• রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ- জ্ঞানবৃক্ষ।
--------------
• রূপক কর্মধারয় সমাস:
- রূপক কর্মধারয় সমাস হলো এমন সমাস যেখানে উপমান ও উপমেয়কে অভিন্ন কল্পনা করা হয়।
- এ সমাসে উপমেয় পদটি আগে এবং উপমান পদটি পরে বসে।
- এবং সমস্যমান পদে ‘রূপ’ শব্দটি যোগ করে মূল ব্যাসবাক্য তৈরি হয়।
- উদাহরণস্বরূপ,
• কালরাত্রি = কাল রূপ রাত্রি,
• জ্ঞানবৃক্ষ = জ্ঞান রূপ বৃক্ষ,
• মনমাঝি = মন রূপ মাঝি।
- রূপক কর্মধারয় সমাসের কিছু উদাহরণ:
• বিষাদসিন্ধু,
• কালরাত্রি ,
• কালসর্প ,
• কথামৃত,
• কালচক্র,
• কালস্রোত,
• জীবনতরী,
• দেহপিঞ্জর,
• জ্ঞানবৃক্ষ,
• দেশমাতৃকা,
• প্রাণবায়ু,
• বিদ্যারত্ন,
• শোকসিন্ধু,
• সংসারসমুদ্র,
• হৃদয়পিঞ্জর।
---------------------------
অন্যদিকে,
• ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি: পূর্বপদ এবং পরপদ দুটোই বিশেষ্য।
- উদাহরণ:
- বীণা পাণিতে যার → বীণাপাণি।
• মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি: ব্যাসবাক্যের মধ্যবর্তী পদ লোপ পায়।
- উদাহরণ:
- সোনার মতো উজ্জ্বল মুখ যার → সোনামুখী।
• সাধারণ কর্মধারয় সমাস:
- সাধারণ কর্মধারয় সমাস হলো এমন সমাস যেখানে পূর্বপদে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদ এবং পরপদে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদ থাকে, এবং সমাসের মূল অর্থ পরপদে প্রতীয়মান হয়।
- উদাহরণস্বরূপ:
- নীল যে পদ্ম → নীলপদ্ম।
উৎস:
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি - নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ),
ভাষা- শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।