বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ১৬ / ১৪০ · ১,৫০১১,৬০০ / ১৪,০৮০

১,৫০১.
যৌগিক আলো থেকে মূল বর্ণের আলো পাওয়ার পদ্ধতিকে কী বলে? 
  1. বিচ্যুতি
  2. বিচ্ছুরণ
  3. বিবর্ধণ
  4. বিক্ষেপণ
সঠিক উত্তর:
বিচ্ছুরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচ্ছুরণ
ব্যাখ্যা
- সূর্যের সাদা আলো যদি কোনো কাঁচের প্রিজমের মধ্য দিয়ে যায় তাহলে তা সাত রঙ বিশিষ্ট হয়। 
- প্রিজম থেকে নির্গত আলোকরশ্মি যদি কোনো পর্দার উপর ফেলা হয় তাহলে পর্দায় সাতটি রঙের পট্টি দেখা যায়। আলোর এই রঙিন পট্টিকে বর্ণালী বলে। 
- কোনো মাধ্যমে প্রতিসরণের ফলে যৌগিক আলো থেকে মূল বর্ণের আলো পাওয়ার পদ্ধতিকে আলোর বিচ্ছুরণ বলে। 
- বর্ণালীতে বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এ সাতটি রঙ পরপর দেখা যায়। 
- ১৬৬৬ সালে স্যার আইজ্যাক নিউটন প্রথম একটি পরীক্ষার সাহায্যে আলোর বিচ্ছুরন আবিষ্কার করেন। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৫০২.
কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রবর্তন করেন কে? 
  1. ম্যাক্স প্লাঙ্ক 
  2. নিউটন 
  3. আইনস্টাইন
  4. গ্যালিলিও 
সঠিক উত্তর:
ম্যাক্স প্লাঙ্ক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাক্স প্লাঙ্ক 
ব্যাখ্যা

কোয়ান্টাম তত্ত্ব: 
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রস্তাবনা করেন। 
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে বের হয়ে না, বরং ক্ষুদ্র শক্তির প্যাকেট বা গুচ্ছ আকারে নির্গত হয়। 
- প্রতি কম্পাঙ্কের (রঙের আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্বনিম্ন মান নির্দিষ্ট থাকে। এই সর্বনিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন। 
- প্লাঙ্কের মতে, কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ আলাদা আলাদা বা গুচ্ছ আকারে সংঘটিত হয়। 
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন কোয়ান্টাম তত্ত্ব ব্যবহার করে আলোক তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন, যার ফলে আলোর কণা তত্ত্ব পুনর্জীবিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫০৩.
সবচেয়ে শক্ত বস্তু কোনটি?
  1. হীরা
  2. গ্রানাইট পাথর
  3. পিতল
  4. ইস্পাত
সঠিক উত্তর:
হীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হীরা
ব্যাখ্যা
- হীরক হলো সবচেয়ে কঠিন পদার্থ।
- কার্বনের দুটি বিশেষ রূপ হলো হীরক ও গ্রাফাইট।
- দুটি পদার্থই খনিতে পাওয়া যায়।
- ভূগর্ভের অভ্যন্তরে অত্যধিক তাপ ও চাপের প্রভাবে কোটি কোটি বছর ধরে রূপান্তরিত হয়ে কার্বন কেলাসিত হয়ে গ্রাফাইট ও হীরকে পরিণত হয়।


উৎস : ব্রিটানিকা ও সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫০৪.
মানুষের চোখের রং নিয়ন্ত্রণ করে কোনটি?
  1. ডিএনএ
  2. আরএনএ
  3. সেন্ট্রোমিয়ার
  4. নিউক্লিওলাস
সঠিক উত্তর:
ডিএনএ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিএনএ
ব্যাখ্যা
নিউক্লিক এসিড: 
- নিউক্লিক এসিড দুই ধরনের। 
যথা- DNA (ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক এসিড) এবং RNA (রাইবো নিউক্লিক এসিড)। 
- ক্রোমোজোমের প্রধান উপাদান DNA। 
- বংশগতি ধারা পরিবহনে ক্রোমোজোমের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী DNA ও RNA এর গুরুত্ব অপরিসীম। 
- সাধারণত ক্রোমোজোমের DNA অণুগুলোই জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকৃত ধারক এবং জীবদেহের বৈশিষ্ট্যগুলো বহুন করে। 
- তাই বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী DNA এর অংশকে জিন নামে অভিহিত করা হয়। 
সুতরাং, DNA হলো ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনের রাসায়নিক রূপ। 
- যেসব জীবে DNA থাকে না কেবল RNA থাকে সে ক্ষেত্রে RNA জিন হিসেবে কাজ করে। 
যেমন- তামাক গাছের মোজাইক ভাইরাস (TMV)। 

- জীবের এক একটি বৈশিষ্ট্যের জন্য একাধিক জিন কাজ করে, আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে একটিমাত্র জিন বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ট্যকে নিয়ন্ত্রণ করে। 
- মানুষের চোখের রং, চুলের প্রকৃতি, চামড়ার রং ইত্যাদি সবই DNA বা জিন কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- মানুষের মতো অন্যান্য প্রাণী ও উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যগুলোও তাদের ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- ক্রোমোজোম জিনকে এক বংশ থেকে পরবর্তী বংশে বহন করার জন্য বাহক হিসাবে কাজ করে বংশগতির ধারা অক্ষুণ্ণ রাখে। 
- মিয়োসিস কোষ বিভাজনের দ্বারা বংশগতির এ ধারা অব্যাহত থাকে। 
- ক্রোমোজোম বংশগতির ধারা অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য কোষ বিভাজনের সময় জিনকে সরাসরি মাতাপিতা থেকে বহন করে পরবর্তী বংশধরে নিয়ে যায়। এ কারণে ক্রোমোজোমকে বংশগতির ভৌতভিত্তি বলা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১,৫০৫.
"Cosmic ray"- এর আবিষ্কারক কে?
  1. Albert Einstein
  2. Marie Curie
  3. Enrico Fermi
  4. Victor Hess
সঠিক উত্তর:
Victor Hess
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Victor Hess
ব্যাখ্যা
মহাজাগতিক রশ্মি (Cosmic rays):
- বাইরে থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বলা হয়।
- ধারণা করা হয় ছায়াপথের বাইরে নতুন নতুন নক্ষত্রের বিস্ফোরণের ফলে বেশির ভাগ মহাজাগতিক রশ্মির সৃষ্টি হয়।
- কসমিক-রে বা মহাজাগতিক রশ্মির আবিষ্কারক- ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস (Victor Hess)।
- মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস একজন অস্ট্রীয়-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।
- বেলুনের মাধ্যমে বহনযোগ্য বিভিন্ন যন্ত্রের মাধ্যমে হেস এবং তার সহকর্মীরা প্রমাণ করেছিলেন, যে বিকিরণ পরিবেশকে আয়নিত করে তার উৎস হল মহাজাগতিক।

উৎস: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।
১,৫০৬.
উদ্ভিদের শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার কোন প্রক্রিয়াকে 'Necessary evil' বলা হয়?
  1. শ্বাসক্রিয়া
  2. প্রস্বেদন
  3. নিঃসরণ
  4. সালোকসংশ্লেষণ
সঠিক উত্তর:
প্রস্বেদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রস্বেদন
ব্যাখ্যা
প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন: 
- উদ্ভিদদেহ থেকে যে প্রক্রিয়ায় পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়, তাকে প্রস্বেদন বলা হয়। 
- প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদদেহ থেকে প্রচুর পানি বাষ্পাকারে বেরিয়ে যায়। এতে উদ্ভিদের মৃত্যুও হতে পারে। 
- তাই আপাতদৃষ্টিতে উদ্ভিদের জীবনে প্রস্বেদনকে ক্ষতিকর প্রক্রিয়া বলেই মনে হয়। 
- এজন্য প্রস্বেদনকে বলা হয় উদ্ভিদের জন্য এটি একটি 'Necessary evil'
- উদ্ভিদ জীবনে প্রস্বেদন একটি অনিবার্য প্রক্রিয়া। 
- কারণ প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদ তার দেহ থেকে পানিকে বের করে অতিরিক্ত পানির চাপ থেকে মুক্ত করে। 
- প্রস্বেদনের ফলে কোষরসের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়। 
- কোন অঙ্গের মাধ্যমে প্রস্বেদন ঘটে তার উপর ভিত্তি করে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: 
১. পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন, 
২. কিউটিকুলার প্রস্বেদন এবং 
৩. লেন্টিকুলার প্রস্বেদন। 

উৎস: 
১. উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২. জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।
১,৫০৭.
নগ্নবীজী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. গর্ভাশয় থাকে
  2. ফল উৎপন্ন হয় না
  3. ফল উৎপন্ন হয়
  4. সবকয়টি
সঠিক উত্তর:
ফল উৎপন্ন হয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফল উৎপন্ন হয় না
ব্যাখ্যা
• নগ্নবীজী উদ্ভিদ:
- যে সব উদ্ভিদের বীজ সরাসরি উদ্ভিদের অক্ষে জন্মে এবং কোন ফল উৎপন্ন হয় না, এদেরকে জিমনোস্পার্মিবা নগ্নবীজী উদ্ভিদ বলা হয়।
- এদের গর্ভাশয় থাকে না তাই ফল হয় না। বীজ নগ্ন অবস্থায় থাকে।
- পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু বৃক্ষ (Sequoia gigantea ) এ গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- যেমন- Cycas, Pimus, Gnetum ইত্যাদি হলো উল্লেখযোগ্য নগ্নবীজী উদ্ভিদ।

• আবৃতবীজী উদ্ভিদ:
- যে সকল উদ্ভিদের ফুল, ফল ও বীজ উৎপন্ন হয় এবং ফলের বীজ নির্দিষ্ট আবরণ দিয়ে আবৃত অবস্থায় থাকে তাকে আবৃতবীজী উদ্ভিদ বলে।
- বর্তমানে আবৃতবীজী উদ্ভিদ প্রজাতির সংখ্যা প্রায় আড়াই লক্ষ ধারণা করা হয়।
- এরা পানিতে, সিক্ত মাটিতে, মরুভূমিতে, পাথুরে পাহাড়ি অঞ্চলে এমনকি পরাশ্রয়ী ও পরভোজী হিসেবে অন্য উদ্ভিদের উপর জন্মায়।

• নগ্নবীজী উদ্ভিদ এর বৈশিষ্ট্য:
- গর্ভাশয় থাকে না;
- ফল উৎপন্ন হয় না;
- বীজ নগ্ন অবস্থায় থাকে।

• আবৃতবীজী উদ্ভিদ এর বৈশিষ্ট্য:
- গর্ভাশয় থাকে;
- ফল উৎপন্ন হয়;
- বীজ ফলের ভেতরে থাকে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫০৮.
দ্বিস্তরী প্রাণি কোনটি?
  1. Fasciola
  2. Ascaris
  3. Aurelia
  4. Pila
সঠিক উত্তর:
Aurelia
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aurelia
ব্যাখ্যা

• দ্বিস্তরী প্রাণি (Diploblastic Animal):
- দ্বিস্তরী প্রাণি হলো সেই প্রাণি যার দেহ দুটি প্রধান কোষ স্তর দ্বারা গঠিত – এন্ডোডার্ম (Endoderm) এবং এক্টোডার্ম (Ectoderm)।
- এই প্রাণিগুলির মধ্যে মধ্যস্তর বা মেসোডার্ম (Mesoderm) থাকে না।
- দ্বিস্তরী প্রাণিরা সাধারণত জলজ এবং তাদের দেহ গঠন সহজ হয়।
- উদাহরণ হিসেবে জেলিফিশ (Jellyfish) এবং হাইড্রা (Hydra) দ্বিস্তরী প্রাণি।

• বিভিন্ন প্রাণির স্তরসংক্রান্ত শ্রেণীবিভাগ:
- Fasciola: ত্রিস্তরী (Triploblastic) প্রাণি, যা পরজীবী এবং মেসোডার্ম উপস্থিত।
- Ascaris: ত্রিস্তরী (Triploblastic) প্রাণি, একটি roundworm।
- Aurelia: দ্বিস্তরী (Diploblastic) প্রাণি, একটি jellyfish প্রজাতি।
- Pila: ত্রিস্তরী (Triploblastic) প্রাণি, একটি শেলযুক্ত mollusk। 

- সুতরাং, দ্বিস্তরী প্রাণি হলো Aurelia. 
- সঠিক উত্তর: গ) Aurelia.

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

১,৫০৯.
স্পষ্ট দর্শনের নিকটতম দূরত্ব কত?
  1. ১.৫ ইঞ্চি
  2. ৯ ইঞ্চি
  3. ১০ ইঞ্চি
  4. ২.৫ ইঞ্চি
সঠিক উত্তর:
১০ ইঞ্চি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ইঞ্চি
ব্যাখ্যা
- যে নিকটতম দূরত্ব পর্যন্ত চোখ বিনা শ্রান্তিতে স্পষ্ট দেখতে পায় তাকে স্পষ্ট দর্শনের নিকটতম দূরত্ব বলে। 
- স্বাভাবিক চোখের জন্য স্পষ্ট দর্শনের নিকটতম দূরত্ব ২৫ সেমি  বা ১০ ইঞ্চি। 
- চোখ থেকে ২৫ সেমি  বা ১০ ইঞ্চি দূরবর্তী বিন্দুকে চোখের নিকটতম বিন্দু বলে। 
- কোন বস্তু ২৫ সেমি এর কম দূরত্বে থাকলে সেটি দেখতে চোখের বেশ কষ্ট হয় এবং অনেকক্ষণ ধরে দেখলে চোখ ব্যথা করে। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৫১০.
জীববিজ্ঞানের জনক কে?
  1. ক্যারোলাস লিনিয়াস
  2. গ্রেগর জোহান মেন্ডেল
  3. থিওফ্রাসটাস
  4. অ্যারিস্টটল
সঠিক উত্তর:
অ্যারিস্টটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যারিস্টটল
ব্যাখ্যা
• জীববিজ্ঞানের জনক: 
- বিজ্ঞানের যে কোনো শাখায় প্রথম বিজ্ঞান ভিত্তিক আলোচনা বা গবেষণার যিনি সূত্রপাত করেন তাকে বিজ্ঞানের ঐ শাখার জনক বলা হয়ে থাকে। 
- উদ্ভিদ ও প্রাণীর প্রকৃতি নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত করেন গ্রীক দার্শনিক অ্যারিস্টটল, তাই অ্যারিস্টটলকে জীববিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
- তবে এরও বেশ আগে ভারতীয় উপমহাদেশে ঋিষি অথর্বান, সুম্ভূত প্রভৃতি ব্যক্তিগণ উদ্ভিদ ও চিকিৎসা শাস্ত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে ছিলেন।

অন্যদিকে: 
- ক্যারোলাস লিনিয়াস দ্বিপদ নামকরণের জনক।
- থিওফ্রাসটাস উদ্ভিদ বিজ্ঞানের জনক।
- গ্রেগর জোহান মেন্ডেল বংশগতিবিদ্যার জনক।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫১১.
নিম্নের কোনটি সরল ছন্দিত গতির বৈশিষ্ট্য?
  1. ত্বরণ সর্বদা সাম্য অবস্থানের দিকে নির্দেশিত
  2. গতি সব সময় সমবেগে হয়
  3. কণার স্থানচ্যুতি শূন্য থাকে
  4. গতি কেবল বৃত্তাকার হয়
সঠিক উত্তর:
ত্বরণ সর্বদা সাম্য অবস্থানের দিকে নির্দেশিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্বরণ সর্বদা সাম্য অবস্থানের দিকে নির্দেশিত
ব্যাখ্যা

• সরল ছন্দিত গতিতে ত্বরণ সর্বদা সাম্য অবস্থানের দিকে নির্দেশিত থাকে।

• সরল ছন্দিত গতি:
- সরল ছন্দিত গতি একটি পর্যাবৃত্ত গতি।
- এটি একটি সরল স্পন্দন গতি।
- এটি সরলরেখীয় গতি।
- এই গতিতে কণার ত্বরণ সাম্য অবস্থান থেকে সরণের সমানুপাতিক।
- ত্বরণ সর্বদা সাম্য অবস্থানের দিকে নির্দেশিত থাকে।
- কণা সাম্য অবস্থানের একদিকে গিয়ে পুনরায় বিপরীত দিকে ফিরে আসে।
- কণার গতি নির্দিষ্ট সময় পর পর পুনরাবৃত্ত হয়।
- সাম্য অবস্থান থেকে কণার সরণ পরিবর্তিত হলে ত্বরণও পরিবর্তিত হয়।
- ত্বরণ ও সরণের দিক পরস্পর বিপরীতমুখী হয়।

• সরল ছন্দিত গতির বৈশিষ্ট্য:
- এটি পর্যাবৃত্ত গতি।
- এটি সরলরেখায় সংঘটিত হয়।
- ত্বরণ সাম্য অবস্থান অভিমুখী।
- ত্বরণ সরণের সমানুপাতিক।
- কণার অবস্থান, বেগ ও ত্বরণ নির্দিষ্ট নিয়মে পরিবর্তিত হয়।

উৎস:
1) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
2) Science Expert, Live Publications.

১,৫১২.
জোয়ার-ভাঁটার তেজকটাল কখন হয়?
  1. অমাবস্যায়
  2. একাদশীতে
  3. অষ্টমীতে
  4. পঞ্চমীতে
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যায়
ব্যাখ্যা
• অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে জোয়ার-ভাঁটার তেজকটাল সংঘটিত হয়।

• জোয়ার-ভাঁটা:
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে।
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাঁটা সংঘটিত হয়।
- জোয়ার ভাঁটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। যথা -
১. মুখ্য জোয়ার:
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরুপে সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে।

২. গৌণ জোয়ার:
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে।

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল:
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে।

৪. মরা কটাল:
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫১৩.
জলজ উদ্ভিদ নয় কোনটি?
  1. গজারি
  2. সাইকাস
  3. হিজল
  4. সেগুন
সঠিক উত্তর:
গজারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গজারি
ব্যাখ্যা
জলজ উদ্ভিদ: 
 - জলজ উদ্ভিদ পানিতে বসবাস ও বেড়ে ওঠা এবং প্রায়শ সুচিহ্নিত উদ্ভিদকুল। 
- এগুলো খাদ্যবস্ত্ত ও শক্তির উৎস এবং সৌরশক্তির দক্ষ পরিবর্তক। 
- কৃষি, মৎস্যচাষ ও জলাশয়ের আবাদে জলজ উদ্ভিদকুলের গুরুত্ব সম্প্রতি বেড়েছে। 
- বাংলাদেশে প্রায় ১৩০ সপুষ্পক, ৬ ফার্নজাতীয় (pteridophyte), ৩ মসজাতীয় (bryophyte) ও কয়েকশ  শৈবাল প্রজাতি জলজ উদ্ভিদ হিসেবে শনাক্ত হয়েছে। 
- জলজ উদ্ভিদকুল সম্পূর্ণ ডুবন্ত, উপরিতলে ডুবন্ত, বিক্ষিপ্ত ও ভাসমান আগাছা হিসেবে বিভক্ত। 
- শৈবাল ছাড়া জলজদের মধ্যে আছে সম্পূর্ণ ডুবন্ত ৩৫, উপরিতলে ডুবন্ত ২০, ভাসমান ১৭ প্রজাতি। 
- জলজ উদ্ভিদের মধ্যে রয়েছে জলকণা, পদ্ম, ডাকউইডস, মশার ফার্ন, ভাসমান হৃদয়, জলকণা, ঘোড়ার লেজ, জলকণা, জলকণা, হিজল, সেগুন, সাইকাস এবং শৈবাল ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, 
- গজারির অপর নাম শাল। 
- ভাওয়াল ও মধুপুরের গাজারি বনই দেশের বৃহত্ পত্রঝরা বনাঞ্চল। 
- লাল মাটির পাহাড়, ছোট ছোট টিলা জমিতে গজারি ভালো জন্মে। তবে পানিতে এ গাছ বেশিদিন বাঁচে না। 
- এ গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Shorea robusta। 
- সরল কাণ্ডের গজারিগাছ মূলত বৃক্ষ জাতীয় উদ্ভিদ। 
- গজারির বড় পাতা ঠোঙা, চালের পিঠা তৈরির কাজে ব্যবহার করা হয়। 
- গজারি পাতায় রস কৃমিনাশক, এ গাছের ফলের গুঁড়া আমাশয় ভালো করে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া [লিঙ্ক] ও দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা।
১,৫১৪.
শূন্যস্থানে আলোর বেগ কত?
  1. 3×106 m/s
  2. 3×108 m/s
  3. 3×1010 m/s
  4. 3×105 m/s
সঠিক উত্তর:
3×108 m/s
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3×108 m/s
ব্যাখ্যা
• আলোর বেগ একটি সার্বজনীন ধ্রুবক।
- আলোর চেয়ে বেশি বেগে যে আর কোনো বস্তু চলতে পারে না, এটা প্রথম বলেছিলেন আলবার্ট আইনস্টাইন। তাঁর বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বে তিনি এ কথা উল্লেখ করেন।

• শূন্যস্থানে (ভ্যাকুয়ামে) আলোর গতি একটি মৌলিক ধ্রুবক (Fundamental Constant) এবং এর মান প্রায় 3 × 108 মিটার প্রতি সেকেন্ড (m/s)।
• একে "c" দ্বারা প্রকাশ করা হয় (c = 3 × 108 m/s)

• শূন্যস্থানের মধ্যে কোনো বস্তুই আলোর চেয়ে বেশি বেগে চলতে পারে না। 
- মাইলে আলোর গতি ১ লক্ষ ৮৬ হাজার মাইল/সেকেন্ড এবং কিলোমিটারে আলোর গতি ৩ লাখ কিলোমিটার/সেকেন্ড। 
• আলো এক সেকেন্ডে যায় ৩,০০,০০০ কিলোমিটার। আলো এই গতিতে চলে এক বছরে অর্থাৎ ৩৬৫ দিনে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাই হলো এক আলোক বর্ষ।
-  এক আলোক বর্ষ  হলো প্রায় 9.46×1015 মিটার বা 9.46×1012 কিলোমিটার।
• শূন্যস্থান ছাড়া অন্য মাধ্যমে (যেমন: পানি, কাচ) আলোর গতি কমে যায় (পানিতে ≈ 2.25 × 108 m/s, কাচে ≈ 2 × 108 m/s)।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
১,৫১৫.
মাটির পাত্রে পানি ঠান্ডা থাকে কেন?
  1. ক) মাটির পাত্র পানি হতে তাপ শোষণ করে
  2. খ) মাটির পাত্র ভাল তাপ পরিবাহী
  3. গ) মাটির পাত্র পানির বাষ্পীভবনে সাহায্য করে
  4. ঘ) মাটির পাত্র তাপ কুপরিবাহী
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) মাটির পাত্র পানির বাষ্পীভবনে সাহায্য করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাটির পাত্র পানির বাষ্পীভবনে সাহায্য করে
ব্যাখ্যা
মাটির পাত্রে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্র থাকে। এসব ছিদ্র দিয়ে পানি কলসির উপরিতলে এসে পৌছে এবং বাষ্পীভূত হয়। বাষ্পায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সুপ্ততাপ কলসির পানি থেকে গ্রহন করে। ফলে পানি ঠান্ডা থাকে।
১,৫১৬.
নিম্নের কোন খনিজ পদার্থ কাচ ও ঘড়ি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়?
  1. চুনাপাথর
  2. কোয়ার্টজ
  3. ম্যাগনেটাইট 
  4. মাইকা 
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্টজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্টজ
ব্যাখ্যা

খনিজ পদার্থ: 
- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশির ভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়। 
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। 
- খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে। 
যথা- 
১। ধাতব খনিজ পদার্থ: লোহা, তামা, সোনা, রূপা ইত্যাদি। 
২। অধাতব খনিজ পদার্থ: কোয়ার্টজ, মাইকা কিংবা খনিজ লবণ ইত্যাদি। 

- মাইকা খনিজ পদার্থ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- ম্যাগনেটাইট খনিজ পদার্থ লোহা (Fe) তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- চুনাপাথর খনিজ পদার্থ ঘরবাড়ি তৈরিতে এবং সিমেন্ট, সোডা, গ্লাস, লোহা ও স্টীল উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া মাটি এসিডিক হলেও এটি ব্যবহার করে মাটিকে প্রশমন করা হয়। 
- কোয়ার্টজ খনিজ পদার্থ কাচ, সিরিজ কাগজ, রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৫১৭.
কোনো মৌলের পারমাণবিক সংখ্যাই হচ্ছে ঐ মৌলের -
  1. প্রোটন সংখ্যা
  2. নিউট্রন সংখ্যা
  3. পজিট্রন সংখ্যা
  4. ইলেকট্রন সংখ্যা
সঠিক উত্তর:
প্রোটন সংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটন সংখ্যা
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক সংখ্যা: 
- কোন মৌলের একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যতটি প্রোটন থাকে; প্রোটনের সে সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বা প্রোটন সংখ্যা বলা হয়। 
- প্রোটন সংখ্যাকে সাধারণত Z দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
যেমন- সোডিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াসে 11টি প্রোটন আছে। তাই সোডিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা হল, Z= 11। 
তদ্রুপ, ক্লোরিনের পারমাণবিক সংখ্যা হল, Z = 17। 
- মৌলের ধর্ম এর পারমাণবিক সংখ্যার উপর নির্ভর করে। 
- রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় পরমাণুর সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তরের ইলেকট্রনসমূহ অংশগ্রহণ করে এবং ইলেকট্রন সংখ্যার পরিবর্তন ঘটে; কিন্তু প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যার কোন পরিবর্তন ঘটে না। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী ও নাগ)।
১,৫১৮.
রেশম উৎপাদনের জন্য রেশমকীট মূলত কোন গাছের পাতায় পালন করা হয়?
  1. আম
  2. তুঁত
  3. রাবার
  4. নিম
সঠিক উত্তর:
তুঁত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুঁত
ব্যাখ্যা

◉ রেশমকীট (Silkworm) মূলত তুঁত গাছের পাতা খেয়ে বেড়ে ওঠে এবং কোকুন তৈরি করে, যা থেকে রেশম সুতা সংগ্রহ করা হয়। এই প্রক্রিয়াকে সেরিকালচার (Sericulture) বলা হয়।

সেরিকালচার (Sericulture):
- রেশম পোকার বিভিন্ন প্রজাতি রয়েছে। এদের মধ্যে Bombyx mori রেশম চাষে বেশি ব্যবহার করা হয়। 
- এ পোকা তুঁত গাছের পাতা খেয়ে জীবন ধারণ করে বিধায় রেশম চাষীকে তুঁত গাছ চাষ করতে হয়।
- রেশম চাষ এর ইংরেজি হলো Sericulture। ল্যাটিন শব্দ 'Serio' থেকে Sericulture শব্দের উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। 'Serio' শব্দের অর্থ Silk বা রেশম।
- রেশম পোকার খাদ্যের জন্য তুঁত গাছ চাষ করে এই পোকার লার্ভা পালন করে তাদের সৃষ্ট গুটি বা কোকুন থেকে রেশম সুতা আহরণ করার পদ্ধতিকে রেশম চাষ বলা হয়।
- তুঁত গাছ চাষ ও রেশম পোকার লার্ভা পালন ছাড়াও এ পোকার বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে প্রজনন ঘটিয়ে অধিক উৎপাদনশীল রেশম পোকা উদ্ভাবন করা আধুনিক রেশম চাষের অন্তর্ভুক্ত।
- এ দেশের মাটি, আবহাওয়া ও জলবায়ু রেশম চাষের জন্য বেশ উপযোগী।

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথমপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫১৯.
অ্যানিমিয়া রোগে কোন রক্ত কণিকা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়? 
  1. লোহিত রক্ত কণিকা
  2. শ্বেত রক্ত কণিকা
  3. অনুচক্রিকা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
লোহিত রক্ত কণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত রক্ত কণিকা
ব্যাখ্যা
রক্ত: 
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। 
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%। মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের। 
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। 
যেমন- 
১। অ্যানিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া। 

২। লিউকেমিয়া: 
- নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। 
- কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে। 

৩। থ্রম্বোসাইটোসিস: 
- থ্রম্বোসাইটোসিস রোগে অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। 
- রক্তনালীর অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াকে থ্রম্বোসিস বলে। 
- হৃৎপিণ্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে। 

৪। লিউকোসাইটোসিস: 
- শ্বেত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যদি ২০,০০০-৩০,০০০ হয়, তাকে লিউকোসাইটোসিস বলে। 
- নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগে এ অবস্থা হয়। 

৫। থ্যালাসেমিয়া: 
- থ্যালাসেমিয়া একধরনের বংশগত রক্তের রোগ। 
- এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে রক্তশূন্যতা সৃষ্টি হয়। 
- হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতার কারণে লোহিত রক্ত কণিকা ভেঙ্গে যায়, ফলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। 
- সাধারণত শিশু অবস্থায় এ থ্যালাসেমিয়া রোগটি শনাক্ত হয়। 
- এ রোগের জন্য রোগিকে প্রতি ৩ মাস অন্তর রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়। 
- তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে রক্তশূন্যতার হার কমে যায়। 

৬। পারপুরা: 
- ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলে এ অবস্থা হতে পারে। 
- এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়। 

৭। পলিসাইথিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫২০.
নিচের কোনটি অধাতু?
  1. ক) দস্তা
  2. খ) তামা
  3. গ) আয়োডিন
  4. ঘ) ম্যাগনেসিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ) আয়োডিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আয়োডিন
ব্যাখ্যা
- সোডিয়াম, পটাশিয়াম, কপার/তামা, রূপা, সোনা, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, লৌহ, দস্তা, টিন, সীসা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি হলো ধাতু।
- হাইড্রোজেন, ফ্লোরিন, ক্লোরিন, ব্রোমিন, আয়োডিন, অক্সিজেন, সালফার, কার্বন, নাইট্রোজেন, ফসফরাস ইত্যাদি হলো অধাতু।
- অ্যামোনিয়াম, হাইড্রোক্সিল, নাইট্রাইট, নাইট্রেট, কার্বনেট, সালফেট, ফসফেট ইত্যাদি হলো যৌগমূলক।

সূত্র: বিজ্ঞান বোর্ড বই, অষ্টম শ্রেণি।
১,৫২১.
নিচের কোনটি পটাশিয়ামের অভাবজনিত সমস্যা নয়? 
  1. পাতা বেগুনি বর্ণের হয়ে যাওয়া।
  2. উদ্ভিদের বৃদ্ধি কমে যাওয়া।
  3. পাতায় মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হওয়া।
  4. পাতার শীর্ষ এবং কিনারা হলুদ হয়ে যাওয়া।
সঠিক উত্তর:
পাতা বেগুনি বর্ণের হয়ে যাওয়া।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাতা বেগুনি বর্ণের হয়ে যাওয়া।
ব্যাখ্যা
পটাশিয়াম: 
- পটাশিয়ামের অভাবে পাতার শীর্ষ এবং কিনারা হলুদ হয় এবং মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয়। 
- পাতার কিনারায় পুড়ে যাওয়া সদৃশ বাদামি রং দেখা যায় এবং পাতা কুঁকড়ে আসে। 
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি কম হয় এবং শীর্ষ ও পার্শ্ব মুকুল মরে যায়। 

ফসফরাস: 

- ফসফরাসের অভাব হলে পাতা বেগুনি হয়ে যায়। 
- পাতায় মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয় এমনকি পাতা, ফুল ও ফল ঝরে যেতে পারে। 
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫২২.
নগ্নবীজী উদ্ভিদের উদাহরণ কোনটি?
  1. নারিকেল
  2. আম
  3. সুপারি
  4. পাইনাস
সঠিক উত্তর:
পাইনাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাইনাস
ব্যাখ্যা
সপুষ্পক উদ্ভিদ: 
- উদ্ভিদে ফুলের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে উদ্ভিদকে সপুষ্পক ও অপুষ্পক এই দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়। 
- যেসব উদ্ভিদে ফুল উৎপন্ন হয় তাদেরকে সপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। 
যেমন: আম, কাঁঠাল, ধান, নারিকেল ইত্যাদি। 
- এদের দেহ সুস্পষ্টভাবে মূল, কাণ্ড এবং পাতা বিভক্ত। 
- ফুলের মাধ্যমে পরাগায়ন প্রক্রিয়ায় এদের বংশবিস্তার ঘটে। 
- বীজের আবরণের উপর নির্ভর করে সপুষ্পক উদ্ভিদকে আবার নগ্নবীজী এবং আবৃতবীজী এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। 
- নগ্নবীজী উদ্ভিদের ফুলে গর্ভাশয় থাকে না বলে ফল উৎপন্ন হয় না, তাই বীজ নগ্ন অবস্থায় থাকে। 
উদাহরণ: সাইকাস, পাইনাস ইত্যাদি। 
- আর আবৃতবীজী উদ্ভিদের ফুলে গর্ভাশয় থাকায় ফল উৎপাদন হয় এবং বীজ আবৃত থাকে। 
উদাহরণ: আম, জাম, সুপারি ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১,৫২৩.
নিচের কোনটি গ্রিন ভিট্রিওল?
  1. ক) ZnSO4.7H2O
  2. খ) CuSO4.7H2O
  3. গ) FeSO4.7H2O
  4. ঘ) কোণটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) FeSO4.7H2O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) FeSO4.7H2O
ব্যাখ্যা
সাদা ভিট্রিওল - ZnSO4.7H2O
সবুজ ভিট্রিওল - FeSO4.7H2O
ব্লু ভিট্রিওল -CuSO4.7H2O

ব্লু ভিট্রিওলকে তুঁতে ও বলা হয়ে থাকে। তুঁত বিষাক্ত। এটি কীটনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: LiveMCQ lecture
১,৫২৪.
সমুদ্রস্রোতের কারণ নয় কোনটি?
  1. সমুদ্রের গভীরতা
  2. লবণাক্ততার তারতম্য
  3. পৃথিবীর আবর্তন
  4. বৃষ্টিপাত
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা

- ঠিক বায়ুর মতো সমুদ্রের পানিও স্থির নয়। বায়ু যেমন এক স্থান হতে অন্য স্থানে প্রবাহিত হয়, তেমনি সমুদ্রের পানিও এক স্থান থেকে অন্য স্থানে প্রবাহিত হয়।
- সমুদ্রের পানির এরকম নির্দিষ্ট ও নিয়মিত প্রবাহকে সমুদ্রস্রোত বলে।
- বায়ুপ্রবাহ, উষ্ণতা, পৃথিবীর আবর্তন, লবণাক্ততার তারতম্য, স্থলভাগের অবস্থান, সমুদ্রের গভীরতা প্রভৃতি কারণে সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি হয়ে থাকে।
- বৃষ্টিপাত সমুদ্র স্রোতের কারণ নয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১,৫২৫.
রক্তচাপ বৃদ্ধির জন্য প্রত্যক্ষ ভাবে দায়ী কোন হরমোন?
  1. ক) এড্রেনালিন
  2. খ) ইনসুলিন
  3. গ) থাইরেক্সিন
  4. ঘ) গ্লুকাগন
সঠিক উত্তর:
ক) এড্রেনালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এড্রেনালিন
ব্যাখ্যা
বর্তমান যুগে প্রতিটি মানুষই মানসিক চাপে দিন পার করছেন। মানসিক চাপের কারণে ‘অ্যাড্রেনাল’ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় এমন হরমোন (এড্রেনালিন হরমোন) যা রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়।

কিছু কিছু রোগের কারণে উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে। নির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া গেলে একে বলা হয় সেকেন্ডারি হাইপারটেনশন। এই কারণগুলোর মধ্যে কয়েকটি হলো:
১) কিডনির রোগ।
২) অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি ও পিটুটারি গ্রন্থির টিউমার।
৩) ধমনীর বংশগত রোগ।
৪) গর্ভধারণ অবস্থায় অ্যাকলাম্পসিয়া ও প্রিঅ্যাকলাম্পসিয়া হলে।
৫) অনেক দিন ধরে জন্মনিয়ন্ত্রণের বড়ির ব্যবহার।
৬) স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ গ্রহণ এবং ব্যথা নিরামক কিছু কিছু ওষুধ খেলে।
১,৫২৬.
মাইকা খনিজ পদার্থ প্রধানত কোথায় ব্যবহার করা হয়? 
  1. ঘরবাড়ি নির্মাণে 
  2. বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে 
  3. কাচ তৈরিতে 
  4. লোহা উৎপাদনে 
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে 
ব্যাখ্যা

খনিজ পদার্থ: 
- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশির ভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়। 
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। 
- খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে। 
যথা- 
১। ধাতব খনিজ পদার্থ: লোহা, তামা, সোনা ও রূপা ইত্যাদি। 
২। অধাতব খনিজ পদার্থ: কোয়ার্টজ, মাইকা ও খনিজ লবণ ইত্যাদি। 

- মাইকা খনিজ পদার্থ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- ম্যাগনেটাইট খনিজ পদার্থ লোহা তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- চুনাপাথর খনিজ পদার্থ ঘরবাড়ি তৈরিতে এবং সিমেন্ট, সোডা, গ্লাস, লোহা ও স্টীল উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া মাটি এসিডিক হলেও এটি ব্যবহার করে মাটিকে প্রশমন করা হয়। 
- কোয়ার্টজ খনিজ পদার্থ কাঁচ, সিরিজ কাগজ, রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৫২৭.
যদি একটি যন্ত্রের ক্ষমতা 100 ওয়াট এবং এটি 10 সেকেন্ডে কাজটি করে, তাহলে এতে মোট শক্তি কত ব্যয় হবে? 
  1. 10 জুল
  2. 1000 জুল
  3. 100 জুল
  4. 10000 জুল
সঠিক উত্তর:
1000 জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1000 জুল
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি একটি যন্ত্রের ক্ষমতা 100 ওয়াট এবং এটি 10 সেকেন্ডে কাজটি করে, তাহলে এতে মোট শক্তি কত ব্যয় হবে? 

সমাধান: 
এখানে, 
ক্ষমতা, P = 100  W 
সময়, t = 10  s

আমরা জানি, 
ক্ষমতা, P = W/t
বা, W = P × t
বা, W = 100 × 10
সুতরাং, W = 1000 J

ক্ষমতা (Power): 
- ক্ষমতা হচ্ছে কাজ করার হার। 
অর্থাৎ, t সময়ে W কাজ করা হয়ে থাকলে ক্ষমতা P হচ্ছে, 
P = W/t 
- কাজ করার অর্থ হচ্ছে শক্তির রূপান্তর। 
- শক্তির যেহেতু ধ্বংস নেই তাই কাজ করার মাঝে দিয়ে শক্তির রূপান্তর করা হয় মাত্র। 
- তাই ক্ষমতা হচ্ছে শক্তির রূপান্তরের হার। কাজ বা শক্তি যেহেতু স্কেলার তাই ক্ষমতাও স্কেলার। 
- ক্ষমতার একক: W (ওয়াট) । 
- ক্ষমতার মাত্রা: [P] = [ML2T-3 ]। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫২৮.
কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকার নেই
  2. খ) গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন নেই
  3. গ) গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট ওজন নেই
  4. ঘ) অ্যামোনিয়া গ্যাসীয় পদার্থ
সঠিক উত্তর:
গ) গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট ওজন নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট ওজন নেই
ব্যাখ্যা
গ্যাসীয় পদার্থ :
- গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকার নেই।
- গ্যাসীয় পদার্থের আয়তন নেই,
- তবে এর নির্দিষ্ট ওজন আছে।
- এ ধরনের পদার্থকে যে পাত্রেই রাখা হোক না কেন সে পাত্রকে পূর্ণ করে রাখে। যে পাত্রে গ্যাসীয় উপাদানকে রাখা হয় সে পাত্রের আয়তনই তার আয়তন, সে পাত্রের আকারই তার আকার।
- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, অ্যামোনিয়া - এরা সকলেই গ্যাসীয় পদার্থ।
- গ্যাসীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ নেই বললেই চলে ।

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৫২৯.
পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়া-
  1. ক) তেজস্ক্রিয়তা
  2. খ) ফিউশন বিক্রিয়া
  3. গ) ফিশন বিক্রিয়া
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ক) তেজস্ক্রিয়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তেজস্ক্রিয়তা
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা: 
- প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফুর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে।
- ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু। স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার । যথা- প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা ও কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা।
১। প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা- কোনো পদার্থ হতে স্বতঃস্ফুর্ত ভাবে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
২। কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা- কৃত্রিম উপায়ে কোনো মৌলকে তেজস্ক্রিয় মৌলে পরিণত করলে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা বলে। 

ফিউশন বিক্রিয়া: 
- যে নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় দুই বা ততোধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে এক বা একাধিক ভিন্ন মৌলের পরমাণু তৈরি করে তাকে নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়া বলে।
- সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্রে শক্তির উৎস হচ্ছে নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়া। 
- নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া ব্যবহার করে হাইড্রোজেন বোমা তৈরি করা হয়।

ফিশন বিক্রিয়া: 
- যে নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় একটি পারমাণু ভেঙ্গে একাধিক হালকা ভিন্ন মৌলের পরমাণু তৈরি করে তাকে ফিশন বিক্রিয়া বলে। 
- নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া ব্যবহার করে পারমাণবিক বোমা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৩০.
দৃশ্যমান আলোর মধ্যে কোন বর্ণের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম?
  1. লাল 
  2. কমলা 
  3. বেগুনি 
  4. সবুজ 
সঠিক উত্তর:
বেগুনি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুনি 
ব্যাখ্যা

- দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীতে বেগুনি বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম, তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হওয়ার কারণে এই আলোর কম্পাঙ্ক এবং শক্তির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি হয়। 

দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ: 
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির পরের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয় একে বলা হয় দৃশ্যমান বিকিরণ বা দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ। এই তরঙ্গের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিসর 4×10-7m থেকে 7×10-7m মাত্র। এই পরিসরের বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যরে জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়। 
- এদের বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
- এদের মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং লাল আলোর সবচেয়ে বেশি। 
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম। 
- বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি। 
- লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৩১.
বিজ্ঞানীরা Black Hole এর ছবি প্রথম কত সালে তুলতে সক্ষম হয়?
  1. ২০২০
  2. ২০১৯
  3. ২০১৫
  4. ১৯১৫
সঠিক উত্তর:
২০১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৯
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণগহব্বর (Black Hole): 
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল। 
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম। ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম। 
- একটি মিল্কীওয়েতে ১০০ মিলিয়নের বেশি ব্ল্যাকহোল থাকতে পারে। 
- মহাকাশে কৃষ্ণগহব্বর থাকার কথা প্রথম ধারণা করেন - আলবার্ট আইনস্টাইন। 
- ১৯১৬ সালে তিনি তাঁর general theory of relativity তে এই ধারণা তুলে ধরেন। 
- আমেরিকান মহাকাশ বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম ১৯৬৭ সালে "black hole" শব্দটি ব্যবহার করেন, তিনিই মূলত কৃষ্ণগহবরের আবিষ্কারক। 
- ২০১৯ সালে প্রথম ব্ল্যাক হোলের ছবি তুলতে সক্ষম হয়  Event Horizon Telescope (EHT).

উৎস: নাসা ও ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১,৫৩২.
স্নায়ুবিক বৈকল্যজনিত রোগ কোনটি?
  1. ক) পারকিনসন রোগ
  2. খ) কোভিড-১৯
  3. গ) পোলিও
  4. ঘ) কোয়াশিওরকর
সঠিক উত্তর:
ক) পারকিনসন রোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পারকিনসন রোগ
ব্যাখ্যা
পারকিনসন রোগ হচ্ছে স্নায়ুবিক বৈকল্যজনিত রোগ।

- পারকিনসন মস্তিষ্কের এমন এক অবস্থা, যেখানে হাত ও পায়ের কাঁপুনি হয় এবং আক্রান্ত রোগীর নড়াচড়া, হাঁটাহাঁটি করতে সমস্যা হয়। 
- পারকিনসন রোগ সাধারণত ৫০ বছরের অধিক বয়সীদের মাঝে দেখা যায়। 
- পারকিনসন রোগ এক প্রকার নিউরো ডিজেনারেটিভ বা স্নায়ুর অধঃপতনজনিত রোগ।
- লক্ষণসমূহ-
১) হাত,পা,মাথা এবং মুখের থুতনি ও চোয়াল কেঁপে ওঠা। 
২) ধীরে ধীরে শরীরের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাওয়া।
৩) হাত পা ও শরীরের মাংস পেশি শক্ত হয়ে যাওয়া। ফলে, শরীরের যেকোনও অংশ নড়াচড়া করতে কষ্ট হয়, যেমন- হাত ঘোরাতে বেশ কষ্ট অনুভূত হয়।
৪) হাঁটাচলা ক্রমশ ধীরগতি হয় এবং জড়তা দেখা দেয়।

সূত্র- WHO Website [লিঙ্ক]
 
১,৫৩৩.
নিচের কোনটি আলোর প্রতিসরণের একটি উদাহরণ? 
  1. ছায়া সৃষ্টি হওয়া
  2. আয়নায় মুখ দেখা
  3. পানিতে বৈঠা বাঁকা দেখা
  4. চোখে সরাসরি সূর্যের আলো পড়া
সঠিক উত্তর:
পানিতে বৈঠা বাঁকা দেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানিতে বৈঠা বাঁকা দেখা
ব্যাখ্যা

আলোর প্রতিসরণ: 
- আলো যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদতলে আপতিত হয় তখন ২য় মাধ্যমে আলোর গতিপথের দিক পাল্টে যাওয়াকে আলোর প্রতিসরণ বলে। 
- আলো এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় প্রতিসরিত আলোকরশ্মি অভিলম্ব হতে সরে যায় বা অভিলম্বের দিকে আসে। 
- বিষয়টি দুইটি মাধ্যমের ঘনত্বের উপর নির্ভর করে। 
- আলোর প্রতিসরণের জন্য বস্তুর প্রকৃত অবস্থান দেখা যায় না। 
- আলোর প্রতিসরণের ফলে যা ঘটে- 
• পুকুরের পানির ভেতর মাছকে কিছুটা ওপরে দেখা যায়। 
• একটি সরল দণ্ডকে তীর্যকভাবে পানিতে ডোবালে বাঁকা দেখা যায়। 
• পানিতে ডােবানাে পয়সা উপর থেকে তাকালে কিছুটা উপরে দেখা যায়। 
• খাঁড়াভাবে তাকালে পুকুরের গভীরতা প্রকৃত গভীরতা থেকে কম মনে হয়। 
পানিতে নৌকার বৈঠা বাঁকা দেখা যায়। 

অন্যদিকে, 
- ছায়া সৃষ্টি হওয়া → এটি আলোর প্রতিবন্ধকতা ও সরলরেখায় চলাচলের ফল, প্রতিসরণ নয়। 
- আয়নায় মুখ দেখা → এটি প্রতিফলনের উদাহরণ। 
- চোখে সরাসরি সূর্যের আলো পড়া → এটি কোনো নির্দিষ্ট অপটিক্যাল ঘটনাকে বোঝায় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৫৩৪.
প্রােটিন তৈরি হয়-
  1. ফ্যাটি অ্যাসিড দিয়ে
  2. নিউক্লিক অ্যাসিড দিয়ে
  3. অ্যামিনাে অ্যাসিড দিয়ে
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অ্যামিনাে অ্যাসিড দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামিনাে অ্যাসিড দিয়ে
ব্যাখ্যা
• প্রােটিন তৈরি হয় অ্যামিনাে অ্যাসিড দিয়ে।

- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেনের সমন্বয়ে আমিষ গঠিত।
- আমিষের একক হল অ্যামাইনো এসিড।
- আমাদের শরীরে আমিষ পরিপাক হওয়ার পর সেগুলো অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়।
- মানুষের শরীরের এ পর্যন্ত ২০ প্রকার অ্যামাইনো এসিড পাওয়া গেছে যার মধ্যে ৮ টি হলো অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড।
- প্রােটিন গঠনকারী অ্যামাইনাে অ্যাসিডের মধ্যে ৮টি অ্যামাইনাে অ্যাসিড মানবদেহের জন্য অত্যাবশ্যকীয়।
- এই ৮টি অত্যাবশ্যকীয় অ্যাসিডগুলাে হলাে:
১. লাইসিন,
২. লিউসিন,
৩. আইসােলিউসিন,
৪. মিথিওনিন,
৫. ট্রিপটোফ্যান,
৬. ভ্যালিন,
৭. ফিনাইল অ্যালানিন,
৮. থ্রিওনিন।

উৎস:
১. সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২. বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী
১,৫৩৫.
মানব মস্তিষ্কে নিউরনের সংখ্যা কত?
  1. ১০ মিলিয়ন
  2. ১০ বিলিয়ন
  3. ১০ ট্রিলিয়ন
  4. ১০ কোয়াড্রিলিয়ন
সঠিক উত্তর:
১০ বিলিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা

- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অংশ হলো মস্তিষ্ক। একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের মস্তিষ্কের ওজন প্রায় ১.৩৬ কেজি।
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যগত একক হলো নিউরন। মানব মস্তিষ্কে প্রায় ১০ বিলিয়ন বা ১ হাজার কোটি নিউরন থাকে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১,৫৩৬.
হৃৎপিণ্ডকে আবৃতকারী পর্দার নাম কী?
  1. ক) মেনিনজেস
  2. খ) পেরিকার্ডিয়াম
  3. গ) এপিকার্ডিয়াম
  4. ঘ) এক্টোকার্ডিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) পেরিকার্ডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পেরিকার্ডিয়াম
ব্যাখ্যা
হৃৎপিণ্ডকে আবৃতকারী পর্দার নাম- পেরিকার্ডিয়াম।
মস্তিষ্ককে আবৃতকারী পর্দার নাম- মেনিনজেস।
হৃৎপিণ্ডের স্তর ৩টি। যথা- এপিকার্ডিয়াম, এন্ডোকার্ডিয়াম ও এক্টোকার্ডিয়াম।।
উৎসঃ প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৫৩৭.
সুপরিবাহী পদার্থে যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ড -
  1. ক) আলাদা থাকে
  2. খ) উপরিলেপন থাকে
  3. গ) অনেক দূরে থাকে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) উপরিলেপন থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উপরিলেপন থাকে
ব্যাখ্যা
• পরিবাহী: যে সব পদার্থের মধ্যে যথেষ্ট মুক্ত ইলেকট্রন থাকে এবং যেগুলোর মধ্য দিয়ে খুব সহজে তড়িৎ প্রবাহ চলাচল করতে পারে সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে। যেমন: তামা, অ্যালুমিনিয়াম, রূপা, লোহা ইত্যাদি পরিবাহী।

• পরিবাহীতে যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ডের মাঝে কোন শক্তি ব্যবধান থাকে না। অর্থাৎ Ep এর মান শূন্য হয়। 
এক্ষেত্রে পরিবাহীর যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ড এর মধ্যে আংশিক উপরিলেপন ঘটে, কাজেই যোজন ইলেকট্রন খুব সহজেই পরিবহন ইলেকট্রনে পরিণত হতে পারে। এই উপরিলেপনের জন্য, পরিবাহীর দুই প্রান্ডে খুব সামান্য বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করলেই মুক্ত ইলেকট্রনগুলো তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে। 
পরিবাহীতে প্রচুর পরিমাণে মুক্ত ইলেকট্রন থাকার ফলে এদের রোধ খুব কম হয় অর্থাৎ তড়িৎ পরিবাহিতা বেশি হয়।
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৫৩৮.
নিচের কোনটি বোরনের অভাবজনিত লক্ষণ নয়?
  1. ক) কাণ্ড দুর্বল ও ছোট হওয়া
  2. খ) কচি পাতার বৃদ্ধি কমে যাওয়া
  3. গ) ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হওয়া
  4. ঘ) কাণ্ড খসখসে হয়ে ফেটে যাওয়া
সঠিক উত্তর:
ক) কাণ্ড দুর্বল ও ছোট হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কাণ্ড দুর্বল ও ছোট হওয়া
ব্যাখ্যা
বোরন (B):
- বোরন কোষপ্রাচীরের কাঠামোর মধ্যে অবস্থান করে।
- প্রাচীরটিকে তথা কোষটিকে দৃঢ়তা দেয়।
- বিপাক ক্রিয়ার বিভিন্ন বিক্রিয়ায় এর নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা রয়েছে।
- তাই বোরনের অভাবে পর্যাপ্ত দৃঢ়তা না পেয়ে এবং বিপাকে গোলযোগ হওয়ার কারণে উদ্ভিদের বর্ধনশীল অগ্রভাগ মরে যায়।
- কচি পাতার বৃদ্ধি কমে যায় এবং পাতা বিকৃত হয়।
- কাণ্ড খসখসে হয়ে ফেটে যায়।
- ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হয়।
লৌহ (Fe):
- লৌহের অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়ে যায়। 
- তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথম হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়। 
- কখনো কখনো সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়।
- কাণ্ড দুর্বল এবং ছোট হয়

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৩৯.
মঙ্গলগ্রহে প্রেরিত নভোযান কোনটি?
  1. সযুজ
  2. এপোলো
  3. ভয়েজার
  4. ভাইকিং
সঠিক উত্তর:
ভাইকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইকিং
ব্যাখ্যা
- মার্কিন মহাকাশযান সফলভাবে মঙ্গল গ্রহে উড়েছে (মেরিনার্স 4, 6 এবং 7), 
- গ্রহকে প্রদক্ষিণ করেছে (মেরিনার 9 এবং ভাইকিংস 1 এবং 2), এবং 
- এর পৃষ্ঠে ল্যান্ডে মডিউল স্থাপন করেছে (ভাইকিংস 1 এবং 2)। 

U.S. spacecraft successfully flew by Mars (Mariners 4, 6, and 7), orbited the planet (Mariner 9 and Vikings 1 and 2), and placed lander modules on its surface (Vikings 1 and 2).

উৎস: Britannica Encyclopedia. 
১,৫৪০.
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র অনুযায়ী, দুটি বস্তুর মধ্যকার দূরত্ব দ্বিগুণ হলে আকর্ষণ বল কত গুণ হবে?
  1. ২ গুণ
  2. ৪ গুণ
  3. ১/২ গুণ
  4. ১/৪ গুণ
সঠিক উত্তর:
১/৪ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৪ গুণ
ব্যাখ্যা

◉ দূরত্ব দ্বিগুণ করা হলে, মহাকর্ষ বল ১/৪ গুণ হবে। 

মহাকর্ষ বল: 
- মহাবিশ্বের যেকোন দুইটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বল বলে।

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র: 
- দুইটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ বল বস্তু দুইটির ভরের গুণফলের সমানুপাতিক।
- মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক।


অর্থাৎ, মধ্যবর্তী দূরত্ব বাড়লে বল কমে যায়। দূরত্ব দ্বিগুণ করা হলে বল পূর্বের ১/৪ হবে।

উৎস: উচ্চ মধ্যমিকের পদার্থবিজ্ঞান বই।

১,৫৪১.
মস্তিষ্কের কোন অংশ বাকশক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. ক) সেরেব্রাম
  2. খ) থ্যালামাস
  3. গ) হাইপোথ্যালামাস
  4. ঘ) সেরেবেলাম
সঠিক উত্তর:
ক) সেরেব্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সেরেব্রাম
ব্যাখ্যা
সেরেব্রাম (অগ্রমস্তিষ্ক): 
- সংবেদী অঙ্গ থেকে আসা অনুভূতি গ্রহণ ও বিশ্লেষণ করে।
- চিন্তা, বুদ্ধি, ইচ্ছাশক্তি, উদ্ভাবনীশক্তি প্রভৃতি উন্নত মানসিক বোধের নিয়ন্ত্রণ করে।
- বিভিন্ন সহজাত প্রবৃত্তির নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে।
- বাকশক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করে। 
- দেহের সব ঐচ্ছিক পেশির কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে। 

থ্যালামাস (অগ্রমস্তিষ্ক): 
- এটি সংজ্ঞাবহ স্নাউর রিলে স্টেশন হিসেবে কাজ করে।
- চাপ, স্পর্শ, যন্ত্রণা প্রভৃতি স্থূল অনুভূতির কেন্দ্র, আবেগের কেন্দ্র ও অভ্যন্তরীণ অঙ্গের নিয়ন্ত্রক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
- মানুষের ব্যাক্তিত্ব ও সমাজিক আচরণের প্রকাশ ঘটায়। 
- ঘুম্নত মানুষকে হঠাৎ জাগিয়ে তোলা ও পরিবেশ সম্বন্ধে সতর্ক করে তোলে।

হাইপোথ্যালামাস (অগ্রমস্তিষ্ক): 
- স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুকেন্দ্রের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
- দেহতাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
- ক্ষুধা, তৃষ্ণা, ঘাম, ঘুম, রাগ, পীড়ন, ভালোবাসা, ঘৃণা, উদ্বেগ প্রভৃতির কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। 

সেরেবেলাম (পশ্চাৎমস্তিষ্ক): 
- ঐচ্ছিক চলাফেরা নিয়ন্ত্রণ করে।
- ওইচ্ছিক পেশির পেশিটান নিয়ন্ত্রণ করে।
- দেহের ভারসাম্য ও দেহভঙ্গি বজায় রাখে।
- চলাফেরার দিক নির্ধারণ করে।
  
সূত্র: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গাজি আজমল ও গাজী আসমত 
১,৫৪২.
নিচের কোনটি ফ্লোয়েম টিস্যু নয়?
  1. ক) ভেসেল
  2. খ) সীভ নল
  3. গ) সঙ্গী কোষ
  4. ঘ) বাস্ট তন্তু
সঠিক উত্তর:
ক) ভেসেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভেসেল
ব্যাখ্যা
ফ্লোয়েম টিস্যু:
- উদ্ভিদের পাতা ও অন্যান্য সবুজ অংশে যে খাদ্য উৎপাদন হয় তা উদ্ভিদের অন্যান্য অংশে পরিবহন করাই এদের কাজ।
- ফ্লোয়েম টিস্যু চার ধরনের কোষ দ্বারা গঠিত। যথা-
(A) সীভ নল,
(B) সঙ্গী কোষ,
(C) ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা এবং
(D) ফ্লোয়েম ফ্লাইবার বা বাস্ট তন্তু।
- এই ফ্লোয়েম টিস্যুর কাজ হলো- উদ্ভিদ দেহকে দৃঢ়তা প্রদান করে এবং কখনো কখনো খাদ্য পরিবহনে সহায়তা করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
১,৫৪৩.
ভিটামিন ‘ই’ -এর কাজ কি?
  1. দেহ বৃদ্ধিতে সহায়তা করা
  2. প্রজননে সহায়তা করা
  3. হার্ট এটাক প্রতিরোধ করা
  4. রক্তজমাট বাঁধাকে দ্রুত দূরীভূত করা
সঠিক উত্তর:
প্রজননে সহায়তা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজননে সহায়তা করা
ব্যাখ্যা
ভিটামিন ই (Vitamin E):
- ভিটামিন ই এর রাসায়নিক নাম টোকোফেরল।
- এটি তাপ ও অম্লে বিনষ্ট হয় না। তবে ক্ষারে সামান্য নষ্ট হয়।

ভিটামিন ই এর উৎস:
- সব ধরনের উদ্ভিজ্জ তেল, যেমন- নারিকেল তেল, সরিষার তেল, চালের কুঁড়ার তেল, সয়াবিন তেল ইত্যাদি ভিটামিন ই এর ভালো উৎস।
- শস্যদানার ভ্রূণ, বাদাম, গোটা শস্য, শাক-সবজি, মাখন ইত্যাদিতে কিছু পরিমাণে ভিটামিন ই থাকে।
- ডিমের কুসুম, দুধ ও যকৃতেও ভিটামিন ই পাওয়া যায়।

ভিটামিন ই এর কাজ:
১। ভিটামিন এ রক্তের লোহিত কণার জারণসহ অবাঞ্ছিত জারণ রোধ করে।
২। জননাঙ্গের বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক ক্ষমতা বজায় রাখে ।
৩। নারী ও পুরুষের বন্ধ্যাত্ব প্রতিরোধ করে।
৪। নারী ও পুরুষের স্বাভাবিক প্রজননে সহায়তা করে।
৫। অকাল বার্ধক্য রোধ করে।
৬। ভ্রূণের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

ভিটামিন ই এর অভাবজনিত অবস্থা:
১। নারী ও পুরুষের সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা লোপ পায় এবং বন্ধ্যাত্ব দেখা দেয়।
২। ভ্রূণের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
৩। গর্ভপাত হতে পারে।
৪। অকাল বার্ধক্য দেখা দেয়।

তথ্যসূত্র - গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৪৪.
কার্বন ব্যতীত আর কোন মৌলে ক্যটেনেশন দেখা যায়?
  1. ক) Si
  2. খ) Ga
  3. গ) In
  4. ঘ) Al
সঠিক উত্তর:
ক) Si
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Si
ব্যাখ্যা
ক্যাটেনেশন
• একই মৌলের অনেকগুলো পরমাণুর পর পর যুক্ত হয়ে শিকল গঠনের প্রক্রিয়াকে ক্যাটিনেশন বলা হয়।
• কার্বনের ক্যাটেনেশন গুণ বেশ প্রবল। ক্যাটিনেশন প্রবণতা মৌলের দু'টি পরমাণুর মধ্যকার বন্ধন-শক্তির সাথে সম্পর্কযুক্ত।
• কার্বন ক্যাটেনেশনের মাধ্যমে শিকল ও চক্রাকার বা বলয় উভয় ধরনের কাঠামো গঠন করতে পারে।

সিলিকনেও ক্যাটেনেশন দেখা যায়। সিলিকন অল্পসংখ্যক শিকল গঠন করে। অর্থাৎ সিলিকনে ক্যাটেনেশন ধর্ম সীমিত। 

উৎস: রসায়ন, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,৫৪৫.
মানবদেহের প্রধান রেচন অঙ্গের একক কী?
  1. সাইনাস
  2. নিউরন
  3. নেফ্রন
  4. লোবিউল
সঠিক উত্তর:
নেফ্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেফ্রন
ব্যাখ্যা
• রেচন:
- যে জৈবিক প্রক্রিয়ায় দেহে বিপাক ক্রিয়ায় উৎপন্ন নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থগুলো বের করে দেওয়া হয় তাকে রেচন বলা হয়। 

⇒ মানবদেহের রেচন অঙ্গ হলো কিডনি অথবা বৃক্ক।
⇒ বৃক্কের একক হলো নেফ্রন।

• শরীরের অতিরিক্ত পানি, লবণ এবং জৈব পদার্থগুলো সাধারণত রেচনের মাধ্যমে দেহ থেকে বের করে দিয়ে বৃক্ক দেহের শারীরবৃত্তীয় ভারসাম্য রক্ষা করে।
- দেহের এই বর্জ্য পদার্থগুলো শরীরে কোনো কারণে জমতে থাকলে নানা রকমের অসুখ দেখা দেয়, পরবর্তীতে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
১,৫৪৬.
ব্যাপন প্রক্রিয়ায় পদার্থ সাধারণত কোন দিক দিয়ে ছড়িয়ে পড়ে?
  1. নিম্ন ঘনমাত্রার স্থান থেকে উচ্চ ঘনমাত্রার স্থানে
  2. উচ্চ ঘনমাত্রার স্থান থেকে নিম্ন ঘনমাত্রার স্থানে
  3. সমান ঘনমাত্রার স্থান থেকে যেকোনো দিকে
  4. মহাকর্ষের দিক বরাবর
সঠিক উত্তর:
উচ্চ ঘনমাত্রার স্থান থেকে নিম্ন ঘনমাত্রার স্থানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চ ঘনমাত্রার স্থান থেকে নিম্ন ঘনমাত্রার স্থানে
ব্যাখ্যা

ব্যাপন প্রক্রিয়ায় পদার্থ সাধারণত উচ্চ ঘনমাত্রার স্থান থেকে নিম্ন ঘনমাত্রার স্থানে ছড়িয়ে পড়ে।   

ব্যাপন (Diffusion)
- কোনো মাধ্যমে কঠিন, তরল ও বায়বীয় পদার্থের স্বতঃস্ফূর্ত ও সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।
- ব্যাপন প্রক্রিয়ায় কঠিন, তরল কিংবা বায়বীয় পদার্থ উচ্চ ঘনমাত্রার স্থান থেকে নিম্ন ঘনমাত্রার স্থানের দিকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
- উদাহরণ: ঘরের এক কোণে কোনো একটি সুগন্ধির শিশির মুখ খুলে রাখলে কিছুক্ষণের মধ্যে সারা ঘরে সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এটি ব্যাপন প্রক্রিয়ার উদাহরণ।
- যে পদার্থের ছড়িয়ে পড়তে সময় কম লাগে সেই পদার্থের ব্যাপন হার বেশি এবং যে পদার্থের ছড়িয়ে পড়তে সময় বেশি লাগে সেই পদার্থের ব্যাপন হার কম।
- যে পদার্থের আণবিক ভর বেশি সে পদার্থের ব্যাপন হার কম।

উৎস: রসায়ন- ৯ম-১০ম শ্রেণি। 

১,৫৪৭.
সর্বাপেক্ষা ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ হচ্ছে -
  1. আলফা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. রঞ্জন রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা

- তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যদি দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে ছোট হয় সেটাকে আমরা বলি আল্ট্রা ভায়োলেট আলো, আরও ছোট হলে এক্স-রে আরও ছোট হলে গামা রে- যেটা তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস থেকে বের হয়।

- আবার তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যদি দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে বড় হয় সেটাকে আমরা বলি ইনফ্রারেড, আরও বড় হলে মাইক্রোওয়েভ এবং আরও বড় হলে রেডিও ওয়েভ।

 -জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি হলাে গামা রশ্মি।
- গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম হওয়ায় এর ভেদন ক্ষমতাও সবচেয়ে বেশি। পারমাণবিক বিস্ফোরণে গামা রশ্মি নির্গত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি, নাসা ওয়েবসাইট।

১,৫৪৮.
মানব রক্তের স্বাভাবিক pH মাত্রা সাধারণত কত থাকে?
  1. ৪.৩-৫.৫
  2. ৫.৩-৬.০
  3. ৭.৩-৭.৪
  4. ৮.৫-৯.৪
সঠিক উত্তর:
৭.৩-৭.৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭.৩-৭.৪
ব্যাখ্যা
রক্ত: 
- রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের তরল যোজক কলা। 
- রক্তবাহিকার মাধ্যমে রক্ত মানব দেহের সর্বত্র সঞ্চালিত হয়। 
- রক্ত সামান্য ক্ষারীয়, রক্তের pH মাত্রা গড়ে ৭.৩-৭.৪ । 
- সজীব রক্তের তাপমাত্রা ৩৬-৩৮ সেলসিয়াস। 
- অজৈব লবণের উপস্থিতিতে রক্ত লবণাক্ত। 
- একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষের দেহে গড়ে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, শরীরের মোট ওজনের প্রায় ৮%। 

- মানব দেহের রক্ত প্রধানত রক্তরস ও রক্ত কণিকা নিয়ে গঠিত। 
- স্থিতি অবস্থায় কিছুক্ষণ রাখলে রক্ত দুই স্তরে বিভক্ত হয়ে পড়ে। 
- উপরের হালকা হলুদ বর্ণের প্রায় ৫৫% যে অংশ থাকে তাকে রক্তরস বা প্লাজমা বলে এবং নিচের গাঢ়তর বাঁকি ৪৫% অংশকে রক্ত কণিকা বলে। 
- প্রকৃতপক্ষে রক্ত কণিকাগুলো রক্ত রসে ভাসমান অবস্থায় থাকে এবং লোহিত রক্ত কণিকার উপস্থিতিতে রক্ত লাল দেখায়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৪৯.
একটি কাঁচের মধ্যে লাল, সবুজ, নীল ও বেগুনি রঙের আলো ফেললে কোনটির প্রতিসরণ সবচেয়ে বেশি হবে?
  1. ক) লাল
  2. খ) সবুজ
  3. গ) নীল
  4. ঘ) বেগুনি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেগুনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেগুনি
ব্যাখ্যা
দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ:
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির পরের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয় একে বলা হয় দৃশ্যমান বিকিরণ বা দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ। এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে পরিসর 4×10-7m থেকে 7×10-7m মাত্র।
- এই পরিসরের বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়। এদের বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়।
- এদের মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং লাল আলোর সবচেয়ে বেশি।

• যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
• বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশী।
• আর লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৫০.
নিচের কোনটি উদ্ভিদের একটি ম্যাক্রো পুষ্টি উপাদান? 
  1. ফসফরাস
  2. ম্যাঙ্গানিজ
  3. দস্তা
  4. মোলিবডেনাম
সঠিক উত্তর:
ফসফরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফসফরাস
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়। 
- এই উপাদানগুলো সব ধরনের উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য প্রয়োজন। 
- উদ্ভিদ কর্তৃক গৃহীত অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যেমন - 
১। ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়।
- ম্যাক্রো উপাদান ৯ টি। 
যথা -
• নাইট্রোজেন (N), 
• পটাশিয়াম (K), 
ফসফরাস (P)
• ক্যালসিয়াম (Ca), 
• ম্যাগনেসিয়াম (Mg), 
• কার্বন (C), 
• হাইড্রোজেন (H), 
• অক্সিজেন (O) এবং 
• সালফার (S)। 

২। মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে।
- মাইক্রো উপাদান ৭টি।
যথা - 
• দস্তা বা জিংক (Zn), 
• ম্যাঙ্গানিজ (Mn), 
• মোলিবডেনাম (Mo), 
• বোরন (B), 
• লৌহ (Fe), 
• তামা বা কপার (Cu) এবং 
• ক্লোরিন (Cl)। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৫১.
বাংলাদেশের পানি সম্পদের চাহিদা সবচেয়ে বেশি কোন খাতে?
  1. আবাসিক
  2. কৃষি
  3. পরিবহন
  4. শিল্প
সঠিক উত্তর:
কৃষি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি
ব্যাখ্যা
• কৃষিখাত: 
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে কৃষি খাতে সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান হয়।
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত: সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত: কৃষিখাত।
- আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত: কৃষিখাত।
- কৃষি বাংলাদেশের প্রধান অর্থনৈতিক খাত এবং পানি সম্পদের প্রধান ব্যবহারকারী।
- কৃষিখাত ছাড়া পানির আবাসিক ও বাণিজ্যিক ব্যবহারও ব্যাপক।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪, বাংলাপিডিয়া।
১,৫৫২.
'ডাউন সিন্ড্রোম' কী?
  1. গর্ভবতী মায়ের রক্তস্বল্পতা
  2. গর্ভস্থ শিশুর অপরিণত বিকাশ
  3. শিশুরে দেহে ভিটামিন এ এর অভাব
  4. ফলের অপরিণত বিকাশ
সঠিক উত্তর:
গর্ভস্থ শিশুর অপরিণত বিকাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গর্ভস্থ শিশুর অপরিণত বিকাশ
ব্যাখ্যা
ডাউন সিন্ড্রোম:
- ল্যাংডন ডাউন ১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দে মঙ্গোলীয় জড় বুদ্ধিতা নামক একটি বংশগত রোগের সিন্ড্রোম বর্ণনা করেন।
- তার নাম থেকেই এ রোগের নাম ডাউন সিন্ড্রোম।
- মানুষের ২১তম ক্রোমোসোমের বিচ্ছিন্নকরণ (Non disjunction) না ঘটার ফলে এ রোগটি হয়।
- শিশু জন্মের সঙ্গে সঙ্গেই এ রোগটি সহজে বোঝা যায়। শিশুর চোখের পাতায় অতিরিক্ত একটি ভাঁজ দেখা দেয়।
- এদের মুখ থাকে খোলা, জিহবা বের হওয়া এবং জিহ্বায় কিছু সংখ্যক ভাঁজ।
- পানি জমে হাত-পা ফোলা ফোলা থাকে। 
- হাত ও পায়ের তালুর এক পাশ থেকে অপর পাশ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে একটি বিশেষ ভাঁজ বা রেখা।
- হাত খাটো ও প্রশস্ত, মুখ মন্ডল চেপ্টা ও করোটি গোল, গলা বেশ খাটো, কান নিচের দিকে নামানো, চোখের মনির পাশে বিদ্যমান ব্রাশফিল্ড দাগ, নমনীয় সন্ধিস্থল, ভেতরমুখী বাঁকানো ৫ম আঙ্গুল এবং পায়ের ১ম ও ২য় আঙ্গুলের মধ্যবর্তী বেশ বড় ফাঁক প্রভৃতি ডাউন সিন্ড্রমের লক্ষণ।
- শৈশবে ডাউন সিন্ড্রমের রোগীরা বেশ হাসিখুশি ও অনুগত থাকে।
- বড় হলে দেখা যায় এদের বুদ্ধিমত্তা তুলনামূলকভাবে কম।

উৎস: জীবন গড়ার কলা কৌশল, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৫৩.
যেসকল পদার্থকে চৌম্বকক্ষেত্রে স্থাপন করা হলে চুম্বকায়কারী ক্ষেত্রের বিপরীত দিকে সামান্য চুম্বকত্ব লাভ করে তাকে বলে-
  1. প্যারাচৌম্বক পদার্থ
  2. ডায়াচৌম্বক পদার্থ
  3. ফেরোচৌম্বক পদার্থ
  4. এন্টিফেরোচৌম্বক পদার্থ
সঠিক উত্তর:
ডায়াচৌম্বক পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়াচৌম্বক পদার্থ
ব্যাখ্যা
• ডায়াচৌম্বক পদার্থ:
- যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপন করা হলে চুম্বকায়নকারী ক্ষেত্রের বিপরীত দিকে সামান্য চুম্বকত্ব লাভ করে তাদেরকে ডায়াচৌম্বক পদার্থ বলে।
যেমন: হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ। 
 
• প্যারাচৌম্বক পদার্থ:
- যে সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং এরা চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়। এদেরকে প্যারা চৌম্বক বলে। প্যারা চৌম্বক পদার্থের অণু, পরমাণু, বা আয়নের স্থায়ী চৌম্বক দ্বিপোল মোমেন্ট থাকে। 
যেমন: অ্যালুমিনিয়াম, সোডিয়াম, এন্টিমনি, প্লাটিনাম, ম্যাঙ্গানিজ, ক্রোমিয়াম, তরল অক্সিজেন প্রভৃতি প্যারাচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ।

• ফেরোচৌম্বক পদার্থ:
- যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয়। এদের ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন: লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি হলো ফেরোচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৫৪.
বিদ্যুতের উচ্চতর ভোল্ট থেকে নিম্নতর ভোল্ট পাওয়া যায়-
  1. ট্রান্সমিটারের সাহায্যে
  2. স্টেপ-আপ ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে
  3. স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে
  4. এডাপটারের সাহায্যে
সঠিক উত্তর:
স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে
ব্যাখ্যা
• ট্রান্সফর্মার:
- ট্রান্সফরমার একটি স্থির বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা বিদ্যুৎ শক্তিকে একটি সার্কিট থেকে অপর একটি সার্কিটে স্থানান্তর করে।
- ট্রান্সফর্মার প্রধানত ২ প্রকার। যথা:
১. স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার এবং
২. স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার।

- আরোহী বা স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার - অল্প বিভবের অধিক তড়িৎ প্রবাহকে অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহে রূপান্তরিত করে।
- এই ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা বেশি হয়।
- দূরদূরান্তে বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য আরোহী বা স্টেপআপ ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয়।
- অবরোহী বা স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার - অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহকে অল্প বিভবের অধিক তড়িৎ প্রবাহে রূপান্তরিত করে।
- স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে বিদ্যুতের উচ্চতর ভোল্ট থেকে নিম্নতর ভোল্ট পাওয়া যায়।
- স্টেপডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয় নিম্ন ভোল্টেজ ব্যবহারকারীর যন্ত্রপাতি যেমন রেডিও, টেলিভিশন, টেপরেকর্ডার, ভিসিআর, ভিসিপি, ইলেকট্রিক ঘড়ি, ওয়াকম্যান ইত্যাদিতে।
- বাসা বাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৫৫.
কিসের সাহায্যে সিলিন্ডারের ব্যাস পরিমাপ করা যায়?
  1. স্লাইড ক্যালিপার্স
  2. স্ক্রু গজ
  3. ভার্নিয়ার স্কেল
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
স্লাইড ক্যালিপার্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্লাইড ক্যালিপার্স
ব্যাখ্যা
স্লাইড ক্যালিপার্স: 
- যে পরিমাপক যন্ত্রের সাহায্যে কোন বস্তুর দু-প্রান্তের মধ্যবর্তী দূরত্ব নির্ণয় করে পরিমাপ করা যায় তাকে স্লাইড ক্যালিপার্স বলে।
- এই যন্ত্রের সাহায্যে সিলিন্ডারের ব্যাস মাপা যায়। 

অন্যদিকে, 
- মিলিমিটারের চেয়ে সূক্ষ্ম পরিমাপ করতে ভার্নিয়ার স্কেল ব্যবহার করা হয়। 
- স্ক্রু গজ যন্ত্রের সাহায্যে ক্ষুদ্র বস্তুর দৈর্ঘ্য, সরু তারের ব্যাস, সরু চোঙের ব্যাসার্ধ ইত্যাদি পরিমাপ করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
১,৫৫৬.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে 'ওজন স্তর' অবস্থিত?
  1. ট্রপোস্ফিয়ার
  2. মেসোস্ফিয়ার
  3. স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  4. এক্সোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
• বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরে 'ওজন স্তর' অবস্থিত।

• ওজন স্তর:
- বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার নামক স্তরে ওজোন নামক গ্যাসের একটি পাতলা স্তর রয়েছে, একে ওজোন স্তর বলে।
- ওজোন স্তর পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলকে সূর্যরশ্নির অতিবেগুনি রশ্নি থেকে রক্ষা করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ ওজোন স্তরের ক্ষতি করে, তবে সিএফসি গ্যাস প্রত্যক্ষভাবে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে।
- পারমাণবিক বিস্ফোরণ, মিথেন গ্যাস, বিমান চলাচল ইত্যাদি কারণে ওজোন স্তরের ক্ষতি হচ্ছে।
- ওজোন স্তরের ক্ষতির কারণে অতিবেগুনি রশ্নির প্রভাবে ত্বকের ক্যান্সার হতে পারে।
- ওজোন স্তরের ক্ষয়রোধে গ্রিন হাউস গ্যাসের ব্যবহার কমাতে হবে, নাইট্রোজেন সমৃদ্ব রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমাতে হবে এবং বনভূমি সংরক্ষণ ও বৃদ্বি করতে হবে।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৫৭.
একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়াম কোষে থাকে -
  1. ক) সাইটোপ্লাজম
  2. খ) ফ্ল্যাজেলা
  3. গ) প্লাজমিড
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়াম কোষের গঠন:
ব্যাকটেরিয়ার গঠন বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়াম কোষে সাধারণত যে সকল অংশগুলাে থাকে তা হলাে -
(ক) ফ্ল্যাজেলা
(খ) ক্যাপসিউল
(গ) কোষ প্রাচীর
(ঘ) প্লাজমামেমব্রেন
(ঙ) মেসােসােম
(চ) সাইটোপ্লাজম
(ছ) ক্রোমােসােম এবং
(জ) প্লাজমিড

উৎসঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,৫৫৮.
C-14 আইসোটোপে নিউট্রন সংখ্যা কয়টি?
  1. ৬টি
  2. ৮টি
  3. ৭টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
কার্বোনের আইসোটোপ এবং তাদের মৌলিক কণিকার সংখ্যা:

- C-12:  6টি প্রােটন এবং 6টি নিউট্রন,
- C-13:  6টি প্রােটন এবং 7টি নিউট্রন,
- C-14:  6টি প্রােটন এবং ৪টি নিউট্রন।

- এখানে, C14 বলতে আসলে ১৪ পারমানবিক ভর বিশিষ্ট কার্বনকে বুঝানো হয়েছে। আমরা জানি ভর হলো নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটন ও নিউট্রনের সংখ্যার সমষ্টি। কার্বনের প্রোটন সংখ্যা ৬ তাই C14  এ নিউট্রনের সংখ্যা (১৪ - ৬) বা ৮টি।
- কার্বনের এই তিনটি আইসােটোপের মাঝে C14 অস্থিতিশীল বা তেজস্ক্রিয়।

উৎস: নবম দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান।
১,৫৫৯.
নিচের কোনটি নবায়নযোগ্য শক্তি?
  1. জলবিদ্যুৎ
  2. নিউক্লিয়ার
  3. গ্যাস
  4. তেল
সঠিক উত্তর:
জলবিদ্যুৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবিদ্যুৎ
ব্যাখ্যা

• শক্তি: 
- শক্তি হচ্ছে কাজ করার সামর্থ্য। শুধু তা-ই না, যখন কোনো বস্তুর ওপর কোনো বল প্রয়োগ করে ধনাত্মক কাজ করা হয় তখন সেই বলটি আসলে বস্তুটির মাঝে একটা শক্তি সৃষ্টি করে। বস্তুটির মাঝে যতটুকু কাজ করা হয়েছে বস্তুটির মাঝে ততটুকু শক্তি সৃষ্টি হয় এবং যে বল প্রয়োগ করছে তাকে ঠিক সেই পরিমাণ শক্তি দিতে হয়।
- শক্তির একক হচ্ছে জুল (J)।

• শক্তির উৎস:
ক) অনবায়নযোগ্য:
- তেল, 
- গ্যাস, 
- কয়লা, 
- নিউক্লিয়ার। 

খ) নবায়নযোগ্য:
- জলবিদ্যুৎ
- বায়োমাস, 
- সৌরশক্তি, 
- বায়ুশক্তি, 
- জিওথার্মাল। 

• অনবায়নযোগ্য শক্তি (Non-Renewable Energy):
- যে শক্তিকে নবায়ন করা যায় না, যে কারণে এটার ফুরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে এগুলোকে বলা হয় অনবায়নযোগ্য শক্তি। 
 - এই মুহূর্তে পৃথিবীর শক্তির সবচেয়ে বড় উৎস হচ্ছে তেল,গ্যাস এবং কয়লা।
- তেল, গ্যাস এবং কয়লা তিনটিই হচ্ছে ফসিল জ্বালানি, অর্থাৎ লক্ষ-কোটি বছর আগে গাছপালা মাটির নিচে চাপা পড়ে দীর্ঘদিনের তাপ আর চাপে এই রূপ নিয়েছে। মাটির নিচ থেকে কয়লা, তেল আর গ্যাসকে তুলতে হয়।
- মাটির নিচ থেকে যে তেল তোলা হয় (Crude Oil) প্রাথমিক অবস্থায় সেগুলো অনেক ঘন থাকে, রিফাইনারিতে সেগুলো পরিশোধন করে পেট্রল, ডিজেল বা কেরোসিনে রূপান্তর করা হয় এবং সাথে সাথে আরো ব্যবহারযোগ্য পদার্থ বের হয়ে আসে।
- মাটির নিচ থেকে যে গ্যাস বের হয়, সেটি মূলত মিথেন (CH4) এর সাথে জলীয়বাষ্প এবং অন্যান্য গ্যাস মেশানো থাকতে পারে এবং সেগুলো আলাদা করে নিতে হয়।
- অনেক দেশ নিউক্লিয়ার শক্তিকে ব্যবহার করছে, সেখানেও একধরনের জ্বালানির দরকার হয়, সেই জ্বালানি হচ্ছে ইউরেনিয়াম।
- তেল, গ্যাস, কয়লা বা ইউরেনিয়াম, এই শক্তিগুলোর মাঝে একটা মিল রয়েছে, এগুলো ব্যবহার করলে শেষ হয়ে যায়। মাটির নিচে কতটুকু তেল, গ্যাস, কয়লা আছে কিংবা পৃথিবীতে কী পরিমাণ ইউরেনিয়াম আছে তা বিভিন্ন উপায়ে মানুষ জানতে পেরেছে। 

• নবায়নযোগ্য শক্তি (Renewable Energy):
- যে শক্তিকে নবায়ন করা যায়, যে কারণে এটার ফুরিয়ে যাওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই এগুলোকে বলা হয় নবায়নযোগ্য (Renewable Energy)।
- নবায়নযোগ্য শক্তি আসে সূর্যের আলো থেকে, সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা কিংবা ঢেউ থেকে, উন্মুক্ত প্রান্তরের বাতাস থেকে, পৃথিবীর গভীরের উত্তপ্ত ম্যাগমা থেকে কিংবা নদীর বহমান পানি থেকে। 
- এই মুহূর্তে পৃথিবীর সব মানুষ যে পরিমাণ শক্তি ব্যবহার করে, তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে এই নবায়নযোগ্য শক্তি। যত দিন যাচ্ছে মানুষ ততই পরিবেশ সচেতন হচ্ছে। তাই এ রকম শক্তির ব্যবহার আরো বেড়ে যাচ্ছে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান- নবম ও দশম শ্রেণি। 

১,৫৬০.
উদ্ভিদ কোষের সঞ্চিত খাদ্য কী?
  1. ক) স্টার্চ
  2. খ) গ্লাইকোজেন
  3. গ) প্রোটিন
  4. ঘ) ক্লোরোফিল
সঠিক উত্তর:
ক) স্টার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্টার্চ
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদ কোষের সঞ্চিত খাদ্য স্টার্চ বা শ্বেতসার।
- উদ্ভিদ কোষে প্লাস্টিড থাকে।
- উদ্ভিদ কোষের কোষ প্রাচীর সেলুলোজ নির্মিত।
- এদের এক বা একাধিক কোন গহ্বর থাকে।
- প্রাণী কোষের সঞ্চিত খাদ্য গ্লাইকোজেন।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
১,৫৬১.
কোনটি দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ?
  1. আম
  2. মটর
  3. শিম
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
• একবীজপত্রী উদ্ভিদ: যেসব উদ্ভিদের বীজে একটি মাত্র বীজপত্র থাকে, তাদের একবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে।
- যেমন: ধান, গম, যব, খেজুর, বরই ইত্যাদি।
• দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ: যেসব উদ্ভিদের বীজে দুটি বীজপত্র থাকে, তাদের দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে।
- যেমন: আম, ছোলা, মটর, শিম ইত্যাদি।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৫৬২.
Which of the following is a device for measuring the height of the sun and other planets?
  1. Sextant
  2. Chronometer
  3. Fadometer
  4. Tachometer
  5. Oximeter
সঠিক উত্তর:
Sextant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sextant
ব্যাখ্যা
সেক্সট্যান্ট
- সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র হলো সেক্সট্যান্ট।

অন্যদিকে,
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা নির্ণয়ের যন্ত্র বা সূক্ষ্মভাবে সময় পরিমাপ করার যন্ত্র হচ্ছে ক্রনােমিটার।
- সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপক যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র ট্যাকোমিটার।
- রক্তের অক্সিজেনের মাত্রা পরিমাপক যন্ত্র পালস অক্সিমিটার।

উৎস: Britannica.
১,৫৬৩.
কোনটি পানিবাহিত রোগ?
  1. ক) বসন্ত
  2. খ) ইনফ্লুয়েঞ্জা
  3. গ) সর্দি-কাশি
  4. ঘ) জন্ডিস
সঠিক উত্তর:
ঘ) জন্ডিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জন্ডিস
ব্যাখ্যা

- যে সব রোগ দূষিত পানির মাধ্যমে সংক্রমিত হয় বা ছড়ায় তাদেরকে পানিবাহিত রোগ বলে।
পানিবাহিত অনুজীবসমূহ মূলত দেহের পাকস্থলিতে আশ্রয় গ্রহণ করে। পরবর্তীতে সেখান থেকে অভীষ্ট অঙ্গে বা অন্ত্রে স্থানান্তরিত হয়।
পানিবাহিত রোগসমূহের মধ্যে - ডায়রিয়া, আমাশয়, টাইফয়েড, কলেরা, পোলিও, হেপাটাইটিস (জন্ডিস) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

- যে সকল রোগ হাঁচি-কাশি বা কথাবার্তা বলার সময় বায়ুতে জীবাণু ছড়ানোর মাধ্যমে হয় সেগুলোকে বায়ুবাহিত রোগ বলে।
যেমনঃ সোয়াইন ফ্লু, হাম, গুটিবসন্ত, যক্ষা এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা।

উৎসঃ বিজ্ঞান, ৫ম শ্রেণি ,বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া

১,৫৬৪.
তরল যোজক টিস্যুর প্রধান কাজ কী? 
  1. ফুল উৎপন্ন করা
  2. খাদ্য উৎপাদন করা
  3. উদ্ভিদের শ্বসন পরিচালনা করা
  4. দেহের ভেতরে বিভিন্ন দ্রব্যাদি পরিবহন করা
সঠিক উত্তর:
দেহের ভেতরে বিভিন্ন দ্রব্যাদি পরিবহন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেহের ভেতরে বিভিন্ন দ্রব্যাদি পরিবহন করা
ব্যাখ্যা
তরল যোজক টিস্যু: 
- তরল যোজক টিস্যুর মাতৃকা তরল। 
- মাতৃকায় বিভিন্ন ধরনের জৈব পদার্থ কলয়েড এবং দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। 
- তরল যোজক টিস্যুর প্রধান কাজ দেহের ভেতরে বিভিন্ন দ্রব্যাদি পরিবহন করা, রোগ প্রতিরোধ এবং রক্ত জমাট বাঁধায় বিশেষ ভূমিকা রাখা। 
- তরল যোজক টিস্যু দুই প্রকারের হয়।  
যথা- 
১। রক্ত: 
- রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত, লাল বর্ণের তরল যোজক টিস্যু। 
- রক্ত ধমনী, শিরা এবং কৈশিকনালির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে অভ্যন্তরীণ পরিবহনে অংশ নেয়। 
- রক্তের প্রধান উপাদান দু'টি। যথা- রক্তরস এবং রক্ত কণিকা। 

২। লসিকা: 
- বিভিন্ন টিস্যুর মধ্যবর্তী স্থানে যে জলীয় পদার্থ জমা হয় তা কতগুলো ছোট নালীর মাধ্যমে সংগৃহীত হয়। 
- ছোট নালীগুলো মিলিত হয়ে আবার বৃহত্তর নালীতে পরিণত হয়। এভাবে যে নালিকাতন্ত্র গঠিত হয় তাকে লসিকাতন্ত্র বলা হয়। 
- নালীগুলোকে লসিকানালী এবং সংগৃহীত রসকে লসিকা বলা হয়। 
- লসিকার মধ্যে কিছু কোষও থাকে, এদেরকে লসিকা কোষ বলা হয়। 
- লসিকা ঈষৎ ক্ষারীয়, স্বচ্ছ এবং হলুদ বর্ণের তরল পদার্থ। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৬৫.
'Newmania nobiprobia' বাংলাদেশী বিজ্ঞানী ড. মো. বেলাল হোসেন কর্তৃক অতি সম্প্রতি আবিষ্কৃত-
  1. একটি পানিবাহিত রোগ
  2. পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম জীবাশ্ম
  3. অতি ক্ষুদ্র সপূষ্পক উদ্ভিদ
  4. একটি অমেরুদণ্ডী প্রাণী
সঠিক উত্তর:
একটি অমেরুদণ্ডী প্রাণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি অমেরুদণ্ডী প্রাণী
ব্যাখ্যা
'Newmania nobiprobia' বাংলাদেশী বিজ্ঞানী ড. মো. বেলাল হোসেন কর্তৃক আবিষ্কৃত একটি অমেরুদণ্ডী প্রাণী।

• ড. বেলাল হোসেন বাংলাদেশের একজন বিজ্ঞানী এবং গবেষক।
- তিনি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।
- তিনি একমাত্র বিজ্ঞানী যিনি পলিকীটের সম্পূর্ণ নতুন প্রাণির সন্ধান দিতে পেরেছেন।
- তার আবিষ্কারের মধ্যে Neumania nobiprobia (নিউমেনিয়া নোবিপ্রবিয়া) একটি অমেরুদণ্ডী প্রাণী।
- Neumania nobiprobia (নিউমেনিয়া নোবিপ্রবিয়া)- এর নামকরণ করেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের সংক্ষিপ্ত রূপ নোবিপ্রবি-এর সঙ্গে মিল রেখে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৫৬৬.
কোন মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসের মধ্যে নিউট্রনের উপস্থিতি নেই?
  1. হাইড্রোজেন
  2. অক্সিজেন
  3. সিলিকন
  4. বোরন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
মৌলিক কণিকা: 
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মধ্যে তিনটি মৌলিক কণিকা থাকে। 
যেমন- 
১। ইলেকট্রন, 
২। প্রোটন ও 
৩। নিউট্রন। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে। 
- আর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে। 

ইলেকট্রন: 
- পরমাণুর ক্ষুদ্রতম কণিকা ইলেকট্রন। 
- সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ উপাদান হলো ইলেকট্রন। 
- একটি ইলেকট্রন একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর তুলনায় 1840 গুণ হালকা। 
- ইলেকট্রন একক ঋনাত্মক তড়িৎধর্মী কণা। 

প্রোটন: 
- ইলেকট্রনের মত প্রোটনও সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ মূল কণিকা। 
- এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে। 
- হাইড্রোজেন পরমাণু থেকে একটি ইলেকট্রন অপসারণ করলে যে ধনাত্মক বিদ্যুৎবাহী কণা পাওয়া যায় তাকেই প্রোটন বলা হয়। 
- প্রোটনের ভর প্রায় হাইড্রোজেনের ভরের সমান। 

নিউট্রন: 
- নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা। 
- ১৯৩২ সালে বিজ্ঞানী চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করেন। 
- ইহার ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান। 
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৬৭.
নিচের কোন গ্যাসটির ব্যাপন হার সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) ক্লোরিন
  3. গ) হাইড্রোজেন
  4. ঘ) সালফার
সঠিক উত্তর:
গ) হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
ব্যাপন:

- যে গ্যাসের আণবিক ভর কম সে গ্যাসের ব্যাপন হার বেশি হয়।
- হাইড্রোজেনের আণবিক ভর ২।
- অক্সিজেনের আণবিক ভর ৩২।
- ক্লোরিনের আণবিক ভর ৭০।
- সালফারের আণবিক ভর ৬৪।
- এখানে হাইড্রোজেনের আণবিক ভর সবচেয়ে কম, তাই হাইড্রোজেনের ব্যাপনের হারও সবচেয়ে বেশি হবে।

তথ্যসূত্র - রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৬৮.
বায়ু কোন ধরনের পদার্থ? 
  1. মিশ্র পদার্থ 
  2. কঠিন পদার্থ 
  3. মৌলিক পদার্থ 
  4. যৌগিক পদার্থ 
সঠিক উত্তর:
মিশ্র পদার্থ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশ্র পদার্থ 
ব্যাখ্যা

মিশ্র পদার্থ: 
- যে মিশ্রণে একের অধিক পদার্থ বিদ্যমান থাকে তাকে বলা হয় মিশ্র পদার্থ। 
- বায়ু এক ধরনের মিশ্র পদার্থ যেখানে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, জলীয়বাষ্পসহ অন্যান্য পদার্থ থাকে। 
- বায়ু এমন একটি মিশ্র পদার্থ যেখানে মৌলিক ও যৌগিক উভয় ধরনের পদার্থ রয়েছে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

১,৫৬৯.
ব্যাকটেরিয়া সম্পর্কিত সঠিক নয় কোনটি?
  1. বংশবৃদ্ধির প্রধান প্রক্রিয়া দ্বি-ভাজন পদ্ধতি
  2. ফ্লাজেলা চলনে অংশগ্রহণ করে
  3.  পিলি দ্বারা পোষক কোষের সাথে সংযুক্ত হয়
  4. প্লাসমিড কোষ প্রাচীরকে ঘিরে রাখে
সঠিক উত্তর:
প্লাসমিড কোষ প্রাচীরকে ঘিরে রাখে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাসমিড কোষ প্রাচীরকে ঘিরে রাখে
ব্যাখ্যা

• ক্যাপসুল বা স্লাইম স্তর, ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরকে ঘিরে রাখে।
- প্লাসমিড হলো ক্ষুদ্র বৃত্তাকার DNA অণু যা ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজমে অবস্থান করে, স্ববিভাজন ক্ষমতাসম্পন্ন এবং ট্রান্সজেনিক ব্যাকটেরিয়া বা জীব সৃষ্টিতে ভেক্টর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• ব্যাকটেরিয়ার বৈশিষ্ট্য:
- ব্যাকটেরিয়া জড় কোষ প্রাচীরবিশিষ্ট এককোষী আদিকেন্দ্রিক অণুজীব।
ব্যাকটেরিয়ার সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে-
১. ব্যাকটেরিয়ার আকার সাধারণত ০.২-৫০ মাইক্রোমিটার।
২. এরা আণুবীক্ষণিক জীব।
৩. এরা এককোষী, তবে একসাথে অনেকগুলো কোষ কলোনি করে বা দলবদ্ধভাবে থাকতে পারে।
৪. এদের কোষ প্রাককেন্দ্রিক। তাই এদের কোষে রাইবোসোম ছাড়া
অন্য কোন ঝিল্লীবদ্ধ অঙ্গাণু (যেমন নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, ক্লোরোপ্লাস্ট, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম, গলগি বডি, লাইসোসোম এবং সাইটোস্কেলেটন ইত্যাদি) থাকে না।
৫. এরা পরজীবী ও রোগ উৎপাদনকারী, অধিকাংশই মৃতজীবি এবং কিছু স্বনির্ভর।
- এরা সাধারণত দ্বি-ভাজন বা বাইনারি ফিশন প্রক্রিয়ায় সংখ্যাবৃদ্ধি করে।
- ফ্ল্যাজেলিন নামক প্রোটিন দিয়ে ফ্যাজেলা গঠিত ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে ব্যাকটেরিয়া তরল মাধ্যমে চলাফেরা করে।
- ব্যাকটেরিয়াকে কোন কিছুর সাথে আটকে থাকতে পিলি সহায়তা করে।
৬. এদের কোষ প্রাচীর প্রধানত পেপটিডোগ্লাইকান। এর সাথে মিউরামিক অ্যাসিড এবং টিকোয়িক অ্যাসিড থাকে।
৭. ফায ভাইরাসের প্রতি এরা সংবেদনশীল।
৮. এরা অজৈব লবণ জারিত করে শক্তি সংগ্রহ করে।
৯. এরা সাধারণত মৌলিক রং ধারণ করতে পারে। যেমন- গ্রাম পজিটিভ বা গ্রাম নেগেটিভ।
১০. এদের কোষে ক্রোমোসোম হিসেবে একটি দ্বিসূত্রক বৃত্তাকার DNA অণু থাকে। এতে ক্রোমোসোমাল হিস্টোন প্রোটিন থাকে না।
১১. কিছুকিছু ব্যাকটেরিয়াতে নিউক্লিয়ার বহির্ভূত DNA থাকে যা সাধারণত প্লাজমিড নামে পরিচিত।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৭০.
মহাশূন্যে সবচেয়ে বড় টেলিস্কোপ -
  1. ক) হাবল টেলিস্কোপ
  2. খ) জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ
  3. গ) স্পিটজার স্পেস টেলিস্কোপ
  4. ঘ) গ্যালাক্সি ইভোলিউশন এক্সপ্লোরার
সঠিক উত্তর:
খ) জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ
ব্যাখ্যা
-মহাশূন্যে সবচেয়ে বড় টেলিস্কোপের নাম হচ্ছে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ। 

-জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপ। এতে ৬.৫ মিটার চওড়া সোনার প্রলেপ লাগানো প্রতিফলক আয়না আছে এবং আছে অতি সংবেদনশীল ইনফ্রারেড তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের যন্ত্রপাতি।
-মহাবিশ্বকে আরো স্পষ্টভাবে দেখার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ। এটি নেক্সট জেনারেশন স্পেস টেলিস্কোপ (Next Generation Space Telescope বা NGST)। 

সূত্র: নাসা ওয়েবসাইট।
১,৫৭১.
কোনটির সাহায্যে ডুবোজাহাজ থেকে পানির উপরিভাগের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়? 
  1. পেরিস্কোপ
  2. টেলিস্কোপ
  3. নভো-দূরবীক্ষণ যন্ত্র
  4. অণুবীক্ষণ যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
পেরিস্কোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরিস্কোপ
ব্যাখ্যা
পেরিস্কোপ: 
- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি করা হয়। 
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুইটি সমতল দর্পণের প্রয়োজন হয়। আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে। 
- দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখতে পাই না তা এর মাধ্যমে দেখা যায়। 
- এটি তৈরি হয় সমকোণে দুবার বাঁকানো একটি লম্বা টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের দুটি ফালি স্থাপন করে। 
- ডুবোজাহাজ বা যুদ্ধের ট্যাংকে পেরিস্কোপের ব্যবহার অপরিহার্য। 
- পেরিস্কোপের সাহায্যে পানির তলায় ডুবে থাকা ডুবোজাহাজ থেকে পানির উপরিভাগের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়।  

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১,৫৭২.
মৌমাছির মধু ঋতু কোনটি?
  1. ক) গ্রীষ্মকাল
  2. খ) শরৎকাল
  3. গ) হেমন্তকাল
  4. ঘ) বসন্তকাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) বসন্তকাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বসন্তকাল
ব্যাখ্যা
মৌমাছি উপকারী পতঙ্গের মধ্যে অন্যতম। প্রতি তাকে একটি রানী, কয়েকটি পুরুষ মৌমাছি এবং অসংখ্য কর্মী মৌমাছি থাকে। মৌমাছি মূলত বসন্তকালের ফুল হতে মধু আহরণ করে। তাই মৌমাছির মধু ঋতু বলা হয় বসন্তকালকে। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৭৩.
নিচের কোনটি অজৈব রাসায়নিক যৌগের উদাহরণ? 
  1. ইথেন
  2. পেন্টাইন 
  3. প্রোপিন 
  4. মরিচা 
সঠিক উত্তর:
মরিচা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরিচা 
ব্যাখ্যা

• উল্লিখিত অপশন গুলোর মধ্যে ঘ) মরিচা অজৈব রাসায়নিক যৌগের উদাহরণ। কারণ অজৈব যৌগ সাধারণত কার্বন–হাইড্রোজেন (C–H) বন্ধনবিহীন হয় এবং ধাতু, অক্সাইড, লবণ ইত্যাদি নিয়ে গঠিত। মরিচা হলো লোহার অক্সাইড।

জৈব যৌগ:  
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতসমূহকে বলা হয় জৈব যৌগ।  
যেমন- মিথেন, ইথেন, বেনজিন, ইউরিয়া, প্রোপিন, পেন্টাইন ইত্যাদি জৈব যৌগ।  
- জৈব যৌগের বিক্রিয়া হতে সাধারণত অনেক বেশি সময় লাগে।  
- জৈব যৌগসমূহ সাধারণত সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত হয়।  
- জৈব যৌগের জনক ফ্রেডরিখ ভোলার।  

অজৈব যৌগ:  
- দুই বা ততোধিক মৌলের সমন্বয়ে অজৈব যৌগ গঠিত হয়।
- সাধারণত অজৈব যৌগে কার্বন অনুপস্থিত থাকে।  
যেমন- পানি, খাবার লবণ, খাবার সোডা, কাপড় কাচার সোডা, কস্টিক সোডা, চুন, মরিচা ইত্যাদি অজৈব যৌগ। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং লাইভ লেকচার।

১,৫৭৪.
কোন হরমোনের অভাবে গলগন্ড রোগের সৃষ্টি হয়?
  1. থাইরক্সিন
  2. ইনিসুলিন
  3. গ্লুকাগন
  4. করটিসোল
সঠিক উত্তর:
থাইরক্সিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইরক্সিন
ব্যাখ্যা
- থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি হলে গলগণ্ড হতে পারে। 
- থাইরয়েড গ্রন্থি থাইরক্সিন (thyroxine - T4) এবং ট্রাই-আয়োডোথাইরোনিন(triiodothyronine -T3) নামক হরমোন তৈরি করে, যা বিপাক এবং শক্তি উৎপাদন সহ - অনেক শারীরিক ক্রিয়াকলাপে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- গলগন্ড প্রায়শই থাইরয়েড হরমোনের অত্যধিক বা কম উৎপাদনের কারণে থাকে ।

উৎস : www.moh.gov.sa
১,৫৭৫.
নিউটনের তৃতীয় গতিসূত্রের উদাহরণ কোনটি?
  1. একজন মাঝির নৌকা চালানো
  2. চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে
  3. থেমে থাকা বাস হঠাৎ চলতে শুরু করলে যাত্রীরা সবাই পেছনের দিকে হেলে পড়েন
  4. বস্তু নির্দিষ্ট উচ্চতা থেকে পড়ে তখন মহাকর্ষ বলের কারণে ত্বরণ বেড়ে যায়
সঠিক উত্তর:
একজন মাঝির নৌকা চালানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একজন মাঝির নৌকা চালানো
ব্যাখ্যা
• নিউটনের প্রথম সূত্র:
- বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু স্থির থাকবে এবং সমবেগে চলতে থাকা বস্তু সমবেগে চলতে থাকবে।
- উদাহরণ: চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
- থেমে থাকা বাস হঠাৎ চলতে শুরু করলে যাত্রীরা সবাই পেছনের দিকে হেলে পড়েন।

• নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র:
- বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং যেদিকে বল প্রয়োগ করা হয় ভরবেগের পরিবর্তনও ঘটে সেদিকে।
- উদাহরণ: কোনো বস্তু নির্দিষ্ট উচ্চতা থেকে পড়ে তখন মহাকর্ষ বলের কারণে ত্বরণ বেড়ে যায়।

• নিউটনের তৃতীয় সূত্র:
- যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তুর ওপর বল প্রয়োগ করে, তখন সেই বস্তুটিও প্রথম বস্তুটির ওপর বিপরীত দিকে সমান বল প্রয়োগ করে।
- উদাহরণ: বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হলে পেছনের দিকে বন্দুক চালনাকারীকে ধাক্কা দিবে।
- একজন মাঝি নৌকা চালানোর সময় নিউটনের তৃতীয় সূত্র প্রয়োগ করে।
- মহাকাশযান উৎক্ষেপিত হয় নিউটনের তৃতীয় সূত্রের নীতিতে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৭৬.
খাদ্য লবণ হিসেবে ব্যবহৃত হয় কোনটি?
  1. ক) সোডিয়াম ক্লোরাইড
  2. খ) ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড
  3. গ) পটাসিয়াম ক্লোরাইড
  4. ঘ) অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড
সঠিক উত্তর:
ক) সোডিয়াম ক্লোরাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সোডিয়াম ক্লোরাইড
ব্যাখ্যা
খাবার লবণের রাসায়নিক নাম NaCl - সোডিয়াম ক্লোরাইড

টেস্টিং সল্ট নামে পরিচিত আরেকটি লবণ আছে যার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম গ্লুটামেট বা মনো সোডিয়াম গ্লুটামেট। এটি শুষ্ক খাবার যেমন পাউরুটি, চানাচুর প্রভৃতির স্বাদ বাড়িয়ে তোলে।

উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১,৫৭৭.
স্বাধীন সঞ্চারণ বা ডাইহাইব্রিড ক্রস সূত্র হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. মেন্ডেলের প্রথম সূত্র
  2. জৈব বিবর্তনবাদের সূত্র
  3. মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্র
  4. জনন কোষ শুদ্ধতার সূত্র
সঠিক উত্তর:
মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্র
ব্যাখ্যা
মেন্ডেলের সূত্র: 

• গ্রেগর জোহান মেন্ডেল বংশগতির দুটি সূত্র প্রদান করেন ।
• জীনতত্ত্বের জনক বলে পরিচিত মেন্ডেল মূলত পেশায় অস্ট্রিয়ার একজন ধর্মযাজক ছিলেন।
• গ্রেগর জোহান মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের ফিনোটাইপিক অনুপাত ৩:১।
• মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রের অনুপাত ৯:৩:৩:১।
• মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের অপর নাম - মনোহাইব্রিড ক্রস সূত্র/ জনন কোষ শুদ্ধতার সূত্র/ পৃথকীকরণ সূত্র।
• মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রের অপর নাম - স্বাধীন সঞ্চারণ বা ডাইহাইব্রিড ক্রস সূত্র।

মেন্ডেলের বংশগতির প্রথম সূত্র: 
‘জীবের প্রতিটি বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি একক দায়ী থাকে যাকে ফ্যাক্টর (জিন) বলা হয় এবং ফ্যাক্টর বা জিনগুলো জোড়ায় জোড়ায় থাকে। সঙ্কর (hybrid) জীবে ফ্যাক্টর বা জিনগুলো মিশ্রিত না হয়ে পাশাপাশি অবস্থান করে এবং গ্যামিট উৎপাদনের সময় অপরিবর্তিত অবস্থায় পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে ভিন্ন ভিন্ন গ্যামিটে গমন করে'। 

মেন্ডেল এর বংশগতির দ্বিতীয় সূত্র: 
‘দুই বা ততোধিক জোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন জীবে সঙ্করায়ন ঘটালে গ্যামিট সৃষ্টিকালে প্রতিটি বৈশিষ্ট্যের ফ্যাক্টর বা জিন যুগলের স্বাধীন সঞ্চারণ বা বিন্যাস ঘটে এবং কোন একটি ফ্যাক্টর যুগলের সঞ্চারণ অন্য ফ্যাক্টর যুগলের উপর নির্ভরশীল নয়' । 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৫৭৮.
ড্রাই সেল কোন ধরনের কোষ? 
  1. উভমুখী কোষ 
  2. প্রাইমারি কোষ 
  3. সেকেন্ডারি কোষ 
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
প্রাইমারি কোষ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাইমারি কোষ 
ব্যাখ্যা

তড়িৎ রাসায়নিক কোষ: 
- যে কোষে রাসায়নিক জারণ বিজারণ বিক্রিয়ার ফলে রাসায়নিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে পরিণত হয়, তাকে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ বলে। 
- তড়িৎ রাসায়নিক কোষকে স্বতঃস্ফূর্ততার ভিত্তিতে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। 
যেমন- 
১। প্রাথমিক কোষ বা প্রাইমারি কোষ: 
- যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ নিজের রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি তড়িৎ উৎপন্ন করে তড়িৎ প্রবাহ বজায় রাখে, তাকে প্রাথমিক কোষ বলে। 
যেমন- ড্যানিয়েল কোষ, শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল ইত্যাদি হলো প্রাথমিক কোষ। 

২। সেকেন্ডারি কোষ বা সঞ্চয়ী কোষ: 
- যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষে বাইরে থেকে বিদ্যুত প্রবাহিত করে বিদ্যুত শক্তিকে রাসায়নিক শক্তি রূপে সঞ্চিত করা হয় এবং পরে ঐ রাসায়নিক শক্তিকে পুনরায় বিদ্যুত শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়, তাকে সেকেন্ডারি কোষ বলে। 
যেমন- লেড-এসিড স্টোরেজ কোষ, নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ, লেড সঞ্চয়ী কোষ ইত্যাদি হলো সেকেন্ডারি কোষ। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১,৫৭৯.
কোন গ্যাস গ্রিন হাউস ইফেক্ট ঘটায়? 
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  2. অক্সিজেন
  3. নাইট্রোজেন
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা

- অপশনে উল্লিখিত গ্যাসসমূহের মধ্যে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস গ্রিন হাউস ইফেক্ট ঘটায়। 

গ্রিন হাউজ প্রভাব: 
- শীতপ্রধান দেশে গ্রিন হাউসের (কাঁচ নির্মিত একটি ঘর) মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে সবুজ উদ্ভিদ জন্মানো হয়।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ শীতপ্রধান দেশের গ্রিন হাউস ঘরের ন্যায় সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাঁধা সৃষ্টি করে বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাস কর্তৃক বায়ুমণ্ডলের এইরূপ তাপ বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে গ্রিন হাউস অ্যাফেক্ট (Greenhouse effect) বলে।
- গ্রিন হাউস অ্যাফেক্ট কথাটি সর্বপ্রথম সোভানটে আরহেনিয়াস প্রথম ব্যবহার করেন।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো- কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), মিথেন (CH4), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O), ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFC) ইত্যাদি। 

- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির প্রধান নিয়ামক হিসেবে নিম্নে গ্রিন হাউস গ্যাস সম্পর্কে আলোচনা করা হলো- 
• গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ (Green House Gases): 
১। কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2): 
- কার্বন ডাই-অক্সাইড বর্ণহীন, সামান্য গন্ধযুক্ত কার্বন ও অক্সিজেন নিয়ে গঠিত একটি গ্যাস। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ০.০৩ শতাংশ কার্বন ডাই-অক্সাইড। জীবের প্রশ্বাসের সাথে কার্বন ডাই-অক্সাইড, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে, উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহের পচন, মোটরযান ও শিল্প কারখানার জ্বালানি (কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, তৈল) পোড়ানো থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড বায়ুমণ্ডলে যোগ হয়। বর্তমানে তরল ও কঠিন কার্বন ডাই-অক্সাইড রেফ্রিজারেন্ট হিসেবে আইসক্রিম, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রে ব্যবহৃত হয়। সবুজ উদ্ভিদ এর খাদ্য প্রস্তুতে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করলেও বন উজাড় বৃদ্ধি পাওয়ায়, অধিক হারে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার, মোটরযানের সংখ্যা প্রভৃতি বৃদ্ধির কারণে বায়ুমণ্ডলে বিশ্বব্যাপী কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বাড়ছে এবং বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করছে। 

২। মিথেন (CH4): 
- প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন। এছাড়াও জলাভূমিতে পানির নিচে পানা পচনের মাধ্যমে, ধানের বর্জ্য অবশিষ্টাংশের পচন থেকে মিথেন পাওয়া যায়। তাপ ধারণ ক্ষমতার ক্ষেত্রে মিথেন কার্বন ডাই-অক্সাইডের চাইতে ২০ গুণ বেশি তাপ ধারণ করে। 

৩। ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (CFC): 
- সিএফসি সাধারণত বিষমুক্ত, নিষ্ক্রিয় এবং ফ্লোরিন ও কার্বনের সমন্বয়ে গঠিত যৌগ। সিএফসি হিমায়নে (ফ্রিজ, এসি) ও স্প্রে-ক্যানে (অ্যারেসোল), মাইক্রো ইলেকট্রিক সার্কিট ও প্লাস্টিক ফোমে ব্যবহৃত হয়। 

৪। নাইট্রাস অক্সাইড (N2O): 
- অক্সিজেনের সাথে নাইট্রোজেন যুক্ত হয়ে নাইট্রোজেনের অক্সাইডসমূহ তৈরি করে। এটিও বর্ণহীন, সামান্য মিষ্টিগন্ধযুক্ত। এই গ্যাসের উৎসসমূহ হলো মোটরযান, শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র, নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ রাসায়নিক সার, কারখানা। 

অন্যদিকে,
- নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন গ্রীন হাউজ গ্যাস নয়, এই গ্যাসগুলো বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে। 
- হাইড্রোজেন সবচেয়ে হালকা গ্যাস যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় একটি রংহীন, গন্ধহীন ও স্বাদহীন গ্যাস।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ বাংলা প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৮০.
কোন অধাতু বিদ্যুৎ পরিবাহী?
  1. টাইটেনিয়াম
  2. গ্রাফাইট
  3. ক্লোরিন
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
ব্যাখ্যা
গ্রাফাইট একটি অধাতু হওয়া সত্ত্বেও বিদ্যুৎ পরিবাহী।
অধাতু:
- যেসব মৌলিক পদার্থ সাধারণত নরম, অ-চকচকে, স্বচ্ছ এবং ভঙ্গুর হয়, আঘাত করলে ঝনঝন শব্দ করে না এবং তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়, তাদেরকে অধাতু বলে।
- কার্বন, সালফার, ক্লোরিন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ও অক্সিজেন ইত্যাদি হচ্ছে অধাতু।

কিন্তু,
- কার্বন দানাদার রূপভেদ গ্রাফাইট বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে
- বিদ্যুৎ পরিবহনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কারণ হচ্ছে - কার্বন পরমাণুর চারটি যােজ্যতা ইলেক্ট্রনের মধ্যে তিনটি ইলেক্ট্রন তিনটি কার্বন পরমাণুর সাথে বন্ধন সৃষ্টিতে ব্যবহৃত হয়।
- অপর ইলেক্ট্রনটি মুক্ত থাকে।
- এ মুক্ত ইলেক্ট্রনগুলাে গ্রাফাইটের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ পরিবহন করে।

উৎস: নবম - দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই ও ব্রিটিনিকা।
১,৫৮১.
থার্মোনিউক্লিয়ার বোমায় ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) ইউরেনিয়ামের আইসোটোপ
  2. খ) প্লুটোনিয়ামের আইসোটোপ
  3. গ) হাইড্রোজেনের আইসোটোপ
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) হাইড্রোজেনের আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হাইড্রোজেনের আইসোটোপ
ব্যাখ্যা
হাইড্রোজেন বোমার আরেক নাম থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা। এটি এমন এক অস্ত্র যার প্রচুর বিস্ফোরক শক্তির একটি অনিয়ন্ত্রিত স্ব-টেকসই চেইন প্রতিক্রিয়া হয়। যার ফলে হাইড্রোজেনের আইসোটোপগুলি অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রার অধীনে পারমাণবিক ফিউশন নামে পরিচিত একটি প্রক্রিয়াতে হিলিয়াম গঠন করে। প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উচ্চ তাপমাত্রা একটি পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ দ্বারা উত্পাদিত হয়।
[সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা]
১,৫৮২.
কোন রোগটি ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফল নয়?
  1. গণোরিয়া
  2. জন্ডিস 
  3. টিটেনাস
  4. কলেরা
সঠিক উত্তর:
জন্ডিস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন্ডিস 
ব্যাখ্যা

• ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফলে সাধারণত এমন রোগগুলো হয় যা সরাসরি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট। উদাহরণ হিসেবে গণোরিয়া, কলেরা এবং টিটেনাস ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। তবে জন্ডিস সাধারণত ভাইরাসজনিত বা লিভারের সমস্যার কারণে হয়, তাই এটি ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফল নয়। তাই এই চারটির মধ্যে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফল নয় জন্ডিস।
 
 • ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ নয় জন্ডিস।
- এটি একটি ভাইরাস জনিত রোগ।

• ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ:
- ডিপথেরিয়া,
- গণোরিয়া,
- টাইফয়েড,
- জ্বর,
- কুষ্ঠ,
- টিটেনাস,
- নিউমোনিয়া,
- কলেরা ইত্যাদি।

• ভাইরাস জনিত রোগ:
- বসন্ত,
- হাম,
- সর্দি,
- ইনফ্লুয়েঞ্জা,
- জন্ডিস,
- এইডস,
- পোলিও ইত্যাদি।

- উল্লেখ্য, জ্বর সাধারণত শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া, যা বিভিন্ন কারণে হতে পারে, যেমন ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা অন্যান্য সংক্রমণ।

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

১,৫৮৩.
সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সংঘটিত হয়-
  1. নদীতে
  2. সাগরে
  3. পুকুরে
  4. খালে-বিলে
সঠিক উত্তর:
সাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাগরে
ব্যাখ্যা
সুনামি: 
- Tsunami একটি জাপানি শব্দ।
- যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ।
অর্থাৎ সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ।
- এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা ইত্যাদি সুনামি সৃষ্টি করতে পারে।
- সুনামিকে পৃথিবীর তৃতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
- সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়
- সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে একটা ভূমিকম্প হলে সুনামি তৈরি হয়।
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্বরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘটে।
- ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প।
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায়।
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৮৪.
সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা কত?
  1. প্রায় ১৫,০০০,০০০ K
  2. প্রায় ১,৫০০,০০০ K
  3. প্রায় ৬,০০০০ K
  4. প্রায় ৬,০০০ K
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৬,০০০ K
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৬,০০০ K
ব্যাখ্যা
সূর্য: সৌরজগতের কেন্দ্রীয় নক্ষত্র
- সূর্যের বয়স প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন বছর।
- এটি সৌরজগতের প্রধান ও বৃহত্তম জ্যোতিষ্ক, যার ভর সমগ্র সৌরজগতের ৯৯% এরও বেশি।
- সূর্য প্রতি সেকেন্ডে ৪.৫ মিলিয়ন টন পদার্থকে শক্তিতে রূপান্তর করে।
- নিউক্লিয়ার সংযোজন (Nuclear Fusion) প্রক্রিয়ায় হাইড্রোজেন থেকে হিলিয়াম গঠনের মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন হয়।
- ব্যাস: ১,৩৯২,০০০ কিমি (৮৬৪,৯৫০ মাইল)
- ভর: পৃথিবীর তুলনায় ৩৩০,০০০ গুণ বেশি
- কেন্দ্রের তাপমাত্রা: প্রায় ১৫,০০০,০০০ K (২৭,০০০,০০০ °F)
- পৃষ্ঠের তাপমাত্রা: প্রায় ৬,০০০ K (১০,০০০ °F)
- সূর্য থেকে নির্গত সৌর বিকিরণ ও নিউট্রিনো পৃথিবীতে আলো ও তাপ সরবরাহ করে, যা জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য।
 
উৎস: Britannica.
১,৫৮৫.
কোন যন্ত্র হিগস কণা (Higgs Boson) আবিষ্কারে ব্যবহৃত হয়েছে? 
  1. Hubble Space Telescope
  2. Spitzer Space Telescope
  3. Large Hadron Collider
  4. Kepler Space Observatory
সঠিক উত্তর:
Large Hadron Collider
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Large Hadron Collider
ব্যাখ্যা

◉ হিগস বোসন (Higgs Boson), যাকে অনেক সময় “God Particle” বলা হয়, এটি ২০১২ সালে CERN-এর Large Hadron Collider (LHC)-এ আবিষ্কৃত হয়। LHC হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় কণাত্বরণযন্ত্র (particle accelerator), যা প্রোটনকে আলোর কাছাকাছি গতিতে সংঘর্ষ ঘটিয়ে নতুন কণা সনাক্ত করে।

হিগস বোসন: 
- হিগস বোসন এর স্পিন 0, তবে এর ভর আছে। 
- হিগস বোসন বুঝতে হলে হিগস ক্ষেত্র সম্বন্ধে জানতে হবে। 
- হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। 
- এই ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা। 
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। ফলে তার চলার গতি ধীর হয়ে যায়। 
- হিগস বোসনের মাধ্যমে ভর কণাতে স্থানান্ডরিত হয়। 
- এই হিগস বোসন কণাই ঈশ্বর কণা (God's Particle) নামে পরিচিত। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা। 

১,৫৮৬.
How fast should an intercontinental ballistic missile be launched to leave Earth permanently?
  1. 11.2 kmh- 1
  2. 11.2 ms- 1
  3. 1.2 Kms- 1
  4. 9.8 ms- 2
  5. 11.2 Kms- 1
সঠিক উত্তর:
11.2 Kms- 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
11.2 Kms- 1
ব্যাখ্যা
• আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইলকে (ICBM) ১১.২ Kms-1 বেগে উৎক্ষেপণ করা হলে তা আর পৃথিবীতে ফিরে আসবে না। 

• মুক্তি বেগ:
- সর্বাপেক্ষা কম যে বেগে কোনো বস্তুকে ওপরের দিকে নিক্ষেপ করলে তা আর পৃথিবীতে ফিরে আসে না সেই বেগকে মুক্তিবেগ (Escape velocity) বলা হয়।

• মুক্তি বেগ বা তার বেশি বেগে কোন বস্তুকে নিক্ষেপ করা হলে সেটি আর পৃথিবীতে ফিরে না এসে পৃথিবীর চারদিকে প্রদক্ষিন করতে থাকে।
- মুক্তি বেগের মান হলো ১১.২ কি.মি./সেকেন্ড বা ১১.২ Kms-1
- আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল (ICBM) কে মুক্তি বেগে উৎক্ষেপণ করা হলে সেটি পৃথিবীর অভিকর্ষকে অতিক্রম করে চলে যাবে , ফলে সেটি আর ফেরত আসবে না। 

• সাধারণত আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল (ICBM) এর গতিবেগ হয় প্রতি সেকেন্ডে ৬ থেকে ৯ কিলোমিটার। 
- মুক্তিবেগ থেকে এই বেগ কম হওয়ায় তা আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে।
- কিন্তু তা ১১.২ কিলোমিটার/সেকেন্ড বা তার বেশি বেগ প্রাপ্ত হলে পৃথিবীতে আর ফিরে আসবে না। 

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৮৭.
যে সব পদার্থের মধ্য দিয়ে খুব সহজেই তড়িৎ প্রবাহিত হতে পারে, তাদেরকে কী বলে? 
  1. পরিবাহী
  2. অপরিবাহী
  3. কুপরিবাহী
  4. অর্ধপরিবাহী
সঠিক উত্তর:
পরিবাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবাহী
ব্যাখ্যা
পরিবাহী: 
- যে সব পদার্থের মধ্য দিয়ে খুব সহজেই আধান বা তড়িৎ এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে প্রবাহিত হতে পারে, সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে। 
যেমন- রূপা, তামা, লোহা ইত্যাদি। 
- মূলতঃ সকল ধাতব পদার্থই পরিবাহী। 
- পরিবাহীতে অনেক মুক্ত ইলেকট্রন থাকে। 

অর্ধপরিবাহী: 
- যে সব পদার্থের তড়িৎ পরিবহণ ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি তাদেরকে বলা হয় অর্ধপরিবাহী পদার্থ। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি। 
অর্থাৎ, যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশী এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে। 
- পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা হ্রাস পায়, কিন্তু অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 
- এর অর্থ হলো তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায়, আর অর্ধপরিবাহীর রোধ হ্রাস পায়। 

অপরিবাহী: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহিত হতে পারে না সে সব পদার্থকে অপরিবাহী বলে। 
যেমন-কাচ, কাঠ, প্লাস্টিক ইত্যাদি। 
- মূলত প্রায় সকল অধাতব পদার্থই অপরিবাহী। 
- অপরিবাহীতে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে না। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৮৮.
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জ্বালানি হিসেবে কী ব্যবহৃত হবে?
  1. ক) প্লুটোনিয়াম
  2. খ) ইউরেনিয়াম
  3. গ) ডিউটোরিয়াম
  4. ঘ) পলোনিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরেনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরেনিয়াম
ব্যাখ্যা
• পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান জ্বালানি হচ্ছে ইউরেনিয়াম।
- বর্তমানে সবচেয়ে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন মাধ্যমগুলোর একটি হচ্ছে পরমাণু বিদ্যুৎ।
- পৃথিবীতে পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে প্রায় অর্ধ শতাব্দী আগে।
- বর্তমানে ৩১টি দেশ বিদ্যুৎ উৎপাদনে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। 
- ৪৫০০ টন উচ্চ গ্রেডের কয়লা থেকে যে পরিমাণ শক্তি পাওয়া যায়, সেই একই পরিমাণ শক্তি মাত্র ১ কেজি ইউরেনিয়াম থেকে পাওয়া যায়। 
- দীর্ঘ মেয়াদে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র একটি সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা হিসেবে সারাবিশ্বে সুপ্রতিষ্ঠিত।
- আর এজন্যই পৃথিবীর সব উন্নত দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম এটি।

উৎস: rooppurnpp.gov.bd
১,৫৮৯.
পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরে- এ মতবাদের প্রবক্তা কে?
  1. ক) কেপলার
  2. খ) কোপারনিকাস
  3. গ) গ্যালিলিও
  4. ঘ) আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
খ) কোপারনিকাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কোপারনিকাস
ব্যাখ্যা
-“পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে।” - এই মতবাদের প্রবক্তা ১৬ শতকের অন্যতম জ্যোতির্বিজ্ঞানী নিকোলাস কোপার্নিকাস।

-কোপারনিকাসকে বলা হয়ে থাকে আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনক।  
-পরবর্তীতে গ্যালিলিও এবং কেপলার এ মতবাদের পক্ষে প্রমাণ হাজির করেন। 

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
১,৫৯০.
মস্তিস্কের কোন অংশটি মেনেনজেস নামক পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে?
  1. ক) অগ্রমস্তিস্ক
  2. খ) মধ্যমস্তিস্ক
  3. গ) পশ্চাৎমস্তিস্ক
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) অগ্রমস্তিস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অগ্রমস্তিস্ক
ব্যাখ্যা

অগ্রমস্তিস্ক মেনেনজেস নামক পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে।

অগ্ৰমস্তিষ্ক মস্তিষ্কের প্রধান অংশ গঠন করে। এটি তিন অংশে বিভক্ত। যথা- (ক) সেরেব্রাম, (খ) থ্যালামাস ও (গ) হাইপোথ্যালামাস।
হাইপোথ্যালামাস এর নিচে ছোট অংশটি মধ্যমস্তিষ্ক। পৃষ্ঠীয় দিকে দুটি গােলাকার খণ্ড এবং অঙ্কীয় দিকে দুটি নলাকার ও পুরু স্নায়ুরজ্জ্ব নিয়ে গঠিত।
পশ্চাৎ মস্তিষ্ক হল মস্তিষ্কের পিছনের অংশ এবং ৩টি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। যথা- সেরেবেলাম, মেডুলা অবলংগাটা এবং পনস।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

১,৫৯১.
জ্যাঙ্ক ফুডে নিচের কোন দ্রব্যের আধিক্য থাকে?
  1. ক) চর্বি
  2. খ) ভিটামিন
  3. গ) শর্করা
  4. ঘ) আমিষ
সঠিক উত্তর:
ক) চর্বি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চর্বি
ব্যাখ্যা
- জাঙ্ক ফুড হচ্ছে একধরনের খাদ্য, যাতে চর্বি, লবণ, কার্বনেট প্রভৃতি ক্ষতিকারক দ্রব্যের আধিক্য থাকে।
- ফাস্টফুড অসম্পৃক্ত চর্বি বা ট্রান্স ফ্যাটসমৃদ্ধ। এ ধরনের চর্বি রক্তে কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দিয়ে ধমনিতে ব্লক সৃষ্টি করে।
-  পাশাপাশি উচ্চমাত্রার লবণ, টেস্টিং সল্ট বা মনো সোডিয়াম গ্লুটামেট ও কৃত্রিম রং থাকায় ফাস্টফুড উচ্চ রক্তচাপ এবং ক্যানসারের ঝুঁকি তৈরি করে। সমান ঝুঁকি থাকে ডুবো তেলে ভাজা ফাস্টফুডেও।
-  ওজন বাড়ার সমস্যা, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, পেটের সমস্যাসহ নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরির প্রধান কারণ ফাস্টফুড। 
 
উৎস : প্রথম আলো  
১,৫৯২.
নিচের কোন ফলটি সবচেয়ে বেশি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ?
  1. কমলা
  2. আমলকি
  3. পেয়ারা
  4. টমেটো
সঠিক উত্তর:
আমলকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলকি
ব্যাখ্যা
ভিটামিন সি: 
- ভিটামিন-সি এর অপর নাম অ্যাসকরবিক এসিড। 
- পেয়ারা, বাতাবী লেবু, কামরাঙা, কমলা, আমড়া, বাঁধাকপি, টমেটো, আনারস, কাঁচামরিচ, তাজা শাকসব্জি ইত্যাদিতে ভিটামিন সি থাকে। 
- সবুজ শাক-সবজি ও ফল যেমন- বাঁধাকপি, ফুলকপি, পালং শাক ইত্যাদিতে ভিটামিন-সি পাওয়া যায়। 
- সবচেয়ে বেশি ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফল আমলকি। 
- ডিম ও দুধে খুবই কম পরিমাণে ভিটামিন-সি রয়েছে। 
 
অন্যদিকে, 
- দুধ, মাখন, চর্বি, ডিম, গাজর, আম, কাঁঠাল, রঙিন শাকসবজি, মলা মাছ ইত্যাদিতে ভিটামিন এ থাকে। 
- ঈস্ট, ঢেঁকিছাঁটা চাল, আটা, অঙ্কুরিত ছোলা, মুগডাল, মটর, ফুলকপি, চিনাবাদম, শিমের বীচি, কলিজা, হৃদপিন্ড, দুধ, ডিম, মাংস, সবুজ শাকসব্জি ইত্যাদিতে ভিটামিন বি থাকে। 
- ডিম, দুধ, কলিজা, দুগ্ধজাত দ্রব্য, মাছের তেল, ভোজ্য তেল ইত্যাদিতে ভিটামিন ডি থাকে। 
 
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৯৩.
কোন দিনটিকে 'বাসন্ত বিষুব' বলা হয়?
  1. ২১ ডিসেম্বর
  2. ২১ জুন
  3. ২১ সেপ্টেম্বর
  4. ২১ মার্চ
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ
ব্যাখ্যা

উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল:
- পৃথিবী তার কক্ষপথে চলতে চলতে ২২এ ডিসেম্বরের পর থেকে ২১এ মার্চ পর্যন্ত এমন স্থানে ফিরে আসে যখন সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দিতে থাকে।
- ফলে ২১এ  মার্চ মাস  পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয়।
- দিনের বেলায় সূর্যকিরণের কারণে ভূপৃষ্ঠের বায়ুস্তর গরম হয় এবং রাত্রিবেলায় বিকিরিত হয়ে ঠান্ডা হয়।
- এই সময় উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল।
- ২১এ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয় এবং ঐ দিনটিকে বাসন্ত বিষুব বা
মহাবিষুব বলে ।

এছাড়া, 
- ২৩ এ সেপ্টেম্বরের দেড় মাস আগে থেকেই উত্তর গোলার্ধে শরৎকালের সূচনা হয় এবং দেড় মাস পর পর্যন্ত এই শরৎকাল স্থায়ী থাকে।
২৩এ সেপ্টেম্বর শারদ বিষুব। 

উৎস: NASA ওয়েবসাইট এবং ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৫৯৪.
পৃথিবীতে সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু কোনটি?
  1. ক) স্বর্ণ
  2. খ) হীরা
  3. গ) সিলভার
  4. ঘ) প্লাটিনাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্লাটিনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্লাটিনাম
ব্যাখ্যা
- ধাতু দেখতে চকচকে। একে আঘাত করলে টুনটুন শব্দ হয়। ধাতু তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী।
- সবচেয়ে ভারী মূল্যবান ধাতু প্লাটিনাম।
- সবচেয়ে হালকা ধাতু লিথিয়াম।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৯৫.
কার্বনের পারমাণবিক ভর কত?
  1. ক) ৬
  2. খ) ১০
  3. গ) ১২
  4. ঘ) ২৪
সঠিক উত্তর:
গ) ১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২
ব্যাখ্যা
- কার্বন (Carbon) এর প্রতীক C ;
- কার্বনের পারমাণবিক সংখ্যা ৬ ;
- এর পারমাণবিক ভর ১২ ;

উৎস: নবম দশম শ্রেণির রসায়ন বই।
১,৫৯৬.
মানুষের মস্তিষ্কে স্নায়বিক চাপ সৃষ্টি করে কোনটি?
  1. ক) বায়ু দূষণ
  2. খ) পানি দূষণ
  3. গ) শব্দ দূষণ
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গ) শব্দ দূষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শব্দ দূষণ
ব্যাখ্যা
শব্দ দূষণ:

- অতি উচ্চ শব্দ আমাদের মনোযোগে বিঘ্ন ঘটায়, মেজাজ খারাপ করে ফেলে এধরণের অতি শব্দ দ্বারা পরিবেশ নষ্ট হয়। এ অবস্থাকে বলা হয় শব্দ দূষণ।
- উচ্চ শব্দ মানুষের মস্তিষ্কে স্নায়বিক চাপ সৃষ্টি করে।
- অর্থাৎ স্নায়ুর স্বাভাবিক সংযোগ ব্যহত করে, কাজে মনোযোগ কমিয়ে দেয়, মেজাজ খিটখিটে করে, কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেয়, পরিপাক ক্রিয়া ব্যহত করে।
- পাকস্থলী ও পরিপাক তন্ত্রের পীড়া বা ব্যাধি সৃষ্টি করে।
- আলসার ও আন্ত্রিক পীড়ায় আক্রান্ত হওয়ার আশংকা বাড়িয়ে দেয়।
- সারাক্ষণ কানে মাইক্রোফোন লাগিয়ে উচ্চ স্বরে গান শুনলে পেটের পীড়া ও কানের অসুখ দেখা দেয়, বিশেষ করে শ্রবণ শক্তি ধীরে ধীরে কমে যায়। ফলে অল্প বয়সেই বধিরতা আসতে পারে।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
১,৫৯৭.
সমুদ্রতীরে কোনটির প্রাচুর্য থাকে?
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) হাইড্রোজেন
  4. ঘ) জলীয়বাষ্প
সঠিক উত্তর:
খ) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
সাধারণভাবে বায়ুতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ ৭৮.০২%, অক্সিজেন ২০.৭১%, আর্গন ০.৮০%, জলীয়বাষ্প ০.৪১% এবং অন্য গ্যাসসমূহের পরিমাণ ০.০২%।
সুতরাং বলা যায়, সমুদ্রতীরের বাতাসে সামান্য হেরফের থাকলেও সেখানে নাইট্রোজেনেরই প্রাচুর্য থাকে।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি
১,৫৯৮.
নিচের কোন মৌলটি মাইক্রোমৌল?
  1. কার্বন
  2. আয়রন
  3. সালফার
  4. ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
আয়রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়রন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোন মৌলটি মাইক্রোমৌল?

• উদ্ভিদের অত্যাবশকীয় পুষ্টি উপাদান:
- যে মৌল ছাড়া উদ্ভিদ তার স্বাভাবিক জীবনচক্র সম্পন্ন করতে পারে না এবং উদ্ভিদ গঠন বা মেটাবলিজম সম্ভব নয় তাকে উদ্ভিদের অত্যাবশকীয় পুষ্টি উপাদান বলা হয়। 
- উদ্ভিদের জন্য দুই ধরনের অত্যাবশকীয় পুষ্টি উপাদান প্রয়োজন। যথা:

• ম্যাক্রোমৌল:
- যে মৌলগুলো অধিক পরিমাণে লাগে সেগুলো ম্যাক্রোমৌল।
- হাইড্রোজেন, কার্বন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস ও সালফার।

• মাইক্রোমৌল:
- যে মৌলগুলো অপেক্ষাকৃত কম পরিমাণে লাগে সেগুলো মাইক্রোমৌল।
- ক্লোরিন, বোরন, আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, কপার, নিকেল, মলিবডেনাম।

উৎস: জীব বিজ্ঞান প্রথম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)- ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।

১,৫৯৯.
মৎস্য সংক্রান্ত বিজ্ঞান কোনটি?
  1. Ornithology
  2. Entomology
  3. Ichthyology
  4. Paleontology
সঠিক উত্তর:
Ichthyology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ichthyology
ব্যাখ্যা
মাছের বৈজ্ঞানিক গবেষণা হিসাবে পরিচিত Ichthyology.

Ichthyology is the scientific study of fishes, including, as is usual with a science that is concerned with a large group of organisms, a number of specialized subdisciplines: e.g., taxonomy, anatomy (or morphology), behavioral science (ethology), ecology, and physiology.
 
উৎস: ব্রিটানিকা 
১,৬০০.
অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যম দিয়ে আলো কোন প্রক্রিয়ায় চলে? 
  1. বিচ্ছুরণ
  2. অপবর্তন
  3. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
  4. ব্যতিচার
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ফাইবার: 
- অপটিক্যাল ফাইবার হলো একটি খুব সরু কাঁচতন্তু, এটা মানুষের চুলের মতো চিকন এবং নমনীয়। 
- আলোক রশ্মিকে বহনের কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। 
- আলোক রশ্মি যখন এই কাঁচতন্তুর মধ্যে প্রবেশ করে তখন এর দেয়ালে বারবার পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটতে থাকে, এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে আলোক রশ্মি কাঁচতন্তু অপর প্রান্ত দিয়ে বের না হওয়া পর্যন্ত। 
- সাধারণত চিকিৎসকেরা মানবদেহের ভিতরের কোনো অংশ (যেমন পাকস্থলী, কোলন ইত্যাদি দেখার জন্য) যে বিকিরণআলোক নলটি ব্যবহার করে এটি একগুচ্ছ অপটিক্যাল ফাইবারের সমন্বয়ে গঠিত। 
- এছাড়া অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারের আরেকটি ক্ষেত্র হলো টেলিযোগাযোগ। এতে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করার ফলে একই সাথে অনেকগুলো সংকেত প্রেরণ করা যায়। 
- এই সংকেত অনেক দূর পর্যন্ত যেতে পারে না। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।