বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Criminal Procedure, 1898

মোট প্রশ্ন২,৮৮৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Criminal Procedure, 1898

PrepBank · পাতা ২০ / ২৯ · ১,৯০১২,০০০ / ২,৮৮৩

১,৯০১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৪০ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জামিন
  2. আপিল
  3. তদন্ত
  4. রিভিশন
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) রিভিশন।

• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৪০:
কোন আদালত যেক্ষেত্রে তার রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালতে কোন পক্ষেরই ব্যক্তিগতভাবে বা এডভোকেট কর্তৃক বক্তব্য দাখিলের অধিকার থাকবে নাঃ 

শর্ত থাকে যে, আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন পক্ষের বক্তব্য ব্যক্তিগতভাবে বা উকিলের কর্তৃক শ্রবণ করতে পারবেন; এবং এই ধারার কোন বিধান ধারা-৪৩৯ (২) কে প্রভাবিত করবে বলে গণ্য করা যাবে না।

১,৯০২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার (১) উপ-ধারা অনুযায়ী কোন আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. দায়রা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার (১) উপ-ধারা শুরুই হয়েছে এই বাক্য দিয়ে: "হাইকোর্ট বিভাগ যখনই উপযুক্ত মনে করেন, তখন নির্দেশ দিতে পারবেন..."।
সুতরাং, এই বিশেষ ক্ষমতা শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগের (High Court Division) এখতিয়ারভুক্ত।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ যখনই উপযুক্ত মনে করেন, তখন নির্দেশ দিতে পারবেন যে,
ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইনানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হোক;
খ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনীভাবে বা অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী দিবার জন্য উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক;
ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের নিকট হাজির করা হোক;
ঙ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীমকোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান বলবৎ কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের প্রতি প্রযোজ্য নহে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 491.Power to issue directions of the nature of a habeas corpus:
(1) The High Court Division may, whenever it thinks fit, direct:-
(a) that a person within the limits of its appellate criminal jurisdiction be brought up before the Court to be dealt with according to law;
(b) that a person illegally or improperly detained in public or private custody with such limits be set at liberty;
(c) that a prisoner detained in any jail situate within such limits be brought before the Court to be there examined as a witness in any matter pending or to be inquired into in such Court;
(d) that a prisoner detained as aforesaid be brought before a Court-martial or any Commissioners for trial or to be examined touching any matter pending before such Court-martial or Commissioners respectively;
(e) that a prisoner within such limits be removed from one custody to another for the purpose of trial ; and
(2) The [Supreme Court] may, from time to time, frame rules to regulate the procedure in cases under this section.
(3) Nothing in this section applies to persons detained under any law for the time being in force providing for preventive detention.

১,৯০৩.
যখন কোন আসামীকে কেবল মাত্র জরিমানা করা হয় এবং জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়, সেই ক্ষেত্রে আদালত উক্ত জরিমানার টাকা পরিশোধের জন্য কত দিন সময় দিতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
• যখন কোন অপরাধীকে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হলে, অর্থদণ্ড প্রদানকারী আদালত নিম্নলিখিত ২টি উপায়ে অর্থদণ্ড আদায় করতে পারে :

১. অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রয় বা বিক্রয় করে জরিমানা আদায়ের জন্য আদালত পরোয়ানা জারি করতে পারে ।
২. অনাদায়ী অপরাধীর অস্থাবর এবং স্থাবর বা উভয় সম্পত্তি দেওয়ানী কার্যপদ্ধতি অনুসারে পরোয়ানা কার্যকর করে পাওনা আদায়ে জেলা কালেক্টরকে ক্ষমতা দিয়ে ।

তবে যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে যে, জরিমানা পরিশোধ করা না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং আসামী যদি আরোপিত অর্থদণ্ড না দিয়ে কারা ভোগ করে, তবে আদালত উক্তরুপ পরোয়ানা জারি করতে পারবে না।

• ধারা- ৩৮৮ অনুসারে,
যখন কোন আসামীকে কেবল মাত্র জরিমানা করা হয়, এবং জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়, সেই ক্ষেত্রে আদালত উক্ত জরিমানার টাকা পরিশোধের জন্য ৩০ দিন সময় দিতে পারে বা ২ এবং ৩ কিস্তিতে এবং উক্ত ক্ষেত্রে প্রথম কিস্তি আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে এবং অন্যান্য কিস্তিগুলো ৩০ দিনের বেশি বিরতিতে পরিশোধ করা যাবে না।
১,৯০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারা অনুযায়ী কে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন?
  1. ডাক্তার
  2. পুলিশ
  3. আদালত
  4. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
পুলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪ মতে, কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বা এই উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক বিশেষ ভাবে ক্ষমতাবান অন্য কোন পুলিশ অফিসার যদি সংবাদ পান যে,কোন ব্যক্তি-
- আত্মহত্যা করেছে, অথবা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা কোন প্রাণী কর্তৃক বা কোন যন্ত্র দ্বারা দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে, অথবা  এরূপ অবস্থায় মারা গেছে- যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে অন্য কোন ব্যক্তি অপরাধ করেছে।
- তখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ক্ষমতাসম্পন্ন অন্য কোন পুলিশ কর্মকর্তা সুরতহাল তদন্তের জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন এবং মৃত ব্যক্তির লাশ যেখানে রয়েছে সেই স্থানে গিয়ে দুই বা ততোধিক স্থানীয় সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত চালাবেন।

-তখন পুলিশ উক্ত মৃত ব্যক্তির দেহের জখম, অস্থিভঙ্গ বা থেতলে যাওয়া এবং অন্যান্য জখমের চিহ্ন সম্পর্কে বর্ণনা করবে এবং যে উপায়ে বা অস্ত্র বা যন্ত্র দ্বারা উক্ত জখমের চিহ্ন সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে হয় তার উল্লেখ করে মৃত্যুর দৃশ্যমান কারণ সম্পর্কে একটি রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন। এটাই সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest Report).
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারা অনুযায়ী পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন।
------------------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-174: Police to inquire and report on suicide, etc.
(1) The officer in charge of a police-station or some other police-officer specially empowered by the Government in that behalf, on receiving information that a person- 
(a) has committed suicide, or 
(b) has been killed by another, or by an animal, or by machinery or by an accident, or 
(c) has died under circumstances raising a reasonable suspicion that some other person has committed an offence, 
shall immediately give intimation thereof to the 204[nearest Executive Magistrate] empowered to hold inquests, and, unless otherwise directed by any rule prescribed by the Government, or by any general or special order 205[of the District Magistrate], shall proceed to the place where the body of such deceased person is, and there, in the presence of two or more respectable inhabitants of the neighborhood, shall make an investigation, and draw up a report of the apparent cause of death, describing such wounds, fractures, bruises and other marks of injury as may be found on the body, and stating in what manner, or by what weapon or instrument (if any), such marks appear to have been inflicted: 
 
Provided that, unless the Government otherwise directs, it shall not be necessary under this sub-section, in any case where the death or any person has been caused by enemy action, to make any investigation or to draw up any report or to send any intimation to a Magistrate empowered to hold inquests. 
(2) The report shall be signed by such police-officer and other persons, or by so many of them as concur therein, and shall be forthwith forwarded to the District Magistrate. 
(3) When there is any doubt regarding the cause of death, or when for any other reason the police-officer considers it expedient so to do, he shall, subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, forward the body, with a view to its being examined, to the nearest Civil Surgeon, or other qualified medical man appointed in this behalf by the Government, if the state of the weather and the distance admit of its being so forwarded without risk of such putrefaction on the road as would render such examination useless. 
 
(5) The following Magistrates are empowered to hold inquest, namely, any District Magistrate or any other Executive Magistrate specially empowered in this behalf by the Government or the District Magistrate.
১,৯০৫.
কোন ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধানানুযায়ী লাশ তোলা হয়?
  1. ১৭৩(২) ধারা
  2. ১৭৪(২) ধারা
  3. ১৭৫(২) ধারা
  4. ১৭৬(২) ধারা
সঠিক উত্তর:
১৭৬(২) ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৬(২) ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তদন্ত:

(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।

(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা:
যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।

Section 176- Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.

(2) Power to disinter corpses-
Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
১,৯০৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে একই মামলায় দুই বা ততোধিক অপরাধে কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড প্রদান করা যাবে?
  1. ১২ বছর
  2. ১৪ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২০ বছর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে একই মামলায় দুই বা ততোধিক অপরাধে কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড প্রদান করা যাবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:
-(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপেক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
-(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদারতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে নাঃ
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ: কোনোভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশি হবে না।
(৩) আপিলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।
------------------------------------
⇒ CrPC Section-35: Sentence in cases of conviction of several offences at one trial Maximum term of punishment:
(1) When a person is convicted at one trial of two or more offences, the Court may, subject to the provisions of section 71 of the Penal Code sentence him, for such offences, to the several punishments prescribed therefor which such Court is competent to inflict; such punishments, when consisting of imprisonment or transportation to commence the one after the expiration of the other in such order as the Court may direct, unless the Court directs that such punishments shall run concurrently.
(2) In the case of consecutive sentences, it shall not be necessary for the Court, by reason only of the aggregate punishment for the several offences being in excess of the punishment which it is competent to inflict on conviction of a single offence, to send the offender for trial before a higher Court:
Provided as follows:-
(a) in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years;
(b) if the case is tried by a Magistrate  the aggregate punishment shall not exceed twice the amount of punishment which he is, in the exercise of his ordinary jurisdiction, competent to inflict.
(3) For the purpose of appeal, the aggregate of consecutive sentences passed under this section in case of convictions for several offences at one trial shall be deemed to be a single sentence.
১,৯০৭.
“ক” ঢাকা থেকে চট্রগ্রামে ট্রেনে যাওয়ার পথে এক নারীকে অশালীন মন্তব্য করে। তার এই অপরাধের কোন আদালত কর্তৃক অনুসন্ধান করা যাবে?
  1. ঢাকা বা চট্রগ্রামের এখতিয়ারধীন 
  2. যাত্রাপথের যেকোন এখতিয়ারধীন এলাকার
  3. ক বা খ
  4. ক যেই এলাকার বাসিন্দা সেই এলাকার এখতিয়ারধীন 
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮৩ অনুযায়ী,ভ্রমণকালে (যেকোনো যানবাহনযোগে, স্থলপথে, সমুদ্রপথে, আকাশ পথে) যদি কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়, তাহলে অপরাধী ভ্রমণের সময় যেসব এলাকা অতিক্রম করবে সেসব এলাকার মধ্যে যেকোনো এলাকার এখতিয়ারাধীন অপরাধের অনুসন্ধান ও বিচার করতে পারবে।

• প্রশ্নে উল্লেখিত “ক” ব্যক্তির অনুসন্ধান ও বিচার ঢাকা বা চট্টগ্রামের সংশ্লিষ্ট বা যাতায়াতের পথে যেকোনো এখতিয়ারাধীন এলাকার আদালতে করা যাবে।
১,৯০৮.
আপিলের নোটিশে কোন বিষয়টি উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক?
  1. মামলার বিস্তারিত বিবরণ
  2. শ্রবণ করার সময় ও স্থান
  3. আপিল আদালতের বিচারকের নাম
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
শ্রবণ করার সময় ও স্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রবণ করার সময় ও স্থান
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২২- আপিলের নোটিশ:

আপিল আদালত যদি সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ না করেন, সেক্ষেত্রে যে সময় ও যে স্থানে উক্ত আপিল শ্রবণ করা যাবে সেই সময় ও স্থান সম্পর্কে আপিলকারী বা তার উকিলকে এবং এ সম্পর্কে সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অফিসারকে নোটিশ দিবেন এবং উক্ত অফিসার আবেদন করলে তাকে আপিলের কারণসমূহের একটি নকল দিবেন এবং ধারা-৪১৭ অনুসারে আপিলের ক্ষেত্রে আপিল আদালত আসামীকে অনুরূপ নোটিশ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

Section 422- Notice of appeal:
If the Appellate Court does not dismiss the appeal summarily, it shall cause notice to be given to the appellant or his pleader, and to such officer as the Government may appoint in this behalf, of the time and place at which such appeal will be heard, and shall, on the application of such officer, furnish him with a copy of the grounds of appeal; and, in cases of appeals under or section 417, the Appellate Court shall cause a like notice to be given to the accused.
১,৯০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট কয়টি তফসিল রয়েছে?
  1. ৬টি
  2. ৫টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে, যা নিম্নরূপ:

১ম তফসিল (First Schedule)- বাতিল

২য় তফসিল (Second Schedule)- আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে

৩য় তফসিল (Third Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে

৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে

৫ম তফসিল (Fifth Schedule)- ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।
১,৯১০.
কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে এবং সেটি কোন অপরাধ এই বিষয়ে যদি সন্দেহ থাকে,তখন নিম্নলিখিত কোন বিষয়টি সঠিক?
  1. তাকে উক্ত অপরাধসমূহের মধ্যে যেকোনো একটির জন্য বিকল্পভাবে অভিযুক্ত করা যাবে
  2. আসামীকে এরুপ সকল বা কোন একটি অপরাধে অভিযুক্ত করা যেতে পারে
  3. এরুপ যেকোনো সংখ্যক অভিযোগের বিচার একই সময়ে হতে পারে
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৩ তে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট আলাদা অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠনের বিধান রয়েছে।
এই ধারা অনুসারে, ২৩৪, ২৩৫, ২৩৬ ও ২৩৯ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হলে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট অপরাধের জন্য একটি পৃথক অভিযোগ হবে এবং এরূপ প্রত্যেকটি অভিযোগের বিচার পৃথকভাবে হবে।

• তবে ধারা ২৩৬ অনুযায়ী যদি একটিমাত্র কাজ অথবা ধারাবাহিক কতিপয় কাজ এরূপ প্রকৃতির হয় যে,যেসকল তথ্য প্রদান করা যায় তার ভিত্তিতে কতিপয় অপরাধের মধ্যে কোনটি গঠিত হয় সে সম্পর্কে সন্দেহ থাকে,তাহলে অভিযুক্তকে এরূপ সকল অথবা কোন একটি সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত করা যাবে এবং যেকোনো সংখ্যক অভিযোগের বিচার একই সময় হতে পারবে:অথবা তাকে উক্ত অপরাধসমূহের মধ্যে যে কোন একটির জন্য বিকল্পভাবে অভিযুক্ত করা যাবে।

[If a single act or series of acts is of such a nature that it is doubtful which of several offences the facts which can be proved will constitute,the accused may be charged with having committed all or any of such offences and any number of such charges may be tried at once;or he may be charged in the alternative with having committed some one of the said offences.]
১,৯১১.
Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে SCHEDULE II এর এন্ট্রি ১৪৩-এর ক্ষেত্রে কলাম ৬ এ কী পরিবর্তন করা হয়েছে?
  1. “Summons” থেকে “Warrant” করা হয়েছে
  2. “Bailable” থেকে “Not bailable” করা হয়েছে
  3. “Not compoundable” থেকে “Compoundable” করা হয়েছে
  4. “Compoundable” থেকে “Not compoundable” করা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
“Not compoundable” থেকে “Compoundable” করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
“Not compoundable” থেকে “Compoundable” করা হয়েছে
ব্যাখ্যা

⇒ Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর ধারা ২৭(ক) অনুযায়ী, SCHEDULE II এর এন্ট্রি ১৪৩ (দণ্ডবিধির ধারা ১৪৩ - অবৈধ সমাবেশের সদস্য হওয়া) এর বিপরীতে কলাম ৬-এর এন্ট্রি “Not compoundable” (অ-মীমাংসাযোগ্য) থেকে “Compoundable” (মীমাংসাযোগ্য) এ পরিবর্তন করা হয়েছে। এর অর্থ হল, এই অপরাধটি এখন আক্রান্ত পক্ষের সাথে সমঝোতা (compromise) করার মাধ্যমে আদালতের বাইরে নিষ্পত্তি করা যাবে।

⇒  Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর ধারা ২৭(ক) অনুসারে, The Code of Criminal Procedure, 1898 এর SCHEDULE II এর কলাম ১-এ উল্লিখিত এন্ট্রি ১৪৩-এর বিপরীতে কলাম ৬-এর এন্ট্রিতে নিম্নলিখিত পরিবর্তন করা হয়েছে: 
⇒  পূর্বে: “Not compoundable” (অ-মীমাংসাযোগ্য) → সংশোধনীর পর: “Compoundable” (মীমাংসাযোগ্য)

 ⇒  এন্ট্রি ১৪৩ এর প্রেক্ষাপট:
- এন্ট্রি ১৪৩ The Penal Code, 1860 এর ধারা ১৪৩-এর সাথে সম্পর্কিত, যা অবৈধ সমাবেশে অংশগ্রহণ (Being a member of an unlawful assembly) অপরাধকে নির্দেশ করে। এই অপরাধের জন্য শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড বা জরিমানা, অথবা উভয়ই।
SCHEDULE II এর কলাম ৬ এই অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (compoundable) কি না তা নির্দেশ করে। মীমাংসাযোগ্য অপরাধ বলতে এমন অপরাধ বোঝায় যেখানে অভিযোগকারী এবং আসামির মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি করা যায়।

সংশোধনীর বিবরণ:

→ পূর্বের অবস্থা: এন্ট্রি ১৪৩-এর ক্ষেত্রে কলাম ৬-এ উল্লেখ ছিল “Not compoundable”, অর্থাৎ এই অপরাধটি সমঝোতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যেত না।
→ সংশোধনীর পর: Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে এটি “Compoundable” করা হয়েছে। এর ফলে, এই অপরাধের ক্ষেত্রে অভিযোগকারী (যিনি অবৈধ সমাবেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন) এবং আসামির মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।এই পরিবর্তনটি ধারা ৩৪৫-এর সংশোধনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যেখানে বলা হয়েছে যে ধারা ১৪৩-এর অপরাধ “The person against whom the unlawful assembly was assembled” (অবৈধ সমাবেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী ব্যক্তি) দ্বারা মীমাংসাযোগ্য।

১,৯১২.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারার ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক?
  1. আত্মপক্ষ সমর্থনের পূর্বে আদালত আসামীকে পরীক্ষা করে
  2. আত্মপক্ষ সমর্থনের পর আদালত আসামীকে পরীক্ষা করে
  3. উক্ত পরীক্ষায় শপথ গ্রহণ করা হয়
  4. মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, শাস্তির জন্য দায়ী হবে
সঠিক উত্তর:
আত্মপক্ষ সমর্থনের পূর্বে আদালত আসামীকে পরীক্ষা করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আত্মপক্ষ সমর্থনের পূর্বে আদালত আসামীকে পরীক্ষা করে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত আসামীকে পরীক্ষা করতে পারবে। পরীক্ষা করতে পারবে অর্থ হলো প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এবং আসামীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের আহ্বান জানাবার পূর্বে আদালত আসামীকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন আসামী তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়। 
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত আসামীকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই আসামীকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত আসামীর নিকট যে প্রশ্ন করে, আসামী এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে। এক্ষেত্রে কোনো শপথ গ্রহণ করা হয় না।

Section 342: Power to examine the accused
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence. 
 
(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just. 
 
(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed. 
 
(4) No oath shall be administered to the accused.
১,৯১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন সন্দেহযুক্ত চোরাইমাল জব্দ করার ক্ষমতা আছে-
  1. যেকোনো ব্যক্তির
  2. পুলিশের
  3. উক্ত মাল নিজের বলে দাবী করে এমন ব্যক্তির
  4. শুধুমাত্র উক্ত এলাকার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার
সঠিক উত্তর:
পুলিশের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশের
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫০- সন্দেহযুক্ত চোরাইমাল জব্ধ করার ব্যাপারে পুলিশের ক্ষমতা

চোরাই মর্মে কথিত বা সন্দেহযুক্ত কিংবা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহযুক্ত অবস্থায় প্রাপ্ত কোন সম্পত্তি কোন পুলিশ কর্মকর্তা আটক করতে পারবেন। এরূপ পুলিশ কর্মকর্তা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অধঃস্তন হলে তিনি সাথে সাথে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জব্দ করার ব্যাপারে রিপোর্ট করবেন।

Section 550- Powers to police to seize property suspected to be stolen
Any police- officer may seize any property which may be alleged or suspected to have been stolen, or which may be found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence. Such police-officer, if subordinate to the officer in charge of a police-station, shall forthwith report the seizure to that officer.
১,৯১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০ ধারায় কোন ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নিতে পারে?
  1. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
• আমলে নেয়া অর্থ হলো- অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অপরাধের বিরুদ্ধে অগ্রসর হওয়ার জন্য উপাদান আছে বলে ম্যাজিস্ট্রেট মানসিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে এবং সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন অগ্রসর হওয়ার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নিয়েছে বলে গণ্য হবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে। যে সকল ম্যাজিস্ট্রেটগণ অপরাধ আমলে নিতে পারেন:

i. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
ii. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
iii. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট;
iv. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট; অথবা
v. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট।
১,৯১৫.
আত্মহত্যা সম্পর্কে পুলিশ তদন্ত কত ধারায়?
  1. ১৭২ ধারায়
  2. ১৭৩ ধারায়
  3. ১৭৪ ধারায়
  4. ১৭৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৭৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারার বিধান পুলিশ আত্মহত্যা, প্রভৃতি সম্পর্কে ইনকোয়ারী করবে ও প্রতিবেদন দিবেঃ

(১) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অথবা এ সম্পর্কে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন পুলিশ কর্মকর্তা যদি সমাচান পান যে, কোন ব্যক্তি-
(ক) আত্মহত্যা করেছে; অথবা
(খ) অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক, বা কোন প্রাণী কর্তৃক, বা কোন যন্ত্রে বা দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে; অথবা
(গ) এরূপ অবস্থায় মারা গিয়েছে যদরুণ যৌক্তিকভাবে সন্দেহ পোষণ হতে পারে যে, অন্য কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ করেছে,

সেক্ষেত্রে অবিলম্বে সুরতহাল তদন্তের লক্ষ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে তা অবগত করাবেন এবং সরকারের নির্ধারিত কোন বিধি বা কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে ভিন্নভাবে কোন নির্দেশনা না থাকলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের যেখানে উত্তরূপে মৃত ব্যক্তির লাশ রয়েছে, সে স্থানে যাবেন এবং সেখানে স্থানীয় দুই বা ততোধিক সম্মানিত ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত কার্য করবেন এবং মৃত ব্যক্তির দেহে ক্ষত, ভাঙ্গা বা মচকিয়ে যাবার দাগ, আঁচড়িয়ে যাবার দাগ ও অন্যান্য আঘাতের চিহ্ন বর্ণনা করে এবং যে পদ্ধতিতে অস্ত্র বা যন্ত্র (যদি থাকে) কর্তৃক উক্ত চিহ্নের সৃষ্টি হইয়াছে মর্মে মনে হয়, উহার উল্লেখ করে আপাতদৃষ্টিতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন করবেনঃ

শর্ত থাকে যে, সরকার কর্তৃক অন্য কোন নির্দেশ না প্রদত্ত না হলে শত্রুর তৎপরতার দরুণ কারও মৃত্যু হয়ে থাকলে সেক্ষেত্রে এই উপধারার বিধানমতে কোন তদন্ত করা বা প্রতিবেদন প্রণয়ন করা বা সুরতহাল করার ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে সংবাদ দেবার প্রয়োজন হবে না।

(২) ঐ প্রতিবেদনে ঐরূপ পুলিশ কর্মকর্তা ও অন্য ব্যক্তিবর্গ অথবা তাঁদের মধ্যে যাঁরা একমত হন তাঁর স্বাক্ষর করবেন এবং অবিলম্বে তা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে হবে।

(৩) মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সন্দেহ থাকলে অথবা অন্য কোন কারণে পুলিশ কর্মকর্তা উত্তরূপ করা প্রয়োজনীয় ও সমীচীন বলে বিবেচনা করলে তিনি এ সম্পর্কে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বিধি সাপেক্ষে তিনি লাশটি পরীক্ষার লক্ষ্যে কোন নিকটতম সিভিল সার্জন বা সরকার কর্তৃক এই প্রয়োজনে নিযুক্ত অন্য কোন যোগ্যতাসম্পন্ন ডাক্তার বরাবর পাঠাবেন, তবে আবহাওয়ার ও দূরত্বের জন্য লাশটি যদি বিকৃতি হয়ে যাবার ঝুঁকি না থাকে যাদরুণ ঐরূপ পরীক্ষা অর্থহীন হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে তা পাঠাবার প্রয়োজন নেই।.
(৫) নিম্নে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ সুরতহাল করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হলেন, যথাঃ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা এতদ্বিষয়ে ব্যাপারে সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক এ ব্যাপারে বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
১,৯১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারায়, গ্রেপ্তারের জন্য কোনো স্থানে প্রবেশ করতে হলে সেখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কী করা উচিত?
  1. শুধু মৌখিক অনুমতি দেওয়া
  2. পুলিশকে প্রবেশে বাধা দেওয়া
  3. কোনো সহযোগিতা না করা
  4. পুলিশকে প্রবেশ ও তল্লাশির সুযোগ দেওয়া
সঠিক উত্তর:
পুলিশকে প্রবেশ ও তল্লাশির সুযোগ দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশকে প্রবেশ ও তল্লাশির সুযোগ দেওয়া
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারায়, যদি কোনো ব্যক্তি গ্রেপ্তারের ওয়ারেন্ট নিয়ে অথবা গ্রেপ্তারের অধিকারী পুলিশ কর্মকর্তা বিশ্বাস করেন যে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি কোনো স্থানে প্রবেশ করেছে, তাহলে ঐ স্থানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা সেখানে অবস্থানকারী ব্যক্তি পুলিশ কর্মকর্তার প্রবেশ ও তল্লাশির সুযোগ দিতে বাধ্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারা অনুযায়ী, যদি গ্রেপ্তারকারী পুলিশ অফিসার বা ওয়ারেন্টধারী ব্যক্তির বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি কোনো স্থানে প্রবেশ করেছে বা সেখানে অবস্থান করছে, তাহলে সেই স্থানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির বাধ্যতামূলক কর্তব্য হলো:
- পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে অবাধ প্রবেশের সুযোগ দেওয়া।
- তল্লাশি চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা প্রদান করা।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 47. Search of place entered by person sought to be arrested
If any person acting under a warrant of arrest, or any police-officer having authority to arrest, has reason to believe that the person to be arrested has entered into, or is within, any place, the person residing in, or being in charge of, such place shall, on demand of such person acting as aforesaid or such police-officer, allow him free ingress thereto, and afford all reasonable facilities for a search therein.
১,৯১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৩ অনুযায়ী, তদন্ত চলাকালে পুলিশ কর্মকর্তার কী করা নিষিদ্ধ নয়?
  1. সাক্ষীকে ভয় দেখানো
  2. সাক্ষীকে প্রলোভন দেওয়া
  3. সাক্ষীকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া
  4. সাক্ষীর ইচ্ছাকৃত বিবৃতি নেওয়া
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর ইচ্ছাকৃত বিবৃতি নেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর ইচ্ছাকৃত বিবৃতি নেওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৩-এর উপ-ধারা (২) অনুসারে, কোনো পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্য কর্তৃপক্ষ কোনো সতর্কতা বা অন্য কোনভাবে কোন ব্যক্তিকে তার স্বেচ্ছায় যে কোন বিবৃতি দিতে বাধা দিতে পারবেন না।
- অর্থাৎ, তদন্ত চলাকালে যদি কোন সাক্ষী স্বতঃস্ফূর্তভাবে বা নিজের ইচ্ছায় কোন বিবৃতি দিতে চান, তাহলে পুলিশ কর্মকর্তার পক্ষে সেই ইচ্ছাকৃত বিবৃতি নেওয়া নিষিদ্ধ নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৩ ধারায় বলা হয়েছে:
(১) কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যক্তি বা আসামির কাছে এমন কোনো প্ররোচনা, হুমকি বা প্রতিশ্রুতি দিতে পারবে না যা সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা ২৪ অনুসারে অবৈধ।
(২) তবে, কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্য কেউ কোনো সতর্কতা বা অন্য কোনো মাধ্যমে কাউকে এমন কোনো বিবৃতি দিতে বাধা প্রদান করতে পারবে না যা সে নিজের ইচ্ছায় তদন্তের সময় দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে।
-----------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 163. No inducement to be offered:
(1) No police officer or other person in authority shall offer or make, or cause to be offered or made, any such inducement, threat or promise as is mentioned in the Evidence Act, 1872, section 24. 
(2) But no police officer or other person shall prevent, by any caution or otherwise, any person from making in the course of any investigation under this Chapter any statement which he may be disposed to make of his own free will.

১,৯১৮.
বেসরকারি ব্যক্তি কর্তৃক গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার আওতাভুক্ত হলে পুলিশ তাকে পুনরায় গ্রেফতার করতে পারে?
  1. ৪৬ ধারা
  2. ৪৮ ধারা
  3. ৫৪ ধারা
  4. ৫৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারা- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী:
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

২) এরূপ ব্যক্তিকে ৫৪ ধারার বিধানের আওতাভুক্ত বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমলঅযোগ্য অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকার করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার কারণ ঘটে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধানানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার মত যথেষ্ট কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।

১,৯১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফশিলের কোন কলামে অপরাধটি আমলযোগ্য না আমল-অযোগ্য তা উল্লেখ থাকে?
  1. প্রথম কলাম
  2. তৃতীয় কলাম
  3. চতুর্থ কলাম
  4. পঞ্চম কলাম
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় কলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় কলাম
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফশিলের তৃতীয় কলামে উল্লেখ থাকে যে অপরাধটি আমলযোগ্য (Cognizable) নাকি আমল-অযোগ্য (Non-cognizable)। আমলযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে পুলিশ কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়াই সরাসরি গ্রেফতার করতে পারে এবং তদন্ত শুরু করতে পারে, যেখানে আমল-অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের কাছ থেকে পূর্বানুমতি নেওয়া প্রয়োজন। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফশিলে বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য একটি সারণীর মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে মোট ৮টি কলাম রয়েছে। এই কলামগুলো বিচার প্রক্রিয়া, পুলিশি ক্ষমতা, জামিন, শাস্তি ও বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দেয়।
- ১ম কলামে উল্লেখ থাকে দণ্ডবিধির (Penal Code) কোন ধারা অনুযায়ী অপরাধটি হয়েছে।
- ২য় কলামে লেখা থাকে সেই ধারার অধীনে অপরাধটির সংক্ষিপ্ত বিবরণ।
- ৩য় কলামে বলা হয়, পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কি না, অর্থাৎ এটি আমলযোগ্য (Cognizable) না আমল-অযোগ্য (Non-cognizable)।
- ৪র্থ কলামে বলা থাকে, প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে না ওয়ারেন্ট, তা নির্ধারণ করা হয়।
- ৫ম কলামে উল্লেখ থাকে অপরাধটি জামিনযোগ্য (Bailable) না জামিন-অযোগ্য (Non-bailable)।
- ৬ষ্ঠ কলামে বলা হয় অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কি না — অর্থাৎ ভুক্তভোগী চাইলেই কি সেটি মিটমাট করে নিতে পারে।
- ৭ম কলামে উল্লেখ থাকে সংশ্লিষ্ট ধারায় নির্ধারিত শাস্তির পরিমাণ।
- ৮ম তথা শেষ কলামে বলা হয়, সেই অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার কোন আদালতের আছে।

১,৯২০.
কতিপয় বিবাদীর মধ্যে একজন সম্পর্কে কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে আদালত তার মামলা-
  1. ফেরত দিবেন
  2. খারিজ করবেন
  3. সমস্ত মামলা স্থগিত করবেন
  4. তার বিষয়ে রায় ঘোষণা করবেন
সঠিক উত্তর:
তার বিষয়ে রায় ঘোষণা করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার বিষয়ে রায় ঘোষণা করবেন
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ আদেশের ১ বিধি মোতাবেক- পক্ষদ্বয়ের মধ্যে আইন বা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে আদালত শুনানীর প্রথম দিনেই রায় ঘোষণা করতে পারে।

♦  দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ আদেশের ২ বিধি মোতাবেক- কতিপয় বিবাদীর মধ্যে একজন সম্পর্কে কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে আদালত তার পক্ষে বা বিরুদ্ধে রায় প্রদান করবেন ও বাকিদের বিরুদ্ধে মামলা চলবে।
১,৯২১.
ডিক্রি জারির প্রথম দরখাস্ত কত দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর ১৮২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ডিক্রি জারির প্রথম দরখাস্ত বা আবেদন করার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর। তবে উক্ত ডিক্রি বা আদেশের সইমোহুরি নকল (Certified Copy) যদি রেজিস্টার্ড হয় সেক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ ৬ বছর।
১,৯২২.
ধারা ৬৩ এর অধীনে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে কখন অব্যাহতি দেয়া যেতে পারে
  1. কোনো শর্ত ছাড়াই
  2. পুলিশের অনুমতি সাপেক্ষে
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ দ্বারা
  4. মামলার তদন্ত শেষ হওয়ার পর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ দ্বারা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬৩: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি:-
যে ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছে, তাকে তার নিজের মুচলেকা, অথবা জামিন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেয়া যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 63: Discharge of person apprehended-
No person who has been arrested by a police-officer shall be discharged except on his own bond, or on bail, or under the special order of a Magistrate.

১,৯২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় সরেজমিনে পরিদর্শন(Local inspection) এর বিধান দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৫৪০ক
  2. ধারা ৫৩৯খ
  3. ধারা ৫৪৪
  4. ধারা ৫৪০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩৯খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩৯খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন

১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে, যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনা হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্তে বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে, অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।

২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।

Section 539B: Local inspection
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.

(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:
১,৯২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৪ অনুযায়ী, স্বীকারোক্তি রেকর্ড করতে হবে কোন ধারার নিয়মে?
  1. ধারা ৩৬১
  2. ধারা ৩৬২
  3. ধারা ৩৬৪
  4. ধারা ৩৭২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬৪
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ১৬৪ - জবানবন্দী ও স্বীকারোক্তি গ্রহণের ক্ষমতা:
(১) যে কোনো মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট অথবা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট (যিনি পুলিশ কর্মকর্তা নন) – তিনি তদন্ত চলাকালীন বা তদন্ত শেষ হওয়ার পরে কিন্তু বিচার শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত জবানবন্দী বা স্বীকারোক্তি রেকর্ড করতে পারবেন।

(২) জবানবন্দী গ্রহণ করার সময়, সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য যেসব পদ্ধতি নির্ধারিত আছে, তার মধ্য থেকে যে পদ্ধতিটি মামলার প্রেক্ষিতে সবচেয়ে উপযুক্ত বলে মনে হবে, সে অনুযায়ী জবানবন্দী রেকর্ড করা হবে। স্বীকারোক্তি রেকর্ড করতে হবে এবং অভিযুক্তকে স্বাক্ষর করতে হবে ধারা ৩৬৪-এ যে নিয়ম বলা আছে তার ভিত্তিতে। এরপর সেই জবানবন্দী বা স্বীকারোক্তি তদন্ত বা বিচার করবেন এমন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাতে হবে।

(৩) কোনো স্বীকারোক্তি রেকর্ড করার আগে ম্যাজিস্ট্রেটকে অবশ্যই ব্যক্তিটিকে বুঝিয়ে বলতে হবে—
- সে স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য নয়,
- যদি সে স্বীকারোক্তি দেয়, তবে সেটি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার হতে পারে।
- এবং, ম্যাজিস্ট্রেট কেবল তখনই স্বীকারোক্তি রেকর্ড করতে পারবেন, যখন তিনি প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে নিশ্চিত হবেন যে স্বীকারোক্তিটি স্বেচ্ছায় (জোরপূর্বক নয়) প্রদান করা হয়েছে।
- যখন স্বীকারোক্তি রেকর্ড করা হবে, তখন ম্যাজিস্ট্রেটকে নথির নিচে একটি লিখিত স্মারক রাখতে হবে যে স্বীকারোক্তিটি তার বিশ্বাস অনুযায়ী স্বেচ্ছায় করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা (Explanation):
যে ম্যাজিস্ট্রেট জবানবন্দী বা স্বীকারোক্তি গ্রহণ করবেন, তার মামলাটির উপর বিচারিক এখতিয়ার (jurisdiction) থাকা আবশ্যক নয়।

১,৯২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯ক অনুসারে, যদি কোনো আবেদনপত্রে কোনো সরকারি কর্মচারীর আচরণের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়, তবে প্রমাণ হিসাবে কী উপস্থাপন করা যেতে পারে?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য
  2. অ্যাফিডেভিট
  3. পুলিশের প্রতিবেদন
  4. সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন
সঠিক উত্তর:
অ্যাফিডেভিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাফিডেভিট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯ক (৫৩৯A) অনুযায়ী যখন কোনো আদালতে কোনো বিচার, তদন্ত বা কার্যধারার সময় এমন কোনো আবেদন দাখিল করা হয়, যেখানে কোনো সরকারি কর্মচারীর আচরণের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হয়, তখন আবেদনকারী তার অভিযোগের প্রমাণ হিসাবে হলফনামা (Affidavit) দ্বারা সেই অভিযোগে উল্লিখিত তথ্য উপস্থাপন করতে পারেন। আদালত যদি মনে করে, তবে সে আদেশ দিতে পারে যে, উক্ত বিষয়ে প্রমাণ হলফনামার মাধ্যমেই প্রদান করতে হবে।
- এছাড়াও অ্যাফিডেভিটে যে তথ্য উল্লেখ করা হবে, তা আবেদনকারীর নিজস্ব জ্ঞান থেকে প্রমাণযোগ্য তথ্য, এবং যা সে যুক্তিসঙ্গতভাবে সত্য বলে বিশ্বাস করে, সেই তথ্য আলাদাভাবে এবং যুক্তিসহ উপস্থাপন করতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯ক - সরকারি কর্মচারীর আচরণের প্রমাণে অ্যাফিডেভিট:
(১) এই আইনের অধীনে কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কার্যধারা প্রসঙ্গে কোন আদালতে যদি দরখাস্ত করা হয় এবং উহাতে কোন সরকারি কর্মচারী সম্পর্কে অভিযোগ করা হয় তাহলে দরখাস্তকারী দরখাস্তে বর্ণিত ঘটনাবলি সম্পর্কে উক্তরূপে সাক্ষ্য দেওয়ার আদেশ দিতে পারবেন।
এই ধারার অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালত ব্যবহার্য অ্যাফিডেভিট সম্পর্কে ৫৩০ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে বা কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের সামনে শপথ করা যাবে বা উহার সত্যতা ঘোষণা করা যাবে।
এই ধারা অনুসারে অ্যাফিডেভিট সেই সকল ঘটনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে ও সেই সকল ঘটনা পৃথকভাবে বর্ণনা করবে যে সকল ঘটনা তার সত্য বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ আছে এবং শেষোক্ত ক্ষেত্রে সাক্ষীকে সেরূপ বিশ্বাসের কারণ স্পষ্টরূপে উল্লেখ করতে হবে।
(২) আদালত অ্যাফিডেভিটের কোন কুৎসাজনক ও অপ্রাসঙ্গিক বিষয় কেটে দেওয়ার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898- Section 539A. Affidavit in proof of conduct of public servant:
(1) When any application is made to any Court in the course of any inquiry, trial or other proceeding under this Code, and allegations are made therein respecting any public servant, the applicant may give evidence of the facts alleged in the application by affidavit, and the Court may, if it thinks fit, order that evidence relating to such facts be so given.
An affidavit to be used before any Court other than High Court Division under this section may be sworn or affirmed in the manner prescribed in section 539, or before any Magistrate. 
Affidavits under this section shall be confined to, and shall state separately, such facts as the deponent is able to prove from his own knowledge and such facts as he has reasonable ground to believe to be true, and, in the latter case, the deponent shall clearly state the grounds of such belief. 
(2) The Court may order any scandalous and irrelevant matter in an affidavit to be struck out or amended.
১,৯২৬.
জেলে থাকা অবস্থায় কোন ধারা অনুযায়ী আপিলকারী তার আপিল পিটিশন দাখিল করতে পারে?
  1. ধারা ৪১০
  2. ধারা ৪২০
  3. ধারা ৪২৫
  4. ধারা ৪৩০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২০
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২০ অনুসারে,
 যদি আপিলকারী জেলে থাকে, তাহলে সে তার আপিলের পিটিশন এবং পিটিশনের সাথে দাখিলকৃত রায় ও আদেশের কপি জেলের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার নিকট দাখিল করতে পারে এবং উক্ত কর্মকর্তা পিটিশনটি সঠিক আপিল আদালতে পাঠাবে।
 
Section 420- Procedure when appellant in jail:
If the appellant is in jail, he may present his petition of appeal and the copies accompanying the same to the officer in charge of the jail, who shall thereupon forward such petition and copies to the proper Appellate Court.
১,৯২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারা অনুযায়ী আপিলের উদ্দেশ্যে একাধিক ধারাবাহিক দণ্ডাদেশকে কীভাবে গণ্য করা হয়?
  1. পৃথক দণ্ডাদেশ হিসেবে
  2. দুইটি দণ্ডাদেশ হিসেবে
  3. একটি দণ্ডাদেশ হিসেবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
একটি দণ্ডাদেশ হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি দণ্ডাদেশ হিসেবে
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপোক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন;
এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদারতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না:
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দন্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।

(৩) আপীলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।
------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-35: Sentence in cases of conviction of several offences at one trial Maximum term of punishment:
(1) When a person is convicted at one trial of two or more offences, the Court may, subject to the provisions of section 71 of the Penal Code sentence him, for such offences, to the several punishments prescribed therefor which such Court is competent to inflict; such punishments, when consisting of imprisonment or transportation to commence the one after the expiration of the other in such order as the Court may direct, unless the Court directs that such punishments shall run concurrently.
(2) In the case of consecutive sentences, it shall not be necessary for the Court, by reason only of the aggregate punishment for the several offences being in excess of the punishment which it is competent to inflict on conviction of a single offence, to send the offender for trial before a higher Court:
Provided as follows:-
(a) in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years;
(b) if the case is tried by a Magistrate, the aggregate punishment shall not exceed twice the amount of punishment which he is, in the exercise of his ordinary jurisdiction, competent to inflict.
(3) For the purpose of appeal, the aggregate of consecutive sentences passed under this section in case of convictions for several offences at one trial shall be deemed to be a single sentence.
১,৯২৮.
নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম দায়িত্ব হলো-
  1. নালিশকারীকে থানায় পাঠানো
  2. অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের আদেশ দেয়া
  3. নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করা
সঠিক উত্তর:
নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা
ব্যাখ্যা
• নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম দায়িত্ব হলো নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা। 

• ফৌজদারী মামলা দায়ের করার জন্য অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হলে অপরাধ আমলে নিতে ম্যাজিস্ট্রেট কি পদ্ধতি অনুসরণ করবে সেটাই ২০০ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে।২০০ বিধান অনুযায়ী অপরাধ আমলে গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীর জবানবন্দি নিতে বাধ্য।২০০ ধারার বিধান করা হয়েছে,নালিশের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিচ্ছে এমন ম্যাজিস্ট্রেট অবিলম্বে বা তাৎক্ষণিকভাবে-

১. নালিশকারীকে বা
২. উপস্থিত সাক্ষীগণের (যদি থাকে) মধ্যে যে কয়জনকে উপযুক্ত মনে করে তাদের শপথপূর্বক জবানবন্দি গ্রহণ করবে এবং জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করবে এবং নালিশকারী বা যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সে এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্ত জবানবন্দির সারমর্মে স্বাক্ষর করবে।

• যে ক্ষেত্রে জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই-

ক. যেক্ষেত্রে লিখিত আকারে নালিশ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে ১৯২ ধারার অধীন মামলা স্থানান্তর করার পূর্বে নালিশকারী বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ বা পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই।
খ. যেকোন মামলায় যেক্ষেত্রে আদালত লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করে।
গ. সরকারী কর্মকর্তা তার অফিসিয়াল দায়িত্ব পালনে লিখিত আকারে নালিশী দরখাস্ত দায়ের করে সেই ক্ষেত্রেও নালিশকারীর বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই।
১,৯২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আপিল আদালতের জজদের মতামত সমানভাবে বিভক্ত হলে করণীয় সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৪০৯
  2. ধারা ৪২৯
  3. ধারা ৪৩২
  4. ধারা ৪৩৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৯ (Section 429, CrPC) অনুযায়ী, যদি আপিল আদালতের বিচারকগণ সমসংখ্যায় বিভক্ত হয়ে যান (i.e., equally divided in opinion), তাহলে মামলাটি তাদের মতামতসহ একই আদালতের আরেকজন বিচারকের নিকট উপস্থাপন করতে হবে। সেই বিচারক, প্রয়োজন মনে করলে শুনানি গ্রহণ করে, নিজের মতামত প্রদান করবেন, এবং সেই মতামতের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত আদেশ বা রায় ঘোষণা করা হবে।
এটি আদালতের মধ্যে মতবিরোধের সমাধান এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার একটি প্রক্রিয়া।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৯- আপিল আদালতের জজগণ সম-সংখ্যায় বিভক্ত হলে তখনকার পদ্ধতি:
আপিল আদালতের জজগণ যেক্ষেত্রে তাদের অভিমতে সমানভাবে বিভক্ত হন, সেক্ষেত্রে তাদের অভিমতসহ মামলাটি একই আদালতের অন্য একজন জজ বরাবর পেশ করতে হবে এবং তিনি যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শুনানীর পর (যদি থাকে) তার আদেশ প্রদান করবেন এবং রায় বা অভিমত তার অভিমত অনুসারে প্রদত্ত হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 429- Procedure where Judges of Court of Appeal are equally divided:
When the Judges composing the Court of Appeal are equally devided in opinion, the case, with their opinions thereon, shall be laid before another Judge of the same Court, and such Judge, after such hearing (if any) as he thinks fit, shall deliver his opinion, and the judgment or order shall follow such opinion.
১,৯৩০.
ফৌজদারী কার্যবিধি আনুসারে কোন আদালত রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা জজ
  3. আতিরিক্ত দায়রা জজ
  4. ওপরের সবায়
সঠিক উত্তর:
ওপরের সবায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওপরের সবায়
ব্যাখ্যা
♦ রিভিশনের ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা জজ ও অতিরিক্ত দায়রা জজ সকলের রয়েছে ।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ক(৩) ধারায় অতিরিক্তি দায়রা জজের রিভিশন ক্ষমতা রয়েছে। দায়রা জজ সাধারন বা বিশেষ আদেশ বলে তার নিকট দায়েরকৃত কোন রিভিশন অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করতে পারে; এক্ষেত্রে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।  রিভিশনে প্রদত্ত দায়রা জজের আদেশই চূড়ান্ত কেননা, ফৌজদারি কার্যবিধিতে ২য় ব্রিভিশনের বিধান নাই।
♦ অর্থাৎ দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন দায়ের করা যাবেনা।
১,৯৩১.
আসামীর অব্যাহতি পাওয়ার দরখাস্ত (Discharge Petition) বিবেচনার সময় নিম্নের কোন দলিল বিবেচনায় নেয়া যায় না?
  1. তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দী
  2. আসামীর দাখিলকৃত দলিলপত্র
  3. ডাক্তারের সার্টিফিকেট
  4. প্রাথমিক তথ্য বিবরণী
সঠিক উত্তর:
আসামীর দাখিলকৃত দলিলপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামীর দাখিলকৃত দলিলপত্র
ব্যাখ্যা
অভিযুক্তের দাখিলকৃত দলিলপত্র তার অব্যাহতি পাওয়ার ক্ষেত্রে বিবেচনাযোগ্য হবে না।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে।উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে।অভিযোগ ভিত্তিহীন প্রতীয়মাণ হলে,  আদালত চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিবে।

• অব্যাহতির ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় বিবেচনা করবে-

> অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতি পাওয়ার দরখাস্ত বিবেচনার সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র
> প্রয়োজন মনে করলে,অভিযুক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি নিবে(যদি থাকে); এবং
> প্রসিকিউশন এবং অভিযুক্তকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিবে।

• মামলার রেকর্ড ও রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ :
মামলার রেকর্ড অর্থ হলো ১৭৩ ধারায় দাখিলকৃত পুলিশ রিপোর্ট। রিপোর্টের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ হলো পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষীদের জবানবন্দি, ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, সুরতহাল রিপোর্ট, জব্দ তালিকা, মেডিকেল রিপোর্ট ইত্যাদি।
১,৯৩২.
জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে Complaint আপীল করবে ________ আদালতে।
  1. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দায়রা জজ
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪১৭ ধারার বিধান- খালাসের ক্ষেত্রে আপীল:
(১) উপধারা ৪ এর বিধান সাপেক্ষে সরকার যেকোন ক্ষেত্রে আপীল দায়েরের জন্য পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ দিতে পারেন-
(ক) কোন আদালত কর্তৃক মূল মামলায় বা আপীলে প্রদত্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে;
(খ) মূল মামলায় বা আপীলে ম্যাজিস্ট্রেট প্রদত্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে।

(২) ধারা-৪১৮ এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, উক্তরূপ খালাসের আদেশ যদি ফরিয়াদি কর্তৃক আনীত মামলায় প্রদত্ত হয়ে থাকে এবং আদেশে আইনের ভুল ব্যাখ্যার জন্য ন্যায় বিচারে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত ফরিয়াদি উক্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে এরূপ যে কোন হেতুবাদে আপীল দায়ের করতে পারবে-
(ক) দায়রা আদালত কর্তৃক প্রদত্ত মূল খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে;
(খ) যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত মূল খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে।

(৩) খালাসের আদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর ফরিয়াদী খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপীল দায়ের করলে হাইকোর্ট ডিভিশনে তা গ্রাহ্য হবে না।

(৪) যদি কোন ক্ষেত্রে খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল গৃহীত না হয়, সেক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর অধীন উক্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলবে না।
১,৯৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬১ক কোন বিষয়ে বিধান দেয়?
  1. আদালতের ভাষা নির্ধারণ
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা নির্ধারণ
  3. পুলিশের তদন্তের নিয়ম নির্ধারণ
  4. হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতার সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতার সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতার সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬১ক হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতার সংরক্ষণ সম্পর্কিত। অর্থাৎ, এই ধারা অনুযায়ী ফৌজদারি কার্যবিধির অন্যান্য বিধান হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ বা ক্ষুণ্ন করতে পারবে না।
হাইকোর্ট বিভাগ যেসব আদেশ দেয়, যেমন কোনো আদেশ কার্যকর করা, আদালতের প্রক্রিয়ার অপব্যবহার রোধ করা বা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করা, সে ক্ষেত্রে তার সহজাত ক্ষমতা অব্যাহত থাকবে।
- সুতরাং, এই ধারা হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক ক্ষমতা এবং তার কার্যকারিতাকে সুরক্ষিত রাখে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারার বিধান হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতার সংরক্ষণ: এই বিধির অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করার জন্য, বা কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করার জন্য বা অন্য কোন ভাবে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় যে কোন আদেশ প্রদানের নিমিত্ত হাইকোর্ট বিভাগের যে সহজাত ক্ষমতা আছে এই বিধির কোন কিছু তা সীমাবদ্ধ বা ক্ষুণ্ন বা প্রভাবিত করবে বলে অভিহিত করা যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- section 561A. Saving of inherent power of High Court Division: Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
১,৯৩৪.
আদালত পুলিশ ডায়েরী কিসের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পারে?
  1. সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করার জন্য
  2. অভিযুক্তের দোষ নির্ধারণের জন্য
  3. তদন্তের মান যাচাই করার জন্য
  4. পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের জন্য
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের জন্য
ব্যাখ্যা
• পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করা হয়, সেটা হলো পুলিশী ডায়েরী । ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরী সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।

• ১৭২ ধারায় বলা হয়েছে,
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিদিন একটি ডায়েরীতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবে এবং কখন তিনি খবর বা তথ্য পেয়েছিলেন, কখন তিনি তদন্ত শুরু এবং সমাপ্ত করেছেন, কোন কোন স্থান বা স্থানসমূহে তিনি পরিদর্শন করেছেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে তিনি কোন কোন ঘটনাসমূহ চিহ্নিত করেছেন সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি তিনি পুলিশ ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করবেন।

• পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার-
যে কোন ফৌজদারী আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশী ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে পারে এবং এই ডায়েরী সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ না করে বরং উক্ত মামলার আদালত ব্যবহার করতে পারবে। পুলিশ ডায়েরী পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য [to refresh his memory] ব্যবহার করতে পারে বা এমন পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, আদালত পুলিশ ডায়েরী ব্যবহার করতে পারে।
১,৯৩৫.
বিচারকালে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট উচ্চতর দণ্ড প্রদানের প্রয়োজন দেখলে, ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. ৩৪২ ধারার
  2. ৩৪৬ ধারার
  3. ৩৪৭ ধারার
  4. ৩৪৯ ধারার
সঠিক উত্তর:
৩৪৭ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪৭ ধারার
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৪৭- যেক্ষেত্রে আসামীকে যখন উচ্চতর দণ্ড প্রদান করা হয় সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
এই কার্যবিধিতে যা-ই বর্ণিত থাকুক না কেন যখন কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সরকার পক্ষের সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার পর এ মর্মে অভিমত পোষণ করেন যে, আসামীকে অথবা যেক্ষেত্রে একাধিক আসামীর একসাথে বিচার করা হয়, সেক্ষেত্রে তাদের মধ্যে যেকোন একজনকে দোষী মর্মে সাব্যস্ত করে ঐ ম্যাজিট্রেট যে দণ্ড দিতে পারেন তদাপেক্ষা অধিক দণ্ড দিতে হবে, সেক্ষেত্রে তিনি তার এরূপ অভিমতের কারণ লিপিবদ্ধ করে তিনি যেই দায়রা আদালতের অধীনন্ত সেই দায়রা আদালতে মামলার নথি দাখিল করতে এবং আসামীকে বা সকল আসামীকে অগ্রবর্তী করতে পারবেন এবং তার ফলে সেই দায়রা আদালতও এমনভাবে মামলার বিচার করবেন যাতে মামলাটি এই কার্যবিধি অনুসারে শুধুমাত্রই তৎকর্তৃক বিচার্য।
১,৯৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ(২) ধারা অনুযায়ী,  যদি অভিযুক্ত আদালতে হাজির হওয়ার পর পলায়ন করে বা হাজির না হয়, তাহলে কী করা হবে?
  1. অভিযুক্তের পরিবারকে জরিমানা করা হবে
  2. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা বাতিল করা হবে
  3. অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা হবে
  4. অভিযুক্তের আইনজীবীকে জরিমানা করা হবে
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা হবে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা হবে। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯-খ(২) ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো অভিযুক্ত আদালতে হাজির হওয়ার পর পলায়ন করে বা নির্ধারিত তারিখে হাজির না হয়, তাহলে (৩৩৯-খ(১) উপধারার মতো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার প্রয়োজন নেই)। বরং, সংশ্লিষ্ট আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতেই বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।
তবে, যদি অভিযুক্ত প্রথম থেকেই অনুপস্থিত থাকে, তাহলে ৩৩৯-খ(১) ধারা অনুসারে তার বিরুদ্ধে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান প্রয়োগ করতে হবে এবং জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯-খ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) যেক্ষেত্রে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালন করার পর আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, আসামিকে যাতে গ্রেফতার ও বিচারে সোপর্দ করা না হয় সেজন্য সে পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে এবং তাকে গ্রেফতার করার আশু সম্ভাবনা নাই, সেক্ষেত্রে নালিশি অপরাধ আমলে গ্রহণকারী আদালত বহুল প্রচারিত কমপক্ষে দুইটি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা উক্ত ব্যক্তিকে আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দিবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত নির্দেশে ব্যর্থ হলে তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার অনুষ্ঠিত হবে।

(২) আসামিকে হাজির করার পর কিংবা আসামি হাজির হবার পর অথবা জামিনে মুক্ত হবার পর যেক্ষেত্রে আসামি পলায়ন করে কিংবা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশি অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 339B: Trial in absentia:
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.

(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
১,৯৩৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৪ ধারার বিধান মতে কয়টি কারণে পুলিশ একজন ব্যক্তিকে ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করতে পারে?
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারামতে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং বিনা পরোয়ানায় (without warrant) নিম্নলিখিত ৯টি ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে। যথা-
(i) কোনো ব্যক্তি আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) করেছে বা জড়িত থাকার যুক্তিযুক্ত সন্দেহ (reasonable suspicion) থাকলে।
(ii) আইনসঙ্গত কারণ ব্যতীত কোন ব্যক্তির নিকট ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম (Implement of house breaking) থাকলে।
(iii) কোন ব্যক্তিকে অপরাধী ঘোষণা করা হলে (proclaimed as an offender)।
(iv) কোন ব্যক্তির নিকট চোরাই মাল (stolen property) পাওয়া গেলে বা উক্ত অপরাধ করেছে বলে সন্দেহ হলে।
(v) কোন ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে অথবা আইনসঙ্গত হেফাজত হতে পলায়ন করলে (escape from lawful custody) অথবা পলায়নের চেষ্টা করলে।
(vi) সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকারী (deserter)।
(vii) বাংলাদেশের বাহিরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে।
(viii) মুক্তিপ্রাপ্ত আসামী (released convict) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে; অথবা
(ix) যে ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
১,৯৩৮.
যখন কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয় এবং কোনো এক অপরাধে দণ্ড দেয়া হয়,তখন অবশিষ্ট অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করা হলে অভিযুক্ত উক্ত অভিযোগসমূহ থেকে-
  1. মুক্তি বলে গণ্য হবে
  2. খালাস বলে গণ্য হবে
  3. অব্যাহতি বলে গণ্য হবে
  4. শাস্তি পেয়েছে বলে গণ্য হবে
সঠিক উত্তর:
খালাস বলে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস বলে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪০ অনুযায়ী-
যখন একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয় এবং এক বা একাধিক অপরাধের জন্য দণ্ড দেয়া হয়,তখন ফরিয়াদী বা সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী কর্মকর্তা আদালতের অনুমতি নিয়ে অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করতে পারেন অথবা আদালত নিজ উদ্দেগ্যে এরূপ অভিযোগ বা অভিযোগসমূহের অনুসন্ধান বা বিচার স্থগিত রাখতে পারেন।
এরূপ প্রত্যাহার করা হলে উক্ত অভিযোগে বা অভিযোগসমূহ হতে খালাস দেয়া হলো বলে পরিগণিত হবে;
যদি না দণ্ডাদেশ রদ করা হয়,সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত দণ্ডাদেশ রদকারী আদালতের আদেশ সাপেক্ষে প্রত্যাহৃত অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ সম্পর্কে অনুসন্ধান বা বিচার করতে পারবেন।
-------------------------
⇒CrPC Section-240.Withdrawal of remaining charges on conviction on one of several charges:
 When a charge containing more heads than one is framed against the same person, and when a conviction has been had on one or more of them, the complainant, or the officer conducting the prosecution, may, with the consent of the Court, withdraw the remaining charge or charges, or the Court of its own accord may stay the inquiry into, or trial of, such charge or charges.
Such withdrawal shall have the effect of an acquittal on such charge or charges, unless the conviction be set aside, in which case the said Court (subject to the order of the Court setting aside the conviction) may proceed with the inquiry into or trial of the charge or charges so withdrawn.
১,৯৩৯.
'একজন নারীর দেহ তল্লাশি সংক্রান্ত বিধান'- ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আছে?
  1. ৫০ ধারা
  2. ৫১ ধার
  3. ৫২ ধারা
  4. ৫৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী-
কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।

Section 52- Mode of searching women:
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
১,৯৪০.
ক ঢাকাতে আহত হয় এবং উক্ত আঘাতের কারণে চট্টগ্রামে মারা যায়। ক-এর মৃত্যুর অপরাধের তদন্ত বা বিচার হতে পারে-
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রামে
  3. উক্ত দুই স্থানের যে কোন এক স্থানের আদালতে
  4. উভয় স্থানে
সঠিক উত্তর:
উক্ত দুই স্থানের যে কোন এক স্থানের আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত দুই স্থানের যে কোন এক স্থানের আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৯ ধারা অনুযায়ী যে আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ারের ভিতর অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বা যে আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ারের ভিতর অপরাধের ফলাফল দেখা দিয়েছে এর যে কোন একটি আদালতে উক্ত অপরাধের বিচার করা যাবে ।

যেমন- রফিক ঢাকায় আহত হল এবং এর ফলে কুমিল্লায় মারা গেল। রফিকের হত্যার অনুসন্ধান বা বিচার ঢাকা বা কুমিল্লার যে কোন একটি আদালতে হতে পারবে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৯ ধারার বিধান যে জেলায় অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, অথবা যেখানে উহার পরিণাম ঘটেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচার সেখানে হবেঃ যে কার্য সংঘটিত করা হয়েছে ও উহার যে প্রতিক্রিয়া হয়েছে উহার প্রেক্ষিতে কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটন করার দায়ে অভিযুক্ত হলে এরূপ অপরাধের তদন্ত বা বিচার যে আদালতের ক্ষেত্রাধিকারের স্থানীয় সীমার মধ্যে উক্ত কার্য করা হয়েছে সেই আদালতের ক্ষেত্রাধিকারের স্থানীয় সীমার মধ্যে উহার প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে, সেই আদালতে হতে পারে।
যে কাজ করা হয়েছে বা উহার পরিণাম দেখা দিয়াছে ভিত্তিতে কোন ব্যক্তি অপরাধ করার অভিযোগে অভিযুক্ত হলে এরূপ অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে উক্ত কাজ করা হয়েছে সেই আদালতে অথবা যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে উহার পরিণাম দেখা দিয়াছে সেই আদালতে হতে পারবে।
উদাহরণঃ
ক) ক নামক এক ব্যক্তি ভ নামক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে আহত হলো এবং ঘ নামক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারমধ্যে মৃত্যু মুখে পতিত হলো। ক-এর প্রাণ নাশ করার অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার ভ বা ঘ আদালতে হতে পারবে।
১,৯৪১.
একজন বিচারাধীন আসামি কোন ধারার বিধান অনুযায়ী তার defence এর সমর্থনে সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দিতে পারেন?
  1. ৩৪০ ধারার
  2. ৩৪১ ধারার
  3. ৩৪২ ধারার
  4. ৩৪৪ ধারার
সঠিক উত্তর:
৩৪০ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪০ ধারার
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪০ ধারার বিধান: 

(১) ফৌজদারী আদালতে কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির অথবা এরূপ কোন আদালতে এই আইনানুসারে যার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে কৌসুলীর দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার তার থাকবেত
(২) এরূপ কোন আদালতে যার বিরুদ্ধে ১০৭ ধারা অথবা দশম অধ্যায়, একাদশ অধ্যায়, দ্বাদশ অধ্যায়, ষষ্ঠ বিংশ অধ্যায় বা ৫৫২ ধারা অনুসারে মামলা রুজু করা হয়েছে, সেই ব্যক্তি নিম্নে উক্ত মামলার সাক্ষী হিসাবে হাজির হতে পারবে্থ
(৩) কোন অপরাধের দায়ে ফৌজদারী আদালতে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তি আসামী পক্ষে সাক্ষী হবার যোগ্য বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে প্রণীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক সাক্ষ্য দিতে পারবেঃ

তবে শর্ত এই যে,

ক) সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবেনা; অথা
খ) সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে যে কোন মন্তব্য করতে পারবে না অথবা ইহা দ্বারা তার বিরুদ্ধে বা তার সাথে এই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে কোন অনুমানের উদ্ভব হবে না।


♦ অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় ২টি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে:

      (i) উকিলের মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তির আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার দেওয়া হয়েছে।
      (ii) অভিযুক্ত ব্যক্তির সাক্ষী হওয়ার যোগ্যতা

      শর্ত হলো অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে আহ্বান করা যাবে না তার লিখিত অনুরোধ ছাড়া। অর্থাৎ সাক্ষী শুধুমাত্র লিখিত অনুরোধ করলে, আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য আহ্বান করতে পারে।
১,৯৪২.
'ক' এর বিরুদ্ধে এক ফৌজদারি মামলায় তার ৫ বছরের কারাদণ্ড হয়। অভিযোগকারী অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের অভিযোগ এনে আপিল করে। আপিলের কার্যধারা চলাকালীন 'ক' মারা যায়। এক্ষেত্রে আপিল-
  1. বাতিল হবে না
  2. বাতিল হবে
  3. স্থগিত থাকবে
  4. কার্যক্রম 'ক' এর প্রতিনিধির বিরুদ্ধে চলবে
সঠিক উত্তর:
বাতিল হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩১ ধারায় আপিল বাতিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। ৪৩১ ধারায় বলা হয়েছে,

৪১৭ বা ৪১৭ক ধারার অধীন প্রত্যেকটি আপিল অভিযুক্ত ব্যক্তির মৃত্যুতে চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে, এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল ব্যতীত) আপিলকারীর মৃত্যুতে চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে।

সুতরাং কে মারা গেলে আপিল বাতিল হবে, তা নির্ধারণ করতে হলে দেখতে হবে আপিল চলাকালীন সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা গেছে কিনা। এটা নির্ধারণ করতে দেখতে হবে আপিলটি কে করেছে।

৪১৭ ধারার অধীন খালাসের বিরুদ্ধে আপিল এবং ৪১৭ক ধারার অধীন অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে না। কারণ খালাস এবং অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে স্বাভাবিকভাবে আপিল করবে পাবলিক প্রসিকিউটর বা অভিযোগকারী।

অন্যদিকে ৪০৭, ৪০৮ বা ৪১০ ধারায় দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে বা অন্যান্য ক্ষেত্রে শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করে অভিযুক্ত ব্যক্তি। সুতরাং এই ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা যাওয়া মানে অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা যায় এবং এই কারণে দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা গেলে আপিলটি বাতিল হয়।
১,৯৪৩.
মহানগর এলাকায় কত প্রকার দায়রা জজ আদালত বিদ্যমান?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি আদালত:
ক) দায়রা আদালত: প্রত্যেক বিভাগে নিম্নবর্ণিত দায়রা আদালত থাকবে-
১) দায়রা জজ আদালত;
২) অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত;
৩) যুগ্ম দায়রা জজ আদালত।

⇒ মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য: (৩ প্রকার)
১) মহানগর দায়রা জজ আদালত;
২) অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত;
৩) যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত।

অন্যদিকে,
⇒  খ) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত:
১) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
২) অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
৩) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
৪) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
৫) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

⇒ মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য:
১) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
২) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
৩) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট।
১,৯৪৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির পঞ্চম তফসিলে কী উল্লেখ আছে?
  1. হাইকোর্টের ক্ষমতা
  2. ফরম সমূহ
  3. দণ্ডবিধির অপরাধসমূহ
  4. ম্যাজিস্ট্রেটগণের অতিরিক্ত ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
ফরম সমূহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরম সমূহ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির পঞ্চম তফসিল (Fifth Schedule)-এ বিভিন্ন ফরম (Forms) সংক্রান্ত বিবরণ উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই ফরমগুলো বিভিন্ন ফৌজদারি কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়, যেমন: সমন (Summons), ওয়ারেন্ট (Warrant), জামিন বন্ড (Bail Bond), হাজিরা আদেশ, তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণের ফরম ইত্যাদি।
- এগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রমকে একটি নির্দিষ্ট কাঠামো ও মান অনুসরণে সহায়তা করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল থাকলেও ১ম তফসিল বাতিল হয়েছে। বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।
- ২য় তফসিল: আমলযোগ্যতা, জামিনযোগ্যতা, আদালতের বিচারিক ক্ষমতা ইত্যাদি।
- ৩য় তফসিল: ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতা।
- ৪র্থ তফসিল: ম্যাজিস্ট্রেটদের অতিরিক্ত ক্ষমতা।
- ৫ম তফসিল: ফরমসমূহ।

→ তাই, পঞ্চম তফসিলের বিষয়বস্তু হলো- ফরমসমূহ।
১,৯৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী, “complaint” বলতে কী বোঝায়?
  1. পুলিশের নিকট এজাহার
  2. থানায় দেওয়া সাধারণ অভিযোগ
  3. কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে পুলিশের প্রতিবেদন
  4. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure), 1898 এর ধারা ৪(১)(h) অনুযায়ী—
“Complaint” অর্থ এমন মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ যা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট করা হয়, যাতে ম্যাজিস্ট্রেট এই বিধি অনুযায়ী কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এই উদ্দেশ্যে যে,
কোনো ব্যক্তি (পরিচিত বা অজ্ঞাত) অপরাধ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
তবে “Complaint” এর মধ্যে পুলিশের প্রতিবেদন অন্তর্ভুক্ত নয়। অর্থাৎ, পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট কখনো “complaint” হিসেবে গণ্য হয় না।

- (h) "complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:
১,৯৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি সর্বশেষ সংশোধন হয় কত সালে?
  1. ২০০৭
  2. ২০০৯
  3. ২০১২
  4. ২০১৭
সঠিক উত্তর:
২০১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি মূলত একটি পদ্ধতিগত আইন যাকে ইংরেজিতে বলা হয় Adjective law বা Procedural law, সিভিল বা দেওয়ানী মামলায় যেমন দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসরণ করে মামলা মোকদ্দমার প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়, তেমনি সকল প্রকার ক্রিমিনাল মামলাতেও ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করতে হয়, যদি না আইনে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।

⇒ ফৌজদারি আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, অব্যাহতি, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, খালাস, মুক্তি, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল বিষয় ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি প্রণীত হয়। যদিও পরবর্তীতে ১৮৭২, ১৮৮২ এবং ১৮৯৮ সালে  সংস্কার করে কার্যকর করা হয়।
- বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই হতে কার্যকর আছে। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।
- ফৌজদারি কার্যবিধি সর্বশেষ সংশোধন হয় ২০১২ সালে।
⇒ Section-11-[(2A) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Chief Judicial Magistrate, Additional Chief Judicial Magistrate and other Judicial Magistrates shall hold its sitting.]
- Sub-section (2A) was inserted after the sub-section (2) by section 2 of the Code of Criminal Procedure, (Amendment) Act, 2012 (Act No. XXXVII of 2012).

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure, 1898) সেকশন ১১ এর একটি সংশোধনী। এখানে একটি নতুন উপ-ধারা (২ক) যোগ করা হয়েছে।
এই সংশোধনীর মূল বক্তব্য হলো:
- সরকার সরকারি গেজেটে সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে নির্দেশ দিতে পারবে যে:
প্রধান জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত , অতিরিক্ত প্রধান জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত ,  অন্যান্য জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের আদালত কোন স্থান বা স্থানসমূহে তাদের বসার আয়োজন করবে।

অর্থাৎ এই সংশোধনীর মাধ্যমে সরকারকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যে, তারা বিভিন্ন ধরনের ম্যাজিস্ট্রেট আদালতগুলো কোথায় বসবে তা নির্ধারণ করে দিতে পারবে। এই নির্দেশনা সরকারি গেজেটে প্রকাশ করতে হবে।


১,৯৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৮ ধারা অনুযায়ী নাবালকের ক্ষেত্রে মুচলেকা কে প্রদান করবেন?
  1. তার শিক্ষক
  2. তার অভিভাবক
  3. তার জামিনদার
  4. সে নিজেই
সঠিক উত্তর:
তার জামিনদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার জামিনদার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৮ ধারার বিধান মুচলেকা প্রদানের আদেশ এহেন তদন্তের ভিত্তিতে যদি ইহা প্রমাণিত হয় যে, শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের জন্য যার সম্পর্কে অনুসন্ধান করা হলো, শান্তিরক্ষা ও অসদাচরণের জন্য তার জামিনসহ বা জামিনদার ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদন করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট সেই অনুসারে আদেশ দিবেন

তবে শর্ত থাকে যে,
প্রথমত, কোন ব্যক্তিকে, ১১২ ধারা অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশে যে-রকম বর্ণিত হয়েছে, তদাপেক্ষা পৃথক প্রকৃতির অথবা তদপেক্ষা অধিক অর্থ পরিমাণের অথবা তদাপেক্ষা অধিক কালখন্ডের জন্য জামিন দিতে আদেশ প্রদান করা যাবে না;
দ্বিতীয়ত, প্রতিটি মুচলেকার অর্থের পরিমাণ পারিপার্শ্বিক অবস্থা যথাযথরূপে বিবেচনার পর স্থির করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না;
তৃতীয়ত, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করা হলো, সে নাবালক হলে কেবল তার জামিনদারগণ মুচলেকা নির্বাহ করবেন।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 118. Order to give security:
- If, upon such inquiry, it is proved that it is necessary for keeping the peace or maintaining good behaviour, as the case may be, that the person in respect of whom the inquiry is made should execute a bond, with or without sureties the Magistrate shall make an order accordingly: 
 
Provided- 
firstly, that no person shall be ordered to give security of a nature different from, or of an amount larger than, or for a period longer than, that specified in the order made under section 112: 
secondly, that the amount of every bond shall be fixed with due regard to the circumstances of the case and shall not be excessive: 
thirdly, that when the person in respect of whom the inquiry is made is a minor, the bond shall be executed only by his sureties.
১,৯৪৮.
দন্ড প্রদানকারী আদালত কত দিনের জন্য শাস্তি রক্ষার শর্তে মুচলেকার আদেশ দিতে পারে?
  1. অনধিক ৬ মাস
  2. অনধিক ১ বছর
  3. অনধিক ৩ বছর
  4. অনধিক ২ বছর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩ বছর
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৬ ধারামতে দন্ডপ্রদানকারী আদালত অর্থাৎ হাইকোর্ট, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট দন্ড প্রদানের সময় দন্ডিত ব্যক্তিকে অনধিক ৩ বছর সময়ের জন্য শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ প্রদান করতে পারে। তবে হাইকোর্ট বিভাগ সাধারনত রিভিশন ক্ষমতাবলে ১০৬ ধারামতে দন্ডিত ব্যক্তিকে মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।

♦যে দন্ডের জন্য ১০৬ ধারামতে মুচলেকার আদেশ দেয়া হয় আপিল বা অন্য কোন উপায়ে যদি উক্ত দত্ত বাতিল হয়ে যায় তাহলে উক্তরূপে সম্পাদিত মুচলেকাও বাতিল হয়ে যাবে । আদালত যে কোন পরিমাণ অর্থের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে। মুচলেকার পরিমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারন করতে হবে তবে কোনভাবেই অত্যধিক হবে না।
১,৯৪৯.
দণ্ড কার্যকরের পর পরোয়ানা কার বরাবর ফেরত দেয়া হবে?
  1. ইস্যুকারী আদালত বরাবর
  2. তদন্তকারী কর্মকর্তা বরাবর
  3. সম্পাদনকারী অফিসার বরাবর
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ইস্যুকারী আদালত বরাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্যুকারী আদালত বরাবর
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০০- দণ্ড কার্যকর করার পর ফেরত
যেক্ষেত্রে কোন দণ্ড সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করা হইয়াছে, সেক্ষেত্রে যে পদ্ধতিতে তা কার্যকর করা হয়েছে সম্পাদনকারী অফিসার উহার সত্যতা অনুমোদন পূর্বক স্বহস্তে পৃষ্ঠাঙ্কনসহ পরোয়ানাটি তার ইস্যুকারী আদালত বরাবর ফেরত দিবেন।

Section 400- Return of warrant on execution of sentence
When a sentence has been fully executed, the officer executing it shall return the warrant to the Court from which it issued, with an endorsement under his hand certifying the manner in which the sentence has been executed.
১,৯৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ ধারা কোন বিষয়ে বিধান রয়েছে?
  1. সাধারণ সাক্ষীর জবানবন্দি
  2. পুলিশ সাক্ষীর জবানবন্দি
  3. বিশেষজ্ঞ সাক্ষীর জবানবন্দি
  4. চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি
সঠিক উত্তর:
চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ অনুযায়ী, সিভিল সার্জন বা অন্যান্য চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি, যা ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে বা কমিশনের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়, তাকে আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়, যদিও সাক্ষীকে সরাসরি ডাকা না হয়। এছাড়া, আদালত প্রয়োজনে ঐ চিকিৎসককে সমন করে তার জবানবন্দির বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারে। তাই এই ধারা বিশেষভাবে চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ ও ব্যবহার সম্পর্কে বিধান দেয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯- চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি:
(১) আসামীর উপস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গৃহীত ও প্রত্যায়িত বা অধ্যায়-৪০ অনুসারে কমিশনে গৃহীত কোন সিভিল সার্জন বা অন্য কোন চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা না হলেও, এ বিধির অধীন কোন ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রমে সাক্ষ্যরূপে দেয়া যাবে।
(২) চিকিৎসক সাক্ষীকে সমন করার ক্ষমতাঃ
আদালত সঠিক মনে করলে এরূপ সাক্ষীকে সমন করতে এবং তার জবানবন্দির বিষয়বস্তু সম্পর্কে তাকে পরীক্ষা করতে পারবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 509- Deposition of medical witness:
(1) The deposition of a Civil Surgeon or other medical witness, taken and attested by a Magistrate in the presence of the accused, or taken on commission under Chapter XL, may be given in evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code, although the deponent is not called as a witness.
Power to summon medical witness
(2) The Court may, if it thinks fit, summon and examine such deponent as to the subject-matter of his deposition.
১,৯৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোনটি 'গ্রেফতারের জন্য ' আবশ্যক?
  1. হাতকড়া পড়ানো
  2. সবরকম চলাফেরায় বাধা দেওয়া
  3. দেহ স্পর্শ, অবরোধ বা বন্দী করা
  4. জেল খানায় আটকে রাখা
সঠিক উত্তর:
দেহ স্পর্শ, অবরোধ বা বন্দী করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেহ স্পর্শ, অবরোধ বা বন্দী করা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারায় গ্রেফতারের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে, এই ধারা অনুযায়ী সাধারনত কোন ব্যক্তির দেহ স্পর্শ, অবরোধ বা বন্দী করে গ্রেফতার করা যায়।
♦ গ্রেফতারে বাধা প্রদান করলে গ্রেফতারের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা যে কোন ধরনের পন্থা অবলম্বন করতে পারবে। তবে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত না হলে, গ্রেফতার করতে গিয়ে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে না।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারার বিধান গ্রেফতারের পদ্ধতি: (১) কথা অথবা কাজের দ্বারা হেফাজতে আত্মসমর্পণ করা না হলে পুলিশ অফিসার অথবা গ্রেফতারকারী অন্য কোন ব্যক্তি গ্রেফতার করার সময় যাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে তার দেহ স্পর্শ বা আটক করবেন।
(২) গ্রেফতারের চেষ্টায় প্রতিরোধঃ এরূপ ব্যক্তি যদি বলপূর্বক তাকে গ্রেফতারের চেষ্টায় বাধ্য দেয় অথবা গ্রেফতার এড়াইতে চেষ্টা করে তাহলে উক্ত পুলিশ অফিসার পারবেন ।
(৩) এই ধারায় এরূপ কোন অধিকার দেয়া হয়নি যার ফলে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত নহে এরূপ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে।
১,৯৫২.
Without any qualifying word, a Magistrate shall be construed as a reference to a __________under Code of Criminal Procedure,1898.
  1. Executive Magistrate
  2. Judicial Magistrate
  3. Special Magistrate
  4. Specially empowered Magistrate
সঠিক উত্তর:
Judicial Magistrate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Judicial Magistrate
ব্যাখ্যা
• Code of Criminal Procedure,1898-এ কোথাও শুধু 'Magistrate' শব্দ থাকলে তা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (Judicial Magistrate) নির্দেশ করবে।

• ৪ক ধারায় বলা আছে যে-

Without any qualifying word, a Magistrate shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate.
অর্থাৎ কোন ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ করবে এবং সহকারী দায়রা জজ বলতে যুগ্ম দায়রা জজকে নির্দেশ করবে।
১,৯৫৩.
জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কত প্রকার শ্রেণী বিদ্যমান?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের ৪ প্রকার শ্রেণী বিদ্যমান। সেগুলো হলো: 
১) মেট্রোপলিটন এলাকায় চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Chief Metropolitan Magistrate) এবং অন্যান্য এলাকায় চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (Chief Judicial Magistrate);
২) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট (মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নামে পরিচিত);
৩) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
৪) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, section-6: Classes of Criminal Courts:
(3) There shall be four classes of Judicial Magistrate, namely: - 
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas; 
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate; 
(c) Magistrate of the second class; and 
(d) Magistrate of the third class. 
১,৯৫৪.
দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড প্রদানের আদেশ দিতে পারে?
  1. ২ হাজার
  2. ৫ হাজার
  3. ১০ হাজার
  4. ১৫ হাজার
সঠিক উত্তর:
৫ হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ হাজার
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান:

(১) ম্যাজিষ্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথাঃ

(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।

২) যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
১,৯৫৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, একটি গ্রেফতারি পরোয়ানা কখন পর্যন্ত বলবৎ থাকে?
  1. জারির তারিখ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত।
  2. শুধুমাত্র জারির বছরের শেষ পর্যন্ত।
  3. যতক্ষণ না আদালত বাতিল করে বা কার্যকর হয় 
  4. যতক্ষণ না বাদী পক্ষ পরোয়ানা প্রত্যাহারের আবেদন করে।
সঠিক উত্তর:
যতক্ষণ না আদালত বাতিল করে বা কার্যকর হয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যতক্ষণ না আদালত বাতিল করে বা কার্যকর হয় 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৭৫(২)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "এইরূপ প্রত্যেক পরোয়ানা যতক্ষণ না এটি ইস্যুকারী আদালত কর্তৃক বাতিল করা হয় অথবা যতক্ষণ না এটি কার্যকর (গ্রেফতার) করা হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।"
অর্থাৎ গ্রেফতারি পরোয়ানা বলবৎ থাকে:
- যতক্ষণ না আদালত তা বাতিল করে, অথবা
- যতক্ষণ না তা কার্যকর (গ্রেফতার সম্পন্ন) হয়।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ - ধারা ৭৫: গ্রেফতারি পরোয়ানার ফরম ও কার্যকরতার মেয়াদ:
(১) এই সংহিতা অনুসারে কোন আদালত কর্তৃক জারিকৃত প্রত্যেক গ্রেফতারি পরোয়ানা লিখিত আকারে হতে হবে, আদালতের প্রধানের দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে, অথবা ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের ক্ষেত্রে উক্ত বেঞ্চের কোন সদস্যের দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং আদালতের সীলমোহর সংযুক্ত করতে হবে।
(২) এইরূপ প্রত্যেক পরোয়ানা যতক্ষণ না এটি ইস্যুকারী আদালত কর্তৃক বাতিল করা হয় অথবা যতক্ষণ না এটি কার্যকর (গ্রেফতার) করা হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-  75. Form of warrant of arrest Continuance of warrant of arrest:
(1) Every warrant of arrest issued by a Court under this Code shall be in writing, signed by the presiding officer, or in the case of a Bench of Magistrates, by any member of such Bench, and shall bear the seal of the Court. 
(2) Every such warrant shall remain in force until it is cancelled by the Court which issued it, or until it is executed.

১,৯৫৬.
In which section of the Code of Criminal Procedure is the provision "An appeal may lie on a matter of fact as well as a matter of law" mentioned?
  1. 410
  2. 415
  3. 418
  4. 421
সঠিক উত্তর:
418
উত্তর
সঠিক উত্তর:
418
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 418- Appeals on what matters admissible:
An appeal may lie on a matter of fact as well as a matter of law.

Explanation- The alleged severity of a sentence shall, for the purposes of this section, be deemed to be a matter of law.
---------------------- 
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৮ ধারার বিধান কোন কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য:
ঘটনার প্রশ্নে বা আইনের প্রশ্নে আপিল চলতে পারে।

ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে কোন দণ্ডের কথিত কঠোরতা আইনের বিষয় মর্মে গণ্য হবে। 
১,৯৫৭.
'ক' দণ্ডবিধির ২১৫ ধারার অধীন ৩ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার পর, পুনরায় একই দণ্ডে দণ্ডিত হয়। আদালত পরবর্তী দণ্ড প্রদানের সময় ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬৫ ধারার অধীন কি ধরণের আদেশ দিতে পারেন?
  1. দণ্ডিত ব্যক্তির ঠিকানা জানানোর আদেশ
  2. দণ্ডিত ব্যক্তির বাসস্থানের পরিবর্তন সম্পর্কিত তথ্য বিজ্ঞাপিত করার আদেশ
  3. দণ্ডিত ব্যক্তির পরিবারের বাংলাদেশ ত্যাগ না করার আদেশ
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৬৫: পূর্বে কোন অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীদের ঠিকানা জানানোর আদেশ (Order for notifying address of previously convicted offender)

কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের কোন আদালত কর্তৃক দন্ডবিধির ২১৫, ৪৮৯ক, ৪৮৯খ, ৪৮৯গ বা ৪৮৯ঘ ধারা অথবা দ্বাদশ অধ্যায় বা সপ্তদশ অধ্যায়ের অধীনে তিন বৎসর বা ততোধিক সময়ের জন্য সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের জন্য দণ্ডিত হওয়ার পর, উক্ত ব্যক্তি পুনরায় যদি হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উপর্যুক্ত ধারাসমূহ বা অধ্যায়গুলির যে কোনো একটির অধীন তিন বৎসর বা ততোধিক সময়ের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত হয়,

তাহলে উক্ত আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে উক্ত ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অন্য কোন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার সময় আরও আদেশ দিতে পারবেন যে, এই দণ্ডের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ হতে অনধিক পাঁচ বৎসর পর্যন্ত নির্ধারিত পদ্ধতিতে তার বাসস্থান ও বাসস্থানের পরিবর্তন বা বাসস্থান হতে অনুপস্থিতি বিজ্ঞাপিত করতে হবে।

তবে আপিলে বা অন্য কোন ভাবে উক্ত দণ্ড নাকচ হলে উক্ত আদেশও বাতিল হয়ে যাবে।
১,৯৫৮.
ধারা ৪৩৫ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ তলবের সময় নিম্নের কোন আদেশ দিতে পারেন?
  1. মামলাটি বাতিল করতে
  2. দণ্ড কার্যকর স্থগিত রাখতে
  3. মামলাটি স্থগিত রাখতে
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ
সঠিক উত্তর:
দণ্ড কার্যকর স্থগিত রাখতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ড কার্যকর স্থগিত রাখতে
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৩৫- নিম্ন আদালতের নথি তলব করার ক্ষমতা:
১) হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ তার অধিক্ষেত্রের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন নিম্নতর ফৌজদারি আদালত কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বা প্রদত্ত কোন সিদ্ধান্ত, দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা এবং উক্ত আদালতের কোন কার্যক্রমের নিয়মানুগতা সম্পর্কে পরিতুষ্ট হইবার জন্য উক্ত আদালতের কোন মােকদ্দমার নথিপত্র তলব করতে ও তা পরীক্ষা করতে পারবেন, এবং অনুরূপ নথি তলবের সময় নির্দেশ দিতে পারবেন যে, নথিপত্রের পরীক্ষা সাপেক্ষে কোন দণ্ড কার্যকরিকরণ স্থগিত থাকবে এবং আসামি আটক থাকলে তাকে জামিনে বা তার নিজের দেয়া বন্ডে মুক্তি দিতে হবে।

ব্যাখ্যা- নির্বাহী অথবা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, যাই হউক, সকল ম্যাজিস্ট্রেট এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দায়রা জজের অধঃস্তন বলে গণ্য হবে।

১,৯৫৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি কে করতে পারে-
  1. যে কোন মহিলা পুলিশ
  2. শুধু মহিলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. শালীনতা বজায় রেখে কোন মহিলা
  4. শুধু মহিলা দেহ তল্লাশি অফিসার
সঠিক উত্তর:
শালীনতা বজায় রেখে কোন মহিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শালীনতা বজায় রেখে কোন মহিলা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১ ধারা মতে গ্রেফতারকারী অফিসার অথবা কোন বেসরকারি লোক গ্রেফতার করলে তিনি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যার নিকট অর্পণ করেন সেই পুলিশ অফিসার গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দেহ তল্লাশি করতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ব্যতীত তার নিকট যা পাওয়া যাবে, তা নিরাপদ হেফাজতে রাখতে পারবেন।
 
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় কোনো স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশির বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশি করাতে হবে।
 
অর্থাৎ শালীনতা বজায় রেখে যেকোনো মহিলা স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি করতে পারে।
--------------------
CrPC Section 51. Search of arrested persons:
Whenever a person is arrested by a police-officer under a warrant which does not provide for the taking of bail, or under a warrant which provides for the taking of bail but the person arrested cannot furnish bail, and
Whenever a person is arrested without warrant, or by a private person under a warrant, and cannot legally be admitted to bail, or is unable to furnish bail,
the officer making the arrest or, when the arrest is made by a private person, the police-officer to whom he makes over the person arrested, may search such person, and place in safe custody all articles, other than necessary wearing-apparel, found upon him.

CrPC Section 52. Mode of searching women:
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
১,৯৬০.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারার অধীন আপীল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য নিতে পারে বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের আদেশ দিতে পারে?
  1. ধারা ৪২৬
  2. ধারা ৪২৭
  3. ধারা ৪২৮
  4. ধারা ৪২৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২৮
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২৮ ধারার অধীন আপীল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য নিতে পারে বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের আদেশ দিতে পারে।
১,৯৬১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় সামরিক বাহিনীর সহায়তায় সমাবেশ ছত্রভঙ্গের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১২৮
  2. ধারা ১২৯
  3. ধারা ১৩০
  4. ধারা ১৩১
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৯
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২৯-এ বলা হয়েছে, যখন কোন বেআইনি সমাবেশ অন্য কোনো পদ্ধতিতে ছত্রভঙ্গ করা সম্ভব না হয় এবং জনসুরক্ষার জন্য তা ছত্রভঙ্গ করা প্রয়োজন, তখন সর্বোচ্চ পদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা মহানগর এলাকায় পুলিশ কমিশনার সামরিক বাহিনীর সাহায্যে সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করাতে পারেন। অর্থাৎ, এই ধারা সামরিক বাহিনীর সহায়তায় বেআইনি সমাবেশ ভাঙার ক্ষমতা সরবরাহ করে।
- এ কারণেই সামরিক বাহিনীর সহায়তায় সমাবেশ ছত্রভঙ্গের বিধান ধারা ১২৯-এ রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৯ ধারায় দেয়া আছে:
কোন বেআইনি সমাবেশ যদি অন্য কোনোভাবে ছত্রভঙ্গ করা না যায় এবং জন নিরাপত্তার জন্য যদি উহা ছত্রভঙ্গ করা দরকার মর্মে গণ্য হয়, সেক্ষেত্রে উপস্থিত সর্বোচ্চ পদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা মহানগরী এলাকা হলে, সেখানকার পুলিশ কমিশনার সামরিক শক্তির মাধ্যমে উহা ছত্রভঙ্গ করাতে পারবেন।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 129- Use of military force:
If any such assembly cannot be otherwise dispersed. and if it is necessary for the public security that it should be dispersed, the Executive Magistrate of the highest rank who is present or the Police Commissioner in a Metropolitan Area may cause it to be dispersed by military force.

১,৯৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের কোন কলামে দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তির বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. ২য়
  2. ৩য়
  3. ৫ম
  4. ৭ম
সঠিক উত্তর:
৭ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ম
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে, যা নিম্নরূপ-

-দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule)
১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ;
২য় কলাম- অপরাধ;
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ;
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা;
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য;
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা;
৭ম কলাম- দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি;
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
১,৯৬৩.
ম্যাজিস্ট্রেট কোন পরিস্থিতিতে কবর থেকে লাশ তুলে পরীক্ষা করাতে পারেন?
  1. যখন পুলিশ অনুরোধ করে
  2. যখন পরিবারের সদস্যরা অনুমতি দেয়
  3. মৃত্যুর কারণ আবিষ্কারের জন্য
  4. ধর্মীয় রীতি পালনের জন্য
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর কারণ আবিষ্কারের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর কারণ আবিষ্কারের জন্য
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তদন্ত:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।

(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা:
যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।

Section 176- Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.

(2) Power to disinter corpses-
Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
১,৯৬৪.
ধারা ৯২ অনুযায়ী, হাজিরার মুচলেকা ভঙ্গের কারণে পরোয়ানা জারি হয়, যদি:
  1. ব্যক্তি আদালতে উপস্থিত না হয়
  2. আদালত জামিন না দেয়
  3. যখন ব্যক্তির বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ দায়ের হয়
  4. ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হয়
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি আদালতে উপস্থিত না হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি আদালতে উপস্থিত না হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৯২: হাজিরার মুচলেকা ভঙ্গ করলে গ্রেফতার -
যখন কোনো ব্যক্তি, যাকে এই কোড অনুযায়ী আদালতের সামনে হাজির হওয়ার জন্য মুচলেকা নেওয়া হয়েছে, আদালতে উপস্থিত হয় না, তখন সেই আদালতে সভাপতিত্বকারী কর্মকর্তা একটি পরোয়ানা জারি করতে পারেন, যা নির্দেশ দিবে যে, ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে আদালতে উপস্থিত করানো হোক।

Section 92- Arrest by breach of bond for appearance:
When any person who is bound by any bond taken under this Code to appear before a Court, does not so appear, the officer presiding in such Court, may issue a warrant directing that such person be arrested and produced before him.
১,৯৬৫.
What kind of imprisonment is prescribed for failure to give security for keeping the peace?
  1. Life imprisonment
  2. Simple imprisonment
  3. Rigorous imprisonment
  4. No imprisonment is given
সঠিক উত্তর:
Simple imprisonment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Simple imprisonment
ব্যাখ্যা
Section 123(5)- Kind of imprisonment
Imprisonment for failure to give security for keeping the peace shall be simple. 


ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২৩(৫)- কারাদণ্ডের প্রকারঃ
শান্তিরক্ষার মুচলেকা প্রদান করতে না পারার দরুণ যে কারাদণ্ড হবে তা বিনাশ্রম হবে।
১,৯৬৬.
The Code of Criminal Procedure, 1898-এর ২৪৮ ধারা অনুসারে Complaint প্রত্যাহৃত হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি-
  1. মুক্তি পাবে।
  2. অব্যাহতি পাবে।
  3. খালাস পাবে।
  4. ডিসচার্জ পাবে।
সঠিক উত্তর:
খালাস পাবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস পাবে।
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ২৪৮ আনুযায় কোন মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে ফরিয়াদী যদি ম্যাজিষ্ট্রেটকে সম্ভষ্ট করতে পারেন যে, তাকে অভিযোগটি প্রত্যাহারের অনুমতি দেয়ার পর্যাপ্ত কারণ রয়েছে, তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট তাকে তা প্রত্যাহারের অনুমতি দিবেন এবং অতঃপর আসামীকে খালাস দিবেন।
১,৯৬৭.
ফৌজদারি মামলায় ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিয়ে,আইনজীবীর মাধ্যমে হাজির হবার অনুমতি- কোন ধারায় দেয়া হয়েছে?
  1. ৭৫ ধারায়
  2. ৯০ ধারায়
  3. ১৯০ ধারায়
  4. ২০৫ ধারায় 
সঠিক উত্তর:
২০৫ ধারায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৫ ধারায় 
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিতে পারেন (Magistrate may dispense with personal attendance of accused)-

(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।

(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতোপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।
১,৯৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ অনুযায়ী নালিশ প্রত্যাহার করতে কার অনুমতি নিতে হয়?
  1. পুলিশ অফিসার
  2. আদালতের রেজিস্ট্রার
  3. সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৮ ধারা অনুযায়ী অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতিতে নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 248: Withdrawal of complaint:
If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint, the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.
১,৯৬৯.
কোন স্থাবর সম্পত্তি দুই পক্ষের কারো দখলে নাই, আদালত কি করবে?
  1. যে কোন পক্ষকে দখল বুঝিয়ে দিবে
  2. উক্ত সম্পত্তি ক্রোক করবে
  3. সমভাবে বন্টন করে দিবে
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উক্ত সম্পত্তি ক্রোক করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত সম্পত্তি ক্রোক করবে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারা মতে জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন। 

অর্থাৎ কারো দখলে না থাকলে আদালত  সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।


♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা: ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিলনা, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেনঃ

শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটোর নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবেঃ

শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
১,৯৭০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ভবঘুরে, অভ্যাসগত দস্যু গ্রেফতারের বিধান রয়েছে?
  1. ৫৪
  2. ৫৫
  3. ৫৭
  4. ৫৯
সঠিক উত্তর:
৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫ ধারায় ভবঘুরে, অভ্যাসগত দস্যু, ডাকাত, গৃহভঙ্গকারী বা চোরকে গ্রেফতারের বিধান রয়েছে। ৫৫ ধারামতে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ভবঘুরে (vagabonds), অভ্যাসগত দস্যু (habitual robbers), ডাকাত, গৃহভঙ্গকারী বা চোরকে গ্রেফতার করতে পারবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫ ধারার বিধান ভবঘুরে, অভ্যাসগত দস্যু প্রভৃতি গ্রেফতার:
(১) থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার অনুরূপভাবে নিম্নে উল্লিখিথ ব্যক্তিদেরকে গ্রেফতার করতে বা গ্রেফতারের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন-

(ক) এরূপ থানার এলাকার মধ্যে কোন ব্যক্তি এ পরিস্থিতিতে নিজের উপস্থিতি গোপন রাখার লক্ষ্যে সাবধানতা গ্রহণ করতেছে, যদরুণ যৌক্তিকভাবে বিশ্বাস করা যেতে পারে যে, কোন আমলযোগ্য অপরাধ করার লক্ষ্যেই সে এরূপ সতর্কতা গ্রহণ করতেছে, অথবা

(খ) এরূপ থানার এলাকার মধ্যে কোন প্রকাশ্য জীবিকা নেই এরূপ কোন ব্যক্তিকে অথবা নিজের সম্পর্কে কোন সন্তোষজনক বিবরণ প্রদান করতে পারে না এরূপ কোন ব্যক্তিকে, অথবা

(গ) অভ্যাসগতভাবে ডাকাত, গৃহভংগকারী, বা চোর হিসাবে পরিচিত বা চোরাই হিসাবে অবগত হয়ে অভ্যাসগতভাবে চোরাই মাল গ্রহণ করার দুর্নাম আছে, এরূপ কোন ব্যক্তিকে অথবা অভ্যাসগতভাবে বলপূর্বক আদায় করে রূপে পরিচিত অভ্যাসগতভাবে বলপূর্বক গ্রহণের লক্ষ্যে অন্যকে আঘাতের ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে বা করার চেষ্টা করে।
----------------------------------
The Code of Criminal Procedure, Section 55. Arrest of vagabonds, habitual robbers, etc:
(1) Any officer in Charge of a police-station may, in like manner, arrest or cause to be arrested- 
(a) any person found taking precautions to conceal his presence within the limits of such station, under circumstances which afford reason to believe that he is taking such precautions with a view committing a cognizable offence; or 
(b) any person within the limits of such station who has no ostensible means of subsistence, or who cannot give a satisfactory account of himself; or 
(c) any person who is by repute an habitual robber, house-breaker or thief, or an habitual receiver of stolen property knowing it to be stolen, or who by repute habitually commits extortion or in order to the committing of extortion habitually puts or attempts to put persons in fear of injury.
১,৯৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার অধীন ফৌজদারি আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে?
  1. ৪২৩
  2. ৪২৫
  3. ৪২৭
  4. ৪২৮
সঠিক উত্তর:
৪২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৮
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার অধীন আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে বা বিচারকারী আদালতকে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার বিধান: আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন:
(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন ।
(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।
(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামী বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকবেন।
(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।
-------------------------
⇒ CrPC-Section 428- Appellate Court may take further evidence or direct it to be taken:
(1) In dealing with any appeal under this Chapter, the Appellate Court, if it thinks additional evidence to be necessary, shall record its reasons, and may either take such evidence itself, or direct it to be taken by a Magistrate, or, when the Appellate Court is High Court Division, by a Court of Session or a Magistrate. 
(2) When the additional evidence is taken by the Court of Session or the Magistrate, it or he shall certify such evidence to the Appellate Court, and such Court shall thereupon proceed to dispose of the appeal. 
(3) Unless the Appellate Court otherwise directs, the accused or his pleader shall be present when the additional evidence is taken. 
(4) The taking of evidence under this section shall be subject to the provisions of Chapter XXV, as if it were an inquiry.
১,৯৭২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় সাক্ষীকে আদালতে উপস্থিত করার দায়িত্ব পুলিশ অফিসারকে দেওয়া হয়েছে?
  1. 171(2)
  2. 173(3A)
  3. 172(2)
  4. 123
সঠিক উত্তর:
171(2)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
171(2)
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার বিধান: ফরিয়াদি এবং সাক্ষীগণকে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না:
(১) কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাবার পথে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না।
ফরিয়াদি ও সাক্ষীগণকে বাধা দেয়া যাবে না: অথবা অনাবশ্যক বাধা দেয়া যাবে না বা অসুবিধায় ফেলা যাবে না, বা তার নিজের মুচলেকা ছাড়া তার হাজিরের জন্য কোন জামানত দাবি করা যাবে না।
অবাধ্য ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে হেফাজতে পাঠানো যাবে: শর্ত থাকে যে, ধারা-১৭০ এ প্রদত্ত নির্দেশ অনুসারে কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষী হাজির হতে বা মুচলেকা সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে মুচলেকা সম্পাদন না করা বা মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে আটক রাখতে পারেন।
 
(২) উপধারা (১) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, মোকদ্দমার শুনানিকালে ফরিয়াদি বা সাক্ষী যেন আদালতে উপস্থিত থাকে তার সুনিশ্চিত বন্দোবস্ত করার দায়িত্ব পুলিশ কর্মকর্তার উপর ন্যস্ত হবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-171: Complainants and witnesses not to be required to accompany Police-Officer:
(1)] No complainant or witness on his way to the Court of the Magistrate shall be required to accompany a police-officer,
- Complainants and witnesses not to be subjected to restraint:
or shall be subjected to unnecessary restraint or incon-venience, or required to give any security for his appearance other than his own bond:
- Recusant complainant or witness may be forwarded in custody:
Provided that, if any complainant or witness refuses to attend or to execute a bond as directed in section 170, the officer in charge of the police-station may forward him in custody to the Magistrate, who may detain him in custody until he executes such bond, or until the hearing of the case is completed.
(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), it shall be the responsibility of the police-officer to ensure that the complainant or the witness appears before the Court at the time of hearing of the case.
১,৯৭৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯গ অনুসারে, সরকার কার সাথে পরামর্শ করে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে মৃত্যুদণ্ড ব্যতীত সকল অপরাধ বিচারের ক্ষমতা দান করতে পারে?
  1. আইন কমিশন
  2. অ্যাটর্নি জেনারেল
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (CrPC) এর ধারা ২৯গ (29C) তে বর্ণিত বিধান- মৃত্যুদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য নয় এমন অপরাধের বিচার:
- ২৯ ধারায় যা কিছুই থাকুক না কেন, সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে-
(ক) চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা কোনো অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট -কে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য নয় এমন সকল অপরাধের বিচার করার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারে;
(খ) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা যেকোনো প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে মৃত্যুদণ্ড বা দশ বছরের অধিক মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য নয় এমন সকল অপরাধের বিচার করার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ২৯গ এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, “Notwithstanding anything contained in section 29, the Government may in consultation with the High Court Division— (a) invest the Chief Metropolitan Magistrate, Chief Judicial Magistrate or any Additional Chief Judicial Magistrate with power to try as a Magistrate all offences not punishable with death;”
অর্থাৎ, সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শ করে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে মৃত্যুদণ্ড ব্যতীত সকল অপরাধ বিচারের ক্ষমতা দান করতে পারে।

১,৯৭৪.
কোনটি প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ ক্ষমতা নয়?
  1. দোষস্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করা
  2. কমিশন মারফত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা
  3. অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণে বাধ্য করার ক্ষমতা
  4. দণ্ডবিধিভুক্ত যে কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধিভুক্ত যে কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধিভুক্ত যে কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণ
ব্যাখ্যা
• প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দিষ্ট কিছু ক্ষমতা রয়েছে, তবে তারা সব ধরনের অপরাধ আমলে নিতে পারেন না। শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ার তাদের রয়েছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর: "ঘ) দণ্ডবিধিভুক্ত যে কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণ"।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩য় তফসিলে বর্ণিত প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ ক্ষমতাসমূহ- দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সকল সাধারণ ক্ষমতা এবং,
ধারা ৯৮- তদন্ত প্রসঙ্গে ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রে তল্লাশি পরোয়ানা জারির ক্ষমতা,
ধারা ৭৮- জমির মালিক, কৃষক প্রমুখের নিকট পরোয়ানা প্রেরণ করার নির্দেশ দানের ক্ষমতা,
ধারা ১০০- অন্যায়ভাবে আটক ব্যক্তিকে খুঁজে বাহির করার জন্য তল্লাশি পরোয়ানা জারির ক্ষমতা,  
ধারা ১২৬কজামিনদারকে রেহাই দেয়ার ক্ষমতা,

ধারা ১৮৬- দেশের বাহিরে সংঘটিত অপরাধের জন্য সমন বা পরোয়ানা জারির ক্ষমতা, 
ধারা ১৬৪- পুলিশ কর্তৃক অনুসন্ধানের সময়কালে বিবৃতি বা দোষস্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধকরণের ক্ষমতা,  
ধারা ২০৫গ- স্থানীয় অধিক্ষেত্রের দায়রা আদালতে মামলা প্রেরণ করার ক্ষমতা,
ধারা ২৪৯- ফরিয়াদি হাজির না থাকলে কার্যক্রম বন্ধ করার ক্ষমতা, 
ধারা ৩৩৭- নিজে মামলার তদন্ত করার সময় অপরাধের সাথে জড়িত ব্যক্তিকে ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতা, 

ধারা ৫০৩- কমিশন মারফত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা, 

ধারা ৫১৪,৫১৪ক- বাজেয়াপ্ত মুচলেকার অর্থ আদায়ের ক্ষমতা এবং নতুন জামানত দাবি করার ক্ষমতা, 
ধারা ৫৫২- অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণে বাধ্য করার ক্ষমতা,
ধারা ৫৬১- স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ধর্ষণের অপরাধ আমলে নেয়া এবং উক্ত অপরাধীকে বিচারের জন্য সোপর্দ করার ক্ষমতা,
ধারা ৫৬৫- পূর্বে দণ্ডিত অপরাধীদের ঠিকানা জানার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা।
১,৯৭৫.
একজন সাধারণ নাগরিক কাকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে?
  1. জামিনযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে
  2. আমলঅযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে
  3. আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে
  4. খ ও গ উভয় ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী যেকোনো বেসরকারি ব্যক্তি ২ ধরনের ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে
ক. জামিনঅযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ [Non bailable & Cognizable Offence] সংঘটনকারী ব্যক্তিকে,
খ. অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে [Proclaimed Offender].

• ৫৯ ধারা তে বলা আছে-
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

২) এরূপ ব্যক্তিকে ৫৪ ধারার বিধানের আওতাভুক্ত বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমলঅযোগ্য অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকার করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার কারণ ঘটে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধানানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার মত যথেষ্ট কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
১,৯৭৬.
What must be done when a charge is altered or added under Section 227(2) of The Code of Criminal Procedure, 1898?
  1. It must be signed by the judge
  2. It must be read and explained to the complainant
  3. It must be read and explained to the accused
  4. It must be reported to the police
সঠিক উত্তর:
It must be read and explained to the accused
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It must be read and explained to the accused
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 227: Court may alter charge-
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান-
অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
১,৯৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৪ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত জবানবন্দি-
  1. শুধুমাত্র ম্যাজিস্ট্রেট স্বাক্ষর করবেন
  2. শুধুমাত্র অভিযুক্ত স্বাক্ষর করবেন
  3. অভিযুক্ত ও ম্যাজিস্ট্রেট উভয়েই স্বাক্ষর করবেন
  4. তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ও ম্যাজিস্ট্রেট উভয়েই স্বাক্ষর করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ও ম্যাজিস্ট্রেট উভয়েই স্বাক্ষর করবেন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬৪- অভিযুক্তের জবানবন্দি যেভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতীত অন্য কোন আদালত, কোন অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রত্যেকটি প্রশ্ন ও তাঁর প্রদত্ত প্রত্যেকটি জবাবসহ সমগ্র , যে ভাষায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সে ভাষায় বা তা সম্ভব না হলে আদালতের ভাষায় কিংবা ইংরেজি ভাষায় পূর্ণাংগরূপে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং উক্ত নথি তাকে দেখাতে হবে বা পড়ে শুনাতে হবে অথবা যে ভাষায় তা লেখা হয়েছে ঐ সে বুঝতে না পারলে, যে ভাষা সে বুঝে ঐ ভাষায় তা তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে এবং সে তার জবাব ব্যাখা করতে বা তাতে জবাবে নতুন কিছু যোগ করতে পারবে।

(২) সে যখন সমগ্র জবানবন্দি সত্য হিসাবে স্বীকার করে, তখন অভিযুক্ত এবং উক্ত আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জাজ তাতে স্বাক্ষর করবেন এবং উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বহস্তে সার্টিফাই করবেন যে, জবানবন্দি তাঁর উপস্থিতিতে ও শ্রবণের মধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং নথিতে অভিযুক্তের বিবৃতির একটি পূর্ণাঙ্গ ও সত্য বিবরণ রয়েছে।

(৩) ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বয়ং অভিযুক্তের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ না করলে জবানবন্দি চলার সময় তিনি আদালতের ভাষায় বা ইংরেজীর সঙ্গে পর্যাপ্তভাবে পরিচিত হলে ইংরেজি ভাষায় তার একটি স্মারক তৈরী করতে থাকবেন এবং এরূপ স্মারক ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ কর্তৃক স্বহস্তে লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং নথির সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট বা জাজ যদি উক্ত স্মারক তৈরী করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে তিনি তাঁর এরূপ অসামর্থ্যের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৪) এই ধারার কোন বিধান ধারা-২৬৩ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে মর্মে পরিগণিত করা যাবে না।
১,৯৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট কোনো ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর জন্য লিখিত আদেশ দেন?
  1. ধারা ১০৬
  2. ধারা ১০৭
  3. ধারা ১১২
  4. ধারা ১১৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১২ এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, যখন কোনো ম্যাজিস্ট্রেট ধারা ১০৭, ১০৮, ১০৯ বা ১১০ এর অধীনে কোনো ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর জন্য নির্দেশ দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেন, তখন তিনি একটি লিখিত আদেশ জারি করবেন।
এই আদেশে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো উল্লেখ থাকবে:
- প্রাপ্ত তথ্যের সারাংশ।
- বন্ডের পরিমাণ।
- বন্ডের মেয়াদকাল।
- জামিনদারের (যদি থাকে) সংখ্যা, চরিত্র এবং শ্রেণি।
এই লিখিত আদেশের উদ্দেশ্য হলো ব্যক্তিকে জানানো যে তাকে কেন শান্তি রক্ষা বা ভালো আচরণের জন্য বন্ড স্বাক্ষর করতে হবে এবং তাকে তদন্তের জন্য আদালতে হাজির হতে হবে।
সুতরাং, কারণ দর্শানোর জন্য লিখিত আদেশ জারির বিষয়টি ধারা ১১২ এর অধীনে সুনির্দিষ্টভাবে বর্ণিত।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 112.Order to be made:
When a Magistrate acting under section 107, section 108, section 109 or section 110 deems it necessary to require any person to show cause under such section, he shall make an order in writing, setting forth the substance of the information received, the amount of the bond to be executed, the term for which it is to be in force, and the number, character and class of sureties (if any) required.

১,৯৭৯.
জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ কার অধঃস্তন হবেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের
  2. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের
  3. দায়রা জজের
  4. হাইকোর্ট বিভাগের
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধানঃ নির্বাহী, জুডিশিয়াল এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণের অধীনস্থকরণঃ (১) ১০ ধারায় ও ১২(১) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ হবেন; এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই কোডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সময়ে সময়ে বিশেষ আদেশ কর্তৃক তাঁর অধীন ম্যাজিস্ট্রেটগণের মধ্যে কাজকর্ম বন্টন করতে পারবেন ।

(২) ১১ ধারা ও ১২(৩) ধারা অনুযায়ী, নিযুক্ত সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৫ ধারা অনুসারে গঠিত সমস্ত বেঞ্চ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-এর অধীন হবেন; তাঁদের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুসারে প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন।

(৩) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১২(৫) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৯ ধারা অনুসারে গঠিত বেঞ্চসমূহ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন; অনুরূপ ম্যাজিস্ট্রেটগণের ও বেঞ্চসমূহের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুযায়ী প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন ।

(৪) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-সহ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ দায়রা জজ-এর অধীন হবেন এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ মহানগর দায়রা জজ-এর অধীন হবেন।

♦ অর্থাৎ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অধঃস্তন হবেন।

--------------------------
♦ Section 17(2) All Judicial Magistrates appointed under section 11 and 12 (3) and all Benches constituted under section 15 shall be subordinate to the Chief Judicial Magistrate who may, from time to time give special orders consistent with this Code and rules made by the Government under section 16 as to the distribution of business among Magistrates and Benches.
১,৯৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ কারাদণ্ড দিতে পারে-
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারার বিধান হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন: (১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

- অর্থাৎ  ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ ১০ বছররের  কারাদণ্ড দিতে পারবে।
-------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 31. Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass:
(1) The High Court Division] may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.
১,৯৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি কে করতে পারে?
  1. শালীনতা বজায় রেখে কোন মহিলা
  2. শুধু মহিলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. শুধু মহিলা দেহ তল্লাশী অফিসার
  4. যে কোন মহিলা পুলিশ
সঠিক উত্তর:
শালীনতা বজায় রেখে কোন মহিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শালীনতা বজায় রেখে কোন মহিলা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১ ধারা মতে গ্রেফতারকারী অফিসার অথবা কোন বেসরকারি লোক গ্রেফতার করলে তিনি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যার নিকট অর্পণ করেন সেই পুলিশ অফিসার গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দেহ তল্লাশী করতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ব্যতীত তার নিকট যা পাওয়া যাবে, তা নিরাপদ হেফাজতে রাখতে পারবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।

♦ অর্থাৎ শালীনতা বজায় রেখে যেকোন মহিলা স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি করতে পারে। 
১,৯৮২.
চার্জ গঠনে গুরুতর ভুলের ফলে যদি আসামি আত্মপক্ষ সমর্থনে বিভ্রান্ত হন, তাহলে আদালত-
  1. দণ্ড বৃদ্ধি করতে পারে
  2. মামলা খারিজ করে দিতে পারে
  3. পুনর্বিচারের নির্দেশ দিতে পারে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পুনর্বিচারের নির্দেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনর্বিচারের নির্দেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩২ ধারার বিধান চার্জে কৃত গুরতর ভুলের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
১) রিভিশন ক্ষমতা বা সপ্তবিংশ অধ্যায়ে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়ােগকালে আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, অভিযােগ গঠিত হওয়ায় কিংবা উহাতে ভুল থাকায় কোন অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তি তার আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যাপারে বিভ্রান্ত হয়েছে তা হলে উক্ত আদালত যেইরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেইরূপভাবে অভিযােগ গঠন করে নতুন বিচারের নির্দেশ দিবেন।

২) আদালত যদি মনে করেন যে,মােকদ্দমার ঘটনাবলী এইরূপ যে প্রমাণিত তথ্যাবলীর ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে কোন বৈধ অভিযােগ প্রণয়ন করা যাবে না,তা হলে দণ্ডাদেশ রদ করে দিবেন।
১,৯৮৩.
অভিযোগ (Complaint) খারিজ করা হয় ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুসারে?
  1. ২০১
  2. ২০২
  3. ২০৩
  4. ২০৪
সঠিক উত্তর:
২০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৩
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৩-এ বলা হয়েছে অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো কার্যক্রম নেওয়ার মতো কোনো কারণ না দেখলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগ ডিসমিস করতে পারবেন।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৩ নালিশ খারিজকরণঃ যার নিকট অভিযোগ করা হয়েছে, অথবা যার নিকট তা হস্তান্তর করা হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদী কর্তৃক শপথপূর্বক প্রদত্ত বিবৃতি (যদি থাকে) এবং ২০২ ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্তের ফলাফল (যদি থাকে) বিবেচনা করে অগ্রসর হওয়ার মত কোন কারণ না পেলে নালিশটি খারিজ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে সংক্ষেপে তিনি তার এরূপকরার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
♦ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নের ২ টি বিষয় বিবেচনা করে অগ্রসর হওয়ার কারণ না পেলে নালিশ খারিজ (dismiss) করতে পারেন:
১) ২০০ ধারায় প্রদত্ত অভিযোগকারীর বিবৃতি এবং ২)  ২০২ ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্তের ফলাফল।
প্রতিকার-২০৩ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগ বা নালিশ খারিজের আদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায়।
১,৯৮৪.
ধারা ৫৫৮ অনুযায়ী আদালতের ভাষা নির্ধারণ করে কে?
  1. সরকার
  2. হাইকোর্ট ডিভিশন
  3. বিচারিক আদালত
  4. এখতিয়ারাধীন দায়রা আদালত
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা:
এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 558- Power to decide language of Courts:
The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.

১,৯৮৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারা কী সম্পর্কে?
  1. গ্রেফতারি পরোয়ানার ক্ষমতা
  2. জামিন মঞ্জুর করার ক্ষমতা
  3. বিচার প্রক্রিয়া স্থগিত করার ক্ষমতা
  4. অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
জামিন মঞ্জুর করার ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিন মঞ্জুর করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৮ হলো: "Power to direct admission to bail or reduction of bail", অর্থাৎ "জামিন মঞ্জুর করার বা জামিনের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা"।
⇒ এই ধারায় বলা হয়েছে: 
- জামিনের অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে মামলার পরিস্থিতি বিবেচনা করে, এবং সেটি অত্যধিক হওয়া উচিত নয়।
- হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোনো ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করতে পারেন, সেটি সাজা হওয়ার পর আপিল থাকুক বা না থাকুক।
- তারা চাইলে পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নির্ধারিত জামিনের পরিমাণও হ্রাস করার আদেশ দিতে পারেন।
সুতরাং, এই ধারা সরাসরি জামিন মঞ্জুর করার এবং জামিনের শর্ত হ্রাস করার ক্ষমতা সম্পর্কিত।
অন্য কোন বিষয় যেমন গ্রেফতারি পরোয়ানা, বিচার স্থগিত , কিংবা অব্যাহতি- এই ধারা তার সাথে সম্পর্কিত নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান: জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা:
- (১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বন্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপিল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবিকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail:
- The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.

১,৯৮৬.
পাবলিক প্রসিকিউটর মামলার প্রত্যাহারের জন্য কার অনুমতি নিবে?
  1. সরকারের
  2. অভিযুক্তের
  3. আদালতের
  4. অভিযোগকারির
সঠিক উত্তর:
আদালতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৯৪: মামলা প্রত্যাহারের ফল:

পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।

Section 494: Effect of withdrawal from prosecution:
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
১,৯৮৭.
কোন স্ত্রীলোককে বেআইনীভাবে আটক রাখা হলে, তাকে অভিভাবকের নিকট প্রত্যর্পণের আদেশ কে দিতে পারেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ২য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫২: অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণে বাধ্য করার ক্ষমতা

মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট কোন স্ত্রীলোক অথবা ১৬ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে অপহরণ বা বে-আইনীভাবে আটক রাখার নালিশ করা হলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সেই স্ত্রীলোককে বা গ্রাহককে অবিলম্বে তার স্বামী, মাতা-পিতা, অথবা তার আইন সংগত অভিভাবকের নিকট প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারবেন।

Section 552- Power to compel restoration of abducted females
Upon complaint made to a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class or District Magistrate on oath of the abduction or unlawful detention of woman, or of a female child under the age of sixteen years, for any unlawful purpose, he may make an order for the immediate restoration of such woman to her liberty, or of such female child to her husband, parent, guardian or other person having the lawful charge of such child, and may compel compliance with such order, using such force as may be necessary.
১,৯৮৮.
অভিযোগকারী একজন সরকারি কর্মকর্তা (public servant) হন এবং তার ব্যক্তিগত হাজিরা বাধ্যতামূলক না হয়, তাহলে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৭ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট-
  1. তাকে প্রতিনিধির মাধ্যমে হওয়ার জন্য নির্দেশ দিবে
  2. তার মামলা বাতিল করবেন
  3. তার উপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন
  4. তার মামলার শুনানি অন্য কোনো দিনে মুলতবি করবে
সঠিক উত্তর:
তার উপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার উপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন
ব্যাখ্যা

ধারা ২৪৭ – অভিযোগকারীর অনুপস্থিতি:
যদি কোনো মামলা অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের করা হয়, এবং নির্ধারিত দিনে বা পরে কোনো দিন (যে দিনে শুনানি মুলতবি করা হতে পারে) অভিযুক্তের উপস্থিতির জন্য, অভিযোগকারী হাজির না হন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেটকে নিম্নরূপ কাজ করতে হবে:

ম্যাজিস্ট্রেট, এতে পূর্বে যা কিছু বিধান অন্তর্ভুক্ত থাকুক না কেন, অভিযুক্তকে খালাস দেবেন, শুধুমাত্র তখনই ব্যতিক্রম ঘটবে যখন ম্যাজিস্ট্রেট মনে করবেন শুনানি অন্য কোনো দিনে মুলতবি করা উপযুক্ত।

শর্ত:
যদি অভিযোগকারী একজন সরকারি কর্মকর্তা (public servant) হন এবং তার ব্যক্তিগত হাজিরি বাধ্যতামূলক না হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন এবং মামলাটি চালিয়ে যেতে পারেন।

১,৯৮৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০ ধারা অনুসারে কোনো দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে মামলা আমলে নেবার ক্ষমতা কে অর্পণ করতে পারেন?
  1. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দায়রা জজ 
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  4. যুগ্ম দায়রা জজ
সঠিক উত্তর:
চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে।কোন কোন ম্যাজিস্ট্রেট,কোন কোন ক্ষেত্রে অপরাধ আমলে নিতে পারে সেই সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• এই ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ অপরাধ আমলে নিতে পারে-

-মহানগর এলাকায়

১. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
২. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট

-মহানগর এলাকার বাইরে

১. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
২. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট অথবা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেট

• ধারা ১৯০(২) অনুসারে, সরকার এবং এই আদেশ হাইকোর্ট ডিভিশন কর্তৃক প্রদেয় কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশের প্রেক্ষিতে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেসব অপরাধ বিচার করতে বা বিচারার্থে পাঠাতে পারেন, সেসব অপরাধ যেকোন দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে বিচারার্থ গ্রহণ করতে ক্ষমতায়ন করতে পারেন।
১,৯৯০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে?
  1. ২০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার (Contempt of Court) শাস্তি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি-
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
 ----------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-480: Procedure in certain cases of contempt-
When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid. 
১,৯৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, ভুল দায়রা বিভাগ বা জেলায় বিচার হলেও তা বাতিল হবে না, যদি না ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা ঘটে?
  1. ধারা ৫২৯
  2. ধারা ৫৩০
  3. ধারা ৫৩১
  4. ধারা ৫৩৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩১
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৩১ অনুযায়ী: কোনো ফৌজদারি আদালতের রায়, আদেশ বা দণ্ড শুধুমাত্র এই কারণে বাতিল হবে না যে বিচার বা তদন্ত ভুল দায়রা বিভাগ, জেলা বা স্থানীয় এলাকায় হয়েছে।
তবে, যদি প্রমাণিত হয় যে এই ভুলের কারণে ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা (failure of justice) ঘটেছে, তখনই তা বাতিল হতে পারে।

অর্থাৎ কোনো ফৌজদারি আদালতের রায়, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র এই কারণে বাতিল করা হবে না যে তদন্ত, বিচার বা কার্যক্রম ভুল দায়রা বিভাগ, জেলা বা স্থানীয় এলাকায় হয়েছে যতক্ষণ না এই ভুল প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা (failure of justice) ঘটায়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 531. Proceedings in wrong place:
No finding, sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.

১,৯৯২.
The Code of Criminal Procedure, 1898-এর কোন ধারায় Power to issue directions of the nature of a habeas corpus বর্ণিত হয়েছে?
  1. ৪১৭ ক
  2. ৪৯১
  3. ৪০২
  4. ৪০৩
সঠিক উত্তর:
৪৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯১
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯১ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ দিতে পারে।
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯১ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ direction of the nature of a habeas corpus ইস্যু করতে পারে। যখন কোন ব্যক্তিকে বেআইনীভাব আটক করা হয়, তখন বন্দী হাজির রিট [ writ of habeas corpus] পিটিশন দায়ের করা যায়। যে কোন ব্যক্তি বন্দী হাজির রিট দায়ের করতে পারবে। বন্দী হাজির অর্থ হলো বন্দীকে আদালতে হাজির করা।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধানঃ (১) হাইকোর্ট বিভাগ যখনই উপযুক্ত মনে করেন, তখন নির্দেশ দিতে পারবেন যে,
ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইনানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হোক;
খ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনীভাবে বা অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী দিবার জন্য উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক;
ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের নিকট হাজির করা হোক;
ঙ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং
চ) বাদ দেয়া হয়েছে।
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীমকোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান বলবৎ কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের প্রতি প্রযোজ্য নহে।

অর্থাৎ ৪৯১ ধারামতে হাইকোর্ট বিভাগ নিম্নলিখিত হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির আদেশ প্রদান করতে পারে, যথা
i) আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করতে।
ii) বেআইনী বা অযৌক্তিকভাবে সরকারি বা বেসরকারী হেফাজতে আটক ব্যক্তির মুক্তিত
iii) জেলখানা বা কারাগারে আটক কোন ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দী দেয়ার জন্য আদালতে হাজির করতে
iv) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের নিকট বিচার বা সাক্ষাৎ দেয়ার জন্য হাজির;
v) এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে বিচারের জন্য কোন বন্দিকে স্থানান্তর।

DIRECTIONS OF THE NATURE OF A Habeas Corpus
Section 491. Power to issue directions of the nature of a habeas corpus
(1) The High Court Division may, whenever it thinks fit, direct:-
(a) that a person within the limits of its appellate criminal jurisdiction be brought up before the Court to be dealt with according to law;
(b) that a person illegally or improperly detained in public or private custody with such limits be set at liberty;
(c) that a prisoner detained in any jail situate within such limits be brought before the Court to be there examined as a witness in any matter pending or to be inquired into in such Court;
(d) that a prisoner detained as aforesaid be brought before a Court-martial or any Commissioners for trial or to be examined touching any matter pending before such Court-martial or Commissioners respectively;
(e) that a prisoner within such limits be removed from one custody to another for the purpose of trial ; and
(2) The [Supreme Court] may, from time to time, frame rules to regulate the procedure in cases under this section.
(3) Nothing in this section applies to persons detained under any law for the time being in force providing for preventive detention.
১,৯৯৩.
সরকার কার অনুমোদন নিয়ে চিফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেটকে তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ থেকে কোনো মামলা প্রত্যাহারের ক্ষমতা প্রদান করতে পারে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মহানগর দায়রা জজ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৮(৩):
সরকার হাইকোর্ট বিভাগের (High Court Division)-এর অনুমোদন নিয়ে চিফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে
তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ থেকে কোনো মামলা বা কোনো নির্দিষ্ট ধরনের মামলা প্রত্যাহারের ক্ষমতা প্রদান করতে পারে।

১,৯৯৪.
হাইকোর্ট ডিভিশনের রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোন শর্ত পূরণ না হলে আসামির বিরুদ্ধে আদেশ দেওয়া যাবে না?
  1. মামলার তদন্ত শেষ না হলে
  2. আসামি জামিনে থাকলে
  3. সাক্ষী অনুপস্থিত থাকলে
  4. আসামি আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না পেলে
সঠিক উত্তর:
আসামি আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না পেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামি আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না পেলে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ ধারা – হাইকোর্ট ডিভিশনের রিভিশনের ক্ষমতা:
(১) হাইকোর্ট ডিভিশন, নিজে যে মামলার নথি তলব করেছে, বা যা আদেশের জন্য প্রেরিত হয়েছে, বা যা অন্য কোনওভাবে হাইকোর্ট ডিভিশনের গোচরীভূত হয়েছে—সেই মামলার ক্ষেত্রে, হাইকোর্ট ডিভিশন বিচারিক ক্ষমতাবলে ধারা ৪২৩, ৪২৬, ৪২৭ ও ৪২৮ এ আপীল আদালতকে অথবা ধারা ৪৩৮-এ কোনো আদালতকে প্রদত্ত ক্ষমতার যেকোনোটি প্রয়োগ করতে পারবে এবং দণ্ড বৃদ্ধি করতে পারবে। আর, রিভিশনে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের বিচারকেরা যদি তাঁদের অভিমতে সমানভাবে বিভক্ত হন, তাহলে মামলাটি ধারা ৪২৯ এ উল্লিখিত পদ্ধতিতে নিষ্পত্তি করতে হবে।

(২) আসামি যদি আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না পায়- নিজে বা অ্যাডভোকেটের মাধ্যমে- তাহলে এই ধারা অনুসারে তার বিরুদ্ধে কোনো আদেশ দেওয়া যাবে না।

(৩) এই ধারায় সংশ্লিষ্ট দণ্ড যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদান করা হয়ে থাকে এবং আদালত মনে করেন যে আসামি উক্ত অপরাধ সংঘটন করেছে, তবে সেই অপরাধের জন্য কোনো মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট যে দণ্ড দিতে পারতেন, আদালত তার চেয়ে অধিক দণ্ড দিতে পারবে না।

(৪) এই ধারায় এমন কিছু নেই যা থেকে ধারণা করা যায় যে হাইকোর্ট ডিভিশন খালাসের অভিমতকে দণ্ডের অভিমতে রূপান্তর করতে পারবে অথবা দায়রা জজ কর্তৃক ধারা ৪৩৯ক এর অধীন প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশনে কার্যক্রম গ্রহণ করতে পারবে।

(৫) যে ক্ষেত্রে এই বিধির অধীন আপীল করা যায়, কিন্তু আপীল দায়ের করা হয়নি—সেই ক্ষেত্রে যে পক্ষ আপীল দায়ের করতে পারত, সেই পক্ষের প্রচেষ্টায় রিভিশনের মাধ্যমে কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না।

(৬) এই ধারায় যাই বলা থাকুক না কেন, যদি দণ্ডিত ব্যক্তিকে তার দণ্ড কেন বৃদ্ধি করা হবে না, সেই সম্পর্কে উপধারা (২) অনুযায়ী কারণ দর্শানোর সুযোগ দেওয়া হয়, তবে সে তার দণ্ডের বিরুদ্ধেও কারণ দর্শাতে অধিকারী হবে।
১,৯৯৫.
লিখিত নালিশ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করা হলে, ম্যাজিস্ট্রেট কী করবেন?
  1. নালিশ বাতিল করবেন
  2. উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশ ফেরত দিবেন
  3. নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন
  4. নালিশ গ্রহণ করবেন এবং তদন্ত শুরু করবেন
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশ ফেরত দিবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশ ফেরত দিবেন
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১[Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case]- এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে।

লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে-
আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়,তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।

মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে-
যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করা হয়,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।

(Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case)-
(1) If the complaint has been made in writing to a Magistrate who is not competent to take cognizance of the case,he shall return the complaint for presentation to the proper Court with an endorsement to that effect. 
(2) If the complaint has not been made in writing,such Magistrate shall direct the complainant to the proper Court.

১,৯৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি,১৮৯৮ এর ৫৩৯খ ধারার বিধান কোন বিষয় সম্পর্কিত?
  1. Local inquiry
  2. Local inspection
  3. Forfeiture of property relating to offence
  4. Commission as to attendance of witness
সঠিক উত্তর:
Local inspection
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Local inspection
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন-
 
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।
 
২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।
 
Section 539B: Local inspection-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.
 
(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:
১,৯৯৭.
খুনের মামলায় রিনা বেগম মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত হয়। পরবর্তীতে মেডিক্যাল পরীক্ষায় জানা গেলো যে, সে গর্ভবতী। এক্ষেত্রে-
  1. বিচারিক আদালত বিচার বাতিল করতে পারে
  2. হাইকোর্ট বিভাগ সাজা হ্রাস করতে পারে
  3. বিচারিক আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ সাজা হ্রাস করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ সাজা হ্রাস করতে পারে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারা-
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে, হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
 
Section 382- Postponement of capital sentence on pregnant woman-
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.
১,৯৯৮.
বর্তমানে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৫৪ ধারায় পুলিশ কয়টি পরিস্থিতিতে ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করতে পারে?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ) ১১টি পরিস্থিতিতে।

Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৫৪- "কখন পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেপ্তার করতে পারে" (When police may arrest without warrant):

(১) যেকোনো পুলিশ অফিসার ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং ওয়ারেন্ট ছাড়াই নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে পারেন:

প্রথমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি একজন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে একটি আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) করেন; 

দ্বিতীয়ত, যে কোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ করা হয়েছে, বা বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে, বা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ বিদ্যমান যে তিনি এমন একটি আমলযোগ্য অপরাধ করেছেন যা সাত বছরের কম মেয়াদের বা সাত বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে, জরিমানা সহ বা ছাড়া, যদি নিম্নলিখিত শর্তগুলি পূরণ হয়, যথা:-
(i) পুলিশ অফিসারের কাছে এই ধরনের অভিযোগ, তথ্য বা সন্দেহের ভিত্তিতে বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে ওই ব্যক্তি উল্লিখিত অপরাধ করেছেন; এবং

(ii) পুলিশ অফিসার সন্তুষ্ট হন যে এই ধরনের গ্রেপ্তার করা নিম্নলিখিত কারণে প্রয়োজনীয়:
(ক) ওই ব্যক্তিকে ভবিষ্যতে কোনো অপরাধ করা থেকে বিরত রাখা; বা
(খ) অপরাধের যথাযথ তদন্তের জন্য; বা
(গ) ওই ব্যক্তিকে অপরাধের প্রমাণ অদৃশ্য করা বা কোনোভাবে সেই প্রমাণ নষ্ট করা থেকে বিরত রাখা; বা
(ঘ) ওই ব্যক্তিকে মামলার ঘটনা সম্পর্কে পরিচিত কোনো ব্যক্তিকে প্ররোচনা, হুমকি বা প্রতিশ্রুতি দেওয়া থেকে বিরত রাখা, যাতে তিনি আদালতে বা পুলিশ অফিসারের কাছে সেই ঘটনা প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকেন; বা
(ঙ) যেহেতু ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার না করলে, যখনই প্রয়োজন হবে তখন আদালতে তার উপস্থিতি নিশ্চিত করা যাবে না; এবং পুলিশ অফিসার এই ধরনের গ্রেপ্তার করার সময় তার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, যে সকল ক্ষেত্রে এই উপ-ধারার বিধানাবলী অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার প্রয়োজন হয় না, সেখানে পুলিশ অফিসার গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন;

তৃতীয়ত, যে কোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে যে তিনি এমন একটি আমলযোগ্য অপরাধ করেছেন যা সাত বছরের বেশি মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে, জরিমানা সহ বা ছাড়া, বা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় এবং পুলিশ অফিসারের কাছে সেই তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে ওই ব্যক্তি উল্লিখিত অপরাধ করেছেন;

চতুর্থত, যে কোনো ব্যক্তি যার দখলে বৈধ অজুহাত ব্যতীত, যে অজুহাত প্রমাণের ভার তার উপর বর্তাবে, ঘর ভাঙার কোনো সরঞ্জাম থাকে;

পঞ্চমত, যে কোনো ব্যক্তি যাকে এই কোডের অধীনে বা সরকারের আদেশ দ্বারা অপরাধী হিসাবে ঘোষিত করা হয়েছে;

ষষ্ঠত, যে কোনো ব্যক্তি যার দখলে এমন কিছু পাওয়া যায় যা যুক্তিসঙ্গতভাবে চুরি করা সম্পত্তি বলে সন্দেহ করা যেতে পারে এবং যাকে যুক্তিসঙ্গতভাবে সেই জিনিস সম্পর্কিত অপরাধ করার জন্য সন্দেহ করা যেতে পারে;

সপ্তমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি একজন পুলিশ অফিসারকে তার দায়িত্ব পালনে বাধা দেন, বা যিনি আইনানুগ হেফাজত থেকে পালিয়েছেন বা পালানোর চেষ্টা করছেন;

অষ্টমত, যে কোনো ব্যক্তি যাকে যুক্তিসঙ্গতভাবে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর একজন পলাতক সৈনিক বলে সন্দেহ করা হয়;

নবমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি বাংলাদেশের বাইরের কোনো স্থানে সংঘটিত কোনো কাজের সাথে জড়িত ছিলেন, বা যার বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ করা হয়েছে বা বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে বা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ বিদ্যমান যে তিনি এমন কোনো কাজের সাথে জড়িত ছিলেন, যা বাংলাদেশে সংঘটিত হলে অপরাধ হিসাবে শাস্তিযোগ্য হতো, এবং যার জন্য তিনি কোনো প্রত্যর্পণ আইন (extradition law) বা অন্য কোনো আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে গ্রেপ্তার বা আটক হওয়ার যোগ্য;

দশমত, কোনো মুক্ত দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি যিনি ৫৬৫ ধারার উপ-ধারা (৩) এর অধীনে প্রণীত কোনো বিধি লঙ্ঘন করেন;

একাদশত, যে কোনো ব্যক্তি যার গ্রেপ্তারের জন্য অন্য একজন পুলিশ অফিসারের কাছ থেকে চাহিদা (requisition) পাওয়া গেছে, যদি ওই চাহিদা পত্রে গ্রেপ্তারযোগ্য ব্যক্তির বিবরণ এবং যে অপরাধ বা অন্য কারণে গ্রেপ্তার করতে হবে তা নির্দিষ্ট করা থাকে এবং তা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, যে অফিসার চাহিদা পত্রটি জারি করেছেন তিনি ওয়ারেন্ট ছাড়াই আইনত ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারতেন। 

(২) কোনো পুলিশ অফিসার এই ধারার অধীনে কোনো ব্যক্তিকে প্রতিরোধমূলক আটকের (preventive detention) বিধানকারী কোনো আইনের অধীনে আটক করার উদ্দেশ্যে গ্রেপ্তার করবেন না।

১,৯৯৯.
কেস ডায়েরী কে তৈরী করেন?
  1. আমলী আদালত
  2. তদন্ত কর্মকর্তা
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. বিচারিক আদালত
সঠিক উত্তর:
তদন্ত কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির  ১৭২ ধারা অনুযায়ী, প্রতিদিনের তদন্তের অগ্রগিত পুলিশ যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করেন তাকে পুলিশ ডায়েরী বলা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা বা পুলিশ ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করেন- প্রতিদিনের তদন্তের অগ্রগিত, কখন তদন্ত আরম্ভ ও শেষ করলেন, কোন স্থান পরিদর্শন করেছেন ইত্যাদি সহ তদন্ত সংক্রান্ত কার্যক্রম।
২,০০০.
ক্রোককৃত সম্পত্তির ওপর অভিযুক্ত ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কেউ কত দিনের মধ্যে আপত্তি জানাতে পারবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৬ক) ধারা মতে,
যদি কারো সম্পত্তি ক্রোক করা হয় এবং সেই সম্পত্তির ওপর কারো দাবি বা আপত্তি থাকে (যিনি অভিযুক্ত ব্যক্তি নন), তাহলে তিনি সেই দাবি বা আপত্তি ক্রোকের ছয় মাসের মধ্যে জানাতে পারবেন। যদি তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে তার সম্পত্তির ওপর অধিকার আছে এবং সেটি ক্রোক করা উচিত নয়, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করা হবে। তদন্তের পর দাবি বা আপত্তি পুরোপুরি বা আংশিকভাবে গ্রহণ বা বাতিল করা যেতে পারে।

শর্ত: যদি দাবিকারী বা আপত্তিকারী মারা যান, তাহলে তার উত্তরাধিকারী সেই দাবি বা আপত্তি চালিয়ে যেতে পারবেন।