বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ২২ / ১২৬ · ২,১০১২,২০০ / ১২,৬০৫

২,১০১.
নালিশের দরখাস্ত প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারীর জবানবন্দী ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় রেকর্ড করেন?
  1. ১৯০ ধারা
  2. ২০০ ধারা
  3. ২০১ ধারা
  4. ২০২ ধারা
সঠিক উত্তর:
২০০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ আমলযোগ্য ও আমল অযোগ্য অপরাধের সম্পর্কে লিখিত বা মৌখিকভাবে অভিযোগ করলে মেট্রোপলিটন বা ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নিতে পারেন।

ম্যাজিস্ট্রেট নালিশ প্রাপ্তির পর ২০০ ধারায় শপথ পূর্বক বাদী বা ফরিয়াদীকে ও উপস্থিত সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারেন ।
২,১০২.
'ক', 'খ'-এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয় যে, 'খ' কর্তৃক ১,০০০/- টাকা প্রদানের বিনিময়ে সে 'খ'-এর জন্য একটি ছবি আঁকবে; উক্ত চুক্তিটি-
  1. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে বাধ্য করা যাবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  3. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
  4. আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিকার মঞ্জুর করা যাবে
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ২১ ধারা মতে আটটি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না।
যথা- 
১। চুক্তি কার্যকর না করা হলে অর্থ দ্বারা ক্ষতিপূরণ সম্ভব। 
২। যে-সব চুক্তির শর্ত অস্পষ্ট, জটিল ; যার ফলে চুক্তির শর্ত সমূহ নির্ণয় করা সম্ভব না এবং শর্ত সমূহ সুনির্দিষ্ট ভাবে  সম্পাদন করা যায় না। 
৩। যে চুক্তি তার প্রকৃতির কারণে বাতিলযোগ্য। 
৪। ট্রাস্টিগণ কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি যা তাদের ক্ষমতা বহির্ভূত। 
৫। বিশেষ উদ্দেশ্যে গঠিত কোনো কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানির চুক্তি যা তাদের ক্ষমতার অতিরিক্ত। 
৬। যে চুক্তির শর্ত আদালত যুক্তিসংগত ভাবে নির্ণয় করতে পারেনা। 
৭। যে চুক্তি সম্পাদন করতে গেলে শুরুর তারিখ হতে তিন বছরেরও বেশি সময় কাজ করতে হয়। 
৮। যে চুক্তির বিষয়বস্তু স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বেই বিলুপ্ত হয়েছে। 
 
উল্লিখিত প্রশ্নে 'ক', 'খ'-কে বিয়ে করার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়; উক্ত চুক্তিটি-সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না। কারণ ২১ ধারায় বলা আছে কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে; তা আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না।
 
-যেহেতু  চুক্তিটি ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল তাই সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না। 
-------------------
SR Act: Section-21. Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:–
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.
 
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
২,১০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারা অনুসারে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে ম্যাজিস্ট্রেট কী করবেন?
  1. সরাসরি সাজা দেবেন
  2. অব্যাহতি দেবেন
  3. সাক্ষী ডাকবেন না
  4. অভিযোগ গঠন করবেন
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ গঠন করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ গঠন করবেন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারা অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট যদি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার সম্ভাবনা (ground for presuming) দেখেন, তবে তিনি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (চার্জ) গঠন করবেন। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট চার্জ গঠন করেন। ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে। ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়, তবে যে অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে সেই অপরাধ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪২ ধারায় আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারার ধারার বিধান চার্জ গঠন:
যদি উপরোক্ত বিবেচনা ও শুনানি শেষে ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, অভিযুক্ত অপরাধ করেছে এমন ধারণা করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অপরাধ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করবেন এবং তাকে জিজ্ঞাসা করবেন যে, তিনি এই অপরাধটি করেছেন কিনা।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-242. Charge to be framed:
If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Magistrate is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, the Magistrate shall frame a formal charge relating to the offence of which he is accused and he shall be asked whether he admits that he has committed the offence with which he is charged.

২,১০৪.
Who has the authority to determine the language of each Court for the purposes of the Code?
  1. The High Court
  2. The Government
  3. The Supreme Court
  4. The Chief Justice
সঠিক উত্তর:
The Government
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Government
ব্যাখ্যা
• Section 558- Power to decide language of Courts:
The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.

ধারা ৫৫৮ (আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা)-
এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।
২,১০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে কারাদণ্ডের প্রকৃতি কী?
  1. সশ্রম কারাদণ্ড
  2. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়ই
সঠিক উত্তর:
বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৮০ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আদালতের সম্মুখে বা আদালতের উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা ১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ অনুযায়ী আদালত অবমাননার (Contempt of Court) মতো অপরাধ করেন, তাহলে—
- আদালত ঐ ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক রাখতে পারে এবং
- সেই দিনের আদালত অধিবেশন শেষ হওয়ার পূর্বে (before the rising of the court) অপরাধটি আমলে নিয়ে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দিতে পারে এবং
- জরিমানা প্রদান না করলে, তাকে সর্বোচ্চ এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম (Simple) কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারে।
→  “Simple imprisonment” মানেই হলো বিনাশ্রম কারাদণ্ড — যেখানে আসামিকে কোনো ধরনের শ্রম বা কাজ করতে হয় না, এটি একটি কম কঠিন ধরনের শাস্তি।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান:- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি:
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারি বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লিখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোনো সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 480: Procedure in certain cases of contempt:
-When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.

২,১০৬.
দণ্ডবিধিতে “Judge” শব্দের অর্থ কোন ধারা অনুযায়ী ব্যাখ্যা করা হয়েছে?
  1. ধারা ১৮
  2. ধারা ১৯
  3. ধারা ২০
  4. ধারা ২১
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধিতে “Judge” শব্দের অর্থ ধারা ১৯ অনুযায়ী ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ধারা ১৯-এ "Judge" শব্দটিকে একটি বিস্তৃত অর্থে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, যা শুধুমাত্র দাপ্তরিকভাবে নিযুক্ত বিচারকই নন, বরং আইন দ্বারা যেকোনো ধরনের চূড়ান্ত বা কার্যত চূড়ান্ত রায় দেওয়ার ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোনো ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করে। 

⇒ দণ্ডবিধির ১৯ ধারার বিধান- জজ:
বিচারক অর্থ শুধু সরকারিভাবে বিচারক বলে আখ্যাত বা নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকেই বোঝায় না, বরং যেকোন আইনগত কার্যব্যবস্থা, কোন দেওয়ানি বা ফৌজদারি যা হোক, চূড়ান্ত রায়দান বা আপিল না করা না হলে চূড়ান্ত গণ্য হবে এইরূপ বায়দান বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সমর্থিত হলে চূড়ান্ত গণ্য হবে এমন কোন রায়দান করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রদত্ত প্রত্যেক ব্যক্তি, অথবা অনুরূপ রায়দান করার জন্য আইনবলে ক্ষমতাপ্রাপ্ত যে কোন ব্যক্তি সংস্থাভুক্ত ব্যক্তিকেও বুঝাবে।
উদাহরণ:
(ক) ১৮৫৯ সালের ১০নং আইন মোতাবেক কোন মোকদ্দমায় বিচার-ক্ষমতা প্রয়োগে একজন কালেক্টরই বিচারক।
(খ) যে অভিযোগের বিচারে ম্যাজিস্ট্রেটের অর্থ বা কারাদণ্ডদানের ক্ষমতা রয়েছে-তার দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাক বা না যাক- সে অভিযোগে বিচার ক্ষমতা প্রয়োগকারী ম্যাজিস্ট্রেট একজন বিচারক।
(ঘ) যে অভিযোগে ম্যাজিস্ট্রেট কেবলমাত্র কোন আদালতে বিচারের জন্য সোপর্দ করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত, সে অভিযোগের ব্যাপারে এখতিয়ার প্রয়োগকারী ম্যাজিস্ট্রেট একজন বিচারক নয়।
----------
⇒ The penal Code,1860: Section-19. “Judge”:
The word “Judge” denotes not only every person who is officially designed as a Judge, but also every person,- 
-who is empowered by law to give, in any legal proceeding, civil or criminal, a definitive judgment, or a judgment which, if not appealed against, would be definitive, or a judgment -which, if confirmed by some other authority, would be definitive, or 
-who is one of a body of persons, which body of persons is empowered by law to give such a judgment. 
Illustration:
(a) A Collector exercising jurisdiction in a suit under Act X of 1859, is a Judge. 
(b) A Magistrate exercising jurisdiction in respect of a charge on which he has power to sentence to fine or imprisonment with or without appeal, is a Judge. 
(d) A Magistrate exercising jurisdiction in respect of a charge on which he has power only to commit for trial to another Court, is not a Judge.

২,১০৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় কালেক্টরকে বিচারক হিসাবে কাজ করার অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. ৬৫ ধারায়
  2. ৬৯ ধারায়
  3. ৭১ ধারায়
  4. ৭৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৭১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭১ ধারায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭১ ধারার বিধান- কালেক্টরের বিচারক হিসাবে কার্য:
উপরিল্লিখিত ৬৮ ধারা অধীনে কালেক্টরের নিকট হস্তান্তরিত ডিক্রি জারি করার প্রাক্কালে কালেক্টর এবং তার অধঃস্তনগণ বিচারক হিসাবে কার্য করতেছে বলে মনে করতে হবে।

Section 71: Collector deemed to be acting judicially:
In executing a decree transferred to the Collector under section 68 the Collector and his subordinates shall be deemed to be acting judicially.
২,১০৮.
১৫ বছরের নিচের কোন শিশু মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ ব্যতিত অন্য কোন অপরাধ করলে, সেই অপরাধের বিচার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবে- ফৌজদারী কার্যবিধির কোথায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ১৯
  2. ধারা ২৯খ
  3. ধারা ৩৯৯
  4. ধারা ১৯৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৯খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৯খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারা- কিশোরদের ক্ষেত্রে এখতিয়ার:
কোনো ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট করতে পারবেন।

Section-29B:Jurisdiction in the case of juveniles:
Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
২,১০৯.
তামাদি আইন, ১৯০৮ সর্বশেষ সংশোধন হয় কত সালে?
  1. ২০০৪ সালে
  2. ২০০৫ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা

'তামাদি’:
‘তামাদি’ একটি আরবি শব্দ, যার আভিধানিক অর্থ “বিলুপ্ত হওয়া” বা “অতিক্রান্ত হওয়া”। আইনি পরিভাষায় ‘তামাদি’ বলতে বোঝায়— যখন কোনো দাবির নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হয়ে যায়, অর্থাৎ দাবিটি করার বা মামলা দায়েরের আইনানুগ সময় শেষ হয়ে যায়।অতএব, নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর মামলা, আপিল বা দরখাস্ত দায়ের করা এবং আদালত কর্তৃক তা বাধ্যতামূলকভাবে খারিজ হওয়ার প্রক্রিয়াকেই সংক্ষেপে ‘তামাদি’ বলা হয়।

তামাদি আইনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
১৭৯৩ সাল - উপমহাদেশে প্রথম তামাদি আইন প্রণীত হয়। ইংরেজ শাসক লর্ড চার্লস কর্নওয়ালিস এটি প্রবর্তন করেন। তবে সে সময়ের আইনটি সঠিকভাবে বিধিবদ্ধ ছিল না।
১৮৫৯ সাল - তামাদি আইন প্রথমবারের মতো সুনির্দিষ্টভাবে বিধিবদ্ধ হয়।
১৮৬২ সাল - ১৮৫৯ সালের বিধিবদ্ধ আইন কার্যকর হয়।
১৯০৮ সালের ৭ আগস্ট - আইনটি ব্যাপক সংস্কার ও পরিমার্জন করে পুনরায় প্রকাশ করা হয়।
১৯০৯ সালের ১ জানুয়ারি - নবপ্রণীত আইন কার্যকর হয়, যা বর্তমানে “১৯০৮ সালের ৯ নং আইন” নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০০৪ সালের ২৮ নং আইন দ্বারা তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ১১৩ ও ১১৪ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়। সংশোধনীতে ১১৩ এবং ১১৪ অনুচ্ছেদের তামাদি সময় ৩ বছর থেকে কমিয়ে ১ বছর করা হয়।

বর্তমানে এতে ২৯টি ধারা ও ১টি তফসিল কার্যকর রয়েছে। ১ম তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে, যা ৩টি খণ্ডে বিভক্ত-
প্রথম খণ্ড (১–১৪৯)- মামলা দায়েরের সময় সম্পর্কিত;  
দ্বিতীয় খণ্ড (১৫০–১৫৭)- আপিল দায়েরের সময় সম্পর্কিত;
তৃতীয় খণ্ড (১৫৮–১৮৩)-  আবেদন বা দরখাস্ত দায়েরের সময় সম্পর্কিত।

২,১১০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ ধারায় আদালতের কোন ধরনের এখতিয়ার (jurisdiction) সমন্ধে আপত্তি তোলার বিধান রয়েছে?
  1. territorial jurisdiction
  2. pecuniary jurisdiction
  3. ক এবং খ
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ ধারায় আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলার বিধান রয়েছে। নিম্নে আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলার সাধারণ নিয়মগুলো দেয়া হলো-

২১ ধারায় আদালতের আর্থিক (pecuniary) এবং আঞ্চলিক (territorial) উভয় এখতিয়ার (jurisdiction) সমন্ধে আপত্তি তোলা যায়।
⇒ আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে পক্ষদের কোন আপত্তি থাকলে, উক্ত আপত্তি প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে।
⇒ যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতেই এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি উত্থাপন করতে হয়।
⇒ সাধারণত আপিল বা রিভিশনে আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলা যায় না, তবে শুধুমাত্র ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্যে আপিল বা রিভিশনের সময়ও এই দাবি উত্থাপন করা যায়। এছাড়া যদি আরজি উপস্থাপনের সময় আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা থাকে, তবে সেই অনিশ্চয়তা আপিল বা রিভিশন আদালতের নিকট যৌক্তিক মনে হলে এরকম প্রশ্ন আপিল বা রিভিশন আদালত গ্রহণ করতে পারে।

Sec 21: Objections to jurisdiction-
No objection as to the place of suing shall be allowed by any appellate or revisional Court unless such objection was taken in the Court of first instance at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement, and unless there has been a consequent failure of justice.
২,১১১.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী কোন শর্তে রায় মহিলা বিবাদীর স্বামীর বিরুদ্ধে কার্যকর করা যেতে পারে?
  1. স্বামী যদি মামলায় সরাসরি পক্ষ হন
  2. স্বামী যদি মামলায় সাক্ষী হন
  3. স্বামী যদি আইন অনুসারে স্ত্রীর দেনার জন্য দায়ী হন
  4. কোনো শর্ত ছাড়াই 
সঠিক উত্তর:
স্বামী যদি আইন অনুসারে স্ত্রীর দেনার জন্য দায়ী হন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বামী যদি আইন অনুসারে স্ত্রীর দেনার জন্য দায়ী হন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির, আদেশ-২২, বিধি-৭: মহিলা পক্ষের বিবাহের ফলে মামলা স্থগিত হবে না:
(১) কোনো মহিলা বাদী বা বিবাদীর বিবাহ হলেও মামলাটি স্থগিত হবে না, বরং মামলা অগ্রসর হয়ে রায় প্রদান করা যাবে; এবং যেখানে রায় মহিলা বিবাদীর বিরুদ্ধে থাকে, সেখানে রায় শুধুমাত্র তার বিরুদ্ধে কার্যকর করা যেতে পারে।

(২) যেখানে স্বামী আইন অনুসারে তার স্ত্রীর দেনার জন্য দায়ী, সেখানে আদালতের অনুমতি নিয়ে রায় স্বামীর বিরুদ্ধে কার্যকর করা যেতে পারে; এবং স্ত্রীর পক্ষে রায় হলে, স্বামীর আবেদনপত্রে, যেখানে স্বামী আইন অনুযায়ী রায়ের বিষয়ভিত্তিক অধিকারী, সেখানে রায় কার্যকর করার জন্য অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।

২,১১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৫ অনুযায়ী, নিচের কোন ক্ষেত্রে মামলার কোনো পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষীকে জেরা করতে পারবে না?
  1. যদি সে জামিনে থাকে
  2. যদি সে কারাগারে থাকে
  3. যদি সে হেফাজতে না থাকে
  4. যদি সে এডভোকেট নিয়োগ করে
সঠিক উত্তর:
যদি সে কারাগারে থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি সে কারাগারে থাকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০৫ ধারা অনুযায়ী, মামলার কোনো পক্ষ এডভোকেটের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগতভাবে (যদি হেফাজতে না থাকেন) সাক্ষীকে জেরা, পুনঃজেরা বা জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারেন। অর্থাৎ, যদি কোনো পক্ষ কারাগারে বা হেফাজতে থাকে, তবে তারা ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষীকে জেরা করতে পারবে না। তবে, তারা এডভোকেটের মাধ্যমে এই কাজ করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৫ অনুযায়ী, যদি কোনো মামলায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন জারি করা হয়, তাহলে মামলার পক্ষসমূহ (যথা, অভিযুক্ত ও রাষ্ট্রপক্ষ) সাক্ষীর জবানবন্দির জন্য লিখিত প্রশ্নমালা (interrogatories) সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতে জমা দিতে পারে।
সেই প্রশ্নমালা যদি আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট প্রাসঙ্গিক মনে করেন, তবে তা অনুসারে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে।
এছাড়াও, মামলার পক্ষসমূহ এডভোকেটের মাধ্যমে বা ব্যক্তি হিসেবে (যদি হেফাজতে না থাকেন) উপস্থিত থেকে সাক্ষীকে জেরা (cross-examine) ও পুনঃজেরা (re-examine) করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ ধারার বিধান: পক্ষগণ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন:-
(১) এই বিধির অধীন যে মামলায় কমিশন প্রদান করা হয়েছে সেই মামলার পক্ষসমূহ কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত যে বিষয়কে মূল বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক মর্মে মনে করেন সেই বিষয়ে প্রশ্নমালা দিতে পারেন এবং উক্ত কমিশন যখন ধারা-৫০৩ এ বর্ণিত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর প্রেরিত হয়, তখন যে ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসারের উপর কমিশন কার্যকর করার দায়িত্ব অর্পিত হয় সেই ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার উক্ত প্রশ্নমালার ভিত্তিতে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করবেন।
(২) মামলার কোন পক্ষ এডভোকেট কর্তৃক বা কারাগারে না থাকলে ব্যক্তিগতভাবে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর উপস্থিত হবে এবং উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দী, জেরা ও পুনঃজবানবন্দী, যেখানে যেরূপ, গ্রহণ করতে পারবেন।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 505: Parties may examine witnesses:-
(1) The parties to any proceeding under this Code in which a commission is issued, may respectively forward any interrogatories in writing which the Magistrate or Court directing the commission may think relevant to the issue and when the commission is directed to a Magistrate or officer mentioned in section 503, such Magistrate or the Officer to whom the duty of executing such commission has been delegated shall examine the witness upon such interrogatories.
(2) Any such party may appear before such Magistrate or officer by pleader, or if not in custody, in person, and may examine, cross-examine and re-examine (as the case may be) the said witness.

২,১১৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) এর বিধান কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ৬ ধারায়
  2. ৫২ ধারায়
  3. ৫৫ ধারায়
  4. ৫৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা অনুযায়ী, বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৫ অনুসারে, যদি কোনো বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ রোধে আদালত নির্দিষ্ট কাজ করানোর ক্ষমতা রাখে, তাহলে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়। অর্থাৎ, আদালত পক্ষকে কোনো কাজ করতে বাধ্য করতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:
যে ক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতার ভঙ্গ করার রোধের লক্ষ্যে এবং এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সে ক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযােগ করা হয়েছে তা রােধ করা এবং সে সঙ্গে‌ প্রয়ােজনীয় কাজ সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন।

⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 55- Mandatory injunctions:
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.
২,১১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারায় অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে-
  1. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে
  2. দায়রা আদালতকে
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতকে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারায় দায়রা আদালতকে অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

• অপরাধ আমলে নেওয়া অর্থ আদালত কর্তৃক কোন অপরাধ বিচারের জন্য গ্রহণ করা।কোন অপরাধ সংঘটিত হলে আদালতে অথবা থানায় অপরাধের অভিযোগ করা যায়।আদালত অপরাধের অভিযোগ পাওয়ার পর তা বিচারের জন্য গ্রহণ করবেন অথবা খারিজ বা ফেরত দিবেন।যদি তিনি গ্রহণ করে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করেন তখন তাকে অপরাধ আমলে নেয়া বলে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারামতে,
দায়রা আদালতের সরাসরি মামলা আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই,ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নেয়ার পর দায়রা আদালতে প্রেরণ করলে দায়রা আদালত বিচারার্থে অপরাধ আমলে নিতে পারেন।অর্থাৎ দায়রা আদালত মূল এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত নয়,তবে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ২০৫(গ) ধারায় মামলা পাঠানো হলেই কেবল উক্ত মামলা দায়রা জজ আমলে নিয়ে বিচার করতে পারেন।

এই ধারার অধীন অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ ও অপরাধ আমলে নিতে পারেন।নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ অপরাধ আমলে নিতে পারে । যথা-
i) সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা বিচারের নির্দেশ দিলে; অথবা
ii) দায়রা জজ বিচারের জন্য অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজকে অর্পণ করলে
২,১১৫.
'Summary dismissal of appeal'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আদালত এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ৪২০ ধারায়
  2. ৪১৯ ধারায়
  3. ৪২১ ধারায়
  4. ৪২৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ (Summary dismissal of appeal)-
৪২১ ধারামতে আদালত মনে করলে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন। তবে আইনজীবীকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিতে হবে।

ধারা ৪২১- আপিল খারিজের সারবস্তু-
(১) ধারা-৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন।
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপীলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।
২,১১৬.
The Limitation Act, 1908-এর ৮ ধারা কোন বিষয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যতিক্রম হিসেবে কাজ করে?
  1. ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে
  2. সরকারি আদেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রে
  3. তামাদি আইনের সাধারণ সকল ক্ষেত্রে
  4. অগ্রক্রয়ের অধিকার সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়ের অধিকার সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়ের অধিকার সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908-এর ৮ ধারা একটি বিশেষ ব্যতিক্রম হিসেবে কাজ করে এবং এটি শুধুমাত্র অগ্রক্রয়ের অধিকার সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এই ধারা অনুসারে, অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবৎ করার মামলায় তামাদি আইনের ৬ ও ৭ ধারার বিধান প্রযোজ্য নয়।
- অর্থাৎ, সাধারণভাবে, ৬ ও ৭ ধারার বিধান অনুযায়ী যদি কেউ নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি হয়, তবে তার বিরুদ্ধে তামাদি গণনা শুরু হবে তখনই, যখন সে এই অপারগতা থেকে মুক্ত হবে। কিন্তু ৮ ধারা অগ্রক্রয়ের অধিকার সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে এই সুবিধা দেয় না।

- অগ্রক্রয়ের অধিকার সংক্রান্ত মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদি গণনার জন্য ৬ বা ৭ ধারার কোনো সুবিধা পাওয়া যাবে না।
- যদি কেউ অপারগ হয় (যেমন, নাবালক বা উন্মাদ), তাহলেও সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত সময় বাড়ানো যেতে পারে, এর বেশি নয়।

অন্য ক্ষেত্র যেমন ফৌজদারি মামলা, সরকারি আদেশ কার্যকর করা বা তামাদি আইনের সাধারণ ক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য নয়।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: ঘ) অগ্রক্রয়ের অধিকার সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে।
২,১১৭.
রিনা তার ভাইকে যাবজ্জীবন দণ্ডযোগ্য একটি অপরাধ থেকে বাঁচাতে চায়, তাই তিনি মিথ্যা তথ্য দেন ও অপরাধের আলামত সরান। রিনার জন্য প্রযোজ্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৭ বছর + অর্থদণ্ড
  2. ৫ বছর + অর্থদণ্ড
  3. ৩ বছর + অর্থদণ্ড
  4. ১ বছর + অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছর + অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর + অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
 দণ্ডবিধির ২০১ ধারা- অপরাধের সাক্ষ্য প্রমাণের বিলোপসাধন অথবা অপরাধীকে অব্যাহতি দেওয়ার মিথ্যা খবর দেওয়া:
কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধীকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে, কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, সে অপরাধটি সংঘটনের কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ বিলুপ্ত করে বা করায়, অথবা সে উদ্দেশ্য নিয়ে সে অপরাধটি সম্পর্কে কোন খবর দেয়, যা সে মিথ্যা বলে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তখন-

যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়: 
যদি, যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সে জানে বা যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস সে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
এবং যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
এবং যদি অপরাধটি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যে ধরনের (সম্ভ্রম অথবা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অপরাধটির জন্য দীর্ঘতম যে মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ উহার এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন দৈর্ঘ্যের হবে, অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
২,১১৮.
সরকার The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারাবলে অশ্লীলতার অভিযোগে কোনো পুস্তক বাজেয়াপ্ত করে?
  1. 99
  2. 99A
  3. 99B
  4. 99C
সঠিক উত্তর:
99A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
99A
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর Section 99A তে কতিপয় প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করা এবং তার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা জারির ক্ষমতা:
সংবাদপত্র বা পুস্তক বা দলিলসমূহে নিম্নোক্ত বিষয়বস্তু বিদ্যমান থাকলে তা সরকার বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করতে পারে এবং তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারে:
১) রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার, প্রধান বিচারপতির জন্য মানহানিকর।
২) মারাত্মক শিষ্টাচারহীন বা গালিগালাজপূর্ণ বা অশ্লীল।
৩) আমলযোগ্য অপরাধ করতে উত্তেজিত করে এমন শব্দ বা তিরস্কার।
৪) যা প্রকাশ করা পেনাল কোড, ১৮৬০-এর ধারা ১২৩৩, ১২৪এ, ১৫৩৩, ১৯২,২৯৫এ, ৫০৫, ৫০৫এ অনুযায়ী দণ্ডণীয়।

♦৯৯বি ধারা অনুযায়ী- উপরিউক্ত উপাদানযুক্ত সংবাদপত্র, পুস্তক, দলিল বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করা হলে, স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দুই মাসের মধ্যে HCD এর নিকট ঘোষণা বাতিলের আবেদন করতে পারে।
৯৯সি ধারা অনুযায়ী ৩ জন বিচারক নিয়ে গঠিত HCD এর স্পেশাল বেঞ্চ আবেদন শ্রবণ করে সিদ্ধান্ত দিতে পারেন।
২,১১৯.
Section 26 of the Specific Relief Act deals with-
  1. Personal bars to the relief.
  2. Non-enforcement except with variation.
  3. What parties cannot be compelled to perform.
  4. The contracts which may specifically be enforced.
সঠিক উত্তর:
Non-enforcement except with variation.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Non-enforcement except with variation.
ব্যাখ্যা
SR Act, Section-26. Non-enforcement except with variation:
Where a plaintiff seeks specific performance of a contract in writing, to which the defendant sets up a variation, the plaintiff cannot obtain the performance sought, except with the variation so set up, in the following cases (namely):-
(a) where by fraud or mistake of fact the contract of which performance is sought is in terms different from that which the defendant supposed it to be when he entered into it;
(b) where by fraud, mistake of fact, or surprise the defendant entered into the contract under a reasonable misapprehension as to its effect as between himself and the plaintiff;
(c) where the defendant, knowing the terms of the contract and understanding its effect, has entered into it relying upon some misrepresentation by the plaintiff, or upon some stipulation on the plaintiff's part, which adds to the contract, but which he refuses to fulfil;
(d) where the object of the parties was to produce a certain legal result, which the contract as framed is not calculated to produce;
(e) where the parties have, subsequently to the execution of the contract, contracted to vary it.
-------------
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ২৬ ধারার বিধান: পরিবর্তন ব্যতীত কার্যকরীকরণ না করা:
-যেক্ষেত্রে বাদী লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন দাবি করে এবং প্রতিবাদী সে ব্যাপারে একটি পরিবর্তন খাড়া করে সেখানে বাদী নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে তেমন পরিবর্তন ব্যতীত সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে পারবে না:
(ক) যেখানে প্রতারণার দ্বারা বা তথ্যের ভুলের কারণে যে চুক্তির কাজ সম্পাদন দাবি করা হল তার শর্ত প্রতিবাদী চুক্তিবদ্ধ হবার সময় যেমন ভেবেছিল, তা হতে ভিন্নরূপ পরিগ্রহ করেছে;
(খ) যেখানে প্রতারণার দ্বারা বা তথ্যগত ভুলের কারণে যা অত্যন্ত অপ্রত্যাশিতভাবে প্রতিবাদী তার এবং বাদীর মাধ্যমে চুক্তির ফলাফল সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে;
(গ) যেখানে প্রতিবাদী চুক্তির শর্তাবলী অবগত হয়ে এবং তার ফলাফল উপলব্ধি করেও বাদীর কতিপয় ভুল বিবরণের উপর বিশ্বাস করে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে অথবা বাদীর তরফ হতে এমন শর্তের প্রেক্ষিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে, যা চুক্তিতে যুক্ত করা হয়েছে কিন্তু তা সে পালন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে; (ঘ) যেখানে পক্ষসমূহের লক্ষ্য নির্দিষ্ট আইনগত ফলাফল লাভ করা, কিন্তু চুক্তি যেভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে, তা তেমন ফলদায়ী হয় না;
(ঙ) যেখানে পক্ষসমূহ চুক্তিনামা সম্পাদনের সঙ্গে সঙ্গেই, তা পরিবর্তন করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়।
২,১২০.
একজন বিচারক যখন বিচারিক দায়িত্ব পালনকালে কোন কাজ করেন, সেটি অপরাধ নয় - এটি দণ্ডবিধির কত নং ধারার বিধান?
  1. ধারা ৭৬
  2. ধারা ৭৭
  3. ধারা ৭৮
  4. ধারা ৭৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৭
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির (Penal Code, 1860) অধ্যায় IV-এর "সাধারণ ব্যতিক্রম" (General Exceptions) বিভাগে ধারা ৭৭ বিশেষভাবে বিচারকের (Judge) বিচারিক কাজের (judicial acts) সুরক্ষা প্রদান করে।
অর্থাৎ: একজন বিচারক যখন তাঁর বিচারিক দায়িত্ব পালনকালে (acting judicially) কোনো কাজ করেন, যা আইন দ্বারা প্রদত্ত ক্ষমতার ব্যবহারে (exercise of power) বা সৎবাবে (good faith) আইন দ্বারা প্রদত্ত মনে করে করেন, তখন সেই কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না। এটি বিচারকদের স্বাধীনভাবে এবং ভয়হীনভাবে বিচারকাজ করার জন্য একটি সুরক্ষা প্রদান করে, যাতে তারা আইনের মধ্যে থেকে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৭ ধারার বিধান বিচার সংক্রান্ত কাজ সম্পাদনকালে বিচারক দ্বারা কৃতকার্য:
-বিচার কাজ পরিচালনাকালে অর্থাৎ বিচারক হিসেবে কাজ পরিচালনাকালে বিচারক দ্বারা তাকে আইনে প্রদত্ত ক্ষমতা বা যে ক্ষমতা তাঁকে আইনে প্রদত্ত হয়েছে তিনি সরল মনে বিশ্বাস করেন সে ক্ষমতানুসারে কৃত কোন কাজ অপরাধ হবে না।
--------------------------------
⇒ The Penal Code,1860- Section 77: Act of Judge when acting judicially:-
- Nothing is an offence which is done by a Judge when acting judicially in the exercise of any power which is, or which in good faith he believes to be, given to him by law.

২,১২১.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর কত অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে বার কাউন্সিল তালিকাভুক্ত সকল অ্যাডভোকেটকে সনদ প্রদান করবেন?
  1. ২১ অনুচ্ছেদ
  2. ২২ অনুচ্ছেদ
  3. ২৩ অনুচ্ছেদ
  4. ২৪ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
২৪ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার এর ২৪ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে বার কাউন্সিল তালিকাভুক্ত সকল অ্যাডভোকেটকে সনদ প্রদান করবেন।
----------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article- 23. (1) Entries in the roll shall be made in the order of seniority and such seniority shall be determined as follows, namely:-
(a) all such persons as are referred to in clause (a) of Article 20 shall be entered first in the order in which they were respectively entitled to seniority immediately before the commencement of this Order; and
(b) the seniority of any other person admitted to be an advocate under this Order after the commencement of this Order shall be determined by the date of his admission.
(2) Where the date of seniority of two or more persons is the same, the one senior in age shall rank as senior to the other.

⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article- 24. The Bar Council shall issue a certificate of enrolment in the prescribed form to every person enrolled under Article 23.

২,১২২.
একজন ব্যক্তি আঘাত পেয়ে "X আমাকে আঘাত করেছে" বলে কিছুক্ষণ পরেই মারা গেলে, এই বক্তব্যটি ______ হিসাবে গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য হবে।
  1. Res integra
  2. Res Gestae
  3. double jeopardy
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
Res Gestae
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Res Gestae
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনে 'Res Gestae' একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। যখন একাধিক ঘটনা অবিচ্ছেদ্যভাবে সম্পর্কিত এবং একই ঘটনার ধারাবাহিক অংশ হয়, তখন তাদের বক্তব্য বা আচরণকে Res Gestae সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়। অর্থাৎ Res Gestae এর মাধ্যমে এমন কথা বা আচরণকে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করা হয় যা কোনো ঘটনার সময় বা ঘটনার পূর্বে বা পরবর্তীতে বলা বা করা হয়েছিল এবং যা সেই ঘটনার প্রকৃতি ও কারণ বুঝতে সাহায্য করে।

উদাহরণস্বরূপ:
⇒ একজন ব্যক্তি আঘাত পেয়ে "X আমাকে আঘাত করেছে" বলে কিছুক্ষণ পরেই মারা গেলে, এই বক্তব্যটি Res Gestae হিসাবে গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য হবে।
⇒ অপরাধের পর দ্রুত পালিয়ে যাওয়া অপরাধীর বক্তব্য বা আচরণ Res Gestae হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
⇒ দুর্ঘটনার পর অবিলম্বে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিদের আতঙ্কিত বা উদ্বিগ্ন বক্তব্য Res Gestae হিসেবে গৃহীত হতে পারে।

Res Gestae সাক্ষ্যগুলো ঘটনার সঙ্গে এতটাই নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত থাকে যে, তা স্বাভাবিক ও আকস্মিক হয়ে পড়ে এবং মিথ্যা বলার সম্ভাবনা থাকে না। এজন্য আদালত Res Gestae সাক্ষ্যগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দেয়। অন্যদিকে, যদি একাধিক ঘটনা পরস্পর খুব অতিরিক্ত পৃথক হয়, তাহলে তাদের বক্তব্য বা আচরণকে Res Gestae সাক্ষ্য বলে গণ্য করা যায় না। একইভাবে, কোনো ঘটনার স্বাতন্ত্র্য বা অপ্রাসঙ্গিকতাও Res Gestae সাক্ষ্য গঠনে সাহায্য করে না।
২,১২৩.
মামলার অ্যাবেইটমেন্ট আদেশ সরাসরি বাতিলের জন্য আদালত একজন দরখাস্তকারীর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কত Cost পরিশোধের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ৩০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৫০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২২, বিধি ৯(ক) অনুসারে, কোনো পক্ষের মৃত্যুর কারণে মোকদ্দমা অ্যাবেট (খারিজ) হয়ে গেলে বাতিল/খারিজ সরাসরি রহিতের দরখাস্ত করে প্রতিকার পেতে পারে।

বাতিল/খারিজ সরাসরি রহিতকরণ:
দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ আদেশের ৯ক বিধিতে, বাদীকে কোনো প্রকার সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না দিয়েই মামলার অ্যাবেটমেন্ট আদেশ সরাসরি খারিজ/ বাতিলের [Directly setting-aside abatement of dismissal] বিধান রয়েছে।

খারিজ আদেশ সরাসরি বাতিল/রদের শর্ত: ৯ক বিধি মোতাবেক-
⇒ আদেশদানের ৬০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে;
আদালতের নির্দেশনানুযায়ী সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা খরচ পরিশোধ করতে হবে।
২,১২৪.
সরকার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারেন-
  1. অপরাধীর সম্মতি সাপেক্ষে
  2. অপরাধীর সম্মতি ব্যতীত
  3. অপরাধীর আবেদন সাপেক্ষে
  4. বিচারিক আদালতের সম্মতি সাপেক্ষে
সঠিক উত্তর:
অপরাধীর সম্মতি ব্যতীত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধীর সম্মতি ব্যতীত
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:
যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।

Section 55- Commutation of sentence of imprisonment for life:
In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.
২,১২৫.
ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করার বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৩৬৮ ধারায়
  2. ৩৬৯ ধারায়
  3. ৩৭০ ধারায়
  4. ৩৭২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৬৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান:
(১) কোন ব্যক্তিকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়া ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
(২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তিকে কোথায় প্রেরণ করিতে হইবে তাহার উল্লেখ থাকিবে না।

Section-368: Sentence of death:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
(2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.
২,১২৬.
ফৌজদারি মামলার রিভিশন নিষ্পত্তির সময় কখন থেকে গণনা হয়?
  1. রিভিশন দাখিলের দিন থেকে
  2. রিভিশনের কারণ উদ্ভব হবার দিন থেকে
  3. পক্ষগণ আদালতে হাজির হবার দিন থেকে
  4. পক্ষগণের ওপর নোটিশ জারি হবার দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের ওপর নোটিশ জারি হবার দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের ওপর নোটিশ জারি হবার দিন থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান:- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

২,১২৭.
দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারার অধীনে কোন অপরাধের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. জাল দলিল প্রস্তুত
  2. নকল মুদ্রা ব্যবহার
  3. মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান
  4. সরকারি স্ট্যাম্প জালকরণ
সঠিক উত্তর:
সরকারি স্ট্যাম্প জালকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি স্ট্যাম্প জালকরণ
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারা অনুযায়ী, সরকারি স্ট্যাম্প জালকরণ একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। যদি কেউ সরকার কর্তৃক রাজস্ব সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ইস্যু করা স্ট্যাম্প জাল করে বা knowingly (জ্ঞাতসারে) জাল করার প্রক্রিয়ার কোনো ধাপে অংশগ্রহণ করে, তবে তাকে কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়।

এই অপরাধের শাস্তি হিসেবে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, অথবা ১০ বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড নির্ধারিত রয়েছে।


⇒ দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারা সরকারি স্ট্যাম্প জাল করণ :- কোন ব্যক্তি যদি সরকার দ্বারা রাজস্বের উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত কোন স্ট্যাম্প জাল করে বা জ্ঞাতসারে অনুরূপ কোন স্ট্যাম্প জাল করার প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- এক মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পকে কোন ব্যক্তি যদি দেখতে অপর মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পের মত করে লয়, তবে সে ব্যক্তি এই অপরাধ অনুষ্ঠান করে বলে পরিগণিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 255. Counterfeiting Government stamp:- Whoever counterfeits, or knowingly performs any part of the process of counterfeiting, any stamp issued by Government for the purpose of revenue, shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

Explanation:- A person commits this offence who counterfeits by causing a genuine stamp of one denomination to appear like a genuine stamp of a different denomination.
২,১২৮.
Section 215 of the Penal Code deals with-
  1. Receiving stolen property
  2. Harbouring an offender
  3. Taking gift to help recover stolen property
  4. Taking gift to help recover personal property
সঠিক উত্তর:
Taking gift to help recover stolen property
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Taking gift to help recover stolen property
ব্যাখ্যা

⇒ The Penal Code, 1860-Section 215. Taking gift to help to recover stolen property, etc:
Whoever takes or agrees or consents to take any gratification under pretence or on account of helping any person to recover any moveable property of which he shall have been deprived by any offence punishable under this Code, shall, unless he uses all means in his power to cause the offender to be apprehended and convicted of the offence, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

⇒ দণ্ডবিধির ২১৫ ধারার বিধান: চোরাই সম্পত্তি ইত্যাদি উদ্ধারে সহায়তা করার জন্য উপহার গ্রহণ করা:
কোন ব্যক্তি এই বিধি বলে দণ্ডনীয় কোন অপরাধহেতু যে সম্পত্তি হতে বঞ্চিত হয়েছে তাকে সে সম্পত্তি উদ্ধারে সহায়তার ভান করে বা সহায়তা করার জন্য যদি কেউ কোন পারিতোষিক গ্রহণ করে কিংবা গ্রহণ করতে স্বীকৃত বা সম্মত হয়, তবে সে যদি না অপরাধীকে গ্রেফতার ও অপরাধের জন্য দণ্ডিত করানোর জন্য তার সাধ্যায়ও সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

২,১২৯.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা hostile witness সম্পর্কিত?
  1. ধারা ১৩৩
  2. ধারা ১৩৪
  3. ধারা ১৫৪
  4. ধারা ১৫৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৪
ব্যাখ্যা
Hostile witness:
Hostile witness বলতে এমন একজন সাক্ষীকে বোঝায়, যিনি যিনি তাকে আদালতে ডেকে আনা পক্ষের বিরুদ্ধে বা বিরুদ্ধভাবে সাক্ষ্য দেন — অর্থাৎ যিনি তার পূর্বে দেয়া বয়ান বা প্রত্যাশিত সাক্ষ্যের বিপরীত বক্তব্য দেন এবং আদালতের কাছে অবিশ্বস্ত বা পক্ষদ্বার বিরোধী আচরণকারী হিসেবে প্রতিভাত হন।

আইনগত ভিত্তি:
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৫৪ অনুযায়ী-
আদালত, তার বিবেচনায়, অনুমতি দিলে যে কোনো পক্ষ তার নিজ ডাকা সাক্ষীকে প্রতিকূল (hostile) হিসেবে ঘোষণা করে জেরা (cross-examine) করতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনে বৈরী সাক্ষীর কোন সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা প্রদান করা হয়নি। তবে সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার বিধান মতে স্বীয় সাক্ষীকে বিরুদ্ধ পক্ষের মত জেরা করার বিধান আছে। আদালতের প্রচলিত ভাষায় স্বীয় সাক্ষীকে জেরা করার পুর্বে শত্রু বা বৈরী সাক্ষী বলা হয়। বৈরী সাক্ষীকে জেরা করতে হলে আদালতের অনুমতি নিতে হয়। আদালত যদি মনে করেন যে, আহ্বানকারী পক্ষের প্রতি সাক্ষীর কথাবার্তা শত্রু পক্ষের মত হয়ে গেছে, তাহলে আদালত আহ্বানকারী পক্ষকে বিরুদ্ধ পক্ষের ন্যায় তার নিজ সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি দিতে পারেন। সাক্ষীকে জেরা করতে দেওয়ার অধিকার আদলতের বিবেচনার উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
২,১৩০.
দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুসারে, কোনো ব্যক্তিকে সহায়তা প্রদান বলা হবে যদি—
  1. সে ব্যক্তি কাউকে উক্ত ব্যাপারে প্ররোচনা দেয়
  2. সে ব্যক্তি অন্যদের সাথে চক্রান্তে লিপ্ত হয়
  3. সে ব্যক্তি বেআইনীভাবে কোনো কাজ করা থেকে বিরত রাখে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারার বিধান: কোন ব্যাপারে সহায়তা প্রদান:
কোন ব্যক্তি কোন ব্যাপারে সহায়তা দান করেছে বলে পরিগণিত হয়, যদি সে ব্যক্তি-
প্রথমত :- কোন ব্যক্তিকে উক্ত ব্যাপারে প্ররোচনা দেয়;
দ্বিতীয়ত :- উক্ত কাজটি করার জন্য কোন ব্যক্তির বা ব্যক্তিদের সাথে কোন চক্রান্তে লিপ্ত হয়, যার ফলে চক্রান্ত অনুযায়ী কোন কাজ করা হয় অথবা কোন কাজ করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থাকা হয় এবং উক্ত কাজ করার জন্য তা করা হয়;
তৃতীয়ত :- কোন কাজ করে অথবা বেআইনীভাবে কোন কাজ করা হতে বিরত থেকে উপযুক্ত কার্যে ইচ্ছাকৃতভাবে সহায়তা করে।

ব্যাখ্যা ১:- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাপূর্বক কোন বাস্তব গুরুত্বসম্পন্ন ঘটনার, যা প্রকাশ করতে সে বাধ্য-ভ্রান্ত বিবরণ প্রকাশ করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক উহা গোপন করে কোন কাজ করে বা করায় অথবা কোন কাজ করার বা করানোর চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি উক্ত কাজ সংঘটনে প্ররোচনা দেয় বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ২:- যে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদনের সময় বা তার পূর্বে উক্ত কাজ সম্পাদন সুগমকল্পে কোন কিছু করে, এবং তদ্বারা উহার সম্পাদন সুগম করে, সে ব্যক্তি উক্ত কাজ সম্পাদনের সহায়তা করে বলে অভিহিত হবে।
২,১৩১.
সোলে বা আপস ডিক্রি (Compromise Decree) বা সম্মতিসূচক ডিক্রি (Consent Decree) এর বিরুদ্ধে প্রতিকার হলো-
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. ডিক্রি বাতিলের আবেদন
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারা অনুযায়ী পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি প্রদান করে থাকলে তার হতে কোন আপীল চলবে না।
⇒   অর্থাৎ পক্ষগণের সম্মতিতে (Compromise Decree) আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে না। যেহেতু আপীল চলবে না তাই রিভিশেন করা যাবে।
⇒  আদেশ ২৩ (৩) বিধির অধীন সোলে বা আপস ডিক্রি [compromise] বা সম্মতিসূচক [consent decree] ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না তবে রিভিশন করা যায়। কিন্তু ৮৯ক ধারার অধীন মধ্যস্থতার [Mediation] মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যায় না। যা ৮৯ক(১২) ধারায় উল্লেখ করা আছে।

⇒  দেওয়ানি মোকদ্দমার আপিল আদালত দুটি। ১) জেলা জজ আদালত ২) হাইকোর্ট বিভাগ।
২,১৩২.
মোকদ্দমা চলাকালীন সময়ে বিষয়বস্তু স্থিতিবস্থা বজায় রাখার জন্য আদালত কোন নিষেধাজ্ঞা প্রদান করিবেন?
  1. Temporary Injunction,
  2. Prohibitory Injunction,
  3. Perpetual Injunction,
  4. Mandatory Injunction,
সঠিক উত্তর:
Temporary Injunction,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Temporary Injunction,
ব্যাখ্যা
⇒ নিষেধাজ্ঞা হল একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম যেখানে কোন পক্ষকে নির্দিষ্ট কোন কাজ করা বা করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়।
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, কোনো কিছু করা হতে মামলার পক্ষগণকে বিরত রাখা বা মামলা করার পর কোনো পক্ষের করা কাজের জন্য পরিবর্তিত কোনো সম্পত্তিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে ইনজাংশন বা নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒  নিষেধাজ্ঞার প্রধানত দুই প্রকার হতে পারে। যথাক্রমে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা। স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অনন্তকালের জন্য চলতে পারে। মামলার রায় চূড়ান্ত আদেশ হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।

⇒  মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-১ বা বিধি-২ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পিটিশন দাখিল করতে হয়।

⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রার্থনার সময় আবেদনকারীকে কিছু বিষয় প্রমাণ করতে হবে –
(১) আবেদনকারীকে অবশ্যই (Prima facie case) প্রমাণ করতে হবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে মামলার গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে।
(২) আবেদনকারী আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করবে যে অস্থায়ী নিষেধজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করা না হলে অপূরণীয় ক্ষতি (Irreparable loss) হবার সম্ভাবনা আছে। যেখানে অপূরণীয় ক্ষতি বলতে সেই ক্ষতিকে বুঝাবে যা অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।
(৩) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করার ক্ষেরে আদালত (The balance of convenience and inconvenience of the Parties) বিবেচনা করেন। তাই আবেদনকারীকে সুবিধা এবং অসুবিধার ভারসাম্য আদালতে উপস্থাপন করতে হবে।
(৪) জনস্বার্থে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা যায়। যা সাধারণত সরকারের বিপক্ষে করা হয়। সেই ক্ষেত্রে জনস্বার্থ (Public interest) বিষয়টি কার্যকর ভাবে উপস্থাপন করতে হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
--------- 
⇒ Section 53 Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
 
Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
২,১৩৩.
নিম্নের কোন দলিলটি মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়?
  1. মূল বিক্রয় দলিল
  2. মূল বন্ধকী দলিল
  3. মূল বিক্রয় দলিলের ফটোগ্রাফ
  4. মূল বিক্রয় দলিলের খসড়া
সঠিক উত্তর:
মূল বিক্রয় দলিলের ফটোগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল বিক্রয় দলিলের ফটোগ্রাফ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করাকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান মাধ্যমিক সাক্ষ্যঃ- মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তাহার অন্তর্ভূক্ত হয়ঃ
(১) বর্ণিত বিধানবলী অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল;
(২) মূল দলিল হইতে এইরুপ যান্ত্রিক উপায়ে প্ৰস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এইরুপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল;
(৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
(৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
(৫) যে ব্যক্তি নিজের কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া উক্ত দলিলের বিসয় বস্তু সম্পর্কে মৌক্ষিক বিবরণ।

উদাহরণঃ
(ক) একটি মূল দলিলের সহিত উহার ফটোগ্রাফ মিলাইয়া দেখা না হইয়া থাকিলেও যদি প্রমাণ করা হয় যে, ফটোগ্রাফটি যে দলিলের ফটোগ্রাফ, তাহাই মূল দলিল; তবে উক্ত ফটোগ্রাফ উক্ত মূল দলিলের মাধ্যমিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।

⇒ অর্থাৎ মূল বিক্রয় দলিলের ফটোগ্রাফ মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়।
২,১৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় বিচার কার্যক্রমের কোন পর্যায়ে আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে পরীক্ষা করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. মামলার কার্যক্রমের শেষ পর্যায়ে
  2. প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে
  3. প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে
  4. আসামীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের আহ্বান জানাবার পর
সঠিক উত্তর:
প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী-

আদালত আসামীকে পরীক্ষা করতে পারবে। পরীক্ষা করতে পারবে অর্থ হলো প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এবং আসামীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের আহ্বান জানাবার পূর্বে আদালত আসামীকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন আসামী তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়। 
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত আসামীকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই আসামীকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।
 
৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত আসামীর নিকট যে প্রশ্ন করে, আসামী এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে। এক্ষেত্রে কোনো শপথ গ্রহণ করা হয় না।
২,১৩৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৭, বিধি ৪ অনুযায়ী পুনর্বিবেচনার আবেদন মঞ্জুর করার পূর্বে আদালতকে কী করতে হবে?
  1. প্রতিপক্ষকে নোটিশ দিতে হবে
  2. উচ্চ আদালতের অনুমোদন নিতে হবে
  3. আবেদনটি পুনরায় যাচাই করতে হবে
  4. আবেদনকারীর কাছ থেকে জরিমানা আদায় করতে হবে
সঠিক উত্তর:
প্রতিপক্ষকে নোটিশ দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিপক্ষকে নোটিশ দিতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৭, বিধি ৪(২)(ক) অনুসারে, পুনর্বিবেচনার আবেদন মঞ্জুর করার পূর্বে আদালতকে প্রতিপক্ষকে (opposite party) নোটিশ দিতে হবে। এই নোটিশের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে আদালতে উপস্থিত হয়ে ডিক্রি বা আদেশের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হয়। অন্য অপশনগুলো (যেমন উচ্চ আদালতের অনুমোদন নেওয়া, জরিমানা আদায় ইত্যাদি) এই বিধির অধীনে বাধ্যতামূলক নয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮, আদেশ–৪৭, বিধি–৪ : আবেদন বাতিল বা মঞ্জুর করার নিয়ম:
(১) যখন আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে পুনর্বিবেচনার (review) আবেদনের জন্য যথেষ্ট কারণ বা ভিত্তি নেই, তখন আদালত উক্ত আবেদন বাতিল করবে।
(২) যদি আদালতের মতে পুনর্বিবেচনার আবেদন মঞ্জুর করা উচিত হয়, তবে আদালত উক্ত আবেদন মঞ্জুর করতে পারবে,
তবে নিম্নলিখিত শর্তাবলি প্রযোজ্য হবে—
(ক) উক্ত আবেদন মঞ্জুর করার পূর্বে প্রতিপক্ষকে (opposite party) নোটিশ দিতে হবে, যাতে সে উপস্থিত হয়ে সেই ডিক্রি বা আদেশের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করতে পারে, যার পুনর্বিবেচনা চাওয়া হয়েছে; এবং
(খ) যদি আবেদনকারী দাবি করেন যে নতুন কোনো তথ্য বা প্রমাণ উদ্ঘাটিত হয়েছে, যা ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের সময় তার জ্ঞাত ছিল না বা পেশ করা সম্ভব ছিল না, তবে সে ক্ষেত্রে উক্ত দাবির কঠোর প্রমাণ (strict proof) ব্যতিরেকে কোনো আবেদন মঞ্জুর করা যাবে না।

২,১৩৬.
‘A’ রেলপথে টিকিট ছাড়া ভ্রমণের অভিযোগে অভিযুক্ত। কার ওপর প্রমাণের দায়িত্ব থাকবে যে, তার কাছে টিকিট ছিল?
  1. পুলিশ
  2. আদালত
  3. রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের
  4. অভিযুক্ত ‘A’-এর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ‘A’-এর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ‘A’-এর
ব্যাখ্যা

• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৬ ধারা অনুযায়ী,
কোনো বিষয় যখন বিশেষ ভাবে কোনো ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপরই ন্যস্ত থাকে। অর্থাৎ, কোনো একটি ঘটনা বা বিষয় যখন নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির জানার কথা বা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি ব্যতীত অন্যরা জানার কথা নয়, তখন ঐ ব্যক্তির উপরই প্রমাণ করার দায়িত্ব বর্তাবে।

⇒ এই ধারা অনুসারে, 'A'-কেই প্রমাণ দিতে হবে যে, তার কাছে টিকেট ছিল।

২,১৩৭.
একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা আরোপ করতে পারেন?
  1. ৫০০০ টাকা
  2. ৩০০০ টাকা
  3. ১০,০০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারায় বলা হয়েছে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকার জরিমানা অর্থদন্ড দিতে পারে।
২,১৩৮.
নিচের কোন অপরাধের জন্য দণ্ডবিধির ৪১৯ ধারায় শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. বিশ্বাসঘাতকতা
  2. প্রতারণার
  3. মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান
  4. অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা
সঠিক উত্তর:
অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা:- কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব‍্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা :- যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৯ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করার শাস্তি:- কোন ব্যক্তি যদি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করে, তবে উক্ত লোক তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 416. Cheating by personation:
 A person is said to "cheat by personation" if he cheats by pretending to be some other person, or by knowingly substituting one person for another, or representing that he or any other person is a person other than he or such other person really is. 
Explanation.-The offence is committed whether the individual personated is a real or imaginary person. 

⇒ The Penal Code, 1860-Section-419. Punishment for cheating by personation:
-Whoever cheats by personation shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
২,১৩৯.
"আমলযোগ্য অপরাধ" ও "আমলযোগ্য মামলা" সংজ্ঞাটি The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ধারা ৪(১)(গ)
  2. ধারা ৪(১)(ঙ)
  3. ধারা ৪(১)(চ)
  4. ধারা ৪(১)(জ)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪(১)(চ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪(১)(চ)
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি- ধারা: ৪(১) এর (চ):
"আমলযোগ্য অপরাধ" বলতে এমন অপরাধ বোঝায় এবং "আমলযোগ্য মামলা" বলতে এমন মামলা বোঝায়, যার ক্ষেত্রে পুলিশ অফিসার দ্বিতীয় তফসিল অনুযায়ী বা প্রচলিত কোনো আইনের অধীনে পরোয়ানা ব্যতীত গ্রেফতার করতে পারেন।

["cognizable offence" means an offence for, and "cognizable case" means a case in, which a Police-officer, may, in accordance with the second schedule or under any law for the time being in force, arrest without warrant:]
২,১৪০.
দণ্ডবিধির ধারা ৩১২-এর অধীনে কোন ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য হবে যদি সে:
  1. গর্ভপাত সম্পর্কে জানে
  2. গর্ভপাতের সময় সাহায্য করে
  3. ইচ্ছাকৃতভাবে গর্ভপাত ঘটায়
  4. গর্ভপাতের বিষয়ে পরামর্শ দেয়
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছাকৃতভাবে গর্ভপাত ঘটায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছাকৃতভাবে গর্ভপাত ঘটায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩১২- গর্ভপাতকরণ:
কোন লােক যদি, ইচ্ছাকৃতভাবে কোন গর্ভবতী স্ত্রীলােকের গর্ভপাত করায়, এরূপ গর্ভপাত সদবিশ্বাসে ঐ স্ত্রীলােকের জীবন রক্ষার উদ্দেশ্যে না করা হয়ে থাকে, তা হলে সে লোক যে কোন বর্ণণার কারাদণ্ডে-যার মেয়াদ তিন বৎসর হতে পারে বা জরিমানা দণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডিত হবে ও যদি ঐ স্ত্রীলােকটি আসন্ন প্রসবা হয়, তা হলে সে লােক যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে- যার মেয়াদ সাত বৎসর পর্যন্ত হতে পারে- দণ্ডিত হবে ও এতদ্ব্যতীত জরিমানাদণ্ডেও শাস্তিযােগ্য হবে।

ব্যাখ্যাঃ যে স্ত্রীলােক নিজে থেকে গর্ভপাত করে সে স্ত্রীলােকও এই ধারার তাৎপর্যাধীন হবে।

Section 312: Causing miscarriage:
Whoever voluntarily causes a woman with child to miscarry, shall, if such miscarriage be not caused in good faith for the purpose of saving the life of the woman, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both; and, if the woman be quick with child, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
 
Explanation.-A woman who causes herself to miscarry, is within the meaning of this section.
২,১৪১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় মোট কয়টি ব্যাখ্যা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?
  1. ৭ টি
  2. ৪ টি
  3. ৫ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
৬ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১১ তে Principle of Res judicata আছে। একই ব্যক্তিগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় নিয়ে পুনরায় নতুন মামলা করা যায় না।
অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মাঝে চূড়ান্তভাবে কোন বিষয় নিষ্পত্তি হলে ঐ একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পরবর্তীতে পুনরায় নতুন করে কোন মামলা করা যাবে না। এই নীতিকেই রেস জুডিকাটা বা দোবারা দোষ বলে ।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় Res-Judicata শব্দটি শিরোনামে ১ বার ব্যবহৃত হয়েছে। এর অর্থ: দোবারা-দোষ, পূর্ববিচারিত, আদালত কর্তৃক নিষ্পত্তিকৃত বিষয়।
এটি ২ প্রকার:
(১) প্রত্যক্ষ দোবারা দোষ
(২) পরোক্ষ দোবারা দোষ।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় ৬টি ব্যাখ্যা [Explanation] রয়েছে:-
১ম ব্যাখ্যা: Former Suit [পূর্ববর্তী মোকদ্দমা]।
২য় ব্যাখ্যা: Competence of a Court [কোর্টের বিচার করার ক্ষমতা]
৩য় ব্যাখ্যা: Direct Res-Judicata [প্রত্যক্ষ দোবারা দোষ]।
৪র্থ ব্যাখ্যা: Constructive Res-Judicata [পরোক্ষ দোবারা দোষ]।
৫ম ব্যাখ্যা: প্রার্থিত প্রতিকার মঞ্জুর না হলে প্রত্যাখ্যান বলে গণ্য হবে না।
৬ষ্ঠ ব্যাখ্যা: Litigation for Public Rights.
---------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-11. Res Judicata:
No Court shall try any suit or issue in which the matter directly and substantially in issue has been directly and substantially in issue in a former suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim, litigating under the same title, in a court competent to try such subsequent suit or the suit in which such issue has been subsequently raised, and has been heard and finally decided by such Court. 
Explanation I. -The expression "former suit" shall denote a suit which has been decided prior to the suit in question whether or not it was instituted prior thereto. 
Explanation II. -For the purposes of this section, the competence of a Court shall be determined irrespective of any provisions as to a right of appeal from the decision of such Court. 
Explanation III. -The matter above referred to must in the former suit have been alleged by one party and either denied or admitted, expressly or impliedly, by the other. 
Explanation IV. -Any matter which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been a matter directly and substantially in issue in such suit. 
Explanation V. -Any relief claimed in the plaint, which is not expressly granted by the decree, shall, for the purposes of this section, be deemed to have been refused. 
Explanation VI.-Where persons litigate bona fide in respect of a public right or of a private right claimed in common for themselves and others, all persons interested in such right shall, for the purposes of this section, be deemed to claim under the persons so litigating.
২,১৪২.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানানুযায়ী কোনো ব্যক্তির প্রতি জারি বা প্রদত্ত সকল আদেশ এবং নোটিশ _________ হবে।
  1. মৌখিক
  2. লিখিত
  3. মৌখিক বা লিখিত
  4. আদালতের নির্ধারিত পদ্ধতি অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
লিখিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪২ ধারা: আদেশ ও নোটিশ লিখিত হতে হবে:
এই আইনের বিধানানুযায়ী কোনো ব্যক্তির প্রতি জারি বা প্রদত্ত সকল আদেশ এবং নোটিশ লিখিতভাবে হবে।

Section 142: Orders and notices to be in writing:
All orders and notices served on or given to any person under the provisions of this Code shall be in writing.
২,১৪৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে আরজি নাকচের সিদ্ধান্ত হচ্ছে একটি-
  1. আদেশ
  2. ডিক্রি
  3. প্রাথমিক সিদ্ধান্ত
  4. চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) মোতাবেক- আরজি ত্রুটিযুক্ত হলে আদালত আরজি খারিজ বা আরজি নাকচ  করেন এবং আরজি খারিজ একটি ডিক্রি বিধায় এর বিরুদ্ধে ৯৬ ধারায় আপিল করা যায়। উল্লেখ্য আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আদেশ। আদেশ অন্তবর্তীকালীন বা চূড়ান্ত হতে পারে। ডিক্রী প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আদেশ হলেও এটি ১০৪ ধারায় আপীল যোগ্য।
২,১৪৪.
প্রকাশ্যে মাতাল ব্যক্তির অশুভ আচরণ এর জন্য শাস্তি কী?
  1. এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং 100 টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
  2. ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড দশ টাকা জরিমান
  3. ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
  4. একদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং 50 টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী প্রকাশ্যে মাতাল ব্যক্তির অশুভ আচরণ এর জন্য শাস্তি হতে পারে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা 10 টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড। ৫১০ ধারাটিতে দণ্ডবিধির সর্বনিম্ন শাস্তি উল্লেখ আছে।

♦ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী নেশাগ্রস্থ ব্যক্তি দ্বারা প্রকাশ্যে অসদাচরণ:- কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

----------------------------------------------------------------------- 
♦ Section 510. Misconduct in public by a drunken person :- Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
২,১৪৫.
ক্ষতিপূরণ মামলার ক্ষেত্রে কখন থেকে মামলার তামাদির মেয়াদ শুরু হয়?
  1. ক্ষতিকর কাজটি যখন করা হয়
  2. যখন ক্ষতি সাধিত হয়
  3. যখন মামলা করার কারণ উদ্ভব হয়
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ২৪ ধারায় বলা আছে- কোন ক্ষতি সাধিত না হলে বা কোন মামলা করার কারণ উদ্ভব হবার আগ পর্যন্ত তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে না।

• তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান মতে, যে কাজের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, সে কাজের দরুণ ক্ষতিপূরণ মামলার জন্য যখন ক্ষতি সাধিত হয় তখন থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।

Section 24: Suit for compensation for act not actionable without special damage-
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results.
২,১৪৬.
অপরাধমূলক অনাধিকার প্রবেশ বলা হয়-
  1. অপথে গৃহে প্রবেশ
  2. রাত্রিবেলা অপথে গৃহে প্রবেশ
  3. সংগোপনে অনধিকার গৃহপ্রবেশ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারায় অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের বিধান রয়েছে।
• অন্যের সম্পত্তিতে অন্যায়ভাবে অনুপ্রবেশের পর বিরক্তি সৃষ্টি বা ভয় দেখানো অথবা অপরাধ সংঘটনের অভিপ্রায় থাকলে তাকে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ বা Criminal Trespass বলে।
• অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ ৫ প্রকার। যথা--
(i) অনধিকার গৃহপ্রবেশ (House trespass);
(ii) সংগোপনে অনধিকার গৃহপ্রবেশ (Lurking house trespass); 
(iii) রাত্রি বেলায় সংগোপনে অনধিকার গৃহপ্রবেশ (Lurking house trespass by night);
(iv) অপথে গৃহে প্রবেশ (House breaking); এবং
(v) রাত্রি বেলায় অপথে গৃহে প্রবেশ (House breaking by night)।
২,১৪৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের  ২১ক ধারা অনুসারে, কোন ধরণের চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না?
  1. যেকোনো মৌখিক চুক্তি
  2. রেজিস্ট্রি‑কৃত স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়‑চুক্তি
  3. অরেজিস্ট্রিকৃত স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়‑চুক্তি
  4. অরেজিস্ট্রিকৃত অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়‑চুক্তি
সঠিক উত্তর:
অরেজিস্ট্রিকৃত স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়‑চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অরেজিস্ট্রিকৃত স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়‑চুক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার বিধান- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য:
এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
২,১৪৮.
Penal Code-এর অধীনে Criminal Breach of Trust এর শাস্তি কী?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ও উভয়দণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  4. যে কোনো বর্ণনার ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ ৪০৬ ধারায় Criminal Breach of Trust এর শাস্তি বলা আছে যা ৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
২,১৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারায় আদালতকে কখন অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময়
  2. রায় কার্যকরের পূর্বে যেকোন সময়
  3. যুক্তিতর্ক শ্রবণের পূর্বে যেকোন সময়
  4. সাক্ষীদের জবানবন্দী নেয়ার পূর্বে যেকোন সময়
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৭ আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে। রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন। 

⇒ ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 
অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান-অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-227: Court may alter charge:
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.
২,১৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে 'তদন্ত' (Investigation) কী?
  1. আদালতে মামলার শুনানি।
  2. ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক পরিচালিত বিচারিক প্রক্রিয়া।
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত অভিযোগ দাখিল করা।
  4. প্রমাণ সংগ্রহের জন্য পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত কার্যক্রম।
সঠিক উত্তর:
প্রমাণ সংগ্রহের জন্য পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত কার্যক্রম।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রমাণ সংগ্রহের জন্য পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত কার্যক্রম।
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪(ঞ)-তে "তদন্ত" এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, "তদন্ত বলতে এই সংহিতা অনুসারে প্রমাণ সংগ্রহ করার জন্য একজন পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি (ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত) কর্তৃক পরিচালিত সকল কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত হবে।"

সুতরাং, তদন্ত মূলত পুলিশের প্রমাণ সংগ্রহ-related কার্যক্রম।
- আদালতে শুনানি বা ম্যাজিস্ট্রেটের বিচারিক কার্যক্রম তদন্ত নয়।
- ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট অভিযোগ দাখিল করাও তদন্তের অংশ নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪(ঞ) (l) "investigation" includes all the proceedings under this Code for the collection of evidence conducted by a police-officer or by any person (other than a Magistrate) who is authorised by a Magistrate in this behalf."

- তদন্ত হলো পুলিশ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অনুমোদিত ব্যক্তি কর্তৃক প্রমাণ সংগ্রহের সকল কার্যক্রম। এটি ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে হয়, কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট নিজে তদন্ত করেন না। তদন্তের সময় পুলিশ গ্রেপ্তার, জব্দ, সাক্ষী জেরা, স্থান পরিদর্শন ইত্যাদি করে।

২,১৫১.
দণ্ডবিধির ১৫৩(ক) ধারা অনুসারে, শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা প্রচারের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ১৫৩(ক) ধারা: শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা প্রচার করা:
যে কেউ, কথার মাধ্যমে, মৌখিক বা লিখিত, অথবা সংকেতের মাধ্যমে, দৃশ্যমান উপস্থাপনা দ্বারা বা অন্য যেকোনো উপায়ে, বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা প্রচার করে বা প্রচারের চেষ্টা করে, তাকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা: যদি কোনো ব্যক্তি বিদ্বেষপূর্ণ উদ্দেশ্য ছাড়াই এবং প্রকৃতপক্ষে সেই সমস্যাগুলি তুলে ধরে, যা বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা সৃষ্টি করছে বা সৃষ্টি করার প্রবণতা রাখে, তাহলে এটি এই ধারার অধীনে অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
২,১৫২.
'যেক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৬ বা ৭ ধারায় আইনগত অপারগতার সুবিধা প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনগত অক্ষমতার অবসান হওয়ার পর সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।'- The Limitation Act, 1908 এর কত ধারায় বলা আছে?
  1. ৬ ধারা
  2. ৭ ধারা
  3. ৮ ধারা
  4. ৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ধারা
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী ৩টি বিষয়কে আইনগত অপারগতা (Legal Disability) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১. নাবালকত্ব [Minority]
২. উন্মাদ [Insanity]
৩. জড়বুদ্ধি বা চরম বুদ্ধিহীনতা [Idiocy]।

• আইনগত অপারগতার ক্ষেত্রে যখন মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে মামলা করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যে সময়ে সে মামলা করার অধিকারী হয় উক্ত সময়ে সে নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা করা শুরু হবে যখন তার এই আইনগত অপারগতা অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধিতার অবসান হবে তখন থেকে।

• ধারা ৮ হচ্ছে ৬ ও ৭ ধারার আইনগত অপারগতার ব্যতিক্রম। ৮ ধারায় উল্লেখিত বিশেষ ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ৬ ও ৭ ধারায় উল্লেখিত আইনগত অপারগতা বিশ্লেষণ করতে হবে। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ৬ এবং ৭ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না-

১. অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার বলবৎকরণের মামলায়, এবং

২. আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর বা আইনগত অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু হওয়ার তিন (৩) বছরের বেশী সময় তামাদির মেয়াদ থাকবে না এবং সর্বোচ্চ এই ৩ বৎসরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। অর্থাৎ যেক্ষেত্রে ৬ বা ৭ ধারায় আইনগত অপারগতার সুবিধা প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনগত অক্ষমতার অবসান হওয়ার পর সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে অন্যথায় মোকদ্দমা খারিজ হবে।
২,১৫৩.
FIR কোথায় করা হয়?
  1. পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকটে
  3. বিচারকের খাস কামরায়
  4. পুলিশ স্টেশনে
সঠিক উত্তর:
পুলিশ স্টেশনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ স্টেশনে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় প্রাথমিক তথ্য বিবরণী বা এজাহারের (FIR) বিধান রয়েছে। এছাড়া পুলিশ প্রবিধানের (PRB) ২৪৩ বিধিতে FIR বর্ণিত রয়েছে। FIR এর পূর্ণরূপ হচ্ছে First Information Report। আমলযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিতভাবে বা মৌখিকভাবে খবর দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তা ১৫৪ ধারানুযায়ী বিপি ২৭ নং ফরমে লিপিবদ্ধ করা হয় যা FIR বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী নামে পরিচিত।

♦ আমলযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিতভবে কিংবা মৌখিকভাবে খবর দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তা নির্ধারিত বইতে লিপিবদ্ধ করাকে FIR বা এজাহার বলে।

♦ অর্থাৎ FIR থানায় বা পুলিশ স্টেশনে করা হয়।

------------------------
 A First Information Report (FIR) is officially defined the first collection of information transmitted to the police concerning commission of a major offence.
- Generally victims or witnesses of a heinous crime open criminal proceedings against alleged criminals through filing of an FIR.
২,১৫৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোথায় নিরোধমূলক প্রতিকারের (Preventive Relief) বিধান আছে?
  1. Section 5(a)
  2. Section 5(b)
  3. Section 5(c)
  4. Section 5(d)
সঠিক উত্তর:
Section 5(c)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 5(c)
ব্যাখ্যা
⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারামতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন মোট ৫ প্রকার সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয়, যার মধ্যে ৪টি আদেশাত্মক প্রতিকার এবং ১টি নিষেধাত্মক বা নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।
⇒ ৫ ধারার ক, খ, ঘ এবং ও অনুচ্ছেদের ৪টি প্রতিকার হলো আদেশাত্মক প্রতিকার।
অন্যদিকে ৫ ধারার (গ) অনুচ্ছেদের প্রতিকারটি নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী ৫ ভাবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয।
যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
---------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 5 Specific relief how given:
Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
২,১৫৫.
যথাযথ ভাবে সমন জারির পরও সমনে নির্ধারিত তারিখে বাদী উপস্থিত এবং বিবাদী অনুপস্থিত হলে, মোকদ্দমার ফলাফল কী হবে?
  1. সোলে ডিক্রি
  2. দো-তরফা ডিক্রি
  3. একতরফা ডিক্রি
  4. মোকদ্দমা খারিজ
সঠিক উত্তর:
একতরফা ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একতরফা ডিক্রি
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি-৬: হাজিরা ও জবাব প্রদানের জন্য সমনে নির্ধারিত তারিখে শুধুমাত্র বাদী উপস্থিত এবং বিবাদী অনুপস্থিত থাকার ফলাফল:
⇒ যদি সমন যথাযথ ভাবে জারি করা হয়, তাহলে আদালত একতরফা বিচার বা একতরফা ডিক্রি দিতে পারবেন।
⇒ যদি সমন যথাযথ ভাবে জারি না হয় সেক্ষেত্রে আদালতে বাদীকে বিবাদীর বরাবর দ্বিতীয়বার সমন জারি করার নির্দেশ দিবেন।
⇒ যদি সমন যথাযথ ভাবে জারি হয়, কিন্তু বিবাদীকে নির্দিষ্ট দিনে হাজির হয়ে জবাব দেয়ার জন্য যথেষ্ট সময় প্রদান করা হয় নাই, তবে আদালত মামলার শুনানি মূলতবী রাখবে এবং পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করবে।
⇒ বাদীর ক্রটির জন্য সমন জারি না হয় বা পর্যাপ্ত সময় দিয়ে জারি না হলে মামলার শুনানি স্থগিত রাখার জন্য যে খরচ হবে, বাদী তা বহন করবেন।
২,১৫৬.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল তার রায় রিভিউ করতে পারে-
  1. নিজের ইচ্ছায়
  2. সরকারের আবেদনে
  3. সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনে
  4. নিজের ইচ্ছায় এবং সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনে
সঠিক উত্তর:
নিজের ইচ্ছায় এবং সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজের ইচ্ছায় এবং সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনে
ব্যাখ্যা
⇒বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ৩৪ (৮) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল তার নিজস্ব উদ্যোগে বা কোন আবেদনের প্রেক্ষাপটে তার সিদ্ধান্ত রিভিউ করতে পারে বা পরিবর্তন করতে পারে বা বাতিল করতে পারে।
------------------------
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972: Article-34:
(8) The Tribunal may, of its own motion or on application made to it in this behalf, review any order passed under clause (4) or (6) and maintain, vary or rescind the same, as it thinks fit.
২,১৫৭.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী সংঘটিত অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি নারীর শালীনতাহানির উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে, তাহলে অপরাধী সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। এছাড়া জরিমানা বা উভয় শাস্তিও প্রযোজ্য হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি: কোনো নারীর উপর আক্রমণ (assault) বা অপরাধমূলক বল (criminal force) প্রয়োগ করে উদ্দেশ্য বা জ্ঞানসহকারে যে এতে তার শালীনতায় আঘাত (outrage modesty) পড়বে, তাহলে অপরাধী সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি একসাথে প্রযোজ্য।
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 354. Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty:
Whoever assaults or uses criminal force to any woman, intending to outrage or knowing it to be likely that he will thereby outrage her modesty, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

২,১৫৮.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৩ ধারা অনুযায়ী পুলিশ কর্তৃক জব্দকৃত সম্পত্তি সম্পর্কে প্রথমে কী করতে হবে?
  1. সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে হবে
  2. সম্পত্তি পুলিশ হেফাজতে রাখতে হবে
  3. সম্পত্তি সরাসরি মালিককে ফেরত দিতে হবে
  4. সঙ্গে সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে
সঠিক উত্তর:
সঙ্গে সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সঙ্গে সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৩ ধারা অনুযায়ী, পুলিশ অফিসার কর্তৃক ধারা ৫১ অনুযায়ী গৃহীত, চোরাই বলে সন্দেহযুক্ত বা অপরাধের সাথে সম্পর্কিত সম্পত্তি জব্দ করা হলে, তা সঙ্গে সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট এরপর সম্পত্তির হেফাজত, প্রদান বা মালিক অজ্ঞাত হলে ঘোষণা জারির বিষয়ে যথাযথ আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারার বিধান:- ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত মাল বা চোরাইমাল আটকের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদ্ধতি:
(১) ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত বা চেরাইমাল বলে কথিত বা সন্দেহযুক্ত বা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহ সৃষ্টিকারী অবস্থায় প্রাপ্ত সম্পত্তি কোন পুলিশ অফিসার জব্দ করলে সঙ্গে সঙ্গে তা কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে জানাতে হবে এবং উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তির বিহিত ব্যবস্থা বা উহার দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে প্রদান বা এরূপ ব্যক্তিকে না পাওয়া গেলে উহার হেফাজত ও অর্পণ সম্পর্কে যেরূপ মনে করেন সেরূপ আদেশ দিবেন।
- জব্দকৃত মারের মালিক অজ্ঞাত হলে পদ্ধতি:
(২) সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি পরিচিত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শর্তে (যদি আরোপিত হয়) তাকে সম্পত্তি প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন। কিন্তু উক্ত ব্যক্তি যদি অজ্ঞাত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি আটক রাখতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে, তিনি সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণসহ এই মর্মে একটি ঘোষণা দিবেন যে, উক্ত সম্পত্তিতে কারো কোন দাবী থাকলে ঘোষণা তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে তার সামনে হাজির হয়ে উক্ত দাবী প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-523: Procedure by police upon seizure of property taken under section 51 or stolen:
(1) The seizure by any police-officer of property taken under section 51, or alleged or suspected to have been stolen, or found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence, shall be forthwith reported to a Magistrate, who shall make such order as he thinks fit respecting the disposal of such property or the delivery of such property to the person entitled to the possession thereof, or, if such person cannot be ascertained, respecting the custody and production of such property.
-Procedure where owner of property seized unknown:
(2) If the person so entitled is known, the Magistrate may order the property to be delivered to him on such conditions (if any) as the Magistrate thinks fit. If such person is unknown, the Magistrate may detain it and shall, in such case, issue a Proclamation specifying the articles of which such property consists, and requiring any person who may have a claim thereto, to appear before him and establish his claim within [one month] from the date of such proclamation.

২,১৫৯.
দণ্ডবিধি ৮৪ ধারা কোন ধরনের অপরাধীর জন্য প্রযোজ্য?
  1. শিশু
  2. সকল ব্যক্তির জন্য
  3. মানসিকভাবে অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তি
  4. কিশোরদের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
মানসিকভাবে অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানসিকভাবে অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ৮৪ ধারা মতে,
অপরাধ করার সময় অপরাধী ব্যক্তি অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে সে কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না। তবে অপরাধ করার সময় উক্ত পাগল ব্যক্তির মানসিক অবস্থা এমন থাকতে হবে, যে সে তার কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারে না।

Section 84- Act of a person of unsound mind:
Nothing is an offence which is done by a person who, at the time of doing it, by reason of unsoundness of mind, is incapable of knowing the nature of the act, or that he is doing what is either wrong or contrary to law.
২,১৬০.
আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্য হরণে ব্যক্তির বয়সসীমা কত?
  1. পুরুষ ১৬ বছর এবং নারী ১৮ বছর
  2. পুরুষ ১৪ বছর এবং নারী ১৬ বছর
  3. পুরুষ ২১ বছর এবং নারী ১৮ বছর
  4. পুরুষ ১২ বছর এবং নারী ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
পুরুষ ১৪ বছর এবং নারী ১৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরুষ ১৪ বছর এবং নারী ১৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারার বিধান  মনুষ্যহরণ:- মনুষ্যহরণ দুই প্রকারের:- বাংলাদেশ হতে মনুষ্যহরণ এবং আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ Section 359. Kidnapping:-Kidnapping is of two kinds; kidnapping from Bangladesh, and kidnapping from lawful guardianship.

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান  বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- এই ধারায় "আইনসম্মত অভিভাবক" বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।

ব্যতিক্রম:- যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।
-------------------
⇒ Section 360. Kidnapping from Bangladesh:-Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.

⇒ Section 361. Kidnapping from lawful guardianship: Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship.

Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person. 
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
২,১৬১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১০৭ অনুযায়ী, শান্তি রক্ষার জন্য জামিন আদায়ের আদেশ কোন ম্যাজিস্ট্রেট দিতে পারেন?
  1. পুলিশ
  2. শুধুমাত্র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. শুধুমাত্র জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১০৭: শান্তি রক্ষার জন্য জামানত আদায় (Security for keeping the peace in other cases):
১। যখন একজন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো হয় যে কোনো ব্যক্তি শান্তি ভঙ্গ বা জনশান্তি বিঘ্নিত করার সম্ভাবনা রাখে, অথবা কোনো অন্যায় কাজ করতে পারে যার ফলে শান্তি ভঙ্গ বা জনশান্তি বিঘ্নিত হতে পারে, তখন ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে, তাহলে তিনি নিচের বিধি অনুযায়ী সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করতে পারেন যে, সে একটি জামিনপত্র (bond) দেবে, যেখানে জামিনদারসহ বা জামিনদারবিহীন হতে পারে, এবং যেটি শান্তি রক্ষার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় (সর্বোচ্চ এক বছর) পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

২। এই ধারা অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অবশ্যই নিম্নলিখিত শর্ত পূরণ করতে হবে:
- অভিযোগ করা ব্যক্তি অথবা যেই স্থান থেকে শান্তি ভঙ্গ বা বিঘ্নের আশঙ্কা করা হচ্ছে, তারা ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের মধ্যে হতে হবে।
- এছাড়া, কোনো ম্যাজিস্ট্রেট এই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন না, যদি না উক্ত ব্যক্তি এবং স্থান উভয়ই তার এখতিয়ার এলাকার মধ্যে থাকে। এই ক্ষেত্রে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কেউ এ কাজ করতে পারবে না।
২,১৬২.
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার কোন ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে “মাতৃগর্ভস্থ শিশুর মৃত্যু নরহত্যা নয়”?
  1. ব্যাখ্যা-১
  2. ব্যাখ্যা-২
  3. ব্যাখ্যা-৩
  4. ব্যাখ্যা-৪
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা-৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা-৩
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৯ (নরহত্যার সংজ্ঞা) এর ব্যাখ্যা-৩-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "মাতৃগর্ভস্থ শিশুর মৃত্যু নরহত্যা (Culpable Homicide) নয়, তবে শিশুটি সম্পূর্ণভাবে ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর যদি তার মৃত্যু ঘটে এবং সেই মৃত্যু যদি এমন কোনো আচরণ বা অবহেলার ফলে ঘটে যা জন্মের পূর্বে বা জন্মকালীন সময়ে সংঘটিত হয়, তাহলে তা নরহত্যা হিসেবে গণ্য হবে।"

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা:
-কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।
ব্যাখ্যা ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগছে, তার দৈহিক, জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
ব্যাখ্যা ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভূমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 299: Culpable homicide:
-Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide.
Explanation-1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death.
Explanation-2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented.
Explanation-3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
২,১৬৩.
আদালত অর্থদন্ড অনাদায়ে কারাদন্ড দিলে, তা ১/৪ অংশের বেশি হবে না-
  1. অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির
  2. অপরাধের সর্বনিম্ন শাস্তির
  3. আদালত প্রদত্ত শাস্তির
  4. যাবজ্জীবন কারাদন্ড সর্বদাই বিনাশ্রম
সঠিক উত্তর:
অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৬৫ ধারার বিধান কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সীমা:- আদালত অপরাধীকে অর্থদণ্ড অনাদায়ে যে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার আদেশ করবেন, উহার মেয়াদ অপরাধটির জন্য নির্দিষ্ট সর্বোচ্চ মেয়াদের এক-চতুর্থাংশের বেশি হবে না, যদি অপরাধটি কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডনীয় হয়।

♦দণ্ডবিধির ৬৬ ধারার বিধান অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন:- অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন, অপরাধটির জন্য অপরাধীকে যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেত সেরূপ হবে।

♦দণ্ডবিধির ৬৭ ধারার বিধান অপরাধটি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হলে অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ড:- অপরাধটি যদি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হয়, তবে অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত যে কারাদণ্ডের আদেশ দিবেন, তা বিনাশ্রম হবে এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত অপরাধীকে যে মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার আদেশ দিবেন, তা নিম্নে নির্দেশিত বিভিন্ন পরিমাণের অধিক হবে না, যথা: অর্থদণ্ডের পরিমাণ পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে, অনূর্ধ্ব দুই মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; অর্থদণ্ডের পরিমাণ একশত টাকার অধিক না হলে, অনতিরিক্ত চার মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; এবং এতদ্ব্যতীত অপর যে কোন ক্ষেত্রে অনধিক ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ । 

♦দণ্ডবিধির ৬৮ ধারার বিধান অর্থদণ্ড আদায়ে কারামুক্তি:- যে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, সে অর্থদণ্ড প্রদত্ত হলে অথবা আইনগত কার্যক্রমের মাধ্যমে আদায়ীকৃত হলে আসামীর কারামুক্তি হবে।

♦দণ্ডবিধির ৬৯ ধারার বিধান অর্থদণ্ডের আনুপাতিক অংশ আদায়ের কারামুক্তি:- যদি অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য প্রদত্ত কারাদণ্ডের নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে অর্থদণ্ডেও এমন একটি আনুপাতিক অংশ প্রদত্ত অথবা আদায়ীকৃত হয় যে, অর্থদণ্ডে ও অনাদায়ের জন্য প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের যে অংশ উত্তীর্ণ হয়েছে, তা অর্থদণ্ডে ও এখনও অপ্রদত্ত বা অনাদায়ীকৃত অংশের সাথে আনুপাতিক হার অপেক্ষা কম নয়, তবে আসামীর কারামুক্তি হবে।
২,১৬৪.
নিম্ন আদালতে ন্যূনতম কতদিন প্র্যাক্টিসের অভিজ্ঞতা থাকলে হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার যোগ্য হবে?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ বার কাউন্সিল অর্ডার-এর ২১ নং আর্টিকেলে বলা আছে যে নিম্ন আদালতে কমপক্ষে ২ বছরের অভিজ্ঞতা না থাকলে হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার অনুমতি পাবে না।
- অর্থাৎ হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার জন্য নিম্ন আদালতে কমপক্ষে ২ বছরের প্র্যাক্টিসের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
-------------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-21. (1) No advocate other than an advocate permitted to practise before the High Court immediately before the commencement of this Order shall be permitted to practise before the High Court unless-
(a) he has practised as an advocate before subordinate courts in Bangladesh for a period of two years;
(b) he is a law graduate and has practised as an advocate before any High Court outside Bangladesh notified by the Government in the official Gazette;
(c) he has, for reason of his legal training or experience, been exempted by the Bar Council from the foregoing requirements of this clause on the basis of the prescribed criteria.
 
(2) Permission to practise before the High Court shall be given in the form prescribed by the Bar Council on proof that the fee prescribed under Article 22 has been paid and that the relevant condition laid down in clause (1) are duly satisfied.
২,১৬৫.
'ঘ' একজন ব্যক্তি, অন্যের বাড়িতে প্রবেশ করে সোনার গহনা চুরি করে। সে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড পেতে পারে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা

উত্তর: ৭ বছর।

বসতবাড়ি বা অনুরূপ স্থানে চুরি – (ধারা ৩৮০, The Penal Code, 1860):
যে কেউ কোনো ভবন, তাঁবু বা জাহাজে চুরি করে — যা মানুষের বসবাসের জন্য ব্যবহৃত হয় বা সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়  সে ব্যক্তি যেকোনো ধরণের (সশ্রম বা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন, যা সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত হতে পারে এবং তিনি অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ারও যোগ্য হবেন।

২,১৬৬.
আপিলকারী কারাগারে থাকলে, কার নিকট আপিলের দরখাস্ত দাখিল করা যেতে পারে?
  1. আদালতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নিকট
  2. জেলের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার নিকট
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট
  4. সরাসরি আপিল আদালতে
সঠিক উত্তর:
জেলের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার নিকট
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২০ অনুসারে,

যদি আপিলকারী জেলে থাকে, তাহলে সে তার আপিলের পিটিশন এবং পিটিশনের সাথে দাখিলকৃত রায় ও আদেশের কপি জেলের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার নিকট দাখিল করতে পারে এবং উক্ত কর্মকর্তা পিটিশনটি সঠিক আপিল আদালতে পাঠাবে।

Section 420- Procedure when appellant in jail
If the appellant is in jail, he may present his petition of appeal and the copies accompanying the same to the officer in charge of the jail, who shall thereupon forward such petition and copies to the proper Appellate Court.
২,১৬৭.
According to Section 9, once limitation time begins to run-
  1. It may stop due to later disability
  2. It stops if the plaintiff becomes insane
  3. It starts again if the defendant becomes insolvent
  4. It continues regardless of any subsequent disability
সঠিক উত্তর:
It continues regardless of any subsequent disability
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It continues regardless of any subsequent disability
ব্যাখ্যা

Section 9: Continuous running of time
Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it: 
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.

ধারা ৯- সময়ের অবিরাম চলন
একবার তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হলে পরবর্তী কোন অপারগতা বা অক্ষমতা দ্বারা তা বন্ধ হবে না।

ব্যতিক্রম
যেক্ষেত্রে পাওনাদারের (Creditor) সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদারের (Debtor) উপর পরিচালনার পত্ৰনামার (Letters of Administration) মাধ্যমে অর্পন করেছে, সেইক্ষেত্রে যতদিন উক্ত দায়িত্ব ন্যাস্ত থাকবে ততদিন উক্ত দেনার টাকা আদায়ের মামলার তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।

২,১৬৮.
"Mens rea" অপরাধীকে দায়ী করার ক্ষেত্রে কী প্রমাণিত হয়?
  1. তার দোষাবহ কার্য
  2. তার নির্দোষ কার্য
  3. তার দোষমুক্ত মন
  4. তার দোষযুক্ত মন
সঠিক উত্তর:
তার দোষযুক্ত মন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার দোষযুক্ত মন
ব্যাখ্যা
⇒ "Mens rea" অপরাধীকে দায়ী করার ক্ষেত্রে তার দোষযুক্ত মন প্রমাণিত হয়।

⇒ কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত করতে প্রধানত ২টি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়।
(i) দোষযুক্ত মন বা অপরাধী মন [Mens Rea] এবং
(ii) দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য [Actus Rea]

⇒ “Mens rea' শব্দের অর্থ ‘অপরাধী মন বা দোষযুক্ত মন' (guilty mind)।

⇒ অপরাধ সংঘটনের সময়ে আসামীর মনের অবস্থা “Mens rea' নামে পরিচিত। এটা ‘অপরাধীর দুষ্টমন' নামেও পরিচিত।
- একজন অপরাধী শুধু তার অপরাধজনক কার্যের জন্যই দায়ী হয় না বরং সে তার কার্যের সাথে তার অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যের জন্যই বিশেষভাবে দায়ী হয়ে থাকে।
- এই অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে বলা হয় mens rea বা guilty mind.
২,১৬৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিলের ৩য় কলামে কী উল্লেখ আছে?
  1. অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কিনা
  2. আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ
  3. যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য
  4. প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিলের ৩য় কলামে "আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ" উল্লেখ করা হয়েছে।
- এটি বোঝায় যে, এই কলামে নির্দিষ্ট অপরাধের জন্য পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি না, তা নির্ধারণ করা হয়।
- অর্থাৎ, কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে পুলিশ কি তার শিকারকে গ্রেফতার করার জন্য অনুমতি পাবে, বা প্রথমে পুলিশকে কোনো পরোয়ানা ইস্যু করতে হবে কিনা, এই বিষয়টি ৩য় কলামে উল্লেখিত থাকে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৮টি কলাম নিম্নরূপ দেওয়া হলো:
১ম কলাম - পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ,
২য় কলাম - অপরাধ,
৩য় কলাম - আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ (পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে কি না),
৪র্থ কলাম - প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা,
৫ম কলাম - অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য,
৬ষ্ঠ কলাম - অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা,
৭ম কলাম - দণ্ডবিধির অধীনে উল্লিখিত শাস্তি,
৮ম কলাম - যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
২,১৭০.
তামাদি আইনের ১৭ ধারা মূলত কোন বিষয়ের ওপর আলোকপাত করে?
  1. নাবালকত্ব
  2. মৃত্যুর প্রভাব
  3. বৈধ অপারগতা
  4. লিখিত প্রাপ্তি স্বীকার
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর প্রভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর প্রভাব
ব্যাখ্যা
→ তামাদি আইনের ১৭ ধারা মূলত মৃত্যুর প্রভাবের ওপর আলোকপাত করে। 

⇒ তামাদি আইনের ১৭ ধারার বিধান মামলা করার অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল:-
- কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে। একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে।

-এই ধারার ব্যতিক্রম হলো অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা।
---------------------
⇒ The Limitation Act- Section 17- Effect of death before right to sue accrues:
(1) Where a person, who would, if he were living, have a right to institute a suit or make an application, dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased capable of instituting or making such suit or application.
(2) Where person against whom, if he were living, a right to institute a suit or make an application would have accrued dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased against whom the plaintiff may institute or make such suit or application.ঃ
(3) Nothing in sub-sections (1) and (2) applied to suits to enforce rights of pre-emption or to suits for the possession of immoveable property or of an hereditary office.
২,১৭১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৩ তে উল্লেখিত ________ ক্ষেত্র ছাড়া বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
  1. ৪টি
  2. ৬টি
  3. ৮টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৩ তে উল্লেখিত ৬টি ক্ষেত্র ছাড়া বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

ধারা-১৩ঃ যখন বিদেশি রায় চূড়ান্ত হয় না-
কোন বিদেশি আদালত কোন বিষয়ে বিচার করলে এবং তা একই পক্ষসমূহ অথবা তাদের সূত্রে এক বা একের অধিক স্বত্ব দাবিকারীর মধ্যে একই বিষয় সম্পর্কিত মোকদ্দমা হলে বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে; তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্র ব্যতীত-

ক) যখন উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক রায় ঘোষিত হয় নি;
খ) মোকদ্দমার গুণাগুণের ভিত্তিতে রায় দেয়া না হলে;
গ) আন্তর্জাতিক আইনের ভ্রান্ত ব্যাখা অথবা মোকদ্দমাটির প্রতি প্রযোজ্য বাংলাদেশের আইন অস্বীকার করে রায় প্রদান করা হয়েছে বলে কার্যধারাসমূহ হতে বুঝা গেলে;
ঘ) যে রায় আইনগত ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে, তাতে অনুসৃত পদ্ধতি ও কার্যক্রম ন্যায়বিচারের পরিপন্থী হলে;
ঙ) প্রবঞ্চনা দ্বারা রায় সংগ্রহ করা হলে;
চ) বাংলাদেশে প্রচলিত কোন আইনের বিরোধী কোন দাবি রায়ে বজায় রাখা হলে।

Section 13: When Foreign Judgment not Conclusive-
A foreign judgment shall be conclusive as to any matter thereby directly adjudicated upon between the same parties or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title except-

a) where it has not been pronounced by a Court of competent jurisdiction;
b) where it has not been given on the merits of the case;
c) where it appears on the face of the proceedings to be founded on an incorrect view of international law or a refusal to recognise the law of Bangladesh in cases in which such law is applicable;
d) where the proceedings in which the judgment was obtained are opposed to natural justice;
e) where it has been obtained by fraud;
f) where it sustains a claim founded on a breach of any law in-force in Bangladesh.
২,১৭২.
প্ররোচনার [Provocation] দরুণ স্বেচ্ছায় আঘাত প্রদান করা হলে, দণ্ডবিধির ৩৩৪ ধারায় তার সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ৬ মাসের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৩ মাসের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ২ মাসের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১ মাসের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ মাসের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাসের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৩৪ - প্ররোচনার কারণে স্বেচ্ছায় আঘাত প্রদান:
যে ব্যক্তি গুরুতর এবং আকস্মিক প্ররোচনার কারণে স্বেচ্ছায় আঘাত করে, যদি সে অন্য কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্য বা জ্ঞান না থাকে, কেবল সেই ব্যক্তিকে আঘাত করে যে প্ররোচনা দিয়েছে, তবে তাকে এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অথবা উভয়ই দেওয়া যেতে পারে।

[Whoever voluntarily causes hurt on grave and sudden provocation, if he neither intends nor knows himself to be likely to cause hurt to any person other than the person who gave the provocation shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.]
২,১৭৩.
নিচের কোন বিধি অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না?
  1. আদেশ ৭ বিধি ১০
  2. আদেশ ৩৯ বিধি ১
  3. আদেশ ৯ বিধি ৩
  4. আদেশ ১১ বিধি ২১
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯ বিধি ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯ বিধি ৩
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।

তালিকা অনুযায়ী নিম্নোক্ত আদেশসমূহ আপীলযোগ্য-
ক) আদেশ ৭ বিধি ১০- আরজি প্রত্যাখ্যান আদেশ;
খ) আদেশ ৩৯ বিধি ১- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের আদেশ;
ঘ) আদেশ ১১ বিধি ২১- প্রশ্নমালার উত্তর দানের বা দলিলসমূহের উদ্ঘাটন বা পরিদর্শনের জন্য কোন আদেশ অমান্যকরণ;

তবে, গ) 'আদেশ ৯ বিধি ৩- কোন পক্ষ হাজির না হলে মোকদ্দমা খারিজ আদেশ' আপীলযোগ্য নয়।

প্রতিকার-
এক্ষেত্রে, আদেশ ৯ বিধি ৪ এর অধীনে বাদী নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে কিংবা খারিজ আদেশ রদ করার আবেদন করতে পারবে।
২,১৭৪.
অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন কেমন হবে?
  1. অপরাধটির জন্য যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে
  2. শুধু বিনাশ্রম কারাদণ্ডে হবে
  3. যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম
  4. শুধু সশ্রম কারাদণ্ডে হবে
সঠিক উত্তর:
অপরাধটির জন্য যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধটির জন্য যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৬৬ ধারার বিধান অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন:- অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন, অপরাধটির জন্য অপরাধীকে যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেত সেরূপ হবে।

------------------------------
♦ Section 66. Description of imprisonment for non-payment of fine:-The imprisonment which the Court imposes in default of payment of a fine may be of any description to which the offender might have been sentenced for the offence.
২,১৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কারাদণ্ড আদেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে যদি দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হয়, তাহলে উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারি কারাগারে অপসারণ করার নির্দেশ দিতে পারেন-
  1. সরকার
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. আদেশদানকারী আদালত
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
আদেশদানকারী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশদানকারী আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪১- কারাবাসের স্থান নির্দিষ্টকরণের ক্ষমতা

(১) বর্তমানে কার্যকর কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) দেওয়ানি কারাগারে আটক আসামী কিংবা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফৌজদারি কারাগারে অপসারণ এবং তাদের দেওয়ানি কারাগারে প্রত্যাবর্তনঃ
এই কার্যবিধির অধীন কারাদন্ড বা হাজতবাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে যদি দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হয়, তাহলে কারাদণ্ড বা হাজত বাসের আদেশদানকারী আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারি কারাগারে অপসারণ করার নির্দেশ দিতে পারবেন।

(৩) কোন ব্যক্তি উপধারা (২) এর অধীন ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত হলে তা থেকে মুক্ত হবার পর তাকে পুনরায় দেওয়ানি জেলে প্রেরণ করতে হবে, যদি না-

(ক) ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত হবার পর তিন বৎসর পার হয়ে থাকে, তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকলে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে দেওয়ানি জেল থেকে অব্যাহতি পেয়েছে মর্মে অভিহিত করতে হবে, কিংবা
(খ) যে আদালত তাকে দেওয়ানি জেলে আটকের আদেশ দিয়েছিলেন সেই আদালত ফৌজদারি জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে সার্টিফিকেট দেন যে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে অব্যাহতি পাবার অধিকারী।
২,১৭৬.
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি কখন প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. সর্বদা
  2. যখন আদালত চায়
  3. যখন কোনো পক্ষ স্বীকার করে
  4. যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়
সঠিক উত্তর:
যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়
ব্যাখ্যা
• The Evidence (Amendment) Act, 2022 দ্বারা ২২ক ধারাটি নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হওয়ার শর্ত ২২ক ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে।

২২ক ধারায় বলা হয়েছে,
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়, যদি না উত্থাপিত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
[Oral admissions as to contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question].

অর্থাৎ, রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হলেই মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে।
২,১৭৭.
'Res sub judice' এবং 'Res judicata' নীতি সমূহের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. মোকদ্দমা চলমান রাখা
  2. মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করা
  3. মোকদ্দমার স্থিতিবস্থা বজায় রাখা
  4. মোকদ্দমার বহুত্ব বৃদ্ধি করা
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্বে দায়েরকৃত এবং পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হলে, আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার কার্যক্রম স্থগিত করবেন।

• ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো- এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না।এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

 এই নীতিসমূহের উদ্দেশ্য:
⇒ আদালতের সময় ও সম্পদ বাঁচানো: একই বিষয়ে বার বার মামলা না হওয়ায় আদালতকে পুনরাবৃত্তির শ্রম থেকে রক্ষা করা হয়।
⇒ বিচারের মর্যাদা ও শাসন রক্ষা করা: একই বিষয়ে দ্বৈত রায়ের অবস্থা এড়ানোর মাধ্যমে বিচারের মর্যাদা এবং আইনের শাসন রক্ষা করা হয়।
⇒ ন্যায়বিচারের গতিশীলতা বজায় রাখা: মামলার ক্রমাগত পুনরাবৃত্তি ন্যায়বিচার প্রক্রিয়াকে স্থবির করে ফেলে।
⇒ বিরোধী পক্ষকে অনাবশ্যক হয়রানি থেকে রক্ষা করা: বারবার একই বিষয়ে মামলার সম্মুখীন না হওয়ায় বিরোধী পক্ষ রক্ষা পায়।

অর্থাৎ মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করা হচ্ছে এই নীতিসমূহের মূল উদ্দেশ্য।
২,১৭৮.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৪ অনুযায়ী, যখন একাধিক ব্যক্তি একই অভিপ্রায়ে অপরাধ করে, তখন দায়ভার কীভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. আদালত নির্ধারণ করবে
  2. শুধু প্রধান অপরাধীর উপর দায় বর্তায়
  3. কেবলমাত্র সহযোগীর উপর দায় বর্তায়
  4. প্রত্যেক ব্যক্তি দায়ী, যেন সে একাই কাজ করেছে
সঠিক উত্তর:
প্রত্যেক ব্যক্তি দায়ী, যেন সে একাই কাজ করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যেক ব্যক্তি দায়ী, যেন সে একাই কাজ করেছে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৪-এর মূল বিধান হলো — যখন একাধিক ব্যক্তি সাধারণ অভিপ্রায় (common intention) বাস্তবায়নের জন্য কোনো অপরাধমূলক কাজ করে, তখন প্রতিটি ব্যক্তি সেই কাজের জন্য যৌথ দায় বহন করে এবং তাকে এমনভাবে দায়ী করা হয় যেন সে একা ঐ অপরাধটি করেছে। অর্থাৎ, দণ্ডবিধির দৃষ্টিতে প্রত্যেকে মূল অপরাধীর সমান দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়।
- এই বিধানটির উদ্দেশ্য হলো যৌথ দায়িত্ব সৃষ্টি করা, যাতে সাধারণ অভিপ্রায়ে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি ব্যক্তিকে আলাদাভাবে শাস্তি দেওয়া যায়, যদিও প্রকৃতপক্ষে কাজটি তারা সম্মিলিতভাবে করেছে।

- অর্থাৎ দণ্ডবিধির ধারা ৩৪ অনুযায়ী, যখন একাধিক ব্যক্তি সাধারণ অভিপ্রায়ের (common intention) অধীনে কোনো অপরাধ সংঘটিত করে, তখন প্রত্যেককে সেই অপরাধের জন্য দায়ী ধরা হয়, যেমন মনে করা হবে সে একাই ওই অপরাধটি করেছে।

Illustration:
A ও B মিলে Z-এর উপর হামলা চালায় অভিপ্রায় অনুযায়ী। Z আহত হলে, A ও B দুজনই আলাদাভাবে পূর্ণ দায়ী।

২,১৭৯.
দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারানুসারে, 'Abduction' কত প্রকারে সংঘটিত হতে পারে?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩৬২- অপহরণ (Abduction):
যে কেউ, জোরপূর্বক কাউকে কোন স্থান ত্যাগ করতে বাধ্য করে, অথবা কোন প্রকার প্রতারণামূলক উপায়ে কাউকে কোন স্থান থেকে যেতে প্ররোচিত করে, সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অপহরণ করেছে বলে গণ্য হবে।

দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৩৬২ ধারার অধীনে অপহরণ (Abduction) ২ প্রকারে সংঘটিত হতে পারে:
১. By Force (বলপ্রয়োগের মাধ্যমে):
যখন কাউকে জোরপূর্বক বা বলপ্রয়োগ করে কোন স্থান ত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়।

উদাহরণ:
কাউকে মারধর করে জোর করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া।

২. By Deceitful Means (প্রতারণামূলক উপায়ে):
যখন কাউকে প্রতারণা করে বা ভুল বুঝিয়ে কোন স্থান ত্যাগ করতে উৎসাহিত/প্ররোচিত করা হয়।

উদাহরণ:
মিথ্যা প্রেম বা চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কাউকে তার বাড়ি থেকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া।
২,১৮০.
রিভিউ এ সিদ্ধান্ত দেবার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে যে আদালত যে
  1. ঐ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনে
  2. ঐ আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন শুনে
  3. রিভিউ এর জন্য বিবেচনাধীন ডিক্রিটি প্রদান করে
  4. রিভিউ এর জন্য বিবেচনাধীন রেফার করে
সঠিক উত্তর:
রিভিউ এর জন্য বিবেচনাধীন ডিক্রিটি প্রদান করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিউ এর জন্য বিবেচনাধীন ডিক্রিটি প্রদান করে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারায় এবং ৪৭ আদেশে রিভিউ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ধারা ১১৪ এবং ৪৭ আদেশের ১ বিধির অধীন রিভিউ আবেদন করা যায় যে সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান নেই বা যে সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান আছে কিন্তু আপীল করে নাই।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ১১৪ ধারায় বলা হয়েছে “….may apply for a review of judgment  to the court which passed the decree or order”. অর্থাৎ যে আদালত রায় বা আদেশ দিয়েছে রিভিউ-এর আবেদন সেই আদালতেই করতে হবে।

♦যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ দেয়, সেই আদালতে ডিক্রি বা আদেশটি রিভিউ করার জন্য আবেদন করতে হয়। অর্থাৎ রিভিউযোগ্য কোন ডিক্রি যে আদালত উক্ত ডিক্রিটি প্রদান করে সে আদালতে রিভিউ এর জন্য দায়ের করতে হবে এবং সেই ক্ষেত্রে উক্ত আদালত (ডিক্রি প্রদানকারী আদালত যার নিকট ডিক্রিটি রিভিউ এর জন্য বিবেচনা করার জন্য দাখিল করা হয়েছে) সেই আদালত উক্ত রিভিউ এর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিতে পারে।
২,১৮১.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় প্রদত্ত স্বীকৃতি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বলে পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হলে, এ অবস্থায় উক্ত স্বীকৃতি-
  1. প্রাসঙ্গিক হবে
  2. প্রাসঙ্গিক হবে না
  3. পর্যালোচনা করা হবে
  4. কেবলমাত্র বিচারকের অনুমোদনে প্রাসঙ্গিক হবে
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক হবে না
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৩: দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক:
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন স্বীকৃতি যদি এরূপ প্রকাশ্য শর্তাধীন করা হয় যে, ঐ সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না অথবা যদি এরূপ পরিস্থিতিতে করা হয় যে, তা সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বলে পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হয়েছে বলে আদালত অনুমান করতে পারেন, তবে তা প্রাসঙ্গিক হবে না।
ব্যাখ্যাঃ কোন অ্যাডভোকেট ১২৬ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য থাকলে এই ধারার কোন বিধান অনুসারে তিনি সাক্ষ্য দেওয়া হতে অব্যাহতি পাবে না।

⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয় যদি-
১. স্বীকৃতিটি এই শর্তে করা হয় যে উক্ত স্বীকারোক্তি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।
২. সাক্ষ্য না দেয়ার জন্য পক্ষগণের মধ্যে কোন চুক্তি থাকলে।

Section 23: Admissions in civil cases when relevant:
In civil cases no admission is relevant, if it is made either upon an express condition that evidence of it is not to be given, or under circumstances from which the Court can infer that the parties agreed together that evidence of it should not be given.
Explanation.– Nothing in this section shall be taken to exempt any 17[Advocate] from giving evidence of any matter of which he may be compelled to give evidence under section 126.
২,১৮২.
যদি গর্ভবতী নারী গর্ভে শিশু ‘quick with child’ (জীবনের লক্ষণযুক্ত) অবস্থায় থাকে এবং কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে গর্ভপাত ঘটায়, তবে ৩১২ ধারা অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩১২ অনুযায়ী বলা হয়েছে: “যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় এমন কোনো কার্য করেন, যার ফলে গর্ভবতী নারীর গর্ভপাত হয়, এবং যদি তা মায়ের জীবন রক্ষার জন্য “সৎ বিশ্বাসে” (good faith) করা না হয়ে থাকে, তাহলে সেই ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।”

-এছাড়াও, যদি ঐ নারী “quick with child” অর্থাৎ গর্ভধারণের পর নির্দিষ্ট পর্যায়ে পৌঁছে থাকেন (সাধারণত দ্বিতীয় বা তৃতীয় ত্রৈমাসিক বোঝানো হয়), তাহলে শাস্তি আরও বেশি হয় – সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা।

⇒ অর্থাৎ গর্ভবতী নারী ‘quick with child’ অবস্থায় থাকলে এবং কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে গর্ভপাত ঘটায়, তবে ৩১২ ধারা অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি হবে ৭ বছর কারাদণ্ড এবং জরিমানা। 

ধারা ৩১২: গর্ভপাত ঘটানো (Causing miscarriage)
"যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো গর্ভবতী নারীর গর্ভপাত ঘটায়, এবং যদি তা মায়ের জীবন রক্ষার জন্য সৎ বিশ্বাসে (good faith) করা না হয়, তবে সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকার কারাদণ্ডে (simple বা rigorous imprisonment) দণ্ডিত হবেন, অথবা জরিমানা দিতে হবে, কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
আর যদি নারী “quick with child” অবস্থায় থাকেন, তবে সেই ব্যক্তির সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকার কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান থাকবে।
ব্যাখ্যা: এই ধারার অধীনে এমনকি যদি কোনো নারী নিজেই নিজের গর্ভপাত ঘটান, তাহলে তিনিও অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 312. Causing miscarriage:
Whoever voluntarily causes a woman with child to miscarry, shall, if such miscarriage be not caused in good faith for the purpose of saving the life of the woman, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both; and,
if the woman be quick with child, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
Explanation.-A woman who causes herself to miscarry, is within the meaning of this section.
২,১৮৩.
দণ্ডবিধির কত ধারায় ডাকাতির সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ৪১৫
  2. ৩৯০
  3. ৩৭৮
  4. ৩৯১
সঠিক উত্তর:
৩৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯১
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
--------
Section 391 Dacoity: When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
২,১৮৪.
‘ট্রেডমার্ক’ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের দৃষ্টিতে কী হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. পণ্য
  2. লাইসেন্স
  3. সম্পত্তি
  4. দায়বদ্ধতা
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:
এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
 
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
 
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক 'সম্পত্তি' মর্মে পরিগণিত হবে।
২,১৮৫.
বিরুদ্ধ পক্ষ আপত্তি করলে, জবানবন্দী গ্রহণকালে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে কি?
  1. হ্যাঁ
  2. না
  3. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে করা যাবে
  4. সাক্ষীর অনুমতি সাপেক্ষে করা যাবে
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে করা যাবে
ব্যাখ্যা
• যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা 'Leading question' বলে। সাধারণত 'হ্যা' অথবা 'না' এই দুই ভাবে প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।

১৪২ ধারার বিধান-
বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা চলিবে না।
[Leading questions must not, if objected to by the adverse party be asked in an examination-in-chief, or in a re-examination, except with the permission of the Court.]

অর্থাৎ, উল্লিখিত ক্ষেত্রে শুধুমাত্র আদালতের অনুমতিতে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যাবে।
২,১৮৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় নিজের কর্তৃত্ববলে সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ করতে কে হস্তক্ষেপ করতে পারে?
  1. পুলিশ অফিসার
  2. যেকোন ব্যক্তি
  3. ক এবং খ
  4. কেউ নয়
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসার
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ

কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।

Section 152: Prevention of injury to public property
A police-officer may of his own authority interpose to prevent any injury attempted to be committed in his view to any public property, movable or immovable, or the removal or injury of any public landmark or buoy or other mark use for navigation.
২,১৮৭.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের কোন অনুচ্ছেদসমূহে মামলায় বিভিন্ন ধরনের দরখাস্ত বা আবেদনের তামাদির সময়সীমা সম্পর্কে বিধান রয়েছে?
  1. ১-১৪৯ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৫০-১৫৭ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৫৮-১৮৩ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৬০-১৮৭ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৫৮-১৮৩ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৮-১৮৩ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে ৩টি বিভাগ উল্লেখ করা হয়েছে। এই ৩টি বিভাগে ৩ ধরণের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথম বিভাগ (First Division)
মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত।

দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division)
আপীল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত।

তৃতীয় বিভাগ (Third Division)
বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত।
২,১৮৮.
নিচের কোন অপরাধের জন্য আদালত বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করতে পারে?
  1. মানহানি
  2. আদালত অবমাননা
  3. আত্মহত্যার চেষ্টা
  4. সবগুলা
সঠিক উত্তর:
সবগুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলা
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৫০০ ধারা মানহানির শাস্তিঃ
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির মানহানি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

♦দণ্ডবিধির৩০৯ ধারা আত্মহত্যা করিবার উদ্যোগঃ
কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

♦দণ্ডবিধির ২২৮ ধারা বিচার বিষয়ক কার্যক্রমের কোন পর্যায়ে বিচারকের আসন গ্রহণকারী কোন সরকারী কর্মচারীকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা বা তাহার কার্যে বাধা দেওয়াঃ
কোন সরকারী কর্মচারী কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে নিয়ত থাকাকালে কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে অপমান করে বা তার কাজে বাধা প্রদান করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
২,১৮৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কারাদণ্ড কার্যকরের প্রত্যেকটি পরোয়ানা কাকে নির্দেশিত হবে?
  1. পাবলিক প্রসিকিউটর
  2. স্থানীয় থানা পুলিশ কর্মকর্তা
  3. কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. আদলত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮৪- দণ্ড কার্যকরীর জন্য পরোয়ানার নির্দেশ:
- কারাদণ্ড কার্যকরীর প্রত্যেকটি পরোয়ানা আসামী যে কারাগারে বা অন্য যে স্থানে আটক রয়েছে বা থাকবে, সেই কারাগারের বা স্থানের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর নির্দেশিত হবে।
--------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section 384: Direction of the warrant for execution:
- Every warrant for the execution of a sentence of imprisonment shall be directed to the officer in charge of the jail or other place in which the prisoner is, or is to be, confined.
২,১৯০.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৫৬ এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. সকল প্রমাণ অবশ্যই আদালতে উপস্থাপন করতে হবে
  2. আদালত শুধুমাত্র সাক্ষীর বক্তব্য গ্রহণ করতে পারে
  3. আদালত কোনো দলিল না থাকলে প্রমাণ গ্রহণ করতে পারবে না
  4. কিছু ঘটনা আদালত নিজেই জানে, তাই তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
কিছু ঘটনা আদালত নিজেই জানে, তাই তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিছু ঘটনা আদালত নিজেই জানে, তাই তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা
• জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)-
যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী-
যে সকল ঘটনা আদালত কর্তৃক লক্ষণীয় তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
(Fact judicially noticeable need not be proved)
২,১৯১.
ফৌজদারি মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয় ___________ হতে।
  1. এজাহার দায়েরের সময়
  2. অপরাধের চার্জগঠনের সময়
  3. পুলিশ রিপোর্ট দাখিলের মাধ্যমে
  4. এজাহার বা অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
অপরাধের চার্জগঠনের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধের চার্জগঠনের সময়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি  মামলার কার্যক্রম এবং ফৌজদারি মামলার বিচারিক কার্যক্রম [Judicial Proceeding] এক বিষয় না। যেমন অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে ফৌজদারি মামলার কাযক্রম শুরু হয়। কিন্তু বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয় চার্জ গঠনের মাধ্যমে। বিচারিক কার্যক্রম [Judicial Proceeding]অর্থ হলো সেই সকল কার্যক্রম যেখানে আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট আইনগতভাবে বা শপথপূর্বক কোনো সাক্ষ্য নিতে পারে।
২,১৯২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর কোন ধারার অধীনে মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-৩ প্রযোজ্য?
  1. ধারা ১০
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ৯
  4. ধারা ৩১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ-৩ এ বলা হয়েছে: “Under the Specific Relief Act, 1877, Section 9, to recover possession of immovable property.”
অর্থাৎ, যদি কেউ অবৈধভাবে কোনো ব্যক্তিকে তার স্থাবর (স্থায়ী) সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ করে, তাহলে সেই ব্যক্তি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৯ অনুসারে আদালতে মামলা করতে পারবেন।
⇒  এই মামলার উদ্দেশ্য: মালিকানা নয়, দখলের অধিকার রক্ষা করা।
- এই আইনে বলা হয়, কারো বৈধ দখল থাকলে, তাকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা যাবে না – এমনকি উচ্ছেদকারী মালিক হলেও।

→ তামাদি সময়সীমা: এই ধারা অনুযায়ী দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করতে হবে বেদখলের তারিখ থেকে ৬ মাসের মধ্যে।
- এই সময়সীমা তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-৩ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
২,১৯৩.
একজন জেলা জজ কোড অব সিভিল প্রসিডিউর, ১৯০৮ অনুসারে সহকারী জজের নিম্নের কোন আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন?
  1. অর্ডার ৭ রুল ১০ অনুযায়ী আরজি ফেরতের আদেশ
  2. অর্ডার ৮ রুল ১০ অনুসারে প্রচারিত রায়
  3. অর্ডার ৯ রুল ৯ অনুসারে দাখিলী দরখাস্তের না-মঞ্জুর আদেশ
  4. অর্ডার ৯ রুল ১৩ অনুযায়ী দাখিলী দরখাস্ত মঞ্জুর আদেশ
সঠিক উত্তর:
অর্ডার ৯ রুল ১৩ অনুযায়ী দাখিলী দরখাস্ত মঞ্জুর আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্ডার ৯ রুল ১৩ অনুযায়ী দাখিলী দরখাস্ত মঞ্জুর আদেশ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে, যে আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল চলে না সেখানে রিভিশন চলে। আদেশ ৪৩ এর বিধি ১ এ ২৫টি আপিলযোগ্য অর্ডারের তালিকা দেওয়া হয়েছে।

৪৩ অর্ডারের ১ রুল মোতাবেক নিম্নে বর্ণিত ৪টি আদেশ আপিলযোগ্য আদেশ:

(ক) অর্ডার ৭ রুল ১০ অনুযায়ী আরজি ফেরতের আদেশ।
(খ) অর্ডার ৮ রুল ১০ অনুসারে প্রচারিত রায়।
(গ) অর্ডার ৯ রুল ৯ অনুসারে দাখিলী দরখাস্তের না-মঞ্জুর (প্রত্যাখান) আদেশ।
(ঘ) অর্ডার ৯ রুল ১৩ অনুযায়ী দাখিলী দরখাস্ত না-মঞ্জুর আদেশ।

অর্থাৎ, ৪টি আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে বা আপিলযোগ্য আদেশ। প্রশ্নের (ঘ) নং অপশনে প্রদত্ত অর্ডার ৯ রুল ১৩ অনুযায়ী দাখিলী দরখাস্ত মঞ্জুর আদেশ আপিলযোগ্য আদেশ নয়। কারন তা আদেশ ৪৩ এর আপিলযোগ্য আদেশের তালিকায় নেই। যেহেতু এটি আপিলযোগ্য আদেশ নয়, ১১৫ ধারায় বর্ণিত বিধান অনুযায়ী উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যাবে।
২,১৯৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা অনুযায়ী, ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ কত বছর?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒  সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার অনুযায়ী, ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুসারে ৬ বছর।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার মোকদ্দমাকে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা বলা হয়।
- শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ করা হয়নি।
- তাই শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে।

⇒ তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী- ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ হবে ৬ বছর।
২,১৯৫.
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ কাকে সহায়তা করেন?
  1. আদালতকে
  2. পুলিশকে
  3. বাদীকে
  4. বাদী ও বিবাদী উভয়কে
সঠিক উত্তর:
আদালতকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতকে
ব্যাখ্যা
 ⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান- শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত: -
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.- 
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
২,১৯৬.
দণ্ডবিধি ১৫৩(ক) ধারা অনুযায়ী, বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা প্রচার করার জন্য কোন উপায়গুলো ব্যবহার করা হয়?
  1. মৌখিক বা লিখিত কথা
  2. সংকেতের মাধ্যমে
  3. দৃশ্যমান উপস্থাপনা
  4. উপরোক্ত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ১৫৩(ক) ধারা: শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা প্রচার করা:
যে কেউ, কথার মাধ্যমে, মৌখিক বা লিখিত, অথবা সংকেতের মাধ্যমে, দৃশ্যমান উপস্থাপনা দ্বারা বা অন্য যেকোনো উপায়ে, বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা প্রচার করে বা প্রচারের চেষ্টা করে, তাকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা: যদি কোনো ব্যক্তি বিদ্বেষপূর্ণ উদ্দেশ্য ছাড়াই এবং প্রকৃতপক্ষে সেই সমস্যাগুলি তুলে ধরে, যা বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা সৃষ্টি করছে বা সৃষ্টি করার প্রবণতা রাখে, তাহলে এটি এই ধারার অধীনে অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

Section 153A- Promoting enmity between classes:
Whoever by words, either spoken or written, or by signs, or by visible representations, or otherwise, promotes or attempts to promote feelings of enmity or hatred between different classes of the citizens of Bangladesh, shall be punished with imprisonment which may extend to two years, or with fine, or with both.
 
Explanation.- It does not amount to an offence within the meaning of this section to point out, without malicious intention and with an honest view to their removal, matters which are producing or have a tendency to produce, feelings of enmity or hatred between different classes of the citizens of Bangladesh.
২,১৯৭.
'Hearsay evidence is not admissible' এই নীতির ব্যতিক্রম দেখা যায় সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায়?
  1. ২৭ ধারায়
  2. ৩২ ধারায়
  3. ৪৫ ধারায়
  4. ৫৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩২ “hearsay” প্রমাণকে বিশেষ পরিস্থিতিতে গ্রহণযোগ্য করে, ফলে এটি hearsay নিষিদ্ধ নীতির প্রধান ব্যতিক্রম হিসেবে বিবেচিত হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা (dying delaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
২,১৯৮.
হাইকোর্ট বিভাগের সাক্ষ্য গ্রহণের পদ্ধতি কিভাবে নির্ধারিত হবে?
  1. আইন মন্ত্রণালয়ের আদেশ দ্বারা
  2. প্রধান বিচারপতির আদেশ দ্বারা
  3. জাতীয় সংসদে প্রণীত বিধি দ্বারা
  4. সুপ্রিম কোর্টের বিধি দ্বারা
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের বিধি দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের বিধি দ্বারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৫ ধারার বিধান: হাইকোর্ট ডিভিশনে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ:
- সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে সাধারণ নিয়ম প্রণয়নের দ্বারা উক্ত আদালতে আগত মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ প্রণালী নির্ধারণ করবে এবং উক্ত নিয়ম অনুসারে সাক্ষ্য গৃহীত হবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, Section 365. Record of evidence in High Court Division:
- The Supreme Court shall from time to time, by general rule, prescribe the manner in which evidence shall be taken down in cases coming before the Court, and the evidence shall be taken down in accordance with such rule.
২,১৯৯.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ২২ক ধারা অনুযায়ী, যদি ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তখন কী হতে পারে?
  1. স্বীকারোক্তি স্বীকৃত হবে
  2. ডিজিটাল রেকর্ড খারিজ হয়ে যাবে
  3. প্রাথমিক প্রমাণের প্রয়োজন হবে না
  4. মৌখিক স্বীকৃতি গ্রহণযোগ্য হতে পারে
সঠিক উত্তর:
মৌখিক স্বীকৃতি গ্রহণযোগ্য হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক স্বীকৃতি গ্রহণযোগ্য হতে পারে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) মৌখিক স্বীকৃতি গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার মতে, সাধারণত ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি গ্রহণযোগ্য নয়। তবে, যদি ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তাহলে তার বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি আদালতে প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
- মূল প্রমাণের নীতি: সাধারণত কোনো নথিপত্র বা ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য প্রাথমিক প্রমাণ (primary evidence) প্রয়োজন হয়। ডিজিটাল রেকর্ড নিজেই প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে, মৌখিক স্বীকৃতি নয়।
- গৌণ প্রমাণের ব্যতিক্রম: যদি কোনো পক্ষ আদালতে প্রমাণ করতে চায় যে ডিজিটাল রেকর্ডটি সত্য নয় বা জাল, তাহলে সেই রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
- আদালত যদি মনে করে যে ডিজিটাল রেকর্ডটি সন্দেহজনক বা প্রশ্নবিদ্ধ, তখন মৌখিক স্বীকৃতির মাধ্যমে এর প্রকৃত অবস্থা নির্ণয়ের চেষ্টা করা যেতে পারে।
----------
⇒The Evidence Act, 1872, Section-22A. When oral admissions as to contents of digital records are relevant:
Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question.
২,২০০.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন আদেশ অনুযায়ী অনিয়ম কিংবা প্রতারণার কারণে নিলাম রদের দরখাস্ত করা হয়?
  1. আদেশ ২১ বিধি ৮৯
  2. আদেশ ২১ বিধি ৯০
  3. আদেশ ২১ বিধি ৯১
  4. আদেশ ২১ বিধি ৯২
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১ বিধি ৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১ বিধি ৯০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯০ এর বিধান অনিয়মতা কিংবা প্রতারণার কারণে নিলাম বিক্রয় রদের আবেদন:- যেক্ষেত্রে কোন স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিজারিতে নিলাম বিক্রয় হয়েছে, সেক্ষেত্রে ডিক্রিদার কিংবা সম্পত্তির বণ্টনে আনুপাতিক অংশের অধিকারী কোন ব্যক্তি অথবা উক্ত নিলাম বিক্রয়ের ফলে যার স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয় ঐ ব্যক্তি নিলাম বিক্রয় রদের জন্য সেটা প্রচার বা পরিচালনার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম বা প্রতারণার অজুহাতে আদালতে আবেদন করতে পারে:
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ অনিয়ম বা তঞ্চকতার কারণে কোন নিলাম বিক্রয় রদ হবে না, যদি না প্রমাণিত তথ্যসমূহের উপর আদালত এ মর্মে পরিতুষ্ট হয় যে, আবেদনকারী উক্ত অনিয়মতা বা তঞ্চকতার অজুহাতে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ আদেশের ৮৯ ও ৯০ নং বিধিমতে ডিক্রি জারিতে বিক্রয় রদ করার আবেদন করা যায় যা নিম্নরূপ- ডিক্রি জারিতে কোন স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় হলে উক্ত নিলাম রদের জন্য ২১ আদেশের ৯০ বিধির অধীন আবেদন করতে হয়। উক্ত নিলাম বিক্রয়ের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে বিক্রয় বাতিলের জন্য আবেদন করতে হবে। উক্ত বিক্রয় বাতিলের জন্য ক্রয় মূল্যের ৫% বা নিলাম ঘোষণায় উল্লেখিত অর্থের মধ্যে যা কম তা জমা দিয়ে বিক্রয় রদের আবেদন করতে হবে।
⇒  নিলাম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম (Material Irregularity) বা প্রতারণা (Fraud) অথবা আবেদনকারীকে নোটিশ প্রদানে ব্যর্থ হলেই আদালত উক্ত নিলাম রদ করতে পারে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ আদেশের ৮৯ ও ৯০ নং বিধির অধীন আদালত বিক্রয় রদের আবেদন মঞ্জুর অথবা প্রত্যাখ্যান করে কোন আদেশ দিলে (Order for setting aside a sale/refusing an application to set aside a sale), উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে কেননা নিলাম বিক্রয় রদের আবেদন মঞ্জুর অথবা প্রত্যাখ্যান হল আপিলযোগ্য আদেশ।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৯ এর বিধান জমা দিয়ে নিলামে বিক্রয় রদের আবেদন। ১) যেক্ষেত্রে ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তি মালিক অথবা নিলাম বিক্রয়ের পূর্বে তথায় অর্জিত কোন স্বত্বের অনুবলে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নিলাম বিক্রয় রদের জন্য-
ক) ক্রয় মূল্যের শতকরা পাঁচ ভাগের সমান অংক ক্রেতাকে প্রদানের জন্য; এবং
খ) নিলাম বিক্রয়ের উক্ত ইশতেহারের তারিখ হতে ডিক্রিদার কোন পরিমাণ টাকা গৃহীত হয়ে থাকলে তা বিয়োজনপূর্বক যে পরিমাণ টাকা আদায়ের জন্য নিলাম বিক্রয়ের আদেশ হয়েছে বলে নিলাম বিক্রয়ের ইশতেহারে নির্দেশ দেয়া আছে, তা ডিক্রিদারকে প্রদানের জন্য আদালতে জমা দিয়ে আবেদনপত্র দাখিল করতে পারে।
২) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি তার স্থাবর সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় রদের জন্য ৯০ বিধির অধীনে আবেদন করে, সেক্ষেত্রে সে তার আবেদন প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত এই বিধির অধীনে কোন আবেদন করতে কিংবা পরিচালনা করতে অধিকারী হবে না।
৩) মোকদ্দমার ব্যায়াদি এবং নিলাম বিক্রয়ের ইশতেহারে অনুল্লিখিত না হওয়া কোন খরচা এবং সুদ সম্পর্কিত কোন দায় থেকে দায়িককে এই বিধির কোন বিধানই অব্যাহতি দিবে না।