বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৭৮ / ১২৬ · ৭,৭০১৭,৮০০ / ১২,৬০৫

৭,৭০১.
ক্রিমিনাল প্রসিডিওর কোড-এর ১৬১ ধারার রেকর্ডকৃত সাক্ষীর জবানবন্দিতে স্বাক্ষর করবেন-
  1. সাক্ষ্য রেকর্ডকারী তদন্ত কর্মকর্তা
  2. সাক্ষ্য রেকর্ডকারী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. নিযুক্তীয় আইনজীবী
  4. সাক্ষী নিজে
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য রেকর্ডকারী তদন্ত কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য রেকর্ডকারী তদন্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬১ ধারা অনুযায়ী, পুলিশ (অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা) অভিযোগের সাথে পরিচিত যেকোনো ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে/জবানবন্দি নিতে পারবে এবং পুলিশ জবানবন্দি রেকর্ড বা লিপিবদ্ধ করে নিবে এবং নিজে স্বাক্ষর করবে।

• ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬১ ধারার বিধান- পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী পরীক্ষা

(১) এই অধ্যায় মতে তদন্ত সম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা, অথবা এ ব্যাপারে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা যে প্রকার নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন সে প্রকার পদের নিম্নের কোন পদে অধিষ্ঠিত নহেন এরূপ এবং ঐরূপ অফিসারের অধি- যাচন অনুসারে কার্যসম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাটির তথ্যাদি এবং পারিপার্শ্বিক- তার সাথে পরিচিত আছে বলে অনুমিত যে কোন ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে পরীক্ষা করতে পারেন।

(২) ঐরূপ ঘটনা সম্বন্ধে উক্ত কর্মকর্তা, যে সকল প্রশ্নের উত্তর তাঁকে ফৌজদারী অভিযোগে অভিযুক্ত করতে বা তাকে দণ্ডিত করতে বা কোন কিছুতে তার অধিকার খোয়াইতে চাইতে পারে সেসব প্রশ্ন ব্যতিরেকে যেসকল প্রশ্ন তাকে করবেন তার যথার্থ উত্তর প্রদান করতে ঐরূপ ব্যক্তি বাধ্য থাকবেন।

(৩) এ ধারামতে পরীক্ষা করার সময় তার নিকট কোন বিবৃতি দেয়া হলে তিনি তা লিপিবদ্ধ করতে পারেন, এবং যদি তিনি ঐরূপ করেন তাহলে, তিনি এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তির, বিবৃতির একটি পৃথক ও সত্য নথি তৈয়ার করবেন, যার বিবৃতি তিনি নথিভুক্ত করেন।
৭,৭০২.
ধারা ৩৩ অনুযায়ী, পূর্ববর্তী সাক্ষ্য কখন প্রাসঙ্গিক হয়?
  1. সাক্ষী মৃত হলে
  2. সাক্ষী সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হলে
  3. সাক্ষীকে খুঁজে পাওয়া না গেলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৩- পরবর্তী বিচারকার্যে পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষ্যের প্রাসঙ্গিকতা:
যে কোনো সাক্ষী পূর্বে কোনো বিচারকার্যে বা আইনি ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির সামনে সাক্ষ্য দিয়েছেন, তার সেই সাক্ষ্য পরবর্তী বিচারকার্যে (subsequent proceeding) বা একই বিচারকার্যের পরবর্তী ধাপে (later stage) প্রাসঙ্গিক (relevant) বলে গণ্য হবে, যখন সেই সাক্ষী:
- মৃত (dead), অথবা
- খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না (cannot be found), অথবা
- সাক্ষ্য দিতে অক্ষম (incapable of giving evidence), অথবা
- বিরোধী পক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে উপস্থিত হতে বাধা দিয়েছে (kept out of the way by the adverse party), অথবা
- তাকে হাজির করতে এত বেশি বিলম্ব বা ব্যয় হবে, যা আদালত অযৌক্তিক বলে মনে করে (presence cannot be obtained without unreasonable delay or expense).

তবে নিম্নোক্ত শর্তগুলো থাকতে হবে (Proviso):
- দুই বিচারকার্য একই পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে। অর্থাৎ, প্রথম মামলার পক্ষ ও দ্বিতীয় মামলার পক্ষ একই হতে হবে বা একই স্বার্থে থাকতে হবে।
- প্রথম বিচারকার্যে বিরোধী পক্ষের জেরা করার অধিকার ও সুযোগ থাকতে হবে।
- প্রথম ও দ্বিতীয় বিচারকার্যে বিতর্কিত প্রশ্ন (questions in issue) মূলত একই হতে হবে।

ব্যাখ্যা (Explanation): কোনো ফৌজদারি বিচার (criminal trial) বা তদন্ত (inquiry) কে ধারা ৩৩ অনুযায়ী “proceeding between the prosecutor and the accused” বলে গণ্য করা হবে।

৭,৭০৩.
According to Section 523(2) of The Code of Criminal Procedure, How long does a person have to claim the property after the Magistrate issues the proclamation?
  1. Fifteen days
  2. One month
  3. Three months
  4. Six months
সঠিক উত্তর:
One month
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One month
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারার বিধান:- ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত মাল বা চোরাইমাল আটকের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদ্ধতি:
(১) ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত বা চেরাইমাল বলে কথিত বা সন্দেহযুক্ত বা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহ সৃষ্টিকারী অবস্থায় প্রাপ্ত সম্পত্তি কোন পুলিশ অফিসার জব্দ করলে সঙ্গে সঙ্গে তা কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে জানাতে হবে এবং উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তির বিহিত ব্যবস্থা বা উহার দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে প্রদান বা এরূপ ব্যক্তিকে না পাওয়া গেলে উহার হেফাজত ও অর্পণ সম্পর্কে যেরূপ মনে করেন সেরূপ আদেশ দিবেন।

- জব্দকৃত মারের মালিক অজ্ঞাত হলে পদ্ধতি:
(২) সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি পরিচিত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শর্তে (যদি আরোপিত হয়) তাকে সম্পত্তি প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন। কিন্তু উক্ত ব্যক্তি যদি অজ্ঞাত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি আটক রাখতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে, তিনি সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণসহ এই মর্মে একটি ঘোষণা দিবেন যে, উক্ত সম্পত্তিতে কারো কোন দাবী থাকলে ঘোষণা তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে তার সামনে হাজির হয়ে উক্ত দাবী প্রতিষ্ঠা করতে হবে। 
------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-523: Procedure by police upon seizure of property taken under section 51 or stolen:
(1) The seizure by any police-officer of property taken under section 51, or alleged or suspected to have been stolen, or found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence, shall be forthwith reported to a Magistrate, who shall make such order as he thinks fit respecting the disposal of such property or the delivery of such property to the person entitled to the possession thereof, or, if such person cannot be ascertained, respecting the custody and production of such property.

-Procedure where owner of property seized unknown:

(2) If the person so entitled is known, the Magistrate may order the property to be delivered to him on such conditions (if any) as the Magistrate thinks fit. If such person is unknown, the Magistrate may detain it and shall, in such case, issue a Proclamation specifying the articles of which such property consists, and requiring any person who may have a claim thereto, to appear before him and establish his claim within [one month] from the date of such proclamation.
৭,৭০৪.
আদেশ ১৭ বিধি ১ অনুযায়ী, আদালত কোন পর্যায়ে মোকদ্দমার শুনানি মুলতবি রাখতে পারে?
  1. প্রথম শুনানিতে
  2. যেকোনো পর্যায়ে
  3. চূড়ান্ত শুনানিতে
  4. চূড়ান্ত শুনানীর আগে
সঠিক উত্তর:
যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশে Adjournment বা মূলতবির বিধান রয়েছে। আদালতে সময়ের প্রার্থনা (Time petition) করাই হলো মুলতবির আবেদন।

• ১৭ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে-
> আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে।

> চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। অর্থ্যাৎ উভয় পক্ষকে খরচসহ এবং খরচ ছাড়া মোট ১৮টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারেন।

> অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে ( At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মুলতবি মঞ্জুর করেনা।

> মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

> মুলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
৭,৭০৫.
দণ্ডবিধির কত ধারায় বাংলাদেশি মুদ্রার সংজ্ঞা দেয়া আছে?
  1. ২২৯ ধারায়
  2. ২৩০ ধারায়
  3. ২৩১ ধারায়
  4. ২৩২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৩০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩০ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:
বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।

- বাংলাদেশি মুদ্রা:
 বাংলাদেশি মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরূপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে; এবং অর্থরূপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বাংলাদেশি মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।


উদাহরণ:

(ক) কড়ি (কাউরি) মুদ্রা নয়।
(খ) স্ট্যাম্পবিহীন তামার টুকরো, যদিও তা অর্থরূপে ব্যবহৃত হয়, মুদ্রা নয়।
(গ) মেডেল মুদ্রা নয়, কারণ সেগুলো অর্থরূপে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয় না।
(ঘ) কোম্পানির টাকা নামে পরিচিত মুদ্রা রানির মুদ্রা।
(ঙ) "ফরুখাবাদ" টাকা, যা পূর্বে ভারত সরকারের কর্তৃত্বে অর্থরূপে ব্যবহৃত হতো, তা বাংলাদেশি মুদ্রা হিসেবেই গণ্য হবে, যদিও তা এখন আর ব্যবহৃত হয় না।

৭,৭০৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় কতটি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাবে না তার তালিকা দেওয়া আছে?
  1. ৯টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা

⇒ কোন কোন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায় না তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীন নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রণয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারি দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরণ আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোনো স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-56. Injunction when refused:- An injunction cannot be granted-
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings;
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought;
(c) to restraint persons from applying to any legislative body;
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government;
(e) to stay proceedings in any criminal matter;
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced;
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance;
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced;
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust;
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court;
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.

৭,৭০৭.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী জামিনদারদের অব্যাহতির জন্য কোন ধারা প্রযোজ্য?
  1. ৫০২ ধারা
  2. ৫০১ ধারা
  3. ৪৯৮ ধারা
  4. ৪৯৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫০২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০২ ধারা (Section 502 of the Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী জামিনদার (Surety) যে কোনো সময় জামিননামা (Bail Bond) থেকে আংশিক বা সম্পূর্ণ অব্যাহতি পেতে পারেন। এজন্য তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করতে হয়।
- ধারা ৫০২: জামিনদারের অব্যাহতি:
(১) জামিনদার জামিননামা থেকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে মুক্তির জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারেন।
(২) আবেদন পাওয়ার পর ম্যাজিস্ট্রেট আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করবেন।
(৩) আসামি হাজির হলে বা স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করলে, ম্যাজিস্ট্রেট জামিনদারকে দায়মুক্তি দিবেন এবং আসামিকে নতুন জামিনদার খুঁজে দিতে বলবেন।
যদি আসামি নতুন জামিনদার না দিতে পারে, তাহলে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
- অতএব, ৫০২ ধারা-ই জামিনদারদের অব্যাহতির জন্য প্রযোজ্য ধারা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি:
-জামিনদার যেকোনো সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামিকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামি আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরণ করবেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants.
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him.
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.
৭,৭০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারা কোন বিষয়ে বিধান দেয়?
  1. আসামির গ্রেফতার
  2. জামিনদারের নিয়োগ
  3. জামিনদারের অব্যাহতি
  4. মামলার বিচার পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
জামিনদারের অব্যাহতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিনদারের অব্যাহতি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০২ অনুযায়ী, জামিনদার যদি জামিন বাতিল করে নিজেকে জামিনদার হিসেবে অব্যাহতি পেতে চান, তবে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারেন। ম্যাজিস্ট্রেট তখন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে তাকে হাজির করতে বলেন এবং জামিনদারকে অব্যাহতি দেন। যদি আসামি নতুন জামিনদার দিতে ব্যর্থ হয়, তবে তাকে জেলে পাঠানো হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি:
-জামিনদার যেকোনো সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামিকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামি আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরণ করবেন।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants.
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him.
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.
৭,৭০৯.
'Z', 'A'-এর পরিবারের মালিকানাধীন একটি দেবমূর্তির দখল পেল, যার যথাযথ দখলদার হচ্ছে 'A', এই ক্ষেত্রে-
  1. 'A' কে ক্ষতিপূরণ দিতে 'Z'-কে বাধ্য করা যেতে পারে।
  2. 'A' এর নিকট উক্ত দেবমূর্তি অর্পণ করতে 'Z'-কে বাধ্য করা যেতে পারে।
  3. 'Z' এর নিকট উক্ত দেবমূর্তির মালিকানা অর্পণ করতে 'A'-কে বাধ্য করা যেতে পারে।
  4. 'ক' আথবা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'A' এর নিকট উক্ত দেবমূর্তি অর্পণ করতে 'Z'-কে বাধ্য করা যেতে পারে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'A' এর নিকট উক্ত দেবমূর্তি অর্পণ করতে 'Z'-কে বাধ্য করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারার বিধান: অব্যবহিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট থেকে দখল প্রদানের নিমিত্তে মালিক নয় এরূপ দখলকারী ব্যক্তির দায় দায়িত্ব:
-যে সম্পত্তির মালিক সে নিজে নয়, এমন অস্থাবর সম্পত্তির কোন বিশেষ অংশের দখলকারী বা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত যে কোন অবস্থাতে অবিলম্বিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট সেটি প্রদানার্থে সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে-
 
(ক) যখন দাবীকৃত সম্পত্তি দাবিদারের জিম্মাদারের বা প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিবাদীদের নিকট রয়েছে।
(খ) যখন দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতি টাকার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবীদারের পর্যাপ্ত প্রতিকার করবে না।
(গ) যখন দাবীকৃত বস্তুর ক্ষতির কোন সাধিত যথার্থ ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হবে।
(ঘ) যখন দাবীকৃত বস্তুর দখল দাবিদারের নিকট হতে অন্যায়ভাবে হস্তান্তরিত করা হয়েছে।

উদাহরণ: 'Z', 'A'-এর পরিবারের মালিকানাধীন একটি দেবমূর্তির দখল পেল, যার যথাযথ দখলদার হচ্ছে 'A'। 'Z'-কে, 'A'-এর নিকট দেবমূর্তিটি অর্পণ করতে বাধ্য করা যেতে পারে।
--------------------
⇒ SR Act, Section-11. Liability of person in possession, not as owner to deliver to person entitled to immediate possession:
-Any person having the possession or control of a particular article of moveable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:-
(a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant;
(b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed;
(c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss;
(d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.

Illustrations:
of clause (a)-
A, proceeding to Europe, leaves his furniture in charge of B as his agent during his absence. B, without A's authority, pledges the furniture to C, and C, knowing that B had no right to pledge the furniture, advertises it for sale. C may be compelled to deliver the furniture to A, for he holds it as A's trustee.
 
of clause (b)-
Z has got possession of an idol belonging to A's family, and of which A is the proper custodian. Z may be compelled to deliver the idol to A.
 
of clause (c)-
A is entitled to a picture by a dead painter and a pair of rare China vases. B has possession of them. The articles are of too special a character to bear an ascertainable market value. B may be compelled to deliver them to A.
৭,৭১০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারা অনুসারে আদালত চুক্তি রদকারী পক্ষকে ন্যায়পরায়ণতা করতে বলতে পারেন?
  1. ৩৫ ধারা 
  2. ৩৬ ধারা 
  3. ৩৭ ধারা 
  4. ৩৮ ধারা 
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারা 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৩৮, আদালত রদকারী পক্ষকে ন্যায়পরায়ণতা করিবার আদেশ করিতে পারিবে: চুক্তি রদের রায় প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত যে পক্ষকে এইরূপ প্রতিকার প্রদান করিয়াছেন, সেই পক্ষকে ন্যায় বিচারের স্বার্থে অপরপক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।
---------------
Section 38: Court may require party rescinding to do equity: On adjudging the rescission of a contract, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.

৭,৭১১.
কোন আসামীকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ড দেয়া হলে, তা আদায়ের জন্য দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী কে পরোয়ানা বলবৎ করতে পারে?
  1. জেলা কালেক্টর
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ কমিশনার
  4. যেকোনো দেওয়ানি আদালত
সঠিক উত্তর:
জেলা কালেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা কালেক্টর
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮৬- জরিমানা আদায় করার পরোয়ানাঃ

(১) যেক্ষেত্রে কোন আসামীকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ড দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে দণ্ড দানকারী আদালত নিম্নে বর্ণিত দু'টি বা উভয় উপায় অনুযায়ী জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা নিতে পারবেন, অর্থাৎ ইহা-
(ক) অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করে জরিমানা আদায়ের জন্য পরোয়ানা দিতে পারবেন, অথবা
(খ) খেলাপকারীর স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী পরোয়ানা বলবৎ করে জরিমানার টাকা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়ে জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেনঃ শর্ত থাকে যে, যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে যে, জরিমানা পরিশোধ করা না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে দণ্ডপ্রাপ্ত হবে এবং সে যদি অনাদায়বশতঃ সমগ্র কারাদণ্ড ভোগ করে থাকে, তাহলে কোন আদালত উক্তরূপ পরোয়ানা দিবে না, যদি না বিশেষ কোন কারণ বশত প্রয়োজন মনে করলে আদালত উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে পরোয়ানা দিয়ে থাকেন।

(২) সরকার উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ- (ক) এর পরোয়ানা কার্যকরীকরণের পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং উক্ত পরোয়ানা কার্যকরীকরণ প্রসঙ্গে ক্রোককৃত সম্পত্তিতে অপরাধী ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির কোন দাবী সংক্ষেপে নির্ধারণের ব্যবস্থা নেবার জন্য বিধি প্রণয়ন করতে পারবেন।

(৩) আদালত যেক্ষেত্রে উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ (খ) অনুযায়ী কালেক্টরকে পরোয়ানা দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (১৯০৮ সনের ৫নং আইন) এর অর্থানুযায়ী উক্ত পরোয়ানাকে ডিক্রি এবং কালেক্টরকে ডিক্রীদার মর্মে আখ্যায়িত করতে হবে এবং যে নিকটতম দেওয়ানী আদালত অনুরূপ পরিমাণ অর্থের ডিক্রি জারি করতে পারেন উক্ত কার্যবিধির উদ্দেশ্যে সেই আদালতকে উক্ত ডিক্রি দাতা আদালত মর্মে আখ্যায়িত করতে হবে এবং ডিক্রি জারির ব্যাপারে উক্ত কার্যবিধির বিধানাদি অনুরূপভাবে প্রযোজ্য হবে।
৭,৭১২.
নিচের কোনটি তামাদি আইনের ক্ষেত্রে সঠিক?
  1. তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয় না, অধিকার নষ্ট হয়
  2. তামাদির দরুন প্রতিকার ও অধিকার উভয়ই নষ্ট হয়
  3. তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না
ব্যাখ্যা
তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না:
- তামাদির কারণে প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নয়। তামাদি আইন কেবলমাত্র অধিকার ধ্বংস করে না, পরোক্ষভাবে অধিকার প্রতিষ্ঠিত করে।
- তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধান ব্যতীত অন্য কোন বিধান বলে কোন অধিকার সৃষ্টিও হয় না, নষ্টও হয় না। ২৮ ধারার বিধান ব্যতীত তামাদি আইনের অন্যান্য ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় উত্তীর্ণ হয়ে গেলে মামলা করে আইনগত প্রতিকার লাভ করা নিষিদ্ধ হয় থাকে, কিন্তু সংশ্লিষ্ট অধিকার বিদ্যমান থেকেই যায়।
-মামলা-মোকদ্দমা ব্যতীত অন্য কোনো উপায়ে যদি সেই অধিকার প্রয়োগ করতে পারা যায়, তবে তামাদি আইন সেক্ষেত্রে কোনো বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে না।
 তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধান ব্যতীত অন্য কোন বিধান বলে কোন অধিকার সৃষ্টিও হয় না, নষ্টও হয় না।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে তামাদি আইনের ক্ষেত্রে "তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না" কথাটি সঠিক। 
৭,৭১৩.
খুনের অপরাধের জন্য দণ্ডবিধিতে কী শাস্তি রয়েছে?
  1. শুধু মৃত্যুদণ্ড
  2. শুধুমাত্র কারাদণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা- খুনের সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি খুনের অপরাধ করে তবে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 302- Punishment for murder:
Whoever commits murder shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
৭,৭১৪.
আদালত সাধারণত কোন ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে আংশিক কার্যসম্পাদানের আদেশ দিতে পারে?
  1. যেখানে অসম্পাদিত অংশ চুক্তির স্বতন্ত্র অংশ
  2. যেখানে অসম্পাদিত অংশ সমগ্র চুক্তির তুলনায় ছোট
  3. যেখানে অসম্পাদিত অংশ সমগ্র চুক্তির তুলনায় বড়
  4. 'ক' ও 'খ' উভয়
সঠিক উত্তর:
'ক' ও 'খ' উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' ও 'খ' উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।

⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারার বিধান কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর অংশ এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটি পালন করতে সমর্থ না হয় কিংবা ঐ অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য না হয়, তাহলে ঐ পক্ষ চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি লাভের অধিকারী হবে না। তবে চুক্তির বৃহত্তর অংশ সম্পাদনের এবং ক্ষতিপূরণ লাভের সমস্ত অধিকার ত্যাগ করলে আদালত বিবাদীকে ক্ষুদ্রতর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের নির্দেশ দিতে পারবে।

⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ বড় হলে, সাধারণত ঐ চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ দেয়া যায় না, তবে বাদী ক্ষতিপূরণের দাবি পরিত্যাগ করলে যতটুকু অংশ সম্পাদনযোগ্য তা সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারার বিধান কোন চুক্তির স্বাতন্ত্র্য অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন: যখন চুক্তির একটি অংশের স্বাতন্ত্র্যভাবে সুনির্দিষ্টভাবে কাজ সম্পাদন করা যায় বা করা আবশ্যক হয় এবং তা একই চুক্তির এমন অন্য অংশ হতে স্বাতন্ত্র্য এবং স্বাধীনভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যাবে না বা করা আবশ্যক নহে, তাহলে আদালত পূর্ববর্তী অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারামতে কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, একটি অংশ আপনা-আপনি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনযোগ্য এবং অপর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য নয় এবং প্রথম অংশটি দ্বিতীয় অংশ থেকে ভিন্ন ও স্বাধীন (Separate and independent) হয়, তাহলে আদালত ঐ চুক্তির প্রথম অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে পালনের নির্দেশ দিতে পারবে।
--------------------------
⇒ Section 14 Specific performance of part of contract where part unperformed is small:  Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
 
⇒ Section 15 Specific performance of part of contract where part unperformed is large: Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, and the part which must be left unperformed forms a considerable portion of the whole, or does not admit compensation in money, he is not entitled to obtain a decree for specific performance. But the Court may, at the suit of the other party, direct the party in default to perform specifically so much of his part of the contract as he can perform, provided that the plaintiff relinquishes all claim to further performance, and all right to compensation either for the deficiency, or for the loss or damage sustained by him through the default of the defendant.
 
⇒ Section 16 Specific performance of independent part of contract.-When a part of a contract which, taken by itself, can and ought to be specifically performed, stands on a separate and independent footing from another part of the same contract which cannot or ought not to be specifically performed, the Court may direct specific performance of the former part.
৭,৭১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুযায়ী কার যুক্তিসঙ্গত ব্যয় প্রদান করা যেতে পারে?
  1. ফরিয়াদীর
  2. সাক্ষীদের
  3. সরকারি আইনজীবীদের
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়ই
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভয়ই
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুযায়ী, ফৌজদারি আদালত, সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধির অধীন, যদি উপযুক্ত মনে করেন, তবে তিনি ফরিয়াদী ও সাক্ষী—এই দুই পক্ষকেই আদালতে হাজিরা দেওয়ার জন্য সরকারি তহবিল থেকে যুক্তিসঙ্গত ব্যয় প্রদানের আদেশ দিতে পারেন। এই ধারা সাক্ষ্য ও বিচার প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছে, যাতে সাক্ষী ও ফরিয়াদীরা আর্থিক অসুবিধার কারণে বিচার প্রক্রিয়া থেকে বিরত না থাকেন।
⇒ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুযায়ী, ফরিয়াদী ও সাক্ষী উভয়ের যুক্তিসঙ্গত ব্যয় প্রদান করা যেতে পারে। সঠিক উত্তর: ঘ) 'ক' এবং 'খ' উভয়ই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৪ ধারার বিধান ফরিয়াদী ও সাক্ষীর ব্যয়:
সরকার কর্তৃক প্রণীত কোন বিধি সাপেক্ষে ফৌজদারী আদালত উপযুক্ত মনে করলে এই কার্যবিধির অধীনে কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কান কার্যধারার উদ্দেশ্যে আদালতে হাজির হওয়া কোন ফরিয়াদী বা সাক্ষীকে সরকারী তহবিল থেকে যুক্তিসংগত ব্যয় দেয়ার আদেশ দিতে পারবেন।
-------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-544: Expenses of complainants and witnesses:
Subject to any rules made by the Government, any Criminal Court may, if it thinks fit, order payment, on the part of Goverment, of the reasonable expenses of any complainant or witness attending for the purposes of any inquiry, trial or other proceeding before such Court under this Code.
৭,৭১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারায়, নালিশের সত্যতা নির্ধারণের জন্য অনুসন্ধান বা তদন্ত করার দায়িত্ব কার?
  1. ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা
  2. ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. অন্যকোনো ব্যক্তি, যিনি ক্ষমতাপ্রাপ্ত
  4. উল্লিখিত যেকোনো একজন
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যেকোনো একজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যেকোনো একজন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার অধীন নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেট নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন,অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীন অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীন অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্রে ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লিখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।
------------ 
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-202:Postponement for issue of process:
(1) Any Magistrate, on receipt of a complaint of an offence of he is authorized to take cognizance, or which has been transferred to him under section 192, may, if he thinks fit, for reasons to be recorded in writing, postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against, and either inquire into the case himself or, if he is a Magistrate other than a Magistrate of the third class, direct an inquiry or investigation to be made by any Magistrate subordinate to him, or by a police-officer, or by such other person as he thinks fit, for the purpose of ascertaining the truth of falsehood of the complaint: 
Provided that, save where the complaint has been made by a Court, no such direction shall be made unless the provisions of section 200 have been complied with
Provided further that where it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by a Court of Session, the Magistrate may postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against and may make or cause to be made an inquiry or investigation as mentioned in this sub-section for the purpose of ascertaining the truth or falsehood of the complaint.

৭,৭১৭.
'ক' ১৮ লক্ষ টাকা মূল্যমানের একটি স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমার আরজি সহকারী জজ আদালতে পেশ করে। এই ক্ষেত্রে আদালত নিম্নলিখিত কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?
  1. আরজি প্রত্যাখান
  2. আরজি সংশোধন
  3. আরজি ফেরত
  4. মোকদ্দমা খারিজ
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
ব্যাখ্যা
আদালত উক্ত আরজিটি ফেরত পাঠাবে।

• মোকদ্দমাটির মূল্যমান ১৮ লক্ষ টাকা, তাই তা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মোকদ্দমাটি দায়ের করা উচিত ছিল।কারণ সহকারি জজ আদালতের এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫লক্ষ টাকা [The Civil Courts Act,1887]। যেহেতু এখতিয়ার বিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে চেয়েছে, তাই আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য আরজি ফেরত পাঠাবে।

• আরজি ফেরত (Return of Plaint) অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া। যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে। দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ এর বিধি ১০ এ আরজি ফেরত এর বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।

• আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২.আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩ আদেশের ১(ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
৭,৭১৮.
What is the minimum number of persons required to form an "unlawful assembly"?
  1. 3
  2. 5
  3. 7
  4. 4
সঠিক উত্তর:
5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারনের শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বলে।
- দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনী সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনী সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারী কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্টা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনতঃ বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।
ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনী ছিল না তা পরে বেআইনী সমাবেশ হতে পারে।
----------------------
The Penal Code, 1860-Section-141: Unlawful assembly- An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is-
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.
Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
৭,৭১৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১৭ অনুযায়ী কমিশনারকে দেওয়ানী আদালত হিসেবে গণ্য করা হয় কোন উদ্দেশ্যে?
  1. রায় প্রদানের জন্য
  2. সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য
  3. আপিল শুনানির জন্য
  4. ফৌজদারি বিচারের জন্য
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order-26, Rule-17(1) অনুযায়ী, কমিশন দ্বারা নিযুক্ত কমিশনার যখন সাক্ষ্য গ্রহণ করেন বা দলিলপত্র উপস্থিত করার জন্য কাউকে নির্দেশ দেন, তখন তিনি সেই নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যের জন্য দেওয়ানী আদালত হিসেবে গণ্য হন।
- এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো কমিশনার সাক্ষ্যগ্রহণ করতে পারবেন, সাক্ষীর হাজিরা নিশ্চিত করতে পারবেন, সাক্ষীকে সমন দিতে পারবেন, সাক্ষ্য না দিলে বা নির্দেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট বিধানে উক্ত ব্যক্তি সম্পর্কে আইনগত পদক্ষেপ নিতে পারবেন। 
- এগুলো করতে পারার জন্য কমিশনারকে অস্থায়ীভাবে "দেওয়ানী আদালত" এর ক্ষমতা দেওয়া হয়, তবে শুধুমাত্র সাক্ষ্য ও দলিল সংক্রান্ত উদ্দেশ্যে।
- তবে এই ক্ষমতা কমিশনারকে রায় প্রদানের বা আপিল শুনানির বা ফৌজদারি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দেওয়া হয় না।
- অর্থাৎ কমিশনারকে দেওয়ানী আদালত হিসেবে গণ্য করা হয়, শুধু সাক্ষ্য গ্রহণ ও দলিল সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য, যাতে আদালতের বাইরে সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যকরভাবে সম্পন্ন করা যায়।
 
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১৭: কমিশনারের সম্মুখে সাক্ষীর হাজিরা ও জবানবন্দী প্রদান:
(১) সাক্ষীদের সমন প্রদান, হাজিরা এবং জবানবন্দী গ্রহণ এবং সাক্ষীর পারিশ্রমিক প্রদান ও সাক্ষীর উপর দন্ড আরোপ সংক্রান্ত অত্র কোডের বিধানসমূহ বাংলাদেশে অবস্থিত আদালত কর্তৃক এরূপে নির্দেশিত কাজ সম্পাদনের জন্য প্রেরিত হোক, না কেন, উক্ত কমিশন কর্তৃক অত্র আদেশ অনুসারে সাক্ষ্য দানের জন্য বা দলিল উপস্থিত করার জন্য আবশ্যকীয় ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, এবং অত্র বিধির উদ্দেশ্যে কমিশনারকে দেওয়ানী আদালত হিসাবে গন্য করা হবে।
(২) যে আদালতের স্থানীয় সীমানার ভিতর কোন সাক্ষী বসবাস করে, তিনে প্রয়োজনীয়তা খুজিয়া পেলে সে সাক্ষীর প্রতি বা বিরুদ্ধে কোন পরোয়ানা প্রেরণের জন্য সেরূপ কোন আদালতে (হাইকোর্ট বিভাগ নহে) কমিশনার আবেদন করতে পারেন, এবং উক্ত আদালত ইচ্ছা করলে যুক্তিসঙ্গত ও উপযুক্ত বিবেচনা করে অনুরূপ পরোয়ানা প্রেরণ করতে পারেন।
৭,৭২০.
আদালত কখন কোনো মোকদ্দমা প্রত্যাহারের আবেদন মঞ্জুর করতে পারে?
  1. মামলাটি পদ্ধতিগত ত্রুটির জন্য ব্যর্থ হলে
  2. অন্য কোন যৌক্তিক কারণে
  3. বিবাদী মারা গেলে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
- আদেশ ২৩-এর বিধি ১ মতে আরজিতে ফরমাল ডিফেক্ট আছে এই কারণে পুনরায় দাখিলের শর্তে মোকদ্দমা প্রত্যাহারের বিধান আছে। তবে এইরূপে অনুমতি না নিয়ে প্রত্যাহার করলে পরবর্তীতে আর মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে না।
- আদালতের অনুমতি ছাড়া মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে বাদী ঐ বিষয়ে নতুন মামলা দায়ের করতে পারবে না। তবে আদালতের অনুমতি নিয়ে প্রত্যাহার করলে ঐ বিষয়ে নতুন মামলা দায়ের করা যাবে।
- যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা কোন আনুষ্ঠানিক ত্রুটির কারণে অবশ্যই ব্যর্থ হবে, অথবা নতুনভাবে মোকদ্দমা দায়েরের জন্য অন্যান্য যথেষ্ট কারণ আছে সেক্ষেত্রে আদালত বাদীকে নতুন করে মোকদ্দমা করার অনুমতিসহ উক্ত মোকদ্দমার বিষয় বস্তু বা কোন দাবীর অংশ পরিত্যাগ করার অনুমতি মঞ্জুর করতে পারেন।

------------
CPC Order-23 Rule-1. Withdrawal of suit or abandonment of part of claim:
(1) At any time after the institution of a suit the plaintiff may, as against all or any of the defendants, withdraw his suit or abandon part of his claim.

(2) Where the Court is satisfied−
(a) that a suit must fail by reason of some formal defect, or
(b) that there are other sufficient grounds for allowing the plaintiff to institute a fresh suit for the subject-matter of a suit or part of a claim,

it may, on such terms as it thinks fit, grant the plaintiff permission to withdraw from such suit or abandon such part of a claim with liberty to institute a fresh suit in respect of the subject-matter of such suit or such part of a claim.
৭,৭২১.
নিচের কোনটি ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading Question) এর উদাহরণ?
  1. "ঘটনাটি কখন ঘটেছিল?"
  2. "আপনি কি স্কুলে পড়তেন?"
  3. "আপনার নাম কি সালমান?"
  4. "আপনি গতকাল কোথায় ছিলেন?"
সঠিক উত্তর:
"আপনার নাম কি সালমান?"
উত্তর
সঠিক উত্তর:
"আপনার নাম কি সালমান?"
ব্যাখ্যা

⇒ ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question হলো এমন প্রশ্ন যা সরাসরি উত্তরের ইঙ্গিত প্রদান করে। এই ধরনের প্রশ্নের মধ্যে প্রশ্নকারী যেই উত্তর চান, তা সরাসরি বা পরোক্ষভাবে উপস্থিত থাকে। সাধারণত, ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নে সাক্ষী হ্যাঁ বা না উত্তরে উত্তর দেয়। উদাহরণস্বরূপ: "আপনার নাম কি সালমান?"—এখানে প্রশ্নের মধ্যে উত্তরের ইঙ্গিত (সালমান) দেওয়া আছে, তাই এটি ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading Question)।
- এ ধরনের প্রশ্ন সাধারণত সাক্ষীর জবানবন্দি বা সাক্ষ্য প্রদানের সময় আদালতের অনুমতি ছাড়া করা যায় না, বিশেষত যখন সাক্ষীকে জেরা (Cross-examination) করা হচ্ছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যাঁ অথবা না ব্যাজেই এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
⇒ অর্থাৎ নির্দেশক প্রশ্ন বা Leading question তাই যার মধ্যে উক্ত প্রশ্নের উত্তরের ইঙ্গিত থাকে।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 141. Leading questions:
- Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.

৭,৭২২.
A, B-এর পকেটে এই উদ্দেশ্যে কিছু অলংকার রাখে যে উক্ত অলংকার উক্ত পকেটে পাওয়া যেতে পারে এবং এই ঘটনার জন্য B চুরির অপরাধে দণ্ডিত হতে পারে। A এর অপরাধ?
  1. সত্য লুকানো
  2. মিথ্যা সাক্ষ্যদান
  3. মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন
  4. কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৯২ ধারার বিধান: মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করা:- কোন ব্যক্তি যদি কোন অবস্থার অস্তিত্ব সৃষ্টি বা উদ্ভাবন করে, অথবা কোন বইতে বা রেকর্ডে মিথ্যা কথা লিপিবদ্ধ করে অথবা মিথ্যা বিবরণ সাক্ষ্য হিসেবে কোন বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমে অথবা সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে সরকারী কর্মচারী হিসেবে কোন আইনগত কার্যক্রমে অথবা কোন সালিসের সম্মুখে উত্থাপন করার উদ্দেশ্যেই যদি তা করা হয়ে থাকে এবং অনুরূপ অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, উক্ত কার্যক্রমে যিনি সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে তাঁর মতামত গঠন করবেন, তিনি উক্ত অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতিজনিত সাক্ষ্যে প্রভাবিত হয়ে অনুরূপ কার্যক্রমের সাথে গুরুত্বপূর্ণভাবে জড়িত কোন বিষয় সম্পর্কে ভুল ধারণা বা মত পোষণ করবেন, তবে সে ব্যক্তি 'মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করেছে' বলে পরিগণিত হয়।

--------------
♦ Fabricating false evidence
Section 192. Whoever causes any circumstance to exist or makes any false entry in any book or record, or makes any document containing a false statement, intending that such circumstance, false entry or false statement may appear in evidence in a judicial proceeding, or in a proceeding taken by law before  a public servant as such, or before an arbitrator, and that such  circumstance, false entry or false statement, so appearing in evidence, may cause any person who in such proceeding is to form an opinion upon the evidence, to entertain an erroneous opinion touching any point material to the result of such proceeding, is said "to fabricate the evidence.” 
 
Illustrations 
(a) A puts jewels into a box belonging to Z, with the intention that they may be found in that box, and that this circumstance may cause Z to be convicted of theft. A has fabricated false evidence. 
 
(b) A makes a false entry in his Shop-book for the purpose of using it as corroborative evidence in a Court of Justice. A has fabricated false evidence. 
 
(c) A, with the intention of causing Z to be convicted of a criminal conspiracy, writes a letter in imitation of Z's handwriting purporting to be addressed to an accomplice in such criminal conspiracy, and puts the letter in a place which he knows that the officers of the Police are likely to search. A has fabricated false evidence.
৭,৭২৩.
কোন বিধানের অধীনে আদালত নির্ধারিত তারিখে বাদী ও বিবাদী উপস্থিত না হলে, মামলা খারিজ করতে পারে?
  1. আদেশ ৮, বিধি ৫
  2. আদেশ ৯, বিধি ৩
  3. আদেশ ৭, বিধি ৪
  4. আদেশ ১০, বিধি ২
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯, বিধি ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯, বিধি ৩
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৯ বিধি ৩ অনুসারে,
মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত তারিখে যদি বাদী এবং বিবাদী উভয় পক্ষ হাজির না হয়, আদালত মোকদ্দমা খারিজ করে দিতে পারে।
[Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed.]

• প্রদত্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার (বিধি ৪):
১- উল্লিখিত কারণে মোকদ্দমা খারিজ হলে, উক্ত খারিজের বিরুদ্ধে বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
২- খারিজ আদেশ রদ করতে আদেশের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে পারে।
৭,৭২৪.
'কোনো আইনজীবী সরকারি পদে থাকাকালে কোনো কাজ করলে অবসর গ্রহণের পর একই বিষয়ে নিজেকে নিযুক্ত করতে পারেন না।' -এটি কার প্রতি একজন আইনজীবীর আচরণ হওয়া উচিত?
  1. আদালত
  2. অন্যান্য আইনজীবী
  3. মক্কেল
  4. জনগণ
সঠিক উত্তর:
জনগণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনগণ
ব্যাখ্যা
♦ পেশাগত সদাচারণ ও নিয়মানুবর্তিতা এর ৪র্থ অধ্যায় ৭ বিধি-
একজন আইনজীবী এমন কোন মামলা পরিচালনার দায়িত্ব নিবে না, যে মামলা সংক্রান্ত কোন বিষয়ে ইতোপূর্বে বিচারকের পদমর্যাদায় কোন দায়িত্বপালন করেছে। সরকারী দায়িত্ব পালন কিংবা সরকারী চাকুরিতে থাকা অবস্থায় যে সব বিষয়ে তিনি তদন্ত কিংবা দেখভাল করেছে অবসরগ্রহনের পর তিনি উক্ত বিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোন মামলার আইনজীবী নিয়োজিত হতে পারবেনা।
৭,৭২৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৫ ধারা অনুযায়ী, আদালত কয়টি ক্ষেত্রে কমিশন ইস্যু করতে পারে?
  1. নির্দিষ্ট নয়
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৫ ধারা অনুযায়ী, আদালত নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কমিশন ইস্যু করতে পারে;
১. কোন ব্যক্তির জবানবন্দি বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে;
২. স্থানীয় বা সরেজমিনে তদন্ত অনুষ্ঠানের জন্য;
৩. হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করতে;
৪. সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।

Section-75: Power of Court to issue commissions:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts;
(d) to make a partition.
৭,৭২৬.
তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুসারে রোয়েদাদ নাকচের জন্য দরখাস্তের তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয় কখন থেকে?
  1. রোয়েদাদ ঘোষণার দিন থেকে
  2. দরখাস্ত দাখিলের দিন থেকে
  3. রোয়েদাদের নকল প্রাপ্তির দিন থেকে
  4. আদালতের অনুমতি নেওয়ার দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
রোয়েদাদের নকল প্রাপ্তির দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোয়েদাদের নকল প্রাপ্তির দিন থেকে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) রোয়েদাদের নকল প্রাপ্তির দিন থেকে।
⇒ তামাদি আইন অনুযায়ী, যখন কোন পক্ষ রোয়েদাদ (আদালতের আদেশ বা আদেশ সদৃশ আদবকায়দা) বাতিল বা নাকচ করতে চায়, তখন সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দরখাস্ত করতে হলে সংশ্লিষ্ট রোয়েদাদের সার্টিফায়েড কপি (নকল) সংগ্রহ করতে হয়। “রায় বা ডিক্রী বা রোয়েদাদের বিরুদ্ধে আপীল, পুনঃনিরীক্ষণ বা দরখাস্ত করতে হলে, তামাদি গণনার শুরু হবে যখন সেই রায় বা রোয়েদাদের নকল তোলা হবে।”
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ১২(৪) উপধারা অনুসারে, যদি কেউ রোয়েদাদ (Award) বাতিল করার জন্য দরখাস্ত করে, তাহলে রোয়েদাদের নকল (certified copy) সংগ্রহ করতে যে সময় লাগে, তা তামাদি মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। অর্থাৎ, তামাদি গণনা শুরু হবে নকল প্রাপ্তির দিন থেকে, ঘোষণার দিন থেকে নয়।

⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদি মেয়াদ গণনা করার সময় তামাদি শুরু হওয়ার দিনটি বাদ দেওয়া হয়।
- তামাদি আইনের ১২(১) উপধারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদি গণনার ক্ষেত্রে সেই দিনটি বাদ যাবে, যেদিন থেকে তামাদি গণনা শুরু হওয়ার কথা।
- ১২(২) উপধারা অনুযায়ী, আপিল বা পুনঃবিবেচনার ক্ষেত্রে রায় ঘোষণার দিন এবং আপিলের জন্য প্রয়োজনীয় ডিক্রি, আদেশ বা দণ্ডাদেশের নকল সংগ্রহে লেগে যাওয়া সময় বাদ দেওয়া হবে।
- ১২(৩) উপধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ডিক্রি বা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়, তাহলে সেই রায়ের অনুলিপি সংগ্রহে যতদিন লাগে তাও বাদ যাবে।
- ১২(৪) উপধারা অনুসারে, রোয়েদাদ (Award) বাতিল করার আবেদন করলে, রোয়েদাদের নকল সংগ্রহের সময়টুকু বাদ যাবে।

⇒ The Limitation Act: Section 12. Exclusion of time in legal proceedings:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application, the day from which such period is to be reckoned shall be excluded. 
(2) In computing the period of limitation prescribed for an appeal, an application for leave to appeal and an application for a review of judgment, the day on which the judgment complained of was pronounced, and the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded. 
(3) Where a decree is appealed from or sought to be reviewed, the time requisite for obtaining a copy of the judgment on which it is founded shall also be excluded. 
(4) In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded.

৭,৭২৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ-
  1. ৩ বছর
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
• শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ করা হয়নি। তাই শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে।

• তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ হবে ৬ বছর।
৭,৭২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুসারে ফরিয়াদী অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে?
  1. ৪০৭
  2. ৪১৭
  3. ৪১৭ক
  4. ৪০৭ক
সঠিক উত্তর:
৪১৭ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৭ক
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ক ধারার বিধান অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল-
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততাহেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেন:
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।
(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
------------------------------------
⇒ CrPC-Section 417A: Appeal against inadequacy of sentence:
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.
(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.
(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
৭,৭২৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে, যদি একটি আপিলযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা না হয়, তবে কী করা যায়?
  1. রিভিশন দাখিল করা যায়
  2. রেফারেন্সের আবেদন করা যায়
  3. নতুন মোকদ্দমা দাখিল করা যায়
  4. কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যায় না
সঠিক উত্তর:
রিভিশন দাখিল করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন দাখিল করা যায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১১৫ এর নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনো ডিক্রি বা আদেশ আপিলযোগ্য হয়, কিন্তু সংশ্লিষ্ট পক্ষ সময়মতো বা কাঙ্ক্ষিতভাবে আপিল দাখিল না করে, তখন সেই ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশনের মাধ্যমে উচ্চতর আদালতের কাছে পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যেতে পারে। কারণ দেওয়ানী কার্যবিধিতে দ্বিতীয়বার আপিলের সুযোগ নেই, তাই রিভিশন হলো সেই ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার একটি প্রক্রিয়া। অন্য  অপশন যেমন নতুন মোকদ্দমা বা রিভিউ এই পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য নয়। তাই সঠিক পদক্ষেপ হলো রিভিশন দাখিল করা।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১১৫ অনুসারে, যদি একটি আপিলযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দাখিল করা না হয় এবং সেই ডিক্রিতে আইনগত ভ্রান্তি বা ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা থাকে, তবে সংক্ষুব্ধ পক্ষ রিভিশন দাখিল করতে পারে। 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১১৫ এ উল্লেখ আছে যে, রিভিশন দাখিল করা যায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে:
- যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান নেই।
- যে ডিক্রি বা আদেশ আপিলযোগ্য হলেও আপিল দাখিল করা হয়নি।
- যদি ডিক্রি বা আদেশে আইনগত প্রশ্নে ভ্রান্তি বা এখতিয়ারের অপব্যবহার হয়, যার ফলে ন্যায়বিচার বিঘ্নিত হয়।
এই ক্ষেত্রে, সংক্ষুব্ধ পক্ষ হাইকোর্ট বিভাগ বা জেলা জজ আদালতে (যে আদালতের এখতিয়ারের অধীনে মোকদ্দমা পড়ে) রিভিশন দাখিল করতে পারে। রিভিশনের মাধ্যমে উচ্চতর আদালত নিম্নতর আদালতের আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনা করে এবং প্রয়োজনে সংশোধন বা যথাযথ আদেশ প্রদান করে।
৭,৭৩০.
মফস্বলের জন্য 'Justice of the peace' নিয়োগ দেন কে?
  1. সরকার
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. দায়রা আদালত
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
• ধারা-২২: মফস্বলের জন্য জাস্টিস অব দি পিস (Justice of the peace for the mafassal)-

সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপনের দ্বারা বাংলাদেশের যে কোন উপযুক্ত নাগরিককে কোন স্থানীয় এলাকার জন্য জাস্টিস অব দি পিস হিসাবে নিয়োগ দিতে পারে।

Section 22- Justice of the peace for the mafassal:
The Government] may, by notification in the official Gazette, appoint such persons resident within Bangladesh and not being the subjects of any foreign State as it thinks fit to be Justices of the Peace within and for the local area mentioned in such notification.
৭,৭৩১.
'ক' এক ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হয়, যা দণ্ডবিধির ৪০৩ বা ৪০৬ ধারার মধ্যে পড়ে। এক্ষেত্রে আদালত-
  1. মামলা স্থগিত রাখবে
  2. বাদীর ইচ্ছানুযায়ী রায় দিবে
  3. বিকল্প রায় প্রদান করবে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
বিকল্প রায় প্রদান করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকল্প রায় প্রদান করবে
ব্যাখ্যা
এক্ষেত্রে আদালত বিকল্প রায় প্রদান করবে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭(৩) ধারায় বিকল্প রায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

ধারা ৩৬৭(৩)-
দণ্ডবিধির অধীন দণ্ড হলে অপরাধটি উক্ত বিধির দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে আদালত তা স্পষ্টরুপে প্রকাশ করবে এবং বিকল্প রায় প্রদান করবে।

Section 367(3)-
When the conviction is under the Penal Code and it is doubtful under which of two sections, or under which of two parts of the same section, of that Code the offence falls, the Court shall distinctly express the same, and pass judgment in the alternative.
৭,৭৩২.
দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারায় কার বিশেষ অধিকার সংরক্ষণ করা হয়েছে?
  1. রাষ্ট্র
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. আদালত
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির  ৫৫ক ধারার বিধান- রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার সংরক্ষণ:
৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার কোন বিধান দ্বারাই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, মৃত্যুদণ্ড মওকুফ বা স্থগিত করা বা দণ্ডাজ্ঞা হ্রাসের অধিকার ক্ষুন্ন হবে না।

Section 55A- Saving for President prerogative:
Nothing in section fifty- four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment.
৭,৭৩৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৮ বিধি-৭ এ কীসের পদ্ধতি বর্ণিত আছে?
  1. ক্রোকের
  2. গ্রেফতারের
  3. কমিশন জারির
  4. সম্পত্তি বিক্রয়ের
সঠিক উত্তর:
ক্রোকের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রোকের
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৮ বিধি-৭: ক্রোক করার পদ্ধতি:
অন্যরূপ স্পষ্ট বিধান ব্যতিরেকে, ডিক্রি জারির দরুন সম্পত্তি ক্রোকের পদ্ধতিতে উক্ত ক্রোক করা যাবে।

Rule.-7: Mode of making attachment:
Save as otherwise expressly provided, the attachment shall be made in the manner provided for the attachment of property in execution of a decree.

৭,৭৩৪.
যে ব্যক্তি এক শ্রেণির সরকারী খাঁটি ষ্ট্যাম্পকে ভিন্ন শ্রেণীর সরকারী খাঁটি ষ্ট্যাম্পের সদৃশ করিয়া জাল করে, সেই ব্যক্তি কি অপরাধ করে বলিয়া গণ্য হইবে?
  1. মুদ্রা জালকরণ
  2. সরকারী ষ্ট্যাম্প জালকরণ
  3. জালকরণ
  4. ষ্ট্যাম্প জালকরণ
সঠিক উত্তর:
সরকারী ষ্ট্যাম্প জালকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারী ষ্ট্যাম্প জালকরণ
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারার বিধান: সরকারী স্ট্যাম্প জাল করণ:- কোন ব্যক্তি যদি সরকার দ্বারা রাজস্বের উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত কোন স্ট্যাম্প জাল করে বা জ্ঞাতসারে অনুরূপ কোন স্ট্যাম্প জাল করার প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- এক মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পকে কোন ব্যক্তি যদি দেখতে অপর মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পের মত করে লয়, তবে সে ব্যক্তি এই অপরাধ অনুষ্ঠান করে বলে পরিগণিত হবে।

-------------------
♦ Section 255. Counterfeiting Government stamp:- Whoever counterfeits, or knowingly performs any part of the process of counterfeiting, any stamp issued by Government for the purpose of revenue, shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

⇒ Explanation:- A person commits this offence who counterfeits by causing a genuine stamp of one denomination to appear like a genuine stamp of a different denomination.
৭,৭৩৫.
কোনো দরখাস্ত দায়েরের মেয়াদ তামাদি আইনে সুনির্দিষ্টভাবে বলা না থাকলে কোন অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে?
  1. ১৮০
  2. ১৮১
  3. ১৮২
  4. ১৮৩
সঠিক উত্তর:
১৮১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮১
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১ বিধান: তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অন্য কোথাও বা দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় যে সব দরখাস্ত সম্পর্কে কোন বিধান নাই সেইসব দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ দরখাস্ত করার অধিকার উদ্ভব হওয়ার দিন থেকে ৩ বছর।
৭,৭৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯২ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি জামিন বন্ডে স্বাক্ষর করার পর আদালতে হাজির না হয়, তখন আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলা খারিজ করবে
  2. কেবল সতর্কবার্তা দেবে
  3. নতুন সমন জারি করবে
  4. গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করবে
সঠিক উত্তর:
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯২ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে জামিন বন্ডে স্বাক্ষর করে আদালতে হাজির হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির না হয়, তবে আদালতের প্রিসাইডিং অফিসার (অর্থাৎ আদালতের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন। এই পরোয়ানার মাধ্যমে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 92. Arrest by breach of bond for appearance:
When any person who is bound by any bond taken under this Code to appear before a Court, does not so appear, the officer presiding in such Court, may issue a warrant directing that such person be arrested and produced before him.

৭,৭৩৭.
দণ্ডবিধির ১০৩ ধারায় বর্ণিত ‘অপথে গৃহে প্রবেশ’ কোন ক্ষেত্রে অপরাধকারীর মৃত্যু ঘটানোর অধিকার দেয়?
  1. যখন তা দিনের বেলা ঘটে
  2. যখন তা রাত্রিকালীন হয়
  3. যখন তা জনসম্মুখে ঘটে
  4. যখন তা সরকারী ভবনে ঘটে
সঠিক উত্তর:
যখন তা রাত্রিকালীন হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন তা রাত্রিকালীন হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১০৩: যেক্ষেত্রে সম্পত্তি সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্নরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটাইবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়:
 সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার ৯৯ ধারায় আরোপিত নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে স্বেচ্ছাকৃতভাবে অপরাধকারীর মৃত্যু সংঘটন বা তার অপর কোনরূপ ক্ষতিসাধন পর্যন্ত প্রয়োগযোগ্য হবে, যদি যে অপরাধটি করার বা করার চেষ্টার বিরুদ্ধে এই অধিকার প্রয়োগ আবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে সে অপরাধটি নিম্নবর্ণিত বিভিন্ন প্রকৃতির মধ্যে যে কোন এক ধরনের হয়, যথা:-
প্রথমত (First): দস্যুতা;
দ্বিতীয়ত (Secondly): রাত্রিবেলা অপথে গৃহে প্রবেশ করা:
তৃতীয়ত (Thirdly): কোন গৃহ, তাবু বা যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে ক্ষতি সাধন, যদি গৃহটি, তাবুটি বা যানবাহনটি মানুষের বাসস্থান হিসেবে অথবা সম্পত্তি রাখার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়;
চতুর্থত (Fourthly): চুরি, অনিষ্টকারিতা, অথবা গৃহে অনধিকার প্রবেশ, যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে, সংশ্লিষ্ট আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারটি প্রয়োগ না করলে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত অনিবার্য বলে ন্যায়সঙ্গতভাবেই আশঙ্কার উদ্ভব হয়।
৭,৭৩৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Section 89A (10) এর বিধানানুযায়ী 'Panel of Mediators' প্রস্তুত করেন কে?
  1. জেলা জজ
  2. আইন মন্ত্রণালয়
  3. জেলা প্রশাসক
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
ব্যাখ্যা
♦ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত জজ, বিরোধ নিষ্পত্তির প্রশিক্ষিত বলে জানা কোন ব্যক্তি এবং প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত এইরূপ ব্যক্তিবর্গ ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ যারা উক্ত উদ্দেশ্যে উপযুক্ত বলে বিবেচিত তাদের সমন্বয়ে জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীগণের একটি তালিকা তৈরী করবেন (সময়ে সময়ে তা হালনাগাদ করতে হবে) এবং তার প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে তালিকার বিষয়ে তিনি অবহিত করবেন।

♦ মধ্যস্থতাকারীর যোগ্যতা-
i) জেলা জজ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত প্যানেল সদস্য; বা
ii) অবসরপ্রাপ্ত জজ; অথবা
iii) সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমার পক্ষগণ নিযুক্ত উকিল ব্যতীত অন্য যে কোন উকিল মধ্যস্থতাকারী হতে পারবেন।

♦ তবে প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে (Office of Profit) নিযুক্ত কোন ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হতে পারবে না
৭,৭৩৯.
জেলা জজের আদালত কখন মোকদ্দমা স্থানান্তর করতে পারেন?
  1. যে কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
  2. বাদী-বিবাদী উভয় পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
  3. স্বপ্রণোতদিত হয়ে
  4. উপরের সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরের সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ২৪ অনুসারে উপরিউক্ত ৩ ক্ষেত্রেই মোকদ্দমা স্থানান্তর করা যায়।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ২৪ ধারায় স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতার বিধান আছে। এই ধারা অনুযায়ী মোকদ্দমার যেকোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকল পক্ষকে নোটিশ দিয়ে এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যে কোন সময়- ‌তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অন্যান্য কার্যক্রম-
১) প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং
২) তা বিচার বা নিষ্পত্তি করতে পারেন, অথবা
৩) অধীনস্ত কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির জন্য স্থানান্তর করতে পারেন; অথবা
৪) যেই আদালত হতে তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।

♦ কোন মোকদ্দমা স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত হয়ে থাকলে যে পর্যায়ে তা স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই পর্যায় হতে বিচার শুরু করতে পারেন।

♦ স্বল্প এখতিয়ার আদালত হতে স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত মোকদ্দমার বিচারকারী আদালতকে উক্ত মোকদ্দমার ব্যাপারে স্বল্প এখতিয়ার আদালত বলে গণ্য করতে হবে।
৭,৭৪০.
দণ্ডবিধির ২১২ ধারা অনুসারে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধীর আশ্রয়দাতার শাস্তির ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম কোনটি?
  1. বন্ধু বন্ধুকে আশ্রয় দিলে
  2. বাবা ছেলেকে আশ্রয় দিলে
  3. স্ত্রী তার স্বামীকে আশ্রয় দিলে
  4. বড় ভাই ছোট ভাইকে আশ্রয় দিলে
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী তার স্বামীকে আশ্রয় দিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী তার স্বামীকে আশ্রয় দিলে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ২১২ অনুযায়ী, যে ব্যক্তি কোনো অপরাধ সংঘটনের পর যদি অপরাধীকে আশ্রয় দেন বা লুকিয়ে রাখেন, তাহলে তিনি দণ্ডনীয় হবেন।
 তবে, এই ধারায় একটি ব্যতিক্রম রয়েছে:
-  Exception: এই ধারা প্রযোজ্য হবে না, যদি অপরাধীর স্বামী বা স্ত্রী তাকে আশ্রয় দেন বা লুকিয়ে রাখেন।
- অর্থাৎ, স্বামী স্ত্রী পরস্পরকে আশ্রয় দিলে তারা দণ্ডবিধির ২১২ ধারায় দণ্ডিত হবেন না।

⇒ দণ্ডবিধির ২১২ ধারায় অপরাধীকে আশ্রয় বা লুকিয়ে রাখার জন্য শাস্তির বিধান আছে। যদি দোষী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে আশ্রয়দাতা পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। যাবজ্জীবন বা দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে, দণ্ডিতের জন্য শাস্তি তিন বছর পর্যন্ত। দশ বছরের নিচে এক বছর পর্যন্ত দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত হলে, দণ্ডের সর্বাধিক মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড হতে পারে।
এই ধারার 'অপরাধ' বলতে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় যে কোনো কাজ বোঝানো হয়েছে, যা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত হলেও দণ্ডনীয় হবে। তবে, দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যদি তাকে আশ্রয় দেন, তাহলে এই বিধান প্রযোজ্য হবে না।

- দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান দোষী ব্যক্তিকে আশ্রয় দান করা:- কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে-
দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
- যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
- যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সেই অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
 
- অত্র ধারার 'অপরাধ' বলতে বাংলাদেশের মধ্যে যে কাজ অনুষ্ঠিত হলে তা ৩০২, ৩০৪, ৩৮২, ৩৯২, ৩৯৩, ৩৯৪, ৩৯৫, ৩৯৬, ৩৯৭, ৩৯৮, ৩৯৯, ৪০২, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫৭, ৪৫৮, ৪৫৯ এবং ৪৬০ ধারায় যে কোনটি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত, তা বাংলাদেশের বাইরে যেকোন স্থানে অনুষ্ঠিত হলে তাকেও বুঝাবে এবং অনুরূপ যেকোন কাজ যেন অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই সংঘটনের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, এমনভাবেই দণ্ডনীয় বলে পরিগণিত হবে।
⇒ ব্যতিক্রম:- দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।
৭,৭৪১.
'ক' নামে একজন জঙ্গি সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ একটি ক্লাবে গিয়েছিল। তাদের যদি বিশ্বাস থাকে যে, 'ক' সেখানেই আছে, তাহলে ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী ক্লাবের ম্যানেজার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারী পুলিশকে প্রবেশ এবং তল্লাশির সুবিধা দিতে বাধ্য?
  1. ৪১ ধারা
  2. ৪৪ ধারা
  3. ৪৭ ধারা
  4. ৫০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারার বিধান- যাহাকে গ্রেফতার করা হইবে, তিনি যেস্থানে প্রবেশ করিয়াছেন, সেই স্থান তল্লাশি:
গ্রেফতারী পরোয়ানা মোতাবেক কার্যরত ব্যক্তি অথবা গ্রেফতারের অধিকারী পুলিশ অফিসারের যদি বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হইবে তিনি কোন স্থানে প্রবেশ করিয়াছেন বা কোন স্থানের মধ্যে আছেন, তাহা হইলে উক্ত স্থানে বসবাসকারী বা উক্ত স্থানের ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি উপরোক্তরূপে কার্যরত ব্যক্তি বা উক্ত পুলিশ অফিসারের দাবিক্রমে তাহাকে অবাধে উক্ত স্থানে প্রবেশ করিতে দিবেন এবং উক্ত স্থানে তল্লাশির জন্য সকল প্রকার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ-সুবিধা দিবেন।

Search of place entered by person sought to be arrested:
If any person acting under a warrant of arrest, or any police-officer having authority to arrest, has reason to believe that the person to be arrested has entered into, or is within, any place, the person residing in, or being in charge of, such place shall, on demand of such person acting as aforesaid or such police-officer, allow him free ingress thereto, and afford all reasonable facilities for a search therein.
৭,৭৪২.
আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ না থাকলে কি হবে?
  1. আরজি ফেরত
  2. আরজি নাকচ
  3. মামলা খারিজ
  4. মামলা চলবে
সঠিক উত্তর:
আরজি নাকচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি নাকচ
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আাদেশ ৭ এর বিধি ১১ আনুযায়ী নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আরজি নাকোচ করা হবে।
ক) যেক্ষেত্রে এটি মোকদ্দামার কারণ ব্যক্ত করে নাই;
খ) যেক্ষেত্রে দাবীকৃত প্রতিকারের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশ মত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উহা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়েছে;
গ) যেক্ষেত্রে দাবীকৃত প্রতিকারের যথার্থই মূল্যায়ন করা হয়েছে; কিন্তু প্রয়োজন অপেক্ষা কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশত বাদী নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে বিক্রীত স্ট্যাম্প কাগজ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে।
ঘ) যেক্ষেত্রে আরজির বিবৃতি অনুযায়ী উক্ত মামলা কোন আইন দ্বারা নিষিদ্ধ বলে প্রতীয়মান হয়; তবে শর্ত থাকে যে, মামলার মূল্যমান বা আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ দাখিল করার জন্য আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময় কোনক্রমেই একুশ দিনের অধিক হবে না।
৭,৭৪৩.
১৫ বছরের নিচের কোন শিশু মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ ব্যতীত অন্য কোন অপরাধ করলে, সেই অপরাধের বিচার করতে পারে-
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপরের সবগলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগলো
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৯খ ধারা মতে কিশোরদের ক্ষেত্রে এখতিয়ার (Jurisdiction in the case of juveniles): মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতীত অন্য কোন অপরাধে অপরাধীর বয়স ১৫ বছরের কম হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারেন ।
♦অর্থাৎ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন ম্যাজিস্ট্রেট ১৫ বছরের নিচের কোন শিশুর বিচার করতে পারবে যদি সে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ ব্যতীত অন্য কোন অপরাধ করে।
৭,৭৪৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় নালিশের দরখাস্ত প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন?
  1. ১৯০ ধারায়
  2. ২০০ ধারায়
  3. ২০১ ধারায়
  4. ২০২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২০০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ ধারায়
ব্যাখ্যা

- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু ২০০ ধারায় নালিশের দরখাস্ত প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

- ফৌজদারী মামলা দায়ের করার জন্য অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হলে, অপরাধ আমলে নিতে ম্যাজিস্ট্রেট কি পদ্ধতি অনুসরণ করবে সেটাই ২০০ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম দায়িত্ব হলো নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা।  

- ২০০ ধারার বিধান করা হয়েছে,নালিশের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিচ্ছে এমন ম্যাজিস্ট্রেট অবিলম্বে বা তাৎক্ষণিকভাবে নালিশকারীকে বা উপস্থিত সাক্ষীগণের (যদি থাকে) মধ্যে যে কয়জনকে উপযুক্ত মনে করে তাদের শপথপূর্বক জবানবন্দি গ্রহণ করবেন এবং জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করবেন। নালিশকারী বা যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্ত জবানবন্দির সারমর্মে স্বাক্ষর করবেন।

- যে ক্ষেত্রে জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই-
ক. যেক্ষেত্রে লিখিত আকারে নালিশ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে ১৯২ ধারার অধীন মামলা স্থানান্তর করার পূর্বে নালিশকারী বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ বা পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই [ধারা ২০০(ক)]
খ. যেকোন মামলায় যেক্ষেত্রে আদালত লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করে [ধারা ২২০ (কক)] বা
গ. সরকারী কর্মকর্তা তার অফিসিয়াল দায়িত্ব পালনে লিখিত আকারে নালিশী দরখাস্ত দায়ের করে সেই ক্ষেত্রেও নালিশকারীর বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই [ধারা ২০০ (কক)]।
---------
The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 200 Examination of complainant:
- A Magistrate taking cognizance of an offence on complaint shall at once examine upon oath the complainant and such of the witnesses present, if any, as he may consider necessary, and the substance of the examination shall be reduced to writing and shall be signed by the complainant or witness so examined, and also by the Magistrate: 

Provided as follows:- 
(a) when the complaint is made in writing, nothing herein contained shall be deemed to require such examination before transferring the case under section 192; 
(aa) when the complaint is made in writing nothing herein contained shall be deemed to require such examination in any case in which the complaint has been made by a Court or by a public servant acting or purporting to act in the discharge of his official duties; 
(c) when the case has been transferred under section 192 and the Magistrate so transferring it has already examined the complainant and witness if any, the Magistrate to whom it is so transferred shall not be bound to re-examine them.

৭,৭৪৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী, অর্থ পরিশোধের ডিক্রি আদায়ের জন্য কোন ধরনের নারীদের গ্রেপ্তার বা সিভিল কারাগারে আটক করা নিষিদ্ধ নয়?
  1. গর্ভবতী নারী
  2. বিধবা নারী
  3. স্তন্যদানকারী নারী
  4. বৃদ্ধ, অসুস্থ নারী 
সঠিক উত্তর:
বিধবা নারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধবা নারী
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৫৬-তে স্পষ্টভাবে শুধুমাত্র নিম্নোক্ত শ্রেণির নারীদের অর্থের ডিক্রি এক্সিকিউশনে গ্রেপ্তার বা দেওয়ানি কারাগারে আটক করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে:
- বৃদ্ধা (old)
- দুর্বল/অসুস্থ (infirm)
- গর্ভবতী (pregnant)
- স্তন্যদানকারী (breast-feeding) নারী
তবে বিধবা (widow) হওয়ার কারণে কোনো নারীকে এই সুরক্ষা দেওয়া হয়নি। তাই বিধবা নারীদের এই ক্ষেত্রে গ্রেপ্তার বা আটক করা নিষিদ্ধ নয় (যদি তারা উপরের চারটি শ্রেণির মধ্যে না পড়েন)। সুতরাং সঠিক উত্তর: খ) বিধবা নারী। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৫৬– অর্থ পরিশোধের ডিক্রি কার্যকরে নারীদের গ্রেফতার বা আটক নিষিদ্ধ:
এই অধ্যায়ে অন্য যেই কিছুই বলা থাকুক না কেন, আদালত কোনো বৃদ্ধা, দুর্বল, গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী নারীকে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি কার্যনির্বাহে দেওয়ানি কারাগারে আটক বা গ্রেফতারের আদেশ প্রদান করতে পারবে না।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 56- Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money:
- Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of an old, infirm, pregnant or breast-feeding woman in execution of a decree for the payment of money.

৭,৭৪৬.
টাকার ডিক্রি জারি মামলায় কোন ধরনের দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে না?
  1. ষাটোর্ধ্ব পুরুষ
  2. যে-কোনো বয়সী স্ত্রীলোক
  3. বিকলাঙ্গ পুরুষ
  4. নিঃষ্ব ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
যে-কোনো বয়সী স্ত্রীলোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে-কোনো বয়সী স্ত্রীলোক
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারাঃ ৫৬ হল- অর্থের ডিক্রি জারিতে মহিলাকে গ্রেফতারের বা আটকের বাধা-নিষেধ (Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money): আদালত অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির জন্য কোন মহিলাকে দেওয়ানি জেলে গ্রেফতার বা আটক রাখার কোন আদেশ প্রদান করবেন না।
৭,৭৪৭.
'A' প্রতি বাক্স নীল ১,০০০ টাকা দরে ৪০ বাক্স নীল বিক্রয় করতে এবং 'B' তা ক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয়। উক্ত চুক্তির প্রতিকার কী?
  1. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
  3. আংশিকভাবে কার্যকর করা যাবে
  4. ঘোষণামূলক প্রতিকার দেয়া যাবে
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)-
 
চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।
 
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা;
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।
 
প্রশ্নে উল্লিখিত চুক্তির ক্ষেত্রে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট তাই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না।
৭,৭৪৮.
মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির হতে পারে-
  1. ব্যক্তিগত ভাবে
  2. স্বীকৃত প্রতিনিধির মাধ্যমে
  3. আইনজীবীর মাধ্যমে
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
মোকদ্দমার কোন পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে অথবা স্বীকৃত প্রতিনিধির অথবা আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজির হতে পারে। তবে আদালত নির্দেশ প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের হাজিরা বা উপস্থিতি ব্যক্তিগতভাবেই দিতে হবে।

• আদেশ ৩ বিধি ১ (উপস্থিতি ইত্যাদি ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি বা আইনজীবী মারফতে হতে পারে)-

মোকদ্দমার কোন পক্ষের আদালতে হাজিরা দেয়া, আবেদন করা বা আইন মোতাবেক অন্য যা করা কর্তব্য, প্রত্যক্ষভাবে অন্য কোন বিপরীত বিধান না থাকলে উক্ত কার্যগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে সম্পন্ন করতে পারে, অথবা তার স্বীকৃত প্রতিনিধি কর্তৃক কিংবা তার পক্ষে [ক্ষেত্র বিশেষ উপস্থিত, দরখাস্ত কিংবা কার্যকরী] কোন উকিলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় হাজিরা দিতে, আবেদন করতে বা অন্য কোন কাজ সমাধান করতে পারেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত নির্দেশ প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের হাজিরা বা উপস্থিতি ব্যক্তিগতভাবেই দিতে হবে।

Order 3 Rule 1: Appearances, etc. may be in person, by recognized agent or by pleader-
Any appearance, application or act in or to any Court, required or authorised by law to be made or done by a party in such Court, may, except where otherwise expressly provided by any law for the time being in force, be made or done by the party in person, or by his recognized agent, or by a pleader appearing, applying or acting, as the case may be, on his behalf:
Provided that any such appearance shall, if the Court so directs, be made by the in person.
৭,৭৪৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুসারে মিথ্যা বা উৎপীড়নমূলক মামলার জন্য সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ খরচ কত টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. বিশ হাজার টাকা
  2. ত্রিশ হাজার টাকা
  3. পঞ্চাশ হাজার টাকা
  4. এক লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
পঞ্চাশ হাজার টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চাশ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৫A ধারা অনুযায়ী, কোনো পক্ষ যদি মিথ্যা বা উৎপীড়নমূলক মামলা দায়ের করে, তাহলে আদালত প্রতিপক্ষকে ক্ষতিপূরণ বাবদ নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে।
- আগে এই সর্বোচ্চ পরিমাণ ছিল “twenty” অর্থাৎ ২০ হাজার টাকা, কিন্তু— দেওয়ানী কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী, ৩৫A ধারার উপ-ধারা (১)-এ “twenty” শব্দের পরিবর্তে “fifty” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হয়েছে।
অর্থাৎ এখন সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত ধার্য করা যেতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section- 35A. Compensatory costs in respect of false or vexatious claims or defences.
(1) If in any suit or other proceeding, including an execution proceeding, not being an appeal, any party objects to the claim or defence on the ground that the claim or defence, or any part of it, is false or vexatious, and if, thereafter, such claim or defence is disallowed, in whole or in part, the Court shall, after recording its reasons for holding such claim or defence to be false or vexatious, make an order for the payment to the objector, such cost by way of compensation which may, without exceeding the limit of the Court's pecuniary jurisdiction, extend upto fifty thousand taka.
(2) No person against whom an order has been made under this section shall, by reason thereof, be exempted from any criminal liability in respect of any claim or defence made by him.
(3) The amount of any cost awarded under this section in respect of a false or vexatious claim or defence shall be taken into account in any subsequent suit for damages or compensation in respect of such claim or defence.
৭,৭৫০.
'খ' উঁচু ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে, কিন্তু নিচে সফট ল্যান্ডিং ব্যবস্থা থাকায় সে বেঁচে যায়। দণ্ডবিধি অনুসারে 'খ' এর এই কাজের জন্য সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র জরিমানা
  2. ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. কোনো শাস্তি নেই
সঠিক উত্তর:
১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৯ অনুসারে: "যেকোনো ব্যক্তি আত্মহত্যার চেষ্টা করে এবং এমন চেষ্টার অংশ হিসেবে কোনো কাজ সম্পাদন করলে, তাকে সর্বোচ্চ ১ (এক) বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।"

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারা- আত্মহত্যা করার চেষ্টা:
কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒The Penal Code, 1860-Section Section 309- Attempt to commit suicide:
Whoever attempts to commit suicide and does any act towards the commission of such offence, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

৭,৭৫১.
বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১১ অনুযায়ী, বার কাউন্সিল কয়টি স্থায়ী কমিটি গঠন করবে? 
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১১(১) অনুসারে বার কাউন্সিল ৩টি স্থায়ী কমিটি গঠন করবে। কমিটিগুলো হলো:
১. নির্বাহী কমিটি (Executive Committee)
২. অর্থ কমিটি (Finance Committee)
৩. আইন শিক্ষা কমিটি (Legal Education Committee)
- এই কমিটিগুলো ছাড়াও বার কাউন্সিল প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য কমিটি গঠন করতে পারে, কিন্তু স্থায়ী কমিটি হিসেবে এই তিনটি কমিটি গঠন বাধ্যতামূলক।

⇒ বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ - অনুচ্ছেদ ১১:
(১) বার কাউন্সিল নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটি গঠন করবে:
(ক) একটি নির্বাহী কমিটি, যা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে;
(খ) একটি অর্থ কমিটি, যা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে;
(গ) একটি আইন শিক্ষা কমিটি, যা নয়জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে—যার মধ্যে পাঁচজন কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন এবং চারজন কাউন্সিল কর্তৃক কো-অপ্টেড (co-opted) হবেন, যারা কাউন্সিলের সদস্য নন। এই চারজনের মধ্যে কমপক্ষে দুজন বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের আইন বিভাগের শিক্ষক হবেন।
(২) উল্লিখিত কমিটিগুলোর ক্ষমতা ও কার্যাবলী যেরূপ নির্ধারণ করা হবে, সেরূপ হবে।
(৩) বার কাউন্সিল এই আদেশের অধীনে তার কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রয়োজন মনে করলে তার সদস্যদের মধ্য থেকে অন্যান্য কমিটি গঠন করতে পারবে।
---------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, Article-11: (1) The Bar Council shall constitute the following standing committees namely:-
(a) an executive committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(c) a finance committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(d) a legal education committee consisting of nine members-five elected by the Council from amongst its members and four co-opted by the Council from persons other than the members of the Council at least two of whom shall be teachers of law in any university or college in Bangladesh.

(2) The aforesaid committees shall have such powers and functions as may be prescribed.
(3) The Bar Council may constitute from amongst its members such other committees as it may deem necessary for the performance of its functions under this Order.

৭,৭৫২.
How many types of punishments are prescribed in the Penal Code, 1860?
  1. 2
  2. 3
  3. 5
  4. 7
সঠিক উত্তর:
5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে।
- দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে।
যথা:
(i) মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
(iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is, with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple)
(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
(v) অর্থদণ্ড (fine)
-ব্যাখ্যা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
-------------------
⇒ Section-53: The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,-
Firstly,- Death;
Secondly,- Imprisonment for life;
Thirdly,-[Omitted]
Fourthly,-Imprisonment, which is of two descriptions, namely:
(1) Rigorous, that is, with hard labour;
(2) Simple;
Fifthly,- Forfeiture of property;
Sixthly,- Fine.
Explanation.-In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.
৭,৭৫৩.
তামাদি আইন শুধু প্রতিকারে বাধা প্রদান করে এবং এটা কোন অধিকার বিলুপ্ত করে না। এই নিয়মের ব্যতিক্রম বলা আছে তামাদি আইনের কত ধারায়?
  1. ২৬ ধারা 
  2. ২৭ ধারা 
  3. ২৮ ধারা 
  4. ২৯ ধারা 
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারা 
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন শুধু প্রতিকারে বাধা প্রদান করে এবং এটা কোন অধিকার বিলুপ্ত করে না। এই নিয়মের ব্যতিক্রম বলা আছে তামাদি আইনের ২৮ ধারায়।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৮ অনুসারে, যখন কোনো মামলা বা দরখাস্ত দায়েরের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা (তামাদি মেয়াদ) অতিক্রান্ত হয়ে যায়, তখন শুধুমাত্র মামলা দায়েরের সুযোগই হারায় না, বরং বাদীর সেই সম্পত্তির উপর আইনগত অধিকারও (right itself) বিলুপ্ত হয়ে যায়।

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২৮: সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি:
কোনো সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলপ্ত হয়ে যাবে।
-------------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 28: Extinguishment of right to property:
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.

৭,৭৫৪.
‘B’ একটি ঘরে ‘X’-কে তালাবদ্ধ করে রাখে, যার ফলে ‘X’ কোনো দিকে যেতে পারে না। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘B’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩৩৯
  2. ধারা ৩৪০
  3. ধারা ৩৪১
  4. ধারা ৩৪২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪০
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৪০ অনুসারে, কোনো ব্যক্তিকে এমনভাবে অন্যায়ভাবে সংযম করা যে তিনি নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে পারেন না, তাকে অন্যায় বন্দীকরণ (Wrongful Confinement) বলা হয়। ‘B’-এর কাজ ধারা ৩৪০-এর অধীনে অপরাধ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪০ ধারার বিধান অবৈধ অবরোধ:
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তির চলাচলে অবৈধভাবে এমন নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে যে, উক্ত ব্যক্তি নিৰ্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করতে পারে না, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ:
(ক) ক, চ-কে একটি দেয়াল-ঘেরা জায়গায় যেতে বাধ্য করে এবং সেখানে চ-কে তালাবদ্ধ করে রাখে। ফলে চ সে দেয়ালের মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে অসমর্থ হয়। ক চ-কে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে।
(খ) ক কোন অট্টালিকার সকল বহির্দ্বারে আগ্নেয়াস্ত্রে-সজ্জিত ব্যক্তিদের মোতায়েন করে চ-কে বলে যে, চ অট্টালিকা হতে নিষ্ক্রমণের চেষ্টা করলে আগ্নেয়াস্ত্র-সজ্জিত ব্যক্তিরা চ-এর প্রতি গুলিবর্ষণ করবে। ক অবৈধভাবে চ-কে অবরোধ করেছে।

⇒The Penal Code, 1860- Section 340- Wrongful confinement:
Whoever wrongfully restrains any person in such a manner as to prevent that person form proceeding beyond certain circumscribing limits, is said "wrongfully to confine" that person.
Illustrations-
(a) A causes Z to go within a walled space, and locks Z in. Z is thus prevented from proceeding in any direction beyond the circumscribing line of wall. A wrongfully confines Z. 
(b) A places men with firearms at the outlets of a building, and tells Z that they will fire at Z if Z attempts to leave the building. A wrongfully confines Z.

৭,৭৫৫.
অ্যাডভোকেট হওয়ার জন্য নিম্নের কোনটি বাধ্যতামূলক যোগ্যতা?
  1. ১৮ বছর বয়স সম্পূর্ণ করা
  2. ২১ বছর বয়স সম্পূর্ণ করা
  3. ১০ বছর মোক্তার হিসেবে কাজ করা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
২১ বছর বয়স সম্পূর্ণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর বয়স সম্পূর্ণ করা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ২১ বছর বয়স সম্পূর্ণ করা।

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ২৭: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা:
(১) এই আদেশ এবং এর অধীনে প্রণীত বিধিমালার বিধানাধীনভাবে, একজন ব্যক্তি অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্য হবেন যদি তিনি নিম্নোক্ত শর্তাবলি পূরণ করেন:
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক;

(খ) তিনি ২১ বছর বয়স সম্পূর্ণ করেছেন;

(গ) তিনি নিচের যেকোনো একটি যোগ্যতা অর্জন করেছেন:
(i) বাংলাদেশ ভূখণ্ডের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেছেন; অথবা

(ii) ২৬শে মার্চ, ১৯৭১ তারিখের পূর্বে পাকিস্তানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেছেন:
তবে শর্ত থাকে যে, বার কাউন্সিল যদি সন্তুষ্ট হয় যে, কোনো ব্যক্তি ২৫শে মার্চ, ১৯৭১-এর পর বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করছিলেন এবং অনিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতির কারণে দেশে ফিরতে পারেননি, তাহলে কাউন্সিল ঐ ডিগ্রিকে স্বীকৃতি দিতে পারে; অথবা

(iii) ১৪ই আগস্ট, ১৯৪৭-এর পূর্বে, ভারত শাসন আইন, ১৯৩৫ অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত ভারতের অন্তর্ভুক্ত যেকোনো এলাকার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন ডিগ্রি অর্জন করেছেন; অথবা

(iv) বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন; অথবা
তিনি ব্যারিস্টার।

(ঘ) তিনি বার কাউন্সিল নির্ধারিত পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়েছেন; এবং

(ঙ) তিনি নির্ধারিত ভর্তি ফি প্রদান করেছেন এবং বার কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য শর্ত পূরণ করেছেন।

(১ক) উপধারা (১) সত্ত্বেও, যে ব্যক্তি কমপক্ষে সাত বছর মোক্তার (Mukhtar) হিসেবে কর্মরত ছিলেন, এবং যদি তিনি উপধারা (১)-এর (ক), (খ), (ঘ) ও (ঙ) দফাগুলো পূরণ করেন, তাহলে তাঁকেও অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত করা যেতে পারে, তবে অন্যান্য প্রযোজ্য বিধির আলোকে।

(২) কাউকে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত করার পূর্বে, বার কাউন্সিল চাইলে তাঁকে কোনো নির্ধারিত প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশগ্রহণ করতে বাধ্য করতে পারে।

(৩) একজন ব্যক্তি অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার অযোগ্য হবেন যদি:
(ক) তিনি সরকার বা কোনো সরকারি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার চাকরি থেকে নৈতিক স্খলন সংক্রান্ত অভিযোগে বরখাস্ত হন এবং বরখাস্তির পর কমপক্ষে দুই বছর অতিক্রান্ত না হয়; অথবা
(খ) তিনি নৈতিক স্খলন সংক্রান্ত কোনো অপরাধে দণ্ডিত হন এবং দণ্ডভোগের পর কমপক্ষে পাঁচ বছর (বা সরকার কর্তৃক গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নির্ধারিত কম সময়) অতিক্রান্ত না হয়।
৭,৭৫৬.
"কোনো নারী শুধুমাত্র তার লিঙ্গের কারণে আইনজীবী হিসেবে প্রবেশের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা যাবে না" – এটি বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর কোন অনুচ্ছেদের অংশ?
  1. অনুচ্ছেদ ২৭
  2. অনুচ্ছেদ ২৮
  3. অনুচ্ছেদ ২৯
  4. অনুচ্ছেদ ৩০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৮
ব্যাখ্যা
⇒ "কোনো নারী শুধুমাত্র তার লিঙ্গের কারণে আইনজীবী হিসেবে প্রবেশের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা যাবে না" বিষয়টি বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ২৮-এ উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, নারীদের লিঙ্গের কারণে আইনজীবী হিসেবে প্রবেশের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বৈষম্য করা যাবে না।
- অর্থাৎ, শুধুমাত্র নারীর লিঙ্গের কারণে তাকে আইনজীবী হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা সৃষ্টি করা হবে না।

অনুচ্ছেদ ২৭, ২৯, এবং ৩০-এ এই বিষয়টি আলোচিত হয়নি, তাই সঠিক উত্তর হলো অনুচ্ছেদ ২৮।

→ The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 (President's Order) Article-28.
- No woman shall be disqualified for admission to be an advocate for reason only of her sex.
৭,৭৫৭.
'ক', 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে, 'খ'-এর মৃত্যু কে প্রমাণ করবে?
  1. 'ক'
  2. আদালত
  3. 'খ'-এর সাক্ষী
  4. মৃত্যুকালীন ঘোষণা যাকে প্রদান করেছে
সঠিক উত্তর:
'ক'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক'
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারার বিধান- যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্ব:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরে বর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।
(খ) একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

৭,৭৫৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৭ বিধি ৪ অনুসারে, আদালত কখন পুনর্বিবেচনার আবেদন অগ্রাহ্য করতে পারে?
  1. ডিক্রি বা আদেশ বাতিল হলে
  2. যথেষ্ট অজুহাত না থাকলে
  3. বিপরীত পক্ষ উপস্থিত না থাকলে
  4.  আবেদনকারী নতুন প্রমাণ উপস্থাপন করলে
সঠিক উত্তর:
যথেষ্ট অজুহাত না থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যথেষ্ট অজুহাত না থাকলে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৭ বিধি-৪: যেক্ষেত্রে আবেদন অগ্রাহ্য হয়:
১) যদি আদালতের নিকট দৃষ্টিগোচর হয় যে, পুনর্বিবেচনা করার মত যথেষ্ট অজুহাত নেই, তাহলে আদালত পুনর্বিবেচনার আবেদন অগ্রাহ্য করতে পারবে।

২) আবেদন মঞ্জুর হওয়ার ক্ষেত্রেঃ যদি আদালত মনে করেন যে, পুনর্বিবেচনার আবেদন মঞ্জুর করা উচিতঃ তবে শর্ত থাকে যে,
ক) যে ডিক্রি বা আদেশ পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা করা হয়েছে, সে ডিক্রি বা আদেশ সম্পর্কে বিপরীত পক্ষকে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ প্রদানের জন্য পূর্বে নোটিশ প্রদান করা না হলে পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা মঞ্জুর করা যাবে না; এবং

খ) প্রার্থনাকারী এমন ধরনের নতুন তথ্য বা প্রমাণের উদঘাটন করেছে যা ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের সময় তার জ্ঞাতসারে ছিল না বা উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি, উক্ত অভিযোগের কারণে পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা আবেদন করা হলে ঐরূপ অভিযোগ সম্বন্ধে দৃঢ় প্রমাণ ব্যতীত পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা মঞ্জুর করা যাবে না।

৭,৭৫৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী "বিচার্য বিষয়" কত প্রকার?
  1. এক প্রকার
  2. দুই প্রকার
  3. তিন প্রকার
  4. চার প্রকার
সঠিক উত্তর:
দুই প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ আদেশ ১৪ বিধি-১ বিচার্য বিষয় প্রণয়ন:
(১) যখন কোন ঘটনার বা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একপক্ষ দুঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।
(২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলতে আইনগত বা তথ্যসংক্রান্ত সেই সমস্ত বিষয় বুঝাবে, বাদী কর্তৃক তার মামলা করার অধিকার প্রতিপন্ন করার জন্য যে বিষয়ে অভিযোগ আনয়ন করতে হবে, অথবা বিবাদী কর্তৃক আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য যে বিষয়ের উপর নির্ভর করতে হবে।
(৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করে।
(৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকার : ক) তথ্যগত বা ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইনগত বিচার্য বিষয়।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-14. Framing of issues:
(1) Issues arise when a material proposition of fact or law is affirmed by the one party and denied by the other.
(2) Material propositions are those propositions of law or fact which a plaintiff must allege in order to show a right to sue or a defendant must allege in order to constitute his defence.
(3) Each material proposition affirmed by one party and denied by the other shall form the subject of a distinct issue.
(4) Issues are of two kinds: (a) issues of fact, (b) issues of law.
৭,৭৬০.
৩৬৪ ধারায় অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের পর কে স্বাক্ষর করবেন?
  1. শুধু ম্যাজিস্ট্রেট
  2. শুধু অভিযুক্ত
  3. তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা
  4. অভিযুক্ত এবং ম্যাজিস্ট্রেট উভয়
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত এবং ম্যাজিস্ট্রেট উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত এবং ম্যাজিস্ট্রেট উভয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬৪- অভিযুক্তের জবানবন্দি যেভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতীত অন্য কোন আদালত, কোন অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রত্যেকটি প্রশ্ন ও তাঁর প্রদত্ত প্রত্যেকটি জবাবসহ সমগ্র , যে ভাষায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সে ভাষায় বা তা সম্ভব না হলে আদালতের ভাষায় কিংবা ইংরেজি ভাষায় পূর্ণাংগরূপে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং উক্ত নথি তাকে দেখাতে হবে বা পড়ে শুনাতে হবে অথবা যে ভাষায় তা লেখা হয়েছে ঐ সে বুঝতে না পারলে, যে ভাষা সে বুঝে ঐ ভাষায় তা তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে এবং সে তার জবাব ব্যাখা করতে বা তাতে জবাবে নতুন কিছু যোগ করতে পারবে।

(২) সে যখন সমগ্র জবানবন্দি সত্য হিসাবে স্বীকার করে, তখন অভিযুক্ত এবং উক্ত আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জাজ তাতে স্বাক্ষর করবেন এবং উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বহস্তে সার্টিফাই করবেন যে, জবানবন্দি তাঁর উপস্থিতিতে ও শ্রবণের মধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং নথিতে অভিযুক্তের বিবৃতির একটি পূর্ণাঙ্গ ও সত্য বিবরণ রয়েছে।

(৩) ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বয়ং অভিযুক্তের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ না করলে জবানবন্দি চলার সময় তিনি আদালতের ভাষায় বা ইংরেজীর সঙ্গে পর্যাপ্তভাবে পরিচিত হলে ইংরেজি ভাষায় তার একটি স্মারক তৈরী করতে থাকবেন এবং এরূপ স্মারক ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ কর্তৃক স্বহস্তে লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং নথির সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট বা জাজ যদি উক্ত স্মারক তৈরী করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে তিনি তাঁর এরূপ অসামর্থ্যের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৪) এই ধারার কোন বিধান ধারা-২৬৩ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে মর্মে পরিগণিত করা যাবে না।
৭,৭৬১.
"ক” এমন একটি কাজ করেছে যা চুরি বা চোরাইমাল গ্রহণ অথবা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ হতে পারে।এক্ষেত্রে “ক”-কে, কোন অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা যেতে পারে?
  1. যেকোন একটি অপরাধের জন্য
  2. সকল অপরাধের জন্য
  3. ক বা খ
  4. ফরিয়াদির ইচ্ছানুযায়ী
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৩ তে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট আলাদা অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠনের বিধান রয়েছে।এই ধারা অনুসারে ২৩৪,২৩৫,২৩৬ ও ২৩৯ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হলে,প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট অপরাধের জন্য একটি পৃথক অভিযোগ হবে এবং এরূপ প্রত্যেকটি অভিযোগের বিচার পৃথকভাবে হবে।

• তবে ধারা ২৩৬ অনুযায়ী-
যদি একটিমাত্র কাজ অথবা ধারাবাহিক কতিপয় কাজ এরূপ প্রকৃতির হয় যে,যেসকল তথ্য প্রদান করা যায় তার ভিত্তিতে কতিপয় অপরাধের মধ্যে কোনটি গঠিত হয় সে সম্পর্কে সন্দেহ থাকে,তাহলে অভিযুক্তকে এরূপ সকল অথবা যেকোন একটি সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত করা যাবে এবং যেকোনো সংখ্যক অভিযোগের বিচার একই সময় হতে পারবে:অথবা তাকে উক্ত অপরাধসমূহের মধ্যে যে কোন একটির জন্য বিকল্পভাবে অভিযুক্ত করা যাবে।
[If a single act or series of acts is of such a nature that it is doubtful which of several offences the facts which can be proved will constitute,the accused may be charged with having committed all or any of such offences,and any number of such charges may be tried at once; or he may be charged in the alternative with having committed some one of the said offences.]

অর্থাৎ “ক”-কে শুধুমাত্র ছবি বা চোরাইমাল গ্রহণ বা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এর জন্য অভিযুক্ত করা; অথবা চুরি,চোরাইমাল গ্রহণ,অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ সকল অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা যাবে।
৭,৭৬২.
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by ______________.
  1. The Specific Relief Act, 1877
  2. The Code of Civil Procedure,1908
  3. The Civil Courts Act, 1887
  4. The Code of Criminal Procedure, 1898
সঠিক উত্তর:
The Code of Civil Procedure,1908
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Code of Civil Procedure,1908
ব্যাখ্যা
• Section-10: Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.
Explanation 1- A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2- A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ১:
এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে, সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ২:
সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
৭,৭৬৩.
Order 18 Rule 4A অনুযায়ী হলফনামা আদালতে জমা দেওয়ার আগে কী বাধ্যতামূলক?
  1. ফি প্রদান
  2. আদালতের অনুমতি
  3. বিপক্ষ পক্ষকে এক কপি প্রদান করা
  4. সাক্ষীকে এক কপি প্রদান করা
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষ পক্ষকে এক কপি প্রদান করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষ পক্ষকে এক কপি প্রদান করা
ব্যাখ্যা

Order XVIII, Rule 4A- Examination-in-chief on affidavit and admissibility of documents:
(১) এই কোড বা Evidence Act, 1872–এ ভিন্ন কিছু থাকলেও তা সত্ত্বেও আরজি (plaint) বা লিখিত জবাবে (written statement) যে তথ্য উল্লেখ আছে, বাদী বা বিবাদীকে মৌখিকভাবে (orally) সেগুলো পুনরায় বলতে বা অস্বীকার করতে হবে না।

(২) প্রত্যেক ক্ষেত্রে, বাদী বা বিবাদীর Examination-in-chief (প্রধান জবানবন্দি) হবে হলফনামার (affidavit) মাধ্যমে। এরপর তিনি জেরা (cross-examination) হতে পারবেন, এবং প্রয়োজনে পুনঃজেরা (re-examination)–ও হতে পারে।

প্রথম শর্ত (Proviso 1)-
হলফনামা আদালতে জমা দেওয়ার আগে এক কপি বিপক্ষ পক্ষকে অবশ্যই সরবরাহ করতে হবে।

দ্বিতীয় শর্ত (Proviso 2)-
যদি হলফনামার সঙ্গে কোনো নথি দাখিল করা হয় এবং পক্ষসমূহ সেই নথির ওপর নির্ভর করে, তাহলে ঐ নথির প্রমাণ (proof) ও গ্রহণযোগ্যতা (admissibility) আদালতের আদেশের ওপর নির্ভর করবে।

৭,৭৬৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে Special Magistrate বা বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট কত প্রকার?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ১২ ধারামতে Special Magistrate তিন প্রকার। যথা-
ⅰ) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Special Executive Magistrate);
ii) বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট (Special Magistrate);
iii) বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Special Metropolitan Magistrate).

- ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(১) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ব্যক্তির উপর অর্পণ করলে, উক্ত ব্যক্তিবর্গ বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে কোন প্রথম শ্রেণী, দ্বিতীয় শ্রেণী বা তৃতীয় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৫) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে, মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
------------------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-12. Special Magistrate:
(1) The Government may confer upon any person all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on an Executive Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes of cases, or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area: 
Provided that no power shall be conferred under the sub-section on any police officer below the grade of an Assistant Superintendent of Police and no powers shall be conferred on a such police officer except so far as may be necessary for preserving the peace, preventing crime and detecting apprehending and detaining offenders, in order to bring the offender before a Magistrate, and for the performance by the officer of any other duties imposed upon him by any law for the time being in force. 
(2) The persons on whom the powers under sub-section (1) are conferred shall be called Special Executive Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may by general or special order direct. 
(3) The Government may, in consultation with the High Court Division confer upon any Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on a Judicial Magistrate of the first, second or third class in respect of particular cases or a particular class or classes of cases or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area. 
(4) The Magistrate on whom the powers under sub-section (3) are conferred shall be called Special Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may, in consultation with the High Court Division, by general or special order direct. 
(5) The Government may in consultation with the High Court Division confer upon any Metropolitan Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on Metropolitan Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes, or in regard to cases generally in any Metropolitan Area. 
(6) The persons on whom the powers under sub-section (5) are conferred shall be called Special Metropolitan Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may in consultation with High Court Division by general or special order direct.
৭,৭৬৫.
নিচের কোনটি The Limitation Act, 1908-এর ২৮ ধারার মূল বিধান?
  1. আদালত তামাদির সময়সীমা যেকোনো সময় বাড়াতে পারে
  2. তামাদির সময় পার হলেও মালিকানার অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকে
  3. তামাদির মেয়াদ পার হয়ে গেলে সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যায়
  4. আদালত ব্যক্তির অধিকারের জন্য নতুন সময় নির্ধারণ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
তামাদির মেয়াদ পার হয়ে গেলে সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদির মেয়াদ পার হয়ে গেলে সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যায়
ব্যাখ্যা
উত্তর: (গ) তামাদির মেয়াদ পার হয়ে গেলে সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যায়।
⇒ The Limitation Act, 1908-এর ২৮ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি তামাদি আইনে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তার সম্পত্তির অধিকার প্রমাণ করতে ব্যর্থ হন, তবে তার ঐ সম্পত্তির উপর কোনো অধিকার থাকবে না এবং সেটি সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

 উদাহরণ:
যদি একজন ব্যক্তি তার জমির মালিকানা পুনরুদ্ধারের জন্য ১২ বছর এর মধ্যে মামলা না করেন, তাহলে তামাদি মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়ার পর তিনি আইনি অধিকার হারাবেন এবং জমির বর্তমান দখলদার মালিক হয়ে যাবে।

→ এ কারণেই বলা হয়, "Limitation does not only bar the remedy but also extinguishes the right." অর্থাৎ, তামাদির সময়সীমা পার হয়ে গেলে শুধু মামলা করার অধিকারই হারায় না, বরং সম্পত্তির অধিকারই বিলুপ্ত হয়ে যায়।
-----------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section- 28. Extinguishment of right to property:
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.
৭,৭৬৬.
একজন ব্যক্তি নাবালক অবস্থায় উন্মাদে পরিণত হলে, তামাদি আইন অনুযায়ী মামলা দায়েরের মেয়াদ কখন থেকে গণনা শুরু হবে?
  1. অধিকার সৃষ্টির সময় থেকেই
  2. যখন সে উন্মাদ অবস্থা থেকে মুক্তি পাবে
  3. যখন সে নাবালক অবস্থা থেকে মুক্তি পাবে
  4. যখন সে উভয় অবস্থা (নাবালক ও উন্মাদ) থেকেই মুক্তি পাবে
সঠিক উত্তর:
যখন সে উভয় অবস্থা (নাবালক ও উন্মাদ) থেকেই মুক্তি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন সে উভয় অবস্থা (নাবালক ও উন্মাদ) থেকেই মুক্তি পাবে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৬(২) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি তামাদির মেয়াদ গণনা শুরুর সময় একাধিক বৈধ অপারগতা (যেমন: নাবালকত্ব ও উন্মাদত্ব) এর অধীন থাকে, বা এক অপারগতা চলাকালে আরেক অপারগতায় পতিত হয়, তবে সমস্ত অপারগতা শেষ হওয়ার পর থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।
- সুতরাং, উভয় অপারগতা (নাবালকত্ব ও উন্মাদত্ব) শেষ হওয়ার পর তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ৬ ধারা বিধান- বৈধ অপারগতা:
(১) যেক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় কলামে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে যা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।
(২) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হওয়ার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে তা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।
(৩) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে তা করা যেতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করতে পারবে।
(৪) যেক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।

৭,৭৬৭.
দাঙ্গা সংঘটনের উদ্দেশ্যে বেপরোয়াভাবে উস্কানি প্রদান করার শাস্তির বিধান কোথায় রয়েছে?
  1. ১৫১ ধারায়
  2. ১৫৩ ধারায়
  3. ১৫৩ক ধারায়
  4. ১৫৩খ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দাঙ্গা সংঘটনের উদ্দেশ্যে বেপরোয়াভাবে উস্কানি প্রদান করার জন্য ১৫৩ ধারায় ২ ধরণের শাস্তি রয়েছে। যথা-

-(i) উক্ত উস্কানির ফলে দাঙ্গা সংঘটিত হলে শান্তি- অনধিক ১ বৎসর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দক।

-(ii) উক্ত উস্কানির ফলে দাঙ্গা সংঘটিত না হলে শাস্তি- অনধিক ৬ মাস কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়াদণ্ড।

♦ দণ্ডবিধির ১৫৩ ধারার বিধান দাঙ্গা সংঘটনের উদ্দেশ্যে বেপরোয়াভাবে উস্কানি দান করা-দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হওয়ার ক্ষেত্রে; দাঙ্গা অনুষ্ঠিত না হওয়ার ক্ষেত্রে:- কোন ব্যক্তি যদি দুরভিসন্ধি মূলক ভাবে, বা বেপরোয়াভাবে কোন বেআইনী কার্য করে কাউকে উস্কানি দেয় এবং এইরূপ উস্কানি দিয়ে দাঙ্গার অপরাধ সংঘটনই কাজটির উদ্দেশ্য হয় অথবা এইরূপ প্ররোচনা দানের ফলে দাঙ্গার অপরাধ অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে উক্ত ব্যক্তির জানা থাকে,

- তবে-অনুরূপ উস্কানির ফলে দাঙ্গার অপরাধটি অনুষ্ঠিত হলে, উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; এবং এইরূপ প্ররোচনাদানের ফলে দাঙ্গার অপরাধটি অনুষ্ঠিত না হলে, সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৭,৭৬৮.
একটি মোকদ্দমায় 'ক' একাধিক বাদীদের মধ্যে একজন। সকল বাদীদের পক্ষে শুধু 'ক' মোকদ্দমা পরিচালনা করতে পারে যদি-
  1. বাদীপক্ষ লিখিতভাবে ক্ষমতা অর্পণ করে
  2. বিবাদীপক্ষ মৌখিক বা লিখিতভাবে ক্ষমতা অর্পণ করে
  3. আদালত লিখিত ভাবে ক্ষমতা অর্পণ করে
  4. বাদীপক্ষ মৌখিক ভাবে ক্ষমতা অর্পণ করে
সঠিক উত্তর:
বাদীপক্ষ লিখিতভাবে ক্ষমতা অর্পণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীপক্ষ লিখিতভাবে ক্ষমতা অর্পণ করে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১ বিধি ১২ অনুযায়ী-

১) কোন মোকদ্দমায় অধিক সংখ্যক বাদি বিদ্যমান থাকলে তন্মধ্যে যেকোন এক ব্যক্তিকে অথবা একাধিক ব্যক্তিকে সকলে তাদের পক্ষে আদালতে উপস্থিত হয়ে মোকদ্দমাকেন্দ্রিক অভিযোগাদির উত্তর দিতে বা কার্য করতে তথা তদারক করার ক্ষমতা প্রদান করতে পারবে,
অনুরূপভাবে কোন মোকদ্দমার অধিক সংখ্যক বিবাদি বিদ্যমান থাকলে, তন্মধ্যে যেকোন একজনকে বা একাধিক জনকে অপর সকলে তাদের পক্ষে আদালতে হাজির হয়ে মোকদ্দমাকেন্দ্রিক অভিযোগাদির উত্তর দিতে বা কার্য করতে তথা তদারক করার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবে।

২) ক্ষমতা প্রদানকারী পক্ষের স্বাক্ষরে ক্ষমতা অর্পণ লিখিতভাবে করতে হবে এবং তা আদালতে দাখিল করতে হবে।

Appearance of one of several plaintiffs or defendants for others-
(1) Where there are more plaintiffs than one, any one or more of them may be authorized by any other of them to appear, plead or act for such other in any proceedings; and in like manner, where there are more defendants than one, any one or more of them may be authorized by any other of them to appear, plead or act for such other in any proceeding.
(2) The authority shall be in writing signed by the party giving it and shall be filed in Court. 
৭,৭৬৯.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় 'বিচারালয়' এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ১৯
  2. ২০
  3. ২১
  4. ২২
সঠিক উত্তর:
২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ২০ ধারার বিধান 'বিচারালয়' বা 'আদালত':- 'বিচারালয়' বা 'আদালত' বলতে শুধু বিচার কার্য করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত বিচারক বা বিচারক সংস্থাকে বুঝাবে, যেক্ষেত্রে এইরূপ বিচারক বা বিচারক সংস্থা বিচার কার্য করছেন।
------------------
→ The Penal Code,1860- Section 20: "Court of Justice":- The words "Court of Justice" denote a Judge who is empowered by law to act judicially alone, or a body of Judges which is empowered by law to act judicially as a body, when such Judge or body of Judges is acting judicially.
৭,৭৭০.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত আদেশের কত বিধি অনুযায়ী আপীল আদালত রায় ঘোষণা করতে পারে?
  1. আদেশ ৪১, বিধি ৩০
  2. আদেশ ৪১, বিধি ৩১
  3. আদেশ ৪১, বিধি ৩২
  4. আদেশ ৪২, বিধি ২
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১, বিধি ৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১, বিধি ৩০
ব্যাখ্যা
⇒ আপিলে রায়:
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩০ এর বিধান রায় কখন এবং কোথায় ঘোষিত হয়:  আপিল আদালত পক্ষগণ বা তাদের উকিলদের শুনানির পর এবং আপিলের বা যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয়েছে সে আদালতের কার্যধারার কোন অংশ রেফারেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় বলে বিবেচিত হলে সেটা উল্লেখ করে তৎক্ষণাৎ বা পরবর্তী তারিখ সম্পর্কে যার নোটিশে পক্ষগণকে বা উকিলগণকে প্রদান করতে হবে, প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষিত হবে।
-------------
⇒ Judgment in appeal:

Order 41 Rule.-30: Judgment. When and where pronounced.- The Appellate Court after hearing the parties or their pleaders and referring to any part of the proceedings, whether on appeal or in the Court from whose decree the appeal is preferred, to which reference may be considered necessary, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day of which notice shall be given to the parties or their pleaders.
৭,৭৭১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী কোন ধরনের মোকদ্দমায় আদালত তার ডিক্রির কপি নিবন্ধন কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন?
  1. দলিল বাতিলের
  2. চুক্তি বাতিলের
  3. দলিল সংশোধনের
  4. চুক্তি সংশোধনের
সঠিক উত্তর:
দলিল বাতিলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল বাতিলের
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৩৯ ধারার বিধান: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
-যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

-যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।

-অর্থাৎ দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় আদালত তার ডিক্রির কপি নিবন্ধন কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন।
-----------------
⇒The Specific Relief Act, 1877-Section-39: When cancellation may be ordered:
-Any person against whom a written instrument is void or voidable, who has reasonable apprehension that such instrument, if left outstanding, may cause him serious injury, may sue to have it adjudged void or viodable; and the Court may, in its discretion, so adjudge it and order it to be delivered up and cancelled.
If the instrument has been registered under the Registration Act, 1908, the Court shall also send a copy of its decree to the officer in whose office the instrument has been so registered; and such officer shall note on the copy of the instrument contained in his books the fact of its cancellation.
৭,৭৭২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা অনুসারে নিযুক্ত রিসিভারের দায়িত্ব,কর্তব্য ও ক্ষমতা কোন আইন অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হবে? 
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
  2. দেওয়ানী কার্যবিধি
  3. ফৌজদারী কার্যবিধি
  4. সাক্ষ্য আইন
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কার্যবিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কার্যবিধি
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা- তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক: প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।
------------------------
Section 44- Appointment of receivers discretionary: The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
Reference to Code of Civil Procedure: The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.

৭,৭৭৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫১৪ ধারায় কীসের পদ্ধতি বর্ণিত আছে?
  1. জামিনদারের অব্যাহতির
  2. জামিননামা গ্রহণের
  3. জামিননামা বাজেয়াপ্তির
  4. নাবালক কর্তৃক জামিননামা প্রদানের
সঠিক উত্তর:
জামিননামা বাজেয়াপ্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিননামা বাজেয়াপ্তির
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫১৪: জামিননামা বাজেয়াপ্তি পদ্ধতি-

(১) যে আদালত এই আইন অনুসারে জামিননামা গ্রহণ করেছেন সেই আদালত অথবা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে,অথবা জামিননামাটি কোন আদালতে হাজির হবার জন্য প্রদত্ত হলে সেই আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে যখন প্রমানীত হয় যে, জামিননামাটি বাজেয়াপ্ত হয়েছে তখন আদালত এরূপ প্রমাণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এরূপ মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তিকে উহাতে উল্লেখিত অর্থ প্রদান করতে, অথবা কেন উহা প্রদান করা হবে না তার কারণ দর্শাতে বলতে পারবেন।

(২) যদি পর্যাপ্ত কারণ প্রদর্শন করা না হয় এবং জরিমানার টাকা প্রদান করা না হয়, তাহলে উক্ত ব্যক্তির অস্থাবর সম্পত্তি বা তিনি মারা গেলে তার পরিত্যক্ত সম্পত্তির মধ্য হতে অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের নিমিত্তে পরোয়ানা জারী করে অর্থ আদায়ের জন্য অগ্রসর হতে পারবেন।

(৩) এরূপ পরোয়ানা যে আদালত ইস্যু করেন সেই আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে কার্যকর করা যাবে; এবং এই আদালত উক্ত সীমার বাইরে উক্ত ব্যক্তি অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের ক্ষমতা দিতে পারবেন; যদি উক্ত সম্পত্তি যে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থিত তার দ্বারা উহা পৃষ্ঠাঙ্কিত হয়।

(৪) যদি উক্ত জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হয় এবং উক্ত ক্রোক ও বিক্রয় দ্বারা যদি আদায় করা না যায়, তাহলে যে আদালত পরোয়ানা ইস্যু করেছেন সেই আদালতের আদেশক্রমে মুচেলেকাবদ্ধ ব্যক্তি দেওয়ানি জেলে ছয় মাস পর্যন্ত আবদ্ধ থাকবেন।

(৫) আদালত ইহার বিবেচনামূলক ক্ষমতার দ্বারা উল্লেখিত অর্থের অংশ বিশেষ মওকুফ করতে এবং অংশ বিশেষ পরিশোধে বাধ্য করতে পারবেন।

(৬) কোন জামিননামা বাজেয়াপ্ত হবার পূর্বে উহার জামিনদার মারা গেলে তার সম্পত্তি উক্ত জরিমানা সম্পর্কিত সমস্ত দায় হতে মুক্ত হয়ে যাবে।

(৭) যে ব্যক্তি ১০৬ বা ১১৮ বা ৫৬২ ধারা অনুসারে জামানত দিয়াছে সেই ব্যক্তি যদি এমন কোন অপরাধে দণ্ডিত হয় যে অপরাধ করা তার জামিননামার শর্ত লংঘন' বলে পরিগনিত হয়, অথবা তার ৫১৪খ ধারার জামিননামার শর্ত লংঘন বলে পরিগণিত হয়, তাহলে যে আদালত তাকে উক্ত অপরাধে দণ্ডিত করেছেন, সেই আদালতের রায়ের একটি সইমোহর সকল এই ধারা অনুসারে তার জামিনদার বা জামিনদারগণের বিরুদ্ধে আনীত প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে, এবং এই নকল এভাবে ব্যবহৃত হলে বিপরীত সত্য প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত ধরে নিবেন যে, সে উক্ত অপরাধ করেছে।
৭,৭৭৪.
A টাকাসহ একটি টাকার থলে খুঁজে পায় কিন্তু জানে না টাকার থলেটা কার। পরবর্তীতে সে জানতে পারে যে, টাকার থলেটা Z-এর। এটা জেনেও A এই টাকা নিজ খরচ করে ফেলে। A এর অপরাধটি দণ্ডবিধির-
  1. ধারা ৪০৩
  2. ধারা ৪০৪
  3. ধারা 800
  4. ধারা ৪০৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০৩
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ: কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা তা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি ১ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাত্ত এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নেই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি তার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে তা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না;
কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও তা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে তা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে। অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে তার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে তার মালিক তা জানার আবশ্যকতা নেই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় সেটা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।

♦  যেহেতু টাকার মালিক কে এটা জানার পর A টাকা নিজ ব্যবহারে পরিণত করেছে, তাই সে অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে। তাই সে ৪০৩ ধারায় দণ্ডিত হবে।
৭,৭৭৫.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় অনুমান (presume) এর সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ২ ধারায়
  2. ৩ ধারায়
  3. ৪ ধারায়
  4. ৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৪ নম্বর ধারায় অনুমান (Presume) সম্পর্কিত বিধান দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় "May Presume," "Shall Presume," এবং "Conclusive Proof"—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার মতে অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।
⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।
⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত। করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।

ধারা ৪-এর মূল বিষয়বস্তু:
- May Presume (সাধারণ অনুমান): আদালত কোনো বিষয়কে প্রমাণিত বলে ধরে নিতে পারে, তবে তা পাল্টে দেওয়ার জন্য প্রমাণ গ্রহণ করতে পারে।
- Shall Presume (আবশ্যিক অনুমান): আদালত অবশ্যই নির্দিষ্ট বিষয়কে প্রমাণিত ধরে নেবে, যতক্ষণ না তা খণ্ডন করা হয়।
- Conclusive Proof (চূড়ান্ত প্রমাণ): কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয় একবার প্রমাণিত হলে আদালত সেটিকে সত্য ধরে নেবে এবং তার বিপরীতে কোনো প্রমাণ গ্রহণ করবে না।
---------
The Evidence Act, 1872: Section- 4:
"May presume" - Whenever it is provided by this Act that the Court may presume a fact, it may either regard such fact as proved, unless and until it is disproved, or may call for proof of it:
“Shall presume” - Whenever it is directed by this Act that the Court shall presume a fact, it shall regard such fact as proved, unless and until it is disproved:
“Conclusive proof” - When one fact is declared by this Act to be conclusive proof of another, the Court shall, on proof of the one fact, regard the other as proved, and shall not allow evidence to be given for the purpose of disproving it.
৭,৭৭৬.
একটি আপিল দায়েরে তামাদির মেয়াদ গণনায় সংশ্লিষ্ট রায়ের নকল তুলতে ব্যয়িত সময় -
  1. যুক্ত হবে
  2. সম্পূর্ণ বাদ যাবে
  3. অর্ধেক বাদ যাবে
  4. বাদ যাবে নাকি যুক্ত হবে তা আদালতের বিবেচনাধীন বিষয়
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ বাদ যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ বাদ যাবে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১২ ধারা- আইনানুগ কার্যধারায় যে পরিমাণ সময় গণনা হতে বাদ দিতে হবে-

(১) কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যেদিন হতে উক্ত মেয়াদ গণনা করতে হবে সেই দিন বাদ দিতে হবে।

(২) কোনো আপিল, আপিলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যে রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হবে, তা যেদিন ঘোষণা করা হয়েছে, সেইদিন এবং যে ডিক্রি, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপিল করা হবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হবে, তার নকল গ্রহণ করতে যেই সময় আবশ্যক, তা বাদ দিতে হবে।

(৩) যেক্ষেত্রে ডিক্রি সম্পর্কে আপিল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রি যেই রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত, সেই রায়ের নকল পেতে যে সময় লাগে, তাও বাদ দিতে হবে।

(৪) কোনো রোয়েদাদ নাকচ করার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, রোয়েদাদের নকল পেতে যে সময় লাগে, তা বাদ দিতে হবে।

⇒ অর্থাৎ তামাদি আইনের ১২ ধারা মতে কতিপয় সময় বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে। যথা-
১) মামলা, আপিল বা দরখাস্তের মেয়াদ আরম্ভের দিন;
২) রায় ঘোষণার দিন;
৩) রায়ের নকল গ্রহণে ব্যয়িত সময়;
৪) রোয়েদাদ উত্তোলন করতে যে সময় ব্যয় হয়।
৭,৭৭৭.
A একটি বিনিময় বিলে এই উদ্দেশ্যে তার নিজ নাম স্বাক্ষর করে যে, এটি একই নামের অন্য কোনো ব্যক্তি ড্র (Draw) করেছে বলে বিশ্বাস করা হয়। A অপরাধ করেছে
  1. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  2. প্রতারণা
  3. জালিয়াতি
  4. সবকটি
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৪৬৪ ধারা অনুযায়ী যে সব কাজ জালিয়াতি বলে গণ্য হবে তা হলো-
(i) কোন ব্যক্তি নিজে যদি এই উদ্দেশ্যে স্বাক্ষর করে যে, তার স্বাক্ষর বা নামটি একই নামের অন্য কোন ব্যক্তির বলে চালিয়ে দেবেন;
(ii) যখন কোন ব্যক্তি অন্য কারো স্বাক্ষর জালিয়াতি করে স্বাক্ষর করে;
(iii) যদি কোন ব্যক্তি কোন বিলে পৃষ্ঠাঙ্কন করে এই উদ্দেশ্যে যে, তা অন্য কেউ করেছে বলে চালিয়ে দেবেন:
(iv) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির সাথে ষড়যন্ত্র করে তার নামে কোন সম্পত্তি নামমাত্র মূল্যে ইজারা নেয় কিন্তু তার উদ্দেশ্য ছিল মূলত তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা; অথবা
(v) যদি কোন ব্যক্তি নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করার উদ্দেশ্যে অন্য কোন ব্যক্তির কাছে সম্পদ গচ্ছিত রাখে এবং সে উদ্দেশ্য কোন প্রমিসরি নোট তৈরি করে।
♦কোন ব্যক্তির নিজের নাম স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে। নিজের নামে স্বাক্ষর করলেই জালিয়াতি হবে বিষয়টা এমন নয়। বরং নিজের নাম স্বাক্ষর জালিয়াতি হতে পারে যদি স্বাক্ষরটা দ্বারা কোন মিথ্যা দলিল তৈরী করা হয়, কোন অধিকার দাবী করতে, কোন ব্যক্তিকে ক্ষতি করতে বা প্রতারণা করতে ইত্যাদি। যেহেতু A একটি বিনিময় বিলে এই উদ্দেশ্যে তার নিজ নাম স্বাক্ষর করে যে, এটি একই নামের অন্য কোনো ব্যক্তি ড্র (Draw) করেছে বলে বিশ্বাস করা হয়, সেহেতু জালিয়াতি করেছে বলে গণ্য হবে। [দণ্ডবিধি, ধারা ৪৬৪ এর ব্যাখ্যা ১ এর মাঝে তা উল্লেখ আছে।]
৭,৭৭৮.
বিচারপতির সঙ্গে বিচারাধীন বিষয়ে গোপন আলোচনা আইনজীবীর পক্ষে কেমন আচরণ?
  1. স্বাভাবিক
  2. অনৈতিক
  3. প্রয়োজনীয়
  4. আইনসম্মত
সঠিক উত্তর:
অনৈতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনৈতিক
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ৩য় অধ্যায় অনুযায়ী, বিচারপতির সঙ্গে গোপনে বিচারাধীন বিষয়ে আলোচনা করা একটি অনুচিত ও অনৈতিক আচরণ, যা ন্যায়বিচার ও নিরপেক্ষতা নষ্ট করে। এটি বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থার ক্ষতি করতে পারে, তাই আইনজীবীকে এ ধরনের আচরণ থেকে বিরত থাকতে হয়।
- পেশাগত আচরণবিধি (Canons of Professional Conduct and Etiquette): অধ্যায়-৩ (আদালতের প্রতি কর্তব্য), বিধি ৪ অনুযায়ী: আদালতের প্রতি আইনজীবীর কর্তব্য হলো সর্বদা সম্মান বজায় রাখা এবং বিচারাধীন মামলার বিষয়ে বিচারকের সঙ্গে গোপন আলোচনা করা থেকে বিরত থাকা। এই ধরনের গোপন আলোচনা বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা ক্ষুণ্ন করে এবং আইনজীবীর পেশাগত নীতিমালা ও নৈতিকতার বিরুদ্ধে যায়। তাই বিচারাধীন বিষয়ে গোপন আলোচনা আইনজীবীর জন্য অনৈতিক আচরণ হিসেবে বিবেচিত।
- বিচারাধীন মামলা নিয়ে বিচারপতির সাথে গোপন আলোচনা অনৈতিক, পেশাবিরোধী ও আইনত নিষিদ্ধ। আইনজীবীকে অবশ্যই সততা, স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের নীতিতে আদালতের প্রতি কর্তব্য পালন করতে হবে।
৭,৭৭৯.
লিখিতভাবে দায় স্বীকার করলে তামাদির মেয়াদ গণনা কখন থেকে নতুন করে শুরু হবে?
  1. ঋণ নেওয়ার দিন থেকে
  2. মামলা দায়েরের দিন থেকে
  3. লিখিত দায় স্বীকারের দিন থেকে
  4. ঋণ পরিশোধের নির্ধারিত সময় অতিক্রমের দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
লিখিত দায় স্বীকারের দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত দায় স্বীকারের দিন থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৯ অনুযায়ী, যদি তামাদি মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার আগে কোনো ব্যক্তি লিখিতভাবে দায় স্বীকার করে (যেমন—ঋণ বা পাওনা স্বীকার করে), তাহলে সেই দায় স্বীকারের দিন থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

- তামাদি আইনের ১৯ ধারায় লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। কোন মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য আইন দ্বারা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই অপর পক্ষ যদি উক্ত মামলার বা দরখাস্তের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের মাধ্যমে দায় স্বীকার করে নেয় সেক্ষেত্রে উত্তরুপ স্বীকৃতি স্বাক্ষরিত হওয়ার দিন থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
তামাদি আইনের ১৯ ধারার শর্তসমূহ নিম্নরূপ-
- লিখিত হতে হবে
- উক্ত পক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে
- অবশ্যই তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই করতে হবে
- উক্ত স্বীকৃতি অবশ্যই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে হবে।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section 19: Effect of acknowledgement in writing-
(1) Where, before the expiration of the period prescribed for a suit or application in respect of any property or right, an acknowledgement of liability in respect of such property or right has been made in writing signed by the party against whom such property or right is claimed, or by some person through whom he derives title or liability, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the acknowledgement was so signed.
(2) Where the writing containing the acknowledgement is undated, oral evidence may be given of the time when it was signed; but, subject to the provisions of the Evidence Act, 1872, oral evidence of its contents shall not be received.
Explanation I- For the purposes of this section an acknowledgement may be sufficient though it omits to specify the exact nature of the property or right, or avers that the time for payment, delivery, performance or enjoyment has not yet come, or is accompanied by a refusal to pay, deliver, perform or permit to enjoy, or is coupled with a claim to a set-off, or is addressed to a person other than the person entitled to the property or right.
Explanation II- For the purposes of this section, “signed” means signed either personally or by an agent duly authorized in this behalf.
Explanation III- For the purposes of this section an application for the execution of a decree or order is an application respect of a right.
৭,৭৮০.
স্থাবর সম্পত্তি নিলাম বিক্রিতে ক্রেতা হিসাবে ঘোষণার অব্যবহিত পরেই ক্রেতাকে ক্রয়মূল্যের ________ টাকা জমা দিতে হবে।
  1. ২৫%
  2. ৫০%
  3. ৭৫%
  4. ৩০%
সঠিক উত্তর:
২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫%
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৪ বিধান অনুযায়ী,
স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয়ের ক্রেতা বলে ঘোষিত ব্যক্তি ঘোষণার পরপরই ক্রয়মূল্যের ২৫% টাকা জমা প্রদান করবে এবং তা প্রদানে ব্যর্থ হলে সম্পত্তিটি তখনই পুনরায় নিলামে বিক্রয় করা হবে।

আদেশ ২১ বিধি-৮৪ - ক্রেতা কর্তৃক জমা এবং ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে পুনর্বিক্রয়:
১) স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয়ে সময় খরিদ্দার বলে ঘোষিত ব্যক্তি বিক্রয় পরিচালনাকারী কর্মচারী কিংবা অপর ব্যক্তির নিকট উক্ত ঘোষণা অব্যবহিত পরই তার ক্রয় মূল্যের টাকার শতকরা পঁচিশ ভাগ টাকা জমা প্রদান করবে এবং অনুরূপ প্রদানে ব্যর্থ হলে সম্পত্তিটি তখনই পুনরায় নিলামে বিক্রয় করা হবে,

২) যেক্ষেত্রে ডিক্রিদার ক্রেতা এবং ৭২ বিধির অধীনে ক্রয় মূল্যের দাবী সমন্বয়ের অধিকারী, সেক্ষেত্রে আদালত এই বিধির আবশ্যকতা পরিত্যাগ করতে পারে
৭,৭৮১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারার বিধান কী?
  1. Rescission for mistake
  2. Principles of rectification
  3. When rescission may be adjudged
  4. Alternative prayer for rescission in suit for specific performance
সঠিক উত্তর:
Rescission for mistake
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rescission for mistake
ব্যাখ্যা
⇒ SR Act: Section-36. Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.
----------------------------
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারার বিধান: ভুলের জন্য রদ:
কেবলমাত্র ভুলের জন্য বিচারপূর্বক লিখিত চুক্তি রদ করা যায় না, যদি না যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করা হচ্ছে সে পক্ষকে উল্লেখযোগ্যভাবে একই মর্যাদায় পুনরুদ্ধার করা যায়, যেন কখনও চুক্তিই করা হয় নাই।
৭,৭৮২.
অপরাধীকে বাঁচানোর জন্য অপরাধের সাক্ষ্য নষ্ট করার শাস্তি হতে পারে-
  1. মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
  2. যাবজ্জীবন বা অন্যূন ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
  3. ১০ বছরের কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ কারাদণ্ড বা  অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২০১ ধারা মতে অপরাধীকে বাঁচানোর জন্য অপরাধের সাক্ষ্য নষ্ট করার শাস্তি হতে পারে-

(i)  মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
(ii)  যাবজ্জীবন বা অন্যূন ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
(iii) ১০ বছরের কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ কারাদণ্ড বা  অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

---------------------------------------- 
⇒ দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধান অপরাধের সাক্ষ্য প্রমাণের বিলোপসাধন অথবা অপরাধীকে অব্যাহতি দেওয়ার মিথ্যা খবর দেওয়া: কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধীকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে, কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, সে অপরাধটি সংঘটনের কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ বিলুপ্ত করে বা করায়, অথবা সে উদ্দেশ্য নিয়ে সে অপরাধটি সম্পর্কে কোন খবর দেয়, যা সে মিথ্যা বলে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তখন-

যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- যদি, যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সে জানে বা যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস সে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- এবং যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- এবং যদি অপরাধটি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যে ধরনের (সম্ভ্রম অথবা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অপরাধটির জন্য দীর্ঘতম যে মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ উহার এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন দৈর্ঘ্যের হবে, অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ Section 201. Causing disappearance of evidence of offence, or giving false information to screen offender- if a capital offence; if punishable with imprisonment for life; if punishable with less than ten years’ imprisonment:
 Whoever, knowing or having reason to believe that an offence has been committed, causes any evidence of the commission of that offence to disappear, with the intention of screening the offender from legal punishment, or with that intention gives any information respecting the offence which he knows or believes to be false, 
 
shall, if the offence which he knows or believes to have been committed is punishable with death, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine; 
 
and if the offence is punishable with imprisonment for life, or with imprisonment which may extend to ten years, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine; 
 
and if the offence is punishable with imprisonment for any term not extending to ten years, shall be punished with imprisonment of the description provided for the offence, for a term which may extend to one-fourth part of the longest term of the imprisonment provided for the offence, or with fine, or with both. 
 
⇒ Illustration 
A, knowing that B has murdered Z, assists B to hide the body with the intention of screening B from punishment. A is liable to imprisonment of either description for seven years, and also to fine.
৭,৭৮৩.
'স্বীকৃতিকারীর বিপক্ষে স্বীকৃতি প্রমাণ করা যায় কিন্তু পক্ষে প্রমাণ করা যায় না'- এই নীতির ব্যতিক্রম সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ২৩ ধারায়
  2. ২০ ধারায়
  3. ২১ ধারায়
  4. ২২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাধারণ নিয়ম হলো- 'স্বীকৃতিকারীর বিপক্ষে স্বীকৃতি প্রমাণ করা যায় কিন্তু পক্ষে প্রমাণ করা যায় না' এই নীতির ব্যতিক্রম আছে। সাক্ষ্য আইনের ২১ ধারা অনুযায়ী উক্ত ব্যতিক্রম গুলি নিম্নে উল্লেখ করা হলো:

⇒ স্বীকৃতিকারীর স্বীকৃতি যদি এমন হয় যে স্বীকৃতিকারী মৃত্যু হলে তা প্রাসঙ্গিক হবে তাহলে স্বীকৃতিকারী বা তার প্রতিনিধির পক্ষে তা ব্যবহার করা যাবে।
⇒ স্বীকৃতিতে যদি মানসিক বা দৈহিক সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক কোন বিষয় উল্লেখ থাকে, তাহলে উক্ত মানসিক বা দৈহিক বিশেষ অবস্থা বিদ্যমান থাকাকালীন কোন বিবৃতি প্রদান করলে এবং উক্ত বিবৃতি মিথ্যা মনে করা অসম্ভব হলে স্বীকৃতিকারীর পক্ষে তা প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।
⇒ স্বীকৃতি টি যদি স্বীকৃতি হিসেবে প্রাসঙ্গিক না হয়ে ভিন্নভাবে প্রাসঙ্গিক হয়, তাহলে স্বীকৃতিকারী পক্ষে তা ব্যবহার করা যাবে।
৭,৭৮৪.
সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুসারে Judicial Confession হলো-
  1. পুলিশের নিকট দোষ স্বীকার
  2. জনগণের নিকট দোষ স্বীকার
  3. পুলিশের চার্জশিট গঠনের সময় দোষ স্বীকার
  4. ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধ আসামীর দোষ স্বীকার
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধ আসামীর দোষ স্বীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধ আসামীর দোষ স্বীকার
ব্যাখ্যা
⇒ স্বীকারোক্তি বা দোষ স্বীকার (Confession)- কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের দোষ স্বীকার করে যে বক্তব্য দেয়, তাকে স্বীকারোক্তি বা দোষ স্বীকার (Confession) বলে। ল্যাটিন প্রবচন nemo tenetur seipsum accusare এর বাংলা অর্থ হল কোন ব্যক্তিকে নিজেকে অপরাধী সাব্যস্ত করতে বাধ্য করা যায় না। সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারাতেও বলা হয়েছে "কোন ব্যক্তিকে দোষ স্বীকার করতে বাধ্য করা হলে তা অপ্রাসঙ্গিক হবে।"

⇒ সুতরাং কোন আসামী যদি ক্ষমতাবান ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট কোন প্রকার ভয় ভীতি প্রদর্শন, প্রলোভন ও প্রতিশ্রুতি ব্যতীত স্বেচ্ছায় নিজের দোষ স্বীকার করে, তবে তাকে স্বীকারোক্তি বা Confession বলা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ২৪ থেকে ৩০, ৮০, ১১৪ (বি), ১৩৩; ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪, ৩৬৪, ৩৩৭ ধারা: দন্ডবিধির ৩৩০, ৩৪৮ ধারা এবং সংবিধানের ৩৫(২) অনুচ্ছেদে Confession বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
৭,৭৮৫.
ধারা ২৪০ অনুযায়ী, অবশিষ্ট অভিযোগ কে প্রত্যাহার করতে পারে?
  1. আসামি
  2. রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী
  3. অভিযোগকারী
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা

ধারা ২৪০ — একাধিক অভিযোগের মধ্যে এক বা একাধিক অভিযোগে দণ্ডিত হলে অবশিষ্ট অভিযোগ প্রত্যাহার:
যখন একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ একত্রে আনা হয় এবং সেই অভিযোগগুলোর মধ্যে এক বা একাধিক অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত (Conviction) করা হয়, তখন—
- অভিযোগকারী (Complainant) অথবা রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (Prosecutor) আদালতের সম্মতিতে অবশিষ্ট অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করতে পারবেন, অথবা
- আদালত নিজ উদ্যোগে ঐ অবশিষ্ট অভিযোগগুলোর তদন্ত বা বিচার স্থগিত রাখতে পারে।

ফলাফল:
ঐ অবশিষ্ট অভিযোগ প্রত্যাহার করলে সেটি সংশ্লিষ্ট অভিযোগে খালাস (Acquittal) বলে গণ্য হবে। তবে, যদি পূর্বের দণ্ডাদেশ (Conviction) বাতিল হয়, তাহলে আদালত (দণ্ডাদেশ বাতিলকারী উচ্চ আদালতের নির্দেশ সাপেক্ষে) পূর্বে প্রত্যাহার করা অভিযোগ বা অভিযোগগুলোর তদন্ত বা বিচার পুনরায় চালিয়ে যেতে পারবে।

৭,৭৮৬.
৩৪০ ধারা অনুসারে কখন ফৌজদারী আদালতে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তি সাক্ষী হতে পারে?
  1. লিখিত অনুরোধের ভিত্তিতে
  2. তদন্তকারীর কর্মকর্তার অনুরোধের ভিত্তিতে
  3. রাষ্ট্রপক্ষের লিখিত অনুরোধের ভিত্তিতে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
লিখিত অনুরোধের ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত অনুরোধের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় ২টি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে:
(i) উকিলের মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তির আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার দেওয়া হয়েছে।
(ii) অভিযুক্ত ব্যক্তির সাক্ষী হওয়ার যোগ্যতা
♦শর্ত হলো অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে আহ্বান করা যাবে না তার লিখিত অনুরোধ ছাড়া।
♦অর্থাৎ সাক্ষী শুধুমাত্র লিখিত অনুরোধ করলে, আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য আহ্বান করতে পারে।
৭,৭৮৭.
ক ও চ যৌথভাবে একটি ঘোড়ার মালিক। চ-এর অন্যায় ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে ক ঘোড়াটিকে গুলিবিদ্ধ করে। ক” এর ­অপরাধ-
  1. চুরি
  2. অর্থ আত্মসাৎ
  3. ক্ষতি বা অনিষ্ট সাধন
  4. জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়
সঠিক উত্তর:
ক্ষতি বা অনিষ্ট সাধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতি বা অনিষ্ট সাধন
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৪২৫ ধারা অনুযায়ী অন্যের অন্যায় ক্ষতি বা লোকসানের (Wrongful loss or damage) উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট অথবা সম্পত্তির মূল্য/উপযোগীতা হ্রাস বা ক্ষতিগ্রস্ত করাকে অনিষ্ট বা ক্ষতি (mischief) বলে।

♦কোন ব্যক্তিকে ক্ষতি বা অনিষ্টসাধনের জন্য দায়ী করতে হলে এটা প্রমান করার প্রয়োজন নেই যে, যে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্থ হবে সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির দখলে বা মালিকানাধীন ছিল। যেহেতু ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে ক ঘোড়াটিকে গুলিবিদ্ধ করেছে তাই ক” ক্ষতি সাধনের জন্য দোষী হবে।
৭,৭৮৮.
ডিজিটাল আকারে চুক্তির অনুমানের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. may presume
  2. shall presume
  3. conclusive proof
  4. None of them
সঠিক উত্তর:
shall presume
উত্তর
সঠিক উত্তর:
shall presume
ব্যাখ্যা
• Section 85A- Presumption as to agreements in digital forms:
The Court shall presume that every digital record purporting to be an agreement containing the digital signatures of the parties was so concluded by affixing the digital signature of the parties.

ধারা-৮৫ক: ডিজিটাল আকারে চুক্তির অনুমান:
আদালত অনুমান করবে, যে প্রতিটি ডিজিটাল রেকর্ড পক্ষগুলির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্বলিত একটি চুক্তি যা পক্ষগুলির ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত করে সম্পন্ন করা হয়েছিলো।
৭,৭৮৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুসারে, অনুপস্থিতিতে বিচারের (Trial in absentia) জন্য কতটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হয়?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু করার জন্য ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৯খ অনুযায়ী, যদি কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতের সামনে উপস্থিত না হন এবং তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব না হয় বা তিনি আত্মগোপন করেন, তবে আদালত তার অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু করতে পারে, তবে তার জন্য কিছু প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।
- এ ক্ষেত্রে, প্রথম শর্ত হলো, অভিযুক্তকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে। এই বিজ্ঞপ্তিতে অভিযুক্তকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির হতে বলা হয়। যদি সেই সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত হাজির না হন, তবে আদালত তার অনুপস্থিতিতে বিচারের জন্য সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
- এই প্রক্রিয়াকে "Trial in absentia" বা "অনুপস্থিতিতে বিচার" বলা হয়, যা মূলত তখন করা হয় যখন আদালত বিশ্বাস করে যে, অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা তার গ্রেফতার সম্ভব নয় এবং সে আত্মগোপন করেছে।
- এছাড়াও, ধারা ৮৭ এবং ৮৮ এর বিধান অনুসরণ করতে হয়, যেখানে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার পর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা না গেলে এবং আদালত নিশ্চিত হয় যে, তার গ্রেফতার করার কোন সম্ভাবনা নেই, তখনই এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়।
- এই নিয়মটি নিশ্চিত করে যে, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচারের আগে যথাযথ প্রচার এবং নোটিফিকেশন প্রকাশ করা হয়েছে, যাতে তার অধিকার ক্ষুণ্ন না হয় এবং আইনের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা থাকে।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section 339B: Trial in absentia-
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.
(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
৭,৭৯০.
তামাদি আইনের ২৩ ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. মামলা দায়েরের সময়সীমা
  2. অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায়
  3. রায় পুনরীক্ষণের সময়সীমা
  4. ডিক্রীর নকল সংগ্রহের সময়
সঠিক উত্তর:
অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ২৩ ধারা বলে, অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদি শুরু হয়। অর্থাৎ, চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় যতক্ষণ চলবে, ততক্ষণ মামলা করার সময়ও বাড়তে থাকবে। এটা যাতে কেউ দীর্ঘ সময়ের অন্যায়ের জন্য মামলা করতে না পারে বলে নয়।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় করা:
- যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নূতন করিয়া তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইতে শুরু করে।
- এমন অনেক চুক্তি রহিয়াছে, যাহা ভঙ্গ হইলে প্রতি মুহূর্তে নালিশের কারণ উদ্ভব হইতে পারে। চুক্তি বহির্ভূত এমন অনেক লোকসান রহিয়াছে, যাহা প্রতিমুহূর্তে নালিশের কারণের উদ্ভব ঘটায়। এইসব ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ প্রতি মুহূর্তে বৃদ্ধি পায়।
----------
⇒ The Limitation Act, 1908: Section-23: Continuing breaches and wrongs:
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.
৭,৭৯১.
পেশাগত আচরণ বিধিমালা অনুসারে, বিচারক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে একজন আইনজীবীর কী ধরনের ভূমিকা রাখা উচিত?
  1. রাজনৈতিক দলের সুপারিশ অনুযায়ী সমর্থন জানানো
  2. পরিবারের সদস্যদের নিয়োগের জন্য বিশেষ সুপারিশ করা
  3. শুধুমাত্র নিজের চেম্বারের সহকর্মীদের পক্ষে সুপারিশ করা
  4. প্রার্থীর আইনি জ্ঞান, বিচারিক দক্ষতা ও চরিত্রগত সততাকে প্রাধান্য দেওয়া
সঠিক উত্তর:
প্রার্থীর আইনি জ্ঞান, বিচারিক দক্ষতা ও চরিত্রগত সততাকে প্রাধান্য দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রার্থীর আইনি জ্ঞান, বিচারিক দক্ষতা ও চরিত্রগত সততাকে প্রাধান্য দেওয়া
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) প্রার্থীর আইনি জ্ঞান, বিচারিক দক্ষতা ও চরিত্রগত সততাকে প্রাধান্য দেওয়া।
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেটের দায়িত্ব হলো বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনা, ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পারিবারিক প্রভাব না রেখে শুধুমাত্র আইনি জ্ঞান, বিচারিক দক্ষতা এবং চরিত্রগত সততাকে প্রাধান্য দেওয়া।
এটি বিচারকদের নির্বাচন প্রক্রিয়ার একটি মৌলিক নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যাতে বিচারকদের নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিচারিক নিরপেক্ষতা এবং পেশাগত উৎকর্ষ বজায় থাকে। একজন অ্যাডভোকেটকে বিচারক নিয়োগে মুক্ত, নিরপেক্ষ, এবং ন্যায্য প্রক্রিয়ার দিকে মনোযোগ দিতে হবে, এবং তারা অবশ্যই এমন প্রার্থীকে সমর্থন করবেন যারা বিচারকের দায়িত্ব পালনে উপযুক্ত এবং নৈতিকভাবে সৎ।

অতএব, রাজনৈতিক বা পারিবারিক সম্পর্কের ভিত্তিতে বিচারক নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা অনৈতিক এবং আইনিভাবে সমর্থনযোগ্য নয়।

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette, অধ্যায়-৩, বিধি-৭ অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেটের দায়িত্ব হচ্ছে বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনা নয়, বরং যোগ্যতা এবং নৈতিকতাকে প্রাধান্য দেওয়া। অ্যাডভোকেটদের উচিত শুধুমাত্র যোগ্য ও নৈতিকভাবে উপযুক্ত ব্যক্তিদের বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য সমর্থন করা। তারা অবশ্যই চেষ্টা করবেন এমন ব্যক্তিদের নিয়োগ দিতে যারা বিচারকদের দায়িত্ব পালনে মুক্ত এবং নিরপেক্ষ থাকবেন, এবং যারা রাজনৈতিক বা ব্যবসায়িক চাপ থেকে মুক্ত।

7. It is the duty of Advocates to endeavour to prevent political considerations from outweighing judicial fitness in the appointment and selection of Judges. They should protest earnestly and actively against the appointment or selection of persons who are unsuitable for the Bench and thus should strive to have elevated thereto only those willing to forego other employments whether of a business, political or other character, which may embarrass their free and fair consideration of questions before them for decision. The aspiration of Advocates for judicial position should be governed by an impartial estimate of their ability to add honour to the office and not by a desire for the distinction the position may bring to themselves.
৭,৭৯২.
একজন ব্যক্তি মৃত্যুর আগে বলেন, "আমাকে X হত্যা করেছে।" এই বিবৃতিটি কোন ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. ৩২(১) ধারা
  2. ৩২(২) ধারা
  3. ৩২(৩) ধারা
  4. ৩২(৮) ধারা
সঠিক উত্তর:
৩২(১) ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২(১) ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
 
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষনা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে;
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি;
৭,৭৯৩.
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর কোন ধারা Trust-related মামলার সময়সীমা নিয়ে বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ১০
  3. ধারা ১৯
  4. ধারা ২৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১০ এ Trust related মামলার সময়সীমা নিয়ে বলা হয়েছে। এই ধারা অনুসারে, Trustee (বিশ্বাসপালনকারী) বা তার legal representative (আইনি প্রতিনিধি) এর বিরুদ্ধে Trust সম্পত্তি বা তহবিলের conversion (অন্যের কাজে ব্যবহার) বা diversion (অন্য খাতে প্রবাহিত করা) এর জন্য, বা তার হিসাব দাখিলের জন্য মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কোনো সময়সীমা প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ, এমন মামলা যেকোনো সময় দায়ের করা যায়।

অন্য Options গুলো সম্পর্কে:
ধারা ৬: আইনি অক্ষমতা (minority, insanity ইত্যাদি) সম্পর্কিত।
ধারা ১৯: দায় স্বীকার (acknowledgment) এর মাধ্যমে সময়সীমা পুনরায় শুরু হওয়া সম্পর্কিত।
ধারা ২৬: Easement (সুখ) অধিকার অর্জন সম্পর্কিত।

সুতরাং, Trust-related মামলার সময়সীমা সম্পর্কিত ধারা হলো ধারা ১০। তামাদি আইন, ১৯০৮, ধারা ১০ এর অধীনে ট্রাস্ট-সম্পর্কিত মামলার জন্য বিশেষ বিধান প্রদান করে।

⇒ তামাদি আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ট্রাস্ট হিসেবে থাকা সম্পত্তির মালিক বা ব্যবস্থাপককে ট্রাস্টি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ট্রাস্ট হিসেবে থাকা সম্পত্তির মালিকের বিরুদ্ধে মামলা কোনো সময়সীমার জন্য বন্ধ হবে না। অর্থাৎ, তামাদি আইনের অন্যান্য বিধানের মতো এখানে নির্দিষ্ট সময়সীমার বাধ্যবাধকতা নেই।
- বিশেষত, হিন্দু, মুসলিম বা বৌদ্ধ ধর্মীয় বা দাতব্য সম্পত্তির ব্যবস্থাপককে ট্রাস্টি হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এই সম্পত্তি ট্রাস্টি কর্তৃক নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত বলে বিবেচিত হয়।
-  অর্থাৎ তামাদি আইনের ১০ ধারা অনুসারে, হিন্দু, মুসলিম বা বৌদ্ধ ধর্মীয় বা দাতব্য সম্পত্তির ব্যবস্থাপককে ট্রাস্টি হিসেবে গণ্য করা হয়।
---------
⇒ The Limitation Act:- Section- 10. Suits against express trustees and their representatives:
Notwithstanding anything hereinbefore contained, no suit against a person in whom property has become vested in trust for any specific purpose, or against his legal representatives or assigns (not being assigns for valuable consideration), for the purpose of following in his or their hands such property or the proceeds thereof, or for an account of such property or proceeds, shall be barred by any length of time. 
For the purposes of this section any property comprised in a Hindu, Muslim or Buddhist religious or charitable endowment shall be deemed to be property vested in trust for a specific purpose, and the manager of any such property shall be deemed to be the trustee thereof.

৭,৭৯৪.
The Limitation Act, 1908 এর ধারা ৮ কোন ধরনের মামলায় প্রযোজ্য নয়?
  1. ঋণ আদায়ের মামলা
  2. ঘোষণামূলক মামলা
  3. অগ্রক্রয়ের মামলা
  4. বংশগত পদলাভ সম্পর্কিত মামলা
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়ের মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়ের মামলা
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ৮ ধারার বিধান: বিশেষ ব্যতিক্রম:
৬ অথবা ৭ ধারার কোন কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, 
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোন কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।

উদাহরণ:

(ক) ক নাবালক থাকাকালে মিরাস আদায়ের জন্য মামলা করিবার অধিকার লাভ করে। ইহার ১১ বৎসর পর সে সাবালক হয়। সাধারণ আইন অনুসারে ক মামলা দায়ের করিবার জন্য মাত্র অবশিষ্ট এক বৎসর সময় পায়। কিন্তু ৬ ধারা ও অত্র ধারা অনুসারে সে আরও দুই বৎসর অতিরিক্ত সময় পাইবে। অর্থাৎ সাবালক হইবার পর তিন বৎসরের মধ্যে সে মামলা দায়ের করিতে পারিবে।

৭,৭৯৫.
দায়রা জজ কোন ধারার ক্ষমতাবলে cognizance গ্রহণ করেন?
  1. ১৯০
  2. ১৯৩
  3. ১৯৫
  4. ১৯৬
সঠিক উত্তর:
১৯৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারায় দায়রা আদালতকে অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

• অপরাধ আমলে নেওয়া অর্থ আদালত কর্তৃক কোন অপরাধ বিচারের জন্য গ্রহণ করা।কোন অপরাধ সংঘটিত হলে আদালতে অথবা থানায় অপরাধের অভিযোগ করা যায়।আদালত অপরাধের অভিযোগ পাওয়ার পর তা বিচারের জন্য গ্রহণ করবেন অথবা খারিজ বা ফেরত দিবেন।যদি তিনি গ্রহণ করে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করেন তখন তাকে অপরাধ আমলে নেয়া বলে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারামতে,

দায়রা আদালতের সরাসরি মামলা আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই,ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নেয়ার পর দায়রা আদালতে প্রেরণ করলে দায়রা আদালত বিচারার্থে অপরাধ আমলে নিতে পারেন।অর্থাৎ দায়রা আদালত মূল এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত নয়,তবে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ২০৫(গ) ধারায় মামলা পাঠানো হলেই কেবল উক্ত মামলা দায়রা জজ আমলে নিয়ে বিচার করতে পারেন।

এই ধারার অধীন অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ ও অপরাধ আমলে নিতে পারেন।নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ অপরাধ আমলে নিতে পারে । যথা-

i) সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা বিচারের নির্দেশ দিলে; অথবা
ii) দায়রা জজ বিচারের জন্য অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজকে অর্পণ করলে।

৭,৭৯৬.
যদি কারাদণ্ড ছয় মাসের বেশি হয় কিন্তু এক বছর না হয়, নির্জন কারাবাসের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত দিন হবে?
  1. ১৪ দিন
  2. ১ মাস
  3. ২ মাস
  4. ৩ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ যদি কারাদণ্ড ছয় মাসের বেশি হয় কিন্তু এক বছর না হয়, নির্জন কারাবাসের সর্বোচ্চ মেয়াদ ২ মাস হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:- নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
-----------
⇒Section 73. Solitary confinement:
 Whenever any person is convicted of an offence for which under this Code the Court has power to sentence him to rigorous imprisonment, the Court may, by its sentence, order that the offender shall be kept in solitary confinement for any portion or portions of the imprisonment to which he is sentenced, not exceeding three months in the whole, according to the following scale, that is to say
a time not exceeding one month if the term of imprison-ment shall not exceed six months:
a time not exceeding two months if the term of imprisonment shall exceed six months and shall not exceed one year:
a time not exceeding three months if the term of imprisonment shall exceed one year.

⇒Section 74. Limit of solitary confinement:
In executing a sentence of solitary confinement, such confinement shall in no case exceed fourteen days at a time, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods, and when the imprisonment awarded shall exceed three months, the solitary confinement shall not exceed seven days in any one month of the whole imprisonment awarded, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods.
৭,৭৯৭.
আদালত পুনর্বিবেচনার আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে, আদেশ ৪৭ বিধি-৭ অনুসারে-
  1. আপিল করা যাবে
  2. আপত্তি তোলা যাবে
  3. আপিল করা যাবে না
  4. উচ্চ আদালতে পুনঃআবেদন করা যাবে
সঠিক উত্তর:
আপিল করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল করা যাবে না
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৭ বিধি-৭: প্রত্যাখ্যাত আদেশ আপিলযোগ্য নয়, আবেদন মঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে আপত্তি:

১) আদালত পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা অগ্রাহ্যের আদেশ প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না; কিন্তু প্রার্থনা কবুলের আদেশ প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে নিম্নোক্ত কারণে আপত্তি পেশ করা যাবে-
ক) বিধি-২ তে বর্ণিত বিধানের পরিপন্থী;
খ) বিধি-৪ এ বর্ণিত বিধানের পরিপন্থী;
গ) আবেদনের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ অতীত হওয়ার পর এবং যথেষ্ট কারণ ব্যতীত সেটি করা হয়েছিল বলে আপত্তি উত্থাপন করা যেতে পারে; আবেদন মঞ্জুর করে প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে, বা সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমায় প্রদত্ত চূড়ান্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দাখিল করে ঐরূপ আপত্তি উত্থাপন করা চলবে।
৭,৭৯৮.
কোন বিষয়ে আদালত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার অনুমতি দিতে পারে-
  1. undisputed
  2. documentary evidence
  3. controversial
  4. oral evidence
সঠিক উত্তর:
undisputed
উত্তর
সঠিক উত্তর:
undisputed
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারা অনুযায়ী সাধারণত জবানবন্দী বা পুনঃজবানবন্দীতে নির্দেশক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যায় না, বিরুদ্ধ পক্ষ আপত্তি না তুললে অথবা আদালতের অনুমতি নিয়ে জবানবন্দী বা পুনঃজবানবন্দীতেও ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা যায়।
কখন নির্দেশক বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন [Leading qustion] জিজ্ঞেস করা যায়:
i) ভূমিকামূলক বিষয়ে (introductory matters);
ii) অবিতর্কিত বা স্বীকৃত বিষয়ে (undisputed matters);
iii) যথেষ্টমানে প্রমানিত বিষয়ে (matters that have been sufficiently proved); এবং
iv) নির্দিষ্ট পরিচয় দানকারী, বৈসাদৃশ্যমূলক,স্মৃতিচারনমূলক বিষয়ে Leading qustion করা যায়।
৭,৭৯৯.
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর কত ধারার ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়?
  1. ৫ ধারার ক্ষেত্রে
  2. ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
  3. ৫২ ধারার ক্ষেত্রে
  4. ৩৫ ধারার ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারার ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ অনুসারে, তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-

⇒ বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
⇒ বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে
⇒ সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভূক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত "সুখাধিকার" এর সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
৭,৮০০.
যদি অভিযোগকারী মামলার চূড়ান্ত আদেশ হওয়ার আগে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে নালিশ প্রত্যাহার করেন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন?
  1. নতুন তদন্তের আদেশ
  2. অভিযুক্তকে মুক্তির আদেশ
  3. অভিযুক্তকে খালাসের আদেশ
  4. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে যাওয়ার আদেশ
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাসের আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাসের আদেশ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।

⇒ অপরদিকে,ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি  (Discharge) দিতে পারে আর অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিতে পারে ।

Section-248: Withdrawal of complaint:
If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.