উত্তর
ব্যাখ্যা
সূত্রঃ standards.ieee.org
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৫ / ৮ · ৪০১–৫০০ / ৭২৩
• Firefox একটি ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন নয়, বরং এটি একটি ওয়েব ব্রাউজার।
• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।
• বহুল ব্যবহৃত জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে:
- Google,
- Bing,
- Yahoo,
- Yandex,
- DuckDuckGo,
- Baidu ইত্যাদি।
• ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো এমন একটি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন যা ব্যবহারকারীদের ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব অ্যাক্সেস করতে এবং ওয়েব পেজ দেখতে সহায়তা করে।
- এর প্রধান কাজ হলো এইচটিএমএল ডকুমেন্ট এবং অন্যান্য ডেটা ওয়েব সার্ভার থেকে নিয়ে এসে ব্যবহারকারীর ডিভাইসে প্রদর্শন করা।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
- কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের হলো:
- Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, Opera, Microsoft Edge, Maxthon, Brave, UC Browser.
• ব্রাউজার এবং সার্চ ইঞ্জিন উভয়ই ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য অপরিহার্য হলেও, এদের ভূমিকা ভিন্ন। ব্রাউজার হলো ডেটা দেখার মাধ্যম, আর সার্চ ইঞ্জিন হলো সেই ডেটা খুঁজে বের করার টুল।
- উদাহরণস্বরূপ, আপনি Firefox নামক ব্রাউজারে Google নামক সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করতে পারেন।
উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
TCP:
- TCP এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Transmission Control Protocol.
- ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদান প্রক্রিয়া বা ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রটোকলের সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে টিসিপি।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সঙ্গে নিরাপদে সংযোগ স্থাপন অনেকটা টিসিপির ওপর নির্ভর করে।
- ই-মেইলের মতো ইন্টারনেটের বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনেও টিসিপি ব্যবহার করা হয়।
- টিসিপির প্রধান কাজ তিনটি।
যথা- ১. 'বাইট স্ট্রিম' সরবরাহ করা, ২. সংযোগবিষয়ক এবং ৩. আস্থা স্থাপন।
- কয়েকটি ছোট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এটি ফাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এ কারণেই প্রেরণ করার সময় ফাইলগুলো অন্য লিঙ্কে প্রবেশ করা থেকে এবং হারিয়ে যাওয়া থেকে বিরত থাকে।
উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ Tim Berners-Lee হলেন World Wide Web (WWW)-এর জনক। তিনি ১৯৮৯ সালে CERN-এ কাজ করার সময় ওয়েব ব্রাউজার, হাইপারটেক্সট, HTTP ও HTML প্রোটোকল তৈরি করেন, যা আজকের ইন্টারনেটের ভিত্তি গঠন করে।
WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব(WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি (Tim Berners-Lee) ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে (Tim Berners-Lee) WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• বর্তমান বিশ্বের ইন্টারনেট ব্যবস্থা পুরোপুরি প্যাকেট সুইচিং (Packet Switching) প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়।
- এই পদ্ধতিতে ডেটাকে ছোট ছোট প্যাকেটে ভাগ করে ইন্টারনেটের বিভিন্ন রাউটার ও নোডের মাধ্যমে গন্তব্যে পাঠানো হয়।
• প্যাকেট সুইচিংয়ের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি ব্যান্ডউইথ শেয়ারিং সাপোর্ট করে, ফলে একই চ্যানেল ব্যবহার করে একাধিক ব্যবহারকারী ডেটা আদান-প্রদান করতে পারেন।
- 'ফল্ট টলারেন্ট' বা ত্রুটি সহনশীল তাই নেটওয়ার্কের কোনো একটি পথ অকেজো হলেও ডেটা বিকল্প পথে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে।
- এই পদ্ধতিতে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য IP (Internet Protocol) ব্যবহার করা হয়।
- প্রতিটি প্যাকেটের সাথে উৎস এবং গন্তব্যের আইপি ঠিকানাসহ অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ তথ্য যুক্ত থাকে।
- ডেটা প্যাকেটগুলো ভিন্ন ভিন্ন সময় বা পথে গন্তব্যে পৌঁছানোর কারণে এতে সামান্য 'ডিলে' বা বিলম্ব হতে পারে।
অন্যান্য অপশন:
- Cable TV Broadcasting: এটি মূলত ব্রডকাস্টিং বা সম্প্রচার প্রযুক্তি যা এনালগ বা ডিজিটাল সিগন্যাল আকারে তথ্য একমুখীভাবে প্রেরণ করে।
- ISDN: ইন্টিগ্রেটেড সার্ভিসেস ডিজিটাল নেটওয়ার্ক মূলত সার্কিট সুইচিং ব্যবহার করে ডিজিটাল ডেটা ও ভয়েস আদান-প্রদান করে।
- Telephone Network: প্রথাগত টেলিফোন নেটওয়ার্ক (PSTN) সার্কিট সুইচিং ব্যবহার করে যেখানে কলের সময় একটি নির্দিষ্ট ফিজিক্যাল কানেকশন বজায় রাখা হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা [link]
• ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য দেখতে চায়। এই তথ্য প্রদর্শনের জন্য আমরা ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করি। ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন যা ওয়েব সার্ভার থেকে HTML, CSS, JavaScript এবং অন্যান্য ফাইল নিয়ে সেগুলোকে ব্যবহারকারীর জন্য প্রদর্শনযোগ্য আকারে রূপান্তর করে। উদাহরণস্বরূপ, গুগল ক্রোম, মজিলা ফায়ারফক্স, এবং মাইক্রোসফট এজ হলো জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার। সার্ভার মূলত তথ্য সংরক্ষণ করে এবং ব্রাউজারকে তথ্য সরবরাহ করে। কম্পাইলার কোডকে যান্ত্রিকভাবে অনুবাদ করে এবং অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় তৈরি করে। তাই, ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য সঠিক উত্তর হলো ওয়েব ব্রাউজার।
- সঠিক উত্তর: গ) ওয়েব ব্রাউজার।
• WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.
• ইন্টারনেট:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET-এর পূর্ণরূপ হলো: ‘Advanced Research Projects Agency Network’.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৫৭ সালে তৎকালীন সােভিয়েত রাশিয়া স্পুটনিক উক্ষেপন করার পর মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে শুরু করে। এজন্য তারা প্রতিরক্ষা দপ্তরের অভ্যন্তরে গড়ে তােলে একটি প্রজেক্ট।
এই প্রজেক্টের নাম রাখা হয় আরপা (ARPA = Advanced Research Projects Agency)। ১৯৬২ সালে ম্যাসাচুসেট ইনস্টিটিউট অব টেকনােলােজির লিক লিডার (J C R Lick Lider) প্রথম তার গ্যালাকটিক নেটওয়ার্ক কনসেপ্ট বর্ণনা করেন। তাতে বিভিন্ন কম্পিউটারের মধ্যে প্রােগ্রাম ও তথ্যের আদান প্রদানের কথা বলা হয়। তার এই ধারণাই অনেকটা আজকে ইন্টারনেটে রূপলাভ করেছে।
১৯৬৫ সালে থমাস মেরিল (Thomas Merill) এবং লরেন্স রবার্ট (Lorence Robert) প্রথম MIT এবং ক্যালিফোর্নিয়ার মধ্যে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৬৮ সালে বােল্ট (Bolt), বেরানাক (Beranak), নিউম্যান (Newman) (সংক্ষেপে BBN) আরপা-এর সাথে যুক্ত হয়ে প্যাকেট-সুইচিং নেটওয়ার্কের উদ্ভাবন করেন। তখন থেকে এর নাম হয় আরপানেট (ARPAnet)।
১৯৬৯ সালের ১লা সেপ্টেম্বর আরপানেট নেটওয়ার্কের ব্যবস্থা চুড়ান্ত হয়। প্রাথমিক অবস্থায় এক্ষেত্রে চারটি সংযােগের ব্যবস্থা করা হয়। ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর আরপানেটের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়।
১৯৭২ সালের মার্চ মাসে রে টোমলিনশন (Ray Tomlinson) কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে ই-মেইল প্রেরণের জন্য প্রথম সফটওয়্যার তৈরি করেন।
১৯৭৩ সালে Transmission Control Protocol/Internet protocol (TCP/IP) এর উন্নয়ন শুরু হয়।
১৯৭৬ সালে দুইটি নেটওয়ার্কিং সিস্টেমের উন্নয়ন ঘটে। এর একটি হল জেরক্সের ড. রবার্ট ও জে মেটকালফে ইথারনেট। এই ইথারনেটই পরে লােকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক উন্নয়নের পথ খুলে দিয়েছিল। অপর সিস্টেসটি ছিল স্যাটনেট (SATNET)।
১৯৮২ সালের দিকে ইন্টারনেট শব্দটি জনপ্রিয় হয়ে উঠে। এই সময় ইন্টারনেটের সংজ্ঞা নিরুপন করে বলা হয় - “ইন্টারনেট হল টিসিপি/আইপি ব্যবহার করে একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযােগ স্থাপন করার পদ্ধতি বিশেষ”।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
• স্মার্টফোনের ইতিহাসে প্রথম উদ্ভাবক হিসেবে IBM-কে মানা হয়। IBM তাদের Simon Personal Communicator (SPC) তৈরি করে। এটি কেবল ফোন নয়, বরং ইমেইল পাঠানো, ক্যালেন্ডার ব্যবস্থাপনা, নোট লেখা এবং সহজ কিছু অ্যাপ চালানোর ক্ষমতা রাখত। তাই এটি আধুনিক স্মার্টফোনের প্রাথমিক রূপ হিসেবে বিবেচিত হয়। যদিও পরে ব্ল্যাকবেরি এবং অ্যাপল iPhone-এর মাধ্যমে স্মার্টফোনের জনপ্রিয়তা ও প্রযুক্তি উন্নয়ন ঘটায়, IBM-এর Simon প্রথমে “স্মার্টফোন” ধারণা বাস্তবায়ন করেছিল। সুতরাং, প্রশ্নে প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর: গ) আইবিএম।
স্মার্টফোন:
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান।
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোন ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- স্মার্টফোনে ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।
উৎস: ব্রিটানিকা।
HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
• ইন্টারনেটে ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য মূল প্রোটোকল স্যুট হলো TCP/IP.
• TCP/IP:
- TCP/IP এর পূর্ণরূপ Transmission Control Protocol/Internet Protocol.
- TCP/IP হলো এমন এক সেট প্রোটোকল, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিভাইসগুলোর মধ্যে যোগাযোগের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
- ইন্টারনেটে যেকোনো কম্পিউটার আরেকটি কম্পিউটারে সাথে সহজেই সংযোজিত হতে পারে।
- TCP ডাটা ট্রান্সমিশন সঠিকভাবে এবং সিকোয়েন্স অনুযায়ী পাঠানোর নিশ্চয়তা দেয়।
- IP (Internet Protocol) প্রতিটি ডাটা প্যাকেটকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠায়।
- TCP/IP ইন্টারনেটের backbone, যা ডাটা ট্রান্সফার এবং কমিউনিকেশন পরিচালনা করে।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
- HTTP (Hypertext Transfer Protocol) হলো ওয়েব ব্রাউজার এবং ওয়েব সার্ভারের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত একটি প্রোটোকল।
- FTP (File Transfer Protocol) সার্ভার ও ক্লায়েন্টের মধ্যে ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) হলো ই-মেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত একটি প্রোটোকল।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ ইন্টারনেট একটি ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN), কারণ এটি সারা বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে।
- WAN (Wide Area Network) হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক যা বৃহৎ ভৌগোলিক পরিসরে ছড়িয়ে থাকে এবং বিভিন্ন দেশ ও মহাদেশে সংযোগ প্রদান করে। ইন্টারনেট একটি বিশ্বব্যাপী WAN, যা বিভিন্ন ISP (Internet Service Provider) এবং নেটওয়ার্ক প্রোটোকল (TCP/IP) ব্যবহার করে পরিচালিত হয়।
ইন্টারনেট:
- আরপানেট (ARPANET) দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এ নেটওয়ার্কের নাম আরপানেট।
- ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯ সালে।
- ইন্টারনেটের জনক হিসাবে পরিচিত মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ (Vinton Gray Cerf)
- ১৯৮২ সালে বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগের উপযোগী টিসিপি/আইপি (TCP/IP: Transmission Control Protocol / Internet Protocol) প্রোটোকল উদ্ভাবনের সাথে ইন্টারনেট শব্দটি চালু হয়।
- ১৯৮৩ সালের আরপানেটে টিসিপি/আইপি প্রোটোকল ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন নেটওয়ার্ক (NSFNET) প্রতিষ্ঠার ফলে আরপানেটের প্রভাব কমে যায় এবং বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক উন্নয়নে শরীক হয়।
- অবশেষে ১৯৯০ সালে আরপানেটের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় এবং এটি ইন্টারনেট নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯৮৯ সালে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (বা সার্ভিস প্রোভাইডার) চালুর ফলে সকলের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
• HTTPS ব্যবহারের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় SSL (Secure Sockets Layer) প্রোটোকলের মাধ্যমে। SSL একটি ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রোটোকল যা ওয়েব ব্রাউজার এবং সার্ভারের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানকে এনক্রিপ্ট করে, ফলে ডেটা তৃতীয় পক্ষ দ্বারা পড়া বা পরিবর্তন করা কঠিন হয়। এটি ডেটার গোপনীয়তা, অখণ্ডতা এবং প্রেরক-প্রাপক যাচাই নিশ্চিত করে। HTTPS মূলত HTTP প্রোটোকলের নিরাপদ সংস্করণ, যা SSL বা তার উন্নত সংস্করণ TLS (Transport Layer Security) ব্যবহার করে।
- অন্যদিকে, FTP ফাইল ট্রান্সফারের জন্য, SSH রিমোট কমান্ডের জন্য, এবং SMTP ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাই HTTPS-এর নিরাপত্তা সরাসরি SSL-এর উপর নির্ভরশীল।
উত্তর: ক) SSL.
HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
• SMTP হলো একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল, যা ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি মূলত ব্যবহারকারীর কম্পিউটার বা ডিভাইস থেকে ইমেইল সার্ভারে এবং সার্ভার থেকে সার্ভারে ইমেইল পাঠানোর নিয়ম নির্ধারণ করে।
- এটি নির্ধারণ করে কিভাবে ইমেইল সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে বা ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে ইমেইল পাঠানো হবে।
• কাজের ধরন:
- SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) শুধুমাত্র ইমেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, গ্রহণ বা ডাউনলোডের জন্য নয়।
- ইমেইল ক্লায়েন্ট (যেমন: Outlook, Gmail) থেকে সার্ভারে ইমেইল পাঠানো এবং সার্ভারের মাধ্যমে অন্য সার্ভারে রিলে করার কাজ SMTP করে।
• অন্যান্য প্রোটোকলের কাজ:
- HTTP (HyperText Transfer Protocol): ওয়েবসাইট ব্রাউজিং এবং ওয়েব পেজ ডেটা আদানপ্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- FTP (File Transfer Protocol): ফাইল আপলোড এবং ডাউনলোডের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- POP3 (Post Office Protocol version 3): ইমেইল গ্রহণ বা ডাউনলোড করার জন্য ব্যবহৃত হয়, প্রেরণের জন্য নয়।
- IMAP (Internet Message Access Protocol): সার্ভারে থাকা ইমেইল অ্যাক্সেস বা পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• World Wide Web:
- ১৯৮৯ সালে সুইজারল্যান্ডের CERN-এর বিজ্ঞানীরা একটি নতুন ব্যবস্থা উদ্ভাবন করেন।
- যাতে এই উদ্ভাবন ব্যবস্থার মাধ্যমে তারা তাদের গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য, ছবি (গ্রাফিক্স) এবং অন্যান্য সহায়ক উপাদান সহজে খুঁজে পেতে এবং ব্যবহার করতে পারেন।
- পরে এই উদ্ভাবিত পদ্ধতিই ইন্টারনেট ব্যবহার করে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক হলেন টিম বার্নার্স-লি।
- WWW বা World Wide Web ইন্টারনেট-ভিত্তিক একটি তথ্য ব্যবস্থা।
- এখানে ব্যবহারকারীরা হাইপারলিঙ্কের মাধ্যমে পৃথিবীর যে কোনো স্থানে থাকা ওয়েবপেজ ও তথ্যভাণ্ডারে প্রবেশ করতে পারে।
- এই তথ্যগুলো সাধারণত ব্রাউজারের মাধ্যমে দেখা হয়।
- ওয়েবের মাধ্যমে লেখা (টেক্সট), ছবি, অডিও ও ভিডিও একসাথে ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে প্রদর্শিত হয়।
- এজন্য ওয়েবকে ইন্টারনেটের মাল্টিমিডিয়া বলা হয়।
উৎস: Britannica.
• নেটওয়ার্কে গেটওয়ের প্রধান কাজ হলো দুইটি ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগ নিশ্চিত করা। যখন দুটি আলাদা নেটওয়ার্ক একে অপরের সাথে তথ্য আদান-প্রদান করতে চায়, তখন গেটওয়ে একটি মধ্যস্থ হিসেবে কাজ করে। এটি প্রোটোকল অনুবাদ, প্যাকেট ফরওয়ার্ডিং এবং রাউটিং-এর মাধ্যমে ডেটা এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে পৌঁছায়। গেটওয়ে শুধুমাত্র স্থানীয় নেটওয়ার্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে তথ্যের প্রবাহ সহজ ও সঠিকভাবে পরিচালনা করে। তাই গেটওয়ের মূল ভূমিকা ডেটা সংরক্ষণ, এনক্রিপশন বা ব্যবহারকারীর পাসওয়ার্ড পরিচালনার সাথে সম্পর্কিত নয়, বরং এটি ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযোগে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
উত্তর: গ) দুইটি ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা।
• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
অন্যদিকে,
• সুইচ:
- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।
- হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই। তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়।
- স্টার টপোলজিতে সুইচ একটি কেন্দ্রিয় কানেকটিভ ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
• রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ একটি ওয়েবসাইটের সম্পূর্ণ ঠিকানা বা অ্যাড্রেসকে URL (Uniform Resource Locator) বলা হয়।
এটি ওয়েবসাইটের অবস্থান নির্দেশ করে এবং প্রোটোকল, ডোমেইন নাম, পাথ ইত্যাদি তথ্য ধারণ করে।
যেমন: https://www.example.com একটি URL.
URL:
- URL এর পূর্ণরূপ হলাে Uniform Resource Locator.
- ওয়েবসাইট বা পেইজের অ্যাড্রেসকে URL বলা হয়।
- পৃথিবীতে এক নামে একটিমাত্র ওয়েবসাইট থাকে।
- কোন ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।
- URL হচ্ছে ওয়েবসাইটের একক বা Unique ঠিকানা।
• https://www.abcd.com/home প্রদত্ত URL টির -
- https হচ্ছে প্রোটোকল,
- www.abcd.com হচ্ছে ওয়েব সার্ভারের নাম (ডোমেইন নেম),
- home হচ্ছে ডিরেক্টরি নাম (পাথ)।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
- IP Address হলো একটি সংখ্যাসূচক ঠিকানা যা নেটওয়ার্কে ডিভাইসগুলিকে শনাক্ত করে।
- Domain Name হলো একটি পাঠ্য-ভিত্তিক ঠিকানা যা IP Address-কে মানুষের পাঠযোগ্য করে (যেমন: www.example.com)।
- HTTP হলো একটি প্রোটোকল যা ওয়েবসাইটের ডেটা ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) বা ওয়েবের উদ্ভাবক হলেন টিম বার্নার্স-লি। তিনি ১৯৮৯ সালে সার্বিক তথ্য ভাগাভাগি সহজ করার উদ্দেশ্যে এটি উদ্ভাবন করেন। টিম বার্নার্স-লি হাইপারটেক্সট ধারণা ব্যবহার করে ওয়েব পেজ তৈরি, সংযুক্তি এবং ব্রাউজ করার ব্যবস্থা তৈরি করেন। এর ফলে ইন্টারনেটে তথ্য একাধিক কম্পিউটার ও সার্ভারে সহজে অ্যাক্সেসযোগ্য হয়ে ওঠে। ওয়েবের জন্মের সাথে ওয়েব ব্রাউজার, সার্ভার এবং URL-এর মতো ধারণাগুলোও সম্পর্কিত। তাঁর এই উদ্ভাবনের কারণে বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ, শিক্ষা, ব্যবসা এবং বিজ্ঞানচর্চা অনেক সহজ এবং দ্রুত হয়েছে। WWW মানবজীবনে তথ্যের প্রবাহের ধারা সম্পূর্ণ পরিবর্তন করেছে।
- সঠিক উত্তর: ক) টিম বার্নার্স-লি।
• WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.
◉ IPv4 (Internet Protocol version 4) একটি 32-বিট অ্যাড্রেসিং সিস্টেম ব্যবহার করে। এর অর্থ হলো IPv4 এ মোট 232 (4,294,967,296) টি ইউনিক অ্যাড্রেস থাকতে পারে।
আইপি এড্রেস:
- আইপি হলো প্রতিটি কম্পিউটারের জন্যে ব্যবহৃত স্বতন্ত্র আইডেন্টিটি।
- ‘IP’ এর পূর্ণরূপ হলো ‘Internet Protocol’.
- (1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত হয়আইপি অ্যাড্রেস I
- IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলাে 4 × ৪ বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রটোকলের ৬ষ্ঠ ভার্সন।
- IPv4 এর সংখ্যা অপ্রতুল হয়ে যায় তা সমাধানের জন্যে IPv6 ভার্সন চালু করা হয়।
- IPv6 অ্যান্ড্রেস ১২৮ বিটে হয়। অর্থাৎ আইপি অ্যাড্রেসের এই ভার্সনে ৮টি ভাগ থাকে এবং প্রতিভাগ 16 bit এর হয়ে থাকে।
- এক্ষেত্রে ১২৮ বিটের সাহায্যে ২১২৮ সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPV6 এর অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal ফরম্যাট এ লিখা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
সঠিক উত্তর - গ) Vinton Gray Cerf
ইন্টারনেট (Internet)
- ইন্টারনেট হলো পৃথিবীব্যাপী বিস্তৃত একটি বিশাল কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
- এটি অসংখ্য ছোট-বড় নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক।
- ভিনটন গ্রে সার্ফ (Vinton Grey Cerf)-কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।
- ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয় ARPANET দ্বারা।
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ ইন্টারনেট কার্যক্রম শুরু করে।
- ১৯৯২ সালে Internet Society (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• আইপি এড্রেস হচ্ছে ইন্টারনেটে কোনো ডিভাইসের স্বতন্ত্র শনাক্তকরণ নম্বর।
• আইপি এড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি এড্রেস নামে পরিচিত। আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল। বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে আলাদা করার জন্য যেমন নাম আছে, ইন্টারনেটে তেমনি প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি এড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি এড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)। তবে একটি আইপি এড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১। ডটেড ডেসিমেল নোটেশন,
২। হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন,
৩। বাইনারি নোটেশন।
- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত। IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- তবে আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6; যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।
উৎস: উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি।
◉ TCP/IP (Transmission Control Protocol/Internet Protocol) হল ইন্টারনেটে ডেটা ট্রান্সমিশনের মূল প্রোটোকল।
TCP/IP:
- TCP/IP এর পূর্ণরূপ Transmission Control Protocol/Internet Protocol.
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
- ইন্টারনেটে যেকোনো কম্পিউটার আরেকটি কম্পিউটারে সাথে সহজেই সংযোজিত হতে পারে।
এটি দুটি প্রধান অংশে বিভক্ত:
- TCP (Transmission Control Protocol) → ডাটা ট্রান্সমিশন সঠিকভাবে এবং সিকোয়েন্স অনুযায়ী পাঠানোর নিশ্চয়তা দেয়।
- IP (Internet Protocol) → প্রতিটি ডাটা প্যাকেটকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে (destination address) পাঠায়।
- TCP/IP ইন্টারনেটের backbone, যা ডাটা ট্রান্সফার এবং কমিউনিকেশন পরিচালনা করে।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
খ) HTTP (HyperText Transfer Protocol) - এটি শুধুমাত্র ওয়েব ব্রাউজিং-এর জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল।
গ) FTP (File Transfer Protocol) - এটি ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল।
ঘ) SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) - এটি ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল।
উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Cisco Networking Academy.
• IPv4 ঠিকানাগুলি সাধারণত পাঁচটি প্রধান ক্লাসে ভাগ করা হয়: Class A, B, C, D এবং E। এগুলি মূলত প্রথম অক্টেটের মানের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়। Class A-এর প্রথম অক্টেট ১ থেকে ১২৭ এর মধ্যে থাকে, Class B-এর প্রথম অক্টেট ১২৮ থেকে ১৯১ এর মধ্যে থাকে, Class C-এর প্রথম অক্টেট ১৯২ থেকে ২২৩ এর মধ্যে থাকে, এবং Class D মূলত multicast এর জন্য ২২৪ থেকে ২৩৯ পর্যন্ত থাকে। যেহেতু প্রদত্ত ঠিকানার প্রথম অক্টেট ১২৮ থেকে ১৯১ এর মধ্যে রয়েছে, এটি Class B আইপি ঠিকানা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। Class B ঠিকানা সাধারণত মাঝারি আকারের নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- উত্তর: খ) Class B
আইপি অ্যাড্রেস (IP Address):
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রতিটি ডিভাইসকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত একটি একক শনাক্তকারী নম্বর।
- আইপি অ্যাড্রেস দুই ধরনের হয়: IPv4 (Internet Protocol version 4) এবং IPv6 (Internet Protocol version 6)।
- IPv4 আইপি অ্যাড্রেস ৩২-বিট সংখ্যা দ্বারা গঠিত এবং এটি চারটি ৮-বিট অংশে বিভক্ত, প্রতিটি অংশের মান ০ থেকে ২৫৫ এর মধ্যে থাকে (যেমন: 192.168.1.1)।
- IPv4 এর রেঞ্জ এর উপর ভিত্তি করে IP address গুলোকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Class A: প্রথম ৮ বিটের মান ০ - ১২৭ পর্যন্ত।
2. Class B: প্রথম ৮ বিটের মান ১২৮ - ১৯১ পর্যন্ত।
3. Class C: প্রথম ৮ বিটের মান ১৯২ - ২২৩ পর্যন্ত।
4. Class D: প্রথম ৮ বিটের মান ২২৪ - ২৩৯ পর্যন্ত।
5. Class E: প্রথম ৮ বিটের মান ২৪০ - ২৫৫ পর্যন্ত।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মুজিবুর রহমান স্যার, ব্রিটানিকা।
• World Wide Web (WWW) প্রথম তৈরি ও সূচনা করা হয় সুইজারল্যান্ডের CERN (European Center for Nuclear Research)-এ, যেখানে গবেষণার তথ্য সহজে শেয়ার করার প্রয়োজন থেকেই এর উদ্ভব হয়।
• World Wide Web (WWW):
- World Wide Web (WWW) হলো একটি hypertext-based distributed information system।
- এটি বহু সার্ভারের সাথে সংযুক্ত একটি বৃহৎ তথ্যভিত্তিক সিস্টেম।
- WWW ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা টেক্সট, ছবি ও অন্যান্য তথ্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অ্যাক্সেস করতে পারে।
• WWW-এর উদ্ভব ও স্থান:
- WWW তৈরি করেন Tim Berners-Lee।
- এটি প্রথম তৈরি ও সূচনা হয় CERN (European Center for Nuclear Research)-এ।
- CERN অবস্থিত সুইজারল্যান্ডে।
- WWW প্রথম তৈরি হয় ১৯৮৯ সালে।
• WWW-এর প্রসার:
- শুরুতে এটি গবেষণামূলক কাজে সীমাবদ্ধ ছিল।
- পরবর্তীতে ১৯৯৩ সাল থেকে WWW ব্যাপকভাবে প্রচলিত হতে শুরু করে।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.
• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) এর জনক হলেন Tim Berners-Lee.
• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব:
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) কে সংক্ষেপে WWW বা ওয়েব নামেও অভিহিত করা হয়ে থাকে।
- সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত এটি একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এর মাধ্যমে হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডকুমেন্ট তৈরি ও সম্পাদনা কর যায়।
- টিম বার্নার্স লী WWW- এর জনক নামে পরিচিত।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- এসব ওয়েব সার্ভার ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোন ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- এটি হতে পারে প্রচলিত টেক্সট ফাইল, ছবি, শব্দ বা অন্য কোন ফর্মেটের ডাটা।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ইন্টারনেট প্রোটোকল:
- TCP/IP প্রোটোকলটি ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
- ইন্টারনেটে যেকোনো কম্পিউটার আরেকটি কম্পিউটারে সাথে সহজেই সংযোজিত হতে পারে।
- একটি কম্পিউটার প্রথমে লোকাল বা স্থানীয় নেটওয়ার্কের সাথে সংযোজিত হয়, তারপর ইন্টারনেট ব্যাকবোনের মাধ্যমে সারা বিশ্বের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হয়।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটারেরই একটি IP Address থাকে এবং প্রায় সকলের একটি ঠিকানা থাকে, যা ডোমেইন নেম সিস্টেম ব্যবহার করে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• IPv6 ঠিকানা হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা এবং কোলন দ্বারা পৃথক ফরম্যাটে লেখা হয়। এটি মোট ১২৮-বিটের একটি ঠিকানা যা ১৬-বিট করে অংশে ভাগ করা হয়। প্রতিটি অংশকে চারটি হেক্সাডেসিমাল অঙ্ক দিয়ে প্রকাশ করা হয় এবং অংশগুলোকে “:” চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি IPv6 ঠিকানা হতে পারে 2001:0db8:85a3:0000:0000:8a2e:0370:7334। এটি IPv4-এর চেয়ে দীর্ঘ এবং অনেক বেশি ঠিকানা প্রদানের সুবিধা দেয়। তাই সঠিক উত্তর হবে: ঘ) হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা, কোলন দ্বারা পৃথক।
• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে। এ ঠিকানাকে আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) বলা হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) এর পূর্ণ রূপ হলো Internet Protocol Address.
• IP Address এর দুটি ভার্সন রয়েছে:
1. IPv4:
- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট 4 টি অকটেট থাকে।
- প্রতিটি অকটেট ৪ বিটের বাইনারি সংখ্যা।
- প্রতিটি অকটেট ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে। যেমন: 11110000.01010110.11100010.01011100
- মোট 32 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
- এই ভার্সনের সাহায্যে 232 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায় ৷
2. IPv6:
- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট ৪ টি ভাগ থাকে।
- প্রতিটি ভাগে 16 বিটের বাইনারি সংখ্যা।
- প্রতিটি ভাগ ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে।
- মোট 128 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
- এই ভার্সনের সাহায্যে 2128 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• IEEE 802.16 সাধারণত WiMAX প্রযুক্তি হিসেবে পরিচিত। এটি একটি ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস মানদণ্ড যা দূরত্বের মধ্যে উচ্চ গতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে। WiMAX দীর্ঘ-দূরত্বের ওয়ারলেস নেটওয়ার্ককে সমর্থন করে, যা শহর বা গ্রামীণ এলাকাতেও দ্রুত ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে সক্ষম। এটি ওয়াই-ফাই-এর চেয়ে অনেক বেশি দূরত্বে কাজ করতে পারে এবং বিভিন্ন ধরণের ডিভাইস যেমন কম্পিউটার, মোবাইল ফোন বা রাউটারকে কানেক্ট করতে সাহায্য করে। WiMAX-এর লক্ষ্য ছিল উচ্চ ব্যান্ডউইথ এবং নির্ভরযোগ্য কানেক্টিভিটি নিশ্চিত করা, বিশেষ করে যেখানে তারযুক্ত সংযোগ কঠিন বা ব্যয়বহুল। তাই IEEE 802.16 মানটি WiMAX-এর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
- সঠিক উত্তর: ঘ) WiMAX.
• ওয়াইম্যাক্স (WiMAX):
- WiMAX-এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- এটি এমন এক যোগাযোগ প্রযুক্তি যা বিস্তৃত ভৌগোলিক অঞ্চলে দ্রুতগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে।
- এর কভারেজ এরিয়া প্রায় ৫০ কি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- স্পীড প্রায় 1000 Mbps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMAX এর Frequency প্রায় 2-66 GHz পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMAX এর IEEE standard হচ্ছে IEEE 802.16
এছাড়াও,
- Wi-fi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.15
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।