বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৬৮ / ১২৬ · ৬,৭০১৬,৮০০ / ১২,৬০৫

৬,৭০১.
The Penal Code এর কোন অধ্যায়ে মানহানি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ২১ তম
  2. ১১ তম
  3. ২০ তম
  4. ২২ তত
সঠিক উত্তর:
২১ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ তম
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং মোট ধারা ৫১১ টি। গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়: দ্বিতীয় অধ্যায় সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ, তৃতীয় অধ্যায় শাস্তি, চতুর্থ অধ্যায় সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ, পঞ্চম অধ্যায়ী অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা, পঞ্চম (ক) অধ্যায়ে অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র, ষষ্ঠ অধ্যায়ের রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ, নবম অধ্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ, নবম (ক) অধ্যায় নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ, ১৬ তম অধ্যায়ে মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ, ১৭ তম অধ্যায়ে সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ, ২০ তম অধ্যায়ে বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ, ২১তম অধ্যায়ে মানহানি, ২২তম অধ্যায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন, অপমান ও বিরক্তিকরণ, ২৩ তম অধ্যায় অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ।
৬,৭০২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় পলাতক দণ্ডিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি উল্লেখ আছে?
  1. ৩৯০ ধারায়
  2. ৩৯২ ধারায়
  3. ৩৯৪ ধারায়
  4. ৩৯৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৯৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৯৬: পলাতক দণ্ডিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দণ্ড কার্যকর-
(১) এই কোড অনুযায়ী যদি কোনো পলাতক দণ্ডিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দণ্ড প্রদান করা হয়, তবে -
যদি দণ্ড মৃত্যুদণ্ড, অর্থদণ্ড বা বেত্রাঘাত (whipping) হয়, তবে পূর্ববর্তী বিধানের অধীন না থাকলে অবিলম্বে কার্যকর হবে;
আর যদি দণ্ড কারাদণ্ড বা নির্বাসনের দণ্ড হয়, তবে নিচের নিয়ম অনুযায়ী কার্যকর হবে:(২) যদি নতুন দণ্ড পূর্ববর্তী দণ্ডের তুলনায় প্রকৃতিতে অধিক কঠোর হয়, তবে নতুন দণ্ড অবিলম্বে কার্যকর হবে।

(৩) যদি নতুন দণ্ড পূর্ববর্তী দণ্ডের তুলনায় প্রকৃতিতে অধিক কঠোর না হয়, তবে নতুন দণ্ড কার্যকর হবে তখন, যখন পলাতক ব্যক্তি তার পলায়নের সময় পূর্ববর্তী দণ্ডের যে অবশিষ্ট সময় ছিল, তা পুনরায় ভোগ করবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যে—
(ক) নির্বাসনের দণ্ড (transportation) কারাদণ্ডের তুলনায় অধিক কঠোর বলে গণ্য হবে।
(খ) নির্জন কারাদণ্ড (solitary confinement) সহ কারাদণ্ড, নির্জন কারাদণ্ড ব্যতীত কারাদণ্ডের তুলনায় অধিক কঠোর বলে গণ্য হবে।
(গ) সশ্রম কারাদণ্ড (rigorous imprisonment) বিনাশ্রম কারাদণ্ডের (simple imprisonment) তুলনায় অধিক কঠোর বলে গণ্য হবে, নির্জন কারাদণ্ড থাকুক বা না থাকুক।
৬,৭০৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারায় মোকদ্দমার কোন পক্ষের নিকট হতে আদালতকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. যেকোনো পক্ষ থেকে
  2. যে পক্ষকে প্রতিকার প্রদান করা হয়েছে
  3. যে পক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিকার প্রদান করা হয়েছে
  4. যে পক্ষের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
যে পক্ষকে প্রতিকার প্রদান করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে পক্ষকে প্রতিকার প্রদান করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারা: যে পক্ষের জন্য দলিল বিলুপ্ত করা হয়েছে, সে পক্ষের নিকট হতে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ক্ষমতা:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেপক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 41- Power to require party for whom instrument is cancelled to make compensation:
On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
৬,৭০৪.
তামাদি আইনের ধারা ২৫ কোন ধরনের দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. সকল দলিল
  2. কেবল রেজিস্টার্ড দলিল
  3. শুধুমাত্র চুক্তিপত্র
  4. কেবল সরকারি দলিল
সঠিক উত্তর:
সকল দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকল দলিল
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ২৫ ধারায় দলিলে উল্লিখিত সময় গণনার বিধান রয়েছে। তামাদি আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে যাবতীয় সকল দলিল গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত বলে বিবেচিত হবে।
--------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 25. Computation of time mentioned in instruments:
- All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar.

৬,৭০৫.
অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার আগে একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে নিয়মিত কমপক্ষে কত দিন শিক্ষানবিশ থাকতে হবে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর বিধি-৬০: শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।

-আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।
-কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।
-অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা অ্যাফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারির নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
-কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরণের জন্য দায়ী হবেন।
-শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।
-হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে।
- ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
- এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারি কলেজে হবে।
- বিধি-৬০(গ): এম.সি.কিউ ও লিখিত পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৫০ এবং মৌখিক পরীক্ষায় পাশ নম্বর ২৫।
৬,৭০৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় বাদীকে প্রমাণ করতে হবে যে, সে অস্থাবর সম্পত্তির তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী?
  1. ৯ ধারায়
  2. ১০ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. ৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারায়
ব্যাখ্যা
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি কোনো অস্থাবর সম্পত্তির দখল বা নিয়ন্ত্রণ করে এবং সেই ব্যক্তি মালিক না হয়, তবে তাকে ওই সম্পত্তি সেই ব্যক্তির কাছে ফেরত দেওয়ার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যিনি তার তাৎক্ষণিক দখলে থাকার অধিকারী।
তবে, এ ধরনের নির্দেশ দেওয়া যাবে শুধুমাত্র কিছু নির্দিষ্ট শর্তের অধীনে:
১. যখন দখলকারী ব্যক্তি দাবি করা সম্পত্তি তার দাবিকারীর এজেন্ট বা ট্রাস্টি হিসেবে দখল করে রেখেছে।
২. যখন টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার মাধ্যমে দাবি করা সম্পত্তি ফেরত পাওয়া সম্ভব নয়।
৩. যখন সম্পত্তির ক্ষতি বা হারানোর পরিমাণ নির্ধারণ করা কঠিন।
৪. যখন দাবি করা সম্পত্তি অবৈধভাবে দাবিকারীর কাছ থেকে অন্য কোথাও চলে গেছে।
এছাড়া, ১১ ধারার অধীনে মামলা করা হলে, বাদীকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে তিনি সেই সম্পত্তির তাৎক্ষণিক দখল রাখার অধিকারী।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ - ধারা ১১: অধিকারী না হওয়া সত্ত্বেও দখলে থাকা ব্যক্তির দায়:
যে কোনো ব্যক্তি যদি কোনো নির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখল বা নিয়ন্ত্রণ রাখে, তবে সে যদি তার মালিক না হয়, তাকে সুনির্দিষ্টভাবে ওই সম্পত্তি তার দখলে থাকা ব্যক্তি থেকে উদ্ধার করতে বাধ্য করা যেতে পারে, তবে নিম্নলিখিত যে কোনো ক্ষেত্রে:-
(ক) যখন প্রতিপক্ষ ওই সম্পত্তি বাদী হিসেবে এজেন্ট বা ট্রাস্টি হিসেবে দখলে রাখে;
(খ) যখন মুদ্রায় ক্ষতিপূরণ বাদীকে ওই সম্পত্তি হারানোর জন্য যথেষ্ট প্রতিকার প্রদান করতে সক্ষম নয়;
(গ) যখন ওই সম্পত্তি হারানোর ফলে সৃষ্ট প্রকৃত ক্ষতি নির্ধারণ করা অত্যন্ত কঠিন হবে;
(ঘ) যখন ওই সম্পত্তির দখল অসৎভাবে বাদীর কাছ থেকে প্রতিপক্ষের কাছে স্থানান্তরিত হয়েছে।
----------- 
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section- 11. Liability of person in possession, not as owner to deliver to person entitled to immediate possession: 
Any person having the possession or control of a particular article of moveable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:- 
(a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant; 
(b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed; 
(c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss; 
(d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.
৬,৭০৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে "Complaint" এর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. অবশ্যই ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে
  2. অভিযোগটি মৌখিক বা লিখিত আকারে হতে পারে
  3. নালিশ হিসেবে পুলিশ রিপোর্ট [Police Report] অন্তর্ভুক্ত হবে
  4. জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি অপরাধ করেছে সম্পর্কিত হতে হবে
সঠিক উত্তর:
নালিশ হিসেবে পুলিশ রিপোর্ট [Police Report] অন্তর্ভুক্ত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নালিশ হিসেবে পুলিশ রিপোর্ট [Police Report] অন্তর্ভুক্ত হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(১) (জ) ধারায় নালিশ [Complaint] -কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ৪(১) (জ) ধারায় বলা হয়েছে,

“ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক কোন ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত কোন অভিযোগ এই মর্মে দায়ের করা যে, জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ করেছে, কিন্তু এর মধ্যে পুলিশ রিপোর্ট বা প্রতিবেদন অন্তর্ভুক্ত হবে না।”
"Complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:

• উপাদান:
- অভিযোগটি [Allegation] অবশ্যই ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে;
- জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোনো অপরাধ করেছে অভিযোগটি সেই সম্পর্কিত হতে হবে;
- অভিযোগটি মৌখিক বা লিখিত আকারে হতে পারে।

⇒ নালিশটি অবশ্যই জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে। কারণ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪ক ধারায় বলা হয়েছে, ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ বলে ধরতে হবে। সুতরাং নালিশ (Complaint) হলো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য মৌখিক বা লিখিত আকারে দায়েরকৃত অভিযোগ।

⇒ নালিশ (Complaint) বলতে পুলিশ রিপোর্ট [Police Report] অন্তর্ভুক্ত হবে না।
৬,৭০৮.
যদি কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য করা হয়, তাহলে এটি-
  1. মানহানি হবে
  2. মানহানি হবে না
  3. শুধুমাত্র অর্থদণ্ডে শাস্তিযোগ্য হবে
  4. শুধুমাত্র কারাদণ্ডে শাস্তিযোগ্য হবে
সঠিক উত্তর:
মানহানি হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানহানি হবে না
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবে না।

⇒ ৪৯৯ ধারায় ১০টি ব্যতিক্রম নিচে দেয়া হল-
১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।

৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা।
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না।
৬,৭০৯.
ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ (Digital Signature Certificate) সম্পর্কে অনুমানের বিধান কোন ধারায় আছে? 
  1. ৮৫ক ধারায়
  2. ৮৫খ ধারায়
  3. ৮৫গ ধারায়
  4. ৮৫ঘ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৮৫গ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৫গ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৮৫গ (Section 85C)-ই শুধুমাত্র ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ (Digital Signature Certificate) সম্পর্কে অনুমানের বিধান দেয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান:- বিপরীত কিছু প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, গ্রাহকের যে সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করা হয়নি তা ব্যতীত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের উল্লেখিত তথ্য সঠিক, যদি সনদটি গ্রাহক দ্বারা গৃহিত হয়। 
⇒ গ্রাহকের তথ্য হিসেবে নির্ধারিত তথ্য যাচাই করা না হলে তা সঠিক বলে আদালত অনুমান করবে না।
----------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 85C Presumption as to Digital Signature Certificates.- The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber.

৬,৭১০.
দণ্ডবিধি অনুসারে নিম্নের কোনটি গুরুতর আঘাত হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্টসাধন
  2. দুই কর্ণের যে কোনটির শ্রবণশক্তি রহিতকরণ
  3. দুই চক্ষুর যে কোনটিতে দৃষ্টিশক্তি রহিতকরণ
  4. আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে দশ দিন মেয়াদের জন্য তীব্র যন্ত্রণা দান করে
সঠিক উত্তর:
আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে দশ দিন মেয়াদের জন্য তীব্র যন্ত্রণা দান করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে দশ দিন মেয়াদের জন্য তীব্র যন্ত্রণা দান করে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে দশ দিন মেয়াদের জন্য তীব্র যন্ত্রণা দান করে এমন আঘাত দণ্ডবিধি অনুসারে গুরুতর আঘাত হিসেবে গণ্য হবে না।
-----------
⇒Section 320. Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৬,৭১১.
বারিত না হলে দেওয়ানী আদালত সকল প্রকারের দেওয়ানী মোকদ্দমার বিচার করতে পারবে। The Code of Civil Procedure, 1908 এর কত ধারায় বলা হয়েছে।
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১০
  4. ধারা ১১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৯ এর বিধান  বারিত না হলে আদালত সকল দেওয়ানী মামলার বিচার করবেনঃ
আদালতের (এখানে বর্ণিত বিধানাবলী সাপেক্ষে) সকল দেওয়ানী প্রকৃতির মামলা বিচার করার এখতিয়ার থাকবে, কেবল সে সকল মামলা ব্যতিত যেগুলির বিচারার্থে গ্রহণ (cognizance) প্ৰত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বারিত হয়েছে।
♦ব্যাখ্যাঃ যে মামলায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, সে মামলা দেওয়ানী প্রকৃতির, যদিও অধিকার সম্পূর্ণরূপে ধর্মীয় আচার বা উৎসব সম্পর্কীত প্রশ্নের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করতে পারে।
৬,৭১২.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় 'Application for restitution' এর বিধান আছে?
  1. ১৪০
  2. ১৪১
  3. ১৪৪
  4. ৪৪
সঠিক উত্তর:
১৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৪ ধারার বিধান: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত: 
(১) যে ক্ষেত্রে কোন - ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা - করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।
-----------------------
⇒ CPC Section: 144. Application for restitution.
(1) Where and in so far as a decree is varied or reversed, the Court of first instance shall, on the application of any party entitled to any benefit by way of restitution or otherwise, cause such restitution to be made as will, so far as may be, place the parties in the position which they would have occupied but for such decree or such part thereof as has been varied or reversed; and, for this purpose, the Court may make any orders, including orders for the refund of costs and for the payment of interest, damages, compensation and mesne profits, which are properly consequential on such variation or reversal. 
(2) No suit shall be instituted for the purpose of obtaining any restitution or other relief which could be obtained by application under sub-section (1).
৬,৭১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার ক্ষমতাবলে গ্রেফতারী পরোয়ানা বাংলাদেশের যে কোনো জায়গায় কার্যকরী হবে?
  1. ৮০ ধারা
  2. ৮২ ধারা
  3. ৮৩ ধারা
  4. ৮৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৮২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮২ ধারার ক্ষমতাবলে গ্রেফতারী পরোয়ানা বাংলাদেশের যে কোনো জায়গায় কার্যকরী হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮২ ধারার বিধান পরোয়ানা যেখানে বলবৎ করা যাবে: গ্রেফতারী পরোয়ানা বাংলাদেশের যে কোন জায়গায় কার্যকরী করা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 82. Where warrant may be executed: A warrant of arrest may be executed at any place in Bangladesh.
৬,৭১৪.
ডিজিটাল কমিউনিকেশন এর ক্ষেত্রে কোন ধরনের অনুমান করা হবে?
  1. May
  2. Shall
  3. Conclusive proof
  4. কোন অনুমান করতে হবে না
সঠিক উত্তর:
May
উত্তর
সঠিক উত্তর:
May
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইন (সংশোধন), ২০২২ এর ৮৮(ক) ধারা মতে, আদালত অনুমান করতে পারে, যে প্রেরক ডিজিটাল যোগাযোগ বা বার্তা সার্ভারের মাধ্যমে যে প্রাপকের কাছে বার্তাটি সম্বোধন করতে চান তার কম্পিউটারে দেওয়া বার্তার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ একটি ডিজিটাল যোগাযোগ সংক্রমণের জন্য ডিজিটাল ডিভাইসের অন্যান্য ফর্মের মধ্যে দেয়া; কিন্তু আদালতে এই ধরনের বার্তা প্রেরিত ব্যক্তিদের হিসাবে কোন অনুমান করবে না।

♦সাক্ষ্য আইন (সংশোধন), ২০২২ এর ৮৮(ক) ধারা (Presumption as to digital communication section 88A . The Court may presume that a digital communication forwarded by the originator through a digital communication or message server to the addressee to whom the message purports to be addressed corresponds with the message as fed into his computer or fed into other forms of digital device for transmission; but the Court shall not make any presumption as to the persons by whom such message was sent.)
৬,৭১৫.
আইনজীবী কর্তৃক পেশা সম্পর্কিত পত্রালাপ বা যোগাযোগ প্রকাশ করা হতে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে সাক্ষ্য আইনের কত ধারায়?
  1. ধারা ১২৬
  2. ধারা ১২৯
  3. ধারা ১২৫
  4. ধারা ১২৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৬
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশা সম্পর্কিত বার্তা: 
ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদানকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

⇒ তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহিত দিবেন না।

(১) বেআইনী উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,

(২) ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকিবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।

⇒ The Evidence Act, 1872 এর ১২৬ ধারা মতে কোন বেআইনি উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা হিসাবে কোন তথ্য প্রকাশ করা হলে এডভোকেট এমন তথ্য প্রকাশ করতে পারে এবং তা গোপন রাখতে বাধ্য না।
৬,৭১৬.
প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে পুলিশি প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকে কী বলা হয়?
  1. Final Report
  2. Complaint
  3. Charge Sheet
  4. Investigation Report
সঠিক উত্তর:
Charge Sheet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Charge Sheet
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ এ পুলিশ রিপোর্ট সম্পর্কে বিধান রয়েছে। সাধারণত পুলিশ রিপোর্ট ২ প্রকার-
ক) Charge Sheet ( অভিযোগ পত্র): প্রাথমিক তদন্ত শেষে সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Charge Sheet বলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর ভিত্তিতে মামলায় অগ্রসর হন।

খ) Final Report (চূড়ান্ত প্রতিবেদন): প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া না গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Final Report বলে এবং এর উপর ভিত্তি করে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি [Discharge] দেন।

৬,৭১৭.
দেওয়ানী আদালত কোন ক্ষেত্রে অন্তর্নিহিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. ন্যায়বিচার নিশ্চিতের ক্ষেত্রে
  2. তামাদির বাধা অতিক্রম করতে
  3. আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধের ক্ষেত্রে
  4. আদালতের কার্যক্রমে কোনো পক্ষকে অন্যায় সুবিধা নেওয়া থেকে বিরত রাখতে
সঠিক উত্তর:
তামাদির বাধা অতিক্রম করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদির বাধা অতিক্রম করতে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী আদালত তামাদির বাধা অতিক্রম করাতে অন্তর্নিহিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের সহজাত ক্ষমতা রক্ষণের বিধান রয়েছে। 
- ১৫১ ধারামতে দেওয়ানী আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

⇒  ন্যায়বিচারের জন্য অথবা আদালতের পরোয়ানার অবমাননা প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দানের ব্যাপারে আদালতের যে অনন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, এই বিধির কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না।
⇒  ১৫১ ধারার ক্ষমতা বলে দেওয়ানী আদালত অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা inherent power প্রয়োগ করতে পারেন।

⇒ এই ধারা আদালতকে একটি বিপুল ক্ষমতা দিয়েছে। ন্যায়বিচার করার জন্য বা আদালতের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করার জন্য আদালত তার সহজাত ক্ষমতাবলে যেকোন আদেশ দেওয়ার অধিকার রাখেন। আইন সমস্ত পরিস্থিতির মোকবেলা করার পূর্ণ বিধান দিতে পারে না। আইন যে সময় প্রণীত হয় সেই সময়ের পরিস্থিতি আইন প্রয়োগ হওয়ার সময় বদলে যেতে পারে; আইন প্রয়োগ হওয়ার পরে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, যা আইনপ্রণেতাগণ আইন প্রণয়নের সময় ভাবতেও পারেন নাই; এই সমস্ত কারণে এই ধারায় বলা হয়েছে, আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় সবিচারের জন্য যেকোন আদেশ দিতে পারেন।
-------------
⇒ CPC Section: 151. Saving of inherent powers of Court:
- Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
৬,৭১৮.
তামাদি আইনের ৩ ধারা অনুসারে Pauper Suit দাখিল হয়েছে বলে গণ্য হবে-
  1. যখন নিঃস্ব ব্যক্তি আদালতে আরজি দাখিল করেন।
  2. যখন উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট নিঃস্ব হিসাবে মামলা দায়ের করার অনুমতি চেয়ে দরখাস্ত দাখিল করবেন।
  3. যখন আদালত নিঃস্ব ব্যক্তির আবেদন গ্রহণ করেন।
  4. ক অথবা খ
সঠিক উত্তর:
যখন উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট নিঃস্ব হিসাবে মামলা দায়ের করার অনুমতি চেয়ে দরখাস্ত দাখিল করবেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট নিঃস্ব হিসাবে মামলা দায়ের করার অনুমতি চেয়ে দরখাস্ত দাখিল করবেন।
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৩ অনুসারে Pauper Suit দাখিল হয়েছে বলে গণ্য হবে- যখন উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট নিঃস্ব হিসাবে মামলা দায়ের করার অনুমতি চেয়ে দরখাস্ত দাখিল করবেন
৬,৭১৯.
সাক্ষী আদালতে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য নোট ব্যবহার করলে প্রতিপক্ষ চাইলে-
  1. শুধু নোট দেখতে পারে
  2. নোট দেখতে ও সাক্ষীকে জেরা করতে পারবে
  3. সাক্ষীর তথ্য বাতিল করতে পারবে
  4. শুধু সাক্ষীকে জেরা করতে পারে
সঠিক উত্তর:
নোট দেখতে ও সাক্ষীকে জেরা করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোট দেখতে ও সাক্ষীকে জেরা করতে পারবে
ব্যাখ্যা

ধারা ১৬১: স্মৃতি পুনরুজ্জীবিতের জন্য ব্যবহৃত লেখার বিষয়ে প্রতিপক্ষের অধিকার-
যে লেখাগুলোর উল্লেখ পূর্ববর্তী দুই ধারার অধীনে করা হয়েছে (অর্থাৎ ধারা ১৫৯ ও ১৬০), তা যদি কোনো সাক্ষী স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যবহার করেন, তাহলে প্রতিপক্ষ পক্ষ (adverse party) চাইলে সেই লেখা উত্থাপন ও প্রদর্শন করতে হবে। প্রতিপক্ষ চাইলে উক্ত লেখার বিষয়ে সাক্ষীকে জেরা (cross-examine) করতে পারবে।

৬,৭২০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক অনুযায়ী, ক্ষতিপূরণমূলক খরচের সর্বোচ্চ সীমা কত?
  1. ৫,০০০ টাকা
  2. ১০,০০০ টাকা
  3. ১৫,০০০ টাকা
  4. ২০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ৫ক অনুযায়ী, যদি কোনো পক্ষের অনুরোধে অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়া হয় এবং পরে দেখা যায় যে এর ফলে অপর পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে আদালত ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে তার ব্যয়িত খরচ ছাড়াও অনধিক ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ প্রদান করতে পারে।

- এই বিধান অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার অপব্যবহার রোধের জন্য যুক্ত করা হয়েছে, যাতে কোনো পক্ষ ভিত্তিহীন বা অনৈতিকভাবে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার আদেশ আদায় করতে না পারে।

- অর্থাৎ ক্ষতিপূরণমূলক খরচের সর্বোচ্চ সীমা ১০,০০০ টাকা। এই ক্ষতিপূরণ কেবল তখনই দেওয়া হবে, যখন দেখা যাবে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার কারণে অন্য পক্ষ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
৬,৭২১.
'ক' একজন সরকারি কর্মচারী এবং 'খ' তার স্ত্রী। স্বামীকে প্রভাবিত করে চাকুরির সংস্থান করে দেয়ার উদ্দেশ্যে 'খ' এক লোকের নিকট হতে একটি উপহার গ্রহণ করেন এবং 'ক' তার স্ত্রীর কার্যে সহায়তা করেন। দণ্ডবিধি অনুসারে 'খ' এর সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হবে-
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৬৩ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারীর উপর ব্যক্তিগত প্রভাব প্রয়োগের জন্য পারিতোষিক গ্রহণ:- কোন ব্যক্তি যদি সরকারী কর্মচারীর উপর তার ব্যক্তিগত প্রভাব প্রয়োগ করে উক্ত সরকারী কর্মচারীকে দিয়ে কোন সরকারী কাজ করানোর বা করা হতে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে বা পুরস্কার হিসাবে, অথবা সরকারী দায়িত্ব পালনকালে কোন ব্যক্তিকে অনুগ্রহ প্রদর্শন বা নিগ্রহ প্রদর্শন করানোর বা করা হতে বিরত রাখার জন্য, অথবা বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভা দ্বারা কিংবা কোন সরকারী কর্মচারী দ্বারা কোন উপকার বা অপকার করানোর জন্য বা তা করানোর চেষ্টায় নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির জন্য কারো নিকট থেকে কোনরূপ পারিতোষিক গ্রহণ করে, বা লাভ করে, বা গ্রহণ করতে সম্মত হয়, বা লাভ করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উল্লিখিত প্রশ্নে  দণ্ডবিধি অনুসারে 'খ' এর সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হবে ১ বছর।


⇒ দণ্ডবিধির ১৬৪ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারী দ্বারা ১৬২ বা ১৬৩ ধারায় বর্ণিত অপরাধগুলো সংঘটনে সহায়তা করার সাজা:- যে সরকারী কর্মচারীকে জড়িত করে উপরে উল্লেখিত সর্বশেষ দুইটি ধারায় বর্ণিত অপরাধসমূহের কোনটি অনুষ্ঠিত হয়, সে সরকারী কর্মচারী যদি সে অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করেন, তবে তিনি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবেন।

⇒ অর্থাৎ ১৬৩ ধারায় সরকারী কর্মচারীর উপর ব্যক্তিগত প্রভাব প্রয়োগকারী ব্যক্তি এবং ১৬৪ ধারায় সরকারী কর্মচারী দণ্ডিত হবেন।
৬,৭২২.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৮৯ক-এর অধীন আদালতের অনুমান কোন সময় বাতিল হয়?
  1. বিচারের শুরুতে
  2. বিপরীত প্রমাণিত হলে
  3. সাক্ষ্য উপস্থাপনের পর
  4. যখন উভয় পক্ষ একমত হয়
সঠিক উত্তর:
বিপরীত প্রমাণিত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপরীত প্রমাণিত হলে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৮৯ক-এর অধীন, শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্যের অনুমান (presumption) প্রাথমিকভাবে সেই ব্যক্তির অন্তর্গত বা তৈরি করা বলে গ্রহণ করা হয় যার কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। এই অনুমান বাতিল হয় যখন বিপরীত প্রমাণ (contrary proof) উপস্থাপিত হয়, যেমন সাক্ষ্যটি অন্য কারো বলে প্রমাণিত হলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৯ক ধারার বিধান : শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য হিসাবে অনুমান:
- আদালত অনুমান করতে পারে যদি না বিপরীত প্রমাণিত হয় যে, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণগুলি সেই ব্যক্তির অন্তর্গত বা তৈরি করা হয়েছে যার কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে।

- অর্থাৎ আদালত প্রতিকূল প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত অনুমান করতে পারে যে শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সেই ব্যক্তির অন্তর্ভুক্ত, অথবা সেই ব্যক্তির দ্বারা সৃষ্টি, যাঁর কাছ থেকে উক্ত প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-89A: Presumption as to physical or forensic evidence:
-The Court may presume unless contrary is proved that the physical or forensic evidence belongs to or is created by that person from whom it purports to have been collected.

৬,৭২৩.
চুরির মামলায় বিচার চলাকালে তিন মাস জেলে থাকার পর "X" বিচার শেষে ছয় মাসের দণ্ড পেলে কতদিন সাজা ভোগ করবে?
  1. ৬ মাস ভোগ করতে হবে
  2. ৩ মাস ভোগ করতে হবে
  3. আদালতের বিবেচনায় যত দিনের সাজার রায় দেন
  4. জামিন পেয়েছে এই জন্য কোন সাজা ভোগ করতে হবে না
সঠিক উত্তর:
৩ মাস ভোগ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস ভোগ করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
→ ধারা-৩৫ক (১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
 তবে এই বিধানটি আসামি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
→ ধারা-৩৫ক (২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ড মওকুফ হয়ে যাবে।

→ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(১) ধারা অনুযায়ী, যেহেতু 'X'  তিন মাস ইতোমধ্যে জেল হাজতে ছিল, তাই তার মোট শাস্তি ৬ মাস থেকে ৩ মাস বাদ দিয়ে বাকি ৩ মাস তাকে কারাগারে থাকতে হবে।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section: 35A.Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody:
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence. 
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
৬,৭২৪.
দেওয়ানি আদালত কোন ক্ষেত্রে তার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. বাতিল বা দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে
  2. সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে
  3. রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ
  4. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ বিবেচনামূলক ক্ষমতা বা Discretionary power বলতে আদালতের এমন ক্ষমতাকে বোঝায় যা আদালত তার ইচ্ছা অনুযায়ী প্রয়োগ করতে পারে এবং এই ক্ষেত্রে কোন আদেশ প্রদান করতে আদালত বাধ্য নয়; অর্থাৎ আদালত সন্তুষ্ট হলে কোন আদেশ প্রদান করতে পারে আবার নাও পারে। বিচারকের বিবেচনামূলক ক্ষমতা অবশ্যই আইন ও ন্যায়সঙ্গতভাবে নিজের অধিকারের সীমার মধ্যে থেকে প্রয়োগ করতে হবে। বিবেচনামূলক ক্ষমতা যথেচ্ছা বা খুশিমত ব্যবহার করা যায় না।
 
⇒ যে সকল সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন (ধারা-১২);
ii) দলিল সংশোধন, বাতিল, এবং রদ (ধারা ৩১-৩৯);
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি বা ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২-৪৩);
iv) রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ (ধারা-৪৪);
v) প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (ধারা-৫২); এবং
vi) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা-৫৩ থেকে ৫৫)
 
⇒ যে সকল সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না। যথা-
i) সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা-৮); এবং
ii) স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (ধারা-৯)।
 
⇒ যেহেতুে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় প্রতিকারগুলো পাওয়া পক্ষগণের অধিকার, তাই ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।

⇒ উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্র ব্যতীত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতায় অন্যান্য প্রতিকারের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
৬,৭২৫.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৭ অনুযায়ী, জেরা (Cross-examination) কী?
  1. সাক্ষী কর্তৃক নিজেকে প্রশ্ন করা
  2. আদালত কর্তৃক সাক্ষীকে প্রশ্ন করা
  3. বিরুদ্ধ পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে প্রশ্ন করা
  4. সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে প্রশ্ন করা
সঠিক উত্তর:
বিরুদ্ধ পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে প্রশ্ন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরুদ্ধ পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে প্রশ্ন করা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) বিরুদ্ধ পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে প্রশ্ন করা।

→ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৭ অনুযায়ী, জেরা (Cross-examination) হলো সেই প্রক্রিয়া, যেখানে বিরোধী পক্ষ (যে পক্ষ মামলায় সাক্ষীর বক্তব্যের বিরোধিতা করছে) সাক্ষীকে প্রশ্ন করে। এটি মূলত সাক্ষীর বক্তব্যের সঠিকতা বা বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই করতে ব্যবহৃত হয়। জেরার মাধ্যমে বিরোধী পক্ষ সাক্ষীর দৃষ্টিভঙ্গির অসঙ্গতি বা ভুল ধরতে পারে, যাতে আদালত সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের আগে তা মূল্যায়ন করতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
- জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারার বিধান: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুনঃজবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 137:
- Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
- Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
- Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.

⇒ The Evidence Act, 1872 section 138. Order of examinations:
Witnesses shall be first examined-in-chief, then (if the adverse party so desires) cross-examined, then (if the party calling him so desires) re-examined.
The examination and cross-examination must relate to relevant facts but the cross-examination need not be confined to the facts to which the witness testified on his examination-in-chief.
৬,৭২৬.
The Specific Relief Act,1877 এর ২৯ ধারার বিধান অনুযায়ী চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের মামলা খারিজের ফলাফল কী?
  1. বিবাদী কর্তৃক ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে
  2. বাদী কর্তৃক ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে
  3. বাদী কর্তৃক ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে না
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বাদী কর্তৃক ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী কর্তৃক ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ অনুসারে,
একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে, তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে

Section 29- Bar of suit for breach after dismissal:
The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
৬,৭২৭.
একটি সশস্ত্র অভুত্থানে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার জন্য A অভিযুক্ত। উক্ত অভ্যুত্থানের সময় X নামক স্থানে জনগণের সম্পত্তি বিনষ্ট করা হয়,Y নামক স্থানে নিরাপত্তা রক্ষীদের এবং অন্যান্য সেনাবাহিনীকে আক্রমণ করা হয় এবং Z নামক স্থানে সংশোধনাগার ভেঙ্গে অনেক বন্দিকে মুক্ত করার চেষ্টা করা হয়। A শুধুমাত্র X স্থানে উপস্থিত ছিল কিন্তু Y এবং Z নামক স্থানে উপস্থিত ছিলনা। A এর বিচারের ক্ষেত্রে A এর বিরুদ্ধে-
  1. Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে না
  2. X নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে কিন্তু Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে না।
  3. X,Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে না কারণ A সকল স্থানে উপস্থিত ছিলনা
  4. X,Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে, যদিও সকল স্থানে উপস্থিত ছিলনা
সঠিক উত্তর:
X,Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে, যদিও সকল স্থানে উপস্থিত ছিলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
X,Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে, যদিও সকল স্থানে উপস্থিত ছিলনা
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায় এর বিধান আছে। যেহেতু সশস্ত্র অভ্যুত্থানের অংশ হিসাবে X,Y এবং Z নামক স্থানে বিভিন্ন ঘটনা ঘটানো হয়েছে, তাই A এর বিচারের ক্ষেত্রে A এর বিরুদ্ধে উক্ত সকল ঘটনা একই কার্যের অংশ হিসাবে বা Resgestae নীতি অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক হবে। উক্ত সকল ঘটনার ক্ষেত্রে A উপস্থিত ছিল কিনা বা সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছিল কিনা তা বিবেচ্য বিষয় না বা উক্ত ঘটনাসমূহ একই স্থানে এবং একই সময়ে সংঘটিত হয়েছে কিনা তা বিবেচ্য বিষয় না।  
৬,৭২৮.
দাঁতের বিচ্যুতি (Dislocation) একটি ________।
  1. গুরুতর আঘাত
  2. সাধারণ আঘাত
  3. মারাত্মক অস্ত্রের মাধ্যমে আঘাত
  4. আক্রমণ
সঠিক উত্তর:
গুরুতর আঘাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুরুতর আঘাত
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩২০ অনুসারে, "গুরুতর আঘাত" (Grievous Hurt) বলতে নির্দিষ্ট কিছু আঘাতকে বোঝানো হয়। এর মধ্যে দাঁতের বিচ্যুতি (dislocation of a tooth) অন্তর্ভুক্ত।
- এটি গুরুতর আঘাত হিসেবে গণ্য হয় কারণ এটি শক্তিসমূহ ধ্বংস বা অঙ্গের স্থানচ্যুতি নির্দেশ করে, যা দীর্ঘস্থায়ী বা স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ Section 320.Grievous hurt:
 The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৬,৭২৯.
বাদীর অনুপস্থিতির জন্য আদালত মোকদ্দমা খারিজের সিদ্ধান্ত দেয়া হলে, তা ______ বলে গণ্য হবে?
  1. ডিক্রি
  2. আদেশ
  3. আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হিসেবে ডিক্রি
  4. চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
সঠিক উত্তর:
আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ
ব্যাখ্যা
কোন ত্রুটির জন্য মোকদ্দমা খারিজের সিদ্ধান্ত দেয়া হলে, উক্ত সিদ্ধান্ত আদেশ বলে গণ্য হবে।

• ধারাঃ ২(২) এ ডিক্রির সংজ্ঞা হিসেবে দেয়া আছে:
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। আরজি প্রত্যাখ্যান এবং ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও এর অন্তর্ভুক্ত হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
খ) কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ

Section 2(2)-
"decree" means the formal expression of an adjudication which, so far as regards the Court expressing it, conclusively determines the rights of the parties with regard to all or any of the matters in controversy in the suit and may be either preliminary or final. It shall be deemed to include the rejection of a plaint and the determination of any question within section 144, but shall not include- 
(a) any adjudication from which an appeal lies as an appeal from an order, or 
(b) any order of dismissal for default. 
৬,৭৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(১) ধারায় কাকে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. অভিযুক্ত
  2. অভিযোগকারী
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. সহ-অভিযুক্ত
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়-
১- হাইকোর্ট বিভাগে;
২- দায়রা জজের নিকট।

খালাস আদেশটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিলে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা আদালত দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে-
১. পাবলিক প্রসিকিউটর;
২. অভিযোগকারী।

৪১৭ (১) ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং ৪১৭ (২) ধারায় অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর যেকোনো মামলায় (G.R এবং C.R উভয় মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিলকরতে পারে। অভিযোগকারী শুধুমাত্র নালিশী মামলায় (C.R মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(৩) ধারা অনুসারে, খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ ধারা অনুচ্ছেদ অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে ৬ মাসের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারে।

Section 417- Appeal in case of acquittal:
(1) Subject to the provisions of sub-section (4), the Government may, in any case, direct the Public Prosecutor to present an appeal- 
(a) to the High Court Division from an original or appellate Order of acquittal passed by any Court of Session; 
(b) to the Court of Session from an original or appellate Order of acquittal passed by any Magistrate.
 
(2) Notwithstanding anything contained in section 418, if such an order is passed in any case instituted upon complaint, and if the order involves an error of law occasioning failure of justice, the complainant may present an appeal- 
(a) to the High Court Division from an original order of acquittal passed by any Court of Session; 
(b) to the Court of Session from an original order of acquittal passed by any Magistrate.
 
(3) No appeal by the complaint from an order of acquittal shall be entertained by the High Court Division or a Court of Session after the expiry of sixty days from the date of the order of acquittal. 
 
(4) If, in any case, the admission of an appeal from an order of acquittal is refused, no appeal from that order of acquittal shall lie under sub-section (1).
৬,৭৩১.
বিবাহ বিচ্ছেদের পর বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য একজন মুসলিম স্ত্রী কর্তৃক মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ উল্লেখিত আছে?
  1. ১০১ অনুচ্ছদে
  2. ১০২ অনুচ্ছদে
  3. ১০৩ অনুচ্ছদে
  4. ১০৪ অনুচ্ছদে
সঠিক উত্তর:
১০৪ অনুচ্ছদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৪ অনুচ্ছদে
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর ১০৩ অনুচ্ছেদে তাৎক্ষণিক পরিশোধযোগ্য (Promt/মু’অজ্জল) মোহরানা আদায়ের জন্য আর  ১০৪ অনুচ্ছেদে বিলম্বিত (Differed/মু’আজ্জল) মোহরানা আদায়ে জন্য মোকদ্দমা দায়ের করার বিধান আছে। উভয়ক্ষেত্রে মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।
৬,৭৩২.
নিচের কোনটি প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য?
  1. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে দেখেনি।
  2. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে শোনেনি।
  3. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে নিজে বিশ্বস্ত মাধ্যম মারফত জানতে পেরেছে।
  4. কোনটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়।
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ধারা ৬০ অনুযায়ী- মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে অর্থাৎ সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে নিজে প্রত্যক্ষভাবে দেখতে হবে বা শুনতে হবে বা উপলব্ধি করতে হবে। অন্যের মারফত শোনা ঘটনা এক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য হবে না।
৬,৭৩৩.
'A', 'B' কে একটি মামলা থেকে বিরত থাকতে প্ররোচিত করার জন্য তার বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়, তাহলে 'A' কী অপরাধে দোষী হবে?
  1. দস্যুতা
  2. অনিষ্টসাধন
  3. বলপূর্বক গ্রহণ
  4. অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারার বিধান অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করা:- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তিকে তার দেহের, খ্যাতির বা সম্পত্তির অথবা সে ব্যক্তি যার সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন কোন লোকের দেহের বা খ্যাতির ক্ষতি বা হানি করার ভীতি প্রদর্শন করে এবং সে ব্যক্তির ভয় সরকারের উদ্দেশ্যে অথবা সে ব্যক্তিকে হুমকি হতে বাঁচার জন্য সে আইনতঃ যা করতে বাধ্য নয়, তাকে তা করতে বাধ্য করায়, অথবা সে আইনত যা করার ক্ষমতা সম্পন্ন, তাকে তা করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ ভীতি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করেছে।
ব্যাখ্যা:- ভীতি প্রদর্শিত ব্যক্তির স্বার্থ নিহিত আছে এমন কোন মৃত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শন এই ধারার আওতাধীন হবে। 

⇒ উদাহরণ:
ক খ-কে একটি দেওয়ানী মামলা পরিচালনা করা হতে বিরত করার জন্য খ-এর বাড়ি পুড়ে ফেলার ভীতি প্রদর্শন করে, ক অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে।
------------------------------- 
⇒ The Penal Code,1860- Section 503. Criminal Intimidation:
- Whoever threatens another with any injury to his person, reputation or property, or to the person or reputation of any one in whom that person is interested, with intent to cause alarm to that person, or to cause that person to do any act which he is not legally bound to do, or to omit to do any act which that person is legally entitled to do, as the means of avoiding the execution of such threat, commits criminal intimidation.
Explanation:- A threat to injure the reputation of any deceased person in whom the person threatened is interested, is within this sect on.

⇒ Illustration:
A, for the purpose of inducing B to desist from prosecuting a civil suit, threatens to burn B's house. A is guilty of criminal intimidation.
৬,৭৩৪.
'ক' মিথ্যা কুৎসা রটানোর ভয় দেখিয়ে 'খ' কে ২ লক্ষ টাকা দিতে বাধ্য করে। 'খ' নিচের কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. দস্যুতা
  2. ডাকাতি
  3. চুরি
  4. বলপূর্বক গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক গ্রহণ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৩৮৩ ধারা মতে কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অপর কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুর ভয়, আঘাতের ভয় বা পথরুদ্ধ করার ভয় দেখিয়ে বা অন্য কোনো চাপ সৃষ্টি করে কোন কিছু দিতে বাধ্য করলে তাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বলে।
৬,৭৩৫.
দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার বিধান কী?
  1. মানহানির অভিযোগে সাজা প্রদান
  2. সরকারী কাজে বাধার জন্য সাজা প্রদান
  3. রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে সাজা প্রদান
  4. সন্ত্রাসী কার্যকলাপের জন্য সাজা প্রদান
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে সাজা প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে সাজা প্রদান
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার বিধান রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে সাজা প্রদান।

⇒ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার বিধান রাষ্ট্রদ্রোহিতা:

- কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা-১: ‘বৈরিতা' বলতে রাজানুগত্যহীনতা এবং সর্বপ্রকার শত্রুতার ভাব বুঝায়।
ব্যাখ্যা-২: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই আইনসম্মত উপায়ে পরিবর্তন বা সংশোধনের উদ্দেশ্যে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
ব্যাখ্যা-৩: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করার বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক বা অন্যরূপ কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
-----------
⇒ The Penal Code Section 124A. Sedition:
- Whoever by words, either spoken or written, or by signs, or by visible representation, or otherwise, brings or attempts to bring into hatred or contempt, or excites or attempts to excite disaffection towards, the Government established by law shall be punished with imprisonment for life or any shorter term, to which fine may be added, or with imprisonment which may extend to three years, to which fine may be added, or with fine.
 
Explanation 1.-The expression "disaffection" includes disloyalty and all feelings of enmity. 
Explanation 2.-Comments expressing disapprobation of the measures of the Government with a view to obtain their alteration by lawful means, without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section. 
Explanation 3.-Comments expressing disapprobation of the administrative or other action of the Government without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section.
৬,৭৩৬.
আদালতে উপস্থিতির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩ বিধি ১ অনুসারে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. মামলার পক্ষ নিজে উপস্থিত হতে সব সময় বাধ্য
  2. মামলার পক্ষ উকিল বা স্বীকৃত প্রতিনিধির মাধ্যমে হাজির হতে পারে
  3. কেবলমাত্র বাদী উকিলের মাধ্যমে উপস্থিত হতে পারে
  4. কেবলমাত্র বিবাদী উকিলের মাধ্যমে হাজির হতে পারে
সঠিক উত্তর:
মামলার পক্ষ উকিল বা স্বীকৃত প্রতিনিধির মাধ্যমে হাজির হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার পক্ষ উকিল বা স্বীকৃত প্রতিনিধির মাধ্যমে হাজির হতে পারে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৩ বিধি ১: উপস্থিতি ইত্যাদি ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি বা আইনজীবী মারফতে হতে পারে:
মোকদ্দমার কোন পক্ষের আদালতে হাজিরা দেয়া, আবেদন করা বা আইন মোতাবেক অন্য যা করা কর্তব্য, প্রত্যক্ষভাবে অন্য কোন বিপরীত বিধান না থাকলে উক্ত কার্যগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে সম্পন্ন করতে পারে, অথবা তার স্বীকৃত প্রতিনিধি কর্তৃক কিংবা তার পক্ষে [ক্ষেত্র বিশেষ উপস্থিত, দরখাস্ত কিংবা কার্যকরী] কোন উকিলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় হাজিরা দিতে, আবেদন করতে বা অন্য কোন কাজ সমাধান করতে পারে-

তবে শর্ত থাকে যে, আদালত নির্দেশ প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের হাজিরা বা উপস্থিতি ব্যক্তিগতভাবেই দিতে হবে।
৬,৭৩৭.
নিচের কোন ক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা মর্মে গণ্য হবে?
  1. যখন পাঁচবা ততোধিক ব্যক্তি দ্বারা সংঘটিত হয়
  2. যখন একই সাথে বলপ্রয়োগ করা হয়
  3. যখন তাৎক্ষনিক মৃত্যুর ভয় থাকে
  4. যখন দুই বা ততোধিক তবে পাঁচ জনের কম ব্যক্তি দ্বারা ঘটে
সঠিক উত্তর:
যখন তাৎক্ষনিক মৃত্যুর ভয় থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন তাৎক্ষনিক মৃত্যুর ভয় থাকে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: যখন তাৎক্ষনিক মৃত্যুর ভয় থাকে।
⇒  দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান অনুযায়ী দস্যুতা সংঘটিত হয় যখন চুরি বা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী কোনো ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে সম্পত্তি আদায় করে। এর মধ্যে চুরি এবং বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় উভয়ই "দস্যুতা" হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-390- Robbery: In all robbery there is either theft or extortion:
- When theft is robbery:
Theft is "robbery" if, in order to the committing of the theft, or in committing the theft, or in carrying away or attempting to carry away property obtained by the theft, the offender, for that end, voluntarily causes or attempts to cause to any person death or hurt or wrongful restraint, or fear of instant death or of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
- When extortion is robbery:
Extortion is “robbery” if the offender, at the time of committing the extortion, is in the presence of the person put in fear, and commits the extortion by putting that person in fear of instant death, instant hurt, or of instant wrongful restraint to that person, or to some other person, and, by so putting in fear, induces the person so put in fear then and there to deliver up the thing extorted.
⇒ Explanation.-The offender is said to be present if he is sufficiently near to put the other person in fear of instant death, of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
৬,৭৩৮.
ফৌজদারি মামলার রিভিশনের কার্যক্রম কত দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. নির্ধারিত সময় উল্লেখ নেই
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান:- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারি হওয়ার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারি হওয়ার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

৬,৭৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আপিল আদালতকে আপিল চলাকালীন সময় আসামীকে জামিন দেওয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ৪১২ ধারায়
  2. ৪১৬ ধারায়
  3. ৪২১ ধারায়
  4. ৪২৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪২৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৬ ধারায়
ব্যাখ্যা

• আপিল চলমান থাকলে দণ্ড স্থগিত এবং জামিনের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ ধারায় আবেদন করা যায়। ৪২৬ ধারায় আপিল আদালতকে আপিল চলাকালীন সময় দণ্ড স্থগিত এবং আসামীকে জামিন দেওয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। 

৪২৬ ধারা অনুযায়ী-
আপিল চলমান থাকাকালে আপিল আদালতে যে দণ্ডাদেশ বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে, সেই দণ্ডাদেশ বা আদেশ কার্যকর করা স্থগিত করতে পারে এবং আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে। বিচারিক আদালত কর্তৃক কোন ব্যক্তি অনধিক ১ বছরের কারাদন্ডে দন্ডিত হলে এবং উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান থাকলে এবং বিচারিক আদালত যদি মনে করে যে, উক্ত ব্যক্তি আপিল দায়ের করতে পারে তাহলে বিচারিক আদালত উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।

হাইকোর্ট বিভাগ যদি সন্তুষ্ট হয় যে, দণ্ডিত ব্যক্তিকে আপিল বিভাগে অনুমতি সাপেক্ষে আপিল [leave to appeal] করার বিশেষ অনুমতি দেয়া হয়েছে, তখন হাইকোর্ট বিভাগ যে দণ্ড দিয়েছে আপিল চলাকালীন সময় উক্ত দণ্ড স্থগিত বা আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।

৬,৭৪০.
সাক্ষ্য (সংশোধন) আইন, ২০২২ অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ডের সংজ্ঞায় কোনটি অন্তর্ভুক্ত?
  1. ড্রোন ডেটা
  2. হস্তলিখিত দলিল
  3. কাঠের তৈরি ফলক
  4. পাথরে খোদাই করা লেখা
সঠিক উত্তর:
ড্রোন ডেটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড্রোন ডেটা
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence (Amendment) Act, 2022 দ্বারা সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩-এ "ডিজিটাল রেকর্ড" বা "ইলেকট্রিক রেকর্ড"-এর নতুন সংজ্ঞা যুক্ত করা হয়েছে।
এই সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বলতে বোঝায়—
 ডিজিটাল, ইলেকট্রনিক, বা কম্পিউটার-ভিত্তিক যে কোনো মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ, উৎপাদন, প্রেরণ বা গ্রহণ করা হয়েছে এমন তথ্য বা রেকর্ড।
এতে অন্তর্ভুক্ত:
- ম্যাগনেটিক/ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক/অপটিক্যাল/কম্পিউটার মেমরি
- অডিও, ভিডিও, সিডি/ডিভিডি, মাইক্রোফিল্ম
- সিসিটিভি, মোবাইল ফোনে ধারণকৃত ছবি বা ভিডিও
- ড্রোন ডেটা
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ অনুসারে সংজ্ঞায়িত ডিভাইস থেকে সংগৃহীত তথ্য
- ওয়েবসাইট প্রকাশিত গেজেট ইত্যাদি।

⇒ সাক্ষ্য (সংশোধন) আইন, ২০২২ এর ধারা ৩ অনুযায়ী ডিজিটাল রেকর্ডের সংজ্ঞায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত: ড্রোন ডেটা, সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ফোন/কম্পিউটারে সংরক্ষিত ডাটা, ডিজিটাল ডিভাইস (ডিভিডি, হার্ডডিস্ক ইত্যাদি)

অন্যদিকে, খ) হস্তলিখিত দলিল, গ) কাঠের তৈরি ফলক,  ঘ) পাথরে খোদাই করা লেখা →  এগুলো ডিজিটাল রেকর্ডের সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত নয়।
৬,৭৪১.
অচল মুদ্রা বলে জানা সত্ত্বেও প্রতারণামূলকভাবে অন্যকে তা অর্পণের দায়ে ‘ক’- অভিযুক্ত হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা মতে ইতিপূর্বে ‘ক’-এর এইরূপ অপরাধে দণ্ডিত হওয়ার ঘটনা বর্তমান বিচারের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. ১২ ধারা
  2. ১৪ ধারা
  3. ১৫ ধারা
  4. ১৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪ ধারার বিধান: মনের বা দেহের অবস্থা বা দৈহিক উপলব্ধির অস্তিত্ব যে সকল বিষয় প্রদর্শন করেঃ
ইচ্ছা, জ্ঞান, সরল বিশ্বাস, অবহেলা হঠকারিতা, কোন ব্যক্তিবিশেষের প্রতি বিদ্বেষ অথবা কল্যাণ কামনার মানসিক অবস্থার অস্তিত্ব যে সকল বিষয় প্রকাশ করে অথবা কোন শারীরিক অবস্থা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব প্রকাশ করে, সেগুলো তখনই প্রাসঙ্গিক, যখন উক্তরূপ কোন মানসকি অথবা শারীরিক অবস্থা অথবা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব বিচার্য অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় হয়।

ব্যাখ্যা-১: কোন প্রাসঙ্গিক মানসিক অবস্থা প্রকাশ করার নিমিত্তে যে বিষয়টি প্রাসঙ্গিক হয়, তাকে সংশ্লিষ্ট মানসিক অবস্থাটি সাধারণভাবে নয়, নির্ধারিতকোন বিচার্য বিষয় প্রসঙ্গে বিদ্যমান রয়েছে এরূপ প্রকাশ করতে হবে।

ব্যাখ্যা-২: তবে যখন কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির বিচারকালে উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক পূর্বে- কৃত কোন অপরাধ এ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক, তখন উক্ত ব্যক্তির পূর্বে দণ্ডিত হওয়াও প্রাসঙ্গিক বিষয়।
৬,৭৪২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারার বিধান মতে হাইকোর্ট বিভাগ অধস্তন আদালত থেকে যে-কোনো মামলা বদলী করতে পারেন?
  1. ২১
  2. ২২
  3. ২৩
  4. ২৪
সঠিক উত্তর:
২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ২৪ ধারা মতেঃ স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা (General power of transfer and withdrawal ): মোকদ্দমার যেকোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকল পক্ষকে নোটিশ দিয়ে এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যে কোন সময়-
‌তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা
♦ তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অন্যান্য কার্যক্রম-

১) প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং

২) তা বিচার বা নিষ্পত্তি করতে পারেন, অথবা

৩) অধীনস্ত কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির জন্য স্থানান্তর করতে পারেন; অথবা ৪) যেই আদালত হতে তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।  

♦কোন মোকদ্দমা স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত হয়ে থাকলে যে পর্যায়ে তা স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই পর্যায় হতে বিচার শুরু করতে পারেন।

♦স্বল্প এখতিয়ার আদালত হতে স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত মোকদ্দমার বিচারকারী আদালতকে উক্ত মোকদ্দমার ব্যাপারে স্বল্প এখতিয়ার আদালত বলে গণ্য করতে হবে।
৬,৭৪৩.
কেবল অপর পক্ষকে হয়রানীর লক্ষ্যে কোন পক্ষ একটি দেওয়ানি মামলা করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে একজন এ্যাডভোকেট-
  1. আদালতের অনুমতি নিয়ে মামলাটি গ্রহণ করবেন
  2. বিরুদ্ধ পক্ষের এ্যাডভোকেটকে সাহায্য করবেন
  3. মামলাটি পরিচালনায় করতে অস্বীকার করবেন
  4. নিযুক্তিয় এ্যাডভোকেট হিসাবে মামলাটি পরিচালনা করবেন
সঠিক উত্তর:
মামলাটি পরিচালনায় করতে অস্বীকার করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলাটি পরিচালনায় করতে অস্বীকার করবেন
ব্যাখ্যা

⇒ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তীতা: ৪ অধ্যায়ে বিধি ৩ এর বিধান একজন আইনজীবীর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে কোন একটি দেওয়ানী মামলা বিবাদমান পক্ষ একে অপরকে হয়রানি ও ক্ষতিগ্রস্থ করার উদ্দেশ্যে মামলায় লিপ্ত হয়েছে, সেই ক্ষেত্রে তিনি বাদী কিংবা বিবাদী পক্ষে মামলা পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহনে অবশ্যই অস্বীকার করবে। উক্ত ব্যতিক্রম ব্যতীত একজন আইনজীবী যে কোন মামলা পরিচালনা করার অধিকার সংরক্ষণ করে।
⇒ এডভোকেটের জনসাধারণের প্রতি দায়িত্ব সম্পকৃত ৩ নং বিধিতে বলা হয়েছে, কাউকে হয়রানি বা ক্ষতি করার জন্য কোন দেওয়ানী মামলা দায়ের করা হলে তা পরিচালনা করতে একজন আইনজীবী অবশ্যই অস্বীকার করবে।

৬,৭৪৪.
The Limitation Act, 1908 এর ধারা ১৩ কার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. শুধুমাত্র বাদী
  2. শুধুমাত্র বিবাদী
  3. শুধুমাত্র সরকারি বাদী
  4. বাদী এবং বিবাদী উভয়ের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র বিবাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র বিবাদী
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) শুধুমাত্র বিবাদী।

তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী,
বাদীর যখন মামলা করার অধিকার জন্মায় তখন 
যদি বিবাদী উক্ত সময়ে সরকারের কার্যের অংশ হিসাবে দেশের বাইরে থাকে, বিবাদী যতদিন বিদেশে থাকবে ততদিন তামাদির মেয়াদের গণনা স্থগিত থাকবে। তাই বলা যায় যে, বিবাদীর বিদেশে অবস্থানের সময়টুকু তামাদি থেকে বাদ যাবে।

৬,৭৪৫.
'A' is wounded within the local limits of the jurisdictions of Court 'X', and dies within the local limits of the jurisdiction of Court 'Z'. The offence of the culpable homicide of 'A' may be tried by-
  1. Court 'Z'
  2. Court 'X'
  3. Court 'X' or 'Z'
  4. Both 'X' and 'Z'
সঠিক উত্তর:
Court 'X' or 'Z'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Court 'X' or 'Z'
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭৯: যেখানে অপরাধ সংঘটিত হয় বা ফলস্বরূপ হয় সেখানে অভিযুক্তের বিচার:
যখন কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ থাকে যা তার দ্বারা করা কিছু কাজের কারণে এবং এর ফলস্বরূপ ঘটে, তখন এই অপরাধটি সেই আদালতে তদন্ত করা যেতে পারে বা বিচার করা যেতে পারে, যার স্থানীয় সীমার মধ্যে উক্ত কাজটি করা হয়েছে বা যার স্থানীয় সীমার মধ্যে উক্ত ফলস্বরূপ ঘটেছে।

উদাহরণ:
(ক) যদি A-এর উপর আক্রমণ করা হয় এবং সে আদালত X-এর স্থানীয় সীমার মধ্যে আহত হয় এবং পরে আদালত Z-এর স্থানীয় সীমার মধ্যে মারা যায়, তাহলে A-এর হত্যা সম্পর্কিত অপরাধটি আদালত X বা Z-এর দ্বারা তদন্ত করা যেতে পারে বা বিচার করা যেতে পারে।
৬,৭৪৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে-
  1. চুক্তি নয় এমন কোন অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকারে
  2. দণ্ডমূলক আইনের অধীন প্রতিকারে
  3. নিষেধাত্মক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকারে
  4. ১৯০৮ সালের রেজিষ্ট্রেশন আইনের অধীন প্রতিকারে
সঠিক উত্তর:
নিষেধাত্মক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষেধাত্মক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকারে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪ ধারামতে কোন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না-
i) চুক্তি নয় এমন কোন অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকারে, এবং
ii) ১৯০৮ সালের রেজিষ্ট্রেশন আইনের অধীন প্রতিকারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারামতে দণ্ডমূলক আইন (Penal Laws) বলবৎ বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ দণ্ডমূলক আইনের (Penal Laws) ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।

 ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা- 
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ)রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।

 ⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারামতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন মোট ৫ প্রকার সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় যার মধ্যে ৪টি আদেশাত্মক প্রতিকার এবং ১টি নিষেধাত্মক বা নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।

 ⇒ ৫ ধারার ক, খ, ঘ এবং ও অনুচ্ছেদের ৪টি প্রতিকার হলো আদেশাত্মক প্রতিকার। অন্যদিকে ৫ ধারার গ অনুচ্ছেদের প্রতিকারটি নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)
 ⇒ অর্থাৎ নিষেধাত্মক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকারে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে।

 সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫(ঘ) ধারার বিধান অনুযায়ী আদলত ক্ষতিপূরণ ব্যতীত অন্য কোনভাবে পক্ষসমূহের অধিকার নির্ধারণ এবং ঘোষণার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দিতে পারে। অর্থাৎ ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেনা। সুতরাং আর্থিক ক্ষতিপূরণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার নয়।

 ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বা Preventive Relief এর সংজ্ঞা রয়েছে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারার (গ) অনুচ্ছেদের অধীন যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় তাকে নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বলে। অর্থাৎ যা না করার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত থাকার আদেশ প্রদানই হলো প্রতিরোধমূলক প্রতিকার।

 ⇒  সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদান করা হলেও সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার নয়। যেমন- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হলেও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) হল আদেশাত্মক প্রতিকার। অর্থাৎ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ছাড়া সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা হলো নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।
৬,৭৪৭.
কাউকে হয়রানির বা আক্রোশের বশবর্তী হয়ে কোনো পক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে একটি মামলা করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে একজন অ্যাডভোকেট-
  1. মামলাটি পরিচালনা করবেন
  2. মামলাটি পরিচালনা করতে নিয়োজিত হবেন না
  3. আদালতের অনুমতি নিয়ে মামলাটি গ্রহণ করবেন
  4. বিরুদ্ধ পক্ষের অ্যাডভোকেটকে সাহায্য করবেন
সঠিক উত্তর:
মামলাটি পরিচালনা করতে নিয়োজিত হবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলাটি পরিচালনা করতে নিয়োজিত হবেন না
ব্যাখ্যা

উত্তর: মামলাটি পরিচালনা করতে নিয়োজিত হবেন না।

"Canons of Professional Conduct and Etiquette" এর অধ্যায় ৪- জনসাধারণের প্রতি আইনজীবীদের আচরণ

বিধি ১: কাউকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে আক্রোশের বশবর্তী হইয়া কিংবা মামলার কার্যক্রম বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে বাদী কিংবা আসামী পক্ষে কোন মামলা পরিচালনা করার জন্য একজন আইনজীবী নিয়োজিত হইবেন না। এমনকি অনুরূপ উদ্দেশ্যে কোন আপিল দায়েরের দায়িত্ব ও নিবেন না।
--------------------------------------
Rule 1: An Advocate shall not accept employment to prosecute or defend a case out of spite or for the purposing of harassing anyone or delaying any matter nor shall he take or prosecute an appeal willfully motivated to harass any one or delay any matter.

৬,৭৪৮.
দণ্ডবিধির কত ধারায় মিথ্যা সার্টিফিকেট প্রদান বা স্বাক্ষর করলে তার শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ১৯৩ ধারায়
  2. ১৯১ ধারায়
  3. ১৯৭ ধারায়
  4. ১৯৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৯৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
----------------------------------
Section 197: Issuing or signing false certificate:
-Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.
৬,৭৪৯.
In criminal proceedings the fact that the person accused is of a ________ is relevant.
  1. Bad character
  2. Criminal character
  3. Good character
  4. Good or bad character
সঠিক উত্তর:
Good character
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Good character
ব্যাখ্যা
♦Criminal Proceeding –এ আসামীর ভালো চরিত্র প্রাসঙ্গিক, খারাপ চরিত্র সাধারণত প্রাসঙ্গিক নয়। তবে যদি ভালো চরিত্র দাবি করা হয় তখন তাঁর চরিত্র ভালো না এই বিষয়ও প্রাসঙ্গিক হয়ে যায়।
♦ ধারা ৫৩ ধারা- In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.
৬,৭৫০.
সংক্ষিপ্ত বিচারে অনধিক ২০০/- টাকা অর্থদন্ড হলে, ঐ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার হলো-
  1. রিভিশন
  2. আপিল
  3. রেফারেন্স
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৪ ধারায় বলা হয়েছে, ২৬০ ধারার অধীনে সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক দুইশত টাকা জরিমানা করলে ঐ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন যে সকল ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না, সে সব ক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা যায়। এজন্য ঐ আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করতে হবে
৬,৭৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬২ ধারার অধীন পুলিশের নিকট প্রদত্ত সাক্ষ্য কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে পারে?
  1. মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণে
  2. সাক্ষ্য আইনের ১৪৫ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে
  3. কোনো ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যাবে না
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬২ তে দেয়া আছে-
(১) তদন্তের সময় কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের নিকট কোন বিবৃতি দিলে তা যদি লিপিবদ্ধকৃত হয়, তাহলে বিবৃতিদাতা তাতে স্বাক্ষর করবেন না;
-এরূপ কোন বিবৃতি যে অপরাধের তদন্তের সময় দেয়া হয়েছিল, সেই অপরাধের কোন অনুসন্ধান বা বিচারে ব্যবহার করা যাবে না:
তবে শর্ত এই যে, যে ব্যক্তির বিবৃতি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে, তাকে সরকার পক্ষের সাক্ষী হিসাবে তলব করা হলে উক্ত লিখিত বিবৃতি ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ১৪৫ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতি জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬২ ধারা অনুসারে উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্যের বৈপরীত্য প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।

⇒ পুলিশ সাক্ষীর যে জবানবন্দি ১৬১ ধারা অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করে, তা বিচার বা অনুসন্ধানে নিম্নলিখিত ২ টি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায়-
i. জবানবন্দিটি যদি মৃত্যুকালীন ঘোষণা হয়। [সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা]
ii. জবানবন্দিটির উপর ভিত্তি করে পুলিশ কোন বিষয় উদঘাটন করলে। [সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা]
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-162: Statements to police not to be signed; use of such statements in evidence:
(1) No statement made by any person to a police officer in the course of an investigation under this Chapter shall, if reduced into writing, be signed by the person making it; nor shall any such statement or any record thereof, whether in a police-diary or otherwise, or any part of such statement or record, be used for any purpose (save as hereinafter provided) at any inquiry or trial in respect of any offence under investigation at the time when such statement was made: 
 
Provided that, when any witness is called for the prosecution in such inquiry or trial whose statement has been reduced into writing as aforesaid, the Court shall on the request of the accused, refer to such writing and direct that the accused be furnished with a copy thereof, in order that any part of such statement, if duly proved, may be used to contradict such witness in the manner provided by section 145 of the Evidence Act, 1872. When any part of such statement is so used, any part thereof may also be used in the re-examination of such witness, but for the purpose only of explaining any matter referred to in his cross-examination: 
 
Provided, further that, if the Court is of the opinion that any part of any such statement is not relevant to the subject matter of the inquiry or trial or that its disclosure to the accused is not essential in the interests of justice and is inexpedient in the public interests, it shall record such opinion (but not the reasons therefor) and shall exclude such part from the copy of the statement furnished to the accused. 
 
(2) Nothing in this section shall be deemed to apply to any statement falling within the provisions of section 32, clause (1), of the Evidence Act, 1872 or to affect the provisions of section 27 of that Act.
৬,৭৫২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার বিধান কী?
  1. প্রত্যর্পণের দরখাস্ত
  2. নিলাম বিক্রির দরখাস্ত
  3. কমিশন নিয়োগের দরখাস্ত
  4. রায় সংশোধনের দরখাস্ত
সঠিক উত্তর:
প্রত্যর্পণের দরখাস্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যর্পণের দরখাস্ত
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত:
(১) যে ক্ষেত্রে কোন - ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।

Section: 144. Application for restitution-
(1) Where and in so far as a decree is varied or reversed, the Court of first instance shall, on the application of any party entitled to any benefit by way of restitution or otherwise, cause such restitution to be made as will, so far as may be, place the parties in the position which they would have occupied but for such decree or such part thereof as has been varied or reversed; and, for this purpose, the Court may make any orders, including orders for the refund of costs and for the payment of interest, damages, compensation and mesne profits, which are properly consequential on such variation or reversal.

(2) No suit shall be instituted for the purpose of obtaining any restitution or other relief which could be obtained by application under sub-section (1).
৬,৭৫৩.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৫২ ধারায় কোন প্রকার প্রতিকারের বিধান রয়েছে?
  1. বাধ্যতামূলক
  2. বিধিবদ্ধ
  3. নিরোধমূলক
  4. নেতিবাচক
সঠিক উত্তর:
নিরোধমূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরোধমূলক
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ৫২ ধারায় বিধান করা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা, স্থায়ী বা অস্থায়ী যারা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে নিরোধমূলক প্রতিকার মাঞ্জুর করা হয়। [Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual]
৬,৭৫৪.
Mis-joinder এবং Non-joinder এর বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ- ১
  2. আদেশ- ২
  3. আদেশ- ৩
  4. আদেশ- ৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ- ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ- ১
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ- ১ এ অপসংযোগ ও অসংযোগ (Mis-joinder, Non-joinder) বিষয়ে বিধান আছে।

• পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ (Non-Joinder and Mis-Joinder of Parties)- 
মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে পক্ষাভাব বা Non-Joinder of parties বলে। অন্যদিকে কোন ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করলে তাকে অপসংযোগ বা Mis-Joinder of Parties বলে।  ভুল ব্যক্তির নামে মোকদ্দমা হলে বা ভুল ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা হলে, আদালত তাকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে কর্তন (strike out) বা বাদ অথবা স্থলাভিষিক্ত বা সংযোজিত (Add/Substitute) করতে পারে দিতে পারে।

⇒ কোন মামলায় পক্ষ সমূহের অপসংযোগ ও অসংযোগ এর কারনে আদালাত মামলা খারিজ করবেন না।
৬,৭৫৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২(১১) ধারায় কীসের সংজ্ঞা দেয়া আছে?
  1. Court
  2. Judge
  3. Judgement
  4. Legal Representative
সঠিক উত্তর:
Legal Representative
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Legal Representative
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১১) এ আইনানুগ প্রতিনিধি (Legal Representative) এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

• ধারা ২(১১) অনুসারে আইনানুগ প্রতিনিধি হলো সেই ব্যক্তি-
⇒ যে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রতিনিধিত্ব করে;
⇒ যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি পরিচালনা করে; এবং
⇒ যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির প্রতিনিধি হিসেবে মোকদ্দমা করতে পারে বা যার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করা যায়।

Section 2(11)-
"legal representative" means a person who in law represents the estate of a deceased person, and includes any person who intermeddles with the estate of the deceased and where a party sues or is sued in a representative character the person on whom the estate devolves on the death of the party so suing or sued.
৬,৭৫৬.
কোন ফৌজদারী মামলার অভিযুক্ত তার কৃত অপরাধ স্বীকার করে যে বিবৃতি প্রদান করে, তাকে ______ বলা হয়।
  1. Admision
  2. Confession
  3. Primary Evidence
  4. Secondary Evidence
সঠিক উত্তর:
Confession
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Confession
ব্যাখ্যা
কোন ফৌজদারী মামলার অভিযুক্ত তার কৃত অপরাধ স্বীকার করে যে বিবৃতি প্রদান করে, তাকে স্বীকারোক্তি বা Confession বলা হয়।

⇒ অপরাধ স্বীকারের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে স্বীকারোক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়-
i) Inculpatory Confessional Statement; ও
ii) Ex-culpatory Confessional Statement.

⇒ Inculpatory Confessional Statement এর অর্থ হল এমন একটি স্বীকারোক্তি বা বিবৃতি যাতে অভিযুক্ত ব্যক্তি স্পষ্টভাবে তার নিজের বিরুদ্ধে অপরাধের স্বীকারোক্তি করেন।
⇒ আর অভিযুক্ত নিজেকে অপরাধের সাথে না জড়িয়ে, অন্য কোন ব্যক্তিকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Ex-culpatory Confessional Statement বলা হয়।
৬,৭৫৭.
দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারা অনুসারে, বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম ছাড়া অন্য কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য দানের সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং
-কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
-------------
The Penal Code, 1860-Section-193. Punishment for false evidence: Whoever intentionally gives false evidence in any stage of judicial proceeding, or fabricates false evidence for the purpose of being used in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and whoever intentionally gives or fabricates false evidence in any other case, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
Explanation 1.-A trial before a Court-martial is a judicial proceeding.
Explanation 2.-An investigation directed by law preliminary to a proceeding before a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
Explanation 3.-An investigation directed by a Court of Justice according to law, and conducted under the authority of a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.

৬,৭৫৮.
'ক', 'গ'-এর নির্দেশ ছাড়াই জ্ঞাতসারে 'গ'-এর মালিকানাধীন একটি সম্পত্তি 'খ'-এর নিকট বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয়। এক্ষেত্রে 'ক' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৫ ধারায় এই চুক্তির-
  1. 'গ' এর অনুমোদন ছাড়াই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করতে পারে
  2. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করতে পারে না
  3. 'গ' এর অনুমোদন সাপেক্ষে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করতে পারে
  4. চুক্তি সম্পাদনের বিকল্প হিসেবে 'খ' থেকে জরিমানা আদায় করতে পারে
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করতে পারে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করতে পারে না
ব্যাখ্যা
ধারা-২৫: স্বত্বহীন অথবা অনুমতিক্রমে বসতকারি ব্যক্তি কর্তৃক চুক্তি (Contracts to sell property by one who has no title, or who is a voluntary settler)-
⇒ স্বত্ব না থাকা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি (স্থাবর বা অস্থাবর) বিক্রয় অথবা ভাড়া দেয়া হলে, বিক্রেতা অথবা ইজারাদাতার পক্ষে ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যায় না। তবে এক্ষেত্রে ক্রেতা/ইজারাদার চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারে।

যেমন- 'ক', 'গ'-এর নির্দেশ ছাড়াই এমন একটি সম্পত্তি 'খ'-এর নিকট বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয় যে সম্পত্তি সম্পর্কে ক জানে যে, তা 'গ'-এর মালিকানাধীন। 'ক' এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করতে পারেনা, এমনকি যদি তা 'গ' অনুমোদন করতে ইচ্ছুকও থাকে।

⇒ যদিও বিক্রেতা/ইজারাদাতা এই বিশ্বাসে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন যে সম্পত্তিতে তার ভাল স্বত্ব আছে, কিন্তু বিক্রয় বা ভাড়া প্রদান সম্পন্ন করার সময় ক্রেতা বা ইজারাদারকে যুক্তিসঙ্গত সন্দেহমূলক স্বত্ব প্রদান করতে পারেন নি, সেক্ষেত্রেও বিক্রেতা অথবাইজারাদাতার পক্ষে ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।

যেমন- ক কতিপয় জমিতে দখলে থাকা অবস্থায় তা জ-এর নিকট বিক্রয় করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হল। পরবর্তীতে অনুসন্ধানে প্রকাশ পেল যে, ক. খ-এর উত্তরাধিকারী হিসাবে এই জমি দাবি করছে, যিনি বহু বৎসর পূর্বেই দেশত্যাগ করেছেন এবং সাধারণভাবে বিশ্বাস করা হয় যে, খ মারা গিয়াছেন, কিন্তু খ-এর মৃত্যু সম্পর্কে যথেষ্ট প্রমাণ নাই। এ অবস্থায় ক এই চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করার জন্য জ-কে বাধ্য করতে পারে না।

⇒ যে ব্যক্তি চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়ার পূর্বেই চুক্তির বিষয়বস্তুর বন্দোবস্ত প্রদান করেছেন (যদিও তা কোন মূল্যবান প্রতিদানের উপর প্রতিষ্ঠিত নয়), তিনি তার পক্ষে ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে পারেন না।

যেমন- ক স্বাভাবিক স্নেহ-ভালবাসার বশবর্তী হয়ে তার ভাই ও ভাইয়ের সন্তান-সন্ততিকে কতিপয় সম্পত্তি বন্দোবস্ত প্রদান (settlement) করেন এবং তারপর একজন আগন্তকের (stranger) নিকট উক্ত বন্দোবস্তকৃত সম্পত্তি বিক্রি করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হন। ক-এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন দাবি করতে পারেন না, কেননা তা করতে গেলে পূর্বের বন্দোবস্ত বাতিল করে দিতে হয় এবং উক্ত বন্দোবস্তের অধীনে দাবীদার ব্যক্তিগণের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
৬,৭৫৯.
রানা একটি দেওয়ানী মামলায় বাদী ছিলেন এবং তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। রানার আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য কতদিনের মধ্যে দরখাস্ত দাখিল করতে হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৭৬ এর বিধান:
মৃত বাদী অথবা আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত মৃত বাদী বা আপিলকারীর মৃত্যুর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।

- অন্যদিকে,
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭৭ অনুযায়ী-মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর মৃত্যুর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
৬,৭৬০.
আদেশ-১০ বিধি-৪ অনুয়ায়ী, যদি কোন পক্ষ আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হয় এবং তার কোনো আইনসঙ্গত কারণ না থাকে, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলা স্থগিত রাখতে পারেন
  2. মামলার পুনঃশুনানি ঘোষণা করতে পারেন
  3. সেই পক্ষের বিরুদ্ধে রায় দান করতে পারেন
  4. শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
সেই পক্ষের বিরুদ্ধে রায় দান করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেই পক্ষের বিরুদ্ধে রায় দান করতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১০ বিধি ৪(২) অনুসারে: যদি কোন পক্ষ আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হয় এবং এর জন্য কোনো আইনসঙ্গত কারণ না থাকে তাহলে আদালত সেই পক্ষের বিরুদ্ধে রায় দান করতে পারেন অথবা মামলা সম্পর্কে অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারেন। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১০, বিধি-৪(২) অনুসারে, যদি কোনো পক্ষ আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও নির্ধারিত তারিখে ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হয় এবং তার কোনো আইনসঙ্গত কারণ না থাকে, তবে আদালত তবে সেই পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারেন বা মামলাটির সম্পর্কে অন্য কোন আদেশ প্রদান করতে পারেন।

এতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আদালত তখন ঐ পক্ষের বিরুদ্ধে রায় দিতে পারেন বা অন্য উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারেন, যা বিচারক পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবেন।
৬,৭৬১.
যদি কেউ 'ক' কে হত্যার intention বা knowledge নিয়ে কোন কাজ করে, কিন্তু তার ফলে 'খ' এর মৃত্যু হয় (যার মৃত্যুর intention তার ছিল না), তাহলে অপরাধটি দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুসারে শাস্তিযোগ্য হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ২৯৯ ধারা
  2. ৩০০ ধারা
  3. ৩০১ ধারা
  4. ৩০২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০১ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০১ এ precisely এই নীতিটি বর্ণনা করা হয়েছে, যা Doctrine of Transfer of Malice (দূষ্প্রেচ্ছেদ হস্তান্তর নীতি) নামে পরিচিত।
- এই ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি 'ক' ব্যক্তিকে হত্যার ইচ্ছা (intention) বা জ্ঞান (knowledge) নিয়ে কোনো কাজ করে,
কিন্তু সেই কাজের ফলে 'খ' ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে (যার মৃত্যুর ইচ্ছা বা জ্ঞান অপরাধীর ছিল না),
তাহলে অপরাধীটি 'ক' ব্যক্তির প্রতি তার যে দূষ্প্রেচ্ছেদ (malice) বা অপরাধমূলক ইচ্ছা/জ্ঞান ছিল, তা 'খ' ব্যক্তির ক্ষেত্রে হস্তান্তরিত (transfer) হবে।
অর্থাৎ, অপরাধীটি 'খ' এর মৃত্যুর জন্য ঠিক ততটাই দায়ী হবে, যতটা দায়ী হতো যদি সে 'ক' কেই হত্যা করত।
যদি 'ক' কে হত্যার ইচ্ছা murder (খুন)এর পর্যায়ে পড়ত, তবে 'খ' এর মৃত্যুও murder হিসেবে গণ্য হবে।
যদি এটি culpable homicide not amounting to murder (শাস্তিযোগ্য নরহত্যা কিন্তু খুন নয়) হতো, তবে সেভাবে গণ্য হবে।

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
ক) ২৯৯ ধারা: এটি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার (Culpable Homicide) সাধারণ সংজ্ঞা দেয়। এটি specific ভাবে transfer of malice-এর বিষয়টি covered করে না।
খ) ৩০০ ধারা: এটি খুন (Murder) এর সংজ্ঞা ও ব্যতিক্রমগুলি বর্ণনা করে। এটি সরাসরি এই principle-টি addressed করে না।
ঘ) ৩০২ ধারা: এটি খুনের শাস্তি (মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড) নির্ধারণ করে। এটি অপরাধের সংজ্ঞা দেয় না।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হল গ) ৩০১ ধারা, যা specifically এই বিশেষ situation-টির জন্য প্রযোজ্য।
 
 ⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:-
-কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুন মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যে-রূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 301: Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
-If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.

৬,৭৬২.
দন্ডবিধির কত ধারায় রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের বিশেষাধিকার সংরক্ষণ করা হয়েছে?
  1. ৫৪ ধারায়
  2. ৫৫ ধারায়
  3. ৫৫ক ধারায়
  4. ৫৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৫ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ক ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ সরকার দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে এবং ৫৫ ধারা অনুযায়ী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস করে যে কোন দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে । দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারায় বলা হয়েছে, ৫৪ ও ৫৫ ধারার কোন কিছু রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, শাস্তি কমানো, লাঘব বা মওকুফের অধিকার ক্ষতিগ্রস্থ করবে না।

♦ সরকার দন্ডবিধির ৫৪ ও ৫৫ ধারামতে দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির দন্ড হ্রাস বা মওকুফ করতে পারে এবং রাষ্ট্রপতির ৫৫ক ধারামতে  ক্ষমা প্রদর্শন, শাস্তি কমানো, লাঘব বা মওকুফ করতে পারে।

♦ সংবিধানের আওতায় ক্ষমা প্রদর্শন- বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৯ নং অনুচ্ছেদমতে রাষ্ট্রপতি কোন দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির দন্ড হ্রাস বা মওকুফ করতে পারেন।
প্রাণ-ভিক্ষা: মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত অপরাধীরা সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ মতে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ-ভিক্ষা করে থাকেন।
৬,৭৬৩.
আরজির সাথে দাখিলকৃত দলিলের তালিকা কে পরীক্ষা করে স্বাক্ষর করবে?
  1. আদালতের প্রধান কেরানী পরীক্ষা করবে এবং বিচারক স্বাক্ষর করবে
  2. বিচারক পরীক্ষা করে, স্বাক্ষর করবে
  3. আদালতের প্রধান কেরানী পরীক্ষা করে স্বাক্ষর করবে
  4. বাদীর উকিল পরীক্ষা করবে এবং বাদী স্বাক্ষর করবে
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রধান কেরানী পরীক্ষা করে স্বাক্ষর করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রধান কেরানী পরীক্ষা করে স্বাক্ষর করবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করতে হলে প্রথমে যে দলিল প্রস্তুত করতে হয়, সেটা হলো আরজি। আরজি দাখিলের মধ্য দিয়ে দেওয়ানি মোকদ্দমা শুরু হয়।দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ থেকে ১৮ নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• আদেশ ৭  বিধি-৯ তে আরজি গ্রহণের পদ্ধতি দেয়া হয়েছে-

যেসকল দলিল বাদী আরজির সাথে পেশ করে (যদি থাকে), আরজির উপর সেই গুলির একটি তালিকা লিখে বা আরজির সাথে সংযুক্ত করে দিতে হবে। আরজি গৃহীত হলে যতজন বিবাদী রয়েছে, সাদা কাগজে আরজির ততসংখ্যক নকল পেশ করবে। বাদী আরজির সাথে যে তালিকা, সংক্ষিপ্ত বিবৃতি, নকল দাখিল করে তা আদালতের প্রধান কেরানী পরীক্ষাপূর্বক সেগুলো সঠিক থাকলে সেইগুলোতে স্বাক্ষর করবে।

Order 7 Rule 9 (Procedure of admitting plaint)-


1) The plaintiff shall endorse on the plant, or annex thereto, a list of the documents (if any) which he has produced along with it; and, if the plaint is admitted, shall present as many copies on plain paper of the plaint as there are defendants, unless the Court by reason of the length of the plaint or the number of the defendants, or any other sufficient reason, permits him to present a like number of concise statements of the nature of the claim made, or of the relief claimed in the suit, in which case he shall present such statements.

2) Concise statements: Where the plaintiff sues, or the defendant or any of the defendants is sued, in a representative capacity, such statements shall show in what capacity the plantiff or defendant sues or is sued.

3) The plaintiff may, by leave of the Court, amend such statements so as to make them correspond with the plaint.
4) The chief ministerial officer of the Court shall sign such list and copies or statements if, on examination, he finds them to be correct.
৬,৭৬৪.
দায়রা জজ যদি কোনো অনিবার্য কারণে অনুপস্থিত থাকেন বা দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন, তবে কোন আদালত জরুরি কোনো আবেদন নিষ্পত্তি করতে পারেন?
  1. যুগ্ম দায়রা জজ
  2. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898- ধারা ১৭ক: যুগ্ম দায়রা জজদের অধীনতা:
(১) সকল যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judges) সেই দায়রা জজের (Sessions Judge) অধীনস্থ, যার আদালতে তারা বিচারকার্য পরিচালনা করে থাকেন। দায়রা জজ সময় সময় এই আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিচারকার্যের বণ্টন সংক্রান্ত বিধি তৈরি করতে পারেন অথবা বিশেষ নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

(২) দায়রা জজ যদি কোনো অনিবার্য কারণে অনুপস্থিত থাকেন বা দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন, তবে তিনি অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ-এর মাধ্যমে জরুরি কোনো আবেদন নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করতে পারেন। এই ক্ষেত্রে, ঐ অতিরিক্ত বা যৌথ দায়রা জজ উক্ত আবেদন নিষ্পত্তির অধিকার রাখেন।
৬,৭৬৫.
তামাদি আইনের 'বৈধ অপারগতা' সংক্রান্ত বিধান কোন মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. অগ্রক্রয়
  2. বাটোয়ারা
  3. স্বত্ব ঘোষণা
  4. দখল পুনরুদ্ধার
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬-৭ ধারায় মামলা করার অধিকার সৃষ্টির সময় বাদী legal disability তে আক্রান্ত থাকলে তখন তামাদির মেয়াদ গণনা বন্ধ রাখার বিধান আছে। কিন্তু তামাদি আইনে ৮ ধারায় বলা আছে এই বিধান অগ্রক্রয়ের আবেদন বা মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

⇒ তামাদি আইনের ৮ ধারার বিধান: বিশেষ ব্যতিক্রম: ৬ অথবা ৭ ধারার কোন কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোন কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
উদাহরণ:
(ক) ক নাবালক থাকাকালে মিরাস আদায়ের জন্য মামলা করিবার অধিকার লাভ করে। ইহার ১১ বৎসর পর সে সাবালক হয়। সাধারণ আইন অনুসারে ক মামলা দায়ের করিবার জন্য মাত্র অবশিষ্ট এক বৎসর সময় পায়। কিন্তু ৬ ধারা ও অত্র ধারা অনুসারে সে আরও দুই বৎসর অতিরিক্ত সময় পাইবে। অর্থাৎ সাবালক হইবার পর তিন বৎসরের মধ্যে সে মামলা দায়ের করিতে পারিবে।
----------------
⇒ The Limitation Act:- Section 8: Special exceptions:
- Nothing in section 6 or in section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption, or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made.
৬,৭৬৬.
'চ' একজন বাদী হিসেবে একটি মামলা পরিচালনা করছেন। হঠাৎ তিনি দেউলিয়া হয়ে যান এবং তার রিসিভার মামলাটি পরিচালনা করতে অস্বীকৃতি জানান। তাহলে আদালত -
  1. মোকদ্দমা বাতিল করবে
  2. মোকদ্দমা স্থগিত করবে
  3. মোকদ্দমায় নতুন বাদী নিয়োগ করবে
  4. রিসিভারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা বাতিল করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা বাতিল করবে
ব্যাখ্যা
বাদীর দেউলিয়ায় মোকদ্দমার পরিচালনা:
যদি বাদী দেউলিয়া হয়ে যান এবং তাদের মামলার পরিচালনা স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার দ্বারা করা হয়, তবে মামলাটি তখনও চলবে যদি স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার মামলার খরচের জন্য জামানত দিতে প্রস্তুত থাকেন। জামানত না দিলে বা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জামানত দিতে অস্বীকৃতি জানালে, আদালত মামলাটি বাতিল করতে পারে
আর যদি স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার জামানত না দেন বা মামলা চালাতে ব্যর্থ হন, বিবাদী আদালতে আবেদন করতে পারে যে, বাদীর দেউলিয়ার অজুহাতে মামলাটি বাতিল করা হোক। আদালত মামলাটি খারিজ করে এবং বিবাদীকে বাদীর সম্পত্তির বিরুদ্ধে প্রমাণিত খরচ প্রদান করার আদেশ দিতে পারে।

আদেশ ২২ বিধি ৮- যখন বাদীর দেউলিয়ায় মোকদ্দমায় বাধা হয়:
১) বাদীর স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার তার পাওনাদারদের স্বার্থে মোকদ্দমাটি পরিচালনা করতে থাকলে কোন বাদীর অসচ্ছলতা মোকদ্দমাটি বিলুপ্ত করাবে না, যদি না অনুরূপ ভারপ্রাপ্ত স্বত্বনিয়োগী কিংবা রিসিভার মোকদ্দমাটি চালাতে অথবা (যদি না কোন বিশেষ কারণে আদালত ভিন্ন প্রকার নির্দেশ দেয়) আদালতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উহার খরচ মোকদ্দমায় খরচাদির জন্য জামানত দিতে অস্বীকৃত জানান।

২) যখন স্বত্বনিয়োগী মোকদ্দমা পরিচালনা করতে বা জামানত দিতে ব্যর্থ হয়, তখন পদ্ধতিঃ যেক্ষেত্রে স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার মোকদ্দমাটি চালাতে এবং অনুরূপভাবে আদেশকৃত সময়ের মধ্যে উক্ত জামানত দিতে অবহেলা বা অস্বীকার করে সেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর অসচ্ছলতার অজুহাতে মোকদ্দমাটি খারিজ করার জন্য আবেদন করতে পারে এবং আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করে এবং বিবাদীকে বাদীর এস্টেটের বিরুদ্ধে ঋণ হিসাবে প্রমাণিত বিবাদীর উক্ত মোকদ্দমায় পরিচালনাবন্ধ উদ্বৃত্ত খরচাদি প্রদান করতে আদেশ দিতে পারে।
৬,৭৬৭.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় সর্বোচ্চ কত টাকা মুলতবি খরচের আদেশ দেয়া যায়?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি মোকদ্দমায় মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

• আইনে মুলতবি [Adjournment] অর্থ হলো আদালতের কার্যপ্রণালিতে কোনো মামলার শুনানি পরবর্তী কোনো তারিখ পর্যন্ত স্থগিত বা মুলতবি করা। সাধারণত কোন মোকদ্দমার শুনানী শুরু হলে তা চলমান থাকবে। কিন্তু অনিবার্য অবস্থার প্রেক্ষাপটে মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির নাও হতে পারে এবং তখন শুনানী মুলতবির আবেদন করা প্রয়োজনীয় হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭নং আদেশে [Adjournment] বা মুলতবির বিধানসমূহ রয়েছে। আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে। ১৭নং আদেশ অনুযায়ী মুলতবির কিছু সাধারন বিধান-

⇒ আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে।
⇒ চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে।
⇒ অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে (At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মুলতবি মঞ্জুর করে না।
⇒ মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।
⇒ মুলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
৬,৭৬৮.
তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদে পুনঃনিরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্তের তামাদির বিধান দেওয়া আছে?
  1. ১৭১
  2. ১৭৩
  3. ১৮৩
  4. ১৮১
সঠিক উত্তর:
১৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৩
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিউ দায়েরের স্থান এবং সময়সীমা:
- তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৭৩ অনুচ্ছেদের বিধান মতে ডিক্রি বা আদেশ জারির সময় হতে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ দায়ের করতে হবে।
- যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতেই ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়।

অর্থাৎ যে আদালত ডিগ্রি প্রদান করে সেই আদালতে তামাদি আইনের ১৭৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউর আবেদন দায়ের করতে হবে। 
৬,৭৬৯.
তামাদি আইনের ১১ ধারায় কোন ধরনের চুক্তির তামাদি মেয়াদ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. বৈদেশিক চুক্তি
  2. ক্ষতিপূরণ চুক্তি
  3. নাবালকের চুক্তি
  4. বাতিলযোগ্য চুক্তি
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১১ বৈদেশিক চুক্তির উপর মামলার (Suits on foreign contracts) ক্ষেত্রে তামাদির বিধান উল্লেখ করেছে। উক্ত ধারা অনুযায়ী, বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে যেইসব মামলা দায়ের করা হয়, সেগুলি এ আইনে উল্লেখিত তামাদির বিধিসমূহের অধীন।
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে বিদেশী কোনো আইনে তামাদি সংক্রান্ত বিধি জবাব স্বরূপ গ্রহণীয় হবে না।
- তবে যদি সেই বিধি অনুসারে, চুক্তিটির পরিসমাপ্তি ঘটে থাকে এবং যদি উক্ত বিধি অনুসারে নির্ধারিত সময়কালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ সেই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section 11: Suits on foreign contracts:
(1) Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act.
(2) No foreign rule of limitation shall be a defence to a suit instituted in Bangladesh on a contract entered into in a foreign country, unless the rule has extinguished the contract and the parties were domiciled in such country during the period prescribed by such rule.

৬,৭৭০.
Summary dismissal of appeal এর বিধান রয়েছে কোন ধারায়?
  1. ৪২০ ধারায়
  2. ৪২৩ ধারায়
  3. ৪২২ ধারায়
  4. ৪২১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা- ৪২১: আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ (Summary dismissal of appeal)- ৪২১ ধারামতে আদালত মনে করলে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন। তবে আইনজীবীকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিতে হবে।
৬,৭৭১.
ধারা ৩৮ অনুযায়ী, আদালত কোন ন্যায়পরায়ণ পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1.  নিষেধাজ্ঞা প্রদান
  2. কেবল চুক্তি কার্যকর
  3. চুক্তি পুনর্নির্ধারণ
  4. ক্ষতিপূরণ প্রদান
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ প্রদান
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারা অনুযায়ী: রদকারী পক্ষের পক্ষ থেকে আদালত প্রয়োজন অনুসারে ন্যায়পরতার দাবি করতে পারেন:
চুক্তি রদের রায় প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত যে পক্ষকে প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেই পক্ষের থেকে অপর পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজন অনুসারে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 38- Court may require party rescinding to do equity:
On adjudging the rescission of a contract, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.

৬,৭৭২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী কয় ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়?
  1. ২ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ৬ ধরনের
  4. ৪ ধরনের
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার বিধান-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয় ।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়-
i) লিখিত দলিল; ও
ii) লিখিত চুক্তি।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)। চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
৬,৭৭৩.
নিচের কোন ধারাটি দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার ব্যতিক্রম?
  1. দণ্ডবিধির ৩৫ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৩৬ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৩৭ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৩৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৮ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒দণ্ডবিধির ৩৮ ধারামতে একই অপরাধ সংঘটন করলেও ভিন্ন অপরাধের দোষী, অর্থাৎ একাধিক ব্যক্তি একই অপরাধ সংঘটন করলেও দণ্ডবিধির ৩৮ ধারা মতে ভিন্ন ভিন্ন শাস্তি পেতে পারে।
- দণ্ডবিধির ৩৮ ধারাটি ৩৪ ধারার ব্যতিক্রম; কেননা ৩৪ ধারায় অপরাধী যৌথভাবে দায়ী হলেও ৩৮ ধারায় অপরাধী পৃথকভাবে দায়ী হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার বিধান-কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক একই উদ্দেশ্য সাধানকল্পে কৃত কার্যাবলী:
⇒ যখন কতিপয় ব্যক্তি একত্রিত হয়ে তাদের সকলের একই অভিপ্রায় সাধনকল্পে অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত করে, তখন অনুরূপ ব্যক্তিগণের প্রত্যেকেই উক্ত কাজের জন্য এইরূপে দায়ী হবেন যেন উক্ত কাজ উক্ত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছিল।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮ ধারার বিধান- অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন:
⇒ কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটনে কতিপয় ব্যক্তি ব্যাপৃত থাকলে অথবা উহা সংঘটনের সাথে তারা জড়িত থাকলে, উক্ত কাজের জন্য তারা বিভিন্ন অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হতে পারে।
--------------
⇒ Section 34: Acts done by several persons in furtherance of common intention:
- When a criminal act is done by several persons, in furtherance of the common intention of all, each of such persons is liable for that act in the same manner as if it were done by him alone.
⇒ Section 38: Persons concerned in criminal act may be guilty of different offences:
- Where several persons are engaged or concerned in the commission of a criminal act, they may be guilty of different offences by means of that act.
৬,৭৭৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ আদেশের ১০ বিধির অধীন আদালতের কোন আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার হতে পারে
  1. আপীল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. কোনটি না
সঠিক উত্তর:
আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ আদেশের ১০ বিধির অধীন কোন ব্যক্তিকে  সাক্ষী হিসাবে হাজির হতে আদালত যদি সমন প্রদান করে এবং উক্ত ব্যক্তি সমন অনুযায়ী হাজির হতে ব্যর্থ হয় এবং আদালত উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ প্রদান কর্বে বা গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করবে।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধি ১(ছ) তে বলা আছে কোন ব্যক্তিকে  সাক্ষী হিসাবে হাজির হতে আদালত যদি সমন প্রদান করে এবং উক্ত ব্যক্তি সমন অনুযায়ী হাজির হতে ব্যর্থ হয় এবং আদালত উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ প্রদান করলে বা গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করলে, সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি ৪৩ আদেশের বিধি ১ এর(ছ) অনুযায়ী আপীল করতে পারে।
৬,৭৭৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে 'বাধ্যবাধকতা’ বলতে কী বোঝায়?
  1. বাদী কর্তৃক বিবাদীর প্রতি আরোপিত কর্তব্য
  2. আইন দ্বারা বলবৎযোগ্য কর্তব্য
  3. বিবাদীর প্রতি বাদীর দায়িত্ব-কর্তব্য
  4. ডিক্রিদার কর্তৃক দায়িকের উপর আরোপিত দায়িত্ব-কর্তব্য
সঠিক উত্তর:
আইন দ্বারা বলবৎযোগ্য কর্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন দ্বারা বলবৎযোগ্য কর্তব্য
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩- ব্যাখ্যামূলক অনুচ্ছেদ:

'বাধ্যবাধকতা’ বলতে আইন দ্বারা কার্যকরীকরণযোগ্য প্রতিটি কর্তব্য অন্তর্ভুক্ত হবে।
"obligation" includes every duty enforceable by law.
৬,৭৭৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারার প্রথম ব্যাখ্যায় কোন নীতি উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. Former Suit
  2. Direct Res-Judicata
  3. Litigation for Public Rights
  4. Constructive Res-Judicata
সঠিক উত্তর:
Former Suit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Former Suit
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি (Res Judicata) আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো-
এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না। এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় ৬টি ব্যাখ্যা [Explanation] রয়েছে:
১ম ব্যাখ্যা: Former Suit [পূর্ববর্তী মোকদ্দমা];
২য় ব্যাখ্যা: Competence of a Court [কোর্টের বিচার করার ক্ষমতা];
৩য় ব্যাখ্যা: Direct Res-Judicata [প্রত্যক্ষ দোবারা দোষ];
৪র্থ ব্যাখ্যা: Constructive Res-Judicata [পরোেক্ষ দোবারা দোষ];
৫ম ব্যাখ্যা: Any relief not granted shall be deemed to have been refused [প্রার্থিত প্রতিকার মঞ্জুর না হলে প্রত্যাখ্যান বলে গণ্য হবে];
৬ষ্ঠ ব্যাখ্যা: Litigation for Public Rights [সার্বজনীন বা সাধারণ অধিকার বা বাস্তব সুবিধার জন্য মামলা]
--------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-11. Res Judicata:
- No Court shall try any suit or issue in which the matter directly and substantially in issue has been directly and substantially in issue in a former suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim, litigating under the same title, in a court competent to try such subsequent suit or the suit in which such issue has been subsequently raised, and has been heard and finally decided by such Court. 
 
Explanation I.-The expression "former suit" shall denote a suit which has been decided prior to the suit in question whether or not it was instituted prior thereto. 
Explanation II.-For the purposes of this section, the competence of a Court shall be determined irrespective of any provisions as to a right of appeal from the decision of such Court. 
Explanation III.-The matter above referred to must in the former suit have been alleged by one party and either denied or admitted, expressly or impliedly, by the other. 
Explanation IV.-Any matter which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been a matter directly and substantially in issue in such suit. 
Explanation V.-Any relief claimed in the plaint, which is not expressly granted by the decree, shall, for the purposes of this section, be deemed to have been refused. 
Explanation VI.-Where persons litigate bona fide in respect of a public right or of a private right claimed in common for themselves and others, all persons interested in such right shall, for the purposes of this section, be deemed to claim under the persons so litigating.
৬,৭৭৭.
লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তিভঙ্গের ক্ষতিপূরণ মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৬:

- লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা ৬ বছর বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
- তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে: চুক্তি নিবন্ধিত না হলে যখন মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে তখন থেকে।
৬,৭৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৭ অনুযায়ী, যদি অভিযুক্তকে এক অপরাধের জন্য চার্জ করা হয় এবং অন্য অপরাধ প্রমাণিত হয়, তবে কী হবে?
  1. কিছু করা হবে না
  2. মুক্তি দেওয়া হবে
  3. দণ্ডিত করা যাবে
  4. নতুন চার্জ গঠন হবে
সঠিক উত্তর:
দণ্ডিত করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডিত করা যাবে
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৭ ধারায় কোন ব্যক্তিকে এক অপরাধে চার্জ করে, অন্য অপরাধে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৭ ধারার বিধান:
২৩৬ ধারায় উল্লিখিত ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে যে অপরাধের জন্য চার্জ করা হয়,সাক্ষ্য-প্রমাণে যদি দেখা যায় সে ভিন্ন অপরাধ করেছে এবং এই ভিন্ন অপরাধের জন্য তাহাকে উক্ত ধারা অনুসারে চার্জ করা যেতো,তা হলে যে অপরাধ সে করেছে বলে প্রমাণিত হয় তার জন্য চার্জ গঠন করা না হলেও দণ্ডিত করা যাবে।

উদহারণ-'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অপরাধে চার্জ গঠন করা হল।কিন্তু দেখা গেল যে,সে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে বা চোরাইমাল গ্রহণ করেছে।উক্ত অপরাধে চার্জ গঠন করা না হলেও,অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ বা চোরাইমাল গ্রহণের দায়ে তাকে দণ্ডিত করা যাবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 237.When a person is charged with one offence, he can be convicted of another:
If, in the case mentioned in section 236, the accused is charged with one offence, and it appears in evidence that he committed a different offence for which he might have been charged under the provisions of that section, he may be convicted of the offence which he is shown to have committed, although he was not charged with it. 

Illustration:
A is charged with theft. It appears that he committed the offence of criminal breach of trust, or that of receiving stolen goods. He may be convicted of criminal breach of trust or of receiving stolen goods (as the case may be) though he was not charged with such offence.
৬,৭৭৯.
'ব্যবসায়িক হিসেবের খাতা' সাক্ষ্য আইনে কোন ধারা মোতাবেক সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক?
  1. ৩৪ ধারা
  2. ৩৫ ধারা
  3. ৩৬ ধারা
  4. ৩৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ ধারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারা অনুযায়ী, ব্যবসায়িক কারণে হিসেবের খাতায় যা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে তা প্রাসঙ্গিক প্রমাণ হিসাবে গণ্য।
৩৪ ধারা অনুযায়ী ব্যবসা প্রসঙ্গে নিয়মিত যে হিসেবের খাতা রাখা হয়, উক্ত খাতায় লিখিত কোন কিছুতে যখন এমন বিষয়ের উল্লেখ থাকে, যে বিষয়ে অনুসন্ধান করা আদালতের কর্তব্য, তখন হিসাবের খাতায় লিপিবদ্ধ বিষয় প্রাসঙ্গিক। কিন্তু কেবলমাত্র এরূপ বিবৃতি কারও উপর দায় আরোপ করার জন্য যথেষ্ট সাক্ষ্য বলে বিবেচিত হবে না।

যেমন-
'ক' ১০০০ টাকার দাবিতে 'খ' এর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করল। 'খ' এর নিকট তার উক্ত টাকা পাওনা আছে, এটি প্রমাণ করার জন্য ক তার খাতায় লেখা হিসাব দেখাল। এক্ষেত্রে খাতায় লেখা হিসাবগুলো প্রাসঙ্গিক। কিন্তু যদি অন্য কোন সাক্ষ্য না থাকে, তবে 'খ' এর দেনা প্রমাণ করার জন্য এটি যথেষ্ট নয়।

Section 34⇒ Entries in books of account or digital record when relevant:
Entries in books of account or digital record, regularly kept in the course of business, are relevant whenever they refer to a matter into which the Court has to inquire, but such statements shall not alone be sufficient evidence to charge any person with liability.

Illustration-
A sues B for Taka 1,000, and shows entries in his account books showing B to be indebted to him to this amount. The entries are relevant, but are not sufficient, without other evidence, to prove the debt.
৬,৭৮০.
দণ্ডবিধির ধারা ১০০ অনুযায়ী কয়টি ক্ষেত্রে শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
• ধারা ১০০: দণ্ডবিধির ধারা ১০০ অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬ (ছয়টি) ক্ষেত্রে শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা;

১. এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটানোর যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা সৃষ্টি করে;
২. এমন আক্রমণ যা গুরুতর জখমের যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা সৃষ্টি করে;
৩. ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ;
৪. অপ্রকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ;
৫. মনুষ্যহরণ বা অপহরণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ;
৬. অবৈধভাবে আটকের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ, যেক্ষেত্রে তিনি মনে করে সরকারী কর্তৃপক্ষের সহায়তা পাবে না।
৬,৭৮১.
তামাদি আইন অনুসারে পুনঃনিরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্তের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিউ দায়েরের স্থান এবং সময়সীমা:
- তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৭৩ অনুচ্ছেদের বিধান মতে ডিক্রি বা আদেশ জারির সময় হতে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ দায়ের করতে হবে।
- যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতেই ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়।

অর্থাৎ যে আদালত ডিগ্রি প্রদান করে সেই আদালতে তামাদি আইনের ১৭৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউর আবেদন দায়ের করতে হবে। 
৬,৭৮২.
চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্তের অব্যাহতির ক্ষেত্রে আদালত নিম্নের কোন কাগজপত্র বিবেচনা করবে?
  1. ১৭৩ ধারায় দাখিলকৃত পুলিশ রিপোর্ট
  2. পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষীদের জবানবন্দি
  3. ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। ২৪১ক ধারায় বা ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। ২৪১ক ধারায় ও ২৬৫গ ধারায় চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে। চার্জ শুনানী শেষে যদি আদালত মনে করে যে অভিযোগ ভিত্তিহীন,তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিবে।

• অব্যাহতির ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় বিবেচনা করবে-
⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতি পাওয়ার দরখাস্ত বিবেচনার সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র বিবেচনা করবে,
⇒ প্রয়োজন মনে করলে,অভিযুক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি নিবে(যদি থাকে) এবং প্রসিকিউশন,অভিযুক্তকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিবে।

• মামলার রেকর্ড ও রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ :
মামলার রেকর্ড অর্থ ব্যক্তির হলো ১৭৩ ধারায় দাখিলকৃত পুলিশ রিপোর্ট। রিপোর্টের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ হলো পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষীদের জবানবন্দি, ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, সুরতহাল রিপোর্ট, জব্দ তালিকা ইত্যাদি।
৬,৭৮৩.
'ক', 'খ' এর অধীনে তিন বছর শিক্ষানবিশ আইনজীবী হিসেবে কাজ করবেন মর্মে চুক্তিবদ্ধ হন। চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন-
  1. বলবৎযোগ্য
  2. শর্তসাপেক্ষে বলবৎযোগ্য
  3. বলবৎযোগ্য নয়
  4. আংশিক বলবৎযোগ্য
সঠিক উত্তর:
বলবৎযোগ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলবৎযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable )- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে 
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে। 
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে 
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে 
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারায় আদালত এই ৮টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন না মঞ্জুর করিবেন।

-উল্লিখিত প্রশ্নে চুক্তিটি যেহেতু ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল তাই সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয়। 
----------------------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 21: Contracts not specifically enforceable: The following contracts cannot be specifically enforced:– 
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief; 
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms; 
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty; 
(d) a contract which is in its nature revocable; 
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust; 
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers; 
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date; 
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist. 
 
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
৬,৭৮৪.
ধারা ৪৩১ অনুযায়ী, ধারা ৪১৭ বা ৪১৭ক-এর আপিল কখন বাতিল হবে?
  1. অভিযোগপত্র বাতিল হলে
  2. অভিযুক্ত মারা গেলে
  3. জামিন না মঞ্জুর হলে
  4. মামলা স্থগিত হলে
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত মারা গেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত মারা গেলে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৩১ অনুযায়ী,

ধারা ৪১৭ বা ৪১৭ক অনুযায়ী আপিল: অভিযুক্তের মৃত্যু ঘটলে, সেই আপিল চূড়ান্তভাবে বাতিল (abate) হয়ে যাবে।

অন্যান্য সকল আপিল (জরিমানা ছাড়া): আপিলকারী মারা গেলে, সেই আপিলও চূড়ান্তভাবে স্থগিত হবে।

Section 431- Abatement of appeals
Every appeal under section 417 or section 417A shall finally abate on the death of the accused, and every other appeal under this Chapter (except an appeal from a sentence of fine) shall finally abate on the death of the appellant.

৬,৭৮৫.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী যদি কোনো ব্যক্তি সরকারি রাজস্ব সংগ্রহের উদ্দেশ্যে প্রচলিত স্ট্যাম্প জাল করে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি সরকারি রাজস্ব সংগ্রহের উদ্দেশ্যে প্রচলিত স্ট্যাম্প জাল করে, তবে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়া হতে পারে।
এই ধারার অধীনে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বোচ্চ শাস্তির হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারা সরকারি স্ট্যাম্প জাল করণ :- কোন ব্যক্তি যদি সরকার দ্বারা রাজস্বের উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত কোন স্ট্যাম্প জাল করে বা জ্ঞাতসারে অনুরূপ কোন স্ট্যাম্প জাল করার প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- এক মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পকে কোন ব্যক্তি যদি দেখতে অপর মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পের মত করে লয়, তবে সে ব্যক্তি এই অপরাধ অনুষ্ঠান করে বলে পরিগণিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 255. Counterfeiting Government stamp:- Whoever counterfeits, or knowingly performs any part of the process of counterfeiting, any stamp issued by Government for the purpose of revenue, shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

Explanation:- A person commits this offence who counterfeits by causing a genuine stamp of one denomination to appear like a genuine stamp of a different denomination.
৬,৭৮৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৯৬(৩) অনুযায়ী, নিচের কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না?
  1. Ex-parte decree
  2. Contesting decree
  3. Ex-parte dismissal
  4. Compromise decree
সঠিক উত্তর:
Compromise decree
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Compromise decree
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৬(৩) অনুযায়ী যদি আদালত পক্ষগুলোর সম্মতিতে কোনো ডিক্রি (Compromise decree) প্রদান করে, তাহলে সেই ডিক্রির বিরুদ্ধে কোনো আপীল করা যায় না।
- Compromise decree হলো দুই বা ততোধিক পক্ষের মধ্যে আপস, সমঝোতা বা সমঝোতার ভিত্তিতে আদালত কর্তৃক দেওয়া একটি ডিক্রি, যা পক্ষগুলো সম্মত হয়।
- অর্থাৎ পক্ষগণের সম্মতিতে (Compromise Decree) আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩ (৩) বিধির অধীন সোলে বা আপস ডিক্রি [compromise] বা সম্মতিসূচক [consent decree] ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না কিন্তু রিভিশন করা যায়। কিন্তু ৮৯ক ধারার অধীন মধ্যস্থতার [Mediation] মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বা রিভিশন কোনটি করা যায় না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধরার অধীন মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section-96. Appeal from original decree:
- (1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court. 
- (2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte. 
- (3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.
৬,৭৮৭.
ফৌজদারী মামলার ক্ষেত্রে প্রমাণের মানদণ্ড হলো-
  1. সন্দেহাতীত প্রমাণ
  2. সম্ভাব্য ভারসাম্যপূর্ণ প্রমাণ
  3. যুক্তি সংগত ভারসাম্যপূর্ণ প্রমাণ
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
সন্দেহাতীত প্রমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্দেহাতীত প্রমাণ
ব্যাখ্যা
⇒ প্রমাণের মান (standard of proof)- একটি মামলায় জয়ী হওয়ার জন্য মামলাটির যতটুকু প্রমাণ করতে হয়, সেই মাপকাঠিকে বলা হয় প্রমাণের মান বা standard of proof। মামলার প্রকৃতির উপর প্রমাণের মান বা standard of proof নির্ভর করে। অর্থাৎ দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের মান এক ধরণের এবং ফৌজদারি মামলায় প্রমাণের মান আরেক ধরণের যা নিম্নে আলোচনা করা হল-

⇒ দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের মান (Standard of proof in civil case)- একটি দেওয়ানি মোকদ্দমা কতটুকু প্রমাণ করতে হবে তা হল Civil Standard of Proof। দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের মানকে যে নীতি দ্বারা ব্যাখ্যা করা হয় তা হল Balance of Probability বা Preponderence of Evidence.

⇒ যে পক্ষের সাক্ষ্যের মূল্য বেশী সে পক্ষ দেওয়ানি মোকদ্দমায় জয়ী হবে বা প্রতিকার পাবে। অর্থাৎ দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের সংখ্যাধিক্য থাকলেই যথেষ্ট অর্থাৎ ১০০টি তথ্যের মধ্যে ৫১টি সত্য (more than 50% truth) হওয়াই যথেষ্ট বা যখন 'মিথ্যার চেয়ে সত্যের সম্ভাবনা বেশী'(more probably true than false) যা সম্ভাব্যতার ভারসাম্য নীতি বা balance of probabilities নামে পরিচিতি।

⇒ ফৌজদারি মামলায় প্রমাণের মান (Standard of proof in criminal case)- ফৌজদারি মামলায় মামলাকারী অভিযুক্ত ব্যক্তির অপরাধ এমনভাবে প্রমাণ করবেন যাতে প্রতিকূল সকল স্বাভাবিক সন্দেহের পরিসমাপ্তি ঘটে যা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত নীতি বা Proved Beyond all reasonable doubts নামে পরিচিতি।
৬,৭৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮৮ অনুযায়ী, বিদেশে সংঘটিত অপরাধের বিচার বাংলাদেশে করতে হলে কী প্রয়োজন?
  1. পুলিশ রিপোর্ট
  2. আদালতের নির্দেশ
  3. অভিযুক্তের সম্মতি
  4. সরকারের অনুমোদন
সঠিক উত্তর:
সরকারের অনুমোদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের অনুমোদন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা-১৮৮ এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের তদন্ত বাংলাদেশে শুরু করার জন্য সরকারের পূর্বানুমোদন (prior sanction) আবশ্যক। ধারাটি বাংলাদেশের নাগরিক কর্তৃক বিদেশে সংঘটিত অপরাধ বা বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজ/বিমানে সংঘটিত অপরাধের বিচার বাংলাদেশে করার বিধান দেয়।
পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা: তবে, এই বিধানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্তটি হলো প্রথম শর্তসাপেক্ষে (First Proviso) অংশে। এতে উল্লেখ আছে: "এই অধ্যায়ের পূর্ববর্তী কোনো ধারায় কিছু থাকা সত্ত্বেও, সরকারের অনুমোদন (sanction) ব্যতীত বাংলাদেশে এই ধরনের কোনো অভিযোগ তদন্ত করা যাবে না।"
অনুমোদনের সময়: এই অনুমোদন তদন্ত শুরুর পূর্বেই নিতে হবে। তদন্ত বা বিচারের যেকোনো পর্যায়ে এটি নেওয়ার কোনো বিধান নেই।

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮৮ অনুযায়ী, বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের তদন্ত বাংলাদেশে শুরু করতে অবশ্যই সরকারের পূর্বানুমোদন (prior sanction) প্রয়োজন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা-১৮৮: বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য দায়বদ্ধতা:
যখন বাংলাদেশের কোনো নাগরিক বাংলাদেশের সীমা ব্যতীত বা বাইরে কোনো স্থানে কোনো অপরাধ করে, অথবা
যখন কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোনো জাহাজ বা বিমানে, সেটি যেখানেই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধ করে,
তখন সেই অপরাধের জন্য তার সাথে এমনভাবে আচরণ করা যেতে পারে যেন অপরাধটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এমন কোনো স্থানে সংঘটিত হয়েছে যেখানে তাকে পাওয়া যেতে পারে:
অভিযোগ তদন্তের উপযুক্ততা প্রত্যয়নের জন্য রাজনৈতিক এজেন্টগণ:
তবে শর্ত থাকে যে, এই অধ্যায়ের পূর্ববর্তী কোনো ধারায় কিছু থাকা সত্ত্বেও, সরকারের অনুমোদন (sanction) ব্যতীত বাংলাদেশে এই ধরনের কোনো অভিযোগ তদন্ত করা যাবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, এই ধারার অধীনে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে গৃহীত কোনো কার্যক্রম, যা বাংলাদেশে সংঘটিত হলে একই অপরাধের জন্য পরবর্তী কার্যক্রমের ক্ষেত্রে বাধা হতো, তা বাংলাদেশের সীমার বাইরের কোনো অঞ্চলে একই অপরাধের জন্য ১৯৭৪ সালের প্রত্যর্পণ আইন (Extradition Act, 1974) এর অধীনে তার বিরুদ্ধে আরও কার্যক্রমের ক্ষেত্রে বাধা হবে।

⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-188. Liability for offences committed outside Bangladesh:
When a citizen of Bangladesh commits an offence at any place without and beyond the limits of Bangladesh, or 
When any person commits an offence on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be, 
he may be dealt with in respect of such offence as if it had been committed at any place within Bangladesh at which he may be found:
Political Agents to certify fitness of inquiry into charge:
Provided that notwithstanding anything in any of the preceding sections of this Chapter no charge as to any such offence shall be inquired into in Bangladesh except with the sanction of the Government: 
Provided, also, that any proceedings taken against any person under this section which would be a bar to subsequent proceedings against such person for the same offence if such offence had been committed in Bangladesh shall be a bar to further proceedings against him under the Extradition Act, 1974, in respect of the same offence in any territory beyond the limits of Bangladesh.

৬,৭৮৯.
মহানগর দায়রা আদালতের সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি কার কাছে প্রেরণ করা হবে?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক এবং খ উভয়ের কাছে
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ-
দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

অর্থাৎ,
⇒ মহানগর দায়রা আদালত হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
⇒ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

৬,৭৯০.
কোনো আঘাত সর্বনিম্ন কত দিন পর্যন্ত যন্ত্রণা দিলে, তা মারাত্মক জখম বলে গণ্য হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ২০ দিন
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section: 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৬,৭৯১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৭ ধারা অনুসারে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যকরির বিকল্প হিসেবে রদের আবেদনটি কোন পর্যায়ে আদালতে প্রার্থনা করা যেতে পারে?
  1. সাক্ষ্যগ্রহণের পরে
  2. আপিল চলাকালীন
  3. মামলার রায়ের পর
  4. মামলার প্রাথমিক আবেদনে
সঠিক উত্তর:
মামলার প্রাথমিক আবেদনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার প্রাথমিক আবেদনে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৩৭ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি কেউ একটি লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যকরির জন্য মামলা দায়ের করে, তবে বাদীকে শুরুতেই, অর্থাৎ মামলার প্রাথমিক আবেদনে (plaint)- বিকল্পভাবে এই প্রার্থনাও করতে হয় যে, যদি আদালত চুক্তিটি কার্যকর করতে না পারে, তবে সেটি রদ (rescission) করে বাতিল ঘোষণা করা হোক।
এটি করার উদ্দেশ্য হলো- একই মামলায় সুনির্দিষ্ট কার্যকরির পাশাপাশি বিকল্প প্রতিকার (চুক্তি রদ) চাওয়া যাতে বাদী অপ্রতুলতা বা অকার্যকারিতার কারণে সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত না হন।
অতএব, এটি মামলার শুরুতেই প্রার্থনা করতে হয়, পরবর্তীতে (যেমন, সাক্ষ্যগ্রহণের পরে, রায়ের পর বা আপিলের সময়) প্রথমবার বিকল্প আবেদন করলে তা গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
--------  
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
৬,৭৯২.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারা অনুযায়ী সাক্ষী তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কোনো কিছু দেখে নিতে পারে?
  1. ১৫৪ ধারা
  2. ১৫৬ ধারা
  3. ১৫৮ ধারা
  4. ১৫৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৯ ধারা
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 এর ১৫৯ ধারা-স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা (Refreshing memory):
একজন সাক্ষী, যখন সাক্ষ্য দিচ্ছে, তখন তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য নিজে দ্বারা লিপিবদ্ধ কোনো লেখা দেখতে পারে, যদি তা ঘটনার সময় বা ঘটনার পর এত তাড়াতাড়ি লেখা হয়ে থাকে যে আদালত মনে করে ঘটনার স্মৃতি তখনও তাজা ছিল।

সাক্ষী অন্য কোনো ব্যক্তির দ্বারা লেখা এমন কোনো লেখাও দেখতে পারে এবং তা পড়ে যদি সাক্ষী জানে যে লেখা সঠিক ছিল।

Section 159- Refreshing memory:
A witness may, while under examination, refresh his memory by referring to any writing made by himself at the time of the transaction concerning which he is questioned, or so soon afterwards that the Court considers it likely that the transaction was at that time fresh in his memory. 
 
The witness may also refer to any such writing made by any other person, and read by the witness within the time aforesaid, if when he read it he knew it to be correct.
৬,৭৯৩.
'একতরফাভাবে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করলে অপর পক্ষের হাজিরার ৭ দিনের ভেতরে শুনানির নিষ্পত্তি করতে আদালত বাধ্য'- এটি দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের কোন বিধির বিধান?
  1. বিধি ২
  2. বিধি 
  3. বিধি ৩ক
  4. বিধি ৫ক
সঠিক উত্তর:
বিধি ৫ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি ৫ক
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৯, বিধি ৫ক, দেওয়ানি কার্যবিধি: অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না (No order of ad interim oг temporary injunction without hearing the opposite party):

⇒ কোন আদালত সরকারি আইনজীবীর উপর বিজ্ঞপ্তি (নোটিশ) জারি না করে এবং তাকে শুনানির সুযোগ প্রদান না করে বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে সরকার বা বিধিবদ্ধ সংস্থার বিরুদ্ধে কোন একতরফা অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করবে না, যদি অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা কোন উন্নয়ন কর্মসূচী বা কর্ম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিষ্ট বা হস্তক্ষেপ করার আশু সম্ভাবনা থাকে বা অন্যভাবে জনস্বার্থে অনিষ্টকর হয়।

⇒ কোন বেসরকারি পক্ষ অন্যকোন বেসরকারি পক্ষের বিপক্ষে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত করলে আদালত নোটিশ ছাড়া তা মঞ্জুর করবে না, তবে দেরীর কারণে নিষেধাজ্ঞা অনুমোদনের উদ্দেশ্যে ব্যাহত হলে সেক্ষেত্রে নোটিশ ছাড়া অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া যাবে।

⇒ যদি বে-সরকারি পক্ষের অনুরোধ অপর বেসরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদত্ত হয়, তাহলে অপর পক্ষের হাজির হওয়ার তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে।

⇒ যে পক্ষের অনুরোধে অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া হয় সেই পক্ষের বিরুদ্ধে যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং দেখা যায় যে এরূপ নিষেধাজ্ঞার জন্য অন্যপক্ষের ক্ষতিসাধন হয়েছে তাহলে আদালত, অন্যপক্ষ যে খরচ পাবে তার অতিরিক্ত অনধিক ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ অনুমোদন করবেন।

৬,৭৯৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৫ ধারা অনুযায়ী আদালত নিচের কোন কারণে কমিশন নিয়োগ করতে পারে না?
  1. সাক্ষীকে পরীক্ষা
  2. স্থানীয় তদন্ত
  3. স্থাবর সম্পত্তির মূল্য নিধারণ করতে
  4. হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয়
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তির মূল্য নিধারণ করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তির মূল্য নিধারণ করতে
ব্যাখ্যা
♦ আদালতে সাক্ষ্য প্রদানের মাধ্যমে যেসব ঘটনা প্রমাণ করা সম্ভব হয় না সে সকল ক্ষেত্রে আদালত কমিশন প্রেরণ করেন। দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৫ থেকে ৭৮ ধারা এবং ২৬ নং আদেশে দেওয়ানী মামলায় কমিশন সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।

♦ আদালত নিজে বা কোন পক্ষের এফিডেভিটসহ আবেদনের ভিত্তিতে কমিশন নিয়োগ করতে পারে। দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ নং আদেশের বিধি ৩ এবং ৪(২) অনুযায়ী কমিশনার হিসেবে আদালত সাধারনত কোন উকিল বা অন্য কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ দিতে পারে।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৫ ধারা অনুযায়ী আদালত ৪টি কারণে কমিশন নিয়োগ করতে পারে। যথা-

i) কোন ব্যক্তি বা সাক্ষীকে পরীক্ষা (to examine any person); [ধারা-৭৫(ক)]

ii) স্থানীয় তদন্ত (local investigation); [ধারা-৭৫(খ)]

iii) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় (to examine and adjust accounts); (ধারা- ৭৫(গ)

iv) সম্পত্তি বাটোয়ারা (for partition)। [ ধারা-৭৫(ঘ)]

♦ স্থাবর সম্পত্তির মূল্য নিধারণ করতে আদালত কমিশন নিয়োগ করতে পারে না।
৬,৭৯৫.
কোন স্বাক্ষীকে জেরা করার উদ্দেশ্য হচ্ছে-
  1. তার ব্যক্তিত্বের ধরার পরীক্ষা
  2. ভিন্ন দাবী প্রতিষ্ঠা করা
  3. তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন
  4. তার মর্যাদা পরীক্ষা
সঠিক উত্তর:
তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন
ব্যাখ্যা
♦জেরার সংজ্ঞা (Cross- Examination)- আহবানকারী পক্ষের সাক্ষীকে বিরুদ্ধ পক্ষ সাক্ষ্য গ্রহন করলে তাকে বলা হয় জেরা। অন্যভাবে বলা যায়, কোন সাক্ষী যে পক্ষের সাক্ষ্য দিতে আদালতে আসে, সে পক্ষের জিজ্ঞাসাবাদের পর বিপরীত পক্ষ যে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাই জেরা বা Cross- Examination হিসেবে পরিচিত।
সাক্ষ্য আইনের ১৩৯, ১৪০, ১৪৩, ১৪৫, ১৪৬ ও ১৪৭ ধারায় জেরার বিধান রয়েছে।
সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারামতে নিম্নলিখিত উদ্দ্যেশ্যে জেরা করা যায়। যথা-
i) আসামীর সত্যবাদিতা, পরিচয় ও মর্যাদা উদ্ঘাটন এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা;
ii) বিরুদ্ধ পক্ষের সাক্ষীর সাক্ষ্যকে নস্যাৎ বা দুর্বল করা;
iii) সাক্ষীর মুখ দিয়ে জেরাকারীর পক্ষে কথা বের করা; এবং
iv) সাক্ষীর বিশ্বাস যোগ্যতা খন্ডন করার মাধ্যমে প্রদত্ত সাক্ষ্যকে বিশ্বাসের অযোগ্য করে তোলার উদ্দ্যেশ্যে জেরা করা যায়।
v) তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন করাও জেরার উদ্দ্যেশ্যে।
৬,৭৯৬.
অস্থাবর সম্পত্তির সম্পর্কিত ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করার বিধান আছে The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারায়?
  1. ১৮
  2. ১৯
  3. ২০
  4. ২১
সঠিক উত্তর:
১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৯ ধারা মতে ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা (Suits for compensation for wrongs to person or movables): ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে অনিষ্ট সাধন করা হলে এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা চালালে অথবা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কাজ করলে, বাদী তার ইচ্ছা অনুসারে দুই আদলতের যেকোন একটিতে ক্ষতিপুরণের মোকদ্দমা করতে পারে।
৬,৭৯৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১ এর অধীনে নিচের কোনটি ডিক্রির টাকা পরিশোধের পদ্ধতি নয়?
  1. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে টাকা জমা দিয়ে
  2. দায়িকের স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিদারকে দখল দিয়ে
  3. ডিক্রিদারকে আদালতের বাইরে টাকা দিয়ে
  4. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নির্দেশে অন্য উপায়
সঠিক উত্তর:
দায়িকের স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিদারকে দখল দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়িকের স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিদারকে দখল দিয়ে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর আদেশ-২১, বিধি-১: ডিক্রির টাকা পরিশোধ- ২১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে ডিক্রির টাকা ৩ ভাবে পরিশোধ করা যায়। যথা-
ⅰ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে টাকা জমা দিয়ে;
ii) ডিক্রিদারকে আদালতের বাহিরে টাকা দিয়ে; এবং
iii) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নির্দেশে অন্য উপায়ে ডিক্রির টাকা পরিশোধ করা যায়।

উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১ এর অধীনে 'দায়িকের স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিদারকে দখল দিয়ে' ডিক্রির টাকা পরিশোধের পদ্ধতি নয়।

⇒ ডিক্রি জারির সংজ্ঞা (Definition of Execution of Decree)- আদালত প্রদত্ত ডিক্রিকে বলবৎ বা বাস্তবায়ন করাকে ডিক্রি জারি বা executuion of decree বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৬ থেকে ৭৪, ১৩৫ক ধারা এবং ২১ নং আদেশের ১ থেকে ১০৩ বিধিসমূহে ডিক্রি জারিকরণ সংক্রান্ত সকল নিয়মাবলী আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ কোন মোকদ্দমার রায়ে যার পক্ষে ডিক্রি দেয়া হয় তিনি আপনা আপনি ডিক্রির ফল ভোগ করতে পারবেন না। জারিযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে নতুন করে একটি ডিক্রি জারির মামলা করতে হয়। নির্দিষ্ট ফরম পূরণপূর্বক জাবেদা নকল সহ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে বা যে আদালতে ডিক্রি স্থানান্তর করা হয়েছে সে আদালতে ডিক্রি জারির আবেদন করতে হয়।

⇒ডিক্রি জারির পদ্ধতি- দেওয়ানী কার্যবিধির ৫১ ধারামতে ৫টি উপায়ে আদালত ডিক্রি জারি বা ডিক্রি কার্যকর করতে পারে। যথা-
i) সম্পত্তি অর্পণ (by delivery);
ii) ক্রোক ও বিক্রয় (attachment and sale);
iii) দেনাদারকে গ্রেফতার ও কারাগারে আটক;
iv) রিসিভার নিয়োগ; এবং
ⅳ) প্রতিকারের প্রকৃতি অনুযায়ী অন্য কোন উপায়ে।
৬,৭৯৮.
বেসরকারি সম্পত্তিতে সুখাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কত বছর শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করতে হয়?
  1. ১২ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৬০ বছর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২৬ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কেউ বেসরকারি সম্পত্তিতে কোন একটি সুখাধিকার যেমন: আলো-বাতাস, রাস্তা/পথ, পানি ব্যবহার, জলস্রোত, ইত্যাদি শান্তিপূর্ণ, নিরবচ্ছিন্ন এবং প্রকাশ্যভাবে ২০ বছর ধরে ভোগ করে আসেন এবং সেটি অধিকার বলে ভোগ করেন, তাহলে উক্ত ব্যক্তি ঐ সুখাধিকারের উপর একটি নিরঙ্কুশ ও অলঙ্ঘনীয় অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারেন।
- তবে, এই ২০ বছর পূর্ণ হওয়ার পরবর্তী ২ বছরের মধ্যে তাকে আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে, অন্যথায় অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ নষ্ট হয়ে যাবে।
বেসরকারি সম্পত্তি → ২০ বছর।
সরকারি সম্পত্তি → ৬০ বছর।

⇒ তামাদি আইনের ২৬ ধারার বিধান: সুখাধিকার সমূহ অর্জন (Acquisition of right to easements):
(১) যেইক্ষেত্রে কোন দালানে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করা হইয়াছে,
এবং যেইক্ষেত্রে কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নৈতিবাচক যাহাই হউক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে উহাতে স্বত্ব দাবি করিয়া অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে, সেইক্ষেত্রে অনুরূপ আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার, পথ, জলস্রোত, পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলংঘনীয় অধিকারে পরিণত হইবে।
যদি কোন মামলায় উক্তরূপ কোন অধিকারের দাবির বিরোধিতা করা হয়, সেই মামলায় উক্ত উভয় ক্ষেত্রেই বিশ বৎসর বলিতে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববতী দুই বৎসরের মধ্যে সমাপ্ত বিশ বৎসর বুঝাইবে।
(২) যে সম্পত্তির উপর (১) উপধারা অনুসারে অধিকার দাবি করা হয়, তাহা যদি সরকারের সম্পত্তি হয় তবে উক্ত উপধারায় বিশ বৎসর কথাগুলির স্থলে ষাট বৎসর কথাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারার অর্থানুসারে কোন কিছুই ব্যাহত হইবে না যদি দাবিদার ব্যতীত অন্য কোন লোকের কার্য দ্বারা বাধার ফলে দখল বা ভোগে প্রকৃত বিরতি না হয় এবং যদি উক্ত বাধা মানিয়া না লওয়া হয় অথবা উহাতে মৌন সম্মতি প্রকাশ না করা হয় এবং তাহা দাবিদারের গোচরীভূত হইবার পর এক বৎসর অতিবাহিত হয়।

উদাহরণ: (ক) পথ চলার অধিকারে বাধা প্রদানের জন্য ১৯১১ সালে একটি মামলা দায়ের করা হয়। বিবাদী বাধা প্রদানের কথা স্বীকার করে কিন্তু পথ চলার অধিকারের প্রতি অস্বীকৃতি জানায়। বাদী প্রমাণ করে যে, সে এই অধিকার ১৮৯০ সালের ১লা জানুয়ারি হইতে ১৯১০ সালের ১লা জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহতভাবে উহাতে সুখাধিকার হিসাবে স্বত্ব দাবি করিয়া শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে। বাদী স্বীয় অনুকূলে রায় পাইবার অধিকারী।
(খ) অনুরূপ এক মামলায় বাদী দাবি করে যে, সে এই অধিকার শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে বিশ বৎসর যাবত ভোগ করিয়াছে, বিবাদী প্রমাণ করে যে, ঐ বিশ বৎসরের মধ্যে বাদী একবার এই অধিকার ভোগের জন্য তাহার অনুমতি প্রার্থনা করিয়াছিল। মামলাটি খারিজ হইয়া যাইবে।
৬,৭৯৯.
এক সরকারি কর্মচারী দ্বারা শাহিনকে গণ উৎপাত বন্ধ করার জন্য নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। তবে, শাহিন পরবর্তীতে আবারও গণ উৎপাত শুরু করে। শাহিনের বিরুদ্ধে কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. ধারা ২৮৯
  2. ধারা ২৯১
  3. ধারা ২৯৫
  4. ধারা ২৯৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৯১
ব্যাখ্যা
ধারা ২৯১: নিষেধাজ্ঞার পরও গণ উৎপাত অব্যাহত রাখা:
যে ব্যক্তি কোন সরকারি কর্মচারী দ্বারা আইনীভাবে নিষেধাজ্ঞা প্রদানের পরেও গণ উৎপাত পুনরায় চালিয়ে যায় বা অব্যাহত রাখে, তাকে ছয় মাস পর্যন্ত সাধারণ কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

Section 291- Continuance of nuisance after injunction to discontinue:
Whoever repeats or continues a public nuisance, having been enjoined by any public servant who has lawful authority to issue such injunction not to repeat or continue such nuisance, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
৬,৮০০.
অধস্তন আদালতের ভাষা কি হবে তা The Code of Civil Procedure, 1908 এর কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ১২৮
  2. ১০৭
  3. ১৩৭
  4. ১৪০
সঠিক উত্তর:
১৩৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৭
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৩৭ ধারায় বলা আছে- সরকার অধস্তন আদালতের ভাষা নির্ধারণ করবে।

অন্যান্য অপশন-

ধারা ১০৭- আপিল আদালতের ক্ষমতা:
ধারা ১২৮- কোনো কোনো বিষয়ে সুপ্রীমকোর্ট রুল প্রণয়ন করতে পারে:
ধারা ১৪০- উদ্ধারমূল্য, ইত্যাদি নির্ধারক সম্পর্কে (Assessors in causes of salvage, etc.) এর বিধান রয়েছে।