বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ১৩১ / ১৪০ · ১৩,০০১১৩,১০০ / ১৪,০৮০

১৩,০০১.
সৌর সেলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কোন পদার্থ ব্যবহৃত হয়?
  1. সোনা
  2. তামা
  3. সিলিকন
  4. লোহা
সঠিক উত্তর:
সিলিকন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকন
ব্যাখ্যা
• সৌর কোষে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সিলিকন ব্যবহৃত হয়। 
 
• সৌর কোষ: 
- সৌর কোষ বা সৌর সেল হলো এক ধরনের ডিভাইস যা সূর্যের আলো (ফোটন) শোষণ করে এবং এটিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- সৌর সেল বা ফটোভোলটাইক কোষে সিলিকন (Si) ব্যবহৃত হয়, যা একটি অর্ধপরিবাহী (Semiconductor) পদার্থ।
- এটি সূর্যের আলোকে সরাসরি বিদ্যুতে রূপান্তর করে।

• সৌর সেলের কাজের পদ্ধতি:
- সূর্যের ফোটন সিলিকন পরমাণুতে আঘাত করে।
- ইলেকট্রন-হোল জোড় সৃষ্টি হয়।
- p-n জাংশনের বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র ইলেকট্রন প্রবাহ তৈরি করে।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
১৩,০০২.
লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রতিবিম্বের আকার বড় হলে প্রতিবিম্বটি হবে-
  1. বিবর্ধিত
  2. খর্বিত
  3. সমান
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
বিবর্ধিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবর্ধিত
ব্যাখ্যা
রৈখিক বিবর্ধন: 
- সমতল দর্পণে বিম্বের আকার এবং আকৃতি লক্ষ্যবস্তুর আকার ও আকৃতির সমান হয়। কিন্তু গোলীয় দর্পণ এবং লেন্সের ক্ষেত্রে গঠিত প্রতিবিম্বের আকার লক্ষ্যবস্তুর সমান, ছোট বা বড় হয়। 
- প্রতিবিম্ব লক্ষ্যবস্তুর তুলনায় কতগুণ বড় বা ছোট সেই রাশিকে তার বিবর্ধন বলে। 
- কোনো বিস্তৃত বস্তুর বিবর্ধন পরিমাপের জন্য বিম্বের দৈর্ঘ্য এবং লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে ব্যবহার করা হয়। 
- তাই বিম্বের দৈর্ঘ্য এবং লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে রৈখিক বিবর্ধন বলে। 
ধরা যাক, কোনো লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্য L এবং প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য Li । 
তাহলে, রৈখিক বিবর্ধন m = Li/Lo  । 
m > 1 হলে, প্রতিবিম্বটি বিবর্ধিত হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রতিবিম্বের আকার বড় হবে। 
m = 1 হলে, প্রতিবিম্বটি লক্ষ্যবস্তুর সমান হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তুর আকার ও প্রতিবিম্বের আকার সমান হবে। 
m < 1 হলে, প্রতিবিম্বটি খর্বিত হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রতিবিম্বের আকার ছোট হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০০৩.
প্রাথমিক কোষের উদাহরণ কোনটি? 
  1. লেড সঞ্চয়ী কোষ 
  2. ড্যানিয়েল কোষ 
  3. নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ 
  4. লেড-এসিড স্টোরেজ কোষ 
সঠিক উত্তর:
ড্যানিয়েল কোষ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড্যানিয়েল কোষ 
ব্যাখ্যা

তড়িৎ রাসায়নিক কোষ: 
- যে কোষে রাসায়নিক জারণ বিজারণ বিক্রিয়ার ফলে রাসায়নিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে পরিণত হয়, তাকে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ বলে। 
- তড়িৎ রাসায়নিক কোষকে স্বতঃস্ফূর্ততার ভিত্তিতে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। প্রাথমিক কোষ বা প্রাইমারি কোষ: 
- যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ নিজের রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি তড়িৎ উৎপন্ন করে তড়িৎ প্রবাহ বজায় রাখে, তাকে প্রাথমিক কোষ বলে। 
যেমন- ড্যানিয়েল কোষ, শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল ইত্যাদি হলো প্রাথমিক কোষ। 

২। সেকেন্ডারি কোষ বা সঞ্চয়ী কোষ: 
- যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষে বাইরে থেকে বিদ্যুত প্রবাহিত করে বিদ্যুত শক্তিকে রাসায়নিক শক্তি রূপে সঞ্চিত করা হয় এবং পরে ঐ রাসায়নিক শক্তিকে পুনরায় বিদ্যুত শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়, তাকে সেকেন্ডারি কোষ বলে। 
যেমন- লেড-এসিড স্টোরেজ কোষ, নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ, লেড সঞ্চয়ী কোষ ইত্যাদি হলো সেকেন্ডারি কোষ।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৩,০০৪.
ভিটামিন সি-এর একটি প্রধান কাজ কী?
  1. রক্ত জমাট বাঁধা
  2. ইনসুলিন তৈরি করা 
  3. ক্যালসিয়াম সরবরাহ করা
  4. শক্তিশালী জারণরোধী হিসেবে কাজ করা
সঠিক উত্তর:
শক্তিশালী জারণরোধী হিসেবে কাজ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তিশালী জারণরোধী হিসেবে কাজ করা
ব্যাখ্যা

এসকরবিক এসিড বা ভিটামিন সি (Vitamin C): 
- ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম এসকরবিক এসিড (Ascorbic acid)। 
- এটি তাপ, আলো, বাতাস ও ক্ষারে খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। 
- টাটকা শাক-সবজি ও ফল-মূল ভিটামিন সি এর উত্তম উৎস। 
- টক জাতীয় ফল যেমন- কমলা, লেবু, পেয়ারা, আমলকী, বাতাবি লেবু, আমড়া, কামরাঙা, আঙুর, আনারস ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। এছাড়া, লেটুস পাতা, কাঁচা মরিচও ভিটামিন সি এর ভালো উৎস। 

 এসকরবিক এসিডের কাজ: 
- ভিটামিন সি একটি শক্তিশালী জারণরোধী ভিটামিন। 
- ভিটামিন সি নিজে জারিত হয়ে অন্যান্য উপাদানের জারণ প্রতিরোধ করে। (সাধারণভাবে কোনো কিছুর সাথে অক্সিজেন যুক্ত হওয়াকে জারণ বলে)। 
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। 
- ক্ষতস্থানের ঘা শুকাতে সাহায্য করে। 
- দেহের পেশি, কলা ও অস্থির সংযোজক কলা তৈরিতে সহায়তা করে। 
- ভিটামিন সি অন্ত্রে লৌহের শোষণ এবং হিমোগ্লোবিনে লৌহ যুক্তকরণে সাহায্য করে। 
- ত্বক, দাঁত, মাড়ি প্রভৃতির দৃঢ়তা রক্ষা করে। 
- রক্তবাহী নালীর প্রাচীর মজবুত করতে সহায়তা করে। 

এসকরবিক এসিডের অভাবজনিত অবস্থা: 
- ভিটামিন সি এর দীর্ঘদিনের অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়। স্বার্ভি রোগে দাঁতের মাড়ি ফুলে স্পঞ্জের মতো হয়ে যায়, রক্তক্ষরণ হয়, গোড়া আলগা ও নরম হয়ে যায়, অনেক সময় দাঁত পড়ে যায়। 
- ত্বক খসখসে হয়, ফুসকুড়ি ওঠে এবং ত্বক চুলকায়। 
- অস্থি দুর্বল হয় ও অস্থি সন্ধিতে বা গাঁটে ব্যথা হয়, অস্থি দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়। 
- লৌহের পরিশোষণ ব্যহত হয় ও রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। 
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং সহজেই সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয়। 
- রক্তবাহী নালী ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে ত্বকের ভিতরে ও বাইরে রক্তক্ষরণ হতে পারে। 
- ক্ষুধামন্দা, অলসতা, খিটখিটে মেজাজ পরিলক্ষিত হয়। 

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,০০৫.
উদ্ভিদের প্রজননের জন্য বিশেষভাবে রূপান্তরিত বিটপকে ______ বলে।
  1. ক) পরাগায়ন
  2. খ) ফল
  3. গ) বীজ
  4. ঘ) ফুল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফুল
ব্যাখ্যা

উদ্ভিদের বংশবিস্তারের (প্রজননের) জন্য বিশেষভাবে রূপান্তরিত বিটপকে ফুল বলে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।

১৩,০০৬.
স্টার্চ থেকে গাঁজন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন অ্যালকোহলের নাম কী?
  1. ইথানল
  2. মিথানল
  3. আইসোপ্রোপানল
  4. মিথাইল অ্যালকোহল
সঠিক উত্তর:
ইথানল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথানল
ব্যাখ্যা
অ্যালকোহল: 
- অ্যালকোহল বলতে সাধারণভাবে ইথানলকে বোঝায়। 
- স্টার্চ থেকে গাঁজন ক্রিয়ার মাধ্যমে ইথানল উৎপাদন করা হয়। 
- এটি একটি শক্তিশালী জৈব দ্রাবক। 
- ৯৫.৬% ইথানল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটকে হোমিও ওষুধে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানলকে পারফিউম, কসমেটিক্স, ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানল পানীয় হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। 
- পানীয় হিসেবে ইথানলকে ব্যবহার না করার জন্য রেটিফাইড স্পিরিটের সাথে সামান্য মিথানল যোগ করে দেয়া হয়। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটের সাথে মিথানল যুক্ত থাকলে এটি সম্পূর্ণভাবে পানের অযোগ্য হয়। এ মিশ্রণকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে। 
- ঔষধ শিল্পে ও খাদ্য শিল্পে ব্যবহৃত অ্যালকোহলের মধ্যে মিথানল যোগ করা হয় না। 
- ইথানলকে মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানী হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। 
- পেট্রোলিয়াম জাতীয় উপাদানের সাথে প্রায় ৩০% ইথানল যোগ করে এ ধরনের জ্বালানী তৈরী করা হয়। এভাবে ব্যবহৃত অ্যালকোহলকে পাওয়ার অ্যালকোহল বলে।
- অ্যালকোহলকে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করলে জীবাশ্ম জ্বালানীর উপর চাপ কম পড়ে। তাছাড়া এটি পরিবেশ বান্ধব। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০০৭.
মহাকাশযাত্রার প্রথম প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ কোনটি? 
  1. ভস্টক-১
  2. স্পুটনিক-১
  3. এক্সপ্লোরার-১
  4. ইনটেলসেট-১
সঠিক উত্তর:
স্পুটনিক-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পুটনিক-১
ব্যাখ্যা

কৃত্রিম উপগ্রহ ও এর ইতিহাস: 
- মানুষের পাঠানো যেসব বস্তু বা মহাকাশযান পৃথিবীকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরে তাদের বলা হয় কৃত্রিম উপগ্রহ। 
- রকেটের সাহায্যে এদের উৎক্ষেপণ করা হয়। 
- পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ বা অভিকর্ষ বলের প্রভাবে চাঁদের মতো এরা এদের নিজস্ব কক্ষপথে ঘুরে। 
- কৃত্রিম উপগ্রহ চাঁদের তুলনায় অনেক ছোট এবং চাঁদের তুলনায় অনেক নিচু দিয়ে পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে। 
- নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরার জন্য এদের প্রয়োজনীয় দ্রুতি থাকতে হয়। পৃথিবী থেকে কৃত্রিম উপগ্রহের উচ্চতা যত বেশি হবে তার দ্রুতি হবে তত কম। ফলে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে এরা বেশি সময় নেবে। 
- পৃথিবী ২৪ ঘণ্টায় এর নিজ অক্ষের চারদিকে একবার ঘুরে। সুতরাং, কোনো কৃত্রিম উপগ্রহ যদি ২৪ ঘণ্টায় পৃথিবীর চারদিকে একবার ঘুরে আসে, তাহলে একে পৃথিবী থেকে স্থির বলে মনে হবে। 

- মহাকাশযাত্রার প্রথম পদক্ষেপটির সূচনা করেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৫৭ সালের ৪ঠা অক্টোবর। তারা স্পুটনিক-১ নামক কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করে, স্পুটনিক শব্দের অর্থ হলো ভ্রমণসঙ্গী বা সহযাত্রী। একই বছর ২রা নভেম্বর স্পুটনিক-২ নামক আরেকটি কৃত্রিম উপগ্রহ তারা মহাকাশে পাঠান। 
- প্রথম মার্কিন কৃত্রিম উপগ্রহের নাম এক্সপ্লোরার-১, এই উপগ্রহ ১৯৫৮ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি মহাকাশে পাঠানো হয়। 
- ভস্টক-১ নামক সোভিয়েত কৃত্রিম উপগ্রহ মানুষ নিয়ে প্রথম পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। যে মানুষটি প্রথম মহাকাশে গিয়েছিলেন, তিনি হলেন সোভিয়েত ইউনিয়নের ইউরি গ্যাগারিন। তিনি ১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল ভস্টক-১ কৃত্রিম উপগ্রহে চড়ে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেন। 
- ভস্টক-৬ নামক কৃত্রিম উপগ্রহে (মহাকাশযান) চড়ে প্রথম সোভিয়েত নারী মহাকাশচারি ভেলেনটিনা তেরেসকোভা মহাকাশে ঘুরে আসেন ১৯৬৩ সালে। 
- ইনটেলসেট-১ কৃত্রিম উপগ্রহকে পাঠানো হয় বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য যোগাযোগ উপগ্রহ হিসেবে। 
- রিমোটসেনসিং বা দূর অনুধাবনের জন্য পাঠানো প্রথম উপগ্রহ হলো ল্যান্ডসেট-১, একে পাঠানো হয় ১৯৭২ সালে। 
- আন্তর্জাতিক যোগসূত্র স্থাপনের জন্য অ্যাপোলো-সয়োজ টেস্ট প্রজেক্ট নামে একটি কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে প্রথম পাঠানো হয় ১৯৭৫ সালে। 
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ এ পর্যন্ত হাজার হাজার কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠিয়েছে। কয়েক হাজার কৃত্রিম উপগ্রহ বর্তমানে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং হাজার হাজার অব্যবহৃত কৃত্রিম উপগ্রহ বা তাদের অংশবিশেষ মহাকাশে ধ্বংসাবশেষ হিসেবে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

১৩,০০৮.
সুনামি নিচের কোন কারণে সৃষ্টি হতে পারে? 
  1. সমুদ্রের স্বাভাবিক ঢেউ 
  2. আগ্নেয়গিরি
  3. বাতাসের নিম্ন চাপ 
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয়গিরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয়গিরি
ব্যাখ্যা

সুনামি (Tsunami): 
- সুনামি (Tsunami) একটি জাপানি শব্দ, জাপানি ভাষায় এর অর্থ হলো 'পোতাশ্রয়ের ঢেউ'। 
- সুনামির পানির ঢেউ সমুদ্রের স্বাভাবিক ঢেউয়ের মতো নয়, এটা সাধারণ ঢেউয়ের চেয়ে অনেক বিশালাকৃতির। 
- অতি দ্রুত ফুঁসে ফুলে ওঠা জোয়ারের মতো, যা উপকূল ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি করে। 
- সুনামির পানির ঢেউগুলো একের পর এক উঁচু হয়ে আসতেই থাকে তাই একে ঢেউয়ের রেলগাড়ি বা 'ওয়েভ ট্রেন' বলে। 
- সুনামি হলো পানির এক মারাত্মক ঢেউ যা সমুদ্রের মধ্যে বা বিশাল হ্রদে ভূমিকম্প বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে সৃষ্টি হয়ে থাকে। 
- পানির নিচে কোনো পারমাণবিক বা অন্য কোনো বিস্ফোরণ, ভূপাত ইত্যাদি কারণেও সুনামি হতে পারে। 
- সুনামির ক্ষয়ক্ষতি সমুদ্র উপকূলীয় এলাকাগুলোতে সীমাবদ্ধ থাকলেও এর আশেপাশে সুনামির ধ্বংসাত্মক লীলা সংঘটিত হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরে যে সুনামি সৃষ্টি হয় তা এই মহাসাগরের আশেপাশে ১৪টি দেশে আঘাত হানে এবং মারাত্মক একটি দুর্যোগ সৃষ্টি করে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,০০৯.
"ওজন" এর এসআই একক হচ্ছে:
  1. আউন্স
  2. নিউটন
  3. পাউন্ড
  4. কেজি
সঠিক উত্তর:
নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউটন
ব্যাখ্যা

• ওজন হলো একটি পদার্থের উপর গুরুত্বাকর্ষীয় শক্তির কারণে কার্যকর হওয়া বল। যেহেতু এটি একটি বল, তাই ওজনের পরিমাপও বলের এককে হয়। এস আই একক ব্যবস্থায় বলের একক হলো নিউটন (N)। একটি নিউটন হলো এমন বল যা ১ কেজি ভরের একটি পদার্থকে প্রতি সেকেন্ড² তে ১ মিটার ত্বরণ প্রদান করে। অন্য একক যেমন কেজি হলো ভরের একক, আউন্স এবং পাউন্ড হলো অন্য একক ব্যবস্থার ভর বা ওজন পরিমাপের একক। সুতরাং, ওজনের সঠিক এস আই একক হলো নিউটন, যা গুরুত্বাকর্ষীয় বলকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে।

- সঠিক উত্তর: খ) নিউটন।

• নিউটন (Newton) হলো বলের এসআই একক, এবং যেহেতু ওজন হলো ভরের ওপর মাধ্যাকর্ষণ বলের প্রয়োগ, তাই ওজনের এককও নিউটন।

• সূত্র: ওজন = ভর × মাধ্যাকর্ষণ ত্বরণ (W = m × g)
• যেখানে ভরের (m) একক কেজি (kg) এবং অভিকর্ষজ ত্বরণের (g) একক m/s2, তাই ওজনের (W) একক হয়  Kg·m/s2 = নিউটন।

• ভৌত রাশি ও তাদের SI একক:
- দৈর্ঘ্য - মিটার (m), 
- ভর - কিলোগ্রাম (kg), 
- সময় - সেকেন্ড (s), 
- তাপমাত্রা - কেলভিন (K), 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ - অ্যাম্পিয়ার (A), 
- পদার্থের পরিমাণ - মোল (mol), 
- আলোক তীব্রতা - ক্যান্ডেলা (cd), 
- বল - নিউটন (N)।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৩,০১০.
নিচের কোনটি প্রাকৃতিক ত্রিমাত্রিক পলিমার?
  1. লিগনিন
  2. টেরিলিন
  3. নাইলন
  4. টেফলন
সঠিক উত্তর:
লিগনিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিগনিন
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক পলিমার:
- সাধারণভাবে প্রাকৃতিক উৎস বিশেষ করে উদ্ভিদ ও প্রাণি থেকে প্রাপ্ত পলিমার এ জাতীয় পলিমার।
- যেমন- প্রাকৃতিক রাবার, স্টার্চ, সেলুলোজ ইত্যাদি।
• লিগনিন হলো প্রাকৃতিক ত্রিমাত্রিক পলিমার।

কৃত্রিম পলিমার:
- পরীক্ষাগারে কৃত্রিমভাবে প্রস্তুত পলিমার সমূহ এ জাতীয় পলিমার।
- যেমন- পলিইথিলিন, পলিস্টারিন, পলিভিনাইল ক্লোরাইড (PVC), নাইলন, টেফলন, টেরিলিন ইত্যাদি।
- গঠন ও তাপীয় বেশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে কৃত্রিম পলিমারকে আবার দুই শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। যেমন-
• থার্মোপ্লাস্টিক।
• থার্মোসেটিং প্লাস্টিক।

সূত্র: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০১১.
দুটি লম্বালম্বি শক্তির পরিমাণ ৫N এবং ৪N, তাদের লদ্ধি পরিমাণ কত?
  1. ক) ৩N
  2. খ) √১১N
  3. গ) √৪১N
  4. ঘ) ১N
সঠিক উত্তর:
গ) √৪১N
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) √৪১N
ব্যাখ্যা
লব্ধি = √(p2-q2)
= √[(5n)2+(4n)2]
= √(41n2)
=√41n
১৩,০১২.
আমাদের দেহে অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে অনুপ্রবেশকারী ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া সহ বিভিন্ন ক্ষতিকর জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করে-
  1. ক) রক্তরস
  2. খ) শ্বেতকণিকা
  3. গ) অনুচক্রিকা
  4. ঘ) লোহিত কণিকা
সঠিক উত্তর:
খ) শ্বেতকণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শ্বেতকণিকা
ব্যাখ্যা
দেহের প্রতিরক্ষন ও আত্মরক্ষায় সাহায্য করে শ্বেতকণিকা। এরা দেহের আকার পরিবর্তনের মাধ্যমে ফ্যাগোসাইটসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস করে। অন্যদিকে অনুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে এবং লোহিত রক্ত কণিকা অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পরিবহন করে।
১৩,০১৩.
বংশগতিবিদ্যার জনক কে?
  1. ক) Walther Flemming
  2. খ) Gregor Mendel
  3. গ) Hugo von Mohl
  4. ঘ) Louis Pasteur
সঠিক উত্তর:
খ) Gregor Mendel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Gregor Mendel
ব্যাখ্যা

বংশগতিবিদ্যার জনক হলেন অষ্ট্রিয়ার ধর্মযাজক গ্রেগর মেন্ডেল।

১৮২২ সালের ২০ জুলাই হেইঞ্জেনডোর্ফ নামক একটি ছোট্ট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন জোহান মেন্ডেল। জোহান তার জন্মগত নাম। পরবর্তীতে নামের সাথে গ্রেগর যুক্ত হয়।
১৮৪৩-৪৬ পর্যন্ত তিন বছর মেন্ডেল সেন্ট থমাসে জীববিজ্ঞান বিষয়ক পড়ালেখা করেন। পরের বছর তিনি ধর্মযাজক হন।
১৮৫৬ থেকে ১৮৬৩ সাল পর্যন্ত মেন্ডেল প্রায় ২৯ হাজার মটরশুঁটির ওপর পরীক্ষা চালান। অশেষ শ্রম ও সাধনার বলে তিনি বংশগতির দুটি সূত্র (পৃথকীকরণ সূত্র ও স্বাধীনভাবে সঞ্চারণ সূত্র) আবিষ্কার করেন, যা পরবর্তী সময়ে মেন্ডেলের বংশগতির সূত্র নামে পরিচিত।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট

১৩,০১৪.
TIV হলো একটি-
  1. RNA ভাইরাস
  2. DNA ভাইরাস
  3. ব্যাকটেরিয়া
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
DNA ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DNA ভাইরাস
ব্যাখ্যা
• TIV হলো একটি DNA ভাইরাস।

• নিউক্লিক অ্যাসিডের ধরন অনুযায়ী ভাইরাস দুই প্রকার। যথা-
১. DNA ভাইরাস:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA থাকে তাদেরকে DNA ভাইরাস বলা হয়।
- DNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- T2 ভাইরাস, ভ্যাকসিনিয়া, ভ্যারিওলা, TIV (Tipula Iridiscent Virus), এডিনোহার্পিস সিমপ্লেক্স ইত্যাদি ভাইরাস।

২. RNA ভাইরাস:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়।
- RNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- TMV, HIV, ডেঙ্গু, পোলিও, মাম্পস, র‍্যাবিস, নভেল করোনা ইত্যাদি ভাইরাস।

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
১৩,০১৫.
ক্ষুদ্রান্ত্রের কোন অংশে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও লিপিডের পরিপাক ঘটে?
  1. জেজুনামে
  2. মলাশয়ে
  3. ইলিয়ামে
  4. ডিওডেনামে
সঠিক উত্তর:
ডিওডেনামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিওডেনামে
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্রান্ত্র: 
- পাকস্থলির পাইলোরাস অংশের পর থেকে ইলিওকোলি পর্যন্ত প্রায় ৬-৭ মিটার লম্বা বিস্তৃত অংশ ক্ষুদ্রান্ত্র। 
- এটি আবার ৩ অংশে বিভক্ত। 
যথা - 
১। ডিওডেনাম, 
২। জেজুনাম ও 
৩। ইলিয়াম। 

- ডিওডেনামে মূলত অগ্ন্যাশয়িক রসের এনজাইমের ক্রিয়া এবং জেজুনাম ও ইলিয়ামে আন্ত্রিক রসের এনজাইমের ক্রিয়ার পরিপাক ঘটে। 
- ডিওডেনামে মূলত কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও লিপিডের পরিপাক ঘটে। 
- অম্লধর্মী পাকমণ্ড পাকস্থলি থেকে ডিওডেনামে প্রবেশ করলে যকৃত থেকে নিঃসৃত ও পিত্তথলিতে সঞ্চিত পিত্তরস নালিপথে ডিওডেনামে প্রবেশ করে ক্ষারীয় মাধ্যম সৃষ্টি করে। 
- অন্যদিকে অগ্ন্যাশয় থেকে রস নিঃসৃত হয়ে পাকমণ্ডের অম্লত্বের প্রশমন ঘটায়। 
- অগ্ন্যাশয় রসের এনজাইমসমূহ এ মাধ্যমে সক্রিয় হয়ে পরিপাকে অংশ নেয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৩,০১৬.
কোন ধরনের ভাইরাস তামাক পাতার ক্লোরোফিল নষ্ট করে?
  1. ক) TMV
  2. খ) Flavivirus
  3. গ) T
  4. ঘ) STAR CRACK VIRUS
সঠিক উত্তর:
ক) TMV
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) TMV
ব্যাখ্যা
TMV অথবা, টোব্যাকো মোজাইক ভাইরাস তামাক পাতার ক্লোরোফিল নষ্ট করে। 

- TMV মূলত একটি দণ্ডাকৃতির RNA ভাইরাস।
- এর দৈর্ঘ্য প্রস্থের প্রায় ১৭ গুণ।
- ইহার দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮০ nm এবং প্রস্থ ১৫ nm.
- RANA এবং প্রোটিন দিয়ে এই ভাইরাসটি গঠিত হয়।
- এতে প্রায় ২২০০ ক্যাপসোমিয়ার থাকে এবং প্রতিটি ক্যাপসোমিয়ারে ১৫৮টি অ্যামাইনো এসিড থাকে। 

সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০১৭.
শাপলার বৈজ্ঞানিক নাম কোনটি?
  1. Mangifera indica
  2. Nymphaea nouchali
  3. Oryza sativa
  4. Artocarpus heterophyllus
সঠিক উত্তর:
Nymphaea nouchali
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nymphaea nouchali
ব্যাখ্যা

• শাপলার বৈজ্ঞানিক নাম হলো Nymphaea nouchali। এটি Nymphaeaceae পরিবারের একটি উদ্ভিদ।

• দ্বিপদ নামকরণ:
- একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুটি অংশ বা পদ নিয়ে গঠিত হয়।
- প্রথম অংশটি তার গণের নাম এবং দ্বিতীয় অংশটি তার প্রজাতির নাম।
-  যেমন: গোল আলুর বৈজ্ঞানিক নাম Solanum tuberosum।
- এখানে Solanum গণ নাম এবং tuberosum প্রজাতির নাম বুঝায়, এরূপ দুটি পদ নিয়ে গঠিত নামকে দ্বিপদ নাম।
- এবং নামকরণের প্রক্রিয়াকে দ্বিপদ নামকরণ (binomial nomenclature) পদ্ধতি বলে।
- দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতির লক্ষ্য একটাই, তা হচ্ছে এই বৈচিত্র্যময় জীবজগতের প্রতিটি জীবকে আলাদা নামে সঠিকভাবে জানা।
- 1753 সালে সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস Species plantarum বইটি রচনা করেন।
- এই বইটি উদ্ভিদবিজ্ঞানের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করে।
- কারণ এর প্রকাশনার মাধ্যমে তিনি দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতির প্রবর্তন করেন এবং গণ ও প্রজাতির সংজ্ঞা দেন।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,০১৮.
নিচের তত্ত্বগুলো বিবেচনা করুন
i. আলো গ্রাভিটি (Gravity) দ্বারা প্রভাবিত হয়।
ii. মহাবিশ্ব (Universe) ক্রমাগত সম্প্রসারিত হচ্ছে।
উপরের কোনটি আইনস্টানের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্বের ভবিষ্যতবাণী?
  1. শুধু i
  2. i ও ii উভয়
  3. শুধু ii
  4. i ও ii কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
i ও ii উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
i ও ii উভয়
ব্যাখ্যা
- উভয়ই আইনস্টানের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত। 
- এই তত্ত্ব অনুসারে, 
ক) আলো অভিকর্ষ দ্বারা প্রভাবিত হয়। অভিকর্ষ আলোর পথকে বক্র করে দেয়। 
খ) মহাবিশ্ব (Universe) ক্রমাগত সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং গতি ত্বরাবর্তিত হচ্ছে। মহাবিশ্বের সম্প্রসারণকে আইনস্টাইন কসমোলজিক্যাল ঘনত্ব বা কসমোলজিক্যাল স্থিতিশীল দ্বারা ব্যাখ্যা করেছিলেন। 
 
আপেক্ষিক তত্ত্ব: 
- আপেক্ষিক তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞানে এক আলোড়ন সৃষ্টিকারী তত্ত্ব। এই তত্ত্বের প্রবর্তক আলবার্ট আইনস্টাইন।
- আপেক্ষিক তত্ত্বের মতে স্থান, কাল ও জড় বা ভর পরম কিছু নয়, আপেক্ষিক।
- বিজ্ঞানী আইনস্টাইন এই তত্ত্বের সূচনা করেন ১৯০৫ সালে বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব (special theory of relativity) প্রবর্তনের মাধ্যমে।
- ভরের আপেক্ষিকতা ও ভরকে শক্তিতে রূপান্তর, এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের উপর ভিত্তি করে পারমাণবিক যুগের সূচনা হয়।
 
আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য: 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- প্রথম স্বীকার্য: স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে।
- দ্বিতীয় স্বীকার্য: শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়।
 
অতএব, আলো মাধ্যাকর্ষণ প্রভাব এবং মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ উভয়ই আইনস্টানের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্বের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, (ড. শাহজাহান তপন, মুহম্মদ আজিজ হাসান, ড. রানা চৌধুরী)।
১৩,০১৯.
ইউরেনিয়ামের আইসোটোপগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অস্থিতবস্থায় থাকে-
  1. ক) U (233)
  2. খ) U (234)
  3. গ) U (235)
  4. ঘ) U (238)
সঠিক উত্তর:
ক) U (233)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) U (233)
ব্যাখ্যা
ইউরেনিয়ামের বিভিন্ন আইসোটোপের অর্ধায়ু:
233U = 1.592×105 years
234U = 2.454×105 years
235U = 7.037×108 years
236U = 2.342×107 years
238U = 4.468×109 years

উপরোক্ত তথ্য অনুযায়ী 233U এর অর্ধায়ু সবচেয়ে কম তাই এটি বেশি অস্থিতিশীল। কারন অর্ধায়ু কম হওয়ার কারনে এটি অন্য আইসোটোপগুলো থেকে তারাতারি ভেঙ্গে যায়।

উৎস: আন্তর্জাতিক পারমানবিক শক্তি এজেন্সি[Link]
১৩,০২০.
হেনরির লুপের অবস্থান কোথায়?
  1. ইফারেন্ট ধমনিকাতে
  2. রেনাল করপাসোলে
  3. এফারেন্ট ধমনিকাতে
  4. বৃক্কীয় নালিকায়
সঠিক উত্তর:
বৃক্কীয় নালিকায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃক্কীয় নালিকায়
ব্যাখ্যা

• হেনরির লুপ বৃক্কের নেফ্রনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি মূলত নেফ্রনের মধ্যবর্তী অংশে অবস্থিত এবং প্রসেস করা প্রাথমিক ইউরিনের জলীয় ও খনিজ উপাদান শোষণ ও রিইনটেকশন করে। হেনরির লুপের দুটি অংশ আছে – নিম্নাংশ (ডিসেন্টিং লিম্ব) যা পানি শোষণে সক্রিয় এবং উর্ধ্বাংশ (অ্যাসেন্ডিং লিম্ব) যা সোডিয়াম ও ক্লোরাইড আয়ন শোষণে গুরুত্বপূর্ণ। এটি সরাসরি রেনাল করপাসকেল বা ধমনিকাতে নেই; বরং এটি নেফ্রনের মধ্যবর্তী নালিকায় অবস্থান করে। ফলে, হেনরির লুপ মূলত বৃক্কীয় নালিকায় (nephron tubule) অবস্থান করে।

- উত্তর: ঘ) বৃক্কীয় নালিকা।

• হেনরির লুপের অবস্থান (Loop of Henle):
- হেনরির লুপ হলো একটি U-আকৃতির নালিকা যা বৃক্কের নেফ্রনের অংশ।
- এটি মূলত ইউরিনকে ঘন করার জন্য এবং জল ও ইলেক্ট্রোলাইটের শোষণ ও পুনঃশোষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- হেনরির লুপ রেনাল করপাসোল থেকে শুরু হয়ে বৃক্কীয় নালিকায় অবতীর্ণ হয় এবং পরে কালেক্টিং ডাক্টে যুক্ত হয়।
- এটি সলিউট এবং জল পুনঃশোষণের মাধ্যমে ইউরিনের ঘনত্ব নিয়ন্ত্রণ করে।
- সরাসরি ইফারেন্ট বা এফারেন্ট ধমনিকায় এটি অবস্থান করে না; এটি নেফ্রনের মধ্যবর্তী অংশ।

সুতরাং, হেনরির লুপের সঠিক অবস্থান হলো: ঘ) বৃক্কীয় নালিকা।  

• অপশন আলোচনা:
ক) ইফারেন্ট ধমনিকাতে: হেনরির লুপ ইফারেন্ট আর্টেরিয়োলের ভিতরে অবস্থান করে না।
খ) রেনাল করপাসোলে: রেনাল করপাসোল মূলত ফিল্ট্রেশন হয়, হেনরির লুপ এখানে নেই।
গ) এফারেন্ট ধমনিকাতে: এফারেন্ট আর্টেরিয়োল রেনাল কেপসুলে ফিল্ট্রেশন নিয়ে আসে, হেনরির লুপ এখানে নেই।
ঘ) বৃক্কীয় নালিকায়: হেনরির লুপ মূলত ব্রুক্কীয় নালিকায় (renal tubule) অবস্থান করে, যেখানে ইউরিনের পানির শোষণ ও লবণের পুনঃশোষণ হয়।
 
সূত্র: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল এবং গাজী আসমত। 

১৩,০২১.
1 মোল ইলেকট্রনের চার্জ হলো -
  1. 1 F
  2. 1 C
  3. 1.62 C
  4. 1.60245 × 10-19 C
সঠিক উত্তর:
1 F
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1 F
ব্যাখ্যা
ফ্যারাডে (Faraday): 
- এক মোল পরিমাণ ইলেকট্রনের চার্জকে 96500 কুলম্ব ধরা হয়। 
- মোল পরিমাণ তড়িৎ চার্জকে এক ফ্যারাডে বলা হয়। 
- ফ্যারাডের প্রতীক হলো F. 
- এক ফ্যারাডে = 96500 C তড়িৎ চার্জ। 

ফ্যারাডের সূত্রের সাহয্যে ইলেকট্রনের চার্জ গণনা: 
- তড়িৎ বিশ্লেষণের সমীকরণ মতে, একযোজী এক মোল ক্যাটায়নকে চার্জ মুক্ত করতে 1 F বিদ্যুৎতের প্রয়োজন হয়। 
- এক মোল ক্যাটায়নের সংখ্যা হলো অ্যাভোগাড্রো সংখ্যা NA
- একটি ইলেকট্রনের চার্জ = e -
∴ NA × e¯ = 1 ফ্যারাডে = 96500 কুলম্ব (C). 
∴ e - = 96500 C/NA = 96500 C/6.022 x 1023 = 1.60245 × 10-19 C. 
- এভাবে হিসাবকৃত ইলেকট্রনের চার্জের পরিমাণ বিভিন্ন পরীক্ষা থেকে প্রাপ্ত ইলেকট্রনের চার্জের সমান। 
- এ থেকে ফ্যারাডের সূত্রের তাৎপর্য বোঝা যায় এবং প্রমাণিত হয় যে, 1 মোল ইলেকট্রন = 1 ফ্যারাডে (F). 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
১৩,০২২.
একটি সরলদোলককে পৃথিবীর কেন্দ্রে নিলে তার দোলনকাল কত হবে?
  1. ক) অসীম
  2. খ) স্লো হবে
  3. গ) ভূপৃষ্ঠের সমান
  4. ঘ) ভূপৃষ্ঠ থেকে কম
সঠিক উত্তর:
ক) অসীম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অসীম
ব্যাখ্যা
⇒ একটি ভারী আয়তনহীন বস্তুকণাকে ওজনহীন, নমনীয় এবং অপ্রসারণশীল সুতা দিয়ে ঝুলিয়ে দিলে এটি যদি ঘর্ষণ এড়িয়ে স্বাধীনভাবে দুলতে পারে তবে তাকে সরল দোলক বলে।

কৌণিক বিস্তার অল্প হলে-
সরল দোলকের দোলনকাল, T = 2π √(L/g).
এখানে, t = দোলনকাল,
L= কার্যকরী দৈর্ঘ্য (সূতার দৈর্ঘ্য+দোলকপিন্ডের ব্যাসার্ধ),
g= অভিকর্ষজ ত্বরণ।

উপরের সূত্রমতে আমরা পাই,
১. সরল দোলকের দোলনকাল কাযকরী দৈর্ঘ্য ও অভিকর্ষজ ত্বরণের উপর নির্ভরশীল।
২. একটি সরল দোলককে পৃথিবীর কেন্দ্রে নিলে তার দোলনকাল অসীম হবে, কারণ পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য। এক্ষেত্রে দোলকঘড়ি চলবে না।
৩. গ্রীষ্মকালে দোলকঘড়ি ধিরে চলে। কারন, অধিক তাপমাত্রার জন্য দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য বাড়ে, ফলে দোলককাল বাড়ে এবং ঘড়ি ধিরে চলে।
৪. শীতকালে দোলকঘড়ি দ্রুত চলে। কারণ, কম তাপমাত্রায় দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য কমে, ফলে দোলককাল কমে এবং ঘড়ি দ্রুত চলে।
৫. দোলকঘড়ি বিষুবরেখা হতে মেরু অঞ্চলে নিলে ঘড়ি দ্রুত চলবে। কারণ, বিষুবরেখার চেয়ে মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বেশি। ফলে দোলনকাল কমবে এবং ঘড়ি দ্রুত চলবে।
৬. দোলককে পাহাড়ের উপর নিয়ে গেলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কম বলে দোলনকাল বাড়বে।
৭. কোন সরল দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য ৯ গুণ বাড়লে দোলনকাল ৩ গুণ বাড়বে, আর মাধ্যাকর্ষণ জনিত ত্বরণ ৯ গুণ বাড়লে দোলনকাল ৩ গুণ কমবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি
১৩,০২৩.
নিচের কোনটির মধ্যে চার্জ নেই?
  1. প্রোটন
  2. এক্স-রে
  3. আলফা রশ্মি
  4. বিটা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
এক্স-রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক্স-রে
ব্যাখ্যা
এক্সরের ধর্ম:
১। এক্সরে সরল পথে গমন করে।
২। এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না।
৩। এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ।
৪। এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট।
৫। এটি আলোর সমবেগে গমন করে।
৬। আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে।
৭। এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে।
৮। এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
৯। এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই।
১০। এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে।
১১। এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে।
১২। এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক।
১৩। এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০২৪.
'নিঃসরণ'-এর জন্য কোন শর্ত প্রয়োজন?
  1. আলো 
  2. স্বতঃস্ফূর্ত ছড়িয়ে পড়া
  3. উচ্চ ঘনত্বের অঞ্চল থেকে নিম্ন ঘনত্বের অঞ্চল 
  4. কোনো নির্দিষ্ট ছিদ্রপথ এবং চাপের প্রভাব
সঠিক উত্তর:
কোনো নির্দিষ্ট ছিদ্রপথ এবং চাপের প্রভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো নির্দিষ্ট ছিদ্রপথ এবং চাপের প্রভাব
ব্যাখ্যা

ব্যাপন (Diffusion): 
- অসম ঘনত্ব বিশিষ্ট একটি গ্যাস বা তরল অপর গ্যাসের বা তরলের মধ্যে স্বাভাবিক ও স্বত:স্ফূর্ত অনু প্রবেশকে ব্যাপন বলা হয়। 
যেমন- 
• কোনো কক্ষের মধ্যে অথবা এয়ারকন্ডিশনার যুক্ত বাসের মধ্যে চলার সময় বায়ুর গুমোট ভাব ও দুর্গন্ধ তাড়ানোর জন্য এয়ার ফ্রেসনার ছড়িয়ে দেয়া হয় তার গন্ধ ব্যাপন প্রক্রিয়াই চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 
• রাতের বেলা ঘরের কোনে হাসনা-হেনা বা গোলাপ ফুল ফুটলে তার গন্ধও ব্যাপন প্রক্রিয়াই চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
• ছাতিম গাছের ফুলের গন্ধও ব্যাপন প্রক্রিয়াই চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে যার ফলে মন উদাস হয়ে যায়। 
• ঘরের মসা, আরশোলা, পিঁপড়া মারার ক্ষেত্রে যে অ্যারোসল ব্যবহার করা হয় তার গন্ধ ব্যাপন প্রক্রিয়াই চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 
- প্রতিটি ক্ষেত্রে উচ্চ ঘনত্বের অঞ্চল থেকে নিম্ন ঘনত্বের অঞ্চলে উপাদানের পরিব্যাপ্তি ঘটেছে। 

নিঃসরণ (Effusion): 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাহ্যিক চাপের প্রভাবে পাত্রের সূক্ষ ছিদ্রপথ দিয়ে কোনো উপাদানের উচ্চ চাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলে একমুখী বের হওয়ার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলা হয়। 
যেমন- 
• রিক্সার চাকা ছিদ্র হয়ে যাওয়ায় টিউব থেকে বাতাস বেরিয়ে পড়ার ঘটনাই হচ্ছে নিঃসরণ। 
• পাকা রাস্তা দিয়ে দ্রুত গতিতে বাস বা ট্রাক চলছে, হঠাৎ করে চাকা ফেটে গিয়ে ভিতরের বায়ু বেরিয়ে যাওয়ার ঘটনাই নিঃসরণ। 
• শহর এলাকায় যে পাইপ লাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ করা হয় শ্বে পাইপের কোথাও ছিদ্র হয়ে গেলে তীব্র বেগে গ্যাস বেরিয়ে যাওয়ার ঘটনাই হচ্ছে নিঃসরণ। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,০২৫.
রাসায়নিক পদার্থ পরিমাপের একক কোনটি? 
  1. লিটার
  2. মোল
  3. গ্রাম
  4. কিলোগ্রাম
সঠিক উত্তর:
মোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোল
ব্যাখ্যা
মোল: 
- রাসায়নিক পদার্থ পরিমাপের এসআই একক হচ্ছে মোল। 
- কোনো উপাদানের যে পরিমাণের মধ্যে অ্যাভোগেড্রো সংখ্যক অণু, পরমাণু বা আয়ন থাকে, সেই পরিমাণকে পদার্থের মোল বলে। 
- পদার্থের পারমাণবিক ভর অথবা আণবিক ভরকে গ্রাম এককে প্রকাশ করলে যে সংখ্যা মান পাওয়া যায় তার মধ্যে অ্যাভোগেড্রো সংখ্যক পরমাণু বা অণু বর্তমান থাকে। 
- অ্যাভোগেড্রোর এ সংখ্যার মান 6.023×1023 । 
- কোনো পদার্থের ১ মোল বলতে সেই পরিমাণ পদার্থকে বুঝায় যার মধ্যে ঐ পদার্থের উপাদান কণিকার সংখ্যা 6.023×1023 । 
- কোনো মৌলিক বা যৌগিক পদার্থের ১ মোল অণু বলতে 6.023×1023 টি অণুকে বুঝায়। 
- আবার একইভাবে কোনো মৌলিক পদার্থের ১ মোল পরমাণু বলতে 6.023×1023 টি পরমাণু বুঝায়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০২৬.
ঘন পাতাবিশিষ্ট গাছের নিচে রাতে ঘুমানো স্বাস্থ্যসম্মত নয়, কারণ গাছ হতে-
  1. ক) অধিক পরিমাণে অক্সিজেন নির্গত হয়
  2. খ) অধিক পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গত হয়
  3. গ) অধিক পরিমাণে বিষাক্ত সায়ানাইড নির্গত হয়
  4. ঘ) অধিক পরিমাণে কার্বন মনোঅক্সাইড নির্গত হয়
সঠিক উত্তর:
খ) অধিক পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অধিক পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গত হয়
ব্যাখ্যা
ঘন পাতাবিশিষ্ট গাছের নিচে রাতে ঘুমানোর স্বাস্থ্যসম্মত নয়, কারণ এতে শ্বসনের ফলে অধিক পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গত হয়।
১৩,০২৭.
ট্রানজিস্টারে কয়টি p-n জাংশন থাকে?
  1. ক) একটি
  2. খ) দুটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) চারটি
সঠিক উত্তর:
খ) দুটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দুটি
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টার একটি এক্টিভ সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা সেমিকন্ডাক্টর দ্বারা গঠিত। এর অভ্যন্তরে দুটি জাংশন রয়েছে। এটি হতে পারে n-p-n বা p-n-p জাংশন। এর তিনটি টার্মিনাল আছে।
১৩,০২৮.
উদ্ভিদের কোন অংশে শ্বসন ক্রিয়ার হার অনেক বেশি?
  1. ফুল ও পাতার কুঁড়িতে
  2. অঙ্কুরিত বীজে
  3. মূল ও কাণ্ডের অগ্রভাগে
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
শ্বসন: 
- জীবের জীবন ধারণ অর্থাৎ চলন, ক্ষয়পুরণ, বৃদ্ধি, জনন প্রভৃতি জৈবিক কাজগুলো সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য শক্তির প্রয়োজন হয়, এ শক্তির প্রধান উৎস হলো সূর্যালোক। 
- সালোকসংশ্লেষণের সময় উদ্ভিদ সৌরশক্তিকে শর্করা জাতীয় খাদ্যবস্তুর মধ্যে স্থিতি শক্তিরূপে (Potential energy) সঞ্চয় করে রাখে। 
- খাদ্যের মধ্যে সঞ্চিত এই ধরনের শক্তি জীব তার জীবন ধারণের জন্য সরাসরি ব্যবহার করতে পারে না। 
- শ্বসনের সময় জীবদেহে এই স্থিতি শক্তি রাসায়নিক শক্তি (ATP) হিসেবে তাপরূপে মুক্ত হয় এবং জীবের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি যোগায়। 
- শর্করাজাতীয় খাদ্যবস্তু ছাড়াও প্রোটিন, ফ্যাট এবং বিভিন্ন জৈব এসিড শ্বসনিক বস্তুরূপে ব্যবহৃত হয়। 
- জীবদেহে এই জটিল যৌগগুলো প্রথমে ভেঙে সরল যৌগে পরিণত হয় এবং পরে জারিত হয়ে রাসায়নিক শক্তিতে (ATP) রূপান্তরিত হয়। 
- সাধারণ তাপমাত্রায় জীবদেহের প্রতিটি কোষে দিবারাত্রি ২৪ ঘণ্টাই শ্বসন চলতে থাকে। 
- তবে উদ্ভিদের বর্ধিষ্ণু অঞ্চলে (ফুল ও পাতার কুঁড়ি, অঙ্কুরিত বীজ, মূল ও কাণ্ডের অগ্রভাগ) শ্বসন ক্রিয়ার হার অনেক বেশি। 
- সজীব কোষের সাইটোপ্লাজম ও মাইটোকন্ড্রিয়াতে শ্বসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। 
- এ জৈব-রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীবদেহ যৌগিক খাদ্যদ্রব্য জারিত করে সরল দ্রব্যে পরিণত করে এবং শক্তি উৎপন্ন করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,০২৯.
নিচের প্রাণীগুলোর মধ্যে কোনটি সবচেয়ে কম কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পারে??
  1. কুকুর
  2. ইদুর
  3. বাদুর
  4. বিড়াল
সঠিক উত্তর:
কুকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুকুর
ব্যাখ্যা
মানুষের শ্রাব্যতার পাল্লা: 20 Hz ~ 20,000 Hz
কুকুরের শ্রাব্যতার পাল্লা: 4 Hz ~ 45,000 Hz
বিড়ালের শ্রাব্যতার পাল্লা: 45Hz ~ 64,000Hz
ইদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা: 1,000 Hz 91,000 Hz
বাদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা: 2,000 Hz 110,000 Hz
 
সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০৩০.
প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে কোনটি ব্যাখ্যা করা যায় না?
  1. ব্যতিচার
  2. অপবর্তন
  3. সমবর্তন
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব: 
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রস্তাবনা করেন। 
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোন উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেড়িয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেজ আকারে বের হয়। 
- প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রং এর আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্ব নিম্ন মান আছে। 
- এই সর্ব নিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন। 
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা দেন। 
- এই তত্ত্বের সাহায্যে কৃষ্ণবস্তু বিকিরণ, ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করা যায়। 
- কিন্তু আলোর বিচ্ছুরণ, ব্যতিচার, অপবর্তন, সমবর্তন ব্যাখ্যা করা যায় না। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০৩১.
একটি আদর্শ নিউরনের অংশ নয় কোনটি?
  1. ক) কোষদেহ
  2. খ) ডেনড্রাইট
  3. গ) সিন্যাপস
  4. ঘ) অ্যাক্সন
সঠিক উত্তর:
গ) সিন্যাপস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিন্যাপস
ব্যাখ্যা

একটি আদর্শ নিউরনের তিনটি অংশ থাকেঃ
কোষদেহ,
ডেনড্রাইট এবং
অ্যাক্সন।
নিউরন কোষ বহুভুজাকৃতি এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত। নিউরনের সাইটোপ্লাজমে সক্রিয় সেন্ট্রিওল থাকে না বলে নিউরন বিভাজিত হয় না।

১৩,০৩২.
কোনটি অস্থায়ী মূল কণিকা?
  1. পজিট্রন
  2. নিউট্রিনো
  3. ম্যাসন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
অস্থায়ী মূল কণিকা: কিছু কিছু মূল কণিকা কোন কোন মৌলের পরমাণুতে অস্থায়ীভাবে খুব স্বল্প সময়ের জন্য বিরাজ করে।
এগুলোকে অস্থায়ী মূল কণিকা বলা হয়। অস্থায়ী মূলকনিকার সংখ্যা প্রায় ১০০। নিউট্রিনো, অ্যান্টি নিউট্রিনো, পজিট্রন, মেসন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য অস্থায়ী মূলকণিকা।

সূত্রঃ রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০৩৩.
সৌরকেন্দ্রিক পরমাণু মডেল প্রস্তাব করেন -
  1. ক) জন ডাল্টন
  2. খ) স্যার আইজ্যাক নিউটন
  3. গ) নীলস বোর
  4. ঘ) আর্নেস্ট রাদারফোর্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) আর্নেস্ট রাদারফোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আর্নেস্ট রাদারফোর্ড
ব্যাখ্যা
পরমাণুতে মৌলিক কণিকাগুলো কিভাবে সজ্জিত আছে সে সম্পর্কে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড একটি মডেল প্রস্তাব করেন এটি রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল নামে পরিচিত।
তিনি পরমাণুর গঠনকে সৌরজগতের সাথে তুলনা করেন। তাই তাঁর প্রস্তাবিত মডেলকে পরমাণুর সৌর মডেলও বলা হয়।

সূত্রঃ রসায়ন, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০৩৪.
কোষের পাওয়ার হাউজ বলা হয়-
  1. প্লাস্টিডকে
  2. নিউক্লিয়াসকে
  3. মাইটোকন্ড্রিয়াকে
  4. রাইবোসোমকে
সঠিক উত্তর:
মাইটোকন্ড্রিয়াকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইটোকন্ড্রিয়াকে
ব্যাখ্যা
• মাইটোকন্ড্রিয়া:
- মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের শ্বসন অঙ্গাণু।
- কোষের যাবতীয় জৈবনিক কাজের শক্তি সরবরাহ করে থাকে মাইটোকন্ড্রিয়া।
- তাই মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের পাওয়ার হাউজ বা শক্তি ঘর বলা হয়।
- এতে ক্র্যাবস চক্র, ফ্যাটি অ্যাসিড চক্র, ইলেক্ট্রন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম ইত্যাদি সংঘটিত হয়।
- মাইটোকন্ড্রিয়ার ৭৩% প্রোটিন ও ২৫%-৩০% লিপিড এবং সামান্য পরিমাণে RNA, DNA, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে।
- আদি কোষ বা প্রাক কেন্দ্রিক কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া অনুপস্থিত থাকে। ব্যাকটেরিয়া একটি আদিকোষী জীব।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,০৩৫.
টিউমার নির্ণয় ও চিকিৎসায় কোন তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়?
  1. 192Ir
  2. 131Zn
  3. 60Co
  4. 32P
সঠিক উত্তর:
60Co
উত্তর
সঠিক উত্তর:
60Co
ব্যাখ্যা

টিউমার নির্ণয় ও চিকিৎসায় 60Co তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়। 

রোগ নিরাময়ে
- সর্বপ্রথম থাইরয়েড ক্যানসার নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
- রোগীকে পরিমাণমতো তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ 131I সমৃদ্ধ দ্রবণ পান করানো হয়।
- এই আইসোটোপ থাইরয়েডে পৌঁছে বিটা রশ্মি নির্গত করে, যা থাইরয়েডের ক্যানসার কোষকে ধ্বংস করে।
- এছাড়া ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্রেইন ক্যানসার নিরাময়ে ব্যবহার করা হয়।
- টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ 60Co ব্যবহার করা হয়।
- 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি ক্যানসারের কোষকলাকে ধ্বংস করে।
- রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় 32P এর ফসফেট ব্যবহার করা হয়।

উৎস: রসায়ন- ৯ম-১০ম শ্রেণি। 

১৩,০৩৬.
যে পদার্থের রাসায়নিক বিশ্লেষণ করলে দুই বা ততোধিক মৌলিক পদার্থ পাওয়া যায়, তাকে কী বলে?
  1. ক) বহুমৌলিক পদার্থ
  2. খ) যৌগিক পদার্থ
  3. গ) মৌলিক পদার্থ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) যৌগিক পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যৌগিক পদার্থ
ব্যাখ্যা
• মৌলিক পদার্থ:
- যে পদার্থকে বিশ্লেষণ করলে ওই পদার্থ ছাড়া ভিন্ন ধর্ম বিশিষ্ট অন্য কোন নতুন পদার্থ পাওয়ার যায় না, তাকে মৌলিক পদার্থ বা মৌল বলে।
- মৌলিক পদার্থের উদাহরণ : হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, হিলিয়াম, নিয়ন, কার্বন, তামা, দস্তা, পারদ, সোনা, রূপা প্রভৃতি মৌলিক পদার্থ।

• যৌগিক পদার্থ:
- দুই বা তার বেশি সংখ্যক মৌলিক পদার্থ নির্দিষ্ট ওজনের অনুপাতে রাসায়নিকভাবে যুক্ত হয়ে ভিন্ন ধর্মী পদার্থ গঠন করে। অথবা, যে পদার্থের রাসায়নিক বিশ্লেষণ করলে দুই বা তার বেশি মৌলিক পদার্থ পাওয়া যায়, তাকে যৌগিক পদার্থ বলে।
- যৌগিক পদার্থের উদাহরণ : পানি, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, খাদ্য লবন, এসিড, ক্ষার প্রভৃতি হল যৌগিক পদার্থ।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।   
১৩,০৩৭.
"প্রাকৃতিক নির্বাচন" (Natural Selection) তত্ত্বটি কে প্রস্তাব করেন?
  1. গ্রেগর মেন্ডেল
  2. চার্লস ডারউইন
  3. আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস
  4. জে ল্যামার্ক
সঠিক উত্তর:
চার্লস ডারউইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্লস ডারউইন
ব্যাখ্যা
• প্রাকৃতিক নির্বাচন (Natural Selection) তত্ত্ব:
- প্রাকৃতিক নির্বাচন (Natural Selection) ধারণাটি ১৮৫৯ সালে চার্লস ডারউইন তার বিখ্যাত বই "On the Origin of Species"-এ ব্যাখ্যা করেন।
- এটি এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে পরিবেশের সাথে সবচেয়ে বেশি অভিযোজিত (adapted) প্রাণীগুলো বেঁচে থাকে এবং প্রজনন করে, আর দুর্বল বা কম অভিযোজিত প্রাণীগুলো ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যায়।

উদাহরণ:
- জিরাফের দীর্ঘ গলা:
- ডারউইনের মতে, প্রাচীন জিরাফদের মধ্যে কিছুদের গলা লম্বা ছিল, আর কিছুদের গলা ছোট ছিল।
- লম্বা গলার জিরাফেরা সহজেই উঁচু গাছের পাতা খেতে পারত, ফলে তারা বেশি বেঁচে থাকত ও বেশি প্রজনন করত।
- প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে লম্বা গলার বৈশিষ্ট্যটি প্রাধান্য পেয়ে আজকের জিরাফ সৃষ্টি হয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও Natural History Museum.com.
১৩,০৩৮.
কোনটি ঋনাত্মক চার্জ বহন করে?
  1. আলফা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিটা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিটা রশ্মি
ব্যাখ্যা
আলফা রশ্মিঃ ইহা ধনাত্মক চার্জ বহন করে। এর পরিমান 3.2×10-19 C
বিটা রশ্মিঃ এরা ঋণাত্নক চার্জ বহন করে। এই চার্জের মান 1.6×10-19 C
গামা রশ্মিঃ এর কোনো চার্জ ও ভর নাই।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০৩৯.
এরিল পাওয়া যায়-
  1. জয়ফলে
  2. শাপলা বীজে
  3. লিচুতে
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ডিম্বকের ভেতরে এ ধরনের  পরিবর্তনের সাথে সাথে ডিম্বকের ত্বকের পরিবর্তন দেখা দেয় এবং অপেক্ষাকৃত কঠিন ও শুষ্ক হয়ে বীজত্বকে পরিণত হয়। রসালো ডিম্বকটি পর্যায়ক্রমে পানি হারিয়ে শুষ্ক ও কঠিন বীজে পরিণত হয়। এ ধরনের পরিবর্তনকালে অনেক ক্ষেত্রে বীজের একটি তৃতীয় স্তর সৃষ্টি হয়, একে এরিল (Aril) বলে।

এরিল লিচু ও জয়ফলে পাওয়া যায়। শাপলা বীজেও এরিল থাকে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০৪০.
SATP তে তাপমাত্রা কত ধরা হয়? 
  1. 0°C
  2. 4°C
  3. 25°C
  4. 100°C
সঠিক উত্তর:
25°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
25°C
ব্যাখ্যা
SATP: 
- SATP হলো Standard Ambient Temperature & Pressure বা প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা ও চাপ। 
- এক্ষেত্রে তাপমাত্রাকে 25°C এবং চাপকে 1 atm বা 1.01 bar ধরা হয়। 
- SATP তে গ্যাসের মোলার আয়তন 24.789 dm3। 

STP: 
- STP হলো Standard Temperature & Pressure বা প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা ও চাপ। 
- এক্ষেত্রে তাপমাত্রাকে 0°C এবং চাপকে 1 atm বা 1.01 bar ধরা হয়। 
- STP তে গ্যাসের মোলার আয়তন 22.4 dm3। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০৪১.
Which temperature is equal on both Fahrenheit and Celsius scales?
  1. -40
  2. 0
  3. 32
  4. 212
  5. -22
সঠিক উত্তর:
-40
উত্তর
সঠিক উত্তর:
-40
ব্যাখ্যা
• সেলসিয়াস স্কেল ও ফারেনহাইট স্কেল:
- সেলসিয়াস স্কেল ও ফারেনহাইট স্কেলের মধ্যে সম্পর্ক হলো:
C/5 = (F - 32)/9 [C = সেলসিয়াস তাপমাত্রা, F = ফারেনহাইট তাপমাত্রা] 

এখন, 
সেলসিয়াস স্কেল ও ফারেনহাইট স্কেলের তাপমাত্রা সমান (x) হলে, 
x/৫ = (x - ৩২)/৯ 
Or, ৯x = ৫x - ১৬০ 
Or, ৪x = - ১৬০ 
Or, x = - ৪০ 
অর্থাৎ, - ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ফারেনহাট ও সেলসিয়াস স্কেলে সমান তাপমাত্রা নির্দেশ করে। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,০৪২.
  1. ক)
  2. খ)
  3. গ)
  4. ঘ)
সঠিক উত্তর:
খ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ)
ব্যাখ্যা


১৩,০৪৩.
দানাদার সালফারের রূপভেদ নিচের কোনটি? 
  1. ল্যামডা সালফার
  2. গামা সালফার
  3. ডেল্টা সালফার
  4. রম্বিক সালফার
সঠিক উত্তর:
রম্বিক সালফার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রম্বিক সালফার
ব্যাখ্যা
বহুরূপতা: 
- যদি কোন মৌল ভিন্ন ভিন্ন রূপে প্রকৃতিতে থাকতে পারে তার এ ধর্মকে বহুরূপতা বলে। 
- কার্বন, ফসফরাস, সিলিকন, সালফার, জার্মেনিয়াম, বোরন, টিন ইত্যাদি মৌল বহুরূপতা প্রদর্শন করে। 

সালফারের বহুরূপতা: 
- প্রকৃতিতে সালফারের অনেকগুলো রূপভেদ আছে। 
যেমন: দানাদার, অদানাদার এবং তরল সালফার। 
- দানাদার সালফারের দুটি রূপভেদ হচ্ছে রম্বিক বা আলফা সালফার এবং মনোক্লিনিক বা বিটা সালফার। 
- অদানাদার সালফারের দুটি বহুরূপতা হচ্ছে প্লাস্টিক বা নমনীয় বা গামা সালফার এবং দুগ্ধ বা ডেল্টা সালফার। 
- তরল সালফারের রূপভেদ হচ্ছে ল্যামডা সালফার এবং মিউ সালফার। 
এছাড়াও সালফারের আরেকটি বহুরূপতা হচ্ছে কোলয়ডাল সালফার। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন, একদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৩,০৪৪.
প্রিজম ব্যবহার করে কোন ঘটনা বোঝানো যায় যা প্রকৃতিতে রংধনুর মাধ্যমে দেখা যায়? 
  1. আলোর প্রতিচ্ছায়া সৃষ্টি
  2. সাদা আলোতে রঙিন রশ্মির বিক্ষেপণ
  3. তাপ বিকিরণ
  4. আলোর ছায়া সৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
সাদা আলোতে রঙিন রশ্মির বিক্ষেপণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাদা আলোতে রঙিন রশ্মির বিক্ষেপণ
ব্যাখ্যা
রংধনু: 
- রংধনু তৈরি হয় পানির কণায় পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের ফলে। 
- প্রিজমের সাহায্যে সাদা আলোকে বিভিন্ন রঙে বিভক্ত করে দেখা সম্ভব, তবে প্রকৃতিতেও এই ঘটনা রংধনুর মাধ্যমে পরিলক্ষিত হয়। 
- বৃষ্টির পর রোদ উঠলে বাতাসে থাকা পানির কণায় সূর্যের আলো প্রতিসরণ, প্রতিফলন এবং পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন রঙে বিভক্ত হয়, ফলে রংধনুর রঙিন ব্যান্ড তৈরি হয়। 
- রংধনু সর্বদা সূর্যের বিপরীত দিকের আকাশে দেখা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,০৪৫.
গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র কোনটি? 
  1. গ্রাডিমিটার
  2. ম্যানোমিটার
  3. ট্যাকোমিটার
  4. ক্রনোমিটার
সঠিক উত্তর:
ম্যানোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যানোমিটার
ব্যাখ্যা

গুরুত্বপূর্ণ নির্ণায়ক যন্ত্র: 
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার। 
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ম্যানোমিটার। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার।
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার। 
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার। 
- তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার। 
- পানির তলায় তেলের সঞ্চায়ক যন্ত্র - গ্রাডিমিটার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১৩,০৪৬.
Hygrometer is used to measure-
  1. relative humidity
  2. purity of milk
  3. specific gravity
  4. none of these
সঠিক উত্তর:
relative humidity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
relative humidity
ব্যাখ্যা
পরিমাপক যন্ত্র:

- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র থার্মোমিটার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১৩,০৪৭.
ফ্ল্যাভি ভাইরাস দ্বারা মানুষের দেহ কোন রোগে আক্রান্ত হয়? 
  1. ডেঙ্গু
  2. হাম
  3. জলাতঙ্ক
  4. নিউমোনিয়া
সঠিক উত্তর:
ডেঙ্গু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেঙ্গু
ব্যাখ্যা
- ফ্ল্যাভি ভাইরাস দ্বারা মানুষের দেহ 'ডেঙ্গু' রোগে আক্রান্ত হয়। 

ভাইরাস: 
- প্রাণী ও উদ্ভিদ দেহে ভাইরাস নানাবিধ রোগ উৎপন্ন করে। 
- ভাইরাস আক্রমণের ফলে মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব এমনকি অকাল মৃত্যুও হতে পারে। 
- স্বল্প পরিসরে ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অনেক উপকারও করে। 
- তবে তুলনামূলকভাবে ভাইরাস মানুষের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে থাকে। 

ভাইরাসের অপকারিতা: 
১। বিভিন্ন প্রকার ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর নানা রকমের রোগ উৎপন্ন করে। 
- এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু রোগের নাম, পোষকের নাম এবং ভাইরাসের নাম হলো- 

 
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০৪৮.
গোল আলুর বৈজ্ঞানিক নাম কোনটি?
  1. ক) Ipomoea batatas
  2. খ) Solanum tuberosum
  3. গ) Colocasia esculenta
  4. ঘ) Zingiber officinale
সঠিক উত্তর:
খ) Solanum tuberosum
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Solanum tuberosum
ব্যাখ্যা

গোল আলুর বৈজ্ঞানিক নাম- Solanum tuberosum
মিষ্টি আলুর বৈজ্ঞানিক নাম- Ipomoea batatas
কচুর বৈজ্ঞানিক নাম- Colocasia esculenta
আদার বৈজ্ঞানিক নাম- Zingiber officinale

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

১৩,০৪৯.
নিচের কোনটি উর্ধ্বপাতিত হয়?
  1. ক) অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড
  2. খ) তুঁতে
  3. গ) কস্টিক সোডা
  4. ঘ) সালফিউরিক এসিড
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড
ব্যাখ্যা
যে প্রক্রিয়ায় কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি গ্যাসীয় পদার্থে পরিণত হয় তাকে ঊর্ধ্বপাতন বলে।
নিশাদল, কর্পূর, আয়োডিন, ন্যাপথলিন, অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড, কঠিন কার্বন ডাই অক্সাইডের বেলায় এরকম হয়।
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
১৩,০৫০.
ইউরোপের ফিনল্যান্ড ও উত্তর আমেরিকার হাডসন উপসাগর তীরবর্তী সমভূমি কি ধরনের সমভূমির উদাহরণ? 
  1. ক্ষয়জাত সমভূমি
  2. কার্স্ট সমভূমি
  3. হৈমবাহিক সমভূমি 
  4. সঞ্চয়জাত সমভূমি
সঠিক উত্তর:
ক্ষয়জাত সমভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষয়জাত সমভূমি
ব্যাখ্যা
ক্ষয়জাত সমভূমি: 

• বায়ুপ্রবাহ, সৌরতাপ, বৃষ্টিপাত, পানিস্রোত, হিমবাহ প্রভৃতি দ্বারা ক্ষয় হয়ে ধীরে ধীরে অপেক্ষাকৃত নিম্নভূমিতে পরিণত হয়ে ক্ষয়জাত সমভূমি গঠিত হয়। 
• ইউরোপের ফিনল্যান্ড ও উত্তর আমেরিকার হাডসন উপসাগর তীরবর্তী সমভূমি ক্ষয়জাত সমভূমির উদাহরণ।
• সমভূমিতে সাধারণত কোনো উচ্চভূমি, নিম্নভূমি বা খাড়া ঢাল থাকে না। 
• সমভূমিসমূহ সাধারণত মহাদেশের সীমান্তে, মহাসাগরের তীরে অথবা মহাদেশীয় ভূ-ভাগের অভ্যন্তরে হতে পারে।
• হিমবাহের মাধ্যমে যে সমভূমি সৃষ্টি হয় তাদেরকে হৈমবাহিক সমভূমি বলে ।
• উত্তর-পশ্চিম ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার উত্তরাংশ, ফিনল্যান্ড, পূর্ব কানাডা এবং সুইডেনে  হৈমবাহিক সমভূমি দেখা যায়।
• যুগোশ্লোভিয়ার কার্স্ট অঞ্চলে কার্স্ট সমভূমি জাতীয় সমভূমি দেখা যায়।
• সমুদ্র সমতল থেকে প্রায় সম উচ্চতায় সুবিস্তৃত স্থলভাগকে সমভূমি বলা হয়। 
• কোনো কোনো ক্ষেত্রে কয়েকশ মিটার উঁচুতেও সমভূমি গঠিত হতে পারে।
• সমভূমি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কয়েকশত ফুট পর্যন্ত উচ্চতায় অবস্থিত হতে পারে।
• সমভূমিতে মৃদু ঢাল বিশিষ্ট ভূমি, ছোট ছোট টিলা, পাহাড় এবং নদী উপত্যকার উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যায়। 
• পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় অর্ধেক সমভূমি। 

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০৫১.
বিচ্ছিন্ন অবস্থায় একটি পরমাণুর শক্তি-
  1. যুক্ত অবস্থার চাইতে কম
  2. যুক্ত অবস্থার চাইতে অধিক
  3. যুক্ত অবস্থার সমান
  4. কোনোটিই সঠিক নয়
সঠিক উত্তর:
যুক্ত অবস্থার চাইতে অধিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্ত অবস্থার চাইতে অধিক
ব্যাখ্যা
- পরমাণুর কেন্দ্র হচ্ছে শক্তির ভাণ্ডার। 
- যুক্ত অবস্থা বা ঐক্যবদ্ধ অবস্থা হলো একটি স্থিতিশীল অবস্থা যেখানে পরমাণুর নিউক্লিয়াস এবং ইলেকট্রনগুলো শক্তভাবে আবদ্ধ থাকে। 
- অন্যদিকে, বিচ্ছিন্ন অবস্থা বা অযৌগিক অবস্থায় পরমাণু বা পরমাণুর কণিকাগুলো পরস্পর থেকে আলাদা থাকে। 
- বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পরমাণুর কণিকাগুলোর (নিউক্লিয়াসের প্রোটন ও নিউট্রন এবং ইলেকট্রনগুলোর) মধ্যে কোন আকর্ষণ শক্তি কাজ করে না। ফলে এই অবস্থায় পরমাণুর শক্তি বা শক্তির পরিমাণ বেশি হয়। কারণ, যুক্ত অবস্থায় আকর্ষণ শক্তিগুলো পরমাণুকে একত্রিত ও স্থিতিশীল রাখে, যা শক্তির একটি অংশ গ্রাস করে ফেলে। 
সুতরাং, বিচ্ছিন্ন অবস্থায় একটি পরমাণুর শক্তি যুক্ত অবস্থার চাইতে বেশি থাকে। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১৩,০৫২.
গ্লাইকোজেনের মূল গাঠনিক উপাদান কোনটি?
  1. ল্যাকটোজ
  2. ফ্রুকটোজ
  3. β-D গ্লুকোজ
  4. α-D গ্লুকোজ
সঠিক উত্তর:
α-D গ্লুকোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
α-D গ্লুকোজ
ব্যাখ্যা

গ্লাইকোজেন: 
- গ্লাইকোজেন হলো একটি পুষ্টিজাত পলিস্যাকারাইড। 
- এটি প্রাণীদেহের প্রধান সঞ্চিত খাদ্য উপাদান হলেও সায়ানোব্যাকটেরিয়া ও কতিপয় ছত্রাকের (ঈস্ট) সঞ্চিত খাদ্য হিসেবে বিরাজ করে। 
- গ্লাইকোজেন এর মূল গাঠনিক উপাদান α-D গ্লুকোজ। 
- হাইড্রোলাইসিস শেষে গ্লাইকোজেন হতে কেবল α-D গ্লুকোজ অণু পাওয়া যায়। 
- এর আণবিক সংকেত- (C6H10O5)n

গ্লাইকোজেন এর কাজ: 
- প্রাণীদেহের লিভার ও পেশিতে বেশি করে গ্লাইকোজেন জমা থাকে যা প্রয়োজনে গ্লুকোজে পরিণত হয়, ফলে কার্বন ও শক্তি সরবরাহ হয়। 
- রক্তের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে, যকৃতের গ্লাইকোজেন গ্লুকোজে পরিণত হয়ে রক্তে প্রবাহিত হয় এবং পেশিতে সঞ্চিত গ্লাইকোজেন পেশির কাজে শক্তি যোগায়।  

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,০৫৩.
আমরা যে চক দিয়ে লিখি তা হচ্ছে-
  1. ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড
  2. ক্যালসিয়াম ফসফেট
  3. ক্যালসিয়াম কার্বনেট
  4. ক্যালসিয়াম সালফেট
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম কার্বনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম কার্বনেট
ব্যাখ্যা
- চক বা চুনাপাথরের রাসায়নিক নাম ক্যালসিয়াম কার্বনেট এবং সংকেত- CaCO3

অন্যদিকে, 
- ভিনেগারের রাসায়নিক সংকেত- CH3COOH.
- ক্যালামিনের রাসায়নিক সংকেত- ZnCO3.
- তুঁতের রাসায়নিক সংকেত- CuSO4.5H2O.
- চুনের রাসায়নিক সংকেত- CaO.
- মিল্ক অফ লাইমের রাসায়নিক সংকেত- Ca(OH)2.
- বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত- NaHCO3.

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,০৫৪.
d-ব্লক সর্বমোট মৌলের সংখ্যা কয়টি? 
  1. ৮টি
  2. ১৮টি
  3. ৩২টি
  4. ৪০টি
সঠিক উত্তর:
৪০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০টি
ব্যাখ্যা
d-ব্লক মৌল: 
- যেসব মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসে সর্বশেষ ইলেকট্রনটি d অরবিটালে প্রবেশ করে তাদের d-ব্লক মৌল বলে। 
- পর্যায় সারণির চতুর্থ পর্যায়ের স্ক্যানডিয়াম (Sc, 21) থেকে জিঙ্ক (Zn, 30) এবং পঞ্চম পর্যায়ের ইট্রিয়াম (Y, 39) থেকে ক্যাডমিয়াম (Cd, 48) হলো d-ব্লক মৌল। 
- এছাড়া ষষ্ঠ পর্যায় ও সপ্তম পর্যায়েও d-ব্লক মৌল আছে। 
- পর্যায় সারণির 3 থেকে গ্রুপ 12 এর মৌলসমূহ এ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। 
- এ শ্রেণিতে সর্বমোট 40টি মৌল আছে। 
- এ ব্লকের মৌলের পরমাণুর d1 থেকে d10 পর্যন্ত ইলেকট্রন থাকতে পারে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০৫৫.
গ্রিনিচের পশ্চিমে অবস্থিত দেশগুলোর সময় গ্রিনিচের সময় থেকে -
  1. এগিয়ে থাকে
  2. পিছিয়ে থাকে
  3. সমান থাকে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পিছিয়ে থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিছিয়ে থাকে
ব্যাখ্যা

 গ্রিনিচের সময়:
- গ্রিনিচের দ্রাঘিমা শূন্য ডিগ্রি (০) ধরা হয়।
- প্রতি ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্যে ১
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকের দেশগুলো সময়ের হিসেবে গ্রিনিচের চেয়ে এগিয়ে থাকে।
- এবং গ্রিনিচের পশ্চিমে অবস্থিত দেশগুলোর সময় গ্রিনিচের সময় থেকে পিছিয়ে থাকে।
- বাংলাদেশ গ্রিনিচ থেকে ৯০° পূর্বে অবস্থিত বলে বাংলাদেশের সময় ৬ ঘণ্টা এগিয়ে।
- এভাবে দ্রাঘিমার সাহায্যে সময় এবং সময়ের মাধ্যমে দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।

উৎস:  NASA ওয়েবসাইট এবং  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

১৩,০৫৬.
বারিমণ্ডলের কতভাগ পানি সমুদ্র ধারণ করে?
  1. ক) ৯৭.২৫%
  2. খ) ৯৫.৬০%
  3. গ) ৯৮.৩৫%
  4. ঘ) ৯৬.৭৫%
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৭.২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৭.২৫%
ব্যাখ্যা
বারিমণ্ডলের জলের পরিমাণ ভিত্তিক বন্টনঃ
• সমুদ্র (৯৭.২৫%),
• হিমবাহ (২.০৫%),
• ভূগর্ভস্থ পানি (০.৬৮%),
• হৃদ (০.০১%),
• মাটির আর্দ্রতা (০.০০৫%),
• বায়ুমণ্ডল (০.০০১%),
• নদী(০.০০০১%),
• জীবমণ্ডল (০.০০০০৪%)।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,০৫৭.
কোন অনুজীবের দেহে কোনো নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম নেই?
  1. শৈবাল
  2. ছত্রাক
  3. ভাইরাস
  4. ব্যাকটেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
ব্যাখ্যা
• ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য:
- ভাইরাস কখনও জীবের ন্যায় আচরণ করে, আবার কখনও জড়ের ন্যায় আচরণ করে। তাই ভাইরাসে জীব এবং জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান।

• ভাইরাসে জীব বৈশিষ্ট্য:
- ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA বা RNA থাকে।
- পোষক কোষের অভ্যন্তরে এরা সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে।
- এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটতে দেখা যায়।
- ভাইরাস মিউটেশন ঘটাতে এবং প্রকরণ তৈরি করতে সক্ষম।

• ভাইরাসের জড় বৈশিষ্ট্য:
- ভাইরাস অকোষীয়।
- এদের সাইটোপ্লাজম, কোষ ঝিল্লী, কোষ প্রাচীর, রাইবোসোম, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিয়াস ইত্যাদি থাকে না।
- এদের বিপাকীয় এনজাইম এবং পুষ্টি প্রক্রিয়া অনুপস্থিত।
- এদের কোন জৈবিক কার্যকলাপ যেমন প্রজনন অন্য সজীব কোষ ছাড়া ঘটতে পারে না।
- ভাইরাসকে কেলাসিত করা যায়, সেন্ট্রিফিউজ করা যায়, ব্যাপন করা যায়, পানির সাথে মিশিয়ে সাসপেনশন
- তৈরি করা যায় এবং তলানিও করা যায়।
- জীবকোষের বাইরে ভাইরাস রাসায়নিক কণার ন্যায় নিষ্ক্রিয় থাকে।

উৎস: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০৫৮.
২০ Ω মানের দুটি রোধ সমান্তরাল সন্নিবেশে যুক্ত করা হলে তুল্য রোধ কত হবে?
  1. ৪০ Ω
  2. ১/১০ Ω
  3. ১০ Ω
  4. ২০ Ω
সঠিক উত্তর:
১০ Ω
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ Ω
ব্যাখ্যা

রোধের সমান্তরাল সন্নিবেশঃ- কতগুলো রোধ যদি এমন ভাবে যুক্ত থাকে যেন সবগুলো রোধের এক প্রান্তগুলো এক
বিন্দুতে এবং অপর প্রান্তগুলো অপর এক বিন্দুতে একত্রে যুক্ত থাকে তাহলে এই সন্নিবেশকে রোধের সমান্তরাল সন্নিবেশ
বলে। সমান্তরাল সন্নিবেশে প্রতিটি রোধ ভিন্ন ভিন্ন তড়িৎ প্রবাহের পথ তৈরি করায় প্রতিটি রোধের মধ্য দিয়ে ভিন্ন ভিন্ন
তড়িৎ প্রবাহ চলবে।

যদি n সংখ্যক রোধ সমান্তরাল সন্নিবেশে যুক্ত থাকে, তাহলে তুল্যরোধ



সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১৩,০৫৯.
ডায়োড মূলত কোন ধরনের যন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. রেকটিফায়ার
  2. ট্রান্সফরমার
  3. রেজিস্টর
  4. ট্রানজিস্টর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা

• ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে ব্যবহার হয়, অর্থাৎ এটি AC সিগনালকে DC-তে রূপান্তর করে।
সঠিক উত্তর: ক) রেকটিফায়ার। 

ডায়োড: 
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না। 
- সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হল Light Emitting Diode. 
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়। 
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে। 
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,০৬০.
আমিষের পরিপাক শেষে কোন যৌগে রূপান্তরিত হয়? 
  1. গ্লুকোজ
  2. অ্যামাইনো অ্যাসিড
  3. ফ্যাট
  4. স্নেহ পদার্থ
সঠিক উত্তর:
অ্যামাইনো অ্যাসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামাইনো অ্যাসিড
ব্যাখ্যা

আমিষ বা প্রোটিন: 
- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন- এই চারটি মৌলের সমন্বয়ে আমিষ তৈরি হয়। 
- শরীরে আমিষ পরিপাক হওয়ার পর সেগুলো অ্যাামাইনো এসিডে পরিণত হয়। 
- মানুষের শরীরে এ পর্যন্ত ২০ ধরনের অ্যামাইনো এসিডের সন্ধান পাওয়া গেছে এবং এই অ্যামাইনো এসিড হচ্ছে আমিষ গঠনের একক। 
- উৎস বিবেচনায় আমিষ দুই প্রকার। 
যথা- 
১। প্রাণিজ আমিষ: 
- প্রাণী থেকে যে আমিষ পাওয়া যায় তা প্রাণিজ আমিষ। 
যেমন: মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ছানা, পনির ইত্যাদি। 
- প্রাণিদেহের গঠনে প্রোটিন অপরিহার্য। 
- দেহ কোষের বেশির ভাগই প্রোটিন দিয়ে তৈরি। 
- দেহের হাড়, পেশি, লোম, পাখির পালক, নখ, পশুর শিং- এগুলো সবই প্রোটিন দিয়ে তৈরি হয়। 
- প্রাণী দেহে শুষ্ক ওজনের প্রায় ৫০% প্রোটিন থাকে। 

২। উদ্ভিজ আমিষ: 
- উদ্ভিদ থেকে যে আমিষ পাওয়া যায় তা উদ্ভিজ্জ আমিষ। 
যেমন: ডাল, শিমের বিচি, মটরশুঁটি,বাদাম ইত্যাদি। 
- উদ্ভিজ্জ খাদ্যের মধ্যে ডাল, সয়াবিন, মটরশুঁটি বীজ এবং ভুট্টার মধ্যে পুষ্টিমূল্য বেশি এমন প্রোটিন পাওয়া যায়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,০৬১.
ব্যাকটেরিয়ার ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য নয়?
  1. ক) দেহে বিভিন্ন এনজাইম বিদ্যমান
  2. খ) পোষকদেহের সজীব কোষের বাইরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে
  3. গ) DNA বা RNA উভয় প্রকার নিউক্লিক এসিড থাকে
  4. ঘ) নিউক্লিক এসিড ক্যাপসিড- এর মধ্যে অবস্থান করে
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিউক্লিক এসিড ক্যাপসিড- এর মধ্যে অবস্থান করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিউক্লিক এসিড ক্যাপসিড- এর মধ্যে অবস্থান করে
ব্যাখ্যা

ব্যাকটেরিয়া কোষীয় এবং এতে আদি প্রকৃতির নিউক্লিয়াস থাকে। এরা আণুবীক্ষণিক জীব।
- সজীব কোষের বাইরেও বংশবৃদ্ধি করতে পারে। কেলাসিত করলে আর জীবনের লক্ষণ প্রকাশ করে না।
- ব্যাকটেরিয়াতে DNA বা RNA উভয় প্রকার নিউক্লিক এসিড থাকে এবং এই নিউক্লিক এসিড সাইটোপ্লাজমে অবস্থান করে।
- এদের দেহে বিভিন্ন এনজাইমও থাকে এবং দেহে বিপাকক্রিয়া ঘটে।

- ভাইরাসের ক্ষেত্রে DNA বা RNA যে কোনো একপ্রকার নিউক্লিক এসিড থাকে এবং তা ক্যাপসিড- এর মধ্যে অবস্থান করে।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৩,০৬২.
সবচেয়ে নরম খনিজ কোনটি?
  1. ট্যালক
  2. চুনাপাথর
  3. পাইরাইটস
  4. সিলিকা
সঠিক উত্তর:
ট্যালক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্যালক
ব্যাখ্যা
• খনিজ পদার্থের কাঠিন্য:
- খনিজ পদার্থগুলো সাধারণত কঠিন হয় এবং একেকটি খনিজের কাঠিন্য একেক রকম।
- বেশি কঠিন খনিজ খুব সহজেই কম কঠিন খনিজে দাগ কাটতে পারে; কিন্তু কম কঠিন খনিজ বেশি কঠিন খনিজে দাগ কাটতে পারে না। কাঠিন্য অনুযায়ী সবচেয়ে নরম খনিজ হলো ট্যালক (Talc), যা দিয়ে ট্যালকাম পাউডার তৈরি হয়।
- সবচেয়ে কঠিন খনিজ হলো হীরা বা ডায়মন্ড। খনিজ পদার্থের নির্দিষ্ট দ্যুতি থাকে।
- ধাতব খনিজ যেমন: পাইরাইটস ধাতুর মতোই দ্যুতি প্রদর্শন করে অর্থাৎ অনেকটা ধাতুর মতোই চকচক করে।
- খনিজ হীরা অধাতু এবং এটিকে দেখে সাধারণ কাচের মতো মনে হতে পারে কিন্তু এটি কাটার পর এর দ্যুতি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

উৎস:বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী
১৩,০৬৩.
তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে কোন পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়?
  1. পরিবাহী
  2. অপরিবাহী
  3. অন্তরক
  4. অর্ধপরিবাহী
সঠিক উত্তর:
অর্ধপরিবাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্ধপরিবাহী
ব্যাখ্যা

- অর্ধপরিবাহী (Semi-conductor) পদার্থের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে এর বিদ্যুৎ পরিবাহী ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 

 পরিবাহী পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থে তার অণু-পরমাণু শক্ত করে নিজের জায়গায় বসে থাকে ফলে তাপমাত্রা বাড়লে তারা নিজের জায়গায় কাঁপাকাঁপি করতে পারে কিন্তু সেখান থেকে সরে অন্য জায়গায় চলে যায় না। ধাতব পরমাণুর কিছু ইলেকট্রন প্রায় মুক্ত অবস্থায় থাকে এবং সেগুলো এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারে, সেগুলোকে পরিবাহী পদার্থ বলা হয়। 
যেমন- সোনা, রূপা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি। 
- পরিবাহী পদার্থ দিয়ে চার্জকে স্থানান্তর করা যায়, তবে এই স্থানান্তর হয় ইলেকট্রন দিয়ে, বিদ্যুতের প্রবাহ হয় ইলেকট্রন দিয়ে, নেগেটিভ চার্জের ইলেকট্রন।

অপরিবাহী পদার্থ: 
- যে পদার্থের ভেতর তড়িৎ বা বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনো মুক্ত ইলেকট্রন নেই সেই পদার্থগুলো হচ্ছে বিদ্যুৎ অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ। 
যেমন- প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ ইত্যাদি। 
- মূলত অধাতুগুলো বিদ্যুৎ অপরিবাহী হয়। 

অর্ধপরিবাহী পদার্থ: 
- কিছু কিছু পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি, তবে তাপমাত্রা বাড়ালে পরিবহন ক্ষমতা বেড়ে যায়। এই ধরনের পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। 
যেমন- সিলিকন বা জার্মেনিয়াম সেমিকন্ডাক্টরের উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,০৬৪.
শব্দ কীভাবে সৃষ্টি হয়?
  1. চৌম্বক ক্ষেত্রের মাধ্যমে
  2. বস্তুর কম্পনের মাধ্যমে
  3. তাপ উৎপাদনের মাধ্যমে
  4. আলো নির্গমনের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
বস্তুর কম্পনের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বস্তুর কম্পনের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

- শব্দ হলো এক প্রকার শক্তি যা কোনো বস্তুর দ্রুত কম্পনের ফলে সৃষ্টি হয়। যখন কোনো বস্তু কম্পিত হয়, তখন তা তার চারপাশের মাধ্যমের (যেমন- বাতাস, পানি বা কঠিন পদার্থ) কণাগুলোকে আন্দোলিত করে। এই আন্দোলন তরঙ্গ আকারে আমাদের কানে পৌঁছালে আমরা শব্দ শুনতে পাই। কম্পন যত দীর্ঘস্থায়ী হয়, শব্দও ততক্ষণ শোনা যায়। 

শব্দ: 
- শব্দ এক প্রকার শক্তি।
- বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ সৃষ্টি হয়।
- শব্দ সঞ্চালনের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন।
- জড় মাধ্যমের মধ্যে কোন বস্তুর কম্পন হলে মাধ্যমের কণাগুলো আন্দোলিত হয়ে তরঙ্গের সৃষ্টি করে।
- এই তরঙ্গ জড় মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সঞ্চালিত হয়ে কানে প্রবেশ করে।
- কানের মধ্যে বিভিন্ন যান্ত্রিক কৌশলের মাধ্যমে মস্তিষ্কে শব্দের অনুভূতি সৃষ্টি হয়, তাই শব্দ শুনতে পাওয়া যায়।

শব্দ তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: 
- শব্দ এক ধরনের তরঙ্গ এবং এর কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। 
যেমন- 
১. শব্দ এক ধরনের যান্ত্রিক এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ। 
২. কোনো বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ উৎপন্ন হয়, অর্থাৎ শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন। 
৩. শব্দ তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন। 
৪. শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতি (ঘনত্ব, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ইত্যাদি)-এর ওপর নির্ভরশীল। 
৫. শব্দের তীব্রতা তরঙ্গের বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
৬. শব্দ তরঙ্গ প্রতিফলন, প্রতিসরণ ও উপরিপাতন সম্ভব। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,০৬৫.
উদ্ভিদদেহে বিভিন্ন ধরনের কলয়েডধর্মী পদার্থের পানি শােষণের বিশেষ প্রক্রিয়াকে বলা হয়-
  1. ক) প্রস্বেদন
  2. খ) ইমবাইবিশন
  3. গ) ব্যাপন
  4. ঘ) হাইড্রোনেশন
সঠিক উত্তর:
খ) ইমবাইবিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইমবাইবিশন
ব্যাখ্যা

উদ্ভিদদেহে বিভিন্ন ধরনের কলয়েডধর্মী পদার্থের (যেমন- স্টার্চ, সেলুলােজ, জিলেটিন ইত্যাদি) পানি শােষণের বিশেষ প্রক্রিয়াকে ইমবাইবিশন বলা হয়।

১৩,০৬৬.
কোনটিকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়?
  1. তেলাপোকা
  2. রাজকাঁকড়া
  3. মশা
  4. পিঁপড়া
সঠিক উত্তর:
রাজকাঁকড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজকাঁকড়া
ব্যাখ্যা
জীবন্ত জীবাশ্ম: 
- কতগুলাে জীব সুদূর অতীতে উৎপত্তি লাভ করেও কোনােরকম পরিবর্তন ছাড়াই এখনাে পৃথিবীতে বেঁচে আছে অথচ তাদের সমগােত্রীয় এবং সমসাময়িক অনেক জীবনের বিলুপ্তি ঘটছে। এই জীবদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলে। 
- লিমুলাস বা রাজকাঁকড়া নামক সন্ধিপদ প্রাণী, স্ফোনোডন নামক সরীসৃপ প্রাণী, প্লাটিপাস নামক স্তন্যপায়ী প্রাণী ইত্যাদি হলো জীবন্ত জীবাশ্ম প্রাণী। 
- অন্যদিকে, ইকুইজিটাম, নিটাম ও পিঙ্কো বাইলােবা নামের উদ্ভিদগুলো উদ্ভিদের জীবন্ত জীবাশ্ম। 
- প্রায় ৪০০ মিলিয়ন বছর আগে লিমিউলাস জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। এর সমসাময়িক অন্যান্য আথ্রোপোডাগুলাে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে, কিন্তু এরা আজও বেঁচে আছে। তাই এদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,০৬৭.
ওজন স্তর ক্ষয়ের জন্য দায়ী কোনটি?
  1. CO2
  2. SO2
  3. CO
  4. CFC
সঠিক উত্তর:
CFC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CFC
ব্যাখ্যা
- ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পর্দাথের মধ্যে CFC হলো প্রধান।
- সিএফসি হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বনের সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তরে পৌঁছে ওজোনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে অক্সিজেনে পরিণত করে। 
- এর ফলে ওজোনস্তর হালকা বা ফুটো হয়ে যায়।
- এই ফাটল দিয়ে মহাজাগতিক বিভিন্ন রশ্মি পৃথিবীতে এসে জীবজগতের ক্ষতিসাধন করে।
- এছাড়াও N2O, NO, CH4, BCF, CH3Br, CCl4 ইত্যাদি ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পর্দাথের অন্তর্ভূক্ত।

উৎস : উচ্চ-মাধ্যমিক রসায়ন ২য় পত্র।
১৩,০৬৮.
রেলওয়ে স্টেশনে আগমনরত ইঞ্জিনে বাঁশি বাজাতে থাকলে প্লাটফরমে দাঁড়ানো ব্যক্তির কাছে বাঁশির কম্পনাঙ্ক- 
  1. আসলের সমান হবে
  2. আসলের চেয়ে বেশি হবে
  3. আসলের চেয়ে কম হবে
  4. আসল গতির সাথে সম্পর্কযুক্তভাবে কমে যাবে
সঠিক উত্তর:
আসলের চেয়ে বেশি হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসলের চেয়ে বেশি হবে
ব্যাখ্যা
- রেলওয়ে ষ্টেশনে আগমনরত ইঞ্জিনে বাঁশি বাজাতে থাকলে প্লাটফরমে দাঁড়ানো ব্যক্তির কাছে বাঁশির কম্পনাঙ্ক আসলের চেয়ে বেশি হবে। 
- শব্দের উৎস থেকে কম্পাঙ্ক যেদিকে যায়, শব্দের উৎস তথা ট্রেন সেদিকেই এগোতে থাকলে কম্পাঙ্কের ঘনত্ব বাড়ে, এতে শব্দের তীব্রতা বাড়ে। 
- এই ঘটনা ডপলার অ্যাফেক্ট দ্বারা বর্ণনা করা যায়। 
- শব্দের উৎস এবং শ্রোতার মধ্যে আপেক্ষিক গতির ফলে শ্রুত শব্দের কম্পাঙ্কের যে আপাত পরিবর্তন হয় তাকে ডপলার ক্রিয়া বলে। 
- ডপলার ক্রিয়া শব্দ বিজ্ঞানের অন্যতম একটি আলোচ্য বিষয়। 
- ১৮৪২ সালে অস্ট্রিয়ার পদার্থবিদ ডপলার এ সূত্র প্রদান করেন। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৩,০৬৯.
নিচের কোনটি প্যারাচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ?
  1. লোহা
  2. হাইড্রোজেন
  3. সোডিয়াম
  4. নিকেল 
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
ব্যাখ্যা

প্যারাচৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়, তাদেরকে প্যারাচৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন- অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, টিন ইত্যাদি। 
- প্যারাচৌম্বক পদার্থের অণু, পরমাণু বা আয়নের স্থায়ী চৌম্বক দ্বিপোল মোমেন্ট থাকে। এসব দ্বিপোল এক একটি স্বাধীন সত্ত্বা হিসেবে কাজ করে। 
- কিন্তু সাধারণ তাপমাত্রায় তাপজনিত কম্পন বেশি হওয়ার ফলে এই দ্বিপোলগুলো এলোমেলোভাবে থাকে। ফলস্বরূপ পদার্থের কোন এক দিকে নীট চুম্বকায়ণ থাকে না। 

অন্যদিকে,
- হাইড্রোজেন হচ্ছে ডায়াচৌম্বক পদার্থ। 
- লোহা, নিকেল হচ্ছে ফেরোচৌম্বক পদার্থ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,০৭০.
ফুসফুসের আবরণকে বলা হয় -
  1. ক) পেরিকার্ডিয়াম
  2. খ) প্লুরা
  3. গ) পেরিঅস্টিয়াম
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) প্লুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্লুরা
ব্যাখ্যা
ফুসফুসের পর্দার নাম – প্লুরা;
হৃদপিন্ডের পর্দার নাম - পেরিকার্ডিয়াম;
এবং অস্থির আবরণীর নাম -পেরিঅস্টিয়াম।

[সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি]
১৩,০৭১.
ময়লা জামা-কাপড় পরিষ্কার করার জন্য কোন তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়? 
  1. শব্দেতর তরঙ্গ
  2. ভূ-কম্পীয় তরঙ্গ
  3. শব্দোত্তর তরঙ্গ
  4. তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
শব্দোত্তর তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দোত্তর তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
শব্দ শক্তির রূপান্তর: 
- কারখানার জীবাণু ধ্বংস করা কিংবা ময়লা জামাকাপড় পরিষ্কার করার জন্য 'শব্দোত্তর তরঙ্গ' ব্যবহার করা হয়। 
- এ ক্ষেত্রে শব্দ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- অনুনাদের সময় শব্দ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- আবার টেলিফোন ও রেডিওর প্রেরক যন্ত্রে শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে পরিণত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০৭২.
নিচের কোন অনুজীবটি এক্যারিওটার অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) শৈবাল
  4. ঘ) ছত্রাক
সঠিক উত্তর:
ক) ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভাইরাস
ব্যাখ্যা
এক্যারিওটা বা অকোষীয়: এসব অনুজীব এতই ছোট যে তার সাধারণ আলোক অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচেও দেখা যায় না এদের দেখতে ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রের প্রয়োজন হয় যেমন : ভাইরাস।
সূত্র: সপ্তম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান
১৩,০৭৩.
বাফার দ্রবণ সম্পর্কে কোন বক্তব্যটি সঠিক?
  1. এটি উচ্চ অম্লীয় বা ক্ষারীয় বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে
  2. এটি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ নেয় না
  3. সামান্য অম্ল বা ক্ষার যোগ করলে pH এ উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয় না
  4. বেশি সময় রেখে দিলে বা দ্রবণকে লঘুকরণ করলে এর pH পরিবর্তিত হয়
সঠিক উত্তর:
সামান্য অম্ল বা ক্ষার যোগ করলে pH এ উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামান্য অম্ল বা ক্ষার যোগ করলে pH এ উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয় না
ব্যাখ্যা

◉ বাফার দ্রবণ (Buffer Solution) হলো এমন একটি দ্রবণ, যা সামান্য পরিমাণ অম্ল (Acid) বা ক্ষার (Base) যোগ করার পরেও এর pH মানকে প্রায় স্থির রাখতে সক্ষম।

বাফার দ্রবণ:
- যে দ্রবণে সামান্য পরিমাণে এসিড বা ক্ষারক যোগ করার পরও তার pH অপরিবর্তিত থাকে তাকে বাফার দ্রবণ বলে।
- pH পরিবর্তন প্রতিরোধ করার এই ক্ষমতাকে দ্রবণটির বাফার ক্ষমতা (buffer capacity) বলে।

বাফার দ্রবণগুলো সাধারণত
(i) মৃদু এসিড ও ঐ এসিডের সঙ্গে তীব্র ক্ষারকের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন কোন লবণ (যেমন এসিটিক এসিড ও সোডিয়াম এসিটেট) বা
(ii) মৃদু ক্ষার ও এর সঙ্গে তীব্র এসিডের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন কোন লবণ (যেমন NH4OH-NH4CI)-এর মিশ্রণ দ্বারা প্রস্তুত করা হয়।
উল্লেখ্য যে এসিটিক এসিড ও সোডিয়াম এসিটেট দ্বারা প্রস্তুত বাফার দ্রবণের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি।

বাফার দ্রবণের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:
(i) এই দ্রবণের একটি নির্দিষ্ট pH থাকে।
(ii) এই দ্রবণে সামান্য পরিমাণ এসিড বা ক্ষার যোগ করলেও এর pH এর পরিবর্তন হয় না।
(iii) বেশি সময় রেখে দিলে বা দ্রবণকে লঘুকরণ করলেও এর pH অপরিবর্তিত থাকে।
এই দ্রবণ তার বাফার ক্রিয়া (buffer action) দ্বারা pH পরিবর্তনে বাধা দান করে।

উৎস: রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৩,০৭৪.
How many types of amino acids have been found in the human body?
  1. 18
  2. 20
  3. 24
  4. 26
  5. None of the above
সঠিক উত্তর:
20
উত্তর
সঠিক উত্তর:
20
ব্যাখ্যা
• আমিষ: 
- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন এই চারটি মৌলের সমন্বয়ে আমিষ তৈরি হয়। 
- শরীরে আমিষ পরিপাক হওয়ার পর সেগুলো অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়। 
- মানুষের শরীরে এ পর্যন্ত ২০ ধরনের অ্যামাইনো এসিডের সন্ধান পাওয়া গেছে এবং এই অ্যামাইনো এসিড হচ্ছে আমিষ গঠনের একক। 

• উৎস বিবেচনায় আমিষ দুই প্রকার। 
যথা: প্রাণিজ ও উদ্ভিজ। 

- প্রাণী থেকে যে আমিষ পাওয়া যায় তা প্রাণিজ আমিষ। 
যেমন: মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ছানা, পনির ইত্যাদি। 
- আর উদ্ভিদ থেকে যে আমিষ পাওয়া যায় তা উদ্ভিজ্জ আমিষ। 
যেমন: ডাল, শিমের বিচি, মটরশুঁটি,বাদাম ইত্যাদি। 

- প্রাণিদেহের গঠনে প্রোটিন অপরিহার্য। 
- দেহকোষের বেশির ভাগই প্রোটিন দিয়ে তৈরি। 
- দেহের হাড়, পেশি, লোম, পাখির পালক, নখ, পশুর শিং- এগুলো সবই প্রোটিন দিয়ে তৈরি হয়। 
- প্রাণিদেহের শুষ্ক ওজনের প্রায় ৫০% হচ্ছে প্রোটিন। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,০৭৫.
মহাকাশ গবেষণা খাদ্য ও অক্সিজেন উৎপাদনের উৎস হিসাবে ব্যবহৃত হয়-
  1. ক্লোরেলা
  2. মিউকর
  3. ঈস্ট
  4. ফার্ণ
সঠিক উত্তর:
ক্লোরেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরেলা
ব্যাখ্যা
• শৈবাল: 
- শৈবালের সত্যিকার মূল, কান্ড ও পাতা নেই, তবে ক্লোরোফিল আছে।
- শৈবাল সালোকসংশ্লেষণকারী স্বভোজী অপুষ্পক উদ্ভিদ এবং আলো ছাড়া জন্মাতে পারে না।
- শৈবালের কোষ-প্রাচীর প্রধানত সেলুলোজ নির্মিত।
- শৈবাল এককোষী এবং বহুকোষী হতে পারে।
- মহাকাশ গবেষণায় খাদ্য ও অক্সিজেন উৎপাদনের উৎস হিসেবে ক্লোরেলা উদ্ভিদ ব্যবহৃত হয়।
- ক্লোরেলা এক প্রকার সবুজ এককোষী শৈবাল যা প্রোটিন খাদ্যের আদর্শ উৎস।
- ক্লোরেলা হল ক্লোরোফাইটা বিভাগের এককোষী সবুজ শৈবালের প্রায় তেরো প্রজাতির একটি প্রজাতি। 
- অন্যদিকে, ঈস্ট  এবং মিউকর হলো ছত্রাক। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা। 
১৩,০৭৬.
গরুর গো-বসন্ত রোগের ভাইরাস কোনটি?
  1. র‍্যাবিস ভাইরাস
  2. ফ্ল্যাভি ভাইরাস
  3. ভ্যাকসিনিয়া ভাইরাস
  4. অ্যাডিনো ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
ভ্যাকসিনিয়া ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভ্যাকসিনিয়া ভাইরাস
ব্যাখ্যা
- গরুর গো-বসন্ত রোগের ভাইরাস হচ্ছে - ভ্যাকসিনিয়া ভাইরাস। 

ভাইরাস: 

- প্রাণী ও উদ্ভিদ দেহে ভাইরাস নানাবিধ রোগ উৎপন্ন করে। 
- ভাইরাস আক্রমণের ফলে মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব এমনকি অকাল মৃত্যুও হতে পারে। 
- স্বল্প পরিসরে ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অনেক উপকারও করে। 
- তবে তুলনামূলকভাবে ভাইরাস মানুষের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে থাকে। 

ভাইরাসের অপকারিতা: 
১। বিভিন্ন প্রকার ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর নানা রকমের রোগ উৎপন্ন করে। 
- এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু রোগের নাম, পোষকের নাম এবং ভাইরাসের নাম হলো -


উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০৭৭.
উদ্ভিদে কত ধরনের প্রস্বেদন দেখা যায়? 
  1. তিন ধরনের
  2. পাঁচ ধরনের
  3. চার ধরনের
  4. দুই ধরনের
সঠিক উত্তর:
তিন ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন ধরনের
ব্যাখ্যা

প্রস্বেদন: 
- উদ্ভিদ মাটি থেকে যে পরিমাণ পানি শোষণ করে তার সামান্য অংশই বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় ব্যয় করে। 
- অধিকাংশ পানি উদ্ভিদদেহ থেকে বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়। 
- যে শারীরতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদদেহ থেকে পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায় তাকে প্রস্বেদন বলে। 
- প্রস্বেদনের প্রধান অঙ্গ উদ্ভিদের পাতা। 
- এছাড়া প্রক্রিয়াটি কান্ড এবং তার শাখা প্রশাখার মাধ্যমেও হয়ে থাকে। 

- উদ্ভিদে তিন ধরনের প্রস্বেদন দেখা যায়। 
যথা- 
(ক) পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন, 
(খ) ত্বকীয় প্রস্বেদন এবং 
(গ) লেন্টিকুলার প্রস্বেদন। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,০৭৮.
'পিকো' উপসর্গের মান কত?
  1. 10- 9
  2. 10- 12
  3. 10- 15
  4. 10- 18
সঠিক উত্তর:
10- 12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10- 12
ব্যাখ্যা
- 'পিকো' উপসর্গের মান হচ্ছে- 10-12  । 

এককের গুণিতক ও উপগুণিতক: 

- মৌলিক এককগুলোর গুণিতক ও উপগুণিতক ব্যবহৃত হয়। 
- বিজ্ঞানীরা এমন অনেক রাশি ব্যবহার করে থাকেন যেগুলোর মান খুব ছোট বা বড় হয়ে থাকে। 
যেমন- আলোর দ্রুতি প্রায় 30,00,00,000 ms-1 । 
- এই জাতীয় রাশির সংখ্যা স্বাভাবিকভাবেই পড়া, লেখা, বুঝা এবং মনে রাখা খুবই অসুবিধাজনক। এসব সমস্যা সমাধানের জন্য 10 সংখ্যাটির ঘাত (power) ব্যবহার করা। তাহলে আলোর দ্রুতিকে লেখা যায় 3×108 ms- 1 । 


- কোনো সংখ্যাকে 10 এর যে কোন ঘাত এবং 1 থেকে 10 এর মধ্যে অবস্থিত অপর সংখ্যার গুণফল হিসেবে প্রকাশ করা হলে তাকে বৈজ্ঞানিক প্রতীক বলে।
যেমন 5800000 হল 5.8×106 এবং 0.0000000956 হল 9.56×10- 8
তাহলে প্রতীয়মান হচ্ছে যে, এ প্রতীকে প্রকাশিত সংখ্যাটির 10 এর ধনাত্মক সূচক যত, দশমিক বিন্দুকে ডান দিকে তত ঘর সরালে মূল সংখ্যাটি পাওয়া যাবে। অনুরূপভঅবে 10 এর ঋণাত্মক সূচক যত, দশমিক বিন্দুকে বাম দিকে তত ঘর সরালে মূল সংখ্যাটি পাওয়া যাবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০৭৯.
কোনটি মৌলিক পদার্থ নয়?
  1. ক) লোহা
  2. খ) লবণ
  3. গ) সোনা
  4. ঘ) তামা
সঠিক উত্তর:
খ) লবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লবণ
ব্যাখ্যা

- যে সকল বস্তুকে রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করে অন্য কোনো বস্তুতে রূপান্তরিত করা যায় না তাকে বলে মৌলিক পদার্থ।
যেমন- সোনা, রূপা, তামা, লোহা, অক্সিজেন, হাইড্রোজেন ইত্যাদি।
- যে সকল বস্তুকে রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করলে দুই বা ততোধিক মৌলিক পদার্থ পাওয়া যায় তাকে বলে যৌগিক পদার্থ।
যেমন- পানি, লবণ, ইস্পাত, চিনি, ইউরিয়া ইত্যাদি।

১৩,০৮০.
Battery ও Cell এর মধ্যে পার্থক্য কি?
  1. দুটি বা ততোধিক Battery একসাথে যুক্ত হয়ে Cell তৈরি হয়।
  2. দুই বা ততোধিক Cell একত্রে যুক্ত হয়ে Battery তৈরি হয়।
  3. Battery কে রিচার্জ করা গেলেও Cell কে রিচার্জ করা যায় না।
  4. Cell কে রিচার্জ করা গেলেও Battery কে রিচার্জ করা যায় না।
সঠিক উত্তর:
দুই বা ততোধিক Cell একত্রে যুক্ত হয়ে Battery তৈরি হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই বা ততোধিক Cell একত্রে যুক্ত হয়ে Battery তৈরি হয়।
ব্যাখ্যা
- দুই বা ততোধিক Cell কে একত্রিত করে একটি ব্যাটারি তৈরি করা হয়। 
- Cell এবং Battery উভয়কে রিচার্জ করে আবার ব্যবহার করা যায়।
- Cell হল ডিভাইসের একটি ইউনিট যা রাসায়নিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করে।
- Battery হল Cell এর একটি কালেকশন যা রাসায়নিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করে।
১৩,০৮১.
রূপান্তরিত কান্ডের মাধ্যমে প্রজনন ঘটে-
  1. মস
  2. মিষ্টি আলু
  3. রসুন
  4. গম
সঠিক উত্তর:
রসুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রসুন
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের প্রজনন:
- যে জটিল প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ তার প্রতিরূপ বা বংশধর সৃষ্টি করে তাকে প্রজনন বা জনন বলে।
- উদ্ভিদের প্রজনন বা জনন প্রধানত দুই প্রকার, যথা- অযৌন ও যৌন জনন। 

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি উদ্ভিদবিজ্ঞান। 
১৩,০৮২.
ঘনত্বের SI একক কী?
  1. kg/m
  2. kg/m3
  3. N/m2
  4. m2/kg
সঠিক উত্তর:
kg/m3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
kg/m3
ব্যাখ্যা

- ঘনত্ব বলতে কোনো বস্তুর একক আয়তনের মধ্যে কতটুকু ভর আছে তা বোঝায়।
- গাণিতিকভাবে বলা যায়, ঘনত্ব (ρ) = ভর (m) ÷ আয়তন (V) অর্থাৎ, ρ = m / V.

SI পদ্ধতিতে:
- ভরের একক = কিলোগ্রাম (kg), আয়তনের একক = ঘনমিটার (m3). সুতরাং, ঘনত্বের একক = kg ÷ m³ = kg/m³ (কিলোগ্রাম প্রতি ঘনমিটার)।

- ভরের মাত্রাকে আয়তনের মাত্রা দিয়ে ভাগ করলে ঘনত্বের মাত্রা পাওয়া যায়।
- ঘনত্বের মাত্রা, [ρ] = ML-3.
- তাপমাত্রার পরিবর্তন হলে একই বস্তুর আয়তন পরিবর্তন হয়, তাই ঘনত্বেরও পরিবর্তন হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,০৮৩.
কন্টিনেন্টাল ড্রিফট এর প্রবক্তা-
  1. ক্যালভিন
  2. আলফ্রেড ওয়েগেনার
  3. টলস্টয়
  4. হার্ভে যে অল্টার
সঠিক উত্তর:
আলফ্রেড ওয়েগেনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলফ্রেড ওয়েগেনার
ব্যাখ্যা
- টেকটোনিক প্লেট হচ্ছে পাথরের একটি স্তর যা পৃথিবীর অভ্যন্তরের গলিত অংশটির সবচেয়ে বাইরের আবরণ।
- টেকটোনিক প্লেট এর উপরে পৃথিবীর সবকিছু অবস্থান করছে।
- ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগেনারের মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব বা কন্টিনেন্টাল ড্রিফট থেকে টেকটোনিক প্লেট ধারণার জন্ম হয়।
- মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব অনুসারে কোনো একসময় সবগুলো মহাদেশ মিলে একটি মহাদেশ ছিল যাকে প্যানজিয়া বলা হয়।
- এই মতবাদ অনুসারে ভূ-ত্বক প্রধানত ৭টি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৩,০৮৪.
অ্যান্টিবায়েটিক কোনটির উপর কোনরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে না?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ছত্রাক
  3. গ) শৈবাল
  4. ঘ) ব্যাকটেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভাইরাস
ব্যাখ্যা
ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য:
- ভাইরাস কখনও জীবের ন্যায় আচরণ করে। আবার কখনও জড়ের ন্যায় আচরণ করে।
- তাই ভাইরাসে জীব এবং জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। যেমন-

ভাইরাসে জীব বৈশিষ্ট্য
- ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA বা RNA থাকে।
- পোষক কোষের অভ্যন্তরে এরা সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে।
- এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটতে দেখা যায় ।
- ভাইরাস মিউটেশন ঘটাতে এবং প্রকরণ তৈরি করতে সক্ষম।
- নতুন সৃষ্ট ভাইরাসে মূল ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে অর্থাৎ একটি ভাইরাস তার অনুরূপ ভাইরাস জন্ম দিতে পারে।

ভাইরাসে জড় বৈশিষ্ট্য
- ভাইরাস অকোষীয়।
- এদের সাইটোপ্লাজম, কোষ ঝিল্লী, কোষ প্রাচীর, রাইবোসোম, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিয়াস ইত্যাদি থাকে না।
- এদের বিপাকীয় এনজাইম এবং পুষ্টি প্রক্রিয়া অনুপস্থিত।
- এদের কোন জৈবিক কার্যকলাপ যেমন প্রজনন অন্য সজীব কোষ ছাড়া ঘটতে পারে না। 
- জীবকোষের বাইরে ভাইরাস রাসায়নিক কণার ন্যায় নিষ্ক্রিয় থাকে।
- অকোষীয় ভাইরাসে দু'রকমের বৈশিষ্ট্য বিবেচনা করে একে জীব ও জড়ের মধ্যকার সেতুবন্ধন বলা হয়।
- অ্যান্টিবায়েটিক ভাইরাসের উপর কোনরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে না। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০৮৫.
সমান্তরাল সংযোগের কোন বর্তনীর রোধ 10, 10, 10 Ohm হলে তুল্যরোধ কত?
  1. ক) 30
  2. খ) 3.33
  3. গ) 10.55
  4. ঘ) 20
সঠিক উত্তর:
খ) 3.33
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 3.33
ব্যাখ্যা
1/Rp= (1/R1)+(1/R2)+(1/R3)

সাধারণ ভাবে n সংখ্যক রোধের জন্য

              
সূত্র: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এইচএসসি প্রোগ্রাম
১৩,০৮৬.
কোন যৌগটিতে কেবলমাত্র সিগমা বন্ধন রয়েছে?
  1. ক) CH4
  2. খ) C2H4
  3. গ) C2H2
  4. ঘ) C6H6
সঠিক উত্তর:
ক) CH4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) CH4
ব্যাখ্যা
সিগমা (G) বন্ধন: 
- দুটি একই বা ভিন্ন পরমাণুর দুটি পারমাণবিক অরবিটাল একই অক্ষ বরাবর মুখোমুখি অধিক্রমণের ফলে আণবিক অরবিটাল সৃষ্টির মাধ্যমে যে সমযোজী বন্ধন গঠিত হয় তাকে সিগমা (০) বন্ধন বলে।

- কার্বন পরমানুর প্রতিটি sp3 সংকর অরবিটালে একটি করে বিজোড় ইলেকট্রন থাকে, যা 4 টি C - H সিগমা বন্ধন সৃষ্টি হয়। ফলে মিথেন (CH4) অণু গঠিত হয়।

- অর্থাৎ CH4 যৌগটিতে কেবলমাত্র সিগমা বন্ধন রয়েছে।
১৩,০৮৭.
আলোর তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্ব কে ব্যাখ্যা করেন?
  1. ক) আইজ্যাক নিউটন
  2. খ) আলবার্ট আইনস্টাইন
  3. গ) জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
  4. ঘ) ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
গ) জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
ব্যাখ্যা
দীপ্তিমান বস্তু থেকে কিভাবে আলো আমাদের চোখে আসে সে বিষয়ে চারটি তত্ত্ব রয়েছে:

১) নিউটনের কণিকা তত্ত্ব :
এই তত্ত্বে সাহায্যে ঋজুগতি প্রতিফলন, প্রতিসরণ ব্যাখ্যা করা যায়; কিন্তু ব্যতিচার, সমবর্তন, অপবর্তন, বিচ্ছুরণ ব্যাখ্যা করা যায় না।

২) হাইগেনের তরঙ্গ তত্ত্ব :
এই তত্ত্বের সাহায্যে প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যতিচার, অপবর্তন ব্যাখ্যা করা যায়; কিন্তু সমবর্তন ব্যাখ্যা করা যায় না।

৩) ম্যাক্সওয়েলের তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্ব :
এই তত্ত্বের সাহায্যে আলাের সমবর্তন ব্যাখ্যা করা যায়; কিন্তু ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করা যায় না।

৪) প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব :
এই তত্ত্বের সাহায্যে কৃষ্ণবস্তু বিকিরণ, ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করা যায়; কিন্তু ব্যতিচার, অপবর্তন, সমবর্তন ব্যাখ্যা করা যায় না।

উৎস: ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান
১৩,০৮৮.
বায়ুমন্ডলের সবচেয়ে উপরের স্তরের নাম কি?
  1. ক) ট্রপোস্ফিয়ার
  2. খ) এক্সোস্ফিয়ার
  3. গ) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
  4. ঘ) আয়নস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
খ) এক্সোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এক্সোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
- বায়ুমণ্ডল যে সমস্ত উপাদানে গঠিত তাদের প্রকৃতি, বশিষ্ট ও উষ্ণতার পার্থক্য অনুসারে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়।
বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে উপরের স্তরের নাম এক্সোমণ্ডল বা এক্সোস্ফিয়ার। 
যথাঃ
১. ট্রপোমণ্ডল,
২. স্ট্রাটোমণ্ডল,
৩. মেসোমণ্ডল,
৪. তাপমণ্ডল ও
৫. এক্সোমণ্ডল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,০৮৯.
নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে কোন সার প্রস্তুত করা হয়?
  1. টিএসপি
  2. সবুজ সার
  3. পটাশ
  4. ইউরিয়া
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
ব্যাখ্যা

◉ নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে ইউরিয়া সার প্রস্তুত করা হয়।

• ইউরিয়া [(NH2)2C=O]: উদ্ভিদের মৌলিক পুষ্টি উপাদানের মধ্যে নাইট্রোজেন একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
- জমিতে নাইট্রোজেনের অভাব দূর করার জন্য ইউরিয়া সার ব্যবহার করা হয়।
- মাটিতে ইউরিয়েজ নামক এক প্রকার এনজাইম ইউরিয়াকে ধীরে ধীরে বিয়োজিত করে এ্যামোনিয়া ও কার্বন ডাই অক্সাইডে পরিণত করে।
- উৎপন্ন এ্যামোনিয়া মাটিতে উপস্থিত পানিতে দ্রবীভূত হয়ে এ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড উৎপন্ন করে।
- এ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড পানিতে আংশিক বিয়োজিত হয়ে ও আয়ন উৎপন্ন করে।
- উদ্ভিদ আয়ন পুষ্টি উপাদান হিসেবে শোষণ করে।

উৎস: রসায়ন-১ম পত্র, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ ঊন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,০৯০.
জোয়ার-ভাটার প্রধান কারণ কী?
  1. সমুদ্র স্রোত
  2. বায়ুপ্রবাহ
  3. গ্রহের আকর্ষণ
  4. চাঁদের আকর্ষণ
সঠিক উত্তর:
চাঁদের আকর্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদের আকর্ষণ
ব্যাখ্যা

◉ জোয়ার-ভাটার প্রধান কারণ হলো চাঁদের মহাকর্ষীয় আকর্ষণ। চাঁদ পৃথিবীর উপর আকর্ষণ বল প্রয়োগ করে। এর ফলে সমুদ্রের পানিতে একটি উঁচু-নীচু ঢেউ তৈরি হয়।

​জোয়ার-ভাটা:
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়।
- সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার (High Tide) এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা (Ebb or low Tide) বলে।
- প্রতি ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট পরপর এই জোয়ার ভাঁটা সংঘঠিত হয়।
- অর্থাৎ সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দু'বার জোয়ার ও দু'বার ভাঁটা হয়।
- সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলোর স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার ভাঁটা বেশি অনুভূত হয়।
- সমুদ্রের মধ্যভাগ থেকে উপকূলের কাছে পানির অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি থাকে।

⇒ জোয়ার ভাঁটার কারণ:
- চন্দ্র ও সূর্যের প্রভাবেই এবং পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে জোয়ার ভাঁটা হয়। জোয়ার ভাঁটা সংঘটনের কারণকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা -
ক. মহাকর্ষণ শক্তির প্রভাব এবং,
খ. কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাব।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,০৯১.
একটি NPN ট্রানজিস্টরে, প্রধান চার্জ বাহক হলো- 
  1. হোল 
  2. ইলেকট্রন 
  3. প্রোটন
  4. আয়ন
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন 
ব্যাখ্যা

- একটি NPN ট্রানজিস্টরে প্রধান চার্জ বাহক হলো ইলেকট্রন। NPN ট্রানজিস্টরে দুটি N-type সেমিকন্ডাক্টর স্তরের মাঝে একটি পাতলা P-type স্তর থাকে। যেহেতু N-type পদার্থে ইলেকট্রনের আধিক্য থাকে, তাই এই ট্রানজিস্টরে তড়িৎ প্রবাহের মূল দায়িত্ব পালন করে ইলেকট্রন। অপরদিকে, হোল হলো P-type এর প্রধান বাহক। 

ট্রানজিস্টর (Transistor): 
- ট্রানজিস্টর একটি ইংরেজি শব্দ। Transfer এবং Resistor এই দুটি পৃথক ইংরেজি শব্দের সমন্বয়ে Transistor শব্দটি গঠিত হয়েছে। 
- ট্রানজিস্টরকে বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার বলা যায়। ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার ইলেকট্রনিক্স এর জগতে বিপণ্ড সংঘটিত করেছে। ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক জে. বার্ডিন, ডব্লিউ ব্রাটেন ও ডব্লিউ সক্লে ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন। এই গুরত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য তিনজনকে ১৯৫৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার প্রদান করা হয়। 
- ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। 
- দুটি একই ধরনের অর্ধপরিবাহীর (n-টাইপ অথবা p-টাইপ) মাঝখানে এদের বিপরীত ধরনের (p-টাইপ অথবা n-টাইপ) অর্ধপরিবাহী বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরস্পরের সাথে যুক্ত করে যে যন্ত্র বা কৌশল (Device) তৈরি করা হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
- গঠন ও প্রকৃতি অনুসারে জাংশন ট্রানজিস্টর দুই প্রকার।
যথা- ১) p-n-p ট্রানজিস্টর এবং ২) n-p-n ট্রানজিস্টর। 

n-p-n ট্রানজিস্টরের কার্যক্রম: 
- n-p-n ট্রানজিস্টরকে কার্যকর করার জন্য এর দুটি জাংশনকে দু'ভাবে বায়াস করা হয়। নিচের চিত্রে ট্রানজিস্টরের এমিটার-বেস জাংশনে সম্মুখী বায়াস এবং কালেক্টর বেস জাংশনে বিমুখী বায়াস প্রয়োগ করা হয়েছে।


- এমিটার বেস জাংশনে সম্মুখী ঝোঁকে থাকায় এমিটার হতে প্রচুর মুক্ত ইলেকট্রন ব্যাপন ক্রিয়ার মাধ্যমে জাংশন ভেদ করে বেসের দিকে প্রবাহিত হয়। ফলে এমিটার প্রবাহ তৈরি করে। 
- ইলেকট্রনগুলো যখন p টাইপ বেসে প্রবেশ করে, তখন এগুলো সেখানকার হোলের সাথে মিলিত হতে চায়। কিন্তু বেস খুব পাতলা হওয়ার কারণে এবং হালকাভাবে ডোপিং এর ফলে খুব সামান্য পরিমাণ (5% এর কম) ইলেকট্রন হোলের সাথে মিলিত হয়। এরূপ মিলনের ফলে খুব সামান্য বেস প্রবাহ সৃষ্টি হয়, বাকী প্রায় 95% ইলেকট্রন বেস অঞ্চল ভেদ করে ধনাত্মক কালেক্টর ভোল্টেজের আর্কষণে কালেক্টর অঞ্চলে প্রবেশ করে এবং কালেক্টর প্রবাহ সৃষ্টি করে। এভাবে প্রায় সম্পূর্ণ এমিটার প্রবাহ কালেক্টর বর্তনীতে প্রবাহিত হয়। 
- কালেক্টর জাংশনে আগত ইলেকট্রন কালেক্টর প্রান্তে প্রযুক্ত ধনাত্মক বিভবেব আকর্ষণে কালেক্টর প্রবাহ বৃদ্ধি করে। প্রায় 5% ইলেকট্রন বেসে হোলের সাথে মিলিত হওয়ায় ফলে সামান্য পরিমান বেস প্রবাহ সৃষ্টি হয়, যার প্রেক্ষিতে কালেক্টর প্রবাহ এমিটার প্রবাহ অপেক্ষা সামান্য কম হয়। 
- এমিটার প্রবাহ বৃদ্ধি পেলে অধিক পরিমাণ ইলেকট্রন বেসে প্রবেশ করে, যা কালেক্টরের ধনাত্মক বিভব দ্বারা আকর্ষিত হয়। ফলে কালেক্টর প্রবাহ বৃদ্ধি পায়, এ প্রক্রিয়ার এমিটার প্রবাহ দ্বারা কালেক্টর প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। 
- n-p-n ট্রানজিস্টরের ভেতরে তড়িৎপ্রবাহ হয় ইলেকট্রনের প্রবাহের জন্য এবং বর্তনীর সংযোগ তারের মধ্যেও তড়িৎ প্রবাহ ইলেকট্রনের জন্য হয়ে থাকে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,০৯২.
ভোর রাতে পূর্ব আকাশে 'শুকতারা' নামে পরিচিত?
  1. শনি
  2. মঙ্গল
  3. নেপচুন
  4. শুক্র
সঠিক উত্তর:
শুক্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুক্র
ব্যাখ্যা
শুক্র (Venus):
- সূর্যের চারিদিকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
- ভোর রাতে পূর্ব আকাশে শুক্র গ্রহকে বলা হয় শুকতারা।
- সন্ধ্যাবেলায় পশ্চিম আকাশে একে বলা হয় সন্ধ্যাতারা।
- শুক্র গ্রহেরও কোনো উপগ্রহ নেই।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০৯৩.
তরঙ্গ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে কী স্থানান্তর করে?
  1. শক্তি
  2. ক্ষমতা
  3. বেগ
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তি
ব্যাখ্যা
- তরঙ্গ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি ও তথ্য সঞ্চারণ বা, স্থানান্তর করে।
- যে পর্যাবৃত্ত আন্দোলন কোনো জড় মাধ্যমের একস্থান থেকে অন্যস্থানে শক্তি সঞ্চারিত করে কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলোকে স্থানান্তরিত করে না তাকে তরঙ্গ বলে।
- তরঙ্গ দুই প্রকার। যথা- অনুপ্রস্থ তরঙ্গ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।

• তরঙ্গের বৈশিষ্ট্যবলী:
- তরঙ্গ সৃষ্টি ও সঞ্চালনের জন্য অবিচ্ছিন্ন স্থিতিস্থাপক জড় মাধ্যম প্রয়োজন। 
- মাধ্যমের কণাগুলোর কম্পনের বা, স্পন্দন গতির ফলে তরঙ্গ উৎপন্ন হয়। 
- মাধ্যমের কণাগুলো সাম্য অবস্থান থেকে উপরে নিচে অথবা, সামনে পেছনে স্পন্দিত হতে থাকে। 
- তরঙ্গ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি ও তথ্য সঞ্চারণ বা, স্থানান্তর করে। 
- তরঙ্গের কণাগুলো বিভিন্ন বেগে স্পন্দিত হয়। 
- তরঙ্গে প্রতিফলন, প্রতিসরণ এবং অপবর্তন ঘটে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্র বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০৯৪.
রংধনু কখন দেখা যায়? 
  1. রাতের আকাশে 
  2. বৃষ্টি হওয়ার পর রোদ ওঠার সময় 
  3. মেঘমুক্ত আকাশে 
  4. সকালবেলার কুয়াশায় 
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টি হওয়ার পর রোদ ওঠার সময় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টি হওয়ার পর রোদ ওঠার সময় 
ব্যাখ্যা

রংধনু: 
- রংধনু তৈরি হয় পানির পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন দিয়ে। 
- শুধু তা-ই নয়, যারা প্রিজমের অভাবে সাদা আলোকে তার রংগুলোতে ভাগ করে দেখতে পারেনি তারাও এই ব্যাপারটি রংধনুতেই ঘটতে দেখেছে। 
- বৃষ্টি হওয়ার পরপর যদি রোদ ওঠে, তাহলে রংধনু দেখা যায়, কারণ তখন বাতাসে পানির কণা থাকে এবং পানির কণায় সেই আলো পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলিত হওয়ার সময় ভিন্ন ভিন্ন রঙের আলো ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে বেঁকে যায়। 
- এই আলোর রশ্মিগুলো দিয়ে রংধনুর ভিন্ন ভিন্ন রঙের ব্যান্ড (Band) তৈরি হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,০৯৫.
কোন বিক্রিয়ায় জারণ-বিজারণ ঘটে না?
  1. দহন বিক্রিয়া
  2. সংযোজন বিক্রিয়া
  3. প্রশমন বিক্রিয়া
  4. বিয়োজন বিক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
প্রশমন বিক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশমন বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা
• প্রশমন বিক্রিয়ায় জারণ-বিজারণ ঘটে না। 

• জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া:
- রেডক্স অর্থ জারণ-বিজারণ। যে বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে তাকে রেডক্স বিক্রিয়া বলে।   

- Reduction (বিজারণ) শব্দের প্রথমাংশ Red এবং Oxidation (জারণ) শব্দের প্রথমাংশ Ox এর সমন্বয়ে গঠিত শব্দ হলো Redox. 

• রেডক্স (Redox) বিক্রিয়া:  
- জারণ এবং বিজারণ উভয় প্রক্রিয়া একই সাথে ঘটে।
- একটি পদার্থ ইলেকট্রন ত্যাগ করার সাথে সাথেই অন্য একটি পদার্থ সেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে।
- এই কারণে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়াগুলিকে একত্রে রেডক্স বিক্রিয়া বলা হয়।
- জারণ-বিজারণ একটি যুগপৎ বিক্রিয়া। 

• কিছু বিক্রিয়াতে জারণ বিজারণ বিক্রিয়া ঘটে থাকে।
→ উদাহরণ-
- সংযোজন বিক্রিয়া, 
- বিয়োজন বিক্রিয়া, 
- প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া,
- দহন বিক্রিয়া। 

• নন-রেডক্স বিক্রিয়া:
- এ ধরণের বিক্রিয়ায় জারণ-বিজারণ তথা ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে না।

→ উদাহরণ-
- প্রশমন বিক্রিয়া,
- অধ:ক্ষেপণ বিক্রিয়া ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
১৩,০৯৬.
ফিউশন প্রক্রিয়ায় -
  1. একটি পরমাণু ভেঙ্গে প্রচণ্ড শক্তি সৃষ্টি করে
  2. একাধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে নতুন পরমাণু গঠন করে
  3. ভারী পরমাণু ভেঙ্গে দুটি পরমাণু গঠিত হয়
  4. একটি পরমাণু ভেঙ্গে দুটি পরমাণু সৃষ্টি হয়
সঠিক উত্তর:
একাধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে নতুন পরমাণু গঠন করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে নতুন পরমাণু গঠন করে
ব্যাখ্যা
- ফিউশন প্রক্রিয়ায় একাধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে নতুন পরমাণু গঠন করে এবং প্রচন্ড তাপশক্তি উৎপন্ন করে। 
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস হতে দুটি প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করা যায়। যথা-
১. নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লীয় বিভাজন:
- যে প্রক্রিয়ায় ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস শক্তিশালী কণিকার আঘাতের ফলে প্রায় সমান দুটি খন্ডে বিভক্ত হয় এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বলে।

২. নিউক্লিয়ার ফিউশন বা নিউক্লীয় সংযোজন:
- যে প্রক্রিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং তাতে প্রচুর শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বলে।
- জার্মান বিজ্ঞানী বেথের মতে সূর্য রশ্মি কোনো কোনো ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক উচ্চ তাপমাত্রায় সব সময় হাইড্রোজেন পরমাণু হিলিয়াম পরমাণুতে পরিবর্তিত হচ্ছে এবং শক্তি নির্গত হচ্ছে। প্রকৃতি এ শক্তি ব্যবহার করছে।
- সূর্যে এ বিক্রিয়া স্বচ্ছন্দে ঘটে।

উৎস:
১. উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি]
২. রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,০৯৭.
BCG টিকা কোন ধরনের টিকার অন্তর্ভুক্ত? 
  1. ডিএনএ টিকা
  2. নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা
  3. নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু জীবন্ত টিকা
  4. মৃত জীবাণুভিত্তিক টিকা
সঠিক উত্তর:
নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু জীবন্ত টিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু জীবন্ত টিকা
ব্যাখ্যা
টিকার প্রকারভেদ: 
- মানবদেহের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে দমন করতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টিকা আবিষ্কার করেছেন। 
যেমন- 
১। মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা: 
- এ ধরনের টিকা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি। 
উদাহারণ- ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা প্রভৃতি ভ্যাকসিন। 

২। নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু জীবন্ত টিকা: 
- কালচার করা, ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল করে দেওয়া জীবিত জীবাণু নিয়ে তৈরি। 
উদাহরণ- ব্যাসিলাস ক্যালমেট-গুয়েরিন (BCG), হাম, মাম্পস, পোলিও, জলাতঙ্ক, যক্ষ্মা, গুটিবসন্ত, প্লেগ, টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

৩। নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা: 
- এ ধরনের টিকা জীবাণু নিঃসৃত টক্সয়েড দিয়ে তৈরি। 
উদাহরণ- ডিপথেরিয়া, টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

৪। দেহ তলের রাসায়নিক বস্তু: 
- অনেক ক্ষেত্রে সংক্রমণকারী জীবাণুর দেহ তল থেকে রাসায়নিক উপাদান (নির্দিষ্ট প্রোটিনের অংশ) আলাদা করে ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 
উদাহরণ- হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস ভ্যাকসিন প্রভৃতি। 

৫। ডিএনএ টিকা: 
- রিকমবিনেন্ট DNA পদ্ধতিতে DNA ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০৯৮.
কোষের শক্তিঘর মাইটোকন্ড্রিয়ায় শক্তি (ATP) উৎপন্ন হয় কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে?
  1. সালোকসংশ্লেষণ
  2. কোষ শ্বাসক্রিয়া
  3. প্রোটিন সংশ্লেষণ
  4. ডিএনএ প্রতিলিপি
সঠিক উত্তর:
কোষ শ্বাসক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোষ শ্বাসক্রিয়া
ব্যাখ্যা

- মাইটোকন্ড্রিয়ায় সেলুলার রেসপিরেশন (কোষ শ্বাসক্রিয়া) নামক প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ (C6H12O6) ভেঙে শক্তি উৎপন্ন হয়। এই শক্তি থেকেই ATP (Adenosine Triphosphate) গঠিত হয়।
- ATP হলো একধরনের শক্তিবাহী যৌগ। যখন কোষ কোনো কাজ করে (যেমনঃ পেশি সঙ্কোচন, স্নায়ুতন্ত্রের কাজ, কোষ বিভাজন ইত্যাদি), তখন ATP ভেঙে শক্তি প্রদান করে।
প্রতিক্রিয়া (সহজভাবে):
Glucose + Oxygen → Carbon dioxide + Water + Energy (ATP) 

অন্যদিকে, 
- সালোকসংশ্লেষণ: এটি ঘটে ক্লোরোপ্লাস্টে, যেখানে সূর্যালোক থেকে খাদ্য (গ্লুকোজ) তৈরি হয়।
- প্রোটিন সংশ্লেষণ: এটি ঘটে রাইবোসোমে। এটি প্রোটিন গঠন প্রক্রিয়া।
- ডিএনএ প্রতিলিপি: এটি ঘটে নিউক্লিয়াসে। এর ফলে নতুন কোষে একই DNA তৈরী হয়। 

তথ্যসূত্র: NCTB, উচ্চমাধ্যমিক জীববিজ্ঞান।

১৩,০৯৯.
বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল ও দুর্বল নিউক্লিয় বলকে একত্রিত করলে যে বল পাওয়া যায়, তার নাম কী?
  1. মহাকর্ষ বল
  2. চৌম্বকত্ব
  3. নিউক্লিয়ার বল 
  4. ইলেকট্রো উইক ফোর্স
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রো উইক ফোর্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রো উইক ফোর্স
ব্যাখ্যা

বিজ্ঞানের আবিষ্কার:
- প্রাচীনকালে চীন দেশে এক টুকরো লোড স্টোনকে সমজাতীয় অন্য একটি লোড স্টোনের টুকরোকে অদৃশ্য একটা শক্তি দিয়ে আকর্ষণ করতে দেখা গিয়েছিল, বিশেষ ধরনের এই পদার্থের বিশেষ এই ধর্মটির নাম দেওয়া হয়েছিল চৌম্বকত্ব (Magnetism) । 
- একইভাবে প্রাচীন গ্রিসে আম্বর নামের পদার্থকে পশম দিয়ে ঘষা হলে সেটি এই দুটি পদার্থকে একটি অদৃশ্য শক্তি দিয়ে আকর্ষণ করত। এই বিশেষ ধর্মের নাম দেওয়া হলো ইলেকট্রিসিটি বা বৈদ্যুতিক শক্তি (Electricity)। 
- অষ্টাদশ শতাব্দীতে এটি নিয়ে ব্যাপক গবেষণা হয় এবং বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন এটি একই বলের দুটি ভিন্ন রূপ এবং এই বলটির নাম দেওয়া হয় বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল (Electromagnetism)। 
- পরবর্তীতে তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কৃত হওয়ার পর বিটা রশ্মি নামে একটা বিশেষ বিকিরণ ব্যাখ্যা করার সময় 'দুর্বল নিউক্লিয় বল' নামে নতুন এক ধরনের বল আবিষ্কৃত হয়। 
- পদার্থবিজ্ঞানীরা পরে দেখালেন বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল এবং দুর্বল নিউক্লিয় বল একই বলের ভিন্ন ভিন্ন রূপ, তাদেরকে একত্র করে সেই বলের নাম দেওয়া হলো ইলেকট্রো উইক ফোর্স। 
- পদার্থবিজ্ঞানীরা ধারণা করেন, প্রকৃতিতে মহাকর্ষ বল এবং নিউক্লিয়ার বল নামে আরও যে দুটি বল রয়েছে ভবিষ্যতে সেগুলোও একই সূত্রের আওতায় আনা যাবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,১০০.
গাছে ফল ধরতে ও পাকতে দেরি হয় কিসের অভাবে?
  1. বোরন
  2. ফসফরাস
  3. ম্যাগনেসিয়াম
  4. সালফার
সঠিক উত্তর:
বোরন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোরন
ব্যাখ্যা

বোরন (B):
- বোরন কোষপ্রাচীরের কাঠামোর মধ্যে অবস্থান করে প্রাচীরটিকে তথা কোষটিকে দৃঢ়তা দেয়।
- বিপাক ক্রিয়ার বিভিন্ন বিক্রিয়ায় এর নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা রয়েছে। তাই বোরনের অভাবে পর্যাপ্ত দৃঢ়তা না পেয়ে এবং বিপাকে গোলযোগ হওয়ার কারণে উদ্ভিদের বর্ধনশীল অগ্রভাগ মরে যায়।
- কচি পাতার বৃদ্ধি কমে যায় এবং পাতা বিকৃত হয়, কাণ্ড খসখসে হয়ে ফেটে যায়। ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হয়।
- এটি গাছে ফুল ও ফল ধরতে সহায়তা করে। 

ফসফরাস:
- ফসফরাসের (P) অভাব হলে পাতা বেগুনি রং ধারণ করে।
- ফসফরাসের অভাবে পাতায় মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয় এমনকি পাতা, ফুল ও ফল ঝরে যেতে পারে।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায় এবং উদ্ভিদ খর্বাকার হয়।
- বেশিরভাগ সময় খালি চোখে দেখে ফসফরাসের ঘাটতি বুঝা যায় না। যত দিনে লক্ষণ দৃশ্যমান হয়, তত দিনে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আর তেমন কিছু করার থাকে না।

সালফার: 

- সালফার (S) উদ্ভিদের বিভিন্ন প্রোটিন, হরমোন ও ভিটামিনের গাঠনিক উপাদানই নয়, একই সাথে এটি কোষে পানির সমতা রক্ষা করে। 
- সালফারের অভাবে পাতা হালকা সবুজ হয় এবং পাতায় লাল ও বেগুনি দাগ দেখা যায়। 
- কচি পাতায় বেশি এবং বয়োবৃদ্ধ পাতায় কম ক্লোরোসিস হয়। 
- সালফারের অভাবে মূল, কান্ড এবং পাতার শীর্ষ থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে টিস্যু মারা যেতে থাকে, যাকে ডাইব্যাক (dieback) বলে। 
- গাছের মধ্যপর্ব ছোট হয় বলে গাছ খর্বাকৃতির হয়। 

ম্যাগনেসিয়াম: 
- ম্যাগনেসিয়ামের (Mg) অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয় না বলে সবুজ রং হালকা হয়ে যায় এবং সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়। 
- পাতার শিরাগুলোর মধ্যবর্তী স্থানে অধিক হারে ক্লোরোসিস হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও কৃষিবিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।