বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৭৯ / ১২৬ · ৭,৮০১৭,৯০০ / ১২,৬০৫

৭,৮০১.
ধারা ৩৪২ এর অধীন আসামী আদালতের প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, আদালত-
  1. এই বিষয়ে অনুমান করতে পারে
  2. আসামীকে পুনরায় গ্রেফতার করতে পারে
  3. আসামীকে জরিমানা করতে পারে
  4. আসামীকে শাস্তির জন্য দায়ী করবে
সঠিক উত্তর:
এই বিষয়ে অনুমান করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এই বিষয়ে অনুমান করতে পারে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত আসামীকে পরীক্ষা করতে পারবে। পরীক্ষা করতে পারবে অর্থ হলো প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এবং আসামীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের আহ্বান জানাবার পূর্বে আদালত আসামীকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন আসামী তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়।
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত আসামীকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই আসামীকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

উক্ত ধারা অনুযায়ী,
আদালত অভিযুক্তের নিকট যে প্রশ্ন করে, অভিযুক্ত এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।

Section 342- Power to examine the accused:
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence. 
 
(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just. 
 
(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed. 
 
(4) No oath shall be administered to the accused
৭,৮০২.
'ক' কে কুমিল্লার জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন প্রদান করেছেন। সুতরাং 'ক' সমন অনুযায়ী সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের আদালতে হাজির হতে আইনতঃ বাধ্য। কিন্তু 'ক' উচ্ছাকৃতভাবে গরহাজির থাকে। এখানে 'ক' দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে শাস্তি পাবে?
  1. ১৭৩ ধারা
  2. ১৭৪ ধারা
  3. ১৭৯ ধারা
  4. ১৮৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৭৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৪ ধারা
ব্যাখ্যা
• ১৭৪ ধারা মতে সরকারি কর্মচারীর আদেশ অনুসারে সমন বা নোটিশে উল্লেখিত স্থানে হাজির না হওয়ার শাস্তি অনধিক ১ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক পাঁচশত টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৭,৮০৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী, যদি বাদী আদালতের প্রশ্নমালার উত্তর বা দলিলসমূহ উদ্‌ঘাটন/পরিদর্শন আদেশ পালন না করে, আদালত কী করবে?
  1. বাদীকে জরিমানা করবে 
  2. বাদীর মোকদ্দমা খারিজ করবে
  3. বাদীকে নতুন নোটিশ দেবে
  4. বাদীকে আরেকটি সুযোগ দেবে
সঠিক উত্তর:
বাদীর মোকদ্দমা খারিজ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর মোকদ্দমা খারিজ করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী, যদি বাদী আদালতের প্রশ্নমালার উত্তর বা দলিলসমূহ উদ্‌ঘাটন/পরিদর্শন আদেশ পালন না করে, তবে আদালত বাদীর মোকদ্দমা খারিজ করার আদেশ দিতে পারে। এর মানে হল যে, বাদী যদি আদালতের নির্ধারিত আদেশ মেনে না চলে, তাহলে আদালত বাদীর মামলা খারিজ করে দিতে পারে, অর্থাৎ বাদীর মামলা আর চলবে না।

- এটি আদালতের প্রক্রিয়া যাতে যথাযথ অনুসরণ করা হয় এবং কোন পক্ষ যদি আদালতের আদেশ অমান্য করে, তখন তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়, যা বিচারিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং সঠিকতা নিশ্চিত করে।

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী:
যখন প্রশ্নকারী পক্ষ অথবা দলিলসমূহ উদ্‌ঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী আদালতে আবেদন করেন, তখন আদালত অপরপক্ষকে নিম্নোক্ত আদেশ দিতে পারেন:
- প্রশ্নমালার উত্তরদান (Answer to interrogatories) এর আদেশ।
- দলিলসমূহ প্রকাশ/উদ্‌ঘাটন (Discovery of documents) এর আদেশ।
- দলিলসমূহ পরিদর্শন (Inspection of documents) এর আদেশ।

যদি সংশ্লিষ্ট পক্ষ উপরিউক্ত আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হন বা অমান্য করেন, তবে এর ফলাফল হতে পারে:
বাদী ব্যর্থ হলে: বাদীর মোকদ্দমা খারিজ আদেশ দেওয়া হবে।
বিবাদী ব্যর্থ হলে: বিবাদীর আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল (Strike out defence) আদেশ দেওয়া হবে।

প্রতিকার: দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৩ বিধি অনুযায়ী, যেসব আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে, সেগুলি নির্দেশিত আছে। আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী আদালত যে কোন আদেশ দিলে তা আপিলযোগ্য আদেশ হিসেবে গণ্য হবে। এই আদেশের বিরুদ্ধে Order 43 Rule 1(f) এর অধীনে সংক্ষুব্ধ পক্ষ আপিল করতে পারবে।
৭,৮০৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় বেআইনিভাবে আটক ব্যক্তিকে উদ্ধারে সার্চ ওয়ারেন্ট সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ৭৬
  2. ৯৬
  3. ৯৮
  4. ১০০
সঠিক উত্তর:
১০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারায় বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য তল্লাশী পরোয়ানা (সার্চ ওয়ারেন্ট) জারির বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারা-

যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেটের এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, কোন ব্যক্তিকে এরূপ অবস্থায় আটক রাখা হয়েছে যে আটক রাখা অপরাধের সামিল তখন তিনি তল্লাশী পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন এবং যার প্রতি পরোয়ানাটি নির্দেশিত তিনি পরোয়ানা অনুসারে উক্ত আটক ব্যক্তির জন্য তল্লাশী করতে পারবেন, এবং সেই ব্যক্তিকে পাওয়া গেলে তাকে অবিলম্বে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে এবং অবস্থানুসারে যেরূপ মনে করেন সেরূপ উপযুক্ত আদেশ দিবেন।

Section 100- Search for persons wrongfully confined
If any Metropolitan Magistrate, Magistrate of the first class or or an Executive Magistrate has reason to believe that any person is confined under such circumstances that the confinement amounts to an offence, he may issue a search- warrant, and the person to whom such warrant is directed may search for the person so confined; and such search shall be made in accordance therewith, and the person, if found, shall be immediately taken before a Magistrate, who shall make such order as in the circumstances of the case seems proper.
৭,৮০৫.
১০ বছর বয়সী 'ক' একজন উন্মাদ ব্যক্তি। তার মামা তাকে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে বিষ খেতে প্ররোচনা দেয়। 'ক' সেই বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করে। তার মামা এই কাজের জন্য সর্বোচ্চ কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সেই ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 305⇒ Abetment of suicide of child or insane person:
If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
৭,৮০৬.
বর্তমানে তামাদি আইনের কয়টি ধারা বলবৎ আছে?
  1. ৩২ টি
  2. ২৯ টি
  3. ২৮ টি
  4. ২৫ টি
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
ব্যাখ্যা
• সর্বপ্রথম ১৮৫৯ সালে তামাদি আইন পাশ করা হয়। এই আইনটি ১৮৬২ সালে কার্যকর করা হয়। সর্বশেষ ১৯০৮ সালে পুনরায় তামাদি আইন প্রবর্তন করা হয় যা বর্তমানে বাংলাদেশে প্রযোজ্য। এটা ১৯০৮ সালের ৯নং আইন। আইনটি ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী হতে কার্যকর হয়।

বর্তমানে তামাদি আইনের ২৯টি ধারা এবং ১টি তফসিল বলবৎ আছে। ধারাসমূহে তামাদির মেয়াদ গণনার পদ্ধতি যেমন কোন সময় বাদ দিয়ে এবং কোন সময় যোগ করে তামাদি গণনা করতে হবে, তামাদির জন্য নির্ধারিত সময়ের পর মোকদ্দমা দায়ের করলে তার ফলাফল, তামাদির বিলম্ব মওকুফ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং ২৬ থেকে ২৮ ধারা প্রেসক্রিপশন [prescription] ও অর্জন [acquisition] নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
৭,৮০৭.
দণ্ডবিধির ধারা ৫৪ অনুসারে, মৃত্যুদণ্ডকে অন্য যেকোনো দণ্ডে রূপান্তর করার ক্ষমতা কার আছে?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. সরকারের
  3. হাইকোর্টের
  4. জেলা জজের
সঠিক উত্তর:
সরকারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৫৪ অনুসারে, সরকার মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামির সম্মতি ব্যতীত উক্ত দণ্ডকে দণ্ডবিধিতে উল্লিখিত অন্য যেকোনো দণ্ডে (যেমন: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, সশ্রম কারাদণ্ড ইত্যাদি) রূপান্তর (Commute) করার ক্ষমতা রাখে।

⇒ দণ্ডবিধির  ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দত্তকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 54. Commutation of sentence of death:- In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.

৭,৮০৮.
The Evidence Act, 1872 প্রণয়ন করেন-
  1. James Stephen
  2. James Stuart
  3. James Steven
  4. James Spenser
সঠিক উত্তর:
James Stephen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
James Stephen
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮৭২ সালের আগে উপমহাদেশে পূর্ণাঙ্গ সাক্ষ্য আইন ছিল না। ১৮৭১ সালে স্যার জেমস স্টিফেন সাক্ষ্য আইন প্রণয়ন করার আগে ১৮৬৮ সালে স্যার হেনরি সামারও একটি খসড়া প্রণয়ন করেছিলেন তা সহায়ক ছিল না বলে বর্জন করা হয়।

⇒ বর্তমান সাক্ষ্য আইন (১৮৭২ সালের ১ নং আইন) পাশ হয় ১৮৭২ সালের ১৫ই মার্চ। কার্যকর হয় একই বছরের পহেলা সেপ্টেম্বর।

⇒ স্যার জেমস স্টিফেনকে সাক্ষ্য আইনের জনক বলা হয়।


⇒ সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ সালের ১নং আইন। The Evidence Act, 1872 ( ACT NO. I OF 1872 )

⇒ ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনটি ১১টি অধ্যায়ে (Chapter) বিভক্ত এবং এতে মোট ১৬৭টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে। এছাড়াও সাক্ষ্য আইনে ৩টি ভাগ (Part) রয়েছে।
⇒ ১৮৫০ সালে সর্ব প্রথম স্যার হেনরি সামার মেইন সাক্ষ্য আইনের খসড়া বিল তৈরি করলেও তা ভারতে ব্যবহারের অনুপযোগী ছিল। পরবর্তীতে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ১৮৭১ সালে স্যার জেমস স্টিফেনকে (Fitz-James Stephen) সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতের দায়িত্ব দেয় এবং স্যার জেমস স্টিফেন ১৮৭১ সালে সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রণয়ন করেন। সুতরাং সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতকারী হলো স্যার জেমস স্টিফেন।
৭,৮০৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-১৮৭৭ এর ৩৫ ধারা অনুযায়ী কয়টি ক্ষেত্রে চুক্তি রদের মোকদ্দমা করা যায়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-১৮৭৭ এর ৩৫ ধারা অনুযায়ী ৩ ক্ষেত্রে চুক্তি রদের মোকদ্দমা করা যায়।
(১) যেক্ষেত্রে চুক্তিটি লিখিত এবং বাতিলযোগ্য।
(২) যেক্ষেত্রে চুক্তিটি যে কারনে অবৈধ তা চুক্তি হতে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় না এবং যদি বাদী অপেক্ষা বিবাদী বেশি দায়ী।
(৩) ডিক্রী হয়েছে এমন চুক্তির ক্ষেত্রে ক্রেতা মূল্য পরিশোধে ব্যর্থ হয়।
৭,৮১০.
নিম্নবর্ণিত কোন বিষয়টি নির্ধারনের জন্য আরজিতে দেওয়ানি মামলার মূল্যায়ন দেখানো হয়?
  1. আদালতের এখতিয়ার
  2. প্রসেস ফি
  3. সম্পদের সীমা
  4. প্রদেয় আয়কর
সঠিক উত্তর:
আদালতের এখতিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের এখতিয়ার
ব্যাখ্যা
♦ আরজিতে কোন কোন বিষয় উল্লেখ করতে হবে তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং অর্ডারের ১ নং বিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে। দেওয়ানী আদালতের এখতিয়ার নির্ধারন করার জন্য আরজিতে দেওয়ানী মামলার মূল্যমান দেখানো হয়। যেমন, যদি আরজিতে উল্লেখ করা হয়, মোকদ্দমার মূল্যমান ৫লক্ষ টাকা, তাহলে  সহকারী জজের নিকট মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
৭,৮১১.
The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, কবে থেকে কার্যকর হয়?
  1. ৮ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
  2. ৮ জুলাই, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
  3. ৮ আগষ্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
  4. ৮ জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সঠিক উত্তর:
৮ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 (২০২৫ সনের ১৮ নং অধ্যাদেশ) এর সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন বিষয়ক ধারা ১(১) এবং ১(২)-তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই অধ্যাদেশটি ৮ মে, ২০২৫ তারিখে জারি হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। এই তারিখটি অধ্যাদেশের প্রকাশনার সাথে সম্পর্কিত এবং এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের অধীনে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাবলে প্রণীত ও জারি করা হয়েছে।

- অর্থাৎ, প্রশ্নটি The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance কার্যকর হওয়ার তারিখ সম্পর্কে। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 এর ধারা ১(২) তে বলা হয়েছে যে এটি ৮ মে, ২০২৫ তারিখে জারি হয়েছে এবং অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর: ক) ৮ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।

- এই অধ্যাদেশটি দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর বিভিন্ন ধারা ও বিধিতে সংশোধনী এনেছে, যার মাধ্যমে মোকদ্দমার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও কার্যকর করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

৭,৮১২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারামতে, ট্রেডমার্ক সংক্রান্ত নিচের কোন বিধান সঠিক?
  1. ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে
  2. ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে না
  3. ট্রেডমার্ক স্থাবর সম্পত্তির সংজ্ঞার আওতাভুক্ত হবে
  4. বর্ণিত কোনোটিই সঠিক নয়
সঠিক উত্তর:
ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধানে বলা আছে যে,
বিবাদী যখন বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা ভোগ দখলে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা করার হুমকি দেয়, তখন আদালত ৫টি ক্ষেত্রে বিবাদীর বিরুদ্ধে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করেতে পারে।

(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।

ব্যাখ্যাঃ এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।
৭,৮১৩.
দেওয়ানি আদালতসমূহের আর্থিক এখতিয়ার সর্বশেষ কবে সংশোধন করা হয়?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২১ সালে
ব্যাখ্যা
The Civil Courts Act, 1887 সর্বশেষ সংশোধন করা হয় ২০২১ সালের ১১ই জানুয়ারি এবং উক্ত দিন হতে সংশোধনী আইনটি কার্যকর হয়। উক্ত সংশোধনী দ্বারা ১৯ ও ২১ ধারা সংশোধন করা হয় এবং দেওয়ানী আদালতের আর্থিক এখতিয়ার বৃদ্ধি করা হয়।

• পূর্বে একজন সহকারী জজ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত মূল্যমানের (সম্পত্তি বা অর্থে যে অঙ্কের টাকা নিয়ে বিরোধ) মামলা নিষ্পত্তি করতে পারতেন। এখন সেই এখতিয়ার বাড়িয়ে ১৫ লাখ টাকা করা হয়েছে। একইভাবে জ্যেষ্ঠ সহকারী জজের বিচারিক এখতিয়ার চার লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ লাখ টাকা এবং আপিল শুনানির ক্ষেত্রে জেলা জজের এখতিয়ার পাঁচ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে পাঁচ কোটি টাকা করা হয়েছে। ৫,০০০,০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক মূল্যমানের ডিক্রির বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
৭,৮১৪.
সংক্ষিপ্ত বিচারে অনধিক ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড হলে, ঐ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার হলো-
  1. রেফারেন্স
  2. আপীল
  3. রিভিশন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৪ ধারায় বলা হয়েছে, ২৬০ ধারার অধীনে সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক দুইশত টাকা জরিমানা করলে ঐ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না। এজন্য ঐ আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করতে হবে।
৭,৮১৫.
The penal code 1860 এর বর্ণিত অপরাধ গুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন সাজা কোনটি?
  1. এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং 100 টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
  2. ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড দশ টাকা জরিমান
  3. ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
  4. একদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং 50 টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী প্রকাশ্যে মাতাল ব্যক্তির অশুভ আচরণ এর জন্য শাস্তি হতে পারে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা 10 টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড।
•  ৫১০ ধারাটিতে দণ্ডবিধির সর্বনিম্ন শাস্তি উল্লেখ আছে।
৭,৮১৬.
তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুসারে কাদের আইনগত অক্ষম হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. নাবালক
  2. উন্মাদ ব্যক্তি
  3. জড়বুদ্ধি সম্পন্ন ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত সকল
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৬ থেকে ৯-এ আইনগত অপারগতা সংক্রান্ত বিধান বর্ণনা করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যখন মামলা করার অধিকার অর্জন করেন কিন্তু কোনো কারণে সে সময় আইনগতভাবে মামলা করতে অক্ষম (Legally Disabled) থাকেন, তখন তামাদি মেয়াদ (Limitation Period) গণনার নিয়ম কিছুটা ভিন্ন হয়।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ (Limitation Act, 1908) এর ধারা ৬ এর বিধান অনুসারে, যেসব ব্যক্তি তাদের বয়স, মানসিক অবস্থা বা বিচারবোধের অভাবের কারণে আইনি কার্যক্রম শুরু করতে স্বাভাবিকভাবে সক্ষম নন, তাদের "আইনগত অক্ষম" (legally disabled) ব্যক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। এই আইন অনুযায়ী তিন শ্রেণির মানুষকে আইনগত অক্ষম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে:
১) নাবালক (Minor) – যার বয়স ১৮ বছরের নিচে।
২) উন্মাদ ব্যক্তি (Person of Unsound Mind) – মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি।
৩) জড়বুদ্ধি সম্পন্ন ব্যক্তি (Intellectually Disabled) – বিচারবোধ বা সিদ্ধান্তগ্রহণে অক্ষম ব্যক্তি।
- এইসব ব্যক্তিদের জন্য তামাদি মেয়াদ (Limitation Period) স্থগিত থাকে যতদিন না তারা সম্পূর্ণভাবে সক্ষম হন (অর্থাৎ সাবালক বা মানসিকভাবে সুস্থ)। তারা যখন সম্পূর্ণ সক্ষম হবেন, তখন থেকেই তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে।
- তিনটি অপশন সঠিক এবং তামাদি আইন অনুযায়ী "উল্লিখিত সকল" ব্যক্তিকে আইনগত অক্ষম ধরা হয়। তাই সঠিক উত্তর: ঘ) উল্লিখিত সকল।

- যদি কোনো ব্যক্তি যখন মামলা করার অধিকারী হন, তখন তিনি এই তিনটি অবস্থার যেকোনো একটিতে থাকেন, তাহলে তার তামাদি মেয়াদ শুরু হবে না।
- মেয়াদ গণনা শুরু হবে তখনই, যখন ওই অপারগতার অবসান ঘটবে (যেমন: সাবালক হওয়া, সুস্থ হওয়া ইত্যাদি)।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৭: যৌথ স্বার্থে আইনগত অপারগতা: 
যদি একাধিক ব্যক্তি যৌথভাবে কোনো অধিকার অর্জন করেন এবং তাদের মধ্যে একজন বা একাধিক ব্যক্তি আইনগতভাবে অক্ষম হন, তবে:
- যদি তারা পৃথকভাবে মামলা করতে না পারেন (যেমন—অবিচ্ছেদ্য স্বার্থ), তবে সকলের ক্ষেত্রেই তামাদি মেয়াদ স্থগিত থাকবে, যতক্ষণ না অক্ষম ব্যক্তির অক্ষমতা দূর হয়।
- তবে যদি অন্য ব্যক্তিরা আলাদাভাবে মামলা করতে সক্ষম হন, তাহলে তাদের জন্য তামাদি মেয়াদ চলবে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৮: ব্যতিক্রম (Exception to Sections 6 & 7)
এই ধারা অনুসারে, কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে ধারা ৬ ও ৭-এ দেওয়া সুবিধা প্রযোজ্য হবে না। যেমন:
১. অগ্রক্রয়ের (Pre-emption) মামলায় – এই ধরনের মামলায় আইনগত অপারগতার কোনো সুবিধা প্রযোজ্য নয়।
২. সর্বোচ্চ সময়সীমা নির্ধারণ – যখন আইনগত অপারগতা দূর হয় বা অক্ষম ব্যক্তি মারা যান, তখন থেকে সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
- যদি ৩ বছরের মধ্যে মামলা না করা হয়, তাহলে তামাদি মেয়াদ পেরিয়ে যাবে এবং মামলা খারিজ হবে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৯: অপারগতার পরবর্তী অক্ষমতা:
- যখন একজন ব্যক্তি মামলা করার অধিকার অর্জনের সময় সক্ষম (legally capable) থাকেন এবং তামাদি মেয়াদ শুরু হয়ে যায়,
- এরপর যদি তিনি পরবর্তীতে অক্ষম হয়ে পড়েন (যেমন উন্মাদ হন), তাহলে এর প্রভাব তামাদি মেয়াদে পড়বে না।
- অর্থাৎ, একবার শুরু হওয়া তামাদি মেয়াদ আর স্থগিত হবে না।
৭,৮১৭.
দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ধারা ৪২৫ অনুযায়ী Mischief বলতে কী বোঝায়?
  1. অন্যকে মারধর করা
  2. ঋণ পরিশোধ না করা
  3. সরকারী দলিল জাল করা
  4. সম্পত্তি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত করা অসৎ উদ্দেশ্যে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত করা অসৎ উদ্দেশ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত করা অসৎ উদ্দেশ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৪২৫ অনুযায়ী Mischief হলো, কেউ যদি অসৎ উদ্দেশ্যে কারও সম্পত্তি নষ্ট বা ক্ষতিগ্রস্ত করে, যাতে মালিক বা অন্য কারও ক্ষতি বা লোকসান হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান ক্ষতি বা অনিষ্ট:- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকতা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা-১: ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।
ব্যাখ্যা-২: যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 425. Mischief:
Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".
Explanation-1: It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.
Explanation-2: Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.

৭,৮১৮.
বাংলাদেশে ADR-এর জন্য কোন আইনের মধ্যে প্রত্যক্ষ বিধান নেই?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
  3. অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩
  4. পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
ব্যাখ্যা

⇒ Alternative Dispute Resolution (ADR) বলতে বোঝায় আদালতের বাইরে আইনি স্বীকৃত উপায়ে (যেমন: মধ্যস্থতা, সালিশ, আপস) বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া, যেখানে পক্ষগণ পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে বিরোধ মেটাতে পারেন।

খ) ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (CrPC):এই আইনটি মূলত ফৌজদারি অপরাধ আমল, তদন্ত, বিচার এবং শাস্তি প্রদানের প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এতে মধ্যস্থতা, সালিশ বা সমঝোতার মাধ্যমে বিবাদ নিষ্পত্তির জন্য কোনো সাধারণ বা সরাসরি বিধান নেই।
গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য: এই আইনের ধারা ৩৪৫-এ "অপরাধ আপস" (Compounding of Offences) এর বিধান আছে, যার মাধ্যমে কিছু নির্দিষ্ট অপরাধের ক্ষেত্রে বাদী ও বিবাদীর মধ্যে আপসের মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি করা যায়। তবে এটিকে ADR বলা যায় না, কারণ এটি শুধুমাত্র আইন দ্বারা স্বীকৃত কিছু অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য একটি সীমিত আইনি প্রক্রিয়া, ADR-এর মতো একটি ব্যাপক ও নমনীয় বিবাদ নিষ্পত্তি পদ্ধতি নয়।

অন্য অপশন গুলা:
ক)  দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ (CPC): এই আইনে ADR-এর সরাসরি ও বাধ্যতামূলক বিধান রয়েছে। ধারা ৮৯(ক) ও ৮৯(খ) অনুযায়ী, দেওয়ানি মামলা দায়েরের পর আদালত মধ্যস্থতা, সালিশ বা সমঝোতার মাধ্যমে বিবাদটি নিষ্পত্তির জন্য পক্ষদ্বয়কে উৎসাহিত করবে এবং প্রয়োজনে এর জন্য সময় বেঁধে দেবে।
গ) অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩: এই আইনেও মামলা নিষ্পত্তির জন্য ADR-এর ব্যবস্থা রয়েছে।
আইনে অর্থ ঋণ সংক্রান্ত বিবাদ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য মধ্যস্থতা ও সমঝোতার মাধ্যমে সমাধানের সুযোগ রাখা হয়েছে।
ঘ) পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩: এই আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো পারিবারিক বিবাদগুলো আপস ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা।
আইনের ধারা ১১ ও ১৪-এ পারিবারিক বিবাদ নিষ্পত্তিতে আপস ও মধ্যস্থতার ব্যবস্থা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সুতরাং, প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এ সরাসরি ADR সংক্রান্ত কোনো বিধান নেই।

৭,৮১৯.
বায়নানামা চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য কী শর্ত পূরণ করা আবশ্যক?
  1. চুক্তির বাকি বিনিময় মূল্য আদালতে দাখিল করা
  2. চুক্তিটি নিবন্ধিত হওয়া
  3. চুক্তি হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে মামলা দায়ের করা
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ২১ক ধারায় বলা হয়েছে- বায়নানামা দলিলটি নিবন্ধিত হতে হবে এবং বায়নানামার শর্ত মোতাবেক কোনো টাকা বাকি থাকলে তা আদালতে জমা দিতে হবে। অন্যাথায় সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি পেতে পারে না।
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ধারা ২১ক এর বিধান অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্যঃ এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিষ্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা উহার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
৭,৮২০.
যখন আদালত কোনো ঘটনাকে __________ হিসেবে গণ্য করবেন, তখন সেই ঘটনাকে মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য আদালত সাক্ষ্যদানের অনুমতি দেবেন না।
  1. Conclusive Proof
  2. Shall presume
  3. May presume
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
Conclusive Proof
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Conclusive Proof
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার মতে- অনুমান (Presumption) ৩ প্রকার:
১) অনুমান করতে পারে (May presume);
২) অনুমান করবে (Shall presume);
৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof)।

অনুমান করতে পারে (May presume):
যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

অনুমান করবে (Shall presume):
যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof):
এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
৭,৮২১.
অস্থাবর সম্পত্তির মালিক নয় কিন্তু দখলকারী ব্যক্তিকে কয়টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্টভাবে আশু দখলের অধিকারী ব্যক্তির নিকট তা অর্পণ করার জন্য বাধ্য করা যাবে?
  1. ৬টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877-এর ১১ ধারায় অস্থাবর সম্পত্তির মালিক নয় এমন ব্যক্তি যদি তা দখল করে থাকে, তাহলে তাকে সুনির্দিষ্টভাবে চারটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে মালিক বা অধিকারী ব্যক্তির নিকট সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বাধ্য করা যাবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারায় তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তি ৪টি ক্ষেত্রে মামলা করতে পারবে। যথা-
১। যে ক্ষেত্রে বিবাদী ট্রাস্টি বা এজেন্ট হিসেবে বাদীর অস্থাবর সম্পত্তি ধারণ করে
২। বাদীর অস্থাবর সম্পত্তির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত না হয়
৩। ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা কঠিন হলে 
৪। দাবি কৃত সম্পত্তিটি বিবাদী বেআইনিভাবে দখল/ হস্তান্তর করলে।
১১ ধারায় বাদীকে প্রমাণ করতে হবে যে বাদী সম্পত্তি বা পণ্যটি তাৎক্ষণিক দখলে রাখার অধিকারী।
তবে ১১ ধারায় সম্পত্তির মূল মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করা যায় না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারার বিধান: অব্যবহিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট থেকে দখল প্রদানের নিমিত্তে মালিক নয় এরূপ দখলকারী ব্যক্তির দায় দায়িত্ব:
-যে সম্পত্তির মালিক সে নিজে নয়, এমন অস্থাবর সম্পত্তির কোন বিশেষ অংশের দখলকারী বা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত যে কোন অবস্থাতে অবিলম্বিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট সেটি প্রদানার্থে সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে-
(ক) যখন দাবীকৃত সম্পত্তি দাবিদারের জিম্মাদারের বা প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিবাদীদের নিকট রয়েছে।
(খ) যখন দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতি টাকার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবীদারের পর্যাপ্ত প্রতিকার করবে না।
(গ) যখন দাবীকৃত বস্তুর ক্ষতির কোন সাধিত যথার্থ ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হবে।
(ঘ) যখন দাবীকৃত বস্তুর দখল দাবিদারের নিকট হতে অন্যায়ভাবে হস্তান্তরিত করা হয়েছে।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-11. Liability of person in possession, not as owner to deliver to person entitled to immediate possession:
-Any person having the possession or control of a particular article of moveable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:-
(a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant;
(b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed;
(c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss;
(d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.
৭,৮২২.
ধারা ৪০২ এর অধীনে কে দণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন করতে পারে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সরকার
  3. দায়রা আদালত
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০২ ধারায় সরকার দণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন (Commutation) করে অন্য কোন দণ্ড দিতে পারে।

ধারা ৪০২: সাজা রদ বদলের ক্ষমতা-
(১) সরকার দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে নিম্নে বর্ণিত যে কোন দণ্ড রদবদল করে ইহার পরে উল্লেখিত যেকোন দণ্ড দিতে পারবেন-মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, আসামী যে সময়ের জন্য সাজাপ্রাপ্ত হতে পারত তার অনধিক সময়ের জন্য সশ্রম কারাদণ্ড, অনুরূপ মেয়াদের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা।

(২) এই ধারার কোন কিছুই দণ্ডবিধির ধারা-৫৪ বা ৫৫ এর বিধানবলীকে প্রভাবিত করবে না।

৭,৮২৩.
দায়রা আদালতের রায় ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি প্রেরণ করতে হবে-
  1. তদন্তকারী পুলিশ বরাবর
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
  3. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
  4. পুলিশ সুপার বরাবর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭৩- দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ

দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটে বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

Section 373- Court of Session send copy of finding and sentence to District Magistrate-
In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the trial was held.
৭,৮২৪.
বিধি প্রণয়ন কমিটিতে সুপ্রীম কোর্টের কত জন বিচারক থাকবে?
  1. ৩ জন
  2. ২ জন
  3. ১ জন
  4. ৬ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১২৩ ধারা অনুযায়ী বিধি প্রণয়ন কমিটির সদস্য  সর্বমোট ৬ জন। সদস্যগণ হলো

ক. সুপ্রীম কোর্টের তিন (৩) জন বিচারক নিয়ে যাদের মধ্যে একজন সর্বনিম্ন ৩ বছর জেলা জজ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছে।

খ. উক্ত আদালতে অ্যাডভোকেট হিসাবে প্রাক্টিস করছে এমন ২ জন অ্যাডভোকেট

গ. হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ দেওয়ানী আদালতের একজন বিচারক। এই কমিটির সদস্যরা প্রধান বিচারপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হবে এবং তিনি উক্ত কমিটির সভাপতি মনোনীত করবেন এবং সাধারণ সম্পাদক নিয়োগ দিবে্ন।
৭,৮২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৮ অনুযায়ী, কার্যধারার নকল পাওয়ার অধিকার কাকে দেওয়া আছে?
  1. শুধুমাত্র সরকারকে
  2. পুলিশ কর্মকর্তাকে
  3. রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে
  4. কেবলমাত্র আদালতের কর্মচারীদেরকে
সঠিক উত্তর:
রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৮ অনুযায়ী, যিনি আদালতের রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি আবেদন করে রেকর্ডের নকল পেতে পারেন। সাধারণত তার জন্য খরচ দিতে হয়, তবে আদালত চাইলে বিনামূল্যেও দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৮- কার্যধারার নকল:
কোন ফৌজদারি আদালত দ্বারা প্রদত্ত কোন রায় বা আদেশ কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি কোন আদেশ বা সাক্ষ্য বা নথির অন্য অংশের নকল নিতে ইচ্ছা করলে তার আবেদনের ভিত্তিতে তাকে তা সরবরাহ করতে হবে,
শর্ত থাকে যে, আদালত কোন বিশেষ কারণবশত বিনামূল্যে তা প্রদান উপযুক্ত মনে না করলে তাকে উহার জন্য খরচ দিতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898- Section 548: Copies of proceedings:
If any person affected by a judgment or order passed by a Criminal Court desires to have a copy of any order or deposition or other part of the record be shall, on applying for such copy, be furnished therewith:
Provided that he pays for the same, unless the Court, for some special reason, thinks fit to furnish it free of cost.
৭,৮২৬.
রেস সাবজুডিস ও রেস জুডিকাটার মধ্যে সাদৃশ্য কোনটি-
  1. উভয় ক্ষেত্রে মামলা একই আদালতে দায়ের হবে
  2. উভয় ক্ষেত্রে মামলার বিষয়বস্তু একই থাকবে
  3. প্রথম ক্ষেত্রে মামলাটি নিষ্পত্তি হয়ে যাবে
  4. প্রথম মামলাটি বিচারাধীন থাকবে
সঠিক উত্তর:
উভয় ক্ষেত্রে মামলার বিষয়বস্তু একই থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় ক্ষেত্রে মামলার বিষয়বস্তু একই থাকবে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১০ ধারা অনুযায়ী পক্ষগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে বিচারাধীন কোন মামলা অন্য কোন আদালতে নতুন করে একই বিষয় নিয়ে মামলা করা যাবে না।

♦ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১১ ধারা অনুযায়ী একই পক্ষগনের মধ্যে কোন বিষয়ে একবার বিচার নিষ্পত্তি হলে উক্ত বিষয়ে পুনরায় মামলা করা যাবে না।

♦ রেস সাবজুডিস ও রেস জুডিকাটার মধ্যে সাদৃশ্য হলো- উভয় ক্ষেত্রে মামলার বিষয়বস্তু একই থাকবে। 
৭,৮২৭.
চুক্তির সুনির্দিষ্ট প্রতিপালনের মোকদ্দমা খারিজ হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৯ ধারানুযায়ী বাদী অবশ্যই বারিত হবে-
  1. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা করতে
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা করতে
  3. ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা করতে
  4. আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা করতে
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা করতে
ব্যাখ্যা
 সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ২৯ অনুসারে, একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।
------------
SR Act- Section-29. Bar of suit for breach after dismissal:
-The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
৭,৮২৮.
ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়েরের সময় গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১ম তফসিলের _________ প্রযোজ্য হবে।
  1. ১০ অনুচ্ছেদ
  2. ১১০ অনুচ্ছেদ
  3. ১২০ অনুচ্ছেদ
  4. ১৩০ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১২০ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার মোকদ্দমাকে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা বলা হয়। শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ করা হয়নি। তাই শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে।

• তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ হবে ৬ বছর।
৭,৮২৯.
'ক','খ' এর বিরুদ্ধে দলিল বাতিলের মোকদ্দমা করে। আদালত মোকদ্দমায় 'ক' এর পক্ষে রায় দেন। ঐ একই বিষয়ে উক্ত দলিল বাতিল নিয়ে 'খ' যদি পুনরায় 'ক' এর বিরূদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করে, তাহলে আদালত -
  1. পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা খারিজ করবে
  2. পূর্বে দায়েরকৃত মোকদ্দমা স্থগিত করবে
  3. পরবর্তীতে দায়েরকৃত চালিয়ে যাবে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা খারিজ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা খারিজ করবে
ব্যাখ্যা
আদালত পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা রেস জুডিকাটা নীতি অনুযায়ী খারিজ করে দিবে

• রেস জুডিকাটা(Res Judicata)-
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দেওয়ানী মামলায় রেস জুডিকাটার রয়েছে। ১১ ধারা মতে,এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিম্পন্ন কোন মোকদ্দমা পরবর্তীতে যদি পুনরায় দায়ের করা তাহলে আদালত মোকদ্দমাটির বিচার করবে না যদি নিষ্পন্নকৃত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় ও পক্ষসমূহ এবং পরবর্তীতে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় ও পক্ষসমূহ একই হয়।

• রেস জুডিকাটা নীতির শর্ত সমূহ: 
i) ২টি মামলা অর্থাৎ পূর্বে নিষ্পত্তিকৃত একটি মামলা ও পরবর্তীতে দায়েরকৃত আরেকটি মামলা থাকতে হবে।
ii) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলার পক্ষসমূহ এবং বিচার্য বিষয় একই হবে এবং একই স্বত্বের অধীন (Under same title) হবে।
iii) পূর্বে দায়েরকৃত মামলাটি যথাযথ এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত হবে।
iv) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলার বিচার্য বিষয় সমূহ প্রত্যক্ষভাবে না হয় মূলত (directly or substantially) একই হয়ে যায়। অর্থাৎ উভয় মামলার বিষয়বস্তু অভিন্ন হতে হবে।

যেমন- উল্লেখিত মোকদ্দমায়  'খ' ঐ একই বিষয়ে দলিল বাতিল নিয়ে পুনরায় 'ক' এর বিরূদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করে। তাই আদালত পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা খারিজ করে দিবে। কেননা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মোকদ্দমা একই বিচার্য বিষয় নিয়ে ও একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে দায়ের করা হয়েছে।।
৭,৮৩০.
দণ্ডবিধির ৪৫৬ ধারা অনুসারে রাত্রিকালীন গোপনে গৃহে অনধিকার প্রবেশের (Lurking House-Trespass by Night) অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৪৪ অনুসারে, যে কেউ সূর্যাস্তের পর এবং সূর্যোদয়ের আগে গোপনে গৃহে অনধিকার প্রবেশ করে, তাকে "রাত্রিকালীন গোপনে গৃহে অনধিকার প্রবেশ" (Lurking House-Trespass by Night) বলা হয়। এই অপরাধের শাস্তি ধারা ৪৫৬ অনুসারে ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।

অর্থাৎ ধারা ৪৪৪-এর অধীনে রাত্রিকালীন গোপনে গৃহে অনধিকার প্রবেশ হিসেবে গণ্য হয় এবং ধারা ৪৫৬ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) ৩ বছরের কারাদণ্ড।
-------
⇒The Penal Code, 1860- Section 444 Lurking house trespass by night:
Whoever commits lurking house-trespass after sunset and before sunrise, is said to commit "lurking house-trespass by night".
⇒The Penal Code, 1860- Section 456. Punishment for lurking house-trespass or house-breaking by night:
Whoever commits lurking house-trespass by night, or house-breaking by night, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.

৭,৮৩১.
'ক'-ঢাকার একজন ব্যবসায়ী। 'খ'-খুলনায় ব্যবসা করে। 'খ' তার প্রতিনিধি মারফত কুমিল্লায় 'ক' এর মালামাল ক্রয় করে এবং কুরিয়ারে পাঠানোর জন্য 'ক'-কে অনুরোধ জানায়। 'ক' সেই অনুসারে মালগুলো পাঠায়। কিন্তু 'খ' মূল্য পরিশোধ করতে অস্বীকৃতি জানায়। এক্ষেত্রে 'ক' মালগুলোর মূল্যের জন্য 'খ'-এর বিরুদ্ধে কোথায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. ঢাকা বা কুমিল্লায়
  2. খুলনায়
  3. কুমিল্লা বা খুলনায়
  4. কুমিল্লায়
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা বা খুলনায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা বা খুলনায়
ব্যাখ্যা
'খ'-এর বিরুদ্ধে কুমিল্লা বা খুলনায় এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২০ এ বলা আছে- ধারা ১৬ থেকে ১৯ এ উল্লেখিত মোকদ্দমা ছাড়া অন্যান্য মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে-

ক) বিবাদি বা একাধিক বিবাদি থাকলে, তাদের প্রত্যেকে মোকদ্দমাটি দায়ের করার সময় প্রকৃতপক্ষে এবং স্বেচ্ছায় বসবাস করে অথবা ব্যবসা করে বা লাভজনক কাজ করে; অথবা,

খ) একাধিক বিবাদি থাকলে তাদের কোন একজন মোকদ্দমা রুজু করার প্রাক্কালে প্রকৃতপক্ষে এবং স্ব-ইচ্ছায়, বসবাস করে বা ব্যবসা করে অথবা ব্যক্তিগতভাবে লাভজনক কাজ করেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, এক্ষেত্রে আদালতের সম্মতি গ্রহণ করতে হবে অথবা যে সমস্ত বিবাদি এলাকায় বসবাস করে না বা ব্যবসা করে না কিংবা ব্যক্তিগতভাবে লাভজনক কর্ম করে না তাদের এই মোকদ্দমা দায়েরের ব্যাপারে রাজী হতে হবে; অথবা

(গ) মোকদ্দমার কারণ সম্পূর্ণভাবে বা আংশিক উদ্ভব হয়েছে

উল্লেখিত ক্ষেত্রে বিবাদি 'খ' খুলনায় ব্যবসা কাজ পরিচালনা করেন এবং কুমিল্লায় মোকদ্দমার কারণ উদ্ভব হয়। তাই উক্ত মোকদ্দমা কুমিল্লা বা খুলনায় এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দায়ের করা যাবে।
৭,৮৩২.
রায়ের কপির জন্য আসামী পক্ষ আবেদন করলে তা দিতে হবে-
  1. খরচসহ ১৫ দিনের মধ্যে
  2. খরচসহ কোন বিলম্ব ছাড়া
  3. খরচবাদে ১৫ দিনের মধ্যে
  4. খরচবাদে কোন বিলম্ব ছাড়া
সঠিক উত্তর:
খরচবাদে কোন বিলম্ব ছাড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খরচবাদে কোন বিলম্ব ছাড়া
ব্যাখ্যা
রায়ের কপির জন্য আসামী পক্ষ আবেদন করলে তা খরচবাদে কোন বিলম্ব ছাড়া দিতে হবে।

ফৌজাদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭১ অনুযায়ী,
আসামি আবেদন করলে আদালত অনতিবিলম্বে রায়ের নকল খরচ ছাড়া উক্ত পক্ষকে দিতে বাধ্য থাকবে।

Section 371- Copy of judgment, etc., to be given to accused on application

⇒ On the application of the accused a copy of the judgment, or when he so desires, a translation in his own language, if practicable, or in the language of the Court, shall be given to him without delay. Such copy shall, in any case other than a case under Chapter XX, be given free of cost. 
⇒ When the accused is sentenced to death by a Sessions Judge, such Judge shall further inform him of the period within which, if he wishes to appeal, his appeal should be preferred.
৭,৮৩৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২ বিধি-১৪ অনুযায়ী, কে মোকদ্দমা খারিজের আবেদন করতে পারে?
  1. যেকোনো নাবালক
  2. নাবালকের অভিভাবক
  3. নাবালকের আইনজীবী
  4. সাবালকত্ব প্রাপ্ত হওয়া একমাত্র বাদী নাবালক
সঠিক উত্তর:
সাবালকত্ব প্রাপ্ত হওয়া একমাত্র বাদী নাবালক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাবালকত্ব প্রাপ্ত হওয়া একমাত্র বাদী নাবালক
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) সাবালকত্ব প্রাপ্ত হওয়া একমাত্র বাদী নাবালক।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-১৪ অনুযায়ী, একটি নাবালক যে একমাত্র বাদী হিসেবে তার Next Friend (নেক্সট ফ্রেন্ড) এর মাধ্যমে মোকদ্দমা রুজু করেছিল, সে সাবালক হওয়ার পর যদি মনে করে যে মামলাটি ছিল অযৌক্তিক (unreasonable) বা অনুচিত (improper), তবে সে নিজেই আদালতে সেই মামলা খারিজের আবেদন করতে পারে।
- এই বিধান কেবলমাত্র এমন নাবালক বাদীর জন্য প্রযোজ্য,  যিনি একমাত্র বাদী ছিলেন এবং পরবর্তীতে সাবালকত্ব প্রাপ্ত হয়েছেন।
 আদালত যদি আবেদনকারী সাবালক বাদীর বক্তব্যে সন্তুষ্ট হয় যে মামলাটি অযৌক্তিক বা অনুচিত, তবে আদালত: মামলাটি খারিজ করতে পারে; নেক্সট ফ্রেন্ডকে সংশ্লিষ্ট সকল খরচ বহনের নির্দেশ দিতে পারে; অথবা অন্য কোনও উপযুক্ত আদেশ দিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২ বিধি-১৪: অযৌক্তিক বা অনুচিত মোকদ্দমা:
১) কোন নাবালক একমাত্র বাদি হলে সাবালকত্ব প্রাপ্ত হয়ে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, তার নেক্সট ফ্রেন্ড কর্তৃক তার নামে রুজুকৃত মোকদ্দমা অযৌক্তিক বা অসংগত হওয়ার কারণে খারিজ হবে।
২) সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের উপর আবেদনের নোটিশ জারি করতে হবে এবং উক্ত অসংগত কারণ সম্পর্কে সন্তুষ্ট হয়ে আদালত আবেদন মঞ্জুর করতে পারে এবং আবেদনপত্র ও মোকদ্দমার ব্যাপারে কোন কিছু সম্পর্কে সকল পক্ষ বরাবর খরচাদি পরিশোধের জন্য নেক্সট ফ্রেন্ডকে আদেশ দিতে পারে বা আদালত উপযুক্ত মনে করে অন্য কোন উপযুক্ত নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-32 Rule-14:
(1)A minor, upon attaining majority, may, if he is the sole plaintiff, apply for the dismissal of a suit instituted in his name by his next friend on the grounds that it was unreasonable or improper.
(2)Notice of the application shall be served on all the parties concerned. Upon being satisfied of the unreasonableness or impropriety of the suit, the Court may grant the application and order the next friend to pay the costs of all parties regarding the application and anything done in the suit, or make such other order as it deems appropriate.
৭,৮৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০২ ধারায় সরকার দণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন করতে পারে-
  1. বিচারিক আদালতের সম্মতিতে
  2. দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতিতে
  3. ফরিয়াদি পক্ষের সম্মতিতে
  4. দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া
সঠিক উত্তর:
দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০২ ধারায় সরকার দণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন (Commutation) করে অন্য কোন দণ্ড দিতে পারে। ৪০২ ধারায় সরকার মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাবাস ও সশ্রম কারাবাসকে বিনাশ্রম কারাবাসে হ্রাস করতে পারে। যেমন- মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে ১০ বৎসর করতে পারে বা ১০ বৎসরের দণ্ড হ্রাস করে ৭ বৎসর করতে পারে।

ধারা ৪০২- সাজা রদ বদলের ক্ষমতা

(১) সরকার দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে নিম্নে বর্ণিত যে কোন দণ্ড রদবদল করে ইহার পরে উল্লেখিত যেকোন দণ্ড দিতে পারবেন-মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, আসামী যে সময়ের জন্য সাজাপ্রাপ্ত হতে পারত তার অনধিক সময়ের জন্য সশ্রম কারাদণ্ড, অনুরূপ মেয়াদের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা।

(২) এই ধারার কোন কিছুই দণ্ডবিধির ধারা-৫৪ বা ৫৫ এর বিধানবলীকে প্রভাবিত করবে না।

Section 402- Power to commute punishment

(1) The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it:-death, transportation, rigorous imprisonment for a term not exceeding that to which he might have been sentenced, simple imprisonment for a like term, fine. 
(2) Nothing in this section shall affect the provisions of section 54 or section 55 of the Penal Code.
৭,৮৩৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারার অধীনে চুক্তি সংশোধন করার পর কী হতে পারে?
  1. চুক্তি বাতিল করা হবে
  2. চুক্তির অংশ বাতিল করা হবে
  3. চুক্তি সঠিকভাবে কার্যকর করা হবে
  4. চুক্তি সম্পূর্ণ নতুনভাবে তৈরি করা হবে
সঠিক উত্তর:
চুক্তি সঠিকভাবে কার্যকর করা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি সঠিকভাবে কার্যকর করা হবে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) চুক্তি সঠিকভাবে কার্যকর করা হবে।
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারার অধীনে, যদি চুক্তি সংশোধন করা হয় এবং আদালত তা সঠিক মনে করে, তবে সংশোধনকৃত চুক্তি সঠিকভাবে কার্যকর করা হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারা: সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরীকরণ:
লিখিত চুক্তি প্রথমত সংশোধিত হতে পারে এবং যদি বাদী আরজিতে প্রার্থনা করে থাকে এবং আদালত তা যুক্তিযুক্ত মনে করেন, তবে পরে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে।

উদাহরণ:
'ক' তার অ্যাটর্নি 'খ'-কে খরচের টাকার পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের জন্য লিখিতভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তিতে মক্কেলের নাম ও অধিকার ভুলভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়। যদি সঠিকভাবে তা ব্যাখ্যা করা হয়, তবে তা চুক্তির অধীনে সকল অধিকার হতে 'খ'-কে বঞ্চিত করবে। যদি আদালত উপযুক্ত মনে করেন তবে 'খ' চুক্তি সংশোধন করার এবং নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ প্রদানের আদেশ পাবার অধিকারী।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 34- Specific enforcement of rectified contract:
A contract in writing may be first rectified and then, if the plaintiff has so prayed in his plaint and the Court thinks fit, specifically enforced.
Illustration:
A contracts in writing to pay his attorney, B, a fixed sum in lieu of costs. The contract contains mistakes as to the name and rights of the client, which, if construed strictly, would exclude B from all rights under it. B is entitled, if the Court thinks, fit, to have it rectified, and to an order for payment of the sum, as if at the time of its execution it had expressed the intention of the parties.
৭,৮৩৬.
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারায় কোন কাজ শাস্তিযোগ্য নরহত্যা হিসেবে গণ্য হয় না?
  1. মাতৃগর্ভস্থ শিশুর মৃত্যু ঘটানো
  2. মৃত্যুর উদ্দেশ্যে কৃত কাজের ফলে মৃত্যু ঘটানো
  3. দৈহিক জখমের উদ্দেশ্যে কৃত কাজের ফলে মৃত্যু ঘটানো
  4. এমন কাজের ফলে মৃত্যু ঘটানো, যা মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে ব্যক্তি জানত
সঠিক উত্তর:
মাতৃগর্ভস্থ শিশুর মৃত্যু ঘটানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাতৃগর্ভস্থ শিশুর মৃত্যু ঘটানো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার ব্যাখ্যা (Explanation) ৩ অনুযায়ী স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে “মাতৃগর্ভস্থ শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়।”
- অর্থাৎ, যদি কোনো কাজের মাধ্যমে গর্ভে থাকা শিশুর মৃত্যু ঘটে, তাহলে সেটা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (culpable homicide) হিসেবে গণ্য হবে না।
- তবে ব্যাখ্যার দ্বিতীয় অংশে আরও বলা হয়েছে, যদি শিশুটি পুরোপুরি ভূমিষ্ঠ না হলেও দেহের কোনো অংশ বাইরে আসে এবং তখন তাকে জীবিত অবস্থায় হত্যা করা হয়, তাহলে সেটি শাস্তিযোগ্য নরহত্যা হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ২৯৯ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি—
১) মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্যে, অথবা
২) যে ধরনের দৈহিক আঘাত মৃত্যু ঘটাতে পারে—এই জেনেও সেই আঘাত করে, অথবা
৩) এমন কোনো কাজ করে যা সে জানে মৃত্যু ঘটাতে পারে,
এবং এর ফলে যদি কারো মৃত্যু ঘটে, তবে সে শাস্তিযোগ্য নরহত্যার (culpable homicide) দায়ে দণ্ডিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।
- ব্যাখ্যা ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
- ব্যাখ্যা ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
- ব্যাখ্যা ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section- 299. Culpable homicide:
Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide. 
Explanation 1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death. 
Explanation 2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented. 
Explanation 3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
৭,৮৩৭.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন কোন ধারায় G.R  [General Registered Case] সম্পর্কে উল্লেখ আছে?
  1. ১৫৪, ১৫৬
  2. ১৫৪, ১৫৫
  3. ১৫৭, ১৫৮
  4. ১৫৮, ১৫৯
সঠিক উত্তর:
১৫৪, ১৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৪, ১৫৬
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী পুলিশকে আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য উভয় ধরণের মামলা বা অপরাধ সংঘটনের সংবাদ প্রদান করা যায়। পুলিশকে আমলযোগ্য অপরাধের [Cognizable offence] সংবাদ দিলে, তা পুলিশ ১৫৪ ধারা অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করে। এই ধারায় দায়েরকৃত মামলা এফআইআর কেস (FIR case) বা পুলিশ কেস (Police Case) বা জি.আর (G.R) কেইস নামে পরিচিত। এই মামলার ক্ষেত্রে ১৫৬(১) ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই পুলিশ তদন্ত শুরু করতে পারে এবং ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে।

• অন্যদিকে পুলিশকে আমলঅযোগ্য অপরাধের [Non-cognizable offence] সংবাদ দিলে, সেক্ষেত্রে পুলিশ ১৫৫ ধারা অনুসরণ করেন।১৫৫ ধারায় আমলঅযোগ্য অপরাধের ভিত্তিতে যে মামলা শুরু হয় তা -

১. Non-Gr (Non-Registered) Case

২. Non-FIR Case

৩. Non-Cognizable Case নামে পরিচিত

আবার, আমলঅযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ১৫৫(২) ধারায় প্রথম বা দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট তদন্তের নির্দেশ দিলে শুধুমাত্র তখনই পুলিশ তদন্ত করতে পারে।
৭,৮৩৮.
রিসিভারকে আদালত যে ক্ষমতা দিতে পারে, তার মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. আদালতে হিসাব দাখিল
  2. নিজের নামে সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করা
  3. অবহেলাজনিত ক্ষতির জন্য দায়ী থাকা
  4. প্রাপ্ত অর্থ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী প্রদান
সঠিক উত্তর:
নিজের নামে সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজের নামে সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ (Order XL) রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান প্রদান করে। আদালত যখন রিসিভার নিয়োগ করে, তখন তাকে নির্দিষ্ট দায়িত্ব ও ক্ষমতা প্রদান করে। তবে, এই ক্ষমতা সীমিত এবং মালিকানাসুলভ নয়।
- রিসিভার হলেন একজন নিরপেক্ষ ব্যক্তি যিনি আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী কোনো বিরোধপূর্ণ সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণ, ব্যবস্থাপনা ও আয়-ব্যয়ের হিসাব রক্ষার দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সেই সম্পত্তির মালিক হন না।
⇒ রিসিভারের ক্ষমতা ও দায়িত্বসমূহ (আদেশ ৪০, বিধি ১ ও ৩):
- আদালতের আদেশ অনুযায়ী সম্পত্তি গ্রহণ ও পরিচালনা (বিধি ১)
- মামলা পরিচালনা, ভাড়া আদায়, সম্পত্তির সংরক্ষণ ও উন্নয়ন
- আদালতের আদেশ অনুযায়ী আয়-ব্যয় সম্পর্কিত হিসাব দাখিল (বিধি ৩(b))
- প্রাপ্ত অর্থ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী প্রদান (বিধি ৩(c))
- অবহেলা বা ইচ্ছাকৃত ত্রুটির জন্য দায়ী হওয়া (বিধি ৩(d))

• কিন্তু রিসিভারের ক্ষমতার মধ্যে “নিজের নামে সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করা” অন্তর্ভুক্ত নয়।
কারণ, রিসিভার কেবল অস্থায়ী তত্ত্বাবধায়ক – তিনি কখনোই মালিকানা দাবী করতে পারেন না।
আদালতের অনুমোদন ব্যতীত রিসিভার কোনোভাবে সম্পত্তি নিজের নামে স্থানান্তর করতে পারেন না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪০, বিধি-৩. রিসিভারের দায়িত্ব:
নিয়োগকৃত প্রতিটি রিসিভারকে—
(ক) সম্পত্তি বাবদ যা কিছু গ্রহণ করবে তার যথাযথ হিসাব প্রদানের জন্য আদালত যেরূপ নিরাপত্তা (যদি প্রয়োজন হয়) নির্ধারণ করে তা প্রদান করতে হবে;
(খ) আদালত যে সময় ও ফরম্যাট নির্ধারণ করবে সেই অনুযায়ী হিসাব দাখিল করতে হবে;
(গ) আদালত যে পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করতে বলবে তা প্রদান করতে হবে; এবং
(ঘ) তার ইচ্ছাকৃত ত্রুটি বা গুরুতর অবহেলার কারণে সম্পত্তির যেকোনো ক্ষতির জন্য দায়ী থাকবে।

Order XL, Rule-3. Duties of Receiver:
Every receiver so appointed shall—
(a) furnish such security (if any) as the Court thinks fit, duly to account for what he shall receive in respect of the property;
(b) submit his accounts at such periods and in such form as the Court directs;
(c) pay the amount due from him as the Court directs; and
(d) be responsible for any loss occasioned to the property by his wilful default or gross negligence.
৭,৮৩৯.
সরকারি স্ট্যাম্প জালকরণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের শাস্তি কত ধারায় রয়েছে?
  1. ২৫৫ ধারা
  2. ২৫৭ ধারা  
  3. ২৫৬ ধারা
  4. ২৫৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৫৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫৫ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারা- সরকারি স্ট্যাম্প জাল করার শাস্তি।
 
♦ দণ্ডবিধির ২৫৬ ধারা- সরকারি স্ট্যাম্প জাল করার যন্ত্রপাতি বা সামগ্রী দখলে রাখার শাস্তি।

♦ দণ্ডবিধির ২৫৭ ধারা- সরকারি স্ট্যাম্প জাল করার যন্ত্রপাতি প্রস্তুত অথবা বিক্রয় করার শাস্তি।

♦ দণ্ডবিধির ২৫৮ ধারা- জাল সরকারি স্ট্যাম্প বিক্রি করার শাস্তির বিধান উল্লেখ আছে।

--------------------
♦ দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারা সরকারী স্ট্যাম্প জাল করণ :- কোন ব্যক্তি যদি সরকার দ্বারা রাজস্বের উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত কোন স্ট্যাম্প জাল করে বা জ্ঞাতসারে অনুরূপ কোন স্ট্যাম্প জাল করার প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

♦ ব্যাখ্যা:- এক মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পকে কোন ব্যক্তি যদি দেখতে অপর মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পের মত করে লয়, তবে সে ব্যক্তি এই অপরাধ অনুষ্ঠান করে বলে পরিগণিত হবে।
__________________________________________
♦ Section 255. Counterfeiting Government stamp:- Whoever counterfeits, or knowingly performs any part of the process of counterfeiting, any stamp issued by Government for the purpose of revenue, shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

♦ Explanation:- A person commits this offence who counterfeits by causing a genuine stamp of one denomination to appear like a genuine stamp of a different denomination.
৭,৮৪০.
সাক্ষীর পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) কে করতে পারে?
  1. প্রতিপক্ষ
  2. সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
  3. বিচারক
  4. মামলার উভয় পক্ষ
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২এর ধারা ১৩৮ : সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম:
- সাক্ষীদের প্রথমে মূল জবানবন্দি (Examination-in-chief) গ্রহণ করা হবে,
- তারপর (যদি প্রতিপক্ষ পক্ষ ইচ্ছা করে) জেরা (Cross-examination) করা হবে,
- এরপর (যদি সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ ইচ্ছা করে) পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) করা হবে।

⇒ জবানবন্দি ও জেরা উভয়ই প্রাসঙ্গিক তথ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে।
তবে জেরা (Cross-examination) কেবলমাত্র মূল জবানবন্দিতে (Examination-in-chief) প্রদত্ত তথ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।

৭,৮৪১.
সাক্ষ্য আইনের সংজ্ঞা অনুসারে, 'ফ্যাক্টস ইন ইস্যু' (Facts in Issue) এর উদাহরণ কী?
  1. A, B কে হত্যা করার অভিযোগে অভিযুক্ত
  2. A এর ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য
  3. A এর মানসিক অবস্থা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের সংজ্ঞা অনুসারে, 'ফ্যাক্টস ইন ইস্যু' (Facts in Issue) বলতে সেই সমস্ত তথ্য বা ঘটনাকে বোঝায়, যা কোনো মামলার মূল বিষয়বস্তু গঠন করে এবং যা থেকে কোনো অধিকার, দায় বা অক্ষমতার অস্তিত্ব বা প্রকৃতি প্রমাণিত হয়।
ক) A, B কে হত্যা করার অভিযোগে অভিযুক্ত: এটি একটি ফ্যাক্ট ইন ইস্যু, কারণ এটি মামলার মূল বিষয়বস্তু।
খ) A এর ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য: এটি একটি ফ্যাক্ট ইন ইস্যু, কারণ A এর ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য হত্যার অভিযোগের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
গ) A এর মানসিক অবস্থা: এটি একটি ফ্যাক্ট ইন ইস্যু, কারণ A এর মানসিক অবস্থা (যেমন, মানসিক ভারসাম্যহীনতা) হত্যার অভিযোগের প্রমাণ বা খণ্ডনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

উদাহরণ:
যদি A, B কে হত্যা করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়, তবে নিম্নলিখিত ফ্যাক্টস ইন ইস্যু হতে পারে:
- A কি B কে হত্যা করেছে?
- A এর হত্যার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য ছিল কি?
- A কি মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় ছিল?
এই সমস্ত তথ্য বা ঘটনা মামলার মূল বিষয়বস্তু গঠন করে এবং আদালতের সিদ্ধান্তের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

⇒  সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) উপরের সবকটি।
৭,৮৪২.
কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওর-এর ৪৯১ ধারা অনুযায়ী 'হেবিয়াস কর্পাস' প্রকৃতির নির্দেশনামূলক আদেশ প্রদানের ক্ষমতা কোন আদালতের এখতিয়ারভুক্ত?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা জজ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. আপীল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯১ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ direction of the nature of a habeas corpus ইস্যু করতে পারে। যখন কোন ব্যক্তিকে বেআইনীভাব আটক করা হয়, তখন বন্দী হাজির রিট [writ of habeas corpus] পিটিশন দায়ের করা যায়। যে কোন ব্যক্তি বন্দী হাজির রিট দায়ের করতে পারবে। বন্দী হাজির অর্থ হলো- বন্দীকে আদালতে হাজির করা।

ধারা ৪৯১: হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা-

(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-

(ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনী অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 

(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।

(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৭,৮৪৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেয়া যেতে পারে
  1. এ্যাডভোকেট কমিশনার নিয়োগের মাধ্যমে
  2. রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
  3. অগ্রক্রয় আদেশের মাধ্যমে
  4. বাটোয়ারা ডিক্রি প্রদানের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা- 
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ)রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫ ধারায় মতে রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেয়া যেতে পারে।
৭,৮৪৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০ বিধি ৩ অনুসারে, আদালত কর্তৃক নেওয়া জেরার সারমর্ম কীভাবে সংরক্ষণ করতে হবে?
  1. উকিলরা নোট করে রাখবেন
  2. আদালতের ক্লার্ক লিখে রাখবেন
  3. ডিক্রি বইতে লিপিবদ্ধ করতে হবে
  4. জজ নিজে লিখে রেকর্ডের অংশ করবেন
সঠিক উত্তর:
জজ নিজে লিখে রেকর্ডের অংশ করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জজ নিজে লিখে রেকর্ডের অংশ করবেন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০ বিধি ৩ (Order X Rule 3): "The substance of the examination shall be reduced to writing by the Judge, and shall form part of the record."
অর্থাৎ, আদালত কর্তৃক নেওয়া জেরার সারমর্ম (substance of the examination) জজ নিজে লিখে নেবেন এবং এটি রেকর্ডের (case record) অংশ হিসেবে সংরক্ষিত হবে। 
----- 
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 10 Rule-3.Substance of examination to be written:
- The substance of the examination shall be reduced to writing by the Judge, and shall form part of the record. 

৭,৮৪৫.
সাক্ষ্য আইনে তৃতীয় পক্ষের অভিমত (Opinion of third party) বা মতামতের প্রাসঙ্গিকতা বিষয়টি মূলত আলোচনা করা হয়েছে-
  1. ৩০-৪১ ধারায়
  2. ৪০-৫১ ধারায়
  3. ৪৫-৫১ ধারায়
  4. ৫০-৫৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৫-৫১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫-৫১ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনে তৃতীয় পক্ষের অভিমত (Opinion of third party) বা মতামতের প্রাসঙ্গিকতা বিষয়টি মূলত আলোচনা করা হয়েছে: ধারা ৪৫ থেকে ৫১ পর্যন্ত।

এই ধারাগুলোর মধ্যে:
ধারা ৪৫: Expert opinion (বিশেষজ্ঞ মতামত);
ধারা ৪৬: Facts bearing upon expert opinion;
ধারা ৪৭: Opinion as to handwriting;
ধারা ৪৮: Opinion as to custom or usage;
ধারা ৪৯: Opinion as to relationships;
ধারা ৫০: Opinion as to existence of right or custom;
ধারা ৫১: Grounds of opinion when relevant.

এই ধারাগুলোতে বলা হয়েছে কোন কোন পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞ, সাধারণ ব্যক্তি বা তৃতীয় পক্ষের মতামত আদালতের জন্য প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
৭,৮৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার অধীনে প্রদত্ত একটি আদেশ সাধারণত কত দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকতে পারে?
  1. এক মাস
  2. দুই মাস
  3. ছয় মাস
  4. বাতিল না হওয়া পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
দুই মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৪৪(৬) অনুযায়ী, এই ধারার অধীনে প্রদত্ত কোনো আদেশ সর্বোচ্চ দুই মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকতে পারে।
- তবে যদি মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ থাকে অথবা দাঙ্গা বা মারামারির আশঙ্কা থাকে, তখন সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারি করে এই সময়সীমা বাড়াতে পারে।
- সাধারণ পরিস্থিতিতে সময়সীমা ২ মাস এর বেশি হয় না।
- এছাড়া, ধারা ১৪৪(৭) অনুযায়ী, এই বিধান মহানগর এলাকায় প্রযোজ্য নয়।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 144 Power to issue order:
-(6) No order under this section shall remain in force for more than two months from the making thereof; unless, in cases of danger to human life, health or safety, or a likelihood of a riot or an affray, the Government, by notification in the official Gazette, otherwise directs. 
-(7) The provisions of this section shall not apply to a Metropolitan Area.

৭,৮৪৭.
ফৌজদারি মামলার কোনো কার্যধারায় ভুল থাকলে, কেবলমাত্র সেই কারনে ক্রোকাদেশ-
  1. বেআইনী হবে
  2. বাতিল হবে
  3. স্থগিত থাকবে
  4. বেআইনী হবে না
সঠিক উত্তর:
বেআইনী হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেআইনী হবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৮- কার্যধারায় ভুল থাকলে অথবা প্রকরণ যথাযথ না হলে ক্রোক বেআইনী হবে না এবং ক্রোককারী অনধিকার প্রবেশকারী হবে না

সমন, দণ্ডাজ্ঞা, ক্রোকের পরোয়ানা বা কোন কার্যধারায় কোন ভ্রান্তি থাকলে, অথবা উহা যথাযথ আকারে না হলে কেবল মাত্র সেই কারণে এই আইনের অধীন কৃত কোন বেআইনী বা যিনি উহা করেছেন তাকে অনধিকার প্রবেশকারী বলে গণ্য করা যাবে না ।

Section 538- Attachment not illegal, person making same not trespasser for defect or want of form in proceedings
No attachment made under this Code shall be deemed unlawful, nor shall any person making the same be deemed a trespasser, on account of any defect or want of form in the summons, conviction, writ of attachment other proceedings relating or thereto.
৭,৮৪৮.
কোন ব্যক্তি নৈতিক অবক্ষয় জনিত কোন অপরাধে দণ্ডিত হলে কতদিন অতিক্রম না হলে অ্যাডভোকেট হওয়ার যোগ্য হবেনা?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒  The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ২৭ (৩) অনুযায়ী অ্যাডভোকেট হওয়ার অযোগ্যতার কথা উল্লেখ আছে।
⇒The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972এর ২৭ (৩) অনুচ্ছে অনুযায়ী কোন ব্যক্তি সরকারি চাকরি হতে নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে অপসারিত হলে এবং ২ বছর অতিক্রম না হলে।
-নৈতিক অবক্ষয় জনিত কোন অপরাধে দণ্ডিত হলে ৫ বছর অতিক্রম না হলে অ্যাডভোকেট হওয়ার যোগ্য হবেনা।
-------------------------------------------
- The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-27.(3) A person shall be disqualified from being admitted as an advocate if-
(a) he was dismissed from service of Government or of a public statutory corporation on a charge involving moral turpitude, unless a period to two years has elapsed since his dismissal; or
(b) he has been convicted for an offence involving moral turpitude, unless a period of five years or such less period as the Government may, by notification in the official Gazette, specify in this behalf, had elapsed from the date of the expiration of the sentence.
৭,৮৪৯.
Under Section 25 of the Limitation Act, 1908, all instruments shall be deemed to be made with reference to which calendar?
  1. Hindu calendar
  2. Islamic calendar
  3. Julian calendar
  4. Gregorian calendar
সঠিক উত্তর:
Gregorian calendar
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gregorian calendar
ব্যাখ্যা
- The Limitation Act, 1908, Section-25: Computation of time mentioned in instruments:
All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar.

তামাদি আইনের ২৫ ধারায় দলিলে উল্লিখিত সময় গণনার বিধান রয়েছে। তামাদি আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে যাবতীয় দলিল গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত বলে বিবেচিত হবে।
৭,৮৫০.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় বিবাদী একাধিক হলে সমন প্রত্যেক বিবাদীর উপর জারি করার বিধান উল্লেখ রয়েছে?
  1. আদেশ-৫ বিধি-১১
  2. আদেশ-৫ বিধি-১৩
  3. আদেশ-৫ বিধি-১৮
  4. আদেশ-৫ বিধি-২১
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৫ বিধি-১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৫ বিধি-১১
ব্যাখ্যা

→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৫ বিধি-১১ তে বিবাদী একাধিক হলে সমন প্রত্যেক বিবাদীর উপর জারি করার বিধান উল্লেখ রয়েছে। 
মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবীর সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ(৫) কার্যদিবসের মধ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির নিকট সমন প্রেরণ করবে। মোকদ্দমায় এক বা একাধিক বিবাদী থাকতে পারে।
যেক্ষেত্রে একাধিক বিবাদী থাকে সেক্ষেত্রে সমন আদেশ ৫ এর বিধি ১১ নং অনুসারে জারি করতে হবে।
 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৫ বিধি-১১ এর বিধান: 
অনুরূপ নির্দেশ যদি না থাকে তবে ক্ষেত্রে বিবাদির সংখ্যা বহুসংখ্যক হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদিগণের প্রত্যেকের উপর সমন জারি করতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-5 Rule-11: Service on several defendants:
- Save as otherwise prescribed, where there are more defendants than one, service of the summons shall be made on each defendant.

৭,৮৫১.
দণ্ডবিধির ৩১২ ধারায় নিম্নলিখিত কোন কারণে গর্ভপাতকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে?
  1. চিকিৎসাজনিত কারণে
  2. যদি সরল বিশ্বসে করা হয়
  3. নারীর জীবন রক্ষার জন্য
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১২ ধারার বিধান গর্ভপাত করান:- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে গর্ভবতী স্ত্রীলোকের গর্ভপাত করায়, এবং যদি সে গর্ভপাত সরল বিশ্বাসে উক্ত স্ত্রীলোকের জীবন বাঁচাবার উদ্দেশ্যে না করা হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; এবং যদি স্ত্রীলোকটি শিশুর বিচরণ অনুভব করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা:- যে স্ত্রীলোক নিজেই নিজের অকাল গর্ভপাত করায়, সে স্ত্রীলোকও এই ধারার অর্থের অন্তর্ভুক্ত হবে।
--------------------
Section 312. Causing miscarriage:- Whoever voluntarily causes a woman with child to miscarry, shall, if such miscarriage be not caused in good faith for the purpose of saving the life the woman, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both; and, if the woman be quick with child, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
Explanation:- A woman who causes herself to miscarry, is within the meaning of this section.
৭,৮৫২.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধান মতে আপিল আদালত পুনঃবিচারের নিমিত্তে মোকদ্দমা প্রেরণ করতে পারেন?
  1. ৪১ আদেশের ১২ নিয়ম মতে
  2. ৪১ আদেশের ২০ নিয়ম মতে
  3. ৪১ আদেশের ২৩ নিয়ম মতে
  4. ৪১ আদেশর ৩১ নিয়ম মতে
সঠিক উত্তর:
৪১ আদেশের ২৩ নিয়ম মতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১ আদেশের ২৩ নিয়ম মতে
ব্যাখ্যা
- ১০৭ ধারায় আপীল আদালতকে কোন মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
- কোন কোন প্রেক্ষাপটে আপীল আদালত এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে তা আদেশ ৪১ এর ২৩ বিধি এবং ২০ বিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
- মামলা বিচারের সময়ে নিম্ন আদালত কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উপেক্ষা করে থাকলে তা বিবেচনা করার জন্য বা প্রাথমিক প্রশ্নে (Preliminary points) মামলা নিষ্পত্তি ক থাকলে, আপীলে সেই সিদ্ধান্ত বাতিল হলে, আপীল আদালত মামলাটি পুনর্বিচারের জন্য ৪১ আদেশের ২০ বিধির অধীন নিম্ন আদালতে পুনঃপ্রেরণ করতে পারবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২৩ বিচারের নিমিত্তে আপিল আদালত কর্তৃক মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণ:
- যেক্ষেত্রে যে আদালতের ডিক্রী হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত যদি মোকদ্দমাটি কোন প্রাথমিক বিষয়ের উপর নিস্পত্তি করে থাকেন এবং আপিলে উক্ত ডিক্রী রদ হয় সেক্ষেত্রে আপিল আদালত উপযুক্ত মনে করলে মোকদ্দমাটি পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারেন এবং অনুরূপে পুনঃপ্রেরিত মোকদ্দমায় কোন্ কোন বিষয় বা বিষয়াবলীর বিচার করতে হবে তৎসম্পর্কে আরো নির্দেশ দিতে পারেন এবং এটির রায়ের ও আদেশের একটি নকল যে আদালতে ডিক্রী হতে আপিল করা হয়েছে, অনুরূপ আদালতে দেওয়ানি মোকদ্দমার রেজিস্ট্রারে সেটির মূল নম্বরের অধীনে মোকদ্দমাটি বিচারার্থে পুনঃগ্রহণ করার এবং মোকদ্দমা নিস্পত্তি করার নির্দেশাবলীসহ প্রেরণ করতে হবে এবং মূল বিচারকালে লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষ্য (যদি কোন) যাবতীয় সঙ্গত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ঐগুলোও পুনরায় প্রেরণের পর বিচারকালে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে।
------------
⇒ CPC Order-41 Rule-23. Remand of case by Appellate Court:
- Where the Court from whose decree an appeal is preferred has disposed of the suit upon a preliminary point and the decree is reversed in appeal, the Appellate Court may, if it thinks fit, by order remand the case, and may further direct what issue or issues shall be tried in the case so remanded, and shall send a copy of its judgment and order to the Court from whose decree the appeal is preferred, with directions to re-admit the suit under its original number in the register of civil suits, and proceed to determine the suit; and the evidence (if any) recorded during the original trial shall, subject to all just exceptions, be evidence during the trial after remand. 
৭,৮৫৩.
তামাদি আইন অনুসারে, "Bill of Exchange" এর মধ্যে কী অন্তর্ভুক্ত থাকে?
  1. চেক ও হুন্ডি
  2. কেবল নগদ অর্থ
  3. শুধুমাত্র ব্যাংক ড্রাফট
  4. স্ট্যাম্পড রসিদ
সঠিক উত্তর:
চেক ও হুন্ডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেক ও হুন্ডি
ব্যাখ্যা
The Limitation Act, 1908: ধারা ২ – সংজ্ঞা (Definitions):
এই আইনে, যদি প্রসঙ্গ বা বিষয়বস্তুতে ভিন্ন কিছু না বোঝায়, তবে:

(২) "বিল অব এক্সচেঞ্জ (Bill of Exchange)" বলতে হুন্ডি এবং চেককেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
[“bill of exchange” includes a hundi and a cheque]
৭,৮৫৪.
The Limitation Act, 1908 এর কোন ধারা অনুযায়ী জাবেদা নকল গ্রহণে ব্যয়িত সময় তামাদির মেয়াদ গণনা হতে বাদ যাবে?
  1. ১১
  2. ১২
  3. ১৩
  4. ১৪
সঠিক উত্তর:
১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২
ব্যাখ্যা
- তামাদি আইনের ১২ ধারায় বলা আছে তামাদির মেয়াদ হিসাব করার সময় কোন কোন সময় বাদ দিয়ে হিসাব করতে হবে।
- তামাদি আইনের ১২ ধারা মতে কতিপয় সময় বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে। যথা-
১) মামলা, আপিল বা দরখাস্তের মেয়াদ আরম্ভের দিন।
২) রায় ঘোষণার দিন।
৩) রায়ের নকল গ্রহণে ব্যয়িত সময়।
৪) রোয়েদাদ উত্তোলন করতে যে সময় ব্যয় হয়।

তামাদি আইনের ১২ ধারার বিধান আইনানুগ কার্যধারায় যে পরিমাণ সময় গণনা হতে বাদ দিতে হবে- 
(১) কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যেদিন হতে উক্ত মেয়াদ গণনা করতে হবে সেই দিন বাদ দিতে হবে।

(২) কোনো আপিল, আপিলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যে রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হবে, তা যেদিন ঘোষণা করা হয়েছে, সেইদিন এবং যে ডিক্রি, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপিল করা হবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হবে, তার নকল গ্রহণ করতে যেই সময় আবশ্যক, তা বাদ দিতে হবে।

(৩) যেক্ষেত্রে ডিক্রি সম্পর্কে আপিল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রি যেই রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত, সেই রায়ের নকল পেতে যে সময় লাগে, তাও বাদ দিতে হবে।
(৪) কোনো রোয়েদাদ নাকচ করার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, রোয়েদাদের নকল পেতে যে সময় লাগে, তা বাদ দিতে হবে।
--------
- Section 12: Exclusion of time in legal proceedings-
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application, the day from which such period is to be reckoned shall be excluded. 
(2) In computing the period of limitation prescribed for an appeal, an application for leave to appeal and an application for a review of judgment, the day on which the judgment complained of was pronounced, and the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded. 
(3) Where a decree is appealed from or sought to be reviewed, the time requisite for obtaining a copy of the judgment on which it is founded shall also be excluded. 
(4) In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded.
৭,৮৫৫.
কোনো ব্যক্তি চুরি করার উদ্দেশ্যে যদি মৃত্যু ঘটানো, আঘাত প্রদান বা আটকানোর প্রস্তুতি নেয়ার পর চুরি সংঘটিত করে, তাহলে উক্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে?
  1. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড।

দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (Penal Code, 1860)-এর ধারা ৩৮২– চুরি করার পূর্বে মৃত্যু, আঘাত বা আটকানোর প্রস্তুতি গ্রহণ করে চুরি করা:
যে ব্যক্তি চুরি করে, এবং চুরি করার আগে এমন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যার মাধ্যমে- কারো মৃত্যু, আঘাত (hurt), আটক (restraint), অথবা
এই বিষয়গুলির ভয় প্রদর্শন করা যায়- এই উদ্দেশ্যে যে চুরি করা সহজ হবে, বা চুরি শেষে পালাতে সুবিধা হবে, বা চুরি করা সম্পত্তি ধরে রাখা যাবে —তাহলে সে ধারা ৩৮২ অনুযায়ী অপরাধ করেছে।

এই অপরাধের শাস্তি হলো-
১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড (rigorous imprisonment) এবং অর্থদণ্ড (fine)।

Illustrations (উদাহরণ):
(a) A, Z-এর সম্পত্তি চুরি করে। চুরির সময় A-এর পোশাকের নিচে একটি লোডেড পিস্তল ছিল, যা সে প্রস্তুত রেখেছিল যেন Z বাধা দিলে তাকে ভয় দেখাতে বা আঘাত করতে পারে। A ধারা ৩৮২ অনুযায়ী অপরাধ করেছে।

(b) A, Z-এর পকেট কাটার সময় কয়েকজন সঙ্গীকে আশেপাশে দাঁড় করায় যেন Z টের পেলে তারা তাকে ধরে রাখতে বা বাধা দিতে পারে।  A ধারা ৩৮২ অনুযায়ী অপরাধ করেছে।

৭,৮৫৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩, বিধি-৩ অনুসারে আদালত কী জারি করে?
  1. সমন
  2. গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
  3. আপস অনুযায়ী ডিক্রি
  4. অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ
সঠিক উত্তর:
আপস অনুযায়ী ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপস অনুযায়ী ডিক্রি
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: গ) আপস অনুযায়ী ডিক্রি। 
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩, বিধি ৩ অনুসারে, যখন আদালতের সন্তুষ্টি সহকারে প্রমাণিত হয় যে, মোকদ্দমা একটি বৈধ চুক্তি বা আপসের মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে সমন্বয় হয়েছে, অথবা বিবাদি বাদিকে সন্তুষ্ট করেছে, তখন আদালত:
১) চুক্তি/আপস/সন্তুষ্টির বিষয়টি রেকর্ড করে, এবং
২) মোকদ্দমার প্রাসঙ্গিক অংশ অনুযায়ী একটি ডিক্রি প্রদান করে।
- এটি একটি ফাইনাল ডিসপোজাল (চূড়ান্ত নিষ্পত্তি) এবং আদালত তখন আর সাধারণ বিচার কার্যক্রম চালিয়ে যায় না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩ বিধি-৩: মোকদ্দমার আপস:
যেক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সহকারে এটি প্রমাণিত হয় যে, আইনসংগত চুক্তি বা আপসের দ্বারা কোন মোকদ্দমা সামগ্রিক বা আংশিকভাবে সমন্বয়িত হয়েছে কিংবা যদি বিবাদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর সামগ্রিক বা কোন অংশের সম্পর্কে বাদিকে মিটিয়ে দেয় সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত চুক্তি, আপস বা মিটানোর বিষয়টি লিপিবদ্ধ করার আদেশ দিবে এবং যতদূর মোকদ্দমার সঙ্গে এটি সম্পর্কিত হয়, ততদূর তদানুসারে একটি ডিক্রি প্রদান করবে।
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-23 Rule-3- Compromise Suit:
- Where it is proved to the satisfaction of the Court that a suit has been adjusted wholly or in part by any lawfull agreement or compromise, or where the defendant satisfies the plaintiff in respect of the whole or any part of the subject-matter of the suit, the Court shall order such agreement, compromise or satisfaction to be recorded, and shall pass a decree in accordance therewith so far as it relates to the suit.
৭,৮৫৭.
ধারা ১৩২ অনুযায়ী, একজন সাক্ষী কোন কারণে প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার থেকে অব্যাহতি পাবে না?
  1. সাক্ষীর উত্তর তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হতে পারে
  2. উত্তরটি গোপন তথ্য প্রকাশ করতে পারে
  3. উত্তরটি সাক্ষীকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করতে পারে
  4. উত্তরটি আদালতের ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে
সঠিক উত্তর:
উত্তরটি সাক্ষীকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরটি সাক্ষীকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩২ অনুসারে,
একজন সাক্ষীকে কোনো মামলার বা ফৌজদারি বা দেওয়ানি কার্যক্রমের বিষয় সম্পর্কিত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া থেকে অব্যাহতি পাবে না, যদিও সেই উত্তর দেওয়ার ফলে সাক্ষী নিজেকে অপরাধী হিসেবে উল্লেখ করা হতে পারে অথবা তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শাস্তি বা জরিমানা হতে পারে। কিন্তু, যে উত্তর তাকে দিতে বাধ্য করা হয়েছে, সেই উত্তর তার বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তার বা মামলা দায়েরের জন্য ব্যবহার করা যাবে না, তবে যদি সে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়, তাহলে তাকে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য মামলা করা যেতে পারে।

Section-132: Witness not excused from answering on ground that answer will criminate:
A witness shall not be excused from answering any question as to any matter relevant to the matter in issue in any suit or in any civil or criminal proceeding, upon the ground that the answer to such question will criminate, or may tend directly or indirectly to criminate, such witness, or that it will expose, or tend directly or indirectly to expose, such witness to a penalty or forfeiture of any kind: 
 
Provided that no such answer, which a witness shall be compelled to give, shall subject him to any arrest or prosecution, or be proved against him in any criminal proceeding, except a prosecution for giving false evidence by such answer.
৭,৮৫৮.
‘রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ’ দণ্ডবিধির কোন অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত?
  1. ষষ্ঠ অধ্যায়
  2. নবম অধ্যায়
  3. চতুর্থ অধ্যায়
  4. দশম অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ অধ্যায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ষষ্ঠ অধ্যায় (ধারা ১২১-১৩০) "রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ" (Offences Against the State) নিয়ে আলোচনা করে।
এই অধ্যায়ে নিম্নলিখিত অপরাধগুলি অন্তর্ভুক্ত:
- রাষ্ট্রদ্রোহ (Sedition) – ধারা ১২৪ক
- যুদ্ধ ঘোষণা বা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগদান – ধারা ১২১।
- সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহ ।

অর্থাৎ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ষষ্ঠ অধ্যায় (Chapter VI)-এ রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ (Offences against the State) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ও বিষয়বস্তু:
দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা (ধারা ৬-৫২-ক) – অপরাধ সংজ্ঞায়নের মূল শব্দাবলি।
তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি (ধারা ৫৩-৭৫) – মৃত্যুদণ্ড, কারাদণ্ড, জরিমানা প্রভৃতি।
চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম (ধারা ৭৬-১০৬) – আত্মরক্ষা, ভুল ইত্যাদি কারণে দায়মুক্তি।
পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (ধারা ১০৭-১২০)।
পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (ধারা ১২০-ক থেকে ১২০-খ)।
ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ (ধারা ১২১-১৩০) – রাষ্ট্রদ্রোহ, যুদ্ধঘোষণা ইত্যাদি।
নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তাদের অপরাধ (ধারা ১৬১-১৭১) ।
নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ (ধারা ১৭১-ক থেকে ১৭১-ঝ)।
ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহের বিরুদ্ধে অপরাধ (ধারা ২৯৯-৩৭৭) – হত্যা, আহত করা, ধর্ষণ ইত্যাদি।
সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ (ধারা ৩৭৮-৪৬২খ) – চুরি, ডাকাতি, প্রতারণা।
বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ (ধারা ৪৯৩-৪৯৮) – বহুবিবাহ, বৈবাহিক প্রতারণা।
একবিংশ অধ্যায়: মানহানি (ধারা ৪৯৯-৫০২) – মিথ্যা অপবাদ দেওয়া।
৭,৮৫৯.
দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারা অনুসারে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণের ক্ষেত্রে নাবালিকার বয়সসীমা কত?
  1. ১৪ বৎসরের কম
  2. ১৬ বৎসরের কম
  3. ১৮ বৎসরের কম
  4. ২১ বৎসরের কম
সঠিক উত্তর:
১৬ বৎসরের কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ বৎসরের কম
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার।
যথা:
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

৭,৮৬০.
If four persons commit robbery and one person is present and aiding, the offence is-
  1. Extortion
  2. Robbery
  3. Dacoity
  4. Attempt to dacoity
সঠিক উত্তর:
Dacoity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dacoity
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: C) Dacoity.

দণ্ডবিধির ধারা ৩৯১ অনুযায়ী, যদি- পাঁচজন বা ততোধিক ব্যক্তি যৌথভাবে দস্যুতা (robbery) সংঘটন করে বা করার চেষ্টা করে, অথবা
দস্যুতা সংঘটনে উপস্থিত থেকে সহায়তা করে, তাহলে যারা অপরাধ করেছে, চেষ্টা করেছে বা সহায়তা করেছে—সকলেই “ডাকাতি (Dacoity)” অপরাধে দোষী হবে।

এই প্রশ্নে- চারজন ব্যক্তি সরাসরি দস্যুতা করেছে, এবং একজন ব্যক্তি উপস্থিত থেকে সহায়তা করেছে,
মোট সংখ্যা = ৫ জন
তাই এটি ধারা ৩৯১ অনুযায়ী ডাকাতি (Dacoity)। 
 
 • দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান- ডাকাতি:
যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।

৭,৮৬১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে নিচের কোন বক্তব্যটি সঠিক নয়?
  1. আইনটি কোনো সম্মতিকে [agreement] কার্যকরের আওতায় নিয়ে আসতে পারবে না
  2. আইনটি কোনো দেওয়ানি অধিকারকে খর্ব করে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করবে 
  3. আইনটি রেজিস্ট্রেশন আইনকে প্রভাবিত করবে না 
  4. আইনটি দণ্ডমূলক ব্যবস্থার জন্য প্রয়োগযোগ্য নয়
সঠিক উত্তর:
আইনটি কোনো দেওয়ানি অধিকারকে খর্ব করে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করবে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনটি কোনো দেওয়ানি অধিকারকে খর্ব করে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করবে 
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৪ মতে,যদি না এই আইনে কোথাও অন্যরূপে সুস্পষ্টভাবে বিধিবদ্ধ থাকে, তবে এই আইনে কোন কিছুকেই এরূপ গণ্য করা হবে না, যাতে

(ক) চুক্তি নয়, এমন কোন অঙ্গীকারের ব্যাপারে প্রতিকারের কোন অধিকার প্রদান করা হয়;

(খ) কোন ব্যক্তিকে কোন প্রতিকারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা হয়, শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ছাড়া, যা সে কোন চুক্তির অধীনে পেতে পারত; অথবা

(গ) দলিলসমূহের উপর রেজিস্ট্রেশন আইনের প্রয়োগকে প্রভাবিত করা হয়।

♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৭ মতে  শুধু দণ্ডমূলক আইন কার্যকর করার উদ্দেশ্যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় না।
৭,৮৬২.
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য একটি বায়নানামা চুক্তির নিচের কোন শর্ত পূরণ করা আবশ্যক নয়?
  1. চুক্তিটি নিবন্ধিত হওয়া
  2. চুক্তির বাকি বিনিময় মূল্য আদালতে দাখিল করা
  3. চুক্তি হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে মামলা দায়ের করা
  4. কোনটি নয়।
সঠিক উত্তর:
চুক্তি হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে মামলা দায়ের করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে মামলা দায়ের করা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ২১ক ধারায় বলা হয়েছে- বায়নানামা দলিলটি নিবন্ধিত হতে হবে এবং বায়নানামার শর্ত মোতাবেক কোনো টাকা বাকি থাকলে তা আদালতে জমা দিতে হবে। অন্যথায় সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি পেতে পারে না।

-কিন্তু
একটি বায়নানামা চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য "চুক্তি হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে মামলা দায়ের করা" শর্তটি পূরণ করা আবশ্যক নয়।
 
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ধারা ২১ক এর বিধান অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকর যোগ্য: এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর যোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা উহার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
-----------------------
 SR Act- Section-21A. Unregistered contract for sale not specifically enforceable:
Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.
৭,৮৬৩.
দণ্ডবিধির কত ধারায় ডাকাতির সাজার বিধান রয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারার বিধান ডাকাতির সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি ডাকাতি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে। 

--------
⇒  Section 391 Dacoity: When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".

⇒  Section 395 Punishment for dacoity: Whoever commits dacoity shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৭,৮৬৪.
আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশত নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাসকারী ব্যক্তি কর্তৃক সম্পাদিত কাজ The Penal Code, 1860 এর কোন ধারানুযায়ী অপরাধ নয়?
  1. ৭৬
  2. ৭৭
  3. ৭৯
  4. ৭৮
সঠিক উত্তর:
৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৬
ব্যাখ্যা
⇒ আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশত নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাসকারী ব্যক্তি কর্তৃক সম্পাদিত কাজ The Penal Code, 1860 এর ৭৬ ধারানুযায়ী অপরাধ নয়।

• দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান- আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশতঃ নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাসকারী ব্যক্তিবিশেষ কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:
যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনত: বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশত: কাজটি করতে আইনত: বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।

উদাহরণসমূহ:
(ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।
(খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর 'খ'-কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।

Section 76: Act done by a person bound, or by mistake of fact believing himself bound, by law:
Nothing is an offence which is done by a person who is, or who by reason of a mistake of fact and not by reason of a mistake of law in good faith believes himself to be, bound by law to do it.

Illustrations:
(a) A, a soldier, fires on a mob by the order of his superior officer, in conformity with the commands of the law. A has committed no offence.
(b) A, an officer of a Court of Justice, being ordered by that Court to arrest Y, and, after due enquiry, believing Z to be Y, arrests Z. A has committed no offence.
৭,৮৬৫.
স্থাবর সম্পত্তি নিয়ে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে কোথায় অভিযোগ করতে হবে?
  1. বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  2. থানায় পুলিশের নিকট
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার বিধান (১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশ রিপোের্ট বা অন্য কোনভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হল যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা তার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে, যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে। তখন তিনি তার এরূপ সম্ভষ্ট হবার কারণ উল্লেখ করে তার দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার আদালতে হাজির হবার এবং বিরোধের বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ দাবী সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন।

(২) এই ধারার উদ্দেশ্যে জমি বা পানি বলতে দালান, বাজার, মৎস্যাগার, ফসল বা সম্পত্তির খাজনা বা মুনাফাও বুঝায়।

(৩) ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশক্রমে এরূপ ব্যক্তি ব্যক্তিগণের উপর আদেশের একটি সমন জারীর জন্য এই আইনে বর্ণিত পদ্ধিতিতে জারী করতে হবে এবং অন্ততঃপক্ষে একটি নকল সুবিধাজনক স্থানে বা বিরোধের বিষয় বস্তুর নিকটে লটকায়ে জারী করতে হবে।

♦ অর্থাৎ স্থাবর সম্পত্তি নিয়ে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ দায়ের করা যায়।
৭,৮৬৬.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ২৪২ অনুযায়ী, চার্জ গঠনের সময় ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে কী জিজ্ঞাসা করবেন?
  1. তিনি জামিন চান কিনা
  2. তিনি সাক্ষী হবেন কিনা
  3. তিনি অপরাধটি করেছেন কিনা
  4. তিনি চার্জ সম্পর্কে অবহিত কিনা
সঠিক উত্তর:
তিনি অপরাধটি করেছেন কিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনি অপরাধটি করেছেন কিনা
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারার বিধান- চার্জ গঠন:
যদি উপরোক্ত বিবেচনা ও শুনানি শেষে ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, অভিযুক্ত অপরাধ করেছে এমন ধারণা করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অপরাধ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করবেন এবং তাকে জিজ্ঞাসা করবেন যে, তিনি এই অপরাধটি করেছেন কিনা।

Section-242. Charge to be framed:
If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Magistrate is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, the Magistrate shall frame a formal charge relating to the offence of which he is accused and he shall be asked whether he admits that he has committed the offence with which he is charged.

৭,৮৬৭.
অর্থ ঋণ আদালত,২০০৩ এর অধীন কখন মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা যায়?
  1. লিখিত জবাব দাখিলের পর
  2. রায় বা আদেশ প্রদানের পূর্বে
  3. আপীল বা রিভিশনের পর্যায়ে
  4. উল্লিখিত যেকোনো পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• অর্থ ঋণ আদালত,২০০৩ আইনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে অর্থ ঋণ সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ২টি পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে। যথা
১. মধ্যস্থতার মাধ্যমে;
২. আপোষ নিষ্পত্তির মাধ্যমে।
 
• ধারা ২২ থেকে ২৫ এবং ৩৮, এবং ৪৪ক ধারায় মধ্যস্থতা সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে। অন্যদিকে, আপোষ নিষ্পত্তির বিষয়টি ৪৫ ধারায় উল্লেখ আছে।

অর্থ ঋণ মামলার ক্ষেত্রে ২২ ধারা অনুসারে- লিখিত জবাব দাখিলের পর মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা যায়। এই পর্যায়ে মধ্যস্থতা ব্যর্থ হলে ২৩ ধারার অধীন রায় বা আদেশ প্রদানের পূর্বে পুনরায় বিকল্প পদ্ধতিতে মামলা নিষ্পত্তি করতে পারে।

আবার, ৩৮ ধারা অনুসারে- জারীর পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে জারী মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায়।

অন্যদিকে, ৪৪ক ধারায়- আপীল বা রিভিশনের পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আপীল বা রিভিশন মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায়। 
৭,৮৬৮.
মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করতে হবে কত দিনের মধ্যে-
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করতে হবে ৯০ দিনের মধ্যে।

তামাদি আইন,১৯০৮ সালের ১ম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৭৭ অনুসারে, কোনো মোকদ্দমার বিবাদী বা আপিলের ক্ষেত্রে প্রতিবাদী মৃত্যুবরণ করলে মৃত্যুর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর বৈধ প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে দরখাস্ত দায়ের করতে হবে।

অপরদিকে, অনুচ্ছেদ ১৭৬ অনুসারে-
কোনো মোকদ্দমার বাদী বা আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী মৃত্যুবরণ করলে মৃত্যুর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে মৃত ব্যক্তির বৈধ প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে দরখাস্ত দায়ের করতে হবে।
৭,৮৬৯.
ঘোষণামূলক ডিক্রি কাদের জন্য বাধ্যতামূলক?
  1. শুধুমাত্র মামলার পক্ষসমূহের জন্য
  2. কেবল তৃতীয় পক্ষের জন্য
  3. মামলার পক্ষসমূহ এবং তৃতীয় পক্ষের জন্য
  4. মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিকারী ব্যক্তির জন্য
সঠিক উত্তর:
মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিকারী ব্যক্তির জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিকারী ব্যক্তির জন্য
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

অর্থাৎ ঘোষণামূলক ডিক্রি শুধুমাত্র মোকদ্দমার পক্ষগণ বা তাদের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণের উপর বাধ্যকর হবে, কিন্তু এই ঘোষণা অন্য কারো ক্ষেত্রে অর্থাৎ কোন তৃতীয় পক্ষের উপর বাধ্যকর হবে না।


Section 43: Effect of declaration:
A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

৭,৮৭০.
চুক্তি আইনের কোন ধারার ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়?
  1. ১৫
  2. ২৫
  3. ৩৫
সঠিক উত্তর:
২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ অনুসারে, তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-

⇒ বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
⇒ বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে
⇒ সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভুক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত "সুখাধিকার" এর সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
-------------
The Limitation Act, 1908 Section-29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872.
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law-
(a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special law; and
(b) the remaining provisions of this Act shall not apply.
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act.
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
৭,৮৭১.
বিচারিক আদালত মামলার কোন স্তর পর্যন্ত রায় পরিবর্তন করতে পারেন?
  1. চার্জ গঠনের সময়।
  2. রায় স্বাক্ষর এর আগ পর্যন্ত।
  3. রায় ঘোষণার আগ পর্যন্ত।
  4. আসামীকে কারাগারে প্রেরণের আগ পর্যন্ত।
সঠিক উত্তর:
রায় স্বাক্ষর এর আগ পর্যন্ত।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় স্বাক্ষর এর আগ পর্যন্ত।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৬৯ মোতাবেক এই আইন বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ বিধান না থাকলে কোন আদালত রায়ে স্বাক্ষর করার পর করণিক ভুল সংশোধন করা ছাড়া উহা পরিবর্তন বা পুনর্বিবেচনা করবেন না।
৭,৮৭২.
কোন কর্মকর্তার আদেশ সাপেক্ষে ডাক বা টেলিগ্রাফ বিভাগে তল্লাশী করা যেতে পারে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকলের
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলের
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৫ ধারার বিধান: চিঠি এবং টেলিগ্রাম সম্পর্কিত পদ্ধতি-
১) কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, হাইকোর্ট বিভাগ কিংবা দায়রা আদালত তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের উদ্দেশ্যে প্রয়োজন মনে করলে কোন ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকা কোন দলিল, পার্সেল বা বস্তু কোন নির্দিষ্ট লোকের নিকট অর্পণ করতে বলতে পারবেন।

২) অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট (নির্বাহী কিংবা জুডিশিয়াল) বা পুলিশ কমিশনার বা জেলা পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট-এর মতে প্রয়োজন হলে তিনি উক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের আদেশ সাপেক্ষে, ডাক বা টেলিগ্রাফ বিভাগে তল্লাশী পরিচালনা করার এবং উক্ত দলিল বা পার্সেল আটক করার ব্যবস্থা করতে পারবেন।
৭,৮৭৩.
দণ্ডবিধির কত ধারায় অভ্যাসগতভাবে চোরাই সম্পত্তির বেচাকেনা করার শাস্তির বিধান আছে?
  1. দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৪১১ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৪১৩ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৪১৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৪১৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৪১৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৩ ধারার বিধান অভ্যাসগতভাবে চোরাই সম্পত্তির বেচাকেনা করা:- কোন ব্যক্তি যদি যে সম্পত্তি চোরাই বলে সে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, অভ্যাসগতভাবে বরাবর সে সম্পত্তির বেচাকেনা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
--------------
⇒ Section 413. Habitually dealing in stolen property:- Whoever habitually receives or deals in property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment for life, or with imprison - ment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৭,৮৭৪.
সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারায় ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে কোন বিষয়টি বিবেচিত হয়?
  1. সাক্ষীর পরিচয়
  2. ব্যক্তির চরিত্র
  3. মামলার জটিলতা
  4. অপরাধের ধরন
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তির চরিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তির চরিত্র
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারা অনুসারে,
দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে।
 
Section 55⇒ Character as affecting damages:
In civil cases the fact that the character of any person is such as to affect the amount of damages which he ought to receive, is relevant. 
৭,৮৭৫.
রাষ্ট্রীয় বিষয় সংক্রান্ত অপ্রকাশিত দলিলপত্রের তথ্যের ভিত্তিতে সাক্ষ্য দিতে হলে কী করতে হবে?
  1. সরকারি আইনজীবীর অনুমতি নিতে হবে
  2. আদালতের অনুমতি নিতে হবে
  3. সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান কর্মকর্তার অনুমতি নিতে হবে
  4. উল্লিখিত যে কেউর অনুমতি নিলে হবে
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান কর্মকর্তার অনুমতি নিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান কর্মকর্তার অনুমতি নিতে হবে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১২৩ ধারা: রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য:
কাউকে রাষ্ট্রীয় বিষয়াদি সংক্রান্ত অপ্রকাশিত সরকারী দলিলপত্র হতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান কর্মকর্তার অনুমতি ব্যতীত সাক্ষ্য দেয়ার অনুমতি প্রদান করা যাবে না। এক্ষেত্রে তিনি যথাযথ মনে করলে, অনুমতি দিতে পারেন আবার নাও পারেন।

Section-123: Evidence as to affairs of State:
No one shall be permitted to give any evidence derived from unpublished official records relating to any affairs of State, except with the permission of the officer at the head of the department concerned, who shall give or withhold such permission as he thinks fit.
৭,৮৭৬.
'Confidential communications with legal advisers' — এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ১২৭ ধারা
  2. ১২৮ ধারা
  3. ১২৯ ধারা
  4. ১৩০ ধারা
সঠিক উত্তর:
১২৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৯ ধারা
ব্যাখ্যা
Section 129: Confidential communications with legal advisers:
No one shall be compelled to disclose to the Court any confidential communication which has taken place between him and his legal professional adviser, unless he offers himself as a witness, in which case he may be compelled to disclose any such communications as may appear to the Court necessary to be known in order to explain any evidence which he has given, but no others.

সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারা: আইন উপদেষ্টার সঙ্গে গোপন সংবাদের আদান-প্রদান:

কোন ব্যক্তি এবং তার পেশাদার আইন উপদেষ্টার ভিতর গোপনীয় বার্তার আদান-প্রদান হলে, সেই ব্যক্তি যদি মোকদ্দমার সাক্ষ্য দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ না করেন, তবে সে গোপনীয় আদান-প্রদানের বিষয় আদালতে ব্যক্ত করতে তাকে বাধ্য করা যাবে না। যদি তিনি সাক্ষ্য দেন, তবে তার দেয়া সাক্ষ্যের ব্যাখ্যার জন্য উক্ত গোপনীয় সংবাদ আদান- প্রদানের বিষয় আদালতের জানা প্রয়োজন হলে শুধু তাকে তা প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে, অন্যথায় নয়।
৭,৮৭৭.
'ক' অভ্যাসগতভাবে চোরাই সম্পত্তি বেচাকেনা করে থাকে। তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির কত ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. ৪১২ ধারা
  2. ৪১৩ ধারা
  3. ৪১৪ ধারা
  4. ৪১৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪১৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৩ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪১৩ ধারা- অভ্যাসগতভাবে চোরাই সম্পত্তির বেচাকেনা করা:
কোন ব্যক্তি যদি যে সম্পত্তি চোরাই বলে সে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, অভ্যাসগতভাবে বরাবর সে সম্পত্তির বেচাকেনা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

Section 413- Habitually dealing in stolen property:
Whoever habitually receives or deals in property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment for life, or with imprison - ment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৭,৮৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী প্রত্যেক ব্যক্তি কোন ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তাকে সাহায্য করতে বাধ্য? 
  1. শান্তিভঙ্গ প্রতিরোধে
  2. আসামি গ্রেপ্তার বা পালানো ঠেকাতে
  3. রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ বা সরকারি সম্পত্তি রক্ষায়
  4. উপরোক্ত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪২-এ বলা হয়েছে যে, কোনো ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার যদি যুক্তিসঙ্গতভাবে সহায়তা দাবি করেন, তবে প্রত্যেক ব্যক্তি সেই সহায়তা দিতে আইনত বাধ্য। এই ধারার উপধারা (ক) ও (খ)-এ সহায়তা দানের নির্দিষ্ট ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ আছে:
(ক) আসামি গ্রেপ্তার বা পালানো ঠেকাতে:
- কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা বা তার পলায়ন রোধ করা, যাকে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারের আছে।
(খ) শান্তিভঙ্গ প্রতিরোধ ও সরকারি সম্পত্তি রক্ষায়:
- শান্তিভঙ্গ (breach of the peace) প্রতিরোধ বা দমন করা।
- রেলপথ (railway), খাল (canal), টেলিগ্রাফ (telegraph) বা সরকারি সম্পত্তিতে (public property) কোনো ক্ষতি করার প্রচেষ্টা প্রতিরোধ করা।
যেহেতু প্রশ্নে উল্লিখিত ক, খ ও গ- এই তিনটি ক্ষেত্রই ধারা ৪২-এর আওতাভুক্ত, তাই সঠিক উত্তর "উপরোক্ত সবগুলো"।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারার বিধান- জনসাধারণ যখন ম্যাজিষ্ট্রেট ও পুলিশকে সাহায্য করবেন:
প্রত্যেক ব্যক্তি বাধ্য থাকবেন কোনো ম্যাজিস্ট্রেট (বিচারিক বা নির্বাহী) বা পুলিশ অফিসার যুক্তিসংগতভাবে তার সাহায্য চাইলে সেই সাহায্য প্রদান করতে-
(ক) এমন কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা বা তার পলায়ন প্রতিরোধের ক্ষেত্রে, যাকে ঐ ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার আইনত গ্রেফতার করার ক্ষমতা রাখেন;
(খ) শান্তিভঙ্গ প্রতিরোধ বা দমন করার ক্ষেত্রে, অথবা কোনো রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ বা সরকারি সম্পত্তির প্রতি ক্ষতি সাধনের প্রচেষ্টা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section-42. Public when to assist:
Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid-
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest;
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.

৭,৮৭৯.
‘ক’ ‘খ’ এর বিরুদ্ধে তাদের পিতার সম্পত্তি বাটোয়ারার মোকদ্দমা দায়ের করতে চায়। বিরোধীয় সম্পত্তির মূল্য ২৪,৫০,০০০/- টাকা, তাহলে ‘ক’ ‘খ’ এর বিরুদ্ধে কোন আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে?
  1. সহকারী জজ আদালতে
  2. সিনিঃ সহঃ জজ আদালতে
  3. যুগ্ন জেলা জজ আদালতে
  4. জেলা জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
সিনিঃ সহঃ জজ আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনিঃ সহঃ জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, আর্থিক ও আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পন্ন  সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
• ৬ ধারায় আর্থিক এখতিয়ার বিষয়ে বর্ণনা আছে।  

•The Civil Court Act, 1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-
• সহকারী জজের আদালতে (The Court of Assistant Judge )  = ১৫ লক্ষ পর্যন্ত 
• সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge)  = ২৫ লক্ষ পর্যন্ত
• যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge)  =  ২৫ লক্ষ এর উপরে 

•তাই এই মামলাটি মূল্যমান ২৪,৫০,০০০/-  হওয়ায় অত্র মামলাটি সিনিঃ সহঃ জজ আদালতে দায়ের করতে হবে।
৭,৮৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় ভবঘুরে ও সন্দেহভাজনদের সদাচরণের জন্য মুচলেকার বিধান রয়েছে?
  1. ১০৬ ধারায়
  2. ১০৭ ধারায়
  3. ১০৮ ধারায়
  4. ১০৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে সদাচরণের মুচলেকা:
-যেক্ষেত্রে কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ মর্মে সংবাদ প্রাপ্ত হন যে-
ক) তাঁর স্থানীয় অধিক্ষেত্রের মধ্যে কোন ব্যক্তি তাঁর উপস্থিতি গোপন রাখার নিমিত্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থাসমূহ পরিগ্রহণ করতেছেন এবং এরূপ বিশ্বাস করার হেতু বিদ্যমান যে তিনি কোন অপরাধ সম্পাদনের লক্ষ্যে এরূপ করতেছেন, বা
খ) উক্ত সীমার মধ্যে এরূপ কোন ব্যক্তি রয়েছে যার জীবিকা নির্বাহের কোন প্রকাশ্য পন্থা নেই বা যে ব্যক্তি নিজের সম্পর্কে কোন সন্তোষজনক বিবরণ দিতে পারে না,
সেক্ষেত্রে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট, অতঃপর উল্লিখিত পদ্ধতিতে, এরূপ ব্যক্তিকে, তিনি যেরূপ সমীচীন মনে করেন সেই প্রকার অনূর্ধ্ব এক বৎসর সময়সীমার জন্য, তার সদাচরণের জন্য, জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতিরেকে, একটি মুচলেকা সম্পাদন করে দিবার জন্য কেন তাকে আদেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শাতে নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section-109. Security for good behaviour from vagrants and suspected persons:
- Whenever District Magistrate or an Executive Magistrate receive information- 
(a) that any person is taking precautions to conceal his presence within the local limits of such Magistrate's jurisdiction, and that there is reason to believe that such person is taking such precautions with a view to committing any offence, or 
(b) that there is within such limits a person who has no ostensible means of subsistence, or who cannot give a satisfactory account of himself, 
such Magistrate may, in manner hereinafter provided, require such person to show cause why he should not be ordered to execute a bond, with sureties, for his good behaviour for such period, not exceeding one year, as the Magistrate thinks fit to fix.
৭,৮৮১.
কোন ধারা অনুযায়ী দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায়?
  1. ধারা-১১৫ (২)
  2. ধারা-১১৫ (৩)
  3. ধারা-১১৫ (৪)
  4. ধারা -১১৫(১)
সঠিক উত্তর:
ধারা-১১৫ (৪)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা-১১৫ (৪)
ব্যাখ্যা
♦ রিভিশন বলতে বুঝায়, নিম্নে আদালত কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশ উচ্চ আদালত কর্তৃক বিচারিক প্রতিকার সংশোধন করা।দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশন সম্পর্কিত বিধান আছে।

♦ ১১৫ (৪) অনুসারে, দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে ২য় রিভিশন দায়ের করা যায় কিন্তু ২য় আপিল করা যায় না। তবে ২য় রিভিশন সাধারণত দায়ের করা যায় হাইকোর্ট বিভাগে। জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক রিভিশন মামলায় প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষ হাইকোর্ট বিভাগে অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন দায়ের করতে পারে

♦ অর্থাৎ ২য় রিভিশন দায়ের করতে হলে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি প্রয়োজন।
৭,৮৮২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৪(২) অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট কী করতে পারেন?
  1. মামলাটি মুলতবি করবেন
  2. অভিযোগকারীকে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করবেন
  3. আসামিকে তার প্রতিরক্ষা প্রমাণের জন্য বাধ্য করবেন
  4. কোনো সাক্ষীকে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য সমন জারি করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
কোনো সাক্ষীকে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য সমন জারি করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো সাক্ষীকে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য সমন জারি করতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৪ ধারা অনুযায়ী-
(১) ম্যাজিস্ট্রেট যদি পূর্ববর্তী ধারা(২৪৩) অনুসারে অভিযুক্তকে দণ্ডিত না করেন বা অভিযুক্ত যদি উক্তরূপে স্বীকারোক্তি না করে,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদির(যদি থাকে) বক্তব্য শুনবেন এবং বাদী পক্ষের সমর্থনে প্রদত্ত সমস্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন এবং অভিযুক্তের বক্তব্যও শুনবেন এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে তার প্রদত্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।তবে শর্ত থাকে যে,কোনো আদালত যখন নালিশ করে তখন ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদি হিসাবে কারো বক্তব্য শুনতে বাধ্য হবেন না।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট যদি উপযুক্ত মনে করেন,তাহলে ফরিয়াদি বা আসামির আবেদনক্রমে কোন সাক্ষীর প্রতি হাজির হওয়ার বা কোন দলিল বা কোন জিনিস হাজির করার নির্দেশ দিয়ে সমন ইস্যু করতে পারবেন।
(৩) এরূপ আবেদনের ভিত্তিতে কোন সাক্ষীর প্রতি সমন দেওয়ার পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিতে পারবেন যে, বিচারের উদ্দেশ্যে হাজির হওয়ার জন্য তার যুক্তিসংগত খরচ আদালতে জমা দিতে হবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-244. Procedure when no such admission is made:
(1) If the Magistrate does not convict the accused under the preceding section or if the accused does not make such admission, the Magistrate shall proceed to hear the complainant (if any), and take all such evidence as may be produced in support of the prosecution, and also to hear the accused and take all such evidence as he produces in his defence: 
Provided that the Magistrate shall not be bound to hear any person as complainant in any case in which the complaint has been made by a Court. 
(2) The Magistrate may, if he thinks fit, on the application of the complainant or accused, issue a summons to any witness directed him to attend or to produce any document or other thing. 
(3) The Magistrate may, before summoning any witness on such application, require that his reasonable expenses, incurred in attending for the purposes of the trial, be deposited in Court.
৭,৮৮৩.
ডিক্রি পরিবর্তন বা রদ হলে দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন কে প্রত্যর্পণের আবেদন করতে পারে?
  1. যে কেউ
  2. শুধুমাত্র বাদী
  3. শুধুমাত্র বিবাদী
  4. সুবিধা পাওয়ার অধিকারী যে কোন পক্ষ
সঠিক উত্তর:
সুবিধা পাওয়ার অধিকারী যে কোন পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুবিধা পাওয়ার অধিকারী যে কোন পক্ষ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত:
(১) যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।

Section: 144- Application for restitution:
(1) Where and in so far as a decree is varied or reversed, the Court of first instance shall, on the application of any party entitled to any benefit by way of restitution or otherwise, cause such restitution to be made as will, so far as may be, place the parties in the position which they would have occupied but for such decree or such part thereof as has been varied or reversed; and, for this purpose, the Court may make any orders, including orders for the refund of costs and for the payment of interest, damages, compensation and mesne profits, which are properly consequential on such variation or reversal.

(2) No suit shall be instituted for the purpose of obtaining any restitution or other relief which could be obtained by application under sub-section (1).
৭,৮৮৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারা অনুযায়ী রিভিউ করার বিধান আছে?
  1. ১১৪ ধারা
  2. ১১৩ ধারা
  3. ১১৫ ধারা
  4. ১০৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
১১৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৪ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ১১৪ ধারা অনুযায়ী রিভিউ হলো ডিক্রী প্রদানকারী আদালত বা বিচারক কর্তৃক নিজের সিদ্ধান্তের ভুলসংশোধনের জন্য বিচারিক পর্যালোচনা।
• যে পক্ষ সংক্ষুব্ধ হবে সেই পক্ষ রিভিউ করবে।
• যে আদালত ডিক্রী দিবে সেই আদালতে রিভিউর জন্য আবেদন করতে হবে।

•তামাদি আইনের ১৭৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ করতে হবে।
৭,৮৮৫.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়ে মৌখিক স্বীকারোক্তির প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ধারা ২২ক
  2. ধারা ৪৫ক
  3. ধারা ৪৭ক
  4. ধারা ৭৩ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২ক
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২২ক (Section 22A) ২০২২ সালের সংশোধনী দ্বারা যুক্ত হয়। এই ধারায় বলা হয়েছে যে ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকারোক্তি সাধারণত প্রাসঙ্গিক নয়, তবে যদি প্রদর্শিত ডিজিটাল রেকর্ডের প্রকৃতত্ব (genuineness) প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তাহলে সেই মৌখিক স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক হিসেবে বিবেচিত হবে।
- অর্থাৎ, ডিজিটাল প্রমাণ যতক্ষণ না সন্দেহজনক হয়, ততক্ষণ তা নিয়ে মৌখিক বক্তব্য আদালতে গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার বিধান: ডিজিটাল রেকর্ডের বিবরণ বিষয়ে মৌখিক বিবৃতি যেক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক: ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক হবে না, যতক্ষণ না প্রদর্শিত ডিজিটাল রেকর্ডের প্রকৃতত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
---------------
⇒ The Evidence (Amendment) Act, 2022 section: 22A. When oral admissions as to contents of digital records are relevant:
Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant unless the genuineness of the digital record produced is in question.
৭,৮৮৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত করতে আদালত-
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে
  3. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা জারি করবে
  4. নিষেধাজ্ঞা জারি করতে অস্বীকৃতি জানাবে
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞা জারি করতে অস্বীকৃতি জানাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞা জারি করতে অস্বীকৃতি জানাবে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে, নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রনয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারী দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে;
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরন আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোন স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।

৭,৮৮৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারার বিষয়বস্তু কী?
  1. Cause of declaration
  2. Effect of declaration
  3. Conditions of declaration
  4. Execution of declaration
সঠিক উত্তর:
Effect of declaration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Effect of declaration
ব্যাখ্যা
Section 43: Effect of declaration:
A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

এই ধারায় বলা হয়েছে যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে আদালত যে কোনো ঘোষণামূলক রায় প্রদান করবে, তা কার উপর বাধ্যকর হবে সে সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে। এ রায় বাধ্যকর হবে:
১. মামলার পক্ষদের উপর;
২. পক্ষদের দাবিদারদের উপর (যারা পক্ষদের মাধ্যমে দাবি করছে);
৩. যদি কোনো পক্ষ ট্রাস্টি হন, তাহলে সেই ট্রাস্টিদের অধীনে যারা আছেন, তাদের উপর (যদি তারা ঘোষণার সময় বর্তমান থাকতেন);
অর্থাৎ ঘোষণামূলক রায়টি মামলার অন্তর্গত সরাসরি সম্পর্কিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলির উপর বাধ্যকর হবে। কিন্তু তৃতীয় পক্ষের উপর এই রায় বাধ্যকর হবে না।
৭,৮৮৮.
তামাদি আইনের ১২ ধারার কোন উপধারায় তামাদির মেয়াদ গণনার শুরুর দিনটি বাদ দেওয়ার বিধান উল্লিখিত হয়েছে?
  1. উপধারা (১)
  2. উপধারা (২)
  3. উপধারা (৩)
  4. উপধারা (৪)
সঠিক উত্তর:
উপধারা (১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপধারা (১)
ব্যাখ্যা

⇒তামাদি আইনের ১২(১) ধারায় বলা হয়েছে যে -  কোন মামলা আপীল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যেদিন হতে উক্ত মেয়াদ গণনা করতে হবে সেদিনটি বাদ দিতে হবে।

⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা- আইনানুগ কার্যধারায় যেই পরিমাণ সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে:
(১) কোন মামলা আপীল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেইদিন হইতে উক্ত মেয়াদ গণনা করিতে হইবে সেই দিন বাদ দিতে হইবে।
(২) কোন আপীল, আপীলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেই রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হইবে তাহা যেইদিন ঘোষণা করা হইয়াছে সেইদিন এবং যে ডিক্রী, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপীল করা হইবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হইবে, তাহার নকল গ্রহণ করিতে যেইসময় আবশ্যক, তাহা বাদ দিতে হইবে।
(৩) যেইক্ষেত্রে ডিক্রী সম্পর্কে আপীল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রী যে রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত সেই রায়ের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহাও বাদ দিতে হইবে।
(৪) কোন রোয়েদাদ নাকচ করিবার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, রোয়েদাদের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহা বাদ দিতে হইবে।
------------------
The Limitation Act 1908, Section-12-Computaion of the period of limitation:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application, the day from which such period is to be reckoned shall be excluded.

(2) In computing the period of limitation prescribed for an appeal, an application for leave to appeal and an application for a review of judgment, the day on which the judgment complained of was pronounced, and the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded.
(3) Where a decree is appealed from or sought to be reviewed, the time requisite for obtaining a copy of the judgment on which it is founded shall also be excluded.
(4) In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded.

৭,৮৮৯.
'ক' তার প্রতিবেশী 'খ' এর বাড়িতে প্রবেশের জন্য একটি জানালার শিক কেটে সেটি খুলে ভিতরে প্রবেশ করে। দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী 'ক' এর এই কাজটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ধারা ৪৪১
  2. ধারা ৪৪২
  3. ধারা ৪৪৫
  4. ধারা ৩৭৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৪৫
ব্যাখ্যা

⇒ প্রশ্নে বর্ণিত ঘটনায় 'ক' জানালার শিক কেটে বাড়িতে প্রবেশ করেছে। দণ্ডবিধির ধারা ৪৪৫-এ "অপথে গৃহে প্রবেশ" (House-breaking)-এর সংজ্ঞায় যে ৬টি পদ্ধতির উল্লেখ আছে, তার তৃতীয় প্রকার অনুযায়ী: "যদি সে এমন কোনো পথ দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করে, যা গৃহ-আত্মপ্রবেশ করার উদ্দেশ্যে সে বা তার অপরাধের সহায়ক খুলেছে, এবং যা গৃহের অধিবাসী দ্বারা খোলার জন্য অভিপ্রেত নয়।"
জানালার শিক কেটে প্রবেশ করা এই প্রকারেরই অন্তর্ভুক্ত। তাই এটি ধারা ৪৪৫ অনুসারে অপথে গৃহে প্রবেশ-এর অপরাধ গঠন করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-
i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
------
⇒ The Penal Code,1860-Section: 445: House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass. 
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building. 
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened. 
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass. 
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault. 
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass. 
Explanation- Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.

৭,৮৯০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, FIR বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী কীভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে
  2. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে
  3. পুলিশের অধীনে থাকা অন্য অফিসারের মাধ্যমে
  4. উপরোক্ত সব উপায়ে
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার অনুযায়ী, FIR বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (Officer in Charge) কর্তৃক বিপি ২৭ নং ফরমে লিপিবদ্ধ করা হয়। ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে বা পুলিশের অধীনে থাকা অন্য অফিসারের মাধ্যমে FIR লিপিবদ্ধ করা হয় না। FIR থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দ্বারা প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ:
-আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শুনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-154: Information in cognizable cases:
-Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.
৭,৮৯১.
বারবার চুক্তি ভঙ্গের ক্ষেত্রে তামাদি মেয়াদ গণনা কিভাবে হয়?
  1. প্রথম চুক্তি ভঙ্গের দিন থেকে
  2. বাদীর ইচ্ছামত দিনের থেকে
  3. সর্বশেষ চুক্তি ভঙ্গের দিন থেকে
  4. আদালতের আদেশের দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
সর্বশেষ চুক্তি ভঙ্গের দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বশেষ চুক্তি ভঙ্গের দিন থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ২৩ ধারা অনুসারে, যদি একটি চুক্তি পুনরাবৃত্তভাবে ভঙ্গ করা হয় (recurring breach of contract), তাহলে প্রতিবার চুক্তি ভঙ্গ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি নতুন cause of action সৃষ্টি হয়।
- সেক্ষেত্রে প্রতিবার চুক্তি ভঙ্গের জন্য পৃথক পৃথক তামাদি মেয়াদ শুরু হয়। তবে যদি আপনি সবশেষ ভঙ্গের জন্য মামলা করতে চান, তাহলে সর্বশেষ চুক্তি ভঙ্গের দিন থেকেই তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

⇒ তামাদি আইনের ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় করা:
-যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেইক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নূতন করিয়া তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইতে শুরু করে।
- এমন অনেক চুক্তি রহিয়াছে, যাহা ভঙ্গ হইলে প্রতি মুহূর্তে নালিশের কারণ উদ্ভব হইতে পারে। চুক্তি বহির্ভূত এমন অনেক লোকসান রহিয়াছে, যাহা প্রতিমুহূর্তে নালিশের কারণের উদ্ভব ঘটায়। এইসব ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ প্রতি মুহূর্তে বৃদ্ধি পায়।
------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-23.Continuing breaches and wrongs:
-In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.
৭,৮৯২.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪৪৭ অনুযায়ী অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের জন্য সর্বোচ্চ জরিমানা কত টাকা?
  1. ২০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪৪৭ অনুযায়ী অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি: সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডই দেওয়া যেতে পারে।
- সঠিক উত্তর: খ) ৫০০ টাকা।

⇒ দণ্ডবিধি ৪৪৭ ধারা: অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি-
যে কেউ অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করে, সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডে, বা সর্বোচ্চ পাঁচ শত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।

⇒ The Penal Code,1860-Section 447- Punishment for criminal trespass:
Whoever commits criminal trespass shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.

৭,৮৯৩.
দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারা অনুযায়ী কোন উদ্দেশ্য নিয়ে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করা হয় না?
  1. ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে
  2. অপমান করার উদ্দেশ্যে
  3. অপরাধ সংগঠনের উদ্দেশ্যে
  4. সম্পত্তি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারার বিধান অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ:-
-কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির দখলভুক্ত সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের বা অনুরূপ সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ প্রবেশ করে, অথবা, আইনানুগভাবে অনুরূপ সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশের পর বেআইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অনুরূপ বে-আইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ' করেছে বলে পরিগণিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারা অনুযায়ী উল্লিখিত প্রশ্নের অপশন (ঘ) 'সম্পত্তি বিক্রয়ের উদ্দেশ্য' নিয়ে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করা হয় না।
-------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 441: Criminal trespass:-
- Whoever enters into or upon property in the possession of another with intent to commit an offence or to intimidate, insult or annoy any person in possession of such property. or, having lawfully entered into or upon such property, unlawfully remains there with intent thereby to intimidate insult or annoy any such person, or with intent to commit an offence, is said to commit "criminal trespass".
৭,৮৯৪.
নিলাম গ্রহীতার সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মামলা করার প্রয়োজন হলে, নিলাম রদ করার মামলায় যে সময় ব্যয় হয়েছে তা তামাদি মেয়াদ থেকে বাদ যাবে- তামাদি আইনের কত ধারায় এই বিধান দেয়া আছে?
  1. ১৭ ধারায়
  2. ১৮ ধারায়
  3. ১৬ ধারায়
  4. ১৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ১৬ ধারায় নিলাম বিক্রয় সম্পর্কে বলা আছে-

’ডিক্রি জারির জন্য কোন সম্পত্তি বিক্রয়’ অর্থাৎ নিলাম বিক্রয় রদ করার জন্য মামলা দায়ের করা হলে, মামলা যতদিন চলবে সেই সময় নিলাম গ্রহিতার বা যিনি নিলাম কিনেছেন তার উক্ত সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মামলা করার প্রয়োজন হলে নিলাম রদ করার মামলায় যে সময় ব্যয় হয়েছে তা তামাদি মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।

Section 16: Exclusion of time during which proceedings to set aside execution-sale are pending
In computing the period of limitation prescribed for a suit for possession by a purchaser at a sale in execution of a decree, the time during which a proceeding to set aside the sale has been prosecuted shall be excluded.
৭,৮৯৫.
সাক্ষ্য আইনের Res Gestae সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হয় কেন?
  1. এটি শুধুমাত্র অপরাধীর স্বীকারোক্তি
  2. এটি আদালতের রায়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ
  3. এটি সবসময় লিখিতভাবে উপস্থাপন করা হয়
  4. এটি ঘটনার সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্ত ও নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত
সঠিক উত্তর:
এটি ঘটনার সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্ত ও নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি ঘটনার সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্ত ও নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) এটি ঘটনার সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্ত ও নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত।

⇒ Res Gestae শব্দটি লাতিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ — "ঘটনার অংশ"।
⇒ সাক্ষ্য আইনে (বিশেষ করে ৬ থেকে ৯ ও ১৪ ধারায়) Res Gestae সাক্ষ্য সেই ধরনের তথ্য বা বক্তব্যকে বোঝায়, যা কোনো অপরাধ বা ঘটনার সময় বা অব্যবহিত পূর্বে বা পরে এমনভাবে বলা বা করা হয়েছে যে, তা ঘটনার স্বাভাবিক, আকস্মিক ও অপরিকল্পিত অংশ হয়ে পড়ে।
- এই বক্তব্য বা আচরণগুলো এমন সময় ঘটে, যখন ঘটনার কারণে মানসিক উত্তেজনা বা অবস্থা এতটাই প্রবল থাকে যে, ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা বলার মতো অবকাশ পায় না।
- এর ফলে, আদালত ধরে নেয় — এই ধরণের বক্তব্যে মিথ্যার আশ্রয় নেয়ার সম্ভাবনা খুবই কম, তাই তা গ্রহণযোগ্য।

 উদাহরণ:
- একজন ব্যক্তি আঘাত পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে বলে — “X আমাকে আঘাত করেছে” — এটি একটি স্বতঃস্ফূর্ত ও ঘটনাসংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া, এবং তাই Res Gestae সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

⇒ তাই, 'Res Gestae' সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হয় কারণ— "এটি ঘটনার সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্ত ও নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত।"

৭,৮৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দণ্ডবিধি ও অন্যান্য আইনের অপরাধের বিচার পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৪
  2. ধারা ৪ক
  3. ধারা ৫
  4. ধারা ৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫-এ দণ্ডবিধি ও অন্যান্য আইনের অপরাধের বিচার পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫ (Section 5) দণ্ডবিধি (Penal Code) এবং অন্যান্য আইনের অপরাধের তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার এবং অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণের পদ্ধতি সম্পর্কে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।


- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫: দণ্ডবিধির অধীন অপরাধসমূহের বিচার:
(১) দণ্ডবিধির অধীন সকল অপরাধ এই কার্যবিধিতে পরবর্তীতে বর্ণিত বিধান অনুসারে তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার ও অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
(২) অন্যান্য আইনের অধীন অপরাধসমূহের বিচার:
দণ্ডবিধি ব্যতীত অন্য কোনো আইনের অধীন সকল অপরাধ একই বিধান অনুসারে তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার ও অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, তবে ঐ সকল অপরাধের তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণের পদ্ধতি বা স্থান নির্ধারণ সংক্রান্ত যে কোনো প্রচলিত আইন সাপেক্ষে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 5.(1):Trial of offences under Penal Code:
 All offences under the Penal Code shall be investigated, inquired into, tried, and otherwise dealt with according to the provisions hereinafter contained.
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 5.(2):Trial of offences against other laws:
All offences under any other law shall be investigated, inquired into, tried, and otherwise dealt with according to the same provisions, but subject to any enactment for the time being in force regulating the manner or place of investigating, inquiring into, trying or otherwise dealing with such offences.

৭,৮৯৭.
'Test Identification Parade' কী?
  1. ভিকটিম শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া
  2. অপরাধী শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া
  3. অপরাধের স্থান নির্ধারণকরণ প্রক্রিয়া
  4. মামলার পক্ষদ্বয়ের পরিচয় শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
অপরাধী শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধী শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade হলো একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সাক্ষীরা একজন অপরাধীকে শনাক্ত করতে সাহায্য করেন।

এই প্রক্রিয়াটি নিম্নরূপ:
১. একটি গ্রুপ তৈরি করা হয় যেখানে অপরাধী সন্দেহভাজন এবং অন্যান্য কিছু লোকদের রাখা হয়। সকলের বয়স, চেহারা ও পোশাক প্রায় একই ধরনের হয়।
২. সাক্ষীদের এই গ্রুপের সামনে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়।
৩. সাক্ষীদের অনুরোধ করা হয় যে তারা যদি সত্যিকারের অপরাধীকে দেখতে পান তাহলে তাকে শনাক্ত করবেন।
৪. সাক্ষীরা যদি কাউকে শনাক্ত করেন তাহলে সেটাই রেকর্ড করা হয়। আর যদি না করেন তাহলে তাও রেকর্ড করা হয়।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুসারে শনাক্তকরণ প্যারেড বা টেস্ট আইডেন্টিফিকেশন প্যারেডকে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। ৯ ধারায় "প্রাসঙ্গিক তথ্য" (Facts Relevant) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে:
"Facts necessary to be proved are those which are...facts which establish their design or conduct, tending to show a particular knowledge or intent of any person."
অর্থাৎ, প্রাসঙ্গিক তথ্যগুলি সেই সব তথ্য যা কোনো ব্যক্তির জ্ঞান বা উদ্দেশ্যমূলক আচরণ প্রমাণ করে।

এই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য হলো সাক্ষীদের কাছে একটি বাস্তবিক পরিস্থিতি তৈরি করে দেখানো যাতে তারা নিঃসন্দেহে অপরাধীকে শনাক্ত করতে পারেন। এই প্রক্রিয়াটি বিশেষত চুরি, ডাকাতি, খুন ইত্যাদি মামলায় অপরাধীর পরিচয় নির্ণয়ের জন্য অনুসৃত হয়। আদালতসমূহও শনাক্তকরণ প্যারেডের ফলাফলকে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসাবে গ্রহণ করে থাকেন।
৭,৮৯৮.
Every appeal shall be accompanied by a copy of ______ appealed against.
  1. the memorandum
  2. the order
  3. the judgment
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১৯:
প্রত্যেকটি আপীল দায়ের করতে হবে পিটিশন বা দরখাস্ত আকারে। আপীলের পিটিশন আপীলকারী বা তার উকিল দাখিল করবে। যে রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা হচ্ছে তার কপি আপীলের পিটিশনের সাথে দাখিল করতে হবে।

Section 419- Petition of appeal
Every appeal shall be made in the form of a petition in writing presented by the appellant or his pleader, and every such petition shall (unless the Court to which it is presented otherwise directs) be accompanied by a copy of the judgment or order appealed against.
৭,৮৯৯.
"বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলায়, বিদেশের তামাদি আইনের কোন বিধি তামাদি হতে অব্যাহতির কারণ হিসেবে ব্যবহার করা হবে না"- এর ব্যতিক্রম কোনটি?
  1. যদি সেই বিধিটি জনগুরুত্বপূর্ণ হয়
  2. যদি সেই বিধিটি আন্তর্জাতিক আইনের অংশ হয়
  3. যদি সেই বিধি অনুসারে চুক্তির পরিসমাপ্তি ঘটে বা পক্ষগণ নির্দিষ্ট সময় সংশ্লিষ্ট দেশে বসবাস করে
  4. বিধিটি ব্যবহার পক্ষগণের সম্মতি থাকে
সঠিক উত্তর:
যদি সেই বিধি অনুসারে চুক্তির পরিসমাপ্তি ঘটে বা পক্ষগণ নির্দিষ্ট সময় সংশ্লিষ্ট দেশে বসবাস করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি সেই বিধি অনুসারে চুক্তির পরিসমাপ্তি ঘটে বা পক্ষগণ নির্দিষ্ট সময় সংশ্লিষ্ট দেশে বসবাস করে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ১১ বৈদেশিক চুক্তির উপর মামলার (Suits on foreign contracts) ক্ষেত্রে তামাদির বিধান উল্লেখ করেছে। উক্ত ধারা অনুযায়ী,

⇒ বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে যেইসব মামলা দায়ের করা হয়, সেগুলি এ আইনে উল্লেখিত তামাদির বিধিসমূহের অধীন।

⇒ বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে বিদেশী কোনো আইনে তামাদি সংক্রান্ত বিধি জবাব স্বরূপ গ্রহণীয় হবে না।
তবে যদি, সেই বিধি অনুসারে চুক্তিটির পরিসমাপ্তি ঘটে থাকে এবং যদি উক্ত বিধি অনুসারে নির্ধারিত সময়কালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ সেই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।

Section 11: Suits on foreign contracts-
(1) Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act. 
(2) No foreign rule of limitation shall be a defence to a suit instituted in Bangladesh on a contract entered into in a foreign country, unless the rule has extinguished the contract and the parties were domiciled in such country during the period prescribed by such rule.
৭,৯০০.
‘ক’ চোরাই গয়না লুকানোর জন্য ‘খ’-কে সাহায্য করে, যদিও ‘ক’ জানে তা চোরাই। ‘ক’ The Penal Code, 1860-এর কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে?
  1. ৪১০
  2. ৪১১
  3. ৪১৪
  4. ৩৭৯
সঠিক উত্তর:
৪১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৪
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪১৪ অনুসারে, যে ব্যক্তি চোরাই সম্পত্তি (stolen property) বলে জেনেশুনে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও স্বেচ্ছায় (voluntarily) তা লুকানো, বিলি ব্যবস্থা, বা সরিয়ে ফেলার কাজে সাহায্য করে, সে শাস্তিযোগ্য। এখানে ‘ক’-এর প্রদত্ত ঘটনাটি (চোরাই গয়না লুকানোর সাহায্য) দণ্ডবিধির ধারা ৪১৪-এর অধীনে পড়ে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৪ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি লুকিয়ে রাখার কাজে সহায়তা করা:- কোন ব্যক্তি যদি সে যে সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি বলে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে সে সম্পত্তি লুকিয়ে রাখতে বা বিলিব্যবস্থা করতে বা নিয়ে সরে পড়তে স্বেচ্ছায় সহায়তা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 414. Assisting in concealment of stolen property:- Whoever voluntarily assists in concealing or disposing of or making away with property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.