বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৫৬ / ১২৬ · ৫,৫০১৫,৬০০ / ১২,৬০৫

৫,৫০১.
ক্রোককৃত সম্পত্তি প্রাণী অথবা পচনশীল প্রকৃতির হলে সেক্ষেত্রে আদালতের করণীয় কী?
  1. যার সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছে তাকে ফিরিয়ে দেয়া।
  2. ক্রোককৃত সম্পত্তির মালিক পলাতক হলে তার উত্তরাধিকার বা নিকটাত্মীয় এর নিকট হস্তান্তর করা।
  3. বিক্রি করে দেয়া।
  4. ক অথবা খ।
সঠিক উত্তর:
বিক্রি করে দেয়া।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রি করে দেয়া।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৮৮(৫) মোতাবেক ক্রোককৃত সম্পত্তি প্রাণী বা পচনশীল দ্রব্য হলে আদালত প্রয়োজন মনে করলে অবিলম্বে তা বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারবেন।
৫,৫০২.
সাক্ষীর জবানবন্দির সময় তার আচরণ সম্পর্কিত মন্তব্য কে লিপিবদ্ধ করতে পারেন?
  1. আসামি
  2. পুলিশ কর্মকর্তা
  3. সরকারী কৌঁসুলি
  4. দায়রা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৬৩ ধারা- সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কিত বিষয়ে মন্তব্য:
যেক্ষেত্রে কোন দায়রা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কোন সাক্ষীর সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করে থাকেন, সেক্ষেত্রে যদি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন, সাক্ষীর জবানবন্দীর সময়ের তার আচরণ সম্পর্কিত বিষয়ে কোন মন্তব্য (যদি থাকে) লিপিবদ্ধ করবেন।

Section 363: Remarks respecting demeanor of witness:
When a Sessions Judge or Magistrate has recorded the evidence of a witness, he shall also record such remarks (if any) as he thinks material respecting the demeanour of such witness whilst under examination.
৫,৫০৩.
ইন্টার-প্লিডার মোকদ্দমার অর্থ হচ্ছে-
  1. কোন নিঃস্ব ব্যক্তি কর্তৃক মামলা
  2. কতিপয় বাদীর পক্ষে মামলা
  3. একজন দাবিদারের বিরুদ্ধে মামলা
  4. একাধিক দাবীদারের বিরুদ্ধে মামলা
সঠিক উত্তর:
একাধিক দাবীদারের বিরুদ্ধে মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক দাবীদারের বিরুদ্ধে মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৮ এবং আদেশ ৩৫ মতে- ইন্টার-প্লিডার মামলায় বাদীর নয় বরং সম্পত্তিতে বিবাদীর স্বার্থ নির্ধারিত হয়। এই সম্পত্তিতে বাদীর কোন দাবী থাকে না। ইন্টার-প্লিডার মামলা হচ্ছে একাধিক দাবীদারের বিরুদ্ধে মামলা।

- ইন্টার-প্লিডার মামলা হতে পারে টাকা, স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির দাবী নিয়ে। এই মামলার উদ্দেশ্য হচ্ছে সম্পত্তি সঠিক মালিকের নিকট অর্পণ করা।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন।

⇒ তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

অর্থাৎ ইন্টার-প্লিডার মোকদ্দমার অর্থ হচ্ছে-একাধিক দাবীদারের বিরুদ্ধে মামলা। 
৫,৫০৪.
অপরাধকারীকে গোপন করিবার জন্য অপরাধের সাক্ষ্য অদৃশ্য করিয়া দেওয়া বা মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করা সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. ২০১ ধারা
  2. ২০২ ধারা
  3. ২০৩ ধারা
  4. ২০৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
২০১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২০১ ধারা মতে অপরাধীকে বাঁচানোর জন্য অপরাধের সাক্ষ্য নষ্ট করার শাস্তি হতে পারে-

(i)  মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
(ii)  যাবজ্জীবন বা অন্যূন ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
(iii) ১০ বছরের কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ কারাদণ্ড বা  অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

---------------------------------------- 
♦ দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধান অপরাধের সাক্ষ্য প্রমাণের বিলোপসাধন অথবা অপরাধীকে অব্যাহতি দেওয়ার মিথ্যা খবর দেওয়া: কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধীকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে, কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, সে অপরাধটি সংঘটনের কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ বিলুপ্ত করে বা করায়, অথবা সে উদ্দেশ্য নিয়ে সে অপরাধটি সম্পর্কে কোন খবর দেয়, যা সে মিথ্যা বলে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তখন-

যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- যদি, যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সে জানে বা যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস সে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- এবং যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- এবং যদি অপরাধটি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যে ধরনের (সম্ভ্রম অথবা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অপরাধটির জন্য দীর্ঘতম যে মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ উহার এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন দৈর্ঘ্যের হবে, অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৫,৫০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তি কোন অবস্থায় সাক্ষ্য দিতে পারেন?
  1. শপথ ব্যতীত
  2. শপথ গ্রহণপূর্বক
  3. পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সময়
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়
সঠিক উত্তর:
শপথ গ্রহণপূর্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শপথ গ্রহণপূর্বক
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) শপথ গ্রহণপূর্বক।
⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় বলা হয়েছে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের অস্বীকৃতি বা অন্য কোনো বিষয় নিয়ে সাক্ষ্য দিতে পারেন, তবে তা শুধুমাত্র শপথ গ্রহণের মাধ্যমে। অর্থাৎ, অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি সাক্ষ্য দিতে চান, তবে তাকে শপথ নিতে হবে, না হলে তিনি সাক্ষ্য দিতে পারবেন না।
এই ধারার মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
- আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিরক্ষার অধিকার: প্রতিটি অভিযুক্ত ব্যক্তি ফৌজদারি আদালতে নিজেকে আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা করার অধিকার রাখে (ধারা ৩৪০(১))।
- সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্যতা: অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের বা সহ-অভিযুক্তের পক্ষে শপথ নিয়ে সাক্ষ্য দিতে পারেন (ধারা ৩৪০(৩))।
- সুরক্ষা বিধান: তাকে শুধুমাত্র নিজের লিখিত অনুরোধে সাক্ষী হিসেবে ডাকা যাবে। সাক্ষ্য না দিলে তা তার বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক অনুমানের কারণ হবে না। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার (Right to be defended by a pleader) আছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে।
তবে শর্ত এই যে-
- সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
- সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness-
(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader. 
(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings. 
(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial:
Provided that- 
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or 
(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.
৫,৫০৬.
দণ্ডবিধির কত ধারায় মানহানির শাস্তির বিধান আছে?
  1. ৪০০
  2. ৪৯৯
  3. ৫০০
  4. ৫১১
সঠিক উত্তর:
৫০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ৪৯৯ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন কুৎসা রটনা করা হয় যা উক্ত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করে (harm reputation) তাকে মানহানি বা Defamation বলে। অর্থাৎ কুৎসাজনক কথা বা চিহ্ন দ্বারা বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তি প্রকাশের মাধ্যমে মানহানি করা হয়।

-দণ্ডবিধির ৫০০ ধারার অধীন মানহানির [defamation] শাস্তি হল ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৫,৫০৭.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় শাসনতান্ত্রিক ব্যাখ্যা সংক্রান্ত প্রশ্ন জড়িত থাকলে আদালত কাকে নোটিশ দিবে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. অ্যাটর্নি-জেনারেল
  3. সুপ্রীম কোর্ট
  4. আইন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি-জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি-জেনারেল
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৭ক বিধি-১- এ্যাটনি জেনারেলকে নোটিশ:
যদি কোন মোকদ্দমায় আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, শাসনতান্ত্রিক আইনের ব্যাখ্যা সম্পর্কে কোন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জড়িত আছে, তবে আইনের প্রশ্নটি সরকার সম্পর্কিত হলে বাংলাদেশের এ্যাটর্নি জেনারেলকে নোটিশ না দেয়া পর্যন্ত আদালত প্রশ্নটি নিষ্পত্তি করতে অগ্রসর হবে না।
৫,৫০৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ এর বিধি ১০ (২) অনুযায়ী, আদালত পক্ষ যুক্ত বা বাদ দিতে পারেন-
  1. শুধুমাত্র পক্ষের আবেদনের মাধ্যমে
  2. কেবলমাত্র বিবাদীর আবেদনের ভিত্তিতে
  3. শুধুমাত্র বাদীর সম্মতির ভিত্তিতে
  4. কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা বিনা আবেদনে
সঠিক উত্তর:
কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা বিনা আবেদনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা বিনা আবেদনে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ এর  বিধি ১০ (২)- আদালত পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারেন:
মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা বিনা আবেদনে এবং সেই সকল শর্তে যা আদালতের কাছে সঙ্গতঃ বলে প্রতীয়মান হয়, অন্যায় ভাবে যুক্ত কোন পক্ষের নাম, বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক, কর্তন করতে এবং অন্য যে ব্যক্তির নাম বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক যুক্ত করা উচিত, অথবা মামলায় বিজড়িত প্রশ্নসমূহের কার্যর ও সম্পূর্ণভাবে বিচার ও নিস্পত্তি করার জন্য আদালতের সামনে যার উপস্থিতি প্রয়োজন হতে পারে, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।

Order-1 Rule-10(2): The Court may strike out or add parties: 
The court may at any stage of the proceedings, either upon or without the application of either party, and on such terms as may appear to the Court to be just, order that the name of any party improperly joined, whether as plaintiff or defendant, be struck out, and that the name of any person who ought to have been joined, whether as plaintiff or defendant or whose presence before the Court may be necessary in order to enable the Court effectually and completely to adjudicate upon and settle all the questions involved in the suit, be added.
৫,৫০৯.
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে _________ আদালত হিসেবে গন্য করতে হবে।
  1. উন্মুক্ত
  2. বদ্ধ
  3. গোপন
  4. সংরক্ষিত
সঠিক উত্তর:
উন্মুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্মুক্ত
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ

শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।
৫,৫১০.
কত বছর বয়স্ক অপরিণত বোধ শক্তিসম্পন্ন শিশুর কাজ অপরাধ নয়?
  1. ৭ থেকে ১২ বছর
  2. ৯ বৎসরের অধিক কিন্তু ১২ বৎসরের কম
  3. ৫ থেকে ১০ বৎসর
  4. ১০ থেকে ১২ বৎসর
সঠিক উত্তর:
৯ বৎসরের অধিক কিন্তু ১২ বৎসরের কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ বৎসরের অধিক কিন্তু ১২ বৎসরের কম
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৮৩ ধারামতে ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক অপরিণত বোধ সম্পন্ন (immature understanding) শিশুর কাজ অপরাধ নয়।

♦ তবে পরিপক্কতা অর্জন করলে অর্থাৎ কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারলে উক্ত ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক শিশুর কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে।
৫,৫১১.
একজন দায়রা জজ কোন আসামীকে বিচারে খালাস প্রদান করেন। উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আসামী মারা যায়। সেক্ষেত্রে আপিলটির ফলাফল কি হবে?
  1. আপিলটি মেধাতে নিষ্পত্তি হবে
  2. প্রসিকিউশনকে শুনানী করে আদেশ প্রদান করা হবে
  3. আপিলটি অ্যাবেট হবে
  4. আপিলটি খারিজ হবে
সঠিক উত্তর:
আপিলটি অ্যাবেট হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলটি অ্যাবেট হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩১ ধারায় আপিল বাতিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। ৪৩১ ধারায় বলা হয়েছে-

৪১৭ বা ৪১৭ক ধারার অধীন প্রত্যেকটি আপিল অভিযুক্ত ব্যক্তির মৃত্যুতে চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে, এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল ব্যতীত) আপিলকারীর মৃত্যুতে চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে।

• অর্থাৎ যখন আপিল চূড়ান্তভাবে পণ্ড [Abate] হবে:
খালাস আদেশের বিরুদ্ধে (ধারা ৪১৭) এবং অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ধারা ৪১৭(ক) আপিল চলাকালে অভিযুক্ত তথা আসামির মৃত্যু হলে;
⇒ অন্যান্য আপিলে অর্থাৎ, জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ছাড়া আপিলকারীর মৃত্যু হলে।

• যখন আপিল পণ্ড [Abate] হবে না:

⇒ জরিমানা/অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল হলে, আপিল বাতিল [Abate] হবে না।

কারণ, জরিমানা/অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে আপিলকারীর অর্থাৎ অভিযোগকারীর মৃত্যু হলে; আপিলকারীর প্রতিনিধি স্থলাভিষিক্ত হবে। পেনাল কোডের ৭০ ধারা অনুযায়ী, আসামির রেখে যাওয়া সম্পত্তি থেকে তা আদায় করা যাবে।
৫,৫১২.
দেওয়ানি মোকদ্দমাটি তামাদিতে বারিত না এটি প্রমাণের দায়িত্ব কার? 
  1. বিবাদীর
  2. আদালতের
  3. বাদীর
  4. সরকারী আইনজীবীর 
সঠিক উত্তর:
বাদীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ৩ ধারা মতে বাদীকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের পরে মামলা দায়ের করলে আদালত মামলাটি খারিজ করে দিবে।

♦ তামাদি আইনের ধারা ৫ মতে ক্ষেত্র বিশেষে মেয়াদ বৃদ্ধিকরণের বিধান,  বলা আছে যে কোনো আপিল বা রায় পুনর্বিচার বা পুনরীক্ষণের দরখাস্ত বা আপিল করিবার অনুমতি প্রার্থনার দরখাস্ত বা অন্য কোনো দরখাস্ত, যাহার উপর এই ধারা বর্তমানে বলবৎ কোনো আইনের দ্বারা বা অধীনে প্রযোজ্য করা হয়, উহার নির্দিষ্ট তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পর গৃহীত হইতেপারে, যদি আপিলকারী বা দরখাস্তকারী এই মর্মে আদালতের সন্তুষ্টি সাধন করিয়া থাকে যে, নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে আপিল বা দরখাস্তটি দাখিল না করিবার যথেষ্ট কারণ ছিল।

♦ অর্থাৎ বাদীকেই প্রমাণ করতে হবে বা আদালতকে সন্তুষ্টি করাতে হবে যে মামলাটি তামাদিতে বারিত না ।

দেওয়ানি মোকদ্দমা যিনি দায়ের করবেন তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে, তিনি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মামলা দায়ের করেছেন।
৫,৫১৩.
ড্রোনের মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্য, ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) রেকর্ডিং, কম্পিউটার মেমরি, বা মাইক্রোফিল্মে ধারণকৃত কোন রেকর্ড বা ডাটা কোন ধরনের সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য
  2. শারীরিক সাক্ষ্য
  3. দালিলিক সাক্ষ্য
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
দালিলিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দালিলিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
The Evidence Act (Amendment), 2022 দ্বারা ডিজিটাল রেকর্ডকে দলিলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- কম্পিউটারে প্রস্তুতকৃত যে কোন লেখা, সিসিটিভির ভিডিও বা মোবাইলে ধারণকৃত ছবি বা ভিডিও বা ওয়েবসাইট প্রকাশিত গেজেট ইত্যাদি ইলেকট্রনিক সাক্ষ্য বা ডিজিটাল রেকর্ড মর্মে গণ্য হবে এবং এগুলো সাক্ষ্য আইন অনুসারে দলিলের অন্তর্ভুক্ত হবে।
অর্থাৎ ড্রোনের মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্য, ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) রেকর্ডিং, কম্পিউটার মেমরি, বা মাইক্রোফিল্মে ধারণকৃত কোন রেকর্ড বা ডাটা দালিলিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারা তে যুক্ত: The Evidence Act (Amendment), 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-
- ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম;
- অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উৎপাদিত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য;
- ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি), সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার; বা
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।
৫,৫১৪.
ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের সদাচরণের মুচলেকার সময়সীমা সর্বাধিক কত দিন হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৯ ধারা:  ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে সদাচরণের মুচলেকা: 
যেক্ষেত্রে কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ মর্মে সংবাদ প্রাপ্ত হন যে-
ক) তাঁর স্থানীয় অধিক্ষেত্রের মধ্যে কোন ব্যক্তি তাঁর উপস্থিতি গোপন রাখার নিমিত্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থাসমূহ পরিগ্রহণ করতেছেন এবং এরূপ বিশ্বাস করার হেতু বিদ্যমান যে তিনি কোন অপরাধ সম্পাদনের লক্ষ্যে এরূপ করতেছেন, বা

খ) উক্ত সীমার মধ্যে এরূপ কোন ব্যক্তি রয়েছে যার জীবিকা নির্বাহের কোন প্রকাশ্য পন্থা নেই বা যে ব্যক্তি নিজের সম্পর্কে কোন সন্তোষজনক বিবরণ দিতে পারে না,

সেক্ষেত্রে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট, অতঃপর উল্লিখিত পদ্ধতিতে, এরূপ ব্যক্তিকে, তিনি যেরূপ সমীচীন মনে করেন সেই প্রকার অনূর্ধ্ব এক বৎসর সময়সীমার জন্য, তার সদাচরণের জন্য, জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতিরেকে, একটি মুচলেকা সম্পাদন করে দিবার জন্য কেন তাকে আদেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শাতে নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
৫,৫১৫.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ ভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ সাজা কি?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ৩ মাসের কারাদণ্ড
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড
  4. শুধুমাত্র জরিমানা
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-২(৩) অনুসারে নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গের শাস্তি হলো: সম্পত্তি ক্রোক অথবা উক্ত অমান্যকারীকে ৬ মাস দেওয়ানী কারাবাসে আটক অথবা উভয় প্রকার দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
৫,৫১৬.
সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা প্রযোজ্য হতে হলে নিম্নলিখিত কোন শর্তটি পূরণ অপরিহার্য না ?
  1. পুলিশের নিকট প্রদত্ত তথ্যটি অবশ্যই দোষ স্বীকারোক্তি হতে হবে
  2. পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় অভিযুক্ত সংবাদটি প্রদান করবে 
  3. প্রদত্ত সংবাদ অনুসারে আলামত উদ্ধার হতে হবে
  4. সংবাদটি অবশ্যই পুলিশের নিকট প্রদত্ত হতে হবে
সঠিক উত্তর:
পুলিশের নিকট প্রদত্ত তথ্যটি অবশ্যই দোষ স্বীকারোক্তি হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশের নিকট প্রদত্ত তথ্যটি অবশ্যই দোষ স্বীকারোক্তি হতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুসারে পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা অবসস্থায় অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তি কতৃক পুলিশের নিকট প্রদত্ত কোন তথ্য অনুযায়ী যদি এমন বিষয় বা আলামত উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত  তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে। সুতরাং পুলিশের নিকট প্রদত্ত তথ্যটি দোষ স্বীকারোক্তি না হলেও প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২,ধারা ২৭: আসামির নিকট হইতে প্রাপ্ত তথ্য যতখানি প্রমাণ করা যাইতে পারে: কোনো ঘটনা সম্পর্কে যদি সাক্ষ্য পাওয়া যায় যে, কোনো অপরাধে অপরাধী কোনো লোক পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকাকালে তাহার নিকট হইতে প্রাপ্ত তথ্যের ফলে ঘটনাটি উদঘাটিত হইয়াছে, তবে তথ্যের যে অংশ উদঘাটিত ঘটনার সহিত স্পষ্টরূপে সংশ্লিষ্ট তাহা স্বীকারোক্তি হউক বা না হউক প্রমাণ করা যাইতে পারে।
---------------
The Evidence Act, 1872, Section 27,How much of information received from accused may be proved: Provided that, when any fact is deposed to as discovered in consequence of information received from a person accused of any offence, in the custody of a police officer, so much of such information, whether it amounts to a confession or not, as relates distinctly to the fact thereby discovered, may be proved.]

৫,৫১৭.
আদালত ৮ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডাকাতির অভিযোগ গঠন করে। কিন্তু মামলার শুনানী শেষে আদালত ৪ জনকে খালাস প্রদান করে। এই ক্ষেত্রে আদালত বাকী ৪ জনকে-
  1. ডাকাতির জন্য দণ্ডিত করতে পারে
  2. দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে
  3. ডাকাতি বা দস্যুতা উভয়ের জন্য দণ্ডিত করতে পারে
  4. চুরির জন্য দণ্ডিত করতে পারে
সঠিক উত্তর:
দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ম ৫ জনকে দণ্ডিত করতে হয়। যেহেতু ৪ জন দোষী প্রমাণিত হয়েছে তাই আদালত তাদেরকে ডাকাতির জন্য দণ্ডিত করতে পারে না কিন্তু দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে।
৫,৫১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধান রিভিউ আবেদনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত?
  1. আদেশ-৪১ এবং ধারা-১০৪
  2. আদেশ-৪৭ এবং ধারা-১১৪
  3. আদেশ-৪৩ এবং ধারা-১০৪
  4. আদেশ-৪৪ এবং ধারা-১১৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৪৭ এবং ধারা-১১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৪৭ এবং ধারা-১১৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৪ এবং আদেশ ৪৭ সরাসরি রিভিউ আবেদন (Review of Judgment)-এর সঙ্গে সম্পর্কিত।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি
- এমন কোনো ডিক্রি বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত হন যার বিরুদ্ধে আপীল করা যেত কিন্তু করা হয়নি,
- অথবা এমন আদেশ যার বিরুদ্ধে আপীলের সুযোগ নেই,
- অথবা Small Causes Court থেকে Reference এর ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে ক্ষতিগ্রস্ত হন,
 তাহলে তিনি সেই আদালতে রিভিউ আবেদন করতে পারবেন, যিনি সেই আদেশ বা ডিক্রি দিয়েছেন।

⇒ আদেশ ৪৭ হলো ধারা ১১৪-এর অধীনে রিভিউ আবেদনের নিয়ম ও প্রক্রিয়া বর্ণনাকারী বিধান।
এখানে বলা হয়েছে, রিভিউ তখনই করা যাবে যদি:
- নতুন তথ্য বা গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ পাওয়া যায় যা আগে পাওয়া সম্ভব ছিল না, রেকর্ডে স্পষ্ট ভুল বা ত্রুটি থাকে, অথবা অন্য কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে।
এছাড়া আদেশ ৪৭-এ বলা আছে- রিভিউ মঞ্জুর বা নামঞ্জুরের পদ্ধতি, কোন আদালতে আবেদন করতে হবে, শুনানির আগে নোটিশ দেওয়া, কিভাবে পুনঃশুনানি হবে ইত্যাদি।

অর্থাৎ রিভিউ করার ক্ষেত্রে দুটি বিধান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ:
- ধারা ১১৪ → রিভিউয়ের অধিকার দেয়।
- আদেশ ৪৭ → রিভিউ করার নিয়ম ও পদ্ধতি নির্ধারণ করে।
 তাই সঠিক উত্তর: খ) আদেশ ৪৭ এবং ধারা ১১৪।
৫,৫১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৫ ধারার (১) উপধারা অনুসারে কে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি দিতে পারে?
  1. সরকার
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ সুপার
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৫ ধারার (১) উপধারা অনুসারে, কোনো মামলার ইনকোয়ারি বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোনো পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোনো ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫- সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনার অনুমতি:
(১) কোন মামলার ইনকোয়ারি বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্‌বিষয় নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোন পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোনো ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারবেন, কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল, সরকারি সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর অথবা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসার ব্যতীত কোন ব্যক্তি উক্ত অনুমতি ব্যতিরেকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অধিকারী হবে না।
(২) মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে এরূপ অফিসারের ধারা-৪৯৪ এ উল্লিখিত ক্ষমতা থাকবে এবং তাঁর প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
(৩) বাদীপক্ষের মামলা পরিচালনাকারী কোন ব্যক্তিতা ব্যক্তিগতভাবে বা কোন অ্যাডভোকেট কর্তৃক এরূপ করতে পারবেন।
(৪) যে অপরাধের জন্য আসামীর বিচার চলছে সেই অপরাধের কোন তদন্তে অংশ গ্রহণ করে থাকলে কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 495- Permission to conduct prosecution:
(1) Any Magistrate inquiring into or trying any case may permit the prosecution to be conducted by any person other than an officer of police below the rank to be prescribed by the Government in this behalf but no person, other than the Attorney-General, Government Solicitor, Public Prosecutor or other officer generally or specially empowered by the Government in this behalf, shall be entitled to do so without such permission.
(2) Any such officer shall have the like power of withdrawing the prosecution as is provided by section 494, and the provisions of that section shall apply to any withdrawal by such officer.
(3) Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.
(4) An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.

৫,৫২০.
An appeal may lie on a __________.
  1. matter of fact
  2. matter of law
  3. Both A + B
  4. None of them
সঠিক উত্তর:
Both A + B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Both A + B
ব্যাখ্যা
Section 418- Appeals on what matters admissible:
An appeal may lie on a matter of fact as well as a matter of law.
Explanation- The alleged severity of a sentence shall, for the purposes of this section, be deemed to be a matter of law.

• ধারা ৪১৮- কোন কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য:
ঘটনার প্রশ্নে বা আইনের প্রশ্নে আপিল চলতে পারে।
ব্যাখ্যাঃ এই ধারার উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে কোন দণ্ডের কথিত কঠোরতা আইনের বিষয় মর্মে গণ্য হবে।
৫,৫২১.
What is the legal status of evidence given by a dumb witness through signs or writing?
  1. It is considered oral evidence
  2. It is considered secondary evidence
  3. It is considered documentary evidence
  4. It is not considered as evidence
সঠিক উত্তর:
It is considered oral evidence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It is considered oral evidence
ব্যাখ্যা
Section 119- Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.

সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী:
যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।
৫,৫২২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর Section 249 এর অধীনে বিচার বন্ধ হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি-
  1. খালাস পাবে
  2. মুক্তি পাবে
  3. অব্যহতি পাবে
  4. উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
মুক্তি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তি পাবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারার বিধান যেক্ষেত্রে ফরিয়াদী না থাকে, সেক্ষেত্রে কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতাঃ

নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যে কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যবাহ বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে পারবেন।

• ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধ বলতে মামলাটি অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থগিত বোঝায় না বরং মামালাটি বহাল আছে বোঝায়। সাক্ষী পর্যাপ্ত হলে ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি পুনরায় চালু করতে পারে। যে কারণে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ প্রদান করলো উক্ত কারণ যখন বিদ্যামান থাকেনা তখন থেকে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার বিচার কার্যক্রম পুনরায় শুরু করতে পারে।

• মামলার কার্যক্রম বন্ধের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষ বা নালিশকারী বিচারিক আদালতে উক্ত মামলার বিচার পুনরুজ্জীবিত বা পুনরায় চালুর জন্য আবেদন করতে পারে এবং উক্ত ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম যেখান থেকে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল সেখান থেকে শুরু হবে।

• যে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল সে উক্ত বন্ধের আদেশ বাতিল করতে পারে এবং মামলার কার্যক্রম শুরু করতে পারে যদি সাক্ষী পাওয়া যায়।

• ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে রিভিশন দায়ের করা যায়। একই অভিযোগের জন্য একই অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে পুনরায় মামলা দায়ের করা যাবে।
৫,৫২৩.
দণ্ডবিধির কত ধারা ডাকাতি (Dacoity) সম্পর্কিত ?
  1. ৩৯১ ধারা
  2. ৩৯২ ধারা
  3. ৩৯৩ ধারা
  4. ৩৯৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৯১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
--------
Section 391 Dacoity: When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
৫,৫২৪.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ করার হুমকি দিলে(criminal intimidation) সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ২ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
৫০৬ ধারা: "অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি"

যে কেউ অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অপরাধ করবে, তাকে দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে; এবং যদি ভীতি প্রদর্শন নিম্নলিখিত বিষয়গুলির যেকোনো একটি সম্পর্কিত হয়:

⇒ মৃত্যু ঘটানোর হুমকি;
⇒ গুরুতর আঘাত করার হুমকি;
⇒ আগুন দ্বারা কোনো সম্পত্তি ধ্বংস করার হুমকি;
⇒ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ করার হুমকি;
⇒ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ করার হুমকি;
⇒ কোনো মহিলার সতীত্বে কলঙ্ক আরোপের হুমকি;

তাহলে অপরাধীকে সাত বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
৫,৫২৫.
যেক্ষেত্রে বাদী কোর্ট ফি প্রদান না করায় বিবাদীর উপর সমন জারি করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. মোকদ্দমা খারিজ
  2. মোকদ্দমা স্থগিত
  3. বিবাদীকে হাজিরা থেকে অব্যাহতি
  4. বাদী কর্তৃক ক্ষতিপূরণ প্রদান
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
ব্যাখ্যা
• বাদী খরচ প্রদান না করার দরুন সমন জারি না হলে, আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারে।

• আদেশ ৯ বিধি-২ঃ
নির্ধারিত তারিখে যদি দেখা যায় যে,বাদী কোর্ট ফি প্রদান না করার কিংবা ঐরূপ সমন জারির জন্য প্রয়োজনীয় ডাক-মাশুল (যদি লাগে) না দেয়ায় বিবাদীর উপর সমন জারি করা হয় নাই, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দান করতে পারবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদীর উপর সমন জারি না হলেও যদি তার হাজিরা ও জবাব দানের নির্ধারিত তারিখে, যেক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মারফতে হাজিরা দেয়া যায় সেক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মাধ্যমে হাজির হলে, অনুরূপ খারিজের আদেশ প্রদান করা যাবে না।

Order 9 Rule 2: Dismissal of suit where summons not served in consequence of plaintiff's failure to pay costs-
Where on the day so fixed it is found that the summons has not been served upon the defendant in consequence of the failure of the plaintiff, to pay the court-fee or postal charges (if any) chargeable for such service, the Court may make an order that the suit be dismissed:
Provided that no such order shall be made although the summons has not been served upon the defendant, if on the day fixed for him to appear and answer he attends in person or by agent when he is allowed to appear by agent.
৫,৫২৬.
প্রতারণামূলক উদ্দেশ্য নিয়ে আইনতঃ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছে না জানা সত্ত্বেও, বিবাহের অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৫ বছর কারাবাস
  2. ৭ বছর কারাবাস
  3. ১০ বছর কারাবাস
  4. ১৪ বছর কারাবাস
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাবাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাবাস
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৯৬ ধারা- আইনসম্মত বিবাহ সম্পাদন ছাড়াই প্রতারণামূলক ভাবে বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা:
কোনো ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলক উদ্দেশ্য নিয়ে সে আইনতঃ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছে না জানা সত্ত্বেও বিবাহের অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 496- Marriage ceremony fraudulently gone through without lawful marriage:
Whoever, dishonestly or with a fraudulent intention, goes through the ceremony of being married, knowing that he is not thereby lawfully married, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৫,৫২৭.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণ করলে শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ৩৯৫ ধারা
  2. ৩৯৬ ধারা
  3. ৩৯৯ ধারা
  4. ৩৯৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৯৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯৯ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৩৯৯ ধারা অনুযায়ী “যে কেউ ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তাকে সশ্রম কারাদণ্ড, যা দশ বছর পর্যন্ত হতে পারে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।”

অন্য ধারা সমূহ:
→ ৩৯৫ ধারা: ডাকাতির সংজ্ঞা
→ ৩৯৬ ধারা: খুনসহকারে ডাকাতি
→ ৩৯৮ ধারা: অস্ত্রসহ চুরির উদ্দেশ্যে প্রস্তুতি
অর্থাৎ ৩৯৯ ধারা স্পষ্টভাবে ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণ সংক্রান্ত বিধান প্রদান কথা তাই সঠিক উত্তর: গ) ৩৯৯ ধারা।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৯ ধারা: ডাকাতি সংঘটনের প্রস্তুতি:
যে কেউ ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে, যা দশ বছর পর্যন্ত মেয়াদ হতে পারে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 399- Making preparation to commit dacoity:
Whoever makes any preparation for committing dacoity, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৫,৫২৮.
বেআইনি সমাবেশ গঠন করতে কমপক্ষে কতজন ব্যক্তি উপস্থিত থাকতে হবে?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ১০ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারনের শান্তি শৃঙ্খলা  বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বলে।

- বেআইনী সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনী সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারী কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা 
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্টা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনতঃ বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।
ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনী ছিল না তা পরে বেআইনী সমাবেশ হতে পারে।
৫,৫২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে-
  1. ২য় তফসিলে
  2. ৩য় তফসিলে
  3. ৪র্থ তফসিলে
  4. ৫ম তফসিলে
সঠিক উত্তর:
৩য় তফসিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য় তফসিলে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬ ধারার বিধান ম্যাজিষ্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতাঃ সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর কার্যক্রমে অর্পিত ৩য় তফসিল এ বর্ণিত ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা তাঁদের "সাধারণ ক্ষমতা" নামে আখ্যায়িত।

-----------------------------------
Section 36. Ordinary powers of Magistrates: All Judicial and Executive Magistrates have the powers hereinafter respectively conferred upon them and specified in the third schedule. Such powers are called their "ordinary powers".
৫,৫৩০.
কোন ব্যক্তির ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন অগ্রাহ্য হলে, ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আপিল করতে পারে?
  1. ধারা ৪০৫
  2. ধারা ৪০৭
  3. ধারা ৪০৪
  4. ধারা ৪০৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০৫
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৫- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন অগ্রাহ্য হলে উহার বিরুদ্ধে আপিল

কোন আদালত সম্পত্তি বা সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ প্রদানের জন্য কোন ব্যক্তির ধারা-৮৯ অনুসারে দায়েরকৃত আবেদনপত্র নাকচ করলে তিনি সেই আদালতে আপিল করতে পারেন যে আদালতে পূর্ববর্তী আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে সাধারণতঃ আপিল করা চলে। 

Section 405- Appeal from order rejecting application for restoration of attached property
Any person whose application under section 89 for the delivery of property or the proceeds of the sale thereof has been rejected by any Court may appeal to the Court to which appeals ordinarily lie from the sentences of the former Court.
৫,৫৩১.
নিচের কোনটি 'The Civil Courts Act, 1887' আইনের আওতায় দেওয়ানি আদালতের শ্রেণী নয়?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. সিভিল জজ আদালত
  3. দায়রা জজ আদালত
  4. সিনিয়র সিভিল জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭-এর ধারা ৩ অনুসারে বাংলাদেশে নিম্নলিখিত ৫ শ্রেণীর দেওয়ানি আদালত রয়েছে:
১. জেলা জজ আদালত
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
৪. সিনিয়র সিভিল জজ আদালত
৫. সিভিল জজ আদালত

- দায়রা জজ আদালত একটি ফৌজদারি আদালত (Criminal Court), যা ফৌজদারি কার্যবিধি (Criminal Procedure Code) এর আওতায় গঠিত হয়। তাই এটি দেওয়ানি আদালতের শ্রেণীভুক্ত নয়।

৫,৫৩২.
শুধুমাত্র খুনের উদ্যোগের (Attempt to murder) শাস্তি কী?
  1. সাত বৎসর পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. দশ বৎসর পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. তিন বৎসর পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
দশ বৎসর পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দশ বৎসর পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং
যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
--------
⇒ Attempt to murder Attempts by life-convicts:
Section 307. Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned. 
⇒ When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
৫,৫৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারার আওতায় যদি কোনো অভিযোগ মিথ্যা, তুচ্ছ বা বিরক্তিকর প্রমাণিত হয়, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. আসামির জামিন বাতিল করতে পারে
  2. আসামির শাস্তি ঘোষণা করতে পারে
  3. অভিযোগকারীকে কারাগারে পাঠাতে পারে
  4. অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে অর্থদণ্ড আরোপ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে অর্থদণ্ড আরোপ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে অর্থদণ্ড আরোপ করতে পারে
ব্যাখ্যা
উত্তর: অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে অর্থদণ্ড আরোপ করতে পারে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারার বিধান মিথ্যা, তুচ্ছ বা বিরক্তিকর অভিযোগ - 
(১) যদি কোনো মামলা অভিযোগের উপর ভিত্তি করে অথবা পুলিশ কর্মকর্তা বা ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো তথ্যের ভিত্তিতে শুরু হয় এবং ওই মামলা একজন ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে বিচারাধীন থাকে, এবং ম্যাজিস্ট্রেট যদি মামলাটি শুনে আসামিদের মধ্যে এক বা একাধিককে খালাস বা মুক্তি দেন, এবং ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর ছিল, তবে ম্যাজিস্ট্রেট তার খালাস বা মুক্তির আদেশে, যদি অভিযোগকারী বা তথ্যদাতা আদালতে উপস্থিত থাকে, তাকে তাৎক্ষণিকভাবে কারণ দর্শানোর জন্য বলবেন কেন তিনি এমন অভিযোগে ক্ষতিপূরণ প্রদান করবেন না। এবং যদি অভিযোগকারী বা তথ্যদাতা উপস্থিত না থাকে, তবে তাকে হাজির হতে এবং কারণ দর্শানোর summon জারি করার নির্দেশ দিতে পারেন।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারী বা তথ্যদাতার প্রদত্ত কারণ রেকর্ড করে এবং যদি তিনি সন্তুষ্ট হন যে অভিযোগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর ছিল, তবে তিনি রেকর্ডকৃত কারণের ভিত্তিতে এমন ক্ষতিপূরণ আদায় করার নির্দেশ দিতে পারেন, যার পরিমাণ ১,০০০ টাকা (যদি ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় শ্রেণির বা তৃতীয় শ্রেণির হন, তবে ৫০০ টাকা) পর্যন্ত হতে পারে এবং সেই ক্ষতিপূরণ আসামি বা তাদের মধ্যে এক বা একাধিককে প্রদান করতে হতে পারে।
(২ক) ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষতিপূরণের আদেশ দেওয়ার পর, যদি অভিযোগকারী ক্ষতিপূরণ প্রদান না করেন, তবে তিনি আরও আদেশ দিতে পারেন যে, ক্ষতিপূরণ প্রদান না করা পর্যন্ত ওই ব্যক্তি এক মাসের বেশি না হওয়া পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাবাস ভোগ করবেন।
(২খ) যখন কোনো ব্যক্তি ২(এ) উপধারার অধীনে কারাবাসে যাবেন, তখন দণ্ডবিধির ৬৮ ও ৬৯ ধারা অনুযায়ী সেই ব্যক্তির ওপর প্রযোজ্য শর্তাবলী অনুসৃত হবে।
(২গ) যিনি এই ধারার অধীনে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য নির্দেশিত হয়েছেন, তিনি এই আদেশের কারণে তার করা অভিযোগ বা প্রদত্ত তথ্যের জন্য কোনো সিভিল বা ফৌজদারি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাবেন না। তবে, যদি এই পরিমাণ কোনো আসামিকে প্রদান করা হয়, তা পরবর্তী সিভিল মামলায় ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে গণনা করা হবে।
(৩) যে অভিযোগকারী বা তথ্যদাতা ২(২) উপধারার অধীনে ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশে ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশিত হয়েছেন, এবং যদি ক্ষতিপূরণ ১০০ টাকা বা তার বেশি হয়, তবে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন, যেমন যদি তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
(৪) যদি এমন কোনো আদেশ থাকে যা আপিলযোগ্য, তবে ক্ষতিপূরণ তখন প্রদান করা হবে না, যতক্ষণ না আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় শেষ না হয়, অথবা যদি আপিল হয়, ততক্ষণ না আপিল নিষ্পত্তি হয়। এবং যদি আপিলযোগ্য না হয়, তবে ওই আদেশের এক মাস পরে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে।
(৫) এই ধারায় যা কিছু উল্লেখ করা হয়েছে, তা সত্ত্বেও ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষতিপূরণ আদায়ের আদেশের সাথে অতিরিক্তভাবে নির্দেশ দিতে পারেন যে, ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ ব্যক্তি ছয় মাসের কারাবাসে দণ্ডিত হবেন অথবা তিন হাজার টাকা জরিমানা করবেন।
-------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-250 False, frivolous or vexatious accusations:
(1) If in any case instituted upon complaint or upon information given to a police-officer or to a Magistrate, one or more persons is or are accused before a Magistrate or any offence triable by a Magistrate, and the Magistrate by whom the case is heard discharges or acquits all or any of the accused, and is or opinion that the accusation against them or any of them was false and either frivolous or vexatious, the Magistrate may, by his order of discharge or acquittal, if the person upon whose complaint or information the accusation was made is present, call upon him forthwith to show cause why he should not pay compensation to such accused or to each or any of such accused when there are more than one, or, if such person is not present direct the issue of a summons to him to appear and show cause as aforesaid. 
(2) The Magistrate shall record and consider any cause which such complainant or information may show and if he is satisfied that the accusation was false and either frivolous or vexatious may, for reasons to be recorded, direct that compensation to such amount not exceeding one thousand Taka or, if the Magistrate is a Magistrate of the third Class, not exceeding five hundred Taka, as he may determine be paid by such complainant or informant to the accused or to each or any of them. 
(2A) The Magistrate may, by the order directing payment of the compensation under sub-section (2), further order that, in default of payment, the person ordered to pay such compensation shall suffer simple imprisonment for a period not exceeding thirty days. 
(2B) When any person is imprisoned under sub-section (2A), the provisions of sections 68 and 69 of the Penal Code shall, so far as may be, apply. 
(2C) No person who has been directed to pay compensation under this section shall, by reason of such order, be exempted from any civil or criminal liability in respect of the complaint made or information given by him: 
Provided that any amount paid to an accused person under this section shall be taken into account in awarding compensation to such person in any subsequent civil suit relating to the same matter. 
(3) A complainant or informant who has been ordered under sub-section (2) by a Magistrate of the second or third class to pay compensation or has been so ordered by any other Magistrate to pay compensation exceeding one hundred taka may appeal from the order, in so far as the order relates to the payment of the compensation, as if such complainant or informant had been convicted on a trial held by such Magistrate. 
(4) When an order for payment of compensation to an accused person is made in a case which is subject to appeal under sub-section (3), the compensation shall not be paid to him before the period allowed for the presentation of the appeal has elapsed, or, if any appeal is presented, before the appeal has been decided and, where such order is made in a case which is not so subject to appeal, the compensation shall not be paid before the expiration of one month from the date of the order. 
(5) Notwithstanding anything contained in this section, the Magistrate may, in addition to the order directing payment of the compensation under sub-section (2), further order that the person ordered to pay such compensation shall also suffer imprisonment for a period not exceeding six months or pay a fine not exceeding three thousand Taka.]
৫,৫৩৪.
দণ্ডবিধির কত ধারায় প্রতারণা সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ৪০৫
  2. ৪১০
  3. ৪১৫
  4. ৪০৩
সঠিক উত্তর:
৪১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:- যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।
----------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 415: Cheating:
- Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat". 
 
Explanation:- A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.
৫,৫৩৫.
যেখানে কোনো চুক্তির অসম্পাদিত অংশ উল্লেখযোগ্য, আদালত কখন সম্পাদনযোগ্য অংশ যতটুকু আছে তা সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন?
  1. বাদী ক্ষতিপূরণের দাবি পরিত্যাগ করলে
  2. বাদী অসম্পাদিত অংশ সম্পাদনের দাবি পরিত্যাগ করলে
  3. বিবাদী অসম্পাদিত অংশ সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জানালে
  4. ক এবং খ উভয় ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয় ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয় ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারার বিধান অনুসারে,
কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর অংশ এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটি পালন করতে সমর্থ না হয় কিংবা ঐ অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য না হয়, তাহলে ঐ পক্ষ চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি লাভের অধিকারী হবে না। তবে বাদী চুক্তির বৃহত্তর অংশ সম্পাদনের এবং ক্ষতিপূরণ লাভের সমস্ত অধিকার ত্যাগ করলে, আদালত বিবাদীকে ক্ষুদ্রতর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের নির্দেশ দিতে পারবে।
--------------------------------
Section 15- Specific performance of part of contract where part unperformed is large:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, and the part which must be left unperformed forms a considerable portion of the whole, or does not admit compensation in money, he is not entitled to obtain a decree for specific performance. But the Court may, at the suit of the other party, direct the party in default to perform specifically so much of his part of the contract as he can perform, provided that the plaintiff relinquishes all claim to further performance, and all right to compensation either for the deficiency, or for the loss or damage sustained by him through the default of the defendant.

৫,৫৩৬.
প্রশ্নমালার উত্তর বা দলিল প্রকাশ ও নিরীক্ষণের আদেশ প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে-
  1. বিবাদী প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে তার আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল হবে
  2. বাদী প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে একতরফা নিষ্পত্তি হবে
  3. বাদী প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে মামলা খারিজ ও বিবাদীর ক্ষেত্রে একতরফা নিষ্পত্তি হবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
বিবাদী প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে তার আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে তার আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল হবে
ব্যাখ্যা
• যদি কোন পক্ষ যাকে মামলা সম্পর্কিত কোন বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দেয়ার (to answer Interrogatories) বা কোন দলিল প্রকাশ (discovery of documents) বা দলিল নিরীক্ষণের (inspection of documents) আদেশ দেয়া হয়েছে, যদি সে বাদী হয় এবং সে যদি উক্ত আদেশ পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত তার মামলা খারিজ (Dismissed the suit) করে দিবে এবং যদি সে বিবাদী হয় তাহলে তার আত্মপক্ষ সমর্থন (Right to defence) বাতিল করবে।

আদেশ-১১, বিধি-২১ (আদেশ অমান্যকরণ)-
যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রশ্নমালার উত্তর দানের বা দলিলসমূহের উদ্ঘাটন বা পরিদর্শনের জন্য কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তদক্ষেত্রে সে যদি বাদি হয় তবে পরিচালনার অভাবে তার মোকদ্দমা খারিজ হওয়ার জন্য সে দায়ী হবে, এবং যদি বিবাদি হয় তবে তার যদি কোন জবাব থাকে, উহা কর্তন হওয়ার নিমিত্তে সে দায়ী হবে এবং সে যেন আত্মপক্ষ সমর্থন করেনি এরূপ পরিস্থিতিতে স্থিত হবে এবং প্রশ্নকারী পক্ষ কিংবা উদঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী উক্ত মর্মে আদেশের জন্য আদালতে আবেদন করবে এবং তদনুযায়ী আদালত আদেশ প্রদান করতে পারবে

Rule 21: Non-compliance with order for discovery-
Where any party fails to comply with any order to answer interrogatories or for discovery or inspection of documents, he shall if a plaintiff be liable to have his suit dismissed for want of prosecution and if a defendant to have his defence, if any, struck out, and to be placed in the same position as if he had not defended, and the party interrogating or seeking discovery or inspection may apply to the Court for an order to that effect, and an order may be made accordingly.
৫,৫৩৭.
সাক্ষ্য আইনের ৬৫খ ধারা অনুসারে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য কোন তথ্য প্রাসঙ্গিক নয়?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য
  2. কম্পিউটার সঠিকভাবে কাজ করেছে
  3. তথ্য নিয়মিত কম্পিউটারে ইনপুট করা হয়েছে
  4. ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু মূল তথ্য থেকে তৈরি বা উদ্ধার করা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: ক) মৌখিক সাক্ষ্য।
- সাক্ষ্য আইনের ৬৫খ ধারার অধীনে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু প্রমাণ করতে যেসব শর্ত পূর্ণ করতে হয়, তার মধ্যে মৌখিক সাক্ষ্য প্রাসঙ্গিক নয়। ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য যা প্রাসঙ্গিক তা হলো:
- কম্পিউটার সঠিকভাবে কাজ করেছে
- তথ্য নিয়মিতভাবে কম্পিউটারে ইনপুট করা হয়েছে
- ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু মূল তথ্য থেকে তৈরি বা উদ্ধার করা হয়েছে
এখানে মৌখিক সাক্ষ্য কোনো প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে না, কারণ ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য কম্পিউটার ও তার সিস্টেমের নির্ভুলতা সম্পর্কিত তথ্যই গুরুত্বপূর্ণ।
৫,৫৩৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলা সম্পর্কিত কোন বিষয়টি বলা হয়েছে?
  1. ক্ষতিপূরণ দাবি করার অধিকার
  2. চুক্তি রদ করার অধিকার
  3. সম্পত্তি ফেরত পাওয়ার অধিকার
  4. আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির অধিকার ঘোষণা
সঠিক উত্তর:
আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির অধিকার ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির অধিকার ঘোষণা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি তার আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির উপর অধিকার অস্বীকার করা হয়, তাহলে সে ঘোষণামূলক মামলা (Declaratory Suit) দায়ের করতে পারে। এই মামলার মাধ্যমে আদালত ওই ব্যক্তির অধিকার বা আইনগত পরিচয় ঘোষণা করতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
- ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation - A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
৫,৫৩৯.
যখন মামলাকারী নিশ্চিত নয় যে কার কাছ থেকে প্রতিকার প্রাপ্য, তখন তিনি আদেশ ১ এর বিধি ৭ অনুসারে-
  1. মামলা দায়ের করতে পারবেন না
  2. মামলাটি স্থগিত রাখতে হবে
  3. আদালতের নির্দেশমতে যেকোনো একজন বিবাদীকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন
  4. একাধিক বিবাদীকে একত্রে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন
সঠিক উত্তর:
একাধিক বিবাদীকে একত্রে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক বিবাদীকে একত্রে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন
ব্যাখ্যা

আদেশ ১ এর বিধি ৭:
যখন মামলাকারী (plaintiff) নিশ্চিত নন যে, কার (কোন ব্যক্তির) কাছ থেকে তিনি প্রতিকার বা ক্ষতিপূরণ (redress) পাওয়ার অধিকারী, তখন তিনি দুই বা ততোধিক ব্যক্তিকে বিবাদী (defendant) হিসেবে একত্রে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন—যাতে আদালত সব পক্ষের মধ্যে নির্ধারণ করতে পারে, কোন বিবাদী দায়ী এবং কতটুকু পরিমাণে দায়ী।

সহজভাবে বললে,
যদি মামলাকারীর সন্দেহ থাকে যে কার বিরুদ্ধে মামলা করা উচিত, তাহলে তিনি একাধিক ব্যক্তিকে একসঙ্গে বিবাদী করতে পারেন, যাতে আদালত ঠিক করতে পারে কে দায়ী এবং কতটা দায়ী।

৫,৫৪০.
নিচের কোনটি সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২-এর আওতায় পড়ে না?
  1. মৃত্যুকালীন ঘোষণা
  2. সাক্ষীর জবানবন্দি
  3. উইলে করা বিবৃতি
  4. দৈনন্দিন কাজের রেকর্ড
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর জবানবন্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর জবানবন্দি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) সাক্ষীর জবানবন্দি।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২ অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অক্ষম হয়, তখন তার কিছু নির্দিষ্ট বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হতে পারে। এই ধারায় নিম্নলিখিত ৮টি পরিস্থিতি অন্তর্ভুক্ত:
১) মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration) — যখন ব্যক্তি মারা যাওয়ার পূর্বে কোনো ঘটনার সম্পর্কে মন্তব্য করেন।
২) ব্যবসার কার্যক্রমে বিবৃতি (statement made in course of business) — যখন কোনো ব্যক্তি তার ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে বিবৃতি দেন।
৩) স্বার্থবিরোধী বিবৃতি (statement against interest) — যে বিবৃতি ব্যক্তির নিজের স্বার্থের বিরুদ্ধে চলে।
৪) জনস্বার্থ বা প্রথা সংক্রান্ত বিবৃতি (opinion as to public right or custom) — যখন কোনো ব্যক্তি সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা সম্পর্কিত বিবৃতি দেন।
৫) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্পর্কিত বিবৃতি (relates to existence of relationship) — আত্মীয়তার অস্তিত্বের ব্যাপারে বিবৃতি।
৬) পারিবারিক দলিল বা উইলে করা বিবৃতি (statement made in will or deed relating to family affairs) — উইল বা পারিবারিক দলিলে করা বিবৃতি।
৭) লেনদেন সংক্রান্ত দলিলের বিবৃতি- "transaction mentioned in section 13, clause (a)"ধারা ১৩-এর (ক) অংশে উল্লেখিত লেনদেন সংক্রান্ত দলিলের বিবৃতি।
৮) কিছু ব্যক্তির প্রদত্ত বিবৃতি (statement made by several persons) — যখন একাধিক ব্যক্তি একটি বিশেষ বিষয় সম্পর্কে একই মতামত দেন।

- এছাড়া, "সাক্ষীর জবানবন্দি" সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২-এর আওতায় পড়ে না, কারণ এটি সাধারণত আদালতে সরাসরি সাক্ষী দ্বারা প্রদত্ত বিবৃতি যা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি জীবিত থাকে, এবং তা সাধারণত ক্রস-এক্সামিনেশন এর মাধ্যমে যাচাই করা হয়।

এজন্য, সঠিক উত্তর হল খ) সাক্ষীর জবানবন্দি।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question
৫,৫৪১.
সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ও প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া ___________ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকে, সেক্ষেত্রে  নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মোকদ্দমা করা যায়।
  1. ৫০০
  2. ১০০০
  3. ৫০০০
  4. ১০০০০
সঠিক উত্তর:
৫০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০০
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৩ বিধি-১: নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে:
আদালত কর্তৃক নিঃস্ব ঘোষিত হলে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মোকদ্দমা করা যায়। কোনো ব্যক্তি নিঃস্ব (Pauper) বলে গণ্য হবে যদি- মোকদ্দমা দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম হয় বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারিত নয় এবং সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ও তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকে।

৫,৫৪২.
নিচের কোনটি চোরাই মাল সংক্রান্ত বিধানে বর্ণিত অপরাধ নয়?
  1. প্রতারণা
  2. জোরপূর্বক আদায়
  3. চুরি
  4. দস্যুতা
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৪১০ অনুযায়ী, চোরাই মাল বলতে সেই সকল সম্পত্তিকে বুঝায় যা চুরি, জোরপূর্বক আদায়, দস্যুতা, অপরাধমূলক আত্মসাৎ বা বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে অর্জিত হয়। তবে প্রতারণা (Fraud) চোরাই মাল সংক্রান্ত বিধানে অন্তর্ভুক্ত নয়।
প্রতারণা দ্বারা অর্জিত সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হয় না, কারণ এটি একটি আলাদা ধরনের অপরাধ, যেখানে প্রতারণার মাধ্যমে কোনো কিছু অর্জন করা হয়, তবে তা চুরি বা দস্যুতার মাধ্যমে পাওয়া নয়।
অন্যদিকে, চুরি, জোরপূর্বক আদায়, দস্যুতা বা বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি চোরাই মাল হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারামতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-
ক) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
খ) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
গ) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং
ঘ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।
⇒ উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
------------
⇒The Penal Code, 1860- Section 410: Stolen property:
- Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.
৫,৫৪৩.
দণ্ডবিধির কত ধারায় দস্যুতার শাস্তির বিধান আছে?
  1. দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারামতে দস্যুতার শাস্তি (Punishment for robbery)- অনধিক ১০ বৎসর 'সশ্রম' কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। তবে দস্যুতার অপরাধ সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় সংঘটিত হলে দস্যুতার শাস্তি ১৪ বৎসর পর্যন্ত 'সশ্রম' কারাদণ্ড হতে পারে।
 
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার বিধান দস্যুতার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।

⇒ Section 392. Punishment for robbery:- Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.
৫,৫৪৪.
Res Sub-Judice নীতি প্রয়োগ করলে পরবর্তী মোকদ্দমার কী হয়?
  1. খারিজ করা হবে
  2. আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে
  3. কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে
  4. পূর্ববর্তী মামলার কার্যক্রম স্থগিত করা হবে
সঠিক উত্তর:
কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারা মোতাবেক কোনো একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদের মধ্যে পূর্বেই একটি মোকদ্দমা চলমান থাকলেল পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমাটির কার্যক্রম স্থগিত করার বিধান রয়েছে।
- ধারা ১০ অনুযায়ী মামলা স্থগিত রাখাবে। এই ধারায় বলা আছে যে, কোন আদালত এমন কোন মামলার বিচার চালিয়ে যাবেন না, যার বিচার বিষয়বস্তু প্রত্যক্ষভাবে এবং মূলত পূর্বে দায়েরকৃত অপর একটি মামলাও বিচার্য বিষয়, তা একই পক্ষগণের মধ্যে অথবা এমন পক্ষগণের মধ্যে যাদের অধীনে তারা বা তাদের মধ্যে কোন একজনের সূত্রে পরবর্তী মামলার পক্ষগণ বা পক্ষগণের মধ্যে কোন একজন স্বত্ব দাবি করেন, যেখানে এরূপ মামলা একই অথবা বাংলাদেশের অন্য কোন আদালতে বিচারাধীন আছে, যে আদালতের প্রার্থীত প্রতিকার মঞ্জুর করার এখতিয়ার আছে অথবা বাংলাদেশের বাইরে সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বা চলতি কোন আদালত যার এরূপ এখতিয়ার আছে, অথবা সুপ্রীমকোটে বিচারাধীন কোন মামলা।
ব্যাখ্যা: কোন বিদেশি আদালতে দায়েরকৃত মামলা যদি বাংলাদেশের কোন আদালতে দায়েরকৃত মামলার সাথে একই কারণযুক্ত হয়, তবুও ইহা বাংলাদেশের আদালতে উক্ত মামলা বিচারে বাধা হবে না।
- ১০ ধারার অধীন আদালত পরবর্তী মোকদ্দমাটি খারিজ করতে পারে না বরং বিচার স্থগিতের আদেশ দিতে পারে।
⇒ এই Doctrine বা নীতিটি Res-Subjudice নামে পরিচিত। এই Doctrine প্রয়োগ করার শর্তসমূহ হলো:
১- প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই বিচার্য বিষয়ে দুটি মোকদ্দমা থাকতে হবে।
২-উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হবে।
৩-পূর্ববর্তী মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকবে
৪- উক্ত মোকদ্দমার দাবিকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার আদালতে থাকতে হবে।
৫- উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্বের জন্য মোকদ্দমা করেছে।

⇒ এই নীতিটি প্রয়োগ করতে আদালত বাধ্য।
- বিদেশি আদালতে বিচারাধীন কোন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে Res-Subjudice নীতি প্রযোজ্য হবে না ।
- যে মামলাটি প্রথমে দায়ের করা হয়েছে তা চলমান থাকবে এবং দ্বিতীয় মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে। খারিজ হবে না। বা ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত ১৫১ ধারা প্রয়োগ করে ১ম মামলাটি স্থগিত রাখার আদেশ দিতে পারেন।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-10. Stay of suit:
No Court shall proceed with the trial of any suit in which the matter in issue is also directly and substantially in issue in a previously instituted suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title where such suit is pending in the same or any other Court in Bangladesh having jurisdiction to grant the relief claimed, or in any Court beyond the limits of Bangladesh established or continued by the Government and having like jurisdiction, or before the Supreme Court. 
Explanation. -The pendency of a suit in a foreign Court does not preclude the Court in Bangladesh from trying a suit founded on the same cause of action.
৫,৫৪৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির ২৪ আদেশে কতটি বিধি আছে?
  1. ৪ টি
  2. ৮টি
  3. ১২টি
  4. ১৬টি
সঠিক উত্তর:
৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি-১৯০৮ সালের ৫নং আইন, প্রকাশিত হয়-১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী, এটি মুল ও পদ্ধতিগত আইনের মিশ্রন। ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধি আইনটি ১১টি ভাগে (Part) বিভক্ত এবং এতে মোট ১৫৮টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধিতে ১৫৮টি ধারার পাশাপাশি ৫১টি আদেশ (Order) রয়েছে।  ধারা সংশোধন করে জাতীয় সংসদ, বিধি সংশোধন করতে পারে সুপ্রিম কোট।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ এর বিধান হলো আদালতে জমা প্রদান। এই আদেশের মোট ৪টি বিধি রয়েছে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪  বিধি-১ এর বিধান দাবী মিটানোর জন্য বিবাদি কর্তৃক টাকা আদালতের জমা দেয়া। ঋণ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদি মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তার বিবেচনা মত দাবীর সম্পূর্ণ মিটানোর অনুরূপ পরিমাণ অর্থ আদালত জমা প্রদান করতে পারে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪  বিধি-২ এর বিধান জমা প্রদানের নোটিশ। আদালতে টাকা জমা দেয়ার বিষয়ে বিবাদি কর্তৃক বাদি বরাবর আদালতের মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করতে হবে এবং বাদির আবেদনক্রমে উক্ত জমা দেয়া টাকা (আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে) বাদিকে পরিশোধ করা হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪  বিধি-৩ এর বিধান নোটিশের পর বাদিকে জমার উপর সুদ নামঞ্জুর। বিবাদির জমা দেয়া টাকা দ্বারা দাবীর পূরণ হোক কিংবা কম হোক, অনুরূপ নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে বাদিকে উক্ত জমাকৃত টাকার উপর কোন সুদ মঞ্জুর করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ বিধি ৪ এর বিধান আংশিক পরিতুষ্টি হিসাবে বাদি জমা টাকা গ্রহণ করলে পদ্ধতি এবং সম্পূর্ণ পরিতুষ্টি হিসাবে বাদি জমা টাকা গ্রহণ করলে পদ্ধতি।
৫,৫৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, আনুষ্ঠানিক প্রকৃতির সাক্ষ্য এফিডেভিট আকারে দেওয়া যেতে পারে?
  1. ধারা ৫০৯
  2. ধারা ৫১০
  3. ধারা ৫১০ক
  4. ধারা ৫১১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১০ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১০ক
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫১০ক এর অধীনে বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তির সাক্ষ্য আনুষ্ঠানিক প্রকৃতির (formal character) হয়, তবে তা শপথপত্র (Affidavit) আকারে দেওয়া যেতে পারে। এই শপথপত্রটি, সকল ন্যায়সঙ্গত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে, কোনো তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে প্রমাণ হিসেবে পড়া যায়। এছাড়াও, ধারা ৫১০ক(২) অনুসারে, আদালত যদি উপযুক্ত মনে করে বা প্রসিকিউশন বা অভিযুক্তের আবেদনের ভিত্তিতে, শপথপত্রে উল্লিখিত তথ্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সমন করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।
অতএব, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১০ক এ বলা হয়েছে যে আনুষ্ঠানিক প্রকৃতির সাক্ষ্য শপথপত্র আকারে দেওয়া যেতে পারে।
---------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 510A. Evidence of formal character on Affidavit:
(1) The evidence of any person whose evidence is of a formal character may be given by affidavit and may, subject to all just exceptions, be read in evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code.
(2) The Court may, if it thinks fit, and shall, on the application of the prosecution or the accused, summon and examine any such person as to the facts contained in his affidavit.

৫,৫৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯২ ধারায় যদি মামলা হস্তান্তরিত হয় এবং হস্তান্তরকারী ম্যাজিস্ট্রেট বাদীর এবং সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে থাকেন, তাহলে পরবর্তী ম্যাজিস্ট্রেট-
  1. সাক্ষীর পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণ করতে বাধ্য
  2. বাদীর পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণ করতে বাধ্য
  3. বাদী বা সাক্ষী কারো পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণে বাধ্য নয়
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
বাদী বা সাক্ষী কারো পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণে বাধ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী বা সাক্ষী কারো পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণে বাধ্য নয়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারার বিধান বাদীর জবানবন্দি:
নালিশের প্রেক্ষিতে অপরাধ আমলে গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট যত দ্রুত সম্ভব বাদীর এবং উপস্থিত যদি থাকে, সাক্ষীবৃন্দের মধ্যে যে কয়জনকে সঠিকরূপে গণ্য করেন তাহাদের শপথ গ্রহণ করে জবানবন্দি গ্রহণ করবেন এবং জবানবন্দির সারবস্তু নথিবদ্ধ করবেন এবং বাদী বা যে-সব সাক্ষীর জবানবন্দি গৃহীত হয়েছে, তারা ও ম্যাজিস্ট্রেট তাতে সই করবেন:
(ক) লিখিত নালিশ দায়ের করা হলে ধারা-১৯২ এর বিধানমতে মামলাটি হস্তান্তরের পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্তভাবে জবানবন্দি গ্রহণের দরকার নেই;

(কক) যখন লিখিত নালিশ দায়ের করা হয় এবং আদালত বা সরকারি কর্মচারী তাঁদের সরকারি কাজে কর্তব্যরত অবস্থায় বা সরকারি হিসাবে কথিত কর্তব্য সম্পাদনের সময় এই নালিশ দায়ের করেন, সেক্ষেত্রে বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের দরকার নেই।

(গ) যখন ধারা-১৯২ এর বিধান মতে মামলা হস্তান্তরের করা হয় এবং হস্তান্তরকারী ম্যাজিস্ট্রেট আগেই বাদীর ও সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে যে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর মামলা হস্তান্তরিত হয়, তিনি পুনরায় তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করতে বাধ্য হবেন না।
৫,৫৪৮.
চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ মামলার তামাদির মেয়াদ-
  1. চুক্তি লিখিত এবং অনিবন্ধিত হলে ১ বছর
  2. চুক্তি লিখিত এবং নিবন্ধিত না হলে ৩ বছর
  3. চুক্তি লিখিত এবং নিবন্ধিত হলে ৬ বছর
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ১১৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
চুক্তি লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত না হলে, চুক্তিভঙ্গের ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর এবং

অনুচ্ছেদ ১১৬ অনুযায়ী-
চুক্তি লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত হলে, উক্ত চুক্তিভঙ্গের ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ ৬ বছর হবে।

অপরদিকে,
অনুচ্ছেদ ১১৩ এবং ১১৪ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট চুক্তি প্রবলের মামলা এবং চুক্তি প্রত্যাহার/রদের মামলা তামাদির মেয়াদ ১ বছর।
৫,৫৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দোভাষী সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ৫৪৪ ধারা
  2. ৫৪৩ ধারা
  3. ৫৪০ক ধারা
  4. ৫৪১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৪৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪৩-এ দোভাষী (Interpreter) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যখন কোনো ক্রিমিনাল কোর্টে সাক্ষ্য বা বক্তব্য অনুবাদের জন্য দোভাষীর প্রয়োজন হয়, তখন দোভাষী বাধ্য থাকবেন:
- উক্ত সাক্ষ্য বা বিবৃতির সত্য ও সঠিক অনুবাদ আদালতের সামনে উপস্থাপন করতে, এবং কোনোভাবেই বক্তব্য বিকৃত বা পরিবর্তন না করতে।
- এটি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, বিশেষ করে যখন কোনো সাক্ষী বা অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতের ভাষা বুঝতে অক্ষম হন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩ অনুযায়ী, যখন কোনো ক্রিমিনাল কোর্টে দোভাষী (Interpreter) প্রয়োজন হয়, তার প্রধান দায়িত্ব হল সঠিকভাবে সাক্ষ্য বা বক্তব্যের অনুবাদ প্রদান করা, এবং এই অনুবাদটি সত্যানুগ হতে হবে। দোভাষীকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে, তিনি যে কোনো সাক্ষ্য বা বিবৃতি সঠিকভাবে, এবং কোনোরূপ বিকৃতি বা পরিবর্তন ছাড়াই অনুবাদ করবেন।
------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 543. Interpreter to be bound to interpret truthfully:
 When the services of an interpreter are required by any Criminal Court for the interpretation of any evidence or statement, he shall be bound to state the true interpretation of such evidence or statement.
৫,৫৫০.
গর্ভপাতের জন্য দণ্ডবিধির ৩১২ এবং ৩১৩ ধারার মধ্যে মূল পার্থক্য কী?
  1. ৩১২ ধারায় শুধু জরিমানা আছে, ৩১৩ ধারায় কারাদণ্ড আছে।
  2. ৩১২ ধারায় শাস্তি কঠোর, ৩১৩ ধারায় শাস্তি তুলনামূলকভাবে কম।
  3. ৩১২ ধারায় নারীর সম্মতি থাকতে পারে, ৩১৩ ধারায় নারীর সম্মতি ব্যতীত কাজ করা হয়।
  4. ৩১২ ধারা শুধুমাত্র 'দ্রুতগর্ভবতী' নারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, ৩১৩ ধারা সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
সঠিক উত্তর:
৩১২ ধারায় নারীর সম্মতি থাকতে পারে, ৩১৩ ধারায় নারীর সম্মতি ব্যতীত কাজ করা হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১২ ধারায় নারীর সম্মতি থাকতে পারে, ৩১৩ ধারায় নারীর সম্মতি ব্যতীত কাজ করা হয়।
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩১২ ও ৩১৩ ধারার মূল পার্থক্য হলো—
- ধারা ৩১২ – স্বেচ্ছায় গর্ভপাত ঘটানো (Voluntarily causing miscarriage):
এখানে গর্ভবতী নারীর সম্মতি থাকতে পারে বা নাও থাকতে পারে, তবে অপরাধটি সাধারণভাবে গর্ভপাত ঘটানোর জন্য প্রযোজ্য। শাস্তি – ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয়।
- ধারা ৩১৩ – নারীর সম্মতি ব্যতীত গর্ভপাত ঘটানো (Causing miscarriage without woman’s consent):
এখানে নারীর সম্মতি ছাড়াই জোরপূর্বক বা প্রতারণার মাধ্যমে গর্ভপাত ঘটানো হয়। শাস্তি – যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা।

- মূল পার্থক্য হলো ৩১৩ ধারা নারীর সম্মতি ব্যতীত গর্ভপাতের জন্য কঠোর শাস্তি নির্ধারণ করে, যেখানে ৩১২ ধারা মূলত স্বেচ্ছায় গর্ভপাতের জন্য প্রযোজ্য। অর্থাৎ ৩১২ ধারা মূলত গর্ভবতী নারীর সম্মতি থাকতে পারে বা নাও থাকতে পারে। 
- সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) ৩১২ ধারায় নারীর সম্মতি থাকতে পারে, ৩১৩ ধারায় নারীর সম্মতি ব্যতীত কাজ করা হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১২ ধারা- গর্ভপাত করান:
কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে গর্ভবতী স্ত্রীলোকের গর্ভপাত করায়, এবং যদি সে গর্ভপাত সরল বিশ্বাসে উক্ত স্ত্রীলোকের জীবন বাঁচাবার উদ্দেশ্যে না করা হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; এবং যদি স্ত্রীলোকটি শিশুর বিচরণ অনুভব করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা: যে স্ত্রীলোক নিজেই নিজের অকাল গর্ভপাত করায়, সে স্ত্রীলোকও এই ধারার অর্থের অন্তর্ভুক্ত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারার বিধান- স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করণ:
কোন ব্যক্তি যদি পূর্ববর্তী ধারায় বর্ণিত অপরাধটি সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া সম্পাদন করে স্ত্রীলোকটি আসন্ন প্রসবা হোক বা না হোক- তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

৫,৫৫১.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের প্রথম বিভাগে কী বিষয়ে তামাদির সময়সীমা অন্তর্ভুক্ত?
  1. আপিল দায়ের
  2. দরখাস্ত দায়ের
  3. মামলা দায়ের
  4. রিভিশন দায়ের
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়ের
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের প্রথম বিভাগ (First Division of the First Schedule of the Limitation Act, 1908) মূলত "Suit" বা "মামলা দায়ের" সংক্রান্ত বিষয়াদি নির্ধারণ করে।
-এই বভাগে বলা হয়েছে বিভিন্ন প্রকার মামলার জন্য তামাদির নির্দিষ্ট সময়সীমা (Limitation Period) কত হবে এবং কারণ সৃষ্টি হওয়ার (cause of action) কোন তারিখ থেকে সময় গণনা শুরু হবে।

⇒ প্রথম তফসিলের গঠন:
তামাদি আইনের প্রথম তফসিল তিনটি বিভাগে বিভক্ত:
⇒ প্রথম বিভাগ – Suit (মামলা দায়ের)
- বিভিন্ন ধরনের দেওয়ানি মামলার জন্য সময়সীমা ও তার শুরুর দিন কী হবে, তা নির্ধারণ করা হয়েছে।
⇒ দ্বিতীয় বিভাগ – Appeals (আপিল দায়ের)
- বিভিন্ন আদালতে আপিল করার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা।
⇒ তৃতীয় বিভাগ – Applications (দরখাস্ত দায়ের)
- বিভিন্ন প্রকার দরখাস্ত, যেমনঃ রিভিশন, রিভিউ ইত্যাদির জন্য সময়সীমা।
৫,৫৫২.
ওজনের জন্য মিথ্যা যন্ত্রের ব্যবহারের সর্বোচ্চ শাস্তি কি হবে?
  1. অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ড
  4. অনধিক ৩ মাসের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির  ২৬৪ ধারায় ওজনের জন্য মিথ্যা যন্ত্রের ব্যবহারের শাস্তি বিধান হিসেবে অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডের উল্লেখ আছে।

♦ দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারার বিধান ওজনের জন্য প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা যন্ত্র ব্যবহার করা:- কোন ব্যক্তি যদি প্রতারণামূলকভাবে ওজনের জন্য এমন কোন যন্ত্র ব্যবহার করে, যা মিথ্যা বলে সে জানে, তবে-সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
---------------------
♦ Section 264. Fraudulent use of false instrument for weighing:- Whoever fraudulently uses any instrument for weighing which he knows to be false, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

♦ দণ্ডবিধির ২৬৫ ধারার বিধান প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা ওজন কিংবা মাপ ব্যবহার করা:- কোন ব্যক্তি যদি প্রতারণামূলকভাবে কোন মিথ্যা ওজন কিংবা দৈর্ঘ্যের বা ধারণশক্তির মাপ ব্যবহার করে, অথবা প্রতারণামূলকভাবে কোন ওজনকে কিংবা দৈর্ঘ্যের বা ধারণশক্তির মাপকে উহা অপেক্ষা ভিন্ন ওজন কিংবা দৈর্ঘ্য বা ধারণশক্তির মাপ হিসেবে ব্যবহার করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৫,৫৫৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারা অনুসারে, যদি বিক্রেতা বিক্রয় বা ইজারা দেওয়ার পর সম্পত্তিতে কোন স্বত্ব অর্জন করে, তাহলে ক্রেতা কী করতে পারে?
  1. চুক্তি বাতিল করতে পারে
  2. বিক্রেতাকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে
  3. বিক্রেতার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করতে পারে
  4. বিক্রেতাকে উক্ত স্বত্ব অনুযায়ী চুক্তি সম্পাদনে বাধ্য করতে পারে
সঠিক উত্তর:
বিক্রেতাকে উক্ত স্বত্ব অনুযায়ী চুক্তি সম্পাদনে বাধ্য করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রেতাকে উক্ত স্বত্ব অনুযায়ী চুক্তি সম্পাদনে বাধ্য করতে পারে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার বিধান: ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বসম্পন্ন বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার অধিকার:
- যেখানে এক ব্যক্তি এমন নির্দিষ্ট সম্পত্তি বিক্রয় বা ভাড়া প্রদানের চুক্তিতে আবদ্ধ হয়, যাতে তার শুধুমাত্র ত্রুটিপূর্ণ স্বত্ব রয়েছে, সেখানে ক্রেতা বা ইজারাদারের (যদি না এই অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধান প্রদান করা হয়) নিম্নোক্ত অধিকার রয়েছে:
(ক) যদি বিক্রেতা অথবা ইজারাদাতা বিক্রয় বা ইজারা প্রদানের পরপরই সম্পত্তিতে কোন স্বত্ব অর্জন করে, তবে ক্রেতা বা ইজারাদার তাকে তেমন স্বত্বের জন্য চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারে;
(খ) যেখানে স্বত্ব বৈধ করার জন্য অন্যান্য ব্যক্তিদের সম্মতি প্রয়োজন হয় এবং তারা বিক্রেতা বা ইজারাদাতার অনুরোধে তা করতে বাধ্য, সেখানে ক্রেতা বা ইজারাদার তাকে তেমন সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারে;
(গ) যেখানে বিক্রেতা দায়হীন সম্পত্তি বিক্রয়ের কথা প্রকাশ্যে ব্যক্ত করে কিন্তু বাস্তবে সম্পত্তি এমন পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে বন্ধক রাখা হয়েছে যা ক্রয়মূল্যকে অতিক্রম করে না এবং কার্যত বিক্রেতার শুধু তা মুক্ত রাখার অধিকার রয়েছে সেখানে ক্রেতা তাকে তা বন্ধকমুক্ত করতে এবং বন্ধকগ্রহীতার নিকট হতে হস্তান্তর অর্জন করতে বাধ্য করতে পারে;
(ঘ) যেখানে বিক্রেতা বা ইজারাদাতা চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করে এবং মামলা তার ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বের অজুহাতে খারিজ হয়ে যায়, সেখানে প্রতিবাদীর অধিকার রয়েছে, সুদসহ জমাকৃত অর্থ (যদি জমা করে থাকে) এবং মামলার খরচ ফেরত পাবার এবং তেমন জমাকৃত অর্থ সুদ ও খরচের জন্য বিক্রেতা বা ইজারাদার যে জমি বিক্রয় বা ইজারা দিতে সম্মত তাতে বিক্রেতা বা ইজারাদাতার স্বত্বের উপর পূর্বস্বত্ব অধিকার থাকবে।
-------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 18. Purchaser's rights against vendor with imperfect title:
Where a person contracts to sell or let certain property, having only an imperfect title thereto, the purchaser or lessee (except as otherwise provide by this Chapter) has the following rights:- 
(a) if the vendor or lessor has subsequently to the sale or lease acquired any interest in the property, the purchaser or lessee may compel him to make good the contract out of such interest; 
(b) where the concurrence of other persons is necessary to validate the title, and they are bound to convey at the vendor's or lessor's request, the purchaser or lessee may compel him to procure such concurrence; 
(c) where the vendor professes to sell unincumbered property, but the property is mortgaged for an amount not exceeding the purchase-money, and the vendor has in fact only a right to redeem it, the purchaser may compel him to redeem the mortgage and to obtain a conveyance from the mortgagee ; 
(d) where the vendor or lessor sues for specific performance of the contract, and the suit is dismissed on the ground of his imperfect title, the defendant has a right to a return of his deposit (if any) with interest thereon, to his costs of the suit, and to a lien for such deposit, interest and costs on the interest of the vendor or lessor in the property agreed to be sold or let.

৫,৫৫৪.
দণ্ডবিধিতে মোট কয়টি অধ্যায় আছে?
  1. ১৮ টি
  2. ২১ টি
  3. ২৩ টি
  4. ২৫ টি
সঠিক উত্তর:
২৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ টি
ব্যাখ্যা
⇒দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।
-গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম:
দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ,
তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি,
চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ,
পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা,
পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র,
ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ,
নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ,
নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ,
ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ,
সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,
বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ,
একবিংশ অধ্যায়: মানহানি,
ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ।
৫,৫৫৫.
যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারে-
  1. নিয়ন্ত্রককে
  2. প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে
  3. যে ব্যক্তির স্বাক্ষর তাকে
  4. উল্লিখিত যে কোন একজনকে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যে কোন একজনকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যে কোন একজনকে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-
(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,
(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।
ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।
-------------------
⇒ The Evidence Act,1872: Section  73A: Proof as to verification of digital signature:
  In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.
Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
৫,৫৫৬.
সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায় নিচের কোনটির সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. প্রমাণিত (proved)
  2. মিথ্যা প্রমাণিত (disproved)
  3. অপ্রমাণিত (not to be proved)
  4. 'ক' 'খ' ও 'গ' সবগুলো
সঠিক উত্তর:
'ক' 'খ' ও 'গ' সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' 'খ' ও 'গ' সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায় কতিপয় শব্দের ব্যাখ্যা রয়েছে যার, ঐ গুলাতে প্রমাণিত (proved), মিথ্যা প্রমাণিত (disproved) এবং অপ্রমাণিত (not to be proved) এর সংজ্ঞা রয়েছে।
⇒ প্রমাণিত (proved): কোন ঘটনা তখনই প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘাটনাটির অস্তিত্ব আছে বলে হয় বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্ব এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব অনুমান করতে পারেন। 
⇒ মিথ্যা প্রমানিত (disproved): কোন ঘটনা তখনই মিথ্যা প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘটনাটির অস্তিত্ব নেই বলে বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্বহীনতা এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব নেই বলে অনুমান করতে পারেন।
⇒ অপ্রমাণিত (not to be proved): কোন ঘটনা তখনই অপ্রমাণিত বলা হয় যখন তা প্রমাণিত বা মিথ্যা প্রমাণিত কোনটিই হয় না। (A fact is said not to be proved when it is neither proved nor disproved).
----------------
The Evidence Act,1872: Section 3- Interpretation-clause:
⇒ A fact is said to be proved when, after considering the matters before it, the Court either believes it to exist, or considers its existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it exists.
⇒ A fact is said to be disproved when, after considering the matters before it, the Court either believes that it does not exist, or considers its non-existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it does not exist.
⇒ A fact is said not to be proved when it is neither proved nor disproved.
৫,৫৫৭.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ১৫ অনুযায়ী পক্ষগণের মধ্যে কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে প্রথম শুনানীর দিন মামলা?
  1. মামলা স্থগিত
  2. রায় ঘোষণা
  3. খারিজ
  4. ক ও গ উভয়
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির  আদেশ ১৫ বিধি-১ অনুযায়ী মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় আদালত মোকদ্দমা নিষ্পত্তি বা রায় ঘোষণা করতে পারেন,
⇒ যদি দেখেন যে পক্ষগণের মধ্যে ঘটনা বা আইন বিষয়ক কোন বিরোধ নেই (Parties not at issue)।
⇒ অর্থাৎ পক্ষগণের মধ্যে যদি কোন বিচার্য্য বিষয় না থাকে তাহলে আদালত ১ম শুনানীর দিন রায় ঘোষণা দিতে পারেন। 
⇒ তবে বিধি ২ অনুযায়ী কতিপয় বিবাদীর মধ্যে যদি ১ জন সম্পর্কে কোন বিচার্য্য বিষয় না থাকে তাহলে ঐ বিবাদী পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষনা করে অন্যান্য বিবাদীগণের বিরুদ্ধে মামলা চলবে।
৫,৫৫৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৮৭ অনুসারে পলাতক ব্যক্তির জন্য আদালত কর্তৃক জারি করা হুলিয়ায় সময়সীমা সর্বনিম্ন কত দিন হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৪৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৮৭ অনুযায়ী, যখন আদালত মনে করে যে কোনো ব্যক্তি পলাতক হয়েছে বা আত্মগোপন করছে যার কারণে তার বিরুদ্ধে ইস্যু করা পরোয়ানা কার্যকর করা সম্ভব হচ্ছে না, তখন সেই ব্যক্তির জন্য একটি হুলিয়া (প্রকৃতির বিজ্ঞপ্তি) জারি করা হয়।
এই হুলিয়ায় তাকে একটি নির্দিষ্ট স্থানে এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। এই সময়সীমা সর্বনিম্ন ৩০ দিন হতে হবে, যাতে পলাতক ব্যক্তি পর্যাপ্ত সময় পায় হাজির হতে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ ধারার বিধান (১) যদি কোন আদালতের এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে (সাক্ষ্য গ্রহণ করার পরে অথবা পূর্বে) যে, উক্ত আদালত যার বিরুদ্ধে পরোয়ানা প্রদান করেছেন সেই ব্যক্তি পলাতক হয়েছে অথবা পরোয়ানা কার্যকর না হতে পারে সেজন্য আত্মগোপন করছে, তাহলে উক্ত আদালত তাকে একটি নিদিষ্ট স্থানে এবং হুলিয়া জারীর তারিখ হতে ত্রিশ দিনের কম নহে, এমন নির্দিষ্ট সময়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত হুলিয়া জারি করতে পারবেন।
(২) হুলিয়া নিম্নলিখিতভাবে জারি করতে হবে:
ক) উক্ত ব্যক্তি সাধারণত যেখানে বাস করে সেই শহরে অথবা গ্রামের প্রকাশ্য স্থানে উহা প্রকাশ্যভাবে পাঠ করতে হবে;
খ) উক্ত ব্যক্তি সাধারণত যেখানে বাস করে, সেই বাড়ি অথবা বস্তু অথবা শহর অথবা গ্রামের প্রকাশ্য স্থানে উহা লটকায়ে দিতে হবে; এবং
গ) উহার একটি কপি আদালত ভবনের প্রকাশ্য স্থানে লটকায়ে দিতে হবে।
(৩) হুলিয়া প্রদানকারী আদালত যদি এই মর্মে একটি লিখিত বিবৃতি দেন যে, হুলিয়া একটি নির্দিষ্ট দিনে যথাযথভাবে জারি হয়েছে তাহলো উহা চূড়ান্ত সাক্ষ্য হবে যে, এই ধারার নির্দেশ সম্বলিত হিসাবে এবং উক্ত দিনে হুলিয়া প্রকাশিত হয়েছে।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 87. Proclamation for person absconding:
(1) If any Court has reason to believe (whether after taking evidence or not) that any person against whom a warrant has been issued by it has absconded or is concealing himself so that such warrant cannot be executed, such Court may publish a written proclamation requiring him to appear at a specified place and at a specified time not less than thirty days from the date of publishing such proclamation.
(2) The proclamation shall be published as follows:- 
(a) it shall be publicly read in some conspicuous place of the town or village in which such person ordinarily resides; 
(b) it shall be affixed to some conspicuous part of the house or homestead in which such person ordinarily resides or to some conspicuous place of such town or village; and 
(c) a copy thereof shall be affixed to some conspicuous part of the Court-house. 
(3) A statement in writing by the Court issuing the proclamation to the effect that the proclamation was duly published on a specified day shall be conclusive evidence that the requirements of this section have been complied with, and that the proclamation was published on such day.
৫,৫৫৯.
ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণের ক্ষেত্রে আদালত নিম্নের কাকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারে?
  1. প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে
  2. নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষকে
  3. যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ:
যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-
(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,
(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।
 
ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।
 
Section  73A⇒ Proof as to verification of digital signature:
In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.
 
Explanation- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
৫,৫৬০.
জরুরি পরিস্থিতিতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার আদেশ কেমনভাবে দেয়া যায়?
  1. আদালতে শুনানি শেষে
  2. একতরফাভাবে
  3. উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে
  4. প্রতীকী আদেশ হিসেবে
সঠিক উত্তর:
একতরফাভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একতরফাভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা বিধান-
(১) যে সকল ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা এই ধারার অধীন কাজ করার জন্য সরকার বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের (তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট নহেন) মতে, এই ধারার অধীন অগ্রসর হবার মত যথেষ্ট কারণ রয়েছে এবং আশু বা দ্রুত প্রতিকার বাঞ্ছনীয়, সেই সকল ক্ষেত্রে এরূপ ম্যাজিষ্ট্রেট লিখিত আদেশে ঘটনার মূল বিষয় বস্তু বর্ণনা করে এবং ইহা ১৩৪ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে জারী করে যে কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট কাজ করা হতে বিরত থাকার অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি তার দখলে কিংবা তার ব্যবস্থাধীনে নিবার নির্দেশ দিতে পারবেন, যদি উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট বিবেচনা করেন যে, তার নির্দেশে আইন সংগতভাবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতি, অথবা বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির ঝুঁকি, অথবা মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিশদ অথবা জনশান্তির বিরক্তি বা দাঙ্গা বা মারামারি নিরোধের সম্ভাবনা আছে কিংবা নিরোধে সহায়তা করবে।

(২) জরুরী পরিস্থিতিতে অথবা যার উপর আদেশ দেয়া হচ্ছে সময় মত তার উপর নোটিশ জারী করার মত পরিস্থিতি নাই, সেই সকল ক্ষেত্রে এই ধারার আদেশ একতরফাভাবে প্রদান করা যাবে।

(৩) এই ধারার আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা কোন বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশিত হতে পারবে।

(৪) যে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বা কোন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন ক্রমে এই ধারানুসারে তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিষ্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন।

(৫) এরূপ কোন আবেদনপত্র পাওয়া গেলে ম্যাজিষ্ট্রেট আবেদনকারীকে শীঘ্র ব্যক্তিগতভাবে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার নিকট হাজির হবার এবং আদেশের বিরুদ্ধে কারণ দর্শাইবার সুযোগ দিবেন, এবং ম্যাজিষ্ট্রেট যদি আবেদন সম্পূর্ণরূপে বা আংশিক বাতিল করেন তাহলে তিনি লিখিতভাবে এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৬) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ, অথবা দাঙ্গা বা মারামারির আশংকার ক্ষেত্রে সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে এই ধারানুসারে প্রদত্ত কোন আদেশ দুই মাসের অধিককাল বলবৎ থাকবে না।

(৭) এই ধারার বিধানসমূহ মহানগরী এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।
৫,৫৬১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় 'Negative Injunction' এর বিধান আছে?
  1. ৫২
  2. ৫৩
  3. ৫৬
  4. ৫৭
সঠিক উত্তর:
৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারামতে চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য আদালত যে নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করে তাকে Negative Injunction বলে।

- নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা (Injunction to perform negative agreement)-
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারামতে আদালত চুক্তির ইতিবাচক অংশ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার আদেশ দিতে না পারলেও, চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিতে পারবেন।

যেমন- A, B এর সাথে এই মর্মে চুক্তি করে যে, সে ১২ মাসের জন্য B এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং এই সময়ে সে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন করবে না। এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার জন্য B ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী নয়, কিন্তু A যেন এই সময়ে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন না করতে পারে বা তাকে গান গাওয়া হতে বিরত রাখতে B নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
--------------------------------
SR Act Section-57. Injunction to perform negative agreement:
Notwithstanding section 56, clause (f), where a contract comprises an affirmative agreement to do a certain act, coupled with a negative agreement, express or implied, not to do a certain act, the circumstance that the Court is unable to compel specific performance of the affirmative agreement shall not preclude it from granting an injunction to perform the negative agreement: provided that the applicant has not failed to perform the contract so far as it is binding on him.

Illustrations:
(a) A contracts to sell to B for taka 1,000 the good-will of a certain business unconnected with business-premises, and further agrees not to carry on that business in Chittagong. B pays A the taka 1,000 but A carries on the business in Chittagong. The Court cannot compel A to send his customers to B, but B may obtain an injunction restraining A from carrying on the business in Chittagong.
(b) A contracts to sell to B the good-will of a business. A then sets up similar business close by B's shop and solicits his old-customers to deal with him. This is contrary to his implied contract, and B may obtain an injunction to restrain A from soliciting the customers, and from doing any act whereby their good-will may be withdrawn from B.

(c) A contracts with B to sing for twelve months as B's theatre and not to sing in public elsewhere, B cannot obtain specific performance of the contract to sing, but he is entitled to an injunction restraining A from singing at any other place of public entertainment.

(d) B contracts with A that he will serve him faithfully for twelve months as a clerk. A is not entitled to a decree for specific performance of the contract. But he is entitled to an injunction restraining B from serving a rival house as clerk.
(e) A contracts with B that, in consideration of taka 1,000 to be paid to him by B on a day fixed, he will not set up a certain business within a specified distance. B fails to pay the money. A cannot be restrained from carrying on the business within the specified distance.
৫,৫৬২.
তামাদি আইনের ২১ ধারায় বর্ণিত ‘ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি’ বলতে কাকে বোঝাবে না?
  1. কমিটি বা ম্যানেজার
  2. আইনসম্মত অভিভাবক
  3. আদালতের কর্মকর্তাকে
  4. কমিটি বা ম্যানেজার কর্তৃক স্বীকৃতি স্বাক্ষর করিবার বা অর্থ প্রদান করিবার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
আদালতের কর্মকর্তাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের কর্মকর্তাকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ২১ ধারার: অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধি (Agent of person under disability):
যথাবিহিতরূপে ‘ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি’ বলিতে অপারগতাগ্রস্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে-
- আইন সম্মত অভিভাবক;
- কমিটি বা ম্যানেজারকে; অথবা
- অনুরূপ অভিভাবক, কমিটি বা ম্যানেজার কর্তৃক স্বীকৃতি স্বাক্ষর করিবার বা অর্থ প্রদান করিবার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে বুঝাইবে।

- উল্লিখিত প্রশ্নে ‘ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি’ বলতে আদালতের কর্মকর্তাকে বোঝাবে না।

⇒ তামাদি আইনের ২১ ধারার বিধান: অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধি:
(১) “তাঁহার পক্ষ থেকে যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্ট” শব্দবন্ধটি, ধারাঃ ১৯ ও ২০-এর ক্ষেত্রে, একজন অক্ষম ব্যক্তির ক্ষেত্রে, তাঁর আইনগত অভিভাবক, কমিটি বা ব্যবস্থাপক, অথবা এমন একজন এজেন্টকে অন্তর্ভুক্ত করবে যিনি এই অভিভাবক, কমিটি বা ব্যবস্থাপকের দ্বারা স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান স্বাক্ষরের জন্য যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
(২) উল্লিখিত ধারাগুলোর অধীনে একাধিক যৌথ চুক্তিকারক, অংশীদার, নির্বাহী বা বন্ধকী কর্তাকে শুধুমাত্র অন্য একজন বা তাঁদের এজেন্টের দ্বারা স্বাক্ষরিত লিখিত স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদানের কারণে দায়বদ্ধ করবে না।

(৩) উল্লিখিত ধারাগুলোর উদ্দেশ্যে-
(a) একজন বিধবা বা অন্য সীমিত মালিকের দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি স্বীকৃতি, অথবা কোনো দায়ের জন্য অর্থ প্রদান, অথবা যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্টের দ্বারা, যিনি হিন্দু আইন দ্বারা পরিচালিত, তা সংশ্লিষ্ট পুনঃসূত্রের বিরুদ্ধে একটি বৈধ স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান হিসেবে গণ্য হবে;

(b) যখন একটি হিন্দু অখণ্ড পরিবারের পক্ষে কোনো দায়ভার সৃষ্টি করা হয়, তখন বর্তমান ব্যবস্থাপক বা তাঁর যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্টের দ্বারা করা স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান সম্পূর্ণ পরিবারের পক্ষে করা হয়েছে বলে বিবেচিত হবে।
----------------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-21. Agent of persons under disability:
(1) The expression “agent duly authorised in his behalf,” in sections 19 and 20, shall, in the case of a person under disability, include his lawful guardian, committee or manager, or an agent duly authorised by such guardian, committee or manager to sign the acknowledgement or make the payment. 
 
(2) Nothing in the said sections renders one of several joint contractors, partners, executors or mortgagees chargeable by reason only of a written acknowledgment signed or of a payment made by, or by the agent of, any other or others of them. 
 
(3) For the purposes of the said sections- 
(a) an acknowledgment signed, or a payment made, in respect of any liability, by, or by the duly authorised agent of, any widow or other limited owner of property who is governed by the Hindu law, shall be a valid acknowledgment or payment, as the case may be, as against a reversioner succeeding to such liability; and 
 
(b) where a liability has been incurred by, or on behalf of, a Hindu undivided family as such, an acknowledgment or payment made by, or by the duly authorised agent of, the manager of the family for the time being shall be deemed to have been made on behalf of the whole family.
৫,৫৬৩.
কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার কথা জানতে পারেন এবং তার নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, তাহলে-
  1. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ নিয়ে পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
  2. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
  3. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
  4. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
সঠিক উত্তর:
তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারা মতে কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার কথা জানতে পারেন এবং তার নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, তাহলে তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারার বিধান আমলযোগ্য অপরাধ নিবারণের লক্ষ্যে গ্রেফতারঃ কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রের কথা অবগত হন এবং তাঁর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, এই অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তিনি ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশিষ্ট ষড়যন্ত্রকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

---------------------------------------
♦ Section 151. Arrest to prevent such offences: A police-officer knowing of a design to commit any cognizable offence may arrest, without orders from a Magistrate and without a warrant, the person so designing, if it appears to such officer that the commission of the offence cannot be otherwise prevented.
৫,৫৬৪.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের কোন অনুচ্ছেদে মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪৯
  2. অনুচ্ছেদ ১৫০
  3. অনুচ্ছেদ ১৫১
  4. অনুচ্ছেদ ১৫৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫০
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৫০-এ মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ১৫০- দায়রা আদালত কর্তৃক অথবা মূল ফৌজদারি এখতিয়ার প্রয়োগকালে হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যু দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে আপিল দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৫০ অনুসারে, দায়রা আদালত কর্তৃক বা হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
- আপিলের ধরন: মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল। 
- তামাদি মেয়াদ: ৭ দিন। 
- সময় গণনার শুরু: দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে। 
এটি তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে উল্লিখিত সর্বনিম্ন তামাদি মেয়াদগুলোর মধ্যে একটি। মৃত্যুদণ্ড একটি গুরুতর বিষয় হওয়ায় এর বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের জন্য খুব সীমিত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

৫,৫৬৫.
লিখিত জবাব দাখিলের ________ দিনের মধ্যে ইস্যু গঠন করতে হয়?
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ২১
সঠিক উত্তর:
১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪ আদেশের বিধি ১ অনুযায়ী যখন ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যখন একপক্ষ দৃড়ভাবে ঘোষণা করে এবং অন্য পক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয় উদ্ভব হয়। মামলার প্রথম শুনানীর সময় কিংবা লিখিত জবাব দাখিলের (যেটা পরে ঘটে) তার ১৫ দিনের মধ্যে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে হবে।
৫,৫৬৬.
'ক' কতিপয় সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে। 'খ' দাবি করে যে 'খ' উক্ত সম্পত্তির মালিক এবং এই কারণে 'ক' উক্ত সম্পত্তি 'খ'-কে অর্পণ করা আবশ্যক। এই ক্ষেত্রে 'ক' এর প্রতিকার-
  1. দখল উদ্ধারের মামলা
  2. ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
  3. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
ব্যাখ্যা
⇒  সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক বিধান রয়েছে । কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
- সুতরাং শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে। ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে।
- অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree ) বলে।

-উল্লিখিত প্রশ্নের ক্ষেত্রে 'A' এর  প্রতিকার হল ঘোষণামূলক মামলা দায়ের।
যেহেতু ক' একটি জমির বৈধ দখলে আছে। 'খ' ঐ সম্পত্তির মালিকনা দাবি করে তার বরাবর দখল হস্তান্তর করতে বললে 'ক' ঐ জমির দখলে থাকার জন্য The Specific Relief Act, 1877 এর ৪২ ধারায় মামলা করতে পারেন। 
৫,৫৬৭.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারা মতে টিপসহি সনাক্তকরণের বিষয়ে বিশেষজ্ঞের অভিমত প্রাসঙ্গিক?
  1. 45
  2. 48
  3. 50
  4. 47
সঠিক উত্তর:
45
উত্তর
সঠিক উত্তর:
45
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (The Evidence Act, 1872)-এর ধারা ৪৫ বিশেষজ্ঞের মতামত (Expert Opinion) সম্পর্কে বিধান দেয়।
- এই ধারা অনুযায়ী, টিপসহি (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) সনাক্তকরণ-এর মতো বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত বিষয়ে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট বা সাক্ষ্য আদালতে গ্রহণযোগ্য।
- ধারা ৪৫-এ স্পষ্টভাবে "finger impression" (আঙুলের ছাপ)-এর কথা উল্লেখ আছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান: বিশেষজ্ঞদের মতামত (Expert Opinion):-
যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয় তখন বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির এই ধরনের বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড বা চারুকলায় বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, টাইপ রাইটিং, ব্যবসায়িক প্রথা, টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।

⇒ Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু অনুসমর্থন প্রকৃতির। অর্থাৎ অন্যান্য সাক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 45. Opinion of Experts:
 When the Court has to form an opinion upon a point of foreign law, or of science, physical or forensic evidence or digital record, or art, or as to identity of hand writing or finger impression or footprint or palm impression or iris impression or typewriting or usage of trade or technical terms or identity of person or animal, the opinion upon that point of person specially skilled in such foreign law, science, physical or forensic evidence or digital record or art, or in questions as to identity of handwriting or finger impression, footprint, palm impression, typewriting, usage of trade, technical term or identity of person or animal, as the case may be, are relevant facts.
Such persons are called experts.
৫,৫৬৮.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারা অনুসারে আদালত ৫ বছরের বেশি পুরোনো এবং সঠিকভাবে সংরক্ষিত ডিজিটাল রেকর্ডকে সঠিক বলে অনুমান করতে পারে?
  1. ধারা ৭৩ক
  2. ধারা ৮৫ক
  3. ধারা ৯০ক
  4. ধারা ৯২ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯০ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯০ক
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯০ক অনুযায়ী,
যে কোনো ডিজিটাল রেকর্ড যদি পাঁচ বছর পুরোনো হয় এবং আদালত মনে করে যে এটি সঠিকভাবে সংরক্ষিত হয়েছে, তবে আদালত এটি সঠিক বলে ধরে নিতে পারে এবং অনুমান করতে পারে যে ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তার অনুমোদিত কোনো ব্যক্তির দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে।

Section- 90A. Presumption as to digital records five years old:
Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.

৫,৫৬৯.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৫৭ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত কোন বিষয়টি আদালত বিচারিক দৃষ্টিগোচরে নিতে পারে না?
  1. সংসদের কার্যক্রম
  2. সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি
  3. ব্যক্তিগত চিঠিপত্র
  4. বাংলাদেশের সকল আইনসমূহ
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত চিঠিপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত চিঠিপত্র
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর ৫৭ ধারা অনুযায়ী ব্যক্তিগত চিঠিপত্র বিচারিক দৃষ্টিগোচরে নিতে পারে না।
বিচারিক দৃষ্টিগোচর অর্থ হলো প্রমাণ ছাড়া কোন কিছু বিদ্যমান আছে বা কোন কিছু সত্য বলে স্বীকৃতি দেওয়া। আদালত যে সকল বিষয় বিচারিক দৃষ্টিগোচরে নিতে পারে তা সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধরায় উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর ৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ;
iii) সংসদের কার্যসমূহ;
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা;
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

⇒The Evidence Act 1872, Section 57, Facts of which Court must take judicial notice: The Court shall take judicial notice of the following facts:-
 1 All Bangladesh Laws
 2. Articles of War for the Armed Forces:
 3. The course of proceeding of Parliament and of [any Legislature which had Power to legislate in respect of territories now  comprised in Bangladesh
 4. The seals of all the Courts in Bangladesh: the seals of Courts of Admiralty and Maritime Jurisdiction and of Notaries Public, and all seals which any person is authorized to use by any law in force in Bangladesh:]
 5. The accession to office, names, titles, functions and signatures of the persons filling for the time being any public office in Bangladesh, if the fact of their appointment to such office is notified in any official Gazette:
 6. The existence, title and national flag of every State or Sovereign recognized by the Government:
 7. The divisions of time, the geographical divisions of the world, and public festivals, fasts and holidays notified in the official Gazette:
 8. The territories of Bangladesh:
 9. The names of the members and officers of the Court and of their deputies and subordinate officers and assistants, and also of all officers acting in execution of its process, and of all advocates and other persons authorized by law to appear or act before it:
10. The commencement, continuance and termination of hostilities between Bangladesh and any other State or body of persons:
11. The rule of the road on land or at sea.

৫,৫৭০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ক(২) অনুযায়ী অভিযুক্ত যদি আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব না করেন, তখন বিচারক কী করতে পারেন?
  1. অভিযুক্তকে জামিন দিতে পারেন
  2. মামলাটি বাতিল করতে পারেন
  3. তদন্ত বা বিচার মুলতবি করতে পারেন 
  4. মামলাটি অন্য আদালতে পাঠাতে পারেন
সঠিক উত্তর:
তদন্ত বা বিচার মুলতবি করতে পারেন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্ত বা বিচার মুলতবি করতে পারেন 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ক(২) অনুযায়ী, যদি অভিযুক্ত আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব না করে বা আদালত তার ব্যক্তিগত উপস্থিতি প্রয়োজন মনে করে, তবে বিচারক কারণ লিপিবদ্ধ করে তদন্ত বা বিচার মুলতবি করতে পারেন, অথবা প্রয়োজন মনে করলে ওই অভিযুক্তের মামলা আলাদাভাবে গ্রহণ বা বিচার করার নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ক: নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে তদন্ত ও বিচার পরিচালনার বিধান:
(১) এই কোডের অধীনে তদন্ত বা বিচারের যে কোনো পর্যায়ে  যদি বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট, কারণ লিপিবদ্ধ করে সন্তুষ্ট হন যে, অভিযুক্তদের মধ্যে যে কেউ বা একাধিক জন আদালতে উপস্থিত থাকার জন্য অক্ষম, তবে তিনি, যদি ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি একজন আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করেন, তার উপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন এবং তার অনুপস্থিতিতে ওই তদন্ত বা বিচার পরিচালনা করতে পারেন, এবং পরবর্তী যে কোনো পর্যায়ে ওই অভিযুক্ত ব্যক্তির ব্যক্তিগত উপস্থিতি নির্দেশ দিতে পারেন।
(২) যদি এই ধরনের কোনো মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি একজন আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব না করেন, অথবা যদি বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট তার ব্যক্তিগত উপস্থিতি প্রয়োজনীয় মনে করেন, তবে তিনি উপযুক্ত মনে করলে এবং কারণ লিপিবদ্ধ করে, ওই তদন্ত বা বিচার মুলতবি করতে পারেন, অথবা ওই অভিযুক্ত ব্যক্তির মামলা আলাদাভাবে গ্রহণ বা বিচার করার আদেশ দিতে পারেন।
(৩) এই কোডের অধীনে তদন্তের পর্যায়ে, বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে, যে অভিযুক্ত ব্যক্তি জামিনে আছেন এবং একজন আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করছেন, তদন্ত প্রতিবেদন শুনানির জন্য নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত তার ব্যক্তিগত উপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন।
----------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898: Section- 540A. Provision for inquiries and trial being held in the absence of accused in certain cases:
(1) At any stage of an inquiry or trial under this Code,  if the Judge or Magistrate is satisfied, for reasons to be recorded, that any one or more of the accused is or are incapable of remaining before the Court, he may, if such accused is represented by an advocate, dispense with his attendance and proceed with such inquiry or trial in his absence, and may, at any subsequent stage of the proceedings, direct the personal attendance of such accused.
(2) If the accused in any such case is not represented by an advocate, or if the Judge or Magistrate considers his personal attendance necessary, he may, if he thinks fit, and for reasons to be recorded by him, either adjourn such inquiry or trial, or order that the case of such accused be taken up or tried separately.
(3) At the stage of investigation under this Code, the Judge or Magistrate may, for reasons to be recorded in writing, dispense with the personal attendance of an accused person who is on bail and represented by an advocate, until the date fixed for hearing of the investigation report.

৫,৫৭১.
রেহেন পুনরুদ্ধারের জন্য মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ৬ বছর
  3. ৬০ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনে ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রেহেন পুনরুদ্ধারের (redemption) জন্য মামলা করতে হবে; রেহেন পুনরুদ্ধার (redemption) করার অধিকার সৃষ্টি হওয়ার দিন থেকে ৬০ বছরের মধ্যে।
৫,৫৭২.
সকল দেওয়ানী কার্যক্রমে কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী গণ্য হবে-
  1. যোগ্য সাক্ষী
  2. অযোগ্য সাক্ষী
  3. নিশ্চিত সাক্ষী
  4. সাক্ষী সংশ্লিষ্ট
সঠিক উত্তর:
যোগ্য সাক্ষী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যোগ্য সাক্ষী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারার বিধান দেওয়ানী মামলার পক্ষগণ এবং তাদের স্ত্রী বা স্বামী ফৌজদারী মামলার বিচারাধীন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রীঃ সকল দেওয়ানী মামলায় মামলাল পক্ষগণ এবং কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষ্য হবেন। কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হইবেন।

------------------------------------------
⇒ Section 120 of Evidence Act: Parties to civil suit, and their wives or husbands Husband or wife of person under criminal trail:
 In all civil proceedings the parties to the suit, and the husband or wife of any party to the suit, shall be competent witnesses. In criminal proceedings against any person, the husband or wife of such person, respectively, shall be a competent witness.
৫,৫৭৩.
মুলতবি খরচ প্রদানে ব্যর্থতার কারণে আদালত বিবাদীর মোকদ্দমাটি একতরফা নিষ্পত্তি করে। সংক্ষুদ্ধ বিবাদীর প্রতিকার হতে পারে
  1. রিভিশন করা
  2. একতরফা নিষ্পত্তির আদেশ বাতিল করা
  3. পুনরায় মোকদ্দমার কার্যক্রম চালুর জন্য আবেদন করা
  4. ক এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦মুলতবি খরচ প্রদানে ব্যর্থতার কারণে আদালত বাদীর মোকদ্দমা খারিজ করলে বা বিবাদীর মোকদ্দমা একতরফা নিষ্পত্তি করলে সংক্ষুদ্ধ বাদী বা বিবাদী (যেমন প্রযোজ্য হয়) ১৭ আদেশের ১ (৭) বিধির অধীন মোকদ্দমা পুনবহালের বা পুনরূজ্জীবিত করার আবেদন করতে পারে [Restoration or Revival of the proceeding] বা ১১৫ ধারায় রিভিশন করতে পারে।
৫,৫৭৪.
সাক্ষ্য আইনের ৫১ ধারার বিধান হলো-
  1. Opinion on relationship, when relevant
  2. Grounds of opinion, when relevant
  3. Opinion as to digital signature where relevant
  4. Opinion of Experts
সঠিক উত্তর:
Grounds of opinion, when relevant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Grounds of opinion, when relevant
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫১ ধারার বিধান: মতামতের কারণ কখন প্রাসঙ্গিক (Grounds of opinion, when relevant)- কখন মতামতের কারণ প্রাসঙ্গিক হতে পারে, সে সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের ৫১ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।

⇒  ৫১ ধারা অনুযায়ী কোন জীবিত ব্যক্তির অভিমত প্রাসঙ্গিক হলে, তার অভিমত যে সকল ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত সেগুলো অর্থাৎ মতামতের কারণও প্রাসঙ্গিক হয়।

যেমন- কোন বিশেষজ্ঞ কোন অভিমতে উপনীত হবার জন্য তার পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিবরণ দিতে পারে।

----------
⇒ Grounds of opinion, when relevant:
Section 51. Whenever the opinion of any living person is relevant the grounds on which such opinion is based are also relevant. 
 
⇒ Illustration 
An expert may give an account of experiments performed by him for the purpose of forming his opinion.
৫,৫৭৫.
নিম্নোক্ত কোন উপায়ে বলপ্রয়োগ করা যায়?
  1. গতি পরিবর্তন করার মাধ্যমে
  2. দৈহিক শক্তি প্রয়োগ করার মাধ্যমে
  3. কোন পশু বা জন্তুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন করার মাধ্যমে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারা: বলপ্রয়োগ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়:-

তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে। 
৫,৫৭৬.
ধারা ২৯ অনুযায়ী, যদি একটি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়, তাহলে বাদীর পরবর্তীতে কোন ধরনের মামলা করা সম্ভব নয়?
  1. চুক্তি সংশোধনের মামলা
  2. চুক্তির অবশিষ্ট অংশের জন্য মামলা
  3. চুক্তির ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ মামলা
  4. নতুন চুক্তি করার জন্য মামলা
সঠিক উত্তর:
চুক্তির ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ মামলা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ অনুসারে,
একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে, তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।

Section 29- Bar of suit for breach after dismissal:
The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
৫,৫৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির  ১৯০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কয়ভাবে অপরাধ আমলে নিতে পারেন?
  1. ২ ভাবে
  2. ৩ ভাবে
  3. ৪ ভাবে
  4. ৫ ভাবে
সঠিক উত্তর:
৩ ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ভাবে
ব্যাখ্যা
আমলে নেয়া অর্থ হলো -অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অপরাধের বিরুদ্ধে অগ্রসর হওয়ার জন্য উপাদান আছে বলে ম্যাজিস্ট্রেট মানসিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে এবং সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন অগ্রসর হওয়ার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নিয়েছে বলে গণ্য হবে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে।

• যে সকল ম্যাজিস্ট্রেটগণ অপরাধ আমলে নিতে পারেন:
i. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ii. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
iii. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
iv. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট অথবা
v. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন ম্যাজিস্ট্রেট

• ম্যাজিস্ট্রেট ৩টি উৎসের উপর ভিত্তি করে অপরাধ আমলে (Cognizance) নিতে পারেন। যথা-
i. অভিযোগ (Complaint ) [ধারা ১৯০ (১)(ক)]
ii. পুলিশের লিখিত রিপোর্ট (Report) [ধারা ১৯০ (১)(খ)]
iii. তথ্য (information), নিজস্ব জ্ঞান ( knowledge ) বা সন্দেহবশত (suspicion) কোন তথ্য পেলে [ধারা ১৯০ (১)(গ)]

• ক্ষমতাপ্রাপ্ত ২য় ও ৩য় শ্রেণীর ম্যজিস্ট্রেট অভিযোগ ও রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে মামলা আমলে নিতে পারেন। [ধারা ১৯০(৩)]
• ৩য় শ্রেণীর ম্যজিস্ট্রেট তথ্য (information), নিজস্ব জ্ঞান (knowledge) বা সন্দেহ (suspicion) এর উপর ভিত্তি করে মামলা আমলে নিতে পারেন না।
• সরকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেন। (Government may empower any Executive Magistrate to take cognizance) [ধারা ১৯০ (৪)]
৫,৫৭৮.
বিক্রয়ের আদেশদানকারী আদালতে ইশতেহার লটকিয়ে দেয়ার পর কত দিন পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হবে না?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৮ এর বিধান- বিক্রয়ের সময়:
বিক্রয়ের আদেশদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার তারিখ থেকে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ৩০ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।

Order-21 Rule-68. Time of sale:
Save in the case of property of the kind described in the proviso to rule 43, no sale hereunder shall, without the consent in writing of the judgment-debtor, take place until after the expiration of at least thirty days in the case of immovable property, and of at least fifteen days in the case of movable property, calculated from the date on which the copy of the proclamation has been affixed on the court-house of the Judge ordering the sale.
৫,৫৭৯.
'X', 'Y' এর মুখে ঘুষি মারলে তার একটি দাঁত পড়ে যায়। 'X' এর কৃত অপরাধ হলো?
  1. সাধারন জখম
  2. হত্যা চেষ্টা
  3. মারাত্মক জখম
  4. ইচ্ছাকৃত জখম
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ Grievous hurt:
Section 320. The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৫,৫৮০.
কোন অপরাধের কারাদণ্ড বিনাশ্রম হবে?
  1. খুন
  2. ডাকাতি
  3. অবৈধ বাধা দান
  4. মনুষ্যহরণ
সঠিক উত্তর:
অবৈধ বাধা দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ বাধা দান
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪১ মতে অবৈধ বাধাদানের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি কোন ব্যক্তিকে অবৈধভাবে নিয়ন্ত্রণ করে, তবে সে ব্যক্তি একমাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

৩০২ ধারা মতে খুনের শাস্তি, ৩৯৫ ধারা মতে ডাকাতির শাস্তি এবং ৩৬৩ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণের শাস্তি সশ্রম কারাদণ্ড।
৫,৫৮১.
আদালত কর্তৃক বিক্রয়ের ঘোষণা আদালত প্রাঙ্গনে লটকিয়ে দেওয়ার সর্বনিম্ন কত দিনের মধ্যে দায়িকের অনুমতি ছাড়া অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে না?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৬৮ এর বিধান বিক্রয়ের সময় (Time of sale): বিক্রয়ের আদেশদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার তারিখ থেকে-  স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ৩০ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৬৮ এর বিধান: বিক্রয়ের সময়। ৪৩ বিধির শর্তে বর্ণিতরূপ সম্পত্তির ক্ষেত্র ব্যতীত নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল সংযুক্ত দেয়ার তারিখ থেকে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ত্রিশ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে পনের দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতিরেকে এ আইনের অধীনে কোন নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।
--------
⇒ Order 21 Rule.-68: Time of sale. --Save in the case of property of the kind described in the proviso to rule 43, no sale hereunder shall, without the consent in writing of the judgment-debtor, take place until after the expiration of at least thirty days in the case of immovable property, and of at least fifteen days in the case of moveable property, calculated from the date on which the copy of the proclamation has been affixed on the court-house of the Judge ordering the sale.
৫,৫৮২.
আপিল খারিজ আদেশের কত দিনের মধ্যে আবেদন করা হলে তা সরাসরি পুনঃগ্রহণ (Re-admit) করা যায়?
  1. ১৫
  2. ৩০
  3. ৬০
সঠিক উত্তর:
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-১৯ক এর বিধান আপিল সরাসরি পুনঃগ্রহণ:
- বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যে আপিলকারীকে পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করেই সরাসরি আপিল পুনঃগ্রহণ করতে পারেন; এজন্য খারিজের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে অ্যাফিডেভিটসহ আবেদন করতে হবে।
- এই বিধির অধীন সর্বোচ্চ ১ বার আপিল পুনঃগ্রহণের আবেদন করা যাবে।
--------------------------------------
CPC Order-41 Rule-19A. Direct readmission of appeal:
(1) Notwithstanding anything contained in rule 19 or any other law, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, directly re-admit without requiring the appellant to adduce evidence to satisfy it about sufficient causes as required under rule 19:

Provided that the appeal under this rule shall not be readmitted unless an application, supported by affidavit, praying for such re-admission is made to the Court within thirty days of the date on which the appeal is dismissed for default:

Provided further that no appeal shall be re-admitted more than once under this rule.

(2) As soon as an order under sub-rule (1) is made to readmit an appeal, the Court shall cause notice thereof to be served at the cost of the appellant upon the respondent who appeared in the appeal.
৫,৫৮৩.
নিম্নের কোনটি "চোরাই সম্পত্তি" হিসেবে গণ্য হবে?
  1. চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
  2. বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান- চোরাই সম্পত্তি:
চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
-------------------------------
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারামতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-
ক) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
খ) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
গ) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং
ঘ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।

⇒ উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
৫,৫৮৪.
বিবাদী কত দিনের মধ্যে একতরফা ডিক্রি সরাসরি রহিতকরণের (Directly setting aside ex-parte decree) জন্য প্রার্থনা করতে পারে?
  1. ডিক্রির তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে
  2. লিখিত জবাব দাখিলের ১৫ দিনের মধ্যে
  3. ডিক্রির তারিখ হতে ১৫ দিনের মধ্যে
  4. লিখিত জবাব দাখিলের ৬০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি ১৩(ক)- একতরফা ডিক্রি সরাসরি রহিতকরণ :

১) বিধি ১৩ বা অন্য কোন আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, আদালতে বিলম্ব অবসান ও বিচার ত্বরান্বিত করানোর উদ্দেশ্যে, বিধি ১৩ এর অধীন আদালতকে পর্যান্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করানোর উদ্দেশ্যে বাদিকে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান করে, সরাসরি ডিক্রি খারিজ করে দিতে পারেন, তবে আদালত উপযুক্ত ও নির্ধারণ করা সাপেক্ষে বাদীকে অনধিক তিন হাজার টাকার খরচা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, এই বিধির আওতায় কোন একতরফা ডিক্রি রহিত করা যাবে না, যদি না যে বিবাদী হাজির হয়েছিল এবং লিখিত বর্ণনাপত্র দাখিল করেছে সে বিবাদী কর্তৃক একতরফা ডিক্রির তারিখ হতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে উক্ত একতরফা ডিক্রী রহিতকরণের জন্য প্রার্থনা করে এফিডেভিট সহকারে আদালতের নিকট আবেদন করে: তবে আরো শর্ত থাকে যে, একই বিবাদির অনুরোধে কোন ডিক্রিই একাধিকবার রহিত করা যাবে না।

২) কোন একতরফা ডিক্রি রহিতকরণের আদেশ প্রদানের সঙ্গে সঙ্গেই আদালতে বিবাদির খরচায় বাদির উপর নোটিশ জারি করাবেন।

• অর্থাৎ সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
৫,৫৮৫.
পুলিশ হেফাজতে কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ বিষয়ে The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুসারে অনুসন্ধান করবেন ______।
  1. উর্দ্ধতন পুলিশ কর্মকর্তা
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সংশ্লিষ্ট আমলী আদালত
  4. সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুসন্ধান করতে পারে:
 -যখন কোন ব্যক্তি পুলিশ কাস্টডিতে বা হেফাজতে মৃত্যুবরণ করে বা
- ধারা ১৭৪(আত্মহত্যা,কোন ব্যক্তি/ প্রাণী/ যন্ত্র দ্বারা বা দুর্ঘটনায় নিহত, বা ধারায় উল্লিখিত অন্য কোন সন্দেহজনক কারণে কোন ব্যক্তির মৃত্যু হলে)
 
- এই অনুসন্ধান করবে ১৭৪ (৫) ধারায় সুরতহাল করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্টেট তথা-
-জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
 
- ১৭৬ ধারার উপধারা (২) অনুসারে , উল্লিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য কবর হতে লাশ উত্তোলনের [disinter corpses] আদেশ দিতে পারেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকেয়ারী:
- (১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।
 
(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা: যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
----------------
The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-176. Inquiry by Magistrate into cause of death:

(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
Power to disinter corpses(2) Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
৫,৫৮৬.
রেজু ঋণের একটি অংশ পরিশোধ করেছে। তামাদির নতুন সময়সীমা কখন থেকে গণনা শুরু হবে?
  1. ঋণ গ্রহণের তারিখ থেকে
  2. ঋণের আংশিক পরিশোধের তারিখ থেকে
  3. ঋণের শেষ অংশ পরিশোধের তারিখ থেকে
  4. আদালতে মামলা দায়েরের তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
ঋণের আংশিক পরিশোধের তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণের আংশিক পরিশোধের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২০ ধারামতে কোন দেনা তামাদি হবার পূর্বেই যদি দেনাদার দেনার স্বীকৃতিস্বরূপ কোন অর্থ পাওনাদারকে দিয়ে থাকে তাহলে, সেক্ষেত্রে যে তারিখ উক্ত অর্থ প্রদান করা হয়েছিল সে তারিখ হতেই তামাদির সময়সীমা নতুনভাবে হিসাব করতে হবে।

সুতরাং ২০ ধারা অনুযায়ী-
ঋণ বা দেনার ক্ষেত্রে তামাদির নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই আংশিকভাবে কোন ঋণ বা সুদ পরিশোধ করলে, উক্ত অর্থ প্রদানের তারিখ থেকে নতুন করে তামাদির সময় শুরু হয়। অর্থাৎ কোন দেনা আংশিক পরিশোধ করলে পরিশোধের তারিখ হতে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে। তবে এই ক্ষেত্রে দেনা পরিশোধ অবশ্যই লিখিত এবং স্বাক্ষরিত হতে হবে।

Section 20: Effect of payment on account of debt as of interest on legacy-
(1) Where payment on account of a debt or of interest on a legacy is made before the expiration of the prescribed period by the person liable to pay the debt or legacy, or by his duly authorized agent, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the payment was made: 
 
Provided that, save in the case of a payment of interest made before the 1st day of January, 1928, an acknowledgment of the payment appears in the handwriting of, or in a writing signed by the person making the payment.
৫,৫৮৭.
যদি এক বা একাধিক কাজের প্রকৃতি এমন হয় যে,তার দ্বারা কি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা নিয়ে সন্দেহ থাকে তাহলে তার বিচার ___ সময়ে করা যাবে।
  1. ভিন্ন ভিন্ন
  2. একই
  3. অভিযুক্তের আবেদনকৃত
  4. অভিযোগকারীর আবেদনকৃত
সঠিক উত্তর:
একই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একই
ব্যাখ্যা
• যদি এক বা একাধিক কাজের প্রকৃতি এমন হয় যে, তার দ্বারা কি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা নিয়ে সন্দেহ থাকে তাহলে তার বিচার একই সময়ে করা যাবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৩ তে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট আলাদা অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠনের বিধান রয়েছে।
এই ধারা অনুসারে, ২৩৪, ২৩৫, ২৩৬ ও ২৩৯ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হলে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট অপরাধের জন্য একটি পৃথক অভিযোগ হবে এবং এরূপ প্রত্যেকটি অভিযোগের বিচার পৃথকভাবে হবে।

তবে ধারা ২৩৬ অনুযায়ী-

যদি একটিমাত্র কাজ অথবা ধারাবাহিক কতিপয় কাজ এরূপ প্রকৃতির হয় যে, যেসকল তথ্য প্রদান করা যায় তার ভিত্তিতে কতিপয় অপরাধের মধ্যে কোনটি গঠিত হয় সে সম্পর্কে সন্দেহ থাকে, তাহলে আসামিকে এরূপ সকল অথবা কোন একটি সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত করা যাবে এবং যেকোনো সংখ্যক অভিযোগের বিচার একই সময় হতে পারবে অথবা তাকে উক্ত অপরাধসমূহের মধ্যে যে কোন একটির জন্য বিকল্পভাবে অভিযুক্ত করা যাবে।
[If a single act or series of acts is of such a nature that it is doubtful which of several offences the facts which can be proved will constitute, the accused may be charged with having committed all or any of such offences and any number of such charges may be tried at once;or he may be charged in the alternative with having committed some one of the said offences.]
৫,৫৮৮.
Criminal Conspiracy কোন ধারায় সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ১২০
  2. ১২০ক
  3. ১২১
  4. ১২১ক
সঠিক উত্তর:
১২০ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ক
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১২০ক ধারা অনুযায়ী ফৌজদারি অপরাধ তথা কোন অবৈধ কাজ করার জন্য অথবা কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করার জন্য দুই বা ততোধিক ব্যক্তির সম্মতিকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র বা Criminal Conspiracy বলে।

♦ ১২০ক ধারামতে ২ ভাবে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অপরাধ হতে পারে। যথা:

      (i) কোন অবৈধ কাজ করার জন্য সম্মতির মাধ্যমে

      (ii) কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করার সম্মতির মাধ্যমে
৫,৫৮৯.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division) কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. দরখাস্ত দায়েরের মেয়াদ
  2. মোকদ্দমা দায়েরের মেয়াদ
  3. আপীল দায়েরের মেয়াদ
  4. জরিমানা প্রদানের মেয়াদ
সঠিক উত্তর:
আপীল দায়েরের মেয়াদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল দায়েরের মেয়াদ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিল তিনটি বিভাগে বিভক্ত:
→ প্রথম বিভাগ (First Division):
বিষয়: মোকদ্দমা (Suit) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ: ১ থেকে ১৪৯।
→ দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division):
বিষয়: আপীল (Appeal) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ: ১৫০ থেকে ১৫৭।
→ তৃতীয় বিভাগ (Third Division):
বিষয়: দরখাস্ত (Application) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ: ১৫৮ থেকে ১৮৩।

অর্থাৎ দ্বিতীয় বিভাগ হচ্ছে সেই বিভাগ যেখানে আপীল দায়েরের তামাদি মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে।
সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) আপীল দায়েরের মেয়াদ।
৫,৫৯০.
‘ভুল তথ্য ইচ্ছাকৃত গোপন করা’- এটি কোন অপরাধের অংশ?
  1. জালিয়াতি
  2. প্রতারণা
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. অনিষ্ট সাধন
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
ব্যাখ্যা

The Penal Code, 1860 এর ধারা ৪১৫ - প্রতারণা (Cheating):
যে কেউ, কোনো ব্যক্তিকে প্রতারণা করে এবং সেই প্রতারণার মাধ্যমে সেই প্রতারিত ব্যক্তিকে কাউকে কোনো সম্পত্তি দিতে বা কাউকে সেই সম্পত্তি ধরে রাখতে সম্মতি জানাতে প্ররোচিত করে, অথবা এমন কিছু করতে বা না করতে প্ররোচিত করে, যা সে প্রতারিত না হলে করত না বা বাদ দিত না, এবং যার ফলে সেই ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতি বা ক্ষতির সম্ভাবনা ঘটে, তাহলে ঐ ব্যক্তিকে “প্রতারক” বলা হয়।

ব্যাখ্যা: যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করে, তবে সেটিও এই ধারার অধীনে প্রতারণা হিসেবে বিবেচিত হবে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) A মিথ্যা পরিচয় দিয়ে বলে যে সে সরকারি চাকরিজীবী। এভাবে সে Z-কে প্রতারিত করে এবং Z তাকে পণ্য দেয়, যা A আসলে পরিশোধ করার ইচ্ছা রাখে না। → A প্রতারণা করেছে।

(খ) A একটি জিনিসে নকল চিহ্ন লাগিয়ে Z-কে এই বিশ্বাসে ঠকায় যে এটা কোনো বিখ্যাত কোম্পানির তৈরি, এবং Z সেটি কিনে ফেলে। → A প্রতারণা করেছে।

(গ) A একটি ভুয়া নমুনা দেখিয়ে Z-কে বিশ্বাস করায় যে পুরো মাল সে রকমই, এবং Z তাকে দাম দিয়ে পণ্য কিনে। → A প্রতারণা করেছে।

৫,৫৯১.
According to Section 3(26) of The General Clauses Act, 1897, “Imprisonment” means:
  1. Only a fine
  2. Any imprisonment as defined in the Penal Code
  3. Any imprisonment as defined in the Code of Criminal Procedure
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
Any imprisonment as defined in the Penal Code
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Any imprisonment as defined in the Penal Code
ব্যাখ্যা
• The General Clauses Act,1897- ধারা ৩(২৬): কারাদণ্ড-
"Imprisonment" shall mean imprisonment of either description as defined in the Penal Code:
"কারাদণ্ড” অর্থে দণ্ডবিধি (সনের ৪৫ নং আইন) তে সংজ্ঞায়িত যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড বুঝাইবে।
৫,৫৯২.
মামলার বাদী আদালতে নিঃস্ব হিসেবে মামলা পরিচালনা করলেও তদন্তে দেখা যায়, তার যথেষ্ট আর্থিক সংস্থান রয়েছে। এ অবস্থায় আদালত Order 33 Rule 9 এর অধীন কী করতে পারে?
  1. বাদীকে জরিমানা করবে
  2. বাদীর মামলা খারিজ করবে
  3. বাদীর নিঃস্ব মুক্তির আদেশ দিতে পারে
  4. বাদীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করবে
সঠিক উত্তর:
বাদীর নিঃস্ব মুক্তির আদেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর নিঃস্ব মুক্তির আদেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৩ বিধি-৯: নিঃস্ব মুক্তি
আদালত বিবাদী বা সরকারি উকিলের আবেদনক্রমে, যে সম্পর্কে বাদীকে কমপক্ষে সাত দিনের লিখিত স্পষ্ট নোটিশ দিয়ে, বাদী নিঃস্ব নয় মর্মে আদেশ দিতে পারে-
ক) যদি মোকদ্দমা চলাকালে সে বিরক্তিকর বা অসঙ্গত আচরণে দোষী হয়; বা
খ) যদি প্রতীয়মান হয় যে, তার এরূপ আর্থিক সংস্থান রয়েছে, যাতে তার নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা পরিচালনা করা উচিত নয়; বা
গ) যদি সে মোকদ্দমার অধীনে বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোনো চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে থাকে, যাতে অন্য কোনো ব্যক্তি উক্ত বিষয়বস্তুতে একটি স্বার্থ অর্জন করেছে।

Order 33 Rule 9: Dispaupering:

The Court may, on the application of the defendant, or of the Government pleader, of which seven days' clear in writing has been given to the plaintiff, order the plaintiff to be dis-paupered-
a) if he is guiltyof vexatious or improper conduct in the course of the suit;
b) if it appears that his means are such that he ought not to continue to sue as a pauper, or
c) if he has entered into any agreement with reference to the subject-matter ofthe suit under which any other person has obtained an interest in such subject- matter.
৫,৫৯৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধিতে ঋণ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী কর্তৃক আদালতে টাকা জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ১৮ বিধি ১
  2. আদেশ ২০ বিধি ১
  3. আদেশ ২৪ বিধি ১
  4. আদেশ ২৬ বিধি ১
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৪ বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৪ বিধি ১
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ বিধি-১ এর বিধান- দাবী মিটানোর জন্য বিবাদি কর্তৃক টাকা আদালতের জমা দেয়া:
ঋণ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদি মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তার বিবেচনা মত দাবীর সম্পূর্ণ মিটানোর অনুরূপ পরিমাণ অর্থ আদালত জমা প্রদান করতে পারে।

Rule-1: Deposit by defendant of amount in satisfaction of claim
The defendant in any suit to recover a debt or damages may, at any stage of the suit, deposit in Court such sum of money as he considers a satisfaction in full of the claim.
৫,৫৯৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন সর্বমোট কত জন সদস্য নিয়ে সুপ্রীম কোর্ট বিধি প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়?
  1. ৩ জন সদস্য
  2. ৬ জন সদস্য
  3. ৫ জন সদস্য
  4. ৯ জন সদস্য
সঠিক উত্তর:
৬ জন সদস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ জন সদস্য
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১২২ ধারায় সুপ্রীম কোর্টকে নিম্নলিখিত ২টি ক্ষমতা দেয়া হয়েছে-
১- সুপ্রীম কোর্টের উভয় বিভাগের (হাইকোর্ট বিভাগ এবং আপীল বিভাগের পদ্ধতি সম্পর্কিত বিধি প্রণয়ণের ক্ষমতা;
২- দেওয়ানী আদালতের পদ্ধতি সম্পর্কে এবং প্রথম তফসিলের যেকোন নিয়ম বাতিল, পরিবর্তন বা সংযোজন করার ক্ষমতা।

ধারা-১২৩ অনুযায়ী, সর্বমোট ৬ জন সদস্য নিয়ে বিধি প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়। সদস্যগণ হলো-
ক. সুপ্রীম কোর্টের তিন (৩) জন বিচারক নিয়ে যাদের মধ্যে একজন সর্বনিম্ন (৩ বছর জেলা জজ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছে;
খ. উক্ত আদালতে অ্যাডভোকেট হিসাবে প্রেক্টিস করছে এমন ২ জন অ্যাডভোকেট;
গ. হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ দেওয়ানি আদালতের একজন বিচারক।

• সদস্যগণের নিয়োগ:
এই কমিটির সদস্যরা প্রধান বিচারপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হবে এবং তিনি উক্ত কমিটির সভাপতি মনোনীত করবে এবং সাধারণ সম্পাদক নিয়োগ দিবে। এই কমিটির প্রত্যেক সদস্য প্রধান বিচারপতি কর্তৃক উল্লেখিত মেয়াদ পর্যন্ত পদে বহাল থাকবে।
৫,৫৯৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধি অনুযায়ী আপিল আদালত নতুন ইস্যু নির্ধারণ করে মামলা মূল আদালতে ফিরিয়ে দিতে পারে?
  1. আদেশ ৪১, বিধি ২১ 
  2. আদেশ ৪১, বিধি ২৫
  3. আদেশ ৪১, বিধি ১২
  4. আদেশ ৪১, বিধি ২৩
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১, বিধি ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১, বিধি ২৫
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৪১, বিধি ২৫ (Order XLI Rule 25) অনুযায়ী আপিল আদালতের এই বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যে, মূল আদালত যদি মামলার মেরিট নিষ্পত্তির জন্য অপরিহার্য কোনো ইস্যু নির্ধারণ বা বিচার করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আপিল আদালত:
- নিজে নতুন ইস্যু নির্ধারণ করতে পারবে,
- প্রয়োজনে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে
- সেই ইস্যুগুলো বিচারের জন্য মামলাটি যে আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল হয়েছে, সেই একই আদালতে ফেরত পাঠাতে পারবে। মূল আদালত বিচার করে তার ফাইন্ডিংস ও কারণসহ আপিল আদালতে প্রতিবেদন পাঠাবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি-২৫ অনুযায়ী যদি সেই আদালত, যার রায় থেকে আপিল করা হয়েছে, কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নির্ধারণ বা বিচার না করে থাকে যা মামলার মূল বিবেচনার জন্য অপরিহার্য, তাহলে আপিল আদালত সেই ইস্যুগুলো নির্ধারণ করে মামলা ফের সেই আদালতে বিচারার্থে পাঠাতে পারে।
এই ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে।
বিচারিক আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করে তার রায় ও কারণসহ আপিল আদালতে ফেরত পাঠাবে।
অতএব, নতুন ইস্যু নির্ধারণ ও মামলাকে ফেরত পাঠানোর বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি-২৫-এ রয়েছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-25. Where Appellate Court may frame issues and refer them for trial to Court whose decree appealed from:
Where the Court from whose decree the appeal is preferred has omitted to frame or try any issue, or to determine any question of fact, which appears to the Appellate Court essential to the right decision of the suit upon the merits, the Appellate Court may, if necessary, frame issues, and refer the same for trial to the Court from whose decree the appeal is preferred,
and in such case shall direct such Court to take the additional evidence required; and such Court shall proceed to try such issues, and shall return the evidence to the Appellate Court together with its findings thereon and the reasons therefor.

৫,৫৯৬.
মৌখিক সাক্ষ্য যদি কোনো বস্তুগত জিনিসের অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কিত হয়, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. বিষয়টি উপেক্ষা করতে পারে
  2. শুধুমত্র লিখিত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে
  3. সাক্ষ্য গ্রহণ করতে অস্বীকার করতে পারে
  4. বস্তুটি পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপনের নির্দেশ দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
বস্তুটি পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপনের নির্দেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বস্তুটি পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপনের নির্দেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি মৌখিক সাক্ষ্য কোনো বস্তুগত জিনিসের অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কিত হয়, তবে আদালত সেই বস্তুটির পরিদর্শন করতে চাইলে, আদালত সেই বস্তুটি পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপনের নির্দেশ দিতে পারে।
এই ধারার উদ্দেশ্য হল, যদি একটি বস্তু বা সামগ্রী প্রমাণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়, এবং সেই বস্তুর অবস্থা বা অস্তিত্বকে প্রমাণ করার জন্য মৌখিক সাক্ষ্য দেওয়া হয়, তবে আদালত সেই বস্তুটির বাস্তব পরিদর্শন করে দেখতে পারে যাতে প্রমাণের নির্ভুলতা নিশ্চিত করা যায়।

- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬০-এর দ্বিতীয় প্রভিজো অনুসারে:
"যদি মৌখিক সাক্ষ্য কোনো বস্তুগত জিনিসের (ডকুমেন্ট ছাড়া) অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কে হয়, তবে আদালত ইচ্ছা করলে সংশ্লিষ্ট বস্তুটি নিজে পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপনের আদেশ দিতে পারে।"

- "Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection."
অর্থাৎ, যদি মৌখিক সাক্ষ্য কোনো বস্তুগত জিনিস (দলিল ব্যতীত) এর অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কিত হয়, তবে আদালত তার বিবেচনার ভিত্তিতে সেই বস্তুটি পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপন করার নির্দেশ দিতে পারে। এটি আদালতের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে, তবে এই ক্ষমতা আদালতের আছে।
৫,৫৯৭.
'বিবাদী যতদিন দেশের বাইরে থাকবে, ততোদিন তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে'- তামাদি আইনের কত ধারায় এই বিধান আছে?
  1. ১৩ ধারায়
  2. ১৫ ধারায়
  3. ১৬ ধারায়
  4. ১৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী,
বাদীর যখন মামলা করার অধিকার জন্মায় তখন যদি বিবাদী উক্ত সময়ে সরকারের কার্যের অংশ হিসাবে দেশের বাইরে থাকে, বিবাদী যতদিন বিদেশে থাকবে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে। তাই বলা যায় যে, বিবাদীর বিদেশে অবস্থানের সময়টুকু তামাদি থেকে বাদ যাবে।

Section 13: Exclusion of time of defendant’s absence from Bangladesh and certain other territories-
In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the defendant has been absent from Bangladesh and from the territories beyond Bangladesh under the administration of the Government shall be excluded.
৫,৫৯৮.
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি কয়টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. ৩ টি
  2. ৫ টি
  3. ৮ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ টি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা (dying delaration);

ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);

iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);

iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);

v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);

vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);

vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা

viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).

-------------------
⇒  Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
Section 32. Statements, written or verbal, of relevant facts made by a person who is dead, or who cannot be found, or who has become incapable of giving evidence, or whose attendance cannot be procured without an amount of delay or expense which under the circumstances of the case appears to the Court unreasonable, are themselves relevant facts in the following cases:–

⇒ When it relates to cause of death;
(1) When the statement is made by person as to the cause of his death, or as to any of the circumstances of the transaction which resulted in his death, in cases in which the cause of that person's death comes into question. 
 
Such statements are relevant whether the person who made them was or was not, at the time when they were made, under expectation of death, and whatever may be the nature of the proceeding in which the cause of his death comes into question.

⇒ or is made in course of business;
(2) When the statement was made by such person in the ordinary course of business, and in particular when it consists of any entry or memorandum made by him in books kept in the ordinary course of business, or in the discharge of professional duty; or of an acknowledge-ment written or signed by him of the receipt of money, goods, securities or property of any kind; or of a document used in commerce written or signed by him; or of the date of a letter or other document usually dated, written or signed by him.

⇒ or against interest of maker;
(3) When the statement is against the pecuniary or proprietary interest of the person making it, or when, if true, it would expose him or would have exposed him to a criminal prosecution or to a suit for damages.

⇒ or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
(4) When the statement gives the opinion of any such person as to the existence of any public right or custom or matter of public or general interest, of the existence of which, if it existed, he would have been likely to be aware, and when such statement was made before any controversy as to such right, custom or matter has arisen.

⇒ or relates to existence of relationship;
(5) When the statement relates to the existence of any relationship by blood, marriage or adoption between person as to whose relationship by blood, marriage or adoption the person making the statement had special means of knowledge, and when the statement was made before the question in dispute was raised.

⇒ or is made in will or deed relating to family affairs;
(6) When the statement relates to the existence of any relationship by blood, marriage or adoption between persons deceased, and is made in any will or deed relating to the affairs of the family to which any such deceased person belonged, or in any family pedigree or upon any tombstone, family portrait or other thing on which such statements are usually made, and when such statement was made before the question in dispute was raised.

⇒ or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
(7) When the statement is contained in any deed, will or other document which relates to any such transaction as is mentioned in section 13, clause(a).

⇒ or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question
(8) When the statement was made by a number of persons, and expressed feelings or impressions on their part relevant to the matter in question.
৫,৫৯৯.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের প্রথম বিভাগে কী সংক্রান্ত তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. আপীল দায়ের
  2. দরখাস্ত দায়ের
  3. মামলা দায়ের
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়ের
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ (The Limitation Act, 1908) এর প্রথম তফসিল (First Schedule)-এ ৩টি বিভাগ আছে:
→ প্রথম বিভাগ (First Division):
- মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এটি অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এখানে বিভিন্ন ধরনের মামলা (যেমন, জমি পুনরুদ্ধার, দেনা-পাওনা, প্রতারণা, চুক্তি লঙ্ঘন ইত্যাদি)-র তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন, ১ বছর, ২ বছর, ৩ বছর, ৬ বছর, ১২ বছর, ৩০ বছর এবং সর্বোচ্চ ৬০ বছর পর্যন্ত হতে পারে।
→ দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division):
- আপীল দায়েরের তামাদি মেয়াদ – অনুচ্ছেদ ১৫০–১৫৭।
→ তৃতীয় বিভাগ (Third Division):
- দরখাস্ত বা আবেদন দায়েরের তামাদি মেয়াদ – অনুচ্ছেদ ১৫৮–১৮৩।

অর্থাৎ প্রথম তফসিলের প্রথম বিভাগে শুধু মামলা (Suit) দায়েরের মেয়াদই নির্ধারণ করা হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর হচ্ছে: গ) মামলা দায়ের।
৫,৬০০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৩ অনুযায়ী, আসামিকে তার জ্ঞাত তথ্য প্রকাশে প্ররোচিত করার জন্য নিম্নলিখিত কোনটি নিষিদ্ধ?
  1. উপহার প্রদান
  2. আইনগত পরামর্শ
  3. সাক্ষী প্রদান
  4. প্রভাব প্রয়োগ
সঠিক উত্তর:
প্রভাব প্রয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রভাব প্রয়োগ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৩ - প্রকাশে প্ররোচিত করার জন্য কোনো প্রভাব প্রয়োগ নিষিদ্ধ:
ধারা ৩৩৭ ও ৩৩৮-এ যেভাবে বলা হয়েছে, তা ব্যতীত অন্য কোনোভাবে- বলা দিয়েই হোক বা ভয় দেখিয়েই হোক কিংবা অন্য কোনো পন্থায়—কোনো আসামির ওপর এমন কোনো প্রভাব প্রয়োগ করা যাবে না, যার ফলে সে তার জানা কোনো তথ্য প্রকাশ বা গোপন করতে প্ররোচিত হয়।