বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৭৬ / ১৪০ · ৭,৫০১৭,৬০০ / ১৪,০৮০

৭,৫০১.
রক্ত তঞ্চন প্রক্রিয়ায় কোন অজৈব আয়নটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে? 
  1. K+
  2. Mg2+
  3. Ca2+
  4. Na2+
সঠিক উত্তর:
Ca2+
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ca2+
ব্যাখ্যা

- ক্যালসিয়াম আয়ন (Ca2+) রক্ত তঞ্চন (রক্ত জমাট বাঁধা) প্রক্রিয়ায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অজৈব আয়ন। এটি বিভিন্ন ক্লটিং ফ্যাক্টরকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে, যার মধ্যে প্রোথ্রম্বিনকে থ্রম্বিনে রূপান্তর করা এবং ফাইব্রিনোজেন থেকে ফাইব্রিন নামক অদ্রবণীয় প্রোটিন সূত্র তৈরি করা প্রধান। এই ফাইব্রিন সূত্রগুলোই মূলত রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে জালকের মতো কাঠামো তৈরি করে। 

অণুচক্রিকা বা থ্রম্বোসাইট: 
- ইংরেজিতে অণুচক্রিকাকে প্লেইটলেট (Platelet) বলে। 
- অণুচক্রিকা দেখতে গোলাকার, ডিম্বাকার অথবা রড আকারের হতে পারে। এদের সাইটোপ্লাজম দানাদার এবং সাইটোপ্লাজমে কোষ অঙ্গাণু- মাইটোকন্ড্রিয়া, গলজি বস্তু থাকে; কিন্তু নিউক্লিয়াস থাকে না। 
- অনেকের মতে, অণুচক্রিকাগুলো সম্পূর্ণ কোষ নয়; এগুলো অস্থি মজ্জার বৃহদাকার কোষের ছিন্ন অংশ।  
- অণুচক্রিকাগুলোর গড় আয়ু ৫-১০ দিন। 
- পরিণত মানবদেহে প্রতি ঘনমিলিমিটার রক্তে অণুচক্রিকার সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখ; অসুস্থ দেহে এদের সংখ্যা আরও বেশি হয়। 

- অণুচক্রিকার প্রধান কাজ হলো রক্ত তঞ্চন করা বা জমাট বাঁধানোতে (blood clotting) সাহায্য করা। 
- যখন কোনো রক্তবাহিকা বা কোনো টিস্যু আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে কেটে যায়, তখন সেখানকার অণুচক্রিকাগুলো সক্রিয় হয়ে অনিয়মিত আকার ধারণ করে এবং থ্রোম্বোপ্লাসটিন (Thromboplastin) নামক পদার্থ তৈরি করে।  এ পদার্থগুলো রক্তের প্রোটিন প্রোথ্রোম্বিনকে থ্রোম্বিনে পরিণত করে। 
- থ্রোম্বিন পরবর্তী সময়ে রক্তরসের প্রোটিন- ফাইব্রিনোজেনকে ফাইব্রিন জালকে পরিণত করে রক্তকে জমাট বাধায় কিংবা রক্তের তঞ্চন ঘটায়। 
- ফাইব্রিন একধরনের অদ্রবণীয় প্রোটিন, যা দ্রুত সুতার মতো জালিকা প্রস্তুত করে। এটি ক্ষত স্থানে জমাট বাঁধে এবং রক্তক্ষরণ বন্ধ করে। 
- তবে রক্ত তঞ্চন প্রক্রিয়াটি আরও জটিল, এ প্রক্রিয়ায় অন্য আরও বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ এবং ভিটামিন কে ও ক্যালসিয়াম আয়ন (Ca2+) জড়িত থাকে। 
- রক্তে উপযুক্ত পরিমাণ অণুচক্রিকা না থাকলে রক্তপাত সহজে বন্ধ হয় না, ফলে অনেক সময় রোগীর মৃত্যুর আশঙ্কা থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৫০২.
বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন থেকে কম হলে বস্তুটি পানিতে - 
  1. ভেসে থাকবে
  2. অর্ধেক ভেসে থাকবে
  3. ডুবে যাবে
  4. সম্পূর্ণ নিমজ্জিত হয়ে ভাসবে
সঠিক উত্তর:
ভেসে থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেসে থাকবে
ব্যাখ্যা
আর্কিমিডিসের সূত্র: 
- কোনো বস্তু তরল কিংবা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণ নিমজ্জিত হলে, বস্তুটি কিছু পরিমাণ তরল বা বায়বীয় পদার্থ অপসারণ করে এবং বস্তুটি কিছু ওজন হারায়। 
- বস্তুর এই হারানো ওজন বস্তু দ্বারা অপসারিত তরল বা বায়বীয় পদার্থের ওজনের সমান। 

বস্তুর ভাসা ও ডোবার শর্ত: 
ধরা যাক, 
- একটি বস্তুর ওজন (বস্তুর উপর অভিকর্ষজ ত্বরণ জনিত বল) W নিউটন, বস্তুটির পানিতে ডোবালে এর উপর পানির প্লবতা (ঊর্ধ্ব চাপ জনিত বল) W1 নিউটন। এক্ষেত্রে- 
১. W > W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন থেকে বেশি হলে বস্তুটি পানিতে ডুবে যাবে। 
২. W < W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন থেকে কম হলে বস্তুটি পানিতে ভেসে থাকবে। 
৩. W = W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন সমান হলে বস্তুটি পানিতে ডুবে ডুবে ভাসবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫০৩.
গামা রশ্মির প্রকৃতি কী?
  1. ধনাত্মক চার্জযুক্ত
  2. ঋণাত্মক চার্জযুক্ত
  3. তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ
  4. নিউট্রন কণা
সঠিক উত্তর:
তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

• গামা রশ্মি (Gamma rays) হলো উচ্চ-শক্তির তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ, যা পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে নির্গত হয়।

- এগুলো চিহ্নিত কণার মতো নয়, তাই এগুলোর কোনো ভর বা চার্জ থাকে না।
- গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য খুব ছোট এবং ফ্রিকোয়েন্সি খুব বেশি।

• প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- উচ্চ শক্তি এবং প্রখর বিকিরণ।
- বৈদ্যুতিক ও চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়।
- পারমাণবিক বিক্রিয়া, নিউক্লিয়ার ফিশন বা ফিউশন ইত্যাদি থেকে নির্গত।
- মানবদেহে প্রবেশ করলে আণবিক ক্ষতি করতে পারে, তাই সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রয়োজন।

অপর দিকে,
- ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জযুক্ত কণাগুলো আলফা বা বিটা কণার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
- নিউট্রন কণা চার্জহীন কণার উদাহরণ, গামা রশ্মি নয়।

তথ্যসূত্র:
- NCTB পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
- Britannica [লিংক]।

৭,৫০৪.
ইলেকট্রনিক্সে স্থির বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণ কেন প্রয়োজন?
  1. যন্ত্রের ওজন কমাতে
  2. যন্ত্রের গতি বাড়াতে
  3. যন্ত্রের ক্ষতি প্রতিরোধ করতে
  4. বিদ্যুৎ খরচ কমাতে
সঠিক উত্তর:
যন্ত্রের ক্ষতি প্রতিরোধ করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যন্ত্রের ক্ষতি প্রতিরোধ করতে
ব্যাখ্যা

• স্থির বিদ্যুৎ ইলেকট্রনিক উপাদান, বিশেষ করে IC, ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে; তাই ক্ষতি এড়ানোর জন্য স্থির বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন।

• স্থির বিদ্যুৎ ও ইলেকট্রনিক্স:
- শীতপ্রধান দেশে বাতাসের জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কম থাকায় সেখানে স্থির বিদ্যুতের প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়।
- ইলেকট্রনিক্স এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে স্থির বিদ্যুতের প্রভাব ও আচরণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- আধুনিক ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় সামান্য স্থির বিদ্যুতেও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
- ইলেকট্রনিক যন্ত্রে কাজ করার সময় মানবদেহে সঞ্চিত স্থির বিদ্যুৎ হঠাৎ যন্ত্রের সাথে স্পর্শের মাধ্যমে নির্গত হলে ক্ষতির সম্ভাবনা তৈরি হয়।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (Integrated Circuit) ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক উপাদান স্থির বিদ্যুতের প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল।
- এজন্য ইলেকট্রনিক্সে কাজ করার সময় স্থির বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৭,৫০৫.
বাস্ট ফাইবারের উৎস কোনটি?
  1. ক) তুলা
  2. খ) আঠা
  3. গ) রবার
  4. ঘ) ছাতিম
সঠিক উত্তর:
ক) তুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তুলা
ব্যাখ্যা
ফ্লোয়েমের মধ্যে অবস্থিত স্ক্লেরেনকাইমা কোষকে ফ্লোয়েম তন্তু বলা হয়। কোষগুলো মৃত এবং স্থূল প্রাচীরবিশিষ্ট। ফ্লোয়েমের আঁশকে বাস্ট ফাইবার বলে। পাট, তুলা, শন, তিসি, গাঁজা ইত্যাদি গাছের তন্তুগুলো বাস্ট ফাইবার। উদ্ভিদের সেকেন্ডারি বৃদ্ধির জন্য এসব ফাইবার তৈরি হয়। এরা অনেক লম্বা ও পুরুপ্রাচীরবিশিষ্ট বলে এদের বাণিজ্যিকভাবেও ব্যবহার করা হয়।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫০৬.
ডায়নামোতে যান্ত্রিক শক্তি কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?
  1. তাপ শক্তি
  2. বৈদ্যুতিক শক্তি
  3. রাসায়নিক শক্তি
  4. চৌম্বকীয় শক্তি
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যুতিক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যুতিক শক্তি
ব্যাখ্যা
• ডায়নামোতে যান্ত্রিক শক্তি বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• তড়িৎ-চৌম্বকীয় আবেশ:
- একটি গতিশীল চুম্বক বা তড়িৎবাহী বর্তনীর সাহায্যে অন্য একটি বদ্ধ বর্তনীতে ক্ষণস্থায়ী তড়িচ্চালক শক্তি ও তড়িৎ প্রবাহ উৎপন্ন হওয়ার পদ্ধতিকে তড়িৎ-চৌম্বকীয় আবেশ বলে।

• ডায়নামো:
- ডায়নামো হলো একটি যন্ত্র যা যান্ত্রিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করে। এটি তড়িৎ-চৌম্বকীয় আবেশ (Electromagnetic Induction) এর নীতিতে কাজ করে।

• ডায়নামোর কার্যপ্রণালী:
→ যান্ত্রিক শক্তির প্রয়োগ:
- ডায়নামোর একটি কয়েল (তামার তারের পেঁচানো অংশ) চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে ঘুরানো হয়।
- এই ঘূর্ণন সাধারণত বাইরে থেকে যান্ত্রিক শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে করা হয় (যেমন: সাইকেলের প্যাডেল, হাইড্রো টারবাইন বা বায়ু টারবাইন, ডিজেল বা পেট্রোল ইঞ্জিন)।
→ তড়িৎ-চৌম্বকীয় আবেশ:
- ফ্যারাডের সূত্র অনুসারে, চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে কয়েল ঘুরালে তাতে বিদ্যুৎপ্রবাহ (তড়িৎ শক্তি) উৎপন্ন হয়।
- এই প্রক্রিয়ায় যান্ত্রিক শক্তি → বৈদ্যুতিক শক্তি রূপান্তরিত হয়।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
- Faraday's Law of Electromagnetic Induction – Britannica. 
৭,৫০৭.
তেজস্ক্রিয়তার ক্ষেত্রে কোনটি সত্য?
  1. ক) তাপ প্রয়োগে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা বৃদ্ধি পায়।
  2. খ) চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে তেজস্ক্রিয়তা হ্রাস পায়।
  3. গ) বিদ্যুৎ প্রবাহ নিয়ন্ত্রন করে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা নিয়ন্ত্রন করা যায়।
  4. ঘ) তেজস্ক্রিয়তার উপর চাপের কোন প্রভাব নেই।
সঠিক উত্তর:
ঘ) তেজস্ক্রিয়তার উপর চাপের কোন প্রভাব নেই।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তেজস্ক্রিয়তার উপর চাপের কোন প্রভাব নেই।
ব্যাখ্যা
তেজষ্ক্রিয়তা: ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজষ্ক্রিয়তা বলে।

তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য:
বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত রশ্মি পর্যবেক্ষণ করে নিম্নলিখিত তথ্যগুলো পাওয়া যায় -
১। তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফুর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না।
২। তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়।
৩। তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তিস্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়।
৪। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া ।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৭,৫০৮.
কোন খনিজ উপাদান পত্ররন্ধ্রের খোলা ও বন্ধ হওয়ার প্রক্রিয়ায় মূল নিয়ন্ত্রণকারীর ভূমিকা পালন করে?
  1. ম্যাগনেসিয়াম
  2. মলিবডেনাম
  3. পটাসিয়াম
  4. আয়রন
সঠিক উত্তর:
পটাসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটাসিয়াম
ব্যাখ্যা

• পত্ররন্ধ্রের খোলা ও বন্ধ হওয়ার প্রক্রিয়ায় প্রধান নিয়ন্ত্রণকারী খনিজ উপাদান হলো পটাসিয়াম (গ)। উদ্ভিদের রক্ষী কোষে পটাসিয়াম আয়নের প্রবেশ ও নির্গমনের ফলে অমিসীয় চাপের পরিবর্তন ঘটে। যখন রক্ষী কোষে পটাসিয়াম আয়ন প্রবেশ করে, তখন কোষে জল প্রবেশ করে কোষ ফুলে ওঠে এবং পত্ররন্ধ্র খুলে যায়। আবার পটাসিয়াম আয়ন বের হয়ে গেলে জল বেরিয়ে যায়, কোষ শিথিল হয় এবং পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়। এই প্রক্রিয়ায় পটাসিয়াম সরাসরি কাজ করে বলে একে মূল নিয়ন্ত্রণকারী খনিজ উপাদান বলা হয়।

পুষ্টি উপাদানের গুরুত্ব: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে বিভিন্ন খনিজ উপাদানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। 
যেমন- 

• নাইট্রোজেন (N): নিউক্লিক অ্যাসিড, প্রোটিন ও ক্লোরোফিলের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। উদ্ভিদের স্বাভাবিক দৈহিক বৃদ্ধিতে নাইট্রোজেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং কোষকলায় পানির পরিমাণ বৃদ্ধি করে। 
• ফসফরাস (P): নিউক্লিক অ্যাসিড, বিভিন্ন ফসফোলিপিড, NADP, ATP ইত্যাদি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক দ্রব্যের সাংগঠনিক উপাদান। উদ্ভিদের মূল বর্ধনের জন্য ফসফরাস অত্যন্তপ্রয়োজনীয় উপাদান। 
• পটাসিয়াম (K): উদ্ভিদের পানি শোষণে সাহায্য করে। পত্ররন্ধ্র খোলা এবং বন্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে পটাসিয়ামের গুরুত্ব অপরিসীম। ইহা মূল, ফুল ও ফল উৎপাদন এবং বর্ধনে সাহায্য করে। 
• ম্যাগনেসিয়াম (Mg): ক্লোরোফিল অণুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। উদ্ভিদের শ্বসন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। 

• আয়রন (Fe): উদ্ভিদের বায়বীয় শ্বসন এর উপর নির্ভরশীল। ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে আয়রনের ভূমিকা অপরিসীম। 
• ম্যাঙ্গানিজ (Mn): ক্লোরোপ্লাস্ট গঠন ও সংরক্ষণের জন্য ম্যাঙ্গানিজ প্রয়োজন। 
• তামা (Cu): টমেটো, সূর্যমুখী উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য এবং শ্বসন প্রক্রিয়ার উপর তামার প্রভাব উল্লেখযোগ্য। 
• বোরন (B): উদ্ভিদের স্বাভাবিক বর্ধনশীল অঞ্চলের জন্য বোরন প্রয়োজন। চিনি পরিবহনে বোরন পরোক্ষ প্রভাব বিস্তার করে। 
• দস্তা বা জিংক (Zn): অ্যামাইনো অ্যাসিড সংশ্লেষণের জন্য দস্তা প্রয়োজন। উদ্ভিদের স্বাভাবিক বিপাকীয় কার্যে এর প্রয়োজন হয়। 
• মলিবডেনাম (Mo): অণুজীব দ্বারা বায়বীয় নাইট্রোজেন সংবন্ধনের জন্য এটি আবশ্যক। 
• ক্লোরিন (Cl): সুগারবীট এর মূল ও কান্ডের বৃদ্ধির জন্য ক্লোরিন প্রয়োজন। 
উদ্ভিদের শ্বসন প্রক্রিয়ায় সরাসরি অংশগ্রহণ করে না কোন খনিজ উপাদান?

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৫০৯.
বরফ গলতে শুরু করে কত ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায়?
  1. ক) ০° সেন্টিগ্রেড
  2. খ) ৪° সেন্টিগ্রেড
  3. গ) ১০° সেন্টিগ্রেড
  4. ঘ) ১০০° সেন্টিগ্রেড
সঠিক উত্তর:
ক) ০° সেন্টিগ্রেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ০° সেন্টিগ্রেড
ব্যাখ্যা
- বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীর আর বর্ণহীন।
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার ওপরে নির্ভর করে। 
- পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ৪° সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায়।  আর সেটি হচ্ছে ১ গ্রাম/ সি.সি বা ১০০০ কেজি/মিটার কিউব।
- যে তাপমাত্রায় বরফ গলে যায়, সেটিই হচ্ছে বরফের গলনাংক।
- বরফের গলনাংক ০° সেলসিয়াস
- অন্যদিকে বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়, তাকে স্ফুটনাংক বলে।
- আর পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৫১০.
ভূগোলবিদ কার্ল রিটার ভূগোলকে কী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন?
  1. প্রকৃতির বিজ্ঞান
  2. পৃথিবীর বিজ্ঞান
  3. মানুষের কর্মকাণ্ড ও জীবনধারা
  4. পৃথিবী ও এর অধিবাসীদের বর্ণনা
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর বিজ্ঞান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা

ভূগোলের ধারণা:
- ইংরেজি 'Geography' শব্দটি থেকে ভূগোল শব্দ এসেছে।
- 'Geo' শব্দের অর্থ 'ভূ' বা পৃথিবী এবং 'graphy' শব্দের অর্থ বর্ণনা।
- সুতরাং 'Geography' শব্দটির অর্থ পৃথিবীর বর্ণনা।
- প্রাচীন গ্রিসের ভূগোলবিদ ইরাটোসথেনিস প্রথম 'Geography' শব্দ ব্যবহার করেন।

ভূগোলের বিভিন্ন সংজ্ঞা:
⇒ ভূগোলবিদ ডাডলি স্ট্যাম্পের (Professor L. Dudley Stamp) মতে, পৃথিবী ও এর অধিবাসীদের বর্ণনাই হলো ভূগোল। 

⇒ জার্মান ভূগোলবিদ কার্ল রিটার (Professor Carl Ritter) ভূগোলকে বলেছেন 'পৃথিবীর বিজ্ঞান'।


⇒ বৃটিশ ভূগোলবিদ অধ্যাপক ম্যাকনি (Professor E. A. Macnee) মানুষের আবাসভূমি হিসেবে পৃথিবীর আলোচনা বা বর্ণনাকে বলেছেন ভূগোল। তাঁর মতে, ভৌত ও সামাজিক পরিবেশে মানুষের কর্মকান্ড ও জীবনধারা নিয়ে যে বিষয় আলোচনা করে তাই ভূগোল। বৃটিশ 

⇒ বিখ্যাত মার্কিন ভূগোলবিদ অধ্যাপক রিচার্ড হার্টশোর্ন (Professor Richard Hartshorne) বলেন, পৃথিবীপৃষ্ঠের পরিবর্তনশীল বৈশিষ্ট্যের যুক্তিসংগত ও সুবিন্যস্ত বিবরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয় হলো ভূগোল।

⇒ আধুনিক ভূগোল শাস্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা জার্মান ভূগোলবিদ আলেকজান্ডার ফন হামবোল্টের (Alexander von Humbolt) মতে, ভূগোল হলো প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত বিজ্ঞান; প্রকৃতিতে যা কিছু আছে তার বর্ণনা ও আলোচনা এর অন্তর্ভুক্ত।

তথ্যসূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৭,৫১১.
ক্ষমতার এস. আই একক কোনটি?
  1. ওয়াট
  2. জুল
  3. নিউটন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াট
ব্যাখ্যা

ক্ষমতা:
-
ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে।
- নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়।
- ক্ষমতাকে p দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- ক্ষমতার এস. আই একক ওয়াট।
- অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়।
- 1 HP = 746 ওয়াট
- ক্ষমতার মাত্রা ML2T- 3

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৭,৫১২.
কোনটি প্রাইমারি সেল নয়?
  1. ডেনিয়েল কোষ
  2. লেড সঞ্চয়ী কোষ
  3. লেকল্যান্স কোষ
  4. ভোল্টার কোষ
সঠিক উত্তর:
লেড সঞ্চয়ী কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেড সঞ্চয়ী কোষ
ব্যাখ্যা
প্রাইমারি সেল বা প্রাথমিক কোষ: 
- যে বিদ্যুৎ কোষ নিজেই নিজের রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি বিদ্যুৎ শক্তি উৎপন্ন করে বিদ্যুৎ প্রবাহ বজায় রাখে, তাকে প্রাথমিক কোষ বা মৌলিক কোষ বলে।   যেমন - ভোল্টার কোষ, লেকল্যান্স কোষ, ডেনিয়েল কোষ, শুষ্ক কোষ ইত্যাদি। 
- শুষ্ক কোষে কোন তরল ব্যবহৃত হয় না। 

গৌণ কোষ বা সঞ্চয়ী কোষ বা সেকেন্ডারি কোষ:
- যে বিদ্যুৎ কোষে বাইর থেকে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করে বিদ্যুৎ শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিরূপে সঞ্চিত রাখা হয় এবং পরে ঐ রাসায়নিক শক্তিকে পুনরায় বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়, তাকে গৌণ কোষ বা সঞ্চয়ী কোষ বা সেকেন্ডারি কোষ বলে। 
- সাধারণত লেড সঞ্চয়ী কোষ ও নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ নামক দুটি সঞ্চয়ী কোষ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, (হাজারী নাগ)।
৭,৫১৩.
কোন খনিজ উপাদান রক্তের লাল কণিকা বৃদ্ধি করে রক্তস্বল্পতা দূর করে?
  1. সোডিয়াম
  2. ফসফরাস
  3. লৌহ
  4. পটাসিয়াম
সঠিক উত্তর:
লৌহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লৌহ
ব্যাখ্যা
- লৌহ খনিজ উপাদানটি রক্তের লাল কণিকা বৃদ্ধি করে রক্তস্বল্পতা দূর করে। 

খনিজ লবণ: 

- দেহ কোষ ও দেহের তরল উপাদানের জন্য (যেমন- রক্ত, এনজাইম, হরমোন ইত্যাদি) খনিজ লবণ খুবই দরকারি। 
- খনিজ লবণ দেহ গঠন, দেহের অভ্যন্তরীণ কাজ (যেমন- পেশি সংকোচন, স্নায়ু উত্তেজনা) নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। 
- হাড়, এনজাইম ও হরমোন গঠনের জন্য এটি একটি অপরিহার্য উপাদান। 
- উদ্ভিদ মাটি থেকে সরাসরি খনিজ লবণ শোষণ করে। 
- আমাদের দেহের ওজনের ১% পরিমাণ লবণ থাকে। 
- এ উপাদানগুলো হলো ফসফরাস, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, সালফার, সোডিয়াম, ক্লোরিন ও ম্যাগনেসিয়াম। 
- আয়োডিনের অভাবে গলগণ্ড রোগ হয়। গলগণ্ড রোধে আয়োডিনযুক্ত লবণ খাওয়া উচিত। 


উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৭,৫১৪.
মানুষের শরীরের কোন অংশ বা অঙ্গ ক্ষারীয়?
  1. ক) পাকস্থলী
  2. খ) ত্বক
  3. গ) মূত্র
  4. ঘ) রক্ত
সঠিক উত্তর:
ঘ) রক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রক্ত
ব্যাখ্যা

টেবিলঃ মানুষের শরীরের বিভিন্ন অংশের pH
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
৭,৫১৫.
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জৈব যৌগের নামকরণের ক্ষেত্রে সর্ব প্রথম সম্মেলন হয়েছিল কোন শহরে?
  1. ক) প্যারিস
  2. খ) জেনেভা
  3. গ) হেগ
  4. ঘ) লন্ডন
সঠিক উত্তর:
খ) জেনেভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জেনেভা
ব্যাখ্যা
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতসমূহকে বলা হয় জৈব যৌগ। যেমন: মিথেন (CH4), মিথানল (CH3OH), অ্যানিলিন (C6H5NH2) ইত্যাদি।
- সাধারণ বা উদ্ভূত পদ্ধতিতে জৈব যৌগের নামকরণে যথেষ্ট সীমাবদ্ধতা থাকায় এবং দিন দিন জৈব যৌগের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় এদের নামকরণের সার্বজনীন পদ্ধতি প্রবর্তনের প্রয়োজন দেখা দেয়।
- ১৮৯২ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন রসায়নবিদদের এক সম্মেলনে সর্ব প্রথম জৈব যৌগের নামকরণের একটি সহজ ও কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। 
-  জৈব যৌগের নামকরণের এই নীতিমালা আন্তর্জাতিক পদ্ধতি বা জেনেভা পদ্ধতি বা IUPAC (International Union of Pure and Applied Chemistry) পদ্ধতি নামে পরিচিত। এ পদ্ধতিটি আধুনিক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও শ্রেষ্ঠ।

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫১৬.
সরল দোলন গতি হলো এক ধরনের–
  1. অর্ধবৃত্তাকার গতি
  2. উপবৃত্তাকার গতি
  3. সরল রৈখিক গতি
  4. রৈখিক পর্যাবৃত্ত গতি
সঠিক উত্তর:
রৈখিক পর্যাবৃত্ত গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রৈখিক পর্যাবৃত্ত গতি
ব্যাখ্যা

- সরল দোলন গতি হলো এক বিশেষ ধরনের রৈখিক পর্যাবৃত্ত গতি। 

সরল দোলন গতি: 
- কম্পনশীল কোনো বস্তুকণার ত্বরণ সাম্যাবস্থান থেকে কণাটির সরণের সমানুপাতিক এবং সর্বদাই সাম্যাবস্থান অভিমুখী হলে, ঐ কণার গতিকে সরল দোলন গতি বলা হয়। অথবা, যদি কোনো পর্যাবৃত্ত গতি সম্পন্ন বস্তুর ত্বরণ তার সাম্যাবস্থান থেকে সরণের সমানুপাতিক এবং বিপরীতমুখী অর্থাৎ সর্বদা সাম্য বিন্দু অভিমুখী হয় তবে ঐ বস্তুর গতিকে সরল দোলন গতি বলে। 

সরল দোলন গতির বৈশিষ্ট্য: 
- সরল দোলন গতির কতগুলো নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য আছে। 
- এই বৈশিষ্ট্যসমূহ দিয়ে কোনো কণার গতি সরল দোলন গতি কিনা তা নির্ধারণ করা হয়। 
- নিচে সরল দোলন গতির বৈশিষ্ট্যসমূহ দেয়া হলো- 
১। সরল দোলন গতি হলো এক ধরনের রৈখিক পর্যাবৃত্ত গতি। অর্থাৎ, কোনো বস্তুকণা একই সময়ে বারবার একটি নির্দিষ্ট সরলরেখাংশ বরাবর এদিক-ওদিক যাওয়া-আসা করে। 
২। সরল দোলন গতি বিশিষ্ট কণার ত্বরণ সর্বদা তার সাম্যাবস্থান অভিমুখী হয়। 
৩। কণাটির ত্বরণ সাম্যাবস্থান থেকে সরণের সমানুপাতিক। 
৪। কণাটি যে মুহূর্তে সাম্যাবস্থান অতিক্রম করে সেই মুহূর্তে গতিবেগ সর্বোচ্চ হয়। সরণের শেষ সীমায় গতিবেগ মুহূর্তের জন্য শূন্য হয় এবং তারপরেই কণাটি বিপরীত দিকে যাত্রা শুরু করে। 
৫। সরল দোলন গতির পর্যায়কাল তার বিস্তারের উপর নির্ভরশীল নয়। বিভিন্ন বাহ্যিক কারণে বিস্তার হ্রাস পেতে থাকলেও পর্যায়কাল অপরিবর্তিত থাকে। 
৬। সরল দোলন গতি সম্পন্ন কণার স্পন্দন সীমা সাম্যাবস্থান থেকে উভয় দিকে সমান দূরে অবস্থান করে। 
৭। সরল দোলন গতি সম্পন্ন কণার সরণ সাইন বা কোসাইন অপেক্ষক দ্বারা প্রকাশ করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৫১৭.
নিম্নের কোনটি অকোষীয় অণুজীব?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) শৈবাল
  4. ঘ) ছত্রাক
সঠিক উত্তর:
ক) ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভাইরাস
ব্যাখ্যা
ভাইরাস হল এক প্রকার অতিক্ষুদ্র অনুজীব যারা শুধুমাত্র জীবিত কোষের অভ্যন্তরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে।
ভাইরাস অকোষীয়। অর্থাৎ দেহে কোষপ্রাচীর, সাইটোপ্লাজম, নিউক্লিয়াস, মাইট্রোকন্ডিয়া এবং রাইবোজোম অনুপস্থিত।
কেবল প্রোটন এবং নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA or RNA) দিয়ে ভাইরাসের দেহ গঠিত।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৫১৮.
নিচের কোনটি আয়োডিনের সবচেয়ে ভালো উৎস?
  1. বাদাম
  2. ডাল
  3. শাকসবজি
  4. সামুদ্রিক মাছ
সঠিক উত্তর:
সামুদ্রিক মাছ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামুদ্রিক মাছ
ব্যাখ্যা

আয়োডিন (Iodine):
- থাইরয়েড গ্রন্থি হতে নিঃসৃত হরমোন থাইরক্সিনের প্রধান খনিজ উপাদান হলো- আয়োডিন।
- দেহে মোট আয়োডিনের পরিমাণ মাত্র ২০-২৫ মিলিগ্রাম। এর বেশির ভাগই ৬৫% থাইরয়েড গ্রন্থিতে থাকে। সারা জীবনে একজন মানুষের মাত্র ৩-৪ গ্রাম আয়োডিন দরকার।
- সামুদ্রিক মাছ, সামুদ্রিক উদ্ভিদ, সমুদ্রের কাছাকাছি মাটিতে উৎপন্ন ফল ও সবজি ইত্যাদিতে আয়োডিন পাওয়া যায়। 
- থাইরক্সিন হরমোনের গঠন উপাদান হিসেবে আয়োডিন দেহের বিপাক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।
- থাইরক্সিন হরমোন দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধিতে সরাসরি ভূমিকা রাখে।
- আয়োডিনের অভাবজনিত সমস্যাকে সংক্ষেপে IDD (Iodine Deficiency Disorder) বলা হয়। 
- গর্ভবতী মহিলাদের গর্ভপাত, মৃত ও বিকলাঙ্গ শিশুর (cretin baby) জন্ম হতে পারে।

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৫১৯.
রাতে বিদ্যুৎ চলে গেলে শিহাব মোমবাতি জ্বালালো পড়ার জন্য। সে লক্ষ করলো মোমবাতি জ্বলার সাথে সাথে কিছু অংশ গলে গা বেয়ে পড়ার কিছুক্ষণ পর জমে শক্ত হয়ে যায়৷ শিহাব আসলে কোন প্রক্রিয়াটি লক্ষ করলো?
  1. ক) কঠিনীভবন
  2. খ) ঘনীভবন
  3. গ) শীতলীকরণ
  4. ঘ) ওয়াক্সিফিকেশন
সঠিক উত্তর:
গ) শীতলীকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শীতলীকরণ
ব্যাখ্যা
মোমবাতির একটি অংশ পুড়ে আলো দেয়, অন্য অংশ গলে মোমের গা বেয়ে পড়তে থাকে যা কিছুক্ষণ পর আবার জমে কঠিন মোমে পরিণত হয়৷ তরল মোম কঠিন হওয়ার প্রক্রিয়াকে বলে শীতলীকরণ।
উৎসঃ বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি
৭,৫২০.
নিচের কোনটি অপধাতু?
  1. হিলিয়াম
  2. সিলিকন
  3. ব্রোমিন
  4. জেনন
সঠিক উত্তর:
সিলিকন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকন
ব্যাখ্যা
অপধাতু বা উপধাতু:

- যে সকল মৌল ধাতু ও অধাতু উভয়ের বৈশিষ্ট্য বহন করে তাদেরকে অপধাতু বলে।
- উদাহরণ: সিলিকন, আর্সেনিক, বোরন, জার্মেনিয়াম, অ্যান্টিমনি এবং টেলুরিয়াম ইত্যাদি।

• ট্রানজিস্টর ও মাইক্রোচিপস তৈরিতে সিলিকন ব্যবহৃত হয়।
• ফটোগ্রাফিক ফ্ল্যাশলাইটে জেনন গ্যাস ব্যবহৃত হয়।
• ডুবুরিদের শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য অক্সিজেন গ্যাসের সাথে হিলিয়াম গ্যাস ব্যবহৃত হয়।
• ব্রোমিন (Br) একমাত্র মৌলিক অধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি রসায়ন বই।
৭,৫২১.
মৃত প্রাণী বা উদ্ভিদের বয়স নির্ধারণে কার্বনের কোন আইসােটোপ ব্যবহৃত হয়? 
  1. কার্বন-১২
  2. কার্বন-১৪
  3. কার্বন-১৩
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
কার্বন-১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন-১৪
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা: 
- ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- প্রকৃতপক্ষে যেসব মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২-এর চেয়ে বেশি তাদেরকে তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলা হয়। 
যেমন- ইউরেনিয়াম-৯২, নেপচুনিয়াম-৯৩, প্লুটোনিয়াম-৯৪, পোলোনিয়াম-৮৪ ইত্যাদি। 
- কার্বন মৌলের ৬ টি প্রােটন ও তিনটি আইসােটোপ রয়েছে। 
যেমন - কার্বন-১২, কার্বন-১৩ ও কার্বন-১৪। 
- এই তিনটির মধ্যে কার্বন-১৪ অস্থিতিশীল বা তেজস্ক্রিয়। এতে ৬টি প্রােটন ও ৮টি নিউট্রন রয়েছে। 
- মৃত প্রাণী বা উদ্ভিদের বয়স হিসাব করতে কার্বন-১৪ (C-14) ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫২২.
পা কিংবা জুতাের তলা মাটিতে কোন ঘর্ষণের কারণে আটকে থাকে এবং পিছলে পড়ে যায় না?
  1. প্রবাহী ঘর্ষণ
  2. গতি ঘর্ষণ
  3. আবর্ত ঘর্ষণ
  4. স্থিতি ঘর্ষণ
সঠিক উত্তর:
স্থিতি ঘর্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থিতি ঘর্ষণ
ব্যাখ্যা
• ঘর্ষণ:
- দু'টি বস্তু পরস্পরের সংস্পর্শে থেকে যদি একটির উপর দিয়ে অপরটি চলতে চেষ্টা করে, তবে বস্তু দু'টির স্পর্শ তলে একটি বাধার সৃষ্টি হয়, এ বাধাকে ঘর্ষণ বলে।
- ঘর্ষণকে চারভাবে ভাগ করা যায়। যথা:

১. স্থিতি ঘর্ষণ (Static Friction):
- দুটো বস্তু একে অন্যের সাপেক্ষে স্থির থাকা অবস্থায় যে ঘর্ষণ বল থাকে সেটা হচ্ছে স্থিতি ঘর্ষণ।
- স্থিতি ঘর্ষণের জন্য আমরা হাঁটতে পারি, আমাদের পা কিংবা জুতাের তলা মাটিতে স্থিতি ঘর্ষণের কারণে আটকে থাকে এবং পিছলে পড়ে যাই না।

২. গতি ঘর্ষণ (Sliding Friction):
- একটি বস্তুর সাপেক্ষে অন্য বস্তু যখন চলমান হয় তখন যে ঘর্ষণ বল তৈরি হয় সেটি হচ্ছে গতি ঘর্ষণ।
- সাইকেলের ব্রেক চেপে ধরলে সেটি সাইকেলের চাকাকে চেপে ধরে এবং ঘুরন্ত চাকাকে গতি ঘর্ষণের কারণে থামিয়ে দেয়।
- গতি ঘর্ষণ ওজনের উপর নির্ভর করে, ওজন যত বেশি হবে গতি ঘর্ষণ তত বেশি হবে।

৩. আবর্ত ঘর্ষণ (Rolling Friction):
- একটি তলের উপর যখন অন্য একটি বস্তু গড়িয়ে বা ঘুরতে ঘুরতে চলে তখন সেটাকে বলে আবর্ত ঘর্ষণ।
- সবগুলাে ঘর্ষণ বলের মধ্যে এটা সবচেয়ে ছােট তাই আমরা সব সময়ই সকল রকম যানবাহনের মাঝে চাকা লাগিয়ে নিই। চাকা লাগানাে সুটকেস খুব সহজে টেনে নেওয়া যায়, যদি এর চাকা না থাকত তাহলে মেঝের উপর টেনে নিতে আমাদের অনেক বেগ পেতে হতাে।

৪. প্রবাহী ঘর্ষণ (Fluid Friction):
- যখন কোনাে বস্তু তরল বা বায়বীয় পদার্থ (Fluid) এর ভেতর দিয়ে যায় তখন সেটি যে ঘর্ষণ বল অনুভব করে সেটি হচ্ছে প্রবাহী ঘর্ষণ।
- প্যারাস্যুট নিয়ে যখন কেউ প্লেন থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে তখন বাতাসের প্রবাহী ঘর্ষণের কারণে ধীরে ধীরে নিচে নেমে আসতে পারে।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫২৩.
নিচের কোনটির জিন ধানে রূপান্তর করা সম্ভব হয়েছে?
  1. ক) ভিটামিন সি
  2. খ) ভিটামিন বি
  3. গ) ভিটামিন ই
  4. ঘ) ভিটামিন এ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভিটামিন এ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভিটামিন এ
ব্যাখ্যা
জিনগত রূপান্তরের মাধ্যমে ফসলের পুষ্টিমান উন্নয়ন করা হয়েছে।
যেমন, ধানে ভিটামিন A তথা বিটাক্যারােটিন জিন স্থানান্তর করা হয়েছে।
এই ধানের চাল থেকে প্রস্তুত ভাত খেলে আলাদা করে আর ভিটামিন A খেতে হবে না।

[উৎস: মাধ্যমিক জীব বিজ্ঞান]
৭,৫২৪.
শিশুদের কোন রোগ ক্যালসিয়ামের অভাবে হয়? 
  1. ডায়রিয়া
  2. রিকেটস
  3. নিউমোনিয়া
  4. ব্রঙ্কাইটিস
সঠিক উত্তর:
রিকেটস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিকেটস
ব্যাখ্যা
ক্যালসিয়াম: 
- ক্যালসিয়াম (Ca) হলো অস্থি ও দাঁতের প্রধান খনিজ উপাদান। 
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের প্রায় ২% ক্যালসিয়াম দ্বারা গঠিত। 
- শরীরে থাকা মোট খনিজ পদার্থের মধ্যে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সর্বাধিক। 
- এটি ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়ামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ৯০% পরিমাণে অস্থি ও দাঁতে সংরক্ষিত থাকে। 
- এছাড়া, রক্ত ও লসিকাতেও ক্যালসিয়াম বিদ্যমান। 
- উদ্ভিজ্জ উৎস: ডাল, তিল, সয়াবিন, ফুলকপি, গাজর, লালশাক, পালংশাক, কচুশাক, কলমিশাক, বাঁধাকপি, ফল ইত্যাদি। 
- প্রাণিজ উৎস: দুধ, ডিম, ছোট মাছ, শুঁটকি মাছ ইত্যাদি। 

ক্যালসিয়ামের কাজ: 
- হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত করে। 
- রক্ত সঞ্চালন ও হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে সহায়তা করে। 
- স্নায়ু ও পেশির কার্যকারিতা বজায় রাখে। 
- শিশুদের রিকেটস (Rickets) রোগ হয় যার কারণে হাড় নরম ও বিকৃত হয়ে যায়। 
- বয়স্ক নারীদের অস্টিওম্যালেসিয়া রো হয় যার ফলে হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যায়। 
- দাঁত উঠতে দেরি হয় এবং রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা দেখা দেয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৫২৫.
মানবদেহে হাড় ও দাঁত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে -
  1. ক) ক্যালসিয়াম
  2. খ) ফসফরাস
  3. গ) লৌহ
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
মানবদেহে হাড় ও দাঁত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম
অস্থির বা হাড়ের প্রায় ৬০% ক্যালসিয়াম ফসফেট।
এছাড়া প্রাণীদেহে ফসফোপ্রোটিন বা ফসফোলিপিড হিসেবেও ফসফরাস থাকে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৫২৬.
সর্বপ্রথম সৌরজগৎ কে আবিষ্কার করেন?
  1. মাইকেল কলিন্স
  2. জন ক্যাবট
  3. নীল আর্মস্ট্রং
  4. অ্যারিস্টটল
সঠিক উত্তর:
অ্যারিস্টটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যারিস্টটল
ব্যাখ্যা
- অ্যারিস্টটল দুই হাজার বছরেরও বেশি সময় আগে বড় বিজ্ঞানী ও দার্শনিক ছিলেন। 
- তিনি মনে করতেন পৃথিবীর চারপাশে সূর্য ঘোরে। 
- এখন থেকে প্রায় দুই হাজার বছর পূর্বে বিখ্যাত গণিতবিদ ও জ্যোর্তিবিজ্ঞানী টলেমী জোরালোভাবে বলেন যে, পৃথিবীকে কেন্দ্র করেই সবকিছু ঘুরছে। 

- নিকোলাস কোপার্নিকাস (১৪৭৩-১৫৪৩) নামে একজন জ্যোর্তিবিদ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সম্পূর্ণ নতুন মতবাদ নিয়ে আসেন। 
- তিনি পৃথিবীকেন্দ্রিক মডেলের বদলে সূর্যকেন্দ্রিক মডেলের প্রস্তাব করেন। 
- তার মডেলের মূল কথা হলো পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে। 
- তিনি আরও একটি নতুন তত্ত্ব দেন 'পৃথিবী তার নিজের অক্ষের উপর আবর্তন করছে'। 
- পরবর্তীতে বিজ্ঞানী গ্যালিলিও ও কেপলার, কোপারনিকাসের এই মতবাদের পক্ষে প্রমান হাজির করেন। 
- বর্তমানে সূর্যকেন্দ্রিক এই মডেল প্রমাণিত এবং বিজ্ঞানী ও সাধারণ মানুষ তা গ্রহণ করেছে। 

উল্লেখ্য যে,
মূলত জ্যোর্তিবিজ্ঞানী নিকোলাস কোপার্নিকাস প্রথম ধারণা দেন যে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে। কিন্তু অপশন অনুযায়ী বেস্ট উত্তর হচ্ছে অ্যারিস্টটল।

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৭,৫২৭.
চিপ তৈরিতে কোন গ্যাস ব্যবহৃত হয়?
  1. হাইড্রোজেন
  2. হিলিয়াম
  3. নিয়ন
  4. ক্লোরিন
সঠিক উত্তর:
নিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ন
ব্যাখ্যা
চিপ তৈরির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান নিয়ন গ্যাস।
লেজারের মাধ্যমে চিপের সেমিকন্ডাক্টরে সিলিকনের ক্ষুদ্র অংশগুলোকে জোড়া দেওয়া হয়। আর এই লেজার তৈরিতে ব্যবহার করা হয় নিয়ন গ্যাস।
সূত্রঃ প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট
৭,৫২৮.
সৌর কোষে শক্তি রূপান্তর প্রক্রিয়া কী নামে পরিচিত?
  1. তাপীয় প্রভাব
  2. ফটোভোলটাইক প্রভাব
  3. বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় আবেশ
  4. রাসায়নিক বিক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
ফটোভোলটাইক প্রভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফটোভোলটাইক প্রভাব
ব্যাখ্যা
• সৌর কোষে শক্তি রূপান্তর প্রক্রিয়া ফটোভোলটাইক প্রভাব নামে পরিচিত। 

• সৌর কোষ: 
- সৌর কোষ (Solar cell) হলো এক ধরনের ডিভাইস যা আলোক শক্তিকে সরাসরি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- এটি সাধারণত ফটোভোলটাইক প্রভাবের মাধ্যমে কাজ করে, যেখানে আলোকরশ্মি সৌর কোষের উপর পড়লে এটি বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। 

• গঠন:
- সৌর কোষ সাধারণত অর্ধপরিবাহী পদার্থ (যেমন সিলিকন) দিয়ে তৈরি হয়।
- এর মধ্যে দুটি স্তর থাকে, একটি p-টাইপ এবং অন্যটি n-টাইপ। এই দুটি স্তরের সংযোগস্থলে আলো পড়লে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।

• ব্যবহার:
- সৌর কোষ বিভিন্ন ধরনের কাজে ব্যবহার করা হয়, যেমন সৌর প্যানেল তৈরি করে বিদ্যুৎ উৎপাদন, পকেট ক্যালকুলেটরে শক্তি সরবরাহ করা, ইত্যাদি।

• ফটোভোলটাইক প্রভাব:
- সৌর কোষে আলো পড়লে, ইলেকট্রনগুলো তাদের স্বাভাবিক অবস্থা থেকে সরে গিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ সৃষ্টি করে। এই প্রক্রিয়াটিকেই আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া বা ফটোভোলটাইক প্রভাব বলা হয়।

• সৌর কোষে ফটোভোলটাইক প্রভাব (Photovoltaic Effect) হলো সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সূর্যের আলো (ফোটন) সরাসরি বিদ্যুতে রূপান্তরিত হয়।
- এটি ১৮৩৯ সালে এডমন্ড বেকেরেল প্রথম আবিষ্কার করেন।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
৭,৫২৯.
মস উদ্ভিদের জন্য কোনটি প্রযোজ্য?
  1. ক) কাণ্ড ও পাতাবিশিষ্ট সপুষ্পক উদ্ভিদ
  2. খ) কাণ্ড ও পাতাবিশিষ্ট অপুষ্পক উদ্ভিদ
  3. গ) মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত সপুষ্পক উদ্ভিদ
  4. ঘ) মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত অপুষ্পক উদ্ভিদ
সঠিক উত্তর:
খ) কাণ্ড ও পাতাবিশিষ্ট অপুষ্পক উদ্ভিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কাণ্ড ও পাতাবিশিষ্ট অপুষ্পক উদ্ভিদ
ব্যাখ্যা
মস উদ্ভিদে কাণ্ড ও পাতা রয়েছে। তবে সাধারণ উদ্ভিদের ন্যায় এদের মূল নেই। মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড থাকে। এরা সবুজ ও স্বভোজী। স্যাঁতসেঁতে জায়গায় এদের দেখা যায়।
[সূত্রঃ বিজ্ঞান ষষ্ঠ শ্রেণি]
৭,৫৩০.
ভ্রূণীয় স্তরের উপর ভিত্তি করে প্রাণীজগতকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
গ) ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪
ব্যাখ্যা
ভ্রূণীয় স্তর-ভ্রূণীয় স্তরের উপর ভিত্তি করে প্রাণিজগতকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-

ক. একস্তরী- এরা সরল ধরনের প্রাাণী। এদের দেহের কোষসমূহ একটি মাত্র স্তরে সজ্জিত। যেমন- স্কাইফা (Scypha gilatinosum)

খ. দ্বিস্তরী- যে সকল প্রাণীর ভ্রƒণের কোষগুলো বহিঃস্তর (Ectoderm) ও অন্তঃস্তর (Endoderm) নামক দুটি স্তরে সাজানো থাকে তাদেরকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলে। যেমন- অরেলিয়া (Aurelia aurita)।

গ. ত্রিস্তরী- যে সকল প্রাণীর ভ্রূণের কোষগুলো বহিঃস্তর, মধ্যস্তর (গবংড়ফবৎস) ও অন্তঃস্তর নামক তিনটি স্তরে সাজানো থাকে তাদেরকে ত্রিস্তরী প্রাণী বলে। যেমন- মানুষ (Homo sapiens)।

ঘ. স্তরবিহীন প্রাণী- যে সকল প্রাণীর দেহ একটিমাত্র কোষ দিয়ে গঠিত তাদেরকে স্তরবিহীন প্রাণী বলে। যেমন- অ্যামিবা (Amoeba proteus)।

সূত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৩১.
সৌরকোষের বিদ্যুৎ রাতেও ব্যবহার করা সম্ভব যদি এর সঙ্গে থাকে-
  1. ট্রান্সফরমার
  2. জেনারেটর
  3. স্টোরেজ ব্যাটারি
  4. ক্যাপাসিটার
সঠিক উত্তর:
স্টোরেজ ব্যাটারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টোরেজ ব্যাটারি
ব্যাখ্যা
- সৌরকোষের বিদ্যুৎ রাতেও ব্যবহার করা সম্ভব যদি এর সঙ্গে থাকে স্টোরেজ ব্যাটারি। 
অর্থাৎ, স্টোরেজ ব্যাটারি সংযুক্ত থাকলে সৌরকোষের বিদ্যুৎ রাতেও ব্যবহার করা সম্ভব। 
- Solar panels work hard all day producing electricity from the sun, You can continue benefiting from their energy production after sunset through net metering and solar battery storage.
৭,৫৩২.
বোর মডেল অনুসারে ইলেকট্রন উচ্চ শক্তিস্তর থেকে নিম্ন শক্তিস্তরে গমন করলে শক্তি- 
  1. বিকিরণ করে
  2. শোষণ করে
  3. অপরিবর্তিত থাকে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিকিরণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকিরণ করে
ব্যাখ্যা
- বোর মডেল অনুসারে ইলেকট্রন উচ্চ শক্তিস্তর থেকে নিম্ন শক্তিস্তরে গমন করলে শক্তি- বিকিরণ করে। 

বোর মডেলের স্বীকার্যসমূহ: 
(১) নিউক্লিয়াসের চারিদিকে কতগুলো অনুমোদিত বৃত্তাকার কক্ষপথে ইলেকট্রন আবর্তন করে। 
(২) নিউক্লিয়াসের চারিদিকে বৃত্তাকার এসব কক্ষপথে আবর্তনকালে ইলেকট্রনসমূহ কোন শক্তি শোষণ বা বিকিরণ করে না। এসব কক্ষপথকে শক্তিস্তর (energy level) বা অরবিট বলা হয়। 
(৩) ইলেকট্রন নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি শোষণ করে লাফ দিয়ে নিম্নতর শক্তিস্তর যেমন n = ১ থেকে উচ্চ শক্তিস্তর যেমন n = ২ তে গমন করতে পারে। 
- অনুরূপভাবে নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি বিকিরণ করে উচ্চতর শক্তিস্তর যেমন n = ২ থেকে নিম্ন শক্তিস্তর যেমন n = ১ এ গমন করতে পারে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৩৩.
কোন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভালো হয়? 
  1. 300-350 nm
  2. 400-480 nm
  3. 520-560 nm
  4. 750-800 nm
সঠিক উত্তর:
400-480 nm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
400-480 nm
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণে আলোর ভূমিকা: 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় আলোর গুরুত্ব অপরিসীম। 
- পানি এবং CO2 থেকে শর্করা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির উৎস আলো। 
- সূর্যালোক ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে অংশগ্রহণ করে। সূর্যালোকের প্রভাবেই পত্ররন্ধ্র উন্মুক্ত হয়, CO2 পাতার অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারে এবং খাদ্য প্রস্তুতকরণে অংশগ্রহণ করে। 
- কিন্তু পাতায় যেটুকু আলো পড়ে, তার অতি সামান্য অংশই সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়। 
- আবার আলোক বর্ণালির লাল, নীল, কমলা এবং বেগুনি অংশটুকুতেই সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয়। সবুজ কিংবা হলুদ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয় না। 
- একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত আলোর পরিমাণ বাড়লে সালোকসংশ্লেষণের হারও বেড়ে যায়। 
- কিন্তু আলোর পরিমাণ অত্যধিক বেড়ে গেলে পাতার ভিতরকার এনজাইম নষ্ট হয়ে যায়, ক্লোরোফিল উৎপাদন কম হয়। ফলে সালোকসংশ্লেষণের হারও কমে যায়। 
- সাধারণত 400 nm থেকে 480 nm এবং 680 nm (ন্যানোমিটার) তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্ট আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভালো হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৫৩৪.
মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা কত?
  1. ৩৭° ফারেনহাইট
  2. ৭৬.৪° ফারেনহাইট
  3. ৯৮.৬° ফারেনহাইট
  4. ২৭৩° ফারেনহাইট
সঠিক উত্তর:
৯৮.৬° ফারেনহাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৮.৬° ফারেনহাইট
ব্যাখ্যা
• মানবদেহ: 
- মানুষের শরীরে মোট হাড়ের সংখ্যা ২০৬ টি।
- করোটিতে অস্থির সংখ্যা ২৯ টি।
- মানবদেহে মোট কশেরুকার সংখ্যা ৩৩ টি।
- মানবেদেহে সাধারণত ক্রোমোজোম থাকে ২৩ জোড়া। 
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে।
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় অটোজোম।
- মানবদেহের রক্তে প্লাজমার পরিমাণ ৫৫%। 
- মানবদেহের রক্তে রক্তকণিকার পরিমাণ ৪৫%।
- মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৩৭° সেলসিয়াস (৯৮.৬° ফারেনহাইট)। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৭,৫৩৫.
শুষ্ক বরফ বলা হয়-
  1. হিমায়িত অক্সিজেনকে
  2. হিমায়িত কার্বন মনোক্সাইডকে
  3. হিমায়িত কার্বন-ডাই-অক্সাইডকে
  4. ক্যালসিয়াম অক্সাইডকে
সঠিক উত্তর:
হিমায়িত কার্বন-ডাই-অক্সাইডকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমায়িত কার্বন-ডাই-অক্সাইডকে
ব্যাখ্যা
শুষ্ক বরফ: 
- শুষ্ক বরফ হলো কার্বন ডাই-অক্সাইডের কঠিন রূপের সাধারণ নাম। 
- শুষ্ক বরফের উর্দ্ধপাতন হয়, যার অর্থ এটি তার কঠিন রূপ থেকে সরাসরি তার গ্যাসীয় অবস্থায় চলে যায়। 
- তাই এর নাম 'শুষ্ক বরফ' বা 'ড্রাই আইস'। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৫৩৬.
পদার্থের কোন অবস্থায় আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল ও গতি শক্তি প্রায় সমান হয়?
  1. গ্যাসীয় অবস্থায়
  2. প্লাজমা অবস্থায়
  3. কঠিন অবস্থায়
  4. তরল অবস্থায়
সঠিক উত্তর:
তরল অবস্থায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরল অবস্থায়
ব্যাখ্যা
তরল অবস্থা:

- এ অবস্থায় পদার্থের ভর ও আয়তন নির্দিষ্ট থাকে কিন্তু আকার নির্দিষ্ট থাকে না।
- তরল পদার্থকে যে পাত্রে রাখা হয়, তার ভর ও আয়তনের কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে সে পাত্রের আকার ধারণ করে। 
- এ অবস্থায় অণুগুলোর মধ্যকার আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল কঠিন অবস্থার তুলনায় কম বলে অণুগুলো দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ থাকে না।
- অণুগুলোর গতিশক্তি কঠিন অবস্থার তুলনায় যথেষ্ট বেশি বলে অতি সহজে চলাচল করতে পারে। এ কারণে তরল অবস্থায় পদার্থের প্রবাহ গুণ থাকে এবং আকৃতি সহজে পরিবর্তনশীল হয়।
- এ অবস্থায় পদার্থের আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল ও গতিশক্তি প্রায় সমান হয়।

তথ্যসূত্র - রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৩৭.
কোন শ্বেত রক্তকণিকার সাইটোপ্লাজম দানাহীন ও স্বচ্ছ?
  1. বেসোফিল
  2. নিউট্রোফিল
  3. মনোসাইট
  4. ইওসিনোফিল
সঠিক উত্তর:
মনোসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনোসাইট
ব্যাখ্যা
শ্বেত রক্তকণিকার বৈশিষ্ট্য:

১. শ্বেত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস আছে।
২. শ্বেত রক্তকণিকার আকার অনিয়মিত ও বড়।
৩. শ্বেত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন নেই।
৪. শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা লোহিত রক্তকণিকার তুলনায় অনেক কম।
৫. শ্বেত রক্তকণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন।

প্রকারভেদ: 

- গঠনগতভাবে এবং সাইটোপ্লাজমে দানার উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি অনুসারে শ্বেত কণিকাকে প্রধানত দু'ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
(ক) অ্যাগ্রানুলোসাইট বা দানাবিহীন এবং;
(খ) গ্রানুলোসাইট বা দানাযুক্ত।

(ক) অ্যাগ্রানুলোসাইট:
- এ ধরনের শ্বেত কণিকাগুলোর সাইটোপ্লাজম দানাহীন ও স্বচ্ছ।
- অ্যাগ্রানুলোসাইট শ্বেত কণিকা দুই রকমের, যথা- লিম্ফোসাইট ও মনোসাইট।
- দেহের লিম্ফনোড, টনসিল, প্লিহা, ইত্যাদি অংশে এরা তৈরি হয়।
- লিম্ফোসাইটগুলো ছোট কণিকা।
- মনোসাইট বড় কণিকা। কিন্তু এর নিউক্লিয়াস বড় বাকে অন্যদিকে তবে তার নিউক্লিয়াস ছোট ডিম্বাকার ও বৃক্কাকার আবৃতির হয়।
- লিম্ফোসাইট অ্যান্টিবডি গঠন করে এবং এই অ্যান্টিবডির দ্বারা দেহে প্রবেশ করা রোগজীবাণুকে ধ্বংস করে। এভাবে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
- মনোসাইট ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় রোগ জীবাণুকে ধ্বংস করে।
- Lymphocites রক্তে বৃদ্ধি তেমন ক্ষতির কারণ নয় তবে অতিরিক্ত পরিমাণ বৃদ্ধি ক্যান্সারের লক্ষণ।

(খ) গ্রানুলোসাইট:
- এদের সাইটোপ্লাজম সূক্ষ্ম দানাযুক্ত।
- গ্রানুলোসাইট শ্বেত কণিকাগুলো নিউক্লিয়াসের আকৃতির ভিত্তিতে তিন প্রকার যথা-
(১) নিউট্রোফিল;
(২) ইওসিনোফিল ও;
(৩) বেসোফিল।

- নিউট্রোফিল ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ভক্ষণ করে।
- ইওসিনোফিল ও বেসোফিল হিস্টাসিন নামক রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত করে দেহে এলার্জি প্রতিরোধ করে।
- বেসোফিল হেপারিন নিঃসৃত করে রক্তকে রক্তবাহিকার ভেতরে জমাট বাঁধতে বাধা দেয় না।

উৎস: বিজ্ঞান (ইউনিট ৩), এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ ওপেন স্কুল।
৭,৫৩৮.
টেলিগ্রাফের আবিষ্কারক কে?
  1. ক) আলভা এডিসন
  2. খ) স্টিফেনসন
  3. গ) জেমস ওয়াট
  4. ঘ) স্যামুয়েল মোর্স
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্যামুয়েল মোর্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্যামুয়েল মোর্স
ব্যাখ্যা

রেল ইঞ্জিনের আবিষ্কারক- স্টিফেনসন।
বাষ্পচালিত ইঞ্জিনের আবিষ্কারক- জেমস ওয়াট।
ফনোগ্রাফ ও বৈদ্যুতিক বাতির আবিষ্কারক- টমাস আলভা এডিসন।
টেলিগ্রাফের আবিষ্কারক- স্যামুয়েল মোর্স।
উৎসঃ ব্রিটানিকা এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা।

৭,৫৩৯.
টানা তারের আড় কম্পনের ক্ষেত্রে তারের দুই প্রান্ত বাঁধা থাকলে প্রান্ত বিন্দুতে কী সৃষ্টি হয়?
  1. সুস্পন্দ বিন্দু
  2. নিস্পন্দ বিন্দু
  3. অনুনাদ বিন্দু
  4. সংকোচন বিন্দু 
সঠিক উত্তর:
নিস্পন্দ বিন্দু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিস্পন্দ বিন্দু
ব্যাখ্যা

• টানা তারের আড় কম্পনের ক্ষেত্রে তারের দুই প্রান্ত বাঁধা থাকায় প্রান্ত বিন্দুতে নিস্পন্দ বিন্দু সৃষ্টি হয়।

• টানা তারের আড় কম্পন:
- একটি তারকে দুই প্রান্তে দৃঢ় অবলম্বনে টান টান করে বাঁধা হলে তা কম্পনের উপযোগী হয়।
- তারটিকে দৈর্ঘ্যের সাথে লম্বভাবে টেনে ছেড়ে দিলে আড় তরঙ্গ সৃষ্টি হয়।
- উৎপন্ন তরঙ্গ তারের আবদ্ধ প্রান্তে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে।
- আগত ও প্রতিফলিত তরঙ্গের সমন্বয়ে স্থির তরঙ্গ সৃষ্টি হয়।
- স্থির তরঙ্গের ফলে তারটি অবিরত কাঁপতে থাকে।

• নিস্পন্দ বিন্দু:
- তারের যে বিন্দুতে কোনো সরণ হয় না তাকে নিস্পন্দ বিন্দু বলে।
- দুই প্রান্ত বাঁধা থাকায় প্রান্ত বিন্দুতে সরণ শূন্য থাকে।
- তাই প্রান্তদ্বয় নিস্পন্দ বিন্দু হিসেবে কাজ করে।
- মধ্যবর্তী অংশে এক বা একাধিক নিস্পন্দ ও সুস্পন্দ বিন্দু সৃষ্টি হতে পারে।

• সুস্পন্দ বিন্দু:
- যে বিন্দুতে সরণ সর্বাধিক হয় তাকে সুস্পন্দ বিন্দু বলে।
- একটি মাত্র সুস্পন্দ বিন্দু থাকলে যে সুর উৎপন্ন হয় তাকে মূল সুর বলা হয়।
- একাধিক সুস্পন্দ বিন্দু থাকলে উৎপন্ন সুরকে উপসুর বলা হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- সুস্পন্দ বিন্দু: যেখানে কম্পনের বিস্তার সর্বাধিক।
- অনুনাদ বিন্দু: অনুনাদের ক্ষেত্রে সৃষ্ট বিশেষ অবস্থা নির্দেশ করে।
- সংকোচন বিন্দু: অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গে ঘন অংশ নির্দেশ করে।

উৎস:
1) পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
2) Science Expert, Live Publications.

৭,৫৪০.
কৃষ্ণ গহবরের যে সীমা থেকে কোনো কিছু বেড়িয়ে আসতে পারে না তাকে কী বলে?
  1. মহাকর্ষীয় প্রকোপ বলয়
  2. ঘটনাদিগন্ত
  3. হাবল অঞ্চল
  4. ব্লাক ফোর্স
সঠিক উত্তর:
ঘটনাদিগন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘটনাদিগন্ত
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণ গহবর:
- কৃষ্ণ গহবর সাধারণত একটি তারার মৃত্যুর পর গঠিত হয়।
- যখন একটি বড় তারার জীবাশ্মের প্রক্রিয়া ঘটে, তখন এটি তার কেন্দ্রীয় অংশে অতিরিক্ত শক্তি সঙ্কুচিত হয়ে কৃষ্ণ গহবরের সৃষ্টি করে।
- কৃষ্ণ গহবর মহাকর্ষীয়ভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী এক ধরনের মহাজাগতিক বস্তু, যা এত বেশি মহাকর্ষীয় শক্তি সৃষ্টি করে যে, এর থেকে আলো পর্যন্ত বেড়িয়ে আসতে পারে না।

ইভেন্ট হরিজন:
- কৃষ্ণ গহবরের সেই সীমা যেখানে থেকে কিছু ফিরে আসতে পারে না।
- এটি মূলত গহ্বরের "নিষিদ্ধ এলাকা" বা ঘটনাদিগন্ত
- ঘটনাদিগন্তের ব্যাসার্ধ (Event Horizon Radius) হল সেই সীমারেখা যেখানে থেকে কিছু বস্তুর পক্ষে কৃষ্ণ গহবর থেকে ফিরে আসা সম্ভব নয়।
- কৃষ্ণ গহ্বরের ঘটনাদিগন্তের ব্যাসার্ধ সাধারণত শোয়ার্জশিল্ড রেডিয়াস (Schwarzschild Radius) দিয়ে নির্ণয় করা হয়, যা নিম্নলিখিত সূত্র দিয়ে হিসাব করা হয়:

Rs = 2GM/c2

এখানে,
Rs​ = শোয়ার্জশিল্ড রেডিয়াস
G = মহাকর্ষীয় ধ্রুবক
M = কৃষ্ণ গহ্বরের ভর
c = আলোর বেগ

গ্রাভিটেশনাল লেন্সিং:
- কৃষ্ণ গহবর তার চারপাশের আলোকে বেঁকিয়ে দিতে পারে, যা দূরের জ্যোতিষ্কের ছবি বিকৃত করে।

কৃষ্ণ গহবরের গঠন এবং আচরণের উপর গবেষণা করতে বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টেলিস্কোপ ব্যবহার করেন। যেমন:

- গ্রাউন্ড-বেসড টেলিস্কোপ
- স্পেস টেলিস্কোপ (যেমন, ইভেন্ট হরিজন টেলিস্কোপ)

উৎস: ব্রিটানিকা, নাসা, পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র(শাহাজাহান তপন স্যার)।

৭,৫৪১.
চৌম্বক অক্ষ বরাবর দুই মেরুর মধ্যবর্তী দূরত্বকে কী বলে?
  1. চৌম্বক মেরু
  2. চৌম্বক দৈর্ঘ্য
  3. চৌম্বক মধ্যতল
  4. চৌম্বক বিভব
সঠিক উত্তর:
চৌম্বক দৈর্ঘ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৌম্বক দৈর্ঘ্য
ব্যাখ্যা

চুম্বক: 
- চুম্বক হচ্ছে সেই সকল পদার্থ যাদের আকর্ষণ ও দিকদর্শী ধর্ম আছে। 
- এ সকল পদার্থ দিয়ে উপযুক্ত পদার্থকে চুম্বক ধর্ম প্রদান করা যায়। 

চৌম্বক মেরু: 
- যেকোনো চুম্বকের যে দুই প্রান্তের আকর্ষণ বল সবচেয়ে বেশি সে প্রান্তকে চৌম্বক মেরু বলে। 
- চিত্রে একটি দন্ডচুম্বকের দুটি মেরু N ও S দেখানো হয়েছে।

N = North Pole (উত্তরমেরু), 
S = South Pole (দক্ষিণমেরু)। 

চৌম্বক অক্ষ: 
- যেকোনো চুম্বকের মেরু দুটিকে সংযোগ করে যে সরলরেখা পাওয়া যায়, তাকে চৌম্বক অক্ষ বলে। 
চিত্রে, AB দন্ড চুম্বকের অক্ষ। 

চৌম্বক দৈর্ঘ্য: 
- চৌম্বক অক্ষ বরাবর চুম্বকের দুটি মেরুর মধ্যবর্তী দূরত্বের দৈর্ঘ্যকে চৌম্বক দৈর্ঘ্য বলে। 
চিত্রে, NS = চৌম্বক দৈর্ঘ্য। 

চৌম্বক মধ্যতল: 
- চুম্বকের ভারকেন্দ্র দিয়ে মুক্তভাবে ঝুলড্ কোনো একটি স্থির চুম্বকের চৌম্বক অক্ষের মধ্য দিয়ে কল্পিত তলকে চৌম্বক মধ্যতল বলে। 

ভৌগোলিক মধ্যতল: 
- পৃথিবীর কোনো স্থানে ভৌগোলিক উত্তর ও দক্ষিণমের বরাবর কল্পিত উলম্ব তলকে ঐ স্থানের ভৌগোলিক বা জ্যামিতিক মধ্যতল বলে। 
- চৌম্বক মধ্যতল ও ভৌগোলিক মধ্যতলের মধ্যকার কিছুটা কৌণিক ব্যবধান থাকে, যাকে বিচ্যুতি বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৫৪২.
ক্রাফট প্রসেস (Kraft Process) কোন শিল্প ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) সিমেন্ট
  2. খ) সাবান
  3. গ) কাগজ
  4. ঘ) বস্ত্ৰ
সঠিক উত্তর:
গ) কাগজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কাগজ
ব্যাখ্যা
• ক্রাফ্ট প্রক্রিয়া, যা সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH) এবং সোডিয়াম সালফাইড (Na2S) সজ্জা কাঠের জন্য ব্যবহার করে, এটি সজ্জা এবং কাগজ শিল্পে প্রভাবশালী pulping প্রক্রিয়া।
• বিশ্বব্যাপী প্রায় 130 মিলিয়ন টন/বছর ক্রাফ্ট পাল্প উত্পাদিত হয়।
• ক্রাফ্ট পাল্পের উচ্চ শক্তি শক্ত কাঠকে পরিচালনা করার প্রক্রিয়ার ক্ষমতা এবং উচ্চ রাসায়নিক পুনরুদ্ধারের দক্ষতার (প্রায় 97%) জন্য অনুকূল ।
• এটি ক্রাফ্ট প্রক্রিয়াটিকে অন্যান্য পাল্পিং প্রক্রিয়াগুলির তুলনায় একটি সুবিধা দেয়। ক্রাফ্ট প্রক্রিয়ায়, কাঠের প্রায় অর্ধেক দ্রবীভূত হয় এবং ব্যয়িত পাপিং রাসায়নিকের সাথে একত্রে দুর্বল কালো  একটি তরল ধারা তৈরি করে ।
• দুর্বল কালো তরল ধোয়ার মাধ্যমে সজ্জা থেকে আলাদা করা হয় এবং ক্রাফ্ট রিকভারি সিস্টেমে পাঠানো হয়, যেখানে অজৈব পাল্পিং রাসায়নিকগুলি পুনঃব্যবহারের জন্য উদ্ধার করা হয়।

উৎস: রিসার্চগেট
৭,৫৪৩.
জারণ বিক্রিয়ায় কী ঘটে? 
  1. ইলেকট্রনের দান
  2. ইলেকট্রনের গ্রহণ 
  3. প্রোটন গ্রহণ 
  4. নিউট্রন দান
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রনের দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রনের দান
ব্যাখ্যা

ইলেকট্রনের স্থানান্তর: 
- রাসায়নিক বিক্রিয়াগুলোকে তাদের প্রকৃতি অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। 
- ইলেকট্রনের স্থানান্তর এক ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়া, এটি মূলত জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া। 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া এমন একটি শ্রেণি যেখানে জারণ (Oxidation) ও বিজারণ (Reduction) একই সাথে সংঘটিত হয়। 
- প্রচুর সংখ্যক রাসায়নিক বিক্রিয়া ও জৈবিক বিক্রিয়া এ শ্রেণির অর্ন্তভুক্ত। 
- জ্বালানিকে দহন করে শক্তি উৎপাদন, তড়িৎ রাসায়নিক পদ্ধতিতে কস্টিক সোডা ও ক্লোরিন উৎপাদন, ব্যাটারীতে তড়িৎ উৎপাদন, লোহায় মরিচা পড়া, ধাতুর ক্ষয়, তড়িৎ প্রলেপন-এ সবই জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার উদাহরণ। 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের দান ও গ্রহণ ঘটে, এটি রেডক্স (Redox) বিক্রিয়া হিসেবে পরিচিত। 
- রেডক্স (Redox) শব্দটি বিজারণ বা Reduction এর Red এবং জারণ বা Oxidation এর Ox এর সমন্বয়ে গঠিত। সুতরাং Redox অর্থ জারণ-বিজারণ। 
- বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের গ্রহণ এবং জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের দান ঘটে। 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় মৌলের জারণ সংখ্যার পরিবর্তন ঘটে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৫৪৪.
অ্যাকোয়া রেজিয়া বা রাজঅম্লতে নাইট্রিক এসিড ও হাইড্রোক্লোরিক এসিডের সংযুক্তি পরিমান -
  1. ক) ১ মোল নাইট্রিক এসিড ও ৩ মোল হাইড্রোক্লোরিক এসিড
  2. খ) ২ মোল নাইট্রিক এসিড ও ৩ মোল হাইড্রোক্লোরিক এসিড
  3. গ) ৩ মোল নাইট্রিক এসিড ও ১ মোল হাইড্রোক্লোরিক এসিড
  4. ঘ) ২ মোল নাইট্রিক এসিড ও ৫ মোল হাইড্রোক্লোরিক এসিড
সঠিক উত্তর:
ক) ১ মোল নাইট্রিক এসিড ও ৩ মোল হাইড্রোক্লোরিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ মোল নাইট্রিক এসিড ও ৩ মোল হাইড্রোক্লোরিক এসিড
ব্যাখ্যা
- ১ মোল HNO3 ও ৩ মোল HCL এর মিশ্রণকে রাজঅম্ল বা অ্যাকোয়া রেজিয়া বলে।
- স্বর্ণের খাঁদ বের করতে এই অম্ল ব্যবহৃত হয়। 
- অভিজাত ধাতুসমূহ (যেমন- স্বর্ণ, প্লাটিনাম) যে কোনো গাঢ়তার হাইড্রোক্লোরিক এসিড বা নাইট্রিক এসিডে দ্রবীভূত হয় না, কিন্তু এরা অ্যাকোয়া রেজিয়া বা রাজ অম্লে দ্রবীভূত হয়।

Source: MIT
৭,৫৪৫.
ক্যামেরার ফটোগ্রাফিক প্লেটে কোন পদার্থটি রয়েছে?
  1. ক) ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  2. খ) সিলভার হ্যালাইড
  3. গ) সোডিয়াম ক্লোরাইড
  4. ঘ) পটাশিয়াম ক্লোরাইড
সঠিক উত্তর:
খ) সিলভার হ্যালাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিলভার হ্যালাইড
ব্যাখ্যা
ক্যামেরার ফটোগ্রাফিক প্লেট:

- ক্যামেরা বা আলোকচিত্রগ্রাহী যন্ত্র হল আলোকচিত্র গ্রহণ ও ধারণের যন্ত্র।
- দৃশ্যমান স্থির বা গতিশীল ঘটনা ধরে রাখার জন্য এটি ব্যবহার হয়।
- ক্যামেরা চিত্র রেকর্ড করতে ব্যবহৃত একটি অপটিক্যাল যন্ত্র।
- ক্যামেরার ফটোগ্রাফিক প্লেটে সিলভার হ্যালাইড এর প্রলেপের উপস্থিতি রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৭,৫৪৬.
গ্যালভানাজিং কী?
  1. লোহার উপর তামার প্রলেপ
  2. লোহার উপর সীসার প্রলেপ
  3. লোহার উপর দস্তার প্রলেপ
  4. দস্তার উপর সীসার প্রলেপ
সঠিক উত্তর:
লোহার উপর দস্তার প্রলেপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহার উপর দস্তার প্রলেপ
ব্যাখ্যা
• গ্যালভানাইজিং প্রক্রিয়ায় সাধারণত লোহার উপর দস্তার প্রলেপ দেয়া হয়।

• গ্যালভানাইজিং:
- যে কোন ধাতুর উপর জিংকের (দস্তা) প্রলেপ দেয়াকে গ্যালভানাইজিং বলে।
- এ ক্ষেত্রে তড়িৎ বিশ্লেষণের প্রয়োজন নেই।
- এটি ধাতুকে ক্ষয় ও জারক বিক্রিয়া থেকে রক্ষা করে, বিশেষ করে জলীয় বাষ্প, অক্সিজেন এবং অ্যাসিডিক পরিবেশে।
- লোহাকে গলিত দস্তায় ডুবিয়ে লোহার উপর দস্তার পাতলা প্রলেপ দেয়া হয়।

উৎস: রসায়ন, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৭,৫৪৭.
খাদ্যের মুখ্য উপাদান কোনটি?
  1. ভিটামিন
  2. খনিজ লবণ
  3. পানি
  4. স্নেহ
সঠিক উত্তর:
স্নেহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্নেহ
ব্যাখ্যা
খাদ্যের উপাদান ছয়টি - শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি। 
শর্করা, আমিষ ও স্নেহ হচ্ছে দেহ পরিপোষক খাদ্য।
খাদ্যের স্নেহ ও শর্করাকে বলা হয় শক্তি উৎপাদক খাদ্য।
আমিষ যুক্ত খাদ্যকে বলা হয় দেহ গঠনের খাদ্য।
খাদ্যের উপাদান দুই ধরনের - (১) মুখ্য উপাদান ( শর্করা, আমিষ ও স্নেহ )
                                            (২) সহায়ক উপাদান ( ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি )

[সূত্র - নবম-দশম শ্রেণি, বিজ্ঞান, বোর্ড বই]
৭,৫৪৮.
ধাতব পদার্থের ক্ষেত্রে উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে সাথে এর রোধ-
  1. কমে যায়
  2. বেড়ে যায়
  3. অপরিবর্তিত থাকে
  4. প্রথমে কমে পরে বাড়ে
সঠিক উত্তর:
বেড়ে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেড়ে যায়
ব্যাখ্যা
 ধাতব পদার্থের উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে এর- বৈদ্যুতিক রোধ বেড়ে যায়।

• বৈদ্যুতিক রোধ:
- বৈদ্যুতিক রোধ (Electrical Resistance) হলো একটি বৈদ্যুতিক সার্কিটে বৈদ্যুতিক প্রবাহের (Electric current) বিরুদ্ধে বাধা দেওয়ার ক্ষমতা।
- এটি এমন একটি উপাদান বা বৈশিষ্ট্য যা একটি পরিবাহকের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক প্রবাহ প্রবাহিত হওয়ার সময় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।
- বৈদ্যুতিক রোধকে সাধারণত (R) দ্বারা চিহ্নিত করা হয়।
- এর একক হলো ওহম (Ω)।
 - কিন্তু অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা ( পরিবাহকত্ব) বৃদ্ধি পায়।

উল্লেখ্য,
ওহমের সূত্র (Ohm's Law):
V = IR;
এখানে,
V = ভোল্টেজ (Voltage) বা বৈদ্যুতিক বিভব পার্থক্য।
R = রোধ (Resistance)। 
I = প্রবাহ (Current) বা তড়িৎ প্রবাহ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৫৪৯.
ঐচ্ছিক পেশি সাধারণত দেহের কোন অঙ্গে থাকে? 
  1. হৃৎপিণ্ড 
  2. বৃক্ক 
  3. গলবিল 
  4. যকৃত
সঠিক উত্তর:
গলবিল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গলবিল 
ব্যাখ্যা

ঐচ্ছিক বা কঙ্কাল বা অমসৃণ বা রৈখিক পেশি: 
- যেসব পেশি স্নায়ুবিক অথবা হরমোন উদ্দীপনায় উদ্দীপ্ত হয়ে কর্মতৎপর হয় অর্থাৎ যেসব পেশি স্বেচ্ছায় সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে দেহ সঞ্চালনের মুখ্য ভূমিকা পালন করে তাদের ঐচ্ছিক পেশি বলে। 
- এসব পেশি কঙ্কালের সাথে আটকে থাকে বলে এদেরকে কঙ্কাল পেশি বলে। 
- এসকল পেশির কোষগুলো তন্তুর মতো, তাই এদেরকে পেশিতন্ত্র বলে। 
- প্রতিটি পেশিকোষ এন্ডোমাইসিয়াম নামক যোজক কলার আবরণে আবৃত। 
- কোষগুলো বিক্ষিপ্ত না থেকে গুচ্ছাকারে বান্ডল সৃষ্টি করে। 
- এ গুচ্ছাকার বান্ডলকে ফ্যাসিকুলাস বলে। এ বান্ডলগুলো পেরিমাইসিয়াম আবরণে আবৃত থাকে। 
- পেশিকোষগুলো নলাকার লম্বা। দৈর্ঘ্যে ১-৪০ মিলিমিটার, প্রস্থে ০.০১-০.১০ মিলিমিটার হয়। 

- কোষগুলো সারকোলেমা নামক আবরণে আবৃত থাকে, এদের সাইটোপ্লাজমকে সারকোপ্লাজম বলে। 
- কোষের অভ্যন্তরে অসংখ্য ডিম্বাকার নিউক্লিয়াস থাকে। 
- প্রতিটি পেশিকোষের অভ্যন্তরে কতকগুলো অতিসূক্ষ্ম তন্তু বা মায়োফাইব্রিল পাওয়া যায়। 
- প্রধানতঃ অ্যাকটিন ও মায়োসিন নামক প্রোটিন দিয়ে মায়োফাইব্রিল গঠিত। 
- বিভিন্ন অস্থির সাথে, চোখে, জিহ্বায়, গলবিল ইত্যাদিতে ঐচ্ছিক পেশি থাকে। 
- ঐচ্ছিক পেশির সংকোচন প্রসারণে প্রাণীরা স্থানান্তরিত হয় এবং ইচ্ছানুসারে অঙ্গ সঞ্চালন করতে পারে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৫৫০.
গোদ রোগের জন্য কোন জীবাণুটি দায়ী?
  1. ক) এমিবা
  2. খ) ফাইলোরিয়া কৃমি
  3. গ) সালমোনেলা
  4. ঘ) প্লাজমোডিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) ফাইলোরিয়া কৃমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফাইলোরিয়া কৃমি
ব্যাখ্যা

গোদ রোগ বা ফাইলেরিয়াসিস এক প্রকার পরজীবী ঘটিত রোগ।
এটি ক্রান্তীয় অঞ্চলের সংক্রামক রোগ যা সূতার মতো একজাতের (ফাইলেরিওয়ডিয়া Filarioidea পরিবারভুক্ত নিমাটোড) গোলকৃমি দ্বারা সংঘটিত হয়।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির বিজ্ঞান

৭,৫৫১.
কোয়ান্টাম তত্ত্ব অনুযায়ী আলোর শক্তি কিভাবে প্রকাশ পায়?
  1. শক্তি অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের মতো ছড়ায়
  2. শক্তি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্যাকেট (কোয়ান্টাম) আকারে নির্দিষ্ট মান সহ ছড়ায়
  3. শক্তি শুধুমাত্র স্থির কণার মাধ্যমে ছড়ায়
  4. শক্তি যেকোনো অনিয়মিত আকারে ছড়ায়
সঠিক উত্তর:
শক্তি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্যাকেট (কোয়ান্টাম) আকারে নির্দিষ্ট মান সহ ছড়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্যাকেট (কোয়ান্টাম) আকারে নির্দিষ্ট মান সহ ছড়ায়
ব্যাখ্যা

• কোয়ান্টাম তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়।

• আলোর প্রকৃতি সম্পর্কীয় বিভিন্ন তত্ত্ব (Different theories of Light):
-ষোড়শ শতাব্দী থেকে মূলত আলোর প্রকৃতি সম্পর্কীয় বিজ্ঞান ভিত্তিক তত্ত্বসমূহের বিকাশ ঘটে।
- কিভাবে আলো উৎপত্তি হয়, কিভাবে আলো সঞ্চালিত হয় এবং দীপ্তমান বস্তু থেকে কিভাবে আমাদের চোখে আসে সে সম্পর্কে এ পর্যন্ত মোট চারটি তত্ত্ব উদ্ভাবিত হয়েছে। এগুলো হলো:
• কণা তত্ত্ব, 
• তরঙ্গ তত্ত্ব, 
• তাড়িতচৌম্বক তত্ত্ব এবং
• কোয়ান্টাম তত্ত্ব। 

• কোয়ান্টাম তত্ত্ব :
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রস্তাবনা করেন।
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়। - প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রঙের আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্ব নিম্ন মান আছে।
- এই সর্ব নিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন।
- প্লাঙ্কের মতে কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ আলাদা আলাদা বা গুচ্ছ গুচ্ছ বান্ডিল বা প্যাকেট আকারে সংঘটিত হয়।
- কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন দীর্ঘ দিনের রহস্যময় আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা দেন। এতে আলোর কণা তত্ত্ব পুনর্জীবিত হয়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৫৫২.
পানির গলনাংক কত সেলসিয়াসে হয়?
  1. - ৫° সেলসিয়াস
  2. ০° সেলসিয়াস
  3. ১০° সেলসিয়াস
  4. ১০০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
০° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
গলনাংক: 
- আমরা জানি শীতল অবস্থায় পানি কঠিন বরফ হিসেবে থাকে। 
- প্রমাণ চাপে বরফ ০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় গলে যায়। 
পানির গলনাংক কত সেলসিয়াসে হয়? 
অর্থাৎ, পানির গলনাংক ০° সেলসিয়াস। 

স্ফূটনাংক: 
- প্রমাণ চাপে অর্থাৎ ৭৬০ মি মি পারদ চাপে পানি ১০০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানি বাষ্পে পরিণত হয়। 
অর্থাৎ, পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৫৩.
মাইক্রোইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির সাহায্যে অতিক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক্স বর্তনীকে কী বলে?
  1. ক) এন-ট্রানজিস্টর
  2. খ) আইসি
  3. গ) পি-ট্রানজিস্টর
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) আইসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আইসি
ব্যাখ্যা
আইসি: মাইক্রোইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির সাহায্যে অতিক্ষুদ্র পরিসরে ইলেকট্রনিক্স বর্তনী তৈরি করা যায়।
- এই বর্তনীগুলোকে বলে মাইক্রোইলেকট্রনিক্স সার্কিট বা ইন্টিগ্রেটেড সাকিট বা আইসি বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৫৪.
কৃমি বিস্তারে প্রধানত কোন নিয়ামকটি সহায়তা করে?
  1. ক) দূষিত বায়ু
  2. খ) দূষিত খাদ্য
  3. গ) দূষিত মাটি
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) দূষিত খাদ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দূষিত খাদ্য
ব্যাখ্যা
দূষিত খাদ্য প্রধানত কৃমি বিস্তারে সহায়তা করে। 

কৃমি হচ্ছে একরকমের পরজীবী প্রাণী, যা মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর দেহে বাস করে সেখান থেকে খাবার গ্রহণ করে বেঁচে থাকে।
লক্ষণসমূহ- 
১. কৃমি হলে কিছু কিছু উপসর্গ দেখা দেয়, যেমন-বমি বমি ভাব, পেট ব্যথা, পেট মোটা বা ভারি হওয়া, খাবারে অরুচি, মুখে থুথু ওঠা।
২. কৃমি হলে সাধারণত অপুষ্টি দেখা দেয়। রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।
৩. অনেক সময় বক্র কৃমির এক মুখ শিশুদের এপেনডিক্সের মধ্যে প্রবেশ করে, ফলে এপেনডিসাইটিসের মতো উপসর্গ দেখা দেয়।

কৃমির ক্ষতিকর প্রভাবসমূহ- 
- পেটে ব্যথা
- বমি
- শরীর দুর্বল লাগা
- ডায়রিয়া
- রক্তশূন্যতা
- ওজন কমে যাওয়া।

সূত্র- ১২১ পৃষ্ঠা, জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৫৫৫.
সাইক্লোনের উৎপত্তির জন্য সমুদ্রের তাপমাত্রা ন্যূনতম কত ডিগ্রী সেলসিয়াসের বেশি হতে হবে?
  1. ২১° সেলসিয়াস
  2. ২৭° সেলসিয়াস
  3. ২৩° সেলসিয়াস
  4. ৩০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
২৭° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা

- সাইক্লোন (ঘূর্ণিঝড়) সৃষ্টির জন্য সমুদ্রের জলের তাপমাত্রা ন্যূনতম ২৭° সেলসিয়াসের বেশি হতে হয়, যা উষ্ণ ও আর্দ্র বাতাস সরবরাহ করে এবং ঘূর্ণিঝড়কে শক্তি জোগায়। 

সাইক্লোন: 
- ঘূর্ণিঝড়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ Cyclone.
- এটি গ্রিক শব্দ Kyklos থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে যার অর্থ কুণ্ডলি পাকানো সাপ। ঘূর্ণিঝড়ের বাতাস কুণ্ডলি পাকানো সাপের আকার ধারণ করে বলে এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। 
- সাধারণত এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগর গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির একটি আদর্শ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত। 

সাইক্লোন সৃষ্টির কারণ: 
- সাইক্লোন নামক দুর্যোগটি সৃষ্টির প্রধান কারণ উচ্চ তাপমাত্রা ও নিম্নচাপ। 
- গভীর সমুদ্রে এবং আঘাত হানে উপকূলীয় এলাকায় সাইক্লোন সৃষ্টি হয়। 
- সাধারণত সাইক্লোন সৃষ্টির জন্য তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রী সেলসিয়াসের বেশি হওয়া প্রয়োজন এবং ঝড়ের সময় বাযুপ্রবাহের গতিবেগ ৬৫ কিলোমিটার বা তার বেশি হয়। 
- বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারা বছরই এইরূপ তাপমাত্রা বিদ্যমান। 
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে। এসময় উচ্চচাপযুক্ত বায়ু প্রবলবেগে ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রভাগে যেখানে নিম্নচাপ থাকে সেদিকে ধাবিত হয়, এ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হয়। 
- এটি উষ্ণ সমুদ্রপৃষ্ঠে উৎপত্তি লাভ করে মহাদেশীয় মূলভাগের দিকে অগ্রসর হয়। 
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলকে চোখ বলে। 
- এছাড়াও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৫৫৬.
সমতল দর্পণে কোন ধরনের প্রতিবিম্ব গঠিত হয়?
  1. ক) বাস্তব ও সোজা
  2. খ) সদ ও বিবর্ধিত
  3. গ) অসদ ও সোজা
  4. ঘ) অবাস্তব ও খর্বিত
সঠিক উত্তর:
গ) অসদ ও সোজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অসদ ও সোজা
ব্যাখ্যা
সমতল দর্পণে গঠিত প্রতিবিম্বের বৈশিষ্ট্যসমূহ ঃ
১. দর্পণ থেকে বস্তু দূরত্ব যত, দর্পণ থেকে বিম্বের দূরত্ব তত।
২. বস্তু ও বিম্ব সংযোগকারী রেখা দর্পণ তলকে লম্বভাবে ছেদ করে।
৩. সমতল দর্পণে গঠিত বিম্ব অসদ (অবাস্তব) ও সোজা।
৪. বিম্বের আকার বস্তুর আকারের সমান হয়।
৫. বিম্বের পার্শ্ব পরিবর্তন ঘটে।


সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৭,৫৫৭.
উদ্ভিজ্জ প্রোটিন কোনটি?
  1. মাছ
  2. ডিম
  3. বাদাম
  4. মাংস
সঠিক উত্তর:
বাদাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদাম
ব্যাখ্যা
প্রোটিন বা আমিষ: 
- উৎসের উপর ভিত্তি করে প্রোটিনকে প্রাণিজ এবং উদ্ভিজ প্রোটিন হিসেবে উল্লেখ করা হয়। 
- মাছ, মাংস, ডিম ও দুগ্ধজাত দ্রব্য প্রোটিনের উৎস প্রাণী, তাই এগুলো প্রাণিজ প্রোটিন। 
- অপরদিকে ডাল, বাদাম, শিম ও বরবটির বীজ ইত্যাদির উৎস উদ্ভিদ, তাই এগুলো উদ্ভিজ্জ প্রোটিন। 
- শিশুদের খাদ্যে প্রোটিনের অভাব ঘটলে কোয়াশিয়রকর রোগ হয়। 
- এ রোগের কারণে দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও গঠন বাধাগ্রস্ত হয়। 
- শিশুদেহের বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হলে শিশু পুষ্টিহীনতা বা অপুষ্টিতে ভোগে। 

প্রোটিনের কাজ: 
১. প্রোটিনের প্রধান কাজ হচ্ছে দেহে বৃদ্ধির জন্য কোষ গঠন করা। 
যেমন- দেহের পেশি, হাড় বা অস্থি, রক্ত কণিকা ইত্যাদি প্রোটিন দ্বারা গঠিত। 
২. দেহে শক্তি উৎপন্ন করা। 
৩. দেহে রোগ প্রতিরোধকারী এন্টিবডি প্রোটিন থেকে তৈরি হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৭,৫৫৮.
জন্ডিসের কারণ হিসেবে দায়ী বিলিরুবিন মানবদেহের কোন অংশে তৈরি হয়?
  1. মস্তিস্ক
  2. লিভার
  3. কিডনি
  4. ফুস্ফুস
সঠিক উত্তর:
লিভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিভার
ব্যাখ্যা
• বিলিরুবিন (Bilirubin) হলো একটি হলুদ রঞ্জক পদার্থ যা যকৃত বা লিভারে লাল রক্তকণিকার (RBC) ভাঙনের ফলে তৈরি হয়।  লোহিত রক্তকণিকা ১২০ দিন পরপর  যখন  ধ্বংস হয়, তখন হিমোগ্লোবিন ভেঙে গিয়ে বিলিরুবিন উৎপন্ন হয়। 

এই প্রক্রিয়া যেসব ধাপে ঘটে:
-  যকৃতের কাফার কোষে RBC ভাঙে → হিম(আয়রন)  → বিলিভারডিন → বিলিরুবিন। 
- লিভার বিলিরুবিনকে প্রক্রিয়াজাত করে পিত্ত (Bile) এর মাধ্যমে তা নিঃসৃত করে দেয়। 
- যদি এই বিলিরুবিন লিভার থেকে নিঃসরণের পরিমাণ অতিরিক্ত হয়, তবে তা রক্তে অত্যধিক হয়ে যায় এবং ত্বক ও চোখ হলুদ হয়ে যায়, যাকে জন্ডিস (Jaundice) বলে।

অন্যদিকে,  
• মস্তিষ্ক: বিলিরুবিন তৈরি হয় না, তবে অতিরিক্ত বিলিরুবিন (বিশেষ করে নবজাতকদের ক্ষেত্রে) ব্রেইনে ক্ষতি করতে পারে।

কিডনি: রক্ত পরিশোধন করে রক্তের দূষিত পদার্থ দূর করে। কিন্তু এখানে বিলিরুবিন তৈরি হয় না। 

• ফুসফুস: এখানে গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে। এটি বিলিরুবিন সংশ্লিষ্ট নয়।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; গাজী আজমল।
- National Institute of Health (NIH).
৭,৫৫৯.
ব্যাকটেরিয়া কোন ধরনের কোষ দ্বারা গঠিত? 
  1. জনন কোষ 
  2. দেহ কোষ 
  3. প্রকৃত কোষ 
  4. আদি কোষ
সঠিক উত্তর:
আদি কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদি কোষ
ব্যাখ্যা

কোষ: 
- প্রতিটি জীবদেহ এক বা একাধিক কোষ দ্বারা গঠিত। 
- একটি মাত্র কোষ দ্বারা গঠিত জীবকে বলা হয় এককোষী জীব এবং একাধিক কোষ দ্বারা গঠিত জীবকে বলা হয় বহুকোষী জীব। 
- কোষ জীবদেহের গাঠনিক এবং কার্যকরী একক। 
- কোষের অভ্যন্তরেই জীবের জীবন ধারণের প্রয়োজনীয় জৈবিক কার্যকলাপ সম্পন্ন হয়। 
- ব্রিটিশ বিজ্ঞানী রবার্ট হুক ১৬৬৫ খ্রিস্টাব্দে বোতলের কর্ক পরীক্ষাকালে মৌচাকের ন্যায় অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এবং পরস্পর সংযুক্ত প্রকোষ্ঠ দেখতে পান যে প্রকোষ্ঠগুলোর নাম দেন Cell । 
- Cell এর বাংলা অর্থ কুঠুরী বা কোষ। 

কোষের প্রকারভেদ: 
- নিউক্লিয়াসের গঠনের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- আদি কোষ এবং প্রকৃত কোষ। 
১। আদি কোষ: 
- যে সকল কোষে সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস অনুপস্থিত থাকে তাদেরকে বলা হয় আদি কোষ। 
- এ সকল কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলগি বডি, সেন্ট্রিয়োল, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অনুপস্থিত থাকে। 
- তবে বিক্ষিপ্ত DNA এবং রাইবোসোম থাকে। 
- Mycoplasma নামক PPLO (Pleuro pneumonia like organism), ব্যাকটেরিয়া, নীলাভ সবুজ ব্যাকটেরিয়া, ইত্যাদি আদি কোষীয় জীব। 

২। প্রকৃত কোষ: 
- যে সকল কোষে সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে তাদেরকে বলা হয় প্রকৃত কোষ। 
- শৈবাল, ছত্রাক, ব্রায়োফাইটস, টেরিডোফাইটস, জিমনোস্পার্মস, অ্যানজিওস্পার্মস ইত্যাদি প্রকৃত কোষ দ্বারা গঠিত।

- আবার, অবস্থান এবং কাজের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- দেহ কোষ এবং জনন কোষ। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৫৬০.
রংধনুতে হলুদ রঙের পাশের দুটি রঙ কি কি?
  1. ক) সবুজ ও লাল
  2. খ) সবুজ ও কমলা
  3. গ) নীল ও কমলা
  4. ঘ) বেগুনী ও লাল
সঠিক উত্তর:
খ) সবুজ ও কমলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সবুজ ও কমলা
ব্যাখ্যা

রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করার মাধ্যমে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের সৃষ্টি করে বলে আমরা রংধনু দেখতে পাই।
রংধনুতে ৭টি রং থাকে।
এগুলো হলো বেনীআসহকলা- বেগুনী, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা এবং লাল।
অর্থাৎ হলুদ রঙের দুই পাশের দুইটি রং হলো- সবুজ এবং কমলা।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৫৬১.
প্রকৃতির মৌলিক বলগুলোর মধ্যে কোন বলটি সবচেয়ে দুর্বল হিসেবে পরিচিত?
  1. মহাকর্ষ বল
  2. তড়িৎচুম্বকীয় বল
  3. দুর্বল নিউক্লীয় বল
  4. সবল নিউক্লীয় বল
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
ব্যাখ্যা

• প্রকৃতির মৌলিক চারটি বলের মধ্যে মহাকর্ষ বল সবচেয়ে দুর্বল হিসেবে পরিচিত। এই বলটি যেকোনো দুই ভরের মধ্যে কাজ করে এবং ভরের উপর নির্ভরশীল। যদিও মহাকর্ষ বল অসীম দূরত্বেও প্রভাব ফেলে, তবে এর শক্তি অন্যান্য মৌলিক বল যেমন তড়িৎচুম্বকীয় বল, দুর্বল নিউক্লীয় বল বা সবল নিউক্লীয় বলের তুলনায় অত্যন্ত ক্ষুদ্র। উদাহরণস্বরূপ, একটি ছোট চুম্বকের তাড়নাও একটি ছোট কণার মহাকর্ষীয় প্রভাবকে লাঘব করতে পারে। মহাকর্ষ বল বৃহৎ স্কেলে যেমন গ্রহ, নক্ষত্র ও গ্যালাক্সি ধরে রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হলেও কণিকাগত বা দৈনন্দিন জীবনের ছোট পরিসরে এটি প্রায় অপ্রভাবশালী। তাই প্রকৃতির মৌলিক বলের মধ্যে এটি সবচেয়ে দুর্বল বল হিসেবে বিবেচিত হয়।

• প্রকৃতিতে মাত্র চার ধরনের মৌলিক বল আছে। যথা:
- মহাকর্ষ বল, তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, দুর্বল নিউক্লীয় বল এবং সবল নিউক্লীয় বল।
১। মহাকর্ষ বল:
- এই সৃষ্টিজগতের সকলবস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল।
- এই বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে।
- পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে, তখন তাকে মধ্যাকর্ষণ বল বলে।
এই মধ্যাকর্ষণ বল আমাদেরকে নিচের দিকে (পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে) টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই।
- ভর আছে সেরকম যেকোন বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে।

২. তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল:
- দুটি আহিত কণা তাদের আধানের কারণে একে অপরের ওপর যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে তাকে তড়িৎ চৌম্বক বল বলে।

৩। দুর্বল নিউক্লীয় বল:
- দুর্বল নিউক্লীয় বল মহাবিশ্বের চারটি মৌলিক বলের মধ্যে দ্বিতীয় দুর্বলতম বল, যা মহাকর্ষ বলের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী কিন্তু সবল নিউক্লীয় ও তড়িৎচুম্বকীয় বলের চেয়ে দুর্বল।
- মহাকর্ষ এবং তড়িৎ চৌম্বক বল যেকোন দূরত্ব থেকে কাজ করতে পারে কিন্তু এই দুর্বল নিউক্লীয় বল খুবই অল্প দূরত্বে (১০- ১৮ m) কাজ করে।

৪। সবল নিউক্লীয় বল:
- সবল নিউক্লীয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, তড়িৎ চৌম্বকীয় বল থেকেও ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালি কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে (১০- ১৫ m) কাজ করে।
- সূর্য থকে প্রাপ্ত আলো ও তাপ এই বল দিয়ে তৈরি হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৫৬২.
Which two components are primarily present in the chemical structure of a virus?
  1. Carbohydrate and Protein
  2. Lipid and Carbohydrate
  3. Starch and Glycogen
  4. Nucleic Acid and Protein
  5. None of the above
সঠিক উত্তর:
Nucleic Acid and Protein
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nucleic Acid and Protein
ব্যাখ্যা

• ভাইরাসের রাসায়নিক গঠন: 
- রাসায়নিকভাবে ভাইরাসে দুটি উপাদান থাকে। 
যথা- নিউক্লিক অ্যাসিড এবং প্রোটিন। 
- ভাইরাসের কেন্দ্রে অবস্থান করে নিউক্লিক অ্যাসিড, এটি একটি বংশগতি নির্ধারক পদার্থ। 
- নিউক্লিক অ্যাসিড দুই ধরনের। 
যথা- DNA ও RNA। 
- অন্যান্য জীবদেহে একইসাথে DNA ও RNA অবস্থান করলেও ভাইরাস দেহে একই সাথে DNA ও RNA অবস্থান করে না। 
- ক্যাপসিড আবরণটি অসংখ্য প্রোটিন অণু দিয়ে গঠিত, ক্যাপসিড আবরণের এক একটি প্রোটিন অণুকে ক্যাপসোমিয়ার বলা হয়। 
- ক্যাপসিড সাধারণত জৈবিক দিক দিয়ে নিষ্ক্রিয়, এরা নিউক্লিক অ্যাসিডকে রক্ষা করে, ভাইরাসকে পোষক দেহে সংক্রমণে সাহায্য করে এবং অ্যান্টিজেন হিসেবে কাজ করে। 
- কোন কোন ভাইরাসে (যেমন- ইনফ্লুয়েঞ্জা, হার্পিস এবং HIV ইত্যাদি) ক্যাপসিডের বাইরে জৈব পদার্থের একটি আবরণ থাকে। 
- এটি লিপিড, লিপোপ্রোটিন, শর্করা বা স্নেহ জাতীয় পদার্থ দিয়ে গঠিত। 
- লিপিড বা লিপোপ্রোটিনের এক একটি স্তরকে পেপলোমিয়ার বলা হয়। 
- লিপোপ্রোটিনের আবরণ দিয়ে গঠিত ভাইরাসকে লিপোভাইরাস বলা হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৫৬৩.
H2 দ্বারা বুঝায়-
  1. ক) হাইড্রোজেনের অণু
  2. খ) হাইড্রোজেনের পরমাণু
  3. গ) হাইড্রোজেন এর যৌগ
  4. ঘ) হাইড্রোজেনের প্রতীক
সঠিক উত্তর:
ক) হাইড্রোজেনের অণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হাইড্রোজেনের অণু
ব্যাখ্যা
হাইড্রোজেনের একটি অণুকে প্রকাশ করতে H2 ব্যবহার করা হয়। যার অর্থ হলাে একটি হাইড্রোজেনের অণুতে দুটি হাইড্রোজেনের পরমাণু (H) আছে।
৭,৫৬৪.
মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ সম্পর্কিত সূত্র প্রদান করেন কে?
  1. স্টিফেন হকিং
  2. এডুউন হাবল
  3. জি. লেমেটার
  4. জন হেস এবং ডি. কার্ল
সঠিক উত্তর:
এডুউন হাবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এডুউন হাবল
ব্যাখ্যা

- ১৯২৯ সালে বিজ্ঞানী এডুইন হাবল তাঁর দীর্ঘ নয় বছরের পর্যবেক্ষণের ফলাফল পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, মহাবিশ্ব অত্যন্ত দ্রুত গতিতে সম্প্রসারিত হচ্ছে।
- তাঁর এই সিদ্ধান্তকে তিনি একটি সূত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করেন। এটি হাবলের সূত্র নামে পরিচিত।
সূত্রটি হলো-
- গ্যালাক্সিসমূহ নিজেরা এবং পৃথিবী হতে দ্রুতগতিতে দূরে সরে যাচ্ছে এবং গ্যালাক্সিগুলোর মধ্যে দূরত্ব যতো বেশি, পরস্পর থেকে দূরে সরে যাওয়ার বেগও তত বেশি।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৭,৫৬৫.
'On the Origin of Species' বইটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ক) ১৮৫৮
  2. খ) ১৮৫৯
  3. গ) ১৮৫৭
  4. ঘ) ১৮৬১
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮৫৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮৫৯
ব্যাখ্যা

On the Origin of Species, published on 24 November 1859, is a work of scientific literature by Charles Darwin that is considered to be the foundation of evolutionary biology.
Darwin's book introduced the scientific theory that populations evolve over the course of generations through a process of natural selection.
Source: Britannica.com

৭,৫৬৬.
স্থায়ী চুম্বক তৈরিতে লোহার মধ্যে কার্বনের ন্যুনতম সংযুক্তি কত শতাংশ?
  1. ক) ০.০৮%
  2. খ) ০.৮০%
  3. গ) ৮.০%
  4. ঘ) ০.০৮৮%
সঠিক উত্তর:
খ) ০.৮০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ০.৮০%
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম চুম্বক: কৃত্রিম চুম্বক দুই ধরনের হয়।
১. অস্থায়ী বা কোমল চুম্বক
২. স্থায়ী বা কঠিন চুম্বক

অস্থায়ী চুম্বক:
চৌম্বক পদার্থকে কোন চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে আনলে সেটি চুম্বকে পরিণত হয়। চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত হবার সাথে সাথে যে কৃত্রিম চুম্বকের মত চুম্বকত্ব বিলুপ্ত হয় তাকে অস্থায়ী চুম্বক বলে। মোটর, জেনারেটর, ট্রান্সফর্মার ইত্যাদি তৈরিতে অস্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয়।

স্থায়ী চুম্বক:
চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত করলেও যে কৃত্রিম চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে বিলুপ্ত হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে। স্থায়ী চুম্বক দুই ধরনের হয়- সংকর চুম্বক ও সিরামিক চুম্বক। টেপরেকর্ডার ও কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় সিরামিক চুম্বক বহুল ব্যবহৃত হয়।

লোহার মধ্যে ০.৮% এর বেশি কার্বন থাকলে তা স্থায়ী চুম্বক তৈরি করে। 

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৫৬৭.
রক্তের লাল রঙের জন্য কোন পদার্থ দায়ী? 
  1. প্লাজমা 
  2. হিমোগ্লোবিন 
  3. লিউকোসাইট 
  4. প্লেটলেট 
সঠিক উত্তর:
হিমোগ্লোবিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমোগ্লোবিন 
ব্যাখ্যা

রক্ত: 
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা। 
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা। 
- মানুষের শরীরের রক্তরসের ৯১ - ৯২% পানি এবং ৮ -৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ। 
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। 
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%। 
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের। 
- রক্তের রসে লাল রঙের হিমোগ্লোবিন নামে লৌহ-ঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রঙ লাল হয়। 
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে। 
- তবে কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে ফুসফুসে পরিবাহিত হয়, তবে কার্বন ডাই-অক্সাইডের সিংহভাগ বাইকার্বনেট আয়ন হিসেবে রক্ত দ্বারা ফুসফুসে পরিবাহিত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৫৬৮.
A device which converts chemical energy into electrical energy is called?
  1. Generator
  2. Motor
  3. Transformer
  4. Battery
  5. Capacitor
সঠিক উত্তর:
Battery
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Battery
ব্যাখ্যা

• রাসায়নিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করার প্রক্রিয়াটি মূলত ব্যাটারি বা তড়িৎকোষের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এতে থাকা ইলেকট্রোলাইট এবং ইলেকট্রোডগুলোর মধ্যে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া ঘটে ইলেকট্রন প্রবাহ তৈরি করে।
- ব্যাটারি ছাড়াও ফুয়েল সেল একই নীতিতে কাজ করে যেখানে রাসায়নিক উপাদানের বিক্রিয়ায় নিরবিচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।

• ব্যাটারি:
- ব্যাটারি বলতে একাধিক কোষের (Cell) সমন্বয়কে বুঝানো হয়। 
- একটি তড়িৎ ব্যাটারি বলে উল্লেখ করলেও প্রকৃতপক্ষে ব্যাটারি হলো একাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয়। 
- ব্যাটারি সেলে ব্যবহারের জন্য তড়িৎ শক্তি জমা থাকে। 
- ব্যাটারিতে সাধারণত তিনটি অংশ থাকে। যেমন- একটি অ্যানোড, একটি ক্যাথোড এবং মাঝখানে থাকে ইলেকট্রোলাইট। 
- ব্যাটারি সেলের বিভব পার্থক্য সবসময় সমান থাকে বলে এগুলোকে ডিসি সাপ্লাই বলা হয়। 
- আমাদের বাসায় যে বৈদ্যুতিক সাপ্লাই দেওয়া হয়, সেগুলো প্রতি সেকেন্ডে ৫০বার ধনাত্মক থেকে ঋনাত্মক বিভবে পরিবর্তিত হয় বলে সেগুলোকে এসি (Alternating Current) বলা হয়। 
- একটি সাধারন ব্যাটারি সেলে বিভব পার্থক্য মাত্র ১.৫V।
- সেই তুলনায় আমাদের বাসার বিদ্যুৎ সাপ্লাই ২২০V। 
- আবার ২২০V সাপ্লাই থেকে অনেক বড় ইলেকট্রিক শক খাওয়া সম্ভব এবং এই ইলেকট্রিক শকের কারণে শরীরের ভেতর দিয়ে যথেষ্ট বিদ্যুৎ প্রবাহ হয় বলে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৭ সংস্করণ]।

৭,৫৬৯.
এক রক্তদান শিবিরে আপনি যদি 250 ml রক্তদান করেন তাহলে আপনার শরীরের মোট রক্তের শতকরা কত ভাগ রক্ত নেয়া হবে?
  1. ক) ৫%
  2. খ) ৮%
  3. গ) ৭%
  4. ঘ) ৪%
সঠিক উত্তর:
ক) ৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫%
ব্যাখ্যা

গড়ে একজন মানুষের শরীরে ৫ লিটার বা ৫০০০ মি.লি. রক্ত থাকে। 
রক্ত দান শিবিরে কেউ ২৫০  মি.লি. রক্ত দান করলে সে তার শরীরের শতকরা = ২৫০×১০০/৫০০০ = ৫% রক্ত নেয়া হবে। 

৭,৫৭০.
রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় নিচের কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) 32p
  2. খ) 60Co
  3. গ) 30p
  4. ঘ) 39q
সঠিক উত্তর:
ক) 32p
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 32p
ব্যাখ্যা
ক্যান্সার:

- সর্বপ্রথম থাইরয়েড ক্যান্সার নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
- রোগীকে পরিমাণমতো তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ 131 I সমৃদ্ধ দ্রবণ পান করানো হয়।
- এই আইসোটোপ থাইরয়েডে পৌঁছায়।
- এ আইসোটোপ থেকে বিটা রশ্মি নির্গত হয় এবং থাইরয়েডের ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করে।
- ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্রেইন ক্যান্সার নিরাময়ে ব্যবহার করা হয়।
- টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ 60Co ব্যবহার করা হয়। 
- 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি ক্যান্সারের কোষকলাকে ধ্বংস করে।
- রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় 32p এর ফসফেট ব্যবহার করা হয়।

তথ্যসূত্র - রসায়ন বিজ্ঞান, নবম শ্রেণি।
৭,৫৭১.
Na + Cl  → NaCl এই বিক্রিয়ায় জারক কে?
  1. Na
  2. Cl
  3. Na+
  4. Cl-
সঠিক উত্তর:
Cl
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cl
ব্যাখ্যা
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া:
- জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
- যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
- জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়, বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।
- জারণ - বিজারণ বিক্রিয়া একটি যুগপৎ বিক্রিয়া।

Na + Cl  → NaCl
জারণ অর্ধবিক্রিয়া Na → Na+ + e (ইলেকট্রন দান বা জারণ)।
বিজারণ অর্ধবিক্রিয়াCl + e → Cl- (ইলেকট্রন গ্রহণ বা বিজারণ)।

জারণ = ইলেক্ট্রন ত্যাগ, অর্থাৎ সোডিয়ামের ইলেক্ট্রন ছাড়া হলো জারণ বিক্রিয়া।
জারক = ইলেক্ট্রন গ্রহণ করে যে, এখানে ক্লোরিন ইলেক্ট্রন গ্রহণ অরেছে।
বিজারণ = ইলেক্ট্রন গ্রহণ, এখানে ক্লোরিনের ইলেক্ট্রন গ্রহন করা বিজারন বিক্রিয়া।
বিজারক = ইলেক্ট্রন ত্যাগ, এখানে সোডিয়াম ইলেক্ট্রন ত্যাগ করেছে।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই।
৭,৫৭২.
অর্ধপরিবাহী পদার্থ অন্তরকের ন্যায় কাজ করে কোন তাপমাত্রায়?
  1. ক) 100°C
  2. খ) 273K
  3. গ) - 273K
  4. ঘ) 0K
সঠিক উত্তর:
ঘ) 0K
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 0K
ব্যাখ্যা
অর্ধপরিবাহী:
- যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি সেসব পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গেলিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী পদার্থ। 

অর্ধপরিবাহীর বৈশিষ্ট্য:
১। পরম শূন্য তাপমাত্রায় (0K) এরা অন্তরকের ন্যায় কাজ করে। 
২। কক্ষ তাপমাত্রায় সাধারণত আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm  এর মধ্যে থাকে। 
৩। অর্ধপরিবাহীর সাথে কোনো অপদ্রব্য যোগ করলে এর তড়িৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়। 
৪ । একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পোঁছা পর্যন্ত এর রোধ তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে হ্রাস পায়। 
৫। এদের পরিবহন ব্যান্ড ও যোজন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তি পার্থক্য 1.1 eV বা এর চেয়ে কম। 
৬। কক্ষ তাপমাত্রায় অর্ধপরিবাহীর পরিবহন ব্যান্ড আংশিক পূর্ণ ও যোজন ব্যান্ড আংশিক খালি থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৭৩.
দূষিত বাতাসের কোন গ্যাসটি মানবদেহে রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা খর্ব করে?
  1. কার্বন ডাইঅক্সাইড
  2. কার্বন মনোক্সাইড
  3. নাইট্রিক অক্সাইড
  4. সালফার ডাইঅক্সাইড
সঠিক উত্তর:
কার্বন মনোক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন মনোক্সাইড
ব্যাখ্যা
কার্বন মনোক্সাইড: 
দূষিত বাতাসে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসটি মানবদেহে রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা নষ্ট করে
- কার্বন মনোক্সাইড (Carbon Monoxide) এর রাসায়নিক সংকেত হলো CO যা একপ্রকার রঙ, গন্ধ এবং স্বাদহীন গ্যাস, যার ঘনত্ব বাতাসের তুলনায় কিছুটা কম। 
- এক পরমাণু কার্বন ও এক পরমাণু অক্সিজেন যুক্ত হয়ে এক অণু কার্বন মনোক্সাইড গঠন করে। 
- আন্তর্জাতিকভাবে এটি বিষাক্ত গ্যাস হিসেবে চিহ্নিত। 
- কার্বন মনোক্সাইড বিষক্রিয়ায় মানবদেহে যে সকল সমস্যা দেখা দিতে পারে- 
• দুর্বলতা, 
• বমি বমি ভাব, 
• মাথা ঘোরানো, 
• ক্লান্তি, 
• ক্ষুধা, 
• মাথা ব্যাথা, 
• অজ্ঞান হওয়া, 
• খিঁচুনি ইত্যাদি। 

উৎস: Centers of Disease Control and Prevention website [লিঙ্ক]।
৭,৫৭৪.
নিচের কোনটি সম্পূর্ণ ফুলের উদাহরণ?
  1. ক) কুমড়া
  2. খ) লাউ
  3. গ) গোলাপ
  4. ঘ) ঝিঙ্গা
সঠিক উত্তর:
গ) গোলাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গোলাপ
ব্যাখ্যা

- একটি আদর্শ ফুলের পাঁচটি অংশ থাকে। যথাঃ পুষ্পাক্ষ, বৃতি, দলমন্ডল, পুংস্তবক এবং স্ত্রীস্তবক।
- যে ফলে এই পাঁচটি স্তবকই উপস্থিত থাকে তাকে সম্পূর্ণ ফুল বলে। যেমনঃ জবা, ধুতুরা, সরিষা, গোলাপ ইত্যাদি।
- এই ৫টির যেকোনো একটি স্তবক না থাকলে সে ফুলকে অসম্পূর্ণ ফুল বলে। যেমনঃ লাউ, কুমড়া, ঝিঙ্গা, লালপাতা ইত্যাদি।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।

৭,৫৭৫.
নদীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় সঞ্চিত জলরাশিতে কোন শক্তি জমা হয়?
  1. স্থিতি শক্তি
  2. গতি শক্তি
  3. ঘর্ষণ শক্তি
  4. যান্ত্রিক শক্তি
সঠিক উত্তর:
স্থিতি শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থিতি শক্তি
ব্যাখ্যা
জলবিদ্যুৎ

- পানি নবায়নযোগ্য শক্তির অন্যতম উৎস।
- পানির স্রোত ও জোয়ার-ভাটাকে ব্যবহার করে শক্তির উৎপাদন করা যায়।
- পানির স্রোতে আছে গতি শক্তি ও বিভব শক্তি। পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা যায়। একে জলবিদ্যুৎ বলা হয়।
- নদীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় জলরাশিতে জমা হয় স্থিতিশক্তি, কিন্তু যে শক্তি কাজে লাগানাে হয় তা হলাে গতিশক্তি।
- পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাাদন পৃথিবীতে খুবই জনপ্রিয়।
- বাংলাদেশে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইতে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র আছে।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৭৬.
টেট্রাসাইক্লিন এন্টিবায়োটিক উৎপাদনে কোন অণুজীবটি ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) Penicillium sp
  2. খ) Streptomyces griseus
  3. গ) Streptomyces rimosus
  4. ঘ) Streptomyces fradic
সঠিক উত্তর:
গ) Streptomyces rimosus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Streptomyces rimosus
ব্যাখ্যা
অনুজীব দ্বারা তৈরি বিভিন্ন এন্টিবায়োটিক:
- Penicillium sp - পেনিসিলিন।
- Streptomyces griseus - স্ট্রেপটোমাইসিন।
- Streptomyces rimosus - ট্রেট্রাসাইক্লিন। 
- Bacillus polymyxa - পলিমিক্সন।
- Streptomyces fradic - নিউমাইসিন।
৭,৫৭৭.
জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি কোনটি?
  1. অতিবেগুনি রশ্মি
  2. আলফা রশ্মি
  3. বিটা রশ্মি
  4. গামা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা

গামা রশ্মি:
- গামা রশ্মি প্রায় কয়েক সেন্টিমিটার পর্যন্ত সীসা ভেদ করতে পারে।
- আলট্রাভায়োলেট বা অতিবেগুনি রশ্মি সূর্য থেকে আসে যা তেজস্ক্রিয় রশ্মি থেকে কম ক্ষতিকর।
- জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি হলো গামা রশ্মি।
- গামা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা অন্যান্য তেজস্ক্রিয় রশ্মি আলফা ও বিটা রশ্মির চেয়ে অনেক বেশি।
- গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম হওয়ায় এর ভেদন ক্ষমতাও সবচেয়ে বেশি।
- পারমাণবিক বিস্ফোরণে গামা রশ্মি নির্গত হয়।
- বিটা ও আলফা রশ্মি গামা রশ্মির তুলনায় কম ক্ষতিকর।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট।

৭,৫৭৮.
প্লাজমা কী?
  1. রক্তের কঠিন অংশ।
  2. রক্তের তরল অংশ।
  3. হাড়ের তরল ।
  4. মজ্জার উপাদান।
সঠিক উত্তর:
রক্তের তরল অংশ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তের তরল অংশ।
ব্যাখ্যা
প্লাজমা বা রক্তরস হল রক্তের একটি তরল উপাদান। রক্তের দুইটি উপাদান হলো রক্তরস ও রক্তকণিকা। 
রক্তরস রক্তের মোট আয়তনের প্রায় ৫৫% অংশ নিয়ে গঠিত এবং এতে প্রধানত পানি (৯০-৯২%), পাশাপাশি বিভিন্ন দ্রবীভূত পদার্থ থাকে।

রক্তরসের উপাদান:
পানি : রক্তের প্রধান উপাদান ও  মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।

প্রোটিন (Plasma Proteins): অ্যালবুমিন, গ্লোবিউলিন, ফাইব্রিনোজেন, প্রোথ্রম্বিন প্রভৃতি প্রোটিন থাকে।  

- গ্লুকোজ ও অ্যামিনো অ্যাসিড: কোষের শক্তির উৎস

ইলেকট্রোলাইট: সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি – কোষীয় কার্যকলাপে সহায়তা করে

- হরমোন ও এনজাইম: শরীরের বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়

- বর্জ্য পদার্থ: যেমন: ইউরিয়া, কার্বন ডাই-অক্সাইড – এগুলো রেচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেহ থেকে বের হয়
  
• রক্তরস বা প্লাজমার কাজ:
- কোষগুলিকে ভেসে থাকতে সহায়তা করে (RBC, WBC, Platelets)। 
- পুষ্টি, হরমোন ও বর্জ্য পরিবহন করে। 
- অসুখে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। 
- রক্তচাপ ও pH ভারসাম্য রক্ষা করে। 
- জমাট বাঁধার উপকরণ সরবরাহ করে (ফাইব্রিনোজেন)। 

তথ্যসূত্র: 
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; গাজী আজমল।
৭,৫৭৯.
পানিতে কত শতাংশ কার্বন ডাই অক্সাইড রয়েছে?
  1. 0.03%
  2. 0.003%
  3. 0.3%
  4. 0.0003%
সঠিক উত্তর:
0.3%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0.3%
ব্যাখ্যা
- জলজ উদ্ভিদ পানিতে দ্রবীভূত CO2 গ্রহণ করে। 
- CO2 বায়ুমণ্ডলে 0.03% এবং পানিতে 0.3%  আছে, তাই জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি।
- অক্সিজেন এবং পানি সালোকসংশ্লেষণের উপজাত দ্রব্য (by-product)। এটি একটি জারণ-বিজারণ প্রক্রিয়া (oxldation-reduction process)। 
- এ প্রক্রিয়ায় H2O জারিত হয় এবং CO2 বিজারিত হয়।
 
উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, জীববিজ্ঞান। 
৭,৫৮০.
ক্ষমতার ক্ষেত্রে কোন সম্পর্কটি সঠিক?
  1. ক্ষমতা = বল × সরণ
  2. ক্ষমতা = ভর × বেগ 
  3. ক্ষমতা = বল × বেগ
  4. ক্ষমতা = ত্বরণ × বেগ
সঠিক উত্তর:
ক্ষমতা = বল × বেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষমতা = বল × বেগ
ব্যাখ্যা
ক্ষমতা (Power): 
- ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। 
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়। 
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
ক্ষমতা, P = (সম্পন্ন কাজ/প্রয়োজনীয় সময়) 
বা, P = (বল × সরণ)/সময় 
বা, P = বল × বেগ 
ক্ষমতা = বল × বেগ 
বা, P = Fv 
অর্থাৎ, কোন যন্ত্রে F পরিমাণ বল প্রয়োগের ফলে যন্ত্রটি যদি বলের দিকে v বেগ প্রাপ্ত হয় তবে বল এবং বেগের গুণফল হবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা। 

- ক্ষমতার এস. আই একক ওয়াট। 
- অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়। 
- 1 H. P = 746 W 
- ক্ষমতার মাত্রা ML2T-3

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৮১.
শব্দ তরঙ্গের বেগ কোন কোন উপাদানের উপর নির্ভর করে? 
  1. তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও ব্যাস
  2. তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা
  3. চাপ ও ঘনত্ব
  4. সময় ও তরঙ্গের রঙ
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা
ব্যাখ্যা
শব্দ তরঙ্গ (Sound Wave): 
- শব্দ তরঙ্গ তৈরি করতে তার একটা উৎসের দরকার, সেটাকে প্রবাহিত করার জন্য একটা মাধ্যমের দরকার এবং সেই শব্দ গ্রহণ করার জন্য কোনো এক ধরনের রিসিভার দরকার। 
- চারপাশে অসংখ্য শব্দের উৎস রয়েছে যার মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত উৎস মানুষের কণ্ঠ; সেখানে যে ভোকাল কর্ড আছে তার ভেতর দিয়ে বাতাস বের হওয়ার সময় সেখানে যে কম্পন হয় সেটা দিয়ে শব্দ তৈরি হয়। কথা বলার সময় যদি গলায় স্পর্শ করা হয়, তাহলে সেই কম্পন অনুভব করতে পারা যায়। 

শব্দ তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: 
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ কারণ বস্তুকণার কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয় এবং সেটি সঞ্চালনের জন্যও একটি স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়। 
- শব্দ একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারণ এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক এবং মাধ্যমের কণার কম্পনের দিক এক। 
- শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। 
- বায়বীয় মাধ্যমে এর বেগ কম, তরলে তার চেয়ে বেশি, কঠিন পদার্থে আরো বেশি। 
- শব্দের বেগ মাধ্যমের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার উপরও নির্ভর করে। 
- অন্যান্য তরঙ্গের মতো, শব্দ তরঙ্গের তীব্রতাও তার বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, শব্দ তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয় এবং তরঙ্গের বিস্তার কম হলে শব্দের তীব্রতা কম হয়। 
- অন্যান্য যেকোনো তরঙ্গের মতোই শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলন, প্রতিসরণ এবং উপরিপাতন হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৫৮২.
পানির অপেক্ষা সোনা কতগুণ ভারি?
  1. ১৭ গুণ
  2. ১৮ গুণ
  3. ১৯ গুণ
  4. ২০ গুণ
সঠিক উত্তর:
১৯ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ গুণ
ব্যাখ্যা
- এটি খুব ঘন।
- যদি পানির ঘনত্ব 1 g/cc হয় তাহলে সোনার ঘনত্ব পানির চেয়ে 19.3 গুণ বেশি।
- প্রতি গ্যালনে পানির ওজন প্রায় ৮.৩ পাউন্ড।
- তাই সোনার ওজন 19.3 গুণ বেশি বা (19.3 x 8.3 পাউন্ড) প্রতি গ্যালনে প্রায় 160 পাউন্ড। 
- পানি অপেক্ষা সোনা 19 গুণ ভারী। 
- তামা পানি অপেক্ষা 9 গুণ ভারী। 
৭,৫৮৩.
পারমাণবিক চুল্লিতে গ্রাফাইটের ব্যবহারের উদ্দেশ্য কী?
  1. তাপমাত্রা বৃদ্ধি
  2. বিক্রিয়াশীলতা বাড়ানোর জন্য
  3. ইলেকট্রোলাইট হিসেবে
  4. নিউটনের গতি হ্রাসের জন্য মন্থরক হিসেবে
সঠিক উত্তর:
নিউটনের গতি হ্রাসের জন্য মন্থরক হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউটনের গতি হ্রাসের জন্য মন্থরক হিসেবে
ব্যাখ্যা

কার্বন:
- কার্বনের দানাদার রূপভেদ হল গ্রাফাইট ও ডায়মন্ড বা হীরক।
- কার্বনের অদানাদার রূপভেদ হল কোক কার্বন, চারকোল, কয়লা ও কার্বন ব্ল্যাক।
- কার্বনের ক্যাটেনেশন বা পরমাণু যুক্ত হয়ে চেইন, বলয় গঠনের ক্ষমতা সর্বাধিক।

গ্রাফাইটের ব্যবহার:
- কাঠ পেন্সিলের শীষ হিসেবে গ্রাফাইট প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয়।
- বিদ্যুৎ পরিবাহী বলে গ্রাফাইটের বিভিন্ন ধরনের ব্যবহার বিদ্যমান।
- তন্মধ্যে শুষ্ক ব্যাটারির পজিটিভ দণ্ড হিসেবে এবং গ্রাফাইটের গুঁড়া ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইডের সাথে মিশ্রণ হিসেবে ব্যবহার উল্লেখযোগ্য।
- এছাড়া বৈদ্যুতিক চুল্লিতে ইলেকট্রোডরূপে ও ইলেকট্রোটাইপ তৈরিতে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়।
- গ্রাফাইট অতি উচ্চ তাপমাত্রায় জ্বলে ও গলে বলে ধাতু ক্রুসিবল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- পারমাণবিক চুল্লিতে নিউটনের গতি হ্রাসের জন্য মন্থরক হিসেবে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।

৭,৫৮৪.
কোন বস্তুর বেগ দ্বিগুণ হলে এর ভরবেগ কত গুণ বৃদ্ধি পাবে?
  1. ক) দ্বিগুণ
  2. খ) চারগুণ
  3. গ) আটগুণ
  4. ঘ) নয়গুণ
সঠিক উত্তর:
ক) দ্বিগুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দ্বিগুণ
ব্যাখ্যা

ভরবেগ হলো কোনো গতিশীল বস্তুর ভর ও বেগের গুণফল।
তাই বস্তুর বেগ দ্বিগুণ হলে এর ভরবেগও দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে।

৭,৫৮৫.
মানুষের লালায় কোন ধরনের এনজাইম থাকে? 
  1. লাইপেজ
  2. টায়ালিন
  3. ট্রিপসিন
  4. গ্লুকাগন
সঠিক উত্তর:
টায়ালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টায়ালিন
ব্যাখ্যা

খাদ্য পরিপাক ক্রিয়া: 
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় মানুষের পৌষ্টিক নালির অভ্যন্তরে জটিল, অদ্রবণীয়, অশোষণযোগ্য খাদ্য উপাদানগুলো নির্দিষ্ট উৎসেচক বা এনজাইম এবং প্রাণরস বা হরমোনের উপস্থিতিতে বিশ্লেষিত হয়ে শোষণযোগ্য এবং দ্রবণীয় সরল উপাদানে পরিণত হয়, তাকে পরিপাক বলে।
- এ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রথমত সরল দ্রবণীয় অবস্থায় রূপান্তরিত হয় এবং পরবর্তী সময়ে কোষ আবরণীর ভিতর দিয়ে অতি সহজে কোষের ভিতরে প্রবেশ করে।
- সবশেষে রক্ত এই পরিপাককৃত সরল উপাদানগুলোকে দেহের বিভিন্ন অংশে সরবরাহ করে। 

মুখে পরিপাক: 
- মুখগহ্বরে দাঁত ও জিহ্বার সাহায্যে খাদ্য চিবানোর ফলে খাদ্যবস্তু ছোট ছোট টুকরোয় পরিণত হয়।
- এ সময় লালাগ্রন্থি থেকে লালা নিঃসৃত হয়ে খাদ্যের সাথে মিশে যায়। লালা খাদ্যবস্তুকে গলাধঃকরণে সাহায্য করে।
- লালায় টায়ালিন বা স্যালাইভারি অ্যামাইলেজ নামক উৎসেচক বা এনজাইম থাকে
- এটি অ্যামাইলেজ নামেও পরিচিত এবং শর্করা হজমের প্রাথমিক ধাপে সহায়তা করে।
- এটি শ্বেতসারকে মলটোজে পরিণত করে।
- মুখগহ্বরে আমিষ বা স্নেহজাতীয় খাদ্যের কোনোরূপ পরিবর্তন হয় না।
- মুখগহ্বর থেকে খাদ্যদ্রব্য পেরিস্টালসিস (Peristalsis) প্রক্রিয়ায় অন্ননালির মধ্য দিয়ে পাকস্থলীতে প্রবেশ করে।
- পৌষ্টিক নালিগাত্রের পেশির পর্যায়ক্রমিক সংকোচন ও প্রসারণের ফলে খাদ্যদ্রব্য সামনের দিকে অগ্রসর হয়।
- অন্ননালিতে খাদ্যের কোনো পরিপাক ঘটে না। 

অন্যদিকে, 
- ট্রিপসিন প্রোটিন হজমকারী এনজাইম।
- লাইপেজ একটি চর্বি হজমকারী এনজাইম।
- গ্লুকাগন একটি হরমোন যা লিভারে গ্লুকোজ উৎপন্ন করার জন্য কাজ করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৫৮৬.
পাটের জিনোম আবিষ্কারকের নাম কী?
  1. ড. রফিকুল ইসলাম
  2. ড. গোলাম মোস্তফা
  3. ড. মাকসুদুল আলম
  4. ড. এম আর খান
সঠিক উত্তর:
ড. মাকসুদুল আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মাকসুদুল আলম
ব্যাখ্যা
• পাটের জীবন রহস্য:
- ২০১০ সালে পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করে বাংলাদেশি বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে একটি গবেষণাদল।
- প্রথমে তোষা পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কৃত হয়।
- ২০১৩ সালে মাকসুদুল আলম দ্বিতীয় ধাপে দেশি পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করেন।
- যার মাধ্যমে প্রাণী বা উদ্ভিদের জেনেটিক (জন্মগত) বৈশিষ্ট্যের বিন্যাস বা নকশা জানা যায়।
- ২০১২ সালে পাটের জন্য ক্ষতিকর ম্যাক্রোফমিনা ফাসিওলিনা নামের এক ধরনের ছত্রাকের জিনোম সিকোয়েন্স জীবনরহস্য উন্মোচন করা।
- যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই ইউনিভার্সিটির অণুজীববিজ্ঞানের অধ্যাপক ছিলেন মাকসুদুল আলম।
- ২০০৮ সালে এই গবেষণার সূত্রপাত হয়। স্বপ্নযাত্রা নামে এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ১১ জন গবেষক ও ২০ জন তথ্য-প্রযুক্তিবিদ।

উৎস: বিবিসি নিউজ রিপোর্ট এবং কালের কণ্ঠ নিউজ রিপোর্ট, ১৯ জানুয়ারি ২০১১।
৭,৫৮৭.
কঠিন পদার্থের অণুগুলোর আন্তঃআণবিক দূরত্ব কম তাই তাদের আন্তঃআণবিক শক্তি ____।
  1. ক) কম
  2. খ) বেশি
  3. গ) নেই
  4. ঘ) গ্যাসীয় পদার্থের আন্তঃআণবিক শক্তির সমান।
সঠিক উত্তর:
খ) বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বেশি
ব্যাখ্যা
কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের বেলায় আন্তঃআণবিক দূরত্ব সবচেয়ে কম এবং আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সর্বাধিক থাকে।
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি ও আয়তন থাকে।
- যেহেতু তাপমাত্রা বাড়লে আন্তঃআণবিক দূরত্ব কিছুটা বাড়ে ও অণুর কম্পন বাড়ে; সেহেতু তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে কঠিন পদার্থের আয়তন কিছুটা বাড়ে, তবে এ বৃদ্ধি খুবই কম।

 তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ ও অণুর স্থানান্তর গতি প্রায় সমান থাকে।
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি নেই।
- যেহেতু তাপমাত্রা বাড়ালে অণুসমূহের স্থানান্তর, আবর্তন ও কম্পন গতি বৃদ্ধি পায়, তাই তরল পদার্থের আয়তনও তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে বাড়ে।
- কিন্তু এক্ষেত্রেও আয়তন বৃদ্ধি খুব বেশি নয়; কেননা, তিন প্রকার গতি বৃদ্ধি পেলেও কণাসমূহ পরস্পরের যথাসম্ভব সন্নিকটে অবস্থান করে।

 গ্যাসীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় পদার্থের বেলায় আস্তঃআণবিক দূরত্ব সবচেয়ে বেশি ও আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সবচেয়ে কম থাকে।
- তখন অণুসমূহ অধিকতর কম্পন, আবর্তন ও স্থানাস্তর গতি সহকারে আন্তঃআণবিক আকর্ষণকে উপেক্ষা করে মুক্তভাবে চলাচল করে।
- তাই গ্যাসের নির্দিষ্ট আকৃতি ও আয়তন নেই।
- যেহেতু অণুসমূহ আর পরস্পরের নিকটে থাকে না, সেহেতু গ্যাসীয় অবস্থায় পদার্থের আয়তন কঠিন বা তরল অবস্থা থেকে অনেক বেশি হয়।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
৭,৫৮৮.
বাংলাদেশে কয়টি ভূ-কম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র আছে?
  1. ক) ৮ টি
  2. খ) ১০ টি
  3. গ) ০২ টি
  4. ঘ) ০৪ টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ০৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ০৪ টি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশে ভূ-কম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে মোট ৪টি। যথা : ঢাকা, চট্রগ্রাম, রংপুর ও সিলেট।
৭,৫৮৯.
১০০ ওয়াট-এর একটি বৈদ্যুতিক বাল্ব ১ ঘন্টা চললে কত শক্তি ব্যয় হয়?
  1. ১০০ জুল
  2. ৬০ জুল
  3. ৬০০০ জুল
  4. ৩৬০০০০ জুল
সঠিক উত্তর:
৩৬০০০০ জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০০০০ জুল
ব্যাখ্যা
এক ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কোনাে তড়িৎ যন্ত্রে মধ্যে দিয়ে এক ঘণ্টা ধরে তড়িৎ প্রবাহিত হলে যে পরিমাণ তড়িৎ শক্তি অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয় (যেমন বাতি জ্বললে আলােক শক্তি বা পাখা ঘুরালে যান্ত্রিক শক্তি পাওয়া যায়) সেটি হচ্ছে এক ওয়াট-ঘণ্টা।
১ ওয়াট-ঘণ্টা = ১ ওয়াট x ১ ঘণ্টা
অনেক সময় ওয়াট ঘণ্টার পরিবর্তে কিলােওয়াট ঘণ্টাও ব্যবহার করা হয়।

এক কিলােওয়াট ঘণ্টা কতটুকু শক্তি সেটাও বের করা যায়।
১ কিলােওয়াট-ঘণ্টা = ১০০০ ওয়াট x ৩৬০০ সেকেন্ড
= ৩,৬০,০০০০ ওয়াট-সেকেন্ড
= ৩,৬০,০০০০ জুল
অর্থাৎ শক্তির এককে এটি ৩.৬ মেগা জুল।

অর্থাৎ,
১০০o ওয়াট-এর একটি বৈদ্যুতিক বাল্ব ১ ঘন্টা চললে শক্তি ব্যয় হয় = ৩,৬০,০০০০ জুল
তাহলে, ১০০ ওয়াট-এর একটি বৈদ্যুতিক বাল্ব ১ ঘন্টা চললে শক্তি ব্যয় হয় = ৩,৬০,০০০ জুল

আন্তর্জাতিকভাবে, তড়িৎ সরবরাহকে কিলােওয়াট-ঘণ্টা এককে পরিমাপ করা হয়। এই একককে বাের্ড অব ট্রেড (BOT) ইউনিট বা সংক্ষেপে ইউনিট বলে। আমরা যে বিদ্যুৎ বিল পরিশােধ করি তা এই এককেই হিসাব করা হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, এনসিটিবি।
৭,৫৯০.
নিচের কোনটির মাধ্যমে স্থলজ উদ্ভিদ খনিজ শোষণ করে?
  1. মূলরোম
  2. পত্ররন্ধ্র
  3. জাইলেম
  4. ফ্লোয়েম
সঠিক উত্তর:
মূলরোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূলরোম
ব্যাখ্যা
• খনিজ লবণ শোষণ: 
- উদ্ভিদ দেহাভ্যন্তরে বিভিন্ন শারীরতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া সুসম্পন্ন করতে বিভিন্ন প্রকার খনিজ লবণের অংশগ্রহণ প্রয়োজন পড়ে। 
- সাধারণত দেহাভ্যন্তরে এগুলো তৈরি হয় না; বাইরে থেকে, বিশেষ করে মাটি থেকে এসব খনিজ লবণ শোষণ করে নিতে হয়।
- উদ্ভিদের শারীরিক পরিপূর্ণতার জন্য এগুলো আবশ্যকীয়। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে, উদ্ভিদের জন্য কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, সালফার (গন্ধক) 'সলিবডেনাম বোরন, নিকেল ও ক্লোরিন-এই অত্যাবশ্যকীয়।

• লবণ পরিশোষণ অঙ্গ :
- স্থলজ উদ্ভিদের মূলের অগ্রভাগের কোষ বিভাজন অঞ্চলের নব গঠিত কোষগুলোই লবণ পরিশোষণে অধিক কার্যক্ষম।
- মূলরোম দিয়েও কিছু লবণ পরিশোষিত হয়ে থাকে।
- ধারণা করা হয় যে, নিমজ্জিত জলজ উদ্ভিদের সব অঙ্গই লবণ পরিশোষণে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

• স্থলজ উদ্ভিদে পত্ররন্ধ্র, জাইলেম ও ফ্লোয়েম দ্বারা লবন শোষণ হয় না। বরং মূলরোম দিয়ে শোষন হয়। 
- পত্ররন্ধ্র দ্বারা গ্যাসীয় পরিবহন হয় এবং জাইলেম-ফ্লোয়েম হলো উদ্ভিদের পরিবহন টিস্যু। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৭,৫৯১.
বায়ুমণ্ডলের চাপের ফলে ভূগর্ভস্থ পানি লিফট পাম্পের সাহায্যে সর্বোচ্চ যে গভীরতা থেকে উঠানো যায়-
  1. ক) ১ মিটার
  2. খ) ১০ মিটার
  3. গ) ১৫ মিটার
  4. ঘ) ৩০ মিটার
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ মিটার
ব্যাখ্যা
Under ideal conditions the pressure of the air at sea level is enough to raise a column of water 10.3 m (34 ft) in a vertical pipe in which a perfect vacuum has been made.
Source: World Health Organization (WHO) Document on Pumps
৭,৫৯২.
বায়ুমণ্ডলে CO2-এর উপস্থিতি কত শতাংশ?
  1. ৭৮.০২%
  2. ২০.৭১%
  3. ০.০৩%
  4. ০.৮০%
সঠিক উত্তর:
০.০৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.০৩%
ব্যাখ্যা

• বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2)-এর পরিমাণ মোট গ্যাসের তুলনায় খুবই ছোট, তবে তা পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বায়ুমণ্ডলের প্রধান গ্যাস হলো নাইট্রোজেন, যার অংশ ৭৮.০২%, এবং অক্সিজেনের অংশ ২০.৭১%। CO2-এর পরিমাণ এই দুইটির তুলনায় খুব কম, মাত্র প্রায় ০.০৩%। অর্থাৎ, চারটি অপশনের মধ্যে সঠিক উত্তর হলো গ) ০.০৩%। যদিও CO2 মাত্রই থাকে, তাপ ধরে রাখার কারণে এটি গ্লোবাল ওয়ার্মিং ও জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়। মানুষের ক্রিয়াকলাপ যেমন জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো CO2-এর পরিমাণ বাড়াচ্ছে, যা পরিবেশের ভারসাম্যকে প্রভাবিত করছে।

বায়ুমণ্ডল: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ রয়েছে তাই হলো বায়ুমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Atmosphere। বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর অপরিহার্য অংশ। 
- বায়ুমণ্ডল মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে পৃথিবীর গায়ের সাথে লেগে থাকে এবং আবর্তন করে। তবে বায়ু কঠিন ভূমির সাথে সমানভাবে চলতে না পারায় সামান্য পশ্চাতে পড়ে থাকে। 
- বিজ্ঞানীগণের ধারণা, বায়ুমণ্ডলের বয়স প্রায় ৩৫০ কোটি বছর। 
- বায়ুমণ্ডল ভূ-অভ্যন্তরের নির্গত গ্যাস থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে মাত্র ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে বায়ুমণ্ডলের ৯০ শতাংশ অবস্থান করছে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত। 

বায়ুমণ্ডলের উপাদান: 
- বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন প্রকার গ্যাসীয় পদার্থ ও জলীয় বাষ্পের সংমিশ্রণে গঠিত। 
- বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুটি উপাদান হলো নাইট্রোজেন (৭৮.০২%) এবং অক্সিজেন (২০.৭১%), যা মোট উপাদানগুলোর প্রায় ৯৯%। অবশিষ্ট ১% অন্যান্য উপাদান। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলো প্রায় একই রকম থাকে যা সমমণ্ডল (Homosphere) নামে পরিচিত। 
- আর ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন এই ৯০ কিলোমিটারের ঊর্ধ্বে বায়ুমণ্ডলের যে অংশ রয়েছে সেখানে বিভিন্ন গ্যাসের অনুপাত সমান থাকে না বলে তাকে বিষমমণ্ডল (Heterosphere) বলে। 

• আয়তন অনুযায়ী বায়ুমণ্ডলে বিভিন্ন উপাদানের শতকরা পরিমাণ-
নাইট্রোজেন- ৭৮.০২%
অক্সিজেন- ২০.৭১%
আর্গন - ০.৮০%
কার্বন ডাই অক্সাইড- ০.০৩%
জলীয় বাষ্প- ০.৪১%
অন্যান্য গ্যাসসমূহ- ০.০২%
ধূলিকণা ও কণিকা- ০.০১%

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৫৯৩.
সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন থাকে নিচের কোনটিতে?
  1. পিতল
  2. কাঁসা
  3. ইস্পাত
  4. লোহা
সঠিক উত্তর:
ইস্পাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্পাত
ব্যাখ্যা
লোহার সাথে কার্বন, নিকেল ও ক্রোমিয়াম মিশিয়ে মরিচারোধী বা মরিচাবিহীন/স্টেইনলেস স্টিল (ইস্পাত) প্রস্তুত করা হয়।
- মরিচাবিহীন স্টিল লোহার চেয়ে বেশি শক্ত ও টেকসই হয়ে থাকে।
- ইস্পাত লোহা ও কার্বনের একটি সংকর ধাতু যাতে মান ভেদে মোট ওজনের ০.২% থেকে ২.১% কার্বন থাকে।
- এর অন্যান্য উপাদানের পরিমাণ - লােহা74%, ক্রোমিয়াম 18%, নিকেল ৪%
- রসায়ন শিল্পের বিক্রিয়ার পাত্র, ছুরি, কাঁচি, অস্ত্রোপচারের যন্ত্রপাতি ইত্যাদি তৈরিতে স্টেইনলেস স্টিল ব্যবহার করা হয়।

আরো কয়েকটি সংকর ধাতুর উপাদান:
- পিতল (ব্রাস): কপার 65%, জিংক 35%
- কাঁসা (ব্রোঞ্জ): কপার 90%, টিন 10%

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির রসায়ন বিজ্ঞান বই।
৭,৫৯৪.
সমুদ্রস্রোতের কারণ নয় কোনটি?
  1. অনিয়ত বায়ুপ্রবাহ
  2. নিয়ত বায়ুপ্রবাহ
  3. পৃথিবীর আহ্নিক গতি
  4. সমুদ্রের গভীরতার তারতম্য
সঠিক উত্তর:
অনিয়ত বায়ুপ্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিয়ত বায়ুপ্রবাহ
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রস্রোতের কারণ নয়- অনিয়ত বায়ুপ্রবাহ । 

সমুদ্রস্রোত (Ocean Currents): 

- সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণ বায়ুপ্রবাহ। 
- বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রের উপরিভাগের পানির সঙ্গে ঘর্ষণ (Friction) তৈরি করে এবং ঘর্ষণের জন্য পানিতে ঘূর্ণন (Gyre/spiral pattern) তৈরি করে। 
- সমুদ্রের পানি একটি নির্দিষ্ট গতিপথ অনুসরণ করে চলাচল করে, একে সমুদ্রস্রোত বলে। 
- সমুদ্রস্রোতকে উষ্ণতার তারতম্য অনুসারে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
(ক) উষ্ণ স্রোত: 
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে তাপমাত্রা বেশি হওয়ায় জলরাশি হালকা হয় ও হালকা জলরাশি সমুদ্রের উপরিভাগ দিয়ে পৃষ্ঠপ্রবাহরূপে শীতল মেরু অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়। এরূপ স্রোতকে উষ্ণ স্রোত (Warm currents) বলে। 

(খ) শীতল স্রোত: 
- মেরু অঞ্চলের শীতল ও ভারী জলরাশি জলের নিচের অংশ দিয়ে অন্তঃপ্রবাহরূপে নিরক্ষীয় উষ্ণমণ্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়। এরূপ স্রোতকে শীতল স্রোত (Cold currents) বলে। 

সমুদ্রস্রোতের কারণ: 
১। নিয়ত বায়ুপ্রবাহ: 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহই সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ। 
- এসব বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতের দিক ও গতি নিয়ন্ত্রণ করে। 
- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ুর প্রবাহ অনুযায়ী প্রধান সমুদ্রস্রোতগুলোর সৃষ্টি হয়। 

২। পৃথিবীর আহ্নিক গতি: 
- পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলে ফেরেলের সূত্র অনুসারে বায়ুপ্রবাহের মতো সমুদ্রজলও উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়। এর ফলে সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি হয়। 

৩। সমুদ্রজলের তাপমাত্রার পার্থক্য: 
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে উষ্ণমণ্ডলের সমুদ্রের জল বেশি উষ্ণ বলে তা জলের উপরের অংশ দিয়ে পৃষ্ঠপ্রবাহ বা বহিঃস্রোতরূপে মেরু অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়। 
- অন্যদিকে মেরু অঞ্চল থেকে শীতল ও ভারী জলরাশি জলের নিচের অংশ দিয়ে অন্তঃপ্রবাহ বা অন্তঃস্রোতরূপে নিরক্ষীয় উষ্ণমণ্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়। এইভাবে উষ্ণ ও শীতল সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি হয়। 

৪। মেরু অঞ্চলের সমুদ্রে বরফের গলন: 
- মেরু অঞ্চলের সমুদ্রে বরফ কিছু পরিমাণ গলে গেলে জলরাশি স্ফীত হয় ও সমুদ্রজলের লবণাক্ততার পরিমাণ হ্রাস পায়। এর ফলে সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি হয়। 

৫। সমুদ্রের গভীরতার তারতম্য: 
- সমুদ্রের গভীরতার তারতম্য অনুসারে তাপমাত্রার পার্থক্য হয়। 
- অগভীর সমুদ্রের জল দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উপরে ওঠে। তখন গভীরতর অংশের শীতল জল নিচে নেমে আসে। এজন্য ঊর্ধ্বগামী ও নিম্নগামী সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি হয়। 
- সমুদ্রের পৃষ্ঠে গতি সবচেয়ে বেশি। 
- সমুদ্রের ১০০ মিটার নিচ থেকে গতি কমতে থাকে। 

৬। সমুদ্রজলের লবণাক্ততার পার্থক্য: 
- সমুদ্রজলে লবণের পরিমাণ সর্বত্র সমান নয়। 
- অধিক লবণাক্ত জল বেশি ভারী বলে তার ঘনত্বও বেশি। 
- বেশি ঘনত্বের জল কম ঘনত্বের দিকে নিম্ন প্রবাহরূপে প্রবাহিত হয় ও সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি করে। 

৭। ভূখন্ডের অবস্থান: 
- সমুদ্রস্রোতের প্রবাহপথে কোনো মহাদেশ, দ্বীপ প্রভৃতি ভূখণ্ড অবস্থান করলে সমুদ্রস্রোত তাতে বাধা পেয়ে দিক ও গতিপথ পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়। 
- অনেক সময় এর প্রভাবে সমুদ্রস্রোত একাধিক শাখায় বিভক্ত হয়। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৫৯৫.
Hydra কোন অঙ্গের সাহায্যে খাদ্য গ্রহণ করে?
  1. শুঁড়
  2. সিলিয়া
  3. কর্ষিকা
  4. ফ্যারিংস
সঠিক উত্তর:
কর্ষিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ষিকা
ব্যাখ্যা

হাইড্রা:
- Hydra আবিষ্কার করেন আব্রাহাম ট্রেম্বলে।
- হাইড্রার নামকরণ করেন বিজ্ঞানী লিনিয়াস।
- বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রজাতির Hydra পাওয়া যায় তন্মধ্যে Hydra vulgaris সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়।
- কর্ষিকার সাহায্যে এরা খাদ্য গ্রহণ, দেহের সংকোচন, প্রসারণ ও চলাচল সম্পন্ন করে থাকে
- হাইড্রা ব্যাপন প্রক্রিয়ায় শ্বসন ও রেচন সম্পন্ন করে।
- মুকুলোদগম ও দ্বিবিভাজনের সাহায্যে অযৌন জনন এবং জননকোষ সৃষ্টি করে যৌন জনন সম্পন্ন করে।
- Hydra পুনরায় উৎপত্তি (regeneration) ক্ষমতা প্রাপ্ত।
- Hydra মিঠাপানির প্রাণী, এরা সাধারণত খাল, বিল, পুকুর, হ্রদ, ডোবা, ঝর্ণার পানিতে বাস করে।
- ঘোলা পানিতে এদের কম পাওয়া গেলেও পরিস্কার, অপেক্ষাকৃত শীতল এবং স্রোতহীন পানিতে এদেরকে তুলনামূলক বেশি পাওয়া যায়।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৫৯৬.
বিগ ব্যাং এর ফলে সৃষ্টি হয়েছে -
  1. ক) সময়
  2. খ) শক্তি
  3. গ) স্থান
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• অভ্যন্তরীণ বিপুল তাপ ও চাপের কারণে প্রচন্ড শব্দে ডিম্বাকার বস্তুর মহাবিস্ফোরণ ঘটে। এই বিস্ফোরণের ফলেই সৃষ্টি হয়েছিল আমাদের এই মহাবিশ্ব আর এটাই বিগ ব্যাং তত্ত্ব‌।
এর ফলে সৃষ্টি হয় সময়, স্থান, শক্তি ও পদার্থ।
• এর কারণে সৃষ্ট খণ্ডগুলো হলো- গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র, উল্কা, ধূমকেতু ইত্যাদির যা প্রতিনিয়ত পরস্পর থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।
• ১৯২৭ সালে এই তত্ত্ব প্রকাশ করে বিজ্ঞানী জি ল্যামেটার।
• এইজন্য তাকে বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা বলা হয়।
• বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ও ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং। তিনি একজন ব্রিটিশ পদার্থ বিজ্ঞানী।
৭,৫৯৭.
ব্ল্যাক বক্স কী?
  1. বিমানে রক্ষিত ফ্লাইট ডাটা রেকর্ডার
  2. কাঠের কালো বাক্স
  3. যাদুর বাক্স
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিমানে রক্ষিত ফ্লাইট ডাটা রেকর্ডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিমানে রক্ষিত ফ্লাইট ডাটা রেকর্ডার
ব্যাখ্যা
ব্ল্যাক বক্স:
- ব্ল্যাক বক্স একটি যন্ত্র যাতে বিমান উড্ডয়নের শুরু থেকে অবতরণ পর্যন্ত সমস্ত ঘটনা রেকর্ড করা থাকে।
- এটিকে বিমানের ‘ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডারও’ বলা হয়।
- নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ব্ল্যাক বক্স সাধারণত বিমানের পিছনের দিকে রাখা হয়।
- এটি টাইটানিয়াম ধাতু দিয়ে তৈরি ও একটি টাইটানিয়াম বাক্সে আবদ্ধ থাকে।
- ১৯৫৩-৫৪ সালে বিমান দুর্ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় একটি ডিভাইস তৈরি করার কথা ভাবা হয়েছিল যা বিমান দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে তথ্য দিতে পারে।
- প্রথম দিকে এটি লাল রঙের ছিল এবং ‘রেড এগ' নামে পরিচিত ছিল।
- ডিভাইসটির ভিতরের দেয়ালগুলি কালো রঙের ছিল, তাই পরবর্তীতে এটি ‘ব্ল্যাক বক্স’ নামে পরিচিত পায়।

উৎস: ৮ জানুয়ারি ২০২২, দৈনিক ইত্তেফাক। [link]
৭,৫৯৮.
নিচের কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করা যায়?
  1. পরিকল্পিত সেচ
  2. রাসায়নিক সার প্রয়োগ
  3. ভালোভাবে জমি কর্ষণ
  4. আগাছা পরিষ্কারকরণ
সঠিক উত্তর:
পরিকল্পিত সেচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিকল্পিত সেচ
ব্যাখ্যা
• লবণাক্ত অঞ্চলে ফসল উৎপাদন কৌশল:
• সেচ ও পানি নিষ্কাশন:
- জমির চারপাশে আইল দিয়ে ভারী সেচ দিলে মাটির দ্রবণীয় লবণ চুঁইয়ে ফসলের মূলাঞ্চলের নিচে চলে যায়।
- আবার মূলাঞ্চলের নিচ বরাবর গভীরতায় যদি নিষ্কাশন নালা তৈরি করে জমির পানি বের করে দেওয়া যায় তাহলে মূলাঞ্চলের নিচের লবণও ধুয়ে জমির বাইরে চলে যায়।
- এ অবস্থায় মাটিতে জো আসার সাথে সাথে জমি চাষ দিয়ে ফসল বুনতে হবে। হালকা বুনটের মাটিতে এ পদ্ধতি বেশি কার্যকর।

এছাড়াও,
লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসলের চাষ, পানির বাষ্পীভবন হ্রাসকরণ, বপন পদ্ধতির পরিবর্তনের মাধ্যমে লবণাক্ততা কমানো সম্ভব।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি।
৭,৫৯৯.
পৃথিবী সূর্যের কততম নিকটতম গ্রহ? 
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
ব্যাখ্যা
পৃথিবী (Earth): 
- পৃথিবী সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব ১৫ কোটি কিলোমিটার। 
- পৃথিবীর ব্যাস প্রায় ১২,৬৬৭ কিলোমিটার। 
- পৃথিবী একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় নেয় ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড, তাই এখানে ৩৬৫ দিনে এক বছর ধরা হয়। 
- চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ। 
- পৃথিবী একমাত্র গ্রহ যার বায়ুমণ্ডলে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও তাপমাত্রা রয়েছে যা উদ্ভিদ ও জীবজন্তু বসবাসের উপযোগী। 
- সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে একমাত্র পৃথিবীতেই প্রাণের অস্তিত্ব আছে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৬০০.
Penicillium কিসের সাহায্যে বংশ বৃদ্ধি করে?
  1. ক) কনিডিয়া
  2. খ) অঙ্গজ জনন
  3. গ) দেহের খন্ডায়ন
  4. ঘ) বংশ বৃদ্ধি করে না
সঠিক উত্তর:
ক) কনিডিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কনিডিয়া
ব্যাখ্যা
Penicillium কনিডিয়া সৃষ্টির মাধ্যমে বংশ বৃদ্ধি করে।
- কোনো ধরনের অযৌন রেণু বা জনন কোষ সৃষ্টি না করে দেহের অংশ খন্ডিত হয়ে বা কোনো অঙ্গ রূপান্তরিত হয়ে যে জনন ঘটে তাকে অঙ্গজ জনন বলে।
- দেহের খন্ডায়ন অঙ্গজ জননেরই একটি অংশ। সাধারণত নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদে এধরনের জনন দেখ যায়।

উদাহারন:  Spirogyra, Mucor ইত্যাদি।

 সূত্র: বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি