বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ২১ / ১৪০ · ২,০০১২,১০০ / ১৪,০৮০

২,০০১.
সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্রের শক্তির প্রধান উৎস কোনটি?
  1. নিউক্লিয় ফিউশন
  2. ফটোইলেকট্রিক প্রক্রিয়া
  3. নিউক্লিয় ফিশন
  4. রাসায়নিক বিক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয় ফিউশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয় ফিউশন
ব্যাখ্যা

নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়া: 
- নিউক্লিয় ফিউশন হল সেই প্রক্রিয়া যেখানে দুটি হালকা নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াস তৈরি করে। 
- এই বিক্রিয়াকে সংযোজন বিক্রিয়াও বলা হয়। 
- ফিউশন বিক্রিয়ার ফলে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়, যা সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্রের শক্তির মূল উৎস। 
- হাইড্রোজেন বোমার কার্যপ্রক্রিয়া নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়ার উপর ভিত্তি করে। 

নিউক্লিয় ফিশন বিক্রিয়া: 
- নিউক্লিয় ফিশন হল এমন একটি পারমাণবিক প্রক্রিয়া যেখানে একটি ভারী নিউক্লিয়াস ভেঙে দুটি বা ততোধিক হালকা নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়। 
- একে বিয়োজন বিক্রিয়াও বলা হয়। 
- এই বিক্রিয়ার ফলে প্রচুর শক্তি উৎপন্ন হয়, যা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পারমাণবিক অস্ত্র, বিশেষত পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

২,০০২.
কোন ধরনের ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা বেশি থাকে? 
  1. স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার
  2. স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার
  3. সমান প্যাঁচসংখ্যার ট্রান্সফরমার
  4. ভোল্টেজ পরিবর্ধক ট্রান্সফরমার
সঠিক উত্তর:
স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা
ট্রান্সফরমার: 
- চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন হলে বিদ্যুৎ তৈরি হয়-এই নীতি ব্যবহার করে ট্রান্সফরমার তৈরি করা হয়। 
- যে পদ্ধতিতে সরাসরি বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়াই একটি কয়েল থেকে অন্য কয়েলে বিদ্যুৎ পাঠানো যায়, সেই প্রক্রিয়াকে বলে ট্রান্সফরমার। 
- তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের ব্যবহার করে AC বা পরিবর্তী তড়িৎ বিভব বৃদ্ধি বা কমানো হয়, যে যন্ত্রের মাধ্যমে এই কাজ করা হয় তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- এই ট্রান্সফরমার দিয়ে অত্যন্ত চমকপ্রদ কিছু বিষয় করা যায়। 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা বেশি হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে বেড়ে যায়, তাকে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বলে। বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করে ভোল্টেজকে অনেক গুণ বাড়ানো হয়। 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা কম হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে কমে যায় তাকে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞন, নবম-দশম শ্রেণি।
২,০০৩.
‘তিমি’ অক্সিজেন নেয়-
  1. ক) বাতাস থেকে
  2. খ) পানি থেকে
  3. গ) ফুলকার সাহায্যে
  4. ঘ) উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) বাতাস থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাতাস থেকে
ব্যাখ্যা
শুশুক, ডলফিন ও তিমি সামুদ্রিক প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী। শুশুক শ্বাস-প্রশ্বাসে সরাসরি পানির উপরের বাতাস ব্যবহার করে।
সূত্রঃ ১১তম বিসিএসের অনুরূপ প্রশ্ন।
২,০০৪.
নিউক্লিয়াস ফিশনযোগ্য - প্রমাণ করেন কোন বিজ্ঞানী?
  1. ক) ওটো হান ও স্ট্রেসম্যান
  2. খ) হেনরী ও লেঞ্জ
  3. গ) চন্দ্রশেখর ভেংকটারমন ও আব্দুস সালাম
  4. ঘ) জন এরিংটোন ও এনরিকো ফার্মি
সঠিক উত্তর:
ক) ওটো হান ও স্ট্রেসম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ওটো হান ও স্ট্রেসম্যান
ব্যাখ্যা
- ১৯৩৮ সালে ওটো হান (১৮৭৯-১৯৬৮) ও স্ট্রেসম্যান (১৯০২-১৯৮০) প্রমাণ করেন যে, নিউক্লিয়াস ফিশনযোগ্য ।
- অর্থাৎ ফিশনের ফলে একটি বড় ভর সংখ্যা বিশিষ্ট নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে প্রায় সমান ভর বিশিষ্ট দুটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং
প্রচুর শক্তি উৎপাদিত হয়।
- এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে নিউক্লিয় বোমা ও নিউক্লিয় চুল্লীর উদ্ভাবন হয়। নিউক্লিয়াস বিভাজন থেকে যে শক্তি উৎপাদন হয়, সেই শক্তির পরিমাণ বিপুল ।
- এজন্য বর্তমান আধুনিক বিশ্ব নিউক্লিয় শক্তিকে শক্তির একটি প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচনা করছে।
- ম্যাক্স প্ল্যাংক (১৮৫৮-১৯৪৭) বিকিরণ সম্পর্কীত কোয়ান্টাম তত্ত্ব  আবিষ্কার করেন। 

উৎস: এস.এস.সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০০৫.
MRI যন্ত্রে প্রধানত কোন দুটি প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়? 
  1. গামা রশ্মি ও এক্স-রে
  2. রেডিও তরঙ্গ ও আলোক তরঙ্গ
  3. এক্স-রে ও আল্ট্রাসাউন্ড
  4. শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র ও রেডিও তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র ও রেডিও তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র ও রেডিও তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

- এমআরআই (Magnetic Resonance Imaging) স্ক্যানার মানবদেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলির বিস্তারিত চিত্র তৈরি করতে দুটি প্রধান শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র ও রেডিও তরঙ্গ প্রযুক্তি ব্যবহার করে। শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র শরীরের হাইড্রোজেন পরমাণুর প্রোটনগুলোকে একটি নির্দিষ্ট বিন্যাসে সারিবদ্ধ করতে বাধ্য করে। আবার রেডিও তরঙ্গ যখন সারিবদ্ধ প্রোটনগুলোতে প্রয়োগ করা হয়, তখন তারা শক্তি শোষণ করে এবং পরবর্তীতে সেই শক্তি সংকেত হিসাবে নির্গত করে, এই সংকেতগুলো একটি কম্পিউটার দ্বারা প্রক্রিয়া করে বিস্তারিত ছবি তৈরি করা হয়। 

এমআরআই(MRI): 

- এমআরআই এর অর্থ হচ্ছে ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইম্যাজিং (Magnetic Resonance Imaging)।
- এমআরআই যন্ত্রে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের কোনো স্থানের বা অঙ্গের বিস্তৃত প্রতিবিম্ব গঠন করা হয়। 
- নিউক্লিয় চৌম্বক অনুনাদের ভৌত এবং রাসায়নিক নীতির উপর ভিত্তি করে এমআরআই যন্ত্র কাজ করে। 
- এমআরআই একটি নিরাপদ রোগ নির্ণয় পদ্ধতি। 
- এই যন্ত্রে এক্সরে বা অন্য কোনো ধরনের বিকিরণ ব্যবহার করা হয় না। 
- প্রত্যেকটি প্রতিবিম্ব শরীরের কোনো স্থানের এক একটি ফালির মতো কাজ করে। এভাবে অনেকগুলো প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়, যেগুলো শরীরের ঐ অংশের সকল বৈশিষ্ট্যকে ফুটিয়ে তুলে। 
- পায়ের গোড়ালির মচকানো এবং পিঠের ব্যাথায় এমআরআই ব্যবহার করে জখমের বা আঘাতের তীব্রতা নিরূপণ করা হয়। 
- ব্রেণ এবং মেরু রুজ্জুর বিস্তৃত প্রতিবিম্ব তৈরির জন্য এমআরআই হলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

২,০০৬.
'কসমিক ইয়ার' বলতে বুঝায়-
  1. ক) পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তন কাল
  2. খ) নক্ষত্রের নিজ অক্ষে আবর্তন কাল
  3. গ) সূর্যের নিজ অক্ষে আবর্তন কাল
  4. ঘ) ছায়াপথের নিজ অক্ষে আবর্তন কাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ছায়াপথের নিজ অক্ষে আবর্তন কাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ছায়াপথের নিজ অক্ষে আবর্তন কাল
ব্যাখ্যা
সৌরজগতের গ্রহসমূহ সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে, আর সূর্য মিল্কি-ওয়ে গ্যালাক্সির মধ্যবিন্দুকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।
এই মধ্যবিন্দুর চারদিকে একবার ঘুরে আসতে পৃথিবীর ২২৫-২৫০ মিলিয়ন বছর সময় লাগে, এই সময়টাকেই কসমিক ইয়ার বা গ্যালাকটিক ইয়ার বলে।
অর্থাৎ, ছায়াপথের নিজ অক্ষে আবর্তনকালকে কসমিক ইয়ার বলে।

সোর্সঃ ব্রিটানিকা
২,০০৭.
কিডনির পাথর শনাক্তকরণে কোন রশ্মি ব্যবহৃত হয়?
  1. রঞ্জনরশ্মি
  2. গামা রশ্মি
  3. আলফা রশ্মি
  4. বিটা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
রঞ্জনরশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রঞ্জনরশ্মি
ব্যাখ্যা
• X-ray / রঞ্জনরশ্মি:
- এক্সরে হলো এক ধরনের তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ।
- এক্সরে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10- 10 m এর কাছাকাছি।
- ১৮৯৫ সালে রন্টজেন এক্সরে আবষ্কার করেন।
- হাড়ের ফাটল, দাতের ক্ষয় নির্ণয়, কিডনির পাথর শনাক্তকরণ, যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ফুসফুসের ক্যান্সার ইত্যাদি নির্ণয়ে এক্সরে/রঞ্জনরশ্মি ব্যবহার করা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০০৮.
রুপার আপেক্ষিক রোধ কত?
  1. ক) 1.59 × 10-8 Ωm
  2. খ) 1.68 × 10-8 Ωm
  3. গ) 2.44 × 10-8 Ωm
  4. ঘ) 2.50 × 10-8 Ωm
সঠিক উত্তর:
ক) 1.59 × 10-8 Ωm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 1.59 × 10-8 Ωm
ব্যাখ্যা

একক দৈর্ঘ্য এবং একক প্রস্থচ্ছেদ ক্ষেত্রফলবিশিষ্ট কোনো একটি পরিবাহী তার প্রস্থচ্ছেদের অভিলম্বভাবে বিদ্যুৎ প্রবাহে যে পরিমাণ বাধা প্রদান করে তাকে তার আপেক্ষিক রোধ বলে।
আপেক্ষিক রোধের একক ও'ম মিটার ( Ω-m)।

রুপার আপেক্ষিক রোধ 1.59 × 10-8 Ωm

সুত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান। 

২,০০৯.
নিচের কোনটি জীবন্ত জীবাশ্ম উদ্ভিদ?
  1. সাইকাস
  2. গর্জন
  3. গরান
  4. বৈলাম
সঠিক উত্তর:
সাইকাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইকাস
ব্যাখ্যা

*** সাইকাস হচ্ছে জীবন্ত জীবাশ্ম উদ্ভিদ।

• জীবন্ত জীবাশ্ম:
- বর্তমানকালের কোন জীবিত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য অতীতকালের কোন জীবাশ্ম উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যের সাথে মিলসম্পন্ন হলে তাকে জীবন্ত জীবাশ্ম বা লিভিং ফসিল বলা হয়।
- জীবন্ত জীবাশ্ম উদ্ভিদের উদাহরণ হচ্ছে জিঙ্কগো বিলোবা, সাইকাস, নিটাম, ইকুইজিটাম, ওল্লেমি পাইন।

• সাইকাসকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলার কারণ: 
- সাইকাস উদ্ভিদ Cycadales বর্গের অন্তর্গত। সাইকাসের উৎপত্তি মেসোজোয়িক যুগে (বিশেষ করে জুরাসিক যুগে)। সে সময়কার জীবাশ্ম সাইকাসের সাথে বর্তমান সাইকাসের গঠনে প্রায় কোনো পার্থক্য নেই।
- সাইকাসের অনেক বৈশিষ্ট্য সেই আদিকালের বিলুপ্ত জীবাশ্ম সাইকাডস-এর বৈশিষ্ট্যের অনুরূপ।
-কোটি কোটি বছর ধরে সাইকাসের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ গঠন প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। 

- অন্যদিকে বৈলাম, গরান, গর্জন হলো আবৃতবীজী উদ্ভিদ। 

উৎস: ১) জীব বিজ্ঞান (নবম ও দশম শ্রেণি) 
২) জীব বিজ্ঞান প্রথম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)- ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।

২,০১০.
What does Newton’s second law of motion state?
  1. Gravitational force effect
  2. Action-reaction principle
  3. Inertia of matter
  4. The principle of conservation of energy
  5. Relationship between force, mass, and acceleration
সঠিক উত্তর:
Relationship between force, mass, and acceleration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Relationship between force, mass, and acceleration
ব্যাখ্যা

• নিউটনের গতির দ্বিতীয় সূত্রটি মূলত বল, ভর এবং ত্বরণের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে।

• নিউটনের প্রথম সূত্র:
- "বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং সমবেগে চলতে থাকা বস্তু চিরকাল সমবেগে চলতে থাকবে।"
- এই সূত্রটি স্যার আইজ্যাক নিউটন তার "ফিলোসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথমেটিকা" (1687) গ্রন্থে প্রস্তাব করেছিলেন।
- নিউটনের প্রথম সূত্রটি "জড়তার সূত্র" (Law of Inertia) নামে পরিচিত।

• নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র:
- এই সূত্র অনুযায়ী, কোনো বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার ওপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে প্রযুক্ত হয়, বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে।" 
- এটি থেকে আমরা বিখ্যাত গাণিতিক সমীকরণ F = ma পাই, যেখানে F হলো বল, m হলো ভর এবং a হলো ত্বরণ।

• নিউটনের তৃতীয় সূত্র:
- এই সূত্র অনুযায়ী, যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তুর ওপর বল প্রয়োগ করে, তখন দ্বিতীয় বস্তুটিও প্রথম বস্তুর ওপর সমান ও বিপরীতমুখী বল প্রয়োগ করে।
- একে সংক্ষেপে 'ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া' সূত্র বলা হয়। গাণিতিকভাবে একে F1 = - F2 দ্বারা প্রকাশ করা হয়, যেখানে একটি বল ক্রিয়া এবং অন্যটি প্রতিক্রিয়া।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।

২,০১১.
কোন রং বেশি দূর থেকে দেখা যায়?
  1. সাদা
  2. কালো
  3. হলুদ
  4. লাল
সঠিক উত্তর:
লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল
ব্যাখ্যা
- দূর থেকে আমরা লাল রং আগে দেখতে পাই। 
- লাল রঙের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং বিক্ষেপণ সবচেয়ে কম। তাই লাল রং বেশি দূর থেকে দেখা যায়। 
- আলোর বিক্ষেপণ নির্ভর করে এর রং ও তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের উপর। 
- আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি হলে তাঁর বিক্ষেপণ তত কম হয়। 
- লাল রং বেশি দূর থেকে দেখা যায় তাই উঁচু টাওয়ারে লাল রং এর লাইট ব্যবহৃত হয় যাতে বিমান নিচ দিয়ে যাবার সময় অনেক দূর থেকে দেখা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০১২.
রোধের ক্ষেত্রে কয়টি সূত্র প্রযোজ্য?
  1. ক) সাতটি
  2. খ) দুইটি
  3. গ) চারটি
  4. ঘ) পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
খ) দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দুইটি
ব্যাখ্যা

কোনো পরিবাহীর রোধ এর তাপমাত্রা, উপাদান, দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে। স্থির তাপমাত্রায় ও একই উপাদানে কোনো পরিবাহীর রোধ এর দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে। সুতরাং তাপমাত্রা ও উপাদান অপরিবর্তিত থাকলে কোনো পরিবাহীর রোধের দুটি সূত্র প্রযোজ্য।

১) দৈর্ঘ্যের সূত্র:- তাপমাত্রা এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল অপরিবর্তিত থাকলে পরিবাহীর রোধ এর দৈর্ঘ্যের সমানুপাতিক। পরিবাহীর রোধ R এবং দৈর্ঘ্য। হলে সূত্রানুসারে Rxl, যখন এর প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল অপরিবর্তিত থাকে।
অর্থাৎ, স্থির তাপমাত্রায়, একই পদার্থের এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের পরিবাহীর দৈর্ঘ্য যত বড় হবে রোধ তত বৃদ্ধি পাবে। যদি স্থির তাপমাত্রায়, একই পদার্থের এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের 1m দৈর্ঘ্যে পরিবাহীর রোধ 10 Ω হয় তবে 10 m দৈর্ঘ্যে পরিবাহীর রোধ 100 Ω হবে।

২) প্রস্থচ্ছেদের সূত্র:- অন্যান্য ভৌত অবস্থা, তাপমাত্রা এবং দৈর্ঘ্য অপরিবর্তিত থাকলে পরিবাহীর রোধ-এর প্রস্থচ্ছেদের
ক্ষেত্রফলের ব্যস্তানুপাতিক।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২,০১৩.
অধাতুর বৈশিষ্ট্য নিচের কোনটি?
  1. গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক বেশি
  2. তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়
  3. উচ্চ ঘনত্ব ও উজ্জ্বলতা বিশিষ্ট
  4. আঘাত করলে টুনটুন শব্দ করে
সঠিক উত্তর:
তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়
ব্যাখ্যা

 • অধাতুগুলোর মধ্যে মুক্ত ইলেকট্রন না থাকায় এরা সাধারণত তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে না (তবে কার্বনের রূপভেদ গ্রাফাইট বিদ্যুৎ পরিবহন করে)।
- অন্যদিকে, উচ্চ গলনাঙ্ক-স্ফুটনাঙ্ক, উচ্চ ঘনত্ব, উজ্জ্বলতা এবং আঘাত করলে শব্দ হওয়া ধাতুর বৈশিষ্ট্য।

 • খনিজ পদার্থ: 
- ভূ-পৃষ্টের উপরিভাগের যে অংশ তুলনামূলক নরম, সহজেই গুড়ো হয়ে যায়, পানিতে ভিজলে নরম হয়ে যায় এবং গাছ পালা জন্মে তাকে মাটি বলে। 
- আবার, যে অংশ শক্ত, ভিজলে নরম হয় না, আকৃতিতে বড় বড় এবং গাছ পালা জন্মায় না তাকে শিলা বলে। 
- ভূপৃষ্টের উপরিভাগ বিভিন্ন রকম যৌগিক পদার্থ দিয়ে তৈরি যেমন- সিলিকন ডাই অক্সাইড (বালি), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (চুনাপাথর) ইত্যাদি। 
- এসকল পদার্থ দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত। 
যথা- ধাতু ও অধাতু। 
- ধাতু হচ্ছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, অ্যালুমিসিয়াম, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, সিলভার, গোল্ড, কপার ও জিংক ইত্যাদি। 
- আবার অধাতু হচ্ছে কয়লা (কার্বন), সালফার, ক্লোরিন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ও অক্সিজেন ইত্যাদি। 

ধাতুর বৈশিষ্ট্য: 
• ঘাতসহনীয়তা: ধাতুকে পিটিয়ে বিভিন্ন আকার দেওয়া যায়। 
• নমনীয়তা: ধাতুকে বাঁকানো যায়। 
• উজ্জ্বলতা: ধাতুর আলোক বিচ্ছুরণ বা প্রতিফলন করে বলে এগুলো চকচক করে। 
• পরিবাহিতা: ধাতুসমূহ তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী। 
• ধাতব শব্দ: আঘাত করলে ধাতু টুন টুন শব্দ করে। 
• গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক: ধাতুসমূহের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি (তবে পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল)। 
• ঘনত্ব: অধাতুর চেয়ে ধাতুসমূহের ঘনত্ব বেশি। 

অধাতুর বৈশিষ্ট্য: 
- তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়। 
- আঘাত করলে শব্দ হয় না। 
- অধাতু ঘাত সহনশীল ও নমনীয় নয়। 
- ঘষলে চকচক করে না। 
- অধাতু সমূহের দ্যুতি নেই। 
- ওজনে হালকা হয়। 
- সহজে জোড়া লাগানো যায় না। 
- পিটিয়ে পাত করা যায় না। 
- কার্বন ব্যতীত অন্যান্য অধাতুগুলো জারক পদার্থ। 
- অপেক্ষাকৃত নিম্ন গলনাংক ও স্ফুটনাংক বিশিষ্ট। 
- অধাতুসমূহ এসিডের হাইড্রোজেনকে প্রতিস্থাপন করে লবণ উৎপন্ন করে না। 
- চুম্বক দ্বারা বিকর্ষিত হয় অর্থাৎ ডায়াম্যাগনেটিক প্রকৃতির। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

২,০১৪.
দিনের বেলা চাঁদ কেন সাদা দেখায়?
  1. চাঁদের নিজস্ব রঙ সবুজ হওয়ার কারণে
  2. দিনের হালকা নীল আলো চাঁদের নিজস্ব হলুদ রঙের সঙ্গে মিশে চাঁদ সাদা মনে হওয়ায়
  3. সূর্যোদয়ের কারণে চাঁদ লাল দেখায়
  4. রাতের অন্ধকারে চাঁদ সাদা দেখায়
সঠিক উত্তর:
দিনের হালকা নীল আলো চাঁদের নিজস্ব হলুদ রঙের সঙ্গে মিশে চাঁদ সাদা মনে হওয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনের হালকা নীল আলো চাঁদের নিজস্ব হলুদ রঙের সঙ্গে মিশে চাঁদ সাদা মনে হওয়ায়
ব্যাখ্যা

• দিনের বেলা চাঁদকে সাদা ও সন্ধ্যার পর হলুদ দেখায় কারণ দিনের হালকা নীল আলো চাঁদের নিজস্ব হলুদের সাথে মিশে যায় তাই সাদা মনে হয়।

• আলোর বিক্ষেপণ:
- যখন কোনো আলোক তরঙ্গ কোন ক্ষুদ্র কণিকার উপর পড়ে, তখন কণিকাগুলো আলোক তরঙ্গকে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দেয়। একে বলা হয় আলোর বিক্ষেপণ।

- তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে বিক্ষেপণ বেশি আবার তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি হলে/বিক্ষেপণ কম
- নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি বলে আকাশ ও সমুদ্র নীল দেখায়।
- লাল আলোর বিক্ষেপণ কম বলে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় আকাশ লাল দেখায়।
- নভোচারীরা আকাশের রং কালো দেখতে পায় কারণ আকাশে বায়ুমন্ডল নেই।
- বিপদ সংকেতে সবসময় লাল আলো ব্যবহার করা হয়।
- দিনের বেলা চাঁদকে সাদা ও সন্ধ্যার পর হলুদ দেখায় কারণ দিনের হালকা নীল আলো চাঁদের নিজস্ব হলুদের সাথে মিশে যায় তাই সাদা মনে হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০১৫.
কাজের ভিত্তিতে প্রকৃত কোষ কয় ধরনের হয়ে থাকে?
  1. ক) দুই
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাঁচ
সঠিক উত্তর:
ক) দুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দুই
ব্যাখ্যা

কাজের ভিত্তিতে প্রকৃত কোষ দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা- দেহকোষ এবং জননকোষ।
যে সব কোষে সুনির্দিষ্ট বা সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে সেগুলোকে প্রকৃত কোষ বলে। প্রকৃত কোষে শুধু নিউক্লিয়াসই নয় অন্যান্য অঙ্গাণু যেমন, প্লাস্টিড (উদ্ভিদ কোষে), মাইটোকন্ড্রিয়া, এন্ডপ্লাজমিক রেটিকুলাম, রাইবােজোম, লাইসোজোম, গলজি বস্তু, সেন্ট্রিওল ইত্যাদিও সুসংগঠিত।

প্রকৃত কোষ দুই প্রকার। যেমন– ১. দেহ কোষ ও ২. জনন কোষ।
দেহ কোষ : এরা বহুকোষী জীবের দেহ গঠন করে।
জনন কোষ : এ কোষের মাধ্যমে যৌন জনন সম্পন্ন হয়ে থাকে।
প্রকৃত কোষ এর বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১। এসব কোষ এর কোষ প্রাচীর কাইটিন দিয়ে গঠিত।
২। এতে সুনির্দিষ্ট ও সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে অর্থাৎ নিউক্লিয়াসটি নিউক্লিয়ার রেটিকুলাম দিয়ে গঠিত।
৩। ক্রোমোজমে এ (DNA, RNA) এবং প্রোটিন থাকে।
৪। সালোকসংশ্লেষণের এর জন্য সুগঠিত প্লাস্টিড থাকে।
৫। সাইটোপ্লাজমে সব ধরনের অঙ্গাণু যেমন- মাইটোকন্ড্রিয়া, এন্ডপ্লাজমিক রেটিকুলাম, রাইবােজোম,লাইসোজম, গলজি বস্তু ইত্যাদি থাকে।
৬। মাইটোসিস পদ্ধতিতে দেহ কোষ বিভাজিত হয়।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

২,০১৬.
কোন যুগে মানুষের আবির্ভাব ঘটেছে?
  1. ক) ক্রিটেসাস যুগে
  2. খ) ট্রায়াসিক যুগে
  3. গ) প্রোটেরোজোয়িক যুগে
  4. ঘ) সিনোজোয়িক যুগে
সঠিক উত্তর:
ক) ক্রিটেসাস যুগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্রিটেসাস যুগে
ব্যাখ্যা

মেসোজোয়িক যুগ শেষ হয় ৬৬ মিলিয়ন বছর পূর্বে, এ যুগের দুটো ভাগ হচ্ছে ট্রায়াসিক এবং ক্রিটেসাস।
মেসোজোয়িক যুগের শেষভাগ "ক্রিটেসাস যুগে"ই আদি মানুষদের আবির্ভাব ঘটে।
এই সময়ের কিছু বৈশিষ্ঠ্যঃ
ক্রেটাসিয়াস অধিযুগের প্রথমার্ধের তাপমাত্রা যথেষ্ঠ উষ্ণ ছিল। ফলে এই সময়ে মেরু অঞ্চলে কোন বরফ ছিল না। এই কারণেই সাধারণ সমতল ভূভাগের বিচারে সমুদ্রের উপরিভাগ বেশ উচ্চ ছিল। অধিকাংশ ভূভাগের উপরিভাগে তখনও সমুদ্রের পানি ছিল। এই জলাভূমিতে সৃষ্টি হয়েছিল বিশাল বনভূমি। মূলত এই অধিযুগে সপুষ্পক উদ্ভিদ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল।

জিওলজিকাল যুগ বিভাজনের সর্বশেষ পর্যায় হচ্ছে সিনোজোয়িক যুগ। যা ৬৫ মিলিয়ন বছর আগে শুরু হয়ে বর্তমান কাল পর্যন্ত বিস্তৃত। আধুনিক মানুষের শ্রেণিটি (Homo Sapiens) - এই সময়ে বিস্তার লাভ করে।


২,০১৭.
উদ্ভিদের বৃদ্ধি মাপার জন্য জগদীশচন্দ্র বসু কোন যন্ত্র উদ্ভাবন করেছিলেন? 
  1. ক্রেস্কোগ্রাফ
  2. স্পেকট্রোমিটার
  3. ব্যারোমিটার
  4. টেলিস্কোপ
সঠিক উত্তর:
ক্রেস্কোগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রেস্কোগ্রাফ
ব্যাখ্যা

• জগদীশচন্দ্র বসু উদ্ভিদবিদ্যা এবং পদার্থবিজ্ঞানের একজন প্রতিভাবান বিজ্ঞানী ছিলেন। তিনি উদ্ভিদের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ এবং মাপার জন্য ক্রেস্কোগ্রাফ নামক একটি যন্ত্র উদ্ভাবন করেছিলেন। এই যন্ত্রটির সাহায্যে উদ্ভিদের অতি সূক্ষ্ম বৃদ্ধি নিরীক্ষণ করা সম্ভব ছিল, যা সাধারণ চোখ দিয়ে দেখা যেত না। ক্রেস্কোগ্রাফ উদ্ভিদের পাতার বৃদ্ধি, লতাপাতা বা শিকড়ের দৈর্ঘ্য ইত্যাদি সময়ের সাথে কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে তা নির্ভুলভাবে রেকর্ড করতে সাহায্য করত। বসুর এই উদ্ভাবন উদ্ভিদবিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সৃষ্টি করে এবং উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও জীবনচক্রের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে নতুন দিশা দেখায়। ফলে এটি উদ্ভিদবিজ্ঞানের গবেষণাকে অনেক উন্নত ও সূক্ষ্ম পর্যায়ে নিয়ে যায়।

- উত্তর: ক) ক্রেস্কোগ্রাফ। 

জগদীশচন্দ্র বসুর অবদান: 
- আচার্য স্যার জগদীশচন্দ্র বসু একদিকে ছিলেন একজন প্রখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী; অন্যদিকে একজন সফল জীববিজ্ঞানী। 
- এই উপমহাদেশে তিনি ছিলেন প্রথম আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়া একজন বিজ্ঞানী। জগদীশচন্দ্র বসুর পূর্বপুরুষেরা থাকতেন ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের রাঢ়িখাল গ্রামে।
- তার জন্ম হয় 1858 সালের 30 নভেম্বর, ময়মনসিংহে।
- তার বাবা ভগবানচন্দ্র বসু ফরিদপুর জেলার একজন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। তার লেখাপড়া শুরু হয় ফরিদপুরের গ্রামীণ বিদ্যালয়ে, পরে কলকাতায় হেয়ার স্কুল এবং সেন্ট জেভিয়ার স্কুল ও কলেজে পড়াশোনা শেষ করেন। 1880 সালে বিএ পাস করার পর তিনি ইংল্যান্ড যান এবং 1880-1884 সালের ভেতরে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞানে অনার্সসহ বিএ এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। 
- 1885 সালে মাতৃভূমিতে ফিরে এসে প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যাপনা শুরু করেন। সেই যুগে তার কলেজে গবেষণার তেমন কোনো সুযোগ ছিল না, তার পরও তিনি গবেষণার কাজ চালিয়ে যান। দিনের বেলায় তার নানারকম ব্যস্ততা ছিল। তাই গবেষণার কাজ করতেন রাতের বেলায়। 

- বৈদ্যুতিক তার ছাড়া কীভাবে দূরে রেডিও সংকেত পাঠানো যায় এ বিষয়ে তিনি অনেক গবেষণা করেন। 1895 সালে তিনি প্রথমবারের মতো বেতারে দূরবর্তী স্থানে রেডিও সংকেত পাঠিয়ে দেখান। 
- মাইক্রোওয়েভ গবেষণার ক্ষেত্রেও তার বড় অবদান আছে, তিনিই প্রথম বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বিকিরণের তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে মিলিমিটার পর্যায়ে (প্রায় 5 মিলিমিটার) নামিয়ে আনতে সক্ষম হন। 
- আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু রেডিও সংকেতকে শনাক্ত করার জন্য অর্ধপরিবাহী জংশন ব্যবহার করেন। এই আবিষ্কার পেটেন্ট করে বাণিজ্যিক সুবিধা নেওয়ার পরিবর্তে তিনি সেটি সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেন। 
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কারিগরি, প্রযুক্তিবিদ এবং পেশাজীবীদের প্রতিষ্ঠান "ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং (IEEE)" তাঁকে রেডিও বিজ্ঞানের একজন জনক হিসেবে অভিহিত করেছে। 

- পরবর্তী সময়ে জগদীশচন্দ্র বসু উদ্ভিদ শারীরতত্ত্বের ওপর অনেক গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার করেন। এর মাঝে উদ্ভিদের বৃদ্ধি রেকর্ড করার জন্য ক্রেস্কোগ্রাফ আবিষ্কার, খুব সূক্ষ্ম নড়াচড়া শনাক্ত এবং বিভিন্ন উদ্দীপকে সাড়া দেওয়ার বিষয়গুলো উল্লেখযোগ্য। আগে ধারণা করা হতো উদ্দীপকের সাড়া দেওয়ার প্রকৃতি হচ্ছে রাসায়নিক, কিন্তু তিনি দেখিয়েছিলেন এটি আসলে বৈদ্যুতিক। 
- 1917 সালে উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করার জন্য তিনি কলকাতায় বসু বিজ্ঞান মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। 
- জগদীশচন্দ্র বসু বাংলায় লেখা রচনাবলি 'অব্যক্ত' নামক গ্রন্থে সংকলিত করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য একটি গ্রন্থ হচ্ছে "Response in the living and nonliving". 
- 1937 সালের 23 নভেম্বর জ্ঞানতাপস আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু মৃত্যুবরণ করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,০১৮.
নিচের কোন শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায়? 
  1. সৌর শক্তি 
  2. কয়লা 
  3. পেট্রোল 
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস 
সঠিক উত্তর:
সৌর শক্তি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌর শক্তি 
ব্যাখ্যা

- 'সৌর শক্তি' একটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, এই শক্তির উৎস স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায়। 

শক্তির উৎস: 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- বর্তমানে পৃথিবীর সব মানুষ যে পরিমাণ শক্তি ব্যবহার করে তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তি। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি হলো এমন এক শক্তির উৎস যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং এর ফলে শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 
যেমন- সমুদ্রস্রোত, বায়ুপ্রবাহ, পরমাণুর শক্তি, সৌর শক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 
 
২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- আমাদের দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 
যেমন- কয়লা, খনিজ তেল (পেট্রোল), নিউক্লিয় শক্তি, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,০১৯.
জীবদেহে অতিরিক্ত গ্লুকোজ কোথায় সঞ্চিত হয়?
  1. ক) অগ্নাশয়
  2. খ) যকৃত
  3. গ) প্লিহা
  4. ঘ) পিত্তথলি
সঠিক উত্তর:
খ) যকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যকৃত
ব্যাখ্যা
- যকৃত দেহের বৃহত্তম ও গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি।
- এটি ২টি খন্ডে বিভক্ত: ডান এবং বাম।
- প্রাণীদেহে বিপাকে ও অন্যান্য কিছু শরীরবৃত্তীয় কাজে যকৃত প্রধান ভূমিকা পালন করে।
- ক্ষুদ্রান্ত থেকে হেপাটিক পোর্টাল শিরার মাধ্যমে গ্লুকোজ যকৃতে প্রবেশ করে।
- রক্তের অতিরিক্ত গ্লুকোজ গ্লাইকোজেনেসিস প্রক্রিয়ায় গ্লাইকোজেনে রূপান্তরিত হয়ে যকৃতের সঞ্চয়ী কোষে জমা থাকে।

- যকৃতের সঞ্চয়ী ভূমিকা গুলো হল:
- গ্লাইকোজেনের সঞ্চয়
- রক্ত সঞ্চয়
- ভিটামিন সঞ্চয়
- খনিজদ্রব্য সঞ্চয়
- পিত্তরস সঞ্চয়
- লিপিড ও অ্যামিনো এসিড সঞ্চয়

সূত্র: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
২,০২০.
স্কোপোলামিন কোন উদ্ভিদ থেকে তৈরি করা হয়? 
  1. আফিম 
  2. ধুতুরা 
  3. গোলাপ 
  4. কাকডুমুর 
সঠিক উত্তর:
ধুতুরা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধুতুরা 
ব্যাখ্যা

শয়তানের নিশ্বাস বা ডেভিলস ব্রেথ: 
- শয়তানের নিশ্বাস বা স্কোপোলামিন এক ধরনের ড্রাগ, যা ধুতুরা ফুল থেকে তৈরি করা হয়। 
- এটি মানুষকে সম্মোহিত বা বশ করে অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত হয়। 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে এটি ‘ট্রুথ সেরাম’ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। 
- স্কোপোলামিন তরল ও পাউডার দুই রূপেই পাওয়া যায় এবং শ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণ করলে দ্রুত কাজ করে। 
- অপরাধীরা এটি ব্যবহার করে ব্যক্তির মূল্যবান জিনিস হাতিয়ে নেয়। 
- এটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় মুখ শুকিয়ে যাওয়া, মাথা ব্যথা, অস্থিরতা, এমনকি হার্ট অ্যাটাক পর্যন্ত হতে পারে। 
- নিরাপত্তার জন্য অপরিচিত ব্যক্তির দেওয়া খাবার বা পানীয় গ্রহণ না করা, মাস্ক ব্যবহার করা এবং সতর্ক থাকা জরুরি। 
- প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাহায্য নিতে হবে এবং মাত্রাতিরিক্ত প্রয়োগ হলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা (১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)।

২,০২১.
যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বলা হয় -
  1. ক) জারক
  2. খ) বিকারক
  3. গ) সংযোজক
  4. ঘ) বিজারক
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিজারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিজারক
ব্যাখ্যা
- জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
- যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে
- জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়, বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।
এভাবে মনে রাখতে হবে,
জারণ = ইলেক্ট্রন ত্যাগ
জারক = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারণ = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারক = ইলেক্ট্রন ত্যাগ

উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
২,০২২.
বস্তুর 'দ্রুতি' কোন ধরণের রাশি?
  1. স্কেলার
  2. ভেক্টর
  3. মৌলিক
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
স্কেলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্কেলার
ব্যাখ্যা
স্কেলার রাশি
যেসব ভৌত রাশিকে শুধু মান দ্বারা সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করা যায়, দিক নির্দেশের প্রয়োজন হয় না তাদের স্কেলার রাশি বলে।
যেমন—দৈর্ঘ্য, দ্রুতি, ভর, কাজ ইত্যাদি।

♦ শুধু মানের পরিবর্তন হলে স্কেলার রাশির পরিবর্তন হয়। 
♦ স্কেলার রাশির যোগ, বিয়োগ, গুণ ইত্যাদি বীজগণিতের নিয়মে হয়।
♦ দুটি স্কেলার রাশির কোনোটির মান শূন্য না হলে এদের গুণফল শূন্য হয় না।
♦ দুটি স্কেলার রাশির গুণফলে সর্বদা একটি স্কেলার রাশি পাওয়া যায়।

ভেক্টর রাশি

যেসব ভৌত রাশিকে সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করার জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয় তাদের ভেক্টর রাশি বলে।
যেমন—সরণ, বেগ, ত্বরণ, ওজন ইত্যাদি।

♦ শুধু মান অথবা শুধু দিক অথবা উভয়ের পরিবর্তন হলে ভেক্টর রাশির পরিবর্তন হয়।
♦ ভেক্টর রাশির যোগ, বিয়োগ, গুণ ইত্যাদি বীজগণিতের নিয়মে হয় না।
♦ দুটি ভেক্টর রাশির কোনো একটির মান শূন্য না হলেও এদের ভেক্টর গুণফল শূন্য হতে পারে।
♦ দুটি ভেক্টর রাশির গুণফল একটি ভেক্টর রাশি অথবা একটি স্কেলার রাশি হতে পারে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম দশম শ্রেণি।
২,০২৩.
তেজস্ক্রিয় মৌলের তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা নির্ভর করে- 
  1. চাপের উপর
  2. তাপমাত্রার উপর
  3. রাসায়নিক বিক্রিয়ার উপর
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা (Radioactivity): 
- হেনরি বেকরেল 1896 সালে ইউরেনিয়ামের তেজস্ক্রিয়তা আবিস্কার করেন। 
- পরবর্তিতে বিজ্ঞানী (মাদাম) মেরি কুরি থোরিয়াম মৌলেও ইউরেনিয়ামের মত ধর্ম দেখতে পান। পরবর্তিতে মেরি কুরি এবং পিয়েরে কুরি ইউরেনিয়াম আকরিক থেকে পোলোনিয়াম ও রেডিয়াম নিস্কাশন করেন। এদের তেজস্ক্রিয়তা কয়েক হাজার গুণ বেশি। 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ হতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরাম এক রহস্যময়ী কণা এবং রশ্মি নির্গত হয়, এই প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- কোনো অস্থায়ী নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিকিরণ নিঃসরণের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বা তেজস্ক্রিয় ক্ষয় বলে। 
- তেজস্ক্রিয় বিকিরণকে তেজস্ক্রিয় রশ্মি বলে। 
- তেজস্ক্রিয় মৌলের যে পরমাণুর তেজস্ক্রিয় ক্ষয় ঘটে তাকে জনক পরমাণু বলে। 
- নিউক্লিয়াসে থেকে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হবার পর যে পরমাণুটি পড়ে থাকে তাকে দুহিতা পরমাণু বলে। 

তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য: 
১। তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত বিরামহীন ঘটনা। 
২। তেজস্ক্রিয় পদার্থের রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটলেও তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা অপরিবর্তিত থাকে অর্থাৎ কোনো মৌলের যেকোনো যৌগের তেজস্ক্রিয় ধর্ম অভিন্ন। 
৩। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া। 
৪। তেজস্ক্রিয়তা তেজস্ক্রিয় পদার্থের তাপমাত্রা, চাপ, রাসায়নিক সংযোগ, আলো, তড়িৎক্ষেত্র, চৌম্বকক্ষেত্র ইত্যাদির উপর নির্ভর করে না। 
৫। তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তিস্থল পদার্থের নিউক্লিয়াসে। 
৬। তেজস্ক্রিয়তার বিকিরণ ধনাত্মক চার্জযুক্ত কণা, ঋণাত্মক চার্জযুক্ত কণা ও তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ প্রবাহের সমষ্টি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০২৪.
‘নব্য ডারউইনিজম’ শব্দটি কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত? 
  1. পরিবেশ বিজ্ঞান
  2. বিবর্তন
  3. কৃষি বিজ্ঞান
  4. জৈব চিকিৎসা বিজ্ঞান 
সঠিক উত্তর:
বিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবর্তন
ব্যাখ্যা

- ‘নব্য ডারউইনিজম’ শব্দটি বিবর্তন বা অভিব্যক্তি'র সঙ্গে সম্পর্কিত। 

বিবর্তন: 
- বিবর্তনের অপর নাম অভিব্যক্তি। 
- বিবর্তন বলতে সাধারণভাবে বুঝায় কোনো কিছু বিকশিত হওয়া, ধীরে ধীরে উন্মোচিত হওয়া। 
- বিবর্তনের মতবাদগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ১. ল্যামার্কিজম, ২. ডারউইনিজম ও ৩. নব্য ডারউইনিজম। 
- বিবর্তন এর উল্লেখযোগ্য প্রমাণগুলো হলো- 
১। অঙ্গসংস্থানিক প্রমাণ, 
২। ভ্রূণতত্ত্বীয় প্রমাণ, 
৩। ভৌগোলিক প্রমাণ, 
৪। শারীরবৃত্তীয় প্রমাণ, 
৫। শ্রেণিবিন্যাসগত প্রমাণ, 
৬। জিনতত্ত্বীয় প্রমাণ ও 
৭। জীবাশ্মগত প্রমাণ ইত্যাদি। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০২৫.
ম্যালেরিয়া টিকা নিচের কোনটি?
  1. ক) RTS,S/ AS01
  2. খ) Avil-3
  3. গ) STZ328
  4. ঘ) RPM/vx336
সঠিক উত্তর:
ক) RTS,S/ AS01
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) RTS,S/ AS01
ব্যাখ্যা
ম্যালেরিয়া টিকা:

- WHO অনুমোদিত বিশ্বের প্রথম ম্যালেরিয়া টিকার নাম - RTS,S/AS01.
- টিকাটি ১৯৮৭ সালে প্রথম উদ্ভাবন করে ব্রিটিশ ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান জিএসকে।
- গত ৬ অক্টোবর ২০২১ সালে টিকাটিকে অনুমোদন দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ০৭ অক্টোবর ২০২১।
২,০২৬.
বায়োলজি শব্দটির প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) এরিস্টটল
  2. খ) ল্যামার্ক
  3. গ) থিওফ্রাস্টাস
  4. ঘ) কার্ল বেন্ডা
সঠিক উত্তর:
খ) ল্যামার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ল্যামার্ক
ব্যাখ্যা

ল্যামার্ক বায়োলজি শব্দটির প্রতিষ্ঠাতা এবং তিনি প্রথম বিবর্তন অপর বিশ্লেষণী তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।
এ বিষয়টি তিনি ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে তার লেখা 'Philosophic Zoologique' নামে একটি বইতে লিপিবদ্ধ করেন।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান

২,০২৭.
যদি ইলেকট্রনের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে তবে তাকে কী বলে?
  1. অ্যানায়ন
  2. ক্যাটায়ন
  3. নিউট্রন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অ্যানায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানায়ন
ব্যাখ্যা
• কোনো অম্ল, ক্ষারক বা লবণ জাতীয় পদার্থের দ্রবণের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হলে এর দ্রব পদার্থের প্রত্যেকটি অণু দুটি তড়িতাহিত অংশে বিভক্ত হয়ে যায়। যথা:
১। তড়িৎ বিশ্লেষণ:
- কোনো দ্রবণের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত করে এর অণুগুলোকে ধনাত্মক ও ঋনাত্মক অংশে বিভক্ত করার পদ্ধতিকে তড়িৎ বিশ্লেষণ বলে।

২। তড়িৎ বিশ্লেষ্য:
- তড়িৎ প্রবাহের দ্বারা দ্রবণের যে দ্রবটিকে দুইভাগে বিভক্ত বা বিশ্লেষণ করা হয় তাকে তড়িৎ দ্রব বা তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ বলে।
-  সকল এসিড, ক্ষার, কয়েকটি নিরপেক্ষ লবণ, এসিড মেশানো পানি ইত্যাদি তড়িৎ দ্রব বা তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ। যেমন: H2SO4, NaOH, NaCl ইত্যাদি। 
- তড়িৎ বিশ্লেষণে পদার্থের মূলকগুলো আয়নিক হয়।
- কোনো অণু, পরমাণু বা মূলক -এ যদি স্বাভাবিক সংখ্যার চেয়ে কম বা বেশি ইলেকট্রন থাকে তবে তাকে আয়ন বলে।
- যদি ইলেকট্রনের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে তবে তাকে ঋনাত্মক আয়ন বা অ্যানায়ন বলে।
- আর যদি ইলেকট্রনের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে কম থাকে তবে তাতে ধনাত্মক চার্জের অস্তিত্ব প্রকাশ পায়, এ কারণে তাকে ধনাত্মক আয়ন বা ক্যাটায়ন বলে।
- স্বাভাবিক অবস্থায় কোনো অণু, পরমাণু বা মূলকের মোট ইলেকট্রনের সংখ্যা নিউক্লিয়াসে অবস্থিত মোট প্রোটনের সংখ্যার সমান হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০২৮.
নারভাস সিস্টেমের স্ট্রাকচারাল এবং ফাংশনাল ইউনিটকে কি বলে?
  1. ক) নেফ্রোন
  2. খ) নিউরন
  3. গ) থাইমাস
  4. ঘ) মাস্ট সেল
সঠিক উত্তর:
খ) নিউরন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিউরন
ব্যাখ্যা
স্নায়ুতন্ত্রের গঠনমূলক ও কার্যকরী একককে নিউরন বা স্নায়ুকোষ বলে। মস্তিষ্ক কোটি কোটি স্নায়ুকোষ (নিউরন) দিয়ে তৈরি। এই একটি মাত্র মানব মগজে রয়েছে ১, ০০০ কোটি স্নায়ুকোষ বা নার্ভ সেল।
২,০২৯.
উদ্ভিদের পুষ্টির জন্য মাইক্রো উপাদান কয়টি?
  1. ক) ১০টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৭টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬টি
ব্যাখ্যা

ম্যাক্রো উপাদানঃ
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সকল উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়।
এরূপ উপাদানের সংখ্যা ১০টি
যথা - নাইট্রোজেন (N), পটাসিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), সালফার (S) এবং লৌহ (Fe)।
মাইক্রো উপাদানঃ
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সব উপাদান সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় তাদেরকে মাইক্রো উপাদান বলা হয়।
এদের সংখ্যা ৬টি।
যথা- দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংগানিজ (Mn), মলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), কপার বা তামা (Cu) ও ক্লোরিন (Cl)।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।

২,০৩০.
অস্থিমজ্জা ক্ষতিগ্রস্ত হয় কোন রোগে?
  1. ম্যালেরিয়া
  2. হিমোফিলিয়া
  3. থ্যালাসেমিয়া
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
থ্যালাসেমিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থ্যালাসেমিয়া
ব্যাখ্যা

থ্যালাসেমিয়া:
- থ্যালাসেমিয়া একটি রক্তজনিত জিনগত রোগ।
- এটি উত্তরাধিকারসূত্রে এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়ে।
- রোগীর শরীরে হিমোগ্লোবিন তৈরিতে ত্রুটি দেখা যায়।
- হিমোগ্লোবিন অস্বাভাবিক হওয়ায় লোহিত রক্তকণিকা সহজে ভেঙে যায়, ফলে রক্তশূন্যতা হয়।
- অস্থিমজ্জা অতিরিক্ত পরিশ্রম করে RBC তৈরি করতে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং হাড়ের গঠন বিকৃত হতে পারে
- সাধারণত শিশু অবস্থায় এ থ্যালাসেমিয়া রোগটি শনাক্ত হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ -
ম্যালেরিয়া: Plasmodium পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমণ।
হিমোফিলিয়া: রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা।

উৎস: বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

২,০৩১.
কোন উদ্ভিদে ফুল বা ফল হয় না এবং প্রজনন স্পোর বা রেণুর মাধ্যমে ঘটে? 
  1. সপুষ্পক উদ্ভিদ 
  2. অপুষ্পক উদ্ভিদ 
  3. আবৃতবীজী উদ্ভিদ 
  4. নগ্নবীজী উদ্ভিদ 
সঠিক উত্তর:
অপুষ্পক উদ্ভিদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপুষ্পক উদ্ভিদ 
ব্যাখ্যা

সপুষ্পক উদ্ভিদ: 
- সপুষ্পক উদ্ভিদে ফুল উৎপন্ন হয়। 
যেমন- আম, কাঁঠাল, শাপলা, জবা ইত্যাদি। 
- এদের দেহ সুস্পষ্টভাবে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত। 
- কোনো উদ্ভিদ ফল উৎপন্ন করে আবার কোনটি ফল উৎপন্ন করে না, তাই বীজগুলো অনাবৃত থাকে। 
- এরা প্রধানত দুই ধরনের। 
যথা: নগ্নবীজী উদ্ভিদ ও আবৃতবীজী উদ্ভিদ। 
- এদের দেহে অত্যন্ত উন্নত ধরনের পরিবহন কলা উপস্থিত থাকে। 

অপুষ্পক উদ্ভিদ: 
- উদ্ভিদের মধ্যে কিছুসংখ্যক উদ্ভিদে ফুল ও ফল হয় না। এরা স্পোর বা রেণু সৃষ্টির মাধ্যমে প্রজনন সম্পন্ন করে। এদের অপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। 
- এদের অনেকের দেহকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না। 
যেমন- অ্যাগারিকাস ও স্পাইরোগাইরা, মস, ফার্ণ ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

২,০৩২.
নিচের কোনটি মূলত সাবান?
  1. সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  2. পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  3. পটাশিয়াম স্টিয়ারেট
  4. গ্লিসারিন
সঠিক উত্তর:
পটাশিয়াম স্টিয়ারেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটাশিয়াম স্টিয়ারেট
ব্যাখ্যা
- তেল বা চর্বির সাথে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড বিক্রিয়া করে সাবান এবং গ্লিসারিন তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়াকে সাবানায়ন বলে।
- সাবানায়ন প্রক্রিয়ায় প্রধান উৎপাদ হিসাবে সাবান অর্থাৎ সোডিয়াম স্টিয়ারেট বা পটাশিয়াম স্টিয়ারেট পাওয়া যায় এবং উপজাত হিসাবে পাওয়া যায় গ্লিসারিন। 
- সাবান দুই ধরণের হতে পারে - প্রসাধনী সাবান এবং লন্ড্রি সাবান।

সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি। 
২,০৩৩.
এক মনোমার বিশিষ্ট শর্করার উৎস কোনটি?
  1. ক) চিনি
  2. খ) মধু
  3. গ) চাল
  4. ঘ) আটা
সঠিক উত্তর:
খ) মধু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মধু
ব্যাখ্যা
শর্করা জাতীয় খাদ্য শরীরে কাজ করার শক্তি যোগায়।
শর্করার মৌলিক উপাদান কার্বন, হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন।
উদ্ভিদের মূল, কাণ্ড, পাতা, ফুল, ফল ও বীজে শর্করা বিভিন্নরূপে জমা থাকে।
ফলের রসে গ্লুকোজ, দুধে ল্যাকটোজ, গম, আলু, চাল ইত্যাদিতে শ্বেতসার (স্টার্চ) ইত্যাদি শর্করাজাতীয় খাদ্যের বিভিন্ন রূপ। গঠনপদ্ধতি অনুসারে শর্করাকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
নিচের সারণিতে এই তিন ধরনের শর্করার গঠন এবং উৎস দেখানো হলো।

 

উৎস: জীব বিজ্ঞান, নবম দশম শ্রেণি
২,০৩৪.
আমাদের সৌরজগৎ কোন গ্যালাক্সিতে অবস্থিত?
  1. অ্যান্ড্রোমিডা
  2. প্রক্সিমা সেন্টোরি
  3. সোমব্রেরো গ্যালাক্সি
  4. মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ
সঠিক উত্তর:
মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ
ব্যাখ্যা

• আমাদের সৌরজগৎ মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ গ্যালাক্সিতে অবস্থিত। মিল্কিওয়ে একটি বিশাল স্পাইরাল আকারের গ্যালাক্সি, যার ব্যাস প্রায় ১,০০,০০০ আলোকবর্ষ এবং এতে কয়েকশ কোটি তারা রয়েছে। আমাদের সৌরজগৎ এই গ্যালাক্সির এক বাহ্যিক কক্ষপথে অবস্থান করছে, যা কেন্দ্রে থাকা সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোল থেকে প্রায় ২৭,০০,০০০ আলোকবর্ষ দূরে। মিল্কিওয়ে ছায়াপথ হিসেবে পরিচিত, কারণ প্রাচীন মানুষ আকাশে এর আলোকিত রেখার মতো চিহ্ন দেখতে পেত। গ্যালাক্সিটি বিভিন্ন ধরনের তারা, গ্যাস ও ধূলিকণার সমন্বয়ে গঠিত। তাই সৌরজগৎ কোন অনন্য বা ছোট গ্যালাক্সির অংশ নয়, বরং এই বিশাল মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির অন্তর্গত। উত্তর: ঘ) মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ।
 
• মহাবিশ্ব (Universe): 
- এ সৃষ্টি জগতে যা কিছু আছে তার সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। 
যেমন- ক্ষুদ্র পোকামাকড় ও ধূলিকণা থেকে শুরু করে এই পৃথিবী, দূর-দূরান্তের গ্রহ-নক্ষত্র, ধূমকেতু, গ্যালাক্সি এবং দেখা না দেখা সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। 
- মহাবিশ্ব যে কত বড় তা কেউ জানে না এবং কেউ জানে না মহাবিশ্বের আকার বা আকৃতি কেমন। 
- অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন মহাবিশ্বের শুরু ও শেষ নেই, তবে কেউ কেউ এখনও বিশ্বাস করেন মহাবিশ্বের আকার ও আকৃতি আছে। 
- বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন যে, মহাবিশ্বের কোনো কোনো অংশে বস্তু বা পদার্থের উপস্থিতি অন্য অংশের চেয়ে বেশি। 
- যেসব অংশে পদার্থ বা বস্তু বেশি জড়ো বা ঘনীভূত হয়েছে, তাদের বলা হয় গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগৎ। 
- গ্যালাক্সি হলো গ্রহ ও নক্ষত্রের এক বৃহৎ দল। 
- বাসভূমি পৃথিবী যে গ্যালাক্সিতে অবস্থিত তার নাম ছায়াপথ বা মিল্কিওয়ে, এরকম কোটি কোটি গ্যালাক্সি রয়েছে মহাবিশ্বে, যেখানে রয়েছে কোটি কোটি নক্ষত্র। 
- গ্যালাক্সিগুলো মহাকাশে ঘুরে বেড়ায়, গ্যালাক্সির নক্ষত্রগুলোকে যত কাছাকাছি মনে হয়, আসলে তা নয়; এরা পরস্পর থেকে অনেক দূরে। 
- আলো এক সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ যেতে পারে। পৃথিবী ও সূর্যের দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড। 
- অন্যদিকে সূর্য থেকে এর সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্র আলফা সেন্টোরিতে আলো পৌঁছাতে সময় লাগে ৪ বছরের চেয়ে বেশি। এক দূরবর্তী নক্ষত্র থেকে অন্য দূরবর্তী নক্ষত্রে আলোর পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে কয়েক মিলিয়ন বছর। এ থেকে বুঝায় যায়, নক্ষত্রগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব কত বেশি আর মহাবিশ্ব কত বিশাল। 

• মহাবিশ্বের উৎপত্তি যেভাবে হয়েছে: 
- মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিকাশ সংক্রান্ত যেসব তত্ত্ব আছে, তার মধ্যে বহুল প্রচলিত হলো 'বিগব্যাং তত্ত্ব', বাংলায় একে বলা হয় 'মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব'। 
- এই তত্ত্ব মতে, মহাবিশ্ব একসময় অত্যন্ত উত্তপ্ত ও একক বিন্দুতে অসীম ঘনত্বের (Infinitely dense) অবস্থায় ছিলো। 
- বিগব্যাং তত্ত্ব অনুসারে, মহাবিশ্ব স্বতঃস্ফূর্তভাবে অতি দ্রুত প্রসারিত হয়ে যায়। দ্রুত প্রসারণের ফলে মহাবিশ্ব ঠাণ্ডা হয়ে যায় এবং বর্তমান প্রসারণশীল অবস্থায় পৌঁছায়। 
- অতি সম্প্রতি জানা গেছে যে, বিগব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ সংঘটিত হয়েছিল প্রায় ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর (১৩৭৫ কোটি বছর) পূর্বে এবং এটাই মহাবিশ্বের বয়স। 
- বিগব্যাং তত্ত্ব একটি বহু পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব যা বেশিরভাগ বিজ্ঞানী গ্রহণ করেছেন, কারণ জ্যোতির্বিদদের পর্যবেক্ষিত প্রায় সকল ঘটনাই এই তত্ত্ব সঠিক ও ব্যাপকভাবে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম। 
- বর্তমান কালের বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংসহ সকল জ্যোর্তিবিজ্ঞানী এই তত্ত্বের পক্ষে মতামত ব্যক্ত করেছেন। 

• অন্যান্য অপশন:
- সোমব্রেরো গ্যালাক্সি: এটি একটি বিখ্যাত সর্পিলাকার গ্যালাক্সি, যা আমাদের মিল্কিওয়ে থেকে প্রায় ২৮ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।
- অ্যান্ড্রোমিডা: এটি আমাদের নিকটতম বৃহৎ প্রতিবেশী গ্যালাক্সি।
- প্রক্সিমা সেন্টোরি: এটি কোনো গ্যালাক্সি নয়, বরং আমাদের নিকটতম নক্ষত্র (সূর্য ছাড়া)।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। ব্রিটানিকা।

২,০৩৫.
মানুষের মুখবিবরে কতটি লালাগ্রন্থি থাকে? 
  1. দুইটি
  2. চারটি
  3. ছয়টি
  4. আটটি
সঠিক উত্তর:
ছয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয়টি
ব্যাখ্যা
মুখবিবর: 
- মুখ পরবর্তী অংশটি মুখবিবর। 
- মুখ বিবরের ঊর্ধ্ব প্রাচীর তালুর অস্থি ও পেশি দিয়ে, সামনের প্রাচীর ঠোঁটের পেশি দিয়ে এবং পার্শ্ব প্রাচীর গালের পেশি দিয়ে গঠিত। 
- তালুর অগ্রভাগ অস্থিনির্মিত এবং শক্ত, পেছনের অংশ মাংসল ও নরম। 
- তালুর পেছনের অংশের মধ্যভাগ থেকে একটি অপেক্ষাকৃত সরু আলজিহবা মুখবিবরে ঝুলে থাকে। 
- মানুষের ঊর্ধ্ব ও নিম্ন চোয়াল দাঁতযুক্ত। 
এছাড়া মুখবিবরে তিন জোড়া বা ছয়টি লালাগ্রন্থি থাকে। 
- নিম্নে চোয়ালের অস্থির সাথে জিহ্বাযুক্ত থাকে। 
- পৃষ্ঠতলের উপর থাকে স্বাদকোরক এগুলো বিভিন্ন রাসায়নিক বস্তুর প্রতি সংবেদনশীল। 
- জিহ্বার অগ্রভাগ মিষ্টি, দুই পার্শ্ব নোনা, পশ্চাৎ ভাগের দুই পার্শ্ব টক এবং পেছনের দিক তিক্ত স্বাদ গ্রহণ করে। 

কাজ: 
- দাঁত খাদ্য দ্রব্যকে কাটা, ছেঁড়া ও পেষণে সাহায্য করে। 
- জিহ্বা খাদ্য দ্রব্যের স্বাদ গ্রহণ করে এবং পেষণের সময় লালারস মিশ্রিত করে খাদ্য দ্রব্যকে পিচ্ছিল করে পেছনে ঠেলে দেয়। 
- লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত “মিউসিন” খাদ্যকে পিচ্ছিল করে আর টায়ালিন ও মল্টেজ এনজাইম খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৩৬.
রাদারফোর্ড পরমাণু মডেলকে তুলনা করা হয় -
  1. সোলার প্যানেলের সাথে।
  2. লুনার মডেলের সাথে।
  3. বোর মডেলের সাথে।
  4. সৌর মডেলের সাথে।
সঠিক উত্তর:
সৌর মডেলের সাথে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌর মডেলের সাথে।
ব্যাখ্যা

রাদারফোর্ড পরমাণু মডেল: 
- বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড 1911 সালে α-কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা শেষে পরমাণুর গঠন সম্পর্কে একটি মডেল উপস্থাপন করেন। সেটি হলো- 

i. পরমাণুর দুটি অংশ একটি নিউক্লিয়াস এবং অপরটি নিউক্লিয়াসের বাইরের অংশ।
ii. পরমাণু প্রায় সমস্ত ভর পরমাণুর আয়তনের তুলনায় খুব সূক্ষ্ম স্থানে পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থান করে। পরমাণুর কেন্দ্রের এ সূক্ষ্ম অংশকে নিউক্লিয়াস বলে। নিউক্লিয়াসের আকার গোলাকার এবং ব্যাস 10-12 10-13 cm এর মধ্যে।
iii. ভারী ধনাত্মক আধান যুক্ত কণা প্রোটন পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থান করে। ইলেকট্রনের ভর অত্যন্ত নগণ্য। পরমাণুর প্রায় সমস্ত ভর নিউক্লিয়াসে কেন্দ্রীভূত থাকে।
iv. পরমাণু আধান নিরপেক্ষ। পরমাণুতে ধনাত্মক আধান যুক্ত প্রোটনের সংখ্যা ও ঋণাত্মক আধান যুক্ত ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান থাকে। একটি প্রোটন যে পরিমাণ ধনাত্মক আধান বহন করে, একটি ইলেকট্রন ঠিক ঐ একই পরিমাণ ঋণাত্মক আধান বহন করে।
v. নিউক্লিয়াসের বাইরে ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বৃত্তাকার পথে সমদ্রুতগতিতে আবর্তন করে।

রাদারফোর্ড পরমাণুর মডেলকে সৌর মডেলের সাথে তুলনা করা হয়। কারণ-
- রাদারফোর্ড তাঁর পরমাণু মডেলকে সৌরজগতের সাথে তুলনা করেন।
- সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজ নিজ কক্ষ পথে বিভিন্ন গ্রহগুলো যেভাবে পরিভ্রমণ করে ঠিক একইভাবে ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে নিজ নিজ কক্ষপথে তীব্র বেগে পরিভ্রমণ করে।
- তাঁর ধারণা মতে নিউক্লিয়াসের চারদিকে ঘূর্ণায়মান ইলেকট্রনের মধ্যে বিদ্যমান স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণজনিত কেন্দ্রমুখী বল এবং অপরটি ঘূর্ণায়মান ইলেকট্রনের কেন্দ্রবিমুখী বল।
- এ দুই প্রকার বলের মান পরস্পর সমান কিন্তু বিপরীতমুখী।
- তাই বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড পরমাণু মডেলকে সৌর মডেলের সাথে তুলনা করেন।

তথ্যসূত্র: রসায়ন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২,০৩৭.
অ্যালকেন সমগোত্রীয় শ্রেণির সাধারণ সংকেত কী? 
  1. CnH2n+1
  2. CnH2n
  3. CnH2n-2
  4. CnH2n+2
সঠিক উত্তর:
CnH2n+2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CnH2n+2
ব্যাখ্যা
সমগোত্রীয় শ্রেণি (Homologous): 
- যে সকল যৌগের কার্যকরীমূলক একই হওয়ায় তাদের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের গভীর মিল থাকে তারা একই শ্রেণিভুক্ত, এদেরকে সমগোত্রীয় শ্রেণি বলে।
- একই সমগোত্রীয় শ্রেণির সকল সদস্যকে একটি সাধারণ সংকেত দিয়ে প্রকাশ করা যায়। 
যেমন- অ্যালকেন সমগোত্রীয় শ্রেণির সকল যৌগকে CnH2n+2 সংকেত দিয়ে প্রকাশ করা যেতে পারে। 
- নিচে বিভিন্ন সমগোত্রীয় শ্রেণির উদাহরণ দেওয়া হলো- 


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২,০৩৮.
পর্যায় সারণিতে নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে পরিচিত নয় কোনটি?
  1. He
  2. Ar
  3. Kr
  4. Br
সঠিক উত্তর:
Br
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Br
ব্যাখ্যা
হ্যালোজেন মৌল: 
- মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সময়ে তাদের বিশেষ নাম দেওয়া হয়েছিলো।
যেমন: ক্ষার ধাতু, মৃৎক্ষার ধাতু, মুদ্রা ধাতু, হ্যালোজেন, নিষ্ক্রিয় ধাতু ইত্যাদি। 
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-17 এর 6 টি মৌলকে হ্যালোজেন (Halogen) মৌল বলে। 
যেমন- ফ্লোরিন (F), ক্লোরিন (Cl), ব্রোমিন (Br), আয়োডিন (I), অ্যাস্টাটিন (At) এবং টেনেসিন (Ts)। 
- সকল হ্যালোজেন মৌলকে X দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- হ্যালোজেন মানে লবণ উৎপাদনকারী এবং এর মূল উৎস সামুদ্রিক লবণ। 
- হ্যালোজেন মৌলগুলোর সাথে ধাতু যুক্ত হয়ে লবণ গঠিত হয়। 
যেমন: F এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ফ্লোরাইড লবণ কিংবা Cl এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ক্লোরাইড লবণ (NaCl) বা খাদ্য লবণ গঠিত হয়।  
- হ্যালোজেন মৌলগুলো নিজেরাই নিজেদের মধ্যে ইলেকট্রন ভাগাভাগি করে দ্বি-মৌল অণু গঠন করে। 
যেমন: Cl2, I2 ইত্যাদি। 

নিষ্ক্রিয় মৌল: 
- পর্যায় সারণির গ্রুপ ১৮ তে নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহ অবস্থান করে। 
- হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপটন (Kr), জেনন (Xe) ও রেডন (Rn) এ ছয়টি পর্যায় সারণির 18তম গ্রুপের মৌল। 
- সাধারণত এরা যৌগ গঠন করে না বলে এরা নিষ্ক্রিয় গ্যাস বা নোবেল গ্যাস হিসাবে পরিচিতি। 
- এ মৌলগুলো প্রকৃতিতে খুবই কম পরিমাণে পাওয়া যায়। 
- মৌলগুলোর নিষ্ক্রিয়তার কারণ পরে আবিষ্কৃত হয়। 
- নিষ্ক্রিয় গ্যাস আবিষ্কারের জন্য লর্ড রেলি (Lord Rayleigh) ও স্যার উইলিয়াম রামসে (Sir William Ramsay) কে ১৯০৪ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৩৯.
ডিপথেরিয়ায় মানবদেহের প্রধানত কোন অংশ আক্রান্ত হয়?
  1. ক) কান
  2. খ) নাক
  3. গ) গলা
  4. ঘ) পাকস্থলী
সঠিক উত্তর:
গ) গলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গলা
ব্যাখ্যা
ডিপথেরিয়ায় মানবদেহের প্রধানত গলার অংশ আক্রান্ত হয়। 

- ডিপথেরিয়া ব্যাকটেরিয়া ঘটিত মারাত্মক রোগ যা গলা ও নাকের মিউকাস মেমব্রেন বা শ্লেষ্মা ঝিল্লিতে প্রদাহ সৃষ্টি করে।
- Corynebacterium diphtheriae নামক ব্যাকটেরিয়া ডিপথেরিয়ার জন্য দায়ী।
- এই রোগে গলার নিম্নাংশে পুরু পর্দার আচ্ছাদন (ডিপথেরিক মেমব্রেন) পড়ে। ফলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।
- এই রোগে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়া, প্যারালাইসিস, কিডনি নষ্ট হতে পারে এবং রোগীর মৃত্যুও হতে পারে।

লক্ষণসমূহ-
১) ঠান্ডা লাগা। 
২) জ্বর। 
৩) গলায় প্রচন্ড ব্যাথা ও কাশি। 
৪) মুখ দিয়ে লালা বের হওয়া। 
৫) শ্বাস নিতে অসুবিধা। 
৬) খাবার গিলতে সমস্যা। 
৭) কথা বলার মধ্যে জড়তা। 
৮) নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া। 
৯) দুর্বলতা। 
১০) প্রচন্ড মাথা ব্যথা। 

সূত্র- Centers for Disease Control and Prevention [লিঙ্ক]
২,০৪০.
শব্দের তীব্রতা কোন বিষয়ের উপর নির্ভর করে? 
  1. উৎসের আকার
  2. উৎসের বিস্তার
  3. মাধ্যমের ঘনত্ব
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
শব্দের তীব্রতা: 
- শব্দ এক প্রকার তরঙ্গ। 
- শব্দের তীব্রতা বলতে বুঝি, শব্দ সঞ্চালনের পথে লম্বভাবে অবস্থিত একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রবাহিত শব্দ শক্তির পরিমাণ। 
- শব্দের তীব্রতা নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর উপর নির্ভর করে- 

১। উৎসের বিস্তার: 
- শব্দ সৃষ্টিকারী বস্তুর কম্পনের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয়। 
- শব্দের তীব্রতা তরঙ্গের বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
- শব্দের তীব্রতা I এবং বিস্তার A হলে, I ∞ A2

২। উৎসের আকার: 
- উৎসের আকার বড় হলে শব্দ তরঙ্গ বেশি পরিমাণ শক্তি সঞ্চালিত রতে পারে ফলে তীব্রতা বেড়ে যায়। 

৩। উৎস থেকে শ্রোতার দূরত্ব: 
- উৎস ও শ্রোতার মধ্যবর্তী দূরত্ব যতো বাড়বে শব্দের তীব্রতা ততো কমে যাবে কারণ বেশি দূরত্ব অতিক্রম করার ফলে শব্দ তরঙ্গের শক্তি কমে যায়। 
- তীব্রতা দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক। 
- যদি তীব্রতা এবং দূরত্ব r হয় তাহলে, I ∞ 1/r2

৪। মাধ্যমের ঘনত্ব: 
- যে মাধ্যমের মধ্য দিয়ে শব্দ তরঙ্গ সঞ্চালিত হবে তার ঘনত্ব বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয়। 

৫। মাধ্যমের বেগ: 
- মাধ্যমের বেগের দিকে শব্দ তরঙ্গ সঞ্চালিত হলে শব্দের তীব্রতা বেড়ে যায় এবং বিপরীত দিকে সঞ্চালিত হলে শব্দের তীব্রতা কমে যায়। 

৬। অনুনাদী বস্তুর উপস্থিতি: 
- উৎসের কাছে কোনো অনুনাদী বস্তু থাকলে শব্দের তীব্রতা বেড়ে যায়। 
- একটি সুরশলাকাকে বাতাসে স্পন্দিত করলে যে শব্দ উৎপন্ন হয় টেবিল বা কোনো ফাঁপা কাঠের বাক্সের সাথে লাগিয়ে স্পন্দিত করলে শব্দের তীব্রতা অনেক বেড়ে যায়। 
- এক্ষেত্রে বেশি আয়তনের বায়ু কম্পিত হয় বলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
২,০৪১.
কোনটির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম?
  1. রেডিও ওয়েভ
  2. আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি
  3. এক্সরে রশ্মি
  4. ইনফ্রারেড রশ্মি
সঠিক উত্তর:
এক্সরে রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক্সরে রশ্মি
২,০৪২.
বিটা কণিকার চার্জ কী? 
  1. নিরপেক্ষ চার্জ
  2. ধনাত্মক চার্জ
  3. ঋণাত্মক চার্জ
  4. কোনো চার্জ নেই
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক চার্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক চার্জ
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয়তা: 
- প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে। 
যেমন- ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু। 
- স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল আকস্মিকভাবে এ রশ্মি আবিষ্কার করেন। তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় বেকেরেল রশ্মি। 
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। 
যথা: প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা ও কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা। 

বিটা কণিকার ধর্ম ও প্রকৃতি: 
১। বিটা কণিকা খুব হালকা। এরা ইলেকট্রন প্রবাহ। এর ভর 9.1×10-31 কেজি। 
২। বিটা কণিকা ঋণাত্মক চার্জ বহন করে। এই চার্জের মান - 1.6×10-19 কুলম্ব। 
৩। তেজস্ক্রিয় বস্তু থেকে বিটা কণিকা প্রচন্ড বেগে নির্গত হয়। এর বেগ প্রায় 0.9×108 ms-1 পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
৪। এই কণিকা তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়। 
৫। এর আয়নিত করার ক্ষমতা আছে, তবে আলফা কণিকা অপেক্ষা কম। 
৬। এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে। 
৭। ইহা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়। এর ভেদন ক্ষমতা আলফা কণিকা অপেক্ষা বেশি। 
৮। জিংক সালফাইডে বিটা কণিকা প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। 
৯। ধাতব প্লেটের মধ্যদিয়ে যাবার সময় বিটা কণিকাগুলো চারিদিকে বিক্ষিপ্ত হয়। আলফা কণিকা অপেক্ষা অনেক বেশি বিক্ষিপ্ত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০৪৩.
পটাশ অ্যালামে কত অণু কেলাস পানি যুক্ত থাকে? 
  1. 12
  2. 18
  3. 24
  4. 30
সঠিক উত্তর:
24
উত্তর
সঠিক উত্তর:
24
ব্যাখ্যা

ফিটকিরি অথবা পটাশ অ্যালাম: 
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত হচ্ছে [K2SO4.Al2(SO4)3. 24H2O] । 
- ফিটকিরি মানুষের কাছে পটাশ অ্যালাম নামে পরিচিত। 
- ফিটকিরি সাধারণত পানি বিশুদ্ধকরণ কাজে ব্যবহৃত হয়। 
- ফিটকিরি একটি দ্বি-লবণ অর্থাৎ দুটি লবণ (পটাসিয়াম সালফেট এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেট) এর সাধারণ মিশ্রণ। 
- অ্যালাম কঠিন অবস্থায় সুনির্দিষ্ট আকৃতির কেলাস। 
- ফিটকিরি বা পটাস অ্যালামে ২৪ অণু কেলাস পানি যুক্ত থাকে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০৪৪.
হাঁটুতে কান থাকে-
  1. ফড়িং এর
  2. মাছির
  3. কেঁচোর
  4. হাঙরের
সঠিক উত্তর:
ফড়িং এর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফড়িং এর
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য প্রাণী: 

• হাঁটুতে কান থাকে-  ফড়িং এর।
- ফড়িং ওডোনাটা বর্গভুক্ত ও এপিপ্রোকটা উপবর্গের এক ধরনের বড় যৌগিক চোখবিশিষ্ট পতঙ্গ।
- এদের দুই জোড়া শক্তিশালী ও স্বচ্ছ পাখা আছে। এ পাখার সাহায্যে ফড়িং উড়ে বেড়ায়। ব
- সে থাকার সময় পাখা অনুভূমিক এবং শরীরের সঙ্গে সমকোণে থাকে।

Source - Link

অপরদিকে, 
- তিনটি হৃৎপিণ্ড আছে: হাঙর, ক্যাটল ফিশ।
- খন্ডায়ন প্রাণী বলা হয়: কেঁচো, জোঁক।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়  ব্রিটানিকা।
২,০৪৫.
নিচের কোনটি কার্বন- ডাই- অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত সংবহনে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) হেপাটিক ধমনি
  2. খ) ফুসফুসীয় ধমনি
  3. গ) পালমােনারি শিরা
  4. ঘ) ফিমোরাল ধমনি
সঠিক উত্তর:
খ) ফুসফুসীয় ধমনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফুসফুসীয় ধমনি
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
সাধারণত ধমনি সংবহনে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের আধিক্য থাকে।
যেমন মহাধমনি, হেপাটিক বা যকৃত ধমনি, ফিমোরাল ধমনি ইত্যাদি প্রায় সকল ধমনি সংবহনেই অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের আধিক্য থাকের

কেবল ফুসফুসীয় ধমনির সংবহনে কার্বন- ডাই- অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্তের আধিক্য থাকে।
- ফুসফুসীয় ধমনির উদ্ভব হয় ডান নিলয় থেকে।
- হৃদপিণ্ডের ডান নিলয়ের সংকোচনের ফলে কার্বন- ডাই- অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত তথা অক্সিজেনরিক্ত রক্ত ফুসফুসীয় ধমনিতে প্রবেশ করে।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

করােনারি ধমনি: অ্যাওর্টা অ্যাওর্টিক আর্চ গঠনের পূর্বেই ডান ও বাম করােনারি ধমনি উৎপন্ন করে। এরা অক্সিজেন যুক্ত রক্ত হৃদপেশীতে সরবরাহ করে।

ইনমিনেট ধমনি: এটি একটি খাটো ও মােটা ধমনি। এটি অভিন্ন ক্যারােটিড ধমনি ও ডান সাবক্লেভিয়ান ধমনিতে বিভক্ত।

পালমােনারী ধমনি: দেহ থেকে গৃহীত কার্বন-ডাই-অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত অক্সিজেনময় হওয়ার জন্য ফুসফুসে বহন করে।

পালমােনারি শিরা: ফুসফুস থেকে অক্সিজেনময় রক্ত দেহে সরবরাহের জন্য হৃদপিন্ডে বহন করে।

সূত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০৪৬.
এইডস রোগের জন্য দায়ী ভাইরাসটি কোনটি? 
  1. HPV
  2. HSV
  3. HBV
  4. HIV
সঠিক উত্তর:
HIV
উত্তর
সঠিক উত্তর:
HIV
ব্যাখ্যা
এইডস রোগ: 
- সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টিকারী রোগ হচ্ছে ‘এইডস’ (AIDS)। 
- এটি একটি সংক্রামক রোগ। 
- ১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম আমেরিকায় AIDS চিহ্নিত হয় এবং তখন থেকে সারা বিশ্বে AIDS মরণব্যাধি হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। 
- আফ্রিকার দেশগুলোতে এর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। 
- প্রাকৃতিক নিয়মে সব মানুষের দেহেই রোগ-জীবাণুর আক্রমণ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা থাকে, একে ইমিউনিটি বলা হয়। 
- রক্তের লিম্ফোসাইট অ্যান্টিবডি প্রস্তুতের মাধ্যমে জীবাণুর আক্রমণ প্রতিহত করতে পারে যা AIDS আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে ধীরে ধীরে এই ক্ষমতা কমতে থাকে। এই কারণে এ রোগটির নাম দেওয়া হয়েছে- ‘অ্যাকুয়ার্ড ইম্যুন ডেফিসিয়েন্সি সিনড্রম’ যা সংক্ষেপে AIDS ( Acquired Immune Deficiency Syndrome)। 

- এইডস এক ধরনের ভাইরাস, যার নাম Human Immuno Deficiency Virus (HIV), এটি AIDS রোগের সংক্রমণ করে থাকে। 
- HIV দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। 
- দেহের রক্তস্রোতে প্রবেশ করার পর HIV রক্তের শ্বেত কণিকার T- লিম্ফোসাইটকে আক্রমণ করে, যার ফলে দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। 
- HIV ভাইরাস সংক্রমণের পর প্রথম ৫ বছর পর্যন্ত মানুষের দেহে কোনো রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় না। 
- এসব মানুষ তখন এই রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে এবং তখন তারা অন্যকে সংক্রমিত করতে পারে। 
- প্রধাণত যৌন ক্রিয়ার মাধ্যমেই আক্রান্ত ব্যক্তির দেহ থেকে HIV সুস্থ ব্যক্তির দেহে সংক্রমিত হয়, মায়ের বুকের দুধের মাধ্যমে সদ্যোজাত শিশুর দেহে এ রোগ সংক্রমিত হতে পারে, এছাড়াও রক্ত সঞ্চালন কিংবা ড্রাগ ব্যবহারকারীদের সিরিঞ্জের মাধ্যমে এ রোগ সঞ্চারিত হতে পারে। 
- AIDS প্রতিরোধ করার সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ বিষয় হলো, HIV সংক্রমণ কীভাবে ঘটে সে সম্পর্কে সবাইকে শিক্ষা দেওয়া। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,০৪৭.
সালোকসংশ্লেষণ কী? 
  1. পানি পরিশোধনের প্রক্রিয়া 
  2. প্রাণীর খাদ্য হজমের প্রক্রিয়া 
  3. সবুজ উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করার প্রক্রিয়া 
  4. সূর্যের আলো থেকে তাপ উৎপাদনের প্রক্রিয়া 
সঠিক উত্তর:
সবুজ উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করার প্রক্রিয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবুজ উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করার প্রক্রিয়া 
ব্যাখ্যা

সালোকসংশ্লেষণ: 
- পৃথিবীর সমস্ত শক্তির উৎস হলো সূর্য। 
- সবুজ উদ্ভিদকুল সালোকসংশ্লেষণ চলাকালে সৌরশক্তিকে আবদ্ধ করে। 
- যে পদ্ধতিতে সূর্যের আলোয় সবুজ উদ্ভিদেরা তাদের নিজের খাদ্য নিজেরা তৈরি করে তার নামই হলো সালোকসংশ্লেষণ। 
- একমাত্র সবুজ উদ্ভিদেরাই এই কাজটি করতে পারে। 
- উদ্ভিদের পাতার সবুজ প্লাস্টিড সালোকসংশ্লেষণে অংশ নেয়। 
- এই প্লাস্টিডের ভিতরে সৌরশক্তি, পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বিক্রিয়া করে অক্সিজেন ও গ্লুকোজ উৎপন্ন করে। 

- পাতাকে সালোকসংশ্লেষণের প্রধান স্থানরূপে গণ্য করা হয়। 
কারণ- 
• পাতা চ্যাপ্টা ও সম্প্রসারিত হওয়ায় বেশি পরিমাণ সূর্যরশ্মি এবং অল্প সময়ে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস শোষিত হয়। 
• পাতার কোষগুলোতে ক্লোরোপ্লাস্টের সংখ্যা অনেক বেশি। 
• পাতায় অসংখ্য পত্ররন্ধ্র থাকায় সালোকসংশ্লেষণের সময় গ্যাসীয় পদার্থের আদান প্রদান সহজে ঘটে। 
- জীবজগতের জন্য প্রাথমিক খাদ্য শর্করা একমাত্র সালোকসংশ্লেণের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়। 
- সালোকসংশ্লেষণে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি গৃহীত হয় এবং গ্কোলুজ ও অক্সিজেন উৎপন্ন করে। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও অক্সিজেনের ভারসাম্য রক্ষা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

২,০৪৮.
মঙ্গলগ্রহ কত দিনে সূর্যকে আবর্তন করে?
  1. ৩৬৫
  2. ৪২৭
  3. ৬৬৭
  4. ৬৮৭
সঠিক উত্তর:
৬৮৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮৭
ব্যাখ্যা
মঙ্গল (Mars):

- সূর্য থেকে মঙ্গলের গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস ৬,৭৮৭ কিলোমিটার।
- মঙ্গলগ্রহ ৬৮৭ দিনে সূর্যকে আবর্তন করে।
- ডিমোস এবং ফোবোস নামক মঙ্গলের দুটি উপগ্রহ রয়েছে।
- বৃত্তাকার কক্ষপথে ডিমোস প্রতি ৩০ ঘণ্টা ১৭ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড এবং ফোবস ৭ ঘণ্টা ৩৯ মিনিট ১৪ সেকেন্ডে মঙ্গলকে একবার আবর্তন করে।
- মঙ্গলে রয়েছে সৌরজগতের বৃহত্তম আগ্নেয়গিরি নিকস অলিম্পিকা।
- মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন ডাই অক্সাইড, আর্গন প্রভৃতি গ্যাস রয়েছে।
- মঙ্গলের আকাশ নীল, মাটি লাল ও শুষ্ক।
- মঙ্গলের তাপমাত্রা ২০° সেলসিয়াস এর অধিক হয় না। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৪৯.
The wave theory of light was proposed by which of the following scientists?
  1. Erwin Schrödinger
  2. Max Planck
  3. Albert Einstein
  4. Robert Hooke
  5. Christiaan Huygens
সঠিক উত্তর:
Christiaan Huygens
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Christiaan Huygens
ব্যাখ্যা
• আলোর প্রকৃতি সম্পৰ্কীয় বিভিন্ন তত্ত্ব:
- আলোর তরঙ্গ তত্ত্ব প্রকাশ করেন হাইগেনস (Christiaan Huygens)।
- তরঙ্গ তত্ত্বানুসারে আলো তরঙ্গাকারে ইথার নামের একটি কাল্পনিক মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সব দিকে নির্গত হয়।
- কণা তত্ত্বানুসারে আলো বস্তু কণা দ্বারা গঠিত, উৎস থেকে যা সব দিকে নিঃসৃত হয় এবং সরলরেখায় চলে।
- আইজাক নিউটন ১৬৭৫ সালে আলোর কণা তত্ত্ব প্রদান করেন।
- তাড়িতচৌম্বক তত্ত্ব অনুসারে গতিশীল তড়িৎ ক্ষেত্র ও চৌম্বক ক্ষেত্রের দ্রুত পর্যাবৃত্ত পরিবর্তনের ফলে দৃশ্য অদৃশ্য শক্তির বিকিরণ হয় এবং অনুপ্রস্থ তরঙ্গাকারে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রস্তাবনা করেন।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৫০.
কোন গ্রন্থি থেকে ইনসুলিন হরমোন নিঃসৃত হয়?
  1. পিটুইটারী গ্রন্থি
  2. থাইরয়েড গ্রন্থি
  3. থাইমাস গ্রন্থি
  4. আইলেটস্ অফ ল্যাংগারহ্যানস
সঠিক উত্তর:
আইলেটস্ অফ ল্যাংগারহ্যানস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইলেটস্ অফ ল্যাংগারহ্যানস
ব্যাখ্যা
আইলেটস্ অফ ল্যাংগারহ্যানস গ্রন্থি থেকে ইনসুলিন হরমোন নিঃসৃত হয়।

পিটুইটারী গ্রন্থি:
- এটি মস্তিষ্কের নিচের অংশে অবস্থিত।
- এ গ্রন্থিকে হরমোন সৃষ্টিকারী প্রধান গ্রন্থি বা প্রভুগ্রন্থি বলে, কারণ এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন সংখ্যা যেমন বেশি তেমন বিভিন্ন গ্রন্থির উপর এসব হরমোন এর প্রভাবও বেশি।
- এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, শক্তিশালী ও সবচেয়ে ছোট গ্রন্থি।
- এ গ্রন্থি থেকে গোনাডোট্রপিন, এডরেনোকর্টিকোট্রপিন, থাইরোট্রপিন, প্রোল্যাকটিন ইত্যাদি হরমোন নিঃসৃত হয়।

থাইরয়েড গ্রন্থি:
- এই গ্রন্থি গলার উপরের অংশে উভয় পার্শ্বে অবস্থিত।
- প্রজাপতি আকৃতির চোখ বের হয়ে আসা রোগটি এ গ্রন্থির সমস্যার কারণে হয়।
- আয়োডিন এর অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যায় ও গলগন্ড গঠন করে।
- এই গ্রন্থি বিপাকের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- এ গ্রন্থি থেকে ট্রাইআয়োডোথাইরোনিন, থাইরক্সিন, ক্যালসিটোনিন এ তিনটি হরমোন নিঃসৃত হয়।

প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি:
- দু’জোড়া প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি থাইরয়েড গ্রন্থির পেছনে এবং আংশিক থাইরয়েড গ্রন্থির মধ্যে অবস্থিত।
- এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোনের নাম প্যারাথাইরক্সিন হরমোন।
- মূলতঃ শরীরের ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে।

থাইমাস গ্রন্থি:
- এ গ্রন্থি গ্রীবা অঞ্চলে অবস্থিত।
- শিশুকালে এ গ্রন্থি বিকশিত হতে থাকে, বয়স বাড়ার সাথে সাথে ছোট হয়।
- এই গ্রন্থি থেকে থাইমোসিন হরমোন নিঃসৃত হয়।

আইলেটস্ অফ ল্যাংগারহ্যানস:
- এ গ্রন্থির অবস্থান অগ্ন্যাশয়ের মাঝে।
- এ গ্রন্থি থেকে ইনসুলিন, গুকাগণ প্রভৃতি হরমোন নিঃসৃত হয় যা শরীরের শর্করা বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে।

গোনাড বা জনন অঙ্গ গ্রন্থি:
- এ গ্রন্থি মেয়েদের ডিম্বাশয় এবং ছেলেদের শুক্রাশয়ে অবস্থিত।
- জনন অঙ্গ হতে নিঃসৃত হরমোন দেহের পরিণত বয়সের লক্ষণসমূহ বিকশিত করতে ভূমিকা রাখে।
- এছাড়াও প্রাণীর জনন অঙ্গের বৃদ্ধি, জননচক্র ও যৌন আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
- জনন অঙ্গ হতে পরিণত বয়সের পুরুষে টেস্টোস্টেরন ও স্ত্রী দেহে ইস্ট্রোজেন হরমোন নিঃসৃত হয়।

উৎস: i) ScienceDirect.com
         ii) জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৫১.
ডেঙ্গু যে ধরণের ভাইরাস -
  1. ক) DNA
  2. খ) DNA + RNA
  3. গ) RNA
  4. ঘ) mRNA
সঠিক উত্তর:
গ) RNA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) RNA
ব্যাখ্যা
- ডেঙ্গু একটি ভাইরাস জনিত রোগ।
- এর ভাইরাসের নাম Dengue virus(DENV)
- ইহা একটি RNA ভাইরাস।
- এর বাহক Aedes aegypti.

তথ্যসূত্র: জীব বিজ্ঞান, প্রথম পত্র - গাজী আজমল , একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইট।
২,০৫২.
গাড়িতে ব্যবহৃত Odometer কী পরিমাপ করে?
  1. গতি
  2. দূরত্ব
  3. ফুয়েল
  4. তাপমাত্রা
সঠিক উত্তর:
দূরত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দূরত্ব
ব্যাখ্যা
• গাড়িতে ব্যবহৃত Odometer দূরত্ব পরিমাপ করে।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিমাপক যন্ত্র:
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র - ট্যাকোমিটার।
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার।
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার।
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ম্যানোমিটার।
- হাইড্রোমিটার তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র।
- পানির তলায় তেলের সঞ্চায়ক যন্ত্র গ্রাডিমিটার।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, নবম ও দশম শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।
২,০৫৩.
সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ -
  1. ক) জুপিটার
  2. খ) ভেনাস
  3. গ) মার্কারী
  4. ঘ) নেপচুন
সঠিক উত্তর:
ক) জুপিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জুপিটার
ব্যাখ্যা
বুধ বা মার্কারি হলো সূর্যের নিকটতম এবং ক্ষুদ্রতম গ্রহ। সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ হলো জুপিটার। পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ হলো ভেনাস। উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ বোর্ড বই
২,০৫৪.
CH4(g) + 2O2(g) →  CO2 (g) + 2H2O(g) বিক্রিয়াটি কোন ধরণের?
  1. দহন
  2. পলিমারকরণ
  3. বিয়োজন
  4. প্রতিস্থাপন
সঠিক উত্তর:
দহন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দহন
ব্যাখ্যা
• দহন বিক্রিয়া (Combustion Reaction):
-  কোনো মৌলকে বা যৌগকে বায়ুর অক্সিজেনের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে তার উপাদান মৌলের অক্সাইডে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে দহন বিক্রিয়া বলে।
দহন বিক্রিয়ায় সব সময় তাপ উৎপন্ন হয়। এই প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রন এর আদান-প্রদান ঘটে। যেমন- প্রাকৃতিক গ্যাস বা মিথেন বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়ায় করে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি উৎপন্ন করে , এটি দহন বিক্রিয়ার ফলে ঘটে। 

• দহন বিক্রিয়ার উদাহরণ:
CH4(g) + 202(g) →  CO2 (g) + 2H2O(g) + তাপ

• দহন বিক্রিয়া জারন-বিজারন বিক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
২,০৫৫.
নিরক্ষীয় অঞ্চলে বছর জুড়ে কোন প্রক্রিয়ায় বৃষ্টি হয়?
  1. ক) পরিচলন বৃষ্টি
  2. খ) শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
  3. গ) বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি
  4. ঘ) ঘূর্ণি বৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
ক) পরিচলন বৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পরিচলন বৃষ্টি
ব্যাখ্যা
দিনের বেলায় সূ্র্যকিরণের জন্যে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে উপরে উঠে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে পরিচলন বৃষ্টি বলে। নিরক্ষীয় অঞ্চলে স্থলভাগ অপেক্ষা জলভাগের বিস্তৃতি অধিক এবং এখানে সূর্য সর্বদা লম্বভাবে কিরণ দেওয়ায় এখানকার বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ সব সময় বেশি থাকে। ফলে এই হালকা জলীয়বাষ্প উপরে উঠে শীতল বায়ু সংস্পর্শে এসে নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর বিকেল অথবা সন্ধ্যায় পরিচলন প্রক্রিয়ায় বৃষ্টি ঘটায়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল বোর্ড বই
২,০৫৬.
হৃৎপিণ্ডের প্রাচীরের স্তর কয়টি?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
ব্যাখ্যা
হৃদপিণ্ডের প্রাচীর: অনৈচ্ছিক পেশি দিয়ে গঠিত। এসব পেশিকে হৃদপেশী বা কার্ডিয়াক পেশি বলে। পেশিগুলো তিন স্তরবিশিষ্ট - 

- এপিকার্ডিয়াম: এটি হৃদপ্রাচীরের সবচেয়ে বাইরের স্তর এবং যোজক কলায় তৈরি। এই স্তরে বিক্ষিপ্তভাবে চর্বি লেগে থাকে।
- মায়োকার্ডিয়াম: এটি হৃদপ্রাচীরে মধ্যবর্তী স্তর। স্তরটি পুরু, দৃঢ় প্রকৃতির এবং এগুলো হৃদপিণ্ডের সংকোচন প্রসারণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
- এন্ডোকার্ডিয়াম: এটি হৃদপ্রাচীরের ভেতরের স্তর যা হৃদপিণ্ডের প্রকোষ্ঠের অন্তঃপ্রাচীর গঠন করে, হৃদকপাটিকাসমূহ ঢেকে রাখে এবং রক্তের সাথে হৃদপিণ্ডের অবিচ্ছিন্ন সংযোগ ঘটায় ।

অন্যদিকে -
- মানুষের হৃদপিণ্ড ৪ প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট।
- উপরে দুই পাশে দুইটি অলিন্দ এবং নিচে দুই পাশে দুইটি নিলয়।

সূত্র- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র(প্রাণিবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৫৭.
নিচের কোন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি?
  1. বায়ু
  2. পানি
  3. ইস্পাত
  4. শূন্য
সঠিক উত্তর:
ইস্পাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্পাত
ব্যাখ্যা

◉ শব্দের গতি মাধ্যমের ঘনত্ব এবং স্থিতিস্থাপকতার উপর নির্ভর করে। সাধারণত, কঠিন পদার্থে শব্দের গতি বেশি হয়, তরলে কম এবং গ্যাসে সবচেয়ে কম। ইস্পাত একটি কঠিন পদার্থ এবং এতে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি।

শব্দের বেগ:
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি হয়।
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ।
- তাই শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়।
- শব্দের বেগ কঠিন পদার্থে সবচেয়ে বেশি (যেমন- ইস্পাত, লোহা) হয়।
- তরল পদার্থের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম (যেমন- পানি) হয়।
- বায়বীয় পদার্থে সবচেয়ে কম।
- আর শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,০৫৮.
নিচের কোন প্রাণী শব্দেতর কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পায়?
  1. ক) হাতি
  2. খ) মানুষ
  3. গ) বাদুড়
  4. ঘ) কুকুর
সঠিক উত্তর:
ক) হাতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হাতি
ব্যাখ্যা
শব্দের কম্পাঙ্ক ২০Hz থেকে কম হলে সেটাকে শব্দেতর বা ইনফ্রাসাউন্ড বলে। এই কম্পনের শব্দ মানুষ শুনতে পায়না তবে কোনো কোনো জীব-জন্তু শুনতে পায়। হাতি এই কম্পনের শব্দ দ্বারা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে চলে কারণ হাতির শ্রাব্যতার সীমা ১৬Hz থেকে ১২,০০০Hz। মানুষের শ্রাব্যতার সীমা ২০Hz থেকে ২০,০০০Hz।
[সূত্রঃ ব্রিটানিকা]
২,০৫৯.
নিম্নে উল্লিখিত কোন যন্ত্র বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে?
  1. জেনারেটর
  2. লাউড স্পিকার
  3. উইন্ডমিল
  4. মাইক্রোফোন
সঠিক উত্তর:
লাউড স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাউড স্পিকার
ব্যাখ্যা

• উল্লিখিত যন্ত্রগুলির মধ্যে লাউড স্পিকার বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। লাউড স্পিকারের মূল কাজ হলো বিদ্যুৎ সংকেতকে যান্ত্রিক কম্পনের মাধ্যমে বায়ুর কণার কম্পন সৃষ্টি করা, যা মানুষের কানের কাছে শব্দ হিসেবে পৌঁছায়। যখন স্পিকারে বৈদ্যুতিক সিগন্যাল প্রবাহিত হয়, তখন এটি স্পিকারের কনাস বা ঝিল্লিকে আড়ম্বরপূর্ণভাবে কম্পিত করে। এই কম্পন বায়ুর মধ্যে তরঙ্গ আকারে ছড়িয়ে পড়ে এবং শ্রোতার কানে শব্দ হিসাবে শোনা যায়। অন্যদিকে, জেনারেটর বিদ্যুৎ উৎপাদন করে, উইন্ডমিল যান্ত্রিক শক্তি উৎপাদন করে, এবং মাইক্রোফোন শব্দ শক্তিকে বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তর করে। তাই স্পিকারই একমাত্র যন্ত্র যা বিদ্যুৎকে শব্দে রূপান্তরিত করে।

শক্তির রূপান্তর:
- লাউড স্পিকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- মাইক্রোফোন- শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- জেনারেটর বা ডায়নামো- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- বৈদ্যুতিক মোটর- তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০৬০.
ক্লোরেফিলে কোন মৌলটির উপস্থিতি বিদ্যমান?
  1. ক) K
  2. খ) Ca
  3. গ) Mg
  4. ঘ) Na
সঠিক উত্তর:
গ) Mg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Mg
ব্যাখ্যা
- ক্লোরোফিল হচ্ছে একধরণের সবুজ রঞ্জক পদার্থ যা সায়ানোব্যাকটেরিয়ায় এবং উদ্ভিদ ও শৈবালের ক্লোরোপ্লাস্টে পাওয়া যায়।
- ক্লোরোফিল শব্দটি গ্রীক শব্দ থেকে নেয়া হয়েছে,তাই ক্লোরোফিলের শব্দগত অর্থ সবুজ পাতা।
- ক্লোরোফিল একটি অতীব প্রয়োজনীয় জৈব অণু যা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং উদ্ভিদকে সূর্যালোক থেকে শক্তি সংগ্রহে সাহায্য করে।
- ক্লোরেফিলে ম্যাগনেসিয়াম (Mg) এর উপস্থিতি রয়েছে।
২,০৬১.
জিংক এর খনিজ উৎস কোনটি?
  1. গ্যালেনা
  2. ক্যালামাইন
  3. বক্সাইট
  4. সিন্নাবার
সঠিক উত্তর:
ক্যালামাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালামাইন
ব্যাখ্যা
• জিংক এর খনিজ উৎস ক্যালামাইন।

• খনিজ সম্পদ:

- খনিজ সম্পদ প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে গঠিত হয়।
- এক বা একাধিক উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত হয়ে বা সামান্য পরিবর্তিত অবস্থায় যেসব রাসায়নিক প্রক্রিয়াজাত যৌগিক পদার্থ শিলাস্তরে সঞ্চিত থাকে তাকে খনিজ বলে।
- খনিজে সাধারণত বিভিন্ন শিলার উপাদানগুলো ভূ-তাত্ত্বিক সময়ের উপর নির্ভর করে ধীরে ধীরে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় পরিবর্তিত হয়ে খনিজ পদার্থে পরিণত হয়। যেমন-লৌহ আকরিক, চুনাপাথর, গ্রাভেল, কঠিন শিলা, গ্লাস স্যাণ্ড, তামা, অ্যালুমিনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ট্যাংস্টেন, সোনা, হীরা, রূপা, কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি মূল্যবান খনিজ সম্পদ।
- খনিজ সম্পদ অজৈব পদার্থ।
- খনিজ সম্পদের গঠন, উপাদান, আকার এবং ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে খনিজ সম্পদকে প্রধান তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. ধাতব খনিজ:
- ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি খনিজকে ধাতব খনিজ বলে।
- ধাতব খনিজ লৌহ বর্গীয় এবং অলৌহ বর্গীয় হয়ে থাকে।
- লৌহ বর্গীয় ধাতব খনিজসমূহ হলো- লৌহ, ম্যাঙ্গানিজ এবং নিকেল।
- অলৌহবর্গীয় খনিজসমূহ হলো- তামা, টিন, সোনা, রূপা, হীরা প্রভৃতি।

২. অধাতব খনিজ:
- যে সকল খনিজে ধাতব পদার্থ থাকে না তাকে অধাতব খনিজ বলে।
যেমন- সালফার, গ্রাফাইট, অভ্র এবং জিপসাম প্রভৃতি।

৩. শক্তিসম্পদ:
- যে সকল খনিজ সম্পদ প্রধানত শক্তি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় তাকে শক্তি সম্পদ বলে।
যেমন- খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা এবং আণবিক খনিজ প্রভৃতি।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- গ্যালেনা সীসার খনিজ উৎস।
- বক্সাইট অ্যালুমিনিয়ামের খনিজ উৎস।
- সিন্নাবার মার্কারির খনিজ উৎস।

উৎস:
১. ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
২,০৬২.
'গ্রে-হাইড্রোজেন'-এর তুলনায় 'গ্রীন-হাইড্রোজেনের' সুবিধা হল -
  1. এটি উৎপাদন করা সস্তা
  2. এতে কার্বন নিঃসরণ প্রায় শূন্য হয়
  3. এটি সংরক্ষণ এবং পরিবহন করা সহজ
  4. প্রতি একক আয়তনে এর শক্তি ঘনত্ব বেশি
সঠিক উত্তর:
এতে কার্বন নিঃসরণ প্রায় শূন্য হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এতে কার্বন নিঃসরণ প্রায় শূন্য হয়
ব্যাখ্যা

- গ্রে-হাইড্রোজেনের তুলনায় গ্রীন-হাইড্রোজেনের প্রধান সুবিধা হলো এর উৎপাদন ও ব্যবহারে কার্বন নিঃসরণ প্রায় শূন্য হয়, যা পরিবেশবান্ধব, যদিও বর্তমানে এটি উৎপাদন করা ব্যয়বহুল। 

হাইড্রোজেনের রঙভিত্তিক শ্রেণীবিভাগ: 
- ক্রমবর্ধমান বিশ্বব্যাপী সমর্থন, ব্যবহারের বহুমুখীতা এবং উচ্চ শক্তির ঘনত্ব হাইড্রোজেনকে জীবাশ্ম জ্বালানি শিল্পের জন্য একটি সম্ভাব্য বিঘ্নকারী প্রযুক্তিতে পরিণত করে। এই ভূমিকা পালনকারী হাইড্রোজেন শক্তিকে সহজতর করার জন্য এমন একটি শ্রেণীবিন্যাস প্রবর্তন করা প্রয়োজন যা ব্যবহৃত হাইড্রোজেনের কার্বন পদচিহ্নকে আলাদা করে। 

হাইড্রোজেনের প্রকারভেদ:
- ন্যাশনাল গ্রিড গ্রুপ বাদামী হাইড্রোজেন এবং গোলাপী হাইড্রোজেন সহ নয় ধরণের হাইড্রোজেনের নামকরণ করেছে।
- তবে সবচেয়ে সাধারণ তিনটি হলো- ধূসর হাইড্রোজেন (Grey Hydrogen), নীল হাইড্রোজেন (Blue Hydrogen) এবং সবুজ হাইড্রোজেন (Green Hydrogen)। 
- হাইড্রোজেনকে বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত করার একটি প্রধান কারণ হলো সবুজ ধোয়ার সুযোগ সীমিত করা। কারণ বর্তমানে উৎপাদিত বেশিরভাগ হাইড্রোজেন দূষণকারী এবং জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভর করে।
- সাধারণ তিনটি হাইড্রোজেন সম্পর্কে নিম্নে বর্ণনা দেওয়া হলো- 
১. ধূসর হাইড্রোজেন (Grey Hydrogen):
- ধূসর হাইড্রোজেন হলো হাইড্রোজেনের সবচেয়ে সাধারণ ধরণ। এটি মূলত বাষ্প মিথেন সংস্কার (SMR) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি করা হয় যেখানে প্রাকৃতিক গ্যাস বা অন্যান্য জীবাশ্ম জ্বালানি শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। স্বভাবতই, জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা এটিকে কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং গ্রিনহাউস গ্যাস-ভারী করে তোলে। প্রকৃতপক্ষে, হাইড্রোজেন উৎপাদনের সরাসরি ফলাফল হিসেবে বার্ষিক ৮৩০ মিলিয়ন টনেরও বেশি CO2 উৎপন্ন হয়।

২. নীল হাইড্রোজেন (Blue Hydrogen): 
- নীল হাইড্রোজেন হলো ধূসর হাইড্রোজেন উৎপাদনকে কার্বনমুক্ত করার প্রচেষ্টার ফলাফল। CCS (কার্বন ক্যাপচার এবং স্টোরেজ) প্রযুক্তি এবং CCU (কার্বন ক্যাপচার এবং ব্যবহার) উৎপাদন প্রক্রিয়ার সাথে একত্রিত হয়ে মোট কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন কমায়। তবে, নীল কার্বন প্রকল্পের কার্বন ক্যাপচারের হার ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়। 

৩. সবুজ হাইড্রোজেন (Green Hydrogen): 
- সবুজ হাইড্রোজেন হলো কম কার্বন হাইড্রোজেন উৎপাদনের একমাত্র রূপ। এটি সৌর, বায়ু এবং জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস থেকে শক্তির উপর নির্ভর করে, যা তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে হাইড্রোজেন উৎপাদন করে। প্রক্রিয়াটি সহজ এবং কোনও CO2 নির্গত করে না, যার ফলে সবুজ হাইড্রোজেন সবচেয়ে আকাঙ্ক্ষিত প্রকার।

বিশ্বব্যাপী, সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদন মোট উৎপাদিত হাইড্রোজেনের ১% এরও কম। সবুজ হাইড্রোজেনকে পিছনে রাখার প্রধান বাধা হল দাম। ২০২১ সালের হিসাবে, সবুজ হাইড্রোজেনের দাম ধূসর হাইড্রোজেনের চেয়ে তিন থেকে পাঁচ গুণ বেশি এবং নীল হাইড্রোজেনের দামের দ্বিগুণ। এই দাম সম্ভবত এটিকে শক্তির জন্য আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে এবং ধূসর হাইড্রোজেনের সাথে খরচ-প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে, যার ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

উৎস: International Energy Week Report [লিঙ্ক]।

২,০৬৩.
নিচের কোনটির মধ্যে চার্জ নেই?
  1. ক) গামা রশ্মি ও বিটা রশ্মি
  2. খ) আলফা রশ্মি ও এক্স-রে
  3. গ) এক্স-রে ও গামা রশ্মি
  4. ঘ) প্রোটন ও ইলেকট্রন
সঠিক উত্তর:
গ) এক্স-রে ও গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এক্স-রে ও গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা
এক্স রশ্মির ধর্ম ও প্রকৃতিঃ
- এক্স-রশ্মি চার্জিত কোন কণার প্রবাহ নয়।

- এরা দৃশ্যমান আলোকের মতই তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।
- দৃশ্যমান আলো ও এক্স-রশ্মির প্রধান পার্থক্য এদের তরঙ্গদৈর্ঘ্যে।
- দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য 7×10-7m  4 ×10-7m পর্যন্ত।
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10-8m থেকে 10-13m  পর্যন্ত।
- সাধারণ আলো বা দৃশ্যমান আলো অস্বচ্ছ পদার্থ ভেদ করতে পারে না।
- কিন্তু, এক্স-রশ্ম উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন। এটি চামড়া, মাংস ইত্যাদি ভেদ করে যেতে পারে।

গামা রশ্মির ধর্ম ও প্রকৃতিঃ
১। গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ।
২। এই রশ্মি আলোর ন্যায় বেগে গতিশীল।
৩। এর কোনো চার্জ ও ভর নাই।
৪। এই রশ্মি বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না।
৫। এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে।
৬। এর আয়নিত করার ক্ষমতা আছে তবে বিটা রশ্মি অপেক্ষা কম।
৭। জিংক সালফাইডে গামা রশ্মি প্রতিপ্রভ সৃষ্টি করে।
৮। গামা রশ্মির প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যাতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি সব আলোকীয় ধর্ম আছে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৬৪.
Species Plantarum বইটি রচনা করেন কে?
  1. ক) অ্যারিস্টটল
  2. খ) থিয়োফ্রাস্টাস
  3. গ) রবার্ট হুক
  4. ঘ) ক্যারোলাস লিনিয়াস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্যারোলাস লিনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্যারোলাস লিনিয়াস
ব্যাখ্যা
১৭৫৩ সালে সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস Species Plantarum বইটি রচনা করেন। এই বইটির প্রকাশনার মাধ্যমে তিনি দ্বিপদ নামকরণের প্রবর্তন করেন এবং গণ ও প্রজাতির সংজ্ঞা দেন। সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।
২,০৬৫.
কচুশাক বিশেষভাবে মূল্যবান যে উপাদানের জন্য তা হলো-
  1. লৌহ
  2. ভিটামিন-সি
  3. ক্যালসিয়াম
  4. ভিটামিন-এ
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা
নবম দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান (পৃষ্ঠা নং - ৯৪)

 

ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎসের তালিকায় কচু শাক দেয়া আছে। তবে, কচু শাক লৌহেরও ভাল উৎস। সম্ভবত প্রচলিত উত্তর লৌহ। কিন্তু, লৌহ এবং ক্যালসিয়াম একসাথে দেয়া হলে সঠিক উত্তর নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। যেহেতু, প্রধান উৎস হিসেবে জীববিজ্ঞান বইতে সরাসরি বলা আছে তাই এটাকেই উত্তর হিসেবে নেয়া হল। পাশপাশি সকল তথ্য দেয়া হল।
----------
লৌহ/আয়রনের উদ্ভিজ্জ উৎসঃ ফুলকপির পাতা, নটোশাক, নিম পাতা, ডুমুর, কাঁচা কলা, ভুট্টা, গম, বাদাম ইত্যাদি৷
ক্যালসিয়ামের উদ্ভিজ্জ উৎসঃ ডাল, তিল, গাজর, ফুলকপি, পালংশাক, কচুশাক, লাল শাক, বাধাকপি ইত্যাদি৷
উৎসঃ বিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণী
যদিও, এখানে লিস্টে নাম দেয়া হয়নি। তবে, কচু শাক লৌহের ভাল উৎস কোন সন্দেহ নেই। যাইহোক, দুইটা রেফারেন্সেরই দিক থেকে চিন্তা করলে ক্যালসিয়ামকে বাদ দেয়া যাচ্ছে না।
২,০৬৬.
বৈদ্যুতিক মোটর তড়িৎ শক্তিকে নিচের কোন শক্তিতে রূপান্তর করে?
  1. তড়িচ্চৌম্বকীয় শক্তি
  2. যান্ত্রিক শক্তি
  3. রাসায়নিক শক্তি
  4. তাপ শক্তি
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক শক্তি
ব্যাখ্যা

শক্তির রূপান্তর: 
- লাউড স্পীকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা- বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- মাইক্রোফোন- শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- জেনারেটর বা ডায়নামো- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- বৈদ্যুতিক মোটর- তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে।
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০৬৭.
অক্সিজেনের পারমাণবিক ভর কত?
  1. ক) ৮
  2. খ) ৩২
  3. গ) ১৬
  4. ঘ) ১৮
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬
ব্যাখ্যা
- বায়ুমণ্ডলীয় অক্সিজেনের আণবিক ভর হল 32 একক।
- অক্সিজেনের রাসায়নিক সংকেত O2
- এতে ২টি পরমাণু উপস্থিত রয়েছে।
সুতরাং, অক্সিজেনের পারমাণবিক ভর ১৬।

উৎস
: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২,০৬৮.
নিম্নের কোনটি ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট রোগ?
  1. যক্ষ্মা
  2. পোলিও
  3. ম্যালেরিয়া
  4. কলেরা 
সঠিক উত্তর:
পোলিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোলিও
ব্যাখ্যা

◉ পোলিও (Poliomyelitis) একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা Poliovirus দ্বারা সংক্রমিত হয়। এটি মূলত স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে এবং অনেক ক্ষেত্রে স্থায়ী পঙ্গুত্ব সৃষ্টি করতে পারে।

ভাইরাসজনিত রোগ:
- এইডস,
- পোলিও, 
- ডেঙ্গু,
- ইনফ্লুয়েঞ্জা,
- পীতজ্বর,
- হাম,
- রুবেলা,
- মাম্পস,
- জন্ডিস,
- হার্পিস ইত্যাদি।

ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ:
- আমাশয়,
- কলেরা,
- কুষ্ঠ,
- যক্ষ্মা,
- ধনুষ্টংকার,
- ডিপথেরিয়া,
- হুপিং কাশি ইত্যাদি।

অন্যদিকে, ম্যালেরিয়া — Plasmodium প্রজাতির প্রোটোজোয়া দ্বারা সৃষ্ট, যা মশার মাধ্যমে ছড়ায়।

উৎস: উদ্ভিদ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।

২,০৬৯.
শুকনো কিসমিস পানিতে রাখলে ফুলে উঠে কোন প্রক্রিয়ায়?
  1. ব্যাপন
  2. প্রস্বেদন
  3. অভিস্রবন
  4. ইমবাইবিশন
সঠিক উত্তর:
অভিস্রবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিস্রবন
ব্যাখ্যা
অভিস্রবণ: 
- যে প্রক্রিয়ায় একটি বৈষম্যভেদ্য ঝিল্লিয মধ্য দিয়ে হালকা ঘনত্বের দ্রবণ হতে পানি (দ্রাবক) অধিক ঘন দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে অভিস্রবণ বলে। 
- দুটি দ্রবণের ঘনত্ব সমান না হওয়া পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে। 
- পানিতে কিসমিস ডুবিয়ে রাখলে অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় কিছুক্ষণের মধ্যেই কিসমিস ফুলে ওঠে। 

- অভিস্রবণ দু'ধরনের। 
যথা - 
(১) অন্তঃঅভিস্রবণ: 
- দ্রাবক যখন কোষের বাইরে থেকে ভেতরে প্রবেশ করে তখন অন্তঃঅভিস্রবণ ঘটে। 
- অন্তঃঅভিস্রবণের ফলে মাটি থেকে পানি মূলরোমে প্রবেশ করে; উদ্ভিদ মাটি থেকে পানি শোষণ করতে পারে। 
উদাহরণ - কিসমিস পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ধীরে ধীরে ফুলে উঠে। 

(২) বহিঃঅভিস্রবণ: 
- দ্রাবক যখন কোষের ভেতর থেকে বাইরে আসে তখন বহিঃঅভিস্রবণ ঘটে। 
- টসটসে আঙ্গুর ঘন চিনির কিংবা লবণের দ্রবণে ডুবিয়ে রাখলে কিছুটা চুপসে যায়। কারণ বহিঃঅভিস্রবণের ফলে আঙ্গুরের ভেতরের পানি বাইরের ঘন দ্রবণে চলে আসে। 
 
উৎস: উদ্ভিদ বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। 
২,০৭০.
লিসমেনিয়া ((Leishmania) নামক পরজীবীর আক্রমণে মানবদেহে কোন রোগের সংক্রমণ দেখা দেয়?
  1. ডেঙ্গু জ্বর
  2. কালাজ্বর
  3. ফাইলেরিয়া জ্বর
  4. কুষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
কালাজ্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালাজ্বর
ব্যাখ্যা

লিসমেনিয়া (Leishmania) নামক পরজীবীর আক্রমণে মানবদেহে কালাজ্বর (Leishmaniasis বা Kala-azar) নামক সংক্রামক রোগ দেখা দেয়।
- বাংলাদেশে ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া এলাকা হলো সর্বাধিক কালাজ্বর প্রবণ এলাকা।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে ম্যালেরিয়া সবচেয়ে বেশি দেখা দেয়।
- আর ঠাকুরগাঁও সহ উত্তরাঞ্চলের অন্যান্য জেলাগুলো হলো ফাইলেরিয়া প্রবণ এলাকা।
সূত্র: Encyclopedia Britannica থেকে বঙ্গানুবাদ ও সহজীকৃত.

২,০৭১.
বুধ গ্রহের ক্ষেত্রে সত্য নয় কোনটি?
  1. ক) বুধ গ্রহের উপগ্রহ আছে।
  2. খ) সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ।
  3. গ) সূর্যের নিকটতম গ্রহ।
  4. ঘ) সৌরজগতের দ্রুততম গ্রহ।
সঠিক উত্তর:
ক) বুধ গ্রহের উপগ্রহ আছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বুধ গ্রহের উপগ্রহ আছে।
ব্যাখ্যা
সৌরজগৎ:

- সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতি।
- সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ বুধ।
- সূর্যের নিকটতম গ্রহ বুধ।
- সৌরজগতের দ্রুততম গ্রহ বুধ।
- পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ শুক্র।
- সৌরজগতের বুধ ও শুক্র গ্রহের উপগ্রহ নেই।
- সৌরজগতের শনি গ্রহের উপগ্রহ সবচেয়ে বেশি।
- বুধ ৮৮ দিনে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮।
২,০৭২.
হাইড্রোজেনের কোন আইসোটোপ প্রকৃতিতে পাওয়া যায় না?
  1. ট্রাইটিয়াম
  2. ডিউটেরিয়াম
  3. প্রোটিয়াম
  4. কুইন্টিয়াম
সঠিক উত্তর:
কুইন্টিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুইন্টিয়াম
ব্যাখ্যা

• কুইন্টিয়াম - প্রকৃতিতে পাওয়া যায় না। 

• আইসোটোপ:
- যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে।
- হাইড্রোজেনের মোট ৭টি আইসোটোপ (1H, 2H, 3H, 4H, 5H, 6H এবং 7H) আছে।
- প্রকৃতিতে পাওয়া গেছে ৩টি (প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম) আইসোটোপ এবং অন্যগুলো ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।
- প্রকৃতিতে পাওয়া তিনটি পরমাণুরই প্রোটন সংখ্যা সমান, তাই তারা একে অপরের আইসোটোপ।
- এখন পর্যন্ত ৩০০০ সংখ্যক থেকে বেশি আইসোটোপ সম্পর্কে জানা গেছে।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

২,০৭৩.
কত ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানি বাষ্পে পরিণত হয়?
  1. ৯১°
  2. ১০০°
  3. ৯৭°
  4. ৯৫°
সঠিক উত্তর:
১০০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০°
ব্যাখ্যা

গলনাংক:
- আমরা জানি শীতল অবস্থায় পানি কঠিন বরফ হিসেবে থাকে।
- প্রমাণ চাপে বরফ ০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় গলে যায়।
- পানির গলনাংক কত সেলসিয়াসে হয়?
- অর্থাৎ, পানির গলনাংক ০° সেলসিয়াস।

স্ফুটনাংক:
- প্রমাণ চাপে অর্থাৎ ৭৬০ মি মি পারদ চাপে পানি ১০০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানি বাষ্পে পরিণত হয়।
- অর্থাৎ, পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০৭৪.
বেতার যন্ত্র আবিষ্কার করেন কে? 
  1. জন বেয়ার্ড
  2. জি. মার্কনী
  3. গ্রাহাম বেল
  4. ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
সঠিক উত্তর:
জি. মার্কনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জি. মার্কনী
ব্যাখ্যা
- ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটে। 
- ১৮৬৪ সালে বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল আলোর তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের ধারণা দেন। 
- তিনি তড়িৎ ক্ষেত্র এবং চুম্বক ক্ষেত্র একত্র করে তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের বিকাশ ঘটান যা পরবর্তীতে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী হেনরিখ হার্জের পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয়। 
- ১৮৯৬ সালে বিজ্ঞানী মার্কনী তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করে অধিক দূরত্বে সংকেত পাঠানোর পন্থা আবিষ্কার করেন। 
- বাঙ্গালী বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুও একই প্রকার পরীক্ষা নীরিক্ষা চালান। 
- পরবর্তীতে বিজ্ঞানী জি. মার্কনী বেতার যন্ত্র আবিষ্কার করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৭৫.
দুধের ঘনত্ব পরিমাপের যন্ত্রের নাম কী?
  1. হাইগ্রোমিটার
  2. ল্যাকটোমিটার
  3. পাইরোমিটার
  4. ক্রোনোমিটার
সঠিক উত্তর:
ল্যাকটোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ল্যাকটোমিটার
ব্যাখ্যা
পরিমাপক যন্ত্র:
- দুধের ঘনত্ব পরিমাপের যন্ত্রের নাম ল্যাকটোমিটার।
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র থার্মোমিটার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
২,০৭৬.
কসমিক-রে এর আবিষ্কারক -
  1. উইলিয়াম রাদারফোর্ড
  2. ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস
  3. রন্টজেন
  4. স্টিফেন হকিং
সঠিক উত্তর:
ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস
ব্যাখ্যা
মহাজাগতিক রশ্মি (Cosmic rays):

• বাইরে থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বলা হয়।
• ধারণা করা হয় ছায়াপথের বাইরে নতুন নতুন নক্ষত্রের বিস্ফোরণের ফলে বেশির ভাগ মহাজাগতিক রশ্মির সৃষ্টি হয়।
কসমিক-রে  বা মহাজাগতিক রশ্মির আবিষ্কারক-  ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস।
• মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 
• ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস একজন অস্ট্রীয়-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।
• বেলুনের মাধ্যমে বহনযোগ্য বিভিন্ন যন্ত্রের মাধ্যমে হেস এবং তার সহকর্মীরা প্রমাণ করেছিলেন, যে বিকিরণ পরিবেশকে আয়নিত করে তার উৎস হল মহাজাগতিক।

উৎস: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।
২,০৭৭.
নিচের কোনটি ইবোলা ভাইরাসের লক্ষণ নয়?
  1. ক) জ্বর হওয়া
  2. খ) পেশীতে ব্যথা অনুভব করা
  3. গ) মাথাব্যথা
  4. ঘ) উচ্চ রক্তচাপ
সঠিক উত্তর:
ঘ) উচ্চ রক্তচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উচ্চ রক্তচাপ
ব্যাখ্যা
উচ্চ রক্তচাপ ইবোলা ভাইরাসের লক্ষণ নয়। 

লক্ষণ- 
- ভাইরাস শরীরে প্রবেশের ২-২১ দিনের মধ্যে লক্ষণ প্রকাশ পেয়ে থাকে, গড়ে ৭-১০ দিন।
- প্রাথমিকভাবে ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো জ্বর, ক্ষুধামন্দা, গা ব্যথা, মাথা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, কাশি ইত্যাদি দেখা দেয়।
- এর পরে বমি, পাতলা পায়খানা এবং ত্বকে লক্ষণ প্রকাশ পায়।
- নাক, মাড়ি, চোখ, বমিতে রক্তক্ষরণ হতে পারে।
- ত্বকে রক্তক্ষরণের কারণে এক ধরনের ছোপ ছোপ লালচে ক্ষত দেখা দেয়, কাশি এবং মলেও রক্তক্ষরণ হয়।
- শরীরের ভেতর রক্তক্ষরণ হতে থাকে, লিভার ও কিডনির কার্যক্ষমতাও কমতে থাকে।
- এ রোগের কিছু লক্ষণ ম্যালেরিয়া বা ডেঙ্গুজ্বরের মতো মনে হতে পারে। ৮-১২ দিনের মধ্যে মৃত্যু হয়ে থাকে।
-দুর্বলতা এবং অস্থি জোড়ার ব্যথা রোগ প্রশমনের দীর্ঘকাল পরও পরিলক্ষিত হয়। 

সূত্র: WHO Website [লিঙ্ক]
২,০৭৮.
কোন বিজ্ঞানীকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির জনক বলা হয়?
  1. হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান ওয়েরস্টেড
  2. গ্যালিলিও গ্যালিলি
  3. আইজ্যাক নিউটন
  4. নিকোলাস কোপার্নিকাস
সঠিক উত্তর:
গ্যালিলিও গ্যালিলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালিলিও গ্যালিলি
ব্যাখ্যা
ভৌত বিজ্ঞানে বিজ্ঞানীদের অবদান: 
- নিকোলাস কোপার্নিকাস একজন জ্যোর্তিবিজ্ঞানী ছিলেন। তিনিই প্রথম ধারণা দেন যে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে। 
- পরবর্তীতে জোহান কেল্লার গ্রহের গতি সম্পর্কিত সূত্র আবিস্কার করেন যা কেপলারের সূত্র নামে পরিচিত। তিনি প্রচলিত বৃত্তাকার কক্ষপথের ধারণা পাল্টে উপবৃত্তাকার কক্ষপথের কল্পনা করেন। 
- গ্যালিলিও গ্যালিলিকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির জনক বলা হয়। তিনিই প্রথম প্রমাণ করেন যে পরীক্ষণ এবং বিভিন্ন রাশির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মূল ভিত্তি। পরীক্ষালব্ধ ফলাফল ছাড়া কখনোই কোন ঘটনা গাণিতিকভাবে প্রমাণ করা যায় না। 
- আইজ্যাক নিউটন ছিলেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের একজন। তিনি মহাকর্ষসূত্র, ব্যবকলন ক্যালকুলাসের নীতি প্রবর্তন করেন। এছাড়া তিনি আলোর কণাতত্ত্ব আবিষ্কার করেন। তিনি হচ্ছেন ক্ল্যাসিক্যাল মেকানিক্স এর জনক। 
- অষ্টাদশ থেকে ঊনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত আবিষ্কার ইউরোপে শিল্প বিপ্লব ঘটায়। 
- জেমস্ ওয়াটের বাষ্পীয় ইঞ্জিন শিল্প বিপ্লবে অগ্রণী ভূমিকা রাখে। 
- হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান ওয়েরস্টেড তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া আবিষ্কার করেন। 
- পরবর্তীতে মাইকেল ফ্যারাডে, হেনরী, লেঞ্জ প্রমূখ বিজ্ঞানীগণ চৌম্বকীয় ক্রিয়ার মাধ্যমে তড়িৎ প্রবাহ উৎপাদন করার তত্ত্ব আবিষ্কার করেন। এটি ছিল যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরের কৌশল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৭৯.
শ্বেত রক্তকণিকা (লিউকোসাইট) সম্পর্কিত কোন বিবৃতিটি সঠিক নয়?
  1. শ্বেত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে
  2. ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ভক্ষণ করে
  3. মানবদেহে শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা প্রতি ঘনমিলিমিটার রক্তে ৪ - ১১ হাজার 
  4. রক্তপ্রবাহে শ্বেত রক্তকণিকা সাধারণত মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়
সঠিক উত্তর:
রক্তপ্রবাহে শ্বেত রক্তকণিকা সাধারণত মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তপ্রবাহে শ্বেত রক্তকণিকা সাধারণত মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়
ব্যাখ্যা

শ্বেত রক্তকণিকা সাধারণত অস্থিমজ্জা (bone marrow) এবং লিম্ফয়েড অঙ্গাণু যেমন লিম্ফ নোড (lymph nodes) ও প্লীহা (spleen) -তে বিভাজিত হয়, রক্তপ্রবাহের মধ্যে নয়।

শ্বেত রক্তকণিকা:
- শ্বেত রক্তকণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস করে।
- হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্তকণিকা বলে।
- ইংরেজিতে White Blood Cell বা WBC বলে।
- রক্তে এদের সংখ্যা RBC-এর তুলনায় অনেক কম। অ্যামিবার মতো দেহের আকারের পরিবর্তন করে।
- রক্ত জালিকার প্রাচীর ভেদ করে টিস্যুর মধ্যে প্রবেশ করতে পারে।
- শ্বেত কণিকাগুলো রক্তরসের মধ্য দিয়ে নিজেরাই চলতে পারে।
- দেহ বাইরের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে, দ্রুত শ্বেত কণিকার সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটে।
- মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ৪ - ১১ হাজার (গড়ে ৭৫০০) শ্বেত রক্তকণিকা থাকে।

শ্বেত রক্তকণিকার বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. শ্বেত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস আছে।
২. শ্বেত রক্তকণিকার আকার অনিয়মিত ও বড়।
৩. শ্বেত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন নেই।
৪. শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা লোহিত রক্তকণিকার তুলনায় অনেক কম।
৫. শ্বেত রক্তকণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (প্রাণিবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০৮০.
What is the specific name of the virus that causes dengue fever?
  1. Filovirus
  2. Togavirus
  3. Bunyavirus
  4. Flavivirus
  5. Orthomyxovirus
সঠিক উত্তর:
Flavivirus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Flavivirus
ব্যাখ্যা
- ডেঙ্গু জ্বরের ভাইরাস হচ্ছে- ফ্ল্যাভি ভাইরাস। 

ভাইরাস: 
- প্রাণী ও উদ্ভিদ দেহে ভাইরাস নানাবিধ রোগ উৎপন্ন করে। 
- ভাইরাস আক্রমণের ফলে মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব এমনকি অকাল মৃত্যুও হতে পারে। 
- স্বল্প পরিসরে ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অনেক উপকারও করে। 
- তবে তুলনামূলকভাবে ভাইরাস মানুষের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে থাকে। 

ভাইরাসের অপকারিতা: 
১। বিভিন্ন প্রকার ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর নানা রকমের রোগ উৎপন্ন করে। 
- এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু রোগের নাম, পোষকের নাম এবং ভাইরাসের নাম হলো - 
 
অপশন আলোচনা:
ক) Filovirus - Ebola virus (Ebola virus disease),
খ) Togavirus - Chikungunya virus (Chikungunya fever),
গ) Bunyavirus - Hantavirus (Hantavirus pulmonary syndrome),
ঘ) Flavivirus - Dengue virus (Dengue fever), Zika virus (Zika fever),
ঙ) Orthomyxovirus - Influenza virus (Influenza, commonly known as flu).

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৮১.
কোন অবস্থায় প্রতিবিম্ব লক্ষ্যবস্তুর আকারের সমান হয়? 
  1. m = 1
  2. m < 1
  3. m > 1
  4. m = 0
সঠিক উত্তর:
m = 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
m = 1
ব্যাখ্যা

রৈখিক বিবর্ধন: 
- সমতল দর্পণে বিম্বের আকার এবং আকৃতি লক্ষ্যবস্তুর আকার ও আকৃতির সমান হয়, কিন্তু গোলীয় দর্পণ এবং লেন্সের ক্ষেত্রে গঠিত প্রতিবিম্বের আকার লক্ষ্যবস্তুর সমান, ছোট বা বড় হয়।
- প্রতিবিম্ব লক্ষ্যবস্তুর তুলনায় কতগুণ বড় বা ছোট সেই রাশিকে তার বিবর্ধন বলে। 
- কোনো বিস্তৃত বস্তুর বিবর্ধন পরিমাপের জন্য বিম্বের দৈর্ঘ্য এবং লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে ব্যবহার করা হয়। 
- তাই বিম্বের দৈর্ঘ্য এবং লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে রৈখিক বিবর্ধন বলে। 
ধরা যাক, কোনো লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্য L এবং প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য Li । 
তাহলে, রৈখিক বিবর্ধন m = Li/Lo  । 
• m > 1 হলে, প্রতিবিম্বটি বিবর্ধিত হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রতিবিম্বের আকার বড় হবে। 
m = 1 হলে, প্রতিবিম্বটি লক্ষ্যবস্তুর সমান হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তুর আকার ও প্রতিবিম্বের আকার সমান হবে। 
• m < 1 হলে, প্রতিবিম্বটি খর্বিত হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রতিবিম্বের আকার ছোট হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০৮২.
জৈব যৌগসমূহ সাধারণত কোন বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত হয়?
  1. ক) আয়নিক
  2. খ) ধাতব
  3. গ) সন্নিবেশ
  4. ঘ) সমযোজী
সঠিক উত্তর:
ঘ) সমযোজী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সমযোজী
ব্যাখ্যা
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতসমূহকে বলা হয় জৈব যৌগ।
- অজৈব যৌগ: পানি, খাবার লবণ, খাবার সোডা, কাপড় কাচার সোডা, কস্টিক সোডা, চুন, মরিচা ইত্যাদি।
-জৈব যৌগ: মিথেন, ইথেন, বেনজিন, ইউরিয়া, প্রোপিন, পেন্টাইন ইত্যাদি।
- জৈব যৌগের বিক্রিয়া হতে সাধারণত অনেক বেশি সময় লাগে।
- জৈব যৌগসমূহ সাধারণত সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২,০৮৩.
সর্বাপেক্ষা বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ হচ্ছে-
  1. ক) ইনফ্রারেড
  2. খ) রেডিও ওয়েভ
  3. গ) আল্ট্রা ভায়োলেট আলো
  4. ঘ) মাইক্রোওয়েভ
সঠিক উত্তর:
খ) রেডিও ওয়েভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রেডিও ওয়েভ
ব্যাখ্যা
তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যদি দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে ছোট হয় সেটাকে আমরা বলি আল্ট্রা ভায়োলেট আলো, আরো ছোট হলে এক্স-রে আরো ছোট হলে গামা রে- যেটা তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস থেকে বের হয়। আবার তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যদি দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে বড় হয় সেটাকে আমরা বলি ইনফ্রারেড, আরো বড় হলে মাইক্রোওয়েভ এবং আরো বড় হলে রেডিও ওয়েভ।
সবচেয়ে ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট আলোকে গামা রে বলে এবং সবচেয়ে বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট আলোকে রেডিও ওয়েভ বলে। 

[সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি]
২,০৮৪.
আইপিএস চালানোর জন্য এবং গাড়ির ব্যাটারিতে ব্যবহৃত অত্যাবশ্যকীয় উপাদান কোনটি?
  1. নাইট্রিক এসিড
  2. সালফিউরিক এসিড
  3. ফসফরিক এসিড
  4. হাইড্রোক্লোরিক এসিড
সঠিক উত্তর:
সালফিউরিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফিউরিক এসিড
ব্যাখ্যা
- সৌর প্যানেলে তৈরি সৌরবিদ্যুৎ সংরক্ষণের জন্য সালফিউরিক এসিড (H₂SO₄) ব্যবহার করা হয়।
- বাসাবাড়িতে আইপিএস (IPS) চালানোর জন্য এবং গাড়িতে যে ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়, তার অত্যাবশ্যকীয় একটি উপাদান হলো সালফিউরিক এসিড (H₂SO₄)।
- ফসল উৎপাদনের জন্য সার হলো অতি প্রয়োজনীয় একটি জিনিস।
- সার হিসেবে আমরা যেগুলো ব্যবহার করি তার মধ্যে অন্যতম হলো অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH₄NO₃), অ্যামোনিয়াম সালফেট [(NH₄)₂SO₄] ও অ্যামোনিয়াম ফসফেট [(NH₄)₃PO₄]।
- সার কারখানায় এগুলো তৈরি করা হয় যথাক্রমে নাইট্রিক এসিড (HNO₃), সালফিউরিক এসিড (H₂SO₄) এবং ফসফরিক এসিড (H₃PO₄) ব্যবহার করে।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৭ সংস্করণ]।
২,০৮৫.
উত্তম জারক পদার্থ হচ্ছে -
  1. O3
  2. H2
  3. H2O
  4. Na
সঠিক উত্তর:
O3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
O3
ব্যাখ্যা
- জারণ হলো এক প্রকারের বিক্রিয়া যাতে কোনো রাসায়নিক সত্তা (অণু, পরমাণু, মূলক বা আয়ন) ইলেকট্রন প্রদান করে।
- জারণ বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে যে সত্তা তাকে বিজারক ও যার দ্বারা জারণ সংঘটিত হয় তাকে জারক বলে।
- যে পদার্থটির জারণ ঘটে, তা জারিত হয়েছে বলা হয়।
জারক মনে রাখার উপায়:- সকল পারঅক্সাইড,অক্সি এসিড, ক্যাটায়ন, ইক্ লবণ, অক্সিজেন, ওজোন গ্যাস, হ্যালোজেন ও রাজঅম্ল জারক।
FeSO4 বাদে অক্সিজেনেরর প্রাচুর্য আছে এমন সকল যৌগ জারক।
বিজারক মনে রাখার উপায়:- সকল আস্ লবণ, ধাতু, C ও CO ও হাইড্রোজেন বিজারক।
তাছাড়া H2O2, SO2 , O3 তিনটি পদার্থে জারক, বিজারক দুইটা ধর্মই আছে।
O3 হচ্ছে উত্তম জারক পদার্থ। 

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর রসায়ন (২য় পত্র) বোর্ড বই ও মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
২,০৮৬.
মানবদেহের রক্ত সংবহনতন্ত্র কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
রক্ত সংবহনতন্ত্র:

- মানবদেহের রক্ত সংবহনতন্ত্র প্রধানত: ২ প্রকার
• সিস্টেমিক সংবহনতন্ত্র।
• পালমোনারি সংবহনতন্ত্র।
- রক্ত সংবহনের জন্য বিভিন্ন অঙ্গের পারস্পরিক সহযোগিতায় যে অঙ্গতন্ত্র গঠিত হয় তাকে “রক্ত সংবহনতন্ত্র” বলে।
- এ তন্ত্র রক্ত, রক্তবাহিকা ও হৃদপিণ্ড দিয়ে গঠিত।
- মানবদেহের রক্তবাহিকাগুলো দু'ধরনের রক্ত সংবহন চক্র গঠন করে। যথা:
• সিস্টেমিক চক্র।
• পালমোনারি চক্র।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৮৭.
একবিংশ শতাব্দীর প্রথম ‍ধূমকেতুর নাম কি?
  1. হ্যালি
  2. লারা
  3. উল্কা
  4. লাইনিয়ার
সঠিক উত্তর:
লাইনিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইনিয়ার
ব্যাখ্যা
- একুশ শতকের প্রথম ধূমকেতুটির নাম ছিল C/1999 S4 (LINEAR)। 
- এটি 27 সেপ্টেম্বর, 1999 -এ লিঙ্কন নিয়ার-আর্থ অ্যাস্টেরয়েড রিসার্চ (LINEAR) প্রকল্প দ্বারা আবিষ্কৃত হয়েছিল, যা নিউ মেক্সিকোতে স্বয়ংক্রিয় টেলিস্কোপের একটি সিস্টেম ছিল যার লক্ষ্য ছিল ধূমকেতু এবং গ্রহাণু সহ পৃথিবীর কাছাকাছি বস্তুগুলি সনাক্ত করা। 
- এই ধূমকেতুটি সবার মনোযোগ আকর্ষণ করেছিল কারণ এটি সূর্যের কাছে আসার সাথে সাথে দিনের বেলাও খালি চোখে দৃশ্যমান হয়েছিল। 
- এটি 2000 সালের জুলাই মাসে সূর্যের নিকটবর্তী হওয়ার কারণে এটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। 

উৎস: [লিঙ্ক]।
২,০৮৮.
মানুষের দেহে করোটিক স্নায়ু সংখ্যা কতটি?
  1. ১২টি
  2. ২৪টি
  3. ৩১টি
  4. ৪৬টি
সঠিক উত্তর:
২৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪টি
ব্যাখ্যা
করোটিক স্নায়ু: 
- যে সব স্নায়ু মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ থেকে উৎপত্তি লাভ করে করোটিকার বিভিন্ন ছিদ্রপথে বের হয়ে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে বিস্তৃত হয় তাদের করোটিক স্নায়ু বলে। 
- মানুষের করোটিক স্নায়ু ১২ জোড়া বা ২৪টি। 
- করোটিক স্নায়ুসমূহ সেনসরি বা সংবেদী, মটর বা আজ্ঞাবাহী/চেষ্টীয় এবং মিশ্র প্রকৃতির হয়ে থাকে। 
- যে সকল স্নায়ু কোন সংবেদী অঙ্গ থেকে উদ্দীপনা বহন করে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে বা মস্তিষ্কে পৌঁছে দেয় তাদের সংবেদী স্নায়ু বলে। 
যেমন- অলফ্যাক্টরি ও অপটিক স্নায়ু। 
- আবার যে সব স্নায়ু কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের কোন নির্দেশ বহন করে নির্দিষ্ট অঙ্গে পৌঁছে দেয় তাদের চেষ্টীয় বা আজ্ঞাবাহী বা মোটর স্নায়ু বলে। 
যেমন- অকুলোমোটর ও ট্রকলিয়ার স্নায়ু। 
- কিছু স্নায়ু সংবেদী ও আজ্ঞাবাহী উভয় ধরনের কাজ করে, এদের মিশ্র স্নায়ু বলে। 
যেমন- ফ্যাসিয়াল বা ট্রাইজেমিনাল স্নায়ু। 

অলফ্যাক্টরি স্নায়ু: 
- অগ্রমস্তিষ্কের অঙ্কীয়দেশ (অলফ্যাক্টরি লোবের শীর্ষদেশ) হতে উৎপন্ন হয়ে নাসিকা গহবরের মিউকাস পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।
- এটি সংবেদী স্নায়ু এবং মস্তিষ্কে ঘ্রাণের অনুভূতি পৌঁছায়।

অন্যদিকে, 
- মানবদেহে সুষুম্না কাণ্ড থেকে ৩১ জোড়া বা ৬২টি সুষুম্না স্নায়ু উৎপন্ন হয়। 
- মানুষের জীবকোষে ক্রোমোজোম আছে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৮৯.
সিলভারিং কী?
  1. কাচের ওপর ধাতুর প্রলেপ
  2. লোহার ওপর ধাতুর প্রলেপ
  3. টিনের ওপর ধাতুর প্রলেপ
  4. প্লাটিনামের ওপর ধাতুর প্রলেপ
সঠিক উত্তর:
কাচের ওপর ধাতুর প্রলেপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাচের ওপর ধাতুর প্রলেপ
ব্যাখ্যা
সিলভারিং:
- কাচের ওপর পারদ বা রূপার প্রলেপ লাগানোর প্রক্রিয়াকে সিলভারিং বলে।
- একে প্যারা লাগানোও বলা হয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,০৯০.
সবুজ আলোতে গোলাপ ফুলকে কেমন দেখাবে?
  1. ক) লাল
  2. খ) সবুজ
  3. গ) গোলাপী
  4. ঘ) কালো
সঠিক উত্তর:
ঘ) কালো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কালো
ব্যাখ্যা
সবুজ আলোতে গোলাপ ফুল থেকে কোনো রঙই প্রতিফলিত হয় না বলে গোলাপ ফুলকে কালো দেখায়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
২,০৯১.
এসিড বৃষ্টির ক্ষেত্রে বায়ুমণ্ডলে অধঃক্ষেপণ বৃষ্টিতে pH এর মান কত হয়?
  1. ৭ এর কম কিন্তু ৬ এর বেশি
  2. ৫.৬ এর কম
  3. ৩.৫ এর কম
  4. ২.৬ এর কম
সঠিক উত্তর:
৫.৬ এর কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৬ এর কম
ব্যাখ্যা

- বায়ুমণ্ডলে অধঃক্ষেপণ বৃষ্টিতে pH এর মান ৫.৬ এর কম হলেই ঐ অধঃক্ষেপণকে এসিড বৃষ্টি বলে।
- এসিড বৃষ্টির কারণ হলো মনুষ্যসৃষ্ট বায়ু দূষণ ক্রিয়া।
- সাধারণত কলকারখানা অঞ্চলের এসিড বৃষ্টির পানির pH এর মান ৫.৬ থেকে ৩.৫ এর মধ্যে থাকে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

২,০৯২.
বিদ্যুৎবাহী তারে পাখি বসলে সাধারণত বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয় না কারণ-
  1. ক) পাখির গায়ে বিদ্যুৎরোধী আবরণ থাকে
  2. খ) পাখির দেহের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় না
  3. গ) বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হলেও পাখি মরে না
  4. ঘ) মাটির সঙ্গে সংযোগ হয় না।
সঠিক উত্তর:
ঘ) মাটির সঙ্গে সংযোগ হয় না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মাটির সঙ্গে সংযোগ হয় না।
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎবাহী তারে পাখি বসলে সাধারণত বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয় না কারণ মাটির সঙ্গে সংযোগ হয় না।
- বর্তনী সম্পূর্ণ করতে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জের সংযোগের প্রয়োজন হয়। কিন্তু বিদ্যুৎবাহী তারে পাখি বসলে বর্তনী পূর্ণ হয় না বলে পাখি বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যায় না। 
- কিন্তু পাখিটি যদি অন্য তার স্পর্শ করে কিংবা ভূ - সংযুক্ত কোনো পরিবাহীর সংস্পর্শে আসে, তাহলে বর্তনী পূর্ণ হবে এবং এর ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হওয়ার ফলে পাখিটি মারা যাবে।

উৎস: সাধারন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।
২,০৯৩.
পৃথিবী থেকে উপরে উঠলে বস্তুর ওজন - 
  1. কমে
  2. বাড়ে
  3. স্থির থাকে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমে
ব্যাখ্যা
- কোন বস্তুকে পৃথিবী তার কেন্দ্রের দিকে যে বলে আকর্ষণ করে, তাকে ঐ বস্তুর ওজন বলে। 
- পৃথিবী থেকে যতই উপরে উঠা যায় বস্তুর ওজন ততই কমতে থাকে। 
- এরূপে চাঁদে কোন বস্তুর ওজন পৃথিবীতে ঐ বস্তুর ওজনের ছয় ভাগের এক ভাগ (১/৬) হয়। 
অর্থাৎ, পৃথিবীতে কোন বস্তুর ওজন ৬০ নিউটন হলে চাঁদে ঐ জিনিসের ওজন ১০ নিউটন হবে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
২,০৯৪.
বর্ষাকালে কাপড় দেরিতে শুকায়, এর প্রধান কারণ কী?
  1. বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কম থাকে
  2. আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকে
  3. বায়ুর তাপমাত্রা কম থাকে
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকে
ব্যাখ্যা
- বর্ষাকাল অপেক্ষা শীতকালে ভিজা কাপড় দ্রুত শুকায় ভিজা কাপড় শুকানো অর্থ কাপড়ের জলকণা বাষ্পায়নের মাধ্যমে উবে যাওয়া।
- বর্ষাকালে বাতাসের তাপমাত্রা বেশি হলেও আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকে।
- ফলে বাষ্পায়নের হার কমে যায়।
- অন্য দিকে শীত কালে বাতাসের তাপমাত্রা কম হলেও আপেক্ষিক আর্দ্রতা কম থাকে অর্থাৎ বাতাস শুকনো থাকে ফলে জলকণার দ্রুত বাষ্পায়ন হয় এবং ভেজা কাপড় দ্রুত শুকায়।

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৯৫.
আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব অনুযায়ী স্থান, ভর ও সময় সম্পর্কে কী বলা হয়েছে? 
  1. সবগুলো ধ্রুব রাশি
  2. স্থান, ভর ও সময় আপেক্ষিক
  3. কেবল ভর পরিবর্তন হয়, স্থান ও সময় অপরিবর্তিত থাকে
  4. এগুলো কেবল কম গতিসম্পন্ন বস্তুর জন্য পরিবর্তিত হয়
সঠিক উত্তর:
স্থান, ভর ও সময় আপেক্ষিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থান, ভর ও সময় আপেক্ষিক
ব্যাখ্যা
আপেক্ষিকতার নীতি (Principle of Relativity): 
- যখন কোনো বস্তুর অবস্থান বা বেগ পরিমাপ করা হয় তখন কোনো স্থির বিন্দুকে প্রসঙ্গ কাঠামো হিসাবে বিবেচনা করা হয়। 
- ঐ প্রসঙ্গ কাঠামো সাপেক্ষে বস্তুটির রৈখিক দূরত্বকে তার অবস্থান বলা হয় এবং প্রসঙ্গ কাঠামো সাপেক্ষে বস্তুটির রৈখিক দ্রতিকে বেগ বলা হয়। কিন্তু এই মহাবিশ্বে কোনো কিছুই স্থির নয়। 
- সুতরাং পরম স্থির বলে কোনো অবস্থান পাওয়া সম্ভব নয় যাকে স্থির প্রসঙ্গ কাঠামো হিসাবে বিবেচনা করা যায়। তাই প্রসঙ্গ কাঠামোর সাপেক্ষে যা পরিমাপ করা হয় তা পরম নয়। 
অর্থাৎ, সব সময় অবস্থান বা বেগকে আপেক্ষিকভাবে পরিমাপ করা হয়। 

- চিরায়ত বল বিদ্যার মতে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি।
- কিন্তু ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই ধারণার আমূল পরিবর্তন ঘটান। তার তত্ত্ব অনুসারে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি নয়, এগুলো সকলই আপেক্ষিক। 
- বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে এদের পরিবর্তন হয়। কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ। 
- উচ্চ গতিশীল (আলোর কাছাকাছি বেগে) বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধমানের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়, আইনস্টইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক বলা হয়। 
- পরমাণবিক ও নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞানে এই তত্ত্বের গুরত্ব অপরিসীম। 
- আইনস্টাইন তার আপেক্ষিক তত্ত্বে বলেন প্রাকৃতিক নিয়মাবলীর গাণিতিক সূত্রসমূহ সকল জড় কাঠামোতে অভিন্ন, এটাই আপেক্ষিকতার নীতি। 
- ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার আরো একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন। 
- মহাকর্ষ, নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি, সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা ইত্যাদি এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৯৬.
আলট্রাভায়োলেট রশ্মি কোন রোগ সৃষ্টি করে?
  1. ক) ব্লাড ক্যান্সার
  2. খ) চর্ম ক্যান্সার
  3. গ) ব্রেন ক্যান্সার
  4. ঘ) এইডস
সঠিক উত্তর:
খ) চর্ম ক্যান্সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চর্ম ক্যান্সার
ব্যাখ্যা

মানুষ তার সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশন, এ্যারোসল ব্যবহার করে থাকে।
জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে এসমস্ত যন্ত্রের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে।
এসমস্ত যন্ত্র থেকে ক্লোরো ফ্লরো কার্বন (CFC) গ্যাস নির্গত হয়, যা বায়ুমন্ডলের ওজোন স্তর ধ্বংসের সহায়ক।
জানা গেছে CFC-র ব্যাপক ব্যবহারের ফলে ওজোন স্তরে ছিদ্র দেখা দিয়েছে।
ওজোন স্তরে ছিদ্রের সৃষ্টি হলে সূর্য থেকে ক্ষতিকর অতিবেগুনীরশ্মি পৃথিবীতে চলে আসবে, যা ত্বক ক্যান্সারসহ অন্যান্য মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করতে পারে।
উৎসঃ সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি (উন্মুক্ত)।

২,০৯৭.
অতিবেগুনি রশ্মি কোথা থেকে আসে?
  1. চন্দ্র
  2. তারকা
  3. সূর্য
  4. ব্লাক হোল
সঠিক উত্তর:
সূর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্য
ব্যাখ্যা
- জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি হলাে গামা রশ্মি। 
- গামা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা অন্যান্য তেজস্ক্রিয় রশ্মি আলফা ও বিটা রশ্মির চেয়ে অনেক বেশি। 
- গামা রশ্মি প্রায় কয়েক সেন্টিমিটার পর্যন্ত সীসা ভেদ করতে পারে। 
- আলট্রাভায়ােলেট বা অতিবেগুনি রশ্মি সূর্য থেকে আসে যা তেজস্ক্রিয় রশ্মি থেকে কম ক্ষতিকর। 
- গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম হওয়ায় এর ভেদন ক্ষমতাও সবচেয়ে বেশি। 
- পারমাণবিক বিস্ফোরণে গামা রশ্মি নির্গত হয়। 
- বিটা ও আলফা রশ্মি গামা রশ্মির তুলনায় কম ক্ষতিকর। 

উৎস: নাসা ওয়েবসাইট।
২,০৯৮.
গাছের খাদ্য তালিকায় নেই-
  1. ক) Na, Al, P
  2. খ) Ca, C, H
  3. গ) N, O, Zn
  4. ঘ) K, S, Fe
সঠিক উত্তর:
ক) Na, Al, P
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Na, Al, P
ব্যাখ্যা
গাছের খাদ্য তালিকায় সোডিয়াম (Na) এবং অ্যালমুনিয়াম (Al) নেই।
সূত্রঃ ২৭তম বিসিএসের অনুরূপ প্রশ্ন।
২,০৯৯.
মানুষের স্পাইনাল কর্ডের দৈর্ঘ্য কত সেন্টিমিটার?
  1. ১৮ সে.মি.
  2. ৩০ সে.মি.
  3. ৪৫ সে.মি.
  4. ৬০ সে.মি.
সঠিক উত্তর:
৪৫ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ সে.মি.
ব্যাখ্যা
• সুষুম্না কান্ড:
- সুষুম্না কান্ড বা Spinal Cord কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের একটি অংশ।
- Spinal Cord বা স্নায়ু রজ্জু মস্তিষ্ক থেকে মেরুদন্ডের ভেতরে অবস্থিত।
- Spinal Cord প্রায় ১৮ ইঞ্চি বা ৪৫ সে.মি. লম্বা।
- এখান থেকে ৩১ জোড়া স্নায়ু (Spinal Nerve) উৎপন্ন হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,১০০.
নিম্নলিখিত ভাইরাসগুলোর মধ্যে কোনটি ফ্ল্যাভিভাইরাস গোত্রভুক্ত?
  1. ইবোলা ভাইরাস
  2. ডেঙ্গু ভাইরাস
  3. এইচআইভি
  4. ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
ডেঙ্গু ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেঙ্গু ভাইরাস
ব্যাখ্যা

• ফ্ল্যাভিভাইরাস গোত্রভুক্ত ভাইরাস হলো ডেঙ্গু ভাইরাস। ফ্ল্যাভিভাইরাস গোত্রের ভাইরাসগুলো সাধারণত RNA ভাইরাস এবং তারা মশা দ্বারা সংক্রমিত হয়। এই ভাইরাসগুলো মানুষের মধ্যে বিভিন্ন জ্বরজনিত রোগ সৃষ্টি করতে পারে, যেমন ডেঙ্গু, জিকা, হেপাটাইটিস সি এবং ইয়েলো ফিভার। অন্যদিকে, ইবোলা ভাইরাস হলো ফিলোভাইরাস গোত্রের, যা হেমোরাজিক জ্বর সৃষ্টি করে। এইচআইভি হলো রেট্রোভাইরাস গোত্রের, যা মানুষের ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাসের মাধ্যমে এডস সৃষ্টি করে। ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস হলো অরথোমিক্সোভাইরাস গোত্রের, যা শ্বাসনালীতে সংক্রমণ ঘটায়। সুতরাং, প্রদত্ত অপশন চারটির মধ্যে শুধুমাত্র ডেঙ্গু ভাইরাস ফ্ল্যাভিভাইরাস।
 
ভাইরাস: 
- প্রাণী ও উদ্ভিদ দেহে ভাইরাস নানাবিধ রোগ উৎপন্ন করে। 
- ভাইরাস আক্রমণের ফলে মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব এমনকি অকাল মৃত্যুও হতে পারে। 
- স্বল্প পরিসরে ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অনেক উপকারও করে। 
- তবে তুলনামূলকভাবে ভাইরাস মানুষের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে থাকে। 

ভাইরাসের অপকারিতা: 
- বিভিন্ন প্রকার ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর নানা রকমের রোগ উৎপন্ন করে। 
- এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু রোগের নাম, পোষকের নাম এবং ভাইরাসের নাম হলো- 
 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।