বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৮৭ / ১২৬ · ৮,৬০১৮,৭০০ / ১২,৬০৫

৮,৬০১.
ধারা ৫৫৮ অনুযায়ী আদালতের ভাষা নির্ধারণ করে কে?
  1. সরকার
  2. হাইকোর্ট ডিভিশন
  3. বিচারিক আদালত
  4. এখতিয়ারাধীন দায়রা আদালত
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা:
এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 558- Power to decide language of Courts:
The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.

৮,৬০২.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় সমন অমান্যের জন্য সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালত নিম্নের কোন আদেশ দিতে পারেন না?
  1. গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন
  2. অনধিক এক হাজার টাকা জরিমানা করতে পারেন
  3. তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
অনধিক এক হাজার টাকা জরিমানা করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক এক হাজার টাকা জরিমানা করতে পারেন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে, সমন অমান্যের জন্য যাকে সমন প্রদান করা হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে নিম্নোক্ত আদেশ গুলো দিতে পারে-

ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে জেলে প্ররণ করতে পারেন।

Sec. 32: Penalty for default-
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
a) issue a warrant for his arrest;
b) attach and sell his property;
c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka; 
d) order him to furnish security for his appearance and in default commit to the civil prison.
৮,৬০৩.
‘A’ অবৈধভাবে ‘Z’-এর ক্ষতি করার ইচ্ছায় তার মালিকানাধীন একটি মূল্যবান জামানত পুড়িয়ে ফেলার মাধ্যমে দণ্ডবিধির অনুযায়ী কী অপরাধ করেছে?
  1. অনিষ্টসাধন
  2. বিশ্বাসভঙ্গ
  3. জালিয়াতি
  4. অবৈধভাবে ক্ষতি করার
সঠিক উত্তর:
অনিষ্টসাধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিষ্টসাধন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান ক্ষতি বা অনিষ্ট:- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকীয়তা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।

ব্যাখ্যা ২:- যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।
---------------------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 425. Mischief:
 Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".

Explanation 1.-It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.

Explanation 2.-Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.

Illustrations:
(a) A voluntarily burns a valuable security belonging to Z intending to cause wrongful loss to Z. A has committed mischief.
৮,৬০৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২১, বিধি-৫১ অনুযায়ী, হস্তান্তরযোগ্য দলিল (Negotiable Instrument) ক্রোক (attachment) কীভাবে করা হবে?
  1. আদালতে জমা না দিয়ে
  2. প্রকৃত দখলের মাধ্যমে
  3. লিখিত নোটিশ প্রদানের মাধ্যমে
  4. শুধুমাত্র সরকারি কর্মকর্তার হেফাজতে রেখে
সঠিক উত্তর:
প্রকৃত দখলের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকৃত দখলের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) প্রকৃত দখলের মাধ্যমে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২১, বিধি-৫১ অনুসারে, যেখানে সম্পত্তি একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল (negotiable instrument), যা আদালতে জমা দেওয়া হয়নি বা কোনো সরকারি কর্মকর্তার হেফাজতে নেই, সেখানে ওই দলিল ক্রোক বা আটকানোর কার্যক্রম প্রকৃত দখলের (actual seizure) মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। অর্থাৎ দলিলটি সরাসরি দখলে নিয়ে আদালতে নিয়ে আসতে হবে এবং পরবর্তী আদেশ পর্যন্ত আদালতের তত্ত্বাবধানে রাখতে হবে।
অতএব, দলিল জমা না দেওয়া বা লিখিত নোটিশ দিয়ে ক্রোক করা হবে না, বরং সরাসরি দলিলটি জব্দ করতে হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ - আদেশ-২১, বিধি-৫১: হস্তান্তরযোগ্য দলিল (Negotiable Instruments) ক্রোক (Attachment):
যেখানে সম্পত্তি একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল (negotiable instrument), যা আদালতে জমা দেওয়া হয়নি বা কোনো সরকারি কর্মকর্তার হেফাজতে নেই, সেখানে উক্ত দলিল ক্রোকের (attachment) কার্যক্রম প্রকৃত দখলের (actual seizure) মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে, এবং দলিলটি আদালতে নিয়ে আসা হবে এবং আদালতের পরবর্তী আদেশের অধীন রাখা হবে।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-51. Attachment of negotiable instruments:
-Where the property is a negotiable instrument not deposited in a Court, nor in the custody of a public officer, the attachment shall be made by actual seizure, and the instrument shall be brought into Court and held subject to further orders of the Court.

৮,৬০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারা কী সম্পর্কে?
  1. গ্রেফতারি পরোয়ানার ক্ষমতা
  2. জামিন মঞ্জুর করার ক্ষমতা
  3. বিচার প্রক্রিয়া স্থগিত করার ক্ষমতা
  4. অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
জামিন মঞ্জুর করার ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিন মঞ্জুর করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৮ হলো: "Power to direct admission to bail or reduction of bail", অর্থাৎ "জামিন মঞ্জুর করার বা জামিনের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা"।
⇒ এই ধারায় বলা হয়েছে: 
- জামিনের অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে মামলার পরিস্থিতি বিবেচনা করে, এবং সেটি অত্যধিক হওয়া উচিত নয়।
- হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোনো ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করতে পারেন, সেটি সাজা হওয়ার পর আপিল থাকুক বা না থাকুক।
- তারা চাইলে পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নির্ধারিত জামিনের পরিমাণও হ্রাস করার আদেশ দিতে পারেন।
সুতরাং, এই ধারা সরাসরি জামিন মঞ্জুর করার এবং জামিনের শর্ত হ্রাস করার ক্ষমতা সম্পর্কিত।
অন্য কোন বিষয় যেমন গ্রেফতারি পরোয়ানা, বিচার স্থগিত , কিংবা অব্যাহতি- এই ধারা তার সাথে সম্পর্কিত নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান: জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা:
- (১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বন্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপিল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবিকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail:
- The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.

৮,৬০৬.
নিম্নে বর্ণিত কোন পরিস্থিতিতে দোষ স্বীকার গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. দায়রা জজের কাছে দেয়া দোষ স্বীকারোক্তি
  2. পুলিশ অফিসারের নিকট দেওয়া দোষ স্বীকারোক্তি
  3. পুলিশের কাছে দেয়া দোষ স্বীকার অনুযায়ী আলামত উদ্ধার করলে
  4. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারের নিকট দেওয়া দোষ স্বীকারোক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারের নিকট দেওয়া দোষ স্বীকারোক্তি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারা: পুলিশ অফিসারের নিকট স্বীকারোক্তি প্রমাণ করা যাবে না:
যে কোন অপরাধে অভিযুক্ত, পুলিশ অফিসারের নিকট দোষ স্বীকার করলে তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না।

Section 25⇒ Confession to police-officer not to be proved:
No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence.

তবে ২৭ ধারা অনুযায়ী, আসামীর নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে যদি আলামত উদ্ধার হয়, তাহলে উক্ত স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যেতে পারে। তাছাড়া আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি সকল ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য অর্থাৎ বিরুদ্ধ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
৮,৬০৭.
একই জেলার অধীন এক আদালত থেকে অন্য আদালতে মামলা স্থানান্তর করতে হলে কোন আদালতের নিকট আবেদন করতে হবে?
  1. যে আদালতে মামলা দায়ের করা আছে
  2. আপিল আদালতে
  3. যে আদালতে স্থানান্তর করা হবে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-২৩ তে মামলা স্থানান্তরের জন্য কোন আদালতে আবেদন করতে হবে তা বলা আছে।

১। যখন এখতিয়ার সম্পন্ন একাধিক আদালত একই আপিল আদালতের অধীন হয়, তখন উক্ত আপিল আদালতে ২২ ধারা অনুসারে আবেদন পেশ করতে হবে।

২। যখন এখতিয়ার সম্পন্ন একাধিক আদালত ভিন্ন ভিন্ন আপিল আদালতের আওতাধীন হয়, তখন হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন পেশ করতে হয়।

 ♦ দেওয়ানি মামলার আপিল আদালত দুটিঃ

১। জেলা জজ আদালত;
২। হাইকোর্ট বিভাগ;

♦ একই জেলার অধীন এক আদালত থেকে অন্য আদালতে মামলা স্থানান্তর করতে হলে আপিল আদালতের নিকট আবেদন করতে হবে। সেক্ষেত্রে কখনো কখনো জেলা জজ বা হাইকোর্ট বিভাগে মামলা স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারে। কারণ দেওয়ানী মামলার আপিল আদালত হচ্ছে জেলা জজ বা হাইকোর্ট বিভাগ।
♦ অপরদিকে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় দেওয়ানী আদালতে মামলা স্থানান্তর জন্য আবেদন করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগের নিকট।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ ধারার বিধান একাধিক আদালতে দায়েরযোগ্য মোকদ্দমা স্থানান্তরের ক্ষমতা: একাধিক আদালতে দায়েরযোগ্য মোকদ্দমা কোন একটি আদালতে দায়ের করা হলে, বিবাদী অন্য একটি আদালতে মোকদ্দমা হস্তান্তর করতে চাইলে নিম্নলিখিত শর্ত পূরণ করতে হবে-
অপর পক্ষকে নোটিশ দিবে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ ও বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময় বা পূর্বে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে হবে । 
আদালত এরূপ আবেদনপত্র পাওয়ার পর অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) শ্রবণ করে কোন আদালতে মামলার বিচার হবে, তা স্থির করবেন।
৮,৬০৮.
যিনি কোন ঘটনা নিজ চোখে দেখিয়াছেন, তাহাকে কি সাক্ষ্য বলা হয়?
  1. জনশ্রুত সাক্ষ্য,
  2. গৌণ সাক্ষ্য,
  3. অবস্থাগত সাক্ষ্য,
  4. প্রত্যক্ষ মৌখিক সাক্ষ্য,
সঠিক উত্তর:
প্রত্যক্ষ মৌখিক সাক্ষ্য,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যক্ষ মৌখিক সাক্ষ্য,
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবেঃ মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে,
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

⇒ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

⇒ অর্থাৎ যিনি কোন ঘটনা নিজ চোখে দেখিয়াছেন, তাহাকে প্রত্যক্ষ মৌখিক সাক্ষ্য বলা হয়।

----------------
⇒ Oral evidence must be direct.
Section 60. Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
৮,৬০৯.
পাবলিক প্রসিকিউটর মামলার প্রত্যাহারের জন্য কার অনুমতি নিবে?
  1. সরকারের
  2. অভিযুক্তের
  3. আদালতের
  4. অভিযোগকারির
সঠিক উত্তর:
আদালতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৯৪: মামলা প্রত্যাহারের ফল:

পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।

Section 494: Effect of withdrawal from prosecution:
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
৮,৬১০.
দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ জেনে-বুঝে প্রতারণার উদ্দেশ্যে ভুল ওজন যন্ত্র ব্যবহার করে, তবে তার সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারা অনুযায়ী, কেউ যদি প্রতারণার উদ্দেশ্যে এমন কোনো ওজন যন্ত্র ব্যবহার করে যা সে জানে মিথ্যা বা ভুল, তবে সে সর্বোচ্চ ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।
- অর্থাৎ, জেনে-বুঝে প্রতারণামূলকভাবে ভুল যন্ত্র ব্যবহার করা হলে সর্বোচ্চ ১ বছরের সাজা হতে পারে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section- 264. Fraudulent use of false instrument for weighing:
- Whoever fraudulently uses any instrument for weighing which he knows to be false, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

৮,৬১১.
________ হতে ৭ দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রণয়ন করতে হবে।
  1. রায় প্রস্তুতের তারিখ
  2. চূড়ান্ত শুনানির তারিখ
  3. রায় ঘোষণার তারিখ
  4. সাক্ষ্য গ্রহণ শেষের তারিখ
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার তারিখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার তারিখ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২(২) ধারায় ডিক্রির সংজ্ঞা রয়েছে-
আদালতের এমন কোন আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত যা মোকদ্দমার তর্কিত/বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে পক্ষসমূহের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে তাকে ডিক্রি (Decree) বলে।
• কার্যবিধির ৩৩ ধারা মতে,কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করে।
রায় হল ডিক্রির ভিত্তি তাই রায় আগে প্রদান করা হয় এবং ডিক্রি পরে দেয়া হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ৫ক তে ডিক্রি প্রণয়নের সময় দেয়া হয়েছে। এ বিধিমতে-
''রায় ঘোষণার তারিখ হতে সাত দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রণয়ন করতে হবে।''
[The decree shall be drawn up within seven days from the date of pronouncement of the judgment.]
৮,৬১২.
অধস্তন আদালতের ভাষা এবং কার্যধারার লিখিত রীতি কে নির্ধারণ করতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. সরকার
  3. উক্ত আদালতের বিচারক
  4. আদালতের রেজিস্টার
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

উত্তর: খ) সরকার।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা: অধস্তন আদালতে ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।

২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।

৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজিতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজির সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজির অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যে-রূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।

৮,৬১৩.
"Wrongful gain" ও "Wrongful loss" সংক্রান্ত সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কোন ধারায় দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২২
  2. ধারা ২৩
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২৩-এ “Wrongful gain” ও “Wrongful loss”–এর সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে।
→ Wrongful gain বলতে বোঝায় – এমন কোনো সম্পত্তি অবৈধ উপায়ে অর্জন করা, যার উপর অর্জনকারী ব্যক্তি আইনি অধিকার রাখে না।
→ Wrongful loss হলো – এমন কোনো ব্যক্তি যিনি আইনি অধিকারসহ কোনো সম্পত্তির মালিক, সেই ব্যক্তি যদি অবৈধ উপায়ে উক্ত সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হন, সেটিই wrongful loss।

→ অবৈধ লাভ [Wrongful Gain]: অবৈধ লাভ অর্থ হলো বেআইনিভাবে এরূপ সম্পত্তি লাভ করা, যে সম্পত্তিতে লাভকারী ব্যক্তির কোন আইনানুগ অধিকার নেই। যেমন 'ক' একটি ঘড়ি চুরি করলো। উক্ত ঘড়িতে চোর, ক-এর কোনো আইনানুগ অধিকার নেই। সুতরাং ক সম্পত্তিটি অবৈধ লাভ করেছে বলে গণ্য হবে।
→ অবৈধ ক্ষতি [Wrongful Loss]: অবৈধ ক্ষতি হলো বেআইনিভাবে এমন সম্পত্তির ক্ষতি, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত লোকের আইনানুগ অধিকার আছে। A, B এর একটি ঘড়ি চুরি করলো। এখানে B হলো ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি এবং উক্ত ঘড়িতে B এর আইনানুগ অধিকার ছিল। সুতরাং চুরির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি, B এর অবৈধ ক্ষতি হলো এবং চোর, A অবৈধ লাভ করলো।

⇒ The Penal Code, 1860, Section-23:
→ “Wrongful gain”
 "Wrongful gain" is gain by unlawful means of property to which the person gaining is not legally entitled.
→ “Wrongful loss”
"Wrongful loss" is the loss by unlawful means of property to which the person losing it is legally entitled.
→ Losing wrongfully.
- A person is said to gain wrongfully when such person retains wrongfully, as well as when such person acquires wrongfully.
- A person is said to loss wrongfully when such person is wrongfully kept out of any property, as well as when such person is wrongfully deprived of property.
৮,৬১৪.
স্বত্ব ঘোষনা সংক্রান্ত মামলা দায়েরের নিমিত্ত তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৩ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ১ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়।

♦ স্বত্ব ঘোষনা সংক্রান্ত মামলা দায়েরের নিমিত্ত তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের ১ম তফসিলে সরাসরি উল্লেখ নাই এজন্য এই ক্ষেত্রে ১২০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে।
অর্থাৎ, স্বত্ব ঘোষনা সংক্রান্ত মামলা দায়েরের নিমিত্ত তামাদির মেয়াদ ৬ বছর।
৮,৬১৫.
তামাদি আইনের ধারা ৬ অনুসারে "বৈধ অপারগতা"-র বিধান প্রযোজ্য কার জন্য?
  1. কেবল বাদীর জন্য
  2. কেবল বিবাদীর জন্য
  3. উভয় পক্ষের জন্য
  4. আদালতের জন্য
সঠিক উত্তর:
কেবল বাদীর জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেবল বাদীর জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৬ মূলত যেসব ব্যক্তি আইনগত কারণে (যেমন: নাবালকত্ব, উন্মাদতা বা চরম বুদ্ধিহীনতা) অপারগ— তাদের পক্ষে মামলা দায়ের বা কার্যক্রম গ্রহণ বিলম্বিত হলেও, সেই বিলম্ব তামাদি হিসেবে গণ্য হবে না। তবে এই সুবিধাটি শুধুমাত্র বাদীর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, অর্থাৎ:
- যিনি মামলা দায়ের, ডিক্রি জারি, বা আবেদন করার অধিকার রাখেন—
যদি তিনি তামাদি সময় শুরু হওয়ার সময় নাবালক, উন্মাদ বা বুদ্ধিহীন হন, তাহলে তার জন্য তামাদি সময় অপারগতা অবসানের পর থেকে গণনা শুরু হবে।

⇒ তামাদি আইনের ৬,৭,৮ এবং ৯ ধারায় আইনগত অপারগতার নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে।
তামাদি আইনের ৬ ধারায় বৈধ অপারগতা (Legal disability) নিয়ে সরাসরি আলোচনা করেছে।
যেখানে বলা আছে, যে ক্ষেত্রে মামলা কিংবা কার্যব্যবস্থা কিংবা ডিক্রি জারির জন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয় সেই সময় উক্ত ব্যক্তি যদি নাবালক, উন্মাদ বা চরম বুদ্ধিহীনতার রোগে ভুগে থাকে তবে তার বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে।
- যখন উক্ত ব্যক্তির জীবন হতে অপারগতা অবসান হবে তখন তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে। যদি একটি অপারগতা অবসান হবার আগেই আরেকটি অপারগতায় উক্ত ব্যক্তি আক্রান্ত হন তবে দুটি শেষ হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে। এর মাঝে যদি উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে তাহলে তার আইনগত প্রতিনিধির উপর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে। তার আইনগত প্রতিনিধি যদি বৈধ অপারগতায় আক্রান্ত থাকেন তবে প্রতিনিধির আইনগত অপারগতা অবসান হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে।
- তামাদি আইনের ৬ ধারার এই বিধান আপীল, রিভিউ, রিভিশন বা আবেদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। বৈধ অপারগতার বিধান শুধুমাত্র বাদী’র ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বিবাদী’র জন্য তামাদি আইনে বৈধ অপারগতার বিধান গ্রহণযোগ্য না।
---------
⇒ The Limitation Act:- Section 6. Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908.
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply.

Illustrations:
(a) The right to sue for the hire of a boat accrues to A during his minority. He attains majority four years after such accruer. He may institute his suit at any time within the years from the date of his attaining majority.
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease.
(c) A right to sue accrues to X during his minority. X dies before attaining majority, and is succeeded by Y, his minor son. Time runs against Y from the date of his attaining majority.
৮,৬১৬.
কোন স্ত্রীলোককে বেআইনীভাবে আটক রাখা হলে, তাকে অভিভাবকের নিকট প্রত্যর্পণের আদেশ কে দিতে পারেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ২য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫২: অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণে বাধ্য করার ক্ষমতা

মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট কোন স্ত্রীলোক অথবা ১৬ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে অপহরণ বা বে-আইনীভাবে আটক রাখার নালিশ করা হলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সেই স্ত্রীলোককে বা গ্রাহককে অবিলম্বে তার স্বামী, মাতা-পিতা, অথবা তার আইন সংগত অভিভাবকের নিকট প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারবেন।

Section 552- Power to compel restoration of abducted females
Upon complaint made to a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class or District Magistrate on oath of the abduction or unlawful detention of woman, or of a female child under the age of sixteen years, for any unlawful purpose, he may make an order for the immediate restoration of such woman to her liberty, or of such female child to her husband, parent, guardian or other person having the lawful charge of such child, and may compel compliance with such order, using such force as may be necessary.
৮,৬১৭.
'Relevancy of facts forming part of same transaction' সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিধান?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা-৬: একই কার্যক্রমের অংশরূপে গণ্য বিষয়সমূহ (Relevancy of facts forming part of same transaction)- "একই কার্যের অংশ যে সমস্ত বিষয় সেগুলোর প্রাসঙ্গিকতা" সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায় বলা হয়েছে। যে বিষয়সমূহ বিচার্য বিষয় নয়, কিন্তু এগুলো বিচার্য বিষয়ের সাথে এমনভাবে জড়িত যে, উভয় বিষয়ই একই কার্যক্রমের অংশরূপে গণ্য হতে পারে সেক্ষেত্রে ঐ বিষয়সমূহ একই সময়ে এবং একই স্থানে অথবা বিভিন্ন সময়ে এবং বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত হোক না কেন উত্ত বিষয়সমূহ সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারামতে প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে। সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারা Res Gestae নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত।

⇒ Res Gestae বা 'একই কার্যের অংশ'- Res Gestae (রেস গেস্টাই) অর্থ হলো একই কাজের অংশ বিশেষ বা একই Transaction এ সংগঠিত অনেকগুলো ঘটনা।

⇒ অর্থাৎ কোন একটি কাজ করতে গিয়ে উক্ত কাজের ধারাবাহিকতায় অন্য যেসব কাজ করা হয় বা পারিপার্শ্বিক অবস্থা তা ঐ একই কাজের ধারাবাহিক অংশ হিসেবে Res Gestae বলে পরিচিত।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬ থেকে ৯ এবং ১৪ ধারায় Res Gestae (রেস গেস্টাই) নীতির বিধান রয়েছে।
------------
⇒ Relevancy of facts forming part of same transaction:
Section 6. Facts which, though not in issue, are so connected with a fact in issue as to form part of the same transaction, are relevant, whether they occurred at the same time and place or at different times and places.
৮,৬১৮.
সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন নিজ পক্ষের সাক্ষীর-
  1. জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়
  2. জেরা করা হয়
  3. পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করা হয়
  4. বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করা হয়
সঠিক উত্তর:
জেরা করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেরা করা হয়
ব্যাখ্যা
• যখন যে পক্ষ কোন সাক্ষীকে আহ্বান করে বা ডাকে, সেই পক্ষ উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করবে। আইনের সাধারণ নীতি অনুযায়ী সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন আদালতের অনুমতি নিয়ে যে পক্ষ সাক্ষী নিয়ে আসে, সে পক্ষ নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে। এ ধরনের সাক্ষী হল বৈরী (Hostile) সাক্ষী।

⇒ বৈরী সাক্ষীকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষের জেরা করার অনুমতি দান করা আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে।
 
⇒ সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।

⇒ যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়;
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়;
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।
 
⇒ এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।
৮,৬১৯.
Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর Article 8 অনুযায়ী, Ad-hoc Bar Council-এর সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ১০ জন
  2. ১২ জন
  3. ১৫ জন
  4. ২০ জন
সঠিক উত্তর:
১৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ জন
ব্যাখ্যা
⇒ Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর সংশোধিত Article 8(2) এ বলা হয়েছে:
"...the Government may, by notification in the official Gazette, constitute an Ad-hoc Bar Council consisting of fifteen members..."
অর্থাৎ, Ad-hoc Bar Council-এ মোট সদস্য সংখ্যা হবে ১৫ জন।
এর মধ্যে বাংলাদেশের Attorney-General একজন সদস্য হবেন এবং তিনিই হবেন এই Ad-hoc Bar Council-এর চেয়ারম্যান।

সুতরাং, সঠিক উত্তর: গ) ১৫ জন।

Article- 8. (1) Elections to the Bar Council shall be held so as to conclude on or before the thirty first day of May in the year in which the term of the Bar Council expires.
(2) If the elections to the Bar Council cannot be held within the time specified in clause (1) due to pandemic, epidemic, act of God or for any other unavoidable circumstances as may be determined by the Government from time to time, the Government may, by notification in the official Gazette, constitute an Ad-hoc Bar Council consisting of fifteen members for a term not exceeding one year and this term shall not be further extended.
The Attorney-General for Bangladesh shall be one of the members of the Ad-hoc Bar Council and shall also be its Chairman.
(4) Notwithstanding anything contained in any other provision of this Order, the Ad-hoc Bar Council shall exercise such powers and functions of the Bar Council as specified in this Order and the rules made thereunder.
৮,৬২০.
অভিযোগকারী একজন সরকারি কর্মকর্তা (public servant) হন এবং তার ব্যক্তিগত হাজিরা বাধ্যতামূলক না হয়, তাহলে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৭ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট-
  1. তাকে প্রতিনিধির মাধ্যমে হওয়ার জন্য নির্দেশ দিবে
  2. তার মামলা বাতিল করবেন
  3. তার উপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন
  4. তার মামলার শুনানি অন্য কোনো দিনে মুলতবি করবে
সঠিক উত্তর:
তার উপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার উপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন
ব্যাখ্যা

ধারা ২৪৭ – অভিযোগকারীর অনুপস্থিতি:
যদি কোনো মামলা অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের করা হয়, এবং নির্ধারিত দিনে বা পরে কোনো দিন (যে দিনে শুনানি মুলতবি করা হতে পারে) অভিযুক্তের উপস্থিতির জন্য, অভিযোগকারী হাজির না হন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেটকে নিম্নরূপ কাজ করতে হবে:

ম্যাজিস্ট্রেট, এতে পূর্বে যা কিছু বিধান অন্তর্ভুক্ত থাকুক না কেন, অভিযুক্তকে খালাস দেবেন, শুধুমাত্র তখনই ব্যতিক্রম ঘটবে যখন ম্যাজিস্ট্রেট মনে করবেন শুনানি অন্য কোনো দিনে মুলতবি করা উপযুক্ত।

শর্ত:
যদি অভিযোগকারী একজন সরকারি কর্মকর্তা (public servant) হন এবং তার ব্যক্তিগত হাজিরি বাধ্যতামূলক না হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন এবং মামলাটি চালিয়ে যেতে পারেন।

৮,৬২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০ ধারা অনুসারে কোনো দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে মামলা আমলে নেবার ক্ষমতা কে অর্পণ করতে পারেন?
  1. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দায়রা জজ 
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  4. যুগ্ম দায়রা জজ
সঠিক উত্তর:
চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে।কোন কোন ম্যাজিস্ট্রেট,কোন কোন ক্ষেত্রে অপরাধ আমলে নিতে পারে সেই সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• এই ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ অপরাধ আমলে নিতে পারে-

-মহানগর এলাকায়

১. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
২. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট

-মহানগর এলাকার বাইরে

১. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
২. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট অথবা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেট

• ধারা ১৯০(২) অনুসারে, সরকার এবং এই আদেশ হাইকোর্ট ডিভিশন কর্তৃক প্রদেয় কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশের প্রেক্ষিতে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেসব অপরাধ বিচার করতে বা বিচারার্থে পাঠাতে পারেন, সেসব অপরাধ যেকোন দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে বিচারার্থ গ্রহণ করতে ক্ষমতায়ন করতে পারেন।
৮,৬২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে?
  1. ২০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার (Contempt of Court) শাস্তি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি-
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
 ----------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-480: Procedure in certain cases of contempt-
When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid. 
৮,৬২৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুসারে ‘দখল উদ্ধারের’ মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৯ এর অধীনে স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলার জন্য দাখিলের সময়সীমা বা তামাদির মেয়াদ ৬ মাস নির্ধারিত।
অর্থাৎ, দখল হারানোর দিন থেকে ৬ মাসের মধ্যে না করলে মামলা তামাদি হবে।

৮,৬২৪.
পিতা F তার পুত্র Z কে ৩৩ লক্ষ টাকা মূল্যমানের ১১ শতক অবিভক্ত ভূমির মধ্যে ৫ শতক দানপত্রের মাধ্যমে দান করেন। F এর মৃত্যুর পর তার অপর পুত্র X ও Y দানপত্রটি জাল ও তাতে অন্তর্ভুক্ত ভূমিতে Z স্বত্ব অর্জন করে নাই মর্মে দাবী করেন। এমতাবস্থায়, Z এর প্রতিকার কী?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের
  2. সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের
  3. দানপত্রটির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার মোকদ্দমা দায়ের
  4. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের
সঠিক উত্তর:
ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।

⇒  শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।

⇒  ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

⇒ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
⇒  এখানে আইনানুগ পরিচয় বলতে আইনসম্মত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝায়। 

⇒ উল্লেখিত প্রশ্নে এমতাবস্থায়, Z এর প্রতিকার হলো ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের, যার মাধ্যমে Z তার দানপত্রটির অন্তর্ভুক্ত ভূমিতে স্বত্ব অর্জন করতে পারবে।

⇒ ঘোষনামূলক ডিক্রির প্রকৃতি
i) ঘোষনামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষনা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষনামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষনামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষনা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।

⇒  ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।

⇒  মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৮,৬২৫.
নিম্নের কোন ধরনের আইনের উপর দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর কোনো প্রভাব নেই?
  1.  বিশেষ আইন
  2. স্থানীয় আইন
  3. সামরিক বিদ্রোহ ও পরিত্যাগ সংক্রান্ত আইন 
  4.  উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
 উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৫ অনুযায়ী এই আইন কোনো বিশেষ আইন, স্থানীয় আইন কিংবা সামরিক বিদ্রোহ ও পরিত্যাগ সংক্রান্ত আইনকে বাতিল, পরিবর্তন বা স্থগিত করার উদ্দেশ্যে প্রণীত নয়। অর্থাৎ, দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর বিধানগুলো এই তিন ধরনের আইনের উপর কোনো প্রভাব বিস্তার করে না। তাই প্রশ্নে উল্লিখিত অপশন সবগুলোই সঠিক এবং উত্তর হবে “উল্লিখিত সবগুলো”।
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৫ অনুসারে, এই আইন কোনো বিশেষ আইন, স্থানীয় আইন বা সামরিক বিদ্রোহ ও পরিত্যাগ সংক্রান্ত আইনের বিধানকে বাতিল, পরিবর্তন, স্থগিত বা প্রভাবিত করার উদ্দেশ্য রাখে না। 
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section: 5. Certain laws not to be affected by this Act:
- Nothing in this Act is intended to repeal, vary, suspend, or affect any of the provisions of any Act for punishing mutiny and desertion of officers, soldiers, sailors or airmen in the service of the Republic, or of any special or local law.

৮,৬২৬.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ২২ক অনুসারে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকারোক্তি কখন প্রাসঙ্গিক?
  1. সবসময় প্রাসঙ্গিক
  2. যখন আদালত ইচ্ছা করে
  3. যখন ডিজিটাল রেকর্ড হারিয়ে গেছে
  4. যখন ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা প্রশ্নবিদ্ধ
সঠিক উত্তর:
যখন ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা প্রশ্নবিদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা প্রশ্নবিদ্ধ
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২২ক (22A) অনুসারে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকারোক্তি তখনই প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য, যখন ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা (genuineness) প্রশ্নবিদ্ধ।
- অর্থাৎ, যখন ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা (genuineness) প্রশ্নবিদ্ধ হয়, কেবলমাত্র তখনই ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার বিধান: যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক:-দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন না হলে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু হিসাবে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়।
-------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 22A: When oral admissions as to contents of digital records are relevant: Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question.

৮,৬২৭.
‘ক’ ‘খ’ এর বিরুদ্ধে ৫০,০০০/- টাকার দাবীতে একটি মোকদ্দমা দায়ের করে। উক্ত মোকদ্দমায় ‘খ’ লিখিত জবাব দিয়ে জবাবে দাবী উত্থাপন করে যে, ‘খ’ ‘ক’ এর নিকট ৪০,০০০/- টাকা পাওয়ান আছে। ‘খ’ এর এই দাবিটি হলো?
  1. পাল্টা দাবী (Counter claim)
  2. পারাস্পরিক দায় শোধ (Set off)
  3. মধ্যস্থতা
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
পারাস্পরিক দায় শোধ (Set off)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারাস্পরিক দায় শোধ (Set off)
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি  আদেশ ৮ এর বিধি ৬ অনুযায়ী পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ (Set off) হলো বিবাদীর বিরুদ্ধে বাদী যখন অর্থ আদায়ের মামলা করে তখন বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার দাবী/আবেদন। সহজ ভাষায়, সেট অফ অর্থ হল কোন দাবীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত আরেকটি দাবী।
⇒ অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।
⇒সেট অফের আবেদনের সময়- ৮ নং আদেশের ৬ বিধি অনুযায়ী কোন মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই (at the first hearing of suit) লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে সেট অফের দাবি করতে হয়।
⇒ প্রথম শুনানির পর আদালতে সেট অফের জন্য লিখিত জবাব দাখিল করা যাবে না। তবে আদালত অনুমতি দিলে প্রথম শুনানির পরও Set off এর দাবি করা যায়।
সেট অফের আবেদনের শর্ত- 
i) মোকদ্দমাটি অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা হবে।
ii) দাবীকৃত অর্থের পরিমান নির্দিষ্ট হবে।
iii) দাবীকৃত অর্থ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ও আইনগতভাবে আদায়যোগ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদি সেই পরিমান টাকার দাবি সমন্বয় চাইতে পারবে যার পরিমান ঐ বিচারিক আর্থিক এখতিয়ারের সমপরিমান হবে। বিচারিক আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের বেশি হলে সে রকম পরিমাণের টাকার জন্য বিবাদি সেট-অফ দাবি করতে পারবে না।
iv) দাবি-দাওয়ার ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদী উভয়কেই একই চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। অর্থাৎ মামলায় বাদী-বিবাদী একে অন্যের নিকট পাওনাদার বা দেনাদার না হলে সেই মামলায় সেট-অফের দাবি করা যাবে না।
⇒ সেট-অফের মোকদ্দমায় আদালত বাদীর মূল দাবি এবং বিবাদীর সেট অফের ব্যাপারে এক সঙ্গে চূড়ান্ত রায় প্রদান করতে পারেন।
⇒ যদি বাদীর দাবীর চেয়ে বিবাদী দাবী বেশি হয় তাহলে এটি Counter claim


৮,৬২৮.
মোকদ্দমা দায়েরের পর আরজি ফেরত দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে মোকদ্দমার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে তখন আপনি কি করবেন?
  1. আরজির সাথে ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করবেন
  2. আরজির সাথে ৯ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করবেন
  3. আরজির সাথে ১৪ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করবেন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
আরজির সাথে ১৪ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজির সাথে ১৪ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করবেন
ব্যাখ্যা
♦আমাদি আইনের ১৪ ধারা মোকদ্দমার | Suit) মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মোকদ্দমা দায়েরের পর আরজি ফেনাত দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে মোকদ্দমার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে পূর্ববর্তী আদালতে ব্যয়িত সময় বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনার জন্য ১৪ ধারায় আবেদন করতে হবে।
৮,৬২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, ভুল দায়রা বিভাগ বা জেলায় বিচার হলেও তা বাতিল হবে না, যদি না ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা ঘটে?
  1. ধারা ৫২৯
  2. ধারা ৫৩০
  3. ধারা ৫৩১
  4. ধারা ৫৩৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩১
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৩১ অনুযায়ী: কোনো ফৌজদারি আদালতের রায়, আদেশ বা দণ্ড শুধুমাত্র এই কারণে বাতিল হবে না যে বিচার বা তদন্ত ভুল দায়রা বিভাগ, জেলা বা স্থানীয় এলাকায় হয়েছে।
তবে, যদি প্রমাণিত হয় যে এই ভুলের কারণে ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা (failure of justice) ঘটেছে, তখনই তা বাতিল হতে পারে।

অর্থাৎ কোনো ফৌজদারি আদালতের রায়, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র এই কারণে বাতিল করা হবে না যে তদন্ত, বিচার বা কার্যক্রম ভুল দায়রা বিভাগ, জেলা বা স্থানীয় এলাকায় হয়েছে যতক্ষণ না এই ভুল প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা (failure of justice) ঘটায়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 531. Proceedings in wrong place:
No finding, sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.

৮,৬৩০.
The Code of Criminal Procedure, 1898-এর কোন ধারায় Power to issue directions of the nature of a habeas corpus বর্ণিত হয়েছে?
  1. ৪১৭ ক
  2. ৪৯১
  3. ৪০২
  4. ৪০৩
সঠিক উত্তর:
৪৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯১
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯১ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ দিতে পারে।
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯১ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ direction of the nature of a habeas corpus ইস্যু করতে পারে। যখন কোন ব্যক্তিকে বেআইনীভাব আটক করা হয়, তখন বন্দী হাজির রিট [ writ of habeas corpus] পিটিশন দায়ের করা যায়। যে কোন ব্যক্তি বন্দী হাজির রিট দায়ের করতে পারবে। বন্দী হাজির অর্থ হলো বন্দীকে আদালতে হাজির করা।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধানঃ (১) হাইকোর্ট বিভাগ যখনই উপযুক্ত মনে করেন, তখন নির্দেশ দিতে পারবেন যে,
ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইনানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হোক;
খ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনীভাবে বা অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী দিবার জন্য উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক;
ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের নিকট হাজির করা হোক;
ঙ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং
চ) বাদ দেয়া হয়েছে।
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীমকোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান বলবৎ কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের প্রতি প্রযোজ্য নহে।

অর্থাৎ ৪৯১ ধারামতে হাইকোর্ট বিভাগ নিম্নলিখিত হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির আদেশ প্রদান করতে পারে, যথা
i) আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করতে।
ii) বেআইনী বা অযৌক্তিকভাবে সরকারি বা বেসরকারী হেফাজতে আটক ব্যক্তির মুক্তিত
iii) জেলখানা বা কারাগারে আটক কোন ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দী দেয়ার জন্য আদালতে হাজির করতে
iv) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের নিকট বিচার বা সাক্ষাৎ দেয়ার জন্য হাজির;
v) এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে বিচারের জন্য কোন বন্দিকে স্থানান্তর।

DIRECTIONS OF THE NATURE OF A Habeas Corpus
Section 491. Power to issue directions of the nature of a habeas corpus
(1) The High Court Division may, whenever it thinks fit, direct:-
(a) that a person within the limits of its appellate criminal jurisdiction be brought up before the Court to be dealt with according to law;
(b) that a person illegally or improperly detained in public or private custody with such limits be set at liberty;
(c) that a prisoner detained in any jail situate within such limits be brought before the Court to be there examined as a witness in any matter pending or to be inquired into in such Court;
(d) that a prisoner detained as aforesaid be brought before a Court-martial or any Commissioners for trial or to be examined touching any matter pending before such Court-martial or Commissioners respectively;
(e) that a prisoner within such limits be removed from one custody to another for the purpose of trial ; and
(2) The [Supreme Court] may, from time to time, frame rules to regulate the procedure in cases under this section.
(3) Nothing in this section applies to persons detained under any law for the time being in force providing for preventive detention.
৮,৬৩১.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৪ অনুসারে, অভিযুক্ত ব্যক্তির খারাপ চরিত্র সাধারণত:
  1. সর্বদা প্রাসঙ্গিক
  2. কেবলমাত্র সাক্ষীর মাধ্যমে প্রমাণযোগ্য
  3. অপ্রাসঙ্গিক, যদি না ভালো চরিত্রের প্রমাণ দেওয়া হয়
  4. কখনোই আদালতে উপস্থাপনযোগ্য নয়
সঠিক উত্তর:
অপ্রাসঙ্গিক, যদি না ভালো চরিত্রের প্রমাণ দেওয়া হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্রাসঙ্গিক, যদি না ভালো চরিত্রের প্রমাণ দেওয়া হয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৪:
ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির খারাপ চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক, যদি না তার ভালো চরিত্র সম্পর্কে প্রমাণ দেওয়া হয়, যার ফলে তার খারাপ চরিত্র প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে।

ব্যাখ্যা ১- যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্রই বিচার্য বিষয়, সেখানে এই ধারা প্রযোজ্য নয়।
ব্যাখ্যা ২- পূর্বের দোষী সাব্যস্ত খারাপ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক।
৮,৬৩২.
সরকার কার অনুমোদন নিয়ে চিফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেটকে তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ থেকে কোনো মামলা প্রত্যাহারের ক্ষমতা প্রদান করতে পারে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মহানগর দায়রা জজ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৮(৩):
সরকার হাইকোর্ট বিভাগের (High Court Division)-এর অনুমোদন নিয়ে চিফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে
তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ থেকে কোনো মামলা বা কোনো নির্দিষ্ট ধরনের মামলা প্রত্যাহারের ক্ষমতা প্রদান করতে পারে।

৮,৬৩৩.
ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিতের জন্য আদালত কোন ধরনের নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে?
  1. অস্থায়ী
  2. চিরস্থায়ী
  3. অন্তর্বর্তীকালীন
  4. কোনোটাই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটাই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটাই নয়
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে, নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রনয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;

iv) সরকারী দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে;
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;

viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরন আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোন স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
৮,৬৩৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪ বিধি ২ অনুসারে, যদি মোকদ্দমায় আইনগত ও তথ্যগত উভয় ইস্যু থাকে, তবে আদালত কোনটি প্রথমে বিচার করবে?
  1. তথ্যগত ইস্যু
  2. আইনগত ইস্যু
  3. উভয় ইস্যু একসাথে
  4. পক্ষগণের সম্মতি অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
আইনগত ইস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনগত ইস্যু
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৪ বিধি ২ অনুসারে, যদি কোনো মোকদ্দমায় আইনগত এবং তথ্যগত উভয় প্রকারের ইস্যু উত্থাপিত হয় এবং আদালত মনে করে যে মোকদ্দমা বা এর কোনো অংশ শুধুমাত্র আইনগত ইস্যুর ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করা যায়, তবে আদালত আইনগত ইস্যুগুলো প্রথমে বিচার করবে। এই উদ্দেশ্যে আদালত তথ্যগত ইস্যু নির্ধারণ স্থগিত রাখতে পারে। এটি মোকদ্দমার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করার জন্য করা হয়, যদি আইনগত ইস্যু দ্বারা মোকদ্দমা সমাধান করা সম্ভব হয়।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-14, Rule-2.Issues of law and of fact: 
Where issues both of law and of fact arise in the same suit, and the Court is of opinion that the case or any part thereof may be disposed of on the issues of law only, it shall try those issues first, and for that purpose may, if it thinks fit, postpone the settlement of the issues of fact until after the issues of law have been determined.

৮,৬৩৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির Section 35B(1) অনুযায়ী, আদালত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন বা লিখিত আপত্তি দাখিল না করলে সর্বোচ্চ কত টাকা খরচ দিতে হবে?
  1. ১,০০০ টাকা
  2. ২,০০০ টাকা
  3. ৩,০০০ টাকা
  4. ৫,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির Section 35B(1) অনুযায়ী, যদি আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো আবেদন (application) বা লিখিত আপত্তি (written objection) দাখিল না করা হয়, তাহলে পরবর্তীতে সেই আবেদন বা আপত্তি শুনানির জন্য গৃহীত হতে পারে না, যতক্ষণ না দায়ী পক্ষ অপর পক্ষকে সর্বোচ্চ ২,০০০ (দুই হাজার) টাকা খরচ প্রদান করে।
---------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section- 35B. Cost for delay in making applications, etc., in respect of interlocutory matters.
(1) If at any stage of a suit or proceeding, an application or written objection is not filed within the time fixed by the Court, such application or written objection, as the case may be, shall not be admitted for hearing without payment by that party of such cost to the other party not exceeding two thousand taka.
(2) If after filing of written statement, any party to the suit makes an application in respect of any matter which, in the opinion of the Court, could and ought to have been made earlier, and is likely to delay the main proceeding of the suit, the Court may admit, but shall not hear and dispose of the application, without payment by that party of such cost to the other party not exceeding three thousand taka, as it shall determine and direct, and upon failure to pay the cost, the application shall stand rejected.

৮,৬৩৬.
হাইকোর্ট ডিভিশনের রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোন শর্ত পূরণ না হলে আসামির বিরুদ্ধে আদেশ দেওয়া যাবে না?
  1. মামলার তদন্ত শেষ না হলে
  2. আসামি জামিনে থাকলে
  3. সাক্ষী অনুপস্থিত থাকলে
  4. আসামি আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না পেলে
সঠিক উত্তর:
আসামি আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না পেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামি আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না পেলে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ ধারা – হাইকোর্ট ডিভিশনের রিভিশনের ক্ষমতা:
(১) হাইকোর্ট ডিভিশন, নিজে যে মামলার নথি তলব করেছে, বা যা আদেশের জন্য প্রেরিত হয়েছে, বা যা অন্য কোনওভাবে হাইকোর্ট ডিভিশনের গোচরীভূত হয়েছে—সেই মামলার ক্ষেত্রে, হাইকোর্ট ডিভিশন বিচারিক ক্ষমতাবলে ধারা ৪২৩, ৪২৬, ৪২৭ ও ৪২৮ এ আপীল আদালতকে অথবা ধারা ৪৩৮-এ কোনো আদালতকে প্রদত্ত ক্ষমতার যেকোনোটি প্রয়োগ করতে পারবে এবং দণ্ড বৃদ্ধি করতে পারবে। আর, রিভিশনে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের বিচারকেরা যদি তাঁদের অভিমতে সমানভাবে বিভক্ত হন, তাহলে মামলাটি ধারা ৪২৯ এ উল্লিখিত পদ্ধতিতে নিষ্পত্তি করতে হবে।

(২) আসামি যদি আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না পায়- নিজে বা অ্যাডভোকেটের মাধ্যমে- তাহলে এই ধারা অনুসারে তার বিরুদ্ধে কোনো আদেশ দেওয়া যাবে না।

(৩) এই ধারায় সংশ্লিষ্ট দণ্ড যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদান করা হয়ে থাকে এবং আদালত মনে করেন যে আসামি উক্ত অপরাধ সংঘটন করেছে, তবে সেই অপরাধের জন্য কোনো মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট যে দণ্ড দিতে পারতেন, আদালত তার চেয়ে অধিক দণ্ড দিতে পারবে না।

(৪) এই ধারায় এমন কিছু নেই যা থেকে ধারণা করা যায় যে হাইকোর্ট ডিভিশন খালাসের অভিমতকে দণ্ডের অভিমতে রূপান্তর করতে পারবে অথবা দায়রা জজ কর্তৃক ধারা ৪৩৯ক এর অধীন প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশনে কার্যক্রম গ্রহণ করতে পারবে।

(৫) যে ক্ষেত্রে এই বিধির অধীন আপীল করা যায়, কিন্তু আপীল দায়ের করা হয়নি—সেই ক্ষেত্রে যে পক্ষ আপীল দায়ের করতে পারত, সেই পক্ষের প্রচেষ্টায় রিভিশনের মাধ্যমে কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না।

(৬) এই ধারায় যাই বলা থাকুক না কেন, যদি দণ্ডিত ব্যক্তিকে তার দণ্ড কেন বৃদ্ধি করা হবে না, সেই সম্পর্কে উপধারা (২) অনুযায়ী কারণ দর্শানোর সুযোগ দেওয়া হয়, তবে সে তার দণ্ডের বিরুদ্ধেও কারণ দর্শাতে অধিকারী হবে।
৮,৬৩৭.
এক দেওয়ানি মোকদ্দমায় বিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হওয়ার কারণে, আদালত আদেশ ১৭ বিধি ৩ এর অধীন মোকদ্দমাটি একতরফা নিষ্পত্তি করে দেয়। বিবাদী কতদিনের মধ্যে মোকদ্দমা পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করতে পারবে?
  1. ১৫ দিনের মধ্যে
  2. ৩০ দিনের মধ্যে
  3. ৬০ দিনের মধ্যে
  4. ৯০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৩০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৭ বিধি ১(৭): মোকদ্দমার কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিত বা পুনরুদ্ধারের আবেদন:
খরচ প্রদানে ব্যর্থ হওয়ার কারণে যদি ১৭ আদেশের বিধি ১ এর ৩ এবং ৪ এর অধীন কোন মোকদ্দমা খারিজ কিংবা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, যে পক্ষের কারণে খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে সেই পক্ষ খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির তারিখ হতে ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে ২০০০ টাকা খরচা জমা দিয়ে মোকদ্দমাটি পুনরায় চালুর জন্য বা পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করলে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করতে পারে। অর্থাৎ ৩০ দিনের মধ্যে ২০০০ টাকা খরচ দিয়ে মোকদ্দমার কার্যক্রমটি পুনর্বহালের আবেদন করতে হবে। অধিকতর কোন কার্যক্রম গ্রহণ ছাড়া মোকদ্দমাটি শুনানীর জন্য পুনরুজ্জীবিত হবে এবং আদালতে জমাকৃত খরচ অন্যপক্ষকে দেওয়া হবে।
৮,৬৩৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২ বিধি-১ অনুসারে, নাবালকের পক্ষে মামলা কে দায়ের করবেন?
  1. স্বয়ং নাবালক
  2. নেক্সট ফ্রেন্ড 
  3. সরকারি অভিভাবক
  4. আদালতের কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
নেক্সট ফ্রেন্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেক্সট ফ্রেন্ড 
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC), আদেশ ৩২, বিধি ১ অনুযায়ী: “Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor.”
অর্থাৎ, নাবালক (যিনি আইনত মামলা করার যোগ্য নন) যদি কোন দেওয়ানি মামলা করতে চান, তাহলে সেই মামলা তার নিজ নামে, কিন্তু একজন প্রাপ্তবয়স্ক ও সুস্থবুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে দায়ের করতে হবে, যাকে বলা হয় "নেক্সট ফ্রেন্ড (Next Friend)"। এই ব্যক্তি নাবালকের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এবং তার স্বার্থ রক্ষা করেন।

- নাবালক নিজে মামলা দায়ের করতে পারে না।
- নেক্সট ফ্রেন্ডের মাধ্যমে মামলাটি দায়ের করতে হয়।
- নেক্সট ফ্রেন্ড হতে হবে এমন একজন ব্যক্তি যার স্বার্থ নাবালকের বিপরীত নয়।
- যদি কোন নেক্সট ফ্রেন্ড না থাকে, আদালত বিবাদীর আবেদনের ভিত্তিতে মামলাটি খারিজ করতে পারে (বিধি ২)।
৮,৬৩৯.
তামাদি আইনের বিধান অনুসারে অসাধুভাবে আত্মসাৎ করা অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের মামলার তামাদির মেয়াদ কত বছর?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর বিধান অনুযায়ী, অসাধুভাবে আত্মসাৎকৃত অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার বা তার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ হলো ৩ (তিন) বছর।

গুরুত্বপূর্ণ দিক:
- তামাদি মেয়াদ: ৩ বছর
- সময় গণনার সূচনা: সম্পত্তির আসল মালিক যেদিন প্রথমবার জানতে পারেন যে সম্পত্তিটি বর্তমানে কার কাছে রয়েছে সেদিন থেকে।

⇒ প্রযোজ্য ক্ষেত্র: এই বিধানটি নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য:
- হারানো সম্পত্তি। 
- চুরি হওয়া সম্পত্তি। 
- অসাধুভাবে আত্মসাৎকৃত (Dishonest Misappropriation) সম্পত্তি। 
- অন্যায়ভাবে আটককৃত সম্পত্তি। 
সুতরাং, অসাধুভাবে আত্মসাৎকৃত অস্থাবর সম্পত্তি ফেরত পেতে বা তার ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা ৩ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।


৮,৬৪০.
বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১১ অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের কোন কমিটির সদস্য সংখ্যা ৯ জন?
  1. নির্বাহী কমিটি
  2. আর্থিক কমিটি
  3. আইন শিক্ষা কমিটি
  4. তালিকাভুক্ত কমিটি
সঠিক উত্তর:
আইন শিক্ষা কমিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন শিক্ষা কমিটি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১১(১)(গ) অনুযায়ী: আইন শিক্ষা কমিটি (Legal Education Committee) গঠিত হবে ৯ জন সদস্য নিয়ে—
যার মধ্যে - ৫ জন হবেন বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত, এবং ৪ জন হবেন কো-অপ্টেড সদস্য, যাঁরা কাউন্সিলের সদস্য নন, এবং
এই ৪ জন কো-অপ্টেড সদস্যের মধ্যে অন্তত ২ জন হতে হবে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের আইন বিভাগের শিক্ষক।

অন্যদিকে:
নির্বাহী কমিটি ও অর্থ কমিটি – উভয়ের সদস্য সংখ্যা মাত্র ৫ জন (অনুচ্ছেদ ১১(১)(ক) ও (খ) অনুযায়ী)।
"তালিকাভুক্ত কমিটি" নামে কোনো স্থায়ী কমিটি অনুচ্ছেদ ১১-তে উল্লেখ নেই।

⇒ বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ - অনুচ্ছেদ ১১:
(১) বার কাউন্সিল নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটি গঠন করবে:
(ক) একটি নির্বাহী কমিটি, যা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে;
(খ) একটি অর্থ কমিটি, যা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে;
(গ) একটি আইন শিক্ষা কমিটি, যা নয়জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে—যার মধ্যে পাঁচজন কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন এবং চারজন কাউন্সিল কর্তৃক কো-অপ্টেড (co-opted) হবেন, যারা কাউন্সিলের সদস্য নন। এই চারজনের মধ্যে কমপক্ষে দুজন বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের আইন বিভাগের শিক্ষক হবেন।
(২) উল্লিখিত কমিটিগুলোর ক্ষমতা ও কার্যাবলী যেরূপ নির্ধারণ করা হবে, সেরূপ হবে।
(৩) বার কাউন্সিল এই আদেশের অধীনে তার কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রয়োজন মনে করলে তার সদস্যদের মধ্য থেকে অন্যান্য কমিটি গঠন করতে পারবে।
---------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, Article-11: (1) The Bar Council shall constitute the following standing committees namely:-
(a) an executive committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(c) a finance committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(d) a legal education committee consisting of nine members-five elected by the Council from amongst its members and four co-opted by the Council from persons other than the members of the Council at least two of whom shall be teachers of law in any university or college in Bangladesh.

(2) The aforesaid committees shall have such powers and functions as may be prescribed.
(3) The Bar Council may constitute from amongst its members such other committees as it may deem necessary for the performance of its functions under this Order.
৮,৬৪১.
নেতিবাচক নিষেধাজ্ঞা অর্জনের ক্ষেত্রে কোনো বাদীকে তার অংশের পালনীয় কাজের-
  1. অন্তত অর্ধেক সম্পন্ন করতে হবে
  2. অন্তত এক চতুর্থাংশ সম্পন্ন করতে হবে
  3. যতটুকু অবশ্যপালনীয়, ততটুকু অংশ সম্পন্ন করতে হবে
  4. ব্যর্থতা থাকলেও তা কোনো প্রভাব তৈরি করবে না
সঠিক উত্তর:
যতটুকু অবশ্যপালনীয়, ততটুকু অংশ সম্পন্ন করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যতটুকু অবশ্যপালনীয়, ততটুকু অংশ সম্পন্ন করতে হবে
ব্যাখ্যা
The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৭ ধারা- নেতিবাচক চুক্তি পালনের নিষেধাজ্ঞাঃ
ধারা ৫৬ এর উপধারা-(চ) এর বিধান সত্ত্বেও যেক্ষেত্রে একটি সুস্পষ্টভাবে বা ইঙ্গিতবোধকভাবে কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ করা এবং কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ না করবার সম্মতির সমন্বয়, সেক্ষেত্রে হাঁ-সূচক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে বাধ্য করতে আদালত অসমর্থ হলেও সে পরিস্থিতি আদালতকে না সূচক কাজ সম্পাদন সম্বন্ধে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা থেকে নিবারণ করবে না।

তবে শর্ত থাকে যে, বাদী তার যতটুকু অবশ্যপালনীয়, চুক্তির ততটুকু পালনে ব্যর্থ হয় নাই।
৮,৬৪২.
ট্রাষ্ট সম্পত্তির হিসাবের জন্য মামলা দায়ের করা হলে তা -
  1. তামাদির মেয়াদ হবে ১ বছর
  2. তামাদির মেয়াদ হবে ২ বছর
  3. তামাদির মেয়াদ হবে ৩ বছর
  4. তামাদি দ্বারা বারিত হবে না
সঠিক উত্তর:
তামাদি দ্বারা বারিত হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদি দ্বারা বারিত হবে না
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী,
যদি কোনো সম্পত্তি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ট্রাস্ট হিসেবে কারও কাছে ন্যস্ত (vested) থাকে, তাহলে সেই সম্পত্তির মালিক বা তার আইনি প্রতিনিধি বা অধিকারী (assigns) – যদি তারা বিনিময়ে কোনো মূল্য পরিশোধ না করে থাকেন – তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার ক্ষেত্রে তামাদি সীমাবদ্ধতা প্রযোজ্য নয়।

এর অর্থ হলো,
সুনির্দিষ্ট ট্রাস্টভুক্ত সম্পত্তি উদ্ধার বা তার হিসাব চাওয়ার জন্য মামলা দায়েরের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই, যেকোনো সময় মামলা করা সম্ভব। তবে, এই বিধান সাধারণ সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, এটি কেবলমাত্র নির্দিষ্ট ট্রাস্টভুক্ত সম্পত্তি ও ধর্মীয় বা দাতব্য ট্রাস্টভুক্ত সম্পত্তি-এর জন্য প্রযোজ্য।
৮,৬৪৩.
তামাদি আইনের ৩ এবং ৫ ধারার মূল পার্থক্য কী?
  1. ৩ ধারা মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ দেয়, ৫ ধারা তা দেয় না
  2. ৫ ধারা মামলা খারিজের নিয়ম এবং ৩ ধারা আপিলের নিয়ম উল্লেখ করে
  3. ৩ ধারা সময়মতো মামলা দায়েরের নিয়ম উল্লেখ করে, ৫ ধারা মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ দেয়
  4. ৩ ধারা মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ দেয়, ৫ ধারা মামলা খারিজের নিয়ম উল্লেখ করে
সঠিক উত্তর:
৩ ধারা সময়মতো মামলা দায়েরের নিয়ম উল্লেখ করে, ৫ ধারা মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধারা সময়মতো মামলা দায়েরের নিয়ম উল্লেখ করে, ৫ ধারা মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ দেয়
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন ৩ ধারা: মামলা খারিজ:
বাদীকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে গেলে আদালত মামলাটি খারিজ করে দিবে, এমনকি যদি বিবাদী তামাদির প্রশ্ন না তোলে।

তামাদি আইন ৫ ধারা:মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ:
কিছু ক্ষেত্রে আদালত মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ দিতে পারে। আপিল, রায় পুনর্বিচার, পুনরীক্ষণ বা দরখাস্ত দাখিলের সময় উত্তীর্ণ হলেও যদি আবেদনকারী আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারেন যে যথেষ্ট কারণ ছিল দেরির জন্য, তবে তা গ্রহণ করা হতে পারে। বাদীকে প্রমাণ করতে হবে বা আদালতকে সন্তুষ্ট করতে হবে যে, মামলাটি তামাদিতে বারিত নয় এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দায়ের করা হয়েছে।
৮,৬৪৪.
কোন ডিক্রি রিভিশন মামলায় হাইকোর্ট বিভাগে বহাল থাকলে তা জারির জন্য কোন আদালতে দরখাস্ত করতে হয়?
  1. আপিল আদালতে
  2. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. জেলা আদালতে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে
ব্যাখ্যা
• জারিকারক আদালত (executing court)- কোন কোন আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ ধারা থেকে ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে। ৩৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন, সেই আদালত অথবা যে আদালতে ডিক্রিটি জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন।
• ডিক্রি জারির কাজ সর্বদা বিচারিক আদালত (Trial court) করে থাকে, এমনকি কোন ডিক্রির বিরূদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপিল বা রিভিশন করা হলে, উক্ত আপিল বা রিভিশনে প্রদত্ত ডিক্রির ক্ষেত্রেও মূল আদালত অর্থাৎ বিচারিক আদালতই (Trial court) ডিক্রি জারি করবে।

• আদেশ ২১ বিধি-১০ এর বিধান জারির আবেদন (Application for execution): ডিক্রিদার ডিক্রিটি জারি করতে চাইলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালতে আবেদন করবেন।
• ডিক্রিজারি সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি (objection) ডিক্রি জারিকারক আদালতই (executing court) নিষ্পত্তি করবে।
৮,৬৪৫.
ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ পাওয়ার কত দিন পর শুনানির দিন ধার্য করবেন?
  1. ১৫ দিন
  2. ২১ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৭ দিন
সঠিক উত্তর:
২১ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ দিন
ব্যাখ্যা
♦বিধি-৪৫ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ পাওয়ার ২১ দিন পর শুনানির দিন ধার্য করবেন।

♦ বিধি-৪৯ অনুযায়ী পদাধিকার বলে বার কাউন্সিলের সচিব ট্রাইব্যুনালের সচিব হবেন এবং ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক ইস্যুকৃত প্রত্যেকটি নোটিশ জারি করবেন।
৮,৬৪৬.
সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারার অধীনে কোন শর্ত পূরণ হলে তথ্য গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. তথ্য আসামির কাছ থেকে পাওয়া যেতে হবে
  2. তথ্যের ভিত্তিতে কিছু উদ্ধার হতে হবে
  3. উদ্ধারকৃত বস্তু অপরাধের সাথে সম্পর্কযুক্ত হতে হবে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুযায়ী, পুলিশ হেফাজতে থাকা আসামির কাছ থেকে পাওয়া কোনো তথ্য তখনই গ্রহণযোগ্য হবে, যদি তা দ্বারা কোনো বস্তু বা আলামত উদ্ধার হয় এবং সেই বস্তু অপরাধের সাথে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত হয়।
- ২৭ ধারার অধীনে তথ্য গ্রহণযোগ্য হতে হলে নিম্নলিখিত শর্তগুলো পূরণ হতে হবে:
১) তথ্য আসামির কাছ থেকে পাওয়া যেতে হবে।
২) তথ্যের ভিত্তিতে কিছু উদ্ধার হতে হবে।
৩) উদ্ধারকৃত বস্তু অপরাধের সাথে সম্পর্কযুক্ত হতে হবে।
-  তিনটি শর্তই পূরণ হলে আদালতে তথ্য গ্রহণযোগ্য হবে। 

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুযায়ী, কেবলমাত্র আসামির দেওয়া তথ্যই প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না, যদি না সেই তথ্যের ভিত্তিতে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বস্তু বা প্রমাণ উদ্ধার হয় এবং সেটি অপরাধের সাথে সম্পর্কিত হয়। তাই "উপরের সবগুলো" (উত্তর 'ঘ') একমাত্র সঠিক উত্তর।
৮,৬৪৭.
লিখিত নালিশ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করা হলে, ম্যাজিস্ট্রেট কী করবেন?
  1. নালিশ বাতিল করবেন
  2. উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশ ফেরত দিবেন
  3. নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন
  4. নালিশ গ্রহণ করবেন এবং তদন্ত শুরু করবেন
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশ ফেরত দিবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশ ফেরত দিবেন
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১[Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case]- এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে।

লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে-
আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়,তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।

মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে-
যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করা হয়,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।

(Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case)-
(1) If the complaint has been made in writing to a Magistrate who is not competent to take cognizance of the case,he shall return the complaint for presentation to the proper Court with an endorsement to that effect. 
(2) If the complaint has not been made in writing,such Magistrate shall direct the complainant to the proper Court.

৮,৬৪৮.
Which court is empowered to order restitution under Section 144?
  1. Any Civil Court
  2. Appellate Court
  3. Court of first instance
  4. High Court Division
সঠিক উত্তর:
Court of first instance
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Court of first instance
ব্যাখ্যা

Section: 144- Application for restitution:
(1) Where and in so far as a decree is varied or reversed, the Court of first instance shall, on the application of any party entitled to any benefit by way of restitution or otherwise, cause such restitution to be made as will, so far as may be, place the parties in the position which they would have occupied but for such decree or such part thereof as has been varied or reversed; and, for this purpose, the Court may make any orders, including orders for the refund of costs and for the payment of interest, damages, compensation and mesne profits, which are properly consequential on such variation or reversal.

(2) No suit shall be instituted for the purpose of obtaining any restitution or other relief which could be obtained by application under sub-section (1).

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত:
(১) যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।

৮,৬৪৯.
তামাদি আইনে বিভিন্ন দরখাস্ত দায়েরের তামাদির মেয়াদ প্রথম তফশিলের কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৫১ থেকে ১৮৩
  2. অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩
  3. অনুচ্ছেদ ১৫৫ থেকে ১৮৩
  4. অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৮৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে ৩টি বিভাগ উল্লেখ করা হয়েছে। এই ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথম বিভাগ (First Division)
মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]
- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত।

দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division)
আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]
- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত।

তৃতীয় বিভাগ (Third Division)
বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]
- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত।
৮,৬৫০.
অভিমত গ্রহণের জন্য হাইকোর্ট বিভাগের কাছে মোকদ্দমা প্রেরণ করতে পারে-
  1. যেকোনো আদালত
  2. কেবল জেলা জজ আদালত
  3. কেবল আপিল আদালত
  4. কেবল রিভিশনাল আদালত
সঠিক উত্তর:
যেকোনো আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো আদালত
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৩ ধারায় রেফারেন্সের (Reference) বিধান রয়েছে। ১১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী,
যেকোনো আদালত কোন মামলা হাইকোর্ট বিভাগের অভিমত গ্রহণের জন্য প্রেরণ করতে পারেন এবং হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মামলা সম্পর্কে উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 113: Reference of High Court Division:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, any Court may state a case and refer the same for the opinion of the High Court Division, and the High Court Division may make such order thereon as it thinks fit.

৮,৬৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধি,১৮৯৮ এর ৫৩৯খ ধারার বিধান কোন বিষয় সম্পর্কিত?
  1. Local inquiry
  2. Local inspection
  3. Forfeiture of property relating to offence
  4. Commission as to attendance of witness
সঠিক উত্তর:
Local inspection
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Local inspection
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন-
 
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।
 
২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।
 
Section 539B: Local inspection-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.
 
(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:
৮,৬৫২.
তামাদি আইনের ১০ ধারা অনুসারে, হিন্দু, মুসলিম বা বৌদ্ধ ধর্মীয় বা দাতব্য সম্পত্তির ব্যবস্থাপককে কী হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. ট্রাস্টি
  2. মালিক
  3. ঋণগ্রহীতা
  4. প্রশাসক
সঠিক উত্তর:
ট্রাস্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাস্টি
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ট্রাস্ট হিসেবে থাকা সম্পত্তির মালিক বা ব্যবস্থাপককে ট্রাস্টি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ট্রাস্ট হিসেবে থাকা সম্পত্তির মালিকের বিরুদ্ধে মামলা কোনো সময়সীমার জন্য বন্ধ হবে না। অর্থাৎ, তামাদি আইনের অন্যান্য বিধানের মতো এখানে নির্দিষ্ট সময়সীমার বাধ্যবাধকতা নেই।
- বিশেষত, হিন্দু, মুসলিম বা বৌদ্ধ ধর্মীয় বা দাতব্য সম্পত্তির ব্যবস্থাপককে ট্রাস্টি হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এই সম্পত্তি ট্রাস্টি কর্তৃক নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত বলে বিবেচিত হয়।

→ অর্থাৎ তামাদি আইনের ১০ ধারা অনুসারে, হিন্দু, মুসলিম বা বৌদ্ধ ধর্মীয় বা দাতব্য সম্পত্তির ব্যবস্থাপককে ট্রাস্টি হিসেবে গণ্য করা হয়।
---------
⇒ The Limitation Act:- Section- 10. Suits against express trustees and their representatives:
Notwithstanding anything hereinbefore contained, no suit against a person in whom property has become vested in trust for any specific purpose, or against his legal representatives or assigns (not being assigns for valuable consideration), for the purpose of following in his or their hands such property or the proceeds thereof, or for an account of such property or proceeds, shall be barred by any length of time. 
For the purposes of this section any property comprised in a Hindu, Muslim or Buddhist religious or charitable endowment shall be deemed to be property vested in trust for a specific purpose, and the manager of any such property shall be deemed to be the trustee thereof.
৮,৬৫৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী সাক্ষ্য প্রদানের জন্য কোনো ব্যক্তিকে সমন দেওয়া সত্ত্বেও তিনি হাজির না হলে আদালত তাকে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করতে পারেন?
  1. ২০০
  2. ৫০০
  3. ১০০০
  4. ২০০০
সঠিক উত্তর:
৫০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৬ বিধি-১২ সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হলে কার্যপদ্ধতি। যেক্ষেত্রে অনুরূপ ব্যক্তি হাজির না হয় বা হাজির হয়, কিন্তু আদালতকে ঐরূপ সন্তুষ্ট করতে না পারে, সেক্ষেত্রে আদালত তার জীবন যাপনের অবস্থা এবং মোকদ্দমায় যাবতীয় পরিস্থিতি বিবেচনা করে তার উপর আদালত ন্যায়সঙ্গত মনে করে এরূপ অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা আরোপ করতে পারে এবং তার সম্পত্তি কিংবা উহার যে কোন অংশ ক্রোক করার ও নিলাম বিক্রয় করার জন্য, অথবা যদি ১০ বিধি অনুসারে ইতোপূর্বে ক্রোকাবদ্ধ হয়ে থাকে, তবে তা উক্ত জরিমানার অংকসহ, যদি কোন, অনুরূপ ক্রোকের ব্যয় মিটানোর উদ্দেশ্যে নিলাম বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, ঐ ব্যক্তি উপরোক্ত খরচাদি এবং জরিমানা আদালতে পরিশোধ করলে আদালত তার সম্পত্তি ক্রোকমুক্ত হতে আদেশ দিবে।
৮,৬৫৪.
যখন কোনো ব্যক্তি নিজের আর্থিক স্বার্থের পরিপন্থী বিবৃতি প্রদান করে যা মামলার কারণ হতে পারে, এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় প্রাসঙ্গিক হয়?
  1. ৩২(৩)
  2. ৩২(৫)
  3. ৩২(৭)
  4. ৩২(৮)
সঠিক উত্তর:
৩২(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২(৩)
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৩২(৩) অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি এমন একটি লিখিত বা মৌখিক বিবৃতি প্রদান করেন যা তার নিজের স্বার্থের পরিপন্থী (against the interest of the maker), এবং ফৌজদারি বা দেওয়ানি মামলা সৃষ্টির কারণ হতে পারে, তখন সেই বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হিসেবে আদালতে গ্রহণযোগ্য হয় — যদিও ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question

Illustrations:
(a) The question is, whether A was murdered by B; or
A dies of injuries received in a transaction in the course of which she was ravished. The question is whether she was ravished by B; or
The question is whether A was killed by B under such circumstances that a suit would lie against B by A's widow.
Statements made by A as to the cause of his or her death, referring respectively to the murder, the rape and the actionable wrong under consideration are relevant facts.
৮,৬৫৫.
'খ' আগে ৩০২ ধারায় খুনের অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ছিল। কিন্তু পরে 'খ' আবার খুন করে। এক্ষেত্রে-
  1. 'খ' কে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে
  2. 'খ' কে আবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হবে
  3. 'খ' কে শুধু অতিরিক্ত অর্থদণ্ড দেওয়া হবে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
'খ' কে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' কে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা অনুযায়ী,
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি খুন করলে তার শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড।

Section 303- Punishment for murder by life-convict:
Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.
৮,৬৫৬.
কখন ডিক্রি জারির আবেদন করলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হয়?
  1. দেনাদারের বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে
  2. ডিক্রির ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে
  3. রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-২২ এর বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির বিরুদ্ধে কারণ দর্শানো (Notice to show cause against execution in certain cases): নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির আবেদন করা হলে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে উক্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই কারণ দর্শানোর নোটিশ দিবেন-
i)  ডিক্রির তারিখ হতে ২ বছরের অধিক সময় পর ডিক্রি জারি করলে; বা
ii) পক্ষের বৈধ প্রতিনিধিগণের বিপক্ষে ডিক্রি জারি করলে।
তবে নোটিশ দিতে গিয়ে অযৌক্তিক বিলম্ব বা ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হলে নোটিশ না দিলেও হবে।

⇒ আদেশ-২১, বিধি-২২: ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে নোটিশ প্রদানের বিধান- সাধারণত নোটিশ ব্যতীত ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়, তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির মামলা করলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হবে। যথা- দেওয়ানি কার্যবিধির ৫০(১) ধারা অনুযায়ী, দেনাদারের (Judgement debtor) মৃত্যু হলে তার বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করা যাবে। এক্ষেত্রে বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন হলে নোটিশ দিতে হয়। অর্থাৎ দেনাদারের বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে জারির আবেদন করতে হলে নোটিশ দিতে হয়।  ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে (Judgement debtor) নোটিশ দিতে হয়।
৮,৬৫৭.
তামাদি আইনের 'বৈধ অপারগতা' সংক্রান্ত বিধান কোন মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. স্বত্ব ঘোষণা
  2. বাটোয়ারা
  3. দখল পুনরুদ্ধার
  4. অগ্রক্রয়
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬-৭ ধারায় মামলা করার অধিকার সৃষ্টির সময় বাদী legal disability তে আক্রান্ত থাকলে তখন তামাদির মেয়াদ গণনা বন্ধ রাখার বিধান আছে। কিন্তু তামাদি আইনে ৮ ধারায় বলা আছে এই বিধান অগ্রক্রয়ের আবেদন বা মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

⇒ তামাদি আইনের ৮ ধারার বিধান: বিশেষ ব্যতিক্রম: ৬ অথবা ৭ ধারার কোন কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোন কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
উদাহরণ:
(ক) ক নাবালক থাকাকালে মিরাস আদায়ের জন্য মামলা করিবার অধিকার লাভ করে। ইহার ১১ বৎসর পর সে সাবালক হয়। সাধারণ আইন অনুসারে ক মামলা দায়ের করিবার জন্য মাত্র অবশিষ্ট এক বৎসর সময় পায়। কিন্তু ৬ ধারা ও অত্র ধারা অনুসারে সে আরও দুই বৎসর অতিরিক্ত সময় পাইবে। অর্থাৎ সাবালক হইবার পর তিন বৎসরের মধ্যে সে মামলা দায়ের করিতে পারিবে।

⇒ The Limitation Act:- Section 8: Special exceptions:
- Nothing in section 6 or in section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption, or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made.
৮,৬৫৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় চুক্তি প্রবলের কথা বলা আছে?
  1. ১৫
  2. ২৪
  3. ৩২
  4. ১২
সঠিক উত্তর:
১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২
ব্যাখ্যা
♦ চুক্তিতে শর্তসমূহ যেভাবে উল্লেখ আছে বা চুক্তির শর্তসমূহ যেভাবে কার্যকর করার বিধান চুক্তিতে উল্লেখ আছে যদি চুক্তির শর্তসমূহ সেইভাবে কার্যকর করা হয়, তাহলে চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর বা বলবৎ হয়েছে বলে গণ্য হবে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী আদালত ৪টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের আদেশ দিতে পারে।
সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য চুক্তি সম্পর্কে বলা আছে ১২ ধারায় এবং যে সব চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয় সে সম্পর্কে বলা আছে ২১ ধারায়।
৮,৬৫৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির __________ অনুসারে, আরজি দাখিলের মাধ্যমে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
  1. আদেশ ১, বিধি ১
  2. আদেশ ২, বিধি ১
  3. আদেশ ৩, বিধি ১
  4. আদেশ ৪, বিধি ১
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪, বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪, বিধি ১
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৪ বিধি ১: মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হবে:

১) আদালত অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার নিকট, আরজি উপস্থাপন করার মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দাখিল করতে হবে এবং আরজি সংশ্লিষ্ট যতজন বিবাদী থাকে, ততগুলো আরজির অবিকল নকল অনুরূপ সকল বিবাদীর উপর পরোয়ানা জারি করার জন্য পেশ করতে হবে।
১ক) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারি করার জন্য নির্ধারিত প্রদেয় কোর্ট ফি আরজি দাখিল করার সময় এবং অন্যান্য কার্যক্রমের ক্ষেত্রে যখন সমন ব্যবহার করা হয় তখন পরিশোধ করতে হবে।
১খ) সমনের একটি নকলসহ প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সকল বিবাদীর পূর্ণ ও সঠিক ঠিকানা যুক্ত যথোচিত খামে আগাম প্রদত্ত প্রাপ্তি স্বীকারপত্র আরজির সঙ্গে বাদীকে পেশ করতে হবে।

২) ৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশের বিধিসমূহ যতদূর প্রযোজ্য হয়, তদনুসারে প্রত্যেকটি আরজি প্রণয়ন করতে হবে।
৮,৬৬০.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৮১ অনুযায়ী, কর্মচারী যদি তার মালিকের সম্পত্তি চুরি করে, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৮১ অনুযায়ী কর্মচারীর দ্বারা মালিকের সম্পত্তি চুরির শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮১ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি কেরানি বা কর্মচারী হিসেবে অথবা কেরানি বা কর্মচারীর দায়িত্বে নিযুক্ত হয়ে তার মালিক বা নিয়োগকর্তার দখলে থাকা যেকোনো সম্পত্তি চুরি করে, তবে তাকে সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়া হতে পারে।
⇒ The Penal Code, 1860, Section 381: Theft by clerk or servant of property in possession of master:
- Whoever being a clerk or servant, or being employed in the capacity of a clerk or servant, commits theft in respect of any property in the possession of his master or employer, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৮,৬৬১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞার বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ৫৫
  3. ধারা ৫৬
  4. ধারা ৫৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৭
ব্যাখ্যা

ধারা ৫৭- নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞা:
ধারা ৫৬-এর উপধারা (f) সত্ত্বেও, যেখানে কোনো চুক্তিতে একটি নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য ইতিবাচক অঙ্গীকারের (affirmative agreement) পাশাপাশি একটি নেতিবাচক  অঙ্গীকার (negative agreement)ও থাকে- স্পষ্টভাবে বা পরোক্ষভাবে- অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট কাজ না করার অঙ্গীকার থাকে, সেখানে আদালত যদি সেই ইতিবাচক চুক্তির নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন (specific performance) করাতে সক্ষম না হয়, তাহলেও আদালত সেই নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞা (injunction) জারি করতে পারে; তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী এখন পর্যন্ত তার চুক্তির বাধ্যবাধক অংশ সম্পূর্ণভাবে পালন করতে ব্যর্থ হননি।

৮,৬৬২.
Under Section 57 of the Code of Civil Procedure, who has the authority to fix the scale of subsistence allowance of judgment-debtors?
  1. The Court
  2. The Government
  3. The Jail Authority
  4. The Decree holder
সঠিক উত্তর:
The Government
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Government
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি ৫৭ ধারা- খোরপোষ ভাতা:
সরকার পদপর্যাদা, গোত্র এবং জাতীয়তার ক্রমানুসারে দায়িকের খোরপোষের নিমিত্তে প্রদানযোগ্য মাসিক ভাতার হার নির্দিষ্ট করতে পারবে।

Section 57: Subsistence allowance-
The Government may fix scales, graduated according to rank, race and nationality, of monthly allowances payable for the subsistence of judgment-debtors.
৮,৬৬৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৬ বিধি ১২ তে কোন কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে বিধান রয়েছে?
  1. ফরিয়াদি হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার
  2. সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার
  3. অভিযুক্ত হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার
  4. ক এবং গ
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৬ বিধি-১২: সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হলে কার্যপদ্ধতি:

যেক্ষেত্রে অনুরূপ ব্যক্তি হাজির না হয় বা হাজির হয়  কিন্তু আদালতকে ঐরূপ সন্তুষ্ট করতে না পারে, সেক্ষেত্রে আদালত তার জীবন যাপনের অবস্থা এবং মোকদ্দমায় যাবতীয় পরিস্থিতি বিবেচনা করে তার উপর আদালত ন্যায়সঙ্গত মনে করে এরূপ অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা আরোপ করতে পারে এবং তার সম্পত্তি কিংবা উহার যে কোন অংশ ক্রোক করার ও নিলাম বিক্রয় করার জন্য, অথবা যদি ১০ বিধি অনুসারে ইতোপূর্বে ক্রোকাবদ্ধ হয়ে থাকে, তবে তা উক্ত জরিমানার অংকসহ, যদি কোন, অনুরূপ ক্রোকের ব্যয় মিটানোর উদ্দেশ্যে নিলাম বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, ঐ ব্যক্তি উপরোক্ত খরচাদি এবং জরিমানা আদালতে পরিশোধ করলে আদালত তার সম্পত্তি ক্রোকমুক্ত হতে আদেশ দিবে।
৮,৬৬৪.
'Declaratory Suit' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৪০
  2. ৪২
  3. ৪৪
  4. ৫২
সঠিক উত্তর:
৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় বলা হয়েছে, যেখানে বাদী শুধু স্বত্বের ঘোষণা [Mere Declaration of Title ] ছাড়া আরও প্রতিকার [further relief] দাবি করতে পারতো, কিন্তু তা করা হতে বিরত থাকে, সেখানে আদালত তেমন ঘোষণা দিবে না।
অর্থাৎ 'Declaratory Suit' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার বিধান।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার বিধান: মর্যাদা কিংবা অধিকার ঘোষণা সম্পর্কে আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতা:
আইনানুগ পরিচয় অথবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি এমন যেকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারে যে, তেমন মর্যাদা বা অধিকারের ব্যাপারে তার স্বত্ব অস্বীকৃতি জ্ঞাপণ করেছে বা অস্বীকৃতি জ্ঞাপণ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে ঘোষণা করতে পারেন যে, তার তেমন অধিকার রয়েছে এবং তেমন মামলায় আরও কোন প্রতিকার দাবি করা বাদীর জন্য আবশ্যক নয়।
 
- এরূপ ঘোষণার পথে প্রতিবদ্ধকতা: শর্ত থাকে যে, যেখানে দাবি কেবলমাত্র স্বত্বের ঘোষণা ব্যতীত আরও প্রতিকার দাবি করতে সমর্থ, কিন্তু তা করা হতে বিরত থাকে, সেখানে আদালত তেমন ঘোষণা প্রদান করবেন না।
 
ব্যাখ্যা: একটি সম্পত্তির জিম্মাদার এমন একটি স্বত্ব "অস্বীকার করিতে আগ্রহী ব্যক্তি”, যে জীবিত নয় এমন এক ব্যক্তির স্বত্বের প্রতিকূল এবং যদি সে বেঁচে থাকত, তবে সে তার জন্য একজন জিম্মাদার হত।
-----------------
SR Act:- Section-42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
-Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation:- A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
Illustrations:
(a) A is lawfully in possession of certain land. The inhabitants of a neighboring village claim a right of way across the land. A may sue for a declaration that they are not entitled to the right so claimed.
৮,৬৬৫.
According to Section 52 of The Specific Relief Act, 1877, Preventive relief is not granted at the discretion of the Court by ____________.
  1. Perpetual injunction
  2. Temporary injunction 
  3. Mandatory Injunction
  4. 'A' and 'B' Both
সঠিক উত্তর:
Mandatory Injunction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mandatory Injunction
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৫২ অনুসারে, বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) নিরোধক প্রতিকার (Preventive Relief) হিসেবে গণ্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৫২-এর স্পষ্ট বিধান: "Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual." অর্থাৎ, আদালত তার সুবিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে অস্থায়ী (Temporary) বা চিরস্থায়ী (Perpetual) নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করেন।
 ⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে যেহেতু 'Preventive relief is not granted বা নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় না' কথাটি বলা আছে তাই সঠিক উত্তর হবে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction)।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 52 Preventive relief how granted: Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুরের প্রক্রিয়া:- আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

 ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বা Preventive Relief এর সংজ্ঞা রয়েছে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারার (গ) অনুচ্ছেদের অধীন যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় তাকে নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বলে। অর্থাৎ যা না করার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত থাকার আদেশ প্রদানই হলো প্রতিরোধমূলক প্রতিকার।

 ⇒  সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদান করা হলেও সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার নয়। যেমন- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হলেও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) হল আদেশাত্মক প্রতিকার।

৮,৬৬৬.
অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ [Interlocutory orders] দেয়া যেতে পারে যদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু-
  1. স্থাবর সম্পত্তি হয়
  2. অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
  3. অস্থাবর সম্পত্তি হয়
  4. স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি উভয় হয়
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৬ এর বিধান অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা (Power to order interim sale): কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকলে অথবা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকলে, যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায় সঙ্গত এবং যথেষ্ট কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করার প্রয়োজন হয়, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে নিলামে বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেন।
⇒  আদেশ ৩৯ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর আগে শুনানীকাল পর্যন্ত বা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যে আদেশ দেওয়া হয় তাঁকে ad interim injunction order বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ বলা হয়।
⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর পর দরখাস্তের গুণাগুণ বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দিতে হয়, অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে দরখাস্তের গুণাগুণ যাচাইয়ের দরকার পড়ে না, বরং পরিস্থিতি খুবই জরুরি হলে এই আদেশ দেওয়া যায়।
৮,৬৬৭.
The specific Relief Act, 1877 এর কত ধারায় নেতিবাচক চুক্তি পালনে নিষেধাজ্ঞার বিধানটি রয়েছে?
  1. ৫৪ ধারা 
  2. ৫৫ ধারা 
  3. ৫৬ ধারা 
  4. ৫৭ ধারা 
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারা 
ব্যাখ্যা

Correct answer: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারামতে চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য আদালত যে নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করে তাকে Negative Injunction বা নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা বলে।

• নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা (Injunction to perform negative agreement)-
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারামতে আদালত চুক্তির ইতিবাচক অংশ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার আদেশ দিতে না পারলেও, চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিতে পারবেন।
- যেমন- A, B এর সাথে এই মর্মে চুক্তি করে যে, সে ১২ মাসের জন্য B এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং এই সময়ে সে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন করবে না। এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার জন্য B ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী নয়, কিন্তু A যেন এই সময়ে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন না করতে পারে বা তাকে গান গাওয়া হতে বিরত রাখতে B নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
-----------------
• The Specific Relief Act, 1877, Section-57. Injunction to perform negative agreement:
- Notwithstanding section 56, clause (f), where a contract comprises an affirmative agreement to do a certain act, coupled with a negative agreement, express or implied, not to do a certain act, the circumstance that the Court is unable to compel specific performance of the affirmative agreement shall not preclude it from granting an injunction to perform the negative agreement: provided that the applicant has not failed to perform the contract so far as it is binding on him.

৮,৬৬৮.
In which section of the Limitation Act is the 'Suit for compensation for act not actionable without special damage' mentioned?
  1. 22
  2. 24
  3. 25
  4. 26
সঠিক উত্তর:
24
উত্তর
সঠিক উত্তর:
24
ব্যাখ্যা
⇒ Section 24 of the Limitation Act, 1908: Suit for compensation for act not actionable without special damage:-
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results.

Illustration 
A owns the surface of a field. B owns the subsoil. B digs coal thereout without causing any immediate apparent injury to the surface, but at last the surface subsides. The period of limitation in the case of a suit by A against B runs from the time of the subsidence.
-------------
⇒ তামাদি আইনের ২৪ ধারায় বলা আছে- কোন ক্ষতি সাধিত না হলে বা কোন মামলা করার কারণ উদ্ভব হবার আগ পর্যন্ত তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে না।

- তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান মতে, যে কাজের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, সে কাজের দরুণ ক্ষতিপূরণ মামলার জন্য যখন ক্ষতি সাধিত হয় তখন থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।
৮,৬৬৯.
উভয় পক্ষের মুলতবির দরখাস্ত মঞ্জুর হলে এবং ব্যয়াদির খরচসহ আদেশসমূহ অনুমোদন করা হলে, আদালত কী নির্দেশ দেবে?
  1. খরচ বাদ দেওয়া হবে
  2. বাদীকে খরচ প্রদান করতে
  3. খরচ রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে জমা দিতে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খরচ রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে জমা দিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খরচ রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে জমা দিতে
ব্যাখ্যা
• আইনে মুলতবি [Adjournment] অর্থ হলো আদালতের কার্যপ্রণালিতে কোনো মামলার শুনানি পরবর্তী কোনো তারিখ পর্যন্ত স্থগিত বা মুলতবি করা। সাধারণত কোন মোকদ্দমার শুনানী শুরু হলে তা চলমান থাকবে। কিন্তু অনিবার্য অবস্থার প্রেক্ষাপটে মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির নাও হতে পারে এবং তখন শুনানী মুলতবির আবেদন করা প্রয়োজনীয় হয়।

• আদেশ ১৭ বিধি ১(৫)-
যেক্ষেত্রে উভয় পক্ষ কর্তৃক মুলতবির দরখাস্ত দাখিল করা হয় এবং ব্যয়াদির খরচসহ আদেশসমূহ অনুমোদন করা হয়, সেক্ষেত্রে আদালত প্রতিটি পক্ষকে রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে অনুরূপ খরচাদি জমা প্রদান করার আদেশ দিবে।

[Where applications are made by both the parties for any adjournment the applications are allowed with costs, the court shall direct each party to pay such cost as revenue to the state.]
৮,৬৭০.
খুনের মামলায় রিনা বেগম মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত হয়। পরবর্তীতে মেডিক্যাল পরীক্ষায় জানা গেলো যে, সে গর্ভবতী। এক্ষেত্রে-
  1. বিচারিক আদালত বিচার বাতিল করতে পারে
  2. হাইকোর্ট বিভাগ সাজা হ্রাস করতে পারে
  3. বিচারিক আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ সাজা হ্রাস করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ সাজা হ্রাস করতে পারে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারা-
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে, হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
 
Section 382- Postponement of capital sentence on pregnant woman-
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.
৮,৬৭১.
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ কত?
  1.  ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ বছর 
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ৬ বছর।

Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৫৪–এ ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে আদালত কবে এবং কোন অবস্থায় চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Permanent Injunction) দিতে পারে।

Limitation Act, 1908 – First Schedule, Article 120:
“Suit for which no period of limitation is provided elsewhere in this Schedule— Limitation: 6 years— Time from when the right to sue accrues.”

যেসব মামলা কোনো নির্দিষ্ট তামাদি বিধানের অধীনে পড়ে না, সেক্ষেত্রে Article 120 প্রযোজ্য হয়। চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মামলা (Permanent Injunction Suit)–এর জন্য আলাদা কোনো Article নেই। সুতরাং এর তামাদি মেয়াদ Article 120 অনুযায়ী ৬ বছর।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে “right to sue” তখনই সৃষ্টি হয় যখন- কোনো ব্যক্তি তার অধিকারে স্থায়ীভাবে হস্তক্ষেপের আশঙ্কা বা প্রকৃত হস্তক্ষেপ অনুভব করে।

৮,৬৭২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মোকদ্দমার তামাদি মেয়াদ গণনা কবে থেকে শুরু হয়?
  1. দায়ের করা মামলার দিন থেকে
  2. প্রাথমিক শুনানির দিন থেকে
  3. সম্পত্তি হতে বেদখলের সময় থেকে
  4. মামলার রায় কার্যকর হওয়ার দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি হতে বেদখলের সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি হতে বেদখলের সময় থেকে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১ম তফসিল: অনুচ্ছেদ-৩:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মোকদ্দমা;
তামাদি- ৬ মাস;
সময় গণনা শুরু- সম্পত্তি হতে বেদখলের সময়।
৮,৬৭৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-২২, বিধি-৭(১) অনুযায়ী, মহিলা পক্ষের বিবাহ হলে মামলা কী হয়?
  1. স্বামী পক্ষ হয়।
  2. মামলা বাতিল হয়।
  3. ডিক্রি বাতিল হয়।
  4. মামলা চলতে থাকে।
সঠিক উত্তর:
মামলা চলতে থাকে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা চলতে থাকে।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) মামলা চলতে থাকে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২২, বিধি-৭ এর প্রথম অংশ অনুযায়ী, কোনো মহিলা বাদী বা বিবাদীর বিবাহ হলে মামলাটি স্থগিত বা বাতিল হয় না। অর্থাৎ, মহিলা পক্ষের বিবাহ হলেও মামলাটি অব্যাহত থাকে এবং রায় প্রদান করা যায়।
দ্বিতীয় অংশে বলা হয়েছে, যদি স্বামী আইনগতভাবে স্ত্রীর দেনার জন্য দায়ী হয়, তবে আদালতের অনুমতিতে সেই রায় স্বামীর বিরুদ্ধেও কার্যকর করা যেতে পারে। তাই, মহিলা পক্ষের বিবাহ মামলার অব্যাহতিপ্রক্রিয়ায় কোন প্রভাব ফেলে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির, আদেশ-২২, বিধি-৭: মহিলা পক্ষের বিবাহের ফলে মামলা স্থগিত হবে না:
(১) কোনো মহিলা বাদী বা বিবাদীর বিবাহ হলেও মামলাটি স্থগিত হবে না, বরং মামলা অগ্রসর হয়ে রায় প্রদান করা যাবে; এবং যেখানে রায় মহিলা বিবাদীর বিরুদ্ধে থাকে, সেখানে রায় শুধুমাত্র তার বিরুদ্ধে কার্যকর করা যেতে পারে।
(২) যেখানে স্বামী আইন অনুসারে তার স্ত্রীর দেনার জন্য দায়ী, সেখানে আদালতের অনুমতি নিয়ে রায় স্বামীর বিরুদ্ধে কার্যকর করা যেতে পারে; এবং স্ত্রীর পক্ষে রায় হলে, স্বামীর আবেদনপত্রে, যেখানে স্বামী আইন অনুযায়ী রায়ের বিষয়ভিত্তিক অধিকারী, সেখানে রায় কার্যকর করার জন্য অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।

⇒ Order-XXII, Rule-7 of the Code of Civil Procedure, 1908:Suit not abated by marriage of female party:
(1) The marriage of a female plaintiff or defendant shall not cause the suit to abate, but the suit may notwithstanding be proceeded with to judgment, and, where the decree is against a female defendant, it may be executed against her alone.
(2) Where the husband is by law liable for the debts of his wife, the decree may, with the permission of the Court, be executed against the husband also; and, in the case of judgment for the wife, execution of the decree may, with such permission, be issued upon the application of the husband, where the husband is by law entitled to the subject-matter of the decree.
৮,৬৭৪.
বর্তমানে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৫৪ ধারায় পুলিশ কয়টি পরিস্থিতিতে ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করতে পারে?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ) ১১টি পরিস্থিতিতে।

Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৫৪- "কখন পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেপ্তার করতে পারে" (When police may arrest without warrant):

(১) যেকোনো পুলিশ অফিসার ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং ওয়ারেন্ট ছাড়াই নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে পারেন:

প্রথমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি একজন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে একটি আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) করেন; 

দ্বিতীয়ত, যে কোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ করা হয়েছে, বা বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে, বা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ বিদ্যমান যে তিনি এমন একটি আমলযোগ্য অপরাধ করেছেন যা সাত বছরের কম মেয়াদের বা সাত বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে, জরিমানা সহ বা ছাড়া, যদি নিম্নলিখিত শর্তগুলি পূরণ হয়, যথা:-
(i) পুলিশ অফিসারের কাছে এই ধরনের অভিযোগ, তথ্য বা সন্দেহের ভিত্তিতে বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে ওই ব্যক্তি উল্লিখিত অপরাধ করেছেন; এবং

(ii) পুলিশ অফিসার সন্তুষ্ট হন যে এই ধরনের গ্রেপ্তার করা নিম্নলিখিত কারণে প্রয়োজনীয়:
(ক) ওই ব্যক্তিকে ভবিষ্যতে কোনো অপরাধ করা থেকে বিরত রাখা; বা
(খ) অপরাধের যথাযথ তদন্তের জন্য; বা
(গ) ওই ব্যক্তিকে অপরাধের প্রমাণ অদৃশ্য করা বা কোনোভাবে সেই প্রমাণ নষ্ট করা থেকে বিরত রাখা; বা
(ঘ) ওই ব্যক্তিকে মামলার ঘটনা সম্পর্কে পরিচিত কোনো ব্যক্তিকে প্ররোচনা, হুমকি বা প্রতিশ্রুতি দেওয়া থেকে বিরত রাখা, যাতে তিনি আদালতে বা পুলিশ অফিসারের কাছে সেই ঘটনা প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকেন; বা
(ঙ) যেহেতু ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার না করলে, যখনই প্রয়োজন হবে তখন আদালতে তার উপস্থিতি নিশ্চিত করা যাবে না; এবং পুলিশ অফিসার এই ধরনের গ্রেপ্তার করার সময় তার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, যে সকল ক্ষেত্রে এই উপ-ধারার বিধানাবলী অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার প্রয়োজন হয় না, সেখানে পুলিশ অফিসার গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন;

তৃতীয়ত, যে কোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে যে তিনি এমন একটি আমলযোগ্য অপরাধ করেছেন যা সাত বছরের বেশি মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে, জরিমানা সহ বা ছাড়া, বা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় এবং পুলিশ অফিসারের কাছে সেই তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে ওই ব্যক্তি উল্লিখিত অপরাধ করেছেন;

চতুর্থত, যে কোনো ব্যক্তি যার দখলে বৈধ অজুহাত ব্যতীত, যে অজুহাত প্রমাণের ভার তার উপর বর্তাবে, ঘর ভাঙার কোনো সরঞ্জাম থাকে;

পঞ্চমত, যে কোনো ব্যক্তি যাকে এই কোডের অধীনে বা সরকারের আদেশ দ্বারা অপরাধী হিসাবে ঘোষিত করা হয়েছে;

ষষ্ঠত, যে কোনো ব্যক্তি যার দখলে এমন কিছু পাওয়া যায় যা যুক্তিসঙ্গতভাবে চুরি করা সম্পত্তি বলে সন্দেহ করা যেতে পারে এবং যাকে যুক্তিসঙ্গতভাবে সেই জিনিস সম্পর্কিত অপরাধ করার জন্য সন্দেহ করা যেতে পারে;

সপ্তমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি একজন পুলিশ অফিসারকে তার দায়িত্ব পালনে বাধা দেন, বা যিনি আইনানুগ হেফাজত থেকে পালিয়েছেন বা পালানোর চেষ্টা করছেন;

অষ্টমত, যে কোনো ব্যক্তি যাকে যুক্তিসঙ্গতভাবে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর একজন পলাতক সৈনিক বলে সন্দেহ করা হয়;

নবমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি বাংলাদেশের বাইরের কোনো স্থানে সংঘটিত কোনো কাজের সাথে জড়িত ছিলেন, বা যার বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ করা হয়েছে বা বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে বা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ বিদ্যমান যে তিনি এমন কোনো কাজের সাথে জড়িত ছিলেন, যা বাংলাদেশে সংঘটিত হলে অপরাধ হিসাবে শাস্তিযোগ্য হতো, এবং যার জন্য তিনি কোনো প্রত্যর্পণ আইন (extradition law) বা অন্য কোনো আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে গ্রেপ্তার বা আটক হওয়ার যোগ্য;

দশমত, কোনো মুক্ত দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি যিনি ৫৬৫ ধারার উপ-ধারা (৩) এর অধীনে প্রণীত কোনো বিধি লঙ্ঘন করেন;

একাদশত, যে কোনো ব্যক্তি যার গ্রেপ্তারের জন্য অন্য একজন পুলিশ অফিসারের কাছ থেকে চাহিদা (requisition) পাওয়া গেছে, যদি ওই চাহিদা পত্রে গ্রেপ্তারযোগ্য ব্যক্তির বিবরণ এবং যে অপরাধ বা অন্য কারণে গ্রেপ্তার করতে হবে তা নির্দিষ্ট করা থাকে এবং তা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, যে অফিসার চাহিদা পত্রটি জারি করেছেন তিনি ওয়ারেন্ট ছাড়াই আইনত ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারতেন। 

(২) কোনো পুলিশ অফিসার এই ধারার অধীনে কোনো ব্যক্তিকে প্রতিরোধমূলক আটকের (preventive detention) বিধানকারী কোনো আইনের অধীনে আটক করার উদ্দেশ্যে গ্রেপ্তার করবেন না।

৮,৬৭৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির প্রথম তফসিলের অন্তুর্ভুক্ত যেকোনো নিয়ম পরিবর্তন, সংশোধন বা রদবদল করার ক্ষমতা কোন কর্তৃপক্ষকে দেয়া হয়েছে?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. আইন মন্ত্রনালয়
  3. জেলা জজ আদালত
  4. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, দেওয়ানি কার্যবিধির প্রথম তফসিলের অন্তর্গত নিয়মসমূহ পরিবর্তন, সংশোধন বা রদবদল করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ আদালতকে। সুপ্রিম কোর্ট হচ্ছে সর্বোচ্চ আদালত।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১২২ ধারায় এ বিষয়ে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে। ১২২ ধারায় বলা হয়েছে:
"সর্বোচ্চ আদালত, সময় সময় সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের প্রথম তফসিলে বর্ণিত কোন বিষয়ের জন্য নিয়ম প্রণয়ন, সংশোধন বা বাতিল করতে পারবে।"
অর্থাৎ প্রথম তফসিলের আওতাধীন নিয়মসমূহ প্রণয়ন, সংশোধন এবং বাতিলের ক্ষমতা শুধুমাত্র সর্বোচ্চ আদালতের নিকট নিহিত রয়েছে। এই ক্ষমতা কোন নিম্ন আদালত বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষকে প্রদান করা হয়নি।

সুতরাং সর্বোচ্চ আদালত ছাড়া অন্য কেউ দেওয়ানি কার্যবিধির প্রথম তফসিলের নিয়মসমূহ পরিবর্তন, সংশোধন বা বাতিল করতে পারবে না।
৮,৬৭৬.
কেস ডায়েরী কে তৈরী করেন?
  1. আমলী আদালত
  2. তদন্ত কর্মকর্তা
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. বিচারিক আদালত
সঠিক উত্তর:
তদন্ত কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির  ১৭২ ধারা অনুযায়ী, প্রতিদিনের তদন্তের অগ্রগিত পুলিশ যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করেন তাকে পুলিশ ডায়েরী বলা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা বা পুলিশ ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করেন- প্রতিদিনের তদন্তের অগ্রগিত, কখন তদন্ত আরম্ভ ও শেষ করলেন, কোন স্থান পরিদর্শন করেছেন ইত্যাদি সহ তদন্ত সংক্রান্ত কার্যক্রম।
৮,৬৭৭.
According to Article 5A(2) of The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, an Advocate who has already served two consecutive terms before the Article’s enforcement –
  1. Must resign immediately
  2. Can be elected again without restriction
  3. Cannot be elected for the next term
  4. Must seek permission from the Chief Justice
সঠিক উত্তর:
Cannot be elected for the next term
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cannot be elected for the next term
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article-5A:
(1) No Advocate shall hold office of member of the Bar Council for more than two consecutive terms.

(2) An Advocate who has been elected for two consecutive terms as a member of the Bar Council immediately before this Article comes into force shall not be eligible to be elected as a member of the Bar Council for the next term.

অনুচ্ছেদ- ৫ক: 
(১) কোনো আইনজীবী দুইটি পরপর মেয়াদের বেশি সময়ের জন্য বার কাউন্সিলের সদস্য পদে অধিষ্ঠিত থাকতে পারবেন না।

(২) কোনো আইনজীবী যদি এই ধারা কার্যকর হওয়ার অব্যবহিত পূর্বে পরপর দুই মেয়াদে বার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে থাকেন, তাহলে তিনি পরবর্তী মেয়াদে বার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার জন্য যোগ্য হবেন না।
৮,৬৭৮.
সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারায় নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে আদালতের চূড়ান্ত রায় বা আদেশ প্রাসঙ্গিক নয়?
  1. বিবাহ সম্পর্কিত মামলায়
  2. দেউলিয়াত্ব সংক্রান্ত মামলায়
  3. স্বত্ত্ব ঘোষণা সংক্রান্ত মামলায়
  4. প্রবেট সংক্রান্ত মামলায়
সঠিক উত্তর:
স্বত্ত্ব ঘোষণা সংক্রান্ত মামলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বত্ত্ব ঘোষণা সংক্রান্ত মামলায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারা - প্রবেট, এখতিয়ার ইত্যাদির ক্ষেত্রে কোনো রায়ের প্রাসঙ্গিকতা:
প্রবেট, অ্যাডমিরালটি, বিবাহ ও দেউলিয়াত্ব বিষয়ক এখতিয়ার প্রয়োগকালে কোনো উপযুক্ত আদালত উহার চূড়ান্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা যখন কোনো আইনগত চরিত্র কারও উপর আরোপ করে বা কাউকে উহা হতে বঞ্চিত করে, অথবা কোনো ব্যক্তিকে অনুরূপ চরিত্রের অধিকারী অথবা নির্দিষ্ট কোনো কিছুর অধিকারী বলে ঘোষণা করে এবং সেই অধিকার কোনো ব্যক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে নহে, বরং সর্বজনীন বলে ঘোষণা করে, তখন অনুরূপ কোনো আইনগত চরিত্র বা অনুরূপ কোনো কিছুর উপর কোনো ব্যক্তির অধিকারের অস্তিত্ব যদি প্রাসঙ্গিক হয়, তবে উহা চূড়ান্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি প্রাসঙ্গিক।

- উক্ত রায় আদেশ বা ডিক্রি চূড়ান্তরুপে প্রমাণ করে যে,
 উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা যে আইনগত চরিত্র আরোপিত হয়, উহা বলবৎ হইবার সময় তাহা উদ্ভুত হইয়াছিল।
- উক্ত রায় আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা কোন ব্যাক্তিকে আইন ভিত্তিক সত্তা হইতে বঞ্চিত করা হয়, তাহা হইতে উক্ত ব্যক্তিকে উহা দ্বারা বঞ্চিত করিবার সময় উক্ত ব্যক্তি উক্ত সত্তা হারাইয়াছিল।
- এবং উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা কোন ব্যক্তিকে কোন সম্পত্তির অধিকারী ছিল বা থাকা উচিত বলিয়া ঘোষণা করা হয়, সেই সম্পত্তির উক্ত সময় তাহারই সম্পত্তি ছিল।
৮,৬৭৯.
According to Evidence Act 1872, Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a-
  1. Direct Question
  2. Indirect Question
  3. Misleading Question
  4. Leading Question
সঠিক উত্তর:
Leading Question
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Leading Question
ব্যাখ্যা

- যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে।
- সাধারণত হ্যাঁ অথবা না এর মাধ্যমেই এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
----------------------------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 141, Leading questions: Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.

৮,৬৮০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার অধীন প্রত্যার্পণ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হলে সেটি হবে একটি?
  1. রায়
  2. আদেশ
  3. ডিক্রি
  4. রিভিউ
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে- আরজি প্রত্যাখ্যান বা নাকচের সিদ্ধান্ত ও প্রত্যার্পণ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হচ্ছে ডিক্রি। ডিক্রী বা আদেশের ভিত্তিসমূহকে রায় বলে। Order এবং ডিক্রী উভয়ই আদালত কর্তৃক কোন সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক প্রকাশ। আদেশের মাধ্যমে পক্ষ সমূহের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ণয় হতেও পারে, নাও পারে। আদালতের কোন রায়কে একই আদালতে পুনঃবিবেচনার আবেদন কে রিভিউ বলে।
৮,৬৮১.
'A', 'B'- এর নিকট ৩০ শতক জমি বিক্রি করার চুক্তি করে, কিন্তু 'A' ৫ শতক জমি হস্তান্তর করতে ব্যর্থ হয়। এক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. উভয় পক্ষকে চুক্তি রদের
  2. সম্পূর্ন চুক্তি সম্পাদনের
  3. 'A' কে চুক্তি সংশোধনের
  4. 'B' কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ
সঠিক উত্তর:
'B' কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'B' কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারা:
কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।

অর্থাৎ ১৪ ধারা অনুযায়ী কোনো চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে উক্ত চুক্তি সম্পাদন করা যাবে। উক্ত ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবে।

এখানে,
চুক্তির সম্পাদিত অংশ ২৫ শতক তথা বড় এবং অসম্পাদিত অংশ ৫ শতক তথা ছোট, তাই চুক্তিটি সম্পাদন করা যাবে এবং অসম্পাদিত অংশের জন্য B-কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিবে।
৮,৬৮২.
বিচার্য বিষয় নির্ধারণের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. মামলা পরিচালনার সময় বৃদ্ধি করা
  2. উভয় পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি করা
  3. মামলার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নির্ধারণ করা
  4. বাদীর মামলা প্রতিষ্ঠিত করা
সঠিক উত্তর:
মামলার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নির্ধারণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নির্ধারণ করা
ব্যাখ্যা

বিচার্য বিষয়:
আরজি দাখিল এবং লিখিত জবাব দাখিলের পর মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো বিচার্য বিষয় নির্ধারণ এবং নিষ্পত্তি করা। দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১৪ অনুযায়ী ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যখন একপক্ষ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অন্য পক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয় উদ্ভব হয়। বিচার্য বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্য হলো মামলার প্রধান বিরোধপূর্ণ বিষয়গুলো স্পষ্ট করে তোলা, যাতে আদালত সেই বিষয়গুলোতে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

যেমন: মোকদ্দমার বিবাদী পক্ষ দাবী করলো যে মোকদ্দমাটি বিচার করার এখতিয়ার আদালতের নেই। তাহলে বিচার্য বিষয় হলো আদালতের মোকদ্দমাটি বিচার করার এখতিয়ার আছে কিনা? আবার বিবাদী পক্ষ দাবী করলো মোকদ্দমাটি রেস জুডিকাটা নীতি অনুযায়ী খারিজ হবে। তাহলে বিচার্য বিষয় হতে পারে মোকদ্দমাটি রেস জুডিকাটা নীতি অনুযায়ী খারিজ হবে কিনা?

বিচার্য বিষয় দুই প্রকার:
১. ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় [Issues of fact];
২. আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় [Issues of Law]।

কোন তথ্যগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি এক পক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে তবে, তা তথ্যগত বিচার্য বিষয় (issues of fact) হবে। কোন আইনগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি একপক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে, তবে তা আইনগত বিচার্য বিষয় (issues of law) হবে।

৮,৬৮৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে কার লিখিত অনুমতি নিয়ে গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা করতে হয়?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. প্রধানমন্ত্রীর
  3. প্রধান বিচারপতির
  4. এটর্নি জেনারেলের
সঠিক উত্তর:
এটর্নি জেনারেলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটর্নি জেনারেলের
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৯১ ধারায় বলা হয়েছে যে, এটর্নি জেনারেল বা দুই বা ততোধিক ব্যক্তি লিখিত অনুমতি নিয়ে গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা করবেন ।
⇒বিশেষ কোন ক্ষতি না হয়ে থাকলেও এই মামলা করা যাবে। তবে এটর্নি জেনারেল ছাড়া অন্য কেহ মামলা করতে হলে এটর্ণি জেনারেলের লিখিত ‍অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।
------------
CPC Section: 91. Public nuisances:

(1) In the case of a public nuisance the Attorney General, or two or more persons having obtained the consent in writing of the Attorney General, may institute a suit, though no special damage has been caused, for a declaration and injunction or for such other relief as may be appropriate to the circumstances of the case. 
 
(2) Nothing in this section shall be deemed to limit or otherwise affect any right of suit which may exist independently of its provisions.
৮,৬৮৪.
What does Section 2(2) exclude from the definition of "Decree"?
  1. Rejection of a plaint
  2. A final decision in a suit
  3. Orders of dismissal for default
  4. Determination of any question within section 144
সঠিক উত্তর:
Orders of dismissal for default
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Orders of dismissal for default
ব্যাখ্যা
• Section 2(2)-
"decree" means the formal expression of an adjudication which, so far as regards the Court expressing it, conclusively determines the rights of the parties with regard to all or any of the matters in controversy in the suit and may be either preliminary or final. It shall be deemed to include the rejection of a plaint and the determination of any question within section 144,
but shall not include- 
(a) any adjudication from which an appeal lies as an appeal from an order, or 
(b) any order of dismissal for default.

ধারা ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। নিম্নলিখিত বিষয় ডিক্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে-
⇒ আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখ্যান এবং
⇒ ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
⇒ যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
⇒ কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।
৮,৬৮৫.
দালিলিক সাক্ষ্য কতভাবে প্রমাণ করা যায়?
  1. ২ ভাবে
  2. ৩ ভাবে
  3. ৪ ভাবে
  4. ৫ ভাবে
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুসারে দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ: দলিলের বিষয়বস্তু  প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্যের দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ দালিলিক সাক্ষ্য (Documentary evidence)- আদালতের পরিদর্শনের জন্য যে সমস্ত দলিল বা লিপিবদ্ধ বস্তু উপস্থাপন করা হয় তাকে দালিলিক সাক্ষ্য বলে। সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুসারে দালিলিক সাক্ষ্য আবার দুই প্রকার- ১. প্রাথমিক সাক্ষ্য; এবং ২. মাধ্যমিক সাক্ষ্য।

--------------
⇒ Proof of contents of documents:
Section 61. The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.
৮,৬৮৬.
ক্রোককৃত সম্পত্তির ওপর অভিযুক্ত ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কেউ কত দিনের মধ্যে আপত্তি জানাতে পারবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৬ক) ধারা মতে,
যদি কারো সম্পত্তি ক্রোক করা হয় এবং সেই সম্পত্তির ওপর কারো দাবি বা আপত্তি থাকে (যিনি অভিযুক্ত ব্যক্তি নন), তাহলে তিনি সেই দাবি বা আপত্তি ক্রোকের ছয় মাসের মধ্যে জানাতে পারবেন। যদি তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে তার সম্পত্তির ওপর অধিকার আছে এবং সেটি ক্রোক করা উচিত নয়, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করা হবে। তদন্তের পর দাবি বা আপত্তি পুরোপুরি বা আংশিকভাবে গ্রহণ বা বাতিল করা যেতে পারে।

শর্ত: যদি দাবিকারী বা আপত্তিকারী মারা যান, তাহলে তার উত্তরাধিকারী সেই দাবি বা আপত্তি চালিয়ে যেতে পারবেন।
৮,৬৮৭.
যদি কোন ব্যক্তি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করতে বাধ্য করে, তাহলে সর্বাধিক কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ছয় মাস
  2. এক বছর
  3. দুই বছর
  4. তিন বছর
সঠিক উত্তর:
এক বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারা- বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা:
(১) কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

(২) কোন ব্যক্তি যদি কোন যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশ্রম বাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।
৮,৬৮৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারায় কোনটিকে সম্পত্তি হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে?
  1. Copyright
  2. Trademark
  3. Document
  4. Property mark
সঠিক উত্তর:
Trademark
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Trademark
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধানে বলা আছে যে,
বিবাদী যখন বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা ভোগ দখলে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা করার হুমকি দেয়, তখন আদালত ৫টি ক্ষেত্রে বিবাদীর বিরুদ্ধে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করেতে পারে।

(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।

ব্যাখ্যাঃ এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।

⇒ এই ধারার ব্যাখ্যা অনুসারে, এই ধারার প্রয়োগক্ষেত্রে "ট্রেডমার্ক" কে "সম্পত্তি" হিসাবে গণ্য করা হবে। এর অর্থ হল, ট্রেডমার্ক আইনগত অর্থে একটি বৈধ সম্পত্তি স্বত্বের আওতায় পড়বে এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত সকল আইনি সুরক্ষা ও বিধান ট্রেডমার্কের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, এই ব্যাখ্যার মাধ্যমে আইন ট্রেডমার্ককে সম্পত্তি হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ফলে, ট্রেডমার্কের অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে সম্পত্তি সংক্রান্ত আইনি প্রতিকার গ্রহণ করা সম্ভব হবে। এই ধরনের ব্যাখ্যা আইনের বিভিন্ন ধারায় উল্লিখিত কিছু শব্দ বা পরিভাষার অর্থ ও প্রয়োগসীমা নির্ধারণ করতে সাহায্য করে।
৮,৬৮৯.
রিসিভারের অধিকার, ক্ষমতা, ও দায়িত্ব কোন আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়?
  1. বিশেষ ক্ষমতা আইন
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি
  4. দেওয়ানি কার্যবিধি
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি
ব্যাখ্যা
⇒ আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে।
অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন।

রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

⇒ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। কিন্তু কখন কী প্রয়োজনে আদালত রিসিভার নিয়োগ করবেন বা রিসিভারের দায়িত্ব কর্তব্য বা অধিকার কী হবে ইত্যাদি সম্পর্কে বলা হয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধানতত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:- প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স—তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।
--------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-44. Appointment of receivers discretionary. Reference to Code of Civil Procedure.
- The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
- The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
৮,৬৯০.
নিচের কোন ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৮(১) প্রযোজ্য নয়?
  1. অর্থ প্রদানের ডিক্রি
  2. নিষেধাজ্ঞামূলক ডিক্রি
  3. সম্পত্তি হস্তান্তরের ডিক্রি
  4. স্থাবর সম্পত্তি বিক্রির ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞামূলক ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞামূলক ডিক্রি
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৮(১) অনুসারে, একটি ডিক্রির জারি (এক্সিকিউশন) এর জন্য আবেদন করার সময়সীমা সাধারণত ১২ বছর।
তবে এই সময়সীমা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না:
- নিষেধাজ্ঞামূলক ডিক্রি (decree granting an injunction)
- যদি জজমেন্ট-ডেবটর প্রতারণা বা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে ডিক্রি জারি বাধাগ্রস্ত করে (ধারা ৪৮(২)(ক) অনুযায়ী)
- তামাদি আইনের ১৮৩ ধারা প্রযোজ্য হয় এমন ক্ষেত্রে। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৮ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি বারিত:- নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোন ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে আবেদন করা হয়ে থাকলে ঐ একই ডিক্রি জারির জন্য নিম্নলিখিত তারিখ থেকে বার বৎসর পর প্রদত্ত কোন আবেদন অনুযায়ী একই ডিক্রি জারির জন্য আদেশ দেয়া যাবে না-
ক) যে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ; বা
খ) কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশে আবেদনকারীর প্রার্থনা মতে কোন নির্ধারিত তারিখে বা কিস্তিতে টাকা পরিশোধ অথবা সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ প্রদান করা হলে, তা লঙ্ঘনের তারিখ।

২) এই ধারার কোন বিধানই-
ক) আবেদনের তারিখের অব্যাবহিত পূর্ববর্তী বার বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারি দেওয়ার ব্যাপারে রায়সিদ্ধ দেনাদার প্রতারণা বা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা সৃষ্টি করে থাকলে উক্ত বার বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর উপস্থাপিত আবেদন মোতাবেক ডিক্রি জারির আদেশদানে আদালতকে বিরত করবে না; বা
খ) ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮৩ অনুচ্ছেদের কার্যকারীতাকে সীমাবদ্ধ বা অন্যভাবে প্রভাবিত করবে না।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 48 Limit of Time for Execution:
 Execution barred in certain cases: (1) Where an application to execute a decree not being a decree granting an injunction has been made, no order for the execution of the same decree shall be made upon any fresh application presented after the expiration of twelve years from
(a) the date of the decree sought to be executed, or,
(b) where the decree or any subsequent order directs any payment of money or the delivery of any property to be made at a certain date or at recurring periods, the date of the default in making the payment or delivery in respect of which the applicant seeks to execute the decree.

(2) Nothing in this section shall be deemed:
(a) to preclude the Court from ordering the execution of a decree upon an application presented after the expiration of the said term of twelve years, where the judgment-debtor has, by fraud or force, prevented the execution of the decree at some time within twelve years immediately before the date of the application; or
(b) to limit or otherwise affect the operation of article 183 of the First Schedule to the Limitation Act, 1908.

৮,৬৯১.
ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৮ ধারার অধীন রাষ্ট্রদ্রোহমূলক বিষয় প্রচারকারী ব্যক্তির সদাচরণের মুচলেকার আদেশ দিতে পারে-
  1. পুলিশ অফিসার
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দায়রা আদালত
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৮ ধারার বিধান: যখন জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা এই বিষয়ে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট জানতে পারেন যে, তার এখতিয়ারের মধ্যে কোন ব্যক্তি লিখিতভাবে বা মৌখিকভাবে বা অন্য কোন উপায়ে উক্ত সীমার ভিতরে বা বাইরে ইচ্ছাকৃতভাবে প্রচার করছে বা প্রচারের চেষ্টা করছে বা সহায়তা করছে।

ক) কোন বিদ্রোহাত্মক বিষয়, অর্থাৎ যা প্রচার করা দণ্ডবিধির ১২৩ক বা ১২৪ক ধারার অধীন দণ্ডনীয়, অথবা খ) কোন বিষয় যা প্রচার করা দণ্ডবিধির ১৫৩ক ধারার অধীন দণ্ডনীয়, অথবা

গ) কোন বিচারকের ব্যাপারে কোন বিষয় যা দণ্ডবিধির অধীন অপরাধজনক ভীতি প্রদর্শন বা মানহানির সামিল।

তখন উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট যদি মনে করেন যে, ব্যবস্থা গ্রহণ করার পর্যাপ্ত কারণ রয়েছে, তাহলে তিনি (অতঃপর বর্ণিত উপায়ে যে সময় নির্ধারণ যথাযথ নির্ধারণ করেন অনধিক এক বৎসর কালের জন্য উক্ত ব্যক্তি সদাচরণের নিমিত্ত জামিনদারসহ বা ব্যতিত একটি মুচলেকা কেন সম্পাদন করবেন না তার কারণ দর্শাতে বলবেন ।)  

সরকার বা সরকারের নিকট হতে এই ব্যাপারে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসারের আদেশ বা কর্তৃত্ব ব্যতিত অন্য কোন উপায়ে এর বিধানানুসারে রেজিষ্ট্রিকৃত এবং উক্ত নিয়মাবলীর সাথে সামঞ্জস্য রেখে সম্পাদিত, মুদ্রিত ও প্রকাশিত কোন প্রকাশনের সম্পাদক, মালিক, মুদ্রাকর অথবা প্রকাশকের বিরুদ্ধে এই ধারার অধীন উক্ত প্রকাশনের মুদ্রিত কোন বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না।
৮,৬৯২.
পেনাল কোডে বর্ণিত অপরাধগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন সাজা-
  1. ২৪ ঘন্টার বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা জরিমানা
  2. ২৪ ঘন্টার বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
  3. ১ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই 
  4. ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টার বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টার বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী প্রকাশ্যে মাতাল ব্যক্তির অশুভ আচরণ এর জন্য শাস্তি হতে পারে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড। ৫১০ ধারাটিতে দণ্ডবিধির সর্বনিম্ন শাস্তি উল্লেখ আছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী নেশাগ্রস্থ ব্যক্তি দ্বারা প্রকাশ্যে অসদাচরণ:- কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

----------------------------------------------------------------------- 
⇒ Section 510. Misconduct in public by a drunken person :- Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
৮,৬৯৩.
রায় স্বাক্ষরিত হলে পরবর্তীতে তা কখন সংশোধন করা যাবে?
  1. পক্ষগুলোর সম্মতির ভিত্তিতে
  2. ১৫২ ধারা অথবা পুনরীক্ষণের মাধ্যমে
  3. আদালত যদি অনুমতি দেয়
  4. রায় কখনই সংশোধন করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা অথবা পুনরীক্ষণের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা অথবা পুনরীক্ষণের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী-
রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে। এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।
৮,৬৯৪.
কয়টি ক্ষেত্রে দেওয়ানী আদালত সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের সহজাত ক্ষমতা রক্ষণের বিধান রয়েছে।
- ১৫১ ধারামতে দেওয়ানী আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

⇒  ন্যায়বিচারের জন্য অথবা আদালতের পরোয়ানার অবমাননা প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দানের ব্যাপারে আদালতের যে অনন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, এই বিধির কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না।
⇒  ১৫১ ধারার ক্ষমতা বলে দেওয়ানী আদালত অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা inherent power প্রয়োগ করতে পারেন।

⇒ এই ধারা আদালতকে একটি বিপুল ক্ষমতা দিয়েছে। ন্যায়বিচার করার জন্য বা আদালতের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করার জন্য আদালত তার সহজাত ক্ষমতাবলে যেকোন আদেশ দেওয়ার অধিকার রাখেন। আইন সমস্ত পরিস্থিতির মোকবেলা করার পূর্ণ বিধান দিতে পারে না। আইন যে সময় প্রণীত হয় সেই সময়ের পরিস্থিতি আইন প্রয়োগ হওয়ার সময় বদলে যেতে পারে; আইন প্রয়োগ হওয়ার পরে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, যা আইনপ্রণেতাগণ আইন প্রণয়নের সময় ভাবতেও পারেন নাই; এই সমস্ত কারণে এই ধারায় বলা হয়েছে, আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় সবিচারের জন্য যেকোন আদেশ দিতে পারেন।
-------------
⇒ CPC Section: 151. Saving of inherent powers of Court:
- Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
৮,৬৯৫.
মিথ্যা তথ্য পরিবেশন (Furnishing false information) সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. দণ্ডবিধির ১৭৮ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১৮১ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ১৭৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারার বিধান মিথ্যা তথ্য পরিবেশন:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারী কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

-অথবা উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে। 

------------------
♦ Furnishing false information
Section 177. Whoever, being legally bound to furnish information on any subject to any public servant, as such, furnishes, as true, information on the subject which he knows or has reason to believe to be false, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both; 
 
or, if the information which he is legally bound to give respects the commission of an offence, or is required for the purpose of preventing the commission of an offence, or in order to the apprehension of an offender, with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৮,৬৯৬.
তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদে সালিশের রোয়েদাদ রদের বিষয়ে বর্ণনা আছে?
  1. ১৪৩
  2. ১৪৭
  3. ১৪৮
  4. ১৫৮
সঠিক উত্তর:
১৫৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৮
ব্যাখ্যা
♠♠
• তামাদি আইনের ১৫৮ নম্বর অনুচ্ছেদে সালিশের রোয়েদাদ রদের বিষয়ে বর্ণনা আছে।
• তামাদি আইনে সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য বা তা পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে প্রেরণ করার জন্য ১৯৪০ সালের সালিশী আইন অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে দরখাস্ত করতে হয়। 
৮,৬৯৭.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৬ অনুযায়ী, লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা _______ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
  1. এক
  2. দুই
  3. তিন
  4. ছয়
সঠিক উত্তর:
ছয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৬:
- লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
- তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে: চুক্তি নিবন্ধিত না হলে যখন মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে তখন থেকে।
৮,৬৯৮.
'খ' একজন বৃটিশ নাগরিক। সে রংপুরে একটি খুনের অপরাধ সংঘটিত করে। উক্ত খুনের দায়ে "খ" এর বিচার কোন আইন অনুযায়ী হবে?
  1. জাতিসংঘের আইন অনুযায়ী।
  2. বাংলাদেশের দণ্ডবিধি অনুযায়ী।
  3. শুধু ব্রিটেনের আইন অনুযায়ী।
  4. খ এর বিচার বাংলাদেশে হবে না।
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের দণ্ডবিধি অনুযায়ী।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের দণ্ডবিধি অনুযায়ী।
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই পেনাল কোডের অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশী নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা পেনাল কোডে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশী কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।
♦দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i)  বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
৮,৬৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৪ ধারা কোন বিষয়ে বিধান রয়েছে?
  1. বিচারকের ক্ষমতা ও দায়িত্ব
  2. সাক্ষী জেরার নিয়মকানুন
  3. আদালতের এখতিয়ার নির্ধারণ
  4. মেট্রোপলিটন এলাকায় সাক্ষীর ক্ষেত্রে কমিশন
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন এলাকায় সাক্ষীর ক্ষেত্রে কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন এলাকায় সাক্ষীর ক্ষেত্রে কমিশন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৪ ধারা মূলত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন সংক্রান্ত একটি বিশেষ পরিস্থিতির কথা বলে, যখন সাক্ষী কোনো মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে অবস্থান করেন।
- এই ধারার অধীনে: যদি সাক্ষী মেট্রোপলিটন এলাকার আওতাভুক্ত হন, তাহলে মামলার ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত সেই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে কমিশন প্রদান করতে পারেন।
- চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট চাইলে এই দায়িত্ব তাঁর অধীনস্থ অন্য কোনো মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে অর্পণ করতে পারেন।
- অর্থাৎ, ধারা ৫০৪ সরাসরি "মেট্রোপলিটন এলাকায় সাক্ষীর ক্ষেত্রে কমিশন" বিষয়েই বিধান দেয়।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর: ঘ) মেট্রোপলিটন এলাকায় সাক্ষীর ক্ষেত্রে কমিশন

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৪ ধারার বিধান: মেট্রোপলিটন এলাকায় সাক্ষীর ক্ষেত্রে কমিশন:
(১) সাক্ষী যদি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধিক্ষেত্রের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থান করে, সেক্ষেত্রে কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে কমিশন করতে নির্দেশ দিবেন এবং তিনি এরূপভাবে সাক্ষীকে হাজির করে তার সাক্ষ্য এমনভাবে গ্রহণ করবেন যাতে তার নিজের কাছেই মামলাটি পেন্ডিং আছে।
(২) এই ধারার অধীন চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে কমিশন দেয়া হলে তিনি কমিশনে প্রদত্ত যাবতীয় ক্ষমতা ও কর্তব্য তার অধীনস্ত কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর ন্যস্ত করতে পারবেন।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-504: Commission in case of witness being within a Metropolitan Area:
(1) If the witness is within the local limits of the jurisdiction of any Metropolitan Magistrate, the Magistrate or Court issuing the commission may direct the same to such Metropolitan Magistrate, who thereupon may compel the attendance of, and examine, such witness as if he were a witness in a case pending before himself.
(2) When a commission is issued under this section to the Chief Metropolitan Magistrate, he may delegate his powers and duties under the commission to any Metropolitan Magistrate subordinate to him.
৮,৭০০.
ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করার প্রাথমিক শর্তসমূহ কী কী?
  1. অপরাধী মন
  2. দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য
  3. ক ও খ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
• কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করতে প্রধানত ২টি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়।
(i) অপরাধী মন [Mens Rea] এবং
(ii) দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য [Actus Rea]