বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ২৫ / ১২৬ · ২,৪০১২,৫০০ / ১২,৬০৫

২,৪০১.
যখন দেওয়ানি সমন জারি না হওয়ায় ফেরত আসে এবং বাদী এক মাসের মধ্যে নতুন করে সমন দেয়ার আবেদন না করে, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার ফলাফল কী হবে?
  1. স্থগিত থাকবে
  2. খারিজ হবে
  3. চলমান থাকবে
  4. আদালত নিজ থেকে সমন পাঠাবে
সঠিক উত্তর:
খারিজ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারিজ হবে
ব্যাখ্যা
যখন সমন জারি না হওয়ায় ফেরত আসে এবং অতঃপর এক মাস পর্যন্ত বাদী নতুন করে সমন দেয়ার আবেদন না করে, তখন মোকদ্দমা খারিজ হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ ৯ বিধি-৫:

১) বিবাদিকে কিংবা কতিপয় বিবাদির কোন একজনের প্রতি সমন দেয়ার পর যদি তা জারি না হয়ে ফেরত আসে, এবং আদালতের যে কর্মচারী সাধারণত সমন জারি বিষয়ে আদালতের কাছে প্রত্যয়ন করেন, তিনি আদালতে উক্ত সমন জারি না হওয়ার প্রত্যয়নপত্রসহ তা ফেরত দেয়ার পর এক মাসের মধ্যে বাদি যদি নতুন সমন দেয়ার জন্য আবেদন না করেন, তাহলে আদালত অনুরূপ বিবাদির বিরুদ্ধে মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ দিবে। যদি না উক্ত এক মাসের মধ্যে বাদি নিম্নলিখিত যে কোন কারণ দর্শিয়ে আদালতকে এ মর্মে সন্তুষ্ট করতে পারেন—

ক) যে বিবাদির উপর সমন জারি হয়নি, বাদি যথাসাধ্য সকল চেষ্টা করেও ঐ বিবাদির ঠিকানা আবিষ্কার করতে ব্যর্থ হয়েছে; অথবা
খ) উক্ত বিবাদি পরোয়ানা জারি এড়িয়ে চলতেছে; অথবা
গ) সময়ের মেয়াদ বাড়াতে কোন সঙ্গত কারণ রয়েছে, তাহলে আদালত নূতন সমন দেয়ার আবেদনের সময়ের মেয়াদ উপযুক্ত মনে করে বৃদ্ধি করতে পারবে।

২) অনুরূপ ক্ষেত্রে বাদি (তামাদি আইন সাপেক্ষে) নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
২,৪০২.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, কীসের ভিত্তিতে আদালত কোনো মামলা হাইকোর্টে রেফারেন্স হিসেবে পাঠাতে পারে?
  1. আদালত স্ব-প্রণোদিত হয়ে
  2. কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
  3. হাইকোর্টের আদেশের ভিত্তিতে
  4. 'ক' অথবা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১১৩ ও আদেশ ৪৬, বিধি ১ অনুসারে, কোনো আদালত যদি মনে করে যে বিচারাধীন মামলায় আইন বা আইনের রীতি সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে আদালত স্ব-প্রণোদিতভাবে (own motion) অথবা কোনও পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে বিষয়টি হাইকোর্ট বিভাগের অভিমতের জন্য রেফারেন্স করতে পারে।
- সেক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়ে প্রেরণকারী আদালতকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা বা আদেশ দিতে পারে।
- অতএব, সঠিক উত্তর: ঘ) 'ক' অথবা 'খ'।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৩ ধারায় রেফারেন্সের (Reference) বিধান রয়েছে। ১১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী যে কোন আদালত কোন মামলা হাইকোর্ট বিভাগের অভিমত গ্রহণের জন্য প্রেরণ করতে পারেন এবং হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মামলা সম্পর্কে উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ নং আদেশে রেফারেন্স সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে যা নিম্নরূপ-
- ৪৬ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী আপিল-অযোগ্য ডিক্রির মামলার বিচার পর্যায়ে বা আপিলে অথবা উক্ত ডিক্রি জারি করার সময়, আইন বা আইনের ন্যায় বলবৎ কোন রীতি সম্পর্কিত প্রশ্নের সৃষ্টি হলে, উক্ত মামলার বিচারকারী আদালত বা আপিল আদালত অথবা ডিক্রি জারিকারক আদালত, স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনক্রমে মামলাটি হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্তের জন্য হাইকোর্টে প্রেরণ করতে পারে।
- রেফারেন্স প্রেরণকারী আদালত রেফারেন্স প্রেরণ করা সত্ত্বেও মামলার কার্যক্রমে অগ্রসর হতে পারে কিংবা কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে এবং হাইকোর্ট বিভাগ প্রেরিত সিদ্ধান্তের আলোকে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করতে পারেন।
- ৪৬ নং আদেশের ৫ নং বিধি অনুযায়ী অধীনস্ত যে আদালত হাইকোর্টে রেফারেন্সের জন্য কোন বিষয় পাঠাবে, সেই বিষয়ে উক্ত আদালত কর্তৃক দেওয়া ডিক্রি/আদেশ হাইকোর্ট বিভাগ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারবে অথবা যে কোন উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারে।
- ৪৬ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে ক্ষুদ্র বিষয়ক এখতিয়ার সম্পর্কিত প্রশ্ন হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করার বিধান রয়েছে। ৬ নং বিধি অনুযায়ী যেক্ষেত্রে মামলা ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে বিচারার্থে গ্রহণযোগ্য বা অগ্রহণযোগ্য কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত মামলার প্রকৃতি সম্পর্কে উক্ত সন্দেহের কারণ সম্বলিত একটি বিবৃতিসহ হাইকোর্ট বিভাগে একটি নথি দাখিল করতে পারে।
২,৪০৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কোন ধরনের আইন?
  1. Procedural Law
  2. Adjective Law
  3. Substantive Law
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
ব্যাখ্যা
মৌলিক আইন [Substantive Law]:
যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।

অপরদিকে,
 ⇒ যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law] বলে। যেমন: ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।
২,৪০৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা অনুযায়ী অধস্তন আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা কার আছে?
  1. সরকার
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. আদালতের বিচারক
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৩৭(২) অনুসারে, সরকার অধস্তন আদালতের ভাষা ঘোষণা করতে পারে এবং দরখাস্ত ও কার্যধারা লিখিতরূপে কোন রীতিতে হবে তা নির্ধারণ করতে পারে। ধারা ১৩৭(১)-এর মাধ্যমে এই আইন কার্যকর হওয়ার সময়ের ভাষা চলতে থাকে যতক্ষণ না সরকার অন্যভাবে নির্দেশ দেয়। অন্যান্য অপশনগুলো (সুপ্রিম কোর্ট, আদালতের বিচারক বা প্রধান বিচারপতি) এই নির্দিষ্ট ক্ষমতার অধিকারী নয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারার বিধান: অধস্তন আদালতে ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।
২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।
৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজীতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজীর সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজীর অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 137. Language of subordinate Courts:
(1) The language which, on the commencement of this Code, is the language of any Court subordinate to the High Court Division shall continue to be the language of such subordinate Court until the Government otherwise directs. 
(2) The Government may declare what shall be the language of any such Court and in what character applications to and proceedings in such Courts shall be written. 
(3) Where this Code requires or allows anything other than the recording of evidence to be done in writing in any such Court, such writing may be in English; but if any party or his pleader is unacquainted with English a translation into the language of the Court shall, at his request, be supplied to him; and the Court shall make such order as it thinks fit in respect of the payment of the costs of such translation.

২,৪০৫.
তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি বৈধ অপারগতা নয়?
  1. অপ্রকৃতিস্থতা
  2. নিরক্ষরতা
  3. নাবালকত্ব
  4. নির্বুদ্ধিতা
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরতা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যত দিন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে। নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা হবে।
- অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে অপ্রকৃতিস্থতা, নাবালকত্ব, নির্বুদ্ধিতা বৈধ অপারগতা। কিন্ত নিরক্ষরতা বৈধ অপারগতা নয়।
 
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা:
উপধারা:(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিংক্রী জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যেত, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।
-------------------
The Limitation Act, 1908, Section-6.Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908.
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply.
 
Illustrations:
(a) The right to sue for the hire of a boat accrues to A during his minority. He attains majority four years after such accruer. He may institute his suit at any time within the years from the date of his attaining majority.
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease.
(c) A right to sue accrues to X during his minority. X dies before attaining majority, and is succeeded by Y, his minor son. Time runs against Y from the date of his attaining majority.
২,৪০৬.
কোন ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল বা আকষ্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে কোন ভুল হলে আদালত তাহা সংশোধন করতে পারে-
  1. মোকদ্দমার শুরুতে
  2. শুনানি কালে
  3. যে কোন সময়
  4. বিচার্য বিষয় গঠনের আগে
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারার বিধান রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন। রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকষ্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।
----------------
⇒ Section 152 Amendment of judgments, decrees or orders: Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
২,৪০৭.
X, Y কে অর্থ প্রদান না করলে, Y, X সম্পর্কে কুৎসামূলক লেখা প্রকাশের ভয় দেখান ও এরূপে Y তাকে অর্থ প্রদান করতে প্রবৃত্ত করেন। Y কোন অপরাধ করেছেন?
  1. বলপূর্বক গ্রহণ
  2. দস্যুতা
  3. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
  4. চুরি
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক গ্রহণ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ৩৮৩ ধারাতে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের সংজ্ঞা (Extortion) রয়েছে। কাউকে ক্ষতি করার ভয় দেখিয়ে তার নিকট থেকে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বা extortion বলে। অন্যভাবে বলা যায়, কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অপর কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুর ভয়, আঘাতের ভয় বা পথরুদ্ধ করার ভয় দেখিয়ে কোন কিছু দিতে বাধ্য করলে তাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বলে। 
♦ Extortion –এর ক্ষেত্রে ক্ষতির ভয়ে আক্রান্ত ব্যক্তি স্বেচ্ছায় কোনো সম্পত্তি দিয়ে দিলেও তা অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে।  সম্মতি থাকার আবশ্যকতা নাই।
২,৪০৮.
কখন ১২ বছর পরও ডিক্রি জারির আবেদন করা যায়?
  1. আদালত মনে করলে
  2. দেনাদার প্রতারণা বা বলপ্রয়োগ দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করলে
  3. আদালত ডিক্রি জারির আবেদন গ্রহণ না করলে
  4. আদালত ডিক্রি জারি করতে ক্ষমতা প্রাপ্ত না হলে
সঠিক উত্তর:
দেনাদার প্রতারণা বা বলপ্রয়োগ দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেনাদার প্রতারণা বা বলপ্রয়োগ দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করলে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৮ ধারা অনুযায়ী ডিক্রি জারির নতুন আবেদন [fresh application] দাখিল করার সর্বোচ্চ মেয়াদ ১২ বৎসর। নিয়মটি হলো ডিক্রি প্রদানের পর ৩ বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারির প্রথম দরখাস্ত বা জারি মামলা দায়ের করতে হবে। ৩ বৎসরের মধ্যে জারি মামলা দায়ের করার পর, পরবর্তীতে ১২ বৎসর পর্যন্ত ডিক্রিদার [Decree Holder] যে কোনো সংখ্যক ডিক্রি জারির নতুন আবেদন [fresh application] দায়ের করতে পারে। 

♦  ১২ বছর পরও ডিক্রি জারির নতুন দরখাস্ত [fresh application] দায়ের করা যায় এবং আদালত ডিক্রি জারির আদেশ দিতে পারে যদি দেনাদার  প্রবঞ্চনা [Fraud] কিংবা শক্তি [force] প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করে।

♦  অর্থাৎ যদি দেনাদার প্রবঞ্চনা কিংবা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করে ক্ষেত্রে ১২ বছর পরও ডিক্রি জারির জন্য নতুন আবেদন [Fresh application] করা যাবে।
২,৪০৯.
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরি সংঘটিত হওয়ার জন্য কোন বিষয়টি আবশ্যক?
  1. মালিকের সম্মতি থাকতে হবে
  2. অস্থাবর সম্পত্তি হতে হবে
  3. সম্পত্তি মাটির সাথে যুক্ত থাকতে হবে
  4. শুধুমাত্র দখলের অধিকার থাকতে হবে
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি হতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লিখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 378: Theft:
- Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
২,৪১০.
Specific relief cannot be granted for the mere purpose of enforcing a ­­_____ law under The Specific Relief Act, 1877.
  1. Civil
  2. Penal
  3. Tort law
  4. Personal
সঠিক উত্তর:
Penal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Penal
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অপ্রযোজ্যতা:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৪ ধারা মতে কোন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না-
ⅰ) চুক্তি নয় এমন কোন অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকার, এবং
ii) ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না।
 
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৭ ধারা মতে: দণ্ডমূলক আইনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের প্রয়োগ (Relief not granted to enforce penal law)-
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারামতে দণ্ডমূলক আইন (Penal Laws) বলবৎ বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।
অর্থাৎ দণ্ডমূলক আইনের (Penal Laws) ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।
-------------------
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ৭ ধারায় বলা হয়েছে কোনো দণ্ড বা Penal  কার্যকর করার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যাবে না।
---------------------
The Specific Relief Act, 1877 Section-7. Relief not granted to enforce penal law:
Specific relief cannot be granted for the mere purpose of enforcing a penal law.
২,৪১১.
দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা অনুযায়ী, কোন কাজটি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সরকারের প্রতি ঘৃণা ছড়িয়ে বিদ্রোহের ডাক দেওয়া।
  2. আইনসম্মতভাবে সরকারের নীতির সমালোচনা করা।
  3. সরকারি কর্মচারীদের উপর আক্রমণের জন্য উস্কানি দেওয়া।
  4. সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করা বা করার চেষ্টা করা।
সঠিক উত্তর:
আইনসম্মতভাবে সরকারের নীতির সমালোচনা করা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনসম্মতভাবে সরকারের নীতির সমালোচনা করা।
ব্যাখ্যা

⇒  দণ্ডবিধির ধারা ১২৪ক-এ রাষ্ট্রদ্রোহিতার সংজ্ঞা এবং এর ব্যতিক্রম স্পষ্ট করা হয়েছে: রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধের উপাদান:
- সরকারের প্রতি ঘৃণা (hatred), বিদ্বেষ (contempt) বা বৈরিতা (disaffection) সৃষ্টি করা বা করার চেষ্টা করা।
- এজন্য উচ্চারিত/লিখিত বক্তব্য, চিহ্ন, দৃশ্যমান প্রতীক বা অন্য কোনো উপায় ব্যবহার করা।
অপরাধ নয় (Explanation 2 ও 3 অনুযায়ী):
আইনসম্মত উপায়ে সরকারের নীতি বা কার্যক্রমের সমালোচনা বা অসন্তোষ প্রকাশ, যদি তা ঘৃণা/বিদ্বেষ/বৈরিতা সৃষ্টি না করে।
অর্থাৎ, শান্তিপূর্ণ ও আইনানুগ সমালোচনা রাষ্ট্রদ্রোহিতা নয়।
সুতরাং, আইনসম্মতভাবে সরকারের নীতির সমালোচনা করা রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধ নয়, বরং ধারা ১২৪ক-এর Explanation 2 ও 3 দ্বারা সুরক্ষিত একটি আইনানুগ অধিকার।

⇒ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার বিধান রাষ্ট্রদ্রোহিতা:
- কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা-১: ‘বৈরিতা' বলতে রাজানুগত্যহীনতা এবং সর্বপ্রকার শত্রুতার ভাব বুঝায়।
ব্যাখ্যা-২: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই আইনসম্মত উপায়ে পরিবর্তন বা সংশোধনের উদ্দেশ্যে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
ব্যাখ্যা-৩: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করার বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক বা অন্যরূপ কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
-----------
⇒ The Penal Code Section 124A. Sedition:
- Whoever by words, either spoken or written, or by signs, or by visible representation, or otherwise, brings or attempts to bring into hatred or contempt, or excites or attempts to excite disaffection towards, the Government established by law shall be punished with imprisonment for life or any shorter term, to which fine may be added, or with imprisonment which may extend to three years, to which fine may be added, or with fine.

Explanation 1.-The expression "disaffection" includes disloyalty and all feelings of enmity. 
Explanation 2.-Comments expressing disapprobation of the measures of the Government with a view to obtain their alteration by lawful means, without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section. 
Explanation 3.-Comments expressing disapprobation of the administrative or other action of the Government without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section.

২,৪১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারার অধীন সরকার কর্তৃক প্রকাশনা (সংবাদপত্র/পুস্তক/দলিল) বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য কত দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে হবে?
  1. ১ মাসের
  2. ২ মাসের
  3. ৬ মাসের
  4. ১৫ দিনের
সঠিক উত্তর:
২ মাসের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাসের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারার বিধান: ৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারী আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।
২,৪১৩.
তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুসারে আইনগত অক্ষম ব্যক্তি মারা গেলে তার অধিকার কে প্রয়োগ করতে পারে?
  1. সম্পত্তির মালিক
  2. তার বৈধ প্রতিনিধি
  3. আদালতের প্রতিনিধি
  4. কোনো ব্যক্তি নয়
সঠিক উত্তর:
তার বৈধ প্রতিনিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার বৈধ প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি আইনগত অক্ষম (Legally Disabled) অবস্থায় যেমন: নাবালক, উন্মাদ, বা জড়বুদ্ধিসম্পন্ন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন, তাহলে তার অধিকার সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে যায় না।
- বরং, তার পক্ষে তার "বৈধ প্রতিনিধি" (legal representative) আদালতে মামলা দায়ের করতে পারেন বা তার অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুসারে, আইনগত অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার অধিকার কে প্রয়োগ করতে পারে—এই বিষয়ে ধারা ৬, ৭ ও ৮ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 
ধারা ৬ – আইনগত অক্ষমতা (Legal Disability):
যদি কোনো ব্যক্তি যখন মামলা করার অধিকারী হন, সেই সময় তিনি:
(১) নাবালক (Minor),
(২) উন্মাদ (Insane), অথবা
(৩) জড়বুদ্ধি বা বুদ্ধিহীন (Idiot) হন—
তাহলে তার বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে না, যতক্ষণ না উক্ত অক্ষমতা অবসান (ceases) হয়।
ধারা ৭ – একাধিক আইনগত অক্ষমতা:
যদি একজন ব্যক্তি একই সময়ে একাধিক অক্ষমতায় ভোগ করেন (যেমন, নাবালক এবং উন্মাদ), তাহলে তামাদি মেয়াদ তখনই শুরু হবে, যখন সর্বশেষ অক্ষমতা অবসান ঘটবে।
ধারা ৮ – আইনগত অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু:
যদি আইনগত অক্ষম ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেন এবং মৃত্যুকালে যদি তার বৈধ প্রতিনিধি (Legal Representative) যেমন উত্তরাধিকারী বা অভিভাবক, তিনিও যদি নাবালক, উন্মাদ, বা জড়বুদ্ধি সম্পন্ন হন, তাহলে তাদের আইনগত অক্ষমতার সময়ও তামাদি গণনায় বাদ যাবে।
তবে, ধারা ৮-এ একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে:
- আইনগত অক্ষমতার অবসান বা
- আইনগত অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু–
যেটাই হোক না কেন, তার ৩ (তিন) বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
অন্যথায়, মামলাটি তামাদিতে খারিজ হয়ে যাবে।
২,৪১৪.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে, পুলিশ অফিসারকে দেওয়া স্বীকারোক্তি আদালতে প্রমাণ হিসাবে গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. ধারা ২৪
  2. ধারা ২৫
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ৩০
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৫
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারা অনুসারে, পুলিশ অফিসারের কাছে কোনো আসামী যে স্বীকারোক্তি করে, তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। এই ধারা বাস্তবিকভাবে পুলিশকে সন্ত্রাস বা চাপের মাধ্যমে আসামীর স্বীকারোক্তি নেয়ার প্রচেষ্টা থেকে বিরত রাখে। এর উদ্দেশ্য হলো আসামীর উপর অযাচিত চাপ না দেওয়া এবং স্বীকারোক্তি সঠিক ও স্বতঃস্ফূর্ত হওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করা।

→ The Evidence Act, 1872 Section 25. Confession to police-officer not to be proved:
No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence.

২,৪১৫.
What is the maximum term of imprisonment for threatening a public servant under Section 189?
  1. 6 months
  2. 1 year
  3. 2 years
  4. 3 years
সঠিক উত্তর:
2 years
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2 years
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:- কোন সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার সরকারী কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারী কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারী কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------------------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 189. Threat of injury to public servant:- Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
২,৪১৬.
তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদে ‘অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবৎ করার’ সময়সীমা উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ-৭
  2. অনুচ্ছেদ-৮
  3. অনুচ্ছেদ-৯
  4. অনুচ্ছেদ-১০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১০
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ-১০-এ অগ্রক্রয়ের অধিকার (Right of Pre-emption) বলবৎ করার মামলার তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রতিষ্ঠার মামলা ১ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
সময়সীমা গণনা শুরু হয় যখন ক্রেতা বিক্রয়কৃত সম্পত্তির প্রত্যক্ষ দখল নেয়, অথবা যদি সম্পত্তি দখলযোগ্য না হয়, তবে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে।

সুতরাং, অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মামলার সময়সীমা অনুচ্ছেদ-১০-এ উল্লেখিত হয়েছে।
২,৪১৭.
নিম্নের কোন বিষটি Shall presume এর অন্তর্ভুক্ত?
  1. Document of power of Attorney
  2. Foreign judicial record
  3. Telagraphic message
  4. 30 years old document
সঠিক উত্তর:
Document of power of Attorney
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Document of power of Attorney
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৮৬ ধারায় বিদেশী বিচারিক রেকর্ড, ৮৮ ধারায় তারবার্তা এবং ৯০ ধারায় ৩০ বৎসরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমানের ক্ষেত্রে 'may presume' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ এই ক্ষেত্রে আদালত অনুমান করতে পারে আবার নাও পারে। কিন্তু ৮৫ ধারায় পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলের ক্ষেত্রে 'Shall Presume' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে বাধ্য।
২,৪১৮.
The Evidence Act 1872 এর ধারা ৭৭ অনুসারে, সরকারি দলিলের বিবরণ প্রমাণ করা যেতে পারে-
  1. মূল সরকারি দলিল দ্বারা
  2. প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা
  3. সরকারি কর্মকর্তার মৌখিক বিবরণ দ্বারা
  4. সরকারি দলিলের জাবেদা নকল দ্বারা
সঠিক উত্তর:
সরকারি দলিলের জাবেদা নকল দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি দলিলের জাবেদা নকল দ্বারা
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা ৭৭: জাবেদা নকল দাখিল করিয়া দলিল প্রমাণ: অনুরূপ জাবেদা নকল সর্বসাধারণের যে দলিলের নকল বা যে দলিলের অংশ বিশেষের নকল বলিয়া কথিত হয়, সেই দলিলের বা তাহার অংশ বিশেষের বিষয়বস্তুর প্রমাণস্বরূপ উহা উপস্থাপন করা যাইতে পারে।
----------------------------------------
The Evidence Act 1872, Section 77, Proof of documents by production of certified copies: Such certified copies may be produced in proof of the contents of the public documents or parts of the public documents of which they purport to be copies.

২,৪১৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী, 'ক' যদি ঢাকায় 'খ'-এর বিরুদ্ধে মানহানিকর বিবৃতি প্রকাশ করে এবং 'ক' চট্টগ্রামে বসবাস করে, তবে 'খ' কোথায় মামলা করতে পারবে?
  1. শুধুমাত্র ঢাকায়
  2. শুধুমাত্র চট্টগ্রামে
  3. শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টে
  4. ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে
সঠিক উত্তর:
ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৯ ধারার বিধান- ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা:
 কোনো ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে অনিষ্ট সাধন করা হলে এবং বিবাদী অপর আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা চালালে অথবা এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা চালালে অথবা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কাজ করলে, বাদী তার ইচ্ছা অনুসারে দুই আদালতের যেকোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) ক-চট্টগ্রামে বসবাস করে এবং সে ‘খ’-কে ঢাকায় মারধর করে। ‘খ’ ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে 'ক’, এর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে।
(খ) 'ক' চট্টগ্রামে বসবাস করে এবং ঢাকায় ‘খ’ সম্পর্কে মানহানিকর বিবৃতি প্রকাশ করে। ‘খ’ ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে “ক” এর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে।
----------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-19. Suits for compensation for wrongs to person or movables:
- Where a suit is for compensation for wrong done to the person or to movable property, if the wrong was done within the local limits of the jurisdiction of one Court and the defendant resides, or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of another Court, the suit may be instituted at the option of the plantiff in either of the said Courts. 
 
Illustrations:
(a) A, residing in Chittagong beats B in Dhaka.  B may sue A either in Dhaka or in Chittagong. 
(b) A, residing in Chittagong publishes in Dhaka statements defamatory of B. B may sue A either in Dhaka, or in Chittagong.
২,৪২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১ অনুযায়ী কোন পরিস্থিতিতে একজন ব্যক্তিকে সিভিল জেল (দেওয়ানী কারাগার) থেকে ক্রিমিনাল জেলে (ফৌজদারী কারাগার) স্থানান্তর করা যাবে?
  1. পরিবারের অনুরোধে
  2. জেল কর্তৃপক্ষ স্বপ্রণোদিত হয়ে
  3. যখন তিনি স্বেচ্ছায় স্থানান্তর চাইবেন
  4. আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিলে
সঠিক উত্তর:
আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১(২) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি দেওয়ানী জেলে বন্দী থাকেন এবং তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে কারাদণ্ড বা হেফাজতের যোগ্য হন, তাহলে সেই কারাদণ্ড বা হেফাজতের আদেশদাতা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরের নির্দেশ দিতে পারেন।
- এটি সাধারণত তখনই হয় যখন একজন ব্যক্তি দেওয়ানী মামলা অনুসারে জেলে ছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত হন বা হেফাজতের প্রয়োজন হয়।
অর্থাৎ শুধু আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশে একজন বন্দীকে সিভিল জেল থেকে ক্রিমিনাল জেলে স্থানান্তর করা যাবে।
তাই সঠিক উত্তর: ঘ) আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিলে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১ - কারাবাসের স্থান নির্ণয়ের ক্ষমতা:
(১) বর্তমানে বলবৎ কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশ প্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন।
(২) দেওয়ানী কারাগারে আটক আসামী অথবা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফৌজদারী কারাগারে অপসারণ এবং তাদের দেওয়ানী কারাগারে প্রত্যাবর্তন:
এই বিধির অধীনে কারাদণ্ড বা হেফাজতে রাখার আদেশপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি যদি দেওয়ানী জেলে আটক থাকেন, তবে যিনি তার কারাদণ্ড বা হেফাজতের আদেশ দিয়েছেন সেই আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিতে পারেন যে, তাকে ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত করা হবে।
(৩) কোন ব্যক্তি (২) উপধারার অধীন ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হলে তা হতে মুক্ত হবার পর তাকে পুনরায় দেওয়ানী জেলে প্রেরণ করতে হবে, যদি না
ক) ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হবার পর তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকে, তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকলে দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৮ ধারার অধীন সে দেওয়ানী জেল হতে অব্যাহতি পেয়েছে বলে গণ্য করতে হবে, অথবা
খ) যে আদালত তাকে দেওয়ানী জেলে আটকের আদেশ দিয়াছিলেন সেই আদালত ফৌজদারী জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে সার্টিফিকেট দেন যে দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৮ ধারার অধীন সে অব্যাতি পাবার অধিকারী।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 541.Power to appoint place of imprisonment:
(1) Unless when otherwise provided by any law for the time being in force, the Government may direct in what place any person liable to be imprisoned or committed to custody under this Code shall be confined.
Removal to criminal jail of accused or convicted persons who are in confinement in civil jail, and their return to the civil jail:
(2) If any person liable to be imprisoned or committed to custody under this Code is in confinement in a civil jail, the Court or Magistrate ordering the imprisonment or committal may direct that the person be removed to a criminal jail. 
(3) When a person is removed to a criminal jail under sub-section (2), he shall, on being released therefrom, be sent back to the civil jail, unless either– 
(a) three years have lapsed since he was removed to the criminal jail, in which case he shall be deemed to have been discharged from the civil jail under section 58 of the Code of Civil Procedure, 1908; or
(b) the Court which ordered his imprisonment in the civil jail has certified to the officer in charge of the criminal jail that he is entitled to be discharged under section 58 of the Code of Civil Procedure, 1908.
২,৪২১.
দণ্ডবিধির ২৩১ ধারা অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৩১ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি জাল মুদ্রা প্রস্তুত করে বা জাল মুদ্রা প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় কোনো ধাতব বস্তু বা উপকরণ তৈরি করে বা সংগ্রহ করে, তবে এটি একটি গুরুতর অপরাধ।
এ ধরনের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৩১ ধারার বিধান: মুদ্রা জাল করণ- কোন ব্যক্তি মুদ্রা জাল করলে অথবা জ্ঞাতসারে মুদ্রা জালকরণ প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করলে, সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
- ব্যাখ্যা:- কোন ব্যক্তি প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে, অথবা তার কাজের ফলে প্রতারণা সংঘটিত হবে জানা সত্ত্বেও, কোন খাঁটি মুদ্রাকে দেখতে অপর কোন মুদ্রার মতো করলে, সে অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 231- Counterfeiting coin:
Whoever counterfeits or knowingly performs any part of the process of counterfeiting coin, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
- Explanation.- A person commits this offence who intending to practice deception, or knowing it to be likely that deception will thereby be practiced, causes a genuine coin to appear like a different coin.
২,৪২২.
আপিল বিভাগে আপিলের অনুমতির জন্য দাখিলকৃত দরখাস্তে আদেশ ৪৫ বিধি ৩ অনুযায়ী কী থাকতে হবে?
  1. কেবল মামলার সারসংক্ষেপ
  2. আদালতের পূর্ববর্তী রায়
  3. পক্ষগণের সম্মতিপত্র
  4. আপিলের কারণসমূহের উল্লেখ
সঠিক উত্তর:
আপিলের কারণসমূহের উল্লেখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলের কারণসমূহের উল্লেখ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৫, বিধি ৩: মামলার মূল্য বা উপযুক্ততা সম্পর্কিত সনদ (Certificate as to value or fitness):
(১) আপিলের অনুমতির জন্য দাখিলকৃত প্রতিটি দরখাস্তে আপিলের কারণসমূহ স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে, এবং এর সাথে একটি সনদের প্রার্থনা থাকতে হবে,  হয় এই মর্মে যে, মামলার অর্থমূল্য বা প্রকৃতি অনুযায়ী এটি ধারা ১১০-এর শর্ত পূরণ করে অথবা, এই মর্মে যে, মামলাটি উপরোক্ত শর্ত পূরণ না করলেও এটি আপিল বিভাগে আপিলের জন্য উপযুক্ত একটি মামলা।

(২) এমন দরখাস্ত প্রাপ্তির পর আদালত, বিপক্ষ পক্ষকে নোটিশ ইস্যু করবে, যাতে তারা আদালতকে কারণ দর্শাতে পারে , কেন উক্ত সনদ প্রদান করা উচিত নয়।

২,৪২৩.
'ক' একজন পুলিশ অফিসারকে দাঙ্গা দমন করার সময় শারীরিকভাবে বাধা দিল। এ ক্ষেত্রে 'ক' এর বিরুদ্ধে কোন ধারা প্রযোজ্য?
  1. দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ১৫২ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ১৮৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৫২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৫২ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, যেকোনো ব্যক্তি যদি দাঙ্গা দমন বা অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গের প্রচেষ্টাকালে সরকারি কর্মচারীকে (যেমন পুলিশ অফিসার) আক্রমণ করে, হুমকি দেয়, বাধাদান করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে, তাহলে তাকে সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে তিন বছর পর্যন্ত, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে। এখানে 'ক'-এর শারীরিক বাধাদান দাঙ্গা দমনের সময় পুলিশকে বাধা দেওয়ার কারণে ১৫২ ধারা সরাসরি প্রযোজ্য।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারার বিধান: দাঙ্গা ইত্যাদি দমনকালে সরকারি কর্মচারীকে আক্রমণ বা বাধাদান করা:- কোন সরকারি কর্মচারী অনুরূপ সরকারি কর্মচারী হিসেবে তাঁর কর্তব্য সম্পাদন উদ্দেশ্যে একটি অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার অথবা দাঙ্গা দমন করার প্রচেষ্টাকালে কোন ব্যক্তি যদি তাকে আক্রমণ করে অথবা আক্রমণ করার হুমকি প্রদর্শন করে, অথবা বাধাদান করে বা বাধাদান করার চেষ্টা করে, অথবা অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা করার হুমকি প্রদর্শন করে বা চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-152- Assaulting or obstructing public servant when suppressing riot, etc.
- Whoever assaults or threatens to assault, or obstructs or attempts to obstruct, any public servant in the discharge of his duty as such public servant, in endeavouring to disperse an unlawful assembly, or to suppress a riot or affray, or uses, or threatens, or attempts to use criminal force to such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years or with fine, or with both.

২,৪২৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৯ এর অধীনে, কোন ক্ষেত্রে প্রথম অবৈধ দখলদার (Trespasser) পরবর্তী দখলদারের বিরুদ্ধে সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করতে পারে?
  1. যদি প্রথম দখলদার সত্যিকারের মালিক হয়
  2. যদি প্রথম দখলদারের কোনো স্বত্ব না থাকে
  3. যদি প্রথম দখলদার দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণ দখলে থাকে
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
যদি প্রথম দখলদার দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণ দখলে থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি প্রথম দখলদার দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণ দখলে থাকে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৯ এর অধীনে, একজন প্রথম অবৈধ দখলদার (Trespasser) পরবর্তী দখলদারের বিরুদ্ধে সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করতে পারে, যদি সে দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণভাবে দখলে থাকে। এই ধারা সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য বিশেষ প্রতিকার প্রদান করে, এবং এটি প্রধানত দখলের অধিকারের উপর ভিত্তি করে, স্বত্বের (Title) নয়।

ধারা ৯ এর বিধান:
- ধারা ৯ এর অধীনে, যদি কোনো ব্যক্তি বেআইনিভাবে তার দখল থেকে উচ্ছেদ হয়, তবে সে ছয় মাসের মধ্যে মামলা দায়ের করে দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে, এমনকি তার শিরোনাম না থাকলেও। এই ধারার উদ্দেশ্য হলো শান্তিপূর্ণ দখলকে সুরক্ষা দেওয়া এবং বেআইনি উচ্ছেদ প্রতিরোধ করা।
Abdul Hamid and others Vs. Afazuddin Ahmed and others (7 BLD (AD) 177) মামলায় আদালত স্পষ্ট করেছে যে, প্রথম অবৈধ দখলদার, যিনি দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণভাবে দখলে আছেন, তিনি সত্যিকারের মালিক ছাড়া সকলের বিরুদ্ধে তার দখল বজায় রাখতে পারেন এবং পরবর্তী দখলদারের বিরুদ্ধে দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করতে পারেন।

কেন “দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণ দখল” গুরুত্বপূর্ণ?
- আইনের দৃষ্টিকোণ থেকে, শান্তিপূর্ণ এবং দীর্ঘস্থায়ী দখল একটি অধিকার হিসেবে বিবেচিত হয়, এমনকি যদি দখলদারের স্বত্ব না থাকে। এটি “প্রায়শই দখলই নয়টি পয়েন্ট আইনের” (Possession is nine-tenths of the law) নীতির উপর ভিত্তি করে। প্রথম দখলদার, যিনি শান্তিপূর্ণভাবে দখলে আছেন, তিনি পরবর্তী দখলদারের বিরুদ্ধে তার দখল রক্ষার জন্য মামলা করতে পারেন, যতক্ষণ না সত্যিকারের মালিক বা তার অধীনে দাবিদার বৈধভাবে দখল দাবি করে।

উদাহরণস্বরূপ, Abdul Hamid and others Vs. Afazuddin Ahmed and others মামলায় বলা হয়েছে যে, প্রথম দখলদার, যিনি শান্তিপূর্ণভাবে দখলে আছেন, তিনি পরবর্তী দখলদারের বিরুদ্ধে দখল পুনরুদ্ধার করতে পারেন, যদি না পরবর্তী দখলদার সত্যিকারের মালিক বা তার অধীনে কোনো বৈধ কর্তৃত্ব প্রমাণ করতে পারে।

কেন অন্য অপশনগুলি সঠিক নয়?
ক) যদি প্রথম দখলদার সত্যিকারের মালিক হয়: এটি সঠিক নয়, কারণ ধারা ৯ শিরোনামের (Title) উপর নির্ভর করে না, বরং দখলের উপর ভিত্তি করে। যদি প্রথম দখলদার সত্যিকারের মালিক হন, তবে তিনি শিরোনামের ভিত্তিতে মামলা করবেন, ধারা ৯ এর অধীনে নয়। ধারা ৯ শুধুমাত্র দখল পুনরুদ্ধারের জন্য প্রযোজ্য।
খ) যদি প্রথম দখলদারের কোনো স্বত্ব না থাকে: এটি সঠিক নয়, কারণ ধারা ৯ এর অধীনে শিরোনাম বা স্বত্ব প্রমাণের প্রয়োজন নেই। এমনকি অবৈধ দখলদারও, যিনি শান্তিপূর্ণভাবে দখলে আছেন, পরবর্তী দখলদারের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন।
ঘ) কোনটি নয়: এটি সঠিক নয়, কারণ “দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণ দখল” স্পষ্টভাবে ধারা ৯ এর অধীনে প্রযোজ্য এবং আদালতের রায়ে সমর্থিত।

অর্থাৎ ধারা ৯ এর অধীনে, প্রথম অবৈধ দখলদার পরবর্তী দখলদারের বিরুদ্ধে দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করতে পারেন, যদি তিনি দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণভাবে দখলে থাকেন। এই ধারা শিরোনামের পরিবর্তে দখলের অধিকারকে প্রাধান্য দেয়, এবং Abdul Hamid and others Vs. Afazuddin Ahmed and others মামলা এই নীতির সমর্থন করে। তাই, সঠিক উত্তর হলো গ) যদি প্রথম দখলদার দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণ দখলে থাকে।

২,৪২৫.
Canons of Professional Conduct and Etiquette- অনুযায়ী একজন আইনজীবীর সহ-আইনজীবির প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য কয়টি?
  1. ৮টি
  2. ১০টি
  3. ১১টি
  4. ১৪টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ১ম অধ্যায় অনুযায়ী, একজন আইনজীবীর সহ-আইনজীবির প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য মোট ১১টি।
- এই বিধিগুলো আইনজীবীদের পেশাগত আচরণ, শিষ্টাচার এবং সহ-আইনজীবিদের প্রতি সম্মান ও সহযোগিতার নীতিমালা নির্ধারণ করে।

⇒ এই ১১টি বিধি নিম্নরূপ:
১. ব্যক্তিগত ও পেশাগত মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখা।
২. পেশাগত প্রচারণার জন্য বিজ্ঞাপন না দেওয়া।
৩. দালাল বা অন্য ব্যক্তিকে আইন পেশা পরিচালনার অনুমতি না দেওয়া।
৪. প্রতিপক্ষ মক্কেলের সাথে মামলার বিষয় নিয়ে সরাসরি আলোচনা না করা।
৫. প্রতিপক্ষের এডভোকেটের অনুপস্থিতিতে মামলার বিষয়বস্তু উপস্থাপনা না করা (এক তরফা মামলা ব্যতীত)।
৬. অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট নিয়োগের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী অ্যাডভোকেটের বকেয়া পরিশোধ নিশ্চিত করা।
৭. প্রতিপক্ষের এডভোকেটের ব্যক্তিগত ইতিহাস বা বৈশিষ্ট্য নিয়ে বক্তব্য না দেওয়া।
৮. ফিস বণ্টন নীতিমালা মেনে চলা।
৯. বার কাউন্সিল প্রণীত তালিকাভুক্তির বিধান মেনে চলা।
১০. সিনিয়র ও প্রবীণ আইনজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা।
১১. একাধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত হলে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনা করা।

→ সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) ১১টি।
২,৪২৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির Order XLI, Rule 12A অনুযায়ী আপিল পুনজ্জীবিত করার আদেশ প্রত্যেক পক্ষের অনুকুলে সর্বোচ্চ কয়টি মঞ্জুর করা হয়?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-১২ক অনুযায়ী আপিল মুলতুবি (Adjournment in appeal): আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না । ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত নূন্যতম ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
   •আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে।
   •প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।
- একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে। তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।
-কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন।
- কোন কারণ লিপিবদ্ধ না করে আপিল আদালত নিজ উদ্যোগে কোন আপিল শুনানির স্তরে মুলতুবির আদেশ দিবেন থা
- অর্থাৎ যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপীল খারিজ হয়েছে বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপীল পুনরুজীবিত করার আবেদন করতে পারে খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে। আদালত সর্বনিম্ন ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদানের শর্তে প্রত্যেক পক্ষে সর্বোচ্চ একবার এরকম আবেদন মঞ্জুর করে থাকেন।
--------------------
⇒ CPC Order-41 Rule-12A .Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.

(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or  disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.

(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.
২,৪২৭.
'জামিনযোগ্য অপরাধের জামিনের বিধান'- ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ৪৯২ ধারার
  2. ৪৯৪ ধারার
  3. ৪৯৬ ধারার
  4. ৪৯৭ ধারার
সঠিক উত্তর:
৪৯৬ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৬ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬ ধারার বিধান- জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন:
যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি অজামিনযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত নন, তাকে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করে বা আটক করে, অথবা আদালতে হাজির করা হয়, এবং তিনি জামিন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে।
তবে শর্ত থাকে যে: সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত চাইলে, জামিন নেওয়ার পরিবর্তে ওই ব্যক্তিকে কোনো জামিনদার ছাড়াই একটি বন্ড স্বাক্ষর করিয়ে মুক্তি দিতে পারেন, যাতে তিনি ভবিষ্যতে নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির হন।
এছাড়াও, এই ধারার কোন কিছুই ১০৭ ধারার (৪) উপধারা বা ১১৭ ধারার (৩) উপধারার বিধানকে প্রভাবিত করবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 496.In what cases bail to be taken:
When any person other than a person accused of a non-bailable offence is arrested or detained without warrant by an officer in charge of a police-station, or appears or is brought before a Court, and is prepared at any time while in the custody of such officer or at any stage of the proceedings before such Court to give bail, such person shall be released on bail:
Provided that such officer or Court, if he or it thinks fit, may, instead of taking bail from such person, discharge him on his executing a bond without sureties for his appearance as hereinafter provided: 
Provided, further, that nothing in this section shall be deemed to affect the provisions of section 107, sub-section (4), or section 117, sub-section (3).
২,৪২৮.
'একজন চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তার অধস্তন ম্যাজিস্ট্রেটগণের বসার সময়, স্থান বা বিচার্য বিষয়ের শ্রেণি সম্পর্কে বিধি প্রণয়ন করতে পারেন' - এই ক্ষমতা ফৌজদারি কার্যবিধির কোথায় বর্ণিত আছে?
  1. ১৬ ধারা
  2. ১৭ ধারা
  3. ২০ ধারা
  4. ২১ ধারা
সঠিক উত্তর:
২১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ২১(১): চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Chief Metropolitan Magistrate):
চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তার এখতিয়ারাধীন এলাকায় এই বিধি বা বর্তমানে প্রযোজ্য কোনো আইনের অধীনে তাঁর বা কোনো মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

এছাড়াও, তিনি সরকারের পূর্বানুমোদন নিয়ে সময় সময়ে এই বিধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নিয়ম তৈরি করতে পারবেন, যা নিম্নলিখিত বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করবে:
(ক) মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটদের আদালতের কার্যপ্রণালী, কাজের বণ্টন এবং আদালতের পদ্ধতি।
(খ) মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটদের বেঞ্চ (Bench) গঠনের নিয়মাবলী।
(গ) এসব বেঞ্চ কোন সময়ে এবং কোথায় বসবে, তা নির্ধারণ।
(ঘ) বেঞ্চে বসা ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে মতভেদ দেখা দিলে তা কীভাবে নিষ্পত্তি করা হবে, সেই পদ্ধতি।
(ঙ) আরও যে-কোনো বিষয়, যা একজন প্রধান বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট (Chief Judicial Magistrate) তাঁর অধীনস্থ ম্যাজিস্ট্রেটদের উপর সাধারণ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতার মাধ্যমে পরিচালনা করতে পারেন, তাও অন্তর্ভুক্ত।
২,৪২৯.
Section 36 of the Criminal Procedure Code grants Magistrates which type of powers?
  1. Special powers
  2. Ordinary powers
  3. Executive powers
  4. Additional powers
সঠিক উত্তর:
Ordinary powers
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ordinary powers
ব্যাখ্যা
Section 36- Ordinary powers of Magistrates:
All Judicial and Executive Magistrates have the powers hereinafter respectively conferred upon them and specified in the third schedule. Such powers are called their "ordinary powers".

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬ ধারা- ম্যাজিষ্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা:
সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর কার্যক্রমে অর্পিত ৩য় তফসিল এ বর্ণিত ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা তাঁদের "সাধারণ ক্ষমতা" নামে আখ্যায়িত।
২,৪৩০.
বার কাউন্সিল কর্তৃক বিধি প্রণয়নের ক্ষেত্রে পূর্ব অনুমতি লাগে কার?
  1. রাষ্ট্রপতির 
  2. প্রধান বিচারপতির 
  3. বার কাউন্সিল চেয়ারম্যানের
  4. সরকারের
সঠিক উত্তর:
সরকারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের
ব্যাখ্যা

The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ-৪০ মতে The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Order 1972 এর উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সরকারের পূর্বানুমতি নিয়ে বার কাউন্সিল সরকারী গেজেট নোটিফিকেশন দ্বারা বিধি (Rules) প্রণয়ন করতে পারে। বার কাউন্সিল এরূপ বিধি প্রণয়ন না করা পর্যন্ত অনুচ্ছেদ ৪০ (৩) এর অধীন বার কাউন্সিলের ক্ষমতা সরকার কর্তৃক প্রয়োগ করা হবে। এ ক্ষমতা প্রয়োগ করে সরকার The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 প্রণয়ন করে।
অর্থাৎ বার কাউন্সিল সরকারের পূর্ব অনুমতি নিয়ে বিধি প্রণয়ন করতে পারে।

২,৪৩১.
কোনো ব্যক্তিকে প্রতারণার মাধ্যমে কোনো দলিল গোপন করা হলে, তামাদির মেয়াদ গণনা করা হবে-
  1. প্রতারণা যখন থেকে করা হয়েছে তখন থেকে
  2. প্রতারণা সম্পর্কে অনুমান করা হয়েছে এমন সময় থেকে
  3. বাদী উক্ত দলিল যখন উপস্থাপন করতে সক্ষম হবে তখন থেকে 
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
বাদী উক্ত দলিল যখন উপস্থাপন করতে সক্ষম হবে তখন থেকে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী উক্ত দলিল যখন উপস্থাপন করতে সক্ষম হবে তখন থেকে 
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮ (Limitation Act, 1908)-এর ধারা ১৮ অনুযায়ী, যদি কোনো দলিল প্রতারণার মাধ্যমে গোপন করা হয়, তবে বাদী উক্ত দলিল যখন উপস্থাপন করতে সক্ষম হবে তখন থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৮- মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে প্রতারণার ফলাফল-

যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একটি মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী, কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয়ে বা যে স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত তা জানতে দেয়া হয় নাই অথবা উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে দলির প্রয়োজন তা প্রতারণা করে গােপন রাখা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বাদী যেদিন-
১। সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে সেদিন থেকে, অথবা
২। যেদিন গােপন রাখা দলিল উত্থাপন করতে পারবে, অথবা
৩। অপর পক্ষের কাছে থাকা দলিলটি যেদিন হাজির করতে বাধ্য করতে পারবে।

২,৪৩২.
বিকল্প বা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারির (Substituted Service of Summon) ক্ষেত্রে আদালত কোন স্থানসমূহে সমন সেঁটে দিতে পারে?
  1. আদালতের ভবনে এবং কুরিয়ার সার্ভিসের অফিসে
  2. আদালতের ভবনে এবং আদালতের বাইরের গেটে
  3. বিবাদীর বসবাসের স্থানে এবং বিবাদীর কর্মস্থলে অদৃশ্যমান জায়গাতে
  4. আদালতের ভবনে এবং বিবাদীর শেষবার বসবাসের স্থানে
সঠিক উত্তর:
আদালতের ভবনে এবং বিবাদীর শেষবার বসবাসের স্থানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের ভবনে এবং বিবাদীর শেষবার বসবাসের স্থানে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৫ নং আদেশের ২০ বিধিতে বিকল্প বা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারির (Substituted Service of Summon) বিধান রয়েছে। 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮, আদেশ ৫, বিধি ২০: বিকল্প বা পরিবর্তিত জারির (Substituted Service):
(১) যেখানে আদালত সন্তুষ্ট যে, বিবাদী সেবা এড়ানোর জন্য উড়াল দেয়ার চেষ্টা করছে বা অন্য কোনো কারণে সমন সাধারাণভাবে প্রেরণ করা সম্ভব নয়, তখন আদালত সমনকে আদালতের ভবনে কোনো দৃশ্যমান স্থানে সেঁটে দেওয়ার নির্দেশ দিবে এবং যেখানে বিবাদী শেষবার বসবাস বা ব্যবসা চালিয়েছেন, বা যেখানে তিনি নিজে উপার্জনের জন্য কাজ করতেন, সেই স্থানের কোনো দৃশ্যমান জায়গাতেও সেঁটে দেবেন, অথবা আদালত যেভাবে উপযুক্ত মনে করবে সেইভাবে সমন প্রেরণের ব্যবস্থা করবেন।
(১এ) যদি আদালত উপবিধি (১) অনুযায়ী সমন প্রেরণের জন্য সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়ার নির্দেশ দেন, তবে সেই সংবাদপত্রটি দৈনিক হতে হবে এবং ওই এলাকার মধ্যে যার মধ্যে বিবাদী শেষবার বসবাস করতেন বা ব্যবসা পরিচালনা করেছিলেন, সেই এলাকাতে প্রচারিত হতে হবে।
- বিকল্প বা পরিবর্তিত জারির প্রভাব:
(২) আদালতের আদেশে করা বিকল্প বা পরিবর্তিত জারি, বিবাদীর ব্যক্তিগত জারির মতোই কার্যকর হবে।
- যেখানে বিকল্প বা পরিবর্তিত জারির করা হয়েছে, সেসময় উপস্থিতির জন্য সময় নির্ধারণ:
(৩) যদি আদালত বিকল্প বা পরিবর্তিত জারির আদেশ দেয়, তাহলে আদালত বিবাদীর উপস্থিতির জন্য প্রয়োজনীয় সময় নির্ধারণ করবে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 5 Rule 20: Substituted service-
(1) Where the Court is satisfied that there is reason to believe that the defendant is keeping out of the way for the purpose of avoiding service, or that for any other reason the summons cannot be served in the ordinary way, the Court shall order the summons to be served by affixing a copy thereof in some conspicuous place in the Court-house, and also upon some conspicuous part of the house (if any) in which the defendant is known to have last resided or carried on business or personally worked for gain, or in such other manner as the Court thinks fit.
(1A) Where the Court under sub-rule (1) pass an order to service the summons by an advertisement in a newspaper, the newspaper shall be a daily newspaper which has circulation in the locality in which the defendant is last known to have actually and voluntarily resided, carried on business or personally worked for gain.
Effect of substituted service-
(2) Service substituted by order of the Court shall be as effectual as if it had been made on the defendant personally.
Where service substituted, time for appearance to be fixed-
(3) Where service is substituted by order of the Court, the Court shall fix such time for the appearance of the defendant as the case may require.
২,৪৩৩.
একজন অ্যাডভোকেট নিম্নলিখিত কোন পরিস্থিতিতে মামলা পরিচালনা করতে পারবেন না?
  1. তিনি আগের শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন না
  2. তিনি আদালতে অন্যান্য মামলা পরিচালনা করেন
  3. তিনি আগে উক্ত বিষয়ে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন
  4. তিনি আগে প্রতিপক্ষের অ্যাডভোকেট হিসেবে কাজ করে ছিলেন না
সঠিক উত্তর:
তিনি আগে উক্ত বিষয়ে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনি আগে উক্ত বিষয়ে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ক্যাননস অব প্রফেশনাল কন্ডাক্ট অ্যান্ড এটিকেট, ১৯৬৯ এর অধ্যায় IV, বিধি ৭ অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেট কোনো মামলা পরিচালনা করতে পারবেন না যদি তিনি আগে উক্ত বিষয়ে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন। এর কারণ হলো, বিচারকের দায়িত্ব পালনের সময় তিনি যে তথ্য ও গোপনীয়তা পেয়েছেন, তা তার পক্ষে পরবর্তীতে অ্যাডভোকেট হিসেবে কাজ করার সময় পক্ষপাতিত্ব বা নৈতিক দ্বন্দ্ব তৈরি করতে পারে। এই নীতিটি অ্যাডভোকেটের পেশাগত নৈতিকতা ও স্বচ্ছতা রক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অতএব, সঠিক উত্তর হলো গ) তিনি আগে উক্ত বিষয়ে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

- 7. An Advocate should not accept employment as an Advocate in any matter upon the merits of which he has previously acted in a judicial capacity.
An Advocate having once held public office or having been in the public employ, should not, after his retirement accept employment in connection with any matter which he has investigated or dealt with while in such office, nor employment except in support thereof.
২,৪৩৪.
দণ্ডবিধি অনুসারে কোন ক্ষেত্রে নির্জন কারাবাস (solitary confinement) প্রদান করা যায়?
  1. অর্থদণ্ড এর ক্ষেত্রে
  2. বিনাশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে
  3. সশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে
  4. অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
সশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ শুধুমাত্র সশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে নির্জন কারাবাস দেয়া হয়। নির্জন কারাবাস সর্বমোট ৩ মাসের বেশি হবে না।

- দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।
২,৪৩৫.
If the judgment is to be pronounced on a future day, what must the court ensure according to Order 20 Rule 1?
  1. That all parties are present
  2. That the hearing is re-opened
  3. That notice is given to the parties or their pleaders
  4. That the judgment is written beforehand
সঠিক উত্তর:
That notice is given to the parties or their pleaders
উত্তর
সঠিক উত্তর:
That notice is given to the parties or their pleaders
ব্যাখ্যা
• আদেশ ২০ বিধি ১-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

Order 20 Rule 1: Judgment when pronounced-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, [not beyond seven days,] of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.
২,৪৩৬.
একতরফা নিষ্পত্তিকৃত আপিল সরাসরি পুনঃশুনানির জন্য সর্বোচ্চ কত টাকা খরচা জমা দিতে হয়?
  1. ১০০০
  2. ২০০০
  3. ৩০০০
  4. ৬০০০
সঠিক উত্তর:
৩০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২১ক এর বিধান: সরাসরি আপিল পুনঃশুনানি:
প্রতিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অ্যাফিডেভিটসহ পুনঃশুনানির জন্য আবেদন করলে আদালত সরাসরি পুনঃশুনানির আবেদন গ্রহণ করতে পারেন।
- তবে এক্ষেত্রে আদালত প্রতিবাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা পরিশোধের আদেশ দিতে পারেন।
------------------
CPC Order-41 Rule-21A. Direct re-hearing of appeal:
(1) Notwithstanding anything contained in rule 21 or any other law, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, directly re-hear an appeal which is heard ex parte, without requiring the respondent to adduce evidence to satisfy it about sufficient causes as required under rule 21, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand taka as it may deem appropriate and determine:

Provided that an appeal under this rule shall not be reheard unless an application, supported by affidavit, praying for such re-hearing is made to the Court within thirty days of the date on which the ex parte decree is passed against the respondent:

Provided further that no appeal shall be re-heard more than once under this rule. (2) As soon as an order under sub-rule (1) is made to rehear an appeal, the Court shall cause notice thereof to be served at the cost of the respondent upon the appellant.
২,৪৩৭.
The principle of “protection against double jeopardy” is provided under which section of the Criminal Procedure Code?
  1. Section 401
  2. Section 403
  3. Section 405
  4. Section 412
সঠিক উত্তর:
Section 403
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 403
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Code of Criminal Procedure, 1898)-এর ধারা ৪০৩ (Section 403)-এ “protection against double jeopardy” নীতি প্রদান করা হয়েছে। এই ধারার শিরোনাম হলো: “Person once convicted or acquitted not to be tried for same offence”।
- এতে বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তিকে যদি একটি সক্ষম এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত (Court of competent jurisdiction) দ্বারা একই অপরাধের জন্য বিচার করে দোষী সাব্যস্ত (convicted) বা খালাস (acquitted) করা হয়, তাহলে সেই দোষী সাব্যস্তি বা খালাস বলবৎ থাকাকালীন তাকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বিচার করা যাবে না। এটি nemo debet bis vexari (কোনো ব্যক্তিকে একই কারণে দু'বার দণ্ড দেওয়া যাবে না) নীতির উপর ভিত্তি করে গঠিত।

এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-
১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এক্তিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-
১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয় বা
৩. কোনো আসামিকে অব্যাহতি দেয়া হলে,

- যেহেতু উপরে উল্লেখিত অব্যাহতি বা মুক্তি ৪০৩ ধারার অধীন খালাস বলে গণ্য হবে না, তাই উক্ত ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার দোবারা সাজা বা jeopardy নীতি প্রযোজ্য হবে না।
-অব্যাহতি বা মুক্তির আদেশের বিরুদ্ধে ৪০৩ ধারা প্রযোজ্য না।
-অর্থাৎ কোন ব্যক্তিকে অভিযোগ হতে অব্যাহতি বা মুক্তি দেওয়া হলে তাকে পুনরায় বিচারের সম্মুখীন করা যাবে এবং এই ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার double Jeopardy নীতি বাধা হবে না।
-----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-403.Person once convicted or acquitted not to be tried for same offence:
(1) A person who has once been tried by a Court of competent jurisdiction for an offence and convicted or acquitted of such offence shall, while such conviction or acquittal remains in force, not be liable to be tried again for the same offence, nor on the same facts for any other offence for which a different charge from the one made against him might have been made under section 236, or for which he might have been convicted under section 237. 
(2) A person acquitted or convicted of any offence may be afterwards tried for any distinct offence for which a separate charge might have been made against him on the former trial under section 235, sub-section (1). 
(3) A person convicted of any offence constituted by any act causing consequences which, together with such act, constituted a different offence from that of which he was convicted, may be afterwards tried for such last-mentioned offence, if the consequences had not happened, or were not known to the Court to have happened, at the time when he was convicted. 
(4) A person acquitted or convicted of any offence constituted by any acts may, notwithstanding such acquittal or conviction, be subsequently charged with, and tried for, any other offence constituted by the same acts which he may have committed if the Court by which he was first tried was not competent to try the offence with which he is subsequently charged. 
(5) Nothing in this section shall affect the provisions of section 26 of the General Clauses Act, 1897, or section 188 of this Code. 
Explanation- The dismissal of a complaint, the stopping of proceedings under section 249, or the discharge of the accused is not an acquittal for the purposes of this section.

২,৪৩৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারায় বলা হয়েছে যে, একজন ব্যক্তি সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করতে পারে। এটি কোন পদ্ধতির মাধ্যমে করতে হবে?
  1. মৌখিক আবেদন দ্বারা
  2. প্রশাসনিক পদ্ধতির মাধ্যমে
  3. দেওয়ানি কার্যবিধির মাধ্যমে
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ১০ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য দেওয়ানি মামলা দায়ের করতে পারেন। এই মামলা দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ অনুসারে দায়ের করতে হয়, যা একটি দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো—গ) দেওয়ানি কার্যবিধির মাধ্যমে।

⇒সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারার বিধান: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার: 
- সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
ব্যখ্যা-১: এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
ব্যাখ্যা-২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-10.Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed bythe Code of Civil Procedure.
Explanation 1- A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2- A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.

২,৪৩৯.
কোন বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির ক্রোক রোধ করার উদ্দেশ্যে কোন প্রতারণামূলক ভাবে দাবি করলে তার শাস্তির বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায় প্রদান করা হয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ২০৫ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ২০৬ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ২০৭ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ২০৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২০৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২০৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২০৭ ধারার বিধান বাজেয়াপ্তরূপে বা ডিক্রি জারির মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তগত করার ব্যাপারে বাধাদানের নিমিত্ত প্রতারণামূলক ভাবে উক্ত সম্পত্তি দাবি করা:- কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচারালয় বা অন্য কোন যথাযোগ্য কর্তৃপক্ষ দ্বারা ঘোষিত হয়েছে বা ঘোষিত হওয়ার আশঙ্কা আছে বলে সে জানে, এমন কোন দণ্ডাজ্ঞাধীনে কোন সম্পত্তি বা উহাতে নিহিত কোন স্বার্থ কোন বাজেয়াপ্তরূপে বা অর্থদণ্ড পরিশোধরূপে বা কোন দেওয়ানী মামলায় কোন বিচারালয় দ্বারা প্রদান করা হয়েছে বা প্রদান করার আশঙ্কা আছে বলে সে জানে, এইরূপ কোন ডিক্রি বা আদেশ কার্যকরী করার ব্যাপারে বাধাদান করার উদ্দেশ্যে এইরূপ কোন সম্পত্তি বা উহাতে কোন স্বার্থ প্রতারণামূলক ভাবে গ্রহণ করে, হস্তগত করে বা দাবী করে কিংবা কোন সম্পত্তি বা উহাতে নিহিত কোন স্বার্থের অধিকার সম্পর্কে কোন প্রকার প্রতারণা করে, উক্ত সম্পত্তি বা উহাতে নিহিত কোন স্বার্থে তার কোন অধিকার নাই বলে সে জানে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

----------------
♦ Fraudulent claim to property to prevent its seizure as forfeited or in execution:
Section 207. Whoever fraudulently accepts, receives or claims any property or any interest therein, knowing that he has no right or rightful claim to such property or interest, or practices any deception touching any right to any property or any interest therein, intending thereby to prevent that property or interest therein from being taken as a forfeiture or in satisfaction of a fine, under a sentence which has been pronounced, or which he knows to be likely to be pronounced by a Court of Justice or other competent authority, or from being taken in execution of a decree or order which has been made, or which he knows to be likely to be made by a Court of Justice in a civil suit, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
২,৪৪০.
পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কিনা- তা ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের কোন কলামে উল্লেখ থাকে?
  1. ৩য় কলাম
  2. ৪র্থ কলাম
  3. ৫ম কলাম
  4. ৬ষ্ঠ কলাম
সঠিক উত্তর:
৩য় কলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য় কলাম
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য একটি সারণীর মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই সারণীতে মোট ৮টি কলাম রয়েছে।

১ম কলাম: উল্লেখ থাকে যে, দণ্ডবিধির (Penal Code) কোন ধারা অনুযায়ী অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে।

২য় কলাম: প্রদত্ত ধারার অধীনে অপরাধটির সংক্ষিপ্ত বিবরণ লেখা থাকে।

৩য় কলাম: নির্দেশ করা হয় পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কি না, অর্থাৎ অপরাধটি আমলযোগ্য (Cognizable) নাকি আমল-অযোগ্য (Non-cognizable)।

৪র্থ কলাম: প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে কি না, তা নির্ধারণ করা হয়।

৫ম কলাম: দেখানো হয় অপরাধটি জামিনযোগ্য (Bailable) নাকি জামিন-অযোগ্য (Non-bailable)।

৬ষ্ঠ কলাম: উল্লেখ থাকে অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কি না, অর্থাৎ ভুক্তভোগী চাইলে কি সেটি মিটমাট করতে পারবে।

৭ম কলাম: প্রদত্ত ধারায় নির্ধারিত শাস্তির পরিমাণ দেখানো হয়।

৮ম কলাম: বলা হয়, সেই অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার কোন আদালতের রয়েছে।

২,৪৪১.
‘C’ সম্পত্তি হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে তার বাবার উইলে তার নাম যোগ করে জাল করে। এটি দণ্ডবিধির অধীনে জালিয়াতি। দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪৬৭ অনুসারে, উইলের মতো মূল্যবান নিরাপত্তা (valuable security) বা উইলের জালিয়াতির ক্ষেত্রে শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড যা ১০ বছর পর্যন্ত হতে পারে, এবং জরিমানা।
- প্রশ্নে বর্ণিত ঘটনায় 'C' তার বাবার উইল (Will) জাল করেছে। দণ্ডবিধির ধারা ৪৬৭ অনুসারে, কোনো মূল্যবান নিরাপত্তা (Valuable Security) বা উইল জাল করা একটি গুরুতর অপরাধ। উইল একটি মূল্যবান নিরাপত্তা হিসেবে গণ্য হয়।
- ধারা ৪৬৭-এ উইল জালিয়াতির শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে নিম্নরূপ: "যে কেউ এমন কোনো দলিল জাল করে, যা কোনো মূল্যবান নিরাপত্তা বা উইল বলে প্রতীয়মান হয়, তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দণ্ডিত করা যাবে, অথবা যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে, যার মেয়াদ ১০ বছর পর্যন্ত হতে পারে, এবং এছাড়াও তাকে জরিমানাও করা যাবে।"
সুতরাং, এই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860-Section-467. Forgery of valuable security, will, etc.
Whoever forges a document which purports to be a valuable security or a will, or an authority to adopt a son, or which purports to give authority to any person to make or transfer any valuable security, or to receive the principal, interest or dividends thereon, or to receive or deliver any money, moveable property, or valuable security, or any document purporting to be an acquaintance or receipt acknowledging the payment of money, or an acquaintance or receipt for the delivery of any moveable property or valuable security, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

২,৪৪২.
কোনো মামলার তামাদি মেয়াদ অতিক্রমের বিষয়টি যদি বিবাদী উল্লেখ না করে, তবুও আদালত-
  1. মামলা চলতে দেবে
  2. সময় বাড়িয়ে দেবে
  3. বাদীকে নতুন আবেদন করতে বলবে
  4. নিজ উদ্যোগে মামলা খারিজ করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
নিজ উদ্যোগে মামলা খারিজ করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজ উদ্যোগে মামলা খারিজ করতে পারবে
ব্যাখ্যা

The Limitation Act, 1908 এর ধারা ৩ অনুযায়ী, যদি কোনো মামলা, আপিল বা আবেদন নির্ধারিত সীমা-সময়ের (period of limitation) পরে দায়ের করা হয়, তবে আদালত তা নিজে থেকেই (suo motu) খারিজ করবে — এমনকি বিবাদী (defendant) সীমা-সময় অতিক্রমের বিষয়টি প্রতিরক্ষা (defence) হিসেবে না তুললেও।

The Limitation Act, 1908 এর ধারা ৩ – নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হলে মামলা ইত্যাদি খারিজ:

ধারা ৪ থেকে ২৫ পর্যন্ত বিধানের অধীন, যে কোনো মামলা, আপিল বা আবেদন যদি প্রথম তফসিলে নির্ধারিত তামাদি-সময়ের (period of limitation) পর দায়ের করা হয়, তবে তা খারিজ (dismiss) করা হবে, যদিও বিবাদী (defendant) তামাদি অতিক্রমের বিষয়টি প্রতিরক্ষা (defence) হিসেবে উল্লেখ না করে থাকে।

ব্যাখ্যা (Explanation):
সাধারণ ক্ষেত্রে (ordinary cases):
মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে যখন বাদী (plaintiff) যথাযথ কর্মকর্তার (proper officer) নিকট আরজি/আবেদন (plaint/petition) দাখিল করেন।

দরিদ্র ব্যক্তি (pauper)-এর ক্ষেত্রে:
যখন তিনি দরিদ্র ব্যক্তি হিসেবে মামলা করার অনুমতির জন্য আবেদন করেন, তখন মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

যে কোম্পানি আদালতের মাধ্যমে লিকুইডেশন (winding up) প্রক্রিয়ায় আছে, তার বিরুদ্ধে দাবি করলে:
তখন মামলা দায়ের হয়েছে বলে গণ্য হবে যখন দাবিদার প্রথমবার তার দাবি (claim) অফিসিয়াল লিকুইডেটর (official liquidator)-এর নিকট পেশ করেন।

২,৪৪৩.
নিম্নের কোনটি পাবলিক দলিল (Public Document)?
  1. চিঠি
  2. কবলা
  3. রায়
  4. উইল
সঠিক উত্তর:
রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং
২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document).

• ধারা-৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে। অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।

সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারা মতে নিম্নলিখিত দলিল গুলি সরকারী দলিলঃ
(১) যে সমস্ত দলিল (ক) কোন সাবভৌম কর্তৃপক্ষের, (খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং (গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের কোন অংশের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যাক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারায় সরকারি দলিলের কোনো তালিকা না দিয়ে এর বৈশিষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে। আদালতের ডিক্রি, আদেশ, আরজি তা যখন আদালতে দাখিল করা হয় এবং সমনের আসল এগুলো সবই আদালতের কার্যক্রমের অংশ। সুতরাং তা সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হবে।

• ধারা-৭৫: বেসরকারি দলিল (Private document)-
সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল । কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.
২,৪৪৪.
চুরির অপরাধে বিচার চলাকালে তিন মাস জেলহাজতে থাকার পর "X" জামিন পায়। বিচারের পর "X" এর ছয় মাসের কারাদণ্ড হয়। এক্ষেত্রে 'X' কত দিন সাজা ভোগ করবে?
  1. ৬ মাস ভোগ করতে হবে
  2. ৩ মাস ভোগ করতে হবে
  3. আদালতের বিবেচনায় যত দিনের সাজার রায় দেন
  4. জামিন পেয়েছে এই জন্য কোন কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে না
সঠিক উত্তর:
৩ মাস ভোগ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস ভোগ করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কিভাবে দন্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
- ধারা-৩৫ক (১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দন্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
 তবে এই বিধানটি আসামী মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদন্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- ধারা-৩৫ক (২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদন্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদন্ড থাকলে সেই অর্থদন্ডও মওকুফ হয়ে যাথা

- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(১) ধারা অনুযায়ী, যেহেতু 'X'  তিন মাস ইতোমধ্যে জেল হাজতে ছিল, তাই তার মোট শাস্তি ৬ মাস থেকে ৩ মাস বাদ দিয়ে বাকি ৩ মাস তাকে কারাগারে থাকতে হবে।
২,৪৪৫.
প্রথম তফসিলের প্রথম বিভাগ (First Division) কোন বিষয়ের তামাদির মেয়াদ নির্ধারণ করে?
  1. আপীল
  2. দরখাস্ত
  3. পিটিশন
  4. মোকদ্দমা
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিল মোট ৩টি বিভাগে বিভক্ত। এই তিনটি বিভাগ অনুযায়ী, তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের বিধানগুলি মোকদ্দমা (Suit), আপীল (Appeal), এবং দরখাস্ত (Application/Petition) সংক্রান্ত।
অর্থাৎ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের মোট ৩টি বিভাগ রয়েছে, যেগুলি হল: ১) মোকদ্দমা দায়েরের তামাদি ২) আপীল দায়েরের তামাদি ৩) দরখাস্ত দায়েরের তামাদি।

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ৩টি বিভাগ:
১) প্রথম বিভাগ (First Division):
→ মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Suits)
- এই বিভাগের অধীনে ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত বিভিন্ন মামলার তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
২) দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division):
→ আপীল দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Appeals)
- এই বিভাগের অধীনে ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত বিভিন্ন আপীলের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
৩)  তৃতীয় বিভাগ (Third Division):
→ বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Applications and Petitions)
- এই বিভাগের অধীনে ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত বিভিন্ন দরখাস্ত বা পিটিশনের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

২,৪৪৬.
What happens if a person who would be liable as an abettor is present when the offence is committed?
  1. The person is considered an innocent bystander
  2. The person can only be charged with assisting the crime
  3. The person is deemed to have committed the offence
  4. The person cannot be punished since they did not directly commit the offence
সঠিক উত্তর:
The person is deemed to have committed the offence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The person is deemed to have committed the offence
ব্যাখ্যা
Section 114- Abettor present when offence is committed:
Whenever any person, who if absent would be liable to be punished as an abettor, is present when the act or offence for which he would be punishable in consequence of the abetment is committed, he shall be deemed to have committed such act or offence.

ধারা ১১৪: অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত প্ররোচনাকারী:
যখন কোনো ব্যক্তি, যে অনুপস্থিত থাকলে প্ররোচনাকারী হিসেবে শাস্তি পাওয়ার যোগ্য হতো, সেই ব্যক্তি যদি সেই কাজ বা অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত থাকে, যার জন্য সে প্ররোচনার কারণে শাস্তিযোগ্য হতো, তখন তাকে সেই কাজ বা অপরাধ সংঘটিত করেছে বলে গণ্য করা হবে।
২,৪৪৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় প্রত্যর্পণ দরখাস্ত (Application for restitution) এর বিধান আছে?
  1. ১৪০
  2. ১৪৩
  3. ১৪৪
  4. ১৪৫
সঠিক উত্তর:
১৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৪ ধারার বিধান: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত: 
(১) যে ক্ষেত্রে কোন - ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা - করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।
-----------------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section: 144. Application for restitution.
(1) Where and in so far as a decree is varied or reversed, the Court of first instance shall, on the application of any party entitled to any benefit by way of restitution or otherwise, cause such restitution to be made as will, so far as may be, place the parties in the position which they would have occupied but for such decree or such part thereof as has been varied or reversed; and, for this purpose, the Court may make any orders, including orders for the refund of costs and for the payment of interest, damages, compensation and mesne profits, which are properly consequential on such variation or reversal. 
(2) No suit shall be instituted for the purpose of obtaining any restitution or other relief which could be obtained by application under sub-section (1).
২,৪৪৮.
রফিক একজন পুলিশ অফিসার। কোন জায়গায় অপহৃত দ্রব্য লুকিয়ে রাখার তথ্য প্রদানে বাধ্য করার জন্য সে সোহেলকে পীড়ন করে। এখানে রফিক দণ্ডবিধির কত ধারায় অপরাধ করেছে?
  1. ৩৩০ ধারা
  2. ৩২৯ ধারা
  3. ৩৩২ ধারা
  4. ৩২৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৩০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩০ ধারা
ব্যাখ্যা
• ৩৩০ ধারা মতে জোরপূর্বক দোষ স্বীকারোক্তি আদায় করা অথবা কোন সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানত প্রত্যর্পণ বা প্রত্যর্পণের ব্যাপারে সহায়ক তথ্য সরবরাহ করার জন্য শারীরিক নিপীড়ন বা আঘাতের শাস্তির বিধান রয়েছে।
২,৪৪৯.
"সরল বিশ্বাসে কৃত যোগাযোগের ফলে কোন প্রকার ক্ষতি হলে তা অপরাধ হবে না" এটি দণ্ডবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ৯৩
  2. ৯৫
  3. ৯৬
  4. ৯২
সঠিক উত্তর:
৯৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৩
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার বিধান সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুন অপরাধ হবে না।

- উদাহরণ:
ক একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। কএর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রোগীটির মৃত্যু ঘটতে পারে।
------------------------------------
⇒ Section 93.-Communication made in good faith:
 No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person.

Illustration:
A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.
২,৪৫০.
সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় Test Identification Parade (টি.আই.পি.) ব্যবহার করা হয় কখন?
  1. আসামীকে মুক্তি দেওয়ার জন্য
  2. মামলার প্রমাণ জমা দেওয়ার জন্য
  3. সাক্ষী দ্বারা আসামী চিহ্নিত করার জন্য
  4. সাক্ষীকে অপরাধী হিসেবে শনাক্ত করার জন্য
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী দ্বারা আসামী চিহ্নিত করার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী দ্বারা আসামী চিহ্নিত করার জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় Test Identification Parade (টি.আই.পি.) ব্যবহৃত হয় যাতে সাক্ষী আসামীকে চিহ্নিত করতে পারে এবং ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট অপরাধী বা সম্পত্তি সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade-কে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার বিধান: প্রাসঙ্গিক ঘটনার ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ঘটনা (Facts necessary to explain or introduce relevant facts):
- যে সমস্ত বিষয় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ইঙ্গিতবহ অনুমানকে সমর্থন বা অপ্রমাণ করে, অথবা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে ব্যাখ্যা করে বা পরিচয় করায়, অথবা কোন ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাসঙ্গিক পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে, অথবা বিচার্য প্রাসঙ্গিক বিষয়টি ঘটার সময় ও স্থান নির্দেশ করে, অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় ঘটনাকারী ব্যক্তির সম্পর্কে আলোকপাত করে, সেই সময় বিষয়ের যতখানি সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজন ততখানি প্রাসঙ্গিক।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় Test Identification Parade (শনাক্তকরণ প্যারেড) এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে করে এই পদ্ধতির মাধ্যমে সাক্ষী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত -
১. কোন সম্পত্তি সনাক্ত করতে সক্ষম হয় বা,
২. কোন ব্যক্তি যেমন আসামীকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।
⇒ প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করার জন্য যে সকল ঘটনা আবশ্যক সেগুলো প্রাসঙ্গিক। এ মূল ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বা ঐ ঘটনা, তার স্থান, কাল ব্যাখ্যা করতে পারে এমন ঘটনাকে ৯ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।
২,৪৫১.
If an innocent person is convicted and executed as a result of false evidence, the highest punishment for giving or fabricating such false evidence is-
  1. Death
  2. Imprisonment for life only
  3. Rigorous imprisonment up to 10 years only
  4. Rigorous imprisonment up to 7 years only
সঠিক উত্তর:
Death
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Death
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারা মতে, মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-
(i) কোন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদণ্ড না হলে বা আসামি খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে

⇒ The Penal Code, 1860-Section 194: Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of capital offence; if innocent person be thereby convicted and executed:

- Whoever gives or fabricates false evidence, intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which is capital by any law for the time being in force, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine;
and if an innocent person be convicted and executed in consequence of such false evidence, the person who gives such false evidence shall be punished either with death or the punishment herein before described.

২,৪৫২.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর কোথায় অ্যাডভোকেটগণের শপথ গ্রহণ করার বিধান আছে?
  1. বিধি-৬০ক
  2. বিধি-৬০গ
  3. বিধি-৬১(২)
  4. বিধি-৬২(২)
সঠিক উত্তর:
বিধি-৬২(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-৬২(২)
ব্যাখ্যা
অ্যাডভোকেটের শপথ:
- অ্যাডভোকেটগণ আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকেন। সামাজিক সুবিচার এবং জনগণের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় তাদের ভূমিকা অসামান্য। সংবিধান ব্যাখ্যা এবং সংবিধান সুরক্ষার দায়িত্বও তাদের উপর বর্তায়। সংবিধানের প্রাধান্য রক্ষা করা অন্যান্যদের মত অ্যাডভোকেটগণের রয়েছে। অ্যাডভোকেটগণ যাতে সংবিধান মেনে চলেন এবং বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত শিষ্টাচার সংক্রান্ত বিধি বিধান মেনে চলেন সে জন্য ১৯৯৯ সনের ৩রা জুন তারিখে প্রকাশিত গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৬২(২) বিধি প্রতিস্থাপন করে উহাতে নিম্ন লিখিত শপথ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বার কাউন্সিলে অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির পর সনদ গ্রহণের প্রাক্কালে অ্যাডভোকেটগণ ঐ শপথ গ্রহণ করে থাকেন।
-------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Rules, 1972-Rule-62(2) The certificate of enrolment shall then be issued to the advocate on his application to the Bar Council through the Bar Association after his admission as a member thereof in such manner and on fulfillment of such conditions as may be decided by the Bar Council upon taking such oath as prescribed.
২,৪৫৩.
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ ধারা ২২(৬) অনুযায়ী, আদালতের মধ্যস্থতার আদেশের কত দিনের মধ্যে পক্ষগণকে মধ্যস্থতাকারীর নাম আদালতকে জানাতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর ধারা ২২(৬) অনুসারে, উপ-ধারা (১)-এর অধীনে মধ্যস্থতার আদেশের ১০ (দশ) দিবসের মধ্যে পক্ষগণকে লিখিতভাবে মধ্যস্থতাকারীর নাম আদালতকে অবহিত করতে হবে। যদি এই সময়ের মধ্যে পক্ষগণ মধ্যস্থতাকারী নিযুক্ত করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত নিজে একজন মধ্যস্থতাকারী নিযুক্ত করবে।

২,৪৫৪.
১১৮ ধারার অধীনে, প্রশ্ন বুঝতে এবং যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে সক্ষম ব্যক্তির কোন অবস্থা সাক্ষ্য প্রদানে বাধা সৃষ্টি করবে না?
  1. বয়স
  2. দৈহিক ব্যাধি
  3. মানসিক ব্যাধি
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতি বৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।

ব্যাখ্যা- কোন বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি যদি তাহার মস্তিষ্ক বিকৃতির জন্য তাহাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা উহার যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম না হয়, তবে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হইবে না।

Section 118- Who may testify:
All persons shall be competent to testify unless the Court considers that they are prevented from understanding the questions put to them, or from giving rational answers to those questions, by tender years, extreme old age, disease, whether of body or mind, or any other cause of the same kind. 

Explanation- A lunatic is not incompetent to testify, unless he is prevented by his lunacy from understanding the questions put to him and giving rational answers to them.
২,৪৫৫.
আদেশ ৩৩ বিধি-৪ এর অধীন আদালত কমিশন দ্বারা কার জবানবন্দি গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. প্রতিনিধির
  2. আবেদনকারীর
  3. প্রতিপক্ষের
  4. আবেদনকারীর সাক্ষীর
সঠিক উত্তর:
আবেদনকারীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবেদনকারীর
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৩ বিধি-৪: আবেদনকারীর জবানবন্দি গ্রহণ:
১) যেক্ষেত্রে আবেদনপত্র সঠিকভাবে এবং যথারীতি উপস্থাপন করা হয়েছে সেক্ষেত্রে আদালত উপযুক্ত মনে করলে আবেদনকারীর বা প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদনকারীকে হাজিরার অনুমতি দেয়া হলে, তার প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদনকারীকে হাজিরার অনুমতি দেয়া হলে, তার প্রতিনিধির দাবীর গুণগত বৈশিষ্ট্যের গুণাগুণ এবং আবেদনকারীর সম্পত্তি সম্পর্কে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে।

২) প্রতিনিধি কর্তৃক উপস্থাপন করা হলে আদালত কমিশন দ্বারা আবেদনকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে আদেশ দিতে পারেঃ যেক্ষেত্রে আবেদনপত্র প্রতিনিধি দ্বারা উপস্থাপিত হয় সেক্ষেত্রে আদালত, যদি সঙ্গত মনে করেন, তবে অনুপস্থিত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের মতই কমিশন কর্তৃক আবেদনকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করার নির্দেশ দিতে পারে।
২,৪৫৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২৪ ক(২) ধারার অধীনে আবেদন ব্যতীত মোকদ্দমা স্থানান্তরিত হলে, পূর্ব নির্ধারিত দিনে পক্ষদ্বয় কোথায় উপস্থিত হবে?
  1. জেলা জজ আদালতে
  2. যে আদালত থেকে কার্যক্রম স্থানান্তরিত হয়েছে
  3. যে আদালত পক্ষদ্বয়ের বাসস্থান থেকে নিকটে
  4. যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর হয়েছে
সঠিক উত্তর:
যে আদালত থেকে কার্যক্রম স্থানান্তরিত হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালত থেকে কার্যক্রম স্থানান্তরিত হয়েছে
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৪(ক)-
১) দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ ধারার অধীনে কোন মোকদ্দমা স্থানান্তরিত হলে বা পক্ষদের আবেদনে ২৪(১) ধারার অধীনে মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর বা প্রত্যাহার আদেশদানকারী আদালত নিজেই বিচার করতে ইচ্ছা করলে পক্ষদের এর সম্মুখে হাজির হওয়ার জন্য দিন নির্ধারণ করবে, বা যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর হয়েছে সে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন।

২) আবেদন ব্যতীত মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর হলে পূর্ব নির্ধারিত দিনে স্থানান্তর আদেশ প্রদানকারী আদালতে উপস্থিত হবে। উক্ত আদালত তখন পক্ষসমূহের স্থানান্তর বিষয়ে অবহিত করাবেন এবং পক্ষগণকে নির্ধারিত ধার্যকৃত তারিখে অথবা সুবিধা অনুসারে নিকটতম মোকদ্দমা স্থানান্তরিত আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিবেন।

Section 24A: Appearance of parties on transfer of suit, etc.-
(1) Where any suit is transferred under section 22, or any suit, appeal or other proceeding is transferred or withdrawn under sub-section (1) of section 24 on the application of a party, the Court ordering the transfer or withdrawal shall fix a date for the appearance of the parties before itself, if the suit, appeal or other proceeding is to be tried or disposed of by itself, or before the Court to which the case is so transferred.

(2) Where any suit, appeal or other proceeding is transferred from one Court to another, otherwise than on the application of a party, the parties thereto shall appear before the Court from which the suit, appeal or other proceedings is to be transferred, on the day already fixed for their appearance before that Court, and such Court shall then communicate the order of transfer to such parties and direct them to appear before the Court to which the suit, appeal or other proceeding is to be transferred, either on the same day, or on such earliest day as may be reasonable having regard to the distance at which the other Court is located.

২,৪৫৭.
'No new trial for improper admission or rejection of evidence' -The Evidence Act, 1872 এর এই বিধান প্রযোজ্য ________।
  1. কেবল দেওয়ানী কার্যধারায়
  2. প্রশাসনিক কার্যধারায়
  3. কেবল ফৌজদারী কার্যধারায়
  4. সকল বৈচারিক কার্যধারায়
সঠিক উত্তর:
সকল বৈচারিক কার্যধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকল বৈচারিক কার্যধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা-১৬৭: অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের কারণে নতুন করে বিচার হবে না (No new trial for improper admission or rejection of evidence)- সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারায় আদালত কর্তৃক অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য ।

ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৩৭ ধারা ও দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৯ ধারায় এরূপ বিধান আছে।
২,৪৫৮.
According to Section 78 of The Code of Civil Procedure, 1908, what is the purpose of the commissions issued by foreign courts?
  1. To collect fines or fees
  2. To handle property disputes
  3. To enforce foreign court judgments
  4. To examine the witnesses
সঠিক উত্তর:
To examine the witnesses
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To examine the witnesses
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৮ ধারার বিধান: বিদেশি আদালত কর্তৃক প্রেরিত কমিশন-
নির্ধারিত এরূপ শর্তাবলি ও সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে, সাক্ষীদের পরীক্ষার নিমিত্তে কমিশন নির্বাহ এবং ফেরত সম্পর্কীয় বিধান নিম্নবর্ণিত আদালত কর্তৃক বা তার অনুরোধে নিযুক্ত কমিশনের ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হবে-
ক) বাংলাদেশ বহির্ভূত স্থানে অবস্থিত এবং সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কিংবা পরিচালিত আদালতসমূহ; বা
গ) বাংলাদেশ বহির্ভূত যে কোন রাজ্য বা দেশের কোন আদালত।

Section 78- Commissions issued by foreign Courts:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the provisions as to the execution and return of commissions for the examination of witnesses shall apply to commissions issued by or at the instance of-
(a) Courts situate beyond the limits of Bangladesh and established or continued by the authority of Government, or
(c) Courts of any State or country outside Bangladesh
২,৪৫৯.
প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা ________ হবে না।
  1. অত্যধিক
  2. কম
  3. ১০ হাজার টাকার বেশি
  4. অভিযুক্তের আর্থিক সক্ষমতার অধিক
সঠিক উত্তর:
অত্যধিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অত্যধিক
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৮- জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা

এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
২,৪৬০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৬১ অনুযায়ী, স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যবহৃত কোনো লেখা প্রতিপক্ষকে কখন দেখাতে হবে?
  1. কেবল আদালতের নির্দেশে
  2. প্রতিপক্ষ পক্ষ চাইলে
  3. যদি তা সরকারী দলিল হয়
  4. উল্লিখিত কোন ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
প্রতিপক্ষ পক্ষ চাইলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিপক্ষ পক্ষ চাইলে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৬১: স্মৃতি পুনরুজ্জীবিতের জন্য ব্যবহৃত লেখার বিষয়ে প্রতিপক্ষের অধিকার-
যে লেখাগুলোর উল্লেখ পূর্ববর্তী দুই ধারার অধীনে করা হয়েছে (অর্থাৎ ধারা ১৫৯ ও ১৬০), তা যদি কোনো সাক্ষী স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যবহার করেন, তাহলে প্রতিপক্ষ পক্ষ (adverse party) চাইলে সেই লেখা উত্থাপন ও প্রদর্শন করতে হবে। প্রতিপক্ষ চাইলে উক্ত লেখার বিষয়ে সাক্ষীকে জেরা (cross-examine) করতে পারবে।

Right of adverse party as to writing used to refresh memory-
Any writing referred to under the provisions of the two last preceding sections must be produced and shown to the adverse party if he requires it: such party may, if he pleases, cross-examine the witness thereupon.
২,৪৬১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ _________ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারেন।
  1. ১০
  2. ১৪
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাধারণ ক্ষমতাবলে সর্বোচ্চ ৫ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে। তবে ২৯গ  ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে ৩৩ক ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৭ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে।

• ৩৩ক ধারা-
২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

Section 33A: Higher powers of certain Magistrates
The Court of a Magistrate, specially empowered under section 29C, may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation or imprisonment for a term exceeding seven years.
২,৪৬২.
সাক্ষীকে বিরক্তকর প্রশ্ন করা হতে কে নিষেধ করতে পারে?
  1. সাক্ষী নিজেই
  2. আইনজীবী
  3. আদালত
  4. উল্লিখিত সবাই
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৫২ ধারা অনুসারে,
যে প্রশ্নটি আদালত মনে করে অপমানজনক বা বিরক্তিকর হতে পারে, অথবা যদিও প্রশ্নটি স্বাভাবিক হতে পারে, তবে আদালত মনে করে যে প্রশ্নটি প্রকারে অবান্তরভাবে আক্রমণাত্মক, তা আদালত নিষিদ্ধ করবে।

Section 152- Questions intended to insult or annoy:
The Court shall forbid any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which, though proper in itself, appears to the Court needlessly offensive in form.
২,৪৬৩.
আদেশ ৩৮ বিধি-১ এর অধীন আদালত কার থেকে হাজিরার জন্য জামানত তলব করতে পারে?
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. নিলামে ক্রয়কৃত সম্পত্তির ক্রেতা
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি-১: যেক্ষেত্রে বিবাদিকে হাজিরার জন্য জামানত তলব করা যেতে পারে:

যেক্ষেত্রে ১৬ ধারার (ক) হতে (ঘ) দফা পর্যন্ত উল্লেখিত প্রকৃতির মোকদ্দমা ব্যতীত অন্য মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে শপথনামা দ্বারা বা অন্য কোনভাবে আদালত পরিতুষ্ট হয় যে-
ক) বিবাদি বাদিকে বিলম্বিত করার নিমিত্তে বা আদালতের কোন পরোয়ানা এড়ানোর লক্ষ্যে কিংবা তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত হতে পারে এরূপ কোন ডিক্রি জারি ব্যাহত বা বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে-
১. আত্মগোপন করেছে বা আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমা ত্যাগ করেছে; অথবা
২. আত্মগোপন করার বা আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমা ত্যাগ করতে উপক্রম করেছে; বা
৩. তার সম্পত্তি বা এর কোন অংশ হস্তান্তর করেছে বা আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমা হতে অপসারণ করেছে; অথবা

খ) বিবাদি বাংলাদেশ ত্যাগ করার প্রচেষ্টা করেছে, যে অবস্থায় উক্ত মোকদ্দমায় বিবাদির বিরুদ্ধে কোন ডিক্রি প্রদত্ত হলে, তা জারি করার বিষয়ে বাদি বাধাপ্রাপ্ত বা বিলম্বিত হওয়ার যুক্তিযুক্ত সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে; সেক্ষেত্রে আদালত বিবাদিকে গ্রেফতার করতে এবং তার হাজিরার জন্য কেন জামানত দেয়া হবে না তার কারণ দর্শাতে তাকে আদালতে উপস্থিতির জন্য পরোয়ানা দিতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদি যদি বাদির দাবী পরিতুষ্ট করিতে উপযুক্ত পরিমাণ টাকা অনুরূপ পরোয়ানা জারির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রদান করে, তবে বিবাদিকে গ্রেফতার করা হবে না; এবং মোকদ্দমা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বা আদালত পরবর্তী কোন আদেশ প্রদান না করা পর্যন্ত উক্ত টাকা এদালতে জমা থাকবে।
২,৪৬৪.
দণ্ডবিধির ১৬০ ধারা অনুসারে, মারামারির শাস্তির সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ - 
  1. এক সপ্তাহ
  2. এক মাস
  3. তিন মাস
  4. ছয় মাস
সঠিক উত্তর:
এক মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, মারামারি (Affray) সংঘটনকারী ব্যক্তিকে যেকোনো ধরনের (সশ্রম বা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডে এক মাস পর্যন্ত দণ্ডিত করা যাবে, অথবা একশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-159: Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒The Penal Code, 1860-Section-160: Punishment for committing affray:
Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.

২,৪৬৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন তফসিলে মামলা সংক্রান্ত ফরমসমূহ দেয়া আছে?
  1. ৩য় তফসিলে
  2. ১ম তফসিলে
  3. ৫ম তফসিলে
  4. ৪র্থ তফসিলে
সঠিক উত্তর:
৫ম তফসিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ম তফসিলে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে, যা নিম্নরূপ:

১ম তফসিল (First Schedule)- বাতিল।

২য় তফসিল (Second Schedule)- আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে।

৩য় তফসিল (Third Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।

৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।

৫ম তফসিল (Fifth Schedule)- ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।
২,৪৬৬.
A খুনের দায়ে অভিযুক্ত। A দাবী করে গুরুতর ও মারাত্বক উস্কানির কারনে আত্ম নিয়ন্ত্রন হারিয়ে সে খুন করে ফেলে। এটা প্রমাণের দায়িত্ব কার?
  1. রাষ্ট্রের
  2. A - এর
  3. A - এর পরিচিত ব্যক্তির
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
A - এর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A - এর
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১০৫ ধারা অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তির  মামলাটি যদি সাধারন ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে তা প্রমাণের দায়ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির । (দন্ডবিধি আইনের ৭৬-১০৬ ধারায় সাধারণ ব্যতিক্রমের বিষয়ে উল্লেখ আছে)
২,৪৬৭.
When any fact is especially within the knowledge of any person, the burden of proving that fact is upon him. - এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ১০২ ধারার
  2. ১০৪ ধারার
  3. ১০৫ ধারার
  4. ১০৬ ধারার
সঠিক উত্তর:
১০৬ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৬ ধারার
ব্যাখ্যা
Section 106- Burden of proving fact especially within knowledge-
When any fact is especially within the knowledge of any person, the burden of proving that fact is upon him.

Illustrations-
(a) When a person does an act with some intention other than that which the character and circumstances of the act suggest, the burden of proving that intention is upon him.
(b) 'A' is charged with traveling on a railway without a ticket. The burden of proving that he had a ticket is on him.

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৬ ধারা অনুযায়ী,
কোনো বিষয় যখন বিশেষ ভাবে কোনো ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপরই ন্যস্ত থাকে। অর্থাৎ, কোনো একটি ঘটনা বা বিষয় যখন নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির জানার কথা বা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি ব্যতীত অন্যরা জানার কথা নয়, তখন ঐ ব্যক্তির উপরই প্রমাণ করার দায়িত্ব বর্তাবে।
২,৪৬৮.
জনপথে বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অপরাধীর উপর কী শাস্তি আরোপিত হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র কারাদণ্ড
  2. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  3. কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
  4. কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৩৮ক ধারা: জনপথে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে গুরুতর আঘাত প্রদান করা:
যে ব্যক্তি বেপরোয়া বা অবহেলামূলকভাবে গণপথে গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে কোন ব্যক্তিকে এমন গুরুতর আঘাত করে যাতে মনুষ্যজীবন ও অন্যের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর মেয়াদ পর্যন্ত কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 338A- Causing grievous hurt by rash driving or riding on a public way:
Whoever causes grievous hurt to any person by driving any vehicle, or riding on any public way so rashly or negligently as to endanger human life, or the personal safety of others, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
২,৪৬৯.
Who can present the petition of appeal under Section 419 of the Code of Criminal Procedure, 1898?
  1. Only the accused
  2. A police officer
  3. Any family member of the appellant
  4. The appellant or his pleader
সঠিক উত্তর:
The appellant or his pleader
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The appellant or his pleader
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৯ ধারার বিধান: আপিলে দায়েরের পদ্ধতি
প্রত্যেকটি আপিল দায়ের করতে হবে পিটিশন বা দরখাস্ত আকারে। আপিলের পিটিশন আপিলকারী বা তার উকিল দাখিল করবে। যে রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হচ্ছে তার কপি আপিলের পিটিশনের সাথে দাখিল করতে হবে।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 419: Petition of Appeal:
Every appeal shall be made in the form of a petition in writing presented by the appellant or his pleader, and every such petition shall (unless the Court to which it is presented otherwise directs) be accompanied by a copy of the judgment or order appealed against.
২,৪৭০.
তামাদি আইনের ১৬ ধারায় তামাদির মেয়াদ গণনা করার সময় কোন সময়কাল বাদ দেয়া হবে?
  1. ডিক্রি জারির সময়
  2. দখল হস্তান্তরের সময়
  3. বিক্রয় চূড়ান্ত হওয়ার সময়কাল
  4. বিক্রয় রদের কার্যধারা চালানোর সময়
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় রদের কার্যধারা চালানোর সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় রদের কার্যধারা চালানোর সময়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৬ ধারা নিলাম বিক্রয় সম্পর্কে বলা আছে-
ডিক্রি জারির বিক্রয়ে ক্রেতা কর্তৃক দখল লাভের জন্য দায়েরকৃত মামলার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করার সময়, যে সময়কাল ধরে বিক্রয় বাতিলের জন্য কার্যধারা চালানো হয়েছে, সেই সময়কাল বাদ দেওয়া হবে।

Section 16: Exclusion of time during which proceedings to set aside execution-sale are pending-
In computing the period of limitation prescribed for a suit for possession by a purchaser at a sale in execution of a decree, the time during which a proceeding to set aside the sale has been prosecuted shall be excluded.
২,৪৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৮(১) অনুসারে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আদালতকে কী করতে হবে?
  1. আসামির সম্মতি নিতে হবে
  2. কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
  3. সরকারের অনুমতি নিতে হবে
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৮(১) অনুযায়ী, আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে তার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে বাধ্য।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার বিধান: আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন:
(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন ।
(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।
(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামি বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকবেন।
(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 428- Appellate Court may take further evidence or direct it to be taken:
(1) In dealing with any appeal under this Chapter, the Appellate Court, if it thinks additional evidence to be necessary, shall record its reasons, and may either take such evidence itself, or direct it to be taken by a Magistrate, or, when the Appellate Court is High Court Division, by a Court of Session or a Magistrate.
(2) When the additional evidence is taken by the Court of Session or the Magistrate, it or he shall certify such evidence to the Appellate Court, and such Court shall thereupon proceed to dispose of the appeal.
(3) Unless the Appellate Court otherwise directs, the accused or his pleader shall be present when the additional evidence is taken.
(4) The taking of evidence under this section shall be subject to the provisions of Chapter XXV, as if it were an inquiry.

২,৪৭২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারা কোন আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. শ্রম আদালত
  2. রাজস্ব আদালত
  3. ফৌজদারি আদালত
  4. স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল
সঠিক উত্তর:
রাজস্ব আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজস্ব আদালত
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারা: রাজস্ব আদালতে এই আইনের প্রয়োগ:

১) রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য বিশেষ আইন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে নীরব থাকার ফলে এই আইনের বিধানসমূহ রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সরকার, সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, উক্ত বিধানসমূহের যে-সকল অংশ এই আইন দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রযোজ্য করা হয়নি, তা উক্ত আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংশোধনীসহ প্রযোজ্য হবে।

২) (১) উপধারায় “রাজস্ব আদালত” বলতে ঐ আদালত বুঝায়, কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝায়। তবে এটা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা কার্যধারার মত অনুরূপ মোকদ্দমা বা কার্যধারাসমূহ বিচার করতে এই আইনের অধীনে মূল এতিয়ারযুক্ত দেওয়ানি আদালতকে অন্তর্ভুক্ত করে না।

Section 5- Application of the Code of Revenue Courts:

(1) Where any Revenue Courts are governed by the provisions of this Code in those matters of procedure upon which any special enactment applicable to them is silent, the Government may, by notification in the official Gazette, declare that any portions of those provisions which are not expressly made applicable by this Code shall not apply to those Courts, or shall only apply to them with such notifications as the Government may prescribe.

(2) "Revenue Court" in sub-section (1) means a Court having jurisdiction under any law to entertain suits or other proceedings relating to the rent, revenue or profits of land used for agricultural purposes, but does not include a Civil Court having original jurisdiction under this Code to try such suits or proceedings as being suits or proceedings of a civil nature.
২,৪৭৩.
তামাদি আইনের ৬ ধারায় বর্ণিত বৈধ অপারগতার সুবিধা মামলা দায়েরসহ অন্য কোন ক্ষেত্রে নেওয়া যাবে?
  1. জারির আবেদন
  2. আপিল দায়ের
  3. রিভিশন দায়ের
  4. রিভিউ দায়ের
সঠিক উত্তর:
জারির আবেদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জারির আবেদন
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ৬ ধারায় বর্ণিত আইনগত বা বৈধ অপারগতার সুবিধা ২টি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় ১) মোকদ্দমায় [Suit] এবং ২) ডিক্রি জারির আবেদন [An application for execution of decree] এর ক্ষেত্রে।
২,৪৭৪.
কোন চুক্তির কার্যসম্পাদন করতে হলে শুরু করার তারিখ হতে কত বছরের বেশি সময়কাল ক্রমাগত কাজ করে যাওয়ার প্রয়োজন হলে, সেই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যায় না?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ১ বছর
  4. ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে অথবা; 
৮) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১(৭) ধারামতে তিন বছরের অধিক ক্রমাগত সময়ের প্রশ্নে: যে চুক্তির কার্য সম্পাদন করতে হলে চুক্তির কার্য শুরু করার তারিখ হতে তিন বছরেরও অধিক সময় পর্যন্ত ক্রমাগত কাজ করতে হয়, ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।

যেমন- 'ক' ২১ বছরের জন্য কোন রেলপথের এমন একটি নির্দিষ্ট অংশ ভাড়া দেয়ার জন্য 'খ' এর সহিত চুক্তিবদ্ধ হল যে, অংশটি 'ক' কর্তৃক 'খ'-এর থাকবে এবং প্রয়োজনবোধ 'ক' প্রয়োজনীয় ইঞ্জিন, ইত্যাদি সরবরাহ করবে এবং 'ক' চুক্তির সম্পূর্ণ সময় কালে পুরো রেলপথটিকে ভাল অবস্থায় রাখবে। চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য 'খ' এর আবেদন অবশ্যই না- মঞ্জুর হবে।
----------------------------------------
⇒ Section 21 Contracts not specifically enforceable: The following contracts cannot be specifically enforced:– 

(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief; 
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms; 
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty; 
(d) a contract which is in its nature revocable; 
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust; 
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers; 
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date; 
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist. 

And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
২,৪৭৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত বিধির অধীন আদালত বিবাদীকে অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিলের আদেশ দিতে পারে?
  1. ৮ আদেশের ২ বিধির
  2. ৮ আদেশের ৭ বিধির
  3. ৮ আদেশের ৯ বিধির
  4. ৮ আদেশের ১০ বিধির
সঠিক উত্তর:
৮ আদেশের ৯ বিধির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ আদেশের ৯ বিধির
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ আদেশের ৯ বিধি অনুযায়ী আদালত প্রয়োজন মনে করলে, যেকোনো সময় যে কোনো পক্ষকে লিখিত বিবৃতি বা অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি পেশের আদেশ দিতে পারে এবং তা পেশ করার জন্য সময় নির্ধারণ করে দিবে। আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষ লিখিত বিবৃতি পেশ করতে ব্যর্থ হলে, ১০ বিধি অনুযায়ী আদালত উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা [pronounce judgment) করতে পারে বা মোকদ্দমার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো আদেশ দিতে পারে।

• প্রতিকার:

১০ বিধির নিয়মটি শুধুমাত্র প্রযোজ্য যখন ৯ বিধির অধীন বিবাদী আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয় এবং উক্ত ব্যর্থতার কারণে আদালত রায় ঘোষণা করে আদেশ দিলে। ১০ বিধির অধীন রায় ঘোষণার আদেশ (An order pronouncing judgment) হলো (আপীলযোগ্য আদেশ) তাই এর বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে। 
২,৪৭৬.
উল্লেখিত কোন আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি যে আদালতে আবেদন করে
  2. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  3. যুগ্ম দায়রা জজ
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত দায়রা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
• রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা। ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-

১. হাইকোর্ট বিভাগ
২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ

• ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। ৪৩৯ক এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে দায়রা জজের কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কোন রিভিশনাল মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করা হলে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে।

ধারা ৪৩৯ক এর ২ উপধারায় তে দেয়া আছে, দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।

Section 439A- Sessions Judge's powers of revision


(1) In the case of any proceeding the record of which has been called for by himself or which otherwise comes to his knowledge, the Sessions Judge may exercise all or any of the powers which may be exercised by the High Court Division under section 439. 
(2) Where any application for revision is made by or on behalf of any person before the Sessions Judge, the decision of the Sessions Judge thereon in relation to such person shall be final. 
(3) An Additional Sessions Judge shall have and may exercise all powers of a Sessions Judge under this Chapter in respect of any case which may be transferred to him under any general or special order of the Sessions Judge.
২,৪৭৭.
আসামী পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে ম্যাজিষ্ট্রেটের অনুপস্থিতিতে প্রদত্ত স্বীকারোক্তির ফলাফল কি?
  1. প্রাসঙ্গিক হইবে
  2. আংশিক প্রাসঙ্গিক ও আংশিক অপ্রাসঙ্গিক হইবে
  3. অপ্রাসঙ্গিক হইবে
  4. চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে প্রাসঙ্গিক
সঠিক উত্তর:
অপ্রাসঙ্গিক হইবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্রাসঙ্গিক হইবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৬ ধারামতে পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে আসামীর প্রদত্ত স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না (Confession by accused while in custody of police not to be proved against him): পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকাকালে কোন ব্যক্তি দোষ স্বীকার করলে, তা যদি কোন ম্যাজিস্ট্রেটের প্রত্যক্ষ উপস্থিতিতে না হয়, তাহলেতা ঐ ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না।

ব্যাখ্যা: এই ধারায় 'ম্যাজিস্ট্রেট' বলতে ম্যাজিস্ট্রেটের কার্য সম্পাদনকারী গ্রামপ্রধানকে বুঝাবে না। তবে গ্রামপ্রধান যদি ১৮৯৮ সালে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করে থাকেন, তবে তাকে বুঝাবে।

-----------
⇒ Confession by accused while in custody of police not to be proved against him:
Section 26. No confession made by any person whilst he is in the custody of a police-officer, unless it be made in the immediate presence of a Magistrate, shall be proved as against such person. 
 
⇒ Explanation:– In this section "Magistrate" does not include the head of a village discharging magisterial functions unless such headman is a Magistrate exercising the powers of a Magistrate under the Code of Criminal Procedure,1898.
২,৪৭৮.
What does Section 463 of the Penal Code define as forgery?
  1. Altering a document to reflect accurate information
  2. Destroying a legal document to evade law enforcement
  3. Creating a true document with the intention of deceiving someone
  4. Making any false document or part of a document with intent to cause damage or injury
সঠিক উত্তর:
Making any false document or part of a document with intent to cause damage or injury
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Making any false document or part of a document with intent to cause damage or injury
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860: Section-463: Forgery: Whoever makes any false document or part of a document, with intent to cause damage or injury, to the public or to any person, or to support any claim or title, or to cause any person to part with property, or to enter into any express or implied contract, or with intend to commit fraud or that fraud may be committed, commits forgery.
-------------------
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারায় জালিয়াতির সংজ্ঞা রয়েছে। যে ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির বা জনগণের ক্ষতি বা অনিষ্ট সাধন কিংবা প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে কোন মিথ্যা দলিলের অংশ বিশেষ প্রস্তুত করে সে ব্যক্তি জালিয়াত করেছে বলে গণ্য হবে।
২,৪৭৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি ৯০ এর অধীন কে নিলাম বিক্রয় রদের আবেদন করতে পারে?
  1. ডিক্রিদার
  2. সম্পত্তির বণ্টনে আনুপাতিক অংশের অধিকারী
  3. নিলাম বিক্রয়ের ফলে যে ব্যক্তির স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয়
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি ৯০- অনিয়মতা কিংবা প্রতারণার কারণে নিলাম বিক্রয় রদের আবেদন:

যেক্ষেত্রে কোন স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রি জারিতে নিলাম বিক্রয় হয়েছে, সেক্ষেত্রে ডিক্রিদার কিংবা সম্পত্তির বণ্টনে আনুপাতিক অংশের অধিকারী কোন ব্যক্তি অথবা উক্ত নিলাম বিক্রয়ের ফলে যার স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয় ঐ ব্যক্তি নিলাম বিক্রয় রদের জন্য সেটা প্রচার বা পরিচালনার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম বা প্রতারণার অজুহাতে আদালতে আবেদন করতে পারে-
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ অনিয়ম বা তঞ্চকতার কারণে কোন নিলাম বিক্রয় রদ হবে না, যদি না প্রমাণিত তথ্যসমূহের উপর আদালত এ মর্মে পরিতুষ্ট হয় যে, আবেদনকারী উক্ত অনিয়মতা বা তঞ্চকতার অজুহাতে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

⇒ আইনগত দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখলে, নিলাম বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নানা রকম অনিয়ম বা প্রতারণা হতে পারে। এসব অনিয়ম বা প্রতারণার ফলে যাদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয়েছে, তারা নিলাম বিক্রয় রদের জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে। তবে এক্ষেত্রে মূল শর্ত হল - আবেদনকারীর স্বার্থ প্রকৃতপক্ষে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তা পরিষ্কার প্রমাণ দিয়ে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে হবে।

অর্থাৎ, আদালত শুধু দাবি শোনা নিয়ে নিলাম বিক্রয় রদ করবে না। নিলাম বিক্রয়ে প্রকৃত অনিয়ম বা প্রতারণার কারণে যে আবেদনকারীর যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে, সেটা প্রমাণ করতে হবে। এজন্য প্রয়োজন পড়বে নথিপত্র, প্রমাণাদি ইত্যাদি। শুধু দাবি করলেই চলবে না। আদালতকে প্রমাণে সন্তুষ্ট করাটাই প্রাথমিক শর্ত হবে।
২,৪৮০.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কখন ৩০ বছর ধরা হয়?
  1. অর্থদণ্ড দেওয়ার সময়
  2. দণ্ডবিধির শাস্তির সময়
  3. আমৃত্যু কারাদণ্ডের সময়
  4. দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের সময়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের সময়
ব্যাখ্যা
→ যদিও প্রাথমিক অর্থে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বলতে আমৃত্যু কারাদণ্ডকে বোঝায়, কিন্তু দণ্ডবিধির ৫৭ ধারামতে দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছর ধরা হয়।
- দণ্ডবিধির ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে যে, দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ৩০ বছর কারাদণ্ডের সমান বলে গণ্য হবে।
- সুতরাং দণ্ডবিধির ৫৭ ধারামতে শাস্তির ভগ্নাংশ হিসাব করতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছর ধরতে হবে।
----------
→ The Penal Code,1860- Section 57: Fractions of terms of punishment:
- In calculating fractions of terms of punishment, imprisonment for life shall be reckoned as equivalent to rigorous imprisonment for thirty years.
 
২,৪৮১.
সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা ৯ অনুযায়ী কে সকল দেওয়ানি আদালতের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ রাখেন?
  1. আইন সচিব
  2. জেলা জজ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা ৯ অনুযায়ী, জেলা জজ তার অধিক্ষেত্রের সকল দেওয়ানি আদালতের উপর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ রাখেন। তবে, এটি হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে থাকবে।
অর্থাৎ ৯ ধারা অনুযায়ী, স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন থাকবে।
  
⇒ The Civil Courts Act,1887- Section 9: Administrative control of Courts-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.
২,৪৮২.
অধস্তন আদালতে দরখাস্ত ও কার্যধারা কোন ভাষায় লিখিত হবে, তা নির্ধারণ করবে-
  1. হাইকোর্ট
  2. সরকার
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. সংশ্লিষ্ট জেলা জজ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা: অধস্তন আদালতে ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।

২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।

৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজীতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজীর সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজীর অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।
২,৪৮৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কারাদণ্ড আদেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে যদি দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হয়, তাহলে উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারি কারাগারে অপসারণ করার নির্দেশ কে দিতে পারেন?
  1. সরকার
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. আদেশদানকারী আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
আদেশদানকারী আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশদানকারী আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪১ (কারাবাসের স্থান নির্দিষ্টকরণের ক্ষমতা)-

(১) বর্তমানে কার্যকর কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) দেওয়ানি কারাগারে আটক আসামী কিংবা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফৌজদারি কারাগারে অপসারণ এবং তাদের দেওয়ানি কারাগারে প্রত্যাবর্তনঃ
এই কার্যবিধির অধীন কারাদন্ড বা হাজতবাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে যদি দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হয়, তাহলে কারাদণ্ড বা হাজত বাসের আদেশদানকারী আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারি কারাগারে অপসারণ করার নির্দেশ দিতে পারবেন।

(৩) কোন ব্যক্তি উপধারা (২) এর অধীন ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত হলে তা থেকে মুক্ত হবার পর তাকে পুনরায় দেওয়ানি জেলে প্রেরণ করতে হবে, যদি না-

(ক) ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত হবার পর তিন বৎসর পার হয়ে থাকে, তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকলে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে দেওয়ানি জেল থেকে অব্যাহতি পেয়েছে মর্মে অভিহিত করতে হবে, কিংবা
(খ) যে আদালত তাকে দেওয়ানি জেলে আটকের আদেশ দিয়েছিলেন সেই আদালত ফৌজদারি জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে সার্টিফিকেট দেন যে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে অব্যাহতি পাবার অধিকারী।
২,৪৮৪.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় 'Culpable Homicide' এর উপাদান বর্ণিত হয়েছে?
  1. ২৯৯
  2. ৩০০
  3. ৩০২
  4. ৩০৭
সঠিক উত্তর:
২৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯৯
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ২৯৯ ধারায় নিন্দনীয় নরহত্যার সংজ্ঞা (Culpable homicide)- কোন ব্যক্তিকে প্রত্যক্ষভাবে হত্যা না করে এমন কাজ করা যা তার মৃত্যু ঘটায় তাই হলো নিন্দনীয় নরহত্যা বা Culpable homicide।
♦ দন্ডবিধির ২৯৯ ধারামতে নিম্নলিখিত ৩টি ক্ষেত্রে কোন কাজ নিন্দনীয় নরহত্যা বলে গণ্য হবে। যথা-
i) মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্য (with the intention of causing death); অথবা
ii) দৈহিক জখমের উদ্দেশ্যে( with the intention of causing such bodily injury); অথবা
iii) মৃত্যু ঘটতে পারে এরকম জ্ঞান নিয়ে (with the knowledge that he is likely by such act to cause death) কোন কাজ করার ফলে কোন ব্যক্তির মৃত্যু হলে তা নিন্দনীয় নরহত্যা বা Culpable homicide বলে গণ্য হবে।

♦ যেমন- ক একটি কূপের মুখে আড়াআড়িভাবে বাঁশের কঞ্চি পেতে তার উপর ঘাসের পাতা এই উদ্দেশ্যে বিছিয়ে দেয় যাতে কারো মৃত্যু ঘটে অথবা মৃত্যু ঘটতে পারে। চ শক্ত মাটি মনে করে উক্ত ঘাস বিছানো কূপের উপর দিয়ে চলতে গিয়ে কূপের ভিতর পড়ে নিহত হয়। এখানে ক শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বা নিন্দনীয় নরহত্যার অপরাধ করেছে।

♦ অর্থাৎ The Penal Code, 1860 এর ২৯৯ ধারায় 'Culpable Homicide' এর উপাদান বর্ণিত আছে। 
২,৪৮৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ এর কত বিধি অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে অপ্রাসঙ্গিক দলিলাদি অগ্রাহ্য করতে পারে?
  1. বিধি-২
  2. বিধি-৩
  3. বিধি-৪
  4. বিধি-৫
সঠিক উত্তর:
বিধি-৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-৩
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৩ বিধি-৩: অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অগ্রহণযোগ্য দলিলাদি অগ্রাহ্য:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করে যে, কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অন্যভাবে অগ্রহণযোগ্য, তবে অগ্রাহ্যের হেতু রেকর্ডপূর্বক আদালত উক্ত দলিল অগ্রাহ্য করতে পারবে।

Order 13 Rule 3: Rejection of irrelevant or in admissible documents:
The Court may at any stage of the suit reject any document which it considers irrelevant or otherwise inadmissible, recording the grounds of such rejection.
২,৪৮৬.
সাক্ষ্য আইনের বিধানমতে স্বীকৃতি কী হিসাবে ব্যবহার করা যায়?
  1. সাক্ষ্য
  2. প্রতিবন্ধকতা
  3. চূড়ান্ত প্রমাণ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
প্রতিবন্ধকতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিবন্ধকতা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
---------------
⇒The Evidence Act  1872, Section-31: Admissions not conclusive proof, but may stop:
- Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
২,৪৮৭.
যদি কোন ব্যক্তি কোন শিশু বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা করে, তাহলে উক্ত ব্যক্তি নিম্নলিখিত কোন দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বৎসর কারাদণ্ড 
  2. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বৎসর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডসহ
  3. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১২ বৎসর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বৎসর কারাদণ্ড 
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বৎসর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডসহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বৎসর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডসহ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ Abetment of suicide of child or insane person:
Section 305. If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
২,৪৮৮.
তামাদি আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে যে আদালত বন্ধ থাকলে সময় গণনায় প্রভাব পড়বে না?
  1. ধারা-৩
  2. ধারা-৪
  3. ধারা-৫
  4. ধারা-৯
সঠিক উত্তর:
ধারা-৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা-৪
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৪ (Section 4 of the Limitation Act, 1908) অনুযায়ী "যদি কোনো মামলার আবেদন বা দরখাস্ত নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে দায়ের করার কথা থাকে এবং সেই সময়সীমার শেষ দিনটি যদি আদালত বন্ধ থাকে, তবে দরখাস্তটি আদালতের পরবর্তী খোলার দিনেও বৈধভাবে দাখিল করা যাবে।"
- আদালত বন্ধ থাকলে নির্ধারিত সময়সীমার শেষ দিন বাদ যাবে না, বরং পরবর্তী কার্যদিবসে দাখিল বৈধ ধরা হবে।
 অর্থাৎ, আদালত বন্ধ থাকার সময়টি তামাদি গণনায় প্রভাব ফেলবে না।

⇒ তামাদির আইনের ৪ ধারার বিধান- আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে:
-যেক্ষেত্রে কোন আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় কোন মামলা, আপিল বা আবেদনের জন্য তামাদির নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে আদালত যেদিন খুলবে সেদিন উক্ত মামলা, আপিল বা আবেদন দাখিল করা যাবে।
------------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 4- Where Court is closed when period expires:
-Where the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application expires on a day when the Court is closed, the suit, appeal or application may be instituted, preferred or made on the day that the Court re-opens.
২,৪৮৯.
কোন রাজবন্ধী বা যুদ্ধবন্ধীকে হাজত হতে পলায়নে সহায়তা, উদ্ধার, আশ্রয়দান বা লুকিয়ে রাখার শাস্তি-
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. শুধু মৃত্যুদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৩০ মতে কোন রাজবন্ধী বা যুদ্ধবন্ধীকে হাজত হতে পলায়নে সহায়তা, উদ্ধার, আশ্রয়দান বা লুকিয়ে রাখার শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থন্ডের বিধান আছে।
২,৪৯০.
দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার অধীনে সাধারণ অভিপ্রায় (Common Intention) প্রমাণ করার জন্য কোনটি প্রয়োজন নয়?
  1. একই অভিপ্রায় থাকা।
  2. পূর্ব পরিকল্পনা থাকা।
  3. সকল ব্যক্তি একসঙ্গে উপস্থিত থাকা।
  4. অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত হওয়া।
সঠিক উত্তর:
সকল ব্যক্তি একসঙ্গে উপস্থিত থাকা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকল ব্যক্তি একসঙ্গে উপস্থিত থাকা।
ব্যাখ্যা

→ উল্লিখিত প্রশ্নে দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার অধীনে সাধারণ অভিপ্রায় (Common Intention) প্রমাণ করার জন্য 'সকল ব্যক্তি একসঙ্গে উপস্থিত থাকা' প্রয়োজন নয়।

- দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার বিধান কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক একই উদ্দেশ্য সাধানকল্পে কৃত কার্যাবলী:  যখন কতিপয় ব্যক্তি একত্রিত হয়ে তাদের সকলের একই অভিপ্রায় সাধনকল্পে অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত করে, তখন অনুরূপ ব্যক্তিগণের প্রত্যেকেই উক্ত কাজের জন্য এইরূপে দায়ী হবেন যেন উক্ত কাজ উক্ত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছিল।
অর্থাৎ, এক দল ব্যক্তি যদি কোনো অপরাধের পরিকল্পনা করে এবং তা সম্পাদন করে, তবে তাদের সবাইকে ওই অপরাধের জন্য সমান দায়ী করা হবে, যদিও তারা প্রত্যেকে আলাদাভাবে অপরাধটি করতে পারে না।
- তাদের প্রত্যেকে অপরাধের জন্য সমানভাবে দায়ী হবে, কারণ তারা সবাই একসাথে এবং একই উদ্দেশ্যে কাজ করেছে।

→ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায় (Common Intention) এর বিধান রয়েছে:
(i) সাবধান অভিপ্রায় প্রমাণের ক্ষেত্রে কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত হবে।
(ii) তাদের প্রত্যেকের সাধারণ অভিপ্রায় এবং পূর্ব পরিকল্পনা থাকবে উক্ত অপরাধ সংঘটিত করতে।
(iii) অপরাধটি সফল করার জন্য তারা অপরাধে অংশগ্রহণ করবে।

এখানে, সকল ব্যক্তি একসঙ্গে উপস্থিত থাকা এই শর্তটি প্রয়োজন নয়। কারণ, সাধারণ অভিপ্রায় থাকতে হবে, কিন্তু অপরাধ সংঘটিত করতে সকল ব্যক্তি একসাথে উপস্থিত থাকা আবশ্যক নয়। তারা আলাদাভাবে অংশ নিতে পারে, তবে তাদের অভিপ্রায় ও পরিকল্পনা এক হতে হবে।
অতএব,সকল ব্যক্তি একসঙ্গে উপস্থিত থাকা সাধারণ অভিপ্রায় (Common Intention)  প্রমাণের জন্য আবশ্যক নয়।
---------------
- The Penal Code, 1860 Section-34: Acts done by several persons in furtherance of common intention: 
- When a criminal act is done by several persons, in furtherance of the common intention of all, each of such persons is liable for that act in the same manner as if it were done by him alone.

২,৪৯১.
দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার মতে, মারামারি বলতে কী বোঝায়?
  1. কোনো ব্যক্তির ওপর শারীরিক আক্রমণ
  2. আত্মরক্ষার জন্য লড়াই করা
  3. যেকোনো ধরণের শারীরিক সংঘর্ষ
  4. প্রকাশ্য স্থানে জনশান্তি বিঘ্নিত করা
সঠিক উত্তর:
প্রকাশ্য স্থানে জনশান্তি বিঘ্নিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকাশ্য স্থানে জনশান্তি বিঘ্নিত করা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান- মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

Section-159: Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
২,৪৯২.
অবিরাম চুক্তিভঙ্গের ফলাফল সম্পর্কে বলা আছে______।
  1. ২১ ধারায়
  2. ২২ ধারায়
  3. ২৩ ধারায়
  4. ৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় করাঃ
 ♦যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেইক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নূতন করিয়া তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইতে শুরু করে।
 ♦এমন অনেক চুক্তি রহিয়াছে, যাহা ভঙ্গ হইলে প্রতি মুহূর্তে নালিশের কারণ উদ্ভব হইতে পারে। চুক্তি বহির্ভূত এমন অনেক লোকসান রহিয়াছে, যাহা প্রতিমুহূর্তে নালিশের কারণের উদ্ভব ঘটায়। এইসব ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ প্রতি মুহূর্তে বৃদ্ধি পায়।
২,৪৯৩.
'এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে দায়ের করা কার্যধারায় ব্যয়িত সময় তামাদি গণনা হতে বাদ দিতে হবে'- এই বিধান উল্লিখিত কোন কার্যধারার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে?
  1. আপিলের ক্ষেত্রে
  2. রিভিশনের ক্ষেত্রে
  3. 'ক' এবং 'খ' উভয় ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত কোনো ক্ষেত্রেই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত কোনো ক্ষেত্রেই নয়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৪ ধারা অনুযায়ী এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে দায়ের করা কার্যধারায় ব্যয়িত সময় গণনা হতে বাদ দিতে হবে।

শর্তসমূহ-
১. পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী উভয় মোকদ্দমার কার্যক্রম একই পক্ষগণ কর্তৃক দায়েরকৃত দেওয়ানী কার্যক্রম [Civil Proceedings] হতে হবে।
২. বাদী পূর্ববর্তী মামলার কার্যক্রমটি যথাবিহিত যত্নের সাথে (With due diligence) এবং সরল বিশ্বাসে (good faith) পরিচালনা করেছে।
৩. আদালতের এখতিয়ারগত ত্রুটি বা অনুরুপ কারণে আদালত পূর্ববর্তী কার্যক্রমটি পরিচালনা করতে ক্ষমতাসম্পন্ন ছিল না, তখন এখতিয়ারবিহীন আদালতে উক্ত ব্যয়িত সময় তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে বাদ দিতে হবে।

১৪ ধারা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে-
১. মূল মোকদ্দমার [Suit) মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে
২. যেকোন আবেদনের (Any application) মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে।

১৪ ধারা আপিল, রিভিশন বা রিভিউ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। অর্থাৎ এখতিয়ারবিহীন আদালতে আপিল দায়ের করলে এবং উক্ত এখতিয়ারবিহীন আদালতে ব্যয়িত সময় বাদ দিয়ে আপিলের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে ১৪ ধারায় আবেদন গ্রহণযোগ্য না। এখতিয়ারবিহীন আদালতে আপিল দায়েরের কারণে ব্যয়িত সময় মওকুফের জন্য ৫ ধারায় আবেদন করা যেতে পারে।
২,৪৯৪.
নির্দিষ্ট বর্ণনার কিছু সংখ্যক রেলওয়ের শেয়ার 'ক' বিক্রয় করতে এবং 'খ' ক্রয় করতে চুক্তি করেছে। 'ক' বিক্রয় করতে অস্বীকার করে। এই ক্ষেত্রে 'খ' এর প্রতিকার হতে পারে?
  1. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন
  2. 'খ' এর কোন প্রতিকার নেই
  3. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
  4. 'ক' এর ৬ মাসের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়। যথা-
ক) চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে।
খ) চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদন্ড না থাকলে।
গ) চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে।
ঘ) চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভবনা না থাকলে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।

⇒  খ.গ, এবং ঘ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বলা যায় চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ নির্ণয়ের কোন মানদণ্ড না থাকলে বা পর্যাপ্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ না থাকলে বা আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া না গেলে, আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারে। বিপরীতভাবে বলা যায়, আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হলে বা নির্ণয় করা গেলে বা পাওয়া গেলে, আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের প্রতিকার দিবেনা বরং ক্ষতিপূরণ প্রতিকার দিবে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ১২ ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, যদিনা এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না ভিন্ন কিছু প্রমাণিত হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব না, এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার এভাবে করা যায়।

⇒ 'ক' বিশেষ ধরনের নির্দিষ্ট সংখ্যক রেলওয়ে শেয়ার বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয় এবং 'খ' তা ক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয়। 'ক' বিক্রয় সম্পন্ন করতে অস্বীকার করে শেয়ার বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয় এবং 'খ' তা ক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয়। 'ক' বিক্রয় সম্পন্ন করতে অস্বীকার করে, 'খ', 'ক'-কে এই চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের বাধ্য করতে পারে, কারণ শেয়ার সংখ্যার দিক হতে সীমাবদ্ধ এবং তা সব সময় বাজারে পাওয়া যাবে না এবং সেগুলির দখল একজন শেয়ার হোল্ডারের মর্যাদা বহন করে, যা অন্য কোনভাবে করা যায় না।
২,৪৯৫.
তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার দিন আদালত বন্ধ থাকলে এর প্রতিকার কী?
  1. আদালত খোলার পরবর্তী যেকোনো সময় মামলা দায়ের করা যাবে
  2. বন্ধের আগের দিনই মামলা, আপিল বা দরখাস্ত দায়ের করতে হবে
  3. আদালত পুনরায় খোলার দিন মামলা, আপিল বা দরখাস্ত দায়ের করতে হবে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আদালত পুনরায় খোলার দিন মামলা, আপিল বা দরখাস্ত দায়ের করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত পুনরায় খোলার দিন মামলা, আপিল বা দরখাস্ত দায়ের করতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪- আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে
 
যেক্ষেত্রে কোন আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় কোন মামলা, আপিল বা আবেদনের জন্য তামাদির নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে আদালত যেদিন খুলবে সেদিন উক্ত মামলা, আপিল বা আবেদন দাখিল করা যাবে।

Section 4- Where Court is closed when period expires
Where the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application expires on a day when the Court is closed, the suit, appeal or application may be instituted, preferred or made on the day that the Court re-opens.
২,৪৯৬.
তামাদি আইনের ১১ ধারা অনুসারে, বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির ক্ষেত্রে কোন বিধান প্রযোজ্য হবে?
  1. বিদেশের তামাদি আইন সম্পূর্ণভাবে প্রযোজ্য হবে
  2. বিদেশের তামাদি আইন বাংলাদেশে প্রযোজ্য হবে না
  3. বিদেশের তামাদি আইন কেবল উচ্চ আদালতে প্রযোজ্য হবে
  4. বিদেশের তামাদি আইন শুধুমাত্র বাণিজ্যিক চুক্তিতে প্রযোজ্য হবে
সঠিক উত্তর:
বিদেশের তামাদি আইন বাংলাদেশে প্রযোজ্য হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশের তামাদি আইন বাংলাদেশে প্রযোজ্য হবে না
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: (খ) বিদেশের তামাদি আইন বাংলাদেশে প্রযোজ্য হবে না।
⇒ তামাদি আইনের ১১ ধারা (Section 11 of the Limitation Act, 1908) অনুযায়ী, যদি কোনো বিদেশি দেশে সম্পাদিত চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশে মামলা দায়ের করা হয়, তাহলে বাংলাদেশের তামাদি আইন প্রযোজ্য হবে, বিদেশের নয়।
 উপধারা (১):
বাংলাদেশে দায়ের করা মামলায় তামাদি আইন, ১৯০৮-এর বিধান প্রযোজ্য হবে, এমনকি যদি চুক্তিটি বিদেশে সম্পাদিত হয়ে থাকে। অর্থাৎ, মামলার স্থান (forum) যদি বাংলাদেশ হয়, তবে বাংলাদেশের তামাদি আইন অনুসারে মামলা গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারিত হবে।
 উপধারা (২):
তবে, যদি কোনো বিদেশি তামাদি আইন চুক্তিটিকে সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত (extinguish) করে ফেলে, এবং উক্ত চুক্তির পক্ষগণ সেই বিদেশি দেশে বসবাস করতেন ও নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মামলা করেননি, তাহলে সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশেও চুক্তিটি অকার্যকর হিসেবে গণ্য হবে। অর্থাৎ, যদি বিদেশের আইন অনুসারে চুক্তি বাতিল হয়ে যায়, তবে বাংলাদেশেও তা মানা হতে পারে।

অর্থাৎ তামাদি আইনের ১১ ধারা অনুসারে, বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির ক্ষেত্রে মামলা বাংলাদেশে দায়ের হলে বিদেশের তামাদি আইন প্রযোজ্য হবে না, বরং বাংলাদেশের তামাদি আইন প্রযোজ্য হবে।
-----------
⇒ The Limitation Act:- Section- 11. Suits on foreign contracts:
(1) Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act. 
(2) No foreign rule of limitation shall be a defence to a suit instituted in Bangladesh on a contract entered into in a foreign country, unless the rule has extinguished the contract and the parties were domiciled in such country during the period prescribed by such rule.
২,৪৯৭.
তামাদি আইনের ধারা ২২ অনুসারে মামলা চলমান অবস্থায় নতুন বাদী বা বিবাদী পক্ষভুক্ত হলে তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে কী বিবেচিত হবে?
  1. মামলা শেষ হওয়ার তারিখ
  2. মামলা দায়েরের মূল তারিখ
  3. নতুন পক্ষভুক্তির দিনটি মামলা দায়েরের তারিখ হিসেবে
  4. কোনো তামাদি মেয়াদ প্রযোজ্য হবে না
সঠিক উত্তর:
নতুন পক্ষভুক্তির দিনটি মামলা দায়েরের তারিখ হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন পক্ষভুক্তির দিনটি মামলা দায়েরের তারিখ হিসেবে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ধারা ২২ অনুসারে: “যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোনো বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি যেই তারিখে অনুরূপ পক্ষভুক্ত হয়েছে, তার জন্য মামলাটি সেই তারিখে দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।”
- অর্থাৎ, নতুন করে যিনি মামলায় যুক্ত হয়েছেন (বাদী বা বিবাদী হিসেবে), তার বিরুদ্ধে বা পক্ষে তামাদির মেয়াদ গণনার শুরু হবে তার পক্ষভুক্তির দিন থেকে, না যে দিন মূল মামলা দায়ের হয়েছিল।

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২২ এর বিধান নতুন বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল:-
(১) যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোনো বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি যেই তারিখে অনুরূপ পক্ষভুক্ত হয়েছে, তার জন্য মামলাটি সেই তারিখে দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।
(২) যেক্ষেত্রে মামলা মুলতবি থাকাকালে স্বত্বার্পণ বা কোনো স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাউকে পক্ষভুক্ত বা স্থলাভিষিক্ত করা হয় অথবা যেক্ষেত্রে বাদীকে বিবাদী কিংবা বিবাদীকে বাদীতে রূপান্তরিত করা হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য হবে না।

⇒ The Limitation Act:- Section-22: Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant:-
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party.
(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.
২,৪৯৮.
যে সকল অপরাধে আপসযোগ্য তাঁর তালিকা দেওয়া আছে কোথায়?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৫ম সিডিউলে
  2. পেনাল কোড-এর ৩য় সিডিউলে
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ আপসযোগ্য অপরাধের তালিকা দেওয়া আছে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ৩৪৫ ধারায়। আপসযোগ্য অপরাধ ২ প্রকারের হয়।এক প্রকার হলো আদালতের অনুমতি ব্যতীত আপস করা যায়। অপর প্রকার অপরাধ হলো আদালতের অনুমতি সহ আপসযোগ্য।
২,৪৯৯.
দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখলে সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে-
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারার বিধান দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ Section 344. Wrongful confinement for ten or more days:- Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
২,৫০০.
পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিস অব দি পিস-
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. পুলিশের আইজিপি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ২৫ ধারায় ‘পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস' শিরোনামে বলা আছে যে, সমগ্র বাংলাদেশে সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতিগণ এবং দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট,মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ স্ব স্ব এলাকায় Justice of the Peace থাকবেন।
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর  ২২ ধারা অনুযায়ী মফম্বল এলাকার জন্য সরকার বিদেশি নাগরিক ব্যতীত উপযুক্ত যেকোনো ব্যক্তিকে জাস্টিস অব দি পিস নিয়োগ দিতে পারেন।
⇒ অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিচারক পদাধিকারবলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিস অফ দি পিস। দায়রা বিচারকগণ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকারবলে তাদের অধিক্ষেত্রভুক্ত এলাকার জন্য জাস্টিস অফ দি পিস ।