PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
সাধারণ বিজ্ঞান
সাধারণ বিজ্ঞান
PrepBank · পাতা ৭৫ / ১৪০ · ৭,৪০১–৭,৫০০ / ১৪,০৮০
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কতগুলো জীব সুদূর অতীতে উৎপত্তি লাভ করেও কোনোরকম পরিবর্তন ছাড়াই এখনো পৃথিবীতে বেঁচে আছে, অথচ তাদের সমগোত্রীয় এবং সমসাময়িক অনেক জীবনের বিলুপ্তি ঘটেছে। এই জীবদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলে।
- লিমুলাস বা রাজকাঁকড়া নামক সন্ধিপদ প্রাণী, স্ফোনোডন নামক সরীসৃপ প্রাণী, প্লাটিপাস নামক স্তন্যপায়ী প্রাণী এর উদাহরণ।
- অন্যদিকে ইকুইজিটাম, নিটাম ও পিঙ্কো বাইলোবা নামের উদ্ভিদগুলো উদ্ভিদের জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ।
- প্রায় ৪০০ মিলিয়ন বছর আগের লিমিউলাস জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। এর সমসাময়িক অন্যান্য আর্থ্রোপোডাগুলো বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে, কিন্তু এরা আজও বেঁচে আছে। তাই এদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
উত্তর
ব্যাখ্যা
- লোহিত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন।
- লাল অস্থিমজ্জায় লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি হয়।
- লোহিত রক্ত কণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়।
- রক্ত কণিকার মধ্যে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- এটি শ্বাসকার্যে অক্সিজেন (O2) পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- লোহিত রক্ত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না, দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- প্রোটিন ছাড়া প্রাণের অস্তিত্ব সম্ভব না। এ জন্য প্রোটিনকে একটি মুখ্য বা প্রধান খাদ্য উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- প্রোটিনের গঠন উপাদান হলো কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H2), অক্সিজেন (O2) এবং নাইট্রোজেন (N2)।
- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন মিলে এ্যামাইনো এসিড গঠিত হয়।
- অনেকগুলো এ্যামাইনো এসিড যুক্ত হয়ে প্রোটিন অণু গঠিত হয়।
- প্রোটিনকে ভাঙ্গলে প্রথমে এ্যামাইনো এসিড এবং সবশেষে কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন অণু পাওয়ার যায়।
উৎস: গার্হস্থ্যবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন উদ্ভিদের একটি বিশেষ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।
উদ্ভিদ মূলরোমের সাহায্যে মাটি থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি শোষণ করে। শোষিত পানির কিছু অংশ উদ্ভিদ তার বিভিন্ন বিপাকীয় কাজে ব্যবহার করে এবং বাকি অংশ বাষ্পাকারে বায়ুমণ্ডলে পরিত্যাগ করে।
উদ্ভিদের দেহাভ্যন্তর থেকে পাতার মাধ্যমে বাষ্পাকারে পানি নির্গমনের এই প্রক্রিয়াকে প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন বলে।
উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি
উত্তর
ব্যাখ্যা
• বিভবশক্তি (Potential Energy):
- বিভবশক্তি হলো কোনো বস্তুর অবস্থানজনিত শক্তি।
- এটি নির্ভর করে বস্তুটির উচ্চতা এবং ভর-এর ওপর।
- সূত্র: Ep = mgh
- যখন বল ঢাল বরাবর নিচে নামে, তার উচ্চতা কমে যায়, ফলে বিভবশক্তি কমে।
• গতিশক্তি (Kinetic Energy):
- গতিশক্তি হলো বস্তুর চলার কারণে সৃষ্ট শক্তি।
- এটি বস্তুটির ভর ও বেগ উভয়ের ওপর নির্ভর করে।
- যখন বল নিচের দিকে গড়িয়ে পড়ে, তার বেগ বাড়ে, ফলে গতিশক্তি বাড়ে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান , নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
শ্বসন (Respiration):
- শ্বসন হলো শক্তি নির্গমনকারী কতিপয় জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার সমষ্টি।
- শক্তি উৎপাদনকালে জটিল খাদ্যদ্রব্য সরল দ্রব্যে পরিণত হয়।
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীবকোষস্থ জটিল জৈবযৌগ (খাদ্যবস্তু) জারিত হয়, ফলে জৈবযৌগে সঞ্চিত স্থিতিশক্তি রূপান্তরিত হয়ে গতিশক্তি বা রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত হয়, তাকে শ্বসন বলে।
- শ্বসনের ফলে যে শক্তি নির্গত হয় তা জীবের বিভিন্ন শক্তি শোষণকারী কার্যকলাপে ব্যয় হয়।
শ্বসনের প্রকারভেদ:
- অক্সিজেনের প্রয়োজনীয়তার ওপর নির্ভর করে শ্বসন প্রক্রিয়াকে দু'ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা: (ক) সবাত শ্বসন (Aerobic respiration) এবং (খ) অবাত শ্বসন (Anaerobic respiration)।
- যে শ্বসন ক্রিয়ার জন্য মুক্ত অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়, তাকে সবাত শ্বসন বলে এবং যে শ্বসন ক্রিয়ার জন্য মুক্ত অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় না অর্থাৎ অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে সংঘটিত হয়, তাকে অবাত শ্বসন বলে।
শ্বসন প্রক্রিয়ার প্রভাবকসমূহ:
- নিম্নলিখিত বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীণ প্রভাবকসমূহ শ্বসন ক্রিয়ার ওপর প্রভাব বিস্তার করে থাকে।
যেমন-
(ক) বাহ্যিক প্রভাবকসমূহ (External factors):
১। তাপমাত্রা:
- শ্বসন ক্রিয়া কতগুলো রাসায়নিক বিক্রিয়ার সমষ্টি, আর এ রাসায়নিক বিক্রিয়াগুলোর হার বিভিন্ন উৎসেচক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
- যেহেতু উৎসেচকসমূহের কার্যকারিতা তাপমাত্রার ওপর নির্ভরশীল সেহেতু তাপমাত্রার হ্রাস-বৃদ্ধি শ্বসনের হারকেও নিয়ন্ত্রিত করে।
- তাপমাত্রা 0° সে. থেকে 30° সে. পর্যন্ত বাড়ার সাথে সাথে শ্বসন হারও ক্রমাগত বাড়ে। 0° সে. তাপমাত্রায় শ্বসন হার খুবই কম থাকে।
- সাধারণত 20°-35° C তাপমাত্রায় শ্বসন প্রক্রিয়া ভালোভাবে চলে।
- 45°C এর ওপরের তাপমাত্রায় উৎসেচকসমূহের বিক্রিয়ার হার তথা শ্বসনের হার বেশ কমে যায়।
২। অক্সিজেন:
- পাইরুভিক অ্যাসিডের পূর্ণাঙ্গ জারণের জন্য অক্সিজেন প্রয়োজন।
- সবাত শ্বসনে পাইরুভিক আসিড সম্পূর্ণ জারিত হয়ে CO2 ও H2O উৎপন্ন করে।
- অতএব কেবল সবাত শ্বসনেই অক্সিজেনের প্রয়োজন পড়ে।
৩। পানি:
- কতগুলো বিক্রিয়ায় পানির প্রয়োজন হয়, অতএব প্রয়োজনীয় পানি সরবরাহও শ্বসন ত্রিয়াকে প্রভাবিত করে থাকে।
৪। আলো:
- শ্বসনকার্যে আলোর প্রয়োজন পড়ে না সত্যি কিন্তু দিনের বেলায় আলোর উপস্থিতিতে পত্ররন্ধ্র খোলা থাকায় O2 গ্রহণ ও CO2 ত্যাগ করা সহজ হয় বলে শ্বসন হার একটু বেড়ে যায়।
৫। কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘনত্ব:
- বায়ুতে CO2 এর ঘনত্ব বেড়ে গেলে শ্বসন হার কিঞ্চিৎ কমে যায়।
(খ) অভ্যন্তরীণ প্রভাবকসমূহ (Internal factors):
১। জটিল খাদ্যদ্রব্য:
- সরল খাদ্য গ্লুকোজ শ্বসন ক্রিয়ার প্রধান শ্বসনিক বস্তু।
- বিভিন্ন বিক্রিয়ায় কোষস্থ জটিল খাদ্যই গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয়।
- কাজেই জটিল খাদ্যদ্রব্যের পরিমাণ ও ধরন শ্বসন প্রক্রিয়ার হারকে নিয়ন্ত্রণ করে।
২। উৎসেচক:
- শ্বসন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন বিক্রিয়ায় অসংখ্য উৎসেচক অংশগ্রহণ করে, তাদের উপস্থিতির ওপরই সম্পূর্ণ শ্বসন প্রক্রিয়াটি নির্ভরশীল।
৩। কোষের বয়স:
- যে কোষে প্রোটোপ্লাজম অধিক (অল্প বয়সের) সেসব কোষে শ্বসন হার অধিক হয়।
৪। কোষস্থ অজৈব লবণ:
- কোষে অজৈব লবণ অধিক পরিমাণে থাকলে শ্বসন হার বেড়ে যায়।
৫। কোষ মধ্যস্থ পানি:
- কোষে প্রয়োজনীয় পানির অভাব হলে শ্বসন হার কমে যায়।
৬। মাটিতে অজৈব লবণ:
- মাটিতে NaCl, KCI, CaCI ও MgCl এর দ্রবণের সরবরাহ বৃদ্ধি ঘটিয়ে শ্বসন হার বৃদ্ধি করা যায়।
৭। অন্যান্য প্রভাবক:
- আঘাতপ্রাপ্ত টিস্যুতে আঘাত নিরাময়ের জন্য কোষ বিভাজন দ্রুততর হয়, ফলে শ্বসন হার বেড়ে যায়।
- হাত দিয়ে পাতা মৃদু ঘষে দিলে শ্বসন হার বৃদ্ধি পায়।
উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ২০টি অ্যামাইনো এসিডের মধ্যে ৮টি অ্যামাইনো এসিডকে অপরিহার্য অ্যামাইনো এসিড বলা হয়।
- এগুলো হল: লাইসিন, ট্রিপেটোফ্যান, মিথিওনিন, ভ্যালিন, লিউসিন, আইসোলিউসিন, ফিনাইল অ্যালানিন ও থ্রিওনাইন।
- এই আটটি অ্যামাইনো এসিড ছাড়া অন্য সবগুলো অ্যামাইনো এসিড আমাদের শরীর সংশ্লেষ করতে পারে।
- প্রাণিজ প্রোটিনে এই অপরিহার্য আটটি অ্যামাইনো এসিড বেশি থাকে বলে এর পুষ্টিমূল্য বেশি।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাহ্যিক বল প্রয়োগ করে কোনো বস্তুর আকার বা আয়তন বা উভয়েরই পরিবর্তনের চেষ্টা করলে, যে ধর্মের ফলে বস্তুটি এই পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকে বাধা দেয় এবং বাহ্যিক বল অপসারিত হলে বস্তু তার পূর্বের আকার ও আয়তন ফিরে পায়, সেই ধর্মকে স্থিতিস্থাপকতা বলা হয়।
স্থিতিস্থাপক সীমা:
- বাহ্যিক বলের একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত প্রত্যেক বস্তুই পূর্ণ স্থিতিস্থাপক।
- এই সীমাকে বস্তুটির উপাদানের স্থিতিস্থাপক সীমা বলা হয়।
- বিভিন্ন পদার্থের স্থিতিস্থাপক সীমা বিভিন্ন।
যেমন, ইস্পাতের স্থিতিস্থাপক সীমা খুব বেশি আবার রবারের খুব কম।
উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৮৯৬ সালে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরি বেকেরেল আকস্মিকভাবে এই রশ্নি আবিষ্কার করেন। তার নামানুসারে এই রশ্নির নাম দেয়া হয় বেকেরেল রশ্নি।
- তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষনার জন্যে তেজস্ক্রিয়তার আবিষ্কারক হেনরী বেকেরেল এবং ম্যারি কুরী ও তার স্বামী পিয়েরে কুরী যৌথভাবে ১৯০৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার পান।
- তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপের আন্তর্জাতিক একক বেকেরেল।
- তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। যথা- প্রাকৃতিক ও কৃত্তিম তেজস্ক্রিয়তা।
- কিছু কিছু মৌলের আইসোটোপ রয়েছে যাদের নিউক্লিয়াস স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙে আলফা, বিটা ও গামা রশ্নি নির্গত করে তাদেরকে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ বলে।
- লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় ফসফরাস -32 তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
- ব্রেইন ক্যান্সার নিরাময়ে ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়।
- থাইরয়েড ক্যান্সার নিরাময়ে আয়োডিন আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়।
উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন উভয়ই থাকে।
- কঠিন পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ বল খুবই তীব্র।
যেমন- ইট, কাঠ, লোহা, সোনা, রূপা, কয়লা, চাল, গম ইত্যাদি।
তরল পদার্থ:
- তরল পদার্থের কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই, তবে নির্দিষ্ট আয়তন আছে।
- একে যখন যে পাত্রে রাখা যায় সে পাত্রের আয়তন ধারণ করে।
- পানিকে কলসীতে রাখলে কলসীর আকার, বোতলে রাখলে বোতলের আকার, গ্লাসে রাখলে গ্লাসের আকার ধারণ করে।
যেমন- দুধ, পানি, অ্যালকোহল, কেরোসিন তেল, নারিকেল তেল, সয়াবিন তেল ইত্যাদি এ সকল তরল পদার্থ।
গ্যাসীয় পদার্থ:
- গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন নেই, তবে এর নির্দিষ্ট ওজন আছে।
- এধরনের পদার্থকে যে পাত্রেই রাখা হোক না কেন সে পাত্রকে পূর্ণ করে রাখে।
- যে পাত্রে গ্যাসীয় উপাদানকে রাখা হয় সে পাত্রের আয়তনই তার আয়তন, সে পাত্রের আকারই তার আকার।
যেমন- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি সকলেই গ্যাসীয় পদার্থ।
- গ্যাসীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ নেই বললেই চলে।
উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সমযোজী বন্ধনে অংশগ্রহণকারী পরমাণুদ্বয়ের শেয়ারকৃত ইলেকট্রন একটি পরমাণু কর্তৃক নিজের দিকে টেনে নেওয়ার তুলনামূলক ক্ষমতাকে ঐ পরমাণুর তড়িৎ ঋণাত্মকতা বলে।
- মৌলের তড়িৎ ঋণাত্মকতা যেসব নিয়ামক দ্বারা প্রভাবিত হয় তা হলো -
• পরমাণুর আকার,
• উপস্তর এবং
• ইলেকট্রন বিন্যাস।
- পরমাণুর আকার বৃদ্ধিতে পরমাণুর নিউক্লিয়াস হতে সর্বশেষ শক্তিস্তর দূরে সরে যায় তাই বন্ধনে অংশগ্রহণকারী শেয়ারকৃত ইলেকট্রন জোড়ের উপর নিউক্লিয়াসের আকর্ষণ হ্রাস পায় এবং পরমাণুর তড়িৎ ঋণাত্মকতা হ্রাস পায়।
- গ্রুপ-17 এর মৌলসমূহের তড়িৎ ঋণাত্মকতার মান নিম্নে দেওয়া হলো: F = 4.0, Cl = 3.0, Br = 2.8, I = 2.5, At = 2.2 ।
- পরমাণুর নিউক্লিয়ার চার্জ বৃদ্ধির সাথে মৌলের ইলেকট্রোনেগেটিভিটি সম্পর্কিত।
- নিউক্লিয়ার চার্জ যত বেশি হবে ঐ নিউক্লিয়ার কর্তৃক সর্বশেষ স্তরের ইলেকট্রনের প্রতি আকর্ষণ তত বেশি প্রবল হয়।
- দ্বিতীয় পর্যায়ের মৌলসমূহের Li(3) হতে F(7) পর্যন্ত ক্রমান্বয়ে নিউক্লিয়াসে একটি করে প্রোটন যুক্ত হয় এবং শেষ শক্তিস্তরে একটি করে ইলেকট্রন যুক্ত হয়।
অর্থাৎ, ক্রমান্বয়ে পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধিতে নিউক্লিয়ার চার্জ বৃদ্ধি পায় এবং মৌলের তড়িৎ ঋণাত্মকতার মানও বৃদ্ধি পেতে থাকে।
উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
উত্তর
ব্যাখ্যা
- দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে যে রেখা কল্পনা করা হয়েছে, তাকে নিরক্ষরেখা বলে।
- পৃথিবী গোলাকৃতির হওয়ায় এ রেখাও বৃত্তাকার।
- নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুই ভাবে ভাগ করেছে।
- এ রেখার উত্তরে পৃথিবীর অর্ধাংশকে উত্তর গোলার্ধ এবং দক্ষিণের অর্ধাংশকে দক্ষিণ গোলার্ধ বলা হয়।
- এই রেখাটির মান ০ ডিগ্রি, তাই নিরক্ষরেখায় দিন রাত সর্বত্র সমান।
- নিরক্ষরেখার সাহায্যে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্ব স্থির করা হয়।
উৎস: ভূগোল, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• থাইরক্সিন হরমোন নিঃসৃত হয় থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে।
• থাইমোসিন হরমোন নিঃসৃত হয় থাইমাস গ্রন্থি থেকে।
• অ্যাড্রেনালিন হরমোন নিঃসৃত হয় অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি থেকে।
উৎস - মাধ্যমিক জীব বিজ্ঞান, বোর্ড বই
উত্তর
ব্যাখ্যা
এপিকালচার:
- মধু ও মোম উৎপাদনের উদ্দেশ্যে মৌমাছি পালন করার বিদ্যাকে মৌমাছি পালনবিদ্যা (Apiculture) বলা হয়।
- সাধারণতঃ প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে মৌমাছি সংগ্রহ করে এনে মৌবাক্সে মৌচাকের উপযোগী কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি করে বিজ্ঞানসম্মত আধুনিক পদ্ধতিতে মৌমাছি পালন করাকে মৌমাছি চাষ বলা হয়।
এছাড়াও,
ফ্লোরিকালচার - ফুলচাষ সংক্রান্ত বিদ্যা।
সেরিকালচার - রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যা।
মেরিকালচার - সামুদ্রিক মৎস্য পালন বিদ্যা।
উৎস: কৃষিশিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- উপসর্গ “মেগা (Mega)” দ্বারা বোঝানো হয়- 106 ।
উপসর্গ বা গুণিতক (Prefix):
- বিজ্ঞান বা পদার্থবিজ্ঞান চর্চা করার জন্য নানান কিছু পরিমাপ করতে হয়।
- কখনো হয়তো গ্যালাক্সির দৈর্ঘ্য মাপতে হয় (6 × 1024 m), আবার কখনো একটা নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধ মাপতে হয় (1 × 10-15 m); দূরত্বের মাঝে এই বিশাল পার্থক্য মাপার জন্য সব সময়ই একই ধরনের সংখ্যা ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়, তাই আন্তর্জাতিকভাবে কিছু S.I উপসর্গ বা গুণিতক (Prefix) তৈরি করে নেওয়া হয়েছে। এই গুণিতক থাকার কারণে একটা ছোট উপসর্গ লিখে অনেক বড় কিংবা অনেক ছোট সংখ্যা বোঝানো যায়।
- দৈনন্দিন জীবনে কিন্তু এগুলো সব সময় ব্যবহার করা হয়।
যেমন- দূরত্ব বোঝানোর জন্য এক হাজার মিটার না বলে এক কিলোমিটার বলা হয়, আবার পানির আয়তন বোঝানোর জন্য এক লিটারের এক শতাংশ না বলে 10 মিলিমিটার বলা হয়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সৌন্দর্য ও গুণে রেশমের তৈরি পোশাক আসলে রাজকীয় পোশাক।
- বিলাসবহুল বস্ত্র তৈরিতে রেশম তন্তুর বিকল্প মেলা ভার।
- রেশমকে তন্তুর রাণি বলা হয়।
- রেশম বা পলু পোকা নামের এক জাতীয় পোকার গুটি বা কোকুন থেকে রেশম বা সিল্ক তন্তু আহরণ করা হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশের রাজশাহী জেলায় রেশমের চাষ করা হয়।
- রেশম রাজকীয় তন্তু কিন্তু পানি ধারণক্ষমতা অত্যধিক হওয়ায় রেশমের তৈরি পোশাক পানি দিয়ে ধোয়া যায় না।
- এগুলো হচ্ছে পলু পোকার মুখ নিসৃত লালা যা আপন শরীরের চারপাশে এরা বুনতে থাকে।
- রেশম তন্তু ফাইব্রেয়ন নামক প্রোটিন জাতীয় পদার্থ দিয়ে তৈরি।
- প্রাকৃতিক প্রাণিজ তন্তুর মধ্যে রেশমই সবচেয়ে হালকা, শক্ত ও দীর্ঘ।
- সিল্কের শক্তিমাত্রা, দৃড়তা, মসৃণতা এবং কোমল অনুভবতা বৈশিষ্ট্য দীর্ঘকাল ধরে সুপরিচিত।
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• AIDS এর বিস্তার:
- বিভিন্ন উপায়ে এইডসের ভাইরাস একজন সুস্থ মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
যেমন-
- সংক্রমিত সিরিঞ্জ ব্যবহার,
- সংক্রমিত রক্ত গ্রহণ,
- সংক্রমিত মায়ের গর্ভে জন্ম গ্রহণকারী শিশু,
- সেলুনে একই ব্লেড বা ক্ষুর বিভিন্ন জনে ব্যবহার করা,
- দন্ত চিকিৎসা ও শল্য চিকিৎসা গ্রহণকারী
- নারী পুরুষের অস্বাভাবিক ও অসামাজিক যৌন আচরণ ইত্যাদি।
উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
যেমন: বেগ, ভরবেগ,সরণ, ত্বরণ, মন্দন, বল, বলের ঘাত, বলের ভ্রামক, চৌম্বক ভ্রামক, চৌম্বক দৈর্ঘ্য, চৌম্বক প্রাবাল্য, বৈদ্যূতিক প্রাবাল্য, ওজন, পৃস্টটান, সান্দ্রতা, গুনাঙ্ক, অভিকর্ষজ ত্বরণ ইত্যাদি।
উৎসঃ ৯ম শ্রেণি পদার্থ বিজ্ঞান বই
উত্তর
ব্যাখ্যা
- খাদ্যের মধ্যে নিহিত শক্তিকে খাদ্য ক্যালরি বা কিলোক্যালরি হিসেবে মাপা হয়।
- ক্যালরি হচ্ছে শক্তির একক।
- এক গ্রাম খাদ্য জারণের ফলে যে পরিমাণ তাপশক্তি উৎপন্ন হয়, তাকে খাদ্যের ক্যালরি বলে।
- এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা ১° (ডিগ্রি) সেলসিয়াস বৃদ্ধি করার জন্য যে শক্তির প্রয়োজন হয়, সে পরিমাণ তাপশক্তি হচ্ছে এক ক্যালরি।
- এক হাজার ক্যালরি সমান এক কিলোক্যালরি বা এক খাদ্য ক্যালরি (One Food Calorie)।
- একটা খাদ্যের খাদ্য ক্যালরি বলতে বোঝায় খাদ্যটি সম্পূর্ণভাবে জারণ হলে কতখানি শক্তি বের হবে। (একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষ মানুষের দৈনিক ২৫০০ kcal এবং একজন নারীর ২০০০ kcal এর সমপরিমাণ খাবার খাওয়া প্রয়োজন।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদের যে অংশ থেকে শাখা-প্রশাখা পাতা উৎপন্ন হয়, তাই কাণ্ড।
- এতে পর্ব, পর্বমধ্য ও মুকুল থাকে।
১। পর্ব:
- কাণ্ডের যে স্থান থেকে পাতা বের হয় তাকে পর্ব বা সন্ধি বলে।
২। মুকুল:
- কাণ্ডের সাথে পাতা যে কোণ সৃষ্টি করে তাকে পত্রকক্ষ বলে।
- সাধারণত মুকুল পত্রকক্ষে জন্মে, তবে শাখার অগ্রভাগেও মুকুল সৃষ্টি হয়।
- কাক্ষিক মুকুল পত্রকক্ষে এবং শীর্ষ মুকুল কাণ্ড বা শাখার অগ্রভাগে জন্মে।
৩। পর্বমধ্য:
- পাশাপাশি দুটি পর্বের মধ্যবর্তী অংশটি পর্বমধ্য।
- পর্বমধ্য গাছকে খাড়া রাখতে ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
- পর্বমধ্য থেকে কোনো ধরনের মূল, পাতা বা শাখা সৃষ্টি হয় না।
উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রে তীব্র নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়, যার কারণে চারপাশের বাতাস দ্রুত কেন্দ্রের দিকে ধাবিত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি করে।
• ঘূর্ণিঝড় (Cyclone):
- ঘূর্ণিঝড় একটি শক্তিশালী ও ধ্বংসাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- এটি সাধারণত সমুদ্রের উষ্ণ অঞ্চলে সৃষ্ট হয় এবং কেন্দ্রের দিকে প্রবল বায়ু প্রবাহ ঘূর্ণায়মান অবস্থায় প্রবেশ করে।
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয় এবং চারদিকে উচ্চচাপ থেকে বাতাস দ্রুত বেগে কেন্দ্রের দিকে ধাবিত হয়।
- বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় সাধারণত বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হয়ে উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানে।
- ঘূর্ণিঝড়ের সাথে প্রবল বৃষ্টি, ঝড়ো বাতাস ও জলোচ্ছ্বাস ঘটে।
- এর ফলে মানুষের প্রাণহানি, ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চল ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত।
উৎস: ভূগোল, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• আহ্নিক গতির ফল (Results of Rotation):
-পৃথিবীতে দিবারাত্রি সংঘটন।
- জোয়ার-ভাটা সৃষ্ট।
- বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি।
- তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি।
- সময় গণনা বা সময় নির্ধারণ।
- উদ্ভিদ ও প্রাণিজগৎ সৃষ্টি।
•বার্ষিক গতির ফল (The results of Revolution):বার্ষিক গতির ফল হলো-
(১)দিবারাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি,
(২) ঋতু পরিবর্তন।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ফসফরাসের অভাব হলে পাতা বেগুনি হয়ে যায়।
- পাতায় মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয় এমনকি পাতা, ফুল ও ফল ঝরে যেতে পারে।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায় এবং উদ্ভিদ খর্বাকার হয়।
• নাইট্রোজেন (N):
- নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে।
- ক্লোরোফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হালকা হতে হতে একসময় হলুদ হয়ে যায়। তার কারণ ক্লোরোফিল ছাড়া অন্যান্য বর্ণকণা বা-পিগমেন্ট মিলিতভাবে হলুদ দেখায়।
- পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে 'ক্লোরোসিস' (chlorosis) বলে।
• ম্যাগনেসিয়াম:
- ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয় না বলে সবুজ রং হালকা হয়ে যায় এবং সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়।
- পাতার শিরাগুলোর মধ্যবর্তী স্থানে অধিক হারে ক্লোরোসিস হয়।
• লৌহ (Fe):
- লৌহের অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়ে যায়, তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথম হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়।
- কখনো কখনো সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ব্যারোমিটারের পারদস্তম্ভের উচ্চতা ধীরে ধীরে কমতে থাকলে বোঝা যাবে বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়ছে। কারণ জলীয় বাষ্প বায়ুর চেয়ে হালকা। এক্ষেত্রে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে।
হঠাৎ যদি পারদস্তম্ভেরউচ্চতা খুব কমে যায় তবে বুঝতে হবে চারদিকে বায়ুমণ্ডলের চাপ সহসা কমে গেছে এবং ঐ স্থানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়েছে। পার্শ্ববর্তী উচ্চচাপের স্থান থেকে প্রবল বেগে বায়ু ঐ নিম্নচাপের অঞ্চলে ছুটে আসবে। সুতরাং ঝড়ের সম্ভাবনা আছে।
ব্যারোমিটারে পারদস্তম্ভের উচ্চতা ধীরে ধীরে বাড়লে বুঝতে হবে বায়ুমণ্ডল থেকে জলীয় বাষ্প অপসারিত হচ্ছে এবং শুষ্ক বাতাস সেই স্থান অধিকার করছে। সুতরাং আবহাওয়া শুষ্ক ও পরিস্কার থাকবে; যা ভালো আবহাওয়ার ইঙ্গিত।
সংক্ষেপেঃ
ব্যারোমিটারে পারদের উচ্চতাঃ
ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেলে - ভালো আবহাওয়ার ইঙ্গিত।
কমলে - বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা।
হঠাৎ কমে গেলে - ঝড়ের পূর্বাভাস।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- এই যৌগগুলো প্রধানত কার্বন ঘটিত যৌগ।
- তাই তাদের প্রধান উপকরন হলো কার্বন( C)।
উৎস: নবম দশম শ্রেনীর বিজ্ঞান বই।
উত্তর
ব্যাখ্যা
পানি:
- পানি খাদ্যের একটি প্রধান উপাদান।
- দেহের গঠন ও অভ্যন্তরীণ কাজ পানি ছাড়া চলতে পারে না।
- মানুষের দৈহিক ওজনের ৬০-৭৫% হচ্ছে পানি।
- মানুষের রক্ত, মাংস, স্নায়ু, দাঁত, হাড় ইত্যাদি প্রতিটি অঙ্গ গঠনের জন্য পানির প্রয়োজন।
- পানি জীবদেহে দ্রাবকের কাজ করে, খাদ্য উপাদানের পরিপাক ও পরিশোষণে সাহায্য করে।
- বিপাকের ফলে দেহে উৎপন্ন ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি শরীরের জন্য ক্ষতিকর এবং বিষাক্ত পদার্থগুলোকে পানি মূত্র ও ঘাম হিসেবে শরীর থেকে বের করে দেয়।
- একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক ২-৩ লিটার পানি পান করা উচিত, কারণ প্রায় ঐ পরিমাণ পানি প্রত্যেক দিনই শরীর থেকে বের হয়ে যায়।
- পানি দেহে অম্ল ও ক্ষারের সমতা নষ্ট করে এসিডোসিস রোগের সৃষ্টি হয়।
- শরীরে পানি ১০% কমে গেলে সংজ্ঞা লোপ পায়, এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
পাতলা পর্দাবেষ্টিত জেলীর ন্যায় থকথকে আধা তরল বস্তুটিকে প্রোটোপ্লাজম বলে একে জীবনের ভিত্তি বলা হয়।
এর তিনটি অংশ, যথা - কোষ ঝিল্লি, সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস।
উৎসঃ বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি
উত্তর
ব্যাখ্যা
কোন কোন আইসোটোপ অস্থিতিশীল হয়ে থাকে। অর্থাৎ এদের নিউক্লিয়াসের মধ্যে পরিবর্তন ঘটে থাকে। ফলস্বরূপ, এই আইসোটোপ থেকে কিছু কণা বিচ্ছুরিত হয়, কখনো কখনো ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রশ্মি বিচ্ছুরিত হয়ে থাকে। এই প্রকার আইসােটোপকে রেডিও আইসোটোপ (radio isotope) বলা হয়।
An exceptionally useful radioactive isotope is iodine-131, which has a half-life of eight days. It is employed in medicine to monitor thyroid gland functioning, to treat goitre and thyroid cancer, and to locate tumours of the brain and of the liver.
সূত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান ও Britannica
উত্তর
ব্যাখ্যা
দ্রুতগতি সম্পন্ন ইলেকট্রন কোন ধাতুকে আঘাত করলে তা থেকে অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের এবং উচ্চ ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন এক প্রকৃতির বিকিরণ উৎপন্ন হয়।
- এই বিকিরণকে বলা হয় এক্সরে বা এক্স রশ্মি(X-Ray)।
- ১৮৯৫ সালে নভেম্বর মাসের আট তারিখে উইলিয়াম রন্টজেন এই রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত ছোট হয় পদার্থ ভেদ করার ক্ষমতা তত বেশি হয়।
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয়ে যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে রঞ্জন রশ্মি।
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান নবম দশম শ্রেণী
উত্তর
ব্যাখ্যা
পদার্থ:
- দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন বস্তু যেমন: বই, খাতা, কলম, চেয়ার টেবিল, বাতাস, পানি, বরফ, জলীয় বাষ্প, তেল, দুধ, কেরোসিন, তরল পানীয়, সোডা ওয়াটার ইত্যাদি সবই পদার্থ।
- পদার্থের ভর আছে, জায়গা দখল করে এবং জড়তা আছে।
- পদার্থ সাধারণত তিন অবস্থায় থাকতে পারে।
যেমন: কঠিন, তরল ও বায়বীয়।
- বাতাস হচ্ছে একটি মিশ্র পদার্থ যা পদার্থের তিন অবস্থায় রূপান্তর ঘটে।
১। কঠিন পদার্থ:
- ইট, কাঠ, পাথর, মোবাইল ফোন, শুষ্ক ব্যাটারি, বই, গ্লাস, প্লেট ইত্যাদি।
২। তরল পদার্থ:
- দুধ, সরিষার তৈল, পানি, পারদ, কেরোসিন তৈল, সয়াবিন তৈল, তরল পানীয়, ফলের জুস, অ্যালকোহল ইত্যাদি।
৩। বায়বীয় বা গ্যাসীয় পদার্থ:
- অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- তাপ, বিদ্যুৎ ও আলো হচ্ছে এক ধরনের শক্তি।
উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• গ্রিন হাউজ প্রভাব:
- গ্রিন হাউজ হলো এমন একটি কাঁচের ঘর যেখানে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে গাছপালা জন্মানোর জন্য উপযোগী আবহাওয়া তৈরিকরা হয়।
- সূর্যের আলো যখন এই কাঁচের ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে তখন ভিতরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
- পৃথিবীও গ্রিন হাউজের মত এমন একটি আবাসস্থল যেখানে প্রতিদিনই তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে যা পৃথিবী হতে দূরীভূত হচ্ছে না।
- গ্রিন হাউজের তাপমাত্রা ধরে রাখার প্রক্রিয়াটি বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রক্রিয়ার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- এ কারণেই গ্রিন হাউজ এর সাথে মিল রেখে বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে চিহ্নিত করা হয়েছে গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া হিসেবে।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়ন হলো বিশ্বের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি।
- এটিকে গ্রিন হাউজের প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা হয়।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের গ্যাসকে দায়ী করা হয়। এগুলো হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরোফ্লোরো কার্বন, মিথেন, ওজোন, জলীয়বাষ্প প্রভৃতি।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
রক্ত আমাশয়ের লক্ষণ হলো- পেটে তীব্র মোচড় দিয়ে ব্যথা হওয়া,
- অল্প অল্প করে বার বার পায়খানা,
- পায়খানার সাথে রক্ত যাওয়া এবং মলস্বারে তীব্র ব্যথা হওয়া।
Dysentery is an infection of the intestines that causes diarrhoea containing blood or mucus.
There are 2 main types of dysentery:
- bacillary dysentery or shigellosis, which is caused by shigella bacteria; this is the most common type of dysentery in the UK
- amoebic dysentery or amoebiasis, which is caused by an amoeba (single celled parasite) called Entamoeba histolytica
Source: NHS
উত্তর
ব্যাখ্যা
উদাহরণ :
দূরদূরান্তে তড়িৎ প্রেরণের জন্য আরোহী বা স্টেপআপ ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয়।
অবরোহী বা স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার (Step down Transformer) : যে ট্রান্সফর্মার অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহকে
অল্প বিভবের অধিক তড়িৎ প্রবাহে রূপান্তরিত করে তাকে অবরোহী বা স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার বলে।
উদাহরণ :
অবরোহী বা স্টেপডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয় নিম্ন ভোল্টেজ ব্যবহারকারীর যন্ত্রপাতি যেমন রেডিও, টেলিভিশন, টেপরেকর্ডার, ভিসিআর, ভিসিপি, ইলেকট্রিক ঘড়ি, ওয়াকম্যান ইত্যাদিতে।
উৎস : পদার্থবিজ্ঞান শিক্ষণ, বিএড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• আগ্নেয় শিলা (Igneous Rocks):
- জন্মের প্রথমে পৃথিবী একটি উত্তপ্ত গ্যাসপিণ্ড ছিল।
এই গ্যাসপিণ্ড ক্রমান্বয়ে তাপ বিকিরণ করে তরল হয়।
- পরে আরও তাপ বিকিরণ করে এর উপরিভাগ শীতল ও কঠিন আকার ধারণ করে।
- এভাবে গলিত অবস্থা থেকে ঘনীভূত বা কঠিন হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে আগ্নেয় শিলা বলে।
যেমন: ব্যাসন্ট,রায়োলাইট, অ্যান্ডিসাইট, গ্রানাইট, গ্যাব্রো, ডলোরাইট, ল্যাকোলিথ, ব্যাথোলিথ,।
• পাললিক শিলা (Sedimentary Rocks):
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়েছে তাকে পাললিক শিলা বলে।
যেমন: - বেলেপাথর, কয়লা, শেল, চুনাপাথর, কাদাপাথর ও কেওলিন পাললিক শিলার।
• রূপান্তরিত শিলা (Metamorphic Rocks):
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচণ্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- ভূআন্দোলন, অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প, রাসায়নিক ক্রিয়া কিংবা ভূগর্ভস্থ তাপ আগ্নেয় ও পাললিক শিলাকে রূপান্তরিত করে।
যেমন:
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল,
- বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট,
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস;
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
শব্দের একস্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করাকে শব্দ সঞ্চালন বলে।
কোনো মাধ্যম ছাড়া শব্দ এক অবস্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হতে পারে না।
যে শব্দ তরঙ্গের কম্পাঙ্ক 20,000 Hz বা তার বেশি তাকে শব্দোত্তর তরঙ্গ / শ্রবণোত্তর তরঙ্গ বলে।
শব্দোত্তর কম্পাঙ্কের শব্দ মানুষ শুনতে না পেলেও বাদুর, কুকুর, মৌমাছি প্রভৃতি কিছু প্রাণী এই শব্দ শুনতে পায়।
সূত্র: সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- যেসব রাসায়নিক দ্রব্য জলীয় দ্রবণে প্রোটন বা ধনাত্মক হাইড্রোজেন আয়ন দান করে, তাদের এসিড বলে।
যেমন—এসিটিক এসিড, হাইড্রোক্লোরিক এসিড, অক্সালিক এসিড।
- এসিড শব্দটি ল্যাটিন শব্দ এসিডাস থেকে এসেছে। বাংলায় একে অম্ল বলা হয়।
এসিডের বৈশিষ্ট্যসমূহ-
- এসিড স্বাদে টক।
- এটি নীল লিটমাসকে লাল করে।
- এটি ক্ষারকের সঙ্গে বিক্রিয়া করে পানি ও লবণ উৎপন্ন করে।
- এটি ধাতুর কার্বনেটের সঙ্গে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন করে।
- প্রতিটি এসিডই হাইড্রোজেন আয়ন দান করতে পারে।
- যে এসিড যত বেশি হাইড্রোজেন আয়ন দান করে, সে তত বেশি শক্তিশালী।
- দ্রবণ ছাড়া ঘন এসিড অত্যন্ত বিপজ্জনক, এটি মানুষের ত্বকের জন্য ক্ষতিকর।
সূত্র: ২৩৩ পৃষ্ঠা, রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
উত্তর
ব্যাখ্যা
কর্টিসল হরমোন:
- কর্টিসল হরমোনকে স্ট্রেস হরমোনও বলা হয়।
- মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তায় এই হরমোন বেড়ে যায়।
- কর্টিসল হল একটি স্টেরয়েড হরমোন।
- কর্টিসল গ্লুকোজ বিপাক নিয়ন্ত্রণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
- অ্যাড্রেনালিনও স্ট্রেসের সময় নিঃসৃত হয়, তবে এটি তাৎক্ষণিক "ফাইট-অর-ফ্লাইট" প্রতিক্রিয়ার জন্য দায়ী।
উৎস:
১) বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২) National Center for Biotechnology Information.
উত্তর
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদ কোষে অবস্থিত দুটি পর্দা পরিবেষ্টিত এবং বিশেষ বিপাকীয় কাজে লিপ্ত অঙ্গাণুকে প্লাস্টিড বলে।
বর্ণের তারতম্য অনুসারে প্লাস্টিডের শ্রেণীবিভাগ মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা লিউকোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট এবং ক্লোরোপ্লাস্ট।
লিউকোপ্লাস্ট- রঞ্জকবিহীন বর্ণহীন প্লাস্টিড যা উদ্ভিদের বিভিন্ন বিপাকে অংশ নেয় তাদের লিউকোপ্লাস্ট বলে। এরা বর্ণহীন প্লাস্টিড। দেখতে দন্ডাকার বা গোলাকার।
ক্রোমোপ্লাস্ট- অসবুজ রঙিন প্লাস্টিড যারা উদ্ভিদের নানা ধরনের কাজে সাহায্য করে তাদের ক্রোমোপ্লাস্ট বলে। এরা হলদে ও কমলা রঙের প্লাস্টিড। এতে কমলা রঙের ক্যারোটিন এবং হলুদ রংয়ের জ্যান্থোফিল রঞ্জক থাকে।
ক্লোরোপ্লাস্ট- সবুজ রঞ্জক যুক্ত প্লাস্টিড যারা সালোকসংশ্লেষে সরাসরি অংশ নেয় তাদের ক্লোরোপ্লাস্ট বলে। ক্লোরোপ্লাস্টের সবুজ রঞ্জক ক্লোরোফিল এবং কমলা রঞ্জক ক্যারোটিন থাকে।
সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
উত্তর
ব্যাখ্যা
পরাগায়নের মাধ্যম:
- পরাগ স্থানান্তরের কাজটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোনো না কোনো মাধ্যমের দ্বারা হয়ে থাকে।
- যে মাধ্যম পরাগ বহন করে গর্ভমুণ্ড পর্যন্ত নিয়ে যায়, তাকে পরাগায়নের মাধ্যম বলে।
- বায়ু, পানি, কীট-পতঙ্গ, পাখি, বাদুড়, শামুক এমনকি মানুষ এ ধরনের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে থাকে।
- মধু খেতে অথবা সুন্দর রঙের আকর্ষণে পতঙ্গ বা প্রাণী ফুলে ফুলে ঘুরে বেড়ায়। এ সময়ে ঐ ফুলের পরাগরেণু বাহকের গায়ে লেগে যায়। এই বাহকটি যখন অন্য ফুলে গিয়ে বসে তখন পরাগ পরবর্তী ফুলের গর্ভমুণ্ডে লেগে যায়, এভাবে পরাগায়ন ঘটে।
প্রাণীর মাধ্যমে পরাগায়ন:
- প্রাণীপরাগী ফুল মোটামুটি বড় ধরনের হয়, তবে ছোট হলে ফুলগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে সাজানো থাকে।
- এদের রং আকর্ষণীয় হয়।
- এসব ফুলে গন্ধ থাকতে পারে বা নাও থাকতে পারে।
যেমন: কদম, শিমুল, কচু ইতাদি।
অন্যদিকে,
- ধান বায়ুপরাগী উদ্ভিদের উদাহরণ।
- জবা ও সরিষা পতঙ্গপরাগী উদ্ভিদের উদাহরণ।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
যেমন- সুন্দরবনের সুন্দরী গাছ সুন্দরবনের কর্দমাক্ত, লবণাক্ত ও সিক্ত পরিবেশে জন্মে। রয়েল বেঙ্গল টাইগার স্বতঃস্ফূর্তভাবে সুন্দরবনে বিচরণ করে। সুন্দরী গাছ বা রয়েল বেঙ্গল টাইগার সুন্দরবনের এরূপ বাস্তুতন্ত্রে সংরক্ষণ করা হলো ইন সিটু কনজারভেশন।
ন্যাশনাল পার্ক, অভয়ারণ্য ও মৎস্য অভয়ারণ্য সৃষ্টির মাধ্যমে ইন সিটু পদ্ধতিতে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা যায়।
এক্স সিটু কনজারভেশন (Ex situ conservation) : জীববৈচিত্র্যের উপাদানসমূহকে তাদের মূল বাসস্থান বা প্রাকৃতিক স্বাভাবিক পরিবেশের বাইরে বাঁচিয়ে রাখাই হলো এক্স সিটু কনজারভেশন। যেমন- সুন্দরবনের সুন্দরী গাছকে ঢাকার বোটানিক্যাল গার্ডেনে লাগিয়ে সংরক্ষণ করা হলো এক্স সিটু কনজারভেশন।
সূত্রঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
অনেক মহিলার গর্ভাবস্থার প্রথম ৩ মাসের মাথায় বমি বমি ভাব হয় যাকে 'মর্নিং সিকনেস' হিসেবেও অভিহিত করা হয়। গর্ভাবস্থায় বমি বমি ভাব এবং বমি হওয়ার কারণ এইচসিজি (হিউম্যান কোরিওনিক গোনাডোট্রপিন) নামক হরমোনের রক্তের মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি বলে মনে করা হয়, যা প্লাসেন্টা দ্বারা নিঃসৃত হয়।
এটি ওজন হ্রাস এবং ডিহাইড্রেশন হতে পারে এবং নিবিড় চিকিত্সার প্রয়োজন হতে পারে।
সূত্র: https://my.clevelandclinic.org/health/diseases/12232-hyperemesis-gravidarum-severe-nausea--vomiting-during-pregnancy
উত্তর
ব্যাখ্যা
- তৈল ও চর্বিকে একত্রে লিপিড বলে।
- তৈল ও চর্বি হল গ্লিসারল বা গ্লিসারিন এর উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের এস্টার।
তৈল ও চর্বির পার্থক্য:
- সম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার হল কঠিন চর্বি এবং অসম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার হল তৈল।
- তৈলের গলনাঙ্ক 20° C এর কম হয়, কিন্তু চর্বির গলনাঙ্ক 20° C এর অধিক হয়।
- তৈল উদ্ভিদদেহে কিন্তু চর্বি প্রাণিদেহে উৎপন্ন হয়।
তৈল ও চর্বির গুরুত্ব:
(১) খাদ্যরূপে তৈল ও চর্বি থেকে আমরা শক্তি থাকি।
1g তৈল বা চর্বি = 9 cal = 9 × 4.184 J খাদ্যমান।
(২) তৈল ও চর্বির ক্ষারীয় বিশ্লেষণে সাবান ও উৎপন্ন হয়।
(৩) রং, বার্নিশ ও প্রসাধনী তৈরিতে তৈল চর্বি ব্যবহূত হয়।
(৪) তৈলকে নিকেল উপস্থিতিতে হাইড্রোজেনেশন বা হাইড্রোজেন সংযোজন দ্বারা চর্বিতে পরিণত করা যায়।
যেমন, সয়াবিন তৈলকে হাইড্রোজেনেশন করে মার্জারিন নামক চর্বি তৈরি করা হয়।
(৫) পরিপাকতন্ত্রে চর্বির তুলনায় তৈল সহজে হজম হয় এবং তৈলে কলেস্টেরল কম থাকে।
উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, (হাজারী নাগ)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
(রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণির ভূগোল)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- স্নেহ পদার্থে কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে।
- কার্বনের দহন ক্ষমতা বেশি থাকায় স্নেহ পদার্থের অণু থেকে বেশি তাপশক্তি উৎপন্ন হয়।
- স্নেহ পদার্থ ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারলের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌগ।
- স্নেহ পদার্থ পরিপাক হয়ে ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারলে পরিণত হয়।
- স্নেহ পদার্থে ২০ প্রকার চর্বি জাতীয় এসিড পাওয়া যায়।
- চর্বি জাতীয় এসিড দুই প্রকার। যথা- ১. অসম্পৃক্ত চর্বি জাতীয় এসিড ও ২. সম্পৃক্ত চর্বি জাতীয় এসিড।
সূত্র- ৮ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ক্ষারক:
- ক্ষারক (Base) হল এমন একটি রাসায়নিক যৌগ যা জলীয় দ্রবণে হাইড্রোক্সাইড আয়ন (OH-) দান করে বা প্রোটন (H+) গ্রহণ করে।
• ক্ষারকের বৈশিষ্ট্য:
- তিক্ত স্বাদ.
- ক্ষারক লিটমাস পেপার নীল করে।
- ক্ষারকের pH মান ৭-এর বেশি, অর্থাৎ pH > 7।
• সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH) একটি শক্তিশালী ক্ষারক, যা পানিতে দ্রবীভূত হয়ে Na+ ও OH- আয়ন তৈরি করে।
• NaOH-এর রাসায়নিক বিক্রিয়া:
NaOH → Na++ OH−
তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের জন্য ১৯৪৭ সালে বেল বার্ডিন, ওয়াল্টার ব্রাটেইন এবং উইলিয়াম শকলিকে নোবেল পুরষ্কার দেয়া হয়। জ্যাক কেলবি আইসি আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই এবং ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
খাদ্য উপাদান:
- খাদ্যের ৬টি উপাদান শর্করা, স্নেহ পদার্থ, আমিষ, ভিটামিন, খনিজ লবন এবং পানি প্রধানত আমাদের দেহে ৩টি কাজ করে।
১. বৃদ্ধিসাধন, ক্ষয়পূরণ ও রক্ষণাবেক্ষণ।
২. তাপ উৎপাদন ও কর্মশক্তি প্রদান।
৩. রোগ প্রতিরোধ ও সুস্থতা প্রদান।
খনিজ লবন:
- কয়েক রকমের খনিজ পদার্থ রয়েছে, খনিজ পদার্থের মধ্যে ক্যালসিয়াম, লৌহ ও আয়োডিন উল্লেখযোগ্য।
- দুধ, পনির, ছোট মাছের কাঁটা, কলমী শাক ইত্যাদিতে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়।
- কলিজা, ডিম, মাংস ইত্যাদিতে লৌহ এবং সামুদ্রিক মাছ ও লবনে আয়োডিন পাওয়া যায়।
- আয়োডিনের অভাবে গলগণ্ড রোগ, লৌহের অভাবে রক্তশূন্যতা, ক্যালসিয়ামের অভাবে রিকেটস ইত্যাদি রোগের সৃষ্টি হয়।
উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আছে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু (৮.১%)। লোহার পরিমাণ ৫%, ক্যালসিয়াম ৩.৬%।
-------------------
যেহেতু অ্যালুমিয়াম অপশনে নেই, তাই সঠিক উত্তর লোহা।
উৎসঃ ব্রিটানিকা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- টিএনটি, পার-অক্সাইড, নাইট্রোগ্লিসারিন ইত্যাদি এ ধরনের বিস্ফোরক পদার্থ। এসব পদার্থে আগুন লাগলে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ হতে পারে, যার জন্য শরীরের এবং গবেষণাগারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। তাই এ দ্রব্যগুলো খুব সাবধানে নাড়াচাড়া করতে হয়।
স্বাস্থ্য ঝুঁকিপূর্ণ পদার্থ:
- বেনজিন, টলুইন, জাইলিন ইত্যাদি এ ধরনের পদার্থ। এ ধরনের পদার্থ ত্বকে লাগলে বা শ্বাসপ্রশ্বাসের সাথে শরীরের ভেতরে গেলে তা শরীরের স্বল্পমেয়াদি বা দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিসাধন করে। এগুলো শরীরে প্রবেশ করলে ক্যানসারের মতো কঠিন রোগ কিংবা শ্বাসতন্ত্রের ক্ষতি হতে পারে।
দাহ্য পদার্থ:
- অ্যালকোহল, ইথার ইত্যাদি দাহ্য পদার্থ। এসব পদার্থে দ্রুত আগুন ধরে যেতে পারে।
তেজস্ক্রিয় পদার্থ:
- ইউরেনিয়াম, রেডিয়াম ইত্যাদি তেজস্ক্রিয় পদার্থ। এসব পদার্থ থেকে ক্ষতিকারক রশ্মি বের হয় যা ক্যানসারের মতো মরণব্যাধি সৃষ্টি করতে পারে কিংবা একজনকে বিকলাঙ্গ করে দিতে পারে।
পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর পদার্থ:
- লেড, মার্কারি ইত্যাদি পদার্থগুলো পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। এগুলোকে ব্যবহার করার সময় যথেষ্ট সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। ব্যবহারের পরে এগুলো যেখানে-সেখানে না ফেলে একটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে হবে।
বিষাক্ত পদার্থ:
- বেনজিন, ক্লোরোবেনজিন, মিথানল এ ধরনের পদার্থ। তাই শরীরে লাগলে বা শ্বাস-প্রশ্বাস অথবা ক্ষতের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে শরীরের নানা ধরনের ক্ষতি হতে পারে। এ ধরনের পদার্থ ব্যবহারের সময় অ্যাপ্রোন, হ্যান্ড গ্লাভস, সেফটি গগলস, মাস্ক ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে।
উত্তেজক পদার্থ:
- ডাস্ট, লঘু এসিড, ক্ষার, নাইট্রাস অক্সাইড ইত্যাদি উত্তেজক পদার্থ। এগুলো ত্বক, চোখ, শ্বাসতন্ত্র ইত্যাদির ক্ষতি করে।
উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
১। মৌলিক পদার্থের ইংরেজি নামের প্রথম অক্ষর টিকে বড় হরফে লিখে মৌলটির চিহ্ন প্রকাশ করা হয়।
যেমন হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O)
২। একই প্রথম অক্ষর বিশিষ্ট একাধিক মৌল থাকলে ওই গুলোর চিহ্ন প্রকাশ করা হয়। প্রথম অক্ষরের সঙ্গে পরের অক্ষর যোগ করে কিংবা প্রথম অক্ষরের সঙ্গে উচ্চারিত অক্ষর যোগ করে। যেমন:
ক্যালসিয়াম (Ca), বেরিয়াম (Ba)
৩। কতক গুলো মৌলের চিহ্ন মৌলের ল্যাটিন নামের প্রথম বা প্রথম দুই অক্ষর অথবা উচ্চারণ ধ্বনিতে প্রাধান্য পাওয়া অক্ষর দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
যেমন:
সোডিয়াম (Sodium) (ল্যাটিন- natirum)- প্রতীক-Na
পটাশিয়াম Potassium (ল্যাটিন Kalium)- প্রতীক-K
উত্তর
ব্যাখ্যা
• নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ জৈব সার: সরিষার খৈল, তিল-তিসি-বাদামের খৈল, শুকনো রক্ত ইত্যাদি।
• ফসফরাস সমৃদ্ধ সার: হাড়ের গুঁড়ো, মাছের গুঁড়ো ইত্যাদি।
• পটাশ সমৃদ্ধ সার: কচুরিপানার ছাই, কাঠের ছাই ইত্যাদি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ব্যাটারির মধ্যে থাকে এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ (যেমন – লিথিয়াম, জিঙ্ক, বা অ্যাসিড)।
- যখন ব্যাটারিটি ব্যবহার করা হয়, তখন এই রাসায়নিক পদার্থগুলো একে অপরের সঙ্গে বিক্রিয়া (chemical reaction) করে ইলেকট্রন তৈরি করে।
- এই ইলেকট্রনগুলো বাইরে দিয়ে প্রবাহিত হলে সেটা আমরা তড়িৎ শক্তি (electric energy) হিসেবে পাই।
- ব্যাটারির ভিতরে শক্তি সঞ্চিত থাকে রাসায়নিক আকারে ব্যবহারের সময় সেটা তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা; পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
Source: britannica.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- সাধারণভাবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলতে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করার জন্য দুর্যোগ পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সময়ে যে কৌশল ও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় সেগুলোর সমন্বিতরূপকে বুঝায়।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণ করা যায় না বলে ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসের জন্য বিভিন্নমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।
- নতুবা দুর্যোগে সবকিছু হারিয়ে মানবজীবন হয়ে উঠে দুর্বিষহ।
- দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসে বর্তমানে বিশ্বব্যাপী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত আলোচিত বিষয়।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য:
১. দুর্যোগকালীন সময়ে জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো বা পরিমাণ হ্রাস করা;
২. দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ জনগণের জন্য স্বল্প সময়ে প্রয়োজনীয় ত্রাণ, চিকিৎসাসামগ্রী ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং
৩. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র (Disaster Management Cycle):
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রকে দুইটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা-
ক. দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায় এবং
খ. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়।
⇒ ‘‘পুনর্বাসন’’ অর্থ-
- দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পূর্বাবস্থায় বা অধিকতর ভাল অবস্থায় ফিরিয়ে আনা;
- ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর মানসিক, অর্থনৈতিক ও ভৌত কল্যাণ সাধনসহ তাদের সাংগঠনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আক্রান্ত এলাকায় স্বাভাবিক জীবন, জীবিকা ও কর্মপরিবেশ ফিরিয়ে আনা;
- ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে, প্রয়োজনে, অন্যত্র স্থানান্তর করা।
উৎস: i) ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মানুষের রক্তে pH ৭.৪।
- রক্ত হচ্ছে প্লাজমা ও প্লাজমায় ভাসমান বিভিন্ন কোষীয় উপাদানে গঠিত জটিল তরল টিস্যু।
- মানুষের দেহে প্রায় ৫ থেকে ৬ লিটার রক্ত থাকে।
- রক্ত মানুষের দেহের ৮%।
- রক্তের তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
- রক্তে ৩ ধরনের রক্তকণিকা থাকে।
যথা:
- লোহিত রক্তকণিকা,
- শ্বেত রক্তকণিকা এবং
- অণুচক্রিকা।
তথ্যসূত্র - জীববিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (গাজী আজমল)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- যার মাধ্যমে পুং রেণু গর্ভমুন্ডে পতিত হয়ে পরাগায়ন সম্পন্ন করে তাকে পরাগায়নের মাধ্যম বলা হয়।
- পরাগায়নের মাধ্যমগুলোর সাহায্য পেতে ফুলের গঠনে কিছু পরিবর্তন লক্ষ করা যায়।
যেমন-
• পতঙ্গ পরাগী ফুল:
- পতঙ্গ পরাগী ফুল বড়, রঙ্গীন ও মধুগ্রন্থিযুক্ত এবং পরাগরেণু ও গর্ভমুণ্ড আঁঠালো সুগন্ধযুক্ত হয়।
যেমন- জবা, কুমড়া, সরিষা ইত্যাদি।
• বায়ু পরাগী ফুল:
- অপরদিকে বায়ু পরাগী ফুল হালকা রঙের ও মধুগ্রন্থিহীন। এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই।
- এরা সহজেই বাতাসে ভেসে যেতে পারে। এদের গর্ভমুণ্ড আঁঠালো ও শাখান্বিত, কখনও পালকের ন্যায় এবং কখনও কখনও দলমণ্ডল থেকে বাইরে বের হয়ে থাকে।
যেমন- ধান।
• পানি পরাগী ফুল:
- পানি পরাগী ফুল আকারে ক্ষুদ্র এবং হালকা। এরা সহজেই পানিতে ভাসতে পারে।
- এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই। স্ত্রী পুষ্পে বৃন্ত লম্বা।
যেমন- পাতা শ্যাওলা।
• প্রাণী পরাগী ফুল:
- প্রাণী পরাগী ফুল মোটামুটি বড় ধরনের হয়, তবে ছোট হলে ফুলগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে সজ্জিত থাকে। এদের রং আকর্ষণীয় হয়।
- এ সব ফুলে গন্ধ থাকতে পারে অথবা নাও থাকতে পারে।
যেমন- কদম, শিমুল, কচু ইত্যাদি।
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
যথা: (i) চলমান গতি (translational motion),
(ii) ঘূর্ণায়মান গতি (rotational motion) এবং
(iii) কম্পন গতি (vibrational motion)।
- অণুসমূহ এ সকল গতিবেগের কারনে যে শক্তি লাভ করে তাকে গতিশক্তি বলে।
- তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে গতি শক্তির মান বেড়ে যায়।
- শূন্য কেলভিন তাপমাত্রায় পদার্থের অণুগুলোর গতি শক্তির মান শূন্য হয়।
সূত্র: ৩ পৃষ্ঠা, রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়।
- সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে।
- প্রতি ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট পরপর এই জোয়ার ভাঁটা সংঘঠিত হয়।
- সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাঁটা হয়।
- এক মুখ্য জোয়ার চলে যাবার ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট অর্থাৎ প্রায় সাড়ে বার ঘন্টা পরে সেই জায়গায় গৌণ জোয়ার এবং ঐ স্থানের প্রত্যেক জোয়ারের প্রায় ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট অর্থাৎ প্রায় সোয়া ছয় ঘন্টা পরে ভাঁটা হয়।
• জোয়ার ভাঁটার কারণ:
- বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন যে চন্দ্র ও সূর্যের প্রভাবেই এবং পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে জোয়ার ভাঁটা হয়।
- জোয়ার ভাঁটা সংঘটনের কারণকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১.মহাকর্ষণ শক্তির প্রভাব এবং
২. কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাব।
উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সূত্রঃ অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
উত্তর
ব্যাখ্যা
- যে জটিল প্রক্রিয়ায় জীব তার প্রতিরূপ বা বংশধর সৃষ্টি করে তাকে প্রজনন বা জনন বলে।
- প্রজনন বা জনন প্রধানত দুই প্রকার। যথা-অযৌন ও যৌন জনন।
অযৌন জনন:
- যে প্রক্রিয়ায় দুটি ভিন্নধর্মী জনন কোষের মিলন ছাড়াই জনন সম্পন্ন হয় তাই অযৌন জনন।
- নিম্নশ্রেণির জীবে অযৌন জননের প্রবণতা বেশি।
- অযৌন জনন প্রধানত দুই ধরনের।
যথা- স্পোর উৎপাদন ও অঙ্গজ জনন।
ক) স্পোর উৎপাদন:
- প্রধানত নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদে স্পোর বা অণুবীজ উৎপাদনের মাধ্যমে বংশ রক্ষা করার প্রবণতা বেশি দেখা যায়।
- উদ্ভিদের দেহকোষ পরিবর্তিত হয়ে অণুবীজবাহী একটি অঙ্গের সৃষ্টি করে, এদের অণুবীজথলি বলে।
- একটি অণুবীজথলিতে সাধারণত অসংখ্য অণুবীজ থাকে, তবে কখনো কখনো একটি খলিতে একটি অণুবীজ থাকতে পারে।
- থলির বাইরেও অণুবীজ উৎপন্ন হয়, এদের বহিঃঅণুবীজ বলে। বহিঃঅণুবীজের কোনো কোনোটিকে কনিডিয়াম বলে।
- Mucor এ থলির মধ্যে অসংখ্য অণুবীজ উৎপন্ন হয়।
- Penicillium কনিডিয়া সৃষ্টির মাধ্যমে বংশ বৃদ্ধি করে।
খ) অঙ্গজ জনন:
- কোনো ধরনের অযৌন রেণু বা জনন কোষ সৃষ্টি না করে দেহের অংশ খন্ডিত হয়ে বা কোনো অঙ্গ রূপান্তরিত হয়ে যে জনন ঘটে, তাকে অঙ্গজ জনন বলে।
- এ ধরনের জনন প্রাকৃতিক নিয়মে বা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ঘটলে তাকে প্রাকৃতিক অঙ্গজ জনন বলা হয়।
- যখন কৃত্রিমভাবে অঙ্গজ জনন ঘটানো হয় তখন তাকে কৃত্রিম অঙ্গজ জনন বলে।
উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
তাকে বলা হয় আলোর বেগ। কোন মাধ্যমে আলোর বেগ ঐ মাধ্যমে আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ও কম্পাঙ্গ বা ফ্রিকুয়েন্সির গুন
ফলের সমান।
আমরা জানি, যে, আলো এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে ভ্রমন করলে এর কম্পাঙ্ক বা ফ্রিকুয়েন্সি পরিবর্তিত হয় না।
উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদের আলো-অন্ধকারের ছন্দের উপর ভিত্তি করে পুষ্পধারী উদ্ভিদকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা -
১। স্বল্প দিবা দৈর্ঘ্যের উদ্ভিদ:
- যে সব উদ্ভিদে পুষ্পায়নে দৈনিক গড়ে ৮-১২ ঘণ্টা আলো প্রয়োজন।
যেমন- সয়াবিন, আলু, ইক্ষু, তামাক, শিম, চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া ইত্যাদি।
২। দীর্ঘ দিবা দৈর্ঘ্যের উদ্ভিদ:
- পুষ্পায়নে দৈনিক গড়ে ১২-১৬ ঘণ্টা আলো প্রয়োজন হয়।
যেমন- পালংশাক, আফিম, ভুট্টা, যব, লেটুস, ঝিঙা ইত্যাদি।
৩। আলোক নিরপেক্ষ উদ্ভিদ:
- পুষ্পায়নে আলো কোনও প্রভাব ফেলে না।
যেমন- টমেটো, কার্পাস, আউশ ধান, শসা, সূর্যমুখী ইত্যাদি।
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- প্রতিটি উদ্ভিদ কোষে শক্ত জড় পদার্থ দ্বারা পরিবেষ্টিত আবরণকে বলা হয় কোষ প্রাচীর।
- এটি উদ্ভিদ কোষের অনন্য একটি বৈশিষ্ট্য যা প্রাণী কোষে থাকে না।
- এর প্রধান রাসায়নিক উপাদান হলো- সেলুলোজ।
- তবে এতে হেমিসেলুলোজ, লিগনিন, পেকটিন, সুবেরিন ইত্যাদি রাসায়নিক পদার্থও থাকে।
- কোষ প্রাচীরকে তিনটি স্তরে ভাগ করা যায়।
যথা- মধ্য পর্দা, প্রাথমিক প্রাচীর এবং গৌণ প্রাচীর।
অন্যদিকে,
- ছত্রাকের কোষ প্রাচীর কাইটিন দিয়ে তৈরি।
- ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর প্রোটিন, লিপিড ও পলিস্যাকারাইড দিয়ে তৈরি।
- শৈবাল এদের কোষ প্রাচীর সাধারণত সেলুলোজ ও পেকটিন দিয়ে গঠিত।
- ভাইরাস অকোষীয়। এদের সাইটোপ্লাজম, কোষ ঝিল্লী, কোষ প্রাচীর, রাইবোসোম, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিয়াস ইত্যাদি থাকে না।
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীতে জীবের বৈচিত্র্যতা রয়েছে। এর জলে, স্থলে, অন্তরীক্ষে সর্বত্রই প্রাণীর অস্তিত্ব লক্ষ করা যায়।
- প্রাণীগুলোর মধ্যে কোনোটি এতোই ছোট যে এদের খালি চোখে দেখা যায় না, আবার কোনোটি আকারে বড় তাই খালি চোখে দেখা যায়।
- এদের মধ্যে কোনোটি মানুষের জন্য উপকারি, কোনোটি ক্ষতিকর।
- এদের স্বভাব, বৈচিত্র্য, আবাস স্থলের ভিন্নতা ও দলগতভাবে এদের বৈশিষ্ট্যের পার্থক্য দেখা যায়।
- তাই প্রাণিদের শ্রেণিবিন্যাস সম্পর্কে সুসংবদ্ধ জ্ঞান থাকা অতীব প্রয়োজনীয়।
প্রাণিজগতের বিভিন্নতা বা প্রাণী বৈচিত্র্য (Animal diversity):
- বৈচিত্র্যময় এ পৃথিবীতে বিরাজমান সকল প্রাণীর মধ্যে যে জিনগত, বাস্তুসংস্থানগত ও প্রজাতিগত বিভিন্নতা দেখা যায় তাকে প্রাণী বৈচিত্র্য বলে।
- প্রকৃতিতে তিন ধরনের প্রাণী বৈচিত্র্য দেখা যায়।
যথা-
১। জিনগত বৈচিত্র্য (Genetic diversity):
- একই প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে জিনগত পার্থক্যের কারণে যে বৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয় তাকে জিনগত বৈচিত্র্য বলে।
- এ ধরনের বৈচিত্র্য যেহেতু একই প্রজাতির মধ্যে ঘটে তাই একে অন্তঃপ্রজাতিক বৈচিত্র্যও বলে।
যেমন- মানব প্রজাতির বিভিন্ন রেস এর মধ্যে নাক ও কানের গঠনগত পার্থক্য, একই পিতা-মাতার সন্তানের মধ্যে পার্থক্য।
আবার মানুষ (Homo sapiens) একই প্রজাতিভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে মঙ্গোলয়েড, ককেশয়েত, নিগ্রয়েড ইত্যাদি রেস দেখা যায় এবং এদের দেহের গঠন, গায়ের রং, চুলের রং ও আকৃতি ইত্যাদিতে অনেক পার্থক্য দেখা যায়।
২। প্রজাতিগত বৈচিত্র্য (Species diversity):
- ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির জীবের মধ্যে বিদ্যমান বৈচিত্র্যকে প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বলে।
- এ ধরনের বৈচিত্র্য যেহেতু একই গণভুক্ত প্রজাতিগুলোর মধ্যে ঘটে তাই একে আন্তঃপ্রজাতিক বৈচিত্র্যও বলে।
- একই গনভুক্ত প্রজাতির মধ্যে ক্রোমোসোম সংখ্যা ও আঙ্গিক গঠনে যথেষ্ট পার্থক্য দেখা যায়।
যেমন- রয়েল বেঙ্গল টাইগার (Panthera tigris) ও সিংহ (Panthera leo) একই গণভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও ক্রোমোসোম সংখ্যা ও জিনের বিন্যাস ভিন্ন হওয়ার ফলে এদের বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বিরাজ করে।
৩। বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য (Ecosystem diversity):
- পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন জলবায়ুর সাথে জীবজগতের মিথস্ক্রিয়ায় ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশিয় একক বা বায়োম সৃষ্টি হয়।
যেমন- তুন্দ্রা বায়োম, মরূ বায়োম, তৃণ ভূমি বায়োম ইত্যাদি ।
- বিভিন্ন বায়োমে বসবাসকারি জীবের বৈচিত্র্যকে বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য বলে।
যেমন- বন, তৃণভূমি, জলাভূমি, হ্রদ, নদী, পাহাড়, সাগর, মরুভূমি প্রভৃতি বাস্তুতন্ত্রে গড়ে উঠে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ বিভিন্ন জীব সম্প্রদায়।
উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• অস্থিসন্ধি:
- দুই বা ততোধিক অস্থির সংযোগস্থলকে অস্থিসন্ধি বলা হয়।
• প্রতিটি অস্থিসন্ধির অস্থিগুলো একরকম স্থিতিস্থাপক রজ্জুর মতো বন্ধনী দিয়ে দৃঢ়ভাবে আটকানো থাকে, ফলে অস্থিগুলো সহজে সন্ধিস্থল থেকে বিচ্যুত হতে পারে না।
- অস্থিসন্ধি বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সঞ্চালনে সাহায্য করে।
• অস্থিসন্ধির প্রকারভেদ:
→ নিশ্চল অস্থিসন্ধি (Fixed Joint): নিশ্চল অস্থিসন্ধিগুলো অনড়, অর্থাৎ এগুলো নাড়ানো যায় না। যেমন- করোটিকা অস্থিসন্ধি।
→ ঈষৎ সচল অস্থিসন্ধি: এসব অস্থিসন্ধি একে অন্যের সাথে সংযুক্ত থাকলেও সামান্য নাড়াচাড়া করতে পারে, ফলে আমরা দেহকে সামনে, পিছনে এবং পাশে বাঁকাতে পারি।
যেমন- মেরুদণ্ডের অস্থিসন্ধি।
→ পূর্ণ সচল অস্থিসন্ধি: এ সকল অস্থিসন্ধি সহজে নড়াচড়া করানো যায়। এ জাতীয় অস্থিসন্ধির মধ্যে বল ও কোটরসন্ধি, কবজাসন্ধি প্রধান।
যেমন- সাইনোভিয়াল অস্থিসন্ধি।
• পূর্ণ সচল অস্থিসন্ধি ২ প্রকার।
যথা- (i) বল ও কোটরসন্ধি,
(ii) কব্জা সন্ধি।
তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের ফসল উৎপাদনের জন্য জলবায়ুর ভিত্তিতে সারা বছরকে প্রধানত দুটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:- রবি বা শীলকালীন মৌসুম এবং খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম।
- রবি মৌসুম সাধারণত আশ্বিন থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে।
- রবি শস্য মূলত শীতকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ শস্য মূলত গ্রীষ্মকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ মৌসুমকে দুইভাগে ভাগ করা হয়।
- খরিপ-১: চৈত্র মাস থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকাল বলা হয়।
- খরিপ-২: আষাঢ় মাস থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ মৌসুম বা বর্ষাকাল বলা হয়।
তথ্যসূত্র - কৃষিশিক্ষা, ৭ম শ্রেণি।
উত্তর
উত্তর
ব্যাখ্যা
- আপেক্ষিকতার সাধারণ বা সার্বিক তত্ত্ব পরস্পরের তুলনায় ঊর্ধ্ব বা নিম্নগতিশীল বস্তুসমূহ বা সিস্টেম নিয়ে আলোচনা করেছে। এটি প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে।
- পক্ষান্তরে আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব শুধু পরস্পরের তুলনায় সমগতিতে সঞ্চরণশীল বা অসঞ্চরণশীল বস্তু বা সিস্টেম নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- এটি সাধারণ তত্ত্বের একটি বিশেষ রূপ। এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯০৫ সালে।
- অইিনস্টাইনের স্পেশাল থিওরি অব রিলেটিভিটি থেকে আলাের বেগ যে স্থির কিংবা গতিশীল সব মাধ্যমে সমান তা ব্যাখ্যা পাওয়া যায়।
- স্পেশাল থিওরি অব রিলেটিভিটি থেকেই সর্বকালের সবচেয়ে চমকপ্রদ সূত্র E=mc2 বের হয়ে আসে, যেখানে দেখানাে হয় বস্তুর ভরকে শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব।
উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- জার্মান বিজ্ঞানী রন্টজেন ১৮৯৫ সালে এক্স-রে তথা রঞ্জন রশ্মি আবিস্কার করেন।
- এই আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানী রনজেন 1901 সালে নোবেল পুরষ্কার পান।
- এক্স-রে এক ধরনের চার্জহীন বা তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ (যে তরঙ্গ তার চলার পথে তড়িৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত বা বিচ্যুত হয় না)।
- এটি সরলপথে আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে।
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10-8 m থেকে 10-13 m পর্যন্ত।
- এক্স-রে তৈরীর প্রক্রিয়া হলো কুলীজ নল পদ্ধতি।
- এক্স-রশ্মি উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।
- এক্স-রে গ্যাসীয় মাধ্যমকে আয়নিত করে।
- এক্স-রে বিকিরণ পরিমাপ করার জন্য যে একক ব্যবহার করা হয় তাকে রন্টজেন বলা হয়।
- তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ভিত্তিতে এক্স-রে সাধারনত ২ ধরনের হয়:
১) কোমল এক্স-রে,
২) কঠিন এক্স-রে।
- এক্স-রে যন্ত্রে প্রযুক্ত বিভব পার্থক্য বেশি হলে যে এক্স-রে উৎপাদিত হয় তাকে কঠিন এক্স-রে বলে।
- কম বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করে যে এক্স-রে পাওয়া যায় তাকে কোমল এক্স-রে বলে।
তথ্যসূত্র - ১. HSC পদার্থবিজ্ঞান , শাহজাহান তপন।
২. ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• শনি (Saturn):
- শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- সূর্য থেকে এর দূরত্ব ১৪৩ কোটি কিলোমিটার।
- এটি গ্যাসের তৈরি বিশাল এক গোলক।
- এর ব্যাস ১,২০,০০০ কিলোমিটার।
- শনির ভূত্বক বরফে ঢাকা।
- এর বায়ুমন্ডলে আছে হাইড্রোজেন ও হিলিয়ামের মিশ্রণ, মিথেন ও অ্যামোনিয়া গ্যাস।
- সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে শনির সময় লাগে পৃথিবীর প্রায় ২৯.৫ বছরের সমান।
- শনি উজ্জ্বল বলয় দ্বারা বেষ্টিত এবং এর ৮২টি উপগ্রহ আছে (সর্বাধিক)।
- নাসা'র তথ্য অনুযায়ী ১৪৬টি উপগ্রহ আছে।
অন্যদিকে,
- বৃহস্পতির ৭৯টি উপগ্রহ আছে।
- মঙ্গল এর ২টি উপগ্রহ আছে।
- নেপচুন এর ১৪টি উপগ্রহ আছে।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
আলবার্ট আইনস্টাইন তার সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব দিয়ে 1916 সালে প্রথম ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বরের অস্তিত্বের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।
উৎস: www.space.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
দ্বিপোল-দ্বিপোল বন্ধন: পানির এক অণুর হাইড্রোজেন ও অন্য অণুর অক্সিজেন এর মধ্যে আকর্ষণ কাজ করে। এই মধ্যবর্তী বন্ধনকে দ্বিপোল-দ্বিপোল বন্ধন বলা হয়।
সমযোজী বন্ধন: এটি একই অণুর ভেতরে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের মধ্যে ইলেকট্রন ভাগাভাগির মাধ্যমে গঠিত। এই বন্ধন পানির অণুর ভেতরের বন্ধন, কিন্তু প্রশ্নে বলা হয়েছে মধ্যবর্তী (intermolecular) বন্ধন।
আয়নিক বন্ধন: এটি ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আয়নের মধ্যে ইলেকট্রন আদান-প্রদানের মাধ্যমে হয়।
ধাতব বন্ধন: এটি ধাতুগুলোর মধ্যে ইলেকট্রনের সমবন্টনের মাধ্যমে গঠিত।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা [লিংক ]
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা রাসয়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে পরমাণু বলে।
পরমাণুর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- পরমাণু মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা বা একক।
- সাধারণত পরমাণু স্বাধীনভাবে মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে না, তবে কিছু কিছু মৌলিক পদার্থের পরমাণু স্বাধীনভাবে থাকতে পারে।
যেমন- হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন ইত্যাদি।
- পরমাণু সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।
- একটি পরমাণুকে ভাঙলে ওই মৌলের আর কোন অস্তিত্বই থাকে না।
অণু:
- দুই বা দুইয়ের অধিক সংখ্যক পরমাণু পরস্পরের সাথে রাসায়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত থাকলে তাকে অণু বলে।
উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- অ্যান্টিবডি অ্যান্টিজেনের বিপরীত বস্তু বা নিজস্ব বস্তু বা কণিকা বা কোষ অথবা কোষগুচ্ছ।
- অ্যান্টিবডি প্রধানত অ্যান্টিজেনের সাড়ায় দেহের B-লিম্ফোসাইট থেকে উৎপাদিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ।
- এরা রক্তের প্লাজমা ও কলারসে বর্তমান থাকে।
- এরা অ্যান্টিজেনের সাথে যুক্ত (combine) হতে পারে এবং ক্লোনাল নির্বাচন (colonal selection) দ্বারা উৎপাদিত হয় এবং দেহের প্রধান সৈনিক বা রক্ষণাবেক্ষণের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।
- অ্যান্টিবডিগুলো অনুপ্রবেশকারী বা বহিরাগত অ্যান্টিজেনকে ভক্ষণ করে, কখনো বিনষ্ট করে, কখনো মেরে ফেলে, কখনো বাইরে নিক্ষেপ করে।
- অ্যান্টিজেন হচ্ছে non-self আর অ্যান্টিবডি হচ্ছে self বস্তু।
অ্যান্টিবডির প্রকার:
- মানবদেহের রক্তে পাঁচ রকমের ইমিউনোগ্লোবিউলিন অর্থাৎ অ্যান্টিবডি দেখা যায়।
যথা- IgG, IgA, IgM, IgD ও IgE।
- এগুলো মানবদেহের প্রতিরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- পাঁচ প্রকার অ্যান্টিবডির মধ্যে IgG রক্তরসে সর্বাধিক মাত্রায় থাকে এবং IgD ও IgE সবচেয়ে কম পরিমাণে থাকে।
উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• এখানে দহন তাপ হচ্ছে তাপোৎপাদী বিক্রিয়া
• তাপোৎপাদী বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে বিক্রিয়কসমূহের মোট অভ্যন্তরীণ শক্তি E1 উৎপাদসমূহের মোট অভ্যন্তরীণ শক্তি E2 থেকে বেশি।
• কাজেই এ বিক্রিয়াতে বিক্রিয়ায় তাপ শক্তির পরিবর্তন AH = E2 - E1 এর মান ঋণাত্মক হয়।
তাই সঠিক উত্তর (ক) হবে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection):
এক জোড়া নির্দিষ্ট স্বচছ সমসত্ব মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট বর্ণের আলোক রশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যাবার সময় যদি দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে সংকট কোণের চেয়ে বড় কোণে আপতিত হয় তবে আলোক রশ্মি হালকা মাধ্যমে বিন্দুমাত্র প্রতিসৃত না হয়ে সম্পূর্ণরূপে বিভেদ তল দ্বারা ঘন মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়। একে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে।
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের শর্তঃ
১) আলোক রশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যেতে হবে।
২) আপতন কোণ সংকট কোণের থেকে বড় হতে হবে।
সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ পৃথিবীর ভূত্বক বিভিন্ন টেকটোনিক প্লেটে বিভক্ত। প্রধান টেকটোনিক প্লেট ৭টি।
টেকটোনিক প্লেট:
- টেকটোনিক প্লেট হচ্ছে পাথরের একটি স্তর যা পৃথিবীর অভ্যন্তরের গলিত অংশটির সবচেয়ে বাইরের আবরণ।
- টেকটোনিক প্লেট এর উপরে পৃথিবীর সবকিছু অবস্থান করছে।
- ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগেনারের মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব বা কন্টিনেন্টাল ড্রিফট থেকে টেকটোনিক প্লেট ধারণার জন্ম হয়।
- মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব অনুসারে কোনো একসময় সবগুলো মহাদেশ মিলে একটি মহাদেশ ছিল যাকে প্যানজিয়া বলা হয়।
- এই মতবাদ অনুসারে ভূ-ত্বক প্রধানত ৭টি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত।
প্লেটগুলো হলো:
- ইউরেশীয় প্লেট (Eurasian Plate),
- উত্তর আমেরিকান প্লেট (North American Plate),
- দক্ষিণ আমেরিকান প্লেট (South American Plate),
- আফ্রিকান প্লেট (African Plate),
- অ্যান্টার্কটিক প্লেট (Antarctic Plate),
- ভারত-অস্ট্রেলীয় প্লেট (Indo-Australian Plate) ও
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট (Pacific Plate) ।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত: ২২ ডিসেম্বর।
আবার,
- উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত: ২১ জুন।
- দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত : ২১ জুন।
- পৃথিবীর দিনরাত্রি সর্বত্র সমান: ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
রিকেটস (Rikets):
- এটি কোনো ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নয়, ভিটামিন 'ডি' এর অভাবে এ রোগ হয়।
- অন্ত্রে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণ, দাঁত ও হাড় গঠন প্রভৃতি শারীরবৃত্তীয় কাজে এই ভিটামিন প্রয়োজন।
- দুধ, মাখন, ডিম, কডলিভার তেল ও হাঙ্গরের তেলে প্রচুর ভিটামিন 'ডি' পাওয়া যায়।
- সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির প্রভাবে মানুষের ত্বকে জমা থাকা কোলেস্টেরল থেকেও এটি তৈরি হয়, তবে সেক্ষেত্রে ভিটামিন ডি তৈরির শেষ ধাপটি সংঘটিত হয় কিডনিতে।
- দেহের হাড়গুলো দুর্বল হওয়া, গিঁট ফুলে যাওয়া, হাড়গুলো বিশেষ করে পায়ের হাড় বেঁকে যাওয়া ইত্যাদি এ রোগের লক্ষণ।
- এছাড়া এই রোগে অনেক সময় দেহের কাঠামো ঠিক থাকে না, হাড়গুলো ভঙ্গুর হয়ে যায় এবং বক্ষদেশ সরু হয়ে যায়।
- শিশুদের পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন 'ডি' সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াতে হবে।
- চোখ এবং জননাঙ্গ ঢেকে রেখে নবজাতককে কিছুক্ষণ রোদে রাখা ভালো, এতে সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে শরীরে কোলেস্টেরল থেকে ভিটামিন 'ডি' তৈরি হয়।
- নিয়মিতভাবে সারা শরীর সারা দিন কালো বা গাঢ় রঙের কাপড়ে ঢেকে রাখলে কিংবা দীর্ঘদিন ধরে ঘরের বাইরে না বের হলে ত্বক পর্যাপ্ত সূর্যালোক পায় না এবং এ কারণে ভিটামিন 'ডি'-এর ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
শর্করা
আমিষ
চর্বি
ভিটামিন
খনিজ লবণ
পানি
উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই
উত্তর
ব্যাখ্যা
- অ্যাস্ট্রোনোমিক্যাল ইউনিট সংক্ষেপে AU বা au, হলো একটি দৈর্ঘ্যের একক, যা মূলত পৃথিবী ও সূর্যের গড় দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
- ১ AU = ১৪৯,৫৯৭,৮৭০.৭ কিমি (1.495×108 km বা প্রায় ৯২,৯৫৫,৮০৭.৩ মাইল)।
- সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহ বা বস্তুর দূরত্ব তুলনা করতে এটি খুবই সুবিধাজনক।
- যেমন: বৃহস্পতি (Jupiter) সূর্য থেকে প্রায় ৫.২ AU দূরে, প্লুটো প্রায় ৪০ AU দূরে।
- ১ AU মানে, পৃথিবী যতটা দূরে সূর্য থেকে, ঠিক ততটাই।
উৎস: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টর:
- ট্রানজিস্টর একটি অর্ধপরিবাহী যন্ত্র, যা সাধারণত অ্যামপ্লিফায়ার এবং বৈদ্যুতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- তিন প্রান্তবিশিষ্ট যে ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী যন্ত্রে বহির্মুখী প্রবাহ, ভোল্টেজ এবং ক্ষমতা অন্তর্মুখী প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
- ট্রানজিস্টরকে বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ট আবিষ্কার বলা হয়।
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক জে. বার্ডিন, ডব্লিউ ব্রাটেন ও ডব্লিউ সক্লে ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের করেন।
- ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের কারণে জে. বার্ডিন, ডব্লিউ ব্রাটেন ও ডব্লিউ সক্লেকে ১৯৫৬ সালে নোবেল পুরষ্কার দেয়া হয়।
- ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
- ট্রানজিস্টরের প্রধান অংশ তিনটি। যথা - এমিটার, কালেক্টর এবং বেস।
- ট্রানজিস্টর আকারে অনেক ছোট হওয়ায় বিদ্যুৎ খরচ কম হয়,কম্পিউটার গরম কম হয় এবং ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের ফলে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- আন্তর্জাতিকভাবে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম নীতি মেনে জীবের বৈজ্ঞানিক নাম নির্ধারণ করা হয়।
- উদ্ভিদের নাম International Code of Botanical Nomenclature (ICBN) এবং প্রাণীর নাম International Code of Zoological Nomenclature (ICZN) কর্তৃক স্বীকৃত নিয়মানুসারে হতে হবে।
- প্রকৃতপক্ষে এই কোড পুস্তকাকারে লিখিত একটি দলিল।
- নামকরণ ল্যাটিন শব্দে হওয়ায় কোনো জীবের বৈজ্ঞানিক নাম সারা বিশ্বে একই নামে পরিচিত হয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
যে দিক থেকেই ওই বরফ-কেলাসের দিকে দেখা হোক না কেন, প্রত্যেকটিকে সে বিক্ষিপ্তভাবে চারদিকে ছড়িয়ে দেয়।
আলোর সব রশ্মিই প্রতিফলিত করে ফলে, তা কোনো নির্দিষ্ট বর্ণালী তরঙ্গদৈর্ঘ্যে উত্থাপিত হয় না। যার ফলে সাদা দেখায়।
উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বিএমআই (Body Mass Index) মানবদেহের গড়ন ও চর্বির একটি সূচক নির্দেশ করে।
- শরীরের সুস্থতা ও স্থূলতার মান নির্ণয়ে এটি খুবই উপযোগী।
বিএমআই = দেহের ওজন (কেজি)/দেহের উচ্চতা (মিটার)২
বিএমআই মান ⇒ করণীয়:
• ১৮.৫ -এর নিচে ⇒ শরীরের ওজন কম। পরিমিত খাদ্যগ্রহণে ওজন বাড়াতে হবে।
• ১৮.৫-২৪.৯ ⇒ এটি সুস্বাস্থ্যের জন্য আদর্শ মান।
• ২৫.০-২৯.৯ ⇒ শরীরের ওজন অতিরিক্ত। ব্যায়াম করে অতিরিক্ত ওজন কমানো প্রয়োজন।
• ৩০.০-৩৪.৯ ⇒ মোটা হওয়ার প্রথম স্তর। বেছে খাদ্যগ্রহণ ও ব্যায়াম করা প্রয়োজন।
• ৩৫.০-৩৯.৯ ⇒ মোটা হওয়ার দ্বিতীয় স্তর। পরিমিত খাদ্য গ্রহন ও ব্যায়াম করা প্রয়োজন।
• ৪০.০ -এর উপরে ⇒ অতিরিক্ত মোটাত্ব।মৃত্যুঝুঁকির আশঙ্কা। ডাক্তারের পরামর্শ প্রয়োজন।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মহাবিশ্ব প্রতিনিয়ত সম্প্রসারিত হচ্ছে- উক্তিটি করেছেন মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডউইন হাবল।
- ১৯২০ সালে বিখ্যাত মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডউইন হাবল, তার 2.5 m টেলিস্কোপের সাহায্যে গ্যালাক্সিগুলো পর্যবেক্ষণের সময় লক্ষ্য করলেন যে, গ্যালাক্সিগুলো পরস্পর থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে।
- গ্যালাক্সিসমূহ নিজেরা এবং পৃথিবী হতে দ্র“তগতিতে দূরে সরে যাচ্ছে এবং গ্যালাক্সিগুলোর মধ্যে দূরত্ব যতো বেশি পরষ্পর হতে দূরে সরে যাওয়ার বেগও ততো বেশি।
তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ঝড় ও বজ্রপাত বায়ুমণ্ডলের ট্রপোমণ্ডল নামক স্তরে সৃষ্টি হয়।
বায়ুমণ্ডল:
- বায়ুমণ্ডল যে সমস্ত উপাদানে গঠিত তাদের প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও উষ্ণতার পার্থক্য অনুসারে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়।
যথা- ট্রপোমণ্ডল, স্ট্রাটোমণ্ডল, মেসোমণ্ডল, তাপমণ্ডল ও এক্সোমণ্ডল।
ট্রপোমণ্ডল:
- ভূ-পৃষ্ঠের নিকটতম বায়ুস্তরকে বলে ট্রপোমণ্ডল।
- আবহাওয়া ও জলবায়ুজনিত যাবতীয় প্রক্রিয়ার বেশির ভাগ বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে ঘটে।
- মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড় ও কুয়াশা সবকিছুই বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে সৃষ্টি হয়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সাধারণ সর্দি, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ডেঙ্গু, জলাতঙ্ক, গুটিবসন্ত, জলবসন্ত, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু, ভাইরাল হেপাটাইটিস ইত্যাদি সবই ভাইরাসজনিত রোগ।
- ভাইরাস একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ বিষ।
- এরা অকোষীয় এবং আকারে এতই ছোট যে খালি চোখেতো দূরের কথা, সাধারণ অণুবীক্ষণ যন্ত্রেও দেখা যায় না।
- এদেরকে ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখতে হয়।
- ভাইরাস নিউক্লিক অ্যাসিড (যা কেন্দ্রে থাকে) ও প্রোটিন (যা আবরণ হিসেবে থাকে) দিয়ে গঠিত অতি-আণুবীক্ষণিক বস্তু যা জীবদেহের অভ্যন্তরে সক্রিয় হয় এবং দ্রুত বংশবৃদ্ধির মাধ্যমে তথায় রোগ সৃষ্টি করে কিন্তু জীবদেহের বাইরে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় অবস্থান করে।
- উদ্ভিদ, প্রাণী, ব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, অ্যাকটিনোমাইসিটিস প্রভৃতি জীবদেহের সজীব কোষে ভাইরাস সক্রিয় অবস্থায় বিরাজ করে।
অন্যদিকে,
- কলেরা একটি ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ।
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- হাইড্রোক্লোরিক এসিডটি পানিতে সম্পূর্ণভাবে বিযোজিত হয়।
শক্তিশালী এসিড:
- বেশ কিছু জৈব এসিড পানিতে বিযোজিত হয়ে হাইড্রোজেন আয়ন (H+) বিমুক্ত করে। আবার খনিজ এসিডগুলো পানিতে পুরোপুরি বিয়োজিত হয়ে হাইড্রোজেন আয়ন (H+) বিমুক্ত করে। অর্থাৎ, যতগুলো এসিডের অণু থাকে, তার সবগুলোই বিয়োজিত হয়।
যেমন-
• সালফিউরিক এসিড (H2SO4),
• নাইট্রিক এসিড (HNO3) এবং
• হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) ।
দুর্বল এসিড:
- তবে কিছু কিছু এসিড বিশেষ করে জৈব এসিডগুলো পানিতে পুরোপুরিভাবে বিয়োজিত না হয়ে আংশিকভাবে বিয়োজিত হয়। অর্থাৎ, যতগুলো এসিডের অণু থাকে তার সবগুলো থেকে হাইড্রোজেন আয়ন (H+) বিমুক্ত হয় না। সেজন্য এই এসিডগুলোকে দুর্বল এসিড বলে।
- তবে কিছু এসিড আছে যেমন- কার্বোনিক এসিড (H2CO3) যেটি জৈব এসিড না হলেও দুর্বল এসিড।
যেমন-
• সাইট্রিক এসিড (C6H8O7),
• এসিটিক এসিড (CH3COOH) এবং
• অক্সালিক এসিড (HOOC-COOH) ।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
পেরিস্কোপ:
- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি করা হয়।
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুইটি সমতল দর্পণের প্রয়োজন হয়।
- আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে।
- দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখতে পাই না তা আমরা দেখতে পাই।
- এটি তৈরি হয় সমকোণে দুবার বাঁকানো একটি লম্বা টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের দুটি ফালি স্থাপন করে।
- ডুবোজাহাজ বা যুদ্ধের ট্যাংকে পেরিস্কোপের ব্যবহার অপরিহার্য।
- পেরিস্কোপের সাহায্যে পানির তলায় ডুবে থাকা ডুবোজাহাজ থেকে পানির উপরিভাগের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
• স্থির তরঙ্গে পরপর দুটি সুস্পন্দ বিন্দু (Antinodes) বা পরপর দুটি নিস্পন্দ বিন্দুর (Nodes) মধ্যবর্তী দূরত্ব হলো তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অর্ধেক অর্থাৎ λ/২। একে একটি পূর্ণ লুপের দৈর্ঘ্যও বলা হয়।
- অন্যদিকে, একটি সুস্পন্দ বিন্দু এবং তার ঠিক পরবর্তী নিস্পন্দ বিন্দুর মধ্যবর্তী দূরত্ব হলো তরঙ্গদৈর্ঘ্যের এক-চতুর্থাংশ বা λ/৪।
• স্থির তরঙ্গ:
- একই রকম দুটি অগ্রগামী তরঙ্গ বিপরীত দিক থেকে সমভাবে অগ্রসর হয়ে একে অপরের উপর আপতিত হলে যে তরঙ্গের উদ্ভব হয় তাকে স্থির তরঙ্গ বলে।
- একটি তারের বা মোটা দড়ির এক প্রান্ত একটি দৃঢ় অবলম্বনে বেঁধে অন্য প্রান্ত ধরে উপর নিচে দোলালে একটি তরঙ্গ তার বেয়ে অগ্রসর হবে এবং বন্ধ প্রান্তে প্রতিফলিত হয়ে আবার ফিরে আসবে।
- এই প্রতিফলিত তরঙ্গ যখন নতুন অগ্রগামী তরঙ্গের উপর আপতিত হবে তখন স্থির তরঙ্গ উদ্ভব হবে।
- এই তরঙ্গ তার বা দড়ি বেয়ে অগ্রসর না হয়ে বরং তার বা দড়ির ঐ অংশের মধ্যে উৎপন্ন ও লুপ্ত হবে।
- তরঙ্গের উদ্ভবের সময় দেখা যাবে তারের কোনো কোনো বিন্দুতে কোনো স্পন্দন নাই।
- আবার কোনো কোনো বিন্দুতে সব সময় সর্বাধিক স্পন্দন হতে থাকবে।
- যে বিন্দুতে কোনো স্পন্দন নাই সে বিন্দুগুলোকে নিস্পন্দ বিন্দু (Node) এবং যে বিন্দুতে সব সময় সর্বাধিক স্পন্দন হয় সে বিন্দুগুলোকে সুস্পন্দ বিন্দু (Antinode) বলে।
- নিস্পন্দ ও সুস্পন্দ বিন্দুগুলোর অবস্থানগুলো সব সময় স্থির।
- পরপর দুটো সুস্পন্দ বিন্দু বা দুটো নিস্পন্দ বিন্দুর মধ্যবর্তী দূরত্ব তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের অর্ধেক হয়।
- গীটার, একতারা, সেতার ইত্যাদি বাদ্য যন্ত্রের তারে স্থির তরঙ্গ উৎপন্ন হয়।
উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বৃহস্পতি (Jupiter):
- বৃহস্পতি আয়তনে পৃথিবীর চেয়ে ১,৩০০ গুণ বড়।
- এটি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ।
- একে গ্রহরাজ বলে। এর ব্যাস ১,৪২,৮০০ কিলোমিটার।
- এটি সূর্যথেকে প্রায় ৭৭.৮ কোটি কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে।
- তাই পৃথিবীর সাতাশ ভাগের একভাগ তাপ পায়।
- বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগে তাপমাত্রা খুবই কম এবং অভ্যন্তরের তাপমাত্রা অত্যন্ত বেশি (প্রায় ৩০,০০০° সেলসিয়াস)।
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বৃহস্পতির সময় লাগে ৪,৩৩১ দিন।
- বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ৭৯টি।
- এ গ্রহে জীবের অস্তিত্ব নেই।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (NASA) মহাকাশে ইতিহাসের বৃহত্তম টেলিস্কোপ পাঠায় (২২ ডিসেম্বর, ২০২১)।
- টেলিস্কোপটির নাম ‘দ্য জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ' (James Webb Space Telescope)।
- নাসার সঙ্গে টেলিস্কোপটি তৈরিতে সাহায্য করেছে ইউরোপিয়ান এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সি।
- ১৯৯৭ সালে প্রথম টেলিস্কোপটির ওপর কাজ শুরু হয়।
- পৃথিবী থেকে ১৫ লাখ কিলোমিটার দূরে এ অবলোহিত রশ্মির টেলিস্কোপটিকে বসানো হবে।
সূত্র: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২
উত্তর
ব্যাখ্যা
- অধাতুসমূহের মধ্যে সালফার, কয়লা, ফসফরাস, সিলিকন ইত্যাদি খনি থেকে উত্তোলন করা হয়।
- প্রকৃতিতে সালফার মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় এবং ফ্লাস পদ্ধতিতে খনি থেকে উত্তোলন করা হয়
- সালফারের গলনাঙ্ক মাত্র ১১৯° সেন্টিগ্রেড হওয়ায় উচ্চ তাপমাত্রার উত্তপ্ত জলীয় বাস্পের সংস্পর্শে তা গলে যায়।
- রাসায়ন শিল্পের অন্যতম প্রধান উপাদান সালফিউরিক এসিডসহ বারুদ, দেয়াশলাই, রাবার ভলকানাইজিং, সালফাড্রাগ ইত্যাদি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক যৌগ উৎপাদনে সালফার ব্যবহার করা হয়।
উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- আবহাওয়া বলতে স্বল্প সময়ের জন্য কোনো নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুমণ্ডলের অবস্থাকে বোঝায়।
- বায়ুর তাপমাত্রা, চাপ, বায়ু কোন দিক থেকে কত জোরে প্রবাহিত হচ্ছে, বায়ুর আর্দ্রতা বা বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ, মেঘ, কুয়াশা ও বৃষ্টিপাত- এই অবস্থাগুলোকে একত্রে আবহাওয়া বলা হয়।
যেমন- কোনো দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বোঝা যায় আবহাওয়া বেশ গরম, আবার কোনো দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বোঝা যায় আবহাওয়া বেশ ঠান্ডা। আবার আকাশ মেঘলা অথবা কুয়াশাচ্ছন্ন- এরকম অবস্থাও স্বল্প সময়ের আবহাওয়া নির্দেশ করে।
জলবায়ু:
- জলবায়ু সহসা বদলায় না, জলবায়ু হলো কোনো স্থানের অনেক বছরের আবহাওয়ার একটি সামগ্রিক বা গড় ফল।
যেমন- বাংলাদেশের জলবায়ু উষ্ণ ও আর্দ্র- থেকে বোঝা যায় বাংলাদেশে বেশ গরম পড়ে এবং বায়ু ভেজা বা আর্দ্র থাকে। আবার রাশিয়ার জলবায়ু শীতপ্রধান; এ থেকে বুঝা যায় রাশিয়ায় সাধারণত খুব শীত পড়ে।
আবহাওয়া ও জলবায়ুর পার্থক্য:
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান মূলত একই।
- বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা, বায়ুচাপ, বায়ুপ্রবাহ, আর্দ্রতা (জলীয় বাষ্পের আপেক্ষিক পরিমাণ), বৃষ্টিপাত সবগুলোই আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান।
- উপাদানসমূহ একই হলে আবহাওয়া ও জলবায়ুর মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে-
১। কোনো স্থানের বায়ুমণ্ডলের স্বল্পকালীন অবস্থাই আবহাওয়া, আর কোনো স্থানের অনেক বছরের আবহাওয়ার গড় অবস্থাই জলবায়ু।
২। কোনো স্থানের আবহাওয়া অল্প সময়ের মধ্যে পরিবর্তিত হতে পারে। কিন্তু কোনো স্থানের জলবায়ু সহসা পরিবর্তন হয় না, পরিবর্তন হতে অনেক বছর লেগে যায়।
৩। কাছাকাছি অঞ্চলের আবহাওয়া একই সময়ে ভিন্ন হতে পারে।
যেমন- কোনো নির্দিষ্ট দিনে ফরিদপুরে বৃষ্টি হতে পারে কিন্তু বরিশালে বৃষ্টি নাও হতে পারে।
- কিন্তু কাছাকাছি অঞ্চলের জলবায়ু সাধারণত একই রকম।
যেমন- বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ু একই রকম।
উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- রক্ত একটি অস্বচ্ছ তরল পদার্থ।
- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে রক্তের রং লাল দেখায়।
- এটি ক্ষারধর্মী, লবণাক্ত স্বাদযুক্ত পদার্থ।
- সাধারণত হাড়ের লাল অস্থিমজ্জাতে রক্ত কণিকার জন্ম।
- এটি রক্তরস ও রক্ত কণিকার সমন্বয়ে গঠিত।
• রক্ত কণিকা:
- মানবদেহে তিন প্রকার রক্ত কণিকা দেখা যায়।
যথা-
- লোহিত রক্ত কণিকা,
- শ্বেত রক্ত কণিকা এবং
- অণুচক্রিকা।
- হৃৎপিণ্ডে রক্ত সঞ্চালনে ভুমিকা রাখে।
- যকৃত রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণী, NCTB।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বায়ুর গতিবেগ পরিমাপক যন্ত্রের নাম হল এনোমোমিটার ।
- সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপক যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র অলটিমিটার।
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র টেকোমিটার।
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র অডিওমিটার।
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র অডিওমিটার।
- দুধের বিশুদ্ধতা পরিমাপক যন্ত্র ল্যাকটোমিটার।
উৎস: Britannica.com