বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৮৬ / ১২৬ · ৮,৫০১৮,৬০০ / ১২,৬০৫

৮,৫০১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় সামরিক বাহিনীর সহায়তায় সমাবেশ ছত্রভঙ্গের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১২৮
  2. ধারা ১২৯
  3. ধারা ১৩০
  4. ধারা ১৩১
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৯
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২৯-এ বলা হয়েছে, যখন কোন বেআইনি সমাবেশ অন্য কোনো পদ্ধতিতে ছত্রভঙ্গ করা সম্ভব না হয় এবং জনসুরক্ষার জন্য তা ছত্রভঙ্গ করা প্রয়োজন, তখন সর্বোচ্চ পদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা মহানগর এলাকায় পুলিশ কমিশনার সামরিক বাহিনীর সাহায্যে সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করাতে পারেন। অর্থাৎ, এই ধারা সামরিক বাহিনীর সহায়তায় বেআইনি সমাবেশ ভাঙার ক্ষমতা সরবরাহ করে।
- এ কারণেই সামরিক বাহিনীর সহায়তায় সমাবেশ ছত্রভঙ্গের বিধান ধারা ১২৯-এ রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৯ ধারায় দেয়া আছে:
কোন বেআইনি সমাবেশ যদি অন্য কোনোভাবে ছত্রভঙ্গ করা না যায় এবং জন নিরাপত্তার জন্য যদি উহা ছত্রভঙ্গ করা দরকার মর্মে গণ্য হয়, সেক্ষেত্রে উপস্থিত সর্বোচ্চ পদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা মহানগরী এলাকা হলে, সেখানকার পুলিশ কমিশনার সামরিক শক্তির মাধ্যমে উহা ছত্রভঙ্গ করাতে পারবেন।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 129- Use of military force:
If any such assembly cannot be otherwise dispersed. and if it is necessary for the public security that it should be dispersed, the Executive Magistrate of the highest rank who is present or the Police Commissioner in a Metropolitan Area may cause it to be dispersed by military force.

৮,৫০২.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের কোন কলামে দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তির বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. ২য়
  2. ৩য়
  3. ৫ম
  4. ৭ম
সঠিক উত্তর:
৭ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ম
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে, যা নিম্নরূপ-

-দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule)
১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ;
২য় কলাম- অপরাধ;
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ;
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা;
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য;
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা;
৭ম কলাম- দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি;
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
৮,৫০৩.
ম্যাজিস্ট্রেট কোন পরিস্থিতিতে কবর থেকে লাশ তুলে পরীক্ষা করাতে পারেন?
  1. যখন পুলিশ অনুরোধ করে
  2. যখন পরিবারের সদস্যরা অনুমতি দেয়
  3. মৃত্যুর কারণ আবিষ্কারের জন্য
  4. ধর্মীয় রীতি পালনের জন্য
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর কারণ আবিষ্কারের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর কারণ আবিষ্কারের জন্য
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তদন্ত:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।

(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা:
যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।

Section 176- Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.

(2) Power to disinter corpses-
Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
৮,৫০৪.
আদেশ-২১, বিধি ৮৯ অনুসারে বিক্রয় রদের আবেদনপত্রের সাথে ক্রয়মূল্যের কী পরিমাণ টাকা আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ৫%
  2. ১০%
  3. ১৫%
  4. ২৫%
সঠিক উত্তর:
৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫%
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৮৯ এর বিধান টাকা জমা দিয়ে নিলামে বিক্রয় রদের আবেদন (Application to set aside sale on deposit): ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় হলে উক্ত সম্পত্তির মালিক নিলাম বিক্রয়ের রদের জন্য নিম্নোক্ত টাকা আদালতে জমা দিয়ে আবেদনপত্র দাখিল করতে পারে-
 ক্রয় মূল্যের ৫% অর্থ ক্রেতাকে প্রদানের জন্য; এবং
 ডিক্রিদার পূর্বে কোন টাকা গ্রহণ করলে তা বাদ দিয়ে যে পরিমাণ টাকার জন্য নিলাম বিক্রয়ের আদেশ হয়েছে তা ডিক্রিদারকে প্রদানের জন্য।

তামাদি আইনের  অনুচ্ছেদ: ১৬৬ মতে উক্ত আবেদন নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ৩০ দিনের মধ্যে করতে হবে।
------------------------- 
Order-21 Rule-89.Application to set aside sale on deposit:
(1) Where immovable property has been sold in execution of a decree, any person, either owing such property or holding an interest therein by virtue of a title acquired before such sale, may apply to have the sale set aside on his depositing in Court,−
(a) for payment to the purchaser, a sum equal to five per cent. of the purchase-money, and
(b) for payment to the decree-holder, the amount specified in the proclamation of sale as that for the recovery of which the sale was ordered, less any amount which may, since the date of such proclamation of sale, have been received by the decree-holder.

(2) Where a person applies under rule 90 to set aside the sale of his immovable property, he shall not, unless he withdraws his application, be entitled to make or prosecute an application under this rule.

(3) Nothing in this rule shall relieve the judgment-debtor from any liability he may be under in respect of costs and interest not covered by the proclamation of sale. 
৮,৫০৫.
'ক' জীবন কালের জন্য 'খ' কে জমি উইল করে দেয় এবং 'গ' -কে পরবর্তী অধিকারী উল্লেখ করে । 'ক' মারা যায়। 'খ' জমিতে প্রবেশ করে। কিন্তু 'গ', 'খ' এর সম্মতি ছাড়াই স্বত্বের দলিলসমূহ হস্তগত করে। এক্ষেত্রে প্রতিকার কী?
  1. কোনো প্রতিকার নেই
  2. 'খ', 'গ' এর বিরুদ্ধে ১০ ধারায় স্বত্বের দলিলসমূহ উদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  3. 'খ', 'গ' এর বিরুদ্ধে ৯ ধারায় স্বত্বের দলিলসমূহ উদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  4. 'খ', 'গ' এর বিরুদ্ধে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
সঠিক উত্তর:
'খ', 'গ' এর বিরুদ্ধে ১০ ধারায় স্বত্বের দলিলসমূহ উদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ', 'গ' এর বিরুদ্ধে ১০ ধারায় স্বত্বের দলিলসমূহ উদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ১: এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে, সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
ব্যাখ্যা- ২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
-------------------------------
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী,
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধার করা যেতে পারে দেওয়ানী কার্যবিধিতে উল্লেখিত পন্থা অনুযায়ী। ১০ ধারার অধীন প্রদত্ত ডিক্রি দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ আদেশের ৩০ থেকে ৩১ বিধি অনুযায়ী কার্যকর করা যায়। ১০ ধারায় সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যেমন “ট্রাস্টি বা সম্পত্তি বর্তমান দখলে রাখার কোনো বিশেষ বা অস্থায়ী অধিকার আছে এমন ব্যক্তিও যেমন জিম্মাদার, পণ্য বন্ধকগ্রহীতা, বা হারানো পণ্য খুঁজে পেয়েছে এমন কোনো ব্যক্তিও মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

উদাহরণ: A জীবন কালের জন্য B কে জমি উইল করে দেয় এবং C -কে পরবর্তী অধিকারী উল্লেখ করে । A মারা যায়। B জমিতে প্রবেশ করে। কিন্তু C, B এর সম্মতি ছাড়াই স্বত্বের দলিলসমূহ গ্রহণ করে। স্বত্বের দলিলসমূহ উদ্ধারের জন্য B, C এর বিরুদ্ধে ১০ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
৮,৫০৬.
‘C’ ‘Y’-এর দিকে মুষ্টি তুলে ভয় দেখায়, জেনে যে এটি ‘Y’-কে মনে করতে পারে যে তার উপর আঘাত করা হবে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘C’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩৪৯
  2. ধারা ৩৫০
  3. ধারা ৩৫১
  4. ধারা ৩৫২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫১
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৫১ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি এমন অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি করে যা অন্য ব্যক্তিকে এই ভয় সৃষ্টি করে যে তার উপর অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করা হতে পারে, তবে তা আক্রমণ (Assault) বলে গণ্য হয়। এখানে, ‘C’ ইচ্ছাকৃতভাবে ‘Y’-এর দিকে মুষ্টি তুলে ভয় দেখায়, জেনে যে এটি ‘Y’-কে মনে করতে পারে যে তার উপর আঘাত করা হবে। এটি ধারা ৩৫১-এর অধীনে আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

অন্যান্য অপশন:
ক) ধারা ৩৪৯: এটি বলপ্রয়োগের সংজ্ঞা দেয়, কিন্তু কোনো শাস্তিযোগ্য অপরাধ নির্দেশ করে না।
খ) ধারা ৩৫০: এটি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ সংজ্ঞায়িত করে, যেখানে শারীরিক বল প্রয়োগ করা হয়। এখানে ‘C’ শুধু ভয় দেখিয়েছে, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
ঘ) ধারা ৩৫২: এটি আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের শাস্তি নির্ধারণ করে, কিন্তু প্রশ্নে কোন ধারার অধীনে অপরাধী হবে তা জানতে চাওয়া হয়েছে, এবং ধারা ৩৫১ অপরাধটি সংজ্ঞায়িত করে।
সুতরাং, ‘C’ ধারা ৩৫১-এর অধীনে অপরাধী হবে।
------
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান আক্রমণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'চ'-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে 'চ' যাতে বিশ্বাস করে যে 'ক' তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই 'ক' তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ: হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে । 'ক' আক্রমণ করেছে।
(খ) ক একটি হিংস্র কুকুরের মুখ বন্ধনী খুলতে শুরু করে। চ যাতে বিশ্বাস করে যে, ক কুকুরটিকে দিয়ে তাকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যেই কুকুরটির মুখ বন্ধনী খুলে দিচ্ছে, এই উদ্দেশ্যেই, অথবা চ এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও ক এই কাজ করে। ক-চ এর উপর আক্রমণ করেছে।
(গ) ক একটি ছুড়ি ঘুরাতে ঘুরাতে চ-কে বলিল, “তোমাকে পিটুনি দেব।” এখানে যদিও কেবল ক-এর ব্যবহৃত কথাগুলি কোনক্রমেই আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে না, এবং যদিও অপর কোন অনুষঙ্গ ব্যতীত কেবল ক-এর অঙ্গভঙ্গি আক্রমণতৃল্য নয়, তবুও অঙ্গভঙ্গি ও তার আনুষঙ্গিক ব্যাখ্যামূলক কথাগুলি মিলিয়ে আক্রমণ বলে পরিগণিত হবে।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-351:Assault:
-Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault. 

- Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault. 
Illustrations:
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault.
(b) A begins to unloose the muzzle of a ferocious dog, intending, or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that he is about to cause the dog to attack Z. A has committed an assault upon Z. 
(c) A takes up a stick, saying to Z, "I will give you a beating". Here, though the words used by A could in no case amount to an assault, and though the mere gesture, unaccompanied by any other circumstances, might not amount to an assault, the gesture explained by the words may amount to an assault.

৮,৫০৭.
দণ্ডবিধির অধীন জরিমানা প্রদানের ব্যর্থতার কারণে যে কারাদণ্ড আরোপ করা হয়, তা কখন সমাপ্ত হয়?
  1. জরিমানা পরিশোধ করা হলে
  2. আইনগত প্রক্রিয়ায় জরিমানা আদায় করা হলে
  3. ক বা খ
  4. জরিমানা আদায়ের সময়সীমা শেষ হলে
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৬৮ ধারা- অর্থদণ্ড আদায়ে কারামুক্তি:
জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে যে কারাদণ্ড আরোপ করা হয়, তা সমাপ্ত হবে যখনই সেই জরিমানা পরিশোধ করা হয় অথবা আইনগত প্রক্রিয়ায় আদায় করা হয়।

Section 68- Imprisonment to terminate on payment of fine:
The imprisonment which is imposed in default of payment of a fine shall terminate whenever that fine is either paid or levied by process of law.
৮,৫০৮.
'ক' একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। 'ক'- এর গুলিবর্ষণের কাজ-
  1. ৭৬ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে
  2. ৭৬ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না
  3. ৭৭ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে
  4. ৭৭ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না
সঠিক উত্তর:
৭৬ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৬ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান- আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশত নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলিয়া বিশ্বাসকারী ব্যক্তি বিশেষে কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:
যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনত বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশতঃ কাজটি করতে আইনত বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।

উদাহরণসমূহ:
ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।

খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর; 'খ'- কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।
৮,৫০৯.
একজন এ্যাডভোকেটকে হাইকোর্ট বিভাগে আইন ব্যবসা করার অনুমতি প্রাপ্তির জন্য অধঃস্তন আদালতে অন্যূনতম কত বৎসর আইন ব্যবসা করতে হবে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বৎসর
  3. ২ বৎসর
  4. ৩ বৎসর
সঠিক উত্তর:
২ বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বৎসর
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর ২১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে হাইকোর্টে আইন পেশা করার অনুমতির জন্য এডভোকেট হিসাবে অধঃস্তন আদালতে অন্যূন ২ বৎসর আইন ব্যবসা করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
৮,৫১০.
ধারা ৯২ অনুযায়ী, হাজিরার মুচলেকা ভঙ্গের কারণে পরোয়ানা জারি হয়, যদি:
  1. ব্যক্তি আদালতে উপস্থিত না হয়
  2. আদালত জামিন না দেয়
  3. যখন ব্যক্তির বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ দায়ের হয়
  4. ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হয়
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি আদালতে উপস্থিত না হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি আদালতে উপস্থিত না হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৯২: হাজিরার মুচলেকা ভঙ্গ করলে গ্রেফতার -
যখন কোনো ব্যক্তি, যাকে এই কোড অনুযায়ী আদালতের সামনে হাজির হওয়ার জন্য মুচলেকা নেওয়া হয়েছে, আদালতে উপস্থিত হয় না, তখন সেই আদালতে সভাপতিত্বকারী কর্মকর্তা একটি পরোয়ানা জারি করতে পারেন, যা নির্দেশ দিবে যে, ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে আদালতে উপস্থিত করানো হোক।

Section 92- Arrest by breach of bond for appearance:
When any person who is bound by any bond taken under this Code to appear before a Court, does not so appear, the officer presiding in such Court, may issue a warrant directing that such person be arrested and produced before him.
৮,৫১১.
What kind of imprisonment is prescribed for failure to give security for keeping the peace?
  1. Life imprisonment
  2. Simple imprisonment
  3. Rigorous imprisonment
  4. No imprisonment is given
সঠিক উত্তর:
Simple imprisonment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Simple imprisonment
ব্যাখ্যা
Section 123(5)- Kind of imprisonment
Imprisonment for failure to give security for keeping the peace shall be simple. 


ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২৩(৫)- কারাদণ্ডের প্রকারঃ
শান্তিরক্ষার মুচলেকা প্রদান করতে না পারার দরুণ যে কারাদণ্ড হবে তা বিনাশ্রম হবে।
৮,৫১২.
মোকদ্দমা শুনানীর নির্ধারিত তারিখে বাদী এবং বিবাদী উভয় পক্ষ হাজির না হলে, আদালত মোকদ্দমা-
  1. এক তরফা নিষ্পত্তি করতে পারেন
  2. স্থগিত করতে পারেন
  3. চালিয়ে যাবেন
  4. খারিজ করে দিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
খারিজ করে দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারিজ করে দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ আদেশে মোকদ্দমার প্রথম শুনানীতে পক্ষগণের উপস্থিতি এবং অনুপস্থিতির সম্পর্কিত পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে।

• আদেশ ৯ বিধি ৩ অনুসারে, মোকদ্দমার কোন পক্ষই উপস্থিত না হলে-

মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত তারিখে যদি বাদী এবং বিবাদী উভয় পক্ষ হাজির না হয়, আদালত মোকদ্দমা খারিজ করে দিতে পারে।
[Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed]

• প্রদত্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার (বিধি ৪) :
১- উল্লিখিত কারণে মোকদ্দমা খারিজ হলে, উক্ত খারিজের বিরুদ্ধে বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
২- খারিজ আদেশ রদ করতে আদেশের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে পারে। 
৮,৫১৩.
রমেশ ও সুমন একসাথে ডাকাতি করেছিল। পরে তাদের আটক করা হয়। বিচারকালীন সময়ে রমেশ আদালতে হাজির হয়ে সুমনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয় এবং বলে যে সুমনই মূল অপরাধী ছিল এবং সে শুধুমাত্র সুমনের সহযোগী ছিল। এক্ষেত্রে রমেশের সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে সুমনকে-
  1. সাজা দেয়া যাবে না
  2. সাজা দিলে অবৈধ হবে
  3. সাজা দিলে বেআইনী হবে না
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
সাজা দিলে বেআইনী হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাজা দিলে বেআইনী হবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩৩- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
 
Section 133- Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.

এক্ষেত্রে, রমেশকে সুমনের 'দুষ্কর্মের সহযোগী' বলে গণ্য করা যায়। যদিও রমেশই একমাত্র সাক্ষী এবং তার সাক্ষ্য অসমর্থিত, তবুও শুধুমাত্র এই কারণে সুমনের বিরুদ্ধে দেওয়া সাজা বেআইনী হবে না। কারণ আদালত রমেশের সাক্ষ্যকে গুরুত্ব দিয়ে এবং অন্যান্য পরিস্থিতি বিবেচনা করে সুমনকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারে। এক্ষেত্রে শুধু এই কারণে যে রমেশের সাক্ষ্য অসমর্থিত ছিল তা সাজাকে বেআইনী করবে না। অবশ্য এটা আদালতের বিবেচনার বিষয় যে, রমেশের সাক্ষ্যকে কতটুকু গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং অন্যান্য প্রমাণসমূহকে বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
৮,৫১৪.
‘ক’ একটি রাস্তার পাশের জমির মালিক। ‘খ’ তার জমির নিচে টানেল তৈরি করে, যা তাৎক্ষণিকভাবে ‘ক’-এর জমির কোনো ক্ষতি করেনি। কয়েক বছর পর টানেলের কারণে ‘ক’-এর জমির একটি অংশ ধসে পড়ে। ‘ক’ যদি ক্ষতিপূরণ মোকদ্দমা দায়ের করতে চায়, তবে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে-
  1. যখন ‘খ’ টানেল তৈরি শুরু করে
  2. যখন টানেল তৈরি শেষ হয়
  3. যখন ‘ক’-এর জমি ধসে পড়ে
  4. 'ক' যে দিন মামলা দায়ের করে সে দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
যখন ‘ক’-এর জমি ধসে পড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন ‘ক’-এর জমি ধসে পড়ে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান মতে,
যে কাজের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত নাহলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, সে কাজের দরুন ক্ষতিপূরণ মামলার জন্য যখন ক্ষতি সাধিত হয় তখন থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।

⇒ তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান:
যে কার্যের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হইলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, তদ্রূপ কার্যের দরুন ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয়, তখন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।

উদাহরণ:
'ক' একটি জমির উপরিভাগের মালিক। 'খ' ঐ জমির ভূগর্ভের মালিক। উপরিভাগের তাৎক্ষণিক স্পষ্ট কোন ক্ষতি না করিয়া ভূ-গর্ভ হইতে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু অবশেষে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এইক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের তামাদির মেয়াদ ধসিয়া পড়ার সময় হইতে শুরু হইবে।
৮,৫১৫.
সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় কোন বিষয় প্রাসঙ্গিক ধরা হয়েছে?
  1. উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ
  2. অভিন্ন অভিপ্রায় এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
  3. যে সব ঘটনা বিচার্য ঘটনার উপলক্ষ, কারণ বা ফলাফল
  4. যে সব ঘটনা দেহের অবস্থা, জ্ঞান, সরল বিশ্বাস, অবহেলা, অনুভূতি প্রকাশ করে
সঠিক উত্তর:
অভিন্ন অভিপ্রায় এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিন্ন অভিপ্রায় এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় Criminal Conspiracy (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) এবং Common Intention (অভিন্ন অভিপ্রায়) সম্পর্কে বলা আছে।

ধারা ১০: অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ:
দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একযোগে কোন অপরাধ বা নালিশ যোগ্য অন্যায় কার্য করার ষড়যন্ত্র করেছে, এরূপ বিশ্বাস করার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে; তবে তাদের যেকোন একজনের উক্তি, ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা পোষণ করার পর তাদের ঐ সাধারণ ইচ্ছা সম্পর্কে তাদের মধ্যে যেকোন একজনের কোন কথা, কার্য বা লেখা ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে, এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক ঘটনা, ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তা প্রাসঙ্গিক; তেমনি কোন ব্যক্তি যে উক্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তা প্রমাণ করার জন্য তাও প্রাসঙ্গিক।

⇒ যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে কোন অপরাধ সংঘটন করে এবং সেই অভিন্ন অভিপ্রায়ের লক্ষ্যে করা কোন এক জনের কথা, কাজ বা বিবৃতি প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।

Section 10- Things said or done by conspirator in reference to common design:
Where there is reasonable ground to believe that two or more persons have conspired together to commit an offence or an actionable wrong, anything said, done or written by any one of such persons in reference to their common intention, after the time when such intention was first entertained by any one of them, is a relevant fact as against each of the persons believed to be so conspiring, as well for the purpose of proving the existence of the conspiracy as for the purpose of showing that any such person was a party to it.
৮,৫১৬.
সাক্ষ্য আইনের ১১৬ ধারার Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতি কোন ধরনের সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়?
  1. অস্থাবর সম্পত্তি
  2. স্থাবর সম্পত্তি
  3. স্থানান্তরযোগ্য সম্পত্তি
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১১৬ ধারায়, দুইটি ক্ষেত্রে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ক্ষেত্র ২ টি নিম্নরূপ:

১। ভাড়াটিয়া এবং মালিকের মধ্যে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধা:
একজন বাড়িওয়ালা (landlord) ভাড়ার বিনিময়ে একজন ভাড়াটিয়া (tenant)’কে তার দোকানে ভাড়া প্রদান করলে, ভাড়াটিয়া পরবর্তীতে উক্ত সম্পর্ক অস্বীকার করতে পারবে না।

২। অনুমতি প্রাপক (licensee) এবং অনুমতি দাতা (licensor)’র মধ্যে Estoppel (এস্টপেল) বা স্বকার্যজনিত বাধা:
অনুমতি নিয়ে কেউ দখল ফেলে পরবর্তীতে সেই অনুমতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না। যদি কেউ অনুমতি নিয়ে কোন রাস্তাও ব্যবহার করে, পরবর্তীতে সেটিকে সরকারী বা অধিকার বলে দাবী করতে পারবে না, কেননা অনুমতি নিয়ে পরে সেটি অস্বীকার করলে সাক্ষ্য আইনে ১১৬ ধারার Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতিতে বাধা প্রাপ্ত হবে।

এই ধারার অধীন Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতি শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন, বাড়ি, জমি ইত্যাদির ভাড়াটিয়াকে মালিকের মালিকানা স্বত্ব অস্বীকার করা হতে বাধা প্রদান করা হয়েছে। কেননা, বাড়ির মালিকের সাথে ভাড়াটিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি থাকে এবং অনুমতি প্রদানকারীর সাথেও অনুমতি দাতার একটি চুক্তি থাকে।
৮,৫১৭.
'ক', 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' তা 'গ'-এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পর 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এ মর্মে একটি জাল দলিল দাখিল করে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবেই 'খ' কে হস্তান্তর প্রদান করা হয়েছিল। 'গ' এই জাল দলিল-
  1. বাতিলের আদেশ পেতে পারে
  2. সংশোধনের আদেশ পেতে পারে
  3. যথাযথ ভাবে সম্পাদনের আদেশ পেতে পারে
  4. সুনির্দিষ্ট ভাবে সম্পাদনের আদেশ পেতে পারে
সঠিক উত্তর:
বাতিলের আদেশ পেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিলের আদেশ পেতে পারে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৩৯ অনুযায়ী, যে কোনো অবৈধ বা জাল দলিল বাতিল করার জন্য আদালতে আবেদন করা যায়। আর এক্ষেত্রে 'ঘ' দ্বারা প্রদর্শিত দলিলটি জাল হওয়ায়, আদালত 'গ' এর আবেদন গ্রহণ করে জাল দলিলটি বাতিল করতে পারবে।

•৩৯ ধারা: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।

(ক) একটি জাহাজের মালিক প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্র যাত্রার উপযুক্তমর্মে উল্লেখপূর্বক একজন দায়গ্রাহক 'খ' কে উক্ত জাহাজের বীমা করতে প্রবৃত্ত করে। 'খ' বীমা পলিসির বিলুপ্তি পেতে পারে।

(খ) 'ক', 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' তা 'গ'-এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পর 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এ মর্মে একটি জাল দলিল দাখিল করে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবেই 'খ' কে হস্তান্তর প্রদান করা হয়েছিল। 'গ' এই জাল দলিলের বাতিলের আদেশ পেতে পারে।

(গ) 'ক' তার জমির, সকল প্রজা উচ্ছেদযোগ্য, এ বিবরণ প্রদান পূর্বক 'খ' এর নিকট জমি বিক্রয় করে। ১৮৭৭ সালের ১লা জানুয়ারী তারিখে একটি দলিলের মাধ্যমে 'খ' এর নিকট তা হস্তান্তর করে। এই তারিখের পরপরই ১৮৭৬ সালের পহেলা অক্টোবরের তারিখ দিয়ে 'ক' প্রতারণামূলকভাবে 'গ' কে উক্ত জমির অংশবিশেষ ইজারা প্রদান করে এবং নিবন্ধন আইন অনুসারে ইজারা নিবন্ধন করা হয়। 'খ' এ ইজারার বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
 
(ঘ) 'ক' একটি জাহাজ 'খ' এর নিকট অর্পণে সম্মত হল। যার জন্য 'খ' কে ৪টি হুণ্ডির মারফত ৩০,০০০ টাকা প্রদান করতে হবে, যা 'ক' গ্রহণ করবে। হুণ্ডিসমূহ প্রণয়ন ও গ্রহণ করা হল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী জাহাজ প্রদান করা হল না। 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে একটি হণ্ডি প্রসঙ্গে মামলা দায়ের করল। 'খ' সকল হুণ্ডির বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
৮,৫১৮.
রিভিশন মামলায় একটি ডিক্রী হাইকোর্ট বিভাগে বহাল হলে তা জারীর জন্য কোন আদালতে দরখাস্ত করতে হয়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. মামলার বিষয়বস্তু যে আদালতের সীমানায় ঐ আদালতে
  3. জেলা আদালতে
  4. ডিক্রী প্রদানকারী আদালত
সঠিক উত্তর:
ডিক্রী প্রদানকারী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রী প্রদানকারী আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১০ এর বিধান জারির আবেদন (Application for execution): ডিক্রিদার ডিক্রিটি জারি করতে চাইলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালতে আবেদন করবেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-৩৮ এর বিধান যে আদালত কর্তৃক ডিক্রি জারি করা যায়: যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন, ঐ আদালত বা যে আদালতে তা জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে, ঐ আদালত ডিক্রি জারি করতে পারে।

⇒ জারিকারক আদালত (executing court)- কোন কোন আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ ধারা থেকে ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে। ৩৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন, সেই আদালত অথবা যে আদালতে ডিক্রিটি জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন।

⇒ ডিক্রি জারির কাজ সর্বদা বিচারিক আদালত (Trial court) করে থাকে, এমনকি কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপিল বা রিভিশন করা হলে, উক্ত আপিল বা রিভিশনে প্রদত্ত ডিক্রির ক্ষেত্রেও মূল আদালত অর্থাৎ বিচারিক আদালতই (Trial court) ডিক্রি জারি করবে।

⇒ ডিক্রিজারি সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি (objection) ডিক্রি জারিকারক আদালতই (executing court) নিষ্পত্তি করবে (all questions arising between the parties to the suit, relating to execution, discharge or satisfaction of the decree have to be decided by the executing court)।

⇒ An executing court can't modify the terms of the decree.
⇒ Executing court cannot question the legality, correctness or validity of the decree.
⇒  Executing court cannot go into the question whether decree has been obtained by fraud.
৮,৫১৯.
The Code of Criminal Procedure, 1898-এর ২৪৮ ধারা অনুসারে Complaint প্রত্যাহৃত হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি-
  1. মুক্তি পাবে।
  2. অব্যাহতি পাবে।
  3. খালাস পাবে।
  4. ডিসচার্জ পাবে।
সঠিক উত্তর:
খালাস পাবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস পাবে।
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ২৪৮ আনুযায় কোন মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে ফরিয়াদী যদি ম্যাজিষ্ট্রেটকে সম্ভষ্ট করতে পারেন যে, তাকে অভিযোগটি প্রত্যাহারের অনুমতি দেয়ার পর্যাপ্ত কারণ রয়েছে, তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট তাকে তা প্রত্যাহারের অনুমতি দিবেন এবং অতঃপর আসামীকে খালাস দিবেন।
৮,৫২০.
ফৌজদারি মামলায় ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিয়ে,আইনজীবীর মাধ্যমে হাজির হবার অনুমতি- কোন ধারায় দেয়া হয়েছে?
  1. ৭৫ ধারায়
  2. ৯০ ধারায়
  3. ১৯০ ধারায়
  4. ২০৫ ধারায় 
সঠিক উত্তর:
২০৫ ধারায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৫ ধারায় 
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিতে পারেন (Magistrate may dispense with personal attendance of accused)-

(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।

(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতোপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।
৮,৫২১.
‘B’ একজন মহিলার ওপর ইচ্ছাকৃতভাবে বলপ্রয়োগ করে, জেনে যে এটি তার লজ্জার হানি করতে পারে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘B’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩৫২
  2. ধারা ৩৫৪
  3. ধারা ৩৫৫
  4. ধারা ৩৫৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫৪
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুসারে, কোনো মহিলার উপর আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে তার লজ্জার হানি করার উদ্দেশ্যে কাজ করলে শাস্তি ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। ‘B’-এর কাজ এই ধারার অধীনে অপরাধ।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ মতে- 
যদি কোন ব্যক্তি কোন নারীর শালীনতা নষ্ট করার অভিপ্রায়ে বা সে তৎকর্তৃক তার শালীনতা নষ্ট করতে পারে জেনে তাকে আক্রশ করে বা তৎপ্রতি অপরাধজনক বলপ্রয়োগ করে, তাহলে সে ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে—যার মেয়াদ দুই বছর পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 354- Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty:
Whoever assaults or uses criminal force to any woman, intending to outrage or knowing it to be likely that he will thereby outrage her modesty, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৮,৫২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ অনুযায়ী নালিশ প্রত্যাহার করতে কার অনুমতি নিতে হয়?
  1. পুলিশ অফিসার
  2. আদালতের রেজিস্ট্রার
  3. সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৮ ধারা অনুযায়ী অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতিতে নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 248: Withdrawal of complaint:
If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint, the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.
৮,৫২৩.
তামাদি আইনের ধারা ২৮ অনুসারে, যদি কেউ নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে দখল প্রাপ্তির মামলা না করে, তবে-
  1. জরিমানা দিতে হয়
  2. সে আপিল করতে পারে
  3. নতুন মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়
  4. সম্পত্তিতে তার অধিকার বিলুপ্ত হয়
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে তার অধিকার বিলুপ্ত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে তার অধিকার বিলুপ্ত হয়
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৮ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা না করলে সম্পত্তির ওপর আইনি অধিকার চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যায়।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৮ বলছে, "যে কোন ব্যক্তি যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা দায়ের না করে, তাহলে নির্ধারিত সময় উত্তীর্ণ হওয়ার সাথে সাথেই তার সে সম্পত্তিতে অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।"
- অর্থাৎ এই ধারা একটি দমনাত্মক বিধান (extinguishing provision)। এটি শুধু মামলা গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্ন নয়, বরং আইনি অধিকারই বাতিল করে দেয়।

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২৮: সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি:
কোনো সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section 28: Extinguishment of right to property:
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.

৮,৫২৪.
মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশ করলে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড-
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
• ১৪৪ ধারা মতে মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশের শাস্তি হিসেবে অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দন্ডের বিধান রয়েছে।
৮,৫২৫.
Mesne Profit বলতে বুঝায় একজন ব্যক্তি কর্তৃক কোন সম্পত্তি হতে প্রাপ্ত মুনাফা, যে সম্পত্তিতে উক্ত ব্যক্তির-
  1. বৈধ দখল আছে
  2. অনুমিত দখল আছে
  3. আইনসঙ্গত দখল আছে
  4. অন্যায়ভাবে দখল আছে
সঠিক উত্তর:
অন্যায়ভাবে দখল আছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যায়ভাবে দখল আছে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২) মতে বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তিসাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne profits] বলে।
♦ তবে বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne Profits] বলে গণ্য হবে না।
♦ সুতরাং মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne Profits] এর ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে  বিবাদীর  বেআইনী দখল এবং স্বাভাবিকভাবে লাভ।

♦ অর্থাৎ আমরা বলে পারি যে; Mesne Profit বলতে বুঝায় একজন ব্যক্তি কর্তৃক কোন সম্পত্তি হতে প্রাপ্ত মুনাফা, যে সম্পত্তিতে উক্ত ব্যক্তির অন্যায়ভাবে দখল আছে।
৮,৫২৬.
যদি মিথ্যা অভিযোগটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সম্পর্কে হয়, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২১১ ধারা বিধান- ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে অপরাধ বিষয়ক মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারি মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

৮,৫২৭.
স্বত্ত্ব ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মোকদ্দমা কত দিনের মধ্যে দায়ের করতে হয়?
  1. ৬ মাস
  2. ১২ মাস
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন,১৯০৮: অনুচ্ছেদ- ৩: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মোকদ্দমা।
[under the specific relief Act, 1877, section 9, to recovery of Possession of Immovable Property]

তামাদি- ৬ মাস
সময় গণনা শুরু- সম্পত্তি হতে বেদখলের সময়।
৮,৫২৮.
কোন স্থাবর সম্পত্তি দুই পক্ষের কারো দখলে নাই, আদালত কি করবে?
  1. যে কোন পক্ষকে দখল বুঝিয়ে দিবে
  2. উক্ত সম্পত্তি ক্রোক করবে
  3. সমভাবে বন্টন করে দিবে
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উক্ত সম্পত্তি ক্রোক করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত সম্পত্তি ক্রোক করবে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারা মতে জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন। 

অর্থাৎ কারো দখলে না থাকলে আদালত  সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।


♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা: ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিলনা, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেনঃ

শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটোর নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবেঃ

শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
৮,৫২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ভবঘুরে, অভ্যাসগত দস্যু গ্রেফতারের বিধান রয়েছে?
  1. ৫৪
  2. ৫৫
  3. ৫৭
  4. ৫৯
সঠিক উত্তর:
৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫ ধারায় ভবঘুরে, অভ্যাসগত দস্যু, ডাকাত, গৃহভঙ্গকারী বা চোরকে গ্রেফতারের বিধান রয়েছে। ৫৫ ধারামতে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ভবঘুরে (vagabonds), অভ্যাসগত দস্যু (habitual robbers), ডাকাত, গৃহভঙ্গকারী বা চোরকে গ্রেফতার করতে পারবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫ ধারার বিধান ভবঘুরে, অভ্যাসগত দস্যু প্রভৃতি গ্রেফতার:
(১) থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার অনুরূপভাবে নিম্নে উল্লিখিথ ব্যক্তিদেরকে গ্রেফতার করতে বা গ্রেফতারের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন-

(ক) এরূপ থানার এলাকার মধ্যে কোন ব্যক্তি এ পরিস্থিতিতে নিজের উপস্থিতি গোপন রাখার লক্ষ্যে সাবধানতা গ্রহণ করতেছে, যদরুণ যৌক্তিকভাবে বিশ্বাস করা যেতে পারে যে, কোন আমলযোগ্য অপরাধ করার লক্ষ্যেই সে এরূপ সতর্কতা গ্রহণ করতেছে, অথবা

(খ) এরূপ থানার এলাকার মধ্যে কোন প্রকাশ্য জীবিকা নেই এরূপ কোন ব্যক্তিকে অথবা নিজের সম্পর্কে কোন সন্তোষজনক বিবরণ প্রদান করতে পারে না এরূপ কোন ব্যক্তিকে, অথবা

(গ) অভ্যাসগতভাবে ডাকাত, গৃহভংগকারী, বা চোর হিসাবে পরিচিত বা চোরাই হিসাবে অবগত হয়ে অভ্যাসগতভাবে চোরাই মাল গ্রহণ করার দুর্নাম আছে, এরূপ কোন ব্যক্তিকে অথবা অভ্যাসগতভাবে বলপূর্বক আদায় করে রূপে পরিচিত অভ্যাসগতভাবে বলপূর্বক গ্রহণের লক্ষ্যে অন্যকে আঘাতের ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে বা করার চেষ্টা করে।
----------------------------------
The Code of Criminal Procedure, Section 55. Arrest of vagabonds, habitual robbers, etc:
(1) Any officer in Charge of a police-station may, in like manner, arrest or cause to be arrested- 
(a) any person found taking precautions to conceal his presence within the limits of such station, under circumstances which afford reason to believe that he is taking such precautions with a view committing a cognizable offence; or 
(b) any person within the limits of such station who has no ostensible means of subsistence, or who cannot give a satisfactory account of himself; or 
(c) any person who is by repute an habitual robber, house-breaker or thief, or an habitual receiver of stolen property knowing it to be stolen, or who by repute habitually commits extortion or in order to the committing of extortion habitually puts or attempts to put persons in fear of injury.
৮,৫৩০.
কোনটি দস্যুতা বলিয়া গণ্য হইবে?
  1. চুরির উগ্রতা
  2. বলপূর্বক গ্রহণের উগ্রতা
  3. অপরাধ জনক বিশ্বাস ভঙ্গ
  4. 'ক' অথবা 'খ' যে কোন একটি
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ' যে কোন একটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ' যে কোন একটি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।

যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।

বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।

---------
⇒  Section 390- Robbery:  In all robbery there is either theft or extortion.
⇒ When theft is robbery
Theft is "robbery" if, in order to the committing of the theft, or in committing the theft, or in carrying away or attempting to carry away property obtained by the theft, the offender, for that end, voluntarily causes or attempts to cause to any person death or hurt or wrongful restraint, or fear of instant death or of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
⇒  When extortion is robbery
Extortion is “robbery” if the offender, at the time of committing the extortion, is in the presence of the person put in fear, and commits the extortion by putting that person in fear of instant death, instant hurt, or of instant wrongful restraint to that person, or to some other person, and, by so putting in fear, induces the person so put in fear then and there to deliver up the thing extorted.

⇒ Explanation.-The offender is said to be present if he is sufficiently near to put the other person in fear of instant death, of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
৮,৫৩১.
'ক' নিজেকে 'খ' দাবি করে 'খ'-এর ব্যাংক একাউন্ট থেকে ১০,০০০ টাকা উত্তোলন করে। 'ক'-এর অপরাধ পেনাল কোডের কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য?
  1. ৪১৫ ধারায়
  2. ৪১৬ ধারায়
  3. ৪১৭ ধারায়
  4. ৪১৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪১৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• পেনাল কোডের ৪১৬ ধারায় অপরের রূপ ধারন পূর্বক প্রতারণা বা ছদ্মবেশী প্রতারণার (cheating by personation) সংজ্ঞা রয়েছে। প্রতারণার উদ্দেশ্যে অন্যের পরিচয়ে নিজেকে উপস্থিত করলে তাকে ছদ্মবেশী প্রতারণা বা Cheating by personation বলে।

৪১৯ ধারায় cheating by personation এর শাস্তি বর্ণিত আছে, যা অনধিক ৩ বৎসর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড। পেনাল কোডের ৪১৯ ধারায় শাস্তি বর্ণিত আছে তাই ৪১৯ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
৮,৫৩২.
স্বার্থবিহীন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি প্রযোজ্য নয়?
  1. বাদী ও কোনো বিবাদীর মধ্যে বিরোধ নেই
  2. বিবাদীগণ কর্তৃক দাবিগুলো স্বতন্ত্রভাবে প্রণীত হতে হবে
  3. বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে বিরোধ থাকা আবশ্যক
  4. বাদী শুধুমাত্র মামলার ব্যয়াদি ও দায় সংক্রান্ত স্বার্থ রাখতে পারেন
সঠিক উত্তর:
বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে বিরোধ থাকা আবশ্যক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে বিরোধ থাকা আবশ্যক
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৫ বিধি-১: স্বার্থবিহীন মোকদ্দমায় আরজি:
স্বার্থবিহীন ব্যবহার মোকদ্দমায় প্রত্যেক মোকদ্দমার আরজিতে, আরজির জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিবৃতির অতিরিক্ত নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলো বিবৃত করতে হবে-
ক) বাদী মোকদ্দমার বিতর্কিত বিষয়বস্তুতে দায়সমূহের বা মোকদ্দমার ব্যয়াদির জন্য ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবী করে না,
খ) বিবাদীগণ কর্তৃক দাবীসমূহ স্বাতন্ত্র্যভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং
গ) যে বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোন বিরোধ নেই।

Rule-1: Plaint in interpleader-suits-
In every suit of interpleader the plaint shall, in addition to other statements necessary for plaints, state-
a) that the plaintiff claims no interest in the subject-matter in dispute other than for charges or costs;
b) the claims made by the defendants severally; and
c) that there is no collusion between the plaintiff and any of the defendants.
৮,৫৩৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩২ ধারায় নারীদের ব্যক্তিগত উপস্থিতি থেকে অব্যাহতির বিধান কিসের উপর নির্ভর করে?
  1. নারীর বয়সের উপর
  2. নারীর আয়ের উপর
  3. নারীর শিক্ষাগত যোগ্যতার উপর
  4. নারীর সামাজিক প্রথা ও রীতিনীতির উপর
সঠিক উত্তর:
নারীর সামাজিক প্রথা ও রীতিনীতির উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারীর সামাজিক প্রথা ও রীতিনীতির উপর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩২ ধারায় নারীদের ব্যক্তিগত উপস্থিতি থেকে অব্যাহতির বিধান  "নারীর সামাজিক প্রথা ও রীতিনীতির উপর" উপর নির্ভর করে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩২ ধারায় কতিপয় স্ত্রী লোকের ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতির বিধান রয়েছে।
- প্রথা অনুযায়ী যে সকল মহিলাকে জনসমক্ষে হতে বাধ্য করা যায় না সেই সকল মহিলা আদালতে হাজিরা থেকে অব্যাহতি পাবেন।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩২ ধারার বিধান: কতিপয় মহিলার ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি:-
১) দেশের প্রথা ও রীতি অনুযায়ী যে সকল মহিলাকে জনসমক্ষে উপস্থিত হওয়ার জন্য বাধ্য করা উচিত নয়, উক্তরূপ মহিলা ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজির হতে অব্যাহতি পাবে।
২) এই আইন অনুসারে কোন মহিলাকে গ্রেফতারের ব্যাপারে যেক্ষেত্রে কোন নিষিদ্ধতা নেই, সেক্ষেত্রে দেওয়ানি পরোয়ানা জারিতে গ্রেফতার হতে উক্তরূপ মহিলা অব্যাহতি পাবে বলে এখানে উল্লিখিত কোন কিছু হতে বিবেচনা করা যাবে না।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 132. Exemption of certain women from personal appearance.
(1) Women who, according to the customs and manners of the country, ought not to be compelled to appear in public shall be exempt from personal appearance in Court.
(2) Nothing herein contained shall be deemed to exempt such women from arrest in execution of civil process in any case in which the arrest of women is not prohibited by this Code.
৮,৫৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার অধীন ফৌজদারি আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে?
  1. ৪২৩
  2. ৪২৫
  3. ৪২৭
  4. ৪২৮
সঠিক উত্তর:
৪২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৮
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার অধীন আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে বা বিচারকারী আদালতকে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার বিধান: আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন:
(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন ।
(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।
(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামী বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকবেন।
(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।
-------------------------
⇒ CrPC-Section 428- Appellate Court may take further evidence or direct it to be taken:
(1) In dealing with any appeal under this Chapter, the Appellate Court, if it thinks additional evidence to be necessary, shall record its reasons, and may either take such evidence itself, or direct it to be taken by a Magistrate, or, when the Appellate Court is High Court Division, by a Court of Session or a Magistrate. 
(2) When the additional evidence is taken by the Court of Session or the Magistrate, it or he shall certify such evidence to the Appellate Court, and such Court shall thereupon proceed to dispose of the appeal. 
(3) Unless the Appellate Court otherwise directs, the accused or his pleader shall be present when the additional evidence is taken. 
(4) The taking of evidence under this section shall be subject to the provisions of Chapter XXV, as if it were an inquiry.
৮,৫৩৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় সাক্ষীকে আদালতে উপস্থিত করার দায়িত্ব পুলিশ অফিসারকে দেওয়া হয়েছে?
  1. 171(2)
  2. 173(3A)
  3. 172(2)
  4. 123
সঠিক উত্তর:
171(2)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
171(2)
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার বিধান: ফরিয়াদি এবং সাক্ষীগণকে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না:
(১) কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাবার পথে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না।
ফরিয়াদি ও সাক্ষীগণকে বাধা দেয়া যাবে না: অথবা অনাবশ্যক বাধা দেয়া যাবে না বা অসুবিধায় ফেলা যাবে না, বা তার নিজের মুচলেকা ছাড়া তার হাজিরের জন্য কোন জামানত দাবি করা যাবে না।
অবাধ্য ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে হেফাজতে পাঠানো যাবে: শর্ত থাকে যে, ধারা-১৭০ এ প্রদত্ত নির্দেশ অনুসারে কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষী হাজির হতে বা মুচলেকা সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে মুচলেকা সম্পাদন না করা বা মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে আটক রাখতে পারেন।
 
(২) উপধারা (১) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, মোকদ্দমার শুনানিকালে ফরিয়াদি বা সাক্ষী যেন আদালতে উপস্থিত থাকে তার সুনিশ্চিত বন্দোবস্ত করার দায়িত্ব পুলিশ কর্মকর্তার উপর ন্যস্ত হবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-171: Complainants and witnesses not to be required to accompany Police-Officer:
(1)] No complainant or witness on his way to the Court of the Magistrate shall be required to accompany a police-officer,
- Complainants and witnesses not to be subjected to restraint:
or shall be subjected to unnecessary restraint or incon-venience, or required to give any security for his appearance other than his own bond:
- Recusant complainant or witness may be forwarded in custody:
Provided that, if any complainant or witness refuses to attend or to execute a bond as directed in section 170, the officer in charge of the police-station may forward him in custody to the Magistrate, who may detain him in custody until he executes such bond, or until the hearing of the case is completed.
(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), it shall be the responsibility of the police-officer to ensure that the complainant or the witness appears before the Court at the time of hearing of the case.
৮,৫৩৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১ম তফসিলে মোট কতটি আদেশ অন্তর্ভুক্ত আছে?
  1. ৪৪ টি
  2. ৫১ টি
  3. ৫৪ টি
  4. ৫৬ টি
সঠিক উত্তর:
৫১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১ টি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি:
মোট আদেশ (Order): দেওয়ানি কার্যবিধিতে ৫১টি আদেশ রয়েছে, যা প্রথম তফসিলে উল্লেখ করা হয়েছে।
দেওয়ানি কার্যবিধি দুই ভাগ:
- ১. ধারা (Sections): মোট ১৫৮টি ধারা।
- ২. তফসিল (Schedules): মোট ৩টি তফসিল বর্তমানে প্রযোজ্য।

তফসিলসমূহ:
১. প্রথম তফসিল: আদেশ ও বিধিসমূহ (৫১টি আদেশ)।
২. দ্বিতীয় তফসিল: বাতিল।
৩. তৃতীয় তফসিল: কালেক্টরের মাধ্যমে ডিক্রি জারি।
৪. চতুর্থ তফসিল: সংশোধিত আইনসমূহ।
৫. পঞ্চম তফসিল: বাতিল।
৮,৫৩৭.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে কয়টি অনুচ্ছেদ রয়েছে?
  1. ১৪৩ টি
  2. ১৭৩ টি
  3. ১৯৩ টি
  4. ১৮৩ টি
সঠিক উত্তর:
১৮৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৩ টি
ব্যাখ্যা
⇒ বর্তমানে প্রচলিত তামাদি আইনটি ৭ আগস্ট ১৯০৮ সালে প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়), যা তামাদি আইন ১৯০৮ নামে পরিচিত। এটি ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
- তামাদি আইন ১৯০৮ সালের ৯ নং আইন।
-বর্তমানে তামাদি আইনের ২৯টি ধারা এবং ১টি তফশিল বলবৎ আছে। তামাদি আইনের ৩০ থেকে ৩২ (মোট ৩টি) ধারা বাতিল (repeal ) করা হয়েছে।
- তফসিলে মোকদ্দমা, আপিল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে। তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
i. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
ii. আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
iii. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।
৮,৫৩৮.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী কোন ভিত্তিতে একজন শিশুকে সাক্ষী হিসেবে গ্রহণ করা হয়?
  1. শিশুর বয়স
  2. শিশুর বোধশক্তি
  3. শিশুর শিক্ষাগত যোগ্যতা
  4. উল্লিখিত সবগুলোর উপর
সঠিক উত্তর:
শিশুর বোধশক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিশুর বোধশক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী শিশুর বোধশক্তির ভিত্তিতে একজন শিশুকে সাক্ষী হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

⇒ সাক্ষীর যোগ্যতা: সাক্ষীর সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে আলোচনা আছে ১১৮- ১৩১ ও ১৩৩ ধারায়।
সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতিবৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসংগত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।
ব্যাখ্যা- কোন বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি যদি তাহার মস্তিষ্ক বিকৃতির জন্য তাহাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা উহার যুক্তিসংগত উত্তর দিতে অক্ষম না হয়, তবে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হইবে না।

উক্ত ধারা অনুযায়ী প্রশ্ন বুঝে উত্তর দিতে সক্ষম সকল ব্যক্তি যোগ্য সাক্ষী।
যেমন- বোধশক্তিসম্পন্ন শিশু, অল্পবয়স্ক বুদ্ধিমান বালক, প্রশ্ন বুঝে উত্তরদানে সক্ষম বিকৃতমস্তিস্কের ব্যক্তি; বোবা, জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝে উত্তরদানে সক্ষম ব্যক্তি। এক্ষেত্রে তাদের বয়স, দৈহিক বা মানসিক অবস্থা, শিক্ষাগত যোগ্যতা সাক্ষ্য প্রদানে বাধার সৃষ্টি করবে না।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section: 118. Who may testify:
-All persons shall be competent to testify unless the Court considers that they are prevented from understanding the questions put to them, or from giving rational answers to those questions, by tender years, extreme old age, disease, whether of body or mind, or any other cause of the same kind.
Explanation.–A lunatic is not incompetent to testify, unless he is prevented by his lunacy from understanding the questions put to him and giving rational answers to them.
৮,৫৩৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order-V Rule-28 অনুসারে, যদি বিবাদী একজন সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক হন, তবে সমন কার নিকট পাঠানো হয়?
  1. তার পরিবারের নিকট
  2. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিকট
  3. তার অধিনায়কের নিকট
  4. তার বাহিনীর প্রধানের নিকট
সঠিক উত্তর:
তার অধিনায়কের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার অধিনায়কের নিকট
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order V, Rule 28-এর সরাসরি বিধান হলো: Service on soldiers, sailors or airmen: "Where the defendant is a soldier, sailor or airman, the Court shall send the summons for service to his commanding officer together with a copy to be retained by the defendant."
- "যখন বিবাদী একজন সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক হন, আদালত তার অধিনায়কের (Commanding Officer) নিকট সমন জারির জন্য প্রেরণ করবেন, বিবাদীর জন্য রাখার একটি কপিসহ।"
- অর্থাৎ যদি বিবাদী বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী বা বিমানবাহিনীর কর্মরত সদস্য হন (soldier, sailor or airman), তবে আদালত সমন সরাসরি তার নিজের হাতে পাঠাবে না। সমনটি তার কমান্ডিং অফিসারের (যিনি তার ইউনিট/জাহাজ/স্কোয়াড্রনের দায়িত্বে আছেন) কাছে পাঠাতে হবে। কমান্ডিং অফিসার সমনটি বিবাদীর হাতে পৌঁছে দেবেন এবং একটি কপি তার কাছে রেখে দেবেন।
- সুতরাং, দেওয়ানি কার্যবিধির Order V, Rule 28 অনুযায়ী বিবাদী সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক হলে তার সমন তার অধিনায়কের (Commanding Officer) নিকট পাঠানো হয়।

৮,৫৪০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১১ বিধি-১ মামলার কোন পক্ষ আদালতের অনুমতিতে, ইস্যু গঠনের তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে লিখিত প্রশ্নাবলী (Interrogatories) দিতে পারে?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১১ বিধি-১ (Order XI Rule 1) Discovery by interrogatories:
"In any suit the plaintiff or defendant by leave of the Court may, within ten days from the date of framing of issues, deliver interrogatories in writing..."
অর্থাৎ, মামলার ইস্যু (issues) গঠনের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে বাদী বা বিবাদী আদালতের অনুমতি নিয়ে লিখিত প্রশ্নাবলী (Interrogatories) দিতে পারে।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১, বিধি ১ অনুযায়ী, মামলার কোনো পক্ষ আদালতের অনুমতিতে, ইস্যু গঠনের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিত প্রশ্নাবলী (Interrogatories) দিতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 11 Rule 1: Discovery by interrogatories:
- In any suit the plaintiff or defendant by leave of the Court may, within ten days from the date of framing of issues, deliver interrogatories in writing for the examination of the opposite parties or any one or more of such parties, and such interrogatories when delivered shall have a note at the foot thereof stating which of such interrogatories each of such persons is required to answer: Provided that no party shall deliver more than one set of interrogatories to the same party without an order for that purpose: Provided also that interrogatories which do not relate to any matters in question in the suit shall be deemed irrelevant, notwithstanding that they might be admissible on the oral cross-examination of a witness.

৮,৫৪১.
নিম্নের কোনটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকারের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সম্পত্তির দখল গ্রহণ
  2. রিসিভার নিয়োগ
  3. ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ
  4. কাজ না করতে বাধ্য করানো
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার বলতে একটি বিশেষ ধরনের আইনগত প্রতিকারকে (Legal redress) বুঝায়, যা অন্যান্য প্রতিকার থেকে ভিন্ন। আর্থিক ক্ষতিপূরণ অনেক ক্ষেত্রে অপর্যাপ্ত ও অনাকাঙ্ক্ষিত প্রতিকার হিসেবে প্রতীয়মান হতে পারে। এক্ষেত্রে আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সুনির্দিষ্টভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়ে যে প্রতিকার মঞ্জুর করে তাকে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার বলে। এই জন্য বলতে পারি যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার বলতে আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বিশেষ ধরনের প্রতিকারকে বুঝায়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৫ ধারা মতে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
৮,৫৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯গ অনুসারে, সরকার কার সাথে পরামর্শ করে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে মৃত্যুদণ্ড ব্যতীত সকল অপরাধ বিচারের ক্ষমতা দান করতে পারে?
  1. আইন কমিশন
  2. অ্যাটর্নি জেনারেল
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (CrPC) এর ধারা ২৯গ (29C) তে বর্ণিত বিধান- মৃত্যুদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য নয় এমন অপরাধের বিচার:
- ২৯ ধারায় যা কিছুই থাকুক না কেন, সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে-
(ক) চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা কোনো অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট -কে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য নয় এমন সকল অপরাধের বিচার করার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারে;
(খ) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা যেকোনো প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে মৃত্যুদণ্ড বা দশ বছরের অধিক মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য নয় এমন সকল অপরাধের বিচার করার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ২৯গ এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, “Notwithstanding anything contained in section 29, the Government may in consultation with the High Court Division— (a) invest the Chief Metropolitan Magistrate, Chief Judicial Magistrate or any Additional Chief Judicial Magistrate with power to try as a Magistrate all offences not punishable with death;”
অর্থাৎ, সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শ করে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে মৃত্যুদণ্ড ব্যতীত সকল অপরাধ বিচারের ক্ষমতা দান করতে পারে।

৮,৫৪৩.
কোনটি প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ ক্ষমতা নয়?
  1. দোষস্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করা
  2. কমিশন মারফত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা
  3. অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণে বাধ্য করার ক্ষমতা
  4. দণ্ডবিধিভুক্ত যে কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধিভুক্ত যে কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধিভুক্ত যে কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণ
ব্যাখ্যা
• প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দিষ্ট কিছু ক্ষমতা রয়েছে, তবে তারা সব ধরনের অপরাধ আমলে নিতে পারেন না। শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ার তাদের রয়েছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর: "ঘ) দণ্ডবিধিভুক্ত যে কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণ"।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩য় তফসিলে বর্ণিত প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ ক্ষমতাসমূহ- দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সকল সাধারণ ক্ষমতা এবং,
ধারা ৯৮- তদন্ত প্রসঙ্গে ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রে তল্লাশি পরোয়ানা জারির ক্ষমতা,
ধারা ৭৮- জমির মালিক, কৃষক প্রমুখের নিকট পরোয়ানা প্রেরণ করার নির্দেশ দানের ক্ষমতা,
ধারা ১০০- অন্যায়ভাবে আটক ব্যক্তিকে খুঁজে বাহির করার জন্য তল্লাশি পরোয়ানা জারির ক্ষমতা,  
ধারা ১২৬কজামিনদারকে রেহাই দেয়ার ক্ষমতা,

ধারা ১৮৬- দেশের বাহিরে সংঘটিত অপরাধের জন্য সমন বা পরোয়ানা জারির ক্ষমতা, 
ধারা ১৬৪- পুলিশ কর্তৃক অনুসন্ধানের সময়কালে বিবৃতি বা দোষস্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধকরণের ক্ষমতা,  
ধারা ২০৫গ- স্থানীয় অধিক্ষেত্রের দায়রা আদালতে মামলা প্রেরণ করার ক্ষমতা,
ধারা ২৪৯- ফরিয়াদি হাজির না থাকলে কার্যক্রম বন্ধ করার ক্ষমতা, 
ধারা ৩৩৭- নিজে মামলার তদন্ত করার সময় অপরাধের সাথে জড়িত ব্যক্তিকে ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতা, 

ধারা ৫০৩- কমিশন মারফত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা, 

ধারা ৫১৪,৫১৪ক- বাজেয়াপ্ত মুচলেকার অর্থ আদায়ের ক্ষমতা এবং নতুন জামানত দাবি করার ক্ষমতা, 
ধারা ৫৫২- অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণে বাধ্য করার ক্ষমতা,
ধারা ৫৬১- স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ধর্ষণের অপরাধ আমলে নেয়া এবং উক্ত অপরাধীকে বিচারের জন্য সোপর্দ করার ক্ষমতা,
ধারা ৫৬৫- পূর্বে দণ্ডিত অপরাধীদের ঠিকানা জানার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা।
৮,৫৪৪.
'ক' যদি 'খ' কে আংশিকভাবে খাবার না দিয়ে এবং আংশিকভাবে তাকে মারধর করে হত্যা করে, তাহলে 'ক'-
  1. খুনের দায়ে অপরাধী হবে
  2. নৈতিক অপরাধে দায়ী হবে শুধু
  3. খুনের দায়ে অপরাধী হবে না
  4. শুধুমাত্র মারধরের অপরাধে দায়ী হবে
সঠিক উত্তর:
খুনের দায়ে অপরাধী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুনের দায়ে অপরাধী হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬: আংশিক কার্যানুষ্ঠান দ্বারা এবং আংশিক কার্য বিরতির দ্বারা সৃষ্ট ফল:
যখন কার্যানুষ্ঠান বা কার্য বিরতির দ্বারা কোন বিশেষ ফলাফল ঘটানোর বা উক্ত ফলাফল ঘটানোর কোন উদ্যোগ অপরাধ বলে গণ্য হয়, সেক্ষেত্রে আংশিকভাবে কোন কার্য এবং আংশিকভাবে কোন কার্যানুষ্ঠান বিরতির সাহায্যে উক্ত ফলাফল ঘটানো একই অপরাধ বলে বিবেচনা করতে হবে।

উদাহরণ: 
 'ক' যদি 'খ' কে আংশিকভাবে খাবার না দিয়ে এবং আংশিকভাবে তাকে মারধর করে হত্যা করে, তাহলে 'ক' খুনের দায়ে অপরাধী হবে।

সহজ ভাষায়, 
যদি কোনো ব্যক্তি আংশিকভাবে কোনো কাজ করে অথবা আংশিকভাবে কোনো কাজ না করে, আর এর ফলে কোনো অপরাধমূলক ঘটনা ঘটে, তাহলে এটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। অর্থাৎ, আংশিকভাবে কাজ করা বা না করার মাধ্যমে যদি অপরাধ সংঘটিত হয়, তবে সেই ব্যক্তিকে ওই অপরাধের জন্য দায়ী করা হবে।
৮,৫৪৫.
অপর্যাপ্ত স্ট্যাম্প পেপারে আরজি লিখলে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে আদালত কী করতে পারে?
  1. আরজি স্থগিত করবে
  2. আরজি প্রত্যাখ্যান করবে
  3. আরজির শুনানি চালিয়ে যাবে
  4. আরজি ফেরত দিবে
সঠিক উত্তর:
আরজি প্রত্যাখ্যান করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি প্রত্যাখ্যান করবে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১১ বিধি অনুযায়ী, আদালত ৪টি কারণে আরজি প্রত্যাখান করতে পারে। যথা-

(ক) আরজিতে মামলার কারণ (cause of action) উল্লেখ না করলে।
(খ) আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম করে উল্লেখ করা হলে এবং আদালতের নির্দেশমত নির্ধারিত সময় বা সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে মোকদ্দমায় মূল্যমান সংশোধন এবং অতিরিক্ত কোর্ট ফি প্রদান করতে ব্যর্থ হলে।
(গ) অপর্যাপ্ত স্টাম্প পেপারে লিখলে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে।
(ঘ) মামলাটি কোনো আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ বা বারিত হলে। যেমন- তামাদি আইনে বারিত হলে, আদালত আরজি প্রত্যাখান করতে পারে।

৮,৫৪৬.
আইনজীবীদের পেশাগত আচরণ ও শিষ্টাচারের নীতিমালা প্রণয়নের উদ্দেশ্য কী?
  1. আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা
  2. নাগরিকদের অধিকার রক্ষা
  3. আদালতের মর্যাদা রক্ষা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
উত্তর: ঘ) উপরের সবকটি।

→ আইনজীবীদের পেশাগত আচরণ ও শিষ্টাচারের নীতিমালা প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্য হলো আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, নাগরিকদের অধিকার রক্ষা এবং আদালতের মর্যাদা রক্ষা করা। এই নীতিমালা আইনজীবীদের মধ্যে সঠিক ও পেশাগত আচরণ বজায় রাখতে সহায়তা করে, যা আইনি প্রক্রিয়ার প্রতি মানুষের আস্থা বৃদ্ধি করে এবং বিচার ব্যবস্থার সততা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করে।
৮,৫৪৭.
'ক','খ' ও 'গ' একটি প্রতিষ্ঠানের অংশীদার এবং 'ঘ' উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিকট ঋণগ্রস্থ হয়। 'খ' উন্মাদ এবং 'গ' জড়বুদ্ধিসম্পন্ন। 'খ' এবং 'গ'-এর সম্মতি ব্যতীত 'ক', দেনাদার 'ঘ'-কে ঋণমুক্ত করতে পারে না। এক্ষেত্রে-
  1. 'ক','খ' ও 'গ' সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে
  2. শুধুমাত্র 'ক' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে
  3. 'খ' এবং 'গ' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে না
  4. 'ক','খ' ও 'গ' সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
সঠিক উত্তর:
'ক','খ' ও 'গ' সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক','খ' ও 'গ' সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
ব্যাখ্যা
এক্ষেত্রে 'ক','খ' ও 'গ' সকলে তামাদি আইন,১৯০৮ এর ৭ ধারার অধীন তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে।

• তামাদি আইনের ৬, ৭,৮ এবং ৯ ধারায় আইনগত অপারগতার নিয়ম বর্ণনা করা হয়েছে। যে ব্যক্তির মামলা করার অধিকার সৃষ্টি হয়েছে সে যদি উক্ত সময় মামলা করতে আইনগতভাবে অপারগ থাকে, তাহলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ কিভাবে গণনা করা হবে তা ৬ থেকে ৯ ধারা পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। 

তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী ৩টি বিষয়কে আইনগত অপারগতা (Legal Disability) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১. নাবালকত্ব [Minority];
২. উন্মাদ [Insanity];
৩. জড়বুদ্ধি বা চরম বুদ্ধিহীনতা [Idiocy]।

আইনগত অপারগতার ক্ষেত্রে যখন মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে মামলা করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যে সময়ে সে মামলা করার অধিকারী হয় উক্ত সময়ে সে নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা করা শুরু হবে যখন তার এই আইনগত অপারগতা অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধিতার অবসান হবে তখন থেকে।

ধারা ৭: (একাধিক বাদী অথবা দরখাস্তকারীর মধ্যে একজনের অপারগতা)-
যে ক্ষেত্রে একাধিক ব্যক্তি মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার অধিকারী হয় বা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয় এবং তাদের সকলেই আইনগত অক্ষম হলে তাদের কারোর বিরুদ্ধে তামাদি অতিবাহিত হবে না। কিন্তু যদি এমন হয় যে, তাদের মধ্যে এক বা একাধিক ব্যক্তি আইনগতভাবে অক্ষম কিন্তু বাকিরা আইনগতভাবে সক্ষম বা সুস্থ, সেই ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ সকলের বিরুদ্ধে অতিবাহিত হবে। কি হবে না তা নিম্নলিখিত ভাবে নির্ধারণ করতে হবে-

⇒ যে সকল ব্যক্তি আইনগতভাবে অপারগ তাদের সম্মতি ছাড়া যে ব্যক্তি আইনগতভাবে অপারগ না সে যদি দায়মুক্তি বা ঋণ পরিশোধ করতে পারে, তাহলে সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে।

⇒ কিন্তু আইনগতভাবে সক্ষম ব্যক্তি আইনগত অপারগ ব্যক্তিদের সম্মতি ছাড়া দায়মুক্তি বা ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে, তাদের কারোর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে না।

যেহেতু 'খ' এবং 'গ'-এর সম্মতি ব্যতীত 'ক', দেনাদার 'ঘ'-কে ঋণমুক্ত করতে পারে না, সেহেতু 'ক','খ' ও 'গ' কারো বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে না।

Section 7: Disability of one of several plaintiffs or applicants
Where one of several persons jointly entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is under any such disability, and discharge can be given without the concurrence of such person, time will run against them all: but, where no such discharge can be given, time will not run as against any of them until one of them becomes capable of giving such discharge without the concurrence of the others or until the disability has ceased.
৮,৫৪৮.
একজন সাধারণ নাগরিক কাকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে?
  1. জামিনযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে
  2. আমলঅযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে
  3. আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে
  4. খ ও গ উভয় ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী যেকোনো বেসরকারি ব্যক্তি ২ ধরনের ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে
ক. জামিনঅযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ [Non bailable & Cognizable Offence] সংঘটনকারী ব্যক্তিকে,
খ. অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে [Proclaimed Offender].

• ৫৯ ধারা তে বলা আছে-
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

২) এরূপ ব্যক্তিকে ৫৪ ধারার বিধানের আওতাভুক্ত বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমলঅযোগ্য অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকার করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার কারণ ঘটে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধানানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার মত যথেষ্ট কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
৮,৫৪৯.
‘C’ একটি জাল মুদ্রা-নোট তৈরি করে এবং তা বাজারে সত্য বলে বিক্রি করে। দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুসারে 'C'-এর অপরাধটি শাস্তিযোগ্য?
  1. ধারা ৪৮৯ক
  2. ধারা ৪৮৯খ
  3. ধারা ৪৮৯গ
  4. ধারা ৪৮৯ঘ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৮৯ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৮৯ক
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৮৯ক (Section 489A) অনুসারে, যে কেউ মুদ্রা-নোট বা ব্যাংক-নোট জাল করে বা জালিয়াতির প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়, তার শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
- এখানে, ‘C’ একটি জাল মুদ্রা-নোট তৈরি করেছে এবং তা বাজারে সত্য বলে বিক্রি করেছে, যা ধারা ৪৮৯ক-এর অধীনে মুদ্রা-নোটের জালিয়াতি হিসেবে গণ্য।

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
খ) ধারা ৪৮৯খ (Section 489B): এটি জাল বা নকল মুদ্রা-নোট বা ব্যাংক-নোট সত্য বলে বিক্রি, ক্রয়, গ্রহণ, বা ব্যবহারের জন্য প্রযোজ্য। এখানে ‘C’ নিজে জাল নোট তৈরি করেছে, তাই ধারা ৪৮৯ক প্রাধান্য পায়।
গ) ধারা ৪৮৯গ (Section 489C): এটি জাল মুদ্রা-নোট বা ব্যাংক-নোট জেনেশুনে দখলে রাখা এবং সত্য বলে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে রাখার জন্য প্রযোজ্য, কিন্তু তৈরির জন্য নয়।
ঘ) ধারা ৪৮৯ঘ (Section 489D): এটি জাল মুদ্রা-নোট বা ব্যাংক-নোট তৈরির জন্য যন্ত্র বা উপকরণ তৈরি, ক্রয়-বিক্রয়, বা দখলে রাখার জন্য প্রযোজ্য।
অর্থাৎ ‘C’-এর কাজ, অর্থাৎ জাল মুদ্রা-নোট তৈরি এবং তা বাজারে সত্য বলে বিক্রি, ধারা ৪৮৯ক-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) ধারা ৪৮৯ক।

⇒ The Penal Code, 1860-Section-489A. Counterfeiting currency-notes or bank-notes:
Whoever counterfeits, or knowingly performs any part of the process of counterfeiting, any currency-note or bank-note, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
Explanation. For the purposes of this section and of sections 489B, 489C and 489D, the expression "bank-note" means a promissory note or engagement for the payment of money to bearer on demand issued by any person carrying on the business of banking in any part of the world, or issued by or under the authority of any State or Sovereign Power, and intended to be used as equivalent to, or a substitute for, money.

৮,৫৫০.
'A' নাবালক থাকাবস্থায় তার একটি দেওয়ানি মামলা করার অধিকার অর্জন করে, তামাদির সময় গণনা শুরু হবে যখন-
  1. 'A' মামলা করার আগ্রহী হবে
  2. 'A' এর সাবালকত্বের অবসান হবে
  3. 'A' এর নাবালকত্বের অবসান হবে
  4. 'A' মামলা করার অধিকার অর্জন করে তখন থেকে
সঠিক উত্তর:
'A' এর নাবালকত্বের অবসান হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'A' এর নাবালকত্বের অবসান হবে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যত দিন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে।
-নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা হবে।
⇒ অর্থাৎ 'A' এর নাবালকত্বের অবসান হওয়ার পর তামাদির সময় গণনা শুরু হবে।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা:
উপধারা:(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিংক্রী জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।

উপধারা: (২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।

উপধারা: (৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যেত, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।

উপধারা: (৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।
---------------------------------
⇒ The Limitation Act- Section-6: Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908.
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply.

Illustrations:
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease.
৮,৫৫১.
What must be done when a charge is altered or added under Section 227(2) of The Code of Criminal Procedure, 1898?
  1. It must be signed by the judge
  2. It must be read and explained to the complainant
  3. It must be read and explained to the accused
  4. It must be reported to the police
সঠিক উত্তর:
It must be read and explained to the accused
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It must be read and explained to the accused
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 227: Court may alter charge-
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান-
অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
৮,৫৫২.
'Bar to further suit'- দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারার শিরোনাম?
  1. ধারা ৯
  2. ধারা ১৩
  3. ধারা ১২
  4. ধারা ১১
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২
ব্যাখ্যা
• ধারা ১২-পুনরায় মোকদ্দমা দায়েরে বাধা

কোন বিধি অনুসারে একজন বাদীকে যখন কোন বিশেষ কারণ সম্পর্কে অতিরিক্ত মোকদ্দমা দায়ের করা হতে নিবারণ করা হয়, তখন যে আদালতের প্রতি এই কার্যবিধি প্রযোজ্য হয় সেরূপ কোন আদালতে সে একই কারণ নিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না।

Bar to further suit-
Where a plaintiff is precluded by rules from instituting a further suit in respect of any particular cause of action he shall not be entitled to institute a suit in respect of such cause of action in any Court to which this Code applies. 

অর্থাৎ যে সকল ক্ষেত্রে আইনগতভাবে মোকদ্দমা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে মোকদ্দম দায়ের  করা যায় না।
৮,৫৫৩.
নিচের কোনটি ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড (electronic record) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সফটওয়্যার
  2. ভিডিও
  3. ডিএনএ
  4. অপটিক্যাল
সঠিক উত্তর:
ডিএনএ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিএনএ
ব্যাখ্যা
⇒ দলিল (Document): ব্যবহার হতে পারে অথবা ব্যবহারের উদ্দেশ্যে কোন পদার্থের উপর কোন অক্ষর, সংখ্যা বা চিহ্নের সাহায্যে বর্ণিত কোন বিষয়কে দলিল বলে এবং এটি ডিজিটাল রেকর্ডকেও অন্তর্ভুক্ত করবে।

⇒ ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড (Digital record or electronic record): ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড অর্থ ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমোরি, মাইক্রো ফিল্ম, কম্পিউটার দ্বারা উদ্ধৃত মাইক্রোফিস, যা অন্তর্ভুক্ত করে অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের (সিসিটিভি) রেকর্ডসমূহ, ড্রোন উপাত্ত, সেল ফোন দ্বারা রেকর্ডসমূহ, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার বা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এ বর্ণিত যেকোনো ডিজিটাল ডিভাইসে উদ্ভূত, প্রস্তুতকৃত, প্রদত্ত, প্রাপ্ত বা মজুদকৃত যেকোন রেকর্ড, উপাত্ত বা তথ্য।

⇒ যে কোন প্রকারের লেখা একটি দলিল। মুদ্রিত, লিথোগ্রাফকৃত অথবা ফটোগ্রাকৃত সকল শব্দই দলিল। কোন মানচিত্র বা নকশা একটি দলিল; কোন ধাতুখণ্ড বা প্রস্তর খণ্ডের কিছু খোদিত থাকলে তা দলিল; একটি ব্যঙ্গচিত্রও দলিল।

⇒  শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য: রক্ত, বীর্য, চুল, সকল দৈহিক উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ, ডিএনএ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ; এবং পায়ের ছাপ সম্পর্কিত সকল উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ বা অনুরুপ প্রকৃতির অন্যকোন উপাদান বা বস্তু শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য মর্মে গণ্য হবে যদি এমন উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ-
i. প্রতিষ্ঠা করে যে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে; বা
ii. অপরাধ এবং এর ভুক্তভোগীর মধ্যে বা অপরাধ এবং এর অপরাধীর মধ্যেকার কোন সংযোগ বা সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে; এবং 
iii. কোন ঘটনা প্রমাণ করে বা মিথ্যা প্রমাণ করে।

⇒ অর্থাৎ চোখের কনীনিকার ছাপ শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য যা ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড (electronic record) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নয়।
৮,৫৫৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৪ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত জবানবন্দি-
  1. শুধুমাত্র ম্যাজিস্ট্রেট স্বাক্ষর করবেন
  2. শুধুমাত্র অভিযুক্ত স্বাক্ষর করবেন
  3. অভিযুক্ত ও ম্যাজিস্ট্রেট উভয়েই স্বাক্ষর করবেন
  4. তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ও ম্যাজিস্ট্রেট উভয়েই স্বাক্ষর করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ও ম্যাজিস্ট্রেট উভয়েই স্বাক্ষর করবেন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬৪- অভিযুক্তের জবানবন্দি যেভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতীত অন্য কোন আদালত, কোন অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রত্যেকটি প্রশ্ন ও তাঁর প্রদত্ত প্রত্যেকটি জবাবসহ সমগ্র , যে ভাষায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সে ভাষায় বা তা সম্ভব না হলে আদালতের ভাষায় কিংবা ইংরেজি ভাষায় পূর্ণাংগরূপে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং উক্ত নথি তাকে দেখাতে হবে বা পড়ে শুনাতে হবে অথবা যে ভাষায় তা লেখা হয়েছে ঐ সে বুঝতে না পারলে, যে ভাষা সে বুঝে ঐ ভাষায় তা তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে এবং সে তার জবাব ব্যাখা করতে বা তাতে জবাবে নতুন কিছু যোগ করতে পারবে।

(২) সে যখন সমগ্র জবানবন্দি সত্য হিসাবে স্বীকার করে, তখন অভিযুক্ত এবং উক্ত আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জাজ তাতে স্বাক্ষর করবেন এবং উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বহস্তে সার্টিফাই করবেন যে, জবানবন্দি তাঁর উপস্থিতিতে ও শ্রবণের মধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং নথিতে অভিযুক্তের বিবৃতির একটি পূর্ণাঙ্গ ও সত্য বিবরণ রয়েছে।

(৩) ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বয়ং অভিযুক্তের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ না করলে জবানবন্দি চলার সময় তিনি আদালতের ভাষায় বা ইংরেজীর সঙ্গে পর্যাপ্তভাবে পরিচিত হলে ইংরেজি ভাষায় তার একটি স্মারক তৈরী করতে থাকবেন এবং এরূপ স্মারক ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ কর্তৃক স্বহস্তে লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং নথির সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট বা জাজ যদি উক্ত স্মারক তৈরী করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে তিনি তাঁর এরূপ অসামর্থ্যের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৪) এই ধারার কোন বিধান ধারা-২৬৩ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে মর্মে পরিগণিত করা যাবে না।
৮,৫৫৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর কোন আদেশে দেওয়ানি মামলার পক্ষের মৃত্যু, বিবাহ ও দেউলিয়া সংক্রান্ত বিধানসমূহ অন্তর্ভুক্ত আছে?
  1. আদেশ-২০
  2. আদেশ-২১
  3. আদেশ-২২
  4. আদেশ-২৩
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-২২ (Order XXII) এ দেওয়ানি মামলার চলাকালীন সময় কোনো পক্ষ (plaintiff বা defendant) যদি মৃত্যুবরণ করেন, বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন (বিশেষত মহিলা পক্ষের ক্ষেত্রে), কিংবা দেউলিয়া (insolvent) হয়ে পড়েন, সে ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম কিভাবে পরিচালিত হবে — তা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (Code of Civil Procedure, 1908)-এর আদেশ-২২ (Order XXII) এ "Death, Marriage and Insolvency of Parties" সংক্রান্ত বিধানসমূহ অন্তর্ভুক্ত আছে।

•এই আদেশে যা বলা হয়েছে:
মৃত্যু: যদি কোনো পক্ষ (plaintiff বা defendant) মারা যান, এবং মামলার অধিকার (right to sue) টিকে থাকে, তাহলে মামলা বাতিল হবে না। তবে, তার আইনগত প্রতিনিধি (legal representative) কে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
বিবাহ: কোনো নারী পক্ষ বিবাহিত হলে মামলায় তার অবস্থান অকার্যকর হয় না। বিবাহের কারণে মামলা বাতিল হয় না।
দেউলিয়াত্ব: যদি কোনো পক্ষ দেউলিয়া হয়ে যায়, তাহলে মামলা চালিয়ে নেওয়ার অধিকার receiver বা assignee-র থাকে। তবে সে মামলা চালাতে অনিচ্ছুক হলে, মামলা খারিজ হতে পারে।
→ এই আদেশ মূলত মামলার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যাতে কোনো পক্ষের ব্যক্তিগত অবস্থার পরিবর্তনের কারণে মামলা বাতিল না হয়ে যায় এবং আইনগত প্রতিকার পাওয়া যায়।
৮,৫৫৬.
ORDER-XII-এর Rule-4 অনুসারে ঘটনা স্বীকারের নোটিশ পাওয়ার পর কত দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে?
  1. ৩ দিন
  2. ৬ দিন
  3. ৯ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৬ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ দিন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ৬ দিন।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ORDER-XII, Rule-4 অনুযায়ী: কোনো পক্ষ ঘটনা স্বীকারের জন্য লিখিত নোটিশ পেলে, তাকে ৬ দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে। এই সময়সীমা নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে গণনা করা হয়। আদালত প্রয়োজনে অতিরিক্ত সময় দিতে পারে।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER XII, Rule 4 অনুসারে, মামলার কোনো পক্ষ লিখিতভাবে অপর পক্ষকে নির্দিষ্ট ঘটনা বা ঘটনাবলী স্বীকার করার জন্য নোটিশ দিতে পারে। এই নোটিশ শুনানির তারিখের নয় (৯) দিন আগে দিতে হবে।
- এ ধরনের নোটিশ পাওয়ার পর ছয় (৬) দিনের মধ্যে বা আদালতের অনুমোদিত সময়সীমার মধ্যে উত্তর প্রদান করতে হবে। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বীকারোক্তি না করা হয় বা উপেক্ষা করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ঘটনা প্রমাণ করার জন্য যে ব্যয় হবে, তা সেই পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোনো নির্দেশ দেন।
- এছাড়া, এই স্বীকারোক্তি কেবল সংশ্লিষ্ট মামলার জন্যই প্রযোজ্য হবে এবং এটি অন্য কোনো ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না। আদালত উপযুক্ত মনে করলে, শর্তসাপেক্ষে স্বীকারোক্তি সংশোধন বা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে পারেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-12 Rule-4: Notice to Admit Facts:
- Any party may, by notice in writing, at any time not later than nine days before the day fixed for the hearing, call on any other party to admit, for the purposes of the suit only, any specific fact or facts mentioned in such notice.
- In case of refusal or neglect to admit the same within six days after service of such notice, or within such further time as may be allowed by the Court, the costs of proving such fact or facts shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs.
Provided that any admission made in pursuance of such notice shall be deemed to be made only for the purposes of the particular suit and not as an admission to be used against the party on any other occasion or in favor of any person other than the party giving the notice.
Provided also that the Court may, at any time, allow any party to amend or withdraw any admission so made on such terms as may be just.
৮,৫৫৭.
মৃত্যুকালীন ঘোষণার প্রাসঙ্গিকতার আবশ্যকীয় উপাদান কোনটি?
  1. মৃত্যুকালীন ঘোষণা দেওয়ার পর ঐ ব্যক্তির মৃত্যুবরণ করতে হবে
  2. মৃত্যুকালীন ঘোষণাটি লিখিত ও যথাযথভাবে সংরক্ষিত হতে হবে
  3. মৃত্যুকালীন ঘোষণা দেওয়া ব্যক্তির বর্ণিত কারণটিই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ হতে হবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুকালীন ঘোষণা দেওয়ার পর ঐ ব্যক্তির মৃত্যুবরণ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুকালীন ঘোষণা দেওয়ার পর ঐ ব্যক্তির মৃত্যুবরণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর ধারা ৩২(১) এর অধীন মৃত্যুকালীন ঘোষনা দেয়ার পর ঐ ব্যক্তির মৃত্যুবরণ করতে হবে। 
- Evidence Act  এর ধারা-৩২(১) এর বিধান মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration)- সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

-মৃত্যুকালীন ঘোষণা [Dying Declaration); কোনো ব্যক্তি তার মৃত্যুর পূর্বে তার  মৃত্যুর কারণ,  মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত পারিপার্শ্বিক অবস্থা বা যে সকল ঘটনার ফলে মৃত্যু হয়েছে সে সম্পর্কিত লিখিত বা মৌখিক ঘোষণা/বিবৃতি প্রদান করে, তাকেই মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলে। 

-মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায়: ১. লিখিত ভাবে ২. ইশারায় ৩. মৌখিকভাবে।
-মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রযোজ্য: দেওয়ানি মোকদ্দমা ও ফৌজদারি মামলা উভয়ক্ষেত্রেই
-মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায় যার নিকট: যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে; যেমন: ডাক্তার, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট।
-মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার আগে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে- ঘোষণা প্রদানকারী মৃত [১০৪ ধারার বিধান]।

-মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্য হবে না: মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী মৃত্যুবরণ না করলে [বেঁচে থাকলে]; উক্ত ঘোষণা- সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে। 
৮,৫৫৮.
কোনো ব্যক্তি মিথ্যা এজাহার দায়ের করলে তার শান্তির বিধান দণ্ডবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ২২০ ধারা
  2. ২১১ ধারা
  3. ৩০৫ ধারা
  4. ৪১২ ধারা
সঠিক উত্তর:
২১১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ২১১ ধারার বিধান ক্ষতি করিবার উদ্দেশ্যে অপরাধের মিথ্যা অভিযোগঃ
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারী মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
৮,৫৫৯.
দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৯১ অনুযায়ী, যদি কেউ আইনানুগ চুক্তির দ্বারা কোনো অসহায় ব্যক্তির দেখাশোনা বা চাহিদা পূরণে বাধ্য থাকেন এবং তা ইচ্ছাকৃতভাবে না করেন, তবে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ১ মাস কারাদণ্ড বা ১০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
  2. ২ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
  3. ৩ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
  4. ৬ মাস কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৯১ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি আইনানুগ চুক্তির দ্বারা কোনো অসহায় ব্যক্তির (যেমন শিশু, বৃদ্ধ, বা অক্ষম ব্যক্তি) দেখাশোনা, রক্ষণাবেক্ষণ, বা চাহিদা পূরণে বাধ্য থাকেন এবং ইচ্ছাকৃতভাবে তা না করেন, তবে তিনি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন। এই অপরাধের শাস্তি হলো ৩ মাস পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, বা উভয়ই।

অর্থাৎ ধারা ৪৯১ অনুসারে, আইনানুগ চুক্তির দ্বারা অসহায় ব্যক্তির দেখাশোনা বা চাহিদা পূরণে ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যর্থ হওয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৩ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয়ই। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) ৩ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড।

⇒The Penal Code, 1860- Section-491. Breach of contract to attend on and supply wants of helpless person:
Whoever, being bound by a lawful contract to attend on or to supply the wants of any person who, by reason of youth, or of unsoundness of mind, or of a disease or bodily weakness, is helpless or incapable of providing for his own safety or of supplying his own wants, voluntarily omits so to do, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine which may extend to two hundred taka, or with both.

৮,৫৬০.
The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারায় বলা হয়েছে সরকারের বিরুদ্ধে ভূমি থেকে উচ্ছেদ বিষয়ে মামলা করা যাবে না?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ৯
  4. ধারা ১২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
ব্যাখ্যা

⇒The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৯ এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি সরকারের বিরুদ্ধে স্থাবর সম্পত্তি (immovable property) থেকে উচ্ছেদ বা দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করতে পারবে না। এই ধারাটি সরকারের বিরুদ্ধে দখল সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা আরোপ করে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৯ এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, "No suit under this section shall be brought against the Government." অর্থাৎ, এই ধারার অধীনে সরকারের বিরুদ্ধে কোনো মামলা করা যাবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান: স্থাবর সম্পত্তির দখল চ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
-যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
-------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-9: Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.

৮,৫৬১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট কোনো ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর জন্য লিখিত আদেশ দেন?
  1. ধারা ১০৬
  2. ধারা ১০৭
  3. ধারা ১১২
  4. ধারা ১১৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১২ এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, যখন কোনো ম্যাজিস্ট্রেট ধারা ১০৭, ১০৮, ১০৯ বা ১১০ এর অধীনে কোনো ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর জন্য নির্দেশ দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেন, তখন তিনি একটি লিখিত আদেশ জারি করবেন।
এই আদেশে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো উল্লেখ থাকবে:
- প্রাপ্ত তথ্যের সারাংশ।
- বন্ডের পরিমাণ।
- বন্ডের মেয়াদকাল।
- জামিনদারের (যদি থাকে) সংখ্যা, চরিত্র এবং শ্রেণি।
এই লিখিত আদেশের উদ্দেশ্য হলো ব্যক্তিকে জানানো যে তাকে কেন শান্তি রক্ষা বা ভালো আচরণের জন্য বন্ড স্বাক্ষর করতে হবে এবং তাকে তদন্তের জন্য আদালতে হাজির হতে হবে।
সুতরাং, কারণ দর্শানোর জন্য লিখিত আদেশ জারির বিষয়টি ধারা ১১২ এর অধীনে সুনির্দিষ্টভাবে বর্ণিত।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 112.Order to be made:
When a Magistrate acting under section 107, section 108, section 109 or section 110 deems it necessary to require any person to show cause under such section, he shall make an order in writing, setting forth the substance of the information received, the amount of the bond to be executed, the term for which it is to be in force, and the number, character and class of sureties (if any) required.

৮,৫৬২.
জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ কার অধঃস্তন হবেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের
  2. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের
  3. দায়রা জজের
  4. হাইকোর্ট বিভাগের
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধানঃ নির্বাহী, জুডিশিয়াল এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণের অধীনস্থকরণঃ (১) ১০ ধারায় ও ১২(১) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ হবেন; এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই কোডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সময়ে সময়ে বিশেষ আদেশ কর্তৃক তাঁর অধীন ম্যাজিস্ট্রেটগণের মধ্যে কাজকর্ম বন্টন করতে পারবেন ।

(২) ১১ ধারা ও ১২(৩) ধারা অনুযায়ী, নিযুক্ত সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৫ ধারা অনুসারে গঠিত সমস্ত বেঞ্চ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-এর অধীন হবেন; তাঁদের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুসারে প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন।

(৩) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১২(৫) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৯ ধারা অনুসারে গঠিত বেঞ্চসমূহ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন; অনুরূপ ম্যাজিস্ট্রেটগণের ও বেঞ্চসমূহের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুযায়ী প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন ।

(৪) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-সহ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ দায়রা জজ-এর অধীন হবেন এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ মহানগর দায়রা জজ-এর অধীন হবেন।

♦ অর্থাৎ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অধঃস্তন হবেন।

--------------------------
♦ Section 17(2) All Judicial Magistrates appointed under section 11 and 12 (3) and all Benches constituted under section 15 shall be subordinate to the Chief Judicial Magistrate who may, from time to time give special orders consistent with this Code and rules made by the Government under section 16 as to the distribution of business among Magistrates and Benches.
৮,৫৬৩.
নিচের কোন পরিস্থিতিতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারার অধীনে মামলা করা যাবে না?
  1. যখন ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট নয়
  2. যখন বিবাদী প্রকৃত মালিক
  3. যখন সম্পত্তির ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ কঠিন
  4. যখন বিবাদী ট্রাস্টি হিসেবে সম্পত্তি ধারণ করে
সঠিক উত্তর:
যখন বিবাদী প্রকৃত মালিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন বিবাদী প্রকৃত মালিক
ব্যাখ্যা
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি অস্থাবর সম্পত্তির তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী হন এবং বিবাদী সেই সম্পত্তির মালিক না হন, তাহলে তিনি আদালতের মাধ্যমে সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের দাবি করতে পারেন। তবে এই ধারা প্রকৃত মালিকের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য নয়।
- ১১ ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো সেই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রতিকার দেওয়া, যারা সম্পত্তির প্রকৃত মালিক না হয়েও তা ধারণ বা নিয়ন্ত্রণ করছে।
- যদি বিবাদী সম্পত্তির প্রকৃত মালিক হন, তাহলে তার বিরুদ্ধে ১১ ধারার অধীনে মামলা করা যাবে না।
- মালিকানার প্রশ্নে বাদীকে ভিন্ন আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে, যেমন মালিকানা প্রতিষ্ঠার জন্য পৃথক দেওয়ানি মামলা দায়ের করতে হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারার বিধান: অব্যবহিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট থেকে দখল প্রদানের নিমিত্তে মালিক নয় এরূপ দখলকারী ব্যক্তির দায় দায়িত্ব:
-যে সম্পত্তির মালিক সে নিজে নয়, এমন অস্থাবর সম্পত্তির কোন বিশেষ অংশের দখলকারী বা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত যে কোন অবস্থাতে অবিলম্বিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট সেটি প্রদানার্থে সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে-
(ক) যখন দাবিকৃত সম্পত্তি দাবিদারের জিম্মাদারের বা প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিবাদীদের নিকট রয়েছে।
(খ) যখন দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতি টাকার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবীদারের পর্যাপ্ত প্রতিকার করবে না।
(গ) যখন দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতির কোন সাধিত যথার্থ ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হবে।
(ঘ) যখন দাবিকৃত বস্তুর দখল দাবিদারের নিকট হতে অন্যায়ভাবে হস্তান্তরিত করা হয়েছে।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-11. Liability of person in possession, not as owner to deliver to person entitled to immediate possession:
-Any person having the possession or control of a particular article of moveable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:-
(a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant;
(b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed;
(c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss;
(d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.
৮,৫৬৪.
'ক', 'খ' এর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে দখল করে তা হতে লাভ পেলো। এক্ষেত্রে 'খ', 'ক' এর বিরুদ্ধে কখন মামলা দায়ের করতে পারবে?
  1. মুনাফা গ্রহণের ১ বছরের মধ্যে
  2. দখল নেয়ার ১ বছরের মধ্যে
  3. দখল নেয়ার ৩ বছরের মধ্যে
  4. মুনাফা গ্রহণের ৩ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
মুনাফা গ্রহণের ৩ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুনাফা গ্রহণের ৩ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২) অনুসারে,

বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো,সুদসহ উক্ত মুনাফাকে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১০৯ এ বাদীর স্থাবর সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত যে মুনাফা (Mesne Profits) বিবাদী অন্যায়ভাবে গ্রহণ করেছে তার জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে। মুনাফা গ্রহণের ৩ বছরের মধ্যে এই সংক্রান্ত মামলা দায়ের করতে হবে।
৮,৫৬৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ কারাদণ্ড দিতে পারে-
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারার বিধান হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন: (১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

- অর্থাৎ  ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ ১০ বছররের  কারাদণ্ড দিতে পারবে।
-------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 31. Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass:
(1) The High Court Division] may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.
৮,৫৬৬.
দলিল রদের মোকদ্দমায় কোর্ট ফি কত?
  1. এ্যাড-ভ্যালোরেম
  2. নির্ধারিত ৩০০ টাকা
  3. ২০০ টাকা
  4. আদালতের নির্দেশ মতে
সঠিক উত্তর:
এ্যাড-ভ্যালোরেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ্যাড-ভ্যালোরেম
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী, ২টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন-
কোন লিখিত দলিল বাতিল/ বাতিলযোগ্য, যদি বাদীর চুক্তি সম্পর্কে আশংকা থাকে যে, এরূপ দলিল যদি অনিস্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা ক্ষতির কারন হতে পারে। এটি আদালতের বিবেচনা মূলক ক্ষমতা।

দলিল বাতিল করার ক্ষেত্রে কিছু তথ্য হলোঃ-

• জাল দলিল রেজিষ্ট্রেশন হয়ে থাকলে তা বাতিলের মামলা করা যাবে দেওয়ানি আদালতে।
• সম্পত্তিতে যার স্বার্থ আছে তিনিই দলিল বাতিলের মামলা করতে পারবেন।
• জাল দলিল সম্পর্কে জানার ৩ বছরের মধ্যে ঐ দলিল বাতিলের মামলা করতে হবে।
• দলিল আংশিক বাতিলের মামলা করা যায়।
• যিনি কোন দলিলকে জাল বা জোর পূর্বক সম্পাদিত বলে দবি করবেন তাকে তার দাবির সত্যতা প্রমাণ করতে হবে।
• নাবলকের সম্পত্তি জাল দলিলের মাধ্যমে হাতিয়ে নিলে ঐ নাবালকের অভিবাবক বা ঐ নাবালক সাবালকত্ব অর্জনের পর সে নিজে মামলা করতে পারবেন।
দলিল রদ বা বাতিলের জন্য ‘এড-ভ্যালোরেম কোর্ট ফি’ প্রদান করে মামলা দায়ের করতে হবে।
• দলিল বাতিলের মামলার সাথে অন্য প্রতিকার যেমন-দখল পাবার প্রার্থনাও কারা যাবে তবে এর জন্য অতিরিক্ত কোর্ট ফি দিতে হবে।
৮,৫৬৭.
'খ' কর্তৃক প্রদেয় নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে 'ক', 'খ'- কে সারা জীবনের জন্য বার্ষিক বৃত্তি প্রদানের চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন 'খ' মারা গেল। এক্ষেত্রে-
  1. চুক্তি বাতিল হবে
  2. চুক্তি অবৈধ ঘোষণা হবে
  3. 'খ' -এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে
  4. 'খ' -এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
'খ' -এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' -এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে
ব্যাখ্যা
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারার বিধান- যে চুক্তির বিষয়বস্তু আংশিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছে:
চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার কোন বিধান সত্ত্বেও চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কার্যসম্পাদনের সময় আংশিকভাবে বিলুপ্ত হবার কারণে চুক্তি অনুযায়ী কার্যসম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয়।

উদাহরণ:
(ক) ক, খ-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঘুর্ণিঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এখন ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে খ-কে চুক্তিতে তার অংশের কার্যসম্পদনে বাধ্য করা যেতে পারে।

(খ) খ কর্তৃক দেয় নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ক, খ- কে সারা জীবনের জন্য বার্ষিক বৃত্তি প্রদানের চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন খ ঘোড়ার পিঠ হতে পড়ে মারা গেল। এখন খ-এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে।
৮,৫৬৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ______ ধারা অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।
  1. ৫২
  2. ৫৪
  3. ৫৫
  4. ৫৬
সঠিক উত্তর:
৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধানে বলা আছে যে,
বিবাদী যখন বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা ভোগ দখলে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা করার হুমকি দেয়, তখন আদালত ৫টি ক্ষেত্রে বিবাদীর বিরুদ্ধে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করেতে পারে।

(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।

ব্যাখ্যাঃ এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।
৮,৫৬৯.
১৮৯৮ সালের ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী খালাস [Acquittal] আদেশের বিরুদ্ধে কত সময়ের মধ্যে আপিল করতে হবে?
  1. ৩ মাস
  2. ৯০ দিন
  3. ৬ মাস
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচেছদ- ১৫৭

 ১৮৯৮ সালের ফৌজদারী কার্যবিধি এর অধীন খালাস [Acquittal] আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে- যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তার তারিখ হতে- ৬ মাস।
৮,৫৭০.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ১৪১
  2. ১৪৯
  3. ১৫১
  4. ১১৫
সঠিক উত্তর:
১৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫১
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা- অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন: যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন, তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।
------------------------------------
Section 151- Indecent and scandalous questions: The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.
৮,৫৭১.
কোনো বিচার্য ঘটনার উদ্দেশ্য (motive), প্রস্তুতি (preparation) এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণ (conduct) সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার অধীনে প্রাসঙ্গিক?
  1. ধারা ৭
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ৯
  4. ধারা ১০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারার বিধান: উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণ (Motive, preparation and previous subsequent conduct): কোন ঘটনা সংঘটনের উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি, এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ প্রাসঙ্গিক ব্যা বিবেচিত হবে। কারণ ঘটনা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী অভিযুক্তের আচরণ ঘটনা প্রমাণে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে।
⇒ যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) হিসেবে গণ্য হয়, সে সকল ঘটনাকে সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় ৩টি বিষয়কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে-(i) অভিপ্রায় (Motive) (ii) প্রস্তুতি (Preparation) (iii) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct).
⇒ সাধারণত অপরাধ প্রমাণের ক্ষেত্রে Motive প্রমাণ করতে হয় না। তবে বাদী যখন Motive দাবী করে ও মামলাটা যদি শুধুমাত্র Circumstantial evidence এর উপর নির্ভর করে তখন Motive প্রমাণ করতে হয়।
----------
⇒The Evidence Act, 1872, Section 8. Motive, preparation and previous or subsequent conduct:
- Any fact is relevant which shows or constitutes a motive or preparation for any fact in issue or relevant fact. 
- The conduct of any party, or of any agent to any party, to any suit or proceeding, in reference to such suit or proceeding, or in reference to any fact in issue therein or relevant thereto, and the conduct of any person an offence against whom is the subject of any proceeding, is relevant, if such conduct influences or is influenced by any fact, in issue or relevant fact, and whether it was previous subsequent thereto.

৮,৫৭২.
সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারা অনুযায়ী, ব্যারিস্টার বা এটর্নি মক্কেলের পক্ষ থেকে কোন বার্তা প্রকাশ করতে পারবেন না, যদি না-
  1. আদালত নির্দেশ দেয়
  2. মক্কেল তার অনুমতি দেন
  3. মামলাটি নিষ্পত্তি হয়
  4. মক্কেল আদালতে উপস্থিত থাকে
সঠিক উত্তর:
মক্কেল তার অনুমতি দেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মক্কেল তার অনুমতি দেন
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারা- পেশা সম্পর্কিত বার্তা:
ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না।
অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদানকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

⇒ তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহিত দিবেন না।

(১) বেআইনী উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,
(২) ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকিবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।
৮,৫৭৩.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল রুলস অনুযায়ী, অ্যাডভোকেটগণ শপথ গ্রহণ করেন কখন?
  1. বার কাউন্সিলে আবেদন করার সময়
  2. বার অ্যাসোসিয়েশনে যোগদানের সময়
  3. আদালতে প্রথম মামলা পরিচালনার সময়
  4. বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্তির পর সনদ গ্রহণের প্রাক্কালে
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্তির পর সনদ গ্রহণের প্রাক্কালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্তির পর সনদ গ্রহণের প্রাক্কালে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর বিধি ৬২(২) অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি বার কাউন্সিলে অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির পর সনদ (সার্টিফিকেট) গ্রহণের পূর্বে শপথ গ্রহণ করেন। এই শপথের মাধ্যমে অ্যাডভোকেটগণ সংবিধান মেনে চলা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত শিষ্টাচার সংক্রান্ত বিধি-বিধান মেনে চলার অঙ্গীকার করেন।
→ সুতরাং, বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্তির পর সনদ গ্রহণের প্রাক্কালে (বিকল্প ঘ) শপথ গ্রহণ করা হয়, যা সঠিক উত্তর।

অ্যাডভোকেটের শপথ:
- অ্যাডভোকেটগণ আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকেন। সামাজিক সুবিচার এবং জনগণের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় তাদের ভূমিকা অসামান্য। সংবিধান ব্যাখ্যা এবং সংবিধান সুরক্ষার দায়িত্বও তাদের উপর বর্তায়। সংবিধানের প্রাধান্য রক্ষা করা অন্যান্যদের মত অ্যাডভোকেটগণের রয়েছে। অ্যাডভোকেটগণ যাতে সংবিধান মেনে চলেন এবং বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত শিষ্টাচার সংক্রান্ত বিধি বিধান মেনে চলেন সে জন্য ১৯৯৯ সনের ৩রা জুন তারিখে প্রকাশিত গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৬২(২) বিধি প্রতিস্থাপন করে উহাতে নিম্ন লিখিত শপথ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বার কাউন্সিলে অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির পর সনদ গ্রহণের প্রাক্কালে অ্যাডভোকেটগণ ঐ শপথ গ্রহণ করে থাকেন।
-------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Rules, 1972-Rule-62(2) The certificate of enrolment shall then be issued to the advocate on his application to the Bar Council through the Bar Association after his admission as a member thereof in such manner and on fulfillment of such conditions as may be decided by the Bar Council upon taking such oath as prescribed.
৮,৫৭৪.
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৬(১) অনুসারে, কোন ধরনের সুখাধিকার অর্জনের জন্য ৬০ বছর নিরবচ্ছিন্নভাবে ভোগ করতে হবে?
  1. ব্যক্তিগত সম্পত্তির সুখাধিকার
  2. মালিকবিহীন সম্পত্তির অধিকার
  3. বেসরকারি সম্পত্তির অধিকার
  4. সরকারি সম্পত্তির সুখাধিকার
সঠিক উত্তর:
সরকারি সম্পত্তির সুখাধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি সম্পত্তির সুখাধিকার
ব্যাখ্যা
⇒ সুখাধিকার হলাে এমন কোন এক ধরনের অধিকার যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্যকোনো ব্যক্তির জমি বিশেষ কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে।
সুখাধিকার দুইভাবে অর্জন হতে পারে যথা:
১) প্রেসক্রিপশন এর মাধ্যমে (by prescription);
২) সুখাধিকার অর্জন এর মাধ্যমে (by easement) যখন সুখাধিকারসমূহ অর্জন হয়।

তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২৬(১) ধারা অনুযায়ী-
যে ক্ষেত্রে কোন দালানে আলাে বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে ২০ বছর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভােগ করা হয়েছে এবং যে ক্ষেত্রে কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নেতিবাচক যাই হােক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে তাতে স্বত্ব দাবি করে অব্যাহতভাবে এবং বিশ (২০) বছর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভােগ করেছে; সেক্ষেত্রে অনুরূপ আলাে বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার পথ জলস্রোত পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকারর নিরঙ্কুশ ও অলঙ্ঘনীয় অধিকারে পরিণত হবে।

সরকারি কোনো সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে উক্ত অধিকার একনাগাড়ে ৬০ বছর নিরবচ্ছিন্ন ভােগ করতে হবে। সরকারি কোন সম্পত্তি ছাড়া অন্যকোনো সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে উক্ত জমিতে একনাগাড়ে ২০ বছর পরে ভােগ করতে হবে।
৮,৫৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি কে করতে পারে?
  1. শালীনতা বজায় রেখে কোন মহিলা
  2. শুধু মহিলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. শুধু মহিলা দেহ তল্লাশী অফিসার
  4. যে কোন মহিলা পুলিশ
সঠিক উত্তর:
শালীনতা বজায় রেখে কোন মহিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শালীনতা বজায় রেখে কোন মহিলা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১ ধারা মতে গ্রেফতারকারী অফিসার অথবা কোন বেসরকারি লোক গ্রেফতার করলে তিনি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যার নিকট অর্পণ করেন সেই পুলিশ অফিসার গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দেহ তল্লাশী করতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ব্যতীত তার নিকট যা পাওয়া যাবে, তা নিরাপদ হেফাজতে রাখতে পারবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।

♦ অর্থাৎ শালীনতা বজায় রেখে যেকোন মহিলা স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি করতে পারে। 
৮,৫৭৬.
প্রশ্নমালা সম্পর্কে আপত্তি কীভাবে জানাতে হয়?
  1. লিখিত আবেদনের মাধ্যমে
  2. মৌখিকভাবে আদালতে জানাতে হয়
  3. হলফনামার (Affidavit) মাধ্যমে
  4. আইনজীবীর মাধ্যমে মৌখিক আপত্তি জানাতে হয়
সঠিক উত্তর:
হলফনামার (Affidavit) মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হলফনামার (Affidavit) মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী উদঘাটন বা আবিষ্কার দুইভাবে হতে পারে।যথা-
১- প্রশ্নের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories) এবং
২- দলিলের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by documents)।

• প্রশ্নমালার সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories) দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে আরজি ও লিখিত জবাবে বর্ণিত তথ্য মামলার প্রকৃতি নির্ণয়ে অপর্যাপ্ত হলে, আদালতের অনুমতি নিয়ে পক্ষগণ মামলার প্রকৃতির বিধায় একে অপরকে প্রশ্নমালা দিয়ে উত্তর গ্রহণের মাধ্যমে কোন তথ্য বা ঘটনা উদঘাটন করতে পারে। বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়। আদালতের অনুমতি ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে ১ সেটের বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করবে না।

• আদেশ-১১, বিধি-৬:
প্রশ্নমালা সম্পর্কে আপত্তি-প্রশ্নমালা সম্পর্কে কোন আপত্তি (objections) হলফনামার (affidavit) মাধ্যমে করতে হয়।
৮,৫৭৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১ অনুসারে কয়টি পদ্ধতিতে ডিক্রির টাকা পরিশোধের বিধান আছে?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর আদেশ-২১, বিধি-১: ডিক্রির টাকা পরিশোধ- ২১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে ডিক্রির টাকা ৩ ভাবে পরিশোধ করা যায়। যথা-
ⅰ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে টাকা জমা দিয়ে;
ii) ডিক্রিদারকে আদালতের বাহিরে টাকা দিয়ে; এবং
iii) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নির্দেশে অন্য উপায়ে ডিক্রির টাকা পরিশোধ করা যায়।
 
⇒ ডিক্রি জারির সংজ্ঞা (Definition of Execution of Decree)- আদালত প্রদত্ত ডিক্রিকে বলবৎ বা বাস্তবায়ন করাকে ডিক্রি জারি বা executuion of decree বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৬ থেকে ৭৪, ১৩৫ক ধারা এবং ২১ নং আদেশের ১ থেকে ১০৩ বিধিসমূহে ডিক্রি জারিকরণ সংক্রান্ত সকল নিয়মাবলি আলোচনা করা হয়েছে।
 
⇒ কোন মোকদ্দমার রায়ে যার পক্ষে ডিক্রি দেয়া হয় তিনি আপনা আপনি ডিক্রির ফল ভোগ করতে পারবেন না। জারিযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে নতুন করে একটি ডিক্রি জারির মামলা করতে হয়। নির্দিষ্ট ফরম পূরণপূর্বক জাবেদা নকল সহ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে বা যে আদালতে ডিক্রি স্থানান্তর করা হয়েছে সে আদালতে ডিক্রি জারির আবেদন করতে হয়।
 
⇒ডিক্রি জারির পদ্ধতি- দেওয়ানী কার্যবিধির ৫১ ধারামতে ৫টি উপায়ে আদালত ডিক্রি জারি বা ডিক্রি কার্যকর করতে পারে। যথা-
i) সম্পত্তি অর্পণ (by delivery);
ii) ক্রোক ও বিক্রয় (attachment and sale);
iii) দেনাদারকে গ্রেফতার ও কারাগারে আটক;
iv) রিসিভার নিয়োগ; এবং
ⅳ) প্রতিকারের প্রকৃতি অনুযায়ী অন্য কোনো উপায়ে।
-------------------------
Payment under Decree:
CPC Order-21 Rule-1.Modes of paying money under decree:
(1) All money payable under a decree shall be paid as follows, namely:−
(a) into the Court whose duty it is to execute the decree; or
(b) out of Court to the decree-holder; or
(c) otherwise as the Court which made the decree directs.

(2) where any payment is made under clause (a) of subrule (1), notice of such payment shall be given to the decreeholder.
৮,৫৭৮.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী বার কাউন্সিলের মেয়াদ কত বছর?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর ধারা ৪ অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের মেয়াদ ৩ বছর। এই মেয়াদ বার কাউন্সিলের সাধারণ নির্বাচনের পরবর্তী ১লা জুলাই থেকে শুরু হয়। মেয়াদ শেষ হলে বার কাউন্সিলের সদস্যগণ তাদের পদ হারান এবং নতুন নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সদস্য নির্বাচিত হন।

এই বিধানটি বার কাউন্সিলের কার্যক্রমকে সময়ানুগ ও কার্যকর রাখার জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে। বার কাউন্সিলের মেয়াদ ৩ বছর হওয়ায় এটি নিয়মিতভাবে পুনর্গঠিত হয় এবং নতুন সদস্যদের মাধ্যমে আইন পেশার মানোন্নয়ন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখে।
-------
The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 (President's Order) Article 4.
- Subject to the provisions of Article 8, the term of the Bar Council be three years beginning on the first day of July following the general elections to the Bar Council; and at the end of each terms the members of the Bar Council shall cease to hold office.
৮,৫৭৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৩ অনুসারে কত শ্রেনীর ব্যক্তি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারে?
  1. ৪ শ্রেনীর
  2. ৫ শ্রেনীর
  3. ৭ শ্রেনীর
  4. ৮ শ্রেনীর
সঠিক উত্তর:
৮ শ্রেনীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ শ্রেনীর
ব্যাখ্যা

ধারা ২৩- সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন যে পেতে পারে: এই অধ্যায়ে ভিন্নরূপ বিধিবদ্ধ না থাকলে নিম্নোক্ত ৮ শ্রেনীর ব্যক্তি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারে-
ক) চুক্তির যেকোন পক্ষ;
খ) চুক্তির যেকোন পক্ষের বা স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি; শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে তেমন পক্ষের শিক্ষা, দক্ষতা, স্বচ্ছলতা বা
কোন ব্যক্তিগত গুণাগুণ চুক্তির উল্লেখযোগ্য উপাদান হয় বা যেক্ষেত্রে চুক্তিতে বিধান থাকে যে, তার স্বার্থের স্বত্ব নিয়োগ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তার সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি বা তার প্রধান চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের অধিকারী হবেন না, যদি না চুক্তিতে তার অংশ ইতপূর্বেই সম্পাদিত থাকে।
গ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে একটি বিবাহের ব্যাপারে নিষ্পত্তি বা একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যকার সন্দেহপূর্ণ অধিকারের আপোষ-মীমাংসা, সেক্ষেত্রে চুক্তি অনুসারে হিতকরভাবে অধিকারী যেকোন ব্যক্তি;
ঘ) যেক্ষেত্রে একজন আজীবন প্রজা তার ক্ষমতার যথাযথ প্রয়োগপূর্বক চুক্তিবদ্ধ হয়েছে সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ব্যক্তি;
ঙ) যেক্ষেত্রে চুক্তিপত্র এমন যা সম্পন্ন করা হয়েছিল তার পূর্বাধিকারীর সাথে ও যেক্ষেত্রে তেমন চুক্তিপত্রের লাভউত্তরাধিকারী পাবার অধিকারী, সেক্ষেত্রে অধিকার ভোগের উত্তরাধিকারী;
চ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে এমন উত্তরাধিকারী যা থেকে সৃষ্ট মুনাফা লাভের অধিকারী ও তা ভঙ্গহেতু আর্থিক ক্ষতি ভোগ করবে, সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ভাগের উত্তরাধিকারী;
ছ) যেক্ষেত্রে পাবলিক কোম্পানি চুক্তি করে ও তার পর পরই তা অপর একটি পাবলিক কোম্পানির সাথে মিলিত হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে মিলিত হওয়ার কারণে গঠিত নূতন কোম্পানি;
জ) যেক্ষেত্রে একটি পাবলিক কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিগণ কোম্পানি গঠিত হওয়ার আগেই কোম্পানির প্রয়োজনবশতঃ চুক্তি করে এবং কোম্পানি গঠনের শর্তাবলীতে তেমন চুক্তিকে নির্বিঘ্ন করা হয়, সেক্ষেত্রে কোম্পানি।

৮,৫৮০.
চার্জ গঠনে গুরুতর ভুলের ফলে যদি আসামি আত্মপক্ষ সমর্থনে বিভ্রান্ত হন, তাহলে আদালত-
  1. দণ্ড বৃদ্ধি করতে পারে
  2. মামলা খারিজ করে দিতে পারে
  3. পুনর্বিচারের নির্দেশ দিতে পারে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পুনর্বিচারের নির্দেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনর্বিচারের নির্দেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩২ ধারার বিধান চার্জে কৃত গুরতর ভুলের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
১) রিভিশন ক্ষমতা বা সপ্তবিংশ অধ্যায়ে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়ােগকালে আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, অভিযােগ গঠিত হওয়ায় কিংবা উহাতে ভুল থাকায় কোন অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তি তার আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যাপারে বিভ্রান্ত হয়েছে তা হলে উক্ত আদালত যেইরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেইরূপভাবে অভিযােগ গঠন করে নতুন বিচারের নির্দেশ দিবেন।

২) আদালত যদি মনে করেন যে,মােকদ্দমার ঘটনাবলী এইরূপ যে প্রমাণিত তথ্যাবলীর ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে কোন বৈধ অভিযােগ প্রণয়ন করা যাবে না,তা হলে দণ্ডাদেশ রদ করে দিবেন।
৮,৫৮১.
‘A’ একটি মামলায় দাবি করে যে ‘B’ তাকে হত্যার চেষ্টা করেছে। ‘A’ মারা যাওয়ার আগে লিখিতভাবে বলে, “ ‘B’ আমার খাবারে বিষ মিশিয়েছে, যার ফলে আমি অসুস্থ হয়েছি।” সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে এই বক্তব্য প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য?
  1. ধারা ৩২(১)
  2. ধারা ৩২(২)
  3. ধারা ৩২(৩)
  4. ধারা ৩২(৪)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২(১)
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩২(১) অনুসারে, যে ব্যক্তি মৃত বা সাক্ষ্য দিতে অক্ষম, তার মৃত্যুর কারণ বা সংশ্লিষ্ট ঘটনার পরিস্থিতি সম্পর্কিত লিখিত বা মৌখিক বক্তব্য প্রাসঙ্গিক, যদি মৃত্যুর কারণ মামলায় প্রশ্নবিদ্ধ হয়। এখানে ‘A’ মারা যাওয়ার আগে লিখিতভাবে বলেছে, “‘B’ আমার খাবারে বিষ মিশিয়েছে, যার ফলে আমি অসুস্থ হয়েছি,” যা তার মৃত্যুর কারণ বা সংশ্লিষ্ট ঘটনার পরিস্থিতি সম্পর্কিত। তাই এই বক্তব্য ধারা ৩২(১)-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

-The Evidence Act, 1872, Section-32:Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant
- Statements, written or verbal, of relevant facts made by a person who is dead, or who cannot be found, or who has become incapable of giving evidence, or whose attendance cannot be procured without an amount of delay or expense which under the circumstances of the case appears to the Court unreasonable, are themselves relevant facts in the following cases:–
When it relates to cause of death;
(1) When the statement is made by person as to the cause of his death, or as to any of the circumstances of the transaction which resulted in his death, in cases in which the cause of that person's death comes into question. 
Such statements are relevant whether the person who made them was or was not, at the time when they were made, under expectation of death, and whatever may be the nature of the proceeding in which the cause of his death comes into question.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vi) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question

৮,৫৮২.
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার সামগ্রিক বিষয়বস্তু কী?
  1. মৃত্যুকালীন ঘোষণা
  2. মৃত বা যে ব্যক্তিকে পাওয়া যাচ্ছে না বা যার সাক্ষ্য নেওয়া যাচ্ছে না এমন ব্যক্তির পূর্বোক্ত বক্তব্যের প্রাসঙ্গিকতা (relevancy)
  3. স্বীকৃতির গ্রহণযোগ্যতা
  4. দোষ স্বীকারের গ্রহণযোগ্যতা
সঠিক উত্তর:
মৃত বা যে ব্যক্তিকে পাওয়া যাচ্ছে না বা যার সাক্ষ্য নেওয়া যাচ্ছে না এমন ব্যক্তির পূর্বোক্ত বক্তব্যের প্রাসঙ্গিকতা (relevancy)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত বা যে ব্যক্তিকে পাওয়া যাচ্ছে না বা যার সাক্ষ্য নেওয়া যাচ্ছে না এমন ব্যক্তির পূর্বোক্ত বক্তব্যের প্রাসঙ্গিকতা (relevancy)
ব্যাখ্যা
♦ ৩২ ধারায় মৃত্যুকালীন ঘোষণার আলোচনা থাকলেও সামগ্রিকভাবে এই ধারার আলোচ্য বিষয় হলো- Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant অর্থাৎ মৃত বা যে ব্যক্তিকে পাওয়া যাচ্ছে না বা যার সাক্ষ্য নেওয়া যাচ্ছে না এমন ব্যক্তির পূর্বোক্ত বক্তব্যের প্রাসঙ্গিকতা (relevancy)।
৮,৫৮৩.
দণ্ডবিধির কত ধারায় খুনের উদ্যোগের (Attempt to murder) এর শাস্তির বিধান আছে?
  1. ২৯৯
  2. ৩০২
  3. ৩০৪
  4. ৩০৭
সঠিক উত্তর:
৩০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৭
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং
যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
উদাহরণ:
(অ) ক চ-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে এমন অবস্থায় গুলি করে, যে অবস্থায় মৃত্যু অনুষ্ঠিত হলে ক খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। ক এই ধারা বলে দণ্ডিত হবে।
(আ) ক একটি অতি অল্প বয়স্ক শিশুকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে উহাকে মরুভূমিতে রেখে আসে। ইহার ফলে শিশুটির মৃত্যু না হলেও ‘ক’ এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
(ই) ক, চ কে খুন করার উদ্দেশ্যে একটি বন্দুক ক্রয় করে উহা গুলি ভর্তি করে। এতদূর পর্যন্ত ক অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। ক চ-এর প্রতি গুলি বর্ষণ করে। এইক্ষেত্রে সে এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করেছে, এবং এই গুলি বর্ষণের দরুণ যদি সে চ-কে আহত করে থাকে, তবে সে এই ধারার প্রথম অনুচ্ছেদের শেষাংশে নিদিষ্ট দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
(ঈ) ক চ-কে বিষ প্রয়োগ করে খুন করার উদ্দেশ্যে বিষ ক্রয় করে এবং খাদ্যে বিষ মিশ্রিত করে; বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রব্যটি ক-এর নিকটই রয়েছে। এতদূর পর্যন্ত ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। ক বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রবটি চএর খাবার টেবিলে রাখে অথবা উহা চ-এর খাবার টেবিলে রাখার জন্য চ-এর চাকরকে প্রদান করে । ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
--------
⇒Section 307: Attempt to murder, Attempts by life-convicts:
 Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned.
⇒ When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
Illustration 
(a) A shoots at Z with intention to kill him, under such circumstances that, if death ensued, A would be guilty of murder. A is liable to punishment under this section. 
(b) A with the intention of causing the death of a child of tender years exposes it in a desert place. A has committed the offence defined by this section, though the death of the child does not ensue. 
(c) A, intending to murder Z, buys a gun and loads it. A has not yet committed the offence. A fires the gun at Z. He has committed the offence defined in this section, and, if by such firing he wounds, he is liable to the punishment provided by the latter part of the first paragraph of this section. 
(d) A, intending to murder Z, by poison, purchases poison and mixes the same with food which remains in A's keeping; A has not yet committed the offence in this section. A places the food on Z's table or delivers it to Z's servants to place it on Z's table. A has committed the offence defined in this section.
৮,৫৮৪.
অভিযোগ (Complaint) খারিজ করা হয় ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুসারে?
  1. ২০১
  2. ২০২
  3. ২০৩
  4. ২০৪
সঠিক উত্তর:
২০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৩
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৩-এ বলা হয়েছে অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো কার্যক্রম নেওয়ার মতো কোনো কারণ না দেখলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগ ডিসমিস করতে পারবেন।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৩ নালিশ খারিজকরণঃ যার নিকট অভিযোগ করা হয়েছে, অথবা যার নিকট তা হস্তান্তর করা হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদী কর্তৃক শপথপূর্বক প্রদত্ত বিবৃতি (যদি থাকে) এবং ২০২ ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্তের ফলাফল (যদি থাকে) বিবেচনা করে অগ্রসর হওয়ার মত কোন কারণ না পেলে নালিশটি খারিজ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে সংক্ষেপে তিনি তার এরূপকরার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
♦ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নের ২ টি বিষয় বিবেচনা করে অগ্রসর হওয়ার কারণ না পেলে নালিশ খারিজ (dismiss) করতে পারেন:
১) ২০০ ধারায় প্রদত্ত অভিযোগকারীর বিবৃতি এবং ২)  ২০২ ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্তের ফলাফল।
প্রতিকার-২০৩ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগ বা নালিশ খারিজের আদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায়।
৮,৫৮৫.
একজন ব্যক্তি একটি চুরির পরিকল্পনায় সহায়তা করে এবং চুরির সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকে। দণ্ডবিধির ১১৪ ধারার অধীনে তার শাস্তি কী হবে?
  1. কেবল সহযোগী হিসেবে শাস্তি হবে
  2. তার শাস্তি অপরাধের তুলনায় কম হবে
  3. তাকে মূল অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হবে
  4. সে কোনো শাস্তি পাবে না
সঠিক উত্তর:
তাকে মূল অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে মূল অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৪: অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত প্ররোচনাকারী:
যখন কোনো ব্যক্তি, যে অনুপস্থিত থাকলে প্ররোচনাকারী হিসেবে শাস্তি পাওয়ার যোগ্য হতো, সেই ব্যক্তি যদি সেই কাজ বা অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত থাকে, যার জন্য সে প্ররোচনার কারণে শাস্তিযোগ্য হতো, তখন তাকে সেই কাজ বা অপরাধ সংঘটিত করেছে বলে গণ্য করা হবে

Section 114- Abettor present when offence is committed:
Whenever any person, who if absent would be liable to be punished as an abettor, is present when the act or offence for which he would be punishable in consequence of the abetment is committed,he shall be deemed to have committed such act or offence.
৮,৫৮৬.
আইনানুগ অভিভাবকের নিকট থেকে কত বছরের নাবালক বা নাবালিকার অপহরণ করলে আইনানুগ অভিভাবকত্ব থেকে মনুষ্য হরণ হবে?
  1. ১৪ ও ১৮ বছর
  2. ১৪ ও ১৬ বছর
  3. ১২ ও ১৬ বছর
  4. ১৬ ও ১৮ বছর
সঠিক উত্তর:
১৪ ও ১৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ ও ১৬ বছর
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনানুগ অভিভাবকত্ব হইতে মনুষ্যহরণঃ
কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা (Explanation):-
এই ধারায় আইনসম্মত অভিভাবক বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।
ব্যতিক্রম (Exception):-
যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।
৮,৫৮৭.
'কোনো অপরাধ সম্পর্কে প্রাপ্ত তথ্য বা সংবাদ কোনো পুলিশ বা ম্যাজিস্ট্রেট প্রকাশ করতে বাধ্য নয়' - এই বিধানটি The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ১২০ ধারা
  2. ১২৩ ধারা
  3. ১২৫ ধারা
  4. ১২৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
১২৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২৫ ধারা:
কোনো ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তাকে এই প্রশ্ন করতে বাধ্য করা যাবে না যে তিনি কোনো অপরাধের সংঘটনের তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, এবং কোনো রাজস্ব কর্মকর্তাকেও এই প্রশ্ন করতে বাধ্য করা যাবে না যে তিনি কোনো রাজস্ব সংক্রান্ত অপরাধের তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন।
ব্যাখ্যা: এই ধারায় "রাজস্ব কর্মকর্তা" বলতে বোঝানো হয়েছে রাজস্বের যেকোনো শাখায় নিযুক্ত যেকোনো কর্মকর্তাকে।

Section 125: Information as to commission of offences-
No Magistrate or Police-officer shall be compelled to say whence he got any information as to the commission of any offence, and no Revenue-officer shall be compelled to say whence he got any information as to the commission of any offence against the public revenue.
Explanation.–"Revenue-officer" in this section means any officer employed in or about the business of any branch of the public revenue.
৮,৫৮৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৪১ এর বিধান কি?
  1. রিসিভার
  2. মূল ডিক্রী হতে আপীল
  3. আদেশ হতে আপীল
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
মূল ডিক্রী হতে আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল ডিক্রী হতে আপীল
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১  এর মাঝে মূল ডিক্রী হতে আপীল বিষয় বিধান আছে।
আদেশ ৪১-৪৫ এবং ধারা ৯৬-১১২ পর্যন্ত আপীল সংক্রান্ত বিধান আছে।
৮,৫৮৯.
'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঘূর্ণিঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এক্ষেত্রে 'খ'-কে কীভাবে চুক্তিতে তার অংশের কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যেতে পারে?
  1. ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে
  2. ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে
  3. ক্রয়মূল্য+ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে
  4. কোনোভাবেই বাধ্য করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারার বিধান:
যে চুক্তির বিষয়বস্তুর আংশিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছে চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার কোন বিধান সত্ত্বেও চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদনের সময় আংশিকভাবে বিলুপ্ত হবার কারণে চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয়।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঘূর্ণিঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এখন ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে 'খ'-কে চুক্তিতে তার অংশের কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যেতে পারে।

Section-13: Contract of which the subject has partially ceased to exist:
Notwithstanding anything contained in section 56 of the Contract Act, a contract is not wholly impossible of performance because a portion of its subject-matter, existing at its date, has ceased to exist at the time of the performance.

Illustration:
(a) A contracts to sell a house to B for a lakh of taka. The day after the contract is made the house is destroyed by a cyclone. B may be compelled to perform his part of the contract by paying the purchase-money.
৮,৫৯০.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় মানহানির শাস্তি বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৪৯৯
  2. ধারা ৫০০
  3. ধারা ৫০১
  4. ধারা ৫০২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০০
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ৪৯৯ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন কুৎসা রটনা করা হয় যা উক্ত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করে (harm reputation) তাকে মানহানি বা Defamation বলে। অর্থাৎ কুৎসাজনক কথা বা চিহ্ন দ্বারা বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তি প্রকাশের মাধ্যমে মানহানি করা হয়।

-দণ্ডবিধির ৫০০ ধারার অধীন মানহানির [defamation] শাস্তি হল ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
অর্থাৎ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৫০০-এ মানহানির (Defamation) শাস্তি বর্ণিত হয়েছে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 500: Punishment for defamation: 
 -Whoever defames another shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৮,৫৯১.
তামাদি আইনের ৯ ধারা কোন বিষয়ে আলোচনা করে?
  1. তামাদির বিলম্ব মওকুফ
  2. তামাদির গণনার পদ্ধতি
  3. পাওনা আদায়ের নিয়ম
  4. সময়ের অবিরাম চলন
সঠিক উত্তর:
সময়ের অবিরাম চলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সময়ের অবিরাম চলন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৯ ধারা "সময়সীমার অবিরাম চলন" (Continuous running of time) এর বিষয়টি আলোচনা করে।
এটি নির্ধারণ করে যে একবার তামাদির সময় গণনা শুরু হলে তা কোনো পরবর্তী অপারগতা বা অক্ষমতায় বন্ধ হবে না। অর্থাৎ, যতদিন না মেয়াদ শেষ হয়, ততদিন সময়ের চলন অব্যাহত থাকবে, তা কোনো ধরনের অসুবিধা বা অক্ষমতা দ্বারা থামানো যাবে না।
তবে একটি ব্যতিক্রম আছে— যদি পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদের উপর অর্পিত হয়, তখন তার দায়িত্ব পালনের সময় মোকদ্দমা দায়েরের মেয়াদ স্থগিত থাকবে, অর্থাৎ তামাদির সময় স্থগিত হবে যতক্ষণ না দেনাদারের দায়িত্ব শেষ হয়।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৯ ধারার বিধান হল একবার তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়া শুরু করলে মোকদ্দমা দায়েরে পরবর্তী কোন অপারগতা (Disability) বা অক্ষমতা (Inability) দ্বারা তা বন্ধ হবে না। তবে যেক্ষেত্রে পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদের উপর অর্পিত হয়েছে সেক্ষেত্রে তার দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে দেনার টাকা আদায়ে মোকদ্দমা দায়েরের মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।
----------------
⇒ The Limitation Act, 1908- Section 9:- Continuous running of time:
- Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.
৮,৫৯২.
সরকারী কর্মকর্তা বেআইনীভাবে সম্পত্তি কিনলে বা সম্পত্তির জন্যে নিলাম ডাকলে তার শাস্তির বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. দণ্ডবিধির ১৬৭ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১৬৮ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১৬৯ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ১৭০ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৬৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৬৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৬৯ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারী কর্তৃক বেআইনীভাবে সম্পত্তি ক্রয় বা ক্রয়ের উদ্দেশ্যে দরকষাকষি:- যদি কোন সরকারী কর্মচারী হিসেবে কোন বিশেষ সম্পত্তি ক্রয় বা ক্রয়ের জন্য দরকষাকষি না করতে আইনতঃ বাধ্য থাকা সত্ত্বেও নিজের নামে অথবা অন্য কারো নামে অথবা যুক্তভাবে অথবা অন্যান্যের সাথে অংশ নিয়ে উক্ত সম্পত্তি ক্রয় করেন বা ক্রয় করার জন্য দরকষাকষি করেন, তবে তিনি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবেন; এবং সম্পত্তিটি ক্রয় করা হয়ে থাকলে তা বাজেয়াপ্ত হবে।

---------------------------
Section 169. Public servant unlawfully buying or bidding for property:- Whoever, being a public servant and being legally bound as such public servant, not to purchase or bid for certain property, purchases or bids for that property, either in his own name or in the name of another, or jointly, or in shares with others, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to two years, or with fine, or with both; and the property, if purchased, shall be confiscated.
৮,৫৯৩.
'Estoppel' নীতি প্রযোজ্য হবে-
  1. ঘোষণার ক্ষেত্রে
  2. কাজের ক্ষেত্রে
  3. কার্য বিরতির ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত সব ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• 'Estoppel' নীতি যার বাংলা অর্থ ‘স্বকার্যজনিত বাধা’।

‘Estoppel' বা 'স্বকার্যজনিত বাধা’ শব্দটি একটি আইনি নীতিকে বোঝায় যা কাউকে কিছু অস্বীকার করতে বা এমন একটি অধিকার জাহির করতে বাধা প্রদান করে যা কিনা তারা পূর্বে বলেছিল বা আইন দ্বারা সম্মত হয়েছিল কিন্তু বর্তমানে পূর্বের কর্মের বিরোধিতা করছে। সহজ ভাষায় বললে, Estoppel (এস্টপেল) বা স্বকার্যজনিত বাধা একজন ব্যক্তিকে অতীতের কোনো কর্ম বা বিবৃতিকে বিরোধিতা করতে বাধা দেয়। এটি সাধারণ আইনের অংশ এবং অন্য ব্যক্তির কথা বা কাজের অসঙ্গতি দ্বারা মানুষকে অন্যায়ভাবে অবিচার করা থেকে বিরত রাখার জন্য।

সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে,
‘যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষণা (declaration), কাজ (act) বা কার্য বিরতি (omission)’র দ্বারা ইচ্ছাকৃত ভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করায় এবং সেই বিশ্বাস অনুযায়ী কাজ করতে বলে, তখন উক্ত ২ পক্ষের মধ্যে কোন মামলায় ১ম পক্ষ তার ঘোষণা (declaration), কাজ (act) বা কার্য বিরতি (omission)’র বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না।’

সাক্ষ্য আইনের এই নীতি শুধুমাত্র দেওয়ানী কার্যক্রমে প্রয়োগ করা হয়। ফৌজদারি কার্যক্রমে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার কোন ব্যবহার নেই।
৮,৫৯৪.
কোন আইনের সংজ্ঞানুসারে বার কাউন্সিল ট্রাইবুনালের অধীনে প্রত্যেকটি অনুসন্ধান judicial proceeding বলে গণ্য হবে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারানুসারে
  2. দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারানুসারে
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭১ ধারানুসারে
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ ধারানুসারে
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারানুসারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারানুসারে
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৫:
(১) উপরে উল্লিখিত যে কোনো তদন্তের জন্য, একটি ট্রাইব্যুনাল নিম্নলিখিত বিষয়ের ক্ষেত্রে ১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধি (Code of Civil Procedure, 1908 - Act V of 1908) অনুসারে একটি আদালতের মতো একই ক্ষমতা ভোগ করবে, যথা:
(ক) যেকোনো ব্যক্তিকে হাজির করানোর জন্য বাধ্য করা,
(খ) নথিপত্র উপস্থাপনে বাধ্য করা,
(গ) সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কমিশন জারি করা।
তবে শর্ত থাকে যে, ট্রাইব্যুনালের পক্ষে কোনো আদালতের সভাপতিকে হাজির হওয়ার জন্য বলা যাবে না, যদি না হাইকোর্ট (বা, ফৌজদারি বা রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে, সরকার) পূর্বানুমতি দেয়।

(২) এই ধরনের প্রতিটি তদন্ত বাংলাদেশ দণ্ডবিধি (১৮৬০ সালের আইন নং XLV) এর ধারা ১৯৩ ও ২২৮ অনুযায়ী বিচারিক কার্যক্রম (judicial proceeding) হিসেবে গণ্য হবে;
এবং ট্রাইব্যুনালকে ফৌজদারি কার্যবিধি (১৮৯৮ সালের আইন নং V) এর ধারা ৪৮০ ও ৪৮২ অনুসারে দেওয়ানি আদালত (Civil Court) হিসেবে গণ্য করা হবে।

(৩) একজন ব্যক্তিকে হাজির করানো বা নথিপত্র উপস্থাপনে বাধ্য করা অথবা কমিশন জারি করার উদ্দেশ্যে:
(ক) ট্রাইব্যুনালের স্থানীয় এখতিয়ার হবে বার কাউন্সিলের এখতিয়ারভুক্ত অঞ্চল,
(খ) ট্রাইব্যুনাল, যেখানে বসেছে সেখানে অবস্থিত যে কোনো দেওয়ানি আদালতে, সাক্ষীর উপস্থিতি, নথিপত্র উপস্থাপন, বা কমিশন জারির জন্য সমন বা অন্য কোনো নির্দেশ পাঠাতে পারে।
ঐ দেওয়ানি আদালত এমন নির্দেশ কার্যকর করবে, যেন সেটি নিজের জন্যই জারি করা হয়েছে এবং প্রয়োজনে তা বাধ্যতামূলকভাবে প্রয়োগ করতে পারবে।

(৪) ট্রাইব্যুনালে এই ধরনের তদন্ত সংক্রান্ত কার্যক্রম হবে সিভিল কার্যক্রম (civil proceedings) —
এবং ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইন (Evidence Act, 1872 - Act I of 1872) এর ধারা ১৩২ অনুযায়ী সেই বিধান প্রযোজ্য হবে।
৮,৫৯৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী কয়টি আদালত ডিক্রী জারী করতে পারে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী জারি অর্থ আদালতের প্রকিয়ার মাধ্যমে কোন ডিক্রী বা আদেশ বলবৎ করা যেন ডিক্রীদার ডিক্রীর ফল ভোগ করবে। দুটি আদালত ডিক্রী জারী করবে।
১। যে আদালত ডিক্রী জারী করেছে সে আদালত
২। যে আদালতে ডিক্রী জারী করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে সে আদালত।

• আদেশ ২১ বিধি-১০ এর বিধান জারির আবেদন: ডিক্রিদার ডিক্রিটি জারি করতে চাইলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালতে আবেদন করবেন।
• ডিক্রিজারি সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি ডিক্রি জারিকারক আদালতই নিষ্পত্তি করবে।

• ডিক্রি জারির কাজ সর্বদা বিচারিক আদালত করে থাকে, এমনকি কোন ডিক্রির বিরূদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপিল বা রিভিশন করা হলে, উক্ত আপিল বা রিভিশনে প্রদত্ত ডিক্রির ক্ষেত্রেও মূল আদালত অর্থাৎ বিচারিক আদালতই ডিক্রি জারি করবে।
------
• Section 38. Court by which decree may be executed:
A decree may be executed either by the Court which passed it, or by the Court to which it is sent for execution.
৮,৫৯৬.
শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ কত বছরের জন্য অযোগ্য হবেন?
  1. ২ বছরের
  2. ৩ বছরের
  3. ৫ বছরের
  4. ৭ বছরের
সঠিক উত্তর:
৫ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছরের
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 বিধি-৬০ এর বিধান:
-শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।
-আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।
- অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা অ্যাফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারির নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরণের জন্য দায়ী হবেন।
- শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।
- হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
- এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারি কলেজে হবে।
৮,৫৯৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৯ ধারা অনুযায়ী চুক্তির সুনির্দিষ্ট প্রতিপালনের মোকদ্দমা খারিজ হলে বাদী অবশ্যই বারিত হবে-
  1. ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা করতে
  2. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা করতে
  3. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা করতে
  4. আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা করতে
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা করতে
ব্যাখ্যা
⇒  সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ২৯ অনুসারে, একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-29. Bar of suit for breach after dismissal:
-The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
৮,৫৯৮.
সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে কত টাকা খরচ প্রদান করতে হবে?
  1. অনধিক ১০০০
  2. অনধিক ৩০০০
  3. অনধিক ১৫০০
  4. অনধিক ২০০০
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩০০০
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।

আদেশ ৯, বিধি ১৩: একতরফা ডিক্রি রদ / বাতিল (Set aside ex parte decree)- 

দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১০নং বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে একতরফা ডিক্রির সিদ্ধান্ত রদ বা বাতিল করার জন্য আবেদন করতে পারবে যদি প্রমাণিত হয় যে-
i) বিবাদীর প্রতি যথাযথ ভাবে সমন জারি হয়নি; 
ii) উপযুক্ত কারণে শুনানীর দিন বিবাদী আদালতে উপস্থিত হতে পারে নি।

আদেশ ৯, বিধি ১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল (Directly setting-aside exparte decree)-

বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
৮,৫৯৯.
কোন আদালত চূড়ান্ত শুনানির জন্য দৈনন্দিন কার্যতালিকায় সর্বোচ্চ কতটি মোকদ্দমা নির্ধারণ করবেন?
  1. ৫টি
  2. ১০টি
  3. ১৫টি
  4. ৭০টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ কোন আদালত চূড়ান্ত শুনানির জন্য দৈনন্দিন কার্যতালিকায় সর্বোচ্চ ৫টি এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১০০টি মোকদ্দমা নির্ধারণ করবেন।

⇒ মোকদ্দমার শুনানী (Hearing of suit) অর্থ হলো, আদালতে কোনো মামলার বিচারকার্য যেখানে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ করে বা যুক্তিতর্ক শোনে ইত্যাদি।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
⇒ আদেশ ১৮ বিধি ২০:-
কোন আদালত চূড়ান্ত শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে দৈনন্দিন কার্যতালিকায় আংশিক শ্রবণীয় মোকদ্দমাসহ পাঁচটির অধিক মোকদ্দমা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে একশতটির অধিক মোকদ্দমা নির্ধারণ করবে না; এবং নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত পর্যায়ের মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরটির নিম্নে নেমে আসলে সাধারণত দাখিল করা তারিখের উপর ভিত্তি করে আদালত চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, কোন আদালতে শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে তৈরীকৃত মোকদ্দমার সংখ্যা উপযুক্ত মতে নির্ধারণের জন্য যথেষ্ট না হলে যথোপযুক্ত পদ্ধতিতে নির্ধারণ করার বিবেচনামূলক ক্ষমতা আদালতের থাকবে।
-----------------------------------
⇒ CPC-Order-18 Rule-20: Fixation of suits in the daily cause list, etc:
-The court shall not fix more than five suits including two part-heard suits, in the daily cause list for peremptory hearing and more than one hundred suits in the peremptory stage, and when upon disposal, the total number of suits in the peremptory stage comes down to less than seventy, the Court shall then bring in more suit in the peremptory stage, generally in the order of dates of institution of suits: 
Provided that if in any Court, the number of suits made ready for hearing is not sufficient for fixation in the manner as aforesaid, it shall be in the discretion of the Court to make the fixation in a reasonable manner.
৮,৬০০.
The punishment under Section 197 is equivalent to punishment for-
  1. Cheating
  2. Criminal breach of trust
  3. Giving false evidence
  4. Fabricating documents
সঠিক উত্তর:
Giving false evidence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Giving false evidence
ব্যাখ্যা

⇒ The Penal Code, 1860, Section 197: Issuing or signing false certificate:
-Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান- মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:
-কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।