বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ২২ / ১৪০ · ২,১০১২,২০০ / ১৪,০৮০

২,১০১.
সর্বপ্রথম পোলিওমাইলিটিস কে আবিষ্কার করেন?
  1. সার্জন জ্যাকব হেইন
  2. সার্জন রজার পাওয়েল
  3. সার্জন হেইরী কেইন
  4. সার্জন জ্যাকলিন হ্যারিস
সঠিক উত্তর:
সার্জন জ্যাকব হেইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্জন জ্যাকব হেইন
ব্যাখ্যা
পোলিও:

- পোলিও এক ধরনের ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ।
- এই রোগের পুরো নাম পোলিওমাইলাইটিস।
- ১৮৪০ সালে জার্মান অর্থোপেডিক সার্জন জ্যাকব হেইন সর্বপ্রথম পোলিওমাইলিটিস আবিষ্কার করেন।
- মানুষ হচ্ছে পোলিও ভাইরাসের একমাত্র প্রাকৃতিক পোষক।
- পোলিও ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে অন্য সুস্থ ব্যক্তি আক্রান্ত হতে পারে।
- ভাইরাসটি মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্রে প্রবেশ করে এবং মাংসপেশিকে নিয়ন্ত্রণকারী স্নায়ুকোষকে আক্রান্ত করে। এর ফলে ব্যক্তির শরীর পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হয়।
- আক্রান্ত স্থানটি সাধারণত পায়ে হয়ে থাকে।
- পোলিও শিশুদেরই অধিক আক্রান্ত করে, তাই এটি অপরিপক্ব পক্ষাঘাত নামেও পরিচিত।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৯ জুন, ২০২২।
২,১০২.
Corona loss কোনটির উপর নির্ভর করে না?
  1. Conductor Size
  2. Atmosphere
  3. Line voltage
  4. Height of the Conductor
সঠিক উত্তর:
Height of the Conductor
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Height of the Conductor
ব্যাখ্যা
- করোনা লস বলতে করোনা ডিসচার্জের কারণে উচ্চ-ভোল্টেজ ট্রান্সমিশন লাইনে যে বিদ্যুৎ ক্ষয় হয় তাকে বোঝায়।
- যখন একটি উচ্চ-ভোল্টেজ কন্ডাক্টরের চারপাশের বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র একটি নির্দিষ্ট প্রান্তিক সীমা অতিক্রম করে, তখন আশেপাশের বায়ু ভেঙ্গে এবং আয়নাইজ করতে পারে, যা করোনা নামক একটি উজ্জ্বল ডিসচার্জ তৈরি করতে পারে।
- এই করোনা ডিসচার্জে আলো, তাপ এবং শব্দ আকারে শক্তির ক্ষতির দিকে পরিচালিত করে।
- কন্ডাকটরের কাছাকাছি বায়ুর অণুগুলির আয়নকরণ এবং ভাঙ্গনের ফলে শক্তি অপচয় হয়, যার ফলে করোনার ক্ষতি হয়।

এট নির্ভর করে- 
- Voltage Level
- Conductor Shape
- Atmospheric Conditions
- Conductor Spacing
- Frequency
- Environmental Factors
- Conductor Material ইত্যাদির উপর। 
২,১০৩.
শরীর হতে বর্জ্য পদার্থ বের করে দেয়-
  1. ক) ফুসফুস
  2. খ) কিডনী
  3. গ) হৃৎপিণ্ড
  4. ঘ) যকৃত
সঠিক উত্তর:
খ) কিডনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কিডনী
ব্যাখ্যা

আমাদের দেহের বিপাকক্রিয়ায় তৈরি সব বর্জ্য পদার্থ এবং অতিরিক্ত পানি শরীর থেকে কিডনি বা বৃক্কের মাধ্যমেই বের হয়ে যায়।

একজন স্বাভাবিক মানুষ প্রতিদিন প্রায় এক হাজার ৫০০ মিলিলিটার মূত্র ত্যাগ করে।
মূত্রে ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, অ্যামোনিয়া, ক্রিয়েটিনিন ইত্যাদি নাইট্রোজেন ঘটিত পদার্থ থাকে। এগুলো মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
এসব অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থ মূত্রের মাধ্যমে অপসারণে বৃক্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বৃক্ক মানবদেহের সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ক্লোরাইড ইত্যাদির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে।
তা ছাড়া মানবদেহের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, পানি, অম্ল ও ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,১০৪.
পরিবাহী পদার্থকে তাপ দিলে এর রোধের কী ধরণের পরিবর্তন হয়?
  1. বৃদ্ধি পায়
  2. হ্রাস পায়
  3. অপরিবর্তিত থাকে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
বৃদ্ধি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃদ্ধি পায়
ব্যাখ্যা

- পরিবাহী পদার্থকে তাপ প্রয়োগ করলে এর তড়িৎ প্রবাহে বাধা দান করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

পরিবাহী:

- যে সব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান সহজে এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে প্রবাহিত হতে পারে সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে।
- যেমন-রুপা, তামা, লোহা ইত্যাদি। মূলতঃ সকল ধাতব পদার্থই পরিবাহী।
-  পরিবাহীতে অনেক মুক্ত ইলেকট্রন থাকে।
- পরিবাহীর দুই প্রান্তে সামান্য বিভব পার্থক্য ঘটালেই ইলেকট্রনগুলো তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে।
- পরিবাহী পদার্থকে তাপ প্রয়োগ করলে এর তড়িৎ প্রবাহে বাধা দান করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১০৫.
একটি তড়িৎ মোটরের গতি এবং শক্তি বৃদ্ধি করা যায়-
  1. কুণ্ডলীর ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি কর।
  2. কুণ্ডলীর পাকসংখ্যা বৃদ্ধি করে।
  3. তড়িৎ প্রবাহের মান বৃদ্ধি করে।
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
তড়িৎ মোটর: 
- তড়িৎবাহী তারের উপর চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে তড়িৎ মোটর তৈরি করা হয়। 
- যে তড়িৎ যন্ত্র তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে তাকে তড়িৎ মোটর বলে। 
- ডি. সি মোটর ও এ. সি মোটর নামে দুই ধরনের মোটর তৈরি হয়। 
- একটি ডি.সি. মোটরের বিভিন্ন অংশের নাম নীচে দেয়া হলো- 
১। ক্ষেত্র চুম্বক, 
২। আর্মেচার, 
৩। কম্যুটেটর, 
৪। ব্রাশ এবং 
৫। বহিঃবর্তনী। 

- কুণ্ডলীতে বলরেখার পরিবর্তন হবার কারণে কিছু আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তির উদ্ভব হয়। 
- মোটরের গতি এবং শক্তি নিম্নোক্তভাবে বৃদ্ধি করা যায়। 
যথা- 
১। তড়িৎ প্রবাহের মান বৃদ্ধি করে। 
২। কুণ্ডলীর পাকসংখ্যা বৃদ্ধি করে। 
৩। শক্তিশালী চুম্বক ব্যবহার করে। 
৪। কুণ্ডলীর ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১০৬.
একটি যৌগে কোনো মৌলের জারণ সংখ্যা নির্ণয়ে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. নিউট্রনের সংখ্যা
  2. পারমাণবিক ব্যাসার্ধ
  3. অন্যান্য মৌলের প্রমাণ জারণ সংখ্যা
  4. ঐ মৌলের ভর সংখ্যা 
সঠিক উত্তর:
অন্যান্য মৌলের প্রমাণ জারণ সংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যান্য মৌলের প্রমাণ জারণ সংখ্যা
ব্যাখ্যা

জারণ সংখ্যা নির্ণয়: 
- যৌগের অণুতে কোনো মৌলের জারণ সংখ্যা যৌগে উপস্থিত অন্যান্য মৌলের জারণ সংখ্যার উপর নির্ভরশীল। 
- যৌগে কোনো একটি মৌলের জারণ সংখ্যা নির্ণয় করার ক্ষেত্রে যৌগের অণুতে উপস্থিত অন্যান্য মৌলের প্রমাণ জারণ সংখ্যা ব্যবহার করা হয়
- ক্ষার ধাতুর জারণ সংখ্যা + 1. 
- ধাতব হাইড্রাইড ব্যতিত অন্যসব মৌলের মধ্যে হাইড্রোজেনের জারণ সংখ্যা + 1. 
- ধাতব হাইড্রাইডের মধ্যে হাইড্রোজেনের জারণ সংখ্যা - 1. 
- অক্সাইড যৌগে অক্সিজেনের জারণ সংখ্যা - 2. 
- পারঅক্সাইড যৌগে অক্সিজেনের জারণ সংখ্যা - 1. 
- ধাতব হ্যালাইডে হ্যালোজেনের জারণ সংখ্যা - 1. 
- মৃৎক্ষার ধাতুর জারণ সংখ্যা + 2. 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১০৭.
​ইনসুলিন কোন অঙ্গ থেকে নির্গত হয়? 
  1. কিডনি 
  2. হার্ট 
  3. প্যানক্রিয়াস
  4. লিভার 
সঠিক উত্তর:
প্যানক্রিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যানক্রিয়াস
ব্যাখ্যা

বহুমূত্র রোগ: 
- বহুমূত্র রোগ বা ডায়াবেটিস মেলিটাস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ।
- ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়। 
- প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে কমিয়ে দেয়
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকানল এবং ইনসুলিন নির্গত হয়।
- ডায়াবেটিস রোগে ইনসুলিন ব্যবহৃত হয়।
- কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন নির্গত করতে পারে না, কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না।
- যে কারণে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,১০৮.
চুম্বক আবিষ্কৃত হয় কোন দেশে?
  1. ক) আমেরিকায়
  2. খ) ইংল্যান্ডে
  3. গ) গ্রীসে
  4. ঘ) তুরস্কে
সঠিক উত্তর:
গ) গ্রীসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গ্রীসে
ব্যাখ্যা

চুম্বক আবিষ্কৃত হয় গ্রীসে
যে সকল বস্তুর আকর্ষণ ও দিক নির্দেশক ধর্ম আছে তাদে কে চুম্বক বলে।

প্রাকৃতিক অবস্থায় পাওয়া চুম্বককে প্রাকৃতিক চুম্বক এবং মানুষের তৈরি চুম্বককে বলা হয় কৃত্রিম চুম্বক।

চুম্বক যাদের আকর্ষণ করে তাদের বলা চুম্বকীয় পদার্থ।

যে কোনো আকারের চুম্বকই হোক না কেন, চুম্বকের মাঝখান থেকে তার দুই প্রান্তে আকর্ষণ ক্ষমতা বেশি থাকে।

সূত্র: সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান, যুগান্তর পত্রিকা (ব্যাখ্যা)

২,১০৯.
ফস-চেক কি কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. আগুন নেভানো
  2. আগুন জ্বালানো
  3. পানি উঠানো
  4. বালি উঠানো
সঠিক উত্তর:
আগুন নেভানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগুন নেভানো
ব্যাখ্যা
ফস-চেক: 
- ফস-চেক আগুন নেভানোর কাজে ব্যবহৃত হয়
- এটি উজ্জ্বল গোলাপি রঙের পাউডার জাতীয় পদার্থ।
- এটি এক ধরনের গুঁড়া অগ্নিপ্রতিরোধক, এটি পেরিমিটার নামের একটি কোম্পানি এটা বিক্রি করে।

উল্লেখ্য, 
- আগুন নিয়ন্ত্রণে ১৯৬৩ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ফস-চেকের ব্যবহার হয়ে আসছে। 
- ফস-চেকে রঙের ব্যবহার সম্পর্কে পেরিমিটার জানায়, এর লাল-গোলাপি রং বৈমানিক ও অগ্নিনির্বাপণকর্মী উভয়ের জন্য দৃশ্যমান থাকে, তাই সহজে তারা এটা দেখতে পান।
- যেসব এলাকায় আগুন লাগার ঝুঁকি রয়েছে, সেখানে আগুন ছড়িয়ে পড়া প্রতিরোধে এটি ব্যবহার করা হয়।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি লস অ্যাঞ্জেলেসে দাবানলের বিস্তার ঠেকাতে বিশাল এলাকাজুড়ে আকাশ থেকে এই রঙিন গুঁড়া ছিটানো হয়েছে। 

উৎস: বিবিসি এবং দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা।
২,১১০.
ভাইরাসের কেন্দ্রে কোন পদার্থ থাকে যা বংশগতি নির্ধারণ করে? 
  1. প্রোটিন
  2. কার্বোহাইড্রেট
  3. নিউক্লিক অ্যাসিড
  4. অ্যামাইনো এসিড
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিক অ্যাসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিক অ্যাসিড
ব্যাখ্যা
ভাইরাসের রাসায়নিক গঠন: 
- রাসায়নিকভাবে ভাইরাসে দুটি উপাদান থাকে। 
যথা- নিউক্লিক অ্যাসিড এবং প্রোটিন। 
- ভাইরাসের কেন্দ্রে অবস্থান করে নিউক্লিক অ্যাসিড, এটি একটি বংশগতি নির্ধারক পদার্থ। 
- নিউক্লিক অ্যাসিড দুই ধরনের। 
যথা- DNA ও RNA। 
- অন্যান্য জীবদেহে একইসাথে DNA ও RNA অবস্থান করলেও ভাইরাস দেহে একই সাথে DNA ও RNA অবস্থান করে না। 
- ক্যাপসিড আবরণটি অসংখ্য প্রোটিন অণু দিয়ে গঠিত, ক্যাপসিড আবরণের এক একটি প্রোটিন অণুকে ক্যাপসোমিয়ার বলা হয়। 
- ক্যাপসিড সাধারণত জৈবিক দিক দিয়ে নিষ্ক্রিয়, এরা নিউক্লিক অ্যাসিডকে রক্ষা করে, ভাইরাসকে পোষক দেহে সংক্রমণে সাহায্য করে এবং অ্যান্টিজেন হিসেবে কাজ করে। 
- কোন কোন ভাইরাসে (যেমন- ইনফ্লুয়েঞ্জা, হার্পিস এবং HIV ইত্যাদি) ক্যাপসিডের বাইরে জৈব পদার্থের একটি আবরণ থাকে। 
- এটি লিপিড, লিপোপ্রোটিন, শর্করা বা স্নেহ জাতীয় পদার্থ দিয়ে গঠিত।
- লিপিড বা লিপোপ্রোটিনের এক একটি স্তরকে পেপলোমিয়ার বলা হয়। 
- লিপোপ্রোটিনের আবরণ দিয়ে গঠিত ভাইরাসকে লিপোভাইরাস বলা হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১১১.
অটিজম কী?
  1. ক) চোখের সমস্যা
  2. খ) বিকাশের সমস্যা
  3. গ) দাঁতের সমস্যা
  4. ঘ) কথায় জড়তা
সঠিক উত্তর:
খ) বিকাশের সমস্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিকাশের সমস্যা
ব্যাখ্যা
• অটিজম বা অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার শিশুদের স্নায়ুবিকাশজনিত সমস্যা,
যেখানে
- শিশুর সামাজিক সম্পর্ক স্থাপনে অসুবিধা,
- আশেপাশের পরিবেশ ও ব্যক্তির সাথে মৌলিক ও ইশারা ইংগিতের মাধ্যমে যোগাযোগের সমস্যা
- এবং আচরণের পরিবর্তন দেখা যায়।

সূত্র: নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট, বাংলাদেশ সরকার।
২,১১২.
Among these scientists, who first observed the magnetic effect of electric current?
  1. James Clerk Maxwell
  2. Michael Faraday
  3. Isaac Newton
  4. Albert Einstein
  5. Hans Christian Ørsted
সঠিক উত্তর:
Hans Christian Ørsted
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hans Christian Ørsted
ব্যাখ্যা
তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া: 
- তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া আবিষ্কার করেন হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান ওয়েরস্টেড। 
- কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হলে এর চারপাশে একটি চৌম্বকক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়, একে তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া বলে। 
- ১৮২০ সালে তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া আবিষ্কৃত হয়। 
- তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া যান্ত্রিক বল উৎপন্ন করে। 
- বৈদ্যুতিক ফ্যান, মোটর ইত্যাদিতে চৌম্বক ক্রিয়া ব্যবহৃত হয়। 
- কোনো তড়িৎবাহী তারের চতুর্দিকে যে অঞ্চল জুড়ে একটি চৌম্বক শলাকা বিক্ষেপ দেখায় তাকে ঐ তড়িৎবাহী তারের চৌম্বক ক্ষেত্র বলে। 
- একটি চুম্বক শলাকাকে চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে স্থাপন করলে তার উত্তর মেরু যে দিক নির্দেশ করে তাই চৌম্বক ক্ষেত্রের দিক। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১১৩.
ইনসুলিন নিঃসৃত হয় কোথা থেকে?
  1. ক) পিটুইটারী গ্ল্যান্ড হতে
  2. খ) প্যানক্রিয়াস হতে
  3. গ) লিভার হতে
  4. ঘ) লালাগ্রন্থি থেকে
সঠিক উত্তর:
খ) প্যানক্রিয়াস হতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্যানক্রিয়াস হতে
ব্যাখ্যা

অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকানল এবং ইনসুলিন নির্গত হয়। ইনসুলিনের অভাবেই ডায়াবেটিস রোগ হয়।
অগ্ন্যাশয়ের ইংরেজি হচ্ছে প্যানক্রিয়াস।

প্যানক্রিয়াস (pancrea) হল মানুষের একটি অংগ যা একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে। পাকস্থলী যেখানে শেষ হয়, ডিওডেনাম সেখানে শুরু হয়। আর ডিওডেনামের পিছনেই এটির অবস্থান।



এটা মূলত দুই ধরনের কাজ করে।
১) খাদ্য হজমের জন্য পাচক রস বা ডাইজেস্টিভ জুস তৈরি করে পাকস্থলীতে সরবরাহ করে।
২) ইন্সুলিন ও গ্লুকাগন নিঃসরণ করে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই


২,১১৪.
একক সংক্রান্ত কোন তথ্যটি ভুল?
  1. ক) দীপন তীব্রতা- ক্যানডেলা
  2. খ) ক্ষমতা- ওয়াট
  3. গ) তড়িৎ তীব্রতা- ভোল্ট
  4. ঘ) পরিবাহিতা- সিমেন্স
সঠিক উত্তর:
গ) তড়িৎ তীব্রতা- ভোল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তড়িৎ তীব্রতা- ভোল্ট
ব্যাখ্যা
তড়িৎ তীব্রতার একক- নিউটন/কুলম্ব। আরো কিছু একক হলোঃ দীপন তীব্রতা- ক্যানডেলা, দীপন (Illumination)- লাক্স, ক্ষমতা- ওয়াট, তড়িৎ বিভব- ভোল্ট, পরিবাহিতা- সিমেন্স, বল- নিউটন, ওজন- নিউটন, কাজ- জুল, শক্তি- জুল, তাপ- জুল।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,১১৫.
কোন ধমনি মেরুদণ্ডের রক্ত সরবরাহ করে?
  1. ইলিয়াক ধমনি
  2. ভার্টিব্রাল ধমনি
  3. সিলিয়াক ধমনি
  4. মেসেন্টেরিক ধমনি
সঠিক উত্তর:
ভার্টিব্রাল ধমনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভার্টিব্রাল ধমনি
ব্যাখ্যা
সাবক্লেভিয়াল ধমনি ও তার শাখা: 
- সাবক্লেভিয়াল ধমনি দেহের প্রতিপাশে ফুসফুসের উপর দিয়ে বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত হয়ে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত সরবরাহ করে। 
- এর শাখাগুলোর কাজ হলো বিভিন্ন অঙ্গের রক্ত সরবরাহ করা। 

প্রধান শাখাগুলোর রক্ত সরবরাহের অঞ্চলসমূহ: 
- আন্তঃম্যামারি ধমনি: স্তনগ্রন্থি, বক্ষীয় প্রাচীর ও পেরিকার্ডিয়ামে রক্ত সরবরাহ করে। 
- থাইরোসার্ভিকাল ধমনি: থাইরয়েড গ্রন্থি, ল্যারিংক্স ও ঘাড়ের পেশিতে রক্ত সরবরাহ করে। 
- সার্ভিকাল ধমনি: অক্সিপুটের পেশিতে রক্ত সরবরাহ করে। 
- ভার্টিব্রাল ধমনি: মেরুদণ্ডের রক্ত সরবরাহ করে। 
- সিলিয়াক ধমনি: পাকস্থলী ও যকৃতে রক্ত সরবরাহ করে। 
- ফ্রেনিক ধমনি: ডায়াফ্রামে রক্ত সরবরাহ করে। 
- বৃক্কীয় ধমনি: বৃক্কে রক্ত সরবরাহ করে। 
- মেসেন্টেরিক ধমনি: অন্ত্রের বিভিন্ন অংশে রক্ত সরবরাহ করে। 
- জনন ধমনি: গোনাডে রক্ত সরবরাহ করে। 
- ইলিয়াক ধমনি: পেলভিস অঞ্চল, উরু, পা ইত্যাদি অংশে রক্ত সরবরাহ করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১১৬.
যক্ষ্মার জন্য দায়ী নিচের কোনটি?
  1. ব্যাকটেরিয়া
  2. ভাইরাস
  3. ছত্রাক
  4. কৃমি
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা

মানুষের যক্ষ্মার জন্য দায়ী হলো Mycobacterium tuberculosis নামক এক বিশেষ ধরনের ব্যাকটেরিয়া।
গরু-ছাগলের যক্ষ্মার জন্য দায়ী Mycobacterium bovis নামক এক বিশেষ ধরনের ব্যাকটেরিয়া।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

২,১১৭.
কোন ধাতু তরল অবস্থায় থাকে?
  1. ক) Au
  2. খ) Hg
  3. গ) Cu
  4. ঘ) Na
সঠিক উত্তর:
খ) Hg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Hg
ব্যাখ্যা
- পারদ (Hg) একমাত্র ধাতু যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে। 
- এর পারমাণবিক সংখ্যা ৮০। 
- পারদের গলনাঙ্ক প্রায় ৩৮.৮৩° সেলসিয়াস। 
- তাই এটি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে। 

 অন্যদিকে, 
- সাধারণ তাপমাত্রায় ব্রোমিন তরল অবস্থায় বিদ্যমান থাকে। 
- কিন্তু ব্রোমিন একটি অধাতু। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২,১১৮.
ডিজেল সাইকেলের ইফিসিয়েন্সি বৃদ্ধি পায়-
  1. ক) Cut-off কমালে
  2. খ) Cut-off বাড়ালে
  3. গ) Cut-off ধ্রুব থাকলে
  4. ঘ) কম্প্রেশন অনুপাত কমালে
সঠিক উত্তর:
ক) Cut-off কমালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Cut-off কমালে
ব্যাখ্যা


এখানে, 

ηdiesel= ডিজেল ইঞ্জিনের দক্ষতা বা ইফিসিয়েন্সি।

α = Cut-off রেশিও। দহনের পূর্বে ও পরে আয়তনের অনুপাত।

CR = কম্প্রেশন রেশিও।

K = Cp/C

K এর  মান ধ্রুবক। তাই Cut-off রেশিও যদি কম হয় তাহলে ইফিসিয়েন্সি বেশি হবে।
২,১১৯.
স্থির তরঙ্গ সাধারণত কোন বাদ্যযন্ত্রের তারে দেখা যায়? 
  1. গীটার 
  2. ড্রাম 
  3. বাঁশি 
  4. তবলা 
সঠিক উত্তর:
গীটার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গীটার 
ব্যাখ্যা

স্থির তরঙ্গ: 
- একই রকম দুটি অগ্রগামী তরঙ্গ বিপরীত দিক থেকে সমভাবে অগ্রসর হয়ে একে অপরের উপর আপতিত হলে যে তরঙ্গের উদ্ভব হয় তাকে স্থির তরঙ্গ বলে। 
- একটি তারের বা মোটা দড়ির এক প্রান্ত একটি দৃঢ় অবলম্বনে বেঁধে অন্য প্রান্ত ধরে উপর নিচে দোলালে একটি তরঙ্গ তার বেয়ে অগ্রসর হবে এবং বন্ধ প্রান্তে প্রতিফলিত হয়ে আবার ফিরে আসবে। এই প্রতিফলিত তরঙ্গ যখন নতুন অগ্রগামী তরঙ্গের উপর আপতিত হবে তখন স্থির তরঙ্গ উদ্ভব হবে। 
- এই তরঙ্গ তার বা দড়ি বেয়ে অগ্রসর না হয়ে বরং তার বা দড়ির ঐ অংশের মধ্যে উৎপন্ন ও লুপ্ত হবে। তরঙ্গের উদ্ভবের সময় দেখা যাবে তারের কোনো বিন্দুতে কোনো স্পন্দন নাই। 
- আবার কোনো কোনো বিন্দুতে সব সময় সর্বাধিক স্পন্দন হতে থাকবে। যে বিন্দুতে কোনো স্পন্দন নাই সে বিন্দুগুলোকে নিস্পন্দ বিন্দু (Node) এবং যে বিন্দুতে সব সময় সর্বাধিক স্পন্দন হয় সে বিন্দুগুলোকে সুস্পন্দ বিন্দু (Antinode) বলে। 
​- নিস্পন্দ ও সুস্পন্দ বিন্দুগুলোর অবস্থানগুলো সব সময় স্থির। 
- পরপর দুটো সুস্পন্দ বিন্দু বা দুটো নিস্পন্দ বিন্দুর মধ্যবর্তী দূরত্ব তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের অর্ধেক হয়। 
- গীটার, একতারা, সেতার ইত্যাদি বাদ্য যন্ত্রের তারে স্থির তরঙ্গ উৎপন্ন হয়। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১২০.
বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান ব্যবহার কোনটি?
  1. পরিবহন মাধ্যম হিসেবে
  2. রাসায়নিক গবেষণায়
  3. শিল্প কাঁচামাল হিসেবে
  4. রান্না ও জ্বালানি হিসেবে
সঠিক উত্তর:
রান্না ও জ্বালানি হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রান্না ও জ্বালানি হিসেবে
ব্যাখ্যা

প্রাকৃতিক গ্যাস: 
- প্রাকৃতিক গ্যাস শক্তির একটি পরিচিত উৎস। 
- বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের বহু ব্যবহার আছে। 
- প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার প্রধানত জ্বালানি হিসেবে, বাংলাদেশে রান্নার কাজে এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। 
- এছাড়াও গ্যাসের সাহায্যে তাপশক্তি উৎপাদিত হয় এবং তা থেকে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত হয় বিদ্যুৎ। 
- ভূগর্ভ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়, কূপ খনন করে ভূগর্ভ থেকে এ গ্যাস উত্তোলন করা হয়। 
- পৃথিবীর অভ্যন্তরে প্রচন্ড তাপ ও চাপ এ ধরনের গ্যাস সৃষ্টির মূল কারণ। 

- পেট্রোলিয়াম কূপ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়। 
- প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন গ্যাস। 
- এই সকল শক্তিকে জীবাশ্ম শক্তিও বলা হয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির এই উৎসসমূহ দ্রুত ফুরিয়ে আসছে, ফলে শক্তির বিকল্প উৎসের সন্ধান করা প্রয়োজন। 
- তাই পরিবেশ বান্ধব নবায়যোগ্য শক্তির যেমন- সৌরশক্তি, পানি প্রবাহ থেকে প্রাপ্ত শক্তি, জোয়ার-ভাটা শক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি, বায়ু শক্তি, বায়োমাস ইত্যাদি ব্যপকভাবে ব্যবহার করা প্রয়োজন। এ উৎসগুলো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সূর্যের উপর নির্ভরশীল। তাই যতদিন পৃথিবী সূর্যের আলো পেতে থাকবে ততদিন পর্যন্ত এ সকল উৎস থেকে শক্তির সরবরাহ সম্ভব হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১২১.
কোনটির সাহায্যে যন্ত্রের কার্যকর শক্তি এবং মোট প্রদত্ত শক্তির পরিমাপ হিসেব করা যায়? 
  1. কাজ
  2. চাপ
  3. ক্ষমতা
  4. কর্মদক্ষতা
সঠিক উত্তর:
কর্মদক্ষতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মদক্ষতা
ব্যাখ্যা
কর্মদক্ষতা: 
- যন্ত্রের কার্যকর শক্তি এবং মোট প্রদত্ত শক্তি হিসাব করে যন্ত্রের কর্মদক্ষতা পরিমাপ করা যায়। 
- কোন যন্ত্রের কর্মদক্ষতা হচ্ছে যন্ত্রটির কার্যকর শক্তি ও প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাত। 
- যন্ত্রের কর্মদক্ষতাকে η (ইটা) দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- কর্মদক্ষতাকে শতকরায় প্রকাশ করা হয়। 
- কোন যন্ত্রের কর্মদক্ষতা 70% বলতে বোঝায় যন্ত্রটিতে 100 একক শক্তি সরবরাহ করলে তার 70 একক শক্তি কার্যকররূপে পাওয়া যায়, বাকী 30 একক শক্তি অপচয় হয়। 
∴ কর্মদক্ষতা, η = কার্যকর শক্তি/ মোট প্রদত্ত শক্তি 
= কার্যকর ক্ষমতা/ মোট প্রদত্ত ক্ষমতা 
= {(E1-E2)/E1} ×100% 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১২২.
শরীরের কোন অঙ্গে যক্ষ্মার জীবাণু সাধারণত আক্রমণ করে না?
  1. অস্থি
  2. মস্তিষ্ক
  3. ক্ষুদ্রান্ত্র
  4. হৃদপেশি
সঠিক উত্তর:
হৃদপেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হৃদপেশি
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
যক্ষ্মা হলো Mycobacterium tuberculosis নামক ব্যাকটেরিয়া ঘটিত একটি রোগ। সাধারণত মানব শরীরে এমন কোনো অঙ্গ নেই - যেখানে যক্ষ্মা হতে দেখা যায় না। ফুসফুস, ক্ষুদ্রান্ত্র, ত্বক, লসিকা গ্রন্থি ইত্যাদি হলো সাধারণ কিছু অঙ্গ যেখানে যক্ষ্মা বেশি আক্রমণ করে।
তবে অস্থি, মস্তিষ্ক, ফুসফুসের আবরণী, হৃদপিণ্ডের আবরণী, বৃক্ক, যকৃত ইত্যাদি অঙ্গেও যক্ষ্মা হতে দেখা যায়।
থাইরয়েড গ্রন্থি এবং হৃদপেশিতে সাধারণত যক্ষ্মার জীবাণু আক্রমণ করে না৷

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

২,১২৩.
বাংলাদেশে তৈরি হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসের ওষুধের নাম-
  1. ক) সিভ্যাক
  2. খ) ন্যাসভ্যাক
  3. গ) জেসিভ্যাক
  4. ঘ) হ্যাসভ্যাগ
সঠিক উত্তর:
খ) ন্যাসভ্যাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ন্যাসভ্যাক
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে তৈরি হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসের ওষুধের নাম - ন্যাসভ্যাক
- হেপাটাইটিস বি-ভাইরাসের ওষুধ ‘ন্যাসভ্যাক’ উদ্ভাবক দেশের দুই বিখ্যাত বিজ্ঞানী ডা. শেখ মোহাম্মদ ফজলে আকবর ও অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব (স্বপ্নীল)।
- হেপাটাইটিস বি-ভাইরাস লিভার প্রদাহের মুখ্য কারণ। 
- পরীক্ষায় দেখা গেছে ‘নাসভ্যাক’ মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দিয়ে হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে রাখে। 

তথ্যসূত্র:- প্রথম আলো।
২,১২৪.
বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী উপাদানের নাম কি?
  1. ক) জিন
  2. খ) প্রোটিন
  3. গ) ক্রোমোজোম
  4. ঘ) গ্যাসেট
সঠিক উত্তর:
ক) জিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জিন
ব্যাখ্যা

জীবের সব দৃশ্য এবং অদৃশ্যমান লক্ষণ নিয়ন্ত্রণকারী এককের নাম জিন। এর অবস্থান জীবের ক্রোমোজোমে। ক্রোমোজোমের যে স্থানে জিন অবস্থান করে তাকে লোকাস বলে। সাধারণত একটি বৈশিষ্ট্যের জন্য একটি নির্দিষ্ট জিন থাকে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে একাধিক জিন মিলিতভাবে একটি বৈশিষ্ট্য প্রকাশে সহায়তা করে। আবার কোনো কোনো সময় একটি জিন একাধিক বৈশিষ্ট্যও নিয়ন্ত্রণ করে। বিভিন্ন গবেষণার তত্ত্ব থেকে জানা গেছে জিনই বংশগতির নিয়ন্ত্রক।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী

জীবের একটি বৈশিষ্ট্যের জন্য একাধিক জিন কাজ করে, আবার কখনো একটি জিন বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে।
মানুষের চোখের রং, চুলের প্রকৃতি, চামড়ার রং ইত্যাদি সবই জিন কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত।
উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি

এই প্রশ্নের উত্তর অপশনের উপর নির্ভর করে। অপশন দেখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
জিন, ক্রোমোজোম, DNA এই ৩টার মধ্যে সর্বোত্তম উত্তর হবে জিন। তারপরে ক্রোমোজোম। তবে, অপশনে শুধু DNA থাকলে উত্তর DNA দেয়া যেতে পারে।
এখানে, অপশনে অনুসারে উত্তর জিন ধরা হয়েছে।

২,১২৫.
পরপর অবস্থিত দুটি নিউরনের সন্ধিস্থল কোনটি?
  1. কোষদেহ
  2. ডেনড্রাইট
  3. অ্যাক্সন
  4. সিন্যাপস
সঠিক উত্তর:
সিন্যাপস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিন্যাপস
ব্যাখ্যা
নিউরন:
- নিউরনই প্রকৃতপক্ষে স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একক।
- একটি নিউরনের দুটি অংশ থাকে। 
যথা: 
(ক) কোষ দেহ, 
(খ) প্রলম্বিত অংশ।

কোষদেহ:
- প্লাজমামেমব্রেন, সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস সমন্বয়ে গঠিত নিউরনের গোলাকার, তারকাকার অথবা ডিম্বাকার অংশ কোষ দেহ নামে পরিচিত।

প্রলম্বিত অংশ: 
- কোষ দেহ হতে সৃষ্ট শাখা-প্রশাখাকে প্রলম্বিত অংশ বলে।
- প্রলম্বিত অংশ দু'ধরনের। 
যথা: 

১. ডেনড্রাইট: কোষ দেহের চারদিকে শাখাযুক্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রলম্বিত অংশকে ডেনড্রাইট বলে। একটি নিউরনে ডেনড্রাইট এর সংখ্যা শূন্য থেকে কয়েকটি হতে পারে।

২. অ্যাক্সন:
- কোষ দেহ হতে সৃষ্ট বেশ লম্বা শাখাহীন তন্তুটির নাম অ্যাক্সন।
- এর চারদিকে পাতলা আবরণকে নিউরিলেমা বলে।
- নিউরিলেমা পরিবেষ্টিত অ্যাক্সনকে স্নায়ুতন্ত্র বলে।
- নিউরিলেমা ও অ্যাক্সন এর মধ্যবর্তী অংশে স্নেহ পদার্থের একটি স্তর থাকে। একে মায়োলিন সিথ বলে।

- একটি নিউরনের অ্যাক্সনের সাথে দ্বিতীয় একটি নিউরনের ডেনড্রাইট যুক্ত থাকে।
- এ সংযুক্ত বিন্যাসকে সিন্যাপস (Synapse) বলে।
- পরপর অবস্থিত দুটি নিউরনের সন্ধিস্থল হলো সিন্যাপস।
- সিন্যাপস এর মধ্যদিয়ে তড়িৎ রাসায়নিক পদ্ধতিতে স্নায়ু তাড়না প্রবাহিত হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১২৬.
প্রিজমের মাধ্যমে আলো বিচ্ছুরিত হওয়ার কারণ-
  1. প্রতিফলন
  2. প্রতিসরণ কোণের পরিবর্তন
  3. আলোর বেগের ভিন্নতা
  4. আলোর মেরুকরণ
সঠিক উত্তর:
আলোর বেগের ভিন্নতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোর বেগের ভিন্নতা
ব্যাখ্যা

• প্রিজম:
- প্রিজম হলো স্বচ্ছ কাচ বা প্লাস্টিকের তৈরি ত্রিভুজাকার অপটিক্যাল যন্ত্র, যার দুটি সমতল পৃষ্ঠ পরস্পরের সাথে একটি নির্দিষ্ট কোণে ঝোঁকানো থাকে।
- যখন সাদা আলো (বিভিন্ন রঙের সমষ্টি) প্রিজমে প্রবেশ করে, প্রতিটি রঙের জন্য প্রতিসরণ কোণ ভিন্ন হয়।
- বিভিন্ন রঙের আলোর বেগ ভিন্ন হয় কাঁচের মধ্যে। কাঁচের মধ্যে বেগ যত কম, প্রতিসরণ তত বেশি।
- নীল ও বেগুনি আলোর বেগ কাঁচে কম, তাই এগুলোর প্রতিসরণ বেশি।
- লাল আলোর বেগ বেশি হওয়ায় প্রতিসরণ কম।
- সাদা আলো প্রিজমের অপর প্রান্ত দিয়ে বের হওয়ার সময় বিভিন্ন রঙে ভেঙে যায়। এই ঘটনাকেই বিচ্ছুরণ (Dispersion) বলা হয়।

উৎস: Encyclopaedia Britannica. [লিংক]

২,১২৭.
বাংলাদেশে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে কত বার দিক পরিবর্তন করে?
  1. ৫০ বার
  2. ৬০ বার
  3. ৮০ বার
  4. ১০০ বার
সঠিক উত্তর:
৫০ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ বার
ব্যাখ্যা
তড়িৎ প্রবাহ: 
- দুটি ভিন্ন বিভবের ধাতব বস্তুকে যখন পরিবাহী তার দ্বারা যুক্ত করা হয় তখন তারের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। 
- যখন দুটি ভিন্ন বিভবের ধাতব বস্তুকে তার দ্বারা সংযুক্ত করা হয়, তখন নিম্ন বিভবসম্পন্ন ধাতব বস্তু থেকে ঋণাত্মক আধানযুক্ত ইলেকট্রন উচ্চ বিভবসম্পন্ন ধাতব বস্তুর দিকে প্রবাহিত হয়। যতক্ষণ পর্যন্ত ধাতব বস্তুর মধ্যে বিভব পার্থক্য বর্তমান থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত ঋণাত্মক আধানের এই প্রবাহ চলে। 
- কোনোভাবে যদি ধাতব বস্তুদ্বয়ের মধ্যবর্তী বিভব পার্থক্য বজায় রাখা যায় তখন এই প্রবাহ নিরবচ্ছিন্নভাবে চলতে থাকে। 
- ঋণাত্মক আধান বা ইলেকট্রনের এই প্রবাহের জন্যই তড়িৎ প্রবাহিত হয়। 
- মূলত কোনো পরিবাহীর যেকোনো প্রস্থচ্ছেদের মধ্য দিয়ে একক সময়ে যে পরিমাণ আধান প্রবাহিত হয় তাই হলো তড়িৎ প্রবাহ। 
- প্রচলিত তড়িৎ প্রবাহের দিক ইলেকট্রন প্রবাহের বিপরীত দিকে হয়। 
- তড়িৎ প্রবাহের একক হলো অ্যাম্পিয়ার। একে সাধারণত A দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- প্রতি একক আধানকে তড়িৎক্ষেত্রের এক বিন্দু থেকে অন্য বিন্দুতে স্থানান্তর করতে সম্পন্ন কাজের পরিমাণ হলো ঐ বিন্দুর তড়িৎ বিভব পার্থক্য।
- দুটি বিন্দুর মধ্যে বিভব পার্থক্য না থাকলে তড়িৎ প্রবাহিত হবে না। ফলে কোনো আধান প্রবাহিত হবে না এবং কোনো কাজও সম্পন্ন হবে না। 
- তড়িৎ প্রবাহ দুই প্রকার। যথা- 

(ক) অপর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বা সমপ্রবাহ বা একমুখী প্রবাহ বা ডিসি প্রবাহ: 
- যখন সময়ের সাথে সাধারণত তড়িৎ প্রবাহের দিকের কোনো পরিবর্তন না ঘটে, অর্থাৎ যে তড়িৎ প্রবাহ সবসময় একই দিকে প্রবাহিত হয়, সেই প্রবাহকে অপর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বলে। 
- তড়িৎ কোষ বা ব্যাটারি থেকে অপর্যায়বৃত্ত প্রবাহ পাওয়া যায়। 
- আবার ডিসি জেনারেটরের সাহায্যেও এই প্রকার তড়িৎ প্রবাহ উৎপন্ন করা যায়। 

(খ) পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বা পরিবর্তী প্রবাহ বা এসি প্রবাহ: 
- যখন নির্দিষ্ট সময় পরপর তড়িৎ প্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয়, সেই তড়িৎ প্রবাহকে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বলে। 
- বর্তমান বিশ্বের সকল দেশের তড়িৎ প্রবাহই পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ। 
- এর কারণ তুলনামূলকভাবে এটি উৎপন্ন ও সরবরাহ করা সহজ এবং সাশ্রয়ী। 
- পর্যায়বৃত্ত প্রবাহের উৎস জেনারেটর বা ডায়নামো। 
- দেশের বিভিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে জেনারেটরের সাহায্যে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ উৎপন্ন করা হয়। 
- পর্যায়বৃত্ত প্রবাহের দিক পরিবর্তন দেশভেদে বিভিন্ন হয়। 
যেমন- বাংলাদেশে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে পঞ্চাশবার এবং যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি সেকেন্ডে ষাটবার দিক পরিবর্তন করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
২,১২৮.
কোনটির আপেক্ষিক রোধ সবচেয়ে বেশি?
  1. বাতাস
  2. হীরা
  3. গ্রাফাইট
  4. তামা
সঠিক উত্তর:
বাতাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতাস
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- ক) বাতাস

• আপেক্ষিক রোধ:

- নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় একক দৈর্ঘ্য ও একক প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলবিশিষ্ট কোনো পরিবাহীর রোধকে ঐ পরিবাহীর উপাদানের আপেক্ষিক রোধ (Resistivity) বা রোধাঙ্ক বলে।
- এটি পরিবাহীর উপাদানের মৌলিক ধর্ম, যা বিদ্যুৎ প্রবাহে বাধা দেওয়ার ক্ষমতা নির্দেশ করে।
- একটা নির্দিষ্ট পদার্থের জন্য ρ হচ্ছে আপেক্ষিক রোধ এবং এর একক হচ্ছে Ω m.
- কয়েকটি পদার্থের আপেক্ষিক রোধ:


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,১২৯.
বৈদ্যুতিক পাখার গতি এক ধরনের -
  1. স্পন্দন গতি
  2. রৈখিক গতি
  3. পর্যায়বৃত্ত গতি
  4. উপবৃত্তাকার গতি
সঠিক উত্তর:
পর্যায়বৃত্ত গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্যায়বৃত্ত গতি
ব্যাখ্যা
পর্যাবৃত্ত গতি: 
- কোনো গতিশীল বস্তু যদি একই পথ বারবার অতিক্রম করে তাহলে সে গতিকে পর্যাবৃত্ত গতি বলে। 
- ঘড়ির কাঁটার গতি লক্ষ্য করলে দেখা যায়, সেকেন্ডের কাটাটি প্রতি এক মিনিটে একবার এর কেন্দ্র বিন্দুর চারদিকে ঘুরে আসে। 
- ঘড়ির কাঁটাটি বারবার একটি পথে ঘুরছে অর্থাৎ এর গতির পুনরাবৃত্তি ঘটছে। এ ধরনের গতি হলো পর্যাবৃত্ত গতি। 
- বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় চারপাক দৌড়ের একজন প্রতিযোগী একই দিক থেকে চারবার অতিক্রম করে যা একটি পর্যাবৃত্ত গতি। 
- ঘড়ির কাঁটার গতি, পাকদৌড়ের গতি, বৈদ্যুতিক পাখার গতি হলো পর্যাবৃত্ত গতি। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
২,১৩০.
শিশুর বয়স কত হলে পেন্টাভ্যালেন্ট ও ওপিভি টিকার প্রথম ডােজ দিতে হয়?
  1. ক) ৪৯ দিন
  2. খ) ৬০ দিন
  3. গ) ৪২ দিন
  4. ঘ) ৫৬ দিন
সঠিক উত্তর:
গ) ৪২ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪২ দিন
ব্যাখ্যা
- শিশুর বয়স ৬ সপ্তাহ বা ৪২ দিন পূর্ণ হলেই পেন্টাভ্যালেন্ট (ডিপিটি, হেপাটাইটিস-বি, হিব) ও ওপিভি টিকার প্রথম ডােজ দিতে হবে জন্মের প্রথম বছরেই। 
- সবগুলাে টিকা দেয়ার জন্য কমপক্ষে ৪ বার টিকা কেন্দ্রে নিয়ে আসতে হবে ।
- শিশুর বয়স ৯ মাস পূর্ণ হয়ে ১০ মাসে পড়লেই হামের টিকা এবং ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দিতে হবে। 
- ১৫ বছর বয়স হলেই সকল মহিলাদের ধনুষ্টংকারের প্রতিষেধক টিটি টিকা দেয়া শুরু করতে হবে এবং সময়সূচি অনুযায়ী ৫ ডােজ টিটি টিকা নেয়া শেষ করতে হবে। 
- ১-৫ বছর বয়সী শিশুকে ৬ মাস অন্তর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ও কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়াতে হবে।

সূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। 
২,১৩১.
মানবদেহের পেশিটিস্যুতে পানির পরিমাণ কত?
  1. ৩০%
  2. ৫০%
  3. ৭৫%
  4. ৯০%
সঠিক উত্তর:
৭৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৫%
ব্যাখ্যা
• পেশিটিস্যু- 
- যে টিস্যু সঙ্কোচন-প্রসারণের মাধ্যমে প্রাণিদেহের বিভিন্ন অঙ্গের সঞ্চালন ঘটায় তাকে পেশিটিস্যু বলে। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া ভ্রূণীয় মেসোডার্ম থেকে পেশিটিস্যু উৎপন্ন হয়।
- পেশিটিস্যুর একককে পেশিকোষ বা পেশিতন্ত্র বলা হয়।

• মানবদেহের পেশিটিস্যুতে (Muscle tissue) প্রায় ৭৫% পানি থাকে।
- এই পানি কোষের অভ্যন্তরে এবং কোষের চারপাশে ছড়িয়ে থাকে, যা পেশির কার্যক্ষমতা বজায় রাখা, নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

• শরীরের বিভিন্ন টিস্যুর পানির পরিমাণ ভিন্ন হয়ে থাকে।
• পেশি টিস্যুতে পানির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; গাজী আজমল।
২,১৩২.
মাইকেল ফ্যারাডে আবিষ্কার করেন-
  1. ক) তেজস্ক্রিয়তা
  2. খ) ডিনামাইট
  3. গ) ডায়নামো
  4. ঘ) পারমাণবিক বোমা
সঠিক উত্তর:
গ) ডায়নামো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডায়নামো
ব্যাখ্যা
যুক্তরাজ্যের বৈজ্ঞানিক মাইকেল ফ্যারাডে ডায়নামো আবিষ্কার করেন। আলফ্রেড নোবেল আবিষ্কার করেন ডিনামাইট; ওপেনহেইমার আবিষ্কার করেন পারমাণবিক বোমা; এবং তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করে হেনরি বেকেরেল। সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
২,১৩৩.
নিম্নের কোনটি একটি অম্লধর্মী অক্সাইড? 
  1. ZnO
  2. CO2
  3. CaO
  4. H2O
সঠিক উত্তর:
CO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CO2
ব্যাখ্যা
অম্লধর্মী অক্সাইড: 
- যে সব অক্সাইড পানির সাথে যুক্ত হয়ে অম্ল বা এসিড উৎপন্ন করে, তাকে অম্লধর্মী অক্সাইড বলা হয়। 
- অম্লধর্মী অক্সাইডগুলো প্রধানত অধাতব অক্সাইড। 
যেমন- কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (NO2)। 

ক্ষারধর্মী অক্সাইড: 
- যে সব ধাতব অক্সাইড অম্লীয় অক্সাইডের সাথে বিক্রিয়ায় লবণ উৎপন্ন করে অথবা এসিডের সাথে বিক্রিয়ায় লবণ ও পানি উৎপন্ন করে, তাকে ক্ষারধর্মী অক্সাইড বলা হয়। 
যেমন- সোডিয়াম অক্সাইড (Na2O), ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO), ফেরিক অক্সাইড (Fe2O3) । 

উভধর্মী অক্সাইড: 
- যে সব ধাতব অক্সাইড অবস্থাভেদে অম্ল ও ক্ষারক উভয় রূপে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করে, তাকে উভধর্মী অক্সাইড বলে। 
অর্থাৎ, এই জাতীয় অক্সাইড অম্লের অম্লত্ব ও ক্ষারে ক্ষারকত্ব উভয় গুণকে বিনষ্ট করে থাকে। 
যেমন-অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড (Al2O3), জিংক অক্সাইড (ZnO), লেড মনো অক্সাইড (PbO)। 

প্রশম অক্সাইড: 
- যে সব অধাতব অক্সাইড অম্লীয় বা ক্ষারকীয় কোন ধর্মই প্রকাশ করে না, তাকে প্রশম অক্সাইড বলা হয়। 
যেমন- পানি (H2O), কার্বন মনো অক্সাইড (CO), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O), নাইট্রিক অক্সাইড (NO)। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৩৪.
কোন অঙ্গটি সালোকসংশ্লেষণে সূর্যের আলো শোষণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে? 
  1. কাণ্ড 
  2. পাতা 
  3. মূল 
  4. শিকড় 
সঠিক উত্তর:
পাতা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাতা 
ব্যাখ্যা

- সালোকসংশ্লেষণে সূর্যের আলো শোষণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো পাতা, কারণ পাতায় প্রচুর ক্লোরোফিল থাকে যা আলো শোষণ করে, এবং পাতার বৃহৎ পৃষ্ঠতল আলো গ্রহণ ও গ্যাস বিনিময়ে সাহায্য করে, যা সালোকসংশ্লেষণের প্রধান স্থান। 

সালোকসংশ্লেষণ: 
- পৃথিবীর সমস্ত শক্তির উৎস হলো সূর্য। 
- সবুজ উদ্ভিদকুল সালোকসংশ্লেষণ চলাকালে সৌরশক্তিকে আবদ্ধ করে। 
- যে পদ্ধতিতে সূর্যের আলোয় সবুজ উদ্ভিদেরা তাদের নিজের খাদ্য নিজেরা তৈরি করে তার নামই হলো সালোকসংশ্লেষণ। 
- একমাত্র সবুজ উদ্ভিদেরাই এ কাজটি করতে পারে। 
- উদ্ভিদের পাতার সবুজ প্লাস্টিড সালোকসংশ্লেষণে অংশ নেয়। 
- এ প্লাস্টিডের ভিতরে সৌরশক্তি, পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বিক্রিয়া করে অক্সিজেন ও গ্লুকোজ উৎপন্ন করে। 
- পাতাকে সালোকসংশ্লেষণের প্রধান স্থানরূপে গণ্য করা হয়। কারণ- 
• পাতা চ্যাপ্টা ও সম্প্রসারিত হওয়ায় বেশি পরিমাণ সূর্যরশ্মি এবং অল্প সময়ে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস শোষিত হয়। 
• পাতার কোষগুলোতে ক্লোরোপ্লাস্টের সংখ্যা অনেক বেশি। 
• পাতায় অসংখ্য পত্ররন্ধ্র থাকায় সালোকসংশ্লেষণের সময় গ্যাসীয় পদার্থের আদান প্রদান সহজে ঘটে।
- জীবজগতের জন্য প্রাথমিক খাদ্য শর্করা একমাত্র সালোকসংশ্লেণের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়। 
- সালোকসংশ্লেষণে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি গৃহীত হয় এবং গ্কোলুজ ও অক্সিজেন উৎপন্ন করে। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও অক্সিজেনের ভারসাম্য রক্ষা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

২,১৩৫.
শিশুদের বাচ্চার কত বছর থেকে মায়ের বুকের দুধের সাথে অন্যান্য খাবার খেতে দিতে হয়?
  1. ক) ১২ মাস 
  2. খ) ৬ মাস
  3. গ) ১৮ মাস
  4. ঘ) ২৪ মাস
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ মাস
ব্যাখ্যা
শিশুদের বয়স ৬ মাস পূর্ণ হলে মায়ের বুকের দুধের সাথে অন্যান্য খাবার দিতে হয়। 

পুষ্টিকর উপাদান নিশ্চিত করা এবং শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য শিশুকে ছয় মাস বয়স পর্যন্ত অবশ্যই মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে। শিশুর বয়স ছয় মাস পূর্ণ হলে তাকে সিরিয়াল এবং শাকসবজি ও ডিমের মতো পারিবারিক খাবার চটকে খাওয়াতে হবে। দুই বছর বয়স পর্যন্ত শিশুকে অন্যান্য পারিবারিক খাবারের পাশাপাশি মায়ের দুধ খাইয়ে যেতে হবে।

একেই বলে পরিপূরক খাবার খাওয়ানো। এর মধ্য দিয়ে শিশু শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়া থেকে পারিবারিক খাবার খাওয়ায় অভ্যস্ত হয়। শিশুর ক্রমবর্ধমান পুষ্টি চাহিদা পূরণে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পর্বে ছয় মাস থেকে ২৪ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুর পুষ্টি চাহিদা পূরণ হয় এবং এমন একটি সময়ে এটা হয় যখন তার শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটে।

সূত্র: ইউনিসেফ বাংলাদেশ। 
২,১৩৬.
নিচের কোন অণুটি এক পরমাণুবিশিষ্ট?
  1. হাইড্রোজেন
  2. ক্লোরিন
  3. হিলিয়াম
  4. ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম
ব্যাখ্যা

- মৌলিক গ্যাসের অণুসমূহ দ্বিপরমাণুক। যেমন- হাইড্রোজেন, ক্লোরিন, অক্সিজেন ইত্যাদি।
- নিষ্ক্রিয় গ্যাসের অণুসমূহ এক পরমাণুবিশিষ্ট। যেমন- হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন, ক্রিপ্টন, জেনন, রেডন ইত্যাদি।
- ফসফরাস এর অণু হলো চার পরমাণুবিশিষ্ট।
সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

২,১৩৭.
নবায়নযোগ্য জ্বালানি কোনটি-
  1. প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. কয়লা
  3. খনিজ তেল
  4. সৌরতাপ
সঠিক উত্তর:
সৌরতাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌরতাপ
ব্যাখ্যা
• নবায়নযোগ্য জ্বালানি:
যেসব শক্তি বা জ্বালানি পুনরায় ব্যবহার করা যায় কিংবা যে সব শক্তি বা জ্বালানির উৎস ব্যবহারে নিঃশেষ হয়ে যায় না তাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা শক্তি বলে।

• নবায়নযোগ্য জ্বালানির উদাহরণ:
- পরমাণুর শক্তি,
- সৌরতাপ,
- বায়ু,
- জিওথার্মাল বা ভূ-তাপ শক্তি,
- জলবিদ্যুৎ,
- বায়োগ্যাস ইত্যাদি।

• অনবায়নযোগ্য জ্বালানি উদাহরণ:
- পেট্রোল,
- কয়লা,
- খনিজ তেল,
- প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,১৩৮.
আপেক্ষিকতার তত্ত্বের ভিত্তিতে নিম্নের কোনটির ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়?
  1. ক) মহাকর্ষ
  2. খ) নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি
  3. গ) সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
আপেক্ষিকতার তত্ত্ব
- যখন কোনো বস্তুর অবস্থান বা বেগ পরিমাপ করা হয় তখন কোনো স্থির বিন্দুকে প্রসঙ্গ কাঠামো হিসাবে বিবেচনা করা হয়। ঐ প্রসঙ্গ কাঠামো সাপেক্ষে বস্তুটির রৈখিক দূরত্বকে তার অবস্থান বলা হয় এবং প্রসঙ্গ কাঠামো সাপেক্ষে বস্তুটির রৈখিক দ্রুতিকে বেগ বলা হয়।
- কিন্তু এই মহাবিশ্বে কোনো কিছুই স্থির নয়। সুতরাং পরম স্থির বলে কোনো অবস্থান পাওয়া সম্ভব নয় যাকে স্থির প্রসঙ্গ কাঠামো হিসাবে বিবেচনা করা যায়।
- তাই প্রসঙ্গ কাঠামোর সাপেক্ষে যা পরিমাপ করা হয় তা পরম নয়। অর্থাৎ সব সময় অবস্থান বা বেগকে আপেক্ষিকভাবে পরিমাপ করা হয়।
- চিরায়ত বল বিদ্যার মতে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি।
- কিন্তু ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই ধারণার আমূল পরিবর্তন ঘটান । তার তত্ত্ব অনুসারে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি নয়। এগুলো সকলই আপেক্ষিক।
- বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে এদের পরিবর্তন হয়। কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ।
- উচ্চ গতিশীল (আলোর কাছাকাছি বেগে) বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধ মানের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। আইনস্টইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক বলা হয়।
- পরমাণবিক ও নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞানে এই তত্ত্বের গুরুত্ব অপরিসীম।
- আইনস্টাইন তার আপেক্ষিক তত্ত্বে বলেন প্রাকৃতিক নিয়মাবলীর গাণিতিক সূত্রসমূহ সকল জড় কাঠামোতে অভিন্ন। এটাই আপেক্ষিকতার নীতি।
- ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার আরো একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন।
- মহাকর্ষ, নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি, সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা ইত্যাদি এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৩৯.
কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন বজায় থাকার মূল কারণ কী? 
  1. কণিকাগুলো স্থির থাকে
  2. কণিকাগুলো ঘূর্ণায়মান থাকে
  3. কণিকাগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক শক্তি খুব কম
  4. কণিকাগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল প্রবল
সঠিক উত্তর:
কণিকাগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল প্রবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কণিকাগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল প্রবল
ব্যাখ্যা
কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের মধ্যে কণিকাগুলো গতিশীল কিন্তু তা দেখা সম্ভব নয়। 
- একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে থেকে প্রতিটি কণা অবিরত কম্পিত হচ্ছে। 
- এদের মধ্যকার প্রবল আন্তঃআণবিক শক্তি কণাগুলোকে পরস্পর থেকে বিছিন্ন হতে দেয় না, তাই কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন বজায় থাকে। 

তরল পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থ থেকে তরল অবস্থায় আসতে পদার্থ অতিরিক্ত শক্তি গ্রহণ করে। 
- এ অবস্থায় অতিরিক্ত শক্তির কারণে কণিকাগুলো গতির বিস্তার বৃদ্ধি পায় বা কণাগুলো মধ্যের দূরত্ব বেশি হয় এবং আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলের প্রভাব কমে যায়। কিন্তু একেবারে লুপ্ত হয় না। 
- সামান্য আকর্ষণ বলের কারণে কণিকা গুচ্ছগুলো পাত্রের মধ্যে থাকে। একারণে এটি পাত্রের যে কোন স্থানে সরে যায় এবং পাত্রের আকার গ্রহণ করতে পারে। 

বায়বীয় পদার্থ: 
- বায়বীয় অবস্থায় পদার্থের মধ্যে আরও অনেক বেশি শক্তি যোগ হয় তখন কণিকাগুলোর গতি অত্যন্ত বেড়ে যায় এলোমেলোভাবে সবদিকে ছুটাছুটি করে পরস্পরের থেকে অনেক দূরত্বে চলে যায়। 
- তখন এই পদার্থের আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল খুবই নগন্য হয়ে যায়। 
- এজন্য বায়বীয় অবস্থায় বস্তুর কোন আকার বা আয়তন নাই এবং অত্যন্ত সংকোচনশীল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৪০.
সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় আলোকশক্তি কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?
  1. ক) তাপ শক্তি
  2. খ) বিদ্যুৎ শক্তি
  3. গ) রাসায়নিক শক্তি
  4. ঘ) চুম্বক শক্তি
সঠিক উত্তর:
গ) রাসায়নিক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাসায়নিক শক্তি
ব্যাখ্যা
• সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

 • সালোক সংশ্লেষণ:
- যে উদ্ভিদ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ সূর্যের আলোক শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং ঐ রাসায়নিক শক্তি দিয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে বিজারিত করে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে তাকে সালোক সংশ্লেষণ বা ফটোসিনথেসিস বলে।
- যেহেতু সালোক সংশ্লেষনের সময় কার্বন-ডাই-অক্সাইড শর্করা জাতীয় খাদ্যে রূপান্তরিত হয় সুতরাং ফটোসিনথেসিস প্রক্রিয়ার এই অংশকে কার্বন আত্তীকরণ পদ্ধতি বলে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৪১.
বাংলাদেশের জাতীয় গাছের নাম কী?
  1. ক) কাঁঠাল গাছ
  2. খ) আম গাছ
  3. গ) বট গাছ
  4. ঘ) জাম গাছ
সঠিক উত্তর:
খ) আম গাছ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আম গাছ
ব্যাখ্যা

- জাতীয় গাছ : আম গাছ
- জাতীয় পাখি : দোয়েল
- জাতীয় ফল : কাঁঠাল
- জাতীয় মাছ : ইলিশ
- জাতীয় ফুল : শাপলা
- জাতীয় পশু : রয়েল বেঙ্গল টাইগার
- জাতীয় দিবস : ২৬শে মার্চ।
(সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া)

২,১৪২.
আইনস্টাইনের দ্বিতীয় স্বীকার্য অনুযায়ী আলোর বেগের কোন বৈশিষ্ট্য সত্য?
  1. আলোর বেগ পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল
  2. আলোর বেগ নির্দিষ্ট জড় প্রেক্ষাপটের জন্য পরিবর্তনশীল
  3. আলোর বেগ আলোর উৎসের গতি অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়
  4. শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রেক্ষাপটের পর্যবেক্ষকের জন্য সমান
সঠিক উত্তর:
শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রেক্ষাপটের পর্যবেক্ষকের জন্য সমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রেক্ষাপটের পর্যবেক্ষকের জন্য সমান
ব্যাখ্যা

বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব:
- বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব মূলত স্থির জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর সাপেক্ষে সমবেগে গতিশীল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর কোনো ঘটনা বা কোনো ভৌত রাশির পরিমাপ সংক্রান্ত আলোচনা।
- ভর, সময়, দৈর্ঘ্য, বেগ ও শক্তির আপেক্ষিকতা ইত্যাদি বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।

বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য:
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের এই দুইটি স্বীকার্য প্রদান করেন।
যথা -
প্রথম স্বীকার্য:
- স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে।

দ্বিতীয় স্বীকার্য:
- শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৪৩.
মানুষের করোটিক স্নায়ুর সংখ্যা কতটি?
  1. ১২টি
  2. ২৪টি
  3. ৩১টি
  4. ৩৩টি
সঠিক উত্তর:
২৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪টি
ব্যাখ্যা
• করোটিক স্নায়ু:
- যেসব স্নায়ু মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ থেকে জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি হয়ে করোটিকার বিভিন্ন ছিদ্রপথে বেরিয়ে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে বিস্তৃত হয় সেগুলোকে করোটিক স্নায়ু বলে।
- মানুষের মস্তিষ্কে ১২ জোড়া অর্থাৎ ২৪টি করোটিক স্নায়ু আছে।
- সম্মুখ অংশ থেকে পরপর এদের রোমান সংখ্যা দিয়ে সূচিত করা হয়।
- মানবদেহে সুষুম্না কাণ্ড থেকে ৩১ জোড়া সুষুম্না স্নায়ু উৎপন্ন হয়।
- মানবদেহে সর্বমোট  ৩৩টি কশেরুকা রয়েছে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,১৪৪.
তড়িৎ বিশ্লেষণের ব্যাখ্যা প্রদান করেন কে?
  1. ক) ম্যাক্সপ্লাঙ্ক
  2. খ) কুলম্ব
  3. গ) আরহেনিয়াস
  4. ঘ) আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
গ) আরহেনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আরহেনিয়াস
ব্যাখ্যা

বিখ্যাত বিজ্ঞানী আরহেনিয়াস ১৮৮১ সালে প্রথম তড়িৎ বিশ্লেষণের ব্যাখ্যা দেন।
তিনি দেখিয়েছিলেন এসিড, ক্ষার বা লবণজাতীয় যৌগিক পদার্থকে তরলে দ্রবীভূত করলে সেগুলো আয়নায়িত হয়ে সম-পরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আধানে ভাগ হয়ে যায়।

উৎসঃ বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।

২,১৪৫.
তিন গ্রাম কার্বোহাইড্রেট হতে কত কিলোক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়? 
  1. প্রায় ৪ কিলোক্যালরি 
  2. প্রায় ৮ কিলোক্যালরি 
  3. প্রায় ১২ কিলোক্যালরি 
  4. প্রায় ৭ কিলোক্যালরি 
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১২ কিলোক্যালরি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১২ কিলোক্যালরি 
ব্যাখ্যা
ক্যালরি: 
- কর্মশক্তি পরিমাপের একক হলো ক্যালরি। 
- পুষ্টিবিজ্ঞানে খাদ্য হতে উৎপন্ন তাপ বা শক্তি ক্যালরি দিয়ে পরিমাপ করা হয়। 
- আমরা জানি যে ১০০০ ক্যালরি = ১ কিলোক্যালরি। 
- এ হিসাবে আমাদের দেহের শক্তি চাহিদাও কিলোক্যালরি দিয়ে নির্ণয় করা হয়। 
- খাদ্য উপাদানগুলোর মধ্যে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট হতে উল্লেখযোগ্য ও যথেষ্ট পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন হয়। 
- ১ গ্রাম প্রোটিন হতে ৪ কিলোক্যালরি (প্রায়) শক্তি পাওয়া যায়। 
- ১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট হতে ৪ কিলোক্যালরি (প্রায়) শক্তি পাওয়া যায়। 
∴ ৩ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট হতে ৩ × ৪ = ১২ কিলোক্যালরি (প্রায়) শক্তি পাওয়া যায়। 
- ১ গ্রাম তেল বা চর্বি হতে ৯ কিলোক্যালরি (প্রায়) শক্তি পাওয়া যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৪৬.
বায়োমাস শক্তি কী ধরনের শক্তি? 
  1. জীবাশ্ম জ্বালানি
  2. নবায়নযোগ্য শক্তি
  3. রাসায়নিক শক্তি
  4. পারমাণবিক শক্তি
সঠিক উত্তর:
নবায়নযোগ্য শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবায়নযোগ্য শক্তি
ব্যাখ্যা
বায়োমাস শক্তি: 
- বায়োমাস শক্তি একটি নবায়নযোগ্য শক্তি যে শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। 
- সৌর শক্তি সবুজ গাছপালার সাহায্যে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে বায়োমাসরূপে গাছপালার বিভিন্ন অংশে মজুদ থাকে, এই বায়োমাস শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- মানুষসহ অনেক প্রাণী খাদ্য হিসেবে বায়োমাস গ্রহণ করে, এই বায়োমাস শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে জীবনের কর্মকান্ড সচল রাখে।
- বায়োমাস হচ্ছে শক্তির একটি বহুমুখী উৎস।
- গাছ-গাছালী, জ্বালানি কাঠ, কাঠের বর্জ্য, শস্য ধানের তুষ ও কুড়া, লতা-পাতা, পশু পাখির মল, বর্জ্য ইত্যাদি জৈব পদার্থ হচ্ছে বায়োমাস শক্তির উৎস।
- বায়োমাসের প্রধান উপাদান হচ্ছে কার্বন ও হাইড্রোজন।
- বায়োমাস থেকে বায়োগ্যাস এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।
- ২/৩ টি গরুর গোবর ব্যবহার করে ৪/৫ জনের একটি পরিবারের রান্না ও বাতি জ্বালানোর জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাসের উৎপাদন করা যায়।  

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৪৭.
বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত কত?
  1. ক) ২৩০০ মিমি
  2. খ) ১৭০০ মিমি
  3. গ) ২৪০০ মিমি
  4. ঘ) ২১০০ মিমি
সঠিক উত্তর:
ক) ২৩০০ মিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৩০০ মিমি
ব্যাখ্যা

নবম-দশম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ বই (পৃষ্ঠা নং ২০৯, ২০২০ বর্ষ) অনুসারে, বাংলাদেশের গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২৩০০ মিমি।
কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস), গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার (ais.gov.bd) অনুসারে, বাংলাদেশের গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২৩০০ মিমি।
---------
নবম-দশম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ বই (পৃষ্ঠা নং ১৫৬, ২০২০ বর্ষ) অনুসারে, বাংলাদেশের বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২৬.০১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয় সিলেট অঞ্চলে।

২,১৪৮.
কোন তাপমাত্রায় ফারেনহাট ও সেলসিয়াস স্কেল সমান তাপমাত্রা নির্দেশ করে? 
  1. ০ ডিগ্রি 
  2. ৪ ডিগ্রি 
  3. - ৪০ ডিগ্রি
  4. ৪০ ডিগ্রি 
সঠিক উত্তর:
- ৪০ ডিগ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- ৪০ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা

- সেলসিয়াস স্কেল ও ফারেনহাইট স্কেলের মধ্যে সম্পর্ক হলো- 
• C/5 = (F - 32)/9 [C = সেলসিয়াস তাপমাত্রা, F = ফারেনহাইট তাপমাত্রা] 

এখন, 
সেলসিয়াস স্কেল ও ফারেনহাইট স্কেলের তাপমাত্রা সমান (x) হলে,
x/৫ = (x - ৩২)/৯
Or, ৯x = ৫x - ১৬০
Or, ৪x = - ১৬০
Or, x = - ৪০
অর্থাৎ, - ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ফারেনহাট ও সেলসিয়াস স্কেলে সমান তাপমাত্রা নির্দেশ করে

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,১৪৯.
'টিবি' রোগের জন্য দায়ী
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) ছত্রাক
  4. ঘ) অ্যামিবা
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
সাধারণত Mycobacterium tuberculosis নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে যক্ষা বা টিবি হয়।
তবে Mycobacterium গণভুক্ত আরও কিছু ব্যাকটেরিয়া যক্ষা সৃষ্টি করতে পারে। 

- যক্ষা রোগের ব্যাকটেরিয়া মানুষের দেহে প্রবেশ করে শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে।
- যক্ষা রোগের জীবাণুর প্রথম আবিষ্কার করেন জার্মান বিজ্ঞানী রবার্ট কচ।
- অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস, অপুষ্টিকর ও অপর্যাপ্ত খাদ্যগ্রহণ এবং অধিক পরিশ্রমে এই রোগ হয়।
- যক্ষা রোগ প্রতিরোধের জন্য প্রত্যেক শিশুকে দেওয়া হয় বিসিজি টিকা।

উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণী, জীববিজ্ঞান
২,১৫০.
স্থায়ী টিস্যু কয় প্রকার?
  1. ক) ২ প্রকার
  2. খ) ৩ প্রকার
  3. গ) ৪ প্রকার
  4. ঘ) ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ প্রকার
ব্যাখ্যা

- টিস্যু দুই ধরনের। যথা- ভাজক টিস্যু এবং স্থায়ী টিস্যু।
- স্থায়ী টিস্যু আবার তিন ধরনের। যথা- সরল টিস্যু, জটিল টিস্যু এবং নিঃস্রাবী টিস্যু।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,১৫১.
ভারী পানির রাসায়নিক সংকেত-
  1. 2H2O2
  2. H2O
  3. D2O
  4. HD2O2
সঠিক উত্তর:
D2O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
D2O
ব্যাখ্যা
• পানি:
- পানির সংকেত হলো H2O.
- ভারী পানির সংকেত হলো D2O।
- রাসায়নিক নাম হচ্ছে ডিউটেরিয়াম অক্সাইড
- পানিতে উপস্থিত থাকে প্রোটিয়াম এবং অক্সিজেন।
- ভারী পানিতে উপস্থিত থাকে ডিউটেরিয়াম এবং অক্সিজেন।
- প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম হলো হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ।
- সাধারণভাবে হাইড্রোজেন বলতে প্রোটিয়ামকেই বোঝায়।

উৎস: মাধ্যমিক রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২,১৫২.
গায়ের রং পরিবর্তন করে আত্মরক্ষা করে -
  1. ক) গিনিপিগ
  2. খ) টিকটিকি
  3. গ) সজারু
  4. ঘ) গিরগিটি
সঠিক উত্তর:
ঘ) গিরগিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গিরগিটি
ব্যাখ্যা
Chameleon, (family Chamaeleonidae), any of a group of primarily arboreal (tree-dwelling) Old World lizards best known for their ability to change body colour. Other characteristics of chameleons include zygodactylous feet (with toes fused into opposed bundles of two and three), acrodont dentition (with the teeth attached to the edge of the jaw), eyes that move independently, atrophied venom glands that produce harmless trace amounts of venom, and a long, slender projectile tongue. সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
২,১৫৩.
নিম্নের কোন ইলেকট্রনিক ডিভাইসে N-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Inductor
  2. খ) Capacitor
  3. গ) Solar cell
  4. ঘ) Resistor
সঠিক উত্তর:
গ) Solar cell
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Solar cell
ব্যাখ্যা
- একটি সৌর কোষ হল এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা সিলিকনের মতো অর্ধপরিবাহী পদার্থ ব্যবহার করে সৌর শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করে।  
-  সৌর কোষে মুক্ত ইলেকট্রনের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে এন-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর ব্যবহৃত হয়। এর ফলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়।  
- যখন সূর্যালোক সৌর কোষে আঘাত করে, তখন শক্তি সেমিকন্ডাক্টর উপাদান দ্বারা শোষিত হয় এবং সার্কিটের মাধ্যমে বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরি হয়।

উৎস : https://www.energy.gov, https://www.nrel.gov/
২,১৫৪.
ভাইরাস সম্পর্কে সত্য হলো-
  1. এককোষী
  2. অকোষীয়
  3. দ্বিকোষী
  4. বহুকোষী
সঠিক উত্তর:
অকোষীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অকোষীয়
ব্যাখ্যা

- ভাইরাস একটি ল্যাটিন শব্দ। এর অর্থ হলো বিষ।
- ভাইরাস অতিআণুবীক্ষণিক এবং অকোষীয় রাসায়নিক বস্তু যা প্রোটিন ও নিউক্লিক এসিডের সমন্বয়ে গঠিত।
- ভাইরাসের দেহে কোনো নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম নেই। তাই এদের অকোষীয় বলা হয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

২,১৫৫.
নিচের কোনটি পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়?
  1. নিউক্লিয়ার ফিশন
  2. নিউক্লিয়ার ফিউশন
  3. তাপীয় বিক্রিয়া
  4. রাসায়নিক বিক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয়ার ফিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয়ার ফিশন
ব্যাখ্যা
নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়া: 
- যে নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় দুই বা ততোধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে এক বা একাধিক ভিন্ন মৌলের পরমাণু তৈরি করে তাকে নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়া বলে। 
- সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্রে শক্তির উৎস হচ্ছে নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়া। 
- নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া ব্যবহার করে হাইড্রোজেন বোমা তৈরি করা হয়। 

নিউক্লিয় ফিশন বিক্রিয়া: 
- যে নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় একটি পারমাণু ভেঙ্গে একাধিক হালকা ভিন্ন মৌলের পরমাণু তৈরি করে তাকে ফিশন বিক্রিয়া বলে। 
- নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া ব্যবহার করে পারমাণবিক বোমা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২,১৫৬.
প্রথম মহাকাশচারী ব্যক্তি কে?
  1. নীল আর্মস্ট্রং
  2. ইউরি গ্যাগারিন
  3. ভেলেন্টিনা তেরেসকোভা
  4. স্টিফেন হকিং
সঠিক উত্তর:
ইউরি গ্যাগারিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরি গ্যাগারিন
ব্যাখ্যা
ইউরি গ্যাগারিন:
- মহাকাশে প্রথম ভ্রমণকারী ইউরি গ্যাগারিন
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মহাকাশ অভিযাত্রী ইউরি গ্যাগারিন। 
- মহাকাশে তিনিই হলেন প্রথম মানব অভিযাত্রী।
- ১৯৬১ সালের ১৯ এপ্রিল তিনি মহাকাশে পৃথিবীর কক্ষপথ পরিভ্রমণ করেন। 
- ভস্টক–১ নভোযানে তিনি মহাকাশে যান।
- গ্যাগারিন মহাকাশে ছিলেন ১০৮ মিনিট।
- মাত্র দেড় ঘণ্টার মতো সময়ে তিনি পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেন।

উৎস: Britannica.
২,১৫৭.
ফিটকিরি এর অপর নাম কি?
  1. কস্টিক পটাশ
  2. চুন
  3. পটাশ অ্যালাম
  4. সাধারণ লবণ
সঠিক উত্তর:
পটাশ অ্যালাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটাশ অ্যালাম
ব্যাখ্যা

ফিটকিরি: 
- প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের দেশে এন্টিসেপটিক হিসেবে ফিটকিরির ব্যবহার প্রচলিত। 
- ফিটকিরি অ্যালুমিনিয়াম সালফেট, পটাশিয়াম সালফার ও ২৪ অণু পানির যৌগ। 
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত হচ্ছে [K2SO4.Al2(SO4)3. 24H2O] । 
- ফিটকিরি বা পটাস অ্যালামে ২৪ অণু কেলাস পানি যুক্ত থাকে। 
- ফিটকিরি মানুষের কাছে পটাশ অ্যালাম নামে পরিচিত। 
- ফিটকিরি একটি দ্বি-লবণ অর্থাৎ দুটি লবণ (পটাসিয়াম সালফেট এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেট) এর সাধারণ মিশ্রণ। 
- অ্যালাম কঠিন অবস্থায় সুনির্দিষ্ট আকৃতির কেলাস। 
- এটি সাধারণত কঠিন অবস্থায় বাজারে প্রচলিত। 

Other Options:
Potassium Hydroxide = কস্টিক পটাশ।
Calcium Carbonate = চুন।
Sodium Chloride = সাধারণ লবণ।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৫৮.
মুক্তা হলো ঝিনুকের-
  1. ক) খোলসের টুকরা
  2. খ) চোখের মণি
  3. গ) জমাট হরমোন
  4. ঘ) প্রদাহের ফল
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রদাহের ফল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রদাহের ফল
ব্যাখ্যা
মুক্তা হলো ঝিনুকের প্রদাহের ফল। ঝিনুক হলো এক ধরনের দুই খোলক বিশিষ্ট জলজ প্রাণী।
২,১৫৯.
The largest planet in the solar system is-
  1. ক) Mars
  2. খ) Jupiter
  3. গ) Venus
  4. ঘ) Saturn
সঠিক উত্তর:
খ) Jupiter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Jupiter
ব্যাখ্যা
সৌরজগৎ:

- সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতি।
- সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ বুধ।
- সূর্যের নিকটতম গ্রহ বুধ।
- সৌরজগতের দ্রুততম গ্রহ বুধ।
- পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ শুক্র।
- সৌরজগতের বুধ ও শুক্র গ্রহের উপগ্রহ নেই।
- সৌরজগতের শনি গ্রহের উপগ্রহ সবচেয়ে বেশি।
- বুধ ৮৮ দিনে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮।
২,১৬০.
সাধারণ তাপমাত্রায় বায়ুচাপে পানি কত ডিগ্রি তাপামাত্রায় ফোটে?
  1. ১০০° সেন্টিগ্রেড
  2. ১০৮° সেন্টিগ্রেড
  3. ৯৯° সেন্টিগ্রেড
  4. ২১২° সেন্টিগ্রেড
সঠিক উত্তর:
১০০° সেন্টিগ্রেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০° সেন্টিগ্রেড
ব্যাখ্যা
- বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীর আর বর্ণহীন। 
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার ওপরে নির্ভর করে। 
- পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ৪° সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায়, আর সেটি হচ্ছে ১ গ্রাম/ সি.সি বা ১০০০ কেজি/মিটার কিউব। 
- যে তাপমাত্রায় বরফ গলে যায়, সেটিই হচ্ছে বরফের গলনাংক। 
- বরফের গলনাংক ০° সেলসিয়াস। 
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়, তাকে স্ফুটনাংক বলে। 
- পানির স্ফুটনাংক হলো ১০০° সেলসিয়াস, এই তাপমাত্রায় পানি ফুটতে শুরু করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,১৬১.
ট্যাকোমিটার কী?
  1. শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র
  2. মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র
  3. উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র
  4. গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র: 
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার। 
- তাপ পরিমাপক যন্ত্র- ক্যালরিমিটার। 
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র- ম্যানোমিটার। 
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার। 
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েসাইট।
২,১৬২.
পোলিওর জন্য ব্যবহৃত টিকার নাম কী?
  1. পিভিসি
  2. ডিপিটি
  3. ওপিভি
  4. বিসিজি
সঠিক উত্তর:
ওপিভি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওপিভি
ব্যাখ্যা

• পোলিও রোগ প্রতিরোধের জন্য ব্যবহৃত টিকার সঠিক নাম হলো ওপিভি (OPV – Oral Polio Vaccine), অর্থাৎ  অপশন গ)। এই টিকা মুখের মাধ্যমে খাওয়ানো হয় এবং শিশুদের শরীরে পোলিও ভাইরাসের বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। ওপিভি সহজে প্রয়োগযোগ্য, কম খরচের এবং গণটিকাদান কর্মসূচির জন্য অত্যন্ত কার্যকর। বিশ্বব্যাপী পোলিও নির্মূল অভিযানে এই টিকার ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে পিভিসি কোনো টিকা নয়, ডিপিটি ডিপথেরিয়া, পারটুসিস ও টিটেনাসের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং বিসিজি যক্ষ্মা প্রতিরোধে দেওয়া হয়।

• ওপিভি (Oral Polio Vaccine):
- ‘পোলিওমাইটিলিজ’ এক ধরনের ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ যা ‘পোলিও’ নামে অধিক পরিচিত।
- ১৮৪০ সালে জ্যাকব হেইনার প্রথম এই রোগ শনাক্ত করেন।
- ১৯০৯ সালে কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার পোলিও ভাইরাস শনাক্ত করেন।
- ১৯৫২ সালে জোনাস এডওয়ার্ড সাল্ক‌ পোলিওর টিকা উদ্ভাবন করেন।
- ১৯৫৭ সালে আলবার্ট সাবিন মুখে খাওয়ার পোলিও টিকা আবিষ্কার করেন।
- বাংলাদেশে ১৯৫৫ সালে পোলিও টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
- পোলিও একটি সংক্রামক রোগ।
- এটি দূষিত খাদ্য, পানি দ্বারা দেহে প্রবেশ করে।
- বাংলাদেশ পোলিও মুক্ত হয় ২০০৬ সালে।

• পোলিও রোগের লক্ষণসমূহ:
- মাথা ব্যাথা করে, ঘাড় শক্ত হয়ে যায়।
- জ্বর থাকে।
- শিশুর হাত অথবা পা অবশ হয়ে যায়।
- শিশু দাঁড়াতে চায় না।
- উঁচু করে ধরলে আক্রান্ত পায়ের পাতা ঝুলে পড়ে।
- দাঁড়া করাতে চাইলে শিশু কান্নাকাটি করে এবং নাড়াচড়া করতে পারে না।
- শিশুর আক্রান্ত অঙ্গ ক্রমশ দুর্বল হয় এবং পরে স্থায়ীভাবে পঙ্গু হয়ে যেতে পারে।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- যক্ষা রোগের টিকার নাম বিসিজি।
- ডিফথেরিয়া, হুপিং কাশি ও ধনুষ্টঙ্কারের টিকার নাম ডিপিটি।

উৎস:
১. প্রাণীবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. বাংলাপিডিয়া।

২,১৬৩.
নিচের কোনটি পানিতে অদ্রবনীয়?
  1. ক) অ্যালকোহল
  2. খ) সালফিউরিক এসিড
  3. গ) সোডিয়াম ক্লোরাইড
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
ব্যাখ্যা
ক্যালসিয়াম কার্বনেট বিশুদ্ধ পানিতে দ্রবীভূত হয় না।

- সোডিয়ামের যৌগ সোডিয়াম ক্লোরাইড বা খাবার লবণ স্বচ্ছ, বর্ণহীন কঠিন পদার্থ এবং পানিতে দ্রবণীয়।
- বিশুদ্ধ সালফিউরিক এসিড ঘন তৈলাক্ত পদার্থ, যা পানিতে সহজেই দ্রবীভূত হয়।
- অ্যালকোহল সকল মাত্রায় পানিতে দ্রবীভূত হয়।

• অন্যদিকে, ক্যালসিয়াম কার্বনেট প্রকৃতিতে চুনাপাথর, মার্বেল পাথর, চক ও অন্যান্য রূপে বিদ্যমান; যা বিশুদ্ধ পানিতে সম্পূর্ণভাবে অদ্রবণীয়।

Source: chem.ncbi.nlm.nih.gov & Britannica Encyclopedia.
২,১৬৪.
পলিমারের ক্ষুদ্র অংশকে কী বলা হয়? 
  1. মনোস্যাকারাইড
  2. মনোমার
  3. ডাইমার
  4. ট্রাইমার
সঠিক উত্তর:
মনোমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনোমার
ব্যাখ্যা
পলিমার: 
- গ্রিক শব্দ 'পলি' (poly) অর্থ বহু বা অনেক এবং 'মেরোস' (meros) অর্থ একক বা অংশ। এ দুটি শব্দ থেকেই পলিমার শব্দের উৎপত্তি। 
- প্রকৃতঅর্থে পলিমার বলতে বোঝায় বহু অংশযুক্ত উচ্চ আণবিক ভর সম্পন্ন বৃহদাকার অণু। এক কথায় বহু সংখ্যক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশ পর পর যুক্ত হয়ে পলিমার অণু গঠন করে থাকে। 
- পলিমারের প্রত্যেকটি ক্ষুদ্র অংশকে মনোমার বলা হয়। 
যেমন- ইথিলিনের পলিমার পলিইথিলিন। প্রোপিনের পলিমার পলি প্রোপিন। 
- পলিমার সাধারণত দুই প্রকার। 
যথা- 
ক) প্রাকৃতিক পলিমার: 
- সাধারণভাবে প্রাকৃতিক উৎস বিশেষ করে উদ্ভিদ ও প্রাণি থেকে প্রাপ্ত পলিমার এ জাতীয় পলিমার। 
যেমন- প্রাকৃতিক রাবার, স্টার্চ, সেলুলোজ ইত্যাদি। 

খ) কৃত্রিম পলিমার: 
- পরীক্ষাগারে কৃত্রিমভাবে প্রস্তুত পলিমার সমূহ এ জাতীয় পলিমার। 
যেমন- পলিইথিলিন, পলিস্ট্যারিন, পলিভিনাইল ক্লোরাইড (PVC), নাইলন, টেফলন, টেরিলিন ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৬৫.
একটি আদর্শ ফুলের কতটি অংশ থাকে?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫টি
ব্যাখ্যা
একটি আদর্শ ফুলের পাঁচটি অংশ থাকে।
যথা-
(ক) পুষ্পাক্ষ,
(খ) বৃতি,
(গ) দলমন্ডল,
(ঘ) পুংস্তবক এবং
(ঙ) স্ত্রীস্তবক।

উৎস: জীববিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,১৬৬.
অসম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার কোনটি? 
  1. ডিটারজেন্ট
  2. সাবান
  3. চর্বি
  4. তৈল
সঠিক উত্তর:
তৈল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৈল
ব্যাখ্যা
তৈল ও চর্বি: 
- তৈল ও চর্বিকে একত্রে লিপিড বলে। 
- তৈল ও চর্বি হল গ্লিসারল বা গ্লিসারিন এর উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের এস্টার। 
- উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের মধ্যে সম্পৃক্ত পামিটিক এসিড, স্টেয়ারিক এসিড এবং অসম্পৃক্ত অলিয়িক এসিড, লিনোলিক এসিড ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। 

তৈল ও চর্বির পার্থক্য: 
(১) সম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার হল কঠিন চর্বি এবং অসম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার হল তৈল। 
(২) তৈলের গলনাঙ্ক 20°C এর কম হয়, কিন্তু চর্বির গলনাঙ্ক 20°C এর অধিক হয়। 
(৩) তৈল উদ্ভিদদেহে কিন্তু চর্বি প্রাণিদেহে উৎপন্ন হয়। 

তৈল ও চর্বির গুরুত্ব: 
(১) খাদ্যরূপে তৈল ও চর্বি থেকে আমরা শক্তি থাকি। 
[1g তৈল বা চর্বি = 9 cal = 9 ×4.184 J খাদ্যমান] 
(২) তৈল ও চর্বির ক্ষারীয় বিশ্লেষণে সাবান ও উৎপন্ন হয়। 
(৩) রং- বার্নিশ ও প্রসাধনী তৈরিতে তৈল চর্বি ব্যবহূত হয়। 
(৪) তৈলকে নিকেল উপস্থিতিতে হাইড্রোজেনেশন বা হাইড্রোজেন সংযোজন দ্বারা চর্বিতে পরিণত করা যায়। 
যেমন- সয়াবিন তৈলকে হাইড্রোজেনেশন করে মার্জারিন নামক চর্বি তৈরি করা হয়। 
(৫) পরিপাকতন্ত্রে চর্বির তুলনায় তৈল সহজে হজম হয় এবং তৈলে কলেস্টেরল কম থাকে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, (হাজারী ও নাগ)।
২,১৬৭.
কোন প্রক্রিয়ায় এনট্রপির কোনো পরিবর্তন হয় না? 
  1. সমোষ্ণ প্রক্রিয়া 
  2. রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়া
  3. সমচাপ প্রক্রিয়া 
  4. অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া 
সঠিক উত্তর:
রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা

এনট্রপি: 
- কোনো সিষ্টেমের বিশৃঙ্খলা সূচক পরিমাপকে এন্ট্রপি বলে।
- আমরা জানি, কোনো গ্যাসকে রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় সঙ্কুচিত করার সময় কিছু কাজ করা হয়। ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
- আবার রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় গ্যাসকে প্রসারিত হতে দিলে গ্যাসকে কিছু কাজ করতে হয়। অন্তর্নিহিত শক্তির দ্বারা গ্যাস এই কাজ করে। ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও তাপমাত্রা উভয়েই হ্রাস পায়।
- বিজ্ঞানী ক্লসিয়াস তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় উপলব্ধি করেন যে, সমোষ্ণ প্রক্রিয়ায় যেমন তাপমাত্রা স্থির থাকে, রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়াও তেমনি কোনো একটি রাশি স্থির থাকে।
- ক্লসিয়াস এই রাশিটির নাম দেন এনট্রপি।
- রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় এনট্রপির কোনো পরিবর্তন হয় না
- পৃথিবীর এনট্রপি ক্রমাগত বাড়ছে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।

২,১৬৮.
কোন ধরনের পদার্থ লিটমাস কাগজকে নীল করে?
  1. Acid (এসিড)
  2. Alkali (ক্ষার)
  3. Salt (লবণ)
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
Alkali (ক্ষার)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alkali (ক্ষার)
ব্যাখ্যা
- সকল ক্ষারক লাল লিটমাস কাগজের রঙ পরিবর্তন করে নীল করে।
- আর সকল এসিড নীল লিটমাসের বর্ণ পরিবর্তন করে লাল করে থাকে।
 
- ক্ষারক হলো মূলত ধাতব অক্সাইড বা হাইড্রোক্সাইড। কিছু কিছু ক্ষারক আছে যারা পানিতে দ্রবীভূত হয় আর কিছু আছে যারা দ্রবীভূত হয় না। 
- যে সমস্ত ক্ষারক পানিতে দ্রবীতূত হয় তাদেরকে বলে ক্ষার। তাহলে ক্ষার হলো বিশেষ ধরনের ক্ষারক। 
 
- Alkali (ক্ষার) is any of the soluble hydroxides of the alkali metals—i.e., lithium, sodium, potassium, rubidium, and cesium. 
- Alkalies are strong bases that turn litmus paper from red to blue.
- they react with acids to yield neutral salts; and they are caustic and in concentrated form are corrosive to organic tissues.

সূত্র: ব্রিটানিকা, মাধ্যমিক বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি 
২,১৬৯.
কোষের তড়িচ্চালক বল পরিমাপ করার যন্ত্রের নাম-
  1. ক) গ্যালভানােমিটার
  2. খ) মিটার ব্রীজ
  3. গ) অ্যামিটার
  4. ঘ) পােটেনশিওমিটার
সঠিক উত্তর:
ঘ) পােটেনশিওমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পােটেনশিওমিটার
ব্যাখ্যা
বিভব পতন পদ্ধতিতে যে যন্ত্রের সাহায্যে ছোট মানের বিভব বৈষম্য ও বিদ্যুচ্চালক শক্তি সূক্ষ্মভাবে নির্ণয় করা যায় তাকে পােটেনশিওমিটার বলে। এর সাহায্যে বিদ্যুৎ প্রবাহমাত্রা এবং রােধও নির্ণয় করা যায়। (উৎসঃ ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
২,১৭০.
নিচের কোন পদার্থটি ঊর্ধ্বপাতিত হয় না?
  1. আয়োডিন
  2. সোডা অ্যাশ
  3. ন্যাপথলিন
  4. নিশাদল
সঠিক উত্তর:
সোডা অ্যাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডা অ্যাশ
ব্যাখ্যা
ঊর্ধ্বপাতন: 
- যে প্রক্রিয়ায় কোন কঠিন পদার্থকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে। 
যেমন- নিশাদল, কর্পূর, ন্যাপথলিন, কঠিন কার্বন ডাই-অক্সাইড, আয়োডিন ইত্যাদি। 
- এই পদার্থগুলোকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। 
- এই পদার্থগুলোকে ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ বলা হয়। 

অন্যদিকে, 
- সোডিয়াম কার্বনেট (Na2CO3) ওয়াশিং সোডা, সোডা অ্যাশ এবং সোডা স্ফটিক নামেও পরিচিত। 
- সোডিয়াম কার্বনেটের সব রূপই সাদা বর্ণের। 
- ভৌত ধর্মের দিক থেকে এটি গন্ধহীন এবং জলে দ্রাব্য। 
- জলে দ্রবীভূত হয়ে এটি ক্ষারীয় দ্রবণ তৈরি করে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
২,১৭১.
গামা রশ্মির বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে কোনটি সত্য নয়?
  1. দৃশ্যমান আলোর চেয়ে শক্তি কম
  2. তরঙ্গদৈর্ঘ্য খুব ছোট
  3. এটি কম্পাঙ্ক বেশি রাখে
  4. এটি জীবনের জন্য ক্ষতিকর
সঠিক উত্তর:
দৃশ্যমান আলোর চেয়ে শক্তি কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দৃশ্যমান আলোর চেয়ে শক্তি কম
ব্যাখ্যা

- গামা রশ্মি হলো তড়িৎচৌম্বকীয় বর্ণালীর সবচেয়ে শক্তিশালী অংশ। এর শক্তি দৃশ্যমান আলোর শক্তির তুলনায় কয়েক হাজার গুণ বেশি হতে পারে। পদার্থবিজ্ঞানের সূত্রানুসারে, বিকিরণের শক্তি তার কম্পাঙ্কের সমানুপাতিক এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ব্যস্তানুপাতিক। যেহেতু গামা রশ্মির কম্পাঙ্ক অনেক বেশি, তাই এর শক্তিও অনেক বেশি। 

গামা রশ্মি: 
- 10-11 m থেকে ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের সকল বিকিরণ গামা রশ্মি বা γ-ray । 
- গামা রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ক্ষুদ্র হওয়ায় কম্পাঙ্ক সবচেয়ে বেশি, তাই শক্তিও বেশি। 
- দৃশ্যমান আলোর চেয়ে গামা রশ্মির শক্তি পঞ্চাশ হাজার গুণ বেশি। 
- তেজষ্ক্রিয় মৌলসমূহ থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গামা রশ্মি নির্গত হয়। 
- পারমাণবিক বিস্ফোরণের ফলে যে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয় তার বেশির ভাগই গামা রশ্মি। 
- প্রাণী দেহের জন্য গামা রশ্মিটি অত্যন্ত ক্ষতিকর। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৭২.
কোন অংশটি পেশি ও অস্থির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে?
  1. অস্থিবন্ধনী
  2. লিগামেন্ট
  3. টেনডন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
টেনডন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেনডন
ব্যাখ্যা
• টেনডন পেশি ও অস্থির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।

• টেনডন:
- মাংসপেশির যে প্রান্তভাগ রজ্জুর মতো শক্ত হয়ে অস্থিগাত্রের সাথে সংযুক্ত হয় সেই শক্ত প্রান্তকে টেনডন বলা হয়।

• টেনডনের গঠন:
- টেনডন টিস্যু কোলাজেন দিয়ে তৈরি, যা শরীরের সবচেয়ে বেশি প্রোটিন। এই কোলাজেন ফাইবারগুলি স্থিতিস্থাপক, মজবুত এবং নমনীয়।
- টেনডনগুলো স্নায়ু এবং রক্তনালী নিয়ে গঠিত।
- টেনডন ঘন, শ্বেত তন্তুময় যোজক কলা দিয়ে গঠিত। 
- অস্থি বা পেশির তুলনায় টেনডনের ভেঙ্গে বা ছিরে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম, তবে যদি কোনোভাবে ছিঁড়ে যায় তাহলে সহজে জোড়া লাগে না।

• টেনডনের কাজ:
- অস্থি বা হাড়ের সাথে পেশী সংযুক্ত করতে সাহায্য করে।
- অস্থিবন্ধনী গঠনে সাহায্য করে। 
- চাপটানের বিরুদ্ধে যান্ত্রিক প্রতিরোধ গড়ে তোলে। 
- লাফ দেওয়ার সময়, দৌড়ানোর সময় পেশীতে আঘাত রোধ করে। সারা শরীর জুড়ে টেনডন পাওয়া যায়।
- অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে নড়াচড়া করতে সাহায্য করে।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
২,১৭৩.
ধারালো যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করার ভাল পদ্ধতি –
  1. বয়লিং
  2. বেনজিন ওয়াশ
  3. ফরমালিন ওয়াশ
  4. কেমিক্যাল স্টেরিলাইজেশন
সঠিক উত্তর:
কেমিক্যাল স্টেরিলাইজেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেমিক্যাল স্টেরিলাইজেশন
ব্যাখ্যা
কেমিক্যাল স্টেরিলাইজেশন: 
- কেমিক্যাল স্টেরিলাইজেশন হলো এমন একটি পদ্ধতি, যেখানে ধারালো যন্ত্রপাতি বা সংবেদনশীল উপকরণগুলো জীবাণুমুক্ত করতে রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়।
- এই পদ্ধতি বিশেষত তাপ-সংবেদনশীল (heat-sensitive) বা উচ্চ তাপমাত্রায় বিকৃত হওয়ার সম্ভাবনা থাকা যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করার জন্য কার্যকর।
- ধারালো যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করার জন্য 'কেমিক্যাল স্টেরিলাইজেশন' সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি। 

অন্যদিকে, 
বয়লিং: 
- উচ্চ তাপমাত্রায় কিছু জীবাণু এবং স্পোর বেঁচে যেতে পারে। তাই ধারালো যন্ত্রপাতির ধার নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 

বেনজিন ওয়াশ: 
- বেনজিন জীবাণু ধ্বংসে কার্যকর নয় এবং এটি পরিষ্কারক হিসেবে ব্যবহৃত হলেও জীবাণুমুক্ত করতে পারে না। 

ফরমালিন ওয়াশ: 
- ফরমালিন শুধুমাত্র জীবাণুনাশক (disinfectant) হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এটি পুরোপুরি স্টেরিলাইজ করার জন্য যথেষ্ট নয়।
২,১৭৪.
কঠিন থেকে সরাসরি গ্যাসীয় অবস্থা প্রাপ্ত হয় নিচের কোন পদার্থটি?
  1. ক) ন্যাপথালিন
  2. খ) বরফ
  3. গ) পিভিসি
  4. ঘ) স্বর্ণ
সঠিক উত্তর:
ক) ন্যাপথালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ন্যাপথালিন
ব্যাখ্যা
কিছু পদার্থ আছে যারা কঠিন থেকে সরাসরি গ্যাসীয় অবস্থা প্রাপ্ত হয়। যেমন: ন্যাপথালিন, আয়োডিন, কর্পূর, কঠিন কার্বন ডাই অক্সাইড ইত্যাদি।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
২,১৭৫.
কোন স্থানে মধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ ৯ গুণ বাড়লে সেখানে একটি সরল দোলকের দোলনকাল কতগুণ বাড়বে বা কমবে?
  1. ক) ৯ গুণ বাড়বে
  2. খ) ৯ গুণ কমবে
  3. গ) ৩ গুণ বাড়বে
  4. ঘ) ৩ গুণ কমবে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩ গুণ কমবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩ গুণ কমবে
ব্যাখ্যা
সরল দোলক: একটি ভারী আয়তনহীন বস্তু কণাকে ওজনহীন, নমনীয় ও অপ্রসারণশীল সুতা দিয়ে ঝুলিয়ে দিলে এটি যদি ঘর্ষণ এড়িয়ে স্বাধীনভাবে একটি উলম্ব তলে দুলতে পারে তবে তাকে সরল দোলক বলে।

দোলনকাল মধ্যাকর্ষণ জনিত ত্বরণ এর বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতে পরিবর্তিত হয়।

সুতরাং,  মধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ ৯ গুণ বাড়লে সেখানে একটি সরল দোলকের দোলনকাল ৩ গুণ কমবে
২,১৭৬.
ইস্ট ব্যবহার করলে পাউরুটি ফুলে উঠে কেন?
  1. ইস্ট কার্বোনিক এসিড উপন্ন করে বলে
  2. ইস্ট কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে বলে
  3. ইস্ট মিথেন গ্যাস উপন্ন করে বলে
  4. ইস্ট কার্বন মনো অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে বলে
সঠিক উত্তর:
ইস্ট কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে বলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্ট কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে বলে
ব্যাখ্যা
ইস্ট:

- পাউরুটি তৈরীতে পাউরুটি ফোলানোর জন্য ইস্ট ব্যবহার করা হয়।
- ইস্ট এক প্রকার ছত্রাক যা কার্বহাইড্রেড ও অক্সিজেনের উপর ক্রিয়া করে CO₂ গ্যাস উৎপন্ন করে।
- উৎপন্ন CO₂ বা কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস পাউরুটি ফোলাতে সাহায্য করে।
- পাউরুটি প্রয়োজনীয় পরিমাণ ফোলার পর ওভেনে বেকিং করা হয়।
- উত্তাপে ইস্ট মরে যায় এবং CO₂ উৎপন্ন হওয়াও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে রুটি ফোলাও বন্ধ হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৭৭.
তীব্র এসিডের সাধারণ বৈশিষ্ট্য কোনটি? 
  1. জলীয় দ্রবণে অম্লধর্ম প্রকাশ করে না
  2. এটি ধাতুর সঙ্গে বিক্রিয়া করে না
  3. এটি আংশিকভাবে আয়নিত হয়
  4. এটি সম্পূর্ণ আয়নিত হয়
সঠিক উত্তর:
এটি সম্পূর্ণ আয়নিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি সম্পূর্ণ আয়নিত হয়
ব্যাখ্যা

- তীব্র এসিডের সাধারণ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত হয়। 
অন্যদিকে, সব এসিডই জলীয় দ্রবণে অম্লধর্ম প্রকাশ করে; তীব্র এসিড সাধারণত সক্রিয় ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে এবং আংশিকভাবে আয়নিত হওয়া দুর্বল এসিডের (weak acids) বৈশিষ্ট্য। 

এসিড: 
- এসিড টক স্বাদ যুক্ত। 
- এসিড নীল লিটমাসকে লাল বর্ণে পরিণত করে। 
- এসিড ক্ষার ও ক্ষারকের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। 
- এটি ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন (H2) গ্যাস উৎপন্ন করে। 

জৈব এসিড: 
- জৈব এসিড মূলত কার্বক্সিলিক মূলক (-COOH) অথবা সালফোনিক এসিড মূলক (-SO3H) বর্তমান থাকে এবং অম্লধর্ম প্রকাশ পায়, ওদেরকে জৈব এসিড বলে। 

অজৈব এসিড: 
- অজৈব যৌগ কিন্তু টক স্বাদ যুক্ত, নীল লিটমাসকে লাল করে, ক্ষার বা ক্ষারকের সাথে বিক্রিয়া করে লবণও পানি উৎপন্ন করে এবং ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন (H2) গ্যাস উৎপন্ন করে তাকে অজৈব এসিড বলে। 

তীব্র এসিড: 
- তীব্র এসিড জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত হয়। 
যেমন- HCl, HNO3, H2SO4 ইত্যাদি। 

দুর্বল এসিড: 
- দুর্বল এসিড জলীয় দ্রবণ আংশিকভাবে আয়নিত হয়। 
যেমন- H2CO3, H-COOH, CH3-COOH ইত্যাদি। 

উৎস:
রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৭৮.
পৃথিবীর দীর্ঘতম প্রবাল প্রাচীর কোন দেশে অবস্থিত?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. কানাডা
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
গ্রেট বেরিয়ার রিফ:

- এটি প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- গ্রেট বেরিয়ার রিফ হলো পৃথিবীর দীর্ঘতম প্রবাল প্রাচীর।
- এটি অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড রাজ্যে অবস্থিত।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৪৪,৪০০০ কিলোমিটার। 
- গ্রেট বেরিয়ার রিফ পৃথিবীর প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্যের একটি এবং ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐহিত্য।

তথ্যসূত্র - গ্রেট বেরিয়ার রিফ অর্গানাইজেশন ওয়েবসাইট।
২,১৭৯.
উদ্ভিদের মাইক্রো উপাদান নয় কোনটি?
  1. বোরন
  2. আয়রন
  3. তামা
  4. কার্বন
সঠিক উত্তর:
কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের খনিজ পুষ্টি: 
- মাটি ও পরিবেশ থেকে স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য উদ্ভিদ যে সকল পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করে তাই উদ্ভিদের পুষ্টি। 
- এসব পুষ্টি উপাদানের অধিকাংশ উদ্ভিদ মাটি থেকে সংগ্রহ করে বলে এদেরকে খনিজ পুষ্টিও বলা হয়। 
- ১৬টি উপাদান উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়।এ ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়।

উদ্ভিদের খনিজ পুষ্টি উপাদানের প্রকারভেদ: 
- অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টি উপাদানের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দু'ভাবে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
১। মাইক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সব উপাদান সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় তাদেরকে মাইক্রো উপাদান বলা হয়। 
- এরূপ ৭টি উপাদান হলো- দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংগানিজ (Mn), লৌহ বা আয়রন (Fe), মলিবডেনাম (Mo), বোরন (B)কপার বা তামা (Cu) ও ক্লোরিন (Cl) । 

২। ম্যাক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সকল উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়। 
- এরূপ ৯টি উপাদান হলো- নাইট্রোজেন (N), পটাসিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O) ও সালফার (S) । 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৮০.
ফানজাই রাজ্যের অন্তর্ভূক্ত জীব কোনটি?
  1. স্পাইরোগাইরা
  2. মাশরুম
  3. অ্যামিবা
  4. ব্যাকটেরিয়া
সঠিক উত্তর:
মাশরুম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাশরুম
ব্যাখ্যা
জীবের শ্রেণিকরণ: 
- বিজ্ঞানীগণ পৃথিবীর সমস্ত জীবকে তাদের বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবদ্ধকরণের চেষ্টা করেছেন। 
- ১৯৬৯ খ্রি. বিজ্ঞানী হুইটেকার পঞ্চরাজ্য শ্রেণিবিন্যাস প্রবর্তন করেন। 
- ১৯৭৪ খ্রি. বিজ্ঞানী মাগিউলিস (Margulis) উক্ত শ্রেণিবিন্যাসকে পুনর্বিন্যাস করে জীবজগতের আধুনিক শ্রেণিবিন্যাস প্রবর্তন করেন। 
- আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসটি নিম্নরূপ পাঁচটি রাজ্যে ভাগ করেছেন- 
যেমন-
রাজ্য-১: মনেরা: 
- এ রাজ্যের অধীনে বিন্যস্ত জীবের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো- জীবটি এককোষী এবং এর কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না; এরা খুবই ক্ষুদ্র এবং অণুবীক্ষণ যন্ত্র ছাড়া এদের দেখা যায় না। 
উদাহরণ: ব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া, স্পাইরোগাইরা ইত্যাদি। 

রাজ্য-২: প্রোটিস্টা: 
- এর অধীনে ঐ সকল জীবকে বিন্যস্ত করা হয়, যাদের কোষ সুগঠিত নিউক্লিয়াসযুক্ত, এরা এককোষী বা বহুকোষী ক্লোরোফিল যুক্ত একক বা দলবদ্ধভাবে থাকতে পারে। 
উদাহরণ: ইউগ্লেনা, অ্যামিবা ইত্যাদি। 

রাজ্য-৩: ফানজাই বা ছত্রাক: 
- এদের দেহে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে। এরা সাধারণত এককোষী বা বহুকোষী হয়। দেহে ক্লোরোফিল নেই, তাই এরা পরভোজী। 
উদাহরণ- ইস্ট, পেনিসিলিয়াম, মাশরুম ইত্যাদি। 

রাজ্য- ৪: প্লান্টি (উদ্ভিদজগৎ): 
- অধিকাংশ উদ্ভিদ নিজেই নিজের খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে। এদের দেহ অসংখ্য কোষ দিয়ে গঠিত। এদের কোষপ্রাচীর সেলুলোজ দ্বারা নির্মিত। এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও কোষ গহ্বর বিদ্যমান। উদ্ভিদে সবুজ কণিকা বা ক্লোরোফিল থাকে, তাই এরা খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে। 
উদাহরণ: আম, জাম, কাঁঠাল ইত্যাদি। 

রাজ্য-৫: এ্যানিমেলিয়া (প্রাণিজগৎ): 
- এসব জীবের কোষে সেলুলোজ নির্মিত কোষপ্রাচীর থাকে না। সাধারণত এ কোষগুলোতে প্লাস্টিডও থাকে না। তাই খাদ্যের জন্য এরা উদ্ভিদের উপর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল। 
উদাহরণ- মাছ, পাখি, গরু, মানুষ ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
২,১৮১.
নিচের কোনটি বিজারক পদার্থ নয়? 
  1. ফ্লোরিন 
  2. লিথিয়াম 
  3. পটাশিয়াম 
  4. ম্যাগনেসিয়াম 
সঠিক উত্তর:
ফ্লোরিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্লোরিন 
ব্যাখ্যা

- লিথিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম সবই ইলেকট্রন দান করে, তাই এ পদার্থগুলো বিজারক। কিন্তু ফ্লোরিন ইলেকট্রন গ্রহণ করে, তাই এটি জারক। 

বিজারক পদার্থ: 

- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন দান করে তাকে বিজারক বলে অর্থাৎ বিজারক পদার্থ ইলেকট্রন দাতা। 
- বিজারক ইলেকট্রন দান করার পর নিজে জারিত হয়। 
- যে পদার্থের ইলেকট্রন দান করার প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি বিজারকধর্মী হয়। 
যেমন- হাইড্রোজেন (H), লিথিয়াম (Li), সোডিয়াম (Na), পটাশিয়াম (K), রুবিডিয়াম (Rb) প্রত্যেকেই তীব্র বিজারক। 
- এছাড়াও ম্যাগনেসিয়াম (Mg), ক্যালসিয়াম (Ca), H2S, H2O2, SO2 প্রভৃতি বিজারক পদার্থ। 

জারক পদার্থ: 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক বলে অর্থাৎ জারক পদার্থ ইলেকট্রন গ্রহীতা। 
- জারক ইলেকট্রন গ্রহণের পর নিজে বিজারিত হয়। 
- যে পদার্থের ইলেকট্রন গ্রহণের প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি জারকধর্মী হয়। 
যেমন- অক্সিজেন (O2), ক্লোরিন (Cl2), ফ্লোরিন (F2), H2SO4, HNO3, H2O2, SO2 ইত্যাদি জারক পদার্থ। 

উল্লেখ্য, 
- H2O2 সচরাচর জারকের মত ব্যবহার করলেও অম্লীয় বা ক্ষারীয় দ্রবণে বিজারক হিসেবে কাজ করে। 
- SO2 একই সাথে জারক এবং বিজারক হিসেবে কাজ করে। 

উৎস: নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ, ইন্ডিয়া এবং রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৮২.
কোন ভাইরাসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা উদ্ভাবন করে 'ন্যাসভ্যাক'?
  1. ক) করোনা
  2. খ) হেপাটাইটিস-বি
  3. গ) এম এম আর
  4. ঘ) নিপাহ
সঠিক উত্তর:
খ) হেপাটাইটিস-বি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হেপাটাইটিস-বি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে তৈরি হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসের ওষুধের নাম - ন্যাসভ্যাক
- হেপাটাইটিস বি-ভাইরাসের ওষুধ ‘ন্যাসভ্যাক’ উদ্ভাবক দেশের দুই বিখ্যাত বিজ্ঞানী ডা. শেখ মোহাম্মদ ফজলে আকবর ও অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব (স্বপ্নীল)।
- হেপাটাইটিস বি-ভাইরাস লিভার প্রদাহের মুখ্য কারণ। 
- পরীক্ষায় দেখা গেছে ‘নাসভ্যাক’ মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দিয়ে হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে রাখে। 
 
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। 
২,১৮৩.
মানবদেহের রাসায়নিক গবেষণাগার কোনটি?
  1. ক) অগ্ন্যাশয়
  2. খ) গ্যাস্টিক গ্রন্থি
  3. গ) লালাগ্রন্থি
  4. ঘ) যকৃৎ
সঠিক উত্তর:
ঘ) যকৃৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যকৃৎ
ব্যাখ্যা
পৌষ্টিক গ্রন্থি (Digestive glands): যেসব গ্রন্থির রস খাদ্য পরিপাকে অংশ নেয় তাদেরকে পরিপাকগ্রন্থি বা পৌষ্টিকগ্রন্থি বলে। মানবদেহে পৌষ্টিকগ্রন্থিগুলো হলো:
• লালাগ্রন্থি
• যকৃৎ
• অগ্ন্যাশয়
• গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি
• আন্ত্রিক গ্রন্থি

যকৃৎ (Liver):
• মধ্যচ্ছদার নিচে উদরগহ্বরের উপরে পাকস্থলীর ডান পাশে যকৃৎ অবস্থিত।
• এটি মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি।
• যকৃতের ডান খণ্ডটি বাম খণ্ড থেকে আকারে কিছুটা বড়। প্রকৃতপক্ষে চারটি অসম্পূর্ণ খণ্ড নিয়ে যকৃৎ গঠিত।
• যকৃতে পিত্তরস (bile) তৈরি করে।
• পিত্তরস ক্ষারীয় গুণ সম্পন্ন।
• যকৃতে বিভিন্ন রকম জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে, তাই একে রসায়ন গবেষণাগার বলা হয় ৷

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
২,১৮৪.
জীনের রাসায়নিক গঠন উপাদানকে বলা হয় -
  1. DNA
  2. RNA
  3. ATP
  4. TNA
সঠিক উত্তর:
DNA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DNA
ব্যাখ্যা
- জীবের রাসায়নিক গঠন উপাদান DNA

DNA: 
- জিনের রাসায়নিক গঠন উপাদান হলো DNA. 
- এটি একটি নিউক্লিক এসিড যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে। 
- DNA এর পূর্ণরূপ হল Deoxyribonucleic acid এবং RNA এর পূর্ণরূপ হল Ribonucleic acid. 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৮৫.
নিচের কোন রাশির মান সরাসরি মাপা যায় না কিন্তু মৌলিক রাশি থেকে নির্ণয় করা যায়? 
  1. বেগ
  2. দৈর্ঘ্য 
  3. ভর 
  4. সময় 
সঠিক উত্তর:
বেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগ
ব্যাখ্যা

- বেগ হলো একটি লব্ধ রাশি, যা সরাসরি মাপা যায় না, কিন্তু মৌলিক রাশি দৈর্ঘ্য এবং সময় থেকে নির্ণয় করা যায়। বেগকে দূরত্ব (দৈর্ঘ্য) এবং সময় দ্বারা ভাগ করে (বেগ = দূরত্ব / সময়) হিসাব করা হয়। 

রাশি: 

- বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিামাপ করা যায় তাকে রাশি বলা হয়। 
যেমন- একটি লোহার বলের ভর পরিমাপের করা যায়, ভর একটি রাশি। আবার কাপড়ের দৈর্ঘ্য পরিমাপ করা যায় যেখানে দৈর্ঘ্য একটি রাশি। 

মৌলিক রাশি: 
- যে সকল রাশি পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না, এ রাশিগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি। 
- জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা এবং পদার্থের পরিমাণ। 

লব্ধ বা যৌগিক রাশি: 
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ বা যৌগিক রাশি বলা হয়।
- এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়।  
যেমন- বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়। অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি। 
- বেগ, ত্বরণ, কাজ, বল, তাপ, বিভব ইত্যাদি লব্ধ রাশির উদাহারণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৮৬.
কলেরা রোগের কারণ কী? 
  1. ভাইরাস 
  2. ব্যাকটেরিয়া 
  3. ছত্রাক 
  4. পরজীবী
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া 
ব্যাখ্যা

ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ: 
- ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ বলে। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ: যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, মেনিনজাইটিস, কলেরা, গনোরিয়া, সিফিলিস, টাইফয়েড, আমাশয়, প্লেগ, কুষ্ঠ ইত্যাদি।

ভাইরাসজনিত রোগ: 
- ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ভাইরাস জনিত রোগ বলে। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাইরাস জনিত রোগ: জন্ডিস, পোলিও, জলাতঙ্ক, কোভিড-১৯, হার্পিস, দাদ, গুটি বসন্ত, জল বসন্ত, হাম, মাম্পস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু ইত্যাদি। 

উল্লেখ্য, 
- 'নিউমোনিয়া' রোগটি ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য অণুজীব দ্বারা সংক্রমিত হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৮৭.
মানব শ্বাসতন্ত্রের প্রথম অংশের নাম কী? 
  1. ফুসফুস
  2. শ্বাসনালী
  3. নাসিকা
  4. গলবিল
সঠিক উত্তর:
নাসিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাসিকা
ব্যাখ্যা

মানুষের শ্বাসতন্ত্রের প্রধান অংশসমূহের নাম:
- দেহের যে অঙ্গগুলো শ্বসন প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে, সেগুলোকে একত্রে শ্বাসতন্ত্র বলে। 
- যে সকল অঙ্গগুলো নিয়ে মানব শ্বাসতন্ত্র গঠিত তা হলো- নাসারন্ধ্র ও নাসাপথ (Nasal cavity), গলবিল ও গলনালি (Pharynx), স্বরযন্ত্র (Larynx), শ্বাসনালি (Trachea), বায়ুনালি বা ব্রঙ্কাস (Bronchus), ফুসফুস (Lung) ও মধ্যচ্ছদা (Diaphragm) । 

নাসারন্ধ্র বা নাসাপথ: 
- মানব শ্বাসতন্ত্রের প্রথম অংশের নাম নাসিকা। 
- এটা মুখ গহ্বরে উপরে অবস্থিত একটি ত্রিকোণাকার গহ্বর, এর সাহায্যে কোন বস্তুর সুগন্ধ বা দুর্গন্ধ বোঝা যায়। 
- একটি বিশেষ ধরনের স্নায়ু এ অঙ্গকে উদ্দীপিত করে, ফলে গন্ধ পাওয়া যায়। 
- একটি পাতলা পর্দা দ্বারা এটি দু'ভাগে বিভক্ত। 
- ইহার সম্মুখ ভাগ লোম দ্বারা আবৃত ও পেছনের দিকের অংশ শ্লেষ্মা প্রস্তুতকারী পর্দা দ্বারা আবৃত। 
- শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় বায়ুতে বিদ্যমান ধূলিকণা, রোগ জীবাণু ও আবর্জনা থাকলে তা এ লোম ও পর্দাতে আটকে যায়। 
- ফলে বায়ু ফুসফুসে প্রবেশের পূর্বে অনেকটা নির্মল হয়ে যায়। 
- এছাড়া শ্বসনের জন্য গৃহীত বায়ু নাসাপথ দিয়ে যাওয়ার সময় কিছুটা শুষ্ক ও আর্দ্র হয়। এর ফলে হঠাৎ ঠান্ডা বায়ু ফুসফুসে প্রবেশ করে কোন প্রকার ক্ষতি করতে পারে না। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৮৮.
পেনিসেলিয়াম কোন প্রাণীরাজ্য এর অন্তর্ভুক্ত প্রাণী?
  1. ক) Protista
  2. খ) Animalia
  3. গ) Fungi
  4. ঘ) Plantae
সঠিক উত্তর:
গ) Fungi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Fungi
ব্যাখ্যা

ইস্ট, পেনিসিলিয়াম, এবং মাশরুম ফানজাই রাজ্য এর অন্তর্ভুক্ত প্রাণী।
ফানজাই রাজ্যকে ইউক্যারিওটা (সুপার কিংডম ২) কিংডমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এরা প্রকৃতকোষবিশিষ্ট এককোষী বা বহুকোষী জীব। এককভাবে অথবা কলোনি আকারে দলবদ্ধভাবে বসবাস করে। যেমন—ইস্ট, Penicillium, মাশরুম।

এর কিছু বৈশিষ্ট্যসমূহ-
অধিকাংশই স্থলজ, মৃতজীবী বা পরজীবী।
দেহ এককোষী অথবা মাইসেলিয়াম (সরু সুতার মতো অংশ) দিয়ে গঠিত।
এগুলোর নিউক্লিয়াস সুগঠিত।
কোষপ্রাচীর কাইটিন বস্তু দিয়ে গঠিত।
খাদ্যগ্রহণ শোষণ পদ্ধতিতে ঘটে।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

২,১৮৯.
কোনটি সবচেয়ে ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ?
  1. ক) আল্ট্রা ভায়োলেট
  2. খ) এক্স-রে
  3. গ) রেডিও ওয়েভ
  4. ঘ) গামা রে
সঠিক উত্তর:
ঘ) গামা রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গামা রে
ব্যাখ্যা

- তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যদি দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে ছোট হয় সেটাকে আমরা বলি আল্ট্রা ভায়োলেট আলো, আরও ছোট হলে এক্স-রে আরও ছোট হলে গামা রে- যেটা তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস থেকে বের হয়।
- আবার তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যদি দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে বড় হয় সেটাকে আমরা বলি ইনফ্রারেড, আরও বড় হলে মাইক্রোওয়েভ এবং আরও বড় হলে রেডিও ওয়েভ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি।

২,১৯০.
রোগ প্রতিরোধে ইমিউনিটির প্রধান উদ্দেশ্য কয়টি?
  1. ক) ১
  2. খ) ২
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৪
সঠিক উত্তর:
গ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩
ব্যাখ্যা
মানবদেহের প্রতিরক্ষা:

- মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গ, কলা ও কোষ নিয়মতান্ত্রিকভাবে একত্রে দেহের প্রতিরক্ষা (defence) ব্যবস্থাপনায় কোন ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, পরজীবী ও অন্যান্য জীবাণুর আক্রমণ থেকে মানুষকে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে বলা হয় ইমিউনিটি (immunity)।
- দেহের বিভিন্ন অঙ্গ, কলা ও কোষ সমন্বয়ে গঠিত যে তন্ত্র দেহকে রোগাক্রমণের হাত থেকে এবং রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুর ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে রক্ষা করে তাকে ইমিউন তন্ত্র (immune system) বলা হয়।

রোগ প্রতিরোধে ইমিউনিটির প্রধান উদ্দেশ্য তিন প্রকারের।
যথা-
• অণুজীবদের (micro- organisms) বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
• দেহের ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলোকে শনাক্ত করা ও প্রতিস্থাপিত করা।
• পরিত্যক্ত বা নষ্ট কোষগুলোকে শনাক্ত করা এবং তাদের ধ্বংস করা।

- মানবদেহে প্রধাণত লিস্ফয়েড অঙ্গ ও শ্বেত রক্ত কণিকাগুলো দেহের প্রতিরক্ষার কাজে অংশ গ্রহণ করে থাকে।
- ইমিউন তন্ত্রের লিস্ফয়েড অঙ্গগুলো প্রাথমিক বা মুখ্য ও গৌন অঙ্গ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৯১.
অভিস্রবণ প্রক্রিয়া মূলত কত ধরনের হয়ে থাকে?
  1. দুই ধরনের
  2. তিন ধরনের
  3. চার ধরনের
  4. পাঁচ ধরনের
সঠিক উত্তর:
দুই ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই ধরনের
ব্যাখ্যা
অভিস্রবণ: 
- যে প্রক্রিয়ায় একটি বৈষম্যভেদ্য ঝিল্লিয মধ্য দিয়ে হালকা ঘনত্বের দ্রবণ হতে পানি (দ্রাবক) অধিক ঘন দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে অভিস্রবণ বলে। 
- দুটি দ্রবণের ঘনত্ব সমান না হওয়া পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে। 
- পানিতে কিসমিস ডুবিয়ে রাখলে অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় কিছুক্ষণের মধ্যেই কিসমিস ফুলে ওঠে। 
- অভিস্রবণ দু'ধরনের। 
যথা- 
(১) অন্তঃঅভিস্রবণ: 
- দ্রাবক যখন কোষের বাইরে থেকে ভেতরে প্রবেশ করে তখন অন্তঃঅভিস্রবণ ঘটে। 
- অন্তঃঅভিস্রবণের ফলে মাটি থেকে পানি মূলরোমে প্রবেশ করে; উদ্ভিদ মাটি থেকে পানি শোষণ করতে পারে। 
উদাহরণ - কিসমিস পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ধীরে ধীরে ফুলে উঠে। 

(২) বহিঃঅভিস্রবণ: 
- দ্রাবক যখন কোষের ভেতর থেকে বাইরে আসে তখন বহিঃঅভিস্রবণ ঘটে। 
- টসটসে আঙ্গুর ঘন চিনির কিংবা লবণের দ্রবণে ডুবিয়ে রাখলে কিছুটা চুপসে যায়। কারণ বহিঃঅভিস্রবণের ফলে আঙ্গুরের ভেতরের পানি বাইরের ঘন দ্রবণে চলে আসে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং উদ্ভিদ বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৯২.
আকাশ নীল দেখায়, কারণ- 
  1. নীল রঙের বিক্ষেপণ বেশি হয়
  2. নীল রঙের বিক্ষেপণ কম হয়
  3. সূর্যরশ্মি সরাসরি নীল রঙের হওয়ায় 
  4. সব রঙ সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে 
সঠিক উত্তর:
নীল রঙের বিক্ষেপণ বেশি হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীল রঙের বিক্ষেপণ বেশি হয়
ব্যাখ্যা

বিক্ষেপণ: 
- সূর্যের মধ্যে বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সাত রঙের আলো আছে। 
- এক আলোক তরঙ্গ যখন অত্যন্ত ক্ষুদ্র কোনো কণার উপর পড়ে, তখন এ কণাগুলো আলোক তরঙ্গকে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দেয়, আর এ ছড়িয়ে দেয়াকে আলোর বিক্ষেপণ বলে। 
- এই আলোর বিক্ষেপণ নির্ভর করে আলোক তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর। 
- যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার বিক্ষেপণ তত বেশি। 
- নীল বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম তাই নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়, ফলে আকাশ নীল দেখায়। 
- সূর্যরশ্মি যখন বায়ুমণ্ডলে সূক্ষ্ম ধূলিকণা ও অণুতে আপতিত হয়, তখন নীল রঙ ও এর কাছাকাছি রঙগুলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়। 
- ফলে বেগুনি, আসমানী ও নীল রঙের প্রাচুর্য্য ঘটায় বলে আকাশ নীল দেখায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

২,১৯৩.
বয়লার অথবা কেটলির তলায় কিসের স্তর পড়ে?
  1. ক) সোডিয়াম সালফেট
  2. খ) সোডিয়াম কার্বনেট
  3. গ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
  4. ঘ) ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
ব্যাখ্যা
কোনো ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
২,১৯৪.
স্নায়ুতন্ত্রের গঠনগত ও কার্যকরী একককে কী বলে?
  1. অস্টিওসাইট
  2. নিউরন
  3. নেফ্রন
  4. মেনিনজেস
সঠিক উত্তর:
নিউরন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউরন
ব্যাখ্যা
- মস্তিস্ক হলো স্নায়ুতন্ত্রের অঙ্গ।
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠনগত ও কার্যকরী একককে নিউরন বলে।
- মস্তিষ্কে নিউরন থাকে ১০ বিলিয়ন।
- মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি।
- মস্তিষ্ক আবৃতকারী পর্দার নাম মেনিনজেস।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,১৯৫.
বাকশক্তি, স্মৃতি শক্তি, চিন্তা, বুদ্ধি-বৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্কের কোন অংশ?
  1. সেরেব্রাম
  2. থ্যালামাস
  3. মেডুলা অবলংগাটা
  4. পনস
সঠিক উত্তর:
সেরেব্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেরেব্রাম
ব্যাখ্যা
অগ্রমস্তিষ্ক:
- অগ্রমস্তিষ্কের প্রধান অংশ গঠন করে।
- এটি তিন অংশে বিভক্ত। যথা-
• সেরেব্রাম,
• থ্যালামাস ও
• হাইপোথ্যালামাস।

⇒ সেরেব্রাম:
- মস্তিষ্কের সবচেয়ে বড় অংশ।
- সেরেব্রাম মস্তিষ্কের প্রায় ৮০% গঠন করে।
- প্রতিটি সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ার ৫টি খণ্ডে বিভক্ত। যথা-
• ফ্রন্টাল লোব,
• প্যারাইটাল লোব,
• অক্সিপিটাল লোব,
• টেম্পোরাল লোব ও
• লিম্বিক লোব।

- সেরেব্রাম বাকশক্তি, স্মৃতি শক্তি, চিন্তা, বুদ্ধি-বৃত্তি, সৃজনশীলতা, ইচ্ছা শক্তি, সহজাত প্রবৃত্তি, কর্মপ্রেরণা প্রভৃতির সাথে সংশ্লিষ্ট।
- সর্বোপরি মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৯৬.
নিম্নের কোনটি ফোটন কণার ধর্ম নয়? 
  1. তড়িৎ নিরপেক্ষ
  2. নিশ্চল ভর শূন্য
  3. নিউটনের বলবিদ্যার দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়
  4. আলোর সমবেগে চলে
সঠিক উত্তর:
নিউটনের বলবিদ্যার দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউটনের বলবিদ্যার দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়
ব্যাখ্যা
ফোটন কণা: 
- ফোটন কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। 
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)। 
- প্রতিটি কোয়ান্টাম আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল। 
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হলো, তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ তরঙ্গধর্মী নয়, বরং এক ধরণের কণার স্রোত, এই কণার নাম ফোটন (Photon)। 

ফোটন কণার ধর্মসমূহ: 
১। প্রতিটি ফোটন কণাই তড়িৎ নিরপেক্ষ। 
২। শূন্য মাধ্যমে প্রতিটি ফোটন কণাই আলোর বেগে (C = 3×108 ms-1) চলাচল করে। কোনো ঘটনাতেই ফোটনের বেগের কোনো হ্রাস বৃদ্ধি ঘটে না। 
৩। প্রতি ফোটন দ্বারা বাহিত শক্তির পরিমান E = hf; এখানে f = বিবিরণের কম্পাঙ্ক, h = প্লাংকের ধ্রুবক। ফোটনের স্রোতে ফোটন কণার সংখ্যা যত বেশি হয়, বাহিত শক্তির পরিমাণও তত বেশি হয়। ফলে বিকিরণের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। 
৪ । নিউটনীয় বলবিদ্যায় ফোটনের ভর ব্যাখ্যা করা যায় না। ফোটনের যে ভর আছে এই ধারণা বর্জনীয়। সহজে বলা যায়, ফোটনের স্থির ভর শূন্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৯৭.
কোন এলাকাগুলো গ্রীন হাউজ ইফেক্টের কারণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হবে? 
  1. পাহাড়ি এলাকা 
  2. অরণ্য
  3. সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চল 
  4. মরুভূমি 
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চল 
ব্যাখ্যা

পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব: 
- পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় উদ্ভিদ ও প্রাণীকূল একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে আবদ্ধ। 
- লক্ষ লক্ষ প্রজাতির উদ্ভিদ, পশুপাখি, কীটপতঙ্গ, মানুষ ইত্যাদি নিয়ে গড়ে উঠেছে জীববৈচিত্র্য। 
- অরণ্য, পাহাড়, জলাভূমি, সমুদ্র জীববৈচিত্র্যের অতীব প্রয়োজনীয় আঁধার। তাই পরিবেশ সুরক্ষিত থাকলে মানুষের মৌলিক চাহিদাসমূহ যেমন- অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, ঔষধ, জ্বালানি প্রয়োজনীয় উপকরণ নিরবিচ্ছিন্নভাবে পাওয়া যাবে।
- পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্থ হলে বিশেষ করে বনাঞ্চল ধ্বংস হলে বৃষ্টিপাতের হার কমে যাবে, ফলে চাষাবাদের যথেষ্ট ক্ষতি হবে।
- গ্রীন হাউজ অর্থ সবুজ ঘর, এটি কাচ দিয়ে তৈরি ঘর। প্রয়োজনমত তাপমাত্রা সৃষ্টি করে সবুজ গাছ পালা জন্মানো হয়। 
- সাধারণত শীত প্রধানদেশে এ ধরনের কাচের ঘর তৈরি করে শসা, টমেটো, কপি, লেটুস, ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের শাকসব্জি চাষ করা হয়। সূর্য্যের দৃশ্যমান আলো গ্রীন হাউজের কাচের প্রাচীর ভেদ করে ভেতরে প্রবেশ করে কিন্তু বিকিরিত আলোকরশ্মি কাচ ভেদ করে বাইরে আসতে বাঁধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে তাপ ভেতরে থেকে যায়, কাচের ঘর গরম হয় এবং গাছ জন্মানোর জন্য পরিবেশ সৃষ্টি হয়। 

- গ্রীন হাউজ প্রভাব বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রার সাথে সংযুক্ত। 
- সূর্য থেকে আগত দৃশ্যমান আলোক রশ্মি ভূপৃষ্ঠ থেকে ইনফ্রারেড রশ্মি বিকিরণের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলের ভেতর দিয়ে বাইরে চলে যাবার চেষ্টা করে। কিন্তু বায়ুমণ্ডলের কিছু গ্যাস (CO2, CO, CH4, N2O ইত্যাদি) ইনফ্রারেড রশ্মিকে শোষণ করে। ফলে বায়ুমণ্ডলের ভেতর দিয়ে ইনফ্রারেড রশ্মি যেতে পারে না। বায়ুমণ্ডলের গ্যাসসমূহ গ্রীন হাউজের কাচের দেয়ালের ন্যায় কাজ করে এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। বৃদ্ধি পাবার ফলে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বেড়ে যায়, যাকে গ্রীন হাউজ ইফেক্ট বলা হয়। 
- গ্রীন হাউজ ইফেক্টের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হবে সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চল। এছাড়া সমুদ্রের উচ্চতা বেড়ে যাবে, ঝড় ও জলোচ্ছ্বাস এর তীব্রতা বেড়ে যাবে, বনাঞ্চল ধ্বংস হবে। 
- কিন্তু পরিবেশ সুরক্ষিত থাকলে গ্রীন হাউজের তীব্রতা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। 
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে বেশি বেশি গাছপালা ধ্বংস করা এবং শিল্পায়নের ফলে বায়ুমণ্ডলে CO2 গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, ফলে গ্রীন হাউজ প্রতিক্রিয়া দেখা দিচ্ছে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৯৮.
এইচআইভি কী?
  1. ক) ব্যাকটেরিয়া
  2. খ) সায়ানো ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) ভাইরাস
  4. ঘ) ছত্রাক
সঠিক উত্তর:
গ) ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভাইরাস
ব্যাখ্যা
• এইচআইভি একটি ভাইরাস।

• HIV এর পূর্ণ রূপ: 
H = Human (মানুষ)
I = Immuno-deficiency (রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস)
V = Virus (জীবাণু)
HIV কে সম্প্রসারণ করলে দাঁড়ায় Human Immunodeficiency Virus যার বাংলা অর্থ মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাসকারী জীবাণু। 
এই ভাইরাস কোনো ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করলে পরিণামে তার এইডস হয়।

• আমাদের প্রত্যেকের শরীরে নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে। এই প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকার কারণে কোনো রোগের জীবাণু প্রবেশ করলে সহজে শরীরের কোনো ক্ষতি করতে পারে না। এমন কিছু ভাইরাস আছে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আস্তে আস্তে দুর্বল করে। এক সময় তা সম্পূর্ণভাবেই নিঃশেষ করে ফেলতে পারে। এইচআইভি এমনই একটি ভাইরাস।
- এইচআইভি মানুষের শরীরে উৎপন্ন তরল পদার্থ যেমন- রক্ত, বীর্য ও বুকের দুধ ইত্যাদিতে থাকে।
- এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তির এই তরল পদার্থগুলো (রক্ত, বীর্য, যোনিরস) বিভিন্নভাবে সুস্থ লোকের শরীরে প্রবেশ করলে এবং সংক্রমিত মায়ের দুধ সুস্থ শিশু পান করলে তার শরীরেও এইচআইভির সংক্রমণ ঘটবে।


উৎস: শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৯৯.
Biotechnology শব্দটি প্রথম কে, কোন বছর প্রবর্তন করেন?
  1. গ্রেগর মেন্ডেল, 1863 সালে 
  2. ওয়াটসন ও ক্রিক, 1953 সালে
  3. স্ট্রাসবুর্গার, 1953 সালে
  4. কার্ল এরেকি, 1919 সালে 
সঠিক উত্তর:
কার্ল এরেকি, 1919 সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্ল এরেকি, 1919 সালে 
ব্যাখ্যা

- হাঙ্গেরীয় কৃষি প্রকৌশলী কার্ল এরেকি (Karl Ereky) সর্বপ্রথম ১৯১৯ সালে "Biotechnology" বা "জৈবপ্রযুক্তি" শব্দটি প্রবর্তন করেন।

জীবপ্রযুক্তি বা বায়োটেকনোলজি (Biotechnology): 

- জীবপ্রযুক্তি দুটি শব্দ Biology এবং Technology-এর সমন্বয়ে গঠিত। Biology শব্দের অর্থ জীব সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান এবং Technology শব্দের অর্থ প্রযুক্তি। 
অর্থাৎ, Biology এবং Technology-এর আন্তঃসম্পর্কিত বিষয়ই হলো জীবপ্রযুক্তি। 
- 1919 সালে হাঙ্গেরীয় প্রকৌশলী কার্ল এরেকি (Karl Ereky) প্রথম Biotechnology শব্দটি প্রবর্তন করেন। 
- এই প্রযুক্তি প্রয়োগ করে কোনো জীবকোষ, অণুজীব বা তার অংশবিশেষ ব্যবহার করে নতুন কোনো বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীবের (উদ্ভিদ বা প্রাণী বা অণুজীব) উদ্ভাবন বা সেই জীব থেকে প্রক্রিয়াজাত বা উপজাত দ্রব্য প্রস্তুত করা হয়। 

- বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় জীবপ্রযুক্তি কোনো নতুন সংযোজন নয়, মানব সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকেই জীবপ্রযুক্তির প্রয়োগ শুরু হয়েছে। গাঁজন এবং চোলাইকরণের (Fermentation and brewing) মতো প্রযুক্তিজ্ঞান মানুষ প্রায় ৪০০০ বছর আগেই রপ্ত করেছে। 
- 1863 সালে গ্রেগর জোহান মেন্ডেল কৌলিতত্ত্ব বা জেনেটিক্স-এর সূত্রগুলো আবিষ্কারের পর থেকে জীবপ্রযুক্তি নতুনরূপে অগ্রযাত্রা শুরু করে। 
- 1953 সালে Watson এবং Crick কর্তৃক ডিএনএ ডাবল হেলিক্স মডেল আবিষ্কারের ধারাবাহিকতায় আজকের আধুনিক জীবপ্রযুক্তির শুরু। 
- জীবপ্রযুক্তির অনেক পদ্ধতির মধ্যে বর্তমানে টিস্যু কালচার (Tissue culture) ও জিন প্রকৌশল (Genetic engineering) পদ্ধতি কৃষি উন্নয়ন ও অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,২০০.
হৃৎপিণ্ডের কোন প্রকোষ্ঠ থেকে অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত মহাধমনির মাধ্যমে দেহের কোষে সরবরাহ করা হয়? 
  1. ডান নিলয় 
  2. বাম নিলয়
  3. ডান অলিন্দ
  4. বাম অলিন্দ
সঠিক উত্তর:
বাম নিলয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাম নিলয়
ব্যাখ্যা

হৃৎপিণ্ড: 
- হৃৎপিণ্ড হলো রক্ত সংবহনতন্ত্রের অন্তর্গত একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা পাম্পের মতো কাজ করে। 
- এটি নিরবিচারে সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে সারা দেহে রক্ত সঞ্চালন ঘটায়। 
- মানুষের হৃৎপিণ্ড বক্ষগহ্বরের কেন্দ্রে, ফুসফুস দুটির মাঝখানে এবং মধ্যচ্ছদার ঠিক ওপরে অবস্থান করে। 
- এর উপরের অংশটি প্রশস্ত এবং নিচের প্রান্তটি ছুঁচালো আকৃতির, যা নিচের দিকে অবস্থিত থাকে। 
- হৃৎপিণ্ডটি একটি দ্বিস্তর বিশিষ্ট পর্দা পেরিকার্ডিয়াম দ্বারা আবৃত থাকে। এই পর্দার দুই স্তরের মাঝে একটি তরল পদার্থ থাকে, যাকে পেরিকার্ডিয়াল ফ্লুইড বলা হয়। 
- এটি হৃৎপিণ্ডকে ঘর্ষণ থেকে রক্ষা করে এবং সংকোচনের সময় সহায়ক ভূমিকা পালন করে। 

- মানুষের হৃৎপিণ্ড চারটি প্রকোষ্ঠ নিয়ে গঠিত। 
- উপরের দুটি প্রকোষ্ঠকে বলা হয় ডান অলিন্দ ও বাম অলিন্দ (Atrium) এবং নিচের দুটি প্রকোষ্ঠকে বলা হয় ডান নিলয় ও বাম নিলয় (Ventricle)। 
- অলিন্দগুলোর প্রাচীর তুলনামূলকভাবে পাতলা, তবে নিলয়গুলোর প্রাচীর পুরু এবং অধিক পেশিবহুল, কারণ নিলয় থেকেই রক্ত শরীরের বিভিন্ন অংশে সরবরাহ করা হয়। 
- ডান অলিন্দের সঙ্গে দুটি বড় শিরা যুক্ত থাকে ঊর্ধ্ব মহাশিরা ও নিম্ন মহাশিরা, যা দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে অক্সিজেনবিহীন রক্ত এনে দেয়। 
- ডান নিলয় থেকে ফুসফুসীয় ধমনি (Pulmonary artery) উৎপন্ন হয়, যা অক্সিজেন গ্রহণের জন্য রক্ত ফুসফুসে পাঠায়। অন্যদিকে, বাম নিলয় থেকে মহাধমনি (Aorta) উৎপন্ন হয়, যা অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্তকে দেহের প্রতিটি কোষে সরবরাহ করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।