বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৯১ / ১২৬ · ৯,০০১৯,১০০ / ১২,৬০৫

৯,০০১.
"ক" একটি শিশুকে "খ" এর খাবারে বিষ মেশানোর জন্য প্ররোচিত করে এবং তাকে বিষ দেয়। তবে শিশুটি ভুলবশত "গ" এর খাবারে বিষ মেশায় এবং "গ" মারা যায়। এই ক্ষেত্রে "ক" -
  1. "গ" কে খুনের জন্য দায়ী হবে
  2. নিন্দনীয় নরহত্যা জন্য দায়ী হবে
  3. "গ" কে খুনে প্ররোচনা করার জন্য দায়ী হবে
  4. কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
"গ" কে খুনে প্ররোচনা করার জন্য দায়ী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
"গ" কে খুনে প্ররোচনা করার জন্য দায়ী হবে
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ১১১ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি অন্যকে কোনো কাজ করার জন্য সহায়তা করে, তবে যদি সেই সহায়তার কারণে কোনো ভিন্ন কাজ সংঘটিত হয়, তাহলে সেই সহায়তাকারী ব্যক্তি সেই ভিন্ন কাজের জন্যও দণ্ডিত হতে পারে। তবে, সহায়তা দেয়া কাজটি, মূলত, সেই সহায়তার দ্বারা সম্পাদিত একটি সম্ভবনা হিসেবে হতে হবে এবং সেই কাজটি সহায়তার প্রভাবেই করা হয়েছে।

উদাহরণ:  'ক' একটি শিশুকে 'চ'-এর খাদ্যে বিষ মেশানোর জন্য প্ররোচিত করে এবং তাকে বিষ দেয়। কিন্তু শিশুটি ভুলক্রমে 'গ'-এর খাদ্যে বিষ মেশায়। এখানে, শিশুটি 'ক'-এর প্ররোচনায় 'গ'-এর খাবারে বিষ মিশিয়েছে। তাই 'ক', শিশুটিকে 'গ'-এর খাবারে বিষ মিশাতে প্ররোচিত করার জন্য এবং যতটুকু দণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সেভাবে এবং ততটুকু পর্যন্ত দণ্ডিত হবে।
--------------
→ The Penal Code, 1860 Section-111: Liability of abettor when one act abetted and different act done:
- When an act is abetted and a different act is done, the abettor is liable for the act done, in the same manner and to the same extent as if he had directly abetted it:

Provided the act done was a probable consequence of the abetment, and was committed under the influence of the instigation, or with the aid or in pursuance of the conspiracy which constituted the abetment.

Illustrations:
(a) A instigates a child to put poison into the food of Z, and gives him poison for that purpose. The child, in consequence of the instigation, by mistake puts the poison into the food of Y, which is by the side of that of Z. Here if the child was acting under the influence of A's instigation, and the act done was under the circumstances a probable consequence of the abetment, A is liable in the same manner and to the same extent as if he had instigated the child to put the poison into the food of Y.
৯,০০২.
ঘোষণামূলক ডিক্রি কাদের উপর বাধ্যকর হবে না ?
  1. মোকদ্দমার পক্ষগণের
  2. পক্ষগণের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণের
  3. পক্ষগণ ছাড়া তৃতীয় পক্ষের
  4. পক্ষগণের মধ্যে কোন ট্রাস্টী থাকলে তার উপর 
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণ ছাড়া তৃতীয় পক্ষের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণ ছাড়া তৃতীয় পক্ষের
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

অর্থাৎ ঘোষণামূলক ডিক্রি শুধুমাত্র মোকদ্দমার পক্ষগণ বা তাদের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণের উপর বাধ্যকর হবে, কিন্তু এই ঘোষণা অন্য কারো ক্ষেত্রে অর্থাৎ কোন তৃতীয় পক্ষের উপর বাধ্যকর হবে না।
-------------------------
Section 43: Effect of declaration:
A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

Illustration:
A, a Hindu, in a suit to which B, his alleged wife, and her mother, are defendants, seeks a declaration that his marriage was duly solemnized and an order for the restitution of his conjugal rights. The Court makes the declaration and order. C, claiming that B is his wife, then sues A for the recovery of B. The declaration made in the former suit is not binding upon C.

৯,০০৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১৬৭ক(২) অনুযায়ী, কখন ম্যাজিস্ট্রেট কোনো ব্যক্তিকে বিচারিক হেফাজতে রাখতে পারবেন না?
  1. গ্রেফতার প্রতিরোধমূলক আটক আইন অনুযায়ী না হলে
  2. গ্রেফতার বিশেষ অপরাধমূলক আইন অনুযায়ী হলে
  3. গ্রেফতার প্রতিরোধমূলক আটক আইন অনুযায়ী হলে
  4. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি সরকারি কর্মচারী হলে
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার প্রতিরোধমূলক আটক আইন অনুযায়ী হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার প্রতিরোধমূলক আটক আইন অনুযায়ী হলে
ব্যাখ্যা

Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১৬৭ক: গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কিত ম্যাজিস্ট্রেটের কর্তব্য:

উপ-ধারা (১):
যদি কোনো মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চায় যে, যিনি ইতিমধ্যেই অন্য মামলায় হেফাজতে আছেন তাকে নতুন মামলায় দেখিয়ে গ্রেফতার করা হোক, তবে: ম্যাজিস্ট্রেট এমন অনুরোধ অনুমোদন করবেন না, যদি না গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে তার সামনে উপস্থাপন করা হয়, সংশ্লিষ্ট মামলার ডায়রি এন্ট্রির কপি দেখানো হয়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে শুনানির সুযোগ দেওয়া হয়, এবং আবেদনটি যথাযথ ও বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়।

উপ-ধারা (২):
ম্যাজিস্ট্রেট কোনো ব্যক্তিকে বিচারিক হেফাজতে রাখতে অনুমোদন দেবেন না, যদি পুলিশ ফরওয়ার্ডিং রিপোর্ট থেকে বোঝা যায় যে গ্রেফতারটি প্রতিরোধমূলক আটক (preventive detention) আইন অনুযায়ী আটক করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।

উপ-ধারা (৩):
যদি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যথাযথ কারণ থাকে বোঝার যে, কোনো কর্মকর্তা যার কাছে কারাগারে কোনো ব্যক্তিকে আটক করার বৈধ ক্ষমতা আছে, আইনের বিরুদ্ধে কাজ করেছেন, তবে ম্যাজিস্ট্রেট সেই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির 220 ধারার অধীনে ব্যবস্থা নেবেন।

৯,০০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন জামিননামা, সমন, ওয়ারেন্ট ইত্যাদি ফরম কোন তফসিলে অন্তর্ভুক্ত?
  1. ২য় তফসিল
  2. ৩য় তফসিল
  3. ৪র্থ তফসিল
  4. ৫ম তফসিল
সঠিক উত্তর:
৫ম তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ম তফসিল
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫ম তফসিলে বিভিন্ন ফরমের বিবরণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যেমন জামিননামা, সমন, ওয়ারেন্ট ইত্যাদি। এই তফসিলে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী ব্যবহৃত ফরমগুলোর কাঠামো এবং প্রয়োগের নিয়মাবলী উল্লেখ করা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে, যা নিম্নরূপ:
১ম তফসিল (First Schedule)- বাতিল। 
২য় তফসিল (Second Schedule)- আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে। 
৩য় তফসিল (Third Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে। 
৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে। 
৫ম তফসিল (Fifth Schedule)- ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।

৯,০০৫.
তামাদি আইনের তফসিলে মোট কতটি অনুচ্ছেদ রয়েছে?
  1. ১৫০টি
  2. ১৮৩টি
  3. ১৯৩টি
  4. ২০৩টি
সঠিক উত্তর:
১৮৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৩টি
ব্যাখ্যা
• তফসিলে মোকদ্দমা, আপীল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে। তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরণের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
১. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
২. আপিল, রিভিউ দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
৩. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।
৯,০০৬.
‘C’ ‘Z’-এর কুকুরকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে অসাধুভাবে নিয়ে যায়, ‘Z’-এর সম্মতি ছাড়া। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৬ মাসের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৮ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধুভাবে তার অধিকারে থাকা চলমান সম্পত্তি নিয়ে যাওয়া চুরি হিসেবে গণ্য। ধারা ৩৭৮-এর ব্যাখ্যা ৪ অনুসারে, পশুকে প্রলোভন দিয়ে নিয়ে যাওয়া চুরি। এখানে, ‘C’ ‘Z’-এর কুকুরকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে অসাধুভাবে নিয়েছে, যা চুরি। ধারা ৩৭৯ অনুসারে, চুরির শাস্তি হলো ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।

------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-378. Theft:
-Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.-A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.-A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.-A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.-A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.-The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.

৯,০০৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারায় নালিশকারীর প্রদানকৃত জবানবন্দির সারমর্মে স্বাক্ষর করবেন-
  1. কেবল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. কেবল নালিশকারী
  3. নালিশকারী ও ম্যাজিস্ট্রেট উভয়
  4. স্বাক্ষরের প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
নালিশকারী ও ম্যাজিস্ট্রেট উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নালিশকারী ও ম্যাজিস্ট্রেট উভয়
ব্যাখ্যা

- ফৌজদারী মামলা দায়ের করার জন্য অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হলে, অপরাধ আমলে নিতে ম্যাজিস্ট্রেট কি পদ্ধতি অনুসরণ করবে সেটাই ২০০ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম দায়িত্ব হলো নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা।  

- ২০০ ধারার বিধান করা হয়েছে,নালিশের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিচ্ছে এমন ম্যাজিস্ট্রেট অবিলম্বে বা তাৎক্ষণিকভাবে নালিশকারীকে বা উপস্থিত সাক্ষীগণের (যদি থাকে) মধ্যে যে কয়জনকে উপযুক্ত মনে করে তাদের শপথপূর্বক জবানবন্দি গ্রহণ করবেন এবং জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করবেন। নালিশকারী বা যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্ত জবানবন্দির সারমর্মে স্বাক্ষর করবেন।

- যে ক্ষেত্রে জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই-
ক. যেক্ষেত্রে লিখিত আকারে নালিশ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে ১৯২ ধারার অধীন মামলা স্থানান্তর করার পূর্বে নালিশকারী বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ বা পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই [ধারা ২০০(ক)]
খ. যেকোন মামলায় যেক্ষেত্রে আদালত লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করে [ধারা ২২০ (কক)] বা
গ. সরকারী কর্মকর্তা তার অফিসিয়াল দায়িত্ব পালনে লিখিত আকারে নালিশী দরখাস্ত দায়ের করে সেই ক্ষেত্রেও নালিশকারীর বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই [ধারা ২০০ (কক)]।

৯,০০৮.
হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোনটি প্রযোজ্য নয়?
  1. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
  2. নতুন আইন প্রণয়ন করা
  3. আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা
সঠিক উত্তর:
নতুন আইন প্রণয়ন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন আইন প্রণয়ন করা
ব্যাখ্যা
'নতুন আইন প্রণয়ন করার' ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

• একটি মামলার ক্ষেত্রে কি পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে সে বিষয়ে যাবতীয় বিধি দেওয়ানী ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে রয়েছে। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, আদালতের কি করণীয় হবে সে বিষয়ে কোন সুস্পষ্ট বিধি নেই। এক্ষেত্রে ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে আদালত তার সুবিবেচনা অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনার জন্য যে ক্ষমতা প্রয়োগ করে, তাকেই আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of the court) বলে। 

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।

Section 561A: Saving of inherent power of High Court Division:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
৯,০০৯.
Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ২য় অধ্যায় একজন আইনজীবীর কোন বিষয়ে আলোচনা করে?
  1. মক্কেলদের প্রতি আচরণ
  2. আদালতের প্রতি কর্তব্য
  3. জনসাধারণের প্রতি আচরণ
  4. অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ
সঠিক উত্তর:
মক্কেলদের প্রতি আচরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মক্কেলদের প্রতি আচরণ
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ২য় অধ্যায় একজন আইনজীবীর মক্কেলদের প্রতি আচরণ নিয়ে আলোচনা করে। এই অধ্যায়ে একজন আইনজীবী কীভাবে তার মক্কেলদের সাথে আচরণ করবেন, তাদের প্রতি তার দায়িত্ব ও কর্তব্য কী—সেই বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

মক্কেলদের প্রতি আচরণ-এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হলো:
মক্কেলের প্রতি বিশ্বস্ততা ও গোপনীয়তা বজায় রাখা।
মক্কেলকে সঠিক ও ন্যায্য পরামর্শ প্রদান করা।
মক্কেলকে মামলা করতে প্ররোচিত না করা।
মক্কেলের স্বার্থ রক্ষায় সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো।

অন্যদিকে:
খ) আদালতের প্রতি কর্তব্য (৩য় অধ্যায়ে আলোচিত)।
গ) জনসাধারণের প্রতি আচরণ (৪র্থ অধ্যায়ে আলোচিত)।
ঘ) অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ (১ম অধ্যায়ে আলোচিত)।
অতএব, Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ২য় অধ্যায় একজন আইনজীবীর মক্কেলদের প্রতি আচরণ নিয়ে আলোচনা করে।
৯,০১০.
কোন আইনজীবীর অসদাচরণের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হলে বার কাউন্সিল অভিযোগটি সংক্ষিপ্ত আকারে প্রত্যাখ্যান করতে পারে The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders,1972 এর _________ অনুচ্ছেদের অধীন?
  1. ৩২(২)
  2. ৩৪(২)
  3. ৩৩
  4. ৩৬(১)
সঠিক উত্তর:
৩২(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২(২)
ব্যাখ্যা
♦ক) বার কাউন্সিলের নিকট কোন আদালত বা ব্যক্তি কোন অ্যাডভোকেটের অসদাচরণের অভিযোগ দিলে, ৩২(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বার কাউন্সিল তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
♦খ) বার কাউন্সিল এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান না করে, ৩৩ অনুচ্ছেদের অধীন গঠিত বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের নিকট নিষ্পত্তির জন্য পাঠাতে পারে [অনু ৩২(২)] । 
♦গ) বার কাউন্সিল নিজ উদ্যোগে, কোন আইনজীবীর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলে ট্রাইব্যুনালে পাঠাতে পারে [৩২(২)]।
৯,০১১.
দণ্ডবিধিতে কয়টি ব্যতিক্রমের উল্লেখ আছে যখন নিন্দনীয় নরহত্যা খুন বলে বিবেচিত হবে না?
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
♦খুন বলে গন্য হওয়া দণ্ডনীয় নরহত্যা এবং খুন বলে গন্য না হওয়া দণ্ডনীয় নরহত্যার মধ্যে মূখ্য পার্থক্যকারী উপাদান হলো ৩০০ ধারায় উল্লেখিত ৫টি ব্যতিক্রম পরিস্থিতি।
♦দণ্ডবিধি এর ৩০০ ধারায় উল্লিখিত খুনের সংজ্ঞায় ৫ টি ব্যতিক্রম আছে। যথা -
১. মারাত্মক বা আকস্মিক প্ররোচনায় সংযম হারাইয়া প্ররোচনাকারীকে বা ভুলক্রমে বা দূর্ঘটনাক্রমে অন্য ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
২. অপরাধী সরলমনে আত্মরক্ষার বা সম্পত্তি রক্ষায় কোনোরূপ পরিকল্পনা ব্যতীত মৃত্যু ঘটায়।
৩. অপরাধকারী সরকারি কর্মচারী হিসেবে বা কর্মচারীর সাহায্যকারী হিসেবে দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে আইনানুগ বলিয়া সরল মনে কর্তব্য পালন করতে যেয়ে মৃত্যু ঘটালে।
৪. পরিকল্পনা ব্যতীত আকস্মিক বিবাদের সময় উত্তেজনায় মৃত্যু ঘটলে।
৫. ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে স্বীয় সম্মতিতে মৃত্যু ঘটলে।
♦অর্থাৎ ৩০০ ধারার দ্বিতীয় অংশে ৫টি ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হয়েছে যেক্ষেত্রে নিষ্পনীয় নরহত্যা খুন বলে বিবেচিত হবে না অর্থাৎ শুধুমাত্র নিন্দনীয় নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে।
৯,০১২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কত ধারায় অভিযুক্তের উপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ এর বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৩৫১
  2. ধারা ৩৫৩
  3. ধারা ৩৫৫
  4. ধারা ৩৫৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫৩
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৫৩ – অভিযুক্তের উপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ:
যদি আইনে অন্যভাবে স্পষ্টভাবে কিছু না বলা থাকে, তবে অধ্যায় XX, XXII এবং XXIII-এর অধীনে যেসব সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়- সেগুলো অবশ্যই অভিযুক্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে গ্রহণ করতে হবে।

তবে, যদি আদালত অভিযুক্তের ব্যক্তিগত উপস্থিতি মওকুফ (dispense) করে, তাহলে সাক্ষ্য গ্রহণ করতে হবে তার আইনজীবীর (pleader) উপস্থিতিতে।

৯,০১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত হতে পারে?
  1. ছয় মাস
  2. এক বছর
  3. দুই বছর
  4. তিন বছর
সঠিক উত্তর:
তিন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির বিভিন্ন ধারায় মুচলেকার মেয়াদ ভিন্ন হলেও, শান্তি রক্ষার জন্য সর্বোচ্চ মুচলেকার মেয়াদ তিন বছর পর্যন্ত হতে পারে। যেমন, ধারা ১০৬ ও ধারা ১১০ অনুযায়ী দণ্ডপ্রাপ্ত বা অভ্যাসগত অপরাধীদের ক্ষেত্রে মুচলেকার মেয়াদ অনধিক তিন বছর ধার্য করা হয়েছে। অন্য ধারাগুলোর মুচলেকার মেয়াদ সাধারণত এক বছরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। তাই সামগ্রিকভাবে শান্তি রক্ষার জন্য সর্বোচ্চ মেয়াদ তিন বছর।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির মুচলেকার মেয়াদ:
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৬ দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৭ দণ্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৮ রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৯ ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১০ অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।
⇒ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে সর্বোচ্চ ৩ বছর।
৯,০১৪.
নিম্মলিখিত কোন আদেশের অধীন প্রদত্ত আদেশের বিরূদ্ধে আপীল করা যায়?
  1. ৬ আদেশের ১৭ বিধির অধীন
  2. ৭ আদেশের ১০ বিধির অধীন
  3. ৮ আদেশের ১০ বিধির অধীন
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ বিধি ১ মতে ৭ আদেশের ১০ বিধির অধীন আরজি ফেরতের বিরূদ্ধে এবং ৮ আদেশের ১০ বিধির অধীন বিবাদীর বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার ক্ষেত্রে আপিল করা যায়।
৯,০১৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কোন ধরনের আইন?
  1. পদ্ধতিগত আইন
  2. মৌলিক আইন
  3. ফৌজদারি আইন
  4. দণ্ডমূলক আইন
সঠিক উত্তর:
মৌলিক আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলিক আইন
ব্যাখ্যা
• মৌলিক আইন [Substantive Law]:
যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।

অপরদিকে,
 ⇒ যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law] বলে। যেমন: ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।
৯,০১৬.
চুক্তি প্রবলের মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদকাল কত বছর?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী,

চুক্তি প্রবলের মামলা করার তামাদির মেয়াদ হচ্ছে এক বছর, অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ১২ ধারার অধীন চুক্তি প্রবলের মামলা করতে হবে এক বছরের মধ্যে।
৯,০১৭.
একজন দুষ্কর্মে সহযোগী যোগ্য সাক্ষী হবে-
  1. পরিচিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে
  2. খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে
  3. ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির বিরুদ্ধে
  4. সহযোগী আসামির বিরুদ্ধে
সঠিক উত্তর:
সহযোগী আসামির বিরুদ্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহযোগী আসামির বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৩৩- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
 
Section 133- Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
৯,০১৮.
ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা দিতে হবে এই বিধানটি রয়েছে দেওয়ানী কার্যবিধি -
  1. ৮৮ ধারায়
  2. আদেশ-৩৫ বিধি-১
  3. আদেশ-৩৫ বিধি-২
  4. আদেশ-৩৫ বিধি-৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৩৫ বিধি-২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৩৫ বিধি-২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।  স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবি ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।

⇒ তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

⇒ আদেশ ৩৫ বিধি-১। ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় আর্জি (Plaint in interpleader-suits): ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় প্রত্যেকটি মোকদ্দমার আরজিতে নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি বিবৃত করতে হবে - বাদী মোকদ্দমার খরচের জন্য ব্যয়িত দাবি ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবি করে না; বিবাদীগণ কর্তৃক দাবিসমূহ পৃথকভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ যোগসাজশ বা ষড়যন্ত্র নেই।
⇒আদেশ-৩৫, বিধি-২: দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদান- যেক্ষেত্রে দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদানের বা আদালতের হেফাজতে রাখার যোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে মামলায় বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে বাদীকে তা অনুরূপভাবে আদালতে প্রদান করতে তলব করা যেতে পারে। 

অর্থাৎ আদেশ-৩৫, বিধি-২ অনুসারে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা দিতে হবে।
--------------------------------
⇒CPC Order-35 Rule-1: Plaint in interpleader suits:
-In every suit of interpleader the plaint shall, in addition to other statements necessary for plaints, state-
(a) that the plaintiff claims no interest in the subject-matter in dispute other than for charges or costs; 
(b) the claims made by the defendants severally; and
(c) that there is no collusion between the plaintiff and any of the defendants. 

⇒ CPC Order-35 Rule-2: Payment of thing claimed into Court:
-Where the thing claimed is capable of being paid into Court or placed in the custody of the Court, the plaintiff may be required to so pay or place it before he can be entitled to any order in the suit. 
৯,০১৯.
কোনো দেওয়ানি আপিল একতরফাভাবে খারিজ বা নিষ্পত্তি হয়ে গেলে শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে গেলে আদালত সর্বোচ্চ কত টাকা খরচা প্রদানের আদেশ দিতে পারেন?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-১২ক- আপিল মুলতুবি (Adjournment in appeal): 
আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না । ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত নূন্যতম ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
• আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে।
• প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।

- একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে।
- তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।
- কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন।
৯,০২০.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ১ অনুযায়ী আরজিতে কয়টি বিষয় উল্লেখ করতে হয়?
  1. ৫টি
  2. ১১টি
  3. ৯টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ৭ এর বিধি ১ অনুযায়ী আরজিতে ৯টি বিষয়  উল্লেখ  করতে হয়।
১। আদালতের নাম
২। বাদীর নাম, ঠিকানা,
৩। বিবাদীর নাম ঠিকানা
৪। নাবালক হলে তার বিবরণ
৫। মামলার উৎপত্তি সময় ও কারন
৬। আদালতের এখতিয়ার
৭। বাদীর দাবিকৃত প্রতিকার
৮। আর্থিক মূল্য সংক্রান্ত বিবরণ
৯। যেক্ষেত্রে বাদী তার আংশিক দাবি পারস্পরিক পরিশোধে সম্মত হয়েছে বা বর্জন করেছে সেক্ষেত্রে অনুরূপ পরিশোধ বা বর্জন।
----------------
CPC-Order-7 Rule-1: Particulars to be contained in plaint:
-The plaint shall contain the following particulars:−
(a) the name of the Court in which the suit is brought;
(b) the name, description and place of residence of the plaintiff;
(c) the name, description and place of residence of the defendant, so far as they can be ascertained;
(d) where the plaintiff or the defendant is a minor or a person of unsound mind, a statement to that effect;
(e) the facts constituting the cause of action and when it arose;
(f) the facts showing that the Court has jurisdiction;
(g) the relief which the plaintiff claims;
(h) where the plaintiff has allowed a set-off or relinquished a portion of his claim, the amount so allowed or relinquished; and
(i) a statement of the value of the subject-matter of the suit for the purposes of jurisdiction and of court-fees, so far as the case admits.
৯,০২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির প্রতি কী ধরনের আচরণ করা উচিত?
  1. তাকে সর্বোচ্চ কঠোরভাবে আটকে রাখা উচিত
  2. তাকে সবসময় একক কারাবন্দী রাখা উচিত
  3. তাকে কখনই হাতকড়া পরানো উচিত নয়
  4. তাকে পলায়ন ঠেকাতে যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই নিয়ন্ত্রণ করা উচিত
সঠিক উত্তর:
তাকে পলায়ন ঠেকাতে যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই নিয়ন্ত্রণ করা উচিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে পলায়ন ঠেকাতে যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই নিয়ন্ত্রণ করা উচিত
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (The Code of Criminal Procedure, 1898) ধারা ৫০ অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির প্রতি অযথা নিয়ন্ত্রণ বা বাধা প্রয়োগ করা যাবে না। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির উপর শুধুমাত্র ততটুকু নিয়ন্ত্রণ বা বাধা প্রয়োগ করা যাবে, যতটুকু তার পলায়ন ঠেকানোর জন্য প্রয়োজন। এর অর্থ হলো, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির প্রতি অহেতুক কঠোরতা বা অতিরিক্ত শারীরিক বাধা প্রয়োগ করা আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে।
অর্থাৎ ধারা ৫০ অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির প্রতি শুধুমাত্র পলায়ন রোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ প্রয়োগ করা উচিত। এটি নিশ্চিত করে যে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির প্রতি অযথা কঠোরতা বা অমানবিক আচরণ করা হবে না। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-50. No unnecessary restraint:
The person arrested shall not be subjected to more restraint than is necessary to prevent his escape.

৯,০২২.
নিম্নের ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর কোন ধারাগুলো দণ্ড স্থগিত, মওকুফ এবং হ্রাস সংক্রান্ত?
  1. ৪১০, ৪১১, ৪১২
  2. ৪০১, ৪০২, ৪০২ক
  3. ৪০৭, ৪০৮, ৪০৯
  4. ৪০৫, ৪০৬, ৪০৭
সঠিক উত্তর:
৪০১, ৪০২, ৪০২ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০১, ৪০২, ৪০২ক
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৪০১, ৪০২, ৪০২ক এই ৩ টি ধারা হচ্ছে, দণ্ড স্থগিত বা মওকুফ বা হ্রাস সংক্রান্ত।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারায় সরকার কোন দণ্ডিত আসামিকে তার দণ্ড কার্যকর স্থগিত করতে পারে বা শাস্তির যে কোন অংশ বা সম্পূর্ণ অংশ মওকুফ করতে পারেন।

অন্যদিকে,
সরকার ৪০২ ধারায় দণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন করে অন্য যে কোন দণ্ড দিতে পারেন। উক্ত ধারায় অর্থাৎ ৪০২ ধারায় বলা হয়েছে যে, সরকার দণ্ডিত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়াই রদবদল করে ইহার পরে উল্লিখিত যেকোনো দণ্ড দিতে পারবেন-
 
⇒ মৃত্যুদণ্ড,
⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড,
⇒ আসামী সে সময়ের জন্য দণ্ডিত হতে পারত তার অনধিক সময়ের জন্য সশ্রম কারাদণ্ড,
⇒ অনুরূপ মেয়াদের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা।
 
৪০২ (২) ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই ধারাটি কোন ভাবেই দণ্ডবিধির ৫৪ বা ৫৫ ধারা আক্রান্ত করবে না এবং সবশেষে ৪০২ক ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪০১ এবং ৪০২ ধারায়, সরকারকে যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে, মহামান্য রাষ্ট্রপতিও একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
৯,০২৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭নং আদেশের ৩নং বিধি অনুসারে, যদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু অস্থাবর সম্পত্তি হয়, তবে বাদীর দরখাস্তে কী থাকতে হবে?
  1. সম্পত্তির মূল্যের বিবরণ
  2. সম্পত্তির মালিকানার বিবরণ
  3. সম্পত্তি সনাক্তকরণের জন্য যথেষ্ট বর্ণনা
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি সনাক্তকরণের জন্য যথেষ্ট বর্ণনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি সনাক্তকরণের জন্য যথেষ্ট বর্ণনা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭নং আদেশের ৩নং বিধি-
যদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু অস্থাবর সম্পত্তি হয়, তবে উক্ত সম্পত্তি সনাক্তকরণের জন্য যথেষ্ট বর্ণনা বাদীর দরখাস্তে (plaint) উল্লেখ থাকতে হবে, এবং যদি উক্ত সম্পত্তি সীমানা বা জরিপ নথিতে নম্বর দ্বারা সনাক্ত করা যায়, তবে দরখাস্তে সেই সীমানা বা নম্বর নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।

[Where the subject-matter of the suit is immoveable property, the plaint shall contain a description of the property sufficient to identify it, and, in case such property can be identified by bounderies or numbers in a record of settlement of survery, the plaint shall specify such bounderies or numbers.]
৯,০২৪.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৩খ অনুযায়ী, ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য আদালত কাকে হাজির হতে আদেশ দিতে পারে?
  1. শুধুমাত্র চিকিৎসক
  2. শুধুমাত্র আইনজীবী
  3. যাঁর নমুনা প্রয়োজন, তাঁকে
  4. কেবল তদন্তকারী কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
যাঁর নমুনা প্রয়োজন, তাঁকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাঁর নমুনা প্রয়োজন, তাঁকে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৩খ(২) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তির রক্ত, বীর্য, চুল, ডিএনএ নমুনা, আঙুলের ছাপ বা অন্য কোনো শারীরিক নমুনার মালিকানা বা উৎপত্তি নিয়ে সন্দেহ থাকে, তাহলে আদালত ওই ব্যক্তিকে হাজির হতে নির্দেশ দিতে পারে।
- এটি ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে নমুনা যাচাই করার জন্য প্রয়োজনীয়, যাতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে নমুনাটি প্রকৃতপক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরই কিনা।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৩খ(২) অনুসারে, ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে (যার নমুনা যেমন - রক্ত, ডিএনএ, আঙুলের ছাপ ইত্যাদি প্রয়োজন) আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিতে পারে।
৯,০২৫.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার ক্ষমতা সম্পর্কে নিম্নলিখিত কোন বিবৃতি সঠিক?
  1. আদালতের অনুমতি ছাড়া সাক্ষীকে জেরা করা যাবে
  2. বিচারক শুধুমাত্র রায় প্রদানের আগে প্রশ্ন করতে পারেন
  3. এই ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্গত
  4. পক্ষগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে আপত্তি করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
এই ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্গত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এই ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্গত
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারা: বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা-
বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন। তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।

উল্লেখ্য,
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় Inquisitorial system এর বিধান রয়েছে। এখানে বিচারক একজন আইনজীবী ও তদন্তকারীর ভূমিকা পালন করেন।
⇒ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।
⇒ এই ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।
⇒ এই ধারার ক্ষমতাবলে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আদালত মামলার পক্ষ বা সাক্ষী অথবা কোন ব্যক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারে।
৯,০২৬.
A, B কে একটি দেওয়ানী মোকদ্দমা পরিচালনা হতে বিরত করার উদ্দেশ্যে B এর ঘর পুড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখায়। উক্ত অপরাধ The Penal Code, 1860 এর কোন ধারাকে আকৃষ্ট করে?
  1. ৫০৩
  2. ৫০৪
  3. ৫০১
  4. ৫০২
সঠিক উত্তর:
৫০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০৩
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারার বিধান অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করা:- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তিকে তার দেহের, খ্যাতির বা সম্পত্তির অথবা সে ব্যক্তি যার সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন কোন লোকের দেহের বা খ্যাতির ক্ষতি বা হানি করার ভীতি প্রদর্শন করে এবং সে ব্যক্তির ভয় সরকারের উদ্দেশ্যে অথবা সে ব্যক্তিকে হুমকি হতে বাঁচার জন্য সে আইনতঃ যা করতে বাধ্য নয়, তাকে তা করতে বাধ্য করায়, অথবা সে আইনত যা করার ক্ষমতা সম্পন্ন, তাকে তা করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ ভীতি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করেছে।
ব্যাখ্যা:- ভীতি প্রদর্শিত ব্যক্তির স্বার্থ নিহিত আছে এমন কোন মৃত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শন এই ধারার আওতাধীন হবে।

⇒ উদাহরণ:
ক খ-কে একটি দেওয়ানী মামলা পরিচালনা করা হতে বিরত করার জন্য খ-এর বাড়ি পুড়ে ফেলার ভীতি প্রদর্শন করে, ক অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে।
-----------
⇒ The Penal Code,1860- Section 503. Criminal Intimidation:
- Whoever threatens another with any injury to his person, reputation or property, or to the person or reputation of any one in whom that person is interested, with intent to cause alarm to that person, or to cause that person to do any act which he is not legally bound to do, or to omit to do any act which that person is legally entitled to do, as the means of avoiding the execution of such threat, commits criminal intimidation.
Explanation:- A threat to injure the reputation of any deceased person in whom the person threatened is interested, is within this sect on.

⇒ Illustration:
A, for the purpose of inducing B to desist from prosecuting a civil suit, threatens to burn B's house. A is guilty of criminal intimidation.
৯,০২৭.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কত আদেশে রিভিউ সম্পর্কে বিধান আছে?
  1. ৪১ আদেশ
  2. ৪৩ আদেশ
  3. ৪৭ আদেশ
  4. ৪৫ আদেশ
সঠিক উত্তর:
৪৭ আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭ আদেশ
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৪৭ এর মাঝে রিভিউ বিধান আছে।  এই আদেশ অনুযায়ী রিভিউ হলো ডিক্রী প্রদানকারী আদালত কর্তৃক নিজের ভুল সংশোধনের জন্য বিচারিক পর্যালোচনা।
⇒ যে পক্ষ সংক্ষুব্ধ হবে সে পক্ষ রিভিউ করবে।
৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ করতে হবে। (ধারা ১১৪)
৯,০২৮.
দেওয়ানি আদালত কর্তৃক উত্তরাধিকার সম্পর্কিত বিষয়ে কোন আইন প্রযোজ্য হবে?
  1. দেওয়ানি আইন
  2. সম্পত্তি সংক্রান্ত আইন
  3. বিশেষ অধিকার আইন
  4. ব্যক্তিগত ধর্মীয় আইন
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ধর্মীয় আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ধর্মীয় আইন
ব্যাখ্যা
⇒ The Civil Courts Act,1887 আইনের ৩৭ ধারায় কতিপয় বিষয়ে রাষ্ট্রীয় আইন নয় বরং হিন্দু এবং মুসলিমদের ধর্মীয় আইনের বিধানকে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

⇒ The Civil Courts Act,1887 এর ৩৭ ধারায় বলা হয়েছে-
"কোন মামলা বা কার্যধারায় দেওয়ানি আদালত কর্তৃক উত্তরাধিকার ও ওয়ারিশী, বিবাহ বা ব্যক্তিগত ধর্মীয় আচরণ বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত বিষয়ে পক্ষগন হিন্দু হলে হিন্দু আইন এবং মুসলিম হলে মুসলিম আইন প্রযোজ্য হবে।"
----------------
⇒ The Civil Courts Act,1887, Section 37- Certain decisions to be according to local law:
(1) Where in any suit or other proceeding it is necessary for a Civil Court to decide any question regarding succession, inheritance, marriage or caste, or any religious usage or institution, the Muslim law in cases where the parties are Muslim, and the Hindu law in cases where the parties are Hindus, shall form the rule of decision except in so far as such law has, by legislative enactment, been altered or abolished.
(2) In cases not provided for by sub-section (1) or by any other law for the time being in force, the Court shall act according to justice, equity and good conscience.
৯,০২৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় কোন ক্ষেত্রের জন্য আদালত ঘোষণা করতে পারেন?
  1. কোনো চুক্তি সম্পাদন
  2. সম্পত্তির মালিকানার প্রশ্ন
  3. দখল পুনরুদ্ধারের জন্য
  4. একটি ব্যক্তিগত চুক্তির বৈধতা
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির মালিকানার প্রশ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির মালিকানার প্রশ্ন
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা অনুযায়ী, আদালত সম্পত্তির মালিকানার প্রশ্ন বা আইনগত পরিচয় সম্পর্কিত ঘোষণা দিতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি তার সম্পত্তির মালিকানা অস্বীকার করা হয়, তবে সে আদালতে একটি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে, যাতে আদালত তার মালিকানা প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
- ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation - A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
৯,০৩০.
দণ্ডবিধির ধারা ৫৫ অনুসারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কে হ্রাস করতে পারে?
  1. পুলিশ
  2. সরকার
  3. আদালত
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৫৫ ধারা ("Commutation of sentence of imprisonment for life") অনুযায়ী: সরকার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত কোনো ব্যক্তির শাস্তি অনূর্ধ্ব ২০ (সর্বোচ্চ ২০) বছর কারাদণ্ডে রূপান্তর করতে পারেন। এটি অপরাধীর সম্মতি ছাড়াই করা যায়। রূপান্তরিত দণ্ড সশ্রম (Rigorous) বা বিনাশ্রম (Simple) কারাদণ্ড হতে পারে।
- সরকার ২০ বছরের বেশি মেয়াদ নির্ধারণ করতে পারবেন না।

⇒ দণ্ডবিধির ৫৫ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:- যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 55. Commutation of sentence of imprisonment for life:- In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.

৯,০৩১.
আদালত সাধারণত কোন ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে আংশিক কার্যসম্পাদানের আদেশ দিতে পারে?
  1. যেখানে অসম্পাদিত অংশ সমগ্র চুক্তির তুলনায় ছোট
  2. যেখানে অসম্পাদিত অংশ চুক্তির স্বতন্ত্র অংশ
  3. যেখানে অসম্পাদিত অংশ সমগ্র চুক্তির তুলনায় বড়
  4. 'ক' ও 'খ' উভয়
সঠিক উত্তর:
'ক' ও 'খ' উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' ও 'খ' উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।
⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারার বিধান কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর অংশ এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটি পালন করতে সমর্থ না হয় কিংবা ঐ অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য না হয়, তাহলে ঐ পক্ষ চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি লাভের অধিকারী হবে না। তবে চুক্তির বৃহত্তর অংশ সম্পাদনের এবং ক্ষতিপূরণ লাভের সমস্ত অধিকার ত্যাগ করলে আদালত বিবাদীকে ক্ষুদ্রতর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের নির্দেশ দিতে পারবে।
⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ বড় হলে, সাধারণত ঐ চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ দেয়া যায় না, তবে বাদী ক্ষতিপূরণের দাবি পরিত্যাগ করলে যতটুকু অংশ সম্পাদনযোগ্য তা সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন।


⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারার বিধান কোন চুক্তির স্বাতন্ত্র্য অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনঃ যখন চুক্তির একটি অংশের স্বাতন্ত্র্যভাবে সুনির্দিষ্টভাবে কাজ সম্পাদন করা যায় বা করা আবশ্যক হয় এবং তা একই চুক্তির এমন অন্য অংশ হতে স্বাতন্ত্র্য এবং স্বাধীনভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যাবে না বা করা আবশ্যক নহে, তাহলে আদালত পূর্ববর্তী অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারামতে কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, একটি অংশ আপনা-আপনি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনযোগ্য এবং অপর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য নয় এবং প্রথম অংশটি দ্বিতীয় অংশ থেকে ভিন্ন ও স্বাধীন (Separate and independent) হয়, তাহলে আদালত ঐ চুক্তির প্রথম অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে পালনের নির্দেশ দিতে পারবে।
--------------------------
⇒ Section 14 Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
 Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.

⇒ Section 15 Specific performance of part of contract where part unperformed is large: Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, and the part which must be left unperformed forms a considerable portion of the whole, or does not admit compensation in money, he is not entitled to obtain a decree for specific performance. But the Court may, at the suit of the other party, direct the party in default to perform specifically so much of his part of the contract as he can perform, provided that the plaintiff relinquishes all claim to further performance, and all right to compensation either for the deficiency, or for the loss or damage sustained by him through the default of the defendant.

⇒ Section 16 Specific performance of independent part of contract.-When a part of a contract which, taken by itself, can and ought to be specifically performed, stands on a separate and independent footing from another part of the same contract which cannot or ought not to be specifically performed, the Court may direct specific performance of the former part.
৯,০৩২.
গুরুতর আঘাত করার জন্য মাসুদ এর বিচার করে দণ্ডিত করার পর আহত ব্যক্তি মারা গেলো। ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা মোতাবেক অপরাধজনক নরহত্যার দায়ে পুনরায় মাসুদ এর বিচার করা যাবে?
  1. ৪০৩(১)
  2. ৪০৩(২)
  3. ৪০৩(৩)
  4. কোনটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
৪০৩(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০৩(৩)
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৩(৩) অনুসারে যখন কোন ব্যক্তি কোন কার্যদ্বারা সৃষ্ট কোন অপরাধে দণ্ডিত হয় (এক্ষেত্রে গুরুতর আঘাত) এবং উক্ত কার্য ও তার প্রতিক্রিয়া সমন্বয়ে তদপেক্ষা ভিন্ন ধরনের একটি অপরাধ সৃষ্টি হয় (এক্ষেত্রে নরহত্যা) , তখন উক্ত প্রতিক্রিয়া না ঘটে থাকে বা ঘটেছে বলে আদালত অবহিত না থাকলে পরবর্তীতে শেষোক্ত অপরাধের (নরহত্যা)  জন্য বিচার করা যাবে।
৯,০৩৩.
The Court’s power under Section 52 of The Specific Relief Act, 1877 is-
  1. Limited
  2. Permanent
  3. Mandatory
  4. Discretionary
সঠিক উত্তর:
Discretionary
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Discretionary
ব্যাখ্যা

Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:

আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

৯,০৩৪.
What is the purpose of issuing a commission under Order 26 Rule 13 of The Code of Civil Procedure, 1908?
  1. To examine or adjust accounts
  2. To examine witness
  3. To make partition of property
  4. To make local investigation
সঠিক উত্তর:
To make partition of property
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To make partition of property
ব্যাখ্যা
Order 26 Rule 13: Commission to make partition of immovable property:
Where a preliminary decree for partition has been passed, the Court may, in any case not provided for by section 54, issue a commission to such person as it thinks fit to make the partition or separation according to the rights as declared in such decree.

আদেশ ২৬ বিধি-১৩: স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য কমিশন:
যেক্ষেত্রে বাটোয়ারার জন্য প্রাথমিক ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে সেক্ষেত্রে বিষয়টি ৫৪ ধারার বিধান না হলে, আদালত যে ব্যক্তিকে উপযুক্ত মনে করবেন তার নিকট উক্ত ডিক্রিতে ঘোষিত অধিকার অনুসারে বণ্টন কিংবা পৃথকীকরণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারে।
৯,০৩৫.
'Preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do' – এটিকে কোন ধরণের প্রতিকার বলে গণ্য করা হয়?
  1. আদেশাত্মক প্রতিকার
  2. নিরোধমূলক প্রতিকার
  3. প্রতিশোধমূলক প্রতিকার
  4. ন্যায়পরভিত্তিক প্রতিকার
সঠিক উত্তর:
নিরোধমূলক প্রতিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরোধমূলক প্রতিকার
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা- 
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
 
 ⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারামতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন মোট ৫ প্রকার সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় যার মধ্যে ৪টি আদেশাত্মক প্রতিকার এবং ১টি নিষেধাত্মক বা নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।
 
 ⇒ ৫ ধারার ক, খ, ঘ এবং ও অনুচ্ছেদের ৪টি প্রতিকার হলো আদেশাত্মক প্রতিকার। অন্যদিকে, ৫ ধারার গ অনুচ্ছেদের (কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখা) প্রতিকারটি নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)
৯,০৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯খ এর অধীন সরেজমিনে পরিদর্শন(Local inspection) এর এখতিয়ার আছে-
  1. পুলিশের
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের
  3. যেকোনো ব্যক্তির
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৯খ (সরেজমিনে পরিদর্শন)-

১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে, যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনা হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্তে বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে, অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।

২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।

Sec 539B: Local inspection
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.

(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:
৯,০৩৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারায় আদালত কয়টি ক্ষেত্রে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করেতে পারে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধানে বলা আছে যে,
বিবাদী যখন বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা ভোগ দখলে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা করার হুমকি দেয়, তখন আদালত ৫টি ক্ষেত্রে বিবাদীর বিরুদ্ধে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করেতে পারে।

(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
৯,০৩৮.
স্থাবর সম্পত্তির দখল লাভের জন্য আনীত মামলার তামাদির মেয়াদ ১২ বছর। কোন অনুচ্ছেদে এটি উল্লেখ রয়েছে?
  1. ১৪৬
  2. ১৪১
  3. ১৪৫
  4. ১৪৪
সঠিক উত্তর:
১৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮–এর অনুচ্ছেদ ১৪৪–এ বলা হয়েছে: “For possession of immovable property or any interest therein not hereby otherwise specially provided for.”
অর্থাৎ: যদি কারো স্থাবর সম্পত্তি বা তার স্বার্থ দখল করে অন্য কেউ রাখে এবং এ সম্পর্কিত কোনো নির্দিষ্ট বিধান এই আইনে না থাকে, অনুচ্ছেদ এই ধারা প্রযোজ্য হয়।
- তামাদির মেয়াদ: ১২ বছর
-  তামাদি গণনার শুরু: যেদিন থেকে বিবাদীর দখল বাদীর মালিকানার বিরুদ্ধে প্রতিকূল (adverse) হয়।

→ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলে (First Schedule): স্থাবর সম্পত্তির দখল লাভের জন্য আনীত মামলার তামাদির মেয়াদ ১২ বছর। ১৪৪ অনুচ্ছেদে এটি উল্লেখ রয়েছে। 

অন্য অপশন গুলো:
ক) অনুচ্ছেদ-১৪৬ – বন্ধক গ্রহীতার দ্বারা হাইকোর্টে দায়েরকৃত বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা (তামাদির মেয়াদ: ৩০ বছর)
খ) অনুচ্ছেদ-১৪১ – হিন্দু বা মুসলিম নারীর মৃত্যুর পর তার দখলে থাকা স্থাবর সম্পত্তির দখল পেতে উত্তরাধিকারীর মামলা (তামাদির মেয়াদ: ১২ বছর)
গ) অনুচ্ছেদ-১৪৫ – অস্থাবর আমানত বা বন্ধক পুনরুদ্ধারের মামলা (তামাদির মেয়াদ: ৩০ বছর)


৯,০৩৯.
Alibi বা অন্যত্র থাকার অজুহাত প্রমাণের দায়ভার সর্বদা অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তাবে। সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১০২ ধারা
  2. সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারা
  3. সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারা
  4. সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা-১০৩ এর বিধান কোন নির্ধারিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্বঃ- কোন বিষয়ের অস্তিত্ব যে ব্যক্তি আদালতকে বিশ্বাস করতে চায়, সে প্রসঙ্গের অস্তিত্বে প্রমাণ করার দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপর ন্যস্ত, যদি না কোন আইন অনুসারে সে বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব কোন ব্যক্তিবিশেষের উপর আরোপিত হয়ে থাকে।

⇒ উদাহরণ
⇒ 'খ'-কে 'ক' চুরির দায়ে ফৌজদারীতে সোপর্দ করে। আদালতকে 'ক' বিশ্বাস করাতে চায় যে, 'গ'-এর নিকট 'খ' চুরির কথা স্বীকার করেছে। অবশ্যই স্বীকৃতি 'ক'-কে প্রমাণ করতে হবে।

⇒ আদালতকে 'খ' বিশ্বাস করাতে চায় যে, সংশ্লিষ্ট সময়কালে সে অন্যত্র ছিল। অবশ্যই এটা তাকে প্রমাণ করতে হবে।

⇒ যেসব ঘটনা অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলোও ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে যদি সেগুলো বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয় অথবা কোনোভাবে বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে অর্থাৎ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্বহীনতাকে অধিকভাবে সম্ভব বা অসম্ভব করে তুলে। নিম্নোক্ত পাঁচ প্রকারের ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে। যথা-
i) অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থলে আসামীর অনুপস্থিতি (Plea of Alibi) অর্থাৎ যদি দেখা যায় আসামী অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থল হতে বহু দূরে ছিল তাহলে তা প্রাসঙ্গিক হবে;
ii) সন্তান জারজ কি-না এই প্রশ্নে স্ত্রীর নিকট হতে স্বামীর দূরে থাকার ঘটনা;
iii) কথিত মৃত ব্যক্তি জীবিত আছে এমন ঘটনা;
iv) অভিযুক্ত ব্যক্তি খুন করেছে এই প্রশ্নে, অন্য ব্যক্তি খুন করেছে-এরূপ ঘটনা; অথবা
v) অভিযুক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে এ প্রশ্নে, আহত ব্যক্তি নিজে আঘাত (Self-harming) করেছে-এরূপ ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
⇒ Plea of Alibi- সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় Plea of Alibi-কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। Alibi অর্থ হলো অন্যত্র (Elsewhere), আর Plea of Alibi এর আক্ষরিক অর্থ হল অন্যত্র অবস্থানের অজুহাত। এই শব্দটি ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

⇒ ফৌজদারি মামলায় আসামী এই মর্মে আত্মপক্ষ সমর্থন করে যে, অপরাধ সংঘটনকালে সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না বা যে ঘটনার জন্য কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, ঘটনার সময় সে অন্যত্র ছিল। ফলে সে ঐ অপরাধের জন্য দায়ী নয় ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারামতে অপরাধ সংঘটনকালে আসামী অন্যত্র অবস্থানের দাবি করলে উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ তাকেই উপস্থাপন করতে হয়। অর্থাৎ অন্যত্র থাকার অজুহাত বা Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।

⇒ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ কিন্তু আলোচ্য ঘটনার অস্তিত্ব বা অস্তিত্বহীনতাকে সম্ভব বা অসম্মান করে তোলে এমন ঘটনা প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় উদাহরণের মাধ্যমে অপরাধের সময় অন্য কোথাও বা অন্যত্র থাকার অজুহাতকে প্রাসঙ্গিক বলা হয়েছে।

⇒ যখন কোন ব্যক্তি কোন ঘটনা সংঘটনের জন্য অভিযুক্ত হয় এবং সে যদি আদালতে উপস্থাপন করে যে সে অপরাধ সংঘটনের সময় অন্য কোথাও বা অন্যত্র ছিল তখন সে অজুহাতকে Plea of Alibi (Elsewhere) বলে।
৯,০৪০.
একই মহানগরে এক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত থেকে অন্য মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে মামলা স্থানান্তর করতে পারেন-
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মহানগর দায়রা জজ
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট।

• ধারা ৫২৮- দায়রা জজ সহকারী দায়রা জজের কাছে থেকে মোকদ্দমা তুলে নিতে পারবেন
(১) দায়রা জজ তার অধঃস্তন সহকারী দায়রা জজের কাছ থেকে কোন মামলা তুলিয়ে নিতে পারবেন বা তাকে যে মামলা দিয়েছেন তা তলব করতে পারবেন।

(১ক) দায়রা জজ কোন অতিরিক্ত দায়রা জজকে যে মামলা বা আপীল দিয়েছিলেন উক্ত অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট যেকোন সময় উক্ত মামলার বিচার বা আপীলের শুনানী আরম্ভের পূর্বে তিনি তা ফিরিয়ে নিতে পারবেন।

(১খ) যেক্ষেত্রে দায়রা জজ উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন মামলা তুলিয়ে নেন বা ফেরত নেন কিংবা উপ-ধারা (১এ) এর অধীন কোন মামলা বা আপীল ফেরত নেন, সেক্ষেত্রে তিনি নিজের আদালতে উক্ত মামলার বিচার করতে বা নিজে উক্ত আপীল শ্রবণ করতে পারবেন, কিংবা এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে উহা বিচার বা শুনানীর জন্য অন্য কোন আদালতে দিতে পারবেন।

(২) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট থেকে কোন মামলা তুলিয়ে নিতে পারবেন বা তাঁকে যে মামলা দিয়েছিলেন, তা ফিরিয়ে নিতে পারবেন, এবং নিজে এরূপ মামলার ইনকোয়ারী বা বিচার করতে পারবেন, বা এরূপ মামলার ইনকোয়ারী বা বিচারের যোগ্যতা সম্পন্ন অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর তা ইনকোয়ারী বা বিচারের জন্য প্রেরণ করতে পারবেন।

(৩) সরকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে হাইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে এ মর্মে ক্ষমতা দিতে পারবেন যে, তিনি যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শ্রেণীর মামলা বা কোন বিশেষ শ্রেণীর মামলা তার অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হতে নিতে পারবেন।

(৪) কোন ম্যাজিট্রেট ধারা-১৯২ এর উপধারা (২) এর অধীন কোন মামলা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে দিয়েছেন উক্ত মামলা তিনি ফিরিয়ে নিতে এবং নিজে উহার ইনকোয়ারী বা বিচার করতে পারবেন।

(৫) কোন ম্যাজিস্ট্রেট এই ধারার অধীন কোন আদেশ দেবার সময় তার এরূপ আদেশ প্রদানের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
৯,০৪১.
আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে গিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তির আঘাত ঘটানোর বৈধতা- The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় দেয়া হয়েছে?
  1. ১০৫ ধারায়
  2. ১০৬ ধারায়
  3. ১০৭ ধারায়
  4. ১০৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা-১০৬: আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো (Right of private defence against deadly assault when there is risk of harm to innocent person)-
যদি কোনো আক্রমণের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে, যা যুক্তিসঙ্গতভাবে মৃত্যুর আশঙ্কা সৃষ্টি করে, আত্মরক্ষাকারী এমন পরিস্থিতিতে থাকে যেখানে সে নিরপরাধ ব্যক্তির ক্ষতির ঝুঁকি ছাড়া কার্যকরভাবে সেই অধিকার প্রয়োগ করতে পারে না, তবে তার আত্মরক্ষার অধিকার সেই ঝুঁকি নেওয়া পর্যন্ত প্রসারিত হয়।

যেমন- ক-কে খুন করার জন্য একদল লোক তাড়া করে। ক আক্রমণকারী লোকদের প্রতি গুলিবর্ষণ না করলে ক-এর মৃত্যু এড়ানো সম্ভব না; অন্যদিকে গুলিবর্ষণ করলে আক্রমণকারীদের পাশাপাশি কয়েকটি নির্দোষ শিশুও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে যারা ঐ আক্রমণকারী লোকদের সাথে মিশে আছে।
এই পরিস্থিতিতে ক যদি গুলিবর্ষণ করে এবং তার ফলে কোন শিশু ক্ষতিগ্রস্তও হয়, তবুও ক-এর অপরাধ হবে না। কেননা ১০৬ ধারামতে মারাত্মক আক্রমনের বিরূদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তির ক্ষতি বা মৃত্যু হলে তা অপরাধ নয়।
৯,০৪২.
কোন স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্ট ভাবে বলবৎ করা যাবে না, যদি না চুক্তিটি হয়
  1. লিখিত
  2. প্রত্যায়িত ও সত্যায়িত
  3. সত্যায়িত
  4. লিখিত ও নিবন্ধিত
সঠিক উত্তর:
লিখিত ও নিবন্ধিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত ও নিবন্ধিত
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, এর ধারা ২১ক হচ্ছে অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্যঃএই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিষ্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা উহার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
৯,০৪৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ এর ______  অনুযায়ী একাধিক কমিশনার যদি একমত না হন, তবে তারা পৃথক প্রতিবেদন জমা দেবেন।
  1. বিধি-৪
  2. বিধি-১২
  3. বিধি-১৩
  4. বিধি-১৪
সঠিক উত্তর:
বিধি-১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-১৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ১৪(২) অনুযায়ী, যদি একাধিক কমিশনার নিযুক্ত হন এবং তারা একমত না হন, তবে তারা পৃথক প্রতিবেদন প্রণয়ন ও স্বাক্ষর করবেন। প্রতিটি পৃথক প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট পক্ষের অংশ এবং (যদি আদেশে উল্লেখ থাকে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও সীমানা নির্ধারণ করবে এবং পরে এই প্রতিবেদনসমূহ আদালতে দাখিল করতে হবে।

এতে বলা হয়েছে যে, একাধিক কমিশনারের মধ্যে একমত না হলে, তারা পৃথক প্রতিবেদন প্রস্তুত করবেন এবং আদালতে তা দাখিল করবেন।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-26, Rule-14: -Procedure of Commissioner-
(1) Dividing Property and Allotting Shares:
The Commissioner, after conducting the necessary inquiry, will divide the property into as many shares as directed by the order under which the commission was issued. The Commissioner will allot these shares to the parties involved and may, if authorized by the order, award sums to equalize the value of the shares.

(2) Preparation of Report:
The Commissioner (or Commissioners, if the commission was issued to multiple persons and they cannot agree) will prepare and sign a report. The report will detail the share of each party, distinguishing each share with specific boundaries (if directed by the order). If multiple reports are prepared, they will be annexed to the commission and transmitted to the Court within the time fixed by the Court, not exceeding three months. After receiving the report(s), the Court will hear any objections from the parties and may confirm, vary, or set aside the report(s).
Provision for Extension of Time: The Court may extend the time upon a request from the Commissioner and upon sufficient cause being shown.

(3) Court's Action on the Report:
If the Court confirms or varies the report(s), it will pass a decree based on the report as confirmed or varied. However, if the Court sets aside the report(s), it may either issue a new commission or make any other order it deems fit.
৯,০৪৪.
দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা অনুযায়ী কোনটি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধ নয়?
  1. সরকারের প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি করা
  2. সরকারের শাসনের প্রতি অসমর্থন
  3. সরকারের প্রতি বিদ্বেষ উদ্রেক করা
  4. সরকারের প্রতি বৈরিতা সৃষ্টির চেষ্টা করা
সঠিক উত্তর:
সরকারের শাসনের প্রতি অসমর্থন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের শাসনের প্রতি অসমর্থন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১২৪ক (রাষ্ট্রদ্রোহিতা) এর ব্যাখ্যা ২ ও ৩ এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে: শুধুমাত্র সরকারের শাসন বা প্রশাসনিক কার্যক্রমের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ করা, যদি তা ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা (Disaffection) সৃষ্টি বা সৃষ্টির চেষ্টা না করে, তাহলে তা এই ধারার অধীনে অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
- আইনসম্মত উপায়ে (যেমন: শান্তিপূর্ণ সমালোচনা, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে পরিবর্তনের দাবি) সরকারের নীতির অনুপোষণ (Disapprobation) প্রকাশ করলে, যতক্ষণ না তা ঘৃণা বা বৈরিতা সৃষ্টি করে, ততক্ষণ তা অপরাধ নয়।
- সুতরাং, সরকারের শাসনের প্রতি অসমর্থন নিজে থেকেই অপরাধ নয়, যদি না তা ঘৃণা বা বৈরিতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বা ফলাফলে পরিণত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার বিধান রাষ্ট্রদ্রোহিতা:
কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
ব্যাখ্যা ১: ‘বৈরিতা' বলতে রাজানুগত্যহীনতা এবং সর্বপ্রকার শত্রুতার ভাব বুঝায়।
ব্যাখ্যা ২: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই আইনসম্মত উপায়ে পরিবর্তন বা সংশোধনের উদ্দেশ্যে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
ব্যাখ্যা ৩: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করার বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক বা অন্যরূপ কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না। 
---------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 124A. Sedition:
 Whoever by words, either spoken or written, or by signs, or by visible representation, or otherwise, brings or attempts to bring into hatred or contempt, or excites or attempts to excite disaffection towards, the Government established by law shall be punished with imprisonment for life or any shorter term, to which fine may be added, or with imprisonment which may extend to three years, to which fine may be added, or with fine.
Explanation 1.-The expression "disaffection" includes disloyalty and all feelings of enmity. 
Explanation 2.-Comments expressing disapprobation of the measures of the Government with a view to obtain their alteration by lawful means, without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section. 
Explanation 3.-Comments expressing disapprobation of the administrative or other action of the Government without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section.

৯,০৪৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুসারে দণ্ডের অপর্যাপ্ততার বিরুদ্ধে অভিযোগকারী দণ্ডাদেশ প্রদানের কত দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারবে?
  1. ৬০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১৭ক(২) অনুসারে, ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে আপিল দায়ের করতে চাইলে দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করতে হবে। এই সময়সীমা পার হয়ে গেলে আপিল আদালত আর তা গ্রহণ করবেন না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ক ধারার বিধান অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল:-
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততাহেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।
(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
---------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898,-Section 417A: Appeal against inadequacy of sentence:
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.
(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.
(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.

৯,০৪৬.
A একটি জমিতে নির্মিত বাড়িসহ B-কে বিক্রি করার চুক্তি করেছে। চুক্তির পর কিন্তু হস্তান্তরের আগে বাড়িটি আগুনে পুড়ে যায় কিন্তু জমি অক্ষত থাকে। এখানে:
  1. B চুক্তি বাতিল করতে পারে
  2. A-কে নতুন বাড়ি নির্মাণ করতে হবে
  3. B শুধু জমির মূল্য পরিশোধ করবে
  4. B-কে অবশ্যই সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
B-কে অবশ্যই সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B-কে অবশ্যই সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করতে হবে
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: (ঘ) B-কে অবশ্যই সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করতে হবে।

- এটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারার অধীনে আসে। এখানে, A একটি জমিতে নির্মিত বাড়ি B-কে বিক্রি করার চুক্তি করেছে। চুক্তির পর বাড়িটি আগুনে পুড়ে গেলেও জমি অক্ষত রয়েছে।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারার মতে, চুক্তির বিষয়ভুক্ত কোনো একটি অংশ ধ্বংস হলে, তবে চুক্তির অবশিষ্ট অংশের জন্য চুক্তি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হতে পারে, যদি সেই অংশটি স্বতন্ত্রভাবে সম্পাদিত হতে পারে এবং অর্থের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ সম্ভব না হয়।
- এক্ষেত্রে, বাড়ি পুড়ে গেলেও জমি অক্ষত থাকায় জমি বিক্রির চুক্তিটি অপরিবর্তিত থাকে এবং B-কে জমির জন্য সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করতে হবে, কারণ চুক্তির মূল বিষয় জমি এবং তা অক্ষত রয়েছে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮৭৭ সালের ১৩ ধারা: চুক্তির বিষয় যেটি আংশিকভাবে বিলীন হয়ে গেছে:
- চুক্তি আইন, ১৯৭২ এর ৫৬ ধারার কোন কিছুই থাকা সত্ত্বেও, যদি চুক্তির কোন একটি অংশ, যা চুক্তি সম্পাদনের সময় বিদ্যমান ছিল, কিন্তু চুক্তির অনুযায়ী কাজ সম্পাদনের সময় অস্তিত্বহীন হয়ে যায়, তাহলে সেই চুক্তি সম্পূর্ণভাবে অসম্ভব হয়ে যায় না।

উদাহরণ:
(ক) A একটি বাড়ি B-কে এক লাখ টাকায় বিক্রির চুক্তি করে। চুক্তি সম্পাদনের পরপরই একটি ঘূর্ণিঝড়ে বাড়িটি ধ্বংস হয়ে যায়। B কে ক্রয়মূল্য পরিশোধের মাধ্যমে তার চুক্তির অংশ বাস্তবায়ন করতে বাধ্য করা হতে পারে।
(খ) B এর পক্ষ থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদানের বিনিময়ে, A চুক্তি করে যে সে B-কে B-এর জীবনের জন্য একটি annuity প্রদান করবে। চুক্তি সম্পাদনের পরপরই B ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে মারা যায়। B-এর প্রতিনিধি ক্রয়মূল্য পরিশোধ করতে বাধ্য হতে পারে।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-13. Contract of which the subject has partially ceased to exist:
Notwithstanding anything contained in section 56 of the Contract Act, a contract is not wholly impossible of performance because a portion of its subject-matter, existing at its date, has ceased to exist at the time of the performance. 

Illustrations:
(a) A contracts to sell a house to B for a lakh of taka. The day after the contract is made the house is destroyed by a cyclone. B may be compelled to perform his part of the contract by paying the purchase-money.
(b) In consideration of a sum of money payable by B, A contracts to grant an annuity to B for B's life. The day after the contract has been made, B is thrown from his horse and killed. B's representative may be compelled to pay the purchase-money.
৯,০৪৭.
হাইকোর্টের রেফারেন্স সম্পর্কে নিচের কোন বাক্যটি সঠিক নয়?
  1. আদালত নিজ উদ্যোগে কোনো রেফারেন্স চাইতে পারে
  2. সংক্ষুব্ধ পক্ষগণ রেফারেন্সের আবেদন করতে পারেন না
  3. রেফারেন্স কোর্ট হিসেবে হাইকোর্ট তার অধস্তন আদালতের রায় বা ডিক্রি পরিবর্তন করতে পারে
  4. বর্ণিত সবগুলোই সঠিক
সঠিক উত্তর:
সংক্ষুব্ধ পক্ষগণ রেফারেন্সের আবেদন করতে পারেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংক্ষুব্ধ পক্ষগণ রেফারেন্সের আবেদন করতে পারেন না
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৩ ধারায় রেফারেন্সের (Reference) বিধান রয়েছে। ১১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী যে কোন আদালত কোন মামলা হাইকোর্ট বিভাগের অভিমত গ্রহণের জন্য প্রেরণ করতে পারেন এবং হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মামলা সম্পর্কে উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ নং আদেশে রেফারেন্স সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে যা নিম্নরূপ-
৪৬ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী আপিল-অযোগ্য ডিক্রির মামলার বিচার পর্যায়ে বা আপিলে অথবা উক্ত ডিক্রি জারি করার সময়, আইন বা আইনের ন্যায় বলবৎ কোন রীতি সম্পর্কিত প্রশ্নের সৃষ্টি হলে, উক্ত মামলার বিচারকারী আদালত বা আপিল আদালত অথবা ডিক্রি জারিকারক আদালত, স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনক্রমে মামলাটি হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্তের জন্য হাইকোর্টে প্রেরণ করতে পারে।

- রেফারেন্স প্রেরণকারী আদালত রেফারেন্স প্রেরণ করা সত্ত্বেও মামলার কার্যক্রমে অগ্রসর হতে পারে কিংবা কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে এবং হাইকোর্ট বিভাগ প্রেরিত সিদ্ধান্তের আলোকে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করতে পারেন।

- ৪৬ নং আদেশের ৫ নং বিধি অনুযায়ী অধীনস্ত যে আদালত হাইকোর্টে রেফারেন্সের জন্য কোন বিষয় পাঠাবে, সেই বিষয়ে উক্ত আদালত কর্তৃক দেওয়া ডিক্রি/আদেশ হাইকোর্ট বিভাগ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারবে অথবা যে কোন উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারে। অর্থাৎ, Reference কোর্ট হিসেবে হাইকোর্ট তার অধস্তন আদালতের রায় বা ডিক্রি পরিবর্তন করতে পারে।
৯,০৪৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার অধীনে, যদি চুক্তির লঙ্ঘন করা হয় এবং তা ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিকারযোগ্য না হয়, তবে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. চুক্তি বাতিলের আদেশ
  2. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন আদেশ
  3. চুক্তির একপক্ষের ক্ষতিপূরণ আদায়
  4. কোন আদেশই নয়
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন আদেশ
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন আদেশ।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, যখন কোনো চুক্তির লঙ্ঘন করা হয় এবং তা ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিকারযোগ্য নয় (যেমন, কোনো অস্থাবর বা বিরল সম্পত্তির ক্ষেত্রে), তখন আদালত সেই চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন আদেশ দিতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা- যে-সব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections-12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced- 
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust; 
(b) when 4[there] exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done; 
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or 
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done. 
 
Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.
৯,০৪৯.
'মৃত্যুকালীন ঘোষণা' (Dying Declaration) সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২-এর কত নম্বর উপধারায় অন্তর্ভুক্ত?
  1. ৩২(১)
  2. ৩২(২)
  3. ৩২(৩)
  4. ৩২(৪)
সঠিক উত্তর:
৩২(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২(১)
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩২(১)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: “Section-32. Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant
- Statements, written or verbal, of relevant facts made by a person who is dead, or who cannot be found, or who has become incapable of giving evidence, or whose attendance cannot be procured without an amount of delay or expense which under the circumstances of the case appears to the Court unreasonable, are themselves relevant facts in the following cases:–
When it relates to cause of death;
32(1) When the statement is made by person as to the cause of his death, or as to any of the circumstances of the transaction which resulted in his death, in cases in which the cause of that person's death comes into question. 
Such statements are relevant whether the person who made them was or was not, at the time when they were made, under expectation of death, and whatever may be the nature of the proceeding in which the cause of his death comes into question.”

অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying Declaration) এই ৩২(১) উপধারার অধীনেই পড়ে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vi) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question

৯,০৫০.
আত্মীয়তা বা সম্পর্ক বিষয়ে কোনো মৃত ব্যক্তির বিবৃতি নিচে বর্ণিত কোন পরিস্থিতিতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে?
  1. বিরোধ সৃষ্টি হবার মুহূর্তে দেওয়া বিবৃতি
  2. বিরোধ সৃষ্টি হবার পরে দেওয়া বিবৃতি
  3. বিরোধ সৃষ্টি হবার পূর্বে দেওয়া বিবৃতি 
  4. আত্মীয়তা নিয়ে কোনো বিবৃতি আদালতে গ্রহণযোগ্য হয় না
সঠিক উত্তর:
বিরোধ সৃষ্টি হবার পূর্বে দেওয়া বিবৃতি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধ সৃষ্টি হবার পূর্বে দেওয়া বিবৃতি 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : বিরোধীয় বিষয়টি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হবার পূর্বে দেওয়া বিবৃতি।

The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৩২(৫):
যখন কোনো বিবৃতি (statement) এমন একটি সম্পর্কের অস্তিত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত, যেমন: রক্তের সম্পর্ক, বিবাহসূত্রে সম্পর্ক, অথবা দত্তক গ্রহণের সম্পর্ক- এবং যিনি ওই বিবৃতিটি দিচ্ছেন, তিনি যদি সেই সম্পর্ক সম্পর্কে জানার বিশেষ উপায় বা জ্ঞান রাখেন, এবং সেই বিবৃতিটি যদি বিবাদ বা মামলার প্রশ্ন উত্থাপিত হওয়ার আগেই দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে সেই বিবৃতিটি গ্রহণযোগ্য (admissible) প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

৯,০৫১.
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যে মামলা অর্পণ করেছিল, সেই মামলা-
  1. নিজে অনুসন্ধান বা বিচার করতে পারে
  2. নিজে তলব করতে পারে
  3. অনুসন্ধান বা বিচার করার জন্য অন্যকোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট পাঠাতে পারে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন
ব্যাখ্যা

চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তার অধীনস্থ কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যে মামলা অর্পণ করেছিল, সেই মামলা নিজে তলব করতে পারে, নিজে অনুসন্ধান বা বিচার করতে পারে বা অনুসন্ধান বা বিচার করার জন্য অন্যকোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট পাঠাতে পারে।

ধারা ৫২৮: দায়রা জজ সহকারী দায়রা জজের কাছে থেকে মোকদ্দমা তুলে নিতে পারবেন-

(১) দায়রা জজ তাঁর অধঃস্তন সহকারী দায়রা জজের কাছ থেকে কোন মামলা তুলিয়ে নিতে পারবেন বা তাঁকে যে মামলা দিয়েছেন তা তলব করতে পারবেন।

(১ক) দায়রা জজ কোন অতিরিক্ত দায়রা জজকে যে মামলা বা আপীল দিয়েছিলেন উক্ত অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট যেকোন সময় উক্ত মামলার বিচার বা আপীলের শুনানী আরম্ভের পূর্বে তিনি তা ফিরিয়ে নিতে পারবেন।
(১খ) যেক্ষেত্রে দায়রা জজ উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন মামলা তুলিয়ে নেন বা ফেরত নেন কিংবা উপ-ধারা (১এ) এর অধীন কোন মামলা বা আপীল ফেরত নেন, সেক্ষেত্রে তিনি নিজের আদালতে উক্ত মামলার বিচার করতে বা নিজে উক্ত আপীল শ্রবণ করতে পারবেন, কিংবা এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে উহা বিচার বা শুনানীর জন্য অন্য কোন আদালতে দিতে পারবেন।

(২) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট থেকে কোন মামলা তুলিয়ে নিতে পারবেন বা তাঁকে যে মামলা দিয়েছিলেন, তা ফিরিয়ে নিতে পারবেন, এবং নিজে এরূপ মামলার ইনকোয়ারী বা বিচার করতে পারবেন, বা এরূপ মামলার ইনকোয়ারী বা বিচারের যোগ্যতা সম্পন্ন অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর তা ইনকোয়ারী বা বিচারের জন্য প্রেরণ করতে পারবেন।

(৩) সরকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে হাইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে এ মর্মে ক্ষমতা দিতে পারবেন যে, তিনি যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শ্রেণীর মামলা বা কোন বিশেষ শ্রেণীর মামলা তার অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হতে নিতে পারবেন।

(৪) কোন ম্যাজিট্রেট ধারা-১৯২ এর উপধারা (২) এর অধীন কোন মামলা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে দিয়েছেন উক্ত মামলা তিনি ফিরিয়ে নিতে এবং নিজে উহার ইনকোয়ারী বা বিচার করতে পারবেন।

Section 528- Sessions Judge may withdraw cases from Assistant Sessions Judge
(1) Any Sessions Judge may withdraw any case from, or recall any case which he has made over to, any Joint Sessions Judge subordinate to him. 
 
(1A) At any time before the trial of the case or the hearing of the appeal has commenced before the Additional Sessions Judge, any Sessions Judge may recall any case or appeal which he has made over to any Additional Sessions Judge. 
 
(1B) Where a Sessions Judge withdraws or recalls a case under sub-section (1) or recalls a case or appeal under sub-section (IA), he may either try the case in his own Court or hear the appeal himself, or make it over in accordance with the provisions of this Code to another Court for trial or hearing, as the case may be.
 
(2) [The Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate or District Magistrate] may withdraw any case from, or recall any case which he has made over to, any Magistrate subordinate to him, and may inquire into or try such case himself, or refer it for inquiry or trial to any other such Magistrate competent to inquire into or try the same.
 
(3) The Government with the approval of the High Court Division] may authorize the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate to withdraw from any Magistrate subordinate to him either such classes of cases as he thinks proper, or particular classes of cases. 
 
(4) Any Magistrate may recall any case made over by him under section 192, sub-section (2), to any other Magistrate and may inquire into or try such case himself. 
 
(5) A Magistrate making an order under this section shall record in writing his reasons for making the same.

৯,০৫২.
'ক' একজন নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে একটি জমি সংক্রান্ত মোকদ্দমায় বাদী হয় এবং জয় লাভ করে। আদালত নির্ধারণ করে যে, 'ক' যদি নিঃস্ব হিসেবে মামলা না করতো, তাকে কোর্ট ফি দিতে হতো। এক্ষেত্রে আদালত কার কাছ থেকে কোর্ট ফি আদায় করবে?
  1. বাদী 'ক' থেকে
  2. সরকার থেকে
  3. বিবাদীর নিকট হতে
  4. ডিক্রিতে যাকে পরিশোধের নির্দেশ দেয়া তার থেকে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রিতে যাকে পরিশোধের নির্দেশ দেয়া তার থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রিতে যাকে পরিশোধের নির্দেশ দেয়া তার থেকে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৩ বিধি-১০: নিঃস্ব ব্যক্তি সফল হলে খরচাদি:
যেক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমায় কৃতকার্যতা অর্জন করে সেক্ষেত্রে আদালত, বাদী যদি নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতিপ্রাপ্ত না হত, তবে তাকে যে অংকের কোর্ট ফি প্রদান করতে হত, সে পরিমাণ কোর্ট ফি গণনা করবে; অনুরূপ অংক ডিক্রিতে যাকে পরিশোধের নির্দেশ দেয়া হয়, সে পক্ষের নিকট থেকে সরকার কর্তৃক আদায় যোগ্য হবে এবং তা মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে প্রথম দায় হবে।
৯,০৫৩.
কোন সংবিধি, আইন, প্রবিধান অথবা উপ-আইন মোতাবেক দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির (forfeiture) জন্য মামলা করার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৬ অনুসারে বলা হয়েছে:
- “Upon a Statute, Act, Regulation or Bye-law, for a penalty or forfeiture — One year.
- Time starts from: When the penalty or forfeiture is incurred.”

- অর্থাৎ, কোনো সংবিধি, আইন, প্রবিধান বা উপ-আইন অনুসারে কেউ যদি দণ্ডিত হয় বা তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হয়, তাহলে সেই দণ্ড কার্যকর হওয়া বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হওয়ার দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে। এরপর তা তামাদি হয়ে যাবে।
৯,০৫৪.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী অপসহায়তা বা প্ররোচনার [Abetment] উপাদান কয়টি?
  1. ৩ টি
  2. ৪ টি
  3. ৫ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
♦ যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে।

♦ দণ্ডবিধির  ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।

⇒ (i) কাউকে প্ররোচিত করে  (instigation)
⇒ (ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে  (engagement)
⇒ (iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে  (aiding)
৯,০৫৫.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় যুগ্ম জেলা জজের আর্থিক এখতিয়ার কত?
  1. সর্বোচ্চ ২৫ লক্ষ টাকা
  2. সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা
  3. সীমাহীন
  4. সর্বোচ্চ ২০ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
সীমাহীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীমাহীন
ব্যাখ্যা
• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হবে সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।

• The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-

⇒ সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা
⇒ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

অর্থাৎ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে যেকোনো মূল্যমানের মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার আছে।
৯,০৫৬.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারা অনুযায়ী আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান করতে পারে?
  1. ৮৩গ ধারা
  2. ৮৫গ ধারা
  3. ৮৭ক ধারা
  4. ৮৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৮৫গ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৫গ ধারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান:
বিপরীত কিছু প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, গ্রাহকের যে সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করা হয়নি তা ব্যতীত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের উল্লেখিত তথ্য সঠিক, যদি সনদটি গ্রাহক দ্বারা গৃহিত হয়। 
 
⇒ গ্রাহকের তথ্য হিসেবে নির্ধারিত তথ্য যাচাই করা না হলে তা সঠিক বলে আদালত অনুমান করবে না।
 
Section 85C- Presumption as to Digital Signature Certificates.-
The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber.
৯,০৫৭.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদি মেয়াদ গণনা করা হয় কখন থেকে?
  1. দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে
  2. মামলা দায়েরের তারিখ থেকে
  3. আপিল দায়েরের তারিখ থেকে
  4. আপিল আদালতের রায় ঘোষণার তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে।

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করার জন্য তামাদির মেয়াদ গণনা করা হয় দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে। এই বিধানটি ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করার জন্য ৭ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে।
- এই সময়সীমা দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে গণনা করা হয়, যা আদালত কর্তৃক মৃত্যুদণ্ডাদেশ ঘোষণার তারিখকে নির্দেশ করে।
এই সংক্ষিপ্ত সময়সীমা দেওয়া হয়েছে কারণ মৃত্যুদণ্ড একটি গুরুতর শাস্তি এবং এর বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি প্রতিকার পাওয়া জরুরি।

উদাহরণ:
যদি কোনো ব্যক্তিকে দায়রা আদালত বা হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করে, তাহলে সেই ব্যক্তি বা তার আইনগত প্রতিনিধি দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারবেন।
৯,০৫৮.
সাক্ষ্য আইনের Estoppel নীতি কোন বিষয়ে প্রযোজ্য হয় না?
  1. আইন সভা কতৃক প্রণীত আইনের ক্ষেত্রে 
  2. বিধিবদ্ধ আইনের বিরুদ্ধে
  3. ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে
  4. ক ও খ উভয়  ক্ষেত্রে 
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়  ক্ষেত্রে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়  ক্ষেত্রে 
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের Estoppel নীতি (প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা) হলো এমন একটি আইনি নীতি, যা কোনো ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কাজ বা কার্য বিরতির বিপরীতে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বাধা দেয়, যদি সেই ঘোষণা বা কাজের উপর ভিত্তি করে অন্য কোনো ব্যক্তি তার অবস্থান পরিবর্তন করে থাকে। Estoppel নীতি প্রযোজ্য হয় ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে (factual matters), অর্থাৎ যেসব ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি তার ইচ্ছাকৃত ঘোষণা, কাজ বা কার্যবিরতির মাধ্যমে অন্য কাউকে কোনো বিষয় সত্য বলে বিশ্বাস করিয়ে তাকে কোনো কাজ করতে প্ররোচিত করে। আইন সভা কতৃক প্রণীত আইনের ক্ষেত্রে বা বিধিবদ্ধ আইনের বিরুদ্ধে এটি প্রযোজ্য হয় না।

সাক্ষ্য আইনে ১৮৭২,ধারা ১১৫, স্বীকৃতির বাধা [Estoppel]: কোনো লোক যখন তাহার ঘোষণা, কার্য বা কার্য হইতে বিরত থাকিবার দ্বারা স্বেচ্ছায় অপর কাহাকেও কোনো কিছু সত্য বলিয়া বিশ্বাস করাইয়াছে বা বিশ্বাস করিতে দিয়াছে এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে কাজ করিতে দিয়াছে, তখন উক্ত দুটি লোকের মধ্যে বা প্রথমোক্ত লোক এবং শেষোক্ত লোকের প্রতিনিধির মধ্যে কোনো মোকদ্দমায় প্রথমোক্ত লোক বা তাহার প্রতিনিধি উক্ত বিষয়ের সত্যতা অস্বীকার করিতে পারিবে না।
----------------------------
The Evidence Act 1872, Section 115, Estoppel: When one person has, by his declaration, act or omission, intentionally caused or permitted another person to believe a thing to be true and to act upon such belief, neither he nor his representative shall be allowed, in any suit or proceeding between himself and such person or his representative, to deny the truth of that thing.

৯,০৫৯.
৩০ বছরের পুরনো দলিল উপযুক্ত হেফাজত থেকে উপস্থাপন করা হলে, সেটির বিশুদ্ধতা সম্পর্কে আদালতের কী ধরনের অনুমান করতে পারে?
  1. May presume
  2. Shall presume
  3. Conclusive proof
  4. Can presume
সঠিক উত্তর:
May presume
উত্তর
সঠিক উত্তর:
May presume
ব্যাখ্যা

Evidence Act, 1872 এর ধারা ৯০- ত্রিশ বছর পুরনো দলিল সম্পর্কে অনুমান (Presumption as to documents thirty years old):
যদি কোনো দলিল (document) আদালতে উপস্থাপন করা হয়, যা দেখতে বা প্রমাণ দ্বারা বোঝা যায় যে সেটি ত্রিশ বছর পুরনো,
এবং দলিলটি এমন অভিভাবকত্ব (custody) থেকে উপস্থাপিত হয় যা আদালত নির্দিষ্ট মামলার প্রেক্ষিতে যথাযথ বা উপযুক্ত বলে মনে করে, তাহলে আদালত অনুমান করতে পারে যে (May presume) — দলিলের স্বাক্ষর এবং হাতের লেখা অংশগুলো আসলেই সেই ব্যক্তির নিজের হাতের লেখা; এবং যদি দলিলটি সম্পাদিত (executed) বা সাক্ষ্যযুক্ত (attested) হয়, তাহলে আদালত ধরে নিতে পারে যে এটি যথাযথভাবে সম্পাদিত ও সাক্ষ্যযুক্ত হয়েছে।

ব্যাখ্যা (Explanation):
দলিলকে “উপযুক্ত অভিভাবকত্বে (proper custody)” আছে বলা হবে, যদি তা এমন স্থানে এবং এমন ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে থাকে, যেখানে স্বাভাবিকভাবে সেটি থাকার কথা।
তবে কোনো অভিভাবকত্ব অযথাযথ (improper) ধরা হবে না, যদি দেখা যায় যে সেটি বৈধ উৎস (legitimate origin) থেকে এসেছে,
অথবা মামলার পরিস্থিতি অনুযায়ী বৈধ উৎস থেকে আসা সম্ভাব্য (probable) মনে হয়।

৯,০৬০.
Test Identification Parade (TI Parade) এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. দলিল যাচাই করা
  2. অপরাধীর স্বীকারোক্তি গ্রহণ করা
  3. সন্দেহভাজন অপরাধীকে শনাক্ত করা
  4. সাক্ষীকে শনাক্ত করা
সঠিক উত্তর:
সন্দেহভাজন অপরাধীকে শনাক্ত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্দেহভাজন অপরাধীকে শনাক্ত করা
ব্যাখ্যা
• শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade হলো একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সাক্ষীরা একজন অপরাধীকে শনাক্ত করতে সাহায্য করেন।

এই প্রক্রিয়াটি নিম্নরূপ:
১. একটি গ্রুপ তৈরি করা হয় যেখানে অপরাধী সন্দেহভাজন এবং অন্যান্য কিছু লোকদের রাখা হয়। সকলের বয়স, চেহারা ও পোশাক প্রায় একই ধরনের হয়।
২. সাক্ষীদের এই গ্রুপের সামনে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়।
৩. সাক্ষীদের অনুরোধ করা হয় যে তারা যদি সত্যিকারের অপরাধীকে দেখতে পান তাহলে তাকে শনাক্ত করবেন।
৪. সাক্ষীরা যদি কাউকে শনাক্ত করেন তাহলে সেটাই রেকর্ড করা হয়। আর যদি না করেন তাহলে তাও রেকর্ড করা হয়।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুসারে শনাক্তকরণ প্যারেড বা টেস্ট আইডেন্টিফিকেশন প্যারেডকে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। ৯ ধারায় "প্রাসঙ্গিক তথ্য" (Facts Relevant) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে:
"Facts necessary to be proved are those which are...facts which establish their design or conduct, tending to show a particular knowledge or intent of any person."
অর্থাৎ, প্রাসঙ্গিক তথ্যগুলি সেই সব তথ্য যা কোনো ব্যক্তির জ্ঞান বা উদ্দেশ্যমূলক আচরণ প্রমাণ করে।

এই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য হলো সাক্ষীদের কাছে একটি বাস্তবিক পরিস্থিতি তৈরি করে দেখানো যাতে তারা নিঃসন্দেহে অপরাধীকে শনাক্ত করতে পারেন। এই প্রক্রিয়াটি বিশেষত চুরি, ডাকাতি, খুন ইত্যাদি মামলায় অপরাধীর পরিচয় নির্ণয়ের জন্য অনুসৃত হয়। আদালতসমূহও শনাক্তকরণ প্যারেডের ফলাফলকে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসাবে গ্রহণ করে থাকেন।
৯,০৬১.
কোনো সাক্ষীকে জেরা করার উদ্দেশ্য কী?
  1. সত্য উদঘাটন করা
  2. সাক্ষ্যকে নস্যাৎ বা দুর্বল করা
  3. বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
জেরার সংজ্ঞা (Cross- Examination):
আহবানকারী পক্ষের সাক্ষীকে বিরুদ্ধ পক্ষ সাক্ষ্য গ্রহন করলে তাকে বলা হয় জেরা। অন্যভাবে বলা যায়, কোন সাক্ষী যে পক্ষের সাক্ষ্য দিতে আদালতে আসে, সে পক্ষের জিজ্ঞাসাবাদের পর বিপরীত পক্ষ যে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাই জেরা বা 'Cross- Examination' হিসেবে পরিচিত। সাক্ষ্য আইনের ১৩৯, ১৪০, ১৪৩, ১৪৫, ১৪৬ ও ১৪৭ ধারায় জেরার বিধান রয়েছে।
 
সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারামতে- নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে জেরা করা যায়। যথা-
i) আসামীর সত্যবাদিতা, পরিচয় ও মর্যাদা উদ্ঘাটন এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা;
ii) বিরুদ্ধ পক্ষের সাক্ষীর সাক্ষ্যকে নস্যাৎ বা দুর্বল করা;
iii) সাক্ষীর মুখ দিয়ে জেরাকারীর পক্ষে কথা বের করা; 
iv) সাক্ষীর বিশ্বাস যোগ্যতা খণ্ডন করার মাধ্যমে প্রদত্ত সাক্ষ্যকে বিশ্বাসের অযোগ্য করে তোলার উদ্দেশ্যে; এবং
v) তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন করাও জেরার উদ্দেশ্য।
৯,০৬২.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী নিম্নের কোন বিষয়টি Revenue Court এর এখতিয়ারভুক্ত নয়?
  1. স্বত্বের বিরোধ
  2. কৃষি জমির ভাড়া
  3. কৃষি জমির খাজনা
  4. কৃষি জমির মুনাফা
সঠিক উত্তর:
স্বত্বের বিরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বত্বের বিরোধ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান: রাজস্ব আদালতে এই আইনের প্রয়োগ:
১) রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য বিশেষ আইন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে নীরব থাকার ফলে এই আইনের বিধানসমূহ রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সরকার, সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, উক্ত বিধানসমূহের যে-সকল অংশ এই আইন দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রযোজ্য করা হয়নি, তা উক্ত আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংশোধনীসহ প্রযোজ্য হবে।
২) (১) উপধারায় “রাজস্ব আদালত” বলতে ঐ আদালত বুঝায়, কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝায়। তবে এটা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা কার্যধারার মত অনুরূপ মোকদ্দমা বা কার্যধারাসমূহ বিচার করতে এই আইনের অধীনে মূল এতিয়ারযুক্ত দেওয়ানি আদালতকে অন্তর্ভুক্ত করে না।

উল্লিখিত প্রশ্নের ‘স্বত্বের বিরোধ’ বিষয়টি Revenue Court এর এখতিয়ার ভুক্ত নয়।
-----------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-5. Application of the Code of Revenue Courts:
(1) Where any Revenue Courts are governed by the provisions of this Code in those matters of procedure upon which any special enactment applicable to them is silent, the Government may, by notification in the official Gazette, declare that any portions of those provisions which are not expressly made applicable by this Code shall not apply to those Courts, or shall only apply to them with such notifications as the Government may prescribe.

(2) "Revenue Court" in sub-section (1) means a Court having jurisdiction under any law to entertain suits or other proceedings relating to the rent, revenue or profits of land used for agricultural purposes, but does not include a Civil Court having original jurisdiction under this Code to try such suits or proceedings as being suits or proceedings of a civil nature.
৯,০৬৩.
খুনসহ ডাকাতির সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. ডাকতির সমান শাস্তি
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৩৯৬ ধারা মতে খুনসহ ডাকাতির শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
৯,০৬৪.
জাল দলিল জেনেও আসল হিসেবে ব্যবহার করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৭ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ২ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৭১- জাল দলিল জেনেও আসল হিসেবে ব্যবহার [using as genuine forged document)-

জাল দলিল জেনেও আসল হিসেবে ব্যবহার করলে সে লোক জালিয়াতির জন্য যেরুপ শাস্তি নির্ধারিত সেই রুপ শাস্তি পাবে। অর্থাৎ, ৪৬৫ ধারা অনুযায়ী যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড যার মেয়াদ দুই বছর পর্যন্ত হতে পারে বা জরিমানা দণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।
৯,০৬৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারাগুলোর অধীন আপিলে আসামির মৃত্যু হলে আপিল চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়?
  1. ৪০৫ ও ৪০৬ ধারা
  2. ৪০৭ ও ৪০৮ ধারা
  3. ৪১৭ ও ৪১৭ক ধারা
  4. ৪১৯ ও ৪২০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪১৭ ও ৪১৭ক ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৭ ও ৪১৭ক ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে-
৪১৭ ধারা ও ৪১৭ক ধারা অধীন প্রত্যেকটি আপিলে আসামীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ব্যতিত) আপিলকারীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড বা আপিল Abate হয়ে যাবে। 

Section 431- Abatement of appeals
Every appeal under section 417 or section 417A shall finally abate on the death of the accused, and every other appeal under this Chapter
(except an appeal from a sentence of fine) shall finally abate on the death of the appellant.
৯,০৬৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, দাখিলের পর লিখিত জবাবে নতুন তথ্য যোগ করতে হলে কী করতে হবে?
  1. আদালতের অনুমতি নিতে হবে
  2. বাদীর আইনজীবীর স্বাক্ষর নিতে হবে
  3. বাদীকে শুধুমাত্র অবহিত করতে হবে
  4. শুনানির সময় মৌখিকভাবে উল্লেখ করলেই চলবে
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি নিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি নিতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order VIII, Rule 9 অনুসারে, লিখিত জবাব (Written Statement) দাখিলের পর যদি বিবাদী নতুন কোনো তথ্য বা যুক্তি যোগ করতে চান, তবে তাকে আদালতের বিশেষ অনুমতি নিতে হবে।

→ Order VIII, Rule 9 of the Code of Civil Procedure (CPC), 1908:
"No pleading subsequent to the written statement of a defendant shall be presented except by the leave of the Court and upon such terms as the Court thinks fit."
অর্থাৎ, প্রাথমিক লিখিত জবাব দাখিলের পর কোনো অতিরিক্ত বিবৃতি (Subsequent Pleading) দাখিল করতে হলে আদালতের অনুমতি আবশ্যক। আদালত প্রয়োজন মনে করলে অনুমতি দিতে পারেন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত আরোপ করতে পারেন।

প্রক্রিয়া:
আবেদন দাখিল: বিবাদীকে আদালতে একটি আনুষ্ঠানিক আবেদন (Application) দাখিল করতে হবে, যেখানে ব্যাখ্যা করা হবে কেন নতুন তথ্য যুক্ত করা জরুরি।
কারণ দর্শানো: আদালত বিবেচনা করবেন যে নতুন তথ্য বা যুক্তি যুক্ত করা ন্যায়সঙ্গত কিনা।
বিপক্ষ পক্ষের সুযোগ: প্রয়োজনে আদালত বাদীকে প্রতিক্রিয়া জানানোর সুযোগ দিতে পারেন।
আদালতের অনুমতি: আদালত যথাযথ মনে করলে নতুন তথ্য বা দাবি যুক্ত করার অনুমতি দেবেন।
৯,০৬৭.
The Code of Criminal Procedure,1898 এর ধারা ৫৪৪ এর অধীনে সুরক্ষা কার জন্য প্রযোজ্য হতে পারে?
  1. সাক্ষী
  2. ভুক্তভোগী
  3. অভিযোগকারী
  4. উপরোক্ত সকলের জন্য
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকলের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকলের জন্য
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৫৪৪: অভিযোগকারী, সাক্ষী ও ভুক্তভোগীদের খরচ ও সুরক্ষা:
(১) সরকারের কোনো আদেশ থাকলে তার অন্তর্ভুক্ত, যে কোনো ফৌজদারি আদালত প্রয়োজন মনে করলে, অভিযোগকারী বা সাক্ষীর যুক্তিসঙ্গত খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে। এটি সেই ব্যক্তিদের জন্য প্রযোজ্য যারা কোনো অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন কার্যক্রমে আদালতের সামনে উপস্থিত হন এই কোড অনুযায়ী।

(২) যে কোনো আদালত, অভিযোগকারী, ভুক্তভোগী বা সাক্ষীর আবেদন বা স্বপ্রণোদিত (suo moto) ভিত্তিতে, ফৌজদারি কার্যক্রমের যে কোনো পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশ বা পদক্ষেপ নিতে পারে যাতে তাদের সুরক্ষা বা নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

৯,০৬৮.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী 'ঠগ' (Thug)-এর শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ধারা ৩০৯
  2. ধারা ৩১০
  3. ধারা ৩১১
  4. ধারা ৩১২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩১১
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১১ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ ঠগ (Thug) হয়, তাহলে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে। ঠগ হওয়ার জন্য, ব্যক্তিকে অভ্যাসগতভাবে খুন বা শিশু অপহরণ করে দস্যুতা সংঘটনের উদ্দেশ্যে মেলামেশা করতে হবে, যা ৩১০ ধারায় সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১০ ধারায় ঠগের সংজ্ঞা (Thug) রয়েছে। খুন অথবা খুন সহকারে দস্যুতা সংঘটন অথবা শিশু অপহরণ করার উদ্দেশ্যে দুষ্টু মন নিয়ে মেলামেশা করাকে ঠগ (Thug) বলে। অর্থাৎ অভ্যাসগতভাবে কাউকে খুন বা শিশু অপহরন করে দস্যুতার উদ্দেশ্যে মেলামেশা করাকে ঠগ বলা হয়। সমস্ত ঠগই দস্যু এবং ডাকাত কিন্তু সমস্ত দস্যু বা ডাকাত ঠগ নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১১ ধারার বিধান ঠগের শাস্তি:-কোন ব্যক্তি যদি ঠগ হয়, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 310: Thug:
-Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.
⇒ The Penal Code, 1860: Section 311:Punishment:
- Whoever is a thug, shall be punished with imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
৯,০৬৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারার অধীনে কোনো মোকদ্দমা সমঝোতায় (compromise) নিষ্পত্তি হলে, আদালত প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত দেয়ার নির্দেশ প্রদান করে কী জারি করবে?
  1. ডিক্রি
  2. অন্তর্বর্তী আদেশ
  3. সার্টিফিকেট
  4. নোটিশ
সঠিক উত্তর:
সার্টিফিকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্টিফিকেট
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক (১১):
কোর্ট ফি আইন, ১৮৭০ (১৮৭০ সালের ৭নং আইন) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, কোন মোকদ্দমার বিরোধ বা বিরোধসমূহ এই ধারার অধীনে মীমাংসায় নিষ্পত্তি হলে পক্ষসমূহের মাধ্যমে আরজি কিংবা জবাবে প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত দেয়ার নির্দেশ প্রদান করে কোর্ট একটি সার্টিফিকেট জারি করবে এবং সার্টিফিকেট জারির তারিখ থেকে ষাট দিনের ভিতর পক্ষসমূহ তা ফেরত পাওয়ার অধিকারী হবে।

Section 89A (11)-
Notwithstanding anything contained in the Court-fees Act, 1870 (Act No. VII of 1870), where a dispute or disputes in a suit are settled on compromise under this section, the Court shall issue a certificate directing refund of the court fees paid by the parties in respect of the plaint or written statement; and the parties shall be entitled to such refund within 60 (sixty) days of the issuance of the certificate.

৯,০৭০.
ট্রায়াল শুরু হওয়ার পর প্লিডিংস সংশোধনের আবেদন যদি মামলার প্রক্রিয়া বিলম্বের জন্য করা হয়, আদালত কী করতে পারে?
  1. আবেদনকারীর মামলা বাতিল করবে
  2. আবেদনকারীকে মামলা থেকে বাদ দিতে পারে
  3. আবেদনকারীকে কারাদণ্ডাদেশ দিবে
  4. ক্ষতিপূরণ হিসেবে নির্ধারিত খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ হিসেবে নির্ধারিত খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ হিসেবে নির্ধারিত খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা

Order 6, Rule 17 – Amendment of Pleadings:
মোকদ্দমার যে কোনো পর্যায়ে আদালত পক্ষগুলিকে তাদের প্লিডিং (pleadings) পরিবর্তন বা সংশোধন করার অনুমতি দিতে পারে এমনভাবে এবং শর্তে যা ন্যায়সঙ্গত মনে হয়। এই সংশোধনগুলো করা হবে যাতে পক্ষগুলোর মধ্যে মূল বিতর্কিত বিষয়গুলি সঠিকভাবে নির্ধারণ করা যায়।

শর্ত ১:
ট্রায়াল শুরু হওয়ার পর কোনো সংশোধনের আবেদন গৃহীত হবে না, যদি না আদালত মনে করে যে, দায়িত্বপূর্ণ যত্ন (due diligence) সত্ত্বেও, পক্ষটি ট্রায়ালের আগে বিষয়টি উত্থাপন করতে পারেনি।

শর্ত ২:
যদি ট্রায়াল শুরু হওয়ার পর সংশোধনের আবেদন করা হয়, এবং আদালত মনে করে যে, আবেদনটি মামলার প্রক্রিয়া বিলম্ব করার জন্য করা হয়েছে, তাহলে আদালত আবেদনকারীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে নির্ধারিত খরচ পরিশোধের নির্দেশ দিতে পারে।

৯,০৭১.
What does Section 63 of The Code of Criminal Procedure, 1898 say about discharging arrested persons?
  1. Anyone can release them.
  2. They have to be taken to court first.
  3. They can be released for any reason.
  4. They can only be released by certain methods like bond or bail.
সঠিক উত্তর:
They can only be released by certain methods like bond or bail.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
They can only be released by certain methods like bond or bail.
ব্যাখ্যা
Section 63: Discharge of person apprehended:
No person who has been arrested by a police-officer shall be discharged except on his own bond, or on bail, or under the special order of a Magistrate.

ধারা ৬৩: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি:
যে ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছে, তাকে তার নিজের মুচলেকা, অথবা জামিন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেয়া যাবে না।
৯,০৭২.
একটি সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের কার্যক্রম একজন অ্যাডভোকেট কোনো পক্ষকে প্রতিনিধিত্ব করলে তিনি-
  1. সম্পত্তিটি নিজে ক্রয় করতে পারবেন
  2. সম্পত্তিটি বেনামিতে ক্রয় করতে পারবেন
  3. সম্পত্তিটি বা তার কোনো অংশ কোনোভাবেই ক্রয় করতে পারবেন না
  4. পারিতোষিকের পরিবর্তে সম্পত্তিটি ক্রয় করতে পারবেন
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিটি বা তার কোনো অংশ কোনোভাবেই ক্রয় করতে পারবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিটি বা তার কোনো অংশ কোনোভাবেই ক্রয় করতে পারবেন না
ব্যাখ্যা
⇒ Cannons of Professional Conduct and Etiquette এর ২য় অধ্যায়ে মক্কেলের প্রতি এ্যাডভোকেটের দায়িত্ব সম্পর্কিত বিধি-৫ মতে একজন আইনজীবী নিজের পরিচালনাধীন মামলার সংশ্লিষ্ট উইল, ইচ্ছাপত্র (Probate), বন্ধক বন্ধ (Forclosure) বা বিচারিক নিলাম ইত্যাদি পদ্ধতিতে ক্রেতা হতে পারবে না।

- বিধি-৫: একজন আইনজীবী কোন উইল কিংবা ঋণের জন্য বন্ধককৃত কিংবা বিচারিক রায়ে নিলামকৃত সম্পত্তি নিজ নামে কিংবা বেনামে ক্রয় কিংবা পারিশ্রমিকের পরিবর্তে উক্ত সমুদয় সম্পত্তি কিংবা আংশিক সম্পত্তি গ্রহন করিতে পারিবেন না, যদি তিনি উক্ত সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলার কোন পক্ষের আইনজীবী হিসাবে মামলা পরিচালনায় অংশগ্রহন করিয়া থাকেন।
----------------------------
CHAPTER-II
CONDUCT WITH REGARD TO CLIENTS:
- Rule-5. An Advocate shall not himself or in benami purchase any property at a probate, foreclosure or judicial sale in an auction or proceeding in which such Advocate appears for a party nor shall he accept the whole or part of the property, in respect of which he had been engaged to conduct the case, in lieu of his remuneration, or as a reward or bounty.
৯,০৭৩.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৩ অনুযায়ী, দেওয়ানী আদালতের কোনো আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করার মামলা কতদিনের মধ্যে করতে হয়?
  1. দাখিলের তারিখ থেকে ৯০ দিন
  2. আদেশের তারিখ থেকে ৬ মাস
  3. আদেশের তারিখ থেকে ১ বছর
  4. আপিলের তারিখ থেকে ২ বছর
সঠিক উত্তর:
আদেশের তারিখ থেকে ১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশের তারিখ থেকে ১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১৩ অনুযায়ী, মামলা ছাড়া অন্য কোনো কার্যধারায় (যেমন: আপিল বা রিভিশন নয়) দেওয়ানি আদালতের সিদ্ধান্ত বা আদেশ পরিবর্তন (Alter) বা বাতিল (Set Aside) করার জন্য মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ হলো ১ বছর।
- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় সেই আদেশ বা সিদ্ধান্তের তারিখ থেকে যেদিন সংশ্লিষ্ট আদালত চূড়ান্ত রায় দিয়েছে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৩ অনুযায়ী— যদি কেউ দেওয়ানী আদালতের কোনো ডিক্রি বা আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে চায়, তবে তাকে আদেশ বা ডিক্রি জারির তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
- এখানে তামাদি মেয়াদ হলো: ১ বছর।
- গণনা শুরু হয়: আদেশ বা ডিক্রি জারির দিন থেকে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) আদেশের তারিখ থেকে ১ বছর।
৯,০৭৪.
'A' একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের বিষয়বস্তু মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। 'A' কে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে-
  1. দলিলটি তার দখলে নাই
  2. দলিলটি তার দখলে ছিল
  3. দলিলটি হারিয়ে গেছে
  4. দলিলটি রেজিস্ট্রাট
সঠিক উত্তর:
দলিলটি হারিয়ে গেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলটি হারিয়ে গেছে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে একটি সাক্ষ্যকে আদালতের নিকট গ্রহণযোগ্য করাতে যদি কোন ঘটনা প্রমানের প্রয়োজন হয়, তাহলে যে পক্ষ সাক্ষ্যকে গ্রহণযোগ্য করাতে চায় তাকেই উক্ত ঘটনা প্রমান করতে হবে।

⇒ যেমন- 'B' একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায়। সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে এখানে 'A'-কে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে; কেননা মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রাসঙ্গিক এবং গ্রহণযোগ্য হবে যদি ঘোষণাকারী মৃত হয়। অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণাটির গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করছে ঘোষণাকারী মৃত কিনা সেই তথ্যের উপর। আর ঘোষণাকারী মৃত কিনা তা প্রমাণের ভার সেই ব্যক্তির উপর বর্তাবে যে মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ হিসাবে দিতে চায়। যেহেতু এখানে 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায় সুতরাং মৃত্যুকালীন ঘোষণাকে গ্রহণযোগ করার জন্য, 'B'-এর মৃত্যু সংক্রান্ত প্রমাণ দাখিলের দায়ভার 'A',-এর উপর বর্তাবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারার বিধান যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্বঃ- যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরেবর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

⇒ উদাহরণ:

(ক) 'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

(খ) একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

--------------------
Section-104. Burden of proving fact to be proved to make evidence admissible: The burden of proving any fact necessary to be proved in order to enable any person to give evidence of any other fact is on the person who wishes to give such evidence.

(a) A wishes to prove a dying declaration by B. A must prove B's death.

(b) A wishes to prove, by secondary evidence, the contents of a lost document. A must prove that the document has been lost.
৯,০৭৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪৭ বিধি-৪ অনুযায়ী, রিভিউ আবেদন কখন প্রত্যাখ্যান করা হয়?
  1. আবেদন দেরিতে জমা দিলে
  2. আবেদনকারী উপস্থিত না হলে
  3. বিপক্ষ পক্ষের আপত্তি থাকলে
  4. আদালতের মতে যথেষ্ট কারণ না থাকলে
সঠিক উত্তর:
আদালতের মতে যথেষ্ট কারণ না থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের মতে যথেষ্ট কারণ না থাকলে
ব্যাখ্যা
উত্তর: আদালতের মতে যথেষ্ট কারণ না থাকলে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৪৭ বিধি-৪: রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যান ও মঞ্জুরের শর্তাবলী:
(১) আদালতের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, রিভিউ আবেদনের জন্য যথেষ্ট কারণ নেই, তাহলে আদালত আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করবে।

(২) আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করা উচিত, তাহলে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করবে: তবে শর্ত থাকে যে−
(ক) বিপক্ষ পক্ষকে পূর্ব নোটিশ না দিয়ে এবং তাকে ডিক্রি বা আদেশের পক্ষে শুনানির সুযোগ না দিয়ে কোনো রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করা যাবে না; এবং
(খ) নতুন তথ্য বা প্রমাণের ভিত্তিতে কোনো রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করা যাবে না, যদি আবেদনকারী এই মর্মে কঠোর প্রমাণ না দেয় যে, উক্ত তথ্য বা প্রমাণ তার জানা ছিল না বা ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের সময় তা উপস্থাপন করা সম্ভব ছিল না।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-47 Rule-4. Application where rejected:
(1) Where it appears to the Court that there is not sufficient ground for a review, it shall reject the application.
Application where granted:
(2) Where the Court is of opinion that the application for review should be granted, it shall grant the same: Provided that−
(a) no such application shall be granted without previous notice to the opposite party, to enable him to appear and be heard in support of the decree or order, a review of which is applied for: and
(b) no such application shall be granted on the ground of discovery of new matter or evidence which the applicant alleges was not within his knowledge, or could not be adduced by him when the decree or order was passed or made, without strict proof of such allegation.
৯,০৭৬.
নিম্নের কোনটি সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার মূল ভাব?
  1. স্বীকৃতি  চূড়ান্ত সাক্ষ্য
  2. স্বীকৃতি প্রমাণ হিসেবে গৃহীত হয় না
  3. স্বীকৃতি কেবল দেওয়ানি মামলায় প্রযোজ্য
  4. স্বীকৃতি প্রমাণের অংশ হতে পারে, তবে এটি চূড়ান্ত নয়
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃতি প্রমাণের অংশ হতে পারে, তবে এটি চূড়ান্ত নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃতি প্রমাণের অংশ হতে পারে, তবে এটি চূড়ান্ত নয়
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।

অর্থাৎ, কোনো ব্যক্তির স্বীকৃতি আদালতের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ, কিন্তু চূড়ান্ত বা একমাত্র প্রমাণ নয়।
তবে, কিছু ক্ষেত্রে সেই স্বীকৃতি estoppel হিসেবে কাজ করে। মানে, স্বীকারকারী ব্যক্তি পরবর্তীতে নিজের স্বীকারোক্তির বিপরীত কিছু বলতে বা অস্বীকার করতে পারে না।

সুতরাং, ধারাটির মূল ভাব হলো —“স্বীকৃতি প্রমাণের অংশ হতে পারে, তবে এটি চূড়ান্ত নয়।”

৯,০৭৭.
‘A’ চাইছে হারিয়ে যাওয়া একটি দলিলের বিষয়বস্তু মাধ্যমিক সাক্ষ্য (secondary evidence) দ্বারা প্রমাণ করতে। সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারা অনুসারে তার জন্য কোনটি প্রমাণ করা আবশ্যক?
  1. দলিলটি তার দখলে নেই
  2. দলিলটি হারিয়ে গেছে
  3. দলিলটি তার দখলে ছিল
  4. দলিলটি রেজিস্ট্রার দ্বারা স্বীকৃত
সঠিক উত্তর:
দলিলটি হারিয়ে গেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলটি হারিয়ে গেছে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে একটি সাক্ষ্যকে আদালতের নিকট গ্রহণযোগ্য করাতে যদি কোন ঘটনা প্রমানের প্রয়োজন হয়, তাহলে যে পক্ষ সাক্ষ্যকে গ্রহণযোগ্য করাতে চায় তাকেই উক্ত ঘটনা প্রমান করতে হবে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারার বিধান যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্ব:- যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরেবর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।
উদাহরণ:
(ক) 'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।
(খ) 'ক' একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।
---------
⇒The Evidence Act, 1872- Section-104. Burden of proving fact to be proved to make evidence admissible: The burden of proving any fact necessary to be proved in order to enable any person to give evidence of any other fact is on the person who wishes to give such evidence.
Illustration:
(a) A wishes to prove a dying declaration by B. A must prove B's death.
(b) A wishes to prove, by secondary evidence, the contents of a lost document. A must prove that the document has been lost.

৯,০৭৮.
প্রতারণামূলকভাবে যে ডিক্রি নেওয়া হয়েছে, তা রদ করার জন্য কত দিনের মধ্যে মোকদ্দমা করতে হবে?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ- ৯৫

প্রতারণামূলকভাবে যে ডিক্রি নেওয়া হয়েছে (A decree obtained by fraud), তা রদ করার জন্য মামলা

তামাদি- ৩ বছর
সময় গণনা শুরু- ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষ যখন প্রতারণার বিষয় অবগত হয়।
৯,০৭৯.
The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় 'Defamation' সংজ্ঞায়িত হয়েছে?
  1. ৪৯৮
  2. ৪৯৯
  3. ৫০০
  4. ৫০১
সঠিক উত্তর:
৪৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৯
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৪৯৯ ধারায় মানহানি (Defamation) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে: কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার উদ্দেশ্যে কথা বা চিহ্ন বা দৃশ্যমান চিত্রের সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কে কোন নিন্দা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে গণ্য হয়।
৯,০৮০.
BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363) মামলার রায় হাইকোর্ট বিভাগ কত সালে প্রদান করে?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ২০০৩ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা বিতর্কিত ও সমালোচিত, কারণ এ দুটি আইনের মাধ্যমে পুলিশকে বিনা পরোয়ানায় যেকোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের বিস্তৃত ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। এই ক্ষমতার ফলে পুলিশ কর্তৃক অপব্যবহারের আশঙ্কা থাকে, যা মানবাধিকারের লঙ্ঘনের কারণ হতে পারে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে, পুলিশ যদি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে যুক্তিসংগত সন্দেহ পোষণ করে, তবে আদালতের পরোয়ানা ছাড়াই তাকে গ্রেফতার করতে পারে। এজন্যই অনেকের কাছে এ আইনগুলো ‘কালো আইন’ হিসেবে বিবেচিত হয়।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা এবং ১৬৭ ধারার অধীনে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার সম্পর্কে BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363) মামলা বহুল পরিচিত। BLAST vs Bangladesh 55 DLR 363 মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ও ১৬৭ ধারাকে সংবিধানের ২৭, ৩১, ৩২ ও ৩৫ অনুচ্ছেদের সঙ্গে অসামঞ্জস্য বলে উক্ত ধারা দুইটিকে সংশোধন করার জন্য সুপারিশ করেন।

- BLAST মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ মোট ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করার সুপারিশ করেছেন। হাইকোর্ট বিভাগের ১৫টি নির্দেশনার মধ্যে প্রথম ৮টি নির্দেশনা ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে পুলিশের বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারের ক্ষমতা সংক্রান্ত।
- এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিস্তারিত আলোচনা নিম্নরূপ:
পটভূমি:
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (BLAST) নামক একটি এনজিও কর্তৃক ১৯৯৬ সালে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। এতে অভিযোগ করা হয় যে, পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসরণ করছে না।
মামলার বিষয়বস্তু:
এই মামলায় BLAST দাবি করে যে পুলিশ অনেক সময় অভিযুক্তদের অবৈধভাবে হেফাজতে রাখে এবং নির্যাতন করে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার (নিরাপত্তা প্রাপ্তির অধিকার) এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করে।
আদালতের রায়:
২০০৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগ এই মামলার রায় প্রদান করে, যেখানে ফৌজদারি কার্যবিধির সংশোধনের সুপারিশসহ মোট ১৫টি নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রথম ৮টি নির্দেশনা পুলিশ কর্তৃক বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারের ক্ষমতার ওপর কেন্দ্রিত। রায়ে উল্লেখ করা হয় যে, নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে পুলিশ কোনো ব্যক্তিকে হেফাজতে নিতে পারবে, তবে সেই হেফাজতের সময়কাল ও কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং তা অভিযুক্তের উপস্থিতিতেই সম্পন্ন করতে হবে। এরপর অভিযুক্তকে নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থাপন করা বাধ্যতামূলক।
৯,০৮১.
'A' উন্মাদ থাকা অবস্থায় সত্ত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা দায়েরের অধিকার অর্জন করে। কিন্তু এই অধিকার অর্জনের ১০ বৎসর পর 'A' সুস্থ হলো। এইক্ষেত্রে 'A' সর্বোচ্চ কত বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ আইনগত অপারগতার ক্ষেত্রে যখন মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে মামলা করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যে সময়ে সে মামলা করার অধিকারী হয় উক্ত সময়ে সে নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা করা শুরু হবে যখন তার এই আইনগত অপারগতা অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধিতার অবসান হবে তখন থেকে।

- ধারা ৮ হচ্ছে ৬ ও ৭ ধারার আইনগত অপারগতার ব্যতিক্রম। ৮ ধারায় উল্লেখিত বিশেষ ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ৬ ও ৭ ধারায় উল্লেখিত আইনগত অপারগতা বিশ্লেষণ করতে হবে। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ৬ এবং ৭ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না-
১. অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার বলবৎকরণের মামলায়, এবং
২. আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর বা আইনগত অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু হওয়ার তিন (৩) বছরের বেশী সময় তামাদির মেয়াদ থাকবে না এবং সর্বোচ্চ এই ৩ বৎসরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
অর্থাৎ যেক্ষেত্রে ৬ বা ৭ ধারায় আইনগত অপারগতার সুবিধা প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনগত অক্ষমতার অবসান হওয়ার পর সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে অন্যথায় মামলা খারিজ হবে।

-তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সত্ত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে হয় বেদল হওয়ার ১২ বছরের মধ্যে। কিন্তু যেহেতু 'ক' উন্মাদ ব্যক্তি অর্থাৎ আইনগত অপারগতায় পতিত তাই তার সুস্থ হওয়ার আগ পর্যন্ত তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে না।

প্রশ্নমতে, 'A' বেদখল হওয়ার ১০ বছর পর সুস্থ হয়েছে। তাই হিসাব অনুযায়ী তার মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ যদিও অবশিষ্ট আছে ২ বছর, কিন্তু ৬ ও ৮ ধারার বিধান অনুযায়ী তামাদির মেয়াদ আরো ১ বছর বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৩ বছর করা যাবে।
অর্থাৎ 'A' সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে।
--------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-8. Special exceptions:
-Nothing in section 6 or in section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption, or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made. 
 
Illustrations 
(a) A, to whom a right to sue for a legacy has accrued during his minority, attains majority eleven years after such accruer. A has, under the ordinary law, only one year remaining within which to sue. But under section 6 and this section an extension of two years will be allowed him, making in all a period of three years from the date of his attaining majority, within which he may bring his suit. 
 
(b) A right to sue for an hereditary office accrues to A who at the time is insane. Six years after the accruer A recovers his reason. A has six years, under the ordinary law, from the date when his insanity ceased within which to institute a suit. No extension of time will be given him under section 6 read with this section. 
 
(c) A right to sue as landlord to recover possession from a tenant accrues to A, who is an idiot. A dies three years after the accruer, his idiocy continuing up to the date of his death. A's representative in interest has, under the ordinary law, nine years from the date of A's death within which to bring a suit. Section 6 read with this section does not extend that time, except where the representative is himself under disability when the representation devolves upon him.
৯,০৮২.
একটি দলিল সংশোধিত হতে পারে শুধুমাত্র-
  1. পক্ষগণ দ্বারা
  2. আদালত দ্বারা
  3. সত্যায়নকারী সাক্ষী দ্বারা
  4. সম্পাদনকারীগণ দ্বারা
সঠিক উত্তর:
আদালত দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত দ্বারা
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877,ধারা ৩১ অনুযায়ী যখন দলিল সংশোধন করা যেতেপারে:
-যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের দরুন কোন চুক্তি বা অপর কোন লিখিত দলিল সত্যিকারভাবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে না, যে কোন পক্ষ কিংবা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিল সংশোধিত করে নেবার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে। যদি আদালত ইহা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের বেলায় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকরী করার ব্যাপারে পক্ষসমূহের সত্যিকার উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে অক্ষম হয়, সেখানে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যতদূর পর্যন্ত তা তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন, যাতে তা সে উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।

-অর্থাৎ আদালত দলিল সংশোধনের আদেশ মঞ্জুর করে থাকেন তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা দ্বারা।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে  বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে  প্রযোজ্য হবে। দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)। চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
--------------
SR Act-Section-31. When instrument may be rectified:
-When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
৯,০৮৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫২ অনুযায়ী ফৌজদারি আদালতের বৈশিষ্ট্য কী?
  1. শুধুমাত্র মামলার পক্ষগণের জন্য উন্মুক্ত
  2. শুধুমাত্র আইনজীবীদের জন্য উন্মুক্ত
  3. উন্মুক্ত আদালত হিসেবে গণ্য হয়
  4. গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়
সঠিক উত্তর:
উন্মুক্ত আদালত হিসেবে গণ্য হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্মুক্ত আদালত হিসেবে গণ্য হয়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫২ অনুযায়ী: “কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে গণ্য করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে স্থান সংকুলান হয়, সর্বসাধারণের প্রবেশাধিকার থাকবে।”
- অর্থাৎ সাধারণত ফৌজদারি আদালতের কার্যক্রম সবার জন্য উন্মুক্ত। এতে স্বচ্ছতা, ন্যায়বিচার ও জনবিশ্বাস বজায় থাকে।
 তবে ব্যতিক্রম আছে: বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে কোনো বিশেষ পরিস্থিতিতে সর্বসাধারণ বা নির্দিষ্ট ব্যক্তির প্রবেশ সীমিত করা প্রয়োজন, তাহলে তিনি আদেশ দিয়ে আদালত কক্ষ আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ রাখতে পারেন।
→ সুতরাং, ফৌজদারি আদালতের কার্যক্রম সাধারণভাবে "উন্মুক্ত আদালত" হিসেবে পরিচালিত হয় – এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত, যতক্ষণ না বিচারক ব্যতিক্রমী আদেশ দেন।
- তাই সঠিক উত্তর: গ) উন্মুক্ত আদালত হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।
------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 352: Courts to be open-
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.

৯,০৮৪.
কোন পর্যায়ে তদন্তকারী ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. শুধু তদন্তকালীন সময়
  2. কেবল চার্জ গঠনের সময়
  3. কেবল রায় ঘোষণার সময়
  4. মামলার যেকোনো পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ অনুসারে-
(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।

(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতোপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।

Section 205: Magistrate may dispense with personal attendance of accused
(1) Whenever a Magistrate issues a summons, he may, if he sees reason so to do, dispense with the personal attendance of the accused, and permit him to appear by his pleader. 

(2) But the Magistrate inquiring into or trying the case may, in his discretion, at any stage of the proceedings, direct the personal attendance of the accused, and, if necessary, enforce such attendance in manner hereinbefore provided.
৯,০৮৫.
বাতিলযোগ্য দলিল বাতিলের ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতের ক্ষমতা
  1. নির্দেশমূলক
  2. অবশ্য করনীয়
  3. স্বেচ্ছাধীন
  4. বাধ্যতামূলক
সঠিক উত্তর:
স্বেচ্ছাধীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বেচ্ছাধীন
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877, ৩৯  ধারাটি হলঃ যখন বিলুপ্তির আদেশ প্রদান করাযেতে পারেঃ যে কোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেয়া হয়, তবে তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসেবে ত্যাগ করার নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
♦যদি দলিল রেজিষ্ট্রেশন আইন অনুসারে রেজিস্ট্রিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সেই অফিসারের নিকট প্রেরণ করবেন, যার অফিসে উক্ত দলিল রেজিস্ট্রি করা হয়েছে এবং তেমন অফিসার তার বইতে দলিলের নকলে উহার বিষয় লিপিবদ্ধ করবেন।
৯,০৮৬.
X, Z কে খুন করার জন্য Y কে প্ররোচিত করে। Y উক্ত প্ররোচনা অনুসারে Z কে ছুরিকাঘাত করে। Z জখম হতে আরোগ্য লাভ করে। X কি অপরাধ করেছে?
  1. খুন
  2. খুনের প্ররোচনা
  3. গুরুতর জখমের প্ররোচনা
  4. কোনো অপরাধ করে নাই
সঠিক উত্তর:
খুনের প্ররোচনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুনের প্ররোচনা
ব্যাখ্যা
⇒ এক্ষেত্রে, X Y কে প্ররোচিত করেছে Z কে খুন করার জন্য। যদিও Y Z কে ছুরিকাঘাত করে, কিন্তু Z বেঁচে গেছে এবং মৃত্যুর ঝুঁকি সৃষ্টি হয়নি। সুতরাং, X খুনের সরাসরি অপরাধে জড়িত না হলেও, সে খুনের প্ররোচনা দিয়েছে এবং এ জন্য দোষী হবে।
এটি ধারা ১০৮ (দুষ্কর্মে সহায়তাকারী) এর আওতায় আসবে, যেখানে একজন ব্যক্তি অপরাধ করতে বা কোনো বেআইনী কাজ করার জন্য অন্যকে প্ররোচনা দিয়ে থাকে। X-এর প্ররোচনার ফলে Y অপরাধী হয়ে উঠেছে, যদিও Z মারা যায়নি।
তাহলে, X খুনের প্ররোচনা দেওয়ার জন্য দণ্ডিত হবে।


- ধারা ১০৮ - দুষ্কর্মে সহায়তাকারী.
 কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধ করতে সহায়তা করে, অথবা এমন একটি কার্যে সহায়তা করে যে কাজটি সহায়তাকারীর মতো একই উদ্দেশ্য নিয়ে বা একই জ্ঞানের ভিত্তিতে যে ব্যক্তি আইনানুসারে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে উহা করতে সক্ষম সে ব্যক্তি করলে অপরাধ হত-তাহা হলে প্রথমোক্ত ব্যক্তি অপরাধ করতে সহায়তা ও প্ররোচনা দান করেছে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন কাজ করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থেকে সহায়তা করা বা প্ররোচনা দান করাও একটি অপরাধ, যদিও প্ররোচনাদাতা স্বয়ং কাজটি করতে বাধ্য নয় ।
ব্যাখ্যা ২:- প্ররোচনা অপরাধ প্রতিপন্ন হওয়ার জন্য যে কার্যে প্ররোচনা দান করা হয়েছে যথার্থই সে কাজটি সম্পন্ন হওয়া অথবা কার্যটির ফলে যে পরিণামের উদ্ভব হলে উহা অপরাধতুল্য হয় সে পরিমাণ উদ্ভূত হওয়া অবশ্য আবশ্যক নয়।
উদাহরণসমূহ –
(ক) গ-কে হত্যা করার জন্য ক খ-কে প্ররোচিত করে। খ হত্যা করতে অস্বীকার করে ক ও খ-কে হত্যার প্ররোচনা দান করার অপরাধে অপরাধী হবে।
(খ) ঘ-কে হত্যা করার জন্য ক খ-কে প্ররোচনা দেয়। ক-এর এই প্ররোচনার ফলে খ প্ররোচিত হয়ে ঘ-কে ছুরিকাঘাত করে। ঘ এই আঘাতে আহত হওয়ার পর আরোগ্য লাভ করে। খ-কে হত্যাপরাধ করতে প্ররোচিত করার অপরাধে ক অপরাধী হবে।
ব্যাখ্যা ৩:- যে ব্যক্তিকে অপরাধ করতে সহায়তা করা হয় সে ব্যক্তি আইনত অপরাধ করতে সক্ষম হওয়ার, অথবা সে ব্যক্তির সহায়তাকারীর মতো একইরূপ অপরাধজনক উদ্দেশ্য বা জ্ঞান থাকার অথবা তার কোনরূপ অপরাধজনক উদ্দেশ্য বা জ্ঞান থাকার আবশ্যক নাই।
ব্যাখ্যা  ৪:- কোন একটি অপরাধের সাহায্য করা বা প্ররোচনা দেওয়া যেহেতু একটি অপরাধ, সেহেতু অনুরূপ সাহায্য বা প্ররোচনা দানে সাহায্য করা বা প্ররোচনা দেওয়াও অপরাধ । -
ব্যাখ্যা- ৫:- চক্রান্তের মাধ্যমে সাহায্যের অপরাধ সংঘটনের জন্য যে ব্যক্তি অপরাধটি করে তার কাজের সাথে সাহায্যকারীর কাজের সমন্বয় অপরিহার্য নয়। যে চক্রান্তের ফলে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয় সে চক্রান্তের সাথে তার যোগদানই যথেষ্ট ।
৯,০৮৭.
নিম্মের কোন কার্যটি অপরাধ বলে গণ্য হবে না ?
  1. সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কার্য যেটা অপরাধমূলক অভিপ্রায় ব্যতীত করা হয়েছে
  2. নয় (৯) বছরের কম বয়স্ক শিশুর কার্য
  3. নয় বৎসরের অধিক ও ১২ (বার) বৎসরের কম বয়স্ক অপরিণত বোধ শক্তিসম্পন্ন শিশুর কাজ
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৮১ ধারা মতে  সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কার্য, কিন্তু অপরাধমূক অভিপ্রায় ব্যতিরেকে এবং অন্যবিধ ক্ষতি নিবারণকল্পে সম্পাদিত কাজ অপরাধ নয়।
♦দণ্ডবিধির ৮২ ধারা মতে নয় বৎসরের কম বয়স্ক শিশুর কোন কার্যই অপরাধ নয়।
♦দণ্ডবিধির ৮৩ মতে নয় বৎসরের অধিক বয়স্ক ও বার বৎসরের কম বয়স্ক অপরিণত বোধ শক্তিসম্পন্ন শিশুর কার্য নয় বৎসর অপেক্ষা বেশি কিন্তু বার বৎসর অপেক্ষা কম বয়সের এমন কোন শিশুর কোন কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না, যে শিশু সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় উহার প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার পক্ষে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা লাভ করে নাই।
♦দণ্ডবিধির ৮১,৮২ এবং ৮৩ ধারা অনুযায়ী উপরে লিখিত কাজগুলো অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
৯,০৮৮.
দণ্ডবিধির ৯৮ ধারায় আত্মরক্ষার অধিকার কাদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য?
  1. মাতাল ব্যক্তি
  2. মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি
  3. অপরিপক্ব বুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তি
  4. উপরের সবার ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরের সবার ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ধারা ৯৮: উন্মাদ ব্যক্তি বা মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির কর্মের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার:
যখন কোনো কাজ, যা সাধারণত একটি নির্দিষ্ট অপরাধ হতো, কিন্তু তা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয় না শুধুমাত্র এই কারণে যে- কাজটি করা ব্যক্তির বয়স কম, বুদ্ধি পরিপক্ব নয়, মানসিক ভারসাম্যহীনতা রয়েছে, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছে, অথবা তার কোনো বিভ্রান্তি রয়েছে—তখনও অন্য প্রতিটি ব্যক্তি সেই কাজের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার একই অধিকার ভোগ করে, যা সে পেত যদি ঐ কাজটি সত্যিই অপরাধ হতো।

উদাহরণ:
(ক) Z, উন্মাদ অবস্থায় A-কে হত্যা করার চেষ্টা করে; Z কোনো অপরাধে দোষী নয়। কিন্তু A আত্মরক্ষায় Z-এর বিরুদ্ধে সেই একই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে, যেটা সে গ্রহণ করতে পারত যদি Z সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন হতো।

(খ) A রাতে এমন একটি ঘরে প্রবেশ করে যার মধ্যে প্রবেশ করার বৈধ অধিকার তার আছে। Z, ভুল করে A-কে গৃহভাঙনকারী ভেবে সৎ বিশ্বাসে আক্রমণ করে। এখানে Z তার এই ভুল ধারণার কারণে কোনো অপরাধ করে না। কিন্তু A আত্মরক্ষায় Z-এর বিরুদ্ধে ঠিক সেই একই অধিকার প্রয়োগ করতে পারে, যেমনটা করত যদি Z সত্যিই অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে কাজ করত।
৯,০৮৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারা অনুসারে, ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার যখন যুক্তিসংগতভাবে সাহায্য চাইবেন, তখন জনসাধারণ সাহায্য করবেন-
  1. প্রয়োজনে
  2. বাধ্যতামূলকভাবে
  3. নিজের ইচ্ছায়
  4. কেবল আদালতের আদেশে
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলকভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলকভাবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারার বিধান- জনসাধারণ যখন ম্যাজিষ্ট্রেট ও পুলিশকে সাহায্য করবেন:
প্রত্যেক ব্যক্তি বাধ্য থাকবেন কোনো ম্যাজিস্ট্রেট (বিচারিক বা নির্বাহী) বা পুলিশ অফিসার যুক্তিসংগতভাবে তার সাহায্য চাইলে সেই সাহায্য প্রদান করতে-

(ক) এমন কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা বা তার পলায়ন প্রতিরোধের ক্ষেত্রে, যাকে ঐ ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার আইনত গ্রেফতার করার ক্ষমতা রাখেন;

(খ) শান্তিভঙ্গ প্রতিরোধ বা দমন করার ক্ষেত্রে, অথবা কোনো রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ বা সরকারি সম্পত্তির প্রতি ক্ষতি সাধনের প্রচেষ্টা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে।

The Code of Criminal Procedure- Section-42. Public when to assist:
Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid-
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest;
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.

৯,০৯০.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে কোনটি প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য?
  1. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে শোনে নি
  2. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে দেখেনি
  3. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা নিজে দেখেছে
  4. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা অন্যের মতামত
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা নিজে দেখেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা নিজে দেখেছে
ব্যাখ্যা
প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য (Direct evidence)-

মৌখিক সাক্ষ্যকে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে (oral evidence must be direct) অর্থাৎ উপস্থিত সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা সে নিজে দেখেছে, শুনেছে বা উপলব্ধি করেছে।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ মতে-
মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে ( oral evidence must be direct)। অর্থাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
৯,০৯১.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে সাক্ষীকে বৈরি ঘোষনা করা হয়?
  1. ১৫২ ধারায়
  2. ১৫৩ ধারায়
  3. ১৫৪ ধারায়
  4. ১৫৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৫৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৪ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারায় সুস্পষ্টভাবে বৈরী সাক্ষী বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। বৈরী সাক্ষী হলো এমন একজন সাক্ষী যে, সে যে উপায়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে বোঝা যায় যে, সে আদালতের নিকট সত্য বলতে ইচ্ছা প্রকাশ করছে না। বৈরী সাক্ষী বলতে মিথ্যুক সাক্ষী বোঝায় না। সাক্ষী যে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে সাক্ষীর বৈরীতা বুঝতে হবে। বিষয়টি হলো যখন যে পক্ষ কোন সাক্ষীকে আহ্বান করে বা ডাকে, সেই পক্ষ উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করবে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ যখন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে, তখন সাক্ষীর নিকট যে প্রশ্ন করা হয় তখন সে উক্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করতে পারে বা বৈরী হতে পারে। সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ এমন ধরণের সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী হিসাবে ঘোষণা করতে পারে।

⇒ ১৫৪ ধারার বক্তব্য অনুযায়ী- বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় যেসব প্রশ্ন করতে পারে, সেসব প্রশ্ন যদি কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীকে করার অনুমতি চায়, আদালত তা করার অনুমতি দিতে পারে। এরূপ সাক্ষীকে বৈরী/প্রতিকূল সাক্ষী (Hostile witness) বলে ।

⇒ বৈরী সাক্ষীকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষের জেরা করার অনুমতি দান করা আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে। আইনের সাধারণ নীতি অনুযায়ী সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন আদালতের অনুমতি নিয়ে যে পক্ষ সাক্ষী নিয়ে আসে, সে পক্ষ নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে। এ ধরনের সাক্ষী হল বৈরী (Hostile) সাক্ষী।

⇒ সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।

⇒ যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।

⇒ এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।

৯,০৯২.
"Courts to be open"- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বলা আছে?
  1. ৩৬৬ ধারায়
  2. ৩৬১ ধারায়
  3. ৩৫২ ধারায়
  4. ৩৭১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৫২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫২ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-

কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারী আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।

Section 352: Courts to be open
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.
৯,০৯৩.
মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির অপরাধ শাস্তিযোগ্য নয়—এ বিধান কোন ধারায় রয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ৮২ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৮৩ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৮৪ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৮৫ ধারায় 
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৮৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৮৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ৮৪ ধারায় মতে অপরাধ করার সময় অপরাধী ব্যাক্তি অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে সে কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
তবে অপরাধ করার সময় উক্ত পাগল ব্যক্তির মানসিক অবস্থা এমন থাকতে হবে যে সে তার কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারে না।

-------------------
⇒ Section 84. Act of a person of unsound mind:
- Nothing is an offence which is done by a person who, at the time of doing it, by reason of unsoundness of mind, is incapable of knowing the nature of the act, or that he is doing what is either wrong or contrary to law.
৯,০৯৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি ৫ এর বিধান কি?
  1. রায়ের পূর্বে ক্রোকাদেশ
  2. আর্জি খারিজ
  3. লিখিত জবাব
  4. বিকল্প সমন জারী
সঠিক উত্তর:
রায়ের পূর্বে ক্রোকাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ের পূর্বে ক্রোকাদেশ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি ৫ এ রায়ের পূর্বে যে যে ক্ষেত্রে ক্রোক এবং গ্রেফতারের আদেশ দেয়া তা আলোচনা করা হয়েছে।
৯,০৯৫.
দণ্ডবিধির মানহানি সম্পর্কিত ব্যাখ্যা অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তির সম্পর্কে নিন্দাবাদ করলে কী হবে?
  1. মানহানি গণ্য হবে
  2. কোনো শাস্তি হবে না
  3. উক্ত নিন্দাবাদ অনুমোদিত
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
মানহানি গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানহানি গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারা- মানহানি:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।
 
ব্যাখ্যা ১: যে মৃত ব্যক্তির জীবনকালে তার সম্পর্কে কোন নিন্দা করা হলে তার মানহানি ঘটত, সে মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে অনুরূপ কোন নিন্দাবাদ এবং সে মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের বা অন্যান্য কাছে আত্মীয়ের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ নিন্দাবাদ করা, মানহানি বলে পরিগণিত হবে।
 
ব্যাখ্যা ২: কোন কোম্পানি বা সংঘ বা ব্যক্তিসমাবেশ সম্পর্কে সমষ্টিগতভাবে কোন নিন্দাবাদ করা মানহানি বলে পরিগণিত হতে পারে।
 
ব্যাখ্যা ৩: বিকল্পরূপে বা বিদ্রূপাত্মকরূপে ব্যক্ত কোন নিন্দাবাদ মানহানির সামিল হতে পারে।
 
ব্যাখ্যা ৪: কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কোন নিন্দাবাদ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে অন্যান্য ব্যক্তির দৃষ্টিতে সে ব্যক্তির নৈতিক বা বুদ্ধিগত চরিত্র হেয় না করলে, অথবা তার বর্ণ বা সম্প্রদায় কিংবা তার পেশার দিক হতে সে ব্যক্তির চরিত্রকে হেয় না করলে, অথবা সে ব্যক্তির প্রসিদ্ধি ক্ষুন্ন না করলে, অথবা তার দেহ বীভৎস বা ঘৃণা অবস্থায় বা যে অবস্থা সাধারণভাবে অরুচির বলে গণ্য, সে অবস্থায় রয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি না করলে, সে ব্যক্তি সম্পর্কে উক্ত নিন্দাবাদ তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করে নাই বলে পরিগণিত হয়।
৯,০৯৬.
আদেশ ১০ বিধি ২ এর অধীন কার থেকে মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করা যেতে পারে?
  1. কেবল বাদীর থেকে
  2. কেবল বিবাদী থেকে
  3. কেবল প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম কোনো পক্ষের সাক্ষী থেকে
  4. প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম আদালতে উপস্থিত যে কেউ থেকে
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম আদালতে উপস্থিত যে কেউ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম আদালতে উপস্থিত যে কেউ থেকে
ব্যাখ্যা

উত্তর: ঘ) প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম আদালতে উপস্থিত যে কেউ থেকে।

আদেশ ১০ বিধি ২- পক্ষ বা পক্ষের সহযোগীর মৌখিক জবানবন্দি:
মোকদ্দমার প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী কোন শুনানিতে স্বয়ং হাজির কোন পক্ষ কিংবা আদালতে উপস্থিত কেউ কিংবা পক্ষ বা পক্ষের উকিলের সাথে অবস্থানরত এমন কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা সম্বন্ধে যদি কোন প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম হয়, তাহলে মৌখিকভাবে তার জবানবন্দি আদালত কর্তৃক গ্রহণ করা যাবে এবং উক্তরূপ জবানবন্দি গ্রহণ করার সময়ে আদালত যদি সঙ্গত মনে করেন, তাহলে যে কোন পক্ষের সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।

৯,০৯৭.
সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য চুক্তির এক পক্ষ 'A' যদি চুক্তির অন্য অংশ পালন করতে অস্বীকার করে এবং ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রস্তাব দেয়, তাহলে চুক্তির অপর পক্ষ 'B'-
  1. শুধু ক্ষতিপূরণ এর দাবি করতে পারবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে না
  3. সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে
ব্যাখ্যা
চুক্তির এক পক্ষ 'A' যদি চুক্তির অন্য অংশ পালন করতে অস্বীকার করে এবং ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রস্তাব দেয়, তবুও অন্য পক্ষ 'B' সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে। অর্থাৎ, ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব গ্রহণ না করে 'B', আদালতে গিয়ে 'A' কে চুক্তি অনুযায়ী কাজ করার জন্য বাধ্য করাতে পারবে। আদালত যদি বিবেচনা করে যে- চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য, তাহলে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ গ্রহণকে বাধ্যতামূলক করে না। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২০ ধারায় এই বিধান রয়েছে।

ধারা ২০:
''একটি চুক্তি যা সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য, তা এমনভাবেও বাস্তবায়িত হতে পারে, যদিও সেখানে চুক্তি লংঘনের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকে এবং বিলম্বকারী পক্ষ সেই অর্থ প্রদানের প্রস্তুত থাকে।''

এই ধারায় চুক্তি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি তুলে ধরছে। এখানে বলা হচ্ছে যে, একটি চুক্তি যদি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হয়, তাহলে সেটি বাস্তবায়নযোগ্য, যদিও চুক্তিতে লংঘনের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকে এবং বিলম্বকারী পক্ষ সেই অর্থ প্রদানের প্রস্তুতি প্রকাশ করে। অর্থাৎ, যদি একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হয়, তাহলে শুধুমাত্র বিলম্বকারী পক্ষের ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রস্তাব আদালতকে বাধ্য করবে না যে চুক্তিটি বাস্তবায়ন না করে শুধু ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করতে হবে। বরং আদালত চুক্তি অনুযায়ী কাজ করার জন্য বিলম্বকারী পক্ষকে নির্দেশ দিতে পারবে।

এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হল- চুক্তির সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা এবং ক্ষতিপূরণের প্রস্তাবকে চুক্তি বাস্তবায়নের বিকল্প হিসাবে না গ্রহণ করা।
৯,০৯৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারা অনুযায়ী, একই বিচারে একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে পর পর চলার একাধিক দণ্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. ১০ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ১৪ বছর
  4. ২০ বছর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৫(২)(ক) অনুসারে একই বিচারে একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে পরপর চলার একাধিক দণ্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ ১৪ বছর।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপেক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তারচেয়ে একাধিক দণ্ড পরপর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবল ইহার জন্য উক্ত আদালতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না:
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ: কোনোভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশি হবে না।
(৩) আপিলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধারে নিতে হবে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section-35. Sentence in cases of conviction of several offences at one trial Maximum term of punishment:
(1) When a person is convicted at one trial of two or more offences, the Court may, subject to the provisions of section 71 of the Penal Code sentence him, for such offences, to the several punishments prescribed therefor which such Court is competent to inflict; such punishments, when consisting of imprisonment or transportation to commence the one after the expiration of the other in such order as the Court may direct, unless the Court directs that such punishments shall run concurrently.
(2) In the case of consecutive sentences, it shall not be necessary for the Court, by reason only of the aggregate punishment for the several offences being in excess of the punishment which it is competent to inflict on conviction of a single offence, to send the offender for trial before a higher Court:
Provided as follows:-
(a) in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years;
(b) if the case is tried by a Magistrate , the aggregate punishment shall not exceed twice the amount of punishment which he is, in the exercise of his ordinary jurisdiction, competent to inflict.
(3) For the purpose of appeal, the aggregate of consecutive sentences passed under this section in case of convictions for several offences at one trial shall be deemed to be a single sentence.

৯,০৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী Special Magistrates-এর নিয়োগ কার পরামর্শে করা হয়?
  1. Sessions Judge
  2. District Magistrate
  3. High Court Division
  4. Chief Judicial Magistrate
সঠিক উত্তর:
High Court Division
উত্তর
সঠিক উত্তর:
High Court Division
ব্যাখ্যা

⇒  ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী Special Magistrates-এর নিয়োগ (বা ক্ষমতা অর্পণ) সরকার কর্তৃক করা হয়, তবে এটি High Court Division-এর সাথে পরামর্শক্রমে (in consultation with the High Court Division) সম্পন্ন হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২ ধারামতে Special Magistrate তিন প্রকার। যথা-
ⅰ) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Special Executive Magistrate);
ii) বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট (Special Magistrate);
iii) বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Special Metropolitan Magistrate).

-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(১) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ব্যক্তির উপর অর্পণ করলে, উক্ত ব্যক্তিবর্গ বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে কোন প্রথম শ্রেণী, দ্বিতীয় শ্রেণী বা তৃতীয় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৫) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে, মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
-----------------
The Code of Criminal Procedure- Section-12: Special Magistrate:
1) The Government may confer upon any person all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on an Executive Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes of cases, or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area: 
Provided that no power shall be conferred under the sub-section on any police officer below the grade of an Assistant Superintendent of Police and no powers shall be conferred on a such police officer except so far as may be necessary for preserving the peace, preventing crime and detecting apprehending and detaining offenders, in order to bring the offender before a Magistrate, and for the performance by the officer of any other duties imposed upon him by any law for the time being in force. 
(2) The persons on whom the powers under sub-section (1) are conferred shall be called Special Executive Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may by general or special order direct. 
(3) The Government may, in consultation with the High Court Division confer upon any Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on a Judicial Magistrate of the first, second or third class in respect of particular cases or a particular class or classes of cases or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area. 
(4) The Magistrate on whom the powers under sub-section (3) are conferred shall be called Special Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may, in consultation with the High Court Division, by general or special order direct. 
(5) The Government may in consultation with the High Court Division confer upon any Metropolitan Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on Metropolitan Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes, or in regard to cases generally in any Metropolitan Area. 
(6) The persons on whom the powers under sub-section (5) are conferred shall be called Special Metropolitan Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may in consultation with High Court Division by general or special order direct.

৯,১০০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩২ অনুযায়ী আদালত কিসের ভিত্তিতে নতুন বিচারের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে
  2. অভিযোগের পুনরায় যাচাই হলে
  3. অভিযুক্তের জামিন আবেদন নাকচ হলে
  4. চার্জে গুরুতর ভুলের কারণে অভিযুক্ত বিভ্রান্ত হলে
সঠিক উত্তর:
চার্জে গুরুতর ভুলের কারণে অভিযুক্ত বিভ্রান্ত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্জে গুরুতর ভুলের কারণে অভিযুক্ত বিভ্রান্ত হলে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩২ এ চার্জে কৃত গুরতর ভুলের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
আদালত যদি মনে করেন যে, অভিযােগ গঠিত হওয়ায় কিংবা উহাতে ভুল থাকায় কোন অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তি তার আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যাপারে বিভ্রান্ত হয়েছে, তা হলে নতুন বিচারের নির্দেশ দিতে পারেন। এছাড়া, কোন বৈধ অভিযােগ প্রণয়ন করা না গেলে, দণ্ডাদেশ রদ করে দিবেন।

অপরদিকে,
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৫ এ দেয়া আছে-
অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে তা যদি আসামির বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করে এবং তা যদি ন্যায় বিচার ব্যাহত না করে, তাহলে তা মামলার কোন পর্যায়ে গুরুতর বলে গণ্য হবে না।