বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৪৭ / ১২৬ · ৪,৬০১৪,৭০০ / ১২,৬০৫

৪,৬০১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ২৪৩ অনুযায়ী, যদি অভিযুক্ত যথাযথ কারণ না দেখায় কেন দোষী সাব্যস্ত হওয়া উচিত নয়, তখন-
  1. মামলাটি স্থগিত হবে
  2. অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না
  3. অভিযুক্তকে শুধু জরিমানা করা হবে
  4. অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে
ব্যাখ্যা

ধারা ২৪৩- অভিযোগের সত্যতা স্বীকারে দোষী সাব্যস্তকরণ:
যদি অভিযুক্ত স্বীকার করে যে তিনি যে অপরাধে অভিযুক্ত, তা তিনি করেছেন, তাহলে অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি যতটা সম্ভব তার নিজস্ব শব্দে রেকর্ড করা হবে।
যদি অভিযুক্ত প্রযোজ্য কারণ দেখাতে ব্যর্থ হন কেন তাকে দোষী সাব্যস্ত করা উচিত নয়, তবে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে সেই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করতে পারবেন।

৪,৬০২.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪ক কোন ধরনের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. ওয়ারেন্টসহ গ্রেফতার
  2. ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার
  3. আদালতের আদেশে আটক
  4. নির্বাহী আদেশে আটক
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪ক-  গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের কারণ জানানো:
যে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা কোনো ব্যক্তিকে ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করলে, তাকে গ্রেফতার করার সময় গ্রেফতারের কারণ সেই ব্যক্তিকে জানাতে হবে।

Section 54A- Person arrested to be informed of reason of arrest: 
Every police-officer arresting any person without warrant shall, at the time of making arrest, communicate to him the reasons for which he is arrested.

৪,৬০৩.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার ক্ষেত্রে আদালত কোন সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিলে বা আদেশ অমান্যকারীকে দেওয়ানী কারাগারে আটকের আদেশ দিলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার-
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. আদেশ বাতিলের আবেদন
সঠিক উত্তর:
আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল
ব্যাখ্যা
♦৩৯ আদেশের ১ এবং ২ বিধির অধীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন মঞ্জুর বা প্রত্যাখ্যান করে প্রদত্ত কোন আদেশ হলো আপীলযোগ্য আদেশ। তাই এর বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।

♦৩৯ আদেশের ২(৪) বিধির অধীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করা হতে বিরত রাখার জন্য আদালত সম্পত্তি ক্রোকের কোন আদেশ দিলে বা অমান্যকারীকে দেওয়ানী কারাগারে আটক আদেশ দিলে, তাহলো আপীলযোগ্য আদেশ। তাই এর বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে।

♦৩৯ আদেশের ৪ বিধির অধীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ পরিবর্তন বা বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আপীল করতে পারে।

♦৩৯ আদেশের ১০ বিধির অধীন অর্থ জমাদানের কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে।
৪,৬০৪.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৬-এ কোন বিষয়ে মামলার তামাদির মেয়াদ ১ বছর নির্ধারিত হয়েছে?
  1. আবাসিক ভাড়া
  2. গৃহ-ভৃত্যের মজুরী
  3. স্থাবর সম্পত্তির উদ্ধার
  4. দণ্ড বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
সঠিক উত্তর:
দণ্ড বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ড বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ-৬-এ নিম্নলিখিত বিষয়ে মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ১ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে:
সংবিধি, আইন, প্রবিধান বা উপ-আইন (Bye-law) অনুসারে দণ্ড (Penalty) বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ (Forfeiture)-এর জন্য দায়েরকৃত মামলা।
তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয় যখন দণ্ড ভোগ করা হয় বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হয়।

অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) আবাসিক ভাড়া: অনুচ্ছেদ-৯-এ উল্লেখিত (১ বছর)।
খ) গৃহ-ভৃত্যের মজুরী: অনুচ্ছেদ-৭-এ উল্লেখিত (১ বছর)।
গ) স্থাবর সম্পত্তির উদ্ধার: অনুচ্ছেদ-৩-এ উল্লেখিত (৬ মাস)।

সুতরাং, অনুচ্ছেদ-৬-এ দণ্ড বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ সংক্রান্ত মামলার তামাদি মেয়াদ ১ বছর নির্ধারিত হয়েছে।
৪,৬০৫.
দণ্ডবিধির অনুসারে প্রোপার্টি মার্ক কী ধরনের সম্পত্তির সাথে সম্পর্কিত?
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. বুদ্ধিভিত্তিক সম্পত্তি
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪৭৯ অনুসারে, প্রোপার্টি মার্ক (Property Mark) বলতে এমন চিহ্নকে বোঝায় যা চলন্ত (movable) সম্পত্তির মালিকানা নির্দিষ্ট ব্যক্তির নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। চলন্ত সম্পত্তি অর্থাৎ অস্থাবর সম্পত্তি (যেমন: জিনিসপত্র, যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), যা স্থাবর (immovable) সম্পত্তির (যেমন: জমি, বাড়ি) বিপরীত।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা-৪৭৯: প্রোপার্টি মার্ক: যে চিহ্নটি অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা নির্দিষ্ট ব্যক্তির নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাকে প্রোপার্টি মার্ক বলা হয়।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-479:
- Property mark:- A mark used for denoting that moveable property belongs to a particular person is called a property mark.

৪,৬০৬.
আপিলকারী কারাগারে থাকলে, কার নিকট আপিলের দরখাস্ত দাখিল করা যেতে পারে?
  1. সরাসরি আপিল আদালতে
  2. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট
  3. আদালতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নিকট
  4. জেলের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার নিকট
সঠিক উত্তর:
জেলের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার নিকট
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২০ অনুসারে,
 
যদি আপিলকারী জেলে থাকে, তাহলে সে তার আপিলের পিটিশন এবং পিটিশনের সাথে দাখিলকৃত রায় ও আদেশের কপি জেলের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার নিকট দাখিল করতে পারে এবং উক্ত কর্মকর্তা পিটিশনটি সঠিক আপিল আদালতে পাঠাবে।
 
Section 420- Procedure when appellant in jail
If the appellant is in jail, he may present his petition of appeal and the copies accompanying the same to the officer in charge of the jail, who shall thereupon forward such petition and copies to the proper Appellate Court.
৪,৬০৭.
রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল বা আকষ্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে কোন ভুল হলে আদালত তা সংশোধন করতে পারে-
  1. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  2. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে
  3. ডিক্রি জারির পূর্বে
  4. যে কোন সময়
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারার বিধান রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন:
রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকষ্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।
----------------
⇒ Section 152 Amendment of judgments, decrees or orders:
Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
৪,৬০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯ অনুযায়ী, অ্যাফিডেভিট গ্রহণের জন্য কে নিযুক্ত হতে পারেন?
  1. পুলিশ সার্কেল অফিসার
  2. স্থানীয় সরকারের চেয়ারম্যান
  3. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা
  4. হাইকোর্ট কর্তৃক বিশেষ কমিশনার
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট কর্তৃক বিশেষ কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট কর্তৃক বিশেষ কমিশনার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৩৯ অনুযায়ী, যে অ্যাফিডেভিট বা হলফনামা হাইকোর্ট ডিভিশনে বা এর কোনো অফিসারের সামনে ব্যবহৃত হবে, তা শপথ সহকারে ঘোষণা করা যায়,
- হাইকোর্ট ডিভিশনের সামনে,
- হাইকোর্ট ডিভিশনের অফিসারের সামনে,
- রাষ্ট্রের করণিকের (Clerk of the State) সামনে,
- হাইকোর্ট কর্তৃক এই উদ্দেশ্যে নিযুক্ত কোনো কমিশনার বা অন্য কোনো ব্যক্তির সামনে,
- কোনো জজের সামনে,
- বাংলাদেশের Court of Record-এ অ্যাফিডেভিট গ্রহণকারী কমিশনারের সামনে।
→ এখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, হাইকোর্ট ডিভিশন নিজে কোনো কমিশনার বা অন্য কোনো ব্যক্তি (যেমন—আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক ইত্যাদি) নিযুক্ত করতে পারে এই উদ্দেশ্যে।
- অন্যদিকে, পুলিশ সার্কেল অফিসার, স্থানীয় সরকারের চেয়ারম্যান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা  এরা ধারা ৫৩৯-এর আওতায় অ্যাফিডেভিট গ্রহণ করার জন্য নিযুক্ত ব্যক্তিদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়।
⇒ সুতরাং, "ঘ) হাইকোর্ট কর্তৃক বিশেষ কমিশনার" হল সঠিক উত্তর, কারণ একমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশনই ধারা ৫৩৯ অনুযায়ী কাউকে এই দায়িত্ব পালনের জন্য নিযুক্ত করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯- যে-সব আদালত ও ব্যক্তির সম্মুখে হলফনামা করা যায়:
হাইকোর্ট ডিভিশন বা হাইকোর্ট ডিভিশনের কোন অফিসারের নিকট ব্যবহার্য অ্যাফিডেভিট ও প্রতিজ্ঞা সম্পর্কে উক্ত হাইকোর্ট বিভাগে বা রাষ্ট্রের করণিকের সামনে কিংবা উক্ত আদালতের দ্বারা এ উদ্দেশ্যে নিযুক্ত কোন কমিশনার বা অন্য কোন ব্যক্তির সামনে কিংবা কোন জজের সামনে বা বাংলাদেশে কোন কোর্ট অব রেকর্ডে অ্যাফিডেভিট গ্রহণকারী কোন কমিশনারের সামনে শপথ করা যাবে এবং এর সত্যতা ঘোষণা করা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898- Section 539- Courts and persons before whom affidavits may be sworn:
Affidavits and affirmations to be used before High Court Division or any officer of such Court may be swom and affirmed before such Court or the Clerk of the State or any Commissioner or other person appointed by such Court for that purpose, or any Judge, or any Commissioner for taking affidavits in any Court of Record in Bangladesh.
৪,৬০৯.
"Remand For Fresh Trial" এর জন্য ফৌজদারী কার্যবিধির কতো ধারা আনুযায়ী Appeal Court নির্দেশ দিতে পারে ?
  1. ৪২৬ ধারায়
  2. ৪২৭ ধারায়
  3. ৪২৮ ধারায়
  4. ৪২৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪২৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪২৮ অনুসারে আপিল আদালত আতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে নির্দেশ দিতে পারে। 
•এছড়াও ৪২৮ ধারামতে আপিল আদালত মামলাটি "Remand for fresh trial" বা নতুনভাবে শুনানীর জন্য ফেরত পাঠাতে পরবে । 
৪,৬১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারায় কোন বিষয় সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা
  2. ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতি
  3. ক্ষমতা প্রত্যাহারের পদ্ধতি
  4. ক্ষমতা অর্পণের নিয়মাবলী
সঠিক উত্তর:
ক্ষমতা প্রত্যাহারের পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষমতা প্রত্যাহারের পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারা- ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ:
(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোনো ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেনঃ শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করে করতে হয়, সেক্ষেত্রে এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যাহৃত হতে পারবে।

Section 41- Withdrawal of powers:
(1)The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.

(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.
৪,৬১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫চ ধারা অনুযায়ী, যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার না করে, তখন আদালত কী করবে?
  1. অভিযুক্তকে শাস্তি দেবে
  2. মামলা খারিজ করবে
  3. অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দেবে
  4. চার্জ গঠন করে সাক্ষী পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করবে
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠন করে সাক্ষী পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠন করে সাক্ষী পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করবে
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি মামলার বিচার ২ ধরনের আদালতে হয়-
- ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০) এবং
- দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ)।

• ফৌজদারি কার্যবিধি ২৬৫চ ধারা-
যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দন্ডিত হয় না তাহলে আদালত চার্জ গঠন করে, সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোন সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু(সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারে।

Section 265F: Date for prosecution evidence
If the accused refuses to plead, or does not plead, or claims to be tried or is not convicted under section 265E, the Court shall fix a date for the examination of witnesses, and may, on the application of the prosecution, issue any process for compelling the attendance of any witness or the production of any document or other thing.

৪,৬১২.
কোন বিষয়টি প্রমাণের প্রয়োজন নেই?
  1. বাংলাদেশের আইনসমূহ
  2. আইন সভার কার্যসমূহ
  3. আদালত সমূহের সীল মোহর
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)- যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই (Fact judicially noticeable need not be proved)। তবে জুডিশিয়াল নোটিশ চূড়ান্ত প্রমান নয়, এর বিরূদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন।
৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[ বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]
৪,৬১৩.
কোনো অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত অভিযোগপত্রের সাথে কত টাকা ফি জমা দিতে হবে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ বার কাউন্সিলে কোনো অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগে অভিযোগপত্রের সাথে সংযুক্ত করতে হবে-
i) আইনজীবীর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিবরণ।
ii) অভিযোগপত্রের সাথে ১০০০ টাকা ফি জমা দিতে হবে।
iii) অ্যাফিডেভিটসহ প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট জমা দিতে হবে। কিন্তু অভিযোগ আদালত বা সরকারি কর্মকর্তার অফিসিয়াল দায়িত্বের বিরুদ্ধে হলে অ্যাফিডেভিট জমা দিতে হবে না।
-------------
⇒ Disciplinary Proceedings:
- The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules 1972:-41. A complaint against an advocate shall contain clear charge or charges against such advocate, and sha accompanied by all documents, or copies of documen are available to the complainant and in a case whe complaint is not by a court or by public officer acting official capacity, shall also be supported by an affidavi facts;
- Provided that the Bar Council may, dispense with the of an affidavit.
 
- The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules 1972:-41A. The petition of complaint against an Advocate shall be filed with the Bar Council along with payment of a fee of Tk.1,000.
৪,৬১৪.
আদালত কখন বিচার্য বিষয় সংশোধন করতে পারে?
  1. মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণার পর
  2. মামলার আপিল চলাকালীন
  3. বাদী ও বিবাদীর সম্মতির ভিত্তিতে
  4. ডিক্রি প্রদান করার পূর্বে যেকোনো সময়
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদান করার পূর্বে যেকোনো সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদান করার পূর্বে যেকোনো সময়
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি-৫: বিচার্য বিষয় সংশোধন এবং কর্তন ক্ষমতা:
১) আদালত ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্তে বিচার্য বিষয় সংশোধন কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় গঠন করতে পারে এবং পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়াবলী নির্ণয় করতে প্রয়োজনীয় হতে পারে এরূপ সংশোধনী কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় সেভাবে প্রণীত হবে।

২) ডিক্রি দেয়ার পূর্বে আদালত আরো তার নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত কিংবা প্রবর্তিত হয়েছে বলে পরিদৃষ্ট হলে কোন বিচার্য বিষয় কেটে দিতে পারে।
৪,৬১৫.
What is the maximum sentence that a Magistrate specially empowered under Section 29C can pass?
  1. Death sentence
  2. Life imprisonment
  3. Seven years imprisonment
  4. Ten years imprisonment
সঠিক উত্তর:
Seven years imprisonment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Seven years imprisonment
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৩ক ধারায় বলা হয়েছে যে,
২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

Section 33A⇒  Higher powers of certain Magistrates:
The Court of a Magistrate, specially empowered under section 29C, may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation or imprisonment for a term exceeding seven years.
৪,৬১৬.
বিবাদি তার জবাবে ঐ সমস্ত বিষয়াবলী উত্থাপন করবে যা থেকে দেখা যাবে যে-
  1. মোকদ্দমাটি রক্ষণীয় নয়
  2. বিষয়টি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল বা বাতিলযোগ্য
  3. ক বা খ
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৮ বিধি ২-
বিবাদি তার জবাবে ঐ সমস্ত বিষয়াবলী উত্থাপন করবে যা থেকে দেখা যাবে যে, মোকদ্দমাটি রক্ষণীয় নয় অথবা বিষয়টি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল বা বাতিলযোগ্য এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের ঐ সমস্ত হেতু উত্থাপন করবেন, যা উত্থাপন না করলে অপর পক্ষ বিস্মিত হত কিংবা আরজিতে উল্লেখ করা হয়নি এরূপ বিষয়াবলী উপস্থাপন করবেন যথা- তক্ষকতা, তামাদি, মুক্তি, পরিশোধ, কার্য সম্পাদন কিংবা আইনবিরুদ্ধ প্রমাণকারী তথ্যসমূহ।

[The defendant must raise by his pleading all matters which show the suit not to be maintainable or that transaction is either void for voidable in point of law and all such grounds of defence as if not raised, would be likely to take the opposite party by surprise or would raise issues of fact not arising out of the plaint as for instance, fraud, limitation, release, payment, performance, or facts showing illegality.]
৪,৬১৭.
মাধ্যমিক সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতার কোন ধরনের পরিস্থিতি ধারা ৬৫-তে উল্লেখ নেই?
  1. মূল দলিল নষ্ট হয়ে গেলে
  2. দলিলটি স্থানান্তরযোগ্য না হলে
  3. দলিলটি মৌখিক স্বীকৃত হলে
  4. দলিলটি আদালতের সমনের আওতার বাইরে হলে
সঠিক উত্তর:
দলিলটি মৌখিক স্বীকৃত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলটি মৌখিক স্বীকৃত হলে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন ধারা ৬৪- প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ:
এ আইনে অত:পর যে সমস্ত ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলি ব্যতীত অপর সমস্ত ক্ষেত্রে দলিলসমূহ অবশ্যই প্রথম শ্রেণীর সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।

তবে কোন কোন ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায়, তা সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।

⇒ ক্ষেত্রসমূহ নিম্নরূপ:
ক. দলিলটি যার বিপক্ষে প্রমাণ করতে হবে তার আয়ত্তে আছে বা আদালতের সমনের আওতার বাইরে বা সেই ব্যক্তির দখলে আছে যে ব্যক্তি দলিলটি পেশ করতে বাধ্য কিন্তু নোটিশ পাওয়া সত্ত্বেও দাখিল করছে না;
খ. দলিলটি যার বিপক্ষে প্রমাণ করতে হবে, সে ব্যক্তি দলিলটির অস্তিত্ব লিখিত ভাবে স্বীকার করে নিয়েছে;
গ. মূল দলিলটি হারিয়ে গেছে বা নষ্ট হয়ে গেছে;
ঘ. দলিলটি সহজে স্থানান্তরযোগ্য না হলে;
ঙ. মূল দলিলটি সরকারী দলিল হলে;
চ. দলিলটির জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের নিয়ম থাকলে;
ছ. মূল দলিলের পরীক্ষা আদালতের জন্য সুবিধাজনক না হলে।

'দলিলটি মৌখিক স্বীকৃত হলে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে'- এই বিধান ৬৫ ধারায় উল্লেখ নেই।
৪,৬১৮.
কোন ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যাবে না?
  1. জেরা কালে
  2. জবানবন্দী গ্রহণকালে
  3. পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত 'হ্যা' অথবা 'না' এই দুই  ভাবে প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
 
১৪২ ধারার বিধান-
বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা চলিবে না।
 
১৪৩ ধারার বিধান-
জেরার ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা চলিবে।
৪,৬১৯.
A এবং B একত্রে Z কে বিষ প্রয়োগে হত্যা করার জন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। ঐ ষড়যন্ত্র অনুযায়ী A বিষ সংগ্রহের জন্য B কে প্রয়োজনীয় অর্থ দেয়। B বিষ সংগ্রহ করে A এর অনুপস্থিতিতে B ঐ বিষ Z কে পান করিয়ে তার মৃত্যু ঘটায়। এক্ষেত্রে -
  1. A কোনো অপরাধে দায়ী হবে না
  2. শুধুমাত্র B ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে
  3. A ও B উভয়ে ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
A ও B উভয়ে ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A ও B উভয়ে ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে
ব্যাখ্যা
• যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে, আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে। দণ্ডবিধির  ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে-
 
(i) কাউকে প্ররোচিত করে (instigation);
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (engagement);
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding)।
 
দণ্ডবিধির ১০৯ থেকে ১২০ ধারা পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকার প্ররোচনার শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। ১০৯ ধারা অনুযায়ী প্ররোচনার ফলে অপরাধটি সংঘটিত হলে শাস্তি কিভাবে নির্ধারণ করতে হবে, তা ১০৯ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে-
 
⇒ আইনের সাধারণ নীতি হলো প্ররোচনাকারী এবং কার্য সংগঠনকারী একই শাস্তি পাবে।

⇒ কোন অপরাধের সহায়তা করার জন্য শাস্তি নির্ধারিত থাকলে অপরাধের সহায়তাকারী উক্ত শাস্তিতে দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ: A, B নামক একজন উন্মাদ ব্যক্তিকে বিষ পান করে আত্মহত্যা করতে প্ররোচনা করে। উন্মাদ ব্যক্তি বিষ পান করে আত্মহত্যা করে। শিশু বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা দানের জন্য শাস্তি দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে এবং এই ক্ষেত্রে A মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অনধিক দশ বৎসর মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
 
⇒ কোন অপরাধে সহায়তা করার জন্য শাস্তি নির্ধারিত না থাকলে, অপরাধে সহায়তাকারি মূল অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তিতে দণ্ডিত হবে।

এখানে, B খুনের জন্য দায়ী হবে এবং খুনের জন্য নির্ধারিত ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে। অন্যদিকে, A খুনে সহায়তা করার জন্য দায়ী হবে। কিন্তু খুনে সহায়তা করার জন্য নির্ধারিত কোন শাস্তির বিধান দণ্ডবিধিতে উল্লেখ নেই। এক্ষেত্রে, A মূল অপরাধের দণ্ডধারা ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে। অর্থাৎ A ও B উভয়ে ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে।
৪,৬২০.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে কার লিখিত অনুমতি নিয়ে গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা করতে হয়?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. প্রধানমন্ত্রীর
  3. প্রধান বিচারপতির
  4. অ্যাটর্নি জেনারেলের
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেলের
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৯১ ধারা: গণ-উৎপাত:

অ্যাটর্নি জেনারেল বা অ্যাটর্নি জেনারেলের দুই বা ততোধিক ব্যক্তি লিখিত অনুমতি নিয়ে গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা করবেন। বিশেষ কোন ক্ষতি না হয়ে থাকলেও এই মামলা করা যাবে। তবে এটর্নি জেনারেল ছাড়া অন্য কেহ মামলা করতে হলে এটর্ণি জেনারেলের লিখিত ‍অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।

Section: 91- Public nuisances:
(1) In the case of a public nuisance the Attorney General, or two or more persons having obtained the consent in writing of the Attorney General, may institute a suit, though no special damage has been caused, for a declaration and injunction or for such other relief as may be appropriate to the circumstances of the case.

(2) Nothing in this section shall be deemed to limit or otherwise affect any right of suit which may exist independently of its provisions.
৪,৬২১.
ধারা ৮৮ এর অধীন কোন ধরনের কাজের ক্ষেত্রে সম্মতি থাকা প্রয়োজন?
  1. অপরাধমূলক কাজ
  2. ব্যক্তিগত লাভের জন্য করা কাজ
  3. অন্যের উপকারের জন্য করা কাজ
  4. অন্যের অপকারের জন্য করা কাজ
সঠিক উত্তর:
অন্যের উপকারের জন্য করা কাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যের উপকারের জন্য করা কাজ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮৮ ধারা- মৃত্যু ঘটাইবার জন্য অভিপ্রেত নহে এমন কার্য ব্যক্তি বিশেষের উপকারার্থ সদবিশ্বাসে সম্মতি সহকারে সম্পাদন:

যে ব্যক্তির উপকার হবে বলে আন্তরিক সদিচ্ছা বা সরল বিশ্বাস হতে কোন কাজ উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত কার্যভূত ক্ষতি স্বীকার বা ক্ষতির ঝুঁকি স্বীকারমূলক সম্মতিক্রমে, মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছাড়া উক্ত ব্যক্তির উপকারার্থে সম্পন্ন হয়-কার্যটি সম্পাদনের পর তাতে কোনরূপ ক্ষতি সাধিত হওয়ার ফলে অথবা যিনি কাজটি সম্পন্ন করলেন, তিনি উহাতে যে ক্ষতি করার ইচ্ছা করেছিলেন, যে ক্ষতি হওয়ার ফলে অথবা যিনি কাজটি সম্পন্ন করলেন, উহাতে সম্ভবত সে ক্ষতি হতে পারে বলে জানতেন, তা হওয়ার ফলে কাজটি অপরাধ হবে না।

সহজ ভাষায়,
যদি কেউ আন্তরিকভাবে কারো উপকারের জন্য তার সম্মতি নিয়ে কোনো কাজ করে এবং সেই কাজের ফলে কোনো ক্ষতি হয়, তবে সেটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না, যদি কাজটি করার উদ্দেশ্য মৃত্যু ঘটানো না হয়। অর্থাৎ, যদি কারো ভালোর জন্য, তার সম্মতি নিয়ে, কোনো কাজ করা হয় এবং সেই কাজের ফলে দুর্ঘটনাক্রমে কোনো ক্ষতি হয়, তাহলে সেটিকে অপরাধ হিসেবে ধরা হবে না।

Section 88- Act not intended to cause death, done by consent in good faith for person’s benefit:
Nothing, which is not intended to cause death, is an offence by reason of any harm which it may cause, or be intended by the doer to cause, or be known by the doer to be likely to cause, to any person for whose benefit it is done in good faith, and who has given a consent, whether express or implied, to suffer that harm, or to take the risk of that harm.
৪,৬২২.
কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটদের মতো মামলা আমলে নেবার ক্ষমতা দিতে পারেন?
  1. সরকার 
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. দায়রা জজ
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
সরকার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার 
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে।

• আমলে নেয়া অর্থ হলো -অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অপরাধের বিরুদ্ধে অগ্রসর হওয়ার জন্য উপাদান আছে বলে ম্যাজিস্ট্রেট মানসিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে এবং সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন অগ্রসর হওয়ার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নিয়েছে বলে গণ্য হবে।

• যে সকল ম্যাজিস্ট্রেটগণ অপরাধ আমলে নিতে পারেন:

i. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ii. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
iii. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
iv. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট অথবা
v. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন ম্যাজিস্ট্রেট

• ম্যাজিস্ট্রেট ৩টি উৎসের উপর ভিত্তি করে অপরাধ আমলে (Cognizance) নিতে পারেন। যথা-

i. অভিযোগ (Complaint ) [ধারা ১৯০ (১)(ক)]
ii. পুলিশের লিখিত রিপোর্ট (Report) [ধারা ১৯০ (১)(খ)]
iii. তথ্য (information), নিজস্ব জ্ঞান ( knowledge ) বা সন্দেহবশত (suspicion) কোন তথ্য পেলে [ধারা ১৯০ (১)(গ)]

• ক্ষমতাপ্রাপ্ত ২য় ও ৩য় শ্রেণীর ম্যজিস্ট্রেট অভিযোগ ও রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে মামলা আমলে নিতে পারেন। [ধারা ১৯০(৩)]

• ৩য় শ্রেণীর ম্যজিস্ট্রেট তথ্য (information), নিজস্ব জ্ঞান (knowledge) বা সন্দেহ (suspicion) এর উপর ভিত্তি করে মামলা আমলে নিতে পারেন না।

• সরকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেন। (Government may empower any Executive Magistrate to take cognizance) [ধারা ১৯০ (৪)]
৪,৬২৩.
The Limitation Act, 1908 এর ধারা ১৭ কোন ধরনের কার্যধারায় প্রযোজ্য?
  1. কেবল মোকদ্দমা
  2. কেবল দরখাস্ত
  3. কেবল আপিল
  4. মোকদ্দমা ও দরখাস্ত উভয় ক্ষেত্রেই
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা ও দরখাস্ত উভয় ক্ষেত্রেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা ও দরখাস্ত উভয় ক্ষেত্রেই
ব্যাখ্যা

The Limitation Act, 1908 এর ১৭ ধারার বিধান- অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল:-
কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে। একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে।

এই ধারার ব্যতিক্রম হলো- অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা।

৪,৬২৪.
কোন অভিপ্রায় থাকলে দণ্ডবিধির, ১৮৬০ এর ধারা ১৬৬ এর দায় সৃষ্টি হয়?
  1. নিজের সুবিধা লাভের উদ্দেশ্য
  2. রাষ্ট্রের ক্ষতি করার উদ্দেশ্য
  3. অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতি হওয়ার জ্ঞান বা ধারণা থাকা
  4. অন্য কোনো ব্যক্তির সুবিধা লাভের উদ্দেশ্য
সঠিক উত্তর:
অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতি হওয়ার জ্ঞান বা ধারণা থাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতি হওয়ার জ্ঞান বা ধারণা থাকা
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির, ১৮৬০ এর ধারা ১৬৬: আইন লঙ্ঘনকারী সরকারি কর্মচারী, যার উদ্দেশ্য অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতি করা:
যে ব্যক্তি, সরকারি কর্মচারী হিসেবে, আইন অনুযায়ী যে ভাবে তার কর্তব্য পালন করতে হবে তা জানার পরও ইচ্ছাকৃতভাবে আইন লঙ্ঘন করে, এবং জানে বা ধারণা করে যে তার এই অমান্যতার ফলে কোনো ব্যক্তির ক্ষতি হতে পারে, সে ব্যক্তি এক বছরের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়ই হতে পারে।

উদাহরণ:
ক, একজন কর্মকর্তা, আইন অনুযায়ী কোনো সম্পত্তি কার্যকর করতে নির্দেশপ্রাপ্ত, যাতে খ এর পক্ষে আদালতের সিদ্ধান্ত মোতাবেক চূড়ান্ত নিষ্পত্তি ঘটাতে পারে, যদি সে সচেতনভাবে সেই নির্দেশ অমান্য করে এবং জানে যে এর ফলে খ এর ক্ষতি হতে পারে, তাহলে এ ব্যক্তি উক্ত ধারায় অপরাধ করেছেন।

৪,৬২৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৮ ধারা অনুযায়ী, যদি মোকদ্দমার সময় আদালতের এখতিয়ার নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকে এবং এতে ন্যায় বিচার ব্যর্থ হয়, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত কোন পক্ষ আপত্তি উত্থাপন করলে কী করতে পারে?
  1. মামলা বাতিল করতে পারে
  2. আপত্তি মঞ্জুর করতে পারে
  3. মামলাটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে
  4. নতুন আদালতে মামলা স্থানান্তর করতে পারে
সঠিক উত্তর:
আপত্তি মঞ্জুর করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপত্তি মঞ্জুর করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮ এর বিধান আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে মোকদ্দমা দায়েরের স্থান (Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain): স্থাবর সম্পত্তি দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সেই সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে, যে কোন একটি আদালত অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবেন; তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও মূল্য আদালতের এখতিয়ারের বাহিরে হবে না।
→ আপিল বা রিভিশন আদালতে যদি এই মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, সম্পত্তিটি যে স্থানে অবস্থিত সেই স্থানের আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেনি, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত আপত্তিটি মঞ্জুর করবেন না, তবে এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসংগত কারণ থাকলে এবং ন্যায় বিচার ব্যর্থ হলে উক্ত আবেদন মঞ্জুর করতে পারে।

→ আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে, মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে দেওয়ানী কার্যবিধির ১৮ ধারাতে-
১) কোন স্থাবর সম্পত্তি যখন দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সে সম্পর্কে অনিশ্চয়তার অভিযোগ থাকলে এরূপ আদালতের মধ্যে যে কোন একটি আদালত যদি সন্তুষ্ট হয়ে মনে করে যে, এরূপ অনিশ্চয়তার ন্যায়সংগত কারণ রয়েছে তাহলে তদমর্মে একটি বিবৃতি লিপিবদ্ধ করে ঐ সম্পত্তির ব্যাপারে যে কোন মোকদ্দমা গ্রহণ ও বিচার করতে পারবে এবং এরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির ঐরূপ কার্যকারিতা থাকবে, যে-রূপ এই আদালতের নিজস্ব এখতিয়ারে স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সম্পত্তি অবস্থিত হলে কার্যকারিতা থাকত:
তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও দাবির মূল্য এরূপ হতে হবে যার সম্পর্কে আদালত এখতিয়ার প্রয়োগ করতে সক্ষম হয়।

২) যেখানে (১) উপধারা অনুযায়ী বিবৃতি রেকর্ডকৃত করা হয়নি এবং আপিল অথবা রিভিশন আদালতে এ মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, যে স্থানে সম্পত্তিটি অবস্থিত, সে স্থানে কোন প্রকার ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করার এখতিয়ার আদালতের নেই, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, মোকদ্দমা দায়ের করার সময় আদালতের এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসংগত কারণ ছিল এবং এর কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয়েছে; তাহলে আপত্তিটি গ্রাহ্য হবে।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section- 18. Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain:
(1) Where it is alleged to be uncertain within the local limits of the jurisdiction of which of two or more Courts any immovable property is situate, any one of those Courts may, if satisfied that there is ground for the alleged uncertainly, record a statement to that effect and thereupon proceed to entertain and dispose of any suit relating to that property, and its decree in the suit shall have the same effect as if the property were situate within the local limits of its jurisdiction: 
Provided that the suit is one with respect to which the Court is competent as regards the nature and value of the suit to exercise jurisdiction. 

(2) Where a statement has not been recorded under sub-section (1), and an objection is taken before an appellate or revisional Court that a decree or order in a suit relating to such property was made by a Court not having jurisdiction where the property is situate, the appellate or revisional Court shall not allow the objection unless in its opinion there was, at the time of the institution of the suit, no reasonable ground for uncertainly as to the Court having jurisdiction with respect thereto and there has been a consequent failure of justice.
৪,৬২৬.
মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৭ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদে মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ ৭ দিনের বিধান আছে।

⇒ অনুচ্ছেদ ১৫০ এর বিধান-দায়রা আদালত কর্তৃক অথবা মূল ফৌজদারি এখতিয়ার প্রয়োগকালে হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যু দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে আপিল দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
৪,৬২৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১২ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী, মোকদ্দমার কোন পক্ষ স্বীকারোক্তি (Admission) দিতে পারে?
  1. শুধু বাদী পক্ষ
  2. শুধু বিবাদী পক্ষ
  3. মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ
  4. মোকদ্দমার বাদী পক্ষের সাক্ষী
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ
ব্যাখ্যা
উত্তর: মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ। 

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১২ নং আদেশে স্বীকৃতি (Admission) সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। মোকদ্দমার কোন পক্ষ যদি অপর পক্ষের দাবির সত্যতা সম্পূর্ণভাবে বা আংশিকভাবে স্বীকার করেন, তবে এটি আদালতকে ৩ ভাবে জানানো যেতে পারে।
এই তিনটি উপায় হলো:
১) আরজি বা লিখিত জবাবের মাধ্যমে লিখিত স্বীকৃতি প্রদান করা।
২) সম্মতি দ্বারা স্বীকৃতির মাধ্যমে।
৩) নোটিশ দ্বারা স্বীকৃতি প্রদান করা।
 
⇒ আদেশ ১২, বিধি ১: মোকদ্দমার স্বীকারের নোটিশ:
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ তার আরজি বা জবাবের মাধ্যমে অথবা অন্য লিখিত উপায়ে অপর পক্ষের দাবির সামগ্রিক বা আংশিক সত্যতা স্বীকার করে নোটিশ প্রদান করতে পারেন।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-12 Rule-1: Notice of admission of case:
Any party to a suit may give notice, by his pleading, or otherwise in writing, that he admits the truth of the whole or any part of the case of any other party.
৪,৬২৮.
কোন ধারা অনুযায়ী অধিকতর তদন্ত (Further Investigation) করা হয়?
  1. ১৭২(২খ)
  2. ১৭৩(৩ক)
  3. ১৭২(৩ক)
  4. ১৭৩(৩খ)
সঠিক উত্তর:
১৭৩(৩খ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৩(৩খ)
ব্যাখ্যা
• অধিকতর তদন্ত [Further Investigation] এবং সম্পূরক চার্জশীট (Supplementary Charge Sheet)-

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)।

• অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই।

• তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত উদ্ধতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।

• ১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশীটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
৪,৬২৯.
Which of the following is not included in the methods of granting specific relief under Section 5 of The Specific Relief Act, 1877?
  1. Delivery of possession of property
  2. Declaration of rights
  3. Appointment of a receiver
  4. Award of compensation
সঠিক উত্তর:
Award of compensation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Award of compensation
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: d) Award of compensation (ক্ষতিপূরণ প্রদান)।

⇒ The Specific Relief Act, 1877–এর ধারা ৫ অনুযায়ী specific relief বলতে এমন প্রতিকারকে বোঝায় যেখানে আদালত নির্দিষ্ট কাজ করাতে বা নির্দিষ্ট কাজ থেকে বিরত রাখতে নির্দেশ দেন। এখানে ক্ষতিপূরণ (compensation) প্রদানই মূল উদ্দেশ্য নয়।

ধারা ৫–এ যেসব উপায়ে নির্দিষ্ট প্রতিকার দেওয়া হয়, সেগুলো হলো-
- নির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল নিয়ে দাবিদারকে প্রদান করা (Delivery of possession);
- কোনো পক্ষকে তার আইনগত দায়বদ্ধ কাজটি করতে আদেশ দেওয়া (by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do);
- কোনো পক্ষকে নিষিদ্ধ কাজ করা থেকে বিরত রাখা (by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do);
- ক্ষতিপূরণ না দিয়ে পক্ষগুলোর অধিকার ঘোষণা করা (Declaration of rights);
- রিসিভার নিয়োগ করা (Appointment of a receiver)।

কিন্তু ক্ষতিপূরণ প্রদান (Award of compensation) হলো দেওয়ানী ক্ষতিপূরণমূলক প্রতিকার, যা সাধারণত Contract Act বা Civil Procedure–এর আওতায় পড়ে; এটি Specific Relief Act-এর ধারা ৫–এর অন্তর্ভুক্ত নয়।

৪,৬৩০.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী কোন ক্ষেত্রে মৌখিক আবেদনের মাধ্যমে ডিক্রি কার্যকর করা যেতে পারে?
  1. যেকোনো ধরনের ডিক্রি ক্ষেত্রে
  2. সম্পত্তি বিক্রয়ের ডিক্রি ক্ষেত্রে
  3. রিসিভার নিয়োগের ডিক্রি ক্ষেত্রে
  4. অর্থ প্রদানের ডিক্রি ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
অর্থ প্রদানের ডিক্রি ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ প্রদানের ডিক্রি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-২১, বিধি-১১ (১) (Order XXI, Rule 11(1)) অনুযায়ী, যদি ডিক্রিটি অর্থ প্রদানের জন্য হয়ে থাকে এবং ডিক্রি ঘোষণার সময় দায়িক (judgment-debtor) আদালতের চত্বরে উপস্থিত থাকে, তাহলে ডিক্রিদার মৌখিকভাবে আদালতের নিকট আবেদন করতে পারেন, যেন তৎক্ষণাৎ দায়িককে গ্রেফতার করে ডিক্রি কার্যকর করা হয়, এমনকি ওয়ারেন্ট প্রস্তুত হবার আগেই।
- এটি শুধুমাত্র "অর্থ প্রদানের ডিক্রি" ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

⇒ অর্থাৎ, অর্থ প্রদানের ডিক্রির ক্ষেত্রেই কেবল মৌখিক আবেদনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক কার্যকর করার সুযোগ রয়েছে, অন্য কোনো ধরনের ডিক্রির ক্ষেত্রে নয়।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-11. Oral application:
(1) Where a decree is for the payment of money the Court may, on the oral application of the decree-holder at the time of the passing of the decree, order immediate execution thereof by the arrest of the judgment-debtor, prior to the preparation of a warrant if he is within the precincts of the Court.
৪,৬৩১.
The jurisdiction of a Senior Assistant Judge and an Assistant Judge shall extend to all suits of which the value does not exceed _______ lac Taka and ________ lac Taka respectively.
  1. 20 , 5
  2. 25 , 15
  3. 20 , 10
  4. 25 , 5
সঠিক উত্তর:
25 , 15
উত্তর
সঠিক উত্তর:
25 , 15
ব্যাখ্যা
The Civil Courts Act,1887: Section 19-Extent of jurisdiction of Senior Assistant Judge, etc:
(1) Save as otherwise provided by any enactment for the time being in force, the jurisdiction of a Senior Assistant Judge and an Assistant Judge shall extend to all suits of which the value does not exceed 25 (twenty five) lac Taka and 15 (fifteen) lac Taka respectively.

(2) The District Judge shall transfer the suit or proceeding pending before the Joint District Judge Court or the Senior Assistant Judge Court to the competent court within 90 (ninety) days from the date of enforcement of the Civil Courts (Amendment) Act, 2021.

(3) If any suit or proceeding is transferred under sub-section (2), the suit or proceeding shall start from the stage at which it was transferred.

• The Civil Courts Act,1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালত সমূহের আর্থিক এখতিয়ার-
⇒ সহকারী জজ আদালত (The Court of Assistant Judge) = ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত;
⇒ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত (The Court of Senior Assistant Judge) = ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত;
⇒ যুগ্ম জেলা জজ আদালত (The Court of Joint District Judge) = ২৫ লক্ষ টাকার উপরে।
৪,৬৩২.
নিচের কোনটি চোরাই মাল (Stolen Property)?
  1. চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
  2. বিশ্বাসভঙ্গ মূলে গৃহীত সম্পত্তি
  3. বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি
  4. 'ক', 'খ' ও 'গ'
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' ও 'গ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' ও 'গ'
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারামতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-

ক) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
খ) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
গ) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং
ঘ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।

⇒ উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:
- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
---------------------- 
⇒  Stolen property:
Section 410. Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.
৪,৬৩৩.
মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে শাস্তিযোগ্য অপরাধে সহায়তাকরণের ফলে অপরাধ সংঘটিত না হলেও তার শাস্তি হলো-
  1. ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ১২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১১৫ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে সহায়তাকরণ, অপরাধ অনুষ্ঠিত না হইলে:

- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করে কিন্তু সহায়তা করার ফলে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত না হয় এবং অনুরূপ সহায়তার দণ্ডদানের জন্য এই বিধিতে কোন স্পষ্ট বিধান না থেকে থাকে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডে ও দণ্ডিত করা যাবে।

♦ সহায়তার ফলে অপরাধ অনুষ্ঠিত হলে:- এবং যদি এমন কোন কাজ সম্পাদিত হয় যাতে সহায়তার জন্য সহায়তাকারী দায়ী হয় এবং যাতে কোন ব্যক্তি আঘাতপ্রাপ্ত হয়, তবে যোগসাজশকারী সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এই কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারবে, এবং সহায়তাকারীকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

----------------
♦ Abetment of offence punishable with death or imprisonment for life- if offence be not committed; if act causing harm be done in consequence:
Section 115. Whoever abets the commission of an offence punishable with death or 31[imprisonment] for life, shall, if that offence be not committed in consequence of the abetment, and no express provision is made by this Code for the punishment of such abetment, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine; 
 
and if any act for which the abettor is liable in consequence of the abetment, and which causes hurt to any person, is done, the abettor shall be liable to imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.
৪,৬৩৪.
একটি দেওয়ানি মোকদ্দমার সমন বিনা জারিতে ফেরত আসার ৩০ দিনের মধ্যে বাদী নতুন করে সমন পাঠানোর পদক্ষেপ না নিলে আদালত কী সিদ্ধান্ত নিবে?
  1. বাদীকে নোটিশ দেবে
  2. মোকদ্দমাটি স্থগিত করে রাখবে
  3. মোকদ্দমাটি খারিজ করার আদেশ দেবে
  4. বাদীকে আদালতে হাজির হবার জন্য সমন পাঠাবে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি খারিজ করার আদেশ দেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি খারিজ করার আদেশ দেবে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৯, বিধি-৫:
(১) বিবাদীকে কিংবা কতিপয় বিবাদীর কোনো একজনের প্রতি সমন দেওয়ার পর যদি তা জারি না হয়ে ফেরত আসে, এবং আদালতের যে কর্মচারী সাধারণত সমন জারির বিষয়ে আদালতের কাছে প্রত্যয়ন করেন, তিনি আদালতে উক্ত সমন জারি না হওয়ার প্রত্যয়নপত্রসহ তা ফেরত দেওয়ার পর এক মাসের মধ্যে বাদী যদি নতুন সমন দেওয়ার জন্য আবেদন না করেন, তাহলে আদালত অনুরূপ বিবাদীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ দেবে। তবে, যদি উক্ত এক মাসের মধ্যে বাদী নিম্নলিখিত যে কোনো কারণ দর্শিয়ে আদালতকে এ মর্মে সন্তুষ্ট করতে পারেন—
ক) যে বিবাদীর উপর সমন জারি হয়নি, বাদী যথাসাধ্য সকল চেষ্টা করেও সেই বিবাদীর ঠিকানা আবিষ্কার করতে ব্যর্থ হয়েছে; অথবা
খ) উক্ত বিবাদী পরোয়ানা জারি এড়িয়ে চলছেন; অথবা
গ) সময়ের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য কোনো যৌক্তিক কারণ রয়েছে, তাহলে আদালত নতুন সমন দেওয়ার আবেদনের সময়ের মেয়াদ উপযুক্ত মনে করে বৃদ্ধি করতে পারবে।

(২) অনুরূপ ক্ষেত্রে বাদী (তামাদি আইন সাপেক্ষে) নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন।

৪,৬৩৫.
মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার আগে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে-
  1. ঘোষণা প্রদানকারী সত্য বলেছে
  2. ঘোষণা প্রদানকারী মৃত
  3. ম্যাজিস্ট্রেট এর কাছে দেয়া হয়েছে
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
ঘোষণা প্রদানকারী মৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোষণা প্রদানকারী মৃত
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। 
- 'Dying Declaration' বা মৃত্যুকালীন বিবৃতি যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে করা যায়।
 
⇒  সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
 
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে;
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি;

মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায়: ১. লিখিত ভাবে ২. ইশারায় ৩. মৌখিকভাবে।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রযোজ্য: দেওয়ানি মোকদ্দমা ও ফৌজদারি মামলা উভয় ক্ষেত্রেই।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায় যার নিকট: যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে; যেমন: ডাক্তার, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার আগে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে- ঘোষণা প্রদানকারী মৃত [১০৪ ধারার বিধান]।
 
মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্য হবে না: মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী মৃত্যুবরণ না করলে [বেঁচে থাকলে]; উক্ত ঘোষণা- সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে। তবে ধারা ১৪৫, ১৫৭ অনুযায়ী সমর্থনমূলক সাক্ষ্য [Dying Recognition] হিসাবে ব্যবহার করা যাবে।
৪,৬৩৬.
সাক্ষীর আচরণ বা মামলার ফলাফল নিয়ে মতামত দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার কোন ব্যতিক্রমে মানহানি নয়?
  1. চতুর্থ ব্যতিক্রম
  2. পঞ্চম ব্যতিক্রম
  3. ষষ্ঠ ব্যতিক্রম
  4. সপ্তম ব্যতিক্রম
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম ব্যতিক্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম ব্যতিক্রম
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার বিধান মানহানি:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা ১:- যে মৃত ব্যক্তির জীবনকালে তার সম্পর্কে কোন নিন্দা করা হলে তার মানহানি ঘটত, সে মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে অনুরূপ কোন নিন্দাবাদ এবং সে মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের বা অন্যান্য কাছে আত্মীয়ের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ নিন্দাবাদ করা, মানহানি বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন কোম্পানি বা সংঘ বা ব্যক্তিসমাবেশ সম্পর্কে সমষ্টিগতভাবে কোন নিন্দাবাদ করা মানহানি বলে পরিগণিত হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- বিকল্পরূপে বা বিদ্রূপাত্মকরূপে ব্যক্ত কোন নিন্দাবাদ মানহানির সামিল হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কোন নিন্দাবাদ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে অন্যান্য ব্যক্তির দৃষ্টিতে সে ব্যক্তির নৈতিক বা বুদ্ধিগত চরিত্র হেয় না করলে, অথবা তার বর্ণ বা সম্প্রদায় কিংবা তার পেশার দিক হতে সে ব্যক্তির চরিত্রকে হেয় না করলে, অথবা সে ব্যক্তির প্রসিদ্ধি ক্ষুন্ন না করলে, অথবা তার দেহ বীভৎস বা ঘৃণা অবস্থায় বা যে অবস্থা সাধারণভাবে অরুচির বলে গণ্য, সে অবস্থায় রয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি না করলে, সে ব্যক্তি সম্পর্কে উক্ত নিন্দাবাদ তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করে নাই বলে পরিগণিত হয়।
 দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় (মানহানি) ৪টি ব্যাখ্যা আছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানি বা defamation এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এবং সেখানে মোট ১০ টি ব্যতিক্রম সাপেক্ষে এই অপরাধ সংঘটনের কথা বলা আছে।
⇒ ৪৯৯ ধারায় ১০টি  ব্যতিক্রম নিচে দেয়া হল-

১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা ।
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবেনা।

⇒ শান্তি: ধারা ৫০০ অনুযায়ী, মানহানি অপরাধের শাস্তি- ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়।
৪,৬৩৭.
দণ্ডবিধির কত ধারা ব্যভিচার (Adultery) সম্পর্কিত?
  1. ৪৯৫ ধারা
  2. ৪৯৬ ধারা
  3. ৪৯৭ ধারা
  4. ৪৯৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৯৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার বিধান ব্যভিচার :- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী অথবা যাকে সে অন্য কোন ব্যক্তির স্ত্রী বলে জানে বা তার অনুরূপ বিশ্বাস করার কারণ আছে এমন কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত অন্য ব্যক্তির সম্মতি ও সমর্থন ছাড়া এইরূপ যৌন সঙ্গম করে যা নারী ধর্ষণের সামিল নয়, তবে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধের জন্য দোষী হবে এবং তাকে ৫ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে। অনুরূপ ক্ষেত্রে স্ত্রী ব্যক্তিটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত হবে না।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 497. Adultery:- Whoever has sexual intercourse with a person who is and whom he knows or has reason to believe to be the wife of another man, without the consent or connivance of that man, such sexual intercourse not amounting to the offence of rape, is guilty of the offence of adultery, and shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both. In such case the wife shall not be punishable as an abettor.
৪,৬৩৮.
কোন ক্ষেত্রে ৫৯ ধারার অধীনে মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য?
  1. শুধু দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার ক্ষেত্রে
  2. শুধুমাত্র ইলেকট্রনিক রেকর্ড প্রমাণ করার ক্ষেত্রে
  3. দলিলের বিষয়বস্তু এবং ইলেকট্রনিক রেকর্ড উভয় প্রমাণ করার ক্ষেত্রে
  4. দলিলের বিষয়বস্তু ও ইলেকট্রনিক রেকর্ড ছাড়া অন্য কিছু প্রমাণ করার ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
দলিলের বিষয়বস্তু ও ইলেকট্রনিক রেকর্ড ছাড়া অন্য কিছু প্রমাণ করার ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের বিষয়বস্তু ও ইলেকট্রনিক রেকর্ড ছাড়া অন্য কিছু প্রমাণ করার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৫৯ এবং ৬০ ধারায় মৌখিক সাক্ষ্যের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

৫৯ ধারায় বলা হয়েছে:
"All facts, except the contents of documents or electronic records, may be proved by oral evidence."
অর্থাৎ, দলিল বা ইলেকট্রনিক রেকর্ডের বিষয়বস্তু ছাড়া অন্য সব তথ্য মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে প্রমাণ করা যাবে।

৬০ ধারায় বলা হয়েছে:
"Oral evidence must, in all cases whatsoever, be direct."
অর্থাৎ, যেকোনো ক্ষেত্রেই মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে।

সুতরাং, উপরোক্ত এই দুই ধারায় মৌখিক সাক্ষ্যকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং তার প্রকৃতি ও পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে। কিছু বিষয় যেমন দলিলের বিষয়বস্তু ছাড়া অন্য যেকোনো ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে প্রমাণযোগ্য। এছাড়াও মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই সরাসরি হতে হবে। এসব নিয়মাবলী ৫৯ এবং ৬০ ধারায় বর্ণিত হয়েছে।
৪,৬৩৯.
'যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, তা বাজেয়াপ্ত বা অর্পণের মাধ্যমে হস্তান্তরের আদেশ দিতে পারে- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায়?
  1. ধারা ৫১৫
  2. ধারা ৫১৭
  3. ধারা ৫১৮
  4. ধারা ৫২৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১৭
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৭ ধারা অনুযায়ী কোন অপরাধে যে সম্পত্তি বা দলিল বিষয়ে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বলে আদালত মনে করে, অনুসন্ধান বা বিচার শেষ হওয়ার পর আদালত উক্ত সম্পত্তি বা দলিল ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা অর্পণের মাধ্যমে হস্তান্তরের আদেশ দিতে পারে।

ধারা ৫১৭ (যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা হস্তান্তরের আদেশ)-

(১) কোন ফৌজদারী আদালতে কোন ইনকোয়ারী বা বিচার শেষ হবার উপর উক্ত আদালতে পেশকৃত বা উহার হেফাজতে রক্ষিত কোন সম্পত্তি বা দলিল, যা সম্পর্কে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা যা কোন অপরাধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা যে ব্যক্তি উহার দখল দাবী করে তাকে প্রদান বা অন্য কোনভাবে উহার বিহিত ব্যবস্থা করার জন্য আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরুপ আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

(২) যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত এরূপ আদেশ দিবেন এবং সুবিধা- জনকভাবে নিজস্ব অফিসার কর্তৃক উক্ত সম্পত্তি উহার অধিকারী ব্যক্তিকে অর্পণ করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত আদেশ বলবৎ করবেন।

(৩) এই ধারার অধীন আদেশ প্রদান করা হলে তা সংশিষ্ট সম্পত্তি গৃহপালিত পশু বা দ্রুত ও স্বাভাবিক ক্ষয়শীল না হলে, এবং উপধারা-(৪) এ বর্ণিত বিধান মতে না হলে ১ (এক) মাসের জন্য কার্যকর করা যাবে না অথবা যেক্ষেত্রে আপীল পেশ করা হয়, সেক্ষেত্রে আপীলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না।

(৪) যে ব্যক্তি কোন সম্পত্তি দখলের অধিকারী মর্মে দাবী করে সে ব্যক্তি আদালতের সন্তুষ্টি বিধানপূর্বক জামিনদারসহ বা ব্যতীত এমর্মে একটি মুচলেকা সম্পাদন করে যে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ আপীলে সংশোধিত বা বাতিল হলে সে উক্ত সম্পত্তি আদালতে অর্পণ করবে, সেক্ষেত্রে এই ধারার কোন বিধান উপধারা-(১) অনুসারে আদালত কর্তৃক উক্ত ব্যক্তিকে সম্পত্তি দেয়ার ব্যাপারে কোন বাধার সৃষ্টি করবে মর্মে মনে করা যাবে না।
৪,৬৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৫ ধারার (২) উপধারা অনুসারে মামলা পরিচালনাকারী অফিসারের কী ক্ষমতা রয়েছে?
  1. জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষমতা
  2. তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতা
  3. মামলা প্রত্যাহারের ক্ষমতা
  4. আসামীকে জামিন দেওয়ার ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
মামলা প্রত্যাহারের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা প্রত্যাহারের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৫ ধারার (২) উপধারা অনুসারে, মামলা পরিচালনাকারী অফিসারের ধারা-৪৯৪-এ উল্লিখিত মামলা প্রত্যাহারের ক্ষমতা রয়েছে, এবং প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫- সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনার অনুমতি:
(১) কোন মামলার ইনকোয়ারি বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্‌বিষয় নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোন পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোনো ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারবেন, কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল, সরকারি সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর অথবা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসার ব্যতীত কোন ব্যক্তি উক্ত অনুমতি ব্যতিরেকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অধিকারী হবে না।
(২) মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে এরূপ অফিসারের ধারা-৪৯৪ এ উল্লিখিত ক্ষমতা থাকবে এবং তাঁর প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
(৩) বাদীপক্ষের মামলা পরিচালনাকারী কোন ব্যক্তিতা ব্যক্তিগতভাবে বা কোন অ্যাডভোকেট কর্তৃক এরূপ করতে পারবেন।
(৪) যে অপরাধের জন্য আসামীর বিচার চলছে সেই অপরাধের কোন তদন্তে অংশ গ্রহণ করে থাকলে কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 495- Permission to conduct prosecution:
(1) Any Magistrate inquiring into or trying any case may permit the prosecution to be conducted by any person other than an officer of police below the rank to be prescribed by the Government in this behalf but no person, other than the Attorney-General, Government Solicitor, Public Prosecutor or other officer generally or specially empowered by the Government in this behalf, shall be entitled to do so without such permission.
(2) Any such officer shall have the like power of withdrawing the prosecution as is provided by section 494, and the provisions of that section shall apply to any withdrawal by such officer.
(3) Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.
(4) An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.

৪,৬৪১.
“কোনো একজন আইনজীবী পরস্পরবিরোধী স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করবেন না।”- এটি কার এর প্রতি একজন আইনজীবীর আচরণ সম্পর্কিত নীতি?
  1. মক্কেল
  2. সাধারণ জনগণ
  3. আদালত
  4. অন্যান্য আইনজীবী
সঠিক উত্তর:
মক্কেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মক্কেল
ব্যাখ্যা

CANONS OF PROFESSIONAL CONDUCT AND ETIQUETTEE- অধ্যায়- ২ [মক্কেলগণের প্রতি আচরণ]:

১. কোনো একজন আইনজীবী তাঁর মক্কেলের সম্পত্তি বা মামলায় জড়িত সম্পত্তি বা স্বার্থের প্রতি আসক্ত হইবেন না।

২. কোনো একজন আইনজীবী তাঁর মক্কেল বা পূর্ববর্তী মক্কেলের কোনো বিষয়ে নিযুক্তি হেতু বা অন্য কোনো কারণে, গোপনীয় তথ্য জেনে থাকলে তিনি তদ্বিষয়ে আইনগত সহায়তা দানের জন্য তাঁর মক্কেল বা পূর্ববর্তী মক্কেলের বিরুদ্ধে নিয়োগ লাভ করবেন না। অবশ্য যেক্ষেত্রে কোনো একজন আইনজীবী যিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ব্যক্তি কতৃর্ক নিযুক্তি হননি এবং এরূপ নিযুক্তি লাভের জন্য সেবাগত ফি নিননি সেক্ষেত্রে তিনি এরূপ ব্যক্তির স্বাার্থের প্রতিকূলে নিযুক্তির লাভে বারিত নন।

৩. যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধ পক্ষের সাথে বা বিরোধীয় বিষয়বস্তুতে কোনো একজন আইনজীবীর সম্পর্ক থাকে, সেক্ষেত্রে তা প্রথমে ব্যক্ত না করে তিনি উক্ত ব্যক্তির পক্ষে পেশাগত নিযুক্তি গ্রহণ করবেন না।

৪. কোনো একজন আইনজীবী পরস্পরবিরোধী স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করবেন না।

৫. কোনো একজন আইনজীবী স্ব—নামে বা বেনামে কোনো সম্পত্তি ইচ্ছাপত্র কতৃর্ক, বন্ধক উদ্ধার কতৃর্ক বা আদালত—এর নিলাম কিনবেন না। তিনি কোনো একটি পক্ষের যে সম্পত্তির জন্য আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলা পরিচালনা করিয়াছেন সে কাজের পারিশ্রমিক, পুরস্কার বা দান হিসেবে উক্ত সম্পত্তি পুরোপুরি বা অংশবিশেষ গ্রহণ করবেন না।

৬. কোনো একজন আইনজীবী তাঁর নিজের সম্পত্তির সাথে মক্কেলের সম্পত্তি একত্রিত করে ফেলবেন না এবং যদি তিনি মক্কেলের অর্থ বা সম্পদ পেয়ে থাকেন বা রিসিভ করে থাকেন, তাহলে তা অতি তাড়াতাড়ি উক্ত মক্কেলকে জানিয়ে দিবেন।

৭. কোনো একজন আইনজীবী যে পর্যন্ত না একজন পরামর্শক নিযুক্তি না হবেন সে পর্যন্ত কোনো মামলার বাদী বা আসামি পক্ষে মামলা সম্পর্কে উপদেশ দেওয়া আরম্ভ করবেন না। অবশ্য যেক্ষেত্রে কোনো পক্ষের সাথে বা বিষয়বস্তুর সাথে তার সম্পর্ক এরূপ হয় যে তার পদক্ষেপ নেওয়া উচিত সেক্ষেত্রে তিনি তা করতে পারেন।

৮. কোনো একজন আইনজীবী তাঁর পেশাগত ক্ষমতায় কোনো আইন লংঘনের জন্য পরামর্শ দিবেন না। আইন বলবৎ নিন মর্মে সরল বিশ্বাসে পরামর্শ প্রদান করলে অত্র বিধি প্রযোজ্য হবে না।

৯. একজন আসামির অপরাধ সম্পর্কিত বিষয়ে কোনো আইনজীবীর ব্যক্তিগতভাবে জানা হতে সৃষ্ট মতামত বা বিশ্বাস যা—ই হোক না কেন তিনি উক্ত আসামির আত্মপক্ষ সমর্থনে মামলা চালানোর অধিকার রাখেন। অন্যদিকে, কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যিনি কেবলমাত্র পরিস্থিতির শিকার তার পক্ষে আইনজীবী রূপে মামলা চালানোর জন্য অস্বীকৃতি জ্ঞাপনও করতে পারেন। যদি আসামি পক্ষে মামলা চালানোর এরূপ দায়িত্ব গ্রহণ করে তাহলে কোনো একজন আইনজীবী ন্যায়ানুগ ও সম্মানজনকভাবে দেশের আইন কতৃর্ক অনুমোদিত সকল উপায়ে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করতে বাধ্য এজন্য যে, কোনো ব্যক্তিকেই আইনের সঠিক প্রক্রিয়া ব্যতিরেকে তার জীবন বা স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।

১০. ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে আইনজীবীগণ এরূপ কোনো প্রকার দাবি করবেন না যেন তাদের পরামর্শ ও সেবার চেয়ে অতিরিক্ত হয় অথবা তার অবমূল্যায়ন হয়।

১১. আইনজীবী তার মক্কেলের সাথে ফি বা পারিশ্রমিক সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো বিরোধ সেই পর্যন্ত পরিহার করে চলবেন যে পর্যন্ত তিনি তার বিবেচনায় তার সেবার জন্য যৌক্তিকভাবে পাওয়ার অধিকার রাখেন। মক্কেলের কোনো প্রকার আইন সম্পর্কিত বিষয়ে মামলার কেবলমাত্র অন্যায়, অপচাপ বা প্রবঞ্চনা প্রতিহতের চেষ্টা করতে হবে।

১২. কোনো একজন আইনজীবী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লোকগ্রাহ্য এরূপ কোনো হানিকর কোনো ঘটনাই কার্যকরভাবে উদ্ভূত বা পালিত হতে পারে না এবং প্রত্যাখ্যাত হইতে পারে না কেননা উক্ত পেশা জনসাধারণের উচ্চ ধারণা ও বিশ্বাস থেকে যা সঠিক দায়িত্ব পালন দ্বারা অর্জন করা হয়েছে।

১৩. যখন কোনো একজন আইনজীবী, আনুষ্ঠানিক বিষয় যেমন কোনো দলিলের প্রত্যয়ন বা জিম্মাদারী বা রীতিসিদ্ধ বিষয়ের সাক্ষী ব্যতিরেকে তার মক্কেলের পক্ষে সাক্ষী হন, তখন সে মামলার বিচার পরিচালনার দায়িত্ব অন্য আইনজীবীর উপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। ন্যায়বিচারের জন্য অপরিহার্যতা দায়িত্ব অন্য আইনজীবীর উপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। ন্যায়বিচারের জন্য অপরিহার্যতা ব্যতিরেকে কোনো আইনজীবী তার মক্কেলের জন্য সাক্ষ্য প্রদান থেকে বিরত থাকবেন।

১৪. সচরাচর কোনো বিষয়ে যা বিচার ক্ষেত্রে মামলার গুণাগুণকে বারিত করে না, নতুবা মক্কেলের অধিকারের উল্লে­খযোগ্য ক্ষতিকারক রূপে নহে যথা, প্রতিপক্ষের আইনজীবীকে মামলা চালানোর তাগিদ দেওয়া যেক্ষেত্রে তিনি কোনো বিষয়ে শোকার্ত বা অসুস্থ থাকেন; প্রতিপক্ষের আইনজীবীর ক্ষতিকারক কোনো এক বিশেষ তারিখে মামলা চালানোর তাগিদ দেওয়া যেক্ষেত্রে অন্য তারিখে মামলা চালালে, কোনো ক্ষতির কারণ ছিলো না, বর্ধিত কোনো সময়ে লিখিত বর্ণনা পেশে রাজীনামা প্রদান করা, যুক্তিতর্ক পেশ ইত্যাদির ক্ষেত্রে আইনজীবীকে তার স্ব—বিবেক অনুযায়ী বুদ্ধি খাটানোর সুযোগ প্রদান করতে হবে। উক্ত রকমের বিষয়ে মক্কেলের এরূপ দাবি করার সুযোগ থাকবে না যে, তার আইনজীবী হবেন কিংবা তিনি তার সুবিচার ও আদর্শের প্রতিকুলে কাজ করবেন।

৪,৬৪২.
'A' একটি সরু রাস্তার মুখে দাঁড়িয়ে 'Z'-কে বাধা দেয়, যার ফলে 'Z' ওই পথে বাজারে যেতে পারে না। 'Z' যেদিক দিয়ে এসেছে, সেদিকে ফিরে যেতে পারে। দণ্ডবিধি অনুসারে 'A'-এর অপরাধ কী?
  1. Assault
  2. Criminal force 
  3. Wrongful restraint
  4. Wrongful confinement
সঠিক উত্তর:
Wrongful restraint
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wrongful restraint
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৩৯ অনুযায়ী "অবৈধ বাধাদান" (Wrongful Restraint) এর অপরাধ প্রমাণের জন্য ইচ্ছাকৃত বাধা প্রদান (voluntarily obstructs) অপরিহার্য। অপরাধটির মূল উপাদানগুলি হলো:
১. ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো ব্যক্তিকে বাধা দেওয়া।
২. বাধাটি এমন হতে হবে যাতে ব্যক্তিটি যে দিকে যাওয়ার আইনগত অধিকার রাখে, সে দিকে অগ্রসর হতে না পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারা- অবৈধ বাধা (Wrongful restraint): যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।
- ব্যতিক্রম: যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

- উদাহরণ: যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।

⇒ The Penal Code, 1860-Section 339- Wrongful restraint:
Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person.
- Exception: The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section.
Illustration: 
- A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.

৪,৬৪৩.
যদি কোনো আসামি একই বিচারে একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে পর্যায়ক্রমিক সাজার (consecutive sentences) ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. ১০ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ১৪ বছর
  4. ২০ বছর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৫(২)(ক) অনুসারে, একই বিচারে একাধিক অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর্যায়ক্রমিক (consecutive) কারাদণ্ডের মোট মেয়াদ কোনো অবস্থাতেই ১৪ বছরের বেশি হবে না। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) ১৪ বছর।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপেক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তারচেয়ে একাধিক দণ্ড পরপর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবল ইহার জন্য উক্ত আদালতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না:
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ: কোনোভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশি হবে না।
(৩) আপিলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধারে নিতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section-35. Sentence in cases of conviction of several offences at one trial Maximum term of punishment:
(1) When a person is convicted at one trial of two or more offences, the Court may, subject to the provisions of section 71 of the Penal Code sentence him, for such offences, to the several punishments prescribed therefor which such Court is competent to inflict; such punishments, when consisting of imprisonment or transportation to commence the one after the expiration of the other in such order as the Court may direct, unless the Court directs that such punishments shall run concurrently.

(2) In the case of consecutive sentences, it shall not be necessary for the Court, by reason only of the aggregate punishment for the several offences being in excess of the punishment which it is competent to inflict on conviction of a single offence, to send the offender for trial before a higher Court:
Provided as follows:-
(a) in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years;
(b) if the case is tried by a Magistrate , the aggregate punishment shall not exceed twice the amount of punishment which he is, in the exercise of his ordinary jurisdiction, competent to inflict.
(3) For the purpose of appeal, the aggregate of consecutive sentences passed under this section in case of convictions for several offences at one trial shall be deemed to be a single sentence.

৪,৬৪৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিগণ পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের 'জাস্টিসেস অব দি পিস' বলে গণ্য হবেন?
  1. ২২
  2. ২৫
  3. ২৭
  4. ৩১
সঠিক উত্তর:
২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ থেকে ২৫ ধারায় জাস্টিসেস অব দি পিসের বিধান রয়েছে যা নিম্নরূপ-
-ধারা-২২: মফস্বলের জন্য জাস্টিস অব দি পিস (Justice of the peace for the mafassal)- সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপনের দ্বারা বাংলাদেশের যে কোন উপযুক্ত নাগরিককে কোন স্থানীয় এলাকার জন্য জাস্টিস অব দি পিস হিসাবে নিয়োগ দিতে পারে।

- ধারা-২৫: পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস (Ex-officio Justices of the Peace)- ২৫ ধারার বিধান অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিগণ পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিসেস অব দি পিস বলে গণ্য হবেন এবং দায়রা জজ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকার বলে নিজ নিজ এলাকার জন্য জাস্টিসেস অব দি পিস হবেন। 
- সুপ্রিম কোর্টের বিচারকগণ সারা বাংলাদেশের যে কোন স্থানে বিচার গ্রহণ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আদেশ দিতে পারেন।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 22. Justice of the peace for the mafassal:
The Government] may, by notification in the official Gazette, appoint such persons resident within Bangladesh and not being the subjects of any foreign State as it thinks fit to be Justices of the Peace within and for the local area mentioned in such notification.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-25: Ex-officio Justices of the Peace:
In virtue of their respective offices, the Judges of the Supreme Court  are Justices of the Peace within and for of the whole of Bangladesh, Sessions Judges, Chief Judicial Magistrate and Metropolitan Magistrates are Justices of the Peace within their respective jurisdictions.
৪,৬৪৫.
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন (Criminal Intimidation) এর সংজ্ঞা উল্লেখ আছে কত ধারায়?
  1. ৪৯৮ ধারা
  2. ৪৯৬ ধারা
  3. ৫০১ ধারা
  4. ৫০৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫০৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারার বিধান অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করা:- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তিকে তার দেহের, খ্যাতির বা সম্পত্তির অথবা সে ব্যক্তি যার সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন কোন লোকের দেহের বা খ্যাতির ক্ষতি বা হানি করার ভীতি প্রদর্শন করে এবং সে ব্যক্তির ভয় সরকারের উদ্দেশ্যে অথবা সে ব্যক্তিকে হুমকি হতে বাঁচার জন্য সে আইনতঃ যা করতে বাধ্য নয়, তাকে তা করতে বাধ্য করায়, অথবা সে আইনত যা করার ক্ষমতা সম্পন্ন, তাকে তা করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ ভীতি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করেছে।

ব্যাখ্যা:- ভীতি প্রদর্শিত ব্যক্তির স্বার্থ নিহিত আছে এমন কোন মৃত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শন এই ধারার আওতাধীন হবে।  

⇒ উদাহরণঃ
ক খ-কে একটি দেওয়ানী মামলা পরিচালনা করা হতে বিরত করার জন্য খ-এর বাড়ি পুড়ে ফেলার ভীতি প্রদর্শন করে, ক অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে।
------------
⇒ Section 503. Criminal Intimidation:- Whoever threatens another with any injury to his person, reputation or property, or to the person or reputation of any one in whom that person is interested, with intent to cause alarm to that person, or to cause that person to do any act which he is not legally bound to do, or to omit to do any act which that person is legally entitled to do, as the means of avoiding the execution of such threat, commits criminal intimidation.
Explanation:- A threat to injure the reputation of any deceased person in whom the person threatened is interested, is within this sect on.

⇒ Illustration:
A, for the purpose of inducing B to desist from prosecuting a civil suit, threatens to burn B's house. A is guilty of criminal intimidation.
৪,৬৪৬.
হাইকোর্ট কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত রায়ের পুনরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্ত দাখিলের মেয়াদ কত দিন?
  1. ৩০ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৬২

হাইকোর্ট কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত রায়ের পুনরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্ত
তামাদি- ২০ দিন
সময় গণনা শুরু- ডিক্রি বা আদেশের তারিখ।
৪,৬৪৭.
"আঘাত" (Hurt)-এর সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ধারা ৩১৯
  2. ধারা ৩২০
  3. ধারা ৩২১
  4. ধারা ৩২২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩১৯
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ধারা ৩১৯ অনুযায়ী, “Hurt” বা আঘাত বলতে বোঝায় যে কেউ অন্য ব্যক্তির দৈহিক যন্ত্রণা (bodily pain), ব্যাধি (disease) বা অপরাগতা (infirmity) সৃষ্টি করে।
- এটি Hurt-এর মূল ও প্রাথমিক সংজ্ঞা, যা পরবর্তী ধারা ৩২০ (Grievous Hurt) এবং ৩২১ (Voluntarily Causing Hurt)–এর জন্য ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
⇒ এখানে তিনটি মূল উপাদানকে “আঘাত” হিসেবে গণ্য করা হয়:
- দৈহিক যন্ত্রণা (bodily pain)
- ব্যাধি (disease)
- অপারগতা (infirmity)
অতএব, ধারা ৩১৯-ই ‘Hurt’ বা ‘আঘাত’-এর মূল সংজ্ঞা প্রদান করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১৯ ধারার বিধান: আঘাত:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির দৈহিক যন্ত্রণা, ব্যাধি বা অপরাগতা ঘটায়, তবে উক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে বলে পরিগণিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 319. Hurt:- Whoever causes bodily pain, disease or infirmity to any person is said to cause hurt.

৪,৬৪৮.
দস্যুতার সদস্য যদি পাঁচ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা __________ বলে পরিণত হয়।
  1. দাঙ্গা
  2. ডাকাতি
  3. দলীয় দস্যুতা
  4. বেআইনী সমাবেশ
সঠিক উত্তর:
ডাকাতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাকাতি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা মতে যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একইসাথে কোন দস্যুতা সংঘটন করে, তখন সেই দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।

⇒ দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনী সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনী সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারায় বলা হয়েছে বেআইনি সমাবেশ কর্তৃক বা এর কোনো সদস্য কর্তৃক বলপ্রয়োগ করা  হলে বা সহিংসতা (force or violence) করা হলে তখন সমাবেশের সকল সদস্য দাঙ্গা করেছে মর্মে বলা হবে। অর্থাৎ দাঙ্গার সদস্যও পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি হবে।
৪,৬৪৯.
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. দেহ
  2. খ্যাতি
  3. সম্পত্তি
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারা: অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করা-
কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তিকে তার দেহের, খ্যাতির বা সম্পত্তির অথবা সে ব্যক্তি যার সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন কোন লোকের দেহের বা খ্যাতির ক্ষতি বা হানি করার ভীতি প্রদর্শন করে এবং সে ব্যক্তির ভয় সরকারের উদ্দেশ্যে অথবা সে ব্যক্তিকে হুমকি হতে বাঁচার জন্য সে আইনতঃ যা করতে বাধ্য নয়, তাকে তা করতে বাধ্য করায়, অথবা সে আইনত যা করার ক্ষমতা সম্পন্ন, তাকে তা করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ ভীতি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করেছে।

ব্যাখ্যা: ভীতি প্রদর্শিত ব্যক্তির স্বার্থ নিহিত আছে এমন কোন মৃত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শন এই ধারার আওতাধীন হবে।

উদাহরণঃ
ক খ-কে একটি দেওয়ানী মামলা পরিচালনা করা হতে বিরত করার জন্য খ-এর বাড়ি পুড়ে ফেলার ভীতি প্রদর্শন করে, ক অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে।
৪,৬৫০.
A দণ্ডবিধির ৩২৫ ধারা অনুযায়ী স্বেচ্ছামূলক গুরুতর জখমের করার দায়ে অপরাধী। মামলাটি যে ৩৩৫ ধারায় উল্লেখিত পরিস্থিতির অধীনে পড়ে , তা প্রমাণ করার দায়িত্ব _____।
  1. A এর উপর বর্তায়
  2. আদালতের উপর বর্তায়
  3. সরকারের উপর বর্তায়
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
A এর উপর বর্তায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর বর্তায়
ব্যাখ্যা
♦উত্তেজনা দিয়ে স্বেচ্ছামূলকভাবে মারাত্মক জখম করা ৩৩৫ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ৩৩৫ ধারার বিধান ৩২৫ এর অধীন স্বেচ্ছামূলক গুরুতর জখমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। এটা প্রযোজ্য হবে না তা প্রমাণের ভার A এর উপর বর্তায়।
৪,৬৫১.
নিম্নলিখিত কোন শর্ত পূরণ হলে আদালত একটি দলিল বাতিলের আদেশ দিতে পারেন?
  1. বাদী উক্ত দলিলের পক্ষ হলে
  2. যদি দলিলটি বাদীর জন্য ক্ষতিকর হয়
  3. দলিল যদি রেজিস্ট্রেশন আইন অনুসারে রেজিস্ট্রিকৃত হয়
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
যদি দলিলটি বাদীর জন্য ক্ষতিকর হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি দলিলটি বাদীর জন্য ক্ষতিকর হয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারার অধীনে যে কোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত দলিল বাতিল বা বাতিলযোগ্য হলে এবং তা গুরুতর ক্ষতির কারণ হলে, উক্ত দলিল বাতিলের জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে।
সুতরাং দলিল বাতিলের মামলায় বাদীকে উক্ত দলিলের পক্ষ হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই এবং দলিল রেজিস্ট্রেশন আইন অনুসারে রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ারও প্রয়োজন নেই।
অর্থাৎ যদি দলিলটি বাদীর বা যে কোন ব্যক্তি জন্য ক্ষতিকর হয় তা হলে তিনি উক্ত দলিল বাতিলের জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে।
---------------
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারার বিধান: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।
 
(ক) একটি জাহাজের মালিক প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্র যাত্রার উপযুক্তমর্মে উল্লেখপূর্বক একজন দায়গ্রাহক 'খ' কে উক্ত জাহাজের বীমা করতে প্রবৃত্ত করে। 'খ' বীমা পলিসির বিলুপ্তি পেতে পারে।
(খ) 'ক', 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' তা 'গ'-এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পর 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এ মর্মে একটি জাল দলিল দাখিল করে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবেই 'খ' কে হস্তান্তর প্রদান করা হয়েছিল। 'গ' এই জাল দলিলের বিলুপ্তি পেতে পারে।

(গ) 'ক' তার জমির, সকল প্রজা উচ্ছেদযোগ্য, এ বিবরণ প্রদান পূর্বক 'খ' এর নিকট জমি বিক্রয় করে। ১৮৭৭ সালের ১লা জানুয়ারী তারিখে একটি দলিলের মাধ্যমে 'খ' এর নিকট তা হস্তান্তর করে। এই তারিখের পরপরই ১৮৭৬ সালের পহেলা অক্টোবরের তারিখ দিয়ে 'ক' প্রতারণামূলকভাবে 'গ' কে উক্ত জমির অংশবিশেষ ইজারা প্রদান করে এবং নিবন্ধন আইন অনুসারে ইজারা নিবন্ধন করা হয়। 'খ' এ ইজারার বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
 
(ঘ) 'ক' একটি জাহাজ 'খ' এর নিকট অর্পণে সম্মত হল। যার জন্য 'খ' কে ৪টি হুণ্ডির মারফত ৩০,০০০ টাকা প্রদান করতে হবে, যা 'ক' গ্রহণ করবে। হুণ্ডিসমূহ প্রণয়ন ও গ্রহণ করা হল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী জাহাজ প্রদান করা হল না। 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে একটি হণ্ডি প্রসঙ্গে মামলা দায়ের করল। 'খ' সকল হুণ্ডির বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
----------------------
SR Act- Section-39. When cancellation may be ordered:
Any person against whom a written instrument is void or voidable, who has reasonable apprehension that such instrument, if left outstanding, may cause him serious injury, may sue to have it adjudged void or viodable; and the Court may, in its discretion, so adjudge it and order it to be delivered up and cancelled.
If the instrument has been registered under the Registration Act, 1908, the Court shall also send a copy of its decree to the officer in whose office the instrument has been so registered; and such officer shall note on the copy of the instrument contained in his books the fact of its cancellation.
 
Illustrations
(a) A, the owner of a ship by fraudulently representing her to be seaworthy, induces B, an underwriter, to insure her. B may obtain the cancellation of the policy.
(b) A conveys land to B, who bequeaths it to C and dies. Thereupon D gets possession of the land and produces a forged instrument stating that the conveyance was made to B in trust for him. C may obtain the cancellation of the forged instrument.
 
(c) A, representing that the tenants on his land were all at will, sells it to B, and conveys it to him by an instrument, dated the 1st January, 1877. Soon after that day, A fraudulently grants to C a lease of part of the lands, dated the 1st October, 1876, and procures the lease to be registered under the Indian Registration Act. B may obtain the cancellation of this lease.
 
(d) A agrees to sell and deliver a ship to B, to be paid for by B's acceptances of four bills of exchange, for sums amounting to taka 30,000, to be drawn by A on B. The bills are drawn and accepted, but the ship is not delivered according to the agreement. A sues B on one of the bills. B may obtain the cancellation of all the bills.
৪,৬৫২.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ অনুযায়ী Mesne Profits কী?
  1. ইজারা থেকে প্রাপ্ত মুনাফা
  2. সম্পত্তির উন্নয়নজনিত মুনাফা
  3. সরকারি রাজস্ব থেকে প্রাপ্ত মুনাফা
  4. অবৈধ অধিকারে আয়কৃত মুনাফা
সঠিক উত্তর:
অবৈধ অধিকারে আয়কৃত মুনাফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ অধিকারে আয়কৃত মুনাফা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ২(১২) অনুসারে, "মধ্যবর্তী মুনাফা" (Mesne Profits) বলতে এমন সম্পত্তির লাভকে বোঝায় যা অবৈধভাবে (wrongful possession) দখলে থাকা ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে প্রাপ্ত করেছে বা সাধারণ পরিশ্রম (ordinary diligence) করে প্রাপ্ত করতে পারত, সেইসাথে এই লাভের উপর সুদ সহ। তবে, এতে অবৈধ দখলকারীর দ্বারা করা উন্নয়নজনিত (improvements) লাভ অন্তর্ভুক্ত নয়। এটি সাধারণত অবৈধ দখলকারীকে সম্পত্তির মালিকের কাছে লাভ ফেরত দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২(১২) ধারা অনুসারে, বেআইনিভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনিভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।
ব্যতিক্রম: বেআইনিভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না ।
---------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section 2(12)- "mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession. 

৪,৬৫৩.
‘মানহানি’ বিষয়টি দণ্ডবিধির কোন অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত?
  1. বিংশ অধ্যায়
  2. একবিংশ অধ্যায়
  3. ত্রয়োবিংশ অধ্যায়
  4. ষোড়শ অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
একবিংশ অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একবিংশ অধ্যায়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুসারে, ‘মানহানি (Defamation)’ সংক্রান্ত বিধানসমূহ একবিংশ অধ্যায় (Chapter XXI)-এ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- এই অধ্যায়ের শিরোনাম: "Of Defamation"
- এটি শুরু হয় ধারা ৪৯৯ (Section 499) থেকে এবং শেষ হয় ধারা ৫০২(Section 502)-এ।

⇒ মানহানির সংজ্ঞা (Section 499): "যদি কোন ব্যক্তি কথায়, লেখা বা ইঙ্গিতে অন্য কোনো ব্যক্তির সুনামহানি ঘটায় বা এমন কিছু প্রকাশ করে যার ফলে সেই ব্যক্তির সামাজিক, পেশাগত বা নৈতিক অবস্থান ক্ষুণ্ণ হয়, তবে সেটি ‘মানহানি’ হিসেবে গণ্য হবে।"
- তবে এই ধারায় ১০টি ব্যতিক্রম (Exceptions) রয়েছে, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু অবস্থায় মানহানি বলে গণ্য হবে না।

গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ও বিষয়বস্তু:
দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা (ধারা ৬-৫২-ক) – অপরাধ সংজ্ঞায়নের মূল শব্দাবলি।
তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি (ধারা ৫৩-৭৫) – মৃত্যুদণ্ড, কারাদণ্ড, জরিমানা প্রভৃতি।
চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম (ধারা ৭৬-১০৬) – আত্মরক্ষা, ভুল ইত্যাদি কারণে দায়মুক্তি।
পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (ধারা ১০৭-১২০)।
পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (ধারা ১২০-ক থেকে ১২০-খ)।
ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ (ধারা ১২১-১৩০) – রাষ্ট্রদ্রোহ, যুদ্ধঘোষণা ইত্যাদি।
নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তাদের অপরাধ (ধারা ১৬১-১৭১) ।
নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ (ধারা ১৭১-ক থেকে ১৭১-ঝ)।
ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহের বিরুদ্ধে অপরাধ (ধারা ২৯৯-৩৭৭) – হত্যা, আহত করা, ধর্ষণ ইত্যাদি।
সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ (ধারা ৩৭৮-৪৬২খ) – চুরি, ডাকাতি, প্রতারণা।
বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ (ধারা ৪৯৩-৪৯৮) – বহুবিবাহ, বৈবাহিক প্রতারণা।
একবিংশ অধ্যায়: মানহানি (ধারা ৪৯৯-৫০২) – মিথ্যা অপবাদ দেওয়া।

৪,৬৫৪.
তামাদি আইনের ১৭ ধারা প্রযোজ্য নয় -
  1. মূল মামলায়
  2. অন্যের মামলায়
  3. অগ্রক্রয়ের মামলায়
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়ের মামলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়ের মামলায়
ব্যাখ্যা
♣♣ 
• কোন মামলা দায়ের করার অধিকার জন্মানোর পূর্বে বাদী মারা গেলে তার বৈধ প্রতিনিধিরা মামলা করতে পারবে; 
• এক্ষেত্রে অন্যান্য মামলা বৈধ প্রতিনিধিরা দায়ের করতে পারলেও অগ্রক্রয়ের মামলা কোন ব্যক্তির বৈধ প্রতিনিধিরা দায়ের করতে পারে না।
• তাই বলা হয়েছে অগ্রক্রয়ের মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১৭ ধারা প্রযোজ্য নয়। 
৪,৬৫৫.
আদেশ ১৮ বিধি ২০ অনুযায়ী- চূড়ান্ত পর্যায়ে মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরের নিচে নামলে, শুনানির জন্য আদালত নতুন মোকদ্দমা কীভাবে নির্ধারণ করবে?
  1. প্রমাণের ভিত্তিতে
  2. আইনজীবীর পরামর্শে
  3. আবেদনকারীর পছন্দ অনুযায়ী
  4. দাখিল করা তারিখের ভিত্তিতে
সঠিক উত্তর:
দাখিল করা তারিখের ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাখিল করা তারিখের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৮ বিধি ২০:
কোন আদালত চূড়ান্ত শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে দৈনন্দিন কার্যতালিকায় আংশিক শ্রবণীয় মোকদ্দমাসহ পাঁচটির অধিক মোকদ্দমা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে একশতটির অধিক মোকদ্দমা নির্ধারণ করবে না; এবং নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত পর্যায়ের মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরটির নিম্নে নেমে আসলে সাধারণত দাখিল করা তারিখের উপর ভিত্তি করে আদালত চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, কোন আদালতে শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে তৈরীকৃত মোকদ্দমার সংখ্যা উপযুক্ত মতে নির্ধারণের জন্য যথেষ্ট না হলে যথোপযুক্ত পদ্ধতিতে নির্ধারণ করার বিবেচনামূলক ক্ষমতা আদালতের থাকবে।

Order-18 Rule-20: Fixation of suits in the daily cause list, etc:
The court shall not fix more than five suits including two part-heard suits, in the daily cause list for peremptory hearing and more than one hundred suits in the peremptory stage, and when upon disposal, the total number of suits in the peremptory stage comes down to less than seventy, the Court shall then bring in more suit in the peremptory stage, generally in the order of dates of institution of suits: 
Provided that if in any Court, the number of suits made ready for hearing is not sufficient for fixation in the manner as aforesaid, it shall be in the discretion of the Court to make the fixation in a reasonable manner.
৪,৬৫৬.
কোন আইনের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি
  2. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন
  3. চুক্তি আইন
  4. দলিল নিবন্ধন আইন
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ১:
এই ধারা অনুসারে, একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে, সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ২:
সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।

Section 10- Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed bythe Code of Civil Procedure.
 
Explanation 1- A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2- A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.
৪,৬৫৭.
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর কোনো কিছুই প্রযোজ্য হবে না-
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
  2. চুক্তি আইনের ২৫ ধারা প্রয়োগের ক্ষেত্রে
  3. দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৪ ধারার ক্ষেত্রে
  4. চুক্তি আইনের ৫৬ ধারা প্রয়োগের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইনের ২৫ ধারা প্রয়োগের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইনের ২৫ ধারা প্রয়োগের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ - ধারা ২৯: সংরক্ষণ (Savings):
(১) এই আইনের কোনো কিছুই ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ধারা ২৫-কে প্রভাবিত করবে না।

(২) যদি কোনো বিশেষ আইন কোনো মোকদ্দমা, আপিল বা আবেদনের জন্য তামাদির একটি ভিন্ন মেয়াদ নির্ধারণ করে, যা প্রথম তফসিলে উল্লিখিত মেয়াদ থেকে আলাদা, তাহলে ধারা ৩-এর বিধান প্রযোজ্য হবে, যেন সেই মেয়াদ প্রথম তফসিলে উল্লিখিত হয়েছে। এবং কোনো বিশেষ আইন দ্বারা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ নির্ধারণের জন্য:

(ক) ধারা ৪, ধারা ৯ থেকে ১৮ এবং ধারা ২২-এর বিধানগুলো কেবল সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যতটুকু সেই বিশেষ আইন দ্বারা স্পষ্টভাবে বাতিল করা হয়নি; এবং
(খ) এই আইনের অন্যান্য বিধানগুলো প্রযোজ্য হবে না।

(৩) এই আইনের কোনো কিছুই ডিভোর্স আইন (Divorce Act) এর অধীনে দায়েরকৃত মোকদ্দমাগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।


(৪) ধারা ২৬ এবং ২৭, এবং ধারা ২-এ উল্লিখিত "সুবিধা" (easement)-এর সংজ্ঞা, ১৮৮২ সালের সুবিধা আইন (Easements Act, 1882) যে অঞ্চলে প্রযোজ্য, সেই অঞ্চলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

৪,৬৫৮.
নিম্নের কোনটি সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩২(৫)-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক?
  1. অপরাধের প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য
  2. ব্যবসায়িক নথিপত্রে লেখা তথ্য
  3. পারিবারিক সম্পর্কের অস্তিত্ব সম্পর্কিত বিবৃতি
  4. আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যক্তির মৌখিক স্বীকারোক্তি
সঠিক উত্তর:
পারিবারিক সম্পর্কের অস্তিত্ব সম্পর্কিত বিবৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারিবারিক সম্পর্কের অস্তিত্ব সম্পর্কিত বিবৃতি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩২(৫) অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি মৃত হন বা সাক্ষ্য প্রদান করতে সক্ষম না হন, তখন তার করা কোনো বিবৃতি পারিবারিক সম্পর্কের অস্তিত্ব সম্পর্কিত হলে তা প্রাসঙ্গিক এবং আদালতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে। এই ধরনের বিবৃতি সাধারণত পরিবারের সদস্যদের সম্পর্ক বা তাদের পারিবারিক পরিস্থিতি সম্পর্কে হয়।

ধারা ৩২(৫) বিশেষত পারিবারিক সম্পর্কের অস্তিত্ব সম্পর্কিত বিবৃতি (যেমন: মাতৃত্ব, পিতৃত্ব, ভাইবোনের সম্পর্ক) কে প্রাসঙ্গিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। যেমন: কোনো ব্যক্তি তার পারিবারিক সম্পর্কের মধ্যে কোনো বিষয়ের ব্যাপারে লিখিত বা মৌখিক বিবৃতি দিয়ে থাকলে, এবং যদি সে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদান করতে সক্ষম না হয় (যেমন: মৃত্যুর কারণে), তবে তার পূর্বের বিবৃতিটি আদালতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

অন্য অপশনগুলির ব্যাখ্যা:
ক) অপরাধের প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য: অপরাধের প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য সরাসরি ঘটনাটি দেখার মাধ্যমে প্রাপ্ত সাক্ষ্য হয়, যা ধারা ৩২-এর আওতায় নয়।
খ) ব্যবসায়িক নথিপত্রে লেখা তথ্য: এটি ধারা ৩২(২) অনুযায়ী ব্যবসায়িক বিবৃতি হিসেবে প্রাসঙ্গিক হতে পারে, তবে এটি ৩২(৫)-এর আওতায় আসে না।
ঘ) আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যক্তির মৌখিক স্বীকারোক্তি: মৌখিক স্বীকারোক্তি সাধারণত ধারা ৩২(৩) বা ধারা ৩২(৪) অনুসারে প্রাসঙ্গিক হতে পারে, তবে এটি ৩২(৫)-এর আওতায় নয়।
-----------
The Evidence Act, 1872: Section-32(5) or relates to existence of relationship;
 When the statement relates to the existence of any relationship by blood, marriage or adoption between person as to whose relationship by blood, marriage or adoption the person making the statement had special means of knowledge, and when the statement was made before the question in dispute was raised.
৪,৬৫৯.
No Court shall make any such declaration where the ________, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
  1. court
  2. parties
  3. plaintiff
  4. defendant
সঠিক উত্তর:
plaintiff
উত্তর
সঠিক উত্তর:
plaintiff
ব্যাখ্যা
Section 42: Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief: Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.

ঘোষনামূলক মোকদ্দমা (Declaration suit):
মর্যাদা বা অধিকার ঘোষনা সম্পর্কে আদালতের ইচ্ছাধীন বিবেচনামূলক ক্ষমতা অথবা আনুষঙ্গিক প্রতিকারের জন্য এই মামলা করা হয়। সহজভাবে বলা যায়, যেকোন ব্যক্তির আইন সঙ্গত পরিচয়, মর্যাদা বা কোন সম্পত্তিতে তার কোন অধিকার যদি থাকে, অপর কোন ব্যক্তি তা অস্বীকার করে বা করতে চায়, তখন সেই ব্যক্তি তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য এই মামলা করতে পারে। আদালত সেই অনুযায়ী প্রতিকার দিবে। এটিই ঘোষনামূলক মোকদ্দমা।
⇒ এই মোকদ্দমায় আনুষঙ্গিক প্রতিকার চাইতে হয়।
⇒ যখন কোন বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার না চায়, তাহলে আদালত তার কোনো প্রতিকার মঞ্জুর করে না।
৪,৬৬০.
একটি দেওয়ানী আদালত কোন ক্ষেত্রে তার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে
  2. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে
  3. সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে
  4. প্রতিরোধমূলক প্রতিকারের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ বিবেচনামূলক ক্ষমতা বা Discretionary power বলতে আদালতের এমন ক্ষমতাকে বোঝায় যা আদালত তার ইচ্ছা অনুযায়ী প্রয়োগ করতে পারে এবং এই ক্ষেত্রে কোন আদেশ প্রদান করতে আদালত বাধ্য নয়; অর্থাৎ আদালত সন্তুষ্ট হলে কোন আদেশ প্রদান করতে পারে আবার নাও পারে। বিচারকের বিবেচনামূলক ক্ষমতা অবশ্যই আইন ও ন্যায়সঙ্গতভাবে নিজের অধিকারের সীমার মধ্যে থেকে প্রয়োগ করতে হবে। বিবেচনামূলক ক্ষমতা যথেচ্ছা বা খুশিমত ব্যবহার করা যায় না।
 
⇒ যে সকল সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন (ধারা-১২);
ii) দলিল সংশোধন, বাতিল, এবং রদ (ধারা ৩১-৩৯);
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি বা ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২-৪৩);
iv) রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ (ধারা-৪৪);
v) প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (ধারা-৫২); এবং
vi) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা-৫৩ থেকে ৫৫)
 
⇒ যে সকল সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না। যথা-
i) সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা-৮); এবং
ii) স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (ধারা-৯)।
 
⇒ যেহেতুে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় প্রতিকারগুলো পাওয়া পক্ষগণের অধিকার, তাই ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।
⇒ উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্র ব্যতীত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতায় অন্যান্য প্রতিকারের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
৪,৬৬১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী সরকার কোন দণ্ডিত আসামীর দণ্ড পরিবর্তন/হ্রাস করতে পারে?
  1. ধারা ৪০২
  2. ধারা ৪০১
  3. ধারা ৪০৩
  4. ধারা ৪০৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০২
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০২ ধারায় সরকার দণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন (Commutation) করে অন্য কোন দণ্ড দিতে পারে। ৪০২ ধারায় সরকার মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাবাস ও সশ্রম কারাবাসকে বিনাশ্রম কারাবাসে হ্রাস করতে পারে।যেমন মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে ১০ বৎসর করতে পারে বা ১০ বৎসরের দণ্ড হ্রাস করে ৭ বৎসর করতে পারে।

ধারা ৪০২- সাজা রদ বদলের ক্ষমতা

(১) সরকার দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে নিম্নে বর্ণিত যে কোন দণ্ড রদবদল করে ইহার পরে উল্লেখিত যেকোন দণ্ড দিতে পারবেন-মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, আসামী যে সময়ের জন্য সাজাপ্রাপ্ত হতে পারত তার অনধিক সময়ের জন্য সশ্রম কারাদণ্ড, অনুরূপ মেয়াদের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা।
(২) এই ধারার কোন কিছুই দণ্ডবিধির ধারা-৫৪ বা ৫৫ এর বিধানাবলীকে প্রভাবিত করবে না।

Section 402- Power to commute punishment

(1) The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it:-death, transportation, rigorous imprisonment for a term not exceeding that to which he might have been sentenced, simple imprisonment for a like term, fine. 
(2) Nothing in this section shall affect the provisions of section 54 or section 55 of the Penal Code.
৪,৬৬২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না?
  1. বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত করার জন্য
  2. ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত করার জন্য
  3. সরকারি দপ্তরের কার্যে হস্তক্ষেপ করার জন্য
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় উল্লিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। এর মধ্যে বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত করা, ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত করা এবং সরকারি দপ্তরের কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
উত্তর: ঘ) সবগুলো

⇒ কোন কোন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায় না তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীন নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রণয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারি দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরণ আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোনো স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-56. Injunction when refused:- An injunction cannot be granted-
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings;
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought;
(c) to restraint persons from applying to any legislative body;
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government;
(e) to stay proceedings in any criminal matter;
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced;
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance;
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced;
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust;
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court;
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.
৪,৬৬৩.
কোনটি 'অনধিকার গৃহপ্রবেশ' অপরাধ সংঘটনের একটি শর্ত?
  1. বৈধ অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করা
  2. শারীরিকভাবে ক্ষতি করা
  3. অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ থাকা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ থাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ থাকা
ব্যাখ্যা
অনধিকার গৃহপ্রবেশ [House Trespass]:
দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারা অনুযায়ী মনুষ্য বসবাসের স্থান, দালান, তাবু, বা উপাসনার স্থান হিসাবে ব্যবহার করা হয় বা সম্পত্তি সংরক্ষণের স্থান হিসাবে ব্যবহার করা হয় এমন স্থানে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করা হলে তাকে অনধিকার গৃহপ্রবেশ বলে।

অনধিকার গৃহপ্রবেশের শর্তসমূহ:
১. অবশ্যই অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ থাকতে হবে;
২. অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশটি কোন মনুষ্য বসবাসের স্থান, দালান, তাবু, বা উপাসনার স্থান হিসাবে ব্যবহার করা হয় বা সম্পত্তি সংরক্ষণের স্থান হিসাবে ব্যবহার করা হয় এমন স্থানে হতে হবে।

শাস্তি:
৪৪৮ ধারা অনুযায়ী অনধিকার গৃহপ্রবেশের শাস্তি যেকোন বর্ণনার কারাবাস যা ১ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ডসহ যা ১০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 442- House-trespass:
Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".
Explanation: The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house-trespass.

Punishment for house-trespass (Section 448):
Whoever commits house-trespass shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৪,৬৬৪.
দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার ব্যতিক্রমসমূহের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. জনস্বার্থে সত্য-দোষারোপ করা
  2. সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা
  3. ব্যক্তিগত ক্ষোভের কারণে নিন্দা করা
  4. আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ক্ষোভের কারণে নিন্দা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ক্ষোভের কারণে নিন্দা করা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ব্যক্তিগত ক্ষোভের কারণে নিন্দা করা।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার বিধান মানহানি:-
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা ১:- যে মৃত ব্যক্তির জীবনকালে তার সম্পর্কে কোন নিন্দা করা হলে তার মানহানি ঘটত, সে মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে অনুরূপ কোন নিন্দাবাদ এবং সে মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের বা অন্যান্য কাছে আত্মীয়ের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ নিন্দাবাদ করা, মানহানি বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন কোম্পানি বা সংঘ বা ব্যক্তিসমাবেশ সম্পর্কে সমষ্টিগতভাবে কোন নিন্দাবাদ করা মানহানি বলে পরিগণিত হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- বিকল্পরূপে বা বিদ্রূপাত্মকরূপে ব্যক্ত কোন নিন্দাবাদ মানহানির সামিল হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কোন নিন্দাবাদ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে অন্যান্য ব্যক্তির দৃষ্টিতে সে ব্যক্তির নৈতিক বা বুদ্ধিগত চরিত্র হেয় না করলে, অথবা তার বর্ণ বা সম্প্রদায় কিংবা তার পেশার দিক হতে সে ব্যক্তির চরিত্রকে হেয় না করলে, অথবা সে ব্যক্তির প্রসিদ্ধি ক্ষুন্ন না করলে, অথবা তার দেহ বীভৎস বা ঘৃণা অবস্থায় বা যে অবস্থা সাধারণভাবে অরুচির বলে গণ্য, সে অবস্থায় রয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি না করলে, সে ব্যক্তি সম্পর্কে উক্ত নিন্দাবাদ তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করে নাই বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানি বা defamation এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এবং সেখানে মোট ১০ টি ব্যতিক্রম সাপেক্ষে এই অপরাধ সংঘটনের কথা বলা আছে।
⇒ ৪৯৯ ধারায় ১০টি ব্যতিক্রম নিচে দেওয়া হল-
১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা ।
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবেনা।

⇒ শান্তি: ধারা ৫০০ অনুযায়ী, মানহানি অপরাধের শাস্তি- ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়।
৪,৬৬৫.
একজন ডাক্তার রোগীকে জানালেন যে তার মৃত্যু আসন্ন। রোগী শোকে মারা গেল। দণ্ডবিধি অনুসারে ডাক্তারের বিরুদ্ধে কী করা হবে?
  1. তিনি দোষী সাব্যস্ত হবেন
  2. তিনি নির্দোষ হবেন
  3. তাকে জরিমানা দিতে হবে
  4. তার বিরুদ্ধে হত্যার মামলা হবে
সঠিক উত্তর:
তিনি নির্দোষ হবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনি নির্দোষ হবেন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৯৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি কারও মঙ্গলার্থে সৎ উদ্দেশ্যে কোনো তথ্য জানিয়ে দেন এবং এতে কোনো ক্ষতি হয়, তবে এটি অপরাধ বলে গণ্য হবে না। ডাক্তারের উদ্দেশ্য যদি রোগীকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত করা হয় এবং এটি যদি তিনি সৎ উদ্দেশ্যে ও মঙ্গলের জন্য করেন, তাহলে এটি অপরাধ হবে না, যদিও রোগী এতে শোকে মারা যান।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৯৩ অনুসারে, সদিচ্ছায় (good faith) এবং ব্যক্তির মঙ্গলের জন্য প্রদত্ত কোনো তথ্য বা পরামর্শ যদি কোনো ক্ষতির কারণ হয়, তাহলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
- এই ক্ষেত্রে, ডাক্তার সদিচ্ছায় রোগীকে তার আসন্ন মৃত্যুর বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন।
- রোগীর মৃত্যু শোকে হলেও ডাক্তারের উদ্দেশ্য ছিল রোগীকে সতর্ক করা বা প্রস্তুত করা, যা কল্যাণকর।
তাই, দণ্ডবিধি অনুযায়ী ডাক্তার নির্দোষ বলে বিবেচিত হবেন।

⇒ ধারা ৯৩-এর উদাহরণে (Illustration) বলা হয়েছে:
"A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence."
(একজন ডাক্তার সদিচ্ছায় রোগীকে জানান যে সে বাঁচবে না। রোগী শোকে মারা গেলেও ডাক্তার কোনো অপরাধ করেননি।)
সুতরাং, ডাক্তার নির্দোষ।
৪,৬৬৬.
গ্রেফতার-পরবর্তী কার্যক্রম হিসেবে Memorandum of Arrest প্রস্তুতের নির্দেশনা ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় প্রদান করা হয়েছে? 
  1. ৪৬ক ধারায়
  2. ৪৬গ ধারায়
  3. ৬৫ক ধারায়
  4. ৬৭ক ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৬ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬ক ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৬ক-এ Memorandum of Arrest (গ্রেপ্তার স্মারক) প্রস্তুতের বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮,(Act No. V of 1898)-এর SCHEDULE V-এ নতুন Form IA, যা "গ্রেপ্তার স্মারক" (Memorandum of Arrest) নামে পরিচিত, ধারা ৪৬ক (Section 46A)-এর অধীনে উল্লেখিত হয়েছে। এই ফর্মটি গ্রেপ্তারের সময় এবং স্থানে প্রস্তুত করতে হয় এবং গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির সাথে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতে পাঠাতে হয়। ফর্মটির উদ্দেশ্য হলো গ্রেপ্তারের বিস্তারিত তথ্য (যেমন গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম, ঠিকানা, গ্রেপ্তারের কারণ, শারীরিক অবস্থা, পরিবারকে অবহিত করার তথ্য) রেকর্ড করা, যাতে গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ এবং মানবাধিকার সুরক্ষিত থাকে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮,-এর SCHEDULE V-তে নতুন Form IA সন্নিবেশিত হয়েছে যা "MEMORANDUM OF ARREST" নামে পরিচিত এবং এটি ধারা 46A অনুসারে প্রস্তুত করতে হবে। এই ফর্মে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে:
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম, পিতার নাম, স্বামীর নাম (যদি থাকে), ঠিকানা ও বয়স
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির NID/পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন নম্বর (যদি থাকে)
- গ্রেফতারের স্থান
- গ্রেফতারের তারিখ ও সময়
- গ্রেফতারের কারণ (সম্পর্কিত আইন ও ধারা উল্লেখসহ)
- নিশ্চয়তা প্রদানকারী/অভিযোগকারীর নাম ও ঠিকানা (যদি থাকে)
- মামলা/জিডি নম্বর
- গ্রেফতারের পরিপত্র নম্বর ও তারিখ (যদি প্রযোজ্য হয়)
- গ্রেফতারের সময় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা
- শরীরে কোন আঘাতের কারণ থাকলে তা উল্লেখ
- উপস্থিত নিবন্ধিত চিকিৎসকের নাম ও শংসাপত্র (যদি আঘাতপ্রাপ্ত হয় তাহলে এর একটি কপি সংযুক্ত করতে হবে)
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য/আত্মীয়/বন্ধু/প্রতিবেশীকে জানানো হয়েছে কিনা - হ্যাঁ/না
- গ্রেফতারের তথ্য জানানো ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা
- তথ্য প্রাপ্ত ব্যক্তির যোগাযোগ নম্বর
- সেই আদালতের নাম যেখানে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে তোলা হবে
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির স্বাক্ষর বা আঙুলের ছাপ (যদি অস্বীকার না করে)
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য বা স্থানীয় সম্মানিত ব্যক্তির স্বাক্ষর (যদি না পাওয়া যায় তবে কারণ উল্লেখ করতে হবে)
- গ্রেফতার কর্মকর্তার নাম, পদবী, আইডি নম্বর ও স্বাক্ষরও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

নির্দেশনা:
এই মেমো গ্রেফতারের সময় ও স্থানে প্রস্তুত করা হবে এবং গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির সাথে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতে পাঠাতে হবে। আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে চিকিৎসকের শংসাপত্র ও মুক্তির দলিল সংযুক্ত করতে হবে। মেমো এর একটি কপি মামলার ডায়েরিতে সংরক্ষণ করতে হবে ভবিষ্যৎ ব্যবহারের জন্য।

৪,৬৬৭.
A একটি জমির জন্য B এর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করে। জমিটি B এর দখলে করে আছে। A দাবি করে যে B এর পিতা C উইল করে ঐ জমি A কে দিয়ে গেছে। এখানে প্রমাণের দায়িত্ব-
  1. C এর উপর
  2. A এর উপর
  3. B এর উপর
  4. A ও B এর উভয় উপর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু জমিটি B এর দখলে আছে, সেহেতু এই মামলায় কোন পক্ষ সাক্ষ্য না দিলে B জমির দখল বজায় রাখার অধিকারী হবে এবং A মামলায় পরাজিত হবে। ১০২ ধারা অনুযায়ী কোন মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণ  দাখিল না করলে যে পক্ষ পরাজিত হবে, প্রমাণের ভার সেই পক্ষের উপর বর্তাবে। তাই এই ক্ষেত্রে প্রমাণের দায়িত্ব A এর উপর ন্যাস্ত।
৪,৬৬৮.
অবৈধ সমাবেশের কোনো সদস্য যদি সম্মিলিত উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে বলপ্রয়োগ বা সহিংসতা করে, তাহলে তা কী বলে গণ্য হবে?
  1. হরতাল
  2. দাঙ্গা
  3. ডাকাতি
  4. মারামারি
সঠিক উত্তর:
দাঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাঙ্গা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৪৬ থেকে ১৪৮ ধারা "দাঙ্গা" (Riot)-এর সংজ্ঞা ও শাস্তি নির্ধারণ করে। ১৪৬ ধারা অনুযায়ী, ৫ জন বা তার বেশি লোক যদি অবৈধভাবে একত্রিত হয়ে সামূহিক উদ্দেশ্যে বলপ্রয়োগ বা সহিংসতা করে, তাহলে তা দাঙ্গা হিসেবে গণ্য হয়। অবৈধ সমাবেশ বলতে এমন একটি জমায়েতকে বোঝায় যা আইন দ্বারা নিষিদ্ধ বা শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা সৃষ্টি করে।

ধারা ১৪৬ (Rioting):
"Whenever force or violence is used by an unlawful assembly, or by any member thereof, in prosecution of the common object of such assembly, every member of such assembly is guilty of the offence of rioting."
- অর্থাৎ, যদি অবৈধ সমাবেশের কোনো সদস্য সম্মিলিত উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য বলপ্রয়োগ বা সহিংসতা করে, তবে তা “দাঙ্গা” (Rioting) হিসেবে গণ্য হবে।

- দাঙ্গার শাস্তি: দাঙ্গার অপরাধে অংশগ্রহণকারীদের ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয় শাস্তি হতে পারে (১৪৭ ধারা)। নেতৃত্বদানকারীদের শাস্তি আরও কঠোর (১৪৮ ধারা)।

৪,৬৬৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারাটি একই আইনের কোন ধারাকে প্রভাবিত করবে না?
  1. ১৮২ ধারা
  2. ১৮৮ ধারা
  3. ২৬৬ ধারা
  4. ৩৬৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৮৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৮ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৩: একবার দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বিচার করা যাবে না

(১) যে ব্যক্তি কোনো আদালতের আইনি অধিকারভুক্ত বিচারাধীন কোন অপরাধে একবার বিচারিত হয়ে দণ্ডিত বা খালাস প্রাপ্ত হয়েছে, তার এই দণ্ড বা খালাস প্রযোজ্য থাকা অবস্থায়, তাকে একই অপরাধের জন্য আবার বিচার করা যাবে না, এবং একে বাদ দিয়ে যে কোনো অপরাধের জন্যও বিচার করা যাবে না, যা তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত হতে পারত, যা ধারা ২৩৬ অনুযায়ী পৃথক অভিযোগের মাধ্যমে করা যেত, অথবা যা সে ধারা ২৩৭ অনুযায়ী দণ্ডিত হতে পারত।

(২) যে ব্যক্তি কোনো অপরাধে খালাস বা দণ্ডিত হয়েছে, তাকে পরবর্তীতে অন্য কোনো আলাদা অপরাধের জন্য বিচার করা যেতে পারে, যদি সেই অপরাধটি তার পূর্ববর্তী বিচারাধীন মামলায় ধারা ২৩৫(১) অনুযায়ী আলাদা অভিযোগ হিসেবে তার বিরুদ্ধে আনা হতে পারত।

(৩) যে ব্যক্তি কোনো অপরাধে দণ্ডিত হয়েছে এবং সে অপরাধের ফলে কোনো অন্য অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, যা তার প্রথম দণ্ডিত অপরাধ থেকে পৃথক ছিল, তাকে পরবর্তীতে সেই অপরাধের জন্য বিচার করা যেতে পারে, যদি অপরাধের ফলাফল তখন ঘটেনি বা আদালত জানত না যে তা ঘটেছে।

(৪) যে ব্যক্তি কোনো অপরাধে খালাস বা দণ্ডিত হয়েছে এবং সে অপরাধটি যে কোনো কাজ দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল, তাকে সেই একই কাজ দ্বারা সংঘটিত অন্য কোনো অপরাধের জন্য পরবর্তীতে অভিযোগ আনা এবং বিচার করা যেতে পারে, যদি প্রথমে বিচারকারী আদালত সেই অপরাধের বিচার করার জন্য যোগ্য না ছিল।

(৫) এই ধারায় কোনো কিছুই General Clauses Act, ১৮৯৭ এর ধারা ২৬ বা এই কোডের ধারা ১৮৮ এর বিধানকে প্রভাবিত করবে না।
৪,৬৭০.
কোনো দেওয়ানি মোকদ্দমা একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য হলে এবং অনুরূপ আদালতসমূহ একই আপিল আদালতের অধীন হলে, কোন আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে হয়?
  1. উক্ত আপিল আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. বিচারিক আদালতে
  4. যেকোনো মোকদ্দমা দায়েরযোগ্য আদালতে
সঠিক উত্তর:
উক্ত আপিল আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত আপিল আদালতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২২ থেকে ২৪ পর্যন্ত মোকদ্দমা স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। ধারা ২২ এ কোন মোকদ্দমা একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য হলে, তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। উক্ত ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) অপর একটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে।

• ধারা ২৩ (কোন আদালতে আবেদন করতে হবে)-
১) যখন এখতিয়ারসম্পন্ন একাধিক আদালত একই আপিল আদালতের অধীন হয়, তখন উক্ত আপিল আদালতে ২২ ধারানুযায়ী আবেদন পেশ করতে হবে।
২) যখন অনুরূপ আদালতসমূহ বিভিন্ন আপিল আদালতের আওতাধীনে হয় তখন হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন পেশ করতে হবে।

Sec.-23: To what Court application lies-
1) Where the several Courts having jurisdiction are subordinate to the same Appellate Court, an application under section 22 shall be made to the Appellate Court.
2) Where such Courts are subordinate to different Appellate Courts the application shall be made to the High Court Division.
৪,৬৭১.
নিঃস্ব ব্যক্তির আপিলের ক্ষেত্রে নিঃস্বতা সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতা কার?
  1. শুধু ট্রায়াল কোর্ট
  2. শুধু আপিল আদালত
  3. শুধুমাত্র ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
  4. আপিল আদালত বা ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালত বা ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালত বা ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪৪ বিধি-২: নিঃস্বতা সম্বন্ধে তদন্ত:
আবেদনকারীকে নিঃস্বতা সম্পর্কে আপিল আদালত স্বয়ং অথবা যে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আদালতের আদেশক্রমে আপিল করা হয়েছে, সেই আদালত তদন্ত করতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী যদি যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয় সে আদালতে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা বা আপিল করার অনুমতি পেয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত অনুরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে কারণ না দেখলে তার নিঃস্বতা সম্পর্কে পুনরায় তদন্ত করার প্রয়োজন হবে না।

৪,৬৭২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার বিধান কী?
  1. Principles of rectification
  2. Presumption as to intent of parties
  3. When instrument may be rectified
  4. Specific enforcement of rectified contract
সঠিক উত্তর:
When instrument may be rectified
উত্তর
সঠিক উত্তর:
When instrument may be rectified
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান মতে দলিল সংশোধনের আদেশ দেওয়া যায় যখন প্রতারণা বা পারস্পরিক বা উভয়পক্ষের ভুলের কারণে যদি দলিলের পক্ষদের সঠিক অভিপ্রায় প্রকাশ না পায়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোনো পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়-
i) লিখিত দলিল ও
ii) লিখিত চুক্তি।
 
⇒ ৩ কারণে দলিল সংশোধন করা যায়-
(১) দলিলের কোন পক্ষ প্রতারণা করলে;
(২) উভয় পক্ষে ভুল;
(৩) দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত না হলে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে  বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে  প্রযোজ্য হবে। দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)। চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
--------------
⇒ SR Act-Section-31. When instrument may be rectified:
-When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
৪,৬৭৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪৭ বিধি-৭ অনুসারে, রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যানের আদেশের বিরুদ্ধে কী করা যায়?
  1. আপিল দাখিল করা যায়
  2. রিভিশন দাখিল করা যায়
  3. নতুন রিভিউ আবেদন করা যায়
  4. কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যায় না
সঠিক উত্তর:
রিভিশন দাখিল করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন দাখিল করা যায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির অর্ডার ৪৭, বিধি ৭ এর বিধান অনুসারে, রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যানের আদেশ আপিলযোগ্য নয়, তবে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি এর বিরুদ্ধে রিভিশন দাখিল করতে পারেন। এর বিপরীতে, যদি রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করা হয়, তবে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দাখিল করা যায়।
- ৪৭ আদেশ ৪ বিধি এর বিধান যেক্ষেত্রে আবেদনপত্র অগ্রাহ্য হয়: আদালত যদি মনে করেন রিভিউ এর যথেষ্ট কারণ আছে তাহলে তা মঞ্জুর করতে এবং যদি মনে করেন যথেষ্ট কারণ নেই তাহলে তা না-মঞ্জুর করতে পারেন।
- ৪৭ আদেশ ৭ বিধি এর বিধান প্রত্যাখ্যানের আদেশ আপিলযোগ্য নয় ; আবেদন মঞ্জুর করার আদেশে আপত্তি: রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে তবে রিভিউ আবেদন না মঞ্জুর করলে রিভিশন চলবে।

- দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১১৫ এর অধীনে, কোনো আদালতের আদেশে যদি এখতিয়ারের অপব্যবহার বা আইনগত ভ্রান্তি থাকে, তবে উচ্চতর আদালতে রিভিশন দাখিল করা যায়। রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যানের ক্ষেত্রে, যদি আবেদনকারী মনে করেন যে আদালত ভুলভাবে আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে বা বিধি ১ বা বিধি ৪ এর শর্ত পূরণ করা সত্ত্বেও প্রত্যাখ্যান করেছে, তবে তারা রিভিশনের মাধ্যমে উচ্চতর আদালতে (যেমন, হাইকোর্ট বিভাগ) এর প্রতিকার চাইতে পারেন।

- রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যানের আদেশ: রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না। তবে, সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১১৫ এর অধীনে উচ্চতর আদালতে রিভিশন দাখিল করতে পারেন, যদি তারা প্রমাণ করতে পারেন যে আদালতের আদেশে আইনগত ভ্রান্তি বা এখতিয়ারের অপব্যবহার হয়েছে।
- রিভিউ আবেদন মঞ্জুরের আদেশ: যদি রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করা হয়, তবে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দাখিল করা যায়, বিশেষ করে যদি আবেদন মঞ্জুর অর্ডার ৪৭, বিধি ১ বা বিধি ৪ এর বিধান লঙ্ঘন করে দেওয়া হয়। এই আপিল সাধারণত উচ্চতর আদালতে দাখিল করা হয়, যেখানে সংশ্লিষ্ট আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়।
৪,৬৭৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারায় কী বলা হয়েছে?
  1. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির জামিন দেওয়া যাবে
  2. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখা যাবে না
  3. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ৭২ ঘণ্টা আটক রাখা যাবে
  4. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিচার করতে হবে
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারা-গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে চব্বিশ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না:
কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়ে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।
 
Section 61- Person arrested not to be detained more than twenty-four hours:
No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.
৪,৬৭৫.
'Special law prevails over general law' এই নীতি দণ্ডবিধির কোন ধারায় প্রকাশ পেয়েছে?
  1. ২ ধারা
  2. ৩ ধারা
  3. ৪ ধারা
  4. ৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ধারা
ব্যাখ্যা

The Penal Code, 1860 এর ধারা ৫: এই আইনে কিছু বিশেষ আইন প্রভাবিত হবে না:
এই আইনের কোনো কিছুই এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না যে, তা প্রজাতন্ত্রের (রাষ্ট্রের) সেনা, নৌ বা বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা, সৈনিক, নাবিক বা বিমানকর্মীদের বিদ্রোহ (mutiny) বা পলায়ন (desertion) সম্পর্কিত শাস্তির জন্য প্রণীত কোনো আইনকে রদ, পরিবর্তন, স্থগিত বা প্রভাবিত করবে।

এছাড়াও, কোনো বিশেষ বা স্থানীয় আইন এই আইনের দ্বারা প্রভাবিত হবে না

৪,৬৭৬.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৪৫ক ধারার অধীনে বিশেষজ্ঞের রিপোর্টের অনুলিপি কার কাছে প্রদান করতে হবে?
  1. মামলার সকল পক্ষকে
  2. শুধুমাত্র বাদী পক্ষকে
  3. শুধুমাত্র অভিযুক্ত পক্ষকে
  4. শুধু যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে সেই পক্ষকে
সঠিক উত্তর:
মামলার সকল পক্ষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার সকল পক্ষকে
ব্যাখ্যা

 ⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান- শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত: -
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।

(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

৪,৬৭৭.
সাক্ষী সমন অমান্য করলে কি ব্যবস্থা নেয়া যাবে?
  1. শুধুমাত্র গ্রেফতারি পরোয়ানা 
  2. গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং ক্রোকাদেশ
  3. শুধুমাত্র ক্রোকাদেশ
  4. শুধুমাত্র জরিমানা
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং ক্রোকাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং ক্রোকাদেশ
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ১৬ বিধি-১০ মোতাবেক সাক্ষী সমন অমান্য করলে:

ক) আদালত উক্ত সাক্ষীর প্রতি হুলিয়া জারি করতে পারবেন। হুলিয়ার একটি কপি তার বাসগৃহে বা প্রকাশ্য স্থানে ঝুলিয়ে দিতে হবে।

খ) গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং আদালত চাইলে সম্পত্তি ক্রোকাদেশ দিতে পারেন।

♦তবে স্বল্প এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত স্থাবর সম্পত্তি  ক্রোকের কোন আদেশ দিতে পারবেন না।
৪,৬৭৮.
ধারা ৩৫৬ বা ৩৫৭ অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য কীভাবে লিপিবদ্ধ করা হবে?
  1. প্রশ্নোত্তর আকারে
  2. বিবরণ আকারে
  3. সংক্ষিপ্ত আকারে
  4. সারমর্ম আকারে
সঠিক উত্তর:
বিবরণ আকারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবরণ আকারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫৯: ধারা ৩৫৬ বা ৩৫৭ অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য লিপিবদ্ধের পদ্ধতি:
(১) ধারা ৩৫৬ বা ৩৫৭ অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য সাধারণত প্রশ্নোত্তর আকারে লিপিবদ্ধ হবে না বরং বিবরণ আকারে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা জজ ইচ্ছা করলে কোন বিশেষ প্রশ্ন ও উত্তর লিপিবদ্ধ করতে বা করাতে পারবেন।

Section 359: Mode of recording evidence:
(1) Evidence taken under section 356 or section 357 shall not ordinarily be taken down in the form of question and answer, but in the form of a narrative.
(2) The Magistrate or Sessions Judge may, in his discretion take down, or cause to be taken down, any particular question and answer.
৪,৬৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি 1898 এর Section 167 অনুযায়ী, রিমান্ডে পাঠানোর আগে ম্যাজিস্ট্রেট কী নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. জামিন দিতে 
  2. আদালতে হাজির করতে
  3. চিকিৎসক দ্বারা পরীক্ষা করতে
  4. মামলা প্রত্যাহার করতে
সঠিক উত্তর:
চিকিৎসক দ্বারা পরীক্ষা করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিকিৎসক দ্বারা পরীক্ষা করতে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮, (Act No. V of 1898)-এর ধারা ১৬৭-এর সংশোধিত রূপে, বিশেষত দ্বিতীয় সংশোধনী অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর অধীনে, ধারা ১৬৭(২ক) (Section 167(2A)) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ হেফাজতে আটকের (রিমান্ড) অনুমোদন দেওয়ার আগে নির্দেশ দিতে পারেন যে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক দ্বারা পরীক্ষা করা হবে। এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা যাচাই করা এবং পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ প্রতিরোধ করা। যদি হেফাজতের সময় নির্যাতনের অভিযোগ উঠে বা শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়, তবে ম্যাজিস্ট্রেট আবারও চিকিৎসা পরীক্ষার নির্দেশ দিতে পারেন এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারেন।
- অর্থাৎ  ধারা ১৬৭(২ক) অনুসারে, রিমান্ডে পাঠানোর আগে ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিতে পারেন যে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক দ্বারা পরীক্ষা করা হবে।
-------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section-167 (2A) A Magistrate authorizing the detention of an accused person in police custody under sub-section (2), may order that the accused be examined by a medical officer of nearest government hospital before he is handed over to such custody; and upon expiry of the period of police custody, the accused shall be produced before the Magistrate without unnecessary delay; and if, upon such production, there appears to be any mark of injury on the body of the person accused, or the accused alleges that he has been subjected to torture during such custody, the Magistrate shall direct that the accused be examined by a medical officer of the nearest government hospital and where the medical report reveals that the accused has been subjected to torture during police custody, the Magistrate shall proceed in accordance with law.

৪,৬৮০.
যে কোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে সাক্ষ্য আইনের _____ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।
  1. ১৩
  2. ১২
  3. ১৬
  4. ১৫
সঠিক উত্তর:
১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী,
যে কোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।

কিছু প্রাসঙ্গিক ঘটনার উদাহরণ:
১. ক্ষতির প্রকৃতি ও আকার সম্পর্কিত ঘটনা (শারীরিক ক্ষতি, আর্থিক ক্ষতি ইত্যাদি);
২. ক্ষতিগ্রস্থের আর্থিক অবস্থা বুঝতে সাহায্যকারী ঘটনা (আয়, খরচ ইত্যাদি);
৩. দায়ী পক্ষের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কিত ঘটনা;

৪. দায়িত্বের প্রকৃতি ও কারণ বুঝতে সাহায্যকারী ঘটনা;
৫. ক্ষতির ফলাফল সম্পর্কিত ঘটনা (শারীরিক/মানসিক অসুস্থতা ইত্যাদি);
৬. ভবিষ্যৎ সম্ভাব্য ক্ষতি সম্পর্কিত ঘটনা।

সুতরাং ১২ ধারার লক্ষ্য হলো ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে যে কোনো প্রাসঙ্গিক ঘটনাকে গ্রহণ করা যাতে আদালতকে সহায়তা করা যায়। প্রাসঙ্গিকতার মূল লক্ষ্য হল যথাযথ ক্ষতিপূরণ নির্ণয়।
৪,৬৮১.
‘ক’ জানত তার স্বামী খুন করেছে। সে তাকে শাস্তি থেকে রক্ষা করার জন্য লুকিয়ে রাখে। এই অবস্থায় ‘ক’ সর্বোচ্চ কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. ৬ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. কোনো দণ্ড হবে না
  4. ৬ মাসের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
কোনো দণ্ড হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো দণ্ড হবে না
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২১২ ধারায় বলা হয়েছে— অপরাধীকে আশ্রয় দিলে বা লুকিয়ে রাখলে শাস্তি হবে। কিন্তু যদি অপরাধীকে তার স্বামী বা স্ত্রী আশ্রয় দেয় বা লুকিয়ে রাখে, তাহলে এ ধারা প্রযোজ্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ২১২ ধারায় অপরাধীকে আশ্রয় বা লুকিয়ে রাখার জন্য শাস্তির বিধান আছে। তবে, যদি দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী তাকে আশ্রয় দেন, তবে তারা ২১২ ধারায় দণ্ডিত হবেন না।
যদি দোষী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে আশ্রয়দাতা পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। যাবজ্জীবন বা দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে, দণ্ডিতের জন্য শাস্তি তিন বছর পর্যন্ত। দশ বছরের নিচে এক বছর পর্যন্ত দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত হলে, দণ্ডের সর্বাধিক মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড হতে পারে।
এই ধারার 'অপরাধ' বলতে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় যে কোনো কাজ বোঝানো হয়েছে, যা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত হলেও দণ্ডনীয় হবে। তবে, দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যদি তাকে আশ্রয় দেন, তাহলে এই বিধান প্রযোজ্য হবে না। 

- দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান দোষী ব্যক্তিকে আশ্রয় দান করা:- কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে-
দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
- যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
- যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সেই অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

অত্র ধারার 'অপরাধ' বলতে বাংলাদেশের মধ্যে যে কাজ অনুষ্ঠিত হলে তা ৩০২, ৩০৪, ৩৮২, ৩৯২, ৩৯৩, ৩৯৪, ৩৯৫, ৩৯৬, ৩৯৭, ৩৯৮, ৩৯৯, ৪০২, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫৭, ৪৫৮, ৪৫৯ এবং ৪৬০ ধারায় যে কোনটি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত, তা বাংলাদেশের বাইরে যেকোন স্থানে অনুষ্ঠিত হলে তাকেও বুঝাবে এবং অনুরূপ যেকোন কাজ যেন অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই সংঘটনের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, এমনভাবেই দণ্ডনীয় বলে পরিগণিত হবে।

⇒ ব্যতিক্রম:- দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।
--------
⇒ Exception. This provision shall not extend to any case in which the harbour or concealment is by the husband or wife of the offender.

৪,৬৮২.
শুনানীর দিন বাদী ক” আদালতে হাজির হতে পারিনি। আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করে দিয়েছে। এই ক্ষেত্রে বাদী নিম্ম লিখিত কোন পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1. নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  2. আপীল করতে পারে
  3. খারিজ আদেশ বাতিলের আবেদন করতে পারবে
  4. রিভিউ আবেদন করতে পারে
সঠিক উত্তর:
খারিজ আদেশ বাতিলের আবেদন করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারিজ আদেশ বাতিলের আবেদন করতে পারবে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ৮ নং বিধিমতে শুনানির দিন বাদী হাজির না হওয়ার কারণে আদালত মামলা খারিজের আদেশ প্রদান করলে, বাদী উক্ত বিষয়ে নতুন করে মামলা দায়ের করতে পারবে না।
♦খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার- শুনানির দিন বাদী হাজির না হওয়ার কারণে আদালত মামলা খারিজের আদেশ প্রদান করলে, বাদী উক্ত খারিজ আদেশের বিরূদ্ধে ২ ধরনের প্রতিকার পেতে পারে। যথা-
i) খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল; অথবা ii) সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল ।
i) আদেশ-৯, বিধি-৯: খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল (Set-aside dismissal)- শুনানির দিন বাদী হাজির না হওয়ার কারণে আদালত মামলা খারিজের আদেশ প্রদান করলে বাদী ৯ নং আদেশের ৯ নং বিধিমতে মোকদ্দমা শ্রবণের সন্তোষজনক কারণ দর্শাতে পারলে উক্ত খারিজ আদেশ রদ বা বাতিলের জন্য আবেদন করতে পারবে।
♦ii) আদেশ-৯, বিধি-৯ক: সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল (Directly setting-aside dismissal )- বিলম্ব এড়ানো ও বিচার তরান্বিত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ৯ক বিধিমতে বাদী উক্ত খারিজ আদেশের বিরূদ্ধে সরাসরি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে পারবে, তবে শর্ত-
 খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
 অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে। সরাসরি খারিজ রদের আদেশ একবারের বেশি হবে না।
♦অর্থাৎ যেক্ষেত্রে বাদী হাজির হয়না সেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ দিলে উক্ত বাদী নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না কিন্তু বাদী খারিজ আদেশ বাতিলের জন্য আবেদন রুজু করতে পারবে।
৪,৬৮৩.
দলিল উপস্থাপনের জন্য ডাকা ব্যক্তিকে কখন জেরা করা যেতে পারে?
  1. কখনোই নয়
  2. দলিল জমা দেওয়ার পরপর
  3. যখন তাকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা হয়
  4. যখন সে সাক্ষ্য দিতে ইচ্ছুক হয়
সঠিক উত্তর:
যখন তাকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন তাকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা হয়
ব্যাখ্যা

The Evidence Act, 1872 এর ধারা ১৩৯ – দলিল উপস্থাপনের জন্য ডাকা ব্যক্তির জেরা:
কোন ব্যক্তি যদি কেবলমাত্র কোনো দলিল উপস্থাপন করার জন্য সমনপ্রাপ্ত হয়ে হাজির হন, তাহলে তিনি শুধুমাত্র সেই দলিলটি উপস্থাপন করার কারণে সাক্ষী হিসেবে গণ্য হন না, এবং তাকে জেরা (cross-examination) করা যাবে না — যতক্ষণ পর্যন্ত না তাকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা হয়।

৪,৬৮৪.
দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারা কোন অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ধর্ষণ
  2. ব্যভিচার
  3. নারী পাচার
  4. যৌন হয়রানি
সঠিক উত্তর:
ব্যভিচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যভিচার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৬০-এর ৪৯৭ ধারা "ব্যভিচার" (Adultery) সংক্রান্ত। এই ধারায় বলা হয়েছে যদি কোনো পুরুষ অপর কোনো ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে,
→ তার স্বামীর সম্মতি বা সমর্থন ছাড়া যৌন সঙ্গম করে
→ এবং তা ধর্ষণের পর্যায়ে না পড়ে,
→ তবে এটি ব্যভিচার হিসেবে গণ্য হবে।
এই অপরাধের শাস্তি:৫ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।
- মেয়েটিকে (স্ত্রীকে) এই অপরাধে সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত করা যাবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার বিধান ব্যভিচার:
-কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী অথবা যাকে সে অন্য কোন ব্যক্তির স্ত্রী বলে জানে বা তার অনুরূপ বিশ্বাস করার কারণ আছে এমন কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত অন্য ব্যক্তির সম্মতি ও সমর্থন ছাড়া এইরূপ যৌন সঙ্গম করে যা নারী ধর্ষণের সামিল নয়, তবে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধের জন্য দোষী হবে এবং তাকে ৫ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
- অনুরূপ ক্ষেত্রে স্ত্রী ব্যক্তিটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত হবে না।
-------------
⇒The Penal Code, 1860, Section 497. Adultery:- Whoever has sexual intercourse with a person who is and whom he knows or has reason to believe to be the wife of another man, without the consent or connivance of that man, such sexual intercourse not amounting to the offence of rape, is guilty of the offence of adultery, and shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.
In such case the wife shall not be punishable as an abettor.
৪,৬৮৫.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ ভঙ্গ করা হলে ভঙ্গকারীকে সর্বোচ্চ কতদিন Civil prison এ রাখার আদেশ দেয়া যেতে পারে?
  1. ২ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৪ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৯ বিধি ২ অনুযায়ী 
⇒ যদি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা হয়, অথবা কোন শর্ত ভঙ্গ করা হয় তবে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারেন, এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাস মেয়াদের জন্য  ( Civil prison ) দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখারও নির্দেশ দিতে পারেন।
⇒ চুক্তিভঙ্গ বা অন্য কোন প্রকার ক্ষতি করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য মোকদ্দমা শুরুর পর যেকোন সময়, রায়ের পূর্বে বা পরে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে। 
⇒ এরূপ কোন ক্রোক ১ বছরের অধিক বলবৎ থাকবে না, উক্ত সময়ের পরও যদি অবাধ্যতা বা চুক্তি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তাহলে সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে। 
-----------------------
CPC-Order-39 Rule-2.Injunction to restrain repetition or continuance of breach:
(1) In any suit for restraining the defendant from committing a breach of contract or other injury of any kind, whether compensation is claimed in the suit or not, the plaintiff may, at any time after the commencement of the suit, and either before or after judgment, apply to the Court for a temporary injunction to restrain the defendant from committing the breach of contract or injury complained of, or any breach of contract or injury of a like kind arising out of the same contract or relating to the same property or right.
(2) The Court may by order grant such injunction, on such terms, as to the duration of the injunction, keeping an account, giving security or otherwise, as the Court thinks fit.
(3) In case of disobedience, or of breach of any such terms, the Court granting an injunction may order the property of the person guilty of such disobedience or breach to be attached, and may also order such person to be detained in the civil prison for a term not exceeding six months, unless in the meantime the Court directs his release.
(4) No attachment under this rule shall remain in force for more than one year, at the end of which time, if the disobedience or breach continues, the property attached may be sold, and out of the proceeds the Court may award such compensation as it thinks fit, and shall pay the balance, if any, to the party entitled thereto.
৪,৬৮৬.
বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে বিবাহ বলবৎ থাকাকালে কখন তাদের ভেতরের পত্রালাপ সাক্ষ্যের জন্য প্রকাশযোগ্য হয়?
  1. যদি তাদের কেউ মৃত হয়
  2. পক্ষদ্বয়ের আইনজীবী আবেদন করলে
  3. পরস্পরের ভেতরে কোনো দেওয়ানি মামলায়
  4. বর্ণিত কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
পরস্পরের ভেতরে কোনো দেওয়ানি মামলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরস্পরের ভেতরে কোনো দেওয়ানি মামলায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারা: বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা:
কোন ব্যক্তি যিনি বিবাহিত বা যাহার সহিত বিবাহ হইয়াছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সেই ব্যক্তির সহিত তাহার স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে না; বার্তা প্রদানকারীর বা তাহার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ব্যতীত বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিবার অনুমতিও তাহাকে দেওয়া যাইবে না, তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানী মামলায় অথবা তাহাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করিবার দায়ে অপরজন ফৌজদারীতে সোর্পদ থাকিলে সেইক্ষেত্রে বার্তার বিষয় প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে।

Section 122⇒ Communications during marriage:
No person who is or has been married shall be compelled to disclose any communication made to him during marriage by any person to whom he is or has been married: nor shall he be permitted to disclose any such communication, unless the person who made it, or his representative in interest, consents, except in suits between married persons, or proceedings in which one married person is prosecuted for any crime committed against the other.
৪,৬৮৭.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার কারণে, আদালত কি কি আদেশ দিতে পারে?
  1. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও ৬ মাসের জেল
  2. ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা
  3. সম্পত্তি ক্রোক ও ৬ মাসের দেওয়ানী জেল
  4. ৬ মাসের দেওয়ানী জেল
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক ও ৬ মাসের দেওয়ানী জেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক ও ৬ মাসের দেওয়ানী জেল
ব্যাখ্যা
• অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে ৩৯ আদেশের ২(৩) বিধির অধীন মামলা করা যায় এবং নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করলে, আদালত উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিতে পারে এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাসের দেওয়ানী কারাবাসে আটকের আদেশ দিতে পারে অথবা উভয়।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২: লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা-

১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
৪,৬৮৮.
সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারা প্রযোজ্য হতে হলে অভিযুক্তদের কী শর্ত থাকতে হবে?
  1. যৌথভাবে বিচারাধীন হতে হবে
  2. পৃথক বিচারের মুখোমুখি হতে হবে
  3. আদালতে নির্দোষ প্রমাণিত হতে হবে
  4. একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হতে হবে
সঠিক উত্তর:
যৌথভাবে বিচারাধীন হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌথভাবে বিচারাধীন হতে হবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩০- যখন দোষ স্বীকারোক্তি সহ-অভিযুক্তদের [co-accused) বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে ব্যবহার করা যায়:
সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম হলো যে ব্যক্তি দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করে উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হবে অন্যকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারা এই নিয়মের ব্যতিক্রম।

সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায় বলা হয়েছে-
যেখানে একের অধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য যৌথ বিচার করা হচ্ছে, সেখানে কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকে সহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করলে, উক্ত স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হলে তা স্বীকারোক্তি প্রদানকারীসহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

শর্তসমূহ:
১. একই অপরাধের জন্য একাধিক ব্যক্তি অভিযুক্ত হতে হবে;
২. উক্ত একই অপরাধের জন্য তাদের যৌথ বিচার (Tried jointly) করা হবে;
৩. উক্ত অভিযুক্তদের মধ্যে কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকেসহ অন্যান্য অভিযুক্তকে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করবে;
৪. এমন দোষ স্বীকারোক্তি প্রমাণিত হলে আদালত উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি প্রদানকারীসহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসাবে আমলে নিতে পারে।
৪,৬৮৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি ৫০২ ধারা অনুযায়ী জামিনদার জামিননামা বাতিলের আবেদন করলে ম্যাজিস্ট্রেটের কর্তব্য-
  1. মুচলেকা বাতিল করবেন
  2. জামিনদারকে দায়মুক্তি দেবেন
  3. আসামীকে হাজির করার জন্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি:
-জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।

 - জামিনদারের অধিকার:
জামিনদার যে কোন সময় জামিননামা থেকে মুক্তি চাইতে পারেন, এই মুক্তি পূর্ণ বা আংশিক উভয়ই হতে পারে, এজন্য তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করতে হবে।
-ম্যাজিস্ট্রেটের কর্তব্য:
জামিনদারের আবেদন পেলে তিনি তিনটি কাজ করবেন: ক) মুচলেকা বাতিল করবেন খ) আসামীকে হাজির করার জন্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন গ) জামিনদারকে দায়মুক্তি দেবেন।
- আসামীর ক্ষেত্রে পরবর্তী প্রক্রিয়া:
আসামী দুইভাবে আদালতে আসতে পারে: ক) নিজে হাজির হয়ে খ) গ্রেফতার হয়ে
- আদালতের পদক্ষেপ:
আসামীকে নতুন জামিনদার খুঁজতে নির্দেশ দেবেন, দুটি সম্ভাব্য ফলাফল: ক) নতুন জামিনদার পেলে: জামিনে মুক্তি খ) জামিনদার না পেলে: কারাগারে প্রেরণ
----------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants. 
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him. 
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.
৪,৬৯০.
নিম্নের কোন পরিস্থিতিতে আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন না?
  1. যেখানে অধিকার লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট নয়
  2. যেখানে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে বাদী সম্পূর্ণ প্রতিকার পেতে পারেন
  3. যেখানে বিচারিক কার্যধারার জটিলতা কমানোর জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন
  4. যেখানে অধিকার লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের মানদণ্ড নেই
সঠিক উত্তর:
যেখানে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে বাদী সম্পূর্ণ প্রতিকার পেতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে বাদী সম্পূর্ণ প্রতিকার পেতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual Injunction) সাধারণত তখনই আদালত মঞ্জুর করেন যখন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে সম্পূর্ণ প্রতিকার (adequate relief) পান না। এটি Specific Relief Act, 1877-এর ধারা 54 অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।

 যদি আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হয়:
- আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সাধারণত তখনই দেন যখন বাদীর অধিকার লঙ্ঘনের ফলে যে ক্ষতি হয়েছে, তা কেবল অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।
- যদি বাদী সম্পূর্ণ প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমেই পেতে পারেন, তবে নিষেধাজ্ঞার প্রয়োজন হয় না।

অন্যান্য  অপশন বিশ্লেষণ:
-(ক) যেখানে অধিকার লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট নয় – এই পরিস্থিতিতে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যেতে পারে, কারণ ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট নয়।
- (গ) যেখানে বিচারিক কার্যধারার জটিলতা কমানোর জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন – আদালত বিচারিক জটিলতা কমানোর স্বার্থে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন, যদি এটি ন্যায়সঙ্গত হয়।
-(ঘ) যেখানে অধিকার লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের মানদণ্ড নেই – যদি ক্ষতির আর্থিক পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব না হয়, তবে আদালত নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন।

অর্থাৎ যদি আর্থিক ক্ষতিপূরণই বাদীর জন্য যথেষ্ট প্রতিকার হয়, তবে আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন না। তাই (খ) সঠিক উত্তর।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা অনুসারে, যখন বিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকার অথবা সম্পত্তির ভোগ করার অধিকারে অন্যায় ভাবে হস্তক্ষেপ করে অথবা হস্তক্ষেপ করার হুমকি প্রদান করে তখন আদালত নিম্ন বর্ণিত পাঁচটি ক্ষেত্রে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
১। যেখানে বিবাদী বাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার।
২। যেখানে অধিকার লঙ্ঘনের কারণে সংঘটিত বাস্তব সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই।
৩। যেখানে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত অধিকার পাওয়া যাবে না।
৪। যেখানে এমন সম্ভাবনা থাকে যে অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
৫। যেখানে বিচার বিভাগীয় কার্যধারায় জটিলতা নিবারণের জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজনীয়।

⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section- 54 Perpetual injunctions when granted:
Subject to the other provisions contained in, or referred to by, this Chapter, a perpetual injunction may be granted to prevent the breach of an obligation existing in favour of the applicant, whether expressly or by implication.
When such obligation arises from contract, the Court shall be guided by the rules and provisions contained in Chapter II of this Act.
When the defendant invades or threatens to invade the plaintiff's right to, or enjoyment of, property, the Court may grant a perpetual injunction in the following cases (namely):-
(a) where the defendant is trustee of the property for the plaintiff;
(b) where there exists no standard for ascertaining the actual damage caused, or likely to be caused, by the invasion;
(c) where the invasion is such that pecuniary compensation would not afford adequate relief;
(d) where it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the invasion;
(e) where the injunction is necessary to prevent a multiplicity of judicial proceedings.

Explanation - For the purpose of this section a trademark is property.
৪,৬৯১.
ধারা ১১৫(৪) অনুসারে পুনর্বিবেচনার (revision) আবেদনের জন্য কী প্রয়োজন?
  1. জেলা জজ আদালতের অনুমতি
  2. হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি
  3. পক্ষদ্বয়ের সম্মতি
  4. আবেদনকারীর খরচ পরিশোধ করে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি
ব্যাখ্যা

The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১১৫(৪):
জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ, যথাযথ ক্ষেত্রে, উপ-ধারা (২) বা (৩)-এর অধীনে প্রদত্ত আদেশের পুনর্বিবেচনার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করা যাবে। তবে, হাইকোর্ট বিভাগ পুনর্বিবেচনার অনুমতি দেবে যদি এমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নের ভুলের কারণে ভ্রান্তিপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, যা ন্যায়বিচারের ব্যর্থতার কারণ হয়। হাইকোর্ট বিভাগ মামলা বা কার্যক্রমে যে আদেশ উপযুক্ত মনে করবে তা প্রদান করতে পারে।

⇒ Section 115(4)- An application to the High Court Division for revision of an order of the District Judge or, Additional District Judge, as the case may be, made under sub-section (2) or (3) shall lie, where the High Court Division grants leave for revision on an error of an important question of law resulting in erroneous decision occasioning failure of justice, and the High Court Division may make such order in the suit or proceeding as it thinks fit.

৪,৬৯২.
“অসুস্থ, রোগাক্রান্ত বা দৈহিকভাবে অপারগ ব্যক্তিকে আঘাত করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তা নরহত্যা বলে গণ্য হবে”—এটি দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার কোন ব্যাখ্যার অন্তর্ভুক্ত?
  1. ব্যাখ্যা–১
  2. ব্যাখ্যা–২
  3. ব্যাখ্যা–৩
  4. ব্যাখ্যা–৪
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা–১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা–১
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ২৯৯ ধারার ব্যাখ্যা-১-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: “যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।”
- অতএব, একজন মুমূর্ষু, গুরুতর অসুস্থ বা দুর্বল ব্যক্তিকে আঘাত করে তার মৃত্যুকে ত্বরান্বিত করলে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে গণ্য হবে – এই বিধানটি শুধুমাত্র ব্যাখ্যা-১-এর অন্তর্ভুক্ত।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

- ব্যাখ্যা (Explanation)-১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

- ব্যাখ্যা (Explanation)-২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

- ব্যাখ্যা (Explanation)-৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

৪,৬৯৩.
ধারা ৩৯৯ অনুযায়ী, কোন বয়সের কিশোর অপরাধীকে চরিত্র সংশোধনী প্রতিষ্ঠানে রাখা হবে?
  1. ২১ বছরের কম
  2. ১৮ বছরের কম
  3. ১৬ বছরের কম
  4. ১৫ বছরের কম
সঠিক উত্তর:
১৫ বছরের কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ বছরের কম
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারা- কিশোর অপরাধীকে চরিত্র সংশোধনী প্রতিষ্ঠানে আটক রাখা:
(১) যখন কোন ফৌজদারী আদালত পনের বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তিকে কোন অপরাধের জন্য কারাদণ্ড দেন, তখন উক্ত আদালত নির্দেশ দিবেন যে, উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারী জেলে বন্দী না করে আটকের উপযুক্ত স্থানে সরকার কর্তৃক স্থাপিত সংশোধনাগারে আটক রাখতে হবে যেখানে উপযুক্ত শৃংখলা ও কোন দরকারী শিল্পের কোন শাখায় শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে অথবা তাকে কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত অনুরূপ প্রতিষ্ঠানে আটক রাখতে হবে, যে ব্যক্তি আটক ব্যক্তিদের শৃংখলা ও শিক্ষার জন্য সরকার কর্তৃক প্রণীত নিয়মাবলী অনুসরণ করতে ইচ্ছুক।

(২) এই ধারার অধীন সকল ব্যক্তির প্রতি উক্তরূপ নির্ধারিত নিয়মাবলী প্রযোজ্য হবে।

৪,৬৯৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারায় নিচের কোন পরিস্থিতিতে চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়?
  1. চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে
  2. চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে
  3. চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদণ্ড না থাকলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে, নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়: যথা-

ক) চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে (when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust);
খ) চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদন্ড না থাকলে (when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done);
গ) চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে (when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief); এবং
ঘ) চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে (when it is probable that pecuniary compensationcannot be got for the non-performance of the act agreed to be done)- চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।
৪,৬৯৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর Order XXXVIII এর বিধান কী?
  1. রিসিভার নিয়োগ
  2. কমিশন নিয়োগ
  3. ট্রাস্টি কর্তৃক মামলা
  4. রায়ের পূর্বে সম্পত্তি ক্রোক ও আটক
সঠিক উত্তর:
রায়ের পূর্বে সম্পত্তি ক্রোক ও আটক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ের পূর্বে সম্পত্তি ক্রোক ও আটক
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৮ এর বিধান হলো রায়ের পূর্বে সম্পত্তির ক্রোক ও আটক করা।
⇒ অনেক সময় রায় প্রদানের পূর্বেই বিবাদীকে গ্রেফতার করার প্রয়োজন হতে পারে এবং সম্পত্তি ক্রোক করার প্রয়োজন হতে পারে যেন বাদীর প্রতিকারে কোন বিলম্ব না হয়।
⇒  আদেশ ৩৮ অনুযায়ী ২ ধরনের আদেশ হতে পারে-
১) রায়ের পূর্বে গ্রেফতার,
২) রায়ের পূর্বে সম্পত্তির ক্রোক।
৪,৬৯৬.
সুপ্রীমকোর্টের 'রুল মেকিং পাওয়ার' সম্পর্কে দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় বিধান আছে?
  1. ১২১
  2. ১২২
  3. ১২৩
  4. ১২৬
সঠিক উত্তর:
১২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২২
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১২২ অনুসারে- দেওয়ানি কার্যবিধির ১২২ ধারা অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্ট তার নিজের ও অধঃস্তন আদালতের কার্যপ্রণালী সম্পর্কে রুল তৈরি, সংযোজন, পরিবর্তন ও বাতিল করতে পারেন।
৪,৬৯৭.
হাইকোর্ট বিভাগে আপিলে প্রদত্ত ডিক্রি কোন আদালত জারি করেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা আদালত
  3. ডিক্রী প্রদানকারী আদালত
  4. মামলার বিষয়বস্তু যে আদালতের সীমানায় ঐ আদালতে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রী প্রদানকারী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রী প্রদানকারী আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১০ এর বিধান জারির আবেদন (Application for execution): ডিক্রিদার ডিক্রিটি জারি করতে চাইলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালতে আবেদন করবেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-৩৮ এর বিধান যে আদালত কর্তৃক ডিক্রি জারি করা যায়: যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন, ঐ আদালত বা যে আদালতে তা জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে, ঐ আদালত ডিক্রি জারি করতে পারে।

⇒ জারিকারক আদালত (executing court)- কোন কোন আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ ধারা থেকে ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে। ৩৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন, সেই আদালত অথবা যে আদালতে ডিক্রিটি জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন।

⇒ ডিক্রি জারির কাজ সর্বদা বিচারিক আদালত (Trial court) করে থাকে, এমনকি কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপিল বা রিভিশন করা হলে, উক্ত আপিল বা রিভিশনে প্রদত্ত ডিক্রির ক্ষেত্রেও মূল আদালত অর্থাৎ বিচারিক আদালতই (Trial court) ডিক্রি জারি করবে।

⇒ ডিক্রিজারি সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি (objection) ডিক্রি জারিকারক আদালতই (executing court) নিষ্পত্তি করবে (all questions arising between the parties to the suit, relating to execution, discharge or satisfaction of the decree have to be decided by the executing court)।

⇒ An executing court can't modify the terms of the decree.
⇒ Executing court cannot question the legality, correctness or validity of the decree.
⇒  Executing court cannot go into the question whether decree has been obtained by fraud.
৪,৬৯৮.
তামাদি আইন অনুযায়ী নতুনভাবে পক্ষভুক্ত বিবাদীর জন্য কোন তারিখে মামলার দায়ের হয়েছে বলে গণ্য করতে হবে?
  1. যেদিন বিবাদী স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলো
  2. যেদিন মূল মামলাটি দায়ের করা হয়েছিলো
  3. যেদিন স্থলাভিষিক্তের জন্য আবেদন করা হয়েছিলো
  4. যেদিন মামলার সমন প্রেরণ করা হয়েছিলো
সঠিক উত্তর:
যেদিন বিবাদী স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেদিন বিবাদী স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলো
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ধারা ২২ এ নতুন কোন বাদী বা বিবাদীকে স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল সম্পর্কে বলা আছে।

যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোন বাদী বা বিবাদীকে পক্ষভুক্ত করা হয় বা কারও স্থলাভিষিক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তির জন্য পক্ষভুক্তির তারিখেই মামলাটি করা হয়েছে বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে সঠিক উত্তর 'যেদিন বিবাদী স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলো' সেই  তারিখে মামলার দায়ের হয়েছে বলে গণ্য করতে হবে।

তবে, যেক্ষেত্রে মামলা স্থগিত থাকার সময় স্বত্বাপণ কিংবা কোন স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাউকে পক্ষভুক্ত কিংবা স্থলাভিষিক্ত করা হয় বা যেক্ষেত্রে বাদীকে বিবাদীতে কিংবা বিবাদীকে বাদীতে রূপান্তরিত করা হয় সেক্ষেত্রে ১ উপধারার কোন কিছুই প্রয়োগযোগ্য হবে না।
-----------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 22: Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant:
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party. 
(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.
৪,৬৯৯.
দণ্ডবিধির ১৪৫ ধারা অনুসারে, বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ পাওয়া সত্ত্বেও তাতে অংশগ্রহণ করলে সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৫ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি বেআইনি সমাবেশে যোগ দেয় বা তাতে অবস্থান করে এবং আইনসম্মতভাবে সমাবেশটি ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হয়, তবে সেই ব্যক্তি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে।
এই অপরাধের জন্য শাস্তি হিসেবে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড প্রদান করা যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৫ ধারা: বেআইনি সমাবেশকে ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জানা সত্ত্বেও উহাতে যোগদান করা অথবা উহাতে থেকে যাওয়া:
কোন বেআইনি সমাবেশকে আইন-নির্দেশিত পদ্ধতিতে ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি উক্ত বেআইনি সমাবেশে যোগদান করলে বা উক্ত বেআইনি সমাবেশে থাকলে, তাকে দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
---------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 145- Joining or continuing in unlawful assembly, knowing it has been commanded to disperse:
Whoever joins or continues in an unlawful assembly, knowing that such unlawful assembly has been commanded in the manner prescribed by law to disperse, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৪,৭০০.
সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারায় কত প্রকার ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়া যায়?
  1. ১ প্রকার
  2. ২ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ৪ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারার বিধান অনুযায়ী- 'বিচার্য ঘটনা ও প্রাসঙ্গিক ঘটনা'- এই দুই ধরনের ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে।

⇒ কোন মামলায় বা কার্যক্রমে বিচার্য প্রত্যেক বিষয়ের এবং এই আইনের অতঃপর যে সকল বিষয় প্রাসঙ্গিক বলিয়া ঘোষিত হইয়াছে তাহাদের অস্তিত্ব বা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে। ইহা ভিন্ন অন্য কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইবে না।
ব্যাখ্যাঃ দেওয়ানী কার্যবিধি সম্পর্কে বর্তমান প্রচলিত কোন আইন অনুসারে কোন ব্যাক্তি যে বিষয় প্রমাণ করার অধিকার নহে, এই ধারা অনুসারে সেই ব্যাক্তি সেই বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে পারে না।

Section 5⇒ Evidence may be given of facts in issue and relevant facts:
Evidence may be given in any suit or proceeding of the existence or non-existence of every fact in issue and of such other fact as are hereinafter declared to be relevant, and of no others.
Explanation.-This section shall not enable any person to give evidence of a fact which he is disentitled to prove by any provision of the law for the time being in force relating to Civil Procedure.