোন গুলিবর্ষণের, ছুরিকাঘাতের বা কাটার যন্ত্র বা হাতিয়ার দ্বারা গুরুতর আঘাত করে, অথবা যে হাতিয়ার দিয়ে একটি অপরাধ সংঘটনের জন্য এই হাতিয়ারটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে, সে হাতিয়ার দ্বারা গুরুতর আঘাত করে, অথবা কোন বিষ বা ক্ষয়কারী দ্রব্য কর্তৃক গুরুতর আঘাত করে, অথবা কোন বিস্ফোরক দ্রব্য দ্বারা গুরুতরভাবে আহত করে, অথবা যে দ্রব্য শ্বাস কর্তৃক গ্রহণ করলে, উদরস্থ করলে বা রক্তে গ্রহণ করলে তা মানবদেহের পক্ষে ক্ষতিকর হয়, সে দ্রব্য দ্বারা গুরুতর আহত করে অথবা কোন পশু দ্বারা গুরুতর আঘাত করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

• অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩২৬ অনুযায়ী স্বেচ্ছাকৃতভাবে মারাত্মক অস্ত্ৰ বা মাধ্যমের সাহায্যে গুরুতর আঘাত দান করার মামলা সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যাবে না।
৯,১৩৫.
চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof) সম্পর্কে নিম্নলিখিত কোনটি সঠিক?
  1. মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য সাক্ষ্য প্রদান অনুমোদিত
  2. আদালত বিষয়টি প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন
  3. মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য সাক্ষ্য প্রদান অনুমোদিত নয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য সাক্ষ্য প্রদান অনুমোদিত নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য সাক্ষ্য প্রদান অনুমোদিত নয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার মতে- অনুমান (Presumption) ৩ প্রকার:
১) অনুমান করতে পারে (May presume);
২) অনুমান করবে (Shall presume);
৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof)।

অনুমান করতে পারে (May presume):
যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

অনুমান করবে (Shall presume):
যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof):
এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
৯,১৩৬.
বিচারক কখন ডিক্রিতে স্বাক্ষর করবেন?
  1. পক্ষদ্বয়ের ইচ্ছানুসারে ডিক্রি প্রণয়ন করা হলে
  2. ইংরেজি ভাষায় ডিক্রি প্রণয়ন করা হলে
  3. রায় অনুসারে ডিক্রি প্রণয়ন করা হলে
  4. আদালতের ভাষায় ডিক্রি প্রণয়ন করা হলে
সঠিক উত্তর:
রায় অনুসারে ডিক্রি প্রণয়ন করা হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় অনুসারে ডিক্রি প্রণয়ন করা হলে
ব্যাখ্যা
• ডিক্রি হচ্ছে-
> আদালতের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত (Formal expression of an adjudication); এবং
> পক্ষসমূহের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারন করে (To determine the Rigths of the parties conclusively)।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ,বিষয়বস্তু,প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।
 
• আদেশ ২০ বিধি ৭ অনুসারে-
যে তারিখে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, ডিক্রিতে ঐ তারিখ উল্লেখ থাকবে এবং বিচারক যদি স্বয়ং পরিতুষ্ট হন যে, রায় অনুসারে ডিক্রি প্রণয়ন করা হয়েছে তবে তিনি ডিক্রি স্বাক্ষর করবেন।
[The decree shall bear date the day on which the judgment was pronounced, and when the Judge has satisfied himself that the decree has been drawn up in accordance with the judgment, he shall sign the decree]
৯,১৩৭.
নিলামে ক্রয়কৃত সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলার তামাদি মেয়াদ থেকে কোন সময় বাদ দেওয়া হয়?
  1. ঋণ পরিশোধের সময়
  2. সম্পত্তি রেজিস্ট্রির দিন থেকে সময়
  3. নিলাম রদের মামলা চলাকালীন সময়
  4. নিলামের দিন থেকে দখল পাওয়া পর্যন্ত সময়
সঠিক উত্তর:
নিলাম রদের মামলা চলাকালীন সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিলাম রদের মামলা চলাকালীন সময়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৬ ধারায় নিলাম বিক্রয় সম্পর্কে বলা আছে। নিলামে ক্রয়কৃত সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে, যদি নিলাম বাতিল করার মামলা চলতে থাকে, তাহলে তামাদি সময়ের হিসাব থেকে সেই সময় বাদ দেওয়া হবে। এটাই ধারা ১৬ অনুসারে স্পষ্ট আইনি বিধান।
- সঠিক উত্তর: গ) নিলাম রদের মামলা চলাকালীন সময়।
-  অর্থাৎ নিলাম বিক্রয় রদ করার জন্য মামলা দায়ের করা হলে, মামলা যতদিন চলবে সেই সময় নিলাম গ্রহিতার বা যিনি নিলাম কিনেছেন তার উক্ত সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মামলা করার প্রয়োজন হলে নিলাম রদ করার মামলায় যে সময় ব্যয় হয়েছে তা তামাদি মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ - ধারা ১৬- ডিক্রি জারিকৃত বিক্রয় বাতিলের কার্যক্রম চলাকালে সময় বাদ দেওয়া:
যে ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি ডিক্রি জারির ভিত্তিতে নিলাম বিক্রয়ের মাধ্যমে ক্রেতা হয়ে দখল পাওয়ার জন্য মামলা দায়ের করে, সেই ক্ষেত্রে তামাদি সময় গণনার সময় বিক্রয় বাতিল করার জন্য যে সময়কাল মামলা বা কার্যক্রম চালানো হয়েছে, তা তামাদি সময় থেকে বাদ দেওয়া হবে।
----------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 16: Exclusion of time during which proceedings to set aside execution-sale are pending:
In computing the period of limitation prescribed for a suit for possession by a purchaser at a sale in execution of a decree, the time during which a proceeding to set aside the sale has been prosecuted shall be excluded.
৯,১৩৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা মতে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা-
  1. করা যাবে
  2. করা যাবে না
  3. আংশিক করা যাবে
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করা যাবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে কেননা এই ধারায় স্বত্ব সহ দখল পুনরুদ্ধারের কথা বলা হয়েছে।
• যেহেতু সরকার কারো স্বত্ব দখল করার অধিকার রাখে না তাই সরকার কারো স্বত্ব দখল করলে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে।
৯,১৩৯.
নিম্নের কোন বিষয়ে নিজের সাক্ষীকে ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন (Leading Question) করা যায়?
  1. যে কোন বিষয়
  2. স্বীকৃত বিষয়
  3. তর্কিত বিষয়
  4. বিশেষজ্ঞ মতামত বিষয়
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃত বিষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃত বিষয়
ব্যাখ্যা
• যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। অর্থাৎ নির্দেশক প্রশ্ন বা Leading question তাই যার মধ্যে উক্ত প্রশ্নের উত্তরের ইঙ্গিত থাকে।

সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারা বিধান ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না (When they must not be asked) :
বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না।

যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।
৯,১৪০.
এ্যাডভোকেট সনদের জন্য আবেদনকারীর Pupilage Diary তে অন্যুন কয়টি দেওয়ানি মামলার নোট থাকতে হবে-
  1. ১০টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ১২টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
♦বিধি-৬০: শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হবার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে। আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে। কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না। অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা এফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারীর নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
♦কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরনের জন্য দায়ী হবেন। শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন । হাইকোর্ট বিভাগে প্রাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে। এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারী কলেজে হবে।
♦বিধি-৬০(গ): এম.সি.কিউ ও লিখিত পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৫০ এবং মৌখিক পরীক্ষায় পাশ নম্বর ২৫।
৯,১৪১.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে কোনো আদেশের বিরুদ্ধে রিভিউ করতে হয় কোন আদালতে?
  1. আদেশ দানকারী আদালতে
  2. উর্ধ্বতন আদালতে
  3. যে আদালতে আপিল করা যায় সেই আদালতে
  4. অবস্থাপ্রেক্ষিতে যে কোনো আদালতে।
সঠিক উত্তর:
আদেশ দানকারী আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ দানকারী আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ১১৪ ধারায় বলা হয়েছে “….may apply for a review of judgment  to the court which passed the decree or order”. অর্থাৎ যে আদালত রায় বা আদেশ দিয়েছে রিভিউ-এর আবেদন সেই আদালতেই করতে হবে।

♦ দেওয়ানি মামলায় যুগ্ম জেলা জজ কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ দায়ের করতে হবে রায়ের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে। (তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১৭৩)
৯,১৪২.
আদালত কর্তৃক গৃহীত জবানবন্দির ক্ষেত্রে কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. মোকদ্দমার নথির অংশে পরিণত হবে
  2. বাদীর আইনজীবী কর্তৃক সারমর্ম লিখিত হবে
  3. পক্ষগণকে প্রদান করা বাধ্যতামূলক
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার নথির অংশে পরিণত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার নথির অংশে পরিণত হবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০ এ আদালত কর্তৃক পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ [Examination of Parties by the Court] এর বিধান রয়েছে। আদেশ ১০(১) অনুযায়ী, মোকদ্দমা প্রথম শুনানীর সময় মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার প্রকৃত বিরোধ নির্ধারণ করার জন্য এবং পক্ষগণ বিষয়গুলো স্বীকার করে কি বা করে না তা নির্ধারণ করার জন্য আদালত পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে এবং ১০(২) বিধি অনুযায়ী পক্ষগণ বা তাদের সঙ্গীদের মৌখিক জবানবন্দি (oral examination) নিতে পারে।

• আদেশ ১০ বিধি-৩ঃ জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত হতে হবে-
জবানবন্দির সারমর্ম বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে এবং তা নথির অংশে পরিণত হবে।

Order 10 Rule 3: Substance of examination to be written-
The substance of the examination shall be reduced to writing by the Judge, and shall form part of the record
৯,১৪৩.
'আকস্মিক বিবাদের সময় উত্তেজনার ফলে পূর্বপরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত মৃত্যুকে'- দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার কোন ব্যতিক্রমের আওতায় গণ্য করা হয়?
  1. প্রথম ব্যতিক্রম
  2. দ্বিতীয় ব্যতিক্রম
  3. তৃতীয় ব্যতিক্রম
  4. চতুর্থ ব্যতিক্রম
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ ব্যতিক্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ ব্যতিক্রম
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩০০-এর চতুর্থ ব্যতিক্রম (Exception 4) অনুযায়ী:
- আকস্মিক বিবাদ বা উত্তেজনার সময়, কোনো রকম পূর্বপরিকল্পনা ছাড়াই যদি কোনো ব্যক্তি অন্যকে হত্যা করে, এবং অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে বা নিষ্ঠুরভাবে কাজ না করে, তাহলে সেই হত্যা খুন (Murder) হিসেবে গণ্য হবে না।
এ ধরনের হত্যা “culpable homicide not amounting to murder” অর্থাৎ খুন নয়, তবে নিন্দনীয় নরহত্যা হিসেবে বিবেচিত হয়।
- সঠিক উত্তর: ঘ) চতুর্থ ব্যতিক্রম।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা
দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা
তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা
চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে না:
⇒ ব্যতিক্রম ১: -শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।
⇒ ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।
⇒ ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।
⇒ ব্যতিক্রম ৪ :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।
⇒ ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।
৯,১৪৪.
কত বছরের বয়স্ক লোককে প্ররোচিত করে স্বেচ্ছাকৃতভাবে মৃত্যুবরণ করালে তা খুন হিসাবে বিবেচিত হবে-
  1. ১৮ বছরের কম
  2. ১২ বছরের কম
  3. ২০ বছরের কম
  4. ২১ বছরের কম
সঠিক উত্তর:
১৮ বছরের কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছরের কম
ব্যাখ্যা
৩০০ ধারার ব্যতিক্রম- ৫ অনুযায়ী ১৮ বছরের বেশী বয়স্ক লোককে প্ররোচিত করার ফলে উক্ত ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত মৃত্যুবরণ করলে তা খুন নয় বরং অপরাধজনক নরহত্যা হিসাবে বিবেচিত হবে। কিন্তু ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে, শিশু হলে বা উম্মাদ হলে সেক্ষেত্রে উক্ত হত্যা খুন হিসাবে বিবেচিত হবে
৯,১৪৫.
"Oral examination of party or companion of party" - নিম্নোক্ত কোন বিধির শিরোনাম?
  1. আদেশ ১০ বিধি ১
  2. আদেশ ১১ বিধি ২
  3. আদেশ ১০ বিধি ২
  4. আদেশ ১০ বিধি ৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১০ বিধি ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১০ বিধি ২
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১০ এ আদালত কর্তৃক পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ [Examination of Parties by the Court] এর বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১০(১) অনুযায়ী, মোকদ্দমা প্রথম শুনানীর সময় মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার প্রকৃত বিরোধ নির্ধারণ করার জন্য এবং পক্ষগণ বিষয়গুলো স্বীকার করে কি/ করে না তা নির্ধারণ করার জন্য আদালত পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে এবং ১০ (২) বিধি অনুযায়ী পক্ষগণ বা তাদের সঙ্গীদের মৌখিক জবানবন্দি (oral examination) নিতে পারে।

• আদেশ ১০ বিধি ২ (পক্ষ বা পক্ষের সহযোগীর মৌখিক জবানবন্দি)-
মোকদ্দমার প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী কোন শুনানিতে স্বয়ং হাজির কোন পক্ষ কিংবা আদালতে উপস্থিত কেউ কিংবা পক্ষ বা পক্ষের উকিলের সাথে অবস্থানরত এমন কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা সম্বন্ধে যদি কোন প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম হয়, তাহলে মৌখিকভাবে তার জবানবন্দি আদালত কর্তৃক গ্রহণ করা যাবে, এবং উক্তরূপ জবানবন্দি গ্রহণ করার সময়ে, আদালত যদি সঙ্গত মনে করেন, তাহলে যে কোন পক্ষের সুপারিশ অনুযায়ী যে প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।

Order 10 Rule 2 (Oral examination or party of companion of party)-
At the first hearing of the suit, or at any subsequent hearing, any party appearing in person or present in Court, or any person able to answer any material questions relating to the suit by whom such party or his pleader is accompanied, may examined orally by the Court; and the Court may, if it thinks fit, put in the course of such examination questions suggested by either party.

৯,১৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৮ অনুযায়ী, কার্যধারার নকল পাওয়ার জন্য সাধারণত কী করতে হয়?
  1. নির্ধারিত ফি প্রদান করতে হয়
  2. পুলিশের অনুমতি নিতে হয়
  3. আদালতের বিচারকের সম্মতি নিতে হয়
  4. পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুমতি নিতে হয়
সঠিক উত্তর:
নির্ধারিত ফি প্রদান করতে হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্ধারিত ফি প্রদান করতে হয়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৮ অনুসারে, যদি কোন ব্যক্তি ফৌজদারি আদালতের রায় বা আদেশ দ্বারা প্রভাবিত হন এবং তিনি আদেশ, সাক্ষ্য বা নথির নকল পেতে চান, তাহলে তিনি আবেদন করে তা পেতে পারেন। তবে তিনি উক্ত নকল পাওয়ার জন্য নির্ধারিত খরচ প্রদান করতে বাধ্য, যদি না আদালত কোন বিশেষ কারণে তা বিনামূল্যে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
- তাই, সাধারণ নিয়ম হলো: কার্যধারার নকল পাওয়ার জন্য খরচ প্রদান করতে হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৮- কার্যধারার নকল:
কোন ফৌজদারি আদালত দ্বারা প্রদত্ত কোন রায় বা আদেশ কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি কোন আদেশ বা সাক্ষ্য বা নথির অন্য অংশের নকল নিতে ইচ্ছা করলে তার আবেদনের ভিত্তিতে তাকে তা সরবরাহ করতে হবে,
শর্ত থাকে যে, আদালত কোন বিশেষ কারণবশত বিনামূল্যে তা প্রদান উপযুক্ত মনে না করলে তাকে উহার জন্য খরচ দিতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898- Section 548: Copies of proceedings:
If any person affected by a judgment or order passed by a Criminal Court desires to have a copy of any order or deposition or other part of the record be shall, on applying for such copy, be furnished therewith:
Provided that he pays for the same, unless the Court, for some special reason, thinks fit to furnish it free of cost.
৯,১৪৭.
ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন কবে গঠন করা হয়?
  1. ১৮২৪ সালে
  2. ১৮৩৪ সালে
  3. ১৮৩৭ সালে
  4. ১৮৬০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৩৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৩৪ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন (First Law Commission) গঠিত হয় ১৮৩৪ সালে।
- ব্রিটিশ পার্লামেন্টের Charter Act of 1833-এর অধীনে এই কমিশন গঠন করা হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয় আইন ব্যবস্থাকে সংহত ও সংস্কার করা।

- এই কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন লর্ড থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Thomas Babington Macaulay)।
- কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন G.W. Anderson, F. Millet এবং J.M. Macleod।

উল্লেখ্য, 
- ১৮৩৪: প্রথম আইন কমিশন গঠন।
- ১৮৩৭: দণ্ডবিধির খসড়া (Penal Code draft) জমা দেওয়া হয়।
- ১৮৬০ (৬ অক্টোবর): দণ্ডবিধি আইন হিসেবে পাস হয়।
- ১৮৬২ (১ জানুয়ারি): দণ্ডবিধি কার্যকর হয়।

৯,১৪৮.
"Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits do to so". সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোথায় বলা আছে?
  1. ৪১ ধারা
  2. ৩৯ ধারা
  3. ৪২ ধারা
  4. ৫৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ "Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits do to so". সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের  ৪২ ধারায় বলা আছে

♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় বলা হয়েছে
, যেখানে বাদী শুধুমাত্র স্বত্ত্বের ঘোষণা [Mere Declaration of Title ] ছাড়া আরও প্রতিকার [further relief] দাবী করতে পারতো, কিন্তু তা করা হতে বিরত থাকে, সেখানে আদালত তেমন ঘোষণা দিবে না।
৯,১৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ কোন ধরণের আইন?
  1. মৌলিক আইন
  2. বিশেষ আইন
  3. পদ্ধতিগত আইন
  4. প্রশাসনিক আইন
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
ব্যাখ্যা

⇒ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Code of Criminal Procedure, 1898) একটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law / Adjective Law)। এটি অপরাধের সংজ্ঞা বা শাস্তি নির্ধারণ করে না (যা দণ্ডবিধি করে), বরং কীভাবে অপরাধের তদন্ত, বিচার, আপিল ইত্যাদি পরিচালিত হবে – তার পদ্ধতি নির্ধারণ করে।
⇒ ফৌজদারি আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, অব্যাহতি, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, খালাস, মুক্তি, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল বিষয় ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।

৯,১৫০.
সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী কয় ধরনের ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেয়া যায়?
  1. ৩ ধরনের
  2. ২ ধরনের
  3. ৪ ধরনের
  4. ৫ ধরনের
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারার বিধান অনুযায়ী- 'বিচার্য ঘটনা ও প্রাসঙ্গিক ঘটনা'- এই দুই ধরনের ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে।

⇒ কোন মামলায় বা কার্যক্রমে বিচার্য প্রত্যেক বিষয়ের এবং এই আইনের অতঃপর যে সকল বিষয় প্রাসঙ্গিক বলিয়া ঘোষিত হইয়াছে তাহাদের অস্তিত্ব বা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে। ইহা ভিন্ন অন্য কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইবে না।
ব্যাখ্যাঃ দেওয়ানী কার্যবিধি সম্পর্কে বর্তমান প্রচলিত কোন আইন অনুসারে কোন ব্যাক্তি যে বিষয় প্রমাণ করার অধিকার নহে, এই ধারা অনুসারে সেই ব্যাক্তি সেই বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে পারে না।

Section 5⇒ Evidence may be given of facts in issue and relevant facts:
Evidence may be given in any suit or proceeding of the existence or non-existence of every fact in issue and of such other fact as are hereinafter declared to be relevant, and of no others.
Explanation.-This section shall not enable any person to give evidence of a fact which he is disentitled to prove by any provision of the law for the time being in force relating to Civil Procedure.
৯,১৫১.
দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান অনুসারে বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের মিথ্যা সাক্ষ্য দানের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড-
  1. ৩ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারায় মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি (Punishment for false evidence )দেওয়া আছে: মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করার শাস্তি:
১) অন্য কোন ক্ষেত্রে হলে-৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
২) বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম হলে- ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি: 
কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং
- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
- ব্যাখ্যা-১:- সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
- ব্যাখ্যা-২:- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
- ব্যাখ্যা-৩:- কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
- উদাহরণ: 
জমির সীমানা অকুস্থলে নির্ণয়কল্পে কোন আদালত দ্বারা প্রেরিত কর্মচারীর বা অফিসারের সম্মুখে সম্পাদিত তদন্তে ক শপথ গ্রহণান্তর এমন একটি বিবৃতি দান করে, যা সে মিথ্যা বলে জানে। যেহেতু উক্ত তদন্তটি একটি বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমেরই একটি পর্যায়, সেহেতু ক মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করেছে বলে অভিহিত হবে।
----------------------------
Section-193: Punishment for false evidence:
-Whoever intentionally gives false evidence in any stage of judicial proceeding, or fabricates false evidence for the purpose of being used in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and whoever intentionally gives or fabricates false evidence in any other case, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
Explanation-1.-A trial before a Court-martial is a judicial proceeding.
Explanation-2.-An investigation directed by law preliminary to a proceeding before a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
Explanation-3.-An investigation directed by a Court of Justice according to law, and conducted under the authority of a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
Illustration:
A, in an enquiry before an officer deputed by a Court of Justice to ascertain on the spot the boundaries of land, makes on oath a statement which he knows to be false. As this enquiry is a stage of a judicial proceeding, A has given false evidence.
৯,১৫২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order VII Rule 10 অনুসারে প্রদত্ত আর্জি ফেরতের আদেশ _______ যোগ্য।
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা

⇒ আপিলযোগ্য আদেশ:
 সাধারনত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপিলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়। যে সকল আদেশ আপিলযোগ্য, সে সকল আদেশ সম্পর্কে Order 43 এ বিধান রয়েছে। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।

অর্থাৎ আইনে স্পষ্ট বিধান না থাকলে, মূল অথবা আপিল এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত যে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না; কিন্তু ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যায়।

- উল্লিখিত প্রশ্নের Order 7 rule 10 আদেশটি আদেশ ৪৩ এর বিধি ১ এর আপিল যোগ্য আদেশের তালিকায় রয়েছে। 

আদেশ ৭ বিধি-১০: আরজি ফেরত (Return of plaint)-
⇒ বাদী যদি এখতিয়ারহীন আদালতে আরতি দায়ের করে, তাহলে আদালত উক্ত আরজি এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে পেশ করার জন্য বাদীকে ফেরত প্রদান করবে।
⇒ আরজি ফেরত প্রদানের সময় বিচারক আরজি পেশ করার এবং ফেরত দেওয়ার তারিখ, আরজি দাখিলকারির নাম এবং ফেরত দেওয়ার কারণ সংক্ষেপে লিখবেন।

প্রতিকার: আরজি ফেরতের আদেশটি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order)। [বিধি-১, আদেশ ৪৩] ।

৯,১৫৩.
করিম সাহেব ব্যথার কষ্ট নিয়ে একজন চিকিৎসকের নিকট গেলেন। চিকিৎসকের অস্ত্রোপচারের ফলে করিম সাহেবের মৃত্যু হতে পারে এটা জেনেও করিম সাহেবের মৃত্যু ঘটানোর কোন অভিপ্রায় ছাড়াই সরল বিশ্বাসে করিম সাহেবের মঙ্গলার্থে চিকিৎসক অস্ত্রোপচারটি করেন। উক্ত অস্ত্রোপচারের পর করিম সাহেব মারা যান। করিম সাহেবের মৃত্যুতে কোন অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে?
  1. কোন অপরাধ হয়নি 
  2. খুন হয়েছে 
  3. অপরাধমূলক নরহত্যা হয়েছে
  4. দুই ও তিন
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ হয়নি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ হয়নি 
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৮৮ ধারা মতে মৃত্যু ঘটানের অভিপ্রায় ব্যতীত কোন কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতি নিয়ে ঐ ব্যক্তির মঙ্গলের জন্য কাজটি করা হলে তা অপরাধ নয়। চিকিৎসক মৃত্যু ঘটানোর কোন অভিপ্রায় ছাড়াই সরল বিশ্বাসে রোগীর মঙ্গলনার্থে অস্ত্রোপচার করেন তাই এটি কোন অপরাধ নয়।
৯,১৫৪.
X, Y এর নিকট ১টি গরু বিক্রয়ের চুক্তি করেন যা পালনে X অস্বীকার করলে Y মামলা করেন। Y এর উপযুক্ত প্রতিকার _________।
  1. ঘোষণা
  2. ক্ষতিপূরণ
  3. আংশিক কার্যসম্পাদন
  4. সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ১৯ ধারায় আদালত কতিপয় ক্ষেত্রে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের প্রতিকার দিতে পারে। চুক্তিভঙ্গের জন্য সাধারণত ২ ধরনের প্রতিকার পাওয়া যায়। যথা- ক) ক্ষতিপূরণ এবং খ) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন।
 
- তবে উভয় ধরনের প্রতিকার থাকলেও চুক্তিভঙ্গের জন্য সাধারণত ক্ষতিপূরণের প্রতিকার প্রদান করা হয়। কিন্তু যেক্ষেত্রে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পাওয়া যায় না অথবা যেক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হয় না, সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের প্রতিকার প্রদান করে থাকে । আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯, ৩৮ এবং ৪১ ধারায় ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করতে পারে।
 
- চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদী কিছু ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারে অথবা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারামতে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মোকদ্দমা দায়েরের সময় চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের পাশাপাশি অতিরিক্ত বা বিকল্প হিসেবে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
 
- অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারামতে বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলায় ক) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ও ক্ষতিপূরণ উভয়, অথবা খ) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের পরিবর্তে কেবল ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবে। এক্ষেত্রে আদালত ২ ধরনের প্রতিকার দিতে পারে-
 
i) ন্যায়বিচার স্বার্থে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ও ক্ষতিপূরণ উভয় ধরনের প্রতিকার প্রদান করতে পারে। 
ii) বাদী ও বিবাদীর মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য বিবাদী দায়ী হলে, এবং আদালত চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন যথাযথ নয় বলে বিবেচনা করলে আদালত বাদীকে কেবল ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে বিবাদীকে বাধ্য করতে পারবে।
 
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।
 
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা;
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।
 
- যেহেতু প্রশ্নে উল্লিখিত চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট সেহেতু সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারা ও ২১ ধারা অনুযায়ী Y এর উপযুক্ত প্রতিকার হবে ক্ষতিপূরণ।
৯,১৫৫.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে আসামী কর্তৃক ‍খুনের উদ্যোগে আঘাত করা হলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ২০ বছররের কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড
  4. ২৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা অনুযায়ী খুনের উদ্যোগ বা চেষ্টা | Attempt to murder। শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ৩০৭ ধারা অনুসারে খুনের উদ্যোগের শাস্তি অর্থদণ্ডসহ যেকোনো বর্ণনার ১০ বৎসর কারাদণ্ড। কিন্তু খুনের উদ্যোগের কার্যের ফলে যদি জখম হয়, তাহলে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডসহ যেকোনো বর্ণনার ১০ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
♦অন্যদিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত ব্যক্তি খুনের উদ্যোগ গ্রহণ করলে এবং উক্ত কার্যের ফলে কোন ব্যক্তি আহত হলে অপরাধী মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হবে।
♦অর্থাৎ, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি আঘাত দিয়ে খুনের চেষ্টা করলে তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।
৯,১৫৬.
তামাদি আইনের ২(১) ধারায় মোকদ্দমা [Suit] বলতে অন্তর্ভুক্ত হবে না।
  1. আপীল
  2. আবেদন
  3. জারির আবেদন
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ২(১০) ধারা অনুযায়ী মামলা বলতে আপীল বা আবেদন অন্তর্ভুক্ত হবে না ( “suit” does not include an appeal or application).  এই আইনে মামলা বলতে মূল মামলাকে বোঝানো হয়েছে যা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করা হয়। 
♦এখানে আপীল; আবেদন; জারির আবেদন কোনটাই আরজি দাখিলের মাধ্যমে শুরু হয় না বা মূল মোকদ্দমা না।
৯,১৫৭.
'খ', 'ক'- কে একটি অপরাধ করতে দেখেছে, 'খ'-নিজে আদালতে না এসে 'গ' কে এটি বলে। 'গ' আদালতে এসে বলে যে, সে শুনেছে যে 'খ' 'ক'- কে অপরাধ করতে দেখেছে। তাহলে 'গ' এর সাক্ষ্য হবে-
  1. মৌখিক সাক্ষ্য
  2. জনশ্রুত সাক্ষ্য
  3. প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
জনশ্রুত সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনশ্রুত সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
⇒ পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য (indirect/hearsay evidence)- পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য হলো তাই যা আদালতে উপস্থিত সাক্ষী পূর্বে অন্য সাক্ষীর নিকট থেকে শোনাক্রমে প্রদান করে। অর্থাৎ নিজে না দেখে অন্যের কাছ থেকে শুনে যে সাক্ষ্য দেয়া হয়। তাকে পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য বা hearsay evidence বলে। জনশ্রুত সাক্ষ আদালতে গ্রহনযোগ্য নয়।

⇒ এখানে 'খ', 'ক'- কে একটি অপরাধ করতে দেখে তাহলে নিয়ম হলো, 'খ'-নিজে ৬০ ধারার অধীনে আদালতে এসে এ বিষয়ে সাক্ষ্য দেবে। কিন্তু 'খ' না এসে 'গ' এসে বলে যে, সে শুনেছে যে 'খ' 'ক'- কে অপরাধ করতে দেখেছে তাহলে এটি জনশ্রুত সাক্ষ বল্যে গণ্য হবে, যা গ্রহনযোগ্য নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবেঃ মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে,
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

⇒ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

⇒ জনশ্রুত সাক্ষ্য (hearsay evidence) ধরনের মৌখিক সাক্ষ্য সাধারণতঃ গ্রহণযোগ্য নয়।
----------------
⇒ Oral evidence must be direct.
Section 60. Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
৯,১৫৮.
Canons of Professional Conduct and Etiquette অনুযায়ী, একই মামলায় একাধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত হলে কে মামলা পরিচালনা করবেন?
  1. মক্কেলের পছন্দ অনুযায়ী
  2. সিনিয়র অ্যাডভোকেট
  3. আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী
  4. যেকোন একজন অ্যাডভোকেট
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র অ্যাডভোকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র অ্যাডভোকেট
ব্যাখ্যা

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette অনুযায়ী, যদি একই মামলায় একাধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত হয়, তবে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মামলাটি পরিচালনা করবেন।
- Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ১ম অধ্যায়ের বিধি-১১ অনুসারে, একই মামলায় একাধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত হলে, সিনিয়র অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনা করবেন।
- এটি পেশাগত শিষ্টাচার এবং নিয়মের অংশ, যেখানে সিনিয়রিটি এবং অভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়।

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette CHAPTER 1 - CONDUCT WITH REGARD TO OTHER ADVOCATES:
- Rule-11. Where more than one Advocate is engaged on any side it is the right of the senior member to lead the case and the junior members to assist him.

৯,১৫৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২০ অনুসারে, জেলে থাকা আপিলকারী তার আপিল আবেদন জমা দিতে হবে-
  1. থানার ইনচার্জকে
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
  3. সরাসরি হাইকোর্টে
  4. জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২০ অনুসারে, জেলে অবস্থানরত ব্যক্তি তার আপিলের দরখাস্ত এবং রায়ের নকল জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে দাখিল করবেন, এবং তিনি তা যথাযথ আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২০ ধারার বিধান আপিলকারী জেলে অবস্থান করলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
- আপিলকারী জেলে থাকলে আপিলের নকলসহ তার আপিলের দরখাস্ত জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করতে হবে এবং অতঃপর উক্ত অফিসার উক্ত দরখাস্ত ও নকল যথাযথ আপিল আদালত বরাবর প্রেরণ করবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 420. Procedure when appellant in jail:
-If the appellant is in jail, he may present his petition of appeal and the copies accompanying the same to the officer in charge of the jail, who shall thereupon forward such petition and copies to the proper Appellate Court.
৯,১৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৫ অনুসারে চার্জে ভুল বা অসম্পূর্ণতা কখন গুরুত্বপূর্ণ বলে গণ্য হবে?
  1. সবসময় গুরুত্বপূর্ণ
  2. যখন আদালত ভুল শনাক্ত করে
  3. যখন পুলিশ রিপোর্টে ভুল থাকে
  4. যখন আসামি বিভ্রান্ত হয় এবং ন্যায়বিচার বিঘ্নিত হয়
সঠিক উত্তর:
যখন আসামি বিভ্রান্ত হয় এবং ন্যায়বিচার বিঘ্নিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন আসামি বিভ্রান্ত হয় এবং ন্যায়বিচার বিঘ্নিত হয়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৫ অনুযায়ী অভিযোগপত্রে ভুল বা অসম্পূর্ণতা কেবল তখনই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায় যখন তার কারণে আসামি প্রকৃতপক্ষে বিভ্রান্ত হয় এবং ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয়।
- সুতরাং, শুধুমাত্র ভুল বা অসম্পূর্ণতা থাকলেই তা গুরুত্বপূর্ণ নয়; এটা তখনই গুরুত্বপূর্ণ হবে যখন দুটি শর্ত একসাথে পূরণ হবে:
১. আসামি প্রকৃতপক্ষে বিভ্রান্ত হয়েছে।
২. এর ফলে ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটেছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৫ ধারার বিধান: ভুলের প্রভাব:
 - অভিযোগপত্রে অপরাধ বা অপরাধের বিবরণ উল্লেখ করার ক্ষেত্রে কোনো ভুল বা কোনো তথ্য উল্লেখ করতে অসমর্থতা, মামলার যে কোনো পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে গণ্য হবে না, যদি না এই ভুল বা অসম্পূর্ণতার কারণে অভিযুক্ত প্রকৃতপক্ষে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে এবং এর ফলে ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটে।
-------------
→ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 225. Effect of errors: 
- No error in stating either the offence or the particulars required to be stated in the charge, and no omission to state the offence or those particulars, shall be regarded at any stage of the case as material, unless the accused was in fact misled by such error or omission, and it has occasioned a failure of justice.

৯,১৬১.
খ-এর নিকট একটি দলিল থাকা সত্ত্বেও আদালত থেকে এই দলিল দাখিলের জন্য সমন দেওয়া হলে খ উক্ত দলিল আদালতে দাখিল না করে মাটিতে গর্ত করে লুকিয়ে রাখে। খ-এর শাস্তিঃ-
  1. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  2. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোডের ২০৪ ধারার বিধান অনুসারে destruction of documents to prevent its production as evidence এর শাস্তি বর্ণিত আছে।
♦পেনাল কোডের ধারা ২০৪ মতে কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন দলিল গোপন করে বা লুকিয়ে ফেলে কিংবা ধ্বংস করে বা বিনষ্ট করে, যা সে কোন আদালতে কিংবা কোন সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে সরকারী কর্মচারী হিসেবে আইনসম্মতভাবে সংঘটিত কোন কার্যক্রমের প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করতে আইনানুসারে বাধ্য হতে পারে, অথবা অনুরূপ দলিল যাতে সাক্ষ্য-প্রমাণ হিসেবে উপরোলিখিতরূপে কোন আদালতে বা সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে উপস্থাপিত বা ব্যবহৃত হতে না পারে তদুদ্দেশ্যে উহার সমগ্র অংশ বা অংশবিশেষ অস্পষ্ট করে (বা মুছিয়া ফেলে কিংবা পাঠের অযোগ্য করে দেয়, কিংবা অনুরূপ উদ্দেশ্যে দলিলটি উপস্থাপন করার জন্য আইনানুসারে সমন বা নির্দেশদানের পর, যাতে উহা উপস্থাপিত বা ব্যবহৃত হতে না পারে, তদুদ্দেশ্যে উক্তরূপ কাজ করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৯,১৬২.
আদালত কোন ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তির নিকট অস্থাবর সম্পত্তির দখল প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. প্রকৃত ক্ষতি নিরূপণ করা কঠিন হলে
  2. আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত না হলে
  3. সম্পত্তিটি বেআইনীভাবে দখল করা হলে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারায় তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তি ৪টি ক্ষেত্রে মামলা করতে পারবে।
যথা-
১। যে ক্ষেত্রে বিবাদী ট্রাস্টি বা এজেন্ট হিসেবে বাদীর অস্থাবর সম্পত্তি ধারণ করে
২। বাদীর অস্থাবর সম্পত্তির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত না হয়
৩। ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা কঠিন হলে
৪। দাবি কৃত সম্পত্তিটি বিবাদী বেআইনিভাবে দখল/ হস্তান্তর করলে।
 
১১ ধারায় বাদীকে  প্রমাণ করতে হবে যে বাদী সম্পত্তি বা পণ্যটি তাৎক্ষণিক দখলে রাখার অধিকারী।
তবে ১১ ধারায় সম্পত্তির মূল মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করা যায় না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারার বিধান: অব্যবহিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট থেকে দখল প্রদানের নিমিত্তে মালিক নয় এরূপ দখলকারী ব্যক্তির দায় দায়িত্ব:
-যে সম্পত্তির মালিক সে নিজে নয়, এমন অস্থাবর সম্পত্তির কোন বিশেষ অংশের দখলকারী বা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত যে কোন অবস্থাতে অবিলম্বিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট সেটি প্রদানার্থে সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে-
 
(ক) যখন দাবীকৃত সম্পত্তি দাবিদারের জিম্মাদারের বা প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিবাদীদের নিকট রয়েছে।
(খ) যখন দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতি টাকার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবীদারের পর্যাপ্ত প্রতিকার করবে না।
(গ) যখন দাবীকৃত বস্তুর ক্ষতির কোন সাধিত যথার্থ ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হবে।
(ঘ) যখন দাবীকৃত বস্তুর দখল দাবিদারের নিকট হতে অন্যায়ভাবে হস্তান্তরিত করা হয়েছে।
--------------------
⇒ SR Act, Section-11. Liability of person in possession, not as owner to deliver to person entitled to immediate possession:
-Any person having the possession or control of a particular article of moveable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:-
(a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant;
(b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed;
(c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss;
(d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.
৯,১৬৩.
সাক্ষ্য আইনের ৭৩খ ধারায় আদালত কোন ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিতে পারে?
  1. যে ব্যক্তি সাক্ষী হতে চায়
  2. শারীরিক সাক্ষ্য যেই ব্যক্তির
  3. যে ব্যক্তি অভিযুক্ত
  4. যে ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে অনিচ্ছুক
সঠিক উত্তর:
শারীরিক সাক্ষ্য যেই ব্যক্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শারীরিক সাক্ষ্য যেই ব্যক্তির
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ধারা-৭৩খ: অন্যদের সাথে শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য তুলনা, স্বীকৃত বা প্রমাণিত:

(১) রক্ত, বীর্য, চুলের নমুনা, ডিএনএ নমুনা, অন্য কোন জৈবিক পদার্থ, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা অঙ্গের কোন অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ বা চোখের কনীনিকার ছাপ বা পায়ের ছাপ যেই ব্যক্তির কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয় সেই ব্যক্তির কি না তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত আদেশ দিতে পারেন যে, এটিকে যেকোন নমুনার সাথে তুলনা করা হবে যা আদালতের সন্তুষ্টির জন্য স্বীকার করা হয়েছে বা প্রমাণিত হয়েছে যে ব্যক্তিটি থেকে এসেছে বা তৈরি করেছে, যদিও সেই রক্ত, বীর্যের নমুনা, চুল, ডিএনএ নমুনা, জৈবিক পদার্থ, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বা অঙ্গের কোনো অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ, পায়ের ছাপ বা অন্য কোনো বন্ধু অন্য কোনো উদ্দেশ্যে তৈরি বা প্রমাণিত হয়নি।

(২) যদি এমন কোন দাবি থাকে যে রক্ত, বীর্য, চুল, ডিএনএ নমুনা, অন্য কোন জৈবিক পদার্থ, অঙ্গ বা অঙ্গের কোন অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ, পায়ের ছাপ যার অন্তর্গত বা তা তৈরি করা হয়েছে যে কোনো ব্যক্তি দ্বারা আদালত সেই ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিতে পারে, যাতে আদালত তুলনা করতে সক্ষম হয়।

(৩) শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য প্রমাণের সত্যতা প্রমাণের ক্ষেত্রে, এই আইনের ধারা ৬০ এবং ১৬৫-এর কোন কিছুই আদালতকে তার সনাক্তকরণ সংক্রান্ত অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রমাণ সহ একটি প্রদর্শনী হিসাবে আদালতে উপস্থাপন করতে বাধা দেবে না।

Section 73B⇒ Comparison of physical or forensic evidence with others, admitted or proved:
(1) In order to ascertain whether a sample of blood, semen, hair, DNA sample, any other biological substance, limbs or any part of limb, finger impression, palm impression or iris impression or foot impression belongs to or is created by that person from whom it purports to have been collected, the Court may order that it be compared with any sample which is admitted or proved to the satisfaction of the Court to have come from or been made by the person, although that sample of blood, semen, hair, DNA sample, biological substance, limbs or any part of limb, finger impression, palm impression, iris impression, foot impression or any other substance has not been produced or proved for any other purpose.

(2) If there is any claim that the sample of blood, semen, hair, DNA sample, any other biological substance, limbs or any part of limb, finger impression, palm impression, iris impression, foot impression belongs to or is created by any person, the Court may direct that person to be present in Court for the purpose of enabling the Court to make that comparison.

(3) In relation to proving the authenticity of physical or forensic evidence, nothing in sections 60 and 165 of this Act, should prevent the Court from seeking its production in Court as an exhibit, along with any other necessary evidence concerning its identification.
৯,১৬৪.
The Penal Code, 1860 এর ৯৭ ধারানুসারে কোন অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তির সম্পত্তির প্রতিরক্ষার অধিকার থাকবে?
  1. প্রতারণা
  2. আত্মসাৎ
  3. চুরি
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
চুরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি
ব্যাখ্যা
ধারা ৯৭ - দেহ ও সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার:
৯৯ ধারায় আরোপিত নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে প্রত্যেক ব্যক্তির-

• প্রথমত: মানবদেহ বিষয়ক কোন অপরাধের বিরুদ্ধে তার নিজের দেহ এবং অপর যে কোন ব্যক্তির দেহ রক্ষা করার ব্যক্তিগত অধিকার রয়েছে;

• দ্বিতীয়ত: এমন কোন অপরাধজনক কাজের বিরুদ্ধে তার নিজের বা অপর যে কোন ব্যক্তির স্থাবর অথবা অস্থাবর সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার রয়েছে, যে কাজটি চুরি, দস্যুতা, অনিষ্টকারিতা কিংবা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের সংজ্ঞানুসারে একটি অপরাধ, অথবা যে কাজটি চুরি, দস্যুতা, অনিষ্টকারিতা কিংবা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের প্রয়াসস্বরূপ।
৯,১৬৫.
স্থাবর সম্পত্তি কোন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত উক্ত বিষয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে মামলা দায়ের সম্পর্কে বিধান কোন আইনের কত ধারায়?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮
  2. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৯
  3. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪২
  4. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৪
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮ এর বিধান আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে মোকদ্দমা দায়েরের স্থান (Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain): স্থাবর সম্পত্তি দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সেই সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে, যে কোন একটি আদালত অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবেন; তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও মূল্য আদালতের এখতিয়ারের বাহিরে হবে না।

♦ আপিল বা রিভিশন আদালতে যদি এই মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, সম্পত্তিটি যে স্থানে অবস্থিত সেই স্থানের আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেনি, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত আপত্তিটি মঞ্জুর করবেন না, তবে এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসংগত কারণ থাকলে এবং ন্যায় বিচার ব্যর্থ হলে উক্ত আবেদন মঞ্জুর করতে পারে।
৯,১৬৬.
নির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারার বিধান কাদের জন্য প্রযোজ্য?
  1. যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদনযোগ্য
  2. যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদনঅযোগ্য
  3. যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদনযোগ্য
  4. যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদনঅযোগ্য
সঠিক উত্তর:
যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদনঅযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদনঅযোগ্য
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারা: যে পক্ষগণকে কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যাবে না-

নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন চুক্তিবদ্ধ পক্ষের বিরুদ্ধে কার্যকরী করা যাবে না-
(ক) যদি চুক্তির তারিখে বিরাজমান বিষয়বস্তুর অবস্থার তুলনায় তৎকর্তৃক গৃহীতব্য প্রতিদান এতই অপর্যাপ্ত হয় যে, তা নিজে বা অপরাপর পরিস্থিতির সহযোগে প্রতারণা বা বাদী কর্তৃক অন্যায় সুবিধা গ্রহণের সাক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়;

(খ) যদি চুক্তির অধীন যে পক্ষ কর্তৃক কাজ সম্পাদন করা কর্তব্য হয়, সেই পক্ষের সম্মতি ভুল বিবরণ (ইচ্ছাকৃত হোক বা অনিচ্ছাকৃত) গোপন চক্রান্ত বা অসদাচরণের মাধ্যমে অর্জন করা হয়ে থাকে বা তেমন পক্ষের এমন কোন আশ্বাস প্রদানের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে, যা উল্লেখযোগ্যভাবে পরিপূর্ণ করা হয়নি;

(গ) যদি ভুল তথ্য দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বা ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে বা অপ্রত্যাশিতভাবে তার সম্পত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে।
তবে শর্ত থাকে যে, যখন চুক্তিতে ভুলের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের বিধান থাকে তখন তেমন বিধানের আওতার মধ্যে ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণ করা যেতে পারে এবং যদি তেমন কার্যকরীকরণ যথাযথ হয় তবে অন্যান্য বিষয়ে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যেতে পারে।

Section 28⇒ What parties cannot be compelled to perform:
Specific performance of a contract cannot be enforced against a party thereto in any of the following cases-
(a) if the consideration to be received by him is so grossly inadequate, with reference to the state of things existing at the date of the contract, as to be either by itself or coupled with other circumstances evidence of fraud or of undue advantage taken by the plaintiff;

(b) if his assent was obtained by the misrepresentation (whether wilful or innocent), concealment, circumvention or unfair practices, of any party to whom performance would become due under the contract, or by a promise of such party which has not been substantially fulfilled;

(c) if his assent was given under the influence of mistake of fact, misapprehension or surprise: Provided that, when the contract provides for compensation in case of mistake, compensation may be made for a mistake within the scope of such provision, and the contract may be specifically enforced in other respects if proper to be so enforced.
৯,১৬৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২০ অনুসারে, চুক্তিতে ক্ষতিপূরণের নির্দিষ্ট পরিমাণ উল্লেখ থাকলে কী হবে?
  1. চুক্তি বাতিল বলে গণ্য হবে
  2. শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ আদায় করা যাবে
  3. সুনির্দিষ্ট কার্যকরকরণ করা যাবে না
  4. সুনির্দিষ্ট কার্যকরকরণ করা যেতে পারে
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট কার্যকরকরণ করা যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট কার্যকরকরণ করা যেতে পারে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) সুনির্দিষ্ট কার্যকরকরণ করা যেতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ২০ অনুসারে, চুক্তিতে লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের নির্দিষ্ট পরিমাণ (liquidated damages) উল্লেখ থাকলেও, যদি চুক্তি অন্যথায় সুনির্দিষ্ট কার্যকরণের (specific performance) উপযুক্ত হয় এবং লঙ্ঘনকারী পক্ষ সেই ক্ষতিপূরণ পরিশোধ করতে প্রস্তুত থাকে, তাহলে সুনির্দিষ্ট কার্যকরণ প্রদানে কোনো বাধা হয় না। এটি নিশ্চিত করে যে ক্ষতিপূরণের বিধান সুনির্দিষ্ট প্রতিকারের পথে বাধা সৃষ্টি করবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২০ অনুযায়ী, একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে, যদিও চুক্তিতে তার লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ উল্লেখ করা থাকে এবং লঙ্ঘনকারী পক্ষ সেই অর্থ পরিশোধ করতে প্রস্তুত থাকে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানে বাধা সৃষ্টি করবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২০ ধারার বিধান ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানে বাধা নয়:
যেকোনো চুক্তি, যা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা উপযুক্ত, তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হিসেবে কার্যকর করা যেতে পারে, যদিও চুক্তিতে তার লঙ্ঘন হলে ক্ষতিপূরণের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ উল্লেখ করা থাকে এবং চুক্তি ভঙ্গকারী পক্ষ সেই অর্থ পরিশোধ করতে ইচ্ছুক।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 20. Liquidation of damages not a bar to specific performance:
A contract, otherwise proper to be specifically enforced, may be thus enforced, though a sum be named in it as the amount to be paid in case of its breach, and the party in default is willing to pay the same. 

Illustration:
A contracts to grant B an under-lease of property held by A under C, and that he will apply to C for a license necessary to the validity of the under lease, and that, if the license is not procured, A will pay B taka 10,000. A refuses to apply for the license and offers to pay B the taka 10,000. B is nevertheless entitled to have the contract specifically enforced it C consents to give the license.

৯,১৬৮.
একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের বিষয়বস্তু মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, তা কে প্রমাণ করবে?
  1. 'ক'
  2. সাক্ষী
  3. আদালত
  4. দলিলের মালিক
সঠিক উত্তর:
'ক'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক'
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারা- যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্বঃ
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরে বর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

উদাহরণ:
(ক) 'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।
(খ) একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

Section-104. Burden of proving fact to be proved to make evidence admissible:
The burden of proving any fact necessary to be proved in order to enable any person to give evidence of any other fact is on the person who wishes to give such evidence.

(a) A wishes to prove a dying declaration by B. A must prove B's death.
(b) A wishes to prove, by secondary evidence, the contents of a lost document. A must prove that the document has been lost.
৯,১৬৯.
সরকারি দলিলের প্রত্যয়িত কপি কে সরবরাহ করতে পারেন?
  1. যে কোনো ব্যক্তি
  2. শুধুমাত্র আদালতের বিচারক
  3. কোনো বেসরকারি সংস্থা
  4. সরকারি দলিলের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
সরকারি দলিলের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি দলিলের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭৬ অনুসারে —
যে সরকারি কর্মকর্তা কোনো সরকারি দলিলের হেফাজতে আছেন এবং যিনি আইন অনুযায়ী জনগণের অনুরোধে ঐ দলিল প্রদর্শনের অধিকার রাখেন, তিনি ঐ দলিলের প্রত্যয়িত কপি (certified copy) সরবরাহ করতে পারেন।
এই কপি দিতে হলে:
- নির্ধারিত সরকারি ফি জমা দিতে হয়।
- প্রত্যয়িত কপির নিচে লেখা থাকে এটি মূল কাগজের সঠিক অনুলিপি।
- তাতে কর্মকর্তার নাম, পদবি, তারিখ এবং প্রয়োজনে সরকারি সীলমোহর থাকে।
Explanation-এ আরও বলা হয়েছে, যিনি তার দাপ্তরিক দায়িত্বে এসব কপি সরবরাহের ক্ষমতা রাখেন, তাকেই দলিলের হেফাজতকারী হিসেবে গণ্য করা হবে।

- অর্থাৎ প্রত্যয়িত কপি কেবলমাত্র সেই সরকারি কর্মকর্তা দিতে পারেন, যিনি ঐ সরকারি দলিলের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে আছেন এবং আইনের অধীনে কপি সরবরাহে ক্ষমতাপ্রাপ্ত।

⇒The Evidence Act, 1872, Section-76. Certified copies of public documents: 
 Every public officer having the custody of a public document, which any person has a right to inspect, shall give that person on demand a copy of it on payment of the legal fees therefor, together with a certificate written at the foot of such copy that it is a true copy of such document or part thereof, as the case may be, and such certificate shall be dated and subscribed by such officer with his name and his official title, and shall be sealed, whenever such officer is authorized by law to make use of a seal, and such copies so certified shall be called certified copies. 
 
Explanation.-Any officer who, by the ordinary course of official duty, is authorized to deliver such copies, shall be deemed to have the custody of such documents within the meaning of this section.

৯,১৭০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারার বিধান কী?
  1. Bar of suit for breach after dismissal
  2. Principles of rectification
  3. Presumption as to intent of parties
  4. When rescission may be adjudged
সঠিক উত্তর:
Principles of rectification
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Principles of rectification
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারায় দলিল সংশোধনের মূলনীতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- এ ধারা অনুযায়ী দলিল সংশোধনের সময় আদালত নিম্নের বিষয় অনুসন্ধান করতে পারেন:
- দলিলের উদ্দেশ্য কী ছিল এবং দলিলের ফলাফল কী।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারার বিধান: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
- লিখিত দলিল সংশোধন করার সময় আদালত অনুসন্ধান করতে পারেন, কি অর্থ বহন করা দলিলের অভিপ্রেত ছিল এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল সম্পর্কে অভিপ্রায় কি ছিল, কেবল মাত্র সে ব্যাপারেই অনুসন্ধান সীমিত থাকবে না।
------------------------
The Specific Relief Act, 1877, Section 33. Principles of rectification:
-In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.
৯,১৭১.
হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৭ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৫১ অনুচ্ছেদের বিধান:
হাইকোর্ট কর্তৃক মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদি মেয়াদ ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের দিন থেকে ২০ দিন।

অর্থাৎ হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ ২০ দিন।
৯,১৭২.
'ক' একটি আপিল এখতিয়ারবিহীন আদালতে দায়ের করলো। এখতিয়ার না থাকায় আদালত আপিলটি সঠিক আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দিলো। ইতোমধ্যে আপিল দায়েরের তামাদি মেয়াদ সমাপ্ত হয়েছে। এই ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. তামাদি আইনের ১৪ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে
  2. আদালত তামাদির মেয়াদ গণনার সময় ব্যয়িত সময় থেকে বাদ দিবে
  3. ক এবং খ উভয়
  4. তামাদি আইনের ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে
সঠিক উত্তর:
তামাদি আইনের ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদি আইনের ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে।

• সাধারণ নিয়ম হলো, কোন আপিল, রিভিউ এবং রিভিশন তামাদি আইনে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে দায়ের করতে হয়। আপিল, রিভিউ, রিভিশন বা আবেদন ইত্যাদি নির্ধারিত সময়ে দাখিল করতে না পারলে আদালত ৩ ধারার বিধান অনুযায়ী উক্ত দরখাস্ত খারিজ করে দিতে পারে। বিলম্বে আপিল, রিভিউ, রিভিশন বা কোন আবেদন করার কারণে যেন উক্ত আপিল, রিভিউ, রিভিশন বা আবেদনটি খারিজ না হয়, সেই জন্যে উক্ত আবেদনের সাথে ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে বা সময় বৃদ্ধির আবেদন করতে হবে [application for extension of period]।
আপীলকারী বা দরখাস্তকারী যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে, নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে আপিল দায়ের বা দরখাস্তটি দাখিল না করার যথেষ্ট কারণ ছিল, তাহলে আদালত বিলম্ব মওকুফের আবেদন মঞ্জুর করতে পারে।

তামাদি আইনের ৫ ধারা নিম্নলিখিত ৫টি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অর্থাৎ নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে বিলম্ব মওকুফের আবেদন করা যায় বা সময় বৃদ্ধির আবেদন দায়ের করা যায়-
১. আপিল [Appeal]
২. আপীল করার অনুমতির দরখাস্ত [An application for leave to appeal]
৩. রায় রিভিউ এর আবেদন [An application for review of judgment]
৪. রিভিশনের দরখাস্ত; [An application for revision]
৫. অন্য কোন আবেদনের ক্ষেত্রে যেখানে ৫ ধারা প্রযোজ্য করা যায় [Any other application to which this section may be made applicable]

• যেক্ষেত্রে ৫ ধারার বিধান প্রযোজ্য না:

তামাদি আইন,১৯০৮ এর ৫ ধারা স্যুটের [Suit] বা মূল মামলা যেমন স্বত্ব ঘোষণা, চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি দায়ের করার মেয়াদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ মূল মামলা বা স্যুট দায়ের করার জন্য নির্ধারিত সময় অতিক্রম হয়ে গেলে উক্ত সময় মওকুফ করার জন্য ৫ ধারায় আবেদন গ্রহণযোগ্য না।
৯,১৭৩.
ইস্যু গঠনের _______ দিনের মধ্যে 'প্রশ্নাবলির মাধ্যমে আবিষ্কার' এর দরখাস্ত প্রদান করতে হয়।
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ২১
সঠিক উত্তর:
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১ বিধি-১:
প্রশ্নমালা দ্বারা আবিষ্কার (Discovery by interrogatories):
কোন মোকদ্দমার বাদী বা বিবাদীপক্ষ অপর পক্ষগণকে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতি নিয়ে বিচার্য বিষয় গঠনের তারিখ হতে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে পারবে এবং এরূপ প্রশ্নমালা প্রদান করা হলে কোন প্রশ্নের উত্তর এরূপ ব্যক্তিদের কাকে প্রদান করতে হবে তা প্রশ্নমালার পাদটিকায় লেখা থাকবে। এখানে আদালতের অনুমতি দেয়া বিবেচনামূলক। আদালতের আদেশ ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে একটির বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করতে পারবে না।
৯,১৭৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট কতটি কলাম রয়েছে?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে।
দ্বিতীয় তফসিল (Second Schedule) এর ৮টি কলাম:
১. ১ম কলাম: পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ।
২. ২য় কলাম: অপরাধের বিবরণ।
৩. ৩য় কলাম: পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারবে কি পারবে না (অর্থাৎ, আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ)।
৪. ৪র্থ কলাম: প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা।
৫. ৫ম কলাম: অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য।
৬. ৬ষ্ঠ কলাম: অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা।
৭. ৭ম কলাম: দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি।
৮. ৮ম কলাম: যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
৯,১৭৫.
কোন বিদেশী রাষ্ট্রের শাসনকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে কী করতে হবে?
  1. সরকারের সম্মতি লাগবে
  2. যোগ্য আদালতে মামলা করতে হবে
  3. সরকারের কোন সেক্রেটারী কর্তৃক সার্টিফায়েড হতে হবে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৬ ধারার বিধান-: বিদেশী শাসনকর্তার বিরুদ্ধে মামলা (Suits against Foreign Rulers)- সরকারের অনুমতি নিয়ে অর্থাৎ সরকারের কোন সচিবের স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট সম্বলিত সরকারের সম্মতিক্রমে কোন বিদেশী শাসন কর্তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের উপযুক্ত আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়।
⇒সরকারের অনুমতি ব্যতীত বিদেশী শাসনকর্তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করা যায় না।
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৭ ধারা অনুযায়ী কোন বিদেশী শাসনকর্তা মোকদ্দমা দায়ের করতে চাইলে বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করতে হলে ঐ বিদেশী রাষ্ট্রের নামে মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়। তবে উক্ত শাসন কর্তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা তার কোন প্রতিনিধি বা অন্য কারো বিরুদ্ধেও দায়ের করা যায়।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৬ক ধারার বিধান: কূটনৈতিক প্রতিনিধির বিরূদ্ধে মোকদ্দমা (Suit against diplomatic agent)- কোন রাষ্ট্রের কুটনৈতিক প্রতিনিধি বলতে বাংলাদেশে অবস্থানরত সংশ্লিষ্ট মিশনের প্রধান এবং ঐ মিশনের কূটনৈতিক পদ মর্যাদার অধিকারী কর্মচারীদের কোন সদস্যকেও বোঝাবে।

⇒ কোন কূটনৈতিক প্রতিনিধি তার কূটনৈতিক ক্ষমতাবলে কূটনৈতিক কার্যাবলীর অংশ হিসেবে কোন কিছু করলে সেজন্য ঐ কূটনৈতিক প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আদালতে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে না। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক প্রতিনিধি ব্যক্তিগত যোগ্যতায় কোন কিছু করলে তার বিরুদ্ধে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে মোকদ্দমা করা যাবে-
ⅰ) ব্যক্তিগত যোগ্যতায় বাংলাদেশে অবস্থিত কোন স্থাবর সম্পত্তির অধিকারী হলে;
ii) বেসরকারি ব্যক্তির মত (private person) কোন উত্তরাধিকারের নিবন্ধক, অছি, ওয়ারিশ বা উইলগ্রহীতা হলে এবং প্রেরণকারী রাষ্ট্রের পক্ষে না হলে;
iii) কূটনৈতিক কার্যাবলির বাহিরে ব্যক্তি যোগ্যতায় বাংলাদেশে কোন বৃত্তিমূলক বা বানিজ্যিক কর্ম-তৎপরতা প্রয়োগ করলে।
-------------------
⇒CPC Section-86.Suits against Rulers:
(1) Any Ruler of foreign State may, with the consent of the Government, certified by the signature of a Secretary to that Government but not without such consent, be sued in any competent Court. 
(2) Such consent may be given with respect to a specified suit or to several specified suits or with respect to all suits of any specified class or classes, and may specify, in the case of any suit or class of suits, the Court in which the Ruler may be sued; but it shall not be given unless it appears to the consenting authority that the Ruler 
(a) has instituted a suit in the Court against the person desiring to sue him, or 
(b) by himself or another trades within the local limits of the jurisdiction of the Court, or 
(c) is in possession of immovable property situated within those limits and is to be sued with reference to such property or for money charged thereon. 
(3) No such Ruler shall be arrested under this Code, and, except with the consent of the Government certified as aforesaid, on decree shall be executed against the property of any such Ruler. 
(5) A person may, as a tenant of immovable property, sue, without such consent as is mentioned in this section, a Ruler from whom he holds or claims to hold the property.

⇒CPC Section-86A.Suits against diplomatic agents:
(1) No proceeding in any Court shall lie against a diplomatic agent except in a case relating to- 
(a) any private immovable property situated in Bangladesh held by him in his private capacity and not on behalf of the sending State for the purpose of the mission; 
(b) a succession in which the diplomatic agent is involved as executor, administrator, heir or legatee as a private person and not on behalf of the sending State; 
(c) any professional or commercial activity exercised by the diplomatic agent in Bangladesh outside his official functions. 
(2) No measures of execution shall be taken in respect of a diplomatic agent except in cases which come under clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1) and in which such measures can be taken without infringing the inviolability of his person or of his residence. 
(3) The initiation of any proceedings in a Court by a diplomatic agent shall preclude him from invoking immunity from jurisdiction under this section in respect of any counter-claim directly connected with the principal claim. 
(4) The immunity of a diplomatic agent under sub- (4) The immunity of a diplomatic agent under sub-section (1) or sub-section (2) may be waived by the sending State; and any such waiver shall be express. 
(5) Waiver of immunity in respect of any proceedings shall not be held to imply waiver of immunity in respect of any measure of execution for which a separate waiver shall be necessary. 
(6) In this section, 'diplomatic agent' in relation to a State means the head of the mission in Bangladesh of that State and includes a member of the staff of that mission having diplomatic rank.

⇒CPC Section-87:Style of Rulers as parties to suits:
The Ruler of a foreign State may sue, and shall be sued, in the name of his State:
Provided that in giving the consent referred to in the foregoing section the Government, or the Government, as the case may be, may direct that any such Ruler shall be sued in the name of an agent or in any other name.
৯,১৭৬.
'ক', 'খ' ও তার সন্তানগণের নামে একটি সম্পত্তি নামজারী করে। 'ক' তারপর উক্ত সম্পত্তি 'গ'-এর কাছে বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয়। বিক্রয় থেকে বিরত থাকার লক্ষ্যে 'খ' বা তার যে কোন সন্তান কী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার পেতে পারে?
  1. ঘোষণামূলক মােকদ্দমা রুজু করতে পারে
  2. নিষেধাজ্ঞা জারির মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  3. প্রতারণা সংশ্লিষ্ট মােকদ্দমা রুজু করতে পারে
  4. কোনো প্রতিকার পাবে না
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞা জারির মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞা জারির মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪- যখন চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়:
এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের আওতাধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক অথবা অনুমিত হোক, ভঙ্গ করাকে নিরোধের জন্য চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যেতে পারে। যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলী কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নে বর্ণিত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন-
ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লংঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি বা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদন্ড নেই;
গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লংঘন এমন ধরণের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লংঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নেবারণের জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রয়ােজনীয়।

ব্যাখ্যা- অত্র ধারার লক্ষ্য অনুসারে ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে গণ্য হবে।

উদহারণ:
ছ) ক, খ ও তার সন্তানগণের নামে একটি সম্পত্তি নামজারী করে। ক তারপর উক্ত সম্পত্তি গ-এর কাছে বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয়। বিক্রয় থেকে বিরত থাকার লক্ষ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য খ বা তার যে কোন সন্তান মােকদ্দমা রুজু করতে পারে।
৯,১৭৭.
বিচারিক ও দাপ্তরিক কার্যাবলী নিয়মিতভাবে সম্পন্ন হয়েছে মর্মে অনুমানের ক্ষমতা আদালতকে প্রদান করা হয়েছে The Evidence Act, 1872 এর ________ ধারায়।
  1. ১০৬
  2. ৫৬
  3. ১১৪
  4. ৫৮
সঠিক উত্তর:
১১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৪
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (The Evidence Act, 1872)-এর ধারা ১১৪ আদালতকে কিছু অনুমান (presumptions) করার ক্ষমতা প্রদান করে। এই ধারা অনুসারে, আদালত এই মর্মে অনুমান করতে পারে যে বিচারিক ও দাপ্তরিক কার্যাবলী (judicial and official acts) নিয়মিতভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যতক্ষণ না বিপরীত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৪ ধারার বিধান: আদালত কিছু তথ্যের অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে-
আদালত প্রকৃতি এবং মানবিক আচরণের সাধারণ গতিপ্রকৃতি, সরকারি ও বেসরকারি কার্যাবলীর সাপেক্ষে বিশেষ মামলার তথ্যগুলি বিবেচনা করে, যে কোনো তথ্য বা ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে যা আদালতের মতে সম্ভবত ঘটেছে। আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অনুমান করতে পারে -
(ক) যে ব্যক্তি চুরির কিছুক্ষণ পরেই চুরি মালামাল দখলে রাখে, সে নিজেই চোর অথবা জেনেশুনে চুরি মাল গ্রহণ করেছে, যদি না সে তার দখলের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারে;
(খ) যে ব্যক্তি অপরাধের সহযোগী, সে অবিশ্বাসযোগ্য, যদি না তার সাক্ষ্যের মূল বিষয়গুলি অন্য কোনো প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত হয়;
(গ) একটি হুন্ডি স্বীকৃত বা অনুমোদিত হয়েছে প্রাপ্য মূল্যের বিনিময়ে;
(ঘ) যেকোনো বস্তু বা অবস্থা যা এমন সময়সীমার মধ্যে দেখা গেছে যে সময়সীমার মধ্যে এরকম বস্তু বা অবস্থা সাধারণত লুপ্ত হয়ে যায় না, তা এখনও বিদ্যমান রয়েছে;
(ঙ) বিচারিক এবং সরকারি কার্যাবলী নিয়মানুসারে সম্পাদিত হয়েছে;
(চ) বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক নিয়মানুসারে কার্যক্রম পালিত হয়েছে;
(ছ) যে প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব ছিল কিন্তু করা হয়নি, তা উপস্থাপিত হলে যে ব্যক্তি তা প্রমাণ করতে অস্বীকার করেছেন তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(জ) কোনো ব্যক্তি যদি আইনসম্মতভাবে বাধ্য না হয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে, তাহলে মনে করা হবে উত্তরটি তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(ঝ) কোনো দায়বদ্ধকারী দলিল দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছে থাকলে, মনে করা হবে দায়িত্বটি পরিশোধিত হয়েছে।
তবে বিশেষ মামলার ক্ষেত্রে এই নিয়মগুলি প্রযোজ্য কিনা তা বিবেচনা করার সময় আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলিও বিবেচনা করবে।

⇒ The Evidence Act, 1872 Section- 114. Court may presume existence of certain facts:
The court may presume the existence of any fact which it thinks likely to have happened, regard being had to the common course of natural events, human conduct and public and private business, in their relation to the facts of the particular case.

Illustrations
The Court may presume –
(a) that a man who is in possession of stolen goods soon after the theft, is either the thief or has received the goods knowing them to be stolen, unless he can account for his possession;
(b) that an accomplice is unworthy of credit, unless he is corroborated in material particulars;
(c) that a bill of exchange, accepted or endorsed, was accepted or endorsed for good consideration;
(d) that a thing or state of things which has been shown to be in existence within a period shorter than that within which such things or states of things usually cease to exist, is still in existence;
(e) that judicial and official acts have been regularly performed;
(f) that the common course of business has been followed in particular cases;
(g) that evidence which could be and is not produced would, if produced, be unfavourable to the person who withholds it;
(h) that, if a man refuses to answer a question which he is not compelled to answer by law, the answer, if given, would be unfavourable to him;
(i) that when a document creating an obligation is in the hands of the obligor, the obligation has been discharged.
But the Court shall also have regard to such facts as the following, in considering whether such maxims do or do not apply to the particular case before it:–
as to illustration (a) –A shop-keeper has in his till a marked Taka soon after it was stolen, and cannot account for its possession specifically, but is continually receiving Taka in the course of his business:
as to illustration (b)–A, a person of the highest character, is tried for causing a men's death by an act of negligence in arranging certain machinery. B, a person of equally good character, who also took part in the arrangement, describes precisely what was done, and admits and explains the common carelessness of A and himself:
as to illustration (b)–a crime is committed by several persons. A, B and C, three of the criminals, are captured on the spot and kept apart from each other. Each gives an account of the crime implicating D, and the accounts corroborate each other in such a manner as to render previous concert highly improbable:
as to illustration (c)–A, the drawer of a bill of exchange, was a man of business. B, the acceptor, was a young and ignorant person, completely under A's influence:
as to illustration (d)–it is proved that a river ran in a certain course five years ago, but it is known that there have been floods since that time which might change its course:
as to illustration (e)–a judicial act, the regularity of which is in question, was performed under exceptional circumstances:
as to illustration (f)–the question is, whether a letter was received. It is shown to have been posted, but the usual course of the post was interrupted by disturbances:
as to illustration (g)–a man refuses to produce document which would bear on a contract of small importance on which he is sued, but which might also injure the feelings and reputation of his family:
as to illustration (h)–a man refuses to answer a question which he is not compelled by law to answer, but the answer to it might cause loss to him in matters unconnected with the matter in relation to which it is asked:
as to illustration (i)–a bond is in possession of the obligor, but the circumstances of the case are such that he may have stolen it.
৯,১৭৮.
X যে জমির বৈধ দখলদার ঐ জমির উপর দিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামের বাসিন্দাগণ যাতায়াতের অধিকার দাবী করে। X এর প্রতিকার কী?
  1. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
  2. ঘোষণা
  3. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  4. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোষণা
ব্যাখ্যা
♦ আইনসংগত পরিচয়, পদ, অবস্থান বা সম্পত্তিতে স্বত্ত্বের অধিকা অন্য কেউ অস্বীকার করলে ৪২ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করে প্রতিকার পাওয়া যায়। ঠিক এ কারণেই ৪২ ধারা ঘোষণামূলক মোকদ্দমার ধারা নামে পরিচিত। 

♦ ঘোষণামূলক মোকদ্দমা। 'কোনো ব্যক্তির আইনগত পদ/পরিচিতি [Legal Characterj বা সম্পত্তিতে স্বত্ত্বের অধিকার Right to Property) প্রার্থনা করে যে মোকদ্দমা দায়ের করা হয় তাকেই ঘোষণামূলক মোকদ্দমা (Declaratory Suit] বলে”। 

♦ ঘোষণামূলক ডিক্রি: ঘোষণামূলক মোকদ্দমায় আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে যে ডিক্রি দেয় তাকেই ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree ] বলে।

বিষয়বস্তু/কারণ: ২টি; ১, আইনগত পরিচয় নির্ধারণ করা। ২. সম্পত্তিতে অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।

♦ মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।

♦ মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০২ অনুযায়ী রিট দায়ের করে প্রতিকার পাওয়া যায়।  

♦ আনুষাঙ্গিক প্রতিকার মূল মোকদ্দমার সাথে চাইতে হয়, চাইলে পাবে, না চাইলে পাবে না। মনে রাখবেন, আনুষাঙ্গিক প্রতিকার দাবি করার থাকলে তা দাবি করা বাদীর জন্য বাধ্যতামূলক।   ঘোষণামূলক ডিক্রি বলবৎ করার জন্য জারি মামলা করার প্রয়োজন নেই। ঘোষণামূলক ডিক্রি অবমাননার জন্য অবমাননার মামলা করার দরকার নেই।
৯,১৭৯.
আদেশ ৪৪ বিধি ২ অনুযায়ী, কোন আদালত আবেদনকারীর নিঃস্বতা সম্পর্কে তদন্ত করতে পারে?
  1. শুধু হাইকোর্ট বিভাগ
  2. কেবলমাত্র আপিল আদালত
  3. কেবলমাত্র যে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল হয়েছে সেই আদালত
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪৪ বিধি-২: নিঃস্বতা সম্বন্ধে তদন্ত:
আবেদনকারীকে নিঃস্বতা সম্পর্কে আপিল আদালত স্বয়ং অথবা যে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আদালতের আদেশক্রমে আপিল করা হয়েছে, সেই আদালত তদন্ত করতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী যদি যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয় সে আদালতে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা বা আপিল করার অনুমতি পেয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত অনুরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে কারণ না দেখলে তার নিঃস্বতা সম্পর্কে পুনরায় তদন্ত করার প্রয়োজন হবে না।

৯,১৮০.
দলিল বাতিলের মামলায় বাদীকে উক্ত দলিলের-
  1. একজন সাক্ষী হতে হবে
  2. অবশ্যই পক্ষ থাকতে হবে
  3. পক্ষ থাকার প্রয়োজন নাই
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়
সঠিক উত্তর:
পক্ষ থাকার প্রয়োজন নাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষ থাকার প্রয়োজন নাই
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় দলিল বাতিলের প্রতিকার শুধুমাত্র দলিলের পক্ষসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ না। অর্থাৎ একমাত্র দলিলের পক্ষরা যে দলিল বাতিলের মামলা করতে পারবে তা না বরং যেকোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য বা যে ব্যক্তি উক্ত বাতিল এবং বাতিলযোগ্য দলিলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সে দলিলটি বাতিলের জন্য ৩৯ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণ দলিল বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
১. দলিলের পক্ষ
২. যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য বা
৩. যে ব্যক্তি উক্ত বাতিল এবং বাতিলযোগ্য দলিলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে
দলিল বাতিলের মামলায় বাদীকে উক্ত দলিলের পক্ষ হওয়ার প্রয়োজন নেই বরং সে যদি প্রমাণ করতে পারে যে বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিলটির কারণে সে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে তাহলে সে মামলা দায়েরের অধিকারী।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারার বিধান যখন বিলুপ্তির আদেশ প্রদানযোগ্যঃ – যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
 
যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।
 
⇒ অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারার অধীনে যে কোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত দলিল বাতিল বা বাতিলযোগ্য হলে এবং তা গুরুতর ক্ষতির কারণ হলে, উক্ত দলিল বাতিলের জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে। সুতরাং দলিল বাতিলের মামলায় বাদীকে উক্ত দলিলের পক্ষ হওয়ার কোন প্রয়োজন নেই।
৯,১৮১.
'A' নিম্নলিখিত কোন আদালতে ৩৫ লক্ষ টাকা মূল্যমানের জমির মালিকানা বিরোধজনিত মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. সহকারী জজ আদালত
  2. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
  3. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  4. জেলা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম জেলা জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম জেলা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করবেন সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।
⇒ The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতের আর্থিক এখতিয়ার-
- সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
- সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা
- যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্ন অনুসারে "A" উক্ত ৩৫ লক্ষ টাকা মূল্যমানের জমির মালিকানা বিরোধজনিত মোকদ্দমা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে দায়ের করতে পারে। 
৯,১৮২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারার অধীনে হাইকোর্ট বিভাগ কোন পরিস্থিতিতে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করতে
  2. আদালতের আদেশ কার্যকর করতে
  3. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারা অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ তিনটি প্রধান কারণে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:
১) আদালতের আদেশ কার্যকর করতে
২) আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করতে
৩) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে
অতএব, হাইকোর্ট বিভাগ উপরের সবগুলো পরিস্থিতিতেই সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-561A: Saving of inherent power of High Court Division:
-Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
৯,১৮৩.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর কয়টি খন্ড?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ২টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর প্রাথমিক তথ্য:
 
আইন নং: ১৮৭২ সালের ১নং আইন।
প্রকাশিত : ১৫ মার্চ, ১৮৭২।
কার্যকর : ১ লা সেপ্টেম্বর, ১৮৭২।
ধারা : ১৬৭ টি।
 
খন্ড : ৩টি
১ম খন্ড : ১ - ৫৫ ধারা - ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা,
২য় খন্ড : ৫৬ - ১০০ ধারা - ঘটনার প্রমাণ,
৩য় খন্ড : ১০১ - ১৬৭ ধারা - সাক্ষ্য উপস্থাপন ও ইহার ফলাফল। 
৯,১৮৪.
দণ্ডবিধির ৫০৭ ধারা অনুসারে, পূর্ববর্তী ধারার শাস্তি ব্যতীত অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি কী?
  1. শুধুমাত্র জরিমানা
  2. সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫০৭ ধারা অনুসারে, অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনকারী ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ২ বছরের যেকোনো ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে, এবং পূর্ববর্তী ধারায় (ধারা ৫০৬) অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের জন্য নির্ধারিত শাস্তিও প্রযোজ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৫০৭- অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন:
যে ব্যক্তি অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করে, বা যে ব্যক্তি হুমকি প্রদানের জন্য যার নাম বা অবস্থান গোপন রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তাকে দুই বছরের পর্যন্ত যেকোন ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। এছাড়া, এই অপরাধের জন্য পূর্ববর্তী ধারায় প্রদত্ত শাস্তিও তাকে প্রদান করা হবে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 507: Criminal intimidation by an anonymous communication:
Whoever commits the offence of criminal intimidation by an anonymous communication, or having taken precaution to conceal the name or abode of the person from whom the threat comes, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, in addition to the punishment provided for the offence by the last preceding section.
৯,১৮৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে আরজি নাকচের সিদ্ধান্ত হচ্ছে একটি-
  1. আদেশ
  2. প্রাথমিক সিদ্ধান্ত
  3. ডিক্রি
  4. চুড়ান্তসিদ্ধান্ত
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) মোতাবেক- আরজি ত্রুটিযুক্ত হলে আদালত আরজি খারিজ বা আরজি নাকচ  করেন এবং আরজি খারিজ একটি ডিক্রি। উল্লেখ্য আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আদেশ। আদেশ অন্তবর্তীকালীন বা চূড়ান্ত হতে পারে। ডিক্রী প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে।
♦ আরজি নাকচের বিরুদ্ধে প্রতিকার হলঃ ধারা ২(২) অনুযায়ী আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যানের আদেশ একটি ডিক্রি তাই এর বিরুদ্ধে ধারা ৯৬(১) অনুযায়ী আপীল করা যায়। আপীল না করলে ধারা ১১৪/Order XLVII অনুযায়ি রিভিউ করা যায় এবং আদেশ ৭ বিধি ১৩ এর অধীন পুনরায় একই কারণে নতুন আরজি দাখিল করা যায়।
৯,১৮৬.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করার বিরুদ্ধে মামলা করার বিধান রয়েছে-
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির ২৬ আদেশের ২ নিয়মে
  2. দেওয়ানি কার্যবিধির ২৫ আদেশের ১ নিয়মে
  3. দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের ২(৩) নিয়মে
  4. দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের ৩ নিয়মে
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের ২(৩) নিয়মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের ২(৩) নিয়মে
ব্যাখ্যা
⇒ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে হয় ৩৯ আদেশের ১ এবং ২ (১) বিধির অধীন। ৩৯ আদেশের ১ বা ২(১) বিধির অধীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করলে তা যদি অমান্য করা হয় সেই ক্ষেত্রে অমান্যকারীর বিরুদ্ধে ৩৯ আদেশের ২(৩) বিধির অধীন মামলা করতে হবে এবং এই ক্ষেত্রে আদালত অমান্যকারীর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারে বা দেওয়ানী কারাগারে অনধিক ৬ মাস আটকের আদেশ দিতে পারে ।

- মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-১ বা বিধি-২ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পিটিশন দাখিল করতে হয়।
৯,১৮৭.
দণ্ডবিধি অনুসারে, “অবৈধ” (Illegal) শব্দটি সেই সমস্ত বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য-
  1. যা অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়
  2. যা আইন দ্বারা নিষিদ্ধ
  3. যা দেওয়ানি মামলা দায়েরের ভিত্তি হতে পারে
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ধারা ৪৩: “অবৈধ” এবং “আইনগতভাবে বাধ্য”-
“অবৈধ” (Illegal) শব্দটি সেই সমস্ত বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়, আইন দ্বারা নিষিদ্ধ বা যা দেওয়ানি মামলা দায়েরের ভিত্তি হতে পারে।
“আইনগতভাবে বাধ্য” (Legally bound to do) বলতে বোঝায়, যে কোনো ব্যক্তি যদি কোনো কাজ না করার ফলে তা অবৈধ হয়, তবে সেই কাজ করা তার জন্য আইনগত বাধ্যবাধকতার মধ্যে পড়ে।

Section 43- “Illegal” “Legally bound to do”
The word “illegal” is applicable to everything which is an offence or which is prohibited by law, or which furnishes ground for a civil action: and a person is said to be "legally bound to do" whatever it is illegal in him to omit.
৯,১৮৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯(ক) ধারা অনুযায়ী, আদালত কবে মধ্যস্থতার জন্য মামলা পাঠাতে পারেন?
  1. আরজি দাখিলের সময়
  2. লিখিত জবাব দাখিলের আগে
  3. লিখিত জবাব দাখিলের পর উভয় পক্ষ হাজির হলে
  4. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের পর
সঠিক উত্তর:
লিখিত জবাব দাখিলের পর উভয় পক্ষ হাজির হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত জবাব দাখিলের পর উভয় পক্ষ হাজির হলে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯(ক) ধারায় বলা হয়েছে, লিখিত জবাব দাখিলের পর উভয় পক্ষ আদালতে উপস্থিত হলে বিচারক শুনানি মুলতবি রেখে মধ্যস্থতা শুরু করতে পারেন।
- দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৮৯(ক) অনুযায়ী যখন মোকদ্দমার উভয় পক্ষ (বাদী ও বিবাদী) লিখিত জবাব দাখিলের পর আদালতে হাজির হয়, তখন আদালত শুনানি মুলতবি রেখে ওই বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য মধ্যস্থতার ব্যবস্থা করতে পারেন।
- এই সময় আদালত হয় নিজে মধ্যস্থতা করতে পারেন, অথবা একজন মধ্যস্থতাকারীর (Mediator) কাছে বিষয়টি পাঠাতে পারেন।
- এটি আদালতের জন্য একটি বাধ্যতামূলক করণীয় যাতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (ADR) পদ্ধতিকে উৎসাহিত করা যায়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৮৯ (ক) ধারায় বলা হয়েছে যে, লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি মোকদ্দমার উভয় পক্ষ নিজে / আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজির হয় তাহলে আদালত শুনানী মুলতবী রেখে মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করবেন।
- মধ্যস্থতার ১০ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষ মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে ব্যর্থ হইলে আদালত পরবর্তীতে ৭ দিনের মধ্যে সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করিবেন।
- মধ্যস্থতার সময় হবে ৬০ দিন তবে সর্বাধিক ৯০ দিনের বেশি নয়।

⇒ মধ্যস্থতার সংজ্ঞা (Definition of Mediation)- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ ধারার ১নং ব্যাখ্যায় মধ্যস্থতার সংজ্ঞা রয়েছে। ৮৯ ধারার ১নং ব্যাখ্যায় মধ্যস্থতা বলতে প্রসারিত অনানুষ্ঠানিক, অবাধ্যতামূলক, গোপনীয়, অপ্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক এবং সমঝোতামূলক বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতিকে বোঝায়, যার মাধ্যমে মধ্যস্থতাকারী মীমাংসার কোন শর্তে নির্দেশ না করে কিংবা তৎসম্পর্কে কোন আদেশ না দিয়ে পক্ষগণের মধ্যকার বিরোধগুলো নিষ্পত্তির সুযোগ করে দেন।
৯,১৮৯.
'Dying Declaration' কীভাবে দেয়া যায়?
  1. ইশারায়
  2. লিখিত ভাবে
  3. মৌখিক ভাবে
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act এর ধারা-৩২(১) এর বিধান মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration)-
সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায়: ১. লিখিত ভাবে ২. ইশারায় ৩. মৌখিক ভাবে।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রযোজ্য: দেওয়ানি মোকদ্দমা ও ফৌজদারি মামলা উভয় ক্ষেত্রেই।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায় যার নিকট: যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে; যেমন: ডাক্তার, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার আগে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে- ঘোষণা প্রদানকারী মৃত [১০৪ ধারার বিধান]।

মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্য হবে না: মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী মৃত্যুবরণ না করলে [বেঁচে থাকলে]; উক্ত ঘোষণা- সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে। তবে ধারা ১৪৫, ১৫৭ অনুযায়ী সমর্থনমূলক সাক্ষ্য [Dying Recognition] হিসাবে ব্যবহার করা যাবে।
৯,১৯০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারায় ১৫ বছরের কম বয়সী অপরাধী কিশোরদের জন্য বিচার কিভাবে সম্পন্ন হবে?
  1. কোন বিচার হবে না
  2. হাইকোর্ট বিভাগ বিচার করবেন
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বিচার করবেন
  4. হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বিচার করবেন
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বিচার করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বিচার করবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারা- কিশোরদের ক্ষেত্রে এখতিয়ার:
কোনো ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট করতে পারবেন।

Jurisdiction in the case of juveniles:
Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
৯,১৯১.
চাকর বা কর্মচারী কর্তৃক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি অসৎভাবে আত্মসাৎ এর সর্বোচ্চ কারাদণ্ড-
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪০৪: মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর সময় তাঁর অধিকারে থাকা সম্পত্তি অসৎভাবে আত্মসাৎ-
যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের কাজে ব্যবহার করে, এই জেনে যে উক্ত সম্পত্তি মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর সময় তার অধিকারে ছিল এবং এখনো সেই সম্পত্তি কোনো আইনগতভাবে অধিকারে থাকা ব্যক্তির হেফাজতে যায়নি—তাহলে সে ব্যক্তি অনধিক তিন বছর মেয়াদের যেকোনো প্রকার কারাদণ্ডে (সশ্রম বা বিনাশ্রম) দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হতে পারে। যদি অপরাধী ঐ মৃত ব্যক্তির চাকর বা কর্মচারী হয়ে থাকে, তাহলে কারাদণ্ডের মেয়াদ সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত হতে পারে।

উদাহরণ:
Z মারা যায় এবং তার মৃত্যুর সময় তার হেফাজতে আসবাবপত্র ও অর্থ ছিল। তার চাকর A, সেই অর্থ এমন অবস্থায় অসৎভাবে আত্মসাৎ করে যখন তা এখনো কোনো বৈধ উত্তরাধিকারীর হেফাজতে যায়নি। এই অবস্থায়, A দণ্ডবিধির ৪০৪ ধারায় অপরাধ করেছে।

৯,১৯২.
"Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, ________________."
  1. temporary and perpetual
  2. mandatory and temporary
  3. temporary or perpetual
  4. mandatory or perpetual
সঠিক উত্তর:
temporary or perpetual
উত্তর
সঠিক উত্তর:
temporary or perpetual
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 52. Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual. 
-----------
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়: আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন।
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারীর মাধ্যমে।
 
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো এক প্রকারের প্রতিরোধমূলক বা নিরোধমূলক প্রতিকার।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী নিরোধমূলক প্রতিকার বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা (অস্থায়ী এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা) হলো সর্বোত্তম পন্থা।
৯,১৯৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪ বিধি ১ অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করবে না?
  1. বাদী উপস্থিত না থাকলে
  2. মামলা আপিলঅযোগ্য হলে
  3. কোনো পক্ষ নতুন আবেদন করলে
  4. বিবাদী প্রথম শুনানিতে আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে
সঠিক উত্তর:
বিবাদী প্রথম শুনানিতে আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী প্রথম শুনানিতে আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪, বিধি ১(৬) অনুযায়ী -
“মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে, এই বিধির কোন বিধানেই আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন ও লিপিবদ্ধ করবে না।”

অর্থাৎ, যদি বিবাদী তার লিখিত জবাব দাখিল না করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন না করে, তবে আদালত বিচার্য বিষয় (Issues) নির্ধারণ করবে না, কারণ তখন বাদীর বক্তব্য একতরফা (ex parte) অবস্থায় থেকে যায় - বিরোধের কোনো প্রশ্নই ওঠে না।

৯,১৯৪.
রাষ্ট্রদ্রোহের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কী?
  1. ৩ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. যাবজ্জীবন
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ১২৪ক তে বলা হয়েছে- রাষ্ট্রদ্রোহীতার শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাথে অর্থদণ্ড বা ৩ বছর মেয়াদী কারাদণ্ডের সাথে অর্থদণ্ড।
৯,১৯৫.
আদালতের অফিসার বা অন্য কোনো সরকারি কর্মচারী কর্তৃক সমন জারির ক্ষেত্রে কার নির্দেশনা অনুসরণ করতে হয়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশনা
  2. সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধি
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রণীত বিধি
  4. সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের নির্দেশনা
সঠিক উত্তর:
সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬৮(২) অনুসারে আদালতের অফিসার বা অন্য কোনো সরকারি কর্মচারী কর্তৃক সমন জারির ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধি অনুসরণ করতে হয়। 
সুতরাং, আদালতের অফিসার বা অন্য কোনো সরকারি কর্মচারী কর্তৃক সমন জারির ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধি অনুসরণ করতে হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারার বিধান সমনের ফরম:
(১) কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হবে।
(২) সমন জারিকারক : এরূপ সমন কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক অথবা এতদ্দুদ্দেশ্যে সরকার দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে সমন প্রদানকারী আদালতের কোন অফিসার কর্তৃক অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক জারী হবে।
---------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 68.
-Form of summons:
1) Every summons issued by a Court under this Code shall be in writing in duplicate, signed and sealed by the presiding officer of such Court, or by such other officer as the Supreme Court may, from time to time, by rule, direct.
- Summons by whom served:
2) Such summons shall be served by a police-officer, or subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, by an officer of the Court issuing it or other public servant.

৯,১৯৬.
কোন ধারায় The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারার বিধান প্রযোজ্য?
  1. কার্যক্রম
  2. আপীল
  3. রিভিশন
  4. রিভিশন,
সঠিক উত্তর:
কার্যক্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্যক্রম
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা
উপধারাঃ(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিংক্রী জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারাঃ (২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেইক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারাঃ (৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেইক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যাইতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারাঃ (৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেইক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।
♦অর্থাৎ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা শুধু মোকদ্দমা, কার্যক্রম কিংবা ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
৯,১৯৭.
তামাদি আইনের কত ধারার বিধান অনুসারে "এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে দায়ের করা কার্যধারায় ব্যয়িত সময় গণনা থেকে বাদ দিতে হবে"?
  1. ধারা ৯
  2. ধারা ১২
  3. ধারা ১৪
  4. ধারা ১৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ১৪ ধারার বিধান এখতিয়ারবিহীন আদালতে সমুদ্দেশ্যমূলক কার্যধারায় যেই সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হবে:
(১) কোনো মামলা দায়েরের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, বাদী কোনো আদিম বা আপিল আদালতে বিবাদির বিরুদ্ধে যদি অন্য একটা দেওয়ানী কার্যক্রম যথাবিহিত যত্ন সহকারে চালাইতে থাকে। তবে সেক্ষেত্রে উক্ত মামলা ও কার্যক্রমের কারণ যদি একই হয় এবং এখতিয়ারগত ত্রুটি বা অনুরূপ অন্য কোনো কারণে যেই আদালত শেষোক্ত কার্যক্রমের বিচার করিবার ক্ষমতা সম্পন্ন নহে, সেই আদালতে যদি সদবিশ্বাসে উহা দায়ের করা হইয়া থাকে, তবে শেষোক্ত কার্যক্রমে যেই সময় ব্যয়িত হয়, প্রথমোক্ত মামলার মেয়াদ গণনা হইতে তাহা বাদ দিতে হইবে।
যথাযথ সতর্কতা ও সচেষ্ট প্রয়োগ সত্ত্বেও একজন যুক্তিবান ও পরিণামদর্শী মানুষের পক্ষে যেইধরনের ভুল হওয়া স্বাভাবিক, শুধুমাত্র ঐ ধরনের ভুলের ব্যাপারে জড়িত মামলার ক্ষেত্রেই এইধারার বিধান অনুসারে সুবিধাদান করা যাইতে পারে। নিম্নতর আপিল আদালত যেইক্ষেত্রে যথাযথভাবে অত্র ধারার আওতায় উহার স্ববিচার ক্ষমতা প্রয়োগ করে, সেক্ষেত্রে হাইকোর্ট উহাতে হস্তক্ষেপ করিয়া থাকে না।
আপিলের জন্য সময় গণনাকালে অত্র ধারাটি প্রয়োগ ঘটে না। তবে ইহার যুক্তিযুক্ত মূলনীতি এবং এই ধারায় ভাবিত পরিস্থিতি যথাসময়ে আপিল উপস্থাপন করিবার জন্য ৫ ধারার অর্থ অনুসারে পর্যাপ্ত কারণ হিসাবে সাধারণত গ্রাহ্য হইতে পারে।
-----------------
⇒ The Limitation Act, 1908: Section-14: Exclusion of time of proceeding bona fide in Court without jurisdiction:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the plantiff has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the defendant, shall be excluded, where the proceeding is founded upon the same cause of action and is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it.
(2) In computing the period of limitation prescribed for any application, the time during which the applicant has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the same party for the same relief shall be excluded, where such proceeding is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it.

Explanation I - In excluding the time during which a former suit or application was pending, the day on which that suit or application was instituted or made, and the day on which the proceedings therein ended, shall both be counted.
Explanation II - For the purposes of this section, a plaintiff or an applicant resisting an appeal shall be deemed to be prosecuting a proceeding.
Explanation III - For the purposes of this section misjoinder of parties or of causes of action shall be deemed to be a cause of a like nature with defect of jurisdiction. 
৯,১৯৮.
দণ্ডবিধির কত ধারায় ধর্ষণের শাস্তির বিধান আছে?
  1. ৩০২
  2. ৩৭৫
  3. ৩৭৬
  4. ৩৭৭
সঠিক উত্তর:
৩৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭৬
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ধর্ষণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি ধর্ষণের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, যদি না ধর্ষিত স্ত্রীলোকটি তার নিজ স্ত্রী হয় ও বারো বৎসরের কম বয়স্কা না হয়; যদি তদ্রূপ হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ Section 376. Punishment for rape:- Whoever commits rape shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine, unless the woman raped is his own wife and is not under twelve years of age, in which case he shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৯,১৯৯.
তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে নিম্নে উল্লেখিত কোন সময় বাদ যাবে না?
  1. রায় বা ডিক্রির নকল পেতে ব্যয়িত সময়
  2. রায় ঘোষণার দিন
  3. আইনজীবী নিয়োগ করতে ব্যয়িত সময়
  4. রোয়েদাদের নকল পেতে ব্যয় হওয়া সময়
সঠিক উত্তর:
আইনজীবী নিয়োগ করতে ব্যয়িত সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনজীবী নিয়োগ করতে ব্যয়িত সময়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১২ ধারামতে, তামাদির মেয়াদ গণনার সময় নিম্নলিখিত দিনগুলো বাদ দিয়ে তামাদি গণনা করতে হবে। যথা-

i) তামাদির মেয়াদ আরম্ভের দিন বা যে তারিখ হতে তামাদি গণনা শুরু হবে (the day from which such period is to be reckoned shall be excluded);

ii) রায় ঘোষণার দিন (the day on which the judgment complained of was pronounced);

iii) রায় বা ডিক্রির নকল (certified copy) পেতে ব্যয়িত সময় (the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded);

iv) রোয়েদাদ নামঞ্জুর করার দরখাস্তের জন্য রোয়েদাদের নকল পেতে ব্যয় হওয়া সময় (for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded)।
৯,২০০.
'Pro-forma defendant' বলতে কাদের বুঝায়?
  1. যাদের বিরুদ্ধে মোকদ্দমায় প্রতিকার চাওয়া হয়
  2. যাদের বিরুদ্ধে মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়
  3. যাদেরকে প্রয়োজনে মোকদ্দমা থেকে বাদ দিতে হয়
  4. স্বার্থ ব্যতীত যাদেরকে প্রয়োজনে মোকদ্দমায় যুক্ত করতে হয়
সঠিক উত্তর:
স্বার্থ ব্যতীত যাদেরকে প্রয়োজনে মোকদ্দমায় যুক্ত করতে হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বার্থ ব্যতীত যাদেরকে প্রয়োজনে মোকদ্দমায় যুক্ত করতে হয়
ব্যাখ্যা
• মোকাবেলা পক্ষ (Pro-forma defendant )-
অনেক সময় এমন অবস্থার সৃষ্টি হয় যে, বিবাদী ব্যতীত অন্যান্য কতিপয় ব্যক্তিকে মোকদ্দমা বিচারের প্রয়োজনে মোকদ্দমায় যুক্ত করতে হয়। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোন প্রতিকার চাওয়া হয় না বা মোকদ্দমায় তাদের কোনো স্বার্থ নেই। তাদের মোকাবেলা পক্ষ বা (Pro-forma defendant ) বলা হয়।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ৫নং বিধি অনুযায়ী-
"বিবাদিগণের বিরুদ্ধে মোকদ্দমায় যেসকল প্রতিকার দাবী করা হয়, তন্মধ্যে সবগুলোই প্রত্যেক বিবাদির স্বার্থসম্পর্কিত হওয়ার দরকার নেই।"
It shall not be necessary that every defendant shall be interested as to all the relief claimed in any suit against him.

উক্ত বিধি দ্বারা পরোক্ষ ভাবে (Pro-forma defendant) নীতির বৈধতা দেয়া হয়েছে।