বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৪৬ / ১২৬ · ৪,৫০১৪,৬০০ / ১২,৬০৫

৪,৫০১.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় 'Res Judicata' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. ৩৯
  2. ৪০
  3. ৪৫
  4. ৪৭
সঠিক উত্তর:
৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় ২টি নীতির প্রতিফলন হয়েছে। তা হলো:

i) Res-judicata (দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা: ১১);

ii) Double Jeopardy (ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা: ৪০৩)।

সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান:
দ্বিতীয় মোকদ্দমা বা বিচার বন্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক: যে রায়, আদেশ বা ডিক্রি আদালতকে আইনত অন্য একটি মামলাকে বিচারার্থে গ্রহণ করতে বা এর বিচার করতে বাধা দেয়, সেই রায় বা আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব তখনই প্রাসঙ্গিক বিষয়, যখন প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণ করা বা এর বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিত কি না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেটিকে Judgment in personam (ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) বলে।
⇒ এই ধারানুযায়ী পূর্ববর্তী মামলার রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরবর্তী মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে।
⇒ এই ধারার বিধান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২) এবং General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
৪,৫০২.
কেউ কোনো মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটন করার উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ করলে, তাকে সর্বোচ্চ কী শাস্তি দেয়া যাবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. দশ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড
  4. সাত বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৪৯: মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ করার উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ-
যে কেউ কোনো মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটন করার উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ করলে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

Section 449: House-trespass in order to commit offence punishable with death-
Whoever commits house-trespass in order to the committing of any offence punishable with death, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
৪,৫০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় পুলিশের নিকট FIR দায়েরের মাধ্যমে মামলা দায়ের করা যায়?
  1. ১৯০
  2. ১৫৪
  3. ২০০
  4. ২০৪
সঠিক উত্তর:
১৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৪
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী,
কোনো অপরাধের ঘটনা ঘটলে সেটা পুলিশ থানায় একটি এফআইআর (First Information Report) দায়ের করা যায়। এফআইআর হলো সেই অপরাধের প্রাথমিক তথ্য যা পুলিশকে অপরাধ তদন্তের জন্য নির্দেশনা দেয়।

অন্যদিকে, ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারা অনুযায়ী,
কোনো অপরাধের শিকার ব্যক্তি সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে একটি নালিশ/কমপ্লেইন দায়ের করতে পারেন। এই নালিশের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট পুলিশ স্টেশনকে তদন্ত করার নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার পুলিশের নিকট এফআইআর দায়েরের মাধ্যমে এবং ২০০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ এর মাধ্যমে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যায়।
৪,৫০৪.
কোন আদালত ধারা ৩৪৪-এর অধীনে প্রদত্ত আদেশ লিখিত হওয়ার বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি পায়?
  1. দায়রা আদালত
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: হাইকোর্ট বিভাগ।

ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:

(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।

ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।

৪,৫০৫.
'সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত অপরাধের জন্য বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তিই অপরাধী সাব্যস্ত হবে'- দণ্ডবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ১৪৫ ধারা
  2. ১৪৭ ধারা
  3. ১৪৮ ধারা
  4. ১৪৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৪৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৯ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৯ ধারার বিধান- সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত অপরাধের জন্য বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তিই অপরাধী সাব্যস্ত হবে:
-যদি কোন বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি দ্বারা উক্ত বেআইনী সমাবেশে সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়, অথবা উক্ত সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে উক্ত বেআইনী সামবেশের ব্যক্তিগণ জানত তা অনুষ্ঠিত হয়, তবে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়ে উক্ত বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তি উক্ত অপরাধে অপরাধী হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section-149. Every member of unlawful assembly guilty of offence committed in prosecution of common object:
- If an offence is committed by any member of an unlawful assembly in prosecution of the common object of that assembly, or such as the members of that assembly knew to be likely to be committed in prosecution of that object, every person who, at the time of the committing of that offence, is a member of the same assembly, is guilty of that offence.

৪,৫০৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৮ ধারার অধীন শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক জামানত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার বিধান রয়েছে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা আদালতে
  3. যুগ্ম দায়রা আদালতে
  4. খ এবং গ উভয় আদালতের
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪০৬- শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকার আদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন ব্যক্তিকে ধারা-১১৮ অনুসারে শান্তি বা সদাচরণের জন্য জামানত দেয়ার আদেশ দিলে সেই ব্যক্তি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে-
আরও শর্ত থাকে যে, যাদের বিরুদ্ধে ধারা-১২৩ এর উপ-ধারা (২) বা (৩ক) এর বিধানানুসারে দায়রা জজ বরাবর মামলা করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এই ধারার কোন কিছু প্রযোজ্য হবে না।

Section 406- Appeal from order requiring security for keeping the peace or for good behaviour:
Any person who has been ordered by a Magistrate under section 118 to give security for keeping the peace or for good behaviour may appeal against such order to the Court of Session:
Provided, that nothing in this section shall apply to persons the proceedings against whom are laid before a Sessions Judge in accordance with the provisions of sub-section (2) or sub-section (3A) of section 123.
৪,৫০৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর _______ ধারায় আপীল পর্যায়ে মধ্যস্থতার বিধান আছে।
  1. 89C
  2. 89E
  3. 89D
  4. 89B
সঠিক উত্তর:
89C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
89C
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ (Section 89C) আপিল আদালতে মধ্যস্থতার (mediation in appeal) বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
- এ ধারায় বলা হয়েছে, যদি আদেশ ৪১ এর অধীন কোনো ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা হয় এবং তা মূল পক্ষগণ বা তাদের স্থলাভিষিক্তদের মধ্যে হয়, তাহলে আপিল আদালত নিজে মধ্যস্থতা করতে পারে বা অন্য কারো মাধ্যমে মধ্যস্থতার জন্য পাঠাতে পারে।

অর্থাৎ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৮৯গ (Section 89C) ধারায় আপীল পর্যায়ে মধ্যস্থতার বিধান আছে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal): যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
----------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties. 
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.

৪,৫০৮.
দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায় কোন অপরাধের শাস্তি বর্ণিত আছে?
  1. চুরি
  2. ডাকাতি
  3. দস্যুতা
  4. বলপূর্বক গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারা- দস্যুতার সাজা:
কোনো ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।

Section 392- Punishment for robbery:
Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.
৪,৫০৯.
“Court in which suits to be instituted” বিধানটি দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ২৬
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ২২
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫
ব্যাখ্যা
“Court in which suits to be instituted” বিধানটি দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১৫ ধারায় উল্লেখ আছে।

• অর্থাৎ ধারা- ১৫ তে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে সেই বিধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে-
"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it"

অর্থাৎ প্রত্যেকটি দেওয়ানী মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে। এখানে, এখতিয়ার বলতে আর্থিক এখতিয়ার বুঝানো হয়েছে। সুতরাং কোনটি সর্বনিম্ন আদালত সেটা নির্ধারিত হবে আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং মোকদ্দমার মূল্যমান অনুযায়ী ।
৪,৫১০.
সরকার দ্বারা ম্যাজিস্ট্রেটগণের ক্ষমতা প্রত্যাহার করণের বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আছে?
  1. ৩৮ ধারায়
  2. ৩৯ ধারায়
  3. ৪১ ধারায়
  4. ৪৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান হল, ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ:
(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেন:
শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।
(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে পারবে।
অর্থাৎ ৪১ ধারার বিধান হল সরকার দ্বারা ম্যাজিস্ট্রেটগণের ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 41-Withdrawal of powers:
(1)The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.
(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.
৪,৫১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, অভিযোগের সারাংশ কোথায় লিপিবদ্ধ করতে হবে?
  1. সাধারণ ডায়েরিতে
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের কর্তৃক নির্ধারিত বইতে
  3. সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফর্মের বইতে
  4. কোনো বইতে লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফর্মের বইতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফর্মের বইতে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, যে কোনও শাস্তিযোগ্য অপরাধ সম্পর্কিত অভিযোগ যদি পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে মৌখিকভাবে জানানো হয়, তবে ওই অভিযোগটি লিখিত আকারে পরিণত করতে হবে এবং অভিযোগকারীকে তা পড়ে শোনাতে হবে। এছাড়া, অভিযোগকারীর সইও নিতে হবে।
- এছাড়া, অভিযোগের সারাংশ পুলিশ স্টেশনের কর্তৃপক্ষকে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফর্মের বইয়ে লিপিবদ্ধ করতে হবে। এই বইটি এমনভাবে তৈরি হবে, যা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত থাকবে এবং এর মাধ্যমে অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষিত হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ:
-আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শুনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার মূল বিষয়গুলো হল:
১) থানায় মৌখিক অভিযোগ করলে পুলিশ অফিসার তা লিখে নেবেন।
২) লিখিত অভিযোগটি অভিযোগকারীকে পড়ে শোনাতে হবে।
৩) অভিযোগকারীকে এতে স্বাক্ষর করতে হবে। 
৪) অভিযোগের সারাংশ সরকার নির্ধারিত বইয়ে লিখে রাখতে হবে। 
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-154: Information in cognizable cases:
-Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.
৪,৫১২.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত নং আদেশে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমার উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ ২ এর ৫ বিধিতে
  2. আদেশ ২ এর ৬ বিধিতে
  3. আদেশ ২ এর ৭ বিধিতে
  4. আদেশ ১ এর ৮ বিধিতে
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১ এর ৮ বিধিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১ এর ৮ বিধিতে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি-৮  মতে একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মোকদ্দমা করতে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারে (One person may sue or defend on behalf of all in same interest)।
♦ যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় বহু সংখ্যক লোকের একই স্বার্থ থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে মোকদ্দমা দায়ের করতে বা মোকদ্দমায় বিবাদী হতে পারে।
♦ এক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচে স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকলকে ব্যক্তিগত জারির মাধ্যমে নোটিশ দিবেন। স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অধিক হলে এভাবে নোটিশ জারি যুক্তিসঙ্গত হবে না। তখন গণ বিজ্ঞপ্তি দেয়া যাবে।
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১ আদেশের ৮ বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ একই রকমের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে সবার পক্ষে মোকদ্দমা দাখিল করলে বা জবাব প্রদান করলে, উক্ত মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বলে।
৪,৫১৩.
দণ্ডবিধি অনুসারে কখন চোরাই মাল আর চোরাই মাল থাকে না?
  1. যখন বিক্রি করা হয়
  2. যখন পুলিশ জব্দ করে
  3. যখন আদালতে উপস্থাপন করা হয়
  4. যখন আইনানুগ মালিকের দখলে আসে
সঠিক উত্তর:
যখন আইনানুগ মালিকের দখলে আসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন আইনানুগ মালিকের দখলে আসে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারামতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-
ক) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
খ) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
গ) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং
ঘ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।
উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 410: Stolen property:
Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.

৪,৫১৪.
'C' এর বাড়িতে আগুন লাগানোর জন্য 'B' পাগল প্রকৃতির ব্যক্তি 'A' কে বলেন এবং সে মোতাবেক 'C' এর বাড়িতে 'A' আগুন লাগায় এক্ষেত্রে-
  1. A পাগল হওয়ার কারণে তার কোন অপরাধ বা শাস্তি হবে না
  2. B প্ররোচনা দিয়েছে তাই আগুন লাগানোর দোষে দোষী হবে
  3. B এর ৪৩৬ ধারার অধীনে ক্ষতিসাধনের শাস্তি হবে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ধারা ১০৮ ব্যাখ্যা-৩ অনুযায়ী যখন প্ররোচিত ব্যক্তি অপরাধী না হলেও প্ররোচনাকারী অপরাধী হয়।
• অর্থাৎ অপরাধ করতে যে ব্যক্তি আইনগত অযোগ্য যেমন: নাবালক, অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল ব্যক্তিকে দিয়ে অপরাধ করালে যিনি উক্ত অপরাধ সংঘটিত করান তিনি দোষ কর্মের সাহায্যকারী হিসেবে দোষী হবেন।
 • ধারা ৪৩৬ এ উল্লেখ আছে যে গৃহ ইত্যাদি ধ্বংস করার অভিপ্রায়ে অগ্নি বা বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে অনিষ্ট সাধন।
৪,৫১৫.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী, কোনটি দলিল হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. লিখিত কোন বিষয়
  2. কোন মানচিত্র বা নকশা
  3. মুদ্রিত, লিথোগ্রাফ বা ফটোগ্রাফকৃত বিষয়
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৩ অনুযায়ী, লিখিত কোন বিষয়, কোন মানচিত্র বা নকশা, এবং মুদ্রিত, লিথোগ্রাফ বা ফটোগ্রাফকৃত বিষয় সবগুলোই দলিল হিসেবে গণ্য হবে। এ কারণে, "কোনটি নয়" সঠিক উত্তর কারণ উপরের সমস্ত উদাহরণই দলিল হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী-
- যে কোন লিখনই দলিল বলে গণ্য হয়;
- মুদ্রিত, লিথোগ্রাফ বা ফটোগ্রাফকৃত যে কোন কথাও দলিল বলে গণ্য হবে (Words printed, lithographed or photographed are documents);
- কোন মানচিত্র বা নকশা, কোন ধাতু খন্ড বা প্রস্তর খন্ডের উপর খোদাইকৃত কোন বিষয় অথবা কোন ব্যঙ্গচিত্র (caricature) দলিল বলে গণ্য হবে।
অর্থাৎ অপশনে উল্লিখিত সবগুলো দলিল হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ The Evidence Act,1872 এর ধারা ৩ মতে-
'দলিল বা Document' বলতে কোন পদার্থের উপর অক্ষর, সংখ্যা বা চিহ্নের (letters, figures or marks) সাহায্যে প্রকাশিত বা বর্ণিত কোন বিষয়কে বোঝায়।
"Document" means any matter expressed or described upon any substance by means of letters, figures or marks, or by more than one of those means, intended to be used, or which may be used, for the purpose of recording that matter.
৪,৫১৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XVI, Rule 12 অনুসারে উপযুক্ত হেতু ছাড়াই কোনো সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হতে ব্যর্থ হলে উক্ত সাক্ষীকে আদালত কত টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করতে পারেন?
  1. ৫০০
  2. ১০০০
  3. ১৫০০০
  4. ২০০০
সঠিক উত্তর:
৫০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ আদেশের ১২ বিধি অনুযায়ী আদালতের আদেশ অনুযায়ী সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হলে, আদালত তাকে অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা আরোপ করতে পারে।
৪,৫১৭.
আদেশ ১২ বিধি ২ অনুযায়ী এক পক্ষ অন্য পক্ষকে কোন বিষয়ে নোটিশ দিতে পারে?
  1. ঘটনা স্বীকার করতে
  2. দলিল স্বীকার করতে
  3. আদালতে হাজির হতে
  4. সাক্ষীর তালিকা জমা দিতে
সঠিক উত্তর:
দলিল স্বীকার করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল স্বীকার করতে
ব্যাখ্যা

আদেশ ১২ বিধি ২: দলিল স্বীকারের নোটিশ:
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ অন্য পক্ষকে নোটিশ প্রদান করতে পারে, যাতে বলা হয় যে, তারা পনেরো দিনের মধ্যে কোনো দলিল স্বীকার করবে, তবে উপযুক্ত ব্যতিক্রম ছাড়া। যদি অন্য পক্ষ তা স্বীকার করতে বা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে বা অবহেলা করে, তবে দলিল প্রমাণের খরচ সেই পক্ষকে বহন করতে হবে, যেহেতু তারা স্বীকার করতে বা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়েছে, তবে আদালত যদি অন্যভাবে নির্দেশ না দেয়।

৪,৫১৮.
আইনগত পন্থা ব্যাতিরেকে যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তি হতে দখলচ্যুত হয় তবে সে উহা পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা করতে পারেন?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায়
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায়
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায়
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
- আইন বহির্ভূতভাবে ও সম্মতি ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে স্থাবর সম্পত্তি থেকে দখলচ্যুত করা হলে, উক্ত স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য ৯ ধারামতে মামলা করা যাবে। বাদীকে যে যথাযথ আইনের মাধ্যম ছাড়াই বেদখল করেছে, সে যদি মূল মালিকও হয় কিংবা তার দ্বারা কোন দাবিদারও হয় তবু বাদী তার দখলচ্যুতির তারিখ হতে ছয় মাসের মধ্যে তার স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় মামলা করতে পারবে।
-৯ ধারামতে যিনি স্থাবর সম্পত্তির দখলে ছিলেন, তিনিই মামলা করতে পারেন। কেননা এই ধরনের মামলায় শুধু বাদীর দখল এবং বেদখল প্রমাণ করতে হয় এবং ৯ ধারার অধীনে দখল উদ্ধারের মামলায় স্বত্বের প্রশ্ন অবান্তর।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধারের জন্য উক্ত সম্পত্তিতে দখল এবং বিগত ৬ মাসের মধ্যে বেদখল হওয়া প্রমাণ করতে হবে, তবে স্বত্ব প্রমাণ করার কোন প্রয়োজন নেই। উল্লেখ্য যে, ৮ ধারায় দখল প্রমাণের প্রয়োজন নেই তবে স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে।
-তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ৯ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা বেদখল হওয়ার দিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে করতে হবে।
------------------- 
SR Act- Section-9. Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
 
No suit under this section shall be brought against the Government.

No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
৪,৫১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩১(১) ধারার অধীনে কোন আদালত আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা জজ আদালত
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩১- হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন:

(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

Section 31- Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass:
(1) The High Court Division may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.
৪,৫২০.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের শুনানীর পূর্বে কতদিন সময় দিতে হয়-
  1. ১৪ দিন
  2. ২১ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৭ দিন
সঠিক উত্তর:
২১ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ দিন
ব্যাখ্যা
♦বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর ৪৫ বিধি অনুযায়ী কোন অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রাপ্তির পর, ট্রাইব্যুনাল শুনানীর দিন নির্ধারণ করবে কিন্তু সেটা অভিযোগ প্রাপ্তির ২১ দিনের মধ্যে না এর পরে যে কোনো দিন। ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্ত অ্যাভোকেটকে একটি নোটিশ দিবে।
৪,৫২১.
'The Court may presume that judicial and official acts have been regularly performed' -বিধানটি The Evidence Act, 1872 এর কোন Section এ বর্ণিত আছে?
  1. 79
  2. 80
  3. 114 (e)
  4. 114 (g)
সঠিক উত্তর:
114 (e)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
114 (e)
ব্যাখ্যা
Section 114: Court may presume existence of certain facts

The court may presume the existence of any fact which it thinks likely to have happened, regard being had to the common course of natural events, human conduct and public and private business, in their relation to the facts of the particular case. 
Illustrations 
The Court may presume – 
(a) that a man who is in possession of stolen goods soon after the theft, is either the thief or has received the goods knowing them to be stolen, unless he can account for his possession; 

(b) that an accomplice is unworthy of credit, unless he is corroborated in material particulars; 

(c) that a bill of exchange, accepted or endorsed, was accepted or endorsed for good consideration; 

(d) that a thing or state of things which has been shown to be in existence within a period shorter than that within which such things or states of things usually cease to exist, is still in existence; 

(e) that judicial and official acts have been regularly performed; 

(f) that the common course of business has been followed in particular cases; 

(g) that evidence which could be and is not produced would, if produced, be unfavourable to the person who withholds it; 

(h) that, if a man refuses to answer a question which he is not compelled to answer by law, the answer, if given, would be unfavourable to him; 

(i) that when a document creating an obligation is in the hands of the obligor, the obligation has been discharged. 
But the Court shall also have regard to such facts as the following, in considering whether such maxims do or do not apply to the particular case before it.
৪,৫২২.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধি অনুসারে রিসিভার নিয়োগ করা হয়?
  1. আদেশ-৩৯, বিধি-১
  2. আদেশ-৪০, বিধি-১
  3. আদেশ-৪১, বিধি-১
  4. আদেশ-৪১, বিধি-৩
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৪০, বিধি-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৪০, বিধি-১
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৪০, বিধি ১ (Order XL, Rule 1)-এ রিসিভার (Receiver) নিয়োগের বিধান রয়েছে।
- দেওয়ানি কার্যবিধিতে আদেশ ৪০ বিধি ১ মতে আদালতের কাছে ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হলে আদালত আদেশ দিয়া
ক) ডিক্রির পূর্বে বা পরে কোন সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।
খ) সম্পত্তির দখল বা জিম্মাদারী হতে কোন ব্যক্তিকে অপসারণ করতে পারেন;
গ) উহা রিসিভারের দখলে, হেফাজতে বা ব্যবস্থাপনায় সোপর্দ করতে পারেন; এবং
ঘ) মামলা দায়ের করা ও জবাব দেয়া এবং সম্পত্তি আদায়করণ, ব্যবস্থাপনা, নিরাপদকরণ, সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন, উহার খাজনা এবং মুনাফা সংগ্রহ, উক্ত খাজনা ও মুনাফার প্রয়োগ ও হস্তান্তর এবং দলিল সম্পাদন সম্পর্কে মালিকের নিজের যেরূপ ক্ষমতা আসে সেরূপ বা আদালত যে সকল ক্ষমতা উপযুক্ত মনে করেন, রিসিভারকে অনুরূপ সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে আদেশ ৪০ বিধি ২ অনুযায়ী আদালত একটি সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা রিসিভারের কাজের জন্য পারিশ্রমিক ধার্য করতে পারবেন।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-40 Rule-1. Appointments of receivers:
(1) Where it appears to the Court to be just and convenient, the Court may by order−
(a) appoint a receiver of any property, whether before or after decree;
(b) remove any person from the possession or custody of the property; 
(c) commit the same to the possession, custody or management of the receiver; and
(d) confer upon the receiver all such powers, as to bringing and defending suits and for the realization, management, protection, preservation and improvement of the property, the collection of the rents and profits thereof, the application and disposal of such rents and profits, and the execution of documents as the owner himself has, or such of those powers as the Court thinks fit.
(2) Nothing in this rule shall authorise the Court to remove from the possession or custody of property any person whom any party to the suit has not a present right so to remove.

৪,৫২৩.
ম্যাজিস্ট্রেট আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা মওকুফ করে উকিলের মাধ্যমে হাজিরার অনুমতি দিতে পারেন ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায়?
  1. ২০৪ ধারায়
  2. ২০৫ ধারায়
  3. ২০৫গ ধারায়
  4. ২০৫গগ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২০৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৫ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫-এ সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা মওকুফ করে উকিলের মাধ্যমে হাজিরার অনুমতি দেওয়ার ক্ষমতা বর্ণিত আছে।
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর ধারা ২০৫(১)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, ম্যাজিস্ট্রেট যখন সমন জারি করেন, তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা মওকুফ করে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিতে পারেন (Magistrate may dispense with personal attendance of accused)-
(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।
(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতঃপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।
--------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 205. Magistrate may dispense with personal attendance of accused:
(1) Whenever a Magistrate issues a summons, he may, if he sees reason so to do, dispense with the personal attendance of the accused, and permit him to appear by his pleader. 
(2) But the Magistrate inquiring into or trying the case may, in his discretion, at any stage of the proceedings, direct the personal attendance of the accused, and, if necessary, enforce such attendance in manner hereinbefore provided.

৪,৫২৪.
আদালত আসামীকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত করলে তা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়ে পরোয়ানা দেওয়া যায় কাকে?
  1. আদালতের নাজিরকে
  2. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
  3. জেলার কালেক্টরকে
  4. দেওয়ানী আদালতের বিচারককে
সঠিক উত্তর:
জেলার কালেক্টরকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলার কালেক্টরকে
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৮৬ ধারা মতে (১) যখন কোন আসামীকে জরিমানা দন্ডে দণ্ডিত করা হয়, তখন দণ্ড দানকারী আদালত নিম্নলিখিত দুইটি বা উভয় উপায় অনুসারে জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন, অর্থাৎ ইহা
ক) অপরাধীর অবস্থাবর সম্পত্তি ক্রয় ও বিক্রয় করে জরিমানা আদায়ের জন্য
খ) খেলাপাকারীর স্থাবর বা অবস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে দেওয়ানী পদ্ধতি অনুসারে পরোয়ানা কার্যকর করে জরিমানার টাকা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়া জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা দিতে পারবেন।
তবে শর্ত এই যে, যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে, জরিমানা পরিশোধ কর না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং সে যদি অনাদায় বশতঃ সমগ্ৰ কারাদণ্ড ভোগ করে থাকে, তাহলে কোন আদালত উক্তরূপ পরোয়ানা প্রদান করবেন-না, তবে বিশেষ কোন কারণ বশত প্রয়োজন মনে করলে আদালত উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন।
৪,৫২৫.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে ১২ বছর পরও ডিক্রি জারির জন্য নতুন আবেদন [Fresh application] করা যাবে?
  1. যদি দেনাদার প্রবঞ্চনা কিংবা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করে।
  2. যদি ডিক্রিদার যথেষ্ট কারণে ডিক্রি জারির আবেদন করতে বিলম্ব করে
  3. যদি দেনাদার আদালতের এখতিয়ারের বাইরে অবস্থান করে
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
যদি দেনাদার প্রবঞ্চনা কিংবা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি দেনাদার প্রবঞ্চনা কিংবা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করে।
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৮ ধারা অনুযায়ী ডিক্রি জারির নতুন আবেদন [fresh application] দাখিল করার সর্বোচ্চ মেয়াদ ১২ বৎসর। নিয়মটি হলো ডিক্রি প্রদানের পর ৩ বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারির প্রথম দরখাস্ত বা জারি মামলা দায়ের করতে হবে। ৩ বৎসরের মধ্যে জারি মামলা দায়ের করার পর, পরবর্তীতে ১২ বৎসর পর্যন্ত ডিক্রিদার [Decree Holder] যে কোনো সংখ্যক ডিক্রি জারির নতুন আবেদন [fresh application] দায়ের করতে পারে। 

♦  ১২ বছর পরও ডিক্রি জারির নতুন দরখাস্ত [fresh application] দায়ের করা যায় এবং আদালত ডিক্রি জারির আদেশ দিতে পারে যদি দেনাদার  প্রবঞ্চনা [Fraud] কিংবা শক্তি [force] প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করে।

♦  অর্থাৎ যদি দেনাদার প্রবঞ্চনা কিংবা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করে ক্ষেত্রে ১২ বছর পরও ডিক্রি জারির জন্য নতুন আবেদন [Fresh application] করা যাবে।
৪,৫২৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৬ ধারা অনুযায়ী, কোন মামলা সম্পত্তির অবস্থানের বাইরে অন্য আদালতে দায়ের করা যেতে পারে?
  1. স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের মামলা
  2. স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারার মামলা
  3. অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক মুক্ত করার মামলা
  4. বিবাদীর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আনুগত্যের মাধ্যমে প্রতিকার পাওয়ার মামলা
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আনুগত্যের মাধ্যমে প্রতিকার পাওয়ার মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আনুগত্যের মাধ্যমে প্রতিকার পাওয়ার মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ ধারার অধীনে "বিবাদীর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আনুগত্যের মাধ্যমে প্রতিকার পাওয়ার মামলা" সম্পত্তির অবস্থানের বাইরে অন্য আদালতে দায়ের করা যেতে পারে।
- তবে অপশনে উল্লিখিত অন্য মামলা গুলো সম্পত্তির অবস্থানের বাইরে অন্য আদালতে দায়ের করা যাবে না। 


⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১৬ ধারা অনুযায়ী মোকদ্দমার বিষয়বস্তু যে আদালতের আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত সেই আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। সাধারণত স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমা যেমন স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার, ভাগ বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তির বিনা সংক্রান্ত মামলা, সেই আদালতে দায়ের করাতে হবে, যেখানে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ ধারার বিধান- বিষয়বস্তু যেখানে অবস্থিত, মামলা সেখানেই দায়ের করতে হবে:
- যে কোন আইনে নির্ধারিত আর্থিক বা অন্যান্য এখতিয়ার সাপেক্ষ -
ক) খাজনা বা মুনাফাসহ বা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য,
খ) স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারা জন্য,
গ) স্থাবর সম্পত্তির বন্ধক বা দায় (charge) উদ্ধারের অধিকার, হরণ, বিক্রয় বা
ঘ) স্থাবর সম্পত্তির অন্য কোনো প্রকার অধিকার বা স্বার্থ নির্ণয়ের জন্য,
ঙ) স্থাবর সম্পত্তির অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে,
চ) আটক বা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য -
আনীত মামলাগুলি যে সকল আদালতের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি অবস্থিত, অথবা, ‘গ’ দফায় বর্ণিত মামলার ক্ষেত্রে যে স্থানে মামলার কারণ পূর্ণভাবে অথবা আংশিকভাবে উদ্ভব হয়, সেসব আদালতেই দায়ের করতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী কর্তৃক বা তার পক্ষে দাখিলী কোন স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত প্রতিকার বা উহার অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা, প্রার্থতি প্রতিকার যদি সম্পূর্ণরূপে বিবাদির ব্যক্তিগতভাবে আনুগতভাবে আনুগত্যের ফলে লাভ করা যায়, তবে তাহলে যে আদালতের স্থানীয় সীমানার মধ্যে সম্পত্তি অবস্থিত, অথবা (ঙ) দফায় বর্ণিত ক্ষেত্রে যে স্থানে পূর্ণ বা আংশিকভাবে মামলার কারণ উদ্ভব হয়েছে অথবা যে আদালতের স্থানীয় সীমানার মধ্যে প্রকৃত পক্ষে এবং স্বেচ্ছায় বিবাদী বাস করে বা ব্যবসা-বাণিজ্য চালায় বা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কর্ম করে সেই আদালতে দায়ের করা যাবে।
------------
→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-16. Suits to be instituted where subject-matter situate: 
Subject to the pecuniary or other limitations prescribed by any law, suits- 
(a) for the recovery of immovable property with or without rent or profits, 
(b) for the partition of immovable property, 
(c) for foreclosure, sale or redemption in the case of a mortgage of or charge upon immovable property, 
(d) for the determination of any other right to or interest in immovable property, 
(e) for compensation for wrong to immovable property, 
(f) for the recovery of movable property actually under distraint or attachment, 
shall be instituted in the Court within the local limits of whose jurisdiction the property is situate, or, in the case of suits referred to in clause (c), at the place where the cause of action has wholly or partly arisen: 
Provided that a suit to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property held by or on behalf of the defendant may, where the relief sought can be entirely obtained through his personal obedience, be instituted either in the Court within the local limits of whose jurisdiction the property is situate, or, in the case of suits referred to in clause (c), at the place where the cause of action has wholly or partly arisen, or in the Court within the local limits of whose jurisdiction the defendant actually and voluntarily resides, or carries on business, or personally works for gain. 
Explanation.-In this section "property' means property situate in Bangladesh.
৪,৫২৭.
কোনো মামলা আপস মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পন্ন হলে তা আসামির ____________ বলে গণ্য হবে।
  1. মুক্তি
  2. জামিন
  3. অব্যাহতি
  4. খালাস
সঠিক উত্তর:
খালাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure,1898 এর ৩৪৫(৬) ধারানুসারে কোন মামলার আপস হলে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি খালাস (acquittal) পেয়েছে বলে গণ্য হবে।
 
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 
 
• ৩৪৫(১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে। দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে।
 
• ৩৪৫(৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।
 
প্রতিকার-
যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।
৪,৫২৮.
দণ্ডবিধির ২১৬ক কোন ধরনের অপরাধীদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. খুনী
  2. প্রতারক
  3. ডাকাত ও দস্যু
  4. দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
ডাকাত ও দস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাকাত ও দস্যু
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১৬ক ধারা (Section 216A of the Penal Code, 1860) সুনির্দিষ্টভাবে "দস্যু" (robbers) এবং "ডাকাত" (dacoits) কে আশ্রয়দান বা গোপন রাখার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য প্রযোজ্য।
- এই ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি জানে বা বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ থাকে যে কিছু লোক ডাকাতি বা দস্যুতা করতে যাচ্ছে বা করেছে, এবং তিনি তাদের অপরাধ করতে সাহায্য করার জন্য বা শাস্তি থেকে বাঁচাতে আশ্রয় দেন, তবে তিনি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন এবং তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড হতে পারে।

ব্যতিক্রম: এই ধারা স্বামী বা স্ত্রীর মাধ্যমে দেওয়া আশ্রয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

- তাই এই ধারা কেবলমাত্র: ডাকাত ও দস্যুদের আশ্রয়দাতার বিরুদ্ধে প্রযোজ্য।
- তাই সঠিক উত্তর: গ) ডাকাত ও দস্যু।

⇒The Penal Code, 1860 – Section 216A. Penalty for harbouring robbers or dacoits:
Whoever, knowing or having reason to believe that any persons are about to commit or have recently committed robbery or dacoity, harbours them or any of them, with the intention of facilitating the commission of such robbery or dacoity, or of screening them or any of them from punishment, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
- Explanation.-For the purposes of this section it is immaterial whether the robbery or dacoity is intended to be committed, or has been committed, within or without Bangladesh. 
- Exception.–This provision does not extend to the case in which the harbour is by the husband or wife of the offender.
৪,৫২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা মতে সম্পত্তি বা দলিল বাজেয়াপ্ত করা হয়?
  1. ৫০৭ ধারা
  2. ৫১৭ ধারা
  3. ৫২৭ ধারা
  4. ৫৪৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫১৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৭ ধারা অনুযায়ী-
কোন অপরাধে যে সম্পত্তি বা দলিল বিষয়ে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বলে আদালত মনে করে, অনুসন্ধান বা বিচার শেষ হওয়ার পর আদালত উক্ত সম্পত্তি বা দলিল ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা অর্পণের মাধ্যমে হস্তান্তরের আদেশ দিতে পারে।
 
- ধারা ৫১৭- যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা হস্তান্তরের আদেশ:
(১) কোন ফৌজদারী আদালতে কোন ইনকোয়ারী বা বিচার শেষ হবার উপর উক্ত আদালতে পেশকৃত বা উহার হেফাজতে রক্ষিত কোন সম্পত্তি বা দলিল, যা সম্পর্কে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা যা কোন অপরাধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা যে ব্যক্তি উহার দখল দাবী করে তাকে প্রদান বা অন্য কোনভাবে উহার বিহিত ব্যবস্থা করার জন্য আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরুপ আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
 
(২) যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত এরূপ আদেশ দিবেন এবং সুবিধাজনকভাবে নিজস্ব অফিসার কর্তৃক উক্ত সম্পত্তি উহার অধিকারী ব্যক্তিকে অর্পণ করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত আদেশ বলবৎ করবেন।
 
(৩) এই ধারার অধীন আদেশ প্রদান করা হলে তা সংশিষ্ট সম্পত্তি গৃহপালিত পশু বা দ্রুত ও স্বাভাবিক ক্ষয়শীল না হলে, এবং উপধারা-(৪) এ বর্ণিত বিধান মতে না হলে ১ (এক) মাসের জন্য কার্যকর করা যাবে না অথবা যেক্ষেত্রে আপিল পেশ করা হয়, সেক্ষেত্রে আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না।
 
(৪) যে ব্যক্তি কোন সম্পত্তি দখলের অধিকারী মর্মে দাবী করে সে ব্যক্তি আদালতের সন্তুষ্টি বিধানপূর্বক জামিনদারসহ বা ব্যতীত এ মর্মে একটি মুচলেকা সম্পাদন করে যে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ আপীলে সংশোধিত বা বাতিল হলে সে উক্ত সম্পত্তি আদালতে অর্পণ করবে, সেক্ষেত্রে এই ধারার কোন বিধান উপধারা-(১) অনুসারে আদালত কর্তৃক উক্ত ব্যক্তিকে সম্পত্তি দেয়ার ব্যাপারে কোন বাধার সৃষ্টি করবে মর্মে মনে করা যাবে না।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-517: Order for disposal of property regarding which offence committed:
(1) When an inquiry or a trial in any Criminal Court is concluded, the Court may make such order as it thinks fit for the disposal by destruction, confiscation, or delivery to any person claiming to be entitled to possession thereof or otherwise of any property or document produced before it or in its custody or regarding which any offence appears to have been committed, or which has been used for the commission of any offence. 
 
(2) When High Court Division or a Court of Session makes such order and cannot through its own officers conveniently deliver the property to the person entitled thereto, such Court may direct that the order be carried into effect by the 513[Chief Metropolitan Magistrate or] District Magistrate. 
 
(3) When an order is made under this section such order shall not, except where the property is livestock or subject to speedy and natural decay, and save as provided by sub-section (4), be carried out for one month, or, when an appeal is presented, until such appeal has been disposed of. 
 
(4) Nothing in this section shall be deemed to prohibit any Court from delivering any property under the provisions of sub-section (1) to any person claiming to be entitled to the possession thereof, on his executing a bond with or without sureties to the satisfaction of the Court, engaging to restore such property to the Court if the order made under this section is modified or set aside on appeal. 

Explanation- In this section the term "property" includes in the case of property regarding which an offence appears to have been committed, not only such property as has been originally in the possession or under the control of any party, but also any property into or for which the same may have been converted or exchanged, and anything acquired by such conversion or exchange, whether immediately or otherwise.
৪,৫৩০.
সর্বনিম্ন কত দিন কোন ব্যক্তিকে আটক রাখলে আটককারী ব্যক্তি অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. ৩ দিন
  2. ৫ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৪ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারার বিধান দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ Section 344. Wrongful confinement for ten or more days:- Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
৪,৫৩১.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮-এর কোন ধারায় ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমার বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ৮৫
  2. ধারা ৮৮
  3. ধারা ৮৯
  4. ধারা ৯২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৮
ব্যাখ্যা

​⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮-এর ধারা ৮৮ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমার বিধান বর্ণনা করে। এই ধারা অনুসারে, যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একই সম্পত্তি বা অর্থের উপর মালিকানার দাবি করেন এবং যিনি এই দাবির সম্মুখীন হন (বাদী) তার মোকদ্দমার খরচ ছাড়া উক্ত সম্পত্তি বা অর্থের উপর কোনো স্বার্থ না থাকে, তবে তিনি ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন। এই মোকদ্দমার উদ্দেশ্য হলো আদালতের মাধ্যমে নির্ধারণ করা যে সম্পত্তি বা অর্থ কার কাছে অর্পণ করতে হবে এবং বাদীর ক্ষতিপূরণ (যদি থাকে) আদায় করা।
- ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে বাদী নিরপেক্ষ থাকেন এবং বিবাদীদের দাবি সম্পর্কে কোনো পক্ষপাতিত্ব বা ষড়যন্ত্রে জড়ান না। এই ধারা নিশ্চিত করে যে বাদী কেবল আদালতের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তার দায়িত্ব থেকে মুক্তি পান এবং কোনো পক্ষের সাথে যোগসাজসে জড়ান না।
​- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৮ ধারায় স্বার্থ বিহীন মামলার বিধান আছে।
​ 
⇒ এছাড়াও ​ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমার বিস্তারিত বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির অর্ডার ৩৫-এ বর্ণিত আছে। এই অর্ডারে বলা হয়েছে যে এই ধরনের মোকদ্দমায় কমপক্ষে দুইজন বিবাদী থাকতে হবে, এবং আরজিতে বাদীর নিরপেক্ষতা, বিবাদীদের পৃথক দাবি এবং কোনো ষড়যন্ত্রের অভাব উল্লেখ করতে হবে।

- আদেশ ৩৫ বিধি-১: ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় আরজি (Plaint in interpleader-suits): ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় প্রত্যেকটি মোকদ্দমার আরজিতে নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি বিবৃত করতে হবে - বাদী মোকদ্দমার খরচের জন্য ব্যয়িত দাবি ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবী করে না; বিবাদীগণ কর্তৃক দাবিসমূহ পৃথকভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ যোগসাজস বা ষড়যন্ত্র নেই।
- আদেশ ৩৫ বিধি-৫: প্রতিনিধি বা প্রজাগণ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।

৪,৫৩২.
দন্ডবিধি অনুযায়ী আত্মরক্ষামূলক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে অপরাধীর মৃত্যু ঘটানো যায় কোন ক্ষেত্রে?
  1. মানহানি
  2. রাতের বেলায় ঘর ভেঙ্গে অনুপ্রবেশ
  3. আঘাত
  4. রাষ্ট্রদ্রোহিতা
সঠিক উত্তর:
রাতের বেলায় ঘর ভেঙ্গে অনুপ্রবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাতের বেলায় ঘর ভেঙ্গে অনুপ্রবেশ
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধি অনুযায়ী আত্মরক্ষামূলক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে অপরাধীর মৃত্যু ঘটানো যায় রাতের বেলায় ঘর ভেঙ্গে অনুপ্রবেশ করার ক্ষেত্রে 
♦ দন্ডবিধির ১০৩ ধারামতে সম্পত্তি প্রতিরক্ষার জন্য ৪টি ক্ষেত্রে আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা-
i) দস্যুতা (Robbery)
ii) রাত্রি বেলায় অপথে গৃহে প্রবেশ (House-breaking by night);
iii) বাসগৃহে বা কোন সম্পত্তি রাখার স্থানে অগ্নি সংযোগ (Mischief by fire committed on any building, tent or vessel, used as a human dwelling); এবং
iv) গুরুতর আঘাত বা মৃত্যুর আশংকাযুক্ত চুরি, ক্ষতি বা অনধিকার গৃহে প্রবেশ (Theft, mischief or house - trespass, under such circumstances as may reasonably cause apprehension of death or grievous hurt)।
উপরের ৪টি ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য যে কোন ক্ষেত্র যেমন- সাধারণ চুরি, ক্ষতি বা অনধিকার গৃহে প্রবেশের ক্ষেত্রে আত্মরক্ষা অধিকার প্রয়োগকালে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগকারী নরহত্যা ব্যতীত অন্য যে কোন ক্ষতি করতে পারে । [ধারা-১০৪]
৪,৫৩৩.
দেওয়ানি মামলায় রিভিউ আবেদনের সর্বোচ্চ সময়সীমা কতদিন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ অনুযায়ী রিভিউ (Review) বলতে বোঝায় আদালতের নিজস্ব ডিক্রি বা আদেশের বিচারিক পুনর্বিবেচনা। রিভিউ সংক্রান্ত সময়সীমা নির্ধারিত আছে Limitation Act, 1908-এর প্রথম তফসিলে।
- এই আইনের অধীনে রিভিউ আবেদনের সর্বোচ্চ সময়সীমা ৯০ দিন, যা ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে গণনা করা হয়।

⇒ যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ দেয়, সেই আদালতে ডিক্রি বা আদেশটি রিভিউ করার জন্য আবেদন করতে হয়। 
- যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতেই ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়।
- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন যে আদালতেই রিভিউ আবেদন করা হোক না কেন, রিভিউ করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন।

উদাহরণস্বরূপ, যদি সহকারী জজ ১ জুলাই রায় দেন, তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষ ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে পারবে। এই সময়সীমা অতিক্রম করলে আবেদন তামাদি বলে গণ্য হবে, যদি না যথাযথ কারণে বিলম্ব মাফ চাওয়া হয় (ধারা ৫ অনুযায়ী)।
 তাই, দেওয়ানি মামলায় রিভিউ আবেদনের সর্বোচ্চ সময়সীমা হলো ৯০ দিন, এবং সঠিক উত্তর: গ) ৯০ দিন।
৪,৫৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে প্রথম রিভিশনে প্রদত্ত সিদ্ধান্ত-
  1. চূড়ান্ত নয়
  2. চূড়ান্ত
  3. ২য় বার রিভিশনযোগ্য
  4. হাইকোর্টে রিভিশনযোগ্য
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত
ব্যাখ্যা
• রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-

১. হাইকোর্ট বিভাগ
২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ

• ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। ৪৩৯ক এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে দায়রা জজের কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কোন রিভিশনাল মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করা হলে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে।

ধারা ৪৩৯ক এর ২ উপধারায় তে দেয়া আছে, দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।

Section 439A: Sessions Judge's powers of revision
(1) In the case of any proceeding the record of which has been called for by himself or which otherwise comes to his knowledge, the Sessions Judge may exercise all or any of the powers which may be exercised by the High Court Division under section 439. 
 
(2) Where any application for revision is made by or on behalf of any person before the Sessions Judge, the decision of the Sessions Judge thereon in relation to such person shall be final. 
 
(3) An Additional Sessions Judge shall have and may exercise all powers of a Sessions Judge under this Chapter in respect of any case which may be transferred to him under any general or special order of the Sessions Judge.
৪,৫৩৫.
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to ________________.
  1. "Affray"
  2. "commit an affray"
  3. "Rioting"
  4. "Unlawful assembly"
সঠিক উত্তর:
"commit an affray"
উত্তর
সঠিক উত্তর:
"commit an affray"
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:

যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

♦ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান  মারামারির শাস্তি:

কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

___________________________________________
♦ Affray

Section 159. When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
♦ Punishment for committing affray
Section 160. Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
৪,৫৩৬.
‘‘সোলে ডিক্রিতে আপিল করা যায় না’’ দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ৯৬(১)
  2. ৯৬(২)
  3. ৯৬(৩)
  4. আপিল করা যায়।
সঠিক উত্তর:
৯৬(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৬(৩)
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারায় বলা হয়েছে, আদালত পক্ষদ্বয়ের সম্মতিতে আপস বা সোলে ডিক্রি (Compromise Decree) দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না।
৪,৫৩৭.
সাক্ষ্য আইনের ৩৩ ধারা অনুযায়ী কোন সাক্ষী কোন মামলার বিচারিক কার্যক্রমে যে সাক্ষ্য দেয় তা একই মামলার পরবর্তী  কার্যক্রমে প্রাসঙ্গিক হবে যদি-
  1. সাক্ষী মারা যায়
  2. সাক্ষীকে খুঁজে পাওয়া না যায়
  3. বিপক্ষ সাক্ষীকে সরিয়ে রাখে
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ধারা ৩৩ অনুযায়ী যদি কোনো সাক্ষী পূর্বে কোনো বিচারিক কার্যধারায় বা আইনের দ্বারা স্বীকৃত কোনো ব্যক্তির সামনে সাক্ষ্য প্রদান করে থাকেন, তবে সেই সাক্ষ্য পরবর্তী বিচারিক কার্যধারায় বা একই বিচারিক কার্যধারার পরবর্তী পর্যায়ে প্রাসঙ্গিক হবে, যদি নিম্নলিখিত শর্তগুলোর যেকোনো একটি প্রযোজ্য হয়-
- যখন সাক্ষী মৃত্যুবরণ করে,
- যখন সাক্ষীকে খুঁজে পাওয়া না যায়,
- যখন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদানে অসমর্থ হয়ে পড়ে,
- যখন প্রতিপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে সাক্ষীকে সাক্ষ্য দেওয়া থেকে বিরত রেখেছে,
- সাক্ষীকে হাজির করতে এত বিলম্ব বা খরচ হবে, যা আদালতের দৃষ্টিতে অযৌক্তিক।

ধারা ৩৩: কোনো সাক্ষ্যে প্রদত্ত বিবৃতির সত্যতা পরবর্তী মোকদ্দমায় প্রমাণের জন্য উক্ত সাক্ষ্যের প্রাসঙ্গিকতা: কোনো সাক্ষী কোনো মোকদ্দমার বিচারে বা আইনত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো লোকের নিকট যে সাক্ষ্য দেওয়া তাহা, ঐ সাক্ষীর মৃত্যু হইলে, সন্ধান পাওয়া না গেলে, সে সাক্ষ্য দিতে অসমর্থ হইয়া পড়িলে, বিরুদ্ধে পক্ষ তাহাকে মোকদ্দমার অবস্থা বিবেচনায় আদালত তাহা অযৌক্তিক বলিয়া মনে করিলে, ঐ সাক্ষীর পূর্বোক্ত সাক্ষ্যে বর্ণিত কোনো ঘটনার সত্যতা পরবর্তীতে কোনো মোকদ্দমায় বা একই মোকদ্দমার পরবর্তী পর্যায়ে প্রমাণের জন্য প্রাসঙ্গিক হইবে:
যদি-
পরবর্তী মোকদ্দমা একই পক্ষদ্বয়ের মধ্যে কিংবা তাহাদের স্বার্থসংশিষ্ট প্রতিনিধিদের মধ্যে হয়;
প্রথমোক্ত মোকদ্দমায় সাক্ষীদের যদি বিরুদ্ধ পক্ষ জেরা করিবার অধিকার ও সুযোগ লাভ করিয়া থাকে,
শেষোক্ত মোকদ্দমার বিচার্য প্রশ্ন যদি মোটামুটিভাবে প্রথমোক্ত মোকদ্দমার বিচার্য প্রশ্নের অনুরূপ হয়।
ব্যাখ্যা: কোনো ফৌজদারি মোকদ্দমার বিচার বা তদন্ত এই ধারার অর্থ অনুযায়ী আসামি ও বাদীর মধ্যে মোকদ্দমা বলিয়া বিবেচিত হইবে।
---------------------------
The Evidence Act 1872,Section 33,,Relevancy of certain evidence for proving, in subsequent proceeding, the truth of facts therein stated: Evidence given by a witness in a judicial proceeding, or before any person authorized by law to take it, is relevant for the purpose of proving, in a subsequent judicial proceeding, or in a later stage of the same judicial proceeding, the truth of the facts which it states, when the witness is dead or cannot be found, or is incapable of giving evidence, or is kept out of the way by the adverse party, or if his presence cannot be obtained without an amount of delay or expense which, under the circumstances of the case, the Court considers unreasonable:
Provided-
that the proceeding was between the same parties or their representatives in interest;
that the adverse party in the first proceeding had the right and opportunity to cross-examine;
that the questions in issue were substantially the same in the first as in the second proceeding.
Explanation.-A criminal trial or inquiry shall be deemed to be a proceeding between the prosecutor and the accused within the meaning of this section.

৪,৫৩৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন কোন ধারা মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করে?
  1. ১১ ধারা
  2. ১০ ধারা
  3. ১২ ধারা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১০,১১ এবং ১২ ধারা মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করে

• ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্বে দায়েরকৃত এবং পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হলে, আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার কার্যক্রম স্থগিত করবেন।

• ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবেনা।এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

• ধারা ১২-পুনরায় মোকদ্দমা করার বাধা (Bar to further suit) সম্পর্কে বিধান আছে। 
কোন বিধি অনুসারে একজন বাদীকে যখন কোন বিশেষ কারণ সম্পর্কে অতিরিক্ত মোকদ্দমা দায়ের করা হতে নিবারণ করা হয়, তখন যে আদালতের প্রতি এই কার্যবিধি প্রযোজ্য হয় সেরূপ কোন আদালতে সে একই কারণ নিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না।
অর্থাৎ যে সকল ক্ষেত্রে আইনগতভাবে মোকদ্দমা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে মোকদ্দম দায়ের  করা যায় না।
৪,৫৩৯.
আপিল বিভাগের আদেশ যে আদালতের মাধ্যমে জারি করা হয়, সেই জারি সম্বন্ধে উক্ত আদালতের আদেশ-
  1. আপিলঅযোগ্য
  2. আপিলযোগ্য
  3. রিভিশনযোগ্য
  4. উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে কোন প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৫ বিধি-১৬: জারিকরণ সম্বন্ধীয় আদেশ হতে আপিল:
আপিল বিভাগের আদেশ যে আদালতের মাধ্যমে জারি করা হয়, সে জারি সম্বন্ধে উক্ত আদালতের আদেশ উক্ত আদালতের স্বীয় ডিক্রি জারি সম্পর্কিত আদেশের ন্যায় একই প্রক্রিয়ায় এবং একইরূপ বিধিমালা সাপেক্ষে আপিলযোগ্য হবে।

Rule-16: Appeal from order relating to execution:
The orders made by the Court which executes the order of the Appellate Division, relating to such execution, shall be appealable in the same manner and subject to the same rules as the orders of such Court relating to the execution of its own decrees.
৪,৫৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর কোন ধারা অনুযায়ী বন্ড জমা দেওয়ার সময় জামিনদাতাদের যাচাই বাধ্যতামূলক?
  1. ধারা ৪৯৯(১)
  2. ধারা ৪৯৯(২)
  3. ধারা ৪৯৯(৩)
  4. ধারা ৪৯৯(৪)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৯(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৯(৩)
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৯৯: অভিযুক্ত ও জামিনদাতার বন্ড:
(১) কোনো ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার আগে বা নিজের বন্ডে মুক্তি দেওয়ার আগে, পুলিশের কর্মকর্তা বা আদালত যথাযথ মনে করলে নির্দিষ্ট অর্থের একটি বন্ড পূরণ করতে হবে। যখন ব্যক্তি জামিনে মুক্তি পায়, তখন এক বা একাধিক যথেষ্ট যোগ্য জামিনদাতার মাধ্যমে বন্ড সম্পাদিত হবে। এই বন্ডে শর্ত থাকবে যে অভিযুক্ত নির্ধারিত সময় ও স্থানে হাজির হবে এবং পুলিশ বা আদালতের নির্দেশ না থাকা পর্যন্ত নিয়মিত হাজিরা চালিয়ে যাবে।

(২) প্রয়োজন হলে, বন্ডে আরো শর্ত থাকবে যে, জামিনপ্রাপ্ত ব্যক্তি হাইকোর্ট ডিভিশন, সেশন আদালত বা অন্য কোনো আদালতের ডাকে হাজির হবে এবং অভিযোগের উত্তর দেবে।

(৩) এই বন্ড অভিযুক্ত নিজে, তার আইনজীবীর মাধ্যমে, বা আদালতের অনুমোদিত অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে আদালতে জমা দিতে পারবে। তবে জামিনদাতাদের পরিচয় ও যোগ্যতা জাতীয় পরিচয়পত্র বা অন্য যথাযথ উপায়ে যাচাই করা আবশ্যক।

৪,৫৪১.
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি কখন প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. পুরনো রেকর্ড হলে
  2. যথাযথ হেফাজত থেকে পাওয়া না গেলে
  3. রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হলে
  4. কোনো ক্ষেত্রেই প্রাসঙ্গিক নয়
সঠিক উত্তর:
রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হলে
ব্যাখ্যা
• The Evidence (Amendment) Act, 2022 দ্বারা ২২ক ধারাটি নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। ডিজিটাল রেকর্ডের বিবরণ বিষয়ে মৌখিক বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হওয়ার শর্ত ২২ক ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে।

২২ক ধারায় বলা হয়েছে,
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়, যদি না উত্থাপিত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
[Oral admissions as to contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question].

অর্থাৎ রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হলেই মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে।
৪,৫৪২.
X কর্তৃক Y এর সাথে উত্তরায় একটি বাড়ি এবং বনানীতে অপর আরেকটি বাড়ি বিক্রয় করার জন্য চুক্তি হয় কিন্তু পরবর্তীতে X তার উত্তরার বাড়ি বিক্রয় চুক্তি বাস্তবায়নের অপারগতা প্রকাশ করে। এক্ষেত্রে চুক্তিটি-
  1. চুক্তির আংশিক বাস্তবায়ন হবে না যেহেতু চুক্তির প্রতিটি অংশ স্বতন্ত্র
  2. চুক্তির বাস্তবায়ন সম্ভব যেহেতু চুক্তিটি প্রতিটি অংশ স্বতন্ত্র
  3. চুক্তির বাস্তবায়ন করতে হলে দুইটি বাড়ি হস্তান্তর করতে হবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
চুক্তির বাস্তবায়ন সম্ভব যেহেতু চুক্তিটি প্রতিটি অংশ স্বতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির বাস্তবায়ন সম্ভব যেহেতু চুক্তিটি প্রতিটি অংশ স্বতন্ত্র
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ১৬ ধারা অনুযায়ী কোন চুক্তি স্বতন্ত্র অংশের সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন সম্ভব।
• যেহেতু চুক্তিটিতে দুইটি বাড়ি আলাদা এবং একটি বাড়ি হস্তান্তর করা যাবে তাই চুক্তিটি অংশ স্বতন্ত্র হওয়ায় হস্তান্তর যোগ্য অংশের চুক্তি বাস্তবায়ন করতে বাধা নেই।
৪,৫৪৩.
ধারা ৩৭০ অনুযায়ী, দাস ব্যবসার অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তির জন্য কি ধরনের দণ্ড প্রদান করা হয়?
  1. শুধুমাত্র কারাদণ্ড
  2. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  3. কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. দণ্ডবিধিতে কোনো শাস্তি নেই
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭০: কোন ব্যক্তিকে দাস হিসেবে ক্রয় বা বিক্রয়:
যে ব্যক্তি কোনো ব্যক্তিকে দাস হিসেবে আমদানি, রপ্তানি, সরানো, ক্রয়, বিক্রয় বা নিকাশ করে, অথবা কাউকে দাস হিসেবে গ্রহণ, গ্রহণ করে বা বাধ্য করে রাখে, সে ব্যক্তি সাত বছর পর্যন্ত মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 370- Buying or disposing of any person as a slave:
Whoever imports, exports, removes, buys, sells or disposes of any person as a slave, or accepts, receives or detains against his will any person as a slave, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৪,৫৪৪.
ফৌজদারি মামলার FIR কোথায় করা হয়?
  1. পুলিশ স্টেশনে
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে
  3. পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে
  4. দায়রা আদালতে
সঠিক উত্তর:
পুলিশ স্টেশনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ স্টেশনে
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় প্রাথমিক তথ্য বিবরণী বা এজাহারের (FIR) বিধান রয়েছে। এছাড়া পুলিশ প্রবিধানের (PRB) ২৪৩ বিধিতে FIR বর্ণিত রয়েছে। FIR এর পূর্ণরূপ হচ্ছে First Information Report। আমলযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিতভাবে বা মৌখিকভাবে খবর দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তা ১৫৪ ধারানুযায়ী বিপি ২৭ নং ফরমে লিপিবদ্ধ করা হয় যা FIR বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী নামে পরিচিত।
- আমলযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিতভবে কিংবা মৌখিকভাবে খবর দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তা নির্ধারিত বইতে লিপিবদ্ধ করাকে FIR বা এজাহার বলে।
- অর্থাৎ ফৌজদারি মামলার FIR থানায় বা পুলিশ স্টেশনে করা হয়।
------------------------
- A First Information Report (FIR) is officially defined the first collection of information transmitted to the police concerning commission of a major offence.
- Generally victims or witnesses of a heinous crime open criminal proceedings against alleged criminals through filing of an FIR.
৪,৫৪৫.
'ক' ব্যভিচারের উদ্দেশ্যে দিনের বেলা ঘর ভাঙ্গে এবং ঘরে প্রবেশ করে 'খ' এর সাথে ব্যভিচার সংঘটন করে।এক্ষেত্রে-
  1. একটি অভিযোগপত্রে এবং একটি মাত্র মামলায় বিচার করা যাবে
  2. আলাদা আলাদা অভিযোগপত্রে এবং একটি মাত্র মামলায় বিচার করা যাবে
  3. একটি অভিযোগপত্রে এবং একাধিক মামলায় বিচার করা যাবে
  4. একাধিক অভিযোগপত্রে এবং একাধিক মামলায় বিচার করা যাবে
সঠিক উত্তর:
আলাদা আলাদা অভিযোগপত্রে এবং একটি মাত্র মামলায় বিচার করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাদা আলাদা অভিযোগপত্রে এবং একটি মাত্র মামলায় বিচার করা যাবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৫(১) অনুসারে একাধিক অপরাধের বিচার (Trial for more than one offence) একটি মাত্র মামলায় বিচার করা যাবে-

পর পর সংঘটিত কতকগুলো কাজ পরস্পরের সাথে এরূপ সম্পর্কযুক্ত হয় যে, কাজগুলো একটিমাত্র কাজের সামিল এবং একই ব্যক্তি যদি উক্ত ব্যাপারে একাধিক অপরাধ করে থাকে তাহলে এরূপ প্রত্যেকটি অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে একটি মাত্র মামলায় বিচার করা যাবে।
[If, in one series of acts so connected together as to form the same transaction, more offences than one are committed by the same he person, may be charged with, and tried at one trial for, every such offence]

• প্রশ্নে উল্লেখিত,'ক' ব্যভিচারের উদ্দেশ্যে দিনের আলোয় ঘর ভাঙ্গে এবং ঘরে প্রবেশ করে 'খ' এর সাথে ব্যভিচার সংঘটন করে।'ক' এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪৫৪ ও ৪৯৭ ধারার অধীন অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যাবে এবং তাকে দণ্ডিত করা যাবে।
৪,৫৪৬.
কোনটি প্রত্যক্ষ মৌখিক সাক্ষ্য?
  1. দেখার বিষয় হইলে, যিনি দেখিয়াছেন।
  2. শুনার বিষয় হইলে, যিনি শুনিয়াছেন।
  3. উপলব্ধির বিষয় হইলে, যিনি উপলব্ধি করিয়াছেন।
  4. 'ক' বা 'খ' বা 'গ'-এ বর্ণিত সবগুলি।
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' বা 'গ'-এ বর্ণিত সবগুলি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' বা 'গ'-এ বর্ণিত সবগুলি।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা তথ্য প্রমাণঃ দলিলের বিষয় বস্তু ব্যতীত সকল তথ্য মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যাইতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবেঃ মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে, 
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে। 

সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি অন্য কোন ইন্দ্রিয় দ্বারা বা অন্য কোন উপায়ে উপলব্ধি করা যাইতে পারে, তবে সে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা সেই ইন্দ্রিয় দ্বারা বা সেই উপায়ে উপলব্ধি করিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

সাক্ষ্যে উল্লিখিত বিষয় যদি কাহারও অভিমত অথবা অভিমতের ভিত্তি হয়, তবে যে ব্যক্তি সেই ভিত্তিতে সেই অভিমত পোষণ করে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

তবে শর্ত এই যে, বিশেষজ্ঞের অভিমত পোষকতার কোন গ্রন্থ যদি সাধারণভাবে বাজাবে বিক্রিয় হয়, সেইক্ষেত্রে সেই অভিমত এবং যে যুক্তির উপর উহা প্রতিষ্ঠিত তাহা প্রমাণের জন্য সেই গ্রন্থ উপস্থাপন করা যাইতে পারে, যদি সেই গ্রন্থের প্রণেতার মৃত্যু হইয়া থাকে, অথবা যদি তাহার সন্ধান পাওয়া না যায়, অথবা যদি তিনি সাক্ষ্য দিতে অপারগ হইয়া থাকেন, অথবা যদি তাহাকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত করিতে এইরূপ বিলম্ব ও ব্যয় হয় যাহা আদালত অযৌক্তিক বলিয়া বিবেচনা করেন।

ইহা ছাড়া মৌখিক সাক্ষ্যে যদি দলিল ভিন্ন অপর বস্তর অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কে উল্লেখ করা হয় তবে আদালত উপযুক্ত মনে করিলেই সেই বস্তু আদালতের পরিদর্শনের জন্য দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারেন।

----------------
⇒ Proof of facts by oral evidence.
Section 59. All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence.
⇒ Oral evidence must be direct.
Section 60. Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it; 
 
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner; 
 
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds: 
 
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable: 
 
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
৪,৫৪৭.
খালাস এবং মৃত্যুদণ্ডাদেশ ব্যতীত অন্যান্য আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্যকোনো আপীল এখতিয়ার সম্পন্ন ফৌজদারী আদালতে আপীল করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ৭ দিন
  2. ৩০দিন
  3. ৬০দিন
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩০দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০দিন
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১৫৪ অনুচ্ছেদ মতে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ মোতাবেক হাইকোর্ট ব্যতীত অন্য যে কোন আদালতে আপিল করতে হবে দন্ডাদেশ বা আদেশ প্রদানের দিন থেকে ৩০ দিনের মধ্যে।
♦অর্থাৎ কোন দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও দায়রা আদালতের নিকটা ৩০ দিনের মধ্যে, অন্যদিকে হাইকোর্ট বিভাগের নিকট ৬০ দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করতে হয়।
৪,৫৪৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী দায়রা জজ আদালত মামলা হস্তান্তরের আদেশ প্রদান করতে পারবেন?
  1. ৫২৫ক
  2. ৫২৬
  3. ৫২৬ক
  4. ৫২৬খ
সঠিক উত্তর:
৫২৬খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২৬খ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী মামলা এক ফৌজদারী আদালত হতে অন্য ফৌজদারী আদালতে বা এক এলাকার ফৌজদারী আদালত হতে অন্য এলাকার ফৌজদারী আদালতে স্থানান্তরের প্রয়োজন হতে পারে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক থেকে ৫২৮ পর্যন্ত ফৌজদারী মামলা বা আপীল স্থানান্তরের, প্রত্যাহারের বা তলব সম্পর্কে আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
-ফৌজদারী মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা আছে-
১. আপীল বিভাগের (ধারা-৫২৫ক)
২. হাইকোর্ট বিভাগের (ধারা-৫২৬)
৩. দায়রা জজের (ধারা-৫২৬খ)।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৬খ ধারার বিধান: মামলা হস্তাম্ভর করতে দায়রা জজের ক্ষমতা:
(১) যখন কোন দায়রা জজের দৃষ্টি গোচর করা হয় যে ন্যায় বিচারের জন্য এই ধারার অধীন আদেশ দান করা প্রয়োজন তখন তিনি তার দায়রা বিভাগধীন এক ফৌজদারী আদালত হতে অন্য ফৌজদারী আদালত কোন নির্দিষ্ট মামলা হস্তান্তরের আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) অধস্তন কোন আদালতের রিপোর্টের ভিত্তিতে অথবা নিজের উদ্যোগে দায়রা জজ কাজ করতে পারবেন।
(৩) ৫২৬ ধারার (৪) হতে (১০) উপধারা (উভয় ধারা অন্তর্ভুক্ত) বিধান মতে দায়রা জজের নিকট আবেদন করার ব্যাপারে ৫২৬ ধারার (১) উপধারা মতে হাইকোর্ট বিভাগের আবেদন করার পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে।
⇒ RULINGS: ন্যায় বিচারের স্বার্থে যুক্তিযুক্ত মনে করলে দায়রা জজ এক ফৌজদারী আদালত হতে অন্য ফৌজদারী আদালতে কেস হস্তান্তর করতে পারেন। [8 BLD 340]
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: 526B. Power of Sessions Judge to transfer cases:
(1) Whenever it is made to appear to a Sessions Judge that an order under this section is expedient for the ends of justice, he may order that any particular case be transferred from one Criminal Court to another Criminal Court in his sessions division.
(2) The Sessions Judge may act either on the report of the lower Court, or on the Application of a party interested, or on his own initiative.
(3) The provisions of sub-sections (4) to (10) (both inclusive) of section 526 shall apply in relation to an application to the Sessions Judge for an order under sub-section (1) as they apply in relation to an application to the High Court Division for an order sub-section (1) of section 526.
৪,৫৪৯.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী একজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের প্রধান দায়িত্ব কী?
  1. পুলিশকে সহায়তা করা
  2. আদালতকে সাহায্য করা
  3. যেকোনো পক্ষের হয়ে সাক্ষ্য দেওয়া
  4. শুধুমাত্র বাদীপক্ষের স্বপক্ষে সাক্ষ্য দেওয়া
সঠিক উত্তর:
আদালতকে সাহায্য করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতকে সাহায্য করা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক (৪৫A) ধারা অনুযায়ী, একজন ফরেনসিক বা শারীরিক প্রমাণ সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞের প্রধান দায়িত্ব হলো আদালতকে সহায়তা করা। তার প্রতিবেদন আদালতের উদ্দেশ্যে প্রণীত হবে, কোনো নির্দিষ্ট পক্ষের জন্য নয়।
একজন বিশেষজ্ঞের উদ্দেশ্য নিরপেক্ষভাবে তথ্য ও বিশ্লেষণ উপস্থাপন করা, যাতে আদালত সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারে। তিনি কোনো পক্ষের হয়ে স্বার্থান্বেষী সাক্ষ্য দিতে পারবেন না। এজন্য, তার প্রতিবেদন মামলার সকল পক্ষকে সরবরাহ করতে হবে, যাতে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
---------------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.-
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
৪,৫৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন সরকার কর্তৃক প্রকাশনা (সংবাদপত্র/পুস্তক/দলিল) বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য কার নিকট আবেদন করতে হবে?
  1. দায়রা আদলত
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. এটর্নী জেনারেল
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারার বিধান: ৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারী আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।
৪,৫৫১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ-
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়নি।
- তাই শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে।
⇒ তামাদি আইনের অনুচেছদ-১২০ বলা হয়েছে তামাদির মেয়াদ সম্পর্কে এই তফসিলে কোন বিধান নাই সেই মামলার তামাদির মেয়াদ ৬ বছর - মামলা করার অধিকার যখন উদ্ভাব হয় তখন থেকে।

⇒ অর্থাৎ তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী- ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ হবে ৬ বৎসর।
৪,৫৫২.
পেশাগত আচরণ এবং শিষ্টাচারের বিধি অনুযায়ী 'মামলা ডাকার সময় আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব' কোন কর্তব্যের অন্তর্গত?
  1. মক্কেলদের প্রতি কর্তব্য
  2. আদালতের প্রতি কর্তব্য
  3. জনসাধারণের প্রতি কর্তব্য
  4. অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি কর্তব্য
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রতি কর্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রতি কর্তব্য
ব্যাখ্যা
পেশাগত আচরণ এবং শিষ্টাচারের বিধি অনুযায়ী, "মামলা ডাকার সময় আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব" আদালতের প্রতি আইনজীবীদের কর্তব্যের অন্তর্গত। এর মাধ্যমে আইনজীবী আদালতের মর্যাদা রক্ষা ও বিচার প্রক্রিয়ায় সঠিক ভূমিকা পালন করতে দায়িত্ববান হন।

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর ৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি আইনজীবীদের কর্তব্যের সারমর্ম:
১. মর্যাদা ও সুরক্ষা: - আদালতের মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ করা উচিত।
- বিচারকদের বিরুদ্ধে অন্যায় সমালোচনা বা কুৎসা থেকে সুরক্ষা প্রদান করা আইনজীবীদের কর্তব্য। তবে, সঠিক অভিযোগ থাকলে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।
২. সাক্ষীর পরিচয়: - মামলার জন্য সহায়ক ব্যক্তির সাক্ষ্য সংগ্রহে আইনজীবীকে কোন প্রকার অস্বাভাবিক কার্যকলাপ বা পরামর্শ প্রদান করা উচিত নয়।
৩. সত্যতার প্রতি প্রতিশ্রুতি: - বিচারক, বিচারিক কর্মকর্তার কাছে ভুল তথ্য উপস্থাপন বা ভুল উদ্ধৃতি দেওয়ার বিরুদ্ধে থাকা উচিত।
- বাতিল হয়ে যাওয়া নজির বা আইন আদালতে উপস্থাপন করা উচিত নয়।
৪. বিচারকের সাথে আচরণ: - বিচারকের সাথে ব্যক্তিগতভাবে বা গোপনে মামলার বিষয় আলোচনা থেকে বিরত থাকা উচিত।
- বিচারকের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ প্রদর্শন করা এবং বিশেষ সুবিধার জন্য প্রচেষ্টা করা উচিত নয়।
৫. সরকারি আইনজীবীর দায়িত্ব: - আসামীর শাস্তি নিশ্চিত করার চেয়ে ন্যায়বিচার পর্যবেক্ষণ করা প্রধান দায়িত্ব।
- সত্য গোপন করা বা নির্দোষ সাক্ষীকে না আনা গুরুতর তিরস্কারযোগ্য।
৬. মামলা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তা: - বিচারাধীন মামলা পত্রিকায় প্রকাশ করা উচিত নয়।
- মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে একতরফা মন্তব্য করা উচিত নয়।
৭. বিচারক নিয়োগ: - রাজনৈতিক বিবেচনার ভিত্তিতে বিচারক নিয়োগের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া উচিত।
- বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য যোগ্যতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত।
৮. মামলা ডাকার সময় উপস্থিতি: - আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব।
- উপস্থিত থাকতে না পারলে সন্তোষজনক বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিত।
৯. মতামত প্রদান: - নিজে জড়িত না থাকলে স্বেচ্ছায় মতামত দেওয়া উচিত নয়।
- প্রকাশ্য আদালতে বিজ্ঞ বিচারকের আহ্বানে মতামত প্রদান করা যেতে পারে, তবে নিরপেক্ষভাবে।
৪,৫৫৩.
মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্মতি ব্যতিরেকেই উক্ত দণ্ডকে সরকার
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রুপান্তর করতে পারে
  2. যেকোন দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে
  3. ২০ বৎসর কারাদণ্ডে রূপান্তর করতে পারে
  4. মৃত্যুদণ্ড মওকূফ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
যেকোন দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোন দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৫৪ ধারায় সরকারকে মৃত্যুদণ্ড মওকূফ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়নি বরং মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে অন্যকোন দণ্ড দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। যেমন মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাবাস দিতে পারে।
৪,৫৫৪.
আদালতের হেফাজতে রক্ষতি অপরাধ সংক্রান্ত কোনো সম্পতি ফেরৎ পাওয়ার জন্য আদালতে কী দাখিল করা আবশ্যক?
  1. জামানত
  2. মুচলেকা
  3. চুক্তিপত্র
  4. নিশ্চয়তাপত্র
সঠিক উত্তর:
মুচলেকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুচলেকা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারাঃ ৫১৭ মতেঃ (১) কোন ফৌজদারী আদালতে কোন অনুসন্ধান বা বিচার সমাপ্ত হবার উপর উক্ত আদালতে পেশকৃত বা উহার হেফাজতে রক্ষিত কোন সম্পত্তি বা দলিল, যা সম্পর্কে কোন অপরাধ করা হয়েছেবা যা কোন অপরাধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়, তা ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা যে ব্যক্তি উহার দখল দাবী করে তাকে প্রদান বা অন্য কোনভাবে উহার বিহিত ব্যবস্থা করার জন্য আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ আদেশ দিতে পারবেন।

(২) যখন হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত এরূপ আদেশ প্রদান করেন এবং সুবধিাজনকভাবে নিজস্ব অফিসারের মাধ্যমে উক্ত সম্পত্তি উহার অধিকারী ব্যক্তিকে অর্পণ করতে না পারেন, তখন উক্ত আদালত নির্দেশ দিতে পারবেন যে, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত আদেশ কার্যকর করবেন।

(৩) এই ধারার অধীন আদেশ দেয়া হলে তা সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি গৃহপালিত পশু বা দ্রুত ও স্বাভাবিক ক্ষয়শীল না হলে, এবং

(৪) উপধারায় বর্ণিত বিধান মতে না হলে একমাসের জন্য কার্যকর করা যাবে না। অথবা যে ক্ষেত্রে আপীল পেশ করা হয়, সেক্ষেত্রে আপলের নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না।

৫) যে ব্যক্তি কোন সম্পত্তির দখলের অধিকারী বলে দাবী করে সেই ব্যক্তি যদি আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে জামিনদারসহ বা ব্যতিত এই মর্মে একটি মুচলেকা সম্পাদন করে যে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ আপীলে সংশোধিত বা বাতিল হলে সে উক্ত সম্পত্তি আদালতে অর্পণ করবে। তাহলে এই ধারার কোন বিধান (১) উপধারা অনুসারে আদালত কর্তৃক উক্ত ব্যক্তিকে সম্পত্তি প্রদানের ব্যাপারে কোন বাধার সৃষ্টি করবে বলে মনে করা যাবে না।ব্যাখ্যাঃ যেক্ষেত্রে কোন সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়, সেক্ষেত্রে এই ধারার অধীন সম্পত্তি বলতে সেই সম্পত্তিই বুঝায় না যা মূলতঃ কোন পক্ষের দখলে বা নিয়ন্ত্রণাধীন ছিল। বরং উক্ত সম্পত্তি যাতে রূপান্তরিত বা বিনিময়ের ফলে সঙ্গে সঙ্গে বা অন্য কোনভাবে যা সংগৃহিত হয়েছে তাও বুঝায়।
৪,৫৫৫.
তামাদি আইনের ধারা ১২(১) অনুযায়ী, তামাদির মেয়াদ গণনায় কোন দিন বাদ দিতে হয়?
  1. মামলার নিষ্পত্তির দিন
  2. রায়ের কপি সংগ্রহের দিন
  3. আপীলের শুনানির দিন
  4. যেই দিন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হয়
সঠিক উত্তর:
যেই দিন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেই দিন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হয়
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১২(১) বলছে:
“কোন মামলা, আপীল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেই দিন হইতে উক্ত মেয়াদ গণনা করিতে হইবে সেই দিন বাদ দিতে হইবে।”
অর্থাৎ, যখন তামাদির সময়সীমা গণনা করা হবে, তখন যে দিন থেকে গণনা শুরু হওয়ার কথা—সেই প্রথম দিনটি গণনায় ধরবে না, সেটি বাদ দেওয়া হবে।

⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা- আইনানুগ কার্যধারায় যেই পরিমাণ সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে:
(১) কোন মামলা আপীল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেইদিন হইতে উক্ত মেয়াদ গণনা করিতে হইবে সেই দিন বাদ দিতে হইবে।
(২) কোন আপীল, আপীলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেই রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হইবে তাহা যেইদিন ঘোষণা করা হইয়াছে সেইদিন এবং যে ডিক্রী, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপীল করা হইবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হইবে, তাহার নকল গ্রহণ করিতে যেইসময় আবশ্যক, তাহা বাদ দিতে হইবে।
(৩) যেইক্ষেত্রে ডিক্রী সম্পর্কে আপীল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রী যে রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত সেই রায়ের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহাও বাদ দিতে হইবে।
(৪) কোন রোয়েদাদ নাকচ করিবার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, রোয়েদাদের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহা বাদ দিতে হইবে।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section- 12. Exclusion of time in legal proceedings:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application, the day from which such period is to be reckoned shall be excluded. 
(2) In computing the period of limitation prescribed for an appeal, an application for leave to appeal and an application for a review of judgment, the day on which the judgment complained of was pronounced, and the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded. 
(3) Where a decree is appealed from or sought to be reviewed, the time requisite for obtaining a copy of the judgment on which it is founded shall also be excluded. 
(4) In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded.
৪,৫৫৬.
প্লিডিংস-এ চুক্তির প্রতি অস্বীকার জ্ঞাপন করলে, তা দ্বারা কি অস্বীকার করা বুঝাবে না?
  1. প্রকাশ্য চুক্তিটির ঘটনা
  2. যে সকল ঘটনা হতে চুক্তিটি অনুমিত হতে পারে, সেসব ঘটনা
  3. আইনের বৈধতা বা পর্যাপ্ততা
  4. ক,খ,গ সবগুলো
সঠিক উত্তর:
আইনের বৈধতা বা পর্যাপ্ততা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের বৈধতা বা পর্যাপ্ততা
ব্যাখ্যা
• বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে।গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts) যার উপর ভিত্তি করে আবেদনকারী বা দরখাস্তকারী তার দাবী উত্থাপন করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করে, সে সব তথ্য প্লিডিংসে (আরজি বা লিখিত জবাবে) উল্লেখ করতে হবে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশে প্লিডিংসের যাবতীয় বিধান আলোচনা করা হয়েছে। আদেশ ৬ বিধি ৮ তে প্লিডিংসে চুক্তি অস্বীকৃতি নিয়ে বলা আছে-

যেক্ষেত্রে দরখাস্তে কোন চুক্তির বিষয় বর্ণিত থাকে, সেক্ষেত্রে বিপরীত পক্ষ শুধুমাত্র চুক্তিটির প্রতি অস্বীকার জ্ঞাপন করলে তদ্বারা শুধুমাত্র প্রকাশ্য চুক্তিটির ঘটনা অথবা যে সকল ঘটনা হতে চুক্তিটি অনুমিত হতে পারে, তা অস্বীকার করা বুঝাবে; অনুরূপ চুক্তির আইনের বৈধতা বা পর্যাপ্ততাকে অস্বীকার করা বুঝাবে না।

Order 6 Rule 8: Denial of contract-
Where a contract is alleged in any pleading. a bare denial of the same by the opposite party shall be construed only as a denial in fact of the express contract or of the matters of fact from which the same may be implied, and not as a denial of the legality or sufficiency in law of such contract.
৪,৫৫৭.
আদেশ ১৫ বিধি–২ অনুযায়ী কোন বিবাদীর ক্ষেত্রে আদালত তাৎক্ষণিক রায় দিতে পারে?
  1.  যার বিরুদ্ধে বাদীর স্পষ্ট প্রমাণ আছে
  2. যার সঙ্গে বাদীর কোনো বিরোধ নেই
  3. যে বিবাদী সাক্ষী হাজির করে না
  4. যে বিবাদী অনুপস্থিত থাকে
সঠিক উত্তর:
যার সঙ্গে বাদীর কোনো বিরোধ নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যার সঙ্গে বাদীর কোনো বিরোধ নেই
ব্যাখ্যা

আদেশ ১৫ বিধি-২: বহু বিবাদীর মধ্যে কোন একজনের বিরুদ্ধে বিচার্য বিষয় না থাকলে:
যেক্ষেত্রে একাধিক বিবাদী থাকে এবং আইন কিংবা ঘটনার কোন প্রশ্নে বিবাদীদের কোন একজনের সাথে বাদীর সঙ্গে কোন বিরোধ না থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত তখনই ঐ বিবাদীর পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে এবং মোকদ্দমা শুধু অন্যান্য বিবাদীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হবে।

Order 15 Rule-2: One of several defendants not at issue:
Where there are more defendants than one, and any one of the defendants is not at issue with the plaintiff on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment for or against such defendant and the suit shall proceed only against the other defendants.

৪,৫৫৮.
দণ্ডবিধির ১৬০ ধারামতে মারামারির জন্য সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ডের বিধান আছে?
  1. ৫০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ টাকা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান  মারামারির শাস্তি:

কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
___________________________________________
♦ Punishment for committing affray:

Section 160. Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
৪,৫৫৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারায় দলিল সংশোধন করার জন্য কিসের প্রয়োজন?
  1. আদালতের অনুমতি
  2. কোনো পক্ষের পক্ষ থেকে মৌখিক আবেদন
  3. প্রতারণা বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুল প্রমাণিত হওয়া
  4. সংশোধনের জন্য তৃতীয় পক্ষের সম্মতি
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুল প্রমাণিত হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুল প্রমাণিত হওয়া
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো চুক্তি বা অন্য কোনো লিখিত দলিল পক্ষগণের সত্যিকারের উদ্দেশ্য সঠিকভাবে প্রকাশ না করে, এবং এটি প্রতারণা বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের কারণে ঘটে, তাহলে সংশ্লিষ্ট পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি আদালতে দলিল সংশোধনের জন্য মামলা দায়ের করতে পারেন।
- আদালত যদি নিশ্চিত হন যে প্রতারণা বা পারস্পরিক ভুলের কারণে দলিলে ত্রুটি ঘটেছে, এবং এটি সংশোধন করলে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য প্রকাশ পাবে, তাহলে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে দলিল সংশোধনের নির্দেশ দিতে পারেন। তবে, আদালত দলিল সংশোধন করতে পারবেন কেবল তখনই যখন তা তৃতীয় পক্ষের সরল বিশ্বাসে অর্জিত অধিকারের ক্ষতি না করে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877,ধারা ৩১ অনুযায়ী যখন দলিল সংশোধন করা যেতেপারে:
-যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের দরুন কোন চুক্তি বা অপর কোন লিখিত দলিল সত্যিকারভাবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে না, যে কোন পক্ষ কিংবা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিল সংশোধিত করে নেবার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে। যদি আদালত ইহা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের বেলায় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকরী করার ব্যাপারে পক্ষসমূহের সত্যিকার উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে অক্ষম হয়, সেখানে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যতদূর পর্যন্ত তা তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন, যাতে তা সে উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।

অর্থাৎ দলিল সংশোধন করা যাবে কেবল তখনই, যদি প্রতারণা বা পারস্পরিক ভুলের মাধ্যমে দলিলটি প্রকৃত উদ্দেশ্য প্রকাশ না করে। এটি আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা এবং আদালত সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেবেন, তবে তৃতীয় পক্ষের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে হবে।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-31. When instrument may be rectified:
-When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
৪,৫৬০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৯ ধারা কোন নীতিকে প্রতিফলিত করে?
  1. Ownership overrides possession
  2. A man is presumed to know the law
  3. Possession can be protected only with proving title
  4. Possession must be protected even without proving title
সঠিক উত্তর:
Possession must be protected even without proving title
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Possession must be protected even without proving title
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) Possession must be protected even without proving title

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭–এর ধারা ৯-এর মূল নীতি হলো-
“মালিকানা প্রমাণ না করলেও দখলকে আইন রক্ষা করে।”

অর্থাৎ কেউ যদি বেআইনিভাবে ও তার অসম্মতিতে দখলচ্যুত হয়, তবে সে শুধু দখলের ভিত্তিতে মামলা করে আবার দখল ফিরে পেতে পারে। এখানে মালিকানা (title) প্রশ্ন বিবেচনায় নেওয়া হয় না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান: স্থাবর সম্পত্তির দখল চ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
- সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোনো প্রয়োগযোগ্য নেই।
- আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না।

৪,৫৬১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনটি কোন ধরনের আইন?
  1. Penal Law
  2. Punitive Law
  3. Procedural Law
  4. Substantive Law
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ একটি Substantive Law (মৌলিক আইন) কারণ এটি ব্যক্তির অধিকার এবং প্রতিকারের ব্যবস্থা নির্ধারণ করে।
- Substantive Law হল এমন আইন যা ব্যক্তির অধিকার, কর্তব্য এবং দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ করে। এটি বলে দেয় যে, কোন পরিস্থিতিতে কোন প্রতিকার পাওয়া যাবে বা যাবে না।

- অপরদিকে, Procedural Law (প্রক্রিয়াগত আইন) নির্ধারণ করে কীভাবে অধিকার বা প্রতিকার বাস্তবায়ন করা হবে, অর্থাৎ মামলার পরিচালনা পদ্ধতি। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কোনও প্রক্রিয়াগত নিয়ম নির্ধারণ করে না, বরং কোন কোন পরিস্থিতিতে প্রতিকার পাওয়া যাবে তা নির্ধারণ করে।
- Penal Law (দণ্ডবিধি) বা Punitive Law (শাস্তিমূলক আইন) মূলত অপরাধ ও তার শাস্তি সম্পর্কিত আইন, যা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

উদাহরণ:
- যদি কোনও ব্যক্তি বেআইনিভাবে সম্পত্তি থেকে অপসারিত হয়, তাহলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন তার জন্য পুনরুদ্ধারের প্রতিকার (Relief) নির্ধারণ করে। এটি অপরাধমূলক শাস্তি দেয় না, বরং বৈধ অধিকার প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা করে।

সুতরাং, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন একটি Substantive Law, কারণ এটি নাগরিক অধিকার ও প্রতিকার নির্ধারণ করে, অপরাধের শাস্তি নয়।
৪,৫৬২.
কোন পরিস্থিতিতে সাক্ষী বৈরী হিসেবে ঘোষণা হতে পারে?
  1. যখন সাক্ষী মামলা থেকে পলায়ন করে
  2. যখন সাক্ষী কোনো তথ্য প্রদান করতে অস্বীকার করে
  3. যখন সাক্ষী নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
  4. যখন সাক্ষী সাক্ষ্য দেওয়ার সময় ভুল তথ্য দেয়
সঠিক উত্তর:
যখন সাক্ষী নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন সাক্ষী নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
ব্যাখ্যা
বৈরী সাক্ষী (Hostile Witness) হলো সেই সাক্ষী, যাকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতে তার পক্ষে সাক্ষ্য দিতে আনে, কিন্তু সাক্ষী আদালতে এসে তার সাক্ষ্য বিপরীত দিক নির্দেশ করে বা নিজের পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়। এমন অবস্থায়, আদালতের অনুমতি নিয়ে সেই সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি দেওয়া হয় এবং তখন তাকে বৈরী সাক্ষী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

⇒ যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়;
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়;
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।

⇒ সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে। এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।
৪,৫৬৩.
দণ্ডবিধির ১৪৮ ধারা অনুযায়ী, যদি কাউকে মারাত্মক অস্ত্র নিয়ে "Rioting" করতে দেখা যায়, তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. দুই বছরের কারাদণ্ড
  2. তিন বছরের কারাদণ্ড
  3. সাত বছরের কারাদণ্ড
  4. দশ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
তিন বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ১৪৮ অনুযায়ী: "যে কেউ প্রাণঘাতী অস্ত্র বা এমন কিছু সঙ্গে নিয়ে দাঙ্গার অপরাধ করে, যা আক্রমণের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হলে মৃত্যু ঘটাতে পারে, সে তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।"
- সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড।

⇒The Penal Code, 1860- Section- 148. Rioting, armed with deadly weapon:
- Whoever is guilty of rioting, being armed with a deadly weapon or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

৪,৫৬৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২৪ আদেশের বিধান কি?
  1. মামলা প্রত্যাহার
  2. মিমাংসা
  3. মামলার দাবি পরিতোষটির টাকা আদালতে জমা দেওয়া
  4. জামানত জমা
সঠিক উত্তর:
মামলার দাবি পরিতোষটির টাকা আদালতে জমা দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার দাবি পরিতোষটির টাকা আদালতে জমা দেওয়া
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২৪ আদেশ অনুযায়ী মামলার খরচের টাকা আদালতে জমা দেওয়ার বিধান আছে।
⇒ আদেশ ২৪ বিধি ১ অনুযায়ী ঋণ বা ক্ষতিপূরনের মামলায় বিবাদী মামলার যে কোন পর্যায়ে বাদীর দাবীকৃত সম্পূর্ন অর্থ আদালতে জমা দিলে দায় মুক্ত হতে পারবে।
⇒ শুধুমাত্র ঋণ বা ক্ষতিপূরনের মামলার ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য।
৪,৫৬৫.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কতদিন পর্যন্ত বলবৎ থাকে?
  1. ডিক্রি জারি পর্যন্ত
  2. আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত
  3. পক্ষদ্বয়ের রদের আবেদন না করা পর্যন্ত
  4. আপিল কার্যক্রমের আগ পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৩ ধারায় অস্থায়ী এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞাকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো এমন নিষেধাজ্ঞা যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকে।
⇒ এটা মোকদ্দমার যে কোনো পর্যায়ে মঞ্জুর করা যেতে পারে।
⇒ তবে এটা কিভাবে মঞ্জুর করা হবে, তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে।
⇒ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রধান উদ্দেশ্য হলো মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মধ্যে বিরোধীয় বিষয় নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থিতি অবস্থা বজায় রাখা।
৪,৫৬৬.
ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কে সন্দেহ হলে, মোকদ্দমা রজুকৃত আদালত কী করতে পারে?
  1. সরাসরি রায় প্রদান করতে পারে
  2. মোকদ্দমা বাতিল করতে পারে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে নথি প্রেরণ করতে পারে
  4. জেলা জজ আদালতে নথি নথি প্রেরণ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে নথি প্রেরণ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে নথি প্রেরণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৬ বিধি-৬: ক্ষুদ্র বিষয়ক এখতিয়ার সম্পর্কিত প্রশ্ন হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করার ক্ষমতা:
১) যেক্ষেত্রে রায় প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় যে আদালতে মোকদ্দমা রুজু হয়েছে, সে আদালত, মোকদ্দমা ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে বিচারার্থে গ্রহণযোগ্য বা অগ্রহণযোগ্য কিনা সন্দেহ করে, সেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রকৃতি সম্পর্কে উক্ত সন্দেহের কারণ সম্বলিত একটি বিবৃতিসহ হাইকোর্ট বিভাগে একটি নথি দাখিল করতে পারে

২) হাইকোর্ট বিভাগ নথি এবং বিবৃতি গ্রহণ করার পর উক্ত আদালতকে মোকদ্দমায় অগ্রসর হতে অথবা উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণের উপযুক্ত ঘোষিত কোন আদালতে উহার আদেশ মতে পেশ করার জন্য আরজি ফেরত পাঠানোর আদেশ দিতে পারে।
৪,৫৬৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের অষ্টম কলামে কী তথ্য থাকে?
  1. অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি
  2. অপরাধটি জামিনযোগ্য কিনা
  3. অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কিনা
  4. যে আদালত ওই অপরাধের বিচার করবে
সঠিক উত্তর:
যে আদালত ওই অপরাধের বিচার করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালত ওই অপরাধের বিচার করবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের অষ্টম কলামে উল্লেখ করা হয় যে কোন অপরাধের বিচার কোন আদালত করবে। এই কলামটি নির্দিষ্ট অপরাধের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারিক কর্তৃপক্ষ বা আদালতের (যেমন, ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, সেশন আদালত, বা অন্য কোনো আদালত) তথ্য প্রদান করে। এটি ফৌজদারি মামলার বিচার প্রক্রিয়ায় আদালতের এখতিয়ার নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৮টি কলাম নিম্নরূপ:
১. প্রথম কলাম: পেনাল কোডের ধারাসমূহ।
২. দ্বিতীয় কলাম: অপরাধের বিবরণ।
৩. তৃতীয় কলাম: পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কি না (অর্থাৎ, আমলযোগ্য বা আমল-অযোগ্য অপরাধ)।
৪. চতুর্থ কলাম: প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে নাকি ওয়ারেন্ট।
৫. পঞ্চম কলাম: অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য।
৬. ষষ্ঠ কলাম: অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা।
৭. সপ্তম কলাম: দণ্ডবিধির অধীন নির্ধারিত শাস্তি।
৮. অষ্টম কলাম: যে আদালত ওই অপরাধের বিচার করবে।

৪,৫৬৮.
মোকদ্দমা প্রত্যাহার আদেশদানকারী আদালত নিজে উক্ত মোকদ্দমা বিচার করতে চাইলে, পক্ষদের কোথায় হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দিবেন ?
  1. নিজ আদালতে
  2. যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর হয়েছে
  3. ক বা খ
  4. উভয় আদালতে
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৪(ক)-

১) দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের ২২ ধারার অধীনে কোন মোকদ্দমা স্থানান্তরিত হলে বা পক্ষদের আবেদনে ২৪(১) ধারার অধীনে মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর বা প্রত্যাহার আদেশদানকারী আদালত নিজেই বিচার করতে ইচ্ছা করলে পক্ষদের এর সম্মুখে হাজির হওয়ার জন্য দিন নির্ধারণ করবে বা যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর হয়েছে সে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন।

২) আবেদন ব্যতীত মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর হলে পূর্ব নির্ধারিত দিনে স্থানান্তর আদেশ প্রদানকারী আদালতে উপস্থিত হবে। উক্ত আদালত তখন পক্ষসমূহের স্থানান্তর বিষয়ে অবহিত করাবেন এবং পক্ষগণকে নির্ধারিত ধার্যকৃত তারিখে অথবা সুবিধা অনুসারে নিকটতম মোকদ্দমা স্থানান্তরিত আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিবেন।

Section 24A: Appearance of parties on transfer of suit, etc.-
(1) Where any suit is transferred under section 22, or any suit, appeal or other proceeding is transferred or withdrawn under sub-section (1) of section 24 on the application of a party, the Court ordering the transfer or withdrawal shall fix a date for the appearance of the parties before itself, if the suit, appeal or other proceeding is to be tried or disposed of by itself, or before the Court to which the case is so transferred. 
 
(2) Where any suit, appeal or other proceeding is transferred from one Court to another, otherwise than on the application of a party, the parties thereto shall appear before the Court from which the suit, appeal or other proceedings is to be transferred, on the day already fixed for their appearance before that Court, and such Court shall then communicate the order of transfer to such parties and direct them to appear before the Court to which the suit, appeal or other proceeding is to be transferred, either on the same day, or on such earliest day as may be reasonable having regard to the distance at which the other Court is located.
৪,৫৬৯.
‘D’ ‘Z’-এর উইলে ‘B’-এর নাম মুছে ফেলে, যাতে সম্পত্তি শুধু নিজে এবং ‘C’-এর মধ্যে ভাগ হয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের নাম কী?
  1. প্রতারণা
  2. জালিয়াতি
  3. ক্ষতিসাধন
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৬৩ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি প্রতারণার উদ্দেশ্যে, ক্ষতি করার, সম্পত্তি হস্তান্তর করানোর, বা কোনো দাবি বা অধিকার সমর্থনের উদ্দেশ্যে মিথ্যা দলিল তৈরি বা পরিবর্তন করে, তবে তা জালিয়াতি (Forgery) হিসেবে গণ্য। ধারা ৪৬৪ অনুসারে, কোনো দলিলে অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন করা জালিয়াতির সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে। এখানে, ‘D’ ‘Z’-এর উইলে ‘B’-এর নাম মুছে ফেলে প্রতারণার উদ্দেশ্যে সম্পত্তির ভাগ পরিবর্তন করার চেষ্টা করেছে, যা ধারা ৪৬৪-এর দ্বিতীয় উপায়ে (দলিলে পরিবর্তন) জালিয়াতি।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) প্রতারণা: প্রতারণা (ধারা ৪১৫) হলো প্রতারণামূলকভাবে কাউকে সম্পত্তি হস্তান্তর বা কাজ করতে প্ররোচিত করা। এখানে ‘D’-এর কাজ প্রাথমিকভাবে মিথ্যা দলিল তৈরি বা পরিবর্তন, তাই এটি জালিয়াতি।
গ) ক্ষতিসাধন: ক্ষতিসাধন (ধারা ৪২৫) হলো সম্পত্তির ক্ষতি বা ধ্বংস করার অপরাধ। এখানে ‘D’ সম্পত্তি ধ্বংস করেনি, বরং দলিল পরিবর্তন করেছে।
ঘ) অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ: অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (ধারা ৪০৫) হলো দায়িত্বপ্রাপ্ত সম্পত্তির অসাধু ব্যবহার। এখানে ‘D’ কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত সম্পত্তি নিয়ে কাজ করেনি।
অর্থাৎ ‘D’-এর কাজ ধারা ৪৬৩ এবং ৪৬৪-এর অধীনে জালিয়াতি হিসেবে গণ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) জালিয়াতি।
---------
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারার বিধান জালিয়াতি:
- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের কিংবা কোন ব্যক্তিবিশেষের ক্ষতিসাধনের জন্য অথবা কোন দাবি বা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অথবা কোন ব্যক্তিকে তার সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রকাশ্য বা অনুক্ত চুক্তি সম্পাদনের উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে বা যাতে প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে, কোন মিথ্যা দলিল কিংবা দলিলের অংশবিশেষ প্রণয়ন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে পরিগণিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৪ ধারার বিধান মিথ্যা দলিল তৈয়ার করা:- নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি মিথ্যা দলিল তৈয়ার করেছে বলে পরিগণিত হয়-প্রথমত:- যদি কোন ব্যক্তি, যে ব্যক্তি দ্বারা যার প্রদত্ত ক্ষমতা বলে কোন দলিল কিংবা উহার অংশবিশেষ প্রণীত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদিত হয় নাই বা যে সময়ে উক্ত দলিল বা উহার অংশবিশেষ প্রণীত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদিত হয় নাই বলে সে জানে, অথবা সে দলিলটি বা উহার অংশবিশেষ সে ব্যক্তি দ্বারা বা তৎপ্রদত্ত ক্ষমতা বলে কিংবা সে সময়ে প্রণীত স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত কিংবা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মাইবার উদ্দেশ্যে অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এইরূপ দলিল বা অংশবিশেষ প্রণয়ন, স্বাক্ষর, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদন করে অথবা দলিলটি সম্পাদিত হয়েছে বলে বুঝাবার জন্য কোন চিহ্ন বা প্রতীক স্থাপন করে; অথবা
দ্বিতীয়ত:- কোন দলিল তৎকর্তৃক বা অন্য কোন ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হওয়ার পরে কোনরূপ আইনসম্মত ছাড়াই অসাধুভাবে অথবা প্রতারণামূলক ভাবে, বাতিলকরণের মাধ্যমে বা অপর কোন উপায়ে দলিলের কোন গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিবর্তন করে; দলিলটি যদি অপরাধী দ্বারা সম্পাদিত না হয়ে অপর কোন ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়ে থাকে, তবে এইরূপ পরিবর্তনের সময়ে সে ব্যক্তি জীবিত থাকুক অথবা পরলোকগত হোক তাতে অপরাধের কোনরূপ তারতম্য হবে না; অথবা
তৃতীয়ত:- কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এমন কোন ব্যক্তিকে দিয়ে কোন দলিল স্বক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত সম্পাদিত কিংবা পরিবর্তিত করায় যে ব্যক্তি মানসিক অপ্রকৃতিস্থতা কিংবা প্রমত্ততার কারণে অথবা তাকে যেভাবে প্রতারণা করা হয়েছে তার ফলে উক্ত দলিলটির বিষয়বস্তু বা পরিবর্তনের প্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত নয় বলে সে জানে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন ব্যক্তির নিজের নাম, স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন প্রকৃত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মাবার অভিপ্রায়ে কাল্পনিক কোন ব্যক্তির নামে দলিল সম্পাদন অথবা কোন মৃত ব্যক্তি জীবদ্দশায় সম্পাদিত করেছিল বলে বিশ্বাস জন্মাবার অভিপ্রায়ে সে মৃত ব্যক্তির নামে দলিল সম্পাদন জালিয়াতি বলে গণ্য হবে।

উদাহরণ
(ক) ক চ-কে দিয়ে খ-এর প্রতিপক্ষে ১০,০০০ টাকার জন্য একটি লেটার অব ক্রেডিট লিখে নিয়ে পরে ক খ-কে ঠকাবার উদ্দেশ্যে, ১০,০০০-টাকার সাথে একটি শূন্য যোগ করে উহাকে ১,০০,০০০ টাকা করে নেয়, এই অভিপ্রায়ে যে, খ বিশ্বাস করবে যে, চ ঐরূপ লিখেছে। ক জালিয়াতি করেছে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 463- Forgery:
- Whoever makes any false document or part of a document, with intent to cause damage or injury, to the public or to any person, or to support any claim or title, or to cause any person to part with property, or to enter into any express or implied contract, or with intent to commit fraud or that fraud may be committed, commits forgery.

⇒ The Penal Code, 1860-Section 464. Making a false document:
 A person is said to make a false document:
Firstly.-Who dishonesty or fraudulently makes, signs, seals or executes a document or part of a document, or makes any mark denoting the execution of a document, with the intention of causing it to be believed that such document or part of a document was made, signed, sealed or executed by or by the authority of a person by whom or by whose authority he knows that it was not made, signed, sealed or executed, or at a time at which he knows that it was not made, signed, sealed or executed; or 
Secondly.-Who, without lawful authority, dishonestly or fraudulently, by cancellation or otherwise, alters a document in any material part thereof, after it has been made or executed either by himself or by any other person, whether such person be living or dead at the time of such alteration; or 
Thirdly.-Who dishonestly or fraudulently causes any person to sign, seal, execute or alter a document, knowing that such person by reason of unsoundness of mind or intoxication cannot, or that by reason of deception practiced upon him he does not know the contents of the document or the nature of the alteration.
Explanation 1.-A man's signature of his own name may amount to forgery.
Explanation 2.- The making of a false document in the name of a fictitious person, intending it to be believed that the document was made by a real person, or in the name of a deceased person, intending it to be believed that the document was made by the person in his lifetime, may amount to forgery.

৪,৫৭০.
তামাদি আইনে যেসব দরখাস্তের জন্য নির্দিষ্ট কোনো বিধান নেই, সেগুলোর তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
→ তামাদি আইনে যেসব দরখাস্তের জন্য নির্দিষ্ট কোনো বিধান নেই, সেগুলোর তামাদি মেয়াদ ৩ বছর।
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১ বিধান: তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অন্য কোথাও বা দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় যে সব দরখাস্ত সম্পর্কে কোন বিধান নাই সেইসব দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ দরখাস্ত করার অধিকার উদ্ভব হওয়ার দিন থেকে ৩ বছর।
৪,৫৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান অনুযায়ী, কে ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন ব্যক্তি বা অধীনস্থ কোন কর্মকর্তার অর্পিত ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবে?
  1. সরকার
  2. দায়রা আদালত
  3. সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ
  4. সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান অনুযায়ী, সরকার ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন ব্যক্তি বা অধীনস্থ কোন কর্মকর্তাকে অর্পিত ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবে।

• ধারা ৪১: ক্ষমতাদি প্রত্যাহরকরণ-
(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে পারবে।

Section 41: Withdrawal of powers-
(1) The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.

(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.
৪,৫৭২.
দণ্ডবিধির ১৮৪ ধারা অনুযায়ী যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো সরকারি কর্মচারীর অধিকারভুক্ত সম্পত্তির বিক্রি প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করবে, তাকে কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হতে পারে?
  1. ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  2. ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  3. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  4. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
সঠিক উত্তর:
১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
ব্যাখ্যা
উত্তর: খ) ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৮৪ (Obstructing sale of property offered for sale by authority of public servant) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো সরকারি কর্মচারীর অধিকারভুক্ত সম্পত্তির বিক্রয় প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করে, তাহলে তাকে ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
- এই ধারা কোনো সরকারি কর্মচারী কর্তৃক আয়োজিত সম্পত্তির বিক্রয় বা নিলাম প্রক্রিয়ায় কোনো ব্যক্তি বাধা দিলে তাকে শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছে। এর লক্ষ্য হল সরকারি কর্মচারী কর্তৃক পরিচালিত আইনি কার্যক্রমের চলমানতা নিশ্চিত করা এবং অবৈধ হস্তক্ষেপ রোধ করা।
তবে, এই শাস্তির মেয়াদ ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা ৫০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৮৪ ধারার বিধান: সরকারি কর্মচারীর অধিকারভুক্ত সম্পত্তির বিক্রয় প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করা:
যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো সরকারি কর্মচারীর অধিকারভুক্ত সম্পত্তির বিক্রয় প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করবে, তাকে এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি দেওয়া হতে পারে।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-184. Obstructing sale of property offered for sale by authority of public servant:
Whoever intentionally obstructs any sale of property offered for sale by the lawful authority of any public servant, as such, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.
৪,৫৭৩.
According to Section 52 Preventive relief is not granted at the discretion of the Court by____________.
  1. Temporary injunction.
  2. Perpetual injunction.
  3. Mandatory Injunction
  4. A & B Both
সঠিক উত্তর:
Mandatory Injunction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mandatory Injunction
ব্যাখ্যা
⇒ Section 52 Preventive relief how granted: Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুরের প্রক্রিয়া:- আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

 ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বা Preventive Relief এর সংজ্ঞা রয়েছে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারার (গ) অনুচ্ছেদের অধীন যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় তাকে নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বলে। অর্থাৎ যা না করার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত থাকার আদেশ প্রদানই হলো প্রতিরোধমূলক প্রতিকার।

 ⇒  সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদান করা হলেও সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার নয়। যেমন- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হলেও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) হল আদেশাত্মক প্রতিকার।
 ⇒ অর্থাৎ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ছাড়া সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা হলো নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।

 ⇒ উল্লেখিত প্রশ্নে যেহেতু 'Preventive relief is not granted বা নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় না' কথাটি বলা আছে তাই সঠিক উত্তর হবে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction)।
৪,৫৭৪.
দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি কাউকে অবৈধভাবে ১০ দিন বা তার বেশি সময় আটক রাখে, তবে সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ কোনো ব্যক্তিকে অবৈধভাবে ১০ দিন বা তার অধিক সময় আটকে রাখে, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ ৩ বছর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারার বিধান দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 344. Wrongful confinement for ten or more days:- Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
৪,৫৭৫.
স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি রেজিষ্ট্রিকৃত না হলে আদালত চুক্তির কার্য সম্পাদনের-
  1. আদেশ দিবেন না
  2. প্রতিকার দিতে পারেন
  3. আদেশ দিতে পারেন
  4. আদালতের ইচ্ছাধীন
সঠিক উত্তর:
আদেশ দিবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ দিবেন না
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারায়, স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তির কার্যকরতার জন্য দুটি পূর্বশর্ত বিধি করেছে:

১. চুক্তিটি লিখিত এবং রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে:
(ক) চুক্তিটি লিখিত হতে হবে;
(খ) চুক্তিটি 1908 সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে।

২. চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা প্রদান করতে হবে:
(ক) চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করার জন্য;
(খ) মোকদ্দমা রুজুর সময় চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে।

তাই এই আইন অনুসারে,
যদি কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তি এই দুটি শর্ত পূরণ না করে, তাহলে সেই চুক্তি অন্য কোন আইনের বিপরীত বিধান থাকা সত্ত্বেও কার্যকর হবে না। লিখিত এবং রেজিস্ট্রিকৃত হওয়া এবং চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা প্রদান এই দুটি শর্ত পূরণই স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তিকে কার্যকর করার জন্য অপরিহার্য।
৪,৫৭৬.
যদি মূল দলিল আদালতের বাইরে থাকে এবং আইনত উপস্থাপন করার জন্য নোটিশ দেওয়া হয় কিন্তু দেওয়া হয়নি, তখন-
  1. দলিল অকার্যকর হবে
  2. সাক্ষ্য হিসেবে কেবল মূল দলিল গ্রহণযোগ্য হবে
  3. মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে
  4. আদালতের অনুমতি ছাড়া তা গ্রহণযোগ্য নয়
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।

⇒ ক্ষেত্রসমূহ নিম্নরূপঃ
১) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে, মূল দলিলটি যদি তার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে থাকে।
২) মূল দলিলটি যদি আদালতের সমনের আওতার বাহিরে বা এখতিয়ারের বাহিরে কোন লোকের দখলে থাকে কিংবা এমন কোন লোকের দখলে আছে যে লোক উক্ত দলিলটি উপস্থাপন করতে আইনত বাধ্য কিন্তু ৬৬ ধারার অধীন নোটিশ প্রদানের পরও সে তা উপস্থাপন করেনি।
৩) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে সে লোক বা তার কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে যদি স্বীকার করে নেয়।
৪) যেক্ষেত্রে মূল দলিলটি বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে কিংবা যৌক্তিক কোন কারণে মূল দলিলটি আদালতে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না।
৫) মূল দলিলটি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, সহজে তা স্থানান্তর করা যায় না।
৬) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে ৭৪ ধারার বিধান অনুসারে সরকারি দলিল হয়।
৭) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে এমন যে, উক্ত দলিলের জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের আইনত বিধান আছে।

৪,৫৭৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে মোকদ্দমা চলাকালীন সময়ে বিষয়বস্তু স্থিতিবস্থা বজায় রাখার জন্য আদালত কোন নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন?
  1. Mandatory Injunction
  2. Perpetual Injunction
  3. Temporary Injunction
  4. Prohibitory Injunction
সঠিক উত্তর:
Temporary Injunction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Temporary Injunction
ব্যাখ্যা
⇒ নিষেধাজ্ঞা হল একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম যেখানে কোন পক্ষকে নির্দিষ্ট কোন কাজ করা বা করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়।
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, কোনো কিছু করা হতে মামলার পক্ষগণকে বিরত রাখা বা মামলা করার পর কোনো পক্ষের করা কাজের জন্য পরিবর্তিত কোনো সম্পত্তিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে ইনজাংশন বা নিষেধাজ্ঞা বলে।
⇒  নিষেধাজ্ঞার প্রধানত দুই প্রকার হতে পারে। যথাক্রমে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা। স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অনন্তকালের জন্য চলতে পারে। মামলার রায় চূড়ান্ত আদেশ হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।

⇒  মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction) বলে।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-১ বা বিধি-২ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পিটিশন দাখিল করতে হয়।

⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রার্থনার সময় আবেদনকারীকে কিছু বিষয় প্রমাণ করতে হবে –
(১) আবেদনকারীকে অবশ্যই (Prima facie case) প্রমাণ করতে হবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে মামলার গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে।
(২) আবেদনকারী আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করবে যে অস্থায়ী নিষেধজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করা না হলে অপূরণীয় ক্ষতি (Irreparable loss) হবার সম্ভাবনা আছে। যেখানে অপূরণীয় ক্ষতি বলতে সেই ক্ষতিকে বুঝাবে যা অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।
(৩) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করার ক্ষেরে আদালত (The balance of convenience and inconvenience of the Parties) বিবেচনা করেন। তাই আবেদনকারীকে সুবিধা এবং অসুবিধার ভারসাম্য আদালতে উপস্থাপন করতে হবে।
(৪) জনস্বার্থে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা যায়। যা সাধারণত সরকারের বিপক্ষে করা হয়। সেই ক্ষেত্রে জনস্বার্থ (Public interest) বিষয়টি কার্যকর ভাবে উপস্থাপন করতে হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
--------- 
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-53: Temporary injunctions:
-Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
 
Perpetual injunctions:
-A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
৪,৫৭৮.
আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের পূর্বে প্রসিকিউশন কোন মামলা প্রত্যাহার করলে ফলাফল হবে-
  1. আসামি খালাস
  2. আসামির মুক্তি
  3. আসামির অব্যাহতি
  4. উপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আসামির অব্যাহতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামির অব্যাহতি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৯৪: মামলা প্রত্যাহারের ফল-

পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-

(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং

(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।

Section 494: Effect of withdrawal from prosecution
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
৪,৫৭৯.
কোন ধরনের মানসিক অবস্থার ব্যক্তির আত্মহত্যায় প্ররোচনা দিলে দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা প্রযোজ্য হবে না?
  1. উন্মাদ ব্যক্তি
  2. নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি
  3. নির্বোধ ব্যক্তি
  4. মানসিকভাবে সুস্থ ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
মানসিকভাবে সুস্থ ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানসিকভাবে সুস্থ ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
৪,৫৮০.
দায়রা আদালতে সরকারের পক্ষে কে মামলা পরিচালনা করেন?
  1. অভিযোগকারী
  2. পাবলিক প্রসিকিউটর
  3. আসামি পক্ষ
  4. বার এসোসিয়েশন
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ক ধারা অনুযায়ী দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচার কার্যে সরকারি আইনজীবী বা পাবলিক প্রসিকিউটর সরকারের পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন। ২৬৫খ ধারা মতে আসামিকে উপস্থিত করার পর সরকারি আইনজীবী আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযাগ বর্ণনা করবেন এবং কি সাক্ষ্য দ্বারা তিনি উক্ত অভিযোগ প্রমান করবেন তা বর্ণনা করার মাধ্যমে নিজ বক্তব্য শুরু করবেন।
৪,৫৮১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিষয়বস্তু হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. মধ্যস্থতা
  2. সালিশ
  3. আপিলে মধ্যস্থতা
  4. মধ্যস্থতার বিশেষ বিধান
সঠিক উত্তর:
আপিলে মধ্যস্থতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলে মধ্যস্থতা
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৯গ- আপিলে মধ্যস্থতা:
(১) যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর আওতাধীন মধ্যস্থতাকরণের ক্ষেত্রে, ৮৯ক ধারার বিধান গুলােকে প্রয়ােজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।

Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties.

(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
৪,৫৮২.
Malicious prosecution এর কারণে ক্ষতিসাধনের মামলার তামাদি কত?
  1. ৬ বছর
  2. ১ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ২৩ এর বিধান বিদ্বেষমূলকভাবে ফৌজদারীতে সোপর্দকরণের জন্য ক্ষতিপূরণ [Compensation for malicious prosecution] এর মামলার তামাদি মেয়াদ ১ বছর। যখন বেকসুল খালাস হয় অথবা যখন মামলার অবসান ঘটে তখন থেকে।
৪,৫৮৩.
ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নের (Leading question) উত্তর সাধারণত কীভাবে দেওয়া হয়?
  1. হ্যাঁ বা না
  2. বিস্তারিত ব্যাখ্যা
  3. আদালতের নির্দেশনা
  4. সাক্ষীর ব্যক্তিগত মতামত
সঠিক উত্তর:
হ্যাঁ বা না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্যাঁ বা না
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) হ্যাঁ বা না।
- ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading question) এমন প্রশ্ন যা প্রশ্নের মধ্যে উত্তরের ইঙ্গিত প্রদান করে থাকে। সাধারণত, এই ধরনের প্রশ্নে সাক্ষী হ্যাঁ বা না উত্তর দেয়। উদাহরণস্বরূপ, "আপনার নাম কি সালমান?"—এখানে প্রশ্নের মধ্যে উত্তরের ইঙ্গিত রয়েছে (সালমান), তাই সাক্ষী সাধারণত "হ্যাঁ" বা "না" বলে উত্তর দেয়।
এই ধরনের প্রশ্ন আদালত, বিশেষত সাক্ষীকে জেরা করার সময়, বিশেষ কিছু পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা হয়, কারণ এটি সাক্ষীর উত্তরকে নিয়ন্ত্রণ বা দিশা প্রদান করতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যাঁ অথবা না ব্যাজেই এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 141. Leading questions:
- Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.
৪,৫৮৪.
The Civil Courts Act, 1887 এর ২২ ধারায় কোন বিষয়ে বিধান আছে?
  1. জেলা বা যুগ্ম জেলা জজের আদি এখতিয়ার
  2. হাইকোর্ট বিভাগের আপিল হস্তান্তর করার ক্ষমতা
  3. জেলা জজের আপিল হস্তান্তর করার ক্ষমতা
  4. দেওয়ানি আদালতের ক্ষমতা কর্মকর্তাদের উপর হস্তান্তর করার ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের আপিল হস্তান্তর করার ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের আপিল হস্তান্তর করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ২২: জেলা জজের আপিল হস্তান্তর করার ক্ষমতা:
(১) কোনো জেলা জজ তাঁর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন যেকোনো যুগ্ম জেলা জজকে (Joint District Judge) হস্তান্তর করতে পারবেন, যেসব আপিল তাঁর কাছে সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে চলমান আছে।

(২) জেলা জজ যেকোনো হস্তান্তরিত আপিল প্রত্যাহার (withdraw) করতে পারবেন, এবং নিজে শুনানি করে নিষ্পত্তি করতে পারেন, অথবা তাঁর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন যে কোনো সক্ষম আদালতে হস্তান্তর করতে পারেন যা সেই আপিল নিষ্পত্তি করার যোগ্য।

(৩) এই ধারা অনুযায়ী হস্তান্তরিত আপিলগুলি সেই নিয়ম অনুযায়ী নিষ্পত্তি হবে যা জেলা জজ কর্তৃক সাধারণ আপিল নিষ্পত্তিতে প্রযোজ্য।

৪,৫৮৫.
'ক' বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। 'ক' The Penal Code,1860 এর কোন ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে?
  1. ১৭২ ধারা
  2. ১৭৪ ধারা
  3. ১৭৬ ধারা
  4. ১৭৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৭৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৪ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারার বিধান- সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া-
কোন ব্যক্তি সরকারি কর্মচারী হিসেবে আইনত: কোন সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণা জারি করার ক্ষমতাসম্পন্ন অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর নিকট থেকে উদ্ভূত অনুরূপ সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণার আজ্ঞানুযায়ী স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত কোন নির্দিষ্ট স্থানে এবং সময়ে হাজির হওয়ার জন্য আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও,- ইচ্ছাকৃত সে স্থানে ও সময়ে উপস্থিত না হয় অথবা যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে যখন তার প্রস্থান করা আইনসম্মত হত তার আগেই প্রস্থান করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

- অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি, মারফত কোন আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশবাহী হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

(খ) ক-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। ক এ সমন মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের সম্মুখে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু ক ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

৪,৫৮৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে?
  1. ৪২ ধারায়
  2. ৫২ ধারায়
  3. ৬২ ধারায়
  4. ৭২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।

Section 52- Mode of searching women:
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
৪,৫৮৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ৯(৫) অনুসারে, সমন প্রাপ্তির কত দিনের মধ্যে তা প্রেরণ করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ৯ (জারির জন্য সমন অর্জন অথবা প্রেরণ) -
(১) যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়েছে, বিবাদী সেটির এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় বসবাস করে বা সমন গ্রহণ করার ক্ষমতা প্রাপ্ত কোন প্রতিনিধি বিবাদীর পক্ষে যদি এরূপ এলাকার ভিতর বসবাস করে, তবে আদালত অন্য কোনরূপ নির্দেশ না দিলে হয় উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট স্বয়ং জারি করার লক্ষ্যে বা তাদের অধঃস্তন কোন ব্যক্তি দ্বারা অথবা উপ-ধারা(৪) এর বিধান অনুযায়ী জেলা জজ কর্তৃক তালিকাভুক্ত কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সমন অর্পিত বা প্রেরিত হবে।

(২) উপযুক্ত কর্মকর্তা যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করেছে সেখানকার না হয়ে অন্য কোন আদালতের কর্মকর্তাও হতে পারেন, এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তার নিকট ডাকযোগে বা আদালত যেভাবে নির্দেশ দিতে পারে অনুরূপ অন্য যে কোন উপায়ে প্রেরণ করা যাবে।

(৩) আদালত উপ-বিধি (১) তে বর্ণিত বিধানের অতিরিক্ত হিসেবে বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে বিবাদীকে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করতে পারে এবং একইসঙ্গে ফ্যাক্স বার্তার মাধ্যমে বা ইলেক্ট্রনিক মেইল সার্ভিস এর মাধ্যমে নিজ খরচে সমন প্রেরণের নির্দেশ দিবেন।

(৪) জেলা জজ উপ-বিধি(১) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কুরিয়ার সার্ভিসের একটি তালিকা প্রস্তুত করবেন (সময় সময় হালনাগাদসহ) এবং তার প্রশাসনিক অধিক্ষেত্রের সকল দেওয়ানি আদালতসমূহকে তা অবহিত করবেন।

(৫) যখন সমন উপযুক্ত কর্মকর্তা বা কুরিয়ার সার্ভিস এর নিকট প্রেরণ করা হয়, তখন তিনি বা কুরিয়ার সার্ভিস উক্ত সমন প্রাপ্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে সার্ভিস বা প্রেরণ করবেন এবং আদালতকে এতদবিষয়ে অবহিত করবেন: তবে শর্ত থাকে যে, যদি উপযুক্ত কর্মকর্তা বা কুরিয়ার সার্ভিস উক্ত নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণে ব্যর্থ হন, তাহলে উক্ত কর্মকর্তা অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন এবং কুরিয়ারের ক্ষেত্রে,জেলা জজ প্রস্তুতকৃত তালিকা হতে তা বাদ দিবেন।
৪,৫৮৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XLI, Rule 12A অনুযায়ী আপীল পুনজ্জীবিত করার আদেশ প্রত্যেক পক্ষের অনুকুলে সর্বোচ্চ কয়টি মঞ্জুর করা হয়?
  1. ১টি;
  2. ২টি;
  3. ৩টি;
  4. ৬টি;
সঠিক উত্তর:
১টি;
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১টি;
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৪১ বিধি-১২ক অনুযায়ী আপিল মুলতুবি (Adjournment in appeal): আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না । ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত নূন্যতম ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
   •আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে।
   •প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।
♦একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে। তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি। কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন ।
♦কোন কারণ লিপিবদ্ধ না করে আপিল আদালত নিজ উদ্যোগে কোন আপিল শুনানির স্তরে মুলতুবির আদেশ দিবেন থা
♦অর্থাৎ যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপীল খারিজ হয়েছে বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপীল পুনরুজীবিত করার আবেদন করতে পারে খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে। আদালত সর্বনিম্ন ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদানের শর্তে প্রত্যেক পক্ষে সর্বোচ্চ একবার এরকম আবেদন মঞ্জুর করে থাকেন।
৪,৫৮৯.
‘ক’, একজন ম্যাজিস্ট্রেট, সরল বিশ্বাসে খ-এর বিরুদ্ধে তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে মানহানিকর অভিযোগ দায়ের করে, যা জনসাধারণের কল্যাণের জন্য। দণ্ডবিধি অনুসারে এটি-
  1. মানহানি
  2. মিথ্যা ষড়যন্ত্র
  3. ক্ষমতার অপব্যবহার
  4. কোনো অপরাধ নয়
সঠিক উত্তর:
কোনো অপরাধ নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো অপরাধ নয়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৯৯ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে মুখে, লিখিতভাবে, চিহ্নের মাধ্যমে, বা দৃশ্যমান উপস্থাপনার মাধ্যমে অভিযোগ করা মানহানি হিসেবে গণ্য। তবে, ধারা ৪৯৯-এর নবম ব্যতিক্রম (Ninth Exception) অনুসারে, সরল বিশ্বাসে (good faith) নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষার জন্য বা জনসাধারণের কল্যাণের জন্য কোনো অভিযোগ করা মানহানি নয়। এখানে, ‘ক’, একজন ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে, সরল বিশ্বাসে এবং জনসাধারণের কল্যাণের জন্য তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে খ-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। এটি ধারা ৪৯৯-এর নবম ব্যতিক্রমের আওতায় পড়ে, তাই এটি কোনো অপরাধ নয়।
- অর্থাৎ ‘ক’-এর কাজ ধারা ৪৯৯-এর নবম ব্যতিক্রমের আওতায় পড়ে, তাই এটি কোনো অপরাধ নয়। সঠিক উত্তর হলো ঘ) কোনো অপরাধ নয়।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 499-Defamation:
Imputation made in good faith by person for protection of his or other’s interests
Ninth Exception.-It is not defamation to make an imputation on the character of another, provided that the imputation be made in good faith for the protection of the interest of the person making it, or of any other person, or for the public good.
Illustrations:
(a) A, a shopkeeper, says to B, who manages his business-"Sell nothing to Z unless he pays you ready money, for I have no opinion of his honesty.” A is within the exception, if he has made this imputation on Z in good faith for the protection of his own interests. 
(b) A, a Magistrate, in making a report to his own superior officer, casts an imputation on the character of Z. Here, if the imputation is made in good faith, and for the public good, A is within the exception.

৪,৫৯০.
দণ্ডবিধির ৩৮ ধারা অনুযায়ী, অপরাধ সংঘটনে জড়িত ব্যক্তিগণ কীভাবে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র একজনই দোষী হবেন
  2. সবাই একই অপরাধে দোষী হবেন
  3. বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন
  4. কোনো অপরাধে দোষী হবেন না
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮ ধারার বিধান- অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন:
 কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটনে কতিপয় ব্যক্তি ব্যাপৃত থাকলে অথবা উহা সংঘটনের সাথে তারা জড়িত থাকলে, উক্ত কাজের জন্য তারা বিভিন্ন অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হতে পারে।

উদাহরণ-
ক এমন উগ্র প্ররোচনায় ক্ষিপ্ত হয়ে চ-কে আক্রমণ করে যে, তার এই আক্রমণে চ নিহত হলে তা কেবল অপরাধমূলক প্রাণনাশ হবে, যা খুন বলে পরিগণিত হবে না। চ-এর প্রতি খ-এর বিদ্বেষ থাকায় এবং চ-কে হত্যা করার জন্য খ-এর অভিপ্রায় থাকায়, খ বিনা প্ররোচনায় চ-কে হত্যার কার্যে ক কে সহায়তা করে। এই দৃষ্টান্তে ক ও খ উভয়েই চ-কে হত্যার কার্যে ব্যাপৃত থাকলেও, খ খুনের অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে এবং ক শুধু অপরাধমূলক প্রাণনাশের অপরাধে অপরাধী হবে।

Section 38- Persons concerned in criminal act may be guilty of different offences:
Where several persons are engaged or concerned in the commission of a criminal act, they may be guilty of different offences by means of that act. 
 
Illustration-
A attacks Z under such circumstances of grave provocation that his killing of Z would be only culpable homicide not amounting to murder. B having ill-will towards Z and intending to kill him, and not having been subject to the provocation, assists A in killing Z. Here, though A and B are both engaged in causing Z's death, B is guilty of murder, and A is guilty only of culpable homicide.
৪,৫৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় 'ফরিয়াদী ও সাক্ষীর ব্যয়'- সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩৪০
  2. ধারা ৫৪৪
  3. ধারা ৫৪০
  4. ধারা ৩৪২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪৪
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪৪ (ফরিয়াদী ও সাক্ষীর ব্যয়)-

সরকার কর্তৃক প্রণীত কোন বিধি সাপেক্ষে ফৌজদারী আদালত উপযুক্ত মনে করলে এই কার্যবিধির অধীনে কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কান কার্যধারার উদ্দেশ্যে আদালতে হাজির হওয়া কোন ফরিয়াদী বা সাক্ষীকে সরকারী তহবিল থেকে যুক্তিসংগত ব্যয় দেয়ার আদেশ দিতে পারবেন।

Section 544- Expenses of complainants and witnesses:
Subject to any rules made by the Government, any Criminal Court may, if it thinks fit, order payment, on the part of Goverment, of the reasonable expenses of any complainant or witness attending for the purposes of any inquiry, trial or other proceeding before such Court under this Code.
৪,৫৯২.
According to Section 205(2) of The Code of Criminal Procedure, 1898, at what point can a Magistrate direct the personal attendance of the accused?
  1. Only at the beginning of the trial
  2. At any stage of the proceedings
  3. Only if the accused requests it
  4. After the case has been decided
সঠিক উত্তর:
At any stage of the proceedings
উত্তর
সঠিক উত্তর:
At any stage of the proceedings
ব্যাখ্যা
Section 205: Magistrate may dispense with personal attendance of accused:
(1) Whenever a Magistrate issues a summons, he may, if he sees reason so to do, dispense with the personal attendance of the accused, and permit him to appear by his pleader. 
(2) But the Magistrate inquiring into or trying the case may, in his discretion, at any stage of the proceedings, direct the personal attendance of the accused, and, if necessary, enforce such attendance in manner hereinbefore provided.

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ অনুসারে-
(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।
(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতোপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।
৪,৫৯৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারার অধীনে ক্ষমা প্রদানের শর্ত কী?
  1. অপরাধীকে আদালতে দোষ স্বীকার করতে হবে
  2. অপরাধীকে তার সকল সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে হবে
  3. অপরাধীকে সম্পূর্ণ এবং সত্য প্রকাশ করতে হবে
  4. অপরাধীকে অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে অস্বীকৃতি জানাতে হবে
সঠিক উত্তর:
অপরাধীকে সম্পূর্ণ এবং সত্য প্রকাশ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধীকে সম্পূর্ণ এবং সত্য প্রকাশ করতে হবে
ব্যাখ্যা

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারার অধীনে ক্ষমা প্রদানের শর্ত অপরাধীকে সম্পূর্ণ এবং সত্য প্রকাশ করতে হবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৩৭: সহযোগীকে ক্ষমা প্রদানের বিধান:
(১) যে কোনো অপরাধ যা শুধুমাত্র দায়রা আদালত দ্বারা বিচারযোগ্য, বা যে অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে, বা দণ্ডবিধির ২১১ ধারার অধীনে যে অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে, বা দণ্ডবিধির নিম্নলিখিত ধারাগুলোর অধীনে যে কোনো অপরাধ (যেমন, ধারা ২১৬ক, ৩৬৯, ৪০১, ৪৩৫ এবং ৪৭৭ক), সেক্ষেত্রে একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট, অপরাধের তদন্ত বা জিজ্ঞাসাবাদের যে কোনো পর্যায়ে বা বিচারের সময়, অপরাধের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত বা অপরাধের কথা জানা থাকতে পারে এমন কোনো ব্যক্তির সাক্ষ্য পাওয়ার উদ্দেশ্যে, উক্ত ব্যক্তিকে ক্ষমা প্রদান করতে পারেন। তবে এই ক্ষমা প্রদানের শর্ত হবে যে, উক্ত ব্যক্তিকে অপরাধ সম্পর্কিত তার জানা সমস্ত পরিস্থিতি এবং অপরাধ সংঘটনে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির (প্রধান অপরাধী বা সহযোগী) সম্পর্কে সম্পূর্ণ ও সত্য বিবৃতি দিতে হবে।
শর্তসাপেক্ষে: যদি অপরাধটি তদন্ত বা বিচারের অধীনে থাকে, তাহলে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট (চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত) এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন না, যদি না তিনি উক্ত তদন্ত বা বিচারকার্য পরিচালনা করছেন। আর যদি অপরাধটি তদন্তাধীন থাকে, তাহলে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন না, যদি না তিনি এমন এলাকার ম্যাজিস্ট্রেট হন যেখানে অপরাধের তদন্ত বা বিচার হতে পারে এবং চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে।
(১ক) উপধারা (১) অনুযায়ী ক্ষমা প্রদানকারী প্রত্যেক ম্যাজিস্ট্রেটকে তার সিদ্ধান্তের কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং অভিযুক্তের আবেদন করলে, তাকে এই রেকর্ডের একটি কপি সরবরাহ করতে হবে।
শর্তসাপেক্ষে: অভিযুক্তকে এই কপির জন্য অর্থ প্রদান করতে হবে, যদি না ম্যাজিস্ট্রেট বিশেষ কোনো কারণে বিনামূল্যে কপি সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত নেন।
(২) এই ধারার অধীনে ক্ষমা গ্রহণকারী প্রত্যেক ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সাক্ষী হিসাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং পরবর্তী বিচারেও (যদি থাকে) সাক্ষ্য দিতে হবে।
(২ক) যদি কোনো ব্যক্তি ক্ষমা গ্রহণ করে এবং উপধারা (২) অনুযায়ী জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন যে অভিযুক্ত অপরাধের দোষী হওয়ার যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে, তাহলে তিনি অভিযুক্তকে দায়রা আদালতে বিচারের জন্য প্রেরণ করবেন।
(৩) এই ধরনের ব্যক্তি, যদি ইতিমধ্যে জামিনে না থাকে, তাহলে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে রাখা হবে।

অর্থাৎ
- ধারা ৩৩৭ অনুযায়ী, সহযোগীকে ক্ষমা প্রদান করা যেতে পারে যদি সে অপরাধ সম্পর্কিত সম্পূর্ণ ও সত্য বিবৃতি দেয়।
- ক্ষমা প্রদানের সিদ্ধান্তের কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং অভিযুক্তের আবেদনে কপি সরবরাহ করতে হবে।
- ক্ষমা গ্রহণকারী ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং বিচারের জন্য প্রেরণ করা হবে।
- ক্ষমা গ্রহণকারী ব্যক্তিকে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে রাখা হবে (যদি জামিনে না থাকে)।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 337.Tender of pardon to accomplice:
(1) In the case of any offence triable exclusively by the Court of Session, or any offence punishable with imprisonment which may extend to ten years, or any offence punishable under section 211 of the Penal Code, with imprisonment which may extend to seven years, or any offence under any of the following sections of the Penal Code, namely, sections 216A, 369, 401, 435 and 477A, a Metropolitan Magistrate or any Magistrate of the first class may, at any state of the investigation or inquiry into, or the trial of the offence, with a view to obtaining the evidence of any person supposed to have directly or indirectly concerned in or privy to the offence, tender a pardon to such person on condition of his making a full and true disclosure of the whole of the circumstances within his knowledge relative to the offence and to every other person concerned, whether as principal or abettor, in the commission thereof: 
Provided that, where the offence is under inquiry or trial, no Magistrate of the first class other than the Chief Judicial Magistrate shall exercise the power hereby conferred unless he is the Magistrate making the inquiry or holding the trial, and, where the offence is under investigation, no such Magistrate shall exercise the said power unless he is a Magistrate having jurisdiction in a place where the offence might be inquired into or tried and the sanction of the Chief Judicial Magistrate has been obtained to the exercise thereof. 
(1A) Every Magistrate who tenders a pardon under sub-section (1) shall record his reasons for so doing, and shall, on application made by the accused, furnish him with a copy of such record: 
Provided that the accused shall pay for the same unless the Magistrate for some special reason thinks fit to furnish it free of cost. 
(2) Every person accepting a tender under this section shall be examined as a witness in the Court of the Magistrate taking cognizance of the offence and in the subsequent trial, if any. 
(2A) In every case where a person has accepted a tender of pardon and has been examined under sub-section (2), the Magistrate before whom the proceedings are pending shall, if he is satisfied that there are reasonable grounds for believing that the accused is guilty of an offence, [send] him for trial to the Court of Session . 
(3) Such persons, unless he is already on bail, shall be detained in custody until the termination of the trial.

৪,৫৯৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার অধীনে চুক্তি বলবৎ এর মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী ৪টি ক্ষেত্রে চুক্তি বলবৎ করার জন্য মামলা করা যায়:
(১) সম্পত্তিটি যদি সম্পূর্ণ/আংশিক ট্রাস্ট এর অন্তর্ভুক্ত হয়,
(২) ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব না হল,
(৩) টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণ সম্ভব না হল,
(৪) ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।
-তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী ১২ ধারার মামলা ১ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার বিধান: যে-সব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.
Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.
৪,৫৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ ধারা অনুযায়ী, মামলার পক্ষসমূহ সাক্ষীর জবানবন্দির জন্য কী করতে পারেন?
  1. নতুন সাক্ষী নিযুক্ত করতে পারেন
  2. মামলার রায় পরিবর্তন করতে পারেন
  3. মামলার বিচারক পরিবর্তন করতে পারেন
  4. সাক্ষীর জবানবন্দির বিষয়ে লিখিত প্রশ্নমালা পাঠাতে পারেন
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর জবানবন্দির বিষয়ে লিখিত প্রশ্নমালা পাঠাতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর জবানবন্দির বিষয়ে লিখিত প্রশ্নমালা পাঠাতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৫ অনুযায়ী, যদি কোনো মামলায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন জারি করা হয়, তাহলে মামলার পক্ষসমূহ (যথা, অভিযুক্ত ও রাষ্ট্রপক্ষ) সাক্ষীর জবানবন্দির জন্য লিখিত প্রশ্নমালা (interrogatories) সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতে জমা দিতে পারে।
সেই প্রশ্নমালা যদি আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট প্রাসঙ্গিক মনে করেন, তবে তা অনুসারে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে।
এছাড়াও, মামলার পক্ষসমূহ এডভোকেটের মাধ্যমে বা ব্যক্তি হিসেবে (যদি হেফাজতে না থাকেন) উপস্থিত থেকে সাক্ষীকে জেরা (cross-examine) ও পুনঃজেরা (re-examine) করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ ধারার বিধান: পক্ষগণ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন:-
(১) এই বিধির অধীন যে মামলায় কমিশন প্রদান করা হয়েছে সেই মামলার পক্ষসমূহ কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত যে বিষয়কে মূল বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক মর্মে মনে করেন সেই বিষয়ে প্রশ্নমালা দিতে পারেন এবং উক্ত কমিশন যখন ধারা-৫০৩ এ বর্ণিত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর প্রেরিত হয়, তখন যে ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসারের উপর কমিশন কার্যকর করার দায়িত্ব অর্পিত হয় সেই ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার উক্ত প্রশ্নমালার ভিত্তিতে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করবেন।
(২) মামলার কোন পক্ষ এডভোকেট কর্তৃক বা কারাগারে না থাকলে ব্যক্তিগতভাবে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর উপস্থিত হবে এবং উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দী, জেরা ও পুনঃজবানবন্দী, যেখানে যেরূপ, গ্রহণ করতে পারবেন।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 505: Parties may examine witnesses:-
(1) The parties to any proceeding under this Code in which a commission is issued, may respectively forward any interrogatories in writing which the Magistrate or Court directing the commission may think relevant to the issue and when the commission is directed to a Magistrate or officer mentioned in section 503, such Magistrate or the Officer to whom the duty of executing such commission has been delegated shall examine the witness upon such interrogatories.
(2) Any such party may appear before such Magistrate or officer by pleader, or if not in custody, in person, and may examine, cross-examine and re-examine (as the case may be) the said witness.
৪,৫৯৬.
ঢাকা জেলার একটি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রি চট্টগ্রাম জেলায় কার্যকর করার জন্য প্রেরণ করা হলে, ডিক্রিটি কোথায় পাঠাতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে পাঠাতে হবে।
  2. চট্টগ্রাম জেলা আদালতে পাঠাতে হবে।
  3. সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে পাঠাতে হবে।
  4. চট্টগ্রামের নির্দিষ্ট জারিকারী আদালতে সরাসরি পাঠাতে হবে।
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম জেলা আদালতে পাঠাতে হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম জেলা আদালতে পাঠাতে হবে।
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৫ অনুসারে, যখন ডিক্রি কার্যকর করার জন্য ভিন্ন জেলার আদালতে প্রেরণ করতে হয় (যেমন: ঢাকা জেলা থেকে চট্টগ্রাম জেলায়), তখন ডিক্রিদানকারী আদালত (ঢাকা) ডিক্রিটি সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা আদালতে (চট্টগ্রাম জেলা আদালত) প্রেরণ করবে।
বিধিতে স্পষ্টভাবে বলা আছে:
- একই জেলায় অবস্থিত হলে → সরাসরি কার্যকরকারী আদালতে প্রেরণ। 
- ভিন্ন জেলায় অবস্থিত হলে → সংশ্লিষ্ট জেলা আদালতের মাধ্যমে প্রেরণ। 
অতএব, চট্টগ্রাম জেলার নির্দিষ্ট কার্যকরকারী আদালতে সরাসরি পাঠানো হবে না; বরং চট্টগ্রাম জেলা আদালতের মাধ্যমে প্রেরণ করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৫: স্থানান্তরের পদ্ধতি (Mode of transfer): ডিক্রিদানকারী আদালত এবং ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরিত হবে সে আদালত যদি একই জেলায় অবস্থিত হয় তবে ডিক্রি সরাসরি শেষোক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন কিন্তু ভিন্ন জেলায় অবস্থিত হলে, ডিক্রিদানকারী আদালত তা সেই জেলার জেলা আদালতে প্রেরণ করবেন।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-21 Rule-5.-Mode of transfer:
- Where the Court to which a decree is to be sent for execution is situate within the same district as the Court which passed such decree, such Court shall send the same directly to the former Court. But, where the Court to which the decree is to be sent for execution is situate in a different district, the Court which passed it shall send it to the District Court of the district in which the decree is to be executed. 

৪,৫৯৭.
‘E’ একটি মামলায় ‘F’-এর বিরুদ্ধে দাবি করে যে একটি গাড়ি বিক্রির সময় ত্রুটিপূর্ণ ছিল। ‘E’ বলে, “এই বিষয়ে ‘G’-এর কাছে জিজ্ঞাসা করো, তিনি সব জানেন।” ‘G’ বলেন, “গাড়িটি বিক্রির সময় ত্রুটিপূর্ণ ছিল।” সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে ‘G’-এর বক্তব্য স্বীকারোক্তি হিসেবে গ্রহণযোগ্য?
  1. ধারা ১৮
  2. ধারা ১৯
  3. ধারা ২০
  4. ধারা ২২
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২০ অনুসারে, মামলার কোনো পক্ষ যদি কোনো ব্যক্তির কাছে স্পষ্টভাবে তথ্যের জন্য উল্লেখ করে, তবে সেই ব্যক্তির বক্তব্য স্বীকারোক্তি (Admission) হিসেবে গ্রহণযোগ্য। এখানে ‘E’ স্পষ্টভাবে বলেছে, “এই বিষয়ে ‘G’-এর কাছে জিজ্ঞাসা করো, তিনি সব জানেন।” তাই ‘G’-এর বক্তব্য, “গাড়িটি বিক্রির সময় ত্রুটিপূর্ণ ছিল,” ধারা ২০-এর অধীনে স্বীকারোক্তি হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
--------- 
⇒ The Evidence Act, 1872- Section- 20. Admissions by persons expressly referred to by party to suit:
- Statements made by persons to whom a party to the suit has expressly referred for information in reference to a matter in dispute are admissions.
Illustrations:
- The question is whether a horse sold by A to B is sound.
- A says to B–"Go and ask C; C knows all about it." C's statement is an admission.

৪,৫৯৮.
ডাকাতির সাথে খুনের অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা কি?
  1. মৃত্যুদন্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদন্ড
  3. ১০ বছরের সশ্রম কারাদন্ড
  4. কোন অপরাধ হয় নাই
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদন্ড
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারার বিধান ডাকাতির শাস্তি:

কোন ব্যক্তি যদি ডাকাতি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

♦দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান খুনসহকারে ডাকাতি:

যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে, অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

♦দণ্ডবিধির ৩৯৭ ধারার বিধান মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত সংঘটনের উদ্যোগ সহকারে দস্যুতা বা ডাকাতি:

যদি দস্যুত বা ডাকাতি সংঘটনকালে অপরাধকারী কোন মারাত্মক অস্ত্র ব্যবহার করে, অথবা কাউকে গুরুতর আঘাত করার উদ্যোগ করে, তবে যে কারাদণ্ডে অনুরূপ অপরাধকারীকে দণ্ডিত করা হবে তার মেয়াদ সাত বৎসরের কম হবে না।

♦দণ্ডবিধির ৩৯৮ ধারার বিধান মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত অবস্থায় দস্যুতা বা ডাকাতি করিবার উগ্যোগ:

যদি দস্যুত বা ডাকাতি অনুষ্ঠানের উদ্যোগকালে অপরাধকারী কোন মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত থাকে, তবে অনুরূপ অপরাধকারী যে দণ্ডে দণ্ডিত হবে, তার মেয়াদ সাত বৎসরের কম হবে না।
৪,৫৯৯.
Doctrine of Transfer of Malice নীতিটি দণ্ডবিধির কোন ধারায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ২৯৯ ধারা
  2. ৩০০ ধারা
  3. ৩০১ ধারা
  4. ৩০২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০১ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ 'Doctrine of Transfer of Malice' নীতি দণ্ডবিধির ৩০১ ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে। এই ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি এমন কাজ করে যা মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে বা মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে জেনে করা হয়, কিন্তু তার ফলে অন্য কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে (যার মৃত্যু উদ্দেশ্য বা জ্ঞাত ছিল না), তবে অপরাধী শাস্তিযোগ্য নরহত্যার জন্য দায়ী হবে। এই নীতি মূলত উদ্দেশ্য বা মনোভাবের স্থানান্তর (Transfer of Malice) বোঝায়, যেখানে অপরাধীর দুরভিসন্ধি এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রয়োগ হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:-
-কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুন মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যে-রূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 301: Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
-If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.

৪,৬০০.
'চ' আইনসম্মতভাবে 'ক'-কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের ফলে 'ক' হঠাৎ ও আকস্মিকভাবে উত্তেজিত হয়ে 'চ'-কে হত্যা করে। এই কাজ-
  1. খুন
  2. শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
  3. কোনো অপরাধ নয়
  4. প্ররোচনামূলক নরহত্যা
সঠিক উত্তর:
খুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুন
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারা- খুন:
ব্যতিক্রম ১: যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে না:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।

উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।

ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

উদাহরণ:
'চ' আইনসম্মতভাবে 'ক'-কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের ফলে 'ক' হঠাৎ ও আকস্মিকভাবে উত্তেজিত হয়ে 'চ'-কে হত্যা করে। এটা খুন, কেননা এটা উস্কানির ফলে একজন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক তার ক্ষমতা প্রয়োগক্রমে কৃত একটি কাজ।