উত্তর
ব্যাখ্যা
- ব্যাকটেরিয়া হলো আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত, অসবুজ, এককোষী অণুবীক্ষণিক জীব।
- বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক সর্ব প্রথম ব্যাকটেরিয়া দেখতে পান।
- ব্যাকটেরিয়া কোষ গোলাকার, দণ্ডাকার, কমা আকার, প্যাঁচানো ইত্যাদি নানা ধরণের হতে পারে।
ক) কক্কাস: কোনো কোনো ব্যাকটেরিয়া কোষের আকৃতি গোলাকার। এরা কক্কাস ব্যাকটেরিয়া। এরা এককভাবে অথবা দলবেঁধে থাকতে পারে। যেমন- নিউমোনিয়া রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া।
খ) ব্যাসিলাস: এরা দেখতে লম্বা দণ্ডের ন্যায় । ধনুষ্টংকার, রক্তামাশ ইত্যাদি রোগ এরা সৃষ্টি করে।
গ) কমা: এরা বাঁকা দণ্ডের ন্যায় আকৃতির ব্যাকটেরিয়া। মানুষের কলেরা রোগের ব্যাকটেরিয়া এ ধরনের।
ঘ) স্পাইরিলাম: এ ধরণের ব্যাকটোরিয়ার আকৃতি প্যাঁচানো।
ব্যাকটেরিয়ার উপকারিতা:
• মৃত জীবদেহ ও আবর্জনা পঁচাতে সাহায্য করে।
• একমাত্র ব্যাকটেরিয়াই প্রকৃতি থেকে মাটিতে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে।
• পাট থেকে আঁশ ছাড়াতে ব্যাকটেরিয়া সাহায্য করে।
• দই তৈরি করতেও ব্যাকটেরিয়ার সাহায্য নিতে হয়।
• বিভিন্ন জীবন রক্ষাকারী এন্টিবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া থেকে তৈরি হয়।
- ব্যাকটেরিয়া জীন প্রকৌশলের মূল ভিত্তি।
- কিছু কিছু ক্ষেত্রে জীবের কাঙ্খিত বৈশিষ্ট্য পাওয়ার জন্য জীনগত পরিবর্তনের কাজে ব্যাকটেরিয়াকে ব্যবহার করা হয়।
উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।