বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৬৭ / ১২৬ · ৬,৬০১৬,৭০০ / ১২,৬০৫

৬,৬০১.
হলফনামার শপথ কার দ্বারা পরিচালিত হবে এই বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ১৩৯
  2. ১৪০
  3. ১৪২
  4. ১৪৪
সঠিক উত্তর:
১৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৯
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৩৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, কোন আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন ব্যক্তি বা অফিসার বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি হলফনামা শপথ করবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৯ ধারার বিধান হলফনামার শপথ যার দ্বারা পরিচালিত হবে: এই আইন মোতাবেক কোন এফিডেভিটের ক্ষেত্রে-
ক) যে কোন আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট; অথবা
খ) যে কোন অফিসার বা অন্য কোন ব্যক্তি যাকে সুপ্রিমকোর্ট এতদুদ্দেশ্যে নিয়োগ করতে পারেন; অথবা
গ) সরকার কর্তৃক সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন আদালতে যে ব্যক্তিকে এই কার্যের জন্য নিযুক্ত করতে পারেন, তিনি শপথ গ্রহণকারীর প্রতি শপথ পরিচালনা করতে পারবেন।
------------
⇒ CPC Section: 139. Oath on affidavit by whom to be administered: In the case of any affidavit under this Code-
(a) any Court or Magistrate, or
(b) any officer or other person whom 107[the Supreme Court] may appoint in this behalf, or
(c) any officer appointed by any other Court which the Government has generally or specially empowered in this behalf,
may administer the oath to the deponent.
৬,৬০২.
চুক্তির একটি অংশ অন্য অংশ থেকে স্বাধীন ও পৃথক হলে উক্ত স্বাধীন ও পৃথক অংশের ফলাফল কি?
  1. স্বাধীন ও পৃথক অংশ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যসম্পাদন যোগ্য
  2. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যসম্পাদন যোগ্য নয়
  3. চুক্তির সমস্ত অংশ কার্যসম্পাদন যোগ্য
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
স্বাধীন ও পৃথক অংশ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যসম্পাদন যোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাধীন ও পৃথক অংশ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যসম্পাদন যোগ্য
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ১৬ অনুসারে, যখন চুক্তির একটি অংশের স্বাতন্ত্র্যভাবে সুনির্দিষ্টভাবে কাজ সম্পাদন করা যায় বা করা আবশ্যক হয় এবং তা একই চুক্তির এমন অন্য অংশ হতে স্বাতন্ত্র্য এবং স্বাধীনভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যাবে না বা করা আবশ্যক নহে,
তাহলে আদালত পূর্ববর্তী অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
৬,৬০৩.
একজন আসামির বিরুদ্ধে একটি অপরাধের তদন্ত চলছে, যা পাঁচ বছরের কারাদণ্ডযোগ্য। তদন্তকারী পুলিশ ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে ব্যর্থ হয়। এমন পরিস্থিতিতে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৬৭ ধারায়-
  1. আসামিকে অব্যাহতি দিতে হবে
  2. তদন্ত যতদিন চলবে, আসামিকে হাজতে রাখতে হবে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট সন্তুষ্ট হলে আসামিকে জামিন দিতে পারেন
  4. দায়রা জজ বাধ্যতামূলকভাবে জামিন দেবেন
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট সন্তুষ্ট হলে আসামিকে জামিন দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট সন্তুষ্ট হলে আসামিকে জামিন দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারার বিধান:
(৫) অপরাধ সংঘটন সম্পর্কিত সংবাদ প্রাপ্তির তারিখ অথবা এরূপ তদন্তের জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে একশত বিশ দিনের মধ্যে যদি তদন্ত সমাপ্ত না হয় তাহলে,
ক) অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন বা তদন্তের আদেশদানকারী ম্যাজিস্ট্রেট, তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন; এবং

খ) তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ হয়, তবে দায়রা আদালত ইহার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন,

তবে শর্ত এই যে, আসামিকে যদি এই উপধারার অধীন জামিনে মুক্তি দেয়া না হয় তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষেত্র বিশেষে দায়রা আদালত ইহার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
আরও শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান অনুযায়ী উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে অনুমোদন গ্রহণ করতে যে সময় লাগিবে এই উপধারায় নির্ধারিত সময় হতে তা বাদ দিতে হবে।
৬,৬০৪.
এক বাড়িতে আগুন লেগেছে। আগুন থামাতে প্রতিবেশীর বাড়ির দেওয়াল ভেঙে দিতে হয়েছে, যাতে আগুন ছড়িয়ে না পড়ে। এক্ষেত্রে প্রতিবেশীর সম্পত্তির ক্ষতি হলেও কোন নীতি অনুসারে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. Doctrine of Double Offence
  2. Doctrine of Double Danger
  3. Doctrine of Alternative Danger
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Alternative Danger
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Alternative Danger
ব্যাখ্যা
'Doctrine of Alternative Danger' অর্থ হলো- বৃহত্তর ক্ষতি এড়ানোর জন্য ক্ষুদ্রতর ক্ষতি মেনে নেওয়া। দণ্ডবিধির ৮১ ধারা অনুযায়ী, সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কোন কার্য যদি শরীর বা সম্পত্তির ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য সৎ উদ্দেশ্যে করা হয় তাহলে তা অপরাধ নয়।

এই নীতি অনুসারে,
কোনো ব্যক্তি যদি সত্য উদ্দেশ্যে এবং বিবেচনাসম্মতভাবে কোনো কাজ করে থাকেন যা শরীর বা সম্পত্তির ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য করা হয়েছে, তাহলে সেই কাজটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না। অর্থাৎ, দুটি ক্ষতির মধ্যে যদি একটি ছোট ক্ষতি মেনে নিতে হয় বড় ক্ষতি এড়ানোর জন্য, তাহলে তা অপরাধ নয়। যেমন, কোনো বন্যা দুর্গত এলাকায় মানুষ উদ্ধার করতে গিয়ে যদি অন্যের সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্থ হয়, তাহলে সেটা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না কারণ বড় বিপদ এড়ানোর জন্য ছোট ক্ষতি মেনে নেওয়া হয়েছে।

"Doctrine of Alternative Danger" বা বৈকল্পিক বিপদ তত্ত্বের কিছু উদাহরণ দেওয়া হলো:

⇒ এক বাড়ির আগুন লেগেছে। আগুন থামাতে প্রতিবেশীর বাড়ির দেওয়াল ভেঙে দিতে হয়েছে যাতে আগুন ছড়িয়ে না পড়ে। এক্ষেত্রে প্রতিবেশীর সম্পত্তির ক্ষতি হলেও তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না কারণ বড় আগুন থামানোর জন্য ছোট ক্ষতি মেনে নেওয়া হয়েছে।


⇒ এক জায়গায় বন্যা হয়েছে। উদ্ধারকারীদের মানুষ বাঁচাতে গিয়ে কারো বাড়ি/সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেটা অপরাধ নয়, কারণ মানুষ বাঁচানোই বড় বিষয়।

⇒ রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটে এক ব্যক্তির পা ভেঙে গেছে। চিকিৎসক তাকে হাসপাতালে নিতে অন্য একটি গাড়ি ভাঙার অনুমতি দিলে সেটা অপরাধ নয়, কারণ রোগীর জীবন বাঁচানোই বড় বিষয়।

⇒ হঠাৎ করে বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে সেই জায়গার বাসিন্দাদের বাঁচাতে প্রশাসন বাঁধ ভেঙে দিতে পারে। এক্ষেত্রে বাঁধ ভাঙার জন্য তারা অপরাধী হবেন না।
৬,৬০৫.
কোন আইনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
  2. রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮
  3. চুক্তি আইন, ১৮৭২
  4. তামাদি আইন, ১৯০৮
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অপ্রযোজ্যতা:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৪ ধারার বিধান কোন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না-
ⅰ) চুক্তি নয় এমন কোনো অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকার, এবং
ii) ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections- 4. Savings:
Except where it is herein otherwise expressly enacted, nothing in this Act shall be deemed-
(a) to give any right to relief in respect of any agreement which is not a contract;
(b) to deprive any person of any right to relief, other than specific performance, which he may have under any contract; or
(c) to affect the operation of the Registration Act, 1908 on documents.

৬,৬০৬.
১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির কয় নং আদেশের মাধ্যমে 'বাংলাদেশ বার কাউন্সিল' প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ৪৫ নং
  2. ৪৭ নং
  3. ৪৬ নং
  4. ৪৮ নং
সঠিক উত্তর:
৪৬ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬ নং
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ বার কাউন্সিল হলো দেশের আইনজীবীদের একমাত্র কেন্দ্রীয় সরকার অনুমোদিত সংগঠন। এটির প্রতিষ্ঠা ও কাঠামোগত বিষয়গুলো নিম্নরূপ:

স্বাধীন বাংলাদেশ গঠিত হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৩ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির ৪৬ নং আদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ এটি সরকার কর্তৃক অনুমোদিত একমাত্র কেন্দ্রীয় সংস্থা যা দেশের সকল আইনজীবী এবং আইন শিক্ষার্থীদের তালিকাভুক্তি, নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বভার পালন করে।

⇒ বার কাউন্সিলের নিজস্ব একটি আইন আছে যা Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 নামে পরিচিত। এই আইনে আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধন, শৃংখলা বিধি ইত্যাদি বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।

⇒ কাউন্সিলটি একটি চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নির্বাচিত এক প্যানেল দ্বারা পরিচালিত হয়। সদস্যরা দেশের বিভিন্ন বার সোসাইটি দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নির্বাচন করে।

⇒ বার কাউন্সিলের অন্যান্য দায়িত্বগুলোর মধ্যে আইনজীবী শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ, বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা রক্ষা করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
৬,৬০৭.
একজন ব্যক্তি যদি অবহেলার কারণে মৃত্যুর ঘটনা ঘটায় এবং অপরাধটি নরহত্যা হিসেবে বিবেচিত হয় না, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে:
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড 
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ বছরের কারাদণ্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছরের কারাদণ্ড 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ৫ বছরের কারাদণ্ড।

দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারা- অবহেলার ফলে মৃত্যু সংঘটন:

কোন ব্যক্তি যদি বেপরোয়াভাবে বা অবহেলাজনকভাবে কার্য করে কারো মৃত্যু ঘটায় এবং তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা না হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 304A: Causing death by negligence:
 Whoever causes the death of any person by doing any rash or negligent act not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.

৬,৬০৮.
কেরানী বা চাকর কর্তৃক অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের শাস্তি রয়েছে-
  1. ৪০৬ ধারায়
  2. ৪০৭ক ধারায়
  3. ৪০৭ ধারায়
  4. ৪০৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪০৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪০৮ ধারা  অনুযায়ী কেরানী বা চাকর (Clerk or servant) কর্তৃক অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের শান্তি হলো  অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
• দণ্ডবিধির ৪০৮ ধারা মতে কেবলমাত্র কেরানী এবং চাকর দণ্ডিত হতে পারে। উক্ত কেরানী বা চাকর সরকারি বা ব্যক্তিগত যে চাকুরিতেই নিয়োজিত থাকুক না কেন তাতে কিছুই যায় আসে না।
৬,৬০৯.
'Oral evidence must, in all cases whatever, be direct' বিধানটি সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৫৯ ধারা
  2. ৬০ ধারা
  3. ৬১ ধারা
  4. ৬২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ ধারা
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর ৬০ ধারায় উল্লেখ আছে "Oral evidence must, in all cases whatever, be direct".

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২,ধারা ৬০: মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে: মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে, অর্থাৎ-
সাক্ষ্যে উল্লিখিত ঘটনা যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাকেই সাক্ষ্য দিতে হইবে;
সাক্ষ্যে বর্ণিত ঘটনা যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাকেই সাক্ষ্য দিতে হইবে;
সাক্ষ্যে বর্ণিত ঘটনা যদি অন্য কোনো ইন্দ্রিয় দ্বারা বা অন্য কোনো উপায়ে উপলব্ধি করা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা সেই ইন্দ্রিয় দ্বারা সেই উপায়ে উপলব্ধি করিয়াছে, তাকেই সাক্ষ্য দিতে হইবে,
সাক্ষ্যে বর্ণিত বিষয় যদি কাহারও অভিমত কিংবা অভিমতের ভিত্তিতে হয়, তবে যে লোক সেই ভিত্তিতে সেই অভিমত পোষণ করে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে;
তবে, বিশেষজ্ঞের অভিমত সম্বলিত গ্রন্থ যদি সাধারণভাবে বাজারে বিক্রয় হয়, সেইক্ষেত্রে সেই অভিমত এবং যে যুক্তির উপর প্রতিষ্ঠিত তাহা প্রমাণের জন্য সেই গ্রন্থ উপস্থাপন করা যাইতে পারে, যদি সেই গ্রন্থের প্রণেতার মৃত্যু হইয়া থাকে, অথবা যদি তাহার সন্ধান পাওয়া না যায়;
কিংবা যদি তিনি সাক্ষ্য দিতে অসমর্থ হইয়া থাকেন, অথবা যদি তাঁহাকে সাক্ষী হিসেবে হাজির করিতে এইরূপ বিলম্ব ও ব্যয় হয় যাহা আদালত অযৌক্তিক বলিয়া বিবেচনা করেন;
ইহা ব্যতীত, মৌখিক সাক্ষ্যে যদি দলিল ভিন্ন অপর বস্তুর অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কে উল্লেখ করা হয় তবে আদালত উপযুক্ত মনে করিলে সেই বস্তু আদালতের পরিদর্শনের জন্য হাজির করিবার নির্দেশ দিতে পারেন।
------------------------------------
The Evidence Act 1872, Section 60, Oral evidence must be direct: Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say-
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it;
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner;
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds:
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable:
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.

৬,৬১০.
দায়িকের কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় তার খোরপোষের হার কে নির্ধারন করবে?
  1. সরকার
  2. ডিক্রিদার
  3. জেল কর্তৃপক্ষ
  4. বিচারিক আদালত
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
• খোরপোষ হলো কাউকে দেওয়ানী জেলে আটক রাখলে তার ব্যয়ভার।

দেওয়ানি কার্যবিধি ৫৭ ধারা- খোরপোষ ভাতা:
সরকার পদপর্যাদা, গোত্র এবং জাতীয়তার ক্রমানুসারে দায়িকের খোরপোষের নিমিত্তে প্রদানযোগ্য মাসিক ভাতার হার নির্দিষ্ট করতে পারবে।

Section 57: Subsistence allowance-
The Government may fix scales, graduated according to rank, race and nationality, of monthly allowances payable for the subsistence of judgment-debtors.
৬,৬১১.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী ‘Stolen property’ বলতে কোন অপরাধের মাধ্যমে হস্তান্তরিত সম্পত্তিকে বোঝানো হয়েছে?
  1. চুরি
  2. বলপূর্বক আদায়
  3. দস্যুতা ও বিশ্বাসভঙ্গ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪১০ ধারা অনুযায়ী “চোরাই সম্পত্তি (Stolen Property)” বলতে বোঝায় এমন সম্পত্তি:
১) চুরি (Theft) এর মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে।
২) বলপূর্বক আদায় (Extortion) এর মাধ্যমে আদায় করা হয়েছে।
৩) দস্যুতার (Robbery) দ্বারা হস্তান্তরিত।
৪) অপরাধমূলক আত্মসাৎ (Criminal misappropriation) করা হয়েছে।
৫) অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal breach of trust) এর মাধ্যমে বিশ্বাস ভঙ্গ করে দখল নেওয়া হয়েছে।
- উপরোক্ত যেকোনো প্রক্রিয়ায় অর্জিত সম্পত্তি চোরাই মাল হিসেবে গণ্য হয় — সেটা বাংলাদেশের ভিতরে বা বাইরে সংঘটিত হলেও।
- তবে, যদি ওই সম্পত্তি পরবর্তীতে আইনানুগভাবে অধিকারপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তির দখলে আসে, তাহলে তা আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
- এই ধারা বিভিন্ন ধরণের অপরাধমূলক কার্যকলাপের মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তিকে একইভাবে “চোরাই সম্পত্তি” হিসেবে বিবেচনা করে — ফলে উত্তর “ঘ) উপরের সবগুলো” একমাত্র সঠিক উত্তর।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:
- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 410: Stolen property:
- Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.

৬,৬১২.
‘A’ নিজের জীবন শেষ করতে ইচ্ছাকৃতভাবে বিষ পান করে, কিন্তু প্রতিবেশীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে বাঁচিয়ে ফেলে। দণ্ডবিধি ১৮৬০ অনুসারে A কোন ধারায় দোষী হবে?
  1. ৩০৮ ধারা
  2. ৩০৯ ধারা
  3. ৩১০ ধারা
  4. ৩০৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৯ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৯ অনুসারে, আত্মহত্যার চেষ্টা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। 'A' বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে, তাই সে এই ধারায় দোষী হবে। শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারা- আত্মহত্যা করার চেষ্টা:

কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒The Penal Code, 1860-Section Section 309- Attempt to commit suicide:
Whoever attempts to commit suicide and does any act towards the commission of such offence, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

৬,৬১৩.
জামিনদার জামিননামা বাতিলের আবেদন করলে, উক্ত আদালত-
  1. মুচলেকা বাতিল করবেন
  2. গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন
  3. জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ দিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদেশ দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদেশ দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০২: জামিনদারের অব্যাহতি

জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।

Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants. 
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him. 
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.
৬,৬১৪.
যদি বাদী আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী দলিল উপস্থাপন না করে, তাহলে আদালত আদেশ-১১, বিধি-২১ অনুসারে-
  1. মোকদ্দমা খারিজ হতে পারে
  2. বাদীর জন্য জরিমানা নির্ধারণ করবে
  3. বাদীকে নতুন মামলা দায়েরের সুযোগ দেবে
  4. মামলার শুনানি স্থগিত করবে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ হতে পারে
ব্যাখ্যা
• আদেশ-১১, বিধি-২১ (আদেশ অমান্যকরণ)-
যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রশ্নমালার উত্তর দানের বা দলিলসমূহের উদ্ঘাটন বা পরিদর্শনের জন্য কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তদক্ষেত্রে সে যদি বাদী হয় তবে পরিচালনার অভাবে তার মোকদ্দমা খারিজ হওয়ার জন্য সে দায়ী হবে, এবং যদি বিবাদী হয় তবে তার যদি কোন জবাব থাকে, উহা কর্তন হওয়ার নিমিত্তে সে দায়ী হবে এবং সে যেন আত্মপক্ষ সমর্থন করেনি এরূপ পরিস্থিতিতে স্থিত হবে এবং প্রশ্নকারী পক্ষ কিংবা উদঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী উক্ত মর্মে আদেশের জন্য আদালতে আবেদন করবে এবং তদনুযায়ী আদালত আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৬,৬১৫.
ন্যায়বিচারের জন্য প্রয়োজনীয় না হলে ধর্ষণের অপরাধ বা ধর্ষণের মামলায়, দফা ভিক্টিমের সাধারণ অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে না। বিধানটি The Evidence Act,1872 এর কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ১৪৬ (১) ধারায় 
  2. ১৪৬ (২) ধারায় 
  3. ১৪৬ (৩) ধারায় 
  4. ১৫৫ (৪) ধারায় 
সঠিক উত্তর:
১৪৬ (৩) ধারায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৬ (৩) ধারায় 
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারার বিধান জেরায় আইনসঙ্গত প্রশ্ন: যখন সাক্ষীকে জেরা করা হয় তখন ইতিপূর্বে উল্লেখিত প্রশ্নসমূহ ছাড়াও এমন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, যা দ্বারা:
১) তার সত্যবাদিতা পরীক্ষা করা যায়।
২) তার পরিচয় ও মর্যাদা জানা যায়, অথবা
৩) তার চরিত্রের প্রতি আঘাত করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করা যায়, যদিও এরূপ প্রশ্নের উত্তরের দ্বারা তিনি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অপরাধের সাথে জড়িত হতে পারে অথবা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তার দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির সম্ভাবনা থাকে।
তবে শর্ত থাকে যে, ধর্ষণের অপরাধ বা ধর্ষণের চেষ্টার জন্য একটি মামলায়, দফা (৩) এর অধীনে ভিক্টিমের সাধারণ অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, এই ধরনের প্রশ্ন শুধুমাত্র আদালতের অনুমতি নিয়েই জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, যদি এটি ন্যায়বিচারের জন্য আদালতের কাছে প্রয়োজনীয় বলে মনে হয়।
---------------------------------------------------------
⇒ The Evidence Act 1872, Section146, Questions lawful in cross-examination: When a witness is cross-examined, he may, in addition to the questions hereinbefore referred to, be asked any questions which tend -
(1) to test his veracity,
(2) to discover who he is and what is his position in life, or
(3) to shake his credit, by injuring his character, although the answer to such questions might tend directly or indirectly to criminate him or might expose or tend directly or indirectly to expose him to a penalty or forfeiture
Provided that in a prosecution for an offence of rape or attempt to rape, no question under clause (3) can be asked in the cross-examination as to general immoral character or previous sexual behaviour of the victim:
Provided further that such question can only be asked with the permission of the Court, if it appears to the Court necessary for the ends of justice.

৬,৬১৬.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ২৪ অনুযায়ী মানহানির মামলা করতে হয় -
  1. ২ বছরের মধ্যে
  2. ৬ মাসের মধ্যে
  3. ১ বছরের মধ্যে
  4. যে কোন সময়ে
সঠিক উত্তর:
১ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
♣ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ২৪ অনুযায়ী ১ বছরের মধ্যে মানহানির মামলা করতে হয়
৬,৬১৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারার অধীনে কৃত মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী, ২টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন-
⇒ যে লিখিত দলিল বাতিল/ বাতিলযোগ্য, অথবা
⇒ যদি বাদীর আশংকা থাকে যে, এরূপ দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা ক্ষতির কারন হতে পারে।

দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করা, আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ- ৯১:
কোন দলিল রদ [Set aside] বা বাতিল [Cancel] করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্যকোন বিধান নেই সেক্ষেত্রে যে সকল ঘটনা বাদীকে উক্ত দলিল বাতিল বা রদ করার অধিকার দান করে সেগুলি যখন বাদী অবগত হয় তখন থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
৬,৬১৮.
কোন ধরনের বিবৃতি সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২(৩) এর অধীনে প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হয়?
  1. যা বিবৃতিকারীর স্বার্থের পরিপন্থী
  2. সর্বসাধারণের অধিকার সংক্রান্ত মতামত
  3. পারিবারিক দলিল বা উইল সম্পর্কিত বিবৃতি
  4. কয়েকজনের প্রদত্ত অনুভূতি প্রকাশক বিবৃতি
সঠিক উত্তর:
যা বিবৃতিকারীর স্বার্থের পরিপন্থী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যা বিবৃতিকারীর স্বার্থের পরিপন্থী
ব্যাখ্যা
উত্তর: ক) বিবৃতি যা বিবৃতিকারীর স্বার্থের পরিপন্থী।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২ অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অক্ষম হয়, তখন তার কিছু নির্দিষ্ট বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হতে পারে। এই ধারায় নিম্নলিখিত ৮টি পরিস্থিতি অন্তর্ভুক্ত:
১) মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration) — যখন ব্যক্তি মারা যাওয়ার পূর্বে কোনো ঘটনার সম্পর্কে মন্তব্য করেন।
২) ব্যবসার কার্যক্রমে বিবৃতি (statement made in course of business) — যখন কোনো ব্যক্তি তার ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে বিবৃতি দেন।
৩) স্বার্থবিরোধী বিবৃতি (statement against interest) — যে বিবৃতি ব্যক্তির নিজের স্বার্থের বিরুদ্ধে চলে।
৪) জনস্বার্থ বা প্রথা সংক্রান্ত বিবৃতি (opinion as to public right or custom) — যখন কোনো ব্যক্তি সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা সম্পর্কিত বিবৃতি দেন।
৫) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্পর্কিত বিবৃতি (relates to existence of relationship) — আত্মীয়তার অস্তিত্বের ব্যাপারে বিবৃতি।
৬) পারিবারিক দলিল বা উইলে করা বিবৃতি (statement made in will or deed relating to family affairs) — উইল বা পারিবারিক দলিলে করা বিবৃতি।
৭) লেনদেন সংক্রান্ত দলিলের বিবৃতি- "transaction mentioned in section 13, clause (a)"ধারা ১৩-এর (ক) অংশে উল্লেখিত লেনদেন সংক্রান্ত দলিলের বিবৃতি।
৮) কিছু ব্যক্তির প্রদত্ত বিবৃতি (statement made by several persons) — যখন একাধিক ব্যক্তি একটি বিশেষ বিষয় সম্পর্কে একই মতামত দেন।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question
৬,৬১৯.
According to Section 52 Preventive relief is not granted at the discretion of the Court by____________.
  1. Perpetual injunction
  2. Temporary injunction
  3. Mandatory injunction
  4. temporary or perpetual injunction
সঠিক উত্তর:
Mandatory injunction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mandatory injunction
ব্যাখ্যা
⇒ Section 52 Preventive relief how granted: Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুরের প্রক্রিয়া:- আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
 
 ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বা Preventive Relief এর সংজ্ঞা রয়েছে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারার (গ) অনুচ্ছেদের অধীন যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় তাকে নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বলে। অর্থাৎ যা না করার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত থাকার আদেশ প্রদানই হলো প্রতিরোধমূলক প্রতিকার।
 
 ⇒  সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদান করা হলেও সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার নয়। যেমন- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হলেও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) হল আদেশাত্মক প্রতিকার।
 ⇒ অর্থাৎ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ছাড়া সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা হলো নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।
 
 ⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে যেহেতু 'Preventive relief is not granted বা নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় না' কথাটি বলা আছে তাই সঠিক উত্তর হবে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction)।
৬,৬২০.
Which of the following is grounds for striking out pleadings under Order 6, Rule 16 of the Code of Civil Procedure?
  1. The matter is unnecessary
  2. The matter is scandalous
  3. The matter tends to delay a fair trial
  4. All of them
সঠিক উত্তর:
All of them
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All of them
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশে প্লিডিংসের বিধানসমূহ রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]। বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে।লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।

⇒ আদেশ-৬,বিধি-১৬: প্লিডিংস কর্তন (Strike out of pleadings)-
দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১৬ নং বিধিতে প্লিডিংস কর্তনের(Strike out) বিধান রয়েছে। ১৬ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ করার জন্য আদালত যেকোনো পর্যায়ে প্লিডিংস-এ উল্লেখিত কতিপয় বিষয় কর্তন করার (Strike out) আদেশ নিতে পারেন।
আদালত প্লিডিংস কর্তন করাতে পারে যদি প্লিডিংস এ উল্লেখিত কোন বিষয়-
- অপ্রয়োজনীয় (Unnecessary matter) বা
- কুৎসাজনক (Scandalous) হলে অথবা
- বিচারে বাধা বা বিলম্ব করলে (Tend to prejudice,embarrass or delay fair trial of the suit)।
৬,৬২১.
বাংলাদেশ সরকারের কর্তৃত্ববলে সীলমোহরকৃত ও ইস্যুকৃত ধাতু, যাহা অর্থ হিসাবে ব্যবহৃত-তাহাকে বলা হয়-
  1. মুদ্রা
  2. বাংলাদেশী মুদ্রা
  3. বাংলাদেশী টাকা
  4. বাংলাদেশী নোট
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশী মুদ্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশী মুদ্রা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:- বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।

বাংলাদেশী মুদ্রা:- বাংলাদেশী মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরূপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে; এবং অর্থরূপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বাংলাদেশী মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।

---------------------
♦ “Coin” defined Bangladesh coin:

- Section 230. Coin is metal used for the time being as money, and stamped and issued by the authority of some State or Sovereign Power in order to be so used. 
 
- Bangladesh coin is metal stamped and issued by the authority of the Government in order to be used as money; and metal which has been so stamped and issued shall continue to be Bangladesh coin for the purposes of this Chapter, notwithstanding that it may have ceased to be used as money. 
 
Illustrations 
 
(a) Cowries are not coin. 
 
(b) Lumps of unstamped copper, though used as money, are not coin. 
 
(c) Medals are not coin, inasmuch as they are not intended to be used as money. 
 
(d) The coin denominated as the Company's taka is the Queen's coin. 
 
(e) The "Farukhabad" taka, which was formerly used as money under the authority of the Government of India, is Bangladesh coin although it is no longer so used.
৬,৬২২.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে যে একাধিক ব্যক্তি সাধারণ উদ্দেশ্যে অপরাধ করলে প্রত্যেকে এককভাবে দায়ী হবেন?
  1. ধারা ৩৪
  2. ধারা ৩৫
  3. ধারা ৩৬
  4. ধারা ৩৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৪ অনুসারে, যখন একটি অপরাধ একাধিক ব্যক্তি দ্বারা সাধারণ উদ্দেশ্যে (common intention) সংঘটিত হয়, তখন প্রত্যেক ব্যক্তি এমনভাবে দায়ী হবেন যেন তিনি একাই সেই অপরাধটি করেছেন। এই ধারাটি স্পষ্টভাবে বলে যে, অপরাধটি যদি সকলের সাধারণ উদ্দেশ্যে সংঘটিত হয়, তবে প্রত্যেকে সমানভাবে দায়ী।

- দণ্ডবিধির ৩৪ ধারামতে যখন কতিপয় ব্যক্তি (২ বা ততোধিক) দ্বারা সকলের একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে (in furtherance of Common Intention) কোন অপরাধমূলক কার্য সম্পাদিত হয় তখন প্রত্যেকে যৌথভাবে দায়ী হবে যেন নিজে কাজটি করেছে।
- উক্ত ধারা অনুযায়ী যখন একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে একাধিক ব্যক্তি কোন অপরাধমূলক কাজ সম্পাদন করে তখন তাদের প্রত্যেকে উক্ত কাজের জন্য এমনভাবে দায়ী হবেন যেন প্রত্যেকে আলাদাভাবে কাজটি সম্পাদন করেছে।

- দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার অধীনে সাধারণ অভিপ্রায় প্রমাণ করার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয় সমূহ গুরুত্বপূর্ণ:
ⅰ) কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত হবে;
ii) তাদের প্রত্যেকের সাধারণ অভিপ্রায় এবং পূর্ব পরিকল্পনা ছিল উক্ত অপরাধ সংঘটন করা; এবং
iii) অভিপ্রায়কে সফল করার জন্য অপরাধ সংঘটনে অংশগ্রহণ।
--------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 34: Acts done by several persons in furtherance of common intention:
- When a criminal act is done by several persons, in furtherance of the common intention of all, each of such persons is liable for that act in the same manner as if it were done by him alone.

৬,৬২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ অনুসারে, কার্যক্রম বন্ধ করার পর ম্যাজিস্ট্রেট কী করতে পারেন?
  1. মামলা বাতিল করতে পারেন
  2. অভিযুক্তকে মুক্তি দিতে পারেন
  3. অভিযুক্তকে শাস্তি দিতে পারেন
  4. নতুন বিচারের নির্দেশ দিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে মুক্তি দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে মুক্তি দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
উত্তর: অভিযুক্তকে মুক্তি দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ নালিশ ব্যতীত অন্যান্য মামলার যেকোনো পর্যায়ে কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতা দিয়েছে।
উল্লেখ আছে, নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মোকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যবাহ বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (Release) দিতে পারবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-249: Power to stop proceedings when no complainant:
-In any case instituted otherwise than upon complaint, a Metropolitan Magistrate, a Magistrate of the first class, or with the previous sanction of the Chief Judicial Magistrate, any other Judicial Magistrate, may for reasons to be recorded by him, stop the proceedings at any stage without pronouncing any judgment either of acquittal or conviction, and may thereupon release the accused.
৬,৬২৪.
“মধ্যবর্তী মুনাফা”র সংজ্ঞায় নিম্নের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সুদসহ প্রাপ্য মুনাফা
  2. সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যা করা সম্ভব ছিল সেই মুনাফা
  3. বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তির স্বাভাবিক মুনাফা
  4. বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তির উন্নয়ন করে অর্জিত অতিরিক্ত মুনাফা
সঠিক উত্তর:
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তির উন্নয়ন করে অর্জিত অতিরিক্ত মুনাফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তির উন্নয়ন করে অর্জিত অতিরিক্ত মুনাফা
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো,সুদসহ উক্ত মুনাফাকে মধ্যবর্তী মুনাফা(Mesne Profits) বলে।

ব্যতিক্রমঃ
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে,উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।

Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received there from,together with interest on such profits,
but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession.

৬,৬২৫.
কোন স্বামী বা স্ত্রীকে দ্বিগামিতা বা বহুবিবাহের অপরাধের জন্য ৪৯৪ ধারায় দোষী করা যাবে না, যদি দ্বিতীয় বিবাহের সময় তার পূর্ববর্তী স্বামী বা স্ত্রী ক্রমাগতভাবে __________ ধরে অনুপস্থিত থাকে বা সে জীবিত আছে বলে শোনা যায় না।
  1. ৩ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
দ্বিগামিতা [Bigamy]:
দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী একসঙ্গে দুই স্ত্রী বা স্বামী নিয়ে বসবাস বা একই সঙ্গে দুই বিয়ের জন্য দোষী হলো দ্বিবিবাহ বা দ্বিগামিতা [Bigamy]। দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারায় দ্বিগামিতা বা Bigamy শাস্তিযোগ্য অপরাধ। দ্বিবিবাহ বা দ্বিগামিতার জন্য কোন ব্যক্তি দণ্ডিত হবে যদি-
১. স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও বিবাহ করে এবং
২. স্বামী বা স্ত্রী জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করার কারণে বিবাহটি বাতিল হলে।

যে যে ক্ষেত্রে দ্বিগামিতা বা বহুবিবাহের অপরাধ সংক্রান্ত ৪৯৪ ধারা প্রযোজ্য হবে না:
১. যেহেতু ইসলামে পুরুষরা বহুবিবাহ (একসঙ্গে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ) করতে পারে, তাই এই ধারা মুসলিম পুরুষদের জন্য প্রযোজ্য না।
২. যে ব্যক্তির বিবাহ এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ সেই ব্যক্তি পুনরায় বিবাহ করলে সে ৪৯৪ ধারায় দণ্ডিত হবে না।
৩. কোন স্বামী বা স্ত্রীকে দ্বিগামিতা বা বহুবিবাহের অপরাধের জন্য ৪৯৪ ধারায় দোষী করা যাবে না যদি দ্বিতীয় বিবাহের সময় তার পূর্ববর্তী স্বামী বা স্ত্রী ক্রমাগতভাবে ৭ বৎসর ধরে অনুপস্থিত থাকে বা সে জীবিত আছে বলে শোনা যায় না

• Section 494- Marrying again during life-time of husband or wife:
Whoever, having a husband or wife living, marries in any case in which such marriage is void by reason of its taking place during the life of such husband or wife, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

Exception:
This section does not extend to any person whose marriage with such husband or wife has been declared void by a Court of competent jurisdiction, nor to any person who contracts a marriage during the life of a former husband or wife, if such husband or wife, at the time of the subsequent marriage, shall have been continually absent from such person for the space of seven years, and shall not have been heard of by such person as being alive within that time provided the person contracting such subsequent marriage shall, before such marriage takes place, inform the person with whom such marriage is contracted of the real state of facts so far as the same are within his or her knowledge.
৬,৬২৬.
The Civil Courts Act, 1887 এর Section 18 অনুযায়ী District Judge বা Subordinate Judge এর আদি এখতিয়ার কীসের অধীন?
  1. Civil Procedure Code এর Section 5
  2. Civil Procedure Code এর Section 10
  3. Civil Procedure Code এর Section 15
  4. Civil Procedure Code এর Section 21
সঠিক উত্তর:
Civil Procedure Code এর Section 15
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Civil Procedure Code এর Section 15
ব্যাখ্যা

⇒ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭-এর ধারা ১৮ অনুসারে, District Judge বা Subordinate Judge-এর আদি এখতিয়ার (original jurisdiction) সিভিল কোর্টে বিচারযোগ্য সকল মূল মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তবে এটি সিভিল প্রসিডিউর কোড (CPC)-এর ধারা ১৫-এর বিধানের অধীন। ধারা ১৫-এ উল্লেখ আছে যে, প্রতিটি মামলা সেই আদালতে দায়ের করতে হবে যে আদালত স্থানীয় এখতিয়ার এবং মামলার মূল্যের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন গ্রেডের আদালত হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি নিশ্চিত করে যে মামলাগুলো যথাযথ আদালতে বিচারের জন্য দায়ের করা হয়, এবং District Judge বা Subordinate Judge-এর এখতিয়ার এই বিধানের আলোকে নির্ধারিত হয়।

- Sonali Bank vs Abidur Rahman 42 DLR 311, যেখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে ধারা ১৮ অনুসারে District Judge বা Subordinate Judge-এর আদি এখতিয়ার সিভিল প্রসিডিউর কোডের ধারা ১৫-এর বিধানের অধীন।

তাই, সঠিক উত্তর হলো গ) Civil Procedure Code এর Section 15।
--------- 
⇒ The Civil Courts Act, 1887, Section-18: Extent of original jurisdiction of District or Joint District Judge:
- Save as otherwise provided by any enactment for the time being in force, the jurisdiction of a District Judge or Joint District Judge extends, subject to the provisions of section 15 of the Code of Civil Procedure, 1908 to all original suits for the time being cognizable by Civil Courts.

৬,৬২৭.
ডিক্রির তারিখ থেকে কত সময়ের মধ্যে ডিক্রি জারির জন্য আবেদন করলে দায়িকের প্রতি কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হবে না?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২১, বিধি-২২ তে ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে নোটিশ প্রদানের বিধান রয়েছে- সাধারণত নোটিশ ব্যতীত ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়, তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির মামলা করলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হবে। যথ‍্যেছ
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৫০(১) ধারা অনুযায়ী, দেনাদারের (Judgement debtor) মৃত্যু হলে তার বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করা যাবে। এক্ষেত্রে বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন হলে নোটিশ দিতে হয়। অর্থাৎ দেনাদারের বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে জারির আবেদন করতে হলে নোটিশ দিতে হয়।
ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে (Judgement debtor) নোটিশ দিতে হয়। 
♦এছাড়া কোন বিদেশী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন করলে নোটিশ দিতে হয়।
৬,৬২৮.
সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে আদালত The Evidence Act, 1872 এর ১৫২ ধারায় কোন ধরনের প্রশ্ন করতে নিষেধ করতে পারেন?
  1. বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করার উদ্দেশ্যে করা প্রশ্ন
  2. উত্যক্ত করার উদ্দেশ্যে করা প্রশ্ন
  3. অপমানিত করার উদ্দেশ্যে করা প্রশ্ন
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৫২ ধারা অনুসারে,
আদালত যে কোনো প্রশ্ন নিষিদ্ধ করবে যা তার কাছে অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে মনে হয়, অথবা যা, নিজে যথাযথ হলেও, আদালতের কাছে অনাবশ্যকভাবে আপত্তিকর রূপে প্রতীয়মান হয়।

Section 152- Questions intended to insult or annoy:
The Court shall forbid any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which, though proper in itself, appears to the Court needlessly offensive in form.
৬,৬২৯.
'ক','খ' ও 'গ' একটি ফার্মের অংশীদার এবং 'ঘ' উক্ত ফার্মের নিকট ঋণগ্রস্থ হয়। 'খ' উন্মাদ এবং 'গ' নাবালক। 'খ' এবং 'গ'-এর সম্মতি ব্যতীত 'ক', দেনাদার 'ঘ'-কে ঋণমুক্ত করতে পারে। এক্ষেত্রে-
  1. শুধুমাত্র 'ক' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে
  2. 'খ' এবং 'গ' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে না
  3. 'ক','খ' ও 'গ' সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
  4. 'ক','খ' ও 'গ' সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে
সঠিক উত্তর:
'ক','খ' ও 'গ' সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক','খ' ও 'গ' সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৭ (একাধিক বাদী অথবা দরখাস্তকারীর মধ্যে একজনের অপারগতা)-
যে ক্ষেত্রে একাধিক ব্যক্তি মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার অধিকারী হয় বা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয় এবং তাদের সকলেই আইনগত অক্ষম হলে তাদের কারোর বিরুদ্ধে তামাদি অতিবাহিত হবে না। কিন্তু যদি এমন হয় যে, তাদের মধ্যে এক বা একাধিক ব্যক্তি আইনগতভাবে অক্ষম কিন্তু বাকিরা আইনগতভাবে সক্ষম বা সুস্থ, সেই ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ সকলের বিরুদ্ধে অতিবাহিত হবে। কি হবে না তা নিম্নলিখিত ভাবে নির্ধারণ করতে হবে-

⇒ যে সকল ব্যক্তি আইনগতভাবে অপারগ তাদের সম্মতি ছাড়া যে ব্যক্তি আইনগতভাবে অপারগ না, সে যদি দায়মুক্তি বা ঋণ পরিশোধ করতে পারে তাহলে সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে।

অর্থাৎ, এক্ষেত্রে 'ক','খ' ও 'গ' সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে।

কিন্তু আইনগতভাবে সক্ষম ব্যক্তি আইনগত অপারগ ব্যক্তিদের সম্মতি ছাড়া দায়মুক্তি বা ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে, তাদের কারোর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে না।

Section 7: Disability of one of several plaintiffs or applicants-
Where one of several persons jointly entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is under any such disability, and discharge can be given without the concurrence of such person, time will run against them all: but, where no such discharge can be given, time will not run as against any of them until one of them becomes capable of giving such discharge without the concurrence of the others or until the disability has ceased.

Illustrations-
(a) A incurs a debt to a firm of which B, C and D are partners. B is insane, and C is a minor. D can give a discharge of the debt without the concurrence of B and C. Time runs against B, C and D.
(b) A incurs a debt to a firm of which E, F and G are partners. E and F are insane, and G is a minor. Time will not run against any of them until either E or F becomes sane, or G attains majority.
৬,৬৩০.
দণ্ডবিধির ১৮৭ ধারার অধীনে কোন ব্যক্তি সরকারী কর্মচারীকে সহায়তা করতে আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও তা না করলে সর্বোচ্চ কতদিনের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ১ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
১ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৭ ধারা- সরকারী কর্মচারীকে সহায়তা করতে আইনত: বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের অনুরূপ সহায়তা না করা:
কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীকে তাঁর সরকারী কর্তব্য সম্পাদনে সহায়তা করতে বা সহায়তা সংগ্রহ করে দিতে আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও অনুরূপ সহায়তা দিতে ইচ্ছাপূর্বক অন্যথা করে, তবে সে ব্যক্তি একমাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা দুইশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
এবং অনুরূপ সহায়তা যদি কোন আদালত হতে আইনসম্মতভাবে দেওয়া সমনাদি বলবৎ করার জন্য অথবা কোন অপরাধের সংঘটন নিবারণের জন্য, অথবা কোন দাঙ্গা বা কলহ দমনের জন্য অথবা কোন অপরাধে বা আইনসম্মত আটক হতে পলায়নের দায়ে অভিযুক্ত বা অপরাধী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার জন্য সহায়তা দাবি করতে আইনসম্মত-ভাবে ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারী কর্মচারী দাবি করে থাকেন, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৬,৬৩১.
সংক্ষিপ্ত বিচারে প্রদত্ত _________বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না-
  1. অনধিক ১৫০ টাকা অর্থদণ্ডের
  2. অনধিক ২০০ টাকা অর্থদণ্ডের
  3. অনধিক ১,০০০ টাকা অর্থদণ্ডের
  4. অনধিক ৫,০০০ টাকা অর্থ দণ্ডের
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২০০ টাকা অর্থদণ্ডের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২০০ টাকা অর্থদণ্ডের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৪ ধারার বিধান সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল নেইঃ এই কার্যবিধিতে ইতোপূর্বে যা-ই উল্লেখ থাকুক না কেন, সংক্ষিপ্তভাবে বিচারকৃত কোন মোকদ্দমায় ধারা-২৬০ অনুসারে কাজ করতে ক্ষমতাবান কোন ম্যাজিষ্ট্রেট শুধুমাত্র সর্বোচ্চ ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কোন আপীল করতে পারবে না।

♦ সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি বিচারের ক্ষেত্রে প্রদত্ত কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে। কিন্তু অর্থদন্ড ২০০ টাকার বেশি না হলে আপীল করা যাবে না। অর্থ দণ্ডের পরিমাণ ২০০ টাকার বেশি হলে আপীল করা যাবে।
৬,৬৩২.
ডাকাতির মাধ্যমে লব্ধ চোরাই সম্পত্তি কেউ জেনে-বুঝে তার কাছে রাখলে সর্বোচ্চ শাস্তি নিচের কোনটি?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

ডাকাতির মাধ্যমে চুরি করা সম্পত্তি অসাধু উপায়ে গ্রহণ করা ( দণ্ডবিধির ধারা ৪১২)

যে কেউ অসাধু উপায়ে চুরি করা কোনো সম্পত্তি গ্রহণ বা সংরক্ষণ করবে, যার অধিকার সে জানে বা বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ আছে যে তা ডাকাতির মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয়েছে, অথবা যে কেউ এমন কোনো ব্যক্তি থেকে অসাধু উপায়ে সম্পত্তি গ্রহণ করবে, যাকে সে ডাকাত দলের সদস্য হিসেবে চেনে বা বিশ্বাস করার কারণ আছে, এবং জানে বা বিশ্বাস করার কারণ আছে যে সম্পত্তিটি চুরি করা হয়েছে,

তাহলে তার শাস্তি হবে:
- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, অথবা
- সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কঠোর কারাদণ্ড, এবং
- অর্থদণ্ডও প্রযোজ্য হবে।

৬,৬৩৩.
নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে আদালত কোন ধরনের প্রতিকার প্রদান করতে পারে?
  1. বিকল্প
  2. প্রতিরোধ
  3. প্রতিকার
  4. ক্ষতিপূরণ
সঠিক উত্তর:
প্রতিরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিরোধ
ব্যাখ্যা
• আইনে নিষেধাজ্ঞাকে একটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হিসাবে গণ্য করা হয়। নিষেধাজ্ঞা আদালতের একটি বিশেষ আদেশ যা কোনো পক্ষকে কোনো কাজ করতে বা না করতে নির্দেশ দেয়। এটি নিম্নরূপ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার বিবেচিত:
১. কর্মসাধক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) - একটি বিশেষ কাজ সম্পাদন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, চুক্তি বাস্তবায়ন বা সম্পত্তি হস্তান্তর করতে বাধ্য করা।
২. নিষেধমূলক নিষেধাজ্ঞা (Prohibitory Injunction) - কোনো কাজ করতে নিষেধ করা হয়। যেমন, সম্পত্তি দখল বা বিক্রি করতে নিষেধাজ্ঞা।
৩. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary/Interim Injunction) - মূল মামলার বিচারকালীন সময়ে একটি অবস্থা বজায় রাখার জন্য।
৪. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual Injunction) - মূল মামলা নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত নিষেধাজ্ঞা যা স্থায়ীভাবে বহাল থাকে।

নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে আদালত প্রকৃতপক্ষে "প্রতিরোধ" বা "নিষেধ" প্রদান করে, "প্রতিকার" নয়। সুতরাং, নিষেধাজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য হল প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া, প্রতিকার প্রদান নয়।
৬,৬৩৪.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (ADR) বিধান কত সালে প্রথম সংযোজন করা হয়?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০৩ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের দেওয়ানি কার্যবিধি (Code of Civil Procedure, 1908)-এ বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (Alternative Dispute Resolution - ADR) বিধান প্রথম ২০০৩ সালে সংযোজন করা হয়। এটি Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2003 এবং পরবর্তীকালে Act No. XXXVI of 2003 দিয়ে কার্যকর হয়। এই সংশোধনের মাধ্যমে ধারা ৮৯ক (Section 89A - Mediation), ৮৯খ (Section 89B - Arbitration) এবং ৮৯গ (Section 89C - Application and commencement) যোগ করা হয়, যা সিভিল মামলায় মধ্যস্থতা (Mediation) এবং সালিশী (Arbitration)-এর মাধ্যমে দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করে। প্রথমে এটি ঐচ্ছিক ছিল, কিন্তু ২০১২ সালের সংশোধনী (Code of Civil Procedure (Amendment) Act, 2012) দিয়ে মধ্যস্থতাকে বাধ্যতামূলক করা হয় ('may' শব্দটির পরিবর্তে 'shall' ব্যবহার করে)।

৬,৬৩৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ______ অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশ আপিলযোগ্য নয়?
  1. Order 7 rule 10
  2. Order 8 rule 10
  3. Order 10 rule 4
  4. Order 26 rule 4
সঠিক উত্তর:
Order 26 rule 4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order 26 rule 4
ব্যাখ্যা
⇒ সাধারণত আদালতের কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না তবে দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধি ১ এর মাঝে ২৫ টি আদেশের তালিকা দেওয়া আছে যেগুলোর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।

অর্থাৎ আইনে স্পষ্ট বিধান না থাকলে, মূল অথবা আপিল এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত যে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না; কিন্তু ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যায়।

- উল্লিখিত প্রশ্নের অপশন (ক)-Order 7 rule 10 , (খ) Order 8 rule 10 এবং (গ) Order 10 rule 4 আদেশ ৪৩ এর বিধি ১ এর আপিল যোগ্য আদেশের তালিকায় রয়েছে। কিন্তু অপশন (ঘ) Order 26 rule 4 অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশটি আদেশ ৪৩ এর বিধি ১ এর তালিকায় নেই। 

- এজন্য বলতে পারি যে The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 26 rule 4 অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশ আপিলযোগ্য নয়।
৬,৬৩৬.
তামাদি আইনের কোন ধারা অনুসারে সম্পত্তির ওপর আইনি অধিকার চিরতরে বিলুপ্ত হয়?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৫
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ২৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৮
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৮ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা না করলে সম্পত্তির ওপর আইনি অধিকার চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যায়।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৮ অনুসারে, যখন কোনো মামলা বা দরখাস্ত দায়েরের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা (তামাদি মেয়াদ) অতিক্রান্ত হয়ে যায়, তখন শুধুমাত্র মামলা দায়েরের সুযোগই হারায় না, বরং বাদীর সেই সম্পত্তির উপর আইনগত অধিকারও (right itself) বিলুপ্ত হয়ে যায়।

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২৮: সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি:
কোনো সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section 28: Extinguishment of right to property:
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.

৬,৬৩৭.
ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একজন রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে দণ্ডিত হলে, তিনি তার দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় করবেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা জজ কোর্টে
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ কোর্টে
  4. মহানগর দায়রা জজ কোর্টে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: হাইকোর্ট বিভাগে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারার বিধান -যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।

নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় (রাষ্ট্রদ্রোহিতা) উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

The Code of Criminal Procedure, 1898 -Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class:
Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge,Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge:

Provided as Follws-
(a)When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division;

(b)When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.
৬,৬৩৮.
১০৬ থেকে ১০৮ ধারার অধীন মুচলেকা দিতে ব্যর্থ হলে তার সাজা কী?
  1. অনধিক এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
  2. অনধিক তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
  3. অনধিক এক বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
  4. অনধিক তিন বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
সঠিক উত্তর:
অনধিক তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ১০৬ ধারার (দণ্ডিত হওয়ার পর শান্তি রক্ষার মুচলেকা), ১০৭ ধারার (অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষার মুচলেকা), ১০৮ ধারার (রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারী ব্যক্তিদের নিকট থেকে সদাচরণ এর জন্য)  মুচলেকা দিতে ব্যর্থ হলে তার সাজা অনধিক ৩ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড [ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১২৩]
৬,৬৩৯.
২৯ গ ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে কোনো প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কোন অপরাধের বিচার করলে অনধিক কত বৎসরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাধারণ ক্ষমতাবলে সর্বোচ্চ ৫ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে। তবে ২৯গ  ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে ৩৩ক ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৭ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে।♦অর্থাৎ ৩৩ক ধারা অনুযায়ী ২৯ গ ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে কোনো প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কোন অপরাধের বিচার করলে অনধিক ৭ বৎসরের কারাদণ্ড হতে পারে।
৬,৬৪০.
শুধু দখল পুনরুদ্ধারের মামলা দায়েরে তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৩ বছর
  2. ৬ মাস
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ৯ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা বেদখল হওয়ার দিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে করতে হবে।
♦আইন বহির্ভূতভাবে ও সম্মতি ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে স্থাবর সম্পত্তি থেকে দখলচ্যুত করা হলে, উক্ত স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য ৯ ধারামতে মামলা করা যাবে। বাদীকে যে যথাযথ আইনের মাধ্যম ছাড়াই বেদখল করেছে, সে যদি মূল মালিকও হয় কিংবা তার দ্বারা কোন দাবিদারও হয় তবু বাদী তার দখলচ্যুতির তারিখ হতে ছয় মাসের মধ্যে তার স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় মামলা করতে পারবে। ৯ ধারামতে যিনি স্থাবর সম্পত্তির দখলে ছিলেন, তিনিই মামলা করতে পারেন। কেননা এই ধরনের মামলায় শুধু বাদীর দখল এবং বেদখল প্রমাণ করতে হয় এবং ৯ ধারার অধীনে দখল উদ্ধারের মামলায় স্বত্বের প্রশ্ন অবান্তর।
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধারের জন্য উক্ত সম্পত্তিতে দখল এবং বিগত ৬ মাসের মধ্যে বেদখল হওয়া প্রমাণ করতে হবে, তবে স্বত্ব প্রমাণ করার কোন প্রয়োজন নেই। উল্লেখ্য যে, ৮ ধারায় দখল প্রমাণের প্রয়োজন নেই তবে স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে।
৬,৬৪১.
রায়ে কোন বিষয়টি অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে?
  1. সিদ্ধান্ত
  2. নির্ধারণীয় বিষয়
  3. সিদ্ধান্তের কারণ
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৬৭: রায়ের ভাষা ও বিষয়বস্তু-
(১) এই কোডে যা না থাকুক, প্রত্যেকটি এইরূপ রায় আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে আদালতের বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে অথবা তার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী লিখিত হবে; এবং এতে নির্ধারণীয় বিষয় বা বিষয়সমূহ, সেগুলির সিদ্ধান্ত এবং সিদ্ধান্তের কারণসমূহ থাকবে; এবং তারিখ এবং বিচারকের স্বাক্ষর থাকবে, যা রায় ঘোষণার সময় আদালতে তিনি স্বহস্তে লিখবেন; এবং যদি বিচারক নিজেই না লিখে থাকেন, তাহলে রায়ের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায় তার স্বাক্ষর থাকবে।

(২) এতে বিচারিত অপরাধ (যদি থাকে), দণ্ডবিধি বা অন্য আইনের যে ধারায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং তাকে যে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে তা উল্লেখ থাকবে।

(৩) যদি দণ্ডাদেশ দণ্ডবিধির (Penal Code) অধীন হয় এবং এ বিষয়ে সন্দেহ থাকে যে অপরাধটি ঐ বিধির দুটি ধারার মধ্যে কোনটিতে অথবা একই ধারার দুটি অংশের মধ্যে কোনটিতে অন্তর্ভুক্ত, তাহলে আদালতকে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং বিকল্প রূপে রায় প্রদান করতে হবে।

(৪) যদি এটি খালাসের রায় হয়, তাহলে রায়ে উল্লেখ করতে হবে যে আসামিকে কোন অপরাধে খালাস দেওয়া হলো এবং নির্দেশ দিতে হবে যে তাকে মুক্তি দেওয়া হোক।

(৫) যদি আসামি এমন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয় যার জন্য মৃত্যুদণ্ড অথবা বিকল্পভাবে আজীবন কারাদণ্ড বা কয়েক বছরের সাজার বিধান রয়েছে, তাহলে আদালতকে রায়ে দণ্ড দেওয়ার কারণ উল্লেখ করতে হবে।

(৬) এই ধারার উদ্দেশ্যে, ধারা ১১৮ অথবা ধারা ১২৩-এর উপধারা (৩) অনুযায়ী দেওয়া কোনো আদেশকেও রায় বলে গণ্য করা হবে।
৬,৬৪২.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত আদেশে 'Production, Impounding and Return of Documents' সম্পর্কিত বিধি-বিধান আছে?
  1. আদেশ ১১
  2. আদেশ ১২
  3. আদেশ ১৩
  4. আদেশ ১৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৩
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ এ দলিল দাখিল, আটক ও ফেরত (Production, Impounding and Return of Documents) সম্পর্কিত বিধি-বিধান দেয়া আছে।
 
- বিধি ৩- দলিল প্রত্যাখ্যান: মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করেন যে কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক বা অন্যকোনভাবে অগ্রহনযোগ্য, তবে কারণ লিপিবদ্ধ করে আদালত সেই দলিল প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন।
 
- বিধি-৪ অনুসারে, দলিল দাখিলের সময় প্রমান হিসেবে গৃহিত উল্টাপৃষ্ঠে নিম্নলিখিত বিষয় গুলো পৃষ্ঠাঙ্কন করতে হবে-
১. মোকদ্দমার নম্বর ও শিরোনাম
২. দলিল দাখিলকারীর নাম
৩. দলিল দাখিলের তারিখ
৪. দলিল গৃহিত হওয়ার মর্মে একটি বিবৃতি।
 
- বিধি ৭(২)- দলিল ফেরত: যে সকল দলিল প্রমান হিসেবে গৃহিত হয় নাই সেগুলো মোকদ্দমার নথিপত্রের অংশ হিসেবে গন্য হবে না। এরূপ দলিল সমূহ দাখিলকারী ব্যক্তিগনের নিকট ফেরত দিতে হবে।
 
- বিধি ৮- দলিল আটক: আদালত যদি উপযুক্ত মনে করেন তবে এর সম্মুখে কোন মোকদ্দমায় দাখিলকৃত কোন দলিল বা বই আটক করার এবং উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে কোন নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আদালতের কোন কর্মচারীর হেফাজতে রাখার নির্দেশ দান করতে পারবেন।
৬,৬৪৩.
করিম সাহেব ব্যথার কষ্ট নিয়ে একজন চিকিৎসকের নিকট গেলেন। চিকিৎসকের অস্ত্রোপচারের ফলে করিম সাহেবের মৃত্যু হতে পারে এটা জেনেও করিম সাহেবের মৃত্যু ঘটানোর কোন অভিপ্রায় ছাড়াই সরল বিশ্বাসে করিম সাহেবের মঙ্গলার্থে চিকিৎসক অস্ত্রোপচারটি করেন। উক্ত অস্ত্রোপচারের পর করিম সাহেব মারা যান। করিম সাহেবের মৃত্যুতে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
  1. কোন অপরাধ হয়নি
  2. খুন হয়েছে
  3. অপরাধমূলক নরহত্যা হয়েছে
  4. দুই ও তিন
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ হয়নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ হয়নি
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৮৮ ধারা মতে মৃত্যু ঘটানের অভিপ্রায় ব্যতীত কোন কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতি নিয়ে ঐ ব্যক্তির মঙ্গলের জন্য কাজটি করা হলে তা অপরাধ নয়।
 • চিকিৎসক মৃত্যু ঘটানোর কোন অভিপ্রায় ছাড়াই সরল বিশ্বাসে রোগীর মঙ্গলনার্থে অস্ত্রোপচার করেন তাই এটি কোন অপরাধ নয়।
৬,৬৪৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-১১ অনুযায়ী ডিক্রি জারির জন্য লিখিত আবেদনপত্রে নিচের কোন বিষয়টি অন্তভুক্ত করার বিধান নেই?
  1. পক্ষদের নাম
  2. মোকদ্দমার নম্বর
  3. ডিক্রিটি হতে কোন আপিল হয়েছে কিনা
  4. মোকদ্দমা পরিচালনাকারী বিচারকের নাম
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা পরিচালনাকারী বিচারকের নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা পরিচালনাকারী বিচারকের নাম
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-১১ অনুযায়ী ডিক্রি জারির জন্য লিখিত আবেদনপত্রে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নাম অন্তভুক্ত করার বিধান নেই।
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১১ মৌখিক আবেদন।
১) যেক্ষেত্রে ডিক্রি টাকা পরিশোধের জন্য হয় সেক্ষেত্রে ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে ডিক্রি প্রদানের সময়েই ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনক্রমে আদালত, দায়িক আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত থাকলে গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রস্তুত করার পূর্বে তাকে গ্রেফতার ক্রমে তৎক্ষণাৎ জারির আদেশ প্রদান করতে পারে।

২) লিখিত আবেদনঃ উপরোক্ত (১) উপ-বিধিতে বর্ণিত ভিন্নরূপ কোন বিধান ব্যতিরেকে ডিক্রিজারির প্রত্যেক আবেদন আবেদনকারী কর্তৃক বা আদালতের পরিতৃষ্টি মোতাবেক মোকদ্দমার ঘটনার সাথে পরিচিত বলে প্রমাণিত অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত, স্বাক্ষরিত এবং সত্যতা প্রতিপাদনকৃত হতে হবে, এবং সারণীবদ্ধভাবে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে, যথা-
ক) মোকদ্দমার নম্বর:
খ) পক্ষদের নাম:
গ) ডিক্রির তারিখ:
ঘ) ডিক্রিটি হতে কোন আপিল দায়ের করা হয়েছে কিনা;
ঙ) ডিক্রির পরবর্তীতে পক্ষদের ভিতর বিতর্কিত বিষয়ে কোন পরিশোধ বা অন্যরূপ সমন্বয় সাধন হয়েছে কিনা এবং (যদি কোন) হয়ে থাকে তবে এর পরিমাণ;
চ) ডিক্রি জারির জন্য পূর্বে কোন আবেদন করা হয়েছে কিনা এবং (যদি কোন) করা হয়ে থাকে কিরূপ আবেদন করা হয়েছে ঐরূপ আবেদনের তারিখ ও ফলাফল;
ছ) ডিক্রির উপর প্রাপ্য সুদসহ (যদি কোন) টাকার পরিমাণ বা এটির দ্বারা মঞ্জুরীকৃত অন্য কোন প্রতিকার, জারি হওয়ার জন্য প্রার্থিত ডিক্রির তারিখের পূর্বে বা পরে কোন পাল্টা ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে তার বিবরণ;
জ) মঞ্জুরীকৃত ব্যায়াদি (যদি কোন) পরিমাণ;
ঝ) যার বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি প্রার্থনা করা হয় তার নাম; এবং
ঞ) নিম্নোক্ত যে পদ্ধতিতে আদালতে সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তা-

১. সুস্পষ্টভাবে ডিক্রিপ্রাপ্ত কোন সম্পত্তি অর্পণের দ্বারা,
২. কোন সম্পত্তির ক্রোক এবং নিলাম বিক্রয়ের দ্বারা বা ক্রোক ব্যতীত নিলাম বিক্রয় দ্বারা, ৩. কোন ব্যক্তির গ্রেফতার এবং জেলে আটক,
৪. তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্তির দ্বারা,
৫. মঞ্জুরীকৃত প্রতিকারের ধরণে প্রয়োজন হতে পারে এ রকম অন্য কোনভাবে হতে পারে।

৩) উপরোক্ত (২) উপ-বিধির অধীনে যে আদালতে আবেদন করা হবে, ঐ আদালত আবেদনকারীকে ডিক্রির একটি প্রত্যায়িত নকল দাখিল করতে তলব করতে পারে।
অর্থাৎ মোকদ্দমা পরিচালনাকারী বিচারকের নাম অন্তভুক্ত করার বিধান নেই।
৬,৬৪৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কোন ধরনের আইন?
  1. তত্ত্বগত আইন
  2. পদ্ধতিগত আইন
  3. প্রশাসনিক আইন
  4. শাস্তিমূলক আইন
সঠিক উত্তর:
তত্ত্বগত আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তত্ত্বগত আইন
ব্যাখ্যা
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act) হলো তত্ত্বগত আইন (Substantive Law)।
- তত্ত্বগত আইন এমন আইন, যা কোনো ব্যক্তির অধিকার, কর্তব্য বা দায়িত্ব নির্ধারণ করে এবং শাস্তির বিধান দেয়। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে দেওয়ানি মামলায় বিশেষ ধরণের প্রতিকার (যেমন: সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়া, চুক্তি বাস্তবায়ন) প্রদানের জন্য বিধান রয়েছে, যা ব্যক্তির অধিকার সংরক্ষণ করে।

অন্যদিকে, পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law) হলো আইন, যা মামলার বিচারপ্রক্রিয়া বা পদ্ধতি নির্ধারণ করে (যেমন: দেওয়ানী কার্যবিধি বা ফৌজদারি কার্যবিধি)।

অতএব, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন হলো তত্ত্বগত আইন, কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে এবং প্রতিকার দেয়।
৬,৬৪৬.
According to Section 143 of The Evidence Act, 1872, when may leading questions be asked?
  1. During re-examination
  2. During examination-in-chief
  3. During cross-examination
  4. In all stages of examination
সঠিক উত্তর:
During cross-examination
উত্তর
সঠিক উত্তর:
During cross-examination
ব্যাখ্যা
⇒ Answer: During cross-examination.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তাহার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাহাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয় ৷

- সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাইবে নাঃ বিরুদ্ধপক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দি ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা চলিবে না।
যে-সকল বিষয় ভুমিকামূলক অথবা অবিসংবাদিত অথবা পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হইয়াছে বলিয়া আদালত মনে করেন, সেই সকল বিষয় সম্পর্কে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করিবার অনুমতি আদালত অবশ্যই দিবেন।
- সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন যখন করা যাইতে পারে: জেরার ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা চলিবে।
--------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 141. Leading questions:
Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.
⇒ The Evidence Act,1872, Section 142. When they must not be asked:
Leading questions must not, if objected to by the adverse party be asked in an examination-in-chief, or in a re-examination, except with the permission of the Court. 
The Court shall permit leading questions as to matters which are introductory or undisputed, or which have, in its opinion, been already sufficiently proved.
⇒ The Evidence Act,1872, Section 143. When they may be asked:
 Leading questions may be asked in cross-examination.
৬,৬৪৭.
The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারায় নেতিবাচক চুক্তি পালনের নিষেধাজ্ঞা প্রদানের বিধান আছে?
  1. 52
  2. 57
  3. 56
  4. 42
সঠিক উত্তর:
57
উত্তর
সঠিক উত্তর:
57
ব্যাখ্যা

​⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৫৭-এ নেতিবাচক চুক্তি (Negative Agreement) পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রদানের বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুসারে, যদি একটি চুক্তিতে হাঁ-সূচক (Affirmative) এবং নেতিবাচক (Negative) উভয় ধরনের সম্মতি থাকে, তবে আদালত হাঁ-সূচক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন বাধ্য করতে অক্ষম হলেও নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে, শর্ত থাকে যে বাদী তার অংশে চুক্তি পালনে ব্যর্থ হয়নি।

​⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারার বিধান হল নেতিবাচক চুক্তি পালনের নিষেধাজ্ঞা : ধারা ৫৬ এর উপধারা-(চ) এর বিধান সত্ত্বেও যেক্ষেত্রে একটি সুস্পষ্টভাবে বা ইঙ্গিতবোধকভাবে কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ করা এবং কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ না করবার সম্মতির সমন্বয়, সেক্ষেত্রে হাঁ-সূচক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে বাধ্য করতে আদালত অসমর্থ হলেও সে পরিস্থিতি আদালতকে না সূচক কাজ সম্পাদন সম্বন্ধে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা থেকে নিবারণ করবে না।
তবে শর্ত থাকে যে, বাদী তার যতটুকু অবশ্যপালনীয়, চুক্তির ততটুকু পালনে ব্যর্থ হয় নাই।

- নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা (Injunction to perform negative agreement)-
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারামতে আদালত চুক্তির ইতিবাচক অংশ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার আদেশ দিতে না পারলেও, চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিতে পারবেন।

যেমন- A, B এর সাথে এই মর্মে চুক্তি করে যে, সে ১২ মাসের জন্য B এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং এই সময়ে সে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন করবে না। এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার জন্য B ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী নয়, কিন্তু A যেন এই সময়ে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন না করতে পারে বা তাকে গান গাওয়া হতে বিরত রাখতে B নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-57. Injunction to perform negative agreement:
Notwithstanding section 56, clause (f), where a contract comprises an affirmative agreement to do a certain act, coupled with a negative agreement, express or implied, not to do a certain act, the circumstance that the Court is unable to compel specific performance of the affirmative agreement shall not preclude it from granting an injunction to perform the negative agreement: provided that the applicant has not failed to perform the contract so far as it is binding on him.

Illustrations:
(a) A contracts to sell to B for taka 1,000 the good-will of a certain business unconnected with business-premises, and further agrees not to carry on that business in Chittagong. B pays A the taka 1,000 but A carries on the business in Chittagong. The Court cannot compel A to send his customers to B, but B may obtain an injunction restraining A from carrying on the business in Chittagong.
(b) A contracts to sell to B the good-will of a business. A then sets up similar business close by B's shop and solicits his old-customers to deal with him. This is contrary to his implied contract, and B may obtain an injunction to restrain A from soliciting the customers, and from doing any act whereby their good-will may be withdrawn from B.

(c) A contracts with B to sing for twelve months as B's theatre and not to sing in public elsewhere, B cannot obtain specific performance of the contract to sing, but he is entitled to an injunction restraining A from singing at any other place of public entertainment.

(d) B contracts with A that he will serve him faithfully for twelve months as a clerk. A is not entitled to a decree for specific performance of the contract. But he is entitled to an injunction restraining B from serving a rival house as clerk.
(e) A contracts with B that, in consideration of taka 1,000 to be paid to him by B on a day fixed, he will not set up a certain business within a specified distance. B fails to pay the money. A cannot be restrained from carrying on the business within the specified distance.

৬,৬৪৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ এর কোন বিধি অনুসারে আপিল আদালত নতুন ইস্যু নির্ধারণ করে বিচারিক আদালতে পাঠাতে পারে?
  1. বিধি-২৩
  2. বিধি-২৪
  3. বিধি-২৫
  4. বিধি-২৬
সঠিক উত্তর:
বিধি-২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-২৫
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ২৫ অনুযায়ী, যদি আপিল আদালত মনে করে যে মূল আদালত কোনো প্রয়োজনীয় ইস্যু নির্ধারণ বা বিচার করতে ব্যর্থ হয়েছে, এবং সে ইস্যুটি মামলার মেরিট বিচার করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তাহলে আপিল আদালত নিজেই নতুন ইস্যু নির্ধারণ করতে পারে এবং সেই ইস্যুগুলোর বিচার করার জন্য মামলাটি আবার মূল আদালতে পাঠাতে পারে।
- এই বিধির আওতায় আপিল আদালত ইস্যু নির্ধারণ করে; সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বিচার করার জন্য আদেশ দেয়; বিচার শেষে সেই আদালত তার মতামত সহ প্রমাণাদি আপিল আদালতে ফেরত পাঠায়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি-২৫ অনুযায়ী যদি সেই আদালত, যার রায় থেকে আপিল করা হয়েছে, কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নির্ধারণ বা বিচার না করে থাকে যা মামলার মূল বিবেচনার জন্য অপরিহার্য, তাহলে আপিল আদালত সেই ইস্যুগুলো নির্ধারণ করে মামলা ফের সেই আদালতে বিচারার্থে পাঠাতে পারে।
এই ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে।
বিচারিক আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করে তার রায় ও কারণসহ আপিল আদালতে ফেরত পাঠাবে।
অতএব, নতুন ইস্যু নির্ধারণ ও মামলাকে ফেরত পাঠানোর বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি-২৫-এ রয়েছে।
সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) বিধি-২৫।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-25. Where Appellate Court may frame issues and refer them for trial to Court whose decree appealed from:
Where the Court from whose decree the appeal is preferred has omitted to frame or try any issue, or to determine any question of fact, which appears to the Appellate Court essential to the right decision of the suit upon the merits, the Appellate Court may, if necessary, frame issues, and refer the same for trial to the Court from whose decree the appeal is preferred,
and in such case shall direct such Court to take the additional evidence required; and such Court shall proceed to try such issues, and shall return the evidence to the Appellate Court together with its findings thereon and the reasons therefor.
৬,৬৪৯.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় বেআইনী সমাবেশ এর সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ১৪৬
  2. ১৪১
  3. ১৪৭
  4. ৪৪৭
সঠিক উত্তর:
১৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪১
ব্যাখ্যা
দন্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনী সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনী সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।

♦ দন্ডবিধির ১৪১ ধারামতে ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সৃষ্ট সমাবেশে নিম্নলিখিত ৫টি সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object থাকলে তা বেআইনী সমাবেশ বলে গণ্য হবে। সাধারণ উদ্দেশ্যগুলো (common object) নিম্নরূপ যথা-
১) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান;
২) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা ।
৩) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন ।
৪) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত; অথবা
৫) কোন ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।

♦ সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object বলতে তদ্রূপ উদ্দেশ্যকে বোঝায় যা পূরণকল্পে সমাবেশের সকল সদস্য সমবেত হয়েছিল এবং সেই উদ্দেশ্য হাসিল করবে বলে তারা সকলে জানত; অর্থাৎ বেআইনী সমাবেশ করার জন্য যে সকল উদ্দেশ্য থাকে সেই সকল উদ্দেশ্য সমূহ হলো সাধারণ উদ্দেশ্য।
৬,৬৫০.
একজন আইনজীবী অপমান করার উদ্দেশ্যে সাক্ষীকে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্ন করে যা মামলার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। এই প্রশ্নটি সাক্ষ্য আইনের ১৫২ ধারা অনুসারে-
  1. গ্রহণযোগ্য
  2. বাধ্যতামূলক
  3. নিষিদ্ধযোগ্য
  4. রেকর্ডে নেওয়া হবে না কিন্তু প্রশ্ন করা যাবে
সঠিক উত্তর:
নিষিদ্ধযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষিদ্ধযোগ্য
ব্যাখ্যা
 • সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৫২ ধারা অনুসারে,
আদালত যে কোনো প্রশ্ন নিষিদ্ধ করবে যা তার কাছে অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে মনে হয়, অথবা যা, নিজে যথাযথ হলেও, আদালতের কাছে অনাবশ্যকভাবে আপত্তিকর রূপে প্রতীয়মান হয়।

Section 152- Questions intended to insult or annoy:
The Court shall forbid any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which, though proper in itself, appears to the Court needlessly offensive in form.
৬,৬৫১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা কোন ধরণের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে প্রযোজ্য?
  1. সাময়িক আদেশ
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  4. অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫৪ ধারা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual Injunction) সংক্রান্ত।
- এই ধারা অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তির একটি আইনি অধিকার লঙ্ঘন বা লঙ্ঘনের হুমকি দেওয়া হয় এবং সেই লঙ্ঘনের ফলে এমন ক্ষতি হতে পারে, যার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার নয়; অথবা যার ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা যায় না; অথবা যেখানে বিচারিক কার্যধারার জটিলতা রোধ করতে হয়, তখন আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন। এটি সাধারণত চূড়ান্ত রায় ঘোষণার সময় কার্যকর হয় এবং ভবিষ্যতে অধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধ করে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৪ ধারার বিধান চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়। এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 54 Perpetual injunctions when granted: Subject to the other provisions contained in, or referred to by, this Chapter, a perpetual injunction may be granted to prevent the breach of an obligation existing in favour of the applicant, whether expressly or by implication.
When such obligation arises from contract, the Court shall be guided by the rules and provisions contained in Chapter II of this Act.
When the defendant invades or threatens to invade the plaintiff's right to, or enjoyment of, property, the Court may grant a perpetual injunction in the following cases (namely):-
(a) where the defendant is trustee of the property for the plaintiff;
(b) where there exists no standard for ascertaining the actual damage caused, or likely to be caused, by the invasion;
(c) where the invasion is such that pecuniary compensation would not afford adequate relief;
(d) where it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the invasion;
(e) where the injunction is necessary to prevent a multiplicity of judicial proceedings.
Explanation - For the purpose of this section a trademark is property.

৬,৬৫২.
অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর নিম্নোক্ত কোন ধারায় শর্ত আরোপ করা হয়েছে?
  1. ১৯২
  2. ১৯৩
  3. ১৯৫
  4. ১৯৪
সঠিক উত্তর:
১৯৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898-এর ধারা ১৯৫ এমন কিছু অপরাধের ক্ষেত্রে শর্ত আরোপ করে, যাতে আদালত নিজে থেকে (suo moto) বা সাধারণ অভিযোগের ভিত্তিতে সেই অপরাধ আমলে নিতে না পারে যতক্ষণ না নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করে।

ধারা ১৯৫- সরকারী কর্মচারীর আইন সংগত কর্তৃত্ব অবমাননার অভিযোগ:
(১) কোন আদালত আমলে আনবেন না-
ক) সংশ্লিষ্ট সরকারী কর্মচারী অথবা তিনি যার অধীনস্ত তার লিখিত অভিযোগ ব্যতিত দণ্ডবিধির ১৭২ ধারা হতে ১৮৮ ধারার অধীন দণ্ডনীয় অপরাধ; জনসাধারণের ন্যায় বিচার বিরোধী কতিপয় অপরাধের অভিযোগঃ

খ) অপরাধটি কোন আদালতের কার্যক্রমে বা কোন কার্যক্রম সম্পর্কে করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হলে উক্ত আদালত বা উহা যে আদালতের অধস্তন সেই আদালতের লিখিত অভিযোগ ব্যতিত দণ্ডবিধির ১৯৩, ১৯৪, ১৯৫, ১৯৬, ১৯৯, ২০০, ২০৫, ২০৬, ২০৭, ২০৮, ২০৯, ২১০, ২১১ বা ২২৮ ধারার অধীন দণ্ডনীয় কোন অপরাধ অথবা, সাক্ষ্যে প্রদত্ত দলিলাদি সম্পর্কিত কতিপয় অপরাধের অভিযোগঃ

গ) অপরাধটি কোন আদালতের কোন কার্যক্রমে পেশকৃত বা সাক্ষ্যে গৃহীত কোন দলিল সম্পর্কে উক্ত কার্যক্রমের কোন পক্ষ কর্তৃক সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ করা হলে উক্ত আদালত বা উহা যে আদালতের অধস্তন সেই আদালতের লিখিত অভিযোগ ব্যতিত দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারায় বর্ণিত বা ৪৭১, ৪৭৫ বা ৪৭৬ ধারার অধীন দণ্ডনীয় কোন অপরাধ ।

(২) উপধারা (১)-এর (খ) (গ) অনুচ্ছেদে বর্ণিত আদালত বলতে দেওয়ানী রাজস্ব বা ফৌজদারী আদালত বুঝায়, কিন্তু ১৯০৮ সালের রেজিষ্ট্রেশন আইনের অধীন কোন রেজিষ্টার বা সাব রেজিষ্ট্রারকে বুঝায় না।

(৩) এই ধারার উদ্দেশ্যে কোন আদালতকে সেই আদালতের অধস্তন বলে গণ্য করা হবে যে আদালতে পূর্বতন আদালতের আপীলযোগ্য ডিক্রি বা দণ্ডের বিরুদ্ধে সাধারণতঃ আপীল করা যায় অথবা দেওয়ানী আদালতের ক্ষেত্রে যে আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে সাধারণতঃ সাধারণ মূল এখতিয়ার সম্পন্ন প্রধান আদালতে আপীল চলে না সেই আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে উক্ত দেওয়ানী আদালত অবস্থিতঃতবে শর্ত এই যে—ক) যখন কোন নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে একাধিক আদালত আপীল চলে, তখন উক্ত আদালতকে নিম্ন মানের এখতিয়ারবান আপীল আদালতের অধস্তন বলে গণ্য করতে হবে, এবং
খ) যখন দেওয়ানী আদালতে আপীল চলে এবং রাজস্ব আদালতেও আপীল চলে, তখন যে মামলা বা কার্যক্রম সম্পর্কে অপরাধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে, সেই মামলা বা কার্যক্রমের প্রকৃতি অনুসারে উক্ত আদালতকে দেওয়ানী বা রাজস্ব আদালতের অধস্তন বলে গণ্য করতে হবে।

(৪) (১) উপ-ধারায় উল্লেখিত অপরাধসমূহের ক্ষেত্রে উক্ত (১) উপধারার বিধানাবলী অপরাধ করার ষড়যন্ত্র, সহায়তা এবং চেষ্টার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

(৫) কোন সরকারী কর্মচারী (১) উপধারার (ক) অনুচ্ছেদের অধীন অভিযোগ করলে তিনি যে কর্তৃপক্ষের অধস্তন সেই কর্তৃপক্ষ তা প্রত্যাহারের আদেশ দিতে পারেন এবং এরূপ করা হলে উক্ত কর্তৃপক্ষ উক্ত আদেশের একটি নকল আদালতে প্রেরণ করবেন এবং আদালত উহা পাবার পর উক্ত অভিযোগ সম্পর্কে আর কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না।
৬,৬৫৩.
দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় 'ক' রাষ্ট্রদোহিতা অপরাধে ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়। এক্ষেত্রে তাকে আপিল করতে হবে-
  1. দায়রা জজ বরাবর
  2. হাইকোর্ট বিভাগ বরাবর
  3. ক বা খ
  4. 'ক' যে আদালতে আপিল দায়ের করতে চায়
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ বরাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ বরাবর
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৮- যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল

যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে। নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-

(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class

Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge,Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge: Provided as Follws-

(a)When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division; 
(b)When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.
৬,৬৫৪.
ঠগের সংজ্ঞা ছেয়ে কোথায়?
  1. ৩০১ ধারায়
  2. ৩১০ ধারায়
  3. ৩১১ ধারায়
  4. ৩০০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩১০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১০ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩১০ ধারায় ঠগের সংজ্ঞা (Thug) রয়েছে।  খুন অথবা খুন সহকারে দস্যুতা সংঘটন অথবা শিশু অপহরণ করার উদ্দেশ্যে দুষ্টু মন নিয়ে মেলামেশা করাকে ঠগ (Thug) বলে। অর্থাৎ অভ্যাসগতভাবে কাউকে খুন বা শিশু অপহরন করে দস্যুতার উদ্দেশ্যে মেলামেশা করাকে ঠগ বলা হয়। সমস্ত ঠগই দস্যু এবং ডাকাত কিন্তু সমস্ত দস্যু বা ডাকাত ঠগ নয়।
৬,৬৫৫.
নিম্নের কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালত তৎক্ষণাৎ বা ভবিষ্যত কোন দিনে রায় ঘোষণা করতে পারে
  2. মোকদ্দমার শুনানির পর পক্ষগণ বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার ৭ দিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করতে পারে
  3. ক বা খ
  4. পক্ষদ্বয়ের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর দশদিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করবে
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• "রায়" বলতে ডিক্রি বা আদেশের যুক্তি হিসাবে বিচারক যে বর্ণনা দেন, তা বুঝায়। দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৩ ধারা মতে,কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করে। দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ,বিষয়বস্তু,প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।

• আদেশ ২০ বিধি ১-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

Order 20 Rule 1: Judgment when pronounced-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, [not beyond seven days,] of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.
৬,৬৫৬.
For the recession of a contract - এটি তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের কোন অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু?
  1. ১১৫ অনুচ্ছেদ
  2. ১৪১ অনুচ্ছেদ
  3. ১১৪ অনুচ্ছেদ
  4. ১১৩ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১১৪ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৪ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
For the recession of a contract - এটি তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১১৪ অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু।

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১১৪

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারায় চুক্তি রদের মামলা (For recession of a contract) দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১১৪ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে। চুক্তি প্রত্যাহার করার মামলা যে সকল বিষয় বাদীকে চুক্তি বাতিল করার অধিকার‌ প্রদান করে, সেগুলি সম্পর্কে বাদী যখন প্রথম অবগত হওয়ার ১ বছরের মধ্যে করতে হবে।
৬,৬৫৭.
কয়টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করা হয়েছে?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
♦The Evidence Act, 1872 এর ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করা হয়েছে।
♦মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যাবে যদি-
ক. দলিলটি যার বিপক্ষে প্রমাণ করতে হবে তার আয়ত্তে আছে বা আদালতের সমনের আওতার বাইরে বা সেই ব্যক্তির দখলে আছে যে ব্যক্তি দলিলটি পেশ করতে বাধ্য কিন্তু নোটিশ পাওয়া সত্ত্বেও দাখিল করছে না।
খ. দলিলটি যার বিপক্ষে প্রমাণ করতে হবে সে ব্যক্তি দলিলটির অস্তিত্ব লিখিত ভাবে স্বীকার করে নিয়েছে।
গ. মূল দলিলটি হারিয়ে গেছে বা নষ্ট হয়ে গেছে।
ঘ. দলিলটি সহজে স্থানান্তরযোগ্য না হলে ।
ঙ. মূল দলিলটি সরকারী দলিল হলে।
চ. দলিলটির জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের নিয়ম থাকলে
ছ. মূল দলিলের পরীক্ষা আদালতের জন্য সুবিধাজনক না হলে।
৬,৬৫৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম বাতিল ঘোষনা করতে পারে?
  1. ৫৬৫ ধারা
  2. ৫৬২ ধারা
  3. ৫৬১ক ধারা
  4. ৫৬০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৬১ক ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬১ক ধারা
ব্যাখ্যা
• উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের বা আধা-বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের কোন কার্যধারা, আদেশ বা রায় বাতিল করার প্রক্রিয়াই 'Quashment' নামে পরিচিত।
অর্থাৎ হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম বাতিল ঘোষণা করাকে Quashment of the proceeding বলে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারায় ‘Quashment' সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগ তার অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বলে ন্যায়বিচারের স্বার্থে কোন ফৌজদারি মামলা বা মামলার যে কোন কার্যধারা বাতিল ঘোষণা করতে পারেন। যেমন- বিনা কারণে মামলার বিচার বিলম্বিত হলে বা কোন মোকদ্দমার বিচার আরম্ভ বিলম্ব হলে উক্ত মোকদ্দমার বিচার বা proceeding quash হবে।
৬,৬৫৯.
দেওয়ানি আদালত কর্তৃক স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি প্রচারের ক্ষমতা-
  1. বিবেচনামূলক
  2. বাধ্যতামূলক
  3. নির্দেশনামূলক
  4. নিরোধমূলক
সঠিক উত্তর:
বিবেচনামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবেচনামূলক
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়: আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

♦ The Specific Relief Act,1877-Section 52. Preventive relief how granted: Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

♦ প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন।
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে বা

২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারীর মাধ্যমে।

♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো এক প্রকারের প্রতিরোধমূলক বা নিরোধমূলক প্রতিকার । দেওয়ানী আদালত কর্তৃক নিরোধমূলক প্রতিকার যেমন স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি প্রচারের ক্ষমতা স্বেচ্ছাধীন বা বিবেচনামূলক অথাবা ইচ্ছাধীন।
৬,৬৬০.
যদি কেউ কারো নাকে ঘুষি মারে এবং নাক ভেঙে মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করে, তাহলে এটি কী ধরনের অপরাধ?
  1. হত্যার চেষ্টা
  2. সাধারণ জখম
  3. গুরুতর জখম
  4. অপরাধই নয়
সঠিক উত্তর:
গুরুতর জখম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুরুতর জখম
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) গুরুতর জখম।
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩২০ অনুসারে, "গুরুতর জখম" (Grievous hurt) বলতে এমন কিছু নির্দিষ্ট আঘাতকে বোঝানো হয় যা শারীরিকভাবে স্থায়ী ক্ষতি বা বিকৃতি সৃষ্টি করে।
- উক্ত ধারার ষষ্ঠ অংশে বলা হয়েছে: “মাথা বা মুখমণ্ডলের স্থায়ী বিকৃতি” — এটি গুরুতর জখম হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ অর্থাৎ যদি কেউ ঘুষি মেরে অপরের নাক ভেঙে দেয় এবং ফলে মুখমণ্ডলের গঠন স্থায়ীভাবে বিকৃত হয়ে যায়, তবে এটি ধারা ৩২০ এর ষষ্ঠ দফা অনুযায়ী গুরুতর জখম।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংসকরণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৬,৬৬১.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-১১, বিধি-১ অনুযায়ী, পক্ষরা কোন সময়সীমার মধ্যে আদালতের অনুমতি নিয়ে লিখিত প্রশ্নমালা (interrogatories) প্রদান করতে পারবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-১১, বিধি-১ অনুযায়ী, পক্ষরা আদালতের অনুমতি নিয়ে মামলার ইস্যু নির্ধারণের দিন থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিত প্রশ্নমালা (interrogatories) প্রদান করতে পারবে। এই প্রশ্নমালাগুলো আদালতের অনুমতির পরে এক বা একাধিক পক্ষের বিরুদ্ধে দেয়া যেতে পারে এবং প্রশ্নমালার শেষে তা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে কোন পক্ষকে কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।
- অর্থাৎ আদেশ-১১ বিধি-১ অনুযায়ী, প্রশ্নমালা প্রদানের জন্য ১০ দিন সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-11 Rule-1: Discovery by Interrogatories:
- In any suit, the plaintiff or defendant, by leave of the Court, may, [within ten days from the date of framing of issues,] deliver interrogatories in writing for the examination of the opposite parties or any one or more of such parties, and such interrogatories, when delivered, shall have a note at the foot thereof stating which of such interrogatories each of such persons is required to answer:
Provided that no party shall deliver more than one set of interrogatories to the same party without an order for that purpose:
Provided also that interrogatories which do not relate to any matters in question in the suit shall be deemed irrelevant, notwithstanding that they might be admissible on the oral cross-examination of a witness.
৬,৬৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(১) ধারায় যদি আসামী দণ্ডপ্রাপ্ত হয় এবং তার জেল হাজতে থাকা সময় দণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ দেয়া হয়, তবে এটি কোন শর্তে প্রযোজ্য হবে না?
  1. যারা শুধুমাত্র অর্থদণ্ড প্রাপ্ত
  2. মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে
  3. যে সকল আসামি জামিনে মুক্ত থাকে
  4. যারা পাঁচ বছরের কম সময় জেলে ছিল
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(১) ধারায় উল্লেখ আছে যে, যদি আসামী দণ্ডপ্রাপ্ত হন এবং তার জেল হাজতে থাকা সময় দণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ দেয়া হয়, তবে এটি মৃত্যুদণ্ড (death penalty) প্রাপ্ত আসামীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ, মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে তার জেল হাজতে থাকা সময় কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
- ধারা-৩৫ক (১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
তবে এই বিধানটি আসামি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- ধারা-৩৫ক (২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ড মওকুফ হয়ে যাবে।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody:
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence.
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
৬,৬৬৩.
"Power to award compensation in certain cases" সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার বিধান?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারার
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২০ ধারার
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতাঃ কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।

যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।

এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।

ব্যাখ্যাঃ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।

-----------------------
Section 19 Power to award compensation in certain cases:
 Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that breach, it shall award him compensation accordingly. 
If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly. 
Compensation awarded under this section may be assessed in such manner as the Court may direct. 
Explanation - The circumstance that the contract has become incapable of specific performance does not preclude the Court from exercising the jurisdiction conferred by this section.
৬,৬৬৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন মৃত আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার দরখাস্ত কত দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে?
  1. ৯০ দিন
  2. ১২০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৭৬

মৃত বাদী অথবা আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত মৃত বাদী বা আপীলকারীর মৃত্যুর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।

অন্যদিকে, তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭৭ অনুযায়ী-
মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর মৃত্যুর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
৬,৬৬৫.
অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের নালিশ দায়ের করতে হয়-
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  2. বার কাউন্সিলে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. বিচারকের কাছে
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলে
ব্যাখ্যা
♦অনুচ্ছেদ-৩২ অনুযায়ী একজন এ্যাডভোকেটের অসদাচরনের জন্য তার বিরুদ্ধে আদালত বা কোন ব্যক্তি প্রথমে বার কাউন্সিলের নিকট অভিযোগ দিতে পারেন, কেননা অসদাচরনের জন্য সরাসরি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করা যায় না। অভিযোগ পাওয়ার পর বার কাউন্সিল অভিযোগের যৌক্তিক কারণ থাকলে, অভিযোগটি অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী গঠিত বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালে পাঠাবেন। এছাড়া বার কাউন্সিল নিজ উদ্যোগেও কোন আইনজীবীর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ পাঠাতে পারে।
♦সুতরাং কোন আইনজীবীর পেশাগত অসদাচরনের বিরুদ্ধে ৩ জন অভিযোগ করতে পারে- i) আদালত, ii) বার কাউন্সিল অথবা iii) অন্য যে কোন ব্যক্তি।
৬,৬৬৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারা সম্পর্কিত নিচের কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ১৪৫ ধারার ক্ষমতা হল বাধ্যতামূলক
  2. ১৪৫ ধারার আদেশ ২ মাস বলবৎ থাকে
  3. ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা মালিকানা নির্ধারণ হয় না
  4. ১৪৫ ধারার আদেশের কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই
সঠিক উত্তর:
১৪৫ ধারার আদেশ ২ মাস বলবৎ থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৫ ধারার আদেশ ২ মাস বলবৎ থাকে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
- ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।
- ১৪৫(৪) ধারামতে ম্যাজিস্ট্রেট দখল সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে গিয়ে পক্ষসমূহ ও সাক্ষীদের বক্তব্য শ্রবন ও সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।

-সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা বৃদ্ধি না করলে ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; কিন্তু ১৪৫ ধারার আদেশের কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই।
-যেহেতু ১৪৫ ধারায়  he, shall শব্দাবলী ব্যবহার করা হয়েছে তাই ১৪৫ ধারার ক্ষমতা বাধ্যতামূলক।

- প্রশ্নেমতে ১৪৫ ধারার আদেশ ২ মাস বলবৎ থাকে তথ্যটি সঠিক নয়।
৬,৬৬৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারাটি স্ত্রীলোক সম্পর্কিত?
  1. ৪৭
  2. ৫১
  3. ৫২
  4. ৫৩
সঠিক উত্তর:
৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ধারা ৫২ তে স্ত্রীলোকের দেহতল্লাশী এর পদ্ধতি বর্ণনা করা হয়েছে।
• কোন নারীর দেহ তল্লাশীর প্রয়োজন হলে অন্যকোন নারী দ্বারা কঠোরভাবে শালীনতা বজায় রেখে তল্লাশী করতে হবে।
৬,৬৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুযায়ী, কোন অবস্থায় তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা আসামিকে মুক্তি দিতে পারেন? 
  1. আসামি দোষী সাব্যস্ত না হলে
  2. তদন্তে প্রমাণের অভাব হলে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিলে
  4. সাক্ষীরা অনুপস্থিত থাকলে
সঠিক উত্তর:
তদন্তে প্রমাণের অভাব হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্তে প্রমাণের অভাব হলে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুযায়ী, তদন্তের পর যদি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ বা যুক্তিসংগত সন্দেহের ভিত্তি নেই, তাহলে তিনি আসামিকে (হেফাজতে থাকলে) একটি মুচলেকা (bond) সম্পাদন করিয়ে মুক্তি দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুসারে-
- তদন্তের পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আসামিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ নাই তাহলে আসামি হেফাজতে থাকলে একটি মুচলেকা সম্পাদনের পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দিবেন।
- সেই মোতাবেক উক্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে, কখনো প্রয়োজন হলে তার বিচারের জন্য বা তাকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হতে হবে।
----------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898,- Section:-169: Release of accused when evidence deficient:
- If, upon an investigation under this Chapter, it appears to the officer in charge of the police station or to the police officer making the investigation that there is not sufficient evidence or reasonable ground of suspicion to justify the forwarding of the accused to a Magistrate,
- such officer shall, if such person is in custody, release him on his executing a bond, with or without sureties, as such officer may direct, to appear, if and when so required, before a Magistrate empowered to take cognizance of the offense on a police-report and to try the accused or send him for trial.

৬,৬৬৯.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী নিম্নের কোন যোগাযোগ বা পত্রালাপ প্রকাশে বাধ্য করা যাবে না?
  1. পুলিশ ও আসামির যোগাযোগ বিষয়বস্তু
  2. স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু
  3. উকিল ও মক্কেলের বার্তার বিষয়বস্তু
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারার বিধান: বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা: কোন ব্যক্তি যিনি বিবাহিত বা যাহার সহিত বিবাহ হইয়াছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সেই ব্যক্তির সহিত তাহার স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে না; বার্তা প্রদানকারীর বা তাহার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ব্যতীত বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিবার অনুমতিও তাহাকে দেওয়া যাইবে না, তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানী মামলায় অথবা তাহাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করিবার দায়ে অপরজন ফৌজদারীতে সোর্পদ থাকিলে সেইক্ষেত্রে বার্তার বিষয় প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে। 
--------------
⇒ Communications during marriage: Section 122. No person who is or has been married shall be compelled to disclose any communication made to him during marriage by any person to whom he is or has been married: nor shall he be permitted to disclose any such communication, unless the person who made it, or his representative in interest, consents, except in suits between married persons, or proceedings in which one married person is prosecuted for any crime committed against the other.
৬,৬৭০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৪ অনুযায়ী দলিল সংশোধনের পর সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য বাদীকে কী করতে হবে?
  1. আপিল দায়ের করতে হবে
  2. একটি নতুন মামলা দায়ের করতে হবে
  3. আরজিতে এই মর্মে প্রার্থনা করতে হবে
  4. শুধুমাত্র মৌখিক অনুরোধ করলেই চলবে
সঠিক উত্তর:
আরজিতে এই মর্মে প্রার্থনা করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজিতে এই মর্মে প্রার্থনা করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারা অনুসারে, কোনো চুক্তি সংশোধনের পর সেটির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন চাওয়ার জন্য বাদীকে অবশ্যই মামলার আরজিতে এই মর্মে প্রার্থনা করতে হবে। অর্থাৎ, বাদী যদি মনে করেন যে সংশোধনের পর চুক্তিটি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা উচিত, তবে তিনি মামলার শুরুতেই তার আবেদনপত্রে (plaint) সংশোধন ও বাস্তবায়নের জন্য প্রার্থনা করতে পারেন।

ধারা ৩৪-এর মূল কথা:
- প্রথমে চুক্তি সংশোধনের জন্য মামলা করা যেতে পারে।
- আদালত যদি সংশোধন অনুমোদন করেন, তবে সংশোধিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য প্রার্থনা করতে হবে।
- এই প্রার্থনা মামলার আরজিতে (plaint) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
- আদালত যদি মনে করেন যে সংশোধনের পর চুক্তিটি বাস্তবায়ন করা যেতে পারে, তবে তিনি সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারা অনুসারে, সংশোধনের পর সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য বাদীকে অবশ্যই মামলার আরজিতে এই মর্মে প্রার্থনা করতে হবে। এটি আদালতের বিবেচনার ভিত্তিতে মঞ্জুর হতে পারে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section- 34. Specific enforcement of rectified contract:
A contract in writing may be first rectified and then, if the plaintiff has so prayed in his plaint and the Court thinks fit, specifically enforced. 
Illustration:
A contracts in writing to pay his attorney, B, a fixed sum in lieu of costs. The contract contains mistakes as to the name and rights of the client, which, if construed strictly, would exclude B from all rights under it. B is entitled, if the Court thinks, fit, to have it rectified, and to an order for payment of the sum, as if at the time of its execution it had expressed the intention of the parties.
৬,৬৭১.
স্থানীয় তদন্তের কমিশন প্রাপ্ত ব্যক্তি রিপোর্ট দাখিলের জন্য সময় পাবে ________।
  1. ২ মাস
  2. ৪ মাস
  3. ১ মাস
  4. ৩ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
আদেশ-২৬ বিধি-৯: স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন:
যেকোনো মামলায় বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করা বা কোন সম্পত্তির বাজার মূল্য বা কোন পরিমাণ বা কোন অন্তবর্তীকালীন মুনাফা বা খেসারত বা বাৎসরিক খাটি মুনাফা নির্ণয় করার উদ্দেশ্যে আদলত স্থানীয় তদন্ত আবশ্যক বা উপযুক্ত মনে করলে আদলত যাকে উপযুক্ত মনে করবেন, সেই ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরণ করে বিষয়টি সম্পর্কে অনুরূপ তদন্ত করতে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক তিন মাস সময়ের মধ্যে উহার উপর প্রতিবেদন প্রদান করতে নির্দেশ দিতে পারেন।
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনের আবেদনক্রমে এবং যথেষ্ট কারণ দর্শানো হয়ে সময় বর্ধিত করতে পারেন।

Order-26 Rule-9.Commissions to make local investigations:

In any suit in which the Court deems a local investigation to be requisite or proper for the purpose of elucidating any matter in dispute, or of ascertaining the market-value of any property, or the amount or any mesne profits or damages or annual net profits, the Court may issue a commission to such person as it thinks fit directing him to make such investigation and to report thereon to the Court within such time not exceeding three months as may be fixed by the Court.
Provided that the Court may, on the prayer of the Commissioner and on sufficient cause being shown, extend the time.
৬,৬৭২.
অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত ক্ষয়জাত দ্রব্য কার নির্দেশে বিক্রি করা যাবে?
  1. জব্দকারি পুলিশ কর্মকর্তার
  2. যে এলাকায় পাওয়া গেছে, উক্ত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার
  3. যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে
  4. যে এলাকায় পাওয়া গেছে, উক্ত এলাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 525
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
৬,৬৭৩.
একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে, বাদী কী করতে পারবে?
  1. শুধু একটি প্রতিকার দাবী করতে পারবে
  2. সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করতে পারবে 
  3. সর্বোচ্চ দুইটি প্রতিকার দাবী করতে পারবে
  4. কোনো প্রতিকার দাবী করতে পারবে না
সঠিক উত্তর:
সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করতে পারবে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করতে পারবে 
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২ এর বিধি ২ অনুসারে,
মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে বাদী যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে। কোন ক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমার একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে সে সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত ধরণের প্রতিকারগুলোর মধ্যে কোন দাবী না করে থাকলে, পরে সেরূপ কোন প্রতিকার দাবী করা চলবে না।

• আদেশ ২ বিধি ২- 
১) সমগ্র দাবী মোকদ্দমার অন্তর্ভুক্ত করতে হবেঃ 
যেকোন মোকদ্দমার সারবস্তু সম্বন্ধে বাদি যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে। অবশ্য মোকদ্দমাটি কোন আদালতের এখতিয়ারভুক্ত রাখার উদ্দেশ্যে তার দাবী আংশিকভাবে বর্জন করার যদি দরকার হয় তাহলে তা করতে পারবে।

২) দাবীর অংশ পরিত্যাগঃ
 বাদী যদি তার দাবীর কোন অংশ উল্লেখ না করে মোকদ্দমা করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে দাবী আংশিক বর্জন করে, তবে পরে ঐ দাবী বা দাবীর সে অংশের জন্য মোকদ্দমা করা চলবে না।

৩) একাধিক প্রতিকারের মধ্যে কোন একটির জন্য মোকদ্দমা করতে বর্জনঃ
কোন ক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমার একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে সে সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত ধরণের প্রতিকারগুলোর মধ্যে কোন দাবী না করে থাকলে পরে সেরূপ কোন প্রতিকার দাবী করা চলবে না।

ব্যাখা- উক্ত বিধির উদ্দেশ্যে কোন বাধ্যবাধকতা এবং তা সম্পাদন করার নিমিত্তে প্রদত্ত আনুষঙ্গিক জামানত এবং উক্ত বাধ্যবাধকতা হতে উদ্ভূত আনুক্রমিক দাবীসমূহ ক্রমান্বয়ে একটি মোকদ্দমার কারণই সৃষ্টি করবে।

৬,৬৭৪.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১০৪ অনুযায়ী, বিলম্বিত দেনমোহরের (Deferred Dower) জন্য মুসলিম মহিলার মামলার তামাদি শুরু হয় কখন?
  1. বিবাহের তারিখ থেকে
  2. স্বামীর মৃত্যু তারিখ থেকে
  3. তালাক দ্বারা বিবাহ বিচ্ছেদের তারিখ থেকে
  4. 'খ' অথবা 'গ'
সঠিক উত্তর:
'খ' অথবা 'গ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' অথবা 'গ'
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১০৪ অনুযায়ী, বিলম্বিত দেনমোহরের (Deferred Dower) জন্য একজন মুসলিম মহিলার মামলা করার তামাদি কাল ৩ বছর।
- এই সময়সীমা গণনা শুরু হয়: স্বামীর মৃত্যুর তারিখ থেকে (খ), অথবা তালাক দ্বারা বিবাহ বিচ্ছেদের তারিখ থেকে (গ)।
- অর্থাৎ বিলম্বিত দেনমোহর (Deferred Dower) সাধারণত বিবাহ বিচ্ছেদ বা স্বামীর মৃত্যুর পর প্রদেয় হয়।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর ঘ) 'খ' অথবা 'গ' (যেকোনো একটি ঘটনা থেকে তামাদি শুরু হয়)।
৬,৬৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ দেওয়ার পর অভিযোগকারীর কী করতে হবে?
  1. শুধু মৌখিকভাবে বললেই যথেষ্ট
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যেতে হবে
  3. লিখিত অভিযোগে স্বাক্ষর করতে হবে
  4. পুলিশ অফিসারকে ঘটনা স্থলে নিয়ে যাবে
সঠিক উত্তর:
লিখিত অভিযোগে স্বাক্ষর করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত অভিযোগে স্বাক্ষর করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, যখন আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ পুলিশ স্টেশন অফিসারকে প্রদান করা হয়, তখন অভিযোগকারীকে অভিযোগের লিখিত কপি পড়ে শোনানো হবে এবং তাকে সই করতে হবে। অভিযোগটি পুলিশ স্টেশন কর্তৃপক্ষের কাছে নথিভুক্ত হতে হবে, এবং এর সারাংশ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফর্মের বইয়ে লিখে রাখতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ:
-আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শুনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার মূল বিষয়গুলো হল:
১) থানায় মৌখিক অভিযোগ করলে পুলিশ অফিসার তা লিখে নেবেন।
২) লিখিত অভিযোগটি অভিযোগকারীকে পড়ে শোনাতে হবে।
৩) অভিযোগকারীকে এতে স্বাক্ষর করতে হবে। 
৪) অভিযোগের সারাংশ সরকার নির্ধারিত বইয়ে লিখে রাখতে হবে। 
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-154: Information in cognizable cases:
-Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.
৬,৬৭৬.
আদেশ ৩৫ বিধি-৫ অনুসারে, কে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারবে না?
  1. আদালত
  2. প্রতিনিধিগণ
  3. নাবালক
  4. সরকারী কর্মচারীগণ
সঠিক উত্তর:
প্রতিনিধিগণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিনিধিগণ
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৫ বিধি-৫: প্রতিনিধি বা প্রজাগণ স্বার্থ বিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে না:
এই আদেশের কোন বিধানই প্রতিনিধিগণকে তাদের প্রধান ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে কিংবা প্রজাগণকে তাদের ভূস্বামীর বিরুদ্ধে উক্ত প্রধান ব্যক্তি বা ভূ-স্বামীগণের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণ ব্যতীত অন্য কারো সাথে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে সমর্থ করতে বিবেচিত হবে না।

উদাহরণ:
ক) 'ক'-তার প্রতিনিধির 'খ'-এর নিকট এক বাক্স সোনার গহনা জমা রাখে। 'গ'- অভিযোগ করে যে 'ক'-তার নিকট থেকে অন্যায়ভাবে সোনার গহনাগুলো লাভ করেছে এবং 'খ'-এর নিকট থেকে তা দাবী করে। 'খ', 'ক' এবং 'গ'-এর বিরুদ্ধে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে না।

৬,৬৭৭.
তামাদি আইন অনুসারে, যদি কেউ একাধিক অপারগতায় পতিত হয়, তবে সে কখন মামলা দায়ের করতে পারবে?
  1. আদালতের নির্দেশে
  2. যখনই তার প্রতিনিধি চায়
  3. প্রথম অপারগতা শেষ হওয়ার পর
  4. সব অপারগতার অবসান হওয়ার পর
সঠিক উত্তর:
সব অপারগতার অবসান হওয়ার পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সব অপারগতার অবসান হওয়ার পর
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908-এর ৬(২) ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি একাধিক অপারগতায় পতিত হয় (যেমন, প্রথমে নাবালক থাকে এবং পরে উন্মাদ হয়ে যায়), তবে সে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করতে পারবে তখনই, যখন তার সব অপারগতার অবসান ঘটে এবং সে আইনত সক্ষম হয়।
অর্থাৎ, যদি তামাদি গণনার শুরুর সময় ব্যক্তি নাবালক থাকে এবং এরপর উন্মাদনায় আক্রান্ত হয়, তবে সে তখনই মামলা দায়ের করতে পারবে, যখন সে উভয় অপারগতা থেকে মুক্ত হবে।

উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি নাবালক এবং উন্মাদ উভয় অবস্থায় থাকে, তাহলে তামাদির মেয়াদ গণনা তখনই শুরু হবে যখন সে নাবালকতা এবং উন্মাদনা উভয় অপারগতা থেকে মুক্ত হবে।

সুতরাং, একাধিক অপারগতার ক্ষেত্রে, মামলা দায়েরের সময় গণনার জন্য সব অপারগতার অবসান হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। এজন্য ৬(২) ধারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে ব্যক্তি তখনই মামলা করতে পারবে, যখন তার সব অপারগতা দূর হবে এবং সে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।
৬,৬৭৮.
Section 55A of the Penal Code preserves the President’s power to:
  1. Impose new punishments
  2. Increase punishments
  3. Overrule court judgments
  4. Grant pardons, reprieves, or remissions
সঠিক উত্তর:
Grant pardons, reprieves, or remissions
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Grant pardons, reprieves, or remissions
ব্যাখ্যা

Answer: c) Grant pardons, reprieves, or remissions.
⇒ The Penal Code, 1860- Section, 55A. Saving for President’s prerogative:
 - Nothing in section fifty-four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment.

ধারা ৫৫ক: রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সংরক্ষণ (Saving for President’s prerogative)
"Nothing in section fifty-four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment."

- এই ধারাটি নির্দেশ করে যে, ধারা ৫৪ এবং ধারা ৫৫-এ যেসব বিধান রয়েছে, তা রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষমতা, যেমন মুক্তি, দয়া, দণ্ড মওকুফ, বা দণ্ডে ছাড় দেওয়ার অধিকারকে প্রভাবিত বা খর্ব করতে পারবে না।
 
- রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা: রাষ্ট্রপতি দেশের শীর্ষনেতা হিসেবে আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে কিছু ক্ষেত্রে ক্ষমার (pardon) বা দণ্ড মওকুফ (reprieve) করার অধিকার রাখেন। এই ক্ষমতা তার নিজস্ব প্রিভিলেজ বা prerogative হিসেবে পরিচিত।
- ধারা ৫৪ এবং ৫৫-এ, বিশেষত, দণ্ডপ্রাপ্তদের মুক্তি, দণ্ডের পর্যালোচনা বা দণ্ডের মওকুফ সম্পর্কিত কিছু বিধান রয়েছে। তবে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা এই সকল বিধান থেকে স্বাধীন, এবং তার ক্ষমতা কোনোভাবেই কমানো যাবে না।

৬,৬৭৯.
"Wrongful gain" in The Penal Code, 1860, is:
  1. Lawful gain
  2. Loss of entitled property
  3. Retaining legal property
  4. Unlawful gain of unentitled property
সঠিক উত্তর:
Unlawful gain of unentitled property
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Unlawful gain of unentitled property
ব্যাখ্যা
"Wrongful gain" refers to acquiring property through unlawful means, where the person gaining the property is not legally entitled to it. According to Section 23 of The Penal Code, 1860:

- Wrongful gain is gain made through unlawful means of property that the person gaining has no legal right to possess or control.
In simpler terms, if someone gains property or an asset in a way that is against the law, or without any legal entitlement, it is termed as wrongful gain. This could include actions like theft, fraud, or cheating, where the property acquired was never rightfully theirs, and they had no legal claim to it.

- For example, if a person steals money from another person, the money gained by the thief is considered wrongful gain because they are not entitled to that money legally.
৬,৬৮০.
কোনটি রায়ের বিষয়বস্তু নয়?
  1. বিচার্য বিষয়সমূহ
  2. আসামী যে ধারায় ও অপরাধে দণ্ডিত
  3. সিদ্ধান্ত ও সিদ্ধান্তের কারণ
  4. প্রতিটি সাক্ষীর বক্তব্য
সঠিক উত্তর:
প্রতিটি সাক্ষীর বক্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিটি সাক্ষীর বক্তব্য
ব্যাখ্যা
• বিচার সমাপ্ত হবার অব্যাহত পর অথবা নোটিশ দিয়ে নির্ধারিত দিনে প্রকাশ্য আদালতে বিচারের রায় ঘোষণা করা হয়। ভিন্নরুপ বিধান না থাকলে প্রত্যেকটি রায় আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার কর্তৃক লিখিত হবে বা তার দ্রুত লিখন হতে আদালতের ভাষায় বা ইংরেজি ভাষায় লিখিত হবে।

ধারা ৩৬৭ঃ রায়ে যে সকল বিষয় উল্লেখ করতে হবে
-

১. বিচার্য বিষয়সমূহ [points for determination]
২. সিদ্ধান্ত ও সিদ্ধান্তের কারণ [the decision and reasons for the decision]
৩. আসামী যে অপরাধে (যদি থাকে) দণ্ডবিধি বা অন্য আইনের যে ধারায় শাস্তি পেল [section]
৪. শাস্তি [punishment]

• সাক্ষীর বক্তব্য রায়ের বিষয়বস্তু নয়।
৬,৬৮১.
কোর্ট ফি নির্ধারিত না থাকলে নিঃস্ব হিসেবে গণ্য হওয়ার জন্য একজন ব্যক্তির সর্বোচ্চ কত টাকার সম্পত্তি থাকতে পারে?
  1. ২,০০০ টাকা
  2. ৫,০০০ টাকা
  3. ১০,০০০ টাকা
  4. ২০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (Code of Civil Procedure, 1908)-এর আদেশ ৩৩ (Order XXXIII) নিঃস্ব ব্যক্তির (pauper) পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করার সংক্রান্ত বিধান প্রদান করে।
আদেশ ৩৩, বিধি ১ অনুযায়ী “কোন ব্যক্তি যদি মামলার জন্য নির্ধারিত কোর্ট ফি দিতে অক্ষম হন, অথবা কোন কোর্ট ফি নির্ধারিত না থাকলে তার পরিধেয় বস্ত্র ও মামলার বিষয়বস্তু ব্যতীত অন্য কোন সম্পত্তি যদি ৫০০০ টাকার বেশি না থাকে, তবে সেই ব্যক্তি 'নিঃস্ব' (pauper) হিসেবে গণ্য হবেন এবং আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে তিনি নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মামলা করতে পারবেন।”

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৩ বিধি-১ বিধান মতে, নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে (Suits may be instituted in forma pauperis): আদালত কর্তৃক নিঃস্ব ঘোষিত হলে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মোকদ্দমা করা যায়।
- কোনো ব্যক্তি নিঃস্ব (Pauper) বলে গণ্য হবে যদি- মোকদ্দমা দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম হয় বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারিত নয় এবং সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ও তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকে।
-------------
⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-33 Rule-1. Suits may be instituted in forma pauperis:
Subject to the following provisions, any suit may be instituted by a pauper.
Explanation- person is a "pauper" when he is not possessed of sufficient means to enable him to pay the fee prescribed by law for the plaint in such suit, or, where no such fee is prescribed, when he is not entitled to property worth five thousand Taka other than his necessary wearing-apparel and the subject-matter of the suit.

৬,৬৮২.
ফৌজদারি সমন জারি করতে পারে-
  1. পুলিশ অফিসার
  2. সরকারী কর্মচারী
  3. আদালতের অফিসার
  4. উপরের সবাই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারা- সমনের ফরম: 
(১) কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হবে।
 
(২) সমন জারিকারক: এরূপ সমন কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক অথবা এতদ্দুদ্দেশ্যে সরকার দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে সমন প্রদানকারী আদালতের কোন অফিসার কর্তৃক অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক জারী হবে।

The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 68- Form of summons:
(1) Every summons issued by a Court under this Code shall be in writing in duplicate, signed and sealed by the presiding officer of such Court, or by such other officer as the Supreme Court may, from time to time, by rule, direct.

Summons by whom served:
(2) Such summons shall be served by a police-officer, or subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, by an officer of the Court issuing it or other public servant.
৬,৬৮৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার ব্যাখ্যা অনুসারে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদন অসম্ভব হলে আদালত কী করতে পারেন?
  1. আদালত চুক্তি বাতিল করতে পারেন।
  2. আদালত চুক্তির শর্ত পরিবর্তন করতে পারেন।
  3. আদালত বাদীকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারেন।
  4. আদালত প্রতিপক্ষকে কারাদণ্ড দিতে পারেন।
সঠিক উত্তর:
আদালত বাদীকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত বাদীকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারেন।
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: গ) আদালত বাদীকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন সম্ভব না হয়, তবে আদালত বাদীকে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করতে পারেন। অর্থাৎ, চুক্তি কার্যকর না হলেও ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারী।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
- এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 19: Power to award compensation in certain cases:
Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that breach, it shall award him compensation accordingly.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly.
Compensation awarded under this section may be assessed in such manner as the Court may direct.
Explanation - The circumstance that the contract has become incapable of specific performance does not preclude the Court from exercising the jurisdiction conferred by this section.
৬,৬৮৪.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারাটি জেরায় ‘আইনসঙ্গত প্রশ্ন’ সম্পর্কিত?
  1. ১৩৯
  2. ১৪১
  3. ১৪৫
  4. ১৪৬
সঠিক উত্তর:
১৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৬
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ধারা-১৪৬ তে জেরার আইনসঙ্গত প্রশ্নের নিধান আছে- সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারামতে নিম্নলিখিত উদ্দ্যেশ্যে জেরা করা যায়। যথা-
আসামীর সত্যবাদিতা, পরিচয় ও মর্যাদা উদঘাটন এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। 
সাক্ষীর মুখ দিয়ে জেরাকারীর পক্ষে কথা বের করা: এবং
সাক্ষীর বিশ্বাস যোগ্যতা খন্ডন করার মাধ্যমে প্রদত্ত সাক্ষ্যকে বিশ্বাসের অযোগ্য করে তোলার উদ্দ্যেশ্যে জেরা করা যায়।

সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৪৬ঃ জেরায় আইনসঙ্গত প্ৰশ্ন বিধান হল
যখন সাক্ষীকে জেরা করা হয় তখন ইতিপূর্বে উল্লিখিত প্রশ্নসমূহ ব্যতীতও এমন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাইতে পারে, যদ্বারাঃ
তাহার সত্যবাদীতা পরীক্ষা করা যায় ।
তাহার পরিচয় ও মর্যাদা জানা যায়, অথবা
তাহার চরিত্রের প্রতি আঘাত করিয়া তাহার বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করা যায়,
♦ যদিও প্রশ্নের উত্তরের দ্বারা তিনি বা পরোক্ষভাবে অপরাধের সহিত জড়িত হইতে পারেন অথবা তিনি দন্ড লাভের যোগ্য সাব্যস্ত হইতে পারেন কিংবা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তাহার দন্ড লাভের যোগ্য সাব্যস্ত হইবার সম্ভাবনা থাকে।
৬,৬৮৫.
দেওয়ানী মামলায় সময়ের প্রার্থনা করে দরখাস্ত করা যায় কোন আইনের কত ধারা অনুযায়ী?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি ১
  2. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৪৮ এবং আদেশ ১৪ বিধি ১
  3. দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৪ ধারা
  4. দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬ বিধি ১৪
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি ১
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ এর বিধি ১ অনুয়ায়ী আদালত সময় মঞ্জুর করিতে এবং শুনানি মুলতবি রাখিতে পারে।

♦ আদালত পক্ষসমূহের আবেদনক্রমে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) পক্ষগণের সময় আবেদন মঞ্জুর করতে পারেন এবং শুনানি মুলতুবি রাখতে পারেন।
৬,৬৮৬.
Judicial Notice প্রমাণের প্রয়োজন হয় না সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা মোতাবেক?
  1. ৫৫
  2. ৫৬
  3. ৫৭
  4. ৫৮
সঠিক উত্তর:
৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৫৬ অনুসারে- কিছু বিষয় আদালত প্রমাণিত বিবেচনা করেন এগুলো প্রমাণের প্রয়োজন নেই, এই বিষয়গুলিকে বিচারিক অবগতি বা Judicial Notice বলে।

♦অর্থাৎ আদালত যে ঘটনা বিচারিক অবগতিতে নিবেন তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
৬,৬৮৭.
আদি এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষের প্রতিকার হতে পারে-
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. রেফারেন্স
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ থেকে ১১২ ধারা পর্যন্ত দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপীলের বিধান উল্লেখ রয়েছে।
- আপিল (Appeal)- মোকদ্দমার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে, তাকে আপিল বলে। আপিল হলো সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির মামলার রায় অনুমোদনযোগ্য কিনা তা পুনরায় নির্ধারণের জন্য নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালতে প্রেরণের অধিকার। অর্থাৎ আপিল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন।

- দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদি (মূল) এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত ( সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, এবং যুগ্ম জেলা জজ) প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল শ্রবণের জন্য ক্ষমতা প্রাপ্ত আদালতে ( জেলা জজ বা হাইকোর্টে) আপীল দায়ের করা যাবে। আপীলে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে পুনরায় আপীল করা যায়না। কারণ দেওয়ানী কার্যবিধিতে দ্বিতীয় আপীলের কোন বিধান নেই।
⇒  দেওয়ানি মোকদ্দমার আপিল আদালত দুটি। ১) জেলা জজ আদালত ২) হাইকোর্ট বিভাগ।
--------------
- দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধরার অধীন মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।
------------
⇒ CPC Section-96. Appeal from original decree:
- (1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court. 
- (2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte. 
- (3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.
৬,৬৮৮.
'No Judge, Magistrate or other judicial officer shall be liable to arrest under civil process while going to, presiding in, or returning from, his Court.'- দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ১৩০ ধারা
  2. ১৩২ ধারা
  3. ১৩৩ ধারা
  4. ১৩৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৩৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৫ ধারা: দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হতে অব্যাহতি:
১) কোনো জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যান্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে আদালতে গমনের সময়, আদালতে মোকদ্দমা পরিচালনা করতে বা তার আদালত থেকে প্রত্যাবর্তন করার সময় কোন দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হবে না।

২) এখতিয়ারসম্পন্ন কিংবা এরূপ এতিয়ার আছে হিসাবে সরলভাবে বিশ্বাস করেন, এরূপ কোন ট্রাইব্যুনালে কোন বিষয় বিচারাধীন থাকলে তৎবিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ তাদের উকিলগণ, মোক্তারগণ, রেভিনিউ এজেন্ট, অনুমোদিত এজেন্ট এবং সমনপ্রাপ্ত সাক্ষীগণ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে ট্রাইব্যুনালের সমীপে গমনকালে, উপস্থিত থাকাকালীন সময়ে বা ঐ স্থল থেকে প্রত্যাবর্তনের প্রাক্কালে আদালত অবমাননার দোষে উক্ত ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জারিকৃত পরওয়ানা ব্যতীত অন্য কোন দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি পাবেন।

৩) যদি কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে অবিলম্বে গ্রেফতারের আদেশ প্রদান করা হয়ে থাকে বা ডিক্রি জারির জন্য তাকে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না, তার কারণ দর্শাতে বলা হয়ে থাকে, তখন ঐ ব্যক্তি (২) উপ-ধারানুসারে অব্যাহতি দাবি করতে সমর্থ হবে না।

Section 135: Exemption from arrest under civil process:
(1) No Judge, Magistrate or other judicial officer shall be liable to arrest under civil process while going to, presiding in, or returning from, his Court.

(2) Where any matter is pending before a tribunal having jurisdiction therein, or believing in good faith that it has such jurisdiction, the parties thereto, their pleaders, mukhtars, revenue-agents and recognised agents, and their witnesses acting in obedience to a summons, shall be exempt from arrest under civil process other than process issued by such tribunal for contempt of Court while going to or attending such tribunal for the purpose of such matter, and while returning from such tribunal.

(3) Nothing in sub-section (2) shall enable a judgment-debtor to claim exemption from arrest under an order for immediate execution or where such judgment-debtor attends to show cause why he should not be committed to prison in execution of a decree.
৬,৬৮৯.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের কোনো পর্যায়ে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি কী?
  1. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ১৯৩ অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের কোনো পর্যায়ে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় বা এমন মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে যাতে তা ওই কার্যক্রমে ব্যবহার করা হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।
 দণ্ডবিধির ধারা ১৯৩ অনুযায়ী,
-যদি কোনো ব্যক্তি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের কোনো পর্যায়ে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় বা মিথ্যা প্রমাণ তৈরি করে, তাহলে তার শাস্তি সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও আরোপ করা যেতে পারে।
- অন্যদিকে, বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম ছাড়া অন্য কোনো ক্ষেত্রে মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া যায়।

এখানে প্রশ্নে "বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের পর্যায়ে" মিথ্যা সাক্ষ্যের কথা বলা হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর ঘ) ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
৬,৬৯০.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর কোন অনুচ্ছেদে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতা বর্ণিত আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২১
  2. অনুচ্ছেদ ২৫
  3. অনুচ্ছেদ ২৭
  4. অনুচ্ছেদ ৩০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
ব্যাখ্যা

⇒  বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ২৭-এ অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতা বর্ণিত আছে। এই অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, একজন ব্যক্তি অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে পারবেন যদি তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন, ২১ বছর বয়স পূর্ণ করেন, নির্দিষ্ট আইনি ডিগ্রি অর্জন করেন, বার কাউন্সিলের নির্ধারিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং নির্ধারিত ফি প্রদান করেন। (অর্ডারের আর্টিকল ২৭(১))

⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর ২৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, একজন ব্যক্তির অন্য সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য অন্যূন বয়স হতে হবে ২১ বৎসর।
⇒ আইনজীবী হতে হলে একজন ব্যক্তিকে Bangladesh Legal Practitioner and Bar Council Order 1972 এর অনুচ্ছেদ – ২৭ অনুযায়ী নিম্নোক্ত শর্তাবলি পূরণ করতে হবে:
১। প্রথমত তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
২। তাকে ২১বছর বয়সী হতে হবে;
৩। আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে-
বাংলাদেশের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত দেশের বাইরের কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের পূর্বে হলে পাকিস্তানের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ;
১৯৪৭ সালের ১৪ই আগস্টের পূর্বে হলে ভারতবর্ষের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
ব্যারিস্টার এট ল’ হয়ে থাকলে;
৪। বার কাউন্সিল কর্তৃক কোন পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে এবং পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ফি দিলে।
-----------------
⇒ -According to article 27 of The Bangladesh Legal Practitioner’s and Bar Council Order, 1972,
Qualifications to become a lawyer of the Subordinate Court: a person shall be qualified to be admitted as an advocate if he fulfills the following conditions, namely:-
-The Person must be a citizen of Bangladesh;
- He must complete the age of twenty-one years;
- (i) He had obtained a degree in law from any university situated within the territory which forms part of Bangladesh; or
[Note: 4-years LL. B (Hon’s) or 2 years LL.B pass the course (must have completed before 2018 because now these 2 years pass the course is not allowed anymore) from any approved university of Bangladesh]
- (ii) Any similar foreign course can be accepted with the clear permission given by the Bangladesh Bar Council; or
- (iii) A bachelor’s degree in law from any university outside Bangladesh recognized by the Bar Council;
-The applicant has to undergo pupilage for a period of 6 (six) months under a practicing Advocate of at least 10 years standing in the profession;
- He has passed such examination as may be prescribed by the Bar Council;
- He has paid such enrolment fee and fulfills such other conditions as may be specified in the rules made by the bar council.

৬,৬৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারা প্রযোজ্য হবে-
  1. অপরাধী পলাতক থাকলে
  2. অপরাধে অভিযোগকারীর সম্পৃক্ততা থাকলে
  3. অপরাধ সংঘটনের স্থান অনিশ্চিত হলে
  4. বাংলাদেশের বাইরে অপরাধ সংঘটিত হলে
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সংঘটনের স্থান অনিশ্চিত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সংঘটনের স্থান অনিশ্চিত হলে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারার বিধান অনুযায়ী, অপরাধ সংঘটন স্থান অনিশ্চিত হলে যে কোন আদালতে বিচার বা অনুসন্ধান করতে পারবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারা-
যখন ইহা অনিশ্চিত থাকে যে, কয়েকটি স্থানীয় এলাকার কোনটিতে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, অথবা যে ক্ষেত্রে কোন অপরাধ আংশিকভাবে একটি স্থানীয় এলাকায় এবং আংশিকভাবে অন্য একটি স্থানীয় এলাকায় সংঘটিত হয়, অথবা যেক্ষেত্রে কোন অপরাধ চলছে এমন হয়, এবং একাধিক স্থানীয় এলাকায় সংঘটিত হতে থাকে, অথবা যেক্ষেত্রে বিভিন্ন এলাকায় কৃত কতিপয় কার্যের সমষ্টি হয়, সেক্ষেত্রে এরূপ স্থানীয় এলাকায় যে কোন একটিতে এখতিয়ারবান আদালতে উহার অনুসন্ধান ও বিচার চলবে।

Section 182: Place of inquiry or trial where scene of offence is uncertain or not in one district only or where offence is continuing or consists of several acts-
When it is uncertain in which of several local areas an offence was committed, or where an offence is committed partly in one local area and partly in another, or where an offence is a continuing one, and continues to be committed in more local areas than one, or where it consists of several acts done in different local areas, it may be inquired into or tried by a Court having jurisdiction over any of such local areas.
৬,৬৯২.
The Evidence Act, 1872 কোন ধরনের আইন?
  1. Adjective law
  2. Procedural Law
  3. Substantive Law
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন একটি পদ্ধতিগত আইন বা ইংরেজিতে Procedural Law বা Adjective law. এই আইনের মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে, আদালত মামলার বিচার্য বিষয় প্রমাণের জন্য মামলার কোন পক্ষ কোন কোন বিষয়ের উপর সাক্ষ্য দিতে পারবে, কোনটিতে দিতে পারবে না, কোন সাক্ষ্যগুলো প্রাসঙ্গিক, কোনগুলো অপ্রাসঙ্গিক, গ্রহণযোগ্যতা, সাক্ষ্য সম্পর্কে আদালতের অনুমান, কে প্রমাণ করবে অর্থাৎ প্রমাণের ভার ইত্যাদি। 

⇒ যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে। যেমন: ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
⇒ যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।
৬,৬৯৩.
According to Section 341 of The Code of Criminal Procedure, which Court has the authority to issue the final order in cases where the accused does not understand the proceedings but is not insane?
  1. Trial court
  2. Sessions Court
  3. District Court
  4. High Court Division
সঠিক উত্তর:
High Court Division
উত্তর
সঠিক উত্তর:
High Court Division
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 341: Procedure When Accused Does Not Understand Proceedings:
-If the accused is not insane but still cannot understand the proceedings, the Court may continue with the inquiry or trial. However, if a conviction occurs in any Court other than the High Court Division, the case proceedings, along with a report of the circumstances, must be forwarded to the High Court Division. The High Court Division will then issue an appropriate order based on the case details.
------------------
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪১ ধারার বিধান আসামী কার্যক্রম না বুঝিলে তখনকার পদ্ধতি:
আসামী মাতাল না হওয়া সত্ত্বেও যদি তাকে মামলার কথা বুঝানো না যায় তাহলে আদালত অনুসন্ধান বা বিচার চালায়ে যেতে পারেন; এবং হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতিত অন্য কোন আদালতের ক্ষেত্রে যদি মামলার ফল দণ্ডজ্ঞা হয় তা হলে, ঘটনার অবস্থাসহ মামলাটি হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করতে হবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ সে সম্পর্কে যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ আদেশ দিবেন।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-341. Procedure where accused does not understand proceedings:
-If the accused, though not insane, cannot be made to understand the proceedings, the Court may proceedwith the inquiry or trial; and, in the case of a Court other than High Court Division, if such proceedings result in a conviction, the proceedings shall be forwarded to the High Court Division with a report of the circumstances of the case, and the High Court Division shall pass thereon such order as it thinks fit.
৬,৬৯৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় পুলিশ কত প্রকার ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে?
  1. ৫ প্রকার
  2. ৭ প্রকার
  3. ৯ প্রকার
  4. ১১ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৯ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ৯টি পরিস্থিতিতে পুলিশ বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে:
১. কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত থাকার সন্দেহ থাকলে (Cognizable Offence)
২. ঘর ভাঙার সরঞ্জাম পেলে (Implement of House breaking)
৩. অপরাধী হিসেবে ঘোষণা করা হলে (Proclaimed offender)
৪. চোরাই মাল পাওয়া গেলে (Stolen property)
৫. পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে বা পলায়ন চেষ্টা করলে (Obstructs)
৬. সশস্ত্র বাহিনী থেকে পলায়ন করলে (Deserter from Armed forces)
৭. বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে অপরাধ করলে (Out of BD act committed)
৮. মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে (Released Convict)
৯. যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে (Requisition of arrest)

এই ৯ প্রকার ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেফতারী পরোয়ানা ছাড়াই গ্রেফতার করতে পারে।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-54. When police may arrest without warrant: 

(1) Any police officer may, without an order from a Magistrate and without a warrant, arrest- 
firstly, any person who has been concerned in any cognizable offence or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received, or a reasonable suspicion exists of his having been so concerned; 
secondly, any person having in his possession without lawful excuse, the burden of proving which excuse shall lie on such person, any implement of housebreaking; 
thirdly, any person who has been proclaimed as an offender either under this Code or by order of the Government; 
fourthly, any person in whose possession anything is found which may reasonably be suspected to be stolen property and who may reasonably be suspected of having committed an offence with reference to such thing; 
fifthly, any person who obstructs a police officer while in the execution of his duty, or who has escaped, or attempts to escape, from lawful custody; 
sixthly, any person reasonably suspected of being a deserter from the armed forces of Bangladesh ; 
seventhly, any person who has been concerned in, or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received or a reasonable suspicion exists of his having been concerned in, any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would have been punishable as an offence, and for which he is, under any law relating to extradition or under the Fugitive Offenders Act, 1881, or otherwise, liable to be apprehended or detained in custody in Bangladesh; 
eighthly, any released convict committing a breach of any rule made under section 565, sub-section (3); 
ninthly, any person for whose arrest a requisition has been received from another police officer, provided that the requisition specifies the person to be arrested and the offence or other cause for which the arrest is to be made and it appears therefrom that the person might lawfully be arrested without a warrant by the officer who issued the requisition.
৬,৬৯৫.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার এর কত অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে বার কাউন্সিল তালিকাভুক্ত সকল অ্যাডভোকেটকে সনদ প্রদান করবেন?
  1. ২০
  2. ২৩
  3. ২৪
  4. ৩২
সঠিক উত্তর:
২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার এর ২৪ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে বার কাউন্সিল তালিকাভুক্ত সকল অ্যাডভোকেটকে সনদ প্রদান করবেন।
--------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article- 23. (1) Entries in the roll shall be made in the order of seniority and such seniority shall be determined as follows, namely:-
(a) all such persons as are referred to in clause (a) of Article 20 shall be entered first in the order in which they were respectively entitled to seniority immediately before the commencement of this Order; and
(b) the seniority of any other person admitted to be an advocate under this Order after the commencement of this Order shall be determined by the date of his admission.
(2) Where the date of seniority of two or more persons is the same, the one senior in age shall rank as senior to the other.

⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article- 24. The Bar Council shall issue a certificate of enrolment in the prescribed form to every person enrolled under Article 23.
৬,৬৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের অনুমতি দেওয়া হলে, এর ফলাফল কী হয়?
  1. মামলাটি স্থগিত থেকে যায়
  2. অভিযোগকারীকে জরিমানা করা হয়
  3. অভিযুক্তকে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়
  4. ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস দিবেন
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস দিবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস দিবেন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: যদি কোন অভিযোগকারী তার অভিযোগ প্রত্যাহার করে, ম্যাজিস্ট্রেট তাকে তা প্রত্যাহারের অনুমতি দিতে পারেন, এবং তখনই তিনি অভিযুক্তকে খালাস দিবেন।
- সুতরাং, ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের অনুমতি দেওয়া হলে এর সরাসরি এবং বাধ্যতামূলক ফলাফল হল অভিযুক্তকে খালাস (Acquittal) দেওয়া।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-248: Withdrawal of complaint:
If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.

৬,৬৯৭.
দায়রা মামলা বিচারের কোন পর্যায় পর্যন্ত চার্জ পরিবর্তন করা যায়?
  1. রায় প্রচারের পূর্ব তারিখ পর্যন্ত
  2. আসামীকে ৩৪২ ধারায় পরীক্ষার পূর্ব পর্যন্ত
  3. যুক্তিতর্ক শ্রবণের পূর্ব পর্যন্ত
  4. রায় প্রস্তুতের সময় পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
রায় প্রচারের পূর্ব তারিখ পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় প্রচারের পূর্ব তারিখ পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন করতে পারবেন।

• ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়।অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন,সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়,চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৭ আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে।অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন।

Section 227: Court may alter charge-
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced. 
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.
৬,৬৯৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৩ ধারার অধীনে, একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আলাদা অপরাধের জন্য কী করা হয়?
  1. অভিযোগ একসাথে গঠন করা হয়
  2. কোন অভিযোগ গঠন করা হয় না
  3. প্রতিটি অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠন করা হয়
  4. একটি অভিযোগের মাধ্যমে সব অপরাধ বিচারের জন্য নেওয়া হয়
সঠিক উত্তর:
প্রতিটি অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠন করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিটি অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠন করা হয়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৩ ধারায় বলা হয়েছে, যখন একজন ব্যক্তি একাধিক আলাদা অপরাধে অভিযুক্ত হন, তখন প্রতিটি অপরাধের জন্য আলাদা আলাদা অভিযোগ গঠন করা হয় এবং প্রতিটি অভিযোগের বিচার আলাদাভাবে হবে।
এই ধারার উদ্দেশ্য হল, প্রতিটি অপরাধের বিচারের জন্য সুনির্দিষ্ট এবং পৃথক অভিযোগ নিশ্চিত করা, যাতে অভিযুক্ত ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে আনা পৃথক অপরাধের সম্পর্কে পরিষ্কারভাবে জানাতে পারেন এবং তার জন্য আলাদা বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা হয়।
অতএব, প্রতিটি অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠন করা হয় (অর্থাৎ, প্রতিটি আলাদা অপরাধের জন্য পৃথকভাবে অভিযোগ তৈরি হয়)।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৩ তে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট আলাদা অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠনের (Separate charges for distinct offences) বিধান রয়েছে।
উক্ত ধারা অনুসারে- ২৩৪,২৩৫,২৩৬ ও ২৩৯ ধারায় উল্লিখিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হলে, প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট অপরাধের জন্য একটি পৃথক অভিযোগ হবে এবং এরূপ প্রত্যেকটি অভিযোগের বিচার পৃথকভাবে হবে।
---------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-233: Separate charges for distinct offences:
- For every distinct offence of which any person is accused there shall be a separate charge, and every such charge shall be tried separately, except in the cases mentioned in sections 234, 235, 236 and 239.
Illustration
A is accused of a theft on one occasion, and of causing grievous hurt on another occasion. A must be separately charged and separately tried for the theft and causing grievous hurt.
৬,৬৯৯.
ধারা ৩৯৯ অনুযায়ী কোন বয়সের ব্যক্তিকে কারাদণ্ড দেওয়া হলে, তাকে জেলে না পাঠিয়ে সংশোধনাগারে পাঠানো হবে?
  1. ২১ বছরের কম
  2. ১৮ বছরের কম
  3. ১৬ বছরের কম
  4. ১৫ বছরের কম
সঠিক উত্তর:
১৫ বছরের কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ বছরের কম
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারা- কিশোর অপরাধীকে চরিত্র সংশোধনী প্রতিষ্ঠানে আটক রাখা:
(১) যখন কোন ফৌজদারী আদালত পনের বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তিকে কোন অপরাধের জন্য কারাদণ্ড দেন, তখন উক্ত আদালত নির্দেশ দিবেন যে, উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারী জেলে বন্দী না করে আটকের উপযুক্ত স্থানে সরকার কর্তৃক স্থাপিত সংশোধনাগারে আটক রাখতে হবে যেখানে উপযুক্ত শৃংখলা ও কোন দরকারী শিল্পের কোন শাখায় শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে অথবা তাকে কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত অনুরূপ প্রতিষ্ঠানে আটক রাখতে হবে, যে ব্যক্তি আটক ব্যক্তিদের শৃংখলা ও শিক্ষার জন্য সরকার কর্তৃক প্রণীত নিয়মাবলী অনুসরণ করতে ইচ্ছুক।

(২) এই ধারার অধীন সকল ব্যক্তির প্রতি উক্তরূপ নির্ধারিত নিয়মাবলী প্রযোজ্য হবে।

৬,৭০০.
নিচের কে মধ্যস্থতাকারীর তালিকা প্রণয়ন করবেন?
  1. দায়রা জজ
  2. জেলা জজ
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. জেলা বার এসোসিয়েশনের সভাপতি
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত জজ, বিরোধ নিষ্পত্তির প্রশিক্ষিত বলে জানা কোন ব্যক্তি এবং প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত এইরূপ ব্যক্তিবর্গ ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ যারা উক্ত উদ্দেশ্যে উপযুক্ত বলে বিবেচিত তাদের সমন্বয়ে জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীগণের একটি তালিকা তৈরী করবেন (সময়ে সময়ে তা হালনাগাদ করতে হবে) এবং তার প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে তালিকার বিষয়ে তিনি অবহিত করবেন।
⇒ মধ্যস্থতাকারীর যোগ্যতা-
i) জেলা জজ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত প্যানেল সদস্য; বা
ii) অবসরপ্রাপ্ত জজ; অথবা
iii) সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমার পক্ষগণ নিযুক্ত উকিল ব্যতীত অন্য যে কোন উকিল মধ্যস্থতাকারী হতে পারবেন।

⇒ তবে প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে (Office of Profit) নিযুক্ত কোন ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হতে পারবে না।